প্রশ্নের বর্ণনা

a বিষ্ণু দে
b কাজী নজরুল ইসলাম
c বুদ্ধদেব বসু
d হুমায়ুন কবির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুদ্ধদেব বসু ১. কেন সঠিক: - ‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু এবং এটি আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা। - এই পত্রিকাটি ১৯৩৫ সালের অক্টোবর মাসে (বাংলা ১৩৪২ সালের কার্তিক) কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং আধুনিকতার প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বুদ্ধদেব বসু ছিলেন বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সমালোচক। - ‘কবিতা’ পত্রিকার মাধ্যমে তিনি জীবনানন্দ দাশ, সুধীন দত্ত, অমিয় চক্রবর্তী ও বিষ্ণু দে প্রমুখ আধুনিক কবিদের লেখা প্রকাশ করে বাংলা কবিতায় নতুন ধারা সৃষ্টি করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বুদ্ধদেব বসু রচিত ‘বন্দির বন্দনা’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ যা ত্রিশের দশকের আধুনিক মনন ও আবেগের প্রকাশ ঘটিয়েছে। উদাহরণ ২: বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত ‘কবিতা’ পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যজগতে দীর্ঘকাল ধরে আধুনিক কবিতার মুখপত্র হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিষ্ণু দে — তিনি ত্রিশের দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি ও ‘কবিতা’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এর সম্পাদক ছিলেন না। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বিদ্রোহী কবি এবং ‘লাঙল’ ও ‘ধূমকেতু’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, ‘কবিতা’ পত্রিকার নয়। C) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। D) হুমায়ুন কবির — তিনি একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, রাজনীতিবিদ ও সাহিত্যিক হলেও ‘কবিতা’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিক কবিতার বিকাশ ও বুদ্ধদেব বসু সমার্থক, তাই আধুনিক কবিতার প্রধান পত্রিকা ‘কবিতা’-র সম্পাদক হিসেবে বুদ্ধদেব বসুর নাম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশের সন প্রায়ই আসে। - একই সঙ্গে প্রমথ চৌধুরীর ‘সবুজপত্র’ বা মোহিতলাল মজুমদারের ‘কল্লোল’ পত্রিকার সম্পাদকের নামও মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0