প্রশ্নের বর্ণনা

a তফাজ্জল হোসেন
b ফজল শাহাবুদ্দীন
c আবদুল কাদির
d মোজাম্মেল হক
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফজল শাহাবুদ্দীন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন। ফজল শাহাবুদ্দীন একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশি কবি ও সাংবাদিক যিনি ‘কবিকণ্ঠ’ পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - এই পত্রিকাটি সাহিত্য অঙ্গনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি সাহিত্যিক পরিমণ্ডলে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ফজল শাহাবুদ্দীন বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার ধারার একজন বিশিষ্ট কবি। তার কবিতায় মূলত প্রকৃতি, নিঃসঙ্গতা ও মানবজীবনের গভীর উপলব্ধির প্রকাশ ঘটেছে। - তিনি বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে তরুণ কবিদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করতেন এবং দেশের সাহিত্য আন্দোলনকে গতিশীল করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফজল শাহাবুদ্দীন সম্পাদিত ‘কবিকণ্ঠ’ পত্রিকা। ব্যাখ্যা: এটি তার সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি প্রখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা যা কবি ও লেখকদের লেখা প্রকাশে প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল। উদাহরণ ২: ফজল শাহাবুদীঞ্জের কাব্যগ্রন্থ ‘চোখ ঢেকে দেয় আলো’। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম সেরা একটি সাহিত্যকর্ম যা তার কাব্যপ্রতিভার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তফাজ্জল হোসেন — তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদক, তবে ‘কবিকণ্ঠ’ পত্রিকার সম্পাদক তিনি ছিলেন না। B) ফজল শাহাবুদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই পত্রিকার সফল সম্পাদক ছিলেন। C) আবদুল কাদির — আবদুল কাদির একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। D) মোজাম্মেল হক — মোজাম্মেল হক একজন সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হলেও তিনি ‘কবিকণ্ঠ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফজল শাহাবুদ্দীন নামটি মনে রাখতে পারো ‘কবিকণ্ঠ’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে। এভাবে মনে রাখবে, ফজল শাহাবুদ্দীনের কণ্ঠ সবসময় কবিতার পক্ষে ছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত সাহিত্যিকদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম প্রায়ই আসে। - পত্রিকার নাম দেখেই সম্পাদকের নাম মেলানোর প্রস্তুতি নিয়ে রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0