প্রশ্নের বর্ণনা

a ঊনসত্তরের গণ - অভ্যুত্থান
b বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
c বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন
d একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ১. কেন সঠিক: - ‘কবর’ নাটকটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত হয়েছে, যা তৎকালীন বাঙালি জাতির ভাষা সংগ্রামের এক অনন্য দলিল। - নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং তাদের স্মৃতির প্রতি বাঙালির চিরন্তন শ্রদ্ধা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘কবর’ নাটকের রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার ও সাহিত্যিক মুনীর চৌধুরী, যিনি নিজেই ভাষা আন্দোলনের সময় কারাবন্দী ছিলেন। - ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় তিনি এই নাটকটি রচনা করেন এবং কারাগারেই এটি প্রথম মঞ্চস্থ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জহির রায়হানের ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটিও ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য উপন্যাস। উদাহরণ ২: শওকত ওসমানের ‘স্মৃতি মিনার’ গল্প ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যিক কর্মটিতেও বাহান্নর ভাষা আন্দোলন এবং শহীদের স্মৃতির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঊনসত্তরের গণ - অভ্যুত্থান — এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটভূমিতে মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ নাটকটি রচিত হয়নি। B) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের মূল ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন — এই ছাত্র আন্দোলনের পটভূমিতে নাটকটি লেখা হয়নি কারণ এটি বায়ান্নর অব্যবহিত পরে রচিত। D) একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ — মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক এটি নয়, কারণ নাটকটির রচনার সাল ১৯৭১ সালের অনেক পূর্বে অর্থাৎ ১৯৫৩ সাল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুনীর চৌধুরী কারাগারে বসে ভাষা আন্দোলনের ওপর নাটক লিখেছিলেন, তাই কারাগারের ‘কবর’ এবং বাহান্নর ভাষা আন্দোলন একত্রে মনে রাখবে। - ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্যিক প্রতিবাদ হিসেবে এই নাটকের নাম সবার আগে স্মরণ করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ‘কবর’ নাটকটির রচয়িতা এবং রচনার স্থান সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে, নাটকটি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে রচিত ও প্রথম অভিনীত হয়েছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0