প্রশ্নের বর্ণনা

a নবীন চন্দ্র সেন
b মধুসূদন দত্ত
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d রামমোহন রায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস। - উপন্যাসটির মূল চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার। বনবাসীর আশ্রয়ে লালিত কপালকুণ্ডলার রহস্যময় জীবন ও তার পরিণতি এই উপন্যাসের মূল বিষয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক। ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণকারী এই লেখক বাংলা গদ্যের বিকাশে অসামান্য অবদান রাখেন। - ‘কপালকুণ্ডলা’ ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস। এর বিখ্যাত একটি সাহিত্যিক উদ্ধৃতি হলো, পথহারিণী, তুমি কার? ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’। ব্যাখ্যা: ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে সার্থক উপন্যাসের যুগ শুরু হয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সামাজিক উপন্যাস ‘বিষবৃক্ষ’। ব্যাখ্যা: ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের বিবাহবহির্ভূত প্রেম ও তার পরিণতি চিত্রিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবীন চন্দ্র সেন — ইনি একজন প্রখ্যাত মহাকাব্যিক ও রোমান্টিক কবি ছিলেন। ‘পলাশীর যুদ্ধ’ ও ‘রৈবতক’ তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো উপন্যাস নয়। B) মধুসূদন দত্ত — ইনি বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক এবং নাট্যকার ও কবি। ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ তাঁর অমর সৃষ্টি, তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁর বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। D) রামমোহন রায় — ইনি আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ ও সমাজসংস্কারক। বেদান্তসার ও গৌড়ীয় ব্যাকরণ তাঁর রচনা, কোনো উপন্যাস বা সাহিত্যকর্ম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের ঐতিহাসিক উপন্যাসের বাইরে একটি অন্যতম রোমান্টিক সৃষ্টি হলো কপালকুণ্ডলা। বঙ্কিম মানেই উপন্যাসের সম্রাট এবং তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাসই কপালকুণ্ডলা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলোর প্রকাশকাল ও চরিত্রের নাম প্রায়ই আসে। - লেখকভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য লেখকের প্রথম রচনা, বিখ্যাত চরিত্র এবং উপন্যাসের ধরণ আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0