প্রশ্নের বর্ণনা

a নিমন্ত্রণ
b পল্লিবর্ষা
c কবর
d রাখালী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কবর ১. কেন সঠিক: পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতার একটি অত্যন্ত আবেগঘন ও পরিচিত পঙ্‌ক্তি এটি। গ্রামীণ জীবনের আবহ, মৃত্যুচেতনা এবং স্বজন হারানোর বেদনা এই কবিতায় গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবি জসীমউদ্দীন ১৯২৫ সালে যখন মাত্র একুশ বছর বয়সে প্রবেশিকা শ্রেণির ছাত্র ছিলেন, তখন এই কবিতাটি রচনা করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে অমরত্ব লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এই মাজার শরিফে আছে আমার দাদী মায়ের কবর ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার একটি বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি যা প্রিয়জনের স্মৃতির বেদনায় পূর্ণ। উদাহরণ ২: কত কথা আজও জমে আছে মোর ব্যথিত বুকের তলে ব্যাখ্যা: এই পঙ্‌ক্তিটিতেও কবর কবিতার মূল সুর অর্থাৎ মৃত প্রিয়জনের প্রতি গভীর শোক প্রকাশিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিমন্ত্রণ — এটি জসীমউদ্দীনের একটি জনপ্রিয় কবিতা হলেও এর বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ও গ্রামীণ আপ্যায়নের চিত্রভিত্তিক। B) পল্লিবর্ষা — এটিও জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত প্রকৃতি ও বর্ষানির্ভর কবিতা, যেখানে সন্ধ্যার আবিরের চিত্র নেই। D) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু ও কবিতার পঙ্‌ক্তি এখানে মেলেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীমউদ্দীন রচিত মর্মান্তিক ও বেদনাবিধূর কাব্যাংশের কথা মনে এলেই 'কবর' কবিতাকে সবার আগে বিবেচনা করবে। পল্লীকবির মৃত্যু ও শোকগাথাভিত্তিক একমাত্র শ্রেষ্ঠ দীর্ঘ কবিতা হলো এই কবর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি প্রগতিশীল ও পল্লীপ্রকৃতির রোমান্টিক ধারার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই কবিতার বিভিন্ন পঙ্‌ক্তি প্রায়শই কমন প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0