প্রশ্নের বর্ণনা

a দলিলপত্র
b কবিতা সংকলন
c বায়ান্নের প্রবন্ধবলি
d রচনাবলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবিতা সংকলন ১. কেন সঠিক: - 'একুশে ফেব্রুয়ারি' হলো ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একটি বিখ্যাত কবিতা সংকলন, যা ১৯৫৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। - এই সংকলনে বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে এবং ভাষা সংগ্রামের চেতনাকে ধারণ করে বিভিন্ন কবির কবিতা স্থান পেয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের প্রথম সাহিত্যিক দলিল ও সংকলন। - এতে শামসুর রাহমান, আলাউদ্দিন আল আজাদ, বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীরসহ তৎকালীন প্রথিতযশা কবিদের ভাষাভিত্তিক কবিতা ও রচনা স্থান পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে ফেব্রুয়ারি (কবিতা সংকলন) ব্যাখ্যা: এটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত প্রথম সাহিত্যিক সংকলন, যার সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। উদাহরণ ২: স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার (কবিতা) ব্যাখ্যা: আলাউদ্দিন আল আজাদের এই বিখ্যাত কবিতাটি 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনেই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দলিলপত্র — এটি কোনো দাপ্তরিক বা আইনি দলিলপত্র নয়, বরং এটি একটি সাহিত্যিক সংকলন। B) কবিতা সংকলন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা একাধিক কবির কবিতা সংকলিত হয়েছে। C) বায়ান্নের প্রবন্ধবলি — যদিও এতে কিছু প্রবন্ধ ছিল, তবে গ্রন্থটির প্রধান ও সর্বাধিক পরিচিত রূপ হলো কবিতা সংকলন। D) রচনাবলি — রচনাবলি বলতে সাধারণত কোনো একজন লেখকের সমগ্র সাহিত্যকর্মকে বোঝায়, যা এই গ্রন্থের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - একুশ মানেই কবিতা আর গান। তাই 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থটি একটি কবিতা সংকলন হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ। - মনে রাখুন, এই সংকলনের সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান এবং এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই ধরনের অন্যান্য সংকলন যেমন শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মারকগ্রন্থ বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংকলনগুলোর সম্পাদকের নামও পড়ে রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0