প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্গদূত
b জ্ঞানান্বেষণ
c জ্ঞানাঙ্গুর
d সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞানান্বেষণ ১. কেন সঠিক: - ‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা তরুণ বঙ্গ গোষ্ঠীর চিন্তাধারা প্রচার ও প্রসারের জন্য ‘জ্ঞানান্বেষণ’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। - এই পত্রিকার মাধ্যমে তৎকালীন যুবসমাজের মাঝে আধুনিক শিক্ষা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও সংস্কারমুক্ত সমাজ গঠনের বার্তা প্রচার করা হতো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঊনবিংশ শতকের প্রথমার্ধে ডিরোজিওর অনুসারী ‘ইয়ং বেঙ্গল’ বা তরুণ বেঙ্গল দলের যুবকরা বাংলার সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। - বাংলার নবজাগরণে সংবাদপত্রের ভূমিকা অত্যন্ত গভীর ছিল, যার মধ্যে ‘জ্ঞানান্বেষণ’ পত্রিকা তরুণ সমাজের মুখপত্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাচার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র যা বাংলা ভাষার বিকাশে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণ ২: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত এই পত্রিকা সাহিত্যের প্রসারে বিশেষ অবদান রেখেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গদূত — এটি রামমোহন রায় ও তাঁর সহযোগীদের উদ্যোগে প্রকাশিত বহুমুখী পত্রিকা ছিল, যা ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র ছিল না। B) জ্ঞানান্বেষণ — এটিই সঠিক উত্তর এবং ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। C) জ্ঞানাঙ্গুর — এটি অন্য একটি সাময়িকী, যা ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর প্রধান মুখপত্র হিসেবে পরিচিত নয়। D) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকা, যা মূলত রক্ষণশীল ও মধ্যপন্থী ধারার অনুসারী ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - তরুণরা সবসময় জ্ঞান অন্বেষণ করতে ভালোবাসে, তাই ইয়ং বেঙ্গল বা তরুণদের দলের মুখপত্র হলো জ্ঞানান্বেষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উনিশ শতকের সংবাদপত্র ও তার সম্পাদক বা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর নাম জানতে চাওয়া হয়। - ডিরোজিও এবং ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন সম্পর্কিত প্রশ্ন পড়ার সময় তাদের মুখপত্র বা পত্রিকাগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0