প্রশ্নের বর্ণনা

a দৌলত উজির বাহরাম খান
b মাগন ঠাকুর
c আলাওল
d শাহ মুহম্মদ ‍সগীর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শাহ মুহম্মদ সগীর ১. কেন সঠিক: - শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি যিনি সুলতানি আমলের পুঁথি বা প্রণয়কাব্য রচনা করেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ-জুলেখা পবিত্র কুরআনের সুরা ইউসুফের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রণয়োপাখ্যান। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি শাহ মুহম্মদ সগীর গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এই কাব্য রচনা করেন যা মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্যিক ধারার সূচনা করে। - এই কাব্যে ফারসি সাহিত্যের প্রভাবে রচিত হলেও এতে বাঙালি জীবনের আবেগ, প্রেম ও সামাজিক রূপ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাইলী মজনু ব্যাখ্যা: দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত ফারসি অনুবাদের প্রণয়কাব্য। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: আলাওল রচিত মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় একটি প্রণয়কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৌলত উজির বাহরাম খান — ইনি ইউসুফ-জুলেখা কাব্য রচনা করেননি, বরং লাইলী মজনু কাব্য রচনা করে মধ্যযুগে খ্যাতি অর্জন করেন। B) মাগন ঠাকুর — ইনি আরাকান রাজসভার পন্ডিত ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন, তাঁর অনুপ্রেরণায় মহাকবি আলাওল পদ্মাবতী রচনা করেন। C) আলাওল — মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক কবি হলেও তিনি পদ্মাবতী, সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রাণী প্রভৃতি কাব্য রচনা করেছেন, ইউসুফ-জুলেখা নয়। D) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি সুলতানি আমলে ইউসুফ-জুলেখা প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইউসুফ-জুলেখা কাব্যের আদি কবি শাহ মুহম্মদ সগীর মনে রাখতে নামের প্রথম অংশ সগীর দিয়ে শুরু মনে রাখতে পারেন। - মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়কাব্য রচয়িতা হিসেবে তাঁর নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের কবিদের রচনা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের নাম বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - কোন কবি কোন রাজসভার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এজাতীয় প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0