প্রশ্নের বর্ণনা

a শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b শওকত ওসমান
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: - 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং এটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। - প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে বাংলা গদ্যে সাধু ও কথ্য রীতির মিশ্রণে এক নতুন শৈলী প্রবর্তন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্যারীচাঁদ মিত্র উনিশ শতকের নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব ও ইয়ং বেঙ্গল দলের সদস্য ছিলেন। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার ও অপচয় রোধে নৈতিক শিক্ষা প্রদান করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাচাঁর নকশা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত আরেকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যেখানে কথ্য ভাষার সফল প্রয়োগ দেখা যায়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হলেও 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) শওকত ওসমান — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক, যার রচনার সময়কাল অনেক পরের। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি উপন্যাসটির মূল রচয়িতার নাম নির্দেশ করে। D) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নির্মাতা, তবে এই প্রাচীন উপন্যাসের সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের লেখক মনে রাখার জন্য টেকচাঁদ ঠাকুরের 'ত' এবং প্যারীচাঁদের 'প' মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে প্যারীচাঁদ মিত্রের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এই উপন্যাসটির ভাষা ছিল টেকচাঁদী বা আলালী ভাষা নামে পরিচিত। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা উপন্যাসের সূচনাকাল ও প্রথম উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0