প্রশ্নের বর্ণনা

a বিবিধার্থ সংগ্রহ
b মাসিক পত্রিকা
c সংবাদ প্রভাকর
d বঙ্গদর্শন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মাসিক পত্রিকা ১. কেন সঠিক: টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে প্যারিচাঁদ মিত্র রচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। এই উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'মাসিক পত্রিকা'য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্যারিচাঁদ মিত্র ১৮১৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৮৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর রচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের চিত্র এবং প্রাকৃত বাংলা ভাষার রূপ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু'। ব্যাখ্যা: এটি কারবালার বিষাদময় ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিবিধার্থ সংগ্রহ — এটি রাজেন্দ্রলাল মিত্রের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি প্রাচীন পত্রিকা হলেও আলালের ঘরের দুলাল এখানে প্রকাশিত হয়নি। B) মাসিক পত্রিকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ টেকচাঁদ ঠাকুরের এই উপন্যাসটি এখানেই প্রথম ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ পায়। C) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম হলেও এই উপন্যাসটি এখানে প্রকাশিত হয়নি। D) বঙ্গদর্শন — এটি ব্যাংকিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয় যা এই উপন্যাসের প্রকাশের অনেক পরের ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের লেখক প্যারিচাঁদ মিত্র এবং এটি মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর, যিনি প্রথম আলালী ভাষা বা সহজ প্রমিত গদ্যের প্রচলন করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর প্রকাশ মাধ্যম ও সাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একইভাবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বঙ্গদর্শন পত্রিকা এবং প্রথম উপন্যাসের নাম ভালোভাবে মনে রাখা প্রয়োজন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0