প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী এমদাদুল হক
b মীর মশাররফ হোসেন
c মোহাম্মদ নজিবর রহমান
d ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোহাম্মদ নজিবর রহমান ১. কেন সঠিক: - 'আনোয়ারা' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস যার রচয়িতা মোহাম্মদ নজিবর রহমান। - উনি শতবর্ষের আগের গ্রামীণ মুসলিম সমাজের বাস্তব চিত্র, পারিবারিক জীবন ও নৈতিকতার শিক্ষা এই উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহাম্মদ নজিবর রহমান ছিলেন বিশ শতকের প্রথমারতের একজন প্রখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক। - ১৯০৩ সালে প্রকাশিত 'আনোয়ারা' উপন্যাসটি তৎকালীন সময়ে অসাধারণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল এবং এটি বাংলা মুসলিম উপন্যাসের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'আনোয়ারা' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি মোহাম্মদ নজিবর রহমানের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম। উদাহরণ ২: 'গরীবের মেয়ে' উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটিও মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত অপর একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী এমদাদুল হক — তিনি বিখ্যাত 'মনীষা' ও 'আব্দুল্লাহ' উপন্যাসের রচয়িতা, 'আনোয়ারা'র নন। B) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি বিখ্যাত 'বিষাদ সিন্ধু' মহাকাব্যিক উপন্যাসের রচয়িতা, 'আনোয়ারা'র নন। C) মোহাম্মদ নজিবর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'আনোয়ারা' উপন্যাসের লেখক। D) ইসমাইল হোসেন সিরাজী — তিনি বিখ্যাত 'রায়নন্দিনী' ও 'তারাবাঈ' ঐতিহাসিক উপন্যাসের রচয়িতা, 'আনোয়ারা'র নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার কৌশল: আনোয়ারা নামের উপন্যাস দেখলে নজিবর রহমানের কথা মনে রাখবে। - প্রখ্যাত মুসলিম ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নজিবর রহমানের সবচেয়ে সফল সৃষ্টি হলো এই আনোয়ারা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম সাহিত্যিকদের প্রথম দিকের উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ১৯০৩ সালে প্রকাশিত 'আনোয়ারা' উপন্যাসের নাম ও লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0