প্রশ্নের বর্ণনা

a জীবনানন্দ দাশ
b কাজী নজরুল ইসলাম
c রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
d সুফিয়া কামাল
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - ‘আকাশলীনা’ কবিতাটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশ। - কবিতাটিতে কবি রূপসী বাংলার নিসর্গপ্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন এবং এক অশরীরী নারীর অবয়ব সৃষ্টি করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৯১৮ সালে ব্রাহ্ম সমাজ অন্তর্ভুক্ত হন এবং ১৯২৭ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরা পালক’ প্রকাশিত হয়। - ‘আকাশলীনা’ কবিতাটি তার বিখ্যাত ‘বনলতা সেন’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম পঙক্তিমালা ও জনপ্রিয় সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ এবং এর নামেও একটি জনপ্রিয় কবিতা রয়েছে। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় এবং এতে বাংলার প্রকৃতি beautifully ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ‘আকাশলীনা’ কবিতার রচয়িতা। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও ‘আকাশলীনা’ কবিতার রচয়িতা নন। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি হলেও এই কবিতার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। D) সুফিয়া কামাল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা লেখিকা ও কবি হলেও এই কবিতাটি তিনি রচনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - আকাশলীনা নামটির সঙ্গে জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কাব্যগ্রন্থের নাম মনে রাখতে পারো। - আধুনিক কবিতার রূপ ও নিসর্গ ভাবনার ক্ষেত্রে জীবনানন্দ দাশের নাম সবার আগে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কবি জীবনানন্দ দাশকে আধুনিকতা ও রূপসী বাংলার কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0