প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
c শেখ মুজিবুর রহমান
d গাজী শামসুর রহমান
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সালের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দी থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনী রচনা করেন। ২০১২ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে তার জীবনের প্রারম্ভিক কাল, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং স্বাধিকার আন্দোলনের অনেক অজানা ইতিহাস উঠে এসেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা আত্মজীবনী সাহিত্য ধারায় এই গ্রন্থটি একটি ঐতিহাসিক ও প্রামাণিক দলিল হিসেবে অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা লাভ করেছে। লেখকের সহজ ও সাবলীল গদ্যশৈলী সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে গবেষকদের কাছেও সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক মানে সমানভাবে সমাদৃত হয়েছে। যেমন, এই গ্রন্থের পাতা উল্টালে ভাষা আন্দোলন ও ছয় দফা আন্দোলনের দিনগুলোর বাস্তব চিত্র চোখের সামনে ভেসে ওঠে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও প্রাবন্ধিক হলেও এই আত্মজীবনীর রচয়িতা নন। B) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — তিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হলেও এই গ্রন্থটি তিনি লেখেননি। C) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ তিনি নিজেই মূল প্রশ্নটির রচয়িতা। D) গাজী শামসুর রহমান — তিনি একজন বিশিষ্ট আইনবিদ ও লেখক হলেও এই আত্মজীবনীর সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী মানেই বাঙালির জাতির পিতার জীবনের না বলা কথার অসাধারণ এক ঐতিহাসিক দলিল। শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এই বইটি রাজনীতি ও সাহিত্য উভয় জগতেই একটি অনন্য ও স্মরণীয় সংযোজন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0