প্রশ্নের বর্ণনা

a হুমায়ন আজাদ
b হেলাল হাফিজ
c আসাদ চৌধুরী
d রফিক আজাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হুমায়ুন আজাদ ১. কেন সঠিক: - ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ বাংলা ভাষার প্রখ্যাত লেখক হুমায়ুন আজাদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মননশীল কাব্যগ্রন্থ। - এটি তাঁর কবিপ্রতিভার অন্যতম প্রধান নিদর্শন এবং আধুনিক বাংলা কবিতায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ুন আজাদ একাধারে বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক ও ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন। - তাঁর এই কাব্যগ্রন্থে সমকালীন সমাজ, মানুষের অনুভূতি এবং আধুনিক জীবনের নানা দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘সব কিছু নষ্টদের অধিকারয়ে যাবে’ ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদের আরেকটি অত্যন্ত আলোচিত ও জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ‘লাল নীল দীপাবলি’ ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক একটি অতিপ্রয়োজনীয় শিশুতোষ কিশোর গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ুন আজাদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই রচনা। B) হেলাল হাফিজ — তিনি আধুনিক যুগের জনপ্রিয় কবি হলেও ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ তাঁর লেখা নয়, তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘যে জলে আগুন জ্বলে’। C) আসাদ চৌধুরী — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা তিনি নন। D) রফিক আজাদ — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে তাঁর নাম যুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন আজাদের কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার জন্য ইস্টিমার শব্দটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো। - তাঁর কবিতার নামগুলো সাধারণত আধুনিক মনন ও প্রতিবাদী চেতনার বহিঃপ্রকাশ হয়ে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম জানতে চাওয়া হয়। - লেখকদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে ছক বানিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0