প্রশ্নের বর্ণনা

a অন্ত্যমিল আছে
b অন্ত্যমিল নেই
c চরণের প্রথমে মিল থাকে
d বিশ মাত্রার পর্ব থাকে
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অন্ত্যমিল নেই ১. কেন সঠিক: - অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল এবং প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর চরণের শেষে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল থাকে না। - এটি মূলত প্রবহমান ছন্দ, যেখানে ভাবের পূর্ণতা রক্ষার জন্য এক চরণ থেকে অন্য চরণে ভাব প্রবাহিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - এটি মূলত অমিত্রাক্ষর স্বরবৃত্ত বা অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি রূপ, যেখানে সংস্কৃত Blank Verse এর আদলে বাংলা কাব্যে এর সার্থক প্রয়োগ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা কবিতা ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের চমৎকার প্রয়োগ দেখা যায় যেখানে কোনো অন্ত্যমিল নেই। উদাহরণ ২: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য যা সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ত্যমিল আছে — এটি মিথ্যা কারণ অমিত্রাক্ষর ছন্দের সংজ্ঞার্থেই অন্ত্যমিল বর্জিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। B) অন্ত্যমিল নেই — এটি সঠিক অপশন এবং প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। C) চরণের প্রথমে মিল থাকে — অমিত্রাক্ষর ছন্দে চরণের প্রথমেও কোনো মিল রাখার নিয়ম বা বাধ্যবাধকতা থাকে না। D) বিশ মাত্রার পর্ব থাকে — অমিত্রাক্ষর ছন্দের মাত্রার কোনো নির্দিষ্ট বা বাঁধাধরা নিয়ম নেই, এটি মূলত অক্ষরবৃত্ত বা স্বরবৃত্তের কাঠামোর ওপর নির্ভর করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অমিত্রাক্ষর শব্দের অর্থ হলো যার অন্তে বা শেষে মিত্র বা মিল নেই। - মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য মনে রাখলে এই ছন্দের বৈশিষ্ট্য সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় খুব প্রায়ই আসে। - এই ছন্দ বোঝার জন্য অন্ত্যমিল না থাকার বিষয়টি সবচেয়ে ভালো নির্দেশক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0