প্রশ্নের বর্ণনা

a সেয়দ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী
b মোজাম্মেল হক
c এয়াকুব আলী চৌধুরী
d মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সেয়দ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - ‘অনল প্রবাহ’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা সৈয়দ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী। - অনল অর্থ আগুন এবং প্রবাহ অর্থ স্রোত, যা এখানে মূলত মুসলিম জাগরণ ও বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী উনিশ শতকের শেষভাগ ও বিংশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সমাজ সংস্কারক। - ‘অনল প্রবাহ’ তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা মুসলিম সমাজের তৎকালীন অবক্ষয় দূর করতে এবং তাদের মধ্যে আত্মসচেতনতা জাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্য। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি ঐতিহাসিক ও বিখ্যাত মহাকাব্য যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: নবীনচন্দ্র সেনের ‘পলাশীর যুদ্ধ’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক কাব্য যা ব্রিটিশ শাসনের সূচনার পটভূমি নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেয়দ ইসমাইল হোসেন চৌধুরী — ইনি ‘অনল প্রবাহ’ কাব্যগ্রন্থের প্রকৃত রচয়িতা এবং মুসলিম জাগরণের অন্যতম কবি। B) মোজাম্মেল হক — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও ‘অনল প্রবাহ’ তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। C) এয়াকুব আলী চৌধুরী — ইনি মূলত তাঁর মননশীল প্রবন্ধ রচনার জন্য পরিচিত, কাব্যগ্রন্থের জন্য নন। D) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি — ইনি সাংবাদিকতা ও ইসলামী চিন্তাধারার জন্য পরিচিত, এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - অনল প্রবাহ মানে আগুনের স্রোত আর ইসমাইল হোসেন চৌধুরীর বিপ্লবী লেখালেখিও ছিল সমাজের জন্য আগুনঝরা। - লেখকের নামের প্রথম অংশের সঙ্গে গ্রন্থের নামের মিল করে সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুসলিম জাগরণের কাব্য ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এ ধরনের সাহিত্যিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে কবি ও তাঁর প্রধান গ্রন্থ দুটির নাম একসঙ্গে নোট করে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0