প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - ‘অগ্নিবীণা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরুষ এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। - ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থে বিদ্রোহী, প্রলয়োল্লাস, কামাল পাশা ও বিদায় বাউলসহ বারোটি বিখ্যাত কবিতা রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত ও প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ছায়ানট ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের রচিত প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর অন্যতম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও ‘অগ্নিবীণা’ তার লেখা নয়, তার কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘গীতাঞ্জলি’ প্রধান। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি মার্ক্সবাদী চেতনার কিশোর কবি হলেও ‘অগ্নিবীণা’ তার রচিত গ্রন্থ নয়, তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’। D) শামসুর রাহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার প্রথিতযশা প্রধান কবি হলেও ‘অগ্নিবীণা’ গ্রন্থের রচয়িতা নন, তার কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’ অন্যতম। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুল মানেই আগুন ও বিদ্রোহ, তাই তার প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম অগ্নিবীণা। - অগ্নিবীণা প্রকাশের সাল ১৯২২, যা মনে রাখলে চাকরির পরীক্ষায় সুবিধা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রায়ই আসে। - বিদ্রোহী কবিতার উৎস হিসেবে অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের নাম বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0