a গুয়ান্তানামো বে
b হ্যান্স আইল্যান্ড
c মাইয়োট
d গ্রানাডা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গুয়ান্তানামো বে ১. কেন সঠিক: যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড হলো গুয়ান্তানামো বে, যা কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক উপসাগর। ১৯০৩ সালের লিজ চুক্তি বলে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলটি সামরিক ঘাঁটির জন্য চিরতরে বা নবায়নযোগ্য শর্তে ব্যবহার করে আসছে, যা নিয়ে বর্তমান কিউবান সরকারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও আইনি বিরোধ রয়েছে। ২. ভূরাজনীতি ও সংঘাতের প্রেক্ষাপট: দেশ/সংস্থা: গুয়ান্তানামো বে হলো কিউবার ভূখণ্ডে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি দীর্ঘমেয়াদী সামরিক ও নৌঘাঁটি। প্রেক্ষাপট: ১৯০৩ সালের চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে এই ভূখণ্ডে ঘাঁটি স্থাপন করে। গুরুত্ব: এটি বিশ্ব রাজনীতিতে মার্কিন সামরিক আধিপত্য এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের একটি আলোচিত প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রভাব: কিউবা বিপ্লবের পর থেকে হাভানা সরকার এই চুক্তিকে অবৈধ বলে দাবি করে আসলেও যুক্তরাষ্ট্র তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ব্যাখ্যা: এটি আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড, যা নিয়ে ১৯৮২ সালে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। উদাহরণ ২: জিব্রাল্টার ব্যাখ্যা: এটি স্পেনের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত হলেও যুক্তরাজ্য এর নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক ভূরাজনৈতিক বিতর্ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুয়ান্তানামো বে — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার প্রধান বিরোধপূর্ণ ভূখণ্ড এবং মার্কিন নৌঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। B) হ্যান্স আইল্যান্ড — এটি কানাডা ও ডেনমার্কের মধ্যকার একটি ক্ষুদ্র uninhabited দ্বীপ ছিল, যা শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে ভাগ করা হয়েছে। C) মাইয়োট — এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ফরাসি দ্বীপ বিভাগ, যা নিয়ে ফ্রান্স ও কোমোরোস বা কমোরোসের মধ্যে সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিরোধ রয়েছে। D) গ্রানাডা — এটি ক্যারিবিয়ান সাগরের একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার মধ্যকার সরাসরি বিরোধের অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার বিরোধ মানেই গুয়ান্তানামো বে। এটি মনে রাখতে কিউবা ও গুয়ান্তানামো শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: গুয়ান্তানামো বে বর্তমান বিশ্বে মার্কিন নৌঘাঁটি এবং পরবর্তীতে সন্ত্রাসবিরোধী বন্দি শিবিরের জন্য কুখ্যাত। একই বিষয় থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে, গুয়ান্তানামো বে কোন দেশের ভূখণ্ডে অবস্থিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a ফ্রান্স
b জার্মানি
c নেদারল্যান্ড
d হাঙ্গেরি
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি ১. কেন সঠিক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা বিশ্বখ্যাত একটি বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে অবস্থিত এবং এখান থেকেই বিশ্বব্যাপী তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি মূল কাজ: প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক বা করাপশন পারसेप्शन ইনডেক্স প্রকাশ করা গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের দুর্নীতির মাত্রা মূল্যায়ন করা এর প্রধান কাজ ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বার্লিন শহর ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর বার্লিন কেবল রাজনৈতিক কেন্দ্রই নয়, বরং ট্রান্সপারেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবেও পরিচিত। উদাহরণ ২: দুর্নীতি ধারণা সূচক ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী প্যারিস এবং এখানে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির কার্যালয় এখানে নেই। B) জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। C) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজের মতো সংস্থার জন্য পরিচিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির সদর দপ্তর এখানে নয়। D) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী বুদাপেস্ট এবং এর সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সির প্রধান কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শব্দটির প্রথম অক্ষর টি এবং জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সঙ্গে মিলিয়ে এভাবে মনে রাখা যায় যে টিআই এর ঠিকানা জার্মানিতে। অন্যান্য অনেক সংস্থার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্র বা সুইজারল্যান্ডে হলেও টিআই একটু ব্যতিক্রম হিসেবে জার্মানিতে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও তাদের সদর দপ্তর সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় অথবা তাদের প্রকাশিত প্রধান প্রতিবেদনের নাম কী।
a আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
b আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
c আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
d খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
0 123 0 0
a জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
b গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন
c সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
d বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন ১. কেন সঠিক: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে জাতিসংঘের মূল জলবায়ু চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন একটি স্তরে স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুতন্ত্রের ওপর মানুষের বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ রোধ করা যায়। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশ কনভেনশন: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি। তারিখ ও স্থান: ১৯৯২ সালের ৯ মে নিউইয়র্কে চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালের রিও ডি জেনেইরো ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা: এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধীন একটি প্রধান আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানো। আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এটি পরবর্তীকালে কিওটো প্রটোকল এবং প্যারিস চুক্তির মতো ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তিগুলো গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ইউএনএফসিসিসি চুক্তির অধীন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইউএনএফসিসিসি এর আরেকটি মাইলফলক চুক্তি যার লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ — এটি ইউএনএফসিসিসি এর একটি পরোক্ষ কৌশল হতে পারে, তবে এটি চুক্তির সরাসরি ও মূল আলোচ্য বিষয় নয়। B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চুক্তিটি মূলত বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো ও এর ক্ষতিকর প্রভাব প্রশমিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। C) সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি — এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি মারাত্মক পরিণতি বা ফলাফল, কিন্তু সরাসরি এই চুক্তির প্রধান কাঠামোগত আলোচ্য বিষয় নয়। D) বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন — মরুকরণ রোধ এবং বনায়নের জন্য জাতিসংঘের আরেকটি পৃথক চুক্তি রয়েছে যার নাম কনভেনশন টু কম্ব্যাট ডেজার্টিফিকেশন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনএফসিসিসি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের মূল ছাতা চুক্তি, যার ইংরেজি নামের শেষ শব্দ ক্লাইমেট চেঞ্জ বা জলবায়ু পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হলো গ্রিনহাউস গ্যাস। মনে রাখবেন রিও কনভেনশন নামে পরিচিত এই সম্মেলন থেকেই মূলত বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে কনভেনশনটি কবে এবং কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল কিংবা এর অঙ্গীভূত কিওটো প্রটোকল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a UNDP
b World Bank
c IMF
d BRICS
0 133 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Bank ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের নাম হলো ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট। - এই প্রতিবেদনটিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: - সংস্থা: বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস ব্যাখ্যা: এটিও বিশ্বব্যাংকের আরেকটি বিখ্যাত বার্ষিক প্রকাশনা যা বিশ্ব অর্থনীতির পূর্বাভাস দেয়। উদাহরণ ২: ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিকেটরস ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি ডেটাসেটভিত্তিক প্রকাশনা যা দেশের উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যার বার্ষিক প্রকাশনা হলো মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল যার প্রধান প্রকাশনা হলো ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনীতির পাঁচটি দেশের জোট এবং এদের নিজস্ব ব্যাংক হলো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউএনডিপি। - এই দুটি সংস্থা ও তাদের প্রতিবেদনের নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বব্যাংকের বর্তমান সদস্য দেশ সংখ্যা ১৮৯টি এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান মোট পাঁচটি। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যেমন বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কী।
a হেলেন কেলার
b ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
c মাদার তেরেসা
d সরোজিনী নাইডু
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১. কেন সঠিক: - ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন বলে তাকে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়। - আধুনিক নার্সিং পেশার প্রবর্তক হিসেবে তার অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সম্মানীত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - পেশা ও অবদান: তিনি আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংস্কারের অগ্রদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - যুদ্ধ ও সেবা: ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিকদের সেবায় তার ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেড ক্রস আন্দোলন ব্যাখ্যা: যুদ্ধাহত ও বিপন্ন মানুষের সেবায় হেনরি ডুনান্টের রেড ক্রস প্রতিষ্ঠার পেছনে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কাজের অনুপ্রেরণা ছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নার্স দিবস ব্যাখ্যা: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মবার্ষিকী ১২ মে তারিখটিকে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেলেন কেলার — তিনি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মার্কিন লেখক ও সমাজকর্মী ছিলেন যিনি বধির ও অন্ধদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল — তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প উপাধি পান। C) মাদার তেরেসা — তিনি কলকাতার মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং গরিব ও অসহায় মানুষের সেবার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। D) সরোজিনী নাইডু — তিনি ভারতের কোকিলকণ্ঠী বা নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাইটিঙ্গেল শব্দের সঙ্গে ল্যাম্প বা লণ্ঠন শব্দটি মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে মনে রাখা যায়। - নার্সিং পেশার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে পালিত হয় এবং আধুনিক নার্সিংয়ের জনক কে, এই প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।