a Beant Singh and Satwant Singh
b Balbir Singh and Kehar Singh
c Kehar Singh and Satwant Singh
d Satwant Singh and Balbir Singh
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Beant Singh and Satwant Singh ১. কেন সঠিক: ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যার ঘটনায় সরাসরি গুলি চালিয়েছিলেন তার নিজেরই দেহরক্ষী বেয়ন্ত সিং ও সতবন্ত সিং। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ঘটনা: ১৯৮৪ সালের অপারেশন ব্লু স্টারের প্রতিশোধ হিসেবে শিখ দেহরক্ষীদের হাতে নিহত হন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। গুরুত্ব: এই হত্যাকাণ্ডের ফলে ভারতের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে এবং দেশজুড়ে শিখবিরোধী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ড ব্যাখ্যা: ১৯৯১ সালে তামিলনাড়ুতে এলটিটিই এর আত্মঘাতী হামলায় ভারতের আরেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী নিহত হন। উদাহরণ ২: জুলফিকার আলী ভুট্টো ফাঁসি ব্যাখ্যা: ১৯৭৯ সালে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে সামরিক শাসনামলে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Beant Singh and Satwant Singh — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা দুজনেই ইন্দিরা গান্ধীকে সরাসরি গুলি করে হত্যা করেছিলেন। B) Balbir Singh and Kehar Singh — বলবীর সিং এই মামলায় পরে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি পান। C) Kehar Singh and Satwant Singh — কেহর সিংকে ষড়যন্ত্রের দায়ে ফাঁসি দেওয়া হলেও তিনি সরাসরি গুলিবর্ষণে জড়িত ছিলেন না। D) Satwant Singh and Balbir Singh — এই অপশনে বলবীর সিং থাকার কারণে এটি ভুল উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ইন্দিরা গান্ধীকে হত্যার সঙ্গে জড়িত মূল দুই দেহরক্ষীর নাম মনে রাখতে বি ও এস (B and S) সূত্রটি ব্যবহার করতে পারো। বেয়ন্ত সিং ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং সতবন্ত সিংকে পরে বিচারে ফাঁসি দেওয়া হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অপারেশন ব্লু স্টার এবং ইন্দিরা গান্ধী হত্যাকাণ্ড ভারতের আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই হত্যাকাণ্ডের সাল অথবা দেহরক্ষীদের নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a ফ্রান্স
b জার্মানি
c নেদারল্যান্ড
d হাঙ্গেরি
0 144 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জার্মানি ১. কেন সঠিক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা বিশ্বখ্যাত একটি বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে অবস্থিত এবং এখান থেকেই বিশ্বব্যাপী তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: সংস্থা: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই প্রতিষ্ঠা: ১৯৯৩ সাল সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি মূল কাজ: প্রতি বছর দুর্নীতির ধারণা সূচক বা করাপশন পারसेप्शन ইনডেক্স প্রকাশ করা গুরুত্ব: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সরকারি খাতের দুর্নীতির মাত্রা মূল্যায়ন করা এর প্রধান কাজ ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: বার্লিন শহর ব্যাখ্যা: জার্মানির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর বার্লিন কেবল রাজনৈতিক কেন্দ্রই নয়, বরং ট্রান্সপারেন্সির মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবেও পরিচিত। উদাহরণ ২: দুর্নীতি ধারণা সূচক ব্যাখ্যা: এই সূচকের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দুর্নীতি পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী প্যারিস এবং এখানে ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির কার্যালয় এখানে নেই। B) জার্মানি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রধান কার্যালয় জার্মানির বার্লিনে অবস্থিত। C) নেদারল্যান্ড — এটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজের মতো সংস্থার জন্য পরিচিত, তবে ট্রান্সপারেন্সির সদর দপ্তর এখানে নয়। D) হাঙ্গেরি — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ, যার রাজধানী বুদাপেস্ট এবং এর সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সির প্রধান কার্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শব্দটির প্রথম অক্ষর টি এবং জার্মানির রাজধানী বার্লিনের সঙ্গে মিলিয়ে এভাবে মনে রাখা যায় যে টিআই এর ঠিকানা জার্মানিতে। অন্যান্য অনেক সংস্থার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্র বা সুইজারল্যান্ডে হলেও টিআই একটু ব্যতিক্রম হিসেবে জার্মানিতে অবস্থিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ও তাদের সদর দপ্তর সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় অথবা তাদের প্রকাশিত প্রধান প্রতিবেদনের নাম কী।
a আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
b আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
c আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
d খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)
0 123 0 0
a জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
b গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন
c সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
d বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন ১. কেন সঠিক: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে জাতিসংঘের মূল জলবায়ু চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন একটি স্তরে স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুতন্ত্রের ওপর মানুষের বিপজ্জনক হস্তক্ষেপ রোধ করা যায়। ২. আন্তর্জাতিক চুক্তি ও পরিবেশ কনভেনশন: চুক্তি বা সম্মেলনের নাম: ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা ইউএনএফসিসিসি। তারিখ ও স্থান: ১৯৯২ সালের ৯ মে নিউইয়র্কে চুক্তিটি গৃহীত হয় এবং ১৯৯২ সালের রিও ডি জেনেইরো ধরিত্রী সম্মেলনে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থা: এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধীন একটি প্রধান আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি। প্রধান উদ্দেশ্য ও সিদ্ধান্ত: বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানো। আন্তর্জাতিক প্রভাব বা গুরুত্ব: এটি পরবর্তীকালে কিওটো প্রটোকল এবং প্যারিস চুক্তির মতো ঐতিহাসিক জলবায়ু চুক্তিগুলো গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: কিওটো প্রটোকল ব্যাখ্যা: এটি ইউএনএফসিসিসি চুক্তির অধীন একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা উন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসের আইনি বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করেছিল। উদাহরণ ২: প্যারিস চুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ইউএনএফসিসিসি এর আরেকটি মাইলফলক চুক্তি যার লক্ষ্য ছিল বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ — এটি ইউএনএফসিসিসি এর একটি পরোক্ষ কৌশল হতে পারে, তবে এটি চুক্তির সরাসরি ও মূল আলোচ্য বিষয় নয়। B) গ্রিন হাউস গ্যাসের নি:সরণ ও প্রশমন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই চুক্তিটি মূলত বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমানো ও এর ক্ষতিকর প্রভাব প্রশমিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। C) সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি — এটি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি মারাত্মক পরিণতি বা ফলাফল, কিন্তু সরাসরি এই চুক্তির প্রধান কাঠামোগত আলোচ্য বিষয় নয়। D) বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন — মরুকরণ রোধ এবং বনায়নের জন্য জাতিসংঘের আরেকটি পৃথক চুক্তি রয়েছে যার নাম কনভেনশন টু কম্ব্যাট ডেজার্টিফিকেশন। ৫ মনে রাখার টিপস: ইউএনএফসিসিসি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের মূল ছাতা চুক্তি, যার ইংরেজি নামের শেষ শব্দ ক্লাইমেট চেঞ্জ বা জলবায়ু পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি হলো গ্রিনহাউস গ্যাস। মনে রাখবেন রিও কনভেনশন নামে পরিচিত এই সম্মেলন থেকেই মূলত বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই বিষয় থেকে কনভেনশনটি কবে এবং কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল কিংবা এর অঙ্গীভূত কিওটো প্রটোকল সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
a UNDP
b World Bank
c IMF
d BRICS
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) World Bank ১. কেন সঠিক: - বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনের নাম হলো ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট। - এই প্রতিবেদনটিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ২. আন্তর্জাতিক সংস্থা পরিচিতি: - সংস্থা: বিশ্বব্যাংক বা আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংক। - প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। - সদর দপ্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। - উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস ব্যাখ্যা: এটিও বিশ্বব্যাংকের আরেকটি বিখ্যাত বার্ষিক প্রকাশনা যা বিশ্ব অর্থনীতির পূর্বাভাস দেয়। উদাহরণ ২: ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্ডিকেটরস ব্যাখ্যা: এটি বিশ্বব্যাংকের আরেকটি ডেটাসেটভিত্তিক প্রকাশনা যা দেশের উন্নয়নের তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) UNDP — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি যার বার্ষিক প্রকাশনা হলো মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন। C) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল যার প্রধান প্রকাশনা হলো ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। D) BRICS — এটি উদীয়মান অর্থনীতির পাঁচটি দেশের জোট এবং এদের নিজস্ব ব্যাংক হলো নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওয়ার্ল্ড ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক এবং হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউএনডিপি। - এই দুটি সংস্থা ও তাদের প্রতিবেদনের নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করে, তাই আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশ্বব্যাংকের বর্তমান সদস্য দেশ সংখ্যা ১৮৯টি এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান মোট পাঁচটি। - একই বিষয় থেকে অন্য এমসিকিউ আসতে পারে যেমন বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কী।
a হেলেন কেলার
b ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
c মাদার তেরেসা
d সরোজিনী নাইডু
0 135 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১. কেন সঠিক: - ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় রাতে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করতেন বলে তাকে দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়। - আধুনিক নার্সিং পেশার প্রবর্তক হিসেবে তার অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সম্মানীত। ২. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: - পেশা ও অবদান: তিনি আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংস্কারের অগ্রদূত হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। - যুদ্ধ ও সেবা: ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধে ব্রিটিশ সৈনিকদের সেবায় তার ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। ৩. প্রাসঙ্গিক উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেড ক্রস আন্দোলন ব্যাখ্যা: যুদ্ধাহত ও বিপন্ন মানুষের সেবায় হেনরি ডুনান্টের রেড ক্রস প্রতিষ্ঠার পেছনে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের কাজের অনুপ্রেরণা ছিল। উদাহরণ ২: আন্তর্জাতিক নার্স দিবস ব্যাখ্যা: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জন্মবার্ষিকী ১২ মে তারিখটিকে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেলেন কেলার — তিনি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মার্কিন লেখক ও সমাজকর্মী ছিলেন যিনি বধির ও অন্ধদের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। B) ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল — তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে লণ্ঠন হাতে আহত সৈনিকদের সেবা করার জন্য দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প উপাধি পান। C) মাদার তেরেসা — তিনি কলকাতার মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং গরিব ও অসহায় মানুষের সেবার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। D) সরোজিনী নাইডু — তিনি ভারতের কোকিলকণ্ঠী বা নাইটিঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত একজন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিবিদ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নাইটিঙ্গেল শব্দের সঙ্গে ল্যাম্প বা লণ্ঠন শব্দটি মিলিয়ে পড়লে পরীক্ষা সহজে মনে রাখা যায়। - নার্সিং পেশার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক নার্স দিবস কবে পালিত হয় এবং আধুনিক নার্সিংয়ের জনক কে, এই প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।