বাংলাদেশ  সিভিল সার্ভিস (BCS)

২৪ তম বিসিএস প্রিলিমিনারি (বাতিল) পরীক্ষা ২০০৩

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (90)

a কাজী নজরুল ইসলাম
b মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - সাম্য গ্রন্থটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর একটি। - গ্রন্থটি ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সমাজে সাম্য, স্বাধীনতা ও অধিকারের বাণী প্রচার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার। - তাঁর সাম্য গ্রন্থটি মূলত ফরাসি বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত বিদ্রূপাত্মক ও মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও সাম্য নামক এই প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রবন্ধকার ও গবেষক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি গ্রন্থটির রচয়িতা। D) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের মননশীল ও সমাজচিন্তামূলক রচনার মধ্যে সাম্য ও কমলাকান্তের দপ্তর অত্যন্ত বিখ্যাত। - ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব যে গদ্যগ্রন্থে রয়েছে, তার নাম সাম্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাম্য গ্রন্থের প্রকাশকাল ১৮৭৯ সাল এবং এটি ফরাসি সমাজদর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া-বিশেষণ
d বিশেষ্যের-বিশেষণ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: 'লাজ' একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ কারণ এটি লজ্জা বা সংকোচ নামক একটি গুণের নাম বোঝায়। ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ হলো সেই পদ যা কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে এবং এটি বাক্যে নামপদ হিসেবে কাজ করে। 'লাজ' শব্দটি সংস্কৃত লজ্জা শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়ে বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার মুখে লাজ শোভা পাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'লাজ' শব্দটি লজ্জা বা সংকোচ নামক একটি গুণের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভয়ে তার সব লাজ ভেঙে গেল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'লাজ' একটি বিশেষ্য পদ যা মনের একটি ভাব প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এটি সঠিক কারণ 'লাজ' একটি গুণ বা ভাবের নাম বোঝায়। B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা নির্দেশ করে কিন্তু 'লাজ' কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ গুণ বোঝাচ্ছে না। C) ক্রিয়া-বিশেষণ — এটি ভুল কারণ ক্রিয়া-বিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা রীতি প্রকাশ করে কিন্তু 'লাজ' তা নয়। D) বিশেষ্যের-বিশেষণ — এটি ভুল কারণ এটি বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশকারী কোনো শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ দ্বারা যদি কোনো গুণ বা ভাবের নাম বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে বিশেষ্য পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। নামবাচক বা ভাববাচক শব্দ মাত্রই বিশেষ্য পদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত তৎসম বা অর্ধ-তৎসম শব্দগুলোর পদ নির্ণয় করতে দেয়। শব্দটির অর্থ এবং বাক্যে এর ব্যবহার লক্ষ্য করলে খুব সহজেই বিশেষ্য পদ চেনা যায়।
a দাতা
b কম খরচে
c দরিদ্র
d কৃপণ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কৃপণ ১. কেন সঠিক: - হাত-ভারি একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ কৃপণ বা যে সহজে টাকা খরচ করতে চায় না। - বাংলা ভাষায় হাত শব্দের সঙ্গে বিভিন্ন বিশেষণ যুক্ত হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, এখানে ভারী শব্দটি কৃপণতা বা ব্যয় করার ক্ষেত্রে অনীহা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে বাগধারার বিকল্প নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাটে হাঁড়ি ভাঙা ব্যাখ্যা: এর অর্থ গোপন কথা প্রকাশ করে দেওয়া। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এর অর্থ যার ভাগ্য খুব মন্দ বা হতভাগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাতা — দাতা অর্থ যে দান করে, যা হাত-ভারি বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) কম খরচে — কম খরচে অর্থ মিতব্যয়ী, যা কৃপণতার সমার্থক হলেও বাগধারাটির প্রচলিত নির্দিষ্ট অর্থ নয়। C) দরিদ্র — দরিদ্র অর্থ যার অর্থকষ্ট বা অভাব রয়েছে, যা কৃপণতার সমার্থক নয়। D) কৃপণ — সঠিক উত্তর, কারণ হাত-ভারি বাগধারাটি কৃপণ বা ব্যয়কুশল ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যার হাত থেকে টাকা বের করতে গেলে ভারি বা কষ্ট হয়, তাকে কৃপণ বা হাত-ভারি বলা হয়। - বাগধারা মনে রাখার জন্য আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক বাগধারাগুলো এক সঙ্গে পড়তে হবে। - কৃপণার্থক অন্যান্য বাগধারার মধ্যে হাতটান এবং মুঠো শক্ত করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a ফারসি ও ইংরেজি শব্দে
b ফরাসি ও ইংরেজি শব্দে
c ফারসি ও ফরাসি শব্দে
d ফারসি ও হিন্দি শব্দে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে ১. কেন সঠিক: - বেটাইম শব্দটি একটি মিশ্র শব্দ যা ফারসি ও ইংরেজি ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে। - এখানে বে উপসর্গটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে এবং টাইম শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে গৃহীত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - মিশ্র শব্দ হলো ভিন্ন ভাষা থেকে আসা দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত নতুন শব্দ। - ফারসি উপসর্গ বে এবং ইংরেজি শব্দ টাইম যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেডমাস্টার ব্যাখ্যা: ইংরেজি হেড এবং ফারসি বা অন্য ভাষার শব্দ মিলে এই মিশ্র শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: রেলগাড়ি ব্যাখ্যা: ইংরেজি রেল এবং দেশি গাড়ি শব্দ মিলে মিশ্র শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে — এটি সঠিক কারণ বে ফারসি এবং টাইম ইংরেজি শব্দ। B) ফরাসি ও ইংরেজি শব্দে — এটি ভুল কারণ বে ফরাসি শব্দ নয়, ফারসি উপসর্গ। C) ফারসি ও ফরাসি শব্দে — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো ফরাসি শব্দ নেই, টাইম একটি ইংরেজি শব্দ। D) ফারসি ও হিন্দি শব্দে — এটি ভুল কারণ টাইম কোনো হিন্দি শব্দ নয়, এটি সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেটাইম শব্দটিতে বে হলো ফারসি উপসর্গ এবং টাইম হলো ইংরেজি সময়বাচক শব্দ। - মিশ্র শব্দ চেনার সময় শব্দের উৎসগুলো আলাদা করে দেখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিদেশি শব্দের সঙ্গে বাংলা বা অন্য ভাষার মিলনে গঠিত শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রোমান্টিসিজম
b আধুনিকতাবাদ
c উত্তরাধুনিকতাবাদ
d বাস্তববাদ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তরাধুনিকতাবাদ ১. কেন সঠিক: - উত্তরাধুনিকতাবাদ হলো এমন একটি সাহিত্যিক ও দার্শনিক ধারা, যেখানে মানুষের চরম বিচ্ছিন্নতা, সংশয়, অবিশ্বাসী মনন এবং গভীর নৈরাশ্যবাদ প্রকাশ পায়। - এই তত্ত্বে পূর্বের সকল প্রথাগত মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের পতন ঘটে, ফলে মানুষের জীবনে এক ধরনের অর্থহীনতা ও নিরাশার সুর বেজে ওঠে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে উত্তরাধুনিকতাবাদ সাহিত্য ও দর্শনে এক নতুন মাত্রা যোগ করে, যা আধুনিকতাবাদের পরবর্তী ধাপ হিসেবে পরিচিত। - এই সাহিত্যধারায় কোনো পরম সত্য বা চিরন্তন আদর্শের কথা বলা হয় না, বরং খণ্ডিত সত্য, হতাশা এবং চরম নৈরাশ্যবাদ প্রাধান্য পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যামুয়েল বেকেটের নাটক ওয়েটিং ফর গডোট ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত উত্তরাধুনিক ও অ্যাবসার্ড নাটক, যেখানে চরিত্রের অন্তহীন অপেক্ষা এবং গভীর নৈরাশ্যবাদের প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ফ্রান্জ কাফকার উপন্যাস দ্য মেটামরফোসিস ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মে মানুষের অস্তিত্বের সংকট, চরম একাকীত্ব এবং জীবনের অর্থহীনতার বা নৈরাশ্যবাদের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান্টিসিজম — এই ধারায় নৈরাশ্যবাদ নয়, বরং কল্পনাপ্রবণতা, সৌন্দর্যপ্রীতি, ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পায়। B) আধুনিকতাবাদ — এই ধারায় শিল্প ও সাহিত্যে ভাঙন এবং নাগরিক জীবনের জটিলতা এলেও এটি সরাসরি নৈরাশ্যবাদের মূল মর্ম হিসেবে চিহ্নিত নয়। D) বাস্তববাদ — এই ধারায় মানব জীবনের রূঢ় সত্য, সামাজিক সমস্যা ও বস্তুনিষ্ঠ উপস্থাপন মুখ্য হয়, যা কেবল নৈরাশ্যবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উত্তরাধুনিকতাবাদ মানেই জীবনের অর্থহীনতা, সংশয় ও নৈরাশ্যবাদ। - আধুনিকতার পরবর্তী ধাপ হিসেবে উত্তরাধুনিকতা সবসময় মানুষের হতাশা ও বিচ্ছিন্নতাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্য দর্শনে নৈরাশ্যবাদ বললেই উত্তরাধুনিকতাবাদ বা অস্তিত্ববাদকে মনে রাখতে হবে। - বিংশ শতাব্দীর সাহিত্য আন্দোলনের প্রশ্নগুলোতে এই ধরনের দার্শনিক বৈশিষ্ট্য প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
a ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল
b কাজের পরিচয় ফলে বোঝা যায়
c ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই
d আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে। আকাশে শব্দটিতে স্থান বোঝাচ্ছে এবং এর সাথে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের ক্রিয়াকে কোথায় দিয়ে প্রশ্ন করলে যে স্থান পাওয়া যায় তা স্থানাধিকরণ বা দেশাধিকরণ কারক। শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে শব্দটিতে স্থান বোঝানো হয়েছে এবং এ বিভক্তি থাকায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিপদে আমাকে সাহায্য করো। ব্যাখ্যা: বিপদে শব্দটিতে সময় বা অবস্থা বোঝানো হয়েছে এবং এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ভাবাধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল — ডানার শব্দটিতে র বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি। B) কাজের পরিচয় ফলে বোঝা যায় — কাজের শব্দটিতে র বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি। C) ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই — ফুলের শব্দটিতে র বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় দিয়ে প্রশ্ন করে স্থান পেলে এবং শেষে এ, তে, য় থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি দাগাবে। স্থান বা ক্ষেত্র বোঝালেই তা নিশ্চিতভাবে অধিকরণ কারক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষে থাকা বিভক্তি চিহ্নিত করতে হবে। স্থান বোঝালে সবসময় অধিকরণ কারক হয় এবং বিভক্তির রূপ দেখে সপ্তমী বিভক্তি নিশ্চিত করা যায়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বেনজীর আহমেদ
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রণয়ধর্মী চেতনার একটি পঙ্‌ক্তি। - এখানে প্রিয়তমার কপালে বেদনার টীকা এঁকে দেওয়ার মাধ্যমে বিরহ ও প্রেমের গভীর বেদনা প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি গণমানুষের অধিকার, সাম্য এবং প্রেমের গান গেয়েছেন। - তাঁর কবিতায় দ্রোহের পাশাপাশি কোমল প্রেমের অনুপম প্রকাশ লক্ষ করা যায় যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোর প্রিয়া হবে এসো রানী, দেবো খোপায় তারার ফুল। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেমের গান ও কবিতার পঙ্‌ক্তি। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ প্রদীপের শিখা সম তুমি মোর জীবনে জ্বলিছ একা। ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুলের বিরহ ও প্রেমের অনুভূতির প্রকাশ সংবলিত একটি সুন্দর পঙ্‌ক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃতাংশটি তাঁরই রচনা। B) মাইকেল মধুসুদন দত্ত — তিনি মহাকাব্য ও সনেট রচয়িতা হলেও এই ধরনের পঙ্‌ক্তি তাঁর নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার লেখক হলেও এই কবিতা তাঁর নয়। D) বেনজীর আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁীয় কবি হলেও এই উদ্ধৃতাংশ তাঁর কবিতা থেকে নেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রেমের গভীর বেদনা এবং টীকা বা কপালে তিলক আঁকার রূপক নজরুল কাব্যে বিশেষভাবে দেখা যায়। - পরীক্ষার হলে 'বেদনার টীকা' শব্দগুচ্ছ দেখলে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে প্রধান বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির পঙ্‌ক্তিভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মূল কবিতার নাম এবং কবির অন্যান্য বিখ্যাত পমাংশ ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a আরবি
b ফারসি
c হিন্দি
d তুর্কি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - 'কাঁচি' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - উৎসগত বিচারে এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ আগন্তুক বা বৈদেশিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বৈদেশিক বা আগন্তুক শব্দ বলা হয়। - তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং এগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা প্রশাসনিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাকর ব্যাখ্যা: চাকর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বিভিন্ন ধর্মীয় ও প্রশাসনিক শব্দ বাংলায় এলেও 'কাঁচি' আরবি শব্দ নয়। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে নানা সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক শব্দ আসলেও 'কাঁচি' ফারসি শব্দ নয়। C) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে কিছু কথ্য শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও 'কাঁচি' হিন্দি শব্দ হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'কাঁচি' একটি তুর্কি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সাধারণ কৌশল হলো অস্ত্র ও প্রশাসনিক পদের নামগুলো খেয়াল রাখা। - কাঁচি একটি ধারালো অস্ত্র, তাই এটি তুর্কি শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তুর্কি শব্দের তালিকা যেমন দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a কাব্য
b নাটক
c উপন্যাস
d প্রবন্ধ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - বীরবলের হালখাতা গ্রন্থটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন। - এই গ্রন্থে সমাজ, সাহিত্য ও জীবন সম্পর্কিত বিভিন্ন মননশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জন্য পরিচিত। - তাঁর সাহিত্যিক গুরু ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রায়তের কথা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর রচিত আরও একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি মননশীল প্রবন্ধমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — এটি সঠিক নয় কারণ বীরবলের হালখাতা কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়। B) নাটক — এটি নাটক নয় কারণ এতে কোনো দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী চরিত্র ও সংলাপ নেই। C) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয় কারণ এতে কোনো কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী দীর্ঘ কাহিনীর ধারাবাহিক গল্প নেই। D) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধের সমাহার। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখলেই তাঁর বীরবল শিরোনামের গ্রন্থগুলো প্রবন্ধ হিসেবে সহজেই চেনা যায়। - হালখাতা মানে হিসাবের বই, আর প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগুলো বুদ্ধির হিসাব ও যুক্তির খোরাক জোগায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পাবনা জেলার হরিপুর। - তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন গড়ে তুলতে মূখ্য ভূমিকা রেখেছিল।
a মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b মুহম্মদ এনামুল হক
c মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন
d মুহম্মদ আবদুল হাই
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির আঞ্চলিক ভাষার অভিধান সম্পাদনার মূল কাজটি সম্পন্ন করেন। - বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মুখের ভাষার শব্দ সংগ্রহ ও তার অর্থ প্রকাশের জন্য এই ঐতিহাসিক অভিধানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ ও সাহিত্য গবেষক। - বাংলা ভাষার উৎস সন্ধান ও আঞ্চলিক রূপের বৈচিত্র্য রক্ষায় তাঁর এই অভিধান সম্পাদনা একটি যুগান্তকারী কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাটগাঁইয়া বা নোয়াখালীর আঞ্চলিক শব্দ ব্যাখ্যা: আঞ্চলিক অভিধানে এই ধরনের স্থানীয় শব্দের প্রমিত অর্থ অন্তর্ভুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র অঞ্চলের লোকজ শব্দ ব্যাখ্যা: বাংলার বিভিন্ন জনপদের উপভাষার রূপ এই অভিধানের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা একাডেমির আঞ্চলিক অভিধান সম্পাদনা করেন। B) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি বাংলা একাডেমির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই অভিধানের প্রধান সম্পাদক নন। C) মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন — তিনি লোকসাহিত্য সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত হলেও এই অভিধান সম্পাদনা করেননি। D) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি ধ্বনিবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট অভিধানটি তিনি সম্পাদনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - আঞ্চলিক ভাষার গবেষণার কথা মনে এলেই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম সবার আগে স্মরণ করতে হবে। - ভাষা ও অভিধান সংক্রান্ত বড় প্রকল্পে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থ ও সম্পাদনার নাম প্রায়ই আসে। - আঞ্চলিক ভাষার অভিধানের পাশাপাশি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অন্যান্য ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a আবুল কালাম শামসুদ্দিন
b শামসুদ্দিন আবুল কালাম
c আবুল ফজল
d জসীমউদদীন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুদ্দিন আবুল কালাম ১. কেন সঠিক: কাশবনের কন্যা গ্রন্থটি কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দিন আবুল কালামের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। গ্রামীণ সমাজ জীবন ও মানুষের বাস্তব সংগ্রামের চিত্র এই উপন্যাসে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুদ্দিন আবুল কালাম বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। তাঁর উপন্যাসে মূলত পূর্ববঙ্গের গ্রামীণ জনপদ, নদীমাতৃক জীবন এবং মানুষের দুঃখ-দৈন্য ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাশবনের কন্যা ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দিন আবুল কালাম রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: আলিমুদ্দারের দাড়ি ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দিন আবুল কালামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম শামসুদ্দিন — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও কাশবনের কন্যা তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। B) শামসুদ্দিন আবুল কালাম — এটি সঠিক উত্তর। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে চৌচির ও রাঙ্গা প্রভাত উল্লেখযোগ্য, কাশবনের কন্যা নয়। D) জসীমউদদীন — ইনি পল্লিকবি নামে পরিচিত হলেও তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশি কাথার মাঠ ও সুজন بادিয়ার ঘাট, কাশবনের কন্যা তাঁর উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক মনে রাখতে নামের শেষে কালাম অংশটি মনে রাখতে পারেন। শামসুদ্দিন আবুল কালামের নামের কালাম শব্দটির সঙ্গে কাশবনের কন্যা উপন্যাসের কাব মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। শামসুদ্দিন আবুল কালামের উপন্যাস ও গল্পের তালিকা ভালোভাবে পড়লে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a আবুল হোসেন
b কাজী মোতাহার হোসেন
c কাজী আবদুল ওদুদ
d কাজী আনোয়ারুল কাদির
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী আবদুল ওদুদ ১. কেন সঠিক: - 'শাশ্বত বঙ্গ' হলো প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ কাজী আবদুল ওদুদ রচিত একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে বাঙালি জাতির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং জীবনদর্শন অত্যন্ত মুনশিয়ানার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী আবদুল ওদুদ ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধে আবির্ভূত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা। - তাঁর সাহিত্যকর্মে যুক্তিবাদী মননশীলতা এবং মানবতাবাদের এক অনন্য প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের স্বাস্থ্য ব্যাখ্যা: এটি কাজী আবদুল ওদুদ রচিত সমাজচিন্তামূলক একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: নজরুল-প্রতিভা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম মূল্যায়ন করে লেখা কাজী আবদুল ওদুদের একটি মূল্যবান সমালোচনা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হোসেন — ইনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী হলেও 'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) কাজী মোতাহার হোসেন — ইনি বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও দাবাড়ু হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের প্রণেতা নন। C) কাজী আবদুল ওদুদ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) কাজী আনোয়ারুল কাদির — ইনি আধুনিক যুগের একজন পরিচিত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাশ্বত সংস্কৃতির কথা মনে এলেই বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের পুরোধা কাজী আবদুল ওদুদের কথা স্মরণ করবে। - ওদুদ সাহেবের মননশীল প্রবন্ধ মানেই বাঙালির চিরন্তন রূপ ও শাশ্বত সত্তার অন্বেষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন এবং শিখা গোষ্ঠীর লেখকদের তালিকা ভালো করে মুখস্থ রাখবে কারণ বিসিএস পরীক্ষায় এ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কাজী আবদুল ওদুদের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখবে।
a একটি
b দুটি
c তিনটি
d চারটি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটি ১. কেন সঠিক: সনেটের মূল কাঠামো মূলত দুটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশ হলো অষ্টক বা অক্টেভ এবং দ্বিতীয় অংশ হলো ষট্ক বা সেস্টেট। সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় ভাবের প্রবর্তন ও পরিণতি প্রকাশের জন্য এই দুটি নির্দিষ্ট অংশ থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সনেট হলো চোদ্দোটি চরণের কবিতা যার উৎপত্তি ইতালিতে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় প্রথম সনেট চালু করেন। বাংলা সনেটে সাধারণত প্রথম আট চরণে ভাবের প্রবর্তনা এবং পরের ছয় চরণে ভাবের পরিণতি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কবিতা যার মাধ্যমে সনেটের কাঠামো অনুধাবন করা যায়। উদাহরণ ২: কব্জি ফুসফুস ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা সনেটেও ভাবের এই দ্বৈত বিভাজন বা দুটি অংশ অনুসৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি — সনেট একটি অখণ্ড কবিতা মনে হলেও এর অভ্যন্তরীণ গঠন একটি নয়, বরং দুটি ভাগে বিভক্ত। B) দুটি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সনেটের দুটি অংশ থাকে। C) তিনটি — সনেটের তিনটি অংশ থাকে না, এটি ভুল ধারণা কারণ সনেট দুটি ভাগে বিন্যস্ত। D) চারটি — সনেটের চারটি অংশ থাকে না, চরণের সংখ্যা চোদ্দো হলেও ভাবের অংশ দুটি। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেটের অংশ দুটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো চোদ্দোকে দুই ভাগ করলে আট ও ছয় হয়। এই আট ও ছয় মিলে সনেটের দুটি অংশ গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেটের অংশ এবং চরণের সংখ্যা প্রায়ই আসে। সনেটে মোট চরণ চোদ্দোটি এবং অংশ দুটি এটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c প্রমথ চৌধুরীর
d টেকচাঁদ ঠাকুরের
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: - ভানুসিংহ ঠাকুর হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। - খুব অল্প বয়সে কবি যখন বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে পদ রচনা শুরু করেন, তখন তিনি এই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী তাঁর এই ছদ্মনামে লেখা একমাত্র কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সুপরিচিত ছদ্মনাম, যা তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে কবিতা লিখেছেন। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছদ্মনাম হিউয়েনসাং বা স্বয়ংশ্রু, ভানুসিংহ নয়। C) প্রমথ চৌধুরীর — প্রমথ চৌধুরীর পরিচিত ছদ্মনাম বীরবল, তাই এটি সঠিক নয়। D) টেকচাঁদ ঠাকুরের — টেকচাঁদ ঠাকুর হলো প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যা তাঁর কালকের চেরী উপন্যাসের সাথে যুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের প্রথম ও সবচেয়ে বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো ভানুসিংহ, যা বৈষ্ণব পদ রচনার সময় ব্যবহৃত হয়। - ভানু শব্দের অর্থ সূর্য এবং সিংহ যুক্ত করে কবি এই ছদ্মনামটি তৈরি করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন বীরবল কার ছদ্মনাম তা জানা জরুরি। - বিভিন্ন লেখকের প্রকৃত নাম এবং ছদ্মনাম আলাদা করে মুখস্থ রাখা BCS পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b আহসান হাবীব
c সিকানদার আবু জাফর
d হাসান হাফিজুর রহমান
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - ফণিমনসা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী কাব্যগ্রন্থ। - এটি ১৯২৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মূলত নীতিমূলক ও শিক্ষণীয় কবিতা স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে সাম্যবাদ, প্রেম ও দ্রোহের প্রতীক। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সর্বহারা এবং সিন্ধু-হিন্দোল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: সিন্ধু-হিন্দোল ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার রোমান্টিক ধারার কবিতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ফণিমনসা কাব্যের রচয়িতা। B) আহসান হাবীব — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যটির রচয়িতা নন। C) সিকানদার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত বাংলা নাটক সিরাজউদ্দৌলা ও বহু দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা, ফণিমনসার নন। D) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম সংকলনের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কবি, এই কাব্যগ্রন্থটির সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের কিশোর কাব্য মনে রাখার কৌশল হলো ফুল ও গাছের নামে তার কয়েকটি রচনা রয়েছে, যেমন ফণিমনসা। পরীক্ষায় আসলে খেয়াল রাখবে ফণিমনসা একটি কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস বা নাটক নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফণিমনসা কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশকাল হলো ১৯২৭ সাল। জাতীয় কবির কিশোর উপযোগী সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a সওগাত
b সমকাল
c উত্তরণ
d শিখা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমকাল ১. কেন সঠিক: সিকানদার আবু জাফর ১৯৫৭ সালের আগস্ট মাসে সমকাল পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। এই সাহিত্যপত্রিকাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্য আন্দোলন এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেतना বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সিকানদার আবু জাফর ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলা উল্লেখযোগ্য এবং আমাদের সংগ্রাম চলবেই তাঁর একটি ঐতিহাসিক গান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলিনী কিশোর গুহ সম্পাদিত দৈনিক সংবাদ ব্যাখ্যা: এটি তৎকালীন সময়ের আরেকটি পরিচিত সংবাদ মাধ্যম। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী অনূদিত কেউ কিছু বলতে পারে না ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের অন্যান্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত ও সম্পাদিত একটি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা। B) সমকাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাহিত্যপত্রিকাটি সিকানদার আবু জাফর কর্তৃক সম্পাদিত হতো। C) উত্তরণ — এটি সিকানদার আবু জাফরের সম্পাদিত কোনো প্রধান বা স্বীকৃত পত্রিকা নয়। D) শিখা — এটি আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহার হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র শিখা গোত্রীয় পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: সিকানদার আবু জাফর সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো যে সমকালীন সাহিত্য বা সময়ের কথা তিনি এই পত্রিকায় তুলে ধরতেন। প্রখ্যাত সম্পাদক ও তাঁদের পত্রিকা মনে রাখার জন্য ছক তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সম্পাদক ও পত্রিকার নাম খুব ঘন ঘন আসে। মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সওগাত এবং সিকানদার আবু জাফরের সমকাল পত্রিকার নাম বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a মোস্তফা চরিত
b নয়া জাতি স্রষ্টা হযরত মোহাম্মদ
c বিশ্বনবী
d মানব-মুকুট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মানব-মুকুট ১. কেন সঠিক: এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত বিখ্যাত জীবনধর্মী ও মননশীল গ্রন্থ হলো মানব-মুকুট। এই গ্রন্থে মহানবী হযরত মোহাম্মদের জীবনের বিভিন্ন দিক অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এয়াকুব আলী চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। তাঁর প্রবন্ধগুলোতে মানবপ্রেম, নৈতিকতা ও সামাজিক সংস্কারের বার্তা জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত অন্যান্য গ্রন্থ হলো নূর নবী। ব্যাখ্যা: এটিও মহানবী হযরত মোহাম্মদের জীবন ও আদর্শভিত্তিক একটি বিখ্যাত রচনা। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত অন্য একটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ হলো সমাজের কথা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি এবং সংস্কারের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোস্তফা চরিত — এই গ্রন্থটি মাওলানা আকরাম খাঁ রচিত, এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত নয়। B) নয়া জাতি স্রষ্টা হযরত মোহাম্মদ — এই নামে এয়াকুব আলী চৌধুরীর কোনো প্রধান গ্রন্থ নেই। C) বিশ্বনবী — এই জনপ্রিয় সীরাত গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন গোলাম আহমেদ মোর্তজা। D) মানব-মুকুট — এটি এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত একটি সুপরিচিত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: এয়াকুব আলী চৌধুরীর নামের সাথে মানব-মুকুট ও নূর নবী গ্রন্থ দুটি মনে রাখতে পারো। লেখক নামের প্রথম অক্ষর এ এবং তাঁর প্রধান গ্রন্থের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইসলামি ইতিহাস ও জীবনীভিত্তিক গ্রন্থ এবং এর রচয়িতাদের নাম প্রায়ই আসে। গ্রন্থগুলোর নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c সর্বনাম
d বিশেষণের বিশেষণ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য কেন সঠিক: ১. বাক্যে 'সুন্দর' শব্দটি কোনো গুণের নাম বা বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাধারণত বিশেষণ পদের সাথে 'ত্ব' বা 'তা' যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠন করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো গুণের নাম বোঝালে তা বিশেষ্য পদ হয়। ২. সাহিত্যের ভাষায় অনেক সময় বিশেষণের সাথে বিভক্তি যুক্ত করে বিশেষ্য করা হয়। ৩. যেমন, মধুর চেয়ে মধু বড়ো মধুর, এখানে মধু বিশেষ্য পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে গুণের নাম বোঝানো হয়েছে। B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ শব্দটি এখানে দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না বরং নাম বোঝাচ্ছে। C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদের জায়গায় অন্য পদ ব্যবহৃত হয়েছে। D) বিশেষণের বিশেষণ — এটি ভুল কারণ পদটি অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করছে না। মনে রাখার টিপস: ১. যার মাত্র আছে বা যা দিয়ে কোনো কিছুর নাম বোঝায় তা বিশেষ্য পদ। ২. বাক্যের অর্থ বুঝে পদের রূপ নির্ধারণ করতে হবে।
a to
b at
c on
d by
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: ইংরেজিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো অর্থে 'arrive at' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত বোঝাতে এখানে 'at' প্রিপজিশন বসবে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রিপজিশনের সঠিক ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত কোনো গন্তব্যে পৌঁছানো বোঝাতে বসে, সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বসে না। C) on — এটি কোনো নির্দিষ্ট উপরিভাগ বা বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। D) by — এটি কোনো মাধ্যম বা সময়ের মধ্যে বোঝাতে বসে, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইংরেজি করার সময় 'arrive' শব্দের পরে সবসময় 'at' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Well-informed- Knowing little
b Careful- Indifferent
c Graceful- Ugly
d Generous- Unkind
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Careful- Indifferent কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত জোড়ায় Conscious অর্থ সচেতন এবং Careless অর্থ অসচেতন, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। ঠিক একইভাবে Careful অর্থ সতর্ক এবং Indifferent অর্থ উদাসীন, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Well-informed- Knowing little — এই জোড়ায় ভালোভাবে অবহিত এবং অল্প জানা শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও মূল প্রশ্ন অনুযায়ী এদের সম্পর্ক পুরোপুরি মেলে না। B) Careful- Indifferent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) Graceful- Ugly — এই জোড়ায় দৃষ্টিনন্দন এবং কদর্য শব্দ দুটি বিপরীত হলেও মূল শব্দের ভাবের সাথে সরাসরি মিল নেই। D) Generous- Unkind — এই জোড়ায় উদার এবং নির্দয় শব্দ দুটি বিপরীতার্থক হলেও মূল প্রশ্ন জোড়ার মতো নিখুঁত মিল এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: বিপরীত শব্দ বের করার সময় মূল শব্দের ভাব বা তীব্রতা খেয়াল রাখবে।
a comfortable
b useful
c convenient to handle or use
d necessary
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) useful কেন সঠিক: - Handy শব্দটির অর্থ হলো সুবিধাজনক, সহজে ব্যবহারযোগ্য বা দরকারী। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে useful শব্দটির অর্থ দরকারী, যা Handy শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) comfortable — এই অপশনের অর্থ আরামদায়ক, যা Handy শব্দের সমার্থক নয়। B) useful — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Handy বা দরকারী অর্থে ব্যবহৃত হয়। না, এখানে সঠিক উত্তরটি আগেই চিহ্নিত করা হয়েছে। C) convenient to handle or use — এটি Handy শব্দের অর্থ বা সংজ্ঞা হতে পারে, তবে সরাসরি সমার্থক শব্দ হিসেবে useful বেশি উপযুক্ত। D) necessary — এই অপশনের অর্থ প্রয়োজনীয়, যা দরকারী বা handy শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে না। মনে রাখার টিপস: Handy মানে হাতের কাছে যা থাকে এবং খুব দরকারী (useful) কাজে লাগে।
a possible
b that can be done
c capable
d that will work
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) that will work কেন সঠিক: Viable শব্দের অর্থ যা কার্যকর বা বাস্তবায়নযোগ্য এবং যার বেঁচে থাকার বা সফল হওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা আছে। অপশন এ, বি এবং সি এর অর্থ যথাক্রমে সম্ভব, যা করা সম্ভব এবং সক্ষম, যা Viable শব্দের সমার্থক। তবে ডি অপশনটি সরাসরি ভবিষ্যতের কাজের সফলতার ওপর জোর দেয় যা Viable শব্দের সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। এই কারণে নির্দিষ্টভাবে ডি অপশনটিকে ভিন্ন বা সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) possible — এই শব্দটির অর্থ সম্ভব, যা Viable শব্দের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ। B) that can be done — এর অর্থ যা করা যেতে পারে, যা Viable শব্দের অর্থের সাথে মিল রাখে। C) capable — এই শব্দটির অর্থ সক্ষম, যা কোনো কিছু করার যোগ্য বোঝাতে Viable শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) that will work — এর অর্থ যা কাজ করবে, যা Viable শব্দের মূল অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায় না। মনে রাখার টিপস: Viable শব্দটি পেলে মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো বাস্তবসম্মত বা যা সফলভাবে টিকে থাকতে পারে।
a of my appointment
b to go my appointment
c to my appointment
d my appointment
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অব মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট কেন সঠিক: রিমাইন্ড ভারบটির পর সাধারণত অব প্রিপজিশন বসে কোনো নির্দিষ্ট স্মারক বা বিষয়ের ক্ষেত্রে। এখানে অ্যাপয়েন্টমেন্ট একটি নাউন হওয়ায় তার আগে অব ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণ সম্পূর্ণ নির্ভুল রাখে। B) টু গো মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — এখানে ইনফিনিটিভ ব্যবহারের ফলে বাক্যের গঠন ও অর্থ ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে। C) টু মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — রিমাইন্ড ভার্বের সাথে টু প্রিপজিশন সরাসরি এভাবে বসে না। D) মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — মাঝখানে সঠিক প্রিপজিশন না থাকায় এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে। মনে রাখার টিপস: রিমাইন্ড সামওয়ান অব সামথিং নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রিপজিশনের ব্যবহার সহজে মনে রাখা যায়।
a for helping
b to held
c help
d helping
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) helping কেন সঠিক: বাক্যে mind শব্দটি একটি gerund বা ing যুক্ত verb গ্রহণ করে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে helping ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for helping — mind verb এর পরে সরাসরি preposition বসে না। B) to held — mind এর পরে infinitive অর্থাৎ to বসে না এবং held ভুল রূপ। C) help — mind এর পরে base form এর verb সরাসরি বসে না। D) helping — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: mind শব্দের পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a to a walk
b for a walk
c for a walking
d walk
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) for a walking কেন সঠিক: হাঁটার উদ্দেশ্যে কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট একটি ধারা ব্যবহার করা হয়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে ফর এবং তারপর ওয়াকিং শব্দটি বসেছে। ব্যায়াম করার উদ্দেশ্য বোঝাতে এই গঠনটি ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to a walk — এই গঠনে টু প্রিপজিশন ব্যবহারের নিয়মটি এখানে সঠিক নয়। B) for a walk — এখানে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ওয়াক শব্দের আগে আর্টিকেল এ বসার প্রয়োজন ছিল। C) for a walking — এটি মূল সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) walk — এখানে কোনো প্রিপজিশন বা সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে ওয়াক বা হাঁটার আগে সাধারণত ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a would cook
b had cooked
c cook
d was cooking
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was cooking কেন সঠিক: - While দ্বারা যুক্ত বাক্যে একটি অংশ Past Continuous Tense হলে অপর অংশ Past Indefinite Tense হয়। - প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশ arrived Past Indefinite Tense-এ থাকায় পরের অংশে Past Continuous Tense (was cooking) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would cook — Past Continuous Tense-এর পরিবর্তে modal verb-এর Past form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) had cooked — Past Perfect Tense এই নির্দিষ্ট ঘটনার ধারাবাহিকতা বা নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। C) cook — Present Indefinite Tense অতীতের কোনো ঘটনার ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। D) was cooking — সঠিক উত্তর কারণ এটি Past Continuous Tense-এর নিয়মকে পূর্ণ করে। মনে রাখার টিপস: While-এর পরে Past Continuous Tense এবং অপর clause-এ Past Indefinite Tense বসে।
a machine
b machinery
c a machinery
d machineries
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) machinery কেন সঠিক: machinery একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর পূর্বে কোনো a বা an বসে না। এই শব্দের শেষে সরাসরি s বা es যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) machine — এটি একটি কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় শূন্যস্থানে কেবল এটি বসালে বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণ হয় না। C) a machinery — machinery আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে ভুল করে indefinite article a ব্যবহার করা হয়েছে। D) machineries — এটি একটি ভুল শব্দ কারণ আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে কখনো s বা ies যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Machinery শব্দটি দেখতে একবচন মনে হলেও এটি সর্বদা আনকাউন্টেবল নাউন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে a বা ies যুক্ত হয় না।
a most beautiful
b less beautiful
c as beautiful
d not so beautiful as
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) not so beautiful as কেন সঠিক: বাক্যের প্রথম অংশে বলা হয়েছে সে সুন্দর, কিন্তু মাঝের সংযোগকারী শব্দ ইঙ্গিত করে যে মায়ের সাথে তার সৌন্দর্যের তুলনা করলে সে পরিমাণে কম। নেতিবাচক তুলনার ক্ষেত্রে সো as অথবা অ্যাজ as এর সাথে পজিটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়, যা এই শূন্যস্থানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most beautiful — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা এখানে দুই ব্যক্তির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে একেবারেই প্রযোজ্য নয়। B) less beautiful — এর সাথে সরাসরি তুলনা বোঝাতে সাধারণত নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রিপজিশন প্রয়োজন হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য উপযুক্ত নয়। C) as beautiful — এটি কেবল দুটি সমান বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাক্যের কিন্তু অংশটি বৈপরীত্য বা কম বোঝাতে চাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বিপরীত বা বৈসাদৃশ্যমূলক তুলনার ক্ষেত্রে নট সো অ্যাজ গঠনটি ব্যবহার করতে হয়।
a by
b with
c on a
d on
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে চলা বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী on preposition ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ সঠিক হয় না। এটি একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা ধারার অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — যানবাহনের ক্ষেত্রে by বসে, কিন্তু হেঁটে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি বসে না। B) with — কোনো যন্ত্রপাতি বা উপকールの সাথে with বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) on a — এখানে article 'a' অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: পায়ে হেঁটে চলা বোঝালেই অন ফুড মুখস্ত রাখবে।
a as well
b also
c beside
d besides
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) besides কেন সঠিক: - besides শব্দটির অর্থ অতিরিক্ত বা পাশাপাশি, যা মূল অর্থের সাথে আরও কিছু যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। - এখানে দুইশ ডলারের অতিরিক্ত আরও কিছু অর্থের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে besides সঠিক preposition হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as well — এটি সাধারণত বাক্যের শেষে বসে এবং এর অর্থ ও বটে, তাই এখানে শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়। B) also — এটি একটি adverb যা মূল verb এর আগে বা বাক্যের মাঝে বসে, কিন্তু এখানে preposition এর প্রয়োজন। C) beside — এর অর্থ পাশে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) besides — এটি সঠিক অপশন কারণ এর অর্থ অতিরিক্ত বা ব্যতিরেকে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত বা আরো বোঝাতে শেষের এস যুক্ত besides ব্যবহার করতে হয় এবং পাশে বোঝাতে এস ছাড়া beside ব্যবহার করতে হয়।
a made of
b made up of
c made up
d made
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) made up of কেন সঠিক: কোনো দল বা বস্তু কী কী উপাদান নিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে 'made up of' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। এখানে এগারো জন খেলোয়াড় মিলে দল গঠিত হয়েছে বোঝাতে এই সঠিক ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। দল গঠনের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন সহ এই রূপটিই ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) made of — এটি দিয়ে সাধারণত কোনো বস্তু কী উপাদান দিয়ে তৈরি তা বোঝায়, কিন্তু দল গঠনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। B) made up of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। C) made up — এর সাথে 'of' না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং দলের উপাদান বোঝাতে অক্ষম। D) made — এটি একা বসলে গঠিত হওয়া অর্থ প্রকাশ করলেও সঠিক ফ্রেজাল ভার্বের সম্পূর্ণ অর্থ দেয় না। মনে রাখার টিপস: কোনো দল বা সমষ্টি কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে সবসময় 'made up of' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a easily deceived
b foolish
c willing to believe anything or anyone
d simple
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) willing to believe anything or anyone কেন সঠিক: Gullible শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা সরলমনা ব্যক্তি। তাই যেকোনো মানুষ বা যেকোনো কিছু সহজেই বিশ্বাস করতে প্রস্তুত এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) easily deceived — এটি gullible শব্দের ফল বা পরিণতি হতে পারে, কিন্তু সরাসরি অর্থ বা সংজ্ঞা নয়। B) foolish — এর অর্থ বোকা, কিন্তু সব সরলমনা বা gullible মানুষ বোকা হয় না। C) willing to believe anything or anyone — এটি সঠিক কারণ gullible শব্দের মূল অর্থই হলো অতি সহজে সবকিছু বিশ্বাস করা। D) simple — এর অর্থ সহজ বা সাধারণ, যা gullible শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Gullible শব্দটির শুরুতে gull বা seagulls পাখির কথা মনে রাখতে পারেন, যারা খুব সহজেই মানুষের দেওয়া খাবার বিশ্বাস করে কাছে চলে আসে।
a get
b are getting
c gets
d have got
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gets কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'At least one of' থাকলে এর পরের নাউনটি বহুবচন হলেও মূল সাবজেক্টটি একবচন হিসেবে ধরা হয়। তাই সাবজেক্ট একবচন হওয়ায় এর সাথে সিঙ্গুলার ভার্ব বসে। এখানে প্রতিবারের অভ্যাসের কথা বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। তাই সঠিক ভার্বটি হবে gets। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get — এটি প্লুরাল ভার্ব, কিন্তু আমাদের সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়ায় এটি ভুল। B) are getting — প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এবং প্লুরাল ভার্ব হওয়ার কারণে এটি এখানে বসবে না। C) gets — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) have got — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং প্লুরাল ভার্ব, তাই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'one of' থাকলে তার পরের ভার্বটি সবসময় একবচন বা সিঙ্গুলার হয়।
a emphasise about
b emphasise to
c emphasise on
d emphasise
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) emphasise on কেন সঠিক: এখানে emphasise শব্দটি সাধারণত সরাসরি অবজেক্ট গ্রহণ করে, তবে জোর দেওয়া অর্থে on প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) emphasise about — emphasise শব্দের সাথে about প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) emphasise to — emphasise শব্দের সাথে to প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ ভুল হয়। C) emphasise on — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে। D) emphasise — এখানে শুধু verb বসালে বাক্যের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: emphasise শব্দের পরে সাধারণত on প্রিপজিশন বসে।
a to get
b in getting
c for getting
d get
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to get কেন সঠিক: বাক্যের ভাব প্রকাশ করতে এখানে উদ্দেশ্য বোঝাতে ইনফিনিটিভ ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো কাজে অসুবিধা হওয়া বোঝাতে পরবর্তী verb এর সাথে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to get — এটি সঠিক কারণ উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝাতে সঠিক infinitive গঠন প্রকাশ করে। B) in getting — preposition এর পর gerund ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) for getting — অসুবিধা বোঝাতে for এর ব্যবহার এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) get — একটি বাক্যে দুটি মূল verb একসাথে বসে না without conjunction তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: have difficulty এর পর সাধারণত উদ্দেশ্য বোঝাতে to এবং verb এর base form বসে।
a the most prettiest of all
b prettiest one of all
c the prettiest one from all
d the prettiest one of all
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) the prettiest one of all কেন সঠিক: এখানে superlative degree বোঝাতে the prettiest ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক ব্যাকরণ। একাধিক বস্তুর মধ্য থেকে তুলনা করার জন্য of all ব্যবহৃত হয় যা বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ করে। one শব্দটি ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the most prettiest of all — এখানে double superlative ব্যবহার করা হয়েছে কারণ prettiest শব্দের আগে most বসানো ভুল। B) prettiest one of all — এই অপশনে সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করা হয়নি। C) the prettiest one from all — সুপারলেটিভ ডিগ্রির ক্ষেত্রে সাধারণত from না হয়ে of all ব্যবহৃত হয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Superlative degree-এর আগে সবসময় the বসে এবং সবার মধ্য থেকে তুলনা করতে of all ব্যবহার করতে হয়।
a into
b in
c to
d over to
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - Give in একটিPhrasal Verb যার অর্থ নমনীয় হওয়া, আত্মসমর্পণ করা বা অন্যের দাবি মেনে নেওয়া। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সরকার জনগণের দাবি অবশেষে মেনে নিয়েছিল বা নমনীয় হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — Give into সাধারণত কোনো তাত্ত্বিক বা মানসিক চাপের কাছে ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে উপযুক্ত নয়। B) in — এটি সঠিক অপশন কারণ Give in অর্থ দাবি মেনে নেওয়া। C) to — Give to সরাসরি কাউকে কোনো কিছু প্রদান করা বোঝায়, এখানে দাবি মেনে নেওয়ার অর্থ প্রকাশ করে না। D) over to — Give over to অর্থ কোনো দায়িত্ব বা অধিকার সম্পূর্ণ অর্পণ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: দাবি বা চাপের মুখে হার স্বীকার করা বা মেনে নেওয়া বোঝালে Give-এর পরে ہمیشہ in বসে।
a through
b away
c out
d in
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) out কেন সঠিক: - Break out একটি সঠিক গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ হঠাৎ শুরু হওয়া বা ছড়িয়ে পড়া। - যুদ্ধ, মহামারী বা আগুন হঠাৎ শুরু হলে তার পূর্বে break out ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) through — Break through অর্থ কোনো কিছু ভেদ করে এগিয়ে যাওয়া, যা যুদ্ধের সূচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) away — Break away অর্থ বল প্রয়োগ করে মুক্ত হওয়া বা সম্পর্ক ছিন্ন করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। C) out — এটি সঠিক উত্তর কারণ যুদ্ধ শুরু হওয়া বোঝাতে break out ব্যবহৃত হয়। D) in — Break in অর্থ জোর করে প্রবেশ করা বা অভ্যস্ত করা, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ বা মহামারী হঠাৎ শুরু হওয়া বোঝাতে সবসময় break এর সাথে out বসে।
a ০.১
b ০.০১
c ০.২৫
d কোনটিই নয়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার মান = ০.১ ধরি, সংখ্যার বর্গমূল = √০.১ অতএব, ০.১ এর বর্গমূল নির্ণয় করলে মান পাওয়া যায় প্রায় ০.৩১৬ সুতরাং, অপশনে থাকা ০.০১ হলো ০.১ এর বর্গ, বর্গমূল নয় উত্তর: কোনটিই নয়
a ওমর খৈয়াম
b আল-খারিজমী
c ইবনে খালদুন
d উলুগ বেগ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইবনে খালদুন প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারজন বিখ্যাত মনীষীর নাম দেওয়া আছে এদের মধ্যে তিনজন ছিলেন বিশিষ্ট গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী ধরি, ওমর খৈয়াম, আল-খারিজমী এবং উলুগ বেগ গণিত শাস্ত্রে অবদান রেখেছেন ইবনে খালদুন ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত অতএব, ওমর খৈয়াম বীজগণিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন আল-খারিজমী অ্যালগরিদম ও বীজগণিতের প্রবক্তা সুতরাং, উলুগ বেগ একজন প্রখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন উত্তর: C) ইবনে খালদুন
a ১১টি
b ৯টি
c ৮টি
d ১০টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটি হলো দুই এবং বত্রিশ ধরি, দুই থেকে বত্রিশ পর্যন্ত সকল সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে অতএব, দুই এবং বত্রিশ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে সুতরাং, এই সীমার ভেতরের মৌলিক সংখ্যাগুলো বের করতে হবে উত্তর: ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১ (মোট ১০টি)
a ২১
b ১৩
c ১৯
d ১৬
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যা পরম্পরাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা। ধারাটির প্রথম পদ থেকে ষষ্ঠ পদ পর্যন্ত যথাক্রমে ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮। ধরি, প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ১ অতএব, সপ্তম পদ = পঞ্চম পদ + ষষ্ঠ পদ = ৫ + ৮ = ১৩ অষ্টম পদ = ষষ্ঠ পদ + সপ্তম পদ = ৮ + ১৩ = ২১ সুতরাং, সংখ্যা পরম্পরাটির অষ্টম পদটি হবে একুশ। উত্তর: ২১
a ১৬ বছর
b ২৪ বছর
c ১৮ বছর
d ২০ বছর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ বছর প্রদত্ত তথ্য: টিপুর বয়স ১২ বছর বাবার বয়স ৪৮ বছর ধরি, বোনের বয়স ক বছর অতএব, প্রশ্নমতে, ১২ অনুপাত ক সমান ক অনুপাত ৪৮ ক গুণ ক সমান ১২ গুণ ৪৮ সুতরাং, ক স্কয়ার সমান ৫৭৬ ক সমান রুট ওভার ৫৭৬ সমান ২৪ উত্তর: ২৪ বছর
a 1/11
b 2/11
c 2/21
d 3/31
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/১১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভগ্নাংশ দেওয়া আছে। ভগ্নাংশগুলোর মান তুলনা করে ক্ষুদ্রতমটি বের করতে হবে। ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ১ ÷ ১১ = ০.০৯ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ১১ = ০.১৮ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ২১ = ০.০৯ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৩১ = ০.০৯ অতএব, ১ ÷ ১১ এর মান প্রায় ০.০৯০৯ ২ ÷ ২১ এর মান প্রায় ০.০৯৫২ ৩ ÷ ৩১ এর মান প্রায় ০.০৯৬৮ সুতরাং, হিসাব করে দেখা যায় ১ ÷ ১১ এর মান সবগুলোর চেয়ে কম। উত্তর: ১/১১
a ১৩, ৭৭, ৯১, ১৪৩
b ৭, ২২, ২৬, ৯১
c ২৬, ৭৭, ১৪৩, ১৫৩
d ২, ৭, ১১, ১৩
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬, ৭৭, ১৪৩, ১৫৩ প্রদত্ত তথ্য: ২০০২ সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে ২০০২ এর মৌলিক উৎপাদকগুলো হলো দুই, সাত, এগারো এবং তেরো ধরি, অপশনগুলোতে থাকা সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদকগুলো পরীক্ষা করতে হবে কোনো সংখ্যাগুচ্ছের লসাগু ২০০২ হতে হলে সংখ্যাগুলোর উৎপাদক ২০০২ এর উৎপাদকের ভেতর থাকতে হবে অতএব, অপশন এ এর সংখ্যাগুলোর উৎপাদকগুলো দুই, সাত, এগারো এবং তেরোর মধ্যে সীমাবদ্ধ অপশন বি এর সংখ্যাগুলোর উৎপাদকগুলোও ২০০২ এর উৎপাদক দ্বারা গঠিত অপশন সি এর ১৫৩ সংখ্যাটির উৎপাদক ১৭, যা ২০০২ এর উৎপাদকের মধ্যে নেই সুতরাং, অপশন সি এর সংখ্যাগুলোর লসাগু ২০০২ হওয়া সম্ভব নয় কারণ পনেরো শত তেরো বা ১৫৩ এর ভেতর ১৭ উৎপাদকটি অতিরিক্ত রয়েছে উত্তর: C) ২৬, ৭৭, ১৪৩, ১৫৩
a ১১ টাকা
b ১২ টাকা
c ১২.৫০ টাকা
d ১৩ টাকা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দৈনিক মোট কাজের সময় = ১০ ঘণ্টা প্রথম ৮ ঘণ্টার মজুরি প্রতি ঘণ্টা = ১০ টাকা ধরি, প্রথম ৮ ঘণ্টায় মোট মজুরি = ৮ × ১০ = ৮০ টাকা বাকি সময়ের কাজ = ১০ − ৮ = ২ ঘণ্টা পরবর্তী সময়ের মজুরি প্রতি ঘণ্টা = ১৫ টাকা অতএব, বাকি ২ ঘণ্টার মোট মজুরি = ২ × ১৫ = ৩০ টাকা দৈনিক মোট মজুরি = ৮০ + ৩০ = ১১০ টাকা মোট কাজের সময় = ১০ ঘণ্টা সুতরাং, ঘণ্টাপ্রতি গড় মজুরি = ১১০ ÷ ১০ = ১১ টাকা উত্তর: ১১ টাকা
a ২৫.০০%
b ২৮.০০%
c ৩০.০০%
d ৩২.০০%
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০.০০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাসের হার = (১৮ ÷ ৬০) × ১০০% উত্তর: ৩০.০০%
a ১০০ মিনিট
b ১০২ মিনিট
c ১১০ মিনিট
d ১১২ মিনিট
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০২ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্ব = ১৮৬ মাইল গড় গতিবেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৫০ মাইল ধরি, মোট সময় লাগবে = মোট দূরত্ব ÷ গড় গতিবেগ প্রথম অংশের সময় = ২ ঘণ্টা অতএব, মোট সময় = ১৮৬ ÷ ৫০ = ৩.৭২ ঘণ্টা ৩.৭২ ঘণ্টা = ৩ × ৬০ + টির দশমিক ৭২ × ৬০ মিনিট = ২২৩.২ মিনিট সুতরাং, বাকি সময় = মোট সময় − প্রথম অংশের সময় বাকি সময় = ২২৩.২ মিনিট − ১২০ মিনিট = ১০৩.২ মিনিট উত্তর: ১০২ মিনিট
a সৈয়দ আমীর আলী
b নওয়াব আব্দুল লতিফ
c নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
d স্যার সৈয়দ আহমদ খান
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নওয়াব আব্দুল লতিফ কেন সঠিক: - তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার মুসলমানদের মধ্যে ইংরেজি ও আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। - তিনি ১৮৬৩ সালে ঢাকা মুসলিম লিটারারি সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন যা শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আমীর আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত আইনবিদ ও লেখক হলেও বাংলায় আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের সূচনা করেন নওয়াব আব্দুল লতিফ। B) নওয়াব আব্দুল লতিফ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলায় মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষার প্রথম প্রবক্তা। C) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ — তিনি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের সাথে যুক্ত ছিলেন। D) স্যার সৈয়দ আহমদ খান — তিনি মূলত ভারতের উত্তর প্রদেশে আলিগড় আন্দোলনের মাধ্যমে মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করেন। মনে রাখার টিপস: নওয়াব আব্দুল লতিফ মানেই বাংলায় প্রথম মুসলিম আধুনিক শিক্ষার লতিফ বা আলো।
a ১৯২৬
b ১৯১১
c ১৮৬৪
d ১৯০৫
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬ কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৬ — এই সালে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় যা সঠিক উত্তর। B) ১৯১১ — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরের আলোচনা শুরু হয়। C) ১৮৬৪ — এই সালে ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯০৫ — এই সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়। মনে রাখার টিপস: মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে সালটি এভাবে মনে রাখুন: ১৯২৬ সাল মানে প্রতিষ্ঠার বছর।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জীবনানন্দ দাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - সঞ্চিতা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা ও গানের একটি নির্বাচিত কাব্য সংকলন। - ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই সংকলনটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঞ্চিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য সংকলন নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের সংকলন। তবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও সঞ্চিতা তাঁর কোনো কাব্য সংকলন নয়। D) জীবনানন্দ দাস — জীবনানন্দ দাস আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি কাব্যের জন্য বিখ্যাত, সঞ্চিতা তাঁর রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা আর নজরুলের সঞ্চিতা। এই দুটি নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের কনফিউজ করে, তাই নামের শেষের 'িতা' ও 'য়িতা' ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a বোর, ১৯৬৩
b রাদারফোর্ড, ১৯১৯
c হাইগ্যান, ১৯৬১
d মাইম্যান, ১৯৬০
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইম্যান, ১৯৬০ কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী থিওডর মেইম্যান (Theodore Maiman) ১৯৬০ সালে হুসস ল্যাবরেটরিতে বিশ্বের প্রথম সফল লেজার রশ্মি আবিষ্কার করেন। - রুবি স্ফটিক ব্যবহার করে তিনি প্রথম সফলভাবে লেজার আলো তৈরি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোর, ১৯৬৩ — নিলস বোর পরমাণুর গঠন মডেলের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি ১৯৬৩ সালে মারা যান, লেজার আবিষ্কারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। B) রাদারফোর্ড, ১৯১৯ — আর্নেস্ট রাদারফোর্ড ১৯১৯ সালে পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা প্রোটন আবিষ্কার করেন, যা লেজারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) হাইগ্যান, ১৯৬১ — ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা এবং তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর বিজ্ঞানী, তাই এই সাল ও ব্যক্তি সঠিক নয়। D) মাইম্যান, ১৯৬০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিজ্ঞানী ও সালেই প্রথম লেজার রশ্মি আবিষ্কার করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: লেজার আবিষ্কারের সাল মনে রাখতে মনে রাখুন মেইম্যান ১৯৬০ সালে প্রথম কাজ সফল করেছিলেন।
a ৩৯
b ৩২
c ৩৩
d ৩৪
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩ কেন সঠিক: - আর্সেনিক একটি অর্ধধাতু বা মেটালয়েড, যার রাসায়নিক প্রতীক As এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩। - পর্যায় সারণিতে এটি ১৫ নম্বর গ্রুপে এবং ৪ নম্বর সারিতে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯ — এটি ইট্রিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা, আর্সেনিকের নয়। B) ৩২ — এটি জার্মেনিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা, আর্সেনিকের নয়। C) ৩৩ — এটি আর্সেনিক মৌলের সঠিক পারমাণবিক সংখ্যা। D) ৩৪ — এটি সেলেনিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা, আর্সেনিকের নয়। মনে রাখার টিপস: আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩ মনে রাখতে ৩ সংখ্যাটি জোড়ায় মনে রাখতে পারেন।
a ৩০ আগস্ট, ২০০২
b ৭ সেপ্টেম্বর, ২০০২
c ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০২
d ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০২
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০২ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৫৬তম অধিবেশনে সুইজারল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের ১৯০তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয়। - দীর্ঘকাল নিরপেক্ষ নীতি বজায় রাখার পর ২০০২ সালের গণভোটে সুইজারল্যান্ডের জনগণ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পক্ষে রায় দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ আগস্ট, ২০০২ — এটি সুইজারল্যান্ডের জাতিসংঘ সদস্যপদ লাভের কোনো ঐতিহাসিক তারিখ বা প্রাসঙ্গিক সাল নয়। B) ৭ সেপ্টেম্বর, ২০০২ — এই তারিখে সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০২ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের সদস্য হয়। D) ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০২ — এই তারিখে সুইজারল্যান্ডের জাতিসংঘে যোগদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতার অবসান ঘটে ২০০২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে, অর্থাৎ ১০ তারিখে।
a আর্জেন্টিনা
b ব্রাজিল
c ইতালি
d ফ্রান্স
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ব্রাজিল ফুটবল দল ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। - দলটি ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে বিশ্বকাপ ট্রফি জয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা ফুটবল দল তিনবার ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে কম। B) ব্রাজিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দলটি সর্বাধিক পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে। C) ইতালি — ইতালি চারবার ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে একবারে কম। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স দুইবার ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা ব্রাজিলের রেকর্ডের চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিলের ৫ বার বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড মনে রাখতে পাঁচ আঙুলের হাতের কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a য়ুরী গ্যাগারিন, রাশিয়া
b জন গ্লেন, যুক্তরাষ্ট্র
c রিচার্ড এলড্রিন, যুক্তরাষ্ট্র
d নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের জুলাই মাসে অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানের মাধ্যমে তিনি প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠে পদার্পণ করেন। - তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার একজন নভোচারী ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) য়ুরী গ্যাগারিন, রাশিয়া — তিনি মহাকাশে গমনকারী বিশ্বের প্রথম মানব হলেও চাঁদে প্রথম অবতরণ করেননি। B) জন গ্লেন, যুক্তরাষ্ট্র — তিনি আমেরিকার প্রথম নভোচারী যিনি পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেছিলেন, চাঁদে যাননি। C) রিচার্ড এলড্রিন, যুক্তরাষ্ট্র — তিনি নীল আর্মস্ট্রংয়ের সাথে চাঁদে অবতরণকারী দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন, প্রথম নন। D) নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চাঁদে প্রথম পা রাখেন আমেরিকার নীল আর্মস্ট্রং, নামের শুরুতে 'নীল' আর আকাশের রঙও নীল।
a একটি যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ
b একটি ওষুধের নাম
c এক প্রকার রোগ জীবাণু
d পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম দেউলিয়া ঘোষিত জ্বালানি কোম্পানি
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম দেউলিয়া ঘোষিত জ্বালানি কোম্পানি কেন সঠিক: - এটি আমেরিকার একটি বৃহৎ শক্তি, কমোডিটি ও সেবা দানকারী কোম্পানি ছিল। - ব্যাপক আর্থিক কেলেঙ্কারি এবং হিসাব কারচুপির কারণে ২০০১ সালে এটি দেউলিয়া ঘোষিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ — এটি কোনো সামরিক জলযান বা যুদ্ধজাহাজ নয়, এটি একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। B) কোনো ওষুধের নাম — এটি কোনো চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী নয়। C) এক প্রকার রোগ জীবাণু — এটি কোনো রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু নয়। D) পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম দেউলিয়া ঘোষিত জ্বালানি কোম্পানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি জ্বালানি খাতের একটি দেউলিয়া হওয়া প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: এনরন শব্দটি শুনলেই মনে রাখবে এটি জ্বালানি ব্যবসার সাথে জড়িত বিশ্বের অন্যতম আলোচিত একটি দেউলিয়া কোম্পানি।
a প্যারিস
b জেনেভা
c রোম
d লন্ডন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাషন্যাল একটি বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার রক্ষা আন্দোলন সংস্থা যা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই আন্তর্জাতিক সংগঠনের আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো সহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর, তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেড ক্রস সহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর, কিন্তু এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তবে এর সঙ্গে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির মূল সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: লন্ডনের কুয়াশায় মানবাধিকারের আলো জ্বালায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
a প্যারিস
b জেনেভা
c রোম
d লন্ডন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। - এই সংস্থাটির আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর, তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেড ক্রসের মতো সংস্থার সদর দপ্তর, কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। D) লন্ডন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই সংস্থাটির মূল কার্যালয় যুক্তরাজ্যে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নামের শেষের 'ইন্টারন্যাশনাল' শব্দটির সাথে যুক্তরাজ্যের 'লন্ডন' শহরের বৈশ্বিক সংযোগ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a নেপাল
b ভারত
c মায়ানমার
d ইরান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত কেন সঠিক: - ব্ল্যাক ক্যাট হলো ভারতের একটি প্রধান সন্ত্রাসবিরোধী ও বিশেষ অপারেশন কমান্ডো বাহিনী। - ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজি বাহিনী এই নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি নেপালের কোনো কমান্ডো বাহিনীর নাম নয়। B) ভারত — এটি ভারতের বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর সঠিক নাম। C) মায়ানমার — এটি মায়ানমারের কোনো পরিচিত কমান্ডো বাহিনী নয়। D) ইরান — এটি ইরানের কোনো নির্দিষ্ট কমান্ডো বাহিনীর নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের নিরাপত্তার বিশেষ বিড়াল হলো ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো বা এনএসজি।
a হাঙ্গেরী
b জার্মানি
c পোল্যান্ড
d ব্রিটেন
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পোল্যান্ড কেন সঠিক: - পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালে অনুষ্ঠিত সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত না থাকলেও জাতিসংঘ সনদে পরবর্তীতে স্বাক্ষর করে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পোল্যান্ডের কোনো স্বীকৃত সরকার না থাকায় সম্মেলনে দেশটির কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঙ্গেরী — এটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র নয়, পরবর্তীতে সদস্যপদ লাভ করে। B) জার্মানি — যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে এটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। D) ব্রিটেন — এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়। মনে রাখার টিপস: সম্মেলনে অনুপস্থিত থেকেও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়া একমাত্র রাষ্ট্র পোল্যান্ড, যা না থেকেও প্রতিষ্ঠাতা।
a ১৯৮৮ সালে
b ১৯৮৯ সালে
c ১৯৯০ সালে
d ১৯৯১ সালে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৯ সালে কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়ন জেনিভা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ১৯৮৮ সাল থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করে এবং ১৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ সালে তাদের শেষ সেনা সম্পূর্ণরূপে ফিরিয়ে নেয়। - প্রায় ১০ বছর ধরে চলা এই আফগান যুদ্ধের অবসান ঘটে সোভিয়েত সৈন্য সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৮ সালে — এই সালে জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হলেও তা সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। B) ১৯৮৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত সৈন্য সম্পূর্ণভাবে আফগানিস্তান ত্যাগ করে। C) ১৯৯০ সালে — এই সালের সঙ্গে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহারের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) ১৯৯১ সালে — এই সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়, যা সৈন্য প্রত্যাহারের ঘটনার পরের বছর ঘটে। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার সম্পন্ন হয় আটের দশকের একদম শেষে, অর্থাৎ ১৯৮৯ সালে।
a আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
b আর্মেনিয়া-লাটভিয়া
c কাজাখস্তান-আজারবাইজান
d রাশিয়া-আর্মেনিয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া কেন সঠিক: - নাগার্নো-কারাবাখ হলো আজারবাইজানের ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি অঞ্চল, যা মূলত আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর অধ্যুষিত এবং ঐতিহাসিকভাবে দুই দেশের মধ্যে করিডোর বা সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত। - এই ভূখণ্ডটি নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে ভূরাজনৈতিক ও সামরিক সংঘাত চলে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশের মাঝেই অঞ্চলটি নিয়ে দীর্ঘদিনের সীমানা বিরোধ রয়েছে। B) আর্মেনিয়া-লাটভিয়া — লাটভিয়া ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলের দেশ এবং নাগার্নো-কারাবাখ সংকটের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। C) কাজাখস্তান-আজারবাইজান — কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার দেশ এবং নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো ভৌগোলিক সংযোগ বা করিডোরের ভূমিকা নেই। D) রাশিয়া-আর্মেনিয়া — রাশিয়া এই অঞ্চলে মধ্যস্থতাকারী দেশ হলেও নাগার্নো-কারাবাখ রাশিয়া ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার কোনো করিডোর নয়। মনে রাখার টিপস: নাগার্নো-কারাবাখ মানেই আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার আলোচিত পাহাড়ি অঞ্চল ও করিডোর।
a ভারতের শচীন টেন্ডুলকার
b অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্র্যাডম্যান
c ইংল্যান্ডের লেন হার্টন
d বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল কেন সঠিক: - মোঃ আশরাফুল ২০০১ সালে কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সেঞ্চুরি করে এই বিশ্বরেকর্ড গড়েন। - তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর ৬১ দিন, যা টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ানের রেকর্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতের শচীন টেন্ডুলকার — তিনি সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান নন, তবে তিনি সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট খেলোয়াড়দের একজন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির পাহাড় গড়েছেন। B) অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্র্যাডম্যান — টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান হলেও তিনি কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে রেকর্ড গড়েননি। C) ইংল্যান্ডের লেন হার্টন — তিনি ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ব্যাটসম্যান এবং একসময় টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড গড়লেও কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান নন। D) বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৭ বছর বয়সে সেঞ্চুরি করে এই রেকর্ড নিজের নামে করেন। মনে রাখার টিপস: বয়সে কম কিন্তু ব্যাটে জোশ, আশরাফুল সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরির বসের পোশাক পরলেন ১৭ বছর বয়সে।
a আফগানি
b ফার্সি
c পশতু
d তুর্কি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশতু কেন সঠিক: - পশতু হলো আফগানিস্তানের অন্যতম প্রধান ও সরকারি ভাষা যা দেশটির পশতুন জনগোষ্ঠীর মানুষের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। - দারি ভাষার পাশাপাশি পশতু ভাষা আফগানিস্তানের প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় কাজে প্রধানত ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানি — আফগানি বলতে কোনো নির্দিষ্ট ভাষা নেই, এটি মূলত আফগানিস্তানের অধিবাসী বা মুদ্রার নাম। B) ফার্সি — ফার্সি বা দারি ভাষা প্রচলিত থাকলেও এটি প্রধান একক ভাষা হিসেবে পশতুর পরেই অবস্থান করে। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা মূলত তুরস্কে ব্যবহৃত হয়, আফগানিস্তানের প্রধান ভাষা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের প্রধান ভাষা মনে রাখতে আফগানদের প্রধান উপজাতি পশতুন ও তাদের ভাষা পশতু এভাবে মিলিয়ে মনে রাখুন।
a নাউরু
b কেনিয়া
c কিউবা
d গায়ানা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাউরু কেন সঠিক: - নাউরু প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়া উপঅঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটি ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর একটি এবং ওশেনিয়ার ভূরাজনীতি ও ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাউরু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) কেনিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ এবং ওশেনিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) কিউবা — এটি ক্যারিবিয়ান সাগর তথা উত্তর আমেরিকার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। D) গায়ানা — এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: ওশেনিয়া অঞ্চলের ছোট দেশগুলোর মধ্যে নাউরু অন্যতম, যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
a কুর্দি
b তাতারু
c রেড ইন্ডিয়ান
d মাউরী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাউরী কেন সঠিক: - মাউরী হলো নিউজিল্যান্ডের পলিনেশীয় অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠী। - এরা ত্রয়োদশ শতাব্দীর দিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভিন্ন দ্বীপ থেকে নিউজিল্যান্ডে এসে বসবাস শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুর্দি — কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যের একটি জাতিগোষ্ঠী, যারা প্রধানত তুরস্ক, ইরাক, সিরিয়া ও ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাস করে। B) তাতারু — তাতার হলো মূলত পূর্ব ইউরোপ ও উত্তর এশিয়ায় বসবাসকারী একটি তুর্কিভাষী জাতিগোষ্ঠী। C) রেড ইন্ডিয়ান — রেড ইন্ডিয়ান বা আমেরিকার আদিবাসীরা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ডের আদি বাসিন্দা। D) মাউরী — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের সঠিক নাম এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রধান জনগোষ্ঠী। মনে রাখার টিপস: নিউজিল্যান্ডের সাথে মাউরী শব্দটি মনে রাখতে নিউজিল্যান্ডের জনপ্রিয় রাগবি দল অল ব্ল্যাকস এর মাউরী ঐতিহ্যবাহী যুদ্ধের নাচ হাকা স্মরণ করতে পারো।
a কার্পাস
b লোহা
c কাগজ
d বস্ত্র
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাগজ কেন সঠিক: - কানাডায় প্রচুর পরিমাণে কনিফারজাতীয় বা চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে যা কাগজ তৈরির প্রধান কাঁচামাল কাঠ ও পাল্প সরবরাহে ভূমিকা রাখে। - বনজ সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে দেশটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান কাগজ ও কাঠমিঠা বা নিউজপ্রিন্ট উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্পাস — এটি এক ধরনের তুলা যা উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে ভালো জন্মায়, তাই কানাডা এই শিল্পের জন্য বিখ্যাত নয়। B) লোহা — লোহা ভারী শিল্প হলেও কানাডা মূলত খনিজ উত্তোলন করে এবং কাগজ শিল্পের জন্য বেশি পরিচিত। C) কাগজ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কানাডার বনজ সম্পদের সঙ্গে এটি পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) বস্ত্র — বস্ত্র শিল্প মূলত শ্রমঘন শিল্প এবং অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে বেশি দেখা যায়, কানাডায় এর আধিক্য নেই। মনে রাখার টিপস: কানাডা মানেই ঠান্ডা বরফঢাকা বন, আর বন মানেই সেখান থেকে তৈরি কাগজ।
a ১৯০৬
b ১৯১১
c ১৯১৬
d ১৯৪৫
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১১ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ বা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। - প্রবল স্বদেশী আন্দোলন ও রাজনৈতিক চাপের মুখে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৫ সালের এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৬ — এই সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বঙ্গভঙ্গের ঠিক পরের বছর ঘটেছিল কিন্তু বঙ্গভঙ্গ রদের সাল এটি নয়। B) ১৯১১ — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই মূলত বঙ্গভঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছিল। C) ১৯১৬ — এই সালে লখনৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার সঙ্গে বঙ্গভঙ্গ রদের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ১৯৪৫ — এই সালটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একটি পরবর্তী সময়কালকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯০৫ সালে কাটা (বিভাজন) আর ১৯১১ সালে জোড়া (রদ), এই পার্থক্যটি মনে রাখলে সাল দুটি সহজে মনে থাকে।
a South Asian Preferential Trade Agreement
b South Asian Preferential Trading Arrangement
c South Asian Preferential Trade Association
d SAARC Preferential Trading Arrangement
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) South Asian Preferential Trading Arrangement কেন সঠিক: - সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের প্রসারে ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে ঢাকায় এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যকার শুল্ক কমিয়ে বা মুক্ত করে আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) South Asian Preferential Trade Agreement — এটি ভুল কারণ চুক্তির অফিশিয়াল নামে 'Agreement' এর পরিবর্তে 'Arrangement' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। B) South Asian Preferential Trading Arrangement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং অফিশিয়ালি স্বীকৃত নাম। C) South Asian Preferential Trade Association — এটি ভুল কারণ স্যাপটা কোনো অ্যাসোসিয়েশন বা সংস্থা নয়, এটি একটি বাণিজ্য চুক্তি বা অ্যারেঞ্জমেন্ট। D) SAARC Preferential Trading Arrangement — এটি ভুল কারণ পূর্ণরূপে SAARC না লিখে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে South Asian শব্দ ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্যাপটা (SAPTA) নামের শেষ শব্দে 'Arrangement' আছে, যা মনে রাখলেই সঠিক অপশনটি চেনা সহজ হয়।
a ইস্পাত
b রাবার
c কাঁচ
d পানি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইস্পাত কেন সঠিক: - ইস্পাতে বিকরূপকারী বল অপসারণ করলে তা খুব দ্রুত তার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। - নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা রাবারের চেয়ে অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইস্পাত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর স্থিতিস্থাপকতা রাবারের চেয়ে বেশি। B) রাবার — রাবার দেখতে বেশি প্রসারিত মনে হলেও বল সরালে এটি পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফেরে না, তাই এর স্থিতিস্থাপকতা কম। C) কাঁচ — কাঁচ প্রায় সম্পূর্ণ ভঙ্গুর বস্তু এবং এর স্থিতিস্থাপক সীমা খুবই কম। D) পানি — পানি হলো তরল পদার্থ, এর নিজস্ব কোনো নির্দিষ্ট আকৃতি বা দৃঢ় স্থিতিস্থাপকতা নেই। মনে রাখার টিপস: যাকে যত সহজে ও দ্রুত আগের আকারে ফেরানো যায়, তার স্থিতিস্থাপকতা তত বেশি; এই হিসেবে রাবারের চেয়ে ইস্পাত বেশি স্থিতিস্থাপক।
a ওয়াশিংটন ডিসি
b নিউইয়র্ক
c ভিয়েনা
d জেনেভা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম ও নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে থাকে। - এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর, ডব্লিউটিও এর নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ ও ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, ডব্লিউটিও এখানে নেই। C) ভিয়েনা — এটি ওপেক ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সির সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। D) জেনেভা — এটি বাণিজ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও মধ্যস্থতার অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত, ডব্লিউটিও তার মধ্যে অন্যতম।
a হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
b এ কে ফজলুল হক
c খাজা নাজিমউদ্দীন
d আবুল হাশেম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: A) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কেন সঠিক: - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির পূর্বে অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - ১৯৪৬ সালের বঙ্গীয় আইনসভা নির্বাচনে তিনি বাংলার প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত এই পদে ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগে বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। B) এ কে ফজলুল হক — তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী নন। C) খাজা নাজিমউদ্দীন — তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, তবে পরবর্তীকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। D) আবুল হাশেম — তিনি বাংলার একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সচিব ছিলেন, তবে কখনো মুখ্যমন্ত্রী হননি। মনে রাখার টিপস: শেষ মানে শেষ হাসি; আর ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগে শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সোহরাওয়ার্দী।
a বেলে মাছ
b পালং শাক
c খাসির মাংস
d মুরগির মাংস
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাসির মাংস কেন সঠিক: - খাসির মাংসে চর্বি বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। - রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে খাসির মাংস খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলে মাছ — এটি সামুদ্রিক বা নদীভিত্তিক চর্বিহীন প্রোটিনের উৎস, যা রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বাড়ায় না। B) পালং শাক — এটি একটি শাকসবজি এবং এতে কোনো কোলেস্টেরল থাকে না, বরং এটি ফাইবার সমৃদ্ধ। D) মুরগির মাংস — খাসির মাংসের তুলনায় মুরগির মাংসে বিশেষ করে চামড়া ছাড়া অংশে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ অনেক কম থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে চারপেয়ে প্রাণীর লাল মাংস বা খাসির মাংস পরিহার করা উচিত।
a সাইট্রিক অ্যাসিড
b নাইট্রিক অ্যাসিড
c হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড
d টারটারিক অ্যাসিড
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রিক অ্যাসিড কেন সঠিক: - নাইট্রিক অ্যাসিড সোনা ও অন্যান্য ধাতুর মিশ্রণ থেকে ভেজাল বা খাদ আলাদা করতে অত্যন্ত কার্যকরী রাসায়নিক বিকারক হিসেবে কাজ করে। - স্বর্ণকারের দোকানে খাঁটি সোনা পরীক্ষার জন্য নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সাধারণ ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করলেও খাঁটি সোনার সাথে বিক্রিয়া করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক অ্যাসিড — এটি মূলত পাতিলেবু বা কমলায় পাওয়া যায় এবং এটি স্বর্ণের খাদ বা ভেজাল দূর করতে সক্ষম নয়। B) নাইট্রিক অ্যাসিড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় খাদ বিশ্লেষণে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়। C) হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড — একা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড স্বর্ণের খাদ আলাদা করতে পারে না, তবে নাইট্রিক অ্যাসিডের সাথে মিশিয়ে রাজঅম্ল তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। D) টারটারিক অ্যাসিড — এটি তেঁতুলে থাকা একটি জৈব অ্যাসিড যা স্বর্ণ পরীক্ষার কাজে কোনো ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: সোনা চেনার বা খাদ তোলার কাজে নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহৃত হয়, আর একে মনে রাখতে সোনা ও নাইট্রিক শব্দের আদ্যক্ষর মিলিয়ে ভাবা যায়।
a সমতট
b পুণ্ড্র
c বঙ্গ
d হরিকেল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গ কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে ঢাকা, বৃহত্তর ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও বাকলা অঞ্চল নিয়ে বঙ্গ জনপদ গঠিত হয়েছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ ছিল। B) পুণ্ড্র — এটি বর্তমান রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ ছিল। C) বঙ্গ — এটি বর্তমান ঢাকা অঞ্চলসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার সঠিক প্রাচীন জনপদের নাম। D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ ছিল। মনে রাখার টিপস: ঢাকা মানেই বঙ্গ, এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়।
a আলী মর্দান খলজী
b তুঘরিল খান
c সামছুদ্দিন ফিরোজ
d ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী কেন সঠিক: - ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী ১২০৪ সালে বাংলার নদীয়ার রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। - তার এই অভিযানের মাধ্যমেই বাংলায় প্রথম মুসলিম আধিপত্য ও ইখতিয়ারি আমলের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলী মর্দান খলজী — তিনি বখতিয়ার খলজীর মৃত্যুর পর বাংলার একজন গভর্নর বা শাসক ছিলেন, কিন্তু বাংলায় মুসলিম আধিপত্যের সূচনা তিনি করেননি। B) তুঘরিল খান — তিনি পরবর্তীতে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন এবং বাংলায় শাসন করেন, কিন্তু আধিপত্যের সূচনাকারী নন। C) সামছুদ্দিন ফিরোজ — তিনি পরবর্তীতে স্বাধীন লখনৌতি রাজ্যের একজন শক্তিশালী সুলতান ছিলেন, তবে বাংলার মুসলিম শাসনের সূচনা তার মাধ্যমে হয়নি। D) ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা বা বখতিয়ার খলজীর আক্রমণ মনে রাখতে সালটি মনে রাখুন ১২০৪ সাল এবং রাজা লক্ষণ সেন।
a ১৬১০
b ১৫৭৬
c ১৯০৫
d ১৯৪৭
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬১০ কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাকীরের শাসনামলে সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ১৬১০ সালে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন। - কৌশলগত সামরিক সুবিধা ও নদীপথের নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী করা হয়েছিল। বি) ১৫৭৬ — এই সালে আকবরের সেনাপতি খান জাহান কর্নাটকের যুদ্ধে দাউদ খান কররানীকে পরাজিত করে বাংলা অধিকার করেন। সি) ১৯০৫ — এটি বঙ্গভঙ্গের সাল, যখন ঢাকাকে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী করা হয়েছিল। ডি) ১৯৪৭ — এটি ব্রিটিশ ভারত বিভক্তি এবং পূর্ব পাকিস্তানের সূচনার সাল। মনে রাখার টিপস: ১৬১০ সালে ইসলাম খান ঢাকায় পা রেখে প্রথম সুবা বাংলার রাজধানী করেন।
a ইসলাম খান
b রাজা মানসিংহ
c মীর জুমলা
d শায়েস্তা খান
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ ও মগদের হাত থেকে চট্টগ্রাম অধিকার করেন। - চট্টগ্রাম দখলের পর এর নাম পরিবর্তন করে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুসারে রাখা হয় ইসলামাবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — তিনি ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুবাদার হয়ে ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন এবং তৎকালীন বাংলার রাজধানী হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ করেন। B) রাজা মানসিংহ — তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি ও সুবাদার ছিলেন এবং মূলত বারো ভূঁইয়াদের দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। C) মীর জুমলা — তিনি আওরঙ্গজেবের আমলের বাংলার সুবাদার ছিলেন যিনি আসাম ও কোচবিহার বিজয়ের জন্য বিখ্যাত। D) শায়েস্তা খান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম ইসলামাবাদ রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের আমলে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে মিলিয়ে চট্টগ্রাম শহরের নাম রাখা হয়েছিল ইসলামাবাদ।
a ১৬৯০
b ১৭৬৫
c ১৭৯৩
d ১৮২৯
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৬৫ কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ১৭৬৫ সালের ১২ আগস্ট ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি সনদ প্রদান করেন। - এর মাধ্যমে কোম্পানি আনুষ্ঠানিকভাবে এই তিন প্রদেশের রাজস্ব আদায়ের আইনি ক্ষমতা লাভ করে এবং রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬৯০ — এই সালে জব চার্নক সুতানাটি, গোবিন্দপুর ও কলিকাতা গ্রাম নিয়ে ব্রিটিশদের বাণিজ্যকুঠি ও বসতি স্থাপন শুরু করেন, যা দেওয়ানি লাভের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭৬৫ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৭৯৩ — এই সালে লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন, যা দেওয়ানি লাভের প্রায় তিন দশক পরের ঘটনা। D) ১৮২৯ — এই সালে ভারতে সতীদাহ প্রথা বাতিল করা হয় এবং লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যার সঙ্গে ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি লাভের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সাল আর দেওয়ানি লাভ ১৭৬৫ সাল, এই আট বছরের ব্যবধান মনে রাখলে সহজেই সঠিক সালটি মনে রাখা যায়।
a রাষ্ট্রপতি
b স্পিকার
c প্রধানমন্ত্রী
d প্রধান বিচারপতি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন। - প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভেঙে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) স্পিকার — স্পিকার সংসদ পরিচালনা করেন কিন্তু অধিবেশন আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তার নেই। C) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী অধিবেশন আহ্বান করার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন কিন্তু সরাসরি আহ্বান করতে পারেন না। D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান এবং তার সঙ্গে সংসদ অধিবেশন আহ্বানের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সংসদ অধিবেশন ডাকেন রাষ্ট্রের প্রধান বা রাষ্ট্রপতি।
a প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
b মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
c পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
d আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা কেন সঠিক: - IUCN হলো আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ, যার মূল কাজ বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা। - এটি বিপন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর লাল তালিকা বা রেড লিস্ট প্রকাশ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা — এটি IUCN-এর মূল ও নির্ধারিত কার্যক্রম। B) মানবাধিকার সংরক্ষণ করা — এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাসমূহের প্রধান কাজ। C) পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা — পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পানি পর্ষদ যুক্ত থাকে। D) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা — এটি ইন্টারপোল বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: IUCN নামের ভেতরেই প্রকৃতি বা ন্যাচার শব্দটি জড়িত, তাই এর কাজও প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।
a আবুল হাশেম
b শেখ মুজিবুর রহমান
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কেন সঠিক: - ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান গণপরিষদের কার্যক্রমে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন। - ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তিনি এই ঐতিহাসিক দাবিটি তুলে ধরেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হাশেম — তিনি তৎকালীন মুসলিম লীগের প্রগতিশীল নেতা হলেও পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদের ধারা বিবরণীতে বাংলা ব্যবহারের দাবি প্রথম তোলেননি। B) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও মহান নেতা হলেও পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদে এই প্রথম দাবিটি তিনি উত্থাপন করেননি। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, যিনি বাংলা ভাষার পক্ষে জোরালো মত দিলেও গণপরিষদে প্রথম প্রস্তাব তোলেননি। D) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পাকিস্তান পরিষদে প্রথম ভাষা দাবি দাতা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনে রাখুন ধ দিয়ে দত্ত এবং দাবি।
a ময়নামতি
b পাহাড়পুর
c মহাস্থানগড়
d সোনারগাঁ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী ছিল। - করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রাচীন স্থানটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে অবিচ্ছিন্নভাবে জনবসতিপূর্ণ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি মূলত বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন এবং তুলনামূলকভাবে পরবর্তীকালের প্রাচীন বসতি। B) পাহাড়পুর — এটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠিত একটি বৌদ্ধ বিহার, প্রাচীন নগর কেন্দ্র নয়। D) সোনারগাঁ — এটি প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক নগর হলেও মহাস্থানগড়ের চেয়ে অনেক পরে এর বিকাশ ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: প্রাচীনতম মানেই সবার আগে মহাস্থানগড়, যা পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল।
a কুসুম্বা মসজিদ
b বড় সোনা মসজিদ
c ষাট গম্বুজ মসজিদ
d সাত গম্বুজ মসজিদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ষাট গম্বুজ মসজিদ কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সুলতানি আমলের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে কলারীতিসমৃদ্ধ মধ্যযুগীয় মসজিদ। - পঞ্চদশ শতাব্দীতে খান জাহান আলী বাগেরহাট অঞ্চলে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুসুম্বা মসজিদ — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদের তুলনায় আয়তনে অনেক ছোট। B) বড় সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত সুলতানি আমলের অন্যতম বড় মসজিদ হলেও আকৃতি ও আয়তনে ষাট গম্বুজ মসজিদের চেয়ে ছোট। D) সাত গম্বুজ মসজিদ — এটি মুঘল আমলে ঢাকায় নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ, যা মধ্যযুগীয় সুলতানি আমলের বৃহৎ মসজিদের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় মসজিদ হলো ষাট গম্বুজ মসজিদ, যা বাগেরহাটে অবস্থিত এবং এটি খান জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন।
a গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
b আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
c ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
d ইলিয়াস শাহ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ কেন সঠিক: - সুলতান গিয়াসউদ্দীন আযম শাহের সাথে পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজ শিরাজীর পত্রালাপ ও সাহিত্যিক যোগাযোগের ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে। - সুলতান কবি হাফিজকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তাঁর অসমাপ্ত একটি গজল পূর্ণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাঁর সাথেই কবি হাফিজের পত্রালাপ হয়েছিল। B) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন এবং তাঁর আমলেও সাহিত্যচর্চা হতো, তবে কবি হাফিজের সাথে তাঁর কোনো পত্রালাপ হয়নি। C) ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ — তিনি সোনারগাঁওয়ের স্বাধীন শাসক ছিলেন এবং তাঁর শাসনকাল এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা unification এর জন্য পরিচিত হলেও কবি হাফিজের সাথে তাঁর পত্রালাপের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। মনে রাখার টিপস: হাফিজের সাথে চিঠির আদান-প্রদান করেছিলেন দিল্লির কেউ নন, বরং বাংলার শাসক গিয়াসউদ্দীন 'আযম' শাহ।
a হামিদুর রহমান
b ফজলুর রহমান খান
c নভেরা আহমেদ
d জুলফিকার আলী খান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ফজলুর রহমান খান কেন সঠিক: - তিনি একজন বিশ্বখ্যাত বাঙালি স্থপতি ও পুরকৌশলী, যিনি আধুনিক কাঠামোগত প্রকৌশলের জনক হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। - শিকাগোর উইলিয়ার the Willis Tower এবং জন হ্যানকক সেন্টারসহ বহু উঁচু ভবনের নকশা করে তিনি সর্বাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাকারী হলেও ফজলুর রহমান খানের মতো এত বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাননি। B) ফজলুর রহমান খান — এটি সঠিক উত্তর। C) নভেরা আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ, কোনো স্থপতি নন। D) জুলফিকার আলী খান — তিনি এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রখ্যাত স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি ও প্রকৌশলী বললেই ফজলুর রহমান খানের নাম আসবে, যিনি উঁচু ভবন নির্মাণে বিপ্লব এনেছেন।
a আওরঙ্গজেবের কন্যা
b শায়েস্তা খানের কন্যা
c মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
d আজিমুসশানের মাতা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খানের কন্যা কেন সঠিক: - বিবি পরী ছিলেন বাংলার বিখ্যাত সুবাদার ও মোগল সেনাপতি শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা। - তার আসল নাম ছিল রহমত বানু, তবে তিনি বিবি পরী নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আওরঙ্গজেবের কন্যা — সম্রাট আওরঙ্গজেবের কন্যার নাম জেবউন্নিসা, তাই এটি সঠিক নয়। B) শায়েস্তা খানের কন্যা — এই অপশনটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মিলে যায়। C) মুর্শিদকুলি খানের কন্যা বা স্ত্রী — মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রীর নাম ভিন্ন ছিল, তিনি শায়েস্তা খানের সাথে সম্পর্কিত নন। D) আজিমুসশানের মাতা — যুবরাজ আজিমুসশানের মাতার নাম ভিন্ন ছিল, বিবি পরী নন। মনে রাখার টিপস: ঢাকার লালবাগ কেল্লার ভেতরে অবস্থিত বিবি পরীর মাজার নির্মাণ করেছিলেন তার পিতা সুবাদার শায়েস্তা খান।
a রামপাল
b ধর্মপাল
c চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
d আদিশূর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধর্মপাল কেন সঠিক: - পাল বংশের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকে পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মাণ করেছিলেন। - এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামপাল — তিনি রামপাল রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন এবং রামচরিত কাব্যের নায়ক হলেও এই বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা নন। B) ধর্মপাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — তিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং প্রাচীন ভারতের ইতিহাস এর সাথে যুক্ত, পাহাড়পুরের সাথে নয়। D) আদিশূর — তিনি সেন বংশের পূর্বসূরি একজন প্রাচীন রাজা ছিলেন, যার সাথে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ধর্মের জন্য পাহাড় নির্মাণ করেছিলেন রাজা ধর্মপাল।
a চট্টগ্রাম
b ভোলা
c কক্সবাজার
d পটুয়াখালী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত। - সেন্ট মার্টিন দ্বীপ আরও দক্ষিণে অবস্থিত হলেও প্রশাসনিকভাবে এটি টেকনাফ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি কক্সবাজারের উত্তরে অবস্থিত তুলনামূলকভাবে কম দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি জেলা। B) ভোলা — এটি দেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে কক্সবাজারের উত্তরে অবস্থিত। D) পটুয়াখালী — এটি দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে কক্সবাজারের উত্তর ও পশ্চিমে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে দক্ষিণে কক্সবাজারের টেকনাফ অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো সম্ভব।

মোট প্রশ্ন (18)

a ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল
b কাজের পরিচয় ফলে বোঝা যায়
c ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই
d আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে। আকাশে শব্দটিতে স্থান বোঝাচ্ছে এবং এর সাথে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের ক্রিয়াকে কোথায় দিয়ে প্রশ্ন করলে যে স্থান পাওয়া যায় তা স্থানাধিকরণ বা দেশাধিকরণ কারক। শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনে শব্দটিতে স্থান বোঝানো হয়েছে এবং এ বিভক্তি থাকায় এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: বিপদে আমাকে সাহায্য করো। ব্যাখ্যা: বিপদে শব্দটিতে সময় বা অবস্থা বোঝানো হয়েছে এবং এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ভাবাধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল — ডানার শব্দটিতে র বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি। B) কাজের পরিচয় ফলে বোঝা যায় — কাজের শব্দটিতে র বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি। C) ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না একলা জেগে রই — ফুলের শব্দটিতে র বিভক্তি থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: কোথায় দিয়ে প্রশ্ন করে স্থান পেলে এবং শেষে এ, তে, য় থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি দাগাবে। স্থান বা ক্ষেত্র বোঝালেই তা নিশ্চিতভাবে অধিকরণ কারক হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের শেষে থাকা বিভক্তি চিহ্নিত করতে হবে। স্থান বোঝালে সবসময় অধিকরণ কারক হয় এবং বিভক্তির রূপ দেখে সপ্তমী বিভক্তি নিশ্চিত করা যায়।
a মোস্তফা চরিত
b নয়া জাতি স্রষ্টা হযরত মোহাম্মদ
c বিশ্বনবী
d মানব-মুকুট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মানব-মুকুট ১. কেন সঠিক: এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত বিখ্যাত জীবনধর্মী ও মননশীল গ্রন্থ হলো মানব-মুকুট। এই গ্রন্থে মহানবী হযরত মোহাম্মদের জীবনের বিভিন্ন দিক অত্যন্ত সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এয়াকুব আলী চৌধুরী ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। তাঁর প্রবন্ধগুলোতে মানবপ্রেম, নৈতিকতা ও সামাজিক সংস্কারের বার্তা জোরালোভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত অন্যান্য গ্রন্থ হলো নূর নবী। ব্যাখ্যা: এটিও মহানবী হযরত মোহাম্মদের জীবন ও আদর্শভিত্তিক একটি বিখ্যাত রচনা। উদাহরণ ২: তাঁর রচিত অন্য একটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ হলো সমাজের কথা। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি এবং সংস্কারের রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোস্তফা চরিত — এই গ্রন্থটি মাওলানা আকরাম খাঁ রচিত, এয়াকুব আলী চৌধুরী রচিত নয়। B) নয়া জাতি স্রষ্টা হযরত মোহাম্মদ — এই নামে এয়াকুব আলী চৌধুরীর কোনো প্রধান গ্রন্থ নেই। C) বিশ্বনবী — এই জনপ্রিয় সীরাত গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন গোলাম আহমেদ মোর্তজা। D) মানব-মুকুট — এটি এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত একটি সুপরিচিত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: এয়াকুব আলী চৌধুরীর নামের সাথে মানব-মুকুট ও নূর নবী গ্রন্থ দুটি মনে রাখতে পারো। লেখক নামের প্রথম অক্ষর এ এবং তাঁর প্রধান গ্রন্থের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইসলামি ইতিহাস ও জীবনীভিত্তিক গ্রন্থ এবং এর রচয়িতাদের নাম প্রায়ই আসে। গ্রন্থগুলোর নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে নোট করে পড়া উচিত।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c সর্বনাম
d বিশেষণের বিশেষণ
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য কেন সঠিক: ১. বাক্যে 'সুন্দর' শব্দটি কোনো গুণের নাম বা বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. সাধারণত বিশেষণ পদের সাথে 'ত্ব' বা 'তা' যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠন করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো গুণের নাম বোঝালে তা বিশেষ্য পদ হয়। ২. সাহিত্যের ভাষায় অনেক সময় বিশেষণের সাথে বিভক্তি যুক্ত করে বিশেষ্য করা হয়। ৩. যেমন, মধুর চেয়ে মধু বড়ো মধুর, এখানে মধু বিশেষ্য পদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে গুণের নাম বোঝানো হয়েছে। B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ শব্দটি এখানে দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না বরং নাম বোঝাচ্ছে। C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদের জায়গায় অন্য পদ ব্যবহৃত হয়েছে। D) বিশেষণের বিশেষণ — এটি ভুল কারণ পদটি অন্য কোনো বিশেষণকে বিশেষিত করছে না। মনে রাখার টিপস: ১. যার মাত্র আছে বা যা দিয়ে কোনো কিছুর নাম বোঝায় তা বিশেষ্য পদ। ২. বাক্যের অর্থ বুঝে পদের রূপ নির্ধারণ করতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - সাম্য গ্রন্থটির রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর একটি। - গ্রন্থটি ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে সমাজে সাম্য, স্বাধীনতা ও অধিকারের বাণী প্রচার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার। - তাঁর সাম্য গ্রন্থটি মূলত ফরাসি বিপ্লবের সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে রচিত হয়েছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দুর্গেশনন্দিনী ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাস যা ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কমলাকান্তের দপ্তর ব্যাখ্যা: এটি তাঁর একটি বিখ্যাত বিদ্রূপাত্মক ও মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও সাম্য নামক এই প্রবন্ধগ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রবন্ধকার ও গবেষক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি গ্রন্থটির রচয়িতা। D) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান — তিনি একজন প্রখ্যাত সমাজসংস্কারক ও লেখক হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের মননশীল ও সমাজচিন্তামূলক রচনার মধ্যে সাম্য ও কমলাকান্তের দপ্তর অত্যন্ত বিখ্যাত। - ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব যে গদ্যগ্রন্থে রয়েছে, তার নাম সাম্য। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাম্য গ্রন্থের প্রকাশকাল ১৮৭৯ সাল এবং এটি ফরাসি সমাজদর্শনের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
a সওগাত
b সমকাল
c উত্তরণ
d শিখা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সমকাল ১. কেন সঠিক: সিকানদার আবু জাফর ১৯৫৭ সালের আগস্ট মাসে সমকাল পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন। এই সাহিত্যপত্রিকাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্য আন্দোলন এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেतना বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সিকানদার আবু জাফর ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তাঁর বিখ্যাত নাটকের মধ্যে সিরাজউদ্দৌলা উল্লেখযোগ্য এবং আমাদের সংগ্রাম চলবেই তাঁর একটি ঐতিহাসিক গান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলিনী কিশোর গুহ সম্পাদিত দৈনিক সংবাদ ব্যাখ্যা: এটি তৎকালীন সময়ের আরেকটি পরিচিত সংবাদ মাধ্যম। উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী অনূদিত কেউ কিছু বলতে পারে না ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের অন্যান্য ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত ও সম্পাদিত একটি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা। B) সমকাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাহিত্যপত্রিকাটি সিকানদার আবু জাফর কর্তৃক সম্পাদিত হতো। C) উত্তরণ — এটি সিকানদার আবু জাফরের সম্পাদিত কোনো প্রধান বা স্বীকৃত পত্রিকা নয়। D) শিখা — এটি আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহার হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র শিখা গোত্রীয় পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: সিকানদার আবু জাফর সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এভাবে মনে রাখতে পারো যে সমকালীন সাহিত্য বা সময়ের কথা তিনি এই পত্রিকায় তুলে ধরতেন। প্রখ্যাত সম্পাদক ও তাঁদের পত্রিকা মনে রাখার জন্য ছক তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সম্পাদক ও পত্রিকার নাম খুব ঘন ঘন আসে। মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সওগাত এবং সিকানদার আবু জাফরের সমকাল পত্রিকার নাম বারবার পরীক্ষাতে দেখা যায়।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b আহসান হাবীব
c সিকানদার আবু জাফর
d হাসান হাফিজুর রহমান
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - ফণিমনসা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত কিশোর উপযোগী কাব্যগ্রন্থ। - এটি ১৯২৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এতে মূলত নীতিমূলক ও শিক্ষণীয় কবিতা স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে সাম্যবাদ, প্রেম ও দ্রোহের প্রতীক। - তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী, সর্বহারা এবং সিন্ধু-হিন্দোল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। উদাহরণ ২: সিন্ধু-হিন্দোল ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অন্যতম জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ, যা তার রোমান্টিক ধারার কবিতার পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর এবং তিনি ফণিমনসা কাব্যের রচয়িতা। B) আহসান হাবীব — তিনি একজন প্রখ্যাত আধুনিক কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যটির রচয়িতা নন। C) সিকানদার আবু জাফর — তিনি বিখ্যাত বাংলা নাটক সিরাজউদ্দৌলা ও বহু দেশাত্মবোধক গানের রচয়িতা, ফণিমনসার নন। D) হাসান হাফিজুর রহমান — তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম সংকলনের সম্পাদক ও বিশিষ্ট কবি, এই কাব্যগ্রন্থটির সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের কিশোর কাব্য মনে রাখার কৌশল হলো ফুল ও গাছের নামে তার কয়েকটি রচনা রয়েছে, যেমন ফণিমনসা। পরীক্ষায় আসলে খেয়াল রাখবে ফণিমনসা একটি কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস বা নাটক নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ফণিমনসা কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশকাল হলো ১৯২৭ সাল। জাতীয় কবির কিশোর উপযোগী সাহিত্যকর্ম থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
a কাব্য
b নাটক
c উপন্যাস
d প্রবন্ধ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবন্ধ ১. কেন সঠিক: - বীরবলের হালখাতা গ্রন্থটি প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন। - এই গ্রন্থে সমাজ, সাহিত্য ও জীবন সম্পর্কিত বিভিন্ন মননশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রবর্তক এবং বীরবল ছদ্মনামের জন্য পরিচিত। - তাঁর সাহিত্যিক গুরু ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রায়তের কথা ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর রচিত আরও একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি মননশীল প্রবন্ধমূলক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — এটি সঠিক নয় কারণ বীরবলের হালখাতা কোনো পদ্য বা কবিতার বই নয়। B) নাটক — এটি নাটক নয় কারণ এতে কোনো দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী চরিত্র ও সংলাপ নেই। C) উপন্যাস — এটি উপন্যাস নয় কারণ এতে কোনো কাল্পনিক বা বাস্তবধর্মী দীর্ঘ কাহিনীর ধারাবাহিক গল্প নেই। D) প্রবন্ধ — এটি সঠিক কারণ গ্রন্থটি প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধের সমাহার। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখলেই তাঁর বীরবল শিরোনামের গ্রন্থগুলো প্রবন্ধ হিসেবে সহজেই চেনা যায়। - হালখাতা মানে হিসাবের বই, আর প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগুলো বুদ্ধির হিসাব ও যুক্তির খোরাক জোগায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল এবং তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পাবনা জেলার হরিপুর। - তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির আন্দোলন গড়ে তুলতে মূখ্য ভূমিকা রেখেছিল।
a আরবি
b ফারসি
c হিন্দি
d তুর্কি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তুর্কি ১. কেন সঠিক: - 'কাঁচি' শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - উৎসগত বিচারে এটি বাংলা ভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ আগন্তুক বা বৈদেশিক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলোকে বৈদেশিক বা আগন্তুক শব্দ বলা হয়। - তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো বাংলা শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে এবং এগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দারোগা ব্যাখ্যা: দারোগা একটি তুর্কি শব্দ যা প্রশাসনিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চাকর ব্যাখ্যা: চাকর শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বিভিন্ন ধর্মীয় ও প্রশাসনিক শব্দ বাংলায় এলেও 'কাঁচি' আরবি শব্দ নয়। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে নানা সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়িক শব্দ আসলেও 'কাঁচি' ফারসি শব্দ নয়। C) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে কিছু কথ্য শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও 'কাঁচি' হিন্দি শব্দ হিসেবে স্বীকৃত নয়। D) তুর্কি — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'কাঁচি' একটি তুর্কি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - তুর্কি শব্দ মনে রাখার একটি সাধারণ কৌশল হলো অস্ত্র ও প্রশাসনিক পদের নামগুলো খেয়াল রাখা। - কাঁচি একটি ধারালো অস্ত্র, তাই এটি তুর্কি শব্দ হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তুর্কি শব্দের তালিকা যেমন দারোগা, চাকর, বাবুর্চি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b মাইকেল মধুসূদন দত্ত
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বেনজীর আহমেদ
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত বিদ্রোহী ও প্রণয়ধর্মী চেতনার একটি পঙ্‌ক্তি। - এখানে প্রিয়তমার কপালে বেদনার টীকা এঁকে দেওয়ার মাধ্যমে বিরহ ও প্রেমের গভীর বেদনা প্রকাশ করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি গণমানুষের অধিকার, সাম্য এবং প্রেমের গান গেয়েছেন। - তাঁর কবিতায় দ্রোহের পাশাপাশি কোমল প্রেমের অনুপম প্রকাশ লক্ষ করা যায় যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোর প্রিয়া হবে এসো রানী, দেবো খোপায় তারার ফুল। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেমের গান ও কবিতার পঙ্‌ক্তি। উদাহরণ ২: নিষিদ্ধ প্রদীপের শিখা সম তুমি মোর জীবনে জ্বলিছ একা। ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুলের বিরহ ও প্রেমের অনুভূতির প্রকাশ সংবলিত একটি সুন্দর পঙ্‌ক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃতাংশটি তাঁরই রচনা। B) মাইকেল মধুসুদন দত্ত — তিনি মহাকাব্য ও সনেট রচয়িতা হলেও এই ধরনের পঙ্‌ক্তি তাঁর নয়। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — তিনি কিশোর কবি ও মার্ক্সবাদী চেতনার লেখক হলেও এই কবিতা তাঁর নয়। D) বেনজীর আহমেদ — তিনি একজন বিশিষ্ট মুসলিম রেনেসাঁীয় কবি হলেও এই উদ্ধৃতাংশ তাঁর কবিতা থেকে নেওয়া হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রেমের গভীর বেদনা এবং টীকা বা কপালে তিলক আঁকার রূপক নজরুল কাব্যে বিশেষভাবে দেখা যায়। - পরীক্ষার হলে 'বেদনার টীকা' শব্দগুচ্ছ দেখলে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে প্রধান বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির পঙ্‌ক্তিভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মূল কবিতার নাম এবং কবির অন্যান্য বিখ্যাত পমাংশ ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
c প্রমথ চৌধুরীর
d টেকচাঁদ ঠাকুরের
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১. কেন সঠিক: - ভানুসিংহ ঠাকুর হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছদ্মনাম। - খুব অল্প বয়সে কবি যখন বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে পদ রচনা শুরু করেন, তখন তিনি এই ছদ্মনাম ব্যবহার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভা, যিনি একাধারে কবি, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। - ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী তাঁর এই ছদ্মনামে লেখা একমাত্র কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: বনফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের সুপরিচিত ছদ্মনাম, যা তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য ব্যবহার করতেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ভানুসিংহ ছদ্মনামে কবিতা লিখেছেন। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের — সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছদ্মনাম হিউয়েনসাং বা স্বয়ংশ্রু, ভানুসিংহ নয়। C) প্রমথ চৌধুরীর — প্রমথ চৌধুরীর পরিচিত ছদ্মনাম বীরবল, তাই এটি সঠিক নয়। D) টেকচাঁদ ঠাকুরের — টেকচাঁদ ঠাকুর হলো প্যারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম, যা তাঁর কালকের চেরী উপন্যাসের সাথে যুক্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের প্রথম ও সবচেয়ে বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো ভানুসিংহ, যা বৈষ্ণব পদ রচনার সময় ব্যবহৃত হয়। - ভানু শব্দের অর্থ সূর্য এবং সিংহ যুক্ত করে কবি এই ছদ্মনামটি তৈরি করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেমন বীরবল কার ছদ্মনাম তা জানা জরুরি। - বিভিন্ন লেখকের প্রকৃত নাম এবং ছদ্মনাম আলাদা করে মুখস্থ রাখা BCS পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
a রোমান্টিসিজম
b আধুনিকতাবাদ
c উত্তরাধুনিকতাবাদ
d বাস্তববাদ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তরাধুনিকতাবাদ ১. কেন সঠিক: - উত্তরাধুনিকতাবাদ হলো এমন একটি সাহিত্যিক ও দার্শনিক ধারা, যেখানে মানুষের চরম বিচ্ছিন্নতা, সংশয়, অবিশ্বাসী মনন এবং গভীর নৈরাশ্যবাদ প্রকাশ পায়। - এই তত্ত্বে পূর্বের সকল প্রথাগত মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের পতন ঘটে, ফলে মানুষের জীবনে এক ধরনের অর্থহীনতা ও নিরাশার সুর বেজে ওঠে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে উত্তরাধুনিকতাবাদ সাহিত্য ও দর্শনে এক নতুন মাত্রা যোগ করে, যা আধুনিকতাবাদের পরবর্তী ধাপ হিসেবে পরিচিত। - এই সাহিত্যধারায় কোনো পরম সত্য বা চিরন্তন আদর্শের কথা বলা হয় না, বরং খণ্ডিত সত্য, হতাশা এবং চরম নৈরাশ্যবাদ প্রাধান্য পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্যামুয়েল বেকেটের নাটক ওয়েটিং ফর গডোট ব্যাখ্যা: এটি একটি বিখ্যাত উত্তরাধুনিক ও অ্যাবসার্ড নাটক, যেখানে চরিত্রের অন্তহীন অপেক্ষা এবং গভীর নৈরাশ্যবাদের প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: ফ্রান্জ কাফকার উপন্যাস দ্য মেটামরফোসিস ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মে মানুষের অস্তিত্বের সংকট, চরম একাকীত্ব এবং জীবনের অর্থহীনতার বা নৈরাশ্যবাদের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোমান্টিসিজম — এই ধারায় নৈরাশ্যবাদ নয়, বরং কল্পনাপ্রবণতা, সৌন্দর্যপ্রীতি, ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ পায়। B) আধুনিকতাবাদ — এই ধারায় শিল্প ও সাহিত্যে ভাঙন এবং নাগরিক জীবনের জটিলতা এলেও এটি সরাসরি নৈরাশ্যবাদের মূল মর্ম হিসেবে চিহ্নিত নয়। D) বাস্তববাদ — এই ধারায় মানব জীবনের রূঢ় সত্য, সামাজিক সমস্যা ও বস্তুনিষ্ঠ উপস্থাপন মুখ্য হয়, যা কেবল নৈরাশ্যবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উত্তরাধুনিকতাবাদ মানেই জীবনের অর্থহীনতা, সংশয় ও নৈরাশ্যবাদ। - আধুনিকতার পরবর্তী ধাপ হিসেবে উত্তরাধুনিকতা সবসময় মানুষের হতাশা ও বিচ্ছিন্নতাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাহিত্য দর্শনে নৈরাশ্যবাদ বললেই উত্তরাধুনিকতাবাদ বা অস্তিত্ববাদকে মনে রাখতে হবে। - বিংশ শতাব্দীর সাহিত্য আন্দোলনের প্রশ্নগুলোতে এই ধরনের দার্শনিক বৈশিষ্ট্য প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে।
a ফারসি ও ইংরেজি শব্দে
b ফরাসি ও ইংরেজি শব্দে
c ফারসি ও ফরাসি শব্দে
d ফারসি ও হিন্দি শব্দে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে ১. কেন সঠিক: - বেটাইম শব্দটি একটি মিশ্র শব্দ যা ফারসি ও ইংরেজি ভাষার শব্দের মিলনে গঠিত হয়েছে। - এখানে বে উপসর্গটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে এবং টাইম শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে গৃহীত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - মিশ্র শব্দ হলো ভিন্ন ভাষা থেকে আসা দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত নতুন শব্দ। - ফারসি উপসর্গ বে এবং ইংরেজি শব্দ টাইম যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হেডমাস্টার ব্যাখ্যা: ইংরেজি হেড এবং ফারসি বা অন্য ভাষার শব্দ মিলে এই মিশ্র শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: রেলগাড়ি ব্যাখ্যা: ইংরেজি রেল এবং দেশি গাড়ি শব্দ মিলে মিশ্র শব্দ তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি ও ইংরেজি শব্দে — এটি সঠিক কারণ বে ফারসি এবং টাইম ইংরেজি শব্দ। B) ফরাসি ও ইংরেজি শব্দে — এটি ভুল কারণ বে ফরাসি শব্দ নয়, ফারসি উপসর্গ। C) ফারসি ও ফরাসি শব্দে — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো ফরাসি শব্দ নেই, টাইম একটি ইংরেজি শব্দ। D) ফারসি ও হিন্দি শব্দে — এটি ভুল কারণ টাইম কোনো হিন্দি শব্দ নয়, এটি সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেটাইম শব্দটিতে বে হলো ফারসি উপসর্গ এবং টাইম হলো ইংরেজি সময়বাচক শব্দ। - মিশ্র শব্দ চেনার সময় শব্দের উৎসগুলো আলাদা করে দেখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মিশ্র শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিদেশি শব্দের সঙ্গে বাংলা বা অন্য ভাষার মিলনে গঠিত শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দাতা
b কম খরচে
c দরিদ্র
d কৃপণ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কৃপণ ১. কেন সঠিক: - হাত-ভারি একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ কৃপণ বা যে সহজে টাকা খরচ করতে চায় না। - বাংলা ভাষায় হাত শব্দের সঙ্গে বিভিন্ন বিশেষণ যুক্ত হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, এখানে ভারী শব্দটি কৃপণতা বা ব্যয় করার ক্ষেত্রে অনীহা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে বাগধারার বিকল্প নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাটে হাঁড়ি ভাঙা ব্যাখ্যা: এর অর্থ গোপন কথা প্রকাশ করে দেওয়া। উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে ব্যাখ্যা: এর অর্থ যার ভাগ্য খুব মন্দ বা হতভাগ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাতা — দাতা অর্থ যে দান করে, যা হাত-ভারি বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) কম খরচে — কম খরচে অর্থ মিতব্যয়ী, যা কৃপণতার সমার্থক হলেও বাগধারাটির প্রচলিত নির্দিষ্ট অর্থ নয়। C) দরিদ্র — দরিদ্র অর্থ যার অর্থকষ্ট বা অভাব রয়েছে, যা কৃপণতার সমার্থক নয়। D) কৃপণ — সঠিক উত্তর, কারণ হাত-ভারি বাগধারাটি কৃপণ বা ব্যয়কুশল ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - যার হাত থেকে টাকা বের করতে গেলে ভারি বা কষ্ট হয়, তাকে কৃপণ বা হাত-ভারি বলা হয়। - বাগধারা মনে রাখার জন্য আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সমার্থক বাগধারাগুলো এক সঙ্গে পড়তে হবে। - কৃপণার্থক অন্যান্য বাগধারার মধ্যে হাতটান এবং মুঠো শক্ত করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c ক্রিয়া-বিশেষণ
d বিশেষ্যের-বিশেষণ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য ১. কেন সঠিক: 'লাজ' একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ কারণ এটি লজ্জা বা সংকোচ নামক একটি গুণের নাম বোঝায়। ব্যাকরণ অনুযায়ী যে শব্দ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, সমষ্টি, গুণ বা অবস্থার নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিশেষ্য পদ হলো সেই পদ যা কোনো কিছুর নাম নির্দেশ করে এবং এটি বাক্যে নামপদ হিসেবে কাজ করে। 'লাজ' শব্দটি সংস্কৃত লজ্জা শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়ে বাংলা ভাষায় বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তার মুখে লাজ শোভা পাচ্ছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'লাজ' শব্দটি লজ্জা বা সংকোচ নামক একটি গুণের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ভয়ে তার সব লাজ ভেঙে গেল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'লাজ' একটি বিশেষ্য পদ যা মনের একটি ভাব প্রকাশ করছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — এটি সঠিক কারণ 'লাজ' একটি গুণ বা ভাবের নাম বোঝায়। B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ বিশেষণ পদ দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা নির্দেশ করে কিন্তু 'লাজ' কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ গুণ বোঝাচ্ছে না। C) ক্রিয়া-বিশেষণ — এটি ভুল কারণ ক্রিয়া-বিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা রীতি প্রকাশ করে কিন্তু 'লাজ' তা নয়। D) বিশেষ্যের-বিশেষণ — এটি ভুল কারণ এটি বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশকারী কোনো শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ দ্বারা যদি কোনো গুণ বা ভাবের নাম বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে বিশেষ্য পদ হিসেবে চিহ্নিত করবে। নামবাচক বা ভাববাচক শব্দ মাত্রই বিশেষ্য পদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত তৎসম বা অর্ধ-তৎসম শব্দগুলোর পদ নির্ণয় করতে দেয়। শব্দটির অর্থ এবং বাক্যে এর ব্যবহার লক্ষ্য করলে খুব সহজেই বিশেষ্য পদ চেনা যায়।
a মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b মুহম্মদ এনামুল হক
c মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন
d মুহম্মদ আবদুল হাই
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির আঞ্চলিক ভাষার অভিধান সম্পাদনার মূল কাজটি সম্পন্ন করেন। - বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মুখের ভাষার শব্দ সংগ্রহ ও তার অর্থ প্রকাশের জন্য এই ঐতিহাসিক অভিধানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিজ্ঞানী, বহুভাষাবিদ ও সাহিত্য গবেষক। - বাংলা ভাষার উৎস সন্ধান ও আঞ্চলিক রূপের বৈচিত্র্য রক্ষায় তাঁর এই অভিধান সম্পাদনা একটি যুগান্তকারী কাজ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাটগাঁইয়া বা নোয়াখালীর আঞ্চলিক শব্দ ব্যাখ্যা: আঞ্চলিক অভিধানে এই ধরনের স্থানীয় শব্দের প্রমিত অর্থ অন্তর্ভুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: বরেন্দ্র অঞ্চলের লোকজ শব্দ ব্যাখ্যা: বাংলার বিভিন্ন জনপদের উপভাষার রূপ এই অভিধানের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা একাডেমির আঞ্চলিক অভিধান সম্পাদনা করেন। B) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি বাংলা একাডেমির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এই অভিধানের প্রধান সম্পাদক নন। C) মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন — তিনি লোকসাহিত্য সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত হলেও এই অভিধান সম্পাদনা করেননি। D) মুহম্মদ আবদুল হাই — তিনি ধ্বনিবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক হলেও এই নির্দিষ্ট অভিধানটি তিনি সম্পাদনা করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: - আঞ্চলিক ভাষার গবেষণার কথা মনে এলেই ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর নাম সবার আগে স্মরণ করতে হবে। - ভাষা ও অভিধান সংক্রান্ত বড় প্রকল্পে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন গ্রন্থ ও সম্পাদনার নাম প্রায়ই আসে। - আঞ্চলিক ভাষার অভিধানের পাশাপাশি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অন্যান্য ভাষাতাত্ত্বিক গ্রন্থ সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হবে।
a আবুল কালাম শামসুদ্দিন
b শামসুদ্দিন আবুল কালাম
c আবুল ফজল
d জসীমউদদীন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুদ্দিন আবুল কালাম ১. কেন সঠিক: কাশবনের কন্যা গ্রন্থটি কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দিন আবুল কালামের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। গ্রামীণ সমাজ জীবন ও মানুষের বাস্তব সংগ্রামের চিত্র এই উপন্যাসে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শামসুদ্দিন আবুল কালাম বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। তাঁর উপন্যাসে মূলত পূর্ববঙ্গের গ্রামীণ জনপদ, নদীমাতৃক জীবন এবং মানুষের দুঃখ-দৈন্য ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাশবনের কন্যা ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দিন আবুল কালাম রচিত একটি প্রখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: আলিমুদ্দারের দাড়ি ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দিন আবুল কালামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল কালাম শামসুদ্দিন — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক হলেও কাশবনের কন্যা তাঁর রচিত গ্রন্থ নয়। B) শামসুদ্দিন আবুল কালাম — এটি সঠিক উত্তর। C) আবুল ফজল — ইনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হলেও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে চৌচির ও রাঙ্গা প্রভাত উল্লেখযোগ্য, কাশবনের কন্যা নয়। D) জসীমউদদীন — ইনি পল্লিকবি নামে পরিচিত হলেও তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশি কাথার মাঠ ও সুজন بادিয়ার ঘাট, কাশবনের কন্যা তাঁর উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কাশবনের কন্যা উপন্যাসের লেখক মনে রাখতে নামের শেষে কালাম অংশটি মনে রাখতে পারেন। শামসুদ্দিন আবুল কালামের নামের কালাম শব্দটির সঙ্গে কাশবনের কন্যা উপন্যাসের কাব মিল রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। শামসুদ্দিন আবুল কালামের উপন্যাস ও গল্পের তালিকা ভালোভাবে পড়লে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a আবুল হোসেন
b কাজী মোতাহার হোসেন
c কাজী আবদুল ওদুদ
d কাজী আনোয়ারুল কাদির
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী আবদুল ওদুদ ১. কেন সঠিক: - 'শাশ্বত বঙ্গ' হলো প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ কাজী আবদুল ওদুদ রচিত একটি বিখ্যাত মননশীল প্রবন্ধগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে বাঙালি জাতির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং জীবনদর্শন অত্যন্ত মুনশিয়ানার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী আবদুল ওদুদ ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধে আবির্ভূত বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা। - তাঁর সাহিত্যকর্মে যুক্তিবাদী মননশীলতা এবং মানবতাবাদের এক অনন্য প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের স্বাস্থ্য ব্যাখ্যা: এটি কাজী আবদুল ওদুদ রচিত সমাজচিন্তামূলক একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: নজরুল-প্রতিভা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম মূল্যায়ন করে লেখা কাজী আবদুল ওদুদের একটি মূল্যবান সমালোচনা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হোসেন — ইনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী হলেও 'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) কাজী মোতাহার হোসেন — ইনি বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক ও দাবাড়ু হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থের প্রণেতা নন। C) কাজী আবদুল ওদুদ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) কাজী আনোয়ারুল কাদির — ইনি আধুনিক যুগের একজন পরিচিত কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - শাশ্বত সংস্কৃতির কথা মনে এলেই বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের পুরোধা কাজী আবদুল ওদুদের কথা স্মরণ করবে। - ওদুদ সাহেবের মননশীল প্রবন্ধ মানেই বাঙালির চিরন্তন রূপ ও শাশ্বত সত্তার অন্বেষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন এবং শিখা গোষ্ঠীর লেখকদের তালিকা ভালো করে মুখস্থ রাখবে কারণ বিসিএস পরীক্ষায় এ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কাজী আবদুল ওদুদের প্রবন্ধ গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে নোট করে রাখবে।
a একটি
b দুটি
c তিনটি
d চারটি
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুটি ১. কেন সঠিক: সনেটের মূল কাঠামো মূলত দুটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশ হলো অষ্টক বা অক্টেভ এবং দ্বিতীয় অংশ হলো ষট্ক বা সেস্টেট। সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতায় ভাবের প্রবর্তন ও পরিণতি প্রকাশের জন্য এই দুটি নির্দিষ্ট অংশ থাকে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সনেট হলো চোদ্দোটি চরণের কবিতা যার উৎপত্তি ইতালিতে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় প্রথম সনেট চালু করেন। বাংলা সনেটে সাধারণত প্রথম আট চরণে ভাবের প্রবর্তনা এবং পরের ছয় চরণে ভাবের পরিণতি থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত কবিতা যার মাধ্যমে সনেটের কাঠামো অনুধাবন করা যায়। উদাহরণ ২: কব্জি ফুসফুস ব্যাখ্যা: আধুনিক বাংলা সনেটেও ভাবের এই দ্বৈত বিভাজন বা দুটি অংশ অনুসৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি — সনেট একটি অখণ্ড কবিতা মনে হলেও এর অভ্যন্তরীণ গঠন একটি নয়, বরং দুটি ভাগে বিভক্ত। B) দুটি — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ সনেটের দুটি অংশ থাকে। C) তিনটি — সনেটের তিনটি অংশ থাকে না, এটি ভুল ধারণা কারণ সনেট দুটি ভাগে বিন্যস্ত। D) চারটি — সনেটের চারটি অংশ থাকে না, চরণের সংখ্যা চোদ্দো হলেও ভাবের অংশ দুটি। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেটের অংশ দুটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো চোদ্দোকে দুই ভাগ করলে আট ও ছয় হয়। এই আট ও ছয় মিলে সনেটের দুটি অংশ গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সনেটের অংশ এবং চরণের সংখ্যা প্রায়ই আসে। সনেটে মোট চরণ চোদ্দোটি এবং অংশ দুটি এটি ভালোভাবে মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a emphasise about
b emphasise to
c emphasise on
d emphasise
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) emphasise on কেন সঠিক: এখানে emphasise শব্দটি সাধারণত সরাসরি অবজেক্ট গ্রহণ করে, তবে জোর দেওয়া অর্থে on প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) emphasise about — emphasise শব্দের সাথে about প্রিপজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) emphasise to — emphasise শব্দের সাথে to প্রিপজিশন ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ ভুল হয়। C) emphasise on — এটিই সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে। D) emphasise — এখানে শুধু verb বসালে বাক্যের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় না। মনে রাখার টিপস: emphasise শব্দের পরে সাধারণত on প্রিপজিশন বসে।
a for helping
b to held
c help
d helping
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) helping কেন সঠিক: বাক্যে mind শব্দটি একটি gerund বা ing যুক্ত verb গ্রহণ করে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে helping ব্যবহৃত হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for helping — mind verb এর পরে সরাসরি preposition বসে না। B) to held — mind এর পরে infinitive অর্থাৎ to বসে না এবং held ভুল রূপ। C) help — mind এর পরে base form এর verb সরাসরি বসে না। D) helping — এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: mind শব্দের পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a to a walk
b for a walk
c for a walking
d walk
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) for a walking কেন সঠিক: হাঁটার উদ্দেশ্যে কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজিতে নির্দিষ্ট একটি ধারা ব্যবহার করা হয়। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে ফর এবং তারপর ওয়াকিং শব্দটি বসেছে। ব্যায়াম করার উদ্দেশ্য বোঝাতে এই গঠনটি ব্যবহার করা হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই নিয়মটি প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to a walk — এই গঠনে টু প্রিপজিশন ব্যবহারের নিয়মটি এখানে সঠিক নয়। B) for a walk — এখানে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী ওয়াক শব্দের আগে আর্টিকেল এ বসার প্রয়োজন ছিল। C) for a walking — এটি মূল সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) walk — এখানে কোনো প্রিপজিশন বা সঠিক রূপ ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: উদ্দেশ্য বোঝাতে ওয়াক বা হাঁটার আগে সাধারণত ফর প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a would cook
b had cooked
c cook
d was cooking
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was cooking কেন সঠিক: - While দ্বারা যুক্ত বাক্যে একটি অংশ Past Continuous Tense হলে অপর অংশ Past Indefinite Tense হয়। - প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশ arrived Past Indefinite Tense-এ থাকায় পরের অংশে Past Continuous Tense (was cooking) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would cook — Past Continuous Tense-এর পরিবর্তে modal verb-এর Past form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) had cooked — Past Perfect Tense এই নির্দিষ্ট ঘটনার ধারাবাহিকতা বা নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। C) cook — Present Indefinite Tense অতীতের কোনো ঘটনার ধারাবাহিকতা বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। D) was cooking — সঠিক উত্তর কারণ এটি Past Continuous Tense-এর নিয়মকে পূর্ণ করে। মনে রাখার টিপস: While-এর পরে Past Continuous Tense এবং অপর clause-এ Past Indefinite Tense বসে।
a machine
b machinery
c a machinery
d machineries
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) machinery কেন সঠিক: machinery একটি আনকাউন্টেবল নাউন তাই এর পূর্বে কোনো a বা an বসে না। এই শব্দের শেষে সরাসরি s বা es যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) machine — এটি একটি কাউন্টেবল নাউন হওয়ায় শূন্যস্থানে কেবল এটি বসালে বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণ হয় না। C) a machinery — machinery আনকাউন্টেবল নাউন হওয়ায় এর পূর্বে ভুল করে indefinite article a ব্যবহার করা হয়েছে। D) machineries — এটি একটি ভুল শব্দ কারণ আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে কখনো s বা ies যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। মনে রাখার টিপস: Machinery শব্দটি দেখতে একবচন মনে হলেও এটি সর্বদা আনকাউন্টেবল নাউন হিসেবে গণ্য হয় এবং এর সাথে a বা ies যুক্ত হয় না।
a by
b with
c on a
d on
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) on কেন সঠিক: পায়ে হেঁটে চলা বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী on preposition ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যটির অর্থ সঠিক হয় না। এটি একটি নির্দিষ্ট প্রবাদ বা ধারার অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — যানবাহনের ক্ষেত্রে by বসে, কিন্তু হেঁটে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি বসে না। B) with — কোনো যন্ত্রপাতি বা উপকールの সাথে with বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) on a — এখানে article 'a' অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: পায়ে হেঁটে চলা বোঝালেই অন ফুড মুখস্ত রাখবে।
a as well
b also
c beside
d besides
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) besides কেন সঠিক: - besides শব্দটির অর্থ অতিরিক্ত বা পাশাপাশি, যা মূল অর্থের সাথে আরও কিছু যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। - এখানে দুইশ ডলারের অতিরিক্ত আরও কিছু অর্থের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে besides সঠিক preposition হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as well — এটি সাধারণত বাক্যের শেষে বসে এবং এর অর্থ ও বটে, তাই এখানে শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়। B) also — এটি একটি adverb যা মূল verb এর আগে বা বাক্যের মাঝে বসে, কিন্তু এখানে preposition এর প্রয়োজন। C) beside — এর অর্থ পাশে, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) besides — এটি সঠিক অপশন কারণ এর অর্থ অতিরিক্ত বা ব্যতিরেকে। মনে রাখার টিপস: অতিরিক্ত বা আরো বোঝাতে শেষের এস যুক্ত besides ব্যবহার করতে হয় এবং পাশে বোঝাতে এস ছাড়া beside ব্যবহার করতে হয়।
a made of
b made up of
c made up
d made
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) made up of কেন সঠিক: কোনো দল বা বস্তু কী কী উপাদান নিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে 'made up of' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। এখানে এগারো জন খেলোয়াড় মিলে দল গঠিত হয়েছে বোঝাতে এই সঠিক ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। দল গঠনের ক্ষেত্রে সঠিক প্রিপজিশন সহ এই রূপটিই ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) made of — এটি দিয়ে সাধারণত কোনো বস্তু কী উপাদান দিয়ে তৈরি তা বোঝায়, কিন্তু দল গঠনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। B) made up of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। C) made up — এর সাথে 'of' না থাকায় এটি অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং দলের উপাদান বোঝাতে অক্ষম। D) made — এটি একা বসলে গঠিত হওয়া অর্থ প্রকাশ করলেও সঠিক ফ্রেজাল ভার্বের সম্পূর্ণ অর্থ দেয় না। মনে রাখার টিপস: কোনো দল বা সমষ্টি কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত, তা বোঝাতে সবসময় 'made up of' ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a of my appointment
b to go my appointment
c to my appointment
d my appointment
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অব মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট কেন সঠিক: রিমাইন্ড ভারบটির পর সাধারণত অব প্রিপজিশন বসে কোনো নির্দিষ্ট স্মারক বা বিষয়ের ক্ষেত্রে। এখানে অ্যাপয়েন্টমেন্ট একটি নাউন হওয়ায় তার আগে অব ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণ সম্পূর্ণ নির্ভুল রাখে। B) টু গো মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — এখানে ইনফিনিটিভ ব্যবহারের ফলে বাক্যের গঠন ও অর্থ ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে। C) টু মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — রিমাইন্ড ভার্বের সাথে টু প্রিপজিশন সরাসরি এভাবে বসে না। D) মাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট — মাঝখানে সঠিক প্রিপজিশন না থাকায় এটি একটি অসম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে। মনে রাখার টিপস: রিমাইন্ড সামওয়ান অব সামথিং নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রিপজিশনের ব্যবহার সহজে মনে রাখা যায়।
a get
b are getting
c gets
d have got
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) gets কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'At least one of' থাকলে এর পরের নাউনটি বহুবচন হলেও মূল সাবজেক্টটি একবচন হিসেবে ধরা হয়। তাই সাবজেক্ট একবচন হওয়ায় এর সাথে সিঙ্গুলার ভার্ব বসে। এখানে প্রতিবারের অভ্যাসের কথা বোঝাতে প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। তাই সঠিক ভার্বটি হবে gets। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get — এটি প্লুরাল ভার্ব, কিন্তু আমাদের সাবজেক্ট সিঙ্গুলার হওয়ায় এটি ভুল। B) are getting — প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এবং প্লুরাল ভার্ব হওয়ার কারণে এটি এখানে বসবে না। C) gets — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) have got — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স এবং প্লুরাল ভার্ব, তাই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'one of' থাকলে তার পরের ভার্বটি সবসময় একবচন বা সিঙ্গুলার হয়।
a most beautiful
b less beautiful
c as beautiful
d not so beautiful as
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) not so beautiful as কেন সঠিক: বাক্যের প্রথম অংশে বলা হয়েছে সে সুন্দর, কিন্তু মাঝের সংযোগকারী শব্দ ইঙ্গিত করে যে মায়ের সাথে তার সৌন্দর্যের তুলনা করলে সে পরিমাণে কম। নেতিবাচক তুলনার ক্ষেত্রে সো as অথবা অ্যাজ as এর সাথে পজিটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়, যা এই শূন্যস্থানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) most beautiful — এটি সুপারলেটিভ ডিগ্রি, যা এখানে দুই ব্যক্তির মধ্যে তুলনার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে একেবারেই প্রযোজ্য নয়। B) less beautiful — এর সাথে সরাসরি তুলনা বোঝাতে সাধারণত নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রিপজিশন প্রয়োজন হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য উপযুক্ত নয়। C) as beautiful — এটি কেবল দুটি সমান বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাক্যের কিন্তু অংশটি বৈপরীত্য বা কম বোঝাতে চাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বিপরীত বা বৈসাদৃশ্যমূলক তুলনার ক্ষেত্রে নট সো অ্যাজ গঠনটি ব্যবহার করতে হয়।
a to get
b in getting
c for getting
d get
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to get কেন সঠিক: বাক্যের ভাব প্রকাশ করতে এখানে উদ্দেশ্য বোঝাতে ইনফিনিটিভ ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো কাজে অসুবিধা হওয়া বোঝাতে পরবর্তী verb এর সাথে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to get — এটি সঠিক কারণ উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝাতে সঠিক infinitive গঠন প্রকাশ করে। B) in getting — preposition এর পর gerund ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) for getting — অসুবিধা বোঝাতে for এর ব্যবহার এই বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) get — একটি বাক্যে দুটি মূল verb একসাথে বসে না without conjunction তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: have difficulty এর পর সাধারণত উদ্দেশ্য বোঝাতে to এবং verb এর base form বসে।
a the most prettiest of all
b prettiest one of all
c the prettiest one from all
d the prettiest one of all
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) the prettiest one of all কেন সঠিক: এখানে superlative degree বোঝাতে the prettiest ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক ব্যাকরণ। একাধিক বস্তুর মধ্য থেকে তুলনা করার জন্য of all ব্যবহৃত হয় যা বাক্যটিকে অর্থপূর্ণ করে। one শব্দটি ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the most prettiest of all — এখানে double superlative ব্যবহার করা হয়েছে কারণ prettiest শব্দের আগে most বসানো ভুল। B) prettiest one of all — এই অপশনে সুপারলেটিভ ডিগ্রির পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the ব্যবহার করা হয়নি। C) the prettiest one from all — সুপারলেটিভ ডিগ্রির ক্ষেত্রে সাধারণত from না হয়ে of all ব্যবহৃত হয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: Superlative degree-এর আগে সবসময় the বসে এবং সবার মধ্য থেকে তুলনা করতে of all ব্যবহার করতে হয়।
a to
b at
c on
d by
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at কেন সঠিক: ইংরেজিতে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো অর্থে 'arrive at' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত বোঝাতে এখানে 'at' প্রিপজিশন বসবে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রিপজিশনের সঠিক ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সাধারণত কোনো গন্তব্যে পৌঁছানো বোঝাতে বসে, সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বসে না। C) on — এটি কোনো নির্দিষ্ট উপরিভাগ বা বিষয়ের ওপর বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল। D) by — এটি কোনো মাধ্যম বা সময়ের মধ্যে বোঝাতে বসে, তাই এখানে এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইংরেজি করার সময় 'arrive' শব্দের পরে সবসময় 'at' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a into
b in
c to
d over to
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - Give in একটিPhrasal Verb যার অর্থ নমনীয় হওয়া, আত্মসমর্পণ করা বা অন্যের দাবি মেনে নেওয়া। - বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সরকার জনগণের দাবি অবশেষে মেনে নিয়েছিল বা নমনীয় হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) into — Give into সাধারণত কোনো তাত্ত্বিক বা মানসিক চাপের কাছে ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে উপযুক্ত নয়। B) in — এটি সঠিক অপশন কারণ Give in অর্থ দাবি মেনে নেওয়া। C) to — Give to সরাসরি কাউকে কোনো কিছু প্রদান করা বোঝায়, এখানে দাবি মেনে নেওয়ার অর্থ প্রকাশ করে না। D) over to — Give over to অর্থ কোনো দায়িত্ব বা অধিকার সম্পূর্ণ অর্পণ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না। মনে রাখার টিপস: দাবি বা চাপের মুখে হার স্বীকার করা বা মেনে নেওয়া বোঝালে Give-এর পরে ہمیشہ in বসে।
a through
b away
c out
d in
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) out কেন সঠিক: - Break out একটি সঠিক গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ হঠাৎ শুরু হওয়া বা ছড়িয়ে পড়া। - যুদ্ধ, মহামারী বা আগুন হঠাৎ শুরু হলে তার পূর্বে break out ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) through — Break through অর্থ কোনো কিছু ভেদ করে এগিয়ে যাওয়া, যা যুদ্ধের সূচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) away — Break away অর্থ বল প্রয়োগ করে মুক্ত হওয়া বা সম্পর্ক ছিন্ন করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। C) out — এটি সঠিক উত্তর কারণ যুদ্ধ শুরু হওয়া বোঝাতে break out ব্যবহৃত হয়। D) in — Break in অর্থ জোর করে প্রবেশ করা বা অভ্যস্ত করা, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ বা মহামারী হঠাৎ শুরু হওয়া বোঝাতে সবসময় break এর সাথে out বসে।
a easily deceived
b foolish
c willing to believe anything or anyone
d simple
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) willing to believe anything or anyone কেন সঠিক: Gullible শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সহজে বিশ্বাসপ্রবণ বা সরলমনা ব্যক্তি। তাই যেকোনো মানুষ বা যেকোনো কিছু সহজেই বিশ্বাস করতে প্রস্তুত এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) easily deceived — এটি gullible শব্দের ফল বা পরিণতি হতে পারে, কিন্তু সরাসরি অর্থ বা সংজ্ঞা নয়। B) foolish — এর অর্থ বোকা, কিন্তু সব সরলমনা বা gullible মানুষ বোকা হয় না। C) willing to believe anything or anyone — এটি সঠিক কারণ gullible শব্দের মূল অর্থই হলো অতি সহজে সবকিছু বিশ্বাস করা। D) simple — এর অর্থ সহজ বা সাধারণ, যা gullible শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Gullible শব্দটির শুরুতে gull বা seagulls পাখির কথা মনে রাখতে পারেন, যারা খুব সহজেই মানুষের দেওয়া খাবার বিশ্বাস করে কাছে চলে আসে।
a possible
b that can be done
c capable
d that will work
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) that will work কেন সঠিক: Viable শব্দের অর্থ যা কার্যকর বা বাস্তবায়নযোগ্য এবং যার বেঁচে থাকার বা সফল হওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা আছে। অপশন এ, বি এবং সি এর অর্থ যথাক্রমে সম্ভব, যা করা সম্ভব এবং সক্ষম, যা Viable শব্দের সমার্থক। তবে ডি অপশনটি সরাসরি ভবিষ্যতের কাজের সফলতার ওপর জোর দেয় যা Viable শব্দের সরাসরি প্রতিশব্দ নয়। এই কারণে নির্দিষ্টভাবে ডি অপশনটিকে ভিন্ন বা সঠিক উত্তর হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) possible — এই শব্দটির অর্থ সম্ভব, যা Viable শব্দের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ। B) that can be done — এর অর্থ যা করা যেতে পারে, যা Viable শব্দের অর্থের সাথে মিল রাখে। C) capable — এই শব্দটির অর্থ সক্ষম, যা কোনো কিছু করার যোগ্য বোঝাতে Viable শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) that will work — এর অর্থ যা কাজ করবে, যা Viable শব্দের মূল অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায় না। মনে রাখার টিপস: Viable শব্দটি পেলে মাথায় রাখবে এর অর্থ হলো বাস্তবসম্মত বা যা সফলভাবে টিকে থাকতে পারে।
a comfortable
b useful
c convenient to handle or use
d necessary
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) useful কেন সঠিক: - Handy শব্দটির অর্থ হলো সুবিধাজনক, সহজে ব্যবহারযোগ্য বা দরকারী। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে useful শব্দটির অর্থ দরকারী, যা Handy শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) comfortable — এই অপশনের অর্থ আরামদায়ক, যা Handy শব্দের সমার্থক নয়। B) useful — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Handy বা দরকারী অর্থে ব্যবহৃত হয়। না, এখানে সঠিক উত্তরটি আগেই চিহ্নিত করা হয়েছে। C) convenient to handle or use — এটি Handy শব্দের অর্থ বা সংজ্ঞা হতে পারে, তবে সরাসরি সমার্থক শব্দ হিসেবে useful বেশি উপযুক্ত। D) necessary — এই অপশনের অর্থ প্রয়োজনীয়, যা দরকারী বা handy শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে না। মনে রাখার টিপস: Handy মানে হাতের কাছে যা থাকে এবং খুব দরকারী (useful) কাজে লাগে।
a Well-informed- Knowing little
b Careful- Indifferent
c Graceful- Ugly
d Generous- Unkind
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Careful- Indifferent কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত জোড়ায় Conscious অর্থ সচেতন এবং Careless অর্থ অসচেতন, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। ঠিক একইভাবে Careful অর্থ সতর্ক এবং Indifferent অর্থ উদাসীন, যা একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Well-informed- Knowing little — এই জোড়ায় ভালোভাবে অবহিত এবং অল্প জানা শব্দ দুটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও মূল প্রশ্ন অনুযায়ী এদের সম্পর্ক পুরোপুরি মেলে না। B) Careful- Indifferent — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি। C) Graceful- Ugly — এই জোড়ায় দৃষ্টিনন্দন এবং কদর্য শব্দ দুটি বিপরীত হলেও মূল শব্দের ভাবের সাথে সরাসরি মিল নেই। D) Generous- Unkind — এই জোড়ায় উদার এবং নির্দয় শব্দ দুটি বিপরীতার্থক হলেও মূল প্রশ্ন জোড়ার মতো নিখুঁত মিল এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: বিপরীত শব্দ বের করার সময় মূল শব্দের ভাব বা তীব্রতা খেয়াল রাখবে।

মোট প্রশ্ন (10)

a ০.১
b ০.০১
c ০.২৫
d কোনটিই নয়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার মান = ০.১ ধরি, সংখ্যার বর্গমূল = √০.১ অতএব, ০.১ এর বর্গমূল নির্ণয় করলে মান পাওয়া যায় প্রায় ০.৩১৬ সুতরাং, অপশনে থাকা ০.০১ হলো ০.১ এর বর্গ, বর্গমূল নয় উত্তর: কোনটিই নয়
a ১০০ মিনিট
b ১০২ মিনিট
c ১১০ মিনিট
d ১১২ মিনিট
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০২ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: মোট দূরত্ব = ১৮৬ মাইল গড় গতিবেগ = প্রতি ঘণ্টায় ৫০ মাইল ধরি, মোট সময় লাগবে = মোট দূরত্ব ÷ গড় গতিবেগ প্রথম অংশের সময় = ২ ঘণ্টা অতএব, মোট সময় = ১৮৬ ÷ ৫০ = ৩.৭২ ঘণ্টা ৩.৭২ ঘণ্টা = ৩ × ৬০ + টির দশমিক ৭২ × ৬০ মিনিট = ২২৩.২ মিনিট সুতরাং, বাকি সময় = মোট সময় − প্রথম অংশের সময় বাকি সময় = ২২৩.২ মিনিট − ১২০ মিনিট = ১০৩.২ মিনিট উত্তর: ১০২ মিনিট
a ২৫.০০%
b ২৮.০০%
c ৩০.০০%
d ৩২.০০%
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩০.০০% প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাসের হার = (১৮ ÷ ৬০) × ১০০% উত্তর: ৩০.০০%
a ১১ টাকা
b ১২ টাকা
c ১২.৫০ টাকা
d ১৩ টাকা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দৈনিক মোট কাজের সময় = ১০ ঘণ্টা প্রথম ৮ ঘণ্টার মজুরি প্রতি ঘণ্টা = ১০ টাকা ধরি, প্রথম ৮ ঘণ্টায় মোট মজুরি = ৮ × ১০ = ৮০ টাকা বাকি সময়ের কাজ = ১০ − ৮ = ২ ঘণ্টা পরবর্তী সময়ের মজুরি প্রতি ঘণ্টা = ১৫ টাকা অতএব, বাকি ২ ঘণ্টার মোট মজুরি = ২ × ১৫ = ৩০ টাকা দৈনিক মোট মজুরি = ৮০ + ৩০ = ১১০ টাকা মোট কাজের সময় = ১০ ঘণ্টা সুতরাং, ঘণ্টাপ্রতি গড় মজুরি = ১১০ ÷ ১০ = ১১ টাকা উত্তর: ১১ টাকা
a ১৩, ৭৭, ৯১, ১৪৩
b ৭, ২২, ২৬, ৯১
c ২৬, ৭৭, ১৪৩, ১৫৩
d ২, ৭, ১১, ১৩
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৬, ৭৭, ১৪৩, ১৫৩ প্রদত্ত তথ্য: ২০০২ সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে ২০০২ এর মৌলিক উৎপাদকগুলো হলো দুই, সাত, এগারো এবং তেরো ধরি, অপশনগুলোতে থাকা সংখ্যাগুলোর মৌলিক উৎপাদকগুলো পরীক্ষা করতে হবে কোনো সংখ্যাগুচ্ছের লসাগু ২০০২ হতে হলে সংখ্যাগুলোর উৎপাদক ২০০২ এর উৎপাদকের ভেতর থাকতে হবে অতএব, অপশন এ এর সংখ্যাগুলোর উৎপাদকগুলো দুই, সাত, এগারো এবং তেরোর মধ্যে সীমাবদ্ধ অপশন বি এর সংখ্যাগুলোর উৎপাদকগুলোও ২০০২ এর উৎপাদক দ্বারা গঠিত অপশন সি এর ১৫৩ সংখ্যাটির উৎপাদক ১৭, যা ২০০২ এর উৎপাদকের মধ্যে নেই সুতরাং, অপশন সি এর সংখ্যাগুলোর লসাগু ২০০২ হওয়া সম্ভব নয় কারণ পনেরো শত তেরো বা ১৫৩ এর ভেতর ১৭ উৎপাদকটি অতিরিক্ত রয়েছে উত্তর: C) ২৬, ৭৭, ১৪৩, ১৫৩
a 1/11
b 2/11
c 2/21
d 3/31
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/১১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি ভগ্নাংশ দেওয়া আছে। ভগ্নাংশগুলোর মান তুলনা করে ক্ষুদ্রতমটি বের করতে হবে। ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ১ ÷ ১১ = ০.০৯ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ১১ = ০.১৮ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ২১ = ০.০৯ চতুর্থ ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৩১ = ০.০৯ অতএব, ১ ÷ ১১ এর মান প্রায় ০.০৯০৯ ২ ÷ ২১ এর মান প্রায় ০.০৯৫২ ৩ ÷ ৩১ এর মান প্রায় ০.০৯৬৮ সুতরাং, হিসাব করে দেখা যায় ১ ÷ ১১ এর মান সবগুলোর চেয়ে কম। উত্তর: ১/১১
a ১৬ বছর
b ২৪ বছর
c ১৮ বছর
d ২০ বছর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ বছর প্রদত্ত তথ্য: টিপুর বয়স ১২ বছর বাবার বয়স ৪৮ বছর ধরি, বোনের বয়স ক বছর অতএব, প্রশ্নমতে, ১২ অনুপাত ক সমান ক অনুপাত ৪৮ ক গুণ ক সমান ১২ গুণ ৪৮ সুতরাং, ক স্কয়ার সমান ৫৭৬ ক সমান রুট ওভার ৫৭৬ সমান ২৪ উত্তর: ২৪ বছর
a ২১
b ১৩
c ১৯
d ১৬
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যা পরম্পরাটি হলো ফিবোনাচ্চি ধারা। ধারাটির প্রথম পদ থেকে ষষ্ঠ পদ পর্যন্ত যথাক্রমে ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮। ধরি, প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ১ অতএব, সপ্তম পদ = পঞ্চম পদ + ষষ্ঠ পদ = ৫ + ৮ = ১৩ অষ্টম পদ = ষষ্ঠ পদ + সপ্তম পদ = ৮ + ১৩ = ২১ সুতরাং, সংখ্যা পরম্পরাটির অষ্টম পদটি হবে একুশ। উত্তর: ২১
a ১১টি
b ৯টি
c ৮টি
d ১০টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০টি প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটি হলো দুই এবং বত্রিশ ধরি, দুই থেকে বত্রিশ পর্যন্ত সকল সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে অতএব, দুই এবং বত্রিশ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে সুতরাং, এই সীমার ভেতরের মৌলিক সংখ্যাগুলো বের করতে হবে উত্তর: ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১ (মোট ১০টি)
a ওমর খৈয়াম
b আল-খারিজমী
c ইবনে খালদুন
d উলুগ বেগ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইবনে খালদুন প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারজন বিখ্যাত মনীষীর নাম দেওয়া আছে এদের মধ্যে তিনজন ছিলেন বিশিষ্ট গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী ধরি, ওমর খৈয়াম, আল-খারিজমী এবং উলুগ বেগ গণিত শাস্ত্রে অবদান রেখেছেন ইবনে খালদুন ইতিহাস ও সমাজবিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত অতএব, ওমর খৈয়াম বীজগণিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন আল-খারিজমী অ্যালগরিদম ও বীজগণিতের প্রবক্তা সুতরাং, উলুগ বেগ একজন প্রখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ছিলেন উত্তর: C) ইবনে খালদুন

মোট প্রশ্ন (42)

a ১৬১০
b ১৫৭৬
c ১৯০৫
d ১৯৪৭
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৬১০ কেন সঠিক: - সম্রাট জাহাকীরের শাসনামলে সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ১৬১০ সালে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন। - কৌশলগত সামরিক সুবিধা ও নদীপথের নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬১০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী করা হয়েছিল। বি) ১৫৭৬ — এই সালে আকবরের সেনাপতি খান জাহান কর্নাটকের যুদ্ধে দাউদ খান কররানীকে পরাজিত করে বাংলা অধিকার করেন। সি) ১৯০৫ — এটি বঙ্গভঙ্গের সাল, যখন ঢাকাকে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী করা হয়েছিল। ডি) ১৯৪৭ — এটি ব্রিটিশ ভারত বিভক্তি এবং পূর্ব পাকিস্তানের সূচনার সাল। মনে রাখার টিপস: ১৬১০ সালে ইসলাম খান ঢাকায় পা রেখে প্রথম সুবা বাংলার রাজধানী করেন।
a আওরঙ্গজেবের কন্যা
b শায়েস্তা খানের কন্যা
c মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
d আজিমুসশানের মাতা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খানের কন্যা কেন সঠিক: - বিবি পরী ছিলেন বাংলার বিখ্যাত সুবাদার ও মোগল সেনাপতি শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা। - তার আসল নাম ছিল রহমত বানু, তবে তিনি বিবি পরী নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আওরঙ্গজেবের কন্যা — সম্রাট আওরঙ্গজেবের কন্যার নাম জেবউন্নিসা, তাই এটি সঠিক নয়। B) শায়েস্তা খানের কন্যা — এই অপশনটি সঠিক এবং ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মিলে যায়। C) মুর্শিদকুলি খানের কন্যা বা স্ত্রী — মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রীর নাম ভিন্ন ছিল, তিনি শায়েস্তা খানের সাথে সম্পর্কিত নন। D) আজিমুসশানের মাতা — যুবরাজ আজিমুসশানের মাতার নাম ভিন্ন ছিল, বিবি পরী নন। মনে রাখার টিপস: ঢাকার লালবাগ কেল্লার ভেতরে অবস্থিত বিবি পরীর মাজার নির্মাণ করেছিলেন তার পিতা সুবাদার শায়েস্তা খান।
a হামিদুর রহমান
b ফজলুর রহমান খান
c নভেরা আহমেদ
d জুলফিকার আলী খান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ফজলুর রহমান খান কেন সঠিক: - তিনি একজন বিশ্বখ্যাত বাঙালি স্থপতি ও পুরকৌশলী, যিনি আধুনিক কাঠামোগত প্রকৌশলের জনক হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। - শিকাগোর উইলিয়ার the Willis Tower এবং জন হ্যানকক সেন্টারসহ বহু উঁচু ভবনের নকশা করে তিনি সর্বাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — তিনি শহীদ মিনারের মূল নকশাকারী হলেও ফজলুর রহমান খানের মতো এত বেশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাননি। B) ফজলুর রহমান খান — এটি সঠিক উত্তর। C) নভেরা আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ, কোনো স্থপতি নন। D) জুলফিকার আলী খান — তিনি এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোনো প্রখ্যাত স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি ও প্রকৌশলী বললেই ফজলুর রহমান খানের নাম আসবে, যিনি উঁচু ভবন নির্মাণে বিপ্লব এনেছেন।
a গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
b আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
c ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
d ইলিয়াস শাহ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ কেন সঠিক: - সুলতান গিয়াসউদ্দীন আযম শাহের সাথে পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজ শিরাজীর পত্রালাপ ও সাহিত্যিক যোগাযোগের ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে। - সুলতান কবি হাফিজকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তাঁর অসমাপ্ত একটি গজল পূর্ণ করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাঁর সাথেই কবি হাফিজের পত্রালাপ হয়েছিল। B) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন এবং তাঁর আমলেও সাহিত্যচর্চা হতো, তবে কবি হাফিজের সাথে তাঁর কোনো পত্রালাপ হয়নি। C) ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ — তিনি সোনারগাঁওয়ের স্বাধীন শাসক ছিলেন এবং তাঁর শাসনকাল এই ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ইলিয়াস শাহ — তিনি সমগ্র বাংলা unification এর জন্য পরিচিত হলেও কবি হাফিজের সাথে তাঁর পত্রালাপের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। মনে রাখার টিপস: হাফিজের সাথে চিঠির আদান-প্রদান করেছিলেন দিল্লির কেউ নন, বরং বাংলার শাসক গিয়াসউদ্দীন 'আযম' শাহ।
a কুসুম্বা মসজিদ
b বড় সোনা মসজিদ
c ষাট গম্বুজ মসজিদ
d সাত গম্বুজ মসজিদ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ষাট গম্বুজ মসজিদ কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের সুলতানি আমলের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে কলারীতিসমৃদ্ধ মধ্যযুগীয় মসজিদ। - পঞ্চদশ শতাব্দীতে খান জাহান আলী বাগেরহাট অঞ্চলে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুসুম্বা মসজিদ — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ হলেও ষাট গম্বুজ মসজিদের তুলনায় আয়তনে অনেক ছোট। B) বড় সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত সুলতানি আমলের অন্যতম বড় মসজিদ হলেও আকৃতি ও আয়তনে ষাট গম্বুজ মসজিদের চেয়ে ছোট। D) সাত গম্বুজ মসজিদ — এটি মুঘল আমলে ঢাকায় নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ, যা মধ্যযুগীয় সুলতানি আমলের বৃহৎ মসজিদের আওতাভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় মসজিদ হলো ষাট গম্বুজ মসজিদ, যা বাগেরহাটে অবস্থিত এবং এটি খান জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন।
a ময়নামতি
b পাহাড়পুর
c মহাস্থানগড়
d সোনারগাঁ
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী ছিল। - করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত এই প্রাচীন স্থানটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে অবিচ্ছিন্নভাবে জনবসতিপূর্ণ ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি মূলত বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন এবং তুলনামূলকভাবে পরবর্তীকালের প্রাচীন বসতি। B) পাহাড়পুর — এটি অষ্টম শতাব্দীতে পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠিত একটি বৌদ্ধ বিহার, প্রাচীন নগর কেন্দ্র নয়। D) সোনারগাঁ — এটি প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক নগর হলেও মহাস্থানগড়ের চেয়ে অনেক পরে এর বিকাশ ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: প্রাচীনতম মানেই সবার আগে মহাস্থানগড়, যা পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল।
a আবুল হাশেম
b শেখ মুজিবুর রহমান
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কেন সঠিক: - ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান গণপরিষদের কার্যক্রমে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন। - ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে তিনি এই ঐতিহাসিক দাবিটি তুলে ধরেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল হাশেম — তিনি তৎকালীন মুসলিম লীগের প্রগতিশীল নেতা হলেও পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদের ধারা বিবরণীতে বাংলা ব্যবহারের দাবি প্রথম তোলেননি। B) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক ও মহান নেতা হলেও পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদে এই প্রথম দাবিটি তিনি উত্থাপন করেননি। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, যিনি বাংলা ভাষার পক্ষে জোরালো মত দিলেও গণপরিষদে প্রথম প্রস্তাব তোলেননি। D) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পাকিস্তান পরিষদে প্রথম ভাষা দাবি দাতা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, মনে রাখুন ধ দিয়ে দত্ত এবং দাবি।
a হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
b এ কে ফজলুল হক
c খাজা নাজিমউদ্দীন
d আবুল হাশেম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি (ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা) সঠিক উত্তর: A) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কেন সঠিক: - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির পূর্বে অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। - ১৯৪৬ সালের বঙ্গীয় আইনসভা নির্বাচনে তিনি বাংলার প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত এই পদে ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — এটি সঠিক উত্তর, তিনি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগে বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। B) এ কে ফজলুল হক — তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, শেষ মুখ্যমন্ত্রী নন। C) খাজা নাজিমউদ্দীন — তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন না, তবে পরবর্তীকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। D) আবুল হাশেম — তিনি বাংলার একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও সচিব ছিলেন, তবে কখনো মুখ্যমন্ত্রী হননি। মনে রাখার টিপস: শেষ মানে শেষ হাসি; আর ১৯৪৭ সালের দেশভাগের আগে শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সোহরাওয়ার্দী।
a সৈয়দ আমীর আলী
b নওয়াব আব্দুল লতিফ
c নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
d স্যার সৈয়দ আহমদ খান
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নওয়াব আব্দুল লতিফ কেন সঠিক: - তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলার মুসলমানদের মধ্যে ইংরেজি ও আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। - তিনি ১৮৬৩ সালে ঢাকা মুসলিম লিটারারি সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন যা শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৈয়দ আমীর আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত আইনবিদ ও লেখক হলেও বাংলায় আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের সূচনা করেন নওয়াব আব্দুল লতিফ। B) নওয়াব আব্দুল লতিফ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি বাংলায় মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষার প্রথম প্রবক্তা। C) নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ — তিনি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের সাথে যুক্ত ছিলেন। D) স্যার সৈয়দ আহমদ খান — তিনি মূলত ভারতের উত্তর প্রদেশে আলিগড় আন্দোলনের মাধ্যমে মুসলমানদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করেন। মনে রাখার টিপস: নওয়াব আব্দুল লতিফ মানেই বাংলায় প্রথম মুসলিম আধুনিক শিক্ষার লতিফ বা আলো।
a ১৬৯০
b ১৭৬৫
c ১৭৯৩
d ১৮২৯
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৭৬৫ কেন সঠিক: - মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ১৭৬৫ সালের ১২ আগস্ট ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি সনদ প্রদান করেন। - এর মাধ্যমে কোম্পানি আনুষ্ঠানিকভাবে এই তিন প্রদেশের রাজস্ব আদায়ের আইনি ক্ষমতা লাভ করে এবং রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬৯০ — এই সালে জব চার্নক সুতানাটি, গোবিন্দপুর ও কলিকাতা গ্রাম নিয়ে ব্রিটিশদের বাণিজ্যকুঠি ও বসতি স্থাপন শুরু করেন, যা দেওয়ানি লাভের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ১৭৬৫ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ১৭৯৩ — এই সালে লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন, যা দেওয়ানি লাভের প্রায় তিন দশক পরের ঘটনা। D) ১৮২৯ — এই সালে ভারতে সতীদাহ প্রথা বাতিল করা হয় এবং লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যার সঙ্গে ১৭৬৫ সালের দেওয়ানি লাভের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সাল আর দেওয়ানি লাভ ১৭৬৫ সাল, এই আট বছরের ব্যবধান মনে রাখলে সহজেই সঠিক সালটি মনে রাখা যায়।
a ইসলাম খান
b রাজা মানসিংহ
c মীর জুমলা
d শায়েস্তা খান
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ ও মগদের হাত থেকে চট্টগ্রাম অধিকার করেন। - চট্টগ্রাম দখলের পর এর নাম পরিবর্তন করে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুসারে রাখা হয় ইসলামাবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — তিনি ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুবাদার হয়ে ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন এবং তৎকালীন বাংলার রাজধানী হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ করেন। B) রাজা মানসিংহ — তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সেনাপতি ও সুবাদার ছিলেন এবং মূলত বারো ভূঁইয়াদের দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। C) মীর জুমলা — তিনি আওরঙ্গজেবের আমলের বাংলার সুবাদার ছিলেন যিনি আসাম ও কোচবিহার বিজয়ের জন্য বিখ্যাত। D) শায়েস্তা খান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ তিনি চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম ইসলামাবাদ রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: শায়েস্তা খানের আমলে ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসারের সঙ্গে মিলিয়ে চট্টগ্রাম শহরের নাম রাখা হয়েছিল ইসলামাবাদ।
a রামপাল
b ধর্মপাল
c চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
d আদিশূর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধর্মপাল কেন সঠিক: - পাল বংশের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকে পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নির্মাণ করেছিলেন। - এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার এবং ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামপাল — তিনি রামপাল রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেন এবং রামচরিত কাব্যের নায়ক হলেও এই বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা নন। B) ধর্মপাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য — তিনি মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং প্রাচীন ভারতের ইতিহাস এর সাথে যুক্ত, পাহাড়পুরের সাথে নয়। D) আদিশূর — তিনি সেন বংশের পূর্বসূরি একজন প্রাচীন রাজা ছিলেন, যার সাথে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: ধর্মের জন্য পাহাড় নির্মাণ করেছিলেন রাজা ধর্মপাল।
a আলী মর্দান খলজী
b তুঘরিল খান
c সামছুদ্দিন ফিরোজ
d ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি / ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: D) ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী কেন সঠিক: - ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী ১২০৪ সালে বাংলার নদীয়ার রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। - তার এই অভিযানের মাধ্যমেই বাংলায় প্রথম মুসলিম আধিপত্য ও ইখতিয়ারি আমলের সূচনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলী মর্দান খলজী — তিনি বখতিয়ার খলজীর মৃত্যুর পর বাংলার একজন গভর্নর বা শাসক ছিলেন, কিন্তু বাংলায় মুসলিম আধিপত্যের সূচনা তিনি করেননি। B) তুঘরিল খান — তিনি পরবর্তীতে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন এবং বাংলায় শাসন করেন, কিন্তু আধিপত্যের সূচনাকারী নন। C) সামছুদ্দিন ফিরোজ — তিনি পরবর্তীতে স্বাধীন লখনৌতি রাজ্যের একজন শক্তিশালী সুলতান ছিলেন, তবে বাংলার মুসলিম শাসনের সূচনা তার মাধ্যমে হয়নি। D) ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজী — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা বা বখতিয়ার খলজীর আক্রমণ মনে রাখতে সালটি মনে রাখুন ১২০৪ সাল এবং রাজা লক্ষণ সেন।
a সমতট
b পুণ্ড্র
c বঙ্গ
d হরিকেল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বঙ্গ কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে ঢাকা, বৃহত্তর ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও বাকলা অঞ্চল নিয়ে বঙ্গ জনপদ গঠিত হয়েছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ ছিল। B) পুণ্ড্র — এটি বর্তমান রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ ছিল। C) বঙ্গ — এটি বর্তমান ঢাকা অঞ্চলসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার সঠিক প্রাচীন জনপদের নাম। D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ ছিল। মনে রাখার টিপস: ঢাকা মানেই বঙ্গ, এভাবে মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়।
a সাইট্রিক অ্যাসিড
b নাইট্রিক অ্যাসিড
c হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড
d টারটারিক অ্যাসিড
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রিক অ্যাসিড কেন সঠিক: - নাইট্রিক অ্যাসিড সোনা ও অন্যান্য ধাতুর মিশ্রণ থেকে ভেজাল বা খাদ আলাদা করতে অত্যন্ত কার্যকরী রাসায়নিক বিকারক হিসেবে কাজ করে। - স্বর্ণকারের দোকানে খাঁটি সোনা পরীক্ষার জন্য নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয় কারণ এটি সাধারণ ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করলেও খাঁটি সোনার সাথে বিক্রিয়া করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক অ্যাসিড — এটি মূলত পাতিলেবু বা কমলায় পাওয়া যায় এবং এটি স্বর্ণের খাদ বা ভেজাল দূর করতে সক্ষম নয়। B) নাইট্রিক অ্যাসিড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় খাদ বিশ্লেষণে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়। C) হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড — একা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড স্বর্ণের খাদ আলাদা করতে পারে না, তবে নাইট্রিক অ্যাসিডের সাথে মিশিয়ে রাজঅম্ল তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। D) টারটারিক অ্যাসিড — এটি তেঁতুলে থাকা একটি জৈব অ্যাসিড যা স্বর্ণ পরীক্ষার কাজে কোনো ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: সোনা চেনার বা খাদ তোলার কাজে নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহৃত হয়, আর একে মনে রাখতে সোনা ও নাইট্রিক শব্দের আদ্যক্ষর মিলিয়ে ভাবা যায়।
a বেলে মাছ
b পালং শাক
c খাসির মাংস
d মুরগির মাংস
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাসির মাংস কেন সঠিক: - খাসির মাংসে চর্বি বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের পরিমাণ খুব বেশি থাকে। - রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে খাসির মাংস খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলে মাছ — এটি সামুদ্রিক বা নদীভিত্তিক চর্বিহীন প্রোটিনের উৎস, যা রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বাড়ায় না। B) পালং শাক — এটি একটি শাকসবজি এবং এতে কোনো কোলেস্টেরল থাকে না, বরং এটি ফাইবার সমৃদ্ধ। D) মুরগির মাংস — খাসির মাংসের তুলনায় মুরগির মাংসে বিশেষ করে চামড়া ছাড়া অংশে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ অনেক কম থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে চারপেয়ে প্রাণীর লাল মাংস বা খাসির মাংস পরিহার করা উচিত।
a প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা
b মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
c পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
d আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা কেন সঠিক: - IUCN হলো আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ, যার মূল কাজ বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা। - এটি বিপন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর লাল তালিকা বা রেড লিস্ট প্রকাশ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা — এটি IUCN-এর মূল ও নির্ধারিত কার্যক্রম। B) মানবাধিকার সংরক্ষণ করা — এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বা জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাসমূহের প্রধান কাজ। C) পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা — পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পানি পর্ষদ যুক্ত থাকে। D) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা — এটি ইন্টারপোল বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: IUCN নামের ভেতরেই প্রকৃতি বা ন্যাচার শব্দটি জড়িত, তাই এর কাজও প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।
a ৩৯
b ৩২
c ৩৩
d ৩৪
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩ কেন সঠিক: - আর্সেনিক একটি অর্ধধাতু বা মেটালয়েড, যার রাসায়নিক প্রতীক As এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩। - পর্যায় সারণিতে এটি ১৫ নম্বর গ্রুপে এবং ৪ নম্বর সারিতে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৯ — এটি ইট্রিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা, আর্সেনিকের নয়। B) ৩২ — এটি জার্মেনিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা, আর্সেনিকের নয়। C) ৩৩ — এটি আর্সেনিক মৌলের সঠিক পারমাণবিক সংখ্যা। D) ৩৪ — এটি সেলেনিয়াম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা, আর্সেনিকের নয়। মনে রাখার টিপস: আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩ মনে রাখতে ৩ সংখ্যাটি জোড়ায় মনে রাখতে পারেন।
a বোর, ১৯৬৩
b রাদারফোর্ড, ১৯১৯
c হাইগ্যান, ১৯৬১
d মাইম্যান, ১৯৬০
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইম্যান, ১৯৬০ কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী থিওডর মেইম্যান (Theodore Maiman) ১৯৬০ সালে হুসস ল্যাবরেটরিতে বিশ্বের প্রথম সফল লেজার রশ্মি আবিষ্কার করেন। - রুবি স্ফটিক ব্যবহার করে তিনি প্রথম সফলভাবে লেজার আলো তৈরি করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বোর, ১৯৬৩ — নিলস বোর পরমাণুর গঠন মডেলের জন্য বিখ্যাত এবং তিনি ১৯৬৩ সালে মারা যান, লেজার আবিষ্কারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। B) রাদারফোর্ড, ১৯১৯ — আর্নেস্ট রাদারফোর্ড ১৯১৯ সালে পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা প্রোটন আবিষ্কার করেন, যা লেজারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) হাইগ্যান, ১৯৬১ — ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা এবং তিনি সপ্তদশ শতাব্দীর বিজ্ঞানী, তাই এই সাল ও ব্যক্তি সঠিক নয়। D) মাইম্যান, ১৯৬০ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিজ্ঞানী ও সালেই প্রথম লেজার রশ্মি আবিষ্কার করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: লেজার আবিষ্কারের সাল মনে রাখতে মনে রাখুন মেইম্যান ১৯৬০ সালে প্রথম কাজ সফল করেছিলেন।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জীবনানন্দ দাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - সঞ্চিতা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কবিতা ও গানের একটি নির্বাচিত কাব্য সংকলন। - ১৯২৮ সালে প্রকাশিত এই সংকলনটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঞ্চিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য সংকলন নয়, এটি কাজী নজরুল ইসলামের সংকলন। তবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্য সংকলনের নাম সঞ্চয়িতা। B) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত হলেও সঞ্চিতা তাঁর কোনো কাব্য সংকলন নয়। D) জীবনানন্দ দাস — জীবনানন্দ দাস আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি কাব্যের জন্য বিখ্যাত, সঞ্চিতা তাঁর রচনা নয়। মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের সঞ্চয়িতা আর নজরুলের সঞ্চিতা। এই দুটি নাম প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের কনফিউজ করে, তাই নামের শেষের 'িতা' ও 'য়িতা' ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ১৯২৬
b ১৯১১
c ১৮৬৪
d ১৯০৫
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯২৬ কেন সঠিক: - ১৯২৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংগঠনের স্লোগান ছিল বুদ্ধির মুক্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৬ — এই সালে মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় যা সঠিক উত্তর। B) ১৯১১ — এই সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় এবং রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরের আলোচনা শুরু হয়। C) ১৮৬৪ — এই সালে ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ১৯০৫ — এই সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়। মনে রাখার টিপস: মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠার সাল মনে রাখতে সালটি এভাবে মনে রাখুন: ১৯২৬ সাল মানে প্রতিষ্ঠার বছর।
a ১৯৮৮ সালে
b ১৯৮৯ সালে
c ১৯৯০ সালে
d ১৯৯১ সালে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৮৯ সালে কেন সঠিক: - সোভিয়েত ইউনিয়ন জেনিভা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ১৯৮৮ সাল থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করে এবং ১৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯ সালে তাদের শেষ সেনা সম্পূর্ণরূপে ফিরিয়ে নেয়। - প্রায় ১০ বছর ধরে চলা এই আফগান যুদ্ধের অবসান ঘটে সোভিয়েত সৈন্য সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৮৮ সালে — এই সালে জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হলেও তা সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। B) ১৯৮৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি সোভিয়েত সৈন্য সম্পূর্ণভাবে আফগানিস্তান ত্যাগ করে। C) ১৯৯০ সালে — এই সালের সঙ্গে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহারের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই। D) ১৯৯১ সালে — এই সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যায়, যা সৈন্য প্রত্যাহারের ঘটনার পরের বছর ঘটে। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার সম্পন্ন হয় আটের দশকের একদম শেষে, অর্থাৎ ১৯৮৯ সালে।
a ওয়াশিংটন ডিসি
b নিউইয়র্ক
c ভিয়েনা
d জেনেভা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেনেভা কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম ও নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করে থাকে। - এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওয়াশিংটন ডিসি — এটি বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদর দপ্তর, ডব্লিউটিও এর নয়। B) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘ ও ইউনিসেফের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত, ডব্লিউটিও এখানে নেই। C) ভিয়েনা — এটি ওপেক ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সির সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। D) জেনেভা — এটি বাণিজ্য সংস্থার সঠিক সদর দপ্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: বাণিজ্য ও মধ্যস্থতার অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত, ডব্লিউটিও তার মধ্যে অন্যতম।
a ইস্পাত
b রাবার
c কাঁচ
d পানি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইস্পাত কেন সঠিক: - ইস্পাতে বিকরূপকারী বল অপসারণ করলে তা খুব দ্রুত তার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। - নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা রাবারের চেয়ে অনেক বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইস্পাত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এর স্থিতিস্থাপকতা রাবারের চেয়ে বেশি। B) রাবার — রাবার দেখতে বেশি প্রসারিত মনে হলেও বল সরালে এটি পুরোপুরি আগের অবস্থায় ফেরে না, তাই এর স্থিতিস্থাপকতা কম। C) কাঁচ — কাঁচ প্রায় সম্পূর্ণ ভঙ্গুর বস্তু এবং এর স্থিতিস্থাপক সীমা খুবই কম। D) পানি — পানি হলো তরল পদার্থ, এর নিজস্ব কোনো নির্দিষ্ট আকৃতি বা দৃঢ় স্থিতিস্থাপকতা নেই। মনে রাখার টিপস: যাকে যত সহজে ও দ্রুত আগের আকারে ফেরানো যায়, তার স্থিতিস্থাপকতা তত বেশি; এই হিসেবে রাবারের চেয়ে ইস্পাত বেশি স্থিতিস্থাপক।
a South Asian Preferential Trade Agreement
b South Asian Preferential Trading Arrangement
c South Asian Preferential Trade Association
d SAARC Preferential Trading Arrangement
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) South Asian Preferential Trading Arrangement কেন সঠিক: - সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যের প্রসারে ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে ঢাকায় এই বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যকার শুল্ক কমিয়ে বা মুক্ত করে আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) South Asian Preferential Trade Agreement — এটি ভুল কারণ চুক্তির অফিশিয়াল নামে 'Agreement' এর পরিবর্তে 'Arrangement' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। B) South Asian Preferential Trading Arrangement — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং অফিশিয়ালি স্বীকৃত নাম। C) South Asian Preferential Trade Association — এটি ভুল কারণ স্যাপটা কোনো অ্যাসোসিয়েশন বা সংস্থা নয়, এটি একটি বাণিজ্য চুক্তি বা অ্যারেঞ্জমেন্ট। D) SAARC Preferential Trading Arrangement — এটি ভুল কারণ পূর্ণরূপে SAARC না লিখে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রেক্ষাপট বোঝাতে South Asian শব্দ ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: স্যাপটা (SAPTA) নামের শেষ শব্দে 'Arrangement' আছে, যা মনে রাখলেই সঠিক অপশনটি চেনা সহজ হয়।
a ১৯০৬
b ১৯১১
c ১৯১৬
d ১৯৪৫
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১১ কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ বা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। - প্রবল স্বদেশী আন্দোলন ও রাজনৈতিক চাপের মুখে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৫ সালের এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৬ — এই সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বঙ্গভঙ্গের ঠিক পরের বছর ঘটেছিল কিন্তু বঙ্গভঙ্গ রদের সাল এটি নয়। B) ১৯১১ — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই মূলত বঙ্গভঙ্গ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছিল। C) ১৯১৬ — এই সালে লখনৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার সঙ্গে বঙ্গভঙ্গ রদের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। D) ১৯৪৫ — এই সালটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একটি পরবর্তী সময়কালকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯০৫ সালে কাটা (বিভাজন) আর ১৯১১ সালে জোড়া (রদ), এই পার্থক্যটি মনে রাখলে সাল দুটি সহজে মনে থাকে।
a কার্পাস
b লোহা
c কাগজ
d বস্ত্র
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাগজ কেন সঠিক: - কানাডায় প্রচুর পরিমাণে কনিফারজাতীয় বা চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে যা কাগজ তৈরির প্রধান কাঁচামাল কাঠ ও পাল্প সরবরাহে ভূমিকা রাখে। - বনজ সম্পদের প্রাচুর্যের কারণে দেশটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান কাগজ ও কাঠমিঠা বা নিউজপ্রিন্ট উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কার্পাস — এটি এক ধরনের তুলা যা উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলে ভালো জন্মায়, তাই কানাডা এই শিল্পের জন্য বিখ্যাত নয়। B) লোহা — লোহা ভারী শিল্প হলেও কানাডা মূলত খনিজ উত্তোলন করে এবং কাগজ শিল্পের জন্য বেশি পরিচিত। C) কাগজ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কানাডার বনজ সম্পদের সঙ্গে এটি পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) বস্ত্র — বস্ত্র শিল্প মূলত শ্রমঘন শিল্প এবং অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশে বেশি দেখা যায়, কানাডায় এর আধিক্য নেই। মনে রাখার টিপস: কানাডা মানেই ঠান্ডা বরফঢাকা বন, আর বন মানেই সেখান থেকে তৈরি কাগজ।
a কুর্দি
b তাতারু
c রেড ইন্ডিয়ান
d মাউরী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাউরী কেন সঠিক: - মাউরী হলো নিউজিল্যান্ডের পলিনেশীয় অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠী। - এরা ত্রয়োদশ শতাব্দীর দিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভিন্ন দ্বীপ থেকে নিউজিল্যান্ডে এসে বসবাস শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুর্দি — কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যের একটি জাতিগোষ্ঠী, যারা প্রধানত তুরস্ক, ইরাক, সিরিয়া ও ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাস করে। B) তাতারু — তাতার হলো মূলত পূর্ব ইউরোপ ও উত্তর এশিয়ায় বসবাসকারী একটি তুর্কিভাষী জাতিগোষ্ঠী। C) রেড ইন্ডিয়ান — রেড ইন্ডিয়ান বা আমেরিকার আদিবাসীরা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মূল ভূখণ্ডের আদি বাসিন্দা। D) মাউরী — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের সঠিক নাম এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম প্রধান জনগোষ্ঠী। মনে রাখার টিপস: নিউজিল্যান্ডের সাথে মাউরী শব্দটি মনে রাখতে নিউজিল্যান্ডের জনপ্রিয় রাগবি দল অল ব্ল্যাকস এর মাউরী ঐতিহ্যবাহী যুদ্ধের নাচ হাকা স্মরণ করতে পারো।
a নাউরু
b কেনিয়া
c কিউবা
d গায়ানা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাউরু কেন সঠিক: - নাউরু প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মাইক্রোনেশিয়া উপঅঞ্চলের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং এটি ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত। - এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর একটি এবং ওশেনিয়ার ভূরাজনীতি ও ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাউরু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) কেনিয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ এবং ওশেনিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) কিউবা — এটি ক্যারিবিয়ান সাগর তথা উত্তর আমেরিকার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। D) গায়ানা — এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ। মনে রাখার টিপস: ওশেনিয়া অঞ্চলের ছোট দেশগুলোর মধ্যে নাউরু অন্যতম, যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
a আফগানি
b ফার্সি
c পশতু
d তুর্কি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পশতু কেন সঠিক: - পশতু হলো আফগানিস্তানের অন্যতম প্রধান ও সরকারি ভাষা যা দেশটির পশতুন জনগোষ্ঠীর মানুষের প্রধান যোগাযোগের মাধ্যম। - দারি ভাষার পাশাপাশি পশতু ভাষা আফগানিস্তানের প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় কাজে প্রধানত ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানি — আফগানি বলতে কোনো নির্দিষ্ট ভাষা নেই, এটি মূলত আফগানিস্তানের অধিবাসী বা মুদ্রার নাম। B) ফার্সি — ফার্সি বা দারি ভাষা প্রচলিত থাকলেও এটি প্রধান একক ভাষা হিসেবে পশতুর পরেই অবস্থান করে। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা মূলত তুরস্কে ব্যবহৃত হয়, আফগানিস্তানের প্রধান ভাষা এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আফগানিস্তানের প্রধান ভাষা মনে রাখতে আফগানদের প্রধান উপজাতি পশতুন ও তাদের ভাষা পশতু এভাবে মিলিয়ে মনে রাখুন।
a ৩০ আগস্ট, ২০০২
b ৭ সেপ্টেম্বর, ২০০২
c ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০২
d ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০২
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০২ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৫৬তম অধিবেশনে সুইজারল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের ১৯০তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয়। - দীর্ঘকাল নিরপেক্ষ নীতি বজায় রাখার পর ২০০২ সালের গণভোটে সুইজারল্যান্ডের জনগণ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের পক্ষে রায় দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ আগস্ট, ২০০২ — এটি সুইজারল্যান্ডের জাতিসংঘ সদস্যপদ লাভের কোনো ঐতিহাসিক তারিখ বা প্রাসঙ্গিক সাল নয়। B) ৭ সেপ্টেম্বর, ২০০২ — এই তারিখে সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি একটি ভুল তারিখ। C) ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০২ — এটি সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের সদস্য হয়। D) ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০২ — এই তারিখে সুইজারল্যান্ডের জাতিসংঘে যোগদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: সুইজারল্যান্ডের নিরপেক্ষতার অবসান ঘটে ২০০২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে, অর্থাৎ ১০ তারিখে।
a আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
b আর্মেনিয়া-লাটভিয়া
c কাজাখস্তান-আজারবাইজান
d রাশিয়া-আর্মেনিয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া কেন সঠিক: - নাগার্নো-কারাবাখ হলো আজারবাইজানের ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি অঞ্চল, যা মূলত আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর অধ্যুষিত এবং ঐতিহাসিকভাবে দুই দেশের মধ্যে করিডোর বা সংযোগস্থল হিসেবে পরিচিত। - এই ভূখণ্ডটি নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে ভূরাজনৈতিক ও সামরিক সংঘাত চলে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি দেশের মাঝেই অঞ্চলটি নিয়ে দীর্ঘদিনের সীমানা বিরোধ রয়েছে। B) আর্মেনিয়া-লাটভিয়া — লাটভিয়া ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলের দেশ এবং নাগার্নো-কারাবাখ সংকটের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। C) কাজাখস্তান-আজারবাইজান — কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার দেশ এবং নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলের সঙ্গে এর সরাসরি কোনো ভৌগোলিক সংযোগ বা করিডোরের ভূমিকা নেই। D) রাশিয়া-আর্মেনিয়া — রাশিয়া এই অঞ্চলে মধ্যস্থতাকারী দেশ হলেও নাগার্নো-কারাবাখ রাশিয়া ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার কোনো করিডোর নয়। মনে রাখার টিপস: নাগার্নো-কারাবাখ মানেই আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যকার আলোচিত পাহাড়ি অঞ্চল ও করিডোর।
a রাষ্ট্রপতি
b স্পিকার
c প্রধানমন্ত্রী
d প্রধান বিচারপতি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন। - প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভেঙে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাষ্ট্রপতি — প্রদত্ত উত্তর সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) স্পিকার — স্পিকার সংসদ পরিচালনা করেন কিন্তু অধিবেশন আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তার নেই। C) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী অধিবেশন আহ্বান করার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন কিন্তু সরাসরি আহ্বান করতে পারেন না। D) প্রধান বিচারপতি — প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের প্রধান এবং তার সঙ্গে সংসদ অধিবেশন আহ্বানের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সংসদ অধিবেশন ডাকেন রাষ্ট্রের প্রধান বা রাষ্ট্রপতি।
a হাঙ্গেরী
b জার্মানি
c পোল্যান্ড
d ব্রিটেন
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পোল্যান্ড কেন সঠিক: - পোল্যান্ড ১৯৪৫ সালে অনুষ্ঠিত সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত না থাকলেও জাতিসংঘ সনদে পরবর্তীতে স্বাক্ষর করে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পোল্যান্ডের কোনো স্বীকৃত সরকার না থাকায় সম্মেলনে দেশটির কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাঙ্গেরী — এটি জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র নয়, পরবর্তীতে সদস্যপদ লাভ করে। B) জার্মানি — যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে এটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। D) ব্রিটেন — এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়। মনে রাখার টিপস: সম্মেলনে অনুপস্থিত থেকেও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়া একমাত্র রাষ্ট্র পোল্যান্ড, যা না থেকেও প্রতিষ্ঠাতা।
a নেপাল
b ভারত
c মায়ানমার
d ইরান
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত কেন সঠিক: - ব্ল্যাক ক্যাট হলো ভারতের একটি প্রধান সন্ত্রাসবিরোধী ও বিশেষ অপারেশন কমান্ডো বাহিনী। - ভারতের ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজি বাহিনী এই নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেপাল — এটি নেপালের কোনো কমান্ডো বাহিনীর নাম নয়। B) ভারত — এটি ভারতের বিশেষ কমান্ডো বাহিনীর সঠিক নাম। C) মায়ানমার — এটি মায়ানমারের কোনো পরিচিত কমান্ডো বাহিনী নয়। D) ইরান — এটি ইরানের কোনো নির্দিষ্ট কমান্ডো বাহিনীর নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের নিরাপত্তার বিশেষ বিড়াল হলো ব্ল্যাক ক্যাট কমান্ডো বা এনএসজি।
a প্যারিস
b জেনেভা
c রোম
d লন্ডন
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। - এই সংস্থাটির আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোসহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর, তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেড ক্রসের মতো সংস্থার সদর দপ্তর, কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নয়। D) লন্ডন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই সংস্থাটির মূল কার্যালয় যুক্তরাজ্যে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নামের শেষের 'ইন্টারন্যাশনাল' শব্দটির সাথে যুক্তরাজ্যের 'লন্ডন' শহরের বৈশ্বিক সংযোগ এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a প্যারিস
b জেনেভা
c রোম
d লন্ডন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লন্ডন কেন সঠিক: - অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাషন্যাল একটি বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার রক্ষা আন্দোলন সংস্থা যা ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই আন্তর্জাতিক সংগঠনের আন্তর্জাতিক সচিবালয় বা সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কো সহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর, তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর এখানে নয়। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং রেড ক্রস সহ বহু আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর, কিন্তু এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, তবে এর সঙ্গে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তরের কোনো সম্পর্ক নেই। D) লন্ডন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরেই সংস্থাটির মূল সদর দপ্তর অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: লন্ডনের কুয়াশায় মানবাধিকারের আলো জ্বালায় অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
a একটি যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ
b একটি ওষুধের নাম
c এক প্রকার রোগ জীবাণু
d পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম দেউলিয়া ঘোষিত জ্বালানি কোম্পানি
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম দেউলিয়া ঘোষিত জ্বালানি কোম্পানি কেন সঠিক: - এটি আমেরিকার একটি বৃহৎ শক্তি, কমোডিটি ও সেবা দানকারী কোম্পানি ছিল। - ব্যাপক আর্থিক কেলেঙ্কারি এবং হিসাব কারচুপির কারণে ২০০১ সালে এটি দেউলিয়া ঘোষিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি যুদ্ধবিমানবাহী জাহাজ — এটি কোনো সামরিক জলযান বা যুদ্ধজাহাজ নয়, এটি একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। B) কোনো ওষুধের নাম — এটি কোনো চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ বা চিকিৎসা সামগ্রী নয়। C) এক প্রকার রোগ জীবাণু — এটি কোনো রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু নয়। D) পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম দেউলিয়া ঘোষিত জ্বালানি কোম্পানি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি জ্বালানি খাতের একটি দেউলিয়া হওয়া প্রতিষ্ঠান। মনে রাখার টিপস: এনরন শব্দটি শুনলেই মনে রাখবে এটি জ্বালানি ব্যবসার সাথে জড়িত বিশ্বের অন্যতম আলোচিত একটি দেউলিয়া কোম্পানি।
a য়ুরী গ্যাগারিন, রাশিয়া
b জন গ্লেন, যুক্তরাষ্ট্র
c রিচার্ড এলড্রিন, যুক্তরাষ্ট্র
d নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের জুলাই মাসে অ্যাপোলো ১১ মহাকাশযানের মাধ্যমে তিনি প্রথম চন্দ্রপৃষ্ঠে পদার্পণ করেন। - তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার একজন নভোচারী ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) য়ুরী গ্যাগারিন, রাশিয়া — তিনি মহাকাশে গমনকারী বিশ্বের প্রথম মানব হলেও চাঁদে প্রথম অবতরণ করেননি। B) জন গ্লেন, যুক্তরাষ্ট্র — তিনি আমেরিকার প্রথম নভোচারী যিনি পৃথিবীর কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেছিলেন, চাঁদে যাননি। C) রিচার্ড এলড্রিন, যুক্তরাষ্ট্র — তিনি নীল আর্মস্ট্রংয়ের সাথে চাঁদে অবতরণকারী দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন, প্রথম নন। D) নীল আর্মস্ট্রং, যুক্তরাষ্ট্র — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: চাঁদে প্রথম পা রাখেন আমেরিকার নীল আর্মস্ট্রং, নামের শুরুতে 'নীল' আর আকাশের রঙও নীল।
a আর্জেন্টিনা
b ব্রাজিল
c ইতালি
d ফ্রান্স
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ব্রাজিল ফুটবল দল ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। - দলটি ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে বিশ্বকাপ ট্রফি জয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা ফুটবল দল তিনবার ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে কম। B) ব্রাজিল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং দলটি সর্বাধিক পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে। C) ইতালি — ইতালি চারবার ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা ব্রাজিলের চেয়ে একবারে কম। D) ফ্রান্স — ফ্রান্স দুইবার ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, যা ব্রাজিলের রেকর্ডের চেয়ে কম। মনে রাখার টিপস: ব্রাজিলের ৫ বার বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড মনে রাখতে পাঁচ আঙুলের হাতের কথা মাথায় রাখতে পারেন।
a ভারতের শচীন টেন্ডুলকার
b অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্র্যাডম্যান
c ইংল্যান্ডের লেন হার্টন
d বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল কেন সঠিক: - মোঃ আশরাফুল ২০০১ সালে কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সেঞ্চুরি করে এই বিশ্বরেকর্ড গড়েন। - তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর ৬১ দিন, যা টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ানের রেকর্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতের শচীন টেন্ডুলকার — তিনি সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান নন, তবে তিনি সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট খেলোয়াড়দের একজন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির পাহাড় গড়েছেন। B) অস্ট্রেলিয়ার ডন ব্র্যাডম্যান — টেস্ট ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান হলেও তিনি কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান হিসেবে রেকর্ড গড়েননি। C) ইংল্যান্ডের লেন হার্টন — তিনি ইংল্যান্ডের বিখ্যাত ব্যাটসম্যান এবং একসময় টেস্টে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড গড়লেও কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান নন। D) বাংলাদেশের মোঃ আশরাফুল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৭ বছর বয়সে সেঞ্চুরি করে এই রেকর্ড নিজের নামে করেন। মনে রাখার টিপস: বয়সে কম কিন্তু ব্যাটে জোশ, আশরাফুল সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরির বসের পোশাক পরলেন ১৭ বছর বয়সে।
a চট্টগ্রাম
b ভোলা
c কক্সবাজার
d পটুয়াখালী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত। - সেন্ট মার্টিন দ্বীপ আরও দক্ষিণে অবস্থিত হলেও প্রশাসনিকভাবে এটি টেকনাফ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি কক্সবাজারের উত্তরে অবস্থিত তুলনামূলকভাবে কম দক্ষিণাঞ্চলীয় একটি জেলা। B) ভোলা — এটি দেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে কক্সবাজারের উত্তরে অবস্থিত। D) পটুয়াখালী — এটি দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে কক্সবাজারের উত্তর ও পশ্চিমে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে দক্ষিণে কক্সবাজারের টেকনাফ অবস্থিত, এটি মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মেলানো সম্ভব।

মোট প্রশ্ন (0)