বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (BPSC)

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এস্টিমেটর পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৯।

পদের নাম: এস্টিমেটর (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a কপালকুণ্ডলা
b পদ্মানদীর মাঝি
c দুর্গেশনন্দিনী
d গোরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্গেশনন্দিনী ১. কেন সঠিক: - দুর্গেশনন্দিনী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যার রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - সার্থক উপন্যাসের সব গুণ যেমন সুবিন্যস্ত প্লট, জীবন্ত চরিত্র এবং আকর্ষণীয় ভাষা এতে প্রথম সফলভাবে ফুটে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা কথাসাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হয়। - ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মোড় পরিবর্তনকারী সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এই উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এটি প্রথম সার্থক উপন্যাস নয়। B) পদ্মানদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রখ্যাত উপন্যাস যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়। C) দুর্গেশনন্দিনী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) গোরা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা সমাজ ও রাজনীতির প্রেক্ষাপটে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী মনে রাখতে প্রথম লেখার সঙ্গে এই নামটি মনে রাখবে। - উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র আর তাঁর প্রথম সৃষ্টি দুর্গেশনন্দিনী সাল ১৮৬৫। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা উপন্যাসের জনক কে এবং প্রথম উপন্যাস কোনটি—এই দুটি প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সালগুলো মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a কাজলরেখা
b সতীময়না
c লাইলী মজনু
d লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজলরেখা ১. কেন সঠিক: - কাজলরেখা ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা বা কাব্যগাথা। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়। - এটি মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামীণ কবিদের রচিত লোকগাথা যা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া ব্যাখ্যা: মহুয়া ময়মনসিংহ গীতিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অন্যতম প্রধান একটি পালা। উদাহরণ ২: মলুয়া ব্যাখ্যা: মলুয়া ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি দুঃখজনক ও করুণ রসের কাব্যগাথা পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজলরেখা — এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত একটি জনপ্রিয় পালা বা কাব্যগাথা। B) সতীময়না — এটি মধ্যযুগের কবি দৌত্য কাজী বা সৈয়দ সুলতানের প্রণয়কাব্য, ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) লাইলী মজনু — এটি ফারসি ভাষার রোমান্টিক কাহিনী যা পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়, ময়মনসিংহ গীতিকার পালা নয়। D) লোরচন্দ্রানী — এটি দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত কাব্য, ময়মনসিংহ গীতিকার অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো মহুয়া, মলুয়া, কাজলরেখা ও চন্দ্রাবতীর নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করা। লোকসাহিত্য ও গীতিকা সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সংগ্রাহক দীনেশচন্দ্র সেনের নাম এবং প্রকাশের সাল মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ করেন জেমস ডি প্রেজেন্ট। এই গ্রন্থটিতে মোট দশটি পালা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এর মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ লোকজীবন ও প্রেম।
a মহাশ্মশান
b শ্মশানভস্ম
c বিষাদসিন্ধু
d কুরুক্ষেত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষাদসিন্ধু ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন রচিত বিষাদসিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। এই গ্রন্থে ইমাম হোসেন ও হাসান এর শাহাদাত বরণ এবং মুসলিম জাহানের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি চিত্রিত হয়েছে বিধায় এটি একটি বিয়োগান্তক গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও ঔপন্যাসিক। তাঁর এই কালজয়ী উপন্যাসটি তিনটি পর্বে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু উপন্যাসটি তিন খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। ব্যাখ্যা: গ্রন্থটির গঠনশৈলী ও কাঠামোগত বিন্যাস বুঝতে এটি খণ্ডভিত্তিক রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন রচিত জমিদার দর্পণ একটি বিখ্যাত নাটক। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিয়োগান্তক নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাশ্মশান — এটি কায়কোবাদ রচিত একটি মহাকাব্য যার পটভূমি পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধ। B) শ্মশানভস্ম — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো মৌলিক বা বিয়োগান্তক গ্রন্থ নয়। D) কুরুক্ষেত্র — এটিও মীর মশাররফ হোসেনের একটি ঐতিহাসিক প্রবন্ধ গ্রন্থ, কোনো উপন্যাস বা বিয়োগান্ত নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত বিষাদময় বা বিয়োগান্তক কীর্তি হলো বিষাদসিন্ধু। কারবালার শোকাবহ ঘটনা নিয়ে রচিত হওয়ায় এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিষাদসিন্ধু গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে। বাংলা সাহিত্যে মুসলমান লেখকের লেখা প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
a প্রভাবতী সম্ভাষণ
b শকুন্তলা
c ভ্রান্তিবিলাস
d বাংলার ইতিহাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নিজস্ব চিন্তা ও গদ্যশৈলীতে রচিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থ হলো প্রভাবতী সম্ভাষণ। - বিদ্যাসাগরের বন্ধু মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছোট কন্যা প্রভাবতীর অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান স্থপতি এবং প্রাতঃস্মরণীয় সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর গদ্যে প্রথমবার বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটে এবং তিনি রচনা করেন মৌলিক ও অনূদিত একাধিক গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের বাংলা অনুবাদ, যা বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ নয়। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ গ্রন্থ, যা মৌলিক সাহিত্যকর্ম নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ — এটি বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক রচনা এবং শোকগাথাধর্মী গদ্যগ্রন্থ। B) শকুন্তলা — এটি সংস্কৃত নাটক অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ বা ভাবানুবাদ গ্রন্থ। C) ভ্রান্তিবিলাস — এটি ইংরেজি নাটক থেকে অনূদিত একটি কাহিনীগ্রন্থ, মৌলিক গ্রন্থ নয়। D) বাংলার ইতিহাস — এটি জশ মার্শম্যানের হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল গ্রন্থের অনুবাদ গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের অনুবাদের ভিড়ে প্রভাবতী সম্ভাষণ নামটি মনে রাখবে একমাত্র মৌলিক শোকগাথা হিসেবে। - অনুবাদের বইগুলো সাধারণত বেদান্তসার, শকুন্তলা, সীতার বনবাস বা ভ্রান্তিবিলাস নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যাসাগর অনুবাদের জন্য বিখ্যাত হলেও তার হাতেই প্রথম মৌলিক শোকগ্রন্থ রচিত হয়। - মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থের পার্থক্য নির্ণয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a পদ্মমণি
b পদ্মাবতী
c পদ্মরাগ
d পদ্মগোখরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদ্মরাগ ১. কেন সঠিক: - পদ্মরাগ হলো বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন মুসলিম সমাজের নারী নির্যাতন, নারী শিক্ষা ও নারীর আত্মনির্ভরশীলতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান। - তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন, অবরোধবাসিনী, মতিচূর ও সুলতানার স্বপ্ন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানা'স ড্রিম ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা কাল্পনিক উপন্যাস, যা প্রথমে ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: অবরোধবাসিনী ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন গ্রন্থ, যেখানে তৎকালীন নারী সমাজের পর্দানশীন জীবনের নিষ্ঠুর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মমণি — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য, যা মালিক মুহাম্মদ জায়সির পদ্মাবত কাব্যের অনুবাদ। D) পদ্মগোখরা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ, যা বেগম রোকেয়ার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেগম রোকেয়ার নামের সাথে 'পদ্ম' যুক্ত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে 'পদ্মরাগ' শব্দটি মনে রাখবে। - রোকেয়ার একমাত্র উপন্যাস হলো এই পদ্মরাগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার উপন্যাস ও প্রবন্ধ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে সুলতানার স্বপ্ন ও পদ্মরাগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
a জননী
b ওঙ্কার
c খাঁচায়
d ক্ষরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাঁচায় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির উত্তর হিসেবে নির্দেশিত বিকল্পটি সঠিক নয়, কারণ হাসান হাফিজুর রহমানের 'খাঁচায়' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা নয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত নিয়ম ও সাহিত্য ইতিহাস অনুযায়ী হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' এবং তাঁর অন্যান্য সাহিত্যকর্ম বিখ্যাত হলেও 'খাঁচায়' নামে তাঁর কোনো মৌলিক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা নাটক ব্যাপকভাবে সমাদৃত বা পাঠ্যসূচিভুক্ত নয়। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক বা উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিকদের নির্দিষ্ট কিছু গ্রন্থ রয়েছে যা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত। প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তরটিতে অসঙ্গতি থাকায় পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত না হয়ে বাংলা সাহিত্যের সঠিক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও উপন্যাসের তালিকা মনে রাখতে হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। তিনি ঐতিহাসিক 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' সংকলন ও সম্পাদনার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' এবং রাবেয়া খাতুনের 'পদ্মা মেঘনা যমুনা'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত ওসমান রচিত 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও কালজয়ী উপন্যাস। উদাহরণ ২: আনোয়ারা সৈয়দ হক রচিত 'সবুজ খোঁজ' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও তৎকালীন বাঙালি সমাজের যন্ত্রণার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত নয়, বরং গ্রামীণ সমাজজীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। B) ওঙ্কার — এটি আহমেদ ছফার একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার পটভূমিতে রচিত। C) খাঁচায় — প্রশ্নানুসারে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দেশ করা হলেও সাহিত্যিক প্রামাণ্যতা ও তথ্যের দিক থেকে এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রধান কোনো সাহিত্যকর্ম নয়। D) ক্ষরণ — এটি সমসাময়িক বা অন্য কোনো প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্ম হতে পারে, তবে এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত কোনো প্রধান গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম যেমন শওকত ওসমান বা রাবেয়া খাতুনের সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে। - পরীক্ষার হলে কোনো বিভ্রান্তিকর বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ উত্তর পেলে মূল ধারার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শওকত ওসমান, সেলিনা হোসেন এবং রাবেয়া খাতুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলোর নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a চাঁদা
b কুলি
c জামা
d ছবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছবি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে 'ছবি' একটি ফারসি শব্দ, যা পর্তুগিজ বা আরবি নয়। - তথ্য সংশোধন: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটিতে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। 'ছবি' একটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের উৎসগত বিভ্রান্তি থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দে সমৃদ্ধ। এর মধ্যে ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - শিল্প, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তুবাচক শব্দ ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য। উদাহরণ ২: কাগজ ব্যাখ্যা: কাগজ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদা — চাঁদা একটি ফারসি শব্দ, যা আরবি ভাষা থেকে আগত নয়। B) কুলি — কুলি একটি তুর্কি শব্দ, যা শ্রমিক বা মজুর অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) জামা — জামা একটি ফারসি শব্দ, যা পোশাক অর্থে বাংলায় প্রচলিত। D) ছবি — ছবি ফারসি শব্দ হলেও পরীক্ষার প্রচলিত তথ্যে এটি বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ধরা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফারসি শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আইন আদালত এবং সংস্কৃতি সংক্রান্ত শব্দগুলো আলাদা করা। - ছবি এবং চশমা শব্দ দুটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় আরবি, ফারসি এবং তুর্কি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে। - পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় শব্দের উৎস নিয়ে বিভ্রান্তিকর অপশন থাকে, তাই প্রমিত ব্যাকরণ বই অনুসরণ করা জরুরি।
a খগ
b বগ
c নগ
d জগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নগ ১. কেন সঠিক: পাহাড় বা পর্বত বোঝাতে 'নগ' শব্দটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত বহু শব্দ রয়েছে যার মধ্যে 'নগ' হলো পাহাড়ের একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ ক্যাটাগরির প্রশ্ন এটি। সংস্কৃত ভাষায় যা চলে না বা যা অচল, তাকে 'নগ' বলা হয়। যেহেতু পাহাড় বা পর্বত স্থির এবং নড়াচড়া করতে পারে না, তাই পাহাড়ের অপর নাম নগ রাখা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শৈল ব্যাখ্যা: শৈল শব্দটির অর্থও পাহাড় বা পর্বত। উদাহরণ ২: অচল ব্যাখ্যা: অচল শব্দের অর্থ যা চলে না, যা পাহাড়ের অপর একটি জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খগ — খগ শব্দের অর্থ পাখি বা আকাশে যে গমন করে। তাই এটি পাহাড়ের সমার্থক শব্দ নয়। B) বগ — বগ হলো এক ধরণের জলচর পাখি বা বক। পাহাড়ের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) নগ — এটি পাহাড়ের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং পরীক্ষামূলক প্রশ্নে এটি নির্দেশিত সঠিক উত্তর। D) জগ — জগ শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বিশ্ব। এটি পাহাড় শব্দের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নগ মানে যা চলে না বা অচল। পাহাড় যেহেতু চলাচল করতে পারে না, তাই পাহাড়ের সমার্থক শব্দ হিসেবে নগ মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাহাড় শব্দের সমার্থক হিসেবে শৈল, অচল, গিরি, ও ধরাধর শব্দগুলোও খুব গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে প্রস্তুতি সহজ হয়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জীবনানন্দ দাশ
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - "কবিদ্যার কথা" প্রাবন্ধিক ও কবি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ। - আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান এই কবি তাঁর কবিতার পাশাপাশি গভীর মননশীল ও প্রাবন্ধিক গদ্যেও মুন্সিয়ানা দেখিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যে মূলত রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর প্রবন্ধ রচনায় আধুনিক সমাজ ও সংস্কৃতির গভীর ছাপ রয়েছে। - তাঁর প্রবন্ধগুলোতে জীবন, সাহিত্য, ইতিহাস এবং সমাজভাবনার এক অনন্য দার্শনিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ "কবিতার কথা" ব্যাখ্যা: এটি কবির সাহিত্যভাবনা ও কাব্যতত্ত্ব নিয়ে লেখা একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও বহুল পঠিত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের উপন্যাস "মাল্যবান" ব্যাখ্যা: এটি কবির একটি উল্লেখযোগ্য মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা তাঁর গদ্য রচনার অনন্য দক্ষতার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও "কবিদ্যার কথা" তাঁর রচিত কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত তাঁর সাম্যবাদী কবিতা ও প্রবন্ধের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। D) জসীমউদ্দীন — পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করলেও এই নির্দিষ্ট প্রবন্ধগ্রন্থটি তাঁর রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবন ও কবিদ্যার কথা লিখে যান আমাদের প্রিয় রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। এভাবে কবির নামের সঙ্গে প্রবন্ধের মিল করে খুব সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে "কবিতার কথা" এবং "কবিদ্যার কথা" বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
a কানামামা
b পঞ্চসঙ্গী
c সারকাস
d হাতেখড়ি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চসঙ্গী ১. কেন সঠিক: - শওকত ওসমান রচিত 'পঞ্চসঙ্গী' কিশোরদের জন্য লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। - কিশোর উপযোগী গল্প বা উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখকের মুন্সিয়ানা এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের এক প্রথিতযশা কথাশিল্পী, যিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। - তার জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলায় হলেও তিনি পাকিস্তান আমল থেকে বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস ও সাহিত্যচর্চা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোনাকী ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের একটি কিশোর উপযোগী গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ওনিদ ও সেতারা ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের রচিত কিশোরদের জন্য আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানামামা — এটি শওকত ওসমানের কিশোর গ্রন্থ নয়। B) পঞ্চসঙ্গী — এটি শওকত ওসমানের কিশোরদের জন্য রচিত সঠিক গ্রন্থ। C) সারকাস — এটি শওকত ওসমানের কোনো কিশোর গ্রন্থ নয়, এটি তার অন্য ধারার রচনা। D) হাতেখড়ি — এটি শওকত ওসমানের কিশোর উপযোগী কোনো গ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের কিশোর সাহিত্য মনে রাখতে 'পঞ্চসঙ্গী' এবং 'জোনাকী' এই নাম দুটি একত্রে মনে রাখতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে কিশোর গ্রন্থের নাম মেলানোর অভ্যাস করলে পরীক্ষা ভুল কম হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের কিশোর সাহিত্যিক অবদান থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মূল ধারার উপন্যাসের পাশাপাশি লেখকদের কিশোর উপযোগী গ্রন্থগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a আবুল ফজল
b জাহানারা ইমাম
c হুমায়ূন আহমেদ
d সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এই উপন্যাসটির রচয়িতা এবং তিনি নিজেই এটি চলচ্চিত্ররূপে পরিচালনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে 'আগুনের পরশমণি', 'জোছনা ও জননীর গল্প', এবং 'শ্যামল ছায়া' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: মাত্রা ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক যা ব্যাপক সমাদৃত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) জাহানারা ইমাম — তিনি বিখ্যাত 'একাত্তরের দিনগুলি' স্মৃতিকথার লেখক, কোনো উপন্যাসিক নন। C) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোর রত্নার চোখে দেখা একটি পরিবারের দিনলিপি নিয়ে রচিত 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের লেখক হুমায়ূন আহমেদ। লেখক নামের সঙ্গে উপন্যাসের মূল চরিত্র ও প্রেক্ষাপট মিলিয়ে পড়া সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই 'আগুনের পরশমণি', 'শ্যামল ছায়া' এবং 'জোছনা ও জননীর গল্প' উপন্যাস তিনটির নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ব্যাথার দান
b বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী
c জিনের বাদশা
d পদ্ম-গোখরো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত রচনা হলো বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী। - ১৯১৯ সালের মে মাসে (বাংলা ১৩২৬ সালের জ্যৈষ্ঠ) বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা-য় এই গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত। - প্রথম প্রকাশিত রচনা হিসেবে তাঁর বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী গল্পটি বাংলা সাহিত্য ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যথার দান ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। B) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ও রচনা। C) জিনের বাদশা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প কিন্তু তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। D) পদ্ম-গোখরো — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প ও নাটকরূপ প্রাপ্ত রচনা, যা পরে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত রচনার নাম মনে রাখতে 'বাউণ্ডুল' শব্দটি মাথায় রাখো, কারণ ভবঘুরে বা বাউণ্ডুল দিয়েই তাঁর সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়েছিল। গল্পগ্রন্থের মধ্যে প্রথম হলো ব্যথার দান এবং কাব্যগ্রন্থের মধ্যে প্রথম হলো অগ্নিবীণা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম প্রকাশিত রচনা, গল্পগ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। নজরুলের ক্ষেত্রে প্রথম রচনা বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী, প্রথম গল্পগ্রন্থ ব্যথার দান এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a গুণহীন
b কুশীলব
c নী পবূক্ষ
d ছায়াতরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুশীলব ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং সমাস করার সময় মাঝের সংযোজক অব্যয় লোপ পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - কুশীলব শব্দটি কুশ ও লব শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এবং এখানে কুশ ও লব উভয় ভাইয়ের সমান অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি বিশেষ্য বা দুটি বিশেষণ পদের মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্যে এবং, ও, আর ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - কুশীলব শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কুশ ও লব, যা মিলন অর্থে দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত হয়েছে এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিত। ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। উদাহরণ ২: জমা ও খরচ = জমাখরচ। ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক দুটি বিশেষ্য পদ মিলে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুণহীন — এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য গুণ দ্বারা হীন এবং এখানে পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে। B) কুশীলব — এটি সঠিক উত্তর যা দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। C) নী পবূক্ষ — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ব্যাকরণিক শব্দ বা প্রমিত সমাসবদ্ধ পদ নয়। D) ছায়াতরু — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য ছায়া প্রদানকারী তরু। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয় পদের অর্থ প্রধান এবং মাঝখানে ও বা এবং থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস দাগাবে। - ভাইবোন, মাতািপতা, কুশীলব এ ধরনের দ্বৈত নাম বা সম্পর্কের শব্দগুলো সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কুশীলব শব্দের ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ অনেক বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ বুঝতে হবে এবং ব্যাসবাক্য চিন্তা করতে হবে।
a মুখরা রমণী বশীকরণ
b দেওয়ান গাজীর কিসসা
c নূরলদীনের সারাজীবন
d যেবতী কন্যার মন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যেবতী কন্যার মন ১. কেন সঠিক: - যেবতী কন্যার মন নাটকটির রচিয়তা বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন। - গ্রামবাংলার লোকজীবন, ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনসংগ্রাম এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিম আল দীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্যরীতির প্রবর্তক এবং নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে কিঙ্কনমালা, কেরামত মঙ্গল ও চাকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকা ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রামীণ জীবনের মর্মান্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীন রচিত লোকঐতিহ্যনির্ভর একটি জনপ্রিয় নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুখরা রমণী বশীকরণ — এটি মুনীর চৌধুরী কর্তৃক উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের টেমিং অফ দ্য শ্রিউ নাটকের বাংলা অনুবাদ। B) দেওয়ান গাজীর কিসসা — এটি ব্রেখটের নাটক অবলম্বনে সেলিম আল দীন কর্তৃক রূপান্তরিত নাটক হলেও মূল প্রশ্নানুসারে অন্য অপশন বিবেচনা করা হয়েছে, তবে এটিও তাঁর কাজ। এখানে প্রশ্ন বা উত্তরে সামান্য অসংগতি থাকতে পারে, কারণ দেওয়ান গাজীর কিসসাও সেলিম আল দীনের রচনা। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নির্দিষ্ট নাটকের ক্ষেত্রে যেবতী কন্যার মন সরাসরি তাঁর মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত। C) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক নাটক। D) যেবতী কন্যার মন — এটি সেলিম আল দীন রচিত নাটক এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সেলিম আল দীন মানেই লোকনাট্য এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনচিত্র। - তাঁর নাটক মনে রাখতে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনের নানা দিক মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সেলিম আল দীন বাংলা নাটকে লোকায়ত ধারার সার্থক প্রয়োগ করেছেন। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের মৌলিক নাটক ও অনূদিত নাটক আলাদা করার দক্ষতা থাকতে হবে।
a পদ্মাবতী
b কৃষ্ণকুমারী
c বীরাঙ্গনা
d ব্রজাঙ্গনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রজাঙ্গনা ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ব্রজাঙ্গনা কাব্যটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং বিরহভিত্তিক একটি গীতিধর্মী বা লিরিক কবিতা সংকলন। এই কাব্যে রাধার মনস্তাত্ত্বিক আক্ষেপ ও বিরহ বেদনা অত্যন্ত সুন্দরভাবে গীতিধর্মী ছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে পরিচিত। ব্রজাঙ্গনা কাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত একটি গীতিধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি মহাকাব্য, গীতিধর্মী রচনা নয়। উদাহরণ ২: তিলোমত্তাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্য এবং এটিও একটি মহাকাব্যিক রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি নাটক, গীতিধর্মী রচনা নয়। B) কৃষ্ণকুমারী — এটি মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক। C) বীরাঙ্গনা — এটি মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য, যা গীতিধর্মী হলেও ব্রজাঙ্গনা রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক গীতিধর্মী রচনা হিসেবে অধিক পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্তের গীতিধর্মী বা লিরিক কবিতার জন্য ব্রজাঙ্গনা নাম মনে রাখবে, যেখানে ব্রজভূমির রাধার বিরহের সুর রয়েছে। পত্রকাব্য বললে বীরাঙ্গনা এবং গীতিধর্মী কাব্য বললে ব্রজাঙ্গনা মনে রাখা সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্রজাঙ্গনা কাব্যটি বৈষ্ণব পদাবলীর ভাবধারায় রচিত হলেও এতে মধুসূদন দত্তের নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধুসূদন দত্তের নাটক ও কাব্যের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a বিদ্বান
b বিদ্বান
c বিদ্বান
d বিদ্বান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্বান ১. কেন সঠিক: বিদ্বান বানানটিতে দ-এর নিচে ব-ফলা এবং শেষে ম্ত না হয়ে ন ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত থেকে আগত এই শব্দটিতে ন-ত্ব বিধান প্রযোজ্য এবং ম্ত লেখার নিয়ম নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় আসা তৎসম শব্দে দ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। শব্দের অন্তে যুক্তবর্ণ হিসেবে অনেক সময় ভুল করে ম্ত লেখা হয় যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহান ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে অন্ত্যবর্ণ হিসেবে ন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বুদ্ধিমান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের শেষে ম্ত-এর পরিবর্তে ন ব্যবহৃত হয় যা সঠিক প্রমিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্বান - এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। B) বিদ্বান - প্রদত্ত প্রশ্ন কাঠামোর কারণে এখানে সবগুলো অপশন একই দেখানোর ফলে এটি সঠিক উত্তরের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) বিদ্বান - প্রদত্ত প্রশ্ন কাঠামোর কারণে এখানে সবগুলো অপশন একই দেখানোর ফলে এটি সঠিক উত্তরের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) বিদ্বান - প্রদত্ত প্রশ্ন কাঠামোর কারণে এখানে সবগুলো অপশন একই দেখানোর ফলে এটি সঠিক উত্তরের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্বান বানানে শেষের বর্ণটি সব সময় ন হবে কখনোই ম্ত হবে না। বানানটি লেখার সময় দ-এ ব-ফলা এবং শেষে ন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। শেষের বর্ণে ম্ত এবং ন-এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a শিল্প
b কৃষি
c সাহিত্য
d বিজ্ঞান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি ১. কেন সঠিক: খনার বচনে মূলত গ্রামীণ জনপদের কৃষি কাজের পুঙ্খানুপুঙ্খ দিকনির্দেশনা ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রাধান্য পেয়েছে। প্রাচীন বাংলার কৃষিজীবী সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ এই বচনগুলোর মূল ভিত্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: খনার বচন বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা প্রবাদ ও প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। এগুলো যুগ যুগ ধরে বাংলার কৃষকদের বীজ বপন, ফসল কাটা ও আবহাওয়া অনুধাবনে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ গরুর তিন হাঁস, চাষ না করলে সর্বনাশ। ব্যাখ্যা: এই বচনটি দ্বারা কৃষিকাজে গবাদি পশুর সঠিক ব্যবহারের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: খনা বলে শুনো বচন, ধান কাটো যততন। ব্যাখ্যা: এই বচনটিতে সঠিক সময়ে ধান কাটার নির্দেশনার মাধ্যমে কৃষি কাজকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্প — খনার বচনে মৃৎশিল্প বা কুটির শিল্পের কোনো উল্লেখ প্রধানত থাকে না। B) কৃষি — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি কৃষিকাজ ও আবহাওয়া সংক্রান্ত নির্দেশনার কারণে গ্রহণযোগ্য। C) সাহিত্য — খনার বচন লোকসাহিত্যের অংশ হলেও এতে সাহিত্যের নান্দনিকতার চেয়ে ব্যবহারিক কৃষি গুরুত্ব পেয়েছে। D) বিজ্ঞান — আধুনিক বিজ্ঞান চর্চা না থাকলেও এতে আবহাওয়া সম্পর্কিত লোকায়ত জ্ঞান প্রকাশ পেয়েছে যা আধুনিক বিজ্ঞানের পূর্বসূরি। ৫. মনে রাখার টিপস: খনার বচন মানেই কৃষকের প্রাত্যহিক জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ফসল ফলানোর সঠিক নিয়ম। কৃষি শব্দটির সাথে খনার নাম সরাসরি যুক্ত করে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা লোকসাহিত্যে প্রবাদ ও প্রবচন অধ্যায়ের জন্য খনার বচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্য ও প্রবচন সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।
a ধ্বনি
b বর্ণ
c শব্দ
d বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়। ভাষার এই শ্রবণযোগ্য মূল একক থেকেই মূলত শব্দ ও বাক্য গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। লিখিত রূপ দেয়ার পূর্বে ভাষার উচ্চারিত রূপটিই ধ্বনি হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনি হলো ভাষার সর্বমোট ক্ষুদ্রতম একক। B) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, তাই এটি ক্ষুদ্রতম লেখার একক কিন্তু সার্বিকভাবে ক্ষুদ্রতম একক নয়। C) শব্দ — শব্দ এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়, যা ধ্বনি অপেক্ষা বড় একক। D) বাক্য — বাক্য হলো অর্থের সম্পূর্ণ প্রকাশকারী বহু শব্দের সমষ্টি, যা ভাষার বৃহত্তম একক। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম একক শুনলে ধ্বনি মনে রাখবে এবং লিখিত রূপ বা প্রতীক শুনলে বর্ণ মনে রাখবে। মুখ থেকে যা উচ্চারিত হয় তা ধ্বনি এবং যা খাতায় লেখা হয় তা বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং ভাষার লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ প্রায়ই আসে। ভাষার মূল উপকরণ বা মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি।
a অন্নদামঙ্গল কাব্যে
b মনসামঙ্গল কাব্যে
c কালীকামঙ্গল কাব্যে
d সারদামঙ্গল কাব্যে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনসামঙ্গল কাব্যে ১. কেন সঠিক: বেহুলা ও লক্ষীন্দরের অমর প্রেমের এবং সাপ নিয়ে পৌরাণিক কাহিনীটি মনসামঙ্গল কাব্যের মূল উপজীব্য বিষয়। নাগদেবী মনসার পূজা প্রচারে মর্ত্যে লখিন্দরের সর্পদংশন এবং বেহুলার ভেলার ভাসিয়ে জীবন ফিরে পাওয়ার কাহিনী মনসামঙ্গল কাব্যেই বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মনসামঙ্গল কাব্য বাংলা সাহিত্যিক ধারার মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি শাখা। এই ধারার আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি হলেন কানাহ হরি দত্ত অথবা কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, আর সবচেয়ে বিখ্যাত কবি হলেন বিজয় গুপ্ত ও বিপদাস পিপলাই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্যের অন্য একটি বিখ্যাত উপাখ্যান হলো চাঁদ সওদাগরের চরিত্র ও মনসার সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব। ব্যাখ্যা: চাঁদ সওদাগর ছিলেন শিবের ভক্ত এবং মনসার পূজায় অস্বীকৃতি জানানোই এই কাব্যের মূল সংঘাতের উৎস। উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্যের আরেক জনপ্রিয় চরিত্র হলো সনকা ও বেহুলার কষ্টের জীবন চিত্র। ব্যাখ্যা: সনকা ছিলেন লখিন্দরের মা এবং বেহুলা ছিলেন তাঁর পুত্রবধূ, যাঁদের যৌথ বেদনার মধ্য দিয়ে কাহিনী এগিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্নদামঙ্গল কাব্যে — এই কাব্যটি মনসামঙ্গল ধারার নয়, বরং এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত মধ্যযুগের অন্নদা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য। B) মনসামঙ্গল কাব্যে — এই অপশনটি সঠিক এবং বেহুলা লক্ষীন্দরের কাহিনী একমাত্র এই কাব্যধারার সাথেই সরাসরি সম্পৃক্ত। C) কালীকামঙ্গল কাব্যে — এই কাব্যটি দেবী কালীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং এর অপর নাম বিদ্যাসুন্দর বা কালিকা পুরাণভিত্তিক সাহিত্য। D) সারদামঙ্গল কাব্যে — এটি মধ্যযুগের কোনো মঙ্গলকাব্য নয়, বরং আধুনিক যুগে কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর দ্বারা রচিত একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: সাপ, বেহুলা, লখিন্দর এবং চাঁদ সওদাগর নামগুলো দেখলেই চোখ বন্ধ করে মনসামঙ্গল কাব্য দাগাতে হবে। মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে বেহুলা চরিত্রটি কেবল মনসামঙ্গল কাব্যের সাথেই অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে মনসামঙ্গল হলো সবচেয়ে পুরনো এবং এর অপর নাম পদ্মপুরাণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে বা এর প্রধান চরিত্র কে।
a মানসী
b বলাকা
c ক্ষণিকা
d সেঁজুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বলাকা ১. কেন সঠিক: - বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে গতিবাদ ও পরিবর্তনের হাওয়ায় রচিত হয়েছে। - এই কাব্যের কবিতায় বিশ্বজুড়ে গতি, চঞ্চলতা এবং পরিবর্তনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। - বলাকা কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিখ্যাত কবিতা হলো শাহজাহান ও বলাকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলাকা কবিতার বিখ্যাত পলাইন - চঞ্চল যে পক্ষী মত্ত পখা তুলি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে কবির গতিশীল জীবনের ভাব প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: শাহজাহান কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় সম্রাট শাহজাহানের অমর প্রেমের চেয়েও মৃত্যুর অনিবার্যতা ও কালজয়ী গতির কথা বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রোমান্টিক ও প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। B) বলাকা — এটি গতিবাদের প্রভাবে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) ক্ষণিকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লঘু ও হাস্যরসাত্মক ভাবের একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয়। D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বয়সের অন্তিম পর্যায়ের চিন্তামূলক কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বলাকা মানে উড়ে চলা পাখি, আর পাখি সবসময় গতিশীল থাকে। - গতিবাদ মানেই বলাকা কাব্যগ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বলাকা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল এবং এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিবাদী মনন বোঝার জন্য বলাকা কাব্যগ্রন্থটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
a সমাচার চন্দ্রিকা
b সংবাদ কৌমুদী
c সংবাদ প্রভাকর
d সংবাদ ভাস্কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: - কবি ঈশ্বরগুপ্ত সম্পাদিত প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাময়িকপত্র হলো সংবাদ প্রভাকর। - বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এই পত্রিকার মাধ্যমে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে যুগসন্ধিক্ষণের কবি ও সফল সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। - ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৬ সাল থেকে এটি দৈনিকরূপে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা যা পরে দৈনিক রূপ নেয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যগুরু হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা লেখায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমachar chandrika — এটি ভবাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত সমাচার চন্দ্রিকা রক্ষণশীল হিন্দু সম্প্রদায়ের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। B) সংবাদ কৌমুদী — এটি রাজা রামমোহন রায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বাংলা ভাষার অন্যতম প্রথম সংবাদপত্র। D) সংবাদ ভাস্কর — এটি মৌলভি গৌরীশঙ্কর তর্কবাগীশ সম্পাদিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাপ্তাহিক ও দৈনিক সংবাদপত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরগুপ্ত মানেই সংবাদ প্রভাকর। এভাবে মনে রাখতে পারো যে যুগসন্ধিক্ষণের এই কবির প্রধান কীর্তি হলো এই সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত অন্য পত্রিকার নাম সাধুরঞ্জন ও প্রভাকর।
a visiting
b downloading
c uploading
d surfing
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) surfing কেন সঠিক: - ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা পাতা ঘুরে দেখা অর্থে ইংরেজি ভাষায় 'surf the internet' বা 'surf the net' একটি প্রচলিত ফ্রেজ বা ইডিওম্যাটিক ব্যবহার। - প্রাত্যহিক জীবনের ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা ঘাঁটাঘাঁটি বোঝাতে 'surf' শব্দটি সবচেয়ে যথাযথ এবং প্রমিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visiting — ভিজিট বা পরিদর্শন করা অর্থ প্রকাশ করলেও ইন্টারনেটের সাথে নির্দিষ্ট ফ্রেজ হিসেবে 'visit internet' ব্যবহৃত হয় না। B) downloading — ইন্টারনেট থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা নিজের ডিভাইসে নামানো বোঝায়, যা প্রতিদিন ঘণ্টা ধরে করার সাধারণ কাজ নয়। C) uploading — নিজের ডিভাইস থেকে ইন্টারনেটে কোনো ফাইল বা তথ্য পাঠানো বোঝায়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে বেমানান। D) surfing — ইন্টারনেট ব্রাউজ করা বা বিভিন্ন তথ্য খোঁজার বহুল প্রচলিত ও সঠিক ফ্রেজ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট বা ওয়েব পেজ ব্রাউজ করার ক্ষেত্রে সবসময় 'surf' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেমন সার্ফিং অন দ্য ইন্টারনেট।
a mindless
b clever
c rash
d idiot
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) clever কেন সঠিক: - foolish শব্দের অর্থ নির্বোধ বা বোকা, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো চালাক বা বুদ্ধিমান। - clever শব্দটি বুদ্ধিমান বা চালাক অর্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক বিপরীত শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mindless — mindless অর্থ মনহীন বা চেতনাহীন, যা foolish শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) clever — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ চালাক বা বুদ্ধিমান। C) rash — rash অর্থ অপরিণামদর্শী বা হটকারী, যা foolish শব্দের বিপরীতার্থক নয়। D) idiot — idiot অর্থ বোকা বা মূর্খ, যা foolish শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Foolish অর্থ বোকার সাথে Clever অর্থ চালাক জোড়াটি মনে রাখলে সহজে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা যায়।
a live
b am living
c have been living
d lived
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) have been living কেন সঠিক: - বাক্যে 'since 2015' উল্লেখ থাকায় এটি অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝাচ্ছে। - Present Perfect Continuous Tense-এর গঠন অনুযায়ী subject-এর পর have been / has been এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) live — এটি Present Indefinite Tense, যা বর্তমানের স্থায়ী অভ্যাস বোঝায় কিন্তু নির্দিষ্ট সময় ধরে চলমান কাজ প্রকাশ করে না। B) am living — এটি Present Continuous Tense, যা শুধু বর্তমানের চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু এর সাথে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট শুরুর সময় যুক্ত থাকে না। C) have been living — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নিখুঁতভাবে মিলে যায়। D) lived — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যাওয়া কাজ বোঝায় কিন্তু বর্তমানে চলমানতা প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চলতে থাকলে Present Perfect Continuous Tense হয়।
a verb
b adverb
c adjective
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) verb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'right' শব্দটি একটি কাজ বা কোনো কিছু সংশোধন করা অর্থ প্রকাশ করছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো শব্দ যখন বাক্য বা আদেশে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, তখন সেটি verb হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ 'Right the wrong' বাক্যটিতে 'right' শব্দটি কাজ করা বোঝাচ্ছে। B) adverb — এটি ভুল কারণ কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে এটি বিশেষিত করছে না বা স্থান, কাল বোঝাচ্ছে না। C) adjective — এটি ভুল কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না। D) noun — এটি ভুল কারণ এটি বাক্যে কোনো নাম বা প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে বসেনি বরং সরাসরি কাজ করতে নির্দেশ দিচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো শব্দ দিয়ে যদি কোনো কাজ করা বোঝায় এবং তার আগে সরাসরি মূল verb থাকে, তবে তা verb হিসেবে কাজ করে।
a been
b went
c go
d visit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) been কেন সঠিক: - Present Perfect টেন্সে কোথাও গিয়ে ঘুরে আসার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে 'have/has + been to' ব্যবহৃত হয়। - বাক্যটিতে 'Ever' থাকায় এটি Present Perfect টেন্সে গঠিত হয়েছে এবং সাবজেক্ট 'You'-এর পর সাহায্যকারী ভাব 'Have' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) been — এটি সঠিক উত্তর কারণ Present Perfect টেন্সে ঘুরে আসার অর্থে 'have been to' গঠন ব্যবহৃত হয়। B) went — এটি Past Indefinite টেন্সের রূপ, যা 'Ever'-যুক্ত Present Perfect গঠনের সঙ্গে বসে না। C) go — এটি verb-এর Present রূপ, যা সাবজেক্ট ও টেন্সের নিয়মানুযায়ী এখানে সঠিক নয়। D) visit — এর আগে preposition বা infinitive ছাড়া সরাসরি বসে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে। মনে রাখার টিপস: কোথাও গিয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে 'have/has been to' ব্যবহার করতে হয়।
a on
b in
c at
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - Call in একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা চিকিৎসার্থে কাউকে ডেকে পাঠানো। - এখানে রোগীকে দেখার জন্য ডাক্তারকে ডেকে পাঠানোর অর্থে Call in ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — Call on অর্থ সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কারও সাথে দেখা করতে যাওয়া, যা এখানে চিকিৎসাক ডেকে পাঠানোর অর্থে সঠিক নয়। B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ Call in অর্থ ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞকে ডেকে পাঠানো। C) at — Call at অর্থ কোনো স্থানে বা স্টেশনে কিছুক্ষণ থামা, যা এখানে রোগীর জন্য ডাক্তার ডাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) অব — Call of অর্থ কোনো কর্মসূচি বা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা বা বাতিল করা, যা অর্থপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অসুস্থতার সময় ডাক্তারকে ঘরে ডেকে আনতে হলে Call এর সাথে in preposition ব্যবহার করতে হয়।
a The French people
b The French language
c The French manners
d The French society
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The French people কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো জাতির নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'The' বসলে তা সমগ্র জাতিকে বোঝায়। - এখানে 'The French' বলতে ফ্রান্সের সমগ্র জনগণকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ 'The French' বলতে ফ্রান্সের জনগণকে বোঝায়। B) The French language — ভাষা বোঝাতে জাতির নামের পূর্বে 'The' বসে না, শুধু ফরাসি ভাষাকে বোঝাতে ফ্রেঞ্চ বলা হয়। C) The French manners — ফরাসিদের আচার-আচরণ বোঝাতে এই নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয় না। D) The French society — ফরাসি সমাজ বোঝাতে আলাদাভাবে সোসাইটি শব্দ যুক্ত করতে হয়। মনে রাখার টিপস: জাতির নামের আগে 'The' থাকলে মানুষ বোঝায়, যেমন 'The English' মানে ইংরেজ জাতি।
a Who
b One
c They
d Himself
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Himself কেন সঠিক: - যে প্রোনাউনগুলোর সাথে self বা selves যুক্ত হয়ে সাবজেক্ট ও অবজেক্ট একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, তাকে Reflexive Pronoun বলে। - এখানে himself শব্দটি থার্ড পারসন মাসকুলিন জেন্ডারের অবজেক্ট হিসেবে বসে সাবজেক্টকে নির্দেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who — এটি একটি Relative Pronoun বা Interrogative Pronoun, যা ব্যক্তি নির্দেশ করতে বা প্রশ্ন করতে ব্যবহৃত হয়। B) One — এটি একটি Indefinite Pronoun, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে বোঝায়। C) They — এটি একটি Personal Pronoun-এর Nominative Case, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Himself — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Reflexive Pronoun-এর গঠন ও নিয়ম মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: যেসকল Pronoun-এর শেষে self বা selves যুক্ত থাকে এবং বাক্যের কাজ নিজের ওপর ফিরে আসে, সেগুলোকে Reflexive Pronoun বলে।
a am
b was
c shall be
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish-এর পর অসম্ভব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে Subjunctive Mood ব্যবহার করা হয়। - এই নিয়মে Subject যে পার্সন বা বচনই হোক না কেন, Be verb হিসেবে সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — Present tense নির্দেশ করায় এবং Subjunctive Mood-এর নিয়ম না মানায় এটি ভুল। B) was — সাধারণ Past tense-এ Singular subject-এর পর বসলেও I wish-এর ক্ষেত্রে এটি অগ্রহণযোগ্য। C) shall be — Future tense নির্দেশ করায় এবং কল্পনার প্রকাশ ঘটাতে পারে না বিধви এটি ভুল। D) were — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: I wish বা If দিয়ে কোনো অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করলে Subject যাই হোক না কেন, verb হিসেবে সব সময় were বসবে।
a Teacher
b Book
c Boy
d Madam
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Teacher কেন সঠিক: - Teacher শব্দটি পুরুষ বা নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝায়, যা কমন জেন্ডারের সংজ্ঞা পূরণ করে। - ইংরেজি ব্যাকরণে যে নাউন দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাকে কমন জেন্ডার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Teacher - এটি কমন জেন্ডার কারণ এটি শিক্ষক বা শিক্ষয়িত্রি উভয়কে নির্দেশ করে। B) Book - এটি নিউটার জেন্ডার বা ক্লীব লিঙ্গ, কারণ এটি অচেতন বস্তু। C) Boy - এটি মাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গ, কারণ এটি শুধুমাত্র বালককে বোঝায়। D) Madam - এটি ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীলিঙ্গ, কারণ এটি শুধু সম্মানিতা নারীকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ পুরুষ ও নারী উভয়কে নির্দেশ করে, যেমন Teacher, Student, Baby, Child, সেগুলোকে কমন জেন্ডার হিসেবে মনে রাখবে।
a has come
b comes
c come
d came
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) came কেন সঠিক: - বাক্যে গতকাল নির্দেশক শব্দ 'yesterday' থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে। - পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম (verb 2) ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has come — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীত নির্দেশক সময়ের সাথে বসে না। B) comes — এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা অতীত সময়ের ঘটনার জন্য সঠিক নয়। C) come — এটি বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে বসে না। D) came — এটি সঠিক কারণ এটি কাম ভার্বের পাস্ট ফর্ম যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে বসে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে সাধারণত ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
a the
b an
c a
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: - university শব্দটি ভাওয়েল (u) দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উয় (y) এর মতো হয়। - consonant sound দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের পূর্বে an না বসে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে পেশা হিসেবে সাধারণ অর্থে বলা হয়েছে। B) an — ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় an বসা নিয়মবহির্ভূত। C) a — সঠিক উত্তর, কারণ consonant sound-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে a বসবে। D) in — এটি একটি প্রিপজিশন, যা এখানে শূন্যস্থানে grammatically মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ vowel দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণ যদি বাংলা 'ইউ' বা 'ওয়া' এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসve a বসে।
a bee
b hind
c ewe
d lass
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bee কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'bee' শব্দের পুরুষবাচক বা masculine রূপ হলো 'drone' বা পুরুষ মৌমাছি। - অন্যদিকে স্ত্রীবাচক বা feminine রূপ হিসেবে 'bee' বা রানী মৌমাছির সাধারণ প্রজাতি বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bee — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি 'drone'-এর স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) hind — এটি হরিণ বা 'stag' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা মৌমাছির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ewe — এটি ভেড়া বা 'ram' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা মৌমাছির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) lass — এটি তরুণী বা বালিকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো পশুপাখির লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পুরুষ মৌমাছি হলো 'drone' এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'bee'।
a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Abstract noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective noun কেন সঠিক: - crowd শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একদল মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়। - একই জাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে ইংরেজিতে Collective noun বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম নির্দেশ করে, যা crowd শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Common noun — এটি একই জাতীয় সাধারণ নাম বোঝায়, কিন্তু crowd একাধিক ব্যক্তির সাধারণ নাম না হয়ে তাদের সমষ্টিগত রূপ। C) Collective noun — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি মানুষের একটি দল বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে। D) Abstract noun — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু crowd দৃশ্যমান মানুষের সমষ্টি। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো পৃথক ব্যক্তির সমষ্টিকে একটিমাত্র দল হিসেবে প্রকাশ করে, যেমন crowd, team বা class, সেগুলো সর্বদা Collective noun হয়।
a Agenda
b Datum
c Every
d Each
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Agenda কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দের বহুবচন রূপ হিসেবে 'Agenda' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার একবচন হলো 'Agendum'। - '-um' বা '-on' দিয়ে শেষ হওয়া অনেক ল্যাটিন শব্দের শেষে '-a' যুক্ত করে বহুবচন গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agenda — এটি ল্যাটিন শব্দ Agendum এর বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) Datum — এটি একটি একবচন ল্যাটিন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো Data। C) Every — এটি একটি distributive pronoun বা adjective যা সবসময় একবচন বোঝায়। D) Each — এটিও একটি distributive pronoun যা সর্বদা একক বা একবচন ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দের শেষে um থাকলে তা বাদ দিয়ে a বসালে বহুবচন হয়, যেমন Agendum থেকে Agenda।
a Do you know where does he live?
b He has gone for a walk
c They will arrive by the boy
d He sold all his furnitures.
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) They will arrive by the boy কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ব্যাকরণগত ও কাঠামোগতভাবে বাক্যটি গঠন সঠিক। - নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে প্রিপজিশন এবং সাবজেক্ট-ভার্ব এগ্রিমেন্টের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you know where does he live? — ইন্টারেগেটিভ সেন্টেন্সে হোয়াইট ওয়ার্ডের পর সাবজেক্ট বসে এবং পরে সাহায্যকারী ভার্ব বসে, তাই এটি ভুল। সঠিক রূপ হবে, Do you know where he lives? B) He has gone for a walk — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, মূল প্রশ্নের সেট অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়নি। C) They will arrive by the boy — এটি প্রদত্ত উত্তরের সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) He sold all his furnitures. — ফার্নিচার (Furniture) শব্দটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সাথে এস যুক্ত করে প্লুরাল করা যায় না। মনে রাখার টিপস: আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে এস যুক্ত হয় না এবং ইনডাইরেক্ট ইন্টারোগেটিভ বাক্যে সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসে।
a He had been called a fool by us,
b He was called a fool by us,
c He has called a fool by us,
d He has been called a fool by us
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He was called a fool by us, কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Active Voice, যার গঠন হলো Subject + Verb-এর Past form + Object + Complement. - একে Passive করার নিয়ম হলো Object-এর Subjective form + Tense অনুযায়ী was বা were + Verb-এর Past Participle + Complement + by + Subject-এর Objective form. বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had been called a fool by us, — এখানে Past Perfect Tense-এর সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের Tense-এর সাথে মেলে না। B) He was called a fool by us, — এটি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী Past Indefinite Tense-এর Passive রূপ গঠন করেছে। C) He has called a fool by us, — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং passive-এর নিয়ম অনুযায়ী be verb অনুপস্থিত। D) He has been called a fool by us — এটি Present Perfect Tense-এর Passive রূপ, যা প্রদত্ত Past Tense বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে Verb-এর Past form থাকলে Passive করার সময় was বা were বসবে এবং মূল Verb-এর Past Participle রূপ হবে।
a by
b in
c at
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - ঘড়ি বা কোনো যন্ত্রের সাহায্যে সময় জানার ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়। - What is the time by your watch একটি বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি প্রবাদতুল্য বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ যন্ত্রের সাহায্যে সময় বুঝতে by বসে। B) in — এটি সাধারণত স্থান বা সময়ের ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে নয়। C) at — এটি নির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট কোনো বিন্দু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যন্ত্রের ক্ষেত্রে নয়। D) with — এটি কোনো উপকরণ বা যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি কাজ করা বোঝালেও ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার্য নয়। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির মাধ্যমে সময় দেখার ক্ষেত্রে ہمیشہ by বসবে, যেমন: By my watch.
a noun
b adjective
c verb
d adverb of time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb of time কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে tomorrow শব্দটি go verb-টিকে কখন সম্পন্ন হবে তা নির্দেশ করে সময় প্রকাশ করছে। - Verb সম্পর্কে সময় নির্দেশক অতিরিক্ত তথ্য দেওয়ায় এটি একটি adverb of time হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে tomorrow কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) adjective — adjective কোনো noun বা pronoun-এর দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে tomorrow কোনো noun-কে বিশেষিত করছে না। C) verb — verb হলো কাজ, কিন্তু tomorrow কোনো কাজের নাম বা সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না। D) adverb of time — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb-এর সম্পাদনের সময় নির্দেশ করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কখন প্রশ্ন করলে যে সময়বাচক শব্দ পাওয়া যায়, তা সাধারণত adverb of time হয়।
a বৌদ্ধ বিহার
b প্রাচীন রাজধানী
c স্বাস্থ্যকর স্থান
d শালবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৌদ্ধ বিহার কেন সঠিক: - ময়নামতি কুমিল্লার লালমাই পাহাড় এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। - এখানে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর বহু প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ও সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৌদ্ধ বিহার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ময়নামতিতে শালবন বিহারসহ বেশ কিছু বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার আবিষ্কৃত হয়েছে। B) প্রাচীন রাজধানী — এটি প্রাচীন কোনো উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক রাজধানী ছিল না, বরং এটি ধর্মীয় ও শিক্ষা কেন্দ্র ছিল। C) স্বাস্থ্যকর স্থান — এটি কোনো প্রথাগত স্বাস্থ্যনিবাস বা পাহাড়ি রিসোর্ট হিসেবে পরিচিত নয়। D) শালবন — শালবন এখানকার একটি নির্দিষ্ট বৌদ্ধ বিহারের নাম, যা ময়নামতির পুরো এলাকার সার্বিক পরিচয় নয়। মনে রাখার টিপস: ময়নামতি মানেই বৌদ্ধ বিহার এবং কুমিল্লা।
a ১ম ভাগে
b ৩য় ভাগে
c ৬ষ্ঠ ভাগে
d ৩য় ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩য় ভাগে (নোট: প্রদত্ত প্রশ্নে B এবং D উভয় অপশনেই ৩য় ভাগ রয়েছে, সংবিধানের মৌলিক অধিকার ৩য় ভাগে বর্ণিত হয়েছে)। কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩য় ভাগে ২৬ থেকে ৪४ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এটি সংবিধানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতা ও আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম ভাগে — ১ম ভাগে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও সীমানা সংক্রান্ত মৌলিক বিধানাবলী বর্ণনা করা হয়েছে। B) ৩য় ভাগে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই ভাগে সংবিধানের ২৬ থেকে ৪४ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ বর্ণিত হয়েছে। C) ৬ষ্ঠ ভাগে — ৬ষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ সম্পর্কিত বিধানাবলী যেমন সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালত গঠন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ৩য় ভাগে — এটিও ৩য় ভাগ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, কারণ মৌলিক অধিকার এই অংশেই অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ৩য় ভাগে ৩টি প্রধান বিষয় জড়িত মৌলিক অধিকার, ২৬ থেকে ৪४ অনুচ্ছেদ এবং নাগরিক সুরক্ষা।
a আফগানিস্তান
b ইরাক
c সিরিয়া
d প্যালেস্টাইন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যালেস্টাইন কেন সঠিক: - প্যালেস্টাইন ও ভ্যাটিকান সিটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, তবে তারা জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। - প্যালেস্টাইন মুসলিম দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংস্থা ওআইসি বা অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের সদস্য রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানিস্তান — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই সাধারণ সদস্য রাষ্ট্র। B) ইরাক — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত আছে। C) সিরিয়া — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয়েরই সদস্য রাষ্ট্র, তবে গৃহযুদ্ধের কারণে ওআইসিতে এর সদস্যপদ স্থগিত ছিল। D) প্যালেস্টাইন — এটি ওআইসির সদস্য হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, বরং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ওআইসির সদস্য কিন্তু জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয় এমন দুটি রাষ্ট্রের একটি প্যালেস্টাইন এবং অন্যটি ভ্যাটিকান সিটি।
a জাপান
b ব্রাজিল
c রাশিয়া
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - BRICS হলো উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার বর্তমান সদস্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। - জাপান বিশ্বের অন্যতম উন্নত শিল্পোন্নত দেশ এবং এটি এই অর্থনৈতিক জোটের সদস্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি জি সেভেন বা উন্নত অর্থনীতির দেশের জোটের সদস্য, বিডব্লিউআইসিএস বা ব্রিকস জোটের সদস্য নয়। B) ব্রাজিল — এটি ব্রিকস জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং বি অক্ষরটি ব্রাজিল নির্দেশ করে। C) রাশিয়া — এটি ব্রিকস জোটের অন্যতম প্রধান এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। D) চীন — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং ব্রিকস জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। মনে রাখার টিপস: ব্রিকস জোটের সদস্য দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো বিআরআইসিএস, যেখানে জাপান নামটি নেই।
a পানামা
b এস সালভেদর
c নিকারাগুয়া
d ব্রাজিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিকারাগুয়া কেন সঠিক: - মানাগুয়া হলো মধ্য আমেরিকার দেশ নিকারাগুয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি মানাগুয়া হ্রদের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানামা — এটি পানামা দেশের রাজধানী পানামা সিটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নিকারাগুয়ার রাজধানী নয়। B) এস সালভেদর — এটি এল সালভাদর দেশের রাজধানী, যা নিকারাগুয়ার রাজধানী নয়। C) নিকারাগুয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মানাগুয়া শহরটি এখানেই অবস্থিত। D) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ, যার রাজধানী ব্রাসিলিয়া এবং মানাগুয়া এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ন দিয়ে নিকারাগুয়া এবং ম দিয়ে মানাগুয়া মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ নিকারাগুয়ার রাজধানী মানাগুয়া।
a pH = 2
b pH = 5
c pH = 8
d pH = 10
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) pH = 2 কেন সঠিক: - pH এর মান যত কম হয়, এসিডের তীব্রতা তত বেশি হয়। - pH স্কেলে ০ থেকে ৬ পর্যন্ত মানগুলো এসিডিক বা অম্লীয় বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pH = 2 — এটি সবচেয়ে কম pH মান হওয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী এসিড নির্দেশ করে। B) pH = 5 — এর pH মান ২ এর চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল এসিড। C) pH = 8 — এর pH মান ৭ এর চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ক্ষারীয় পদার্থ, এসিড নয়। D) pH = 10 — এর pH মান ৭ এর চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এটি শক্তিশালী ক্ষার নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: pH স্কেলে মান যত কম, এসিড তত বেশি শক্তিশালী।
a ১৪টি
b ১৫টি
c ১৬টি
d ১৭টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭টি কেন সঠিক: - এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি। - ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ এই ১৭টি অভীষ্ট বা গোল ঠিক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪টি — এটি কোনো নির্দিষ্ট এসডিজির সংখ্যা নয় এবং এটি ভুল অপশন। B) ১৫টি — এমডিজি বা আগের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের সাথে এটি বিভ্রান্তিকর, এসডিজির সংখ্যা এটি নয়। C) ১৬টি — এটি এসডিজির মোট লক্ষ্যের সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) ১৭টি — এটি এসডিজির মূল লক্ষ্যসমূহের সঠিক সংখ্যা হিসেবে নির্ধারিত আছে। মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি লেখার ইংরেজি শব্দ Sustainable Development Goals-এ ১৭টি অক্ষর নেই, তবে মনে রাখবেন এর মূল লক্ষ্য ১৭টি।
a ৫ বছর
b ৪ বছর
c ৩ বছর
d ৬ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের অনু অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে। - রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে ৫ বছরের জন্য তাঁর পদে বহাল থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বছর — এটি রাষ্ট্রপতির পদের নির্ধারিত সাংবিধানিক মেয়াদ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ৪ বছর — বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বা সংসদীয় পদের ক্ষেত্রে চার বছর মেয়াদ সংক্রান্ত কোনো বিধান সংবিধানে নেই। C) ৩ বছর — বাংলাদেশের কোনো সাংবিধানিক পদের মেয়াদ সাধারণত তিন বছর হয় না। D) ৬ বছর — ছয় বছর মেয়াদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতি উভয় পদের জন্যই মেয়াদকাল পাঁচ বছর নির্ধারিত আছে।
a অংশুমান রায়
b গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
c আলতাফ মাহমুদ
d আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক 'শোন একটি মুজিবরের থেকে' গানটির বিখ্যাত গীতিকার হলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। - মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত এই গানটি বাঙালি জাতিকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অংশুমান রায় — তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির প্রথম সুরকার ও গায়ক হলেও গীতিকার নন। B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির কথা বা লিরিক লিখেছেন। C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার ও শহিদ বুদ্ধিজীবী হলেও এই গানটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) আপেল মাহমুদ — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একজন জনপ্রিয় শিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা হলেও এই গানের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: গ দিয়ে গান এবং গ দিয়ে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে তিনি এই গানের গীতিকার।
a ২০ জানুয়ারি
b ১০ জানুয়ারি
c ২৪ জানুয়ারি
d ২৮ জানুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ জানুয়ারি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। - ঐতিহাসিক এই দিনটিকে বাঙালি জাতি প্রতিবছর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জানুয়ারি — এই তারিখে ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয় না এবং এই দিনে অন্য কোনো বড় ঐতিহাসিক ঘটনা নেই। B) ১০ জানুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ২৪ জানুয়ারি — এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালিত হয়, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নয়। D) ২৮ জানুয়ারি — এই তারিখে নির্দিষ্ট কোনো জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধুর ফেরার দিনটি মনে রাখতে সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, মাস জানুয়ারি এবং তারিখ ১০।
a হামিদুর রহমান
b নিতুন কুণ্ডু
c মাঈনুল হোসেন
d শামীম সিকদার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাঈনুল হোসেন কেন সঠিক: - স্থপতি মাঈনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌদের নকশা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন। - তাঁর নকশার ওপর ভিত্তি করেই সাভারে বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাশিল্পী ও ভাস্কর ছিলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌদের নন। B) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর ছিলেন, যিনি সাভার স্মৃতিসৌদের বীর প্রতীক ভাস্কর্যের ডিজাইনার। D) শামীম সিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের স্থপতি ও ভাস্কর। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের 'মাঈনুল' নামের সাথে জাতীয় স্মৃতিসৌদের প্রধান নকশাকার হিসেবে কথাটি মনে রাখতে হবে।
a ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
b রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
c কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ
d জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ কেন সঠিক: - ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষ ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করেছে। - দুই বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্য উন্নয়নে তাঁর বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এই নির্দিষ্ট ডিলিট ডিগ্রি প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এই বিশেষ সম্মাননাটি প্রদান করেনি। C) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় — এটি রাজধানী ঢাকার একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যা এই বিশেষ ডিগ্রি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল।
a ফ্রান্স
b চীন
c রাশিয়া
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ পাঁচটি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন এই পরিষদের স্থায়ী সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ। B) চীন — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ। C) রাশিয়া — এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরি হিসেবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। D) জার্মানি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী দেশগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ফ্রাঞ্চাইজি (ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা, চীন, যুক্তরাজ্য); যেখানে জার্মানির কোনো স্থান নেই।
a ইংল্যান্ড
b ফ্রান্স, লিও
c গ্রিস
d পর্তুগাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স, লিও কেন সঠিক: - ইন্টারপোলের বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য এই শহরে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ইংল্যান্ডে অবস্থিত নয়। B) ফ্রান্স, লিও — এটি ইন্টারপোলের সঠিক সদর দপ্তর। C) গ্রিস — গ্রিস ইন্টারপোলের সদর দপ্তর নয়। D) পর্তুগাল — পর্তুগালে ইন্টারপোলের প্রধান কার্যালয় নেই। মনে রাখার টিপস: ইন্টারপোল মানে আন্তর্জাতিক পুলিশ, আর তাদের লিও ফ্রান্সে সিংহের মতো কড়া পাহারা।
a জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
b জনাব এম মনসুর আলী
c জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭১ সালের সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। B) জনাব এম মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। C) জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকার পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ, তাই তাকে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনে রাখবে।
a ৯টি
b ১১টি
c ১০টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - এছাড়া সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল এবং ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-সেক্টর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — এটি সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না। B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর। C) ১০টি — এটি সঠিক নয় কারণ সেক্টর মোট ১১টি ছিল, যদিও ১০ নম্বর সেক্টরটি নৌবাহিনীর জন্য নির্ধারিত ছিল। D) ১২টি — এটি সঠিক নয় কারণ সেক্টর সংখ্যা কখনো ১২টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মনে রাখতে মনে রাখুন ১০ নম্বর নৌ সেক্টর বাদে বাকি ১০টি স্থল সেক্টর এবং ১টি ছিল প্রধান সেনাপতির অধীনে বিশেষ সেক্টর, মোট ১১টি।
a 1921
b 1952
c 1915
d 1972
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1921 কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। - নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এবং ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট অনুযায়ী এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1921 — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল। B) 1952 — এটি বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1915 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) 1972 — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়নের বছর, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, আর এর মাত্র একত্রিশ বছর পর ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়।
a ব্রাসেলস
b জেনেভা
c লন্ডন
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাসেলস কেন সঠিক: - ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। - এই সামরিক জোটে বর্তমানে বত্রিশটি সদস্য দেশ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাসেলস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ন্যাটোর প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও রেড ক্রসের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ন্যাটোর প্রাথমিক সদর দপ্তর ১৯৪৯ সালে প্রথমে এখানে স্থাপিত হলেও পরে স্থানান্তরিত হয়। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং একসময় ন্যাটোর সামরিক সদর দপ্তর এখানে থাকলেও ১৯৬৬ সালে তা সরে যায়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর প্রধান কার্যালয় বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত, যা ইউরোপের রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
a ভারত
b ইরাক
c সোভিয়েত ইউনিয়ন
d ভুটান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভুটান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - একই দিনে ভারতও বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — বাংলাদেশ ও ভুটানকে স্বীকৃতি দিলেও ভুটানের স্বীকৃতি ভারতের সামান্য আগেই নথিভুক্ত হয়েছিল। B) ইরাক — ইরাক অনেক পরে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। C) সোভিয়েত ইউনিয়ন — সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো সমর্থন দিলেও তারা প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ নয়। D) ভুটান — ভুটান এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে প্রথম স্বীকৃতি দেয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান, আর সালটি ছিল ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর।
a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b ইংল্যান্ড
c জার্মানি
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - লিও তলস্টয় বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক যিনি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং আনা কারেনিনা উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি মার্ক টোয়েন বা আর্নেস্ট হেমিংওয়ের মতো লেখকদের জন্মস্থান, লিও তলস্টয়ের নয়। B) ইংল্যান্ড — এটি উইলিয়াম শেকসপিয়র বা চার্লস ডিকেন্সের দেশ, রুশ সাহিত্যিক তলস্টয়ের নয়। সি) জার্মানি — এটি জোহান ভলফগাং ফন গ্যেটে বা ফ্রানৎস কাফকার সাহিত্যক্ষেত্রের সাথে সম্পর্কিত, রুশ সাহিত্যের সাথে নয়। D) রাশিয়া — এটি সঠিক, কারণ লিও তলস্টয় রুশ সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার বিখ্যাত উপন্যাস ওয়ার অ্যান্ড পিস পাঠ করলেই লেখক লিও তলস্টয় ও তার দেশের নাম মনে রাখা সহজ হয়।
a স্টিভ জবস
b বিল গেটস
c মার্ক জুকারবার্গ
d লারি সেজ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্টিভ জবস ১. কেন সঠিক: অ্যাপল কোম্পানি ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন মিলে প্রতিষ্ঠা করেন। প্রযুক্তির বাজারে আইফোন, ম্যাকবুক এবং আইপ্যাডের মতো বিপ্লব ঘটানো পণ্যের পেছনের মূল উদ্যোক্তা ও পথপ্রদর্শক ছিলেন স্টিভ জবস। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: অ্যাপল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা পার্সোনাল কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে থাকে। এই কোম্পানি তাদের নিজস্ব প্রযুক্তির হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয় ঘটিয়ে ব্যবহারকারীকে উচ্চমানের ডিজিটাল সেবা প্রদান করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইফোন স্মার্টফোন ব্যাখ্যা: এটি স্টিভ জবসের দূরদর্শিতায় ২০০৭ সালে বাজারে আসা একটি বিপ্লবী মোবাইল ডিভাইস যা আধুনিক মুঠোফোনের ধারণাই বদলে দিয়েছে। উদাহরণ ২: ম্যাকিনটশ কম্পিউটার ব্যাখ্যা: ১৯৮৪ সালে বাজারে আসা এই কম্পিউটারটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কম্পিউটিং সহজ করে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টিভ জবস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি অ্যাপল কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ছিলেন। B) বিল গেটস — তিনি মাইক্রোসফট কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা, যা বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। C) মার্ক জুকারবার্গ — তিনি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। ডি) লারি সেজ — তিনি সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, যা অ্যাপল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: অ্যাপল মানেই স্টিভ জবস এবং মাইক্রোসফট মানেই বিল গেটস, এই যুগলবন্দী মনে রাখলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। প্রযুক্তির ইতিহাস মনে রাখতে প্রতিষ্ঠাতাদের নামের সঙ্গে তাদের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির নাম জোড়া লাগিয়ে পড়া ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালে এবং এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোয় অবস্থিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রতিষ্ঠার সাল সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
a 30 HZ
b 3 KHZ
c 6 KHZ
d 600 HZ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ KHZ ১. কেন সঠিক: - অ্যামপ্লিটিউড মডুলেশন বা AM-এর ক্ষেত্রে মডুলেটেড সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ হলো মেসেজ বা অডিও সিগন্যালের সর্বোচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির দ্বিগুণ। - এখানে ক্যারিয়ার সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সি উল্লেখ থাকলেও ব্যান্ডউইথ গণনার ক্ষেত্রে মেসেজ সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ বা ফ্রিকোয়েন্সির ওপর নির্ভর করতে হয় এবং সঠিক নিয়মে তা দ্বিগুণ হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: AM বা Amplitude Modulation হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ক্যারিয়ার তরঙ্গের বিস্তারকে মডুলেটিং সিগন্যালের তাৎক্ষণিক মানের সাথে পরিবর্তন করা হয়। - কার্যপদ্ধতি: মডুলেটেড সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ নির্ণয়ের সূত্র হলো ব্যান্ডউইথ সমান দুই গুণ মডুলেটিং সিগন্যালের সর্বোচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি। - বৈশিষ্ট্য: এই প্রক্রিয়ায় দুটি সাইডব্যান্ড তৈরি হয়, যা হলো আপার সাইডব্যান্ড এবং লোয়ার সাইডব্যান্ড। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি অডিও সিগন্যালের সর্বোচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ৩ KHZ হলে মডুলেটেড সিগন্যালের ব্যান্ডউইথ হবে ৩ KHZ গুণ দুই সমান ৬ KHZ। ব্যাখ্যা: সূত্র অনুযায়ী মেসেজ সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সিকে দ্বিগুণ করলেই মোট ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: রেডিও সম্প্রচারের সময় এএম ব্যান্ডের ক্ষেত্রে এই নীতি অনুসরণ করে ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ করা হয়। ব্যাখ্যা: প্রতিটি স্টেশনের জন্য নির্দিষ্ট ব্যান্ডউইথ নির্ধারণ করে সিগন্যাল পাঠানো হয় যাতে ওভারল্যাপিং না হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ HZ — এটি প্রদত্ত ফ্রিকোয়েন্সির মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ব্যান্ডউইথ গণনার নিয়মের বাইরে। B) ৩ KHZ — এটি হলো শুধুমাত্র মডুলেটিং সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সি, যা ব্যান্ডউইথের অর্ধেক। D) ৬০০ HZ — এটি গণনার সঠিক মান থেকে অনেক কম এবং ভুল গাণিতিক প্রক্রিয়ার ফল। ৫. মনে রাখার টিপস: - এএম মডুলেশনের ব্যান্ডউইথ মানেই মেসেজ সিগন্যালের ফ্রিকোয়েন্সিকে দুই দিয়ে গুণ করা। - ক্যারিয়ার ফ্রিকোয়েন্সি যাই থাকুক না কেন, ব্যান্ডউইথ গণনায় মেসেজ সিগন্যালের মান ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এএম এবং এফএম মডুলেশনের ক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথের সূত্রগুলো আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে। - বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের গাণিতিক সমস্যা প্রায়ই আসে।
a Penetration
b Gradation
c Slump test
d Steve analysis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Slump test কেন সঠিক: - স্লাম্প টেস্ট হলো ঢালাইয়ের পূর্বে ভেজা কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজে কাজ করার ক্ষমতা পরিমাপের সবচেয়ে সহজ ও প্রচলিত পদ্ধতি। - এই পরীক্ষায় একটি নির্দিষ্ট মাপের শঙ্কু আকৃতির পাত্রে কংক্রিট ভর্তি করে তা তুলে নেওয়া হয় এবং কংক্রিটটি কতটুকু বসে গেল তা মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Penetration — এটি সাধারণত বিটুমিন বা মাটির দৃঢ়তা পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটির জন্য নয়। B) Gradation — এটি এগ্রিগেট বা খোয়ার আকার ও কণার বিন্যাস পরীক্ষার জন্য করা হয়। C) Slump test — এটি কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজে কাজ করার ক্ষমতা মাপার সঠিক পরীক্ষা। D) Steve analysis — এটি মূলত চালুনির সাহায্যে বিভিন্ন আকারের এগ্রিগেটের কণার সাইজ বা গ্রেডিং নির্ধারণের পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: কংক্রিট সহজে নাড়াচাড়া বা ঢালাই করা যায় কি না তা দেখার জন্য স্লাপ বা বসে যাওয়া মাপা হয়, যাকে Slump test বলে।
a zero
b WL/4
c WL/2
d WL
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) zero কেন সঠিক: - ক্যান্টিলিভার বিমের ফিক্সড সাপোর্ট প্রান্তে সমভাবে বিস্তৃত লোড প্রয়োগ করলে সেখানে কোনো বাঁকানো মোমেন্ট থাকে না যা সরাসরি স্ট্রেন তৈরি করবে। - ফিক্সড সাপোর্টের নিখুঁত শর্ত অনুযায়ী ওই বিন্দুতে বিমের ঢাল এবং রৈখিক সরণ উভয়ই শূন্য থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) zero — এই মানটি সঠিক কারণ ফিক্সড সাপোর্টে বিমটি সম্পূর্ণ আবদ্ধ থাকে এবং সেখানে কোনো বিচ্যুতি বা স্ট্রেন থাকে না। B) WL/4 — এই মানটি ক্যান্টিলিভার বিমের নির্দিষ্ট কোনো লোড কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও সাপোর্টের স্ট্রেন নির্দেশ করে না। C) WL/2 — এই মানটি বিমের সাধারণ লোডিং অবস্থার একটি উপাংশ হতে পারে, তবে সাপোর্টের স্ট্রেনের ক্ষেত্রে এটি মেলে না। D) WL — এই মানটি ক্যান্টিলিভার বিমের মুক্ত প্রান্তে মোট লোডের পরিমাণ বোঝায়, সাপোর্ট পয়েন্টের স্ট্রেন নয়। মনে রাখার টিপস: ক্যান্টিলিভার বিমের দেয়ালের সাথে লাগানো ফিক্সড প্রান্তে কোনো নড়চড় হয় না, তাই সেখানে স্ট্রেন সর্বদা শূন্য হয়।
a Unweathered clay
b weathered clay
c Silted soil
d Black cotton clay
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) weathered clay কেন সঠিক: - আবহবিকারের ফলে আবহাওয়ার সংস্পর্শে এসে মাটি তার ক্ষতিকর উপাদান এবং অতিরিক্ত জৈব পদার্থ হারিয়ে ইটের উপযোগী হয়। - এই মাটিতে প্লাস্টিসিটি বা নমনীয়তা সঠিকমাত্রায় থাকে, যা মানসম্মত প্রথম শ্রেণির ইট তৈরিতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unweathered clay — এটি অপরিপক্ক মাটি হওয়ায় এর উপাদানগুলো ইটের মাটির উপযোগী থাকে না এবং পুড়লে মান খারাপ হয়। B) weathered clay — এটি প্রথম শ্রেণির ইট তৈরির জন্য সর্বোত্তম এবং সঠিক অপশন। C) Silted soil — এই মাটিতে বালুর পরিমাণ বেশি থাকে, যা ইটের দৃঢ়তা নষ্ট করে এবং সহজে ফেটে যায়। D) Black cotton clay — এতে অতিরিক্ত কোয়ালিটির সংকোচন ও প্রসারণ গুণ থাকে, যা পুড়লে ইটকে ভেঙে বা বাঁকিয়ে ফেলে। মনে রাখার টিপস: ইট ভালো হতে চাইলে মাটি হতে হবে আবহাওয়া পক্ব বা weathered clay।
a Cener to center of rail
b Running face of rail
c Outer face of rail
d কোনোটিই নয়
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Center to center of rail কেন সঠিক: - রেলওয়ের ক্ষেত্রে গেজ দূরত্ব বলতে দুটি রেললাইনের ভিতরের অংশের মধ্যবর্তী দূরত্বকে বোঝায়। - এটি সরাসরি একটি রেলের মাথা থেকে অপর রেলের মাথার কেন্দ্র পর্যন্ত মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Center to center of rail — এটি গেজ দূরত্বের সঠিক সংজ্ঞা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) Running face of rail — এটি শুধু রেলের যে অংশে চাকা গড়ায় তা নির্দেশ করে, সম্পূর্ণ ব্যবধান নয়। C) Outer face of rail — এটি দুটি রেলের বাইরের প্রান্ত বোঝায়, যা স্ট্যান্ডার্ড গেজ পরিমাপের নিয়ম নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গেজ মানে কেন্দ্র থেকে কেন্দ্র, রেলের দুই মাথার মাঝখানের দূরত্ব।
a 750 mm × 900 mm
b 600 mm × 750 mm
c 450 mm × 600 mm
d 300 mm × 450 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ মিলিমিটার × ৭৫ মিলিমিটার (প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন B সঠিক এবং পরিমাপটি মূলত সেন্টিমিটার হবে, তবে প্রমিত পাঠ্যবই অনুযায়ী অপশন বি সঠিক) কেন সঠিক: - প্লেন টেবিল সার্ভেয়িংয়ে সাধারণত ছোট বা মাঝারি আকারের টেবিল ব্যবহার করা হয় যার আদর্শ মাপ ষাট সেন্টিমিটার গুণন পঁচাত্তর সেন্টিমিটার। - এটি ফিল্ডে প্লেইন টেবিল বসানোর জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ও বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড সাইজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫ মিলিমিটার × ৯০ মিলিমিটার — এই মাপটি প্লেন টেবিলের জন্য অত্যন্ত ছোট এবং ফিল্ড কাজের অনুপযোগী। B) ৬০ মিলিমিটার × ৭৫ মিলিমিটার — এটি স্ট্যান্ডার্ড প্লেন টেবিলের সঠিক পরিমাপ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। C) ৪৫ মিলিমিটার × ৬০ মিলিমিটার — এই মাপটি ছোট আকারের প্লেইন টেবিলের জন্য প্রযোজ্য, যা স্ট্যান্ডার্ড সাইজ নয়। D) ৩০ মিলিমিটার × ৪৫ মিলিমিটার — এটি প্লেইন টেবিলের প্রমিত মাপ নয়, এটি খসড়া কাজের ছোট বোর্ডের মাপ। মনে রাখার টিপস: প্লেন টেবিলের আদর্শ মাপ মনে রাখতে ষাট ও পঁচাত্তর এই দুটি সংখ্যা মনে রাখুন।
a ১০ বছর
b ২৫ বছর
c ৫০ বছর
d ১০০ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর কেন সঠিক: - পরিবেশ প্রকৌশল ও পুরকৌশলে স্যূয়ারেজ সিস্টেম সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ বছরের ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা ও বর্জ্য উৎপাদনের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়। - এই সময়ের মধ্যে নগরায়নের গতি ও বর্জ্য পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও সিস্টেমটি দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ বছর — এই স্বল্প মেয়াদে পুরো শহরের ড্রেনেজ ও স্যূয়ারেজ অবকাঠামো নতুন করে তৈরি করা অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও অবাস্তব। B) ২৫ বছর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সচ্ছলতার কথা চিন্তা করে এই মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়। সি) ৫০ বছর — সাধারণত পানি সরবরাহ প্রকল্প বা বড় বাঁধের মতো দীর্ঘমেয়াদী স্থাপনার ক্ষেত্রে এই ডিজাইন পিরিয়ড ব্যবহার করা হয়, স্যূয়ারেজের ক্ষেত্রে নয়। D) ১০০ বছর — স্যূয়ারেজ নেটওয়ার্কে পলি জমে এবং জনসংখ্যা দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় এত দীর্ঘ মেয়াদের জন্য এটি ডিজাইন করা হয় না। মনে রাখার টিপস: পানি সরবরাহ লাইন ৫০ বছর আর স্যূয়ারেজ সিস্টেম সাধারণত ২৫ বছরের জন্য ডিজাইন করা হয়।
a Wood
b Steel
c Concrete
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of them কেন সঠিক: - Sheet pile হলো এমন এক ধরণের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং উপাদান যা সাধারণত মাটির ক্ষয় রোধ ও বাঁধ নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত হয়। - প্রজেক্টের প্রয়োজনীয়তা, মাটির ধরন ও খরচের ওপর ভিত্তি করে এটি কাঠ, স্টিল বা কংক্রিট যেকোনো উপাদান দিয়েই তৈরি করা সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wood — কাঠ দিয়ে শিট পাইল তৈরি করা হয়, যা সাধারণত হালকা ও স্বল্পস্থায়ী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি একমাত্র সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) Steel — স্টিল দিয়ে শিট পাইল তৈরি করা হয়, যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং আধুনিক নির্মাণকাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। C) Concrete — কংক্রিট দিয়ে শিট পাইল তৈরি করা হয়, যা ভারী এবং দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) All of them — কাঠ, স্টিল এবং কংক্রিট তিনটির মাধ্যমেই শিট পাইল তৈরি করা যায় বলে এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: শিট পাইল তিন প্রকারের উপাদানে তৈরি হয়, সংক্ষেপে মনে রাখুন কাঠ, স্টিল ও কংক্রিট।
a Center of Span
b Under wheel load
c At the support
d কখনো Wheel load এর নিচে নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Center of Span কেন সঠিক: - সিম্পলি সাপোর্টেড গার্ডারের ক্ষেত্রে মুভিং বা ট্রেন হুইল লোডের প্রভাবে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট সাধারণত স্প্যানের ঠিক কেন্দ্রস্থলে বা তার কাছাকাছি তৈরি হয়। - একাধিক হুইল লোডের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েন্স লাইন ডায়াগ্রাম বা প্রভাব রেখা ব্যবহার করে হিসাব করলে দেখা যায় স্প্যানের মাঝ বরাবর শেয়ার ফোর্স শূন্য হয় এবং বেন্ডিং মোমেন্ট সর্বোচ্চ মানে পৌঁছায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Center of Span — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিন্দুতেই গার্ডারের সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট বা নমন ভ্রামক কাজ করে। B) Under wheel load — হুইল লোডের ঠিক নিচে লোকাল বেন্ডিং মোমেন্ট থাকতে পারে, তবে সর্বোচ্চ সামগ্রিক বেন্ডিং মোমেন্ট সাধারণত স্প্যানের কেন্দ্রে বা তার কাছাকাছি ঘটে। C) At the support — সাপোর্টের নিকটবর্তী স্থানে বেন্ডিং মোমেন্ট শূন্য বা সর্বনিম্ন হয়, কারণ সেখানে কোনো ডিফ্লেকশন বা দূরত্ব থাকে না। D) কখনো Wheel load এর নিচে নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কিছু শর্তে হুইল লোডের কাছাকাছি স্থানেও উল্লেখযোগ্য বেন্ডিং মোমেন্ট হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সিম্পলি সাপোর্টেড গার্ডারে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্টের জন্য সবসময় স্প্যানের কেন্দ্র বা সেন্টার পয়েন্ট মনে রাখতে হবে।
a 1/4 th of its width
b half of its width
c 3/4 th of its width
d Equal of its width
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Equal of its width কেন সঠিক: - সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ফুটিং বা ফাউন্ডেশনের গভীরতা যখন এর প্রস্থের সমান বা তার কম হয়, তখন তাকে শ্যালো ফাউন্ডেশন বলা হয়। - সাধারণভাবে ডি/বি অনুপাত এক বা তার কম হলে তা শ্যালো ফাউন্ডেশন হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1/4 th of its width — এটি শ্যালো ফাউন্ডেশনের প্রচলিত সংজ্ঞা নয়, এটি ভিত্তির গভীরতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো মান নির্দেশ করে না। B) half of its width — এটি শ্যালো ফাউন্ডেশনের সীমার মধ্যে থাকলেও সঠিক পূর্ণ শর্ত পূরণ করে না। C) 3/4 th of its width — এটিও ফাউন্ডেশনের গভীরতা ও প্রস্থের সঠিক এবং পূর্ণ অনুপাত নির্দেশ করে না। D) Equal of its width — এটি সঠিক কারণ শ্যালো ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে গভীরতা এবং প্রস্থ সমান বা গভীরতা প্রস্থ অপেক্ষা কম হতে পারে। মনে রাখার টিপস: শ্যালো ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে গভীরতা প্রস্থের সমান বা কম হয়, পক্ষান্তরে ডিপ ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে গভীরতা প্রস্থের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
a 10 mm down grade
b 16 mm down grade
c 20 mm down grade
d 25 mm down grade
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 20 mm down grade কেন সঠিক: - সাধারণ ভবন নির্মাণে রেইনফোর্সড সিমেন্ট কংক্রিট বা আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য খোয়া বা এগ্রিগেটের আদর্শ মাপ হলো কুড়ি মিলিমিটার। - এই মাপের খোয়া রডের জালের মাঝখানে সহজে প্রবেশ করতে পারে এবং কংক্রিটের ঘনত্ব ও স্থায়িত্ব সঠিক রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 mm down grade — এই মাপের খোয়া খুব ছোট হওয়ায় সাধারণ আরসিসি ঢালাইয়ের চেয়ে প্লাস্টার বা বিশেষ কাজে বেশি উপযোগী। B) 16 mm down grade — এটি ছোট আকারের খোয়া, যা সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম ঘন রডের কাজে ব্যবহার করা হয়। D) 25 mm down grade — এই মাপের খোয়া খুব বড় হওয়ায় ঘন রডের ভেতরে সঠিকভাবে ঢুকতে পারে না এবং ঢালাইয়ের মান নষ্ট করতে পারে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য স্ট্যান্ডার্ড খোয়ার মাপ মনে রাখতে কুড়ি মিলিমিটার বা বিশ মিলিমিটার সাইজটি প্রধান পছন্দ হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
a triaxial test
b Specific Gravity Test
c CBR
d LL test
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CBR কেন সঠিক: - CBR বা ক্যালিফোর্নিয়া বেয়ারিং রেশিও টেস্ট মাটির শক্তি এবং ভারবহন ক্ষমতা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত রাস্তাঘাট ও বিমানবন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে মাটির সাবগ্রেড বা ভিতের শক্তি নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) triaxial test — এটি মূলত মাটির শিয়ারিং স্ট্রেন্থ বা কৃন্তন শক্তি নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত পরীক্ষাগারভিত্তিক পরীক্ষা, মাটির সার্বিক শক্তি পরীক্ষার প্রাথমিক মাপকাঠি নয়। B) Specific Gravity Test — এটি মাটির কণার আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়, যা মাটির শক্তি সরাসরি পরিমাপ করে না। D) LL test — এটি মাটির লিকুইড লিমিট বা তরল সীমা নির্ণয় করার অ্যাটারবার্গ লিমিট পরীক্ষার অংশ, যা মাটির ভারবহন ক্ষমতা নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: রাস্তা বা মাটির শক্তি মানেই সিবিআর বা ক্যালিফোর্নিয়া বেয়ারিং রেশিও পরীক্ষা।
a 10
b 15
c 12
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ কেন সঠিক: - স্থাপত্য ও প্রকৌশল বিদ্যার সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সিঁড়ির একটি ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ১৫টি ধাপ রাখা হয়। - এটি ব্যবহারকারীদের ক্লান্তি দূর করতে এবং নিরাপদে চলাচল নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ — এটি খুব ছোট ফ্লাইট এবং মানসম্মত প্রকৌশল বিধি অনুযায়ী সিঁড়ির ক্ষেত্রে এটি সাধারণত প্রযোজ্য নয়। B) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর এবং সিঁড়ির একটি ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মান। C) ১২ — এটি কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সিঁড়ির ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ধাপের সংখ্যা ১৫ ধরা হয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সিঁড়ির আরামদায়ক ও নিরাপদ চলাচলের জন্য সর্বোচ্চ ধাপের সংখ্যা মনে রাখবেন পনেরোটি।
a ২ ঘণ্টা
b ৬ ঘণ্টা
c ৮ ঘণ্টা
d ১০ ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ঘণ্টা কেন সঠিক: - সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ক্ষেত্রে মিশ্রণের পর জমাট বাঁধার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া বা ফাইনাল সেটিং টাইম সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা নির্ধারিত থাকে। - এই সময়ের মধ্যে সিমেন্ট পেস্ট সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে কাঠামোগত শক্তি অর্জনের প্রাথমিক ধাপে প্রবেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ঘণ্টা — এটি সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইম নয়, কারণ এই সময়ের মধ্যে সিমেন্ট জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া সবেমাত্র শুরু বা শেষের দিকে থাকে। B) ৬ ঘণ্টা — এই সময়টি সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইমের মানদণ্ডের চেয়ে কম এবং এটি ভুল উত্তর। C) ৮ ঘণ্টা — এটি সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইমের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা নয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) ১০ ঘণ্টা — এটি সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইমের জন্য নির্ধারিত মান এবং তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সিমেন্টের ইনিশিয়াল সেটিং টাইম কম পক্ষে ৩০ মিনিট এবং ফাইনাল সেটিং টাইম সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা বা ৬০০ মিনিট হয়।
a Water Cement ratio
b Void ratio
c Porosity
d Degree of saturation
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Porosity কেন সঠিক: - মাটির মোট আয়তনের সাথে রন্ধ্র বা ফাঁকা জায়গার আয়তনের অনুপাতকে পোরোসিটি বলা হয়। - এটি সাধারণত শতকরা প্রকাশ করা হয় এবং মাটির ধারণক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Water Cement ratio — এটি মূলত কংক্রিটে ব্যবহৃত পানি ও সিমেন্টের ওজনের অনুপাত, যা মাটির ভলিউমের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Void ratio — এটি রন্ধ্রের আয়তন এবং কঠিন অংশের আয়তনের অনুপাত, যা মোট আয়তনের সাথে অনুপাত নয়। C) Porosity — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং মাটির মোট আয়তন ও রন্ধ্র ফাঁকার অনুপাত নির্দেশ করে। D) Degree of saturation — এটি মাটিতে থাকা পানির আয়তন এবং মোট রন্ধ্রের আয়তনের অনুপাত বোঝায়। মনে রাখার টিপস: পোরোসিটি মানেই মোট আয়তনের মধ্যে ফাঁকা জায়গার শতকরা হার।
a Metro- Rail
b Taxi cab
c Motor cycle
d Bus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Metro- Rail কেন সঠিক: - মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা এমআরটি হলো উচ্চ ক্ষমতার গণপরিবহন ব্যবস্থা যা মূলত শহরে যানজট কমাতে এবং দ্রুত যাতায়াতের জন্য নির্মিত মেট্রো রেল ব্যবস্থা। - এটি শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে স্বাধীন ও আলাদা লাইনে চলাচল করে, যা একে সাধারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Metro- Rail — এটি একটি উচ্চ ক্ষমতার মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা এমআরটি ব্যবস্থা যা সঠিক উত্তর। B) Taxi cab — এটি ব্যক্তিগত বা অনিয়মিত গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা মাস র‍্যাপিড ট্রানজিটের আওতাভুক্ত নয়। C) Motor cycle — এটি একটি ব্যক্তিগত বাহন এবং মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা গণপরিবহন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) Bus — বাস গণপরিবহন হলেও এটি সাধারণত সাধারণ রাস্তায় চলাচল করে এবং ট্রাফিক জটের কারণে মাস র‍্যাপিড ট্রানজিটের বিশেষ মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখুন, মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট মানেই বিশাল জনগোষ্ঠীর দ্রুত চলাচলের জন্য নির্ধারিত মেট্রো রেল ব্যবস্থা।
a Straight line
b Horizontal line
c Inclined line
d None of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None of these (সঠিক উত্তর হবে Parabola বা পরাবৃত্ত) কেন সঠিক: - Simply Supported Beam এর উপর Uniformly Distributed Load বা সমভাবে বিস্তৃত লোড থাকলে বেন্ডিং মোমেন্ট কার্ভটি একটি পরাবৃত্ত বা Parabola আকৃতির হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে Parabola বা পরাবৃত্ত না থাকায় সঠিক উত্তরটি হবে None of these। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Straight line — এটি Point Load বা কেন্দ্রীভূত লোডের ক্ষেত্রে Shear Force Diagram-এ দেখা যায়, Bending Moment Diagram-এ নয়। B) Horizontal line — এটি কোনো লোড না থাকলে বা Uniformly Distributed Load এর Shear Force Diagram-এ দেখা যায়। C) Inclined line — এটি Uniformly Distributed Load এর Shear Force Diagram-এ এবং Point Load এর Bending Moment Diagram-এ দেখা যায়। D) None of these — সঠিক উত্তর Parabola হওয়ায় এই অপশনটিই এখানে সঠিক। মনে রাখার টিপস: লোড সমভাবে বিস্তৃত (UDL) হলে বেন্ডিং মোমেন্ট সব সময় বক্ররেখা বা Parabola হয়।
a EDM
b Total Station
c Digital Level
d Plain Table
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Plain Table কেন সঠিক: - প্লেন টেবিল সার্ভে একটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং সনাতন পদ্ধতি, যেখানে অঙ্কন ও পরিমাপ একই সাথে মাঠে সম্পন্ন করা হয়। - আধুনিক সার্ভে যন্ত্রের মতো এতে কোনো ডিজিটাল ডিসপ্লে, ইলেকট্রনিক সেন্সর বা দূরত্ব পরিমাপক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EDM — এটি একটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিস্টেন্স মেজারমেন্ট যন্ত্র যা আলোর সাহায্যে অতি সূক্ষ্মভাবে দূরত্ব মাপে। B) Total Station — এটি আধুনিক সার্ভেতে বহুল ব্যবহৃত একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা কোণ ও দূরত্ব একত্রে পরিমাপ করতে পারে। C) Digital Level — এটি উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক লেভেলের যন্ত্র। D) Plain Table — এটি কোনো আধুনিক যন্ত্র নয়, বরং হাতে-কলমে মানচিত্র অঙ্কনের একটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: যেসব যন্ত্রে বিদ্যুৎ বা ডিজিটাল স্ক্রিন থাকে সেগুলো আধুনিক, আর প্লেন টেবিল হলো সম্পূর্ণ ম্যানুয়াল বা কাগজ-কলমের পদ্ধতি।
a Direct method
b Square method
c Cross method
d Tachometric Method
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tachometric Method কেন সঠিক: - পাহাড়ি বা অসমতল ভূমিতে চেইন বা ফিতা দিয়ে সরাসরি পরিমাপ করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় ট্যাকোমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। - এই পদ্ধতিতে থিওডলাইটের সাহায্যে দূরবর্তী স্থান থেকে দূরত্ব ও উচ্চতা খুব সহজেই নির্ণয় করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Direct method — এটি সমতল ভূমিতে কন্ট্যুর লাইন চিহ্নিত করার সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি হলেও পাহাড়ি এলাকার জন্য উপযুক্ত নয়। B) Square method — এই পদ্ধতি সাধারণত ছোট এলাকা এবং সমতল ভূমিতে গ্রিড তৈরি করে কন্ট্যুর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Cross method — এটিও সমতল ও সীমিত এলাকার উচ্চতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ পদ্ধতি। D) Tachometric Method — পাহাড়ি ও অসমতল এলাকার জটিল ভূপ্রকৃতিতে দ্রুত কন্ট্যুর মানচিত্র তৈরির জন্য এটিই সঠিক পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই উঁচু-নিচু দূরত্বের খেলা, তাই দূরে থেকে মাপার জন্য ট্যাকোমিটার বা Tachometric Method ব্যবহার করা হয়।
a Rail
b Ballast
c Sleeper
d Signal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Signal কেন সঠিক: - রেলওয়ে ট্র্যাক বা পার্মানেন্ট ওয়ে হলো এমন পরিকাঠামো যার ওপর ট্রেন চলাচল করে এবং এতে মূলত রেল, স্লিবার ও ব্যালাস্ট থাকে। - সিগন্যাল হলো ট্রেন চলাচলের নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত একটি সংকেত ব্যবস্থা যা ট্র্যাকের কাঠামোগত উপাদানের অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rail — এটি ট্র্যাকের ওপরের অংশ যা চাকা বহন করে এবং পার্মানেন্ট ওয়ে-এর অন্যতম প্রধান উপাদান। B) Ballast — এটি পাথরের স্তর যা স্লিবারকে ধরে রাখে এবং লোড সমানভাবে ছড়ায়, তাই এটি পার্মানেন্ট ওয়ে-এর অংশ। C) Sleeper — এটি রেলকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ধরে রাখে এবং লোড মাটির দিকে পাঠায়, যা পার্মানেন্ট ওয়ের কাঠামোগত উপাদান। D) Signal — এটি ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণের নিরাপত্তা সরঞ্জাম, যা ট্র্যাক বা পার্মানেন্ট ওয়ের শারীরিক কাঠামোর অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: ট্র্যাকের শরীর গড়তে লাগে রেল, স্লিবার ও পাথর বা ব্যালাস্ট, আর সিগন্যাল হলো কেবল নিয়ন্ত্রক সংকেত।
a Thinner
b Vechicle
c Pigment
d সবগুলো
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - একটি ভালো অয়েল পেইন্ট তৈরি করতে পিগমেন্ট, ভেহিকল এবং থিনারের সুনির্দিষ্ট সমন্বয় আবশ্যক হয়। - এই উপাদানগুলোর প্রতিটি অয়েল পেইন্টকে রঙ, স্থায়িত্ব এবং সঠিক ঘনত্ব প্রদানে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thinner — এটি পেইন্টের ঘনত্ব কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু একা পেইন্ট তৈরির জন্য এটি যথেষ্ট নয়। B) Vechicle — এটি বাইন্ডার হিসেবে কাজ করে রঙকে তলে আটকে রাখে, তবে একা সম্পূর্ণ পেইন্ট হতে পারে না। C) Pigment — এটি পেইন্টে শুধু রঙ যোগ করে, কিন্তু একে ছড়িয়ে দেওয়া বা শুকানোর জন্য অন্য উপাদানের প্রয়োজন হয়। D) সবগুলো — এই তিনটি উপাদান মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত অয়েল পেইন্ট তৈরি হয়। মনে রাখার টিপস: অয়েল পেইন্টের মূল উপাদান মনে রাখতে সংক্ষেপে পিগমেন্ট, ভেহিকল ও থিনার এই তিনটি বিষয় একসাথে মনে রাখবেন।
a 40 mm
b 25 mm
c 50 mm
d 15 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 25 mm কেন সঠিক: - রেলওয়ের পয়েন্ট এবং ক্রসিং অংশে সাধারণ ট্র্যাকের চেয়ে বেশি নিখুঁত কাজ ও ছোট সাইজের পাথর বা ব্যালাস্ট প্রয়োজন হয়। - এই বিশেষ অংশগুলোতে কম্পন এবং লোড সঠিকভাবে বিতরণের জন্য ২৫ মিলিমিটার সাইজের ব্যালাস্ট ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40 mm — এটি সাধারণ মেইন লাইনে ব্যবহৃত ব্যালাস্টের স্ট্যান্ডার্ড সাইজ, পয়েন্ট ও ক্রসিংয়ের জন্য এটি অনেক বড়। B) 25 mm — এটি সঠিক উত্তর এবং পয়েন্ট ও ক্রসিংয়ে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত আদর্শ সাইজ। C) 50 mm — এই সাইজের পাথর অনেক বড় এবং এগুলো রেলওয়ের সাধারণ কাজে ব্যবহৃত হয় না। D) 15 mm — এটি খুব ছোট সাইজের পাথর, যা এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় স্থায়িত্ব দিতে পারে না। মনে রাখার টিপস: সাধারণ লাইন মানে ৪০ মিলিমিটার বড় পাথর, আর পয়েন্ট ও ক্রসিং মানে ২৫ মিলিমিটার ছোট পাথর।
a Marble
b Lime stone
c Compact sand stone
d Granite
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Compact sand stone কেন সঠিক: - সুসংহত বেলেপাথরে কোয়ার্টজ কণার পরিমাণ বেশি থাকে এবং এর খনিজ গঠন আগুন সহ্য করার ক্ষমতা দেয়। - এটি উচ্চ তাপমাত্রায় সহজে ফেটে যায় না এবং অন্যান্য পাথরের মতো দ্রুত ক্ষয় হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Marble — চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ হওয়ায় অতিরিক্ত তাপে এটি সহজেই ভেঙে যায় এবং এর স্থায়িত্ব নষ্ট হয়। B) Lime stone — এটি মূলত ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে গঠিত, যা আগুনে পড়লে দ্রুত নষ্ট হয়ে চুন ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয়। D) Granite — এটি আগ্নেয় শিলা হলেও তীব্র তাপে এর ভেতরের কোয়ার্টজ ও ফেল্ডস্পার খনিজগুলোর অসম প্রসারণের কারণে এটি ফেটে যায়। মনে রাখার টিপস: আগুন থেকে বাঁচতে বালু বা বালিযুক্ত পাথর তথা স্যান্ডস্টোন সবচেয়ে উপযোগী।
a Super structure
b Foundation
c Frame for structure
d Plinth
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Foundation কেন সঠিক: - ফাউন্ডেশন বা ভিত্তি হলো যেকোনো কাঠামোর একেবারে নিচের অংশ যা মাটির ওপর সরাসরি অবস্থান করে। - এটি পুরো কাঠামোর নিজস্ব ওজন এবং এর ওপর আসা সকল লোড বা ভার নিরাপদে মাটির ভেতরে বা নিচে সমানভাবে স্থানান্তরিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Super structure — এটি কাঠামোর মাটির ওপরের অংশকে বোঝায় যা ওজন বহন করে না বরং ভিত্তির ওপর নিজে চাপ প্রয়োগ করে। B) Foundation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) Frame for structure — এটি শুধু কাঠামোর কঙ্কাল বা কাঠামো তৈরি করে কিন্তু ওজনকে মাটিতে স্থানান্তর করার মূল কাজটি করে না। D) Plinth — এটি ফ্লোর লেভেল এবং মাটির মধ্যকার অংশ যা কাঠামোর নিচের দেয়ালকে সুরক্ষা দেয় কিন্তু মূল ওজন স্থানান্তর করে না। মনে রাখার টিপস: গাছের যেমন শেকড় মাটির নিচে থেকে গাছকে ধরে রাখে, তেমনি বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশন বা ভিত্তি পুরো বিল্ডিংয়ের ওজন মাটিতে বহন করে নিয়ে যায়।
a Linear strain
b Lateral Strain
c Volumetric strain
d Shear Strain
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Linear strain কেন সঠিক: - বল বা শক্তি প্রয়োগের দিক বরাবর বস্তুর দৈর্ঘ্যর পরিবর্তন এবং আদি দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে লিনিয়ার স্ট্রেইন বা অনুদৈর্ঘ্য বিকৃতি বলা হয়। - এটি মূলত বলের প্রয়োগ অক্ষ বরাবর বস্তুর একমাত্রিক পরিবর্তন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Linear strain - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বল প্রয়োগের দিক বরাবর মাত্রাগত পরিবর্তন নির্দেশ করে। B) Lateral Strain - এটি বল প্রয়োগের দিকের সাথে লম্ব বরাবর বা পার্শ্বীয় দিকের পরিবর্তন নির্দেশ করে, তাই এটি সঠিক নয়। C) Volumetric strain - এটি বস্তুর দৈর্ঘ্যর পরিবর্তনের পরিবর্তে সামগ্রিক আয়তনের পরিবর্তন নির্দেশ করে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Shear Strain - এটি বস্তুর দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন না ঘটিয়ে আকার বা আকৃতির পরিবর্তন ঘটায়, তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: লিনিয়ার শব্দের অর্থ সরলরৈখিক বা দৈর্ঘ্য বরাবর, তাই দৈর্ঘ্য বরাবর পরিবর্তন মানেই লিনিয়ার স্ট্রেইন।
a Surface- Base- Sub base
b Base- Surface- Subgrade
c Surface- Subgrade- base
d Base- Subase- Surface layer
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Civil Engineering) সঠিক উত্তর: A) Surface- Base- Sub base কেন সঠিক: - Flexible Pavement বা নমনীয় পেভমেন্ট সাধারণত উপর থেকে নিচের দিকে সারফেস কোর্স, বেস কোর্স এবং সাব বেস লেয়ার এই ক্রমানুসারে গঠিত হয়। - ট্রাফিকের চাপ সরাসরি ওপরের সারফেস লেয়ার থেকে ক্রমান্বয়ে নিচের স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Surface- Base- Sub base — এই ক্রমানুসারে স্তরগুলো সাজানো থাকে বলে এটি সঠিক উত্তর। B) Base- Surface- Subgrade — সারফেস লেয়ার কখনো বেস কোর্সের নিচে থাকে না, তাই এটি ভুল। C) Surface- Subgrade- base — সাবগ্রেড এবং বেস কোর্সের সঠিক ক্রম এখানে উল্টোভাবে দেওয়া আছে, তাই এটি ভুল। D) Base- Subase- Surface layer — স্তরগুলোর সঠিক সিকোয়েন্স বা নিচ থেকে ওপরের বা ওপর থেকে নিচের ক্রম এখানে ভুলভাবে সাজানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Flexible Pavement- এর স্তর মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ওপর থেকে নিচে যাওয়া, অর্থাৎ প্রথমে সারফেস, তারপর বেস এবং সবার শেষে সাব বেস।
a 1 : 2
b 1 : 4
c 1 : 6
d 1 : 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1 : 4 কেন সঠিক: - ৫ ইঞ্চি পুরু ইটের গেঁথুনি বা ব্রিক ওয়ার্কের ক্ষেত্রে সাধারণত এক অংশ সিমেন্ট এবং চার অংশ বালির অনুপাত ব্যবহার করা হয়। - এই অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করলে গাথুনির স্থায়িত্ব, শক্তি এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সঠিক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 : 2 — এই মিশ্রণে সিমেন্টের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, যা সাধারণ ৫ ইঞ্চি ইটের গাঁথুনির জন্য অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যয়বহুল। B) 1 : 4 — এটি ৫ ইঞ্চি পুরু ব্রিক ওয়ার্কের জন্য নির্ধারিত ও পরীক্ষিত আদর্শ সিমেন্ট-বালির অনুপাত। C) 1 : 6 — এই অনুপাতটি সাধারণত ১০ ইঞ্চি বা তার বেশি পুরু ইটের দেওয়াল বা প্লাস্টারের কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। D) 1 : 8 — বালির পরিমাণ বেশি থাকায় এই মিশ্রণটি যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, তাই ৫ ইঞ্চি গাঁথুনির জন্য এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ ইঞ্চি ইটের কাজে চার অংশ বালি লাগে, অর্থাৎ ৫ মনে রাখবে ৪ অংশ বালি এবং ১ অংশ সিমেন্ট অর্থাৎ ১ অনুপাত ৪।
a One Dimension
b Two Dimension
c Three Dimension
d Any of them
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / প্রকৌশল পরিমাপ সঠিক উত্তর: B) Two Dimension কেন সঠিক: - প্লেন স্কেল (Plain scale) সাধারণত দুটি রাশির একক বা একটি একক এবং তার উপএকক নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এই স্কেলের সাহায্যে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ অর্থাৎ দুটি মাত্রা (Two Dimension) সরাসরি পরিমাপ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One Dimension — এক মাত্রিক পরিমাপের জন্য সাধারণ সরল রুলার বা স্কেল ব্যবহৃত হয়, প্লেন স্কেল নয়। B) Two Dimension — এটি সঠিক কারণ এই স্কেল দুটি মাত্রা বা পরিমাপ নির্দেশ করতে সক্ষম। C) Three Dimension — তিনটি মাত্রা পরিমাপের জন্য ডায়াগোনাল স্কেল (Diagonal scale) বা ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। D) Any of them — সব মাত্রা এক স্কেলে পরিমাপ করা যায় না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: প্লেন স্কেলে পি অক্ষরটি আছে, যা দিয়ে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ অর্থাৎ দুটি মাত্রা বা Two Dimension মনে রাখা সহজ।
a 70 kg/cm²
b 105 kg/cm²
c 125 kg/cm²
d 140 kg/cm²
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০৫ kg/cm² কেন সঠিক: - ১ম শ্রেণির ইটের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংকোচন শক্তি বা ক্রাশিং স্ট্রেন্থ ১০৫ kg/cm² বা ১৫০০ psi নির্ধারণ করা হয়েছে। - এই মানের কম শক্তি সম্পন্ন ইট ভালো মানের নির্মাণকাজের জন্য অনুপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 70 kg/cm² — এটি সাধারণত ৩য় শ্রেণির ইটের সর্বনিম্ন ক্রাশিং স্ট্রেন্থ নির্দেশ করে। B) 105 kg/cm² — এটি ১ম শ্রেণির ইটের জন্য সঠিক এবং নির্ধারিত সর্বনিম্ন মান। C) 125 kg/cm² — এই মানের শক্তি সাধারণত ভালোমানের বা বিশেষ শ্রেণির ইটে পাওয়া যায়, যা ১ম শ্রেণির সর্বনিম্ন মান নয়। D) 140 kg/cm² — এটি ১ম শ্রেণির চেয়েও উচ্চতর বা সুপিরিয়র শ্রেণির ইটের ক্রাশিং স্ট্রেন্থ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইটের শ্রেণিভেদে শক্তি মনে রাখুন এভাবে: ৩য় শ্রেণি ৭০, ২য় শ্রেণি ৭৫ এবং ১ম শ্রেণি ১০৫ kg/cm²।
a 12m ও 12m
b 12m ও 13m
c 13m ও 12m
d 13m ও 13m
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 13m ও 12m কেন সঠিক: - ব্রড গেজ বা Broad gauge লাইনে সাধারণত তের মিটার বা ১৩ মিটার দৈর্ঘ্যের রেল স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করা হয়। - মিটার গেজ বা Meter gauge লাইনে সাধারণত বারো মিটার বা ১২ মিটার দৈর্ঘ্যের রেল স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 12m ও 12m — উভয় ক্ষেত্রে বারো মিটার ব্যবহারের নিয়ম নেই কারণ ব্রড গেজে দীর্ঘ রেল ব্যবহৃত হয়। B) 12m ও 13m — এটি ব্রড ও মিটার গেজের সঠিক পরিমাপের বিপরীত মান নির্দেশ করে। C) 13m ও 12m — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্রড গেজ ও মিটার গেজের নির্দিষ্ট রেল স্ট্যান্ডার্ডের সাথে মিলে যায়। D) 13m ও 13m — উভয় ক্ষেত্রে তের মিটার সঠিক নয় কারণ মিটার গেজের দৈর্ঘ্য ভিন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: ব্রড বা বড় গেজে বড় অর্থাৎ ১৩ মিটার এবং মিটার বা ছোট গেজে ১২ মিটার রেল ব্যবহৃত হয়।
a For Hill Road
b Masonry Road
c Wing Wall
d For all of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) For all of them কেন সঠিক: - রিটেইনিং ওয়াল বা প্রতিরোধ দেওয়াল হলো এমন একটি অবকাঠামো যা মাটি বা অন্য কোনো কঠিন পদার্থকে তার স্বাভাবিক ঢালের বিপরীতে ধরে রাখতে ব্যবহৃত হয়। - পাহাড়ি রাস্তা, ম্যাসনরি রাস্তা এবং ব্রিজের উইং ওয়ালের ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী মাটি ধসে পড়া রোধ করতে রিটেইনিং ওয়ালের বহুমুখী প্রয়োগ অত্যন্ত অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For Hill Road — এটি পাহাড়ি রাস্তায় মাটি ধস রোধে ব্যবহৃত হলেও কেবল এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাই এটি একমাত্র উত্তর হতে পারে না। B) Masonry Road — এটি ম্যাসনরি বা ইটের তৈরি রাস্তার ক্ষেত্রেও কার্যকর কিন্তু অন্যান্য অপশনগুলোর কার্যকারিতাও এর অন্তর্ভুক্ত। C) Wing Wall — এটি ব্রিজের অ্যাবাটমেন্টের পাশে মাটি ধরে রাখতে ব্যবহৃত এক ধরণের রিটেইনিং ওয়াল, যা অন্য অপশনগুলোর পাশাপাশি সত্য। D) For all of them — পাহাড়ি রাস্তা, ম্যাসনরি রাস্তা এবং উইং ওয়াল সবক্ষেত্রেই রিটেইনিং ওয়ালের প্রয়োজন হয় বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যেখানেই মাটি বা স্লিপারি পদার্থ ধরে রাখার প্রশ্ন আসবে, সেখানেই রিটেইনিং ওয়াল বা প্রতিরোধ দেওয়াল প্রয়োজন হবে।
a ACV
b LAA
c AIV
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of them কেন সঠিক: - Coarse aggregate বা স্থূল দানাযুক্ত উপাদানের শক্তি ও স্থায়িত্ব পরীক্ষার জন্য ACV, LAA এবং AIV তিনটি পরীক্ষাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই পরীক্ষার মাধ্যমে কণার ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা, আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা এবং ক্রাশিং মান যাচাই করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ACV — এটি Aggregate Crushing Value পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত রূপ, যা শুধু ক্রাশিং শক্তি নির্দেশ করে কিন্তু অন্য পরীক্ষাগুলোকেও বাদ দেওয়া যায় না। B) LAA — এটি Los Angeles Abrasion পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত রূপ, যা শুধু ক্ষয় সাধন ও ঘর্ষণ মান মাপে। C) AIV — এটি Aggregate Impact Value পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত রূপ, যা শুধু আকস্মিক আঘাত বা ধাক্কা সহ্য করার ক্ষমতা যাচাই করে। D) All of them — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনটি পরীক্ষাই Coarse aggregate এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Coarse aggregate এর তিনটি প্রধান পরীক্ষাকে মনে রাখতে ALA সূত্রটি ব্যবহার করতে পারেন যেখানে A হলো ACV, L হলো LAA এবং A হলো AIV।
a ৩০ মিনিট
b ১ ঘণ্টা
c ৪ ঘণ্টা
d ৮ ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ মিনিট কেন সঠিক: - সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের মতো র‍্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্টেরও প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময় কমপক্ষে ৩০ মিনিট নির্ধারিত থাকে। - এই সিমেন্ট দ্রুত শক্তি অর্জন করে, তবে এর প্রাথমিক কাজ শুরু করার নির্ধারিত সময় অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ মিনিট — এটি র‍্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সঠিক সময়। B) ১ ঘণ্টা — এটি কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময় নয়। C) ৪ ঘণ্টা — এটি সাধারণ সিমেন্টের চূড়ান্ত জমাট বাঁধার সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি। D) ৮ ঘণ্টা — এটি বেশিরভাগ সিমেন্টের চূড়ান্ত জমাট বাঁধার সময়কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো ধরনের মানের সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময় সাধারণত ৩০ মিনিট নির্ধারিত থাকে।
a Refraction
b Reflection
c Double Refraction
d Double Reflection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Double Reflection কেন সঠিক: - অপটিক্যাল স্কোয়ারে দুটি সমতল আয়না একে অপরের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। - আলোর রশ্মি এই দুটি আয়না থেকে পরপর দুবার প্রতিফলিত হয়ে নির্দিষ্ট ৯০° কোণ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Refraction — এটি আলোর প্রতিসরণ সম্পর্কিত, যা লেন্সের ক্ষেত্রে ঘটে কিন্তু অপটিক্যাল স্কোয়ারে প্রতিসরণ মূল নীতি নয়। B) Reflection — একক প্রতিফলন বোঝালেও অপটিক্যাল স্কোয়ারে নিখুঁত ৯০° কোণ তৈরির জন্য দুটি আয়নার প্রতিফলন প্রয়োজন হয়। C) Double Refraction — এটি মূলত ক্যালসাইট ক্রিস্টালে আলোর দুটি প্রতিসৃত রশ্মিতে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) Double Reflection — এটি সঠিক কারণ অপটিক্যাল স্কোয়ারে দুটি আয়নায় পরপর দুইবার আলো প্রতিফলিত হয়ে কাজ সম্পন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: অপটিক্যাল স্কোয়ারে আয়না থাকে দুটি, তাই এর কাজও সম্পন্ন হয় দ্বিগুণ বা ডাবল প্রতিফলনের মাধ্যমে।
a 0.1
b 0.2
c 0.15
d 0.3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 0.2 কেন সঠিক: - মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মৃত্তিকা mechanics-এর তথ্য অনুযায়ী, সূক্ষ্ম দানাদার মৃত্তিকার প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য পানি শোষণের মাত্রা নির্ধারিত থাকে। - নির্দিষ্ট মাটির সিক্তকরণ বা পরিস্রাবণ ক্ষমতার মান যাচাই করে এই আদর্শ মানটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.1 — এই মানটি প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় কম এবং নির্ধারিত আদর্শ সীমার বাইরে। B) 0.2 — এটি প্রথম শ্রেণির সর্বোচ্চ পানি শোষণের সঠিক ও প্রমিত মান। C) 0.15 — এই মানটি সঠিক মানের চেয়ে কম হওয়ায় তা প্রথম শ্রেণির আওতাভুক্ত নয়। D) 0.3 — এই মানটি সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি, তাই এটি প্রথম শ্রেণির মানের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে পানি শোষণের মান মনে রাখতে সংখ্যাটি দুই দশক অর্থাৎ শূন্য দশমিক দুই মনে রাখুন।
a Base coarse এর উপরে
b Subgrade এর উপরে
c Rail Track এ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Base coarse এর উপরে কেন সঠিক: - পেভমেন্ট নির্মাণে গ্র্যানুলার বেস কোর্সের ওপর বিটুমিনাস সারফেসিং বা পিচ ঢালার আগে প্রাইম কোট প্রয়োগ করা হয়। - এটি বেস কোর্সের উপরিভাগের ফাঁকা স্থানগুলো বন্ধ করে এবং ওপরের বিটুমিনাস স্তরের সঙ্গে শক্ত বন্ধন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Base coarse এর উপরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ প্রাইম কোট সাধারণত গ্র্যানুলার বেস কোর্সের ঠিক ওপরে প্রয়োগ করা হয়। B) Subgrade এর উপরে — সাবগ্রেডের ওপরে প্রাইম কোট ব্যবহার করা হয় না, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাইম কোটের পরিবর্তে প্রাইম কোটের আগের স্তর যেমন সাববেস বা ট্যাক কোট ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। C) Rail Track এর — রেল ট্র্যাকের সঙ্গে প্রাইম কোটের কোনো সম্পর্ক নেই কারণ এটি সড়ক নির্মাণ প্রকৌশলের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সড়ক নির্মাণে বেস কোর্সের ওপরে পিচ বসানোর আগে প্রাইম কোট ব্যবহার করা হয়।
a 1/110
b 1/100
c 1/1000
d 1/10000
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1/1000 কেন সঠিক: - স্কেলের অনুপাত বের করতে হলে নকশা এবং বাস্তবের মাপ একই এককে নিতে হবে। - ১ সেন্টিমিটার নকশা সমান বাস্তব মাপ ১ মিটার বা ১০০ সেন্টিমিটার বা ১০০০ মিলিমিটার। - নকশার মাপ ১ মিলিমিটারকে বাস্তবের ১০০০ মিলিমিটার দিয়ে ভাগ করলে অনুপাত আসে ১ ভাগ ১০০০। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1/110 — এই মানটি সঠিক একক রূপান্তরের নিয়মের সাথে মেলে না। B) 1/100 — এটি ১ সেন্টিমিটার সমান ১ মিটার ধরলে আসত, কিন্তু এখানে বাস্তব মাপ ১০০০ মিলিমিটার। C) 1/1000 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার সমান ১০০০ মিলিমিটার। D) 1/10000 — এই মানটি ভুল অনুপাত নির্দেশ করে এবং সঠিক এককের হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: ম্যাপ বা স্কেলের অঙ্ক করার সময় প্রথমে উভয় একককে মিলিমিটার বা সেন্টিমিটারে রূপান্তর করে তারপর ভগ্নাংশ তৈরি করতে হয়।
a বর্গাকৃতি
b ত্রিভুজাকৃতি
c বৃত্তাকার
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃত্তাকার কেন সঠিক: - ট্রাফিক নিয়ম অনুযায়ী বাধ্যতামূলক বা নির্দেশমূলক সাইনগুলো সাধারণত বৃত্তাকার আকৃতির হয়ে থাকে। - এই সাইনগুলো চালকদের অবশ্যই পালনীয় নিয়ম বা নিষেধাজ্ঞা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্গাকৃতি — বর্গাকৃতি সাইন সাধারণত তথ্যমূলক বা দিকনির্দেশক সাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। B) ত্রিভুজাকৃতি — ত্রিভুজাকৃতি সাইন সাধারণত সতর্কতামূলক বা বিপদসংকেত বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) বৃত্তাকার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাধ্যতামূলক নির্দেশ মানা সবার জন্যই বাধ্যতামূলক গোল বা বৃত্তের মতো সম্পূর্ণ একটা নিয়ম।
a m³/ sec
b m/sec
c m³
d m²
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) m³/ sec কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে M.K.S এককের একটি বিশেষ রাশির একক চাওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রদত্ত উত্তর এবং অপশনগুলো মূলত প্রবাহের হার বা ফ্লো রেট নির্দেশ করছে। - প্রতি একক সময়ে আয়তনের পরিবর্তন বা প্রবাহের হার পরিমাপের একক ঘনমিটার প্রতি সেকেন্ড হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) m³/ sec — এটি প্রবাহের হার বা আয়তনের পরিবর্তনের হার পরিমাপের সঠিক একক। B) m/sec — এটি শুধু রৈখিক বেগ বা দ্রুতির একক, যা আয়তন নির্দেশ করে না। C) m³ — এটি শুধুমাত্র তিন মাত্রিক আয়তনের একক, সময়ের কোনো হিসাব এখানে নেই। D) m² — এটি শুধুমাত্র ক্ষেত্রফলের একক, যা প্রবাহ বা আয়তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: আয়তনের একক ঘনমিটার বা m³ কে সময় বা সেকেন্ড দ্বারা ভাগ করলে প্রবাহের হার m³/ sec পাওয়া যায়।

মোট প্রশ্ন (21)

a আবুল ফজল
b জাহানারা ইমাম
c হুমায়ূন আহমেদ
d সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এই উপন্যাসটির রচয়িতা এবং তিনি নিজেই এটি চলচ্চিত্ররূপে পরিচালনা করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: হুমায়ূন আহমেদ বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসের মধ্যে 'আগুনের পরশমণি', 'জোছনা ও জননীর গল্প', এবং 'শ্যামল ছায়া' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ও জননীর গল্প ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিশাল ক্যানভাসের ঐতিহাসিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: মাত্রা ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক যা ব্যাপক সমাদৃত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী ও সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসের রচয়িতা নন। B) জাহানারা ইমাম — তিনি বিখ্যাত 'একাত্তরের দিনগুলি' স্মৃতিকথার লেখক, কোনো উপন্যাসিক নন। C) হুমায়ূন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি প্রখ্যাত সাহিত্যিক হলেও এই উপন্যাসটি তার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোর রত্নার চোখে দেখা একটি পরিবারের দিনলিপি নিয়ে রচিত 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের লেখক হুমায়ূন আহমেদ। লেখক নামের সঙ্গে উপন্যাসের মূল চরিত্র ও প্রেক্ষাপট মিলিয়ে পড়া সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই 'আগুনের পরশমণি', 'শ্যামল ছায়া' এবং 'জোছনা ও জননীর গল্প' উপন্যাস তিনটির নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a গুণহীন
b কুশীলব
c নী পবূক্ষ
d ছায়াতরু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুশীলব ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে এবং সমাস করার সময় মাঝের সংযোজক অব্যয় লোপ পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। - কুশীলব শব্দটি কুশ ও লব শব্দের সমন্বয়ে গঠিত এবং এখানে কুশ ও লব উভয় ভাইয়ের সমান অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি বিশেষ্য বা দুটি বিশেষণ পদের মিলন ঘটে এবং ব্যাসবাক্যে এবং, ও, আর ইত্যাদি সংযোজক অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - কুশীলব শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কুশ ও লব, যা মিলন অর্থে দ্বন্দ্ব সমাস সাধিত হয়েছে এবং এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাতা ও পিতা = মাতাপিত। ব্যাখ্যা: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ যেখানে মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। উদাহরণ ২: জমা ও খরচ = জমাখরচ। ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক দুটি বিশেষ্য পদ মিলে দ্বন্দ্ব সমাস গঠন করেছে এবং উভয় পদের অর্থ সমানভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুণহীন — এটি তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য গুণ দ্বারা হীন এবং এখানে পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে। B) কুশীলব — এটি সঠিক উত্তর যা দ্বন্দ্ব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। C) নী পবূক্ষ — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ব্যাকরণিক শব্দ বা প্রমিত সমাসবদ্ধ পদ নয়। D) ছায়াতরু — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য ছায়া প্রদানকারী তরু। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয় পদের অর্থ প্রধান এবং মাঝখানে ও বা এবং থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বন্দ্ব সমাস দাগাবে। - ভাইবোন, মাতািপতা, কুশীলব এ ধরনের দ্বৈত নাম বা সম্পর্কের শব্দগুলো সাধারণত দ্বন্দ্ব সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কুশীলব শব্দের ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ অনেক বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ বুঝতে হবে এবং ব্যাসবাক্য চিন্তা করতে হবে।
a কানামামা
b পঞ্চসঙ্গী
c সারকাস
d হাতেখড়ি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পঞ্চসঙ্গী ১. কেন সঠিক: - শওকত ওসমান রচিত 'পঞ্চসঙ্গী' কিশোরদের জন্য লেখা একটি বিখ্যাত গ্রন্থ। - কিশোর উপযোগী গল্প বা উপন্যাসের ক্ষেত্রে লেখকের মুন্সিয়ানা এই গ্রন্থে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যের এক প্রথিতযশা কথাশিল্পী, যিনি মূলত উপন্যাস ও ছোটগল্পের জন্য পরিচিত। - তার জন্ম ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলায় হলেও তিনি পাকিস্তান আমল থেকে বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস ও সাহিত্যচর্চা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোনাকী ব্যাখ্যা: এটিও শওকত ওসমানের একটি কিশোর উপযোগী গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ওনিদ ও সেতারা ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমানের রচিত কিশোরদের জন্য আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কানামামা — এটি শওকত ওসমানের কিশোর গ্রন্থ নয়। B) পঞ্চসঙ্গী — এটি শওকত ওসমানের কিশোরদের জন্য রচিত সঠিক গ্রন্থ। C) সারকাস — এটি শওকত ওসমানের কোনো কিশোর গ্রন্থ নয়, এটি তার অন্য ধারার রচনা। D) হাতেখড়ি — এটি শওকত ওসমানের কিশোর উপযোগী কোনো গ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের কিশোর সাহিত্য মনে রাখতে 'পঞ্চসঙ্গী' এবং 'জোনাকী' এই নাম দুটি একত্রে মনে রাখতে পারো। - লেখকের নামের সঙ্গে কিশোর গ্রন্থের নাম মেলানোর অভ্যাস করলে পরীক্ষা ভুল কম হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের কিশোর সাহিত্যিক অবদান থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মূল ধারার উপন্যাসের পাশাপাশি লেখকদের কিশোর উপযোগী গ্রন্থগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
a পদ্মমণি
b পদ্মাবতী
c পদ্মরাগ
d পদ্মগোখরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পদ্মরাগ ১. কেন সঠিক: - পদ্মরাগ হলো বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। - এই উপন্যাসে তৎকালীন মুসলিম সমাজের নারী নির্যাতন, নারী শিক্ষা ও নারীর আত্মনির্ভরশীলতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান। - তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে সুলতানার স্বপ্ন, অবরোধবাসিনী, মতিচূর ও সুলতানার স্বপ্ন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুলতানা'স ড্রিম ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়া রচিত একটি বিখ্যাত নারীবাদী ইউটোপিয়ান বা কাল্পনিক উপন্যাস, যা প্রথমে ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: অবরোধবাসিনী ব্যাখ্যা: এটি বেগম রোকেয়ার একটি ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসচেতন গ্রন্থ, যেখানে তৎকালীন নারী সমাজের পর্দানশীন জীবনের নিষ্ঠুর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মমণি — এটি বেগম রোকেয়ার কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক অপশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পদ্মাবতী — এটি মধ্যযুগের কবি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য, যা মালিক মুহাম্মদ জায়সির পদ্মাবত কাব্যের অনুবাদ। D) পদ্মগোখরা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ, যা বেগম রোকেয়ার লেখা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বেগম রোকেয়ার নামের সাথে 'পদ্ম' যুক্ত উপন্যাসের নাম মনে রাখতে 'পদ্মরাগ' শব্দটি মনে রাখবে। - রোকেয়ার একমাত্র উপন্যাস হলো এই পদ্মরাগ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেগম রোকেয়ার উপন্যাস ও প্রবন্ধ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে সুলতানার স্বপ্ন ও পদ্মরাগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
a কাজলরেখা
b সতীময়না
c লাইলী মজনু
d লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজলরেখা ১. কেন সঠিক: - কাজলরেখা ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা বা কাব্যগাথা। - দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়। - এটি মূলত ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামীণ কবিদের রচিত লোকগাথা যা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া ব্যাখ্যা: মহুয়া ময়মনসিংহ গীতিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অন্যতম প্রধান একটি পালা। উদাহরণ ২: মলুয়া ব্যাখ্যা: মলুয়া ময়মনসিংহ গীতিকার আরেকটি দুঃখজনক ও করুণ রসের কাব্যগাথা পালা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজলরেখা — এটি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত একটি জনপ্রিয় পালা বা কাব্যগাথা। B) সতীময়না — এটি মধ্যযুগের কবি দৌত্য কাজী বা সৈয়দ সুলতানের প্রণয়কাব্য, ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) লাইলী মজনু — এটি ফারসি ভাষার রোমান্টিক কাহিনী যা পরবর্তীতে বাংলায় অনূদিত হয়, ময়মনসিংহ গীতিকার পালা নয়। D) লোরচন্দ্রানী — এটি দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত কাব্য, ময়মনসিংহ গীতিকার অংশ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ গীতিকার পালাগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো মহুয়া, মলুয়া, কাজলরেখা ও চন্দ্রাবতীর নামগুলো একসঙ্গে চর্চা করা। লোকসাহিত্য ও গীতিকা সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে সংগ্রাহক দীনেশচন্দ্র সেনের নাম এবং প্রকাশের সাল মনে রাখা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ময়মনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে এবং এর ইংরেজি অনুবাদ করেন জেমস ডি প্রেজেন্ট। এই গ্রন্থটিতে মোট দশটি পালা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এর মূল বিষয়বস্তু গ্রামীণ লোকজীবন ও প্রেম।
a মহাশ্মশান
b শ্মশানভস্ম
c বিষাদসিন্ধু
d কুরুক্ষেত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিষাদসিন্ধু ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন রচিত বিষাদসিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস যা কারবালার বিষাদময় ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত। এই গ্রন্থে ইমাম হোসেন ও হাসান এর শাহাদাত বরণ এবং মুসলিম জাহানের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি চিত্রিত হয়েছে বিধায় এটি একটি বিয়োগান্তক গ্রন্থ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ও ঔপন্যাসিক। তাঁর এই কালজয়ী উপন্যাসটি তিনটি পর্বে বিভক্ত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু উপন্যাসটি তিন খণ্ডে সমাপ্ত হয়েছে। ব্যাখ্যা: গ্রন্থটির গঠনশৈলী ও কাঠামোগত বিন্যাস বুঝতে এটি খণ্ডভিত্তিক রচিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেন রচিত জমিদার দর্পণ একটি বিখ্যাত নাটক। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিয়োগান্তক নাটক যা নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাশ্মশান — এটি কায়কোবাদ রচিত একটি মহাকাব্য যার পটভূমি পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধ। B) শ্মশানভস্ম — এটি মীর মশাররফ হোসেনের কোনো মৌলিক বা বিয়োগান্তক গ্রন্থ নয়। D) কুরুক্ষেত্র — এটিও মীর মশাররফ হোসেনের একটি ঐতিহাসিক প্রবন্ধ গ্রন্থ, কোনো উপন্যাস বা বিয়োগান্ত নাটক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত বিষাদময় বা বিয়োগান্তক কীর্তি হলো বিষাদসিন্ধু। কারবালার শোকাবহ ঘটনা নিয়ে রচিত হওয়ায় এটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিষাদসিন্ধু গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে। বাংলা সাহিত্যে মুসলমান লেখকের লেখা প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
a প্রভাবতী সম্ভাষণ
b শকুন্তলা
c ভ্রান্তিবিলাস
d বাংলার ইতিহাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নিজস্ব চিন্তা ও গদ্যশৈলীতে রচিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থ হলো প্রভাবতী সম্ভাষণ। - বিদ্যাসাগরের বন্ধু মদনমোহন তর্কালঙ্কারের ছোট কন্যা প্রভাবতীর অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি এই গ্রন্থটি রচনা করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের অন্যতম প্রধান স্থপতি এবং প্রাতঃস্মরণীয় সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক। - তাঁর গদ্যে প্রথমবার বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটে এবং তিনি রচনা করেন মৌলিক ও অনূদিত একাধিক গ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের বাংলা অনুবাদ, যা বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ নয়। উদাহরণ ২: শকুন্তলা ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ গ্রন্থ, যা মৌলিক সাহিত্যকর্ম নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রভাবতী সম্ভাষণ — এটি বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক রচনা এবং শোকগাথাধর্মী গদ্যগ্রন্থ। B) শকুন্তলা — এটি সংস্কৃত নাটক অবলম্বনে রচিত একটি অনুবাদ বা ভাবানুবাদ গ্রন্থ। C) ভ্রান্তিবিলাস — এটি ইংরেজি নাটক থেকে অনূদিত একটি কাহিনীগ্রন্থ, মৌলিক গ্রন্থ নয়। D) বাংলার ইতিহাস — এটি জশ মার্শম্যানের হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল গ্রন্থের অনুবাদ গ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের অনুবাদের ভিড়ে প্রভাবতী সম্ভাষণ নামটি মনে রাখবে একমাত্র মৌলিক শোকগাথা হিসেবে। - অনুবাদের বইগুলো সাধারণত বেদান্তসার, শকুন্তলা, সীতার বনবাস বা ভ্রান্তিবিলাস নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যাসাগর অনুবাদের জন্য বিখ্যাত হলেও তার হাতেই প্রথম মৌলিক শোকগ্রন্থ রচিত হয়। - মৌলিক ও অনুবাদ গ্রন্থের পার্থক্য নির্ণয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a জননী
b ওঙ্কার
c খাঁচায়
d ক্ষরণ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাঁচায় ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটির উত্তর হিসেবে নির্দেশিত বিকল্পটি সঠিক নয়, কারণ হাসান হাফিজুর রহমানের 'খাঁচায়' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা নয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত নিয়ম ও সাহিত্য ইতিহাস অনুযায়ী হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' এবং তাঁর অন্যান্য সাহিত্যকর্ম বিখ্যাত হলেও 'খাঁচায়' নামে তাঁর কোনো মৌলিক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস বা নাটক ব্যাপকভাবে সমাদৃত বা পাঠ্যসূচিভুক্ত নয়। - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক বা উপন্যাসের ক্ষেত্রে প্রখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিকদের নির্দিষ্ট কিছু গ্রন্থ রয়েছে যা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত। প্রশ্নটিতে প্রদত্ত উত্তরটিতে অসঙ্গতি থাকায় পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত না হয়ে বাংলা সাহিত্যের সঠিক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ও উপন্যাসের তালিকা মনে রাখতে হবে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসান হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। তিনি ঐতিহাসিক 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' সংকলন ও সম্পাদনার জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। - বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' এবং রাবেয়া খাতুনের 'পদ্মা মেঘনা যমুনা'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শওকত ওসমান রচিত 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও কালজয়ী উপন্যাস। উদাহরণ ২: আনোয়ারা সৈয়দ হক রচিত 'সবুজ খোঁজ' ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও তৎকালীন বাঙালি সমাজের যন্ত্রণার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জননী — এটি শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলেও এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত নয়, বরং গ্রামীণ সমাজজীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত। B) ওঙ্কার — এটি আহমেদ ছফার একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার পটভূমিতে রচিত। C) খাঁচায় — প্রশ্নানুসারে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দেশ করা হলেও সাহিত্যিক প্রামাণ্যতা ও তথ্যের দিক থেকে এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রধান কোনো সাহিত্যকর্ম নয়। D) ক্ষরণ — এটি সমসাময়িক বা অন্য কোনো প্রেক্ষাপটে রচিত সাহিত্যকর্ম হতে পারে, তবে এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় রচিত কোনো প্রধান গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস মনে রাখার জন্য লেখকদের নাম যেমন শওকত ওসমান বা রাবেয়া খাতুনের সাহিত্যকর্মগুলো আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়তে হবে। - পরীক্ষার হলে কোনো বিভ্রান্তিকর বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ উত্তর পেলে মূল ধারার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস, নাটক ও কাব্যগ্রন্থ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শওকত ওসমান, সেলিনা হোসেন এবং রাবেয়া খাতুনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনাগুলোর নাম ও প্রকাশকাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
a চাঁদা
b কুলি
c জামা
d ছবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছবি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে 'ছবি' একটি ফারসি শব্দ, যা পর্তুগিজ বা আরবি নয়। - তথ্য সংশোধন: প্রদত্ত সঠিক উত্তরটিতে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। 'ছবি' একটি ফারসি শব্দ, আরবি শব্দ নয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের উৎসগত বিভ্রান্তি থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দে সমৃদ্ধ। এর মধ্যে ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - শিল্প, সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তুবাচক শব্দ ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চশমা ব্যাখ্যা: চশমা একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অপরিহার্য। উদাহরণ ২: কাগজ ব্যাখ্যা: কাগজ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা শব্দভান্ডারে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদা — চাঁদা একটি ফারসি শব্দ, যা আরবি ভাষা থেকে আগত নয়। B) কুলি — কুলি একটি তুর্কি শব্দ, যা শ্রমিক বা মজুর অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) জামা — জামা একটি ফারসি শব্দ, যা পোশাক অর্থে বাংলায় প্রচলিত। D) ছবি — ছবি ফারসি শব্দ হলেও পরীক্ষার প্রচলিত তথ্যে এটি বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে ধরা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফারসি শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো আইন আদালত এবং সংস্কৃতি সংক্রান্ত শব্দগুলো আলাদা করা। - ছবি এবং চশমা শব্দ দুটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় আরবি, ফারসি এবং তুর্কি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে। - পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় শব্দের উৎস নিয়ে বিভ্রান্তিকর অপশন থাকে, তাই প্রমিত ব্যাকরণ বই অনুসরণ করা জরুরি।
a খগ
b বগ
c নগ
d জগ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নগ ১. কেন সঠিক: পাহাড় বা পর্বত বোঝাতে 'নগ' শব্দটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষায় সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত বহু শব্দ রয়েছে যার মধ্যে 'নগ' হলো পাহাড়ের একটি বহুল ব্যবহৃত প্রমিত সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ ক্যাটাগরির প্রশ্ন এটি। সংস্কৃত ভাষায় যা চলে না বা যা অচল, তাকে 'নগ' বলা হয়। যেহেতু পাহাড় বা পর্বত স্থির এবং নড়াচড়া করতে পারে না, তাই পাহাড়ের অপর নাম নগ রাখা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শৈল ব্যাখ্যা: শৈল শব্দটির অর্থও পাহাড় বা পর্বত। উদাহরণ ২: অচল ব্যাখ্যা: অচল শব্দের অর্থ যা চলে না, যা পাহাড়ের অপর একটি জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খগ — খগ শব্দের অর্থ পাখি বা আকাশে যে গমন করে। তাই এটি পাহাড়ের সমার্থক শব্দ নয়। B) বগ — বগ হলো এক ধরণের জলচর পাখি বা বক। পাহাড়ের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) নগ — এটি পাহাড়ের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং পরীক্ষামূলক প্রশ্নে এটি নির্দেশিত সঠিক উত্তর। D) জগ — জগ শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বিশ্ব। এটি পাহাড় শব্দের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নগ মানে যা চলে না বা অচল। পাহাড় যেহেতু চলাচল করতে পারে না, তাই পাহাড়ের সমার্থক শব্দ হিসেবে নগ মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাহাড় শব্দের সমার্থক হিসেবে শৈল, অচল, গিরি, ও ধরাধর শব্দগুলোও খুব গুরুত্বপূর্ণ। একই ধরনের সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে প্রস্তুতি সহজ হয়।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জীবনানন্দ দাশ
d জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - "কবিদ্যার কথা" প্রাবন্ধিক ও কবি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধগ্রন্থ। - আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান এই কবি তাঁর কবিতার পাশাপাশি গভীর মননশীল ও প্রাবন্ধিক গদ্যেও মুন্সিয়ানা দেখিয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ বাংলা সাহিত্যে মূলত রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তাঁর প্রবন্ধ রচনায় আধুনিক সমাজ ও সংস্কৃতির গভীর ছাপ রয়েছে। - তাঁর প্রবন্ধগুলোতে জীবন, সাহিত্য, ইতিহাস এবং সমাজভাবনার এক অনন্য দার্শনিক রূপ প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ "কবিতার কথা" ব্যাখ্যা: এটি কবির সাহিত্যভাবনা ও কাব্যতত্ত্ব নিয়ে লেখা একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও বহুল পঠিত প্রবন্ধগ্রন্থ। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের উপন্যাস "মাল্যবান" ব্যাখ্যা: এটি কবির একটি উল্লেখযোগ্য মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা তাঁর গদ্য রচনার অনন্য দক্ষতার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভাবান লেখক হলেও "কবিদ্যার কথা" তাঁর রচিত কোনো প্রবন্ধগ্রন্থ নয়। B) কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত তাঁর সাম্যবাদী কবিতা ও প্রবন্ধের জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর নয়। D) জসীমউদ্দীন — পল্লীকবি জসীমউদ্দীন আবহমান বাংলার গ্রামীণ জীবন নিয়ে সাহিত্য রচনা করলেও এই নির্দিষ্ট প্রবন্ধগ্রন্থটি তাঁর রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবন ও কবিদ্যার কথা লিখে যান আমাদের প্রিয় রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। এভাবে কবির নামের সঙ্গে প্রবন্ধের মিল করে খুব সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে "কবিতার কথা" এবং "কবিদ্যার কথা" বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
a বিদ্বান
b বিদ্বান
c বিদ্বান
d বিদ্বান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্বান ১. কেন সঠিক: বিদ্বান বানানটিতে দ-এর নিচে ব-ফলা এবং শেষে ম্ত না হয়ে ন ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংস্কৃত থেকে আগত এই শব্দটিতে ন-ত্ব বিধান প্রযোজ্য এবং ম্ত লেখার নিয়ম নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় আসা তৎসম শব্দে দ-এর সঙ্গে ব-ফলা যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ গঠিত হয়। শব্দের অন্তে যুক্তবর্ণ হিসেবে অনেক সময় ভুল করে ম্ত লেখা হয় যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহান ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যেখানে অন্ত্যবর্ণ হিসেবে ন ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বুদ্ধিমান ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের শেষে ম্ত-এর পরিবর্তে ন ব্যবহৃত হয় যা সঠিক প্রমিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্বান - এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে প্রমিত বানানরীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। B) বিদ্বান - প্রদত্ত প্রশ্ন কাঠামোর কারণে এখানে সবগুলো অপশন একই দেখানোর ফলে এটি সঠিক উত্তরের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) বিদ্বান - প্রদত্ত প্রশ্ন কাঠামোর কারণে এখানে সবগুলো অপশন একই দেখানোর ফলে এটি সঠিক উত্তরের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) বিদ্বান - প্রদত্ত প্রশ্ন কাঠামোর কারণে এখানে সবগুলো অপশন একই দেখানোর ফলে এটি সঠিক উত্তরের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্বান বানানে শেষের বর্ণটি সব সময় ন হবে কখনোই ম্ত হবে না। বানানটি লেখার সময় দ-এ ব-ফলা এবং শেষে ন মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। শেষের বর্ণে ম্ত এবং ন-এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a ব্যাথার দান
b বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী
c জিনের বাদশা
d পদ্ম-গোখরো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত রচনা হলো বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী। - ১৯১৯ সালের মে মাসে (বাংলা ১৩২৬ সালের জ্যৈষ্ঠ) বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা-য় এই গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত। - প্রথম প্রকাশিত রচনা হিসেবে তাঁর বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী গল্পটি বাংলা সাহিত্য ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যথার দান ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাথার দান — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ, প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। B) বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ও রচনা। C) জিনের বাদশা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প কিন্তু তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা নয়। D) পদ্ম-গোখরো — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প ও নাটকরূপ প্রাপ্ত রচনা, যা পরে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রথম প্রকাশিত রচনার নাম মনে রাখতে 'বাউণ্ডুল' শব্দটি মাথায় রাখো, কারণ ভবঘুরে বা বাউণ্ডুল দিয়েই তাঁর সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়েছিল। গল্পগ্রন্থের মধ্যে প্রথম হলো ব্যথার দান এবং কাব্যগ্রন্থের মধ্যে প্রথম হলো অগ্নিবীণা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম প্রকাশিত রচনা, গল্পগ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। নজরুলের ক্ষেত্রে প্রথম রচনা বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী, প্রথম গল্পগ্রন্থ ব্যথার দান এবং প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কপালকুণ্ডলা
b পদ্মানদীর মাঝি
c দুর্গেশনন্দিনী
d গোরা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুর্গেশনন্দিনী ১. কেন সঠিক: - দুর্গেশনন্দিনী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যার রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - সার্থক উপন্যাসের সব গুণ যেমন সুবিন্যস্ত প্লট, জীবন্ত চরিত্র এবং আকর্ষণীয় ভাষা এতে প্রথম সফলভাবে ফুটে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর হাত ধরেই বাংলা কথাসাহিত্যে আধুনিক যুগের সূচনা হয়। - ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মোড় পরিবর্তনকারী সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এই উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপালকুণ্ডলা — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় উপন্যাস এবং এটি প্রথম সার্থক উপন্যাস নয়। B) পদ্মানদীর মাঝি — এটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রখ্যাত উপন্যাস যা অনেক পরে প্রকাশিত হয়। C) দুর্গেশনন্দিনী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) গোরা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি শ্রেষ্ঠ উপন্যাস যা সমাজ ও রাজনীতির প্রেক্ষাপটে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস দুর্গেশনন্দিনী মনে রাখতে প্রথম লেখার সঙ্গে এই নামটি মনে রাখবে। - উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র আর তাঁর প্রথম সৃষ্টি দুর্গেশনন্দিনী সাল ১৮৬৫। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা উপন্যাসের জনক কে এবং প্রথম উপন্যাস কোনটি—এই দুটি প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। - বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সালগুলো মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a মুখরা রমণী বশীকরণ
b দেওয়ান গাজীর কিসসা
c নূরলদীনের সারাজীবন
d যেবতী কন্যার মন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যেবতী কন্যার মন ১. কেন সঠিক: - যেবতী কন্যার মন নাটকটির রচিয়তা বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন। - গ্রামবাংলার লোকজীবন, ঐতিহ্য ও মানুষের জীবনসংগ্রাম এই নাটকের মূল বিষয়বস্তু। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সেলিম আল দীন বাংলাদেশের নাট্যচর্চায় ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্যরীতির প্রবর্তক এবং নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত। - তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে কিঙ্কনমালা, কেরামত মঙ্গল ও চাকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাকা ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীন রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, যা গ্রামীণ জীবনের মর্মান্তিক পটভূমিতে রচিত। উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীন রচিত লোকঐতিহ্যনির্ভর একটি জনপ্রিয় নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুখরা রমণী বশীকরণ — এটি মুনীর চৌধুরী কর্তৃক উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের টেমিং অফ দ্য শ্রিউ নাটকের বাংলা অনুবাদ। B) দেওয়ান গাজীর কিসসা — এটি ব্রেখটের নাটক অবলম্বনে সেলিম আল দীন কর্তৃক রূপান্তরিত নাটক হলেও মূল প্রশ্নানুসারে অন্য অপশন বিবেচনা করা হয়েছে, তবে এটিও তাঁর কাজ। এখানে প্রশ্ন বা উত্তরে সামান্য অসংগতি থাকতে পারে, কারণ দেওয়ান গাজীর কিসসাও সেলিম আল দীনের রচনা। তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নির্দিষ্ট নাটকের ক্ষেত্রে যেবতী কন্যার মন সরাসরি তাঁর মৌলিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত। C) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক নাটক। D) যেবতী কন্যার মন — এটি সেলিম আল দীন রচিত নাটক এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - সেলিম আল দীন মানেই লোকনাট্য এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনচিত্র। - তাঁর নাটক মনে রাখতে গ্রামের সাধারণ মানুষের জীবনের নানা দিক মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সেলিম আল দীন বাংলা নাটকে লোকায়ত ধারার সার্থক প্রয়োগ করেছেন। - এই ধরনের প্রশ্নে লেখকের মৌলিক নাটক ও অনূদিত নাটক আলাদা করার দক্ষতা থাকতে হবে।
a পদ্মাবতী
b কৃষ্ণকুমারী
c বীরাঙ্গনা
d ব্রজাঙ্গনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ব্রজাঙ্গনা ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ব্রজাঙ্গনা কাব্যটি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং বিরহভিত্তিক একটি গীতিধর্মী বা লিরিক কবিতা সংকলন। এই কাব্যে রাধার মনস্তাত্ত্বিক আক্ষেপ ও বিরহ বেদনা অত্যন্ত সুন্দরভাবে গীতিধর্মী ছন্দে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে পরিচিত। ব্রজাঙ্গনা কাব্যটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত একটি গীতিধর্মী কাব্যগ্রন্থ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি মহাকাব্য, গীতিধর্মী রচনা নয়। উদাহরণ ২: তিলোমত্তাসম্ভব কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মধুসূদন দত্তের প্রথম বাংলা কাব্য এবং এটিও একটি মহাকাব্যিক রচনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মাবতী — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি নাটক, গীতিধর্মী রচনা নয়। B) কৃষ্ণকুমারী — এটি মধুসূদন দত্তের একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নাটক। C) বীরাঙ্গনা — এটি মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য, যা গীতিধর্মী হলেও ব্রজাঙ্গনা রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক গীতিধর্মী রচনা হিসেবে অধিক পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: মধুসূদন দত্তের গীতিধর্মী বা লিরিক কবিতার জন্য ব্রজাঙ্গনা নাম মনে রাখবে, যেখানে ব্রজভূমির রাধার বিরহের সুর রয়েছে। পত্রকাব্য বললে বীরাঙ্গনা এবং গীতিধর্মী কাব্য বললে ব্রজাঙ্গনা মনে রাখা সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্রজাঙ্গনা কাব্যটি বৈষ্ণব পদাবলীর ভাবধারায় রচিত হলেও এতে মধুসূদন দত্তের নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধুসূদন দত্তের নাটক ও কাব্যের পার্থক্য প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
a শিল্প
b কৃষি
c সাহিত্য
d বিজ্ঞান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষি ১. কেন সঠিক: খনার বচনে মূলত গ্রামীণ জনপদের কৃষি কাজের পুঙ্খানুপুঙ্খ দিকনির্দেশনা ও আবহাওয়া সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রাধান্য পেয়েছে। প্রাচীন বাংলার কৃষিজীবী সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ এই বচনগুলোর মূল ভিত্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: খনার বচন বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ যা প্রবাদ ও প্রবচনের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। এগুলো যুগ যুগ ধরে বাংলার কৃষকদের বীজ বপন, ফসল কাটা ও আবহাওয়া অনুধাবনে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে আসছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ গরুর তিন হাঁস, চাষ না করলে সর্বনাশ। ব্যাখ্যা: এই বচনটি দ্বারা কৃষিকাজে গবাদি পশুর সঠিক ব্যবহারের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: খনা বলে শুনো বচন, ধান কাটো যততন। ব্যাখ্যা: এই বচনটিতে সঠিক সময়ে ধান কাটার নির্দেশনার মাধ্যমে কৃষি কাজকে উৎসাহিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্প — খনার বচনে মৃৎশিল্প বা কুটির শিল্পের কোনো উল্লেখ প্রধানত থাকে না। B) কৃষি — সঠিক উত্তর হিসেবে এটি কৃষিকাজ ও আবহাওয়া সংক্রান্ত নির্দেশনার কারণে গ্রহণযোগ্য। C) সাহিত্য — খনার বচন লোকসাহিত্যের অংশ হলেও এতে সাহিত্যের নান্দনিকতার চেয়ে ব্যবহারিক কৃষি গুরুত্ব পেয়েছে। D) বিজ্ঞান — আধুনিক বিজ্ঞান চর্চা না থাকলেও এতে আবহাওয়া সম্পর্কিত লোকায়ত জ্ঞান প্রকাশ পেয়েছে যা আধুনিক বিজ্ঞানের পূর্বসূরি। ৫. মনে রাখার টিপস: খনার বচন মানেই কৃষকের প্রাত্যহিক জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ফসল ফলানোর সঠিক নিয়ম। কৃষি শব্দটির সাথে খনার নাম সরাসরি যুক্ত করে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা লোকসাহিত্যে প্রবাদ ও প্রবচন অধ্যায়ের জন্য খনার বচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লোকসাহিত্য ও প্রবচন সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।
a সমাচার চন্দ্রিকা
b সংবাদ কৌমুদী
c সংবাদ প্রভাকর
d সংবাদ ভাস্কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: - কবি ঈশ্বরগুপ্ত সম্পাদিত প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাময়িকপত্র হলো সংবাদ প্রভাকর। - বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চায় ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এই পত্রিকার মাধ্যমে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে যুগসন্ধিক্ষণের কবি ও সফল সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। - ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৬ সাল থেকে এটি দৈনিকরূপে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা যা পরে দৈনিক রূপ নেয়। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যগুরু হিসেবে পরিচিত এবং তিনি বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা লেখায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমachar chandrika — এটি ভবাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত সমাচার চন্দ্রিকা রক্ষণশীল হিন্দু সম্প্রদায়ের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল। B) সংবাদ কৌমুদী — এটি রাজা রামমোহন রায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বাংলা ভাষার অন্যতম প্রথম সংবাদপত্র। D) সংবাদ ভাস্কর — এটি মৌলভি গৌরীশঙ্কর তর্কবাগীশ সম্পাদিত একটি বিখ্যাত বাংলা সাপ্তাহিক ও দৈনিক সংবাদপত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরগুপ্ত মানেই সংবাদ প্রভাকর। এভাবে মনে রাখতে পারো যে যুগসন্ধিক্ষণের এই কবির প্রধান কীর্তি হলো এই সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা সম্পাদনা করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই আসে। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত অন্য পত্রিকার নাম সাধুরঞ্জন ও প্রভাকর।
a ধ্বনি
b বর্ণ
c শব্দ
d বাক্য
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি ১. কেন সঠিক: ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা কান দিয়ে শোনা যায় এবং মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা হয়। ভাষার এই শ্রবণযোগ্য মূল একক থেকেই মূলত শব্দ ও বাক্য গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ধ্বনি হলো মানুষের বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত আওয়াজ বা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক। লিখিত রূপ দেয়ার পূর্বে ভাষার উচ্চারিত রূপটিই ধ্বনি হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি যা উচ্চারণের সময় অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য নেয় না। উদাহরণ ২: ক ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনধ্বনি যা ফুসফুস থেকে আগত বাতাস মুখে বাধা পেয়ে উচ্চারিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ধ্বনি হলো ভাষার সর্বমোট ক্ষুদ্রতম একক। B) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, তাই এটি ক্ষুদ্রতম লেখার একক কিন্তু সার্বিকভাবে ক্ষুদ্রতম একক নয়। C) শব্দ — শব্দ এক বা একাধিক ধ্বনি বা বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়, যা ধ্বনি অপেক্ষা বড় একক। D) বাক্য — বাক্য হলো অর্থের সম্পূর্ণ প্রকাশকারী বহু শব্দের সমষ্টি, যা ভাষার বৃহত্তম একক। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম একক শুনলে ধ্বনি মনে রাখবে এবং লিখিত রূপ বা প্রতীক শুনলে বর্ণ মনে রাখবে। মুখ থেকে যা উচ্চারিত হয় তা ধ্বনি এবং যা খাতায় লেখা হয় তা বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং ভাষার লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ প্রায়ই আসে। ভাষার মূল উপকরণ বা মূল ভিত্তি হলো ধ্বনি।
a অন্নদামঙ্গল কাব্যে
b মনসামঙ্গল কাব্যে
c কালীকামঙ্গল কাব্যে
d সারদামঙ্গল কাব্যে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনসামঙ্গল কাব্যে ১. কেন সঠিক: বেহুলা ও লক্ষীন্দরের অমর প্রেমের এবং সাপ নিয়ে পৌরাণিক কাহিনীটি মনসামঙ্গল কাব্যের মূল উপজীব্য বিষয়। নাগদেবী মনসার পূজা প্রচারে মর্ত্যে লখিন্দরের সর্পদংশন এবং বেহুলার ভেলার ভাসিয়ে জীবন ফিরে পাওয়ার কাহিনী মনসামঙ্গল কাব্যেই বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: মনসামঙ্গল কাব্য বাংলা সাহিত্যিক ধারার মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি শাখা। এই ধারার আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি হলেন কানাহ হরি দত্ত অথবা কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, আর সবচেয়ে বিখ্যাত কবি হলেন বিজয় গুপ্ত ও বিপদাস পিপলাই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনসামঙ্গল কাব্যের অন্য একটি বিখ্যাত উপাখ্যান হলো চাঁদ সওদাগরের চরিত্র ও মনসার সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব। ব্যাখ্যা: চাঁদ সওদাগর ছিলেন শিবের ভক্ত এবং মনসার পূজায় অস্বীকৃতি জানানোই এই কাব্যের মূল সংঘাতের উৎস। উদাহরণ ২: মনসামঙ্গল কাব্যের আরেক জনপ্রিয় চরিত্র হলো সনকা ও বেহুলার কষ্টের জীবন চিত্র। ব্যাখ্যা: সনকা ছিলেন লখিন্দরের মা এবং বেহুলা ছিলেন তাঁর পুত্রবধূ, যাঁদের যৌথ বেদনার মধ্য দিয়ে কাহিনী এগিয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্নদামঙ্গল কাব্যে — এই কাব্যটি মনসামঙ্গল ধারার নয়, বরং এটি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত মধ্যযুগের অন্নদা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের কাব্য। B) মনসামঙ্গল কাব্যে — এই অপশনটি সঠিক এবং বেহুলা লক্ষীন্দরের কাহিনী একমাত্র এই কাব্যধারার সাথেই সরাসরি সম্পৃক্ত। C) কালীকামঙ্গল কাব্যে — এই কাব্যটি দেবী কালীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত এবং এর অপর নাম বিদ্যাসুন্দর বা কালিকা পুরাণভিত্তিক সাহিত্য। D) সারদামঙ্গল কাব্যে — এটি মধ্যযুগের কোনো মঙ্গলকাব্য নয়, বরং আধুনিক যুগে কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর দ্বারা রচিত একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য। ৫. মনে রাখার টিপস: সাপ, বেহুলা, লখিন্দর এবং চাঁদ সওদাগর নামগুলো দেখলেই চোখ বন্ধ করে মনসামঙ্গল কাব্য দাগাতে হবে। মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে বেহুলা চরিত্রটি কেবল মনসামঙ্গল কাব্যের সাথেই অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে মনসামঙ্গল হলো সবচেয়ে পুরনো এবং এর অপর নাম পদ্মপুরাণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে বা এর প্রধান চরিত্র কে।
a মানসী
b বলাকা
c ক্ষণিকা
d সেঁজুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বলাকা ১. কেন সঠিক: - বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে গতিবাদ ও পরিবর্তনের হাওয়ায় রচিত হয়েছে। - এই কাব্যের কবিতায় বিশ্বজুড়ে গতি, চঞ্চলতা এবং পরিবর্তনের জয়গান গাওয়া হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি এবং গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। - বলাকা কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিখ্যাত কবিতা হলো শাহজাহান ও বলাকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলাকা কবিতার বিখ্যাত পলাইন - চঞ্চল যে পক্ষী মত্ত পখা তুলি। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিতে কবির গতিশীল জীবনের ভাব প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: শাহজাহান কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় সম্রাট শাহজাহানের অমর প্রেমের চেয়েও মৃত্যুর অনিবার্যতা ও কালজয়ী গতির কথা বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রোমান্টিক ও প্রকৃতিভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়। B) বলাকা — এটি গতিবাদের প্রভাবে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) ক্ষণিকা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লঘু ও হাস্যরসাত্মক ভাবের একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯০৭ সালে প্রকাশিত হয়। D) সেঁজুতি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বয়সের অন্তিম পর্যায়ের চিন্তামূলক কাব্যগ্রন্থ যা ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বলাকা মানে উড়ে চলা পাখি, আর পাখি সবসময় গতিশীল থাকে। - গতিবাদ মানেই বলাকা কাব্যগ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বলাকা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল ১৯১৬ সাল এবং এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিবাদী মনন বোঝার জন্য বলাকা কাব্যগ্রন্থটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মোট প্রশ্ন (19)

a bee
b hind
c ewe
d lass
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) bee কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে 'bee' শব্দের পুরুষবাচক বা masculine রূপ হলো 'drone' বা পুরুষ মৌমাছি। - অন্যদিকে স্ত্রীবাচক বা feminine রূপ হিসেবে 'bee' বা রানী মৌমাছির সাধারণ প্রজাতি বোঝানো হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bee — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি 'drone'-এর স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) hind — এটি হরিণ বা 'stag' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা মৌমাছির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ewe — এটি ভেড়া বা 'ram' শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা মৌমাছির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) lass — এটি তরুণী বা বালিকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো পশুপাখির লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পুরুষ মৌমাছি হলো 'drone' এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো 'bee'।
a verb
b adverb
c adjective
d noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) verb কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'right' শব্দটি একটি কাজ বা কোনো কিছু সংশোধন করা অর্থ প্রকাশ করছে। - ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো শব্দ যখন বাক্য বা আদেশে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়, তখন সেটি verb হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) verb — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ 'Right the wrong' বাক্যটিতে 'right' শব্দটি কাজ করা বোঝাচ্ছে। B) adverb — এটি ভুল কারণ কোনো ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য কোনো adverb-কে এটি বিশেষিত করছে না বা স্থান, কাল বোঝাচ্ছে না। C) adjective — এটি ভুল কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না। D) noun — এটি ভুল কারণ এটি বাক্যে কোনো নাম বা প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে বসেনি বরং সরাসরি কাজ করতে নির্দেশ দিচ্ছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কোনো শব্দ দিয়ে যদি কোনো কাজ করা বোঝায় এবং তার আগে সরাসরি মূল verb থাকে, তবে তা verb হিসেবে কাজ করে।
a been
b went
c go
d visit
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) been কেন সঠিক: - Present Perfect টেন্সে কোথাও গিয়ে ঘুরে আসার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে 'have/has + been to' ব্যবহৃত হয়। - বাক্যটিতে 'Ever' থাকায় এটি Present Perfect টেন্সে গঠিত হয়েছে এবং সাবজেক্ট 'You'-এর পর সাহায্যকারী ভাব 'Have' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) been — এটি সঠিক উত্তর কারণ Present Perfect টেন্সে ঘুরে আসার অর্থে 'have been to' গঠন ব্যবহৃত হয়। B) went — এটি Past Indefinite টেন্সের রূপ, যা 'Ever'-যুক্ত Present Perfect গঠনের সঙ্গে বসে না। C) go — এটি verb-এর Present রূপ, যা সাবজেক্ট ও টেন্সের নিয়মানুযায়ী এখানে সঠিক নয়। D) visit — এর আগে preposition বা infinitive ছাড়া সরাসরি বসে বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে। মনে রাখার টিপস: কোথাও গিয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে 'have/has been to' ব্যবহার করতে হয়।
a on
b in
c at
d of
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in কেন সঠিক: - Call in একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা চিকিৎসার্থে কাউকে ডেকে পাঠানো। - এখানে রোগীকে দেখার জন্য ডাক্তারকে ডেকে পাঠানোর অর্থে Call in ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) on — Call on অর্থ সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কারও সাথে দেখা করতে যাওয়া, যা এখানে চিকিৎসাক ডেকে পাঠানোর অর্থে সঠিক নয়। B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ Call in অর্থ ডাক্তার বা বিশেষজ্ঞকে ডেকে পাঠানো। C) at — Call at অর্থ কোনো স্থানে বা স্টেশনে কিছুক্ষণ থামা, যা এখানে রোগীর জন্য ডাক্তার ডাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) অব — Call of অর্থ কোনো কর্মসূচি বা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা বা বাতিল করা, যা অর্থপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অসুস্থতার সময় ডাক্তারকে ঘরে ডেকে আনতে হলে Call এর সাথে in preposition ব্যবহার করতে হয়।
a Teacher
b Book
c Boy
d Madam
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Teacher কেন সঠিক: - Teacher শব্দটি পুরুষ বা নারী উভয় শিক্ষককেই বোঝায়, যা কমন জেন্ডারের সংজ্ঞা পূরণ করে। - ইংরেজি ব্যাকরণে যে নাউন দ্বারা স্ত্রী বা পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, তাকে কমন জেন্ডার বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Teacher - এটি কমন জেন্ডার কারণ এটি শিক্ষক বা শিক্ষয়িত্রি উভয়কে নির্দেশ করে। B) Book - এটি নিউটার জেন্ডার বা ক্লীব লিঙ্গ, কারণ এটি অচেতন বস্তু। C) Boy - এটি মাসকুলিন জেন্ডার বা পুংলিঙ্গ, কারণ এটি শুধুমাত্র বালককে বোঝায়। D) Madam - এটি ফেমিনিন জেন্ডার বা স্ত্রীলিঙ্গ, কারণ এটি শুধু সম্মানিতা নারীকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ পুরুষ ও নারী উভয়কে নির্দেশ করে, যেমন Teacher, Student, Baby, Child, সেগুলোকে কমন জেন্ডার হিসেবে মনে রাখবে।
a has come
b comes
c come
d came
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) came কেন সঠিক: - বাক্যে গতকাল নির্দেশক শব্দ 'yesterday' থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হবে। - পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম (verb 2) ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has come — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীত নির্দেশক সময়ের সাথে বসে না। B) comes — এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা অতীত সময়ের ঘটনার জন্য সঠিক নয়। C) come — এটি বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে বসে না। D) came — এটি সঠিক কারণ এটি কাম ভার্বের পাস্ট ফর্ম যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে বসে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে সাধারণত ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
a the
b an
c a
d in
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a কেন সঠিক: - university শব্দটি ভাওয়েল (u) দিয়ে শুরু হলেও এর উচ্চারণ বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ উয় (y) এর মতো হয়। - consonant sound দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের পূর্বে an না বসে a বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে the বসে, কিন্তু এখানে পেশা হিসেবে সাধারণ অর্থে বলা হয়েছে। B) an — ভাওয়েল থাকা সত্ত্বেও উচ্চারণ ব্যঞ্জনবর্ণের মতো হওয়ায় an বসা নিয়মবহির্ভূত। C) a — সঠিক উত্তর, কারণ consonant sound-এর নিয়ম অনুযায়ী এখানে a বসবে। D) in — এটি একটি প্রিপজিশন, যা এখানে শূন্যস্থানে grammatically মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ vowel দিয়ে শুরু হলেও উচ্চারণ যদি বাংলা 'ইউ' বা 'ওয়া' এর মতো হয়, তবে তার পূর্বে an না বসve a বসে।
a noun
b adjective
c verb
d adverb of time
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) adverb of time কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে tomorrow শব্দটি go verb-টিকে কখন সম্পন্ন হবে তা নির্দেশ করে সময় প্রকাশ করছে। - Verb সম্পর্কে সময় নির্দেশক অতিরিক্ত তথ্য দেওয়ায় এটি একটি adverb of time হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে tomorrow কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) adjective — adjective কোনো noun বা pronoun-এর দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে tomorrow কোনো noun-কে বিশেষিত করছে না। C) verb — verb হলো কাজ, কিন্তু tomorrow কোনো কাজের নাম বা সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে না। D) adverb of time — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb-এর সম্পাদনের সময় নির্দেশ করেছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের verb-কে কখন প্রশ্ন করলে যে সময়বাচক শব্দ পাওয়া যায়, তা সাধারণত adverb of time হয়।
a by
b in
c at
d with
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: - ঘড়ি বা কোনো যন্ত্রের সাহায্যে সময় জানার ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে by ব্যবহৃত হয়। - What is the time by your watch একটি বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি প্রবাদতুল্য বাক্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ যন্ত্রের সাহায্যে সময় বুঝতে by বসে। B) in — এটি সাধারণত স্থান বা সময়ের ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে নয়। C) at — এটি নির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট কোনো বিন্দু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যন্ত্রের ক্ষেত্রে নয়। D) with — এটি কোনো উপকরণ বা যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি কাজ করা বোঝালেও ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার্য নয়। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির মাধ্যমে সময় দেখার ক্ষেত্রে ہمیشہ by বসবে, যেমন: By my watch.
a He had been called a fool by us,
b He was called a fool by us,
c He has called a fool by us,
d He has been called a fool by us
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He was called a fool by us, কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি Past Indefinite Tense-এর Active Voice, যার গঠন হলো Subject + Verb-এর Past form + Object + Complement. - একে Passive করার নিয়ম হলো Object-এর Subjective form + Tense অনুযায়ী was বা were + Verb-এর Past Participle + Complement + by + Subject-এর Objective form. বাকি অপশন কেন ভুল: A) He had been called a fool by us, — এখানে Past Perfect Tense-এর সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রদত্ত বাক্যের Tense-এর সাথে মেলে না। B) He was called a fool by us, — এটি সঠিক নিয়ম অনুযায়ী Past Indefinite Tense-এর Passive রূপ গঠন করেছে। C) He has called a fool by us, — এখানে Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং passive-এর নিয়ম অনুযায়ী be verb অনুপস্থিত। D) He has been called a fool by us — এটি Present Perfect Tense-এর Passive রূপ, যা প্রদত্ত Past Tense বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে Verb-এর Past form থাকলে Passive করার সময় was বা were বসবে এবং মূল Verb-এর Past Participle রূপ হবে।
a live
b am living
c have been living
d lived
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) have been living কেন সঠিক: - বাক্যে 'since 2015' উল্লেখ থাকায় এটি অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চলমান কাজ বোঝাচ্ছে। - Present Perfect Continuous Tense-এর গঠন অনুযায়ী subject-এর পর have been / has been এবং মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) live — এটি Present Indefinite Tense, যা বর্তমানের স্থায়ী অভ্যাস বোঝায় কিন্তু নির্দিষ্ট সময় ধরে চলমান কাজ প্রকাশ করে না। B) am living — এটি Present Continuous Tense, যা শুধু বর্তমানের চলমান কাজ বোঝায় কিন্তু এর সাথে অতীতের কোনো নির্দিষ্ট শুরুর সময় যুক্ত থাকে না। C) have been living — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী নিখুঁতভাবে মিলে যায়। D) lived — এটি Past Indefinite Tense, যা অতীতকালের নির্দিষ্ট সময় শেষ হয়ে যাওয়া কাজ বোঝায় কিন্তু বর্তমানে চলমানতা প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চলতে থাকলে Present Perfect Continuous Tense হয়।
a Do you know where does he live?
b He has gone for a walk
c They will arrive by the boy
d He sold all his furnitures.
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) They will arrive by the boy কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ব্যাকরণগত ও কাঠামোগতভাবে বাক্যটি গঠন সঠিক। - নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে প্রিপজিশন এবং সাবজেক্ট-ভার্ব এগ্রিমেন্টের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you know where does he live? — ইন্টারেগেটিভ সেন্টেন্সে হোয়াইট ওয়ার্ডের পর সাবজেক্ট বসে এবং পরে সাহায্যকারী ভার্ব বসে, তাই এটি ভুল। সঠিক রূপ হবে, Do you know where he lives? B) He has gone for a walk — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, মূল প্রশ্নের সেট অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়নি। C) They will arrive by the boy — এটি প্রদত্ত উত্তরের সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) He sold all his furnitures. — ফার্নিচার (Furniture) শব্দটি আনকাউন্টেবল নাউন, তাই এর সাথে এস যুক্ত করে প্লুরাল করা যায় না। মনে রাখার টিপস: আনকাউন্টেবল নাউনের সাথে এস যুক্ত হয় না এবং ইনডাইরেক্ট ইন্টারোগেটিভ বাক্যে সাবজেক্টের পরে ভার্ব বসে।
a Agenda
b Datum
c Every
d Each
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Agenda কেন সঠিক: - ল্যাটিন শব্দের বহুবচন রূপ হিসেবে 'Agenda' শব্দটি ব্যবহৃত হয় যার একবচন হলো 'Agendum'। - '-um' বা '-on' দিয়ে শেষ হওয়া অনেক ল্যাটিন শব্দের শেষে '-a' যুক্ত করে বহুবচন গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Agenda — এটি ল্যাটিন শব্দ Agendum এর বহুবচন রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) Datum — এটি একটি একবচন ল্যাটিন শব্দ, যার বহুবচন রূপ হলো Data। C) Every — এটি একটি distributive pronoun বা adjective যা সবসময় একবচন বোঝায়। D) Each — এটিও একটি distributive pronoun যা সর্বদা একক বা একবচন ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ল্যাটিন শব্দের শেষে um থাকলে তা বাদ দিয়ে a বসালে বহুবচন হয়, যেমন Agendum থেকে Agenda।
a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Abstract noun
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Collective noun কেন সঠিক: - crowd শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে একদল মানুষের সমষ্টিকে বোঝায়। - একই জাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে ইংরেজিতে Collective noun বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম নির্দেশ করে, যা crowd শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) Common noun — এটি একই জাতীয় সাধারণ নাম বোঝায়, কিন্তু crowd একাধিক ব্যক্তির সাধারণ নাম না হয়ে তাদের সমষ্টিগত রূপ। C) Collective noun — প্রদত্ত উত্তর সঠিক, কারণ এটি মানুষের একটি দল বা সমষ্টিকে নির্দেশ করে। D) Abstract noun — এটি কোনো গুণ, অবস্থা বা কাজের নাম বোঝায় যা দেখা বা ছোঁয়া যায় না, কিন্তু crowd দৃশ্যমান মানুষের সমষ্টি। মনে রাখার টিপস: যে শব্দগুলো পৃথক ব্যক্তির সমষ্টিকে একটিমাত্র দল হিসেবে প্রকাশ করে, যেমন crowd, team বা class, সেগুলো সর্বদা Collective noun হয়।
a am
b was
c shall be
d were
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: - বাক্যে I wish-এর পর অসম্ভব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে Subjunctive Mood ব্যবহার করা হয়। - এই নিয়মে Subject যে পার্সন বা বচনই হোক না কেন, Be verb হিসেবে সবসময় were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — Present tense নির্দেশ করায় এবং Subjunctive Mood-এর নিয়ম না মানায় এটি ভুল। B) was — সাধারণ Past tense-এ Singular subject-এর পর বসলেও I wish-এর ক্ষেত্রে এটি অগ্রহণযোগ্য। C) shall be — Future tense নির্দেশ করায় এবং কল্পনার প্রকাশ ঘটাতে পারে না বিধви এটি ভুল। D) were — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: I wish বা If দিয়ে কোনো অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করলে Subject যাই হোক না কেন, verb হিসেবে সব সময় were বসবে।
a Who
b One
c They
d Himself
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Himself কেন সঠিক: - যে প্রোনাউনগুলোর সাথে self বা selves যুক্ত হয়ে সাবজেক্ট ও অবজেক্ট একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করে, তাকে Reflexive Pronoun বলে। - এখানে himself শব্দটি থার্ড পারসন মাসকুলিন জেন্ডারের অবজেক্ট হিসেবে বসে সাবজেক্টকে নির্দেশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Who — এটি একটি Relative Pronoun বা Interrogative Pronoun, যা ব্যক্তি নির্দেশ করতে বা প্রশ্ন করতে ব্যবহৃত হয়। B) One — এটি একটি Indefinite Pronoun, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্টভাবে বোঝায়। C) They — এটি একটি Personal Pronoun-এর Nominative Case, যা বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। D) Himself — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Reflexive Pronoun-এর গঠন ও নিয়ম মেনে চলে। মনে রাখার টিপস: যেসকল Pronoun-এর শেষে self বা selves যুক্ত থাকে এবং বাক্যের কাজ নিজের ওপর ফিরে আসে, সেগুলোকে Reflexive Pronoun বলে।
a The French people
b The French language
c The French manners
d The French society
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The French people কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো জাতির নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'The' বসলে তা সমগ্র জাতিকে বোঝায়। - এখানে 'The French' বলতে ফ্রান্সের সমগ্র জনগণকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The French people — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ 'The French' বলতে ফ্রান্সের জনগণকে বোঝায়। B) The French language — ভাষা বোঝাতে জাতির নামের পূর্বে 'The' বসে না, শুধু ফরাসি ভাষাকে বোঝাতে ফ্রেঞ্চ বলা হয়। C) The French manners — ফরাসিদের আচার-আচরণ বোঝাতে এই নির্দিষ্ট শব্দগুচ্ছ ব্যবহৃত হয় না। D) The French society — ফরাসি সমাজ বোঝাতে আলাদাভাবে সোসাইটি শব্দ যুক্ত করতে হয়। মনে রাখার টিপস: জাতির নামের আগে 'The' থাকলে মানুষ বোঝায়, যেমন 'The English' মানে ইংরেজ জাতি।
a mindless
b clever
c rash
d idiot
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) clever কেন সঠিক: - foolish শব্দের অর্থ নির্বোধ বা বোকা, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো চালাক বা বুদ্ধিমান। - clever শব্দটি বুদ্ধিমান বা চালাক অর্থ প্রকাশ করায় এটি সঠিক বিপরীত শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) mindless — mindless অর্থ মনহীন বা চেতনাহীন, যা foolish শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। B) clever — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ চালাক বা বুদ্ধিমান। C) rash — rash অর্থ অপরিণামদর্শী বা হটকারী, যা foolish শব্দের বিপরীতার্থক নয়। D) idiot — idiot অর্থ বোকা বা মূর্খ, যা foolish শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Foolish অর্থ বোকার সাথে Clever অর্থ চালাক জোড়াটি মনে রাখলে সহজে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা যায়।
a visiting
b downloading
c uploading
d surfing
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) surfing কেন সঠিক: - ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা পাতা ঘুরে দেখা অর্থে ইংরেজি ভাষায় 'surf the internet' বা 'surf the net' একটি প্রচলিত ফ্রেজ বা ইডিওম্যাটিক ব্যবহার। - প্রাত্যহিক জীবনের ইন্টারনেট ব্রাউজিং বা ঘাঁটাঘাঁটি বোঝাতে 'surf' শব্দটি সবচেয়ে যথাযথ এবং প্রমিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visiting — ভিজিট বা পরিদর্শন করা অর্থ প্রকাশ করলেও ইন্টারনেটের সাথে নির্দিষ্ট ফ্রেজ হিসেবে 'visit internet' ব্যবহৃত হয় না। B) downloading — ইন্টারনেট থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা নিজের ডিভাইসে নামানো বোঝায়, যা প্রতিদিন ঘণ্টা ধরে করার সাধারণ কাজ নয়। C) uploading — নিজের ডিভাইস থেকে ইন্টারনেটে কোনো ফাইল বা তথ্য পাঠানো বোঝায়, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে বেমানান। D) surfing — ইন্টারনেট ব্রাউজ করা বা বিভিন্ন তথ্য খোঁজার বহুল প্রচলিত ও সঠিক ফ্রেজ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট বা ওয়েব পেজ ব্রাউজ করার ক্ষেত্রে সবসময় 'surf' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যেমন সার্ফিং অন দ্য ইন্টারনেট।

মোট প্রশ্ন (20)

a মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
b ইংল্যান্ড
c জার্মানি
d রাশিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - লিও তলস্টয় বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক যিনি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - ওয়ার অ্যান্ড পিস এবং আনা কারেনিনা উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র — এটি মার্ক টোয়েন বা আর্নেস্ট হেমিংওয়ের মতো লেখকদের জন্মস্থান, লিও তলস্টয়ের নয়। B) ইংল্যান্ড — এটি উইলিয়াম শেকসপিয়র বা চার্লস ডিকেন্সের দেশ, রুশ সাহিত্যিক তলস্টয়ের নয়। সি) জার্মানি — এটি জোহান ভলফগাং ফন গ্যেটে বা ফ্রানৎস কাফকার সাহিত্যক্ষেত্রের সাথে সম্পর্কিত, রুশ সাহিত্যের সাথে নয়। D) রাশিয়া — এটি সঠিক, কারণ লিও তলস্টয় রুশ সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার বিখ্যাত উপন্যাস ওয়ার অ্যান্ড পিস পাঠ করলেই লেখক লিও তলস্টয় ও তার দেশের নাম মনে রাখা সহজ হয়।
a pH = 2
b pH = 5
c pH = 8
d pH = 10
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) pH = 2 কেন সঠিক: - pH এর মান যত কম হয়, এসিডের তীব্রতা তত বেশি হয়। - pH স্কেলে ০ থেকে ৬ পর্যন্ত মানগুলো এসিডিক বা অম্লীয় বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pH = 2 — এটি সবচেয়ে কম pH মান হওয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী এসিড নির্দেশ করে। B) pH = 5 — এর pH মান ২ এর চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল এসিড। C) pH = 8 — এর pH মান ৭ এর চেয়ে বেশি হওয়ায় এটি ক্ষারীয় পদার্থ, এসিড নয়। D) pH = 10 — এর pH মান ৭ এর চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এটি শক্তিশালী ক্ষার নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: pH স্কেলে মান যত কম, এসিড তত বেশি শক্তিশালী।
a ১৪টি
b ১৫টি
c ১৬টি
d ১৭টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭টি কেন সঠিক: - এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭টি। - ২০১৫ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘ এই ১৭টি অভীষ্ট বা গোল ঠিক করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৪টি — এটি কোনো নির্দিষ্ট এসডিজির সংখ্যা নয় এবং এটি ভুল অপশন। B) ১৫টি — এমডিজি বা আগের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের সাথে এটি বিভ্রান্তিকর, এসডিজির সংখ্যা এটি নয়। C) ১৬টি — এটি এসডিজির মোট লক্ষ্যের সংখ্যা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। D) ১৭টি — এটি এসডিজির মূল লক্ষ্যসমূহের সঠিক সংখ্যা হিসেবে নির্ধারিত আছে। মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি লেখার ইংরেজি শব্দ Sustainable Development Goals-এ ১৭টি অক্ষর নেই, তবে মনে রাখবেন এর মূল লক্ষ্য ১৭টি।
a ৫ বছর
b ৪ বছর
c ৩ বছর
d ৬ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের অনু অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে। - রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে ৫ বছরের জন্য তাঁর পদে বহাল থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ বছর — এটি রাষ্ট্রপতির পদের নির্ধারিত সাংবিধানিক মেয়াদ এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ৪ বছর — বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বা সংসদীয় পদের ক্ষেত্রে চার বছর মেয়াদ সংক্রান্ত কোনো বিধান সংবিধানে নেই। C) ৩ বছর — বাংলাদেশের কোনো সাংবিধানিক পদের মেয়াদ সাধারণত তিন বছর হয় না। D) ৬ বছর — ছয় বছর মেয়াদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ও রাষ্ট্রপতি উভয় পদের জন্যই মেয়াদকাল পাঁচ বছর নির্ধারিত আছে।
a পানামা
b এস সালভেদর
c নিকারাগুয়া
d ব্রাজিল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিকারাগুয়া কেন সঠিক: - মানাগুয়া হলো মধ্য আমেরিকার দেশ নিকারাগুয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। - এটি মানাগুয়া হ্রদের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানামা — এটি পানামা দেশের রাজধানী পানামা সিটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, নিকারাগুয়ার রাজধানী নয়। B) এস সালভেদর — এটি এল সালভাদর দেশের রাজধানী, যা নিকারাগুয়ার রাজধানী নয়। C) নিকারাগুয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং মানাগুয়া শহরটি এখানেই অবস্থিত। D) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ, যার রাজধানী ব্রাসিলিয়া এবং মানাগুয়া এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ন দিয়ে নিকারাগুয়া এবং ম দিয়ে মানাগুয়া মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ নিকারাগুয়ার রাজধানী মানাগুয়া।
a আফগানিস্তান
b ইরাক
c সিরিয়া
d প্যালেস্টাইন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্যালেস্টাইন কেন সঠিক: - প্যালেস্টাইন ও ভ্যাটিকান সিটি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, তবে তারা জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। - প্যালেস্টাইন মুসলিম দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংস্থা ওআইসি বা অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশনের সদস্য রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফগানিস্তান — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই সাধারণ সদস্য রাষ্ট্র। B) ইরাক — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয় সংস্থারই সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত আছে। C) সিরিয়া — এটি ওআইসি এবং জাতিসংঘ উভয়েরই সদস্য রাষ্ট্র, তবে গৃহযুদ্ধের কারণে ওআইসিতে এর সদস্যপদ স্থগিত ছিল। D) প্যালেস্টাইন — এটি ওআইসির সদস্য হলেও জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয়, বরং পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: ওআইসির সদস্য কিন্তু জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য নয় এমন দুটি রাষ্ট্রের একটি প্যালেস্টাইন এবং অন্যটি ভ্যাটিকান সিটি।
a বৌদ্ধ বিহার
b প্রাচীন রাজধানী
c স্বাস্থ্যকর স্থান
d শালবন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বৌদ্ধ বিহার কেন সঠিক: - ময়নামতি কুমিল্লার লালমাই পাহাড় এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। - এখানে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর বহু প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ও সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৌদ্ধ বিহার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ময়নামতিতে শালবন বিহারসহ বেশ কিছু বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার আবিষ্কৃত হয়েছে। B) প্রাচীন রাজধানী — এটি প্রাচীন কোনো উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক রাজধানী ছিল না, বরং এটি ধর্মীয় ও শিক্ষা কেন্দ্র ছিল। C) স্বাস্থ্যকর স্থান — এটি কোনো প্রথাগত স্বাস্থ্যনিবাস বা পাহাড়ি রিসোর্ট হিসেবে পরিচিত নয়। D) শালবন — শালবন এখানকার একটি নির্দিষ্ট বৌদ্ধ বিহারের নাম, যা ময়নামতির পুরো এলাকার সার্বিক পরিচয় নয়। মনে রাখার টিপস: ময়নামতি মানেই বৌদ্ধ বিহার এবং কুমিল্লা।
a জাপান
b ব্রাজিল
c রাশিয়া
d চীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জাপান কেন সঠিক: - BRICS হলো উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার বর্তমান সদস্য দেশগুলো হলো ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। - জাপান বিশ্বের অন্যতম উন্নত শিল্পোন্নত দেশ এবং এটি এই অর্থনৈতিক জোটের সদস্য নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি জি সেভেন বা উন্নত অর্থনীতির দেশের জোটের সদস্য, বিডব্লিউআইসিএস বা ব্রিকস জোটের সদস্য নয়। B) ব্রাজিল — এটি ব্রিকস জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং বি অক্ষরটি ব্রাজিল নির্দেশ করে। C) রাশিয়া — এটি ব্রিকস জোটের অন্যতম প্রধান এবং প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র। D) চীন — এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি এবং ব্রিকস জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। মনে রাখার টিপস: ব্রিকস জোটের সদস্য দেশগুলো মনে রাখার সহজ শব্দ হলো বিআরআইসিএস, যেখানে জাপান নামটি নেই।
a ২০ জানুয়ারি
b ১০ জানুয়ারি
c ২৪ জানুয়ারি
d ২৮ জানুয়ারি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ জানুয়ারি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। - ঐতিহাসিক এই দিনটিকে বাঙালি জাতি প্রতিবছর বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ জানুয়ারি — এই তারিখে ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয় না এবং এই দিনে অন্য কোনো বড় ঐতিহাসিক ঘটনা নেই। B) ১০ জানুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) ২৪ জানুয়ারি — এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালিত হয়, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নয়। D) ২৮ জানুয়ারি — এই তারিখে নির্দিষ্ট কোনো জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে বঙ্গবন্ধুর ফেরার দিনটি মনে রাখতে সংখ্যা দুটি মনে রাখুন, মাস জানুয়ারি এবং তারিখ ১০।
a অংশুমান রায়
b গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
c আলতাফ মাহমুদ
d আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক 'শোন একটি মুজিবরের থেকে' গানটির বিখ্যাত গীতিকার হলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। - মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত এই গানটি বাঙালি জাতিকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অংশুমান রায় — তিনি এই ঐতিহাসিক গানটির প্রথম সুরকার ও গায়ক হলেও গীতিকার নন। B) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির কথা বা লিরিক লিখেছেন। C) আলতাফ মাহমুদ — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার ও শহিদ বুদ্ধিজীবী হলেও এই গানটির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) আপেল মাহমুদ — তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ের একজন জনপ্রিয় শিল্পী ও মুক্তিযোদ্ধা হলেও এই গানের রচয়িতা নন। মনে রাখার টিপস: গ দিয়ে গান এবং গ দিয়ে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে তিনি এই গানের গীতিকার।
a ১ম ভাগে
b ৩য় ভাগে
c ৬ষ্ঠ ভাগে
d ৩য় ভাগে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩য় ভাগে (নোট: প্রদত্ত প্রশ্নে B এবং D উভয় অপশনেই ৩য় ভাগ রয়েছে, সংবিধানের মৌলিক অধিকার ৩য় ভাগে বর্ণিত হয়েছে)। কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সংবিধানের ৩য় ভাগে ২৬ থেকে ৪४ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলোর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। - এটি সংবিধানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতা ও আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ম ভাগে — ১ম ভাগে প্রজাতন্ত্রের ঘোষণা, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও সীমানা সংক্রান্ত মৌলিক বিধানাবলী বর্ণনা করা হয়েছে। B) ৩য় ভাগে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই ভাগে সংবিধানের ২৬ থেকে ৪४ অনুচ্ছেদে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ বর্ণিত হয়েছে। C) ৬ষ্ঠ ভাগে — ৬ষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ সম্পর্কিত বিধানাবলী যেমন সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালত গঠন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। D) ৩য় ভাগে — এটিও ৩য় ভাগ হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, কারণ মৌলিক অধিকার এই অংশেই অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের সংখ্যা মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো ৩য় ভাগে ৩টি প্রধান বিষয় জড়িত মৌলিক অধিকার, ২৬ থেকে ৪४ অনুচ্ছেদ এবং নাগরিক সুরক্ষা।
a হামিদুর রহমান
b নিতুন কুণ্ডু
c মাঈনুল হোসেন
d শামীম সিকদার
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাঈনুল হোসেন কেন সঠিক: - স্থপতি মাঈনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌদের নকশা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছিলেন। - তাঁর নকশার ওপর ভিত্তি করেই সাভারে বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাশিল্পী ও ভাস্কর ছিলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌদের নন। B) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর ছিলেন, যিনি সাভার স্মৃতিসৌদের বীর প্রতীক ভাস্কর্যের ডিজাইনার। D) শামীম সিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের স্থপতি ও ভাস্কর। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের 'মাঈনুল' নামের সাথে জাতীয় স্মৃতিসৌদের প্রধান নকশাকার হিসেবে কথাটি মনে রাখতে হবে।
a ভারত
b ইরাক
c সোভিয়েত ইউনিয়ন
d ভুটান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভুটান কেন সঠিক: - বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে। - একই দিনে ভারতও বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — বাংলাদেশ ও ভুটানকে স্বীকৃতি দিলেও ভুটানের স্বীকৃতি ভারতের সামান্য আগেই নথিভুক্ত হয়েছিল। B) ইরাক — ইরাক অনেক পরে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছিল। C) সোভিয়েত ইউনিয়ন — সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জোরালো সমর্থন দিলেও তারা প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ নয়। D) ভুটান — ভুটান এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে প্রথম স্বীকৃতি দেয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান, আর সালটি ছিল ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর।
a ব্রাসেলস
b জেনেভা
c লন্ডন
d প্যারিস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ব্রাসেলস কেন সঠিক: - ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থার প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। - এই সামরিক জোটে বর্তমানে বত্রিশটি সদস্য দেশ রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রাসেলস — এটি সঠিক উত্তর কারণ ন্যাটোর প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও রেড ক্রসের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। C) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ন্যাটোর প্রাথমিক সদর দপ্তর ১৯৪৯ সালে প্রথমে এখানে স্থাপিত হলেও পরে স্থানান্তরিত হয়। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং একসময় ন্যাটোর সামরিক সদর দপ্তর এখানে থাকলেও ১৯৬৬ সালে তা সরে যায়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর প্রধান কার্যালয় বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত, যা ইউরোপের রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
a 1921
b 1952
c 1915
d 1972
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1921 কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১ জুলাই ১৯২১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। - নাথান কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এবং ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট অনুযায়ী এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1921 — এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল। B) 1952 — এটি বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক বছর, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) 1915 — এই সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। D) 1972 — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়নের বছর, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, আর এর মাত্র একত্রিশ বছর পর ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয়।
a ৯টি
b ১১টি
c ১০টি
d ১২টি
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - এছাড়া সমগ্র দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরেও ভাগ করা হয়েছিল এবং ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-সেক্টর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯টি — এটি সঠিক নয় কারণ মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর সংখ্যা ৯টি ছিল না। B) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর। C) ১০টি — এটি সঠিক নয় কারণ সেক্টর মোট ১১টি ছিল, যদিও ১০ নম্বর সেক্টরটি নৌবাহিনীর জন্য নির্ধারিত ছিল। D) ১২টি — এটি সঠিক নয় কারণ সেক্টর সংখ্যা কখনো ১২টি ছিল না। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর মনে রাখতে মনে রাখুন ১০ নম্বর নৌ সেক্টর বাদে বাকি ১০টি স্থল সেক্টর এবং ১টি ছিল প্রধান সেনাপতির অধীনে বিশেষ সেক্টর, মোট ১১টি।
a জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
b জনাব এম মনসুর আলী
c জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯৭১ সালের সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। B) জনাব এম মনসুর আলী — তিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। C) জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। D) কোনটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকার পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ, তাই তাকে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনে রাখবে।
a ইংল্যান্ড
b ফ্রান্স, লিও
c গ্রিস
d পর্তুগাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স, লিও কেন সঠিক: - ইন্টারপোলের বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য এই শহরে সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ড — ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ইংল্যান্ডে অবস্থিত নয়। B) ফ্রান্স, লিও — এটি ইন্টারপোলের সঠিক সদর দপ্তর। C) গ্রিস — গ্রিস ইন্টারপোলের সদর দপ্তর নয়। D) পর্তুগাল — পর্তুগালে ইন্টারপোলের প্রধান কার্যালয় নেই। মনে রাখার টিপস: ইন্টারপোল মানে আন্তর্জাতিক পুলিশ, আর তাদের লিও ফ্রান্সে সিংহের মতো কড়া পাহারা।
a ফ্রান্স
b চীন
c রাশিয়া
d জার্মানি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জার্মানি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ পাঁচটি, যার মধ্যে জার্মানি অন্তর্ভুক্ত নয়। - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন এই পরিষদের স্থায়ী সদস্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি স্থায়ী সদস্য দেশ। B) চীন — এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য দেশ। C) রাশিয়া — এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরি হিসেবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। D) জার্মানি — এটি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়। মনে রাখার টিপস: স্থায়ী দেশগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ফ্রাঞ্চাইজি (ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা, চীন, যুক্তরাজ্য); যেখানে জার্মানির কোনো স্থান নেই।
a ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
b রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
c কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ
d জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ কেন সঠিক: - ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশেষ ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করেছে। - দুই বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সাহিত্য উন্নয়নে তাঁর বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি বাংলাদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এই নির্দিষ্ট ডিলিট ডিগ্রি প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় — এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও এই বিশেষ সম্মাননাটি প্রদান করেনি। C) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় — এটি রাজধানী ঢাকার একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যা এই বিশেষ ডিগ্রি প্রদানের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের কবি কাজী নজরুল ইসলামের নামে প্রতিষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছিল।

মোট প্রশ্ন (38)

a Water Cement ratio
b Void ratio
c Porosity
d Degree of saturation
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Porosity কেন সঠিক: - মাটির মোট আয়তনের সাথে রন্ধ্র বা ফাঁকা জায়গার আয়তনের অনুপাতকে পোরোসিটি বলা হয়। - এটি সাধারণত শতকরা প্রকাশ করা হয় এবং মাটির ধারণক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Water Cement ratio — এটি মূলত কংক্রিটে ব্যবহৃত পানি ও সিমেন্টের ওজনের অনুপাত, যা মাটির ভলিউমের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) Void ratio — এটি রন্ধ্রের আয়তন এবং কঠিন অংশের আয়তনের অনুপাত, যা মোট আয়তনের সাথে অনুপাত নয়। C) Porosity — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত এবং মাটির মোট আয়তন ও রন্ধ্র ফাঁকার অনুপাত নির্দেশ করে। D) Degree of saturation — এটি মাটিতে থাকা পানির আয়তন এবং মোট রন্ধ্রের আয়তনের অনুপাত বোঝায়। মনে রাখার টিপস: পোরোসিটি মানেই মোট আয়তনের মধ্যে ফাঁকা জায়গার শতকরা হার।
a Cener to center of rail
b Running face of rail
c Outer face of rail
d কোনোটিই নয়
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Center to center of rail কেন সঠিক: - রেলওয়ের ক্ষেত্রে গেজ দূরত্ব বলতে দুটি রেললাইনের ভিতরের অংশের মধ্যবর্তী দূরত্বকে বোঝায়। - এটি সরাসরি একটি রেলের মাথা থেকে অপর রেলের মাথার কেন্দ্র পর্যন্ত মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Center to center of rail — এটি গেজ দূরত্বের সঠিক সংজ্ঞা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) Running face of rail — এটি শুধু রেলের যে অংশে চাকা গড়ায় তা নির্দেশ করে, সম্পূর্ণ ব্যবধান নয়। C) Outer face of rail — এটি দুটি রেলের বাইরের প্রান্ত বোঝায়, যা স্ট্যান্ডার্ড গেজ পরিমাপের নিয়ম নয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গেজ মানে কেন্দ্র থেকে কেন্দ্র, রেলের দুই মাথার মাঝখানের দূরত্ব।
a 750 mm × 900 mm
b 600 mm × 750 mm
c 450 mm × 600 mm
d 300 mm × 450 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ মিলিমিটার × ৭৫ মিলিমিটার (প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন B সঠিক এবং পরিমাপটি মূলত সেন্টিমিটার হবে, তবে প্রমিত পাঠ্যবই অনুযায়ী অপশন বি সঠিক) কেন সঠিক: - প্লেন টেবিল সার্ভেয়িংয়ে সাধারণত ছোট বা মাঝারি আকারের টেবিল ব্যবহার করা হয় যার আদর্শ মাপ ষাট সেন্টিমিটার গুণন পঁচাত্তর সেন্টিমিটার। - এটি ফিল্ডে প্লেইন টেবিল বসানোর জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ও বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড সাইজ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭৫ মিলিমিটার × ৯০ মিলিমিটার — এই মাপটি প্লেন টেবিলের জন্য অত্যন্ত ছোট এবং ফিল্ড কাজের অনুপযোগী। B) ৬০ মিলিমিটার × ৭৫ মিলিমিটার — এটি স্ট্যান্ডার্ড প্লেন টেবিলের সঠিক পরিমাপ হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর। C) ৪৫ মিলিমিটার × ৬০ মিলিমিটার — এই মাপটি ছোট আকারের প্লেইন টেবিলের জন্য প্রযোজ্য, যা স্ট্যান্ডার্ড সাইজ নয়। D) ৩০ মিলিমিটার × ৪৫ মিলিমিটার — এটি প্লেইন টেবিলের প্রমিত মাপ নয়, এটি খসড়া কাজের ছোট বোর্ডের মাপ। মনে রাখার টিপস: প্লেন টেবিলের আদর্শ মাপ মনে রাখতে ষাট ও পঁচাত্তর এই দুটি সংখ্যা মনে রাখুন।
a Wood
b Steel
c Concrete
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of them কেন সঠিক: - Sheet pile হলো এমন এক ধরণের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং উপাদান যা সাধারণত মাটির ক্ষয় রোধ ও বাঁধ নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত হয়। - প্রজেক্টের প্রয়োজনীয়তা, মাটির ধরন ও খরচের ওপর ভিত্তি করে এটি কাঠ, স্টিল বা কংক্রিট যেকোনো উপাদান দিয়েই তৈরি করা সম্ভব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wood — কাঠ দিয়ে শিট পাইল তৈরি করা হয়, যা সাধারণত হালকা ও স্বল্পস্থায়ী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি একমাত্র সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) Steel — স্টিল দিয়ে শিট পাইল তৈরি করা হয়, যা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং আধুনিক নির্মাণকাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। C) Concrete — কংক্রিট দিয়ে শিট পাইল তৈরি করা হয়, যা ভারী এবং দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) All of them — কাঠ, স্টিল এবং কংক্রিট তিনটির মাধ্যমেই শিট পাইল তৈরি করা যায় বলে এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: শিট পাইল তিন প্রকারের উপাদানে তৈরি হয়, সংক্ষেপে মনে রাখুন কাঠ, স্টিল ও কংক্রিট।
a Center of Span
b Under wheel load
c At the support
d কখনো Wheel load এর নিচে নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Center of Span কেন সঠিক: - সিম্পলি সাপোর্টেড গার্ডারের ক্ষেত্রে মুভিং বা ট্রেন হুইল লোডের প্রভাবে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট সাধারণত স্প্যানের ঠিক কেন্দ্রস্থলে বা তার কাছাকাছি তৈরি হয়। - একাধিক হুইল লোডের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েন্স লাইন ডায়াগ্রাম বা প্রভাব রেখা ব্যবহার করে হিসাব করলে দেখা যায় স্প্যানের মাঝ বরাবর শেয়ার ফোর্স শূন্য হয় এবং বেন্ডিং মোমেন্ট সর্বোচ্চ মানে পৌঁছায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Center of Span — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিন্দুতেই গার্ডারের সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্ট বা নমন ভ্রামক কাজ করে। B) Under wheel load — হুইল লোডের ঠিক নিচে লোকাল বেন্ডিং মোমেন্ট থাকতে পারে, তবে সর্বোচ্চ সামগ্রিক বেন্ডিং মোমেন্ট সাধারণত স্প্যানের কেন্দ্রে বা তার কাছাকাছি ঘটে। C) At the support — সাপোর্টের নিকটবর্তী স্থানে বেন্ডিং মোমেন্ট শূন্য বা সর্বনিম্ন হয়, কারণ সেখানে কোনো ডিফ্লেকশন বা দূরত্ব থাকে না। D) কখনো Wheel load এর নিচে নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কিছু শর্তে হুইল লোডের কাছাকাছি স্থানেও উল্লেখযোগ্য বেন্ডিং মোমেন্ট হতে পারে। মনে রাখার টিপস: সিম্পলি সাপোর্টেড গার্ডারে সর্বোচ্চ বেন্ডিং মোমেন্টের জন্য সবসময় স্প্যানের কেন্দ্র বা সেন্টার পয়েন্ট মনে রাখতে হবে।
a 1/4 th of its width
b half of its width
c 3/4 th of its width
d Equal of its width
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Equal of its width কেন সঠিক: - সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী, ফুটিং বা ফাউন্ডেশনের গভীরতা যখন এর প্রস্থের সমান বা তার কম হয়, তখন তাকে শ্যালো ফাউন্ডেশন বলা হয়। - সাধারণভাবে ডি/বি অনুপাত এক বা তার কম হলে তা শ্যালো ফাউন্ডেশন হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1/4 th of its width — এটি শ্যালো ফাউন্ডেশনের প্রচলিত সংজ্ঞা নয়, এটি ভিত্তির গভীরতার জন্য নির্দিষ্ট কোনো মান নির্দেশ করে না। B) half of its width — এটি শ্যালো ফাউন্ডেশনের সীমার মধ্যে থাকলেও সঠিক পূর্ণ শর্ত পূরণ করে না। C) 3/4 th of its width — এটিও ফাউন্ডেশনের গভীরতা ও প্রস্থের সঠিক এবং পূর্ণ অনুপাত নির্দেশ করে না। D) Equal of its width — এটি সঠিক কারণ শ্যালো ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে গভীরতা এবং প্রস্থ সমান বা গভীরতা প্রস্থ অপেক্ষা কম হতে পারে। মনে রাখার টিপস: শ্যালো ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে গভীরতা প্রস্থের সমান বা কম হয়, পক্ষান্তরে ডিপ ফাউন্ডেশনের ক্ষেত্রে গভীরতা প্রস্থের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
a 10 mm down grade
b 16 mm down grade
c 20 mm down grade
d 25 mm down grade
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 20 mm down grade কেন সঠিক: - সাধারণ ভবন নির্মাণে রেইনফোর্সড সিমেন্ট কংক্রিট বা আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য খোয়া বা এগ্রিগেটের আদর্শ মাপ হলো কুড়ি মিলিমিটার। - এই মাপের খোয়া রডের জালের মাঝখানে সহজে প্রবেশ করতে পারে এবং কংক্রিটের ঘনত্ব ও স্থায়িত্ব সঠিক রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 10 mm down grade — এই মাপের খোয়া খুব ছোট হওয়ায় সাধারণ আরসিসি ঢালাইয়ের চেয়ে প্লাস্টার বা বিশেষ কাজে বেশি উপযোগী। B) 16 mm down grade — এটি ছোট আকারের খোয়া, যা সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম ঘন রডের কাজে ব্যবহার করা হয়। D) 25 mm down grade — এই মাপের খোয়া খুব বড় হওয়ায় ঘন রডের ভেতরে সঠিকভাবে ঢুকতে পারে না এবং ঢালাইয়ের মান নষ্ট করতে পারে। মনে রাখার টিপস: সাধারণ আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য স্ট্যান্ডার্ড খোয়ার মাপ মনে রাখতে কুড়ি মিলিমিটার বা বিশ মিলিমিটার সাইজটি প্রধান পছন্দ হিসেবে ধরে রাখতে হবে।
a triaxial test
b Specific Gravity Test
c CBR
d LL test
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CBR কেন সঠিক: - CBR বা ক্যালিফোর্নিয়া বেয়ারিং রেশিও টেস্ট মাটির শক্তি এবং ভারবহন ক্ষমতা পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত রাস্তাঘাট ও বিমানবন্দর নির্মাণের ক্ষেত্রে মাটির সাবগ্রেড বা ভিতের শক্তি নির্ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) triaxial test — এটি মূলত মাটির শিয়ারিং স্ট্রেন্থ বা কৃন্তন শক্তি নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত পরীক্ষাগারভিত্তিক পরীক্ষা, মাটির সার্বিক শক্তি পরীক্ষার প্রাথমিক মাপকাঠি নয়। B) Specific Gravity Test — এটি মাটির কণার আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়, যা মাটির শক্তি সরাসরি পরিমাপ করে না। D) LL test — এটি মাটির লিকুইড লিমিট বা তরল সীমা নির্ণয় করার অ্যাটারবার্গ লিমিট পরীক্ষার অংশ, যা মাটির ভারবহন ক্ষমতা নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: রাস্তা বা মাটির শক্তি মানেই সিবিআর বা ক্যালিফোর্নিয়া বেয়ারিং রেশিও পরীক্ষা।
a 10
b 15
c 12
d কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৫ কেন সঠিক: - স্থাপত্য ও প্রকৌশল বিদ্যার সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সিঁড়ির একটি ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ১৫টি ধাপ রাখা হয়। - এটি ব্যবহারকারীদের ক্লান্তি দূর করতে এবং নিরাপদে চলাচল নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ — এটি খুব ছোট ফ্লাইট এবং মানসম্মত প্রকৌশল বিধি অনুযায়ী সিঁড়ির ক্ষেত্রে এটি সাধারণত প্রযোজ্য নয়। B) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর এবং সিঁড়ির একটি ফ্লাইটের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মান। C) ১২ — এটি কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সিঁড়ির ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ধাপের সংখ্যা ১৫ ধরা হয়। D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সিঁড়ির আরামদায়ক ও নিরাপদ চলাচলের জন্য সর্বোচ্চ ধাপের সংখ্যা মনে রাখবেন পনেরোটি।
a ২ ঘণ্টা
b ৬ ঘণ্টা
c ৮ ঘণ্টা
d ১০ ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ঘণ্টা কেন সঠিক: - সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ক্ষেত্রে মিশ্রণের পর জমাট বাঁধার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া বা ফাইনাল সেটিং টাইম সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা নির্ধারিত থাকে। - এই সময়ের মধ্যে সিমেন্ট পেস্ট সম্পূর্ণ শক্ত হয়ে কাঠামোগত শক্তি অর্জনের প্রাথমিক ধাপে প্রবেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ ঘণ্টা — এটি সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইম নয়, কারণ এই সময়ের মধ্যে সিমেন্ট জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া সবেমাত্র শুরু বা শেষের দিকে থাকে। B) ৬ ঘণ্টা — এই সময়টি সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইমের মানদণ্ডের চেয়ে কম এবং এটি ভুল উত্তর। C) ৮ ঘণ্টা — এটি সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইমের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ সীমা নয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) ১০ ঘণ্টা — এটি সিমেন্টের ফাইনাল সেটিং টাইমের জন্য নির্ধারিত মান এবং তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সিমেন্টের ইনিশিয়াল সেটিং টাইম কম পক্ষে ৩০ মিনিট এবং ফাইনাল সেটিং টাইম সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা বা ৬০০ মিনিট হয়।
a Unweathered clay
b weathered clay
c Silted soil
d Black cotton clay
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) weathered clay কেন সঠিক: - আবহবিকারের ফলে আবহাওয়ার সংস্পর্শে এসে মাটি তার ক্ষতিকর উপাদান এবং অতিরিক্ত জৈব পদার্থ হারিয়ে ইটের উপযোগী হয়। - এই মাটিতে প্লাস্টিসিটি বা নমনীয়তা সঠিকমাত্রায় থাকে, যা মানসম্মত প্রথম শ্রেণির ইট তৈরিতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unweathered clay — এটি অপরিপক্ক মাটি হওয়ায় এর উপাদানগুলো ইটের মাটির উপযোগী থাকে না এবং পুড়লে মান খারাপ হয়। B) weathered clay — এটি প্রথম শ্রেণির ইট তৈরির জন্য সর্বোত্তম এবং সঠিক অপশন। C) Silted soil — এই মাটিতে বালুর পরিমাণ বেশি থাকে, যা ইটের দৃঢ়তা নষ্ট করে এবং সহজে ফেটে যায়। D) Black cotton clay — এতে অতিরিক্ত কোয়ালিটির সংকোচন ও প্রসারণ গুণ থাকে, যা পুড়লে ইটকে ভেঙে বা বাঁকিয়ে ফেলে। মনে রাখার টিপস: ইট ভালো হতে চাইলে মাটি হতে হবে আবহাওয়া পক্ব বা weathered clay।
a Metro- Rail
b Taxi cab
c Motor cycle
d Bus
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Metro- Rail কেন সঠিক: - মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা এমআরটি হলো উচ্চ ক্ষমতার গণপরিবহন ব্যবস্থা যা মূলত শহরে যানজট কমাতে এবং দ্রুত যাতায়াতের জন্য নির্মিত মেট্রো রেল ব্যবস্থা। - এটি শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে স্বাধীন ও আলাদা লাইনে চলাচল করে, যা একে সাধারণ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Metro- Rail — এটি একটি উচ্চ ক্ষমতার মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা এমআরটি ব্যবস্থা যা সঠিক উত্তর। B) Taxi cab — এটি ব্যক্তিগত বা অনিয়মিত গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা মাস র‍্যাপিড ট্রানজিটের আওতাভুক্ত নয়। C) Motor cycle — এটি একটি ব্যক্তিগত বাহন এবং মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা গণপরিবহন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) Bus — বাস গণপরিবহন হলেও এটি সাধারণত সাধারণ রাস্তায় চলাচল করে এবং ট্রাফিক জটের কারণে মাস র‍্যাপিড ট্রানজিটের বিশেষ মানদণ্ড পুরোপুরি পূরণ করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখুন, মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট মানেই বিশাল জনগোষ্ঠীর দ্রুত চলাচলের জন্য নির্ধারিত মেট্রো রেল ব্যবস্থা।
a Straight line
b Horizontal line
c Inclined line
d None of these
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None of these (সঠিক উত্তর হবে Parabola বা পরাবৃত্ত) কেন সঠিক: - Simply Supported Beam এর উপর Uniformly Distributed Load বা সমভাবে বিস্তৃত লোড থাকলে বেন্ডিং মোমেন্ট কার্ভটি একটি পরাবৃত্ত বা Parabola আকৃতির হয়। - প্রদত্ত অপশনগুলোতে Parabola বা পরাবৃত্ত না থাকায় সঠিক উত্তরটি হবে None of these। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Straight line — এটি Point Load বা কেন্দ্রীভূত লোডের ক্ষেত্রে Shear Force Diagram-এ দেখা যায়, Bending Moment Diagram-এ নয়। B) Horizontal line — এটি কোনো লোড না থাকলে বা Uniformly Distributed Load এর Shear Force Diagram-এ দেখা যায়। C) Inclined line — এটি Uniformly Distributed Load এর Shear Force Diagram-এ এবং Point Load এর Bending Moment Diagram-এ দেখা যায়। D) None of these — সঠিক উত্তর Parabola হওয়ায় এই অপশনটিই এখানে সঠিক। মনে রাখার টিপস: লোড সমভাবে বিস্তৃত (UDL) হলে বেন্ডিং মোমেন্ট সব সময় বক্ররেখা বা Parabola হয়।
a Penetration
b Gradation
c Slump test
d Steve analysis
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Slump test কেন সঠিক: - স্লাম্প টেস্ট হলো ঢালাইয়ের পূর্বে ভেজা কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজে কাজ করার ক্ষমতা পরিমাপের সবচেয়ে সহজ ও প্রচলিত পদ্ধতি। - এই পরীক্ষায় একটি নির্দিষ্ট মাপের শঙ্কু আকৃতির পাত্রে কংক্রিট ভর্তি করে তা তুলে নেওয়া হয় এবং কংক্রিটটি কতটুকু বসে গেল তা মাপা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Penetration — এটি সাধারণত বিটুমিন বা মাটির দৃঢ়তা পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটির জন্য নয়। B) Gradation — এটি এগ্রিগেট বা খোয়ার আকার ও কণার বিন্যাস পরীক্ষার জন্য করা হয়। C) Slump test — এটি কংক্রিটের ওয়ার্কাবিলিটি বা সহজে কাজ করার ক্ষমতা মাপার সঠিক পরীক্ষা। D) Steve analysis — এটি মূলত চালুনির সাহায্যে বিভিন্ন আকারের এগ্রিগেটের কণার সাইজ বা গ্রেডিং নির্ধারণের পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: কংক্রিট সহজে নাড়াচাড়া বা ঢালাই করা যায় কি না তা দেখার জন্য স্লাপ বা বসে যাওয়া মাপা হয়, যাকে Slump test বলে।
a 0.1
b 0.2
c 0.15
d 0.3
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 0.2 কেন সঠিক: - মৃত্তিকা বিজ্ঞান বা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মৃত্তিকা mechanics-এর তথ্য অনুযায়ী, সূক্ষ্ম দানাদার মৃত্তিকার প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য পানি শোষণের মাত্রা নির্ধারিত থাকে। - নির্দিষ্ট মাটির সিক্তকরণ বা পরিস্রাবণ ক্ষমতার মান যাচাই করে এই আদর্শ মানটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 0.1 — এই মানটি প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় কম এবং নির্ধারিত আদর্শ সীমার বাইরে। B) 0.2 — এটি প্রথম শ্রেণির সর্বোচ্চ পানি শোষণের সঠিক ও প্রমিত মান। C) 0.15 — এই মানটি সঠিক মানের চেয়ে কম হওয়ায় তা প্রথম শ্রেণির আওতাভুক্ত নয়। D) 0.3 — এই মানটি সর্বোচ্চ সীমার চেয়ে বেশি, তাই এটি প্রথম শ্রেণির মানের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে পানি শোষণের মান মনে রাখতে সংখ্যাটি দুই দশক অর্থাৎ শূন্য দশমিক দুই মনে রাখুন।
a Base coarse এর উপরে
b Subgrade এর উপরে
c Rail Track এ
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Base coarse এর উপরে কেন সঠিক: - পেভমেন্ট নির্মাণে গ্র্যানুলার বেস কোর্সের ওপর বিটুমিনাস সারফেসিং বা পিচ ঢালার আগে প্রাইম কোট প্রয়োগ করা হয়। - এটি বেস কোর্সের উপরিভাগের ফাঁকা স্থানগুলো বন্ধ করে এবং ওপরের বিটুমিনাস স্তরের সঙ্গে শক্ত বন্ধন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Base coarse এর উপরে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ প্রাইম কোট সাধারণত গ্র্যানুলার বেস কোর্সের ঠিক ওপরে প্রয়োগ করা হয়। B) Subgrade এর উপরে — সাবগ্রেডের ওপরে প্রাইম কোট ব্যবহার করা হয় না, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাইম কোটের পরিবর্তে প্রাইম কোটের আগের স্তর যেমন সাববেস বা ট্যাক কোট ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। C) Rail Track এর — রেল ট্র্যাকের সঙ্গে প্রাইম কোটের কোনো সম্পর্ক নেই কারণ এটি সড়ক নির্মাণ প্রকৌশলের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া। D) কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন এ সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: সড়ক নির্মাণে বেস কোর্সের ওপরে পিচ বসানোর আগে প্রাইম কোট ব্যবহার করা হয়।
a 1/110
b 1/100
c 1/1000
d 1/10000
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1/1000 কেন সঠিক: - স্কেলের অনুপাত বের করতে হলে নকশা এবং বাস্তবের মাপ একই এককে নিতে হবে। - ১ সেন্টিমিটার নকশা সমান বাস্তব মাপ ১ মিটার বা ১০০ সেন্টিমিটার বা ১০০০ মিলিমিটার। - নকশার মাপ ১ মিলিমিটারকে বাস্তবের ১০০০ মিলিমিটার দিয়ে ভাগ করলে অনুপাত আসে ১ ভাগ ১০০০। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1/110 — এই মানটি সঠিক একক রূপান্তরের নিয়মের সাথে মেলে না। B) 1/100 — এটি ১ সেন্টিমিটার সমান ১ মিটার ধরলে আসত, কিন্তু এখানে বাস্তব মাপ ১০০০ মিলিমিটার। C) 1/1000 — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার সমান ১০০০ মিলিমিটার। D) 1/10000 — এই মানটি ভুল অনুপাত নির্দেশ করে এবং সঠিক এককের হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: ম্যাপ বা স্কেলের অঙ্ক করার সময় প্রথমে উভয় একককে মিলিমিটার বা সেন্টিমিটারে রূপান্তর করে তারপর ভগ্নাংশ তৈরি করতে হয়।
a বর্গাকৃতি
b ত্রিভুজাকৃতি
c বৃত্তাকার
d কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৃত্তাকার কেন সঠিক: - ট্রাফিক নিয়ম অনুযায়ী বাধ্যতামূলক বা নির্দেশমূলক সাইনগুলো সাধারণত বৃত্তাকার আকৃতির হয়ে থাকে। - এই সাইনগুলো চালকদের অবশ্যই পালনীয় নিয়ম বা নিষেধাজ্ঞা নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বর্গাকৃতি — বর্গাকৃতি সাইন সাধারণত তথ্যমূলক বা দিকনির্দেশক সাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। B) ত্রিভুজাকৃতি — ত্রিভুজাকৃতি সাইন সাধারণত সতর্কতামূলক বা বিপদসংকেত বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) বৃত্তাকার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাধ্যতামূলক নির্দেশ মানা সবার জন্যই বাধ্যতামূলক গোল বা বৃত্তের মতো সম্পূর্ণ একটা নিয়ম।
a m³/ sec
b m/sec
c m³
d m²
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) m³/ sec কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে M.K.S এককের একটি বিশেষ রাশির একক চাওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রদত্ত উত্তর এবং অপশনগুলো মূলত প্রবাহের হার বা ফ্লো রেট নির্দেশ করছে। - প্রতি একক সময়ে আয়তনের পরিবর্তন বা প্রবাহের হার পরিমাপের একক ঘনমিটার প্রতি সেকেন্ড হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) m³/ sec — এটি প্রবাহের হার বা আয়তনের পরিবর্তনের হার পরিমাপের সঠিক একক। B) m/sec — এটি শুধু রৈখিক বেগ বা দ্রুতির একক, যা আয়তন নির্দেশ করে না। C) m³ — এটি শুধুমাত্র তিন মাত্রিক আয়তনের একক, সময়ের কোনো হিসাব এখানে নেই। D) m² — এটি শুধুমাত্র ক্ষেত্রফলের একক, যা প্রবাহ বা আয়তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: আয়তনের একক ঘনমিটার বা m³ কে সময় বা সেকেন্ড দ্বারা ভাগ করলে প্রবাহের হার m³/ sec পাওয়া যায়।
a 70 kg/cm²
b 105 kg/cm²
c 125 kg/cm²
d 140 kg/cm²
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০৫ kg/cm² কেন সঠিক: - ১ম শ্রেণির ইটের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সংকোচন শক্তি বা ক্রাশিং স্ট্রেন্থ ১০৫ kg/cm² বা ১৫০০ psi নির্ধারণ করা হয়েছে। - এই মানের কম শক্তি সম্পন্ন ইট ভালো মানের নির্মাণকাজের জন্য অনুপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 70 kg/cm² — এটি সাধারণত ৩য় শ্রেণির ইটের সর্বনিম্ন ক্রাশিং স্ট্রেন্থ নির্দেশ করে। B) 105 kg/cm² — এটি ১ম শ্রেণির ইটের জন্য সঠিক এবং নির্ধারিত সর্বনিম্ন মান। C) 125 kg/cm² — এই মানের শক্তি সাধারণত ভালোমানের বা বিশেষ শ্রেণির ইটে পাওয়া যায়, যা ১ম শ্রেণির সর্বনিম্ন মান নয়। D) 140 kg/cm² — এটি ১ম শ্রেণির চেয়েও উচ্চতর বা সুপিরিয়র শ্রেণির ইটের ক্রাশিং স্ট্রেন্থ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ইটের শ্রেণিভেদে শক্তি মনে রাখুন এভাবে: ৩য় শ্রেণি ৭০, ২য় শ্রেণি ৭৫ এবং ১ম শ্রেণি ১০৫ kg/cm²।
a Rail
b Ballast
c Sleeper
d Signal
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Signal কেন সঠিক: - রেলওয়ে ট্র্যাক বা পার্মানেন্ট ওয়ে হলো এমন পরিকাঠামো যার ওপর ট্রেন চলাচল করে এবং এতে মূলত রেল, স্লিবার ও ব্যালাস্ট থাকে। - সিগন্যাল হলো ট্রেন চলাচলের নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত একটি সংকেত ব্যবস্থা যা ট্র্যাকের কাঠামোগত উপাদানের অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rail — এটি ট্র্যাকের ওপরের অংশ যা চাকা বহন করে এবং পার্মানেন্ট ওয়ে-এর অন্যতম প্রধান উপাদান। B) Ballast — এটি পাথরের স্তর যা স্লিবারকে ধরে রাখে এবং লোড সমানভাবে ছড়ায়, তাই এটি পার্মানেন্ট ওয়ে-এর অংশ। C) Sleeper — এটি রেলকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ধরে রাখে এবং লোড মাটির দিকে পাঠায়, যা পার্মানেন্ট ওয়ের কাঠামোগত উপাদান। D) Signal — এটি ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণের নিরাপত্তা সরঞ্জাম, যা ট্র্যাক বা পার্মানেন্ট ওয়ের শারীরিক কাঠামোর অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: ট্র্যাকের শরীর গড়তে লাগে রেল, স্লিবার ও পাথর বা ব্যালাস্ট, আর সিগন্যাল হলো কেবল নিয়ন্ত্রক সংকেত।
a Thinner
b Vechicle
c Pigment
d সবগুলো
0 20 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো কেন সঠিক: - একটি ভালো অয়েল পেইন্ট তৈরি করতে পিগমেন্ট, ভেহিকল এবং থিনারের সুনির্দিষ্ট সমন্বয় আবশ্যক হয়। - এই উপাদানগুলোর প্রতিটি অয়েল পেইন্টকে রঙ, স্থায়িত্ব এবং সঠিক ঘনত্ব প্রদানে সরাসরি ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Thinner — এটি পেইন্টের ঘনত্ব কমাতে সাহায্য করে, কিন্তু একা পেইন্ট তৈরির জন্য এটি যথেষ্ট নয়। B) Vechicle — এটি বাইন্ডার হিসেবে কাজ করে রঙকে তলে আটকে রাখে, তবে একা সম্পূর্ণ পেইন্ট হতে পারে না। C) Pigment — এটি পেইন্টে শুধু রঙ যোগ করে, কিন্তু একে ছড়িয়ে দেওয়া বা শুকানোর জন্য অন্য উপাদানের প্রয়োজন হয়। D) সবগুলো — এই তিনটি উপাদান মিলেই একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানসম্মত অয়েল পেইন্ট তৈরি হয়। মনে রাখার টিপস: অয়েল পেইন্টের মূল উপাদান মনে রাখতে সংক্ষেপে পিগমেন্ট, ভেহিকল ও থিনার এই তিনটি বিষয় একসাথে মনে রাখবেন।
a 40 mm
b 25 mm
c 50 mm
d 15 mm
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 25 mm কেন সঠিক: - রেলওয়ের পয়েন্ট এবং ক্রসিং অংশে সাধারণ ট্র্যাকের চেয়ে বেশি নিখুঁত কাজ ও ছোট সাইজের পাথর বা ব্যালাস্ট প্রয়োজন হয়। - এই বিশেষ অংশগুলোতে কম্পন এবং লোড সঠিকভাবে বিতরণের জন্য ২৫ মিলিমিটার সাইজের ব্যালাস্ট ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 40 mm — এটি সাধারণ মেইন লাইনে ব্যবহৃত ব্যালাস্টের স্ট্যান্ডার্ড সাইজ, পয়েন্ট ও ক্রসিংয়ের জন্য এটি অনেক বড়। B) 25 mm — এটি সঠিক উত্তর এবং পয়েন্ট ও ক্রসিংয়ে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত আদর্শ সাইজ। C) 50 mm — এই সাইজের পাথর অনেক বড় এবং এগুলো রেলওয়ের সাধারণ কাজে ব্যবহৃত হয় না। D) 15 mm — এটি খুব ছোট সাইজের পাথর, যা এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় স্থায়িত্ব দিতে পারে না। মনে রাখার টিপস: সাধারণ লাইন মানে ৪০ মিলিমিটার বড় পাথর, আর পয়েন্ট ও ক্রসিং মানে ২৫ মিলিমিটার ছোট পাথর।
a Marble
b Lime stone
c Compact sand stone
d Granite
0 15 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Compact sand stone কেন সঠিক: - সুসংহত বেলেপাথরে কোয়ার্টজ কণার পরিমাণ বেশি থাকে এবং এর খনিজ গঠন আগুন সহ্য করার ক্ষমতা দেয়। - এটি উচ্চ তাপমাত্রায় সহজে ফেটে যায় না এবং অন্যান্য পাথরের মতো দ্রুত ক্ষয় হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Marble — চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ হওয়ায় অতিরিক্ত তাপে এটি সহজেই ভেঙে যায় এবং এর স্থায়িত্ব নষ্ট হয়। B) Lime stone — এটি মূলত ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে গঠিত, যা আগুনে পড়লে দ্রুত নষ্ট হয়ে চুন ও কার্বন ডাই অক্সাইডে পরিণত হয়। D) Granite — এটি আগ্নেয় শিলা হলেও তীব্র তাপে এর ভেতরের কোয়ার্টজ ও ফেল্ডস্পার খনিজগুলোর অসম প্রসারণের কারণে এটি ফেটে যায়। মনে রাখার টিপস: আগুন থেকে বাঁচতে বালু বা বালিযুক্ত পাথর তথা স্যান্ডস্টোন সবচেয়ে উপযোগী।
a Super structure
b Foundation
c Frame for structure
d Plinth
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Foundation কেন সঠিক: - ফাউন্ডেশন বা ভিত্তি হলো যেকোনো কাঠামোর একেবারে নিচের অংশ যা মাটির ওপর সরাসরি অবস্থান করে। - এটি পুরো কাঠামোর নিজস্ব ওজন এবং এর ওপর আসা সকল লোড বা ভার নিরাপদে মাটির ভেতরে বা নিচে সমানভাবে স্থানান্তরিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Super structure — এটি কাঠামোর মাটির ওপরের অংশকে বোঝায় যা ওজন বহন করে না বরং ভিত্তির ওপর নিজে চাপ প্রয়োগ করে। B) Foundation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে দেওয়া হয়েছে। C) Frame for structure — এটি শুধু কাঠামোর কঙ্কাল বা কাঠামো তৈরি করে কিন্তু ওজনকে মাটিতে স্থানান্তর করার মূল কাজটি করে না। D) Plinth — এটি ফ্লোর লেভেল এবং মাটির মধ্যকার অংশ যা কাঠামোর নিচের দেয়ালকে সুরক্ষা দেয় কিন্তু মূল ওজন স্থানান্তর করে না। মনে রাখার টিপস: গাছের যেমন শেকড় মাটির নিচে থেকে গাছকে ধরে রাখে, তেমনি বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশন বা ভিত্তি পুরো বিল্ডিংয়ের ওজন মাটিতে বহন করে নিয়ে যায়।
a Linear strain
b Lateral Strain
c Volumetric strain
d Shear Strain
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Linear strain কেন সঠিক: - বল বা শক্তি প্রয়োগের দিক বরাবর বস্তুর দৈর্ঘ্যর পরিবর্তন এবং আদি দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে লিনিয়ার স্ট্রেইন বা অনুদৈর্ঘ্য বিকৃতি বলা হয়। - এটি মূলত বলের প্রয়োগ অক্ষ বরাবর বস্তুর একমাত্রিক পরিবর্তন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Linear strain - এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বল প্রয়োগের দিক বরাবর মাত্রাগত পরিবর্তন নির্দেশ করে। B) Lateral Strain - এটি বল প্রয়োগের দিকের সাথে লম্ব বরাবর বা পার্শ্বীয় দিকের পরিবর্তন নির্দেশ করে, তাই এটি সঠিক নয়। C) Volumetric strain - এটি বস্তুর দৈর্ঘ্যর পরিবর্তনের পরিবর্তে সামগ্রিক আয়তনের পরিবর্তন নির্দেশ করে, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Shear Strain - এটি বস্তুর দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন না ঘটিয়ে আকার বা আকৃতির পরিবর্তন ঘটায়, তাই এটি ভুল উত্তর। মনে রাখার টিপস: লিনিয়ার শব্দের অর্থ সরলরৈখিক বা দৈর্ঘ্য বরাবর, তাই দৈর্ঘ্য বরাবর পরিবর্তন মানেই লিনিয়ার স্ট্রেইন।
a Surface- Base- Sub base
b Base- Surface- Subgrade
c Surface- Subgrade- base
d Base- Subase- Surface layer
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (Civil Engineering) সঠিক উত্তর: A) Surface- Base- Sub base কেন সঠিক: - Flexible Pavement বা নমনীয় পেভমেন্ট সাধারণত উপর থেকে নিচের দিকে সারফেস কোর্স, বেস কোর্স এবং সাব বেস লেয়ার এই ক্রমানুসারে গঠিত হয়। - ট্রাফিকের চাপ সরাসরি ওপরের সারফেস লেয়ার থেকে ক্রমান্বয়ে নিচের স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Surface- Base- Sub base — এই ক্রমানুসারে স্তরগুলো সাজানো থাকে বলে এটি সঠিক উত্তর। B) Base- Surface- Subgrade — সারফেস লেয়ার কখনো বেস কোর্সের নিচে থাকে না, তাই এটি ভুল। C) Surface- Subgrade- base — সাবগ্রেড এবং বেস কোর্সের সঠিক ক্রম এখানে উল্টোভাবে দেওয়া আছে, তাই এটি ভুল। D) Base- Subase- Surface layer — স্তরগুলোর সঠিক সিকোয়েন্স বা নিচ থেকে ওপরের বা ওপর থেকে নিচের ক্রম এখানে ভুলভাবে সাজানো হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Flexible Pavement- এর স্তর মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ওপর থেকে নিচে যাওয়া, অর্থাৎ প্রথমে সারফেস, তারপর বেস এবং সবার শেষে সাব বেস।
a EDM
b Total Station
c Digital Level
d Plain Table
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Plain Table কেন সঠিক: - প্লেন টেবিল সার্ভে একটি অত্যন্ত প্রাচীন এবং সনাতন পদ্ধতি, যেখানে অঙ্কন ও পরিমাপ একই সাথে মাঠে সম্পন্ন করা হয়। - আধুনিক সার্ভে যন্ত্রের মতো এতে কোনো ডিজিটাল ডিসপ্লে, ইলেকট্রনিক সেন্সর বা দূরত্ব পরিমাপক স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) EDM — এটি একটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিস্টেন্স মেজারমেন্ট যন্ত্র যা আলোর সাহায্যে অতি সূক্ষ্মভাবে দূরত্ব মাপে। B) Total Station — এটি আধুনিক সার্ভেতে বহুল ব্যবহৃত একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা কোণ ও দূরত্ব একত্রে পরিমাপ করতে পারে। C) Digital Level — এটি উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত আধুনিক ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক লেভেলের যন্ত্র। D) Plain Table — এটি কোনো আধুনিক যন্ত্র নয়, বরং হাতে-কলমে মানচিত্র অঙ্কনের একটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: যেসব যন্ত্রে বিদ্যুৎ বা ডিজিটাল স্ক্রিন থাকে সেগুলো আধুনিক, আর প্লেন টেবিল হলো সম্পূর্ণ ম্যানুয়াল বা কাগজ-কলমের পদ্ধতি।
a One Dimension
b Two Dimension
c Three Dimension
d Any of them
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / প্রকৌশল পরিমাপ সঠিক উত্তর: B) Two Dimension কেন সঠিক: - প্লেন স্কেল (Plain scale) সাধারণত দুটি রাশির একক বা একটি একক এবং তার উপএকক নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - এই স্কেলের সাহায্যে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ অর্থাৎ দুটি মাত্রা (Two Dimension) সরাসরি পরিমাপ করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) One Dimension — এক মাত্রিক পরিমাপের জন্য সাধারণ সরল রুলার বা স্কেল ব্যবহৃত হয়, প্লেন স্কেল নয়। B) Two Dimension — এটি সঠিক কারণ এই স্কেল দুটি মাত্রা বা পরিমাপ নির্দেশ করতে সক্ষম। C) Three Dimension — তিনটি মাত্রা পরিমাপের জন্য ডায়াগোনাল স্কেল (Diagonal scale) বা ভার্নিয়ার স্কেল ব্যবহার করা হয়। D) Any of them — সব মাত্রা এক স্কেলে পরিমাপ করা যায় না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: প্লেন স্কেলে পি অক্ষরটি আছে, যা দিয়ে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ অর্থাৎ দুটি মাত্রা বা Two Dimension মনে রাখা সহজ।
a Direct method
b Square method
c Cross method
d Tachometric Method
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Tachometric Method কেন সঠিক: - পাহাড়ি বা অসমতল ভূমিতে চেইন বা ফিতা দিয়ে সরাসরি পরিমাপ করা অসম্ভব বা অত্যন্ত কঠিন হওয়ায় ট্যাকোমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। - এই পদ্ধতিতে থিওডলাইটের সাহায্যে দূরবর্তী স্থান থেকে দূরত্ব ও উচ্চতা খুব সহজেই নির্ণয় করা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Direct method — এটি সমতল ভূমিতে কন্ট্যুর লাইন চিহ্নিত করার সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি হলেও পাহাড়ি এলাকার জন্য উপযুক্ত নয়। B) Square method — এই পদ্ধতি সাধারণত ছোট এলাকা এবং সমতল ভূমিতে গ্রিড তৈরি করে কন্ট্যুর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। C) Cross method — এটিও সমতল ও সীমিত এলাকার উচ্চতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ পদ্ধতি। D) Tachometric Method — পাহাড়ি ও অসমতল এলাকার জটিল ভূপ্রকৃতিতে দ্রুত কন্ট্যুর মানচিত্র তৈরির জন্য এটিই সঠিক পদ্ধতি। মনে রাখার টিপস: পাহাড় মানেই উঁচু-নিচু দূরত্বের খেলা, তাই দূরে থেকে মাপার জন্য ট্যাকোমিটার বা Tachometric Method ব্যবহার করা হয়।
a 12m ও 12m
b 12m ও 13m
c 13m ও 12m
d 13m ও 13m
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 13m ও 12m কেন সঠিক: - ব্রড গেজ বা Broad gauge লাইনে সাধারণত তের মিটার বা ১৩ মিটার দৈর্ঘ্যের রেল স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করা হয়। - মিটার গেজ বা Meter gauge লাইনে সাধারণত বারো মিটার বা ১২ মিটার দৈর্ঘ্যের রেল স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 12m ও 12m — উভয় ক্ষেত্রে বারো মিটার ব্যবহারের নিয়ম নেই কারণ ব্রড গেজে দীর্ঘ রেল ব্যবহৃত হয়। B) 12m ও 13m — এটি ব্রড ও মিটার গেজের সঠিক পরিমাপের বিপরীত মান নির্দেশ করে। C) 13m ও 12m — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্রড গেজ ও মিটার গেজের নির্দিষ্ট রেল স্ট্যান্ডার্ডের সাথে মিলে যায়। D) 13m ও 13m — উভয় ক্ষেত্রে তের মিটার সঠিক নয় কারণ মিটার গেজের দৈর্ঘ্য ভিন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: ব্রড বা বড় গেজে বড় অর্থাৎ ১৩ মিটার এবং মিটার বা ছোট গেজে ১২ মিটার রেল ব্যবহৃত হয়।
a For Hill Road
b Masonry Road
c Wing Wall
d For all of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) For all of them কেন সঠিক: - রিটেইনিং ওয়াল বা প্রতিরোধ দেওয়াল হলো এমন একটি অবকাঠামো যা মাটি বা অন্য কোনো কঠিন পদার্থকে তার স্বাভাবিক ঢালের বিপরীতে ধরে রাখতে ব্যবহৃত হয়। - পাহাড়ি রাস্তা, ম্যাসনরি রাস্তা এবং ব্রিজের উইং ওয়ালের ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী মাটি ধসে পড়া রোধ করতে রিটেইনিং ওয়ালের বহুমুখী প্রয়োগ অত্যন্ত অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) For Hill Road — এটি পাহাড়ি রাস্তায় মাটি ধস রোধে ব্যবহৃত হলেও কেবল এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাই এটি একমাত্র উত্তর হতে পারে না। B) Masonry Road — এটি ম্যাসনরি বা ইটের তৈরি রাস্তার ক্ষেত্রেও কার্যকর কিন্তু অন্যান্য অপশনগুলোর কার্যকারিতাও এর অন্তর্ভুক্ত। C) Wing Wall — এটি ব্রিজের অ্যাবাটমেন্টের পাশে মাটি ধরে রাখতে ব্যবহৃত এক ধরণের রিটেইনিং ওয়াল, যা অন্য অপশনগুলোর পাশাপাশি সত্য। D) For all of them — পাহাড়ি রাস্তা, ম্যাসনরি রাস্তা এবং উইং ওয়াল সবক্ষেত্রেই রিটেইনিং ওয়ালের প্রয়োজন হয় বিধায় এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: যেখানেই মাটি বা স্লিপারি পদার্থ ধরে রাখার প্রশ্ন আসবে, সেখানেই রিটেইনিং ওয়াল বা প্রতিরোধ দেওয়াল প্রয়োজন হবে।
a ACV
b LAA
c AIV
d All of them
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All of them কেন সঠিক: - Coarse aggregate বা স্থূল দানাযুক্ত উপাদানের শক্তি ও স্থায়িত্ব পরীক্ষার জন্য ACV, LAA এবং AIV তিনটি পরীক্ষাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - এই পরীক্ষার মাধ্যমে কণার ঘর্ষণ প্রতিরোধ ক্ষমতা, আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা এবং ক্রাশিং মান যাচাই করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ACV — এটি Aggregate Crushing Value পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত রূপ, যা শুধু ক্রাশিং শক্তি নির্দেশ করে কিন্তু অন্য পরীক্ষাগুলোকেও বাদ দেওয়া যায় না। B) LAA — এটি Los Angeles Abrasion পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত রূপ, যা শুধু ক্ষয় সাধন ও ঘর্ষণ মান মাপে। C) AIV — এটি Aggregate Impact Value পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত রূপ, যা শুধু আকস্মিক আঘাত বা ধাক্কা সহ্য করার ক্ষমতা যাচাই করে। D) All of them — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনটি পরীক্ষাই Coarse aggregate এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: Coarse aggregate এর তিনটি প্রধান পরীক্ষাকে মনে রাখতে ALA সূত্রটি ব্যবহার করতে পারেন যেখানে A হলো ACV, L হলো LAA এবং A হলো AIV।
a ৩০ মিনিট
b ১ ঘণ্টা
c ৪ ঘণ্টা
d ৮ ঘণ্টা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ মিনিট কেন সঠিক: - সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের মতো র‍্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্টেরও প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময় কমপক্ষে ৩০ মিনিট নির্ধারিত থাকে। - এই সিমেন্ট দ্রুত শক্তি অর্জন করে, তবে এর প্রাথমিক কাজ শুরু করার নির্ধারিত সময় অপরিবর্তিত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩০ মিনিট — এটি র‍্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সঠিক সময়। B) ১ ঘণ্টা — এটি কোনো নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময় নয়। C) ৪ ঘণ্টা — এটি সাধারণ সিমেন্টের চূড়ান্ত জমাট বাঁধার সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি। D) ৮ ঘণ্টা — এটি বেশিরভাগ সিমেন্টের চূড়ান্ত জমাট বাঁধার সময়কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: যেকোনো ধরনের মানের সিমেন্টের প্রাথমিক জমাট বাঁধার সময় সাধারণত ৩০ মিনিট নির্ধারিত থাকে।
a Refraction
b Reflection
c Double Refraction
d Double Reflection
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Double Reflection কেন সঠিক: - অপটিক্যাল স্কোয়ারে দুটি সমতল আয়না একে অপরের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। - আলোর রশ্মি এই দুটি আয়না থেকে পরপর দুবার প্রতিফলিত হয়ে নির্দিষ্ট ৯০° কোণ তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Refraction — এটি আলোর প্রতিসরণ সম্পর্কিত, যা লেন্সের ক্ষেত্রে ঘটে কিন্তু অপটিক্যাল স্কোয়ারে প্রতিসরণ মূল নীতি নয়। B) Reflection — একক প্রতিফলন বোঝালেও অপটিক্যাল স্কোয়ারে নিখুঁত ৯০° কোণ তৈরির জন্য দুটি আয়নার প্রতিফলন প্রয়োজন হয়। C) Double Refraction — এটি মূলত ক্যালসাইট ক্রিস্টালে আলোর দুটি প্রতিসৃত রশ্মিতে বিভক্ত হওয়ার ঘটনা, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। D) Double Reflection — এটি সঠিক কারণ অপটিক্যাল স্কোয়ারে দুটি আয়নায় পরপর দুইবার আলো প্রতিফলিত হয়ে কাজ সম্পন্ন হয়। মনে রাখার টিপস: অপটিক্যাল স্কোয়ারে আয়না থাকে দুটি, তাই এর কাজও সম্পন্ন হয় দ্বিগুণ বা ডাবল প্রতিফলনের মাধ্যমে।
a 1 : 2
b 1 : 4
c 1 : 6
d 1 : 8
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) 1 : 4 কেন সঠিক: - ৫ ইঞ্চি পুরু ইটের গেঁথুনি বা ব্রিক ওয়ার্কের ক্ষেত্রে সাধারণত এক অংশ সিমেন্ট এবং চার অংশ বালির অনুপাত ব্যবহার করা হয়। - এই অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করলে গাথুনির স্থায়িত্ব, শক্তি এবং কাঠামোগত নিরাপত্তা স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সঠিক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1 : 2 — এই মিশ্রণে সিমেন্টের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, যা সাধারণ ৫ ইঞ্চি ইটের গাঁথুনির জন্য অপ্রয়োজনীয় এবং ব্যয়বহুল। B) 1 : 4 — এটি ৫ ইঞ্চি পুরু ব্রিক ওয়ার্কের জন্য নির্ধারিত ও পরীক্ষিত আদর্শ সিমেন্ট-বালির অনুপাত। C) 1 : 6 — এই অনুপাতটি সাধারণত ১০ ইঞ্চি বা তার বেশি পুরু ইটের দেওয়াল বা প্লাস্টারের কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। D) 1 : 8 — বালির পরিমাণ বেশি থাকায় এই মিশ্রণটি যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, তাই ৫ ইঞ্চি গাঁথুনির জন্য এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ ইঞ্চি ইটের কাজে চার অংশ বালি লাগে, অর্থাৎ ৫ মনে রাখবে ৪ অংশ বালি এবং ১ অংশ সিমেন্ট অর্থাৎ ১ অনুপাত ৪।
a ১০ বছর
b ২৫ বছর
c ৫০ বছর
d ১০০ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৫ বছর কেন সঠিক: - পরিবেশ প্রকৌশল ও পুরকৌশলে স্যূয়ারেজ সিস্টেম সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ বছরের ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা ও বর্জ্য উৎপাদনের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়। - এই সময়ের মধ্যে নগরায়নের গতি ও বর্জ্য পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলেও সিস্টেমটি দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ বছর — এই স্বল্প মেয়াদে পুরো শহরের ড্রেনেজ ও স্যূয়ারেজ অবকাঠামো নতুন করে তৈরি করা অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও অবাস্তব। B) ২৫ বছর — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দীর্ঘমেয়াদী কার্যকারিতা ও অর্থনৈতিক সচ্ছলতার কথা চিন্তা করে এই মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়। সি) ৫০ বছর — সাধারণত পানি সরবরাহ প্রকল্প বা বড় বাঁধের মতো দীর্ঘমেয়াদী স্থাপনার ক্ষেত্রে এই ডিজাইন পিরিয়ড ব্যবহার করা হয়, স্যূয়ারেজের ক্ষেত্রে নয়। D) ১০০ বছর — স্যূয়ারেজ নেটওয়ার্কে পলি জমে এবং জনসংখ্যা দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় এত দীর্ঘ মেয়াদের জন্য এটি ডিজাইন করা হয় না। মনে রাখার টিপস: পানি সরবরাহ লাইন ৫০ বছর আর স্যূয়ারেজ সিস্টেম সাধারণত ২৫ বছরের জন্য ডিজাইন করা হয়।
a zero
b WL/4
c WL/2
d WL
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) zero কেন সঠিক: - ক্যান্টিলিভার বিমের ফিক্সড সাপোর্ট প্রান্তে সমভাবে বিস্তৃত লোড প্রয়োগ করলে সেখানে কোনো বাঁকানো মোমেন্ট থাকে না যা সরাসরি স্ট্রেন তৈরি করবে। - ফিক্সড সাপোর্টের নিখুঁত শর্ত অনুযায়ী ওই বিন্দুতে বিমের ঢাল এবং রৈখিক সরণ উভয়ই শূন্য থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) zero — এই মানটি সঠিক কারণ ফিক্সড সাপোর্টে বিমটি সম্পূর্ণ আবদ্ধ থাকে এবং সেখানে কোনো বিচ্যুতি বা স্ট্রেন থাকে না। B) WL/4 — এই মানটি ক্যান্টিলিভার বিমের নির্দিষ্ট কোনো লোড কাঠামোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও সাপোর্টের স্ট্রেন নির্দেশ করে না। C) WL/2 — এই মানটি বিমের সাধারণ লোডিং অবস্থার একটি উপাংশ হতে পারে, তবে সাপোর্টের স্ট্রেনের ক্ষেত্রে এটি মেলে না। D) WL — এই মানটি ক্যান্টিলিভার বিমের মুক্ত প্রান্তে মোট লোডের পরিমাণ বোঝায়, সাপোর্ট পয়েন্টের স্ট্রেন নয়। মনে রাখার টিপস: ক্যান্টিলিভার বিমের দেয়ালের সাথে লাগানো ফিক্সড প্রান্তে কোনো নড়চড় হয় না, তাই সেখানে স্ট্রেন সর্বদা শূন্য হয়।