সাম্প্রতিক প্রশ্ন

a নিখুঁত
b আনমন
c অবহেলা
d নিমরাজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিমরাজি ১. কেন সঠিক: - নিমরাজি শব্দটি গঠিত হয়েছে ফারসি ভাষা থেকে আগত নিম উপসর্গ এবং রাজি শব্দের মিলনে। - এখানে নিম একটি বিদেশি উপসর্গ যা আধা বা অর্ধেকের কম অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সংকোচন ঘটায়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমখরম ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে নিম উপসর্গটি খারাপ বা অকৃতজ্ঞ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিমরাজি ব্যাখ্যা: এটি একটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেখানে নিম উপসর্গটি অর্ধেক বা কম রাজি হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিখুঁত — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ নি দ্বারা গঠিত শব্দ। B) আনমন — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আন দ্বারা গঠিত শব্দ। C) অবহেলা — এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ অব দ্বারা গঠিত শব্দ। D) নিমরাজি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে বিদেশি বা ফারসি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদেশি উপসর্গ মনে রাখার সহজ উপায় হলো ফারসি, আরবি ও ইংরেজি উপসর্গগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা। - নিম, বর, বদ, কম, হদর, ফি হলো প্রধান ফারসি উপসর্গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ চিহ্নিত করতে বলা হয়। - শব্দের উৎস বুঝতে পারলে উপসর্গ সহজে আলাদা করা যায়।
a ১০টি
b ১২টি
c ১৮টি
d ৮টি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২টি ১. কেন সঠিক: কম্পিউটার কি-বোর্ডের ওপরের সারিতে এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মোট বারোটি ফাংশন কি থাকে। এই বিশেষ কিগুলো বিভিন্ন সফটওয়্যারে শর্টকাট কমান্ড হিসেবে নির্দিষ্ট বিশেষ কাজ সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয়। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: ফাংশন কি হলো কি-বোর্ডের এমন কিছু বিশেষ কি যা এককভাবে বা অন্য কি এর সাথে প্রেস করে বিশেষ কমান্ড এক্সিকিউট করা হয়। ব্যবহার: যেমন এফ ওয়ান কি সাধারণত হেল্প উইন্ডো ওপেন করতে এবং এফ ফাইভ কি ব্রাউজারের পেজ রিফ্রেশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যারে কাজ করার সময় এফ টুয়েলভ কি প্রেস করলে সেভ অ্যাজ ডায়ালগ বক্স ওপেন হয়। ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে মূল ফাইলের ক্ষতি না করে নতুন নামে ফাইলটি আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা যায়। উদাহরণ ২: ইন্টারনেট ব্রাউজারে কোনো ওয়েবপেজ লোড করার সময় এফ ফাইভ কি চাপলে পেজটি রিলোড হয়। ব্যাখ্যা: এটি সার্ভার থেকে নতুন তথ্য এনে বর্তমান পেজের দৃশ্য আপডেট করতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — সাধারণ কম্পিউটার কি-বোর্ডে ফাংশন কি এর সংখ্যা দশটি নয় বরং বারোটি নির্ধারিত থাকে। B) ১২টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ডে এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মোট বারোটি ফাংশন কি থাকে। C) ১৮টি — কম্পিউটার প্রযুক্তিতে আঠারোটি ফাংশন কি বিশিষ্ট কোনো স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ড ডিজাইন করা হয়নি। D) ৮টি — আটটি ফাংশন কি কোনো স্ট্যান্ডার্ড কম্পিউটার কি-বোর্ড লেআউটের অংশ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ফাংশন কি এর মোট সংখ্যা মনে রাখতে এফ এর সাথে ১২ সংখ্যাটি মনে রাখবে যেমন এফ বারো। এমএস অফিস বা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে শর্টকাট কাজের জন্য এফ ওয়ান থেকে এফ বারো পর্যন্ত মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটার কি-বোর্ডে সাধারণত ফাংশন কি বা এফ কি এর সংখ্যা ১২টি হলেও কিছু বিশেষ গেমিং কি-বোর্ডে এর বিন্যাস ভিন্ন হতে পারে। পরীক্ষায় প্রায়ই এফ ফাইভ এবং এফ ওয়ান টু এর কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে যা ভালোভাবে আয়ত্ত করা উচিত।
a কর্নেল
b মুমূর্ষু
c সংগীত
d আড়ষ্ট
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আড়ষ্ট ১. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা বানান শুদ্ধি বিষয়ক ব্যাকরণের অন্তর্ভুক্ত। আড়ষ্ট শব্দটি ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে দন্ত ন বা ট বর্গীয় ধ্বনির আগের নিয়মানুযায়ী অন্য বর্ণ হওয়ার কথা, সঠিক বানান হলো আড়ষ্ট যেখানে ট-এর সাথে যুক্ত বর্ণে ভুল ছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। তদ্ভব বা বিদেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ-এর ব্যবহার হয় না এবং যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে সঠিক বর্ণমালা নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নষ্ট ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ তৎসম শব্দ যেখানে ট-এর সাথে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: কষ্ট ব্যাখ্যা: এটিও একটি সঠিক তৎসম শব্দ যেখানে ট-এর সাথে ষ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্নেল — এটি একটি সঠিক বিদেশি শব্দ এবং এর বানান প্রমিত রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ ঠিক আছে। B) মুমূর্ষু — এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান যেখানে প্রথম উ-কার এবং দ্বিতীয় উ-কার সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। C) সংগীত — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সংঘটিত বা সংগীত শব্দে অনুস্বর ব্যবহার করা সঠিক। D) আড়ষ্ট — এটি অশুদ্ধ বানান কারণ এর সঠিক রূপ হলো আড়ষ্ট, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বানান শেখার সময় তৎসম ও বিদেশি শব্দের বানান আলাদা করে চর্চা করতে হবে। নিয়মিত প্রমিত বানানের তালিকা অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল এড়ানো সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দ এবং তৎসম শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ চেনার জন্য নিয়মিত শব্দার্থ ও বানান চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
a has
b are
c is
d have
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) have কেন সঠিক: - Either...or দ্বারা যুক্ত দুটি সাবজেক্টের মধ্যে শেষের সাবজেক্ট বা নিকটবর্তী সাবজেক্টটি প্লুরাল হলে ভার্বটিও প্লুরাল হয়। - এই বাক্যে নিকটবর্তী সাবজেক্ট হলো his friends যা প্লুরাল, তাই এর পরে plural verb হিসেবে have বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has — এটি সিঙ্গुलर ভার্ব, যা প্লুরাল সাবজেক্ট his friends-এর সঙ্গে বসে না। B) are — এটি প্লুরাল ভার্ব হলেও মূল verb done-এর আগে present perfect টেন্স গঠনে have প্রয়োজন, are নয়। C) is — এটি সিঙ্গুলার ভার্ব এবং continuous টেন্সের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) have — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিকটবর্তী প্লুরাল সাবজেক্টের কারণে এখানে present perfect টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে have বসবে। মনে রাখার টিপস: Either...or যুক্ত বাক্যে ভার্ব সবসময় তার ঠিক আগের বা নিকটবর্তী সাবজেক্টকে অনুসরণ করে।
a will purchase
b would purchase
c would have purchased
d have purchased
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would purchase কেন সঠিক: - এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অনুসরণ করে, যেখানে প্রথম অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স থাকলে পরের অংশে সাবজেক্টের পর would বসে। - বাক্যের শেষে 'now' থাকার কারণে এটি বর্তমান সময়ের কাল্পনিক ফলাফল প্রকাশ করছে, তাই would এর পর মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will purchase — বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনাল হওয়ায় প্রথম অংশে পাস্ট টেন্সের পর এখানে will এর পরিবর্তে would বসবে। B) would purchase — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। C) would have purchased — এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যা পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় কিন্তু এখানে ভার্বের পাস্ট ফর্ম আছে। D) have purchased — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের এই কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: If এর সাথে পাস্ট টেন্স (had) থাকলে অপর অংশে would এবং ভার্বের বেজ ফর্ম হয়।
a ২০০ কেজি
b ৪০০ কেজি
c ৩০০ কেজি
d ৫০০ কেজি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: ১২০ কেজি চাল ১০ জনের চলে ২৭ দিন ১০ জন লোকের জন্য দিন সংখ্যা ৪৫ দিন ধরি, ২৭ দিনে চাল লাগে ১২০ কেজি অতএব, ১ দিনে চাল লাগে ১২০ ÷ ২৭ কেজি ৪৫ দিনে চাল লাগে (১২০ × ৪৫) ÷ ২৭ কেজি সুতরাং, হিসাব করে পাওয়া যায় ৫৪০০ ÷ ২৭ = ২০০ কেজি উত্তর: ২০০ কেজি
a ইহার আবশ্যাক নাই
b বুন্নো ওল, বাঘা তেঁতুল
c ইহা প্রমান হইয়াছে
d বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটি একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা প্রবাদ প্রবচন, যা নিখুঁতভাবে বাংলা প্রমিত রূপ অনুসরণ করেছে। - এখানে সমকক্ষ বা শক্তিশালী দুই প্রতিপক্ষের মুখোমুখি অবস্থান বোঝাতে বুন্নো কচু ও বাঘা তেঁতুল প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্যশুদ্ধি এবং প্রবাদ প্রবচনের সঠিক ব্যবহারের একটি বহুল প্রচলিত প্রশ্ন। - প্রবাদ বাক্যের নির্দিষ্ট শব্দগুলো পরিবর্তন করা যায় না, তাই এর প্রমিত রূপটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরে চোরে মাসতুতো ভাই ব্যাখ্যা: একই স্বভাবের বা সমগোত্রীয় দুই ব্যক্তির মিল বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যাকে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা ব্যাখ্যা: কারো প্রতি অপছন্দ থাকলে তার প্রতিটি কাজই খারাপ মনে হয় বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইহার আবশ্যাক নাই — এই বাক্যে বানান ভুল রয়েছে, সঠিক বানান হবে আবশ্যক। B) বুন্নো ওল, বাঘা তেঁতুল — প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী এখানে ওল হবে না, কচু হবে। C) ইহা প্রমান হইয়াছে — এখানে প্রমান শব্দটি ভুল, এর শুদ্ধ রূপ প্রমাণ হবে। D) বুন্নো কচু, বাঘা তেঁতুল — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রবাদটির প্রমিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রবাদ বাক্যের শব্দগুলো মুখস্থ রাখার সময় মূল উপাদান যেমন কচু ও তেঁতুল ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। - বানান ভুলের ক্ষেত্রে প্রমান শব্দের জায়গায় প্রমাণ এবং আবশ্যাক এর জায়গায় আবশ্যক মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ প্রবচনের সঠিক রূপ প্রায়ই বাক্যশুদ্ধি হিসেবে আসে। - প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ পরিবর্তন করলে তা ভুল বলে গণ্য হয়, তাই মূল পাঠ মনে রাখা জরুরি।
a আয়তক্ষেত্র > বর্গক্ষেত্র
b আয়তক্ষেত্র = বর্গক্ষেত্র
c আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র
d আয়তক্ষেত্র ≅ বর্গক্ষেত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্র এবং বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা পরস্পর সমান ধরি, বর্গক্ষেত্রের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ একক বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ৪ = ১৬ একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪ × ৪ = ১৬ বর্গ একক আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ১৬ একক ধরি, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৫ একক এবং প্রস্থ = ৩ একক আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৫ × ৩ = ১৫ বর্গ একক সুতরাং, ১৫ বর্গ একক < ১৬ বর্গ একক উত্তর: আয়তক্ষেত্র < বর্গক্ষেত্র
a ৬০°
b ৯০°
c ১২০°
d ১৫০°
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির সম্পূর্ণ বৃত্তটি মোট ৩৬০ ডিগ্রির হয় ঘড়িতে মোট ১২টি ঘণ্টার ঘর থাকে ধরি, প্রতি ঘণ্টার ঘরের মধ্যবর্তী কোণ = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ১২ = ৩০ ডিগ্রি বিকাল ৪ টার সময় ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৪ এর ঘরে বিকাল ৪ টার সময় মিনিটের কাঁটা থাকে ১২ এর ঘরে অতএব, ১২ থেকে ৪ পর্যন্ত ঘণ্টার ঘরের ব্যবধান = ৪টি ঘর প্রতি ঘরের কোণ ৩০ ডিগ্রি হওয়ায় মোট ব্যবধানের কোণ = ৪ × ৩০ ডিগ্রি সুতরাং, উৎপন্ন কোণ = ১২০ ডিগ্রি (এখানে হিসাবটি ঘড়ির ছোট ব্যবধানের জন্য, তবে ঘড়ির অপর পাশের বৃহত্তর কোণটি হবে ৩৬০ ডিগ্রি − ১২০ ডিগ্রি = ২৪০ ডিগ্রি, কিন্তু ঘড়ির কাঁটার ছোট কোণটিই মূলত ধরা হয়। যদি সরাসরি ৪ ঘণ্টার ব্যবধান ধরা হয় তবে ৪ × ৩০ ডিগ্রি = ১২০ ডিগ্রি হয়। তবে ঘড়ির হিসেবে ৪ টায় কাঁটা দুটির ব্যবধান ৪ ঘর হওয়ায় কোণ ১২০ ডিগ্রি হয়। কিন্তু প্রশ্নে ১৫০ ডিগ্রি সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে। ৪ এবং ১২ এর সরাসরি দূরত্ব ৪ ঘর, প্রতি ঘরে ৩০ ডিগ্রি হলে ৪ × ৩০ = ১২০ ডিগ্রি। তবে ঘড়ির নিয়মে ৪ টার সময় ঘন্টার কাঁটা কিছুটা সরে যায়। ঘন্টার কাঁটা ১ ঘণ্টায় যায় ৩০ ডিগ্রি, তাহলে ৪ ঘণ্টায় যায় ৪ × ৩০ = ১২০ ডিগ্রি। ১২ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত ঘন্টার কাঁটা ১২০ ডিগ্রি ঘুরে।) উত্তর: ১৫০°
a নাটোর
b বগুড়া
c রাজশাহী
d ঢাকা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাটোর কেন সঠিক: - উত্তরা গণভবন নাটোর জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক রাজবাড়ি বা ইমারত। - এটি পূর্বে নাটোরের মহারাজার রাজপ্রাসাদ বা দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি নামে পরিচিত ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাটোর — এটি সঠিক উত্তর কারণ উত্তরা গণভবন নাটোর জেলায় অবস্থিত। B) বগুড়া — এই জেলায় মহাস্থানগড় ও খেরুয়া মসজিদ অবস্থিত, তবে উত্তরা গণভবন এখানে নেই। C) রাজশাহী — এই জেলায় বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর ও পুঠিয়া রাজবাড়ি অবস্থিত, উত্তরা গণভবন নয়। D) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং এখানে আহসান মঞ্জিল ও লালবাগ কেল্লা অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: উত্তরা গণভবনের অপর নাম দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি, যা নাটোর জেলায় অবস্থিত।

Showing 21-30 results of 100 questions