প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (দাজলা) ২০১৩

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a CONOISSEUR
b CONNOISEUR
c CONNOISSEUR
d CONNOISSER
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CONNOISSEUR ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে দুটি n, দুটি s এবং শেষে eur যুক্ত হয়েছে যা ফরাসি উৎসের শব্দ গঠনে দেখা যায়। - কনোইসেউর বা শিল্পরসিক শব্দের সঠিক ইংরেজি রূপ চিহ্নিত করতেই এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের বানান লেখার সময় মূল ভাষার বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। - বানরীতিতে অনেক সময় দ্বিত্ব বর্ণ ব্যবহারের নিয়ম থাকে যা মনে রাখা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: BOUQUET ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিদেশি শব্দ যার সঠিক বানান মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: LIEUTENANT ব্যাখ্যা: এই বিদেশি শব্দের বানানটিও প্রায়ই পরীক্ষায় ভুল আসে যা সতর্কতার সাথে পড়তে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CONOISSEUR — এই অপশনে একটি n কম রয়েছে তাই এটি বানান ভুল। B) CONNOISEUR — এই অপশনে একটি s কম রয়েছে তাই এটি বানান ভুল। C) CONNOISSEUR — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং প্রশ্নের চাহিদা পূরণ করে। D) CONNOISSER — এই অপশনের শেষে eur এর পরিবর্তে er আছে যা বানান ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - কনোইসেউর বানানটি মনে রাখতে CON - NOI - SSEUR এভাবে ভেঙে পড়তে পারো। - মাঝখানে ডাবল n এবং ডাবল s আছে তা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ ও কঠিন বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মূল ভাষার বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a জন + এক
b জনৈ + এক
c জনৈ + ক
d জন + ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন + এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো জন যোগ এক। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পরে এ বা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐকার হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ কারের পর এ বা ঐ কার থাকলে উভয় মিলে ঐ কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। - জন শব্দের শেষে অ ধ্বনি আছে এবং পরের শব্দ এক এর শুরুতে এ আছে। এই দুটি মিলে ঐ হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদা যোগ এব = सदैव ব্যাখ্যা: আ এর পর এ মিলে ঐ কার হয়েছে। উদাহরণ ২: মত যোগ এক্য = মতৈক্য ব্যাখ্যা: অ এর পর এ মিলে ঐ কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + এক — এটি সঠিক অপশন। B) জনৈ + এক — জনৈ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ভাষায় নেই। C) জনৈ + ক — এটি সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না। D) জন + ক — ক যোগ করলে সঠিক ধ্বনি পরিবর্তন হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুই মাত্রা বিশিষ্ট এক থাকলে তা যোগ করার সময় শব্দের শেষে ঐকার যোগ করতে হয়। - স্বরসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ জাতীয় নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মের সন্ধি প্রায়ই আসে। - হিতৈষী, পরমৈশ্বর্য শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a সদ + আশয়
b সদা + শয়
c সৎ + আশয়
d সৎ + শয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৎ + আশয় ১. কেন সঠিক: সদাশয় শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সৎ + আশয়। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত যেখানে ত বা দ কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে তা পরিবর্তিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধির নিয়মানুযায়ী বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি তার বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। এখানে ত এর পরে আ স্বরধ্বনি থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ + ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: ত এর পরে দীর্ঘ ঈ কার থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদ্ + উদ্ধার = বিপদুদ্ধার ব্যাখ্যা: দ এর পরে উ কার থাকায় সন্ধি সাধিত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদ + আশয় — সদ বলে কোনো আলাদা মূল শব্দ বাংলায় ব্যাকরণসম্মতভাবে সন্ধিতে ব্যবহৃত হয় না। B) সদা + শয় — সদা শব্দের সাথে শয় যুক্ত করলে নিয়মানুযায়ী সঠিক শব্দ গঠিত হয় না। C) সৎ + আশয় — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ শব্দ গঠন করে। D) সৎ + শয় — শয় শব্দের সাথে যুক্ত হলে আশয় শব্দের অর্থ বজায় থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সৎ এবং ভালো অর্থ প্রকাশ করতে প্রথম অংশে সৎ ব্যবহার করা হয়। দ কে ত তে রূপান্তর করার মাধ্যমে সন্ধিটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে ত ও দ এর রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তাই বর্গের প্রথম ধ্বনির পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নৌ + ইক
b ন + ইক
c নব + ইক
d নবৌ + ইক
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নৌ + ইক ১. কেন সঠিক: - নৌ এবং ইকের মিলন ঘটিয়ে নাবিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এখানে স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম প্রযুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী ও কিংবা ঔ-এর পরে অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ও-এর জায়গায় অব এবং ঔ-এর জায়গায় আব হয়। - নৌ যোগ ইক শব্দটিতে ঔ-এর পরে ই থাকার কারণে ঔ পরিবর্তিত হয়ে আব হয়েছে এবং শব্দের শুরুতে ন যুক্ত হয়ে নাবিক গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ক (গৈ + অক) ব্যাখ্যা: ঐ-এর পরে স্বরধ্বনি থাকার কারণে ঐ পরিবর্তিত হয়ে আয় হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাবুক (ভৌ + উক) ব্যাখ্যা: ঔ-এর পরে উ থাকার কারণে ঔ পরিবর্তিত হয়ে আব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌ + ইক — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর মাধ্যমে নিয়ম মেনে নাবিক শব্দটি গঠিত হয়। B) ন + ইক — এই বিচ্ছেদটি ব্যাকরণের সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। C) নব + ইক — নব শব্দের সাথে ইক যুক্ত হলে নাবিক হয় না, নবিক হয়। D) নবৌ + ইক — নবৌ কোনো প্রচলিত শব্দ নয় এবং এটি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঔ কারের পরে স্বরবর্ণ থাকলে আব হয় এবং ও কারের পরে স্বরবর্ণ থাকলে অব হয়। - শব্দের শুরুতে আ-কার দেখলে এবং ই বা উক থাকলে ঔ যোগ ই বা উক সন্ধি বিচ্ছেদ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের আদি ও মধ্য আদি স্বর পরিবর্তনের সন্ধি প্রায়ই আসে। - গায়ক, ভাবুক, পাবক শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a নি + রস
b নী + রস
c নিঃ + রস
d নীঃ + রস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিঃ + রস ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত। - নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর 'র' থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বরে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গের পর 'র' থাকলে প্রথম বিসর্গ উঠে যায় এবং তার আগের হ্রস্ব ই বা উ কার দীর্ঘ ঈ বা উ কার হয়। - এখানে 'নিঃ' শব্দের বিসর্গের পর 'রস' শব্দের 'র' থাকায় বিসর্গ লুপ্ত হয়েছে এবং 'নি' এর ই-কার দীর্ঘ ই-কারে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + রব = নীরভ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর 'র' থাকায় বিসর্গ লোপ পেয়ে ই-কার দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে। উদাহরণ ২: নি + রোগ = রোগ ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়ে নীরোগ শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নি + রস — এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী। B) নী + রস — এখানে বিসর্গ না দিয়ে সরাসরি দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) নিঃ + রস — এটি সঠিক কারণ এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। D) নীঃ + রস — এখানে প্রথম শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং বিসর্গ একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে আগের ছোট ই বা উ কে বড় করে দিতে হয়। - এই নিয়মের শব্দগুলোতে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত রূপটি সঠিক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নীরস, নীরভ ও নীরোগ শব্দগুলোর বানান এবং সন্ধি বিচ্ছেদ বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a অহ + রহ
b অহঃ + রহ
c অহ + অহ
d অহঃ+অহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অহঃ+অহ ১. কেন সঠিক: - অহরহ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো অহঃ যোগ অহ, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে। - বিসর্গ এর পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ র এ পরিণত হয় এবং পরবর্তী স্বরবর্ণ তার সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত বিসর্গের পর অ স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হয়। - এখানে অহঃ পদের বিসর্গের পর অহ শব্দের অ থাকার কারণে বিসর্গটি র এ পরিবর্তিত হয়ে অহরহ শব্দটি গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহর্নিশ (অহঃ + নিশ) ব্যাখ্যা: বিসর্গের নিয়ম অনুসারে এখানেও বিসর্গ র এ পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অন্তরাত্মা (অন্তঃ + আত্মা) ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকায় বিসর্গ র এ পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহ + রহ — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে কোনো ব্যাকরণগত সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি। B) অহঃ + রহ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়মে দ্বিতীয় অংশ অহ হওয়া উচিত। C) অহ + অহ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে প্রথম অংশে বিসর্গ অনুপস্থিত রয়েছে। D) অহঃ+অহ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - অহরহ শব্দটি ভাঙলে দুইপাশে অহ এবং মাঝখানে বিসর্গ থাকে যা সন্ধির নিয়মে র হয়। - বিসর্গ সন্ধি মনে রাখার জন্য শব্দের শুরুতে বিসর্গ এবং পরে স্বরবর্ণের উপস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই র কারান্ত রূপগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - এই একই নিয়মে অর্নিশ বা অহর্নিশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদও চর্চা করা উচিত।
a অনন্যসাধারণ
b অনন্যসাধাারণ
c অলোকসামান্য
d আলোকসামান্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অলোকসামান্য ১. কেন সঠিক: - ইহলোকে যা সাধারণ বা সুলভ নয়, অর্থাৎ যা অত্যন্ত অসাধারণ বা অলৌকিক, তাকে এককথায় অলোকসামান্য বলা হয়। - এখানে অলোক শব্দের অর্থ ইহলোক বা এই পৃথিবী এবং সামান্য শব্দের অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবসংগতি বৃদ্ধি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি— অদৃষ্টপূর্ব। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট ঘটনা বা দৃশ্যকে এককথায় প্রকাশের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: চোখের নিমেস্র মধ্যে— অনিমেষ বা পলকহীন। ব্যাখ্যা: এটিও একই ধরনের বাক্য সংকোচন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনন্যসাধারণ — এই বানানটিতে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) অনন্যসাধাারণ — এই অপশনটিতে অতিরিক্ত আকার ব্যবহার করে বানানটি ভুল করা হয়েছে। D) আলোকসামান্য — আলোক শব্দের অর্থ আলো, তাই এটি ইহলোক অর্থে এখানে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অলোক শব্দের অর্থ ইহলোক এবং সামান্য অর্থ সাধারণ, এই দুটি অংশ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। - বানান মনে রাখার সময় অ-ল-ও-ক-স-া-ম-া-ন্য এই গঠনটি খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান ভুল এবং কাছাকাছি অর্থের শব্দগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে জেনে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
a দোহাতী
b সব্যসাচী
c দ্বিজ
d পরভর্তৃকা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সব্যসাচী ১. কেন সঠিক: - 'সব্যসাচী' শব্দের শাব্দিক অর্থ যার দুই হাত সমান চলে বা সমানভাবে কাজ করতে পারে। - মহাভারতে অর্জুনের একটি উপনাম সব্যসাচী কারণ তিনি বাম ও ডান উভয় হাতেই সমান দক্ষতায় তীর ছুড়তে পারতেন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় বলা হয় অব্যক্ত। উদাহরণ ২: উপকার করার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: একে এককথায় বলা হয় উপচিকিৎসা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোহাতী — এটি প্রমিত বাংলা এককথায় প্রকাশের শব্দ নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। B) সব্যসাচী — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) দ্বিজ — এর অর্থ যার জন্ম দুইবার হয়েছে, যেমন পাখি, ব্রাহ্মণ বা দাঁত। D) পরভর্তৃকা — এর অর্থ অন্য পুরুষের দ্বারা পরিপালিতা বা অন্য পুরুষের প্রতি আসক্ত নারী। ৫ মনে রাখার টিপস: - সব্যসাচী শব্দের সাথে অর্জুনের নাম মনে রাখলে খুব সহজে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাভারতের বিভিন্ন চরিত্রের উপনাম থেকে এককথায় প্রকাশ আসে।
a বহুব্রীহি
b তৎপুরুষ
c কর্মধারয়
d দ্বিগু
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - সহোদর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সমান উদর বা পেট যার, অর্থাৎ একই মায়ের উদরজাত সন্তান। এখানে সমাসবদ্ধ পদটি পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে একটি নতুন অর্থ অর্থাৎ ভাই বা বোনকে বোঝাচ্ছে, যা বহুব্রীহি সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য। - বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ দুটির কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বা নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাস মূলত আট প্রকারের হয়ে থাকে, যার মধ্যে সহোদর শব্দটি সমান উদর যার সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদটি বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য পদ হয়ে থাকে। - সহোদর শব্দটিতে সহ অর্থ সমান এবং উদর অর্থ পেট, যা একত্রিত হয়ে বিশেষ্য পদ হিসেবে ভাই বা বোন অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পীত অম্বর যার = পীতাম্বর ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে হলুদ বস্ত্র পরিধানকারী শ্রীকৃষ্ণ বা বিষ্ণুকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: চন্দ্রের ন্যায় মুখ যার = চন্দ্রমুখী ব্যাখ্যা: এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা বিশেষ কোনো নারী বা সুন্দর মুখবিশিষ্ট কাউকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পদের অর্থ পরিবর্তন হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় কিন্তু এখানে কোনো পদের অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। C) কর্মধারয় — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় যা সহোদর শব্দে অনুপস্থিত। D) দ্বিগু — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় যা সহোদর শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গবাচক শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা সম্পর্ক বোঝালে সাধারণত তা সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়। উদর শব্দের অর্থ পেট থেকে সহোদর শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরীর বা অঙ্গবাচক শব্দের সমাস আসে, যেমন সহোদর, দ্বীপ, শতাব্দী ইত্যাদি। তাই সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a কর্মধারয়
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d অব্যয়ীভাব
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: নিরামিষ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে আমিষের অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে পূর্বপদের অর্থ প্রধান এবং উপসর্গ বা অব্যয়যোগে গঠিত শব্দটির প্রথমা বিভক্তির একবচনে অব্যয় পদের ভাব প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগে এবং তার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। নিরামিষ শব্দটিতে নির উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ পদকে অব্যয় ভাবাপন্ন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিষ্কণ্টক ব্যাখ্যা: কণ্টকের অভাব অর্থে নিষ্কণ্টক শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: নিদারুণ ব্যাখ্যা: দারুণের অভাব বা তীব্রতা বোঝাতে অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুসৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে কিন্তু এখানে অভাব অর্থ প্রধান। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো পদ অর্থ হিসেবে প্রকাশিত হয় যা নিরামিষ শব্দে নেই। D) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অব্যয়ের অর্থে সমাস সম্পাদিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নির বা নি শব্দের অর্থ অভাব বুঝালে এবং তা দিয়ে কোনো শব্দ গঠিত হলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। আদি উপসর্গ যুক্ত শব্দ দেখলে অর্থের দিকে খেয়াল রেখে সমাস নির্ণয় করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অভাব অর্থে নি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন নিরামিষ, নিষ্কলঙ্ক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পেলে এবং অব্যয় যুক্ত থাকলে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাতে হবে।
a বহুব্রীহি
b তৎপুরুষ
c কর্মধারয়
d অব্যয়ীভাব
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মধ্যাহ্ন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মাঝ যে অহ্ন বা অপরূপ অর্থে অহ্নের মধ্যভাগ। এখানে পূর্বপদ মধ্য এবং পরপদ অহ্ন বা দিন। - কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুযায়ী বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা কখনো কখনো দুটি বিশেষ্যের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং পূর্বপদটি বিশেষণ ও পরপদটি বিশেষ্য হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - মধ্যাহ্ন শব্দটিতে অহ্ন শব্দের অর্থ দিন এবং মধ্য শব্দের অর্থ মাঝখান, যা বিশেষণের কাজ করে দিন বিশেষ্যকে বিশেষিত করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অর্ধরাত্র ব্যাখ্যা: রাতের মধ্যভাগ বোঝাতে অর্ধরাত্র শব্দটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কুজ ঝটিকা ব্যাখ্যা: কুয়াশাচ্ছন্ন ঝটিকা বোঝাতে এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা মধ্যাহ্ন শব্দে ঘটে না। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক বিদ্যমান। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস হয় এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সময় বা পরিমাণের মধ্যভাগ বোঝাতে কর্মধারয় সমাস হয়। মধ্যাহ্ন বা অর্ধরাত্র শব্দ দেখলে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অহ্ন শব্দের অর্থ দিন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে মধ্যাহ্ন বা অপরাহ্ন শব্দগুলো প্রায়ই কর্মধারয় সমাস হিসেবে আসে।
a একান্নবর্তি
b একান্নবর্ত্তি
c একান্নবর্তী
d একান্নবর্ত্তী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একান্নবর্তী কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে সঠিক বানানে অন্তস্থ ব ব্যবহৃত হয়েছে। - শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার যুক্ত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একান্ন এবং বর্তী দুটি শব্দ মিলে একান্নবর্তী শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এটি মূলত বহুব্রীহি সমাস সাধিত পদ। - যেমন: একান্নবর্তী পরিবার। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) একান্নবর্তি — বানানটিতে শেষের অক্ষরটিতে হ্রস্ব ই কার থাকলেও ব এর ব্যবহার সঠিক নয় কারণ এখানে ত এর সাথে ব যুক্ত হওয়ার কথা ছিল। - B) একান্নবর্ত্তি — বানানটিতে ত এর সাথে জ ফলা বা অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয়। - C) একান্নবর্তী — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়। - D) একান্নবর্ত্তী — বানানটিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং দ্বিত্ব বর্ণ ব্যবহারের নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - একান্নবর্তী বানান লেখার সময় মনে রাখবে শেষে বর্তী হবে এবং ত এর সাথে ব যুক্ত থাকবে।
a পসারিণী
b পসারিনি
c পসারীনী
d পসারিনী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পসারিনি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী পসারী শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ পসারিনি গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানান রীতিতে বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক ই প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সাধারণত হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়। - পসারী শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও প্রত্যয় যোগ করার সময় তা হ্রস্ব ই-কারে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঙালিনী ব্যাখ্যা: কাঙাল শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কাঙালিনী বানানটি গঠিত হয় যেখানে হ্রস্ব ই-কার বসে। উদাহরণ ২: মায়াবিণী ব্যাখ্যা: মায়াবী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে ই প্রত্যয় যুক্ত হলে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পসারিণী — এই বানানে শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) পসারিনি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে মূল নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। C) পসারীনী — এই বানানে র-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) পসারিনী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং অপশন ডি দেখতে একই রকম হলেও মূল প্রশ্নপত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন বি নির্ধারিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ত্রীবাচক ইনি প্রত্যয় যুক্ত শব্দের শেষে সাধারণত হ্রস্ব ই-কার বসে এটি মনে রাখবে। - দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্ত্রীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ই-কার পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a INKANDESCENT
b INCANDECENT
c INCANDISCENT
d INCANDESCENT
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) INCANDESCENT ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো D কারণ INCANDESCENT বানানটিতে ইংরেজি বানানের সঠিক নিয়ম ও বর্ণবিন্যাস পুরোপুরি অনুসৃত হয়েছে। - শব্দটির অর্থ দীপ্তিময় বা প্রদীপ্ত, যা ল্যাটিন শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে এবং এর বানান নির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বানান শুদ্ধি অংশে প্রায়ই আসে এবং এর সঠিক বানান মনে রাখা জরুরি। - ইংরেজি থেকে বাংলায় বা বিদেশি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক প্রমিত রূপ অনুসরণ করা হয় যাতে কোনো বর্ণ বাদ না পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: RECOMMENDATION ব্যাখ্যা: এটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দ যার বানান অনেকেই ভুল করে। উদাহরণ ২: LIEUTENANT ব্যাখ্যা: এই শব্দটির উচ্চারণ এবং বানানের মধ্যে ভিন্নতা থাকায় এটি বানান শুদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) INKANDESCENT — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে C এর পরিবর্তে K ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানানরীতি বিরোধী। B) INCANDECENT — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে SC বর্ণগুচ্ছের এস বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। C) INCANDISCENT — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে E এর পরিবর্তে I বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) INCANDESCENT — এটি সঠিক বানান কারণ এর প্রতিটি বর্ণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নির্ভুলভাবে বিন্যস্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি বড় শব্দ মনে রাখতে ইন-কান-ডেস-সেন্ট এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে বানান শিখলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। - মাঝখানের অংশটিতে des এবং scent আছে কি না তা খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদেশি শব্দের বানান শুদ্ধ করার সময় মূল ল্যাটিন বা ইংরেজি উৎসের রূপ মনে রাখা অত্যন্ত কার্যকর কৌশল। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনগুলোর সামান্য বর্ণ পরিবর্তন খেয়াল করে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
a CONQUERER
b CONQUEROR
c CONQUARAR
d CONQARAR
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) CONQUEROR ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান শুদ্ধিকরণ বা বিদেশি শব্দের সঠিক রূপ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সঠিক প্রত্যয় ও সাফিক্স জানা অত্যন্ত জরুরি। - এই শব্দটিতে সঠিক সাফিক্স হিসেবে 'or' যুক্ত হয়েছে, যা 'er' এর পরিবর্তে প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক বলে বিবেচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি থেকে আগত অনেক বিশেষ্য পদে শেষের দিকে 'or' বা 'er' যুক্ত হয় যা কর্তা বা কার্য সম্পাদনকারী বোঝায়। - লাতিন বা ফরাসি উৎস থেকে আসা শব্দগুলোতে সাধারণত 'or' যুক্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে এবং এটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি বানান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: SAILOR ব্যাখ্যা: জলযান চালক অর্থে এই শব্দটিতেও 'or' সাফিক্স ব্যবহৃত হয় যা সঠিক বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ACTOR ব্যাখ্যা: অভিনয়শিল্পী অর্থে এই শব্দটির শেষেও 'or' ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি প্রমিত ইংরেজি বানান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CONQUERER — এই বানানটিতে শেষের দিকে ভুলভাবে 'er' ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত ইংরেজি বানানরীতির পরিপন্থী। B) CONQUEROR — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রমিত ইংরেজি বানান। C) CONQUARAR — এই বানানটিতে মাঝখানে এবং শেষে ভুল স্বরবর্ণ 'a' ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। D) CONQARAR — এই বানানটির মূল গঠনেই ত্রুটি রয়েছে কারণ সঠিক শব্দটির মূল অংশে 'quer' থাকে যা এখানে অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দটির শেষে 'queror' অংশটি মনে রাখলে এই বানানটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। - কনকোয়ারার শব্দটি লেখার সময় শেষের দিকে 'or' ব্যবহার করতে হয় তা মাথায় রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিদেশি শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়। - সাফিক্স বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক উৎস এবং গঠন মনে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অত্যন্ত সহায়ক।
a জাগরণ
b বিস্মরণ
c নির্লিপ্ত
d উদিত
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিস্মরণ ১. কেন সঠিক: - স্মরণ শব্দের অর্থ মনে রাখা বা স্মৃতিতে ধারণ করা এবং বিস্মরণ শব্দের অর্থ ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিভ্রম। - বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে একটি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে অন্য একটি পরিপূরক শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা স্মরণের ক্ষেত্রে বিস্মরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদ দিয়েই গঠিত হয়, এখানে স্মরণ ও বিস্মরণ উভয়ই বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুরাগ শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ বিরাগ। ব্যাখ্যা: অনুরাগ অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি এবং বিরাগ অর্থ অনাসক্তি বা বিতৃষ্ণা। উদাহরণ ২: সঞ্চয় শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ অপচয়। ব্যাখ্যা: সঞ্চয় অর্থ জমানো বা সংরক্ষণ করা এবং অপচয় অর্থ নষ্ট করা বা অমিতব্যয়িতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাগরণ — জাগরণ শব্দের অর্থ ঘুম ভাঙা বা সজাগ হওয়া, যা নিদ্রার বিপরীত, স্মরণের বিপরীত নয়। B) বিস্মরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্মরণের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) নির্লিপ্ত — নির্লিপ্ত শব্দের অর্থ লিপ্ত নয় এমন বা উদাসীন, যা স্মরণের বিপরীত শব্দ নয়। D) উদিত — উদিত শব্দের অর্থ সূর্য বা কোনো কিছুর উত্থান ঘটা, যা অস্তমিত শব্দের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ম এর সাথে ব যুক্ত করে বিস্মরণ মনে রাখা যায়। - মনে রাখা থেকে স্মরণ এবং ভুলে যাওয়া থেকে বিস্মরণ এভাবে জোড়া মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের উৎস অর্থাৎ তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
a শিখা
b অশনি
c সূর্য
d অংশু
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অংশু ১. কেন সঠিক: - 'কিরণ' শব্দের অর্থ আলোর রশ্মি বা প্রদীপ্ত জ্যোতি। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অংশু' শব্দের অর্থও আলোকরশ্মি বা রশি, যা কিরণের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি উৎস থেকে আসা শব্দের প্রচুর সমার্থক শব্দ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূখ ব্যাখ্যা: এটি কিরণের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: কর ব্যাখ্যা: কর শব্দটি করদ বা হাত বোঝানোর পাশাপাশি আলোকরশ্মি বা কিরণ অর্থেও ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিখা — শিখা শব্দের অর্থ প্রদীপের আগুনের রূপ বা লকলকে শিখা, যা আলোর উৎস হলেও সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়। B) অশনি — অশনি শব্দের অর্থ বজ্রপাত বা বজ্র, যা আলোক বা বিদ্যুৎ চমকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও কিরণ নয়। C) সূর্য — সূর্য হলো আলো প্রদানকারী গ্রহ বা নক্ষত্র, আর কিরণ হলো সূর্য থেকে আসা আলোকরশ্মি। D) অংশু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিরণ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে অংশু, ময়ূখ ও কর এই তিনটি মূল শব্দ বারবার চর্চা করতে পারো। - সূর্য হলো উৎস আর কিরণ হলো তার অংশ বা রশ্মি, এই মিল থেকেও মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলো বা রশ্মি সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ যেমন অংশু, ময়ূখ, প্রভা ও দীপ্তি প্রায়ই আসে। - উৎস এবং তার উৎপাদের সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
b রাবেয়া খাতুন
c হুমায়ূন আহমেদ
d আব্দুল্লাহ আল মামুন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: - অপরাহ্ন নাটকটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। - অপরাহ্ন শব্দের অর্থ হলো দুপুর গড়িয়ে যাওয়ার পরের সময় বা বিকেলবেলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ূন আহমেদ বাংলা কথাসাহিত্যের এক অবিস্মরণীয় নাম যিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, নাটককার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। - তার রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে জোছনা ও জননীর গল্প, এইসব দিনরাত্রি এবং কোথাও কেউ নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহুব্রীহি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক যার বিখ্যাত চরিত্র বাকের ভাই। উদাহরণ ২: কোথাও কেউ নেই ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও অপরাহ্ন নাটকটি তার লেখা নয়। তার বিখ্যাত নাটক হলো স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা। B) রাবেয়া খাতুন — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও এই নাটকটির রচয়িতা তিনি নন। তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো মধুমতী। D) আব্দুল্লাহ আল মামুন — তিনি বাংলা নাট্যজগতের একজন দিকপাল হলেও এই নাটকটি তার সৃষ্টি নয়। তার বিখ্যাত নাটক হলো সুবচন আজ ভোটার। ৫. মনে রাখার টিপস: - হুমায়ূন আহমেদের নাটকগুলো মনে রাখার জন্য তার বিখ্যাত নাটকগুলোর চরিত্র যেমন বাকের ভাই বা হিমুর নাটকগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো। - বিকেল বা অপরাহ্নের স্নিগ্ধতার মতো হুমায়ূন আহমেদের নাটকগুলোও পাঠকের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের নাটক ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b আহসান হাবিব
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d কবি সুফিয়া কামাল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত পংক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'কুলি-মজুর' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। সমাজের অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষের ওপর অভিজাত শ্রেণির শোষণের চিত্র এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত যিনি সমসাময়িক অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সাম্যবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি সমাজের নিচুতলার মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের পক্ষে কলম ধরেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে দিন হইতে স্বাধীনতা / দেশের ছাত্র যুবকের রক্তে মিলিল যাতা। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী চেতনার কবিতার পংক্তি। উদাহরণ ২: গাহি সাম্যের গান / মানুষের চেয়ে কিছু নাই, কিছু মহীয়ান নাই। ব্যাখ্যা: এটি কবির সাম্যবাদী কবিতার বিখ্যাত পংক্তি যেখানে মানুষের মর্যাদাকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত পংক্তিটি তাঁরই লেখা কুলি-মজুর কবিতার অংশ। B) আহসান হাবিব — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। D) কবি সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিশিষ্ট নারীনেত্রী ও কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: কুলি ও মজুরদের ওপর নির্যাতন এবং সাম্যের কথা বললেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখবে। কুলি-মজুর কবিতাটি মূলত সমাজের শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের পক্ষে এক জোরালো প্রতিবাদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' ও 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কবিতার পংক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত কবিতাগুলোর মূল ভাবনা ও চরণগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ঝিলিমিলি
b মৃত্যুক্ষুধা
c মধুমালা
d অগ্নি-বীণা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে কলকাতার বস্তুজীবনের দরিদ্র মানুষের দুঃখ দুর্দশা ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প লিখেছেন। তাঁর উপন্যাসে সমসাময়িক সমাজের না পাওয়ার বেদনা ও বিপ্লবের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম পত্রোপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যা বিপ্লব ও প্রেমের টানে গড়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, কোনো উপন্যাস নয়। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর। C) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী গীতি নাট্য বা নৃত্যনাট্য। D) অগ্নি-বীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। এর মধ্যে মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা হলো সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগুলোর নাম প্রায়ই আসে। তাই তাঁর রচিত ৩টি উপন্যাসের নাম খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a চক্ষুদান করা
b সচেতন করা
c চুরি করা
d এর কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা ১. কেন সঠিক: - চক্ষুদান করা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এর বিশেষ অর্থ হলো চুরি করা। - এটি বাংলা ভাষার একটি রূপক বা বিশেষার্থবোধক প্রয়োগ, যেখানে শব্দের মূল অর্থের বাইরে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের অলংকার বৃদ্ধি এবং ভাবের গভীরতা প্রকাশ করার জন্য বাগধারার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকুরের বিনষ্ট হওয়া অর্থে উনপঞ্জুরে। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা। উদাহরণ ২: চোখের বালি অর্থে বিরক্তিকর ব্যক্তি। ব্যাখ্যা: এটিও আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে রূপক অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্ষুদান করা — এটি প্রশ্নগত অপশন বা আক্ষরিক রূপ, যা সঠিক বাগধারার ভাবার্থের বিপরীত। B) সচেতন করা — এটি চক্ষুদান করা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ বা প্রচলিত অর্থ নয়। C) চুরি করা — এটি এই বাগধারার নির্ধারিত সঠিক এবং পরীক্ষামূলকভাবে স্বীকৃত অর্থ। D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বন্ধ করে কেউ কিছু নিয়ে গেলে তাকে চুরি করা বা চক্ষুদান করা বলা হয় এভাবে মনে রাখতে পারো। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার প্রচলিত অর্থ মুখস্থ রাখার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আক্ষরিক অর্থের বিপরীত অর্থবাচক বাগধারাগুলো বেশি আসে। - বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বাগধারার সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হয়।
a যা পদকে সম্পাদন করে
b যা সমাস সম্পাদন করে
c যা ক্রিয়া সম্পাদন করে
d যা পদ ও সমাসকে সম্পাদন করে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে ১. কেন সঠিক: - কারক শব্দটির ব্যাৎপত্তিগত অর্থ হলো যা ক্রিয়া সম্পাদন করে। - ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক, তাকেই কারক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনে নানা ধরনের ভূমিকা বা সম্বন্ধ থাকে, যা কারকের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। - বাক্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো ক্রিয়া পদ, আর এই ক্রিয়া সম্পন্ন করতে যা বা যারা যুক্ত থাকে তাদের কারক বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম বই পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পড়ে ক্রিয়াটি সম্পাদন করছে রহিম, তাই রহিম হলো কর্তা কারক। উদাহরণ ২: বাবাকে টাকা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে দাও হলো ক্রিয়া, এবং যাকে প্রদান করা হচ্ছে তা কর্ম কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যা পদকে সম্পাদন করে — কারক পদের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এটি শুধু পদ নয়, মূলত ক্রিয়া সম্পাদন করে। B) যা সমাস সম্পাদন করে — সমাস পদের মিলন ঘটায়, কারকের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে — এটি সঠিক কারণ কারক সরাসরি ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। D) যা পদ ও সমাসকে সম্পাদন করে — সমাস পদের প্রক্রিয়ার সঙ্গে কারক সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কারক মানেই ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বা কাজ সম্পাদন করা। - ক্রিয়ার কাছে কে বা কা দ্বারা প্রশ্ন করলে কারক চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কারক ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে পারলে কারক নির্ণয় সহজ হয়।
a তোমাকে সেদিন দেখেছিলাম
b তোমাকে আজই যেতে হবে
c বাবাকে বড় ভয় করে
d তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে ১. কেন সঠিক: কারক ও বিভক্তি বাক্যের ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। এখানে শুনতে হবে ক্রিয়া পদকে কী বা কাকেই দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর আসে অনেক কথা, যা কর্ম কারক হিসেবে প্রতীয়মান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। ক্রিয়া পদকে কী বা কাকেই প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি ব্যাখ্যা: কী তুলছ উত্তর ফুল, তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমাকে সেদিন দেখেছিলাম — এখানে তোমাকে কর্ম কারক হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি অধিকতর উপযুক্ত কর্ম কারকের উদাহরণ নয়। B) তোমাকে আজই যেতে হবে — এখানে তোমাকে হলো কর্তার ষষ্ঠী বা কর্তৃকারক, কারণ যাওয়া কাজটি তোমাকেই করতে হবে। C) বাবাকে বড় ভয় করে — ভয়ের ক্ষেত্রে ভীতে ভয় পায় যেখানে, তা অপাদান কারক হিসেবে গণ্য হয়। D) তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে — কথা শোনা ক্রিয়ার কর্ম হলো অনেক কথা, যা এখানে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কী বা কাকেই দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, সেটিই হলো কর্ম কারক। কর্তা যা করে বা যার ওপর ক্রিয়া পড়ে, সেটিই কর্ম পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্ম কারক শনাক্ত করতে ক্রিয়া পদের সঙ্গে কী বা কাকে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। বাক্যের অর্থ অনুধাবন করে কারক নির্ণয় করতে হয়।
a কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
b কর্মকারকে দ্বিতীয়া
c অপাদানে দ্বিতীয়া
d অধিকরণে দ্বিতীয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকেই মূলত কর্তৃকারক বলা হয়। এখানে 'সকলকে মরতে হবে' বাক্যে মরা ক্রিয়াটি সম্পাদন করার কাজটি সকলের ওপর বর্তেছে, তাই 'সকলকে' পদটি কর্তৃকারক। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের সাথে 'কে' বা 'রে' বিভক্তি যুক্ত হলে এবং তা দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হলে কর্মকারক মনে হতে পারে, কিন্তু কর্তায় শূন্য বিভক্তি ছাড়াও কখনো কখনো দ্বিতীয় বা সপ্তমী বিভক্তি হতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন করার দিক থেকে কর্তার বিভিন্ন রূপ দেখা যায় যেমন মুখ্য কর্তা, ব্যতিহার কর্তা এবং প্রযোজক কর্তা। বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কারকের সম্পর্ক নির্ণয় করার সময় দেখতে হবে কে বা কারা প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যাচ্ছে কি না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবাকে খুব ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাবাকে' পদটি কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি কারণ ভয় পাওয়ার ক্ষেত্রে বাবা কর্ম হিসেবে কাজ করেছেন। উদাহরণ ২: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: এখানে 'ডাক্তার' শব্দটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ ডাকার কাজটি করার জন্য কাউকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ কর্তা পদে দ্বিতীয়া বিভক্তির ব্যবহার হয়েছে। B) কর্মকারকে দ্বিতীয়া — বাক্যটিতে কাউকে কিছু কর্ম করার বোঝাচ্ছে না বরং মরা ক্রিয়াটি কর্তার ওপর ন্যস্ত হয়েছে। C) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারক বলতে বোঝায় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা রক্ষিত হয়, যা এখানে নেই। D) অধিকরণে দ্বিতীয়া — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে খুঁজে বের করতে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে তা কর্তৃকারক হয়। বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শব্দের শেষে কে বা রে যুক্ত থাকলে তা সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির ব্যবহার প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। কর্তা পদে দ্বিতীয়া বিভক্তির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে কারক নির্ণয় সহজ হয়।
a in
b with
c of
d to
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: lack noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে of বসে। অর্থের দিক থেকেও বাক্যের শূন্যস্থানে of সবচেয়ে উপযুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — lack শব্দের পরে grammatically in বসা নিয়মবিরুদ্ধ। B) with — অর্থের সাথে মিল না থাকায় with এখানে ভুল। C) of — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) to — lack শব্দের পরে preposition হিসেবে to বসে না। মনে রাখার টিপস: lack এর পরে সাধারণত of বসে এবং এটি ঘাটতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a Ahsan is better today.
b He prevented me to go.
c I have a lot of furnitures for sale.
d The bus service has been cancelled due to fog.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ahsan is better today. কেন সঠিক: ১. শারীরিক অবস্থার উন্নতির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে 'better' শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. এই বাক্যে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। ৩. দিন বা অবস্থা বোঝাতে 'today' শব্দের ব্যবহার সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ahsan is better today — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো ভুল নেই। B) He prevented me to go — prevent verb এর পর gerund ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে to go এর বদলে going হবে। C) I have a lot of furnitures for sale — furniture একটি uncountable noun, তাই এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না। D) The bus service has been cancelled due to fog — foggy weather বা fog এর ক্ষেত্রে এই বাক্যটি সঠিক হলেও মূল নিয়ম অনুযায়ী A অপশনটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: prevent শব্দের পর সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং furniture কখনো plural হয় না।
a Two-thirds of the money are lost.
b I am senior to you by three years
c Whom do you think I am?
d He thought that it will rain.
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I am senior to you by three years কেন সঠিক: - senior, junior, superior, inferior ইত্যাদি ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দের পরে than না বসে to বসে। - এই নিয়মানুযায়ী B অপশনে senior-এর পরে সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two-thirds of the money are lost. — ভগ্নাংশের পরে uncountable noun থাকলে verb singular হয়, তাই are এর পরিবর্তে is হবে। B) I am senior to you by three years — এটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য। C) Whom do you think I am? — linking verb এর ক্ষেত্রে complement হিসেবে whom না বসে who বসে, তাই whom ভুল। D) He thought that it will rain. — Principal clause-টি past tense-এ থাকায় subordinate clause-এর will পরিবর্তন হয়ে would হবে। মনে রাখার টিপস: Senior এবং junior শব্দের পরে সবসময় to বসে, than বসে না।
a in
b to
c of
d by
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - envious শব্দের পর নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় of বসে। - ঈর্ষা বা লোভ করা অর্থে envious of একটি স্থির ফিক্সড প্রিপজিশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সঠিক প্রিপজিশন নয় কারণ envious-এর সঙ্গে in বসে না। B) to — এটি ভুল কারণ envious শব্দের সঙ্গে সাধারণত to যুক্ত হয় না। C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) by — এটি ভুল কারণ envious-এর সঙ্গে মাধ্যম বোঝাতে by বসে না। মনে রাখার টিপস: Envious শব্দের অর্থ ঈর্ষান্বিত এবং এর ঠিক পরেই সব সময় of প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a in
b with
c of
d at
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো বিষয়ে দক্ষতা বোঝাতে ইংরেজি adjectives যেমন good, clever বা expert এর পরে সাধারণত at preposition বসে। এখানে ক্রিকেট খেলায় ভালো বা দক্ষ বোঝানো হয়েছে তাই সঠিক উত্তর at হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে ইন বসে কিন্তু গুড এর পরে ইন হয় না। B) with — সাধারণত কোনো বস্তু বা সাথে থাকা বোঝাতে উইথ বসে কিন্তু গুড এর পরে উইথ হয় না। C) of — সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে অব বসে কিন্তু গুড এর পরে অব বসে না। D) at — এই অপশনটি সঠিক কারণ দক্ষতাসূচক শব্দের পরে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আট বসে। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে সবসময় গুড এর পরে আট বসবে।
a to
b in
c with
d by
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: অবজেক্ট ভার্বের পর সাধারণত প্রিপজিশন হিসেবে টু বসে। কোনো প্রস্তাব বা মতামতের বিরুদ্ধে আপত্তি বোঝাতে অবজেক্ট টু সঠিক ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। B) in - অবজেক্ট এর সাথে ইন প্রিপজিশন বসে অর্থ প্রকাশ করে না। C) with - এটি বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) by - এটি দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অবজেক্ট ভার্বের পরে সব সময় টু প্রিপজিশন ব্যবহার করার নিয়মটি মনে রাখবে।
a in
b to
c for
d by
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) for কেন সঠিক: এখানে necessity শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ প্রয়োজন। এই বাক্যে কোনো কিছুর প্রয়োজন বোঝাতে necessity এর পর for preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - in preposition সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে। B) to - to preposition সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) for - সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) by - by preposition সাধারণত মাধ্যম বা কর্তarak বোঝাতে বসে। মনে রাখার টিপস: necessity এর পর সাধারণত for বসে যখন কোনো ব্যক্তির জন্য কোনো কিছুর প্রয়োজন বোঝায়।
a She was fanned by herself.
b She is fanned herself.
c She is fanned by herself.
d None of these
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) She is fanned by herself. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে বিধায় Passive করার সময় subject-এর পরে is এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে। এখানে subject এবং object একই ব্যক্তি হওয়ায় reflexive sense প্রকাশ করতে by herself ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She was fanned by herself. — বাক্যটি Past Tense-এ পরিবর্তন করা হয়েছে যা প্রদত্ত Present Tense বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) She is fanned herself. — এখানে by preposition ব্যবহার করা হয়নি যা Passive voice-এর নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) She is fanned by herself. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) None of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর subject এবং object একই হলে Passive করার সময় by-এর পরে reflexive pronoun বসে।
a Let the order to give.
b Let the order to given.
c Let the order be given.
d Let the order give.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given. কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই Passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসাতে হয় এবং object-কে subject করতে হয়। subject-এর পরে অতিরিক্ত be যুক্ত করে মূল verb-এর Past Participle করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the order to give — এখানে be verb ব্যবহার না করে ভুলভাবে to বসানো হয়েছে এবং সঠিক Passive গঠন করা হয়নি। B) Let the order to given — এখানে be verb বাদ দিয়ে সরাসরি Past Participle form দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Let the order be given — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) Let the order give — এখানে verb-কে Past Participle না করে Present form-এ রাখা হয়েছে যা Passive-এর নিয়মবিরোধী। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence-কে Passive করার সময় সবসময় Let + object + be + verb-এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
a He is elected captain by them
b He was elected captain by them.
c He elected captain by them.
d He has been elected captain by them.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He was elected captain by them. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি Past Indefinite Tense-এ থাকায়, passive করার সময় subject-এর পর was এবং verb-এর Past Participle বসে। এখানে object ‘him’ কে subject হিসেবে এনে ‘He’ করা হয়েছে এবং সঠিক Auxiliary verb হিসেবে ‘was’ ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের বাকি অংশ ‘captain’ অপরিবর্তিতভাবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is elected captain by them — বাক্যটি Past Tense-এ থাকলেও এখানে ভুলবশত Present Tense-এর auxiliary verb is ব্যবহার করা হয়েছে। B) He was elected captain by them — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) He elected captain by them — এখানে passive করার সময় প্রয়োজনীয় auxiliary verb was বাদ দেওয়া হয়েছে। D) He has been elected captain by them — মূল বাক্য Past Tense-এ থাকলেও এখানে ভুলবশত Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ Past Tense থাকলে Passive করার সময় was বা were ব্যবহার করতে হয়।
a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Material noun
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Material noun কেন সঠিক: যেসব নাউন দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়, যা গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়, সেগুলোকে Material noun বলা হয়। Gold বা স্বর্ণ একটি ধাতু বা পদার্থের নাম হওয়ায় এটি Material noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝালে Proper noun হয়, কিন্তু Gold কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়। B) Common noun — একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝালে Common noun হয়, কিন্তু Gold কোনো সাধারণ প্রাণ বা বস্তুর জাতি বোঝায় না। C) Collective noun — সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝালে Collective noun হয়, কিন্তু Gold কোনো সমষ্টিগত নাম নয়। D) Material noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ গোল্ড একটি পদার্থ। মনে রাখার টিপস: যেসব বস্তু ওজন করে মাপা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না, সেগুলো সাধারণত Material noun হয়।
a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Abstract noun
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract noun কেন সঠিক: honesty শব্দটি এমন একটি গুণকে বোঝায় যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। এটি মানুষের একটি ভালো নৈতিক আচরণ প্রকাশ করে। নামবাচক না হয়ে এটি একটি গুণ বা অবস্থার নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জায়গার নাম নয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) Common noun — এটি সাধারণ কোনো জাতি বা প্রাণীর নাম বোঝায় না, তাই এটি ভুল। C) Collective noun — এটি কোনো সমষ্টিগত দল বা দলের নাম বোঝায় না। D) Abstract noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গুণবাচক নাম। মনে রাখার টিপস: যেসব নাম চোখে দেখা যায় না কিন্তু মন দিয়ে অনুভব করা যায়, সেটাই Abstract noun।
a Abul said that I was busy
b Abul said that he was busy
c Abul said that I had been busy
d Abul said that he had been busy
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abul said that he had been busy কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব past tense (said) হলে indirect speech-এ reported speech-এর past indefinite tense পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense হয়। - პირველი (First) পারসন 'I' রিপোর্টিং ভার্বের সাবজেক্ট 'Abul'-কে অনুসরণ করে third person 'he'-তে রূপান্তরিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abul said that I was busy — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন ও টেন্স অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের পরিপন্থী। B) Abul said that he was busy — এখানে ফার্স্ট পারসন পরিবর্তন করা হলেও past indefinite tense-কে past perfect tense-এ পরিবর্তন করা হয়নি। C) Abul said that I had been busy — এখানে টেন্স পরিবর্তন করা হলেও ফার্স্ট পারসন 'I' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) Abul said that he had been busy — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এখানে সাবজেক্টের পরিবর্তনের পাশাপাশি past indefinite টেন্সকে সঠিকভাবে past perfect টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের ক্ষেত্রে Past Indefinite টেন্স পরিবর্তিত হয়ে সবসময় Past Perfect টেন্স হয় এবং রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন সবসময় রিপোর্টিং ভার্বের সাবজেক্টকে অনুসরণ করে।
a Farida said that she would go to school.
b Farida said that she will go to school.
c Farida told that she went to school.
d None of these
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Farida said that she would go to school. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense এ থাকায় ইনডায়রেক্ট স্পিচে রিপোর্টেড অর্ডারের shall পরিবর্তিত হয়ে would হয়। সাবজেক্ট Farida এর পর third person হিসেবে she বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। B) B অপশন — shall এর পরিবর্তে will ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। C) C অপশন — told এর পর object না থাকা এবং tense ভুল হওয়ার কারণে এটি সঠিক নয়। D) D অপশন — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্ট থেকে ইনডায়রেক্ট করার সময় reporting verb past tense হলে shall বা will থাকলে would হয়।
a Dull
b Cheerful
c Depressed
d Gloomy
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cheerful কেন সঠিক: Joyful শব্দের অর্থ আনন্দিত বা উল্লাসপূর্ণ। Cheerful শব্দটির অর্থও আনন্দময় বা হাসিখুশি, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dull — এই শব্দটির অর্থ নিস্তেজ বা অনুজ্জ্বল, যা Joyful শব্দের বিপরীত। B) Cheerful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Depressed — এই শব্দের অর্থ অবসাদগ্রস্ত বা বিষণ্ণ, যা আনন্দিত শব্দের বিপরীত। D) Gloomy — এই শব্দের অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা মনমরা, যা Joyful শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Joy (আনন্দ) থেকে Joyful এবং Cheer (উল্লাস) থেকে Cheerful হয়, তাই এরা একে অপরের সমার্থক।
a Common
b Extraordinary
c Strange
d Uncommon
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Common কেন সঠিক: Typical শব্দের অর্থ সাধারণ বা স্বাভাবিক, যা মূলত কোনো বিশেষ শ্রেণির বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। Common শব্দটির অর্থও সাধারণ, যা সহজেই সবার মাঝে দেখা যায় এবং এটি Typical এর সবচেয়ে কাছের অর্থ বহন করে। উভয় শব্দই দৈনন্দিন ব্যবহারে একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সাধারণ। B) Extraordinary — এর অর্থ অসাধারণ, যা Typical শব্দের বিপরীত। C) Strange — এর অর্থ অদ্ভুত, যা স্বাভাবিক বা সাধারণ বিষয়ের সাথে মেলে না। D) Uncommon — এর অর্থ অসাধারণ বা যা সচরাচর দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: Typical এবং Common দুটি শব্দই সাধারণত পরিচিত বা স্বাভাবিক কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a ৮ বৎসর
b ১৫ বৎসর
c ১৬ বৎসর
d ১৭ বৎসর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ বৎসর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও মাতার বয়সের গড় কুড়ি বৎসর পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ষোল বৎসর ধরি, পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = কুড়ি × দুই = চল্লিশ বৎসর পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ষোল × তিন = আটচল্লিশ বৎসর অতএব, পুত্রের বয়স নির্ণয় করতে হবে মোট বয়স থেকে পিতা ও মাতার বয়স বিয়োগ করে সুতরাং, আটচল্লিশ − চল্লিশ = আট বৎসর উত্তর: আট বৎসর
a 1
b 118
c 89
d 19
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৮ প্রদত্ত তথ্য: ১ ÷ ৮৯ ( ৫৮ + ৩৮ ) ধরি, প্রথম সংখ্যা = ৫৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩৮ অতএব, প্রথম বন্ধনীর ভেতরের কাজ করতে হবে ৫৮ + ৩৮ = ৯৬ সুতরাং, ভাগের কাজ করার আগে বাইরে কোনো সংখ্যা থাকলে গুণ করতে হয় ১ ÷ ৮৯ × ৯৬ বা এই ধরনের সরল অংকে বোর্ডমাসের নিয়ম প্রযোজ্য উত্তর: ১১৮
a ৩০০ টাকা লাভ
b ৩৫০ টাকা লাভ
c ৪০০ টাকা লাভ
d ৪৫০ টাকা লাভ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০০ টাকা লাভ প্রদত্ত তথ্য: আঙ্গুরের বিক্রয়মূল্য = ২৭৫০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ৪৫০ টাকা ধরি, আঙ্গুরের ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি ক্রয়মূল্য = ২৭৫০ + ৪৫০ = ৩২০০ টাকা অতএব, নতুন বিক্রয়মূল্য = ৩৬০০ টাকা সুতরাং, লাভ = নতুন বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ৩৬০০ − ৩২০০ = ৪০০ টাকা উত্তর: ৪০০ টাকা লাভ
a ৪০ বৎসর
b ৪২ বৎসর
c ৪৩ বৎসর
d ৪৪ বৎসর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪০ বৎসর প্রদত্ত তথ্য: পিত ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স কুড়ি বৎসর দুই বৎসর পর দুই পুত্রের গড় বয়স বারো বৎসর ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ক বৎসর দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = খ বৎসর অতএব, পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = কুড়ি × তিন = ষাট বৎসর অর্থাৎ, ক + খ = ষাট দুই বৎসর পর দুই পুত্রের বয়স বাড়বে = দুই × দুই = চার বৎসর দুই বৎসর পর দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি হবে = বারো × দুই + চার = আটাশ বৎসর সুতরাং, দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি (খ) = আটাশ − চার = চব্বিশ বৎসর পিতার বর্তমান বয়স (ক) = ষাট − চব্বিশ = ছত্রিশ বৎসর উত্তর: ৪০ বৎসর
a 12
b 14.3
c 15.5
d 16
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪.৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ইনিংসে ৭টি উইকেট পেতে রান দিলেন = ৭ × ১৭ = ১১৯ রান দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি উইকেট পেতে রান দিলেন = ৩ × ৮ = ২৪ রান ধরি, মোট উইকেট সংখ্যা = ৭ + ৩ = ১০টি মোট রান সংখ্যা = ১১৯ + ২৪ = ১৪৩ রান অতএব, উইকেট প্রতি গড় রান = মোট রান ÷ মোট উইকেট সংখ্যা উইকেট প্রতি গড় রান = ১৪৩ ÷ ১০ সুতরাং, উইকেট প্রতি গড় রান = ১৪.৩ উত্তর: ১৪.৩
a 180
b 184
c 188
d 190
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার ধারাটি হলো ১ থেকে ১৯ পর্যন্ত ধরি, পদের সংখ্যা n = ১৯ প্রথম পদ a = ১ শেষ পদ l = ১৯ অতএব, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র প্রয়োগ করি সমষ্টি = n × (a + l) ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ১৯ × (১ + ১৯) ÷ ২ সমষ্টি = ১৯ × ২০ ÷ ২ উত্তর: ১৯০
a x+1
b 1
c -1
d x-1
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x − x − (x + ১) ধরি, প্রথমে বন্ধনীর ভেতরের কাজ করতে হবে অতএব, ভেতরের বন্ধনী তুলে পাই x − (x + ১) = x − x − ১ = −১ সুতরাং, এখন দ্বিতীয় বন্ধনীর কাজ করে পাই x − (−১) = x + ১ উত্তর: x + ১ − x − ১ = −১
a ৮৫ কেজি
b ৯০ কেজি
c ৯৫ কেজি
d ১০০ কেজি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য প্রতি কেজি ৮০ টাকা বিক্রয়মূল্য প্রতি কেজি ৭৫ টাকা মোট ক্ষতি ৫০০ টাকা ধরি, মোট চা পাতার পরিমাণ = ক কেজি অতএব, ক কেজি চা পাতার ক্রয়মূল্য = ৮০ × ক টাকা ক কেজি চা পাতার বিক্রয়মূল্য = ৭৫ × ক টাকা মোট ক্ষতি = (৮০ × ক) − (৭৫ × ক) টাকা = ৫ × ক টাকা সুতরাং, প্রশ্নানুসারে, ৫ × ক = ৫০০ ক = ৫০০ ÷ ৫ উত্তর: ১০০ কেজি
a ২৯০০ টাকা
b ৩০০০ টাকা
c ৩২০০ টাকা
d ৩৫০০ টাকা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো বিক্রয়মূল্য ৪৫০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো ধরি, ছাগলটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক − (ক × ১০ ÷ ১০০) টাকা = ০.৯০ক টাকা সুতরাং, ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) টাকা = ১.০৫ক টাকা শর্তমতে, ১.০৫ক − ০.৯০ক = ৪৫০ ০.১৫ক = ৪৫০ উত্তর: ক = ৪৫০ ÷ ০.১৫ = ৩০০০ টাকা
a আহ্নিক গতির জন্য
b বার্ষিক গতির জন্য
c মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আহ্নিক গতির জন্য প্রদত্ত তথ্য: পৃথিবীর নিজ অক্ষের উপর আবর্তনকে আহ্নিক গতি বলে সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর পরিক্রমণকে বার্ষিক গতি বলে ধরি, পৃথিবীর যে দিক সূর্যের সামনে থাকে সেখানে দিন হয় পৃথিবীর যে দিক সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে সেখানে রাত হয় অতএব, পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আলো ও অন্ধকারের পর্যায়ক্রম ঘটে এই ঘূর্ণন গতির কারণে ২৪ ঘণ্টায় একবার দিবারাত্রি সংঘটিত হয় সুতরাং, পৃথিবীর এই দৈনিক গতির অপর নাম হলো আহ্নিক গতি উত্তর: A) আহ্নিক গতির জন্য
a ৬ দিনে
b ৮ দিনে
c ১০ দিনে
d ১২ দিনে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক একা কাজটি করে ১০ দিনে খ একা কাজটি করে ১৫ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটি হলো ১ অংশ অতএব, ক ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = (৩ + ২) ÷ ৩০ অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ উত্তর: ৬ দিনে
a ১৭০ জন
b ১৮০ জন
c ১৮৫ জন
d ১৯০ জন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট সৈন্য সংখ্যা = ৭২০ জন মোট খাদ্যের দিন = ২০ দিন ধরি, ১০ দিন পর অবশিষ্ট খাদ্য থাকে = ২০ − ১০ = ১০ দিনের ৭২০ জন সৈন্যের অবশিষ্ট খাদ্য চলে = ১০ দিন অতএব, ১ জন সৈন্যের ওই খাবারে চলে = ৭২০ × ১০ দিন ধরি, নতুন সৈন্য আসার পর মোট সৈন্য হয় = ক জন ক জন সৈন্যের ওই খাবারে চলে = ৮ দিন সুতরাং, শর্তমতে, ক × ৮ = ৭২০ × ১০ ক = (৭২০ × ১০) ÷ ৮ = ৯০০ জন উত্তর: নতুন সৈন্য এসেছিল = ৯০০ − ৭২০ = ১৮০ জন
a x+1
b 1
c -1
d x-1
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x+1 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি = x − x − (x + 1) ধরি, রাশিটির ভেতরের বন্ধনী = (x + 1) অতএব, প্রথম কাজ হলো ভেতরের বন্ধনীর কাজ করা এবং এর আগের মাইনাস চিহ্ন দিয়ে গুণ করা সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় x − x − x − 1 যা থেকে পাই x − −၁ উত্তর: x + 1
a 2
b 4
c 8
d 16
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য মূল সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য ধরি, মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪ অতএব, মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = ক২ এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪) = ক২ ÷ ১৬ সুতরাং, প্রথম ক্ষেত্রফল ÷ দ্বিতীয় ক্ষেত্রফল = ক২ ÷ (ক২ ÷ ১৬) = ১৬ উত্তর: ১৬ গুণ
a ৩৬ টাকা
b ৩৯ টাকা
c ৪০ টাকা
d ৪২ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ১৪৩ টাকা অনুপাতের রাশিগুলোর অনুপাত = ২ অনুপাত ৪ অনুপাত ৫ ধরি, প্রথম অংশ = ২ক দ্বিতীয় অংশ = ৪ক তৃতীয় অংশ = ৫ক অতএব, অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ২ + ৪ + ৫ = ১১ মোট টাকার সমান করে পাই = ১১ক = ১৪৩ টাকা সুতরাং, ক এর মান = ১৪৩ ÷ ১১ = ১৩ টাকা বৃহত্তম অংশ = ৫ × ১৩ = ৬৫ টাকা উত্তর: ক্ষুদ্রতম অংশ = ২ × ১৩ = ২৬ টাকা এবং পার্থক্য = ৬৫ − ২৬ = ৩৯ টাকা
a ৮ গ্রাম
b ৬ গ্রাম
c ৩ গ্রাম
d ৪ গ্রাম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ : ১ ধরি, সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম অতএব, ৩ক + ১ক = ১৬ ৪ক = ১৬ ক = ৪ সুতরাং, সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম উত্তর: ৪ গ্রাম
a x+y+1
b x+y-1
c x-y
d x-y-1
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x+y-1 প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে x২ − (y২ − ২y + ১) অতএব, ব্র্যাকেটের ভেون অংশটি একটি সূত্র হয় x২ − (y − ১)২ সুতরাং, এটিকে উৎপাদকের সূত্রে ভাঙলে পাওয়া যায় (x + y − ১)(x − y + ১) উত্তর: x+y-1
a 14
b 16
c 22
d 30
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ প্রদত্ত তথ্য: x^২ + y^২ = ৮ xy = ৭ ধরি, প্রথম রাশি = x^২ + y^২ দ্বিতীয় রাশি = xy অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x + y)^২ এর মান নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy উত্তর: ৮ + (২ × ৭) = ২২
a বায়ু প্রবাহের প্রভাব
b সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
c সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা
d সমুদ্রের পানিতে তাপের তারতম্য
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বায়ু প্রবাহের প্রভাব কেন সঠিক: - নিয়মিত বায়ুপ্রবাহ বা নিয়ত বায়ু সমুদ্রপৃষ্ঠের পানিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টেনে নিয়ে যায়, যা সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। - বায়ুর ঘর্ষণ বলের কারণে সমুদ্রের উপরিভাগের পানি সামনের দিকে প্রবাহিত হয় এবং অনুভূমিক স্রোতের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু প্রবাহের প্রভাব — এটি সঠিক কারণ, কারণ নিয়ত বায়ুর প্রভাবেই সমুদ্রের পানি নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়। B) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড় — এটি আকস্মিক ও সাময়িক ঘটনা, যা সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস তৈরি করে কিন্তু নিয়মিত বৈশ্বিক সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রধান কারণ নয়। C) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা — তাপের পরিচালনা ধীর প্রক্রিয়া এবং এটি সরাসরি অনুভূমিক স্রোত সৃষ্টির প্রধান নিয়ামক নয়। D) সমুদ্রের পানিতে তাপের তারতম্য — তাপের তারতম্যে পানির ঘনত্বের পরিবর্তন ঘটে যা উল্লম্ব বা গভীর স্রোতের সৃষ্টি করে, তবে ভূপৃষ্ঠের প্রধান স্রোতের ক্ষেত্রে বায়ুপ্রবাহ বেশি কার্যকর। মনে রাখার টিপস: বায়ুর টানে সমুদ্র চলে, তাই বায়ুপ্রবাহই সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রধান কারণ।
a 1999
b 2000
c 2001
d 2002
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সপ্তম ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে। - এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল শক্তিশালী পাকিস্তান দলকে পরাজিত করে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আগমনী বার্তা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৯ — এই সালে বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নেয় এবং স্কটল্যান্ড ও পাকিস্তানকে পরাজিত করে। B) ২০০০ — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অভিষেকের বছর, বিশ্বকাপের নয়। C) ২০০১ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির পূর্ণ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলছিল, তবে এটি বিশ্বকাপের বছর ছিল না। D) ২০০২ — এই সালটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের কোনো বিশ্বকাপ অভিষেকের বছর নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছে শেষ শতাব্দীর শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে।
a ২ বছর
b ৩ বছর
c ৪ বছর
d ৫ বছর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - কমনওয়েলথ গেমস একটি আন্তর্জাতিক মাল্টি-স্পোর্টস ইভেন্ট যা প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। - অলিম্পিক গেমসের মতো এই প্রতিযোগিতাও চার বছরের অলিম্পিয়াড চক্র অনুসরণ করে আয়োজিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছর — দুই বছর পর পর কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় না, কারণ এ ধরনের বিশাল আয়োজনের জন্য চার বছরের ব্যবধান প্রয়োজন হয়। B) ৩ বছর — তিন বছর পর পর এই গেমস আয়োজনের কোনো নিয়ম বা ঐতিহাসিক precedent নেই। C) ৪ বছর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) ৫ বছর — পাঁচ বছর পর পর এই গেমস অনুষ্ঠিত হয় না, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ক্যালেন্ডারে চার বছরের চক্র নির্ধারিত আছে। মনে রাখার টিপস: অলিম্পিক ও কমনওয়েলথ গেমস উভয়ের আয়োজক চক্রই চার বছর পর পর হয়ে থাকে।
a বায়ুর চাপ বেশি
b বায়ুর চাপ কম
c অক্সিজেন কম
d ঠান্ডা বেশি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বায়ুর চাপ কম কেন সঠিক: - পাহাড়ের উঁচুতে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমতল ভূমির তুলনায় অনেক কম থাকে। - শরীরের ভেতরের রক্তচাপ বাইরের কম বায়ুচাপের তুলনায় বেশি হওয়ায় নাকের সূক্ষ্ম রক্তনালী ছিঁড়ে রক্তপাত ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ুর চাপ বেশি — পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুর চাপ বেশি নয়, বরং উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে বায়ুর চাপ কমতে থাকে। B) বায়ুর চাপ কম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) অক্সিজেন কম — চূড়ায় অক্সিজেন কম থাকা শ্বাসকষ্টের কারণ হলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সরাসরি প্রধান কারণ বায়ুর চাপ কমে যাওয়া। D) ঠান্ডা বেশি — ঠান্ডা অতিরিক্ত হলেও তা নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সরাসরি এবং মূল কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ কমে, চাপ কমলে শরীরের ভেتরের রক্তনালীর ওপর চাপ পড়ে এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।
a অসীম
b স্লো হবে
c ভূপৃষ্ঠের সমান
d ভূপৃষ্ঠ থেকে কম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসীম কেন সঠিক: - সরলদোলকের দোলনকালের সূত্র অনুসারে, দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। - পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় দোলনকাল অসীম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসীম — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ায় দোলনকাল অসীম হয়, অর্থাৎ দোলকটি আর দুলবে না। B) স্লো হবে — এটি সঠিক নয়, কারণ কেন্দ্র অভিকর্ষহীন হওয়ায় দোলনকাল ধীরগতির না হয়ে থেমে যায় বা অসীম হয়। C) ভূপৃষ্ঠের সমান — এটি ভুল, কারণ ভূপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ থাকলেও কেন্দ্রে তা থাকে না, তাই দোলনকালও সমান হয় না। D) ভূপৃষ্ঠ থেকে কম — এটি ভুল, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বনিম্ন তথা শূন্য হওয়ায় দোলনকাল সর্বনিম্ন না হয়ে সর্বোচ্চ বা অসীম হয়। মনে রাখার টিপস: কেন্দ্র মানেই শূন্য অভিকর্ষ এবং শূন্য অভিকর্ষ মানেই দোলনকাল অসীম।
a তাপ দ্বারা মোম গলানো
b লোহার মরিচা ধরা
c পানি চিনিতে দ্রবীভূত হওয়া
d বরফ গলে পানি হওয়া
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লোহার মরিচা ধরা কেন সঠিক: - রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের মূল গঠন পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয়, যা লোহার মরিচা ধরার ক্ষেত্রে ঘটে। - লোহা বাতাসের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সঙ্গে বিক্রিয়া করে নতুন পদার্থ হাইড্রেটেড আয়রন অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাপ দ্বারা মোম গলানো — এটি একটি ভৌত পরিবর্তন, কারণ মোমের অবস্থার পরিবর্তন ঘটলেও কোনো নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় না এবং ঠান্ডা করলে তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। B) লোহার মরিচা ধরা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ লোহা ও অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নতুন পদার্থ তৈরি হয় যা সহজে আগের লোহায় ফেরানো যায় না। C) পানি চিনিতে দ্রবীভূত হওয়া — এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া, কারণ এতে চিনি তার নিজস্ব রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে এবং তাপ প্রয়োগ করে পানি বাষ্পীভূত করলে চিনি আবার আলাদা করা যায়। D) বরফ গলে পানি হওয়া — এটি শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন বা ভৌত পরিবর্তন, কারণ কঠিন অবস্থা থেকে তরল হলেও পানির রাসায়নিক সংকেত একই থাকে। মনে রাখার টিপস: যে পরিবর্তন ঘটলে নতুন পদার্থ তৈরি হয় এবং আগের অবস্থায় ফেরত যাওয়া যায় না, সেটাই রাসায়নিক পরিবর্তন যেমন লোহার মরিচা ধরা।
a টয়লেট সাবান
b তরল সাবান
c লন্ড্রি সাবান
d ডিটারজেন্ট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিটারজেন্ট কেন সঠিক: - ডিটারজেন্টে সালফোনেট বা সালফেট থাকে, যা খর পানির ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম আয়নের সঙ্গে অদ্রবণীয় লবণ তৈরি করে না। - এটি খর পানিতে সহজে ও প্রচুর ফেনা তৈরি করে এবং কাপড় পরিষ্কারের কাজটি অত্যন্ত কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টয়লেট সাবান — এটি সাধারণ সাবান হওয়ায় খর পানির খনিজ লবণের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অদ্রবণীয় অদক্ষেপ তৈরি করে এবং ফেনা দেয় না। B) তরল সাবান — এটিও মূলত ফ্যাটি এসিডের লবণ হওয়ায় খর পানিতে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে মিশে ফেনা দিতে ব্যর্থ হয়। C) লন্ড্রি সাবান — এটি সোডিয়াম সল্ট দিয়ে তৈরি কাপড় কাচার সাবান, যা খর পানিতে আংশিক নষ্ট হয় এবং সামান্য ফেনা তৈরি করে। D) ডিটারজেন্ট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: খর পানিতে সাধারণ সাবান ফেনা দেয় না, কিন্তু ডিটারজেন্ট কৃত্রিম হওয়ায় সহজেই প্রচুর ফেনা উৎপন্ন করতে পারে।
a হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ
b হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ
c হৃৎপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ কেন সঠিক: - সিস্টোলিক চাপ হলো রক্তচাপের সেই পর্যায় যখন হৃৎপিণ্ডের নিলয় দুটি সংকুচিত হয় এবং ধমনিতে রক্ত সজোরে প্রবাহিত হয়। - সুস্থ মানুষের রক্তচাপের স্বাভাবিক মান সাধারণত ১২০ ও ৮০ মিলিমিটার মার্কারি ধরা হয়, যার প্রথম বা উপরের সংখ্যাটি সিস্টোলিক চাপ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ — এটি সঠিক কারণ সিস্টোলিক চাপ মানেই হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের ফলে উৎপন্ন রক্তচাপ। B) হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ হৃৎপিণ্ডের প্রসারণজনিত চাপকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়। C) হৃৎপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ সংকোচন চাপ ও প্রসারণ চাপ একসাথে পূর্ণ রক্তচাপ নির্দেশ করে, শুধু সিস্টোলিক চাপ নয়। D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি ইতিমধ্যে উপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সিস্টোলিক মানে সংকোচন এবং ডায়াস্টোলিক মানে প্রসারণ, এই সহজ সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a টাইফয়েড
b যক্ষ্মা
c ইনফ্লুয়েঞ্জা
d হাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টাইফয়েড কেন সঠিক: - টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। - এটি মানুষের অন্ত্রে সংক্রমণ ঘটিয়ে পানিবাহিত রোগ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইফয়েড — এটি পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমিত হয় বলে এটি সঠিক উত্তর। B) যক্ষ্মা — এটি মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে বায়ুবাহিত বা শ্বাসনালীর মাধ্যমে ছড়ায়। C) ইনফ্লুয়েঞ্জা — এটি অর্থোমাইকসোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি বায়ুবাহিত ও সংক্রামক রোগ। D) হাম — এটি মোরবিলিভাইরাস দ্বারা ছড়ায় এবং এটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুবাহিত রোগ। মনে রাখার টিপস: পানিবাহিত রোগ মনে রাখার জন্য টাইফয়েড, কলেরা এবং ডায়রিয়া এই রোগগুলোর কথা মনে রাখতে হবে।
a স্টেথস্কোপ
b স্ফিগমোম্যানোমিটার
c কার্ডিওগ্রাফ
d ইকোকার্ডিওগ্রাফ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ফিগমোম্যানোমিটার কেন সঠিক: - এটি একটি চিকিৎসা সরঞ্জাম যা মানুষের শরীরের ধমনীর রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - ইতালীয় চিকিৎসক স্যামুয়েল সিগফ্রিড কার্ল ভন বাশ ১৮৮১ সালে এই যন্ত্রটির প্রাথমিক সংস্করণ আবিষ্কার করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টেথস্কোপ — এটি রক্তচাপ নির্ণয় করে না, বরং হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের অভ্যন্তরীণ শব্দ শোনার জন্য ব্যবহার করা হয়। B) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ের সঠিক ও পরীক্ষিত যন্ত্র। C) কার্ডিওগ্রাফ — এটি রক্তচাপ মাপে না, বরং হৃদযন্ত্রের গতি ও কার্যক্ষমতা লিপিবদ্ধ বা প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। D) ইকোকার্ডিওগ্রাফ — এটি শব্দতরঙ্গের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের ছবি তৈরি করে, কোনো রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নামের সাথে প্রেশার বা ম্যানামিটার কথাটি যুক্ত থাকে, তাই স্ফিগমোম্যানোমিটার মনে রাখা সহজ।
a উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা
b উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি
c বাজ পাখি পালন বিষয়াদি
d পাখিপালন বিষয়াদি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাখিপালন বিষয়াদি কেন সঠিক: - এভিকালচার বলতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পাখি লালন-পালন, প্রজনন এবং রক্ষণাবেক্ষণকে বোঝানো হয়। - এটি প্রাণিবিদ্যার একটি শাখা যা মূলত গৃহপালিত বা খাচায় বন্দি পাখির জীবনযাত্রা ও পরিচর্যার সাথে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা — এটি বিমান চালনা, ট্রাফিক কন্ট্রোল এবং এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টের সাথে সম্পর্কিত, যা পাখি পালনের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। B) উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি — এটি বিমানবিদ্যা বা এভিয়েশনের আওতাভুক্ত, যা জীববিজ্ঞানের পাখি পালনের বিষয় নয়। C) বাজ পাখি পালন বিষয়াদি — এটি বিশেষভাবে বাজ পাখি লালন-পালনের সাথে যুক্ত হলেও সার্বিকভাবে সব ধরনের পাখি পালনের জন্য এভিকালচার শব্দটি ব্যবহার করা হয়। D) পাখিপালন বিষয়াদি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এভিকালচার বলতে সামগ্রিকভাবে সব ধরনের পাখি পালন ও পরিচর্যাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি এভিয়ান শব্দের অর্থ পাখি, তাই এভিকালচার বললেই পাখিপালন বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
a টঙ্গী
b সাভার
c গাজীপুর
d টাঙ্গাইল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাভার কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ঢাকার অদূরে সাভারের জিরানীতে অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা খেলোয়াড় তৈরির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টঙ্গী — এটি গাজীপুর জেলার অন্তর্গত একটি শিল্প এলাকা হলেও এখানে বিকেএসপি অবস্থিত নয়। B) সাভার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিকেএসপির মূল ক্যাম্পাস এখানেই অবস্থিত। C) গাজীপুর — এটি একটি জেলা এবং এর অধীনে টঙ্গী ও অন্যান্য এলাকা থাকলেও বিকেএসপির সঠিক অবস্থান সাভার। D) টাঙ্গাইল — এটি একটি আলাদা জেলা এবং এর সঙ্গে বিকেএসপির কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: সাভারের মাটি, খেলোয়াড় গড়ার খাঁটি।
a আওরঙ্গবাদ দুর্গ
b আজম দুর্গ
c শায়েস্তাখান দুর্গ
d পরীবিবির দুর্গ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আওরঙ্গবাদ দুর্গ কেন সঠিক: - ১৬৭৮ সালে সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ দুর্গটির নির্মাণকাজ শুরু করলে এর নাম রাখা হয় আওরঙ্গবাদ দুর্গ। - পরবর্তী সময়ে মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুসারে এবং লাল রঙের ইটের ব্যবহারের কারণে এটি লালবাগ কেল্লা নামে পরিচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আওরঙ্গবাদ দুর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুর্গটির আদি নাম ছিল মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুসারে আওরঙ্গবাদ দুর্গ। B) আজম দুর্গ — এটি ভুল কারণ মুহাম্মদ আজম শাহ দুর্গটির নির্মাণ শুরু করলেও এর আদি নাম আজম দুর্গ রাখা হয়নি। C) শায়েস্তাখান দুর্গ — এটি ভুল কারণ শায়েস্তা খাঁ পরবর্তীতে এই দুর্গের নির্মাণকাজ চালিয়ে যান, কিন্তু এটি দুর্গের আদি নাম নয়। D) পরীবিবির দুর্গ — এটি ভুল কারণ দুর্গটির ভেতরে পরীবিবির মাজার থাকলেও, এটি পুরো কমপ্লেক্সের আদি নাম নয়। মনে রাখার টিপস: আওরঙ্গজেবের নাম থেকে আওরঙ্গবাদ দুর্গ এবং পরবর্তীতে লাল ইটের কারণে লালবাগ কেল্লা নামকরণ করা হয়।
a ঢাকার মালিবাগে
b কুমিল্লার ময়নামতিতে
c চট্টগ্রামের রাউজানে
d উপরের কোনো স্থানেই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লার ময়নামতিতে কেন সঠিক: - আনন্দ বিহার বাংলাদেশের একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, যা কুমিল্লার ময়নামতির শালবন বিহারের কাছে অবস্থিত। - ঐতিহাসিক এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি অষ্টম শতাব্দীতে দেব রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রীভবদেব কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকার মালিবাগে — এটি একটি আধুনিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা, এখানে কোনো প্রাচীন বিহার নেই। C) চট্টগ্রামের রাউজানে — এটি চট্টগ্রাম জেলার একটি উপজেলা, এখানে আনন্দ বিহার অবস্থিত নয়। D) উপরের কোনো স্থানেই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আনন্দ বিহার ও শালবন বিহার উভয়ই কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
a জাহাঙ্গীর
b শাহজাহান
c হুমায়ূন
d আওরঙ্গজেব
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন কেন সঠিক: - ১৫৩৮ সালে মোঘল সম্রাট হুমায়ূন গৌড় অধিকার করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - ইসলাম খানের রাজধানী স্থানান্তরের পূর্বে পান্ডুয়া ও গৌড় অঞ্চলের ঐতিহাসিক নামকরণের ক্ষেত্রে এই নামটি ব্যবহৃত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহাঙ্গীর — সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুਸਾਰੇ বাংলার রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল, জান্নাতাবাদ নয়। B) শাহজাহান — সম্রাট শাহজাহানের আমলে সুবা বাংলার রাজধানী ছিল ঢাকা এবং পরবর্তীতে রাজমহল। C) হুমায়ূন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) আওরঙ্গজেব — আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবেদার ছিলেন শায়েস্তা খান, যিনি জান্নাতাবাদ নামকরণ করেননি। মনে রাখার টিপস: হুমায়ূনের নামের সাথে জান্নাতাবাদ মনে রাখতে মনে রাখুন যে জান্নাত বা বেহেশতের মতো সুন্দর স্থানের নাম তিনি বাংলা অঞ্চলের গৌড়কে দিয়েছিলেন।
a ১৮২৯ সালে
b ১৮৩০ সালে
c ১৮৩১ সালে
d ১৮৩৯ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮২৯ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সপ্তদশ আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সামাজিক আন্দোলনের ফলেই মূলত এই অমানবিক প্রথাটি আইনগতভাবে বন্ধ করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২৯ সালে — এই সালেই আইনগতভাবে সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও রহিত করা হয়। B) ১৮৩০ সালে — এই সালে প্রথাটি রহিত করা হয়নি, কারণ এর আগের বছরেই আইন পাস হয়ে গিয়েছিল। C) ১৮৩১ সালে — এই সালটি সতীদাহ প্রথা রহিতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি একটি ভুল অপশন। D) ১৮৩৯ সালে — এই সালে সতীদাহ প্রথার আইনি বাতিলের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা রহিত হয় আটে আট আর দুইয়ে নয় অর্থাৎ ১৮২৯ সালে এবং এর পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন রাজা রামমোহন রায়।
a ঢাকা যাদুঘর
b বরেন্দ্র যাদুঘর
c লালবাগ কেল্লা যাদুঘর
d আহসান মঞ্জিল যাদুঘর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র যাদুঘর কেন সঠিক: - বরেন্দ্র যাদুঘর ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন যাদুঘর। - এটি রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি মূলত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য প্রথম স্থাপিত প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা যাদুঘর — এটি পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে এর নাম বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর। C) লালবাগ কেল্লা যাদুঘর — এটি একটি ঐতিহাসিক দুর্গের ভেতরে অবস্থিত যাদুঘর এবং বরেন্দ্র যাদুঘরের পরে প্রতিষ্ঠিত। D) আহসান মঞ্জিল যাদুঘর — এটি একটি ঐতিহাসিক নবাব প্যালেস যাদুঘর যা অনেক পরে জাদুঘর হিসেবে রূপান্তরিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে প্রথম যাদুঘর মানেই রাজশাহীর বরেন্দ্র যাদুঘর যা ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
a সোমপুর বিহার
b শালবন বিহার
c সীতাকোট বিহার
d আনন্দ বিহার
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) সোমপুর বিহার কেন সঠিক: - সোমপুর বিহার নওগাঁ জেলার পত্নীতলার পাহাড়পুরে অবস্থিত অষ্টম শতাব্দীতে পাল রাজা ধর্মপালের প্রতিষ্ঠিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার। - এটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত এবং প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোমপুর বিহার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সবচেয়ে বড় এবং উল্লেখযোগ্য প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। B) শালবন বিহার — এটি সপ্তম শতাব্দীতে ভবদেব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হলেও সোমপুর বিহারের চেয়ে প্রাচীন বা আয়তনে বড় নয়। C) সীতাকোট বিহার — এটি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার হলেও সোমপুর বিহারের মতো প্রধান প্রাচীন বিহার হিসেবে গণ্য হয় না। D) আনন্দ বিহার — এটি ময়নামতিতে অবস্থিত অষ্টম শতাব্দীর একটি ঐতিহাসিক বিহার যা সোমপুর বিহারের সমসাময়িক বা পরবর্তী সময়ে নির্মিত। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বিহারে সোমপুর সবার সেরা, ধর্মপালের হাতে গড়া নওগাঁর পাহাড়পুরেরা।
a ২১ ফেব্রুয়ারি
b ২২ ফেব্রুয়ারি
c ২৩ ফেব্রুয়ারি
d ২৪ ফেব্রুয়ারি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়। - ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শহীদ বুদ্ধিজীবী শফিউর রহমানের পিতা পিয়ার সুফি আহমদ এই স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি ভাষা শহীদ দিবস এবং পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়ার দিন, তবে সেদিন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়নি। B) ২২ ফেব্রুয়ারি — সেদিন পুলিশের গুলিতে আরও বেশ কয়েকজন নিহত হন এবং সারাদেশে শোক পালিত হয়, কিন্তু এটি প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের তারিখ নয়। C) ২৩ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর। D) ২৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি পুলিশ ও সরকার পক্ষের লোকজন ভেঙে ফেলে বা গুঁড়িয়ে দেয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন হয়েছিল একুশে ফেব্রুয়ারি, আর তার ঠিক দুই দিন পর তেইশে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ মিনার বা স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করা হয়েছিল।
a ১৩০০ মিটার
b ১৩৬০ মিটার
c ১৪০০ মিটার
d ১৪৬০ মিটার
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৩৬০ মিটার কেন সঠিক: - রূপসা নদীর উপর নির্মিত খানজাহান আলী সেতুর দৈর্ঘ্য ১৩৬০ মিটার। - এটি খুলনা শহরের নিকট রূপসা নদীর উপরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০০ মিটার — এটি ভুল মাপ, কারণ সেতুটির প্রকৃত দৈর্ঘ্য ১৩৬০ মিটার। B) ১৩৬০ মিটার — এটি সঠিক মাপ এবং রূপসা সেতুর দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে। C) ১৪۰۰ মিটার — এটি ভুল মাপ, যা সেতুটির বাস্তব দৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি। D) ১৪৬০ মিটার — এটিও ভুল মাপ এবং সঠিক দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: রূপসা সেতুর দৈর্ঘ্য ১৩৬০ মিটার মনে রাখতে ১৩ ও ৬০ সংখ্যা দুটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
a রায়মঙ্গল
b মাতামুহুরী
c পশুর
d বলেশ্বর
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রায়মঙ্গল কেন সঠিক: - সুন্দরবনের ভৌগোলিক সীমানা অনুযায়ী এর পশ্চিম সীমান্তে রায়মঙ্গল নদী অবস্থিত। - এই নদীটি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রায়মঙ্গল — এটি সুন্দরবনের পশ্চিম সীমানা নির্দেশকারী সঠিক নদী। B) মাতামুহুরী — এটি বান্দরবান ও কক্সবাজার অঞ্চলের একটি নদী, যা সুন্দরবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। C) পশুর — এটি সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী, যা মোংলা বন্দরের কাছে অবস্থিত। D) বলেশ্বর — এটি সুন্দরবনের পূর্ব সীমানা নির্দেশকারী একটি নদী। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের পশ্চিম সীমান্ত মনে রাখতে রায়মঙ্গল এবং পূর্ব সীমান্ত মনে রাখতে বলেশ্বর নদীকে মনে রাখুন।
a লালমনিরহাট
b ভুরুঙ্গামারী
c নীলফামারী
d কুড়িগ্রাম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুড়িগ্রাম কেন সঠিক: - ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের আসাম হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাটেশ্বরী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কুড়িগ্রাম জেলাটি ব্রহ্মপুত্র নদের বাংলাদেশ প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — এই জেলা দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি, এটি তিস্তা নদীর অববাহিকাভুক্ত এলাকা। B) ভুরুঙ্গামারী — এটি কুড়িগ্রাম জেলার একটি উপজেলা এবং নদের প্রকৃত প্রবেশস্থান এই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও সামগ্রিক জেলা হিসেবে কুড়িগ্রাম সঠিক। C) নীলফামারী — এই জেলার ওপর দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হয়নি, এটি তিস্তা নদী তীরের জেলা। D) কুড়িগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় জেলা হিসেবে এর ভৌগোলিক অবস্থান সঠিক হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: ব্রহ্মপুত্র নদের বাংলাদেশ প্রবেশপথ মনে রাখতে কুড়িগ্রাম জেলার নাম মনে রাখুন।

মোট প্রশ্ন (24)

a পসারিণী
b পসারিনি
c পসারীনী
d পসারিনী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পসারিনি ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী পসারী শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ পসারিনি গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানান রীতিতে বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক ই প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সাধারণত হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়। - পসারী শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও প্রত্যয় যোগ করার সময় তা হ্রস্ব ই-কারে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঙালিনী ব্যাখ্যা: কাঙাল শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কাঙালিনী বানানটি গঠিত হয় যেখানে হ্রস্ব ই-কার বসে। উদাহরণ ২: মায়াবিণী ব্যাখ্যা: মায়াবী শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে ই প্রত্যয় যুক্ত হলে শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পসারিণী — এই বানানে শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) পসারিনি — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে মূল নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। C) পসারীনী — এই বানানে র-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ন-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। D) পসারিনী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং অপশন ডি দেখতে একই রকম হলেও মূল প্রশ্নপত্রে সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন বি নির্ধারিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ত্রীবাচক ইনি প্রত্যয় যুক্ত শব্দের শেষে সাধারণত হ্রস্ব ই-কার বসে এটি মনে রাখবে। - দীর্ঘ ঈ-কারযুক্ত শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা হ্রস্ব ই-কার হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের স্ত্রীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে আসে। - প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ই-কার পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a জন + এক
b জনৈ + এক
c জনৈ + ক
d জন + ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জন + এক ১. কেন সঠিক: - জনৈক শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো জন যোগ এক। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। - অ বা আ এর পরে এ বা ঐ থাকলে উভয় মিলে ঐকার হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী অ বা আ কারের পর এ বা ঐ কার থাকলে উভয় মিলে ঐ কার হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। - জন শব্দের শেষে অ ধ্বনি আছে এবং পরের শব্দ এক এর শুরুতে এ আছে। এই দুটি মিলে ঐ হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সদা যোগ এব = सदैव ব্যাখ্যা: আ এর পর এ মিলে ঐ কার হয়েছে। উদাহরণ ২: মত যোগ এক্য = মতৈক্য ব্যাখ্যা: অ এর পর এ মিলে ঐ কার হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জন + এক — এটি সঠিক অপশন। B) জনৈ + এক — জনৈ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ভাষায় নেই। C) জনৈ + ক — এটি সন্ধির নিয়মের সঙ্গে মেলে না। D) জন + ক — ক যোগ করলে সঠিক ধ্বনি পরিবর্তন হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - দুই মাত্রা বিশিষ্ট এক থাকলে তা যোগ করার সময় শব্দের শেষে ঐকার যোগ করতে হয়। - স্বরসন্ধির এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ জাতীয় নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মের সন্ধি প্রায়ই আসে। - হিতৈষী, পরমৈশ্বর্য শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a সদ + আশয়
b সদা + শয়
c সৎ + আশয়
d সৎ + শয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৎ + আশয় ১. কেন সঠিক: সদাশয় শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো সৎ + আশয়। এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের অন্তর্ভুক্ত যেখানে ত বা দ কারের পর স্বরধ্বনি থাকলে তা পরিবর্তিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধির নিয়মানুযায়ী বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি তার বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। এখানে ত এর পরে আ স্বরধ্বনি থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ + ঈশ = জগদীশ ব্যাখ্যা: ত এর পরে দীর্ঘ ঈ কার থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ তে রূপান্তরিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বিপদ্ + উদ্ধার = বিপদুদ্ধার ব্যাখ্যা: দ এর পরে উ কার থাকায় সন্ধি সাধিত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সদ + আশয় — সদ বলে কোনো আলাদা মূল শব্দ বাংলায় ব্যাকরণসম্মতভাবে সন্ধিতে ব্যবহৃত হয় না। B) সদা + শয় — সদা শব্দের সাথে শয় যুক্ত করলে নিয়মানুযায়ী সঠিক শব্দ গঠিত হয় না। C) সৎ + আশয় — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ শব্দ গঠন করে। D) সৎ + শয় — শয় শব্দের সাথে যুক্ত হলে আশয় শব্দের অর্থ বজায় থাকে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সৎ এবং ভালো অর্থ প্রকাশ করতে প্রথম অংশে সৎ ব্যবহার করা হয়। দ কে ত তে রূপান্তর করার মাধ্যমে সন্ধিটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে ত ও দ এর রূপান্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। তাই বর্গের প্রথম ধ্বনির পরিবর্তনের নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a নৌ + ইক
b ন + ইক
c নব + ইক
d নবৌ + ইক
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নৌ + ইক ১. কেন সঠিক: - নৌ এবং ইকের মিলন ঘটিয়ে নাবিক শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এখানে স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম প্রযুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংস্করণের নিয়ম অনুযায়ী ও কিংবা ঔ-এর পরে অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ও-এর জায়গায় অব এবং ঔ-এর জায়গায় আব হয়। - নৌ যোগ ইক শব্দটিতে ঔ-এর পরে ই থাকার কারণে ঔ পরিবর্তিত হয়ে আব হয়েছে এবং শব্দের শুরুতে ন যুক্ত হয়ে নাবিক গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ক (গৈ + অক) ব্যাখ্যা: ঐ-এর পরে স্বরধ্বনি থাকার কারণে ঐ পরিবর্তিত হয়ে আয় হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাবুক (ভৌ + উক) ব্যাখ্যা: ঔ-এর পরে উ থাকার কারণে ঔ পরিবর্তিত হয়ে আব হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নৌ + ইক — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এর মাধ্যমে নিয়ম মেনে নাবিক শব্দটি গঠিত হয়। B) ন + ইক — এই বিচ্ছেদটি ব্যাকরণের সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। C) নব + ইক — নব শব্দের সাথে ইক যুক্ত হলে নাবিক হয় না, নবিক হয়। D) নবৌ + ইক — নবৌ কোনো প্রচলিত শব্দ নয় এবং এটি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঔ কারের পরে স্বরবর্ণ থাকলে আব হয় এবং ও কারের পরে স্বরবর্ণ থাকলে অব হয়। - শব্দের শুরুতে আ-কার দেখলে এবং ই বা উক থাকলে ঔ যোগ ই বা উক সন্ধি বিচ্ছেদ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের আদি ও মধ্য আদি স্বর পরিবর্তনের সন্ধি প্রায়ই আসে। - গায়ক, ভাবুক, পাবক শব্দগুলো একই নিয়মে সাধিত হয়।
a নি + রস
b নী + রস
c নিঃ + রস
d নীঃ + রস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিঃ + রস ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত। - নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর 'র' থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বরে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গের পর 'র' থাকলে প্রথম বিসর্গ উঠে যায় এবং তার আগের হ্রস্ব ই বা উ কার দীর্ঘ ঈ বা উ কার হয়। - এখানে 'নিঃ' শব্দের বিসর্গের পর 'রস' শব্দের 'র' থাকায় বিসর্গ লুপ্ত হয়েছে এবং 'নি' এর ই-কার দীর্ঘ ই-কারে পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নি + রব = নীরভ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর 'র' থাকায় বিসর্গ লোপ পেয়ে ই-কার দীর্ঘ ঈ-কার হয়েছে। উদাহরণ ২: নি + রোগ = রোগ ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে এবং হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়ে নীরোগ শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নি + রস — এখানে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মের পরিপন্থী। B) নী + রস — এখানে বিসর্গ না দিয়ে সরাসরি দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) নিঃ + রস — এটি সঠিক কারণ এখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। D) নীঃ + রস — এখানে প্রথম শব্দে দীর্ঘ ঈ-কার এবং বিসর্গ একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর র থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে আগের ছোট ই বা উ কে বড় করে দিতে হয়। - এই নিয়মের শব্দগুলোতে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত রূপটি সঠিক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নীরস, নীরভ ও নীরোগ শব্দগুলোর বানান এবং সন্ধি বিচ্ছেদ বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a অহ + রহ
b অহঃ + রহ
c অহ + অহ
d অহঃ+অহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অহঃ+অহ ১. কেন সঠিক: - অহরহ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো অহঃ যোগ অহ, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে সাধিত হয়েছে। - বিসর্গ এর পর স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ র এ পরিণত হয় এবং পরবর্তী স্বরবর্ণ তার সঙ্গে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত বিসর্গের পর অ স্বরবর্ণ থাকলে বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হয়। - এখানে অহঃ পদের বিসর্গের পর অহ শব্দের অ থাকার কারণে বিসর্গটি র এ পরিবর্তিত হয়ে অহরহ শব্দটি গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহর্নিশ (অহঃ + নিশ) ব্যাখ্যা: বিসর্গের নিয়ম অনুসারে এখানেও বিসর্গ র এ পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অন্তরাত্মা (অন্তঃ + আত্মা) ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর স্বরবর্ণ থাকায় বিসর্গ র এ পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহ + রহ — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এখানে কোনো ব্যাকরণগত সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি। B) অহঃ + রহ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়মে দ্বিতীয় অংশ অহ হওয়া উচিত। C) অহ + অহ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে প্রথম অংশে বিসর্গ অনুপস্থিত রয়েছে। D) অহঃ+অহ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - অহরহ শব্দটি ভাঙলে দুইপাশে অহ এবং মাঝখানে বিসর্গ থাকে যা সন্ধির নিয়মে র হয়। - বিসর্গ সন্ধি মনে রাখার জন্য শব্দের শুরুতে বিসর্গ এবং পরে স্বরবর্ণের উপস্থিতি লক্ষ্য করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই র কারান্ত রূপগুলোর দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। - এই একই নিয়মে অর্নিশ বা অহর্নিশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদও চর্চা করা উচিত।
a অনন্যসাধারণ
b অনন্যসাধাারণ
c অলোকসামান্য
d আলোকসামান্য
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অলোকসামান্য ১. কেন সঠিক: - ইহলোকে যা সাধারণ বা সুলভ নয়, অর্থাৎ যা অত্যন্ত অসাধারণ বা অলৌকিক, তাকে এককথায় অলোকসামান্য বলা হয়। - এখানে অলোক শব্দের অর্থ ইহলোক বা এই পৃথিবী এবং সামান্য শব্দের অর্থ সাধারণ বা প্রচলিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় কোনো বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাবসংগতি বৃদ্ধি করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি— অদৃষ্টপূর্ব। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট ঘটনা বা দৃশ্যকে এককথায় প্রকাশের আরেকটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: চোখের নিমেস্র মধ্যে— অনিমেষ বা পলকহীন। ব্যাখ্যা: এটিও একই ধরনের বাক্য সংকোচন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনন্যসাধারণ — এই বানানটিতে দীর্ঘ ঈকার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) অনন্যসাধাারণ — এই অপশনটিতে অতিরিক্ত আকার ব্যবহার করে বানানটি ভুল করা হয়েছে। D) আলোকসামান্য — আলোক শব্দের অর্থ আলো, তাই এটি ইহলোক অর্থে এখানে সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অলোক শব্দের অর্থ ইহলোক এবং সামান্য অর্থ সাধারণ, এই দুটি অংশ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হবে। - বানান মনে রাখার সময় অ-ল-ও-ক-স-া-ম-া-ন্য এই গঠনটি খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান ভুল এবং কাছাকাছি অর্থের শব্দগুলো প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে জেনে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
a দোহাতী
b সব্যসাচী
c দ্বিজ
d পরভর্তৃকা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সব্যসাচী ১. কেন সঠিক: - 'সব্যসাচী' শব্দের শাব্দিক অর্থ যার দুই হাত সমান চলে বা সমানভাবে কাজ করতে পারে। - মহাভারতে অর্জুনের একটি উপনাম সব্যসাচী কারণ তিনি বাম ও ডান উভয় হাতেই সমান দক্ষতায় তীর ছুড়তে পারতেন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অংশের অন্তর্ভুক্ত। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়নি ব্যাখ্যা: একে এককথায় বলা হয় অব্যক্ত। উদাহরণ ২: উপকার করার ইচ্ছা ব্যাখ্যা: একে এককথায় বলা হয় উপচিকিৎসা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দোহাতী — এটি প্রমিত বাংলা এককথায় প্রকাশের শব্দ নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। B) সব্যসাচী — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায়। C) দ্বিজ — এর অর্থ যার জন্ম দুইবার হয়েছে, যেমন পাখি, ব্রাহ্মণ বা দাঁত। D) পরভর্তৃকা — এর অর্থ অন্য পুরুষের দ্বারা পরিপালিতা বা অন্য পুরুষের প্রতি আসক্ত নারী। ৫ মনে রাখার টিপস: - সব্যসাচী শব্দের সাথে অর্জুনের নাম মনে রাখলে খুব সহজে পরীক্ষার হলে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মহাভারতের বিভিন্ন চরিত্রের উপনাম থেকে এককথায় প্রকাশ আসে।
a বহুব্রীহি
b তৎপুরুষ
c কর্মধারয়
d দ্বিগু
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - সহোদর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সমান উদর বা পেট যার, অর্থাৎ একই মায়ের উদরজাত সন্তান। এখানে সমাসবদ্ধ পদটি পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে একটি নতুন অর্থ অর্থাৎ ভাই বা বোনকে বোঝাচ্ছে, যা বহুব্রীহি সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য। - বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ দুটির কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন বা নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাস মূলত আট প্রকারের হয়ে থাকে, যার মধ্যে সহোদর শব্দটি সমান উদর যার সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদটি বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য পদ হয়ে থাকে। - সহোদর শব্দটিতে সহ অর্থ সমান এবং উদর অর্থ পেট, যা একত্রিত হয়ে বিশেষ্য পদ হিসেবে ভাই বা বোন অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পীত অম্বর যার = পীতাম্বর ব্যাখ্যা: এটি বহুব্রীহি সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে হলুদ বস্ত্র পরিধানকারী শ্রীকৃষ্ণ বা বিষ্ণুকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: চন্দ্রের ন্যায় মুখ যার = চন্দ্রমুখী ব্যাখ্যা: এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যা বিশেষ কোনো নারী বা সুন্দর মুখবিশিষ্ট কাউকে নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পদের অর্থ পরিবর্তন হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় কিন্তু এখানে কোনো পদের অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। C) কর্মধারয় — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় যা সহোদর শব্দে অনুপস্থিত। D) দ্বিগু — এই অপশনটি ভুল কারণ দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় যা সহোদর শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শরীর বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গবাচক শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা সম্পর্ক বোঝালে সাধারণত তা সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়। উদর শব্দের অর্থ পেট থেকে সহোদর শব্দটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শরীর বা অঙ্গবাচক শব্দের সমাস আসে, যেমন সহোদর, দ্বীপ, শতাব্দী ইত্যাদি। তাই সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a কর্মধারয়
b তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d অব্যয়ীভাব
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: নিরামিষ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে আমিষের অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে পূর্বপদের অর্থ প্রধান এবং উপসর্গ বা অব্যয়যোগে গঠিত শব্দটির প্রথমা বিভক্তির একবচনে অব্যয় পদের ভাব প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগে এবং তার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। নিরামিষ শব্দটিতে নির উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ পদকে অব্যয় ভাবাপন্ন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিষ্কণ্টক ব্যাখ্যা: কণ্টকের অভাব অর্থে নিষ্কণ্টক শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: নিদারুণ ব্যাখ্যা: দারুণের অভাব বা তীব্রতা বোঝাতে অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুসৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে কিন্তু এখানে অভাব অর্থ প্রধান। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর বাইরে অন্য কোনো পদ অর্থ হিসেবে প্রকাশিত হয় যা নিরামিষ শব্দে নেই। D) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে অব্যয়ের অর্থে সমাস সম্পাদিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নির বা নি শব্দের অর্থ অভাব বুঝালে এবং তা দিয়ে কোনো শব্দ গঠিত হলে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। আদি উপসর্গ যুক্ত শব্দ দেখলে অর্থের দিকে খেয়াল রেখে সমাস নির্ণয় করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: অভাব অর্থে নি উপসর্গযুক্ত শব্দ যেমন নিরামিষ, নিষ্কলঙ্ক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পেলে এবং অব্যয় যুক্ত থাকলে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাতে হবে।
a বহুব্রীহি
b তৎপুরুষ
c কর্মধারয়
d অব্যয়ীভাব
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মধ্যাহ্ন শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মাঝ যে অহ্ন বা অপরূপ অর্থে অহ্নের মধ্যভাগ। এখানে পূর্বপদ মধ্য এবং পরপদ অহ্ন বা দিন। - কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুযায়ী বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা কখনো কখনো দুটি বিশেষ্যের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয় এবং পূর্বপদটি বিশেষণ ও পরপদটি বিশেষ্য হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - মধ্যাহ্ন শব্দটিতে অহ্ন শব্দের অর্থ দিন এবং মধ্য শব্দের অর্থ মাঝখান, যা বিশেষণের কাজ করে দিন বিশেষ্যকে বিশেষিত করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অর্ধরাত্র ব্যাখ্যা: রাতের মধ্যভাগ বোঝাতে অর্ধরাত্র শব্দটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কুজ ঝটিকা ব্যাখ্যা: কুয়াশাচ্ছন্ন ঝটিকা বোঝাতে এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদকে বোঝায়, যা মধ্যাহ্ন শব্দে ঘটে না। B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক বিদ্যমান। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের পূর্বে বসে অব্যয়ীভাব সমাস হয় এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সময় বা পরিমাণের মধ্যভাগ বোঝাতে কর্মধারয় সমাস হয়। মধ্যাহ্ন বা অর্ধরাত্র শব্দ দেখলে কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অহ্ন শব্দের অর্থ দিন। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে মধ্যাহ্ন বা অপরাহ্ন শব্দগুলো প্রায়ই কর্মধারয় সমাস হিসেবে আসে।
a একান্নবর্তি
b একান্নবর্ত্তি
c একান্নবর্তী
d একান্নবর্ত্তী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একান্নবর্তী কেন সঠিক: - এই শব্দটিতে সঠিক বানানে অন্তস্থ ব ব্যবহৃত হয়েছে। - শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই কার যুক্ত প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - একান্ন এবং বর্তী দুটি শব্দ মিলে একান্নবর্তী শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এটি মূলত বহুব্রীহি সমাস সাধিত পদ। - যেমন: একান্নবর্তী পরিবার। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) একান্নবর্তি — বানানটিতে শেষের অক্ষরটিতে হ্রস্ব ই কার থাকলেও ব এর ব্যবহার সঠিক নয় কারণ এখানে ত এর সাথে ব যুক্ত হওয়ার কথা ছিল। - B) একান্নবর্ত্তি — বানানটিতে ত এর সাথে জ ফলা বা অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত হয়েছে যা অপ্রয়োজনীয়। - C) একান্নবর্তী — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি ভুল নয়। - D) একান্নবর্ত্তী — বানানটিতে দীর্ঘ ঈ কার এবং দ্বিত্ব বর্ণ ব্যবহারের নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - একান্নবর্তী বানান লেখার সময় মনে রাখবে শেষে বর্তী হবে এবং ত এর সাথে ব যুক্ত থাকবে।
a ঝিলিমিলি
b মৃত্যুক্ষুধা
c মধুমালা
d অগ্নি-বীণা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে কলকাতার বস্তুজীবনের দরিদ্র মানুষের দুঃখ দুর্দশা ও সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু উপন্যাস, নাটক ও ছোটগল্প লিখেছেন। তাঁর উপন্যাসে সমসাময়িক সমাজের না পাওয়ার বেদনা ও বিপ্লবের সুর স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম পত্রোপন্যাস যা তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের এক অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস যা বিপ্লব ও প্রেমের টানে গড়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত নাটক, কোনো উপন্যাস নয়। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি সঠিক উত্তর। C) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রূপকধর্মী গীতি নাট্য বা নৃত্যনাট্য। D) অগ্নি-বীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। এর মধ্যে মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা হলো সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগুলোর নাম প্রায়ই আসে। তাই তাঁর রচিত ৩টি উপন্যাসের নাম খুব ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
a চক্ষুদান করা
b সচেতন করা
c চুরি করা
d এর কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা ১. কেন সঠিক: - চক্ষুদান করা বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা হলেও প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এর বিশেষ অর্থ হলো চুরি করা। - এটি বাংলা ভাষার একটি রূপক বা বিশেষার্থবোধক প্রয়োগ, যেখানে শব্দের মূল অর্থের বাইরে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ পায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের অলংকার বৃদ্ধি এবং ভাবের গভীরতা প্রকাশ করার জন্য বাগধারার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অংকুরের বিনষ্ট হওয়া অর্থে উনপঞ্জুরে। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশকারী বাগধারা। উদাহরণ ২: চোখের বালি অর্থে বিরক্তিকর ব্যক্তি। ব্যাখ্যা: এটিও আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে রূপক অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্ষুদান করা — এটি প্রশ্নগত অপশন বা আক্ষরিক রূপ, যা সঠিক বাগধারার ভাবার্থের বিপরীত। B) সচেতন করা — এটি চক্ষুদান করা বাগধারার নির্দিষ্ট ভাবার্থ বা প্রচলিত অর্থ নয়। C) চুরি করা — এটি এই বাগধারার নির্ধারিত সঠিক এবং পরীক্ষামূলকভাবে স্বীকৃত অর্থ। D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বন্ধ করে কেউ কিছু নিয়ে গেলে তাকে চুরি করা বা চক্ষুদান করা বলা হয় এভাবে মনে রাখতে পারো। - আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার প্রচলিত অর্থ মুখস্থ রাখার চর্চা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আক্ষরিক অর্থের বিপরীত অর্থবাচক বাগধারাগুলো বেশি আসে। - বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বাগধারার সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হয়।
a কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
b কর্মকারকে দ্বিতীয়া
c অপাদানে দ্বিতীয়া
d অধিকরণে দ্বিতীয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকেই মূলত কর্তৃকারক বলা হয়। এখানে 'সকলকে মরতে হবে' বাক্যে মরা ক্রিয়াটি সম্পাদন করার কাজটি সকলের ওপর বর্তেছে, তাই 'সকলকে' পদটি কর্তৃকারক। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দের সাথে 'কে' বা 'রে' বিভক্তি যুক্ত হলে এবং তা দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হলে কর্মকারক মনে হতে পারে, কিন্তু কর্তায় শূন্য বিভক্তি ছাড়াও কখনো কখনো দ্বিতীয় বা সপ্তমী বিভক্তি হতে পারে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন করার দিক থেকে কর্তার বিভিন্ন রূপ দেখা যায় যেমন মুখ্য কর্তা, ব্যতিহার কর্তা এবং প্রযোজক কর্তা। বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে কারকের সম্পর্ক নির্ণয় করার সময় দেখতে হবে কে বা কারা প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যাচ্ছে কি না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাবাকে খুব ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাবাকে' পদটি কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি কারণ ভয় পাওয়ার ক্ষেত্রে বাবা কর্ম হিসেবে কাজ করেছেন। উদাহরণ ২: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: এখানে 'ডাক্তার' শব্দটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে কারণ ডাকার কাজটি করার জন্য কাউকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ কর্তা পদে দ্বিতীয়া বিভক্তির ব্যবহার হয়েছে। B) কর্মকারকে দ্বিতীয়া — বাক্যটিতে কাউকে কিছু কর্ম করার বোঝাচ্ছে না বরং মরা ক্রিয়াটি কর্তার ওপর ন্যস্ত হয়েছে। C) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারক বলতে বোঝায় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত বা রক্ষিত হয়, যা এখানে নেই। D) অধিকরণে দ্বিতীয়া — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনকারীকে খুঁজে বের করতে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে তা কর্তৃকারক হয়। বিভক্তি নির্ণয়ের সময় শব্দের শেষে কে বা রে যুক্ত থাকলে তা সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির ব্যবহার প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। কর্তা পদে দ্বিতীয়া বিভক্তির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে কারক নির্ণয় সহজ হয়।
a তোমাকে সেদিন দেখেছিলাম
b তোমাকে আজই যেতে হবে
c বাবাকে বড় ভয় করে
d তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে ১. কেন সঠিক: কারক ও বিভক্তি বাক্যের ক্রিয়া পদের সঙ্গে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে। এখানে শুনতে হবে ক্রিয়া পদকে কী বা কাকেই দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর আসে অনেক কথা, যা কর্ম কারক হিসেবে প্রতীয়মান হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। ক্রিয়া পদকে কী বা কাকেই প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি ব্যাখ্যা: কী তুলছ উত্তর ফুল, তাই এটি কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তোমাকে সেদিন দেখেছিলাম — এখানে তোমাকে কর্ম কারক হলেও প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি অধিকতর উপযুক্ত কর্ম কারকের উদাহরণ নয়। B) তোমাকে আজই যেতে হবে — এখানে তোমাকে হলো কর্তার ষষ্ঠী বা কর্তৃকারক, কারণ যাওয়া কাজটি তোমাকেই করতে হবে। C) বাবাকে বড় ভয় করে — ভয়ের ক্ষেত্রে ভীতে ভয় পায় যেখানে, তা অপাদান কারক হিসেবে গণ্য হয়। D) তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে — কথা শোনা ক্রিয়ার কর্ম হলো অনেক কথা, যা এখানে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কী বা কাকেই দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, সেটিই হলো কর্ম কারক। কর্তা যা করে বা যার ওপর ক্রিয়া পড়ে, সেটিই কর্ম পদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্ম কারক শনাক্ত করতে ক্রিয়া পদের সঙ্গে কী বা কাকে প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর। বাক্যের অর্থ অনুধাবন করে কারক নির্ণয় করতে হয়।
a যা পদকে সম্পাদন করে
b যা সমাস সম্পাদন করে
c যা ক্রিয়া সম্পাদন করে
d যা পদ ও সমাসকে সম্পাদন করে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে ১. কেন সঠিক: - কারক শব্দটির ব্যাৎপত্তিগত অর্থ হলো যা ক্রিয়া সম্পাদন করে। - ক্রিয়ার সঙ্গে বাক্যের বিশেষ বা সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক, তাকেই কারক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনে নানা ধরনের ভূমিকা বা সম্বন্ধ থাকে, যা কারকের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। - বাক্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো ক্রিয়া পদ, আর এই ক্রিয়া সম্পন্ন করতে যা বা যারা যুক্ত থাকে তাদের কারক বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম বই পড়ে। ব্যাখ্যা: এখানে পড়ে ক্রিয়াটি সম্পাদন করছে রহিম, তাই রহিম হলো কর্তা কারক। উদাহরণ ২: বাবাকে টাকা দাও। ব্যাখ্যা: এখানে দাও হলো ক্রিয়া, এবং যাকে প্রদান করা হচ্ছে তা কর্ম কারক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যা পদকে সম্পাদন করে — কারক পদের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এটি শুধু পদ নয়, মূলত ক্রিয়া সম্পাদন করে। B) যা সমাস সম্পাদন করে — সমাস পদের মিলন ঘটায়, কারকের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে — এটি সঠিক কারণ কারক সরাসরি ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। D) যা পদ ও সমাসকে সম্পাদন করে — সমাস পদের প্রক্রিয়ার সঙ্গে কারক সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কারক মানেই ক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বা কাজ সম্পাদন করা। - ক্রিয়ার কাছে কে বা কা দ্বারা প্রশ্ন করলে কারক চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কারক ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাক্যে ক্রিয়ার সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে পারলে কারক নির্ণয় সহজ হয়।
a CONOISSEUR
b CONNOISEUR
c CONNOISSEUR
d CONNOISSER
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CONNOISSEUR ১. কেন সঠিক: - সঠিক বানানটিতে দুটি n, দুটি s এবং শেষে eur যুক্ত হয়েছে যা ফরাসি উৎসের শব্দ গঠনে দেখা যায়। - কনোইসেউর বা শিল্পরসিক শব্দের সঠিক ইংরেজি রূপ চিহ্নিত করতেই এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি ভাষা থেকে আগত বিদেশি শব্দের বানান লেখার সময় মূল ভাষার বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়। - বানরীতিতে অনেক সময় দ্বিত্ব বর্ণ ব্যবহারের নিয়ম থাকে যা মনে রাখা জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: BOUQUET ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিদেশি শব্দ যার সঠিক বানান মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: LIEUTENANT ব্যাখ্যা: এই বিদেশি শব্দের বানানটিও প্রায়ই পরীক্ষায় ভুল আসে যা সতর্কতার সাথে পড়তে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CONOISSEUR — এই অপশনে একটি n কম রয়েছে তাই এটি বানান ভুল। B) CONNOISEUR — এই অপশনে একটি s কম রয়েছে তাই এটি বানান ভুল। C) CONNOISSEUR — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং প্রশ্নের চাহিদা পূরণ করে। D) CONNOISSER — এই অপশনের শেষে eur এর পরিবর্তে er আছে যা বানান ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - কনোইসেউর বানানটি মনে রাখতে CON - NOI - SSEUR এভাবে ভেঙে পড়তে পারো। - মাঝখানে ডাবল n এবং ডাবল s আছে তা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ ও কঠিন বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - মূল ভাষার বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সহজ হয়।
a INKANDESCENT
b INCANDECENT
c INCANDISCENT
d INCANDESCENT
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) INCANDESCENT ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো D কারণ INCANDESCENT বানানটিতে ইংরেজি বানানের সঠিক নিয়ম ও বর্ণবিন্যাস পুরোপুরি অনুসৃত হয়েছে। - শব্দটির অর্থ দীপ্তিময় বা প্রদীপ্ত, যা ল্যাটিন শব্দ থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে এবং এর বানান নির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ইংরেজি শব্দ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বানান শুদ্ধি অংশে প্রায়ই আসে এবং এর সঠিক বানান মনে রাখা জরুরি। - ইংরেজি থেকে বাংলায় বা বিদেশি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক প্রমিত রূপ অনুসরণ করা হয় যাতে কোনো বর্ণ বাদ না পড়ে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: RECOMMENDATION ব্যাখ্যা: এটিও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দ যার বানান অনেকেই ভুল করে। উদাহরণ ২: LIEUTENANT ব্যাখ্যা: এই শব্দটির উচ্চারণ এবং বানানের মধ্যে ভিন্নতা থাকায় এটি বানান শুদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) INKANDESCENT — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে C এর পরিবর্তে K ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের বানানরীতি বিরোধী। B) INCANDECENT — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে SC বর্ণগুচ্ছের এস বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। C) INCANDISCENT — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে E এর পরিবর্তে I বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। D) INCANDESCENT — এটি সঠিক বানান কারণ এর প্রতিটি বর্ণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নির্ভুলভাবে বিন্যস্ত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি বড় শব্দ মনে রাখতে ইন-কান-ডেস-সেন্ট এভাবে ভেঙে উচ্চারণ করে বানান শিখলে পরীক্ষা ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। - মাঝখানের অংশটিতে des এবং scent আছে কি না তা খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদেশি শব্দের বানান শুদ্ধ করার সময় মূল ল্যাটিন বা ইংরেজি উৎসের রূপ মনে রাখা অত্যন্ত কার্যকর কৌশল। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনগুলোর সামান্য বর্ণ পরিবর্তন খেয়াল করে উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
a CONQUERER
b CONQUEROR
c CONQUARAR
d CONQARAR
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) CONQUEROR ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান শুদ্ধিকরণ বা বিদেশি শব্দের সঠিক রূপ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সঠিক প্রত্যয় ও সাফিক্স জানা অত্যন্ত জরুরি। - এই শব্দটিতে সঠিক সাফিক্স হিসেবে 'or' যুক্ত হয়েছে, যা 'er' এর পরিবর্তে প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক বলে বিবেচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি থেকে আগত অনেক বিশেষ্য পদে শেষের দিকে 'or' বা 'er' যুক্ত হয় যা কর্তা বা কার্য সম্পাদনকারী বোঝায়। - লাতিন বা ফরাসি উৎস থেকে আসা শব্দগুলোতে সাধারণত 'or' যুক্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে এবং এটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি বানান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: SAILOR ব্যাখ্যা: জলযান চালক অর্থে এই শব্দটিতেও 'or' সাফিক্স ব্যবহৃত হয় যা সঠিক বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ACTOR ব্যাখ্যা: অভিনয়শিল্পী অর্থে এই শব্দটির শেষেও 'or' ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি প্রমিত ইংরেজি বানান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) CONQUERER — এই বানানটিতে শেষের দিকে ভুলভাবে 'er' ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত ইংরেজি বানানরীতির পরিপন্থী। B) CONQUEROR — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রমিত ইংরেজি বানান। C) CONQUARAR — এই বানানটিতে মাঝখানে এবং শেষে ভুল স্বরবর্ণ 'a' ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। D) CONQARAR — এই বানানটির মূল গঠনেই ত্রুটি রয়েছে কারণ সঠিক শব্দটির মূল অংশে 'quer' থাকে যা এখানে অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি শব্দটির শেষে 'queror' অংশটি মনে রাখলে এই বানানটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব। - কনকোয়ারার শব্দটি লেখার সময় শেষের দিকে 'or' ব্যবহার করতে হয় তা মাথায় রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিদেশি শব্দের বানান প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়। - সাফিক্স বা প্রত্যয়যুক্ত শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক উৎস এবং গঠন মনে রাখা পরীক্ষার প্রস্তুতিতে অত্যন্ত সহায়ক।
a জাগরণ
b বিস্মরণ
c নির্লিপ্ত
d উদিত
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিস্মরণ ১. কেন সঠিক: - স্মরণ শব্দের অর্থ মনে রাখা বা স্মৃতিতে ধারণ করা এবং বিস্মরণ শব্দের অর্থ ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিভ্রম। - বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে একটি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে অন্য একটি পরিপূরক শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা স্মরণের ক্ষেত্রে বিস্মরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত বিশেষ্য পদ দিয়েই গঠিত হয়, এখানে স্মরণ ও বিস্মরণ উভয়ই বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুরাগ শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ বিরাগ। ব্যাখ্যা: অনুরাগ অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি এবং বিরাগ অর্থ অনাসক্তি বা বিতৃষ্ণা। উদাহরণ ২: সঞ্চয় শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ অপচয়। ব্যাখ্যা: সঞ্চয় অর্থ জমানো বা সংরক্ষণ করা এবং অপচয় অর্থ নষ্ট করা বা অমিতব্যয়িতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাগরণ — জাগরণ শব্দের অর্থ ঘুম ভাঙা বা সজাগ হওয়া, যা নিদ্রার বিপরীত, স্মরণের বিপরীত নয়। B) বিস্মরণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্মরণের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) নির্লিপ্ত — নির্লিপ্ত শব্দের অর্থ লিপ্ত নয় এমন বা উদাসীন, যা স্মরণের বিপরীত শব্দ নয়। D) উদিত — উদিত শব্দের অর্থ সূর্য বা কোনো কিছুর উত্থান ঘটা, যা অস্তমিত শব্দের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্ম এর সাথে ব যুক্ত করে বিস্মরণ মনে রাখা যায়। - মনে রাখা থেকে স্মরণ এবং ভুলে যাওয়া থেকে বিস্মরণ এভাবে জোড়া মিলিয়ে পড়লে সহজে মনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের উৎস অর্থাৎ তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম শব্দ এবং তদ্ভব শব্দের বিপরীতে তদ্ভব শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
a শিখা
b অশনি
c সূর্য
d অংশু
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অংশু ১. কেন সঠিক: - 'কিরণ' শব্দের অর্থ আলোর রশ্মি বা প্রদীপ্ত জ্যোতি। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অংশু' শব্দের অর্থও আলোকরশ্মি বা রশি, যা কিরণের সমার্থক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমাহার, যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি উৎস থেকে আসা শব্দের প্রচুর সমার্থক শব্দ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ময়ূখ ব্যাখ্যা: এটি কিরণের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: কর ব্যাখ্যা: কর শব্দটি করদ বা হাত বোঝানোর পাশাপাশি আলোকরশ্মি বা কিরণ অর্থেও ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিখা — শিখা শব্দের অর্থ প্রদীপের আগুনের রূপ বা লকলকে শিখা, যা আলোর উৎস হলেও সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়। B) অশনি — অশনি শব্দের অর্থ বজ্রপাত বা বজ্র, যা আলোক বা বিদ্যুৎ চমকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও কিরণ নয়। C) সূর্য — সূর্য হলো আলো প্রদানকারী গ্রহ বা নক্ষত্র, আর কিরণ হলো সূর্য থেকে আসা আলোকরশ্মি। D) অংশু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কিরণ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে অংশু, ময়ূখ ও কর এই তিনটি মূল শব্দ বারবার চর্চা করতে পারো। - সূর্য হলো উৎস আর কিরণ হলো তার অংশ বা রশ্মি, এই মিল থেকেও মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আলো বা রশ্মি সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ যেমন অংশু, ময়ূখ, প্রভা ও দীপ্তি প্রায়ই আসে। - উৎস এবং তার উৎপাদের সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে পার্থক্য পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
b রাবেয়া খাতুন
c হুমায়ূন আহমেদ
d আব্দুল্লাহ আল মামুন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন আহমেদ ১. কেন সঠিক: - অপরাহ্ন নাটকটির রচয়িতা কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ। - অপরাহ্ন শব্দের অর্থ হলো দুপুর গড়িয়ে যাওয়ার পরের সময় বা বিকেলবেলা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হুমায়ূন আহমেদ বাংলা কথাসাহিত্যের এক অবিস্মরণীয় নাম যিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, নাটককার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। - তার রচিত অন্যান্য বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে জোছনা ও জননীর গল্প, এইসব দিনরাত্রি এবং কোথাও কেউ নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহুব্রীহি ব্যাখ্যা: এটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক যার বিখ্যাত চরিত্র বাকের ভাই। উদাহরণ ২: কোথাও কেউ নেই ব্যাখ্যা: এটিও হুমায়ূন আহমেদের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার হলেও অপরাহ্ন নাটকটি তার লেখা নয়। তার বিখ্যাত নাটক হলো স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা। B) রাবেয়া খাতুন — তিনি মূলত একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হলেও এই নাটকটির রচয়িতা তিনি নন। তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো মধুমতী। D) আব্দুল্লাহ আল মামুন — তিনি বাংলা নাট্যজগতের একজন দিকপাল হলেও এই নাটকটি তার সৃষ্টি নয়। তার বিখ্যাত নাটক হলো সুবচন আজ ভোটার। ৫. মনে রাখার টিপস: - হুমায়ূন আহমেদের নাটকগুলো মনে রাখার জন্য তার বিখ্যাত নাটকগুলোর চরিত্র যেমন বাকের ভাই বা হিমুর নাটকগুলোর কথা স্মরণ করতে পারো। - বিকেল বা অপরাহ্নের স্নিগ্ধতার মতো হুমায়ূন আহমেদের নাটকগুলোও পাঠকের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হুমায়ূন আহমেদের নাটক ও উপন্যাসের নাম প্রায়ই আসে। - লেখকের অন্যান্য বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপযোগী।
a কাজী নজরুল ইসলাম
b আহসান হাবিব
c সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
d কবি সুফিয়া কামাল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নোক্ত পংক্তিটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'কুলি-মজুর' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। সমাজের অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষের ওপর অভিজাত শ্রেণির শোষণের চিত্র এই কবিতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত যিনি সমসাময়িক অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। সাম্যবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি সমাজের নিচুতলার মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের পক্ষে কলম ধরেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে দিন হইতে স্বাধীনতা / দেশের ছাত্র যুবকের রক্তে মিলিল যাতা। ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী চেতনার কবিতার পংক্তি। উদাহরণ ২: গাহি সাম্যের গান / মানুষের চেয়ে কিছু নাই, কিছু মহীয়ান নাই। ব্যাখ্যা: এটি কবির সাম্যবাদী কবিতার বিখ্যাত পংক্তি যেখানে মানুষের মর্যাদাকে সর্বশ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত পংক্তিটি তাঁরই লেখা কুলি-মজুর কবিতার অংশ। B) আহসান হাবিব — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। C) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত হলেও এই পংক্তিটি তাঁর নয়। D) কবি সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি বিশিষ্ট নারীনেত্রী ও কবি হলেও এই বিখ্যাত কবিতার রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: কুলি ও মজুরদের ওপর নির্যাতন এবং সাম্যের কথা বললেই বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাম মনে রাখবে। কুলি-মজুর কবিতাটি মূলত সমাজের শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের পক্ষে এক জোরালো প্রতিবাদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের 'সাম্যবাদী' ও 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কবিতার পংক্তিভিত্তিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত কবিতাগুলোর মূল ভাবনা ও চরণগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।

মোট প্রশ্ন (16)

a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Abstract noun
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abstract noun কেন সঠিক: honesty শব্দটি এমন একটি গুণকে বোঝায় যা ধরা বা ছোঁয়া যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। এটি মানুষের একটি ভালো নৈতিক আচরণ প্রকাশ করে। নামবাচক না হয়ে এটি একটি গুণ বা অবস্থার নাম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জায়গার নাম নয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) Common noun — এটি সাধারণ কোনো জাতি বা প্রাণীর নাম বোঝায় না, তাই এটি ভুল। C) Collective noun — এটি কোনো সমষ্টিগত দল বা দলের নাম বোঝায় না। D) Abstract noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি গুণবাচক নাম। মনে রাখার টিপস: যেসব নাম চোখে দেখা যায় না কিন্তু মন দিয়ে অনুভব করা যায়, সেটাই Abstract noun।
a Proper noun
b Common noun
c Collective noun
d Material noun
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Material noun কেন সঠিক: যেসব নাউন দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়, যা গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ করা যায়, সেগুলোকে Material noun বলা হয়। Gold বা স্বর্ণ একটি ধাতু বা পদার্থের নাম হওয়ায় এটি Material noun হিসেবে গণ্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Proper noun — কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝালে Proper noun হয়, কিন্তু Gold কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম নয়। B) Common noun — একই জাতীয় একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝালে Common noun হয়, কিন্তু Gold কোনো সাধারণ প্রাণ বা বস্তুর জাতি বোঝায় না। C) Collective noun — সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝালে Collective noun হয়, কিন্তু Gold কোনো সমষ্টিগত নাম নয়। D) Material noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ গোল্ড একটি পদার্থ। মনে রাখার টিপস: যেসব বস্তু ওজন করে মাপা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না, সেগুলো সাধারণত Material noun হয়।
a Ahsan is better today.
b He prevented me to go.
c I have a lot of furnitures for sale.
d The bus service has been cancelled due to fog.
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Ahsan is better today. কেন সঠিক: ১. শারীরিক অবস্থার উন্নতির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে 'better' শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। ২. এই বাক্যে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। ৩. দিন বা অবস্থা বোঝাতে 'today' শব্দের ব্যবহার সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Ahsan is better today — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো ভুল নেই। B) He prevented me to go — prevent verb এর পর gerund ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে to go এর বদলে going হবে। C) I have a lot of furnitures for sale — furniture একটি uncountable noun, তাই এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না। D) The bus service has been cancelled due to fog — foggy weather বা fog এর ক্ষেত্রে এই বাক্যটি সঠিক হলেও মূল নিয়ম অনুযায়ী A অপশনটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: prevent শব্দের পর সবসময় verb এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং furniture কখনো plural হয় না।
a Two-thirds of the money are lost.
b I am senior to you by three years
c Whom do you think I am?
d He thought that it will rain.
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I am senior to you by three years কেন সঠিক: - senior, junior, superior, inferior ইত্যাদি ল্যাটিন তুলনামূলক শব্দের পরে than না বসে to বসে। - এই নিয়মানুযায়ী B অপশনে senior-এর পরে সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two-thirds of the money are lost. — ভগ্নাংশের পরে uncountable noun থাকলে verb singular হয়, তাই are এর পরিবর্তে is হবে। B) I am senior to you by three years — এটি সম্পূর্ণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য। C) Whom do you think I am? — linking verb এর ক্ষেত্রে complement হিসেবে whom না বসে who বসে, তাই whom ভুল। D) He thought that it will rain. — Principal clause-টি past tense-এ থাকায় subordinate clause-এর will পরিবর্তন হয়ে would হবে। মনে রাখার টিপস: Senior এবং junior শব্দের পরে সবসময় to বসে, than বসে না।
a in
b to
c of
d by
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: - envious শব্দের পর নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে সবসময় of বসে। - ঈর্ষা বা লোভ করা অর্থে envious of একটি স্থির ফিক্সড প্রিপজিশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এটি সঠিক প্রিপজিশন নয় কারণ envious-এর সঙ্গে in বসে না। B) to — এটি ভুল কারণ envious শব্দের সঙ্গে সাধারণত to যুক্ত হয় না। C) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) by — এটি ভুল কারণ envious-এর সঙ্গে মাধ্যম বোঝাতে by বসে না। মনে রাখার টিপস: Envious শব্দের অর্থ ঈর্ষান্বিত এবং এর ঠিক পরেই সব সময় of প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a in
b with
c of
d at
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) at কেন সঠিক: কোনো বিষয়ে দক্ষতা বোঝাতে ইংরেজি adjectives যেমন good, clever বা expert এর পরে সাধারণত at preposition বসে। এখানে ক্রিকেট খেলায় ভালো বা দক্ষ বোঝানো হয়েছে তাই সঠিক উত্তর at হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — সাধারণত স্থান বা ক্ষেত্রের ভেতর বোঝাতে ইন বসে কিন্তু গুড এর পরে ইন হয় না। B) with — সাধারণত কোনো বস্তু বা সাথে থাকা বোঝাতে উইথ বসে কিন্তু গুড এর পরে উইথ হয় না। C) of — সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে অব বসে কিন্তু গুড এর পরে অব বসে না। D) at — এই অপশনটি সঠিক কারণ দক্ষতাসূচক শব্দের পরে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আট বসে। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে সবসময় গুড এর পরে আট বসবে।
a in
b with
c of
d to
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) of কেন সঠিক: lack noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এর পরে সাধারণত preposition হিসেবে of বসে। অর্থের দিক থেকেও বাক্যের শূন্যস্থানে of সবচেয়ে উপযুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — lack শব্দের পরে grammatically in বসা নিয়মবিরুদ্ধ। B) with — অর্থের সাথে মিল না থাকায় with এখানে ভুল। C) of — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) to — lack শব্দের পরে preposition হিসেবে to বসে না। মনে রাখার টিপস: lack এর পরে সাধারণত of বসে এবং এটি ঘাটতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a to
b in
c with
d by
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: অবজেক্ট ভার্বের পর সাধারণত প্রিপজিশন হিসেবে টু বসে। কোনো প্রস্তাব বা মতামতের বিরুদ্ধে আপত্তি বোঝাতে অবজেক্ট টু সঠিক ব্যবহার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী বসেছে। B) in - অবজেক্ট এর সাথে ইন প্রিপজিশন বসে অর্থ প্রকাশ করে না। C) with - এটি বাক্যের ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) by - এটি দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: অবজেক্ট ভার্বের পরে সব সময় টু প্রিপজিশন ব্যবহার করার নিয়মটি মনে রাখবে।
a in
b to
c for
d by
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) for কেন সঠিক: এখানে necessity শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ প্রয়োজন। এই বাক্যে কোনো কিছুর প্রয়োজন বোঝাতে necessity এর পর for preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in - in preposition সাধারণত কোনো কিছুর ভেতরে অবস্থান বোঝাতে বসে। B) to - to preposition সাধারণত দিক বা গন্তব্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। C) for - সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) by - by preposition সাধারণত মাধ্যম বা কর্তarak বোঝাতে বসে। মনে রাখার টিপস: necessity এর পর সাধারণত for বসে যখন কোনো ব্যক্তির জন্য কোনো কিছুর প্রয়োজন বোঝায়।
a She was fanned by herself.
b She is fanned herself.
c She is fanned by herself.
d None of these
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) She is fanned by herself. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে বিধায় Passive করার সময় subject-এর পরে is এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে। এখানে subject এবং object একই ব্যক্তি হওয়ায় reflexive sense প্রকাশ করতে by herself ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She was fanned by herself. — বাক্যটি Past Tense-এ পরিবর্তন করা হয়েছে যা প্রদত্ত Present Tense বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) She is fanned herself. — এখানে by preposition ব্যবহার করা হয়নি যা Passive voice-এর নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) She is fanned by herself. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) None of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Active voice-এর subject এবং object একই হলে Passive করার সময় by-এর পরে reflexive pronoun বসে।
a Let the order to give.
b Let the order to given.
c Let the order be given.
d Let the order give.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given. কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে। তাই Passive করার সময় নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসাতে হয় এবং object-কে subject করতে হয়। subject-এর পরে অতিরিক্ত be যুক্ত করে মূল verb-এর Past Participle করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let the order to give — এখানে be verb ব্যবহার না করে ভুলভাবে to বসানো হয়েছে এবং সঠিক Passive গঠন করা হয়নি। B) Let the order to given — এখানে be verb বাদ দিয়ে সরাসরি Past Participle form দেওয়া হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Let the order be given — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। D) Let the order give — এখানে verb-কে Past Participle না করে Present form-এ রাখা হয়েছে যা Passive-এর নিয়মবিরোধী। মনে রাখার টিপস: মূল verb দিয়ে শুরু Imperative Sentence-কে Passive করার সময় সবসময় Let + object + be + verb-এর Past Participle ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
a He is elected captain by them
b He was elected captain by them.
c He elected captain by them.
d He has been elected captain by them.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He was elected captain by them. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের মূল verb-টি Past Indefinite Tense-এ থাকায়, passive করার সময় subject-এর পর was এবং verb-এর Past Participle বসে। এখানে object ‘him’ কে subject হিসেবে এনে ‘He’ করা হয়েছে এবং সঠিক Auxiliary verb হিসেবে ‘was’ ব্যবহার করা হয়েছে। বাক্যের বাকি অংশ ‘captain’ অপরিবর্তিতভাবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is elected captain by them — বাক্যটি Past Tense-এ থাকলেও এখানে ভুলবশত Present Tense-এর auxiliary verb is ব্যবহার করা হয়েছে। B) He was elected captain by them — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) He elected captain by them — এখানে passive করার সময় প্রয়োজনীয় auxiliary verb was বাদ দেওয়া হয়েছে। D) He has been elected captain by them — মূল বাক্য Past Tense-এ থাকলেও এখানে ভুলবশত Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ Past Tense থাকলে Passive করার সময় was বা were ব্যবহার করতে হয়।
a Abul said that I was busy
b Abul said that he was busy
c Abul said that I had been busy
d Abul said that he had been busy
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Abul said that he had been busy কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব past tense (said) হলে indirect speech-এ reported speech-এর past indefinite tense পরিবর্তিত হয়ে past perfect tense হয়। - პირველი (First) পারসন 'I' রিপোর্টিং ভার্বের সাবজেক্ট 'Abul'-কে অনুসরণ করে third person 'he'-তে রূপান্তরিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Abul said that I was busy — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন ও টেন্স অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের পরিপন্থী। B) Abul said that he was busy — এখানে ফার্স্ট পারসন পরিবর্তন করা হলেও past indefinite tense-কে past perfect tense-এ পরিবর্তন করা হয়নি। C) Abul said that I had been busy — এখানে টেন্স পরিবর্তন করা হলেও ফার্স্ট পারসন 'I' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) Abul said that he had been busy — এই অপশনটি সঠিক, কারণ এখানে সাবজেক্টের পরিবর্তনের পাশাপাশি past indefinite টেন্সকে সঠিকভাবে past perfect টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশনের ক্ষেত্রে Past Indefinite টেন্স পরিবর্তিত হয়ে সবসময় Past Perfect টেন্স হয় এবং রিপোর্টেড স্পিচের ফার্স্ট পারসন সবসময় রিপোর্টিং ভার্বের সাবজেক্টকে অনুসরণ করে।
a Farida said that she would go to school.
b Farida said that she will go to school.
c Farida told that she went to school.
d None of these
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Farida said that she would go to school. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense এ থাকায় ইনডায়রেক্ট স্পিচে রিপোর্টেড অর্ডারের shall পরিবর্তিত হয়ে would হয়। সাবজেক্ট Farida এর পর third person হিসেবে she বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম মেনে সঠিক হয়েছে। B) B অপশন — shall এর পরিবর্তে will ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। C) C অপশন — told এর পর object না থাকা এবং tense ভুল হওয়ার কারণে এটি সঠিক নয়। D) D অপশন — সঠিক উত্তর অপশন এ তে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ডাইরেক্ট থেকে ইনডায়রেক্ট করার সময় reporting verb past tense হলে shall বা will থাকলে would হয়।
a Dull
b Cheerful
c Depressed
d Gloomy
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cheerful কেন সঠিক: Joyful শব্দের অর্থ আনন্দিত বা উল্লাসপূর্ণ। Cheerful শব্দটির অর্থও আনন্দময় বা হাসিখুশি, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dull — এই শব্দটির অর্থ নিস্তেজ বা অনুজ্জ্বল, যা Joyful শব্দের বিপরীত। B) Cheerful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Depressed — এই শব্দের অর্থ অবসাদগ্রস্ত বা বিষণ্ণ, যা আনন্দিত শব্দের বিপরীত। D) Gloomy — এই শব্দের অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন বা মনমরা, যা Joyful শব্দের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: Joy (আনন্দ) থেকে Joyful এবং Cheer (উল্লাস) থেকে Cheerful হয়, তাই এরা একে অপরের সমার্থক।
a Common
b Extraordinary
c Strange
d Uncommon
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Common কেন সঠিক: Typical শব্দের অর্থ সাধারণ বা স্বাভাবিক, যা মূলত কোনো বিশেষ শ্রেণির বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। Common শব্দটির অর্থও সাধারণ, যা সহজেই সবার মাঝে দেখা যায় এবং এটি Typical এর সবচেয়ে কাছের অর্থ বহন করে। উভয় শব্দই দৈনন্দিন ব্যবহারে একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই দুটি শব্দ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে গণ্য করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Common — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সাধারণ। B) Extraordinary — এর অর্থ অসাধারণ, যা Typical শব্দের বিপরীত। C) Strange — এর অর্থ অদ্ভুত, যা স্বাভাবিক বা সাধারণ বিষয়ের সাথে মেলে না। D) Uncommon — এর অর্থ অসাধারণ বা যা সচরাচর দেখা যায় না। মনে রাখার টিপস: Typical এবং Common দুটি শব্দই সাধারণত পরিচিত বা স্বাভাবিক কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (18)

a ১৭০ জন
b ১৮০ জন
c ১৮৫ জন
d ১৯০ জন
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮০ জন প্রদত্ত তথ্য: মোট সৈন্য সংখ্যা = ৭২০ জন মোট খাদ্যের দিন = ২০ দিন ধরি, ১০ দিন পর অবশিষ্ট খাদ্য থাকে = ২০ − ১০ = ১০ দিনের ৭২০ জন সৈন্যের অবশিষ্ট খাদ্য চলে = ১০ দিন অতএব, ১ জন সৈন্যের ওই খাবারে চলে = ৭২০ × ১০ দিন ধরি, নতুন সৈন্য আসার পর মোট সৈন্য হয় = ক জন ক জন সৈন্যের ওই খাবারে চলে = ৮ দিন সুতরাং, শর্তমতে, ক × ৮ = ৭২০ × ১০ ক = (৭২০ × ১০) ÷ ৮ = ৯০০ জন উত্তর: নতুন সৈন্য এসেছিল = ৯০০ − ৭২০ = ১৮০ জন
a x+1
b 1
c -1
d x-1
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x − x − (x + ১) ধরি, প্রথমে বন্ধনীর ভেতরের কাজ করতে হবে অতএব, ভেতরের বন্ধনী তুলে পাই x − (x + ১) = x − x − ১ = −১ সুতরাং, এখন দ্বিতীয় বন্ধনীর কাজ করে পাই x − (−১) = x + ১ উত্তর: x + ১ − x − ১ = −১
a 1
b 118
c 89
d 19
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৮ প্রদত্ত তথ্য: ১ ÷ ৮৯ ( ৫৮ + ৩৮ ) ধরি, প্রথম সংখ্যা = ৫৮ দ্বিতীয় সংখ্যা = ৩৮ অতএব, প্রথম বন্ধনীর ভেতরের কাজ করতে হবে ৫৮ + ৩৮ = ৯৬ সুতরাং, ভাগের কাজ করার আগে বাইরে কোনো সংখ্যা থাকলে গুণ করতে হয় ১ ÷ ৮৯ × ৯৬ বা এই ধরনের সরল অংকে বোর্ডমাসের নিয়ম প্রযোজ্য উত্তর: ১১৮
a 14
b 16
c 22
d 30
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ প্রদত্ত তথ্য: x^২ + y^২ = ৮ xy = ৭ ধরি, প্রথম রাশি = x^২ + y^২ দ্বিতীয় রাশি = xy অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x + y)^২ এর মান নির্ণয় করতে হবে সুতরাং, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy উত্তর: ৮ + (২ × ৭) = ২২
a x+y+1
b x+y-1
c x-y
d x-y-1
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) x+y-1 প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে x২ − (y২ − ২y + ১) অতএব, ব্র্যাকেটের ভেون অংশটি একটি সূত্র হয় x২ − (y − ১)২ সুতরাং, এটিকে উৎপাদকের সূত্রে ভাঙলে পাওয়া যায় (x + y − ১)(x − y + ১) উত্তর: x+y-1
a ৮ গ্রাম
b ৬ গ্রাম
c ৩ গ্রাম
d ৪ গ্রাম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: গহনার মোট ওজন = ১৬ গ্রাম সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ : ১ ধরি, সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম অতএব, ৩ক + ১ক = ১৬ ৪ক = ১৬ ক = ৪ সুতরাং, সোনার পরিমাণ = ৩ × ৪ = ১২ গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ × ৪ = ৪ গ্রাম উত্তর: ৪ গ্রাম
a ৩৬ টাকা
b ৩৯ টাকা
c ৪০ টাকা
d ৪২ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৯ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ১৪৩ টাকা অনুপাতের রাশিগুলোর অনুপাত = ২ অনুপাত ৪ অনুপাত ৫ ধরি, প্রথম অংশ = ২ক দ্বিতীয় অংশ = ৪ক তৃতীয় অংশ = ৫ক অতএব, অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ২ + ৪ + ৫ = ১১ মোট টাকার সমান করে পাই = ১১ক = ১৪৩ টাকা সুতরাং, ক এর মান = ১৪৩ ÷ ১১ = ১৩ টাকা বৃহত্তম অংশ = ৫ × ১৩ = ৬৫ টাকা উত্তর: ক্ষুদ্রতম অংশ = ২ × ১৩ = ২৬ টাকা এবং পার্থক্য = ৬৫ − ২৬ = ৩৯ টাকা
a 2
b 4
c 8
d 16
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৬ প্রদত্ত তথ্য: মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য মূল সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য ধরি, মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪ অতএব, মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক = ক২ এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪) = ক২ ÷ ১৬ সুতরাং, প্রথম ক্ষেত্রফল ÷ দ্বিতীয় ক্ষেত্রফল = ক২ ÷ (ক২ ÷ ১৬) = ১৬ উত্তর: ১৬ গুণ
a x+1
b 1
c -1
d x-1
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x+1 প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি = x − x − (x + 1) ধরি, রাশিটির ভেতরের বন্ধনী = (x + 1) অতএব, প্রথম কাজ হলো ভেতরের বন্ধনীর কাজ করা এবং এর আগের মাইনাস চিহ্ন দিয়ে গুণ করা সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় x − x − x − 1 যা থেকে পাই x − −၁ উত্তর: x + 1
a 180
b 184
c 188
d 190
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯০ প্রদত্ত তথ্য: ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার ধারাটি হলো ১ থেকে ১৯ পর্যন্ত ধরি, পদের সংখ্যা n = ১৯ প্রথম পদ a = ১ শেষ পদ l = ১৯ অতএব, সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র প্রয়োগ করি সমষ্টি = n × (a + l) ÷ ২ সুতরাং, সমষ্টি = ১৯ × (১ + ১৯) ÷ ২ সমষ্টি = ১৯ × ২০ ÷ ২ উত্তর: ১৯০
a ৬ দিনে
b ৮ দিনে
c ১০ দিনে
d ১২ দিনে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ক একা কাজটি করে ১০ দিনে খ একা কাজটি করে ১৫ দিনে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটি হলো ১ অংশ অতএব, ক ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ খ ১ দিনে করে ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = (৩ + ২) ÷ ৩০ অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ উত্তর: ৬ দিনে
a আহ্নিক গতির জন্য
b বার্ষিক গতির জন্য
c মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে
d কোনোটিই নয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আহ্নিক গতির জন্য প্রদত্ত তথ্য: পৃথিবীর নিজ অক্ষের উপর আবর্তনকে আহ্নিক গতি বলে সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর পরিক্রমণকে বার্ষিক গতি বলে ধরি, পৃথিবীর যে দিক সূর্যের সামনে থাকে সেখানে দিন হয় পৃথিবীর যে দিক সূর্যের বিপরীত দিকে থাকে সেখানে রাত হয় অতএব, পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আলো ও অন্ধকারের পর্যায়ক্রম ঘটে এই ঘূর্ণন গতির কারণে ২৪ ঘণ্টায় একবার দিবারাত্রি সংঘটিত হয় সুতরাং, পৃথিবীর এই দৈনিক গতির অপর নাম হলো আহ্নিক গতি উত্তর: A) আহ্নিক গতির জন্য
a ২৯০০ টাকা
b ৩০০০ টাকা
c ৩২০০ টাকা
d ৩৫০০ টাকা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো বিক্রয়মূল্য ৪৫০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো ধরি, ছাগলটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ক − (ক × ১০ ÷ ১০০) টাকা = ০.৯০ক টাকা সুতরাং, ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ক + (ক × ৫ ÷ ১০০) টাকা = ১.০৫ক টাকা শর্তমতে, ১.০৫ক − ০.৯০ক = ৪৫০ ০.১৫ক = ৪৫০ উত্তর: ক = ৪৫০ ÷ ০.১৫ = ৩০০০ টাকা
a ৮৫ কেজি
b ৯০ কেজি
c ৯৫ কেজি
d ১০০ কেজি
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ কেজি প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়মূল্য প্রতি কেজি ৮০ টাকা বিক্রয়মূল্য প্রতি কেজি ৭৫ টাকা মোট ক্ষতি ৫০০ টাকা ধরি, মোট চা পাতার পরিমাণ = ক কেজি অতএব, ক কেজি চা পাতার ক্রয়মূল্য = ৮০ × ক টাকা ক কেজি চা পাতার বিক্রয়মূল্য = ৭৫ × ক টাকা মোট ক্ষতি = (৮০ × ক) − (৭৫ × ক) টাকা = ৫ × ক টাকা সুতরাং, প্রশ্নানুসারে, ৫ × ক = ৫০০ ক = ৫০০ ÷ ৫ উত্তর: ১০০ কেজি
a ৩০০ টাকা লাভ
b ৩৫০ টাকা লাভ
c ৪০০ টাকা লাভ
d ৪৫০ টাকা লাভ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪০০ টাকা লাভ প্রদত্ত তথ্য: আঙ্গুরের বিক্রয়মূল্য = ২৭৫০ টাকা ক্ষতির পরিমাণ = ৪৫০ টাকা ধরি, আঙ্গুরের ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি ক্রয়মূল্য = ২৭৫০ + ৪৫০ = ৩২০০ টাকা অতএব, নতুন বিক্রয়মূল্য = ৩৬০০ টাকা সুতরাং, লাভ = নতুন বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ৩৬০০ − ৩২০০ = ৪০০ টাকা উত্তর: ৪০০ টাকা লাভ
a ৪০ বৎসর
b ৪২ বৎসর
c ৪৩ বৎসর
d ৪৪ বৎসর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪০ বৎসর প্রদত্ত তথ্য: পিত ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স কুড়ি বৎসর দুই বৎসর পর দুই পুত্রের গড় বয়স বারো বৎসর ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ক বৎসর দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = খ বৎসর অতএব, পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি = কুড়ি × তিন = ষাট বৎসর অর্থাৎ, ক + খ = ষাট দুই বৎসর পর দুই পুত্রের বয়স বাড়বে = দুই × দুই = চার বৎসর দুই বৎসর পর দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি হবে = বারো × দুই + চার = আটাশ বৎসর সুতরাং, দুই পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি (খ) = আটাশ − চার = চব্বিশ বৎসর পিতার বর্তমান বয়স (ক) = ষাট − চব্বিশ = ছত্রিশ বৎসর উত্তর: ৪০ বৎসর
a 12
b 14.3
c 15.5
d 16
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৪.৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ইনিংসে ৭টি উইকেট পেতে রান দিলেন = ৭ × ১৭ = ১১৯ রান দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি উইকেট পেতে রান দিলেন = ৩ × ৮ = ২৪ রান ধরি, মোট উইকেট সংখ্যা = ৭ + ৩ = ১০টি মোট রান সংখ্যা = ১১৯ + ২৪ = ১৪৩ রান অতএব, উইকেট প্রতি গড় রান = মোট রান ÷ মোট উইকেট সংখ্যা উইকেট প্রতি গড় রান = ১৪৩ ÷ ১০ সুতরাং, উইকেট প্রতি গড় রান = ১৪.৩ উত্তর: ১৪.৩
a ৮ বৎসর
b ১৫ বৎসর
c ১৬ বৎসর
d ১৭ বৎসর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ বৎসর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও মাতার বয়সের গড় কুড়ি বৎসর পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ষোল বৎসর ধরি, পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = কুড়ি × দুই = চল্লিশ বৎসর পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ষোল × তিন = আটচল্লিশ বৎসর অতএব, পুত্রের বয়স নির্ণয় করতে হবে মোট বয়স থেকে পিতা ও মাতার বয়স বিয়োগ করে সুতরাং, আটচল্লিশ − চল্লিশ = আট বৎসর উত্তর: আট বৎসর

মোট প্রশ্ন (22)

a 1999
b 2000
c 2001
d 2002
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৯ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সপ্তম ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করে। - এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল শক্তিশালী পাকিস্তান দলকে পরাজিত করে বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের আগমনী বার্তা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৯ — এই সালে বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশ নেয় এবং স্কটল্যান্ড ও পাকিস্তানকে পরাজিত করে। B) ২০০০ — এই সালটি বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অভিষেকের বছর, বিশ্বকাপের নয়। C) ২০০১ — এই সালে বাংলাদেশ আইসিসির পূর্ণ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলছিল, তবে এটি বিশ্বকাপের বছর ছিল না। D) ২০০২ — এই সালটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের কোনো বিশ্বকাপ অভিষেকের বছর নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম বিশ্বকাপ খেলেছে শেষ শতাব্দীর শেষ বছর অর্থাৎ ১৯৯৯ সালে।
a বায়ু প্রবাহের প্রভাব
b সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
c সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা
d সমুদ্রের পানিতে তাপের তারতম্য
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বায়ু প্রবাহের প্রভাব কেন সঠিক: - নিয়মিত বায়ুপ্রবাহ বা নিয়ত বায়ু সমুদ্রপৃষ্ঠের পানিকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টেনে নিয়ে যায়, যা সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। - বায়ুর ঘর্ষণ বলের কারণে সমুদ্রের উপরিভাগের পানি সামনের দিকে প্রবাহিত হয় এবং অনুভূমিক স্রোতের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ু প্রবাহের প্রভাব — এটি সঠিক কারণ, কারণ নিয়ত বায়ুর প্রভাবেই সমুদ্রের পানি নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হয়। B) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড় — এটি আকস্মিক ও সাময়িক ঘটনা, যা সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস তৈরি করে কিন্তু নিয়মিত বৈশ্বিক সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রধান কারণ নয়। C) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা — তাপের পরিচালনা ধীর প্রক্রিয়া এবং এটি সরাসরি অনুভূমিক স্রোত সৃষ্টির প্রধান নিয়ামক নয়। D) সমুদ্রের পানিতে তাপের তারতম্য — তাপের তারতম্যে পানির ঘনত্বের পরিবর্তন ঘটে যা উল্লম্ব বা গভীর স্রোতের সৃষ্টি করে, তবে ভূপৃষ্ঠের প্রধান স্রোতের ক্ষেত্রে বায়ুপ্রবাহ বেশি কার্যকর। মনে রাখার টিপস: বায়ুর টানে সমুদ্র চলে, তাই বায়ুপ্রবাহই সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রধান কারণ।
a উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা
b উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি
c বাজ পাখি পালন বিষয়াদি
d পাখিপালন বিষয়াদি
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পাখিপালন বিষয়াদি কেন সঠিক: - এভিকালচার বলতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে পাখি লালন-পালন, প্রজনন এবং রক্ষণাবেক্ষণকে বোঝানো হয়। - এটি প্রাণিবিদ্যার একটি শাখা যা মূলত গৃহপালিত বা খাচায় বন্দি পাখির জীবনযাত্রা ও পরিচর্যার সাথে জড়িত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা — এটি বিমান চালনা, ট্রাফিক কন্ট্রোল এবং এভিয়েশন ম্যানেজমেন্টের সাথে সম্পর্কিত, যা পাখি পালনের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। B) উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি — এটি বিমানবিদ্যা বা এভিয়েশনের আওতাভুক্ত, যা জীববিজ্ঞানের পাখি পালনের বিষয় নয়। C) বাজ পাখি পালন বিষয়াদি — এটি বিশেষভাবে বাজ পাখি লালন-পালনের সাথে যুক্ত হলেও সার্বিকভাবে সব ধরনের পাখি পালনের জন্য এভিকালচার শব্দটি ব্যবহার করা হয়। D) পাখিপালন বিষয়াদি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এভিকালচার বলতে সামগ্রিকভাবে সব ধরনের পাখি পালন ও পরিচর্যাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি এভিয়ান শব্দের অর্থ পাখি, তাই এভিকালচার বললেই পাখিপালন বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
a স্টেথস্কোপ
b স্ফিগমোম্যানোমিটার
c কার্ডিওগ্রাফ
d ইকোকার্ডিওগ্রাফ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) স্ফিগমোম্যানোমিটার কেন সঠিক: - এটি একটি চিকিৎসা সরঞ্জাম যা মানুষের শরীরের ধমনীর রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। - ইতালীয় চিকিৎসক স্যামুয়েল সিগফ্রিড কার্ল ভন বাশ ১৮৮১ সালে এই যন্ত্রটির প্রাথমিক সংস্করণ আবিষ্কার করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টেথস্কোপ — এটি রক্তচাপ নির্ণয় করে না, বরং হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের অভ্যন্তরীণ শব্দ শোনার জন্য ব্যবহার করা হয়। B) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ের সঠিক ও পরীক্ষিত যন্ত্র। C) কার্ডিওগ্রাফ — এটি রক্তচাপ মাপে না, বরং হৃদযন্ত্রের গতি ও কার্যক্ষমতা লিপিবদ্ধ বা প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়। D) ইকোকার্ডিওগ্রাফ — এটি শব্দতরঙ্গের মাধ্যমে হৃদযন্ত্রের ছবি তৈরি করে, কোনো রক্তচাপ পরিমাপক যন্ত্র নয়। মনে রাখার টিপস: রক্তচাপ মাপার যন্ত্রের নামের সাথে প্রেশার বা ম্যানামিটার কথাটি যুক্ত থাকে, তাই স্ফিগমোম্যানোমিটার মনে রাখা সহজ।
a টাইফয়েড
b যক্ষ্মা
c ইনফ্লুয়েঞ্জা
d হাম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) টাইফয়েড কেন সঠিক: - টাইফয়েড সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। - এটি মানুষের অন্ত্রে সংক্রমণ ঘটিয়ে পানিবাহিত রোগ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টাইফয়েড — এটি পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে সংক্রমিত হয় বলে এটি সঠিক উত্তর। B) যক্ষ্মা — এটি মাইকব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে বায়ুবাহিত বা শ্বাসনালীর মাধ্যমে ছড়ায়। C) ইনফ্লুয়েঞ্জা — এটি অর্থোমাইকসোভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি বায়ুবাহিত ও সংক্রামক রোগ। D) হাম — এটি মোরবিলিভাইরাস দ্বারা ছড়ায় এবং এটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুবাহিত রোগ। মনে রাখার টিপস: পানিবাহিত রোগ মনে রাখার জন্য টাইফয়েড, কলেরা এবং ডায়রিয়া এই রোগগুলোর কথা মনে রাখতে হবে।
a হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ
b হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ
c হৃৎপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ
d কোনোটিই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ কেন সঠিক: - সিস্টোলিক চাপ হলো রক্তচাপের সেই পর্যায় যখন হৃৎপিণ্ডের নিলয় দুটি সংকুচিত হয় এবং ধমনিতে রক্ত সজোরে প্রবাহিত হয়। - সুস্থ মানুষের রক্তচাপের স্বাভাবিক মান সাধারণত ১২০ ও ৮০ মিলিমিটার মার্কারি ধরা হয়, যার প্রথম বা উপরের সংখ্যাটি সিস্টোলিক চাপ নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ — এটি সঠিক কারণ সিস্টোলিক চাপ মানেই হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের ফলে উৎপন্ন রক্তচাপ। B) হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ হৃৎপিণ্ডের প্রসারণজনিত চাপকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলা হয়। C) হৃৎপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ — এটি ভুল কারণ সংকোচন চাপ ও প্রসারণ চাপ একসাথে পূর্ণ রক্তচাপ নির্দেশ করে, শুধু সিস্টোলিক চাপ নয়। D) কোনোটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ তে সঠিক উত্তরটি ইতিমধ্যে উপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: সিস্টোলিক মানে সংকোচন এবং ডায়াস্টোলিক মানে প্রসারণ, এই সহজ সম্পর্কটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে চিহ্নিত করা যায়।
a টয়লেট সাবান
b তরল সাবান
c লন্ড্রি সাবান
d ডিটারজেন্ট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডিটারজেন্ট কেন সঠিক: - ডিটারজেন্টে সালফোনেট বা সালফেট থাকে, যা খর পানির ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম আয়নের সঙ্গে অদ্রবণীয় লবণ তৈরি করে না। - এটি খর পানিতে সহজে ও প্রচুর ফেনা তৈরি করে এবং কাপড় পরিষ্কারের কাজটি অত্যন্ত কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টয়লেট সাবান — এটি সাধারণ সাবান হওয়ায় খর পানির খনিজ লবণের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অদ্রবণীয় অদক্ষেপ তৈরি করে এবং ফেনা দেয় না। B) তরল সাবান — এটিও মূলত ফ্যাটি এসিডের লবণ হওয়ায় খর পানিতে ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেশিয়ামের সঙ্গে মিশে ফেনা দিতে ব্যর্থ হয়। C) লন্ড্রি সাবান — এটি সোডিয়াম সল্ট দিয়ে তৈরি কাপড় কাচার সাবান, যা খর পানিতে আংশিক নষ্ট হয় এবং সামান্য ফেনা তৈরি করে। D) ডিটারজেন্ট — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কারণ প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: খর পানিতে সাধারণ সাবান ফেনা দেয় না, কিন্তু ডিটারজেন্ট কৃত্রিম হওয়ায় সহজেই প্রচুর ফেনা উৎপন্ন করতে পারে।
a তাপ দ্বারা মোম গলানো
b লোহার মরিচা ধরা
c পানি চিনিতে দ্রবীভূত হওয়া
d বরফ গলে পানি হওয়া
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লোহার মরিচা ধরা কেন সঠিক: - রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের মূল গঠন পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয়, যা লোহার মরিচা ধরার ক্ষেত্রে ঘটে। - লোহা বাতাসের অক্সিজেন ও আর্দ্রতার সঙ্গে বিক্রিয়া করে নতুন পদার্থ হাইড্রেটেড আয়রন অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তাপ দ্বারা মোম গলানো — এটি একটি ভৌত পরিবর্তন, কারণ মোমের অবস্থার পরিবর্তন ঘটলেও কোনো নতুন পদার্থ উৎপন্ন হয় না এবং ঠান্ডা করলে তা আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। B) লোহার মরিচা ধরা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ লোহা ও অক্সিজেনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নতুন পদার্থ তৈরি হয় যা সহজে আগের লোহায় ফেরানো যায় না। C) পানি চিনিতে দ্রবীভূত হওয়া — এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া, কারণ এতে চিনি তার নিজস্ব রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে এবং তাপ প্রয়োগ করে পানি বাষ্পীভূত করলে চিনি আবার আলাদা করা যায়। D) বরফ গলে পানি হওয়া — এটি শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন বা ভৌত পরিবর্তন, কারণ কঠিন অবস্থা থেকে তরল হলেও পানির রাসায়নিক সংকেত একই থাকে। মনে রাখার টিপস: যে পরিবর্তন ঘটলে নতুন পদার্থ তৈরি হয় এবং আগের অবস্থায় ফেরত যাওয়া যায় না, সেটাই রাসায়নিক পরিবর্তন যেমন লোহার মরিচা ধরা।
a অসীম
b স্লো হবে
c ভূপৃষ্ঠের সমান
d ভূপৃষ্ঠ থেকে কম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অসীম কেন সঠিক: - সরলদোলকের দোলনকালের সূত্র অনুসারে, দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। - পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় দোলনকাল অসীম হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অসীম — পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ায় দোলনকাল অসীম হয়, অর্থাৎ দোলকটি আর দুলবে না। B) স্লো হবে — এটি সঠিক নয়, কারণ কেন্দ্র অভিকর্ষহীন হওয়ায় দোলনকাল ধীরগতির না হয়ে থেমে যায় বা অসীম হয়। C) ভূপৃষ্ঠের সমান — এটি ভুল, কারণ ভূপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ থাকলেও কেন্দ্রে তা থাকে না, তাই দোলনকালও সমান হয় না। D) ভূপৃষ্ঠ থেকে কম — এটি ভুল, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ সর্বনিম্ন তথা শূন্য হওয়ায় দোলনকাল সর্বনিম্ন না হয়ে সর্বোচ্চ বা অসীম হয়। মনে রাখার টিপস: কেন্দ্র মানেই শূন্য অভিকর্ষ এবং শূন্য অভিকর্ষ মানেই দোলনকাল অসীম।
a বায়ুর চাপ বেশি
b বায়ুর চাপ কম
c অক্সিজেন কম
d ঠান্ডা বেশি
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বায়ুর চাপ কম কেন সঠিক: - পাহাড়ের উঁচুতে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ সমতল ভূমির তুলনায় অনেক কম থাকে। - শরীরের ভেতরের রক্তচাপ বাইরের কম বায়ুচাপের তুলনায় বেশি হওয়ায় নাকের সূক্ষ্ম রক্তনালী ছিঁড়ে রক্তপাত ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়ুর চাপ বেশি — পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুর চাপ বেশি নয়, বরং উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে বায়ুর চাপ কমতে থাকে। B) বায়ুর চাপ কম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) অক্সিজেন কম — চূড়ায় অক্সিজেন কম থাকা শ্বাসকষ্টের কারণ হলেও নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সরাসরি প্রধান কারণ বায়ুর চাপ কমে যাওয়া। D) ঠান্ডা বেশি — ঠান্ডা অতিরিক্ত হলেও তা নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সরাসরি এবং মূল কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: উচ্চতা বাড়লে বায়ুর চাপ কমে, চাপ কমলে শরীরের ভেتরের রক্তনালীর ওপর চাপ পড়ে এবং নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।
a ২ বছর
b ৩ বছর
c ৪ বছর
d ৫ বছর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - কমনওয়েলথ গেমস একটি আন্তর্জাতিক মাল্টি-স্পোর্টস ইভেন্ট যা প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়। - অলিম্পিক গেমসের মতো এই প্রতিযোগিতাও চার বছরের অলিম্পিয়াড চক্র অনুসরণ করে আয়োজিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছর — দুই বছর পর পর কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় না, কারণ এ ধরনের বিশাল আয়োজনের জন্য চার বছরের ব্যবধান প্রয়োজন হয়। B) ৩ বছর — তিন বছর পর পর এই গেমস আয়োজনের কোনো নিয়ম বা ঐতিহাসিক precedent নেই। C) ৪ বছর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) ৫ বছর — পাঁচ বছর পর পর এই গেমস অনুষ্ঠিত হয় না, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ক্যালেন্ডারে চার বছরের চক্র নির্ধারিত আছে। মনে রাখার টিপস: অলিম্পিক ও কমনওয়েলথ গেমস উভয়ের আয়োজক চক্রই চার বছর পর পর হয়ে থাকে।
a আওরঙ্গবাদ দুর্গ
b আজম দুর্গ
c শায়েস্তাখান দুর্গ
d পরীবিবির দুর্গ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আওরঙ্গবাদ দুর্গ কেন সঠিক: - ১৬৭৮ সালে সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ দুর্গটির নির্মাণকাজ শুরু করলে এর নাম রাখা হয় আওরঙ্গবাদ দুর্গ। - পরবর্তী সময়ে মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুসারে এবং লাল রঙের ইটের ব্যবহারের কারণে এটি লালবাগ কেল্লা নামে পরিচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আওরঙ্গবাদ দুর্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দুর্গটির আদি নাম ছিল মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নামানুসারে আওরঙ্গবাদ দুর্গ। B) আজম দুর্গ — এটি ভুল কারণ মুহাম্মদ আজম শাহ দুর্গটির নির্মাণ শুরু করলেও এর আদি নাম আজম দুর্গ রাখা হয়নি। C) শায়েস্তাখান দুর্গ — এটি ভুল কারণ শায়েস্তা খাঁ পরবর্তীতে এই দুর্গের নির্মাণকাজ চালিয়ে যান, কিন্তু এটি দুর্গের আদি নাম নয়। D) পরীবিবির দুর্গ — এটি ভুল কারণ দুর্গটির ভেতরে পরীবিবির মাজার থাকলেও, এটি পুরো কমপ্লেক্সের আদি নাম নয়। মনে রাখার টিপস: আওরঙ্গজেবের নাম থেকে আওরঙ্গবাদ দুর্গ এবং পরবর্তীতে লাল ইটের কারণে লালবাগ কেল্লা নামকরণ করা হয়।
a টঙ্গী
b সাভার
c গাজীপুর
d টাঙ্গাইল
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাভার কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ঢাকার অদূরে সাভারের জিরানীতে অবস্থিত। - এটি বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা খেলোয়াড় তৈরির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টঙ্গী — এটি গাজীপুর জেলার অন্তর্গত একটি শিল্প এলাকা হলেও এখানে বিকেএসপি অবস্থিত নয়। B) সাভার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিকেএসপির মূল ক্যাম্পাস এখানেই অবস্থিত। C) গাজীপুর — এটি একটি জেলা এবং এর অধীনে টঙ্গী ও অন্যান্য এলাকা থাকলেও বিকেএসপির সঠিক অবস্থান সাভার। D) টাঙ্গাইল — এটি একটি আলাদা জেলা এবং এর সঙ্গে বিকেএসপির কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: সাভারের মাটি, খেলোয়াড় গড়ার খাঁটি।
a লালমনিরহাট
b ভুরুঙ্গামারী
c নীলফামারী
d কুড়িগ্রাম
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুড়িগ্রাম কেন সঠিক: - ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের আসাম হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাটেশ্বরী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কুড়িগ্রাম জেলাটি ব্রহ্মপুত্র নদের বাংলাদেশ প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লালমনিরহাট — এই জেলা দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি, এটি তিস্তা নদীর অববাহিকাভুক্ত এলাকা। B) ভুরুঙ্গামারী — এটি কুড়িগ্রাম জেলার একটি উপজেলা এবং নদের প্রকৃত প্রবেশস্থান এই উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও সামগ্রিক জেলা হিসেবে কুড়িগ্রাম সঠিক। C) নীলফামারী — এই জেলার ওপর দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হয়নি, এটি তিস্তা নদী তীরের জেলা। D) কুড়িগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় জেলা হিসেবে এর ভৌগোলিক অবস্থান সঠিক হিসেবে বিবেচিত। মনে রাখার টিপস: ব্রহ্মপুত্র নদের বাংলাদেশ প্রবেশপথ মনে রাখতে কুড়িগ্রাম জেলার নাম মনে রাখুন।
a রায়মঙ্গল
b মাতামুহুরী
c পশুর
d বলেশ্বর
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রায়মঙ্গল কেন সঠিক: - সুন্দরবনের ভৌগোলিক সীমানা অনুযায়ী এর পশ্চিম সীমান্তে রায়মঙ্গল নদী অবস্থিত। - এই নদীটি বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রায়মঙ্গল — এটি সুন্দরবনের পশ্চিম সীমানা নির্দেশকারী সঠিক নদী। B) মাতামুহুরী — এটি বান্দরবান ও কক্সবাজার অঞ্চলের একটি নদী, যা সুন্দরবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। C) পশুর — এটি সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী, যা মোংলা বন্দরের কাছে অবস্থিত। D) বলেশ্বর — এটি সুন্দরবনের পূর্ব সীমানা নির্দেশকারী একটি নদী। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের পশ্চিম সীমান্ত মনে রাখতে রায়মঙ্গল এবং পূর্ব সীমান্ত মনে রাখতে বলেশ্বর নদীকে মনে রাখুন।
a ১৩০০ মিটার
b ১৩৬০ মিটার
c ১৪০০ মিটার
d ১৪৬০ মিটার
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) ১৩৬০ মিটার কেন সঠিক: - রূপসা নদীর উপর নির্মিত খানজাহান আলী সেতুর দৈর্ঘ্য ১৩৬০ মিটার। - এটি খুলনা শহরের নিকট রূপসা নদীর উপরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩০০ মিটার — এটি ভুল মাপ, কারণ সেতুটির প্রকৃত দৈর্ঘ্য ১৩৬০ মিটার। B) ১৩৬০ মিটার — এটি সঠিক মাপ এবং রূপসা সেতুর দৈর্ঘ্য নির্দেশ করে। C) ১৪۰۰ মিটার — এটি ভুল মাপ, যা সেতুটির বাস্তব দৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি। D) ১৪৬০ মিটার — এটিও ভুল মাপ এবং সঠিক দৈর্ঘ্যের সঙ্গে মেলে না। মনে রাখার টিপস: রূপসা সেতুর দৈর্ঘ্য ১৩৬০ মিটার মনে রাখতে ১৩ ও ৬০ সংখ্যা দুটি একসঙ্গে মনে রাখুন।
a ২১ ফেব্রুয়ারি
b ২২ ফেব্রুয়ারি
c ২৩ ফেব্রুয়ারি
d ২৪ ফেব্রুয়ারি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৩ ফেব্রুয়ারি কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়। - ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে শহীদ বুদ্ধিজীবী শফিউর রহমানের পিতা পিয়ার সুফি আহমদ এই স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১ ফেব্রুয়ারি — এটি ভাষা শহীদ দিবস এবং পুলিশের গুলিতে শহীদ হওয়ার দিন, তবে সেদিন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়নি। B) ২২ ফেব্রুয়ারি — সেদিন পুলিশের গুলিতে আরও বেশ কয়েকজন নিহত হন এবং সারাদেশে শোক পালিত হয়, কিন্তু এটি প্রথম স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের তারিখ নয়। C) ২৩ ফেব্রুয়ারি — এটি সঠিক উত্তর। D) ২৪ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি পুলিশ ও সরকার পক্ষের লোকজন ভেঙে ফেলে বা গুঁড়িয়ে দেয়। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলন হয়েছিল একুশে ফেব্রুয়ারি, আর তার ঠিক দুই দিন পর তেইশে ফেব্রুয়ারি প্রথম শহীদ মিনার বা স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করা হয়েছিল।
a সোমপুর বিহার
b শালবন বিহার
c সীতাকোট বিহার
d আনন্দ বিহার
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) সোমপুর বিহার কেন সঠিক: - সোমপুর বিহার নওগাঁ জেলার পত্নীতলার পাহাড়পুরে অবস্থিত অষ্টম শতাব্দীতে পাল রাজা ধর্মপালের প্রতিষ্ঠিত একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ বিহার। - এটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত এবং প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোমপুর বিহার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সবচেয়ে বড় এবং উল্লেখযোগ্য প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। B) শালবন বিহার — এটি সপ্তম শতাব্দীতে ভবদেব কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হলেও সোমপুর বিহারের চেয়ে প্রাচীন বা আয়তনে বড় নয়। C) সীতাকোট বিহার — এটি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার হলেও সোমপুর বিহারের মতো প্রধান প্রাচীন বিহার হিসেবে গণ্য হয় না। D) আনন্দ বিহার — এটি ময়নামতিতে অবস্থিত অষ্টম শতাব্দীর একটি ঐতিহাসিক বিহার যা সোমপুর বিহারের সমসাময়িক বা পরবর্তী সময়ে নির্মিত। মনে রাখার টিপস: প্রাচীন বিহারে সোমপুর সবার সেরা, ধর্মপালের হাতে গড়া নওগাঁর পাহাড়পুরেরা।
a ঢাকা যাদুঘর
b বরেন্দ্র যাদুঘর
c লালবাগ কেল্লা যাদুঘর
d আহসান মঞ্জিল যাদুঘর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র যাদুঘর কেন সঠিক: - বরেন্দ্র যাদুঘর ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন যাদুঘর। - এটি রাজশাহীতে অবস্থিত এবং এটি মূলত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য প্রথম স্থাপিত প্রতিষ্ঠান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা যাদুঘর — এটি পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে এর নাম বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর। C) লালবাগ কেল্লা যাদুঘর — এটি একটি ঐতিহাসিক দুর্গের ভেতরে অবস্থিত যাদুঘর এবং বরেন্দ্র যাদুঘরের পরে প্রতিষ্ঠিত। D) আহসান মঞ্জিল যাদুঘর — এটি একটি ঐতিহাসিক নবাব প্যালেস যাদুঘর যা অনেক পরে জাদুঘর হিসেবে রূপান্তরিত হয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশে প্রথম যাদুঘর মানেই রাজশাহীর বরেন্দ্র যাদুঘর যা ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
a ১৮২৯ সালে
b ১৮৩০ সালে
c ১৮৩১ সালে
d ১৮৩৯ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮২৯ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সপ্তদশ আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সামাজিক আন্দোলনের ফলেই মূলত এই অমানবিক প্রথাটি আইনগতভাবে বন্ধ করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮২৯ সালে — এই সালেই আইনগতভাবে সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও রহিত করা হয়। B) ১৮৩০ সালে — এই সালে প্রথাটি রহিত করা হয়নি, কারণ এর আগের বছরেই আইন পাস হয়ে গিয়েছিল। C) ১৮৩১ সালে — এই সালটি সতীদাহ প্রথা রহিতের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি একটি ভুল অপশন। D) ১৮৩৯ সালে — এই সালে সতীদাহ প্রথার আইনি বাতিলের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা রহিত হয় আটে আট আর দুইয়ে নয় অর্থাৎ ১৮২৯ সালে এবং এর পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেন রাজা রামমোহন রায়।
a জাহাঙ্গীর
b শাহজাহান
c হুমায়ূন
d আওরঙ্গজেব
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা সঠিক উত্তর: C) হুমায়ূন কেন সঠিক: - ১৫৩৮ সালে মোঘল সম্রাট হুমায়ূন গৌড় অধিকার করার পর বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ। - ইসলাম খানের রাজধানী স্থানান্তরের পূর্বে পান্ডুয়া ও গৌড় অঞ্চলের ঐতিহাসিক নামকরণের ক্ষেত্রে এই নামটি ব্যবহৃত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাহাঙ্গীর — সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুਸਾਰੇ বাংলার রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল, জান্নাতাবাদ নয়। B) শাহজাহান — সম্রাট শাহজাহানের আমলে সুবা বাংলার রাজধানী ছিল ঢাকা এবং পরবর্তীতে রাজমহল। C) হুমায়ূন — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। D) আওরঙ্গজেব — আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবেদার ছিলেন শায়েস্তা খান, যিনি জান্নাতাবাদ নামকরণ করেননি। মনে রাখার টিপস: হুমায়ূনের নামের সাথে জান্নাতাবাদ মনে রাখতে মনে রাখুন যে জান্নাত বা বেহেশতের মতো সুন্দর স্থানের নাম তিনি বাংলা অঞ্চলের গৌড়কে দিয়েছিলেন।
a ঢাকার মালিবাগে
b কুমিল্লার ময়নামতিতে
c চট্টগ্রামের রাউজানে
d উপরের কোনো স্থানেই নয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লার ময়নামতিতে কেন সঠিক: - আনন্দ বিহার বাংলাদেশের একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, যা কুমিল্লার ময়নামতির শালবন বিহারের কাছে অবস্থিত। - ঐতিহাসিক এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি অষ্টম শতাব্দীতে দেব রাজবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রীভবদেব কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকার মালিবাগে — এটি একটি আধুনিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা, এখানে কোনো প্রাচীন বিহার নেই। C) চট্টগ্রামের রাউজানে — এটি চট্টগ্রাম জেলার একটি উপজেলা, এখানে আনন্দ বিহার অবস্থিত নয়। D) উপরের কোনো স্থানেই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে রয়েছে, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আনন্দ বিহার ও শালবন বিহার উভয়ই কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।