সঠিক উত্তর: B) দধীচি
কেন সঠিক:
১. বাংলা বানान নিয়মানুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
২. ঋষি দধীচি নামক পৌরাণিক চরিত্রের নামের সঠিক তৎসম বানান এটিই ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. তৎসম শব্দের বানানে ই এবং ঈ এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই শব্দে প্রথম ই-কার ও পরে ঈ-কার বসে।
২. পুরাণে দেবাসুরের যুদ্ধে নিজের হাড় দান করা মহর্ষি দধীচির নাম থেকেই এই বানানটি এসেছে।
৩. যেমন শরীর গঠনে বিভিন্ন অক্ষର ও কার চিহ্নের নির্দিষ্ট স্থান থাকে, তেমনি এই শব্দেও কার চিহ্নের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দধিচী — এখানে শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
B) দধীচি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটিই মূল অপশন।
C) দধিচি — এখানে দীর্ঘ ঈ-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) দধীচী — এখানে উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
১. দধিচির প্রথম অক্ষর দ এর পরে হ্রস্ব ই-কার এবং ধ এর পরে দীর্ঘ ঈ-কার বসে তা মনে রাখবে।
২. প্রথমে ছোট ই এবং পরে বড় ঈ এই নিয়মটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) পর পদ
কেন সঠিক:
- সমাস প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি হয়।
- এই নতুন পদের পরবর্তী বা শেষের অংশকে ব্যাকরণের ভাষায় পর পদ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত দুটি অংশ থাকে।
- প্রথম অংশকে বলা হয় পূর্ব পদ এবং দ্বিতীয় বা শেষের অংশকে বলা হয় পর পদ বা উত্তর পদ।
- যেমন সিংহপুরুষ শব্দটিতে পূর্ব পদ সিংহ এবং পর পদ পুরুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উত্তর পদ — যদিও এটি পর পদের সমার্থক হিসেবে অনেক সময় ব্যবহৃত হয়, তবে ব্যাকরণগত পরিভাষায় প্রধান এবং সর্বজনগ্রাহ্য রূপটি হলো পর পদ।
- B) পর পদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- C) দক্ষিণ পদ — বাংলা ব্যাকরণে সমাসের ক্ষেত্রে এমন কোনো পরিভাষা বা পদের অস্তিত্ব নেই।
- D) পূর্ব পদ — এটি সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে বোঝায়, পরবর্তী অংশকে নয়।
মনে রাখার টিপস:
- আগের অংশ পূর্ব পদ এবং পরের অংশ পর পদ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) রবি
১. কেন সঠিক:
- "কিরণ" শব্দের অর্থ আলো, জ্যোতি বা দীপ্তি।
- রবি শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি কিরণের সমার্থক নয় বরং সূর্যের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন বেশি আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের সমার্থক শব্দ: রবি, ভাস্কর, দিবাকর।
ব্যাখ্যা: এগুলো সরাসরি সূর্যকে বোঝায়, আলোর উৎস হিসেবে কিরণকে বোঝায় না।
উদাহরণ ২: আলোর সমার্থক শব্দ: রশ্মি, কর, প্রভা।
ব্যাখ্যা: এগুলো আলো বা কিরণের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রশ্মি — এটি কিরণের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ যা আলোর রেখা বোঝায়।
B) রবি — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, আলোর উৎস বোঝায় কিন্তু সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়।
C) কর — এটি আলোর কিরণ বা হাত ও করের বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সমার্থক।
D) প্রভা — এটি দীপ্তি বা আলোর প্রভা অর্থে কিরণের সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবি মানে সূর্য, আর সূর্য থেকে যা ছড়ায় তা হলো কিরণ, রশ্মি বা প্রভা।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দ ও তার পরিব্যাপ্তি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে।
- শব্দের উৎস এবং অর্থ পরিষ্কার থাকলে যেকোনো অপশন সহজে আলাদা করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সাময়িকপত্র
কেন সঠিক:
- সবুজপত্র একটি বিখ্যাত বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
- ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
- সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
- এই পত্রিকায় বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী বিভিন্ন প্রবন্ধ লিখতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নাটক — সবুজপত্র কোনো নাটক নয়, এটি একটি পত্রিকা।
- B) উপন্যাস — সবুজপত্র কোনো একক উপন্যাস নয়, যদিও এতে উপন্যাস প্রকাশিত হতো।
- C) সাময়িকপত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) গদ্য সংকলন — এটি কোনো সাধারণ গদ্য সংকলন ছিল না, এটি ছিল একটি নিয়মিত প্রকাশিত সাময়িকপত্র।
মনে রাখার টিপস:
- সবুজপত্র দেখলেই প্রমথ চৌধুরী এবং চলিত রীতির কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ভঙ্গুর
১. কেন সঠিক:
বড়র পীরিতি বালির বাঁধ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ সহজে ভেঙে যায় এমন বা অস্থায়ী সম্পর্ক।
এখানে বড় বা বয়সে ও পদমর্যাদায় বড়দের সঙ্গে হুট করে গড়া সখ্য বা ভালোবাসা যেমন টিকসই হয় না, তেমনি বালির তৈরি বাঁধও জলের টানে মুহূর্তেই ধসে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রবাদতুল্য বাগধারা, যা রূপক অর্থে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের ক্ষণস্থায়িত্ব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাঙালির লোকসংস্কৃতি ও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার ফলশ্রুতিতে এই ধরনের বাগধারাগুলো ভাষাটিকে সমৃদ্ধ করেছে এবং এর মাধ্যমে গভীর ভাব অল্প কথায় প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ কুসুম
ব্যাখ্যা: অসম্ভব কল্পনা অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়, যা কোনো বাস্তব ভিত্তিহীন বিষয়কে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: চোখের বালি
ব্যাখ্যা: ক্ষতিকর বা বিরক্তিকর ব্যক্তি অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের অপ্রিয় কোনো অবস্থাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোন বাধ্যবাধকতা নেই — এই অর্থটি বাগধারাটির অন্তর্নিহিত ভাব বা স্থায়ী না থাকার ধারণার সঙ্গে কোনোভাবেই মিলছে না।
B) একতরফা — একতরফা বলতে কেবল এক পক্ষের অনুভূতি বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাগধারায় সম্পর্কের দুর্বলতা ও অস্থায়িত্ব মূল প্রতিপাদ্য।
C) চাপের মুখের ভেঙ্গে যায় — চাপ প্রয়োগের ফলে ভেঙে যাওয়া বোঝাতে পারে, কিন্তু বালির বাঁধ মূলত অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কারণে আপনাআপনি বা সামান্য আঘাতেই ধসে পড়ে।
D) ভঙ্গুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বালির বাঁধ ও বড়দের পীরিতি উভয়ই অত্যন্ত দুর্বল এবং সহজেই ভেঙে যাওয়ার যোগ্য বা ভঙ্গুর প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
বালির বাঁধ যেমন জোয়ারের জলে টিকতে পারে না, তেমনি বড়দের সঙ্গে হুট করে গড়া সম্পর্কও বেশি দিন টিকে থাকে না, তাই এর অর্থ ভঙ্গুর বা অস্থায়ী।
বাগধারাটির রূপক অর্থ মনে রাখতে বালির বাঁধের স্থায়িত্বহীনতার কথাটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার অর্থ প্রায়ই সরাসরি বা বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে আসে।
বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের তুলনা ও রূপক অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে যেকোনো পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) নিষ্ক্রিয় দর্শক
১. কেন সঠিক:
- 'সাক্ষী গোপাল' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক বা যে ব্যক্তি কোনো ঘটনার সময় উপস্থিত থেকেও কোনো ধরনের ভূমিকা পালন করে না।
- গোপাল দেবতার মূর্তির মতো নীরব ও দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকা অবস্থাকে নির্দেশ করতেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি, যা আক্ষরিক অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কোনো অবস্থাকে খুব সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সালিশে ঝগড়া থামানোর কোনো চেষ্টা না করে সে শুধু সাক্ষী গোপালের মতো দাঁড়িয়ে রইল।
ব্যাখ্যা: এখানে কোনো প্রকার প্রতিবাদ বা ভূমিকা না রেখে কেবল উপস্থিত থাকার অর্থ বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুর্নীতি দেখেও যারা চুপ থাকে, সমাজ তাদের সাক্ষী গোপাল ছাড়া আর কিছু ভাবে না।
ব্যাখ্যা: অন্যায় কাজের প্রতিবাদ না করে দর্শকের ভূমিকায় থাকা ব্যক্তিদের বোঝাতে এটি অত্যন্ত উপযোগী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিষ্ক্রিয় দর্শক — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাগধারাটির প্রকৃত ভাব প্রকাশ করে।
B) কর্তব্যবিমুখ — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্তব্যবিমুখ শব্দের অর্থ নিজ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, যা সাক্ষী গোপালের মূল অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) সক্রিয় দর্শক — এই অপশনটি ভুল কারণ সক্রিয় দর্শক বলতে কাজে অংশগ্রহণকারী বা মনোযোগী দর্শক বোঝায়, অথচ সাক্ষী গোপাল সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকে।
D) কর্তব্যপরায়ণ — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্তব্যপরায়ণ শব্দের অর্থ নিজ দায়িত্বে অত্যন্ত সচেতন ও নিষ্ঠাবান, যা এই বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গোপাল ঠাকুরের মূর্তি যেমন মন্দিরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোনো কথা বলে না বা কাজ করে না, তেমনি কোনো ঘটনায় নীরব দর্শককে সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- আক্ষরিক অর্থ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে এবং বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সহচর + য
১. কেন সঠিক:
সহচর শব্দের সঙ্গে ভাব বা কর্ম অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাহচর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
শব্দ গঠনের নিয়মে আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে সহচর শব্দের অ এবং পরবর্তী স্বরের প্রভাবে সাহচর্য রূপ লাভ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দটির মূল প্রকৃতি হলো সহচর এবং এর সাথে ভাব বোঝাতে য প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: সৌন্দর্য শব্দটি সুন্দর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য
ব্যাখ্যা: ধৈর্য শব্দটি ধীর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহ+চর+র্য — এই অপশনটি ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক নয় কারণ সাহ কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয় এবং র্য কোনো প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয় না।
B) সহচর+্য-ফলা — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রত্যয় হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট চিহ্ন বা বর্ণ উল্লেখ করা হয়নি যা প্রমিত ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য।
C) সহচর + য — এটি সঠিক উত্তর কারণ সহচর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাহচর্য গঠিত হয়।
D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সি অপশনে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাব বা অবস্থা বোঝাতে শব্দের শেষে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে।
সহচর থেকে সাহচর্য এবং সুন্দর থেকে সৌন্দর্য রূপটি এই নিয়মের চমৎকার উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
আদি স্বরের পরিবর্তন সংক্রান্ত শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) নির + আময়
১. কেন সঠিক:
- 'নিরাময়' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নির যোগ আময়। এটি বিসর্গ সন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের অন্তর্গত হলেও বাংলা ব্যাকরণে এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি হিসেবে গণ্য হয়।
- 'নিঃ' বা 'নির' উপসর্গের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে, যেখানে 'আময়' শব্দের অর্থ রোগ বা অসুস্থতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ বা রেফ যুক্ত শব্দের সন্ধিতে বিসর্গের জায়গায় কখনো 'ও' কার বা কখনো র-ফলা বা র আসে। এখানে 'নির' অব্যয়ের সঙ্গে 'আময়' যোগ হয়ে নিরাময় গঠিত হয়েছে।
- আময় শব্দের অর্থ রোগ, তাই নিরাময় শব্দের অর্থ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া বা ভালো হওয়া। এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুঃ + আশাম = দুরাশাম (দুর + আশাম)
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের স্থানে র এসে এই শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: আবিঃ + ভাব = আবির্ভাব
ব্যাখ্যা: এটিও বিসর্গ সন্ধির একটি বহুল প্রচলিত নিয়ম যেখানে বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরা + ময় — 'নিরা' বলে কোনো প্রমিত উপসর্গ বা শব্দ বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ বা ব্যঞ্জনসন্ধিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
C) নির + ময় — ময় যোগ করলে নিরময় হয়, কিন্তু এখানে 'আময়' শব্দ থাকার কারণে সঠিক রূপটি 'নির + আময়' হবে।
D) নিঃ + ময় — বিসর্গ সন্ধির নিয়মে নিঃ এর সঙ্গে ময় যুক্ত হলে নির্মল বা অন্যান্য শব্দ হতে পারে, কিন্তু এখানে 'আময়' থাকার কারণে এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিরাময় শব্দটি ভাঙলে শেষের অংশ 'আময়' (রোগ) পাওয়া যায়, যা মনে রাখলে সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ করা সহজ হয়।
- নির উপসর্গের সঙ্গে আময় যোগ করলে নিরাময় হয়, এই কৌশলটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ ও রেফযুক্ত সন্ধিগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
- রোগমুক্ত অর্থে ব্যবহৃত নিরাময় শব্দের মতো সমগোত্রীয় শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) করণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম, উপায় বা উপকরণকে করণ কারক বলে।
এখানে সাধনা হলো কীর্তিমান হওয়ার মাধ্যম বা উপায়, তাই এটি করণ কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধনা শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে যা ৭মী বিভক্তির রূপ।
বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে করণ কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: টাকায় কি না হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে টাকা হলো কাজের উপায় বা মাধ্যম, তাই এটি করণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — বাক্যটিতে সাধনা কোনো স্বাধীন বা প্রধান কর্তা নয়, বরং কাজ সম্পাদনের উপায়।
B) কর্মে ২য় — কর্তার কাঙ্ক্ষিত বস্তু বা কর্ম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি কর্ম কারক নয়।
C) অধিকরণে ৭মী — সাধনা কোনো স্থান, সময় বা বিষয় বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অধিকরণ কারক নয়।
D) করণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাধনা হলো কীর্তিমান হওয়ার উপায় বা মাধ্যম।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়ার কাছে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
এ, য়, তে ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
করণ কারক চেনার জন্য বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা প্রশ্ন করতে হয়।
মাধ্যম বা উপকরণ বোঝালে তা সবসময় করণ কারক হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "ব্যকরণে" শব্দটিতে এ বা য় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তম বা ৭মী বিভক্তির নির্দেশক।
কোনো বিষয়ে দক্ষতা, নৈপুণ্য বা বিশেষ জ্ঞান বোঝাতে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
বিষয়, গুণ বা দক্ষতায় নিপুণতা বা আসক্তি বোঝালে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি বা বিষয়ে অধিকরণ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনি অঙ্কে কাঁচা।
ব্যাখ্যা: অঙ্কে বিষয়ে দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সে ব্যাকরণে ভালো।
ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ বিষয়ে তার পারদর্শিতা বোঝাতে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিষয়ে দক্ষতা প্রকাশ পেয়েছে।
B) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে কর্তা কাজ সম্পন্ন করে তাকে বোঝায়, এখানে দক্ষতা বোঝায় না।
C) করণে ৭মী — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে, বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে পন্ডিত, দক্ষ, কাঁচা বা ভালো শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
বিষয় বা দক্ষতার ক্ষেত্রে সর্বদা অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষতা বা অদক্ষতা সূচক বাক্য প্রায়ই আসে।
বিষয়ে পারদর্শিতা বোঝালে তা সবসময় অধিকরণ কারক হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয়
কেন সঠিক:
১. এখানে নীল রঙ বিশেষণ পদ এবং অম্বর বা আকাশ বিশেষ্য পদ মিলে একটি নতুন পদ গঠিত হয়েছে।
২. সাধারণ নিয়মে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলনে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে সমাসে বিশেষণ পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পদের অর্থের প্রধান্য থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলা হয়।
২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ কর্মধারয় সমাসে একটি বিশেষ্য ও একটি বিশেষণ পদ যুক্ত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করে।
৩. যেমন, মহান যে রাজা = মহারাজ, লাল যে পদ্ম = লালপদ্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে হয়নি।
B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা নীলাম্বর পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়, এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে।
মনে রাখার টিপস:
১. ব্যাসবাক্যে যদি মাঝখানে যে থাকে এবং প্রথম পদটি বিশেষণ ও দ্বিতীয় পদটি বিশেষ্য হয়, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত
কেন সঠিক:
- সমাস বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত।
- বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি অনেক ব্যাকরণগত নিয়ম ও শব্দ গ্রহণ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাসের আভিধানিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
- বাংলা ব্যাকরণে পদের মিলন সাধনের এই নিয়মটি মূলত সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য থেকেই এসেছে।
- যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারেই সাধিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় মূলত ধর্ম, প্রশাসন ও দৈনন্দিন জীবনের নানা শব্দ এসেছে, সমাসের রীতি নয়।
- B) সংস্কৃত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
- C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক শব্দ প্রবেশ করেছে, কিন্তু সমাসের মূল রীতিটি এখান থেকে আসেনি।
- D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা পারিভাষিক ও আধুনিক যুগের শব্দ বাংলায় এসেছে, সমাসের মতো প্রাচীন ব্যাকরণিক রীতি ইংরেজি থেকে আসেনি।
মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল ভিত হলো সংস্কৃত ভাষা, তাই সমাস, কারক বা সন্ধির মতো বেশিরভাগ ব্যাকরণিক রীতি সংস্কৃত থেকেই এসেছে।
সঠিক উত্তর: D) পারত্রিক
১. কেন সঠিক:
- ঐহিক শব্দের অর্থ হলো ইহলোকসংক্রান্ত বা পার্থিব। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরলোকসংক্রান্ত বা পারত্রিক শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডারে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও অর্থের বিপরীত রূপ বিবেচনা করতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- সংস্কৃতে ইহলোক সংক্রান্ত অর্থে ঐহিক এবং পরলোক সংক্রান্ত অর্থে পারত্রিক শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইহকাল
ব্যাখ্যা: ইহকালের বিপরীত শব্দ হলো পরকাল, যা জীবন ও জগতের ভিন্ন অবস্থাকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: স্বর্গ
ব্যাখ্যা: স্বর্গের বিপরীত শব্দ নরক, যা বিপরীতার্থক শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবনতি — অবনতি শব্দের অর্থ নিম্নগামিতা বা পতন, যার সঠিক বিপরীত শব্দ হলো উন্নতি।
B) অদৃশ্য — অদৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় না, এর বিপরীত শব্দ হলো দৃশ্যমান বা দৃশ্য।
C) অকৃতজ্ঞ — অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ যে উপকার স্বীকার করে না, এর বিপরীত শব্দ হলো কৃতজ্ঞ।
D) পারত্রিক — পারত্রিক হলো সঠিক উত্তর কারণ এটি ঐহিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইহকাল ও পরকাল এই দুটি ধারণার সাথে মিল রেখে ঐহিক শব্দের বিপরীত পারত্রিক সহজে মনে রাখা যায়।
- ইহলোক বুঝাতে ঐহিক এবং পরলোক বুঝাতে পারত্রিক ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) উপত্যকা
১. কেন সঠিক:
- অধিত্যকা শব্দের অর্থ পাহাড়ের ওপরের সমতল ভূমি বা উপত্যকার ওপরের ভূভাগ।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পাহাড়ের নিচের সমতল ভূমি বা উপত্যকা ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থগত বৈপরীত্য বিবেচনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
ব্যাখ্যা: দুটি একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: উন্নত ও অবনত
ব্যাখ্যা: একটি শব্দের বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্ধকার — এটি আলো শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, অধিত্যকা শব্দের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) তিরোভাব — এটি আবির্ভাব শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যা উপস্থিত হওয়া বা লুকিয়ে যাওয়া বোঝায়।
C) হালকা — এটি ভারী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যা ওজন বা গুরুত্বের বৈপরীত্য প্রকাশ করে।
D) উপত্যকা — এটি পাহাড়ের নিচের সমতল ভূমি বোঝায় এবং অধিত্যকার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অধিত্যকা মানে ওপরের ভূমি এবং উপত্যকা মানে নিচের ভূমি।
- ও দিয়ে ওপর এবং উ দিয়ে উপত্যকা বা নিচ এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূগোলের সঙ্গে সম্পর্কিত বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- পাহাড় বা ভূমির রূপ সম্পর্কিত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) পররাত্র
১. কেন সঠিক:
- রাত্রির শেষ ভাগ এককথায় পররাত্র বা ত্রিক্ষণ বলা হয়।
- নির্দিষ্ট সময়ের প্রহর বা রাতের বিভিন্ন অংশ বোঝাতে বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ শব্দ ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করার জন্য এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাত্রির প্রথম ভাগ
ব্যাখ্যা: রাত্রির প্রথম ভাগকে এককথায় পূর্বরাত্র বলা হয়।
উদাহরণ ২: রাতের শেষ প্রহর
ব্যাখ্যা: রাতের শেষ প্রহর বা শেষ অংশকে রাত্রিশেষ বা পররাত্র হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পররাত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাত্রির শেষ ভাগকে নির্দেশ করে।
B) মহানিশা — মহানিশা অর্থ গভীর বা প্রকাণ্ড রাত, যা রাত্রির শেষ ভাগ বোঝায় না।
C) যামিনী — যামিনী কেবল সাধারণ অর্থে রাত্রি বা রাতের সমার্থক শব্দ।
D) রাত্রিশেষ — রাত্রিশেষ বলতে রাতের শেষ সময় বা প্রভাত বোঝায়, তবে ব্যাকপদ্ধতিতে প্রমিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে পররাত্র বেশি উপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাতের শুরু হলে পূর্বরাত্র এবং রাতের শেষ হলে পররাত্র মনে রাখবে।
- প্র prefix সাধারণত পরবর্তী বা শেষের অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়ের বিভিন্ন ভাগ সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- প্রহর, যামিনী এবং রাত্রির বিভিন্ন অংশের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Guard the children against bad company
কেন সঠিক:
- Guard verb-এর পর সাধারণত against preposition বসে, যার অর্থ কোনো কিছু থেকে রক্ষা করা বা সতর্ক থাকা।
- এখানে children-কে bad company বা খারাপ সঙ্গ থেকে রক্ষা করার অর্থ প্রকাশ করায় against সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He succeed to get a job — succeed-এর পর gerund (succeeding in getting) বসে, infinitive বসে না এবং সঠিক রূপটি হবে succeeded।
B) He is suffering from fever for a week — নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা বোঝাতে Present Continuous Tense না হয়ে Present Perfect Continuous Tense (has been suffering) হয়।
C) Guard the children against bad company — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং উপযুক্ত Preposition-এর ব্যবহার নির্দেশ করে।
D) The train is running in time — নির্ধারিত সময়ে বা সময়মতো চলা বোঝাতে in time না হয়ে on time ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Guard-এর সাথে সাধারণত against এবং সময়ের ক্ষেত্রে সময়মতো অর্থে in time-এর বদলে on time ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Muddy
কেন সঠিক:
- Limpid শব্দের বাংলা অর্থ স্বচ্ছ বা নির্মল, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো ঘোলাটে বা পঙ্কিল।
- Muddy শব্দের অর্থ ঘোলা বা কাদাযুক্ত, যা Limpid শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Watery — এর অর্থ জলবৎ বা জলময়, যা Limpid শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে কিন্তু বিপরীত নয়।
B) Bright — এর অর্থ উজ্জ্বল বা প্রদীপ্ত, যা স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ বা পরিষ্কার, যা Limpid শব্দের সরাসরি সমার্থক বা প্রতিশব্দ।
D) Muddy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বচ্ছতার বিপরীত অর্থ অর্থাৎ ঘোলা বা কাদাটে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Limpid মানে স্বচ্ছ পানি এবং Muddy মানে ঘোলা পানি, এই দুইয়ের তুলনা করলেই বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Contradict
কেন সঠিক:
Run counter to একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ফ্রেজ যার অর্থ কোনো নিয়ম, নীতি বা মতামতের বিরুদ্ধে যাওয়া বা উল্টো হওয়া।
Contradict শব্দের অর্থও কোনো বক্তব্য বা বিষয়ের সাথে বিরোধ করা বা উল্টো কথা বলা।
তাই এই দুটি শব্দ অর্থের দিক থেকে একই রকম বা সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Disobey — এর অর্থ অমান্য করা, যা মূলত কোনো আদেশ বা নির্দেশ না মানার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) Rebel — এর অর্থ বিদ্রোহ করা, যা সাধারণত সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বা প্রকাশ্য প্রতিবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) Contradict — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
D) Remove — এর অর্থ সরিয়ে ফেলা বা দূর করা, যা এই ফ্রেজটির সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Counter শব্দের অর্থ বিপরীত, তাই Run counter to দেখলে বুঝবে এর অর্থ কোনো কিছুর বিরুদ্ধে যাওয়া বা কন্ট্রাডিক্ট করা।
সঠিক উত্তর: D) Exaggerate
কেন সঠিক:
- বানানটিতে দুটি 'g' এবং দুটি 'r' রয়েছে যা সঠিক ইংরেজি বানানবিধি অনুযায়ী নির্ধারিত।
- এর অর্থ হলো অতিরঞ্জিত করা বা বাড়িয়ে বলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Exaggarate — বানানে 'a' এর স্থলে ভুল করে 'e' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Exegeret — বানানে প্রথম অংশে ভুল অক্ষর এবং শেষের অংশ সম্পূর্ণ ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
C) Exagerate — বানানে একটি মাত্র 'g' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
D) Exaggerate — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'Ex' এর পরে 'aggerate' অংশটি মনে রাখুন যেখানে দুটি 'g' ও দুটি 'r' বসে।
সঠিক উত্তর: D) He as well as his brother was present
কেন সঠিক:
বাক্যে 'as well as' থাকলে প্রথম Subject অনুসারে verb বসে। এখানে প্রথম Subject 'He' singular হওয়ায় verb 'was' সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A few boys are present today — 'A few' positive অর্থ প্রকাশ করলেও এখানে 'A few boys' এর পরিবর্তে শুধু 'Few' ব্যবহার করা উচিত ছিল।
B) His dress is inferior than mine — 'inferior' শব্দের পরে 'than' না বসে সর্বদা 'to' বসে। তাই এটি ভুল।
C) He prevented me to go there — 'prevent' verb-এর পরে object-এর সাথে 'to go' না বসে 'from going' বসে।
মনে রাখার টিপস:
'As well as' দিয়ে যুক্ত Subject-এর ক্ষেত্রে প্রথম Subject অনুযায়ী Verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) gave
কেন সঠিক:
বাক্যে 'It is high time' বা 'It is time' থাকলে এর পরবর্তী অংশে যে সাবজেক্ট থাকে, তার পর মূল verb-এর পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী শূন্যস্থানে 'give' এর পাস্ট ফর্ম 'gave' বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) give - এটি verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম, যা 'It is high time' এর নিয়মের সাথে মিলে না।
B) gave - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পাস্ট ফর্ম নির্দেশ করে।
C) have given - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এখানে ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত।
D) will give - এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা এই কাঠামোর সাথে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'It is high time' থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) should
কেন সঠিক:
বাক্যে lest শব্দটি থাকার কারণে এর পরবর্তী অংশে নিয়ম অনুযায়ী শুধু should বসাতে হয়।
lest অর্থ পাছে বা এই ভয়ে যে, এবং এর প্রভাবে পরবর্তী ক্লজে সম্ভাবনার জন্য should ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
এটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা কানুন।
অন্য কোনো মডেল ভারบ এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) should — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটিই শূন্যস্থানে বসার যোগ্য একমাত্র শব্দ।
B) would — would সাধারণত অতীতের অভ্যাস বা সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু lest এর সাথে এর কোনো ব্যাকরণগত মিল নেই।
C) could — could সামর্থ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থ বা নিয়মের সাথে মিলে না।
D) can — can বর্তমানকালের সামর্থ্য বোঝায়, কিন্তু এখানে পাস্ট টেন্স থাকায় এটি ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে should বসিয়ে দেবে, কারণ এরা জোড়ায় জোড়ায় বসে।
সঠিক উত্তর: C) Farida told her mother that she would go to bed then
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্ব said to থাকলে told হয় এবং Inverted comma উঠে দালা দালা অংশ সংযোগ করতে that বসে।
პირველი person (I) সাবজেক্ট Farida অনুসারে পরিবর্তন হয়ে she হয়েছে।
shall বা will পরিবর্তন হয়ে would হয় এবং now পরিবর্তন হয়ে then হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Farida told her mother that she should go to bed now — এখানে should ব্যবহার করা হয়েছে এবং now অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) Farida told her mother that she will go to bed then — এখানে will এর পাস্ট ফর্ম would না লিখে প্রেজেন্ট ফর্ম রাখা হয়েছে।
D) Farida told her mother that she will go to bed now — এখানে will এবং now দুটোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা ন্যারেশনের নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাসেশনের সময় shall বা will থাকলে would করতে হয় এবং now থাকলে তা পরিবর্তন করে then লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The teacher wished that I might pass the examination
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব said to-এর পরিবর্তে Optative Sentence-এ wish বা pray বসে এবং Inverted comma উঠে that বসে।
- Subject-এর পরে may-এর পাস্ট ফর্ম হিসেবে might বসে এবং বাকі অংশ অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher prayed I could pass the examination — এখানে may-এর পরিবর্তে could ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The teacher wished that I may have passed the examination — এখানে tense-এর পরিবর্তন সঠিক নয় কারণ reporting verb পাস্ট টেন্সে থাকলে may পরিবর্তন হয়ে might হবে।
C) The teacher wished that I might pass the examination — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে।
D) The teacher prayed that I might have passed the examination — এখানে অর্থগতভাবে perfect tense-এর ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় ও ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Optative Sentence-এ Direct থেকে Indirect করার সময় reporting verb-এর পরিবর্তে wished বা pray এবং may-এর পরিবর্তে might বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Enact
কেন সঠিক:
Act শব্দের পূর্বে En উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন একটি Verb গঠিত হয়েছে।
এর অর্থ আইন পাস করা বা কোনো নাটক অভিনয় করা।
এটি বাক্যে সরাসরি কাজের কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।
মূল শব্দের রূপ পরিবর্তন করে একে Verb এ রূপান্তর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Acted — এটি Act শব্দের Past tense বা Verb এর অতীত রূপ, মূল Verb নয়।
B) Enact — এটি সঠিক Verb রূপ এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর।
C) Action — এটি Act শব্দের Noun রূপ, তাই এটি Verb হতে পারে না।
D) Actress — এটি Act শব্দের Feminine gender বা Noun রূপ।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত শব্দের আগে En যুক্ত করে Verb তৈরি করা হয় যেমন Large থেকে Enlarge।
সঠিক উত্তর: D) Transitive verb
কেন সঠিক:
এই বাক্যে 'write' ভার্বটি একটি অবজেক্ট বা কর্ম গ্রহণ করেছে যা হলো 'a letter'।
যে ভার্বের নিজস্ব অবজেক্ট থাকে তাকে Transitive verb বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Intransitive verb — এই অপশনটি ভুল কারণ এই ভার্বের একটি অবজেক্ট রয়েছে, যা Intransitive verb-এর ক্ষেত্রে হয় না।
B) Auxiliary verb — এই অপশনটি ভুল কারণ 'write' এখানে কোনো মূল ভার্বকে সাহায্য করছে না, বরং নিজেই প্রধান কাজ করছে।
C) Principal verb — এই অপশনটি আংশिक ঠিক হলেও ব্যাকরণগত নিখুঁত শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী এটি একটি Transitive verb।
D) Transitive verb — এটি সঠিক অপশন এবং এটি বাক্যের অবজেক্ট থাকা শর্তটি পূরণ করে।
মনে রাখার টিপস:
ভার্বকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Transitive verb হয়।
সঠিক উত্তর: A) A shop is going to be opened by him
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত বাক্যে am, is, are এর পর going to থাকলে প্যাসিভ করার সময় is going to be বসে।
২. এরপর মূল verb (open) এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (opened) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্যাসিভ ফর্ম।
B) B) A shop will be opened by him — মূল বাক্যের tense পরিবর্তন করে ভবিষ্যতের রূপ দেওয়ায় এটি ভুল।
C) C) A shop is being gone opened by him — অতিরিক্ত gone যুক্ত করায় বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে।
D) D) He is being gone to open a shop — subject পরিবর্তন না করে ভুলভাবে প্যাসিভ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
going to যুক্ত active voice কে passive করার সময় is/am/are going to এর পরে be যোগ করে মূল verb এর V৩ বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
- যানবাহনের মাধ্যমে যাতায়াত করা বোঝাতে তার পূর্বে preposition হিসেবে by বসে।
- plane একটি বাহন হওয়ায় তার পূর্বে by ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — কোনো নির্দিষ্ট বা জড় বস্তু দ্বারা সরাসরি কিছু করা বোঝালে with বসে, যানবাহনের ক্ষেত্রে বসে না।
B) from — কোনো স্থান থেকে দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে from বসে, যাতায়াতের মাধ্যম বোঝাতে নয়।
C) by — এটি সঠিক উত্তর, কারণ যাতায়াতের মাধ্যমের পূর্বে by বসে।
D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ঠিকানার পূর্বে at বসে, যানবাহনের পূর্বে নয়।
মনে রাখার টিপস:
যানবাহনের মাধ্যমে ভ্রমণ করা বোঝালে মাধ্যমের নামের আগে always by বসে যেমন by plane, by bus, by train।
সঠিক উত্তর: C) The teacher was trembling with rage
কেন সঠিক:
কোনো শারীরিক প্রতিক্রিয়া বা আবেগ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে 'with' preposition-টি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। এখানে শিক্ষকের রাগের কারণে কেঁপে ওঠার ভাব প্রকাশ করতে 'with rage' সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was very nice with me — ব্যক্তির সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে 'nice' এর পরে সাধারণত 'to' preposition বসে, তাই এখানে 'with' ভুল।
B) Be patient with him — এই বাক্যটিতে 'patient with' সঠিক হলেও অপশন সি-র প্রেক্ষাপটটি তুলনামূলক বেশি নিখুঁত এবং স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনের ব্যবহার দেখায়।
C) The teacher was trembling with rage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) I am cross with you — এই বাক্যটিতেও 'cross with' grammatically সঠিক হতে পারে, তবে সি অপশনটি প্রাতিষ্ঠানিক ইংরেজিতে প্রিপজিশনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো আবেগ, অনুভূতি বা শারীরিক অবস্থার কারণে কোনো কিছু ঘটার ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত with ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Instigate
কেন সঠিক:
- Incite শব্দের অর্থ উত্তেজিত করা, প্ররোচিত করা বা উসকানি দেওয়া।
- Instigate শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কাউকে কোনো খারাপ কাজে প্ররোচিত করা বা উসকানি দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Instigate - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ইনসাইট শব্দের সমার্থক।
B) Permit - এর অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা ইনসাইট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Urge - এর অর্থ জোরালোভাবে অনুরোধ করা বা তাগিদ দেওয়া, যা প্ররোচনা বা উসকানির পূর্ণ সমার্থক নয়।
D) Deceive - এর অর্থ প্রতারণা করা বা ঠকানো, যার সঙ্গে উসকানি দেওয়ার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইনসাইট এবং ইনস্টিগেট উভয় শব্দ দিয়েই কোনো কিছুতে উসকানি বা প্ররোচনা দেওয়া বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) Separation
কেন সঠিক:
Isolation শব্দের অর্থ বিচ্ছিন্নতা বা একা থাকা। Separation শব্দের অর্থও কোনো কিছু থেকে আলাদা হওয়া বা বিচ্ছিন্ন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Loveliness — এই শব্দের অর্থ চমৎকারিত্ব বা সুন্দরতা, যা বিচ্ছিন্নতার সমার্থক নয়।
B) Sadness — এই শব্দের অর্থ বিষাদ বা দুঃখ, যা একা থাকার একটি ফল হতে পারে কিন্তু সঠিক সমার্থক শব্দ নয়।
C) Depression — এই শব্দের অর্থ মনমরা ভাব বা মানসিক অবসাদ, যা আইসোলেশন শব্দের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Separation — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ পৃথকীকরণ বা বিচ্ছিন্নতা।
মনে রাখার টিপস:
Isolation শব্দটি এসেছে Isolate থেকে যার অর্থ আলাদা করা এবং Separation শব্দের অর্থও আলাদা হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) Traitor
কেন সঠিক:
Patriot শব্দটির অর্থ দেশপ্রেমিক, যিনি নিজের দেশকে ভালোবাসেন এবং দেশের প্রতি অনুগত থাকেন। এর বিপরীত শব্দ হলো Traitor, যার অর্থ দেশদ্রোহী বা বিশ্বাসঘাতক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Treacherous person - এই শব্দগুচ্ছের অর্থ বিশ্বাসঘাতক ব্যক্তি হলেও, এটি সরাসরি Patriot শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক বিশেষ্য পদ নয়।
B) Traitor - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ দেশদ্রোহী।
C) Criminal - এই শব্দের অর্থ অপরাধী, যা দেশের আইন ভঙ্গকারী বোঝায় কিন্তু সরাসরি দেশপ্রেমিকের বিপরীত নয়।
D) Tout - এই শব্দের অর্থ দালাল, যা দেশপ্রেম বা দেশদ্রোহিতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
দেশপ্রেমিক হলো Patriot আর দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতক হলো Traitor।
সঠিক উত্তর: C) It is known to me that the work was done by him
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যের প্রথম অংশ 'I know' present indefinite tense-এ থাকায় passive করার সময় 'It is known to me' হবে।
- দ্বিতীয় অংশ 'that he did the work' past indefinite tense-এ থাকায় যুক্ত হয়ে 'that the work was done by him' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It was known to me that the work had been done by him — মূল বাক্যের প্রথম অংশ present tense হওয়ায় ಇಲ್ಲಿ past tense ব্যবহার করা ভুল।
B) It was known to me that the work has been done by him — এখানে প্রথম অংশে past tense এবং দ্বিতীয় অংশে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা অসংগত।
C) It is known to me that the work was done by him — এটি সঠিক কারণ tense এর নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অংশ present এবং দ্বিতীয় অংশ past tense এ পরিবর্তিত হয়েছে।
D) It was known to me that the work was done by him — এখানে প্রথম অংশ past tense করায় তা মূল বাক্যের present tense এর নিয়মের সাথে মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
Complex sentence-এর voice change করার সময় উভয় clause-এর tense অপরিবর্তিত রেখে আলাদাভাবে passive করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Secretariat
কেন সঠিক:
Secretariat বানানের শুরুতে Secret শব্দটির সাথে i যুক্ত হয়ে Secreta-ri-at গঠিত হয়।
এখানে সঠিক সাফিক্স হিসেবে iat ব্যবহৃত হয়েছে।
শেষে a এবং t বর্ণ দুটি বসে সঠিক বানান গঠন করেছে।
বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত e বা অন্য কোনো ভুল বর্ণ নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Secretariate — এই বানানে শেষে অতিরিক্ত te বর্ণ যোগ করা হয়েছে যা ভুল।
B) Secretariat — এটি সঠিক বানান এবং নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি ঠিক আছে।
C) Secretariete — এই বানানে শেষের অংশে iete ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) Secretariet — এই বানানে শেষের দিকে a বাদ দিয়ে et লেখা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Secret শব্দের সাথে a এবং riat যুক্ত করে সহজে Secretariat বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Give a false alarm
কেন সঠিক:
গ্রীক রূপকথার রাখাল বালকের মিথ্যা চিতা বা নেকড়ে আসার ডাক দেওয়ার গল্প থেকে এই প্রবচনের উৎপত্তি হয়েছে।
এর মাধ্যমে মূলত মিথ্যা বিপদ সংকেত বা ভীতি ছড়ানোর অবস্থাকে বোঝানো হয়।
এটি অকারণে অন্যদের সতর্ক করার একটি প্রচলিত ইংরেজি বাগধারা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Give a false alarm - এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং মূল বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে।
B) Bare one’s teeth - এই অপশনটির অর্থ হলো রাগ বা দাঁত বের করে ভয় দেখানো, যা মূল প্রবাদের সাথে মিলে না।
C) Clear the road - এই অপশনটির অর্থ রাস্তা পরিষ্কার করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সাধারণ বাক্য।
D) Show anger - এই অপশনটির অর্থ রাগ প্রকাশ করা, কিন্তু প্রবাদটি কেবল মিথ্যা সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নেকড়ে বা উলফ আসার মিথ্যা চিৎকার দিয়ে মানুষকে বারবার বিরক্ত করার ঘটনা মনে রাখলে এই উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ৩০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক ও খ একত্রে একটি কাজ করে ১২ দিনে
ক একা কাজটি করে ২০ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ অংশ ধরা হলো
অতএব,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ
ক একা ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
খ একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০) অংশ = ২ ÷ ৬০ অংশ = ১ ÷ ৩০ অংশ
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: D) ১১ ১৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১৫ দিনে
অতিরিক্ত ৩ জন লোক নিয়োগ করা হলো
ধরি,
মোট লোকসংখ্যা হলো ৯ + ৩ = ১২ জন
পূর্বের কাজ সম্পন্ন করার সময় = ১৫ দিন
অতএব,
১ জন লোক ওই কাজটি করতে পারে = ৯ × ১৫ দিনে
১২ জন লোক ওই কাজটি করতে পারে = (৯ × ১৫) ÷ ১২ দিনে
সুতরাং,
১৩৫ ÷ ১২ = ১১.২৫ দিন বা ১১ সম্পূর্ণ চার ভাগের এক ভাগ দিনে
উত্তর: ১১ ১৪ দিনে
সঠিক উত্তর: A) ৬৪৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্যকে a দ্বারা প্রকাশ করা হলো
এখানে a = ১৬ মিটার
অতএব,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ × ১৬
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ২৫৬
ক্ষেত্রফল = ৬৪ × √৩ বর্গমিটার
ক্ষেত্রফল = ৬৪ × ১.৭৩২ = ১১০.৮৫ বর্গমিটার
উত্তর: ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল প্রায় ৬৪৩ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: D) স্থুল কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু
সমান বাহুদ্বয়কে বর্ধিত করা হয়েছে
ধরি,
ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির বিপরীত কোণ দুটি সমান
এই সমান কোণ দুটির প্রত্যেকটিকে ক ধরি
অতএব,
ত্রিভুজের ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সূক্ষ্মকোণ হয়
কারণ ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি এক সরলকোণ
সুতরাং,
বর্ধিত করার ফলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ দুটি হবে এক সরলকোণ বিয়োগ ক
উত্তর: স্থূল কোণ
সঠিক উত্তর: D) ৬ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
লঞ্চের গতিবেগ = ১৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের গতিবেগ = ৬ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪৮ কিমি
ধরি,
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ২৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ১২ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
স্রোতের অনুকূলে ৪৮ কিমি যেতে সময় লাগবে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে ৪৮ কিমি ফিরে আসতে সময় লাগবে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের সময় লাগবে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা
উত্তর: ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: C) সম্পূরক কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি কোণ পরস্পর সন্নিহিত কোণ
তাদের সমষ্টি দুই সমকোণ বা একশো আশি ডিগ্রি
ধরি,
প্রথম কোণটি = ক ডিগ্রি
দ্বিতীয় কোণটি = খ ডিগ্রি
অতএব,
শর্তানুসারে ক + খ = একশো আশি ডিগ্রি
দুটি কোণের যোগফল একশো আশি ডিগ্রি হলে তাদের সম্পর্ক বিশেষ নামে পরিচিত
সুতরাং,
геометри-এর নিয়ম অনুযায়ী এই কোণদ্বয়কে সম্পূরক কোণ বলা হয়
উত্তর: সম্পূরক কোণ
সঠিক উত্তর: B) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
নির্ণেয় সংখ্যার সাথে ২ যোগ করলে যোগফল ১২, ১৮ এবং ২৪ দ্বারা বিভাজ্য হবে
ধরি,
নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ক
সংখ্যাটির সাথে ২ যোগ করলে যোগফল হবে ক + ২
অতএব,
ক + ২ সংখ্যাটি ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু এর সমান হবে
১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু বের করতে হবে
সুতরাং,
১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু হলো ৭২
তাহলে ক + ২ = ৭২
উত্তর: ক = ৭২ − ২ = ৭০
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ৬
xy = ৮
আমরা জানি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানের সূত্র ব্যবহার করে পাই,
(x − y)২ = (x + y)২ − ৪xy
মান বসিয়ে পাই,
(x − y)২ = (৬)২ − ৪ × ৮
হিসাব করে পাই,
(x − y)২ = ৩৬ − ৩২
সুতরাং,
(x − y)২ = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ৩৫
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল x + y = ১২
দুটি রাশির বিয়োগফল x − y = ২
ধরি,
প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ১২
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = ২
অতএব,
আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত হলো xy = ((x + y) ÷ ২)² − ((x − y) ÷ ২)²
এখন মান বসিয়ে পাই,
(১২ ÷ ২)² − (২ ÷ ২)²
সুতরাং,
৬² − ১² = ৩৬ − ১ = ৩৫
উত্তর: ৩৫
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য হলো একটি নির্দিষ্ট মাপ
সরলরেখার এক চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য হলো মূল দৈর্ঘ্যের চার ভাগের এক ভাগ
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক
সরলরেখার এক চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক
এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (ক × ক) ÷ (ক × ক ÷ ১৬)
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ১৬
উত্তর: ১৬ গুণ
সঠিক উত্তর: A) PB = PD
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের জ্যা দুটি সমান অর্থাৎ AB = CD
জ্যা দুটি বৃত্তের ভেতরে P বিন্দুতে ছেদ করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা দুটির ওপর লম্ব টানা হলো
এই লম্ব জ্যা দুটিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে
অতএব,
AP অংশটি CP অংশের সমান হয়
পুরো AB জ্যা এবং CD জ্যা সমান হওয়ার কারণে অর্ধেক অংশগুলোও সমান হয়
সুতরাং,
পুরো জ্যা থেকে সমান অংশ বাদ দিলে বাকি অংশ সমান থাকে
উত্তর: PB = PD
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশের লাল অংশ = ২/৫
বাঁশের কালো অংশ = ১/৪
বাঁশের সবুজ অংশ = ১/৩
অবশিষ্ট অংশ = ৬ মিটার
ধরি,
বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ১ অংশ
অতএব,
লাল, কালো ও সবুজ রঙের মোট অংশ = (২/৫) + (১/৪) + (১/৩)
হরগুলোর লসাগু = ৬০
যোগফল = (২৪/৬০) + (১৫/৬০) + (২০/৬০) = ৫৯/৬০ অংশ
সুতরাং,
অবশিষ্ট অংশ = ১ − (৫৯/৬০) = ১/৬০ অংশ
উত্তর: (১/৬০) অংশ সমান ৬ মিটার হলে বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ৬ × ৬০ = ৩৬০ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৪০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর
মাতার বয়স পুত্রের বয়স অপেক্ষা ২০ বছর বেশি
ধরি,
পুত্রের বয়স = ক বছর
পিতার বয়স = ৬০ − ক বছর
মাতার বয়স = ক + ২০ বছর
অতএব,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = (৬০ − ক) + (ক + ২০) বছর
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৮০ বছর
সুতরাং,
পিতা ও মাতার গড় বয়স = ৮০ ÷ ২ বছর = ৪০ বছর
উত্তর: ৪০ বছর
সঠিক উত্তর: A) ২ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম নল দিয়ে চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায়
দ্বিতীয় নল দিয়ে চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১২ ঘণ্টায়
তৃতীয় নল দিয়ে চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায়
ধরি,
সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার পরিমাণ = ১ অংশ
চৌবাচ্চার অর্ধেক অংশ = ১ ÷ ২ অংশ
অতএব,
প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১০ অংশ
দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১২ অংশ
তৃতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১৫ অংশ
সুতরাং,
তিনটি নল একসঙ্গে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১২) + (১ ÷ ১৫) অংশ
যোগফল করলে পাওয়া যায় (৬ + ৫ + ৪) ÷ ৬০ = ১৫ ÷ ৬০ = ১ ÷ ৪ অংশ
উত্তর: চৌবাচ্চার অর্ধেক পূর্ণ হতে সময় লাগবে (১ ÷ ২) ÷ (১ ÷ ৪) = ২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো চার, ছয়, সাত এবং এক্স
সংখ্যাগুলোর গড়মান হলো পাঁচ দশমিক পাঁচ
ধরি,
মোট সংখ্যা চারটি এবং তাদের সমষ্টি হলো চার যোগ ছয় যোগ সাত যোগ এক্স
গড়মান নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী সমষ্টিকে সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ দিয়ে ভাগ করতে হয়
অতএব,
চার যোগ ছয় যোগ সাত যোগ এক্স এর মান হবে পাঁচ দশমিক পাঁচ গুণ চার
যোগফলগুলোর হিসাব করলে পাই সতেরো যোগ এক্স
সুতরাং,
সতেরো যোগ এক্স সমান বাইশ
এক্স সমান বাইশ বিয়োগ সতেরো
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ১০ যোগ করলে যোগফল চার এর বর্গ হবে
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
চার এর বর্গ সমান চার গুণ চার সমান ষোল
সুতরাং,
সংখ্যার বর্গমূল যোগ দশ সমান ষোল
সংখ্যার বর্গমূল সমান ষোল বিয়োগ দশ সমান ছয়
উত্তর:
সংখ্যার বর্গ সমান ছয় গুণ ছয় সমান ছত্রিশ
সঠিক উত্তর: A) ০.০০০০২৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.৩
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০৩
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৩
ধরি,
গুণ করার জন্য সংখ্যাগুলোর দশমিক বাদ দিয়ে পূর্ণসংখ্যা হিসেবে হিসাব করতে হবে
অতএব,
সংখ্যাগুলোর অংকগুলোর গুণফল = ৩ × ৩ × ৩ = ২৭
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যায় ১ ঘর, দ্বিতীয় সংখ্যায় ২ ঘর এবং তৃতীয় সংখ্যায় ৩ ঘর পর দশমিক আছে
উত্তর: মোট ১ + ২ + ৩ = ৬ ঘর পর দশমিক বসিয়ে পাই ০.০০০০২৭
সঠিক উত্তর: B) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ এবং ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ২০ এবং ২৪ এর লসাগু = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: B) এরা স্ব–ভোজী
কেন সঠিক:
- শৈবাল ক্লোরোফিল বহনকারী উদ্ভিদ হওয়ায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রiyai নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
- নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারার এই বিশেষ জৈবিক বৈশিষ্ট্যের কারণে শৈবালকে স্বভোজী বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এরা পরজীবী — শৈবাল খাদ্যের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল নয়, কারণ এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকায় এরা নিজেরাই খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে।
B) এরা স্ব–ভোজী — এই অপশনটি সঠিক, কারণ শৈবাল সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে সক্ষম।
C) এরা এককোষী — শৈবাল কেবল এককোষী নয়, বহুর্কোষীও হতে পারে এবং এটি এদের প্রধান বা একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়।
D) এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে না — এই তথ্যটি ভুল, কারণ শৈবালের দেহে ক্লোরোফিল থাকে বলেই এরা সবুজ ও স্বভোজী হয়।
মনে রাখার টিপস:
শৈবাল মানেই সবুজ এবং সবুজ উদ্ভিদমাত্রই নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, অর্থাৎ এরা স্বভোজী।
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রকার
কেন সঠিক:
- মানুষের রক্ত প্রধানত রক্তরস বা প্লাজমা এবং রক্তকণিকা এই দুই ভাগে বিভক্ত, যার মধ্যে রক্তকণিকা তিন প্রকারের।
- এই তিন প্রকার রক্তকণিকা হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবদেহের রক্তকণিকা মূলত লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা এই তিন ভাগে বিভক্ত।
B) ৪ প্রকার — মানবদেহে চার ধরনের কোনো রক্তকণিকা নেই, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ২ প্রকার — দুই প্রকার হলো রক্তের প্রধান উপাদান (রক্তরস ও রক্তকণিকা), কিন্তু রক্তকণিকা নিজে দুই প্রকার নয়।
D) ৫ প্রকার — শ্বেত রক্তকণিকার প্রকারভেদ পাঁচ প্রকার হলেও সামগ্রिक রক্তকণিকা পাঁচ প্রকার নয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্তকণিকার সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন লোহা, শ্বেত ও অনু অর্থাৎ লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা।
সঠিক উত্তর: B) বেল ল্যাব
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এটিঅ্যান্ডটি কোম্পানির বেল ল্যাবরেটরিজে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমটি উদ্ভাবন করা হয়।
- এর প্রধান উদ্ভাবক ছিলেন কেন থম্পসন এবং ডেনিস রিচি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনটেল — এটি মাইক্রোপ্রসেসর ও সেমিকন্ডাক্টর তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও ইউনিক্স উদ্ভাবন করেনি।
B) বেল ল্যাব — এটি হলো সঠিক উত্তর যা ১৯৬৯ সালে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে।
সি) আই বি এম — এটি কম্পিউটার ও প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারক মার্কিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, ইউনিক্সের উদ্ভাবক নয়।
ডি) মাইক্রোসফট — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা, যা ইউনিক্স তৈরির সাথে যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউনিক্সের সাথে বেল ল্যাব এবং এর উদ্ভাবক ডেনিস রিচির নাম একসাথে মনে রাখুন।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) সবুজ ও কমলা
কেন সঠিক:
- রংধনুর সাতটি রঙের ক্রম হলো বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
- হলুদ রঙের ঠিক আগের রঙ সবুজ এবং ঠিক পরের রঙ কমলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ ও লাল — লাল রঙ সবুজের পাশের রঙ নয়, এটি রংধনুর একেবারে শেষ প্রান্তে থাকে।
B) সবুজ ও কমলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি রঙই হলুদ রঙের ঠিক দুই পাশে অবস্থান করে।
C) নীল ও কমলা — নীল রঙ হলুদ থেকে দুটি ঘর দূরে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়।
D) বেগুনী ও লাল — এই দুটি রঙ রংধনুর দুটি বিপরীত প্রান্তের একদম শেষের রঙ।
মনে রাখার টিপস:
রংধনুর ক্রম মনে রাখার সহজ শব্দ হলো বনীআসহকলা, যেখানে হ (হলুদ)-এর আগে ব (সবুজ) এবং পরে ক (কমলা) রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) ক্লোরিন
কেন সঠিক:
- কলের পানিতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়।
- পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরিন বা এর যৌগ প্রধান জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রোমিন — এটি একটি বিষাক্ত অধাতু এবং তরল হ্যালোজেন, যা সাধারণত জীবাণুনাশক হিসেবে পানি সরবরাহে ব্যবহার করা হয় না।
B) আয়োডিন — এটি থাইরয়েড হরমোনের জন্য প্রয়োজনীয় এবং লবণে মেশানো হয়, তবে কলের পানি বিশুদ্ধকরণের প্রধান রাসায়নিক উপাদান এটি নয়।
C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে থাকা একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা পানি জীবাণুমুক্ত করার কাজে ব্যবহার করা হয় না।
D) ক্লোরিন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং পানিকে রোগজীবাণুমুক্ত রাখতে এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কলের পানি জীবাণুমুক্ত করার সহজ চাবিকাঠি হলো ক্লোরিন।
সঠিক উত্তর: D) জুল
কেন সঠিক:
- বল প্রয়োগের ফলে বস্তুর সরণ ঘটলে যে কাজের সৃষ্টি হয় তার এসআই একক হলো জুল।
- কাজের সূত্র হলো বল গুণ সরণ, যার একক নিউটন মিটার এবং একে জুল বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াট — এটি ক্ষমতার একক, কাজের একক নয়।
B) নিউটন — এটি বলের একক, কাজের একক নয়।
C) জুল/সেকেন্ড — এটি ক্ষমতার একক বা প্রতি সেকেন্ডে কাজের পরিমাণ নির্দেশ করে।
D) জুল — এটি কাজের সঠিক এবং প্রমিত একক।
মনে রাখার টিপস:
কাজ করার সামর্থ্য হলো শক্তি এবং শক্তি ও কাজের একক একই অর্থাৎ জুল।
সঠিক উত্তর: A) মেরু অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং বিষুবীয় অঞ্চলে সামান্য স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা।
- কেন্দ্র থেকে দূরত্বের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয়, তাই বস্তুর ওজনও সেখানে বেশি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি হয়।
B) খনির ভিতরে — খনির গভীরে গেলে পৃথিবীর কেন্দ্রের কাছাকাছি যাওয়া হয়, কিন্তু ভরের আকর্ষণ কমে যাওয়ায় ওজন কমে যায়।
C) বিষুব অঞ্চলে — বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম এবং বস্তুর ওজনও কম হয়।
D) পাহাড়ের উপর — পাহাড়ের উপর ভূপৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব বাড়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়, ফলে বস্তুর ওজনও হ্রাস পায়।
মনে রাখার টিপস:
পৃথিবী মেরুতে চাপা বলে সেখানে ব্যাসার্ধ কম, আর তাই ওজন সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: C) সিলিকন
কেন সঠিক:
- সৌরকোষ তৈরিতে প্রধান অর্ধপরিবাহী উপাদান হিসেবে সিলিকন ব্যবহার করা হয়।
- সিলিকন সূর্যালোকের ফোটন কণাকে শোষণ করে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফসফরাস — এটি মূলত সিলিকন চিপে ডোপিং করার কাজে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি সৌরকোষ তৈরি করতে নয়।
B) ক্যাডমিয়াম — এটি নির্দিষ্ট ধরণের পাতলা ফিল্ম সৌরকোষে ব্যবহৃত হলেও সাধারণ সৌরকোষের প্রধান উপাদান নয়।
D) এলুমিনিয়াম ফয়েল — এটি সৌরকোষের পেছনের তড়িৎদ্বার বা ধারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোষের মূল উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
সৌরকোষ বা সোলার প্যানেলের মূল চালিকাশক্তি হলো সিলিকন।
সঠিক উত্তর: B) আলোর বিক্ষেপণ
কেন সঠিক:
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় বায়ুমণ্ডলের কণাগুলোর দ্বারা কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল আলো আমাদের চোখে আসে।
- আলোর এই বিক্ষেপণ বা Rayleigh scattering-এর কারণে আকাশ ও গোধূলিলগ্নে দিগন্ত লালিমাময় দেখায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোর প্রতিফলন — আলোর প্রতিফলন হলো আলোক রশ্মির কোনো তলে বাধা পেয়ে ফিরে আসা, যা গোধূলির কারণ নয়।
B) আলোর বিক্ষেপণ — এটিই সঠিক কারণ, কারণ আলো বায়ুমণ্ডলের কণার সাথে ধাক্কা খেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
C) আলোর প্রতিসরণ — আলোর প্রতিসরণ হলো মাধ্যম পরিবর্তনের কারণে রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গোধূলি ও আকাশের নীল রঙের মূল চাবিকাঠি হলো আলোর বিক্ষেপণ।
সঠিক উত্তর: C) বাসস্থান
কেন সঠিক:
- বাসস্থান মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা এবং এটি স্থির জীবনযাত্রার প্রতীক, যা সরাসরি সামাজিক পরিবর্তন ঘটায় না।
- শিক্ষা, শিল্পায়ন এবং নগরায়ণ সমাজের কাঠামো, মূল্যবোধ ও মানুষের জীবনাচরণে গতিশীল পরিবর্তন আনে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিক্ষা — এটি মানুষের চিন্তাচেতনা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সমাজের রূপান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
B) শিল্পায়ন — এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে শহরে রূপান্তর করে মানুষের পেশা এবং জীবনযাত্রার মানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে।
C) বাসস্থান — এটি মানুষের বসবাসের স্থায়ী মাধ্যম, যা সামাজিক পরিবর্তনের কোনো চালিকাশক্তি বা সক্রিয় উপাদান নয়।
D) নগরায়ন — এটি মানুষের জীবনধারা, সংস্কৃতি ও পেশার পরিবর্তন ঘটিয়ে সামাজিক পরিবর্তনের গতি ত্বরান্বিত করে।
মনে রাখার টিপস:
সামাজিক পরিবর্তন মানেই প্রগতিশীল রূপান্তর; তাই বাসস্থান কোনো পরিবর্তনের উপাদান নয়, এটি কেবল জীবনধারণের স্থায়ী ঠাঁই।
সঠিক উত্তর: A) গোবিন্দলাল ও রোহিনী
কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত "কৃষ্ণকান্তের উইল" উপন্যাসের মূল কেন্দ্রীয় চরিত্র গোবিন্দলাল ও রোহিনী।
- এই দুই চরিত্রের অবৈধ প্রেম এবং এর পরিণতির ঘাত-প্রতিঘাত নিয়েই উপন্যাসটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোবিন্দলাল ও রোহিনী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এরা কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
B) সুরেশ ও অচলা — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
C) মধুসূনদ ও কুমুদিনি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
D) নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষের প্রধান চরিত্র নগেন্দ্রনাথ-কুন্দনন্দিনী আর কৃষ্ণকান্তের উইলের প্রধান চরিত্র গোবিন্দলাল-রোহিনী।
সঠিক উত্তর: B) সাত সাগরের মাঝি–ফররুখ আহমদ
কেন সঠিক:
- এই কাব্যে ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মুসলিম জাহানের গৌরবোজ্জ্বল অতীত শিল্পসম্মতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
- কবি ফররুখ আহমদকে বাংলা কাব্যে ইসলামী রেনেসাঁ বা জাগরণের কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিলরুবা-আব্দুল কাদির — এটি আবদুল কাদিরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলেও এর উপজীব্য ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নয়।
B) সাত সাগরের মাঝি–ফররুখ আহমদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) নুরনামা-আব্দুল হাকিম — এটি মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমের একটি নৈতিক ও ধর্মীয় উপদেশমূলক পুথি, যা আধুনিক কাব্য নয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাত সাগরের মাঝি কাব্য দেখলে মনে রাখবে মাঝির মতো সাগর পাড়ি দিয়ে ইসলামী ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন কবি ফররুখ আহমদ।
সঠিক উত্তর: D) উপন্যাস
কেন সঠিক:
- কাশবনের কন্যা শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদ ও মানুষের জীবন সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি কোনো নাটক নয়, কারণ এতে দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী সংলাপ ও অঙ্কের বিন্যাস নেই।
B) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি সাহিত্যকর্ম।
সি) ছোটগল্প — এটি ছোটগল্প নয়, কারণ এর পরিসর ও চরিত্রের পরিধি একটি ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড়।
D) উপন্যাস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
মনে রাখার টিপস:
শামসুদ্দীন আবুল কালামের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন কাশবনের কন্যা একটি উপন্যাস।
সঠিক উত্তর: A) দিকদর্শন
কেন সঠিক:
- এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা মাসিক সাময়িকপত্র।
- এটি মূলত জ্ঞানগর্ভ ও শিক্ষামূলক প্রবন্ধ প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক সাময়িকপত্র হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিকদর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা।
B) বঙ্গদর্শন — এটি ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক সম্পাদিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাসিক পত্রিকা, যা প্রথম সাময়িকপত্র নয়।
C) তত্ত্ববোধিনী — এটি ১৮৪৩ সালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক প্রবর্তিত ও অক্ষয়কুমার দত্ত সম্পাদিত তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র।
D) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র, সাময়িকপত্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম সাময়িকপত্র মনে রাখতে দিকদর্শন শব্দটি মনে রাখুন, কারণ দিক মানে পথ আর এটিই সাময়িকপত্রের পথ দেখিয়েছিল।
সঠিক উত্তর: C) অভ্যন্তরীণ
কেন সঠিক:
- 'অভ্যন্তরীণ' শব্দটি গঠনে ব্যাকরণের সঠিক নিয়ম ও প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এখানে অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে ঈয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক নত্ব বিধান অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আভ্যন্তরীণ — এই বানানে আদিতে আ যুক্ত করায় এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ।
B) আভ্যন্তরীন — এই বানানে বানানের গঠন ভুল এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ।
C) অভ্যন্তরীণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসারে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) অভ্যন্তরীন — এই বানানে শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে ঈয় যুক্ত করলে সব সময় শেষের ন-এ হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য-ণ হয়।
সঠিক উত্তর: D) যশোরে
কেন সঠিক:
- ভবদহ বিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার অভয়নগর ও মণিরামপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি এই অঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জলাবদ্ধতা সংকটে জর্জরিত প্রাকৃতিক জলাভূমি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদপুরে — এটি ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ ফরিদপুরে পদ্মার তীরবর্তী অন্যান্য বিল ও চর রয়েছে।
B) জামালপুরে — এটি জামালপুর জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ জামালপুর অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার বিল রয়েছে।
C) পটুয়াখালীতে — এটি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ পটুয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার-ভাটার নদী ও কাপ্তাই বা অন্য কোনো বিখ্যাত বিল নেই।
D) যশোরে — এটি সঠিক অঞ্চল নির্দেশ করে, কারণ ভবদহ বিল যশোর জেলার জলাবদ্ধতার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
যশোরের ভয়ংকর জলাবদ্ধ বিলের নাম "ভবদহ"।
সঠিক উত্তর: C) চাঁদপুর
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্যীকার অঙ্গীকার চাঁদপুর জেলার রক্তিম প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- এই ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেহেরপুর — মেহেরপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ অবস্থিত, অঙ্গীকার ভাস্কর্য নয়।
B) জয়দেবপুর — জয়দেবপুরে বা গাজীপুরে স্বাধীন ভাস্কর্য বা অন্য স্মৃতিচিহ্ন আছে, অঙ্গীকার নেই।
C) চাঁদপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং অঙ্গীকার ভাস্কর্য এখানেই অবস্থিত।
D) রংপুর — রংপুরে স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যান্য স্মারক বা ভাস্কর্য রয়েছে, অঙ্গীকার এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদপুরের অঙ্গীকার, রক্ষা করে স্মৃতির মিনার।
সঠিক উত্তর: B) একটি চিত্রকর্ম
কেন সঠিক:
- ম্যাডোনা-৪৩ হলো বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের আঁকা একটি অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম।
- সুলতান তাঁর শিল্পকর্মে গ্রামীণ জনপদ ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশাপাশি এই বিশেষ চিত্রকর্মটি ফুটিয়ে তুলেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রখ্যাত মডেল — ম্যাডোনা-৪৩ কোনো ব্যক্তি বা মডেল নয়, এটি একটি শিল্পকর্ম।
B) একটি চিত্রকর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যাডোনা-৪৩ একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
C) একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য — এটি কোনো ত্রিমাত্রিক ভাস্কর্য নয়, বরং ক্যানভাসে আঁকা চিত্রকর্ম।
D) অস্কার বিজয়ী ফিল্ম — এটি কোনো চলচ্চিত্র নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাডোনা-৪৩ দেখলে মনে রাখবে এটি চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন ভূখণ্ডের রাজধানী পুন্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় নামক ঐতিহাসিক স্থানে আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে প্রমাণিত এবং মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, যা পুন্ড্রনগর নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী এবং সাহিত্য সংস্কৃতির একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল।
C) মহাস্থানগড় — এটি প্রাচীন পুন্ড্রনগর হিসেবে প্রমাণিত এবং সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে বিবেচিত হয়েছে।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাল রাজবংশের আমলে নির্মিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
মনে রাখার টিপস:
পুন্ড্রনগর মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রথম ও প্রাচীনতম রাজধানী।
সঠিক উত্তর: A) মারজিয়া ইসলাম
কেন সঠিক:
- মারজিয়া ইসলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম নারী কর্মকর্তা হিসেবে কৃতিত্বের সঙ্গে সোর্ড অব অনার অর্জন করেন।
- বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির দীর্ঘ প্রশিক্ষণ শেষে সেরা ক্যাডেটকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারজিয়া ইসলাম — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম নারী ক্যাডেট হিসেবে সোর্ড অব অনার লাভ করেছেন।
B) রাজিয়া সুলতানা — তিনি উপমহাদেশের প্রথম ও একমাত্র মুসলিম নারী শাসক ছিলেন, সামরিক এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) তারামন বিবি — তিনি ১৯৭১ সালের একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা, এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) রহিমা বেগম — এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো ঐতিহাসিক বা সামরিক অর্জনধারী উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
সোর্ড অব অনার অর্জনের ক্ষেত্রে প্রথম নারী মারজিয়া ইসলাম নামটি মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে 'ম' দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) CIRDAP
কেন সঠিক:
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যার পূর্ণরূপ হলো সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক।
- এই প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) APEC — এটি একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদর দপ্তর সিঙ্গাপুরে অবস্থিত, ঢাকায় নয়।
B) ADB — এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক একটি আঞ্চলিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যার সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত।
C) SAARC — দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
D) CIRDAP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
গ্রামীণ উন্নয়ন বা CIRDAP বললেই মনে রাখবে এর হেডকোয়ার্টার বা সদর দপ্তর আমাদের রাজধানী ঢাকাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) সুদানের একটি অঞ্চলের নাম
কেন সঠিক:
- দারফুর আফ্রিকা মহাদেশের দেশ সুদানের একটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল।
- অঞ্চলটি একসময় সুদানের দারফুর সংঘাতের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাকের একটি শহরের নাম — এটি ভুল কারণ দারফুর ইরাকের কোনো শহর বা অঞ্চল নয়।
B) ইরানের একটি শহরের নাম — এটি ভুল কারণ দারফুর ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ভৌগোলিক অবস্থান নয়।
C) সুদানের একটি অঞ্চলের নাম — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) আফগানিস্তানের একটি অঞ্চলের নাম — এটি ভুল কারণ দারফুর আফগানিস্তানের কোনো অঞ্চল বা স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
দারফুর শব্দটির সঙ্গে সুদান দেশকে মনে রাখুন, কারণ দারফুর সংকট মূলত সুদানের সঙ্গেই যুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) স্টিফেনসন
কেন সঠিক:
- জর্জ স্টিফেনসন ১৮১৪ সালে প্রথম সফল বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিন বা লোকোমোটিভ আবিষ্কার করেন।
- তার তৈরি 'রকেট' নামক ইঞ্জিনটি আধুনিক রেল ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এডিসন — টমাস এডিসন বৈদ্যুতিক বাল্ব ও ফোনোগ্রাফের আবিষ্কারক, রেল ইঞ্জিনের নন।
B) স্টিফেনসন — তিনি প্রথম সফল বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) জেমস ওয়াট — জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিনের কার্যকারিতা উন্নত করেছিলেন, রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক নন।
D) মোর্স — স্যামুয়েল মোর্স টেলিগ্রাফ যন্ত্র ও মোর্স কোডের আবিষ্কারক।
মনে রাখার টিপস:
রেলের স্টেশন থেকে স্টিফেনসন নাম মনে রাখতে পারেন।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) শ্রীলংকায়
কেন সঠিক:
- Adam’s Peak বা শ্রীপাদ শ্রীলংকার কেন্দ্রীয় উচ্চভূমিতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পবিত্র পাহাড় ও তীর্থস্থান।
- এই পাহাড়টি বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তীর্থস্থানটি এখানেই অবস্থিত এবং এর চূড়ায় একটি পবিত্র পদচিহ্ন রয়েছে।
B) ভারতে — এটি ভুল অপশন, কারণ ভারত তীর্থস্থানের জন্য পরিচিত হলেও Adam’s Peak ভারতে অবস্থিত নয়।
C) ইন্দোনেশিয়ায় — এটি ভুল অপশন, কারণ ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত হলেও এই নির্দিষ্ট তীর্থস্থানটি এখানে নেই।
D) ভিয়েতনামে — এটি ভুল অপশন, কারণ ভিয়েতনামের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে এই তীর্থস্থানটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্রীলংকার পবিত্র পাহাড় Adam’s Peak মনে রাখতে নামের সাথে লংকা যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে
কেন সঠিক:
- বরফের কোনো নিজস্ব বর্ণ নেই, এটি এর ওপর আপতিত আলোর সব তরঙ্গদৈর্ঘ্য সমানভাবে প্রতিফলিত করে।
- আলোর সব রঙ একসাথে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে বরফকে সাদা দেখায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরফ এমনিতেই সাদা — বরফের নিজস্ব কোনো সাদা রঙ নেই, আলোর প্রতিফলনের কারণেই এটি এমন দেখায়।
B) আলোর বেগুনি রশ্মি শোষণ করে — বরফ বেগুনি রশ্মি শোষণ করে না, বরং দৃশ্যমান আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে।
C) আলোর লাল ও হলুদ রশ্মি শোষণ করে — বরফ নির্দিষ্ট কোনো রঙ শোষণ না করে সমস্ত দৃশ্যমান আলো সমানভাবে প্রতিফলিত করে।
D) আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে — এটি সঠিক কারণ বরফের ওপর আলো পড়লে তা কোনো রঙ শোষণ না করে সব আলোই প্রতিফলিত করে।
মনে রাখার টিপস:
সব আলো সমানভাবে ফেরত বা প্রতিফলন ঘটালেই যেকোনো বস্তুকে সাদা দেখায়, বরফের ক্ষেত্রেও ঠিক এই ঘটনাটি ঘটে।
সঠিক উত্তর: B) দধীচি
কেন সঠিক:
১. বাংলা বানान নিয়মানুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
২. ঋষি দধীচি নামক পৌরাণিক চরিত্রের নামের সঠিক তৎসম বানান এটিই ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. তৎসম শব্দের বানানে ই এবং ঈ এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই শব্দে প্রথম ই-কার ও পরে ঈ-কার বসে।
২. পুরাণে দেবাসুরের যুদ্ধে নিজের হাড় দান করা মহর্ষি দধীচির নাম থেকেই এই বানানটি এসেছে।
৩. যেমন শরীর গঠনে বিভিন্ন অক্ষର ও কার চিহ্নের নির্দিষ্ট স্থান থাকে, তেমনি এই শব্দেও কার চিহ্নের নির্দিষ্ট নিয়ম আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দধিচী — এখানে শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
B) দধীচি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটিই মূল অপশন।
C) দধিচি — এখানে দীর্ঘ ঈ-কারের পরিবর্তে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
D) দধীচী — এখানে উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
১. দধিচির প্রথম অক্ষর দ এর পরে হ্রস্ব ই-কার এবং ধ এর পরে দীর্ঘ ঈ-কার বসে তা মনে রাখবে।
২. প্রথমে ছোট ই এবং পরে বড় ঈ এই নিয়মটি মনে রাখলে আর ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) পররাত্র
১. কেন সঠিক:
- রাত্রির শেষ ভাগ এককথায় পররাত্র বা ত্রিক্ষণ বলা হয়।
- নির্দিষ্ট সময়ের প্রহর বা রাতের বিভিন্ন অংশ বোঝাতে বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ শব্দ ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করার জন্য এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাত্রির প্রথম ভাগ
ব্যাখ্যা: রাত্রির প্রথম ভাগকে এককথায় পূর্বরাত্র বলা হয়।
উদাহরণ ২: রাতের শেষ প্রহর
ব্যাখ্যা: রাতের শেষ প্রহর বা শেষ অংশকে রাত্রিশেষ বা পররাত্র হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পররাত্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রাত্রির শেষ ভাগকে নির্দেশ করে।
B) মহানিশা — মহানিশা অর্থ গভীর বা প্রকাণ্ড রাত, যা রাত্রির শেষ ভাগ বোঝায় না।
C) যামিনী — যামিনী কেবল সাধারণ অর্থে রাত্রি বা রাতের সমার্থক শব্দ।
D) রাত্রিশেষ — রাত্রিশেষ বলতে রাতের শেষ সময় বা প্রভাত বোঝায়, তবে ব্যাকপদ্ধতিতে প্রমিত এককথায় প্রকাশ হিসেবে পররাত্র বেশি উপযুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রাতের শুরু হলে পূর্বরাত্র এবং রাতের শেষ হলে পররাত্র মনে রাখবে।
- প্র prefix সাধারণত পরবর্তী বা শেষের অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়ের বিভিন্ন ভাগ সম্পর্কিত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
- প্রহর, যামিনী এবং রাত্রির বিভিন্ন অংশের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) উপত্যকা
১. কেন সঠিক:
- অধিত্যকা শব্দের অর্থ পাহাড়ের ওপরের সমতল ভূমি বা উপত্যকার ওপরের ভূভাগ।
- এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পাহাড়ের নিচের সমতল ভূমি বা উপত্যকা ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অর্থগত বৈপরীত্য বিবেচনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত
ব্যাখ্যা: দুটি একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: উন্নত ও অবনত
ব্যাখ্যা: একটি শব্দের বিপরীত অর্থ নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অন্ধকার — এটি আলো শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, অধিত্যকা শব্দের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) তিরোভাব — এটি আবির্ভাব শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যা উপস্থিত হওয়া বা লুকিয়ে যাওয়া বোঝায়।
C) হালকা — এটি ভারী শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যা ওজন বা গুরুত্বের বৈপরীত্য প্রকাশ করে।
D) উপত্যকা — এটি পাহাড়ের নিচের সমতল ভূমি বোঝায় এবং অধিত্যকার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অধিত্যকা মানে ওপরের ভূমি এবং উপত্যকা মানে নিচের ভূমি।
- ও দিয়ে ওপর এবং উ দিয়ে উপত্যকা বা নিচ এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভূগোলের সঙ্গে সম্পর্কিত বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
- পাহাড় বা ভূমির রূপ সম্পর্কিত শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) পারত্রিক
১. কেন সঠিক:
- ঐহিক শব্দের অর্থ হলো ইহলোকসংক্রান্ত বা পার্থিব। এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরলোকসংক্রান্ত বা পারত্রিক শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডারে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও অর্থের বিপরীত রূপ বিবেচনা করতে হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বা প্রায় বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- সংস্কৃতে ইহলোক সংক্রান্ত অর্থে ঐহিক এবং পরলোক সংক্রান্ত অর্থে পারত্রিক শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইহকাল
ব্যাখ্যা: ইহকালের বিপরীত শব্দ হলো পরকাল, যা জীবন ও জগতের ভিন্ন অবস্থাকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: স্বর্গ
ব্যাখ্যা: স্বর্গের বিপরীত শব্দ নরক, যা বিপরীতার্থক শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবনতি — অবনতি শব্দের অর্থ নিম্নগামিতা বা পতন, যার সঠিক বিপরীত শব্দ হলো উন্নতি।
B) অদৃশ্য — অদৃশ্য শব্দের অর্থ যা দেখা যায় না, এর বিপরীত শব্দ হলো দৃশ্যমান বা দৃশ্য।
C) অকৃতজ্ঞ — অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ যে উপকার স্বীকার করে না, এর বিপরীত শব্দ হলো কৃতজ্ঞ।
D) পারত্রিক — পারত্রিক হলো সঠিক উত্তর কারণ এটি ঐহিক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইহকাল ও পরকাল এই দুটি ধারণার সাথে মিল রেখে ঐহিক শব্দের বিপরীত পারত্রিক সহজে মনে রাখা যায়।
- ইহলোক বুঝাতে ঐহিক এবং পরলোক বুঝাতে পারত্রিক ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত
কেন সঠিক:
- সমাস বাংলা ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত।
- বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি অনেক ব্যাকরণগত নিয়ম ও শব্দ গ্রহণ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমাসের আভিধানিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
- বাংলা ব্যাকরণে পদের মিলন সাধনের এই নিয়মটি মূলত সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য থেকেই এসেছে।
- যেমন: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন, এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারেই সাধিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় মূলত ধর্ম, প্রশাসন ও দৈনন্দিন জীবনের নানা শব্দ এসেছে, সমাসের রীতি নয়।
- B) সংস্কৃত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
- C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় নানা সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক শব্দ প্রবেশ করেছে, কিন্তু সমাসের মূল রীতিটি এখান থেকে আসেনি।
- D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা পারিভাষিক ও আধুনিক যুগের শব্দ বাংলায় এসেছে, সমাসের মতো প্রাচীন ব্যাকরণিক রীতি ইংরেজি থেকে আসেনি।
মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল ভিত হলো সংস্কৃত ভাষা, তাই সমাস, কারক বা সন্ধির মতো বেশিরভাগ ব্যাকরণিক রীতি সংস্কৃত থেকেই এসেছে।
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয়
কেন সঠিক:
১. এখানে নীল রঙ বিশেষণ পদ এবং অম্বর বা আকাশ বিশেষ্য পদ মিলে একটি নতুন পদ গঠিত হয়েছে।
২. সাধারণ নিয়মে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলনে যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে সমাসে বিশেষণ পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পদের অর্থের প্রধান্য থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলা হয়।
২. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ কর্মধারয় সমাসে একটি বিশেষ্য ও একটি বিশেষণ পদ যুক্ত হয়ে সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করে।
৩. যেমন, মহান যে রাজা = মহারাজ, লাল যে পদ্ম = লালপদ্ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, যা এখানে হয়নি।
B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা নীলাম্বর পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়, এটি নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে।
মনে রাখার টিপস:
১. ব্যাসবাক্যে যদি মাঝখানে যে থাকে এবং প্রথম পদটি বিশেষণ ও দ্বিতীয় পদটি বিশেষ্য হয়, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
সঠিক উত্তর: A) অধিকরণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
বাক্যটিতে "ব্যকরণে" শব্দটিতে এ বা য় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তম বা ৭মী বিভক্তির নির্দেশক।
কোনো বিষয়ে দক্ষতা, নৈপুণ্য বা বিশেষ জ্ঞান বোঝাতে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
বিষয়, গুণ বা দক্ষতায় নিপুণতা বা আসক্তি বোঝালে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি বা বিষয়ে অধিকরণ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইনি অঙ্কে কাঁচা।
ব্যাখ্যা: অঙ্কে বিষয়ে দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝানোর কারণে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: সে ব্যাকরণে ভালো।
ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ বিষয়ে তার পারদর্শিতা বোঝাতে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিষয়ে দক্ষতা প্রকাশ পেয়েছে।
B) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে যাকে আশ্রয় করে কর্তা কাজ সম্পন্ন করে তাকে বোঝায়, এখানে দক্ষতা বোঝায় না।
C) করণে ৭মী — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক থেকে, বিচ্যুতি বা ভয় বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে পন্ডিত, দক্ষ, কাঁচা বা ভালো শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
বিষয় বা দক্ষতার ক্ষেত্রে সর্বদা অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি হয়ে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষতা বা অদক্ষতা সূচক বাক্য প্রায়ই আসে।
বিষয়ে পারদর্শিতা বোঝালে তা সবসময় অধিকরণ কারক হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) করণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম, উপায় বা উপকরণকে করণ কারক বলে।
এখানে সাধনা হলো কীর্তিমান হওয়ার মাধ্যম বা উপায়, তাই এটি করণ কারক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সাধনা শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে যা ৭মী বিভক্তির রূপ।
বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে তা বোঝালে করণ কারক হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় এটি করণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: টাকায় কি না হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে টাকা হলো কাজের উপায় বা মাধ্যম, তাই এটি করণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — বাক্যটিতে সাধনা কোনো স্বাধীন বা প্রধান কর্তা নয়, বরং কাজ সম্পাদনের উপায়।
B) কর্মে ২য় — কর্তার কাঙ্ক্ষিত বস্তু বা কর্ম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি কর্ম কারক নয়।
C) অধিকরণে ৭মী — সাধনা কোনো স্থান, সময় বা বিষয় বোঝাচ্ছে না, তাই এটি অধিকরণ কারক নয়।
D) করণে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ সাধনা হলো কীর্তিমান হওয়ার উপায় বা মাধ্যম।
৫. মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়ার কাছে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক।
এ, য়, তে ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
করণ কারক চেনার জন্য বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা প্রশ্ন করতে হয়।
মাধ্যম বা উপকরণ বোঝালে তা সবসময় করণ কারক হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: B) নির + আময়
১. কেন সঠিক:
- 'নিরাময়' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো নির যোগ আময়। এটি বিসর্গ সন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের অন্তর্গত হলেও বাংলা ব্যাকরণে এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি হিসেবে গণ্য হয়।
- 'নিঃ' বা 'নির' উপসর্গের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে এই সন্ধি গঠিত হয়েছে, যেখানে 'আময়' শব্দের অর্থ রোগ বা অসুস্থতা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ বা রেফ যুক্ত শব্দের সন্ধিতে বিসর্গের জায়গায় কখনো 'ও' কার বা কখনো র-ফলা বা র আসে। এখানে 'নির' অব্যয়ের সঙ্গে 'আময়' যোগ হয়ে নিরাময় গঠিত হয়েছে।
- আময় শব্দের অর্থ রোগ, তাই নিরাময় শব্দের অর্থ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া বা ভালো হওয়া। এটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসা একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দুঃ + আশাম = দুরাশাম (দুর + আশাম)
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের স্থানে র এসে এই শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: আবিঃ + ভাব = আবির্ভাব
ব্যাখ্যা: এটিও বিসর্গ সন্ধির একটি বহুল প্রচলিত নিয়ম যেখানে বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরা + ময় — 'নিরা' বলে কোনো প্রমিত উপসর্গ বা শব্দ বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ বা ব্যঞ্জনসন্ধিতে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।
C) নির + ময় — ময় যোগ করলে নিরময় হয়, কিন্তু এখানে 'আময়' শব্দ থাকার কারণে সঠিক রূপটি 'নির + আময়' হবে।
D) নিঃ + ময় — বিসর্গ সন্ধির নিয়মে নিঃ এর সঙ্গে ময় যুক্ত হলে নির্মল বা অন্যান্য শব্দ হতে পারে, কিন্তু এখানে 'আময়' থাকার কারণে এটি প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিরাময় শব্দটি ভাঙলে শেষের অংশ 'আময়' (রোগ) পাওয়া যায়, যা মনে রাখলে সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ করা সহজ হয়।
- নির উপসর্গের সঙ্গে আময় যোগ করলে নিরাময় হয়, এই কৌশলটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ ও রেফযুক্ত সন্ধিগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে।
- রোগমুক্ত অর্থে ব্যবহৃত নিরাময় শব্দের মতো সমগোত্রীয় শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সহচর + য
১. কেন সঠিক:
সহচর শব্দের সঙ্গে ভাব বা কর্ম অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাহচর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে।
শব্দ গঠনের নিয়মে আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে সহচর শব্দের অ এবং পরবর্তী স্বরের প্রভাবে সাহচর্য রূপ লাভ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দটির মূল প্রকৃতি হলো সহচর এবং এর সাথে ভাব বোঝাতে য প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় শব্দের আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুন্দর + য = সৌন্দর্য
ব্যাখ্যা: সৌন্দর্য শব্দটি সুন্দর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ধীর + য = ধৈর্য
ব্যাখ্যা: ধৈর্য শব্দটি ধীর শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাহ+চর+র্য — এই অপশনটি ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক নয় কারণ সাহ কোনো মূল শব্দ বা ধাতু নয় এবং র্য কোনো প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয় না।
B) সহচর+্য-ফলা — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে প্রত্যয় হিসেবে কোনো নির্দিষ্ট চিহ্ন বা বর্ণ উল্লেখ করা হয়নি যা প্রমিত ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য।
C) সহচর + য — এটি সঠিক উত্তর কারণ সহচর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাহচর্য গঠিত হয়।
D) কোনোটিই নয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সি অপশনে সঠিক উত্তরটি স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাব বা অবস্থা বোঝাতে শব্দের শেষে য প্রত্যয় যুক্ত করার সময় আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে।
সহচর থেকে সাহচর্য এবং সুন্দর থেকে সৌন্দর্য রূপটি এই নিয়মের চমৎকার উদাহরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
আদি স্বরের পরিবর্তন সংক্রান্ত শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) নিষ্ক্রিয় দর্শক
১. কেন সঠিক:
- 'সাক্ষী গোপাল' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ নিষ্ক্রিয় দর্শক বা যে ব্যক্তি কোনো ঘটনার সময় উপস্থিত থেকেও কোনো ধরনের ভূমিকা পালন করে না।
- গোপাল দেবতার মূর্তির মতো নীরব ও দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকা অবস্থাকে নির্দেশ করতেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা পদসমষ্টি, যা আক্ষরিক অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং কোনো অবস্থাকে খুব সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সালিশে ঝগড়া থামানোর কোনো চেষ্টা না করে সে শুধু সাক্ষী গোপালের মতো দাঁড়িয়ে রইল।
ব্যাখ্যা: এখানে কোনো প্রকার প্রতিবাদ বা ভূমিকা না রেখে কেবল উপস্থিত থাকার অর্থ বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দুর্নীতি দেখেও যারা চুপ থাকে, সমাজ তাদের সাক্ষী গোপাল ছাড়া আর কিছু ভাবে না।
ব্যাখ্যা: অন্যায় কাজের প্রতিবাদ না করে দর্শকের ভূমিকায় থাকা ব্যক্তিদের বোঝাতে এটি অত্যন্ত উপযোগী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিষ্ক্রিয় দর্শক — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি বাগধারাটির প্রকৃত ভাব প্রকাশ করে।
B) কর্তব্যবিমুখ — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্তব্যবিমুখ শব্দের অর্থ নিজ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, যা সাক্ষী গোপালের মূল অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) সক্রিয় দর্শক — এই অপশনটি ভুল কারণ সক্রিয় দর্শক বলতে কাজে অংশগ্রহণকারী বা মনোযোগী দর্শক বোঝায়, অথচ সাক্ষী গোপাল সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় থাকে।
D) কর্তব্যপরায়ণ — এই অপশনটি ভুল কারণ কর্তব্যপরায়ণ শব্দের অর্থ নিজ দায়িত্বে অত্যন্ত সচেতন ও নিষ্ঠাবান, যা এই বাগধারার সম্পূর্ণ বিপরীত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গোপাল ঠাকুরের মূর্তি যেমন মন্দিরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোনো কথা বলে না বা কাজ করে না, তেমনি কোনো ঘটনায় নীরব দর্শককে সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অপ্রচলিত বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
- আক্ষরিক অর্থ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত ভাবার্থ মুখস্থ রাখতে হবে এবং বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ভঙ্গুর
১. কেন সঠিক:
বড়র পীরিতি বালির বাঁধ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার অর্থ সহজে ভেঙে যায় এমন বা অস্থায়ী সম্পর্ক।
এখানে বড় বা বয়সে ও পদমর্যাদায় বড়দের সঙ্গে হুট করে গড়া সখ্য বা ভালোবাসা যেমন টিকসই হয় না, তেমনি বালির তৈরি বাঁধও জলের টানে মুহূর্তেই ধসে যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রবাদতুল্য বাগধারা, যা রূপক অর্থে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের ক্ষণস্থায়িত্ব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাঙালির লোকসংস্কৃতি ও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার ফলশ্রুতিতে এই ধরনের বাগধারাগুলো ভাষাটিকে সমৃদ্ধ করেছে এবং এর মাধ্যমে গভীর ভাব অল্প কথায় প্রকাশ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকাশ কুসুম
ব্যাখ্যা: অসম্ভব কল্পনা অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়, যা কোনো বাস্তব ভিত্তিহীন বিষয়কে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: চোখের বালি
ব্যাখ্যা: ক্ষতিকর বা বিরক্তিকর ব্যক্তি অর্থে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের অপ্রিয় কোনো অবস্থাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোন বাধ্যবাধকতা নেই — এই অর্থটি বাগধারাটির অন্তর্নিহিত ভাব বা স্থায়ী না থাকার ধারণার সঙ্গে কোনোভাবেই মিলছে না।
B) একতরফা — একতরফা বলতে কেবল এক পক্ষের অনুভূতি বোঝায়, কিন্তু প্রদত্ত বাগধারায় সম্পর্কের দুর্বলতা ও অস্থায়িত্ব মূল প্রতিপাদ্য।
C) চাপের মুখের ভেঙ্গে যায় — চাপ প্রয়োগের ফলে ভেঙে যাওয়া বোঝাতে পারে, কিন্তু বালির বাঁধ মূলত অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কারণে আপনাআপনি বা সামান্য আঘাতেই ধসে পড়ে।
D) ভঙ্গুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ বালির বাঁধ ও বড়দের পীরিতি উভয়ই অত্যন্ত দুর্বল এবং সহজেই ভেঙে যাওয়ার যোগ্য বা ভঙ্গুর প্রকৃতির।
৫. মনে রাখার টিপস:
বালির বাঁধ যেমন জোয়ারের জলে টিকতে পারে না, তেমনি বড়দের সঙ্গে হুট করে গড়া সম্পর্কও বেশি দিন টিকে থাকে না, তাই এর অর্থ ভঙ্গুর বা অস্থায়ী।
বাগধারাটির রূপক অর্থ মনে রাখতে বালির বাঁধের স্থায়িত্বহীনতার কথাটি মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের রূপকধর্মী বাগধারার অর্থ প্রায়ই সরাসরি বা বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে আসে।
বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের তুলনা ও রূপক অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে যেকোনো পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সাময়িকপত্র
কেন সঠিক:
- সবুজপত্র একটি বিখ্যাত বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
- ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
- সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
- এই পত্রিকায় বীরবল ছদ্মনামে প্রমথ চৌধুরী বিভিন্ন প্রবন্ধ লিখতেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নাটক — সবুজপত্র কোনো নাটক নয়, এটি একটি পত্রিকা।
- B) উপন্যাস — সবুজপত্র কোনো একক উপন্যাস নয়, যদিও এতে উপন্যাস প্রকাশিত হতো।
- C) সাময়িকপত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) গদ্য সংকলন — এটি কোনো সাধারণ গদ্য সংকলন ছিল না, এটি ছিল একটি নিয়মিত প্রকাশিত সাময়িকপত্র।
মনে রাখার টিপস:
- সবুজপত্র দেখলেই প্রমথ চৌধুরী এবং চলিত রীতির কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) রবি
১. কেন সঠিক:
- "কিরণ" শব্দের অর্থ আলো, জ্যোতি বা দীপ্তি।
- রবি শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি কিরণের সমার্থক নয় বরং সূর্যের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি যাদের অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন বেশি আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের সমার্থক শব্দ: রবি, ভাস্কর, দিবাকর।
ব্যাখ্যা: এগুলো সরাসরি সূর্যকে বোঝায়, আলোর উৎস হিসেবে কিরণকে বোঝায় না।
উদাহরণ ২: আলোর সমার্থক শব্দ: রশ্মি, কর, প্রভা।
ব্যাখ্যা: এগুলো আলো বা কিরণের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রশ্মি — এটি কিরণের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ যা আলোর রেখা বোঝায়।
B) রবি — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, আলোর উৎস বোঝায় কিন্তু সরাসরি কিরণের সমার্থক নয়।
C) কর — এটি আলোর কিরণ বা হাত ও করের বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি সমার্থক।
D) প্রভা — এটি দীপ্তি বা আলোর প্রভা অর্থে কিরণের সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবি মানে সূর্য, আর সূর্য থেকে যা ছড়ায় তা হলো কিরণ, রশ্মি বা প্রভা।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দ ও তার পরিব্যাপ্তি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রতি বছর প্রশ্ন আসে।
- শব্দের উৎস এবং অর্থ পরিষ্কার থাকলে যেকোনো অপশন সহজে আলাদা করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) পর পদ
কেন সঠিক:
- সমাস প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলে একটি নতুন পদ তৈরি হয়।
- এই নতুন পদের পরবর্তী বা শেষের অংশকে ব্যাকরণের ভাষায় পর পদ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত দুটি অংশ থাকে।
- প্রথম অংশকে বলা হয় পূর্ব পদ এবং দ্বিতীয় বা শেষের অংশকে বলা হয় পর পদ বা উত্তর পদ।
- যেমন সিংহপুরুষ শব্দটিতে পূর্ব পদ সিংহ এবং পর পদ পুরুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উত্তর পদ — যদিও এটি পর পদের সমার্থক হিসেবে অনেক সময় ব্যবহৃত হয়, তবে ব্যাকরণগত পরিভাষায় প্রধান এবং সর্বজনগ্রাহ্য রূপটি হলো পর পদ।
- B) পর পদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- C) দক্ষিণ পদ — বাংলা ব্যাকরণে সমাসের ক্ষেত্রে এমন কোনো পরিভাষা বা পদের অস্তিত্ব নেই।
- D) পূর্ব পদ — এটি সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশকে বোঝায়, পরবর্তী অংশকে নয়।
মনে রাখার টিপস:
- আগের অংশ পূর্ব পদ এবং পরের অংশ পর পদ মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) It is known to me that the work was done by him
কেন সঠিক:
- মূল বাক্যের প্রথম অংশ 'I know' present indefinite tense-এ থাকায় passive করার সময় 'It is known to me' হবে।
- দ্বিতীয় অংশ 'that he did the work' past indefinite tense-এ থাকায় যুক্ত হয়ে 'that the work was done by him' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It was known to me that the work had been done by him — মূল বাক্যের প্রথম অংশ present tense হওয়ায় ಇಲ್ಲಿ past tense ব্যবহার করা ভুল।
B) It was known to me that the work has been done by him — এখানে প্রথম অংশে past tense এবং দ্বিতীয় অংশে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা অসংগত।
C) It is known to me that the work was done by him — এটি সঠিক কারণ tense এর নিয়ম অনুযায়ী প্রথম অংশ present এবং দ্বিতীয় অংশ past tense এ পরিবর্তিত হয়েছে।
D) It was known to me that the work was done by him — এখানে প্রথম অংশ past tense করায় তা মূল বাক্যের present tense এর নিয়মের সাথে মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
Complex sentence-এর voice change করার সময় উভয় clause-এর tense অপরিবর্তিত রেখে আলাদাভাবে passive করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Guard the children against bad company
কেন সঠিক:
- Guard verb-এর পর সাধারণত against preposition বসে, যার অর্থ কোনো কিছু থেকে রক্ষা করা বা সতর্ক থাকা।
- এখানে children-কে bad company বা খারাপ সঙ্গ থেকে রক্ষা করার অর্থ প্রকাশ করায় against সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He succeed to get a job — succeed-এর পর gerund (succeeding in getting) বসে, infinitive বসে না এবং সঠিক রূপটি হবে succeeded।
B) He is suffering from fever for a week — নির্দিষ্ট সময় ধরে চলা বোঝাতে Present Continuous Tense না হয়ে Present Perfect Continuous Tense (has been suffering) হয়।
C) Guard the children against bad company — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং উপযুক্ত Preposition-এর ব্যবহার নির্দেশ করে।
D) The train is running in time — নির্ধারিত সময়ে বা সময়মতো চলা বোঝাতে in time না হয়ে on time ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
Guard-এর সাথে সাধারণত against এবং সময়ের ক্ষেত্রে সময়মতো অর্থে in time-এর বদলে on time ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) He as well as his brother was present
কেন সঠিক:
বাক্যে 'as well as' থাকলে প্রথম Subject অনুসারে verb বসে। এখানে প্রথম Subject 'He' singular হওয়ায় verb 'was' সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A few boys are present today — 'A few' positive অর্থ প্রকাশ করলেও এখানে 'A few boys' এর পরিবর্তে শুধু 'Few' ব্যবহার করা উচিত ছিল।
B) His dress is inferior than mine — 'inferior' শব্দের পরে 'than' না বসে সর্বদা 'to' বসে। তাই এটি ভুল।
C) He prevented me to go there — 'prevent' verb-এর পরে object-এর সাথে 'to go' না বসে 'from going' বসে।
মনে রাখার টিপস:
'As well as' দিয়ে যুক্ত Subject-এর ক্ষেত্রে প্রথম Subject অনুযায়ী Verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) gave
কেন সঠিক:
বাক্যে 'It is high time' বা 'It is time' থাকলে এর পরবর্তী অংশে যে সাবজেক্ট থাকে, তার পর মূল verb-এর পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী শূন্যস্থানে 'give' এর পাস্ট ফর্ম 'gave' বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) give - এটি verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম, যা 'It is high time' এর নিয়মের সাথে মিলে না।
B) gave - এটি সঠিক উত্তর এবং এটি পাস্ট ফর্ম নির্দেশ করে।
C) have given - এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা এখানে ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত।
D) will give - এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা এই কাঠামোর সাথে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'It is high time' থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) should
কেন সঠিক:
বাক্যে lest শব্দটি থাকার কারণে এর পরবর্তী অংশে নিয়ম অনুযায়ী শুধু should বসাতে হয়।
lest অর্থ পাছে বা এই ভয়ে যে, এবং এর প্রভাবে পরবর্তী ক্লজে সম্ভাবনার জন্য should ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
এটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা কানুন।
অন্য কোনো মডেল ভারบ এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) should — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটিই শূন্যস্থানে বসার যোগ্য একমাত্র শব্দ।
B) would — would সাধারণত অতীতের অভ্যাস বা সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু lest এর সাথে এর কোনো ব্যাকরণগত মিল নেই।
C) could — could সামর্থ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের অর্থ বা নিয়মের সাথে মিলে না।
D) can — can বর্তমানকালের সামর্থ্য বোঝায়, কিন্তু এখানে পাস্ট টেন্স থাকায় এটি ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে চোখ বন্ধ করে should বসিয়ে দেবে, কারণ এরা জোড়ায় জোড়ায় বসে।
সঠিক উত্তর: C) Farida told her mother that she would go to bed then
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্ব said to থাকলে told হয় এবং Inverted comma উঠে দালা দালা অংশ সংযোগ করতে that বসে।
პირველი person (I) সাবজেক্ট Farida অনুসারে পরিবর্তন হয়ে she হয়েছে।
shall বা will পরিবর্তন হয়ে would হয় এবং now পরিবর্তন হয়ে then হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Farida told her mother that she should go to bed now — এখানে should ব্যবহার করা হয়েছে এবং now অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) Farida told her mother that she will go to bed then — এখানে will এর পাস্ট ফর্ম would না লিখে প্রেজেন্ট ফর্ম রাখা হয়েছে।
D) Farida told her mother that she will go to bed now — এখানে will এবং now দুটোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা ন্যারেশনের নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাসেশনের সময় shall বা will থাকলে would করতে হয় এবং now থাকলে তা পরিবর্তন করে then লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The teacher wished that I might pass the examination
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব said to-এর পরিবর্তে Optative Sentence-এ wish বা pray বসে এবং Inverted comma উঠে that বসে।
- Subject-এর পরে may-এর পাস্ট ফর্ম হিসেবে might বসে এবং বাকі অংশ অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The teacher prayed I could pass the examination — এখানে may-এর পরিবর্তে could ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) The teacher wished that I may have passed the examination — এখানে tense-এর পরিবর্তন সঠিক নয় কারণ reporting verb পাস্ট টেন্সে থাকলে may পরিবর্তন হয়ে might হবে।
C) The teacher wished that I might pass the examination — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল পরিবর্তন সঠিকভাবে করা হয়েছে।
D) The teacher prayed that I might have passed the examination — এখানে অর্থগতভাবে perfect tense-এর ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় ও ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Optative Sentence-এ Direct থেকে Indirect করার সময় reporting verb-এর পরিবর্তে wished বা pray এবং may-এর পরিবর্তে might বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Enact
কেন সঠিক:
Act শব্দের পূর্বে En উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন একটি Verb গঠিত হয়েছে।
এর অর্থ আইন পাস করা বা কোনো নাটক অভিনয় করা।
এটি বাক্যে সরাসরি কাজের কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।
মূল শব্দের রূপ পরিবর্তন করে একে Verb এ রূপান্তর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Acted — এটি Act শব্দের Past tense বা Verb এর অতীত রূপ, মূল Verb নয়।
B) Enact — এটি সঠিক Verb রূপ এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক উত্তর।
C) Action — এটি Act শব্দের Noun রূপ, তাই এটি Verb হতে পারে না।
D) Actress — এটি Act শব্দের Feminine gender বা Noun রূপ।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত শব্দের আগে En যুক্ত করে Verb তৈরি করা হয় যেমন Large থেকে Enlarge।
সঠিক উত্তর: D) Transitive verb
কেন সঠিক:
এই বাক্যে 'write' ভার্বটি একটি অবজেক্ট বা কর্ম গ্রহণ করেছে যা হলো 'a letter'।
যে ভার্বের নিজস্ব অবজেক্ট থাকে তাকে Transitive verb বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Intransitive verb — এই অপশনটি ভুল কারণ এই ভার্বের একটি অবজেক্ট রয়েছে, যা Intransitive verb-এর ক্ষেত্রে হয় না।
B) Auxiliary verb — এই অপশনটি ভুল কারণ 'write' এখানে কোনো মূল ভার্বকে সাহায্য করছে না, বরং নিজেই প্রধান কাজ করছে।
C) Principal verb — এই অপশনটি আংশिक ঠিক হলেও ব্যাকরণগত নিখুঁত শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী এটি একটি Transitive verb।
D) Transitive verb — এটি সঠিক অপশন এবং এটি বাক্যের অবজেক্ট থাকা শর্তটি পূরণ করে।
মনে রাখার টিপস:
ভার্বকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা Transitive verb হয়।
সঠিক উত্তর: A) A shop is going to be opened by him
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত বাক্যে am, is, are এর পর going to থাকলে প্যাসিভ করার সময় is going to be বসে।
২. এরপর মূল verb (open) এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম (opened) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্যাসিভ ফর্ম।
B) B) A shop will be opened by him — মূল বাক্যের tense পরিবর্তন করে ভবিষ্যতের রূপ দেওয়ায় এটি ভুল।
C) C) A shop is being gone opened by him — অতিরিক্ত gone যুক্ত করায় বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল হয়েছে।
D) D) He is being gone to open a shop — subject পরিবর্তন না করে ভুলভাবে প্যাসিভ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
going to যুক্ত active voice কে passive করার সময় is/am/are going to এর পরে be যোগ করে মূল verb এর V৩ বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) by
কেন সঠিক:
- যানবাহনের মাধ্যমে যাতায়াত করা বোঝাতে তার পূর্বে preposition হিসেবে by বসে।
- plane একটি বাহন হওয়ায় তার পূর্বে by ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — কোনো নির্দিষ্ট বা জড় বস্তু দ্বারা সরাসরি কিছু করা বোঝালে with বসে, যানবাহনের ক্ষেত্রে বসে না।
B) from — কোনো স্থান থেকে দূরত্ব বা উৎস বোঝাতে from বসে, যাতায়াতের মাধ্যম বোঝাতে নয়।
C) by — এটি সঠিক উত্তর, কারণ যাতায়াতের মাধ্যমের পূর্বে by বসে।
D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ঠিকানার পূর্বে at বসে, যানবাহনের পূর্বে নয়।
মনে রাখার টিপস:
যানবাহনের মাধ্যমে ভ্রমণ করা বোঝালে মাধ্যমের নামের আগে always by বসে যেমন by plane, by bus, by train।
সঠিক উত্তর: B) Secretariat
কেন সঠিক:
Secretariat বানানের শুরুতে Secret শব্দটির সাথে i যুক্ত হয়ে Secreta-ri-at গঠিত হয়।
এখানে সঠিক সাফিক্স হিসেবে iat ব্যবহৃত হয়েছে।
শেষে a এবং t বর্ণ দুটি বসে সঠিক বানান গঠন করেছে।
বানানটিতে কোনো অতিরিক্ত e বা অন্য কোনো ভুল বর্ণ নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Secretariate — এই বানানে শেষে অতিরিক্ত te বর্ণ যোগ করা হয়েছে যা ভুল।
B) Secretariat — এটি সঠিক বানান এবং নিয়ম অনুযায়ী পুরোপুরি ঠিক আছে।
C) Secretariete — এই বানানে শেষের অংশে iete ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) Secretariet — এই বানানে শেষের দিকে a বাদ দিয়ে et লেখা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Secret শব্দের সাথে a এবং riat যুক্ত করে সহজে Secretariat বানানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) Exaggerate
কেন সঠিক:
- বানানটিতে দুটি 'g' এবং দুটি 'r' রয়েছে যা সঠিক ইংরেজি বানানবিধি অনুযায়ী নির্ধারিত।
- এর অর্থ হলো অতিরঞ্জিত করা বা বাড়িয়ে বলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Exaggarate — বানানে 'a' এর স্থলে ভুল করে 'e' ব্যবহার করা হয়েছে।
B) Exegeret — বানানে প্রথম অংশে ভুল অক্ষর এবং শেষের অংশ সম্পূর্ণ ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
C) Exagerate — বানানে একটি মাত্র 'g' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
D) Exaggerate — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'Ex' এর পরে 'aggerate' অংশটি মনে রাখুন যেখানে দুটি 'g' ও দুটি 'r' বসে।
সঠিক উত্তর: A) Give a false alarm
কেন সঠিক:
গ্রীক রূপকথার রাখাল বালকের মিথ্যা চিতা বা নেকড়ে আসার ডাক দেওয়ার গল্প থেকে এই প্রবচনের উৎপত্তি হয়েছে।
এর মাধ্যমে মূলত মিথ্যা বিপদ সংকেত বা ভীতি ছড়ানোর অবস্থাকে বোঝানো হয়।
এটি অকারণে অন্যদের সতর্ক করার একটি প্রচলিত ইংরেজি বাগধারা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Give a false alarm - এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয় বরং মূল বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে।
B) Bare one’s teeth - এই অপশনটির অর্থ হলো রাগ বা দাঁত বের করে ভয় দেখানো, যা মূল প্রবাদের সাথে মিলে না।
C) Clear the road - এই অপশনটির অর্থ রাস্তা পরিষ্কার করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সাধারণ বাক্য।
D) Show anger - এই অপশনটির অর্থ রাগ প্রকাশ করা, কিন্তু প্রবাদটি কেবল মিথ্যা সংকেত দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
নেকড়ে বা উলফ আসার মিথ্যা চিৎকার দিয়ে মানুষকে বারবার বিরক্ত করার ঘটনা মনে রাখলে এই উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Contradict
কেন সঠিক:
Run counter to একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ফ্রেজ যার অর্থ কোনো নিয়ম, নীতি বা মতামতের বিরুদ্ধে যাওয়া বা উল্টো হওয়া।
Contradict শব্দের অর্থও কোনো বক্তব্য বা বিষয়ের সাথে বিরোধ করা বা উল্টো কথা বলা।
তাই এই দুটি শব্দ অর্থের দিক থেকে একই রকম বা সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Disobey — এর অর্থ অমান্য করা, যা মূলত কোনো আদেশ বা নির্দেশ না মানার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) Rebel — এর অর্থ বিদ্রোহ করা, যা সাধারণত সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বা প্রকাশ্য প্রতিবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
C) Contradict — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
D) Remove — এর অর্থ সরিয়ে ফেলা বা দূর করা, যা এই ফ্রেজটির সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Counter শব্দের অর্থ বিপরীত, তাই Run counter to দেখলে বুঝবে এর অর্থ কোনো কিছুর বিরুদ্ধে যাওয়া বা কন্ট্রাডিক্ট করা।
সঠিক উত্তর: D) Muddy
কেন সঠিক:
- Limpid শব্দের বাংলা অর্থ স্বচ্ছ বা নির্মল, যার বিপরীতার্থক শব্দ হলো ঘোলাটে বা পঙ্কিল।
- Muddy শব্দের অর্থ ঘোলা বা কাদাযুক্ত, যা Limpid শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Watery — এর অর্থ জলবৎ বা জলময়, যা Limpid শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে কিন্তু বিপরীত নয়।
B) Bright — এর অর্থ উজ্জ্বল বা প্রদীপ্ত, যা স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Transparent — এর অর্থ স্বচ্ছ বা পরিষ্কার, যা Limpid শব্দের সরাসরি সমার্থক বা প্রতিশব্দ।
D) Muddy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বচ্ছতার বিপরীত অর্থ অর্থাৎ ঘোলা বা কাদাটে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Limpid মানে স্বচ্ছ পানি এবং Muddy মানে ঘোলা পানি, এই দুইয়ের তুলনা করলেই বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) Traitor
কেন সঠিক:
Patriot শব্দটির অর্থ দেশপ্রেমিক, যিনি নিজের দেশকে ভালোবাসেন এবং দেশের প্রতি অনুগত থাকেন। এর বিপরীত শব্দ হলো Traitor, যার অর্থ দেশদ্রোহী বা বিশ্বাসঘাতক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Treacherous person - এই শব্দগুচ্ছের অর্থ বিশ্বাসঘাতক ব্যক্তি হলেও, এটি সরাসরি Patriot শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক বিশেষ্য পদ নয়।
B) Traitor - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ দেশদ্রোহী।
C) Criminal - এই শব্দের অর্থ অপরাধী, যা দেশের আইন ভঙ্গকারী বোঝায় কিন্তু সরাসরি দেশপ্রেমিকের বিপরীত নয়।
D) Tout - এই শব্দের অর্থ দালাল, যা দেশপ্রেম বা দেশদ্রোহিতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
দেশপ্রেমিক হলো Patriot আর দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতক হলো Traitor।
সঠিক উত্তর: D) Separation
কেন সঠিক:
Isolation শব্দের অর্থ বিচ্ছিন্নতা বা একা থাকা। Separation শব্দের অর্থও কোনো কিছু থেকে আলাদা হওয়া বা বিচ্ছিন্ন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Loveliness — এই শব্দের অর্থ চমৎকারিত্ব বা সুন্দরতা, যা বিচ্ছিন্নতার সমার্থক নয়।
B) Sadness — এই শব্দের অর্থ বিষাদ বা দুঃখ, যা একা থাকার একটি ফল হতে পারে কিন্তু সঠিক সমার্থক শব্দ নয়।
C) Depression — এই শব্দের অর্থ মনমরা ভাব বা মানসিক অবসাদ, যা আইসোলেশন শব্দের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Separation — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ পৃথকীকরণ বা বিচ্ছিন্নতা।
মনে রাখার টিপস:
Isolation শব্দটি এসেছে Isolate থেকে যার অর্থ আলাদা করা এবং Separation শব্দের অর্থও আলাদা হওয়া।
সঠিক উত্তর: A) Instigate
কেন সঠিক:
- Incite শব্দের অর্থ উত্তেজিত করা, প্ররোচিত করা বা উসকানি দেওয়া।
- Instigate শব্দের অর্থও একই রকম অর্থাৎ কাউকে কোনো খারাপ কাজে প্ররোচিত করা বা উসকানি দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Instigate - এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ইনসাইট শব্দের সমার্থক।
B) Permit - এর অর্থ অনুমতি দেওয়া, যা ইনসাইট শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) Urge - এর অর্থ জোরালোভাবে অনুরোধ করা বা তাগিদ দেওয়া, যা প্ররোচনা বা উসকানির পূর্ণ সমার্থক নয়।
D) Deceive - এর অর্থ প্রতারণা করা বা ঠকানো, যার সঙ্গে উসকানি দেওয়ার কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইনসাইট এবং ইনস্টিগেট উভয় শব্দ দিয়েই কোনো কিছুতে উসকানি বা প্ররোচনা দেওয়া বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) The teacher was trembling with rage
কেন সঠিক:
কোনো শারীরিক প্রতিক্রিয়া বা আবেগ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে 'with' preposition-টি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। এখানে শিক্ষকের রাগের কারণে কেঁপে ওঠার ভাব প্রকাশ করতে 'with rage' সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was very nice with me — ব্যক্তির সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে 'nice' এর পরে সাধারণত 'to' preposition বসে, তাই এখানে 'with' ভুল।
B) Be patient with him — এই বাক্যটিতে 'patient with' সঠিক হলেও অপশন সি-র প্রেক্ষাপটটি তুলনামূলক বেশি নিখুঁত এবং স্ট্যান্ডার্ড প্রিপজিশনের ব্যবহার দেখায়।
C) The teacher was trembling with rage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
D) I am cross with you — এই বাক্যটিতেও 'cross with' grammatically সঠিক হতে পারে, তবে সি অপশনটি প্রাতিষ্ঠানিক ইংরেজিতে প্রিপজিশনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো আবেগ, অনুভূতি বা শারীরিক অবস্থার কারণে কোনো কিছু ঘটার ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে সাধারণত with ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশের লাল অংশ = ২/৫
বাঁশের কালো অংশ = ১/৪
বাঁশের সবুজ অংশ = ১/৩
অবশিষ্ট অংশ = ৬ মিটার
ধরি,
বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য = ১ অংশ
অতএব,
লাল, কালো ও সবুজ রঙের মোট অংশ = (২/৫) + (১/৪) + (১/৩)
হরগুলোর লসাগু = ৬০
যোগফল = (২৪/৬০) + (১৫/৬০) + (২০/৬০) = ৫৯/৬০ অংশ
সুতরাং,
অবশিষ্ট অংশ = ১ − (৫৯/৬০) = ১/৬০ অংশ
উত্তর: (১/৬০) অংশ সমান ৬ মিটার হলে বাঁশটির দৈর্ঘ্য = ৬ × ৬০ = ৩৬০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ১১ ১৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১৫ দিনে
অতিরিক্ত ৩ জন লোক নিয়োগ করা হলো
ধরি,
মোট লোকসংখ্যা হলো ৯ + ৩ = ১২ জন
পূর্বের কাজ সম্পন্ন করার সময় = ১৫ দিন
অতএব,
১ জন লোক ওই কাজটি করতে পারে = ৯ × ১৫ দিনে
১২ জন লোক ওই কাজটি করতে পারে = (৯ × ১৫) ÷ ১২ দিনে
সুতরাং,
১৩৫ ÷ ১২ = ১১.২৫ দিন বা ১১ সম্পূর্ণ চার ভাগের এক ভাগ দিনে
উত্তর: ১১ ১৪ দিনে
সঠিক উত্তর: A) ৬৪৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্যকে a দ্বারা প্রকাশ করা হলো
এখানে a = ১৬ মিটার
অতএব,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১৬ × ১৬
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ২৫৬
ক্ষেত্রফল = ৬৪ × √৩ বর্গমিটার
ক্ষেত্রফল = ৬৪ × ১.৭৩২ = ১১০.৮৫ বর্গমিটার
উত্তর: ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল প্রায় ৬৪৩ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: D) স্থুল কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি সমদ্বিবাহু
সমান বাহুদ্বয়কে বর্ধিত করা হয়েছে
ধরি,
ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির বিপরীত কোণ দুটি সমান
এই সমান কোণ দুটির প্রত্যেকটিকে ক ধরি
অতএব,
ত্রিভুজের ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সূক্ষ্মকোণ হয়
কারণ ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি এক সরলকোণ
সুতরাং,
বর্ধিত করার ফলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ দুটি হবে এক সরলকোণ বিয়োগ ক
উত্তর: স্থূল কোণ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৬০ বছর
মাতার বয়স পুত্রের বয়স অপেক্ষা ২০ বছর বেশি
ধরি,
পুত্রের বয়স = ক বছর
পিতার বয়স = ৬০ − ক বছর
মাতার বয়স = ক + ২০ বছর
অতএব,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = (৬০ − ক) + (ক + ২০) বছর
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৮০ বছর
সুতরাং,
পিতা ও মাতার গড় বয়স = ৮০ ÷ ২ বছর = ৪০ বছর
উত্তর: ৪০ বছর
সঠিক উত্তর: A) ২ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম নল দিয়ে চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায়
দ্বিতীয় নল দিয়ে চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১২ ঘণ্টায়
তৃতীয় নল দিয়ে চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায়
ধরি,
সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার পরিমাণ = ১ অংশ
চৌবাচ্চার অর্ধেক অংশ = ১ ÷ ২ অংশ
অতএব,
প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১০ অংশ
দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১২ অংশ
তৃতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে ১ ÷ ১৫ অংশ
সুতরাং,
তিনটি নল একসঙ্গে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১২) + (১ ÷ ১৫) অংশ
যোগফল করলে পাওয়া যায় (৬ + ৫ + ৪) ÷ ৬০ = ১৫ ÷ ৬০ = ১ ÷ ৪ অংশ
উত্তর: চৌবাচ্চার অর্ধেক পূর্ণ হতে সময় লাগবে (১ ÷ ২) ÷ (১ ÷ ৪) = ২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো চার, ছয়, সাত এবং এক্স
সংখ্যাগুলোর গড়মান হলো পাঁচ দশমিক পাঁচ
ধরি,
মোট সংখ্যা চারটি এবং তাদের সমষ্টি হলো চার যোগ ছয় যোগ সাত যোগ এক্স
গড়মান নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী সমষ্টিকে সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ দিয়ে ভাগ করতে হয়
অতএব,
চার যোগ ছয় যোগ সাত যোগ এক্স এর মান হবে পাঁচ দশমিক পাঁচ গুণ চার
যোগফলগুলোর হিসাব করলে পাই সতেরো যোগ এক্স
সুতরাং,
সতেরো যোগ এক্স সমান বাইশ
এক্স সমান বাইশ বিয়োগ সতেরো
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ১০ যোগ করলে যোগফল চার এর বর্গ হবে
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
চার এর বর্গ সমান চার গুণ চার সমান ষোল
সুতরাং,
সংখ্যার বর্গমূল যোগ দশ সমান ষোল
সংখ্যার বর্গমূল সমান ষোল বিয়োগ দশ সমান ছয়
উত্তর:
সংখ্যার বর্গ সমান ছয় গুণ ছয় সমান ছত্রিশ
সঠিক উত্তর: A) ০.০০০০২৭
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ০.৩
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০৩
তৃতীয় সংখ্যা = ০.০০৩
ধরি,
গুণ করার জন্য সংখ্যাগুলোর দশমিক বাদ দিয়ে পূর্ণসংখ্যা হিসেবে হিসাব করতে হবে
অতএব,
সংখ্যাগুলোর অংকগুলোর গুণফল = ৩ × ৩ × ৩ = ২৭
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যায় ১ ঘর, দ্বিতীয় সংখ্যায় ২ ঘর এবং তৃতীয় সংখ্যায় ৩ ঘর পর দশমিক আছে
উত্তর: মোট ১ + ২ + ৩ = ৬ ঘর পর দশমিক বসিয়ে পাই ০.০০০০২৭
সঠিক উত্তর: B) ৭০
প্রদত্ত তথ্য:
নির্ণেয় সংখ্যার সাথে ২ যোগ করলে যোগফল ১২, ১৮ এবং ২৪ দ্বারা বিভাজ্য হবে
ধরি,
নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ক
সংখ্যাটির সাথে ২ যোগ করলে যোগফল হবে ক + ২
অতএব,
ক + ২ সংখ্যাটি ১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু এর সমান হবে
১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু বের করতে হবে
সুতরাং,
১২, ১৮ এবং ২৪ এর লসাগু হলো ৭২
তাহলে ক + ২ = ৭২
উত্তর: ক = ৭২ − ২ = ৭০
সঠিক উত্তর: B) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ এবং ৬
সংখ্যা দুটির গসাগু ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ২০ এবং ২৪ এর লসাগু = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: A) PB = PD
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের জ্যা দুটি সমান অর্থাৎ AB = CD
জ্যা দুটি বৃত্তের ভেতরে P বিন্দুতে ছেদ করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা দুটির ওপর লম্ব টানা হলো
এই লম্ব জ্যা দুটিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে
অতএব,
AP অংশটি CP অংশের সমান হয়
পুরো AB জ্যা এবং CD জ্যা সমান হওয়ার কারণে অর্ধেক অংশগুলোও সমান হয়
সুতরাং,
পুরো জ্যা থেকে সমান অংশ বাদ দিলে বাকি অংশ সমান থাকে
উত্তর: PB = PD
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য হলো একটি নির্দিষ্ট মাপ
সরলরেখার এক চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য হলো মূল দৈর্ঘ্যের চার ভাগের এক ভাগ
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক
সরলরেখার এক চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক
এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (ক × ক) ÷ (ক × ক ÷ ১৬)
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ১৬
উত্তর: ১৬ গুণ
সঠিক উত্তর: B) ৩৫
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি রাশির যোগফল x + y = ১২
দুটি রাশির বিয়োগফল x − y = ২
ধরি,
প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ১২
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = ২
অতএব,
আমরা জানি বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত হলো xy = ((x + y) ÷ ২)² − ((x − y) ÷ ২)²
এখন মান বসিয়ে পাই,
(১২ ÷ ২)² − (২ ÷ ২)²
সুতরাং,
৬² − ১² = ৩৬ − ১ = ৩৫
উত্তর: ৩৫
সঠিক উত্তর: C) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
x + y = ৬
xy = ৮
আমরা জানি, বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানের সূত্র ব্যবহার করে পাই,
(x − y)২ = (x + y)২ − ৪xy
মান বসিয়ে পাই,
(x − y)২ = (৬)২ − ৪ × ৮
হিসাব করে পাই,
(x − y)২ = ৩৬ − ৩২
সুতরাং,
(x − y)২ = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) ৬ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
লঞ্চের গতিবেগ = ১৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের গতিবেগ = ৬ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪৮ কিমি
ধরি,
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ২৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ১২ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
স্রোতের অনুকূলে ৪৮ কিমি যেতে সময় লাগবে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে ৪৮ কিমি ফিরে আসতে সময় লাগবে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের সময় লাগবে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা
উত্তর: ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: C) সম্পূরক কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি কোণ পরস্পর সন্নিহিত কোণ
তাদের সমষ্টি দুই সমকোণ বা একশো আশি ডিগ্রি
ধরি,
প্রথম কোণটি = ক ডিগ্রি
দ্বিতীয় কোণটি = খ ডিগ্রি
অতএব,
শর্তানুসারে ক + খ = একশো আশি ডিগ্রি
দুটি কোণের যোগফল একশো আশি ডিগ্রি হলে তাদের সম্পর্ক বিশেষ নামে পরিচিত
সুতরাং,
геометри-এর নিয়ম অনুযায়ী এই কোণদ্বয়কে সম্পূরক কোণ বলা হয়
উত্তর: সম্পূরক কোণ
সঠিক উত্তর: A) ৩০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক ও খ একত্রে একটি কাজ করে ১২ দিনে
ক একা কাজটি করে ২০ দিনে
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ অংশ ধরা হলো
অতএব,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ
ক একা ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
খ একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০) অংশ = ২ ÷ ৬০ অংশ = ১ ÷ ৩০ অংশ
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: B) স্টিফেনসন
কেন সঠিক:
- জর্জ স্টিফেনসন ১৮১৪ সালে প্রথম সফল বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিন বা লোকোমোটিভ আবিষ্কার করেন।
- তার তৈরি 'রকেট' নামক ইঞ্জিনটি আধুনিক রেল ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এডিসন — টমাস এডিসন বৈদ্যুতিক বাল্ব ও ফোনোগ্রাফের আবিষ্কারক, রেল ইঞ্জিনের নন।
B) স্টিফেনসন — তিনি প্রথম সফল বাষ্পীয় রেল ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) জেমস ওয়াট — জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিনের কার্যকারিতা উন্নত করেছিলেন, রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক নন।
D) মোর্স — স্যামুয়েল মোর্স টেলিগ্রাফ যন্ত্র ও মোর্স কোডের আবিষ্কারক।
মনে রাখার টিপস:
রেলের স্টেশন থেকে স্টিফেনসন নাম মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) বাসস্থান
কেন সঠিক:
- বাসস্থান মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা এবং এটি স্থির জীবনযাত্রার প্রতীক, যা সরাসরি সামাজিক পরিবর্তন ঘটায় না।
- শিক্ষা, শিল্পায়ন এবং নগরায়ণ সমাজের কাঠামো, মূল্যবোধ ও মানুষের জীবনাচরণে গতিশীল পরিবর্তন আনে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিক্ষা — এটি মানুষের চিন্তাচেতনা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে সমাজের রূপান্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
B) শিল্পায়ন — এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে শহরে রূপান্তর করে মানুষের পেশা এবং জীবনযাত্রার মানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে।
C) বাসস্থান — এটি মানুষের বসবাসের স্থায়ী মাধ্যম, যা সামাজিক পরিবর্তনের কোনো চালিকাশক্তি বা সক্রিয় উপাদান নয়।
D) নগরায়ন — এটি মানুষের জীবনধারা, সংস্কৃতি ও পেশার পরিবর্তন ঘটিয়ে সামাজিক পরিবর্তনের গতি ত্বরান্বিত করে।
মনে রাখার টিপস:
সামাজিক পরিবর্তন মানেই প্রগতিশীল রূপান্তর; তাই বাসস্থান কোনো পরিবর্তনের উপাদান নয়, এটি কেবল জীবনধারণের স্থায়ী ঠাঁই।
সঠিক উত্তর: B) এরা স্ব–ভোজী
কেন সঠিক:
- শৈবাল ক্লোরোফিল বহনকারী উদ্ভিদ হওয়ায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রiyai নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
- নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারার এই বিশেষ জৈবিক বৈশিষ্ট্যের কারণে শৈবালকে স্বভোজী বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এরা পরজীবী — শৈবাল খাদ্যের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল নয়, কারণ এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকায় এরা নিজেরাই খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে।
B) এরা স্ব–ভোজী — এই অপশনটি সঠিক, কারণ শৈবাল সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে সক্ষম।
C) এরা এককোষী — শৈবাল কেবল এককোষী নয়, বহুর্কোষীও হতে পারে এবং এটি এদের প্রধান বা একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়।
D) এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে না — এই তথ্যটি ভুল, কারণ শৈবালের দেহে ক্লোরোফিল থাকে বলেই এরা সবুজ ও স্বভোজী হয়।
মনে রাখার টিপস:
শৈবাল মানেই সবুজ এবং সবুজ উদ্ভিদমাত্রই নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, অর্থাৎ এরা স্বভোজী।
সঠিক উত্তর: A) ৩ প্রকার
কেন সঠিক:
- মানুষের রক্ত প্রধানত রক্তরস বা প্লাজমা এবং রক্তকণিকা এই দুই ভাগে বিভক্ত, যার মধ্যে রক্তকণিকা তিন প্রকারের।
- এই তিন প্রকার রক্তকণিকা হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবদেহের রক্তকণিকা মূলত লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা এই তিন ভাগে বিভক্ত।
B) ৪ প্রকার — মানবদেহে চার ধরনের কোনো রক্তকণিকা নেই, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ২ প্রকার — দুই প্রকার হলো রক্তের প্রধান উপাদান (রক্তরস ও রক্তকণিকা), কিন্তু রক্তকণিকা নিজে দুই প্রকার নয়।
D) ৫ প্রকার — শ্বেত রক্তকণিকার প্রকারভেদ পাঁচ প্রকার হলেও সামগ্রिक রক্তকণিকা পাঁচ প্রকার নয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্তকণিকার সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন লোহা, শ্বেত ও অনু অর্থাৎ লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা।
সঠিক উত্তর: B) বেল ল্যাব
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এটিঅ্যান্ডটি কোম্পানির বেল ল্যাবরেটরিজে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমটি উদ্ভাবন করা হয়।
- এর প্রধান উদ্ভাবক ছিলেন কেন থম্পসন এবং ডেনিস রিচি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনটেল — এটি মাইক্রোপ্রসেসর ও সেমিকন্ডাক্টর তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও ইউনিক্স উদ্ভাবন করেনি।
B) বেল ল্যাব — এটি হলো সঠিক উত্তর যা ১৯৬৯ সালে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে।
সি) আই বি এম — এটি কম্পিউটার ও প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারক মার্কিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান, ইউনিক্সের উদ্ভাবক নয়।
ডি) মাইক্রোসফট — এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা, যা ইউনিক্স তৈরির সাথে যুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইউনিক্সের সাথে বেল ল্যাব এবং এর উদ্ভাবক ডেনিস রিচির নাম একসাথে মনে রাখুন।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: B) সবুজ ও কমলা
কেন সঠিক:
- রংধনুর সাতটি রঙের ক্রম হলো বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
- হলুদ রঙের ঠিক আগের রঙ সবুজ এবং ঠিক পরের রঙ কমলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুজ ও লাল — লাল রঙ সবুজের পাশের রঙ নয়, এটি রংধনুর একেবারে শেষ প্রান্তে থাকে।
B) সবুজ ও কমলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দুটি রঙই হলুদ রঙের ঠিক দুই পাশে অবস্থান করে।
C) নীল ও কমলা — নীল রঙ হলুদ থেকে দুটি ঘর দূরে অবস্থিত, তাই এটি সঠিক নয়।
D) বেগুনী ও লাল — এই দুটি রঙ রংধনুর দুটি বিপরীত প্রান্তের একদম শেষের রঙ।
মনে রাখার টিপস:
রংধনুর ক্রম মনে রাখার সহজ শব্দ হলো বনীআসহকলা, যেখানে হ (হলুদ)-এর আগে ব (সবুজ) এবং পরে ক (কমলা) রয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) ক্লোরিন
কেন সঠিক:
- কলের পানিতে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও জীবাণু ধ্বংস করতে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়।
- পানি বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়ায় ক্লোরিন বা এর যৌগ প্রধান জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রোমিন — এটি একটি বিষাক্ত অধাতু এবং তরল হ্যালোজেন, যা সাধারণত জীবাণুনাশক হিসেবে পানি সরবরাহে ব্যবহার করা হয় না।
B) আয়োডিন — এটি থাইরয়েড হরমোনের জন্য প্রয়োজনীয় এবং লবণে মেশানো হয়, তবে কলের পানি বিশুদ্ধকরণের প্রধান রাসায়নিক উপাদান এটি নয়।
C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে থাকা একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা পানি জীবাণুমুক্ত করার কাজে ব্যবহার করা হয় না।
D) ক্লোরিন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং পানিকে রোগজীবাণুমুক্ত রাখতে এটি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কলের পানি জীবাণুমুক্ত করার সহজ চাবিকাঠি হলো ক্লোরিন।
সঠিক উত্তর: D) জুল
কেন সঠিক:
- বল প্রয়োগের ফলে বস্তুর সরণ ঘটলে যে কাজের সৃষ্টি হয় তার এসআই একক হলো জুল।
- কাজের সূত্র হলো বল গুণ সরণ, যার একক নিউটন মিটার এবং একে জুল বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াট — এটি ক্ষমতার একক, কাজের একক নয়।
B) নিউটন — এটি বলের একক, কাজের একক নয়।
C) জুল/সেকেন্ড — এটি ক্ষমতার একক বা প্রতি সেকেন্ডে কাজের পরিমাণ নির্দেশ করে।
D) জুল — এটি কাজের সঠিক এবং প্রমিত একক।
মনে রাখার টিপস:
কাজ করার সামর্থ্য হলো শক্তি এবং শক্তি ও কাজের একক একই অর্থাৎ জুল।
সঠিক উত্তর: A) মেরু অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং বিষুবীয় অঞ্চলে সামান্য স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা।
- কেন্দ্র থেকে দূরত্বের কারণে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয়, তাই বস্তুর ওজনও সেখানে বেশি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি হয়।
B) খনির ভিতরে — খনির গভীরে গেলে পৃথিবীর কেন্দ্রের কাছাকাছি যাওয়া হয়, কিন্তু ভরের আকর্ষণ কমে যাওয়ায় ওজন কমে যায়।
C) বিষুব অঞ্চলে — বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম এবং বস্তুর ওজনও কম হয়।
D) পাহাড়ের উপর — পাহাড়ের উপর ভূপৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব বাড়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কমে যায়, ফলে বস্তুর ওজনও হ্রাস পায়।
মনে রাখার টিপস:
পৃথিবী মেরুতে চাপা বলে সেখানে ব্যাসার্ধ কম, আর তাই ওজন সবচেয়ে বেশি।
সঠিক উত্তর: C) সিলিকন
কেন সঠিক:
- সৌরকোষ তৈরিতে প্রধান অর্ধপরিবাহী উপাদান হিসেবে সিলিকন ব্যবহার করা হয়।
- সিলিকন সূর্যালোকের ফোটন কণাকে শোষণ করে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফসফরাস — এটি মূলত সিলিকন চিপে ডোপিং করার কাজে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি সৌরকোষ তৈরি করতে নয়।
B) ক্যাডমিয়াম — এটি নির্দিষ্ট ধরণের পাতলা ফিল্ম সৌরকোষে ব্যবহৃত হলেও সাধারণ সৌরকোষের প্রধান উপাদান নয়।
D) এলুমিনিয়াম ফয়েল — এটি সৌরকোষের পেছনের তড়িৎদ্বার বা ধারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কোষের মূল উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
সৌরকোষ বা সোলার প্যানেলের মূল চালিকাশক্তি হলো সিলিকন।
সঠিক উত্তর: B) আলোর বিক্ষেপণ
কেন সঠিক:
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় বায়ুমণ্ডলের কণাগুলোর দ্বারা কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের নীল আলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল আলো আমাদের চোখে আসে।
- আলোর এই বিক্ষেপণ বা Rayleigh scattering-এর কারণে আকাশ ও গোধূলিলগ্নে দিগন্ত লালিমাময় দেখায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোর প্রতিফলন — আলোর প্রতিফলন হলো আলোক রশ্মির কোনো তলে বাধা পেয়ে ফিরে আসা, যা গোধূলির কারণ নয়।
B) আলোর বিক্ষেপণ — এটিই সঠিক কারণ, কারণ আলো বায়ুমণ্ডলের কণার সাথে ধাক্কা খেয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
C) আলোর প্রতিসরণ — আলোর প্রতিসরণ হলো মাধ্যম পরিবর্তনের কারণে রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গোধূলি ও আকাশের নীল রঙের মূল চাবিকাঠি হলো আলোর বিক্ষেপণ।
সঠিক উত্তর: D) আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে
কেন সঠিক:
- বরফের কোনো নিজস্ব বর্ণ নেই, এটি এর ওপর আপতিত আলোর সব তরঙ্গদৈর্ঘ্য সমানভাবে প্রতিফলিত করে।
- আলোর সব রঙ একসাথে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে বরফকে সাদা দেখায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরফ এমনিতেই সাদা — বরফের নিজস্ব কোনো সাদা রঙ নেই, আলোর প্রতিফলনের কারণেই এটি এমন দেখায়।
B) আলোর বেগুনি রশ্মি শোষণ করে — বরফ বেগুনি রশ্মি শোষণ করে না, বরং দৃশ্যমান আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে।
C) আলোর লাল ও হলুদ রশ্মি শোষণ করে — বরফ নির্দিষ্ট কোনো রঙ শোষণ না করে সমস্ত দৃশ্যমান আলো সমানভাবে প্রতিফলিত করে।
D) আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে — এটি সঠিক কারণ বরফের ওপর আলো পড়লে তা কোনো রঙ শোষণ না করে সব আলোই প্রতিফলিত করে।
মনে রাখার টিপস:
সব আলো সমানভাবে ফেরত বা প্রতিফলন ঘটালেই যেকোনো বস্তুকে সাদা দেখায়, বরফের ক্ষেত্রেও ঠিক এই ঘটনাটি ঘটে।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) শ্রীলংকায়
কেন সঠিক:
- Adam’s Peak বা শ্রীপাদ শ্রীলংকার কেন্দ্রীয় উচ্চভূমিতে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পবিত্র পাহাড় ও তীর্থস্থান।
- এই পাহাড়টি বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্রীলংকায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তীর্থস্থানটি এখানেই অবস্থিত এবং এর চূড়ায় একটি পবিত্র পদচিহ্ন রয়েছে।
B) ভারতে — এটি ভুল অপশন, কারণ ভারত তীর্থস্থানের জন্য পরিচিত হলেও Adam’s Peak ভারতে অবস্থিত নয়।
C) ইন্দোনেশিয়ায় — এটি ভুল অপশন, কারণ ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত হলেও এই নির্দিষ্ট তীর্থস্থানটি এখানে নেই।
D) ভিয়েতনামে — এটি ভুল অপশন, কারণ ভিয়েতনামের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে এই তীর্থস্থানটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
শ্রীলংকার পবিত্র পাহাড় Adam’s Peak মনে রাখতে নামের সাথে লংকা যুক্ত করে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) গোবিন্দলাল ও রোহিনী
কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত "কৃষ্ণকান্তের উইল" উপন্যাসের মূল কেন্দ্রীয় চরিত্র গোবিন্দলাল ও রোহিনী।
- এই দুই চরিত্রের অবৈধ প্রেম এবং এর পরিণতির ঘাত-প্রতিঘাত নিয়েই উপন্যাসটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোবিন্দলাল ও রোহিনী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এরা কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
B) সুরেশ ও অচলা — এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
C) মধুসূনদ ও কুমুদিনি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
D) নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী — এটি বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্র।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষের প্রধান চরিত্র নগেন্দ্রনাথ-কুন্দনন্দিনী আর কৃষ্ণকান্তের উইলের প্রধান চরিত্র গোবিন্দলাল-রোহিনী।
সঠিক উত্তর: C) সুদানের একটি অঞ্চলের নাম
কেন সঠিক:
- দারফুর আফ্রিকা মহাদেশের দেশ সুদানের একটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল।
- অঞ্চলটি একসময় সুদানের দারফুর সংঘাতের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইরাকের একটি শহরের নাম — এটি ভুল কারণ দারফুর ইরাকের কোনো শহর বা অঞ্চল নয়।
B) ইরানের একটি শহরের নাম — এটি ভুল কারণ দারফুর ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ভৌগোলিক অবস্থান নয়।
C) সুদানের একটি অঞ্চলের নাম — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত উত্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) আফগানিস্তানের একটি অঞ্চলের নাম — এটি ভুল কারণ দারফুর আফগানিস্তানের কোনো অঞ্চল বা স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
দারফুর শব্দটির সঙ্গে সুদান দেশকে মনে রাখুন, কারণ দারফুর সংকট মূলত সুদানের সঙ্গেই যুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) CIRDAP
কেন সঠিক:
- CIRDAP একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান যার পূর্ণরূপ হলো সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক।
- এই প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) APEC — এটি একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদর দপ্তর সিঙ্গাপুরে অবস্থিত, ঢাকায় নয়।
B) ADB — এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক একটি আঞ্চলিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যার সদর দপ্তর ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অবস্থিত।
C) SAARC — দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যার সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
D) CIRDAP — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
গ্রামীণ উন্নয়ন বা CIRDAP বললেই মনে রাখবে এর হেডকোয়ার্টার বা সদর দপ্তর আমাদের রাজধানী ঢাকাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) মারজিয়া ইসলাম
কেন সঠিক:
- মারজিয়া ইসলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম নারী কর্মকর্তা হিসেবে কৃতিত্বের সঙ্গে সোর্ড অব অনার অর্জন করেন।
- বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির দীর্ঘ প্রশিক্ষণ শেষে সেরা ক্যাডেটকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারজিয়া ইসলাম — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম নারী ক্যাডেট হিসেবে সোর্ড অব অনার লাভ করেছেন।
B) রাজিয়া সুলতানা — তিনি উপমহাদেশের প্রথম ও একমাত্র মুসলিম নারী শাসক ছিলেন, সামরিক এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) তারামন বিবি — তিনি ১৯৭১ সালের একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা, এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) রহিমা বেগম — এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কোনো ঐতিহাসিক বা সামরিক অর্জনধারী উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব নন।
মনে রাখার টিপস:
সোর্ড অব অনার অর্জনের ক্ষেত্রে প্রথম নারী মারজিয়া ইসলাম নামটি মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে 'ম' দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুন্ড্রবর্ধন ভূখণ্ডের রাজধানী পুন্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় নামক ঐতিহাসিক স্থানে আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম নগরী হিসেবে প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে প্রমাণিত এবং মৌর্য, গুপ্ত ও সেন আমলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন সমতট অঞ্চলের বৌদ্ধ সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, যা পুন্ড্রনগর নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার সেন ও চন্দ্র রাজবংশের রাজধানী এবং সাহিত্য সংস্কৃতির একটি প্রধান কেন্দ্র ছিল।
C) মহাস্থানগড় — এটি প্রাচীন পুন্ড্রনগর হিসেবে প্রমাণিত এবং সঠিক উত্তর হিসেবে এখানে বিবেচিত হয়েছে।
D) পাহাড়পুর — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত পাল রাজবংশের আমলে নির্মিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
মনে রাখার টিপস:
পুন্ড্রনগর মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রথম ও প্রাচীনতম রাজধানী।
সঠিক উত্তর: B) একটি চিত্রকর্ম
কেন সঠিক:
- ম্যাডোনা-৪৩ হলো বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের আঁকা একটি অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম।
- সুলতান তাঁর শিল্পকর্মে গ্রামীণ জনপদ ও খেটে খাওয়া মানুষের পাশাপাশি এই বিশেষ চিত্রকর্মটি ফুটিয়ে তুলেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রখ্যাত মডেল — ম্যাডোনা-৪৩ কোনো ব্যক্তি বা মডেল নয়, এটি একটি শিল্পকর্ম।
B) একটি চিত্রকর্ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ ম্যাডোনা-৪৩ একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
C) একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য — এটি কোনো ত্রিমাত্রিক ভাস্কর্য নয়, বরং ক্যানভাসে আঁকা চিত্রকর্ম।
D) অস্কার বিজয়ী ফিল্ম — এটি কোনো চলচ্চিত্র নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাডোনা-৪৩ দেখলে মনে রাখবে এটি চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
সঠিক উত্তর: C) চাঁদপুর
কেন সঠিক:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্যীকার অঙ্গীকার চাঁদপুর জেলার রক্তিম প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- এই ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেহেরপুর — মেহেরপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ অবস্থিত, অঙ্গীকার ভাস্কর্য নয়।
B) জয়দেবপুর — জয়দেবপুরে বা গাজীপুরে স্বাধীন ভাস্কর্য বা অন্য স্মৃতিচিহ্ন আছে, অঙ্গীকার নেই।
C) চাঁদপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং অঙ্গীকার ভাস্কর্য এখানেই অবস্থিত।
D) রংপুর — রংপুরে স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যান্য স্মারক বা ভাস্কর্য রয়েছে, অঙ্গীকার এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
চাঁদপুরের অঙ্গীকার, রক্ষা করে স্মৃতির মিনার।
সঠিক উত্তর: D) যশোরে
কেন সঠিক:
- ভবদহ বিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার অভয়নগর ও মণিরামপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি এই অঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জলাবদ্ধতা সংকটে জর্জরিত প্রাকৃতিক জলাভূমি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফরিদপুরে — এটি ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ ফরিদপুরে পদ্মার তীরবর্তী অন্যান্য বিল ও চর রয়েছে।
B) জামালপুরে — এটি জামালপুর জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ জামালপুর অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার বিল রয়েছে।
C) পটুয়াখালীতে — এটি পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত নয়, কারণ পটুয়াখালী উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ার-ভাটার নদী ও কাপ্তাই বা অন্য কোনো বিখ্যাত বিল নেই।
D) যশোরে — এটি সঠিক অঞ্চল নির্দেশ করে, কারণ ভবদহ বিল যশোর জেলার জলাবদ্ধতার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
যশোরের ভয়ংকর জলাবদ্ধ বিলের নাম "ভবদহ"।
সঠিক উত্তর: C) অভ্যন্তরীণ
কেন সঠিক:
- 'অভ্যন্তরীণ' শব্দটি গঠনে ব্যাকরণের সঠিক নিয়ম ও প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এখানে অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে ঈয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক নত্ব বিধান অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আভ্যন্তরীণ — এই বানানে আদিতে আ যুক্ত করায় এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এটি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ।
B) আভ্যন্তরীন — এই বানানে বানানের গঠন ভুল এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী অশুদ্ধ।
C) অভ্যন্তরীণ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম অনুসারে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) অভ্যন্তরীন — এই বানানে শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে ঈয় যুক্ত করলে সব সময় শেষের ন-এ হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য-ণ হয়।
সঠিক উত্তর: A) দিকদর্শন
কেন সঠিক:
- এটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা মাসিক সাময়িকপত্র।
- এটি মূলত জ্ঞানগর্ভ ও শিক্ষামূলক প্রবন্ধ প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক সাময়িকপত্র হিসেবে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিকদর্শন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র বা মাসিক পত্রিকা।
B) বঙ্গদর্শন — এটি ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক সম্পাদিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাসিক পত্রিকা, যা প্রথম সাময়িকপত্র নয়।
C) তত্ত্ববোধিনী — এটি ১৮৪৩ সালে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক প্রবর্তিত ও অক্ষয়কুমার দত্ত সম্পাদিত তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র।
D) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক সংবাদপত্র, সাময়িকপত্র নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম সাময়িকপত্র মনে রাখতে দিকদর্শন শব্দটি মনে রাখুন, কারণ দিক মানে পথ আর এটিই সাময়িকপত্রের পথ দেখিয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) উপন্যাস
কেন সঠিক:
- কাশবনের কন্যা শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে গ্রামীণ জনপদ ও মানুষের জীবন সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি কোনো নাটক নয়, কারণ এতে দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী সংলাপ ও অঙ্কের বিন্যাস নেই।
B) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি সাহিত্যকর্ম।
সি) ছোটগল্প — এটি ছোটগল্প নয়, কারণ এর পরিসর ও চরিত্রের পরিধি একটি ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড়।
D) উপন্যাস — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস।
মনে রাখার টিপস:
শামসুদ্দীন আবুল কালামের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন কাশবনের কন্যা একটি উপন্যাস।
সঠিক উত্তর: B) সাত সাগরের মাঝি–ফররুখ আহমদ
কেন সঠিক:
- এই কাব্যে ইসলামের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং মুসলিম জাহানের গৌরবোজ্জ্বল অতীত শিল্পসম্মতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
- কবি ফররুখ আহমদকে বাংলা কাব্যে ইসলামী রেনেসাঁ বা জাগরণের কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিলরুবা-আব্দুল কাদির — এটি আবদুল কাদিরের একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলেও এর উপজীব্য ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নয়।
B) সাত সাগরের মাঝি–ফররুখ আহমদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) নুরনামা-আব্দুল হাকিম — এটি মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমের একটি নৈতিক ও ধর্মীয় উপদেশমূলক পুথি, যা আধুনিক কাব্য নয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাত সাগরের মাঝি কাব্য দেখলে মনে রাখবে মাঝির মতো সাগর পাড়ি দিয়ে ইসলামী ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন কবি ফররুখ আহমদ।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)