সঠিক উত্তর: A) নতুন শব্দ গঠন
১. কেন সঠিক:
প্রত্যয় হলো এমন কিছু ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যা শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
ভাষা সমৃদ্ধ করার প্রধান মাধ্যম হলো নতুন শব্দ তৈরি করা এবং প্রত্যয় এই কাজটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রকৃতির সাথে বা শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন পদ বা শব্দ তৈরি করা হয়।
ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সাথে যা যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি
ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' ধাতুর সাথে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঢাকা' শব্দের সাথে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন তদ্ধিতান্ত শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নতুন শব্দ গঠন — এটি সঠিক কারণ প্রত্যয়ের মূল কাজই হলো নতুন শব্দ তৈরি করা।
B) বাক্যে অলঙ্কার — এটি ভুল কারণ অলঙ্কার তৈরির কাজ মূলত অলংকার শাস্ত্র ও বাকালংকার যেমন অনুপ্রাস বা উপমার।
C) শব্দের মিলন — এটি ভুল কারণ শব্দের মিলন ঘটায় সমাস বা সন্ধি, প্রত্যয় নয়।
D) ভাষা সংক্ষেপণ — এটি ভুল কারণ ভাষা সংক্ষেপণ বা পিন্ডীভূত করার কাজ মূলত সমাসের।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রত্যয় মানেই নতুন শব্দের প্রত্যয়ন বা সৃষ্টি। ধাতু বা শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করাই এর একমাত্র কাজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দকে কৃদন্ত পদ এবং তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দকে তদ্ধিতান্ত পদ বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো চিহ্নিত করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) রায় গুণাকর
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য অংশের অন্তর্ভুক্ত। মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় তাঁর কবিকীর্তি ও রাজসভার অবদানের জন্য নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে রায় গুণাকর উপাধি লাভ করেছিলেন। এই উপাধিটি তাঁর নামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর মূল নামের চেয়ে এই উপাধিতেই বেশি প্রশ্ন আসে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে এবং মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে তিনি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি কবি ভারতচন্দ্র রায়ের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম, যা তিনটি খণ্ডে বিভক্ত।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশ বা মধ্যখণ্ড হিসেবে প্রকাশিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রায় গুণাকর - এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি ভারতচন্দ্র রায় নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় থেকে এই উপাধি পেয়েছিলেন।
B) কবিকন্ঠহার - এটি কবি ভারতচন্দ্রের উপাধি নয়, এটি অন্য কোনো মধ্যযুগের কবি বা পণ্ডিতে ব্যবহৃত বিশেষ উপাধি।
C) কবিকঙ্কন - এটি মধ্যযুগের আরেকজন শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি, ভারতচন্দ্রের নয়।
D) কবিররঞ্জন - এটি মধ্যযুগের কবি রামপ্রসাদ সেন কিংবা অন্য কোনো সাহিত্যিকের উপাধি, যা ভারতচন্দ্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভারতচন্দ্রের নামের শেষে রায় আছে এবং তাঁর উপাধির মধ্যেও রায় গুণাকর আছে। তাই রায় শব্দ মিলিয়ে এই উপাধিটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবিদের উপাধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। যেমন মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি কবিকঙ্কন এবং ভারতচন্দ্রের উপাধি রায় গুণাকর, এই দুটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পর + পর = পরস্পর
কেন সঠিক:
১. এই সন্ধিটি সাধারণ কোনো ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয়নি।
২. ব্যাকরণের নিয়ম বহির্ভূতভাবে গঠিত হওয়ায় একে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে সকল সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, তাদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
২. বাংলা ব্যাকরণে এই জাতীয় শব্দগুলো প্রাচীনকাল থেকে যেভাবে প্রচলিত আছে, সেভাবেই গ্রহণ করা হয়েছে।
৩. যেমন পর এবং পর যুক্ত হয়ে পরস্পর শব্দটি গঠিত হয়, যা নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর + পর = পরস্পর — এটি সঠিক অপশন এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি বিশেষ উদাহরণ।
B) বাক + দান = বাগদান — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম বর্গের ক এর স্থানে তৃতীয় বর্গের গ হয়ে সাধিত হয়েছে।
C) উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে চ ছ যুক্ত হওয়ার নিয়ম মেনেছে।
D) সম + সার = সংসার — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পরে দন্ত স থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হওয়ার নিয়ম মেনেছে।
মনে রাখার টিপস:
১. যেসব শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার পর সাধারণ নিয়ম মেলানো যায় না, সেগুলো সাধারণত নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
২. পরস্পর, গোষ্পদ, তস্কর, বৃহস্পতি ইত্যাদি শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্ত রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কাঁদ + উনি
১. কেন সঠিক:
- কাঁদ শব্দের সঙ্গে উনি প্রত্যয় বা ধ্বনি যুক্ত হয়ে কাঁদুনি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- এখানে নি প্রত্যয় যোগ সাধনের প্রক্রিয়ায় উনি রূপ ধারণ করেছে, যা বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের একটি বিশেষ গঠনরীতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দ গঠন ও প্রত্যয় যোগের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া।
- কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দে অনেক সময় মূল ধাতুর সঙ্গে বিশেষ অনুসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাদ + উনি = চাদনি
ব্যাখ্যা: মূল শব্দের সঙ্গে উনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হওয়ার আরেকটি প্রচলিত উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: মাতাল + উনি = মাতালুনি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ধরনের প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁদ + নি — এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি নি প্রত্যয় যোগ করলে কাঁদুনি হয় না, কারণ এখানে মূল ধ্বনির রূপ পরিবর্তন ঘটে।
B) কাঁদো + উনি — এখানে কাঁদ ধাতুর সঙ্গে ও প্রত্যয় যুক্ত করে কাঁদো করা হয়েছে, যা সঠিক মূল ধাতু নয়।
C) কাঁদ + ইনি — এখানে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে, যা কাঁদুনি শব্দের গঠনের সঙ্গে মিলে না।
D) কাঁদ + উনি — এটি সঠিক কারণ কাঁদ ধাতুর সঙ্গে উনি যুক্ত হয়ে কাঁদুনি গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাঁদুনি শব্দের শেষে উনি ধ্বনি আছে কি না তা খেয়াল রাখবে।
- ধাতু চেনার সময় ক্রিয়ার মূল রূপ কাঁদ এবং প্রত্যয় হিসেবে উনি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মূল ধাতু এবং প্রত্যয় আলাদা করার সময় শব্দের অন্ত্যধ্বনির পরিবর্তন লক্ষ্য করতে হয়।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) করণে ষষ্ঠী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে যার সাহায্যে বা যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে।
- এখানে কালির সাহায্যে দাগ দেওয়ার কাজটি সম্পন্ন হওয়ায় কালির শব্দটি করণ কারক এবং এর সাথে র বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলা হয়।
- শব্দের সাথে র বা এর বিভক্তি যুক্ত হলে তা ব্যাকরণ অনুযায়ী ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার উপকরণ বা মাধ্যম বোঝাতে কলমে শব্দটিতে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
উদাহরণ ২: লাঠিতে কাজ হয়।
ব্যাখ্যা: কাজের সহায়ক মাধ্যম বোঝাতে লাঠিতে শব্দটিতে করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণে শূন্য — স্থান বা কাল বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং কোনো বিভক্তি না থাকলে শূন্য বিভক্তি হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অপাদানে শূন্য — কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
C) করণে ষষ্ঠী — সঠিক উত্তর, কারণ এখানে কালি একটি উপকরণ এবং এর সাথে র বিভক্তি যুক্ত রয়েছে।
D) কর্মে ২য়া — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে এবং এতে সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তি হয় যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক হয়।
- শব্দের শেষে র বা এর থাকলে তা সাধারণত ষষ্ঠী বিভক্তি নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের সাথে যুক্ত বিভক্তি চিহ্নিত করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে চোখ বন্ধ করে করণ কারক দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
১. কেন সঠিক:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ক্রিয়ার বিনিময় অর্থে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই বা যুদ্ধ, তা বোঝাতেই লাঠালাঠি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েই একই কাজ বা ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় প্রকাশ করে, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- এই সমাসের ব্যাসবাক্যে সাধারণত পূর্বপদের সাথে এবং পরপদের সাথে এ বা তে যুক্ত হয় এবং মাঝখানে পরস্পর বা বিনিময় বোঝাতে আ যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কানাকানি
ব্যাখ্যা: কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ দুজনের মধ্যে গোপনে কথা বলার পারস্পরিক বিনিময় বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
উদাহরণ ২: হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, অর্থাৎ দুই পক্ষের মধ্যে হাত দিয়ে মারামারির পারস্পরিক বিনিময় বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ যদি কৃৎ বা নামপদের পূর্বে যুক্ত হয়ে সমাস গঠন করে, তবে তাকে প্রাদি সমাস বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে লাঠিতে লাঠিতে যে মারামারি বা পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝানো হয়েছে।
C) তৎপুরুষ সমাস — পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যদি পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে, কিন্তু এখানে পদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
D) কর্মধারয় সমাস — বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সাথে পরপদের যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারায় সমাস বলে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের মাঝে যদি আ ধ্বনি এবং শেষে ই ধ্বনি থাকে এবং একই শব্দের দ্বিরুক্তি বোঝায়, তবে তা সাধারণত ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
- যেমন লাঠালাঠি, হাতাহাতি, কোলাকুলি ইত্যাদি শব্দ দেখলেই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেখানে শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
- একই নিয়মে কুসংস্কৃতি বা অন্য কোনো জটিল সমাসের সাথে একে গুলিয়ে না ফেলে পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অস্তিত্ব
১. কেন সঠিক:
সত্ত্ব শব্দের মূল অর্থ হলো সত্তা, উপস্থিতি বা অস্তিত্ব। এটি সাধারণত কোনো বস্তুর বা জীবের মূল সত্তা বা মূল রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বহু তৎসম শব্দ রয়েছে যার রূপ ও অর্থ সংস্কৃত ব্যাকরণ এবং অভিধান অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এখানে সত্ত্ব শব্দটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা বিভক্তির অধীনে না থেকে সরাসরি এর আভিধানিক অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানব সত্ত্ব
ব্যাখ্যা: এখানে মানব সত্ত্ব বলতে মানুষের ভেতরের মূল অস্তিত্ব বা সত্তাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্বত্বাধিকার
ব্যাখ্যা: স্বত্ব শব্দের অর্থ অধিকার, যা সত্ত্ব শব্দের সাথে প্রায়ই উচ্চারণে ও বানানে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্য — নিত্য শব্দের অর্থ সর্বদা বা প্রতিদিন, যা সত্ত্বের অর্থের সাথে মেলে না।
B) সাধু — সাধু শব্দের অর্থ সৎ ব্যক্তি বা প্রাকৃতজন, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) শুভ — শুভ শব্দের অর্থ মঙ্গল বা ভালো, যা অস্তিত্ব বোঝায় না।
D) অস্তিত্ব — এটিই সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
সত্ত্ব মানে সত্তা বা অস্তিত্ব, এভাবে মিলিয়ে পড়লে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে সত্ত্ব এবং স্বত্ব দুটি সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানানের ভিন্নতার কারণে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের প্রশ্ন আসে। সত্ত্ব এবং স্বত্ব শব্দ দুটির অর্থ আলাদা, তাই পরীক্ষার হলে সাবধানে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গুজব
১. কেন সঠিক:
- গুজব একটি অননুমোদিত, ভিত্তিহীন ও মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া খবর বা রটনা বোঝায়।
- সংবাদ, সন্দেশ এবং বার্তা হলো সত্য ঘটনা, তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা গুজবের বিপরীত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- এখানে সংবাদ, সন্দেশ এবং বার্তা শব্দগুলো কোনো না কোনো তথ্য বা খবরের প্রকাশ ঘটায়, পক্ষান্তরে গুজব হলো অসত্য বা যাচাই না করা তথ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপবাদ
ব্যাখ্যা: এটি কোনো সত্য তথ্য নয়, বরং কারো বিরুদ্ধে আনীত ভিত্তিহীন অভিযোগ যা গুজবের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: জনশ্রুতি
ব্যাখ্যা: মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত কথা, যার সত্যতা সবসময় নিশ্চিত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুজব — এটি সত্য বা নিশ্চিত কোনো তথ্য নয়, তাই এটি অন্য তিনটি শব্দের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) সংবাদ — এটি একটি সঠিক তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা বার্তা ও সন্দেশের সঙ্গে মেলে।
C) সন্দেশ — এটি খবর বা সংবাদ অর্থে ব্যবহৃত একটি প্রমিত শব্দ, যা বার্তা ও সংবাদের সমার্থক।
D) বার্তা — এটিও কোনো তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা সংবাদ ও সন্দেশের সমকক্ষ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংবাদ, সন্দেশ ও বার্তা হলো খবরের তিন ভাই, আর গুজব হলো তাদের অসত্য ও দুষ্টু প্রতিবেশী।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় ভালো খবর ও রটনার পার্থক্য মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব ও প্রমিত রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হয়।
- ভিত্তিহীন তথ্য এবং সত্য তথ্যের পার্থক্য বুঝতে পারলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ইমাম হোসেন
১. কেন সঠিক:
বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার কেন্দ্রীয় চরিত্র বা নায়ক হলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.)। কারবালার প্রান্তরে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অসামান্য ত্যাগ এবং বীরত্ব এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হওয়ায় তিনি এর প্রধান নায়ক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক যিনি ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়ার পদমদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার সর্বশ্রেষ্ঠ ও অমর সাহিত্যকর্ম হলো বিষাদ সিন্ধু যা ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিনটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা: এটি কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মহাকাব্যধর্মী রচনা যেখানে ঐতিহাসিক পটভূমি ও ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রত্নাবলী
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি নাটক যা তার নাট্যকার পরিচয়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইমাম হাসান — তিনি ইমাম হোসেনের বড় ভাই ছিলেন কিন্তু বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের মূল ঘটনা কারবালার যুদ্ধ ও ইমাম হোসেনের শাহাদাতকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হওয়ায় তিনি প্রধান নায়ক নন।
B) সীমার — সে কারবালার প্রান্তরের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও খল চরিত্র এবং ইমাম হোসেনের হত্যাকারীদের মধ্যে অন্যতম তাই সে এই উপন্যাসের নায়ক হতে পারে না।
C) এজিদ — সে কারবালার যুদ্ধের সময় উমাইয়া খলিফা এবং এই উপন্যাসের প্রধান খলনায়ক বা প্রতিপক্ষ তাই তাকে নায়ক বলা যায় না।
D) ইমাম হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির সম্পূর্ণ কাহিনী তার জীবন, সংগ্রাম ও কারবালায় আত্মত্যাগের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের মূল ট্র্যাজেডি কারবালার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এবং এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন হজরত ইমাম হোসেন (রা.)। তাই কারবালা ও ইমাম হোসেন নাম দুটি মনে রাখলেই এই উপন্যাসের নায়ক সহজেই চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন এবং এটি তিন খণ্ডে সমাপ্ত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই উপন্যাসের খণ্ডগুলোর নাম বা লেখকের পরিচয় জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) লালসালু
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী বালিকা বধু জমিলা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত লালসালু উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী চরিত্র।
- এই উপন্যাসে জমিলা হলো মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী, যে অন্ধ ধর্মীয় গোঁড়ামি ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশ করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- লালসালু উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং এটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং সর্বগ্রাসী শোষণের এক নিপুণ শৈল্পিক রূপায়ণ হলো এই সামাজিক উপন্যাসটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খালেক ব্যাপারী
ব্যাখ্যা: এটিও লালসালু উপন্যাসের একটি প্রভাবশালী গ্রামীণ মোড়ল চরিত্র।
উদাহরণ ২: আমেনা
ব্যাখ্যা: এটি লালসালু উপন্যাসের মজিদের প্রথম স্ত্রী চরিত্র, যে সমাজের ভয়ে ভীত ও নিষ্ক্রিয় থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপুর সংসার — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস পথের পাঁচালী বা অপরাজিত ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এর প্রধান চরিত্র অপু ও দুর্গা।
B) লালসালু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।
C) গাভীর বৃত্তান্ত — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হলেও এতে জমিলা চরিত্র নেই।
D) চাঁদের অমাবস্যা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র শিক্ষক আরেফ আলী।
৫ মনে রাখার টিপস:
লালসালু উপন্যাসের প্রতিবাদী নারী চরিত্র মানেই জমিলা এবং এর লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
পরীক্ষায় জমিলা চরিত্রটি আসলে চোখ বন্ধ করে লালসালু উপন্যাস দাগাতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব ও কুসংস্কারের চিত্র বুঝতে লালসালু উপন্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- চতুরঙ্গ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এটি ১৯১৫ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব অপরিসীম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
- চতুরঙ্গ উপন্যাসে শ্রীবিলাস, শচীশ, পুরন্দর ও হেমাঙ্গিনী চরিত্রের মাধ্যমে তৎকালীন বুদ্ধিজীবী সমাজের চিন্তাধারা ও ধর্মীয় দ্বিধাদ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
উদাহরণ ২: চোখের চশমা নয়, চোখের আলো
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলো মূলত মানুষের অন্তর্জগত ও সামাজিক মনস্তত্ত্বের গভীর পর্যবেক্ষণের দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুরঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) চর্তুদশ — এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রসিদ্ধ সাহিত্যকর্ম নয়, বরং বানানগত দিক থেকেও এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ শব্দ।
C) চতুষ্কোণ — এটি জ্যামিতিক একটি আকৃতির নাম, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাসের নাম নয়।
D) চতুষ্পাঠী — এটি প্রাচীনকালের টোল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো সাহিত্যিক গ্রন্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখতে এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো: চোখের বালি, গোরা, চতুরঙ্গ ও শেষের কবিতা।
- উপন্যাসের নামগুলোর প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়লে দীর্ঘদিন মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস ও প্রকাশের সাল খুব প্রায়ই আসে।
- বিশেষ করে চতুরঙ্গ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শচীশ ও শ্রীবিলাস সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) বেদের মেয়ে
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় নাট্যরূপ হলো বেদের মেয়ে।
পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এই নাটকের মূল উপজীব্য বিষয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লীকবি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
তার কবিতায় ও নাটকে গ্রামীণ বাংলার লোকসংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের সহজ-সরল জীবন অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সুজন بادিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, কোনো নাটক নয়।
B) বেদের মেয়ে — এটি সঠিক উত্তর এবং জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত নাটক।
C) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো প্রধান বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়।
D) বোবা কাহিনী — এটি জসীমউদ্দীনের রচিত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জসীমউদ্দীনের নাটক মনে রাখতে মূল চরিত্র হিসেবে গ্রামীণ বা লোকজ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে পারো।
তার নাটক মানেই বাংলার লোকজীবনের এক অনন্য রূপায়ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ এবং নাটকগুলোর নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত কাব্য ও নাটকের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) একাদশে বৃহস্পতি
১. কেন সঠিক:
সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়ের অর্থ প্রকাশ করার জন্য একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে মানুষের জীবনে প্রবল সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত প্রচলিত বাগধারা যা বিশেষ কোনো ভাব বা শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও ভাবার্থভিত্তিক প্রশ্ন হিসেবে এটি নিয়মিত আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকরি পাওয়ার পর থেকে করিমের যেন একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌভাগ্য বোঝাতে একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায় প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি অবস্থা বিরাজ করছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে হঠাৎ ভাগ্য খুলে যাওয়ার ভাব প্রকাশ করতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেউকেটা — এই বাগধারাটির অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রভাবশালী ব্যক্তি, যা সৌভাগ্যের বিষয়ের সঙ্গে মিলে না।
B) গোঁফ-খেজুরে — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত অলস ব্যক্তি, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক অর্থ প্রদান করে না।
C) একাদশে বৃহস্পতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়।
D) এলাহী কান্ড — এই বাগধারাটির অর্থ বিরাট আয়োজন বা মহাযজ্ঞ, যা সৌভাগ্যের বিষয়ের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান ভালো হলে যেমন ভাগ্য খোলে, তেমনি মনে রাখবে একাদশে বৃহস্পতি মানেই হলো সৌভাগ্যের সুসময়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যের অর্থ প্রকাশকারী বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে। তাই একাদশে বৃহস্পতি এবং এর কাছাকাছি অর্থের বাগধারাগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
গঠন অনুসারে বাক্য মূলত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। বাক্যের মধ্যকার পদ ও খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক সম্পর্কের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে। যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে তাকে জটিল বাক্য বলে। আর দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদয় হলে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে।
উদাহরণ ২: যিনি পরিশ্রম করেন, তিনিই সুখ লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার রয়েছে এবং প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর নির্ভরশীল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে অর্থ বা ভাব অনুসারে বাক্য পাঁচ প্রকার হলেও গঠন অনুসারে বাক্য দুই প্রকার নয়।
B) পাঁচ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে অর্থ বা ভাবভেদে বাক্যের প্রকারভেদ পাঁচ হলেও গঠনগত দিক থেকে তা সঠিক নয়।
C) ছয় প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে বাক্যের কোনো ছয়টি প্রকারভেদ নেই।
D) তিন প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকারেই বিভক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
গঠন অনুসারে বাক্য মনে রাখার কৌশল হলো সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিনটি শব্দ মনে রাখা। সংক্ষেপে স-জ-য সূত্র দিয়ে এটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গঠন এবং অর্থ ভেদে বাক্যের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। তাই বাক্য সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় প্রশ্নটি গঠন নাকি অর্থের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) on
কেন সঠিক:
Feed the baby on milk বাক্যটিতে on প্রিপজিশনটি কোনো প্রাণীকে নির্দিষ্ট খাবার খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখা বা পুষ্টি জোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এখানে শিশুকে দুধের ওপর বা দুধ খাইয়ে পালন করার অর্থ প্রকাশ করতে on সঠিক হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে গতি বা প্রাপক বোঝাতে বসে, যা এই খাবারের উপাদানের সাথে মানানসই নয়।
B) in — এটি সাধারণত ভেতরে বা কোনো অবস্থার মধ্যে থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে এটি বসবে না।
C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) with — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা উপকরণের সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বসে, তাই খাদ্যের সাথে on বসে।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে কোনো নির্দিষ্ট খাবার খাইয়ে পুষ্ট করা বা বাঁচিয়ে রাখার ক্ষেত্রে Feed-এর পরে সাধারণত on প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Concealed
কেন সঠিক:
নুড শব্দটির অর্থ হলো নগ্ন বা উন্মুক্ত, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো গোপন বা ঢাকা।
কনসিলড শব্দটির অর্থ হলো লুকানো বা আবৃত, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nacked — এটি নগ্ন অর্থে নুড শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত শব্দ নয়।
B) Open — এটি খোলা অর্থে উন্মুক্ত বোঝায়, যা নুড শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Concealed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Exposed — এটি উন্মুক্ত বা প্রকাশিত বোঝায়, যা নুড শব্দের সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
নুড অর্থ খোলা বা নগ্ন এবং কনসিল অর্থ লুকানো, তাই নগ্ন শব্দের বিপরীত হলো লুকানো বা ঢাকা।
সঠিক উত্তর: D) after
কেন সঠিক:
- Hinker after একটি গুরুত্বপূর্ণ Appropriate Preposition যার অর্থ তীব্র আকাঙ্ক্ষা করা বা কোনো কিছুর পেছনে ছোটা।
- এখানে fame বা খ্যাতির পেছনে ছোটার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক preposition হিসেবে after ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — Hinker এর পর for বসে না কারণ এটি সঠিক Appropriate Preposition গঠন করে না।
B) to — বাক্যের অর্থের সাথে এই preposition টি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং নিয়মবহির্ভূত।
C) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
D) after — এটি সঠিক Appropriate Preposition এবং বাক্যটির অর্থ নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
খ্যাতি বা লোভের পেছনে ছোটা বোঝাতে Hunker শব্দের পরে সব সময় after preposition বসে।
সঠিক উত্তর: A) Resolute
কেন সঠিক:
- Resolute শব্দটির অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা সংকল্পবদ্ধ, যা বাক্যে noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত বাক্যে adjective হিসেবে noun-কে modify করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Resolute — এটি একটি adjective কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দৃঢ়তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Resolve — এটি সাধারণত verb হিসেবে কাজ করে যার অর্থ সংকল্প করা বা সমাধান করা।
C) Resolution — শব্দের শেষে ion থাকার কারণে এটি একটি noun, যার অর্থ প্রস্তাব বা সমাধান।
D) Resolutely — শব্দের শেষে ly থাকার কারণে এটি একটি adverb, যা verb বা adjective-কে modify করে।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত শব্দের শেষে te বা ful থাকলে তা adjective হয় এবং ly থাকলে adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) Intransitive verb
কেন সঠিক:
এই বাক্যে opened ভার্বের পর কোনো অবজেক্ট নেই এবং এটি নিজে নিজেই সম্পন্ন হয়েছে।
তাই এটি একটি অকর্মক বা Intransitive verb হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এই ভার্বের কোনো কর্ম বা অবজেক্ট নেই বলে এটি Transitive verb হতে পারে না।
B) Linking verb — এটি সাবজেক্ট এবং কমপ্লিমেন্টকে যুক্ত করছে না, তাই এটি Linking verb নয়।
C) Intransitive verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) None of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে ভার্বের পর প্রশ্ন করলে কী বা কাকে উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই Intransitive verb।
সঠিক উত্তর: D) Adverb
কেন সঠিক:
এখানে alone শব্দটি live ভারਬটিকে মডিফাই করছে বা কেমনভাবে বাস করতে পারে না তা বোঝাচ্ছে।
ভার্বকে মডিফাই করার কারণে এটি অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করেছে।
বাক্যে এটি একটি অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করছে।
সম্পূর্ণ বাক্যটির অর্থ প্রকাশে এটি সাহায্য করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pronoun — এটি কোনো প্রোনাউনের কাজ করছে না কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি।
B) Preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের আগে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না।
C) Adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করছে না।
D) Adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে সাধারণত তা অ্যাডভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: B) We were pleased with the boy
কেন সঠিক:
- Active voice-এর বাক্যে verb যদি please হয়, তবে Passive করার সময় by-এর পরিবর্তে with preposition বসে।
- Subject হলো us, যা Passive করার সময় We হয় এবং past indefinite tense-এর কারণে were pleased বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We were pleased by the boy — please verb-এর পর সাধারণত by বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল।
B) We were pleased with the boy — এটি সঠিক অপশন কারণ please-এর পর সঠিক preposition 'with' ব্যবহৃত হয়েছে।
C) We were pleased to the boy — here 'to' preposition-এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) We were pleased at the boy — 'at' preposition ব্যবহার করলে অর্থের পরিবর্তন ঘটে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
please, satisfy, charm ইত্যাদি verb-এর পর passive voice-এ by-এর পরিবর্তে সবসময় with বসে।
সঠিক উত্তর: C) Let the problem be solved by you
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর একটি অবজেক্ট রয়েছে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটিকে Passive করতে হলে প্রথমে Let বসাতে হয় এবং পরে অবজেক্ট ও be যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The problem is solved by you — Imperative Sentence-কে সরাসরি Present Indefinite Tense-এর Passive করা যায় না।
B) You are solved with the problem — বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) Let the problem be solved by you — এটি সঠিক উত্তর।
D) Let you solve the problem — এটি একটি Active Sentence এবং এর অর্থ মূল বাকyের মতো passive হয় না।
মনে রাখার টিপস:
মূল Verb দিয়ে শুরু হওয়া Imperative Sentence-কে Passive করার সময় প্রথমে Let বসিয়ে বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Conqueror
কেন সঠিক:
- Conquer শব্দটির সাথে or যুক্ত করে সঠিক এজেন্ট নাউন বা বিজয়ী বোঝানো হয়।
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে er এর পরিবর্তে or প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Conqueror — এটি শুদ্ধ বানান এবং সঠিক উত্তর।
B) Conquerer — এখানে or এর পরিবর্তে ভুলভাবে er ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Conquaror — এখানে শেষের আগের অংশে ভুলভাবে a ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Conqarer — বানানের গঠন ভুল এবং এটি সম্পূর্ণ অপ্রচলিত একটি রূপ।
মনে রাখার টিপস:
Conquer শব্দের শেষে or যোগ করে Conqueror মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) A mixed language
কেন সঠিক:
লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বলতে এমন একটি ভাষাকে বোঝায় যা বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি সাধারণত একাধিক ভাষার মিশ্রণে তৈরি হয় বা সহজীকৃত রূপ লাভ করে।
এটি ভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
এটি মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের সুবিধার্থে তৈরি হওয়া একটি মিশ্র ভাষা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) French — এটি একটি নির্দিষ্ট দেশের ভাষা এবং লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা কেবল ফরাসি ভাষাকে বোঝায় না।
B) Latin — এটি একটি প্রাচীন মৃত ভাষা যা বর্তমান যুগে সার্বজনীন যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
C) A mixed language — এই অপশনটি সঠিক কারণ লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণে গড়ে ওঠা একটি যোগাযোগের মাধ্যম।
D) Translated version — এর অর্থ অনূদিত রূপ, যা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কার মূল ধারণার সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা শব্দটি মনে রাখতে মনে রাখবেন এটি এমন একটি মিশ্র ভাষা যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষদের মেলামেশা ও কথা বলার কাজ সহজ করে দেয়।
সঠিক উত্তর: D) Assessment
কেন সঠিক:
সঠিক বানানে প্রথমে 'A', এরপর 'ss' এবং পরে আবার 'ss' ব্যবহৃত হয়।
শব্দের শেষে 'ment' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দ গঠন করে।
বানানের মাঝে কোনো একক 's' থাকে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Asesment — বানানে ডাবল 's' এর নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
B) Asessment — বানানের প্রথম অংশে ডাবল 's' বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) Assesment — বানানের শেষাংশে সঠিক ডাবল 's' ব্যবহার করা হয়নি।
D) Assessment — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং এটিই মূল উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'As' এর পর দুটি 's' এবং মাঝখানে 'ess' এর কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) To keep calm
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ মাথা ঠিক রাখা হলেও এর ভাবার্থ হলো কঠিন পরিস্থিতিতেও মানসিক স্থিরতা বজায় রাখা।
বিপদের মুখেও ঘাবড়ে না গিয়ে শান্ত থাকা এবং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া বোঝাতে এই বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়।
এটি মানুষের মানসিক সংযম এবং ধৈর্যশীলতার প্রকাশ ঘটায়।
শান্ত থাকাই এই বাক্যের মূল চাবিকাঠি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To save oneself — এটি কেবল নিজের জীবন রক্ষা করার কথা বলে, যা মানসিক শান্ত থাকার সার্বিক ভাবার্থ প্রকাশ করতে পারে না।
B) To keep calm — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) To be self-respectful — এর অর্থ আত্মসম্মান রক্ষা করা, যা বিপদে শান্ত থাকার মূল ভাবের সাথে মিলে যায় না।
D) None of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি সঠিক হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
মাথা (Head) ঠান্ডা (Calm) রাখাই হলো নিজেকে শান্ত রাখা।
সঠিক উত্তর: C) Industrial shares considered to be a safe investment
কেন সঠিক:
ব্লু চিপ বলতে বড় এবং আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায়।
এই ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগ করাকে নিরাপদ ও লাভজনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Securities issued by the Government — এটি সরকারি সিকিউরিটিজ বোঝায়, যা ব্লু চিপ শেয়ারের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না।
B) Industrial shares considered to be a risky investment — ব্লু চিপ শেয়ার ঝুঁকিপূর্ণ নয় বরং অত্যন্ত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত।
C) Industrial shares considered to be a safe investment — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) None of these — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এই অপشنটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্লু চিপ মানেই নিরাপদ বিনিয়োগ, অর্থাৎ বড় কোম্পানির শেয়ারে ঝুঁকি কম থাকে।
সঠিক উত্তর: A) He enquired of me how I had done it.
কেন সঠিক:
প্রতিবেদন করার সময় রিপোর্টিং ভারب হিসেবে said to এর পরিবর্তে enquired of বসে কারণ এটি একটি প্রশ্ন। প্রশ্নটি Wh-word (How) দিয়ে শুরু হওয়ায় if বা whether না বসে ওই Wh-word কেই conjunction হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
ইনডাইরেক্ট স্পিচে ইন্টারোগেটিভ বাক্য অ্যাসারটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব বসে।
টেন্স পরিবর্তনের নিয়মে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had done) এ পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয় বরং এটিই সঠিক বিকল্প।
B) B) He said to me if I had done it — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তিত হয়নি এবং Wh-word এর পরিবর্তে ভুলভাবে if ব্যবহার করা হয়েছে।
C) C) He said to me that I had done it — এটি একটি প্রশ্নবাচক বাক্য হওয়া সত্ত্বেও that कंजাংশন ব্যবহার করা হয়েছে এবং রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করা হয়নি।
D) D) He enquired of me if had done it — এখানে Wh-word বাদ দিয়ে if ব্যবহার করা হয়েছে এবং সাবজেক্ট I অনুপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Wh-word যুক্ত ডিরেক্ট প্রশ্নকে ইনডাইরেক্ট করার সময় if বসে না, ওই Wh-word ই বসে এবং বাক্যটি অ্যাসারটিভ হয়ে টেন্স পরিবর্তন করে।
সঠিক উত্তর: D) He asked me if I liked music
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তন হয়ে ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের নিয়মে 'asked' বসেছে এবং ইনভার্টেড কমা তুলে সংযোগকারী হিসেবে 'if' ব্যবহৃত হয়েছে।
- রিপোর্টেড স্পিচের ইন্টারোগেটিভ বাক্যটি অ্যাসারটিভ হয়ে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স থেকে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স অর্থাৎ 'liked'-এ পরিবর্তিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He said if I like music — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব 'said' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি।
B) He asked me do I like music — এখানে প্রশ্নবোধক বাক্যকে এ্যাসারেটিভ করার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে 'do' রাখা হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমার পরিবর্তে 'if' বা 'whether' ব্যবহার করা হয়নি।
C) He asked to me if like music — এখানে 'asked'-এর পর ভুলভাবে প্রিপজিশন 'to' ব্যবহার করা হয়েছে এবং সাবজেক্ট 'I' বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) He asked me if I liked music — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যারেশনের ক্ষেত্রে ইন্টারোগেটিভ বাক্য থাকলে 'said to' বদলে 'asked' হবে এবং বাক্যটি এ্যাসারেটিভ হয়ে টেন্স পরিবর্তন করে লিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Carelessness
কেন সঠিক:
Neglect শব্দের বাংলা অর্থ হলো অবহেলা করা বা অযত্ন করা।
Carelessness শব্দের অর্থও অমনোযোগিতা বা অবহেলা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Care — এই শব্দটির অর্থ যত্ন বা পরিচর্যা, যা Neglect শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Carelessness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Attention — এই শব্দটির অর্থ মনোযোগ, যা Neglect শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Watchfullness — এই শব্দটির অর্থ সতর্ক দৃষ্টি বা পাহারা, যা মূল শব্দের সাথে মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
Neglect এবং Carelessness দুটি শব্দই দায়িত্বে অবহেলা বা অমনোযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) In reality
কেন সঠিক:
ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ ডি ফ্যাক্তো অর্থ বাস্তবে বা কার্যত।
আইনগত স্বীকৃতি থাকুক বা না থাকুক, এটি মূলত বাস্তব অবস্থাকে নির্দেশ করে।
তাই সঠিক উত্তর ইন রিয়ালিটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) As per facts — এটি তথ্যের ভিত্তিতে বোঝায়, যা ডি ফ্যাক্তো এর সঠিক ভাবার্থ নয়।
B) In reality — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাস্তবে, যা ডি ফ্যাক্তো এর সমার্থক।
C) By rights — এর অর্থ আইনগত অধিকার অনুযায়ী, যা ডি ফ্যাক্তো এর বিপরীত।
D) Evidence — এর অর্থ প্রমাণ, যা এই ল্যাটিন শব্দটির সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ডি ফ্যাক্তো মানে ফ্যাক্ট বা বাস্তব সত্য, তাই এটি ইন রিয়ালিটি বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) Attract
কেন সঠিক:
Repulse শব্দটির অর্থ হলো কাউকে বা কিছুকে দূরে ঠেলে দেওয়া বা বিকর্ষণ করা।
অন্যদিকে Attract শব্দের অর্থ হলো আকর্ষণ করা, যা Repulse শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reside - এর অর্থ বসবাস করা, যার সাথে Repulse শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Emphasize - এর অর্থ জোর দেওয়া, এটি Repulse শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Impulse - এর অর্থ আবেগ বা তাৎক্ষণিক তাড়না, এটি Repulse শব্দের সাথে মিল রাখে না।
D) Attract - সঠিক উত্তর কারণ এটি বিকর্ষণ করার বিপরীত অর্থ অর্থাৎ আকর্ষণ করা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Repulse মানে দূরে ঠেলে দেওয়া এবং Attract মানে কাছে টেনে নেওয়া, এভাবে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) I wish I were you
কেন সঠিক:
অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে I wish এর পরে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, সবসময় be ভারবের past form হিসেবে were বসে।
এখানে নিজেকে অন্য কেউ কল্পনা করা বোঝানো হয়েছে যা বাস্তব নয়।
তাই এখানে was, am বা are ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক রূপটি হলো were।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I wish I were you — এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে অবাস্তব কল্পনায় were ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I wish I was you — এখানে was ব্যবহার করা হয়েছে যা সাবজেক্ট I এর পরে অবাস্তব অর্থে ভুল।
C) I wish I am you — এখানে present tense এর am ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।
D) I wish I are you — এখানে are ব্যবহার করা হয়েছে যা সাবজেক্ট এবং tense এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাতে I wish এর পরে હંમેશા were বসে, was কখনোই বসে না।
সঠিক উত্তর: B) have hoped
কেন সঠিক:
বাক্যে ever since থাকলে সাধারণত তার আগের অংশে Present Perfect tense হয়।
আবার hope একটি stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous form হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been hoping — hope একটি stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous tense ব্যবহার করা যায় না।
B) have hoped — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট নিয়মে এটি Present Perfect tense এ আছে।
C) hope — ever since থাকার কারণে বাক্যটিতে সাধারণ Present tense ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত।
D) am hopping — এই অপশনে বানান ভুল আছে এবং continuous form এর নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ever since দেখলে সাধারণত Present Perfect tense বসাতে হয় এবং stative verb এর continuous রূপ এড়িয়ে চলতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২১০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৫ : ৭
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৬
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৬ = ৩০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ × ৬ = ৪২
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে
লসাগু = অনুপাত দুটির গুণফল × গসাগু
সুতরাং,
লসাগু = ৫ × ৭ × ৬ = ২১০
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: C) ৪০ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩০ লিটার
এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩
ধরি,
এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার
পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার
অতএব,
৭ক + ৩ক = ৩০
১০ক = ৩০
ক = ৩
সুতরাং,
এসিডের পরিমাণ = ৭ × ৩ = ২১ লিটার
পানির পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ লিটার
ধরি,
ক লিটার পানি মিশ্রিত করতে হবে
অতএব,
২১ ÷ (৯ + ক) = ৩ ÷ ৭
৩(৯ + ক) = ২১ × ৭
২৭ + ৩ক = ১৪৭
অতএব,
৩ক = ১৪৭ − ২৭
৩ক = ১২০
ক = ৪০
উত্তর: ৪০ লিটার
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার যোগফল = ৮
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ১
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ক
অতএব,
৩ক + ১ক = ৮
৪ক = ৮
সুতরাং,
ক = ৮ ÷ ৪ = ২
উত্তর:
প্রথম সংখ্যা = ৩ × ২ = ৬
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১ × ২ = ২
সংখ্যা দুটির গুণফল = ৬ × ২ = ১২
সঠিক উত্তর: A) ৬৮ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
১১ জন লোকের গড় ওজন = ৭০ কেজি
চলে যাওয়া লোকের ওজন = ৯০ কেজি
ধরি,
১১ জন লোকের মোট ওজন = ১১ × ৭০ = ৭৭০ কেজি
অতএব,
বাকি থাকে = ১১ − ১ = ১০ জন লোক
বাকি ১০ জন লোকের মোট ওজন = ৭৭০ − ৯০ = ৬৮০ কেজি
সুতরাং,
বাকীদের গড় ওজন = ৬৮০ ÷ ১০ = ৬৮ কেজি
উত্তর: ৬৮ কেজি
সঠিক উত্তর: D) ৮১
প্রদত্ত তথ্য:
মোট টাকার পরিমাণ = ৬৫৬১ টাকা
প্রত্যেকে যতজন ছাত্র তত টাকা পায়
ধরি,
ছাত্র সংখ্যা = ক
মোট টাকার পরিমাণ = ক × ক = ক২
অতএব,
ক২ = ৬৫৬১
ক = √৬৫৬১
সুতরাং,
ছাত্র সংখ্যা ক = ৮১
উত্তর: ৮১ জন
সঠিক উত্তর: A) মিশরে
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতির উৎপত্তি ও ইতিহাস প্রাচীন সভ্যতার সাথে যুক্ত
নীল নদ কেন্দ্রিক ভূমি পরিমাপের প্রয়োজনে জ্যামিতির চর্চা শুরু হয়
ধরি,
প্রাচীন মিশরীয়রা নীল নদে নদীর বার্ষিক বন্যার পর জমির সীমানা নির্ধারণ করত
এই পরিমাপের জ্ঞান থেকেই জ্যামিতিক সূত্রের বিকাশ ঘটে
অতএব,
মিশরীয় সভ্যতায় সর্বপ্রথম জ্যামিতির ব্যবহারিক আলোচনা শুরু হয়
পরবর্তীতে গ্রিক পন্ডিতগণ একে তাত্ত্বিক রূপ দেন
সুতরাং,
জ্যামিতির সূতিকাগার হিসেবে মিশরকে চিহ্নিত করা হয়
উত্তর: মিশরে
সঠিক উত্তর: D) সমবাহু
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা পরস্পর সমান
ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হতে পারে না
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহুগুলো হলো ক, খ এবং গ
মধ্যমাত্রয় হলো ম১, ম২ এবং ম৩
অতএব,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের মধ্যমা সমান হয় না
বিষমবাহু ত্রিভুজের মধ্যমাগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হয়
সুতরাং,
কেবল সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে তিনটি মধ্যমা সমান হয়
উত্তর: সমবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: B) এক সমকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ওপর একটি স্পর্শক এবং স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধ দেওয়া আছে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও স্পর্শবিন্দু সংযুক্ত রেখাংশ হলো ব্যাসার্ধ
অতএব,
জ্যামিতিক উপপাদ্য অনুসারে স্পর্শক ও ব্যাসার্ধ পরস্পর লম্ব হয়
সুতরাং,
এদের মধ্যবর্তী কোণের পরিমাণ ৯০ ডিগ্রি বা এক সমকোণ
উত্তর: এক সমকোণ
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
প্রথম পদ সমান এক এবং শেষ পদ সমান নিরানব্বই
ধরি,
পদের সংখ্যা সমান নিরানব্বই
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
যোগফল সমান পদের সংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
এখানে মান বসিয়ে পাই নিরানব্বই গুণ এক যোগ নিরানব্বই ভাগ দুই
সুতরাং,
হিসাব করে পাই নিরানব্বই গুণ একশ ভাগ দুই
অর্থাৎ নিরানব্বই গুণ পঞ্চাশ সমান চার হাজার নয়শত পঞ্চাশ
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের প্রাথমিক ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = পাই গুণ r এর ওপর স্কয়ার
অতএব,
ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করলে নতুন ব্যাস হয় মূল ব্যাসের ৪ গুণ
নতুন ব্যাসার্ধ = ৪ গুণ r
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = পাই গুণ (৪ গুণ r) এর ওপর স্কয়ার = ১৬ গুণ (পাই গুণ r এর ওপর স্কয়ার)
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১৬ গুণ − ১ গুণ = ১৫ গুণ? (প্রশ্নানুসারে ৩ গুণ বৃদ্ধি মানে মোট ৪ গুণ হওয়া)
সঠিক হিসাব:
প্রশ্ন অনুযায়ী ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে মানে নতুন ব্যাস = r + ৩ গুণ r = ৪ গুণ r
নতুন ক্ষেত্রফল = ১৬ গুণ প্রাথমিক ক্ষেত্রফল
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: C) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো ১০২ এবং ১৮৬
প্রতিক্ষেত্রে ৬ অবশিষ্ট থাকে
ধরি,
প্রথম সংখ্যা থেকে অবশিষ্ট ৬ বাদ দিতে হবে
দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে অবশিষ্ট ৬ বাদ দিতে হবে
অতএব,
প্রথম সংখ্যাটি হয় = ১০২ − ৬ = ৯৬
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হয় = ১৮৬ − ৬ = ১৮০
সুতরাং,
৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে
উত্তর: ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু হলো ১২
সঠিক উত্তর: D) ৫ মিনিট
প্রদত্ত তথ্য:
ঘণ্টাগুলো একসাথে বাজার সময় ১০ সেকেন্ড, ১৫ সেকেন্ড, ২০ সেকেন্ড এবং ২৫ সেকেন্ড
ধরি,
ঘণ্টাগুলোর আবার একত্রে বাজার সময় হবে প্রদত্ত সময়গুলোর লসাগু এর সমান
অতএব,
১০, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু বের করতে হবে
প্রথমে ৫ দিয়ে ভাগ করে পাই ২, ৩, ৪, ৫
সুতরাং,
লসাগু = ৫ × ২ × ৩ × ২ × ৫ = ৩০০ সেকেন্ড
উত্তর: ৩০০ সেকেন্ড বা ৫ মিনিট
সঠিক উত্তর: B) ১৩/১৫
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ২৩/৩০, ১৩/১৫, ৮/৫ এবং ২/৩
ধরি,
হরগুলোর লসাগু হলো ৩০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ২৩/৩০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২৬/৩০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৪৮/৩০
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২০/৩০
সুতরাং,
লবগুলোর মধ্যে ৪৮ সবচেয়ে বড়
উত্তর: ৮/৫
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০২৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক পাঁচ
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক তিন শূন্য পাঁচ
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ০.৫
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০০৫
অতএব,
সংখ্যা দুটি গুণ করার সময় দশমিকের পরে মোট অঙ্ক সংখ্যা হিসাব করতে হবে
প্রথম সংখ্যায় দশমিকের পরে একটি অঙ্ক আছে
দ্বিতীয় সংখ্যায় দশমিকের পরে চারটি অঙ্ক আছে
সুতরাং,
৫ এবং ৫ গুণ করলে পঁচিশ হয়
পঁচিশের আগে মোট পাঁচটি অঙ্ক মেলাতে হবে
উত্তর: ০.০০০২৫
সঠিক উত্তর: C) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রশ্নে দেওয়া অভিব্যক্তিটি হলো ০.০০১ ÷ ০.১ × ০.১
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ০.০০১
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.১
তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.১
অতএব,
প্রথমে ভাগের কাজ করতে হবে
০.০০১ ÷ ০.১ = ০.০১
সুতরাং,
এবার গুণের কাজ করতে হবে
০.০১ × ০.১ = ০.০০১
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: D) ১৮৩৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
মোট লোক সংখ্যা = ৫০০ জন
খাবার মজুদ আছে = ২০ দিনের
ধরি,
৫ দিন পর অবশিষ্ট লোক সংখ্যা = ৫০০ − ১০০ = ৪০০ জন
৫ দিন পর অবশিষ্ট খাবার থাকে = ২০ − ৫ = ১৫ দিনের
অতএব,
৫০০ জনের ১৫ দিনের খাবার আছে
১ জন লোকের ওই খাবার চলে = ৫০০ × ১৫ দিনের
সুতরাং,
৪০০ জনের ওই খাবার চলে = (৫০০ × ১৫) ÷ ৪০০ দিনের
সমান ৭৫০ ÷ ২০ দিনের
উত্তর: ১৮৩ বা ৪ দিনে
সঠিক উত্তর: B) ১১১২
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১৫ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ৯ × ১৫ = ১৩৫ জন-দিন
অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হলো ৩ জন
অতএব,
মোট লোকসংখ্যা হলো ৯ + ৩ = ১২ জন
সুতরাং,
কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে ১৩৫ ÷ ১২ = ১১১২ দিনে
উত্তর: ১১১২ দিন
সঠিক উত্তর: C) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x − ১২ = ২
ধরি,
x এর মান বের করতে হবে
অতএব,
x = ২ + ১২
সুতরাং,
x = ১৪
পরের অংশ:
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে x এর ঘনক থেকে ১ এবং ৩ এর গুণফল বাদ দিতে হবে
অর্থাৎ,
১৪ এর ঘনক থেকে ৩ বাদ দিতে হবে
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) a৩+b৩
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো ঘনফলের উৎপাদকের সূত্র।
এখানে দুটি রাশির গুণফল নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
প্রথম রাশি হলো (a+b)
দ্বিতীয় রাশি হলো (a২−ab+b২)
অতএব,
প্রথম রাশিকে দ্বিতীয় রাশি দ্বারা গুণ করলে বীজগণিতের নিয়ম অনুযায়ী পাই,
a এর সাথে (a২−ab+b২) এর গুণ এবং b এর সাথে (a২−ab+b২) এর গুণ।
সুতরাং,
গুণ করার পর পাই a৩−a২b+ab২+a২b−ab২+b৩।
কাটাকাটি করার পর কেবল a৩+b৩ থাকে।
উত্তর: a৩+b৩
সঠিক উত্তর: A) শালবন বিহার
কেন সঠিক:
- শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও উল্লেখযোগ্য।
- অষ্টম শতকের দেব বংশের রাজা শ্রীভবদেব এটি নির্মাণ করেছিলেন বলে ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শালবন বিহার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের প্রাচীনতম বৌদ্ধ বিহারগুলোর অন্যতম।
B) সীতাকোট বিহার — এটি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অবস্থিত একটি প্রাচীন বিহার, তবে এটি শালবন বিহারের মতো প্রাচীন বা প্রথম নয়।
C) আনন্দ বিহার — এটিও কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, তবে এটি শালবন বিহারের পরে নির্মিত হয়েছিল।
D) সোমপুর বিহার — এটি নওগাঁর পাহাড়পুরে অবস্থিত একটি বিশাল বৌদ্ধ বিহার, যা পাল রাজবংশের আমলের এবং শালবন বিহারের পরবর্তী সময়ের।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রাচীন বিহার মনে রাখতে 'শাল' শব্দটি দিয়ে শুরু করতে পারেন, কারণ শালবন বিহারই সবচেয়ে প্রাচীন।
সঠিক উত্তর: C) বেশি হয়
কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে ঢাকনা আটকে রাখার কারণে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যা পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি করে।
- বেশি চাপে পানি সাধারণ ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে অনেক উচ্চ তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে, ফলে খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠিক থাকে — সাধারণ পাত্রে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও প্রেসার কুকারে চাপের কারণে তা অপরিবর্তিত থাকে না।
B) কম হয় — উচ্চ চাপ পানির স্ফুটনাংক কমায় না, বরং চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
সি) বেশি হয় — এটি সঠিক কারণ, কুকারের ভেতরের উচ্চ চাপের ফলে পানির স্ফুটনাংক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি, আর চাপ বাড়লে স্ফুটনাংকও বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: C) রুবল
কেন সঠিক:
- রুবল হলো রুশ ফেডারেশনের সরকারি মুদ্রা এবং এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মুদ্রাগুলোর একটি।
- এই মুদ্রাটি প্রধানত রাশিয়া এবং সংলগ্ন কয়েকটি অঞ্চলে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও চিলি সহ বেশ কয়েকটি ল্যাটিন আমেরিকার দেশের মুদ্রার নাম।
B) ইউরো — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর একক এবং প্রধান মুদ্রা।
C) রুবল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা।
D) লিরা — এটি তুরস্ক ও কিছু ঐতিহাসিক দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার মুদ্রার নাম মনে রাখতে রুশ শব্দটির সাথে মিলিয়ে রুবল নামটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ইস্তাম্বুল
কেন সঠিক:
- ইস্তাম্বুল শহরটি বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিভক্ত হয়ে এশিয়া ও ইউরোপ এই দুটি মহাদেশে বিস্তৃত হয়েছে।
- এটি বিশ্বের একমাত্র শহর যা ভৌগোলিকভাবে দুটি মহাদেশের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর যা সম্পূর্ণরূপে ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী যা সম্পূর্ণরূপে ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
সি) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী যা সম্পূর্ণরূপে আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত, যদিও মিশরের সামান্য অংশ এশিয়ায় পড়ে।
D) ইস্তাম্বুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটি এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দুই মহাদেশের সেতু হিসেবে পরিচিত ইস্তাম্বুল শহরটি ইউরোপ ও এশিয়াকে সংযুক্ত করেছে।
সঠিক উত্তর: B) ফারসি
কেন সঠিক:
- শাহনামা মহাকাব্যটি বিশ্ববিখ্যাত ফারসি কবি ফেরদৌসি কর্তৃক দশম শতাব্দীতে ফারসি ভাষায় রচিত হয়েছিল।
- এটি ফারসি সাহিত্যের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং পারস্যের ইতিহাস ও সংস্কৃতির মূল দলিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এটি ইসলামের পবিত্র ভাষা এবং মধ্যযুগের ইসলামিক দর্শনের প্রধান ভাষা হলেও শাহনামা এই ভাষায় রচিত হয়নি।
B) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শাহনামা মূল ফারসি ভাষায় রচিত প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।
C) উর্দু — এই ভাষাটি দক্ষিণ এশিয়ায় মুঘল আমলের পরে বিকাশ লাভ করেছে, যা শাহনামা রচনার সময়ের অনেক পরের ঘটনা।
D) ফরাসি — এটি ইউরোপের একটি ভাষা, যার সাথে পারস্যের প্রাচীন মহাকাব্য শাহনামার কোনো ভাষাগত বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ফারসি সাহিত্যের রাজা ফেরদৌসি এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ শাহনামা উভয়েই ফারসি ভাষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা
কেন সঠিক:
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে যমুনা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের নদ নদী ব্যবস্থাপনায় যমুনা নদীর মূল প্রবাহটি সরাসরি পদ্মার সঙ্গে মিশে its শেষ পরিণতি লাভ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — যমুনা নদী এই নদীতেই পতিত হয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) মেঘনা — মেঘনা নদী মূলত পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলিত প্রবাহের সঙ্গে পরবর্তীতে মিলিত হয়, সরাসরি যমুনা মেঘনায় পতিত হয়নি।
C) বঙ্গোপসাগর — বঙ্গোপসাগরে পদ্মা, মেঘনা ও অন্যান্য নদীর মিলিত প্রবাহ পতিত হয়, যমুনা সরাসরি বঙ্গোপসাগরে পড়ে না।
D) ব্রহ্মপুত্র — ব্রহ্মপুত্র নদ নিজেই বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবাহিত হয়, তাই এটি অন্য কোথাও পতিত হওয়ার প্রশ্ন আসে না।
মনে রাখার টিপস:
যমুনা নদীর শেষ ঠিকানা হলো পদ্মা নদী, এটি মনে রাখতে জ "প" (যমুনার পানি পদ্মায় যায়) এই সহজ মিল ব্যবহার করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) কর্কট রেখা
কেন সঠিক:
- কর্কট রেখা বা ট্রপিক অব ক্যান্সার হলো উত্তর গোলার্ধের ২৩.৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ যা বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এই কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা এবং রাঙ্গামাটি জেলার উপর দিয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষুব রেখা — এটি ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ এবং পৃথিবীর ঠিক মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত, যা বাংলাদেশের উপর দিয়ে যায়নি।
B) মকর রেখা — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের ২৩.৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ, যা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) দ্রাঘিমা রেখা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী কাল্পনিক রেখা, কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক রেখার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে গেছে কর্কট রেখা এবং এর মান ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ।
সঠিক উত্তর: C) টেলিমেডিসিন
কেন সঠিক:
- টেলিমেডিসিন হলো এমন একটি আধুনিক প্রযুক্তি সেবা যার মাধ্যমে দূরদূরান্তে অবস্থান করে ইন্টারনেটের সাহায্যে চিকিৎসকের পরামর্শ ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করা যায়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে রোগীরা ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পেতে পারেন যা এই ব্যবস্থার মূল ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলেকট্রোমেডিসিন — এটি চিকিৎসার এমন একটি শাখা যেখানে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও শক্তি ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়, যা ইন্টারনেটভিত্তিক দূরবর্তী সেবা নয়।
B) ই-ট্রিটমেন্ট — এটি সাধারণ কোনো প্রচলিত শব্দ বা ভুল পরিভাষা, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ইন্টারনেটভিত্তিক উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
D) জায়মা প্লাজমা — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনো স্বীকৃত পদ্ধতি নয়, বরং এটি পদার্থবিজ্ঞান বা অন্য কোনো কাল্পনিক প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূর থেকে সেবা নেওয়া বোঝাতে টেলি (Tele) শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই দূরবর্তী চিকিৎসা সেবাই হলো টেলিমেডিসিন।
সঠিক উত্তর: C) ফিনাইল এলানিন
কেন সঠিক:
- মানবদেহে প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বিশটি এমিনো এসিডের মধ্যে নয়টি অত্যাবশ্যকীয়, যা দেহ নিজে তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়।
- ফিনাইল এলানিন তেমনই একটি অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড যা মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং পুষ্টির জন্য অপরিহার্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিসটিন — এটি কোনো পরিচিত অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) টাইরোসিন — এটি মানবদেহের জন্য একটি অনত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড, কারণ দেহ নিজেই এটি তৈরি করতে পারে।
C) ফিনাইল এলানিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশন হিসেবে অপরিবর্তিত রয়েছে।
D) এলানিন — এটি একটি অনত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড যা মানবশরীর প্রাকৃতিকভাবে সংশ্লেষণ করতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড মনে রাখতে ফিনাইল এলানিন নামটি খাতায় লিখে বারবার চর্চা করবে।
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: D) ADA
কেন সঠিক:
- অ্যাডা লাভলেসকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তাঁর নামানুসারেই এই ভাষার নামকরণ করা হয়।
- এটি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য নকশা করা একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) C++ — এটি বেল ল্যাবসের বিয়ারনে স্ট্রোভস্ট্রুপ কর্তৃক ১৯৭৯ সালে উদ্ভাবিত একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
B) Pascal — এটি নিকোলাস ওয়ার্থ কর্তৃক ১৯৭০ সালে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে তৈরি করা একটি প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা।
C) Fortran — এটি জন ব্যাকাস কর্তৃক ১৯৫৭ সালে আইবিএমের জন্য তৈরি প্রথম উচ্চ স্তরের গাণিতিক প্রোগ্রামিং ভাষা, যা প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা হলেও সঠিক উত্তর এডার ক্ষেত্রে ভিন্ন প্রেক্ষাপট রয়েছে।
D) ADA — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম নারী প্রোগ্রামার অ্যাডার নামেই প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাঠামোর প্রোগ্রামিং ভাষার নামকরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- হাইল হাওর বাংলাদেশের মৌলভীবাজার সদর এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলাজুড়ে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার অন্যতম প্রধান মৎস্য ও জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ এলাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেত্রকোণা — নেত্রকোণায় হাইল হাওর অবস্থিত নয়, এখানে বিখ্যাত হাওরের মধ্যে হাতাওয়ালা ও ডিঙ্গাপাড়া রয়েছে।
B) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) সুনামগঞ্জ — সুনামগঞ্জে হাইল হাওর অবস্থিত নয়, এখানকার প্রধান হাওর হলো হাকালুকি হাওরের কিছু অংশ এবং শনির হাওর।
D) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে হাইল হাওর অবস্থিত নয়, এই জেলায় বিখ্যাত মাধবপুর হ্রদ ও বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মৌলভীবাজারের চা বাগানের মতো বিখ্যাত আরেকটি প্রাকৃতিক সম্পদ হলো হাইল হাওর।
সঠিক উত্তর: B) ২০ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ছাত্র আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
- তার আত্মত্যাগের ফলে উনসত্তরের গণঅভুত্থান তীব্র রূপ লাভ করেছিল, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ জানুয়ারি — এই তারিখে শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
B) ২০ জানুয়ারি — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয়।
C) ২৫ জানুয়ারি — এই তারিখে শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
D) ৩০ জানুয়ারি — এই তারিখে শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ গুলিতে প্রাণ হারান, তাই সংখ্যা দুটি মিলিয়ে মনে রাখুন আসাদ দিবস মানেই কুড়ি জানুয়ারি।
সঠিক উত্তর: A) গৌড়
কেন সঠিক:
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হলেও গৌড় বা লক্ষ্মণাবতী দীর্ঘ সময় ধরে প্রধান রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- মুসলিম শাসনামলে সুলতানদের শাসনাধীন বাংলার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল এই গৌড় নগরী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৌড় — এটি সুলতানী আমলে বাংলার দীর্ঘস্থায়ী ও প্রধান রাজধানীর নাম ছিল।
B) সোনরগাঁ — এটি সুলতানী আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র বা বন্দর নগরী ছিল, তবে গৌড়ের মতো প্রধান রাজধানী হিসেবে সবসময় ব্যবহৃত হয়নি।
C) জাহাঙ্গীর নগর — এটি মোগল আমলে ঢাকার নামকরণ করা হয়েছিল, যা সুলতানী আমলের অনেক পরের ঘটনা।
D) ঢাকা — এটি মোগল আমলের সুবাহ বাংলার রাজধানী ছিল, সুলতানী আমলের প্রাথমিক বা প্রধান রাজধানী এটি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সুলতানী আমল বললেই মনে রাখবে গৌড়, কারণ সুলতানদের প্রধান রাজধানী বেশিরভাগ সময়ই এই গৌড় নগরীতে ছিল।
সঠিক উত্তর: C) একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন
কেন সঠিক:
- জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির মূল পটভূমি হলো বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলন ও পরবর্তী বন্দী জীবন।
- উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি এবং রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ — এটি জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' বা এই সম্পর্কিত নয়, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো তাঁর বিখ্যাত 'আরেক ফাল্গুন' নয় বরং অন্যান্য রচনা।
B) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন — এই উপন্যাসের সময়কাল ব্রিটিশ আমল নয়, বরং পাকিস্তান আমলের शुरुआती ভাষা সংগ্রামের ঘটনা।
C) একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তুর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জহির রায়হানের নামের সঙ্গে 'আরেক ফাল্গুন' এবং ফাল্গুন মানেই বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ১০৫ ডিবি
কেন সঠিক:
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক হলো ডেসিবেল বা ডিবি।
- সাধারণত ১০৫ ডিবি বা তার বেশি মাত্রার শব্দ মানুষের শ্রবণেন্দ্রে স্থায়ী ক্ষতি বা বধিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০৫ ডিবি — এটি সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমা যার উপরে মানুষ বধির হতে পারে।
B) ৭৫ ডিবি — এটি মানুষের স্বাভাবিক কথা বলার বা কোলাহলপূর্ণ পরিবেশের তীব্রতা, যা বধিরতার জন্য দায়ী নয়।
C) ৯০ ডিবি — এটি দীর্ঘ সময় শুনলে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে এটি সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমা বা বধিরতার একক নয়।
D) ১২০ ডিবি — এটি ব্যথার সীমার কাছাকাছি, তবে সাধারণ প্রশ্ন ও প্রমিত পাঠ্যবই অনুসারে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমা ১০৫ ডিবি ধরা হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের ক্ষেত্রে ১০৫ ডিবি হলো সেই বিপজ্জনক মাত্রা, যা অতিক্রম করলে বধিরতার ঝুঁকি তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: B) কোবাল্ট
কেন সঠিক:
- লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট এই তিনটি প্রধান চৌম্বক পদার্থ যারা চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়।
- কোবাল্টের নিজস্ব চুম্বকত্ব ধারণ করার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে যা একে চৌম্বক পদার্থ হিসেবে চিহ্নিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারদ — এটি একটি তরল ধাতু যা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না এবং এটি অচৌম্বক পদার্থ।
B) কোবাল্ট — এটি চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় এবং এটি একটি প্রকৃত চৌম্বক পদার্থ।
C) বিসমার্থ — এটি একটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ যা চুম্বককে মৃদুভাবে বিকর্ষণ করে, তাই এটি চৌম্বক পদার্থ নয়।
D) অ্যান্টিমনি — এটি একটি অচৌম্বক পদার্থ যা চৌম্বক ক্ষেত্রে কোনো আকর্ষণ প্রদর্শন করে না।
মনে রাখার টিপস:
চৌম্বক পদার্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো লোহার নিকো (লোহা, নিকেল, কোবাল্ট)।
সঠিক উত্তর: D) সবুজ
কেন সঠিক:
- রংধনুর সাতটি রঙের ক্রম হলো বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
- এই সাতটি রঙের ঠিক মাঝখানে বা চতুর্থ অবস্থানে সবুজ রঙ অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হলুদ — এটি সাতটি রঙের ক্রমের পঞ্চম রঙ এবং এটি মধ্যম রঙ নয়।
B) নীল — এটি সাতটি রঙের ক্রমের দ্বিতীয় রঙ এবং এটি মধ্যম রঙের অবস্থান নির্দেশ করে না।
C) লাল — এটি সাতটি রঙের ক্রমের সর্বশেষ বা সপ্তম রঙ এবং এটি দুই প্রান্তের একটি।
D) সবুজ — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি রংধনুর সাতটি রঙের ঠিক মধ্যবর্তী রঙ।
মনে রাখার টিপস:
রংধনুর রঙের ক্রম মনে রাখতে বেনিআসহোণী সূত্রটি ব্যবহার করতে পারো, যেখানে বে=বেগুনি, নি=নীল, আ=আসমানী, স=সবুজ, হো=হলুদ, ণী=কমলা এবং লাল।
সঠিক উত্তর: A) ব্যতীত
কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'ব্যতীত' শব্দের সঠিক বানানে প্রথম বর্ণে জ-ফলা এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যা বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ বা অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যতীত — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ ছড়া বা ছাড়া।
B) ব্যতিত — এই বানানে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) ব্যাতীত — এই বানানে আ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা অশুদ্ধ।
D) ব্যাতিত — এই বানানে আ-কার এবং ই-কার উভয়ই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ব্যতীত শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার আছে, এটি মনে রাখতে 'নদীর দীর্ঘ জল' এই তুলনার মতো দীর্ঘ স্বরধ্বনি উচ্চারণ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) আম
কেন সঠিক:
- মহানন্দা একটি প্রধান নদী হওয়া সত্ত্বেও এর একটি সুপরিচিত আমের জাতের নামও মহানন্দা।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে মহানন্দা নদীর তীরে এই জাতের আম উৎপাদিত হয় এবং এর নামকরণ নদীর নামানুসারে হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরিষা — এটি একটি তেলবীজ জাতীয় ফসল, নদীর নামে এর কোনো পরিচিত আমের জাত বা বিখ্যাত কৃষি পণ্য নেই।
B) আম — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহানন্দা নদী ছাড়াও এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় আমের জাত।
C) তরমুজ — এটি একটি ফল হলেও মহানন্দা নামে এর কোনো পরিচিত বা বিখ্যাত জাত নেই।
D) বাঁধাকপি — এটি একটি শীতকালীন সবজি, মহানন্দা নদীর নামের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
নদী মহানন্দা যেমন বিখ্যাত, তেমনি এর নামানুসারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা আমও বেশ জনপ্রিয়।
সঠিক উত্তর: A) ফিল্ড মার্শাল রোমেল
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উত্তর আফ্রিকা অভিযানে জার্মান সেনাপ্রধান হিসেবে তিনি অত্যন্ত দক্ষ ও চতুর রণকৌশল প্রদর্শন করেছিলেন।
- মরুভূমির বিরুদ্ধ পরিবেশে তার এই অসাধারণ সামরিক সাফল্যের কারণে তাকে সম্মানসূচক ডেজার্ট ফক্স বা মরু শিয়াল উপাধি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিল্ড মার্শাল রোমেল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি উত্তর আফ্রিকার মরুযুদ্ধ রণকৌশলের জন্য এই উপাধি পেয়েছিলেন।
B) আনোয়ার সাদাত — তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড শান্তি চুক্তির জন্য বিখ্যাত, কোনো সামরিক উপাধির জন্য নন।
C) মার্শাল টিটো — তিনি যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান ও অবিভক্ত কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন, মরুযুদ্ধের কোনো বিশেষ উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) কামাল আতাতুর্ক — তিনি আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা এবং দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যার সঙ্গে এই উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক বা রোমেল মরুভূমিতে যুদ্ধ করে ফক্স বা শিয়ালের মতো চালাকি দেখিয়েছিলেন, তাই রোমেল মানেই ডেজার্ট ফক্স।
সঠিক উত্তর: C) পার্লামেন্ট অব ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটানের আইনসভা বা সংসদ দেশটির সংবিধান অনুযায়ী পার্লামেন্ট অব ভুটান নামে পরিচিত।
- এই পার্লামেন্ট একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, যা ভুটানের রাজা এবং দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চায়েত — এটি সাধারণত ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর, জাতীয় আইনসভা নয়।
B) মজলিশ — এটি মালদ্বীপ ও ওমানের মতো দেশের জাতীয় আইনসভার নাম, ভুটানের আইনসভার নাম নয়।
C) পার্লামেন্ট অব ভুটান — এটি ভুটানের আইনসভার সঠিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নাম।
D) মোগড়ু — এটি ভুটানের আইনসভার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত বা সঠিক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভুটানের নাম এবং তাদের আইনসভার নাম প্রায় একই রকম, অর্থাৎ দেশটির আইনসভার সাধারণ ইংরেজি নামই হলো পার্লামেন্ট অব ভুটান।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) প্রিস্টিনা
কেন সঠিক:
- কসোভো ইউরোপ মহাদেশের একটি রাষ্ট্র এবং প্রিস্টিনা হলো এর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- কসোভো ২০০৮ সালে সার্বিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং প্রিস্টিনা এর প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রিস্টিনা — এটি কসোভোর রাজধানী হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর।
B) তিরানা — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী, কসোভোর নয়।
C) বুদাপেস্ট — এটি হাঙ্গেরির রাজধানী, কসোভোর নয়।
D) নিকোশিয়া — এটি সাইপ্রাসের রাজধানী, কসোভোর নয়।
মনে রাখার টিপস:
কসোভো নামের শুরুতে ক আছে এবং এর রাজধানীর নাম প্রিস্টিনা, যা ক-এর সাথে যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়
কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা অনিশ্চয়তা, যার সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রত্যয় বা বিশ্বাস।
- ব্যাকরণগত ও ভাবগত দিক থেকে সংশয়ের বিপরীতে দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করতে প্রত্যয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভয় — এটি ভয় শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর।
C) বিস্ময় — এর অর্থ আশ্চর্য হওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
D) দ্বিধা — এটি সংশয়ের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংশয় অর্থ সন্দেহ, আর প্রত্যয় অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস। সন্দেহ দূর করে মনে বিশ্বাস বা প্রত্যয় আনতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) নির্বোধ
কেন সঠিক:
- মনীষা শব্দের অর্থ হলো প্রজ্ঞা, বুদ্ধিমত্তা বা মননশীলতা।
- এই শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে নির্বোধ শব্দটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রভা — এই শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি, যা মনীষা শব্দের বিপরীত নয়।
B) স্থিরতা — এই শব্দের অর্থ অচল বা অবিচল অবস্থা, যা বুদ্ধিমত্তার বিপরীত নয়।
C) নির্বোধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জ্ঞানহীন বা বোকা।
D) মনস্বিতা — এই শব্দের অর্থ প্রবুদ্ধতা বা মনীষা, যা এর সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
মনীষা মানে বুদ্ধিমত্তা আর নির্বোধ মানে বুদ্ধিহীন।
সঠিক উত্তর: D) নিষ্ক্রিয় দর্শক
কেন সঠিক:
- সাক্ষী গোপাল একটি বাংলা প্রবচন, যার আক্ষরিক অর্থ উপস্থিত থেকেও কোনো বিষয়ে অংশ না নেওয়া।
- বাস্তব জীবনে কোনো ঘটনা বা ঝামেলায় নীরব বা নিষ্ক্রিয় দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকাকে এই প্রবচনের মাধ্যমে বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সক্রিয় দর্শক — অর্থটি ভুল কারণ এটি নিষ্ক্রিয়তার ঠিক বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
B) কর্তব্যবিমুখ — অর্থটি ভুল কারণ এর অর্থ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, যা সাক্ষী গোপালের সাথে মেলে না।
সি) কর্তব্যপরায়ণ — অর্থটি ভুল কারণ এটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে বোঝায়, যা প্রবচনটির উল্টো।
D) নিষ্ক্রিয় দর্শক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ প্রবচনটির মূল অর্থ এবং প্রেক্ষাপট এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
সাক্ষী মানে যে শুধু দেখে কিন্তু কিছু বলে না, আর গোপাল একটি নাম। তাই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা দর্শককে সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) অভ্যন্তরীণ
কেন সঠিক:
- অভ্যন্তরীণ শব্দটি গঠিত হয়েছে অভি উপসর্গ এবং অন্তর শব্দের সঙ্গে ন প্রত্যয় যোগ করে।
- বাংলা বানান নিয়ম অনুযায়ী র ফলার পর মূর্ধন্য ণ হয়, তাই এখানে ন এর পরিবর্তে ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আভ্যন্তরীণ — এই বানানে মধ্যাহ্ন বা ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) অভ্যন্তরীণ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম পুরোপুরি অনুসরণ করেছে।
সি) আভ্যন্তরীন — এই বানানে র ফলার পর দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে এবং দীর্ঘী কার দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
ডি) অভ্যন্তরীন — এই বানানে শেষের অংশে দন্ত্য ন এবং দীর্ঘী কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
র ফলার পর সবসময় মূর্ধন্য ণ হয়, তাই অভ্যন্তরীণ বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) গুজব
১. কেন সঠিক:
- গুজব একটি অননুমোদিত, ভিত্তিহীন ও মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া খবর বা রটনা বোঝায়।
- সংবাদ, সন্দেশ এবং বার্তা হলো সত্য ঘটনা, তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা গুজবের বিপরীত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয়।
- এখানে সংবাদ, সন্দেশ এবং বার্তা শব্দগুলো কোনো না কোনো তথ্য বা খবরের প্রকাশ ঘটায়, পক্ষান্তরে গুজব হলো অসত্য বা যাচাই না করা তথ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপবাদ
ব্যাখ্যা: এটি কোনো সত্য তথ্য নয়, বরং কারো বিরুদ্ধে আনীত ভিত্তিহীন অভিযোগ যা গুজবের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: জনশ্রুতি
ব্যাখ্যা: মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত কথা, যার সত্যতা সবসময় নিশ্চিত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গুজব — এটি সত্য বা নিশ্চিত কোনো তথ্য নয়, তাই এটি অন্য তিনটি শব্দের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর।
B) সংবাদ — এটি একটি সঠিক তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা বার্তা ও সন্দেশের সঙ্গে মেলে।
C) সন্দেশ — এটি খবর বা সংবাদ অর্থে ব্যবহৃত একটি প্রমিত শব্দ, যা বার্তা ও সংবাদের সমার্থক।
D) বার্তা — এটিও কোনো তথ্য বা খবরের সমার্থক শব্দ, যা সংবাদ ও সন্দেশের সমকক্ষ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংবাদ, সন্দেশ ও বার্তা হলো খবরের তিন ভাই, আর গুজব হলো তাদের অসত্য ও দুষ্টু প্রতিবেশী।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় ভালো খবর ও রটনার পার্থক্য মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাব ও প্রমিত রূপ ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হয়।
- ভিত্তিহীন তথ্য এবং সত্য তথ্যের পার্থক্য বুঝতে পারলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) অস্তিত্ব
১. কেন সঠিক:
সত্ত্ব শব্দের মূল অর্থ হলো সত্তা, উপস্থিতি বা অস্তিত্ব। এটি সাধারণত কোনো বস্তুর বা জীবের মূল সত্তা বা মূল রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বহু তৎসম শব্দ রয়েছে যার রূপ ও অর্থ সংস্কৃত ব্যাকরণ এবং অভিধান অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এখানে সত্ত্ব শব্দটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম বা বিভক্তির অধীনে না থেকে সরাসরি এর আভিধানিক অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মানব সত্ত্ব
ব্যাখ্যা: এখানে মানব সত্ত্ব বলতে মানুষের ভেতরের মূল অস্তিত্ব বা সত্তাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: স্বত্বাধিকার
ব্যাখ্যা: স্বত্ব শব্দের অর্থ অধিকার, যা সত্ত্ব শব্দের সাথে প্রায়ই উচ্চারণে ও বানানে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিত্য — নিত্য শব্দের অর্থ সর্বদা বা প্রতিদিন, যা সত্ত্বের অর্থের সাথে মেলে না।
B) সাধু — সাধু শব্দের অর্থ সৎ ব্যক্তি বা প্রাকৃতজন, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) শুভ — শুভ শব্দের অর্থ মঙ্গল বা ভালো, যা অস্তিত্ব বোঝায় না।
D) অস্তিত্ব — এটিই সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
সত্ত্ব মানে সত্তা বা অস্তিত্ব, এভাবে মিলিয়ে পড়লে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব। বানানের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে সত্ত্ব এবং স্বত্ব দুটি সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বানানের ভিন্নতার কারণে শব্দের অর্থ পরিবর্তনের প্রশ্ন আসে। সত্ত্ব এবং স্বত্ব শব্দ দুটির অর্থ আলাদা, তাই পরীক্ষার হলে সাবধানে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
১. কেন সঠিক:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা ক্রিয়ার বিনিময় অর্থে যে বহুব্রীহি সমাস হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই বা যুদ্ধ, তা বোঝাতেই লাঠালাঠি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েই একই কাজ বা ক্রিয়ার পারস্পরিক বিনিময় প্রকাশ করে, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- এই সমাসের ব্যাসবাক্যে সাধারণত পূর্বপদের সাথে এবং পরপদের সাথে এ বা তে যুক্ত হয় এবং মাঝখানে পরস্পর বা বিনিময় বোঝাতে আ যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কানাকানি
ব্যাখ্যা: কানে কানে যে কথা, অর্থাৎ দুজনের মধ্যে গোপনে কথা বলার পারস্পরিক বিনিময় বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
উদাহরণ ২: হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, অর্থাৎ দুই পক্ষের মধ্যে হাত দিয়ে মারামারির পারস্পরিক বিনিময় বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ যদি কৃৎ বা নামপদের পূর্বে যুক্ত হয়ে সমাস গঠন করে, তবে তাকে প্রাদি সমাস বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে লাঠিতে লাঠিতে যে মারামারি বা পারস্পরিক ক্রিয়ার বিনিময় বোঝানো হয়েছে।
C) তৎপুরুষ সমাস — পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে যদি পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তবে তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে, কিন্তু এখানে পদের অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
D) কর্মধারয় সমাস — বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সাথে পরপদের যে সমাস হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারায় সমাস বলে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো শব্দের মাঝে যদি আ ধ্বনি এবং শেষে ই ধ্বনি থাকে এবং একই শব্দের দ্বিরুক্তি বোঝায়, তবে তা সাধারণত ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
- যেমন লাঠালাঠি, হাতাহাতি, কোলাকুলি ইত্যাদি শব্দ দেখলেই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, যেখানে শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
- একই নিয়মে কুসংস্কৃতি বা অন্য কোনো জটিল সমাসের সাথে একে গুলিয়ে না ফেলে পারস্পরিক বোঝাপড়ার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) করণে ষষ্ঠী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে যার সাহায্যে বা যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে।
- এখানে কালির সাহায্যে দাগ দেওয়ার কাজটি সম্পন্ন হওয়ায় কালির শব্দটি করণ কারক এবং এর সাথে র বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলা হয়।
- শব্দের সাথে র বা এর বিভক্তি যুক্ত হলে তা ব্যাকরণ অনুযায়ী ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলমে লেখা যায়।
ব্যাখ্যা: লেখার উপকরণ বা মাধ্যম বোঝাতে কলমে শব্দটিতে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
উদাহরণ ২: লাঠিতে কাজ হয়।
ব্যাখ্যা: কাজের সহায়ক মাধ্যম বোঝাতে লাঠিতে শব্দটিতে করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণে শূন্য — স্থান বা কাল বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং কোনো বিভক্তি না থাকলে শূন্য বিভক্তি হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অপাদানে শূন্য — কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
C) করণে ষষ্ঠী — সঠিক উত্তর, কারণ এখানে কালি একটি উপকরণ এবং এর সাথে র বিভক্তি যুক্ত রয়েছে।
D) কর্মে ২য়া — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে এবং এতে সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তি হয় যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক হয়।
- শব্দের শেষে র বা এর থাকলে তা সাধারণত ষষ্ঠী বিভক্তি নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করে কারক বের করতে হবে এবং পরে শব্দের সাথে যুক্ত বিভক্তি চিহ্নিত করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে উপকরণ বা মাধ্যম বোঝালে চোখ বন্ধ করে করণ কারক দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) কাঁদ + উনি
১. কেন সঠিক:
- কাঁদ শব্দের সঙ্গে উনি প্রত্যয় বা ধ্বনি যুক্ত হয়ে কাঁদুনি শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- এখানে নি প্রত্যয় যোগ সাধনের প্রক্রিয়ায় উনি রূপ ধারণ করেছে, যা বাংলা কৃৎ প্রত্যয়ের একটি বিশেষ গঠনরীতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দ গঠন ও প্রত্যয় যোগের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া।
- কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দে অনেক সময় মূল ধাতুর সঙ্গে বিশেষ অনুসর্গ বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাদ + উনি = চাদনি
ব্যাখ্যা: মূল শব্দের সঙ্গে উনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হওয়ার আরেকটি প্রচলিত উদাহরণ এটি।
উদাহরণ ২: মাতাল + উনি = মাতালুনি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ধরনের প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাঁদ + নি — এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি নি প্রত্যয় যোগ করলে কাঁদুনি হয় না, কারণ এখানে মূল ধ্বনির রূপ পরিবর্তন ঘটে।
B) কাঁদো + উনি — এখানে কাঁদ ধাতুর সঙ্গে ও প্রত্যয় যুক্ত করে কাঁদো করা হয়েছে, যা সঠিক মূল ধাতু নয়।
C) কাঁদ + ইনি — এখানে ইনি প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে, যা কাঁদুনি শব্দের গঠনের সঙ্গে মিলে না।
D) কাঁদ + উনি — এটি সঠিক কারণ কাঁদ ধাতুর সঙ্গে উনি যুক্ত হয়ে কাঁদুনি গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাঁদুনি শব্দের শেষে উনি ধ্বনি আছে কি না তা খেয়াল রাখবে।
- ধাতু চেনার সময় ক্রিয়ার মূল রূপ কাঁদ এবং প্রত্যয় হিসেবে উনি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে মূল ধাতু এবং প্রত্যয় আলাদা করার সময় শব্দের অন্ত্যধ্বনির পরিবর্তন লক্ষ্য করতে হয়।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) পর + পর = পরস্পর
কেন সঠিক:
১. এই সন্ধিটি সাধারণ কোনো ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয়নি।
২. ব্যাকরণের নিয়ম বহির্ভূতভাবে গঠিত হওয়ায় একে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে সকল সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে চলে না, তাদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
২. বাংলা ব্যাকরণে এই জাতীয় শব্দগুলো প্রাচীনকাল থেকে যেভাবে প্রচলিত আছে, সেভাবেই গ্রহণ করা হয়েছে।
৩. যেমন পর এবং পর যুক্ত হয়ে পরস্পর শব্দটি গঠিত হয়, যা নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পর + পর = পরস্পর — এটি সঠিক অপশন এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির একটি বিশেষ উদাহরণ।
B) বাক + দান = বাগদান — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম বর্গের ক এর স্থানে তৃতীয় বর্গের গ হয়ে সাধিত হয়েছে।
C) উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে চ ছ যুক্ত হওয়ার নিয়ম মেনেছে।
D) সম + সার = সংসার — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পরে দন্ত স থাকলে ম এর স্থানে অনুস্বার হওয়ার নিয়ম মেনেছে।
মনে রাখার টিপস:
১. যেসব শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার পর সাধারণ নিয়ম মেলানো যায় না, সেগুলো সাধারণত নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
২. পরস্পর, গোষ্পদ, তস্কর, বৃহস্পতি ইত্যাদি শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্ত রাখলে পরীক্ষায় সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) রায় গুণাকর
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য অংশের অন্তর্ভুক্ত। মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায় তাঁর কবিকীর্তি ও রাজসভার অবদানের জন্য নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের কাছ থেকে রায় গুণাকর উপাধি লাভ করেছিলেন। এই উপাধিটি তাঁর নামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর মূল নামের চেয়ে এই উপাধিতেই বেশি প্রশ্ন আসে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
কবি ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং মঙ্গলকাব্যের ধারার শেষ উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে এবং মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি হিসেবে তিনি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি কবি ভারতচন্দ্র রায়ের সবচেয়ে বিখ্যাত ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম, যা তিনটি খণ্ডে বিভক্ত।
উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশ বা মধ্যখণ্ড হিসেবে প্রকাশিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রায় গুণাকর - এটি সঠিক উত্তর কারণ কবি ভারতচন্দ্র রায় নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় থেকে এই উপাধি পেয়েছিলেন।
B) কবিকন্ঠহার - এটি কবি ভারতচন্দ্রের উপাধি নয়, এটি অন্য কোনো মধ্যযুগের কবি বা পণ্ডিতে ব্যবহৃত বিশেষ উপাধি।
C) কবিকঙ্কন - এটি মধ্যযুগের আরেকজন শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি, ভারতচন্দ্রের নয়।
D) কবিররঞ্জন - এটি মধ্যযুগের কবি রামপ্রসাদ সেন কিংবা অন্য কোনো সাহিত্যিকের উপাধি, যা ভারতচন্দ্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভারতচন্দ্রের নামের শেষে রায় আছে এবং তাঁর উপাধির মধ্যেও রায় গুণাকর আছে। তাই রায় শব্দ মিলিয়ে এই উপাধিটি সহজেই মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মধ্যযুগের কবিদের উপাধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন আসে। যেমন মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি কবিকঙ্কন এবং ভারতচন্দ্রের উপাধি রায় গুণাকর, এই দুটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ইমাম হোসেন
১. কেন সঠিক:
বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার কেন্দ্রীয় চরিত্র বা নায়ক হলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.)। কারবালার প্রান্তরে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অসামান্য ত্যাগ এবং বীরত্ব এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হওয়ায় তিনি এর প্রধান নায়ক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক যিনি ১৮৪৭ সালে কুষ্টিয়ার পদমদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার সর্বশ্রেষ্ঠ ও অমর সাহিত্যকর্ম হলো বিষাদ সিন্ধু যা ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে তিনটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা: এটি কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মহাকাব্যধর্মী রচনা যেখানে ঐতিহাসিক পটভূমি ও ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রত্নাবলী
ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের একটি নাটক যা তার নাট্যকার পরিচয়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইমাম হাসান — তিনি ইমাম হোসেনের বড় ভাই ছিলেন কিন্তু বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের মূল ঘটনা কারবালার যুদ্ধ ও ইমাম হোসেনের শাহাদাতকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হওয়ায় তিনি প্রধান নায়ক নন।
B) সীমার — সে কারবালার প্রান্তরের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও খল চরিত্র এবং ইমাম হোসেনের হত্যাকারীদের মধ্যে অন্যতম তাই সে এই উপন্যাসের নায়ক হতে পারে না।
C) এজিদ — সে কারবালার যুদ্ধের সময় উমাইয়া খলিফা এবং এই উপন্যাসের প্রধান খলনায়ক বা প্রতিপক্ষ তাই তাকে নায়ক বলা যায় না।
D) ইমাম হোসেন — এই অপশনটি সঠিক কারণ উপন্যাসটির সম্পূর্ণ কাহিনী তার জীবন, সংগ্রাম ও কারবালায় আত্মত্যাগের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের মূল ট্র্যাজেডি কারবালার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এবং এর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন হজরত ইমাম হোসেন (রা.)। তাই কারবালা ও ইমাম হোসেন নাম দুটি মনে রাখলেই এই উপন্যাসের নায়ক সহজেই চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন এবং এটি তিন খণ্ডে সমাপ্ত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই উপন্যাসের খণ্ডগুলোর নাম বা লেখকের পরিচয় জানতে চাওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: B) লালসালু
১. কেন সঠিক:
- বিদ্রোহী বালিকা বধু জমিলা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত লালসালু উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান ও আলোড়ন সৃষ্টিকারী চরিত্র।
- এই উপন্যাসে জমিলা হলো মজিদের দ্বিতীয় স্ত্রী, যে অন্ধ ধর্মীয় গোঁড়ামি ও শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশ করেছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- লালসালু উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং এটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং সর্বগ্রাসী শোষণের এক নিপুণ শৈল্পিক রূপায়ণ হলো এই সামাজিক উপন্যাসটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খালেক ব্যাপারী
ব্যাখ্যা: এটিও লালসালু উপন্যাসের একটি প্রভাবশালী গ্রামীণ মোড়ল চরিত্র।
উদাহরণ ২: আমেনা
ব্যাখ্যা: এটি লালসালু উপন্যাসের মজিদের প্রথম স্ত্রী চরিত্র, যে সমাজের ভয়ে ভীত ও নিষ্ক্রিয় থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপুর সংসার — এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস পথের পাঁচালী বা অপরাজিত ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এর প্রধান চরিত্র অপু ও দুর্গা।
B) লালসালু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।
C) গাভীর বৃত্তান্ত — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যঙ্গাত্মক উপন্যাস হলেও এতে জমিলা চরিত্র নেই।
D) চাঁদের অমাবস্যা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যার প্রধান চরিত্র শিক্ষক আরেফ আলী।
৫ মনে রাখার টিপস:
লালসালু উপন্যাসের প্রতিবাদী নারী চরিত্র মানেই জমিলা এবং এর লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
পরীক্ষায় জমিলা চরিত্রটি আসলে চোখ বন্ধ করে লালসালু উপন্যাস দাগাতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব ও কুসংস্কারের চিত্র বুঝতে লালসালু উপন্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিসিএসসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: A) চতুরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- চতুরঙ্গ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এটি ১৯১৫ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং এর মনস্তাত্ত্বিক গুরুত্ব অপরিসীম।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসে অসামান্য অবদান রেখেছেন।
- চতুরঙ্গ উপন্যাসে শ্রীবিলাস, শচীশ, পুরন্দর ও হেমাঙ্গিনী চরিত্রের মাধ্যমে তৎকালীন বুদ্ধিজীবী সমাজের চিন্তাধারা ও ধর্মীয় দ্বিধাদ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
উদাহরণ ২: চোখের চশমা নয়, চোখের আলো
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলো মূলত মানুষের অন্তর্জগত ও সামাজিক মনস্তত্ত্বের গভীর পর্যবেক্ষণের দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুরঙ্গ — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) চর্তুদশ — এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রসিদ্ধ সাহিত্যকর্ম নয়, বরং বানানগত দিক থেকেও এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ শব্দ।
C) চতুষ্কোণ — এটি জ্যামিতিক একটি আকৃতির নাম, যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাসের নাম নয়।
D) চতুষ্পাঠী — এটি প্রাচীনকালের টোল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা কোনো সাহিত্যিক গ্রন্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো মনে রাখতে এই সূত্রটি মনে রাখতে পারো: চোখের বালি, গোরা, চতুরঙ্গ ও শেষের কবিতা।
- উপন্যাসের নামগুলোর প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়লে দীর্ঘদিন মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস ও প্রকাশের সাল খুব প্রায়ই আসে।
- বিশেষ করে চতুরঙ্গ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শচীশ ও শ্রীবিলাস সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) বেদের মেয়ে
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি জনপ্রিয় নাট্যরূপ হলো বেদের মেয়ে।
পল্লীপ্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা এই নাটকের মূল উপজীব্য বিষয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক যিনি পল্লীকবি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
তার কবিতায় ও নাটকে গ্রামীণ বাংলার লোকসংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মানুষের সহজ-সরল জীবন অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নকশী কাথার মাঠ
ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও বহুল পঠিত কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: সুজন بادিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা: এটিও জসীমউদ্দীনের আরেকটি বিখ্যাত ও প্রশংসিত দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখালী — এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, কোনো নাটক নয়।
B) বেদের মেয়ে — এটি সঠিক উত্তর এবং জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত নাটক।
C) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্দীনের কোনো প্রধান বা পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়।
D) বোবা কাহিনী — এটি জসীমউদ্দীনের রচিত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
জসীমউদ্দীনের নাটক মনে রাখতে মূল চরিত্র হিসেবে গ্রামীণ বা লোকজ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে পারো।
তার নাটক মানেই বাংলার লোকজীবনের এক অনন্য রূপায়ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাব্যগ্রন্থ এবং নাটকগুলোর নাম খুব ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত কাব্য ও নাটকের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) একাদশে বৃহস্পতি
১. কেন সঠিক:
সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়ের অর্থ প্রকাশ করার জন্য একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে মানুষের জীবনে প্রবল সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি আসে বলে বিশ্বাস করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত প্রচলিত বাগধারা যা বিশেষ কোনো ভাব বা শব্দের আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও ভাবার্থভিত্তিক প্রশ্ন হিসেবে এটি নিয়মিত আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকরি পাওয়ার পর থেকে করিমের যেন একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌভাগ্য বোঝাতে একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায় প্রথমবারেই লাভ হওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি অবস্থা বিরাজ করছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে হঠাৎ ভাগ্য খুলে যাওয়ার ভাব প্রকাশ করতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেউকেটা — এই বাগধারাটির অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রভাবশালী ব্যক্তি, যা সৌভাগ্যের বিষয়ের সঙ্গে মিলে না।
B) গোঁফ-খেজুরে — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত অলস ব্যক্তি, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক অর্থ প্রদান করে না।
C) একাদশে বৃহস্পতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়।
D) এলাহী কান্ড — এই বাগধারাটির অর্থ বিরাট আয়োজন বা মহাযজ্ঞ, যা সৌভাগ্যের বিষয়ের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান ভালো হলে যেমন ভাগ্য খোলে, তেমনি মনে রাখবে একাদশে বৃহস্পতি মানেই হলো সৌভাগ্যের সুসময়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যের অর্থ প্রকাশকারী বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে। তাই একাদশে বৃহস্পতি এবং এর কাছাকাছি অর্থের বাগধারাগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) তিন প্রকার
১. কেন সঠিক:
গঠন অনুসারে বাক্য মূলত তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। বাক্যের মধ্যকার পদ ও খণ্ডবাক্যের পারস্পরিক সম্পর্কের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে এই শ্রেণিবিভাগ করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে। যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীনে এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে তাকে জটিল বাক্য বলে। আর দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য কোনো অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য উদয় হলে অন্ধকার দূর হয়।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সরল বাক্য কারণ এতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া আছে।
উদাহরণ ২: যিনি পরিশ্রম করেন, তিনিই সুখ লাভ করেন।
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বাক্য কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার রয়েছে এবং প্রধান ও আশ্রিত খণ্ডবাক্য পরস্পর নির্ভরশীল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুই প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে অর্থ বা ভাব অনুসারে বাক্য পাঁচ প্রকার হলেও গঠন অনুসারে বাক্য দুই প্রকার নয়।
B) পাঁচ প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে অর্থ বা ভাবভেদে বাক্যের প্রকারভেদ পাঁচ হলেও গঠনগত দিক থেকে তা সঠিক নয়।
C) ছয় প্রকার — বাংলা ব্যাকরণে গঠন অনুসারে বাক্যের কোনো ছয়টি প্রকারভেদ নেই।
D) তিন প্রকার — এই অপশনটি সঠিক কারণ গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকারেই বিভক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
গঠন অনুসারে বাক্য মনে রাখার কৌশল হলো সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিনটি শব্দ মনে রাখা। সংক্ষেপে স-জ-য সূত্র দিয়ে এটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গঠন এবং অর্থ ভেদে বাক্যের পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়। তাই বাক্য সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় প্রশ্নটি গঠন নাকি অর্থের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে তা ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নতুন শব্দ গঠন
১. কেন সঠিক:
প্রত্যয় হলো এমন কিছু ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যা শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
ভাষা সমৃদ্ধ করার প্রধান মাধ্যম হলো নতুন শব্দ তৈরি করা এবং প্রত্যয় এই কাজটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
প্রকৃতির সাথে বা শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন পদ বা শব্দ তৈরি করা হয়।
ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সাথে যা যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি
ব্যাখ্যা: এখানে 'চল' ধাতুর সাথে 'অন্ত' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই
ব্যাখ্যা: এখানে 'ঢাকা' শব্দের সাথে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন তদ্ধিতান্ত শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নতুন শব্দ গঠন — এটি সঠিক কারণ প্রত্যয়ের মূল কাজই হলো নতুন শব্দ তৈরি করা।
B) বাক্যে অলঙ্কার — এটি ভুল কারণ অলঙ্কার তৈরির কাজ মূলত অলংকার শাস্ত্র ও বাকালংকার যেমন অনুপ্রাস বা উপমার।
C) শব্দের মিলন — এটি ভুল কারণ শব্দের মিলন ঘটায় সমাস বা সন্ধি, প্রত্যয় নয়।
D) ভাষা সংক্ষেপণ — এটি ভুল কারণ ভাষা সংক্ষেপণ বা পিন্ডীভূত করার কাজ মূলত সমাসের।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রত্যয় মানেই নতুন শব্দের প্রত্যয়ন বা সৃষ্টি। ধাতু বা শব্দের শেষে বসে নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করাই এর একমাত্র কাজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দকে কৃদন্ত পদ এবং তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দকে তদ্ধিতান্ত পদ বলা হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দগুলো চিহ্নিত করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) We were pleased with the boy
কেন সঠিক:
- Active voice-এর বাক্যে verb যদি please হয়, তবে Passive করার সময় by-এর পরিবর্তে with preposition বসে।
- Subject হলো us, যা Passive করার সময় We হয় এবং past indefinite tense-এর কারণে were pleased বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We were pleased by the boy — please verb-এর পর সাধারণত by বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল।
B) We were pleased with the boy — এটি সঠিক অপশন কারণ please-এর পর সঠিক preposition 'with' ব্যবহৃত হয়েছে।
C) We were pleased to the boy — here 'to' preposition-এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) We were pleased at the boy — 'at' preposition ব্যবহার করলে অর্থের পরিবর্তন ঘটে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
please, satisfy, charm ইত্যাদি verb-এর পর passive voice-এ by-এর পরিবর্তে সবসময় with বসে।
সঠিক উত্তর: C) Concealed
কেন সঠিক:
নুড শব্দটির অর্থ হলো নগ্ন বা উন্মুক্ত, যার সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো গোপন বা ঢাকা।
কনসিলড শব্দটির অর্থ হলো লুকানো বা আবৃত, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Nacked — এটি নগ্ন অর্থে নুড শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই বিপরীত শব্দ নয়।
B) Open — এটি খোলা অর্থে উন্মুক্ত বোঝায়, যা নুড শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Concealed — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Exposed — এটি উন্মুক্ত বা প্রকাশিত বোঝায়, যা নুড শব্দের সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
নুড অর্থ খোলা বা নগ্ন এবং কনসিল অর্থ লুকানো, তাই নগ্ন শব্দের বিপরীত হলো লুকানো বা ঢাকা।
সঠিক উত্তর: B) Carelessness
কেন সঠিক:
Neglect শব্দের বাংলা অর্থ হলো অবহেলা করা বা অযত্ন করা।
Carelessness শব্দের অর্থও অমনোযোগিতা বা অবহেলা, যা মূল শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Care — এই শব্দটির অর্থ যত্ন বা পরিচর্যা, যা Neglect শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Carelessness — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Attention — এই শব্দটির অর্থ মনোযোগ, যা Neglect শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) Watchfullness — এই শব্দটির অর্থ সতর্ক দৃষ্টি বা পাহারা, যা মূল শব্দের সাথে মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
Neglect এবং Carelessness দুটি শব্দই দায়িত্বে অবহেলা বা অমনোযোগ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) He asked me if I liked music
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তন হয়ে ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের নিয়মে 'asked' বসেছে এবং ইনভার্টেড কমা তুলে সংযোগকারী হিসেবে 'if' ব্যবহৃত হয়েছে।
- রিপোর্টেড স্পিচের ইন্টারোগেটিভ বাক্যটি অ্যাসারটিভ হয়ে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স থেকে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স অর্থাৎ 'liked'-এ পরিবর্তিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He said if I like music — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব 'said' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে এবং টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি।
B) He asked me do I like music — এখানে প্রশ্নবোধক বাক্যকে এ্যাসারেটিভ করার সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে 'do' রাখা হয়েছে এবং ইনভার্টেড কমার পরিবর্তে 'if' বা 'whether' ব্যবহার করা হয়নি।
C) He asked to me if like music — এখানে 'asked'-এর পর ভুলভাবে প্রিপজিশন 'to' ব্যবহার করা হয়েছে এবং সাবজেক্ট 'I' বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) He asked me if I liked music — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ন্যারেশনের ক্ষেত্রে ইন্টারোগেটিভ বাক্য থাকলে 'said to' বদলে 'asked' হবে এবং বাক্যটি এ্যাসারেটিভ হয়ে টেন্স পরিবর্তন করে লিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) He enquired of me how I had done it.
কেন সঠিক:
প্রতিবেদন করার সময় রিপোর্টিং ভারب হিসেবে said to এর পরিবর্তে enquired of বসে কারণ এটি একটি প্রশ্ন। প্রশ্নটি Wh-word (How) দিয়ে শুরু হওয়ায় if বা whether না বসে ওই Wh-word কেই conjunction হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
ইনডাইরেক্ট স্পিচে ইন্টারোগেটিভ বাক্য অ্যাসারটিভ বাক্যে রূপান্তরিত হয় এবং সাবজেক্টের পর ভার্ব বসে।
টেন্স পরিবর্তনের নিয়মে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স (had done) এ পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয় বরং এটিই সঠিক বিকল্প।
B) B) He said to me if I had done it — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তিত হয়নি এবং Wh-word এর পরিবর্তে ভুলভাবে if ব্যবহার করা হয়েছে।
C) C) He said to me that I had done it — এটি একটি প্রশ্নবাচক বাক্য হওয়া সত্ত্বেও that कंजাংশন ব্যবহার করা হয়েছে এবং রিপোর্টিং ভার্ব পরিবর্তন করা হয়নি।
D) D) He enquired of me if had done it — এখানে Wh-word বাদ দিয়ে if ব্যবহার করা হয়েছে এবং সাবজেক্ট I অনুপস্থিত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Wh-word যুক্ত ডিরেক্ট প্রশ্নকে ইনডাইরেক্ট করার সময় if বসে না, ওই Wh-word ই বসে এবং বাক্যটি অ্যাসারটিভ হয়ে টেন্স পরিবর্তন করে।
সঠিক উত্তর: C) Industrial shares considered to be a safe investment
কেন সঠিক:
ব্লু চিপ বলতে বড় এবং আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায়।
এই ধরনের শেয়ারে বিনিয়োগ করাকে নিরাপদ ও লাভজনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Securities issued by the Government — এটি সরকারি সিকিউরিটিজ বোঝায়, যা ব্লু চিপ শেয়ারের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে না।
B) Industrial shares considered to be a risky investment — ব্লু চিপ শেয়ার ঝুঁকিপূর্ণ নয় বরং অত্যন্ত নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত।
C) Industrial shares considered to be a safe investment — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) None of these — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এই অপشنটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্লু চিপ মানেই নিরাপদ বিনিয়োগ, অর্থাৎ বড় কোম্পানির শেয়ারে ঝুঁকি কম থাকে।
সঠিক উত্তর: B) To keep calm
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ মাথা ঠিক রাখা হলেও এর ভাবার্থ হলো কঠিন পরিস্থিতিতেও মানসিক স্থিরতা বজায় রাখা।
বিপদের মুখেও ঘাবড়ে না গিয়ে শান্ত থাকা এবং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া বোঝাতে এই বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়।
এটি মানুষের মানসিক সংযম এবং ধৈর্যশীলতার প্রকাশ ঘটায়।
শান্ত থাকাই এই বাক্যের মূল চাবিকাঠি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To save oneself — এটি কেবল নিজের জীবন রক্ষা করার কথা বলে, যা মানসিক শান্ত থাকার সার্বিক ভাবার্থ প্রকাশ করতে পারে না।
B) To keep calm — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) To be self-respectful — এর অর্থ আত্মসম্মান রক্ষা করা, যা বিপদে শান্ত থাকার মূল ভাবের সাথে মিলে যায় না।
D) None of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপشنটি সঠিক হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
মাথা (Head) ঠান্ডা (Calm) রাখাই হলো নিজেকে শান্ত রাখা।
সঠিক উত্তর: D) Assessment
কেন সঠিক:
সঠিক বানানে প্রথমে 'A', এরপর 'ss' এবং পরে আবার 'ss' ব্যবহৃত হয়।
শব্দের শেষে 'ment' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক শব্দ গঠন করে।
বানানের মাঝে কোনো একক 's' থাকে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Asesment — বানানে ডাবল 's' এর নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
B) Asessment — বানানের প্রথম অংশে ডাবল 's' বাদ দেওয়া হয়েছে।
C) Assesment — বানানের শেষাংশে সঠিক ডাবল 's' ব্যবহার করা হয়নি।
D) Assessment — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান এবং এটিই মূল উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'As' এর পর দুটি 's' এবং মাঝখানে 'ess' এর কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) Conqueror
কেন সঠিক:
- Conquer শব্দটির সাথে or যুক্ত করে সঠিক এজেন্ট নাউন বা বিজয়ী বোঝানো হয়।
- ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুযায়ী এখানে er এর পরিবর্তে or প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Conqueror — এটি শুদ্ধ বানান এবং সঠিক উত্তর।
B) Conquerer — এখানে or এর পরিবর্তে ভুলভাবে er ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Conquaror — এখানে শেষের আগের অংশে ভুলভাবে a ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Conqarer — বানানের গঠন ভুল এবং এটি সম্পূর্ণ অপ্রচলিত একটি রূপ।
মনে রাখার টিপস:
Conquer শব্দের শেষে or যোগ করে Conqueror মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Let the problem be solved by you
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর একটি অবজেক্ট রয়েছে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটিকে Passive করতে হলে প্রথমে Let বসাতে হয় এবং পরে অবজেক্ট ও be যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The problem is solved by you — Imperative Sentence-কে সরাসরি Present Indefinite Tense-এর Passive করা যায় না।
B) You are solved with the problem — বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) Let the problem be solved by you — এটি সঠিক উত্তর।
D) Let you solve the problem — এটি একটি Active Sentence এবং এর অর্থ মূল বাকyের মতো passive হয় না।
মনে রাখার টিপস:
মূল Verb দিয়ে শুরু হওয়া Imperative Sentence-কে Passive করার সময় প্রথমে Let বসিয়ে বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) In reality
কেন সঠিক:
ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ ডি ফ্যাক্তো অর্থ বাস্তবে বা কার্যত।
আইনগত স্বীকৃতি থাকুক বা না থাকুক, এটি মূলত বাস্তব অবস্থাকে নির্দেশ করে।
তাই সঠিক উত্তর ইন রিয়ালিটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) As per facts — এটি তথ্যের ভিত্তিতে বোঝায়, যা ডি ফ্যাক্তো এর সঠিক ভাবার্থ নয়।
B) In reality — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাস্তবে, যা ডি ফ্যাক্তো এর সমার্থক।
C) By rights — এর অর্থ আইনগত অধিকার অনুযায়ী, যা ডি ফ্যাক্তো এর বিপরীত।
D) Evidence — এর অর্থ প্রমাণ, যা এই ল্যাটিন শব্দটির সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ডি ফ্যাক্তো মানে ফ্যাক্ট বা বাস্তব সত্য, তাই এটি ইন রিয়ালিটি বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) Adverb
কেন সঠিক:
এখানে alone শব্দটি live ভারਬটিকে মডিফাই করছে বা কেমনভাবে বাস করতে পারে না তা বোঝাচ্ছে।
ভার্বকে মডিফাই করার কারণে এটি অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করেছে।
বাক্যে এটি একটি অতিরিক্ত তথ্য প্রকাশ করছে।
সম্পূর্ণ বাক্যটির অর্থ প্রকাশে এটি সাহায্য করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pronoun — এটি কোনো প্রোনাউনের কাজ করছে না কারণ এটি নির্দিষ্ট কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি।
B) Preposition — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের আগে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝাচ্ছে না।
C) Adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশ করছে না।
D) Adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে সাধারণত তা অ্যাডভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: C) Intransitive verb
কেন সঠিক:
এই বাক্যে opened ভার্বের পর কোনো অবজেক্ট নেই এবং এটি নিজে নিজেই সম্পন্ন হয়েছে।
তাই এটি একটি অকর্মক বা Intransitive verb হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Transitive verb — এই ভার্বের কোনো কর্ম বা অবজেক্ট নেই বলে এটি Transitive verb হতে পারে না।
B) Linking verb — এটি সাবজেক্ট এবং কমপ্লিমেন্টকে যুক্ত করছে না, তাই এটি Linking verb নয়।
C) Intransitive verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) None of these — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
যে ভার্বের পর প্রশ্ন করলে কী বা কাকে উত্তর পাওয়া যায় না, সেটাই Intransitive verb।
সঠিক উত্তর: A) Resolute
কেন সঠিক:
- Resolute শব্দটির অর্থ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বা সংকল্পবদ্ধ, যা বাক্যে noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত বাক্যে adjective হিসেবে noun-কে modify করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Resolute — এটি একটি adjective কারণ এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দৃঢ়তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) Resolve — এটি সাধারণত verb হিসেবে কাজ করে যার অর্থ সংকল্প করা বা সমাধান করা।
C) Resolution — শব্দের শেষে ion থাকার কারণে এটি একটি noun, যার অর্থ প্রস্তাব বা সমাধান।
D) Resolutely — শব্দের শেষে ly থাকার কারণে এটি একটি adverb, যা verb বা adjective-কে modify করে।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত শব্দের শেষে te বা ful থাকলে তা adjective হয় এবং ly থাকলে adverb হয়।
সঠিক উত্তর: D) after
কেন সঠিক:
- Hinker after একটি গুরুত্বপূর্ণ Appropriate Preposition যার অর্থ তীব্র আকাঙ্ক্ষা করা বা কোনো কিছুর পেছনে ছোটা।
- এখানে fame বা খ্যাতির পেছনে ছোটার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক preposition হিসেবে after ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — Hinker এর পর for বসে না কারণ এটি সঠিক Appropriate Preposition গঠন করে না।
B) to — বাক্যের অর্থের সাথে এই preposition টি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং নিয়মবহির্ভূত।
C) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয় যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
D) after — এটি সঠিক Appropriate Preposition এবং বাক্যটির অর্থ নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
খ্যাতি বা লোভের পেছনে ছোটা বোঝাতে Hunker শব্দের পরে সব সময় after preposition বসে।
সঠিক উত্তর: C) on
কেন সঠিক:
Feed the baby on milk বাক্যটিতে on প্রিপজিশনটি কোনো প্রাণীকে নির্দিষ্ট খাবার খাইয়ে বাঁচিয়ে রাখা বা পুষ্টি জোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এখানে শিশুকে দুধের ওপর বা দুধ খাইয়ে পালন করার অর্থ প্রকাশ করতে on সঠিক হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সাধারণত কোনো কিছুর দিকে গতি বা প্রাপক বোঝাতে বসে, যা এই খাবারের উপাদানের সাথে মানানসই নয়।
B) in — এটি সাধারণত ভেতরে বা কোনো অবস্থার মধ্যে থাকা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে এটি বসবে না।
C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) with — এটি সাধারণত কোনো যন্ত্র বা উপকরণের সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বসে, তাই খাদ্যের সাথে on বসে।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে কোনো নির্দিষ্ট খাবার খাইয়ে পুষ্ট করা বা বাঁচিয়ে রাখার ক্ষেত্রে Feed-এর পরে সাধারণত on প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) have hoped
কেন সঠিক:
বাক্যে ever since থাকলে সাধারণত তার আগের অংশে Present Perfect tense হয়।
আবার hope একটি stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous form হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been hoping — hope একটি stative verb হওয়ায় এর সাথে continuous tense ব্যবহার করা যায় না।
B) have hoped — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট নিয়মে এটি Present Perfect tense এ আছে।
C) hope — ever since থাকার কারণে বাক্যটিতে সাধারণ Present tense ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত।
D) am hopping — এই অপশনে বানান ভুল আছে এবং continuous form এর নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ever since দেখলে সাধারণত Present Perfect tense বসাতে হয় এবং stative verb এর continuous রূপ এড়িয়ে চলতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I wish I were you
কেন সঠিক:
অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে I wish এর পরে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন, সবসময় be ভারবের past form হিসেবে were বসে।
এখানে নিজেকে অন্য কেউ কল্পনা করা বোঝানো হয়েছে যা বাস্তব নয়।
তাই এখানে was, am বা are ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
নিয়ম অনুযায়ী এখানে সঠিক রূপটি হলো were।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I wish I were you — এটি সঠিক বাক্য কারণ এখানে অবাস্তব কল্পনায় were ব্যবহার করা হয়েছে।
B) I wish I was you — এখানে was ব্যবহার করা হয়েছে যা সাবজেক্ট I এর পরে অবাস্তব অর্থে ভুল।
C) I wish I am you — এখানে present tense এর am ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।
D) I wish I are you — এখানে are ব্যবহার করা হয়েছে যা সাবজেক্ট এবং tense এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাতে I wish এর পরে હંમેશા were বসে, was কখনোই বসে না।
সঠিক উত্তর: D) Attract
কেন সঠিক:
Repulse শব্দটির অর্থ হলো কাউকে বা কিছুকে দূরে ঠেলে দেওয়া বা বিকর্ষণ করা।
অন্যদিকে Attract শব্দের অর্থ হলো আকর্ষণ করা, যা Repulse শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Reside - এর অর্থ বসবাস করা, যার সাথে Repulse শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) Emphasize - এর অর্থ জোর দেওয়া, এটি Repulse শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Impulse - এর অর্থ আবেগ বা তাৎক্ষণিক তাড়না, এটি Repulse শব্দের সাথে মিল রাখে না।
D) Attract - সঠিক উত্তর কারণ এটি বিকর্ষণ করার বিপরীত অর্থ অর্থাৎ আকর্ষণ করা বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Repulse মানে দূরে ঠেলে দেওয়া এবং Attract মানে কাছে টেনে নেওয়া, এভাবে বিপরীত শব্দ মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) A mixed language
কেন সঠিক:
লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বলতে এমন একটি ভাষাকে বোঝায় যা বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি সাধারণত একাধিক ভাষার মিশ্রণে তৈরি হয় বা সহজীকৃত রূপ লাভ করে।
এটি ভিন্ন ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
এটি মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের সুবিধার্থে তৈরি হওয়া একটি মিশ্র ভাষা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) French — এটি একটি নির্দিষ্ট দেশের ভাষা এবং লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা কেবল ফরাসি ভাষাকে বোঝায় না।
B) Latin — এটি একটি প্রাচীন মৃত ভাষা যা বর্তমান যুগে সার্বজনীন যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
C) A mixed language — এই অপশনটি সঠিক কারণ লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা বিভিন্ন ভাষার মিশ্রণে গড়ে ওঠা একটি যোগাযোগের মাধ্যম।
D) Translated version — এর অর্থ অনূদিত রূপ, যা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কার মূল ধারণার সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা শব্দটি মনে রাখতে মনে রাখবেন এটি এমন একটি মিশ্র ভাষা যা ভিন্ন ভাষাভাষী মানুষদের মেলামেশা ও কথা বলার কাজ সহজ করে দেয়।
সঠিক উত্তর: D) সমবাহু
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা পরস্পর সমান
ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হতে পারে না
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহুগুলো হলো ক, খ এবং গ
মধ্যমাত্রয় হলো ম১, ম২ এবং ম৩
অতএব,
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের মধ্যমা সমান হয় না
বিষমবাহু ত্রিভুজের মধ্যমাগুলোর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হয়
সুতরাং,
কেবল সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে তিনটি মধ্যমা সমান হয়
উত্তর: সমবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: B) a৩+b৩
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো ঘনফলের উৎপাদকের সূত্র।
এখানে দুটি রাশির গুণফল নির্ণয় করতে হবে।
ধরি,
প্রথম রাশি হলো (a+b)
দ্বিতীয় রাশি হলো (a২−ab+b২)
অতএব,
প্রথম রাশিকে দ্বিতীয় রাশি দ্বারা গুণ করলে বীজগণিতের নিয়ম অনুযায়ী পাই,
a এর সাথে (a২−ab+b২) এর গুণ এবং b এর সাথে (a২−ab+b২) এর গুণ।
সুতরাং,
গুণ করার পর পাই a৩−a২b+ab২+a২b−ab২+b৩।
কাটাকাটি করার পর কেবল a৩+b৩ থাকে।
উত্তর: a৩+b৩
সঠিক উত্তর: C) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x − ১২ = ২
ধরি,
x এর মান বের করতে হবে
অতএব,
x = ২ + ১২
সুতরাং,
x = ১৪
পরের অংশ:
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে x এর ঘনক থেকে ১ এবং ৩ এর গুণফল বাদ দিতে হবে
অর্থাৎ,
১৪ এর ঘনক থেকে ৩ বাদ দিতে হবে
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) ১১১২
প্রদত্ত তথ্য:
৯ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১৫ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ৯ × ১৫ = ১৩৫ জন-দিন
অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হলো ৩ জন
অতএব,
মোট লোকসংখ্যা হলো ৯ + ৩ = ১২ জন
সুতরাং,
কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে ১৩৫ ÷ ১২ = ১১১২ দিনে
উত্তর: ১১১২ দিন
সঠিক উত্তর: D) ১৮৩৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
মোট লোক সংখ্যা = ৫০০ জন
খাবার মজুদ আছে = ২০ দিনের
ধরি,
৫ দিন পর অবশিষ্ট লোক সংখ্যা = ৫০০ − ১০০ = ৪০০ জন
৫ দিন পর অবশিষ্ট খাবার থাকে = ২০ − ৫ = ১৫ দিনের
অতএব,
৫০০ জনের ১৫ দিনের খাবার আছে
১ জন লোকের ওই খাবার চলে = ৫০০ × ১৫ দিনের
সুতরাং,
৪০০ জনের ওই খাবার চলে = (৫০০ × ১৫) ÷ ৪০০ দিনের
সমান ৭৫০ ÷ ২০ দিনের
উত্তর: ১৮৩ বা ৪ দিনে
সঠিক উত্তর: C) ০.১
প্রদত্ত তথ্য:
প্রশ্নে দেওয়া অভিব্যক্তিটি হলো ০.০০১ ÷ ০.১ × ০.১
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ০.০০১
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ০.১
তৃতীয় সংখ্যাটি = ০.১
অতএব,
প্রথমে ভাগের কাজ করতে হবে
০.০০১ ÷ ০.১ = ০.০১
সুতরাং,
এবার গুণের কাজ করতে হবে
০.০১ × ০.১ = ০.০০১
উত্তর: ০.১
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের প্রাথমিক ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = পাই গুণ r এর ওপর স্কয়ার
অতএব,
ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করলে নতুন ব্যাস হয় মূল ব্যাসের ৪ গুণ
নতুন ব্যাসার্ধ = ৪ গুণ r
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = পাই গুণ (৪ গুণ r) এর ওপর স্কয়ার = ১৬ গুণ (পাই গুণ r এর ওপর স্কয়ার)
ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = ১৬ গুণ − ১ গুণ = ১৫ গুণ? (প্রশ্নানুসারে ৩ গুণ বৃদ্ধি মানে মোট ৪ গুণ হওয়া)
সঠিক হিসাব:
প্রশ্ন অনুযায়ী ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে মানে নতুন ব্যাস = r + ৩ গুণ r = ৪ গুণ r
নতুন ক্ষেত্রফল = ১৬ গুণ প্রাথমিক ক্ষেত্রফল
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো এক থেকে নিরানব্বই পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল
প্রথম পদ সমান এক এবং শেষ পদ সমান নিরানব্বই
ধরি,
পদের সংখ্যা সমান নিরানব্বই
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
যোগফল সমান পদের সংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
এখানে মান বসিয়ে পাই নিরানব্বই গুণ এক যোগ নিরানব্বই ভাগ দুই
সুতরাং,
হিসাব করে পাই নিরানব্বই গুণ একশ ভাগ দুই
অর্থাৎ নিরানব্বই গুণ পঞ্চাশ সমান চার হাজার নয়শত পঞ্চাশ
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: B) এক সমকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ওপর একটি স্পর্শক এবং স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধ দেওয়া আছে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র ও স্পর্শবিন্দু সংযুক্ত রেখাংশ হলো ব্যাসার্ধ
অতএব,
জ্যামিতিক উপপাদ্য অনুসারে স্পর্শক ও ব্যাসার্ধ পরস্পর লম্ব হয়
সুতরাং,
এদের মধ্যবর্তী কোণের পরিমাণ ৯০ ডিগ্রি বা এক সমকোণ
উত্তর: এক সমকোণ
সঠিক উত্তর: C) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটি হলো ১০২ এবং ১৮৬
প্রতিক্ষেত্রে ৬ অবশিষ্ট থাকে
ধরি,
প্রথম সংখ্যা থেকে অবশিষ্ট ৬ বাদ দিতে হবে
দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে অবশিষ্ট ৬ বাদ দিতে হবে
অতএব,
প্রথম সংখ্যাটি হয় = ১০২ − ৬ = ৯৬
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হয় = ১৮৬ − ৬ = ১৮০
সুতরাং,
৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু নির্ণয় করতে হবে
উত্তর: ৯৬ এবং ১৮০ এর গসাগু হলো ১২
সঠিক উত্তর: A) মিশরে
প্রদত্ত তথ্য:
জ্যামিতির উৎপত্তি ও ইতিহাস প্রাচীন সভ্যতার সাথে যুক্ত
নীল নদ কেন্দ্রিক ভূমি পরিমাপের প্রয়োজনে জ্যামিতির চর্চা শুরু হয়
ধরি,
প্রাচীন মিশরীয়রা নীল নদে নদীর বার্ষিক বন্যার পর জমির সীমানা নির্ধারণ করত
এই পরিমাপের জ্ঞান থেকেই জ্যামিতিক সূত্রের বিকাশ ঘটে
অতএব,
মিশরীয় সভ্যতায় সর্বপ্রথম জ্যামিতির ব্যবহারিক আলোচনা শুরু হয়
পরবর্তীতে গ্রিক পন্ডিতগণ একে তাত্ত্বিক রূপ দেন
সুতরাং,
জ্যামিতির সূতিকাগার হিসেবে মিশরকে চিহ্নিত করা হয়
উত্তর: মিশরে
সঠিক উত্তর: C) ৪০ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩০ লিটার
এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩
ধরি,
এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার
পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার
অতএব,
৭ক + ৩ক = ৩০
১০ক = ৩০
ক = ৩
সুতরাং,
এসিডের পরিমাণ = ৭ × ৩ = ২১ লিটার
পানির পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ লিটার
ধরি,
ক লিটার পানি মিশ্রিত করতে হবে
অতএব,
২১ ÷ (৯ + ক) = ৩ ÷ ৭
৩(৯ + ক) = ২১ × ৭
২৭ + ৩ক = ১৪৭
অতএব,
৩ক = ১৪৭ − ২৭
৩ক = ১২০
ক = ৪০
উত্তর: ৪০ লিটার
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার যোগফল = ৮
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ১
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ক
অতএব,
৩ক + ১ক = ৮
৪ক = ৮
সুতরাং,
ক = ৮ ÷ ৪ = ২
উত্তর:
প্রথম সংখ্যা = ৩ × ২ = ৬
দ্বিতীয় সংখ্যা = ১ × ২ = ২
সংখ্যা দুটির গুণফল = ৬ × ২ = ১২
সঠিক উত্তর: A) ৬৮ কেজি
প্রদত্ত তথ্য:
১১ জন লোকের গড় ওজন = ৭০ কেজি
চলে যাওয়া লোকের ওজন = ৯০ কেজি
ধরি,
১১ জন লোকের মোট ওজন = ১১ × ৭০ = ৭৭০ কেজি
অতএব,
বাকি থাকে = ১১ − ১ = ১০ জন লোক
বাকি ১০ জন লোকের মোট ওজন = ৭৭০ − ৯০ = ৬৮০ কেজি
সুতরাং,
বাকীদের গড় ওজন = ৬৮০ ÷ ১০ = ৬৮ কেজি
উত্তর: ৬৮ কেজি
সঠিক উত্তর: D) ৮১
প্রদত্ত তথ্য:
মোট টাকার পরিমাণ = ৬৫৬১ টাকা
প্রত্যেকে যতজন ছাত্র তত টাকা পায়
ধরি,
ছাত্র সংখ্যা = ক
মোট টাকার পরিমাণ = ক × ক = ক২
অতএব,
ক২ = ৬৫৬১
ক = √৬৫৬১
সুতরাং,
ছাত্র সংখ্যা ক = ৮১
উত্তর: ৮১ জন
সঠিক উত্তর: B) ০.০০০২৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক পাঁচ
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো শূন্য দশমিক তিন শূন্য পাঁচ
ধরি,
প্রথম সংখ্যা = ০.৫
দ্বিতীয় সংখ্যা = ০.০০০৫
অতএব,
সংখ্যা দুটি গুণ করার সময় দশমিকের পরে মোট অঙ্ক সংখ্যা হিসাব করতে হবে
প্রথম সংখ্যায় দশমিকের পরে একটি অঙ্ক আছে
দ্বিতীয় সংখ্যায় দশমিকের পরে চারটি অঙ্ক আছে
সুতরাং,
৫ এবং ৫ গুণ করলে পঁচিশ হয়
পঁচিশের আগে মোট পাঁচটি অঙ্ক মেলাতে হবে
উত্তর: ০.০০০২৫
সঠিক উত্তর: B) ১৩/১৫
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ২৩/৩০, ১৩/১৫, ৮/৫ এবং ২/৩
ধরি,
হরগুলোর লসাগু হলো ৩০
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = ২৩/৩০
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২৬/৩০
তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৪৮/৩০
চতুর্থ ভগ্নাংশ = ২০/৩০
সুতরাং,
লবগুলোর মধ্যে ৪৮ সবচেয়ে বড়
উত্তর: ৮/৫
সঠিক উত্তর: A) ২১০
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৫ : ৭
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৬
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৬ = ৩০
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৭ × ৬ = ৪২
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে
লসাগু = অনুপাত দুটির গুণফল × গসাগু
সুতরাং,
লসাগু = ৫ × ৭ × ৬ = ২১০
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: D) ৫ মিনিট
প্রদত্ত তথ্য:
ঘণ্টাগুলো একসাথে বাজার সময় ১০ সেকেন্ড, ১৫ সেকেন্ড, ২০ সেকেন্ড এবং ২৫ সেকেন্ড
ধরি,
ঘণ্টাগুলোর আবার একত্রে বাজার সময় হবে প্রদত্ত সময়গুলোর লসাগু এর সমান
অতএব,
১০, ১৫, ২০ এবং ২৫ এর লসাগু বের করতে হবে
প্রথমে ৫ দিয়ে ভাগ করে পাই ২, ৩, ৪, ৫
সুতরাং,
লসাগু = ৫ × ২ × ৩ × ২ × ৫ = ৩০০ সেকেন্ড
উত্তর: ৩০০ সেকেন্ড বা ৫ মিনিট
সঠিক উত্তর: C) টেলিমেডিসিন
কেন সঠিক:
- টেলিমেডিসিন হলো এমন একটি আধুনিক প্রযুক্তি সেবা যার মাধ্যমে দূরদূরান্তে অবস্থান করে ইন্টারনেটের সাহায্যে চিকিৎসকের পরামর্শ ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করা যায়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে রোগীরা ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পেতে পারেন যা এই ব্যবস্থার মূল ভিত্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইলেকট্রোমেডিসিন — এটি চিকিৎসার এমন একটি শাখা যেখানে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও শক্তি ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়, যা ইন্টারনেটভিত্তিক দূরবর্তী সেবা নয়।
B) ই-ট্রিটমেন্ট — এটি সাধারণ কোনো প্রচলিত শব্দ বা ভুল পরিভাষা, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ইন্টারনেটভিত্তিক উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
D) জায়মা প্লাজমা — এটি চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোনো স্বীকৃত পদ্ধতি নয়, বরং এটি পদার্থবিজ্ঞান বা অন্য কোনো কাল্পনিক প্রসঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূর থেকে সেবা নেওয়া বোঝাতে টেলি (Tele) শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তাই দূরবর্তী চিকিৎসা সেবাই হলো টেলিমেডিসিন।
সঠিক উত্তর: A) শালবন বিহার
কেন সঠিক:
- শালবন বিহার বাংলাদেশের কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও উল্লেখযোগ্য।
- অষ্টম শতকের দেব বংশের রাজা শ্রীভবদেব এটি নির্মাণ করেছিলেন বলে ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শালবন বিহার — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের প্রাচীনতম বৌদ্ধ বিহারগুলোর অন্যতম।
B) সীতাকোট বিহার — এটি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে অবস্থিত একটি প্রাচীন বিহার, তবে এটি শালবন বিহারের মতো প্রাচীন বা প্রথম নয়।
C) আনন্দ বিহার — এটিও কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার, তবে এটি শালবন বিহারের পরে নির্মিত হয়েছিল।
D) সোমপুর বিহার — এটি নওগাঁর পাহাড়পুরে অবস্থিত একটি বিশাল বৌদ্ধ বিহার, যা পাল রাজবংশের আমলের এবং শালবন বিহারের পরবর্তী সময়ের।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রাচীন বিহার মনে রাখতে 'শাল' শব্দটি দিয়ে শুরু করতে পারেন, কারণ শালবন বিহারই সবচেয়ে প্রাচীন।
সঠিক উত্তর: C) কর্কট রেখা
কেন সঠিক:
- কর্কট রেখা বা ট্রপিক অব ক্যান্সার হলো উত্তর গোলার্ধের ২৩.৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ যা বাংলাদেশের ঠিক মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এই কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা এবং রাঙ্গামাটি জেলার উপর দিয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষুব রেখা — এটি ০ ডিগ্রি অক্ষাংশ এবং পৃথিবীর ঠিক মধ্য দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত, যা বাংলাদেশের উপর দিয়ে যায়নি।
B) মকর রেখা — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের ২৩.৫ ডিগ্রি অক্ষাংশ, যা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) দ্রাঘিমা রেখা — এটি উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী কাল্পনিক রেখা, কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক রেখার নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে গেছে কর্কট রেখা এবং এর মান ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ।
সঠিক উত্তর: A) পদ্মা
কেন সঠিক:
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে যমুনা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের নদ নদী ব্যবস্থাপনায় যমুনা নদীর মূল প্রবাহটি সরাসরি পদ্মার সঙ্গে মিশে its শেষ পরিণতি লাভ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — যমুনা নদী এই নদীতেই পতিত হয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
B) মেঘনা — মেঘনা নদী মূলত পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্রের মিলিত প্রবাহের সঙ্গে পরবর্তীতে মিলিত হয়, সরাসরি যমুনা মেঘনায় পতিত হয়নি।
C) বঙ্গোপসাগর — বঙ্গোপসাগরে পদ্মা, মেঘনা ও অন্যান্য নদীর মিলিত প্রবাহ পতিত হয়, যমুনা সরাসরি বঙ্গোপসাগরে পড়ে না।
D) ব্রহ্মপুত্র — ব্রহ্মপুত্র নদ নিজেই বাংলাদেশে যমুনা নামে প্রবাহিত হয়, তাই এটি অন্য কোথাও পতিত হওয়ার প্রশ্ন আসে না।
মনে রাখার টিপস:
যমুনা নদীর শেষ ঠিকানা হলো পদ্মা নদী, এটি মনে রাখতে জ "প" (যমুনার পানি পদ্মায় যায়) এই সহজ মিল ব্যবহার করতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ফারসি
কেন সঠিক:
- শাহনামা মহাকাব্যটি বিশ্ববিখ্যাত ফারসি কবি ফেরদৌসি কর্তৃক দশম শতাব্দীতে ফারসি ভাষায় রচিত হয়েছিল।
- এটি ফারসি সাহিত্যের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং পারস্যের ইতিহাস ও সংস্কৃতির মূল দলিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরবি — এটি ইসলামের পবিত্র ভাষা এবং মধ্যযুগের ইসলামিক দর্শনের প্রধান ভাষা হলেও শাহনামা এই ভাষায় রচিত হয়নি।
B) ফারসি — এই অপশনটি সঠিক কারণ শাহনামা মূল ফারসি ভাষায় রচিত প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যের একটি অনন্য নিদর্শন।
C) উর্দু — এই ভাষাটি দক্ষিণ এশিয়ায় মুঘল আমলের পরে বিকাশ লাভ করেছে, যা শাহনামা রচনার সময়ের অনেক পরের ঘটনা।
D) ফরাসি — এটি ইউরোপের একটি ভাষা, যার সাথে পারস্যের প্রাচীন মহাকাব্য শাহনামার কোনো ভাষাগত বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ফারসি সাহিত্যের রাজা ফেরদৌসি এবং তার বিখ্যাত গ্রন্থ শাহনামা উভয়েই ফারসি ভাষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
সঠিক উত্তর: D) ইস্তাম্বুল
কেন সঠিক:
- ইস্তাম্বুল শহরটি বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিভক্ত হয়ে এশিয়া ও ইউরোপ এই দুটি মহাদেশে বিস্তৃত হয়েছে।
- এটি বিশ্বের একমাত্র শহর যা ভৌগোলিকভাবে দুটি মহাদেশের মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্কো — এটি রাশিয়ার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর যা সম্পূর্ণরূপে ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী যা সম্পূর্ণরূপে ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
সি) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী যা সম্পূর্ণরূপে আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত, যদিও মিশরের সামান্য অংশ এশিয়ায় পড়ে।
D) ইস্তাম্বুল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটি এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
দুই মহাদেশের সেতু হিসেবে পরিচিত ইস্তাম্বুল শহরটি ইউরোপ ও এশিয়াকে সংযুক্ত করেছে।
সঠিক উত্তর: C) রুবল
কেন সঠিক:
- রুবল হলো রুশ ফেডারেশনের সরকারি মুদ্রা এবং এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মুদ্রাগুলোর একটি।
- এই মুদ্রাটি প্রধানত রাশিয়া এবং সংলগ্ন কয়েকটি অঞ্চলে লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও চিলি সহ বেশ কয়েকটি ল্যাটিন আমেরিকার দেশের মুদ্রার নাম।
B) ইউরো — এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর একক এবং প্রধান মুদ্রা।
C) রুবল — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা।
D) লিরা — এটি তুরস্ক ও কিছু ঐতিহাসিক দেশের প্রচলিত মুদ্রার নাম।
মনে রাখার টিপস:
রাশিয়ার মুদ্রার নাম মনে রাখতে রুশ শব্দটির সাথে মিলিয়ে রুবল নামটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) বেশি হয়
কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে ঢাকনা আটকে রাখার কারণে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যা পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি করে।
- বেশি চাপে পানি সাধারণ ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে অনেক উচ্চ তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে, ফলে খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠিক থাকে — সাধারণ পাত্রে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও প্রেসার কুকারে চাপের কারণে তা অপরিবর্তিত থাকে না।
B) কম হয় — উচ্চ চাপ পানির স্ফুটনাংক কমায় না, বরং চাপ বাড়লে স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
সি) বেশি হয় — এটি সঠিক কারণ, কুকারের ভেতরের উচ্চ চাপের ফলে পানির স্ফুটনাংক স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি, আর চাপ বাড়লে স্ফুটনাংকও বেশি হয়।
সঠিক উত্তর: C) একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন
কেন সঠিক:
- জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির মূল পটভূমি হলো বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলন ও পরবর্তী বন্দী জীবন।
- উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি এবং রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ — এটি জহির রায়হানের 'হাজার বছর ধরে' বা এই সম্পর্কিত নয়, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো তাঁর বিখ্যাত 'আরেক ফাল্গুন' নয় বরং অন্যান্য রচনা।
B) ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন — এই উপন্যাসের সময়কাল ব্রিটিশ আমল নয়, বরং পাকিস্তান আমলের शुरुआती ভাষা সংগ্রামের ঘটনা।
C) একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তুর সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জহির রায়হানের নামের সঙ্গে 'আরেক ফাল্গুন' এবং ফাল্গুন মানেই বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) গৌড়
কেন সঠিক:
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হলেও গৌড় বা লক্ষ্মণাবতী দীর্ঘ সময় ধরে প্রধান রাজধানী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- মুসলিম শাসনামলে সুলতানদের শাসনাধীন বাংলার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছিল এই গৌড় নগরী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৌড় — এটি সুলতানী আমলে বাংলার দীর্ঘস্থায়ী ও প্রধান রাজধানীর নাম ছিল।
B) সোনরগাঁ — এটি সুলতানী আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র বা বন্দর নগরী ছিল, তবে গৌড়ের মতো প্রধান রাজধানী হিসেবে সবসময় ব্যবহৃত হয়নি।
C) জাহাঙ্গীর নগর — এটি মোগল আমলে ঢাকার নামকরণ করা হয়েছিল, যা সুলতানী আমলের অনেক পরের ঘটনা।
D) ঢাকা — এটি মোগল আমলের সুবাহ বাংলার রাজধানী ছিল, সুলতানী আমলের প্রাথমিক বা প্রধান রাজধানী এটি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
সুলতানী আমল বললেই মনে রাখবে গৌড়, কারণ সুলতানদের প্রধান রাজধানী বেশিরভাগ সময়ই এই গৌড় নগরীতে ছিল।
সঠিক উত্তর: B) ২০ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ছাত্র আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।
- তার আত্মত্যাগের ফলে উনসত্তরের গণঅভুত্থান তীব্র রূপ লাভ করেছিল, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের পথ প্রশস্ত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৫ জানুয়ারি — এই তারিখে শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
B) ২০ জানুয়ারি — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয়।
C) ২৫ জানুয়ারি — এই তারিখে শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
D) ৩০ জানুয়ারি — এই তারিখে শহীদ আসাদ দিবস পালিত হয় না, এটি ভুল তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ গুলিতে প্রাণ হারান, তাই সংখ্যা দুটি মিলিয়ে মনে রাখুন আসাদ দিবস মানেই কুড়ি জানুয়ারি।
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার
কেন সঠিক:
- হাইল হাওর বাংলাদেশের মৌলভীবাজার সদর এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলাজুড়ে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক জলাভূমি।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার অন্যতম প্রধান মৎস্য ও জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ এলাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেত্রকোণা — নেত্রকোণায় হাইল হাওর অবস্থিত নয়, এখানে বিখ্যাত হাওরের মধ্যে হাতাওয়ালা ও ডিঙ্গাপাড়া রয়েছে।
B) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) সুনামগঞ্জ — সুনামগঞ্জে হাইল হাওর অবস্থিত নয়, এখানকার প্রধান হাওর হলো হাকালুকি হাওরের কিছু অংশ এবং শনির হাওর।
D) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে হাইল হাওর অবস্থিত নয়, এই জেলায় বিখ্যাত মাধবপুর হ্রদ ও বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মৌলভীবাজারের চা বাগানের মতো বিখ্যাত আরেকটি প্রাকৃতিক সম্পদ হলো হাইল হাওর।
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: D) ADA
কেন সঠিক:
- অ্যাডা লাভলেসকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তাঁর নামানুসারেই এই ভাষার নামকরণ করা হয়।
- এটি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য নকশা করা একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) C++ — এটি বেল ল্যাবসের বিয়ারনে স্ট্রোভস্ট্রুপ কর্তৃক ১৯৭৯ সালে উদ্ভাবিত একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
B) Pascal — এটি নিকোলাস ওয়ার্থ কর্তৃক ১৯৭০ সালে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে তৈরি করা একটি প্রসিডিউরাল প্রোগ্রামিং ভাষা।
C) Fortran — এটি জন ব্যাকাস কর্তৃক ১৯৫৭ সালে আইবিএমের জন্য তৈরি প্রথম উচ্চ স্তরের গাণিতিক প্রোগ্রামিং ভাষা, যা প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা হলেও সঠিক উত্তর এডার ক্ষেত্রে ভিন্ন প্রেক্ষাপট রয়েছে।
D) ADA — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম নারী প্রোগ্রামার অ্যাডার নামেই প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাঠামোর প্রোগ্রামিং ভাষার নামকরণ করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ব্যতীত
কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'ব্যতীত' শব্দের সঠিক বানানে প্রথম বর্ণে জ-ফলা এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ, যা বাংলা ব্যাকরণে অনুসর্গ বা অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যতীত — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ ছড়া বা ছাড়া।
B) ব্যতিত — এই বানানে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) ব্যাতীত — এই বানানে আ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা অশুদ্ধ।
D) ব্যাতিত — এই বানানে আ-কার এবং ই-কার উভয়ই ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ব্যতীত শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার আছে, এটি মনে রাখতে 'নদীর দীর্ঘ জল' এই তুলনার মতো দীর্ঘ স্বরধ্বনি উচ্চারণ মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১০৫ ডিবি
কেন সঠিক:
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক হলো ডেসিবেল বা ডিবি।
- সাধারণত ১০৫ ডিবি বা তার বেশি মাত্রার শব্দ মানুষের শ্রবণেন্দ্রে স্থায়ী ক্ষতি বা বধিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০৫ ডিবি — এটি সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমা যার উপরে মানুষ বধির হতে পারে।
B) ৭৫ ডিবি — এটি মানুষের স্বাভাবিক কথা বলার বা কোলাহলপূর্ণ পরিবেশের তীব্রতা, যা বধিরতার জন্য দায়ী নয়।
C) ৯০ ডিবি — এটি দীর্ঘ সময় শুনলে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে এটি সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমা বা বধিরতার একক নয়।
D) ১২০ ডিবি — এটি ব্যথার সীমার কাছাকাছি, তবে সাধারণ প্রশ্ন ও প্রমিত পাঠ্যবই অনুসারে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমা ১০৫ ডিবি ধরা হয়।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের ক্ষেত্রে ১০৫ ডিবি হলো সেই বিপজ্জনক মাত্রা, যা অতিক্রম করলে বধিরতার ঝুঁকি তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: B) কোবাল্ট
কেন সঠিক:
- লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট এই তিনটি প্রধান চৌম্বক পদার্থ যারা চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়।
- কোবাল্টের নিজস্ব চুম্বকত্ব ধারণ করার বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে যা একে চৌম্বক পদার্থ হিসেবে চিহ্নিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পারদ — এটি একটি তরল ধাতু যা চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না এবং এটি অচৌম্বক পদার্থ।
B) কোবাল্ট — এটি চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয় এবং এটি একটি প্রকৃত চৌম্বক পদার্থ।
C) বিসমার্থ — এটি একটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ যা চুম্বককে মৃদুভাবে বিকর্ষণ করে, তাই এটি চৌম্বক পদার্থ নয়।
D) অ্যান্টিমনি — এটি একটি অচৌম্বক পদার্থ যা চৌম্বক ক্ষেত্রে কোনো আকর্ষণ প্রদর্শন করে না।
মনে রাখার টিপস:
চৌম্বক পদার্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো লোহার নিকো (লোহা, নিকেল, কোবাল্ট)।
সঠিক উত্তর: D) সবুজ
কেন সঠিক:
- রংধনুর সাতটি রঙের ক্রম হলো বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল।
- এই সাতটি রঙের ঠিক মাঝখানে বা চতুর্থ অবস্থানে সবুজ রঙ অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হলুদ — এটি সাতটি রঙের ক্রমের পঞ্চম রঙ এবং এটি মধ্যম রঙ নয়।
B) নীল — এটি সাতটি রঙের ক্রমের দ্বিতীয় রঙ এবং এটি মধ্যম রঙের অবস্থান নির্দেশ করে না।
C) লাল — এটি সাতটি রঙের ক্রমের সর্বশেষ বা সপ্তম রঙ এবং এটি দুই প্রান্তের একটি।
D) সবুজ — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি রংধনুর সাতটি রঙের ঠিক মধ্যবর্তী রঙ।
মনে রাখার টিপস:
রংধনুর রঙের ক্রম মনে রাখতে বেনিআসহোণী সূত্রটি ব্যবহার করতে পারো, যেখানে বে=বেগুনি, নি=নীল, আ=আসমানী, স=সবুজ, হো=হলুদ, ণী=কমলা এবং লাল।
সঠিক উত্তর: C) ফিনাইল এলানিন
কেন সঠিক:
- মানবদেহে প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বিশটি এমিনো এসিডের মধ্যে নয়টি অত্যাবশ্যকীয়, যা দেহ নিজে তৈরি করতে পারে না এবং খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়।
- ফিনাইল এলানিন তেমনই একটি অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড যা মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং পুষ্টির জন্য অপরিহার্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিসটিন — এটি কোনো পরিচিত অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) টাইরোসিন — এটি মানবদেহের জন্য একটি অনত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড, কারণ দেহ নিজেই এটি তৈরি করতে পারে।
C) ফিনাইল এলানিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অপশন হিসেবে অপরিবর্তিত রয়েছে।
D) এলানিন — এটি একটি অনত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড যা মানবশরীর প্রাকৃতিকভাবে সংশ্লেষণ করতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
অত্যাবশ্যকীয় এমিনো এসিড মনে রাখতে ফিনাইল এলানিন নামটি খাতায় লিখে বারবার চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) আম
কেন সঠিক:
- মহানন্দা একটি প্রধান নদী হওয়া সত্ত্বেও এর একটি সুপরিচিত আমের জাতের নামও মহানন্দা।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে মহানন্দা নদীর তীরে এই জাতের আম উৎপাদিত হয় এবং এর নামকরণ নদীর নামানুসারে হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরিষা — এটি একটি তেলবীজ জাতীয় ফসল, নদীর নামে এর কোনো পরিচিত আমের জাত বা বিখ্যাত কৃষি পণ্য নেই।
B) আম — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহানন্দা নদী ছাড়াও এটি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় আমের জাত।
C) তরমুজ — এটি একটি ফল হলেও মহানন্দা নামে এর কোনো পরিচিত বা বিখ্যাত জাত নেই।
D) বাঁধাকপি — এটি একটি শীতকালীন সবজি, মহানন্দা নদীর নামের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
নদী মহানন্দা যেমন বিখ্যাত, তেমনি এর নামানুসারে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা আমও বেশ জনপ্রিয়।
সঠিক উত্তর: A) ফিল্ড মার্শাল রোমেল
কেন সঠিক:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় উত্তর আফ্রিকা অভিযানে জার্মান সেনাপ্রধান হিসেবে তিনি অত্যন্ত দক্ষ ও চতুর রণকৌশল প্রদর্শন করেছিলেন।
- মরুভূমির বিরুদ্ধ পরিবেশে তার এই অসাধারণ সামরিক সাফল্যের কারণে তাকে সম্মানসূচক ডেজার্ট ফক্স বা মরু শিয়াল উপাধি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিল্ড মার্শাল রোমেল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি উত্তর আফ্রিকার মরুযুদ্ধ রণকৌশলের জন্য এই উপাধি পেয়েছিলেন।
B) আনোয়ার সাদাত — তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড শান্তি চুক্তির জন্য বিখ্যাত, কোনো সামরিক উপাধির জন্য নন।
C) মার্শাল টিটো — তিনি যুগোস্লাভিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান ও অবিভক্ত কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন, মরুযুদ্ধের কোনো বিশেষ উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) কামাল আতাতুর্ক — তিনি আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা এবং দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, যার সঙ্গে এই উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রোমান্টিক বা রোমেল মরুভূমিতে যুদ্ধ করে ফক্স বা শিয়ালের মতো চালাকি দেখিয়েছিলেন, তাই রোমেল মানেই ডেজার্ট ফক্স।
সঠিক উত্তর: C) পার্লামেন্ট অব ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটানের আইনসভা বা সংসদ দেশটির সংবিধান অনুযায়ী পার্লামেন্ট অব ভুটান নামে পরিচিত।
- এই পার্লামেন্ট একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা, যা ভুটানের রাজা এবং দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঞ্চায়েত — এটি সাধারণত ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর, জাতীয় আইনসভা নয়।
B) মজলিশ — এটি মালদ্বীপ ও ওমানের মতো দেশের জাতীয় আইনসভার নাম, ভুটানের আইনসভার নাম নয়।
C) পার্লামেন্ট অব ভুটান — এটি ভুটানের আইনসভার সঠিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নাম।
D) মোগড়ু — এটি ভুটানের আইনসভার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো পরিচিত বা সঠিক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভুটানের নাম এবং তাদের আইনসভার নাম প্রায় একই রকম, অর্থাৎ দেশটির আইনসভার সাধারণ ইংরেজি নামই হলো পার্লামেন্ট অব ভুটান।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) প্রিস্টিনা
কেন সঠিক:
- কসোভো ইউরোপ মহাদেশের একটি রাষ্ট্র এবং প্রিস্টিনা হলো এর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- কসোভো ২০০৮ সালে সার্বিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং প্রিস্টিনা এর প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রিস্টিনা — এটি কসোভোর রাজধানী হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর।
B) তিরানা — এটি আলবেনিয়ার রাজধানী, কসোভোর নয়।
C) বুদাপেস্ট — এটি হাঙ্গেরির রাজধানী, কসোভোর নয়।
D) নিকোশিয়া — এটি সাইপ্রাসের রাজধানী, কসোভোর নয়।
মনে রাখার টিপস:
কসোভো নামের শুরুতে ক আছে এবং এর রাজধানীর নাম প্রিস্টিনা, যা ক-এর সাথে যুক্ত করে মনে রাখা যায়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়
কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা অনিশ্চয়তা, যার সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হলো প্রত্যয় বা বিশ্বাস।
- ব্যাকরণগত ও ভাবগত দিক থেকে সংশয়ের বিপরীতে দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করতে প্রত্যয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভয় — এটি ভয় শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, সংশয়ের বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর।
C) বিস্ময় — এর অর্থ আশ্চর্য হওয়া, যা সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
D) দ্বিধা — এটি সংশয়ের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংশয় অর্থ সন্দেহ, আর প্রত্যয় অর্থ দৃঢ় বিশ্বাস। সন্দেহ দূর করে মনে বিশ্বাস বা প্রত্যয় আনতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) নির্বোধ
কেন সঠিক:
- মনীষা শব্দের অর্থ হলো প্রজ্ঞা, বুদ্ধিমত্তা বা মননশীলতা।
- এই শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে নির্বোধ শব্দটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রভা — এই শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি, যা মনীষা শব্দের বিপরীত নয়।
B) স্থিরতা — এই শব্দের অর্থ অচল বা অবিচল অবস্থা, যা বুদ্ধিমত্তার বিপরীত নয়।
C) নির্বোধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জ্ঞানহীন বা বোকা।
D) মনস্বিতা — এই শব্দের অর্থ প্রবুদ্ধতা বা মনীষা, যা এর সমার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
মনীষা মানে বুদ্ধিমত্তা আর নির্বোধ মানে বুদ্ধিহীন।
সঠিক উত্তর: D) নিষ্ক্রিয় দর্শক
কেন সঠিক:
- সাক্ষী গোপাল একটি বাংলা প্রবচন, যার আক্ষরিক অর্থ উপস্থিত থেকেও কোনো বিষয়ে অংশ না নেওয়া।
- বাস্তব জীবনে কোনো ঘটনা বা ঝামেলায় নীরব বা নিষ্ক্রিয় দর্শক হিসেবে উপস্থিত থাকাকে এই প্রবচনের মাধ্যমে বোঝানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সক্রিয় দর্শক — অর্থটি ভুল কারণ এটি নিষ্ক্রিয়তার ঠিক বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
B) কর্তব্যবিমুখ — অর্থটি ভুল কারণ এর অর্থ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, যা সাক্ষী গোপালের সাথে মেলে না।
সি) কর্তব্যপরায়ণ — অর্থটি ভুল কারণ এটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে বোঝায়, যা প্রবচনটির উল্টো।
D) নিষ্ক্রিয় দর্শক — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ প্রবচনটির মূল অর্থ এবং প্রেক্ষাপট এর সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
মনে রাখার টিপস:
সাক্ষী মানে যে শুধু দেখে কিন্তু কিছু বলে না, আর গোপাল একটি নাম। তাই চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা দর্শককে সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) অভ্যন্তরীণ
কেন সঠিক:
- অভ্যন্তরীণ শব্দটি গঠিত হয়েছে অভি উপসর্গ এবং অন্তর শব্দের সঙ্গে ন প্রত্যয় যোগ করে।
- বাংলা বানান নিয়ম অনুযায়ী র ফলার পর মূর্ধন্য ণ হয়, তাই এখানে ন এর পরিবর্তে ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আভ্যন্তরীণ — এই বানানে মধ্যাহ্ন বা ণ এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) অভ্যন্তরীণ — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত বাংলা বানান নিয়ম পুরোপুরি অনুসরণ করেছে।
সি) আভ্যন্তরীন — এই বানানে র ফলার পর দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে এবং দীর্ঘী কার দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
ডি) অভ্যন্তরীন — এই বানানে শেষের অংশে দন্ত্য ন এবং দীর্ঘী কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
র ফলার পর সবসময় মূর্ধন্য ণ হয়, তাই অভ্যন্তরীণ বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হবে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)