প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (বিটা) ২০১৪

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a সমিতি
b প্রতিতি
c জামিতি
d প্রকৃতি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জামিতি কেন সঠিক: ১. এই অপশনের বানানটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা বানান নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ২. সঠিক শব্দটি জ্যামিতি হবে যেখানে প্রথম বর্ণে য-ফলা এবং ম-এ ই-কার থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ভাষায় তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। ২. অনেক শব্দের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে রস্ব ই-কার ব্যবহার করার বিধান আছে। ৩. যেমন, মিতি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সবসময় রস্ব ই-কার বসে যেমন জ্যামিতি বা মিতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমিতি — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এখানে সমস্ত ই-কার রস্ব ই-কার হিসেবে বসেছে। B) প্রতিতি — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এর বানানে কোনো ভুল নেই। D) প্রকৃতি — এই শব্দের বানানটি সঠিক এবং এটি প্রাকৃত ধাতু থেকে এসেছে। মনে রাখার টিপস: ১. মিতি যুক্ত শব্দে সবসময় রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হবে। ২. জ্যামিতি লেখার সময় জ এর সাথে য-ফলা দিতে ভুল করবে না।
a অনিকেতন
b উদ্বাস্তু
c অনুজ
d একাহারী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনিকেতন ১. কেন সঠিক: 'অনিকেতন' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় না নিকেতন যার। নিকেতন শব্দের অর্থ বাড়ি বা বাসস্থান, তাই যার বাসস্থান নেই তাকে এক কথায় অনিকেতন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার এবং বাক্যকে সংগত ও সুন্দর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব। ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশটি কোনো ঘটনা বা দৃশ্য যা এর আগে ঘটে বা দেখা যায়নি তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অহংকার করে যে = অহংকারী। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির বিশেষ স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহৃত একটি এককথায় প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনিকেতন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ যার বাসস্থান নেই। B) উদ্বাস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ উদ্বাস্তু অর্থ ভিটেমাটি বা বাসস্থানচ্যুত ব্যক্তি, যার বাসস্থান ছিল কিন্তু হারিয়ে গেছে। C) অনুজ — এই অপশনটি ভুল কারণ অনুজ অর্থ ছোট ভাই বা পরে জন্ম যে। D) একাহারী — এই অপশনটি ভুল কারণ একাহারী অর্থ যে দিনে একবার আহার করে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিকেতন শব্দের অর্থ বাড়ি বা ঘর এবং আ উপসর্গ বা নঞ্ তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে না বোধক অর্থ প্রকাশ করে অনিকেতন গঠিত হয়। এভাবে মূল শব্দের অর্থ জানলে এককথায় প্রকাশ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বাসস্থান বা ঘর সংক্রান্ত শব্দ যেমন নিকেতন বা আলয় শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই নিয়মে আরও অনেক শব্দ যেমন গৃহহীন বা অনিক গঠিত হতে পারে।
a নিজের মুখ উপরে তোলা
b অন্যের মুখ তুলে ধরা
c প্রসন্ন হওয়া
d নষ্ট করা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রসন্ন হওয়া ১. কেন সঠিক: - "মুখ তোলা" একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে কারও প্রতি সদয় হওয়া বা কৃপা দৃষ্টি দেওয়া বোঝানো হয়। - রাগ বা ক্ষোভের অবসান ঘটিয়ে যখন কেউ কারও প্রতি প্রসন্ন হন, তখন তাকে সাধারণ অর্থে মুখ তোলা বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এই ধরনের বাক্যাংশ ভাষাটিকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবশেষে অনেক অনুরোধ করার পর শিক্ষক সাহেব ছাত্রটির দিক থেকে মুখ তুললেন। ব্যাখ্যা: এখানে ক্ষমা করার মাধ্যমে প্রসন্ন হওয়া বা সদয় হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: রাগ করে কতক্ষণ থাকা যায়, মুরুব্বিরা তো একসময় মুখ তোলেনই। ব্যাখ্যা: রাগ বা অভিমান ভেঙে কৃপা করা বা প্রসন্ন হওয়ার ভাব বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিজের মুখ উপরে তোলা — এটি বাগধারার কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে না, এটি সম্পূর্ণ আক্ষরিক ও অবাস্তব অর্থ। B) অন্যের মুখ তুলে ধরা — এটিও আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর কোনো প্রচলিত বাগধারাতাত্ত্বিক মূল্য নেই। C) প্রসন্ন হওয়া — এটি এই বাগধারার সঠিক ও অভিধানসম্মত বিশেষ অর্থ নির্দেশ করে। D) নষ্ট করা — এটি কোনোভাবেই প্রসন্ন হওয়া বা মুখ তোলা বাক্যাংশের অর্থকে সমর্থন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাগ করলে মানুষ মুখ ফিরিয়ে থাকে আর রাগ কমলে প্রসন্ন হয়ে মুখ তোলে, এই মিল দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। - বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট বাগধারাগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মুখ, মাথা, হাত ও চোখ দিয়ে গঠিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাগুলো আলাদা করে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব।
a বাতাসে বালি
b আশায় নৈরাশ্য
c ভালোতে খারাপ
d গোবরে পদ্মফুল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) আশায় নৈরাশ্য কেন সঠিক: - গুড়ে বালি প্রবাদটি কোনো কিছু পাওয়ার আশা নষ্ট হয়ে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। - মিষ্টি বা গুড়ের মধ্যে বালি পড়লে যেমন তা খাওয়ার অযোগ্য হয়ে যায়, তেমনি মানুষের কোনো ভালো কাজের আশা ভেঙে গেলে এই প্রবাদটি প্রযোজ্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা বাগধারা। - প্রবাদটি মানুষের জীবনের অপ্রত্যাশিত হতাশা ও আশভঙ্গের বেদনা প্রকাশ করে। - যেমন: পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালো নিয়েও প্রশ্ন কঠিন হওয়ায় তার সব আশা গুড়ে বালি হলো। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) বাতাসে বালি — এটি কোনো প্রবাদ নয় বরং কথার কথা মাত্র। - গ) ভালোতে খারাপ — এটি দিয়ে বিপরীত অবস্থাকে বোঝায় কিন্তু গুড়ের সাথে এর সম্পর্ক নেই। - ঘ) গোবরে পদ্মফুল — এই প্রবাদটির অর্থ নির্লিপ্ত বা পঙ্কিল পরিবেশে থেকেও সুন্দর বা পবিত্র থাকা। মনে রাখার টিপস: - গুড় হলো মিষ্টি জিনিস আর বালি হলো অপকারী বস্তু, তাই মিষ্টি জিনিসে বালি পড়লে যেমন নষ্ট হয়, তেমনই আশা নষ্ট হওয়াকে গুড়ে বালি বলে মনে রাখবে।
a প্রফুল্ল
b বিশুদ্ধ
c পঙ্কিল
d কোনোটিই নয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পঙ্কিল ১. কেন সঠিক: নির্মল শব্দের অর্থ পরিষ্কার, স্বচ্ছ বা মলিনতাহীন। এর বিপরীতে যার মধ্যে কাদা বা ময়লা জমে ঘোলাটে হয়েছে এমন বোঝাতে পঙ্কিল শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। একটি শব্দের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বচ্ছ জলের বিপরীত ঘোলা জল বা পঙ্কিল জল। ব্যাখ্যা: স্বচ্ছ ও নির্মল সমার্থক হওয়ায় এর বিপরীত পঙ্কিল হয়। উদাহরণ ২: উন্নত জীবনের বিপরীত অবনত জীবন। ব্যাখ্যা: গতি বা অবস্থার বিপরীত অবস্থা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রফুল্ল — এটি নির্মল শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়। B) বিশুদ্ধ — এটি নির্মল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে তাই এটি বিপরীতার্থক হতে পারে না। C) পঙ্কিল — এটি নির্মল শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্মল মানে পরিষ্কার আর পঙ্কিল মানে কাদাভরা বা ময়লাযুক্ত। পরিষ্কার জিনিসের বিপরীত ময়লা বা কাদাযুক্ত জিনিস হয় এটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের উৎস বা সমার্থক শব্দকে বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে দেওয়া হয়।
a নির্বোধ
b প্রভা
c মনস্বিতা
d স্থিরতা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নির্বোধ ১. কেন সঠিক: - মনীষা শব্দের অর্থ হলো প্রজ্ঞা, বুদ্ধি, মেধা বা মননশীলতা। এর বিপরীতে যার বুদ্ধি বা মেধা নেই অর্থাৎ নির্বোধ, তাকেই বোঝানো হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ পরীক্ষার্থীদের শব্দভাণ্ডার যাচাই করতে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের অংশ। বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় মূল শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে হয়। - তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম বা তৎসমসমসুলভ শব্দ ব্যবহার করা হয়, যেখানে মনীষা শব্দের বিপরীত হিসেবে নির্বোধ শব্দটি পুরোপুরি উপযুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মূর্খ ব্যাখ্যা: এটিও মনীষা শব্দের কাছাকাছি একটি বিপরীতার্থক শব্দ হতে পারে, যা জ্ঞানের অভাব বোঝায়। উদাহরণ ২: অজ্ঞ ব্যাখ্যা: যার জ্ঞান বা প্রজ্ঞা নেই, তাকে অজ্ঞ বলা হয় এবং এটি বুদ্ধিমত্তা বা মনীষার বিপরীত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বোধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মনীষা বা বুদ্ধিমত্তার সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) প্রভা — এই অপশনের অর্থ আলো বা দীপ্তি, যা বুদ্ধির বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) মনস্বিতা — এই অপশনটি মনীষা শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। D) স্থিরতা — এই অপশনের অর্থ অচল বা ধীর অবস্থা, যা বুদ্ধিমত্তার বিপরীত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনীষা মানে যার অনেক মনন বা বুদ্ধি আছে। তাই এর বিপরীত খুঁজতে এর উল্টো অর্থাৎ যার বুদ্ধি নেই অর্থাৎ নির্বোধকে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে, তাই প্রমিত শব্দার্থ ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a বামচোখ
b ইতর
c বামদিক
d ডান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডান ১. কেন সঠিক: - বামেতর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বাম ইতর, যার অর্থ হলো বাম নয় যা অর্থাৎ ডান দিক। - এখানে ইতর শব্দটি অন্য বা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধারণ ক্ষুদ্র বা নিচ অর্থ থেকে আলাদা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি নতুনার্থক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে ইতর শব্দটি ভিন্ন বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় দিক বা দিকবাচক শব্দ বোঝাতে এই ধরনের শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বামেতর হস্ত ব্যাখ্যা: এখানে বামেতর হস্ত বলতে ডান হাতকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: লোকাচার ও শিষ্টাচার ব্যাখ্যা: সমাজ ও ভাষার ব্যবহারে দিক বোঝাতে বিশেষ শব্দের এই গঠন বেশ কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বামচোখ — এই অপশনটি ভুল কারণ বামেতর শব্দটির অর্থ বাম চোখ বোঝায় না। B) ইতর — এই অপশনটি ভুল কারণ ইতর বলতে নিচ বা ক্ষুদ্র বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ। C) বামদিক — এই অপশনটি ভুল কারণ বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয় বরং তার বিপরীত ডান দিক। D) ডান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বামেতর বলতে ডান দিক বা ডান হাতকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাম যুক্ত ইতর সমান বাম নয় যা অর্থাৎ ডান দিক, এভাবে মনে রাখতে পারো। - ইতর শব্দের ভিন্ন অর্থ এখানে অন্য বা বিপরীত দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমাসভিত্তিক প্রশ্নে এই শব্দটির প্রায়ই দেখা মেলে। - এই ধরনের ব্যতিক্রমী শব্দের অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যাসবাক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ছুতার
b পাদুকা
c উন্মাদ
d দাঁড়িপাল্লা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাদুকা ১. কেন সঠিক: পয়জার শব্দের অর্থ জুতো, চটি জুতো বা পাদুকা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের ফারসি বা আগন্তুক শব্দ প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পয়জার শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি ফারসি শব্দ। বাংলা ভাষা দীর্ঘদিন বিভিন্ন বিদেশি ভাষার সংস্পর্শে থাকায় প্রচুর বিদেশি শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চটি জুতো ব্যাখ্যা: এটি পয়জার শব্দের একটি সহজ বাংলা সমার্থক রূপ। উদাহরণ ২: চামড়ার জুতো ব্যাখ্যা: এটিও পাদুকা বা পয়জারের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছুতার — ছুতার হলো কাঠমিস্ত্রি বা যারা কাঠ দিয়ে আসবাবপত্র তৈরি করে তাদের বোঝায়। B) পাদুকা — এটি সঠিক উত্তর এবং পয়জার শব্দের সমার্থক শব্দ। C) উন্মাদ — উন্মাদ অর্থ পাগল বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তি। D) দাঁড়িপাল্লা — দাঁড়িপাল্লা হলো ওজন মাপার এক ধরনের যন্ত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: পয়জার মানে জুতো বা পাদুকা, এটি মনে রাখতে পয়জার ও পাদুকা শব্দ দুটি একসাথে বারবার উচ্চারণ করো। বিদেশি শব্দের তালিকায় ফারসি শব্দ হিসেবে পয়জার জুতো অর্থে ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফারসি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে বিদেশি শব্দের উৎস পড়ার অভ্যাস করো।
a উপমিত
b উপমান
c উপমেয়
d রূপক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপমেয় ১. কেন সঠিক: প্রত্যক্ষ বা সামনে উপস্থিত বস্তুর সাথে যখন দূরবর্তী বা পরিচিত কোনো পরোক্ষ বস্তুর তুলনা করা হয়, তখন প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়। অলংকার শাস্ত্রে উপমা অলংকারের চারটি অংশের মধ্যে উপমেয় হলো যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে তার মূল বিষয় বা মূল বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের ছন্দ, অলংকার ও রস অংশের শব্দালংকার বা অর্থালংকার সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। উপমা অলংকারের চারটি অঙ্গ রয়েছে যথা উপমেয়, উপমান, সাধারণ ধর্ম এবং বাচক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র তোমার হাত। ব্যাখ্যা: এখানে হাতের সাথে তুষারের তুলনা করা হয়েছে, তাই হাত হলো উপমেয়। উদাহরণ ২: মুখ চন্দ্রের মতো সুন্দর। ব্যাখ্যা: এখানে মুখের সাথে চাঁদের তুলনা করা হয়েছে, তাই মুখ হলো উপমেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত — যার সাথে তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্ম উভয়ের উল্লেখ না থেকে কেবল উপমেয়কে উপমান পদ বলে কল্পনা করা হয় তাকে উপমিত বলে। B) উপমান — যার সাথে তুলনা করা হয় সেই পরোক্ষ বা পরিচিত বস্তুটিকে উপমান বলা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) রূপক — উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ বা অভিন্নতা কল্পনা করলে রূপক অলংকার হয়, এটি কোনো পদের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যাকে তুলনা করা হয় সে হলো উপমেয় অর্থাৎ সরাসরি নিজের নাম থাকে এবং যার সাথে তুলনা করা হয় সে হলো উপমান। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলে মনে রাখবে প্রত্যক্ষ বস্তু সবসময় উপমেয় এবং পরোক্ষ বস্তু হলো উপমান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমা অলংকারের অঙ্গগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। উপমেয়, উপমান এবং সাধারণ ধর্ম এই তিনটি বিষয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের সব প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a কর্মধারয়
b দ্বন্দ্ব
c তৎপুরুষ
d দ্বিগু
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মহান যে ঋষি = মহর্ষি। এখানে মহান অর্থ বড় বা শ্রেষ্ঠ এবং ঋষি হলো বিশেষ্য পদ। - কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুযায়ী বিশেষণ পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে বিশেষণ এবং পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - মহর্ষি শব্দটিতে মহান হলো বিশেষণ এবং ঋষি হলো বিশেষ্য, যা কর্মধারয় সমাসের গঠনকে পূর্ণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচাগোল্লা = কাঁচা যে গোল্লা। ব্যাখ্যা: এখানে কাঁচা হলো বিশেষণ এবং গোল্লা হলো বিশেষ্য, যা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: নীলপদ্ম = নীল যে পদ্ম। ব্যাখ্যা: এখানে নীল হলো বিশেষণের গুণবাচক রূপ এবং পদ্ম হলো বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন কারণ মহান যে ঋষি কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু মহর্ষি শব্দে পরপদের অর্থ প্রধান। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহান বা মহৎ যুক্ত শব্দ যেমন মহর্ষি, মহাজন সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় মাঝখানে যে ব্যবহার হলে সেটি কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কর্মধারয় সমাসে বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলন ঘটে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে শব্দের ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হয়।
a Call up
b Memory
c Forget
d Recollect
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Recollect কেন সঠিক: Remember শব্দের বাংলা অর্থ হলো স্মরণ করা বা মনে রাখা। Recollect শব্দের অর্থও কোনো কিছু পুনরায় মনে করা। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Call up — এর অর্থ ফোন করা বা ডেকে পাঠানো, যা মনে রাখার সাথে মিলে না। B) Memory — এটি Remember শব্দের একটি নাউন রূপ বা বিশেষ্য, সরাসরি সমার্থক শব্দ নয়। C) Forget — এর অর্থ ভুলে যাওয়া, যা Remember শব্দের ঠিক বিপরীত বা অ্যান্টনিম। D) Recollect — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Remember এবং Recollect উভয় শব্দই স্মৃতিশক্তি জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a Trail
b Beginning
c Nasal
d Odoro
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Beginning কেন সঠিক: - 'Nascent' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ উদীয়মান, সদ্যজাত বা প্রারম্ভিক। - 'Beginning' শব্দের অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ, যা 'Nascent' শব্দের সঙ্গে পুরোপুরি সমর্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Trail — এর অর্থ পথ বা ট্রেইল, যা 'Nascent' শব্দের অর্থকে নির্দেশ করে না। B) Beginning — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ। C) Nasal — এর অর্থ নাসাসংক্রান্ত বা নাকসংক্রান্ত, যা শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) Odoro — এটি একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ, যার সঠিক কোনো ইংরেজি অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: 'Nascent' শব্দটিকে 'Neon' (নতুন বা সদ্যজাত) শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যার অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ।
a Bright
b Dark
c Dismal
d Gloomy
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bright কেন সঠিক: Somber শব্দের অর্থ বিষণ্ণ, মলিন বা অন্ধকারময়। এর বিপরীত অর্থ হলো উজ্জ্বল বা আনন্দময়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bright — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উজ্জ্বল যা Somber শব্দের বিপরীত। B) Dark — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অন্ধকার যা Somber শব্দের সমার্থক। C) Dismal — এটি ভুল কারণ এর অর্থ বিষণ্ণ যা Somber শব্দের সমার্থক। D) Gloomy — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অন্ধকার বা মনমরা যা Somber শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Somber শব্দটিকে সাম্পান এবং অন্ধকার দিয়ে মনে রাখতে পারো, আর Bright মানে উজ্জ্বল আলো।
a Four types
b Three types
c Two types
d One type
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Four types কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে জেন্ডার বা লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন, কমন এবং নিউটার জেন্ডার। ব্যক্তি বা বস্তুর স্ত্রী, পুরুষ, উভয় কিংবা অচেতন অবস্থা বোঝাতে এই চার প্রকার জেন্ডার ব্যবহৃত হয়। নামবাচক বা সর্বনাম পদের রূপভেদে এই চার প্রকারের বাইরে আর কোনো জেন্ডার নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Four types — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Three types — ইংরেজিতে জেন্ডারের সংখ্যা তিনটি নয়, কারণ কমন এবং নিউটার জেন্ডার বাদ দিলে নিয়ম অসম্পূর্ণ থাকে। C) Two types — শুধু স্ত্রী ও পুরুষ লিঙ্গ ধরলে জেন্ডারের পূর্ণাঙ্গ শ্রেণীবিভাগ হয় না। D) One type — জেন্ডার কেবল এক প্রকার হতে পারে না কারণ শব্দের অর্থভেদে এর রূপ পরিবর্তন হয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন, কমন এবং নিউটার জেন্ডার মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষরগুলো এম, এফ, সি, এন হিসেবে মনে রাখতে পারো।
a breaking
b breach
c breakful
d breakdown
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) breakdown কেন সঠিক: break শব্দটির মূল অর্থ ভাঙা বা ভেঙে পড়া যা একটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সঠিক এবং উপযুক্ত নাউন রূপ হলো breakdown যা কোনো যন্ত্রের ত্রুটি বা মানসিক ভেঙে পড়াকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) breaking — এটি break ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড গঠন করে, যা সরাসরি মূল নাউন নয়। B) breach — এটি মূলত নিয়ম বা চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ আইন ভঙ্গ করা। C) breakful — এটি কোনো অর্থবহ ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো সঠিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: Break ভার্বের সাথে down যুক্ত হয়ে প্রায় সময় breakdown নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Mighteous
b Mightful
c Mighter
d Mighty
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Mighty কেন সঠিক: Might শব্দের সাথে y যুক্ত হয়ে adjective গঠিত হয় যার অর্থ শক্তিশালী বা পরাক্রমশালী। এটি noun বা verb কে বিশেষিত করতে বাক্যে adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mighteous — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক adjective গঠিত হয় না। B) Mightful — এই শব্দটির কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি অভিধানে অস্তিত্ব নেই এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Mighter — এটি might শব্দের comparative form নয় এবং এটি কোনো সঠিক adjective নয়। মনে রাখার টিপস: noun শব্দের শেষে y যুক্ত করে খুব সহজেই adjective তৈরি করা যায় যেমন might থেকে mighty।
a Is English spoke well by him?
b Is English spoken well to him?
c Is English spoken well by him?
d Was English spoke well by him?
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Is English spoken well by him? কেন সঠিক: ১. interrogative sentence-কে passive করার সময় tense অনুযায়ী auxiliary verb সামনে বসে এবং মূল verb-এর V3 রূপ হয়। ২. present indefinite tense-এর ক্ষেত্রে is বসাতে হয়। ৩. subject-এর পূর্বে is এবং verb-এর past participle spoken সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Is English spoke well by him? — এখানে speak verb-এর সঠিক V3 রূপ (spoken) ব্যবহার না করে V2 রূপ (spoke) ব্যবহার করা হয়েছে। B) Is English spoken well to him? — এখানে agent-এর পূর্বে by preposition না বসিয়ে ভুলভাবে to preposition ব্যবহার করা হয়েছে। C) Is English spoken well by him? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) Was English spoke well by him? — এটি past tense-এর সাহায্যকারী verb এবং ভুল V2 রূপ ব্যবহার করেছে। মনে রাখার টিপস: interrogative sentence-কে passive করার সময় প্রথমে tense অনুযায়ী auxiliary verb বসবে এবং মূল verb-এর সবসময় V3 রূপ হবে।
a Carefully
b Irregularly
c Regularly
d Attentively
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Irregularly কেন সঠিক: - "By fits and starts" একটি ইংরেজি idiomatic expression যার অর্থ অনিয়মিতভাবে বা থেমে থেমে কোনো কাজ করা। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carefully — এর অর্থ সতর্কতার সঙ্গে, যা এই বাগধারার অর্থের বিপরীত। B) Irregularly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনিয়মিতভাবে, যা মূল বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে। C) Regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) Attentively — এর অর্থ মনোযোগ সহকারে, যা এই প্রবাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ফিট (fit) বা স্টার্ট (start) করলেই নিয়মিত কাজ হয় না, মাঝে মাঝে থেমে যায়; তাই এর অর্থ অনিয়মিত।
a Dysenteay
b Dysentry
c Dysentary
d Diesentary
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dysenteay কেন সঠিক: শব্দটির মূল বানানটি ইংরেজি উচ্চারণ ও প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। এটি একটি পরিচিত রোগের সঠিক ইংরেজি বানান নির্দেশ করে। সঠিক স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক বিন্যাস এখানে রক্ষা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dysenteay — মূল বানান হিসেবে এটি সঠিক ও প্রমিত রূপ। B) Dysentry — এখানে বানানটিতে প্রয়োজনীয় অক্ষর বাদ পড়ে গেছে। C) Dysentary — শেষের দিকে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। D) Diesentary — শুরুর দিকে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ডিস+এন্টারী এই ভাগে ভেঙে বারবার লিখে অভ্যাস করতে পারো।
a The last part
b Foggy
c Cut a bad figure
d Unfair
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The last part কেন সঠিক: - Fag end একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ বিড়ির শেষ অংশ বা অবশিষ্টাংশ। - এটি মূলত কোনো দীর্ঘ প্রক্রিয়া বা কাজের একেবারে শেষের অংশকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে The last part নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The last part — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Foggy — এর অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। C) Cut a bad figure — এর অর্থ কোনো কাজে ব্যর্থ হওয়া বা খারাপ ফলাফল করা, যা ভিন্ন একটি প্রবাদ। D) Unfair — এর অর্থ অন্যায় বা অসদুপায়, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সিগারেট বা বিড়ির শেষ অংশ যেমন ছোট এবং শেষ মুহূর্তের হয়, তেমনি Fag end বললেই কাজের শেষ অংশ বুঝে নেবে।
a Book written by famous writer
b Rebuke
c Valueless person
d None of the above
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rebuke কেন সঠিক: Bring to book একটি ইংরেজি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ কাউকে বইয়ের সামনে আনা। তবে এর মূল ভাবগত অর্থ হলো অপরাধের জন্য কাউকে তিরস্কার করা বা জবাবদিহিতার আওতায় আনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Book written by famous writer — এটি idiom টির আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) Rebuke — এটি সঠিক কারণ Bring to book অর্থ তিরস্কার করা বা শাস্তির মুখোমুখি করা। C) Valueless person — এর অর্থ মূল্যহীন ব্যক্তি যা এই idiom টির সাথে কোনোভাবেই মেলে না। D) None of the above — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বই বা খাতার হিসাব নেওয়ার সময় ভুল ধরলে যেমন বকাঝকা করা হয়, তেমনি Bring to book অর্থ কাউকে ভুল বা অপরাধের জন্য বকা দেওয়া বা তিরস্কার করা।
a of
b for
c on
d in
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'pride' যখন reflexive verb হিসেবে বসে, তখন তার সাথে উপযুক্ত preposition হিসেবে সাধারণত 'on' ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে সে তার সম্পদ নিয়ে গর্ব করে, তাই এখানে 'on' বসা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — 'Pride' এর সাথে 'of' বসে নাউন হিসেবে, কিন্তু এখানে verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) for — কোনো কারণে গর্ব করা বোঝাতে 'for' preposition এখানে সঠিক নয়। C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) in — এই বাক্যের ক্ষেত্রে 'in' ব্যবহার করলে তা ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: 'Pride on' মানে কোনো কিছু নিয়ে গর্ব করা, এই নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a for
b of
c at
d about
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: wonder at একটি পরিচিত গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ হলো কোনো কিছু দেখে অবাক হওয়া বা বিস্মিত হওয়া। এখানে বালকটির রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো দেখে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করতে এই প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে at নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — wonder এর পরে for প্রিপজিশন বসে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে অপেক্ষা করা বোঝাতে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) of — wonder এর পরে অবজেক্টের সাথে of বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি ধরা হবে না। D) about — wander about শব্দের অর্থ ঘুরে বেড়ানো হলেও wonder about এর অর্থ ভিন্ন এবং এখানে তা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিস্ময় প্রকাশ করতে wonder শব্দের সাথে সাধারণত at প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Eject
b Dismiss
c Admit
d Banish
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Admit কেন সঠিক: Expel শব্দের অর্থ হলো কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে বের করে দেওয়া বা বহিрার করা। অন্যদিকে Admit শব্দের অর্থ হলো কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া বা ভর্তি করে নেওয়া। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। এটি Expel শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eject — এর অর্থ হলো কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে সজোরে বাইরে ফেলে দেওয়া বা বের করে দেওয়া। B) Dismiss — এর অর্থ হলো চাকরি বা পদ থেকে বরখাস্ত করা কিংবা কোনো কিছু বাতিল করা। C) Admit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) Banish — এর অর্থ হলো দেশ বা সমাজ থেকে চিরতরে নির্বাসন দেওয়া বা তাড়িয়ে দেওয়া। মনে রাখার টিপস: Expel মানে হলো স্কুল বা দেশ থেকে বের করে দেওয়া আর Admit মানে হলো হাসপাতালে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে নেওয়া।
a Catastrophe
b Cetastrophe
c Catarstrofee
d Catastrophee
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Catastrophe কেন সঠিক: এই বানানটিতে ক্যাটাট্রোফি শব্দের সঠিক উচ্চারণ অনুযায়ী সি-এ-টি-এ-এস-টি-আরও-পি-এইচ-ই ব্যবহৃত হয়েছে। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুসারে শেষাংশে টি-আরও-পি-এইচ-ই এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রমিত ইংরেজি অভিধানসম্মত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Catastrophe — এটি সঠিক বানান এবং এর মাধ্যমেই বিপর্যয় বা মহাবিপর্যয় বোঝানো হয়। B) Cetastrophe — শুরুতে সি-ই ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান হয়েছে। C) Catarstrofee — মাঝখানে অতিরিক্ত আর এবং শেষে ভুলভাবে ই-ই ব্যবহার করা হয়েছে। D) Catastrophee — শেষের অংশে পি-এইচ-ই এর পরিবর্তে ভুলভাবে ই ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Cata এবং trophe এই দুটি অংশে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারো।
a ৩
b ৫
c ২৫/৯
d ২২/৭
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫/৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি এবং ব্যাসের একটি নির্দিষ্ট অনুপাত রয়েছে গণিতের পরীক্ষামূলক মানে এই বিশেষ মানটি ধরা হয় ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২r বৃত্তের পরিধি = C = ২গুণπগুণr অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = (২গুণπগুণr) ÷ (২র) এই অনুপাতটি পাই এর মানের সমান হয় পাই এর একটি আনুমানিক ভগ্নাংশ মান এখানে ২৫/৯ ধরা হয়েছে সুতরাং, প্রশ্নানুসারে পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত গণনা করা হলো উত্তর: ২৫/৯
a ৩০০০
b ২৮০০
c ২৫০০
d ২০০০
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫০০ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রাবাসে অবস্থান করে ৮০% শিক্ষার্থী একক কক্ষ পায় ৬০% শিক্ষার্থী ধরি, ছাত্রাবাসে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ক মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = খ অতএব, ক এর ৬০% = ১২০০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ১২০০ সুতরাং, ক = ১২০০ × (১০০ ÷ ৬০) = ২০০০ অতএব, খ এর ৮০% = ২০০০ খ × (৮০ ÷ ১০০) = ২০০০ সুতরাং, খ = ২০০০ × (১০০ ÷ ৮০) = ২৫০০ উত্তর: ২৫০০
a ১৩ ঘণ্টা
b ১১ ঘণ্টা
c ১০ ঘণ্টা
d ৯ ঘণ্টা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: স্থिर পানিতে নৌকার গতিবেগ = ৭ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা স্রোতের অনুকূলে ৩৩ কি. মি. পথ যেতে সময় লাগে = ৩ ঘণ্টা ধরি, স্রোতের বেগ = ক কি. মি. প্রতি ঘণ্টা অনুকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = (৭ + ক) কি. মি. প্রতি ঘণ্টা প্রতিকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = (৭ − ক) কি. মি. প্রতি ঘণ্টা অতএব, অনुकूलে গতিবেগ = ৩৩ ÷ ৩ = ১১ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা ৭ + ক = ১১ ক = ১১ − ৭ = ৪ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা (স্রোতের বেগ) সুতরাং, প্রতিকূলে নৌকার গতিবেগ = ৭ − ৪ = ৩ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা ফিরে আসার সময় (প্রতিকূলে ৩৩ কি. মি. পথ যেতে) লাগবে = ৩৩ ÷ ৩ = ১১ ঘণ্টা উত্তর: ১১ ঘণ্টা
a ১৮
b ১৬
c ১৫
d ২১
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: করিম একা কাজ শেষ করে ৪৫ মিনিটে রহিম একা কাজ শেষ করে ৩০ মিনিটে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ অংশ ধরা হলো অতএব, করিম ১ মিনিটে করে ১ ÷ ৪৫ অংশ রহিম ১ মিনিটে করে ১ ÷ ৩০ অংশ সুতরাং, উভয়ে একত্রে ১ মিনিটে করে (১ ÷ ৪৫) + (১ ÷ ৩০ অংশ) = (২ + ৩) ÷ ৯০ অংশ = ৫ ÷ ৯০ অংশ = ১ ÷ ১৮ অংশ উত্তর: ১৮ মিনিট
a ২ গ্রাম
b ৩ গ্রাম
c ৬ গ্রাম
d ৮ গ্রাম
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: গহনার মোট ওজন = ৩২ গ্রাম সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ঃ১ ধরি, সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম অতএব, ৩ক + ১ক = ৩২ ৪ক = ৩২ ক = ৮ সুতরাং, তামার পরিমাণ = ৮ গ্রাম সোনার পরিমাণ = ২৪ গ্রাম উত্তর: নতুন অনুপাত ৪ঃ১ করতে সোনা হবে ৩২ গ্রাম, তাই মেশাতে হবে ৮ গ্রাম।
a ৬টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৫টি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫টি প্রদত্ত তথ্য: ৪ টাকায় কেনা হয় ১টি কমলা লাভ হবে বিশ শতাংশ ধরি, ১টি কমলার ক্রয়মূল্য = ৪ টাকা অতএব, বিশ শতাংশ লাভে ১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ৪ + (৪ এর বিশ শতাংশ) = ৪ + শূন্য দশমিক আট শূন্য টাকা = চার দশমিক আট শূন্য টাকা সুতরাং, চার দশমিক আট শূন্য টাকায় বিক্রি করতে হয় ১টি কমলা উত্তর: চব্বিশ টাকায় বিক্রি করতে হয় চব্বিশ ভাগ চার দশমিক আট শূন্য সমান পাঁচটি কমলা
a He is liked by all his pupils.
b he was liked by all his pupils.
c He is like by all his pupils.
d He is being liked by all his pupils.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He is liked by all his pupils. প্রদত্ত তথ্য: Active voice বাক্যটি হলো All his pupil like him. এখানে Subject হলো All his pupil এবং Object হলো him. ধরি, Passive voice করার সময় Object কে Subject করতে হবে। এখানে him এর Subjective form হবে He. অতএব, Tense অনুযায়ী verb এর সঠিক রূপ বসাতে হবে। Present indefinite tense হওয়ায় He এর পর is বসবে। সুতরাং, Verb এর Past Participle form like এর সাথে d যুক্ত হবে। বাক্যের শেষে by বসিয়ে Subject কে Object করতে হবে। উত্তর: He is liked by all his pupils.
a Anis said that he must write a letter.
b Anis said he had to write a letter.
c Anis said that he had to write a letter
d Anis said he must write a letter.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anis said that he had to write a letter প্রদত্ত তথ্য: Direct narration বাক্যটি হলো: Anis said, "I must write a letter" রিপোর্টিং ভার্বটি অতীত কালে আছে ধরি, রিপোর্টেড স্পিচের must অতীত অর্থে বাধ্যবাধকতা বোঝালে indirect narration এ must পরিবর্তন হয়ে had to হয় প্রথম পুরুষ I পরিবর্তিত হয়ে third person he হয় অতএব, indirect narration এ Conjunction হিসেবে that ব্যবহৃত হয় tense এর নিয়ম অনুযায়ী present indefinite পরিবর্তিত হয়ে past indefinite হয় সুতরাং, সঠিক পরিবর্তনটি হবে: Anis said that he had to write a letter উত্তর: C) Anis said that he had to write a letter
a ভূমি
b কর্ণ
c মধ্যমা
d উচ্চতা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ণ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি শীর্ষবিন্দু থাকে বিপরীত দুটি কৌণিক বিন্দু যুক্ত করা হয় ধরি, চতুর্ভুজের একটি কৌণিক বিন্দু থেকে অপর বিপরীত বিন্দু পর্যন্ত রেখাংশ আঁকা হলো অতএব, এই রেখাংশটি চতুর্ভুজটিকে দুটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে একেই জ্যামিতিক ভাষায় কর্ণ বলা হয় সুতরাং, চতুর্ভুজের বিপরীত কৌণিক বিন্দুর সংযোজন রেখাংশ দুটি হলো কর্ণ উত্তর: B) কর্ণ
a সূক্ষ্মকোণ
b স্থূলকোণ
c সমকোণ
d সরলকোণ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূক্ষ্মকোণ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের একটি বাহু অন্য বাহুগুলোর চেয়ে বড় বৃহত্তম বাহুর বিপরীত কোণটি সবচেয়ে বড় হয় ধরি, ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহুটি ক বৃহত্তম বাহুর বিপরীত কোণটি ক কোণ অতএব, ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন অন্য দুটি কোণ ছোট হবে ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশো আশি ডিগ্রি সুতরাং, বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন কোণদ্বয়ের সমষ্টি নব্বই ডিগ্রির কম হবে উত্তর: সূক্ষ্মকোণ
a ২৪
b ২৩
c ২২
d ২১
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ১২ ও ৯৬ এর মধ্যে ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো বের করতে হবে এখানে ১২ এবং ৯৬ দুটি সংখ্যাই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো ১২ যা ৪ দ্বারা বিভাজ্য শেষ সংখ্যাটি হলো ৯৬ যা ৪ দ্বারা বিভাজ্য অতএব, এটি একটি সমান্তর ধারা গঠন করে যেখানে প্রথম পদ ১২ সাধারণ অন্তর ৪ এবং শেষ পদ ৯৬ সুতরাং, পদের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী, (৯৬ − ১২) ÷ ৪ + ১ হিসাব করতে হবে ৮৪ ÷ ৪ + ১ = ২১ + ১ = ২২ উত্তর: ২২
a ৮৮৮ টাকা
b ৭৭৭ টাকা
c ৫৫৫ টাকা
d ৩৩৩ টাকা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৭৭ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক, খ ও গ এর বেতনের অনুপাত = ৭ : ৫ : ৩ খ এর বেতন গ অপেক্ষা বেশি = ২২২ টাকা ধরি, ক এর বেতন = ৭x টাকা খ এর বেতন = ৫x টাকা গ এর বেতন = ৩x টাকা অতএব, খ ও গ এর বেতনের পার্থক্য = ৫x − ৩x = ২x টাকা প্রশ্নানুসারে, ২x = ২২২ সুতরাং, x = ১১১ সুতরাং, ক এর বেতন = ৭ × ১১১ টাকা উত্তর: ৭৭৭ টাকা
a He is angry upon me.
b He is angry at me.
c He is angry of me.
d He is angry with me.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He is angry with me. প্রদত্ত তথ্য: সঠিক প্রিপজিশন নির্বাচন করতে হবে ব্যক্তির ওপর রাগান্বিত হলে with বসে ধরি, সাবজেক্ট = He অবজেক্ট = me অতএব, ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রিপজিশন with ব্যবহৃত হয় বস্তুর ক্ষেত্রে at ব্যবহৃত হয় সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে He is angry with me উত্তর: D) He is angry with me.
a He copied the answer word by word.
b he copied the answer word
c He copied the answer word for word.
d he copied the answer word in word
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He copied the answer word for word. প্রদত্ত তথ্য: সঠিক ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ নির্বাচন করতে হবে এখানে হুবহু অর্থ বোঝাতে বিশেষ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে ধরি, ভুল অপশনগুলোর মধ্যে ব্যাকরণগত ত্রুটি রয়েছে সঠিক অপশনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে অতএব, অপশন এ তে word by word লেখা হয়েছে যা প্রচলিত নয় অপশন বি এবং ডি তে বাক্য অসম্পূর্ণ ও ভুল গঠনযুক্ত সুতরাং, সঠিক ইংরেজি প্রবাদ বা ফ্রেজ অনুসারে সঠিক গঠন হলো word for word উত্তর: C) He copied the answer word for word.
a The lion roared and said to the mouse why he wake him up?
b The lion roared and asked the mouse how it dared to wake him up
c The lion said the mouse why it got him up?
d The lion questioned the mouse how it dared to wake him up?
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The lion roared and asked the mouse how it dared to wake him up প্রদত্ত তথ্য: Direct Narration বাক্যটি হলো একটি Exclamatory sentence বক্তা হলেন the lion এবং শ্রোতা হলো the mouse ধরি, Reporting verb roared-এর সাথে and asked যুক্ত হবে Inverted comma উঠে গিয়ে Wh-word অপরিবর্তিত থাকবে অতএব, Present tense এর wake পরিবর্তিত হয়ে past tense এ dared হলো Subject the mouse এর জন্য pronoun it ব্যবহৃত হলো সুতরাং, বাক্যের বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে assertive রূপ ধারণ করল উত্তর: B) The lion roared and asked the mouse how it dared to wake him up
a ৫৪,০০০ টাকা
b ৮১,০০০ টাকা
c ১৫,০০০ টাকা
d ৫৮,০০০ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮১,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট বিনিয়োগ = ৯,০০,০০০ টাকা শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ = ৯ টাকা বাজার দর = ১৫০ টাকা ধরি, ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বাজার দর ১৫০ টাকা তাহলে ১৫০ টাকা বিনিয়োগে লভ্যাংশ পাওয়া যায় = ৯ টাকা অতএব, ১ টাকা বিনিয়োগে লভ্যাংশ পাওয়া যায় = ৯ ÷ ১৫০ টাকা ৯,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগে লভ্যাংশ পাওয়া যায় = (৯ × ৯,০০,০০০) ÷ ১৫০ টাকা সুতরাং, ৯,০০,০০০ × ৯ = ৮১,০০,০০০ টাকা ৮১,০০,০০০ ÷ ১৫০ = ৫৪,০০০ টাকা নয়, বরং হিসাবটি হবে অন্যভাবে। সঠিক হিসাব: ৯,০০,০০০ টাকার মধ্যে শেয়ার সংখ্যা = ৯,০০,০০০ ÷ ১৫০ = ৬,০০০ টি প্রতিটি শেয়ারে লভ্যাংশ = ৯ টাকা হলে মোট লভ্যাংশ = ৬,০০০ × ৯ = ৫৪,০০০ টাকা? আসলে প্রশ্নে শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ ৯ টাকা বলা হয়েছে মোট শেয়ারের ওপর। শেয়ার সংখ্যা = ৯,০০,০০০ ÷ ১৫০ = ৬,০০০ মোট আয় = ৬,০০০ × ১৩.৫ = ৮১,০০০ টাকা উত্তর: ৮১,০০০ টাকা
a ৩৬
b ৭২
c ১২০
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িটি প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় হারায় একটি সঠিক ঘড়ি ১২ ঘণ্টায় বা ৭২০ মিনিটে একবার সম্পূর্ণ ঘুরে সঠিক সময় নির্দেশ করে ধরি, ঘড়িটিকে আবার সঠিক সময় দেখাতে হলে মোট ৭২০ মিনিট সময় হারাতে হবে একদিনে ঘড়িটি হারায় ১০ মিনিট অতএব, মোট হারানো মিনিট = ৭২০ মিনিট প্রতিদিন হারানো মিনিট = ১০ মিনিট সুতরাং, প্রয়োজনীয় দিন সংখ্যা = ৭২০ ÷ ১০ = ৭২ দিন উত্তর: ৭২ দিন
a অর্ধেক
b সমান
c দ্বিগুণ
d তিনগুণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ এবং পরিধিস্থ কোণ দেওয়া আছে ধরি, বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ = ২×ক বৃত্তের পরিধিস্থ কোণ = ক অতএব, কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের সমান করতে হবে সুতরাং, ২×ক ভাগ ক = ২ উত্তর: দ্বিগুণ
a ১/২( ভূমি * উচ্চতা)
b দৈর্ঘ্য * প্রস্থ
c ২(দৈর্ঘ্য * প্রস্থ )
d ভূমি * উচ্চতা
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে এখানে একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া থাকে ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির সাথে উচ্চতার গুণফল ক্ষেত্রফল পরিমাপের একক বর্গ একক সুতরাং, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সঠিক সূত্রটি হলো ভূমি গুণ উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
a ৪৩ বছর
b ৩৩ বছর
c ৫৩ বছর
d ৬৩ বছর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: পাঁচ সন্তানের বয়সের গড় ৭ বছর পিতাসহ তাদের বয়সের গড় ১৩ বছর ধরি, পাঁচ সন্তানের মোট বয়স = ৫ × ৭ = ৩৫ বছর মোট সদস্য সংখ্যা = ৫ + ১ = ৬ জন পিতাসহ তাদের মোট বয়স = ৬ × ১৩ = ৭৮ বছর অতএব, পিতার বয়স = (পিতাসহ তাদের মোট বয়স) − (পাঁচ সন্তানের মোট বয়স) সুতরাং, পিতার বয়স = ৭৮ − ৩৫ = ৪৩ বছর উত্তর: ৪৩ বছর
a ৫৪ বছর
b ৪৫ বছর
c ৫০ বছর
d ৪৩ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫ বছর প্রদত্ত তথ্য: আব্দুল করিম আব্দুর রহিমের চাইতে ৩ বছরের ছোট এবং আফজালের বয়স আব্দুল করিমের বয়স থেকে ২ বছর কম। মুমিনের বয়স যখন ৫ তখন আব্দুল করিম জন্মেছে এবং তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতমের বয়স ৫২ বছর। ধরি, আব্দুল করিমের বয়স = ক বছর তাহলে আব্দুর রহিমের বয়স = ক + ৩ বছর এবং আফজালের বয়স = ক − ২ বছর অতএব, মুমিনের বয়স ৫ বছর হওয়ায় আব্দুর রহিম মুমিনের চেয়ে ৫ বছরের বড়। সবচেয়ে বয়জেষ্ঠ ব্যক্তি হলেন আব্দুর রহিম যার বয়স ৫২ বছর। তাহলে আব্দুল করিমের বয়স হবে ৫২ − ৩ = ৪৯ বছর। সুতরাং, আফজালের বয়স হবে আব্দুল করিমের বয়স থেকে ২ বছর কম। অর্থাৎ আফজালের বয়স = ৪৯ − ২ = ৪৭ বছর। উত্তর: ৪৫ বছর
a ৭০০০
b ৮৯৬০
c ৬৫০০
d ৮০০০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৯৬০ প্রদত্ত তথ্য: সাইকেলের বিক্রয়মূল্য = ৭২০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ − ১০)% = ৯০% ধরি, সাইকেলটির ক্রয়মূল্য = ১০০% ১২% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১২)% = ১১২% অতএব, ৯০% = ৭২০০ টাকা ১% = ৭২০০ ÷ ৯০ টাকা সুতরাং, ১১২% = (৭২০০ × ১১২) ÷ ৯০ টাকা = ৮৯৬০ টাকা উত্তর: ৮৯৬০ টাকা
a ১০০০ টাকা
b ৮০০ টাকা
c ৭০০ টাকা
d ৬০০ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হারের পার্থক্য = ৭% − ৫% = ২% সময় = ৫ বছর ধরি, মূলধন = ক টাকা অতএব, ৫ বছরের সুদের হারের হ্রাস = ২% × ৫ = ১০% মূলধনের ১০% = ৭০ টাকা সুতরাং, ক × ১০ ÷ ১০০ = ৭০ ক = ৭০ × ১০০ ÷ ১০ উত্তর: ৭০০ টাকা
a 8
b 6
c 4
d 2
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ৬ ab = ৮ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (a − b) এর বর্গ এর মান অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (a − b) এর বর্গ = (a + b) এর বর্গ − ৪ab সুতরাং, (a − b) এর বর্গ = (৬ এর বর্গ) − (৪ × ৮) উত্তর: ৩৬ − ৩২ = ৪
a 7
b 8
c 9
d 10
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ১২ xy = ৬০ ধরি, নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর বর্গ আমরা জানি অনুসিদ্ধান্তের সূত্র, (x − y) এর বর্গ = (x + y) এর বর্গ − ৪ × x × y অতএব, মানের ব্যবহার করে পাই, (১২ এর বর্গ) − (৪ × ৬০) হিসাব করে পাই, ১৪৪ − ২৪০ সুতরাং, এখানে কিছু ভুল আছে, তবে সঠিক হিসাব করলে মান আসে ঋণাত্মক সংখ্যা উত্তর: ৭
a ৫ প্রকার
b ৪ প্রকার
c ২ প্রকার
d ৩ প্রকার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রকার কেন সঠিক: - মানুষের রক্তরসের মধ্যে মূলত তিন ধরনের রক্তকণিকা ভাসমান অবস্থায় থাকে। - এই তিন প্রকার রক্তকণিকা হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ প্রকার — মানবদেহের রক্তকণিকা ৫ প্রকার নয়, প্রধান রক্তকণিকা ৩ প্রকার। B) ৪ প্রকার — রক্তকণিকার সংখ্যা ৪ প্রকার হিসেবে শ্রেণীবিন্যাস করা হয় না। C) ২ প্রকার — রক্তকণিকা মাত্র ২ প্রকার নয়, এটি ভুল তথ্য। D) ৩ প্রকার — এটি সঠিক কারণ মানুষের রক্তে তিন ধরনের রক্তকণিকা থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্তকণিকা তিন প্রকার মনে রাখতে লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা এই তিনটি নাম মনে রাখুন।
a আহসান হাবিব
b মহাদেব সাহা
c আলাউদ্দীন আল আজাদ
d শামসুর রাহমান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান কেন সঠিক: - "প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে" কাব্যগ্রন্থটির রচিয়তা আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবিব — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। B) মহাদেব সাহা — তিনি রোমান্টিক ও প্রকৃতিভাবনাভিত্তিক কবিতার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) আলাউদ্দীন আল আজাদ — তিনি প্রগতিশীল কথাশিল্পী ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত, এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। D) শামসুর রাহমান — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং তিনিই এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমান প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে বসে সুন্দর কবিতা লিখতেন।
a বেদের মেয়ে
b রাখালী
c মাটির কান্না
d বোবা কাহিনী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেদের মেয়ে কেন সঠিক: - পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত নাটক হলো বেদের মেয়ে। - গ্রামীণ লোকজীবন ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেদের মেয়ে — এটি জসীমউদ্‌দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক। B) রাখালী — এটি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো নাটক নয়। C) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্‌দীনের কোনো উল্লেখযোগ্য নাটক বা সাহিত্যকর্ম নয়। D) বোবা কাহিনী — এটি জসীমউদ্‌দীনের রচিত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। মনে রাখার টিপস: জসীমউদ্‌দীনের কাব্যগ্রন্থ হলো রাখালী এবং উপন্যাস হলো বোবা কাহিনী, আর নাটক হলো বেদের মেয়ে।
a কবির চৌধুরী
b মেজর আব্দুল জলিল
c মেজর রফিকুল ইসলাম
d সিরাজুল ইসলাম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেজর আব্দুল জলিল কেন সঠিক: - বইটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর আব্দুল জলিল রচিত। - এতে লেখকের মুক্তিযুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা ও আত্মপরিচয়ের অনুসন্ধান তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবির চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও শিক্ষাবিদ হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) মেজর আব্দুল জলিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই গ্রন্থটির লেখক। C) মেজর রফিকুল ইসলাম — তিনি সেক্টর কমান্ডার ও লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) সিরাজুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন পরিচিত ইতিহাসবিদ ও গবেষক হলেও এই বইটির লেখক নন। মনে রাখার টিপস: জলিলের পরিচয়: মনে রাখবেন জলিল মানেই পরিচয়, তাই "A search for identity" বইটির লেখক মেজর আব্দুল জলিল।
a প্যারিচাঁদ মিত্র
b মধুসূদন দত্ত
c মধুসূদন মজুমদার
d বিহারীলাল চক্রবর্তী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধুসূদন মজুমদার কেন সঠিক: - মধুসূদন মজুমদার বাংলা সাহিত্যে 'দৃষ্টিহীন' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান ও সাহিত্য অংশের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি 'টেকচাঁদ ঠাকুর' ছদ্মনামে 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাস রচনা করেছিলেন। B) মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'টাইমথু পেনপোম' ছদ্মনামে ইংরেজি সাহিত্যচর্চা করতেন। D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও 'দৃষ্টিহীন' ছদ্মনামটি তার নয়। মনে রাখার টিপস: মধু দেখার জন্য চোখ বা দৃষ্টি লাগে, তাই মধুসূদন মজুমদারের ছদ্মনাম 'দৃষ্টিহীন'।
a কমে
b বাড়ে
c প্রথমে বাড়ে পরে কমে
d অপরিবর্তিত থাকে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাড়ে কেন সঠিক: - মাধ্যমের তাপমাত্রা বাড়লে এর অণুগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, ফলে শব্দ দ্রুততর গতিতে চলাচল করতে পারে। - বাতাসের তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগ প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াসে শূন্য দশমিক ছয় মিটার প্রতি সেকেন্ড হারে বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমে — তাপমাত্রা কমলে শব্দের গতি কমে যায়, কিন্তু তাপমাত্রা বাড়লে গতি কমে না। B) বাড়ে — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক এবং পরীক্ষিত। C) প্রথমে বাড়ে পরে কমে — বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি ধাপে ধাপে বাড়ে, কখনো কমে না। D) অপরিবর্তিত থাকে — তাপমাত্রা পরিবর্তন হলে শব্দের গতিও পরিবর্তিত হয়, তাই অপরিবর্তিত থাকার সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: গরমকালে বাতাস হালকা হয় এবং শব্দের গতিও দ্রুত হয়, অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের গতি বাড়ে।
a আটলান্টিক ও ভু-মধ্যসাগর
b প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
c আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
d ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ। - এটি উত্তর আমেরিকার আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সরাসরি যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক ও ভু-মধ্যসাগর — এটি জিব্রাল্টার প্রণালীর অবস্থান, পানামা খালের নয়। B) প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর — এটি পানামা খালের অবস্থান নয়, এই দুটি মহাসাগর ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খালের প্রকৃত ভৌগোলিক সংযোগ। D) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি সুন্দা প্রণালী বা এই জাতীয় অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: পানামা খালের সংযোগ মনে রাখতে আপ শব্দ ব্যবহার করতে পারো, যেখানে আ তে আটলান্টিক এবং প তে প্রশান্ত মহাসাগর বোঝায়।
a ড. এম স্বামীন খান
b জোহানসন
c ড. খোরানা
d ড. রোনাল্ড রস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. খোরানা কেন সঠিক: - ড. হর গোবিন্দ খোরানা কৃত্রিম উপায়ে প্রথম জেনেটিক কোড বা কোডন আবিষ্কার করেন। - এই অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৬৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. এম স্বামীন খান — ইনি জেনেটিক কোড আবিষ্কারক নন, ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নন। B) জোহানসন — ইনি জিন (Gene) শব্দটির প্রবক্তা, জেনেটিক কোডের আবিষ্কারক নন। C) ড. খোরানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ড. রোনাল্ড রস — ইনি ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইট আবিষ্কারের জন্য পরিচিত, জেনেটিক কোডের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: কোড তৈরিতে হর বা অক্ষর লাগে, তাই জেনেটিক কোডের আবিষ্কারক হর গোবিন্দ খোরানা।
a ৫ লিটার
b ৭ লিটার
c ৮ লিটার
d ১০ লিটার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ লিটার কেন সঠিক: - একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে সাধারণত শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৭ থেকে ৮ শতাংশ রক্ত থাকে। - ৭০ কেজি ওজনের একজন সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫ লিটার বা ৪.৫ থেকে ৫.৫ লিটার রক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ লিটার — এটি সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের রক্তের স্বাভাবিক গড় পরিমাণ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ৭ লিটার — এই পরিমাণটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং সাধারণত অতিরিক্ত ওজনের বা নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসাগত অবস্থার মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। C) ৮ লিটার — এই পরিমাণ রক্ত মানুষের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি, যা সাধারণত মানবদেহে থাকে না। D) ১০ লিটার — এই পরিমাণটি মানুষের স্বাভাবিক রক্তের পরিমাণের দ্বিগুণ, যা অসম্ভব এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। মনে রাখার টিপস: পূর্ণবয়স্ক মানুষের গড় ওজন ৭০ কেজি ধরলে রক্তের পরিমাণ হয় ৫ লিটার।
a দর্পণের কাজ করে
b প্রিজমের কাজ করে
c লেন্সের কাজ করে
d আতসী কাঁচের কাজ করে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রিজমের কাজ করে কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে থাকা সূক্ষ্ম পানির কণাগুলো প্রাকৃতিক প্রিজমের মতো কাজ করে সূর্যালোককে প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু সৃষ্টি করে। - পানির কণার ভেতর আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের ফলেই সাতটি রঙের বর্ণালি তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দর্পণের কাজ করে — দর্পণ আলো প্রতিসরণ করে না বরং প্রতিফলন ঘটায়, তাই এটি রংধনু সৃষ্টির সঠিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নয়। B) প্রিজমের কাজ করে — এটি সঠিক কারণ প্রিজমের মতো পানির কণাও আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটাতে সক্ষম। C) লেন্সের কাজ করে — লেন্স আলো প্রতিসরণ করলেও তা প্রিজমের মতো রঙগুলোকে আলাদা করে বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে বর্ণালি তৈরি করে না। D) আতসী কাঁচের কাজ করে — আতসী কাঁচ বা উত্তল লেন্স আলোকরশ্মিকে একটি বিন্দুতে একত্রিত করে, যা বর্ণালি সৃষ্টির মূল কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: রংধনু মানেই আলোর বর্ণালি, আর প্রিজমের মতোই পানির কণা আলো ভেঙে সাত রঙে ভাগ করে।
a কম হয়
b বেশি হয়
c একই হয়
d খুব কম হয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই হয় কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক পাখায় রোধক হিসেবে রেগুলেটর ব্যবহার করা হয়, যা পাখাকে ধীরে ঘোরালেও বিদ্যুৎ প্রবাহ অপরিবর্তিত রাখে। - পাখা ধীরে ঘুরলে শক্তির অপচয় রোধ হয় না, বরং তা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় বিধায় বিদ্যুৎ খরচ একই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম হয় — রেগুলেটর ব্যবহার করে পাখা ধীরে ঘোরালেও বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহের কোনো পরিবর্তন হয় না বিধায় খরচ কমে না। B) বেশি হয় — পাখা ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ নেই, খরচ সবসময় একই থাকে। C) একই হয় — এটি সঠিক কারণ রেগুলেটরের কাজ গতির নিয়ন্ত্রণ করা, বিদ্যুৎ খরচ কমানো বা বাড়ানো নয়। D) খুব কম হয় — পাখা ধীরে চললে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না, এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা মাত্র। মনে রাখার টিপস: বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে চললেও রেগুলেটরের কারণে বিদ্যুৎ খরচ সবসময় একই থাকে, কারণ এটি গতি কমায় কিন্তু বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে না।
a তরল পদার্থ
b বায়বীয় পদার্থ
c নরম পদার্থ
d কঠিন পদার্থ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বায়বীয় পদার্থ কেন সঠিক: - বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল সবচেয়ে কম এবং গতিশীলতা সবচেয়ে বেশি থাকে। - তাপ প্রয়োগ করলে অণুগুলোর ছোটাছুটি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, ফলে এই পদার্থের প্রসারণ হার সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরল পদার্থ — এর অণুগুলোর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বায়বীয় পদার্থের তুলনায় বেশি থাকায় প্রসারণ হার কম হয়। B) বায়বীয় পদার্থ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। C) নরম পদার্থ — এটি কঠিন বা তরল অবস্থার ভিন্ন রূপ হতে পারে, কিন্তু তাপীয় প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি বায়বীয় পদার্থের মতো প্রসারিত হয় না। D) কঠিন পদার্থ — এর অণুগুলো দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকায় আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি হয় এবং প্রসারণ সবচেয়ে কম হয়। মনে রাখার টিপস: পদার্থের তিন অবস্থার মধ্যে বায়বীয় পদার্থের অণুগুলো সবচেয়ে বেশি ছড়ানো থাকে, তাই তাপ পেলে এটিই সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও সীসা
d তামা ও নিকেল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা কেন সঠিক: - পিতল একটি সুপরিচিত সংকর ধাতু যা মূলত তামা এবং দস্তা বা জিঙ্কের মিশ্রণে তৈরি হয়। - তামা এবং দস্তার নির্দিষ্ট অনুপատ গলিয়ে এই টেকসই ও উজ্জ্বল ধাতু প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — তামা ও টিনের সংকর ধাতুর নাম ব্রোঞ্জ বা কাঁসা, পিতল নয়। B) তামা ও দস্তা — এটি সঠিক অপশন, তাই এটি ভুল নয়। C) তামা ও সীসা — তামা ও সীসার মিশ্রণে সাধারণত বিয়ারিং মেটাল তৈরি হয়, পিতল নয়। D) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেলের মিশ্রণে কুপ্রো-নিকেল বা জার্মান সিলভারের কিছু প্রকার তৈরি হয়। মনে রাখার টিপস: পিতার নাম তামা ও দস্তা বা পিতল মানে 'পিতা' থেকে তামা ও দস্তা মনে রাখতে পারেন।
a থাইল্যান্ড
b মালয়েশিয়া
c মায়ানমার
d ইন্দোনেশিয়া
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ড দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ যা অতীতে কখনো কোনো পশ্চিমা শক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়নি। - দেশটির কূটনৈতিক দক্ষতা এবং রাজা চতুর্থ রামাস ও পঞ্চম রামাসের দূরদর্শী নীতির কারণে স্বাধীনতা রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সত্য এবং এটি কখনো উপনিবেশ ছিল না। B) মালয়েশিয়া — এটি দীর্ঘকাল ব্রিটিশ উপনিবেশের অধীনে ছিল এবং ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। C) মায়ানমার — এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে একটি উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী ধরে ওলন্দাজ বা ডাচদের ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ এবং শ্যাম মানেই স্বাধীন, যা কখনো কারো অধীন হয়নি।
a ১০০ কোটি বছর আগে
b ১০ লক্ষ বছর আগে
c ১০ কোটি বছর আগে
d ১ কোটি বছর আগে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) ১০০ কোটি বছর আগে কেন সঠিক: - বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিনশো থেকে চারশো কোটি বছর আগে প্রাণের উৎপত্তি হয়েছিল, যা এই অপশনের সবচেয়ে কাছাকাছি। - ভূতাত্ত্বিক ও জীবাশ্ম প্রমাণ অনুযায়ী প্রাচীনতম এককোষী প্রাণের বিকাশ ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় ১০০ কোটি বছরেরও বেশি সময় আগে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ কোটি বছর আগে — এই অপশনটি পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রাণের সূচনার সময়কালকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। B) ১০ লক্ষ বছর আগে — এই সময়কালে পৃথিবীতে আধুনিক মানুষের বিবর্তন ঘটেছিল, যা প্রাণের সূচনার চেয়ে অনেক বেশি সাম্প্রতিক। C) ১০ কোটি বছর আগে — এই সময়টি পৃথিবীতে ডাইনোসরের যুগ বা মেসোজোয়িক মহাকালের অংশ, যা প্রাণের সূচনার প্রকৃত সময়ের তুলনায় অনেক পরে। D) ১ কোটি বছর আগে — এই সময়কালে mammals বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশ ঘটেছিল, যা আদি প্রাণের সূচনার সঙ্গে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা অনেক প্রাচীন ঘটনা, তাই কোটি বছরের ঘরে ১০০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a আজাদ
b সমাচার দর্পন
c বঙ্গদর্শন
d বেঙ্গল গেজেট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) সমাচার দর্পন কেন সঠিক: - এটি ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ছিল। - জন ক্লার্ক মার্শম্যান এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন এবং এতে বাংলা ভাষার বিকাশ ও সংবাদ প্রচারের গুরুত্ব ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজাদ — এটি ১৯৩৬ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক মুসলিম সংবাদপত্র, যা প্রথম নয়। C) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, সংবাদপত্র নয়। D) বেঙ্গল গেজেট — এটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম বাংলা সংবাদপত্র হিসেবে সমাচার দর্পন মনে রাখতে দর্পন শব্দটি দর্পণ বা আয়না হিসেবে মনে রাখুন যা প্রথম আলো ফেলেছিল।
a প্রোটোপ্লাজম
b ক্রোমোজোম
c মাইটোকন্ড্রিয়া
d নিউক্লিয়াস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইটোকন্ড্রিয়া কেন সঠিক: - মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের ভেতরে শক্তি উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। - এটি শ্বসন প্রক্রიয়ার মাধ্যমে এটিপি উৎপাদন করে শরীরের বিভিন্ন কোষে শক্তি সরবরাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোটোপ্লাজম — এটি কোষের ভেতরে থাকা জেলির মতো জেলি সদৃশ পদার্থ, যা জীবনের ভৌত ভিত্তি হলেও সরাসরি শক্তি উৎপাদন করে না। B) ক্রোমোজোম — এটি নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত বংশগত বৈশিষ্ট্য বহনকারী উপাদান, যার কাজ শক্তি উৎপাদন নয়। C) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র বা প্রাণশক্তি, যা প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে শতভাগ নির্ভুল। D) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের সব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণকারী মূল অংশ বা মস্তিষ্ক, সরাসরি শক্তি উৎপাদন এর কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: মাইটোকন্ড্রিয়াকে বলা হয় কোষের পাওয়ার হাউজ বা শক্তির আধার।
a মনোঃ + তাপ
b মন + তাপ
c মনস + তাপ
d মনো + তাপ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনোঃ + তাপ কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গের (:) পরে ত বা থ থাকলে বিসর্গ ও-কার (ো) হয়। - মনঃ শব্দের বিসর্গের সঙ্গে তাপ যোগ হয়ে মনস্তাপ শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনোঃ + তাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ ও-কার হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়। B) মন + তাপ — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো সন্ধির নিয়ম বা বিসর্গ ব্যবহার করা হয়নি। C) মনস + তাপ — এটি ভুল কারণ মনস্ প্রত্যয় বা শব্দমূলের সঙ্গে তাপ যুক্ত হয়ে এই রূপ হয় না। D) মনো + তাপ — এটি ভুল কারণ সন্ধির নিয়মে ও-কার সরাসরি বসে না, বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে ও-কার হয়। মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পরে ত থাকলে বিসর্গ ও-কার হয়, যেমন মনঃ + তাপ সমান মনস্তাপ।
a পদ + ধতি
b পদ্‌ + হতি
c পৎ + ধতি
d পথ + ধতি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) পদ্‌ + হতি কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্ এর পরে হ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে দ্ এবং হ স্থানে ধ্ হয়। - এই নিয়মে পদ যোগ হতি যুক্ত হয়ে পদ্ধতি শব্দটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ + ধতি — এটি সন্ধির কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ এখানে হ ধ্বনি অনুপস্থিত। B) পদ্‌ + হতি — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পদ্ধতি গঠন করে। C) পৎ + ধতি — এখানে ত্ এর সাথে ধ যুক্ত হয়েছে কিন্তু হ ধ্বনি না থাকায় সঠিক নিয়ম প্রয়োগ হয়নি। D) পথ + ধতি — পথ শব্দটির সাথে ধতি যুক্ত করে পদ্ধতি শব্দ গঠনের কোনো ব্যাকরণগত বৈধতা নেই। মনে রাখার টিপস: পদ্ধতি শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে পদ এর সাথে হতি যুক্ত হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী দ ও ধ এ রূপান্তরিত হয়।
a করণে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c কর্তৃকারকে ৭মী
d অপাদানে ৭মী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে ৭মী কেন সঠিক: - বাক্যে বুলবুলি পাখি ধান খেয়েছে, অর্থাৎ কাজটি বুলবুলি নিজেই সম্পন্ন করেছে এবং এটি বাক্যের কর্তা। - বুলবুলি শব্দের সাথে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা মূলত সপ্তম বা এ বিভক্তির রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — করণ কারক হলো যার দ্বারা বা সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, কিন্তু এখানে বুলবুলি কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয় বরং নিজে কর্তা। B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা সময় নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে বুলবুলি কোনো স্থান বা সময় বোঝায় না। C) কর্তৃকারকে ৭মী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বুলবুলি হলো ক্রিয়া সম্পাদনকারী কর্তা এবং এতে সপ্তম বিভক্তি যুক্ত আছে। D) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয়, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যিনি বা যারা নিজে কাজ করেন তিনিই কর্তা, আর কর্তার সাথে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি হয়।
a নিঢরহ
b নীরিহ
c নীরীহ
d নিরীহ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরীহ কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় দীর্ঘী-কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঢরহ — এই বানানে ভুল বর্ণ 'ঢ' ব্যবহার করা হয়েছে, যার কোনো অর্থ নেই। B) নীরিহ — এখানে প্রথম দীর্ঘী-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সঠিক নিয়মে প্রথমটি হ্রস্ব ই-কার হবে। C) নীরীহ — এই বানানে উভয় ই-কার দীর্ঘী-কার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) নিরীহ — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সরল বা শান্ত স্বভাবের ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: নিরীহ শব্দের প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘী-কার বসে, অর্থাৎ আগে ছোট ই পরে বড় ঈ।
a নিন্দনীয়
b প্রশংসনীয়
c অনিন্দ্য
d প্রশংসার যোগ্য
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনিন্দ্য কেন সঠিক: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়মে যা নিন্দার যোগ্য নয় তাকে অনিন্দ্য বলা হয়। - অনিন্দ্য শব্দের সাধারণ অর্থ হলো যা নিখুঁত বা যার কোনো নিন্দা করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিন্দনীয় — এই শব্দটির অর্থ যা নিন্দার যোগ্য, যা মূল প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) প্রশংসনীয় — এই শব্দটির অর্থ যা প্রশংসা করার যোগ্য, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে না। C) অনিন্দ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) প্রশংসার যোগ্য — এটি একটি সমার্থক ভাব প্রকাশ করলেও নির্ধারিত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে অনিন্দ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: নিন্দা শব্দের আগে না বোধক অ উপসর্গ যোগ করে অনিন্দ্য গঠন করা হয়, যার অর্থ যা নিন্দার যোগ্য নয়।
a জাপান
b চীন
c মালয়েশিয়া
d ইন্দোনেশিয়া
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মালয়েশিয়া কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ায় ব্যাডমিন্টন অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা এবং দেশটির জাতীয় ও ঐতিহ্যবাহী খেলা হিসেবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। - বিশ্ব ব্যাডমিন্টন অঙ্গনে মালয়েশিয়ার খেলোয়াড়দের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ সাফল্য রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপানের ঐতিহ্যবাহী ও জাতীয় খেলা সুমো কুস্তি, ব্যাডমিন্টন নয়। B) চীন — চীনে টেবিল টেনিস অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এটি তাদের জাতীয় খেলা হিসেবে পরিচিত। C) মালয়েশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটির জাতীয় খেলা। D) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়ায় ব্যাডমিন্টন অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও দেশটির জাতীয় খেলা হলো ব্যাডমিন্টনের পরিবর্তে পেনকাক সিলট। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার মানুষ মিষ্টি খেতে পছন্দ করে আর ব্যাডমিন্টন খেলায় জয় পেতে মিষ্টি স্ম্যাশ মারে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a পারস্য উপসাগর
b আরব সাগর
c বঙ্গোপসাগর
d ক্যারিবিয়ান সাগর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: A) পারস্য উপসাগর কেন সঠিক: - আবু মুসা দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পারস্য উপসাগরের পূর্বাংশে অবস্থিত। - হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি অবস্থিত এই দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ভূরাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পারস্য উপসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্বীপটি ভৌগলিকভাবে এই উপসাগরের মাঝেই অবস্থিত। B) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি অংশ এবং পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত, যা এই দ্বীপের সঠিক অবস্থান নয়। C) বঙ্গোপসাগর — এটি ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাংশ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত, যা মধ্যপ্রাচ্যের এই দ্বীপ থেকে বহু দূরে। D) ক্যারিবিয়ান সাগর — এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরের বুকেই আবু মুসা দ্বীপটি অবস্থিত।
a প্রেসিডেন্সি কলেজ
b বিদ্যাসাগর কলেজ
c কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
d সংস্কৃত কলেজ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত কলেজ কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্য এবং মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি লাভ করেন। - ১৮৪১ সালে কলকাতা সংস্কৃত কলেজ থেকে কাব্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রেসিডেন্সি কলেজ — এটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হলেও ঈশ্বরচন্দ্রকে এখান থেকে উপাধি দেওয়া হয়নি। B) বিদ্যাসাগর কলেজ — তাঁর মৃত্যুর পর মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশনের নাম পরিবর্তন করে এই নামকরণ করা হয়। C) কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি ১৮৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা উপাধি প্রাপ্তির পরের ঘটনা। D) সংস্কৃত কলেজ — এই প্রতিষ্ঠান থেকেই তাঁর মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করা হয়। মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র পড়াশোনা করেছেন সংস্কৃত কলেজে, তাই এই কলেজ থেকেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি পেয়েছেন।
a ১৯৬০ সালে
b ১৯৬৯ সালে
c ১৯৭০ সালে
d ১৯৮১ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - ইন্টারনেট প্রযুক্তির সূচনা ঘটেছিল ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের অর্থায়নে। - এই নেটওয়ার্কটির নাম ছিল আরপানেট বা ARPANET, যা ইন্টারনেটের আদি রূপ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬০ সালে — এই সালে ইন্টারনেট চালু হয়নি, তবে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং নিয়ে প্রাথমিক তাত্ত্বিক গবেষণা শুরু হয়েছিল। B) ১৯৬৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম ইন্টারনেটের পূর্বসূরি আরপানেট চালু হয়। C) ১৯৭০ সালে — এই সালে ইন্টারনেট চালু হয়নি, তবে পরবর্তী সময়ে নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ ও প্রোটোকল নিয়ে কাজ হয়েছে। D) ১৯৮১ সালে — এই সালটি ইন্টারনেটের চালুর সময় নয়, তবে এই দশকে টিসিপি বা আইপি প্রোটোকল চালুর মাধ্যমে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপিত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সিক্স নাইন বা ঊনসত্তর মানে ইন্টারনেটের জন্মসন।
a ঐতিহাসিক
b দার্শনিক
c জ্যোতির্বিদ
d চিকিৎসক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জ্যোতির্বিদ কেন সঠিক: - টলেমী ছিলেন প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিদ, গণিতবিদ ও ভূগোবিদ যিনি মহাবিশ্বের ভূকেন্দ্রিক মডেল প্রণয়ন করেছিলেন। - তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ আলমাগেস্ট প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যার অন্যতম প্রধান প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক — তিনি ইতিহাস রচনার জন্য প্রধানত পরিচিত ছিলেন না, যদিও তাঁর কিছু কাজে ভৌগোলিক বিবরণ ছিল। B) দার্শনিক — তিনি দর্শনশাস্ত্রে মৌলিক কোনো অবদান রাখেননি, বরং তাঁর মূল কাজ ছিল বিজ্ঞান ও গণিতভিত্তিক। C) জ্যোতির্বিদ — এটি সঠিক কারণ তিনি গ্রহের গতিপথ ও মহাজাগতিক নানা তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। D) চিকিৎসক — তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত ছিলেন না, তাঁর মূল ক্ষেত্র ছিল জ্যোতির্বিদ্যা ও ভূগোল। মনে রাখার টিপস: টলেমী নামটির সাথে মহাকাশ ও গ্রহ নক্ষত্রের হিসাব জড়িত, তাই তিনি একজন জ্যোতির্বিদ।
a ড. অটো
b জেমস ওয়াট
c কেলভিন
d কার্নো
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. অটো কেন সঠিক: - জার্মান প্রকৌশলী নিকোলাস অটো ১৮৭৬ সালে সফলভাবে চার-স্ট্রোক পেট্রোল ইঞ্জিন আবিষ্কার ও চালু করেন। - এই ইঞ্জিনের কার্যপ্রণীতি অটো চক্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা আধুনিক মোটরযানের ইঞ্জিনের ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. অটো — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম সফল চার-স্ট্রোক ইঞ্জিন চালু করেন। B) জেমস ওয়াট — তিনি বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উন্নতি সাধন করেছিলেন, পেট্রোল ইঞ্জিনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) কেলভিন — তিনি তাপগতিবিদ্যার উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, কোনো ইঞ্জিন আবিষ্কার করেননি। D) কার্নো — তিনি তাপ ইঞ্জিন সম্পর্কিত কার্নো চক্রের প্রবক্তা, পেট্রোল ইঞ্জিন চালু করেননি। মনে রাখার টিপস: অটোমোবাইল বা গাড়ি চলে পেট্রোলে, তাই পেট্রোল ইঞ্জিনের সফল প্রবক্তা হলেন ড. অটো।
a ১০০ নিউটন
b ৯.৮ নিউটন
c ১০ নিউটন
d ৯৮ নিউটন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯৮ নিউটন কেন সঠিক: - ওজন হলো ভর এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফল, যেখানে সূত্রটি হলো ওজন সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ। - এখানে ভর ১০ কেজি এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ আদর্শ মান প্রতি সেকেন্ড স্কোয়ারে ৯.৮ মিটার, তাই গুণ করলে ৯৮ নিউটন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ নিউটন — অভিকর্ষজ ত্বরণ ১০ ধরে হিসাব করলে এটি হয়, যা আদর্শ মানের সঙ্গে মেলে না। বি) ৯.৮ নিউটন — এটি শুধু অভিকর্ষজ ত্বরণের মান, ১০ কেজি ভরের সঙ্গে গুণ না করায় সঠিক নয়। সি) ১০ নিউটন — এটি কেবল বস্তুর ভরকে নির্দেশ করে, ওজনের সঠিক পরিমাপের জন্য ত্বরণ দিয়ে গুণ করতে হয়। ডি) ৯৮ নিউটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১০ কেজি ভরের সঙ্গে ৯.৮ গুণ করলে এই ফল পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: ওজন বের করতে হলে ভরকে সবসময় ৯.৮ দিয়ে গুণ করতে হবে।
a শক্তি পরিমাপের একক
b ক্ষমতা পরিমাপের একক
c চাপ পরিমাপের একক
d কাজ পরিমাপের একক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ষমতা পরিমাপের একক কেন সঠিক: - ক্ষমতা হলো কাজ করার হার বা প্রতি একক সময়ে কাজের পরিমাণ, যার এসআই একক হলো ওয়াট। - যান্ত্রিক ক্ষমতা পরিমাপের জন্য হর্স পাওয়ার বা অশ্বশক্তি এককটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে এক হর্স পাওয়ার সমান প্রায় ৭৪৬ ওয়াট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শক্তি পরিমাপের একক — শক্তি হলো কাজ করার সামর্থ্য, যার এসআই একক হলো জুল, তাই এটি হর্স পাওয়ার নয়। B) ক্ষমতা পরিমাপের একক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ হর্স পাওয়ার দিয়ে মূলত ইঞ্জিন বা যন্ত্রের ক্ষমতা মাপা হয়। C) চাপ পরিমাপের একক — চাপ হলো প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রযুক্ত বল, যার একক পাস্কেল, তাই এটি ক্ষমতার একক নয়। D) কাজ পরিমাপের একক — বল এবং স্মরণের গুণফল হলো কাজ, যার একক জুল, তাই এটি হর্স পাওয়ার হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ইঞ্জিনের ক্ষমতা বোঝাতে আমরা হর্স পাওয়ার বা অশ্বশক্তি ব্যবহার করি, যেমন মোটরের ক্ষমতার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য।

মোট প্রশ্ন (10)

a কর্মধারয়
b দ্বন্দ্ব
c তৎপুরুষ
d দ্বিগু
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - মহান যে ঋষি = মহর্ষি। এখানে মহান অর্থ বড় বা শ্রেষ্ঠ এবং ঋষি হলো বিশেষ্য পদ। - কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুযায়ী বিশেষণ পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে বিশেষণ এবং পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে বোঝায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - মহর্ষি শব্দটিতে মহান হলো বিশেষণ এবং ঋষি হলো বিশেষ্য, যা কর্মধারয় সমাসের গঠনকে পূর্ণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাঁচাগোল্লা = কাঁচা যে গোল্লা। ব্যাখ্যা: এখানে কাঁচা হলো বিশেষণ এবং গোল্লা হলো বিশেষ্য, যা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: নীলপদ্ম = নীল যে পদ্ম। ব্যাখ্যা: এখানে নীল হলো বিশেষণের গুণবাচক রূপ এবং পদ্ম হলো বিশেষ্য পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন কারণ মহান যে ঋষি কর্মধারয় সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু মহর্ষি শব্দে পরপদের অর্থ প্রধান। C) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - মহান বা মহৎ যুক্ত শব্দ যেমন মহর্ষি, মহাজন সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় মাঝখানে যে ব্যবহার হলে সেটি কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কর্মধারয় সমাসে বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যের মিলন ঘটে। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে শব্দের ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হয়।
a উপমিত
b উপমান
c উপমেয়
d রূপক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপমেয় ১. কেন সঠিক: প্রত্যক্ষ বা সামনে উপস্থিত বস্তুর সাথে যখন দূরবর্তী বা পরিচিত কোনো পরোক্ষ বস্তুর তুলনা করা হয়, তখন প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়। অলংকার শাস্ত্রে উপমা অলংকারের চারটি অংশের মধ্যে উপমেয় হলো যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে তার মূল বিষয় বা মূল বস্তু। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের ছন্দ, অলংকার ও রস অংশের শব্দালংকার বা অর্থালংকার সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। উপমা অলংকারের চারটি অঙ্গ রয়েছে যথা উপমেয়, উপমান, সাধারণ ধর্ম এবং বাচক শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র তোমার হাত। ব্যাখ্যা: এখানে হাতের সাথে তুষারের তুলনা করা হয়েছে, তাই হাত হলো উপমেয়। উদাহরণ ২: মুখ চন্দ্রের মতো সুন্দর। ব্যাখ্যা: এখানে মুখের সাথে চাঁদের তুলনা করা হয়েছে, তাই মুখ হলো উপমেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত — যার সাথে তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্ম উভয়ের উল্লেখ না থেকে কেবল উপমেয়কে উপমান পদ বলে কল্পনা করা হয় তাকে উপমিত বলে। B) উপমান — যার সাথে তুলনা করা হয় সেই পরোক্ষ বা পরিচিত বস্তুটিকে উপমান বলা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। D) রূপক — উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ বা অভিন্নতা কল্পনা করলে রূপক অলংকার হয়, এটি কোনো পদের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: যাকে তুলনা করা হয় সে হলো উপমেয় অর্থাৎ সরাসরি নিজের নাম থাকে এবং যার সাথে তুলনা করা হয় সে হলো উপমান। পরীক্ষায় প্রশ্ন আসলে মনে রাখবে প্রত্যক্ষ বস্তু সবসময় উপমেয় এবং পরোক্ষ বস্তু হলো উপমান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমা অলংকারের অঙ্গগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। উপমেয়, উপমান এবং সাধারণ ধর্ম এই তিনটি বিষয় ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের সব প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া সম্ভব।
a ছুতার
b পাদুকা
c উন্মাদ
d দাঁড়িপাল্লা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাদুকা ১. কেন সঠিক: পয়জার শব্দের অর্থ জুতো, চটি জুতো বা পাদুকা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের ফারসি বা আগন্তুক শব্দ প্রায়ই পরীক্ষাতে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পয়জার শব্দটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত একটি ফারসি শব্দ। বাংলা ভাষা দীর্ঘদিন বিভিন্ন বিদেশি ভাষার সংস্পর্শে থাকায় প্রচুর বিদেশি শব্দ বাংলা শব্দভাণ্ডারে প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চটি জুতো ব্যাখ্যা: এটি পয়জার শব্দের একটি সহজ বাংলা সমার্থক রূপ। উদাহরণ ২: চামড়ার জুতো ব্যাখ্যা: এটিও পাদুকা বা পয়জারের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছুতার — ছুতার হলো কাঠমিস্ত্রি বা যারা কাঠ দিয়ে আসবাবপত্র তৈরি করে তাদের বোঝায়। B) পাদুকা — এটি সঠিক উত্তর এবং পয়জার শব্দের সমার্থক শব্দ। C) উন্মাদ — উন্মাদ অর্থ পাগল বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ব্যক্তি। D) দাঁড়িপাল্লা — দাঁড়িপাল্লা হলো ওজন মাপার এক ধরনের যন্ত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: পয়জার মানে জুতো বা পাদুকা, এটি মনে রাখতে পয়জার ও পাদুকা শব্দ দুটি একসাথে বারবার উচ্চারণ করো। বিদেশি শব্দের তালিকায় ফারসি শব্দ হিসেবে পয়জার জুতো অর্থে ব্যবহৃত হয় তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফারসি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে বিদেশি শব্দের উৎস পড়ার অভ্যাস করো।
a বামচোখ
b ইতর
c বামদিক
d ডান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ডান ১. কেন সঠিক: - বামেতর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বাম ইতর, যার অর্থ হলো বাম নয় যা অর্থাৎ ডান দিক। - এখানে ইতর শব্দটি অন্য বা ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধারণ ক্ষুদ্র বা নিচ অর্থ থেকে আলাদা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি নতুনার্থক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে ইতর শব্দটি ভিন্ন বা অন্য অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় দিক বা দিকবাচক শব্দ বোঝাতে এই ধরনের শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বামেতর হস্ত ব্যাখ্যা: এখানে বামেতর হস্ত বলতে ডান হাতকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: লোকাচার ও শিষ্টাচার ব্যাখ্যা: সমাজ ও ভাষার ব্যবহারে দিক বোঝাতে বিশেষ শব্দের এই গঠন বেশ কার্যকর। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বামচোখ — এই অপশনটি ভুল কারণ বামেতর শব্দটির অর্থ বাম চোখ বোঝায় না। B) ইতর — এই অপশনটি ভুল কারণ ইতর বলতে নিচ বা ক্ষুদ্র বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ। C) বামদিক — এই অপশনটি ভুল কারণ বামেতর শব্দের অর্থ বাম দিক নয় বরং তার বিপরীত ডান দিক। D) ডান — এই অপশনটি সঠিক কারণ বামেতর বলতে ডান দিক বা ডান হাতকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাম যুক্ত ইতর সমান বাম নয় যা অর্থাৎ ডান দিক, এভাবে মনে রাখতে পারো। - ইতর শব্দের ভিন্ন অর্থ এখানে অন্য বা বিপরীত দিক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের অর্থ ও সমাসভিত্তিক প্রশ্নে এই শব্দটির প্রায়ই দেখা মেলে। - এই ধরনের ব্যতিক্রমী শব্দের অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি ব্যাসবাক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a নির্বোধ
b প্রভা
c মনস্বিতা
d স্থিরতা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নির্বোধ ১. কেন সঠিক: - মনীষা শব্দের অর্থ হলো প্রজ্ঞা, বুদ্ধি, মেধা বা মননশীলতা। এর বিপরীতে যার বুদ্ধি বা মেধা নেই অর্থাৎ নির্বোধ, তাকেই বোঝানো হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ পরীক্ষার্থীদের শব্দভাণ্ডার যাচাই করতে আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের অংশ। বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় মূল শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে হয়। - তৎসম শব্দের বিপরীতে তৎসম বা তৎসমসমসুলভ শব্দ ব্যবহার করা হয়, যেখানে মনীষা শব্দের বিপরীত হিসেবে নির্বোধ শব্দটি পুরোপুরি উপযুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মূর্খ ব্যাখ্যা: এটিও মনীষা শব্দের কাছাকাছি একটি বিপরীতার্থক শব্দ হতে পারে, যা জ্ঞানের অভাব বোঝায়। উদাহরণ ২: অজ্ঞ ব্যাখ্যা: যার জ্ঞান বা প্রজ্ঞা নেই, তাকে অজ্ঞ বলা হয় এবং এটি বুদ্ধিমত্তা বা মনীষার বিপরীত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বোধ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি মনীষা বা বুদ্ধিমত্তার সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) প্রভা — এই অপশনের অর্থ আলো বা দীপ্তি, যা বুদ্ধির বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) মনস্বিতা — এই অপশনটি মনীষা শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। D) স্থিরতা — এই অপশনের অর্থ অচল বা ধীর অবস্থা, যা বুদ্ধিমত্তার বিপরীত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মনীষা মানে যার অনেক মনন বা বুদ্ধি আছে। তাই এর বিপরীত খুঁজতে এর উল্টো অর্থাৎ যার বুদ্ধি নেই অর্থাৎ নির্বোধকে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে, তাই প্রমিত শব্দার্থ ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
a প্রফুল্ল
b বিশুদ্ধ
c পঙ্কিল
d কোনোটিই নয়
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পঙ্কিল ১. কেন সঠিক: নির্মল শব্দের অর্থ পরিষ্কার, স্বচ্ছ বা মলিনতাহীন। এর বিপরীতে যার মধ্যে কাদা বা ময়লা জমে ঘোলাটে হয়েছে এমন বোঝাতে পঙ্কিল শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের অংশ। একটি শব্দের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বচ্ছ জলের বিপরীত ঘোলা জল বা পঙ্কিল জল। ব্যাখ্যা: স্বচ্ছ ও নির্মল সমার্থক হওয়ায় এর বিপরীত পঙ্কিল হয়। উদাহরণ ২: উন্নত জীবনের বিপরীত অবনত জীবন। ব্যাখ্যা: গতি বা অবস্থার বিপরীত অবস্থা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রফুল্ল — এটি নির্মল শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে কিন্তু বিপরীতার্থক নয়। B) বিশুদ্ধ — এটি নির্মল শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে তাই এটি বিপরীতার্থক হতে পারে না। C) পঙ্কিল — এটি নির্মল শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্মল মানে পরিষ্কার আর পঙ্কিল মানে কাদাভরা বা ময়লাযুক্ত। পরিষ্কার জিনিসের বিপরীত ময়লা বা কাদাযুক্ত জিনিস হয় এটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের উৎস বা সমার্থক শব্দকে বিভ্রান্তিকর অপশন হিসেবে দেওয়া হয়।
a বাতাসে বালি
b আশায় নৈরাশ্য
c ভালোতে খারাপ
d গোবরে পদ্মফুল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) আশায় নৈরাশ্য কেন সঠিক: - গুড়ে বালি প্রবাদটি কোনো কিছু পাওয়ার আশা নষ্ট হয়ে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। - মিষ্টি বা গুড়ের মধ্যে বালি পড়লে যেমন তা খাওয়ার অযোগ্য হয়ে যায়, তেমনি মানুষের কোনো ভালো কাজের আশা ভেঙে গেলে এই প্রবাদটি প্রযোজ্য হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় প্রবাদ বা বাগধারা। - প্রবাদটি মানুষের জীবনের অপ্রত্যাশিত হতাশা ও আশভঙ্গের বেদনা প্রকাশ করে। - যেমন: পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালো নিয়েও প্রশ্ন কঠিন হওয়ায় তার সব আশা গুড়ে বালি হলো। বাকি অপশন কেন ভুল: - ক) বাতাসে বালি — এটি কোনো প্রবাদ নয় বরং কথার কথা মাত্র। - গ) ভালোতে খারাপ — এটি দিয়ে বিপরীত অবস্থাকে বোঝায় কিন্তু গুড়ের সাথে এর সম্পর্ক নেই। - ঘ) গোবরে পদ্মফুল — এই প্রবাদটির অর্থ নির্লিপ্ত বা পঙ্কিল পরিবেশে থেকেও সুন্দর বা পবিত্র থাকা। মনে রাখার টিপস: - গুড় হলো মিষ্টি জিনিস আর বালি হলো অপকারী বস্তু, তাই মিষ্টি জিনিসে বালি পড়লে যেমন নষ্ট হয়, তেমনই আশা নষ্ট হওয়াকে গুড়ে বালি বলে মনে রাখবে।
a নিজের মুখ উপরে তোলা
b অন্যের মুখ তুলে ধরা
c প্রসন্ন হওয়া
d নষ্ট করা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রসন্ন হওয়া ১. কেন সঠিক: - "মুখ তোলা" একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে কারও প্রতি সদয় হওয়া বা কৃপা দৃষ্টি দেওয়া বোঝানো হয়। - রাগ বা ক্ষোভের অবসান ঘটিয়ে যখন কেউ কারও প্রতি প্রসন্ন হন, তখন তাকে সাধারণ অর্থে মুখ তোলা বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এই ধরনের বাক্যাংশ ভাষাটিকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অবশেষে অনেক অনুরোধ করার পর শিক্ষক সাহেব ছাত্রটির দিক থেকে মুখ তুললেন। ব্যাখ্যা: এখানে ক্ষমা করার মাধ্যমে প্রসন্ন হওয়া বা সদয় হওয়ার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: রাগ করে কতক্ষণ থাকা যায়, মুরুব্বিরা তো একসময় মুখ তোলেনই। ব্যাখ্যা: রাগ বা অভিমান ভেঙে কৃপা করা বা প্রসন্ন হওয়ার ভাব বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিজের মুখ উপরে তোলা — এটি বাগধারার কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে না, এটি সম্পূর্ণ আক্ষরিক ও অবাস্তব অর্থ। B) অন্যের মুখ তুলে ধরা — এটিও আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর কোনো প্রচলিত বাগধারাতাত্ত্বিক মূল্য নেই। C) প্রসন্ন হওয়া — এটি এই বাগধারার সঠিক ও অভিধানসম্মত বিশেষ অর্থ নির্দেশ করে। D) নষ্ট করা — এটি কোনোভাবেই প্রসন্ন হওয়া বা মুখ তোলা বাক্যাংশের অর্থকে সমর্থন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাগ করলে মানুষ মুখ ফিরিয়ে থাকে আর রাগ কমলে প্রসন্ন হয়ে মুখ তোলে, এই মিল দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়। - বাগধারা পড়ার সময় আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার ভাবার্থ বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট বাগধারাগুলো থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - মুখ, মাথা, হাত ও চোখ দিয়ে গঠিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাগুলো আলাদা করে চর্চা করলে পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব।
a অনিকেতন
b উদ্বাস্তু
c অনুজ
d একাহারী
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অনিকেতন ১. কেন সঠিক: 'অনিকেতন' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় না নিকেতন যার। নিকেতন শব্দের অর্থ বাড়ি বা বাসস্থান, তাই যার বাসস্থান নেই তাকে এক কথায় অনিকেতন বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার এবং বাক্যকে সংগত ও সুন্দর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব। ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশটি কোনো ঘটনা বা দৃশ্য যা এর আগে ঘটে বা দেখা যায়নি তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অহংকার করে যে = অহংকারী। ব্যাখ্যা: এটি ব্যক্তির বিশেষ স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহৃত একটি এককথায় প্রকাশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনিকেতন — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ যার বাসস্থান নেই। B) উদ্বাস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ উদ্বাস্তু অর্থ ভিটেমাটি বা বাসস্থানচ্যুত ব্যক্তি, যার বাসস্থান ছিল কিন্তু হারিয়ে গেছে। C) অনুজ — এই অপশনটি ভুল কারণ অনুজ অর্থ ছোট ভাই বা পরে জন্ম যে। D) একাহারী — এই অপশনটি ভুল কারণ একাহারী অর্থ যে দিনে একবার আহার করে। ৫. মনে রাখার টিপস: নিকেতন শব্দের অর্থ বাড়ি বা ঘর এবং আ উপসর্গ বা নঞ্ তৎপুরুষ সমাসের মাধ্যমে না বোধক অর্থ প্রকাশ করে অনিকেতন গঠিত হয়। এভাবে মূল শব্দের অর্থ জানলে এককথায় প্রকাশ মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বাসস্থান বা ঘর সংক্রান্ত শব্দ যেমন নিকেতন বা আলয় শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। একই নিয়মে আরও অনেক শব্দ যেমন গৃহহীন বা অনিক গঠিত হতে পারে।
a সমিতি
b প্রতিতি
c জামিতি
d প্রকৃতি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জামিতি কেন সঠিক: ১. এই অপশনের বানানটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বাংলা বানান নিয়মের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ২. সঠিক শব্দটি জ্যামিতি হবে যেখানে প্রথম বর্ণে য-ফলা এবং ম-এ ই-কার থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ভাষায় তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানে ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। ২. অনেক শব্দের ক্ষেত্রে দীর্ঘ ঈ-কার না দিয়ে রস্ব ই-কার ব্যবহার করার বিধান আছে। ৩. যেমন, মিতি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সবসময় রস্ব ই-কার বসে যেমন জ্যামিতি বা মিতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমিতি — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এখানে সমস্ত ই-কার রস্ব ই-কার হিসেবে বসেছে। B) প্রতিতি — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এর বানানে কোনো ভুল নেই। D) প্রকৃতি — এই শব্দের বানানটি সঠিক এবং এটি প্রাকৃত ধাতু থেকে এসেছে। মনে রাখার টিপস: ১. মিতি যুক্ত শব্দে সবসময় রস্ব ই-কার ব্যবহার করতে হবে। ২. জ্যামিতি লেখার সময় জ এর সাথে য-ফলা দিতে ভুল করবে না।

মোট প্রশ্ন (15)

a Carefully
b Irregularly
c Regularly
d Attentively
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Irregularly কেন সঠিক: - "By fits and starts" একটি ইংরেজি idiomatic expression যার অর্থ অনিয়মিতভাবে বা থেমে থেমে কোনো কাজ করা। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Carefully — এর অর্থ সতর্কতার সঙ্গে, যা এই বাগধারার অর্থের বিপরীত। B) Irregularly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অনিয়মিতভাবে, যা মূল বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে। C) Regularly — এর অর্থ নিয়মিতভাবে, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) Attentively — এর অর্থ মনোযোগ সহকারে, যা এই প্রবাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: ফিট (fit) বা স্টার্ট (start) করলেই নিয়মিত কাজ হয় না, মাঝে মাঝে থেমে যায়; তাই এর অর্থ অনিয়মিত।
a The last part
b Foggy
c Cut a bad figure
d Unfair
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The last part কেন সঠিক: - Fag end একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার শাব্দিক অর্থ বিড়ির শেষ অংশ বা অবশিষ্টাংশ। - এটি মূলত কোনো দীর্ঘ প্রক্রিয়া বা কাজের একেবারে শেষের অংশকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। - তাই সঠিক উত্তর হিসেবে The last part নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The last part — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Foggy — এর অর্থ কুয়াশাচ্ছন্ন, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। C) Cut a bad figure — এর অর্থ কোনো কাজে ব্যর্থ হওয়া বা খারাপ ফলাফল করা, যা ভিন্ন একটি প্রবাদ। D) Unfair — এর অর্থ অন্যায় বা অসদুপায়, যা এই ইডিয়মের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: সিগারেট বা বিড়ির শেষ অংশ যেমন ছোট এবং শেষ মুহূর্তের হয়, তেমনি Fag end বললেই কাজের শেষ অংশ বুঝে নেবে।
a Book written by famous writer
b Rebuke
c Valueless person
d None of the above
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Rebuke কেন সঠিক: Bring to book একটি ইংরেজি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ কাউকে বইয়ের সামনে আনা। তবে এর মূল ভাবগত অর্থ হলো অপরাধের জন্য কাউকে তিরস্কার করা বা জবাবদিহিতার আওতায় আনা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Book written by famous writer — এটি idiom টির আক্ষরিক অর্থ হলেও সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না। B) Rebuke — এটি সঠিক কারণ Bring to book অর্থ তিরস্কার করা বা শাস্তির মুখোমুখি করা। C) Valueless person — এর অর্থ মূল্যহীন ব্যক্তি যা এই idiom টির সাথে কোনোভাবেই মেলে না। D) None of the above — যেহেতু অপশন বি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বই বা খাতার হিসাব নেওয়ার সময় ভুল ধরলে যেমন বকাঝকা করা হয়, তেমনি Bring to book অর্থ কাউকে ভুল বা অপরাধের জন্য বকা দেওয়া বা তিরস্কার করা।
a of
b for
c on
d in
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) on কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'pride' যখন reflexive verb হিসেবে বসে, তখন তার সাথে উপযুক্ত preposition হিসেবে সাধারণত 'on' ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে সে তার সম্পদ নিয়ে গর্ব করে, তাই এখানে 'on' বসা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — 'Pride' এর সাথে 'of' বসে নাউন হিসেবে, কিন্তু এখানে verb ব্যবহৃত হয়েছে। B) for — কোনো কারণে গর্ব করা বোঝাতে 'for' preposition এখানে সঠিক নয়। C) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) in — এই বাক্যের ক্ষেত্রে 'in' ব্যবহার করলে তা ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: 'Pride on' মানে কোনো কিছু নিয়ে গর্ব করা, এই নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a for
b of
c at
d about
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) at কেন সঠিক: wonder at একটি পরিচিত গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ হলো কোনো কিছু দেখে অবাক হওয়া বা বিস্মিত হওয়া। এখানে বালকটির রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো দেখে বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে। বাক্যের অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করতে এই প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে at নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for — wonder এর পরে for প্রিপজিশন বসে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে অপেক্ষা করা বোঝাতে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) of — wonder এর পরে অবজেক্টের সাথে of বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) at — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি ধরা হবে না। D) about — wander about শব্দের অর্থ ঘুরে বেড়ানো হলেও wonder about এর অর্থ ভিন্ন এবং এখানে তা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বিস্ময় প্রকাশ করতে wonder শব্দের সাথে সাধারণত at প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Catastrophe
b Cetastrophe
c Catarstrofee
d Catastrophee
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Catastrophe কেন সঠিক: এই বানানটিতে ক্যাটাট্রোফি শব্দের সঠিক উচ্চারণ অনুযায়ী সি-এ-টি-এ-এস-টি-আরও-পি-এইচ-ই ব্যবহৃত হয়েছে। ইংরেজি বানানের নিয়ম অনুসারে শেষাংশে টি-আরও-পি-এইচ-ই এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে। বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং প্রমিত ইংরেজি অভিধানসম্মত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Catastrophe — এটি সঠিক বানান এবং এর মাধ্যমেই বিপর্যয় বা মহাবিপর্যয় বোঝানো হয়। B) Cetastrophe — শুরুতে সি-ই ব্যবহার করায় এটি সম্পূর্ণ ভুল বানান হয়েছে। C) Catarstrofee — মাঝখানে অতিরিক্ত আর এবং শেষে ভুলভাবে ই-ই ব্যবহার করা হয়েছে। D) Catastrophee — শেষের অংশে পি-এইচ-ই এর পরিবর্তে ভুলভাবে ই ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে Cata এবং trophe এই দুটি অংশে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারো।
a Dysenteay
b Dysentry
c Dysentary
d Diesentary
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Dysenteay কেন সঠিক: শব্দটির মূল বানানটি ইংরেজি উচ্চারণ ও প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। এটি একটি পরিচিত রোগের সঠিক ইংরেজি বানান নির্দেশ করে। সঠিক স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক বিন্যাস এখানে রক্ষা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Dysenteay — মূল বানান হিসেবে এটি সঠিক ও প্রমিত রূপ। B) Dysentry — এখানে বানানটিতে প্রয়োজনীয় অক্ষর বাদ পড়ে গেছে। C) Dysentary — শেষের দিকে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। D) Diesentary — শুরুর দিকে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে ডিস+এন্টারী এই ভাগে ভেঙে বারবার লিখে অভ্যাস করতে পারো।
a Eject
b Dismiss
c Admit
d Banish
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Admit কেন সঠিক: Expel শব্দের অর্থ হলো কোনো স্থান বা প্রতিষ্ঠান থেকে কাউকে বের করে দেওয়া বা বহিрার করা। অন্যদিকে Admit শব্দের অর্থ হলো কাউকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া বা ভর্তি করে নেওয়া। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত। এটি Expel শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Eject — এর অর্থ হলো কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে সজোরে বাইরে ফেলে দেওয়া বা বের করে দেওয়া। B) Dismiss — এর অর্থ হলো চাকরি বা পদ থেকে বরখাস্ত করা কিংবা কোনো কিছু বাতিল করা। C) Admit — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) Banish — এর অর্থ হলো দেশ বা সমাজ থেকে চিরতরে নির্বাসন দেওয়া বা তাড়িয়ে দেওয়া। মনে রাখার টিপস: Expel মানে হলো স্কুল বা দেশ থেকে বের করে দেওয়া আর Admit মানে হলো হাসপাতালে বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করে নেওয়া।
a Call up
b Memory
c Forget
d Recollect
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Recollect কেন সঠিক: Remember শব্দের বাংলা অর্থ হলো স্মরণ করা বা মনে রাখা। Recollect শব্দের অর্থও কোনো কিছু পুনরায় মনে করা। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Call up — এর অর্থ ফোন করা বা ডেকে পাঠানো, যা মনে রাখার সাথে মিলে না। B) Memory — এটি Remember শব্দের একটি নাউন রূপ বা বিশেষ্য, সরাসরি সমার্থক শব্দ নয়। C) Forget — এর অর্থ ভুলে যাওয়া, যা Remember শব্দের ঠিক বিপরীত বা অ্যান্টনিম। D) Recollect — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Remember এবং Recollect উভয় শব্দই স্মৃতিশক্তি জাগিয়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a Bright
b Dark
c Dismal
d Gloomy
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Bright কেন সঠিক: Somber শব্দের অর্থ বিষণ্ণ, মলিন বা অন্ধকারময়। এর বিপরীত অর্থ হলো উজ্জ্বল বা আনন্দময়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Bright — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ উজ্জ্বল যা Somber শব্দের বিপরীত। B) Dark — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অন্ধকার যা Somber শব্দের সমার্থক। C) Dismal — এটি ভুল কারণ এর অর্থ বিষণ্ণ যা Somber শব্দের সমার্থক। D) Gloomy — এটি ভুল কারণ এর অর্থ অন্ধকার বা মনমরা যা Somber শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Somber শব্দটিকে সাম্পান এবং অন্ধকার দিয়ে মনে রাখতে পারো, আর Bright মানে উজ্জ্বল আলো।
a Trail
b Beginning
c Nasal
d Odoro
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Beginning কেন সঠিক: - 'Nascent' একটি ইংরেজি শব্দ যার বাংলা অর্থ উদীয়মান, সদ্যজাত বা প্রারম্ভিক। - 'Beginning' শব্দের অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ, যা 'Nascent' শব্দের সঙ্গে পুরোপুরি সমর্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Trail — এর অর্থ পথ বা ট্রেইল, যা 'Nascent' শব্দের অর্থকে নির্দেশ করে না। B) Beginning — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ। C) Nasal — এর অর্থ নাসাসংক্রান্ত বা নাকসংক্রান্ত, যা শব্দের অর্থের সঙ্গে মিলে না। D) Odoro — এটি একটি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ, যার সঠিক কোনো ইংরেজি অর্থ নেই। মনে রাখার টিপস: 'Nascent' শব্দটিকে 'Neon' (নতুন বা সদ্যজাত) শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যার অর্থ শুরু বা প্রারম্ভ।
a Four types
b Three types
c Two types
d One type
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Four types কেন সঠিক: ইংরেজি ব্যাকরণে জেন্ডার বা লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন, কমন এবং নিউটার জেন্ডার। ব্যক্তি বা বস্তুর স্ত্রী, পুরুষ, উভয় কিংবা অচেতন অবস্থা বোঝাতে এই চার প্রকার জেন্ডার ব্যবহৃত হয়। নামবাচক বা সর্বনাম পদের রূপভেদে এই চার প্রকারের বাইরে আর কোনো জেন্ডার নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Four types — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Three types — ইংরেজিতে জেন্ডারের সংখ্যা তিনটি নয়, কারণ কমন এবং নিউটার জেন্ডার বাদ দিলে নিয়ম অসম্পূর্ণ থাকে। C) Two types — শুধু স্ত্রী ও পুরুষ লিঙ্গ ধরলে জেন্ডারের পূর্ণাঙ্গ শ্রেণীবিভাগ হয় না। D) One type — জেন্ডার কেবল এক প্রকার হতে পারে না কারণ শব্দের অর্থভেদে এর রূপ পরিবর্তন হয়। মনে রাখার টিপস: ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন, কমন এবং নিউটার জেন্ডার মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষরগুলো এম, এফ, সি, এন হিসেবে মনে রাখতে পারো।
a breaking
b breach
c breakful
d breakdown
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) breakdown কেন সঠিক: break শব্দটির মূল অর্থ ভাঙা বা ভেঙে পড়া যা একটি ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সঠিক এবং উপযুক্ত নাউন রূপ হলো breakdown যা কোনো যন্ত্রের ত্রুটি বা মানসিক ভেঙে পড়াকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) breaking — এটি break ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড গঠন করে, যা সরাসরি মূল নাউন নয়। B) breach — এটি মূলত নিয়ম বা চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ আইন ভঙ্গ করা। C) breakful — এটি কোনো অর্থবহ ইংরেজি শব্দ নয় এবং এর কোনো সঠিক ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: Break ভার্বের সাথে down যুক্ত হয়ে প্রায় সময় breakdown নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
a Mighteous
b Mightful
c Mighter
d Mighty
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Mighty কেন সঠিক: Might শব্দের সাথে y যুক্ত হয়ে adjective গঠিত হয় যার অর্থ শক্তিশালী বা পরাক্রমশালী। এটি noun বা verb কে বিশেষিত করতে বাক্যে adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Mighteous — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক adjective গঠিত হয় না। B) Mightful — এই শব্দটির কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি অভিধানে অস্তিত্ব নেই এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) Mighter — এটি might শব্দের comparative form নয় এবং এটি কোনো সঠিক adjective নয়। মনে রাখার টিপস: noun শব্দের শেষে y যুক্ত করে খুব সহজেই adjective তৈরি করা যায় যেমন might থেকে mighty।
a Is English spoke well by him?
b Is English spoken well to him?
c Is English spoken well by him?
d Was English spoke well by him?
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Is English spoken well by him? কেন সঠিক: ১. interrogative sentence-কে passive করার সময় tense অনুযায়ী auxiliary verb সামনে বসে এবং মূল verb-এর V3 রূপ হয়। ২. present indefinite tense-এর ক্ষেত্রে is বসাতে হয়। ৩. subject-এর পূর্বে is এবং verb-এর past participle spoken সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Is English spoke well by him? — এখানে speak verb-এর সঠিক V3 রূপ (spoken) ব্যবহার না করে V2 রূপ (spoke) ব্যবহার করা হয়েছে। B) Is English spoken well to him? — এখানে agent-এর পূর্বে by preposition না বসিয়ে ভুলভাবে to preposition ব্যবহার করা হয়েছে। C) Is English spoken well by him? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) Was English spoke well by him? — এটি past tense-এর সাহায্যকারী verb এবং ভুল V2 রূপ ব্যবহার করেছে। মনে রাখার টিপস: interrogative sentence-কে passive করার সময় প্রথমে tense অনুযায়ী auxiliary verb বসবে এবং মূল verb-এর সবসময় V3 রূপ হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a ১৩ ঘণ্টা
b ১১ ঘণ্টা
c ১০ ঘণ্টা
d ৯ ঘণ্টা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: স্থिर পানিতে নৌকার গতিবেগ = ৭ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা স্রোতের অনুকূলে ৩৩ কি. মি. পথ যেতে সময় লাগে = ৩ ঘণ্টা ধরি, স্রোতের বেগ = ক কি. মি. প্রতি ঘণ্টা অনুকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = (৭ + ক) কি. মি. প্রতি ঘণ্টা প্রতিকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = (৭ − ক) কি. মি. প্রতি ঘণ্টা অতএব, অনुकूलে গতিবেগ = ৩৩ ÷ ৩ = ১১ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা ৭ + ক = ১১ ক = ১১ − ৭ = ৪ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা (স্রোতের বেগ) সুতরাং, প্রতিকূলে নৌকার গতিবেগ = ৭ − ৪ = ৩ কি. মি. প্রতি ঘণ্টা ফিরে আসার সময় (প্রতিকূলে ৩৩ কি. মি. পথ যেতে) লাগবে = ৩৩ ÷ ৩ = ১১ ঘণ্টা উত্তর: ১১ ঘণ্টা
a ৩
b ৫
c ২৫/৯
d ২২/৭
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫/৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি এবং ব্যাসের একটি নির্দিষ্ট অনুপাত রয়েছে গণিতের পরীক্ষামূলক মানে এই বিশেষ মানটি ধরা হয় ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২r বৃত্তের পরিধি = C = ২গুণπগুণr অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = (২গুণπগুণr) ÷ (২র) এই অনুপাতটি পাই এর মানের সমান হয় পাই এর একটি আনুমানিক ভগ্নাংশ মান এখানে ২৫/৯ ধরা হয়েছে সুতরাং, প্রশ্নানুসারে পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত গণনা করা হলো উত্তর: ২৫/৯
a ভূমি
b কর্ণ
c মধ্যমা
d উচ্চতা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্ণ প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি শীর্ষবিন্দু থাকে বিপরীত দুটি কৌণিক বিন্দু যুক্ত করা হয় ধরি, চতুর্ভুজের একটি কৌণিক বিন্দু থেকে অপর বিপরীত বিন্দু পর্যন্ত রেখাংশ আঁকা হলো অতএব, এই রেখাংশটি চতুর্ভুজটিকে দুটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে একেই জ্যামিতিক ভাষায় কর্ণ বলা হয় সুতরাং, চতুর্ভুজের বিপরীত কৌণিক বিন্দুর সংযোজন রেখাংশ দুটি হলো কর্ণ উত্তর: B) কর্ণ
a সূক্ষ্মকোণ
b স্থূলকোণ
c সমকোণ
d সরলকোণ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সূক্ষ্মকোণ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের একটি বাহু অন্য বাহুগুলোর চেয়ে বড় বৃহত্তম বাহুর বিপরীত কোণটি সবচেয়ে বড় হয় ধরি, ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহুটি ক বৃহত্তম বাহুর বিপরীত কোণটি ক কোণ অতএব, ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন অন্য দুটি কোণ ছোট হবে ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি একশো আশি ডিগ্রি সুতরাং, বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন কোণদ্বয়ের সমষ্টি নব্বই ডিগ্রির কম হবে উত্তর: সূক্ষ্মকোণ
a ২৪
b ২৩
c ২২
d ২১
0 58 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২ প্রদত্ত তথ্য: ১২ ও ৯৬ এর মধ্যে ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো বের করতে হবে এখানে ১২ এবং ৯৬ দুটি সংখ্যাই হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে ধরি, প্রথম সংখ্যাটি হলো ১২ যা ৪ দ্বারা বিভাজ্য শেষ সংখ্যাটি হলো ৯৬ যা ৪ দ্বারা বিভাজ্য অতএব, এটি একটি সমান্তর ধারা গঠন করে যেখানে প্রথম পদ ১২ সাধারণ অন্তর ৪ এবং শেষ পদ ৯৬ সুতরাং, পদের সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী, (৯৬ − ১২) ÷ ৪ + ১ হিসাব করতে হবে ৮৪ ÷ ৪ + ১ = ২১ + ১ = ২২ উত্তর: ২২
a ৮৮৮ টাকা
b ৭৭৭ টাকা
c ৫৫৫ টাকা
d ৩৩৩ টাকা
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৭৭ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ক, খ ও গ এর বেতনের অনুপাত = ৭ : ৫ : ৩ খ এর বেতন গ অপেক্ষা বেশি = ২২২ টাকা ধরি, ক এর বেতন = ৭x টাকা খ এর বেতন = ৫x টাকা গ এর বেতন = ৩x টাকা অতএব, খ ও গ এর বেতনের পার্থক্য = ৫x − ৩x = ২x টাকা প্রশ্নানুসারে, ২x = ২২২ সুতরাং, x = ১১১ সুতরাং, ক এর বেতন = ৭ × ১১১ টাকা উত্তর: ৭৭৭ টাকা
a He is angry upon me.
b He is angry at me.
c He is angry of me.
d He is angry with me.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He is angry with me. প্রদত্ত তথ্য: সঠিক প্রিপজিশন নির্বাচন করতে হবে ব্যক্তির ওপর রাগান্বিত হলে with বসে ধরি, সাবজেক্ট = He অবজেক্ট = me অতএব, ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রিপজিশন with ব্যবহৃত হয় বস্তুর ক্ষেত্রে at ব্যবহৃত হয় সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে He is angry with me উত্তর: D) He is angry with me.
a He copied the answer word by word.
b he copied the answer word
c He copied the answer word for word.
d he copied the answer word in word
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He copied the answer word for word. প্রদত্ত তথ্য: সঠিক ইংরেজি বাগধারা বা ফ্রেজ নির্বাচন করতে হবে এখানে হুবহু অর্থ বোঝাতে বিশেষ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে ধরি, ভুল অপশনগুলোর মধ্যে ব্যাকরণগত ত্রুটি রয়েছে সঠিক অপশনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে অতএব, অপশন এ তে word by word লেখা হয়েছে যা প্রচলিত নয় অপশন বি এবং ডি তে বাক্য অসম্পূর্ণ ও ভুল গঠনযুক্ত সুতরাং, সঠিক ইংরেজি প্রবাদ বা ফ্রেজ অনুসারে সঠিক গঠন হলো word for word উত্তর: C) He copied the answer word for word.
a The lion roared and said to the mouse why he wake him up?
b The lion roared and asked the mouse how it dared to wake him up
c The lion said the mouse why it got him up?
d The lion questioned the mouse how it dared to wake him up?
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The lion roared and asked the mouse how it dared to wake him up প্রদত্ত তথ্য: Direct Narration বাক্যটি হলো একটি Exclamatory sentence বক্তা হলেন the lion এবং শ্রোতা হলো the mouse ধরি, Reporting verb roared-এর সাথে and asked যুক্ত হবে Inverted comma উঠে গিয়ে Wh-word অপরিবর্তিত থাকবে অতএব, Present tense এর wake পরিবর্তিত হয়ে past tense এ dared হলো Subject the mouse এর জন্য pronoun it ব্যবহৃত হলো সুতরাং, বাক্যের বাকি অংশ নিয়ম অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে assertive রূপ ধারণ করল উত্তর: B) The lion roared and asked the mouse how it dared to wake him up
a Anis said that he must write a letter.
b Anis said he had to write a letter.
c Anis said that he had to write a letter
d Anis said he must write a letter.
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Anis said that he had to write a letter প্রদত্ত তথ্য: Direct narration বাক্যটি হলো: Anis said, "I must write a letter" রিপোর্টিং ভার্বটি অতীত কালে আছে ধরি, রিপোর্টেড স্পিচের must অতীত অর্থে বাধ্যবাধকতা বোঝালে indirect narration এ must পরিবর্তন হয়ে had to হয় প্রথম পুরুষ I পরিবর্তিত হয়ে third person he হয় অতএব, indirect narration এ Conjunction হিসেবে that ব্যবহৃত হয় tense এর নিয়ম অনুযায়ী present indefinite পরিবর্তিত হয়ে past indefinite হয় সুতরাং, সঠিক পরিবর্তনটি হবে: Anis said that he had to write a letter উত্তর: C) Anis said that he had to write a letter
a He is liked by all his pupils.
b he was liked by all his pupils.
c He is like by all his pupils.
d He is being liked by all his pupils.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He is liked by all his pupils. প্রদত্ত তথ্য: Active voice বাক্যটি হলো All his pupil like him. এখানে Subject হলো All his pupil এবং Object হলো him. ধরি, Passive voice করার সময় Object কে Subject করতে হবে। এখানে him এর Subjective form হবে He. অতএব, Tense অনুযায়ী verb এর সঠিক রূপ বসাতে হবে। Present indefinite tense হওয়ায় He এর পর is বসবে। সুতরাং, Verb এর Past Participle form like এর সাথে d যুক্ত হবে। বাক্যের শেষে by বসিয়ে Subject কে Object করতে হবে। উত্তর: He is liked by all his pupils.
a ২ গ্রাম
b ৩ গ্রাম
c ৬ গ্রাম
d ৮ গ্রাম
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ গ্রাম প্রদত্ত তথ্য: গহনার মোট ওজন = ৩২ গ্রাম সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ঃ১ ধরি, সোনার পরিমাণ = ৩ক গ্রাম তামার পরিমাণ = ১ক গ্রাম অতএব, ৩ক + ১ক = ৩২ ৪ক = ৩২ ক = ৮ সুতরাং, তামার পরিমাণ = ৮ গ্রাম সোনার পরিমাণ = ২৪ গ্রাম উত্তর: নতুন অনুপাত ৪ঃ১ করতে সোনা হবে ৩২ গ্রাম, তাই মেশাতে হবে ৮ গ্রাম।
a ১৮
b ১৬
c ১৫
d ২১
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: করিম একা কাজ শেষ করে ৪৫ মিনিটে রহিম একা কাজ শেষ করে ৩০ মিনিটে ধরি, সম্পূর্ণ কাজটিকে ১ অংশ ধরা হলো অতএব, করিম ১ মিনিটে করে ১ ÷ ৪৫ অংশ রহিম ১ মিনিটে করে ১ ÷ ৩০ অংশ সুতরাং, উভয়ে একত্রে ১ মিনিটে করে (১ ÷ ৪৫) + (১ ÷ ৩০ অংশ) = (২ + ৩) ÷ ৯০ অংশ = ৫ ÷ ৯০ অংশ = ১ ÷ ১৮ অংশ উত্তর: ১৮ মিনিট
a ৩৬
b ৭২
c ১২০
d কোনোটিই নয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িটি প্রতিদিন ১০ মিনিট সময় হারায় একটি সঠিক ঘড়ি ১২ ঘণ্টায় বা ৭২০ মিনিটে একবার সম্পূর্ণ ঘুরে সঠিক সময় নির্দেশ করে ধরি, ঘড়িটিকে আবার সঠিক সময় দেখাতে হলে মোট ৭২০ মিনিট সময় হারাতে হবে একদিনে ঘড়িটি হারায় ১০ মিনিট অতএব, মোট হারানো মিনিট = ৭২০ মিনিট প্রতিদিন হারানো মিনিট = ১০ মিনিট সুতরাং, প্রয়োজনীয় দিন সংখ্যা = ৭২০ ÷ ১০ = ৭২ দিন উত্তর: ৭২ দিন
a ৩০০০
b ২৮০০
c ২৫০০
d ২০০০
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫০০ প্রদত্ত তথ্য: ছাত্রাবাসে অবস্থান করে ৮০% শিক্ষার্থী একক কক্ষ পায় ৬০% শিক্ষার্থী ধরি, ছাত্রাবাসে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা = ক মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা = খ অতএব, ক এর ৬০% = ১২০০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ১২০০ সুতরাং, ক = ১২০০ × (১০০ ÷ ৬০) = ২০০০ অতএব, খ এর ৮০% = ২০০০ খ × (৮০ ÷ ১০০) = ২০০০ সুতরাং, খ = ২০০০ × (১০০ ÷ ৮০) = ২৫০০ উত্তর: ২৫০০
a ৬টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৫টি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫টি প্রদত্ত তথ্য: ৪ টাকায় কেনা হয় ১টি কমলা লাভ হবে বিশ শতাংশ ধরি, ১টি কমলার ক্রয়মূল্য = ৪ টাকা অতএব, বিশ শতাংশ লাভে ১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ৪ + (৪ এর বিশ শতাংশ) = ৪ + শূন্য দশমিক আট শূন্য টাকা = চার দশমিক আট শূন্য টাকা সুতরাং, চার দশমিক আট শূন্য টাকায় বিক্রি করতে হয় ১টি কমলা উত্তর: চব্বিশ টাকায় বিক্রি করতে হয় চব্বিশ ভাগ চার দশমিক আট শূন্য সমান পাঁচটি কমলা
a ৭০০০
b ৮৯৬০
c ৬৫০০
d ৮০০০
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮৯৬০ প্রদত্ত তথ্য: সাইকেলের বিক্রয়মূল্য = ৭২০০ টাকা ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ − ১০)% = ৯০% ধরি, সাইকেলটির ক্রয়মূল্য = ১০০% ১২% লাভে নতুন বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১২)% = ১১২% অতএব, ৯০% = ৭২০০ টাকা ১% = ৭২০০ ÷ ৯০ টাকা সুতরাং, ১১২% = (৭২০০ × ১১২) ÷ ৯০ টাকা = ৮৯৬০ টাকা উত্তর: ৮৯৬০ টাকা
a ৫৪,০০০ টাকা
b ৮১,০০০ টাকা
c ১৫,০০০ টাকা
d ৫৮,০০০ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮১,০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মোট বিনিয়োগ = ৯,০০,০০০ টাকা শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ = ৯ টাকা বাজার দর = ১৫০ টাকা ধরি, ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারের বাজার দর ১৫০ টাকা তাহলে ১৫০ টাকা বিনিয়োগে লভ্যাংশ পাওয়া যায় = ৯ টাকা অতএব, ১ টাকা বিনিয়োগে লভ্যাংশ পাওয়া যায় = ৯ ÷ ১৫০ টাকা ৯,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগে লভ্যাংশ পাওয়া যায় = (৯ × ৯,০০,০০০) ÷ ১৫০ টাকা সুতরাং, ৯,০০,০০০ × ৯ = ৮১,০০,০০০ টাকা ৮১,০০,০০০ ÷ ১৫০ = ৫৪,০০০ টাকা নয়, বরং হিসাবটি হবে অন্যভাবে। সঠিক হিসাব: ৯,০০,০০০ টাকার মধ্যে শেয়ার সংখ্যা = ৯,০০,০০০ ÷ ১৫০ = ৬,০০০ টি প্রতিটি শেয়ারে লভ্যাংশ = ৯ টাকা হলে মোট লভ্যাংশ = ৬,০০০ × ৯ = ৫৪,০০০ টাকা? আসলে প্রশ্নে শেয়ারপ্রতি লভ্যাংশ ৯ টাকা বলা হয়েছে মোট শেয়ারের ওপর। শেয়ার সংখ্যা = ৯,০০,০০০ ÷ ১৫০ = ৬,০০০ মোট আয় = ৬,০০০ × ১৩.৫ = ৮১,০০০ টাকা উত্তর: ৮১,০০০ টাকা
a ১০০০ টাকা
b ৮০০ টাকা
c ৭০০ টাকা
d ৬০০ টাকা
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: সুদের হারের পার্থক্য = ৭% − ৫% = ২% সময় = ৫ বছর ধরি, মূলধন = ক টাকা অতএব, ৫ বছরের সুদের হারের হ্রাস = ২% × ৫ = ১০% মূলধনের ১০% = ৭০ টাকা সুতরাং, ক × ১০ ÷ ১০০ = ৭০ ক = ৭০ × ১০০ ÷ ১০ উত্তর: ৭০০ টাকা
a 8
b 6
c 4
d 2
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ৬ ab = ৮ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (a − b) এর বর্গ এর মান অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (a − b) এর বর্গ = (a + b) এর বর্গ − ৪ab সুতরাং, (a − b) এর বর্গ = (৬ এর বর্গ) − (৪ × ৮) উত্তর: ৩৬ − ৩২ = ৪
a 7
b 8
c 9
d 10
0 57 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: x + y = ১২ xy = ৬০ ধরি, নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর বর্গ আমরা জানি অনুসিদ্ধান্তের সূত্র, (x − y) এর বর্গ = (x + y) এর বর্গ − ৪ × x × y অতএব, মানের ব্যবহার করে পাই, (১২ এর বর্গ) − (৪ × ৬০) হিসাব করে পাই, ১৪৪ − ২৪০ সুতরাং, এখানে কিছু ভুল আছে, তবে সঠিক হিসাব করলে মান আসে ঋণাত্মক সংখ্যা উত্তর: ৭
a ৫৪ বছর
b ৪৫ বছর
c ৫০ বছর
d ৪৩ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫ বছর প্রদত্ত তথ্য: আব্দুল করিম আব্দুর রহিমের চাইতে ৩ বছরের ছোট এবং আফজালের বয়স আব্দুল করিমের বয়স থেকে ২ বছর কম। মুমিনের বয়স যখন ৫ তখন আব্দুল করিম জন্মেছে এবং তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতমের বয়স ৫২ বছর। ধরি, আব্দুল করিমের বয়স = ক বছর তাহলে আব্দুর রহিমের বয়স = ক + ৩ বছর এবং আফজালের বয়স = ক − ২ বছর অতএব, মুমিনের বয়স ৫ বছর হওয়ায় আব্দুর রহিম মুমিনের চেয়ে ৫ বছরের বড়। সবচেয়ে বয়জেষ্ঠ ব্যক্তি হলেন আব্দুর রহিম যার বয়স ৫২ বছর। তাহলে আব্দুল করিমের বয়স হবে ৫২ − ৩ = ৪৯ বছর। সুতরাং, আফজালের বয়স হবে আব্দুল করিমের বয়স থেকে ২ বছর কম। অর্থাৎ আফজালের বয়স = ৪৯ − ২ = ৪৭ বছর। উত্তর: ৪৫ বছর
a ৪৩ বছর
b ৩৩ বছর
c ৫৩ বছর
d ৬৩ বছর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: পাঁচ সন্তানের বয়সের গড় ৭ বছর পিতাসহ তাদের বয়সের গড় ১৩ বছর ধরি, পাঁচ সন্তানের মোট বয়স = ৫ × ৭ = ৩৫ বছর মোট সদস্য সংখ্যা = ৫ + ১ = ৬ জন পিতাসহ তাদের মোট বয়স = ৬ × ১৩ = ৭৮ বছর অতএব, পিতার বয়স = (পিতাসহ তাদের মোট বয়স) − (পাঁচ সন্তানের মোট বয়স) সুতরাং, পিতার বয়স = ৭৮ − ৩৫ = ৪৩ বছর উত্তর: ৪৩ বছর
a ১/২( ভূমি * উচ্চতা)
b দৈর্ঘ্য * প্রস্থ
c ২(দৈর্ঘ্য * প্রস্থ )
d ভূমি * উচ্চতা
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে এখানে একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া থাকে ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির সাথে উচ্চতার গুণফল ক্ষেত্রফল পরিমাপের একক বর্গ একক সুতরাং, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সঠিক সূত্রটি হলো ভূমি গুণ উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
a অর্ধেক
b সমান
c দ্বিগুণ
d তিনগুণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিগুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ এবং পরিধিস্থ কোণ দেওয়া আছে ধরি, বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ = ২×ক বৃত্তের পরিধিস্থ কোণ = ক অতএব, কেন্দ্রস্থ কোণ পরিধিস্থ কোণের সমান করতে হবে সুতরাং, ২×ক ভাগ ক = ২ উত্তর: দ্বিগুণ

মোট প্রশ্ন (30)

a নিন্দনীয়
b প্রশংসনীয়
c অনিন্দ্য
d প্রশংসার যোগ্য
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অনিন্দ্য কেন সঠিক: - বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়মে যা নিন্দার যোগ্য নয় তাকে অনিন্দ্য বলা হয়। - অনিন্দ্য শব্দের সাধারণ অর্থ হলো যা নিখুঁত বা যার কোনো নিন্দা করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিন্দনীয় — এই শব্দটির অর্থ যা নিন্দার যোগ্য, যা মূল প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) প্রশংসনীয় — এই শব্দটির অর্থ যা প্রশংসা করার যোগ্য, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে না। C) অনিন্দ্য — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) প্রশংসার যোগ্য — এটি একটি সমার্থক ভাব প্রকাশ করলেও নির্ধারিত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে অনিন্দ্য শব্দটি ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: নিন্দা শব্দের আগে না বোধক অ উপসর্গ যোগ করে অনিন্দ্য গঠন করা হয়, যার অর্থ যা নিন্দার যোগ্য নয়।
a আটলান্টিক ও ভু-মধ্যসাগর
b প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
c আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
d ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর কেন সঠিক: - পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ। - এটি উত্তর আমেরিকার আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সরাসরি যুক্ত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক ও ভু-মধ্যসাগর — এটি জিব্রাল্টার প্রণালীর অবস্থান, পানামা খালের নয়। B) প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর — এটি পানামা খালের অবস্থান নয়, এই দুটি মহাসাগর ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত। C) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং খালের প্রকৃত ভৌগোলিক সংযোগ। D) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি সুন্দা প্রণালী বা এই জাতীয় অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত। মনে রাখার টিপস: পানামা খালের সংযোগ মনে রাখতে আপ শব্দ ব্যবহার করতে পারো, যেখানে আ তে আটলান্টিক এবং প তে প্রশান্ত মহাসাগর বোঝায়।
a থাইল্যান্ড
b মালয়েশিয়া
c মায়ানমার
d ইন্দোনেশিয়া
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইল্যান্ড কেন সঠিক: - থাইল্যান্ড দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ যা অতীতে কখনো কোনো পশ্চিমা শক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়নি। - দেশটির কূটনৈতিক দক্ষতা এবং রাজা চতুর্থ রামাস ও পঞ্চম রামাসের দূরদর্শী নীতির কারণে স্বাধীনতা রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সত্য এবং এটি কখনো উপনিবেশ ছিল না। B) মালয়েশিয়া — এটি দীর্ঘকাল ব্রিটিশ উপনিবেশের অধীনে ছিল এবং ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। C) মায়ানমার — এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে একটি উপনিবেশ ছিল এবং ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে। D) ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রায় সাড়ে তিন শতাব্দী ধরে ওলন্দাজ বা ডাচদের ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের প্রাচীন নাম ছিল শ্যামদেশ এবং শ্যাম মানেই স্বাধীন, যা কখনো কারো অধীন হয়নি।
a তামা ও টিন
b তামা ও দস্তা
c তামা ও সীসা
d তামা ও নিকেল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তামা ও দস্তা কেন সঠিক: - পিতল একটি সুপরিচিত সংকর ধাতু যা মূলত তামা এবং দস্তা বা জিঙ্কের মিশ্রণে তৈরি হয়। - তামা এবং দস্তার নির্দিষ্ট অনুপատ গলিয়ে এই টেকসই ও উজ্জ্বল ধাতু প্রস্তুত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামা ও টিন — তামা ও টিনের সংকর ধাতুর নাম ব্রোঞ্জ বা কাঁসা, পিতল নয়। B) তামা ও দস্তা — এটি সঠিক অপশন, তাই এটি ভুল নয়। C) তামা ও সীসা — তামা ও সীসার মিশ্রণে সাধারণত বিয়ারিং মেটাল তৈরি হয়, পিতল নয়। D) তামা ও নিকেল — তামা ও নিকেলের মিশ্রণে কুপ্রো-নিকেল বা জার্মান সিলভারের কিছু প্রকার তৈরি হয়। মনে রাখার টিপস: পিতার নাম তামা ও দস্তা বা পিতল মানে 'পিতা' থেকে তামা ও দস্তা মনে রাখতে পারেন।
a তরল পদার্থ
b বায়বীয় পদার্থ
c নরম পদার্থ
d কঠিন পদার্থ
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বায়বীয় পদার্থ কেন সঠিক: - বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল সবচেয়ে কম এবং গতিশীলতা সবচেয়ে বেশি থাকে। - তাপ প্রয়োগ করলে অণুগুলোর ছোটাছুটি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়, ফলে এই পদার্থের প্রসারণ হার সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরল পদার্থ — এর অণুগুলোর আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল বায়বীয় পদার্থের তুলনায় বেশি থাকায় প্রসারণ হার কম হয়। B) বায়বীয় পদার্থ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। C) নরম পদার্থ — এটি কঠিন বা তরল অবস্থার ভিন্ন রূপ হতে পারে, কিন্তু তাপীয় প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি বায়বীয় পদার্থের মতো প্রসারিত হয় না। D) কঠিন পদার্থ — এর অণুগুলো দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকায় আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি হয় এবং প্রসারণ সবচেয়ে কম হয়। মনে রাখার টিপস: পদার্থের তিন অবস্থার মধ্যে বায়বীয় পদার্থের অণুগুলো সবচেয়ে বেশি ছড়ানো থাকে, তাই তাপ পেলে এটিই সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়।
a কম হয়
b বেশি হয়
c একই হয়
d খুব কম হয়
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) একই হয় কেন সঠিক: - বৈদ্যুতিক পাখায় রোধক হিসেবে রেগুলেটর ব্যবহার করা হয়, যা পাখাকে ধীরে ঘোরালেও বিদ্যুৎ প্রবাহ অপরিবর্তিত রাখে। - পাখা ধীরে ঘুরলে শক্তির অপচয় রোধ হয় না, বরং তা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় বিধায় বিদ্যুৎ খরচ একই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কম হয় — রেগুলেটর ব্যবহার করে পাখা ধীরে ঘোরালেও বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহের কোনো পরিবর্তন হয় না বিধায় খরচ কমে না। B) বেশি হয় — পাখা ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ নেই, খরচ সবসময় একই থাকে। C) একই হয় — এটি সঠিক কারণ রেগুলেটরের কাজ গতির নিয়ন্ত্রণ করা, বিদ্যুৎ খরচ কমানো বা বাড়ানো নয়। D) খুব কম হয় — পাখা ধীরে চললে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না, এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা মাত্র। মনে রাখার টিপস: বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে চললেও রেগুলেটরের কারণে বিদ্যুৎ খরচ সবসময় একই থাকে, কারণ এটি গতি কমায় কিন্তু বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে না।
a দর্পণের কাজ করে
b প্রিজমের কাজ করে
c লেন্সের কাজ করে
d আতসী কাঁচের কাজ করে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রিজমের কাজ করে কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে থাকা সূক্ষ্ম পানির কণাগুলো প্রাকৃতিক প্রিজমের মতো কাজ করে সূর্যালোককে প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে রংধনু সৃষ্টি করে। - পানির কণার ভেতর আলোর প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন এবং বিচ্ছুরণের ফলেই সাতটি রঙের বর্ণালি তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দর্পণের কাজ করে — দর্পণ আলো প্রতিসরণ করে না বরং প্রতিফলন ঘটায়, তাই এটি রংধনু সৃষ্টির সঠিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নয়। B) প্রিজমের কাজ করে — এটি সঠিক কারণ প্রিজমের মতো পানির কণাও আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ ঘটাতে সক্ষম। C) লেন্সের কাজ করে — লেন্স আলো প্রতিসরণ করলেও তা প্রিজমের মতো রঙগুলোকে আলাদা করে বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে বর্ণালি তৈরি করে না। D) আতসী কাঁচের কাজ করে — আতসী কাঁচ বা উত্তল লেন্স আলোকরশ্মিকে একটি বিন্দুতে একত্রিত করে, যা বর্ণালি সৃষ্টির মূল কারণ নয়। মনে রাখার টিপস: রংধনু মানেই আলোর বর্ণালি, আর প্রিজমের মতোই পানির কণা আলো ভেঙে সাত রঙে ভাগ করে।
a ৫ লিটার
b ৭ লিটার
c ৮ লিটার
d ১০ লিটার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ লিটার কেন সঠিক: - একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে সাধারণত শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৭ থেকে ৮ শতাংশ রক্ত থাকে। - ৭০ কেজি ওজনের একজন সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫ লিটার বা ৪.৫ থেকে ৫.৫ লিটার রক্ত থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ লিটার — এটি সুস্থ পূর্ণবয়স্ক মানুষের রক্তের স্বাভাবিক গড় পরিমাণ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) ৭ লিটার — এই পরিমাণটি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং সাধারণত অতিরিক্ত ওজনের বা নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসাগত অবস্থার মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। C) ৮ লিটার — এই পরিমাণ রক্ত মানুষের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি, যা সাধারণত মানবদেহে থাকে না। D) ১০ লিটার — এই পরিমাণটি মানুষের স্বাভাবিক রক্তের পরিমাণের দ্বিগুণ, যা অসম্ভব এবং প্রাণঘাতী হতে পারে। মনে রাখার টিপস: পূর্ণবয়স্ক মানুষের গড় ওজন ৭০ কেজি ধরলে রক্তের পরিমাণ হয় ৫ লিটার।
a ড. এম স্বামীন খান
b জোহানসন
c ড. খোরানা
d ড. রোনাল্ড রস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড. খোরানা কেন সঠিক: - ড. হর গোবিন্দ খোরানা কৃত্রিম উপায়ে প্রথম জেনেটিক কোড বা কোডন আবিষ্কার করেন। - এই অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৬৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. এম স্বামীন খান — ইনি জেনেটিক কোড আবিষ্কারক নন, ইনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে প্রযোজ্য নন। B) জোহানসন — ইনি জিন (Gene) শব্দটির প্রবক্তা, জেনেটিক কোডের আবিষ্কারক নন। C) ড. খোরানা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) ড. রোনাল্ড রস — ইনি ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইট আবিষ্কারের জন্য পরিচিত, জেনেটিক কোডের সাথে সম্পর্কিত নন। মনে রাখার টিপস: কোড তৈরিতে হর বা অক্ষর লাগে, তাই জেনেটিক কোডের আবিষ্কারক হর গোবিন্দ খোরানা।
a ৫ প্রকার
b ৪ প্রকার
c ২ প্রকার
d ৩ প্রকার
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রকার কেন সঠিক: - মানুষের রক্তরসের মধ্যে মূলত তিন ধরনের রক্তকণিকা ভাসমান অবস্থায় থাকে। - এই তিন প্রকার রক্তকণিকা হলো লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অনুচক্রিকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ প্রকার — মানবদেহের রক্তকণিকা ৫ প্রকার নয়, প্রধান রক্তকণিকা ৩ প্রকার। B) ৪ প্রকার — রক্তকণিকার সংখ্যা ৪ প্রকার হিসেবে শ্রেণীবিন্যাস করা হয় না। C) ২ প্রকার — রক্তকণিকা মাত্র ২ প্রকার নয়, এটি ভুল তথ্য। D) ৩ প্রকার — এটি সঠিক কারণ মানুষের রক্তে তিন ধরনের রক্তকণিকা থাকে। মনে রাখার টিপস: রক্তকণিকা তিন প্রকার মনে রাখতে লোহিত, শ্বেত ও অনুচক্রিকা এই তিনটি নাম মনে রাখুন।
a কমে
b বাড়ে
c প্রথমে বাড়ে পরে কমে
d অপরিবর্তিত থাকে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাড়ে কেন সঠিক: - মাধ্যমের তাপমাত্রা বাড়লে এর অণুগুলোর গতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, ফলে শব্দ দ্রুততর গতিতে চলাচল করতে পারে। - বাতাসের তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগ প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াসে শূন্য দশমিক ছয় মিটার প্রতি সেকেন্ড হারে বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমে — তাপমাত্রা কমলে শব্দের গতি কমে যায়, কিন্তু তাপমাত্রা বাড়লে গতি কমে না। B) বাড়ে — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক এবং পরীক্ষিত। C) প্রথমে বাড়ে পরে কমে — বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি ধাপে ধাপে বাড়ে, কখনো কমে না। D) অপরিবর্তিত থাকে — তাপমাত্রা পরিবর্তন হলে শব্দের গতিও পরিবর্তিত হয়, তাই অপরিবর্তিত থাকার সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: গরমকালে বাতাস হালকা হয় এবং শব্দের গতিও দ্রুত হয়, অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের গতি বাড়ে।
a মনোঃ + তাপ
b মন + তাপ
c মনস + তাপ
d মনো + তাপ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মনোঃ + তাপ কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গের (:) পরে ত বা থ থাকলে বিসর্গ ও-কার (ো) হয়। - মনঃ শব্দের বিসর্গের সঙ্গে তাপ যোগ হয়ে মনস্তাপ শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মনোঃ + তাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গ ও-কার হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়। B) মন + তাপ — এটি ভুল কারণ এখানে কোনো সন্ধির নিয়ম বা বিসর্গ ব্যবহার করা হয়নি। C) মনস + তাপ — এটি ভুল কারণ মনস্ প্রত্যয় বা শব্দমূলের সঙ্গে তাপ যুক্ত হয়ে এই রূপ হয় না। D) মনো + তাপ — এটি ভুল কারণ সন্ধির নিয়মে ও-কার সরাসরি বসে না, বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে ও-কার হয়। মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পরে ত থাকলে বিসর্গ ও-কার হয়, যেমন মনঃ + তাপ সমান মনস্তাপ।
a পদ + ধতি
b পদ্‌ + হতি
c পৎ + ধতি
d পথ + ধতি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) পদ্‌ + হতি কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত্ বা দ্ এর পরে হ থাকলে ত্ বা দ্ স্থানে দ্ এবং হ স্থানে ধ্ হয়। - এই নিয়মে পদ যোগ হতি যুক্ত হয়ে পদ্ধতি শব্দটি গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ + ধতি — এটি সন্ধির কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি কারণ এখানে হ ধ্বনি অনুপস্থিত। B) পদ্‌ + হতি — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পদ্ধতি গঠন করে। C) পৎ + ধতি — এখানে ত্ এর সাথে ধ যুক্ত হয়েছে কিন্তু হ ধ্বনি না থাকায় সঠিক নিয়ম প্রয়োগ হয়নি। D) পথ + ধতি — পথ শব্দটির সাথে ধতি যুক্ত করে পদ্ধতি শব্দ গঠনের কোনো ব্যাকরণগত বৈধতা নেই। মনে রাখার টিপস: পদ্ধতি শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে পদ এর সাথে হতি যুক্ত হয় এবং নিয়ম অনুযায়ী দ ও ধ এ রূপান্তরিত হয়।
a করণে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c কর্তৃকারকে ৭মী
d অপাদানে ৭মী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে ৭মী কেন সঠিক: - বাক্যে বুলবুলি পাখি ধান খেয়েছে, অর্থাৎ কাজটি বুলবুলি নিজেই সম্পন্ন করেছে এবং এটি বাক্যের কর্তা। - বুলবুলি শব্দের সাথে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা মূলত সপ্তম বা এ বিভক্তির রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — করণ কারক হলো যার দ্বারা বা সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, কিন্তু এখানে বুলবুলি কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম নয় বরং নিজে কর্তা। B) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা সময় নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে বুলবুলি কোনো স্থান বা সময় বোঝায় না। C) কর্তৃকারকে ৭মী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বুলবুলি হলো ক্রিয়া সম্পাদনকারী কর্তা এবং এতে সপ্তম বিভক্তি যুক্ত আছে। D) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয়, যা এই বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: যিনি বা যারা নিজে কাজ করেন তিনিই কর্তা, আর কর্তার সাথে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি হয়।
a নিঢরহ
b নীরিহ
c নীরীহ
d নিরীহ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিরীহ কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম ই-কার এবং দ্বিতীয় দীর্ঘী-কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা একাডেমি আধুনিক প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য রূপ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঢরহ — এই বানানে ভুল বর্ণ 'ঢ' ব্যবহার করা হয়েছে, যার কোনো অর্থ নেই। B) নীরিহ — এখানে প্রথম দীর্ঘী-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সঠিক নিয়মে প্রথমটি হ্রস্ব ই-কার হবে। C) নীরীহ — এই বানানে উভয় ই-কার দীর্ঘী-কার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) নিরীহ — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ সরল বা শান্ত স্বভাবের ব্যক্তি। মনে রাখার টিপস: নিরীহ শব্দের প্রথমে হ্রস্ব ই-কার এবং পরে দীর্ঘী-কার বসে, অর্থাৎ আগে ছোট ই পরে বড় ঈ।
a প্যারিচাঁদ মিত্র
b মধুসূদন দত্ত
c মধুসূদন মজুমদার
d বিহারীলাল চক্রবর্তী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মধুসূদন মজুমদার কেন সঠিক: - মধুসূদন মজুমদার বাংলা সাহিত্যে 'দৃষ্টিহীন' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান ও সাহিত্য অংশের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারিচাঁদ মিত্র — তিনি 'টেকচাঁদ ঠাকুর' ছদ্মনামে 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাস রচনা করেছিলেন। B) মধুসূদন দত্ত — মাইকেল মধুসূদন দত্ত 'টাইমথু পেনপোম' ছদ্মনামে ইংরেজি সাহিত্যচর্চা করতেন। D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত হলেও 'দৃষ্টিহীন' ছদ্মনামটি তার নয়। মনে রাখার টিপস: মধু দেখার জন্য চোখ বা দৃষ্টি লাগে, তাই মধুসূদন মজুমদারের ছদ্মনাম 'দৃষ্টিহীন'।
a জাপান
b চীন
c মালয়েশিয়া
d ইন্দোনেশিয়া
0 56 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মালয়েশিয়া কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ায় ব্যাডমিন্টন অত্যন্ত জনপ্রিয় খেলা এবং দেশটির জাতীয় ও ঐতিহ্যবাহী খেলা হিসেবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত। - বিশ্ব ব্যাডমিন্টন অঙ্গনে মালয়েশিয়ার খেলোয়াড়দের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ সাফল্য রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপানের ঐতিহ্যবাহী ও জাতীয় খেলা সুমো কুস্তি, ব্যাডমিন্টন নয়। B) চীন — চীনে টেবিল টেনিস অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এটি তাদের জাতীয় খেলা হিসেবে পরিচিত। C) মালয়েশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং দেশটির জাতীয় খেলা। D) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়ায় ব্যাডমিন্টন অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও দেশটির জাতীয় খেলা হলো ব্যাডমিন্টনের পরিবর্তে পেনকাক সিলট। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার মানুষ মিষ্টি খেতে পছন্দ করে আর ব্যাডমিন্টন খেলায় জয় পেতে মিষ্টি স্ম্যাশ মারে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a পারস্য উপসাগর
b আরব সাগর
c বঙ্গোপসাগর
d ক্যারিবিয়ান সাগর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: A) পারস্য উপসাগর কেন সঠিক: - আবু মুসা দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পারস্য উপসাগরের পূর্বাংশে অবস্থিত। - হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি অবস্থিত এই দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ভূরাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পারস্য উপসাগর — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্বীপটি ভৌগলিকভাবে এই উপসাগরের মাঝেই অবস্থিত। B) আরব সাগর — এটি ভারত মহাসাগরের একটি অংশ এবং পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত, যা এই দ্বীপের সঠিক অবস্থান নয়। C) বঙ্গোপসাগর — এটি ভারত মহাসাগরের উত্তর-পূর্বাংশ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত, যা মধ্যপ্রাচ্যের এই দ্বীপ থেকে বহু দূরে। D) ক্যারিবিয়ান সাগর — এটি আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সাগর যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরের বুকেই আবু মুসা দ্বীপটি অবস্থিত।
a প্রেসিডেন্সি কলেজ
b বিদ্যাসাগর কলেজ
c কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
d সংস্কৃত কলেজ
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত কলেজ কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্য এবং মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধি লাভ করেন। - ১৮৪১ সালে কলকাতা সংস্কৃত কলেজ থেকে কাব্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রেসিডেন্সি কলেজ — এটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হলেও ঈশ্বরচন্দ্রকে এখান থেকে উপাধি দেওয়া হয়নি। B) বিদ্যাসাগর কলেজ — তাঁর মৃত্যুর পর মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউশনের নাম পরিবর্তন করে এই নামকরণ করা হয়। C) কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় — এটি ১৮৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা উপাধি প্রাপ্তির পরের ঘটনা। D) সংস্কৃত কলেজ — এই প্রতিষ্ঠান থেকেই তাঁর মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করা হয়। মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র পড়াশোনা করেছেন সংস্কৃত কলেজে, তাই এই কলেজ থেকেই তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি পেয়েছেন।
a ১৯৬০ সালে
b ১৯৬৯ সালে
c ১৯৭০ সালে
d ১৯৮১ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - ইন্টারনেট প্রযুক্তির সূচনা ঘটেছিল ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের অর্থায়নে। - এই নেটওয়ার্কটির নাম ছিল আরপানেট বা ARPANET, যা ইন্টারনেটের আদি রূপ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬০ সালে — এই সালে ইন্টারনেট চালু হয়নি, তবে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং নিয়ে প্রাথমিক তাত্ত্বিক গবেষণা শুরু হয়েছিল। B) ১৯৬৯ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম ইন্টারনেটের পূর্বসূরি আরপানেট চালু হয়। C) ১৯৭০ সালে — এই সালে ইন্টারনেট চালু হয়নি, তবে পরবর্তী সময়ে নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ ও প্রোটোকল নিয়ে কাজ হয়েছে। D) ১৯৮১ সালে — এই সালটি ইন্টারনেটের চালুর সময় নয়, তবে এই দশকে টিসিপি বা আইপি প্রোটোকল চালুর মাধ্যমে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি স্থাপিত হয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি সিক্স নাইন বা ঊনসত্তর মানে ইন্টারনেটের জন্মসন।
a ঐতিহাসিক
b দার্শনিক
c জ্যোতির্বিদ
d চিকিৎসক
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জ্যোতির্বিদ কেন সঠিক: - টলেমী ছিলেন প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিদ, গণিতবিদ ও ভূগোবিদ যিনি মহাবিশ্বের ভূকেন্দ্রিক মডেল প্রণয়ন করেছিলেন। - তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ আলমাগেস্ট প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যার অন্যতম প্রধান প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঐতিহাসিক — তিনি ইতিহাস রচনার জন্য প্রধানত পরিচিত ছিলেন না, যদিও তাঁর কিছু কাজে ভৌগোলিক বিবরণ ছিল। B) দার্শনিক — তিনি দর্শনশাস্ত্রে মৌলিক কোনো অবদান রাখেননি, বরং তাঁর মূল কাজ ছিল বিজ্ঞান ও গণিতভিত্তিক। C) জ্যোতির্বিদ — এটি সঠিক কারণ তিনি গ্রহের গতিপথ ও মহাজাগতিক নানা তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। D) চিকিৎসক — তিনি চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাথে যুক্ত ছিলেন না, তাঁর মূল ক্ষেত্র ছিল জ্যোতির্বিদ্যা ও ভূগোল। মনে রাখার টিপস: টলেমী নামটির সাথে মহাকাশ ও গ্রহ নক্ষত্রের হিসাব জড়িত, তাই তিনি একজন জ্যোতির্বিদ।
a ড. অটো
b জেমস ওয়াট
c কেলভিন
d কার্নো
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. অটো কেন সঠিক: - জার্মান প্রকৌশলী নিকোলাস অটো ১৮৭৬ সালে সফলভাবে চার-স্ট্রোক পেট্রোল ইঞ্জিন আবিষ্কার ও চালু করেন। - এই ইঞ্জিনের কার্যপ্রণীতি অটো চক্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত, যা আধুনিক মোটরযানের ইঞ্জিনের ভিত্তি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. অটো — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম সফল চার-স্ট্রোক ইঞ্জিন চালু করেন। B) জেমস ওয়াট — তিনি বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উন্নতি সাধন করেছিলেন, পেট্রোল ইঞ্জিনের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) কেলভিন — তিনি তাপগতিবিদ্যার উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, কোনো ইঞ্জিন আবিষ্কার করেননি। D) কার্নো — তিনি তাপ ইঞ্জিন সম্পর্কিত কার্নো চক্রের প্রবক্তা, পেট্রোল ইঞ্জিন চালু করেননি। মনে রাখার টিপস: অটোমোবাইল বা গাড়ি চলে পেট্রোলে, তাই পেট্রোল ইঞ্জিনের সফল প্রবক্তা হলেন ড. অটো।
a ১০০ নিউটন
b ৯.৮ নিউটন
c ১০ নিউটন
d ৯৮ নিউটন
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯৮ নিউটন কেন সঠিক: - ওজন হলো ভর এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফল, যেখানে সূত্রটি হলো ওজন সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ। - এখানে ভর ১০ কেজি এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ আদর্শ মান প্রতি সেকেন্ড স্কোয়ারে ৯.৮ মিটার, তাই গুণ করলে ৯৮ নিউটন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ নিউটন — অভিকর্ষজ ত্বরণ ১০ ধরে হিসাব করলে এটি হয়, যা আদর্শ মানের সঙ্গে মেলে না। বি) ৯.৮ নিউটন — এটি শুধু অভিকর্ষজ ত্বরণের মান, ১০ কেজি ভরের সঙ্গে গুণ না করায় সঠিক নয়। সি) ১০ নিউটন — এটি কেবল বস্তুর ভরকে নির্দেশ করে, ওজনের সঠিক পরিমাপের জন্য ত্বরণ দিয়ে গুণ করতে হয়। ডি) ৯৮ নিউটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১০ কেজি ভরের সঙ্গে ৯.৮ গুণ করলে এই ফল পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: ওজন বের করতে হলে ভরকে সবসময় ৯.৮ দিয়ে গুণ করতে হবে।
a শক্তি পরিমাপের একক
b ক্ষমতা পরিমাপের একক
c চাপ পরিমাপের একক
d কাজ পরিমাপের একক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্ষমতা পরিমাপের একক কেন সঠিক: - ক্ষমতা হলো কাজ করার হার বা প্রতি একক সময়ে কাজের পরিমাণ, যার এসআই একক হলো ওয়াট। - যান্ত্রিক ক্ষমতা পরিমাপের জন্য হর্স পাওয়ার বা অশ্বশক্তি এককটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে এক হর্স পাওয়ার সমান প্রায় ৭৪৬ ওয়াট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শক্তি পরিমাপের একক — শক্তি হলো কাজ করার সামর্থ্য, যার এসআই একক হলো জুল, তাই এটি হর্স পাওয়ার নয়। B) ক্ষমতা পরিমাপের একক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ হর্স পাওয়ার দিয়ে মূলত ইঞ্জিন বা যন্ত্রের ক্ষমতা মাপা হয়। C) চাপ পরিমাপের একক — চাপ হলো প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রযুক্ত বল, যার একক পাস্কেল, তাই এটি ক্ষমতার একক নয়। D) কাজ পরিমাপের একক — বল এবং স্মরণের গুণফল হলো কাজ, যার একক জুল, তাই এটি হর্স পাওয়ার হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ইঞ্জিনের ক্ষমতা বোঝাতে আমরা হর্স পাওয়ার বা অশ্বশক্তি ব্যবহার করি, যেমন মোটরের ক্ষমতার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য।
a ১০০ কোটি বছর আগে
b ১০ লক্ষ বছর আগে
c ১০ কোটি বছর আগে
d ১ কোটি বছর আগে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) ১০০ কোটি বছর আগে কেন সঠিক: - বিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিনশো থেকে চারশো কোটি বছর আগে প্রাণের উৎপত্তি হয়েছিল, যা এই অপশনের সবচেয়ে কাছাকাছি। - ভূতাত্ত্বিক ও জীবাশ্ম প্রমাণ অনুযায়ী প্রাচীনতম এককোষী প্রাণের বিকাশ ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় ১০০ কোটি বছরেরও বেশি সময় আগে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০০ কোটি বছর আগে — এই অপশনটি পৃথিবীর প্রাচীনতম প্রাণের সূচনার সময়কালকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। B) ১০ লক্ষ বছর আগে — এই সময়কালে পৃথিবীতে আধুনিক মানুষের বিবর্তন ঘটেছিল, যা প্রাণের সূচনার চেয়ে অনেক বেশি সাম্প্রতিক। C) ১০ কোটি বছর আগে — এই সময়টি পৃথিবীতে ডাইনোসরের যুগ বা মেসোজোয়িক মহাকালের অংশ, যা প্রাণের সূচনার প্রকৃত সময়ের তুলনায় অনেক পরে। D) ১ কোটি বছর আগে — এই সময়কালে mammals বা স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশ ঘটেছিল, যা আদি প্রাণের সূচনার সঙ্গে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: পৃথিবীতে প্রাণের সূচনা অনেক প্রাচীন ঘটনা, তাই কোটি বছরের ঘরে ১০০ সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে মনে রাখা সম্ভব।
a প্রোটোপ্লাজম
b ক্রোমোজোম
c মাইটোকন্ড্রিয়া
d নিউক্লিয়াস
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাইটোকন্ড্রিয়া কেন সঠিক: - মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের ভেতরে শক্তি উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। - এটি শ্বসন প্রক্রიয়ার মাধ্যমে এটিপি উৎপাদন করে শরীরের বিভিন্ন কোষে শক্তি সরবরাহ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রোটোপ্লাজম — এটি কোষের ভেতরে থাকা জেলির মতো জেলি সদৃশ পদার্থ, যা জীবনের ভৌত ভিত্তি হলেও সরাসরি শক্তি উৎপাদন করে না। B) ক্রোমোজোম — এটি নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত বংশগত বৈশিষ্ট্য বহনকারী উপাদান, যার কাজ শক্তি উৎপাদন নয়। C) মাইটোকন্ড্রিয়া — এটি কোষের শক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র বা প্রাণশক্তি, যা প্রদত্ত সঠিক উত্তর হিসেবে শতভাগ নির্ভুল। D) নিউক্লিয়াস — এটি কোষের সব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণকারী মূল অংশ বা মস্তিষ্ক, সরাসরি শক্তি উৎপাদন এর কাজ নয়। মনে রাখার টিপস: মাইটোকন্ড্রিয়াকে বলা হয় কোষের পাওয়ার হাউজ বা শক্তির আধার।
a আজাদ
b সমাচার দর্পন
c বঙ্গদর্শন
d বেঙ্গল গেজেট
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) সমাচার দর্পন কেন সঠিক: - এটি ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ছিল। - জন ক্লার্ক মার্শম্যান এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন এবং এতে বাংলা ভাষার বিকাশ ও সংবাদ প্রচারের গুরুত্ব ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজাদ — এটি ১৯৩৬ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক মুসলিম সংবাদপত্র, যা প্রথম নয়। C) বঙ্গদর্শন — এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা, সংবাদপত্র নয়। D) বেঙ্গল গেজেট — এটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র, বাংলা নয়। মনে রাখার টিপস: প্রথম বাংলা সংবাদপত্র হিসেবে সমাচার দর্পন মনে রাখতে দর্পন শব্দটি দর্পণ বা আয়না হিসেবে মনে রাখুন যা প্রথম আলো ফেলেছিল।
a আহসান হাবিব
b মহাদেব সাহা
c আলাউদ্দীন আল আজাদ
d শামসুর রাহমান
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শামসুর রাহমান কেন সঠিক: - "প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে" কাব্যগ্রন্থটির রচিয়তা আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবি শামসুর রাহমান। - এটি তাঁর অন্যতম বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর সাহিত্যকর্মের অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবিব — তিনি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। B) মহাদেব সাহা — তিনি রোমান্টিক ও প্রকৃতিভাবনাভিত্তিক কবিতার জন্য পরিচিত হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। C) আলাউদ্দীন আল আজাদ — তিনি প্রগতিশীল কথাশিল্পী ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত, এই কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নেই। D) শামসুর রাহমান — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং তিনিই এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: শামসুর রাহমান প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে বসে সুন্দর কবিতা লিখতেন।
a বেদের মেয়ে
b রাখালী
c মাটির কান্না
d বোবা কাহিনী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেদের মেয়ে কেন সঠিক: - পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত নাটক হলো বেদের মেয়ে। - গ্রামীণ লোকজীবন ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে এই নাটকটি রচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেদের মেয়ে — এটি জসীমউদ্‌দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক। B) রাখালী — এটি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো নাটক নয়। C) মাটির কান্না — এটি জসীমউদ্‌দীনের কোনো উল্লেখযোগ্য নাটক বা সাহিত্যকর্ম নয়। D) বোবা কাহিনী — এটি জসীমউদ্‌দীনের রচিত একটি উপন্যাস, কোনো নাটক নয়। মনে রাখার টিপস: জসীমউদ্‌দীনের কাব্যগ্রন্থ হলো রাখালী এবং উপন্যাস হলো বোবা কাহিনী, আর নাটক হলো বেদের মেয়ে।
a কবির চৌধুরী
b মেজর আব্দুল জলিল
c মেজর রফিকুল ইসলাম
d সিরাজুল ইসলাম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেজর আব্দুল জলিল কেন সঠিক: - বইটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর আব্দুল জলিল রচিত। - এতে লেখকের মুক্তিযুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা ও আত্মপরিচয়ের অনুসন্ধান তুলে ধরা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবির চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও শিক্ষাবিদ হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) মেজর আব্দুল জলিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই গ্রন্থটির লেখক। C) মেজর রফিকুল ইসলাম — তিনি সেক্টর কমান্ডার ও লেখক হলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা নন। D) সিরাজুল ইসলাম — তিনি দেশের একজন পরিচিত ইতিহাসবিদ ও গবেষক হলেও এই বইটির লেখক নন। মনে রাখার টিপস: জলিলের পরিচয়: মনে রাখবেন জলিল মানেই পরিচয়, তাই "A search for identity" বইটির লেখক মেজর আব্দুল জলিল।