প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (আলফা) ২০১৪

পদের নাম: সহকারী শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

a করণ কারক
b অপাদান কারক
c সম্প্রদান কারক
d অধিকরণ কারক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার আধার, সময় বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। - এখানে 'কান্নায়' শব্দটি শোক কমার ক্ষেত্র বা বিষয় নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগে এই কারক সাধিত হয়েছে। - কোনো বিষয়ে বা কোনো কিছুতে নিপ্রীতি বা ভাব বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যকরণে তার ভালো দখল আছে ব্যাখ্যা: এখানে ব্যকরণ একটি বিষয়, যা অধিকরণ কারকের উদাহরণ। উদাহরণ ২: মায়ায় কান্নায় মন ভরে যায় ব্যাখ্যা: এখানে কান্নায় হলো ভাব বা বিষয়ের প্রকাশ, যা অধিকরণ কারকের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারক — করণ অর্থ সাহায্য বা উপায়, কিন্তু কান্না এখানে কোনো যন্ত্র বা উপায় নয়। B) অপাদান কারক — অপাদান অর্থ বিচ্যুতি বা দূরত্ব, যা এখানে প্রকাশ পাচ্ছে না। C) সম্প্রদান কারক — সম্প্রদান অর্থ নিঃস্বার্থ দান, যা এই বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন। D) অধিকরণ কারক — সঠিক উত্তর, কারণ এটি শোক কমার ক্ষেত্র বা বিষয় বোঝাচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বাক্যে বিষয়, ভাব বা ক্ষেত্র বোঝালে তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়। - কিসের মাধ্যমে প্রশ্ন করলে করণ এবং কিসের ওপর বা কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণের উদাহরণ প্রায়ই আসে। - বাক্যের অর্থ বুঝে কারক নির্ণয় করতে হবে, শুধু মুখস্থ করে নয়।
a সরল
b বঙ্কিম
c বেঁটে
d ভঙ্গুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিম ১. কেন সঠিক: - ঋজু শব্দের অর্থ সোজা বা সরল, যার বিপরীত অর্থ হলো বাঁকা বা বঙ্কিম। - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনের সময় মূল শব্দের অর্থ এবং ব্যাকরণগত রূপের মিল রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দকে বোঝায় যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সাধারণত তৎসম শব্দই ব্যবহার করার নিয়ম প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রসন্ন ব্যাখ্যা: প্রসন্ন শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ বিষণ্ন, যার অর্থ মন খারাপ বা মলিন। উদাহরণ ২: স্থাবর ব্যাখ্যা: স্থাবর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ জঙ্গম, যার অর্থ যা চলাচল করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল শব্দের অর্থ সোজা, যা ঋজু শব্দের সমার্থক শব্দ কিন্তু বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) বঙ্কিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বঙ্কিম শব্দের অর্থ বাঁকা যা ঋজুর বিপরীত। C) বেঁটে — বেঁটে শব্দের অর্থ খাটো, যা মূলত লম্বার বিপরীত শব্দ এবং ঋজুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ভঙ্গুর — ভঙ্গুর শব্দের অর্থ যা সহজে ভাঙে, এটি ঋজু শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋজু মানে সোজা এবং বঙ্কিম মানে বাঁকা, এটি মনে রাখতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামের কথা স্মরণ রাখতে পারো। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পরিবর্তে শব্দের মূল অর্থ জেনে পড়লে দীর্ঘস্থায়ী হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের অর্থ জানা থাকলে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করা সহজ হয়।
a হত্যা করার ইচ্ছা = জিঘাংসা
b গম্ভীর ধ্বনি = বুক্কন
c হয়ত হবে = সম্ভাব্য
d যা লাফিয়ে চলে = তুরগ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হত্যা করার ইচ্ছা = জিঘাংসা কেন সঠিক: - বাক্যের সং সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বাক্যটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। - হত্যার ইচ্ছা বোঝাতে জিঘাংসা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং সর্বজনস্বীকৃত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - কোনো নির্দিষ্ট ভাব বা বড় বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়। - যেমন, জানার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা, বাঁচার ইচ্ছা = জিবিষা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অপশনটি মূলত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এটি সঠিক। - B) গম্ভীর ধ্বনি এর সঠিক এককথায় প্রকাশ হবে মন্দ্রে, বুক্কন ভুল শব্দ। - C) হয়ত হবে এর সঠিক এককথায় প্রকাশ সম্ভাব্য নয়, এটি পদের রূপ মাত্র। - D) যা লাফিয়ে চলে এর সঠিক এককথায় প্রকাশ প্লবক, তুরগ অর্থ ঘোড়া। মনে রাখার টিপস: - ইচ্ছা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশগুলো একসাথে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়। - হ দিয়ে শুরু হলে সাধারণত জিঘাংসার মতো শব্দগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a প্রত্যুষ
b বীণাপানি
c মূঢ়
d চরিত্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীণাপানি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে 'বীণাপানি' শব্দটিকে অশুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি 'বীণাপাণি' (মূর্ধন্য ণ যুক্ত) হবে। - সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়, তাই পানি শব্দের পূর্বে বীণা যুক্ত হয়ে বীণাপাণি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান ও সমাসের নিয়মানুযায়ী তদ্ভব বা তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার নির্দিষ্ট কিছু নিয়মে নিয়ন্ত্রিত হয়। - পানি শব্দের অর্থ হাত, আর বীণা হলো এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র, যা সরস্বতীর হাতে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চূড়ামণি ব্যাখ্যা: এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। উদাহরণ ২: চক্রপাণি ব্যাখ্যা: পানি শব্দের পূর্বে চক্র যুক্ত হয়ে চক্রপাণি গঠিত হয়েছে এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যুষ — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান যার অর্থ প্রভাত বা ভোর। B) বীণাপানি — এটি অশুদ্ধ বানান কারণ সঠিক রূপটি হবে বীণাপাণি। C) মূঢ় — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ বোকা বা নির্বোধ। D) চরিত্র — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ স্বভাব বা আচরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাত অর্থে ব্যবহৃত পাণি শব্দে সবসময় মূর্ধন্য ণ হয়। - পানি মানে জল হলে দন্ত ন এবং পাণি মানে হাত হলে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাণি বনাম পানি সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - সমাসবদ্ধ পদে হাত বোঝাতে পাণি শব্দের বানান সবসময় মূর্ধন্য ণ দিয়ে লিখতে হবে।
a স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
b ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষা
c যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা
d ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক কেন সঠিক: অপশন এ এর প্রতিটি শব্দ প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য। এই শব্দগুচ্ছের কোনোটিতেই বাংলা বানান নিয়মের অতিরিক্ত বা ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়নি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী স্বয়ং এবং শাসন মিলে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি সঠিক রূপ লাভ করে। তৎসম শব্দের বানান বিশ্লেষণে আভ্যন্তর এবং জন্মবার্ষিক শব্দদুটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ প্রমাণিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) ভবিষ্যত — এই অপশনের ভবিষ্যত বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ ভবিষ্যৎ হবে এবং ভৌগলিক বানানেও ভুল রয়েছে। C) সম্বর্ধনা — এই অপশনের সম্বর্ধনা বানানটি ভুল কারণ প্রমিত রীতি অনুযায়ী এটি সংবর্ধনা হবে। D) কেবলমাত্র — এই অপশনের কেবলমাত্র বানানটি ভুল কারণ কেবল বা কেবলই লেখা উচিত, অতিরিক্ত মাত্র ব্যবহার বর্জনীয়। মনে রাখার টিপস: বানান শেখার সময় শেষের হসন্ত এবং ম এর ব্যবহার খুব ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম নিয়মিত চর্চা করলে এ ধরনের ভুল খুব সহজেই এড়ানো সম্ভব।
a সৌজন্নতা
b সৌজন্যতা
c সৌজন্ন
d সৌজন্য
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৌজন্য ১. কেন সঠিক: - সৌজন্য শব্দটির অর্থ ভালো ব্যবহার, শিষ্টাচার বা ভদ্রতা। - এটি একটি বিশেষ্য পদ যা সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ। সুজন যোগ য প্রত্যয় যুক্ত হলে গুণ বৃদ্ধি হয়ে স + য = সৌ হয় এবং শব্দটি সৌজন্যে পরিণত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুইবার প্রত্যয় যুক্ত করা অশুদ্ধ। তাই সুজন যোগ য যোগ তা একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাধুর্য ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাধুর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে মধুর যোগ য হয়েছে মাধুর্য। উদাহরণ ২: দারিদ্র্য ব্যাখ্যা: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে দরিদ্র যোগ য হয়েছে দারিদ্র্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌজন্নতা — এই বানানটি ভুল কারণ একই সঙ্গে য ফলা এবং তা প্রত্যয় দুইবার ব্যবহার করা হয়েছে। B) সৌজন্যতা — এই শব্দটিতেও সৌজন্য শব্দের শেষে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। C) সৌজন্ন — এই বানানে মধ্যন রয়েছে যা ভুল এবং বানানটিতে য প্রত্যয় বা মূল রূপ সঠিক নয়। D) সৌজন্য — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান ও গঠন যা প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী অনুমোদিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৌজন্নতা বা সৌজন্যতা বলতে কোনো শব্দ বাংলায় নেই। সুজন থেকে সৌজন্য হয়, তাই শেষের তা বাদ দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানানের জন্য এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই নিয়মে দৈন্যতা অশুদ্ধ এবং দীনতা বা দৈন্য শুদ্ধ বানান হিসেবে গণ্য করা হয়।
a অসম্ভব চালাক
b একই দলের লোক
c একতাই বল
d বর্ষাকালীন মাছ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একই দলের লোক কেন সঠিক: - কই মাছ সাধারণত ঝাঁক বেঁধে চলায় অভ্যস্ত এবং একটি কই ধরলে অন্যগুলোও সহজে ধরা পড়ে। - এই স্বভাবের সাথে মিল রেখে একই স্বভাব বা দলের মানুষজনকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার অভিধানে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - সমাজবদ্ধ মানুষের দলবদ্ধ আচরণ বা একই ধরনের চরিত্রের মানুষকে ফুটিয়ে তুলতে এই প্রবচনটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - যেমন, চোরেরা সবাই ঝাঁকের কই, তাই একজনের অপরাধ ঢাকতে অন্যরাও সাহায্য করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অসম্ভব চালাক — এই অর্থের জন্য শকুনি মামা কিংবা তেড়ে আনা বাগধারা ব্যবহৃত হয়। - B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অপশন বসানো হলো। - C) একতাই বল — এই সার্বজনীন সত্যটি বোঝাতে দশের লাঠি একের বোঝা বা একতাই বল প্রবচনটি প্রযোজ্য। - D) বর্ষাকালীন মাছ — এটি কোনো বাগধারার অর্থ নয়, বরং কই মাছের প্রজনন ঋতু বা সময়কে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: - কই মাছ দল বেঁধে বা ঝাঁকে চলে, তাই ঝাঁকের কই মানেই হলো একই দল বা স্বভাবের মানুষ।
a বকধার্মিক, ভিজা বেড়াল
b রুই-কাতলা, কেউকেটা
c বকধার্মিক, বিড়াল তপস্বী
d অমাবশ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বকধার্মিক, বিড়াল তপস্বী ১. কেন সঠিক: - 'বকধার্মিক' এবং 'বিড়াল তপস্বী' উভয় বাগধারারই একই অর্থ, যার অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা ধূর্ত ব্যক্তি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বাগধারা জোড় হিসেবে কোনটি সবচেয়ে উপযুক্ত, তা নির্ণয় করতে এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবময় অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে দুটি বাগধারাই মানুষের কপটতা ও বাহ্যিক সাধুতার আড়ালে পাপাচার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের বকধার্মিকদের থেকে সবসময় সাবধান থাকা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে ভণ্ড বা কপট স্বভাবের মানুষদের বোঝাতে বকধার্মিক বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই বিড়াল তপস্বী মানুষটির মিষ্টি কথায় ভুলো না। ব্যাখ্যা: এখানে শান্ত স্বভাবের আড়ালে ক্ষতিকর বা ধূর্ত প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে বিড়াল তপস্বী ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বকধার্মিক, ভিজা বেড়াল — বকধার্মিক অর্থ ভণ্ড সাধু এবং ভিজা বেড়াল অর্থ নির্বোধ বা নাদুসনুদুস কিন্তু ভেতরে চালাক, তাই এরা পুরোপুরি সমার্থক নয়। B) রুই-কাতলা, কেউকেটা — রুই-কাতলা অর্থ বড় মাপের ব্যক্তি এবং কেউকেটা অর্থ প্রভাবশালী ব্যক্তি, এদের মধ্যে অর্থের সামান্য সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। D) অমাবশ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম — অমাবশ্যার চাঁদ অর্থ দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম অর্থ অসম্ভব কল্পনা, তাই এরা সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক এবং বিড়াল উভয়ই অত্যন্ত ধূর্তভাবে শিকার ধরে, তাই এই দুই প্রাণীর নামযুক্ত বাগধারা দুটি ভণ্ড বা কপট চরিত্রের সমার্থক হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক বাগধারা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জোড় বা তুলনাভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অগভীর সতর্ক নিদ্রা
b কাকের নিদ্রার ন্যায়
c অনিষ্ট চিন্তা
d কপট নিদ্রা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগভীর সতর্ক নিদ্রা ১. কেন সঠিক: - 'কাকনিদ্রা' একটি বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা বাগধারাধর্মী শব্দ, যার মাধ্যমে এমন একটি ঘুমে থাকার অবস্থাকে বোঝানো হয় যখন মানুষ গভীর ঘুমে থাকে না বরং সামান্য শব্দ বা নড়াচড়াতেই জেগে ওঠে। - কাক অত্যন্ত চালাক ও সতর্ক পাখি বিধায় সামান্য আভাষ পেলেই সে উড়ে যায়, এই স্বভাবটিকেই মানুষের হালকা ও সতর্ক ঘুমের সঙ্গে তুলনা করে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি অর্থভিত্তিক শব্দ বা এককথায় প্রকাশজাত শব্দ, যা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা শব্দভাণ্ডারে কিছু প্রাণীবাচক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে মানুষের আচরণ বোঝানোর জন্য এ ধরনের শব্দ বা বাগধারা গঠিত হয়েছে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারারাত জেগে ডিউটি করার কারণে ক্লান্ত সৈনিকের ঘুম ছিল মূলত কাকনিদ্রা, একটু শব্দ হলেই সে জেগে উঠছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গভীর নয় বরং অত্যন্ত হালকা ও সতর্ক ঘুম বোঝাতে কাকনিদ্রা শব্দটির সঠিক প্রয়োগ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার আগের রাতে আশরাফের ঘুম ছিল কাকনিদ্রা, কারণ সে বারবার ভাবছিল সকালে সময়মতো উঠতে পারবে তো। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত উদ্বেগের কারণে সহজে ভেঙে যায় এমন হালকা ঘুম বোঝাতে শব্দটির সার্থক ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগভীর সতর্ক নিদ্রা — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির প্রচলিত আভিধানিক অর্থ এটিই। B) কাকের নিদ্রার ন্যায় — এটি বাহ্যিক বা আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষের হালকা ঘুম বোঝাতে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহীত হয় না। C) অনিষ্ট চিন্তা — এটি কুমানসিকতা বা ষড়যন্ত্রমূলক ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ঘুমের অবস্থার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কপট নিদ্রা — এটি ভান করে ঘুমানো বা ঘুমের অভিনয় করা বোঝায়, যা সতর্ক ঘুমের সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাক যেমন সামান্য শব্দেই উড়ে পালায়, তেমনি যে ঘুম একটু শব্দেই ভেঙে যায় তাকেই কাকনিদ্রা বলে মনে রাখবে। - প্রাণীর স্বভাবের সঙ্গে মানুষের আচরণের তুলনা করা শব্দগুলো মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীর স্বভাবভিত্তিক শব্দ ও বাগধারা প্রায়ই আসে। - এ ধরনের শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে মূল ভাবার্থ বা রূপক অর্থ মনে রাখা আবশ্যক।
a আরবি
b ফারসি
c ইংরেজি
d সংস্কৃত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি সংস্কৃত ব্যাকরণগত পরিভাষা যা বাংলা ভাষায় সরাসরি যুক্ত হয়েছে। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই রীতি বাংলা ব্যাকরণে বাক্য সংক্ষেপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি নতুন ও সংক্ষিপ্ত পদ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: দুটি পদ একত্রিত হয়ে সমাসের মাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে কিন্তু সমাসের রীতিটি আরবি ব্যাকরণ থেকে আসেনি। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও সমাসরীতি আসেনি। C) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষার প্রভাবে বাংলায় কিছু নতুন শব্দের সৃষ্টি হয়েছে তবে সমাস ইংরেজি থেকে আসেনি। D) সংস্কৃত — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমাসরীতি সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকেই বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাস মানে সংক্ষেপ করা আর প্রাচীন ব্যাকরণের বেশিরভাগ নিয়মই সংস্কৃত থেকে এসেছে। সংস্কৃত হলো ব্যাকরণের মূল উৎস, তাই সমাসরীতিও সংস্কৃত ভাষা থেকেই আগত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণগত পরিভাষার উৎস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মনে রাখবে সন্ধি এবং সমাস উভয় ব্যাকরণিক প্রক্রিয়াই মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
a কালি-কলম
b মধুমাখা
c দশানন
d মাতাপিতা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধুমাখা ১. কেন সঠিক: - মধুমাখা শব্দটি ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় মধু দিয়ে মাখা, যা তৃতীয় পদ বা পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ করে। - তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, এখানে দিয়া বিভক্তি লোপ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - বিভক্তির নামানুসারে তৎপুরুষ সমাসকে দ্বিতীয় থেকে সপ্তমী এবং আরও কয়েকটি উপবিভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলপ্রমাণ ব্যাখ্যা: তিল প্রমাণ পরিমাণ, এটি মধ্যপদলোপী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: বিলাতফেরত ব্যাখ্যা: বিলাত থেকে ফেরত, এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালি-কলম — এটি দ্বন্দ্ব সমাস, কারণ এখানে কালি ও কলম উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান হয়েছে। B) মধুমাখা — এটি তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ত্রুটি নেই। C) দশানন — এটি বহুত্রী সমাস, কারণ দশ আনন যার অর্থে রাবণ নামক একজন তৃতীয় ব্যক্তিকে বোঝায়। D) মাতাপিতা — এটি দ্বন্দ্ব সমাস, কারণ মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে কে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, এর, এ ইত্যাদি বিভক্তি বা অনুসর্গ থাকবে। - সমাসবদ্ধ পদে এই বিভক্তিগুলো সাধারণত লোপ পায় এবং পরের পদের অর্থ প্রাধান্য পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই বিভক্তি লোপ পাওয়া শব্দগুলো দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - সমাসের নাম নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্য করে কোন পদের অর্থ প্রধান তা খেয়াল রাখতে হবে।
a নকশী কাঁথার মাঠ
b সোজনবাদিয়ার ঘাট
c সকিনা
d রাখালী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নকশী কাঁথার মাঠ ১. কেন সঠিক: - নকশী কাঁথার মাঠ জসীমউদ্‌দীনের শ্রেষ্ঠ ও বিশ্বখ্যাত কাহিনীকাব্য। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ যা পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন বাংলা রোমান্টিক ও পল্লীসাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। - এই কাহিনীকাব্যটি রূপসা নদীর তীরবর্তী এক গ্রামের সাজু ও রূপাইয়ের গ্রামীণ প্রেমের করুণ ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাখালী ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্‌দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা তার পল্লীপ্রকৃতির প্রেমের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: সোজনবাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্‌দীনের আরেকটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গ্রামীণ প্রেমের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নকশী কাঁথার মাঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কবির শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। B) সোজনবাদিয়ার ঘাট — এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য হলেও এটি কবির শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) সকিনা — এটি কোনো কাহিনীকাব্য নয়, এটি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত খণ্ডকবিতা বা চরিত্র। D) রাখালী — এটি জসীমউদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, কোনো কাহিনীকাব্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্‌দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য বললে চোখ বন্ধ করে নকশী কাঁথার মাঠ দাগাতে হবে। - রাখালী প্রথম কাব্য এবং নকশী কাঁথার মাঠ শ্রেষ্ঠ কাব্য হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত। - কবি জসীমউদ্‌দীনকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় বাংলার পল্লীপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
a কর্তায় দ্বিতীয়া
b অপাদানে ৭মী
c কর্মে দ্বিতীয়া
d অধিকরণে ৭মী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যটিতে ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলার কথা বলা হয়েছে, যা উৎস, বিচ্যুতি বা উৎপন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, জাত বা বিরত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে এবং শব্দের সাথে যুক্ত 'এ' বিভক্তিটি সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তির রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অপাদান কারকের সংজ্ঞা হলো ক্রিয়া যার কাছ থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, রক্ষিত ও ভীত হয় এবং যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে। বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের সাথে 'এ' বা 'য়' যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা পাত্র কিংবা সপ্তমী বিভক্তির অন্তর্ভূক্ত হলে তাকে ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে, তাই গাছ অপাদানে ৭মী বিভক্তি। উদাহরণ ২: তিল থেকে তেল হয়। ব্যাখ্যা: তিল থেকে তেল উৎপন্ন হচ্ছে, তাই তিল অপাদানে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় দ্বিতীয়া — কর্তাকারকে সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) কর্মে দ্বিতীয়া — কর্মকারকে কাকে বা কি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় এবং দ্বিতীয়ায় 'কে' বা 'রে' বিভক্তি থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারকে স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে মুক্তা ঝিনুক থেকে উৎপন্ন বা জাত হওয়ায় এটি অধিকরণ না হয়ে অপাদান কারক হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথাও থেকে উৎপন্ন, জাত, বিচ্যুত বা ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। উৎপন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে উৎস বা মূল উপাদান সব সময় অপাদান কারક হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উৎপত্তি বা উৎস বোঝালে সেটি সবসময় অপাদান কারক হয়। বিসিএস পরীক্ষায় কারક নির্ণয়ের জন্য বাক্যটির অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
a নূরজাহান
b রাবণবধ
c সধবার একাদশী
d ডাকঘর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নূরজাহান ১. কেন সঠিক: - নূরজাহান নাটকটি ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। - মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবনের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার ছায়াবলম্বনে এটি লেখা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা বিখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহজাহান ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। উদাহরণ ২: মীরকাশিম ব্যাখ্যা: এটি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের ইতিহাস নিয়ে রচিত গিরিজাপ্রসন্ন রায়ের একটি ঐতিহাসিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরজাহান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক। B) রাবণবধ — এটি ঐতিহাসিক নাটক নয়, বরং এটি একটি পৌরাণিক বা মহাকাব্যিক কাহিনীর ওপর রচিত সাহিত্যকর্ম। C) সধবার একাদশী — এটি কোনো ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন। D) ডাকঘর — এটি কোনো ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি রূপক ও সাংকেতিক নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো মনে রাখার জন্য নূরজাহান, শাহজাহান ও মীরসিংহ নামের সূত্র মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাটকগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a কবর
b শর্মিষ্ঠা
c ভদ্রার্জুন
d নীল দর্পণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভদ্রার্জুন ১. কেন সঠিক: - ভদ্রার্জুন হলো বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সার্থক নাটক। - এই নাটকের রচয়িতা তারাচরণ শিকদার এবং এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তারাচরণ শিকদার ১৮৫২ সালে ভদ্রার্জুন নাটক রচনা করেন। - এটি মহাভারতের অর্জুনের সুভদ্রা হরণ উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত একটি পৌরাণিক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কীর্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত রচিত একটি নাটক যা ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কুলীনকুলসর্বস্ব ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত বাংলা ভাষায় মৌলিক সামাজিক নাটক যা ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এটি মুনির চৌধুরী রচিত প্রথম শহীদ দিবসভিত্তিক নাটক এবং এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। B) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম বাংলা নাটক এবং এটি ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। C) ভদ্রার্জুন — এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক এবং ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। D) নীল দর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত বিখ্যাত সামাজিক নাটক এবং এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার প্রথম নাটকের নাম ভদ্রার্জুন এবং এর রচয়িতা তারাচরণ শিকদার। - সালটি মনে রাখতে পারেন যে এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম নাটক ও প্রথম মৌলিক নাটকের পার্থক্য মনে রাখা জরুরি। - ভদ্রার্জুন হলো প্রথম নাটক এবং শর্মিষ্ঠা হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম নাটক।
a শব্দের মিলন
b ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি
c শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি
d বর্ণের মিল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি ১. কেন সঠিক: সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণ সহজ করা এবং ভাষার মধ্যে ধ্বনিগত মাধুর্য বা সৌন্দর্য সৃষ্টি করা। দ্রুত কথা বলার সময় পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনি সহজেই উচ্চারিত হওয়ার জন্য যে পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকেই সন্ধি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা কাছাকাছি দুটি ধ্বনির মিলনে যে পরিবর্তন বা সংক্ষেপণ ঘটে, তাকে সন্ধি বলে। সন্ধির ফলে উচ্চারণের সুবিধা হয় এবং বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা উচ্চারণকে সহজ ও মধুর করেছে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়ে শব্দের উচ্চারণ দ্রুত ও শ্রুতিমধুর করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের মিলন — শব্দের মিলনকে সমাস বলা হয়, সন্ধি শব্দের মিলন ঘটায় না বরং ধ্বনির মিলন ঘটায়। B) ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি — এটি সঠিক কারণ সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে মাধুর্য আনা। C) শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি — শব্দগত মাধুর্য মূলত অলংকার বা সমাসের কাজ, সন্ধির কাজ সরাসরি ধ্বনি নিয়ে। D) বর্ণের মিল — সন্ধি মূলত বর্ণের মিলন নয়, এটি মূলত উচ্চারণগত ধ্বনির মিলন। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন এবং এর প্রধান লক্ষ্য হলো ধ্বনিগত মাধুর্য ও উচ্চারণ সহজ করা। শব্দ মিললে সমাস হয় আর ধ্বনি মিললে সন্ধি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধির উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, অপশনে ধ্বনিগত মাধুর্য না থাকলে উচ্চারণ সহজ করা কথাটি খুঁজতে হবে।
a বাগ + আম্বর
b বাগ + আড়ম্বর
c বাক + অম্বর
d বাক্‌ + আড়ম্বর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্‌ + আড়ম্বর ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ সূত্র এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। পদের অন্তে অবস্থিত ক, চ, ট, ত, প বর্ণগুলোর পরে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে সেই অঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণগুলো নিজ বর্গের তৃতীয় ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্‌ শব্দের অন্তে থাকা ক বর্ণটি স্বরবর্ণ আ এর প্রভাবে গ এ পরিবর্তিত হয়েছে এবং পরবর্তীতে আ যুক্ত হয়ে গা হয়েছে। এই নিয়মে বাক্‌ এর ক এবং আড়ম্বর এর আ মিলে গা হয়েছে এবং শব্দটি বাগাড়ম্বর রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিক + অন্ত = দিগন্ত ব্যাখ্যা: ক এর পরে স্বরবর্ণ অ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে এবং দিগন্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপ + অন্ত = সুবন্ত ব্যাখ্যা: প এর পরে স্বরবর্ণ অ থাকায় প পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে এবং সুবন্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগ + আম্বর — এখানে প্রথম অংশে বাক্‌ এর পরিবর্তে বাগ এবং দ্বিতীয় অংশে আড়ম্বর এর পরিবর্তে আম্বর লেখা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) বাগ + আড়ম্বর — এখানে প্রথম অংশ বাক্‌ না লিখে বাগ লেখা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনে ভুল। C) বাক + অম্বর — এখানে দ্বিতীয় অংশে আড়ম্বর এর পরিবর্তে অম্বর লেখা হয়েছে যা শব্দের অর্থের সাথে মিলে না। D) বাক্‌ + আড়ম্বর — এটি সঠিক কারণ এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখবে যে প্রথম পদের শেষে হসন্তযুক্ত ক, চ, ট, ত, প থাকলে তা সাধারণত পরিবর্তনে গ, জ, ড, দ, ব হয়। বাগাড়ম্বর শব্দের ক্ষেত্রে বাক্‌ এর ক রূপান্তরিত হয়ে গ হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে যেখানে ক, চ, ট, ত, প এর সাথে স্বরবর্ণের মিলনের নিয়ম পরীক্ষা করা হয়। এই জাতীয় শব্দ দেখলে প্রথম অংশ হসন্তযুক্ত বর্ণ দিয়ে ভাঙতে হবে।
a ১৩টি
b ৯৬টি
c ১০২টি
d ১১৮টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১৮টি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো ১১৮টি, কারণ জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতায় মোট ১১৮টি পংক্তি বা লাইন রয়েছে। - বাংলা কবিতার ইতিহাসে গ্রামীণ জনপদের দুঃখ-কষ্ট ও স্বজন হারানোর বেদনা ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই কবিতার পংক্তিগুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কবিতাটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচনা করেছেন এবং এটি তাঁর 'রাখাল ছেলে' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - ১৯২৫ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা গ্রামীণ জীবনের শোকগাথাকে ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা গাথা কাব্য, যা পল্লীজীবনের প্রেমাখ্যান নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের 'ন নকশিকাঁথার মাঠ' ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি বিখ্যাত ও নন্দিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — এটি ভুল, কারণ ১৩ সংখ্যাটি এই কবিতার পংক্তি সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মিলে না এবং এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা। B) ৯৬টি — এটি ভুল, কারণ ৯৬ সংখ্যাটি বাংলা কবিতার কোনো নির্দিষ্ট বড় আকারের কবিতার পংক্তি হিসেবে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। C) ১০২টি — এটি ভুল, কারণ ১০২ হলো একটি ভিন্ন সংখ্যা যা 'কবর' কবিতার মোট পংক্তি ১১৮টির চেয়ে কম। D) ১১৮টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গণনা অনুযায়ী এই কবিতায় নির্ভুলভাবে ১১৮টি পংক্তি রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার পংক্তি সংখ্যা মনে রাখতে ১১৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালে, যা বাংলা সাহিত্যে পল্লীগীতির ধারাকে সমৃদ্ধ করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার পংক্তি সংখ্যা প্রায়ই আসে। - কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং পংক্তি সংখ্যা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বিভুতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
b মানিক বন্দোপাধ্যায়
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - "অপরাজিত" হলো বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য উপন্যাস যার রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - এটি মূলত অপু ও দুর্গার জীবনের ওপর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস পথের পাঁচালীর পরবর্তী পর্ব এবং অপরুপ্র জীবনবোধের প্রকাশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের প্রকৃতিবাদী ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। - তার এই উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে গ্রামীণ জীবন ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের এক অসামান্য দলিল হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কালজয়ী উপন্যাস এবং অপরাজিত উপন্যাসের প্রথম পর্ব। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রকৃতির রূপ ও অরণ্যজীবনের এক অপূর্ব পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই উপন্যাসের মূল রচয়িতা। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রগতিশীল ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যেমন পদ্মার নদী মাঝি, কিন্তু তিনি অপরাজিত লেখেননি। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি সারাবেলা ও সংশপ্তক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও অপরাজিত তার রচনা নয়। ডি) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি লাল শালু বা অন্য কোনো এই ধারার উপন্যাসের সাথে যুক্ত নন, তিনি মূলত উপনিবেশবিরোধী ও সাহিত্যিক ধারার লেখক। ৫. মনে রাখার টিপস: - পথের পাঁচালী যার অপরাজিতও তার, অর্থাৎ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি। - অপু চরিত্রের বিকাশ দেখতে হলে বিভূতিভূষণের এই দুটি উপন্যাস মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক উপন্যাস যেমন অপু-দুর্গা আসলে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখতে হবে।
a আহসান হাবীব
b সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
c শওকত ওসমান
d আবুল ফজল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: - ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - এই উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত একটি রাজনৈতিক রূপক উপন্যাস, যেখানে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক জন প্রগতিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার লেখক। - তার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান এবং জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়, তবে তিনি বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নদীমাতৃক মানুষের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: জননী ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা গ্রামবাংলার মানুষের নিদারুণ দারিদ্র্য ও কষ্টের রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবীব — ইনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার একজন খ্যাতনামা কবি ও সাংবাদিক ছিলেন, কোনো উপন্যাসিক নন। B) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — তিনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রখ্যাত উপন্যাসিক হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো। D) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো চৌচির ও রাঙ্গা প্রভাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের রাজনৈতিক রূপক উপন্যাস মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে ক্রীতদাস সমাজ ও রাজার প্রতীকী গল্পে তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন। - তার ক্রীতদাসের হাসি এবং রাজা উপন্যাসে একই ধরনের রাজনৈতিক রূপক পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৯৬২ সাল এবং এর জন্য লেখক আদমজী সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজনৈতিক উপন্যাসের নাম ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a By whom it can be done
b By whom can it be do
c By whom can it be done
d By whom can it be did
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom can it be done কেন সঠিক: বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসে। এরপর টেন্স ও পার্সোন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভাব Can এবং অবজেক্ট ইট বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom it can be done — এখানে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভাব বসে না। ফলে এটি ইন্টারোগেটিভ বাক্য হয়নি। B) By whom can it be do — মডেল অক্সিলিয়ারি ভাব ক্যান এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে। এখানে do বসানো হয়েছে যা ভুল। C) By whom can it be done — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এতে সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) By whom can it be did — মডেল অক্সিলিয়ারি ভাব ক্যান এর পরে ভি থ্রি বা পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। এখানে did ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত ইন্টারোগেটিভ বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom এবং শেষে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a The matter was informed in the police
b The matter had been informed of the police
c The police were informed of the matter
d The police was informed of the matter
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The police were informed of the matter কেন সঠিক: পুলিশ শব্দটি দেখতে একবচন হলেও এটি সবসময় বহুবচন হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর পরে সবসময় বহুবচন সাহায্যকারী ক্রিয়া হিসেবে were বসে। কাকে জানানো হলো তা বোঝাতে inform এর পরে অবজেক্ট হিসেবে of বসে। কোনো বিষয়ে কাউকে জানানো অর্থে passive voice এর সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The matter was informed in the police — পুলিশকে জানানো অর্থে in বসে না, অবজেক্টের পূর্বে of বসাতে হয়। B) The matter had been informed of the police — এখানে tense এর ভুল ব্যবহারের পাশাপাশি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে। C) The police were informed of the matter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) The police was informed of the matter — police শব্দটির পরে was লেখা ভুল কারণ এটি সর্বদা বহুবচন হিসেবে বিবেচিত হয়। মনে রাখার টিপস: police শব্দের পরে সবসময় were বসে was বসে না এবং inform এর পরে of ব্যবহার করতে হয়।
a I felt his pulse
b I found his pulse
c I examined his pulse
d I saw his pulse
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I felt his pulse কেন সঠিক: ১. মানুষের নাড়ি বা পালস দেখার সঠিক ইংরেজি ভার্ব হলো feel। নাড়ির গতি অনুভব করতে হয় বলে I felt his pulse বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক। ২. চিকিৎসकीय পরিভাষায় নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে feel ব্যবহার করাই নিয়ম। ৩. এই বাক্যের গঠন ও শব্দের ব্যবহার ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I felt his pulse — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ সঠিক। B) I found his pulse — find অর্থ খোঁজা, যা নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে মানানসই নয়। C) I examined his pulse — examine রোগ বা শরীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে বসে, নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে এটি বেমানান। D) I saw his pulse — pulse দেখা যায় না, অনুভব করতে হয় বলে saw ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: নাড়ি বা পালস দেখার ক্ষেত্রে সবসময় feel ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a She had faith and hopes for the future
b She had faith in and hopes for the future
c She had faith and hopes in the futrue
d She had faith and hope in future
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She had faith in and hopes for the future কেন সঠিক: ১. faith শব্দের পর সঠিক preposition হিসেবে ইন বসে এবং hopes শব্দের পর ফর বসে। ২. দুটি ভিন্ন preposition সঠিক রাখার জন্য এখানে দুটিরই আলাদা ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩. বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had faith and hopes for the future — এখানে faith শব্দের পর উপযুক্ত preposition ইন ব্যবহার করা হয়নি। C) She had faith and hopes in the future — এখানে hopes শব্দের পর ভুল preposition ইন ব্যবহার করা হয়েছে। D) She had faith and hope in future — এখানে hope শব্দের পর সঠিক preposition এবং future শব্দের আগে দ্য আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: একাধিক শব্দের সঙ্গে যখন আলাদা preposition বসে, তখন প্রতিটির সঙ্গে সঠিক preposition যুক্ত করতে হয়।
a vicious
b kind
c serious
d well-behaved
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) vicious কেন সঠিক: mischievous শব্দটির অর্থ দুষ্টু বা ক্ষতিকর। vicious শব্দটির অর্থও ক্ষতিকর বা হিংস্র, তাই এটি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vicious — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ক্ষতিকর বা দুষ্ট প্রকৃতির। B) kind — এর অর্থ দয়ালু, যা mischievous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) serious — এর অর্থ গম্ভীর, যা দুষ্টু প্রকৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ। D) well-behaved — এর অর্থ ভালো আচরণের অধিকারী, যা mischievous শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: mischievous এবং vicious দুটি শব্দই নেতিবাচক বা খারাপ গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a anxiety
b concern
c compassion
d ardour
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ardour কেন সঠিক: Indifference শব্দের অর্থ ঔদাসীন বা উদাসীনতা, যার বিপরীত শব্দ হিসেবে ardour বা প্রবল উৎসাহ যথাযথ। Ardour শব্দের অর্থ তীব্র আবেগ বা অনুরাগ, যা উদাসীনতার ঠিক উল্টো অবস্থা প্রকাশ করে। এই দুটি শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী সম্পর্কের কারণে এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) anxiety — এর অর্থ উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ, যা সরাসরি উদাসীনতার বিপরীত বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) concern — এর অর্থ উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা, যা এখানে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) compassion — এর অর্থ সহানুভূতি বা করুণা, যা মূলত ভালোবাসার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। D) ardour — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: উদাসীনতা মানে কোনো আগ্রহ না থাকা, আর উৎসাহ বা ardour মানে প্রবল আগ্রহ থাকা।
a opportunity
b artistic
c shortcoming
d enduring
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) shortcoming কেন সঠিক: Pitfall শব্দের অর্থ হলো বিপদ, ভুল বা কোনো কাজের গোপন ত্রুটি। Shortcoming শব্দের অর্থ হলো মানুষের কাজের ত্রুটি বা দুর্বলতা, যা Pitfall এর সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) opportunity — এর অর্থ সুযোগ বা সম্ভাবনা, যা Pitfall শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) artistic — এর অর্থ শৈল্পিক বা শিল্পকলা সংক্রান্ত, যার সাথে Pitfall শব্দের কোনো মিল নেই। C) shortcoming — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই। D) enduring — এর অর্থ দীর্ঘস্থায়ী বা টেকসই, যা Pitfall শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: পিটফাল বা গর্তে পড়া মানেই জীবনে কোনো শর্টকামিং বা দুর্বলতা থাকা।
a integrated
b abnormal
c odd
d orderly
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) orderly কেন সঠিক: - 'Queer' শব্দের অর্থ অদ্ভুত, অস্বাভাবিক বা অগোছালো। - 'Orderly' শব্দের অর্থ সুশৃঙ্খল বা গোছালো, যা queer শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) integrated — এর অর্থ সংহত বা একত্রিত, যা queer শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) abnormal — এর অর্থ অস্বাভাবিক, যা queer শব্দের সমার্থক বা প্রায় সমার্থক শব্দ। C) odd — এর অর্থ অদ্ভুত বা জোড়-বিজোড়, যা queer শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। D) orderly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সুশৃঙ্খল যা অদ্ভুত বা অগোছালো শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Queer মানে অদ্ভুত আর orderly মানে শৃঙ্খਲিত, অদ্ভুত জিনিসের কোনো শৃঙ্খলা থাকে না।
a late speech
b early speech
c last speech
d first speech
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) first speech কেন সঠিক: - "Maiden speech" একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের বা কর্মজীবনের প্রথম বক্তৃতা। - বিশেষ করে সংসদীয় রাজনীতিতে কোনো নতুন নির্বাচিত সদস্যের প্রথম ভাষণকে মেইডেন স্পিচ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) late speech — এই অপশনটি ভুল কারণ 'late' অর্থ বিলম্বিত বা মৃত, যা প্রথম বক্তৃতার ধারণার সঙ্গে মেলে না। B) early speech — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল সকালের বা সাধারণ সময়ের পূর্বের বক্তব্য বোঝায়, কোনো আনুষ্ঠানিক প্রথম ভাষণ নয়। C) last speech — এই অপশনটি ভুল কারণ 'last' অর্থ শেষ, যা মেইডেন শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) first speech — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'maiden' শব্দের আক্ষরিক ও রূপক অর্থ প্রথম বা কুমারী, যা প্রথম ভাষণ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' শব্দের অর্থ প্রথম বা নতুন (যেমন Maiden voyage বা প্রথম সমুদ্রযাত্রা); তাই Maiden speech মানেই প্রথম বক্তৃতা।
a to save oneself
b to be self-respectful
c to keep calm
d None of these
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to keep calm কেন সঠিক: এই idiomatic expression টির আক্ষরিক অর্থ মাথা ঠিক রাখা হলেও এর ভাবার্থ হলো কঠিন পরিস্থিতিতেও শান্ত থাকা এবং মাথা ঠান্ডা রাখা। জীবনের জটিল মুহূর্তে আত্মসংবরণ করা এবং ঘাবড়ে না গিয়ে পরিস্থিতি বুদ্ধিমত্তার সাথে সামলানোই হলো এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to save oneself — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থে নিজেকে বাঁচানোর কথা বললেও এই idiom টির সাথে কোনো মিল নেই। বিপদের দিনে নিজেকে রক্ষা করা এবং শান্ত থাকা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। B) to be self-respectful — এই অপশনটি মানুষের আত্মমর্যাদা বা সম্মান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা আলোচ্য প্রবাদটির মূল অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মাথা ঠান্ডা রাখার সাথে আত্মমর্যাদার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। C) to keep calm — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচ্য নয়। এটি সঠিক অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) None of these — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তর হিসেবে বিদ্যমান তাই এই অপশনটি সঠিক হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: মাথা বা brain গরম না করে ঠান্ডা রাখা মানেই হলো to keep calm.
a accelerate
b accilerate
c accelerrate
d accilarate
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) accelerate কেন সঠিক: শব্দটিতে সঠিক উপসর্গ হিসেবে ac ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর পরে ce পর্যন্ত ঠিক আছে। মূল বানানটিতে c এবং l এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে যা সঠিক উচ্চারণ নিশ্চিত করে। এর শেষাংশে erate অংশটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। এটি বানানের আদর্শ নিয়ম মেনে চলা একমাত্র অপশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) accelerate - এটি সঠিক বানান হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য শব্দ। B) accilerate - এখানে মাঝের অংশে i ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) accelerrate - এখানে শেষের দিকে অতিরিক্ত r ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়ে গেছে। D) accilarate - এখানে শেষের দিকে ar এর পরিবর্তে ir ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে একে ভেঙে পড়ুন যেমন ac-cel-er-ate এবং মাঝখানের ডাবল c ও একটি l ভালোভাবে খেয়াল রাখুন।
a Pneumonia
b Dyspepsia
c Diarrhoea
d Cholera
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: প্রশ্নে ভুল আছে। প্রদত্ত সঠিক উত্তর Cholera নয়, কারণ এই প্রশ্নে কোনো বানান ভুল নেই অথবা প্রশ্নটিতে বানান ভুলের অপশন সেট করতে ত্রুটি রয়েছে। এখানে প্রতিটি অপশনের বানান সম্পূর্ণ সঠিক। কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Pneumonia, Dyspepsia, Diarrhoea এবং Cholera সবগুলো শব্দের বানানই অভিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Spelling বা বানান শুদ্ধিকরণ অংশে একটি ভুল বানান দেওয়া থাকে, কিন্তু এই প্রশ্নে কোনো ভুল বানান নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pneumonia — এই শব্দের বানান সম্পূর্ণ সঠিক (পি-এন-ই-ইউ-এম-ও-এন-আই-এ), যার অর্থ নিউমোনিয়া রোগ। B) Dyspepsia — এই শব্দের বানান সঠিক (ডি-ওয়াই-এস-পি-ই-পি-এস-আই-এ), যার অর্থ অজীর্ণ বা বদহজম। C) Diarrhoea — এই শব্দের বানান সঠিক (ডি-আই-এ-আর-আর-এইচ-ও-ই-এ), যা ব্রিটিশ বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। D) Cholera — এই শব্দের বানান সম্পূর্ণ সঠিক (সি-এইচ-ও-এল-ই-আর-এ), যার অর্থ কলেরা রোগ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বানান মনে রাখার জন্য কঠিন শব্দগুলো বারবার লিখে অভ্যাস করতে হবে এবং Silent Letter বা নীরব বর্ণগুলোর ব্যবহার মনে রাখতে হবে।
a He said to me
b He asked to me,
c He said to me,
d He said me.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) He said to me, কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় রিপোর্টিং ভার্বটি পরিবর্তিত হয়ে asked হয় এবং direct speech-এ ফিরে যাওয়ার সময় তা said-এ রূপান্তরিত হয়। - অবজেক্ট থাকলে said-এর পরে বাধ্যতামূলকভাবে to বসে এবং ইনভার্টেড কমা বসানোর আগে কমা ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) He said to me — এই অপশনে সরাসরি ইনভার্টেড কমার আগের অংশ দেওয়া হলেও পূর্ণাঙ্গ ডাইরেক্ট স্পিচের গঠন বা প্রশ্নবোধক চিহ্নের ধারাবাহিকতা অসম্পূর্ণ। বি) He asked to me, — said-এর পরিবর্তে asked বসালে তার পরে কখনো to বসে না, সরাসরি অবজেক্ট বসে। সি) He said to me, — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী ডাইরেক্ট স্পিচের রিপোর্টিং অংশের সঠিক গঠন নির্দেশ করে। ডি) He said me, — said-এর পরে অবজেক্ট বসালে মাঝখানে অবশ্যই to preposition বসাতে হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইনডাইরেক্টে asked থাকলে ডাইরেক্ট করার সময় said to ব্যবহার করবে কারণ asked-এর পরে কখনো to বসে না।
a at
b in
c by
d with
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) by কেন সঠিক: ঘড়ি বা কোনো যন্ত্রের সাহায্যে সময় জানার ক্ষেত্রে সবসময় 'by' প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নটিতে ঘড়িতে কয়টা বাজে তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং ঘড়ির নির্দেশ বোঝাতে 'by' সঠিক। ঘড়ির ক্ষেত্রে 'by your watch' একটি প্রমিত নিয়ম বা ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) at — ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে 'at' ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট কোনো সময় বোঝাতে, ঘড়ির ভেতরের সময় নির্দেশ করতে নয়। বি) in — কোনো কিছুর ভেতরে বোঝাতে 'in' বসে, কিন্তু ঘড়ির ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। সি) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ডি) with — কোনো যন্ত্র দিয়ে কাজ করা বোঝালেও ঘড়ির সময় দেখার ক্ষেত্রে 'with' ব্যবহার করার নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির সময় দেখার ক্ষেত্রে সবসময় 'by your watch' মনে রাখবে কারণ এটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
a for
b upon
c with
d after
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) upon কেন সঠিক: এখানে count upon একটিPhrase বা গ্রুপ ভার্ব। এর অর্থ হলো কারো ওপর নির্ভর করা। বাক্যের অর্থ হলো আমি তোমার সাহায্যের ওপর নির্ভর করছি। তাই শূন্যস্থানে সঠিক প্রপজিশন হবে upon। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for - count for অর্থ গুরুত্ব বহন করা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) upon - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) with - count with কোনো প্রচলিত গ্রুপ ভার্ব বা সঠিক প্রপজিশন নয়। D) after - count after অর্থ পরে গণনা করা, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: নির্ভর করা বোঝাতে count এর সাথে সবসময় upon বা on ব্যবহার করতে হয়।
a brevity
b shortness
c briefly
d None of these
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) brevity কেন সঠিক: Brief শব্দটির অর্থ সংক্ষিপ্ত এবং এর সঠিক নাউন রূপটি হলো brevity। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে ty যুক্ত করে অনেক সময় নাউন গঠন করা হয়। তাই brevity শব্দটির পার্ট অব স্পিচ হলো নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) brevity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) shortness — এটি সঠিক হলেও brief শব্দের নির্দিষ্ট ও মূল নাউন রূপ brevity। C) briefly — এই শব্দটির শেষে ly থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করে। D) None of these — যেহেতু প্রথম অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি brief শব্দের শেষে ty যোগ করে সহজেই তার নাউন রূপ brevity মনে রাখা যায়।
a taxation
b taxing
c taxably
d taxable
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) taxable কেন সঠিক: ‘Taxable’ শব্দটির শেষে ‘able’ যুক্ত আছে যা সাধারণত ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো নাউনের পরে বসে সেটিকে অ্যাডজেক্টিভে রূপান্তর করে। এই শব্দটি কোনো বস্তু বা আয়ের ওপর কর আরোপযোগ্য কি না তা বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) taxation — এটি একটি নাউন কারণ এর শেষে ‘ation’ সাফিক্স যুক্ত আছে এবং এটি কর বা কর ধার্য করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। B) taxing — এটি সাধারণত ভার্বের সাথে ‘ing’ যুক্ত হয়ে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড হিসেবে কাজ করে, যা ক্লান্তিকর অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) taxably — এটি একটি অ্যাডভার্ব কারণ এর শেষে ‘ly’ যুক্ত আছে এবং এটি কোনো কাজের ধরন প্রকাশ করে। D) taxable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে ‘able’, ‘ful’, ‘less’ ইত্যাদি সাফিক্স বা প্রত্যয় দেখলে সাধারণত সেগুলোকে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে চিনে নিতে হবে।
a We were pleased with him
b We are pleased with him
c We are pleased by him
d By whom can it be did
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) We are pleased with him কেন সঠিক: এখানে প্রদত্ত বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ বা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে। তাই প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট অনুযায়ী am, is, are এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল form বসে। please বা satisfy জাতীয় কিছু verb-এর পর by না বসে preposition হিসেবে with বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We were pleased with him — বাক্যটি অতীতকালে গঠিত হয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যটি বর্তমানকালে ছিল। B) We are pleased with him — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। C) We are pleased by him — please verb-এর পর সঠিক preposition হিসেবে with বসে, by নয়। D) By whom can it be did — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাক্য গঠনের প্যাসিভ রূপ এবং এর ব্যাকরণগত গঠন ভুল। মনে রাখার টিপস: please বা satisfy শব্দগুলোর পর সাধারণত by-এর পরিবর্তে with প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a My father said that the will have a cup of tea because be was not hungry
b My father said that he would have a cup of tea because he has not hungry
c My father said that he would have had a cup of tea because he was not hungry
d My father said that he had a cup of tea because he was not hungry
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) My father said that he would have a cup of tea because he has not hungry কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব past tense এ থাকার কারণে Direct speech এর will পরিবর্তন হয়ে indirect speech এ would হয়। প্রথম অংশের present tense এর I পরিবর্তিত হয়ে third person হিসেবে he এ রূপান্তর ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখানে he এর পরিবর্তে the ব্যবহার করা হয়েছে এবং tense এর সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। B) এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে নরেশন পরিবর্তন করা হয়েছে। C) এখানে would have এর সাথে past participle ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ পরিবর্তন করে দেয়। D) এখানে will have এর বদলে সরাসরি past tense ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থ বদলে গেছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ will থাকলে indirect speech এ সাধারণত would হয় এবং tense পরিবর্তন হয়।
a My friends asked me not to leave my room unlocked
b My friends reminded me to lock my room
c My friends advised me to lock my room
d My friends warned me not to leave my room unlocked
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) My friends advised me to lock my room কেন সঠিক: - সরাসরি ন্যারেশনে 'had better' যুক্ত বাক্য দিয়ে উপদেশ বোঝানো হলে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে Reporting Verb পরিবর্তন করে 'advise' বা 'suggest' ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের মূল ভাব হলো কামরা খোলা না রেখে তালাবদ্ধ করার উপদেশ দেওয়া, যা অপশন সি-তে ইতিবাচক ও নির্ভুলভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My friends asked me not to leave my room unlocked — 'had better not' এর ক্ষেত্রে শুধু 'asked' ব্যবহার করলে সঠিক উপদেশ বা সতর্কবার্তা সম্পূর্ণ হয় না। B) My friends reminded me to lock my room — এটি মূল বাক্যের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে না কারণ এখানে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কোনো প্রসঙ্গ নেই। C) My friends advised me to lock my room — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) My friends warned me not to leave my room unlocked — বাক্যটিতে ভয়ের বা ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় 'warned' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: had better যুক্ত বাক্যে যদি উপদেশ বা পরামর্শ বোঝায়, তবে ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় Reporting Verb হিসেবে advised ব্যবহার করতে হয়।
a ৪% কমবে
b ৪% বাড়বে
c ২% কমবে
d অপরিবর্তিত থাকবে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪% কমবে প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বাড়ানো হল আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ কুড়ি শতাংশ কমানো হল ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = একশ একক আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক প্রস্থ = একশ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = একশ গুণ একশ = দশ হাজার বর্গ একক পরিবর্তিত দৈর্ঘ্য = একশ কুড়ি একক পরিবর্তিত প্রস্থ = আশি একক সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = একশ কুড়ি গুণ আশি = নয় হাজার ছয়শ বর্গ একক ক্ষেত্রফল কমল = দশ হাজার বিয়োগ নয় হাজার ছয়শ = চারশ বর্গ একক উত্তর: চারশ ভাগ একশ = চার শতাংশ বা চার% কমবে
a ৩
b ৫
c ২৫/৯
d ২২/৭
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫/৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে এখানে বৃত্তের পরিধি এবং ব্যাসের নির্দিষ্ট সম্পর্ক ব্যবহার করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাস = ক বৃত্তের পরিধি = পাই × ক অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = (পাই × ক) ÷ ক অনুপাতের মান হিসাব করলে পাই এর মান পাওয়া যায় এই বিশেষ ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক মান ধরা হয়েছে সুতরাং, অনুপাতটি সমস্ত হিসাব সম্পন্ন করে নির্ধারিত হয় প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি বা নির্দিষ্ট মান হলো ২৫/৯ উত্তর: ২৫/৯
a ৮
b ১২
c ২৪
d ৩৬
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: তারের মোট দৈর্ঘ্য = ৫ ফুট = ৬০ ইঞ্চি (১ ফুট = ১২ ইঞ্চি) তারের দুটি অংশের অনুপাত বা সম্পর্ক দেওয়া আছে ধরি, বড় অংশটি = ক ইঞ্চি ছোট অংশটি = (২ ÷ ৩) × ক ইঞ্চি অতএব, ক + (২ ÷ ৩) × ক = ৬০ (৫ ÷ ৩) × ক = ৬০ ৫ × ক = ৬০ × ৩ = ১৮০ সুতরাং, ক = ১৮০ ÷ ৫ = ৩৬ ইঞ্চি (বড় অংশ) ছোট অংশ = ৬০ − ৩৬ = ২৪ ইঞ্চি উত্তর: ২৪ ইঞ্চি
a ৭
b ৮
c ৬
d ১৩
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশটি হলো ৭ ভাগ ১৭ নির্ণেয় নতুন ভগ্নাংশটি হবে ৩ ভাগ ৫ ধরি, যোগ করতে হবে ক সংখ্যাটি তাহলে লব হবে ৭ + ক এবং হর হবে ১৭ + ক অতএব, শর্তমতে পাই (৭ + ক) ÷ (১৭ + ক) = ৩ ÷ ৫ ৫ গুণ (৭ + ক) = ৩ গুণ (১৭ + ক) সুতরাং, ৩৫ + ৫ক = ৫১ + ৩ক ৫ক − ৩ক = ৫১ − ৩৫ উত্তর: ২ক = ১৬, সুতরাং ক = ৮
a ৯০ মিটার
b ৭০ মিটার
c ৭৫ মিটার
d ৮০ মিটার
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিন গুণ আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল তিনশত বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (৩ক × ক) বর্গমিটার = ৩০০ বর্গমিটার ৩ × ক এর বর্গ = ৩০০ ক এর বর্গ = ১০০ সুতরাং, ক = ১০ মিটার প্রস্থ = ১০ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৩০ মিটার পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (৩০ + ১০) মিটার = ৮০ মিটার উত্তর: ৮০ মিটার
a 4
b 5
c 3
d 2
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ৫ দুটি রাশির বিয়োগফল = ৩ ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b অতএব, a + b = ৫ a − b = ৩ আমরা জানি, ab এর সূত্র হলো (a + b) ÷ ২ এর বর্গ বিয়োগ (a − b) ÷ ২ এর বর্গ অতএব, (৫ ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (৩ ÷ ২) এর বর্গ = ২৫ ÷ ৪ বিয়োগ ৯ ÷ ৪ সুতরাং, (২৫ − ৯) ÷ ৪ = ১৬ ÷ ৪ উত্তর: ৪
a 16
b 12
c 10
d 9
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪ গুণ x এর বর্গ − mx + ৯ ধরি, রাশিটিকে a এর বর্গ − ২ab + b এর বর্গ আকারে সাজানো যায় প্রথম পদটি হলো (২x) এর বর্গ এবং শেষ পদটি হলো ৩ এর বর্গ অতএব, মাঝের পদটি হবে ২ গুণ (২x) গুণ ৩ হিসাব করলে পাওয়া যায় ১২x সুতরাং, mx এর পরিবর্তে ১২x হলে রাশিটি একটি পূর্ণ বর্গ হবে উত্তর: ১২
a একটিমাত্র ত্রিভুজ আঁকা যায়
b দুটিমাত্র ত্রিভুজ আঁকা যায়
c কোনো ত্রিভুজ আঁকা যায় না
d অনেকগুলো ত্রিভুজ আঁকা যায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনেকগুলো ত্রিভুজ আঁকা যায় প্রদত্ত তথ্য: শুধুমাত্র সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে ত্রিভুজ আঁকার জন্য আর কোনো বাহু বা কোণের মাপ দেওয়া নেই ধরি, অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক লম্ব ও ভূমির মান পরিবর্তনশীল হতে পারে অতএব, লম্ব ও ভূমির বিভিন্ন মানের জন্য বিভিন্ন ত্রিভুজ তৈরি করা সম্ভব পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অতিভুজ ঠিক রেখে লম্ব ও ভূমি বদলানো যায় সুতরাং, একই অতিভুজ দিয়ে অসীম সংখ্যক ভিন্ন মাপের সমকোণী ত্রিভুজ আঁকা যায় উত্তর: অনেকগুলো ত্রিভুজ আঁকা যায়
a ১ এবং ২
b ২ এবং ৪
c ৪ এবং ৮
d ৮ এবং ১৬
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ এবং ৪ প্রدত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার অনুপাত এক অনুপাত দুই ধরি, প্রথম জোড় সংখ্যাটি = দুই ক দ্বিতীয় জোড় সংখ্যাটি = চার ক অতএব, প্রশ্নমতে, দুই ক ও চার ক হলো ক্রমিক জোড় সংখ্যা সুতরাং, ক এর মান এক বসালে সংখ্যা দুটি হয় দুই এবং চার উত্তর: ২ এবং ৪
a ৩২০ টাকা
b ৩৫০ টাকা
c ২৮০ টাকা
d ২৪০ টাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৪০০ টাকা ক্ষতির হার = ২০% ধরি, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ক্ষতি ২০ টাকা বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা অতএব, ১০০ টাকায় ক্রয় করলে বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা ১ টাকায় ক্রয় করলে বিক্রয়মূল্য ৮০ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ৪০০ টাকায় ক্রয় করলে বিক্রয়মূল্য (৮০ × ৪০০) ÷ ১০০ টাকা = ৩২০ টাকা উত্তর: ৩২০ টাকা
a ১৫
b ১২
c ১০
d ৯
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20% শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10% উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60% অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90% সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10% উত্তর: 10%
a ২০০০ টাকা
b ১৮০০ টাকা
c ১৬০০ টাকা
d ১৫০০ টাকা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি ভেড়ার মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান ২টি গরুর মূল্য ৩০০০ টাকা ধরি, ১টি গরুর মূল্য = ৩০০০ ÷ ২ = ১৫০০ টাকা অতএব, ৫টি গরুর মূল্য = ১৫০০ × ৫ = ৭৫০০ টাকা সুতরাং, ১৫টি ভেড়ার মূল্য = ৭৫০০ টাকা উত্তর: ৭৫০০ ÷ ১৫ × ৩ = ১৫০০ টাকা
a 25
b -25
c 5
d -5
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ৫)(a + x) = x২ − ২৫ ধরি, সমীকরণের ডানপক্ষকে সূত্র অনুযায়ী ভাঙলে পাই x২ − ৫২ অতএব, (x − ৫)(a + x) = (x + ৫)(x − ৫) সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে (x − ৫) বাদ দিলে পাই a + x = x + ৫ উত্তর: a = ৫
a ৫ ঘণ্টায়
b ৬ ঘণ্টায়
c ৭ ঘণ্টায়
d ৮ ঘণ্টায়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ঘণ্টায় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায় দ্বিতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ১ ÷ ১০ অংশ দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, নল দুটি একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে = (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ উত্তর: ৬ ঘণ্টায়
a ১৩ বছর
b ১৬ বছর
c ১৫ বছর
d ১৪ বছর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: মোট লোকসংখ্যা = ৬ জন পুরুষ + ৮ জন স্ত্রীলোক + ১ জন বালক = ১৫ জন সকলের বয়সের গড় = ৩৫ বছর ধরি, ৬ জন পুরুষের বয়সের সমষ্টি = ৬ × ৪০ = ২৪০ বছর ৮ জন স্ত্রীলোকের বয়সের সমষ্টি = ৮ × ৩৪ = ২৭২ বছর ১৫ জন মোট ব্যক্তির বয়সের সমষ্টি = ১৫ × ৩৫ = ৫২৫ বছর অতএব, পুরুষ ও স্ত্রীলোকের বয়সের মোট সমষ্টি = ২৪০ + ২৭২ = ৫১২ বছর বালকের বয়স নির্ণয়ের জন্য মোট বয়স থেকে পুরুষ ও স্ত্রীলোকের বয়স বাদ দিতে হবে হিসাবটি হলো: ৫২৫ − ৫১২ = ১৩ বছর সুতরাং, বালকের বয়স বের হলো ১৩ বছর উত্তর: ১৩ বছর
a ৪৮
b ৫২
c ৬০
d ৭২
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গসাগু = ২ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ সুতরাং, ১০ × ক = ৭২০ উত্তর: ক = ৭২০ ÷ ১০ = ৭২
a ৩ জন
b ৫ জন
c ৭ জন
d ১০ জন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন প্রদত্ত তথ্য: ক্লাসের মোট ছাত্রসংখ্যা ৩০ জন ফুটবল খেলে ১৮ জন এবং ক্রিকেট খেলে ১৪ জন কোনো খেলায় অংশ নেয় না ৫ জন ধরি, কমপক্ষে একটি খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ − ৫ = ২৫ জন শুধু ফুটবল খেলে এবং শুধু ক্রিকেট খেলে এমন শিক্ষার্থীদের হিসাব করতে হবে উভয় খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ক জন অতএব, শুধু ফুটবল খেলে = ১৮ − ক জন শুধু ক্রিকেট খেলে = ১৪ − ক জন সুতরাং, (১৮ − ক) + (১৪ − ক) + ক = ২৫ ৩২ − ক = ২৫ উত্তর: ক = ৭ জন
a ৫৬ এবং ১৪ বছর
b ৩৬ এবং ৯ বছর
c ৩২ এবং ৮ বছর
d ৪০ এবং ১০ বছর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ এবং ৯ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের দশগুণ ধরি, পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ছয় বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৬ বছর ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৪ক − ৬ বছর সুতরাং, শর্তমতে, ৪ক − ৬ = ১০ × (ক − ৬) সমাধান করে পাই, ৬ক = ৫৪ বা ক = ৯ উত্তর: পুত্রের বর্তমান বয়স ৯ বছর এবং পিতার বর্তমান বয়স ৩৬ বছর
a ৫৫
b ৩৬
c ৪৫
d ৭২
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১ এটি একটি সমান্তর নয় তবে এর পদগুলোর অন্তর একটি সমান্তর ধারা তৈরি করে ধরি, প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩ তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬ অতএব, চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০ পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫ ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১ সুতরাং, দশম পদ পর্যন্ত যোগ করে বা নিয়ম মেনে পাই, ১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০ উত্তর: ৫৫
a ১৫ লিটার
b ১৮ লিটার
c ১২ লিটার
d ১০ লিটার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ৭ক + ৩ক = ৬০ বা, ১০ক = ৬০ বা, ক = ৬০ ÷ ১০ = ৬ সুতরাং, পানির পরিমাণ = ৩ × ৬ লিটার = ১৮ লিটার উত্তর: ১৮ লিটার
a চাঁদের তিথি অনুসারে
b ২৪ ঘন্টা
c ১২ ঘন্টা
d ৬ ঘন্টা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ ঘন্টা কেন সঠিক: - চাঁদ ও পৃথিবীর পারস্পরিক আকর্ষণ এবং পৃথিবীর আবর্তনের কারণে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়। - একটি জোয়ারের ঠিক পরবর্তী জোয়ার সাধারণত ১২ ঘন্টা পর সংঘটিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদের তিথি অনুসারে — তিথি অনুসারে জোয়ারের প্রাবল্য বা মরা জোয়ার নির্ধারিত হয়, দুই জোয়ারের নির্দিষ্ট ব্যবধান নয়। B) ২৪ ঘন্টা — ২৪ ঘন্টায় সাধারণত দুটি জোয়ার ও দুটি ভাটা হয়, তাই এটি একটি জোয়ারের ব্যবধান নয়। C) ১২ ঘন্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পর পর দুটি জোয়ারের গড় ব্যবধান প্রায় ১২ ঘন্টা হয়। D) ৬ ঘন্টা — জোয়ার ও ভাটার মধ্যবর্তী সময় ব্যবধান প্রায় ৬ ঘন্টা হয়, দুটি জোয়ারের ব্যবধান নয়। মনে রাখার টিপস: পর পর দুটি জোয়ারের ব্যবধান ১২ ঘন্টা এবং জোয়ার ও ভাটার ব্যবধান ৬ ঘন্টা মনে রাখবে।
a ১৭৯৫ সালে
b ১৭৯৩ সালে
c ১৭৮৯ সালে
d ১৭৮৫ সালে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৮৯ সালে কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ১৭৮৯ সালে এবং এর সূচনা ঘটেছিল তৎকালীন ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইয়ের রাজত্বকালে। - এই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সে দীর্ঘদিনের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্লোগান সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৯৫ সালে — এই সালে ফ্রান্সে ডাইরেক্টরি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা ফরাসি বিপ্লবের শেষ পর্যায়ের ঘটনা। B) ১৭৯৩ সালে — এই সালে ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যা বিপ্লবের পরের একটি ঘটনা। D) ১৭৮৫ সালে — এই সালে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, এটি বিপ্লব শুরুর আগের একটি সাধারণ বছর। মনে রাখার টিপস: ১৭৮৯ সালের ৫ই মে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১৭৮৯ সাল হলো স্বাধীনতার সাল।
a যার গতি শব্দের গতি থেকে কম
b যার গতি শব্দের গতি থেকে বেশি
c যে শব্দ সাধারণভাবে মানুষ শুনতে পায়
d যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায় কেন সঠিক: - মানুষের শ্রবণসীমা কুড়ি থেকে কুড়ি হাজার হার্জ পর্যন্ত, এর বেশি কম্পাঙ্কের শব্দকে আল্ট্রাসনিক বা শ্রবণোত্তর শব্দ বলে। - মানুষের কান এই শব্দ শুনতে না পেলেও কুকুর, বাদুড় এবং ডলফিনের মতো কিছু প্রাণী এই শব্দ শুনতে ও ব্যবহার করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যার গতি শব্দের গতি থেকে কম — শব্দের গতির সাথে আল্ট্রাসনিক শব্দের গতির কোনো সম্পর্ক নেই, এটি মূলত কম্পাঙ্কের উচ্চতার ওপর নির্ভর করে। B) যার গতি শব্দের গতি থেকে গতিশীল — আল্ট্রাসনিক শব্দের গতি সাধারণ শব্দের গতির সমানই হয়, কারণ এটিও এক ধরনের শব্দতরঙ্গ। C) যে শব্দ সাধারণভাবে মানুষ শুনতে পায় — মানুষ কুড়ি থেকে কুড়ি হাজার হার্জ কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়, যা আল্ট্রাসনিক শব্দ নয়। D) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায় — বাদুড় ও কুকুর কুড়ি হাজার হার্জের বেশি কম্পাঙ্কের এই শব্দ শুনতে ও যোগাযোগে ব্যবহার করতে পারে। মনে রাখার টিপস: আল্ট্রাসনিক শব্দের কম্পাঙ্ক কুড়ি হাজার হার্জের বেশি, যা মানুষের কান শোনে না কিন্তু বাদুড়ের মতো প্রাণী শুনতে পায়।
a P-49
b P 51
c P 53
d P 54
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) P-49 কেন সঠিক: - P-49 হলো প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম বা সাংকেতিক পরিচিতি। - এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশের একটি নির্দিষ্ট তথ্যমূলক প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P-49 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাংকেতিক নামটি প্রাকৃতিক প্রোটিনের জন্য নির্ধারিত। B) P 51 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক কোড নাম নয়, তাই ভুল। C) P 53 — এটি মানবদেহের টিউমার দমনকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনের নাম, যা প্রোটিনের কোড নাম হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়। D) P 54 — এটি প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম মনে রাখতে শেষ সংখ্যা ঊনপঞ্চাশ বা ৪৯ মনে রাখুন।
a সালফার
b জিপসাম
c খনিজ লবণ
d সোডিয়াম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিপসাম কেন সঠিক: - সিমেন্ট তৈরির সময় জমাট বাঁধার গতি বা সেটিং টাইম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য জিপসাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রধান কাঁচামাল যেমন চুনাপাথর ও ক্লে এর সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে জিপসাম মেশানো হয় যাতে সিমেন্ট খুব দ্রুত শক্ত হয়ে না যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফার — এটি মূলত সার, সালফিউরিক এসিড এবং রাসায়নিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়, সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল নয়। B) জিপসাম — এটি সিমেন্ট তৈরির অন্যতম প্রধান কাঁচামাল এবং সঠিক উত্তর। C) খনিজ লবণ — এটি খাবার ও বিভিন্ন রাসায়নিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, সিমেন্ট উৎপাদনে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। D) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু যা লবণ ও বিভিন্ন রাসায়নিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: সিমেন্ট দ্রুত জমে যাওয়া রোধ করে জিপসাম, তাই মনে রাখুন সিমেন্টের সাথে জিপসাম।
a Altair-8800
b DDP-1
c Mark-1
d IBM-1600 সিরিজ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Altair-8800 কেন সঠিক: - এটি মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে ইন্টেলের আইসি চিপ ব্যবহার করে তৈরি প্রথম সফল মিনি কম্পিউটার বা মাইক্রোকম্পিউটার। - ১৯৭৫ সালে বাজারে আসার পর এটি কম্পিউটার বিপ্লব ও পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Altair-8800 — এটি আইসি চিপ বা মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি প্রথম সফল বাণিজ্যিক মাইক্রোকম্পিউটার। B) DDP-1 — এটি কম্পিউটার কন্ট্রোল কর্পোরেশন দ্বারা উৎপাদিত একটি প্রারম্ভিক মেইনফ্রেম কম্পিউটার, যা আইসি চিপ ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার নয়। C) Mark-1 — এটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি একটি ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ভ্যাকুয়াম টিউব বা রিলে প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত ছিল। D) IBM-1600 সিরিজ — এটি আইবিএমের তৈরি ট্রানজিস্টর যুগের কম্পিউটার সিরিজ, যা মাইক্রোপ্রসেসর বা আইসি চিপ আসার আগের প্রযুক্তির। মনে রাখার টিপস: আল্টায়ার আটান্নশো কম্পিউটারটি আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার হিসেবে ১৯৭৫ সালে ইতিহাস সৃষ্টি করে।
a জাপান
b যুক্তরাজ্য
c কানাডা
d যুক্তরাষ্ট্র
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি বা সোলার ফার্নেস স্থাপন করেছে, যা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা সৃষ্টি করতে সক্ষম। - এই চুল্লিটি মূলত কেন্দ্রীভূত সৌর শক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তিগত ও মহাকাশ গবেষণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপান সৌর প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকলেও এই বিশেষ অতিশক্তিশালী সৌরচুল্লিটি তাদের দেশে অবস্থিত নয়। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য নবায়নযোগ্য শক্তিতে কাজ করলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এই চুল্লির অবস্থান যুক্তরাজ্যে নয়। C) কানাডা — কানাডা শীতল দেশের উপযোগী সৌর নিয়ে কাজ করে, তবে এই রেকর্ডধারী সৌরচুল্লি তাদের তৈরি নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ যুক্তরাষ্ট্র এই শক্তিশালী সৌরচুল্লিটি নির্মাণ ও সফলভাবে পরিচালনা করছে। মনে রাখার টিপস: সৌর শক্তিতে শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্র, তাই সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লিও যুক্তরাষ্ট্রেই তৈরি হয়েছে।
a নীল আলোতে
b বেগুনী আলোতে
c লাল আলোতে
d সবুজ আলোতে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাল আলোতে কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণের হার সবচেয়ে বেশি হয় দৃশ্যমান আলোর লাল এবং নীল অংশে, যার মধ্যে লাল আলোতে ক্লোরোফিল আলো সবচেয়ে বেশি শোষণ করে। - উদ্ভিদের পাতার ক্লোরোফিল রঞ্জক পদার্থ লাল ও নীল আলোতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে এবং সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল আলোতে — এই আলোতেও সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়, তবে লাল আলোর তুলনায় এর হার কিছুটা কম থাকে। B) বেগুনী আলোতে — এই আলোতে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে সালোকসংশ্লেষণের হার লাল আলোর মতো সর্বোচ্চ হয় না। C) লাল আলোতে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) সবুজ আলোতে — উদ্ভিদের পাতা সবুজ দেখায় কারণ এটি সবুজ আলো শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, তাই এতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়। মনে রাখার টিপস: গাছ লাল রঙ ভালোবাসে সবচেয়ে বেশি, তাই লাল আলোতেই সালোকসংশ্লেষণ হয় বেশি।
a পাহাড়ের উপর
b মেরু অঞ্চলে
c বিষুব অঞ্চলে
d খনির অভ্যন্তরে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেরু অঞ্চলে কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং বিষুবীয় অঞ্চলে একটু স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। - পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান এখানে সবচেয়ে বেশি হয়, ফলে বস্তুর ওজনও সর্বাধিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়ের উপর — পাহাড়ের উচ্চতা বেশি হওয়ায় কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়ে, ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও বস্তুর ওজন কমে যায়। B) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। C) বিষুব অঞ্চলে — পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। D) খনির অভ্যন্তরে — পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যাওয়ার সময় আকর্ষণকারী ভর কমে যাওয়ায় খনির গভীরে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। মনে রাখার টিপস: পৃথিবী মেরুতে চাপা তাই দূরত্ব কম, আর দূরত্ব কম হলে ওজন বেশি হয়।
a উদ্ভিদ
b প্রাণীদেহ
c মাটি
d বায়ুমন্ডল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়ুমন্ডল কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৭৮.০৯ শতাংশ নাইট্রোজেন গ্যাস বিদ্যমান রয়েছে যা পৃথিবীর প্রধান নাইট্রোজেন ভাণ্ডার। - অন্যান্য উৎসের তুলনায় বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্ভিদ — উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না, এরা মাটি থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। B) প্রাণীদেহ — প্রাণীদেহে নাইট্রোজেনের পরিমাণ খুব কম থাকে এবং এরা খাদ্যের মাধ্যমে তা গ্রহণ করে। C) মাটি — মাটিতে কিছু নাইট্রোজেন ও নাইট্র্রেট লবণ থাকে, যা বায়ুমণ্ডলের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। D) বায়ুমন্ডল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সর্বমোট নাইট্রোজেনের সিংহভাগ জমা থাকে। মনে রাখার টিপস: বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৭৮ শতাংশ, তাই বায়ুমণ্ডলই এর প্রধান উৎস।
a ১০৭৬
b ১১৭৬
c ১২৭৬
d ১৩৭৬
1 71 1 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৭৬ কেন সঠিক: - বাংলার ১১৭৬ সনে (ইংরেজী ১৭৭০ সালে) অবিভক্ত বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, যা ঐতিহাসিক ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। - এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ অনাহার ও মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০৭৬ — এই সনে বাংলার ইতিহাসে কোনো মন্বন্তর বা বড় ধরনের দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়নি। B) ১১৭৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সনেই বাংলার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল। C) ১২৭৬ — এই সনে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ঘটেনি, এটি সঠিক উত্তরের সাল থেকে অনেক পরের সময়। D) ১৩৭৬ — এই সনে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি, এটি আধুনিক যুগের কাছাকাছি একটি সাল। মনে রাখার টিপস: নাম ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হলেও সালটি হলো বাংলা ১১৭৬ সন।
a ফ্রান্স
b চীন
c জাপান
d কানাডা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - কাফকো বা কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জাপানের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায়। - এটি চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি যৌথ উদ্যোগের সার কারখানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স বাংলাদেশের এই সার কারখানা প্রতিষ্ঠায় প্রধান আর্থিক সহায়তাকারী দেশ নয়। B) চীন — চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে সহায়তা করলেও কাফকো প্রতিষ্ঠায় জড়িত নয়। C) জাপান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তরের পূর্ণ বিবরণ। D) কানাডা — কানাডা কাফকো প্রকল্পে প্রধান অর্থায়নকারী দেশ হিসেবে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: জাপানের নাম মনে রাখুন কাফকো সারের সঙ্গে, কারণ এশিয়ার এই দেশটি কারখানা প্রতিষ্ঠায় বড় অর্থায়ন করেছিল।
a ডা. জোহরা বেগম কাজী
b মনজুলা ময়মুন
c ডা. মমতাজ বেগম
d ডা. ফিরোজা বেগম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডা. জোহরা বেগম কাজী কেন সঠিক: - ডা. জোহরা বেগম কাজী ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী যিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেন এবং চিকিৎসাসেবা শুরু করেন। - তিনি ১৯৩৫ সালে ভারতের নয়াদিল্লির লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিকেল কলেজ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করে ব্যাচেলর অব মেডিসিন ও ব্যাচেলর অব সার্জারি ডিগ্রি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডা. জোহরা বেগম কাজী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসক। B) মনজুলা ময়মুন — এই নামে উপমহাদেশের চিকিৎসা ইতিহাসে কোনো প্রথিতযশা মুসলিম নারী চিকিৎসকের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি নেই। C) ডা. মমতাজ বেগম — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক হলেও উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসা বিজ্ঞানী নন। D) ডা. ফিরোজা বেগম — তিনি দেশের প্রথম নারী অধ্যাপক ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট হলেও প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসা বিজ্ঞানী নন। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশে নারীদের চিকিৎসাবিদ্যার শুরুতে সবার আগে কাজী পরিবারের জোহরা নাম মনে রাখবে।
a মেহগনি
b ইউক্যালিপটাস
c নারিকেল
d বৈলাম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৈলাম কেন সঠিক: - বৈলাম বাংলাদেশের দীর্ঘতম বৃক্ষ বা গাছ হিসেবে পরিচিত, যা মূলত পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। - এই গাছের উচ্চতা সাধারণত অনেক বেশি হয় এবং এর কাঠ বেশ শক্ত ও মূল্যবান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহগনি — এটি একটি দীর্ঘজীবী ও শক্ত কাঠ প্রদানকারী বৃক্ষ হলেও এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছের তালিকায় প্রথম স্থানে নেই। B) ইউক্যালিপটাস — এটি অস্ট্রেলিয়া থেকে আনীত একটি দ্রুত বর্ধনশীল গাছ, যা বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছ নয়। C) নারিকেল — এটি একটি পাম জাতীয় গাছ এবং এর উচ্চতা বৈলাম গাছের মতো সর্বোচ্চ হয় না। D) বৈলাম — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছ হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছ মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বৈলাম এবং 'ব' দিয়ে বাংলাদেশ মনে রাখতে পারো।
a অর্থনৈতিক
b রাজনৈতিক
c সামরিক
d আঞ্চলিক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সামরিক কেন সঠিক: - ANZUS হলো অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক নিরাপত্তা চুক্তি। - প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ নিরাপত্তা রক্ষা ও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এটি গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — এটি কোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক জোট নয়, এর মূল উদ্দেশ্য প্রতিরক্ষা। B) রাজনৈতিক — এটি রাজনৈতিক দল বা জোট নয়, বরং সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহের একটি সামরিক চুক্তি। C) সামরিক — এটি একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক চুক্তি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) আঞ্চলিক — যদিও নির্দিষ্ট অঞ্চলে গঠিত, তবে এটি মূল ও প্রধানত একটি সামরিক জোট হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ANZUS নামের প্রথম অক্ষরগুলো খেয়াল করলেই বোঝা যায় এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি।
a ৭ মার্চ
b ৭ এপ্রিল
c ১২ এপ্রিল
d ৭ মে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ এপ্রিল কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এর গঠনতন্ত্র কার্যকর হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করতে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়। - ১৯৪৮ সালের এই দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল বলে দিনটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ — এই তারিখে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস পালন করা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস নয়। B) ৭ এপ্রিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়। C) ১২ এপ্রিল — এই তারিখে মহাকাশে প্রথম মানব যাত্রার স্মরণে আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ যাত্রা দিবস পালন করা হয়। D) ৭ মে — এই তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য সচেতনতার সাতটি দিন মনে রাখতে এপ্রিল মাসের সাত তারিখ অর্থাৎ ৭ এপ্রিল মনে রাখুন।
a প্রথম ভার্সাই চুক্তি
b বার্লিন চুক্তি
c স্বাধীনতা চুক্তি
d ওয়াশিংটন চুক্তি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম ভার্সাই চুক্তি কেন সঠিক: - ১৭৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয়। - ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণে এটি প্রথম ভার্সাই চুক্তি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম ভার্সাই চুক্তি — যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বাধীনতার চুক্তি এটিই সঠিক। B) বার্লিন চুক্তি — এটি মূলত ইউরোপীয় বিভিন্ন ভূখণ্ড বণ্টন ও আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত, আমেরিকার স্বাধীনতার সঙ্গে নয়। C) স্বাধীনতা চুক্তি — এটি কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক চুক্তির আনুষ্ঠানিক নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ শব্দ। D) ওয়াশিংটন চুক্তি — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত পরবর্তীকালের বিভিন্ন সামরিক বা রাজনৈতিক চুক্তি, স্বাধীনতার চুক্তি নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা চুক্তির ক্ষেত্রে ফ্রান্সের ভার্সাই প্যালেস এবং ১৭৮৩ সাল মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
a ১০টি
b ৯টি
c ৭টি
d ৫টি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি কেন সঠিক: - জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি জোড়া দেওয়াল বা ফলক রয়েছে, যা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়কে নির্দেশ করে। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সাতটি আন্দোলনকে এই সাতটি ফলক বা স্তম্ভের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক বা স্তম্ভের সংখ্যা নয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) ৯টি — বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের সাথে বা জাতীয় স্মৃতিসৌধের গঠনের সাথে এই সংখ্যার কোনো মিল নেই। সি বা C) ৭টি — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এর ফলক বা স্তম্ভের সংখ্যা সাতটি। D) ৫টি — এই সংখ্যাটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক নির্দেশ করে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের স্তম্ভ বা ফলক মনে রাখতে ঐতিহাসিক বীরত্বের সাতটি বীরশ্রেষ্ঠ বা সাতটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যেখানে সংখ্যাটি হলো সাত।
a ইরাক এবং জর্ডান এর মধ্যে
b মিসর ও জর্ডানের মধ্যে
c ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে
d ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যে কেন সঠিক: - মৃত সাগর বা ডেড সি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি লবণাক্ত হ্রদ, যার পশ্চিম তীরে ইসরাইল এবং পূর্ব তীরে জর্ডান অবস্থিত। - এর পানির ঘনত্ব ও লবণাক্ততা এত বেশি যে মানুষ সহজেই এতে ভাসতে পারে এবং এর তলদেশ পৃথিবীর স্থলভাগের সর্বনিম্ন বিন্দু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক এবং জর্ডান এর মধ্যে — ইরাক মৃত সাগরের সীমান্তে অবস্থিত নয়, কারণ ইরাক ও মৃত সাগরের মাঝখানে সিরিয়া ও জর্ডানের অন্যান্য অংশ রয়েছে। B) মিসর ও জর্ডানের মধ্যে — মিসর আফ্রিকার উত্তর-পূর্বাংশে এবং সিনাই উপদ্বীপে অবস্থিত, যা মৃত সাগরের সীমানা থেকে দূরে অবস্থিত। C) ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে — ইরাক ও তুরস্ক মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও মৃত সাগর থেকে এদের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে। D) ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: মৃত সাগরের দুই পাড়ে বন্ধু রাষ্ট্র ইসরাইল ও জর্ডান দাঁড়িয়ে আছে।
a একটি ছত্রাক
b একটি শৈবাল
c ব্যাকটেরিয়া
d ভাইরাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একটি ছত্রাক কেন সঠিক: - মিউকর হলো একটি মৃতজীবী বা পরজীবী filamentous প্রকৃতির ছত্রাক, যা সাধারণত পচা জৈব পদার্থে জন্মায়। - এটি জাইগোমাইসিটিস শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত এবং এর বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত কাইটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি ছত্রাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মিউকর ব্রেড মোল্ড নামে পরিচিত এক প্রকার ছত্রাক। B) একটি শৈবাল — শৈবাল হলো স্বভোজী ও ক্লোরোফিলযুক্ত উদ্ভিদ, কিন্তু মিউকরের ক্লোরোফিল নেই এবং এটি পরজীবী বা মৃতজীবী। C) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রোপ্রিওটিক মাইক্রোঅর্গানিজম, আর মিউকর হলো বহুকোষী ইউক্যারিওটিক ছত্রাক। D) ভাইরাস — ভাইরাস হলো অকোষী এবং জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী সংক্রমণকারী কণা, যা মিউকর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: রুটিতে যে সাদা বা কালো তুলার মতো ছত্রাক জমে, সেটিই হলো মিউকর।

মোট প্রশ্ন (20)

a কালি-কলম
b মধুমাখা
c দশানন
d মাতাপিতা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধুমাখা ১. কেন সঠিক: - মধুমাখা শব্দটি ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় মধু দিয়ে মাখা, যা তৃতীয় পদ বা পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ করে। - তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, এখানে দিয়া বিভক্তি লোপ পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - বিভক্তির নামানুসারে তৎপুরুষ সমাসকে দ্বিতীয় থেকে সপ্তমী এবং আরও কয়েকটি উপবিভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিলপ্রমাণ ব্যাখ্যা: তিল প্রমাণ পরিমাণ, এটি মধ্যপদলোপী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: বিলাতফেরত ব্যাখ্যা: বিলাত থেকে ফেরত, এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালি-কলম — এটি দ্বন্দ্ব সমাস, কারণ এখানে কালি ও কলম উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান হয়েছে। B) মধুমাখা — এটি তৎপুরুষ সমাসের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো ত্রুটি নেই। C) দশানন — এটি বহুত্রী সমাস, কারণ দশ আনন যার অর্থে রাবণ নামক একজন তৃতীয় ব্যক্তিকে বোঝায়। D) মাতাপিতা — এটি দ্বন্দ্ব সমাস, কারণ মাতা ও পিতা উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান। ৫. মনে রাখার টিপস: - তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে কে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, এর, এ ইত্যাদি বিভক্তি বা অনুসর্গ থাকবে। - সমাসবদ্ধ পদে এই বিভক্তিগুলো সাধারণত লোপ পায় এবং পরের পদের অর্থ প্রাধান্য পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই বিভক্তি লোপ পাওয়া শব্দগুলো দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - সমাসের নাম নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্য করে কোন পদের অর্থ প্রধান তা খেয়াল রাখতে হবে।
a সরল
b বঙ্কিম
c বেঁটে
d ভঙ্গুর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিম ১. কেন সঠিক: - ঋজু শব্দের অর্থ সোজা বা সরল, যার বিপরীত অর্থ হলো বাঁকা বা বঙ্কিম। - বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনের সময় মূল শব্দের অর্থ এবং ব্যাকরণগত রূপের মিল রাখতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দকে বোঝায় যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সাধারণত তৎসম শব্দই ব্যবহার করার নিয়ম প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রসন্ন ব্যাখ্যা: প্রসন্ন শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ বিষণ্ন, যার অর্থ মন খারাপ বা মলিন। উদাহরণ ২: স্থাবর ব্যাখ্যা: স্থাবর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ জঙ্গম, যার অর্থ যা চলাচল করতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল শব্দের অর্থ সোজা, যা ঋজু শব্দের সমার্থক শব্দ কিন্তু বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) বঙ্কিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ বঙ্কিম শব্দের অর্থ বাঁকা যা ঋজুর বিপরীত। C) বেঁটে — বেঁটে শব্দের অর্থ খাটো, যা মূলত লম্বার বিপরীত শব্দ এবং ঋজুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) ভঙ্গুর — ভঙ্গুর শব্দের অর্থ যা সহজে ভাঙে, এটি ঋজু শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋজু মানে সোজা এবং বঙ্কিম মানে বাঁকা, এটি মনে রাখতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামের কথা স্মরণ রাখতে পারো। - বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পরিবর্তে শব্দের মূল অর্থ জেনে পড়লে দীর্ঘস্থায়ী হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের অর্থ জানা থাকলে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচন করা সহজ হয়।
a হত্যা করার ইচ্ছা = জিঘাংসা
b গম্ভীর ধ্বনি = বুক্কন
c হয়ত হবে = সম্ভাব্য
d যা লাফিয়ে চলে = তুরগ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হত্যা করার ইচ্ছা = জিঘাংসা কেন সঠিক: - বাক্যের সং সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই বাক্যটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। - হত্যার ইচ্ছা বোঝাতে জিঘাংসা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং সর্বজনস্বীকৃত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - কোনো নির্দিষ্ট ভাব বা বড় বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়। - যেমন, জানার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা, বাঁচার ইচ্ছা = জিবিষা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অপশনটি মূলত সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এটি সঠিক। - B) গম্ভীর ধ্বনি এর সঠিক এককথায় প্রকাশ হবে মন্দ্রে, বুক্কন ভুল শব্দ। - C) হয়ত হবে এর সঠিক এককথায় প্রকাশ সম্ভাব্য নয়, এটি পদের রূপ মাত্র। - D) যা লাফিয়ে চলে এর সঠিক এককথায় প্রকাশ প্লবক, তুরগ অর্থ ঘোড়া। মনে রাখার টিপস: - ইচ্ছা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশগুলো একসাথে পড়লে মনে রাখা সহজ হয়। - হ দিয়ে শুরু হলে সাধারণত জিঘাংসার মতো শব্দগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a প্রত্যুষ
b বীণাপানি
c মূঢ়
d চরিত্র
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বীণাপানি ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে 'বীণাপানি' শব্দটিকে অশুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি 'বীণাপাণি' (মূর্ধন্য ণ যুক্ত) হবে। - সমাসবদ্ধ পদে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়, তাই পানি শব্দের পূর্বে বীণা যুক্ত হয়ে বীণাপাণি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানান ও সমাসের নিয়মানুযায়ী তদ্ভব বা তৎসম শব্দে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার নির্দিষ্ট কিছু নিয়মে নিয়ন্ত্রিত হয়। - পানি শব্দের অর্থ হাত, আর বীণা হলো এক ধরনের বাদ্যযন্ত্র, যা সরস্বতীর হাতে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চূড়ামণি ব্যাখ্যা: এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ণ এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। উদাহরণ ২: চক্রপাণি ব্যাখ্যা: পানি শব্দের পূর্বে চক্র যুক্ত হয়ে চক্রপাণি গঠিত হয়েছে এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রত্যুষ — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বানান যার অর্থ প্রভাত বা ভোর। B) বীণাপানি — এটি অশুদ্ধ বানান কারণ সঠিক রূপটি হবে বীণাপাণি। C) মূঢ় — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ বোকা বা নির্বোধ। D) চরিত্র — এটি একটি শুদ্ধ বানান যার অর্থ স্বভাব বা আচরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - হাত অর্থে ব্যবহৃত পাণি শব্দে সবসময় মূর্ধন্য ণ হয়। - পানি মানে জল হলে দন্ত ন এবং পাণি মানে হাত হলে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পাণি বনাম পানি সংক্রান্ত বানান প্রায়ই আসে। - সমাসবদ্ধ পদে হাত বোঝাতে পাণি শব্দের বানান সবসময় মূর্ধন্য ণ দিয়ে লিখতে হবে।
a স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
b ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষা
c যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা
d ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত
0 122 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক কেন সঠিক: অপশন এ এর প্রতিটি শব্দ প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য। এই শব্দগুচ্ছের কোনোটিতেই বাংলা বানান নিয়মের অতিরিক্ত বা ভুল বর্ণ ব্যবহার করা হয়নি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী স্বয়ং এবং শাসন মিলে স্বায়ত্তশাসন শব্দটি সঠিক রূপ লাভ করে। তৎসম শব্দের বানান বিশ্লেষণে আভ্যন্তর এবং জন্মবার্ষিক শব্দদুটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ প্রমাণিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) ভবিষ্যত — এই অপশনের ভবিষ্যত বানানটি ভুল কারণ এর সঠিক রূপ ভবিষ্যৎ হবে এবং ভৌগলিক বানানেও ভুল রয়েছে। C) সম্বর্ধনা — এই অপশনের সম্বর্ধনা বানানটি ভুল কারণ প্রমিত রীতি অনুযায়ী এটি সংবর্ধনা হবে। D) কেবলমাত্র — এই অপশনের কেবলমাত্র বানানটি ভুল কারণ কেবল বা কেবলই লেখা উচিত, অতিরিক্ত মাত্র ব্যবহার বর্জনীয়। মনে রাখার টিপস: বানান শেখার সময় শেষের হসন্ত এবং ম এর ব্যবহার খুব ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম নিয়মিত চর্চা করলে এ ধরনের ভুল খুব সহজেই এড়ানো সম্ভব।
a সৌজন্নতা
b সৌজন্যতা
c সৌজন্ন
d সৌজন্য
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৌজন্য ১. কেন সঠিক: - সৌজন্য শব্দটির অর্থ ভালো ব্যবহার, শিষ্টাচার বা ভদ্রতা। - এটি একটি বিশেষ্য পদ যা সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুজন শব্দের অর্থ ভালো মানুষ। সুজন যোগ য প্রত্যয় যুক্ত হলে গুণ বৃদ্ধি হয়ে স + য = সৌ হয় এবং শব্দটি সৌজন্যে পরিণত হয়। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুইবার প্রত্যয় যুক্ত করা অশুদ্ধ। তাই সুজন যোগ য যোগ তা একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মাধুর্য ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাধুর্য শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে মধুর যোগ য হয়েছে মাধুর্য। উদাহরণ ২: দারিদ্র্য ব্যাখ্যা: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে দরিদ্র যোগ য হয়েছে দারিদ্র্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সৌজন্নতা — এই বানানটি ভুল কারণ একই সঙ্গে য ফলা এবং তা প্রত্যয় দুইবার ব্যবহার করা হয়েছে। B) সৌজন্যতা — এই শব্দটিতেও সৌজন্য শব্দের শেষে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। C) সৌজন্ন — এই বানানে মধ্যন রয়েছে যা ভুল এবং বানানটিতে য প্রত্যয় বা মূল রূপ সঠিক নয়। D) সৌজন্য — এটি সম্পূর্ণ সঠিক বানান ও গঠন যা প্রমিত বাংলা বানরীতি অনুযায়ী অনুমোদিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৌজন্নতা বা সৌজন্যতা বলতে কোনো শব্দ বাংলায় নেই। সুজন থেকে সৌজন্য হয়, তাই শেষের তা বাদ দিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানানের জন্য এই প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই নিয়মে দৈন্যতা অশুদ্ধ এবং দীনতা বা দৈন্য শুদ্ধ বানান হিসেবে গণ্য করা হয়।
a অসম্ভব চালাক
b একই দলের লোক
c একতাই বল
d বর্ষাকালীন মাছ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) একই দলের লোক কেন সঠিক: - কই মাছ সাধারণত ঝাঁক বেঁধে চলায় অভ্যস্ত এবং একটি কই ধরলে অন্যগুলোও সহজে ধরা পড়ে। - এই স্বভাবের সাথে মিল রেখে একই স্বভাব বা দলের মানুষজনকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষার অভিধানে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - সমাজবদ্ধ মানুষের দলবদ্ধ আচরণ বা একই ধরনের চরিত্রের মানুষকে ফুটিয়ে তুলতে এই প্রবচনটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। - যেমন, চোরেরা সবাই ঝাঁকের কই, তাই একজনের অপরাধ ঢাকতে অন্যরাও সাহায্য করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) অসম্ভব চালাক — এই অর্থের জন্য শকুনি মামা কিংবা তেড়ে আনা বাগধারা ব্যবহৃত হয়। - B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অপশন বসানো হলো। - C) একতাই বল — এই সার্বজনীন সত্যটি বোঝাতে দশের লাঠি একের বোঝা বা একতাই বল প্রবচনটি প্রযোজ্য। - D) বর্ষাকালীন মাছ — এটি কোনো বাগধারার অর্থ নয়, বরং কই মাছের প্রজনন ঋতু বা সময়কে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: - কই মাছ দল বেঁধে বা ঝাঁকে চলে, তাই ঝাঁকের কই মানেই হলো একই দল বা স্বভাবের মানুষ।
a বকধার্মিক, ভিজা বেড়াল
b রুই-কাতলা, কেউকেটা
c বকধার্মিক, বিড়াল তপস্বী
d অমাবশ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বকধার্মিক, বিড়াল তপস্বী ১. কেন সঠিক: - 'বকধার্মিক' এবং 'বিড়াল তপস্বী' উভয় বাগধারারই একই অর্থ, যার অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা ধূর্ত ব্যক্তি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক বাগধারা জোড় হিসেবে কোনটি সবচেয়ে উপযুক্ত, তা নির্ণয় করতে এই ধরনের প্রশ্ন আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও ভাবময় অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে দুটি বাগধারাই মানুষের কপটতা ও বাহ্যিক সাধুতার আড়ালে পাপাচার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমাজের বকধার্মিকদের থেকে সবসময় সাবধান থাকা উচিত। ব্যাখ্যা: এখানে ভণ্ড বা কপট স্বভাবের মানুষদের বোঝাতে বকধার্মিক বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই বিড়াল তপস্বী মানুষটির মিষ্টি কথায় ভুলো না। ব্যাখ্যা: এখানে শান্ত স্বভাবের আড়ালে ক্ষতিকর বা ধূর্ত প্রকৃতির মানুষকে বোঝাতে বিড়াল তপস্বী ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বকধার্মিক, ভিজা বেড়াল — বকধার্মিক অর্থ ভণ্ড সাধু এবং ভিজা বেড়াল অর্থ নির্বোধ বা নাদুসনুদুস কিন্তু ভেতরে চালাক, তাই এরা পুরোপুরি সমার্থক নয়। B) রুই-কাতলা, কেউকেটা — রুই-কাতলা অর্থ বড় মাপের ব্যক্তি এবং কেউকেটা অর্থ প্রভাবশালী ব্যক্তি, এদের মধ্যে অর্থের সামান্য সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। D) অমাবশ্যার চাঁদ, আকাশ কুসুম — অমাবশ্যার চাঁদ অর্থ দুর্লভ বস্তু এবং আকাশ কুসুম অর্থ অসম্ভব কল্পনা, তাই এরা সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বক এবং বিড়াল উভয়ই অত্যন্ত ধূর্তভাবে শিকার ধরে, তাই এই দুই প্রাণীর নামযুক্ত বাগধারা দুটি ভণ্ড বা কপট চরিত্রের সমার্থক হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক বাগধারা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের জোড় বা তুলনাভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a অগভীর সতর্ক নিদ্রা
b কাকের নিদ্রার ন্যায়
c অনিষ্ট চিন্তা
d কপট নিদ্রা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগভীর সতর্ক নিদ্রা ১. কেন সঠিক: - 'কাকনিদ্রা' একটি বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা বাগধারাধর্মী শব্দ, যার মাধ্যমে এমন একটি ঘুমে থাকার অবস্থাকে বোঝানো হয় যখন মানুষ গভীর ঘুমে থাকে না বরং সামান্য শব্দ বা নড়াচড়াতেই জেগে ওঠে। - কাক অত্যন্ত চালাক ও সতর্ক পাখি বিধায় সামান্য আভাষ পেলেই সে উড়ে যায়, এই স্বভাবটিকেই মানুষের হালকা ও সতর্ক ঘুমের সঙ্গে তুলনা করে এই শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি অর্থভিত্তিক শব্দ বা এককথায় প্রকাশজাত শব্দ, যা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। - বাংলা শব্দভাণ্ডারে কিছু প্রাণীবাচক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে মানুষের আচরণ বোঝানোর জন্য এ ধরনের শব্দ বা বাগধারা গঠিত হয়েছে, যা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সারারাত জেগে ডিউটি করার কারণে ক্লান্ত সৈনিকের ঘুম ছিল মূলত কাকনিদ্রা, একটু শব্দ হলেই সে জেগে উঠছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে গভীর নয় বরং অত্যন্ত হালকা ও সতর্ক ঘুম বোঝাতে কাকনিদ্রা শব্দটির সঠিক প্রয়োগ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার আগের রাতে আশরাফের ঘুম ছিল কাকনিদ্রা, কারণ সে বারবার ভাবছিল সকালে সময়মতো উঠতে পারবে তো। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত উদ্বেগের কারণে সহজে ভেঙে যায় এমন হালকা ঘুম বোঝাতে শব্দটির সার্থক ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগভীর সতর্ক নিদ্রা — এটি সঠিক উত্তর কারণ শব্দটির প্রচলিত আভিধানিক অর্থ এটিই। B) কাকের নিদ্রার ন্যায় — এটি বাহ্যিক বা আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষের হালকা ঘুম বোঝাতে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহীত হয় না। C) অনিষ্ট চিন্তা — এটি কুমানসিকতা বা ষড়যন্ত্রমূলক ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ঘুমের অবস্থার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) কপট নিদ্রা — এটি ভান করে ঘুমানো বা ঘুমের অভিনয় করা বোঝায়, যা সতর্ক ঘুমের সম্পূর্ণ বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাক যেমন সামান্য শব্দেই উড়ে পালায়, তেমনি যে ঘুম একটু শব্দেই ভেঙে যায় তাকেই কাকনিদ্রা বলে মনে রাখবে। - প্রাণীর স্বভাবের সঙ্গে মানুষের আচরণের তুলনা করা শব্দগুলো মনে রাখলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাণীর স্বভাবভিত্তিক শব্দ ও বাগধারা প্রায়ই আসে। - এ ধরনের শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে মূল ভাবার্থ বা রূপক অর্থ মনে রাখা আবশ্যক।
a আরবি
b ফারসি
c ইংরেজি
d সংস্কৃত
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি সংস্কৃত ব্যাকরণগত পরিভাষা যা বাংলা ভাষায় সরাসরি যুক্ত হয়েছে। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই রীতি বাংলা ব্যাকরণে বাক্য সংক্ষেপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি নতুন ও সংক্ষিপ্ত পদ তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: দুটি পদ একত্রিত হয়ে সমাসের মাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত রূপ ধারণ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে কিন্তু সমাসের রীতিটি আরবি ব্যাকরণ থেকে আসেনি। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ বাংলায় প্রবেশ করলেও সমাসরীতি আসেনি। C) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষার প্রভাবে বাংলায় কিছু নতুন শব্দের সৃষ্টি হয়েছে তবে সমাস ইংরেজি থেকে আসেনি। D) সংস্কৃত — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমাসরীতি সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকেই বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সমাস মানে সংক্ষেপ করা আর প্রাচীন ব্যাকরণের বেশিরভাগ নিয়মই সংস্কৃত থেকে এসেছে। সংস্কৃত হলো ব্যাকরণের মূল উৎস, তাই সমাসরীতিও সংস্কৃত ভাষা থেকেই আগত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং ব্যাকরণগত পরিভাষার উৎস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মনে রাখবে সন্ধি এবং সমাস উভয় ব্যাকরণিক প্রক্রিয়াই মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
a বাগ + আম্বর
b বাগ + আড়ম্বর
c বাক + অম্বর
d বাক্‌ + আড়ম্বর
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বাক্‌ + আড়ম্বর ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ সূত্র এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। পদের অন্তে অবস্থিত ক, চ, ট, ত, প বর্ণগুলোর পরে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে সেই অঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণগুলো নিজ বর্গের তৃতীয় ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্‌ শব্দের অন্তে থাকা ক বর্ণটি স্বরবর্ণ আ এর প্রভাবে গ এ পরিবর্তিত হয়েছে এবং পরবর্তীতে আ যুক্ত হয়ে গা হয়েছে। এই নিয়মে বাক্‌ এর ক এবং আড়ম্বর এর আ মিলে গা হয়েছে এবং শব্দটি বাগাড়ম্বর রূপ লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দিক + অন্ত = দিগন্ত ব্যাখ্যা: ক এর পরে স্বরবর্ণ অ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে এবং দিগন্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুপ + অন্ত = সুবন্ত ব্যাখ্যা: প এর পরে স্বরবর্ণ অ থাকায় প পরিবর্তিত হয়ে ব হয়েছে এবং সুবন্ত শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাগ + আম্বর — এখানে প্রথম অংশে বাক্‌ এর পরিবর্তে বাগ এবং দ্বিতীয় অংশে আড়ম্বর এর পরিবর্তে আম্বর লেখা হয়েছে যা সঠিক নয়। B) বাগ + আড়ম্বর — এখানে প্রথম অংশ বাক্‌ না লিখে বাগ লেখা হয়েছে যা মূল শব্দের গঠনে ভুল। C) বাক + অম্বর — এখানে দ্বিতীয় অংশে আড়ম্বর এর পরিবর্তে অম্বর লেখা হয়েছে যা শব্দের অর্থের সাথে মিলে না। D) বাক্‌ + আড়ম্বর — এটি সঠিক কারণ এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখবে যে প্রথম পদের শেষে হসন্তযুক্ত ক, চ, ট, ত, প থাকলে তা সাধারণত পরিবর্তনে গ, জ, ড, দ, ব হয়। বাগাড়ম্বর শব্দের ক্ষেত্রে বাক্‌ এর ক রূপান্তরিত হয়ে গ হয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে যেখানে ক, চ, ট, ত, প এর সাথে স্বরবর্ণের মিলনের নিয়ম পরীক্ষা করা হয়। এই জাতীয় শব্দ দেখলে প্রথম অংশ হসন্তযুক্ত বর্ণ দিয়ে ভাঙতে হবে।
a নকশী কাঁথার মাঠ
b সোজনবাদিয়ার ঘাট
c সকিনা
d রাখালী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নকশী কাঁথার মাঠ ১. কেন সঠিক: - নকশী কাঁথার মাঠ জসীমউদ্‌দীনের শ্রেষ্ঠ ও বিশ্বখ্যাত কাহিনীকাব্য। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর কাব্যগ্রন্থ যা পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের খ্যাতি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন বাংলা রোমান্টিক ও পল্লীসাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। - এই কাহিনীকাব্যটি রূপসা নদীর তীরবর্তী এক গ্রামের সাজু ও রূপাইয়ের গ্রামীণ প্রেমের করুণ ট্র্যাজেডি নিয়ে রচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাখালী ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্‌দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা তার পল্লীপ্রকৃতির প্রেমের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: সোজনবাদিয়ার ঘাট ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্‌দীনের আরেকটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গ্রামীণ প্রেমের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নকশী কাঁথার মাঠ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কবির শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত। B) সোজনবাদিয়ার ঘাট — এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাহিনীকাব্য হলেও এটি কবির শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) সকিনা — এটি কোনো কাহিনীকাব্য নয়, এটি জসীমউদ্‌দীনের একটি বিখ্যাত খণ্ডকবিতা বা চরিত্র। D) রাখালী — এটি জসীমউদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ, কোনো কাহিনীকাব্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - জসীমউদ্‌দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনীকাব্য বললে চোখ বন্ধ করে নকশী কাঁথার মাঠ দাগাতে হবে। - রাখালী প্রথম কাব্য এবং নকশী কাঁথার মাঠ শ্রেষ্ঠ কাব্য হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যগ্রন্থটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিশ্বসাহিত্যে সমাদৃত। - কবি জসীমউদ্‌দীনকে পল্লীকবি বলা হয় কারণ তার কবিতায় বাংলার পল্লীপ্রকৃতি ও মানুষের জীবন নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।
a ১৩টি
b ৯৬টি
c ১০২টি
d ১১৮টি
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১৮টি ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো ১১৮টি, কারণ জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতায় মোট ১১৮টি পংক্তি বা লাইন রয়েছে। - বাংলা কবিতার ইতিহাসে গ্রামীণ জনপদের দুঃখ-কষ্ট ও স্বজন হারানোর বেদনা ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে এই কবিতার পংক্তিগুলো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কবিতাটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচনা করেছেন এবং এটি তাঁর 'রাখাল ছেলে' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। - ১৯২৫ সালে প্রকাশিত এই কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি যা গ্রামীণ জীবনের শোকগাথাকে ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' ব্যাখ্যা: এটি জসীমউদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত দীর্ঘ কবিতা বা গাথা কাব্য, যা পল্লীজীবনের প্রেমাখ্যান নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের 'ন নকশিকাঁথার মাঠ' ব্যাখ্যা: এটি কবির অপর একটি বিখ্যাত ও নন্দিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩টি — এটি ভুল, কারণ ১৩ সংখ্যাটি এই কবিতার পংক্তি সংখ্যার সঙ্গে কোনোভাবেই মিলে না এবং এটি একটি কাল্পনিক সংখ্যা। B) ৯৬টি — এটি ভুল, কারণ ৯৬ সংখ্যাটি বাংলা কবিতার কোনো নির্দিষ্ট বড় আকারের কবিতার পংক্তি হিসেবে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না। C) ১০২টি — এটি ভুল, কারণ ১০২ হলো একটি ভিন্ন সংখ্যা যা 'কবর' কবিতার মোট পংক্তি ১১৮টির চেয়ে কম। D) ১১৮টি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ গণনা অনুযায়ী এই কবিতায় নির্ভুলভাবে ১১৮টি পংক্তি রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার পংক্তি সংখ্যা মনে রাখতে ১১৮ সংখ্যাটি মনে রাখুন। - কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালে, যা বাংলা সাহিত্যে পল্লীগীতির ধারাকে সমৃদ্ধ করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত কবিতার পংক্তি সংখ্যা প্রায়ই আসে। - কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম এবং পংক্তি সংখ্যা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বিভুতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়
b মানিক বন্দোপাধ্যায়
c শহীদুল্লাহ কায়সার
d নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - "অপরাজিত" হলো বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য উপন্যাস যার রচয়িতা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। - এটি মূলত অপু ও দুর্গার জীবনের ওপর লেখা বিখ্যাত উপন্যাস পথের পাঁচালীর পরবর্তী পর্ব এবং অপরুপ্র জীবনবোধের প্রকাশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের প্রকৃতিবাদী ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। - তার এই উপন্যাসটি বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে গ্রামীণ জীবন ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের এক অসামান্য দলিল হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পথের পাঁচালী ব্যাখ্যা: এটিও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কালজয়ী উপন্যাস এবং অপরাজিত উপন্যাসের প্রথম পর্ব। উদাহরণ ২: আরণ্যক ব্যাখ্যা: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত প্রকৃতির রূপ ও অরণ্যজীবনের এক অপূর্ব পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই উপন্যাসের মূল রচয়িতা। B) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি প্রগতিশীল ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যেমন পদ্মার নদী মাঝি, কিন্তু তিনি অপরাজিত লেখেননি। C) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি সারাবেলা ও সংশপ্তক উপন্যাসের জন্য পরিচিত হলেও অপরাজিত তার রচনা নয়। ডি) নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় — তিনি লাল শালু বা অন্য কোনো এই ধারার উপন্যাসের সাথে যুক্ত নন, তিনি মূলত উপনিবেশবিরোধী ও সাহিত্যিক ধারার লেখক। ৫. মনে রাখার টিপস: - পথের পাঁচালী যার অপরাজিতও তার, অর্থাৎ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি। - অপু চরিত্রের বিকাশ দেখতে হলে বিভূতিভূষণের এই দুটি উপন্যাস মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাসগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চরিত্রভিত্তিক উপন্যাস যেমন অপু-দুর্গা আসলে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখতে হবে।
a আহসান হাবীব
b সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
c শওকত ওসমান
d আবুল ফজল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শওকত ওসমান ১. কেন সঠিক: - ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসের রচয়িতা প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমান। - এই উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত একটি রাজনৈতিক রূপক উপন্যাস, যেখানে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শওকত ওসমান ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক জন প্রগতিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার লেখক। - তার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান এবং জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায়, তবে তিনি বাংলাদেশের কথাসাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জলাঙ্গি ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা নদীমাতৃক মানুষের জীবন সংগ্রাম নিয়ে রচিত। উদাহরণ ২: জননী ব্যাখ্যা: এটি শওকত ওসমান রচিত প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা গ্রামবাংলার মানুষের নিদারুণ দারিদ্র্য ও কষ্টের রূপ ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহসান হাবীব — ইনি মূলত আধুনিক বাংলা কবিতার একজন খ্যাতনামা কবি ও সাংবাদিক ছিলেন, কোনো উপন্যাসিক নন। B) সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ — তিনি বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত প্রখ্যাত উপন্যাসিক হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো লালসালু ও কাঁদো নদী কাঁদো। D) আবুল ফজল — তিনি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক হলেও তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো চৌচির ও রাঙ্গা প্রভাত। ৫. মনে রাখার টিপস: - শওকত ওসমানের রাজনৈতিক রূপক উপন্যাস মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে ক্রীতদাস সমাজ ও রাজার প্রতীকী গল্পে তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন। - তার ক্রীতদাসের হাসি এবং রাজা উপন্যাসে একই ধরনের রাজনৈতিক রূপক পাওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসটির প্রকাশকাল ১৯৬২ সাল এবং এর জন্য লেখক আদমজী সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রাজনৈতিক উপন্যাসের নাম ও লেখকের নাম জানতে চাওয়া হয়।
a করণ কারক
b অপাদান কারক
c সম্প্রদান কারক
d অধিকরণ কারক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণ কারক ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার আধার, সময় বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। - এখানে 'কান্নায়' শব্দটি শোক কমার ক্ষেত্র বা বিষয় নির্দেশ করছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগে এই কারক সাধিত হয়েছে। - কোনো বিষয়ে বা কোনো কিছুতে নিপ্রীতি বা ভাব বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যকরণে তার ভালো দখল আছে ব্যাখ্যা: এখানে ব্যকরণ একটি বিষয়, যা অধিকরণ কারকের উদাহরণ। উদাহরণ ২: মায়ায় কান্নায় মন ভরে যায় ব্যাখ্যা: এখানে কান্নায় হলো ভাব বা বিষয়ের প্রকাশ, যা অধিকরণ কারকের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণ কারক — করণ অর্থ সাহায্য বা উপায়, কিন্তু কান্না এখানে কোনো যন্ত্র বা উপায় নয়। B) অপাদান কারক — অপাদান অর্থ বিচ্যুতি বা দূরত্ব, যা এখানে প্রকাশ পাচ্ছে না। C) সম্প্রদান কারক — সম্প্রদান অর্থ নিঃস্বার্থ দান, যা এই বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন। D) অধিকরণ কারক — সঠিক উত্তর, কারণ এটি শোক কমার ক্ষেত্র বা বিষয় বোঝাচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বাক্যে বিষয়, ভাব বা ক্ষেত্র বোঝালে তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়। - কিসের মাধ্যমে প্রশ্ন করলে করণ এবং কিসের ওপর বা কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষয়াধিকরণ বা ভাবাধিকরণের উদাহরণ প্রায়ই আসে। - বাক্যের অর্থ বুঝে কারক নির্ণয় করতে হবে, শুধু মুখস্থ করে নয়।
a কর্তায় দ্বিতীয়া
b অপাদানে ৭মী
c কর্মে দ্বিতীয়া
d অধিকরণে ৭মী
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: বাক্যটিতে ঝিনুক থেকে মুক্তা মেলার কথা বলা হয়েছে, যা উৎস, বিচ্যুতি বা উৎপন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যা থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন, বিচ্যুত, জাত বা বিরত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে এবং শব্দের সাথে যুক্ত 'এ' বিভক্তিটি সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তির রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অপাদান কারকের সংজ্ঞা হলো ক্রিয়া যার কাছ থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বিরত, রক্ষিত ও ভীত হয় এবং যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে। বিভক্তি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের সাথে 'এ' বা 'য়' যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা পাত্র কিংবা সপ্তমী বিভক্তির অন্তর্ভূক্ত হলে তাকে ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে। ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে, তাই গাছ অপাদানে ৭মী বিভক্তি। উদাহরণ ২: তিল থেকে তেল হয়। ব্যাখ্যা: তিল থেকে তেল উৎপন্ন হচ্ছে, তাই তিল অপাদানে ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় দ্বিতীয়া — কর্তাকারকে সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) কর্মে দ্বিতীয়া — কর্মকারকে কাকে বা কি প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় এবং দ্বিতীয়ায় 'কে' বা 'রে' বিভক্তি থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারকে স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে মুক্তা ঝিনুক থেকে উৎপন্ন বা জাত হওয়ায় এটি অধিকরণ না হয়ে অপাদান কারক হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: কোথাও থেকে উৎপন্ন, জাত, বিচ্যুত বা ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ পেলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। উৎপন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে উৎস বা মূল উপাদান সব সময় অপাদান কারક হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উৎপত্তি বা উৎস বোঝালে সেটি সবসময় অপাদান কারক হয়। বিসিএস পরীক্ষায় কারક নির্ণয়ের জন্য বাক্যটির অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে।
a নূরজাহান
b রাবণবধ
c সধবার একাদশী
d ডাকঘর
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নূরজাহান ১. কেন সঠিক: - নূরজাহান নাটকটি ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে। - মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবনের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার ছায়াবলম্বনে এটি লেখা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচয়িতা বিখ্যাত নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহজাহান ব্যাখ্যা: এটিও দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। উদাহরণ ২: মীরকাশিম ব্যাখ্যা: এটি বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের ইতিহাস নিয়ে রচিত গিরিজাপ্রসন্ন রায়ের একটি ঐতিহাসিক নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরজাহান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক। B) রাবণবধ — এটি ঐতিহাসিক নাটক নয়, বরং এটি একটি পৌরাণিক বা মহাকাব্যিক কাহিনীর ওপর রচিত সাহিত্যকর্ম। C) সধবার একাদশী — এটি কোনো ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি দীনবন্ধু মিত্রের রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন। D) ডাকঘর — এটি কোনো ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি রূপক ও সাংকেতিক নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো মনে রাখার জন্য নূরজাহান, শাহজাহান ও মীরসিংহ নামের সূত্র মনে রাখতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাটকগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
a কবর
b শর্মিষ্ঠা
c ভদ্রার্জুন
d নীল দর্পণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভদ্রার্জুন ১. কেন সঠিক: - ভদ্রার্জুন হলো বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সার্থক নাটক। - এই নাটকের রচয়িতা তারাচরণ শিকদার এবং এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তারাচরণ শিকদার ১৮৫২ সালে ভদ্রার্জুন নাটক রচনা করেন। - এটি মহাভারতের অর্জুনের সুভদ্রা হরণ উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত একটি পৌরাণিক নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কীর্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত রচিত একটি নাটক যা ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কুলীনকুলসর্বস্ব ব্যাখ্যা: এটি রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত বাংলা ভাষায় মৌলিক সামাজিক নাটক যা ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবর — এটি মুনির চৌধুরী রচিত প্রথম শহীদ দিবসভিত্তিক নাটক এবং এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। B) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম বাংলা নাটক এবং এটি ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। C) ভদ্রার্জুন — এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম নাটক এবং ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। D) নীল দর্পণ — এটি দীনবন্ধু মিত্র রচিত বিখ্যাত সামাজিক নাটক এবং এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার প্রথম নাটকের নাম ভদ্রার্জুন এবং এর রচয়িতা তারাচরণ শিকদার। - সালটি মনে রাখতে পারেন যে এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রথম নাটক ও প্রথম মৌলিক নাটকের পার্থক্য মনে রাখা জরুরি। - ভদ্রার্জুন হলো প্রথম নাটক এবং শর্মিষ্ঠা হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম নাটক।
a শব্দের মিলন
b ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি
c শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি
d বর্ণের মিল
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি ১. কেন সঠিক: সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণ সহজ করা এবং ভাষার মধ্যে ধ্বনিগত মাধুর্য বা সৌন্দর্য সৃষ্টি করা। দ্রুত কথা বলার সময় পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনি সহজেই উচ্চারিত হওয়ার জন্য যে পরিবর্তন সাধিত হয়, তাকেই সন্ধি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা কাছাকাছি দুটি ধ্বনির মিলনে যে পরিবর্তন বা সংক্ষেপণ ঘটে, তাকে সন্ধি বলে। সন্ধির ফলে উচ্চারণের সুবিধা হয় এবং বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা উচ্চারণকে সহজ ও মধুর করেছে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়। ব্যাখ্যা: অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়ে শব্দের উচ্চারণ দ্রুত ও শ্রুতিমধুর করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের মিলন — শব্দের মিলনকে সমাস বলা হয়, সন্ধি শব্দের মিলন ঘটায় না বরং ধ্বনির মিলন ঘটায়। B) ধ্বনিগত মাধুর্য সৃষ্টি — এটি সঠিক কারণ সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে মাধুর্য আনা। C) শব্দগত মাধুর্য সৃষ্টি — শব্দগত মাধুর্য মূলত অলংকার বা সমাসের কাজ, সন্ধির কাজ সরাসরি ধ্বনি নিয়ে। D) বর্ণের মিল — সন্ধি মূলত বর্ণের মিলন নয়, এটি মূলত উচ্চারণগত ধ্বনির মিলন। ৫. মনে রাখার টিপস: সন্ধি মানে ধ্বনির মিলন এবং এর প্রধান লক্ষ্য হলো ধ্বনিগত মাধুর্য ও উচ্চারণ সহজ করা। শব্দ মিললে সমাস হয় আর ধ্বনি মিললে সন্ধি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সন্ধির উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, অপশনে ধ্বনিগত মাধুর্য না থাকলে উচ্চারণ সহজ করা কথাটি খুঁজতে হবে।

মোট প্রশ্ন (20)

a By whom it can be done
b By whom can it be do
c By whom can it be done
d By whom can it be did
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) By whom can it be done কেন সঠিক: বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসে। এরপর টেন্স ও পার্সোন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভাব Can এবং অবজেক্ট ইট বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom it can be done — এখানে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভাব বসে না। ফলে এটি ইন্টারোগেটিভ বাক্য হয়নি। B) By whom can it be do — মডেল অক্সিলিয়ারি ভাব ক্যান এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে। এখানে do বসানো হয়েছে যা ভুল। C) By whom can it be done — এটি সঠিক উত্তর। কারণ এতে সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। D) By whom can it be did — মডেল অক্সিলিয়ারি ভাব ক্যান এর পরে ভি থ্রি বা পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে। এখানে did ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত ইন্টারোগেটিভ বাক্যকে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom এবং শেষে মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a vicious
b kind
c serious
d well-behaved
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) vicious কেন সঠিক: mischievous শব্দটির অর্থ দুষ্টু বা ক্ষতিকর। vicious শব্দটির অর্থও ক্ষতিকর বা হিংস্র, তাই এটি সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) vicious — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ক্ষতিকর বা দুষ্ট প্রকৃতির। B) kind — এর অর্থ দয়ালু, যা mischievous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) serious — এর অর্থ গম্ভীর, যা দুষ্টু প্রকৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত একটি শব্দ। D) well-behaved — এর অর্থ ভালো আচরণের অধিকারী, যা mischievous শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: mischievous এবং vicious দুটি শব্দই নেতিবাচক বা খারাপ গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a anxiety
b concern
c compassion
d ardour
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ardour কেন সঠিক: Indifference শব্দের অর্থ ঔদাসীন বা উদাসীনতা, যার বিপরীত শব্দ হিসেবে ardour বা প্রবল উৎসাহ যথাযথ। Ardour শব্দের অর্থ তীব্র আবেগ বা অনুরাগ, যা উদাসীনতার ঠিক উল্টো অবস্থা প্রকাশ করে। এই দুটি শব্দের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী সম্পর্কের কারণে এটি সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) anxiety — এর অর্থ উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ, যা সরাসরি উদাসীনতার বিপরীত বা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। B) concern — এর অর্থ উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা, যা এখানে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) compassion — এর অর্থ সহানুভূতি বা করুণা, যা মূলত ভালোবাসার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। D) ardour — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: উদাসীনতা মানে কোনো আগ্রহ না থাকা, আর উৎসাহ বা ardour মানে প্রবল আগ্রহ থাকা।
a opportunity
b artistic
c shortcoming
d enduring
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) shortcoming কেন সঠিক: Pitfall শব্দের অর্থ হলো বিপদ, ভুল বা কোনো কাজের গোপন ত্রুটি। Shortcoming শব্দের অর্থ হলো মানুষের কাজের ত্রুটি বা দুর্বলতা, যা Pitfall এর সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) opportunity — এর অর্থ সুযোগ বা সম্ভাবনা, যা Pitfall শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) artistic — এর অর্থ শৈল্পিক বা শিল্পকলা সংক্রান্ত, যার সাথে Pitfall শব্দের কোনো মিল নেই। C) shortcoming — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই। D) enduring — এর অর্থ দীর্ঘস্থায়ী বা টেকসই, যা Pitfall শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: পিটফাল বা গর্তে পড়া মানেই জীবনে কোনো শর্টকামিং বা দুর্বলতা থাকা।
a integrated
b abnormal
c odd
d orderly
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) orderly কেন সঠিক: - 'Queer' শব্দের অর্থ অদ্ভুত, অস্বাভাবিক বা অগোছালো। - 'Orderly' শব্দের অর্থ সুশৃঙ্খল বা গোছালো, যা queer শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) integrated — এর অর্থ সংহত বা একত্রিত, যা queer শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) abnormal — এর অর্থ অস্বাভাবিক, যা queer শব্দের সমার্থক বা প্রায় সমার্থক শব্দ। C) odd — এর অর্থ অদ্ভুত বা জোড়-বিজোড়, যা queer শব্দের একটি সমার্থক শব্দ। D) orderly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সুশৃঙ্খল যা অদ্ভুত বা অগোছালো শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Queer মানে অদ্ভুত আর orderly মানে শৃঙ্খਲিত, অদ্ভুত জিনিসের কোনো শৃঙ্খলা থাকে না।
a at
b in
c by
d with
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) by কেন সঠিক: ঘড়ি বা কোনো যন্ত্রের সাহায্যে সময় জানার ক্ষেত্রে সবসময় 'by' প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়। প্রশ্নটিতে ঘড়িতে কয়টা বাজে তা জানতে চাওয়া হয়েছে এবং ঘড়ির নির্দেশ বোঝাতে 'by' সঠিক। ঘড়ির ক্ষেত্রে 'by your watch' একটি প্রমিত নিয়ম বা ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) at — ঘড়ির সময়ের ক্ষেত্রে 'at' ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট কোনো সময় বোঝাতে, ঘড়ির ভেতরের সময় নির্দেশ করতে নয়। বি) in — কোনো কিছুর ভেতরে বোঝাতে 'in' বসে, কিন্তু ঘড়ির ক্ষেত্রে এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। সি) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। ডি) with — কোনো যন্ত্র দিয়ে কাজ করা বোঝালেও ঘড়ির সময় দেখার ক্ষেত্রে 'with' ব্যবহার করার নিয়ম নেই। মনে রাখার টিপস: ঘড়ির সময় দেখার ক্ষেত্রে সবসময় 'by your watch' মনে রাখবে কারণ এটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
a for
b upon
c with
d after
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) upon কেন সঠিক: এখানে count upon একটিPhrase বা গ্রুপ ভার্ব। এর অর্থ হলো কারো ওপর নির্ভর করা। বাক্যের অর্থ হলো আমি তোমার সাহায্যের ওপর নির্ভর করছি। তাই শূন্যস্থানে সঠিক প্রপজিশন হবে upon। বাকি অপশন কেন ভুল: A) for - count for অর্থ গুরুত্ব বহন করা, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) upon - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) with - count with কোনো প্রচলিত গ্রুপ ভার্ব বা সঠিক প্রপজিশন নয়। D) after - count after অর্থ পরে গণনা করা, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: নির্ভর করা বোঝাতে count এর সাথে সবসময় upon বা on ব্যবহার করতে হয়।
a brevity
b shortness
c briefly
d None of these
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) brevity কেন সঠিক: Brief শব্দটির অর্থ সংক্ষিপ্ত এবং এর সঠিক নাউন রূপটি হলো brevity। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শেষে ty যুক্ত করে অনেক সময় নাউন গঠন করা হয়। তাই brevity শব্দটির পার্ট অব স্পিচ হলো নাউন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) brevity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) shortness — এটি সঠিক হলেও brief শব্দের নির্দিষ্ট ও মূল নাউন রূপ brevity। C) briefly — এই শব্দটির শেষে ly থাকায় এটি একটি অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করে। D) None of these — যেহেতু প্রথম অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি brief শব্দের শেষে ty যোগ করে সহজেই তার নাউন রূপ brevity মনে রাখা যায়।
a taxation
b taxing
c taxably
d taxable
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) taxable কেন সঠিক: ‘Taxable’ শব্দটির শেষে ‘able’ যুক্ত আছে যা সাধারণত ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো নাউনের পরে বসে সেটিকে অ্যাডজেক্টিভে রূপান্তর করে। এই শব্দটি কোনো বস্তু বা আয়ের ওপর কর আরোপযোগ্য কি না তা বোঝাতে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) taxation — এটি একটি নাউন কারণ এর শেষে ‘ation’ সাফিক্স যুক্ত আছে এবং এটি কর বা কর ধার্য করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। B) taxing — এটি সাধারণত ভার্বের সাথে ‘ing’ যুক্ত হয়ে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জিরান্ড হিসেবে কাজ করে, যা ক্লান্তিকর অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) taxably — এটি একটি অ্যাডভার্ব কারণ এর শেষে ‘ly’ যুক্ত আছে এবং এটি কোনো কাজের ধরন প্রকাশ করে। D) taxable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে ‘able’, ‘ful’, ‘less’ ইত্যাদি সাফিক্স বা প্রত্যয় দেখলে সাধারণত সেগুলোকে অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে চিনে নিতে হবে।
a We were pleased with him
b We are pleased with him
c We are pleased by him
d By whom can it be did
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) We are pleased with him কেন সঠিক: এখানে প্রদত্ত বাক্যটি বর্তমানকালের সাধারণ বা প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে। তাই প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট অনুযায়ী am, is, are এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল form বসে। please বা satisfy জাতীয় কিছু verb-এর পর by না বসে preposition হিসেবে with বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We were pleased with him — বাক্যটি অতীতকালে গঠিত হয়েছে, কিন্তু মূল বাক্যটি বর্তমানকালে ছিল। B) We are pleased with him — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। C) We are pleased by him — please verb-এর পর সঠিক preposition হিসেবে with বসে, by নয়। D) By whom can it be did — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাক্য গঠনের প্যাসিভ রূপ এবং এর ব্যাকরণগত গঠন ভুল। মনে রাখার টিপস: please বা satisfy শব্দগুলোর পর সাধারণত by-এর পরিবর্তে with প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a late speech
b early speech
c last speech
d first speech
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) first speech কেন সঠিক: - "Maiden speech" একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের বা কর্মজীবনের প্রথম বক্তৃতা। - বিশেষ করে সংসদীয় রাজনীতিতে কোনো নতুন নির্বাচিত সদস্যের প্রথম ভাষণকে মেইডেন স্পিচ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) late speech — এই অপশনটি ভুল কারণ 'late' অর্থ বিলম্বিত বা মৃত, যা প্রথম বক্তৃতার ধারণার সঙ্গে মেলে না। B) early speech — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কেবল সকালের বা সাধারণ সময়ের পূর্বের বক্তব্য বোঝায়, কোনো আনুষ্ঠানিক প্রথম ভাষণ নয়। C) last speech — এই অপশনটি ভুল কারণ 'last' অর্থ শেষ, যা মেইডেন শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) first speech — এই অপশনটি সঠিক কারণ 'maiden' শব্দের আক্ষরিক ও রূপক অর্থ প্রথম বা কুমারী, যা প্রথম ভাষণ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' শব্দের অর্থ প্রথম বা নতুন (যেমন Maiden voyage বা প্রথম সমুদ্রযাত্রা); তাই Maiden speech মানেই প্রথম বক্তৃতা।
a My father said that the will have a cup of tea because be was not hungry
b My father said that he would have a cup of tea because he has not hungry
c My father said that he would have had a cup of tea because he was not hungry
d My father said that he had a cup of tea because he was not hungry
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) My father said that he would have a cup of tea because he has not hungry কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভার্ব past tense এ থাকার কারণে Direct speech এর will পরিবর্তন হয়ে indirect speech এ would হয়। প্রথম অংশের present tense এর I পরিবর্তিত হয়ে third person হিসেবে he এ রূপান্তর ঘটে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এখানে he এর পরিবর্তে the ব্যবহার করা হয়েছে এবং tense এর সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। B) এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে নরেশন পরিবর্তন করা হয়েছে। C) এখানে would have এর সাথে past participle ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ পরিবর্তন করে দেয়। D) এখানে will have এর বদলে সরাসরি past tense ব্যবহার করায় মূল বাক্যের অর্থ বদলে গেছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ will থাকলে indirect speech এ সাধারণত would হয় এবং tense পরিবর্তন হয়।
a My friends asked me not to leave my room unlocked
b My friends reminded me to lock my room
c My friends advised me to lock my room
d My friends warned me not to leave my room unlocked
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) My friends advised me to lock my room কেন সঠিক: - সরাসরি ন্যারেশনে 'had better' যুক্ত বাক্য দিয়ে উপদেশ বোঝানো হলে ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে Reporting Verb পরিবর্তন করে 'advise' বা 'suggest' ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যের মূল ভাব হলো কামরা খোলা না রেখে তালাবদ্ধ করার উপদেশ দেওয়া, যা অপশন সি-তে ইতিবাচক ও নির্ভুলভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) My friends asked me not to leave my room unlocked — 'had better not' এর ক্ষেত্রে শুধু 'asked' ব্যবহার করলে সঠিক উপদেশ বা সতর্কবার্তা সম্পূর্ণ হয় না। B) My friends reminded me to lock my room — এটি মূল বাক্যের অর্থ পুরোপুরি প্রকাশ করে না কারণ এখানে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কোনো প্রসঙ্গ নেই। C) My friends advised me to lock my room — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। D) My friends warned me not to leave my room unlocked — বাক্যটিতে ভয়ের বা ক্ষতির আশঙ্কা না থাকায় 'warned' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বেমানান। মনে রাখার টিপস: had better যুক্ত বাক্যে যদি উপদেশ বা পরামর্শ বোঝায়, তবে ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় Reporting Verb হিসেবে advised ব্যবহার করতে হয়।
a He said to me
b He asked to me,
c He said to me,
d He said me.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) He said to me, কেন সঠিক: - রিপোর্টেড স্পিচটি প্রশ্নবোধক বাক্য হওয়ায় রিপোর্টিং ভার্বটি পরিবর্তিত হয়ে asked হয় এবং direct speech-এ ফিরে যাওয়ার সময় তা said-এ রূপান্তরিত হয়। - অবজেক্ট থাকলে said-এর পরে বাধ্যতামূলকভাবে to বসে এবং ইনভার্টেড কমা বসানোর আগে কমা ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) He said to me — এই অপশনে সরাসরি ইনভার্টেড কমার আগের অংশ দেওয়া হলেও পূর্ণাঙ্গ ডাইরেক্ট স্পিচের গঠন বা প্রশ্নবোধক চিহ্নের ধারাবাহিকতা অসম্পূর্ণ। বি) He asked to me, — said-এর পরিবর্তে asked বসালে তার পরে কখনো to বসে না, সরাসরি অবজেক্ট বসে। সি) He said to me, — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী ডাইরেক্ট স্পিচের রিপোর্টিং অংশের সঠিক গঠন নির্দেশ করে। ডি) He said me, — said-এর পরে অবজেক্ট বসালে মাঝখানে অবশ্যই to preposition বসাতে হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইনডাইরেক্টে asked থাকলে ডাইরেক্ট করার সময় said to ব্যবহার করবে কারণ asked-এর পরে কখনো to বসে না।
a I felt his pulse
b I found his pulse
c I examined his pulse
d I saw his pulse
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I felt his pulse কেন সঠিক: ১. মানুষের নাড়ি বা পালস দেখার সঠিক ইংরেজি ভার্ব হলো feel। নাড়ির গতি অনুভব করতে হয় বলে I felt his pulse বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক। ২. চিকিৎসकीय পরিভাষায় নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে feel ব্যবহার করাই নিয়ম। ৩. এই বাক্যের গঠন ও শব্দের ব্যবহার ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I felt his pulse — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ সঠিক। B) I found his pulse — find অর্থ খোঁজা, যা নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে মানানসই নয়। C) I examined his pulse — examine রোগ বা শরীর পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে বসে, নাড়ি দেখার ক্ষেত্রে এটি বেমানান। D) I saw his pulse — pulse দেখা যায় না, অনুভব করতে হয় বলে saw ব্যবহার করা ভুল। মনে রাখার টিপস: নাড়ি বা পালস দেখার ক্ষেত্রে সবসময় feel ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a The matter was informed in the police
b The matter had been informed of the police
c The police were informed of the matter
d The police was informed of the matter
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The police were informed of the matter কেন সঠিক: পুলিশ শব্দটি দেখতে একবচন হলেও এটি সবসময় বহুবচন হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর পরে সবসময় বহুবচন সাহায্যকারী ক্রিয়া হিসেবে were বসে। কাকে জানানো হলো তা বোঝাতে inform এর পরে অবজেক্ট হিসেবে of বসে। কোনো বিষয়ে কাউকে জানানো অর্থে passive voice এর সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The matter was informed in the police — পুলিশকে জানানো অর্থে in বসে না, অবজেক্টের পূর্বে of বসাতে হয়। B) The matter had been informed of the police — এখানে tense এর ভুল ব্যবহারের পাশাপাশি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ উল্টো হয়ে গেছে। C) The police were informed of the matter — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) The police was informed of the matter — police শব্দটির পরে was লেখা ভুল কারণ এটি সর্বদা বহুবচন হিসেবে বিবেচিত হয়। মনে রাখার টিপস: police শব্দের পরে সবসময় were বসে was বসে না এবং inform এর পরে of ব্যবহার করতে হয়।
a She had faith and hopes for the future
b She had faith in and hopes for the future
c She had faith and hopes in the futrue
d She had faith and hope in future
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) She had faith in and hopes for the future কেন সঠিক: ১. faith শব্দের পর সঠিক preposition হিসেবে ইন বসে এবং hopes শব্দের পর ফর বসে। ২. দুটি ভিন্ন preposition সঠিক রাখার জন্য এখানে দুটিরই আলাদা ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। ৩. বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had faith and hopes for the future — এখানে faith শব্দের পর উপযুক্ত preposition ইন ব্যবহার করা হয়নি। C) She had faith and hopes in the future — এখানে hopes শব্দের পর ভুল preposition ইন ব্যবহার করা হয়েছে। D) She had faith and hope in future — এখানে hope শব্দের পর সঠিক preposition এবং future শব্দের আগে দ্য আর্টিকেল ব্যবহার করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: একাধিক শব্দের সঙ্গে যখন আলাদা preposition বসে, তখন প্রতিটির সঙ্গে সঠিক preposition যুক্ত করতে হয়।
a Pneumonia
b Dyspepsia
c Diarrhoea
d Cholera
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: প্রশ্নে ভুল আছে। প্রদত্ত সঠিক উত্তর Cholera নয়, কারণ এই প্রশ্নে কোনো বানান ভুল নেই অথবা প্রশ্নটিতে বানান ভুলের অপশন সেট করতে ত্রুটি রয়েছে। এখানে প্রতিটি অপশনের বানান সম্পূর্ণ সঠিক। কেন সঠিক: - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Pneumonia, Dyspepsia, Diarrhoea এবং Cholera সবগুলো শব্দের বানানই অভিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Spelling বা বানান শুদ্ধিকরণ অংশে একটি ভুল বানান দেওয়া থাকে, কিন্তু এই প্রশ্নে কোনো ভুল বানান নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pneumonia — এই শব্দের বানান সম্পূর্ণ সঠিক (পি-এন-ই-ইউ-এম-ও-এন-আই-এ), যার অর্থ নিউমোনিয়া রোগ। B) Dyspepsia — এই শব্দের বানান সঠিক (ডি-ওয়াই-এস-পি-ই-পি-এস-আই-এ), যার অর্থ অজীর্ণ বা বদহজম। C) Diarrhoea — এই শব্দের বানান সঠিক (ডি-আই-এ-আর-আর-এইচ-ও-ই-এ), যা ব্রিটিশ বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক। D) Cholera — এই শব্দের বানান সম্পূর্ণ সঠিক (সি-এইচ-ও-এল-ই-আর-এ), যার অর্থ কলেরা রোগ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বানান মনে রাখার জন্য কঠিন শব্দগুলো বারবার লিখে অভ্যাস করতে হবে এবং Silent Letter বা নীরব বর্ণগুলোর ব্যবহার মনে রাখতে হবে।
a accelerate
b accilerate
c accelerrate
d accilarate
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) accelerate কেন সঠিক: শব্দটিতে সঠিক উপসর্গ হিসেবে ac ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর পরে ce পর্যন্ত ঠিক আছে। মূল বানানটিতে c এবং l এর সঠিক বিন্যাস রয়েছে যা সঠিক উচ্চারণ নিশ্চিত করে। এর শেষাংশে erate অংশটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে। এটি বানানের আদর্শ নিয়ম মেনে চলা একমাত্র অপশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) accelerate - এটি সঠিক বানান হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য শব্দ। B) accilerate - এখানে মাঝের অংশে i ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানের নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) accelerrate - এখানে শেষের দিকে অতিরিক্ত r ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়ে গেছে। D) accilarate - এখানে শেষের দিকে ar এর পরিবর্তে ir ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখতে একে ভেঙে পড়ুন যেমন ac-cel-er-ate এবং মাঝখানের ডাবল c ও একটি l ভালোভাবে খেয়াল রাখুন।
a to save oneself
b to be self-respectful
c to keep calm
d None of these
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to keep calm কেন সঠিক: এই idiomatic expression টির আক্ষরিক অর্থ মাথা ঠিক রাখা হলেও এর ভাবার্থ হলো কঠিন পরিস্থিতিতেও শান্ত থাকা এবং মাথা ঠান্ডা রাখা। জীবনের জটিল মুহূর্তে আত্মসংবরণ করা এবং ঘাবড়ে না গিয়ে পরিস্থিতি বুদ্ধিমত্তার সাথে সামলানোই হলো এর মূল উদ্দেশ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to save oneself — এই অপশনটি আক্ষরিক অর্থে নিজেকে বাঁচানোর কথা বললেও এই idiom টির সাথে কোনো মিল নেই। বিপদের দিনে নিজেকে রক্ষা করা এবং শান্ত থাকা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। B) to be self-respectful — এই অপশনটি মানুষের আত্মমর্যাদা বা সম্মান বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা আলোচ্য প্রবাদটির মূল অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মাথা ঠান্ডা রাখার সাথে আত্মমর্যাদার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। C) to keep calm — এই অপশনটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে বিবেচ্য নয়। এটি সঠিক অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) None of these — যেহেতু অপশন সি সঠিক উত্তর হিসেবে বিদ্যমান তাই এই অপশনটি সঠিক হতে পারে না। মনে রাখার টিপস: মাথা বা brain গরম না করে ঠান্ডা রাখা মানেই হলো to keep calm.

মোট প্রশ্ন (20)

a ১৫ লিটার
b ১৮ লিটার
c ১২ লিটার
d ১০ লিটার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, প্রশ্নমতে, ৭ক + ৩ক = ৬০ বা, ১০ক = ৬০ বা, ক = ৬০ ÷ ১০ = ৬ সুতরাং, পানির পরিমাণ = ৩ × ৬ লিটার = ১৮ লিটার উত্তর: ১৮ লিটার
a 16
b 12
c 10
d 9
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪ গুণ x এর বর্গ − mx + ৯ ধরি, রাশিটিকে a এর বর্গ − ২ab + b এর বর্গ আকারে সাজানো যায় প্রথম পদটি হলো (২x) এর বর্গ এবং শেষ পদটি হলো ৩ এর বর্গ অতএব, মাঝের পদটি হবে ২ গুণ (২x) গুণ ৩ হিসাব করলে পাওয়া যায় ১২x সুতরাং, mx এর পরিবর্তে ১২x হলে রাশিটি একটি পূর্ণ বর্গ হবে উত্তর: ১২
a 25
b -25
c 5
d -5
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ৫)(a + x) = x২ − ২৫ ধরি, সমীকরণের ডানপক্ষকে সূত্র অনুযায়ী ভাঙলে পাই x২ − ৫২ অতএব, (x − ৫)(a + x) = (x + ৫)(x − ৫) সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে (x − ৫) বাদ দিলে পাই a + x = x + ৫ উত্তর: a = ৫
a ৫ ঘণ্টায়
b ৬ ঘণ্টায়
c ৭ ঘণ্টায়
d ৮ ঘণ্টায়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ ঘণ্টায় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১০ ঘণ্টায় দ্বিতীয় নল দ্বারা চৌবাচ্চা পূর্ণ হয় ১৫ ঘণ্টায় ধরি, সম্পূর্ণ চৌবাচ্চার পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, প্রথম নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ১ ÷ ১০ অংশ দ্বিতীয় নল ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে = ১ ÷ ১৫ অংশ সুতরাং, নল দুটি একত্রে ১ ঘণ্টায় পূর্ণ করে = (১ ÷ ১০) + (১ ÷ ১৫) অংশ = ৫ ÷ ৩০ অংশ = ১ ÷ ৬ অংশ উত্তর: ৬ ঘণ্টায়
a ১৩ বছর
b ১৬ বছর
c ১৫ বছর
d ১৪ বছর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩ বছর প্রদত্ত তথ্য: মোট লোকসংখ্যা = ৬ জন পুরুষ + ৮ জন স্ত্রীলোক + ১ জন বালক = ১৫ জন সকলের বয়সের গড় = ৩৫ বছর ধরি, ৬ জন পুরুষের বয়সের সমষ্টি = ৬ × ৪০ = ২৪০ বছর ৮ জন স্ত্রীলোকের বয়সের সমষ্টি = ৮ × ৩৪ = ২৭২ বছর ১৫ জন মোট ব্যক্তির বয়সের সমষ্টি = ১৫ × ৩৫ = ৫২৫ বছর অতএব, পুরুষ ও স্ত্রীলোকের বয়সের মোট সমষ্টি = ২৪০ + ২৭২ = ৫১২ বছর বালকের বয়স নির্ণয়ের জন্য মোট বয়স থেকে পুরুষ ও স্ত্রীলোকের বয়স বাদ দিতে হবে হিসাবটি হলো: ৫২৫ − ৫১২ = ১৩ বছর সুতরাং, বালকের বয়স বের হলো ১৩ বছর উত্তর: ১৩ বছর
a ৪৮
b ৫২
c ৬০
d ৭২
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গসাগু = ২ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ সুতরাং, ১০ × ক = ৭২০ উত্তর: ক = ৭২০ ÷ ১০ = ৭২
a ৩ জন
b ৫ জন
c ৭ জন
d ১০ জন
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ জন প্রদত্ত তথ্য: ক্লাসের মোট ছাত্রসংখ্যা ৩০ জন ফুটবল খেলে ১৮ জন এবং ক্রিকেট খেলে ১৪ জন কোনো খেলায় অংশ নেয় না ৫ জন ধরি, কমপক্ষে একটি খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ৩০ − ৫ = ২৫ জন শুধু ফুটবল খেলে এবং শুধু ক্রিকেট খেলে এমন শিক্ষার্থীদের হিসাব করতে হবে উভয় খেলা খেলে এমন ছাত্রের সংখ্যা = ক জন অতএব, শুধু ফুটবল খেলে = ১৮ − ক জন শুধু ক্রিকেট খেলে = ১৪ − ক জন সুতরাং, (১৮ − ক) + (১৪ − ক) + ক = ২৫ ৩২ − ক = ২৫ উত্তর: ক = ৭ জন
a ৫৬ এবং ১৪ বছর
b ৩৬ এবং ৯ বছর
c ৩২ এবং ৮ বছর
d ৪০ এবং ১০ বছর
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ এবং ৯ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল পুত্রের বয়সের দশগুণ ধরি, পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ছয় বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৬ বছর ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৪ক − ৬ বছর সুতরাং, শর্তমতে, ৪ক − ৬ = ১০ × (ক − ৬) সমাধান করে পাই, ৬ক = ৫৪ বা ক = ৯ উত্তর: পুত্রের বর্তমান বয়স ৯ বছর এবং পিতার বর্তমান বয়স ৩৬ বছর
a ৫৫
b ৩৬
c ৪৫
d ৭২
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৫ প্রদত্ত তথ্য: ধারাটি হলো ১, ৩, ৬, ১০, ১৫, ২১ এটি একটি সমান্তর নয় তবে এর পদগুলোর অন্তর একটি সমান্তর ধারা তৈরি করে ধরি, প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩ তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬ অতএব, চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০ পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫ ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১ সুতরাং, দশম পদ পর্যন্ত যোগ করে বা নিয়ম মেনে পাই, ১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০ উত্তর: ৫৫
a ২০০০ টাকা
b ১৮০০ টাকা
c ১৬০০ টাকা
d ১৫০০ টাকা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি ভেড়ার মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান ২টি গরুর মূল্য ৩০০০ টাকা ধরি, ১টি গরুর মূল্য = ৩০০০ ÷ ২ = ১৫০০ টাকা অতএব, ৫টি গরুর মূল্য = ১৫০০ × ৫ = ৭৫০০ টাকা সুতরাং, ১৫টি ভেড়ার মূল্য = ৭৫০০ টাকা উত্তর: ৭৫০০ ÷ ১৫ × ৩ = ১৫০০ টাকা
a ৮
b ১২
c ২৪
d ৩৬
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: তারের মোট দৈর্ঘ্য = ৫ ফুট = ৬০ ইঞ্চি (১ ফুট = ১২ ইঞ্চি) তারের দুটি অংশের অনুপাত বা সম্পর্ক দেওয়া আছে ধরি, বড় অংশটি = ক ইঞ্চি ছোট অংশটি = (২ ÷ ৩) × ক ইঞ্চি অতএব, ক + (২ ÷ ৩) × ক = ৬০ (৫ ÷ ৩) × ক = ৬০ ৫ × ক = ৬০ × ৩ = ১৮০ সুতরাং, ক = ১৮০ ÷ ৫ = ৩৬ ইঞ্চি (বড় অংশ) ছোট অংশ = ৬০ − ৩৬ = ২৪ ইঞ্চি উত্তর: ২৪ ইঞ্চি
a ১৫
b ১২
c ১০
d ৯
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
গাণিতিক ব্যাখ্যা: ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%। শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20% শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10% উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60% অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90% সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10% উত্তর: 10%
a ৩২০ টাকা
b ৩৫০ টাকা
c ২৮০ টাকা
d ২৪০ টাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩২০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৪০০ টাকা ক্ষতির হার = ২০% ধরি, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ক্ষতি ২০ টাকা বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২০ = ৮০ টাকা অতএব, ১০০ টাকায় ক্রয় করলে বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা ১ টাকায় ক্রয় করলে বিক্রয়মূল্য ৮০ ÷ ১০০ টাকা সুতরাং, ৪০০ টাকায় ক্রয় করলে বিক্রয়মূল্য (৮০ × ৪০০) ÷ ১০০ টাকা = ৩২০ টাকা উত্তর: ৩২০ টাকা
a ১ এবং ২
b ২ এবং ৪
c ৪ এবং ৮
d ৮ এবং ১৬
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ এবং ৪ প্রدত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার অনুপাত এক অনুপাত দুই ধরি, প্রথম জোড় সংখ্যাটি = দুই ক দ্বিতীয় জোড় সংখ্যাটি = চার ক অতএব, প্রশ্নমতে, দুই ক ও চার ক হলো ক্রমিক জোড় সংখ্যা সুতরাং, ক এর মান এক বসালে সংখ্যা দুটি হয় দুই এবং চার উত্তর: ২ এবং ৪
a একটিমাত্র ত্রিভুজ আঁকা যায়
b দুটিমাত্র ত্রিভুজ আঁকা যায়
c কোনো ত্রিভুজ আঁকা যায় না
d অনেকগুলো ত্রিভুজ আঁকা যায়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনেকগুলো ত্রিভুজ আঁকা যায় প্রদত্ত তথ্য: শুধুমাত্র সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে ত্রিভুজ আঁকার জন্য আর কোনো বাহু বা কোণের মাপ দেওয়া নেই ধরি, অতিভুজের দৈর্ঘ্য = ক লম্ব ও ভূমির মান পরিবর্তনশীল হতে পারে অতএব, লম্ব ও ভূমির বিভিন্ন মানের জন্য বিভিন্ন ত্রিভুজ তৈরি করা সম্ভব পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অতিভুজ ঠিক রেখে লম্ব ও ভূমি বদলানো যায় সুতরাং, একই অতিভুজ দিয়ে অসীম সংখ্যক ভিন্ন মাপের সমকোণী ত্রিভুজ আঁকা যায় উত্তর: অনেকগুলো ত্রিভুজ আঁকা যায়
a ৩
b ৫
c ২৫/৯
d ২২/৭
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫/৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে এখানে বৃত্তের পরিধি এবং ব্যাসের নির্দিষ্ট সম্পর্ক ব্যবহার করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাস = ক বৃত্তের পরিধি = পাই × ক অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = (পাই × ক) ÷ ক অনুপাতের মান হিসাব করলে পাই এর মান পাওয়া যায় এই বিশেষ ক্ষেত্রে পরীক্ষার প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক মান ধরা হয়েছে সুতরাং, অনুপাতটি সমস্ত হিসাব সম্পন্ন করে নির্ধারিত হয় প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি বা নির্দিষ্ট মান হলো ২৫/৯ উত্তর: ২৫/৯
a 4
b 5
c 3
d 2
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি রাশির যোগফল = ৫ দুটি রাশির বিয়োগফল = ৩ ধরি, প্রথম রাশি = a দ্বিতীয় রাশি = b অতএব, a + b = ৫ a − b = ৩ আমরা জানি, ab এর সূত্র হলো (a + b) ÷ ২ এর বর্গ বিয়োগ (a − b) ÷ ২ এর বর্গ অতএব, (৫ ÷ ২) এর বর্গ বিয়োগ (৩ ÷ ২) এর বর্গ = ২৫ ÷ ৪ বিয়োগ ৯ ÷ ৪ সুতরাং, (২৫ − ৯) ÷ ৪ = ১৬ ÷ ৪ উত্তর: ৪
a ৯০ মিটার
b ৭০ মিটার
c ৭৫ মিটার
d ৮০ মিটার
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিন গুণ আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল তিনশত বর্গমিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার অতএব, ক্ষেত্রফল = (৩ক × ক) বর্গমিটার = ৩০০ বর্গমিটার ৩ × ক এর বর্গ = ৩০০ ক এর বর্গ = ১০০ সুতরাং, ক = ১০ মিটার প্রস্থ = ১০ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৩০ মিটার পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (৩০ + ১০) মিটার = ৮০ মিটার উত্তর: ৮০ মিটার
a ৭
b ৮
c ৬
d ১৩
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: ভগ্নাংশটি হলো ৭ ভাগ ১৭ নির্ণেয় নতুন ভগ্নাংশটি হবে ৩ ভাগ ৫ ধরি, যোগ করতে হবে ক সংখ্যাটি তাহলে লব হবে ৭ + ক এবং হর হবে ১৭ + ক অতএব, শর্তমতে পাই (৭ + ক) ÷ (১৭ + ক) = ৩ ÷ ৫ ৫ গুণ (৭ + ক) = ৩ গুণ (১৭ + ক) সুতরাং, ৩৫ + ৫ক = ৫১ + ৩ক ৫ক − ৩ক = ৫১ − ৩৫ উত্তর: ২ক = ১৬, সুতরাং ক = ৮
a ৪% কমবে
b ৪% বাড়বে
c ২% কমবে
d অপরিবর্তিত থাকবে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪% কমবে প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য কুড়ি শতাংশ বাড়ানো হল আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ কুড়ি শতাংশ কমানো হল ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = একশ একক আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক প্রস্থ = একশ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = একশ গুণ একশ = দশ হাজার বর্গ একক পরিবর্তিত দৈর্ঘ্য = একশ কুড়ি একক পরিবর্তিত প্রস্থ = আশি একক সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = একশ কুড়ি গুণ আশি = নয় হাজার ছয়শ বর্গ একক ক্ষেত্রফল কমল = দশ হাজার বিয়োগ নয় হাজার ছয়শ = চারশ বর্গ একক উত্তর: চারশ ভাগ একশ = চার শতাংশ বা চার% কমবে

মোট প্রশ্ন (20)

a পাহাড়ের উপর
b মেরু অঞ্চলে
c বিষুব অঞ্চলে
d খনির অভ্যন্তরে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেরু অঞ্চলে কেন সঠিক: - পৃথিবীর আকৃতি সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং বিষুবীয় অঞ্চলে একটু স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা। - পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় অভিকর্ষজ ত্বরণের মান এখানে সবচেয়ে বেশি হয়, ফলে বস্তুর ওজনও সর্বাধিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাহাড়ের উপর — পাহাড়ের উচ্চতা বেশি হওয়ায় কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়ে, ফলে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও বস্তুর ওজন কমে যায়। B) মেরু অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। C) বিষুব অঞ্চলে — পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এখানে অভিকর্ষজ ত্বরণ ও বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। D) খনির অভ্যন্তরে — পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যাওয়ার সময় আকর্ষণকারী ভর কমে যাওয়ায় খনির গভীরে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়। মনে রাখার টিপস: পৃথিবী মেরুতে চাপা তাই দূরত্ব কম, আর দূরত্ব কম হলে ওজন বেশি হয়।
a উদ্ভিদ
b প্রাণীদেহ
c মাটি
d বায়ুমন্ডল
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়ুমন্ডল কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৭৮.০৯ শতাংশ নাইট্রোজেন গ্যাস বিদ্যমান রয়েছে যা পৃথিবীর প্রধান নাইট্রোজেন ভাণ্ডার। - অন্যান্য উৎসের তুলনায় বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উদ্ভিদ — উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না, এরা মাটি থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। B) প্রাণীদেহ — প্রাণীদেহে নাইট্রোজেনের পরিমাণ খুব কম থাকে এবং এরা খাদ্যের মাধ্যমে তা গ্রহণ করে। C) মাটি — মাটিতে কিছু নাইট্রোজেন ও নাইট্র্রেট লবণ থাকে, যা বায়ুমণ্ডলের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। D) বায়ুমন্ডল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সর্বমোট নাইট্রোজেনের সিংহভাগ জমা থাকে। মনে রাখার টিপস: বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ৭৮ শতাংশ, তাই বায়ুমণ্ডলই এর প্রধান উৎস।
a চাঁদের তিথি অনুসারে
b ২৪ ঘন্টা
c ১২ ঘন্টা
d ৬ ঘন্টা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ ঘন্টা কেন সঠিক: - চাঁদ ও পৃথিবীর পারস্পরিক আকর্ষণ এবং পৃথিবীর আবর্তনের কারণে জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি হয়। - একটি জোয়ারের ঠিক পরবর্তী জোয়ার সাধারণত ১২ ঘন্টা পর সংঘটিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাঁদের তিথি অনুসারে — তিথি অনুসারে জোয়ারের প্রাবল্য বা মরা জোয়ার নির্ধারিত হয়, দুই জোয়ারের নির্দিষ্ট ব্যবধান নয়। B) ২৪ ঘন্টা — ২৪ ঘন্টায় সাধারণত দুটি জোয়ার ও দুটি ভাটা হয়, তাই এটি একটি জোয়ারের ব্যবধান নয়। C) ১২ ঘন্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ পর পর দুটি জোয়ারের গড় ব্যবধান প্রায় ১২ ঘন্টা হয়। D) ৬ ঘন্টা — জোয়ার ও ভাটার মধ্যবর্তী সময় ব্যবধান প্রায় ৬ ঘন্টা হয়, দুটি জোয়ারের ব্যবধান নয়। মনে রাখার টিপস: পর পর দুটি জোয়ারের ব্যবধান ১২ ঘন্টা এবং জোয়ার ও ভাটার ব্যবধান ৬ ঘন্টা মনে রাখবে।
a ১৭৯৫ সালে
b ১৭৯৩ সালে
c ১৭৮৯ সালে
d ১৭৮৫ সালে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৮৯ সালে কেন সঠিক: - ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল ১৭৮৯ সালে এবং এর সূচনা ঘটেছিল তৎকালীন ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইয়ের রাজত্বকালে। - এই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সে দীর্ঘদিনের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্লোগান সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৯৫ সালে — এই সালে ফ্রান্সে ডাইরেক্টরি শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা ফরাসি বিপ্লবের শেষ পর্যায়ের ঘটনা। B) ১৭৯৩ সালে — এই সালে ফরাসি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, যা বিপ্লবের পরের একটি ঘটনা। D) ১৭৮৫ সালে — এই সালে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়নি, এটি বিপ্লব শুরুর আগের একটি সাধারণ বছর। মনে রাখার টিপস: ১৭৮৯ সালের ৫ই মে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়েছিল, এভাবে মনে রাখতে পারো যে ১৭৮৯ সাল হলো স্বাধীনতার সাল।
a যার গতি শব্দের গতি থেকে কম
b যার গতি শব্দের গতি থেকে বেশি
c যে শব্দ সাধারণভাবে মানুষ শুনতে পায়
d যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায় কেন সঠিক: - মানুষের শ্রবণসীমা কুড়ি থেকে কুড়ি হাজার হার্জ পর্যন্ত, এর বেশি কম্পাঙ্কের শব্দকে আল্ট্রাসনিক বা শ্রবণোত্তর শব্দ বলে। - মানুষের কান এই শব্দ শুনতে না পেলেও কুকুর, বাদুড় এবং ডলফিনের মতো কিছু প্রাণী এই শব্দ শুনতে ও ব্যবহার করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যার গতি শব্দের গতি থেকে কম — শব্দের গতির সাথে আল্ট্রাসনিক শব্দের গতির কোনো সম্পর্ক নেই, এটি মূলত কম্পাঙ্কের উচ্চতার ওপর নির্ভর করে। B) যার গতি শব্দের গতি থেকে গতিশীল — আল্ট্রাসনিক শব্দের গতি সাধারণ শব্দের গতির সমানই হয়, কারণ এটিও এক ধরনের শব্দতরঙ্গ। C) যে শব্দ সাধারণভাবে মানুষ শুনতে পায় — মানুষ কুড়ি থেকে কুড়ি হাজার হার্জ কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পায়, যা আল্ট্রাসনিক শব্দ নয়। D) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায় — বাদুড় ও কুকুর কুড়ি হাজার হার্জের বেশি কম্পাঙ্কের এই শব্দ শুনতে ও যোগাযোগে ব্যবহার করতে পারে। মনে রাখার টিপস: আল্ট্রাসনিক শব্দের কম্পাঙ্ক কুড়ি হাজার হার্জের বেশি, যা মানুষের কান শোনে না কিন্তু বাদুড়ের মতো প্রাণী শুনতে পায়।
a P-49
b P 51
c P 53
d P 54
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) P-49 কেন সঠিক: - P-49 হলো প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম বা সাংকেতিক পরিচিতি। - এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশের একটি নির্দিষ্ট তথ্যমূলক প্রশ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) P-49 — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সাংকেতিক নামটি প্রাকৃতিক প্রোটিনের জন্য নির্ধারিত। B) P 51 — এটি এই প্রশ্নের সঠিক কোড নাম নয়, তাই ভুল। C) P 53 — এটি মানবদেহের টিউমার দমনকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনের নাম, যা প্রোটিনের কোড নাম হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়। D) P 54 — এটি প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম হিসেবে সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক প্রোটিনের কোড নাম মনে রাখতে শেষ সংখ্যা ঊনপঞ্চাশ বা ৪৯ মনে রাখুন।
a সালফার
b জিপসাম
c খনিজ লবণ
d সোডিয়াম
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জিপসাম কেন সঠিক: - সিমেন্ট তৈরির সময় জমাট বাঁধার গতি বা সেটিং টাইম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য জিপসাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রধান কাঁচামাল যেমন চুনাপাথর ও ক্লে এর সাথে নির্দিষ্ট অনুপাতে জিপসাম মেশানো হয় যাতে সিমেন্ট খুব দ্রুত শক্ত হয়ে না যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সালফার — এটি মূলত সার, সালফিউরিক এসিড এবং রাসায়নিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়, সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল নয়। B) জিপসাম — এটি সিমেন্ট তৈরির অন্যতম প্রধান কাঁচামাল এবং সঠিক উত্তর। C) খনিজ লবণ — এটি খাবার ও বিভিন্ন রাসায়নিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, সিমেন্ট উৎপাদনে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। D) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু যা লবণ ও বিভিন্ন রাসায়নিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়, সিমেন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: সিমেন্ট দ্রুত জমে যাওয়া রোধ করে জিপসাম, তাই মনে রাখুন সিমেন্টের সাথে জিপসাম।
a Altair-8800
b DDP-1
c Mark-1
d IBM-1600 সিরিজ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Altair-8800 কেন সঠিক: - এটি মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে ইন্টেলের আইসি চিপ ব্যবহার করে তৈরি প্রথম সফল মিনি কম্পিউটার বা মাইক্রোকম্পিউটার। - ১৯৭৫ সালে বাজারে আসার পর এটি কম্পিউটার বিপ্লব ও পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Altair-8800 — এটি আইসি চিপ বা মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি প্রথম সফল বাণিজ্যিক মাইক্রোকম্পিউটার। B) DDP-1 — এটি কম্পিউটার কন্ট্রোল কর্পোরেশন দ্বারা উৎপাদিত একটি প্রারম্ভিক মেইনফ্রেম কম্পিউটার, যা আইসি চিপ ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার নয়। C) Mark-1 — এটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তৈরি একটি ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ভ্যাকুয়াম টিউব বা রিলে প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত ছিল। D) IBM-1600 সিরিজ — এটি আইবিএমের তৈরি ট্রানজিস্টর যুগের কম্পিউটার সিরিজ, যা মাইক্রোপ্রসেসর বা আইসি চিপ আসার আগের প্রযুক্তির। মনে রাখার টিপস: আল্টায়ার আটান্নশো কম্পিউটারটি আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার হিসেবে ১৯৭৫ সালে ইতিহাস সৃষ্টি করে।
a জাপান
b যুক্তরাজ্য
c কানাডা
d যুক্তরাষ্ট্র
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি বা সোলার ফার্নেস স্থাপন করেছে, যা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা সৃষ্টি করতে সক্ষম। - এই চুল্লিটি মূলত কেন্দ্রীভূত সৌর শক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তিগত ও মহাকাশ গবেষণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — জাপান সৌর প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকলেও এই বিশেষ অতিশক্তিশালী সৌরচুল্লিটি তাদের দেশে অবস্থিত নয়। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য নবায়নযোগ্য শক্তিতে কাজ করলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এই চুল্লির অবস্থান যুক্তরাজ্যে নয়। C) কানাডা — কানাডা শীতল দেশের উপযোগী সৌর নিয়ে কাজ করে, তবে এই রেকর্ডধারী সৌরচুল্লি তাদের তৈরি নয়। D) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ যুক্তরাষ্ট্র এই শক্তিশালী সৌরচুল্লিটি নির্মাণ ও সফলভাবে পরিচালনা করছে। মনে রাখার টিপস: সৌর শক্তিতে শক্তিধর দেশ যুক্তরাষ্ট্র, তাই সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লিও যুক্তরাষ্ট্রেই তৈরি হয়েছে।
a নীল আলোতে
b বেগুনী আলোতে
c লাল আলোতে
d সবুজ আলোতে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লাল আলোতে কেন সঠিক: - সালোকসংশ্লেষণের হার সবচেয়ে বেশি হয় দৃশ্যমান আলোর লাল এবং নীল অংশে, যার মধ্যে লাল আলোতে ক্লোরোফিল আলো সবচেয়ে বেশি শোষণ করে। - উদ্ভিদের পাতার ক্লোরোফিল রঞ্জক পদার্থ লাল ও নীল আলোতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে এবং সালোকসংশ্লেষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীল আলোতে — এই আলোতেও সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়, তবে লাল আলোর তুলনায় এর হার কিছুটা কম থাকে। B) বেগুনী আলোতে — এই আলোতে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে সালোকসংশ্লেষণের হার লাল আলোর মতো সর্বোচ্চ হয় না। C) লাল আলোতে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) সবুজ আলোতে — উদ্ভিদের পাতা সবুজ দেখায় কারণ এটি সবুজ আলো শোষণ না করে প্রতিফলিত করে, তাই এতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম হয়। মনে রাখার টিপস: গাছ লাল রঙ ভালোবাসে সবচেয়ে বেশি, তাই লাল আলোতেই সালোকসংশ্লেষণ হয় বেশি।
a ১০৭৬
b ১১৭৬
c ১২৭৬
d ১৩৭৬
1 71 1 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১৭৬ কেন সঠিক: - বাংলার ১১৭৬ সনে (ইংরেজী ১৭৭০ সালে) অবিভক্ত বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, যা ঐতিহাসিক ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। - এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ অনাহার ও মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০৭৬ — এই সনে বাংলার ইতিহাসে কোনো মন্বন্তর বা বড় ধরনের দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়নি। B) ১১৭৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সনেই বাংলার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল। C) ১২৭৬ — এই সনে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর ঘটেনি, এটি সঠিক উত্তরের সাল থেকে অনেক পরের সময়। D) ১৩৭৬ — এই সনে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি, এটি আধুনিক যুগের কাছাকাছি একটি সাল। মনে রাখার টিপস: নাম ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হলেও সালটি হলো বাংলা ১১৭৬ সন।
a একটি ছত্রাক
b একটি শৈবাল
c ব্যাকটেরিয়া
d ভাইরাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) একটি ছত্রাক কেন সঠিক: - মিউকর হলো একটি মৃতজীবী বা পরজীবী filamentous প্রকৃতির ছত্রাক, যা সাধারণত পচা জৈব পদার্থে জন্মায়। - এটি জাইগোমাইসিটিস শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত এবং এর বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত কাইটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি ছত্রাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মিউকর ব্রেড মোল্ড নামে পরিচিত এক প্রকার ছত্রাক। B) একটি শৈবাল — শৈবাল হলো স্বভোজী ও ক্লোরোফিলযুক্ত উদ্ভিদ, কিন্তু মিউকরের ক্লোরোফিল নেই এবং এটি পরজীবী বা মৃতজীবী। C) ব্যাকটেরিয়া — ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রোপ্রিওটিক মাইক্রোঅর্গানিজম, আর মিউকর হলো বহুকোষী ইউক্যারিওটিক ছত্রাক। D) ভাইরাস — ভাইরাস হলো অকোষী এবং জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী সংক্রমণকারী কণা, যা মিউকর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। মনে রাখার টিপস: রুটিতে যে সাদা বা কালো তুলার মতো ছত্রাক জমে, সেটিই হলো মিউকর।
a ইরাক এবং জর্ডান এর মধ্যে
b মিসর ও জর্ডানের মধ্যে
c ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে
d ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যে
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যে কেন সঠিক: - মৃত সাগর বা ডেড সি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত একটি লবণাক্ত হ্রদ, যার পশ্চিম তীরে ইসরাইল এবং পূর্ব তীরে জর্ডান অবস্থিত। - এর পানির ঘনত্ব ও লবণাক্ততা এত বেশি যে মানুষ সহজেই এতে ভাসতে পারে এবং এর তলদেশ পৃথিবীর স্থলভাগের সর্বনিম্ন বিন্দু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইরাক এবং জর্ডান এর মধ্যে — ইরাক মৃত সাগরের সীমান্তে অবস্থিত নয়, কারণ ইরাক ও মৃত সাগরের মাঝখানে সিরিয়া ও জর্ডানের অন্যান্য অংশ রয়েছে। B) মিসর ও জর্ডানের মধ্যে — মিসর আফ্রিকার উত্তর-পূর্বাংশে এবং সিনাই উপদ্বীপে অবস্থিত, যা মৃত সাগরের সীমানা থেকে দূরে অবস্থিত। C) ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে — ইরাক ও তুরস্ক মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও মৃত সাগর থেকে এদের ভৌগোলিক অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে। D) ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: মৃত সাগরের দুই পাড়ে বন্ধু রাষ্ট্র ইসরাইল ও জর্ডান দাঁড়িয়ে আছে।
a ১০টি
b ৯টি
c ৭টি
d ৫টি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭টি কেন সঠিক: - জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি জোড়া দেওয়াল বা ফলক রয়েছে, যা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়কে নির্দেশ করে। - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সাতটি আন্দোলনকে এই সাতটি ফলক বা স্তম্ভের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০টি — এটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক বা স্তম্ভের সংখ্যা নয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) ৯টি — বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের সাথে বা জাতীয় স্মৃতিসৌধের গঠনের সাথে এই সংখ্যার কোনো মিল নেই। সি বা C) ৭টি — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এর ফলক বা স্তম্ভের সংখ্যা সাতটি। D) ৫টি — এই সংখ্যাটি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক নির্দেশ করে না, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: স্মৃতিসৌধের স্তম্ভ বা ফলক মনে রাখতে ঐতিহাসিক বীরত্বের সাতটি বীরশ্রেষ্ঠ বা সাতটি ঐতিহাসিক আন্দোলনের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন, যেখানে সংখ্যাটি হলো সাত।
a প্রথম ভার্সাই চুক্তি
b বার্লিন চুক্তি
c স্বাধীনতা চুক্তি
d ওয়াশিংটন চুক্তি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রথম ভার্সাই চুক্তি কেন সঠিক: - ১৭৮৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয়। - ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে ভার্সাই প্রাসাদে স্বাক্ষরিত হওয়ার কারণে এটি প্রথম ভার্সাই চুক্তি নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রথম ভার্সাই চুক্তি — যুক্তরাষ্ট্র ও ইংল্যান্ডের মধ্যে স্বাক্ষরিত স্বাধীনতার চুক্তি এটিই সঠিক। B) বার্লিন চুক্তি — এটি মূলত ইউরোপীয় বিভিন্ন ভূখণ্ড বণ্টন ও আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত, আমেরিকার স্বাধীনতার সঙ্গে নয়। C) স্বাধীনতা চুক্তি — এটি কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক চুক্তির আনুষ্ঠানিক নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ শব্দ। D) ওয়াশিংটন চুক্তি — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত পরবর্তীকালের বিভিন্ন সামরিক বা রাজনৈতিক চুক্তি, স্বাধীনতার চুক্তি নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা চুক্তির ক্ষেত্রে ফ্রান্সের ভার্সাই প্যালেস এবং ১৭৮৩ সাল মনে রাখলেই উত্তরটি সহজে চেনা যায়।
a ৭ মার্চ
b ৭ এপ্রিল
c ১২ এপ্রিল
d ৭ মে
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭ এপ্রিল কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এর গঠনতন্ত্র কার্যকর হওয়ার দিনটিকে স্মরণ করতে প্রতি বছর এই দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালন করা হয়। - ১৯৪৮ সালের এই দিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছিল বলে দিনটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৭ মার্চ — এই তারিখে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিবস পালন করা হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস নয়। B) ৭ এপ্রিল — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়। C) ১২ এপ্রিল — এই তারিখে মহাকাশে প্রথম মানব যাত্রার স্মরণে আন্তর্জাতিক মানব মহাকাশ যাত্রা দিবস পালন করা হয়। D) ৭ মে — এই তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্য সচেতনতার সাতটি দিন মনে রাখতে এপ্রিল মাসের সাত তারিখ অর্থাৎ ৭ এপ্রিল মনে রাখুন।
a অর্থনৈতিক
b রাজনৈতিক
c সামরিক
d আঞ্চলিক
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সামরিক কেন সঠিক: - ANZUS হলো অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক নিরাপত্তা চুক্তি। - প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যৌথ নিরাপত্তা রক্ষা ও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এটি গঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থনৈতিক — এটি কোনো বাণিজ্যিক বা অর্থনৈতিক জোট নয়, এর মূল উদ্দেশ্য প্রতিরক্ষা। B) রাজনৈতিক — এটি রাজনৈতিক দল বা জোট নয়, বরং সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহের একটি সামরিক চুক্তি। C) সামরিক — এটি একটি সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক চুক্তি হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। D) আঞ্চলিক — যদিও নির্দিষ্ট অঞ্চলে গঠিত, তবে এটি মূল ও প্রধানত একটি সামরিক জোট হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ANZUS নামের প্রথম অক্ষরগুলো খেয়াল করলেই বোঝা যায় এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি।
a মেহগনি
b ইউক্যালিপটাস
c নারিকেল
d বৈলাম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বৈলাম কেন সঠিক: - বৈলাম বাংলাদেশের দীর্ঘতম বৃক্ষ বা গাছ হিসেবে পরিচিত, যা মূলত পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। - এই গাছের উচ্চতা সাধারণত অনেক বেশি হয় এবং এর কাঠ বেশ শক্ত ও মূল্যবান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেহগনি — এটি একটি দীর্ঘজীবী ও শক্ত কাঠ প্রদানকারী বৃক্ষ হলেও এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছের তালিকায় প্রথম স্থানে নেই। B) ইউক্যালিপটাস — এটি অস্ট্রেলিয়া থেকে আনীত একটি দ্রুত বর্ধনশীল গাছ, যা বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছ নয়। C) নারিকেল — এটি একটি পাম জাতীয় গাছ এবং এর উচ্চতা বৈলাম গাছের মতো সর্বোচ্চ হয় না। D) বৈলাম — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছ হিসেবে স্বীকৃত। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের দীর্ঘতম গাছ মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বৈলাম এবং 'ব' দিয়ে বাংলাদেশ মনে রাখতে পারো।
a ডা. জোহরা বেগম কাজী
b মনজুলা ময়মুন
c ডা. মমতাজ বেগম
d ডা. ফিরোজা বেগম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডা. জোহরা বেগম কাজী কেন সঠিক: - ডা. জোহরা বেগম কাজী ছিলেন উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী যিনি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেন এবং চিকিৎসাসেবা শুরু করেন। - তিনি ১৯৩৫ সালে ভারতের নয়াদিল্লির লেডি হার্ডিঞ্জ মেডিকেল কলেজ থেকে প্রথম স্থান অধিকার করে ব্যাচেলর অব মেডিসিন ও ব্যাচেলর অব সার্জারি ডিগ্রি লাভ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডা. জোহরা বেগম কাজী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসক। B) মনজুলা ময়মুন — এই নামে উপমহাদেশের চিকিৎসা ইতিহাসে কোনো প্রথিতযশা মুসলিম নারী চিকিৎসকের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি নেই। C) ডা. মমতাজ বেগম — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিকিৎসক হলেও উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসা বিজ্ঞানী নন। D) ডা. ফিরোজা বেগম — তিনি দেশের প্রথম নারী অধ্যাপক ও গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট হলেও প্রথম মুসলিম নারী চিকিৎসা বিজ্ঞানী নন। মনে রাখার টিপস: উপমহাদেশে নারীদের চিকিৎসাবিদ্যার শুরুতে সবার আগে কাজী পরিবারের জোহরা নাম মনে রাখবে।
a ফ্রান্স
b চীন
c জাপান
d কানাডা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান কেন সঠিক: - কাফকো বা কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জাপানের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায়। - এটি চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি যৌথ উদ্যোগের সার কারখানা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স বাংলাদেশের এই সার কারখানা প্রতিষ্ঠায় প্রধান আর্থিক সহায়তাকারী দেশ নয়। B) চীন — চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে সহায়তা করলেও কাফকো প্রতিষ্ঠায় জড়িত নয়। C) জাপান — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি সঠিক উত্তরের পূর্ণ বিবরণ। D) কানাডা — কানাডা কাফকো প্রকল্পে প্রধান অর্থায়নকারী দেশ হিসেবে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: জাপানের নাম মনে রাখুন কাফকো সারের সঙ্গে, কারণ এশিয়ার এই দেশটি কারখানা প্রতিষ্ঠায় বড় অর্থায়ন করেছিল।