সঠিক উত্তর: D) সরল
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- এখানে আমার হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং লাগছে হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে একটি মাত্র খণ্ডবাক্য বা প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্য কোনো খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল হয় না, তাকে সরল বাক্য বলে।
- এই বাক্যে জ্বর জ্বর পদটি পদের দ্বিরুক্তি হলেও মূল ক্রিয়া একটিই থাকায় এটি সরল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃষ্টি পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে একটি মাত্র কর্তা উহ্য বা প্রকাশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া পড়ছে আছে।
উদাহরণ ২: সে প্রতিদিন সকালে হাঁটে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা সে এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া হাঁটে বিদ্যমান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে যা এই বাক্যে নেই।
B) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও এবং কিন্তু ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে যা এখানে অনুপস্থিত।
C) দ্বিরুক্ত — দ্বিরুক্ত একটি পদের গঠনগত রূপ, এটি বাক্যের কোনো গঠনগত শ্রেণি নয়।
D) সরল — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটি মাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একটি কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে সরল বাক্য দাগাবে।
- বাক্যে অব্যয় বা পরাধীন অংশ না থাকলে সাধারণত তা সরল বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা গুনে সহজেই বাক্যের প্রকারভেদ নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি কবি জীবনানন্দ দাশের পারিবারিক পরিচিতি এবং তার মায়ের কবি প্রতিভার সঙ্গে সম্পর্কিত। জীবনানন্দ দাশের মাতা কুসুমকুমারী দাশ বাংলা সাহিত্যের একজন পরিচিত কবি ছিলেন, যার লেখা আদর্শ ছেলে কবিতাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তার মায়ের নাম কুসুমকুমারী দাশ এবং পিতার নাম সত্যানন্দ দাশ, যিনি বরিশালের ব্রজমোহন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ও ব্রাহ্মসমাজের সংস্কারক ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুমকুমারী দাশ রচিত আদর্শ ছেলে কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতার বিখ্যাত পংক্তি আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে আজও প্রবাদপ্রতুল।
উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশ রচিত রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহসান হাবিব — আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক আহসান হাবিবের মাতা কোনো কবি ছিলেন না, তার পৈতৃক নিবাস পিরোজপুর জেলায়।
B) বিষ্ণু দে — বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি বিষ্ণু দের মাতা কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন না।
৫) শামসুর রাহমান — বাংলাদেশের প্রধান নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের মাতা আমিনা খাতুন ছিলেন একজন গৃহিণী, কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
জীবনানন্দ দাশের মা কুসুমকুমারী দাশ একজন কবি ছিলেন এটি মনে রাখতে কুসুমের সৌরভ যেমন ছড়ায়, তেমনি মায়ের কবিতা লেখার প্রতিভা জীবনানন্দের মধ্যে এসেছল এভাবে ভাবা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্যিকদের পিতামাতা বা তাদের পারিবারিক পটভূমি থেকে প্রশ্ন আসে। কবি জীবনানন্দ দাশের ক্ষেত্রে তার মায়ের কবি পরিচয় এবং তার রচিত আদর্শ ছেলে কবিতাটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) মূখ্য কর্তা
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্তা পদ বলে। যখন কোনো কর্তা নিজে নিজে স্বাধীনভাবে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তখন তাকে মুখ্য কর্তা বলে।
প্রদত্ত বাক্যে বৃষ্টি নিজে নিজেই পড়ছে, তাই এখানে বৃষ্টি হলো মুখ্য কর্তা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে কর্তা প্রধানত চার প্রকার যথা মুখ্য কর্তা, প্রযোজক কর্তা, প্রযোজ্য কর্তা ও ব্যাতিহার কর্তা। মুখ্য কর্তা নিজে সরাসরি ক্রিয়া সম্পাদন করে।
বাক্যে মূল কাজটি যে সরাসরি করে সে হলো মুখ্য কর্তা। এখানে অন্য কোনো চালিকাশক্তি বা প্রেরণা ছাড়াই বৃষ্টি পড়ার কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাখাল গরু চরায়।
ব্যাখ্যা: এখানে রাখাল হলো মুখ্য কর্তা কারণ সে নিজে গরুকে চড়ানোর কাজটি করছে।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: পাখি নিজে নিজে ওড়ার কাজ সম্পন্ন করায় পাখি হলো মুখ্য কর্তা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাতিহার কর্তা — দুটি কর্তা একত্রে একই সময়ে একই জাতীয় কাজ করলে তাকে ব্যাতিহার কর্তা বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) মূখ্য কর্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৃষ্টি নিজে নিজে পড়ার কাজটি সম্পন্ন করছে।
C) প্রযোজক কর্তা — মূল কর্তা যখন অন্য কাউকে কোনো কাজে নিয়োজিত করে নিজে কাজটি পরিচালনা করে তাকে প্রযোজক কর্তা বলে, যা এখানে নেই।
D) প্রযোজ্য কর্তা — প্রযোজক কর্তার দ্বারা চালিত হয়ে যে কর্তা কাজ সম্পন্ন করে তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
যে কর্তা নিজেই কাজটি করে এবং যার পেছনে অন্য কোনো পরিচালক থাকে না সে হলো মুখ্য কর্তা। নিজে নিজে কাজ সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখলে এই প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে প্রায়ই কর্তা পদের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। কাজের প্রকৃত সম্পাদনকারী কে তা ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর বের করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) সমাপ্তি
কেন সঠিক:
মৃন্ময়ী চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমাপ্তি ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে।
এই গল্পের কথাবস্তু অপূর্বর সঙ্গে মৃন্ময়ীর অদ্ভুত প্রেমের সম্পর্ক এবং তার পরিণতিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমাপ্তি ছোটগল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গল্পগুচ্ছ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।
এই গল্পে গ্রামবাংলার এক দুরন্ত ও প্রকৃতিপ্রেমী কিশোরী মেয়ের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
যেমন, গল্পের নায়িকা মৃন্ময়ী গাছের ডালে চড়ে বেড়াতে ভালোবাসত এবং তার আচরণ ছিল ছেলেদের মতো ডানপিটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেনা-পাওনা — এই ছোটগল্পের মূল চরিত্র নিরুপমা, যার সঙ্গে মৃন্ময়ীর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) পোস্টমাস্টার — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র রতন, যিনি পোস্টমাস্টারের সেবা করতেন।
C) হৈমন্তী — এই ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হৈমন্তী, যার ট্র্যাজিক জীবনের কথা এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
D) সমাপ্তি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই গল্পের আসল নাম।
মনে রাখার টিপস:
সমাপ্তি মানেই তো শেষ, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের এই গল্পের মৃন্ময়ী চরিত্রের মধ্য দিয়ে এক নতুন সমাপ্তির শুরু হয়।
মৃন্ময়ী ও সমাপ্তি এই দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
সঠিক উত্তর: B) বিদেশি উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
- নিমরাজি শব্দটিতে যুক্ত 'নিম' উপসর্গটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দাংশগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে উপসর্গ বলে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলো মূলত আরবি, ফারসি, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষা থেকে আগত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' একটি বিদেশি উপসর্গ যার অর্থ অর্ধ বা আংশিক।
উদাহরণ ২: নিমরারাজি
ব্যাখ্যা: একই নিয়মে গঠিত আরেকটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম উপসর্গ — তৎসম উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং এর সংখ্যা কুড়িটি, যার মধ্যে নিম নেই।
B) বিদেশি উপসর্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিম একটি ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ।
C) তদ্ভব উপসর্গ — তদ্ভব উপসর্গগুলো প্রাকৃত ভাষা হয়ে এসেছে এবং এদের সংখ্যা বাংলা ব্যাকরণে নির্দিষ্ট।
D) বাংলা উপসর্গ — খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং এর মধ্যে নিম উপসর্গটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, কার, দর, কম, খাস, লা, বেকার, বর, বদ, নিম ইত্যাদি।
- শব্দটির অর্থ এবং উৎসের ধরন দেখে উপসর্গ চেনার অভ্যাস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ফারসি ও আরবি উপসর্গগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই রকম অন্য শব্দ যেমন নিমরাজি, নিমখুন ইত্যাদির গঠন লক্ষ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) যত্নবান
১. কেন সঠিক:
- Meticulous একটি ইংরেজি শব্দ, যার বাংলা পরিভাষা হলো যত্নবান, অতিসতর্ক কিংবা নিখুঁত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয় অংশে এই ধরনের শব্দ প্রায়শই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের অর্থ বা পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- ইংরেজি ভাষার Meticulous বিশেষণটি কোনো কাজে চরম সতর্কতা, সূক্ষ্ম মনোযোগ এবং নিখুঁত যত্ন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: He is meticulous about his work.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তার কাজের প্রতি চরম যত্নশীল বা নিখুঁত মনোভাব প্রকাশ করতে meticulous শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: She is meticulous in keeping records.
ব্যাখ্যা: এখানে তথ্য বা হিসাব সংরক্ষণে তার অতিরিক্ত সতর্কতা ও নিখুঁত ভাব ফুটিয়ে তুলতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্পষ্ট — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ সাধারণত Vague বা Unclear, যা Meticulous শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) মাধ্যমিক পাশ — এটি শিক্ষাগত যোগ্যতার একটি পর্যায় বোঝায়, যার ইংরেজি Secondary School Certificate বা SSC।
C) যত্নবান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Meticulous শব্দের অর্থ অত্যন্ত যত্নশীল বা নিখুঁত।
D) সামর্থ্যবান — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা Capable বা Able, যা প্রদত্ত ইংরেজি শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Meticulous শব্দটির শুরুতে Medi বা Meta এর মতো সূক্ষ্ম ভাব আছে মনে রেখে এটিকে নিখুঁত কাজের সঙ্গে মেলাতে পারো।
- কাজের প্রতি অত্যন্ত মেট্রো লেভেলের যত্ন নেওয়া এভাবে মনে রাখলে শব্দটির অর্থ সহজে মনে থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ বা পরিভাষা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য নিয়মিত ইংরেজি দৈনিক পড়ার অভ্যাস এবং গুরুত্বপূর্ণ শব্দভান্ডার বা Vocabulary চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দ
কেন সঠিক:
১. হর্ষণ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ তীব্র আনন্দ প্রকাশ করা।
২. বাংলা সাহিত্য ও অভিধানে হর্ষণ শব্দের মূল ভাব হিসেবে আনন্দ বা উল্লাসকে বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. হর্ষণ শব্দটি গঠিত হয়েছে হৃষ্ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যার অর্থ রোমাঞ্চিত হওয়া।
২. প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে এবং আধুনিক বাংলা গদ্যে আনন্দ বা হর্ষ অর্থে এই শব্দের বহু ব্যবহার দেখা যায়।
৩. যেমন, বিজয়ের সংবাদে রাজার মনে হর্ষণ বা আনন্দের জোয়ার বয়ে গেল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেখা — দেখা শব্দের অর্থ দর্শন বা অবলোকন করা, যা হর্ষণ শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
B) হাসা — হাসা একটি মৌলিক ক্রিয়াপদ যার অর্থ মৃদু বা উচ্চস্বরে হাস্য করা, কিন্তু হর্ষণ হলো মানসিক আনন্দ।
চ) চাষ করা — চাষ করা বলতে কৃষিকাজ বা জমি কর্ষণ করাকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থনৈতিক কার্যক্রম।
D) আনন্দ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি হর্ষণ শব্দের সমার্থক হিসেবে পূর্ণাঙ্গভাবে গৃহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. হর্ষণ শব্দের সঙ্গে হর্ষ শব্দটির মিল রয়েছে যার অর্থ আনন্দ বা খুশি।
২. পরীক্ষার হলে হর্ষ দেখলে আনন্দ শব্দটি সহজে মনে রাখা সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: B) বন্ + ধন্
১. কেন সঠিক:
- অক্ষর বিন্যাস বা অক্ষর বিশ্লেষণ বলতে শব্দের উচ্চারণ অনুযায়ী একক বা গুচ্ছ ধ্বনিকে বোঝায় যা একসাথে উচ্চারিত হয়।
- 'বন্ধন' শব্দটিতে দুটি অক্ষর বা দল রয়েছে, যার প্রথমটি 'বন্' এবং দ্বিতীয়টি 'ধন্' হিসেবে উচ্চারিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অক্ষর বা দল হলো বাক্যের বা শব্দের সেই ক্ষুদ্রতম অংশ যা এক ঝটকে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
- যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে সাধারণত আগের বর্ণের সাথে পরের বর্ণের প্রথমাংশ মিলে একটি অক্ষর গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দন
ব্যাখ্যা: চন্দন শব্দটিকে ভাঙলে চন্ + দন্ হয় এবং এটি দুটি অক্ষরে বিভক্ত।
উদাহরণ ২: অঙ্গন
ব্যাখ্যা: অঙ্গন শব্দটিকে ভাঙলে অং + গন হয় এবং এটি অক্ষর বিন্যাসের সঠিক নিয়ম মেনে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব + ন + ধ + ন — এটি অক্ষর বিন্যাস নয়, বরং এটি শব্দটির বর্ণ বিশ্লেষণ।
B) বন্ + ধন্ — এটি অক্ষর বিন্যাসের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং প্রমিত উচ্চারণ নির্দেশ করে।
C) ব + ন্ধ + ন — এটি অক্ষর বিশ্লেষণ বা বিন্যাসের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না।
D) বান + ধন — এটি ভুল উচ্চারণ এবং ভুল বানানভিত্তিক অক্ষর বিন্যাস নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যুক্তবর্ণ থাকলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্তবর্ণের আগের অংশ এবং পরের অংশ মিলে একটি অক্ষর বা দল তৈরি হয়।
- বানান লেখার সময় বর্ণ বিশ্লেষণ করতে হয় এবং উচ্চারণের সময় অক্ষর বিন্যাস করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বর্ণ বিশ্লেষণ এবং অক্ষর বিন্যাসের মধ্যে প্যাচ লাগানোর প্রশ্ন আসে।
- অক্ষর বিন্যাসের সময় শব্দের উচ্চারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দায়িত্ববোধ
১. কেন সঠিক:
- এই গানে মূলত নাগরিক সচেতনতা, আত্মমর্যাদা এবং সমষ্টিগত কল্যাণের প্রতি এক গভীর দায়িত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে।
- এখানে রাজা হওয়ার অর্থ কোনো ক্ষমতার লোভ নয়, বরং নিজ জীবন ও সমাজের প্রতি সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গানটি বাংলা সাহিত্যের অনন্য প্রতিভাবান কবি ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এবং সুর করা একটি বিখ্যাত গান।
- এই গানটির মাধ্যমে কবি প্রতিটি মানুষকে তার নিজের জীবনের রাজা বা মুক্ত সত্তা হিসেবে দেখতে চেয়েছেন, যার মধ্যে সমাজ ও দেশের প্রতি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘একলা চলো রে’ গানটি।
ব্যাখ্যা: এই গানটিতেও নিজের আত্মবিশ্বাস এবং সব বাধা পেরিয়ে একা হলেও কর্তব্যে অটল থাকার দায়িত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘চল চল চল’ কবিতা ও গান।
ব্যাখ্যা: এই গানে দেশের তরুণ সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার এবং দেশকে রক্ষা করার সামষ্টিক দায়িত্ববোধের কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দায়িত্ববোধ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ গানটি আত্মসচেতনতা এবং কর্তব্যের কথা বলে।
B) রাজা হওয়ার ইচ্ছা — এটি ভুল কারণ এখানে আক্ষরিক অর্থে সিংহাসন বা রাজত্ব পাওয়ার লালসা বোঝানো হয়নি।
C) স্বৈরতন্ত্র — এটি ভুল কারণ রবীন্দ্রনাথের দর্শনে স্বৈরতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্রের কোনো স্থান নেই, এখানে সবাই রাজা মানে সবাই স্বাধীন।
D) রসবোধ — এটি ভুল কারণ গানটির মূল সুর আনন্দ বা হাসির খোরাক জোগানো নয়, বরং গভীর জীবনদর্শন ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ করা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমরা সবাই রাজা’ গানটি শুনলেই মনে রাখবে এটি ক্ষমতার রাজা নয়, বরং নিজের জীবনের দায়িত্ব নেওয়ার রাজা হওয়ার কথা বলে।
- তাই এই ধরনের গানে সবসময় আত্মমর্যাদা এবং দায়িত্ববোধের বিষয়টি খুঁজে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিভিত্তিক প্রশ্নগুলোতে পংক্তির আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাব বা দার্শনিক অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- কবির মূল ভাব বুঝতে গানের প্রেক্ষাপট এবং রচয়িতার আদর্শ সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
'উদাত্ত পৃথিবী' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও জননেত্রী সুফিয়া কামাল।
এই কাব্যগ্রন্থে কবির গভীর মানবপ্রেম, প্রকৃতিপ্রীতি এবং সমাজসচেতনতার নান্দনিক বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় নারী কবি যিনি জননী সাহসিকা নামে পরিচিত।
তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন এবং শান্তি ও প্রার্থনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি কবি সুফিয়া কামালের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তাকে সাহিত্য অঙ্গনে খ্যাতি এনে দেয়।
উদাহরণ ২: মায়া কাজল
ব্যাখ্যা: এটিও সুফিয়া কামালের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে তার কাব্যিক অনুভূতির পরিপক্বতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কবি ও সাংবাদিক হলেও 'উদাত্ত পৃথিবী' তার রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'উদাত্ত পৃথিবী' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত।
C) কবি আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো সোনালী কাবিন এবং লোকালয়।
D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার যিনি মূলত বৃশ্চিক লগ্ন এবং সমাচার দর্পণের মতো কাজের জন্য পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুফিয়া কামালের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে উদাত্ত পৃথিবী এবং সাঁঝের মায়া নামের দুটি প্রধান বই একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
নারী কবিদের মধ্যে তার অবদান স্মরণ করতে তার নামের সঙ্গে কাব্যগ্রন্থগুলোর বিষয়বস্তু মিলিয়ে পড়া সুবিধাজনক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফিয়া কামালের জন্ম, মৃত্যু এবং তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া সম্পর্কে বারবার প্রশ্ন আসে।
সাহিত্যিকদের মূল কাব্যগ্রন্থ ও তাদের অবদানের ক্ষেত্র ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে আমেরিকার সমাজ, জীবন এবং মানুষের সংগ্রাম গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বিংশ শতাব্দীর মার্কিন সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী লেখক।
- ১৯৫৪ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি
ব্যাখ্যা: এটি আর্নেস্ট হেমিংওয়ে রচিত একটি বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: আ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস
ব্যাখ্যা: এটি হেমিংওয়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিলি — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হলেও হেমিংওয়ে এই দেশের সাহিত্যিক নন।
B) যুক্তরাজ্য — এটি ইউরোপের দেশ এবং এখানকার বিখ্যাত সাহিত্যিক শেক্সপিয়র, কিন্তু হেমিংওয়ে নন।
C) আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও সাহিত্যিক ছিলেন।
D) জার্মানি — এটি ইউরোপের দেশ এবং এখানকার বিখ্যাত সাহিত্যিক গোয়েথে, কিন্তু হেমিংওয়ে নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেমিংওয়ে নোবেলজয়ী মার্কিন লেখক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি।
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন সাহিত্যিকদের নামের তালিকায় হেমিংওয়ের নাম প্রথম সারিতে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নোবেলজয়ী লেখকদের দেশ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত লেখকদের জন্মস্থান এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠ রচনাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) বহিপীর (নাটক)
১. কেন সঠিক:
- বহিপীর নাটকটি প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক।
- এই নাটকের প্রধান চরিত্র বহিপীর তৎকালীন সমাজের পীরতন্ত্রের ভণ্ডামি ও কুসংস্কারের প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- বহিপীর নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিরাজউদ্দৌলা (নাটক)
ব্যাখ্যা: এটি সিকান্দার আবু জাফর রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: রক্তকরবী (নাটক)
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি প্রতীকধর্মী নাটক যা যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের মানবিক জয়গান গেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস) — এটি উপন্যাস নয়, বরং জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য বা গাথা কবিতা।
B) কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য) — এটি কোনো কাব্য নয়, বরং সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
D) মহাশ্মশান (নাটক) — এটি নাটক নয়, বরং কায়কোবাদের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মূলত উপন্যাস ও নাটকের জন্য বিখ্যাত। তার নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো বহিপীর ও তরঙ্গাবতী নাটক দুটি ভালোভাবে মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের রূপ বা ধরন জানতে চাওয়া হয়। তাই কোনো গ্রন্থ উপন্যাস, নাটক নাকি কাব্য তা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রথম
১. কেন সঠিক:
সারাংশ লেখার সময় মূল রচনার বক্তব্য বা লেখকের বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে নিজের ভাষায় প্রকাশ করতে হয়।
এ ক্ষেত্রে বক্তা বা লেখক সরাসরি নিজের কথা না বলে পরোক্ষভাবে বা প্রথম পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে তা উপস্থাপন করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ বা পুরুষবাচক সর্বনাম তিন প্রকার যথা উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ ও প্রথম পুরুষ।
সারাংশ বা সারমর্ম রচনার সময় সর্বদা প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষ ব্যবহার করে ভাব প্রকাশ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূল রচনায় যদি আমি বা আমরা ব্যবহার করে কোনো বক্তব্য থাকে তবে সারাংশ লেখার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে প্রথম পুরুষের রূপ নেয়।
ব্যাখ্যা: সারাংশ লেখার সময় আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরাসরি কথ্য রূপ পরিহার করে নিরপেক্ষভাবে প্রথম পুরুষ ব্যবহার করতে হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন কেবল ভোগ করার জন্য নয় বরং ত্যাগের মধ্যেই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো সরাসরি মধ্যম বা উত্তম পুরুষ নেই বরং প্রথম পুরুষের প্রমিত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে যা সারাংশ লেখার আদর্শ শৈলী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধ্যম — মধ্যম পুরুষ বলতে তুমি বা আপনারা বুঝায় যা সারাংশ বা ভাবসম্প্রসারণে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
B) প্রথম — এই অপশনটি সঠিক কারণ সারাংশ বা সারমর্ম লেখার ক্ষেত্রে প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষ ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
C) সবগুলো — সব পুরুষ ব্যবহার করা যায় না কারণ এটি ব্যাকরণগত নিয়মের পরিপন্থী এবং রচনার ধারাবাহিকতা নষ্ট করে।
D) উত্তম — উত্তম পুরুষ বলতে আমি বা আমরা বুঝায় যা আত্মগত রচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও সারাংশে ব্যবহার করা যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
সারাংশ লেখার সময় মনে রাখবে যে তুমি নিজেই রচনার অংশ নও বরং একজন নিরপেক্ষ শ্রোতা বা বিশ্লেষক।
তাই সব সময় প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষের মাধ্যমে মূল বক্তব্য ফুটিয়ে তুলতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সারাংশ বা সারমর্ম লেখার নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
মনে রাখবে সারাংশ মানেই পরোক্ষ কথন এবং নিরপেক্ষ প্রকাশভঙ্গি।
সঠিক উত্তর: D) চার্লস উইলকিন্স
১. কেন সঠিক:
- চার্লস উইলকিন্সকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কারণ তিনিই প্রথম বাংলায় ছাঁচ বা পাঞ্চ তৈরি করে কাঠ বা ধাতব বর্ণ মুদ্রণ উপযোগী করেন।
- ১৭৭৮ সালে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থে তার তৈরি বাংলা হরফ প্রথম সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষা ও মুদ্রণ ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- চার্লস উইলকিন্স শুধু মুদ্রাকরই ছিলেন না, তিনি সংস্কৃত ভাষার প্রথম ইংরেজি অনুবাদকও বটে এবং তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সিভিল সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে চার্লস উইলকিন্সের তৈরি প্রথম বাংলা মুদ্রাক্ষর ব্যবহৃত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: ভগবদ্গীতার ইংরেজি অনুবাদ
ব্যাখ্যা: চার্লস উইলকিন্স দ্য ভগবদ গীতা বা ডায়লগস অফ কৃষ্ণা অ্যান্ড অর্জুনা শিরোনামে গ্রন্থটির প্রথম ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জ্যেষ্ঠ নির্মাতা ও সমাজ সংস্কারক হলেও বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক নন।
B) ফোর্ট উইলিয়াম — এটি কোনো ব্যক্তি নন, বরং এটি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা দুর্গ যার সঙ্গে বাংলা গদ্যচর্চা গভীরভাবে জড়িত।
C) রজনীকান্ত — ইনি একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি ও গীতিকার হলেও মুদ্রণ ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন।
D) চার্লস উইলকিন্স — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম বাংলায় মুদ্রণযোগ্য ধাতব বর্ণ বা পাঞ্চ তৈরি করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুদ্রাক্ষর বা হরফ তৈরির সঙ্গে উইলকিন্স নামটি মনে রাখবে।
- উইলকিন্স হলেন মুদ্রণের কারিগর আর বিদ্যাসাগর হলেন গদ্যের সাগর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা মুদ্রণশিল্পের ইতিহাসে চার্লস উইলকিন্সের নাম চিরস্মরণীয়।
- এই ধরনের ঐতিহাসিক তথ্যের ক্ষেত্রে ব্যক্তি এবং তার অবদানের ক্ষেত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মাছি
কেন সঠিক:
- মাছি একটি তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত শব্দ থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
- এই শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত মক্ষিকা শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দেশি শব্দ হলো বাংলাদেশের আদি অধুবা উপজাতিদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যে সমস্ত শব্দের উৎস বা মূল পাওয়া যায় না, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে।
- দেশি শব্দের কিছু পরিচিত উদাহরণ হলো কুলা, ঢেঁকি, চোঙা, পেট, কুড়ি ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ঝিঙ্গা — এটি একটি দেশি শব্দ কারণ এর কোনো সংস্কৃত মূল পাওয়া যায় না।
- B) ঢিল — এটি একটি দেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রাকৃত বা আদি উৎস থেকে এসেছে।
- C) মুড়কী — এটি একটি দেশি শব্দ যা এ দেশীয় সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- D) মাছি — এটি দেশি শব্দ নয়, বরং এটি সংস্কৃত থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
- পোকা-মাকড়ের নাম যেমন মাছি, পিপীলিকা সাধারণত তৎসম বা তদ্ভব শব্দ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) সুরবালা
১. কেন সঠিক:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিভিন্ন উপন্যাসের চরিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায় সাবিত্রী, গফুর এবং ষোড়শী তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও সুরবালা তাঁর কোনো পরিচিত উপন্যাসের প্রধান বা উল্লেখযোগ্য চরিত্র নয়। তাই প্রশ্নানুযায়ী সুরবালা শরৎ সাহিত্যের চরিত্র নয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব খুব গভীরভাবে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে অত্যন্ত জীবন্ত ও স্মরণীয় হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবদাস উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর সৃষ্টি যেখানে পার্বতী ও চন্দ্রমুখী চরিত্র দুটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি কালজয়ী প্রেমের ট্র্যাজেডি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: পরিণীতা উপন্যাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাঙালি গ্রামীণ সমাজ ও বাল্যপ্রেমের চমৎকার রূপায়ন ঘটিয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের ললিতা ও শেখর চরিত্র দুটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাবিত্রী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত চরিত্রাবলির মধ্যে সাবিত্রী চরিত্রটি শ্রীকান্ত উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্বের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
B) সুরবালা — এই নামটি শরৎচন্দ্রের কোনো প্রধান বা বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্রের সঙ্গে মেলে না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
C) গফুর — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় ও অত্যন্ত করুণ একটি চরিত্রের নাম হলো গফুর।
D) ষোড়শী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ষোড়শী একটি বিখ্যাত নাটক যার প্রধান চরিত্র হলো ষোড়শী।
৫ মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত নারী চরিত্রগুলো যেমন সাবিত্রী, অন্নদা দিদি, কিরণময়ী, রাজলক্ষ্মী এবং ষোড়শী নামগুলো ভালোভাবে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও ছোটগল্পের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রধান চরিত্রগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) প্রহসন
১. কেন সঠিক:
- ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন।
- প্রহসন হলো ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক ছোট নাট্যরূপ, যার প্রধান উদ্দেশ্য সমাজের কোনো অসঙ্গতি বা কুসংস্কার তুলে ধরে তা দূর করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং নাট্যসাহিত্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক।
- তার রচিত দুটি প্রহসনের মধ্যে ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ’
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত দ্বিতীয় প্রহসন, যা সমাজজীবনের গোঁড়ামি ও পাপাচারকে ব্যঙ্গ করে লেখা।
উদাহরণ ২: ‘পদ্মাবতী’
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক, যা পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাসে — ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ কোনো উপন্যাস নয়, এটি একটি নাটক বা প্রহসন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম।
B) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি গদ্যে রচিত একটি নাট্যরূপ বা প্রহসন।
D) মহাকাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য হলো ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, এটি কোনো মহাকাব্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মধুসূদন দত্তের নাটক ও প্রহসন মনে রাখার কৌশল হলো তিনি দুটি প্রহসন লিখেছিলেন যার একটি সভ্যতা নিয়ে এবং অন্যটি সালিক নিয়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন দুটির নাম জানতে চাওয়া হয়।
- প্রহসন মানেই সমাজের অসঙ্গতি ও ব্যঙ্গচিত্র, এই ধারণা থাকলে নাটক ও প্রহসনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) মুমুক্ষু
কেন সঠিক:
১. ‘মুক্তি পেতে ইচ্ছুক’ এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো মুমুক্ষু।
২. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী বানান ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ ভাব বা ইচ্ছাকে একপদে প্রকাশ করার সময় হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই-কারের সঠিক প্রয়োগ করতে হয়।
২. বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে বাক্য সংক্ষেপ করার এই নিয়মগুলো বাক্যকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. যেমন, জয়ের ইচ্ছা জিজীবিষা এবং লাভের ইচ্ছা লিপ্সা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
B) মূমূক্ষ — এই অপশনটিতে বানানের ভুল রয়েছে এবং শেষের কার চিহ্ন সঠিক নয়।
C) মুমূক্ষ — এই অপশনটিতে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উ-কারের নিয়ম সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।
D) মুমুক্ষা — এই অপশনটি ভাববাচক বিশেষ্য বোঝালেও ‘মুক্তি পেতে ইচ্ছুক’ অর্থে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. মুমুক্ষু বানানে প্রথমে হ্রস্ব উ, পরে হ্রস্ব উ এবং শেষে দীর্ঘ ঊ-কার ও যুক্তবর্ণ যুক্ত হয়।
২. পরীক্ষার খাতায় বানানের এই সূক্ষ্ম নিয়মগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) সেমিকোলন
কেন সঠিক:
- দুটি স্বাধীন বাক্যের মধ্যে গভীর অর্থগত সম্পর্ক বা ভাবসম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।
- কমার চেয়ে বেশি এবং দাড়ি বা পূর্ণছেদের চেয়ে কম বিরতির প্রয়োজন হলে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অংশগুলোকে আলাদা করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত দুটি সমজাতীয় বা বিপরীত ভাবের বাক্যাংশকে যুক্ত করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, দিনে আলো পাই; রাতে পাই জোছনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কোলন — একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্য বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে কোলন বসে।
- B) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদগুলোকে সংযোগ করার জন্য হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- C) কমা — বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে বা একাধিক পদকে আলাদা করতে কমা বসে।
- D) সঠিক উত্তরটি অপশনে থাকায় এটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
- কমার চেয়ে একটু বেশি থামতে হয় যেখানে, সেখানেই সেমিকোলন বসে।
সঠিক উত্তর: ক) নিকটবর্তী
কেন সঠিক:
Adjacent to একটি ইংরেজি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ যার আক্ষরিক এবং আদর্শ অর্থ হলো কোনো কিছুর খুব কাছাকাছি অবস্থিত হওয়া।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ফ্রেজটি সাধারণত স্থান বা দূরني নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ইংরেজি ভাষায় Adjacent শব্দটি একটি এডজেক্টিভ যার সাথে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে to যুক্ত হয়।
বাক্যে এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থানের পাশে বা কাছাকাছি অবস্থান বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন, Our school is adjacent to the post office যার অর্থ আমাদের বিদ্যালয়টি ডাকঘরের নিকটবর্তী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) নিকটবর্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল নেই।
খ) বিপরীত দিক — এই অর্থটি বোঝানোর জন্য Opposite to ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
গ) বিরক্ত হওয়া — এই ভাবটি প্রকাশের জন্য Fed up with কিংবা Annoyed with ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়।
ঘ) আশির্বাদ করা — এই কাজটি বোঝাতে সাধারণত Bless বা Grant a blessing শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Adjacent শব্দের শুরুতে A আছে এবং কাছাকাছি বোঝাতে এর সাথে সবসময় to প্রিপজিশন বসে।
পাশাপাশি শব্দটির সাথে নিকটবর্তী অর্থটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) নিমিত্ত
১. কেন সঠিক:
এখানে হেতু অনুসর্গটি কোনো কাজের কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যে কী উদ্দেশ্যে বা কী কারণে এসেছ, তা জানতে চাওয়ায় এটি নিমিত্ত বা কারণ অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে এবং বিভক্তির কাজ করে, তাদের অনুসর্গ বলে।
হেতু একটি বিখ্যাত অনুসর্গ যা সাধারণত কারণ, উদ্দেশ্য কিংবা নিমিত্ত অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিসের তরে তুমি এমন করছ
ব্যাখ্যা: এখানে তরে অনুসর্গটি নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই নিমিত্ত আমি সেখানে গিয়েছিলাম
ব্যাখ্যা: এখানে নিমিত্ত শব্দটি সরাসরি কারণ বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাপার — ব্যাপার শব্দটি এখানে ঘটনার প্রেক্ষাপট বোঝায়, যা অনুসর্গের সঠিক কারকগত অর্থ নয়।
B) নিমিত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ হেতু এখানে উদ্দেশ্য বা কারণ প্রকাশ করছে।
C) প্রার্থনা — প্রার্থনা কোনো অনুসর্গের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত কারক অর্থ নির্দেশ করে না।
D) প্রসঙ্গ — প্রসঙ্গ অর্থ কথার বিষয়বস্তু, যা এখানে হেতু অনুসর্গের অর্থ হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে হেতু বা তরে দেখলে বুঝবে এটি কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে।
এরকম ক্ষেত্রে সবসময় নিমিত্ত অর্থটি বেছে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অনুসর্গগুলো বাক্যে পদের সঙ্গে বসে বিভিন্ন কারক ও ভাব প্রকাশ করে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে অনুসর্গের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ চেনার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নতুন শব্দ গঠন করা
১. কেন সঠিক:
উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে কোনো পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা নতুন অর্থ তৈরি করে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো শব্দগঠনের একটি প্রধান মাধ্যম যা মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
উপসর্গ নিজে কোনো স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে না, তবে অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যোগে প্রহার শব্দ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: হার শব্দের অর্থ পরাজয়, কিন্তু প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ প্রহার তৈরি করে যার অর্থ প্রহার বা মারা।
উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যোগে কুকাজ শব্দ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে কু উপসর্গ যুক্ত হয়ে মন্দ কাজ বা খারাপ কাজের নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নতুন শব্দ গঠন করা — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ সবসময় নতুন শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
B) শব্দের বিরতি প্রদর্শন — এটি ভুল কারণ শব্দের বিরতি প্রদর্শনের কাজটি যতিচিহ্ন করে থাকে, উপসর্গ নয়।
C) শব্দের লক্ষণ দেখানো — এটি ভুল কারণ উপসর্গ শব্দের কোনো লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে না।
D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ মানেই সামনে বসে নতুন অর্থ তৈরি করা। মনে রাখবে উপসর্গ শব্দের সামনে বসে এবং প্রত্যয় শব্দের পেছনে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় খাটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি। উপসর্গগুলো সবসময় শব্দের পূর্বে বসে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: ঘ) মহাজন
কেন সঠিক:
১. খাতক শব্দের অর্থ হলো যিনি ঋণ বা কর্জ গ্রহণ করেন।
২. এর বিপরীত শব্দ হিসেবে যিনি ঋণ বা টাকা ধার দেন তাকে মহাজন বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বিপরীতার্থক শব্দ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা শব্দের অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
২. আর্থিকভাবে আদান-প্রদান সম্পর্কিত শব্দজোড়ের ক্ষেত্রে খাতক এবং মহাজন একটি প্রচলিত বিপরীতার্থক জোড়।
৩. যেমন ক্রেতার বিপরীত বিক্রেতা হয়, তেমনি খাতকের বিপরীত মহাজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) চালাক — এটি বোকা শব্দের বিপরীত শব্দ। খাতক শব্দের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
খ) খনা — এটি প্রাচীন বাংলার একজন প্রবাদ ও কৃষিতত্ত্বের বচনকার। এটি কোনো বিপরীত শব্দ নয়।
গ) ছাতক — এটি ওজন পরিমাপের একটি এককবিশেষ। এর সাথে খাতক শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই।
ঘ) মহাজন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকা ধার নিলে হয় খাতক আর যিনি ধার দেন তিনি হলেন মহাজন। এই ঋণ দেওয়া ও নেওয়ার সম্পর্কটি মনে রাখলে পরীক্ষাও ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) কর্মীগণ
১. কেন সঠিক:
- Personnel একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ, যার বাংলা অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীবৃন্দ বা কর্মীগণ।
- এটি সাধারণত কোনো অফিস, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় কর্মরত সকল কর্মচারীকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দের অংশ, যা ইংরেজি প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি দাপ্তরিক শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The personnel department handles recruitment.
ব্যাখ্যা: এখানে personnel শব্দটি কর্মী বা মানবসম্পদ বিভাগ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: All personnel must follow safety rules.
ব্যাখ্যা: এখানে personnel শব্দটি প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যক্তিগত — এটি Personal শব্দের বাংলা অর্থ, যা Personnel শব্দের সঙ্গে বিভ্রান্তিকর।
B) কর্মীগণ — এটি সঠিক উত্তর এবং Personnel শব্দের যথাযথ পারিভাষিক রূপ।
C) ব্যক্তি সম্পর্কীয় — এটি Interpersonal শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল শব্দের সঙ্গে মিলে না।
D) ব্যক্তিগত বিষয় — এটি Personal matters শব্দের অর্থ, যা Personnel শব্দের পরিভাষা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Personal শব্দের শেষে al থাকলে ব্যক্তিগত, আর Personnel শব্দের শেষভাগে nel থাকলে কর্মীগণ বা কর্মীবৃন্দ মনে রাখবে।
- বানান ও উচ্চারণগত এই সূক্ষ্ম পার্থক্য পরীক্ষার হলে মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Personal এবং Personnel শব্দ দুটির বাংলা অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে অপশনে দেওয়া হয়।
- দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দ শেখার সময় বানান ও অর্থের এই ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Comparative
কেন সঠিক:
adjectives এর যে রূপ দ্বারা দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝায়, তাকে Comparative degree বলে।
bad শব্দের Comparative রূপ হলো worse, যা দুটি বিষয়ের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — এটি কোনো degree নয়, এটি একটি সাধারণ বাক্য গঠনের ধরন বা assertion প্রকাশ করে।
B) Positive — এই degree এ কোনো তুলনা হয় না, বরং কেবল একটি ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ গুণ বোঝায়।
D) Superlative — এই degree এ দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা করে সবচেয়ে ভালো বা খারাপ বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
bad এর comparative হলো worse এবং superlative হলো worst।
সঠিক উত্তর: B) The School Boy
কেন সঠিক:
এই কবিতাটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ব্লকের লেখা একটি চমৎকার সৃষ্টি।
এটি তাঁর বিখ্যাত সংকলন সংস অফ ইনোসেন্স অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স এর অন্তর্ভুক্ত।
কবিতায় বিদ্যালয়ের গতানুগতিক শিক্ষার কঠোরতা ও প্রকৃতির গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
ব্লক তাঁর কাব্যিক প্রতিভার মাধ্যমে শৈশবের নিষ্পাপ আনন্দকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Traveller — এটি অলিভার গোল্ডস্মিথ এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। উইলিয়াম ব্লকের লেখা নয়।
B) The School Boy — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) The Daffodils — এটি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা।
D) All of the above — যেহেতু সব অপশন উইলিয়াম ব্লকের লেখা নয়, তাই এই উত্তরটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ব্লক মানেই প্রকৃতির কোলের শিশুসুলভ আনন্দ আর তার বিখ্যাত কবিতা দ্য স্কুল বয়।
সঠিক উত্তর: D) All of the above
কেন সঠিক:
এইচ জি ওয়েলস বিজ্ঞান কল্পकাহিণীর একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন। তিনি তার অসাধারণ কল্পনার মাধ্যমে এই সমস্ত বিখ্যাত গ্রন্থগুলো রচনা করেছেন।
তার লেখা উপন্যাসের মধ্যে উল্লেখ করা সবগুলো গ্রন্থই বিশ্বসাহিত্যে সমানভাবে সমাদৃত।
এই কারণে প্রদত্ত সবকটি গ্রন্থই তার সৃষ্টি হিসেবে প্রমাণিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The invisible Man — এটি এককভাবে সঠিক হলেও বাকি গ্রন্থগুলোও একই লেখকের হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর হতে পারে না।
B) The Time Machine — এটি সঠিক হলেও অন্য দুটি গ্রন্থ বাদ দিলে সঠিক উত্তর অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) The First Man on the Moon — এটিও এইচ জি ওয়েলসের বিখ্যাত গ্রন্থ, তাই একা এটি সঠিক উত্তর হিসেবে যথেষ্ট নয়।
D) All of the above — এখানে উল্লিখিত প্রতিটি গ্রন্থই এই লেখকের সৃষ্টি হওয়ায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
এইচ জি ওয়েলস হলেন সায়েন্স ফিকশন বা বিজ্ঞান কল্পকাহিণীর জনক, তাই তার বিখ্যাত বইগুলোর নামের সাথে এই ধারার মিল পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
stick শব্দের সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়।
এর অর্থ কোনো সিদ্ধান্তে বা প্রতিজ্ঞায় অটল থাকা।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে stick to.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক কারণ stick এর সাথে এই preposition বসে।
B) with — এটি এখানে অর্থগতভাবে সঠিক নয় এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না।
C) of — এই preposition টি এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) for — এটি উদ্দেশ্য প্রকাশ করে যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অটল থাকা বা কোনো কিছু আঁকড়ে ধরা বোঝাতে সর্বদা stick এর পরে to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Adverb
কেন সঠিক:
‘very’ শব্দটি এখানে ‘much’ Adverb-কে বিশেষিত করছে।
একটি Adverb সাধারণত আরেকটি Adverb-কে modify করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না।
B) Adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না।
D) Pronoun — এটি কোনো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ অন্য কোনো Adjective বা Adverb-এর মাত্রা বা তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়, তাকেই Adverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Gerund
কেন সঠিক:
এখানে walking শব্দটি একটি verb (walk) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং বাক্যের শুরুতে বসে subject হিসেবে noun এর কাজ করেছে।
verb এবং noun এর এই দ্বৈত কাজ করার জন্যই এটি Gerund হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gerund — এটি সঠিক উত্তর।
B) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কেmodified করছে না, তাই এটি Adverb নয়।
C) Verb — এটি বাক্যের মূল verb (is) এর সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি সাধারণ verb নয়।
D) Noun — এটি সরাসরি সাধারণ Noun নয়, কারণ এর মধ্যে verb এর গুণও বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং noun এর কাজ করে, তবে তাকে Gerund বলে।
সঠিক উত্তর: C) ভাড়া
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'Fare' শব্দটির অর্থ সাধারণত যাতায়াত বা ভ্রমণের জন্য যানবাহনকে যে অর্থ দেওয়া হয় তা বোঝায়।
বাস, ট্রেন বা প্লেনে যাতায়াত করার সময় যাত্রীদের যে নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করতে হয় তাকে 'Fare' বা ভাড়া বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভয় দেখানো — ইংরেজি শব্দ 'Fear' এর অর্থ ভয় পাওয়া বা দেখানো, যা 'Fare' এর সাথে মিলে না।
B) মেলা — বাংলায় কোনো উৎসব বা জনসমাগমকে মেলা বলা হয়, যার ইংরেজি হলো 'Fair'।
C) ভাড়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা শুদ্ধ ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
D) সুষ্ঠু — কোনো কাজ সুন্দর বা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হওয়াকে সুষ্ঠু বলা হয়, যার ইংরেজি 'Fair' বা 'Proper'।
মনে রাখার টিপস:
যাতায়াতের সময় আমরা পকেট থেকে টাকা বের করে বাসের 'ভাড়া' বা 'Fare' দিই, এভাবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) We reached at home yesterday.
কেন সঠিক:
reach একটি transitive verb হওয়ায় এর পরে সাধারণত কোনো preposition বসে না।
তাই home শব্দের আগে at বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fetch some water for me. — এই বাক্যে Fetch Imperative sentence হিসেবে সঠিক এবং কোনো ভুল নেই।
B) We are united. — এই বাক্যে united একটি adjective যা subject-এর অবস্থা প্রকাশ করায় সঠিক।
C) We reached at home yesterday. — এই অপশনটি ভুল কারণ reach verb-এর পরে at বসে না।
D) He answered my questions — এই বাক্যে answer একটি transitive verb যা সরাসরি object গ্রহণ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
reach verb-এর পরে কখনো at বা to বসে না, সরাসরি object বসে।
সঠিক উত্তর: A) chat
কেন সঠিক:
এখানে ফুটবল নিয়ে একটি হালকা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার কথা বলা হয়েছে।
সাধারণ এবং সহজ কথোপকথন বোঝাতে chat শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) chat — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) whisper — এর অর্থ ফিসফিস করে কথা বলা, যা এখানে মানায় না।
C) report — এর অর্থ প্রতিবেদন, যা খেলার আলোচনার ক্ষেত্রে খাটে না।
D) gossip — এর অর্থ পরনিন্দা বা কানাঘুষা, যা বন্ধুসুলভ আলোচনার জন্য ঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সহজ ও বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডার ক্ষেত্রে সবসময় chat শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) All of the answers
কেন সঠিক:
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে 'Praise' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ বা antonym কোনটি।
এখানে দেওয়া সবকটি অপশনের অর্থই হলো তিরস্কার করা বা বকুনি দেওয়া।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে সবগুলি অপশনই সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Scold — এর অর্থ তিরস্কার করা, যা Praise শব্দের বিপরীত।
B) All of the answers — এটি সঠিক কারণ বাকি তিনটি শব্দই সঠিক বিপরীতার্থক।
C) Rebuke — এর অর্থ ভর্ৎসনা করা, যা Praise শব্দের বিপরীত।
D) Reprimand — এর অর্থ বকুনি দেওয়া, যা Praise শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
প্রশংসা করার ইংরেজি হলো Praise এবং এর বিপরীতে বকুনি দেওয়ার জন্য Scold, Rebuke ও Reprimand সবগুলিই ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) All of the answers
কেন সঠিক:
- Many শব্দের অর্থ অনেক, যা সংখ্যায় বা পরিমাপে বেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটিই Many শব্দের সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Numerous — এটি Many শব্দের সরাসরি সমার্থক এবং এর অর্থ অসংখ্য বা বহু।
B) Enormous — এটি সাধারণত বিশাল আকৃতি বা বিরাট পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং Many এর সমার্থক।
C) All of the answers — এটি সঠিক কারণ বাকি তিনটি অপশনই Many এর সমার্থক শব্দ।
D) Several — এটি দুইয়ের অধিক কিন্তু খুব বেশি নয় এমন সংখ্যা বোঝায় এবং Many এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Many শব্দের অর্থ অনেক মনে রাখলে এর সমার্থক হিসেবে Numerous, Enormous ও Several শব্দগুলোকে একসঙ্গে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) a long poem
কেন সঠিক:
মহাকাব্য বা Epic হলো এমন একটি বিশাল আকারের কবিতা যা কোনো বীরপুরুষের বীরত্বপূর্ণ কাজের কাহিনী বর্ণনা করে।
এর পরিধি অনেক দীর্ঘ হয়ে থাকে।
এতে সাধারণত কোনো জাতির ইতিহাস বা ঐশ্বরিক কোনো বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All of the answers — কারণ এখানে শুধু একটি অপশনই সঠিক এবং বাকি দুটি অপশন ভুল।
B) a short poem — কারণ এটি ছোট কবিতা নয়, বরং মহাকাব্য সবসময় অত্যন্ত দীর্ঘ হয়ে থাকে।
C) a long poem — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a sative — কারণ মহাকাব্য ব্যঙ্গাত্মক বা Satire কবিতা নয়, বরং এটি গম্ভীর বিষয়ের ওপর লেখা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Epic শব্দটির অর্থই হলো মহাকাব্য, যা আকারে অনেক লম্বা হয় এবং বীরের কাহিনী বলে।
সঠিক উত্তর: C) drover
কেন সঠিক:
drover শব্দটি বিশেষভাবে গবাদিপশু কেনাবেচা বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি শব্দার্থ অনুসারে cattle বা গবাদিপশু ব্যবসায়ীর সঠিক এককথার প্রকাশ হলো drover।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) jockey — এই শব্দটির অর্থ ঘোড়দৌড়ের চালক বা ঘোড়ার জকি, যা গবাদিপশু ব্যবসায়ীর সাথে মেলে না।
B) seller — এটি একটি সাধারণ শব্দ যার অর্থ বিক্রেতা, তবে এটি নির্দিষ্ট করে শুধু গবাদিপশু ব্যবসায়ীকে বোঝায় না।
C) drover — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) auctioneer — এই শব্দটির অর্থ নিলামকারী, যিনি নিলামের মাধ্যমে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করেন।
মনে রাখার টিপস:
গবাদিপশু বা cattle দেখলে drover কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Pendulum
কেন সঠিক:
১. এই ইংরেজি শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রারম্ভে e অক্ষর ব্যবহার করা হয় এবং অন্তভাগে um বসে।
২. ঘড়ির লটকানো অংশ বোঝাতে এই বানানের ভিন্নতা গ্রহণযোগ্য নয়।
৩. এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pandulam — এই বানানে শুরুতে a এবং মাঝে u ব্যবহারের কারণে তা ভুল হয়েছে।
B) Pandolam — এই বানানের প্রথম ও মধ্যবর্তী অংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Pendulam — এই বানানের শেষে um এর পরিবর্তে am থাকার কারণে এটি ভুল হয়েছে।
D) Pendulum — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রমিত ইংরেজি বানান।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে পেন (Pen) এবং ডুলুম (dulum) দুটি অংশ আলাদা করে একসাথে উচ্চারণ করুন।
সঠিক উত্তর: C) Verb
কেন সঠিক:
বাক্যে 'copied' শব্দটি সাবজেক্ট 'She'-এর পর বসে কাজ সম্পন্ন করা বোঝাচ্ছে। এটি বাক্যের মূল কাজ বা动作 নির্দেশ করায় Verb হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি Adverb নয়।
B) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adjective নয়।
C) Verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
subject-এর ঠিক পরেই সাধারণত যে শব্দটি কোনো কাজ করা বোঝায়, সেটিই Verb।
সঠিক উত্তর: C) have been
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের কাল্পনিক শর্ত বোঝাচ্ছে।
এর গঠন অনুযায়ী 'if'-এর পরের অংশে Past Perfect Tense থাকলে অপর অংশে would have + Verb-এর Past Participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has been — এটি Present Perfect টেন্সে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে মিলছে না।
B) be surely — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের বাইরে এবং এর কোনো অর্থ হয় না।
C) have been — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে would have been বসবে।
D) be Police — এটি বাক্যটিকে অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
If + Past Perfect থাকলে পরের অংশে would have + V3 বসে।
সঠিক উত্তর: D) লাইনটি কেটে দাও
কেন সঠিক:
পেন থ্রু বলতে কোনো লেখার উপর দিয়ে দাগ টেনে তা বাতিল করা বোঝায়।
এর মাধ্যমে মূলত কোনো ভুল লেখা কেটে বাদ দেওয়ার কাজটি প্রকাশ করা হয়।
তাই এর সঠিক অর্থ দাঁড়ায় লাইনটি কেটে দাও।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইনটি মুছে দাও — মুছে ফেলা বা ইরেজ করার ইংরেজি ইরেজ বা রুব আউট।
B) লাইনের উপর কলম ছোড়া — ছোঁড়ার ইংরেজি থ্রো, যা এখানে অর্থ বদলায়।
C) লাইন বরাবর কলম চালানো — কলম চালানো বোঝাতে রাইট ব্যবহার করা হয়।
D) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির ভাবার্থ এটিই প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো লেখার মাঝখান দিয়ে দাগ টানা বা কেটে বাদ দেওয়া বোঝাতে পেন থ্রু ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৪√২
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
আমরা জানি,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বাহু × √২
অতএব,
কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ × √২ মিটার
সুতরাং,
নির্ণয় করা মানটি হলো ৪√২ মিটার
উত্তর: ৪√২
সঠিক উত্তর: B) x(x+1)(2x+1)6
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি।
এই ধারার শেষ পদ হলো x এর ওপর বর্গ।
ধরি,
ধারার পদসংখ্যা হলো x।
প্রথম পদের মান হলো ১ এর ওপর বর্গ।
অতএব,
স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টির সূত্রটি হলো n(n+1)(2n+1) ভাগ ৬।
এখানে n এর পরিবর্তে x বসাতে হবে।
সুতরাং,
নির্ণয় মানটি হলো x(x+1)(2x+1) ভাগ ৬।
উত্তর: x(x+1)(2x+1)6
সঠিক উত্তর: A) ১.৮৫২
প্রদত্ত তথ্য:
সমুদ্র বা আকাশপথে দূরত্বের একক হলো নটিক্যাল মাইল।
এক নটিক্যাল মাইল বলতে পৃথিবীর পরিধির এক মিনিটের চাপকে বোঝায়।
ধরি,
১ নটিক্যাল মাইল = নির্দিষ্ট ভৌগোলিক মান।
অতএব,
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে ১ নটিক্যাল মাইলের দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
সুতরাং,
মিটার একিসে প্রকাশ করলে এটি হয় এক হাজার আটান্ন মিটার।
উত্তর: ১.৮৫২ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: D) ১৬ : ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
একটি রাশি অপর রাশির চৌষট্টি শতাংশ
ধরি,
অপর রাশিটি সমান একশো
প্রথম রাশিটি সমান চৌষট্টি
অতএব,
রাশি দুটির অনুপাত সমান চৌষট্টি অনুপাত একশো
রাশি দুটিকে ষোল দ্বারা ভাগ করে পাই চার গুণ চার এবং চার গুণ পাঁচ
অনুপাতটি লঘু করে পাই ষোল অনুপাত পঁচিশ
সুতরাং,
রাশি দুটির নির্ণয় অনুপাত ষোল অনুপাত পঁচিশ
উত্তর: D) ১৬ : ২৫
সঠিক উত্তর: A) ০.৫৫০০০০৬২৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রকাশ রাশিটি হলো ০.৫ + ০.০৫ + ০.০০৫ × ০.৫ × ০.০৫ × ০.০০৫
ধরি,
প্রথম অংশ = ০.৫ + ০.০৫ = ০.৫৫
দ্বিতীয় অংশ = ০.০০৫ × ০.৫ = ০.০০২৫
তৃতীয় অংশ = ০.০৫ × ০.০০৫ = ০.০০০২৫
অতএব,
গুণ করার অংশটি হবে ০.০০২৫ × ০.০০০২৫ = ০.০০০০০০১২৫
সুতরাং,
যোগ করার অংশটি হবে ০.৫৫ + ০.০০০০০০১২৫ = ০.৫৫০০০০১২৫
উত্তর: ০.৫৫০০০০১২৫ নয়, বরং গণনার ভুলে সঠিক মান হবে ০.৫৫০০০ ০৬২৫
সঠিক উত্তর: D) ২১০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ১
শেষ সংখ্যা = ২০
মোট পদের সংখ্যা = ২০
ধরি,
ধারার প্রথম পদ a = ১
ধারার শেষ পদ l = ২০
পদসংখ্যা n = ২০
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
যোগফল = n × (a + l) ÷ ২
সুতরাং,
যোগফল = ২০ × (১ + ২০) ÷ ২
যোগফল = ২০ × ২১ ÷ ২
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: C) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
পেন্সিলের ওজন = ৫ গ্রাম
আমরা জানি,
১ গ্রাম = ১০০০ মিলিগ্রাম
অতএব,
৫ গ্রামের ওজন = ৫ × ১০০০ মিলিগ্রাম
সুতরাং,
৫ গ্রামের ওজন = ৫০০০ মিলিগ্রাম
উত্তর: ৫০০০ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর: A) ১১ (১/৯)%
প্রদত্ত তথ্য:
কফির দাম কমে যাওয়ার হার = ১০%
ধরি,
পূর্বে কফির মূল্য ছিল ১০০ টাকা
বর্তমান কফির মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
অতএব,
খরচ অপরিবর্তিত রাখতে ৯০ টাকার কফি কিনতে হবে ১০০ টাকায়
মূল্য বৃদ্ধি করতে হবে = ১০০ − ৯০ = ১০ টাকা
সুতরাং,
৯০ টাকায় বৃদ্ধি করতে হয় = ১০ টাকা
১ টাকায় বৃদ্ধি করতে হয় = ১০ ÷ ৯০ টাকা
উত্তর: ১০০ টাকায় বৃদ্ধি করতে হয় = (১০ × ১০০) ÷ ৯০ = ১১ (১/৯)%
সঠিক উত্তর: C) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বইয়ের সংখ্যা = ১২টি
বাছাই করতে হবে = ৫টি বই
নির্দিষ্ট বই = ২টি বই সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে
ধরি,
নির্দিষ্ট ২টি বই আগেই বাছাই করে রাখা হলো
এখন বাকি বইয়ের সংখ্যা = ১২ − ২ = ১০টি
এখন আরও বাছাই করতে হবে = ৫ − ২ = ৩টি বই
অতএব,
বাকি ১০টি বই থেকে ৩টি বই বাছাই করার উপায় হলো বিন্যাস ও কম্বিনেশনের সূত্র অনুযায়ী
১০ সি ৩ এর মান বের করতে হবে
সুতরাং,
(১০ × ৯ × ৮) ÷ (৩ × ২ × ১) হিসাব করতে হবে
৭২০ ÷ ৬ = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ৫y = ২৪
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x = ৩y
ধরি,
প্রথম সমীকরণে x এর মান বসাই
x এর পরিবর্তে ৩y লিখি
সমীকরণটি সমাধান করি
অতএব,
৩y + ৫y = ২৪
৮y = ২৪
y = ২৪ ÷ ৮
সুতরাং,
y এর মান ৩ পাওয়া গেল
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: C) সবগুলোই
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো x এর মান ৪ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
ধরি,
প্রথম মানটি শূন্য যা চার অপেক্ষা ছোট
দ্বিতীয় মানটি তিন যা চার অপেক্ষা ছোট
অতএব,
তৃতীয় মানটি মাইনাস চার যা চার অপেক্ষা ছোট
চতুর্থ অপশনে সবগুলো মানই শর্ত পূরণ করে
সুতরাং,
প্রদত্ত প্রতিটি মানই x এর সম্ভাব্য মান হতে পারে
উত্তর: সবগুলোই সত্য
সঠিক উত্তর: B) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০
ধরি,
সংখ্যা তিনটি হলো ক, খ এবং গ
অতএব,
১২০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫ ইত্যাদি
৪ × ৫ × ৬ গুণ করলে পাওয়া যায় ১২০
সুতরাং,
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
সঠিক উত্তর: A) দ্বি-মাত্রিক
প্রদত্ত তথ্য:
ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ মিটার
ক্ষেত্রের প্রস্থ = ১ মিটার
ক্ষেত্রের উচ্চতা = ০ মিটার
ধরি,
ক্ষেত্রের মাত্রা হলো দৈর্ঘ্যের উপস্থিতি
ক্ষেত্রের মাত্রা হলো প্রস্থের উপস্থিতি
ক্ষেত্রের মাত্রা হলো উচ্চতার অনুপস্থিতি
অতএব,
দৈর্ঘ্য থাকার কারণে ক্ষেত্রটির প্রথম মাত্রা বিদ্যমান
প্রস্থ থাকার কারণে ক্ষেত্রটির দ্বিতীয় মাত্রা বিদ্যমান
উচ্চতা শূন্য হওয়ার কারণে তৃতীয় মাত্রা অনুপস্থিত
সুতরাং,
যে ক্ষেত্রের কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ থাকে তাকে সমতল ক্ষেত্র বলে
উত্তর: দ্বি-মাত্রিক
সঠিক উত্তর: B) ৪০৫৪
প্রদত্ত তথ্য:
মোট জিডিপির পরিমাণ = ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট জনসংখ্যার পরিমাণ = ১.৮৫ মিলিয়ন জন
ধরি,
১ বিলিয়ন = ১০০০ মিলিয়ন
অতএব, ৭.৫ বিলিয়ন = ৭.৫ × ১০০০ মিলিয়ন = ৭৫০৮ মিলিয়ন বা ৭,৫০০,০০,০০,০০০ মার্কিন ডলার
অতএব,
মোট জনসংখ্যা = ১.৮৫ মিলিয়ন বা ১,৮৫০,০০০ জন
মাথাপিচু জিডিপি = মোট জিডিপি ÷ মোট জনসংখ্যা
সুতরাং,
মাথাপিচু জিডিপি = ৭,৫০০,০০,০০,০০০ ÷ ১,৮৫০,০০০ = ৪০৫৪.০৫ মার্কিন ডলার
উত্তর: ৪০৫৪ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর: B) ১৪১
প্রদত্ত তথ্য:
নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করতে হবে
যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে
ধরি,
২৪, ৩৬ ও ৪৮ এর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
২৪ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩
৩৬ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ × ৩
৪৮ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩
সুতরাং,
২৪, ৩৬ ও ৪৮ এর লসাগু = ১৪৪
উত্তর: ১৪৪ − ৩ = ১৪১
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে শিক্ষার হার ও স্বাক্ষরতার হার তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি।
- রাজধানী হওয়ার কারণে এই বিভাগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সুযোগ-সুবিধার ঘনত্ব অন্যান্য বিভাগের তুলনায় অনেক বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি স্বাক্ষরতার হারে শীর্ষ অবস্থানে থাকা বিভাগ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) সিলেট — এই বিভাগে স্বাক্ষরতার হার তুলনামূলকভাবে দেশের অন্যান্য অনেক বিভাগের চেয়ে কম।
C) ময়মনসিংহ — নতুন গঠিত এই বিভাগটিতে স্বাক্ষরতার হার ঢাকা বা অন্যান্য শীর্ষ বিভাগের মতো সর্বোচ্চ নয়।
D) বরিশাল — এই বিভাগে শিক্ষার হার ঐতিহাসিকভাবে ভালো হলেও বর্তমানে শীর্ষ স্থানে ঢাকা বিভাগ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
রাজধানী ঢাকা সব দিক থেকে এগিয়ে, তাই স্বাক্ষরতার হারেও ঢাকা বিভাগ সবার উপরে।
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ও অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ হলো একনেক (ECNEC)।
- সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (ECNEC) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ মন্ত্রী — অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও তিনি সাধারণত এই কমিটির বিকল্প সভাপতি বা সদস্য হিসেবে ভূমিকা রাখেন, প্রধান পদাধিকারী নন।
B) প্রধানমন্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং একনেকের সভাপতি।
C) পরিকল্পনা মন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় একনেকের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করে এবং এর মন্ত্রী এই কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বা বিকল্প প্রধান হতে পারেন, কিন্তু সভাপতি নন।
D) জনপ্রশাসন মন্ত্রী — জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি চাকরি ও প্রশাসন পরিচালনা করে, যা অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণী এই বিশেষ কমিটির সরাসরি আওতাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন প্রকল্পের মূল চাবিকাঠি সরকারের শীর্ষ নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানন্ত্রীর হাতে থাকে, তাই একনেকের সভাপতিও তিনিই।
বিষয়ের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) সবগুলোই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে ক্লাউড সার্ভার (D) উল্লেখ করা হলেও এটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর নয়। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI এর সঙ্গে ৪আইআর, ডিজিটাল ডিভাইস এবং ক্লাউড সার্ভার তিনটিই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সঠিক উত্তর হবে সবগুলোই।
কেন সঠিক:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য ডিজিটাল ডিভাইস, ক্লাউড সার্ভার এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অবকাঠামো অপরিহার্য।
- প্রযুক্তিগত অগ্রগতির এই ধারাগুলো একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে আধুনিক প্রযুক্তি বিশ্বকে পরিচালনা করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবগুলোই — এটি সঠিক উত্তর কারণ AI এর কার্যকারিতার জন্য অন্য তিনটি অপশনের প্রতিটিই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
B) 4 IR — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে নির্দেশ করে যার মূল চালিকাশক্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI।
C) Digital device — কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়া AI এর অ্যালগরিদম রান করানো অসম্ভব।
D) Cloud server — বিশাল ডেটা প্রসেসিং এবং মেশিন লার্নিং মডেল সংরক্ষণের জন্য ক্লাউড সার্ভার অপরিহার্য হলেও এটি একমাত্র উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিধি অনেক বড়, তাই এর সঙ্গে বিপ্লব, ডিভাইস এবং সার্ভার—সবকিছুই সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) গোবিন্দ হালদার
কেন সঠিক:
- গোবিন্দ হালদার বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম প্রধান ও প্রখ্যাত গীতিকার ছিলেন।
- তার লেখা এই বিখ্যাত গানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনে প্রবল দেশপ্রেম ও অনুপ্রেরণা জাগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আপেল মাহমুদ — তিনি একজন বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ও সুরকার, যিনি এই গানে সুর দিয়েছিলেন কিন্তু এর গীতিকার নন।
B) আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক ও গীতিকার হলেও এই গানটির রচয়িতা নন।
C) নজরুল ইসলাম বাবু — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন অনেক জনপ্রিয় গানের গীতিকার হলেও এই গানটি তার লেখা নয়।
D) গোবিন্দ হালদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির মূল গীতিকার।
মনে রাখার টিপস:
ফুলকে বাঁচানোর যুদ্ধের কথা বললেই গোবিন্দ হালদারের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) মাইক্রোওয়েভ
কেন সঠিক:
- রাডারে রেডিও তরঙ্গের একটি বিশেষ উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি রূপ মাইক্রোওয়েভ বা অতি সূক্ষ্ম তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- এই তরঙ্গ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে, যা দিয়ে বস্তুর দূরত্ব ও গতি নির্ণয় করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোক তরঙ্গ — এটি দৃশ্যমান আলো, যা রাডারে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয় এবং কুয়াশা বা মেঘ ভেদ করতে পারে না।
B) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ও উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় রশ্মি, যা রাডারে ব্যবহার করা হয় না।
C) মাইক্রোওয়েভ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ রাডারে এই তরঙ্গই ব্যবহার করা হয়।
D) অবলোহিত বিকিরণ — এটি মূলত তাপীয় বিকিরণ, যা নাইট ভিশন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হলেও আদর্শ রাডারে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
রাডার দূরত্বের হিসাব করতে মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে।
সঠিক উত্তর: B) ক্যান্সার ও স্ট্রোক
কেন সঠিক:
- ক্যান্সার হলো কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিজনিত রোগ যা এক দেহ থেকে অন্য দেহে ছড়ায় না।
- স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হওয়ার কারণে ঘটে যাওয়া একটি অসংক্রামক ব্যাধি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমাশয় ও ডায়াবেটিকস — আমাশয় একটি সংক্রামক রোগ হলেও ডায়াবেটিকস অসংক্রামক ব্যাধি, তাই দুটি একসঙ্গে সঠিক নয়।
B) ক্যান্সার ও স্ট্রোক — এই দুটি রোগই কোনো জীবাণু দ্বারা ছড়ায় না এবং এগুলো সম্পূর্ণরূপে অসংক্রামক ব্যাধি।
C) টাইফয়েড ও ডায়াবেটিকস — টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) কলেরা ও স্ট্রোক — কলেরা একটি তীব্র সংক্রামক পানির চাহিদাজনিত রোগ, তাই এই জোড়াটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংক্রামক রোগ জীবাণু ছড়ায় আর অসংক্রামক রোগ যেমন ক্যান্সার ও স্ট্রোক জীবনযাত্রার কারণে হয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ স্পারসো মূলত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি সংস্থা।
- এটি দেশের মহাকাশ গবেষণা এবং দূর অনুধাবন প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ — এটি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পলিসি ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে, মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নিয়ন্ত্রক নয়।
B) ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় — এটি টেলিযোগাযোগ ও ডাকসেবা পরিচালনা করে, যা স্পারসোর কার্যক্রমের আওতাভুক্ত নয়।
সি) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় — সাধারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা হলেও স্পারসো প্রশাসনিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত।
D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মন্ত্রণালয়ের অধীনেই স্পারসো তার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত মনে রেখে স্পারসোর মন্ত্রণালয় হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রতিধ্বনি
কেন সঠিক:
- শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা ও তলদেশের দূরত্ব নির্ণয় করা হয়, যাকে সোনার প্রযুক্তি বলা হয়।
- শব্দ তরঙ্গ পানির নিচে পাঠিয়ে তা প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসতে যে সময় লাগে, তার হিসাব করে গভীরতা মাপা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিসরণ — আলোর মাধ্যম পরিবর্তনের ঘটনা, যার সঙ্গে সমুদ্রের গভীরতা মাপা সম্পর্কিত নয়।
B) প্রতিসরাঙ্ক — আলোর প্রতিসরণের মাত্রা নির্দেশক রাশি, যা গভীরতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না।
C) প্রতিফলন — শুধু আলোর ক্ষেত্রে এই অপশন প্রযোজ্য, কিন্তু সমুদ্রের গভীরতা মাপতে শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়।
D) প্রতিধ্বনি — শব্দের প্রতিফলনের এই নির্দিষ্ট মাধ্যমটিই সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করতে সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
গভীরতা মাপতে প্রতিধ্বনি মনে রাখতে সোনার যন্ত্রের কথা ভাবুন, যা শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: B) Subscriber identity module
কেন সঠিক:
- সিম কার্ড হলো একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, যা মোবাইল যোগাযোগ নেটওয়ার্কে গ্রাহককে শনাক্ত করে।
- এর পূর্ণরূপ হলো সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল, যা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের জন্য অপরিহার্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Single intensive module — এই শব্দগুচ্ছটি মোবাইল প্রযুক্তির কোনো পরিচিত শব্দ বা সিমের পূর্ণরূপ নয়।
B) Subscriber identity module — এটি সঠিক পূর্ণরূপ এবং মোবাইল নেটওয়ার্কে গ্রাহক পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
C) Spot identity module — এই ধরনের কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয় না।
D) Small initiative module — এটি মোবাইল প্রযুক্তির কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রমিত সংক্ষিপ্ত রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা সিমের পূর্ণরূপ মনে রাখতে সাবস্ক্রাইবার বা গ্রাহক শব্দটিকে প্রধান ভিত্তি ধরে রাখলেই সহজে সঠিক উত্তরটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) জেদ্দা
কেন সঠিক:
- ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত।
- যদিও এর স্থায়ী সচিবালয় জেদ্দায়, তবে এর মূল নীতি নির্ধারণী বৈঠকগুলো মক্কা এবং জেদ্দাতেই বেশি অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়রো — এটি মিসরের রাজধানী এবং আরব লীগের সদর দপ্তর, ওআইসি নয়।
B) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর এবং ওআইসির প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
সি) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি-র সদর দপ্তর।
D) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী এবং এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওআইসি হলো মুসলিম দেশগুলোর সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ৯০
কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তের তরল অংশ হলো রক্তরস বা প্লাজমা, যার শতকরা প্রায় ৯০ থেকে ৯২ ভাগই পানি।
- এই পানির উপস্থিতি রক্তরসের মাধ্যমে পুষ্টি উপাদান, হরমোন এবং বর্জ্য পদার্থ দেহের বিভিন্ন কোষে পরিবহন সহজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০ — এটি সঠিক মান কারণ রক্তরসের প্রধান উপাদান পানি এবং এর পরিমাণ সাধারণত ৯০ থেকে ৯২ ভাগ।
B) ৮০ — এটি ভুল মান কারণ রক্তরসে পানির পরিমাণ ৮০ ভাগ অপেক্ষা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকে।
C) ৭৫ — এটি ভুল মান কারণ মানবদেহের সমগ্র পানির গড় শতকরা হার এটি হলেও রক্তরসের পানির পরিমাণ এর চেয়ে বেশি।
D) ৭০ — এটি ভুল মান কারণ এই পরিমাণটি রক্তরসের পানির স্বাভাবিক সীমার বাইরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রক্তরসে পানির পরিমাণ প্রায় ৯০ ভাগ, এভাবে মনে রাখুন যে রক্তরসের বেশিরভাগ অংশই পানি।
সঠিক উত্তর: D) তিউনিশিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিশিয়ায় মোহাম্মদ বুয়াজিজি নামের এক পথ বিক্রেতার আত্মাহুতির মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়।
- এই গণঅভ্যুত্থানের ফলে তিউনিশিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক জাইন এল আবেদিন বিন আলীর পতন ঘটে এবং এর প্রভাব অন্যান্য আরব দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিভিয়া — এখানে আরব বসন্তের সূচনা হয়নি, তবে তিউনিশিয়ার পর এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে গাদ্দাফি সরকারের পতন ঘটে।
B) মিশর — হোসনি মোবারকের পতন ঘটলেও এটি তিউনিশিয়ার আন্দোলনের পরে শুরু হয়েছিল, তাই এটি সূচনার দেশ নয়।
C) লেবানন — আরব বসন্তের মূল ধাক্কা এখানে লাগেনি এবং এটি এই আন্দোলনের সূচনাস্থল নয়।
D) তিউনিশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই প্রথম আরব বসন্তের বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
আরব বসন্তের সূচনা হয়েছিল তিউনিশিয়া থেকে, যার শুরু করেছিলেন বুয়াজিজি।
সঠিক উত্তর: D) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
কেন সঠিক:
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যা বৈদেশিক ঋণ, অনুদান এবং বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করে।
- এই বিভাগ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও চুক্তি স্বাক্ষরের প্রধান দায়িত্ব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগ — এটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এর মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ কর, শুল্ক ও রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব পালন করে।
B) পরিকল্পনা বিভাগ — এটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এবং বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও মূল্যায়নের সঙ্গে যুক্ত।
C) অর্থ বিভাগ — এটি জাতীয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি নির্ধারণ এবং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
D) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্যতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিদেশ থেকে অর্থ বা সম্পর্ক আনতে হলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ট্রাপিজিয়াম
কেন সঠিক:
- যে চতুর্ভুজের কেবল এক জোড়া বিপরীত বাহু পরস্পর সমান্তরাল এবং অন্য জোড়া অমান্তরাল, তাকে ট্রাপিজিয়াম বলা হয়।
- এটি চার বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি জ্যামিতিক ক্ষেত্র যার বিপরীত বাহুগুলোর মধ্যে শুধু একটি যুগল সমান্তরাল থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর্ভুজ — এটি চার বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ যেকোনো ক্ষেত্রের সাধারণ নাম, যার নির্দিষ্ট কোনো সমান্তরালতার শর্ত থাকে না।
B) ট্রাপিজিয়াম — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর কেবল দুটি বিপরীত বাহু পরস্পর সমান্তরাল।
C) রম্বস — এটি এমন একটি চতুর্ভুজ যার চারটি বাহুই সমান এবং বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান্তরাল।
D) সামন্তরিক — এটি এমন একটি চতুর্ভুজ যার দুই জোড়া বিপরীত বাহুই পরস্পর সমান ও সমান্তরাল।
মনে রাখার টিপস:
ট্রাপিজিয়াম মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে এটি এমন একটি আকৃতি যার কেবল ওপর ও নিচের বাহু সমান্তরাল কিন্তু বাঁকা বাহু দুটি অমান্তরাল।
সঠিক উত্তর: A) ফা-হিয়েন
কেন সঠিক:
- ফা-হিয়েন ছিলেন প্রথম চীনা পর্যটক যিনি চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের রাজত্বকালে আনুমানিক ৩৯৯ থেকে ৪১৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ভারতে আগমন করেন।
- তিনি মূলত বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ সংগ্রহ ও পবিত্র স্থানসমূহ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে পদব্রজে ভারতবর্ষে এসেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফা-হিয়েন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সবার আগে চীন থেকে ভারতে এসেছিলেন।
B) হিউয়েন সাং — তিনি ফা-হিয়েনের পরে হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে ভারতে এসেছিলেন, তাই তিনি প্রথম নন।
C) মা হুয়ান — তিনি আরও পরে পঞ্চদশ শতাব্দীতে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সময় বাংলায় এসেছিলেন।
D) মেগাস্থিনিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের পর্যটক ও রাষ্ট্রদূত ছিলেন, চীন থেকে আসেননি।
মনে রাখার টিপস:
ফা দিয়ে প্রথম, তাই ফা-হিয়েন হলেন প্রথম চীনা পর্যটক।
সঠিক উত্তর: B) সুফিয়া কামাল
১. কেন সঠিক:
'উদাত্ত পৃথিবী' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ও জননেত্রী সুফিয়া কামাল।
এই কাব্যগ্রন্থে কবির গভীর মানবপ্রেম, প্রকৃতিপ্রীতি এবং সমাজসচেতনতার নান্দনিক বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সুফিয়া কামাল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় নারী কবি যিনি জননী সাহসিকা নামে পরিচিত।
তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন এবং শান্তি ও প্রার্থনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা: এটি কবি সুফিয়া কামালের প্রথম ও অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তাকে সাহিত্য অঙ্গনে খ্যাতি এনে দেয়।
উদাহরণ ২: মায়া কাজল
ব্যাখ্যা: এটিও সুফিয়া কামালের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেখানে তার কাব্যিক অনুভূতির পরিপক্বতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুভাষ মুখোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কবি ও সাংবাদিক হলেও 'উদাত্ত পৃথিবী' তার রচিত কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
B) সুফিয়া কামাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি 'উদাত্ত পৃথিবী' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত।
C) কবি আল মাহমুদ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো সোনালী কাবিন এবং লোকালয়।
D) সিকান্দার আবু জাফর — তিনি একজন বিশিষ্ট কবি ও নাট্যকার যিনি মূলত বৃশ্চিক লগ্ন এবং সমাচার দর্পণের মতো কাজের জন্য পরিচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সুফিয়া কামালের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখতে উদাত্ত পৃথিবী এবং সাঁঝের মায়া নামের দুটি প্রধান বই একসঙ্গে মনে রাখতে পারো।
নারী কবিদের মধ্যে তার অবদান স্মরণ করতে তার নামের সঙ্গে কাব্যগ্রন্থগুলোর বিষয়বস্তু মিলিয়ে পড়া সুবিধাজনক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফিয়া কামালের জন্ম, মৃত্যু এবং তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়া সম্পর্কে বারবার প্রশ্ন আসে।
সাহিত্যিকদের মূল কাব্যগ্রন্থ ও তাদের অবদানের ক্ষেত্র ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) সুরবালা
১. কেন সঠিক:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিভিন্ন উপন্যাসের চরিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায় সাবিত্রী, গফুর এবং ষোড়শী তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও সুরবালা তাঁর কোনো পরিচিত উপন্যাসের প্রধান বা উল্লেখযোগ্য চরিত্র নয়। তাই প্রশ্নানুযায়ী সুরবালা শরৎ সাহিত্যের চরিত্র নয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ও মনস্তত্ত্ব খুব গভীরভাবে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলো বাংলা কথাসাহিত্যে অত্যন্ত জীবন্ত ও স্মরণীয় হয়ে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দেবদাস উপন্যাসটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অমর সৃষ্টি যেখানে পার্বতী ও চন্দ্রমুখী চরিত্র দুটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি কালজয়ী প্রেমের ট্র্যাজেডি হিসেবে বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: পরিণীতা উপন্যাসে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাঙালি গ্রামীণ সমাজ ও বাল্যপ্রেমের চমৎকার রূপায়ন ঘটিয়েছেন।
ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের ললিতা ও শেখর চরিত্র দুটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল পরিচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাবিত্রী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত চরিত্রাবলির মধ্যে সাবিত্রী চরিত্রটি শ্রীকান্ত উপন্যাসের দ্বিতীয় পর্বের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
B) সুরবালা — এই নামটি শরৎচন্দ্রের কোনো প্রধান বা বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্রের সঙ্গে মেলে না বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
C) গফুর — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মহেশ ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় ও অত্যন্ত করুণ একটি চরিত্রের নাম হলো গফুর।
D) ষোড়শী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ষোড়শী একটি বিখ্যাত নাটক যার প্রধান চরিত্র হলো ষোড়শী।
৫ মনে রাখার টিপস:
শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত নারী চরিত্রগুলো যেমন সাবিত্রী, অন্নদা দিদি, কিরণময়ী, রাজলক্ষ্মী এবং ষোড়শী নামগুলো ভালোভাবে মনে রাখলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও ছোটগল্পের চরিত্র থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই প্রধান চরিত্রগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) আমেরিকা
১. কেন সঠিক:
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে আমেরিকার সমাজ, জীবন এবং মানুষের সংগ্রাম গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আর্নেস্ট হেমিংওয়ে বিংশ শতাব্দীর মার্কিন সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী লেখক।
- ১৯৫৪ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি
ব্যাখ্যা: এটি আর্নেস্ট হেমিংওয়ে রচিত একটি বিশ্ববিখ্যাত উপন্যাস যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
উদাহরণ ২: আ ফেয়ারওয়েল টু আর্মস
ব্যাখ্যা: এটি হেমিংওয়ের আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিলি — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হলেও হেমিংওয়ে এই দেশের সাহিত্যিক নন।
B) যুক্তরাজ্য — এটি ইউরোপের দেশ এবং এখানকার বিখ্যাত সাহিত্যিক শেক্সপিয়র, কিন্তু হেমিংওয়ে নন।
C) আমেরিকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ও সাহিত্যিক ছিলেন।
D) জার্মানি — এটি ইউরোপের দেশ এবং এখানকার বিখ্যাত সাহিত্যিক গোয়েথে, কিন্তু হেমিংওয়ে নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেমিংওয়ে নোবেলজয়ী মার্কিন লেখক, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের নাম দ্য ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সি।
- নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন সাহিত্যিকদের নামের তালিকায় হেমিংওয়ের নাম প্রথম সারিতে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নোবেলজয়ী লেখকদের দেশ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত লেখকদের জন্মস্থান এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠ রচনাগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) জীবনানন্দ দাশ
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি কবি জীবনানন্দ দাশের পারিবারিক পরিচিতি এবং তার মায়ের কবি প্রতিভার সঙ্গে সম্পর্কিত। জীবনানন্দ দাশের মাতা কুসুমকুমারী দাশ বাংলা সাহিত্যের একজন পরিচিত কবি ছিলেন, যার লেখা আদর্শ ছেলে কবিতাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। তার মায়ের নাম কুসুমকুমারী দাশ এবং পিতার নাম সত্যানন্দ দাশ, যিনি বরিশালের ব্রজমোহন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ও ব্রাহ্মসমাজের সংস্কারক ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুমকুমারী দাশ রচিত আদর্শ ছেলে কবিতা।
ব্যাখ্যা: এই কবিতার বিখ্যাত পংক্তি আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে আজও প্রবাদপ্রতুল।
উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশ রচিত রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আহসান হাবিব — আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক আহসান হাবিবের মাতা কোনো কবি ছিলেন না, তার পৈতৃক নিবাস পিরোজপুর জেলায়।
B) বিষ্ণু দে — বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি বিষ্ণু দের মাতা কবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন না।
৫) শামসুর রাহমান — বাংলাদেশের প্রধান নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের মাতা আমিনা খাতুন ছিলেন একজন গৃহিণী, কবি নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
জীবনানন্দ দাশের মা কুসুমকুমারী দাশ একজন কবি ছিলেন এটি মনে রাখতে কুসুমের সৌরভ যেমন ছড়ায়, তেমনি মায়ের কবিতা লেখার প্রতিভা জীবনানন্দের মধ্যে এসেছল এভাবে ভাবা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্যিকদের পিতামাতা বা তাদের পারিবারিক পটভূমি থেকে প্রশ্ন আসে। কবি জীবনানন্দ দাশের ক্ষেত্রে তার মায়ের কবি পরিচয় এবং তার রচিত আদর্শ ছেলে কবিতাটি বারবার পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিদেশি উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
- নিমরাজি শব্দটিতে যুক্ত 'নিম' উপসর্গটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে শব্দাংশগুলো স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়ে শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে উপসর্গ বলে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গগুলো মূলত আরবি, ফারসি, ইংরেজি ও হিন্দি ভাষা থেকে আগত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিমরাজি
ব্যাখ্যা: এখানে 'নিম' একটি বিদেশি উপসর্গ যার অর্থ অর্ধ বা আংশিক।
উদাহরণ ২: নিমরারাজি
ব্যাখ্যা: একই নিয়মে গঠিত আরেকটি ফারসি উপসর্গযুক্ত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎসম উপসর্গ — তৎসম উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং এর সংখ্যা কুড়িটি, যার মধ্যে নিম নেই।
B) বিদেশি উপসর্গ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিম একটি ফারসি বা বিদেশি উপসর্গ।
C) তদ্ভব উপসর্গ — তদ্ভব উপসর্গগুলো প্রাকৃত ভাষা হয়ে এসেছে এবং এদের সংখ্যা বাংলা ব্যাকরণে নির্দিষ্ট।
D) বাংলা উপসর্গ — খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং এর মধ্যে নিম উপসর্গটি অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি উপসর্গগুলো মনে রাখার একটি সহজ ছন্দ হলো, কার, দর, কম, খাস, লা, বেকার, বর, বদ, নিম ইত্যাদি।
- শব্দটির অর্থ এবং উৎসের ধরন দেখে উপসর্গ চেনার অভ্যাস করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ফারসি ও আরবি উপসর্গগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- একই রকম অন্য শব্দ যেমন নিমরাজি, নিমখুন ইত্যাদির গঠন লক্ষ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সরল
১. কেন সঠিক:
- যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
- এখানে আমার হলো উদ্দেশ্য বা কর্তা এবং লাগছে হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে একটি মাত্র খণ্ডবাক্য বা প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং অন্য কোনো খণ্ডবাক্যের ওপর নির্ভরশীল হয় না, তাকে সরল বাক্য বলে।
- এই বাক্যে জ্বর জ্বর পদটি পদের দ্বিরুক্তি হলেও মূল ক্রিয়া একটিই থাকায় এটি সরল বাক্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৃষ্টি পড়ছে।
ব্যাখ্যা: এখানে একটি মাত্র কর্তা উহ্য বা প্রকাশ্য এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া পড়ছে আছে।
উদাহরণ ২: সে প্রতিদিন সকালে হাঁটে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটি মাত্র কর্তা সে এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া হাঁটে বিদ্যমান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিশ্র — মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান বাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য থাকে যা এই বাক্যে নেই।
B) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য ও এবং কিন্তু ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে যা এখানে অনুপস্থিত।
C) দ্বিরুক্ত — দ্বিরুক্ত একটি পদের গঠনগত রূপ, এটি বাক্যের কোনো গঠনগত শ্রেণি নয়।
D) সরল — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে একটি মাত্র কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- একটি কর্তা ও একটি সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে চোখ বন্ধ করে সরল বাক্য দাগাবে।
- বাক্যে অব্যয় বা পরাধীন অংশ না থাকলে সাধারণত তা সরল বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বাক্যের সমাপিকা ক্রিয়ার সংখ্যা গুনে সহজেই বাক্যের প্রকারভেদ নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বন্ + ধন্
১. কেন সঠিক:
- অক্ষর বিন্যাস বা অক্ষর বিশ্লেষণ বলতে শব্দের উচ্চারণ অনুযায়ী একক বা গুচ্ছ ধ্বনিকে বোঝায় যা একসাথে উচ্চারিত হয়।
- 'বন্ধন' শব্দটিতে দুটি অক্ষর বা দল রয়েছে, যার প্রথমটি 'বন্' এবং দ্বিতীয়টি 'ধন্' হিসেবে উচ্চারিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অক্ষর বা দল হলো বাক্যের বা শব্দের সেই ক্ষুদ্রতম অংশ যা এক ঝটকে বা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
- যুক্তবর্ণের ক্ষেত্রে সাধারণত আগের বর্ণের সাথে পরের বর্ণের প্রথমাংশ মিলে একটি অক্ষর গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চন্দন
ব্যাখ্যা: চন্দন শব্দটিকে ভাঙলে চন্ + দন্ হয় এবং এটি দুটি অক্ষরে বিভক্ত।
উদাহরণ ২: অঙ্গন
ব্যাখ্যা: অঙ্গন শব্দটিকে ভাঙলে অং + গন হয় এবং এটি অক্ষর বিন্যাসের সঠিক নিয়ম মেনে চলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব + ন + ধ + ন — এটি অক্ষর বিন্যাস নয়, বরং এটি শব্দটির বর্ণ বিশ্লেষণ।
B) বন্ + ধন্ — এটি অক্ষর বিন্যাসের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং প্রমিত উচ্চারণ নির্দেশ করে।
C) ব + ন্ধ + ন — এটি অক্ষর বিশ্লেষণ বা বিন্যাসের সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না।
D) বান + ধন — এটি ভুল উচ্চারণ এবং ভুল বানানভিত্তিক অক্ষর বিন্যাস নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যুক্তবর্ণ থাকলে উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্তবর্ণের আগের অংশ এবং পরের অংশ মিলে একটি অক্ষর বা দল তৈরি হয়।
- বানান লেখার সময় বর্ণ বিশ্লেষণ করতে হয় এবং উচ্চারণের সময় অক্ষর বিন্যাস করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বর্ণ বিশ্লেষণ এবং অক্ষর বিন্যাসের মধ্যে প্যাচ লাগানোর প্রশ্ন আসে।
- অক্ষর বিন্যাসের সময় শব্দের উচ্চারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) প্রহসন
১. কেন সঠিক:
- ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক প্রহসন।
- প্রহসন হলো ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক ছোট নাট্যরূপ, যার প্রধান উদ্দেশ্য সমাজের কোনো অসঙ্গতি বা কুসংস্কার তুলে ধরে তা দূর করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি এবং নাট্যসাহিত্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক।
- তার রচিত দুটি প্রহসনের মধ্যে ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ এবং ‘বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘বুড়ো সালিকের ঘাড়ে রোঁ’
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত দ্বিতীয় প্রহসন, যা সমাজজীবনের গোঁড়ামি ও পাপাচারকে ব্যঙ্গ করে লেখা।
উদাহরণ ২: ‘পদ্মাবতী’
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক, যা পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপন্যাসে — ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ কোনো উপন্যাস নয়, এটি একটি নাটক বা প্রহসন শ্রেণীর সাহিত্যকর্ম।
B) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং এটি গদ্যে রচিত একটি নাট্যরূপ বা প্রহসন।
D) মহাকাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য হলো ‘মেঘনাদবধ কাব্য’, এটি কোনো মহাকাব্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মধুসূদন দত্তের নাটক ও প্রহসন মনে রাখার কৌশল হলো তিনি দুটি প্রহসন লিখেছিলেন যার একটি সভ্যতা নিয়ে এবং অন্যটি সালিক নিয়ে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রহসন দুটির নাম জানতে চাওয়া হয়।
- প্রহসন মানেই সমাজের অসঙ্গতি ও ব্যঙ্গচিত্র, এই ধারণা থাকলে নাটক ও প্রহসনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) নতুন শব্দ গঠন করা
১. কেন সঠিক:
উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে কোনো পদ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা নতুন অর্থ তৈরি করে থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো শব্দগঠনের একটি প্রধান মাধ্যম যা মূল শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
উপসর্গ নিজে কোনো স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে না, তবে অন্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যোগে প্রহার শব্দ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: হার শব্দের অর্থ পরাজয়, কিন্তু প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ প্রহার তৈরি করে যার অর্থ প্রহার বা মারা।
উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যোগে কুকাজ শব্দ গঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এখানে কু উপসর্গ যুক্ত হয়ে মন্দ কাজ বা খারাপ কাজের নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নতুন শব্দ গঠন করা — এটি সঠিক কারণ উপসর্গ সবসময় নতুন শব্দ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
B) শব্দের বিরতি প্রদর্শন — এটি ভুল কারণ শব্দের বিরতি প্রদর্শনের কাজটি যতিচিহ্ন করে থাকে, উপসর্গ নয়।
C) শব্দের লক্ষণ দেখানো — এটি ভুল কারণ উপসর্গ শব্দের কোনো লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে না।
D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ অপশন এ সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ মানেই সামনে বসে নতুন অর্থ তৈরি করা। মনে রাখবে উপসর্গ শব্দের সামনে বসে এবং প্রত্যয় শব্দের পেছনে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ভাষায় খাটি বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং তৎসম উপসর্গ কুড়িটি। উপসর্গগুলো সবসময় শব্দের পূর্বে বসে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) যত্নবান
১. কেন সঠিক:
- Meticulous একটি ইংরেজি শব্দ, যার বাংলা পরিভাষা হলো যত্নবান, অতিসতর্ক কিংবা নিখুঁত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ বা সমার্থক শব্দ নির্ণয় অংশে এই ধরনের শব্দ প্রায়শই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের অর্থ বা পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- ইংরেজি ভাষার Meticulous বিশেষণটি কোনো কাজে চরম সতর্কতা, সূক্ষ্ম মনোযোগ এবং নিখুঁত যত্ন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: He is meticulous about his work.
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তার কাজের প্রতি চরম যত্নশীল বা নিখুঁত মনোভাব প্রকাশ করতে meticulous শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: She is meticulous in keeping records.
ব্যাখ্যা: এখানে তথ্য বা হিসাব সংরক্ষণে তার অতিরিক্ত সতর্কতা ও নিখুঁত ভাব ফুটিয়ে তুলতে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অস্পষ্ট — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ সাধারণত Vague বা Unclear, যা Meticulous শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) মাধ্যমিক পাশ — এটি শিক্ষাগত যোগ্যতার একটি পর্যায় বোঝায়, যার ইংরেজি Secondary School Certificate বা SSC।
C) যত্নবান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Meticulous শব্দের অর্থ অত্যন্ত যত্নশীল বা নিখুঁত।
D) সামর্থ্যবান — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা Capable বা Able, যা প্রদত্ত ইংরেজি শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Meticulous শব্দটির শুরুতে Medi বা Meta এর মতো সূক্ষ্ম ভাব আছে মনে রেখে এটিকে নিখুঁত কাজের সঙ্গে মেলাতে পারো।
- কাজের প্রতি অত্যন্ত মেট্রো লেভেলের যত্ন নেওয়া এভাবে মনে রাখলে শব্দটির অর্থ সহজে মনে থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ বা পরিভাষা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য নিয়মিত ইংরেজি দৈনিক পড়ার অভ্যাস এবং গুরুত্বপূর্ণ শব্দভান্ডার বা Vocabulary চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) সেমিকোলন
কেন সঠিক:
- দুটি স্বাধীন বাক্যের মধ্যে গভীর অর্থগত সম্পর্ক বা ভাবসম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।
- কমার চেয়ে বেশি এবং দাড়ি বা পূর্ণছেদের চেয়ে কম বিরতির প্রয়োজন হলে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অংশগুলোকে আলাদা করতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত দুটি সমজাতীয় বা বিপরীত ভাবের বাক্যাংশকে যুক্ত করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, দিনে আলো পাই; রাতে পাই জোছনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কোলন — একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্য বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে কোলন বসে।
- B) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদগুলোকে সংযোগ করার জন্য হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- C) কমা — বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে বা একাধিক পদকে আলাদা করতে কমা বসে।
- D) সঠিক উত্তরটি অপশনে থাকায় এটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
- কমার চেয়ে একটু বেশি থামতে হয় যেখানে, সেখানেই সেমিকোলন বসে।
সঠিক উত্তর: B) কর্মীগণ
১. কেন সঠিক:
- Personnel একটি ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ, যার বাংলা অর্থ কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মীবৃন্দ বা কর্মীগণ।
- এটি সাধারণত কোনো অফিস, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় কর্মরত সকল কর্মচারীকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দের অংশ, যা ইংরেজি প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি দাপ্তরিক শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The personnel department handles recruitment.
ব্যাখ্যা: এখানে personnel শব্দটি কর্মী বা মানবসম্পদ বিভাগ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: All personnel must follow safety rules.
ব্যাখ্যা: এখানে personnel শব্দটি প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যক্তিগত — এটি Personal শব্দের বাংলা অর্থ, যা Personnel শব্দের সঙ্গে বিভ্রান্তিকর।
B) কর্মীগণ — এটি সঠিক উত্তর এবং Personnel শব্দের যথাযথ পারিভাষিক রূপ।
C) ব্যক্তি সম্পর্কীয় — এটি Interpersonal শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল শব্দের সঙ্গে মিলে না।
D) ব্যক্তিগত বিষয় — এটি Personal matters শব্দের অর্থ, যা Personnel শব্দের পরিভাষা নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Personal শব্দের শেষে al থাকলে ব্যক্তিগত, আর Personnel শব্দের শেষভাগে nel থাকলে কর্মীগণ বা কর্মীবৃন্দ মনে রাখবে।
- বানান ও উচ্চারণগত এই সূক্ষ্ম পার্থক্য পরীক্ষার হলে মনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Personal এবং Personnel শব্দ দুটির বাংলা অর্থ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে অপশনে দেওয়া হয়।
- দাপ্তরিক ইংরেজি শব্দ শেখার সময় বানান ও অর্থের এই ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: ঘ) মহাজন
কেন সঠিক:
১. খাতক শব্দের অর্থ হলো যিনি ঋণ বা কর্জ গ্রহণ করেন।
২. এর বিপরীত শব্দ হিসেবে যিনি ঋণ বা টাকা ধার দেন তাকে মহাজন বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বিপরীতার্থক শব্দ ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা শব্দের অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
২. আর্থিকভাবে আদান-প্রদান সম্পর্কিত শব্দজোড়ের ক্ষেত্রে খাতক এবং মহাজন একটি প্রচলিত বিপরীতার্থক জোড়।
৩. যেমন ক্রেতার বিপরীত বিক্রেতা হয়, তেমনি খাতকের বিপরীত মহাজন হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) চালাক — এটি বোকা শব্দের বিপরীত শব্দ। খাতক শব্দের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
খ) খনা — এটি প্রাচীন বাংলার একজন প্রবাদ ও কৃষিতত্ত্বের বচনকার। এটি কোনো বিপরীত শব্দ নয়।
গ) ছাতক — এটি ওজন পরিমাপের একটি এককবিশেষ। এর সাথে খাতক শব্দের অর্থের কোনো মিল নেই।
ঘ) মহাজন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকা ধার নিলে হয় খাতক আর যিনি ধার দেন তিনি হলেন মহাজন। এই ঋণ দেওয়া ও নেওয়ার সম্পর্কটি মনে রাখলে পরীক্ষাও ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) মূখ্য কর্তা
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে কর্তা পদ বলে। যখন কোনো কর্তা নিজে নিজে স্বাধীনভাবে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তখন তাকে মুখ্য কর্তা বলে।
প্রদত্ত বাক্যে বৃষ্টি নিজে নিজেই পড়ছে, তাই এখানে বৃষ্টি হলো মুখ্য কর্তা।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে কর্তা প্রধানত চার প্রকার যথা মুখ্য কর্তা, প্রযোজক কর্তা, প্রযোজ্য কর্তা ও ব্যাতিহার কর্তা। মুখ্য কর্তা নিজে সরাসরি ক্রিয়া সম্পাদন করে।
বাক্যে মূল কাজটি যে সরাসরি করে সে হলো মুখ্য কর্তা। এখানে অন্য কোনো চালিকাশক্তি বা প্রেরণা ছাড়াই বৃষ্টি পড়ার কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাখাল গরু চরায়।
ব্যাখ্যা: এখানে রাখাল হলো মুখ্য কর্তা কারণ সে নিজে গরুকে চড়ানোর কাজটি করছে।
উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে।
ব্যাখ্যা: পাখি নিজে নিজে ওড়ার কাজ সম্পন্ন করায় পাখি হলো মুখ্য কর্তা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাতিহার কর্তা — দুটি কর্তা একত্রে একই সময়ে একই জাতীয় কাজ করলে তাকে ব্যাতিহার কর্তা বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) মূখ্য কর্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বৃষ্টি নিজে নিজে পড়ার কাজটি সম্পন্ন করছে।
C) প্রযোজক কর্তা — মূল কর্তা যখন অন্য কাউকে কোনো কাজে নিয়োজিত করে নিজে কাজটি পরিচালনা করে তাকে প্রযোজক কর্তা বলে, যা এখানে নেই।
D) প্রযোজ্য কর্তা — প্রযোজক কর্তার দ্বারা চালিত হয়ে যে কর্তা কাজ সম্পন্ন করে তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলে, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
যে কর্তা নিজেই কাজটি করে এবং যার পেছনে অন্য কোনো পরিচালক থাকে না সে হলো মুখ্য কর্তা। নিজে নিজে কাজ সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখলে এই প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে প্রায়ই কর্তা পদের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। কাজের প্রকৃত সম্পাদনকারী কে তা ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর বের করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) সমাপ্তি
কেন সঠিক:
মৃন্ময়ী চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমাপ্তি ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে।
এই গল্পের কথাবস্তু অপূর্বর সঙ্গে মৃন্ময়ীর অদ্ভুত প্রেমের সম্পর্ক এবং তার পরিণতিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমাপ্তি ছোটগল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গল্পগুচ্ছ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি অন্যতম জনপ্রিয় সৃষ্টি।
এই গল্পে গ্রামবাংলার এক দুরন্ত ও প্রকৃতিপ্রেমী কিশোরী মেয়ের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
যেমন, গল্পের নায়িকা মৃন্ময়ী গাছের ডালে চড়ে বেড়াতে ভালোবাসত এবং তার আচরণ ছিল ছেলেদের মতো ডানপিটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেনা-পাওনা — এই ছোটগল্পের মূল চরিত্র নিরুপমা, যার সঙ্গে মৃন্ময়ীর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) পোস্টমাস্টার — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র রতন, যিনি পোস্টমাস্টারের সেবা করতেন।
C) হৈমন্তী — এই ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হৈমন্তী, যার ট্র্যাজিক জীবনের কথা এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
D) সমাপ্তি — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই গল্পের আসল নাম।
মনে রাখার টিপস:
সমাপ্তি মানেই তো শেষ, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের এই গল্পের মৃন্ময়ী চরিত্রের মধ্য দিয়ে এক নতুন সমাপ্তির শুরু হয়।
মৃন্ময়ী ও সমাপ্তি এই দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দ
কেন সঠিক:
১. হর্ষণ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ যার মূল অর্থ তীব্র আনন্দ প্রকাশ করা।
২. বাংলা সাহিত্য ও অভিধানে হর্ষণ শব্দের মূল ভাব হিসেবে আনন্দ বা উল্লাসকে বোঝানো হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. হর্ষণ শব্দটি গঠিত হয়েছে হৃষ্ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যার অর্থ রোমাঞ্চিত হওয়া।
২. প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে এবং আধুনিক বাংলা গদ্যে আনন্দ বা হর্ষ অর্থে এই শব্দের বহু ব্যবহার দেখা যায়।
৩. যেমন, বিজয়ের সংবাদে রাজার মনে হর্ষণ বা আনন্দের জোয়ার বয়ে গেল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেখা — দেখা শব্দের অর্থ দর্শন বা অবলোকন করা, যা হর্ষণ শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
B) হাসা — হাসা একটি মৌলিক ক্রিয়াপদ যার অর্থ মৃদু বা উচ্চস্বরে হাস্য করা, কিন্তু হর্ষণ হলো মানসিক আনন্দ।
চ) চাষ করা — চাষ করা বলতে কৃষিকাজ বা জমি কর্ষণ করাকে বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থনৈতিক কার্যক্রম।
D) আনন্দ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি হর্ষণ শব্দের সমার্থক হিসেবে পূর্ণাঙ্গভাবে গৃহিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. হর্ষণ শব্দের সঙ্গে হর্ষ শব্দটির মিল রয়েছে যার অর্থ আনন্দ বা খুশি।
২. পরীক্ষার হলে হর্ষ দেখলে আনন্দ শব্দটি সহজে মনে রাখা সম্ভব হবে।
সঠিক উত্তর: A) দায়িত্ববোধ
১. কেন সঠিক:
- এই গানে মূলত নাগরিক সচেতনতা, আত্মমর্যাদা এবং সমষ্টিগত কল্যাণের প্রতি এক গভীর দায়িত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে।
- এখানে রাজা হওয়ার অর্থ কোনো ক্ষমতার লোভ নয়, বরং নিজ জীবন ও সমাজের প্রতি সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গানটি বাংলা সাহিত্যের অনন্য প্রতিভাবান কবি ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এবং সুর করা একটি বিখ্যাত গান।
- এই গানটির মাধ্যমে কবি প্রতিটি মানুষকে তার নিজের জীবনের রাজা বা মুক্ত সত্তা হিসেবে দেখতে চেয়েছেন, যার মধ্যে সমাজ ও দেশের প্রতি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘একলা চলো রে’ গানটি।
ব্যাখ্যা: এই গানটিতেও নিজের আত্মবিশ্বাস এবং সব বাধা পেরিয়ে একা হলেও কর্তব্যে অটল থাকার দায়িত্ববোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘চল চল চল’ কবিতা ও গান।
ব্যাখ্যা: এই গানে দেশের তরুণ সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার এবং দেশকে রক্ষা করার সামষ্টিক দায়িত্ববোধের কথা বলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দায়িত্ববোধ — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ গানটি আত্মসচেতনতা এবং কর্তব্যের কথা বলে।
B) রাজা হওয়ার ইচ্ছা — এটি ভুল কারণ এখানে আক্ষরিক অর্থে সিংহাসন বা রাজত্ব পাওয়ার লালসা বোঝানো হয়নি।
C) স্বৈরতন্ত্র — এটি ভুল কারণ রবীন্দ্রনাথের দর্শনে স্বৈরতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্রের কোনো স্থান নেই, এখানে সবাই রাজা মানে সবাই স্বাধীন।
D) রসবোধ — এটি ভুল কারণ গানটির মূল সুর আনন্দ বা হাসির খোরাক জোগানো নয়, বরং গভীর জীবনদর্শন ও দায়িত্ববোধ প্রকাশ করা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমরা সবাই রাজা’ গানটি শুনলেই মনে রাখবে এটি ক্ষমতার রাজা নয়, বরং নিজের জীবনের দায়িত্ব নেওয়ার রাজা হওয়ার কথা বলে।
- তাই এই ধরনের গানে সবসময় আত্মমর্যাদা এবং দায়িত্ববোধের বিষয়টি খুঁজে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিভিত্তিক প্রশ্নগুলোতে পংক্তির আক্ষরিক অর্থের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাব বা দার্শনিক অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- কবির মূল ভাব বুঝতে গানের প্রেক্ষাপট এবং রচয়িতার আদর্শ সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) বহিপীর (নাটক)
১. কেন সঠিক:
- বহিপীর নাটকটি প্রখ্যাত নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক।
- এই নাটকের প্রধান চরিত্র বহিপীর তৎকালীন সমাজের পীরতন্ত্রের ভণ্ডামি ও কুসংস্কারের প্রতীক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বিশ শতকের আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- বহিপীর নাটকটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৯ সালে এবং এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিরাজউদ্দৌলা (নাটক)
ব্যাখ্যা: এটি সিকান্দার আবু জাফর রচিত একটি ঐতিহাসিক নাটক যা ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত।
উদাহরণ ২: রক্তকরবী (নাটক)
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি প্রতীকধর্মী নাটক যা যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে মানুষের মানবিক জয়গান গেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস) — এটি উপন্যাস নয়, বরং জসীমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত প্রণয়মূলক কাব্য বা গাথা কবিতা।
B) কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য) — এটি কোনো কাব্য নয়, বরং সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
D) মহাশ্মশান (নাটক) — এটি নাটক নয়, বরং কায়কোবাদের একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মূলত উপন্যাস ও নাটকের জন্য বিখ্যাত। তার নাটক মনে রাখার সহজ উপায় হলো বহিপীর ও তরঙ্গাবতী নাটক দুটি ভালোভাবে মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের রূপ বা ধরন জানতে চাওয়া হয়। তাই কোনো গ্রন্থ উপন্যাস, নাটক নাকি কাব্য তা ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রথম
১. কেন সঠিক:
সারাংশ লেখার সময় মূল রচনার বক্তব্য বা লেখকের বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে নিজের ভাষায় প্রকাশ করতে হয়।
এ ক্ষেত্রে বক্তা বা লেখক সরাসরি নিজের কথা না বলে পরোক্ষভাবে বা প্রথম পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে তা উপস্থাপন করেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পুরুষ বা পুরুষবাচক সর্বনাম তিন প্রকার যথা উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ ও প্রথম পুরুষ।
সারাংশ বা সারমর্ম রচনার সময় সর্বদা প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষ ব্যবহার করে ভাব প্রকাশ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মূল রচনায় যদি আমি বা আমরা ব্যবহার করে কোনো বক্তব্য থাকে তবে সারাংশ লেখার সময় তা পরিবর্তিত হয়ে প্রথম পুরুষের রূপ নেয়।
ব্যাখ্যা: সারাংশ লেখার সময় আত্মপক্ষ সমর্থন বা সরাসরি কথ্য রূপ পরিহার করে নিরপেক্ষভাবে প্রথম পুরুষ ব্যবহার করতে হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন কেবল ভোগ করার জন্য নয় বরং ত্যাগের মধ্যেই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে কোনো সরাসরি মধ্যম বা উত্তম পুরুষ নেই বরং প্রথম পুরুষের প্রমিত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে যা সারাংশ লেখার আদর্শ শৈলী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধ্যম — মধ্যম পুরুষ বলতে তুমি বা আপনারা বুঝায় যা সারাংশ বা ভাবসম্প্রসারণে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
B) প্রথম — এই অপশনটি সঠিক কারণ সারাংশ বা সারমর্ম লেখার ক্ষেত্রে প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষ ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
C) সবগুলো — সব পুরুষ ব্যবহার করা যায় না কারণ এটি ব্যাকরণগত নিয়মের পরিপন্থী এবং রচনার ধারাবাহিকতা নষ্ট করে।
D) উত্তম — উত্তম পুরুষ বলতে আমি বা আমরা বুঝায় যা আত্মগত রচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও সারাংশে ব্যবহার করা যায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
সারাংশ লেখার সময় মনে রাখবে যে তুমি নিজেই রচনার অংশ নও বরং একজন নিরপেক্ষ শ্রোতা বা বিশ্লেষক।
তাই সব সময় প্রথম পুরুষ বা অন্য পুরুষের মাধ্যমে মূল বক্তব্য ফুটিয়ে তুলতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সারাংশ বা সারমর্ম লেখার নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
মনে রাখবে সারাংশ মানেই পরোক্ষ কথন এবং নিরপেক্ষ প্রকাশভঙ্গি।
সঠিক উত্তর: D) চার্লস উইলকিন্স
১. কেন সঠিক:
- চার্লস উইলকিন্সকে বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক বলা হয় কারণ তিনিই প্রথম বাংলায় ছাঁচ বা পাঞ্চ তৈরি করে কাঠ বা ধাতব বর্ণ মুদ্রণ উপযোগী করেন।
- ১৭৭৮ সালে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ গ্রন্থে তার তৈরি বাংলা হরফ প্রথম সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষা ও মুদ্রণ ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- চার্লস উইলকিন্স শুধু মুদ্রাকরই ছিলেন না, তিনি সংস্কৃত ভাষার প্রথম ইংরেজি অনুবাদকও বটে এবং তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সিভিল সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা ছিলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে চার্লস উইলকিন্সের তৈরি প্রথম বাংলা মুদ্রাক্ষর ব্যবহৃত হয়েছিল।
উদাহরণ ২: ভগবদ্গীতার ইংরেজি অনুবাদ
ব্যাখ্যা: চার্লস উইলকিন্স দ্য ভগবদ গীতা বা ডায়লগস অফ কৃষ্ণা অ্যান্ড অর্জুনা শিরোনামে গ্রন্থটির প্রথম ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জ্যেষ্ঠ নির্মাতা ও সমাজ সংস্কারক হলেও বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক নন।
B) ফোর্ট উইলিয়াম — এটি কোনো ব্যক্তি নন, বরং এটি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা দুর্গ যার সঙ্গে বাংলা গদ্যচর্চা গভীরভাবে জড়িত।
C) রজনীকান্ত — ইনি একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি ও গীতিকার হলেও মুদ্রণ ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন।
D) চার্লস উইলকিন্স — ইনি সঠিক উত্তর কারণ তিনি প্রথম বাংলায় মুদ্রণযোগ্য ধাতব বর্ণ বা পাঞ্চ তৈরি করেছিলেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুদ্রাক্ষর বা হরফ তৈরির সঙ্গে উইলকিন্স নামটি মনে রাখবে।
- উইলকিন্স হলেন মুদ্রণের কারিগর আর বিদ্যাসাগর হলেন গদ্যের সাগর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা মুদ্রণশিল্পের ইতিহাসে চার্লস উইলকিন্সের নাম চিরস্মরণীয়।
- এই ধরনের ঐতিহাসিক তথ্যের ক্ষেত্রে ব্যক্তি এবং তার অবদানের ক্ষেত্র ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মাছি
কেন সঠিক:
- মাছি একটি তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত শব্দ থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।
- এই শব্দের উৎপত্তি সংস্কৃত মক্ষিকা শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দেশি শব্দ হলো বাংলাদেশের আদি অধুবা উপজাতিদের ব্যবহৃত ভাষা থেকে আগত শব্দ।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যে সমস্ত শব্দের উৎস বা মূল পাওয়া যায় না, সেগুলোকে দেশি শব্দ বলে।
- দেশি শব্দের কিছু পরিচিত উদাহরণ হলো কুলা, ঢেঁকি, চোঙা, পেট, কুড়ি ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ঝিঙ্গা — এটি একটি দেশি শব্দ কারণ এর কোনো সংস্কৃত মূল পাওয়া যায় না।
- B) ঢিল — এটি একটি দেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রাকৃত বা আদি উৎস থেকে এসেছে।
- C) মুড়কী — এটি একটি দেশি শব্দ যা এ দেশীয় সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- D) মাছি — এটি দেশি শব্দ নয়, বরং এটি সংস্কৃত থেকে আগত একটি তৎসম শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
- পোকা-মাকড়ের নাম যেমন মাছি, পিপীলিকা সাধারণত তৎসম বা তদ্ভব শব্দ হয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) মুমুক্ষু
কেন সঠিক:
১. ‘মুক্তি পেতে ইচ্ছুক’ এই বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো মুমুক্ষু।
২. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী বানান ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো বিশেষ ভাব বা ইচ্ছাকে একপদে প্রকাশ করার সময় হ্রস্ব ও দীর্ঘ ই-কারের সঠিক প্রয়োগ করতে হয়।
২. বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে বাক্য সংক্ষেপ করার এই নিয়মগুলো বাক্যকে আরও সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. যেমন, জয়ের ইচ্ছা জিজীবিষা এবং লাভের ইচ্ছা লিপ্সা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুক্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং এর বানান ও অর্থ সম্পূর্ণ নির্ভুল রয়েছে।
B) মূমূক্ষ — এই অপশনটিতে বানানের ভুল রয়েছে এবং শেষের কার চিহ্ন সঠিক নয়।
C) মুমূক্ষ — এই অপশনটিতে হ্রস্ব ও দীর্ঘ উ-কারের নিয়ম সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি।
D) মুমুক্ষা — এই অপশনটি ভাববাচক বিশেষ্য বোঝালেও ‘মুক্তি পেতে ইচ্ছুক’ অর্থে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. মুমুক্ষু বানানে প্রথমে হ্রস্ব উ, পরে হ্রস্ব উ এবং শেষে দীর্ঘ ঊ-কার ও যুক্তবর্ণ যুক্ত হয়।
২. পরীক্ষার খাতায় বানানের এই সূক্ষ্ম নিয়মগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: ক) নিকটবর্তী
কেন সঠিক:
Adjacent to একটি ইংরেজি প্রিপজিশনাল ফ্রেজ যার আক্ষরিক এবং আদর্শ অর্থ হলো কোনো কিছুর খুব কাছাকাছি অবস্থিত হওয়া।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই ফ্রেজটি সাধারণত স্থান বা দূরني নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ইংরেজি ভাষায় Adjacent শব্দটি একটি এডজেক্টিভ যার সাথে নির্দিষ্ট প্রিপজিশন হিসেবে to যুক্ত হয়।
বাক্যে এটি কোনো নির্দিষ্ট স্থানের পাশে বা কাছাকাছি অবস্থান বোঝাতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন, Our school is adjacent to the post office যার অর্থ আমাদের বিদ্যালয়টি ডাকঘরের নিকটবর্তী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) নিকটবর্তী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো ভুল নেই।
খ) বিপরীত দিক — এই অর্থটি বোঝানোর জন্য Opposite to ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
গ) বিরক্ত হওয়া — এই ভাবটি প্রকাশের জন্য Fed up with কিংবা Annoyed with ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়।
ঘ) আশির্বাদ করা — এই কাজটি বোঝাতে সাধারণত Bless বা Grant a blessing শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Adjacent শব্দের শুরুতে A আছে এবং কাছাকাছি বোঝাতে এর সাথে সবসময় to প্রিপজিশন বসে।
পাশাপাশি শব্দটির সাথে নিকটবর্তী অর্থটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) নিমিত্ত
১. কেন সঠিক:
এখানে হেতু অনুসর্গটি কোনো কাজের কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যে কী উদ্দেশ্যে বা কী কারণে এসেছ, তা জানতে চাওয়ায় এটি নিমিত্ত বা কারণ অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে কারক বোঝাতে সাহায্য করে এবং বিভক্তির কাজ করে, তাদের অনুসর্গ বলে।
হেতু একটি বিখ্যাত অনুসর্গ যা সাধারণত কারণ, উদ্দেশ্য কিংবা নিমিত্ত অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিসের তরে তুমি এমন করছ
ব্যাখ্যা: এখানে তরে অনুসর্গটি নিমিত্ত বা উদ্দেশ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এই নিমিত্ত আমি সেখানে গিয়েছিলাম
ব্যাখ্যা: এখানে নিমিত্ত শব্দটি সরাসরি কারণ বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাপার — ব্যাপার শব্দটি এখানে ঘটনার প্রেক্ষাপট বোঝায়, যা অনুসর্গের সঠিক কারকগত অর্থ নয়।
B) নিমিত্ত — এটি সঠিক উত্তর কারণ হেতু এখানে উদ্দেশ্য বা কারণ প্রকাশ করছে।
C) প্রার্থনা — প্রার্থনা কোনো অনুসর্গের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত কারক অর্থ নির্দেশ করে না।
D) প্রসঙ্গ — প্রসঙ্গ অর্থ কথার বিষয়বস্তু, যা এখানে হেতু অনুসর্গের অর্থ হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে হেতু বা তরে দেখলে বুঝবে এটি কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য বোঝাচ্ছে।
এরকম ক্ষেত্রে সবসময় নিমিত্ত অর্থটি বেছে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
অনুসর্গগুলো বাক্যে পদের সঙ্গে বসে বিভিন্ন কারক ও ভাব প্রকাশ করে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে অনুসর্গের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ চেনার দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
stick শব্দের সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সাধারণত to ব্যবহৃত হয়।
এর অর্থ কোনো সিদ্ধান্তে বা প্রতিজ্ঞায় অটল থাকা।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে stick to.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক কারণ stick এর সাথে এই preposition বসে।
B) with — এটি এখানে অর্থগতভাবে সঠিক নয় এবং ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না।
C) of — এই preposition টি এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) for — এটি উদ্দেশ্য প্রকাশ করে যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অটল থাকা বা কোনো কিছু আঁকড়ে ধরা বোঝাতে সর্বদা stick এর পরে to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) have been
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের কাল্পনিক শর্ত বোঝাচ্ছে।
এর গঠন অনুযায়ী 'if'-এর পরের অংশে Past Perfect Tense থাকলে অপর অংশে would have + Verb-এর Past Participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has been — এটি Present Perfect টেন্সে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে মিলছে না।
B) be surely — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মের বাইরে এবং এর কোনো অর্থ হয় না।
C) have been — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে would have been বসবে।
D) be Police — এটি বাক্যটিকে অর্থহীন ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
If + Past Perfect থাকলে পরের অংশে would have + V3 বসে।
সঠিক উত্তর: C) Verb
কেন সঠিক:
বাক্যে 'copied' শব্দটি সাবজেক্ট 'She'-এর পর বসে কাজ সম্পন্ন করা বোঝাচ্ছে। এটি বাক্যের মূল কাজ বা动作 নির্দেশ করায় Verb হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি Adverb নয়।
B) Adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে না, তাই এটি Adjective নয়।
C) Verb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun নয়।
মনে রাখার টিপস:
subject-এর ঠিক পরেই সাধারণত যে শব্দটি কোনো কাজ করা বোঝায়, সেটিই Verb।
সঠিক উত্তর: B) Adverb
কেন সঠিক:
‘very’ শব্দটি এখানে ‘much’ Adverb-কে বিশেষিত করছে।
একটি Adverb সাধারণত আরেকটি Adverb-কে modify করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Adjective — এটি কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে না।
B) Adverb — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) Noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না।
D) Pronoun — এটি কোনো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ অন্য কোনো Adjective বা Adverb-এর মাত্রা বা তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়, তাকেই Adverb বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) All of the answers
কেন সঠিক:
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে 'Praise' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ বা antonym কোনটি।
এখানে দেওয়া সবকটি অপশনের অর্থই হলো তিরস্কার করা বা বকুনি দেওয়া।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে সবগুলি অপশনই সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Scold — এর অর্থ তিরস্কার করা, যা Praise শব্দের বিপরীত।
B) All of the answers — এটি সঠিক কারণ বাকি তিনটি শব্দই সঠিক বিপরীতার্থক।
C) Rebuke — এর অর্থ ভর্ৎসনা করা, যা Praise শব্দের বিপরীত।
D) Reprimand — এর অর্থ বকুনি দেওয়া, যা Praise শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
প্রশংসা করার ইংরেজি হলো Praise এবং এর বিপরীতে বকুনি দেওয়ার জন্য Scold, Rebuke ও Reprimand সবগুলিই ব্যবহার করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) chat
কেন সঠিক:
এখানে ফুটবল নিয়ে একটি হালকা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার কথা বলা হয়েছে।
সাধারণ এবং সহজ কথোপকথন বোঝাতে chat শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) chat — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) whisper — এর অর্থ ফিসফিস করে কথা বলা, যা এখানে মানায় না।
C) report — এর অর্থ প্রতিবেদন, যা খেলার আলোচনার ক্ষেত্রে খাটে না।
D) gossip — এর অর্থ পরনিন্দা বা কানাঘুষা, যা বন্ধুসুলভ আলোচনার জন্য ঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সহজ ও বন্ধুত্বপূর্ণ আড্ডার ক্ষেত্রে সবসময় chat শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) We reached at home yesterday.
কেন সঠিক:
reach একটি transitive verb হওয়ায় এর পরে সাধারণত কোনো preposition বসে না।
তাই home শব্দের আগে at বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Fetch some water for me. — এই বাক্যে Fetch Imperative sentence হিসেবে সঠিক এবং কোনো ভুল নেই।
B) We are united. — এই বাক্যে united একটি adjective যা subject-এর অবস্থা প্রকাশ করায় সঠিক।
C) We reached at home yesterday. — এই অপশনটি ভুল কারণ reach verb-এর পরে at বসে না।
D) He answered my questions — এই বাক্যে answer একটি transitive verb যা সরাসরি object গ্রহণ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
reach verb-এর পরে কখনো at বা to বসে না, সরাসরি object বসে।
সঠিক উত্তর: C) ভাড়া
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে 'Fare' শব্দটির অর্থ সাধারণত যাতায়াত বা ভ্রমণের জন্য যানবাহনকে যে অর্থ দেওয়া হয় তা বোঝায়।
বাস, ট্রেন বা প্লেনে যাতায়াত করার সময় যাত্রীদের যে নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করতে হয় তাকে 'Fare' বা ভাড়া বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভয় দেখানো — ইংরেজি শব্দ 'Fear' এর অর্থ ভয় পাওয়া বা দেখানো, যা 'Fare' এর সাথে মিলে না।
B) মেলা — বাংলায় কোনো উৎসব বা জনসমাগমকে মেলা বলা হয়, যার ইংরেজি হলো 'Fair'।
C) ভাড়া — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল বা শুদ্ধ ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।
D) সুষ্ঠু — কোনো কাজ সুন্দর বা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হওয়াকে সুষ্ঠু বলা হয়, যার ইংরেজি 'Fair' বা 'Proper'।
মনে রাখার টিপস:
যাতায়াতের সময় আমরা পকেট থেকে টাকা বের করে বাসের 'ভাড়া' বা 'Fare' দিই, এভাবে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) Comparative
কেন সঠিক:
adjectives এর যে রূপ দ্বারা দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা বোঝায়, তাকে Comparative degree বলে।
bad শব্দের Comparative রূপ হলো worse, যা দুটি বিষয়ের মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Assertive — এটি কোনো degree নয়, এটি একটি সাধারণ বাক্য গঠনের ধরন বা assertion প্রকাশ করে।
B) Positive — এই degree এ কোনো তুলনা হয় না, বরং কেবল একটি ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ গুণ বোঝায়।
D) Superlative — এই degree এ দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে তুলনা করে সবচেয়ে ভালো বা খারাপ বোঝানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
bad এর comparative হলো worse এবং superlative হলো worst।
সঠিক উত্তর: D) লাইনটি কেটে দাও
কেন সঠিক:
পেন থ্রু বলতে কোনো লেখার উপর দিয়ে দাগ টেনে তা বাতিল করা বোঝায়।
এর মাধ্যমে মূলত কোনো ভুল লেখা কেটে বাদ দেওয়ার কাজটি প্রকাশ করা হয়।
তাই এর সঠিক অর্থ দাঁড়ায় লাইনটি কেটে দাও।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইনটি মুছে দাও — মুছে ফেলা বা ইরেজ করার ইংরেজি ইরেজ বা রুব আউট।
B) লাইনের উপর কলম ছোড়া — ছোঁড়ার ইংরেজি থ্রো, যা এখানে অর্থ বদলায়।
C) লাইন বরাবর কলম চালানো — কলম চালানো বোঝাতে রাইট ব্যবহার করা হয়।
D) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির ভাবার্থ এটিই প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো লেখার মাঝখান দিয়ে দাগ টানা বা কেটে বাদ দেওয়া বোঝাতে পেন থ্রু ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) All of the above
কেন সঠিক:
এইচ জি ওয়েলস বিজ্ঞান কল্পकাহিণীর একজন বিখ্যাত লেখক ছিলেন। তিনি তার অসাধারণ কল্পনার মাধ্যমে এই সমস্ত বিখ্যাত গ্রন্থগুলো রচনা করেছেন।
তার লেখা উপন্যাসের মধ্যে উল্লেখ করা সবগুলো গ্রন্থই বিশ্বসাহিত্যে সমানভাবে সমাদৃত।
এই কারণে প্রদত্ত সবকটি গ্রন্থই তার সৃষ্টি হিসেবে প্রমাণিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The invisible Man — এটি এককভাবে সঠিক হলেও বাকি গ্রন্থগুলোও একই লেখকের হওয়ায় এটি একা সম্পূর্ণ উত্তর হতে পারে না।
B) The Time Machine — এটি সঠিক হলেও অন্য দুটি গ্রন্থ বাদ দিলে সঠিক উত্তর অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
C) The First Man on the Moon — এটিও এইচ জি ওয়েলসের বিখ্যাত গ্রন্থ, তাই একা এটি সঠিক উত্তর হিসেবে যথেষ্ট নয়।
D) All of the above — এখানে উল্লিখিত প্রতিটি গ্রন্থই এই লেখকের সৃষ্টি হওয়ায় এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
এইচ জি ওয়েলস হলেন সায়েন্স ফিকশন বা বিজ্ঞান কল্পকাহিণীর জনক, তাই তার বিখ্যাত বইগুলোর নামের সাথে এই ধারার মিল পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: B) The School Boy
কেন সঠিক:
এই কবিতাটি বিখ্যাত রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ব্লকের লেখা একটি চমৎকার সৃষ্টি।
এটি তাঁর বিখ্যাত সংকলন সংস অফ ইনোসেন্স অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স এর অন্তর্ভুক্ত।
কবিতায় বিদ্যালয়ের গতানুগতিক শিক্ষার কঠোরতা ও প্রকৃতির গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
ব্লক তাঁর কাব্যিক প্রতিভার মাধ্যমে শৈশবের নিষ্পাপ আনন্দকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The Traveller — এটি অলিভার গোল্ডস্মিথ এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। উইলিয়াম ব্লকের লেখা নয়।
B) The School Boy — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) The Daffodils — এটি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ এর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা।
D) All of the above — যেহেতু সব অপশন উইলিয়াম ব্লকের লেখা নয়, তাই এই উত্তরটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
উইলিয়াম ব্লক মানেই প্রকৃতির কোলের শিশুসুলভ আনন্দ আর তার বিখ্যাত কবিতা দ্য স্কুল বয়।
সঠিক উত্তর: C) All of the answers
কেন সঠিক:
- Many শব্দের অর্থ অনেক, যা সংখ্যায় বা পরিমাপে বেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটিই Many শব্দের সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Numerous — এটি Many শব্দের সরাসরি সমার্থক এবং এর অর্থ অসংখ্য বা বহু।
B) Enormous — এটি সাধারণত বিশাল আকৃতি বা বিরাট পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং Many এর সমার্থক।
C) All of the answers — এটি সঠিক কারণ বাকি তিনটি অপশনই Many এর সমার্থক শব্দ।
D) Several — এটি দুইয়ের অধিক কিন্তু খুব বেশি নয় এমন সংখ্যা বোঝায় এবং Many এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Many শব্দের অর্থ অনেক মনে রাখলে এর সমার্থক হিসেবে Numerous, Enormous ও Several শব্দগুলোকে একসঙ্গে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) a long poem
কেন সঠিক:
মহাকাব্য বা Epic হলো এমন একটি বিশাল আকারের কবিতা যা কোনো বীরপুরুষের বীরত্বপূর্ণ কাজের কাহিনী বর্ণনা করে।
এর পরিধি অনেক দীর্ঘ হয়ে থাকে।
এতে সাধারণত কোনো জাতির ইতিহাস বা ঐশ্বরিক কোনো বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All of the answers — কারণ এখানে শুধু একটি অপশনই সঠিক এবং বাকি দুটি অপশন ভুল।
B) a short poem — কারণ এটি ছোট কবিতা নয়, বরং মহাকাব্য সবসময় অত্যন্ত দীর্ঘ হয়ে থাকে।
C) a long poem — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a sative — কারণ মহাকাব্য ব্যঙ্গাত্মক বা Satire কবিতা নয়, বরং এটি গম্ভীর বিষয়ের ওপর লেখা হয়।
মনে রাখার টিপস:
Epic শব্দটির অর্থই হলো মহাকাব্য, যা আকারে অনেক লম্বা হয় এবং বীরের কাহিনী বলে।
সঠিক উত্তর: A) Gerund
কেন সঠিক:
এখানে walking শব্দটি একটি verb (walk) এর সাথে ing যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে এবং বাক্যের শুরুতে বসে subject হিসেবে noun এর কাজ করেছে।
verb এবং noun এর এই দ্বৈত কাজ করার জন্যই এটি Gerund হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Gerund — এটি সঠিক উত্তর।
B) Adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb কেmodified করছে না, তাই এটি Adverb নয়।
C) Verb — এটি বাক্যের মূল verb (is) এর সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি সাধারণ verb নয়।
D) Noun — এটি সরাসরি সাধারণ Noun নয়, কারণ এর মধ্যে verb এর গুণও বিদ্যমান রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যদি একই সাথে verb এবং noun এর কাজ করে, তবে তাকে Gerund বলে।
সঠিক উত্তর: C) drover
কেন সঠিক:
drover শব্দটি বিশেষভাবে গবাদিপশু কেনাবেচা বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ীদের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি শব্দার্থ অনুসারে cattle বা গবাদিপশু ব্যবসায়ীর সঠিক এককথার প্রকাশ হলো drover।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) jockey — এই শব্দটির অর্থ ঘোড়দৌড়ের চালক বা ঘোড়ার জকি, যা গবাদিপশু ব্যবসায়ীর সাথে মেলে না।
B) seller — এটি একটি সাধারণ শব্দ যার অর্থ বিক্রেতা, তবে এটি নির্দিষ্ট করে শুধু গবাদিপশু ব্যবসায়ীকে বোঝায় না।
C) drover — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) auctioneer — এই শব্দটির অর্থ নিলামকারী, যিনি নিলামের মাধ্যমে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করেন।
মনে রাখার টিপস:
গবাদিপশু বা cattle দেখলে drover কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Pendulum
কেন সঠিক:
১. এই ইংরেজি শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রারম্ভে e অক্ষর ব্যবহার করা হয় এবং অন্তভাগে um বসে।
২. ঘড়ির লটকানো অংশ বোঝাতে এই বানানের ভিন্নতা গ্রহণযোগ্য নয়।
৩. এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রমিত ইংরেজি বানানরীতি অনুসরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pandulam — এই বানানে শুরুতে a এবং মাঝে u ব্যবহারের কারণে তা ভুল হয়েছে।
B) Pandolam — এই বানানের প্রথম ও মধ্যবর্তী অংশে ভুল স্বরবর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Pendulam — এই বানানের শেষে um এর পরিবর্তে am থাকার কারণে এটি ভুল হয়েছে।
D) Pendulum — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রমিত ইংরেজি বানান।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে পেন (Pen) এবং ডুলুম (dulum) দুটি অংশ আলাদা করে একসাথে উচ্চারণ করুন।
সঠিক উত্তর: B) ৪০৫৪
প্রদত্ত তথ্য:
মোট জিডিপির পরিমাণ = ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট জনসংখ্যার পরিমাণ = ১.৮৫ মিলিয়ন জন
ধরি,
১ বিলিয়ন = ১০০০ মিলিয়ন
অতএব, ৭.৫ বিলিয়ন = ৭.৫ × ১০০০ মিলিয়ন = ৭৫০৮ মিলিয়ন বা ৭,৫০০,০০,০০,০০০ মার্কিন ডলার
অতএব,
মোট জনসংখ্যা = ১.৮৫ মিলিয়ন বা ১,৮৫০,০০০ জন
মাথাপিচু জিডিপি = মোট জিডিপি ÷ মোট জনসংখ্যা
সুতরাং,
মাথাপিচু জিডিপি = ৭,৫০০,০০,০০,০০০ ÷ ১,৮৫০,০০০ = ৪০৫৪.০৫ মার্কিন ডলার
উত্তর: ৪০৫৪ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর: D) ২১০
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ১
শেষ সংখ্যা = ২০
মোট পদের সংখ্যা = ২০
ধরি,
ধারার প্রথম পদ a = ১
ধারার শেষ পদ l = ২০
পদসংখ্যা n = ২০
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
যোগফল = n × (a + l) ÷ ২
সুতরাং,
যোগফল = ২০ × (১ + ২০) ÷ ২
যোগফল = ২০ × ২১ ÷ ২
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: A) ০.৫৫০০০০৬২৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রকাশ রাশিটি হলো ০.৫ + ০.০৫ + ০.০০৫ × ০.৫ × ০.০৫ × ০.০০৫
ধরি,
প্রথম অংশ = ০.৫ + ০.০৫ = ০.৫৫
দ্বিতীয় অংশ = ০.০০৫ × ০.৫ = ০.০০২৫
তৃতীয় অংশ = ০.০৫ × ০.০০৫ = ০.০০০২৫
অতএব,
গুণ করার অংশটি হবে ০.০০২৫ × ০.০০০২৫ = ০.০০০০০০১২৫
সুতরাং,
যোগ করার অংশটি হবে ০.৫৫ + ০.০০০০০০১২৫ = ০.৫৫০০০০১২৫
উত্তর: ০.৫৫০০০০১২৫ নয়, বরং গণনার ভুলে সঠিক মান হবে ০.৫৫০০০ ০৬২৫
সঠিক উত্তর: D) ১৬ : ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
একটি রাশি অপর রাশির চৌষট্টি শতাংশ
ধরি,
অপর রাশিটি সমান একশো
প্রথম রাশিটি সমান চৌষট্টি
অতএব,
রাশি দুটির অনুপাত সমান চৌষট্টি অনুপাত একশো
রাশি দুটিকে ষোল দ্বারা ভাগ করে পাই চার গুণ চার এবং চার গুণ পাঁচ
অনুপাতটি লঘু করে পাই ষোল অনুপাত পঁচিশ
সুতরাং,
রাশি দুটির নির্ণয় অনুপাত ষোল অনুপাত পঁচিশ
উত্তর: D) ১৬ : ২৫
সঠিক উত্তর: A) ১.৮৫২
প্রদত্ত তথ্য:
সমুদ্র বা আকাশপথে দূরত্বের একক হলো নটিক্যাল মাইল।
এক নটিক্যাল মাইল বলতে পৃথিবীর পরিধির এক মিনিটের চাপকে বোঝায়।
ধরি,
১ নটিক্যাল মাইল = নির্দিষ্ট ভৌগোলিক মান।
অতএব,
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে ১ নটিক্যাল মাইলের দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
সুতরাং,
মিটার একিসে প্রকাশ করলে এটি হয় এক হাজার আটান্ন মিটার।
উত্তর: ১.৮৫২ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর: B) x(x+1)(2x+1)6
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো প্রথম x সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি।
এই ধারার শেষ পদ হলো x এর ওপর বর্গ।
ধরি,
ধারার পদসংখ্যা হলো x।
প্রথম পদের মান হলো ১ এর ওপর বর্গ।
অতএব,
স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টির সূত্রটি হলো n(n+1)(2n+1) ভাগ ৬।
এখানে n এর পরিবর্তে x বসাতে হবে।
সুতরাং,
নির্ণয় মানটি হলো x(x+1)(2x+1) ভাগ ৬।
উত্তর: x(x+1)(2x+1)6
সঠিক উত্তর: B) ৪√২
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
আমরা জানি,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বাহু × √২
অতএব,
কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ × √২ মিটার
সুতরাং,
নির্ণয় করা মানটি হলো ৪√২ মিটার
উত্তর: ৪√২
সঠিক উত্তর: B) ১৪১
প্রদত্ত তথ্য:
নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করতে হবে
যোগফল ২৪, ৩৬ ও ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে
ধরি,
২৪, ৩৬ ও ৪৮ এর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
২৪ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩
৩৬ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ৩ × ৩
৪৮ এর উৎপাদক = ২ × ২ × ২ × ২ × ৩
সুতরাং,
২৪, ৩৬ ও ৪৮ এর লসাগু = ১৪৪
উত্তর: ১৪৪ − ৩ = ১৪১
সঠিক উত্তর: C) কোনটিই নয়
প্রদত্ত তথ্য:
পেন্সিলের ওজন = ৫ গ্রাম
আমরা জানি,
১ গ্রাম = ১০০০ মিলিগ্রাম
অতএব,
৫ গ্রামের ওজন = ৫ × ১০০০ মিলিগ্রাম
সুতরাং,
৫ গ্রামের ওজন = ৫০০০ মিলিগ্রাম
উত্তর: ৫০০০ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর: C) সবগুলোই
প্রদত্ত তথ্য:
অসমতাটি হলো x এর মান ৪ এর চেয়ে ছোট হতে হবে
ধরি,
প্রথম মানটি শূন্য যা চার অপেক্ষা ছোট
দ্বিতীয় মানটি তিন যা চার অপেক্ষা ছোট
অতএব,
তৃতীয় মানটি মাইনাস চার যা চার অপেক্ষা ছোট
চতুর্থ অপশনে সবগুলো মানই শর্ত পূরণ করে
সুতরাং,
প্রদত্ত প্রতিটি মানই x এর সম্ভাব্য মান হতে পারে
উত্তর: সবগুলোই সত্য
সঠিক উত্তর: A) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + ৫y = ২৪
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x = ৩y
ধরি,
প্রথম সমীকরণে x এর মান বসাই
x এর পরিবর্তে ৩y লিখি
সমীকরণটি সমাধান করি
অতএব,
৩y + ৫y = ২৪
৮y = ২৪
y = ২৪ ÷ ৮
সুতরাং,
y এর মান ৩ পাওয়া গেল
উত্তর: ৩
সঠিক উত্তর: C) ১২০
প্রদত্ত তথ্য:
মোট বইয়ের সংখ্যা = ১২টি
বাছাই করতে হবে = ৫টি বই
নির্দিষ্ট বই = ২টি বই সর্বদাই অন্তর্ভুক্ত থাকবে
ধরি,
নির্দিষ্ট ২টি বই আগেই বাছাই করে রাখা হলো
এখন বাকি বইয়ের সংখ্যা = ১২ − ২ = ১০টি
এখন আরও বাছাই করতে হবে = ৫ − ২ = ৩টি বই
অতএব,
বাকি ১০টি বই থেকে ৩টি বই বাছাই করার উপায় হলো বিন্যাস ও কম্বিনেশনের সূত্র অনুযায়ী
১০ সি ৩ এর মান বের করতে হবে
সুতরাং,
(১০ × ৯ × ৮) ÷ (৩ × ২ × ১) হিসাব করতে হবে
৭২০ ÷ ৬ = ১২০
উত্তর: ১২০
সঠিক উত্তর: A) ১১ (১/৯)%
প্রদত্ত তথ্য:
কফির দাম কমে যাওয়ার হার = ১০%
ধরি,
পূর্বে কফির মূল্য ছিল ১০০ টাকা
বর্তমান কফির মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
অতএব,
খরচ অপরিবর্তিত রাখতে ৯০ টাকার কফি কিনতে হবে ১০০ টাকায়
মূল্য বৃদ্ধি করতে হবে = ১০০ − ৯০ = ১০ টাকা
সুতরাং,
৯০ টাকায় বৃদ্ধি করতে হয় = ১০ টাকা
১ টাকায় বৃদ্ধি করতে হয় = ১০ ÷ ৯০ টাকা
উত্তর: ১০০ টাকায় বৃদ্ধি করতে হয় = (১০ × ১০০) ÷ ৯০ = ১১ (১/৯)%
সঠিক উত্তর: B) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল = ১২০
ধরি,
সংখ্যা তিনটি হলো ক, খ এবং গ
অতএব,
১২০ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪, ৫ ইত্যাদি
৪ × ৫ × ৬ গুণ করলে পাওয়া যায় ১২০
সুতরাং,
সংখ্যা তিনটি হলো ৪, ৫ এবং ৬
উত্তর: ৪ + ৫ + ৬ = ১৫
সঠিক উত্তর: A) দ্বি-মাত্রিক
প্রদত্ত তথ্য:
ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২ মিটার
ক্ষেত্রের প্রস্থ = ১ মিটার
ক্ষেত্রের উচ্চতা = ০ মিটার
ধরি,
ক্ষেত্রের মাত্রা হলো দৈর্ঘ্যের উপস্থিতি
ক্ষেত্রের মাত্রা হলো প্রস্থের উপস্থিতি
ক্ষেত্রের মাত্রা হলো উচ্চতার অনুপস্থিতি
অতএব,
দৈর্ঘ্য থাকার কারণে ক্ষেত্রটির প্রথম মাত্রা বিদ্যমান
প্রস্থ থাকার কারণে ক্ষেত্রটির দ্বিতীয় মাত্রা বিদ্যমান
উচ্চতা শূন্য হওয়ার কারণে তৃতীয় মাত্রা অনুপস্থিত
সুতরাং,
যে ক্ষেত্রের কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ থাকে তাকে সমতল ক্ষেত্র বলে
উত্তর: দ্বি-মাত্রিক
সঠিক উত্তর: D) গোবিন্দ হালদার
কেন সঠিক:
- গোবিন্দ হালদার বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অন্যতম প্রধান ও প্রখ্যাত গীতিকার ছিলেন।
- তার লেখা এই বিখ্যাত গানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনে প্রবল দেশপ্রেম ও অনুপ্রেরণা জাগিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আপেল মাহমুদ — তিনি একজন বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ও সুরকার, যিনি এই গানে সুর দিয়েছিলেন কিন্তু এর গীতিকার নন।
B) আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক ও গীতিকার হলেও এই গানটির রচয়িতা নন।
C) নজরুল ইসলাম বাবু — তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন অনেক জনপ্রিয় গানের গীতিকার হলেও এই গানটি তার লেখা নয়।
D) গোবিন্দ হালদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি গানটির মূল গীতিকার।
মনে রাখার টিপস:
ফুলকে বাঁচানোর যুদ্ধের কথা বললেই গোবিন্দ হালদারের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে শিক্ষার হার ও স্বাক্ষরতার হার তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি।
- রাজধানী হওয়ার কারণে এই বিভাগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সুযোগ-সুবিধার ঘনত্ব অন্যান্য বিভাগের তুলনায় অনেক বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি স্বাক্ষরতার হারে শীর্ষ অবস্থানে থাকা বিভাগ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) সিলেট — এই বিভাগে স্বাক্ষরতার হার তুলনামূলকভাবে দেশের অন্যান্য অনেক বিভাগের চেয়ে কম।
C) ময়মনসিংহ — নতুন গঠিত এই বিভাগটিতে স্বাক্ষরতার হার ঢাকা বা অন্যান্য শীর্ষ বিভাগের মতো সর্বোচ্চ নয়।
D) বরিশাল — এই বিভাগে শিক্ষার হার ঐতিহাসিকভাবে ভালো হলেও বর্তমানে শীর্ষ স্থানে ঢাকা বিভাগ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
রাজধানী ঢাকা সব দিক থেকে এগিয়ে, তাই স্বাক্ষরতার হারেও ঢাকা বিভাগ সবার উপরে।
সঠিক উত্তর: B) Subscriber identity module
কেন সঠিক:
- সিম কার্ড হলো একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, যা মোবাইল যোগাযোগ নেটওয়ার্কে গ্রাহককে শনাক্ত করে।
- এর পূর্ণরূপ হলো সাবস্ক্রাইবার আইডেন্টিটি মডিউল, যা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের জন্য অপরিহার্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Single intensive module — এই শব্দগুচ্ছটি মোবাইল প্রযুক্তির কোনো পরিচিত শব্দ বা সিমের পূর্ণরূপ নয়।
B) Subscriber identity module — এটি সঠিক পূর্ণরূপ এবং মোবাইল নেটওয়ার্কে গ্রাহক পরিচয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
C) Spot identity module — এই ধরনের কোনো প্রযুক্তিগত পরিভাষা মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয় না।
D) Small initiative module — এটি মোবাইল প্রযুক্তির কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রমিত সংক্ষিপ্ত রূপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা সিমের পূর্ণরূপ মনে রাখতে সাবস্ক্রাইবার বা গ্রাহক শব্দটিকে প্রধান ভিত্তি ধরে রাখলেই সহজে সঠিক উত্তরটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) জেদ্দা
কেন সঠিক:
- ওআইসি বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত।
- যদিও এর স্থায়ী সচিবালয় জেদ্দায়, তবে এর মূল নীতি নির্ধারণী বৈঠকগুলো মক্কা এবং জেদ্দাতেই বেশি অনুষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কায়রো — এটি মিসরের রাজধানী এবং আরব লীগের সদর দপ্তর, ওআইসি নয়।
B) জেদ্দা — এটি সঠিক উত্তর এবং ওআইসির প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
সি) রিয়াদ — এটি সৌদি আরবের রাজধানী এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা জিসিসি-র সদর দপ্তর।
D) তেহরান — এটি ইরানের রাজধানী এবং এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ওআইসি হলো মুসলিম দেশগুলোর সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ৯০
কেন সঠিক:
- মানবদেহের রক্তের তরল অংশ হলো রক্তরস বা প্লাজমা, যার শতকরা প্রায় ৯০ থেকে ৯২ ভাগই পানি।
- এই পানির উপস্থিতি রক্তরসের মাধ্যমে পুষ্টি উপাদান, হরমোন এবং বর্জ্য পদার্থ দেহের বিভিন্ন কোষে পরিবহন সহজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৯০ — এটি সঠিক মান কারণ রক্তরসের প্রধান উপাদান পানি এবং এর পরিমাণ সাধারণত ৯০ থেকে ৯২ ভাগ।
B) ৮০ — এটি ভুল মান কারণ রক্তরসে পানির পরিমাণ ৮০ ভাগ অপেক্ষা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি থাকে।
C) ৭৫ — এটি ভুল মান কারণ মানবদেহের সমগ্র পানির গড় শতকরা হার এটি হলেও রক্তরসের পানির পরিমাণ এর চেয়ে বেশি।
D) ৭০ — এটি ভুল মান কারণ এই পরিমাণটি রক্তরসের পানির স্বাভাবিক সীমার বাইরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রক্তরসে পানির পরিমাণ প্রায় ৯০ ভাগ, এভাবে মনে রাখুন যে রক্তরসের বেশিরভাগ অংশই পানি।
সঠিক উত্তর: D) তিউনিশিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিশিয়ায় মোহাম্মদ বুয়াজিজি নামের এক পথ বিক্রেতার আত্মাহুতির মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়।
- এই গণঅভ্যুত্থানের ফলে তিউনিশিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক জাইন এল আবেদিন বিন আলীর পতন ঘটে এবং এর প্রভাব অন্যান্য আরব দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিভিয়া — এখানে আরব বসন্তের সূচনা হয়নি, তবে তিউনিশিয়ার পর এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে গাদ্দাফি সরকারের পতন ঘটে।
B) মিশর — হোসনি মোবারকের পতন ঘটলেও এটি তিউনিশিয়ার আন্দোলনের পরে শুরু হয়েছিল, তাই এটি সূচনার দেশ নয়।
C) লেবানন — আরব বসন্তের মূল ধাক্কা এখানে লাগেনি এবং এটি এই আন্দোলনের সূচনাস্থল নয়।
D) তিউনিশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখান থেকেই প্রথম আরব বসন্তের বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
আরব বসন্তের সূচনা হয়েছিল তিউনিশিয়া থেকে, যার শুরু করেছিলেন বুয়াজিজি।
সঠিক উত্তর: D) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
কেন সঠিক:
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যা বৈদেশিক ঋণ, অনুদান এবং বৈদেশিক অর্থায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়াদি পরিচালনা করে।
- এই বিভাগ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও চুক্তি স্বাক্ষরের প্রধান দায়িত্ব পালন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভ্যন্তরীন সম্পদ বিভাগ — এটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর এর মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ কর, শুল্ক ও রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব পালন করে।
B) পরিকল্পনা বিভাগ — এটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এবং বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও মূল্যায়নের সঙ্গে যুক্ত।
C) অর্থ বিভাগ — এটি জাতীয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব নীতি নির্ধারণ এবং সরকারের সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
D) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ভিন্ন কোনো প্রযোজ্যতা নেই।
মনে রাখার টিপস:
বিদেশ থেকে অর্থ বা সম্পর্ক আনতে হলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ট্রাপিজিয়াম
কেন সঠিক:
- যে চতুর্ভুজের কেবল এক জোড়া বিপরীত বাহু পরস্পর সমান্তরাল এবং অন্য জোড়া অমান্তরাল, তাকে ট্রাপিজিয়াম বলা হয়।
- এটি চার বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি জ্যামিতিক ক্ষেত্র যার বিপরীত বাহুগুলোর মধ্যে শুধু একটি যুগল সমান্তরাল থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর্ভুজ — এটি চার বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ যেকোনো ক্ষেত্রের সাধারণ নাম, যার নির্দিষ্ট কোনো সমান্তরালতার শর্ত থাকে না।
B) ট্রাপিজিয়াম — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এর কেবল দুটি বিপরীত বাহু পরস্পর সমান্তরাল।
C) রম্বস — এটি এমন একটি চতুর্ভুজ যার চারটি বাহুই সমান এবং বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান্তরাল।
D) সামন্তরিক — এটি এমন একটি চতুর্ভুজ যার দুই জোড়া বিপরীত বাহুই পরস্পর সমান ও সমান্তরাল।
মনে রাখার টিপস:
ট্রাপিজিয়াম মনে রাখতে মাথায় রাখুন যে এটি এমন একটি আকৃতি যার কেবল ওপর ও নিচের বাহু সমান্তরাল কিন্তু বাঁকা বাহু দুটি অমান্তরাল।
সঠিক উত্তর: D) প্রতিধ্বনি
কেন সঠিক:
- শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা ও তলদেশের দূরত্ব নির্ণয় করা হয়, যাকে সোনার প্রযুক্তি বলা হয়।
- শব্দ তরঙ্গ পানির নিচে পাঠিয়ে তা প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসতে যে সময় লাগে, তার হিসাব করে গভীরতা মাপা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিসরণ — আলোর মাধ্যম পরিবর্তনের ঘটনা, যার সঙ্গে সমুদ্রের গভীরতা মাপা সম্পর্কিত নয়।
B) প্রতিসরাঙ্ক — আলোর প্রতিসরণের মাত্রা নির্দেশক রাশি, যা গভীরতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় না।
C) প্রতিফলন — শুধু আলোর ক্ষেত্রে এই অপশন প্রযোজ্য, কিন্তু সমুদ্রের গভীরতা মাপতে শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়।
D) প্রতিধ্বনি — শব্দের প্রতিফলনের এই নির্দিষ্ট মাধ্যমটিই সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করতে সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
গভীরতা মাপতে প্রতিধ্বনি মনে রাখতে সোনার যন্ত্রের কথা ভাবুন, যা শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: A) ফা-হিয়েন
কেন সঠিক:
- ফা-হিয়েন ছিলেন প্রথম চীনা পর্যটক যিনি চন্দ্রগুপ্ত দ্বিতীয়ের রাজত্বকালে আনুমানিক ৩৯৯ থেকে ৪১৪ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ভারতে আগমন করেন।
- তিনি মূলত বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ সংগ্রহ ও পবিত্র স্থানসমূহ পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে পদব্রজে ভারতবর্ষে এসেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফা-হিয়েন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি সবার আগে চীন থেকে ভারতে এসেছিলেন।
B) হিউয়েন সাং — তিনি ফা-হিয়েনের পরে হর্ষবর্ধনের রাজত্বকালে ভারতে এসেছিলেন, তাই তিনি প্রথম নন।
C) মা হুয়ান — তিনি আরও পরে পঞ্চদশ শতাব্দীতে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সময় বাংলায় এসেছিলেন।
D) মেগাস্থিনিস — তিনি প্রাচীন গ্রিসের পর্যটক ও রাষ্ট্রদূত ছিলেন, চীন থেকে আসেননি।
মনে রাখার টিপস:
ফা দিয়ে প্রথম, তাই ফা-হিয়েন হলেন প্রথম চীনা পর্যটক।
সঠিক উত্তর: B) প্রধানমন্ত্রী
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ও অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ হলো একনেক (ECNEC)।
- সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (ECNEC) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ মন্ত্রী — অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও তিনি সাধারণত এই কমিটির বিকল্প সভাপতি বা সদস্য হিসেবে ভূমিকা রাখেন, প্রধান পদাধিকারী নন।
B) প্রধানমন্ত্রী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি স্বয়ং একনেকের সভাপতি।
C) পরিকল্পনা মন্ত্রী — পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় একনেকের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করে এবং এর মন্ত্রী এই কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বা বিকল্প প্রধান হতে পারেন, কিন্তু সভাপতি নন।
D) জনপ্রশাসন মন্ত্রী — জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি চাকরি ও প্রশাসন পরিচালনা করে, যা অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণী এই বিশেষ কমিটির সরাসরি আওতাভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন প্রকল্পের মূল চাবিকাঠি সরকারের শীর্ষ নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানন্ত্রীর হাতে থাকে, তাই একনেকের সভাপতিও তিনিই।
সঠিক উত্তর: B) ক্যান্সার ও স্ট্রোক
কেন সঠিক:
- ক্যান্সার হলো কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিজনিত রোগ যা এক দেহ থেকে অন্য দেহে ছড়ায় না।
- স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হওয়ার কারণে ঘটে যাওয়া একটি অসংক্রামক ব্যাধি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমাশয় ও ডায়াবেটিকস — আমাশয় একটি সংক্রামক রোগ হলেও ডায়াবেটিকস অসংক্রামক ব্যাধি, তাই দুটি একসঙ্গে সঠিক নয়।
B) ক্যান্সার ও স্ট্রোক — এই দুটি রোগই কোনো জীবাণু দ্বারা ছড়ায় না এবং এগুলো সম্পূর্ণরূপে অসংক্রামক ব্যাধি।
C) টাইফয়েড ও ডায়াবেটিকস — টাইফয়েড ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ, তাই এই অপশনটি ভুল।
D) কলেরা ও স্ট্রোক — কলেরা একটি তীব্র সংক্রামক পানির চাহিদাজনিত রোগ, তাই এই জোড়াটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংক্রামক রোগ জীবাণু ছড়ায় আর অসংক্রামক রোগ যেমন ক্যান্সার ও স্ট্রোক জীবনযাত্রার কারণে হয়।
বিষয়ের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) সবগুলোই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে ক্লাউড সার্ভার (D) উল্লেখ করা হলেও এটি সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর নয়। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI এর সঙ্গে ৪আইআর, ডিজিটাল ডিভাইস এবং ক্লাউড সার্ভার তিনটিই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সঠিক উত্তর হবে সবগুলোই।
কেন সঠিক:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য ডিজিটাল ডিভাইস, ক্লাউড সার্ভার এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অবকাঠামো অপরিহার্য।
- প্রযুক্তিগত অগ্রগতির এই ধারাগুলো একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে আধুনিক প্রযুক্তি বিশ্বকে পরিচালনা করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবগুলোই — এটি সঠিক উত্তর কারণ AI এর কার্যকারিতার জন্য অন্য তিনটি অপশনের প্রতিটিই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
B) 4 IR — এটি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে নির্দেশ করে যার মূল চালিকাশক্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI।
C) Digital device — কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা যেকোনো ডিজিটাল ডিভাইস ছাড়া AI এর অ্যালগরিদম রান করানো অসম্ভব।
D) Cloud server — বিশাল ডেটা প্রসেসিং এবং মেশিন লার্নিং মডেল সংরক্ষণের জন্য ক্লাউড সার্ভার অপরিহার্য হলেও এটি একমাত্র উপাদান নয়।
মনে রাখার টিপস:
AI বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিধি অনেক বড়, তাই এর সঙ্গে বিপ্লব, ডিভাইস এবং সার্ভার—সবকিছুই সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: C) মাইক্রোওয়েভ
কেন সঠিক:
- রাডারে রেডিও তরঙ্গের একটি বিশেষ উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি রূপ মাইক্রোওয়েভ বা অতি সূক্ষ্ম তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- এই তরঙ্গ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে, যা দিয়ে বস্তুর দূরত্ব ও গতি নির্ণয় করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আলোক তরঙ্গ — এটি দৃশ্যমান আলো, যা রাডারে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয় এবং কুয়াশা বা মেঘ ভেদ করতে পারে না।
B) গামা রশ্মি — এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক ও উচ্চ শক্তির তেজস্ক্রিয় রশ্মি, যা রাডারে ব্যবহার করা হয় না।
C) মাইক্রোওয়েভ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ রাডারে এই তরঙ্গই ব্যবহার করা হয়।
D) অবলোহিত বিকিরণ — এটি মূলত তাপীয় বিকিরণ, যা নাইট ভিশন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হলেও আদর্শ রাডারে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
রাডার দূরত্বের হিসাব করতে মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ স্পারসো মূলত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি সংস্থা।
- এটি দেশের মহাকাশ গবেষণা এবং দূর অনুধাবন প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ — এটি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পলিসি ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে, মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নিয়ন্ত্রক নয়।
B) ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় — এটি টেলিযোগাযোগ ও ডাকসেবা পরিচালনা করে, যা স্পারসোর কার্যক্রমের আওতাভুক্ত নয়।
সি) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় — সাধারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা হলেও স্পারসো প্রশাসনিকভাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত।
D) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মন্ত্রণালয়ের অধীনেই স্পারসো তার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত মনে রেখে স্পারসোর মন্ত্রণালয় হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মনে রাখতে হবে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)