সঠিক উত্তর: C) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে থামার বা বিরতির প্রয়োজন হয় না এমন যতিচিহ্ন হলো হাইফেন, যা মূলত দুটি শব্দকে এক করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী হাইফেন বা সংযোগচিহ্ন ব্যবহার করলে বাক্যের প্রবাহে কোনো রকম থামার বা শ্বাস ফেলার প্রয়োজন পড়ে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন বলতে বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য এবং মনের ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে লেখার মধ্যে যে বিরতি দেওয়া হয় তাকে বোঝায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লিপিতে প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন এবং বাক্য পাঠের সময় বিভিন্ন যতিচিহ্নে থামার নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা আমাদের গুরুজন।
ব্যাখ্যা: এখানে মাতা ও পিতা শব্দ দুটিকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে এবং উচ্চারণের সময় এখানে থামার কোনো প্রয়োজন নেই।
উদাহরণ ২: ভালো-মন্দ বিচার করে কথা বলো।
ব্যাখ্যা: ভালো ও মন্দ সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ জোড়া বোঝাতে হাইফেন বসেছে এবং পড়ার সময় এখানে কোনো বিরতি দিতে হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলন — কোলন যতিচিহ্ন বাক্যে থামার ক্ষেত্রে এক বলতে এক সেকেন্ড বা থামার প্রয়োজন হয় এবং এটি একটি অপূর্ণ বাকين পর অন্য বাক্য আনতে বসে।
B) সেমিকোলন — সেমিকোলন থাকলে কোলনের চেয়ে দ্বিগুণ সময় বা এক বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়, তাই এটি সঠিক নয়।
C) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাক্যে থামার কোনো প্রয়োজন হয় না।
D) ড্যাস — ড্যাস বা সংযোগ চিহ্ন বাক্যে ব্যবহারের ফলে থামার প্রয়োজন হয় এবং এটি সেমিকোলনের চেয়ে বেশি সময় থামতে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হাইফেন মানে জোড়া লাগানোর চিহ্ন, আর জোড়া লাগাতে থামতে হয় না।
- থামতে হয় না কেবল হাইফেনে, বাকি সব যতিচিহ্নেই কমবেশি থামতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতিকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্নের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি প্রধানত ইংরেজি থেকে এগুলো বাংলায় নিয়ে আসেন।
সঠিক উত্তর: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎপত্তি নিয়ে লেখা বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থ বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত এর রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
- এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার জন্মকাল, বিকাশ এবং এর রূপান্তর সম্পর্কে প্রামাণিক তথ্য ও তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিদ, সাহিত্যিক ও পন্ডিত।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য এবং তাঁর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি সপ্তম শতাব্দীতে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপভ্রংশ ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেছেন।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎস সম্পর্কিত তাঁর একটি বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক সিদ্ধান্ত।
উদাহরণ ২: তাঁর অপর একটি বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ হলো বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপ ও শব্দভান্ডার নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তাঁরই রচিত বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক কাজ।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি বঙ্গভাষা ও সাহিত্য এবং প্রাচীন বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তাঁর বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ হলো দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ, যা বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত নয়।
D) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ভাষার ইতিহাস নিয়ে লিখলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা অন্য পন্ডিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা নিয়ে শহীদেরা ইতিহাস লেখেন, তাই ভাষা সম্পর্কিত ইতিবৃত্ত বা ইতিহাস গ্রন্থের জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস সম্পর্কিত গ্রন্থগুলোর রচয়িতা প্রায়ই আসে। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা বিষয়ক গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) কাজেম আল কোরেশী
কেন সঠিক:
১. মহাকবি কায়কোবাদের আসল বা জন্মগত নাম ছিল মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী যা সাহিত্য মহলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।
২. তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কায়কোবাদ নাম ব্যবহার করে বাংলা সাহিত্যে বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনা করেছিলেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্যিকদের অনেকেই তাদের পৈতৃক বা আসল নামের পরিবর্তে ছদ্মনামে লেখালেখি করতে পছন্দ করতেন।
২. কায়কোবাদ ছিলেন উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের শুরুর দিকের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রোমান্টিক ও দেশপ্রেমিক কবি।
৩. যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কমলাকান্ত এবং প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজেম আল কোরেশী — এটি সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
B) আবু নাসের কায়কোবাদ — এটি একটি কাল্পনিক নাম এবং কবির মূল জন্ম নাম এটি ছিল না।
C) কায়কোবাদ ইসলাম — এই নামে কোনো ঐতিহাসিক মুসলিম কবির অস্তিত্ব বাংলা সাহিত্যে পাওয়া যায় না।
D) আবুল হোসেন কায়কোবাদ — এটি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম নয় বরং অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে মিলে যাওয়া নাম।
মনে রাখার টিপস:
১. কায়কোবাদ নামের প্রথম অক্ষর ক এবং তার আসল নামের প্রথম অক্ষরও ক দিয়ে শুরু অর্থাৎ কাজেম আল কোরেশী।
২. মহাকবি কায়কোবাদের আসল নাম মনে রাখতে কোরেশী পদবিটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রোমান্টিক প্রণয় কাব্য
১. কেন সঠিক:
- ইউসুফ জোলেখা একটি রোমান্টিক প্রণয় কাব্য কারণ এতে ইউসুফ ও জোলেখার প্রেমের অমর কাহিনী কাব্যিক রূপ লাভ করেছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এটি পারস্যের কাহিনীর অনুসরণে রচিত একটি জনপ্রিয় প্রণয়মূলক কাব্যধারা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ধারার সূচনা হয় মুসলিম কবিদের মাধ্যমে। ফার্সি ভাষার আদলে রচিত এসব কাব্যে নরনারীর লৌকিক প্রেমের মধ্য দিয়ে পারলৌকিক বা আধ্যাত্মিক প্রেমের বার্তা ফুটিয়ে তোলা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য যা প্রণয়কাব্য ধারার অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: দৌলত কাজী রচিত এই কাব্যটিও রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ধারার একটি প্রামাণ্য দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য যা ইউসুফ জোলেখা কাব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) উপন্যাস — উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত বৃহৎ কল্পকাহিনী যা মধ্যযুগের এই পদ্যকাব্যের সঙ্গে মেলে না।
C) রোমান্টিক প্রণয় কাব্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি কাব্যের মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।
D) রম্যরচনা — রম্যরচনা হলো হাস্যরসাত্মক ও লঘু মেজাজের গদ্য সাহিত্য যা এই গম্ভীর প্রেমের কাহিনীর বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগের প্রণয়কাব্যগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইউসুফ জোলেখা, লাইলী মজনু এবং সতী ময়না কাব্যের নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শাহ মোহাম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইউসুফ জোলেখা কাব্যের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। মধ্যযুগের প্রণয়কাব্যগুলো সাধারণত ফার্সি ভাষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় অনূদিত বা রূপান্তরিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) সংবাদ
কেন সঠিক:
- সংবাদ শব্দটিতে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে।
- এটি ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পর অন্তুস্থ বর্ণ য, র, ল, ব কিংবা উষ্ম বর্ণ শ, ষ, স, হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়।
- এখানে সম যুক্ত বাদ মিলে সংবাদ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- উদাহরণস্বরূপ সংবর্ধনা, সংরক্ষণ এবং সংসার শব্দগুলো ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) শুভেচ্ছা — এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ কারণ শুভ যুক্ত ইচ্ছা মিলে এটি গঠিত হয়েছে।
- C) প্রত্যেক — এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ কারণ প্রতি যুক্ত এক মিলে এটি গঠিত হয়েছে।
- D) অতীত — এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ কারণ অতি যুক্ত ইত মিলে এটি গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- অনুস্বার যুক্ত অধিকাংশ শব্দ যেমন সংবাদ, সংস্কার বা সংযোগ ব্যঞ্জন সন্ধি হয়।
- শব্দের মাঝে যদি হসন্ত বা ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন দেখা যায় তবে তা সাধারণত ব্যঞ্জন সন্ধি নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) র, এর
১. কেন সঠিক:
- সম্বন্ধ পদে সাধারণত র বা এর বিভক্তি যুক্ত হয়।
- এটি বাক্যের বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ বা সম্পর্ক বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদের দ্বারা বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক বা মালিকানা বোঝায়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে।
- শব্দের শেষে স্বরবর্ণ থাকলে র এবং ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে এর বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিমের বই।
ব্যাখ্যা: রহিম শব্দের সঙ্গে এর বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার কলম।
ব্যাখ্যা: আমা সর্বনামের সঙ্গে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদের রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কে, রে — এটি মূলত দ্বিতীয় ও চতুর্থ বিভক্তির চিহ্ন যা কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়।
B) প্রথমা, শুন্য — এটি সাধারণত প্রাতিপদিক বা অবিভক্ত প্রথমা বিভক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
D) এ, তে — এটি মূলত সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন যা অধিকরণ ও ভাবাধিকরণে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সম্বন্ধ পদ চেনার সহজ উপায় হলো কার বা কাার প্রশ্নের উত্তর খোঁজা এবং র, এর বিভক্তি মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের জন্য শব্দের শেষের বিভক্তি চিহ্ন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে
১. কেন সঠিক:
- 'লঙ্ঘিত' শব্দটির সাথে 'হয়েছে' বা 'করা হয়েছে' ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে বাক্যটি অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণসিদ্ধ হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিধি বা আইন অমান্য করার ক্ষেত্রে 'লঙ্ঘিত হয়েছে' বা 'লঙ্ঘন করা হয়েছে' প্রমিত রূপ হিসেবে গৃহিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে পদ প্রকরণ এবং অর্থসঙ্গতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
- ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগ এবং বানัน শুদ্ধির মাধ্যমে একটি বাক্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শুদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সহজ ও শুদ্ধ বাক্য যা ভাষার প্রমিত রূপ বজায় রাখে।
উদাহরণ ২: আইন অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অমান্য করা' সঠিক ক্রিয়াপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারো ফাগুন মাস, কারো সর্বনাশ — এটি একটি প্রবাদ বাক্য, তবে বাক্যগঠনগত বা প্রমিত ব্যাকরণের কাঠামোর বাইরে এটি কথ্য বা লোকজ রূপ হিসেবে প্রচলিত।
B) সে প্রাণিবিদ্যায় দুর্বল — 'প্রাণিবিদ্যা' বানানে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বানানের ত্রুটি থাকতে পারে, কারণ সঠিক প্রমিত বানান হলো প্রাণীবিদ্যা।
C) আগত শনিবার কলেজ বন্ধ থাকবে — 'আগত শনিবার' প্রমিত নয়, এর বদলে আসন্ন শনিবার বা আগামী শনিবার বলা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
D) বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং ব্যাকরণসম্মত বাক্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দচয়ন এবং ক্রিয়াপদের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
প্রমিত বানান এবং প্রচলিত ব্যাকরণের নিয়ম চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বানান ও শব্দের সঠিক অর্থ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
একই নিয়মে অন্যান্য বাক্য শুদ্ধ করার সময় কাল ও পদের মিল আছে কি না তা যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পবন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি পবন কারণ এটি বাতাসের সমার্থক শব্দ।
- প্রশ্নের অন্যান্য অপশনগুলো অগ্নি বা আগুনের সমার্থক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে।
- এখানে পাবক, বহ্নি ও অনল তিনটি শব্দই আগুন বা অনলের সমার্থক এবং পবন হলো বাতাস বা বায়ুর সমার্থক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনল, পাবক ও বহ্নি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি শব্দই আগুনের ভিন্ন রূপ বা প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পবন, বাতাস ও সমীরণ একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি শব্দ বায়ু বা বাতাসের সমার্থক শব্দ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবক — এটি আগুনের সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তরের বিপরীত।
B) পবন — এটি বাতাসের সমার্থক শব্দ এবং অগ্নি বা আগুনের সমার্থক নয়।
C) বহ্নি — এটি আগুনের সমার্থক শব্দ হওয়ায় প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না।
D) অনল — এটিও আগুনের সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আগুন সম্পর্কিত শব্দগুলো হলো অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন।
- বাতাস সম্পর্কিত শব্দগুলো হলো পবন, সমীরণ, অনিল, বাতাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি ও বাতাস সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসঙ্গে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
- তাই প্রাকৃত ও তৎসম শব্দের অর্থগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পঙ্কজ
১. কেন সঠিক:
- সমাসের সাহায্যে গঠিত যে শব্দগুলো সমসমান পদের অনুগামী না হয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।
- পঙ্কজ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো পঙ্কে জন্মে যা। এটি যোগরূঢ় শব্দের নিখুঁত উদাহরণ কারণ এটি সাধারণ অর্থে না বুঝিয়ে বিশেষ অর্থে পদ্মফুলকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা মৌলিক, সাধিত ও যোগরূঢ় শব্দ। সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দগুলো সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তা যোগরূঢ় শব্দ।
- বহুব্রীহি সমাসের সাহায্যে অধিকাংশ যোগরূঢ় শব্দ গঠিত হয়, যেখানে বুৎপত্তিগত অর্থের চেয়ে প্রচলিত বা বিশেষ অর্থ প্রাধান্য লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজপথ
ব্যাখ্যা: রাজপথ শব্দের ব্যাসবাক্য রাজার পথ হলেও এটি সব রাজাকে বোঝায় না, বরং শহরের প্রধান সড়ক বা বড় রাস্তাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজপুত শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ রাজার পুত্র হলেও যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে এটি একটি নির্দিষ্ট ক্ষত্রিয় সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঁশি — এটি একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এটি এর সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে।
B) তৈল — এটি একটি সাধিত শব্দ যা তিল থেকে উৎপন্ন বোঝায় এবং এর অর্থ বিশেষ কোনো রূপ ধারণ করেনি।
D) চিকামারা — এটি একটি যৌগিক শব্দ যার অর্থ দেওয়ালে চুন বা কালি দিয়ে কিছু লেখা, এখানে পদের অর্থের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যোগরূঢ় শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো দেখতে হবে শব্দটি সমাসের নিয়মে গঠিত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ বস্তুকে বোঝাচ্ছে কি না।
- পঙ্কজ, রাজপথ, মহাযাত্রা, রাজপুত এই কয়েকটি শব্দ ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের গঠন ও শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মৌলিক, সাধিত, যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে।
- সমাস নিষ্পন্ন শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি যৌগিক এবং কোনটি যোগরূঢ়, তা আলাদা করার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) লেফাফা দুরস্ত
১. কেন সঠিক:
- লেফাফা দুরস্ত বাগধারাটির অর্থ বাইরে ঠাট বজায় রেখে চলা বা সর্বাংশে পরিপাটি কিন্তু ভেতরে ফাঁক থাকা।
- আরবি লেফাফা শব্দের অর্থ খাম এবং ফারসি দুরস্ত শব্দের অর্থ ঠিক, তাই শাব্দিক অর্থে খামটি ঠিক আছে কিন্তু ভেতরে আসল বস্তু অন্যরূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও অভ্যন্তরীণ সত্যের অসঙ্গতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সমাজে এমন অনেক মানুষ থাকেন যারা চলাফেরায় খুব মার্জিত ও ধনী ভাব দেখান, কিন্তু বাস্তবে তাদের অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিম সাহেব গায়ে দামি কোট পরে চলেন কিন্তু তার দেনার শেষ নেই, তিনি আসলে লেফাফা দুরস্ত মানুষ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে করিম সাহেবের বাহ্যিক জাঁকজমক এবং অভ্যন্তরীণ সংকটের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওই প্রতিষ্ঠানের বাইরে বড় সাইনবোর্ড থাকলেও ভেতরে কোনো পড়ালেখার পরিবেশ নেই, একদম লেফাফা দুরস্ত অবস্থা।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিষ্ঠানের বাহ্যিক রূপ এবং প্রকৃত সেবার মানের অমিল বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাঙের আধুলি — এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ব্যাপার বা সামান্য সম্পদ, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না।
B) লেফাফা দুরস্ত — এটি সঠিক উত্তর যা বাইরে ঠাট বজায় রাখার অর্থ প্রকাশ করে।
C) রাশভারি — এই বাগধারাটির অর্থ গম্ভীর প্রকৃতির বা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ, যা কৃত্রিম ঠাট বোঝায় না।
D) ভিজে বেড়াল — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড বা খুব চালাক অথচ সহজসরল প্রকৃতির লোক, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেফাফা অর্থ খাম, খাম বাইরে থেকে সুন্দর দেখায় কিন্তু ভেতরে কি আছে তা বোঝা যায় না, এভাবেই মনে রাখবে।
- বাহ্যিক জাঁকজমক দেখলেই লেফাফা দুরস্ত বাগধারাটি মাথায় আনবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব ও চরিত্র বোঝাতে এমন অনেক বাগধারা আসে।
- বাগধারার মূল ভাবার্থ অনুধাবন করে উত্তর নির্বাচন করতে হয়, তাই শাব্দিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পূর্বপদের বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সঙ্গে পরপদের বিশেষ্যের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়।
- এই সমাসে পূর্বপদটি পরপদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে এবং পরপদের অর্থকে বিশেষায়িত করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে না এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- এতে সাধারণত পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: এখানে পদ্মের নীল রঙ বোঝানো হয়েছে এবং পদ্ম শব্দের অর্থ প্রধান রয়েছে।
উদাহরণ ২: মহান যে শিক্ষক = মহ simplistic (মহাশিক্ষক) / মহাপ্রাণ
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষকের মহান গুণ প্রকাশ পেয়েছে এবং শিক্ষক পদের অর্থই প্রধান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং অব্যয়ের অর্থই সমস্তপদে প্রাধান্য পায়।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ বোঝায় না, সম্পূর্ণ নতুন কোনো পদ বা অর্থ প্রকাশ পায়।
C) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে।
D) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস চেনার সহজ উপায় হলো দ্বন্দ্ব মানে উভয়ের প্রধান, অব্যয়ীভাব মানে পূর্বপদের প্রধান, বহুব্রীহি মানে অন্য পদের প্রধান এবং কর্মধারয় ও তৎপুরুষ মানে পরপদের প্রধান।
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণ গুণ বা রূপক বোঝাতে পরপদের অর্থই মূল হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান, তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- পূর্বপদ ও পরপদের অর্থের প্রাধান্য দিয়ে সমাস চেনার এই মৌলিক ধারণাটি মাথায় রাখলে যেকোনো সমাসের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) কৃত বিদ্যা যার
১. কেন সঠিক:
- এটি বহুব্ৰীহ সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি অন্য পদের অর্থ প্রকাশ করে।
- এখানে 'কৃত' মানে অর্জিত বা লাভ করা এবং 'বিদ্যা' মানে জ্ঞান, যা মিলে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বিদ্যা অর্জন করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্ৰীহ সমাসের পূর্বপদ বা পরপদ কোনটিকেই না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্ৰীহ সমাস বলে।
- 'কৃত বিদ্যা যার' এই বাক্যাংশে সমস্তপদটি ব্যক্তিবিশেষকে নির্দেশ করায় এটি সমানাধিকরণ বা ব্যতিহার বহুব্ৰীহের বাইরে সাধারণ বহুব্ৰীহ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পীত অম্বর যার = পীতাম্বর
ব্যাখ্যা: এটি বহুব্ৰীহ সমাসের উদাহরণ যেখানে হলুদ পোশাক পরা বিশেষ কোনো দেবতাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: দশ অক্ষি যার = দশকক্ষী
ব্যাখ্যা: এটিও বহুব্ৰীহ সমাসের সাহায্যে গঠিত একটি শব্দ যা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃত যে বিদ্য — ব্যাকরণগতভাবে 'বিদ্য' কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং কর্মধারয় সমাসের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কৃত যে বিদ্যা — এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য হতে পারে কিন্তু সমস্তপদের অর্থ এবং বহুব্ৰীহ সমাসের ভাব বজায় রাখে না।
D) কৃত হয়েছে যার বিদ্যা — এটি বাক্যের সম্প্রসারಿತ রূপ হলেও ব্যাকরণসম্মত প্রমিত সমাসের ব্যাসবাক্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যার বা যাহারা শব্দ দিয়ে শেষ হওয়া ব্যাসবাক্যগুলো সাধারণত বহুব্ৰীহ সমাস নির্দেশ করে।
- সমস্তপদ যদি অন্য কাউকে বা কোনো গুণকে বোঝায়, তবে তা বহুব্ৰীহ সমাস হিসেবে চিনে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্ৰীহ সমাস চেনার উপায় হলো সমস্তপদের বাইরে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ পায় কি না তা দেখা।
- সমাসের ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের সঠিক রূপ ও বিভক্তি সবসময় খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পিশাচ > পিচাশ
১. কেন সঠিক:
শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ভিন্ন ধ্বনি নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বা অন্তোযোগ বলে। এখানে পিশাচ শব্দের প্রথম দিকের শ ধ্বনি এবং শেষের চ ধ্বনি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে পিচাশ রূপ নিয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দ উচ্চারণের সময় সুবিধার জন্য যখন দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ পরস্পরের স্থান বদল করে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রধান প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাক্স > বাস্ক
ব্যাখ্যা: বাক্স শব্দের ক এবং স ধ্বনি স্থান পরিবর্তন করে বাস্ক হয়েছে।
উদাহরণ ২: রিক্সা > রিস্কা
ব্যাখ্যা: রিক্সা শব্দের ক এবং স ধ্বনি স্থান পরিবর্তন করে রিস্কা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড় দাদা > বড়দা — এটি সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে বা উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দ সংক্ষেপণ বা সমীভবনের উদাহরণ, ধ্বনি বিপর্যয়ের নয়।
B) কিছু > কিচ্ছু — এটি জোর দেওয়ার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্বত্ব বা ব্যঞ্জন দ্বিত্ব ভবনের উদাহরণ, ধ্বনি বিপর্যয় নয়।
D) মুক্তা > মুকুতা — এটি উচ্চারণের সুবিধার জন্য মধ্যম স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ, ধ্বনি বিপর্যয় নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিপরীত বা উলটো হয়ে যাওয়া বোঝাতে বিপর্যয় শব্দটি আসে। শব্দের ভেতর বর্ণ উলটে গেলেই তা ধ্বনি বিপর্যয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পিশাচ থেকে পিচাশ এবং বাক্স থেকে বাস্ক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসা ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ। শব্দে স্থান পরিবর্তন দেখলেই তাকে ধ্বনি বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: C) আকুঞ্চন
১. কেন সঠিক:
- প্রসারণ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু ছড়ানো, বড় করা বা দীর্ঘায়িত করা।
- এর ঠিক বিপরীত অবস্থা হলো কোনো কিছু সংকুচিত করা বা গুটিয়ে আনা, যা আকুঞ্চন শব্দ দ্বারা প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের আওতাধীন এই প্রশ্নে শব্দের ভাবগত বিপরীত রূপ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের ব্যবহারই প্রমিত নিয়ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংকোচন
ব্যাখ্যা: এটিও প্রসারণ শব্দের একটি বহুপ্রচলিত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: কুঞ্চন
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এই শব্দটি অনেক সময় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্প্রসারণ — এটি প্রসারণ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) বিবর্ধন — এর অর্থ বৃদ্ধি করা, যা প্রসারণ শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) আকর্ণন — এর অর্থ কান পর্যন্ত টানা বা শোনা, যা প্রসারণ শব্দের বিপরীত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসারণ মানে বড় বা বিস্তৃত হওয়া আর আকুঞ্চন মানে ছোট বা কুঁকড়ে যাওয়া।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই ভিন্নরূপ বা সমার্থক শব্দের সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- তাই সঠিক উত্তর নির্বাচনে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) চশমা
কেন সঠিক:
১. 'চশমা' শব্দটির উৎপত্তি ফারসি ভাষা থেকে হয়েছে এবং এটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ফারসি ভাষার শব্দ হিসেবে এটি বাংলা শব্দভান্ডারে অঙ্গাঙ্গিভাবে মিশে গেছে এবং এর কোনো পরিবর্তিত রূপ সাধারণত দেখা যায় না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বৈদেশিক শব্দ বলা হয়, যার একটি প্রধান অংশ ফারসি শব্দ।
২. ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রচুর প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ প্রবেশ করেছে।
৩. চশমা ছাড়াও ফারসি ভাষার কিছু পরিচিত শব্দের উদাহরণ হলো দরজা, জানালা, চশমা, কাগজ ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাবি — এটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ এবং বাংলা ভাষায় এটি বহুল ব্যবহৃত একটি গৃহস্থালি সামগ্রীর নাম।
B) চাকর — এটি তুর্কি ভাষার শব্দ যা বাংলা শব্দভান্ডারে পেশাবাচক শব্দ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
C) চাহিদা — এটি একটি খাঁটি বাংলা শব্দ যা চাওয়া ধাতু থেকে সাধিত হয়েছে।
D) চশমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. মানুষের মুখ বা চোখের সাথে সম্পর্কিত কিছু ফারসি শব্দ যেমন চশমা, সুরমা ইত্যাদি সহজে মনে রাখা যায়।
২. পোশাক-পরিচ্ছদ ও দৈনন্দিন ব্যবহারের ফারসি শব্দগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষ সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি।
- ১৮৩১ সালের ৯ই মার্চ তার সম্পাদনায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা হিসেবে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তাকে আধুনিক বাংলা কবিতার যুগের সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
- ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক রূপ নেয় এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দীনবন্ধু মিত্রের মতো প্রতিভাবান সাহিত্যিকদের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পত্রিকার প্রকাশের সাল প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় সংবাদ রত্নাবলী প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি তার সাংবাদিকতা জীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কীর্তি যা সংবাদ প্রভাকরের পাশাপাশি সমাদৃত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি ছিলেন, তবে তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, তবে তিনি এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা নন বরং এই পত্রিকাতেই তার সাহিত্য জীবন শুরু হয়েছিল।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবর্ক ও প্রমথ চৌধুরী ছদ্মনাম বীরবল নামে পরিচিত, কিন্তু তিনি এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাংবাদিকতার উদীয়মান সূর্যের সঙ্গে তুলনা করা যায়।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে গুপ্ত বংশের সূর্য প্রভাতে ওঠে, অর্থাৎ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি প্রথমে সাপ্তাহিক এবং পরবর্তীতে দৈনিক রূপ নেয় যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য বহুবার এসেছে।
- ১৯ শতকের সংবাদপত্রের ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সম্পাদক ও পত্রিকার নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) অম্বু
১. কেন সঠিক:
পানি শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে অম্বু শব্দটি ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি মূলত জলের অপর একটি নাম নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত উৎস থেকে আসা শব্দের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাংলা ভাষায় পানির বহু সমার্থক শব্দ আছে যার বেশিরভাগই সংস্কৃত শব্দমূল থেকে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অম্বুধি
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায়।
উদাহরণ ২: অম্বুজ
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে জ যুক্ত হয়ে পদ্মফুল বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বারিধি — এটি সমুদ্রের প্রতিশব্দ কারণ বারি শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়েছে।
B) নলিনী — এটি পদ্মফুলের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) অপ — এটি জল বা পানির প্রাচীন একটি উৎস শব্দ হলেও সরাসরি অপ এককভাবে পানি অর্থে বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ব্যবহৃত হয় না, বরং অপ্ত বা অন্যান্য রূপে থাকে।
D) অম্বু — এটি পানির সরাসরি সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উৎসের অনেক জলবাচক শব্দের শেষে দ বা ধ যুক্ত হলে মেঘ বা সমুদ্র হয় এবং জ যুক্ত হলে পদ্ম হয়। অম্বু মানে পানি, তাই অম্বু সরাসরি পানির প্রতিশব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানি, মেঘ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই প্যাচ লাগায়। তাই শেষের অংশ যেমন ধি বা জ লক্ষ্য করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- 'মুমূর্ষু' শব্দের অর্থ যার মরিবার ইচ্ছা আছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ এবং চতুর্থ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে একই সঙ্গে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
- এই শব্দটিতে উ-কার ও ঊ-কারের সঠিক বিন্যাস না জানলে সাধারণত শিক্ষার্থীরা ভুল করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ-কারের সঠিক নিয়ম মেনে চলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিবিষীকা
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বানান যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শুদ্ধ বানানের জন্য আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়নি, যা শব্দের সঠিক গঠনের পরিপন্থী।
B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম পুরোপুরি অনুসৃত হয়েছে।
C) মূমুর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) মূমূর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে, শুরুতে হ্রস্ব উ, মাঝে দীর্ঘ ঊ এবং শেষে হ্রস্ব উ বসে।
- ছোট বড় ছোট বা হ্রস্ব দীর্ঘ হ্রস্ব এই ক্রমটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের পেঁচানো বানান বারবার আসে।
- হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার সম্পর্কিত নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বানান শুদ্ধিকরণ প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) তোষামোদকারী
১. কেন সঠিক:
- 'ধামাধরা' একটি বিশিষ্ট বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ হলো অনর্থক বা অসৎ উদ্দেশ্যে তেল মারা কিংবা তোষামোদ করা।
- সমাজে যারা নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বা সুযোগ পাওয়ার আশায় সবসময় উর্ধ্বতন ব্যক্তি বা ক্ষমতার অধিকারীদের তোষামোদ করেন, তাদের বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে।
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে এবং বাক্যের ভাবকে অত্যন্ত সুসংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের কাছে পদোন্নতির আশা সে সবসময় ধামাধরা সেজে থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে নিজের স্বার্থের জন্য তোষামোদ করার ভাব প্রকাশ করতে ধামাধরা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজনীতিতে ধামাধরা লোকজনের কোনো দীর্ঘস্থায়ী সম্মান থাকে না।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তোষামোদকারী বা তোষামোদ করার স্বভাবের মানুষদের বোঝাতে ধামাধরা শব্দগুচ্ছ প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যথেচ্ছাচারী — এই শব্দের অর্থ যে নিজের ইচ্ছামতো আচরণ করে বা কোনো নিয়ম মানে না, যা ধামাধরা শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) বক ধার্মিক — এই বাগধারার অর্থ ভণ্ড বা ছদ্মবেশী সাধু, যা তোষামোদকারীর সমার্থক নয়।
সি বা সঠিক উত্তরটি হলো C) তোষামোদকারী, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য।
D) কদরহীন লোক — এর অর্থ যার সমাজে কোনো মূল্যায়ন বা সম্মান নেই, যা তোষামোদ করার অর্থের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধামা মানে ছোট ঝুড়ি এবং ধরা মানে বহন করা। অন্যের ধামা যে বয়ে বেড়ায় সে মূলত তার তোষামোদই করে থাকে, এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষ ও তাদের স্বভাবভিত্তিক বাগধারা যেমন তোষামোদকারী, ভণ্ড বা অলস ব্যক্তি খুব বেশি আসে।
- বিগত সালের প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের বাগধারা সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) √দৃশ্ + অনীয়
১. কেন সঠিক:
দর্শনীয় শব্দটির মূল ধাতু হলো √দৃশ্ এবং এর সাথে 'অনীয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
দৃশ্য ধাতুটির সাথে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কর্মবাচ্যে বিশেষণ পদ তৈরি করে যার অর্থ যা দর্শন করা বা দেখা উচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে তুলাদণ্ড বা দেখার অর্থে √দৃশ্ ধাতুর উত্তর অননীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়।
এটি একটি কৃদন্ত পদ যা সাধারণত যোগ্য বা উচিত অর্থ প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রব + অনীয় = শ্রবণীয়
ব্যাখ্যা: শোনার যোগ্য অর্থে শ্রবণ ধাতু বা √শ্রু ধাতুর সাথে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কর + অনীয় = করণীয়
ব্যাখ্যা: করার যোগ্য বা যা করা উচিত অর্থে √কৃ ধাতুর সাথে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √দর্শন + ইয় — দর্শন কোনো মৌলিক ধাতু নয় এবং ইয় প্রত্যয় এখানে সঠিক গঠন তৈরি করে না।
C) √ দৃশ্য + নীয় — দৃশ্য নিজেই একটি সাধিত রূপ, সরাসরি এর সাথে নীয় প্রত্যয় যুক্ত হয় না।
D) √দর্শন + ঈয় — দর্শন শব্দটির সাথে ঈয় প্রত্যয় যুক্ত করলে দর্শনীয় হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ধাতুগত বিশ্লেষণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দে শেষে অনীয় যুক্ত থাকে, সাধারণত তার মূল ধাতু হিসেবে সংস্কৃত রূপ যেমন √দৃশ্ বা √কৃ বেছে নিতে হয়।
ধাতু চিহ্নিত করার সময় শব্দের ভেতরের মূল সংস্কৃত রূপটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
বিশেষ করে অনীয়, তব্য, য এবং ক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর মূল ধাতু চেনার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) উভয় লিঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- যে শব্দগুলো পুরুষ বা স্ত্রী কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গকে বোঝায় না, বরং উভয়কেই বোঝাতে পারে, তাকে উভয় লিঙ্গ বলা হয়।
- ‘সাথী’ শব্দটি এমন একটি শব্দ যা পুরুষ সঙ্গী বা স্ত্রী সঙ্গী উভয়ের ক্ষেত্রেই সমানভাবে ব্যবহার করা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ এবং ক্লীব লিঙ্গ।
- যে বিশেষ্য পদ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কে বোঝায়, তাকে উভয় লিঙ্গবাচক শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বন্ধু
ব্যাখ্যা: বন্ধু শব্দটি পুরুষ বা নারী উভය বন্ধুর ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শিশু
ব্যাখ্যা: শিশু শব্দটি ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুংলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ সাথী শব্দটি শুধু পুরুষকে বোঝায় না।
B) স্ত্রীলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ সাথী শব্দটি শুধু স্ত্রীকে বোঝায় না।
C) ক্লীব লিঙ্গ — এটি ভুল কারণ ক্লীব লিঙ্গ কেবল জড় পদার্থ বোঝায় কিন্তু সাথী প্রাণবাচক।
D) উভয় লিঙ্গ — এটি সঠিক কারণ সাথী পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দগুলো দিয়ে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝানো যায়, যেমন সাথী, বন্ধু, সন্তান, সেগুলোকে উভয় লিঙ্গ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উভয় লিঙ্গবাচক শব্দ যেমন মানুষ, শিশু, সন্তান, পক্ষী থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) নির্মোক
১. কেন সঠিক:
সাপের খোলস ত্যাগ করা বা খোলসকে এককথায় নির্মোক বলা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের বাক্যসংক্ষেপণ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুবার পরীক্ষাসমূহ আসা প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত বাক্য সংকোচন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার = নিরহংকার।
ব্যাখ্যা: ব্যক্তির স্বভাব বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃত্তি — কৃত্তি শব্দের অর্থ পশুর চামড়া বা ছাল, যা সাপের খোলস বোঝায় না।
B) নির্মোক — এটি সাপের খোলস অর্থে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) অজিন — অজিন বলতে মূলত হরিণের চামড়াকে বোঝানো হয়।
D) করভ — করভ শব্দের অর্থ হস্তিশাবক বা উটের শাবক।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাপের খোলস বদলানোর প্রক্রিয়া বা খোলসকে নির্মোক বলা হয়, এই মিলটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
শব্দটির উৎপত্তি ও অর্থ মনে রাখার জন্য নিয়মিত বাক্যে এর প্রয়োগ চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চামড়া বা খোলস সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দার্থ ও বাক্যসংক্ষেপণ আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) ব্যতিহার কর্তা
১. কেন সঠিক:
বাক্যে একই জাতীয় দুটি বিশেষ্য পদ যখন একত্রে মিলে কোনো যৌথ ক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং তাদের মধ্যে একধরণের প্রতিযোগিতা বা পারস্পরিক ভাব প্রকাশ পায়, তখন তাদের ব্যতিহার কর্তা বলা হয়।
এখানে ‘রাজায় রাজায়’ পদ দুটি একই সাথে ক্রিয়া সম্পাদন করছে এবং তাদের মধ্যে লড়াই করার পারস্পরিক অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলা হয়।
কর্তৃকারক প্রধানত চার প্রকার, যার একটি হলো ব্যতিহার কর্তা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে মহিষে এক ঘাটে জল খায়।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘বাঘে মহিষে’ একই সাথে জল খাওয়ার কাজটি করছে এবং তাদের মধ্যে একটি পারস্পরিক বৈরী সম্পর্ক বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: পতে পতে লড়াই বাধল।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘পতে পতে’ পদ দুটি ব্যতিহার কর্তার উদাহরণ হিসেবে কাজ করেছে এবং পারস্পরিক সংঘর্ষের অর্থ প্রকাশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রযোজক কর্তা — যে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় তাকে প্রযোজক কর্তা বলে, যেমন শিক্ষকে ছাতকে পড়ান।
B) মুখ্য কর্তা — মূল বা প্রধান যে কর্তা নিজে স্বাধীনভাবে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে মুখ্য কর্তা বলে, যেমন খোকা বই পড়ছে।
C) ব্যতিহার কর্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি কর্তার পারস্পরিক ক্রিয়া বা লড়াইয়ের ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
D) ণিজন্ত কর্তা — এটি কোনো কর্তার প্রকারভেদ নয়, বরং বিশেষ ধাতু বা ক্রিয়ার রূপ যার মূল কাজ অন্যকে দিয়ে করানো বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্যতিহার শব্দের অর্থ হলো মারামারি বা পারস্পরিক প্রতিযোগিতা।
পরীক্ষায় একই শব্দের পুনরাবৃত্তি এবং লড়াই বা মারামারির ভাব থাকলে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার কর্তা দাগাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
একই পদের দ্বিরুক্তি থাকলে এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ বা সহযোগিতা বোঝালে সেটি সাধারণত ব্যতিহার কর্তা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ষ্+ণ
১. কেন সঠিক:
উষ্ণ শব্দের মধ্যস্থিত যুক্তবর্ণটি ষ এবং ণ বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে মূর্ধন্য ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই যুক্তাক্ষরটি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে গঠিত হয়। উষ্ণ শব্দের ক্ষেত্রে ষ এবং ণ একসাথে যুক্ত হয়ে এই রূপ ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৃষ্ণা শব্দে ষ্+ণ যুক্তবর্ণ রয়েছে।
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও উষ্ণ শব্দের মতো একই যুক্তবর্ণের ব্যবহার দেখা যায়।
উদাহরণ ২: বিষ্ণু শব্দে ষ্+ণ এর পরিবর্তে ষ্+ণ বা অন্য যুক্তবর্ণ থাকতে পারে তবে উষ্ণ ও তৃষ্ণা একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এটি সমজাতীয় যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার বোঝাতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ্+ণ - এটি সঠিক অপশন কারণ উষ্ণ শব্দে ষ এবং ণ যুক্ত রয়েছে।
B) ষ+ন - এটি ভুল কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা উষ্ণ শব্দে নেই।
C) ষ+ঞ - এটি ভুল কারণ এখানে ঞ-ফলা ব্যবহার করা হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ষ+ঙ - এটি ভুল কারণ এখানে ঙ বর্ণটি রয়েছে যা উষ্ণ বানানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
উষ্ণ বানান লেখার সময় মনে রাখতে হবে এর নিচে ষ এবং ণ যুক্ত হয়। বানানের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণ কোন কোন বর্ণ দিয়ে গঠিত তা জানতে চাওয়া হয়। তাই যুক্তবর্ণ ভাঙার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও
১. কেন সঠিক:
- সম্প্রদান কারকের মূল শর্ত হলো কাউকে কোনো কিছু সত্য বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা।
- ভিক্ষুককে যে ভিক্ষা দেওয়া হয়, তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
- ভিক্ষুককে শব্দে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকায় তা চতুর্থী বিভক্তির উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কোনো কিছু প্রদান করা হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়।
- দ্বিতীয় বিভক্তির রূপ ক, কে, রে হলেও দাতার দিক থেকে তা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে নির্ধারিত হয়।
- সৎ পাত্রে বা নিঃস্বার্থভাবে দান বোঝাতে সম্প্রদান কারক ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্ধজনে দেহ আলো।
ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টি দান করা বোঝাতে এখানে সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তির ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: সমিতিতে চাঁদা দাও।
ব্যাখ্যা: সমিতিতে স্থায়ীভাবে তহবিল বা অর্থ প্রদান করা বোঝাতে এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিক্ষা দাও দেখিলে ভিক্ষুক — বাক্যটির গঠন ও অর্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) ভিক্ষা দাও দুয়ারে ভিক্ষুক — এখানে দুয়ারে শব্দটি অধিকরণ কারকের সপ্তমী বিভক্তি প্রকাশ করে, সম্প্রদান কারক নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চিরতরে বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা বোঝালেই সম্প্রদান কারক হবে।
- কাকেই বা কাহাকে প্রশ্ন করলে উত্তর পেলে চতুর্থী বিভক্তির সম্প্রদান কারক সহজে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই সৎ পাত্রে দান বা অন্ধজনকে আলো দেওয়ার মতো নিত্যনৈমিত্তিক উদাহরণগুলো আসে।
- কর্ম কারক এবং সম্প্রদান কারকের পার্থক্য বুঝতে হলে দানের ক্ষেত্রে স্বত্ব ত্যাগের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে কোনো হ্রদের পানি বোঝাতে জলের আগে Definite Article ব্যবহার করতে হয়।
এখানে নির্দিষ্ট একটি হ্রদের পানির বিশুদ্ধতা বোঝানো হয়েছে।
তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে the।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) an or the — এখানে an বসার কোনো সুযোগ নেই কারণ water একটি uncountable noun।
C) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) no article — নির্দিষ্ট করে বোঝানোর কারণে এখানে article ছাড়া বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বোঝালে তার আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: D) to be hung
কেন সঠিক:
পোস্টার বা ছবি দেয়ালে টাঙানো অর্থে hang verb এর সঠিক Past Participle রূপ হলো hung।
Passive Infinitive বোঝাতে to be hang-এর সাথে hung ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hand — এটি এখানে verb বা participle হিসেবে সঠিক নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ মিলহীন।
B) to be hanged — hanged কেবল কোনো অপরাধীকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, বস্তুর জন্য নয়।
C) to be hunged — hunged বলে ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো শব্দ বা রূপের অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি হলে hanged আর বস্তু বা ছবি টাঙালে সবসময় hung ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) try every possible means
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ যার শাব্দিক অর্থ কোনো পাথর উল্টানো বাকি না রাখা।
বাস্তব ক্ষেত্রে এর গভীর অর্থ হলো সফল হওয়ার জন্য সমস্ত সম্ভাব্য উপায়ে চেষ্টা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heavy stone — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ প্রবাদটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, কোনো ভারী পাথরের কথা বলা হয়নি।
B) impossible — এটি ভুল কারণ এই প্রবাদটি অসম্ভব কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
C) rare stone — এটি ভুল কারণ এটি প্রবাদের ভাবার্থের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
পাথর উল্টে খুঁটিয়ে দেখার মতো সম্ভাব্য সব চেষ্টা করাকেই এই ইডিওম দ্বারা বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: A) giving
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'Would you mind' фразе-র পরে যে মূল verb আসে তার সাথে সবসময় ing যুক্ত করতে হয়।
প্রশ্নটির অর্থ দাঁড়াচ্ছে আপনি কি আমাকে এক কাপ চা দিতে কষ্ট করবেন।
এখানে দেওয়া বা প্রদান করা অর্থে give ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে giving হয়েছে।
এটি একটি খুব পরিচিত ও polite অনুরোধ করার নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind এর পর gerund বসে।
B) make — এটি base form এ আছে এবং এর সাথে ing নেই।
C) bringing — অর্থগতভাবে মিললেও options এর মধ্যে giving সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রচলিত।
D) bring — এটি base form এ থাকায় ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে পরের verb এর সাথে ing বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: C) Front
কেন সঠিক:
‘Rear’ শব্দটির অর্থ হলো পেছনের অংশ বা পেছনের দিক। এর বিপরীত বা সমার্থক নয় এমন অর্থ হলো সামনের দিক।
‘Front’ শব্দের অর্থ সামনে, যা ‘Rear’ শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক উত্তর সি ফ্রন্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not available — এটি অপশনে উপলব্ধ নয় বোঝায় এবং প্রশ্নটির বিপরীত শব্দ হিসেবে কোনো অর্থ বহন করে না।
B) Behind — এর অর্থ পেছনে, যা ‘Rear’ শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Front — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে বিবেচ্য নয়।
D) Available — এর অর্থ উপলব্ধ, যার সাথে ‘Rear’ শব্দের পেছনের দিকের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রিয়ার মানে পেছনে আর ফ্রন্ট মানে সামনে, এই দুটি শব্দ ইংরেজি পজিশন বোঝাতে সবসময় বিপরীত জোড়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) The boy came to me crying.
কেন সঠিক:
১. বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে সাবজেক্টের সাথে সম্পর্কিত অবস্থা বোঝাতে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল ( crying ) ব্যবহার করা হয়েছে।
২. কারো কাছে আসার ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে, যা সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The boy came to me crying — এটি সঠিক উত্তর।
B) The boy came near me crying — near ব্যবহারের চেয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যের ক্ষেত্রে to ব্যবহার করা অধিকতর স্ট্যান্ডার্ড ও ব্যাকরণসম্মত।
C) The boy came to me in crying — in crying কোনো সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ বা স্ট্রাকচার নয়, এটি অর্থহীন।
D) The boy came to me by crying — by crying ব্যবহার করলে কাজের মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে কান্নার মাধ্যমে আসার অর্থ প্রকাশ করে ভুল বার্তা দেয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের সাথে সাথে আরেকটি কাজ চললে ভার্বের সাথে ing যোগ করে তা প্রকাশ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) would have helped
কেন সঠিক:
এটি একটি তৃতীয় ধরণের কন্ডিশনাল বাক্য যেখানে অতীতকালের অসম্ভব কল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাক্যের শুরুতে 'Had' থাকলে তা মূলত 'If I had' এর একটি পজিটিভ ও সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে কাজ করে।
প্রধান ক্লজে সাবজেক্টের পরে 'would have' এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসাতে হয়।
এই নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি হবে would have helped।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would helped — মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব would এর পরে কখনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না।
B) would have helped — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) had helped — এখানে সাবজেক্টের পরে সরাসরি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে বেঠিক।
D) will help — এটি প্রথম কন্ডিশনালের নিয়ম, কিন্তু মূল বাক্যে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে Had দেখলে প্রধান ক্লজে সবসময় would have বসিয়ে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Vulnerable Point
কেন সঠিক:
গ্রীক পৌরাণিক কাহিনীতে বীর অ্যাকিলিস বা একিলিসের পায়ের গোড়ালি ছাড়া পুরো শরীর অমর ছিল, তাই গোড়ালিই ছিল তার একমাত্র দুর্বল জায়গা।
এই ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করেই ইডিয়মটির উৎপত্তি হয়েছে।
এর মাধ্যমে মূলত যেকোনো ব্যক্তি বা ব্যবস্থার মূল দুর্বল দিকটি নির্দেশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Important issue — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা দুর্বল পয়েন্টের সাথে মিলে না।
B) Turning Point — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মোড় ঘোরানো মুহূর্ত, যা এই ইডিয়মের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Vulnerable Point — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Main point — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মূল বিষয়, যা দুর্বলতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাকিলিস নামের বীরের পায়ের গোড়ালি ছিল তার দুর্বল স্থান, আর সেখান থেকেই মনে রাখবে অ্যাকিলিস হিল মানেই হলো দুর্বল পয়েন্ট।
সঠিক উত্তর: B) A jest driven hard, loses its points.
কেন সঠিক:
‘লেবু কচলালে তেতো হয়’ একটি জনপ্রিয় প্রবাদ। এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো ভালো কথা বা ঠাট্টা অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করলে তার আসল সৌন্দর্য বা গুরুত্ব নষ্ট হয়ে যায়।
ইংরেজি প্রবাদটি এই ভাবার্থ হুবহু প্রকাশ করে।
এই বাক্যের প্রতিটি শব্দ প্রবাদের মূল ভাবকে সমর্থন করে।
তাই এটিই এই বাক্যের সবচেয়ে সঠিক অনুবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The lemon becomes bitter if it is rubbed. — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অনুবাদ হয়েছে কিন্তু ভাবার্থ প্রকাশ করতে পারেনি। প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ সবসময় সঠিক হয় না।
B) A jest driven hard, loses its points. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের ভাবার্থ পুরোপুরি প্রকাশ করেছে।
C) A hungry fox is an angry fox. — এর অর্থ ক্ষুধার্ত শেয়াল রাগী শেয়াল, যার সাথে লেবু কচলানোর প্রবাদের কোনো মিল নেই।
D) Don’t try to do anything again and again. — এর অর্থ কোনো কাজ বারবার করার চেষ্টা করো না, যা মূল প্রবাদের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের অনুবাদ সবসময় শাব্দিক না করে তার ভাবার্থ বা প্রবচনের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) I like his childlike simplicity.
কেন সঠিক:
বাক্যে childlike simplicity শব্দগুচ্ছটি অত্যন্ত সুন্দর ও অর্থপূর্ণভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এখানে his possessive pronoun এর পর noun বসেছে এবং বাক্যটি ব্যাকরণগত দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The have seen me yesterday — yesterday অতীত নির্দেশ করলেও subject হিসেবে The ভুল এবং verb এর রূপ সঠিক নয়।
B) I like his childlike simplicity — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) It is I who is to blame — relative pronoun who এর পূর্বে থাকা I এর সাথে is verb না হয়ে am হবে।
D) The girl resembles to her mother — resemble verb এর পর কোনো preposition ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
resemble শব্দের পর কখনো to বসে না এবং who এর আগের subject অনুযায়ী verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) the
কেন সঠিক:
এখানে মাতৃত্ব বা মায়ের গুণ বোঝাতে abstract noun 'mother' ব্যবহার করা হয়েছে।
এর পরে 'in her' থাকায় এটি নির্দিষ্ট হয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে। এখানে নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে বলে এটি ভুল।
B) the — এটি সঠিক কারণ 'in her' অংশটি মায়ের গুণকে নির্দিষ্ট করেছে।
C) a or the — দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অসম্ভব।
D) no article — নির্দিষ্ট করে বোঝানোর কারণে এখানে article ছাড়া চলবে না।
মনে রাখার টিপস:
abstract noun এর সাধারণ ব্যবহারের আগে article বসে না, তবে নির্দিষ্ট করে বোঝালে the বসে।
সঠিক উত্তর: D) befriend
কেন সঠিক:
noun বা adjective এর আগে be prefix যুক্ত করে সাধারণত verb তৈরি করা হয়।
friend একটি noun এবং এর সঠিক verb রূপ হলো befriend যার অর্থ বন্ধুত্ব করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) friend — এটি মূলত একটি noun এবং এর কোনো পরিবর্তন না করেই verb হিসেবে ধরা ভুল।
B) friended — এটি friend শব্দের past tense বা participle রূপ হতে পারে কিন্তু মূল verb রূপ নয়।
C) friending — এটি verb এর continuous রূপ কিন্তু অভিধানে এর মূল verb রূপ হিসেবে befriend ব্যবহৃত হয়।
D) befriend — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun শব্দের আগে be যুক্ত করে verb বানানোর নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) He bade me good-bye.
কেন সঠিক:
বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে bid verb ব্যবহার করা হয় এবং এর অতীত রূপ হলো bade।
bid-এর পর সরাসরি ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট এবং তারপর good-bye বসে।
অন্য কোনো verb যেমন tell বা give এখানে সঠিক নিয়ম মানে না।
wishing-এর ক্ষেত্রে wish ব্যবহার হলেও good-bye বিদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম হলো bid.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He gave me good-bye. — বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে gave verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) He bade me good-bye. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) He told me good-bye. — বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে tell verb ব্যবহার করা নিয়মসিদ্ধ নয়।
D) He wished me good-bye. — শুভেচ্ছা জানানোর ক্ষেত্রে wish ব্যবহার হলেও বিদায়ের জন্য bid সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বিদায় জানাতে সবসময় bid verb-এর অতীত রূপ bade ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) quarreling
কেন সঠিক:
- 'At loggerheads' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো মতপার্থক্য বা তীব্র বিরোধে লিপ্ত হওয়া।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'quarreling' বা ঝগড়া করা এই ইডিয়ামের মূল অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very close — এর অর্থ অত্যন্ত ঘনিষ্ট, যা প্রদত্ত ইডিয়ামের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) belligerent — এর অর্থ যুদ্ধংদেহী বা আক্রমণাত্মক, যা সরাসরি ঝগড়া বা বিরোধের সমার্থক নয়।
সি) quarreling — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ঝগড়া করা বা বিরোধ করা।
D) distant relation — এর অর্থ দূরের সম্পর্ক, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল।
মনে রাখার টিপস:
লগারহেড বলতে একসময় ভারী কাঠের মুগুর বোঝানো হতো, তাই যারা মুগুর নিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয় তারা ঝগড়া করছে বা 'at loggerheads' অবস্থায় আছে।
সঠিক উত্তর: D) I know what he wants.
কেন সঠিক:
জটিল বাক্যের দ্বিতীয় অংশে প্রশ্নবোধক কাঠামো ব্যবহার করা যায় না।
এখানে সাবজেক্টের পর মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়েছে যা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I know what does he want? — এখানে মাঝখানে ডাস ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
B) I know what does he wants? — ডাস ব্যবহার করার পরও মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
C) I know what does he want. — বাক্যের মাঝখানে অক্সিলারি ভার্ব ডাস ব্যবহার করায় এটি কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের নিয়ম ভঙ্গ করেছে।
D) I know what he wants. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
কমপ্লেক্স সেন্টেন্সে সাবঅর্ডিনেট ক্লজ সবসময় সাধারণ বাক্যের গঠন অনুসরণ করে, প্রশ্নবোধক হয় না।
সঠিক উত্তর: C) Dancing is a good exercise
কেন সঠিক:
এখানে ডান্সিং শব্দটি বাক্যের শুরুতে বসে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে কাজ করেছে।
এটি একই সাথে ভার্ব এবং নাউনের কাজ করায় জিরান্ড হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw the girl dancing — এখানে ডান্সিং শব্দটি জিরান্ড নয়, বরং এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল হিসেবে বসেছে।
B) I am dancing on the floor — এখানে ডান্সিং শব্দটি মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে কন্টিনিউয়াস টেন্স গঠন করেছে।
সি অপশনটি সঠিক হওয়ায় এই লাইনে ডি অপশন দেওয়া হলো।
D) The girl came here dancing — এখানে ডান্সিং শব্দটি ভার্বের কাজ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে তাই এটি পার্টিসিপল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যদি নাউনের কাজ করে এবং কর্তার স্থান দখল করে, তবে তা নিশ্চিতভাবে জিরান্ড হয়।
সঠিক উত্তর: A) Millennium
কেন সঠিক:
এই শব্দটিতে দুটি 'l' এবং দুটি 'n' আছে। ইংরেজি বানান নিয়মের সঠিক প্রয়োগের কারণে এই রূপটি মানসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Millennium — এটি সঠিক বানান।
B) Milennium — এখানে একটি 'l' কম আছে।
C) Milenium — এখানে 'l' এবং 'n' উভয়েই একটি করে কম আছে।
D) Millinium — এখানে শেষের দিকে ভুল করে 'i' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মিলিনিয়াম বানানে দুটি এল এবং দুটি এন বসে।
সঠিক উত্তর: C) He is better today.
কেন সঠিক:
এখানে রোগীর বা ব্যক্তির বর্তমান অবস্থার তুলনা বোঝাতে গুড বা বেস্ট না লিখে কম্পারেটিভ ডিগ্রি বেটার ব্যবহার করা হয়েছে।
আজকের অবস্থার সাথে আগের অবস্থার তুলনা করতে কোনো অতিরিক্ত শব্দের প্রয়োজন নেই।
বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্বাভাবিক শোনায়।
এখানে কোনো অতিরিক্ত বা ভুল শব্দের ব্যবহার করা হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলনামূলক বোঝাতে বেটার শব্দের আগে কম্প্যারেটিভলি ব্যবহার করলে ডাবল তুলনামূলক ভুল হয়। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) দিনের সাথে ভালো অবস্থার তুলনা করতে গুড ডে দেন বিফোর ব্যবহার করা অর্থহীন এবং এটি ভুল গঠন।
C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) দুইয়ের মধ্যে তুলনা করতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি বেস্ট ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত, সেখানে বেটার হবে।
মনে রাখার টিপস:
দুইয়ের মধ্যে তুলনা করার সময় শুধু কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়। কম্পারেটিভ ডিগ্রির আগে কখনোই কম্প্যারেটিভলি বা টু মাচ শব্দ একসাথে লেখা যাবে না।
সঠিক উত্তর: D) Adjective
কেন সঠিক:
শব্দটির শেষে ly যুক্ত থাকলেও এটি কোনো Adverb নয়, বরং এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করে।
সাধারণত Home একটি Noun এবং এর সাথে ly যুক্ত হয়ে এটি গৃহস্থালী বা ঘরোয়া অর্থ প্রকাশ করে।
এটি বাক্যে Noun এর আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে পারে।
এটি মূলত একটি Adjective এর সুন্দর উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — Homely শব্দটি কোনো কিছুর নাম বোঝায় না, তাই এটি Noun হতে পারে না।
B) Adverb — সাধারণত Adjective এর সাথে ly যুক্ত হলে Adverb হয়, কিন্তু Noun এর সাথে ly যুক্ত হলে Adjective হয়।
C) Verb — Homely শব্দটি দ্বারা কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি Verb নয়।
D) Adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Noun এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত Adjective হয়, আর Adjective এর সাথে ly যুক্ত হলে Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) are you doing
কেন সঠিক:
বাক্যের মধ্যে at this moment থাকলে সেটি বর্তমানকালে চলমান কাজ বোঝায়, যার সঠিক গঠন হলো present continuous tense.
এখানে subject হলো you এবং এর সাথে verb হিসেবে are বসে এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) do you do — এটি present indefinite tense বোঝায়, যা চলমান কাজের জন্য সঠিক নয়।
B) doing — এর সাথে কোনো auxiliary verb বা সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়নি।
C) are you doing — এটি সঠিক উত্তর।
D) have done — এটি present perfect tense বোঝায়, যা এই বাক্যের সময়ের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে at this moment বা now থাকলে চোখ বন্ধ করে present continuous tense অর্থাৎ am, is, are + verb + ing ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) to make impure by adding inferior ingredients
কেন সঠিক:
Adulteration শব্দের অর্থ হলো খাদ্যে ভেজাল মেশানো, যা কোনো ভালো জিনিসের সাথে খারাপ উপাদান মিশিয়ে করা হয়।
অপশন সি তে ঠিক এই বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to mix something intensely — এটি তীব্রভাবে কোনো কিছু মেশানো বোঝায়, যা ভেজালের সঠিক অর্থ নয়।
B) to use unusual methods — এটি অস্বাভাবিক পদ্ধতি ব্যবহার করা বোঝায়, ভেজালের সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) to make impure by adding inferior ingredients — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to mix poison — এটি বিষ মেশানো বোঝায়, কিন্তু সবসময় ভেজালে বিষ মেশানো হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Adulteration মানে ভেজাল, অর্থাৎ খাঁটি জিনিসের সাথে খারাপ বা নিকৃষ্ট কিছু মেশানো।
সঠিক উত্তর: A) changed
কেন সঠিক:
- It is time অথবা It is high time এর পর subject থাকলে verb-এর Past Indefinite Tense হয়।
- এখানে subject হিসেবে we থাকায় verb-এর Past form অর্থাৎ changed ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে verb-এর Past form বসেছে।
B) have changed — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় এই বাক্যের গঠনের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) should have changed — এটি অতীতের কোনো কাজ করা উচিত ছিল বোঝালে বসে, তাই বর্তমানের প্রেক্ষাপটে ভুল।
D) should change — এটি সাধারণ Present Tense প্রকাশ করে, যা It is high time কাঠামোর নিয়মের পরিপন্থী।
মনে রাখার টিপস:
It is high time এর পরে subject থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর Past form বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
কোনো পাত্র বা সীমানার ভেতরে কোনো কিছু স্থির অবস্থায় আছে বোঝাতে preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়।
এখানে দুধ পাত্রের ভেতরে রয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি in হবে।
পাত্রের ভেতরে বোঝাতে ভেতরে বা মধ্যে অর্থে in বরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — by সাধারণত কারো দ্বারা বা কোনো উপায়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে পাত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) to — to সাধারণত কোনো দিকে বা নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) in — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) at — at সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা বিন্দুর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পাত্রের ভেতরে নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বস্তু বা তরল যদি কোনো পাত্রের ভেতরে অবস্থান করে, তবে চোখ বন্ধ করে in বসাবে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
এখানে 'go in for' একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
যার অর্থ হলো কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা।
বৃষ্টির কারণে আমি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারিনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক অপশন কারণ গো ইন ফর ফ্রেজাল ভার্বটি পরীক্ষায় বসা অর্থ প্রকাশ করে।
B) by — এটি ভুল কারণ গো বাই ফর কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ তৈরি করে না।
C) to — এটি ভুল কারণ গো টু ফর সঠিক অর্থ দেয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) on — এটি ভুল কারণ গো অন ফর ফ্রেজাল ভার্বটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার ইংরেজি বলতে সবসময় গো ইন ফর ফ্রেজাল ভার্বটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) the curry
কেন সঠিক:
এটি একটি প্রচলিত ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য যার অর্থ তাড়াহুড়ো করলে রান্না নষ্ট হয়ে যায়।
প্রবাদের মূল ছন্দ ও ভাব বজায় রাখতে এখানে curry শব্দটি সঠিকভাবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the work — এটি সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও প্রবাদের মূল শব্দের সাথে মিল নেই।
B) the curry — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) to tarry — এটি ব্যাকরণগতভাবে এই প্রবাদের শূন্যস্থানে বসে অর্থপূর্ণ হয় না।
D) and scary — এর অর্থ ভীতিকর, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে একেবারেই সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের নির্দিষ্ট শব্দগুলো মুখস্থ রাখতে হবে কারণ প্রবাদে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না।
সঠিক উত্তর: A) ০.০১
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ হলো log১০x = − ২
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞানুযায়ী বেস বা ভিত্তি হলো ১০
এবং সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করা হবে
অতএব,
x = ১০^(-২)
x = ১ ÷ (১০ × ১০)
সুতরাং,
x = ১ ÷ ১০০
x = ০.০১
উত্তর: ০.০১
সঠিক উত্তর: A) ৮৮
প্রدত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৮৮, ৯১, ৯৫ এবং ৯৯
ধরি,
সংখ্যাগুলোর উৎপাদক বা গুণনীয়কগুলো আলাদা করতে হবে
অতএব,
৮৮ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৪, ৮, ১১, ২২, ৪৪ এবং ৮৮
৯১ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৭, ১৩ এবং ৯১
৯৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ১৯ এবং ৯৫
সুতরাং,
৯৯ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৩, ৯, ১১, ৩৩ এবং ৯৯
উত্তর: ৮৮ সংখ্যাটির মোট ৮টি উৎপাদক রয়েছে যা অন্য সংখ্যার চেয়ে বেশি
সঠিক উত্তর: C) ২৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজাকৃতি জমির ক্ষেত্রফল = ২৬৪ বর্গমিটার
জমির ভূমি = ২২ মিটার
ধরি,
জমির উচ্চতা = ক মিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
(১ ÷ ২) × ২২ × ক = ২৬৪
উত্তর: ক = ২৪ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ৫
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে (x + (১ ÷ x)) এর বর্গ
আমরা জানি অনুসিদ্ধান্তের সূত্র,
(x + (১ ÷ x)) এর বর্গ = (x − (১ ÷ x)) এর বর্গ + ৪ × x × (১ ÷ x)
অতএব,
প্রদত্ত মান বসিয়ে পাই,
(x − (১ ÷ x)) এর মান হলো ৫
সুতরাং,
৫ এর বর্গ করলে হয় ২৫
২৫ এর সাথে ৪ যোগ করলে হয় ২৯
উত্তর: ২৯
সঠিক উত্তর: C) ২√৫
প্রدত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x এর স্কয়ার প্লাস ১ ভাগ x এর স্কয়ার সমান ৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x এর কিউব প্লাস ১ ভাগ x এর কিউব
এটি ভেঙে লেখা যায় x এর কিউব ভাগ x এর কিউব প্লাস ১ ভাগ x এর কিউব
অর্থাৎ x এর কিউব প্লাস ১ ভাগ x এর কিউবের মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
প্রথমে x প্লাস ১ ভাগ x এর মান বের করতে হবে
আমরা জানি x প্লাস ১ ভাগ x এর হোল স্কয়ার সমান x এর স্কয়ার প্লাস ১ ভাগ x এর স্কয়ার প্লাস ২
মান বসিয়ে পাই ৩ প্লাস ২ সমান ৫
সুতরাং,
উভয় পাশে বর্গমূল করে পাই x প্লাস ১ ভাগ x সমান √৫
উত্তর: ২√৫
সঠিক উত্তর: B) ৪০ : ৭০ : ৪৯
প্রদত্ত তথ্য:
ক : খ = ৪ : ৭
খ : গ = ১০ : ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতকে খ এর মান সমান করার জন্য ১০ দিয়ে গুণ করি
দ্বিতীয় অনুপাতকে খ এর মান সমান করার জন্য ৭ দিয়ে গুণ করি
অতএব,
ক : খ = (৪ × ১০) : (৭ × ১০) = ৪০ : ৭০
খ : গ = (১০ × ৭) : (৭ × ৭) = ৭০ : ৪৯
সুতরাং,
ক : খ : গ = ৪০ : ৭০ : ৪৯
উত্তর: ৪০ : ৭০ : ৪৯
সঠিক উত্তর: C) ৩০০
প্রদত্ত তথ্য:
চাকার পরিধি = ৫ মিটার
মোট পথ = ১ কিলোমিটার ৫০০ মিটার
ধরি,
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
অতএব,
মোট পথ = ১০০০ মিটার + ৫০০ মিটার
মোট পথ = ১৫০০ মিটার
সুতরাং,
চাকাটি ঘুরবে = ১৫০০ ÷ ৫ বার
উত্তর: ৩০০ বার
সঠিক উত্তর: C) π বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১ একক
ধরি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
অতএব,
ক্ষেত্রফল = π × (১)২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = π বর্গ একক
উত্তর: π বর্গ একক
সঠিক উত্তর: A) সূক্ষ্ম কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ওপর একটি চাপ এবং তার বিপরীত পাশে একটি কোণ উৎপন্ন হয়েছে
চাপটি বৃত্তের অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়ে অবস্থান করছে
ধরি,
বড় চাপটিকে বলা হয় অধিচাপ
ছোট চাপটিকে বলা হয় উপচাপ
অতএব,
অধিচাপের বিপরীত কোণটি বৃত্তস্থ কোণ হিসেবে পরিচিত
উপচাপের ওপর তৈরি কোণটি সর্বদাই ৯০ ডিগ্রির চেয়ে ছোট হয়
সুতরাং,
অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণটি সর্বদা একটি সূক্ষ্ম কোণ হবে
উত্তর: সূক্ষ্ম কোণ
সঠিক উত্তর: B) ৩,−২
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x বর্গ − x − ৬ = ০
ধরি,
সমীকরণটির উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে
এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে যাদের গুণফল −৬ এবং যোগফল −১
অতএব,
সংখ্যা দুটি হলো −৩ এবং +২
কারণ (−৩) × (+২) = −৬
এবং (−৩) + (+২) = −১
সুতরাং,
সমীকরণটি লেখা যায় (x − ৩)(x + ২) = ০
উত্তর: x = ৩ অথবা x = −২
সঠিক উত্তর: B) ৪১ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
রহিম ও করিমের বয়সের গড় ৩৫ বছর
রহিম ও হামজার বয়সের গড় ২০ বছর
ধরি,
রহিমের বয়স = ক
করিমের বয়স = খ
হামজার বয়স = ১১ বছর
অতএব,
রহিম ও করিমের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর
রহিম ও হামজার বয়সের সমষ্টি = ২০ × ২ = ৪০ বছর
সুতরাং,
ক + খ = ৭০
ক + ১১ = ৪০
উত্তর: ক = ৪০ − ১১ = ২৯ এবং খ = ৭০ − ২৯ = ৪১ বছর
সঠিক উত্তর: C) x − ৩
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^২ − ৩x
দ্বিতীয় রাশি = x^২ − ৯
তৃতীয় রাশি = x^২ − ৪x + ৩
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে পাই x(x − ৩)
দ্বিতীয় রাশিকে লেখা যায় (x + ৩)(x − ৩)
অতএব,
তৃতীয় রাশিকে মিডল টার্ম করে পাই (x − ৩)(x − ১)
প্রতিটি রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হলো
সুতরাং,
সব রাশিতে কমন বা সাধারণ উৎপাদক আছে কেবল (x − ৩)
উত্তর: x − ৩
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
a এর পাওয়ার x সমান b
b এর পাওয়ার y সমান c
c এর পাওয়ার z সমান a
ধরি,
প্রথম শর্ত হতে পাই a এর পাওয়ার x সমান b
দ্বিতীয় শর্ত হতে পাই b এর পাওয়ার y সমান c
তৃতীয় শর্ত হতে পাই c এর পাওয়ার z সমান a
অতএব,
c এর জায়গায় a এর পাওয়ার x বসিয়ে পাই a এর পাওয়ার x গুণ y সমান c
আবার c এর পাওয়ার z সমান a হতে পাই a এর পাওয়ার x গুণ y এবং তার হোল পাওয়ার z সমান a
সুতরাং,
a এর পাওয়ার x গুণ y গুণ z সমান a এর পাওয়ার ১
উত্তর: x গুণ y গুণ z সমান ১
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট নয়
তুলনার জন্য একটি সরলরেখা ধরতে হবে
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক একক
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গ একক = ক বর্গ একক
সুতরাং,
সরলরেখার এক-তৃতীয়াংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৩ একক
অতএব,
এক-তৃতীয়াংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৩) × (ক ÷ ৩) বর্গ একক = (ক বর্গ একক) ÷ ৯
সুতরাং,
প্রথম ক্ষেত্রফল দ্বিতীয় ক্ষেত্রফলের কতগুণ তা বের করতে ভাগ করতে হবে
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: D) ৮২
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ৪০০ বর্গমিটার
বাগানের প্রস্থ = ১৬ মিটার
ধরি,
বাগানের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
৪০০ = ক × ১৬
সুতরাং,
ক = ৪০০ ÷ ১৬ = ২৫ মিটার
উত্তর:
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (২৫ + ১৬) = ২ × ৪১ = ৮২ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ০.১২
প্রদত্ত তথ্য:
১ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
ধরি,
২ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ২৫ × ২ = ৫০ টাকা
অতএব,
২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
মোট লাভ = ৫৬ − ৫০ = ৬ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (৬ ÷ ৫০) × ১০০ = ১২%
উত্তর: ০.১২
সঠিক উত্তর: A) ২০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ২০০০ টাকা
মুনাফার হার (r) = ১০% বা ১০ ÷ ১০০
সময় (n) = ১ বছর
ধরি,
মুনাফা = I টাকা
আমরা জানি,
I = P × r × n
অতএব,
I = ২০০০ × (১০ ÷ ১০০) × ১
সুতরাং,
I = ২০০ টাকা
উত্তর: ২০০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৪৯÷৯
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯পি স্কয়ার + ১৪পি
ধরি,
রাশিটির সাথে এক্স যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে
অতএব,
নতুন রাশিটি হবে ৯পি স্কয়ার + ১৪পি + এক্স
পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র অনুযায়ী প্রথম পদের বর্গমূল তিন পি এবং শেষ পদের বর্গমূল রুট ওভার এক্স
সুতরাং,
মাঝের পদ সমান দুই গুণ প্রথম পদ গুণ শেষ পদ অর্থাৎ চৌদ্দ পি সমান দুই গুণ তিন পি গুণ রুট ওভার এক্স
এখান থেকে রুট ওভার এক্স সমান চৌদ্দ পি ভাগ ছয় পি সমান সাত ভাগ তিন
উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই এক্স সমান উচল্লিশ ভাগ নয়
উত্তর: উচল্লিশ ভাগ নয়
সঠিক উত্তর: B) ১৯ x^৩
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে প্রথম সমীকরণ m − n = x
এবং দ্বিতীয় সমীকরণ mn = ৬ x^২
ধরি,
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে m^৩ − n^৩ এর
আমরা বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করব
অতএব,
সূত্র অনুযায়ী m^৩ − n^৩ = (m − n)^৩ + ৩ mn (m − n)
এখন এই সূত্রে মানগুলো বসাতে হবে
সুতরাং,
(x)^৩ + ৩ (৬ x^২) (x)
= x^৩ + ১৮ x^৩
উত্তর: ১৯ x^৩
সঠিক উত্তর: A) ২৪ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬ সে.মি. এবং ৮ সে.মি.
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ৬ সে.মি.
ত্রিভুজের উচ্চতা = ৮ সে.মি.
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো দুই ভাগের এক গুণ ভূমি গুণ উচ্চতা
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৮
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ৩ × ৮ = ২৪ বর্গ সে.মি.
উত্তর: ২৪ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: C) ২৪০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ ABC একটি সমবাহু ত্রিভুজ
সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণের মান ৬০°
ধরি,
AB বাহুকে বর্ধিত করায় উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ = x
AC বাহুকে বর্ধিত করায় উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ = y
অতএব,
AB বাহুর বর্ধিতাংশের কোণ x = ১৮০° − ৬০° = ১২০°
AC বাহুর বর্ধিতাংশের কোণ y = ১৮০° − ৬০° = ১২০°
সুতরাং,
উৎপন্ন কোণদ্বয়ের সমষ্টি = x + y
উত্তর: ১২০° + ১২০° = ২৪০°
সঠিক উত্তর: খ) ৩ ÷ ৫
প্রদত্ত তথ্য:
৩ cotA = ৪
ধরি,
cotA = ৪ ÷ ৩
যেহেতু cotA = ভূমি ÷ লম্ব
তাই ভূমি = ৪ এবং লম্ব = ৩
অতএব,
অতিভুজ = √(ভূমি^২ + লম্ব^২)
অতিভুজ = √(৪^২ + ৩^২)
অতিভুজ = √(১৬ + ৯) = √২৫ = ৫
সুতরাং,
sinA = লম্ব ÷ অতিভুজ
sinA = ৩ ÷ ৫
উত্তর: ৩ ÷ ৫
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) কিউবা
কেন সঠিক:
- কিউবা ১৯৫৮ সালে বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করলেও ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পর ১৯৬০ সালে স্বেচ্ছায় সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক ও আদর্শগত বিরোধের কারণে কিউবা বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিউবা — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ ত্যাগ করেছিল।
B) ফিলিস্তিন — ফিলিস্তিন বিশ্বব্যাংকের সদস্য নয়, তবে বিশ্বব্যাংক এই অঞ্চলে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
সি) ইরান — ইরান বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমানেও এই সংস্থার সদস্যপদ ধরে রেখেছে।
ডি) চীন — চীন বিশ্বব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং সদস্যপদ বজায় রেখে বর্তমানে সংস্থার অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
কিউবা হলো সেই ব্যতিক্রমী দেশ, যা সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পর বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেছিল।
সঠিক উত্তর: D) লিরা
কেন সঠিক:
- তুরস্কের বর্তমান ও আনুষ্ঠানিক মুদ্রার নাম তুর্কি লিরা।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রাটি টিআরওয়াই সংকেত দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনার — এটি কুয়েত, জর্ডন ও ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের প্রচলিত মুদ্রা, তুরস্কের নয়।
B) দিরহাম — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মরক্কোর মতো দেশের প্রধান মুদ্রা, তাই এটি তুরস্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, যা তুরস্কের জাতীয় মুদ্রা নয়।
D) লিরা — এটি তুরস্কের সঠিক ও একমাত্র প্রচলিত মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
তুরস্কের টি দিয়ে টেম্পো আর লিরা দিয়ে লেবু মনে রাখতে পারেন যে, তুর্কি লেবু লিরাতে কেনা যায়।
সঠিক উত্তর: C) ইরাক
কেন সঠিক:
- ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইরাকই প্রথম বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট।
B) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি।
C) ইরাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
D) বাহরাইন — বাহরাইন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৩ সালের ৩ জানুয়ারি।
মনে রাখার টিপস:
আরব দেশের মধ্যে স্বীকৃতিতে ইরাক প্রথম, তাই মনে রাখুন আই (ইরাক) সবার আগে স্বীকৃতি দিল।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন।
- ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে এই সার্চ ইঞ্জিনটি কার্যক্রম শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) দোয়েল — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ল্যাপটপের ব্র্যান্ড নাম, কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়।
C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদীর নাম, যা কোনো ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন বা প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অনুসন্ধান — এটি সাধারণ একটি বাংলা শব্দ, যা বাংলাদেশের কোনো পরিচিত সার্চ ইঞ্জিনের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পিপীলিকা যেমন সারিবদ্ধভাবে চলে, তেমনি ইন্টারনেট দুনিয়ায় তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকা।
সঠিক উত্তর: D) মাউরি
কেন সঠিক:
- মাউরি হলো নিউজিল্যান্ডের পলিনেশীয় অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা ত্রয়োদশ শতাব্দীর দিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে নৌকায় করে নিউজিল্যান্ডে এসে বসতি স্থাপন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোডা — টোডা হলো ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলের নীলগিরি পাহাড়ের একটি আদিবাসী উপজাতি।
B) আফ্রিদি — আফ্রিদি হলো মূলত পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্ত অঞ্চলের একটি পশতুন উপজাতি।
C) জুলু — জুলু হলো আফ্রিকার দক্ষিণ অঞ্চলের, বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে বড় জাতিগোষ্ঠী।
D) মাউরি — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাম এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী মনে রাখতে 'নিউ' শব্দের সাথে 'মাউরি' শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।
- পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এই দিনটি নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জানুয়ারি — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য সাধারণ একটি দিন।
B) ৮ মার্চ — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে নির্ধারিত সঠিক তারিখ এবং জাতিসংঘ কর্তৃক অনুমোদিত।
D) ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়, পরিবেশ দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে গেলে জুনের ৫ তারিখ মনে রাখতে হবে কারণ এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ২৯ তম
কেন সঠিক:
- ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯ তম অধিবেশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন।
- এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলাকে বিশ্বমঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ তম — এই অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে (১৯৭৪ সাল), কিন্তু এটি তাঁর ভাষণ দেওয়ার অধিবেশন নয়।
C) ৩৬ তম — এই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেননি, কারণ তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত হন।
D) ৩৯ তম — এটি ১৯৮৪ সালের অধিবেশন, যা বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর বহু পরের একটি সাধারণ পরিষদের অধিবেশন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় ২৯ তম সাধারণ পরিষদে (১৯৭৪ সালে) এবং একই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু বাংলায় ভাষণ দেন।
সঠিক উত্তর: B) WTO
কেন সঠিক:
- উরুগুয়ে রাউন্ড হলো গ্যাট চুক্তির অষ্টম দফা বাণিজ্য আলোচনা, যা ১৯৯৪ সালের মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
- এই আলোচনার মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউটিও বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বিশ্ব বাণিজ্যের নীতি নির্ধারণের পরিবর্তে বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ঋণ প্রদান নিয়ে কাজ করে।
B) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠালগ্নে উরুগুয়ে রাউন্ডের বাণিজ্য আলোচনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল।
C) NATO — এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলের সামরিক জোট, যার সাথে বৈশ্বিক বাণিজ্য বা উরুগুয়ে রাউন্ডের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) OIC — এটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা, যা মুসলিম দেশগুলোর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্য ও ব্যবসার সাথে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও যুক্ত, আর উরুগুয়ে রাউন্ড ছিল এই সংস্থার জন্মলগ্ন।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি শাসিত
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন সরকারপ্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধান উভয়ই এবং তিনি আইনসভা থেকে স্বাধীনভাবে নির্বাহী বিভাগ পরিচালনা করেন।
- এখানকার রাষ্ট্রপতি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন এবং তাঁর মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় না, যা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি শাসিত — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ যুক্তরাষ্ট্র একটি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবসার দেশ।
B) সাংবিধানিক রাজতন্ত্র — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা বা রানি নেই, এটি একটি প্রজাতন্ত্র।
C) সংসদীয় সরকার — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্রে শাসনব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির নয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান হন।
D) রাজতন্ত্র — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বংশানুক্রমিক রাজা নন, বরং নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে, তাই তাদের সরকারব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।
সঠিক উত্তর: D) দূষিত বাতাস
কেন সঠিক:
- স্মোগ (SMOG) হলো কুয়াশা এবং ধোঁয়ার মিশ্রণে তৈরি এক ধরনের বায়ুদূষণ।
- শিল্পকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া এবং কুয়াশা একত্রে মিশެ বায়ুমণ্ডলে এই দূষিত পরিস্থিতি তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিগারেটের ধোঁয়া — এটি ধূমপানের ফলে উৎপন্ন ধোঁয়া, যা পুরো পরিবেশের সামগ্রিক স্মোগ বা দূষিত বাতাস নির্দেশ করে না।
B) কুয়াশা — এটি জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে সৃষ্টি প্রাকৃতিক ঘটনা, এতে কোনো ক্ষতিকর ধোঁয়া বা দূষণ থাকে না।
C) কালধোঁয়া — এটি সাধারণত অতিরিক্ত জ্বালানি পোড়ানোর ফলের উৎপন্ন কালো ধোঁয়া, যা সম্পূর্ণ স্মোগ নয়।
D) দূষিত বাতাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্মোগ হলো কুয়াশা ও ক্ষতিকর ধোঁয়ার সমন্বয়ে তৈরি এক প্রকার অত্যন্ত ক্ষতিকর দূষিত বাতাস।
মনে রাখার টিপস:
স্মোক (Smoke) অর্থাৎ ধোঁয়া এবং ফগ (Fog) অর্থাৎ কুয়াশা—এই দুটি শব্দ মিলে স্মোগ (Smog) শব্দটি তৈরি হয়েছে, যা মূলত এক ধরনের দূষিত বাতাস।
সঠিক উত্তর: C) সিসমোগ্রাফ
কেন সঠিক:
- সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে ভূকম্পনের তীব্রতা, মাত্রা এবং স্থায়িত্ব নিখুঁতভাবে মাপা হয়।
- এই যন্ত্রটি ভূমিকম্পের সময় সৃষ্ট ভূকম্পন তরঙ্গ বা সিসমিক ওয়েভ রেকর্ড করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করার একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র।
B) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
C) সিসমোগ্রাফ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভূকম্পন মাপার যন্ত্র হিসেবে কাজ করে।
D) কম্পাস — এটি দিক নির্ণয় করার কাজে ব্যবহৃত একটি navigational যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
সিসমোগ্রাফ শব্দটি মনে রাখতে সিসমিক তরঙ্গ বা ভূমিকম্পের সাথে মিলিয়ে পড়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) অক্সিজেন পরিবহন করা
কেন সঠিক:
- হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের লোহিত রক্তণিকায় অবস্থিত একটি প্রোটিন, যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে।
- এটি ফুসফুসে অক্সিজেনের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাদ্য পরিবহন করা — খাদ্যের সারবস্তু বা পুষ্টি উপাদান রক্তরসের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়, হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে নয়।
B) হরমোন বহন করা — হরমোন রক্তরসের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবাহিত হয়, হিমোগ্লোবিন হরমোন বহন করে না।
C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা — রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এবং ফাইব্রিনোজেন, হিমোগ্লোবিন নয়।
D) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিনের প্রধান ও মূল কাজ।
মনে রাখার টিপস:
হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ অক্সিজেন বহন করা, যা মনে রাখতে হিমো শব্দের অর্থ রক্ত এবং গ্লোবিন হলো প্রোটিন যা অক্সিজেন ধরে রাখে।
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কতৃক রচিত একটি ঐতিহাসিক কারাগারের দিনলিপি বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত তার কারাবাসের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা ও তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই গ্রন্থের একমাত্র লেখক।
B) মাওলানা ভাসানী — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই বিখ্যাত গ্রন্থটি তার লেখা নয়।
C) জাহানারা ইমাম — তিনি 'একাত্তরের দিনগুলি' নামক বিখ্যাত স্মৃতিকথা গ্রন্থের রচিয়তা, 'কারাগারের রোজনমচা'র নয়।
D) ড. কামাল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান এবং একজন প্রখ্যাত আইনবিদ, এই গ্রন্থের লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
রোজনমচা অর্থ দিনলিপি, যা জাতির পিতা কারাগার থেকে লিখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) পরোক্ষ কর
কেন সঠিক:
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সরাসরি সরকার বা রাজস্ব বোর্ডের কাছে পরিশোধ করা হয় না, বরং পণ্য বা সেবা ক্রয়ের মাধ্যমে ঘুরপথে প্রদান করা হয়।
- এই করের আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর বর্তায় কিন্তু ব্যবসায়ী বা মধ্যস্থতাকারীরা তা সরকারের কোষাগারে জমা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ কর — যে কর সরাসরি আয় বা সম্পদের ওপর ধার্য করা হয় এবং যার বোঝা অন্য কারও ওপর স্থানান্তর করা যায় না, যেমন আয়কর।
B) পরোক্ষ কর — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সরাসরি পরিশোধ না করে পণ্য বা সেবার দামের সাথে পরিশোধ করা হয়।
C) পরিপূরক কর — এটি মূল করের সাথে অতিরিক্ত হিসেবে আদায় করা হয় এবং এটি মূল্য সংযোজন করের সমার্থক বা বিকল্প কোনো প্রধান করের ধরন নয়।
D) সমপূরক কর — এটি কর ব্যবস্থার কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়, বরং বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি ভুল অপশন।
মনে রাখার টিপস:
যেই কর সরাসরি নিজের পকেট থেকে আয়কর হিসেবে সরাসরি কাটা হয় তা প্রত্যক্ষ কর, আর দোকানে জিনিস কেনার সময় পণ্যের দামের সাথে যা দিতে হয় তা পরোক্ষ কর তথা ভ্যাট।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ভারত
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারত সফরে গিয়ে তাদের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজের শততম ম্যাচ খেলেছিল।
- সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে বাংলাদেশ শক্তিশালী ভারতকে ১৫ রানে পরাজিত করে ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজেদের ক্রিকেটের একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ অনেক ম্যাচ খেললেও এটি শততম ওয়ানডে ম্যাচ ছিল না।
B) ভারত — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটিই সঠিক উত্তর।
C) জিম্বাবুয়ে — জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ অনেক ম্যাচ জিতেছে কিন্তু শততম ওয়ানডে ম্যাচটি তাদের বিপক্ষে ছিল না।
D) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ বহু ম্যাচ খেললেও শততম ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এই দলের বিপক্ষে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের শততম ওয়ানডে জয়ের স্মরণীয় মুহূর্তটি ভারতের বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় স্থাপিত হয়।
- দেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই প্রথম অঞ্চলটি চালু করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাভার — এটি ঢাকার কাছে অবস্থিত এবং এখানে পরবর্তীতে ডিইপিজেড বা ঢাকা ইপিজেড স্থাপিত হয়েছে, প্রথমটি নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
সি) মংলা — এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত এবং পরবর্তীতে স্থাপিত একটি সমুদ্রবন্দরভিত্তিক ইপিজেড।
D) গাজীপুর — এটি একটি শিল্প এলাকা হলেও এখানে দেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্য ও সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বেশি, তাই প্রথম ইপিজেড বন্দরনগরী চট্টগ্রামেই স্থাপিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) আম
কেন সঠিক:
- মহান্দা একটি নদী ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলে উৎপাদিত আমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় জাত।
- এটি মূলত ফজলি ও অন্যান্য স্থানীয় আমের মতোই বাংলাদেশের একটি সুস্বাদু ও পরিচিত ফল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তরমুজ — তরমুজ কোনো ফলের জাত বা নদীর নাম নয়, এটি গ্রীষ্মকালীন একটি রসালো ফল।
B) সরিষা — সরিষা একটি তেলবীজ জাতীয় ফসল, এটি মহান্দা নামে কোনো ফলের জাত নয়।
C) আম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনের মতো এটি ভুল নয়।
D) কলা — কলা একটি জনপ্রিয় ফল হলেও মহান্দা নামের কোনো কলার জাত বাংলাদেশে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদীর নাম মনে রাখলেই কনফিউশন হতে পারে, তাই মাথায় রাখবে মহান্দা নদী যেমন বিখ্যাত, তেমনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমেও মহান্দা নামের একটি সুস্বাদু জাত রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৮ সাল
কেন সঠিক:
- সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালে প্রথম বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়।
- তৎকালীন সরকার দেশের প্রবীণ ও দরিদ্র নাগরিকদের আর্থিক সুরক্ষা দিতে এই কল্যাণমুখী কার্যক্রমের সূচনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সাল — এই সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এলেও বয়স্কভাতা চালু হয়নি, বরং ১৯৯৮ সালে এটি বাস্তবায়িত হয়।
B) ১৯৯৭ সাল — এটি স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ ও বিভিন্ন সংস্কারের বছর হলেও বয়স্কভাতা চালুর সাল এটি নয়।
C) ১৯৯৮ সাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম বাংলাদেশে বয়স্কদের জন্য নিয়মিত ভাতা প্রদান শুরু হয়।
D) ১৯৯৯ সাল — বয়স্কভাতা চালুর পরের বছর এটি, তাই এই সালটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বয়স্কভাতা চালুর সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি মনে রাখুন, অর্থাৎ নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে অর্থাৎ আটানব্বই সালে এটি চালু হয়।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়ায়
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় বাংলার প্রাচীনতম পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগরীর ধ্বংসাবশেষ, যা বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সিগঞ্জে — মুন্সিগঞ্জে প্রাচীন বিক্রমপুর অবস্থিত, যা মহাস্থানগড় নয়।
B) কুমিল্লায় — কুমিল্লায় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের ময়নামতি ও শালবন বিহার অবস্থিত, মহাস্থানগড় নয়।
C) বগুড়ায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ফরিদপুরে — ফরিদপুর প্রাচীন বাংলার বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, মহাস্থানগড় এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্তানগড় বগুড়ার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত, যা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের রাজধানী ছিল।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মায়ানমার এই দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা একই সাথে দুটি দেশের সীমানা দ্বারা বেষ্টিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের ত্রিপুরার সীমান্ত রয়েছে, মায়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই।
B) বান্দরবান — এই জেলার সাথে ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত থাকলেও এটি একা দুই দেশের সীমান্ত দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত নয়।
D) কুমিল্লা — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের নির্দিষ্ট অঞ্চলের সীমান্ত রয়েছে, মায়ানমারের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
রাঙামাটি হলো বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা দুই দেশের (ভারত ও মায়ানমার) সাথে সীমানা ভাগ করে।
সঠিক উত্তর: B) দুইটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান বাংলা ও ইংরেজি এই দুটি ভাষায় রচিত এবং সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উভয় পাঠই সমানভাবে প্রামাণ্য।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর বাংলা পাঠের পাশাপাশি একটি প্রামাণ্য ইংরেজি পাঠও রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি — বাংলাদেশের সংবিধান শুধু বাংলায় রচিত নয়, এর পাশাপাশি একটি প্রামাণ্য ইংরেজি পাঠও রয়েছে।
B) দুইটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই রচিত ও প্রামাণ্য।
C) তিনটি — বাংলাদেশের সংবিধান তিনটি ভাষায় রচিত নয়, কারণ অন্য কোনো ভাষার কোনো প্রামাণ্য পাঠ নেই।
D) চারটি — আমাদের সংবিধানে চার ভাষার প্রচলন নেই, এটি কেবল বাংলা ও ইংরেজি দুটি ভাষাতেই সীমাবদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের ভাষা হলো ডবল বা দুটি, অর্থাৎ বাংলা ও ইংরেজি।
সঠিক উত্তর: D) একটি চিত্রশিল্প
কেন সঠিক:
- ‘মনপুরা-৭০’ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রশিল্প।
- ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্নিঝড় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এই শিল্পকর্মের মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি উপজেলা — মনপুরা ভোলা জেলার একটি উপজেলা হলেও ‘মনপুরা-৭০’ কোনো প্রশাসনিক এলাকা নয়, এটি একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
B) একটি নদী বন্দর — মনপুরা কোনো নদী বন্দর নয়, এটি ভোলা জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা।
C) একটি উপন্যাস — ‘মনপুরা-৭০’ কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস নয়, এটি চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের একটি ঐতিহাসিক চিত্রশিল্প।
D) একটি চিত্রশিল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি বিখ্যাত শিল্পকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পী শাহাবুদ্দিনের নামের সাথে ‘মনপুরা-৭০’ চিত্রশিল্পটি মনে রাখুন, যা মুক্তিযুদ্ধ ও ঘূর্নিঝড়ের স্মৃতি বহন করে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ (বাংলাদেশ বিষয়াবলি)
সঠিক উত্তর: A) শ্যামনগর
কেন সঠিক:
- সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা।
- এর মোট আয়তন প্রায় এক হাজার নয়ানব্বই বর্গকিলোমিটার এবং এর মধ্যে সুন্দরবনাঞ্চল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্যামনগর — এটি ক্ষেত্রফলের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম উপজেলা হওয়ায় এই উত্তরটি সঠিক।
B) ঘাটাইল — এটি টাঙ্গাইল জেলার একটি বড় উপজেলা হলেও শ্যামনগরের চেয়ে আয়তনে ছোট।
C) সাভার — এটি ঢাকা জেলার একটি জনবহুল ও শিল্পপ্রধান উপজেলা, যা আয়তনে শ্যামনগরের চেয়ে অনেক ছোট।
D) বরকল — এটি রাঙ্গামাটি জেলার একটি উপজেলা এবং এটিও বৃহত্তম উপজেলার তালিকায় প্রথম নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে সাতক্ষীরার শ্যামনগর অবস্থিত, যা আয়তনে দেশের সবার চেয়ে বড় উপজেলা।
সঠিক উত্তর: B) বেগম রাজিয়া বানু
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল গঠিত ৩৪ সদস্যের গণপরিষদের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- তিনি পাবনা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে এই কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম — তিনি বাংলাদেশের একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা, তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
B) বেগম রাজিয়া বানু — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং তিনি সংবিধান কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন।
C) বেগম মতিয়া চৌধুরী — তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
D) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি দেশের বিশিষ্ট কবি ও নারী আন্দোলনের অগ্রদূত হলেও সংবিধান কমিটির সদস্য ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান কমিটির একমাত্র নারী রাজিয়া বানু, নামের শেষে বানু মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত হবে।
সঠিক উত্তর: D) ৪২৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৪২৬ জনকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত চতুর্থ সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা।
B) ৬৮ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা।
C) ১৭৫ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা।
D) ৪২৬ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীরপ্রতীক প্রাপ্তদের সংখ্যা ৪২৬ জন।
মনে রাখার টিপস:
বীরত্বসূচক খেতাবে বীরপ্রতীক হলো চতুর্থ খেতাব এবং এর সংখ্যা চার শ ছাব্বিশ জন।
সঠিক উত্তর: C) আকুঞ্চন
১. কেন সঠিক:
- প্রসারণ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু ছড়ানো, বড় করা বা দীর্ঘায়িত করা।
- এর ঠিক বিপরীত অবস্থা হলো কোনো কিছু সংকুচিত করা বা গুটিয়ে আনা, যা আকুঞ্চন শব্দ দ্বারা প্রকাশ পায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের আওতাধীন এই প্রশ্নে শব্দের ভাবগত বিপরীত রূপ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের ব্যবহারই প্রমিত নিয়ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংকোচন
ব্যাখ্যা: এটিও প্রসারণ শব্দের একটি বহুপ্রচলিত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: কুঞ্চন
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এই শব্দটি অনেক সময় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্প্রসারণ — এটি প্রসারণ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) বিবর্ধন — এর অর্থ বৃদ্ধি করা, যা প্রসারণ শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
D) আকর্ণন — এর অর্থ কান পর্যন্ত টানা বা শোনা, যা প্রসারণ শব্দের বিপরীত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসারণ মানে বড় বা বিস্তৃত হওয়া আর আকুঞ্চন মানে ছোট বা কুঁকড়ে যাওয়া।
- বিপরীত শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই ভিন্নরূপ বা সমার্থক শব্দের সঙ্গে বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- তাই সঠিক উত্তর নির্বাচনে শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কাজেম আল কোরেশী
কেন সঠিক:
১. মহাকবি কায়কোবাদের আসল বা জন্মগত নাম ছিল মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী যা সাহিত্য মহলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।
২. তিনি ছদ্মনাম হিসেবে কায়কোবাদ নাম ব্যবহার করে বাংলা সাহিত্যে বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনা করেছিলেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্যিকদের অনেকেই তাদের পৈতৃক বা আসল নামের পরিবর্তে ছদ্মনামে লেখালেখি করতে পছন্দ করতেন।
২. কায়কোবাদ ছিলেন উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের শুরুর দিকের একজন প্রখ্যাত মুসলিম রোমান্টিক ও দেশপ্রেমিক কবি।
৩. যেমন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম কমলাকান্ত এবং প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজেম আল কোরেশী — এটি সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
B) আবু নাসের কায়কোবাদ — এটি একটি কাল্পনিক নাম এবং কবির মূল জন্ম নাম এটি ছিল না।
C) কায়কোবাদ ইসলাম — এই নামে কোনো ঐতিহাসিক মুসলিম কবির অস্তিত্ব বাংলা সাহিত্যে পাওয়া যায় না।
D) আবুল হোসেন কায়কোবাদ — এটি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম নয় বরং অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে মিলে যাওয়া নাম।
মনে রাখার টিপস:
১. কায়কোবাদ নামের প্রথম অক্ষর ক এবং তার আসল নামের প্রথম অক্ষরও ক দিয়ে শুরু অর্থাৎ কাজেম আল কোরেশী।
২. মহাকবি কায়কোবাদের আসল নাম মনে রাখতে কোরেশী পদবিটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) রোমান্টিক প্রণয় কাব্য
১. কেন সঠিক:
- ইউসুফ জোলেখা একটি রোমান্টিক প্রণয় কাব্য কারণ এতে ইউসুফ ও জোলেখার প্রেমের অমর কাহিনী কাব্যিক রূপ লাভ করেছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এটি পারস্যের কাহিনীর অনুসরণে রচিত একটি জনপ্রিয় প্রণয়মূলক কাব্যধারা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ধারার সূচনা হয় মুসলিম কবিদের মাধ্যমে। ফার্সি ভাষার আদলে রচিত এসব কাব্যে নরনারীর লৌকিক প্রেমের মধ্য দিয়ে পারলৌকিক বা আধ্যাত্মিক প্রেমের বার্তা ফুটিয়ে তোলা হতো।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাইলী মজনু
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য যা প্রণয়কাব্য ধারার অন্যতম নিদর্শন।
উদাহরণ ২: সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী
ব্যাখ্যা: দৌলত কাজী রচিত এই কাব্যটিও রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ধারার একটি প্রামাণ্য দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — নাটক হলো অভিনয়ের জন্য রচিত দৃশ্যকাব্য যা ইউসুফ জোলেখা কাব্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) উপন্যাস — উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত বৃহৎ কল্পকাহিনী যা মধ্যযুগের এই পদ্যকাব্যের সঙ্গে মেলে না।
C) রোমান্টিক প্রণয় কাব্য — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি কাব্যের মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ।
D) রম্যরচনা — রম্যরচনা হলো হাস্যরসাত্মক ও লঘু মেজাজের গদ্য সাহিত্য যা এই গম্ভীর প্রেমের কাহিনীর বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মধ্যযুগের প্রণয়কাব্যগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো ইউসুফ জোলেখা, লাইলী মজনু এবং সতী ময়না কাব্যের নামগুলো একসঙ্গে মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- শাহ মোহাম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইউসুফ জোলেখা কাব্যের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। মধ্যযুগের প্রণয়কাব্যগুলো সাধারণত ফার্সি ভাষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় অনূদিত বা রূপান্তরিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) সংবাদ
কেন সঠিক:
- সংবাদ শব্দটিতে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে।
- এটি ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ম এর পর অন্তুস্থ বর্ণ য, র, ল, ব কিংবা উষ্ম বর্ণ শ, ষ, স, হ থাকলে ম স্থানে অনুস্বার হয়।
- এখানে সম যুক্ত বাদ মিলে সংবাদ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- উদাহরণস্বরূপ সংবর্ধনা, সংরক্ষণ এবং সংসার শব্দগুলো ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) শুভেচ্ছা — এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ কারণ শুভ যুক্ত ইচ্ছা মিলে এটি গঠিত হয়েছে।
- C) প্রত্যেক — এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ কারণ প্রতি যুক্ত এক মিলে এটি গঠিত হয়েছে।
- D) অতীত — এটি স্বরসন্ধির উদাহরণ কারণ অতি যুক্ত ইত মিলে এটি গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- অনুস্বার যুক্ত অধিকাংশ শব্দ যেমন সংবাদ, সংস্কার বা সংযোগ ব্যঞ্জন সন্ধি হয়।
- শব্দের মাঝে যদি হসন্ত বা ব্যঞ্জনবর্ণের পরিবর্তন দেখা যায় তবে তা সাধারণত ব্যঞ্জন সন্ধি নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) র, এর
১. কেন সঠিক:
- সম্বন্ধ পদে সাধারণত র বা এর বিভক্তি যুক্ত হয়।
- এটি বাক্যের বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ বা সম্পর্ক বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে পদের দ্বারা বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক বা মালিকানা বোঝায়, তাকে সম্বন্ধ পদ বলে।
- শব্দের শেষে স্বরবর্ণ থাকলে র এবং ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে এর বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিমের বই।
ব্যাখ্যা: রহিম শব্দের সঙ্গে এর বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: আমার কলম।
ব্যাখ্যা: আমা সর্বনামের সঙ্গে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদের রূপ নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কে, রে — এটি মূলত দ্বিতীয় ও চতুর্থ বিভক্তির চিহ্ন যা কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়।
B) প্রথমা, শুন্য — এটি সাধারণত প্রাতিপদিক বা অবিভক্ত প্রথমা বিভক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
D) এ, তে — এটি মূলত সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন যা অধিকরণ ও ভাবাধিকরণে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সম্বন্ধ পদ চেনার সহজ উপায় হলো কার বা কাার প্রশ্নের উত্তর খোঁজা এবং র, এর বিভক্তি মনে রাখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের জন্য শব্দের শেষের বিভক্তি চিহ্ন ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে
১. কেন সঠিক:
- 'লঙ্ঘিত' শব্দটির সাথে 'হয়েছে' বা 'করা হয়েছে' ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে বাক্যটি অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণসিদ্ধ হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিধি বা আইন অমান্য করার ক্ষেত্রে 'লঙ্ঘিত হয়েছে' বা 'লঙ্ঘন করা হয়েছে' প্রমিত রূপ হিসেবে গৃহিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে পদ প্রকরণ এবং অর্থসঙ্গতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
- ক্রিয়াপদের সঠিক প্রয়োগ এবং বানัน শুদ্ধির মাধ্যমে একটি বাক্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শুদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক।
ব্যাখ্যা: এটি একটি সহজ ও শুদ্ধ বাক্য যা ভাষার প্রমিত রূপ বজায় রাখে।
উদাহরণ ২: আইন অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
ব্যাখ্যা: এখানে 'অমান্য করা' সঠিক ক্রিয়াপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারো ফাগুন মাস, কারো সর্বনাশ — এটি একটি প্রবাদ বাক্য, তবে বাক্যগঠনগত বা প্রমিত ব্যাকরণের কাঠামোর বাইরে এটি কথ্য বা লোকজ রূপ হিসেবে প্রচলিত।
B) সে প্রাণিবিদ্যায় দুর্বল — 'প্রাণিবিদ্যা' বানানে ই-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বানানের ত্রুটি থাকতে পারে, কারণ সঠিক প্রমিত বানান হলো প্রাণীবিদ্যা।
C) আগত শনিবার কলেজ বন্ধ থাকবে — 'আগত শনিবার' প্রমিত নয়, এর বদলে আসন্ন শনিবার বা আগামী শনিবার বলা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
D) বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং ব্যাকরণসম্মত বাক্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে শব্দচয়ন এবং ক্রিয়াপদের সঠিক ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
প্রমিত বানান এবং প্রচলিত ব্যাকরণের নিয়ম চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বানান ও শব্দের সঠিক অর্থ সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।
একই নিয়মে অন্যান্য বাক্য শুদ্ধ করার সময় কাল ও পদের মিল আছে কি না তা যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পবন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি পবন কারণ এটি বাতাসের সমার্থক শব্দ।
- প্রশ্নের অন্যান্য অপশনগুলো অগ্নি বা আগুনের সমার্থক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে।
- এখানে পাবক, বহ্নি ও অনল তিনটি শব্দই আগুন বা অনলের সমার্থক এবং পবন হলো বাতাস বা বায়ুর সমার্থক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনল, পাবক ও বহ্নি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি শব্দই আগুনের ভিন্ন রূপ বা প্রতিশব্দ হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: পবন, বাতাস ও সমীরণ একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা: এই তিনটি শব্দ বায়ু বা বাতাসের সমার্থক শব্দ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাবক — এটি আগুনের সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তরের বিপরীত।
B) পবন — এটি বাতাসের সমার্থক শব্দ এবং অগ্নি বা আগুনের সমার্থক নয়।
C) বহ্নি — এটি আগুনের সমার্থক শব্দ হওয়ায় প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মেলে না।
D) অনল — এটিও আগুনের সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- আগুন সম্পর্কিত শব্দগুলো হলো অনল, পাবক, বহ্নি, হুতাশন।
- বাতাস সম্পর্কিত শব্দগুলো হলো পবন, সমীরণ, অনিল, বাতাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অগ্নি ও বাতাস সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই একসঙ্গে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
- তাই প্রাকৃত ও তৎসম শব্দের অর্থগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পঙ্কজ
১. কেন সঠিক:
- সমাসের সাহায্যে গঠিত যে শব্দগুলো সমসমান পদের অনুগামী না হয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।
- পঙ্কজ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো পঙ্কে জন্মে যা। এটি যোগরূঢ় শব্দের নিখুঁত উদাহরণ কারণ এটি সাধারণ অর্থে না বুঝিয়ে বিশেষ অর্থে পদ্মফুলকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যথা মৌলিক, সাধিত ও যোগরূঢ় শব্দ। সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দগুলো সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করে, তা যোগরূঢ় শব্দ।
- বহুব্রীহি সমাসের সাহায্যে অধিকাংশ যোগরূঢ় শব্দ গঠিত হয়, যেখানে বুৎপত্তিগত অর্থের চেয়ে প্রচলিত বা বিশেষ অর্থ প্রাধান্য লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজপথ
ব্যাখ্যা: রাজপথ শব্দের ব্যাসবাক্য রাজার পথ হলেও এটি সব রাজাকে বোঝায় না, বরং শহরের প্রধান সড়ক বা বড় রাস্তাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজপুত শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ রাজার পুত্র হলেও যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে এটি একটি নির্দিষ্ট ক্ষত্রিয় সম্প্রদায়কে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাঁশি — এটি একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এটি এর সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে।
B) তৈল — এটি একটি সাধিত শব্দ যা তিল থেকে উৎপন্ন বোঝায় এবং এর অর্থ বিশেষ কোনো রূপ ধারণ করেনি।
D) চিকামারা — এটি একটি যৌগিক শব্দ যার অর্থ দেওয়ালে চুন বা কালি দিয়ে কিছু লেখা, এখানে পদের অর্থের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যোগরূঢ় শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো দেখতে হবে শব্দটি সমাসের নিয়মে গঠিত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ বস্তুকে বোঝাচ্ছে কি না।
- পঙ্কজ, রাজপথ, মহাযাত্রা, রাজপুত এই কয়েকটি শব্দ ভালোভাবে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের গঠন ও শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মৌলিক, সাধিত, যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য স্পষ্ট রাখতে হবে।
- সমাস নিষ্পন্ন শব্দগুলোর মধ্যে কোনটি যৌগিক এবং কোনটি যোগরূঢ়, তা আলাদা করার অভ্যাস রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) লেফাফা দুরস্ত
১. কেন সঠিক:
- লেফাফা দুরস্ত বাগধারাটির অর্থ বাইরে ঠাট বজায় রেখে চলা বা সর্বাংশে পরিপাটি কিন্তু ভেতরে ফাঁক থাকা।
- আরবি লেফাফা শব্দের অর্থ খাম এবং ফারসি দুরস্ত শব্দের অর্থ ঠিক, তাই শাব্দিক অর্থে খামটি ঠিক আছে কিন্তু ভেতরে আসল বস্তু অন্যরূপ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও অভ্যন্তরীণ সত্যের অসঙ্গতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সমাজে এমন অনেক মানুষ থাকেন যারা চলাফেরায় খুব মার্জিত ও ধনী ভাব দেখান, কিন্তু বাস্তবে তাদের অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিম সাহেব গায়ে দামি কোট পরে চলেন কিন্তু তার দেনার শেষ নেই, তিনি আসলে লেফাফা দুরস্ত মানুষ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে করিম সাহেবের বাহ্যিক জাঁকজমক এবং অভ্যন্তরীণ সংকটের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ওই প্রতিষ্ঠানের বাইরে বড় সাইনবোর্ড থাকলেও ভেতরে কোনো পড়ালেখার পরিবেশ নেই, একদম লেফাফা দুরস্ত অবস্থা।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রতিষ্ঠানের বাহ্যিক রূপ এবং প্রকৃত সেবার মানের অমিল বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাঙের আধুলি — এই বাগধারাটির অর্থ অসম্ভব ব্যাপার বা সামান্য সম্পদ, যা প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে মিলে না।
B) লেফাফা দুরস্ত — এটি সঠিক উত্তর যা বাইরে ঠাট বজায় রাখার অর্থ প্রকাশ করে।
C) রাশভারি — এই বাগধারাটির অর্থ গম্ভীর প্রকৃতির বা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ, যা কৃত্রিম ঠাট বোঝায় না।
D) ভিজে বেড়াল — এই বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড বা খুব চালাক অথচ সহজসরল প্রকৃতির লোক, যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেফাফা অর্থ খাম, খাম বাইরে থেকে সুন্দর দেখায় কিন্তু ভেতরে কি আছে তা বোঝা যায় না, এভাবেই মনে রাখবে।
- বাহ্যিক জাঁকজমক দেখলেই লেফাফা দুরস্ত বাগধারাটি মাথায় আনবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বভাব ও চরিত্র বোঝাতে এমন অনেক বাগধারা আসে।
- বাগধারার মূল ভাবার্থ অনুধাবন করে উত্তর নির্বাচন করতে হয়, তাই শাব্দিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পূর্বপদের বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সঙ্গে পরপদের বিশেষ্যের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়।
- এই সমাসে পূর্বপদটি পরপদের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে এবং পরপদের অর্থকে বিশেষায়িত করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে না এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- এতে সাধারণত পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: এখানে পদ্মের নীল রঙ বোঝানো হয়েছে এবং পদ্ম শব্দের অর্থ প্রধান রয়েছে।
উদাহরণ ২: মহান যে শিক্ষক = মহ simplistic (মহাশিক্ষক) / মহাপ্রাণ
ব্যাখ্যা: এখানে শিক্ষকের মহান গুণ প্রকাশ পেয়েছে এবং শিক্ষক পদের অর্থই প্রধান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং অব্যয়ের অর্থই সমস্তপদে প্রাধান্য পায়।
B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ বোঝায় না, সম্পূর্ণ নতুন কোনো পদ বা অর্থ প্রকাশ পায়।
C) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে।
D) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস চেনার সহজ উপায় হলো দ্বন্দ্ব মানে উভয়ের প্রধান, অব্যয়ীভাব মানে পূর্বপদের প্রধান, বহুব্রীহি মানে অন্য পদের প্রধান এবং কর্মধারয় ও তৎপুরুষ মানে পরপদের প্রধান।
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণ গুণ বা রূপক বোঝাতে পরপদের অর্থই মূল হিসেবে কাজ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান, তা নিয়ে প্রশ্ন আসে।
- পূর্বপদ ও পরপদের অর্থের প্রাধান্য দিয়ে সমাস চেনার এই মৌলিক ধারণাটি মাথায় রাখলে যেকোনো সমাসের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) কৃত বিদ্যা যার
১. কেন সঠিক:
- এটি বহুব্ৰীহ সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ যেখানে সমাসবদ্ধ পদটি অন্য পদের অর্থ প্রকাশ করে।
- এখানে 'কৃত' মানে অর্জিত বা লাভ করা এবং 'বিদ্যা' মানে জ্ঞান, যা মিলে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি বিদ্যা অর্জন করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্ৰীহ সমাসের পূর্বপদ বা পরপদ কোনটিকেই না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্ৰীহ সমাস বলে।
- 'কৃত বিদ্যা যার' এই বাক্যাংশে সমস্তপদটি ব্যক্তিবিশেষকে নির্দেশ করায় এটি সমানাধিকরণ বা ব্যতিহার বহুব্ৰীহের বাইরে সাধারণ বহুব্ৰীহ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পীত অম্বর যার = পীতাম্বর
ব্যাখ্যা: এটি বহুব্ৰীহ সমাসের উদাহরণ যেখানে হলুদ পোশাক পরা বিশেষ কোনো দেবতাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: দশ অক্ষি যার = দশকক্ষী
ব্যাখ্যা: এটিও বহুব্ৰীহ সমাসের সাহায্যে গঠিত একটি শব্দ যা নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃত যে বিদ্য — ব্যাকরণগতভাবে 'বিদ্য' কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং কর্মধারয় সমাসের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কৃত যে বিদ্যা — এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য হতে পারে কিন্তু সমস্তপদের অর্থ এবং বহুব্ৰীহ সমাসের ভাব বজায় রাখে না।
D) কৃত হয়েছে যার বিদ্যা — এটি বাক্যের সম্প্রসারಿತ রূপ হলেও ব্যাকরণসম্মত প্রমিত সমাসের ব্যাসবাক্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যার বা যাহারা শব্দ দিয়ে শেষ হওয়া ব্যাসবাক্যগুলো সাধারণত বহুব্ৰীহ সমাস নির্দেশ করে।
- সমস্তপদ যদি অন্য কাউকে বা কোনো গুণকে বোঝায়, তবে তা বহুব্ৰীহ সমাস হিসেবে চিনে নেবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুব্ৰীহ সমাস চেনার উপায় হলো সমস্তপদের বাইরে অন্য কোনো অর্থ প্রকাশ পায় কি না তা দেখা।
- সমাসের ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের সঠিক রূপ ও বিভক্তি সবসময় খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পিশাচ > পিচাশ
১. কেন সঠিক:
শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ভিন্ন ধ্বনি নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বা অন্তোযোগ বলে। এখানে পিশাচ শব্দের প্রথম দিকের শ ধ্বনি এবং শেষের চ ধ্বনি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে পিচাশ রূপ নিয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দ উচ্চারণের সময় সুবিধার জন্য যখন দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ পরস্পরের স্থান বদল করে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি অন্যতম প্রধান প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাক্স > বাস্ক
ব্যাখ্যা: বাক্স শব্দের ক এবং স ধ্বনি স্থান পরিবর্তন করে বাস্ক হয়েছে।
উদাহরণ ২: রিক্সা > রিস্কা
ব্যাখ্যা: রিক্সা শব্দের ক এবং স ধ্বনি স্থান পরিবর্তন করে রিস্কা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বড় দাদা > বড়দা — এটি সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে বা উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দ সংক্ষেপণ বা সমীভবনের উদাহরণ, ধ্বনি বিপর্যয়ের নয়।
B) কিছু > কিচ্ছু — এটি জোর দেওয়ার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্বত্ব বা ব্যঞ্জন দ্বিত্ব ভবনের উদাহরণ, ধ্বনি বিপর্যয় নয়।
D) মুক্তা > মুকুতা — এটি উচ্চারণের সুবিধার জন্য মধ্যম স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ, ধ্বনি বিপর্যয় নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিপরীত বা উলটো হয়ে যাওয়া বোঝাতে বিপর্যয় শব্দটি আসে। শব্দের ভেতর বর্ণ উলটে গেলেই তা ধ্বনি বিপর্যয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পিশাচ থেকে পিচাশ এবং বাক্স থেকে বাস্ক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসা ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ। শব্দে স্থান পরিবর্তন দেখলেই তাকে ধ্বনি বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত করবে।
সঠিক উত্তর: D) চশমা
কেন সঠিক:
১. 'চশমা' শব্দটির উৎপত্তি ফারসি ভাষা থেকে হয়েছে এবং এটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
২. ফারসি ভাষার শব্দ হিসেবে এটি বাংলা শব্দভান্ডারে অঙ্গাঙ্গিভাবে মিশে গেছে এবং এর কোনো পরিবর্তিত রূপ সাধারণত দেখা যায় না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে বিদেশ থেকে আগত শব্দগুলোকে বৈদেশিক শব্দ বলা হয়, যার একটি প্রধান অংশ ফারসি শব্দ।
২. ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রচুর প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ প্রবেশ করেছে।
৩. চশমা ছাড়াও ফারসি ভাষার কিছু পরিচিত শব্দের উদাহরণ হলো দরজা, জানালা, চশমা, কাগজ ইত্যাদি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাবি — এটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ এবং বাংলা ভাষায় এটি বহুল ব্যবহৃত একটি গৃহস্থালি সামগ্রীর নাম।
B) চাকর — এটি তুর্কি ভাষার শব্দ যা বাংলা শব্দভান্ডারে পেশাবাচক শব্দ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
C) চাহিদা — এটি একটি খাঁটি বাংলা শব্দ যা চাওয়া ধাতু থেকে সাধিত হয়েছে।
D) চশমা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. মানুষের মুখ বা চোখের সাথে সম্পর্কিত কিছু ফারসি শব্দ যেমন চশমা, সুরমা ইত্যাদি সহজে মনে রাখা যায়।
২. পোশাক-পরিচ্ছদ ও দৈনন্দিন ব্যবহারের ফারসি শব্দগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে নিয়মিত চর্চা করলে পরীক্ষ সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎপত্তি নিয়ে লেখা বিখ্যাত গবেষণাগ্রন্থ বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত এর রচয়িতা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
- এই গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষার জন্মকাল, বিকাশ এবং এর রূপান্তর সম্পর্কে প্রামাণিক তথ্য ও তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিদ, সাহিত্যিক ও পন্ডিত।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য এবং তাঁর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি সপ্তম শতাব্দীতে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপভ্রংশ ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেছেন।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার উৎস সম্পর্কিত তাঁর একটি বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক সিদ্ধান্ত।
উদাহরণ ২: তাঁর অপর একটি বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ হলো বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান।
ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপ ও শব্দভান্ডার নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রন্থটি তাঁরই রচিত বিখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক কাজ।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি বঙ্গভাষা ও সাহিত্য এবং প্রাচীন বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
C) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তাঁর বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ হলো দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ, যা বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত নয়।
D) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও ভাষার ইতিহাস নিয়ে লিখলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা অন্য পন্ডিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা নিয়ে শহীদেরা ইতিহাস লেখেন, তাই ভাষা সম্পর্কিত ইতিবৃত্ত বা ইতিহাস গ্রন্থের জন্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহকে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস সম্পর্কিত গ্রন্থগুলোর রচয়িতা প্রায়ই আসে। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা বিষয়ক গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ভিক্ষুককে ভিক্ষা দাও
১. কেন সঠিক:
- সম্প্রদান কারকের মূল শর্ত হলো কাউকে কোনো কিছু সত্য বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা।
- ভিক্ষুককে যে ভিক্ষা দেওয়া হয়, তা আর ফেরত নেওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারক।
- ভিক্ষুককে শব্দে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকায় তা চতুর্থী বিভক্তির উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কোনো কিছু প্রদান করা হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সম্প্রদান কারক বলা হয়।
- দ্বিতীয় বিভক্তির রূপ ক, কে, রে হলেও দাতার দিক থেকে তা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে নির্ধারিত হয়।
- সৎ পাত্রে বা নিঃস্বার্থভাবে দান বোঝাতে সম্প্রদান কারক ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্ধজনে দেহ আলো।
ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টি দান করা বোঝাতে এখানে সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তির ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: সমিতিতে চাঁদা দাও।
ব্যাখ্যা: সমিতিতে স্থায়ীভাবে তহবিল বা অর্থ প্রদান করা বোঝাতে এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিক্ষা দাও দেখিলে ভিক্ষুক — বাক্যটির গঠন ও অর্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) ভিক্ষা দাও দুয়ারে ভিক্ষুক — এখানে দুয়ারে শব্দটি অধিকরণ কারকের সপ্তমী বিভক্তি প্রকাশ করে, সম্প্রদান কারক নয়।
D) কোনটিই নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- চিরতরে বা স্বত্ব ত্যাগ করে দান করা বোঝালেই সম্প্রদান কারক হবে।
- কাকেই বা কাহাকে প্রশ্ন করলে উত্তর পেলে চতুর্থী বিভক্তির সম্প্রদান কারক সহজে চিহ্নিত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পরীক্ষায় প্রায়ই সৎ পাত্রে দান বা অন্ধজনকে আলো দেওয়ার মতো নিত্যনৈমিত্তিক উদাহরণগুলো আসে।
- কর্ম কারক এবং সম্প্রদান কারকের পার্থক্য বুঝতে হলে দানের ক্ষেত্রে স্বত্ব ত্যাগের বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ষ্+ণ
১. কেন সঠিক:
উষ্ণ শব্দের মধ্যস্থিত যুক্তবর্ণটি ষ এবং ণ বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে মূর্ধন্য ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই যুক্তাক্ষরটি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে গঠিত হয়। উষ্ণ শব্দের ক্ষেত্রে ষ এবং ণ একসাথে যুক্ত হয়ে এই রূপ ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তৃষ্ণা শব্দে ষ্+ণ যুক্তবর্ণ রয়েছে।
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও উষ্ণ শব্দের মতো একই যুক্তবর্ণের ব্যবহার দেখা যায়।
উদাহরণ ২: বিষ্ণু শব্দে ষ্+ণ এর পরিবর্তে ষ্+ণ বা অন্য যুক্তবর্ণ থাকতে পারে তবে উষ্ণ ও তৃষ্ণা একই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত।
ব্যাখ্যা: এটি সমজাতীয় যুক্তবর্ণের সঠিক ব্যবহার বোঝাতে সাহায্য করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ্+ণ - এটি সঠিক অপশন কারণ উষ্ণ শব্দে ষ এবং ণ যুক্ত রয়েছে।
B) ষ+ন - এটি ভুল কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা উষ্ণ শব্দে নেই।
C) ষ+ঞ - এটি ভুল কারণ এখানে ঞ-ফলা ব্যবহার করা হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ষ+ঙ - এটি ভুল কারণ এখানে ঙ বর্ণটি রয়েছে যা উষ্ণ বানানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
উষ্ণ বানান লেখার সময় মনে রাখতে হবে এর নিচে ষ এবং ণ যুক্ত হয়। বানানের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের নিয়ম মাথায় রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণ কোন কোন বর্ণ দিয়ে গঠিত তা জানতে চাওয়া হয়। তাই যুক্তবর্ণ ভাঙার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ব্যতিহার কর্তা
১. কেন সঠিক:
বাক্যে একই জাতীয় দুটি বিশেষ্য পদ যখন একত্রে মিলে কোনো যৌথ ক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং তাদের মধ্যে একধরণের প্রতিযোগিতা বা পারস্পরিক ভাব প্রকাশ পায়, তখন তাদের ব্যতিহার কর্তা বলা হয়।
এখানে ‘রাজায় রাজায়’ পদ দুটি একই সাথে ক্রিয়া সম্পাদন করছে এবং তাদের মধ্যে লড়াই করার পারস্পরিক অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যে ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলা হয়।
কর্তৃকারক প্রধানত চার প্রকার, যার একটি হলো ব্যতিহার কর্তা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে মহিষে এক ঘাটে জল খায়।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘বাঘে মহিষে’ একই সাথে জল খাওয়ার কাজটি করছে এবং তাদের মধ্যে একটি পারস্পরিক বৈরী সম্পর্ক বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: পতে পতে লড়াই বাধল।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘পতে পতে’ পদ দুটি ব্যতিহার কর্তার উদাহরণ হিসেবে কাজ করেছে এবং পারস্পরিক সংঘর্ষের অর্থ প্রকাশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রযোজক কর্তা — যে কর্তা নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় তাকে প্রযোজক কর্তা বলে, যেমন শিক্ষকে ছাতকে পড়ান।
B) মুখ্য কর্তা — মূল বা প্রধান যে কর্তা নিজে স্বাধীনভাবে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে মুখ্য কর্তা বলে, যেমন খোকা বই পড়ছে।
C) ব্যতিহার কর্তা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি কর্তার পারস্পরিক ক্রিয়া বা লড়াইয়ের ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
D) ণিজন্ত কর্তা — এটি কোনো কর্তার প্রকারভেদ নয়, বরং বিশেষ ধাতু বা ক্রিয়ার রূপ যার মূল কাজ অন্যকে দিয়ে করানো বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ব্যতিহার শব্দের অর্থ হলো মারামারি বা পারস্পরিক প্রতিযোগিতা।
পরীক্ষায় একই শব্দের পুনরাবৃত্তি এবং লড়াই বা মারামারির ভাব থাকলে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার কর্তা দাগাবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
একই পদের দ্বিরুক্তি থাকলে এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক বিরোধ বা সহযোগিতা বোঝালে সেটি সাধারণত ব্যতিহার কর্তা হয়।
সঠিক উত্তর: B) নির্মোক
১. কেন সঠিক:
সাপের খোলস ত্যাগ করা বা খোলসকে এককথায় নির্মোক বলা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের বাক্যসংক্ষেপণ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুবার পরীক্ষাসমূহ আসা প্রশ্ন।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব।
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত বাক্য সংকোচন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার = নিরহংকার।
ব্যাখ্যা: ব্যক্তির স্বভাব বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃত্তি — কৃত্তি শব্দের অর্থ পশুর চামড়া বা ছাল, যা সাপের খোলস বোঝায় না।
B) নির্মোক — এটি সাপের খোলস অর্থে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়।
C) অজিন — অজিন বলতে মূলত হরিণের চামড়াকে বোঝানো হয়।
D) করভ — করভ শব্দের অর্থ হস্তিশাবক বা উটের শাবক।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাপের খোলস বদলানোর প্রক্রিয়া বা খোলসকে নির্মোক বলা হয়, এই মিলটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা যায়।
শব্দটির উৎপত্তি ও অর্থ মনে রাখার জন্য নিয়মিত বাক্যে এর প্রয়োগ চর্চা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চামড়া বা খোলস সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশ প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দার্থ ও বাক্যসংক্ষেপণ আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) উভয় লিঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- যে শব্দগুলো পুরুষ বা স্ত্রী কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গকে বোঝায় না, বরং উভয়কেই বোঝাতে পারে, তাকে উভয় লিঙ্গ বলা হয়।
- ‘সাথী’ শব্দটি এমন একটি শব্দ যা পুরুষ সঙ্গী বা স্ত্রী সঙ্গী উভয়ের ক্ষেত্রেই সমানভাবে ব্যবহার করা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত যথা পুংলিঙ্গ, স্ত্রীলিঙ্গ, উভয় লিঙ্গ এবং ক্লীব লিঙ্গ।
- যে বিশেষ্য পদ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কে বোঝায়, তাকে উভয় লিঙ্গবাচক শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বন্ধু
ব্যাখ্যা: বন্ধু শব্দটি পুরুষ বা নারী উভය বন্ধুর ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: শিশু
ব্যাখ্যা: শিশু শব্দটি ছেলে বা মেয়ে উভয় শিশুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুংলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ সাথী শব্দটি শুধু পুরুষকে বোঝায় না।
B) স্ত্রীলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ সাথী শব্দটি শুধু স্ত্রীকে বোঝায় না।
C) ক্লীব লিঙ্গ — এটি ভুল কারণ ক্লীব লিঙ্গ কেবল জড় পদার্থ বোঝায় কিন্তু সাথী প্রাণবাচক।
D) উভয় লিঙ্গ — এটি সঠিক কারণ সাথী পুরুষ ও নারী উভয়কে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- যে শব্দগুলো দিয়ে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝানো যায়, যেমন সাথী, বন্ধু, সন্তান, সেগুলোকে উভয় লিঙ্গ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উভয় লিঙ্গবাচক শব্দ যেমন মানুষ, শিশু, সন্তান, পক্ষী থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) √দৃশ্ + অনীয়
১. কেন সঠিক:
দর্শনীয় শব্দটির মূল ধাতু হলো √দৃশ্ এবং এর সাথে 'অনীয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
দৃশ্য ধাতুটির সাথে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কর্মবাচ্যে বিশেষণ পদ তৈরি করে যার অর্থ যা দর্শন করা বা দেখা উচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের নিয়মে তুলাদণ্ড বা দেখার অর্থে √দৃশ্ ধাতুর উত্তর অননীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়।
এটি একটি কৃদন্ত পদ যা সাধারণত যোগ্য বা উচিত অর্থ প্রকাশ করতে বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রব + অনীয় = শ্রবণীয়
ব্যাখ্যা: শোনার যোগ্য অর্থে শ্রবণ ধাতু বা √শ্রু ধাতুর সাথে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কর + অনীয় = করণীয়
ব্যাখ্যা: করার যোগ্য বা যা করা উচিত অর্থে √কৃ ধাতুর সাথে অনীয় প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √দর্শন + ইয় — দর্শন কোনো মৌলিক ধাতু নয় এবং ইয় প্রত্যয় এখানে সঠিক গঠন তৈরি করে না।
C) √ দৃশ্য + নীয় — দৃশ্য নিজেই একটি সাধিত রূপ, সরাসরি এর সাথে নীয় প্রত্যয় যুক্ত হয় না।
D) √দর্শন + ঈয় — দর্শন শব্দটির সাথে ঈয় প্রত্যয় যুক্ত করলে দর্শনীয় হয়, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ধাতুগত বিশ্লেষণ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দে শেষে অনীয় যুক্ত থাকে, সাধারণত তার মূল ধাতু হিসেবে সংস্কৃত রূপ যেমন √দৃশ্ বা √কৃ বেছে নিতে হয়।
ধাতু চিহ্নিত করার সময় শব্দের ভেতরের মূল সংস্কৃত রূপটি খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
বিশেষ করে অনীয়, তব্য, য এবং ক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর মূল ধাতু চেনার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) তোষামোদকারী
১. কেন সঠিক:
- 'ধামাধরা' একটি বিশিষ্ট বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ হলো অনর্থক বা অসৎ উদ্দেশ্যে তেল মারা কিংবা তোষামোদ করা।
- সমাজে যারা নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বা সুযোগ পাওয়ার আশায় সবসময় উর্ধ্বতন ব্যক্তি বা ক্ষমতার অধিকারীদের তোষামোদ করেন, তাদের বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে।
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে এবং বাক্যের ভাবকে অত্যন্ত সুসংহত ও আকর্ষণীয় করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের ম্যানেজারের কাছে পদোন্নতির আশা সে সবসময় ধামাধরা সেজে থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে নিজের স্বার্থের জন্য তোষামোদ করার ভাব প্রকাশ করতে ধামাধরা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজনীতিতে ধামাধরা লোকজনের কোনো দীর্ঘস্থায়ী সম্মান থাকে না।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তোষামোদকারী বা তোষামোদ করার স্বভাবের মানুষদের বোঝাতে ধামাধরা শব্দগুচ্ছ প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যথেচ্ছাচারী — এই শব্দের অর্থ যে নিজের ইচ্ছামতো আচরণ করে বা কোনো নিয়ম মানে না, যা ধামাধরা শব্দের সঙ্গে মেলে না।
B) বক ধার্মিক — এই বাগধারার অর্থ ভণ্ড বা ছদ্মবেশী সাধু, যা তোষামোদকারীর সমার্থক নয়।
সি বা সঠিক উত্তরটি হলো C) তোষামোদকারী, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য।
D) কদরহীন লোক — এর অর্থ যার সমাজে কোনো মূল্যায়ন বা সম্মান নেই, যা তোষামোদ করার অর্থের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধামা মানে ছোট ঝুড়ি এবং ধরা মানে বহন করা। অন্যের ধামা যে বয়ে বেড়ায় সে মূলত তার তোষামোদই করে থাকে, এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানুষ ও তাদের স্বভাবভিত্তিক বাগধারা যেমন তোষামোদকারী, ভণ্ড বা অলস ব্যক্তি খুব বেশি আসে।
- বিগত সালের প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে এই ধরনের বাগধারা সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- 'মুমূর্ষু' শব্দের অর্থ যার মরিবার ইচ্ছা আছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব উ, দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ এবং চতুর্থ বর্ণে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে একই সঙ্গে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম প্রযোজ্য হয়।
- এই শব্দটিতে উ-কার ও ঊ-কারের সঠিক বিন্যাস না জানলে সাধারণত শিক্ষার্থীরা ভুল করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ ঊ-কারের সঠিক নিয়ম মেনে চলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বিবিষীকা
ব্যাখ্যা: এটি একটি জটিল বানান যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শুদ্ধ বানানের জন্য আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়নি, যা শব্দের সঠিক গঠনের পরিপন্থী।
B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাংলা বানানরীতির প্রমিত নিয়ম পুরোপুরি অনুসৃত হয়েছে।
C) মূমুর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) মূমূর্ষু — এই অপশনটি ভুল কারণ প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় বর্ণেই দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে যে, শুরুতে হ্রস্ব উ, মাঝে দীর্ঘ ঊ এবং শেষে হ্রস্ব উ বসে।
- ছোট বড় ছোট বা হ্রস্ব দীর্ঘ হ্রস্ব এই ক্রমটি মনে রাখলে বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের পেঁচানো বানান বারবার আসে।
- হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার সম্পর্কিত নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে বানান শুদ্ধিকরণ প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) অম্বু
১. কেন সঠিক:
পানি শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে অম্বু শব্দটি ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি মূলত জলের অপর একটি নাম নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত উৎস থেকে আসা শব্দের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বাংলা ভাষায় পানির বহু সমার্থক শব্দ আছে যার বেশিরভাগই সংস্কৃত শব্দমূল থেকে এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অম্বুধি
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়ে সমুদ্র বোঝায়।
উদাহরণ ২: অম্বুজ
ব্যাখ্যা: অম্বু শব্দের সাথে জ যুক্ত হয়ে পদ্মফুল বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বারিধি — এটি সমুদ্রের প্রতিশব্দ কারণ বারি শব্দের সাথে ধি যুক্ত হয়েছে।
B) নলিনী — এটি পদ্মফুলের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) অপ — এটি জল বা পানির প্রাচীন একটি উৎস শব্দ হলেও সরাসরি অপ এককভাবে পানি অর্থে বাংলা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ব্যবহৃত হয় না, বরং অপ্ত বা অন্যান্য রূপে থাকে।
D) অম্বু — এটি পানির সরাসরি সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উৎসের অনেক জলবাচক শব্দের শেষে দ বা ধ যুক্ত হলে মেঘ বা সমুদ্র হয় এবং জ যুক্ত হলে পদ্ম হয়। অম্বু মানে পানি, তাই অম্বু সরাসরি পানির প্রতিশব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পানি, মেঘ ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই প্যাচ লাগায়। তাই শেষের অংশ যেমন ধি বা জ লক্ষ্য করে উত্তর করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য ধারার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি।
- ১৮৩১ সালের ৯ই মার্চ তার সম্পাদনায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা হিসেবে পরিচিত।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক এবং তাকে আধুনিক বাংলা কবিতার যুগের সন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়।
- ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক রূপ নেয় এবং এই পত্রিকার মাধ্যমেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দীনবন্ধু মিত্রের মতো প্রতিভাবান সাহিত্যিকদের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই তথ্যটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পত্রিকার প্রকাশের সাল প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
উদাহরণ ২: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় সংবাদ রত্নাবলী প্রকাশিত হয়।
ব্যাখ্যা: এটি তার সাংবাদিকতা জীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কীর্তি যা সংবাদ প্রভাকরের পাশাপাশি সমাদৃত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও জাতীয় কবি ছিলেন, তবে তিনি ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নন।
B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক ও প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক, তবে তিনি এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা নন বরং এই পত্রিকাতেই তার সাহিত্য জীবন শুরু হয়েছিল।
D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলতি ভাষার রীতির প্রবর্ক ও প্রমথ চৌধুরী ছদ্মনাম বীরবল নামে পরিচিত, কিন্তু তিনি এই পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য এবং ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাংবাদিকতার উদীয়মান সূর্যের সঙ্গে তুলনা করা যায়।
- এভাবে মনে রাখতে পারো যে গুপ্ত বংশের সূর্য প্রভাতে ওঠে, অর্থাৎ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি প্রথমে সাপ্তাহিক এবং পরবর্তীতে দৈনিক রূপ নেয় যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য বহুবার এসেছে।
- ১৯ শতকের সংবাদপত্রের ইতিহাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সম্পাদক ও পত্রিকার নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে থামার বা বিরতির প্রয়োজন হয় না এমন যতিচিহ্ন হলো হাইফেন, যা মূলত দুটি শব্দকে এক করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী হাইফেন বা সংযোগচিহ্ন ব্যবহার করলে বাক্যের প্রবাহে কোনো রকম থামার বা শ্বাস ফেলার প্রয়োজন পড়ে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন বলতে বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য এবং মনের ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে লেখার মধ্যে যে বিরতি দেওয়া হয় তাকে বোঝায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লিপিতে প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন এবং বাক্য পাঠের সময় বিভিন্ন যতিচিহ্নে থামার নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা আমাদের গুরুজন।
ব্যাখ্যা: এখানে মাতা ও পিতা শব্দ দুটিকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে এবং উচ্চারণের সময় এখানে থামার কোনো প্রয়োজন নেই।
উদাহরণ ২: ভালো-মন্দ বিচার করে কথা বলো।
ব্যাখ্যা: ভালো ও মন্দ সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ জোড়া বোঝাতে হাইফেন বসেছে এবং পড়ার সময় এখানে কোনো বিরতি দিতে হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলন — কোলন যতিচিহ্ন বাক্যে থামার ক্ষেত্রে এক বলতে এক সেকেন্ড বা থামার প্রয়োজন হয় এবং এটি একটি অপূর্ণ বাকين পর অন্য বাক্য আনতে বসে।
B) সেমিকোলন — সেমিকোলন থাকলে কোলনের চেয়ে দ্বিগুণ সময় বা এক বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়, তাই এটি সঠিক নয়।
C) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাক্যে থামার কোনো প্রয়োজন হয় না।
D) ড্যাস — ড্যাস বা সংযোগ চিহ্ন বাক্যে ব্যবহারের ফলে থামার প্রয়োজন হয় এবং এটি সেমিকোলনের চেয়ে বেশি সময় থামতে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হাইফেন মানে জোড়া লাগানোর চিহ্ন, আর জোড়া লাগাতে থামতে হয় না।
- থামতে হয় না কেবল হাইফেনে, বাকি সব যতিচিহ্নেই কমবেশি থামতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতিকাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্নের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি প্রধানত ইংরেজি থেকে এগুলো বাংলায় নিয়ে আসেন।
সঠিক উত্তর: B) the curry
কেন সঠিক:
এটি একটি প্রচলিত ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য যার অর্থ তাড়াহুড়ো করলে রান্না নষ্ট হয়ে যায়।
প্রবাদের মূল ছন্দ ও ভাব বজায় রাখতে এখানে curry শব্দটি সঠিকভাবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the work — এটি সাধারণ কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও প্রবাদের মূল শব্দের সাথে মিল নেই।
B) the curry — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) to tarry — এটি ব্যাকরণগতভাবে এই প্রবাদের শূন্যস্থানে বসে অর্থপূর্ণ হয় না।
D) and scary — এর অর্থ ভীতিকর, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে একেবারেই সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের নির্দিষ্ট শব্দগুলো মুখস্থ রাখতে হবে কারণ প্রবাদে শব্দের পরিবর্তন করা যায় না।
সঠিক উত্তর: D) befriend
কেন সঠিক:
noun বা adjective এর আগে be prefix যুক্ত করে সাধারণত verb তৈরি করা হয়।
friend একটি noun এবং এর সঠিক verb রূপ হলো befriend যার অর্থ বন্ধুত্ব করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) friend — এটি মূলত একটি noun এবং এর কোনো পরিবর্তন না করেই verb হিসেবে ধরা ভুল।
B) friended — এটি friend শব্দের past tense বা participle রূপ হতে পারে কিন্তু মূল verb রূপ নয়।
C) friending — এটি verb এর continuous রূপ কিন্তু অভিধানে এর মূল verb রূপ হিসেবে befriend ব্যবহৃত হয়।
D) befriend — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশন নয়।
মনে রাখার টিপস:
noun শব্দের আগে be যুক্ত করে verb বানানোর নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) the
কেন সঠিক:
এখানে মাতৃত্ব বা মায়ের গুণ বোঝাতে abstract noun 'mother' ব্যবহার করা হয়েছে।
এর পরে 'in her' থাকায় এটি নির্দিষ্ট হয়ে গেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে। এখানে নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়েছে বলে এটি ভুল।
B) the — এটি সঠিক কারণ 'in her' অংশটি মায়ের গুণকে নির্দিষ্ট করেছে।
C) a or the — দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অসম্ভব।
D) no article — নির্দিষ্ট করে বোঝানোর কারণে এখানে article ছাড়া চলবে না।
মনে রাখার টিপস:
abstract noun এর সাধারণ ব্যবহারের আগে article বসে না, তবে নির্দিষ্ট করে বোঝালে the বসে।
সঠিক উত্তর: B) I like his childlike simplicity.
কেন সঠিক:
বাক্যে childlike simplicity শব্দগুচ্ছটি অত্যন্ত সুন্দর ও অর্থপূর্ণভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এখানে his possessive pronoun এর পর noun বসেছে এবং বাক্যটি ব্যাকরণগত দিক থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The have seen me yesterday — yesterday অতীত নির্দেশ করলেও subject হিসেবে The ভুল এবং verb এর রূপ সঠিক নয়।
B) I like his childlike simplicity — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) It is I who is to blame — relative pronoun who এর পূর্বে থাকা I এর সাথে is verb না হয়ে am হবে।
D) The girl resembles to her mother — resemble verb এর পর কোনো preposition ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
resemble শব্দের পর কখনো to বসে না এবং who এর আগের subject অনুযায়ী verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) A jest driven hard, loses its points.
কেন সঠিক:
‘লেবু কচলালে তেতো হয়’ একটি জনপ্রিয় প্রবাদ। এর অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো ভালো কথা বা ঠাট্টা অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করলে তার আসল সৌন্দর্য বা গুরুত্ব নষ্ট হয়ে যায়।
ইংরেজি প্রবাদটি এই ভাবার্থ হুবহু প্রকাশ করে।
এই বাক্যের প্রতিটি শব্দ প্রবাদের মূল ভাবকে সমর্থন করে।
তাই এটিই এই বাক্যের সবচেয়ে সঠিক অনুবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The lemon becomes bitter if it is rubbed. — এটি প্রবাদের আক্ষরিক অনুবাদ হয়েছে কিন্তু ভাবার্থ প্রকাশ করতে পারেনি। প্রবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ সবসময় সঠিক হয় না।
B) A jest driven hard, loses its points. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের ভাবার্থ পুরোপুরি প্রকাশ করেছে।
C) A hungry fox is an angry fox. — এর অর্থ ক্ষুধার্ত শেয়াল রাগী শেয়াল, যার সাথে লেবু কচলানোর প্রবাদের কোনো মিল নেই।
D) Don’t try to do anything again and again. — এর অর্থ কোনো কাজ বারবার করার চেষ্টা করো না, যা মূল প্রবাদের ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের অনুবাদ সবসময় শাব্দিক না করে তার ভাবার্থ বা প্রবচনের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Vulnerable Point
কেন সঠিক:
গ্রীক পৌরাণিক কাহিনীতে বীর অ্যাকিলিস বা একিলিসের পায়ের গোড়ালি ছাড়া পুরো শরীর অমর ছিল, তাই গোড়ালিই ছিল তার একমাত্র দুর্বল জায়গা।
এই ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করেই ইডিয়মটির উৎপত্তি হয়েছে।
এর মাধ্যমে মূলত যেকোনো ব্যক্তি বা ব্যবস্থার মূল দুর্বল দিকটি নির্দেশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Important issue — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা দুর্বল পয়েন্টের সাথে মিলে না।
B) Turning Point — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মোড় ঘোরানো মুহূর্ত, যা এই ইডিয়মের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
C) Vulnerable Point — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Main point — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মূল বিষয়, যা দুর্বলতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাকিলিস নামের বীরের পায়ের গোড়ালি ছিল তার দুর্বল স্থান, আর সেখান থেকেই মনে রাখবে অ্যাকিলিস হিল মানেই হলো দুর্বল পয়েন্ট।
সঠিক উত্তর: B) would have helped
কেন সঠিক:
এটি একটি তৃতীয় ধরণের কন্ডিশনাল বাক্য যেখানে অতীতকালের অসম্ভব কল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাক্যের শুরুতে 'Had' থাকলে তা মূলত 'If I had' এর একটি পজিটিভ ও সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে কাজ করে।
প্রধান ক্লজে সাবজেক্টের পরে 'would have' এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসাতে হয়।
এই নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তরটি হবে would have helped।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would helped — মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব would এর পরে কখনো ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না।
B) would have helped — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) had helped — এখানে সাবজেক্টের পরে সরাসরি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে বেঠিক।
D) will help — এটি প্রথম কন্ডিশনালের নিয়ম, কিন্তু মূল বাক্যে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে Had দেখলে প্রধান ক্লজে সবসময় would have বসিয়ে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) The boy came to me crying.
কেন সঠিক:
১. বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে সাবজেক্টের সাথে সম্পর্কিত অবস্থা বোঝাতে প্রেজেন্ট পার্টিসিপল ( crying ) ব্যবহার করা হয়েছে।
২. কারো কাছে আসার ক্ষেত্রে প্রিপজিশন হিসেবে to বসে, যা সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The boy came to me crying — এটি সঠিক উত্তর।
B) The boy came near me crying — near ব্যবহারের চেয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যের ক্ষেত্রে to ব্যবহার করা অধিকতর স্ট্যান্ডার্ড ও ব্যাকরণসম্মত।
C) The boy came to me in crying — in crying কোনো সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ বা স্ট্রাকচার নয়, এটি অর্থহীন।
D) The boy came to me by crying — by crying ব্যবহার করলে কাজের মাধ্যম বোঝায়, যা এখানে কান্নার মাধ্যমে আসার অর্থ প্রকাশ করে ভুল বার্তা দেয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের সাথে সাথে আরেকটি কাজ চললে ভার্বের সাথে ing যোগ করে তা প্রকাশ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Front
কেন সঠিক:
‘Rear’ শব্দটির অর্থ হলো পেছনের অংশ বা পেছনের দিক। এর বিপরীত বা সমার্থক নয় এমন অর্থ হলো সামনের দিক।
‘Front’ শব্দের অর্থ সামনে, যা ‘Rear’ শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক উত্তর সি ফ্রন্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not available — এটি অপশনে উপলব্ধ নয় বোঝায় এবং প্রশ্নটির বিপরীত শব্দ হিসেবে কোনো অর্থ বহন করে না।
B) Behind — এর অর্থ পেছনে, যা ‘Rear’ শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
C) Front — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে বিবেচ্য নয়।
D) Available — এর অর্থ উপলব্ধ, যার সাথে ‘Rear’ শব্দের পেছনের দিকের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রিয়ার মানে পেছনে আর ফ্রন্ট মানে সামনে, এই দুটি শব্দ ইংরেজি পজিশন বোঝাতে সবসময় বিপরীত জোড়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) giving
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'Would you mind' фразе-র পরে যে মূল verb আসে তার সাথে সবসময় ing যুক্ত করতে হয়।
প্রশ্নটির অর্থ দাঁড়াচ্ছে আপনি কি আমাকে এক কাপ চা দিতে কষ্ট করবেন।
এখানে দেওয়া বা প্রদান করা অর্থে give ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে giving হয়েছে।
এটি একটি খুব পরিচিত ও polite অনুরোধ করার নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving — এটি সঠিক উত্তর কারণ mind এর পর gerund বসে।
B) make — এটি base form এ আছে এবং এর সাথে ing নেই।
C) bringing — অর্থগতভাবে মিললেও options এর মধ্যে giving সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রচলিত।
D) bring — এটি base form এ থাকায় ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind দেখলে চোখ বন্ধ করে পরের verb এর সাথে ing বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: D) try every possible means
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ যার শাব্দিক অর্থ কোনো পাথর উল্টানো বাকি না রাখা।
বাস্তব ক্ষেত্রে এর গভীর অর্থ হলো সফল হওয়ার জন্য সমস্ত সম্ভাব্য উপায়ে চেষ্টা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heavy stone — এটি সম্পূর্ণ ভুল কারণ প্রবাদটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, কোনো ভারী পাথরের কথা বলা হয়নি।
B) impossible — এটি ভুল কারণ এই প্রবাদটি অসম্ভব কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
C) rare stone — এটি ভুল কারণ এটি প্রবাদের ভাবার্থের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
পাথর উল্টে খুঁটিয়ে দেখার মতো সম্ভাব্য সব চেষ্টা করাকেই এই ইডিওম দ্বারা বোঝানো হয়।
সঠিক উত্তর: D) to be hung
কেন সঠিক:
পোস্টার বা ছবি দেয়ালে টাঙানো অর্থে hang verb এর সঠিক Past Participle রূপ হলো hung।
Passive Infinitive বোঝাতে to be hang-এর সাথে hung ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hand — এটি এখানে verb বা participle হিসেবে সঠিক নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ মিলহীন।
B) to be hanged — hanged কেবল কোনো অপরাধীকে ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, বস্তুর জন্য নয়।
C) to be hunged — hunged বলে ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো শব্দ বা রূপের অস্তিত্ব নেই।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ফাঁসি হলে hanged আর বস্তু বা ছবি টাঙালে সবসময় hung ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) the
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে কোনো হ্রদের পানি বোঝাতে জলের আগে Definite Article ব্যবহার করতে হয়।
এখানে নির্দিষ্ট একটি হ্রদের পানির বিশুদ্ধতা বোঝানো হয়েছে।
তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে the।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a — এটি অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) an or the — এখানে an বসার কোনো সুযোগ নেই কারণ water একটি uncountable noun।
C) the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) no article — নির্দিষ্ট করে বোঝানোর কারণে এখানে article ছাড়া বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বোঝালে তার আগে সবসময় the বসে।
সঠিক উত্তর: D) I know what he wants.
কেন সঠিক:
জটিল বাক্যের দ্বিতীয় অংশে প্রশ্নবোধক কাঠামো ব্যবহার করা যায় না।
এখানে সাবজেক্টের পর মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়েছে যা সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I know what does he want? — এখানে মাঝখানে ডাস ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেওয়া হয়েছে যা ভুল।
B) I know what does he wants? — ডাস ব্যবহার করার পরও মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
C) I know what does he want. — বাক্যের মাঝখানে অক্সিলারি ভার্ব ডাস ব্যবহার করায় এটি কমপ্লেক্স সেন্টেন্সের নিয়ম ভঙ্গ করেছে।
D) I know what he wants. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
কমপ্লেক্স সেন্টেন্সে সাবঅর্ডিনেট ক্লজ সবসময় সাধারণ বাক্যের গঠন অনুসরণ করে, প্রশ্নবোধক হয় না।
সঠিক উত্তর: C) quarreling
কেন সঠিক:
- 'At loggerheads' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো মতপার্থক্য বা তীব্র বিরোধে লিপ্ত হওয়া।
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর 'quarreling' বা ঝগড়া করা এই ইডিয়ামের মূল অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very close — এর অর্থ অত্যন্ত ঘনিষ্ট, যা প্রদত্ত ইডিয়ামের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) belligerent — এর অর্থ যুদ্ধংদেহী বা আক্রমণাত্মক, যা সরাসরি ঝগড়া বা বিরোধের সমার্থক নয়।
সি) quarreling — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ ঝগড়া করা বা বিরোধ করা।
D) distant relation — এর অর্থ দূরের সম্পর্ক, যা এই ইডিয়ামের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমিল।
মনে রাখার টিপস:
লগারহেড বলতে একসময় ভারী কাঠের মুগুর বোঝানো হতো, তাই যারা মুগুর নিয়ে মারামারিতে লিপ্ত হয় তারা ঝগড়া করছে বা 'at loggerheads' অবস্থায় আছে।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
এখানে 'go in for' একটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
যার অর্থ হলো কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা।
বৃষ্টির কারণে আমি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারিনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক অপশন কারণ গো ইন ফর ফ্রেজাল ভার্বটি পরীক্ষায় বসা অর্থ প্রকাশ করে।
B) by — এটি ভুল কারণ গো বাই ফর কোনো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ তৈরি করে না।
C) to — এটি ভুল কারণ গো টু ফর সঠিক অর্থ দেয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) on — এটি ভুল কারণ গো অন ফর ফ্রেজাল ভার্বটি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার ইংরেজি বলতে সবসময় গো ইন ফর ফ্রেজাল ভার্বটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
কোনো পাত্র বা সীমানার ভেতরে কোনো কিছু স্থির অবস্থায় আছে বোঝাতে preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়।
এখানে দুধ পাত্রের ভেতরে রয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি in হবে।
পাত্রের ভেতরে বোঝাতে ভেতরে বা মধ্যে অর্থে in বরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — by সাধারণত কারো দ্বারা বা কোনো উপায়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে পাত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) to — to সাধারণত কোনো দিকে বা নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) in — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) at — at সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা বিন্দুর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, পাত্রের ভেতরে নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বস্তু বা তরল যদি কোনো পাত্রের ভেতরে অবস্থান করে, তবে চোখ বন্ধ করে in বসাবে।
সঠিক উত্তর: A) changed
কেন সঠিক:
- It is time অথবা It is high time এর পর subject থাকলে verb-এর Past Indefinite Tense হয়।
- এখানে subject হিসেবে we থাকায় verb-এর Past form অর্থাৎ changed ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে verb-এর Past form বসেছে।
B) have changed — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় এই বাক্যের গঠনের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) should have changed — এটি অতীতের কোনো কাজ করা উচিত ছিল বোঝালে বসে, তাই বর্তমানের প্রেক্ষাপটে ভুল।
D) should change — এটি সাধারণ Present Tense প্রকাশ করে, যা It is high time কাঠামোর নিয়মের পরিপন্থী।
মনে রাখার টিপস:
It is high time এর পরে subject থাকলে চোখ বন্ধ করে verb-এর Past form বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) to make impure by adding inferior ingredients
কেন সঠিক:
Adulteration শব্দের অর্থ হলো খাদ্যে ভেজাল মেশানো, যা কোনো ভালো জিনিসের সাথে খারাপ উপাদান মিশিয়ে করা হয়।
অপশন সি তে ঠিক এই বিষয়টিই বোঝানো হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to mix something intensely — এটি তীব্রভাবে কোনো কিছু মেশানো বোঝায়, যা ভেজালের সঠিক অর্থ নয়।
B) to use unusual methods — এটি অস্বাভাবিক পদ্ধতি ব্যবহার করা বোঝায়, ভেজালের সাথে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
C) to make impure by adding inferior ingredients — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to mix poison — এটি বিষ মেশানো বোঝায়, কিন্তু সবসময় ভেজালে বিষ মেশানো হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Adulteration মানে ভেজাল, অর্থাৎ খাঁটি জিনিসের সাথে খারাপ বা নিকৃষ্ট কিছু মেশানো।
সঠিক উত্তর: B) He bade me good-bye.
কেন সঠিক:
বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে ইংরেজিতে bid verb ব্যবহার করা হয় এবং এর অতীত রূপ হলো bade।
bid-এর পর সরাসরি ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট এবং তারপর good-bye বসে।
অন্য কোনো verb যেমন tell বা give এখানে সঠিক নিয়ম মানে না।
wishing-এর ক্ষেত্রে wish ব্যবহার হলেও good-bye বিদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম হলো bid.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He gave me good-bye. — বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে gave verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) He bade me good-bye. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) He told me good-bye. — বিদায় জানানোর ক্ষেত্রে tell verb ব্যবহার করা নিয়মসিদ্ধ নয়।
D) He wished me good-bye. — শুভেচ্ছা জানানোর ক্ষেত্রে wish ব্যবহার হলেও বিদায়ের জন্য bid সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
বিদায় জানাতে সবসময় bid verb-এর অতীত রূপ bade ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) are you doing
কেন সঠিক:
বাক্যের মধ্যে at this moment থাকলে সেটি বর্তমানকালে চলমান কাজ বোঝায়, যার সঠিক গঠন হলো present continuous tense.
এখানে subject হলো you এবং এর সাথে verb হিসেবে are বসে এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) do you do — এটি present indefinite tense বোঝায়, যা চলমান কাজের জন্য সঠিক নয়।
B) doing — এর সাথে কোনো auxiliary verb বা সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়নি।
C) are you doing — এটি সঠিক উত্তর।
D) have done — এটি present perfect tense বোঝায়, যা এই বাক্যের সময়ের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে at this moment বা now থাকলে চোখ বন্ধ করে present continuous tense অর্থাৎ am, is, are + verb + ing ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) Adjective
কেন সঠিক:
শব্দটির শেষে ly যুক্ত থাকলেও এটি কোনো Adverb নয়, বরং এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করে।
সাধারণত Home একটি Noun এবং এর সাথে ly যুক্ত হয়ে এটি গৃহস্থালী বা ঘরোয়া অর্থ প্রকাশ করে।
এটি বাক্যে Noun এর আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে পারে।
এটি মূলত একটি Adjective এর সুন্দর উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — Homely শব্দটি কোনো কিছুর নাম বোঝায় না, তাই এটি Noun হতে পারে না।
B) Adverb — সাধারণত Adjective এর সাথে ly যুক্ত হলে Adverb হয়, কিন্তু Noun এর সাথে ly যুক্ত হলে Adjective হয়।
C) Verb — Homely শব্দটি দ্বারা কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না, তাই এটি Verb নয়।
D) Adjective — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Noun এর বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Noun এর সাথে ly যুক্ত হলে সাধারণত Adjective হয়, আর Adjective এর সাথে ly যুক্ত হলে Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) He is better today.
কেন সঠিক:
এখানে রোগীর বা ব্যক্তির বর্তমান অবস্থার তুলনা বোঝাতে গুড বা বেস্ট না লিখে কম্পারেটিভ ডিগ্রি বেটার ব্যবহার করা হয়েছে।
আজকের অবস্থার সাথে আগের অবস্থার তুলনা করতে কোনো অতিরিক্ত শব্দের প্রয়োজন নেই।
বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্বাভাবিক শোনায়।
এখানে কোনো অতিরিক্ত বা ভুল শব্দের ব্যবহার করা হয়নি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলনামূলক বোঝাতে বেটার শব্দের আগে কম্প্যারেটিভলি ব্যবহার করলে ডাবল তুলনামূলক ভুল হয়। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) দিনের সাথে ভালো অবস্থার তুলনা করতে গুড ডে দেন বিফোর ব্যবহার করা অর্থহীন এবং এটি ভুল গঠন।
C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) দুইয়ের মধ্যে তুলনা করতে সুপারলেটিভ ডিগ্রি বেস্ট ব্যবহার করা নিয়মবহির্ভূত, সেখানে বেটার হবে।
মনে রাখার টিপস:
দুইয়ের মধ্যে তুলনা করার সময় শুধু কম্পারেটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়। কম্পারেটিভ ডিগ্রির আগে কখনোই কম্প্যারেটিভলি বা টু মাচ শব্দ একসাথে লেখা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) Millennium
কেন সঠিক:
এই শব্দটিতে দুটি 'l' এবং দুটি 'n' আছে। ইংরেজি বানান নিয়মের সঠিক প্রয়োগের কারণে এই রূপটি মানসম্মত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Millennium — এটি সঠিক বানান।
B) Milennium — এখানে একটি 'l' কম আছে।
C) Milenium — এখানে 'l' এবং 'n' উভয়েই একটি করে কম আছে।
D) Millinium — এখানে শেষের দিকে ভুল করে 'i' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মিলিনিয়াম বানানে দুটি এল এবং দুটি এন বসে।
সঠিক উত্তর: C) Dancing is a good exercise
কেন সঠিক:
এখানে ডান্সিং শব্দটি বাক্যের শুরুতে বসে সাবজেক্ট বা কর্তা হিসেবে কাজ করেছে।
এটি একই সাথে ভার্ব এবং নাউনের কাজ করায় জিরান্ড হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw the girl dancing — এখানে ডান্সিং শব্দটি জিরান্ড নয়, বরং এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল হিসেবে বসেছে।
B) I am dancing on the floor — এখানে ডান্সিং শব্দটি মূল ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে কন্টিনিউয়াস টেন্স গঠন করেছে।
সি অপশনটি সঠিক হওয়ায় এই লাইনে ডি অপশন দেওয়া হলো।
D) The girl came here dancing — এখানে ডান্সিং শব্দটি ভার্বের কাজ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে তাই এটি পার্টিসিপল।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়ে যদি নাউনের কাজ করে এবং কর্তার স্থান দখল করে, তবে তা নিশ্চিতভাবে জিরান্ড হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
a এর পাওয়ার x সমান b
b এর পাওয়ার y সমান c
c এর পাওয়ার z সমান a
ধরি,
প্রথম শর্ত হতে পাই a এর পাওয়ার x সমান b
দ্বিতীয় শর্ত হতে পাই b এর পাওয়ার y সমান c
তৃতীয় শর্ত হতে পাই c এর পাওয়ার z সমান a
অতএব,
c এর জায়গায় a এর পাওয়ার x বসিয়ে পাই a এর পাওয়ার x গুণ y সমান c
আবার c এর পাওয়ার z সমান a হতে পাই a এর পাওয়ার x গুণ y এবং তার হোল পাওয়ার z সমান a
সুতরাং,
a এর পাওয়ার x গুণ y গুণ z সমান a এর পাওয়ার ১
উত্তর: x গুণ y গুণ z সমান ১
সঠিক উত্তর: B) ৪১ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
রহিম ও করিমের বয়সের গড় ৩৫ বছর
রহিম ও হামজার বয়সের গড় ২০ বছর
ধরি,
রহিমের বয়স = ক
করিমের বয়স = খ
হামজার বয়স = ১১ বছর
অতএব,
রহিম ও করিমের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর
রহিম ও হামজার বয়সের সমষ্টি = ২০ × ২ = ৪০ বছর
সুতরাং,
ক + খ = ৭০
ক + ১১ = ৪০
উত্তর: ক = ৪০ − ১১ = ২৯ এবং খ = ৭০ − ২৯ = ৪১ বছর
সঠিক উত্তর: B) ৩,−২
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x বর্গ − x − ৬ = ০
ধরি,
সমীকরণটির উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে
এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে যাদের গুণফল −৬ এবং যোগফল −১
অতএব,
সংখ্যা দুটি হলো −৩ এবং +২
কারণ (−৩) × (+২) = −৬
এবং (−৩) + (+২) = −১
সুতরাং,
সমীকরণটি লেখা যায় (x − ৩)(x + ২) = ০
উত্তর: x = ৩ অথবা x = −২
সঠিক উত্তর: A) সূক্ষ্ম কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ওপর একটি চাপ এবং তার বিপরীত পাশে একটি কোণ উৎপন্ন হয়েছে
চাপটি বৃত্তের অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়ে অবস্থান করছে
ধরি,
বড় চাপটিকে বলা হয় অধিচাপ
ছোট চাপটিকে বলা হয় উপচাপ
অতএব,
অধিচাপের বিপরীত কোণটি বৃত্তস্থ কোণ হিসেবে পরিচিত
উপচাপের ওপর তৈরি কোণটি সর্বদাই ৯০ ডিগ্রির চেয়ে ছোট হয়
সুতরাং,
অধিচাপে অন্তর্লিখিত কোণটি সর্বদা একটি সূক্ষ্ম কোণ হবে
উত্তর: সূক্ষ্ম কোণ
সঠিক উত্তর: C) π বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১ একক
ধরি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
অতএব,
ক্ষেত্রফল = π × (১)২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = π বর্গ একক
উত্তর: π বর্গ একক
সঠিক উত্তর: C) ৩০০
প্রদত্ত তথ্য:
চাকার পরিধি = ৫ মিটার
মোট পথ = ১ কিলোমিটার ৫০০ মিটার
ধরি,
১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার
অতএব,
মোট পথ = ১০০০ মিটার + ৫০০ মিটার
মোট পথ = ১৫০০ মিটার
সুতরাং,
চাকাটি ঘুরবে = ১৫০০ ÷ ৫ বার
উত্তর: ৩০০ বার
সঠিক উত্তর: B) ৪০ : ৭০ : ৪৯
প্রদত্ত তথ্য:
ক : খ = ৪ : ৭
খ : গ = ১০ : ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতকে খ এর মান সমান করার জন্য ১০ দিয়ে গুণ করি
দ্বিতীয় অনুপাতকে খ এর মান সমান করার জন্য ৭ দিয়ে গুণ করি
অতএব,
ক : খ = (৪ × ১০) : (৭ × ১০) = ৪০ : ৭০
খ : গ = (১০ × ৭) : (৭ × ৭) = ৭০ : ৪৯
সুতরাং,
ক : খ : গ = ৪০ : ৭০ : ৪৯
উত্তর: ৪০ : ৭০ : ৪৯
সঠিক উত্তর: C) ২√৫
প্রدত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x এর স্কয়ার প্লাস ১ ভাগ x এর স্কয়ার সমান ৩
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি হলো x এর কিউব প্লাস ১ ভাগ x এর কিউব
এটি ভেঙে লেখা যায় x এর কিউব ভাগ x এর কিউব প্লাস ১ ভাগ x এর কিউব
অর্থাৎ x এর কিউব প্লাস ১ ভাগ x এর কিউবের মান নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
প্রথমে x প্লাস ১ ভাগ x এর মান বের করতে হবে
আমরা জানি x প্লাস ১ ভাগ x এর হোল স্কয়ার সমান x এর স্কয়ার প্লাস ১ ভাগ x এর স্কয়ার প্লাস ২
মান বসিয়ে পাই ৩ প্লাস ২ সমান ৫
সুতরাং,
উভয় পাশে বর্গমূল করে পাই x প্লাস ১ ভাগ x সমান √৫
উত্তর: ২√৫
সঠিক উত্তর: D) ২৯
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ৫
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে (x + (১ ÷ x)) এর বর্গ
আমরা জানি অনুসিদ্ধান্তের সূত্র,
(x + (১ ÷ x)) এর বর্গ = (x − (১ ÷ x)) এর বর্গ + ৪ × x × (১ ÷ x)
অতএব,
প্রদত্ত মান বসিয়ে পাই,
(x − (১ ÷ x)) এর মান হলো ৫
সুতরাং,
৫ এর বর্গ করলে হয় ২৫
২৫ এর সাথে ৪ যোগ করলে হয় ২৯
উত্তর: ২৯
সঠিক উত্তর: C) ২৪ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজাকৃতি জমির ক্ষেত্রফল = ২৬৪ বর্গমিটার
জমির ভূমি = ২২ মিটার
ধরি,
জমির উচ্চতা = ক মিটার
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
(১ ÷ ২) × ২২ × ক = ২৬৪
উত্তর: ক = ২৪ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ০.০১
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ হলো log১০x = − ২
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞানুযায়ী বেস বা ভিত্তি হলো ১০
এবং সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করা হবে
অতএব,
x = ১০^(-২)
x = ১ ÷ (১০ × ১০)
সুতরাং,
x = ১ ÷ ১০০
x = ০.০১
উত্তর: ০.০১
সঠিক উত্তর: A) ৮৮
প্রدত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৮৮, ৯১, ৯৫ এবং ৯৯
ধরি,
সংখ্যাগুলোর উৎপাদক বা গুণনীয়কগুলো আলাদা করতে হবে
অতএব,
৮৮ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ২, ৪, ৮, ১১, ২২, ৪৪ এবং ৮৮
৯১ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৭, ১৩ এবং ৯১
৯৫ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৫, ১৯ এবং ৯৫
সুতরাং,
৯৯ এর উৎপাদকগুলো হলো ১, ৩, ৯, ১১, ৩৩ এবং ৯৯
উত্তর: ৮৮ সংখ্যাটির মোট ৮টি উৎপাদক রয়েছে যা অন্য সংখ্যার চেয়ে বেশি
সঠিক উত্তর: C) x − ৩
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x^২ − ৩x
দ্বিতীয় রাশি = x^২ − ৯
তৃতীয় রাশি = x^২ − ৪x + ৩
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে পাই x(x − ৩)
দ্বিতীয় রাশিকে লেখা যায় (x + ৩)(x − ৩)
অতএব,
তৃতীয় রাশিকে মিডল টার্ম করে পাই (x − ৩)(x − ১)
প্রতিটি রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হলো
সুতরাং,
সব রাশিতে কমন বা সাধারণ উৎপাদক আছে কেবল (x − ৩)
উত্তর: x − ৩
সঠিক উত্তর: C) ২৪০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ ABC একটি সমবাহু ত্রিভুজ
সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণের মান ৬০°
ধরি,
AB বাহুকে বর্ধিত করায় উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ = x
AC বাহুকে বর্ধিত করায় উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ = y
অতএব,
AB বাহুর বর্ধিতাংশের কোণ x = ১৮০° − ৬০° = ১২০°
AC বাহুর বর্ধিতাংশের কোণ y = ১৮০° − ৬০° = ১২০°
সুতরাং,
উৎপন্ন কোণদ্বয়ের সমষ্টি = x + y
উত্তর: ১২০° + ১২০° = ২৪০°
সঠিক উত্তর: A) ২৪ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬ সে.মি. এবং ৮ সে.মি.
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ৬ সে.মি.
ত্রিভুজের উচ্চতা = ৮ সে.মি.
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো দুই ভাগের এক গুণ ভূমি গুণ উচ্চতা
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৬ × ৮
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ৩ × ৮ = ২৪ বর্গ সে.মি.
উত্তর: ২৪ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ১৯ x^৩
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে প্রথম সমীকরণ m − n = x
এবং দ্বিতীয় সমীকরণ mn = ৬ x^২
ধরি,
আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে m^৩ − n^৩ এর
আমরা বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করব
অতএব,
সূত্র অনুযায়ী m^৩ − n^৩ = (m − n)^৩ + ৩ mn (m − n)
এখন এই সূত্রে মানগুলো বসাতে হবে
সুতরাং,
(x)^৩ + ৩ (৬ x^২) (x)
= x^৩ + ১৮ x^৩
উত্তর: ১৯ x^৩
সঠিক উত্তর: A) ৪৯÷৯
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯পি স্কয়ার + ১৪পি
ধরি,
রাশিটির সাথে এক্স যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হবে
অতএব,
নতুন রাশিটি হবে ৯পি স্কয়ার + ১৪পি + এক্স
পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র অনুযায়ী প্রথম পদের বর্গমূল তিন পি এবং শেষ পদের বর্গমূল রুট ওভার এক্স
সুতরাং,
মাঝের পদ সমান দুই গুণ প্রথম পদ গুণ শেষ পদ অর্থাৎ চৌদ্দ পি সমান দুই গুণ তিন পি গুণ রুট ওভার এক্স
এখান থেকে রুট ওভার এক্স সমান চৌদ্দ পি ভাগ ছয় পি সমান সাত ভাগ তিন
উভয়পক্ষকে বর্গ করে পাই এক্স সমান উচল্লিশ ভাগ নয়
উত্তর: উচল্লিশ ভাগ নয়
সঠিক উত্তর: খ) ৩ ÷ ৫
প্রদত্ত তথ্য:
৩ cotA = ৪
ধরি,
cotA = ৪ ÷ ৩
যেহেতু cotA = ভূমি ÷ লম্ব
তাই ভূমি = ৪ এবং লম্ব = ৩
অতএব,
অতিভুজ = √(ভূমি^২ + লম্ব^২)
অতিভুজ = √(৪^২ + ৩^২)
অতিভুজ = √(১৬ + ৯) = √২৫ = ৫
সুতরাং,
sinA = লম্ব ÷ অতিভুজ
sinA = ৩ ÷ ৫
উত্তর: ৩ ÷ ৫
সঠিক উত্তর: A) ২০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ২০০০ টাকা
মুনাফার হার (r) = ১০% বা ১০ ÷ ১০০
সময় (n) = ১ বছর
ধরি,
মুনাফা = I টাকা
আমরা জানি,
I = P × r × n
অতএব,
I = ২০০০ × (১০ ÷ ১০০) × ১
সুতরাং,
I = ২০০ টাকা
উত্তর: ২০০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ০.১২
প্রদত্ত তথ্য:
১ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
ধরি,
২ হালি কলার ক্রয়মূল্য = ২৫ × ২ = ৫০ টাকা
অতএব,
২ হালি কলার বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
মোট লাভ = ৫৬ − ৫০ = ৬ টাকা
সুতরাং,
শতকরা লাভ = (৬ ÷ ৫০) × ১০০ = ১২%
উত্তর: ০.১২
সঠিক উত্তর: D) ৮২
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = ৪০০ বর্গমিটার
বাগানের প্রস্থ = ১৬ মিটার
ধরি,
বাগানের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
৪০০ = ক × ১৬
সুতরাং,
ক = ৪০০ ÷ ১৬ = ২৫ মিটার
উত্তর:
পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (২৫ + ১৬) = ২ × ৪১ = ৮২ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট নয়
তুলনার জন্য একটি সরলরেখা ধরতে হবে
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক একক
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গ একক = ক বর্গ একক
সুতরাং,
সরলরেখার এক-তৃতীয়াংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৩ একক
অতএব,
এক-তৃতীয়াংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৩) × (ক ÷ ৩) বর্গ একক = (ক বর্গ একক) ÷ ৯
সুতরাং,
প্রথম ক্ষেত্রফল দ্বিতীয় ক্ষেত্রফলের কতগুণ তা বের করতে ভাগ করতে হবে
উত্তর: ৯ গুণ
সঠিক উত্তর: A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
কেন সঠিক:
- এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কতৃক রচিত একটি ঐতিহাসিক কারাগারের দিনলিপি বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত তার কারাবাসের দিনগুলোর অভিজ্ঞতা ও তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি এই গ্রন্থের একমাত্র লেখক।
B) মাওলানা ভাসানী — তিনি দেশের একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই বিখ্যাত গ্রন্থটি তার লেখা নয়।
C) জাহানারা ইমাম — তিনি 'একাত্তরের দিনগুলি' নামক বিখ্যাত স্মৃতিকথা গ্রন্থের রচিয়তা, 'কারাগারের রোজনমচা'র নয়।
D) ড. কামাল হোসেন — তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান এবং একজন প্রখ্যাত আইনবিদ, এই গ্রন্থের লেখক নন।
মনে রাখার টিপস:
রোজনমচা অর্থ দিনলিপি, যা জাতির পিতা কারাগার থেকে লিখেছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) অক্সিজেন পরিবহন করা
কেন সঠিক:
- হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের লোহিত রক্তণিকায় অবস্থিত একটি প্রোটিন, যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে।
- এটি ফুসফুসে অক্সিজেনের সঙ্গে অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন গঠন করে এবং কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাদ্য পরিবহন করা — খাদ্যের সারবস্তু বা পুষ্টি উপাদান রক্তরসের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়, হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে নয়।
B) হরমোন বহন করা — হরমোন রক্তরসের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পরিবাহিত হয়, হিমোগ্লোবিন হরমোন বহন করে না।
C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা — রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট এবং ফাইব্রিনোজেন, হিমোগ্লোবিন নয়।
D) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিনের প্রধান ও মূল কাজ।
মনে রাখার টিপস:
হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ অক্সিজেন বহন করা, যা মনে রাখতে হিমো শব্দের অর্থ রক্ত এবং গ্লোবিন হলো প্রোটিন যা অক্সিজেন ধরে রাখে।
সঠিক উত্তর: C) সিসমোগ্রাফ
কেন সঠিক:
- সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে ভূকম্পনের তীব্রতা, মাত্রা এবং স্থায়িত্ব নিখুঁতভাবে মাপা হয়।
- এই যন্ত্রটি ভূমিকম্পের সময় সৃষ্ট ভূকম্পন তরঙ্গ বা সিসমিক ওয়েভ রেকর্ড করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যারোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করার একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র।
B) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
C) সিসমোগ্রাফ — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভূকম্পন মাপার যন্ত্র হিসেবে কাজ করে।
D) কম্পাস — এটি দিক নির্ণয় করার কাজে ব্যবহৃত একটি navigational যন্ত্র।
মনে রাখার টিপস:
সিসমোগ্রাফ শব্দটি মনে রাখতে সিসমিক তরঙ্গ বা ভূমিকম্পের সাথে মিলিয়ে পড়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) দূষিত বাতাস
কেন সঠিক:
- স্মোগ (SMOG) হলো কুয়াশা এবং ধোঁয়ার মিশ্রণে তৈরি এক ধরনের বায়ুদূষণ।
- শিল্পকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া এবং কুয়াশা একত্রে মিশެ বায়ুমণ্ডলে এই দূষিত পরিস্থিতি তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিগারেটের ধোঁয়া — এটি ধূমপানের ফলে উৎপন্ন ধোঁয়া, যা পুরো পরিবেশের সামগ্রিক স্মোগ বা দূষিত বাতাস নির্দেশ করে না।
B) কুয়াশা — এটি জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে সৃষ্টি প্রাকৃতিক ঘটনা, এতে কোনো ক্ষতিকর ধোঁয়া বা দূষণ থাকে না।
C) কালধোঁয়া — এটি সাধারণত অতিরিক্ত জ্বালানি পোড়ানোর ফলের উৎপন্ন কালো ধোঁয়া, যা সম্পূর্ণ স্মোগ নয়।
D) দূষিত বাতাস — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্মোগ হলো কুয়াশা ও ক্ষতিকর ধোঁয়ার সমন্বয়ে তৈরি এক প্রকার অত্যন্ত ক্ষতিকর দূষিত বাতাস।
মনে রাখার টিপস:
স্মোক (Smoke) অর্থাৎ ধোঁয়া এবং ফগ (Fog) অর্থাৎ কুয়াশা—এই দুটি শব্দ মিলে স্মোগ (Smog) শব্দটি তৈরি হয়েছে, যা মূলত এক ধরনের দূষিত বাতাস।
সঠিক উত্তর: A) রাষ্ট্রপতি শাসিত
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন সরকারপ্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধান উভয়ই এবং তিনি আইনসভা থেকে স্বাধীনভাবে নির্বাহী বিভাগ পরিচালনা করেন।
- এখানকার রাষ্ট্রপতি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন এবং তাঁর মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয় না, যা রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাষ্ট্রপতি শাসিত — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ যুক্তরাষ্ট্র একটি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবসার দেশ।
B) সাংবিধানিক রাজতন্ত্র — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা বা রানি নেই, এটি একটি প্রজাতন্ত্র।
C) সংসদীয় সরকার — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্রে শাসনব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির নয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান হন।
D) রাজতন্ত্র — এটি ভুল কারণ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বংশানুক্রমিক রাজা নন, বরং নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে থাকে, তাই তাদের সরকারব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।
সঠিক উত্তর: B) WTO
কেন সঠিক:
- উরুগুয়ে রাউন্ড হলো গ্যাট চুক্তির অষ্টম দফা বাণিজ্য আলোচনা, যা ১৯৯৪ সালের মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
- এই আলোচনার মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউটিও বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) IMF — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বিশ্ব বাণিজ্যের নীতি নির্ধারণের পরিবর্তে বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ঋণ প্রদান নিয়ে কাজ করে।
B) WTO — এটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, যার প্রতিষ্ঠালগ্নে উরুগুয়ে রাউন্ডের বাণিজ্য আলোচনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছিল।
C) NATO — এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলের সামরিক জোট, যার সাথে বৈশ্বিক বাণিজ্য বা উরুগুয়ে রাউন্ডের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) OIC — এটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা, যা মুসলিম দেশগুলোর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্য ও ব্যবসার সাথে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও যুক্ত, আর উরুগুয়ে রাউন্ড ছিল এই সংস্থার জন্মলগ্ন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: B) ২৯ তম
কেন সঠিক:
- ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯ তম অধিবেশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন।
- এই ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলাকে বিশ্বমঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চারণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ তম — এই অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে (১৯৭৪ সাল), কিন্তু এটি তাঁর ভাষণ দেওয়ার অধিবেশন নয়।
C) ৩৬ তম — এই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু ভাষণ দেননি, কারণ তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত হন।
D) ৩৯ তম — এটি ১৯৮৪ সালের অধিবেশন, যা বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর বহু পরের একটি সাধারণ পরিষদের অধিবেশন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয় ২৯ তম সাধারণ পরিষদে (১৯৭৪ সালে) এবং একই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু বাংলায় ভাষণ দেন।
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।
- পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এই দিনটি নির্ধারিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জানুয়ারি — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য সাধারণ একটি দিন।
B) ৮ মার্চ — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে নির্ধারিত সঠিক তারিখ এবং জাতিসংঘ কর্তৃক অনুমোদিত।
D) ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়, পরিবেশ দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে গেলে জুনের ৫ তারিখ মনে রাখতে হবে কারণ এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
সঠিক উত্তর: D) মাউরি
কেন সঠিক:
- মাউরি হলো নিউজিল্যান্ডের পলিনেশীয় অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা ত্রয়োদশ শতাব্দীর দিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে নৌকায় করে নিউজিল্যান্ডে এসে বসতি স্থাপন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টোডা — টোডা হলো ভারতের দক্ষিণ অঞ্চলের নীলগিরি পাহাড়ের একটি আদিবাসী উপজাতি।
B) আফ্রিদি — আফ্রিদি হলো মূলত পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্ত অঞ্চলের একটি পশতুন উপজাতি।
C) জুলু — জুলু হলো আফ্রিকার দক্ষিণ অঞ্চলের, বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে বড় জাতিগোষ্ঠী।
D) মাউরি — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাম এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী মনে রাখতে 'নিউ' শব্দের সাথে 'মাউরি' শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন।
- ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে এই সার্চ ইঞ্জিনটি কার্যক্রম শুরু করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন হওয়ায় এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) দোয়েল — এটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ল্যাপটপের ব্র্যান্ড নাম, কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়।
C) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদীর নাম, যা কোনো ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন বা প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অনুসন্ধান — এটি সাধারণ একটি বাংলা শব্দ, যা বাংলাদেশের কোনো পরিচিত সার্চ ইঞ্জিনের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
পিপীলিকা যেমন সারিবদ্ধভাবে চলে, তেমনি ইন্টারনেট দুনিয়ায় তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকা।
সঠিক উত্তর: C) ইরাক
কেন সঠিক:
- ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইরাকই প্রথম বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৌদি আরব — সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট।
B) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি।
C) ইরাক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এটি সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
D) বাহরাইন — বাহরাইন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৩ সালের ৩ জানুয়ারি।
মনে রাখার টিপস:
আরব দেশের মধ্যে স্বীকৃতিতে ইরাক প্রথম, তাই মনে রাখুন আই (ইরাক) সবার আগে স্বীকৃতি দিল।
সঠিক উত্তর: D) লিরা
কেন সঠিক:
- তুরস্কের বর্তমান ও আনুষ্ঠানিক মুদ্রার নাম তুর্কি লিরা।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এই মুদ্রাটি টিআরওয়াই সংকেত দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনার — এটি কুয়েত, জর্ডন ও ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের প্রচলিত মুদ্রা, তুরস্কের নয়।
B) দিরহাম — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মরক্কোর মতো দেশের প্রধান মুদ্রা, তাই এটি তুরস্কের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ডলার — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, যা তুরস্কের জাতীয় মুদ্রা নয়।
D) লিরা — এটি তুরস্কের সঠিক ও একমাত্র প্রচলিত মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
তুরস্কের টি দিয়ে টেম্পো আর লিরা দিয়ে লেবু মনে রাখতে পারেন যে, তুর্কি লেবু লিরাতে কেনা যায়।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) কিউবা
কেন সঠিক:
- কিউবা ১৯৫৮ সালে বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করলেও ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পর ১৯৬০ সালে স্বেচ্ছায় সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক ও আদর্শগত বিরোধের কারণে কিউবা বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিউবা — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ ত্যাগ করেছিল।
B) ফিলিস্তিন — ফিলিস্তিন বিশ্বব্যাংকের সদস্য নয়, তবে বিশ্বব্যাংক এই অঞ্চলে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
সি) ইরান — ইরান বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমানেও এই সংস্থার সদস্যপদ ধরে রেখেছে।
ডি) চীন — চীন বিশ্বব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং সদস্যপদ বজায় রেখে বর্তমানে সংস্থার অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।
মনে রাখার টিপস:
কিউবা হলো সেই ব্যতিক্রমী দেশ, যা সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের পর বিশ্বব্যাংকের সদস্যপদ স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেছিল।
সঠিক উত্তর: D) ৪২৬ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট ৪২৬ জনকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত চতুর্থ সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা।
B) ৬৮ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা।
C) ১৭৫ জন — এটি মুক্তিযুদ্ধের বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মোট সংখ্যা।
D) ৪২৬ জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীরপ্রতীক প্রাপ্তদের সংখ্যা ৪২৬ জন।
মনে রাখার টিপস:
বীরত্বসূচক খেতাবে বীরপ্রতীক হলো চতুর্থ খেতাব এবং এর সংখ্যা চার শ ছাব্বিশ জন।
সঠিক উত্তর: B) পরোক্ষ কর
কেন সঠিক:
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সরাসরি সরকার বা রাজস্ব বোর্ডের কাছে পরিশোধ করা হয় না, বরং পণ্য বা সেবা ক্রয়ের মাধ্যমে ঘুরপথে প্রদান করা হয়।
- এই করের আর্থিক বোঝা শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোক্তার ওপর বর্তায় কিন্তু ব্যবসায়ী বা মধ্যস্থতাকারীরা তা সরকারের কোষাগারে জমা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যক্ষ কর — যে কর সরাসরি আয় বা সম্পদের ওপর ধার্য করা হয় এবং যার বোঝা অন্য কারও ওপর স্থানান্তর করা যায় না, যেমন আয়কর।
B) পরোক্ষ কর — এই অপশনটি সঠিক কারণ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সরাসরি পরিশোধ না করে পণ্য বা সেবার দামের সাথে পরিশোধ করা হয়।
C) পরিপূরক কর — এটি মূল করের সাথে অতিরিক্ত হিসেবে আদায় করা হয় এবং এটি মূল্য সংযোজন করের সমার্থক বা বিকল্প কোনো প্রধান করের ধরন নয়।
D) সমপূরক কর — এটি কর ব্যবস্থার কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়, বরং বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা একটি ভুল অপশন।
মনে রাখার টিপস:
যেই কর সরাসরি নিজের পকেট থেকে আয়কর হিসেবে সরাসরি কাটা হয় তা প্রত্যক্ষ কর, আর দোকানে জিনিস কেনার সময় পণ্যের দামের সাথে যা দিতে হয় তা পরোক্ষ কর তথা ভ্যাট।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ভারত
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারত সফরে গিয়ে তাদের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজের শততম ম্যাচ খেলেছিল।
- সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে বাংলাদেশ শক্তিশালী ভারতকে ১৫ রানে পরাজিত করে ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজেদের ক্রিকেটের একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ অনেক ম্যাচ খেললেও এটি শততম ওয়ানডে ম্যাচ ছিল না।
B) ভারত — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটিই সঠিক উত্তর।
C) জিম্বাবুয়ে — জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ অনেক ম্যাচ জিতেছে কিন্তু শততম ওয়ানডে ম্যাচটি তাদের বিপক্ষে ছিল না।
D) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ বহু ম্যাচ খেললেও শততম ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ড এই দলের বিপক্ষে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের শততম ওয়ানডে জয়ের স্মরণীয় মুহূর্তটি ভারতের বিপক্ষে অর্জিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় স্থাপিত হয়।
- দেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই প্রথম অঞ্চলটি চালু করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাভার — এটি ঢাকার কাছে অবস্থিত এবং এখানে পরবর্তীতে ডিইপিজেড বা ঢাকা ইপিজেড স্থাপিত হয়েছে, প্রথমটি নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
সি) মংলা — এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত এবং পরবর্তীতে স্থাপিত একটি সমুদ্রবন্দরভিত্তিক ইপিজেড।
D) গাজীপুর — এটি একটি শিল্প এলাকা হলেও এখানে দেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপন করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্য ও সমুদ্রবন্দর হিসেবে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বেশি, তাই প্রথম ইপিজেড বন্দরনগরী চট্টগ্রামেই স্থাপিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) আম
কেন সঠিক:
- মহান্দা একটি নদী ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলে উৎপাদিত আমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় জাত।
- এটি মূলত ফজলি ও অন্যান্য স্থানীয় আমের মতোই বাংলাদেশের একটি সুস্বাদু ও পরিচিত ফল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তরমুজ — তরমুজ কোনো ফলের জাত বা নদীর নাম নয়, এটি গ্রীষ্মকালীন একটি রসালো ফল।
B) সরিষা — সরিষা একটি তেলবীজ জাতীয় ফসল, এটি মহান্দা নামে কোনো ফলের জাত নয়।
C) আম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য অপশনের মতো এটি ভুল নয়।
D) কলা — কলা একটি জনপ্রিয় ফল হলেও মহান্দা নামের কোনো কলার জাত বাংলাদেশে পরিচিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদীর নাম মনে রাখলেই কনফিউশন হতে পারে, তাই মাথায় রাখবে মহান্দা নদী যেমন বিখ্যাত, তেমনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমেও মহান্দা নামের একটি সুস্বাদু জাত রয়েছে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৯৮ সাল
কেন সঠিক:
- সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালে প্রথম বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু করা হয়।
- তৎকালীন সরকার দেশের প্রবীণ ও দরিদ্র নাগরিকদের আর্থিক সুরক্ষা দিতে এই কল্যাণমুখী কার্যক্রমের সূচনা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সাল — এই সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এলেও বয়স্কভাতা চালু হয়নি, বরং ১৯৯৮ সালে এটি বাস্তবায়িত হয়।
B) ১৯৯৭ সাল — এটি স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ ও বিভিন্ন সংস্কারের বছর হলেও বয়স্কভাতা চালুর সাল এটি নয়।
C) ১৯৯৮ সাল — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই প্রথম বাংলাদেশে বয়স্কদের জন্য নিয়মিত ভাতা প্রদান শুরু হয়।
D) ১৯৯৯ সাল — বয়স্কভাতা চালুর পরের বছর এটি, তাই এই সালটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বয়স্কভাতা চালুর সাল মনে রাখতে শেষ অঙ্ক দুটি মনে রাখুন, অর্থাৎ নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে অর্থাৎ আটানব্বই সালে এটি চালু হয়।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়ায়
কেন সঠিক:
- মহাস্থানগড় বাংলার প্রাচীনতম পুণ্ড্রবর্ধনুক্তির রাজধানী পুণ্ড্রনগরীর ধ্বংসাবশেষ, যা বর্তমান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি অন্যতম প্রধান ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সিগঞ্জে — মুন্সিগঞ্জে প্রাচীন বিক্রমপুর অবস্থিত, যা মহাস্থানগড় নয়।
B) কুমিল্লায় — কুমিল্লায় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের ময়নামতি ও শালবন বিহার অবস্থিত, মহাস্থানগড় নয়।
C) বগুড়ায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ফরিদপুরে — ফরিদপুর প্রাচীন বাংলার বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, মহাস্থানগড় এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহাস্তানগড় বগুড়ার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত, যা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের রাজধানী ছিল।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: C) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মায়ানমার এই দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা একই সাথে দুটি দেশের সীমানা দ্বারা বেষ্টিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের ত্রিপুরার সীমান্ত রয়েছে, মায়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই।
B) বান্দরবান — এই জেলার সাথে ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত থাকলেও এটি একা দুই দেশের সীমান্ত দ্বারা সম্পূর্ণ বেষ্টিত নয়।
D) কুমিল্লা — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের নির্দিষ্ট অঞ্চলের সীমান্ত রয়েছে, মায়ানমারের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
রাঙামাটি হলো বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা দুই দেশের (ভারত ও মায়ানমার) সাথে সীমানা ভাগ করে।
সঠিক উত্তর: B) দুইটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধান বাংলা ও ইংরেজি এই দুটি ভাষায় রচিত এবং সংবিধানের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উভয় পাঠই সমানভাবে প্রামাণ্য।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর বাংলা পাঠের পাশাপাশি একটি প্রামাণ্য ইংরেজি পাঠও রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি — বাংলাদেশের সংবিধান শুধু বাংলায় রচিত নয়, এর পাশাপাশি একটি প্রামাণ্য ইংরেজি পাঠও রয়েছে।
B) দুইটি — এই অপশনটি সঠিক কারণ সংবিধান বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই রচিত ও প্রামাণ্য।
C) তিনটি — বাংলাদেশের সংবিধান তিনটি ভাষায় রচিত নয়, কারণ অন্য কোনো ভাষার কোনো প্রামাণ্য পাঠ নেই।
D) চারটি — আমাদের সংবিধানে চার ভাষার প্রচলন নেই, এটি কেবল বাংলা ও ইংরেজি দুটি ভাষাতেই সীমাবদ্ধ।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের ভাষা হলো ডবল বা দুটি, অর্থাৎ বাংলা ও ইংরেজি।
সঠিক উত্তর: D) একটি চিত্রশিল্প
কেন সঠিক:
- ‘মনপুরা-৭০’ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রশিল্প।
- ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্নিঝড় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এই শিল্পকর্মের মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি উপজেলা — মনপুরা ভোলা জেলার একটি উপজেলা হলেও ‘মনপুরা-৭০’ কোনো প্রশাসনিক এলাকা নয়, এটি একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
B) একটি নদী বন্দর — মনপুরা কোনো নদী বন্দর নয়, এটি ভোলা জেলার একটি দ্বীপ উপজেলা।
C) একটি উপন্যাস — ‘মনপুরা-৭০’ কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস নয়, এটি চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের একটি ঐতিহাসিক চিত্রশিল্প।
D) একটি চিত্রশিল্প — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি বিখ্যাত শিল্পকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পী শাহাবুদ্দিনের নামের সাথে ‘মনপুরা-৭০’ চিত্রশিল্পটি মনে রাখুন, যা মুক্তিযুদ্ধ ও ঘূর্নিঝড়ের স্মৃতি বহন করে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ (বাংলাদেশ বিষয়াবলি)
সঠিক উত্তর: A) শ্যামনগর
কেন সঠিক:
- সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা।
- এর মোট আয়তন প্রায় এক হাজার নয়ানব্বই বর্গকিলোমিটার এবং এর মধ্যে সুন্দরবনাঞ্চল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শ্যামনগর — এটি ক্ষেত্রফলের দিক থেকে দেশের বৃহত্তম উপজেলা হওয়ায় এই উত্তরটি সঠিক।
B) ঘাটাইল — এটি টাঙ্গাইল জেলার একটি বড় উপজেলা হলেও শ্যামনগরের চেয়ে আয়তনে ছোট।
C) সাভার — এটি ঢাকা জেলার একটি জনবহুল ও শিল্পপ্রধান উপজেলা, যা আয়তনে শ্যামনগরের চেয়ে অনেক ছোট।
D) বরকল — এটি রাঙ্গামাটি জেলার একটি উপজেলা এবং এটিও বৃহত্তম উপজেলার তালিকায় প্রথম নয়।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে সাতক্ষীরার শ্যামনগর অবস্থিত, যা আয়তনে দেশের সবার চেয়ে বড় উপজেলা।
সঠিক উত্তর: B) বেগম রাজিয়া বানু
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল গঠিত ৩৪ সদস্যের গণপরিষদের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- তিনি পাবনা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে এই কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম — তিনি বাংলাদেশের একজন বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা, তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
B) বেগম রাজিয়া বানু — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সঠিক এবং তিনি সংবিধান কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন।
C) বেগম মতিয়া চৌধুরী — তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ হলেও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
D) বেগম সুফিয়া কামাল — তিনি দেশের বিশিষ্ট কবি ও নারী আন্দোলনের অগ্রদূত হলেও সংবিধান কমিটির সদস্য ছিলেন না।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধান কমিটির একমাত্র নারী রাজিয়া বানু, নামের শেষে বানু মনে রাখলেই উত্তর নিশ্চিত হবে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)