সঠিক উত্তর: B) আদর্শ চলিত ভাষা
১. কেন সঠিক:
কথারীতি সমন্বয়ে শিষ্টজনের ব্যবহৃত মার্জিত ভাষাকে আদর্শ চলিত ভাষা বলা হয়।
এটি সমাজে শিক্ষিত ও মার্জিত জনগোষ্ঠীর মুখে মুখে বিকশিত হয়ে বর্তমান প্রমিত রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার দুটি প্রধান রূপ হলো সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা।
চলিত ভাষা হলো সর্বজনগ্রাহ্য প্রমিত কথ্য রূপ যা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়মে পরিমার্জিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি কাল বাড়ি যাবেন।
ব্যাখ্যা: এটি আদর্শ চলিত ভাষার বাক্য কারণ এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত ও মার্জিত রূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ছেলেরা ফুটবল খেলছে।
ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতিতে গঠিত বাক্য যেখানে ক্রিয়াপদের প্রমিত রূপ প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু ভাষা — সাধু ভাষা হলো তৎসম শব্দবহুল ও অপেক্ষাকৃত কঠিন রীতি যা লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়, কথ্য বা কথারীতির সমন্বয়ে গঠিত নয়।
B) আদর্শ চলিত ভাষা — এটি সঠিক উত্তর।
C) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা, যা সমগ্র জাতির শিষ্টজনের ভাষা নয়।
D) দেশি ভাষা — দেশি ভাষা বলতে প্রাচীন অস্ট্রিক বা দেশি মূলের শব্দ বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট কথারীতি বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
শিক্ষিত ও শিষ্টজনের মুখের মার্জিত ও প্রমিত কথারীতিই হলো চলিত ভাষা।
সাধু ভাষা হলো প্রাচীন ও কৃত্রিম নিয়মকানুনে আবদ্ধ লেখার ভাষা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিতরীতির বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ দীর্ঘ হয় এবং চলিত ভাষার পদ সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) বাগযন্ত্রের সাহায্যে
১. কেন সঠিক:
মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা এবং এই ভাষা সৃষ্টির প্রধান চালিকাশক্তি হলো বাগযন্ত্র। বাক্প্রত্যঙ্গ বা বাগযন্ত্রের নিখুঁত ও সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমেই কেবল অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ভাষার উৎপত্তি সম্ভব হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষা প্রকাশের জন্য মানবদেহের মুখগহ্বর, কণ্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ওষ্ঠ এবং নাসিকাসহ যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিনিয়ত কাজ করে, সেগুলোকে একত্রে বাগযন্ত্র বলা হয়। বাগযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত ধ্বনির সমষ্টিই মানুষের মুখে ভাষা হিসেবে রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমরা যখন মুখ দিয়ে অ বা ক উচ্চারণ করি, তখন আমাদের কণ্ঠনালী ও জিহ্বা একসঙ্গে কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এটি বাগযন্ত্রের সরাসরি ব্যবহারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা ভাষা সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: মানুষের মুখের কথা বা মৌখিক ভাষা সবসময় বাগযন্ত্রের উচ্চারণের ওপর নির্ভরশীল।
ব্যাখ্যা: বাগযন্ত্রের নিখুঁত চালনা ছাড়া কোনো মানবগোষ্ঠীই স্পষ্ট ও বোধগম্য ভাষা তৈরি করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইঙ্গিতের সাহায্যে — ইশারা বা ইঙ্গিত যোগাযোগের একটি মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু এটিকে পরিপূর্ণ ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাষা বলা যায় না।
B) ঠোঁটের সাহায্যে — ঠোঁট বাগযন্ত্রের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র, কিন্তু ভাষা সৃষ্টির জন্য কেবল ঠোঁটের ভূমিকা যথেষ্ট নয়।
C) কণ্ঠের সাহায্যে — কণ্ঠধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে ঠিকই, তবে একা কণ্ঠের সাহায্যে পূর্ণাঙ্গ ভাষা সৃষ্টি অসম্ভব।
D) বাগযন্ত্রের সাহায্যে — এটি সঠিক কারণ মুখগহ্বরের সব অঙ্গের সম্মিলিত রূপই হলো বাগযন্ত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা সৃষ্টির মূল উৎস হলো শরীরের কথা বলার যন্ত্রসমূহ, যাকে আমরা এককথায় বাগযন্ত্র বলি। মুখ ও গলার ভেতরের সব অঙ্গ মিলে ভাষা তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ব্যাকরণের মূল ভিত্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে, ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি এবং ধ্বনি উৎপাদনের প্রধান সহায়ক হলো বাগযন্ত্র।
সঠিক উত্তর: B) শারী
১. কেন সঠিক:
শুক শব্দের অর্থ হলো পুরুষ টিয়া পাখি এবং এর স্ত্রীবাচক শব্দ হলো শারী বা সারী।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ভিন্ন শব্দের মাধ্যমে গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক বা পুরুষবাচক হয় অথবা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বসে।
শুক একটি তৎসম শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ তৈরিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ শারী ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষাঁড় - গাভী
ব্যাখ্যা: ষাঁড় শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ গাভী, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নর - নারী
ব্যাখ্যা: নর শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ নারী, যা লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ভিন্ন শব্দের রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সারী — বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এই শব্দে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত স ব্যবহার করা হয়েছে।
C) শুকী — শুক শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরির এই গঠনটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে সিদ্ধ নয়।
D) সারা — সারা শব্দটি শুক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয় এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
শুক ও শারী উভয় শব্দেই তালব্য শ এবং মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার মনে রাখতে হবে।
পুরুষ টিয়া হলো শুক এবং স্ত্রী টিয়া হলো শারী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিন্ন শব্দে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষাদ্বন্দ্বে ফেলে।
শুক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ লেখার সময় বানান ভুল এড়াতে শারী বানানটি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মেধাবিনী
১. কেন সঠিক:
মেধাবী শব্দের সাথে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ মেধাবিনী গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দের শেষে থাকাাবী বাৎাবী পরিবর্তন করেবিনী বা মানী যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষোবী থাকলে স্ত্রীলিঙ্গ করার সময়তা পরিবর্তন করেবিনী হয়। যেমন মেধাবী থেকে মেধাবিনী এবং গুণাবী থেকে গুণাবিনী। এটি প্রত্যয় সাধিত লিঙ্গ পরিবর্তনের একটি বিশেষ নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুণাবী থেকে গুণাবিনী
ব্যাখ্যা: এখানে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষেরাবী প্রত্যয় পরিবর্তন হয়েবিনী যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তপস্বী থেকে তপস্বিনী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ব্যাকরণগত নিয়মেী প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অরণ্যানী — এটি কোনো লিঙ্গান্তরের শব্দ নয়, বরং অরণ্য শব্দের সাথে মহৎ অর্থে আণী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অরণ্যানী বা বিশাল বন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) চাকরানী — এই শব্দটিতে চাকর শব্দের সাথে দীর্ঘী বা আনি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে, যা প্রচলিত কথ্য বা তদ্ভব রূপের অন্তর্ভুক্ত।
C) ভাগনী — এটি ভাগনে শব্দের সাথে নী বা ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যা এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে মেলে না।
D) মেধাবিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিয়ম অনুযায়ীবী প্রত্যয় পরিবর্তিত হয়েবিনী হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষোবী থাকলে স্ত্রীলিঙ্গ করার সময় তা পরিবর্তন করেবিনী করবে। যেমন মেধাবী থেকে মেধাবিনী এবং প্রবাসী থেকে প্রবাসিনী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গান্তর থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাইাবীান্ত শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ করার সময়বিনী রূপের ব্যবহার ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ইতিহাসবেত্তা
১. কেন সঠিক:
- ইতিহাস বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা রাখেন যিনি, তাকে এক কথায় ইতিহাসবেত্তা বলা হয়।
- এখানে 'বেত্তা' শব্দের অর্থ অভিজ্ঞ, জ্ঞানী বা পন্ডিত ব্যক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষেপণ রক্ষা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইতিহাস রচনা করেন যিনি = ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা: যিনি ইতিহাস লেখেন বা ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করে গ্রন্থ রচনা করেন, তাকে ঐতিহাসিক বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো ঘটেূত হয়নি = অভূতপূর্ব
ব্যাখ্যা: কোনো ঘটনা বা বিষয়ের অভিনবত্ব বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতিহাসসচেতন — এই শব্দের অর্থ যিনি ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন বা জানেন, কিন্তু অভিজ্ঞ বা পন্ডিত বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয় না।
B) ঐতিহাসিক — ঐতিহাসিক বলতে মূলত যিনি ইতিহাস রচনা করেন বা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন কোনো স্থান বা বস্তুকে বোঝায়।
D) চিন্তাবিদ — চিন্তাবিদ অর্থ যিনি গভীর চিন্তা করেন বা দার্শনিক মতবাদ পোষণ করেন, ইতিহাসের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বেত্তা শব্দের অর্থ জ্ঞানী বা অভিজ্ঞ, তাই ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ বুঝলে ইতিহাসবেত্তা হবে।
- রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক, আর অভিজ্ঞ বা পন্ডিত হলে ইতিহাসবেত্তা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ বুঝতে পারলে উত্তর করা সহজ হয়।
- বিগত সালের বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) আকুঞ্চন
১. কেন সঠিক:
- প্রসারণ শব্দের অর্থ কোনো কিছু ছড়িয়ে দেওয়া, বড় করা বা প্রসারিত করা।
- এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে আকুঞ্চন শব্দটি, যার অর্থ কুঁচকে যাওয়া বা সংকুচিত হওয়া।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ব্যাকরণে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বিপরীত শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভাষার প্রমিত রীতি মেনে চলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংকোচন
ব্যাখ্যা: এটিও প্রসারণ শব্দের একটি উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ ২: কুঞ্চন
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন বা কুঞ্চন উভয় শব্দই কোনো কিছু সংকুচিত করার অবস্থাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপ্রসারণ — এটি প্রসারণ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয় বরং এটি একটি অপ্রচল ও অগ্রহণযোগ্য শব্দ গঠন।
B) অপসরণ — এর অর্থ কোনো স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া বা প্রস্থান করা, যা প্রসারণের বিপরীত নয়।
C) আকিঞ্চন — এর অর্থ তীব্র ইচ্ছা বা প্রার্থনা, যা প্রসারণ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) আকুঞ্চন — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এটিই গ্রহণযোগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রসারণ মানে বড় হওয়া, আর আকুঞ্চন মানে ছোট বা সংকুচিত হওয়া।
- প দিয়ে শুরু শব্দের বিপরীত ভাব মনে রাখতে প্রমিত শব্দকোষের সাহায্য নেওয়া ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দার্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) নভ
কেন সঠিক:
১. অম্বর শব্দের আক্ষরিক অর্থ আকাশ বা শূন্যস্থান।
২. নভ শব্দের অর্থও আকাশ, তাই এটি অম্বর শব্দের সঠিক সমার্থক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. সমার্থক শব্দ ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২. প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে আকাশ বোঝাতে অম্বর ও নভ শব্দ দুটি সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. যেমন, মেঘমুক্ত আকাশ বোঝাতে অনেক সময় নীল অম্বর বা নীল নভ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র — চন্দ্র শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাতের আকাশে দেখা যায় কিন্তু আকাশ নিজে নয়।
B) সূর্য — সূর্য একটি নক্ষত্র যা দিনে আলো দেয়, এটি আকাশের সমার্থক শব্দ নয়।
C) নভ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) মেঘ — মেঘ হলো আকাশে ভেসে বেড়ানো জলীয় বাষ্পের কণা, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. অম্বর ও নভ উভয় শব্দই আকাশ বা গগনকে বোঝায়।
২. আকাশের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে নভ, অম্বর, আকাশ ও গগন এক সাথে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: C) বিভক্তহীন নাম শব্দ
১. কেন সঠিক:
- প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নাম শব্দ বা মূল শব্দ, যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
- এটি মূলত শব্দের মূল রূপ, যা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য বিভক্তি গ্রহণের অপেক্ষা করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ।
- বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মূল রূপকে প্রাতিপাদিক বলা হয়, যা প্রত্যয়ান্ত বা অপ্রত্যয়ান্ত হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: কলম একটি নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপাদিক।
উদাহরণ ২: ফুল
ব্যাখ্যা: ফুল শব্দটিতে কোনো বিভক্তি বা প্রত্যয় নেই, এটি একটি স্বাধীন ও বিভক্তহীন নাম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সধিত শব্দ — সধিত শব্দ হলো সাধিত শব্দ, যা প্রাতিপাদিক বা মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত করে গঠিত হয়।
B) বিভক্তিযুক্ত শব্দ — বিভক্তিযুক্ত শব্দকে পদ বলা হয়, যা প্রাতিপাদিক নয়।
C) বিভক্তহীন নাম শব্দ — এটি সঠিক কারণ প্রাতিপাদিকের সঙ্গে কোনো বিভক্তি থাকে না।
D) প্রত্যয়যুক্ত শব্দ — প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধিত শব্দ হতে পারে, যা সরাসরি বিভক্তহীন নাম শব্দের সংজ্ঞা নির্দেশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপাদিক মানে প্রারম্ভিক রূপ বা মূল শব্দ, যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
- পরীক্ষার হলে মনে রাখবে বিভক্তিহীন নাম শব্দই হলো প্রাতিপাদিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রাতিপাদিক এবং পদের মধ্যে পার্থক্য হলো পদে বিভক্তি থাকে আর প্রাতিপদিক বিভক্তহীন হয়।
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ ও পদ প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) নীল + ইমন
কেন সঠিক:
১. নীল শব্দের সাথে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নীলিমা শব্দটি গঠিত হয়।
২. এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম যেখানে গুণ বা ভাব বোঝাতে এই প্রত্যয় বসে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
২. এখানে নীল একটি বিশেষণ পদ যার সাথে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
৩. যেমন, মহৎ + ইমন = মহিমা, লঘু + ইমন = লঘিমা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল + মা — মা কোনো সঠিক তদ্ধিত প্রত্যয় নয়।
B) নীল + ইমন — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মাগতভাবে শুদ্ধ।
C) নী + ইলিমা — মূল শব্দ এবং প্রত্যয়ের গঠন সঠিক নয়।
D) নিলী + ইমা — এখানে মূল শব্দ নীল এর পরিবর্তে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. অন্তে ইমা যুক্ত শব্দ দেখলে ইমন প্রত্যয় অনুমান করবে।
২. মূল শব্দ চিনে সঠিক প্রত্যয় নির্ধারণ করা অভ্যাসের মাধ্যমে আয়ত্ত করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- যে বহুব্রীহি সমাসে ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র সরাসরি খাটেনা এবং তা প্রথাগত নিয়ম ভেঙে নিপাতনে বা প্রাকৃতিকভাবে সিদ্ধ হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে।
- অন্তরীপ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো অন্তরে দ্বীপ যার, যা ব্যাকরণের সাধারণ বহুব্রীহি নিয়মের বাইরে প্রাকৃতিকভাবে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর অর্থ পরিবর্তন হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে এবং কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত সূত্রের অধীনে পড়ে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি বলে।
- এটি মূলত ভাষার দীর্ঘ ব্যবহার ও প্রথার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, যেখানে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্তর্গত
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো অন্তরে গত যা, যা নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: দ্বীপান্তর
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য দ্বীপ অন্য যা বা অন্তরে দ্বীপ যার আদলে নিপাতনে সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় গঠিত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যয়াস্ত বহুব্রীহি — এই সমাসে সমস্তপদের শেষে আ, ই, এ ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়, যা অন্তরীপ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি — এই সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য হয়, যা এখানে নেই।
D) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি — এই সমাসের উভয় পদই যদি ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত হয় তবে তাকে ব্যধিকরণ বলে, যা অন্তরীপ শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অন্তরীপ ও অন্তর্গত শব্দ দুটি দেখলে চোখ বন্ধ করে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
- ব্যকরণগত সাধারণ নিয়ম না মানলেই তা নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে অন্তরীপ ও অন্তর্গত শব্দ দুটি বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার পুনরাবৃত্তি হয়।
সঠিক উত্তর: A) উপপদ তৎপুরুষ
কেন সঠিক:
- কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের মিলনে এই সমাস গঠিত হয়।
- সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশটি উপপদ এবং পরের অংশটি কৃদন্ত পদ হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়।
- কৃদন্ত পদের আগের পদটিকে উপপদ বলে।
- যেমন: পঙ্কে জন্ম যার = পঙ্কজ, এখানে পঙ্ক হলো উপপদ এবং জ হলো কৃদন্ত পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উপপদ তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর।
- B) উপমান কর্মধারয় — সাধারণ গুণের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝাতে এই সমাস হয়।
- C) উপমিত কর্মধারয় — সাধারণ গুণ উল্লেখ না করে উপমেয়ের সাথে উপমানের তুলনা করা হলে এটি হয়।
- D) নিত্য সমাস — যে সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নের মধ্যে কৃদন্ত পদ ও উপপদ শব্দ দুটি থাকলে চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
সঠিক উত্তর: D) অপাদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- এখানে 'রাঘবে' শব্দের অর্থ রাঘব বা রামচন্দ্র থেকে। ভয় পাওয়ার ক্ষেত্রে যার থেকে ভয় উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়।
- বাক্যে ভয়ের উৎস বা ভীতি বোঝাতে অপাদান কারক হয় এবং শব্দের সাথে 'এ' বা 'তে' বিভক্তি থাকলে তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, উৎপাদিত, রক্ষিত বা ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- বাক্যে ডর বা ভয় পাওয়ার অর্থে যা থেকে ভয় পায়, তাতে অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে কে না ডরে?
ব্যাখ্যা: এখানে বাঘ থেকে ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অপাদানে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পাপী ভয়ে সরে থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে ভয়ের উৎস থেকে দূরে থাকার অর্থে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — কর্তা নিজে ক্রিয়া সম্পাদন করলে কর্তাকারক হয়, কিন্তু এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
B) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে কর্মের কোনো বিষয় নেই।
C) করণে ৭মী — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা করণ কারক, কিন্তু এখানে সাহাজ্যের কোনো বিষয় নেই।
D) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভয়ের উৎস বা ভীতি প্রকাশ পেয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে ভয়, রক্ষা বা দূর হওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- ডর বা ভয় শব্দের সাথে অপাদান কারকের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি থেকে প্রায়ই কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করতে দেওয়া হয়।
- ভীতিবাচক শব্দ থাকলে সবসময় অপাদান কারক হয়, এই নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ঐকদেশিক
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং স্থান বা সীমার ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে আধারাধিকরণকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
কোনো নির্দিষ্ট বা বিশাল সীমানার মধ্যে যদি নির্দিষ্ট কোনো এক অংশে বা বিন্দুতে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তবে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলে এবং এটি সামীপ্য বা সান্নিধ্য অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
আধারাধিকরণ প্রধানত তিন প্রকার, যথা ঐকদেশিক, অভিব্যাপক এবং বৈষয়িক অধিকরণ।
যে কোনো স্থানে বা সমগ্র সীমানার কোনো এক অংশে ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলা হয়, যা মূলত সামীপ্য বা কাছাকাছি অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ আছে।
ব্যাখ্যা: বনের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা জায়গায় বাঘ আছে বোঝাচ্ছে, যা সমগ্র বন জুড়ে নয়।
উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে।
ব্যাখ্যা: পুকুরের সম্পূর্ণ জলরাশি জুড়ে মাছ না থেকে নির্দিষ্ট অংশে অবস্থান বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভিব্যাপক — বৃহৎ বা সমগ্র ক্ষেত্র জুড়ে কোনো কিছু ব্যাপ্ত থাকলে তাকে অভিব্যাপক অধিকরণ বলে, যা সামীপ্য অর্থ প্রকাশ করে না।
B) আধারাধিকরণ — এটি কারকের মূল প্রকার, যার একটি নির্দিষ্ট উপবিভাগ হলো ঐকদেশিক, তাই এটি সরাসরি সামীপ্য অর্থের সঠিক নাম নয়।
C) ঐকদেশিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট অংশ বা সামীপ্য অর্থে এই অধিকরণ ব্যবহৃত হয়।
D) কালাধিকরণ — সময় বা কাল নির্দেশক অধিকরণকে কালাধিকরণ বলে, যা স্থানের সামীপ্য বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্থান বা এলাকার যেকোনো এক অংশে বা কাছাকাছি কিছু থাকলে তাকে ঐকদেশিক বা এক দেশের অধিকরণ মনে রাখবে।
সমগ্র এলাকা জুড়ে ব্যপ্ত থাকলে তাকে অভিব্যাপক অধিকরণ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই বিভাজক প্রশ্ন আসে যেখানে পুকুর বা বনের উদাহরণ দিয়ে কোন অধিকরণ জানতে চাওয়া হয়।
স্থান ছোট বা নির্দিষ্ট অংশ বোঝালে সবসময় ঐকদেশিক অধিকরণ দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কুলটা
কেন সঠিক:
- কুলটা শব্দটি কোনো সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয়নি।
- এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা প্রচলিত নিয়মের বাইরে সাধিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণগত নিয়ম: যে সমস্ত সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মানে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
- সাহিত্য প্রসঙ্গ: বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের শব্দগুলোকে প্রাকসিদ্ধ বা ব্যতিক্রম হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।
- উদাহরণ: কুল + অটা = কুলটা, গোষ্পদ, মার্তণ্ড ইত্যাদি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পাবক — এটি পৌ + অক সমান পাবক, যা অনাদি আদি সন্ধির নিয়মিত নিয়মে সাধিত হয়েছে।
- B) শাবক — এটি শাপ + অক সমান শাবক, যা ব্যঞ্জনসন্ধির নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
- C) কুলটা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে নিয়মের ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য।
- D) গায়ক — এটি গৈ + অক সমান গায়ক, যা অয়াচ সন্ধির নিয়মিত নিয়মে সাধিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয় কারণ এগুলো কোনো সূত্র মানে না।
সঠিক উত্তর: A) রাজ্ + নী
১. কেন সঠিক:
- 'রাজ্ঞী' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাজ্ যোগ নী।
- এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মে জ বা জ্ এর সঙ্গে নী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাজ্ঞী শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি ও প্রত্যয় সংক্রান্ত একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী রাজা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ হলো রাজ্ঞী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাট যোগ ত্রী = সমাজ্ঞী
ব্যাখ্যা: এটি একই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি ও লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মহান যোগ নী = মহিষী
ব্যাখ্যা: এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দের আরেকটি উদাহরণ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজ্ + নী — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী রাজ্ঞী শব্দটির গঠন নিশ্চিত করে।
B) রাগ্ + নী — এখানে মূল শব্দ রাজ্ এর পরিবর্তে রাগ্ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) রাজ্ + জ্ঞী — এখানে জ্ঞী যুক্ত করা হয়েছে যা রাজ্ঞী শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) রাগ্ + জ্ঞী — এখানে মূল শব্দ ও প্রত্যয় উভয়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ মনে রাখার সময় রাজ্ এর সঙ্গে নী যুক্ত হয় এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বিকল্পগুলোর বানান ভালোভাবে লক্ষ্য করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় লিঙ্গ পরিবর্তন বা সন্ধি হিসেবে আসে।
- প্রমিত বাংলা বানান এবং ব্যাকরণের নিয়ম মনে রাখলে এসব প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) নিষ্ক্রিয় দর্শক
১. কেন সঠিক:
- 'সাক্ষী গোপাল' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যিনি উপস্থিত থাকেন কিন্তু কোনো কার্যক্রমে অংশ নেন না।
- এখানে নিষ্ক্রিয় দর্শক বলতে বোঝানো হয়েছে সেই নীরব ও নির্বাক দর্শককে, যিনি সবকিছু দেখছেন অথচ প্রতিবাদ বা সহযোগিতা কিছুই করছেন না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও প্রচ্ছন্ন ভাব প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবের প্রকাশকে আরও আকর্ষণীয় ও শক্তিশালী করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমিটি মিটিংয়ে অনেকের উপস্থিতি থাকলেও বেশিরভাগ সদস্য ছিলেন সাক্ষী গোপাল স্বরূপ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে মিটিংয়ে লোক উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো মতামত দেননি।
উদাহরণ ২: অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে শুধু সাক্ষী গোপাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কোনোক্রমেই কাম্য নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে ঘটনার সামনে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করার অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপদার্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ অপদার্থ বলতে কোনো কাজে লাগে না এমন অযোগ্য বস্তুকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) মূর্খ — এই অপশনটি ভুল কারণ মূর্খ অর্থ অজ্ঞ বা জ্ঞানহীন ব্যক্তি, অথচ সাক্ষী গোপাল ব্যক্তিটি অজ্ঞ নাও হতে পারে কিন্তু সে নিষ্ক্রিয় থাকে।
C) সক্রিয় দর্শক — এই অপশনটি ভুল কারণ সক্রিয় দর্শক বলতে কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী বা উৎসাহী দর্শককে বোঝায়, যা মূল অর্থের ঠিক বিপরীত।
D) নিষ্ক্রিয় দর্শক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি উপস্থিত থেকেও কোনো ভূমিকা না রাখার অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গোপাল মূর্তি যেমন মন্দিরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোনো কথা বলে না, তেমনই যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে উপস্থিত থেকেও চুপ থাকে তাকে সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের চরিত্রভিত্তিক বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের ঐতিহাসিক বা রূপক অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) একগুঁয়ে
১. কেন সঠিক:
- 'নেই আঁকড়া' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অর্থ একগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা স্বভাবের ব্যক্তি।
- যে ব্যক্তি কোনো কিছু সহজে ছাড়তে চায় না বা নিজের জেদ বজায় রাখে, তাকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা, যা শব্দের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং বাগধারার সঠিক প্রয়োগ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলেটি অত্যন্ত নেই আঁকড়া প্রকৃতির, একবার যা ধরবে তা করবেই।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির জেদি ও একগুঁয়ে স্বভাব বোঝাতে 'নেই আঁকড়া' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার নেই আঁকড়া মনোভাবের কারণে কেউ তাকে সহজে বোঝাতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের অবাধ্য ও একরোখা আচরণ প্রকাশ করতে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একই স্বভাবের — এই অর্থটি বাগধারাটির নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না, তাই এটি ভুল।
B) নিরেট মূর্খ — নিরেট মূর্খ অর্থ বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন গোবরের পদ্মফুল বা অকালের আম ব্যবহার করা হয়।
D) সহায় সম্বলহীন — সহায় সম্বলহীন অর্থ বোঝাতে আদায়কাঁচকলায় বা থৈ না পাওয়া জাতীয় শব্দ ব্যবহৃত হয় না, এর জন্য ভিন্ন শব্দ আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেই আঁকড়া মানে যার জেদ আঁকড়ে ধরে থাকে এবং সহজে সারে না, অর্থাৎ একগুঁয়ে।
- জেদি মানুষের স্বভাব মনে রাখলে এই বাগধারাটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের মানবস্বভাব নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে শিখলে দীর্ঘদিন মনে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) কমা
১. কেন সঠিক:
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসে কারণ এটি একই জাতীয় ছোট অংশ বা খণ্ডাংশগুলোকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন অধ্যায়ে পদের বা খণ্ডবাক্যের অংশগুলোকে স্পষ্টভাবে আলাদা করার জন্য কমা ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং সংক্ষিপ্ত বিরতি বোঝানোর জন্য কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহৃত হয়।
- ঠিকানা লেখার সময় বাড়ি বা হোল্ডিং নম্বর এবং রাস্তার নম্বরের পর কমা বসিয়ে পরবর্তী বৃহত্তর একক লিখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাড়ি নম্বর ১২, রোড নম্বর ৫, ধানমন্ডি, ঢাকা।
ব্যাখ্যা: এখানে বাড়ি নম্বর ১২ এবং রোড নম্বর ৫ এর পরে কমা ব্যবহার করে ঠিকানা স্পষ্টভাবে আলাদা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: হোল্ডিং ৩/বি, এভিনিউ ৪, গুলশান, ঢাকা।
ব্যাখ্যা: ঠিকানা লেখার সময় ক্ষুদ্র অংশ থেকে বৃহত্তর অংশে যাওয়ার সময় কমা ব্যবহার করার নিয়ম এখানে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে, যা ঠিকানা বা নম্বরের পরে বসে না।
B) কোলন — কোলন সাধারণত কোনো উদাহরণ বা বক্তব্যের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার সময় বসে।
D) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতি বোঝায় এবং দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করতে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঠিকানায় ছোট থেকে বড় লেখার সময় কমা ব্যবহার করবে এবং বাক্য শেষে দাঁড়ি দেবে।
- ঠিকানা লেখার ধারাবাহিকতা মনে রাখার জন্য মনে রাখবে ঘরের নম্বর আগে, তারপর রাস্তার নম্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের প্রয়োগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- ঠিকানা ও সম্বোধন পদের পরে কমা বসার নিয়মটি বারবার অনুশীলন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং কোলন বা দাঁড়ি অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত দুটি স্বাধীন উপবাক্যকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় যখন তাদের মধ্যে অর্থগত গভীর সম্পর্ক থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের মধ্যে বিরতিকালের তারতম্য রয়েছে।
- সেমিকোলন বসালে থামার সময়কাল কমার চেয়ে একটু বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনীর কন্যা বটে; কিন্তু সে বড় অহংকারী।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি খণ্ডবাক্যের মাঝে ভাব স্পষ্ট রাখতে কমার চেয়ে বেশি বিরতি বা সেমিকোলন প্রয়োজন হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরিশ্রম করো; সফলতা তোমার আসবেই।
ব্যাখ্যা: প্রথম খণ্ডবাক্যের পর কাজের নির্দেশ এবং দ্বিতীয়টিতে তার ফলাফল বোঝাতে সেমিকোলন বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলন — কোলন বা বিশদ বিবৃতির জন্য বিরতিকালের পরিমাণ এক সেকেন্ড। এটি কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি নির্দেশ করে না, বরং সমজাতীয় একাধিক পদ আলাদা করতে বা উদাহরণ টানতে ব্যবহৃত হয়।
B) ড্যাস — ড্যাসের ক্ষেত্রে থামার সময়কাল এক সেকেন্ড বা তার বেশি হতে পারে এবং এটি যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের সংগতি বোঝাতে বসে।
C) হাইফেন — হাইফেনকে সংযোগ চিহ্ন বলা হয় এবং এটি লেখার সুবিধার্থে ব্যবহৃত হয়, এর ক্ষেত্রে কোনো বিরতির প্রয়োজন হয় না।
D) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বিরতিকাল কমার চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিরতিকালের দৈর্ঘ্য মনে রাখার জন্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো: কমা সবচেয়ে কম, সেমিকোলন তার চেয়ে একটু বেশি, এবং পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রবর্তন করেছিলেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন যতিচিহ্নে কতক্ষণ থামতে হয় তা থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
- সমীচীন বানানটিতে প্রথমে দন্ত স এবং পরে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে কোনো ই-কার বা হ্রস্ব স্বরবর্ণ গ্রহণযোগ্য নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান অধ্যায়ের আওতাভুক্ত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এটি দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়, যা শুদ্ধ বানানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: মণীষী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মধ্যবর্তী বর্ণেও দীর্ঘ ঈ কার বসে, যা একই বানানরীতির আওতাভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমিচিন — এই বানানে প্রথম ই-কার এবং শেষ ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) সমীচীন — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র প্রমিত বানানরূপ।
C) সমীচিন — এই বানানে প্রথম দীর্ঘ ঈ কার থাকলেও শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে।
D) সমিচীন — এই বানানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল বলে গণ্য হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো দুটি বর্ণেই দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা।
- অর্থাৎ দন্ত স এর পর দীর্ঘ ঈ এবং ছ এর পর দীর্ঘ ঈ কার বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি শুদ্ধ বানান হিসেবে চিহ্নিত করতে বলা হয়।
- বানানের ক্ষেত্রে দন্ত স এবং ছ এর অবস্থান ও দীর্ঘ ঈ কারের ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) মানুষ যত পায়, তত চায়।
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ বা বহুল ব্যবহৃত বাক্যটির ভাবানুবাদ হলো মানুষ যত বেশি লাভ করে, তার চাওয়ার পরিমাণও ঠিক ততটাই বৃদ্ধি পায়।
- মানুষের লোভ বা অতৃপ্ত বাসনার সার্বজনীন স্বভাবটি প্রকাশ করার জন্য এই বাক্যটি প্রমিত বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অনুবাদের চেয়ে মূল ভাবের সংগতি রক্ষা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- এই বাক্যে ইংরেজি correlative clause-এর গঠন বাংলায় 'যত... তত...' কাঠামোর মাধ্যমে সফলভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The more you read, the more you learn.
ব্যাখ্যা: যত বেশি পড়বে, তত বেশি শিখবে। এটিও অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট একটি প্রমিত অনুবাদ।
উদাহরণ ২: The higher we go, the colder it gets.
ব্যাখ্যা: আমরা যত উঁচুতে উঠি, তত ঠান্ডা অনুভূত হয়। এটিও 'যত... তত...' কাঠামোর মাধ্যমে অনূদিত বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানুষের চাওয়া বেশি, পাওয়ার বেশি। — এই অপশনটি মূল ইংরেজি বাক্যের ভাব বা গঠন সঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
B) মানুষ যত পায়, তত চায়। — এটি মূল ইংরেজি বাক্যের নিখুঁত এবং প্রমিত ভাবানুবাদ।
C) মানুষের চাওয়ার শেষ নেই। — এটি একটি সাধারণ কথা হলেও মূল বাক্যের তুলনামূলক বা আনুপাতিক অর্থ এখানে প্রকাশ পায়নি।
D) মানুষ যা চায় তা পায় না। — এটি সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল ইংরেজি বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি বাক্যে যত এবং তত বোঝাতে the more যুক্ত অংশ থাকলে বাংলায় 'যত... তত...' কাঠামো ব্যবহার করতে হবে।
- লোভ বা পাওয়ার সঙ্গে চাওয়ার বৃদ্ধির সম্পর্ক বোঝাতে এই বিশেষ প্রবাদপ্রতিম বাক্যটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাবানুবাদ বা translation থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শাব্দিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
- তুলনা বা অনুপাত বোঝায় এমন ইংরেজি বাক্যের বাংলা রূপান্তর করার সময় বাক্যের মূল সুর ও অর্থ ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সে অনেক কথা
১. কেন সঠিক:
ইংরেজি কোনো প্রবাদ বা দীর্ঘ বর্ণনার ভাবানুবাদ করার সময় আক্ষরিক অনুবাদ না করে ভাবানুবাদ করা হয়।
It is a long story বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ অনেক বড় গল্প হলেও বাংলায় এর প্রচলিত ও ভাবার্থমূলক সঠিক অনুবাদ হলো সে অনেক কথা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত ভাবানুবাদ বা Idiomatic Translation এর আওতাভুক্ত, যেখানে শব্দের হুবহু অর্থ না ধরে মূল ভাব প্রকাশ করা হয়।
ইংরেজির প্রচলিত অনেক কথ্য রূপ বাংলায় ভাবানুবাদের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Let bygones be bygones
ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো গত পত কথা ভুলে যাও বা যা হবার হয়েছে।
উদাহরণ ২: It is hard nut to crack
ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো এটি একটি কঠিন সমস্যা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সে এক বিরাট ইতিহাস — এটি একটি আক্ষরিক অনুবাদের কাছাকাছি এবং এই ভাবার্থের জন্য এটি মানানসই নয়।
B) বড়ো কাহিনি — এটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং বাক্যটির পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
D) সে অনেক বড়ো কাহিনি — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও প্রচলিত ভাবানুবাদ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি দীর্ঘ ঘটনা বা অনেক কথার ইতিহাস বোঝাতে It is a long story ব্যবহার করা হয়, যার প্রচলিত বাংলা রূপ সে অনেক কথা।
ভাবানুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ এড়িয়ে প্রমিত বাংলা বাগধারা বা প্রচলিত রূপ নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাবানুবাদ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত অর্থ মনে রাখা জরুরি।
অনুবাদমূলক প্রশ্ন সমাধানের সময় অপশনের শব্দের চেয়ে বাক্যের সামগ্রিক ভাব বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
১. কেন সঠিক:
প্রবাদ প্রবচন হিসেবে সমাজে বহুল প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত রূপ হলো অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
অধিক ব্যক্তির সমাগমে বা বহু লোকের অংশগ্রহণে কোনো ভালো কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পণ্ড হওয়া বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি একটি প্রচলিত প্রবাদ প্রবচন ও বাগধারাভিত্তিক প্রশ্ন যা বাক্যশুদ্ধির অন্তর্ভুক্ত।
প্রবাদ প্রবচনের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত শব্দরূপই প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চেনা বামুনের পৈতা লাগে না।
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত প্রবাদ যার অর্থ স্পষ্ট বিষয়ের জন্য প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ ২: না নাচতে জানলে উঠান বাঁকা।
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি প্রবাদ যা নিজের অপারগতাকে অন্যের ওপর চাপানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনেক সন্ন্যাসিতে গাজন নষ্ট। — এখানে অনেক শব্দের পরিবর্তে প্রমিত প্রবাদে অধিক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
C) অনেক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট। — এই অপশনে অনেক শব্দের ব্যবহার এবং বানানরীতির কারণে সঠিক প্রবাদের সঙ্গে মেলে না।
D) অধিক সন্ন্যাসীতে গান নষ্ট। — এখানে গাজন শব্দের পরিবর্তে গান শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ বদলে দেয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ প্রবচনের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত আদি রূপটি মনে রাখতে হবে।
শব্দ পরিবর্তন করে নতুন শব্দ বসালে প্রবাদটি ভুল বলে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ প্রবচনের নির্দিষ্ট শব্দরূপ পরিবর্তন করে বিভ্রান্ত করা হয়।
তাই প্রবাদ পড়ার সময় মূল শব্দ যেমন অধিক এবং গাজন শব্দগুলোর প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ভুবন
১. কেন সঠিক:
- ভুবন শব্দটির সঠিক বানান গঠনে উ-কার এবং ন ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে ভ, নিচে উ-কার এবং অন্তে ন বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের বানানে উ-কার এবং ন-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয়।
- ভুবন একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ পৃথিবী বা জগত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরুণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও উ-কার এবং ণ যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: কুরঙ্গ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে সঠিক নিয়মে উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূবন — দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে কারণ ভুবন শব্দে সবসময় হ্রস্ব উ-কার বসে।
B) ভুবন — এটি সঠিক বানান।
C) ভুবণ — মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে কারণ এই শব্দে দন্ত্য ন হবে।
D) ভূবণ — দীর্ঘ ঊ-কার এবং মূর্ধন্য ণ উভয় ভুলই এই অপশনে রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভুবন বানান মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন যে পৃথিবীর নিচে ছোট উ-কার এবং শেষে সোজা ন বসে।
- ছোট হাতের উ এবং ন দিয়ে ভুবন শব্দটি গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উ-কার ও ঊ-কার সংক্রান্ত বানান আসে।
- তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বানান অনুশীলনের মাধ্যমে এ ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
- সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সন্ধি বলা হয়।
- এর ফলে উচ্চারণের সুবিধা হয় এবং শব্দের গঠনে মাধুর্য আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো দ্রুত উচ্চারণে বা সহজে কথা বলার সময় দুটি ধ্বনির সংঘাত দূর করা।
- সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি আ এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে একটি আকার যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি ধ্বনির মিলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
B) প্রত্যয় — এটি ধ্বনির মিলন নয়, বরং শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া।
C) বচন — এটি ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যা প্রকাশ করার পদ্ধতি বা নিয়ম।
D) সমাস — এটি ধ্বনির মিলন নয়, বরং অর্থসম্বন্ধ আছে এমন দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি এবং পদের মিলন মানেই সমাস।
- এই দুটি বিষয় পরীক্ষার সময় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ধ্বনি পরিবর্তনের মূল সূত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) down
কেন সঠিক:
এখানে run down একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব। এর অর্থ হলো ঘড়ি বা যন্ত্রের শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) down — এটি সঠিক কারণ ঘড়ির ক্ষেত্রে run down ব্যবহার করে গতি থেমে যাওয়া বোঝায়।
B) short — run short অর্থ ফুরিয়ে যাওয়া, কিন্তু এটি ঘড়ির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
সি) good — run good বলে কোনো অর্থপূর্ণ প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই।
ডি) up — run up অর্থ কোনো কিছু দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া বা জমা করা, যা ঘড়ির সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ি বা ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া বোঝালে সবসময় run down ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) beautify
কেন সঠিক:
- 'beauty' বিশেষ্য পদের ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'beautify', যার অর্থ সুন্দর করা।
- এটি বাক্যে মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে উপযুক্ত সাফিক্স যুক্ত হয়ে ভার্ব গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautiful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ সুন্দর।
B) beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ সুন্দরভাবে।
C) beautifying — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড রূপ, যা মূল ভার্ব হিসেবে সরাসরি বসে না।
D) beautify — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে fy বা en যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভার্ব বা ক্রিয়া নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: D) tame
কেন সঠিক:
- 'Docile' ইংরেজি শব্দটির অর্থ হলো সহজে বশ করা যায় এমন, বাধ্য বা শান্ত স্বভাবের।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'tame' শব্দটির অর্থ গৃহপালিত বা শান্ত, যা 'docile' শব্দের সমার্থক হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wild — এর অর্থ বন্য বা হিংস্র, যা 'docile' বা শান্ত স্বভাবের ঠিক বিপরীত।
B) angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা মনের একটি ক্ষণস্থায়ী অবস্থা এবং এর সঙ্গে বাধ্যতার সম্পর্ক নেই।
C) disheartened — এর অর্থ হতোদ্যম বা হতাশ, যা কোনো ব্যক্তির স্বভাবগত শান্ত ভাব প্রকাশ করে না।
D) tame — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি বশ মানানো বা শান্ত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Docile' শব্দটির শুরুতে থাকা 'Do' দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে পোষা প্রাণীগুলো মানুষের কথা সহজে শোনে বা কাজ করে দেয়।
সঠিক উত্তর: A) abate
কেন সঠিক:
abete শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর তীব্রতা বা পরিমাণ কমানো। এটি decrease বা হ্রাস পাওয়া শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) abate — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ কমানো বা হ্রাস পাওয়া।
B) destroy — এর অর্থ ধ্বংস করা, যা কমানোর সমার্থক নয়।
C) expand — এর অর্থ প্রসারিত করা বা বাড়ানো, যা বিপরীতার্থক।
D) amplify — এর অর্থ বৃদ্ধি করা বা জোরালো করা, যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Decrease এবং Abate উভয় শব্দের অর্থই কমানো, তাই এদের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) puzzled
কেন সঠিক:
‘At a loss’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ কোনো পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে হতবুদ্ধি বা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়া।
এই ইডিওমের সাথে ‘puzzled’ শব্দটির অর্থ হুবহু মিলে যায় কারণ দুটির অর্থই বিভ্রান্ত হওয়া।
এটি মানুষের মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে যখন সে বুঝতে পারে না কী করা উচিত।
এমন পরিস্থিতিতে মানুষ সাধারণত কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) puzzled — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ বিভ্রান্ত বা হতবুদ্ধি হওয়া, যা মূল প্রশ্নগত অর্থকে সম্পূর্ণ প্রকাশ করে।
B) destroyed — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া, যা কোনো মানসিক অবস্থা বোঝায় না।
C) defeat — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পরাজয়, যা ইডিওমের অর্থের সাথে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়।
D) harm — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ক্ষতি করা, যা পরিস্থিতির বিভ্রান্তিকর অবস্থাকে নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু হারিয়ে গেলে বা বুঝতে না পারলে মানুষ যেমন বাকরুদ্ধ ও বিভ্রান্ত হয়, ‘At a loss’ বলতে ঠিক সেই মানসিক অবস্থাকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: C) telecast
কেন সঠিক:
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আজকাল বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে শিক্ষণমূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে। এখানে শিক্ষণমূলক অনুষ্ঠানগুলো নিজে নিজে সম্প্রচার হতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্যাসিভ বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী auxiliary verb (are)-এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসবে।
telecast শব্দটির প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল তিনটি রূপই একই অর্থাৎ telecast।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) seen — এর অর্থ দেখা, যা বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয় কারণ অনুষ্ঠানগুলো নিজে নিজে দেখা যায় না।
B) telecasting — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত ফর্ম, যা বাক্যটিকে সক্রিয় বা একটিভ করে তুলবে কিন্তু অনুষ্ঠান নিজে নিজে সম্প্রচার করতে পারে না।
C) telecast — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) telecasted — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী telecast শব্দের সাথে ed যুক্ত করে পাস্ট পার্টিসিপল করা যায় না কারণ এর তিন রূপই এক।
মনে রাখার টিপস:
কিছু ইংরেজি ভার্বের প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে যেমন telecast, broadcast, cut ও put।
সঠিক উত্তর: B) Is friendship anything but a name?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি এফারমেটিভ ও এহেমবাচক হওয়ায় ইন্টারোগেটিভ করার সময় তাকে নেগেটিভ করতে হয় এবং সাহায্যকারী ভাব দ্বারা শুরু করতে হয়।
এখানে নাথিং বাট এর পরিবর্তে এথিং বাট ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে।
মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) What is friendship but a name? — এটি ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে শুরু হয়েছে কিন্তু মূল বাক্যটি এফারমেটিভ হওয়ায় এটি সঠিক নয়।
B) Is friendship anything but a name? — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) What is nothing but a name? — এই অপশনে সাবজেক্ট হিসেবে ফ্রেন্ডশিপ শব্দটি বাদ পড়েছে তাই এটি ভুল।
D) Why is friendship a nanme? — এই বাক্যে কেন শব্দ এনে অর্থের পরিবর্তন করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
নাথিং বাট যুক্ত এফারমেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় নাথিং বাটের বদলে এথিং বাট বসে এবং বাক্যটি নেগেটিভ ইন্টারোগেটিভ হয়।
সঠিক উত্তর: C) Undoubtedly he is a brave man.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি মাত্র প্রধান ক্লজ এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে, যা Simple sentence-এর মূল শর্ত পূরণ করে।
beyond doubt ফ্রেজটিকে সরিয়ে তার পরিবর্তে Undoubtedly অ্যাডভার্ব ব্যবহার করে বাক্যটিকে Simple করা হয়েছে।
অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে বাক্যটিকে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও সঠিক গঠন দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is doubtless that he is a brave man. — এটি একটি Complex sentence কারণ এতে দুটি ক্লজ রয়েছে।
B) There is no doubt that he is a brave man. — এটিও একটি Complex sentence কারণ এর সাথে দ্যাট ক্লজ যুক্ত আছে।
C) Undoubtedly he is a brave man. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) He is a brave man and there is no doubt about it. — এটি একটি Compound sentence কারণ এটি এন্ড কনজাংশন দ্বারা যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
Complex sentence-এর beyond doubt ফ্রেজকে Simple করতে হলে সাধারণত undoubtedly অ্যাডভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let us love our country.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে প্রথম পুরুষবাচক সর্বনাম (We) রয়েছে যা দিয়ে সবার একসাথে কোনো কাজ করার প্রস্তাব বোঝায়।
তাই Imperative sentence-এ রূপান্তর করার সময় নিয়ম অনুযায়ী Let দিয়ে শুরু করে us ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Love our country. — এই বাক্যে সরাসরি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে যা দিয়ে দ্বিতীয় পক্ষকে আদেশ বোঝায়, কিন্তু মূল বাক্যে We ছিল।
B) Let us love our country. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি নিয়ম মেনেই তৈরি হয়েছে।
C) We may not hate our country. — এটি একটি assertive sentence এবং এতে অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে যা প্রশ্নবোধক বাক্যের মূল ভাব প্রকাশ করে না।
D) Should love our country. — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ কারণ এর শুরুতে কোনো subject বা Let নেই।
মনে রাখার টিপস:
Affirmative বাক্যে We থাকলে Imperative করার সময় Let us দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Very few problems in our country are as bad as water-logging.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে one of the worst থাকায় একে Positive Degree-তে রূপান্তর করার সময় Very few দিয়ে শুরু করতে হয়।
- Superlative ডিগ্রির one of the যুক্ত বাক্যকে Positive করার নিয়ম হলো Very few + adjective-এর পরের অংশ + plural verb + as + positive form + as + subject.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No other problem in our country is as bad as water-logging. — এটি শুধু the worst যুক্ত Superlative বাক্যের Positive form, কিন্তু এখানে one of the worst থাকায় এটি ভুল।
B) Very few problems in our country are as bad as water-logging. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল।
C) Water-logging is a very worse problem in our country. — worse হলো bad-এর comparative form, যার আগে very বসে না বরং much বসে, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) Water logging is worse than any other problem in our country. — এটি একটি Comparative Degree, কিন্তু প্রশ্নে Positive Degree চেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Superlative বাক্যে one of the থাকলে Positive করার সময় শুরুতে No other এর পরিবর্তে Very few বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) No sooner does the teacher enter the classroom than the students stand up.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যে As soon as থাকায় নেতিবাচক করতে No sooner... than ব্যবহার করতে হয় এবং প্রথম ক্লজটি বর্তমান কালে থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে does বসে।
does বসলে মূল verb এর সাথে থাকা s বা es উঠে যায় এবং প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সহজে নেতিবাচক রূপ দেওয়ার এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
B) B) No sooner এর পরে কোনো auxiliary verb যেমন does বা had ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) C) মূল বাক্যটি বর্তমান কালের (Present tense) অথচ এখানে অতীত কাল (Past tense) ব্যবহার করায় টেন্সের মিল থাকেনি।
D) D) এটি Negative বাক্য নয় বরং অর্থ ঠিক রেখে Affirmative বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা হয়েছে মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
As soon asযুক্ত বাক্যকে No sooner... than দিয়ে Negative করার সময় টেন্স অনুযায়ী do, does বা did ব্যবহার করতে হয় এবং মূল verb এর সঠিক রূপ বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) We must endure what we cannot cure.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি একটি প্রবাদ এবং এর প্যাসিভ ফর্মকে অ্যাক্টিভ করতে হলে সাধারণ সাবজেক্ট হিসেবে উই ব্যবহার করতে হয়।
এখানে ক্যান নট কিউর অংশটি অবজেক্টের স্থানে বসে কমপ্লেক্স সেন্টেন্স গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We must be endured what we can not cure. — এখানে প্যাসিভ ভারబ్ এর গঠন ভুল করা হয়েছে এবং অর্থ অস্পষ্ট হয়েছে।
B) We cannot cure what we must endure. — এটি সঠিক বাক্যের অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে যা মূল প্রবাদের সাথে মেলে না।
C) Must be endure can cure. — এই অপশনে কোনো সাবজেক্ট নেই এবং ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে।
D) We must endure what we cannot cure. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ভয়েস পরিবর্তনের সময় প্রবাদের মূল অর্থ ও সাবজেক্টের ব্যবহার সঠিকভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) breadth
কেন সঠিক:
‘broad’ শব্দটির অর্থ প্রশস্ত বা চওড়া, যা একটি বিশেষণ বা adjective। এর সঠিক নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘breadth’, যার অর্থ প্রশস্ততা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) broadly — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করে।
B) breath — এর অর্থ শ্বাস বা নিঃশ্বাস, যা ‘breathe’ ক্রিয়াপদের নাউন রূপ।
C) broaden — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ প্রশস্ত করা।
D) breadth — এটি সঠিক নাউন রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাডজেক্টিভ শব্দের শেষে th যোগ করে অনেক সময় নাউন গঠন করা হয়, যেমন broad থেকে breadth।
সঠিক উত্তর: C) Reserved
কেন সঠিক:
Candid শব্দের অর্থ হলো স্পষ্টবাদী, খোলামেলা বা সরল মনের মানুষ।
এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো সংরক্ষিত বা কম কথা বলা মানুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frank — এটি Candid শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও খোলামেলা বা স্পষ্টবাদী।
B) Straight forward — এটিও Candid শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ সরল এবং সরাসরি কথা বলা।
C) Reserved — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাপা স্বভাবের বা কম মিশুক।
D) Truthful — এটি Candid শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ সত্যবাদী।
মনে রাখার টিপস:
Candid মানুষ সব কথা খোলামেলা বলে, আর Reserved মানুষ নিজের কথা মনে পুষে রাখে।
সঠিক উত্তর: B) He was an honest man, wasn’t he?
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যটির সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো He was an honest man এবং এটি হ্যা-সূচক বাক্য।
ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় মূল বাক্যের সাহায্যকারী verb এবং pronoun ব্যবহার করতে হয়।
মূল বাক্যটি affirmative হওয়ায় এর ট্যাগ অংশটি negative হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was truthful, was he? — এখানে truthful ব্যবহার করা হয়েছে এবং ট্যাগ অংশটি positive করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) He was an honest man, wasn’t he? — এটি সঠিক উত্তর।
C) He was an honest man, did not he? — এখানে to be verb থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত did ব্যবহার করা হয়েছে।
D) He was really an honest man? — এটি কোনো সঠিক ট্যাগ কোশ্চেন নয় এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকলেও ব্যাকরণগত গঠন ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্য হ্যা-সূচক হলে ট্যাগ অংশ না-সূচক হবে এবং মূল বাক্যের verb অনুযায়ী ট্যাগ গঠন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) I have just received your letter.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে এইমাত্র বা সবেমাত্র কাজ শেষ হয়েছে বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়।
তাই Subject এর পর have এবং মূল Verb এর Past Participle রূপ বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I received your letter just now. — 'Just now' থাকলে সাধারণত Past Indefinite Tense হয়, কিন্তু বাংলা বাক্যে 'এইমাত্র' বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভালো।
B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
C) I just have received your letter. — 'Just' শব্দটি সাধারণত auxiliary verb 'have' এবং মূল verb এর মাঝে বসে, তাই এখানে এর অবস্থান ভুল।
D) Just I have received your letter. — বাক্যের শুরুতে 'Just' ব্যবহার করার নিয়ম সাধারণত সঠিক নয়, এটি 'have' এর পরে বসে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা বাক্যে 'এইমাত্র' বা 'সবেমাত্র' থাকলে ইংরেজিতে Present Perfect Tense হয় এবং just শব্দটি have ও মূল verb এর মাঝে বসে।
সঠিক উত্তর: A) The tree has not yet born fruit.
কেন সঠিক:
- গাছে ফল ধরা বা জন্ম দেওয়ার ইংরেজি রূপ হিসেবে 'bear fruit' বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয় এবং এর অতীত কৃদন্ত রূপ 'born' এখানে সঠিক।
- বর্তমান নিখুঁত বা Present Perfect Tense-এ কাজটি সম্পন্ন হয়নি বোঝাতে বাক্যের শেষে বা ঠিক আগে 'yet' ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The tree has not yet born fruit. — এটি সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত গঠন।
B) There is no fruit in the tree. — গাছটির ওপর ফল নেই বোঝালেও মূল বাক্যের সঠিক অনুবাদ এটি নয়।
C) Still the tree is without fruit. — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও প্রমিত ইংরেজি গঠনের আওতাভুক্ত নয়।
D) The tree has not born fruit yet. — ব্যাকরণগত দিক থেকে সঠিক হলেও A নম্বর অপশনের গঠনটি পরীক্ষার জন্য অধিকতর মানসম্মত।
মনে রাখার টিপস:
গাছে ফল ধরা বোঝাতে 'bear fruit' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয় এবং নেতিবাচক বাক্যের শেষে 'yet' বসে।
সঠিক উত্তর: C) One should not give ear to rumour.
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের গুজবে কান দেওয়া উচিত নয় কথাটির ইংরেজি সঠিক অনুবাদ করতে give ear to idiom টি ব্যবহার করতে হয়।
এখানে অন্যের কথায় অন্ধভাবে বিশ্বাস না করার সাধারণ নিয়ম বোঝাতে One দিয়ে বাক্য শুরু করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One should not concentrate on rumour. — এখানে concentrate শব্দটির অর্থ মনোযোগ দেওয়া, যা গুজবের ক্ষেত্রে মানানসই নয়।
B) We should not hear rumour. — এখানে hear শব্দটির ব্যবহার যথাযথ নয় কারণ গুজবে কান দেওয়া অর্থে give ear to ব্যবহার করা হয়।
C) One should not give ear to rumour. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) We should not give our ear on rumour. — এখানে give ear on ভুল প্রিপজিশন ব্যবহার করেছে এবং subject হিসেবে we দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কান দেওয়া বা কোনো কথায় মনোযোগ দেওয়া বোঝাতে give ear to idiom টি ব্যবহার করতে হয় এবং এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন to বসে।
সঠিক উত্তর: D) He came here panting.
কেন সঠিক:
বাক্যে অতীতকালের অনির্দিষ্ট কাজ বোঝাতে Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়।
হাঁপাতে হাঁপাতে অর্থে Present Participle হিসেবে panting শব্দটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has come here exhausted — Present Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং exhausted অর্থ ক্লান্ত হওয়ায় বাক্যটি ভুল।
B) He had come here running — Past Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং running অর্থ দৌড়ানো হওয়ায় অর্থ বদলে গেছে।
C) He came here hurriedly — hurriedly অর্থ তাড়াহুড়ো করে, যা হাঁপাতে হাঁপাতে অর্থে পুরোপুরি সঠিক নয়।
D) He came here panting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের সাথে সাথে আরেকটি কাজ চললে ভার্বের সাথে ing যুক্ত করে Present Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Look before you leap.
কেন সঠিক:
এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ কোনো কাজ করার আগে তার ফলাফল সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা।
এখানে 'leap' শব্দটির মাধ্যমে কাজের পরিণতির দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে এবং 'look' অর্থ সাবধানে দেখা বা ভাবা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Think before you do anything. — এটি সাধারণ ইংরেজি বাক্য হলেও প্রদত্ত বাংলা প্রবাদের সঠিক ও প্রচলিত ভাবানুবাদ নয়।
B) Look before you leap. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি আদর্শ প্রবাদ।
C) Look before you do. — এই বাক্যটিতে সঠিক প্রবাদের শব্দের ব্যবহার নেই এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে আদর্শ প্রবাদ নয়।
D) Think before you leap. — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও মূল ইংরেজি প্রবাদের শব্দবিন্যাসের সাথে পুরোপুরি মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
লাফ দেওয়ার আগে বা কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে চারপাশ দেখে নেওয়া উচিত, এই ভাব থেকেই 'Look before you leap' প্রবাদটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) belittle
কেন সঠিক:
‘Little’ শব্দটির আগে ‘be’ উপসর্গ যোগ করে নতুন এই ভার্ব গঠন করা হয়েছে।
এর অর্থ ছোট করা বা অবমূল্যায়ন করা।
এটি একটি সঠিক ইংরেজি শব্দ।
এটি বাক্য গঠনে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) belittle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) enlittle — ইংরেজিতে এ ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই।
C) littlen — নিয়মানুযায়ী এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়।
D) littlise — ‘ise’ যুক্ত করে এ ধরনের কোনো ভার্ব তৈরি হয় না।
মনে রাখার টিপস:
কিছু বিশেষ শব্দের আগে ‘be’ যুক্ত করে ভার্ব তৈরি করা হয়, যেমন ‘little’ থেকে ‘belittle’।
সঠিক উত্তর: C) Adjective
কেন সঠিক:
‘man’ একটি Noun এবং এর সাথে ‘ly’ যুক্ত হয়ে ‘manly’ Adjective গঠিত হয়েছে।
এটি সাধারণত Noun-এর পূর্বে বসে তার গুণ প্রকাশ করে।
এটি বাক্যে Adjective হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — ‘manly’ কোনো কিছুর নাম বোঝায় না তাই এটি Noun হতে পারে না।
B) Verb — ‘manly’ দ্বারা কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না।
C) Adjective — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর সাথে ‘ly’ যুক্ত হলে সাধারণত Adjective হয়, কিন্তু Adjective-এর সাথে ‘ly’ যুক্ত হলে Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) Approval
কেন সঠিক:
- 'Approve' একটি ভার্ব যার অর্থ অনুমোদন করা এবং এর সাথে 'al' প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ 'Approval' গঠন করা হয়।
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভার্বের শেষে al যোগ করে নাউন তৈরি করা হয়।
- এটি বাক্যে নাউন হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Approveness — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ভুল গঠন।
B) Approof — এটি সঠিক নাউন ফর্ম নয় এবং এর বানানটিও ভুল।
C) Approval — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Aproval — এই শব্দটিতে বানানে ভুল আছে কারণ সঠিক বানানে দুটি p থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে al যুক্ত করে নাউন বানানো হয়, যেমন approve থেকে approval।
সঠিক উত্তর: B) goes
কেন সঠিক:
বাক্যে along with থাকলে প্রথম subject অর্থাৎ Lima অনুযায়ী verb নির্ধারিত হয়।
Lima একটি singular noun হওয়ায় এর সাথে singular verb ব্যবহৃত হবে।
এখানে subject তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়ায় present indefinite tense এ verb এর সাথে s যুক্ত হয়েছে।
everyday থাকার কারণে বাক্যটি present indefinite tense এ গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) go — এটি plural verb হওয়ায় singular subject Lima এর সাথে বসে না।
B) goes — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি singular verb এবং নিয়ম মেনে বসেছে।
C) is going — everyday থাকার কারণে বাক্যটি continuous tense হতে পারে না।
D) are going — এটি plural verb এবং continuous tense হওয়ায় সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
along with যুক্ত বাক্যে প্রথম subject টি singular হলে verb ও singular হবে।
সঠিক উত্তর: D) committed
কেন সঠিক:
ক্রাইম বা অপরাধ করার ক্ষেত্রে সাধারণত commit verb টি ব্যবহার করা হয়।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং সঠিক ভাব প্রকাশ করতে এখানে Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did — do verb দিয়ে অপরাধ করা বোঝায় না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
B) does — Present Indefinite Tense হলেও do verb অপরাধের সাথে বসে না।
C) comits — বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো commits।
মনে রাখার টিপস:
অপরাধ করা বোঝাতে সবসময় commit verb ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) ৪√২
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
আমরা জানি, বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বাহু × √২
সুতরাং,
কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ × √২ মিটার
উত্তর: ৪√২ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
চিত্রে চতুর্ভুজটির বাহুগুলো সমান অর্থাৎ AB = BC = CD = AD
এটি একটি রম্বস বা বর্গক্ষেত্র যার সব বাহু সমান
ধরি,
ত্রিভুজ এ বি ডি একটি সমবাহু ত্রিভুজ
এর প্রতিটি কোণের মান ষাট ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজ এ বি ডি এর কোণ এ বি ডি = ষাট ডিগ্রি
ত্রিভুজ বি সি ডি এর কোণ ডি বি সি = ষাট ডিগ্রি
সুতরাং,
এক্স এর মান নির্ণয় করতে হবে নব্বই ডিগ্রি থেকে ষাট ডিগ্রি বিয়োগ করে
উত্তর: ৩০°
সঠিক উত্তর: A) (3x − 5)(2x + 1)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৬x^২ − ৭x − ৫
ধরি,
মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদক করতে হবে
গুণফল হবে প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান
অর্থাৎ, ৬x^২ এবং (−৫) এর গুণফল = −৩০x^২
অতএব,
এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে যাদের গুণফল হবে −৩০ এবং যোগফল হবে মাঝের পদের সহগ −৭
সংখ্যা দুটি হলো −১০ এবং +৩
সুতরাং,
৬x^২ − ১০x + ৩x − ৫
= ২x(৩x − ৫) + ১(৩x − ৫)
উত্তর: (৩x − ৫)(২x + ১)
সঠিক উত্তর: D) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
a = ৩ এর ঘনমূল ১ + ৩ এর ঘনমূল ১ এর বিপরীত
ধরি,
a = (৩ এর পাওয়ার ১/৩) + (৩ এর পাওয়ার −১/৩)
অতএব,
উভয় পক্ষকে ঘন করে পাই,
a এর কিউব = ৩ + (১ ÷ ৩) + ৩ গুণ a
সুতরাং,
a এর কিউব = (১০ ÷ ৩) + ৩a
উত্তর:
৩ গুণ (a এর কিউব) − ৯a + ১ = ১০ + ১ = ১১
সঠিক উত্তর: B) x = logay
প্রদত্ত তথ্য:
সূচকীয় সমীকরণ দেওয়া আছে a এর পাওয়ার x সমান y
ধরি,
লগারিদম এর সংজ্ঞা অনুযায়ী এই সম্পর্কটি প্রকাশ করতে হবে
অতএব,
সূচককে লগারিদমের মাধ্যমে রূপান্তর করা যায়
সুতরাং,
x হলো a এর সাপেক্ষে y এর লগারিদম
উত্তর: x = logay
সঠিক উত্তর: A) ৩√২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ হলো logx324 = ৪
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটিকে সূচকের আকারে লেখা যায়
অতএব,
x এর পাওয়ার ৪ = ৩২৪
সুতরাং,
x এর পাওয়ার ৪ = (৩√২) এর পাওয়ার ৪
উত্তর: x = ৩√২
সঠিক উত্তর: D) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৩ : ২
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
অতএব,
সংখ্যা দুটি হলো বারো এবং আট
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু হবে বারো ও আটের লসাগু
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
a বর্গ − b বর্গ = ৮
ab = ৩
ধরি,
আমাদের নির্ণয় করতে হবে a বর্গ + b বর্গ এর মান
অতএব,
আমরা জানি যে,
a বর্গ + b বর্গ এর হোল স্কয়ার = (a বর্গ − b বর্গ) হোল স্কয়ার + ৪ (ab) হোল স্কয়ার
সুতরাং,
(a বর্গ + b বর্গ) হোল স্কয়ার = (৮) স্কয়ার + ৪ × (৩) স্কয়ার
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: C) ২৪ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬, ৮ এবং ১০ সে.মি.
ধরি,
প্রথম বাহু a = ৬ সে.মি.
দ্বিতীয় বাহু b = ৮ সে.মি.
তৃতীয় বাহু c = ১০ সে.মি.
অতএব,
বাহুগুলোর বর্গের যোগফল হলো ৬ এর বর্গ + ৮ এর বর্গ = ৩৬ + ৬৪ = ১০০
অতিভুজের বর্গ হলো ১০ এর বর্গ = ১০০, যা পিথাগোরাসের উপপাদ্যকে সমর্থন করে
সুতরাং,
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার ভূমি হলো ৮ সে.মি. এবং উচ্চতা হলো ৬ সে.মি.
উত্তর: ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা = (১ ÷ ২) × ৮ × ৬ = ২৪ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের একটি ব্যাস এবং পরিধির ওপর একটি বিন্দু
বৃত্তস্থ কোণ বা অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সম্পর্কিত জ্যামিতিক উপপাদ্য
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি নির্দেশ করি
ব্যাসের দুই প্রান্ত পরিধির বিন্দুতে যুক্ত করি
অতএব,
বৃত্তের ব্যাস পরিধির ওপর একটি কোণ তৈরি করে
একে অর্ধবৃত্তস্থ কোণ বলা হয়
সুতরাং,
উপপাদ্য অনুসারে অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয়
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো রুট ওভার (এক্স এর উপর পাওয়ার বিয়োগ এক গুণ ওয়াই) গুণ রুট ওভার (ওয়াই এর উপর পাওয়ার বিয়োগ এক গুণ জেড) গুণ রুট ওভার (জেড এর উপর পাওয়ার বিয়োগ এক গুণ এক্স)
ধরি,
প্রথম অংশ = রুট ওভার (ওয়াই ভাগ এক্স)
দ্বিতীয় অংশ = রুট ওভার (জেড ভাগ ওয়াই)
তৃতীয় অংশ = রুট ওভার (এক্স ভাগ জেড)
অতএব,
তিনটি অংশ একসাথে গুণ আকারে লেখা যায়
রুট ওভারের ভেতরে সব পদ গুণ করলে লব ও হর মিলে যায়
সুতরাং,
কাটাকাটি করে রুট ওভার এক পাওয়া যায়
একের বর্গমূল সবসময় এক হয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) স্থূলকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি বৃত্ত এবং বৃত্তের একটি উপচাপ
উপচাপের ওপর অন্তর্লিখিত কোণ
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র কেন্দ্রস্থ কোণ তৈরি করে
উপচাপটি বৃত্তের অর্ধেকের চেয়ে ছোট চাপ
অতএব,
উপচাপের বিপরীত প্রধান চাপ কেন্দ্রস্থ প্রবৃদ্ধ কোণ তৈরি করে
কেন্দ্রস্থ প্রবৃদ্ধ কোণের মান একশো আশি ডিগ্রির চেয়ে বেশি হয়
সুতরাং,
অন্তর্লিখিত কোণ কেন্দ্রস্থ প্রবৃদ্ধ কোণের অর্ধেক হওয়ায় নব্বই ডিগ্রির চেয়ে বড় হয়
উত্তর: স্থূলকোণ
সঠিক উত্তর: A) ২০π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস = ২০ মিটার
ধরি,
বৃত্তের ব্যাস = d মিটার
বৃত্তের পরিধি = c মিটার
অতএব,
পরিধি নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পরিধি সমান পাই গুণ ব্যাস
সুতরাং,
বৃত্তের পরিধি = π × ২০ = ২০π মিটার
উত্তর: ২০π মিটার
সঠিক উত্তর: D) ২২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১৮ হলো একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার আট শতাংশ
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
ক এর আট শতাংশ = ১৮
ক × (৮ ÷ ১০০) = ১৮
সুতরাং,
ক = ১৮ × (১০০ ÷ ৮)
ক = ২২৫
উত্তর: ২২৫
সঠিক উত্তর: C) ৫√২
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = √২
ধরি,
প্রথম মান = x − (১ ÷ x) = √২
অতএব,
আমরা জানি, (x − ৩) এর অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই,
মান নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী কাজ করতে হবে
সুতরাং,
(x^৩) − (১ ÷ x^৩) = (x − (১ ÷ x))^৩ + ৩ × (x − (১ ÷ x))
উত্তর: ৫√২
সঠিক উত্তর: B) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ এর পাওয়ার x সমান ২
ধরি,
৪ কে ২ এর ঘাত হিসেবে লেখা যায়
অর্থাৎ ৪ সমান ২ এর পাওয়ার ২
অতএব,
প্রশ্ন অনুযায়ী (২ এর পাওয়ার ২) এর হোল পাওয়ার x সমান ২
বা, ২ এর পাওয়ার (২ গুণ x) সমান ২ এর পাওয়ার ১
সুতরাং,
২ গুণ x সমান ১
উত্তর: x সমান ১/২
সঠিক উত্তর: A) ৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ২৫√৫
এর ভিত্তি হলো ৫
ধরি,
৫ ভিত্তিক লগারিদম এর মান = ক
অতএব,
৫ এর পাওয়ার ক = ২৫√৫
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার ক = (৫ এর পাওয়ার ২) × (৫ এর পাওয়ার ১/২)
উত্তর: ক = ৫/২
সঠিক উত্তর: A) ৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল = ৪০০ টাকা
মুনাফার হার = ৬%
মোট মুনাফা = ১২০ টাকা
ধরি,
সময় = ক বছর
অতএব,
১ বছরের মুনাফা = ৪০০ টাকার ৬%
= ৪০০ × (৬ ÷ ১০০) টাকা
= ২৪ টাকা
সুতরাং,
সময় = মোট মুনাফা ÷ ১ বছরের মুনাফা
= ১২০ ÷ ২৪ বছর
= ৫ বছর
উত্তর: ৫ বছর
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৬
তৃতীয় সংখ্যা = ৮
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতি = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতি
৪ অনুপাত ৬ = ৮ অনুপাত ক
সুতরাং,
৪ ÷ ৬ = ৮ ÷ ক
৪ × ক = ৬ × ৮
উত্তর: ক = ১২
সঠিক উত্তর: D) ৪x − ৫y
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ১৬x^২ − ২৫y^২
দ্বিতীয় রাশি = ১২ax − ১৫ay
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে পাই, (৪x)^২ − (৫y)^২
উৎপাদকের সূত্র প্রয়োগ করে পাই, (৪x + ৫y)(৪x − ৫y)
অতএব,
দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই, ৩a(৪x − ৫y)
উভয় রাশি বিশ্লেষণ করে সাধারণ উৎপাদক বের করি
সুতরাং,
প্রথম ও দ্বিতীয় রাশির মধ্যে সাধারণ অংশ হলো (৪x − ৫y)
উত্তর: ৪x − ৫y
সঠিক উত্তর: A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক একুশ দফার দাবিনামার প্রথম ও প্রধান দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি সম্মান এবং বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন হিসেবে এই দফাকে সবার উপরে রাখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
B) পাটকল জাতীয়করণ করা — পাটকল জাতীয়করণ ২১ দফার অন্তর্ভুক্ত ছিল না, এটি অর্থনীতি সম্পর্কিত অন্য একটি দাবি ছিল।
C) চাকরিতে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করা — এটি ২১ দফার একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না।
D) পূর্ব পাকিস্তানের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা — এটি আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার দাবি হলেও প্রথম দফা হিসেবে নির্ধারিত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তফ্রন্টের একুশ দফার শুরুতে মাতৃভাষার অধিকারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল, তাই রাষ্ট্রভাষার দাবিটিই ছিল প্রথম দফা।
সঠিক উত্তর: C) চিকুনগুনিয়া
কেন সঠিক:
- এডিস মশা এডিস ইজিপ্টাই এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস প্রজাতি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের প্রধান বাহক হিসেবে কাজ করে।
- এই ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করলে তীব্র জ্বর, জয়েন্টে ব্যথা ও গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোদ রোগ — এটি কিউলেক্স প্রজাতির মশার কামড়ে ছড়ায় এবং ফাইলেরিয়া কৃমির কারণে এই রোগ হয়।
B) ম্যালেরিয়া — এটি অ্যানোফিলিস প্রজাতির স্ত্রী মশার কামড়ে মানবদেহে প্লাজমোডিয়াম পরজীবী প্রবেশের ফলে হয়।
C) চিকুনগুনিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই রোগটি এডিস মশার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
D) ফাইলেরিয়া — এটি কিউলেক্স মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি এক ধরনের কৃমিজনিত রোগ।
মনে রাখার টিপস:
এডিস মশার কামড়েই মূলত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ ছড়ায়।
সঠিক উত্তর: C) ১৯২০ সালে
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে উনিশ শতকে নারীদের ভোটাধিকার ছিল না এবং দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯২০ সালের ১৮ আগস্ট এই অধিকার নিশ্চিত করা হয়।
- ১৯২০ সালে পাস হওয়া উনিশতম সংশোধনী অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটাধিকার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮২০ সালে — এই সময়ে মার্কিন নারীদের ভোটাধিকারের কোনো আইনি স্বীকৃতি বা জাতীয় আন্দোলন সফল হয়নি।
B) ১৮২১ সালে — এটি ভুল সাল কারণ এই সময়ে নারীদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক সংশোধনী পাস হয়নি।
C) ১৯২০ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ১৯২১ সালে — এটি ভুল কারণ এক বছর আগেই ১৯২০ সালে মার্কিন নারীরা ভোটাধিকার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা ভোটাধিকার পান বিশের দশকে, অর্থাৎ ১৯২০ সালে।
সঠিক উত্তর: A) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়।
- নারীর অধিকার রক্ষা এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে এই দিনটি উদযাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা নারীর অধিকার ও সমতার প্রতীক।
B) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়, নারী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
সি) ১০ ডিসেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা নারী দিবসের তারিখ নয়।
ডি) ৮ সেপ্টেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের আট তারিখে নারী দিবস মনে রাখতে আট সংখ্যাটিকে নারীর আটপৌরে জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
কেন সঠিক:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড বা জিএফসি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামোগত কনভেনশনের আওতায় গঠিত বৈশ্বিক তহবিল।
- ২০১০ সালে এই তহবিল গঠনের পর এর সদর দপ্তর হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন শহরের সোংদো এলাকা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া — এটি জিএফসি তহবিলের নির্ধারিত ও অনুমোদিত স্থায়ী সদর দপ্তর।
B) প্যারিস, ফ্রান্স — এটি ওইসিডি এবং ইউনেস্কোসহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও জিএফসি এখানে অবস্থিত নয়।
C) ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া — এটি ওপেক ও শিল্প উন্নয়ন সংস্থার সদর দপ্তর, তবে জলবায়ু তহবিলের জন্য নয়।
D) ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফের সদর দপ্তর, কিন্তু জিএফসির সদর দপ্তর এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর কোরিয়ায় অবস্থিত, এটি মনে রাখতে কোরিয়ান জলবায়ু তহবিল এই সংক্ষিপ্ত সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) মিথানয়িক এসিড
কেন সঠিক:
- পিঁপড়া ও মৌমাছির হুলে মিথানয়িক এসিড বা ফরমিক এসিড থাকে, যা কামড়ের পর ত্বকে প্রবেশ করে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে।
- এই এসিড কামড়ের স্থানে তীব্র ব্যথা এবং ফুসকুড়ি বা প্রদাহের জন্ম দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি মূলত ভিটামিন সি, যা লেবু ও আমলকীতে থাকে এবং এটি কামড়ের বিষে থাকে না।
B) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া যায়, যা পিঁপড়া বা মৌমাছির কামড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) মিথানয়িক এসিড — এটিই সঠিক উত্তর, যা পিঁপড়া ও মৌমাছির কামড়ে থাকে।
D) টারটারিক এসিড — এটি তেঁতুলে পাওয়া যায়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পিঁপড়া কামড়ালে জ্বলে বেশি, মিথানয়িক এসিড দেয় বিষ।
সঠিক উত্তর: D) কাতার
কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ২১তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি আরব বিশ্বে আয়োজিত প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — জার্মানি অতীতে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করেছিল, ২০২২ সালের স্বাগতিক দেশ নয়।
B) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা ২০২২ সালের বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল হলেও এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল না।
C) মেক্সিকো — মেক্সিকো অতীতে বিশ্বকাপ আয়োজন করলেও ২০২২ সালের টুর্নামেন্ট সেখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ টুর্নামেন্টটি এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির দেশ কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) আমেরিকার রাষ্ট্রপতির বিমান
কেন সঠিক:
- এয়ারফোর্স ওয়ান আমেরিকার রাষ্ট্রপতির বহনকারী যেকোনো বিমানকে বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত একটি কলসাইন।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী বা এয়ারফোর্স এই বিশেষ বিমানগুলো পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বিমান — ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর জন্য কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষভাবে নামকৃত রাষ্ট্রীয় বিমান নেই, তারা সাধারণত বাণিজ্যিক বা সামরিক বিমান ব্যবহার করেন।
B) রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির বিমান — রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির ব্যবহৃত সরকারি বিমানগুলোকে সাধারণত রাশিয়ান এয়ার ক্রাফট বলা হয়, যার নির্দিষ্ট কোড নাম ইল্যুশিন।
C) আমেরিকার রাষ্ট্রপতির বিমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) স্পেনের রানির বিমান — স্পেনের রাজপরিবার বা সরকার যাতায়াতের জন্য স্প্যানিশ এয়ার ফোর্সের বিমান ব্যবহার করে, যার আলাদা কোনো বিশেষ নাম নেই।
মনে রাখার টিপস:
আমেরিকার রাষ্ট্রপতির এয়ারফোর্স এবং এয়ারফোর্স ওয়ান নাম দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) র্যান্ড
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি মুদ্রার নাম র্যান্ড এবং এর আন্তর্জাতিক মুদ্রা কোড হলো জেডএআর।
- দেশটি ১৯৬১ সাল থেকে এই মুদ্রা ব্যবহার করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রোনার — এটি ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেনের মুদ্রার নাম, যা দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবহৃত হয় না।
B) ক্রুজিরা — এটি অতীতে ব্রাজিলের একটি মুদ্রার নাম ছিল, যার সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) পেশো — এটি আর্জেন্টিনা, চিলি এবং ফিলিপাইনসহ বেশ কয়েকটি লাতিন আমেরিকান দেশের মুদ্রা।
D) র্যান্ড — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার নির্ধারিত ও সঠিক মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে গেলে রান করতে হয়, আর সেখান থেকেই মনে রাখবেন তাদের মুদ্রার নাম র্যান্ড।
সঠিক উত্তর: B) ফ্যাদোমিটার
কেন সঠিক:
- ফ্যাদোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে মূলত পানির নিচে শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপের একক হলো ফ্যাদম, যা থেকে এই যন্ত্রের নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থার্মোমিটার — এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর বা পরিবেশের তাপমাত্রা পরিমাপের কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করার সঠিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্র।
C) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানুষের শরীরের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
D) রিকটার স্কেল — এটি ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের গভীরতা ফাতে মাপা হয়, এভাবে মনে রাখলে ফ্যাদোমিটার নামটি সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: A) ROM
কেন সঠিক:
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory, যা কম্পিউটারের একটি অ_প_রি_ব_র্ত_ন_ী_য় ও স্থায়ী স্মৃতি।
- কম্পিউটার বন্ধ করলেও এই মেমরিতে থাকা তথ্য বা ডেটা মুছে যায় না, তাই একে স্থায়ী স্মৃতি বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ROM — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে কাজ করে।
B) RAM — এটি একটি অস্থায়ী স্মৃতি বা প্রাইমারি মেমরি, যা কম্পিউটার বন্ধ করলেই ডেটা মুছে ফেলে।
C) Hard Disc — এটি স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম হলেও একে সাধারণত কম্পিউটারের মূল বা স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে ধরা হয় না, এটি একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
D) Compact Disc — এটি অপটিক্যাল ডিস্ক বা পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইস, কম্পিউটারের ভেতরের মূল স্থায়ী স্মৃতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী স্মৃতির জন্য Read Only বা ROM মনে রাখব, কারণ এটি পড়া যায় কিন্তু সহজে মোছা বা পরিবর্তন করা যায় না।
সঠিক উত্তর: B) ৫টি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
- স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্স, যাদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা চারটির বেশি।
B) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
C) ৬টি — স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ছয়টি নয়, এই সংখ্যাটি সঠিক সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি।
D) ৭টি — স্থায়ী সদস্য সংখ্যা সাতটি নয়, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নির্দিষ্টভাবে পাঁচটি।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশকে মনে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্সের প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) সক্রেটিস
কেন সঠিক:
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের মতে নৈতিকতা এবং জ্ঞান একই বিষয়, যার অর্থ প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে সৎ হতে বাধ্য করে।
- তার বিখ্যাত এই দর্শন অনুসারে অজ্ঞতাই সকল পাপের মূল এবং সৎ কাজের পেছনে সঠিক জ্ঞান কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সক্রেটিস — এই উক্তিটির মূল প্রবক্তা এবং প্রাচীন গ্রিক দর্শনের অন্যতম প্রধান দার্শনিক।
B) প্লেটো — তিনি সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে আদর্শ রাষ্ট্র ও তত্ত্ব নিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেন।
C) জন লক — তিনি আধুনিক উদারতাবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ দর্শনের জনক এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত।
D) এরিস্টটল — তিনি প্লেটোর শিষ্য এবং জীববিজ্ঞান, রাজনীতি ও যুক্তিতত্ত্বের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সৎ মানুষ হতে হলে জ্ঞান অর্জন করতে হয়, এই কথাটি প্রথম বলেছিলেন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস।
সঠিক উত্তর: B) কৌটিল্য
কেন সঠিক:
- অর্থশাস্ত্র প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতি সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা কৌটিল্য বা চাণক্যের রচনা।
- এই গ্রন্থে প্রাচীন মৌর্য সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থা, কূটনীতি এবং আইন প্রণয়নের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল ফজল — তিনি মোগল সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন এবং আইন ই আকবরী গ্রন্থের রচয়িতা।
B) কৌটিল্য — এটি সঠিক উত্তর, তিনি প্রাচীন ভারতের চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত।
C) ইবনে খালদুন — তিনি বিখ্যাত আরব সমাজবিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ এবং মুকাদ্দিমা গ্রন্থের রচয়িতা।
D) দীনেশ চন্দ্র সেন — তিনি বিখ্যাত বাঙালি গবেষক ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য এবং ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক।
মনে রাখার টিপস:
কৌটিল্য বা চাণক্যের বুদ্ধিমত্তা ও কূটনীতি যেমন বিখ্যাত, তেমনি তার রচিত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম অর্থশাস্ত্র।
সঠিক উত্তর: A) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- তক্ষশীলা প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র ছিল।
- বর্তমান ভূগোলে ঐতিহাসিক এই স্থানটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তক্ষশীলা বর্তমান পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত।
B) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ নেপালে বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্র স্থান লুম্বিনী অবস্থিত, তক্ষশীলা নয়।
C) শ্রীলংকা — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ শ্রীলংকায় প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার অনেক নিদর্শন থাকলেও তক্ষশীলা সেখানে অবস্থিত নয়।
D) ভারত — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ প্রাচীন তক্ষশীলা ভারতীয় উপমহাদেশে থাকলেও বর্তমান সীমানায় এটি পাকিস্তানে পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
তক্ষশীলার ‘ত’ অক্ষরটি মনে রেখে মনে রাখতে পারেন প্রাচীন এই শিক্ষা কেন্দ্রটি বর্তমানে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) লেবার পার্টি
কেন সঠিক:
- সাম্প্রতিক ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি বিশাল জয়লাভ করে দীর্ঘ চৌদ্দ বছর পর ক্ষমতায় আসে।
- দলটির নেতা কেয়ার স্টারমার এই নির্বাচনে জয়লাভ করে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেবার পার্টি — এটি বর্তমান বিজয়ী দল এবং নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
B) ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন — এটি মূলত উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল, যা ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান সরকার গঠনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না।
C) স্কটিশ এলায়েন্স — এটি স্কটল্যান্ডের একটি রাজনৈতিক জোট বা প্রেক্ষাপট, যা ব্রিটিশ জাতীয় সাধারণ নির্বাচনে এককভাবে ক্ষমতা দখলকারী প্রধান দল নয়।
D) কনজারভেটিভ পার্টি — এটি পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীণ দল, যা সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিটেনের নির্বাচনে পরিবর্তন এসেছে, লেবার পার্টির নেতা কেয়ার স্টারমার নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
সঠিক উত্তর: C) মারমা
কেন সঠিক:
- জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমা উপজাতির পরেই মারমা উপজাতির অবস্থান, যা তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি হিসেবে চিহ্নিত করে।
- মারমা সম্প্রদায় প্রধানত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে এবং তাদের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান উপজাতি হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম নয়।
B) চাকমা — এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, তাই দ্বিতীয় বৃহত্তম হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) মারমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ জনসংখ্যার বিচারে এরা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
D) রাখাইন — এই উপজাতিটি প্রধানত পটুয়াখালী, বরগুনা ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে এবং এরা দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের উপজাতিতে প্রথম চাকমা এবং দ্বিতীয় মারমা, এভাবে ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) যশোর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মুক্ত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা।
- এই জয়ের ফলে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তাঞ্চল গঠিত হয় এবং বিজয়ের গতি ত্বরান্বিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাগুরা — এটি বাংলাদেশের একটি জেলা হলেও মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
B) মেহেরপুর — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান হলেও প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
C) যশোর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম শত্রুমুক্ত হয়।
D) ময়মনসিংহ — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
যশোর প্রথমে শত্রুমুক্ত হয় ৬ ডিসেম্বর, তাই মনে রাখুন ৬ মানে ছয় শত্রু জয়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার কতৃক প্রতিবছর ১৯ জানুয়ারি তারিখে জাতীয় শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।
- শিক্ষকদের সম্মান জানাতে এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এই দিনটি নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ জানুয়ারি — এটি নির্ধারিত জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত সঠিক তারিখ।
B) ২০ জানুয়ারি — এটি জাতীয় শিক্ষক দিবসের জন্য নির্ধারিত কোনো ঐতিহাসিক বা স্বীকৃত দিন নয়।
C) ২১ জানুয়ারি — এটি শিক্ষক দিবস নয়, তবে অন্য কোনো সাধারণ বা জাতীয় দিবস হতে পারে।
D) ২২ জানুয়ারি — এটি শিক্ষক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সরকারিভাবে ঘোষিত দিন নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষক দিবসের তারিখ মনে রাখতে সাল নয়, শুধু মাস জানুয়ারির ১৯ তারিখ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন ‘ডি’
কেন সঠিক:
- সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানবদেহের ত্বকে ভিটামিন ডি সংশ্লেষিত বা তৈরি হয়।
- এটি হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘এ’ — এটি মূলত গাজর, কলিজা ও সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায় এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে, সূর্যরশ্মি থেকে সরাসরি তৈরি হয় না।
B) ভিটামিন ‘বি’ — এটি বিভিন্ন দানাশস্য, মাংস ও দুধজাত খাবারে পাওয়া যায় এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিক রাখে, যা সূর্যালোক থেকে উৎপন্ন হয় না।
C) ভিটামিন ‘ই’ — এটি বাদাম, বীজ ও উদ্ভিজ্জ তেলে পাওয়া যায় এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, সূর্যকিরণ এর প্রধান উৎস নয়।
D) ভিটামিন ‘ডি’ — এটি সূর্যরশ্মির উপস্থিতিতে ত্বকে তৈরি হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সূর্য থেকে আলো ও শক্তি পাই, আর সূর্যকিরণ থেকে পাই ভিটামিন ডি, যা আমাদের হাড় শক্ত রাখে।
সঠিক উত্তর: B) ৪১তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে দুটি সাবমেরিন যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ একাত্তরতম দেশ হিসেবে সাবমেরিনের যুগে পদার্পণ করে।
- ২০১৬ সালের চৌদ্দই নভেম্বর চীন থেকে সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০তম — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ সাবমেরিন পরিচালনাকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ ৪০তম স্থানে ছিল না।
B) ৪১তম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই ক্রমিক অনুযায়ী সাবমেরিন যুগে প্রবেশ করে।
C) ৪২তম — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ একাত্তরতম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে, বিয়াল্লিশতম নয়।
D) ৪৩তম — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ সাবমেরিন অর্জনকারী দেশ হিসেবে তেতাল্লিশতম স্থানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সাবমেরিন যুগে প্রবেশ করে একাত্তরতম দেশ হিসেবে, যেখানে সংখ্যা দুটি উল্টালে ৪১ হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৩টি
কেন সঠিক:
- জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক শিক্ষার স্তর মূলত তিনটি অর্থাৎ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা।
- প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত থাকায় প্রধান শিক্ষার স্তর তিনটি হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — বাংলাদেশের শিক্ষার প্রচলিত ও আনুষ্ঠানিক প্রধান স্তর চার্চি নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ৫টি — শিক্ষার স্তর পাঁচটি বলা হলেও জাতীয় শিক্ষানীতির কাঠামো অনুযায়ী প্রধান স্তর তিনটি।
C) ৬টি — শিক্ষা স্তরের সংখ্যা ছয়টি সঠিক নয়, এটি ভুল তথ্য প্রদান করে।
D) ৩টি — এটি সঠিক কারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রধানত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এই তিনটি স্তরে বিভক্ত।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষার প্রধান সিঁড়ি তিনটি মনে রাখুন, প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পেরিয়ে উচ্চশিক্ষায় পৌঁছানো যায়।
সঠিক উত্তর: D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি রচনা করেন।
- ২০১২ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত স্মৃতির বিবরণ উঠে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজউদ্দিন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা ছিলেন, কিন্তু এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে এই আত্মজীবনী তাঁর নয়।
C) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট জাতীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসমাপ্ত কাজ বা আত্মজীবনী লিখে গেছেন, তাই অসমাপ্ত আত্মজীবনী দেখলে তাঁর নাম মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে নয়, বরং সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের লালাখাল বা শ্রীপুর নয়, বরং মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল অথবা স্থানভেদে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। তবে প্রচলিত সাধারণ জ্ঞান বই অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় সিলেটের লালখান নয়, বরং সিলেটের জৈন্তাপুরের শ্রীপুর বা সুনামগঞ্জের ছাতকে। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্ন ও উত্তরটি সংশোধন সাপেক্ষ। ভৌগোলিক তথ্যানুযায়ী সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় অথবা সুনামগঞ্জে।
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থান ও পাহাড়ি ঢালের কারণে উত্তরপূর্বাঞ্চলে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত ঘটে।
- ভারতের খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় মেঘের পুঞ্জীভূতকরণের ফলে এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেটের লালাখালে — এটি একটি সুন্দর পর্যটন স্থান হলেও এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হওয়া নির্ধারিত স্থান নয়।
B) নাটোরের লালপুরে — এটি মূলত বাংলাদেশের উষ্ণতম ও সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলের একটি হিসেবে পরিচিত।
C) মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ডে — এটি একটি বিখ্যাত জলপ্রপাত ও পর্যটন কেন্দ্র, তবে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের জন্য এটি পরিচিত নয়।
D) রাজশাহীর তানোরে — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম কম বৃষ্টিপাত ও খরাপ্রবণ এলাকা।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে, আর সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয় নাটোরের লালপুর ও রাজশাহীতে।
সঠিক উত্তর: A) ৫১৩৮ কি.মি.
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কি.মি. এবং ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি. হলেও মোট সীমানার মধ্যে সমুদ্রসীমা যুক্ত করে প্রাতিষ্ঠানিক ও পাঠ্যপুস্তকের প্রামাণিক তথ্য অনুযায়ী মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কি.মি. ধরা হয়।
- এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি., মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ২৭১ কি.মি. এবং বঙ্গোপসাগরের জলসীমা বা উপকূলীয় দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি. যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫১৩৮ কি.মি. — এটি বাংলাদেশের স্থল ও জলসীমা সহ মোট সীমানার সঠিক এবং প্রামাণিক দৈর্ঘ্য।
B) ৫১২০ কি.মি. — এটি কোনো সঠিক প্রামাণিক বা প্রাতিষ্ঠানিক সীমান্ত পরিমাপের সঙ্গে মেলে না।
C) ৪৫০০ কি.মি. — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের প্রকৃত সীমান্ত দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম এবং ভুল।
D) ৪৩০০ কি.মি. — এটি কেবল স্থলসীমান্তের কাছাকাছি হলেও মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য হিসেবে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ নামের মোট সীমার দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কি.মি., যেখানে ৫ দিয়ে শুরু এবং শেষ সংখ্যাটি ৮।
সঠিক উত্তর: C) কুলটা
কেন সঠিক:
- কুলটা শব্দটি কোনো সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয়নি।
- এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা প্রচলিত নিয়মের বাইরে সাধিত হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণগত নিয়ম: যে সমস্ত সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মানে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
- সাহিত্য প্রসঙ্গ: বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের শব্দগুলোকে প্রাকসিদ্ধ বা ব্যতিক্রম হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।
- উদাহরণ: কুল + অটা = কুলটা, গোষ্পদ, মার্তণ্ড ইত্যাদি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পাবক — এটি পৌ + অক সমান পাবক, যা অনাদি আদি সন্ধির নিয়মিত নিয়মে সাধিত হয়েছে।
- B) শাবক — এটি শাপ + অক সমান শাবক, যা ব্যঞ্জনসন্ধির নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
- C) কুলটা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে নিয়মের ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য।
- D) গায়ক — এটি গৈ + অক সমান গায়ক, যা অয়াচ সন্ধির নিয়মিত নিয়মে সাধিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- নিপাতনে সিদ্ধ শব্দগুলো সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয় কারণ এগুলো কোনো সূত্র মানে না।
সঠিক উত্তর: B) শারী
১. কেন সঠিক:
শুক শব্দের অর্থ হলো পুরুষ টিয়া পাখি এবং এর স্ত্রীবাচক শব্দ হলো শারী বা সারী।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ ভিন্ন শব্দের মাধ্যমে গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক বা পুরুষবাচক হয় অথবা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বসে।
শুক একটি তৎসম শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ তৈরিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ শারী ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষাঁড় - গাভী
ব্যাখ্যা: ষাঁড় শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ গাভী, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: নর - নারী
ব্যাখ্যা: নর শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ নারী, যা লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ভিন্ন শব্দের রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সারী — বানানটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এই শব্দে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত স ব্যবহার করা হয়েছে।
C) শুকী — শুক শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরির এই গঠনটি বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে সিদ্ধ নয়।
D) সারা — সারা শব্দটি শুক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ নয় এবং এর অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা।
৫. মনে রাখার টিপস:
শুক ও শারী উভয় শব্দেই তালব্য শ এবং মূর্ধন্য ষ এর সঠিক ব্যবহার মনে রাখতে হবে।
পুরুষ টিয়া হলো শুক এবং স্ত্রী টিয়া হলো শারী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিন্ন শব্দে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষাদ্বন্দ্বে ফেলে।
শুক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ লেখার সময় বানান ভুল এড়াতে শারী বানানটি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) মেধাবিনী
১. কেন সঠিক:
মেধাবী শব্দের সাথে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ মেধাবিনী গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দের শেষে থাকাাবী বাৎাবী পরিবর্তন করেবিনী বা মানী যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষোবী থাকলে স্ত্রীলিঙ্গ করার সময়তা পরিবর্তন করেবিনী হয়। যেমন মেধাবী থেকে মেধাবিনী এবং গুণাবী থেকে গুণাবিনী। এটি প্রত্যয় সাধিত লিঙ্গ পরিবর্তনের একটি বিশেষ নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গুণাবী থেকে গুণাবিনী
ব্যাখ্যা: এখানে পুংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষেরাবী প্রত্যয় পরিবর্তন হয়েবিনী যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তপস্বী থেকে তপস্বিনী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই ব্যাকরণগত নিয়মেী প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অরণ্যানী — এটি কোনো লিঙ্গান্তরের শব্দ নয়, বরং অরণ্য শব্দের সাথে মহৎ অর্থে আণী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অরণ্যানী বা বিশাল বন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
B) চাকরানী — এই শব্দটিতে চাকর শব্দের সাথে দীর্ঘী বা আনি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়েছে, যা প্রচলিত কথ্য বা তদ্ভব রূপের অন্তর্ভুক্ত।
C) ভাগনী — এটি ভাগনে শব্দের সাথে নী বা ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, যা এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট নিয়মের সাথে মেলে না।
D) মেধাবিনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিয়ম অনুযায়ীবী প্রত্যয় পরিবর্তিত হয়েবিনী হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষোবী থাকলে স্ত্রীলিঙ্গ করার সময় তা পরিবর্তন করেবিনী করবে। যেমন মেধাবী থেকে মেধাবিনী এবং প্রবাসী থেকে প্রবাসিনী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের লিঙ্গান্তর থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাইাবীান্ত শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ করার সময়বিনী রূপের ব্যবহার ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ইতিহাসবেত্তা
১. কেন সঠিক:
- ইতিহাস বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা রাখেন যিনি, তাকে এক কথায় ইতিহাসবেত্তা বলা হয়।
- এখানে 'বেত্তা' শব্দের অর্থ অভিজ্ঞ, জ্ঞানী বা পন্ডিত ব্যক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যমেই ভাষার সৌন্দর্য ও সংক্ষেপণ রক্ষা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইতিহাস রচনা করেন যিনি = ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা: যিনি ইতিহাস লেখেন বা ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করে গ্রন্থ রচনা করেন, তাকে ঐতিহাসিক বলা হয়।
উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো ঘটেূত হয়নি = অভূতপূর্ব
ব্যাখ্যা: কোনো ঘটনা বা বিষয়ের অভিনবত্ব বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতিহাসসচেতন — এই শব্দের অর্থ যিনি ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন বা জানেন, কিন্তু অভিজ্ঞ বা পন্ডিত বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয় না।
B) ঐতিহাসিক — ঐতিহাসিক বলতে মূলত যিনি ইতিহাস রচনা করেন বা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন কোনো স্থান বা বস্তুকে বোঝায়।
D) চিন্তাবিদ — চিন্তাবিদ অর্থ যিনি গভীর চিন্তা করেন বা দার্শনিক মতবাদ পোষণ করেন, ইতিহাসের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বেত্তা শব্দের অর্থ জ্ঞানী বা অভিজ্ঞ, তাই ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ বুঝলে ইতিহাসবেত্তা হবে।
- রচনা করেন যিনি ঐতিহাসিক, আর অভিজ্ঞ বা পন্ডিত হলে ইতিহাসবেত্তা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ বুঝতে পারলে উত্তর করা সহজ হয়।
- বিগত সালের বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন বারবার আসে।
সঠিক উত্তর: D) আকুঞ্চন
১. কেন সঠিক:
- প্রসারণ শব্দের অর্থ কোনো কিছু ছড়িয়ে দেওয়া, বড় করা বা প্রসারিত করা।
- এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে আকুঞ্চন শব্দটি, যার অর্থ কুঁচকে যাওয়া বা সংকুচিত হওয়া।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ব্যাকরণে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বিপরীত শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভাষার প্রমিত রীতি মেনে চলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংকোচন
ব্যাখ্যা: এটিও প্রসারণ শব্দের একটি উপযুক্ত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ ২: কুঞ্চন
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন বা কুঞ্চন উভয় শব্দই কোনো কিছু সংকুচিত করার অবস্থাকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপ্রসারণ — এটি প্রসারণ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয় বরং এটি একটি অপ্রচল ও অগ্রহণযোগ্য শব্দ গঠন।
B) অপসরণ — এর অর্থ কোনো স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া বা প্রস্থান করা, যা প্রসারণের বিপরীত নয়।
C) আকিঞ্চন — এর অর্থ তীব্র ইচ্ছা বা প্রার্থনা, যা প্রসারণ শব্দের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) আকুঞ্চন — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হওয়ায় অন্য অপশনগুলোর তুলনায় এটিই গ্রহণযোগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- প্রসারণ মানে বড় হওয়া, আর আকুঞ্চন মানে ছোট বা সংকুচিত হওয়া।
- প দিয়ে শুরু শব্দের বিপরীত ভাব মনে রাখতে প্রমিত শব্দকোষের সাহায্য নেওয়া ভালো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দার্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলে বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) নভ
কেন সঠিক:
১. অম্বর শব্দের আক্ষরিক অর্থ আকাশ বা শূন্যস্থান।
২. নভ শব্দের অর্থও আকাশ, তাই এটি অম্বর শব্দের সঠিক সমার্থক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. সমার্থক শব্দ ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২. প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাব্যে আকাশ বোঝাতে অম্বর ও নভ শব্দ দুটি সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. যেমন, মেঘমুক্ত আকাশ বোঝাতে অনেক সময় নীল অম্বর বা নীল নভ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চন্দ্র — চন্দ্র শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাতের আকাশে দেখা যায় কিন্তু আকাশ নিজে নয়।
B) সূর্য — সূর্য একটি নক্ষত্র যা দিনে আলো দেয়, এটি আকাশের সমার্থক শব্দ নয়।
C) নভ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) মেঘ — মেঘ হলো আকাশে ভেসে বেড়ানো জলীয় বাষ্পের কণা, যা অম্বর বা আকাশের সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
১. অম্বর ও নভ উভয় শব্দই আকাশ বা গগনকে বোঝায়।
২. আকাশের সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে নভ, অম্বর, আকাশ ও গগন এক সাথে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: C) বিভক্তহীন নাম শব্দ
১. কেন সঠিক:
- প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নাম শব্দ বা মূল শব্দ, যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
- এটি মূলত শব্দের মূল রূপ, যা বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করার জন্য বিভক্তি গ্রহণের অপেক্ষা করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপাদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ বা শব্দের মূল রূপ।
- বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মূল রূপকে প্রাতিপাদিক বলা হয়, যা প্রত্যয়ান্ত বা অপ্রত্যয়ান্ত হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: কলম একটি নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপাদিক।
উদাহরণ ২: ফুল
ব্যাখ্যা: ফুল শব্দটিতে কোনো বিভক্তি বা প্রত্যয় নেই, এটি একটি স্বাধীন ও বিভক্তহীন নাম শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সধিত শব্দ — সধিত শব্দ হলো সাধিত শব্দ, যা প্রাতিপাদিক বা মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত করে গঠিত হয়।
B) বিভক্তিযুক্ত শব্দ — বিভক্তিযুক্ত শব্দকে পদ বলা হয়, যা প্রাতিপাদিক নয়।
C) বিভক্তহীন নাম শব্দ — এটি সঠিক কারণ প্রাতিপাদিকের সঙ্গে কোনো বিভক্তি থাকে না।
D) প্রত্যয়যুক্ত শব্দ — প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধিত শব্দ হতে পারে, যা সরাসরি বিভক্তহীন নাম শব্দের সংজ্ঞা নির্দেশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপাদিক মানে প্রারম্ভিক রূপ বা মূল শব্দ, যার সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না।
- পরীক্ষার হলে মনে রাখবে বিভক্তিহীন নাম শব্দই হলো প্রাতিপাদিক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রাতিপাদিক এবং পদের মধ্যে পার্থক্য হলো পদে বিভক্তি থাকে আর প্রাতিপদিক বিভক্তহীন হয়।
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দ ও পদ প্রকরণ থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) নীল + ইমন
কেন সঠিক:
১. নীল শব্দের সাথে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নীলিমা শব্দটি গঠিত হয়।
২. এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম যেখানে গুণ বা ভাব বোঝাতে এই প্রত্যয় বসে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
২. এখানে নীল একটি বিশেষণ পদ যার সাথে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
৩. যেমন, মহৎ + ইমন = মহিমা, লঘু + ইমন = লঘিমা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নীল + মা — মা কোনো সঠিক তদ্ধিত প্রত্যয় নয়।
B) নীল + ইমন — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়মাগতভাবে শুদ্ধ।
C) নী + ইলিমা — মূল শব্দ এবং প্রত্যয়ের গঠন সঠিক নয়।
D) নিলী + ইমা — এখানে মূল শব্দ নীল এর পরিবর্তে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. অন্তে ইমা যুক্ত শব্দ দেখলে ইমন প্রত্যয় অনুমান করবে।
২. মূল শব্দ চিনে সঠিক প্রত্যয় নির্ধারণ করা অভ্যাসের মাধ্যমে আয়ত্ত করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- যে বহুব্রীহি সমাসে ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র সরাসরি খাটেনা এবং তা প্রথাগত নিয়ম ভেঙে নিপাতনে বা প্রাকৃতিকভাবে সিদ্ধ হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস বলে।
- অন্তরীপ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো অন্তরে দ্বীপ যার, যা ব্যাকরণের সাধারণ বহুব্রীহি নিয়মের বাইরে প্রাকৃতিকভাবে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদগুলোর অর্থ পরিবর্তন হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে এবং কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত সূত্রের অধীনে পড়ে না, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি বলে।
- এটি মূলত ভাষার দীর্ঘ ব্যবহার ও প্রথার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়, যেখানে সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্তর্গত
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো অন্তরে গত যা, যা নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: দ্বীপান্তর
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য দ্বীপ অন্য যা বা অন্তরে দ্বীপ যার আদলে নিপাতনে সিদ্ধ প্রক্রিয়ায় গঠিত শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রত্যয়াস্ত বহুব্রীহি — এই সমাসে সমস্তপদের শেষে আ, ই, এ ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয়, যা অন্তরীপ শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি — এই সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য হয়, যা এখানে নেই।
D) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি — এই সমাসের উভয় পদই যদি ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তিযুক্ত হয় তবে তাকে ব্যধিকরণ বলে, যা অন্তরীপ শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অন্তরীপ ও অন্তর্গত শব্দ দুটি দেখলে চোখ বন্ধ করে নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
- ব্যকরণগত সাধারণ নিয়ম না মানলেই তা নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিশেষ করে অন্তরীপ ও অন্তর্গত শব্দ দুটি বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার পুনরাবৃত্তি হয়।
সঠিক উত্তর: A) উপপদ তৎপুরুষ
কেন সঠিক:
- কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের মিলনে এই সমাস গঠিত হয়।
- সমাসবদ্ধ পদের প্রথম অংশটি উপপদ এবং পরের অংশটি কৃদন্ত পদ হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়।
- কৃদন্ত পদের আগের পদটিকে উপপদ বলে।
- যেমন: পঙ্কে জন্ম যার = পঙ্কজ, এখানে পঙ্ক হলো উপপদ এবং জ হলো কৃদন্ত পদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) উপপদ তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর।
- B) উপমান কর্মধারয় — সাধারণ গুণের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝাতে এই সমাস হয়।
- C) উপমিত কর্মধারয় — সাধারণ গুণ উল্লেখ না করে উপমেয়ের সাথে উপমানের তুলনা করা হলে এটি হয়।
- D) নিত্য সমাস — যে সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
- প্রশ্নের মধ্যে কৃদন্ত পদ ও উপপদ শব্দ দুটি থাকলে চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ সমাস দাগাবে।
সঠিক উত্তর: D) অপাদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- এখানে 'রাঘবে' শব্দের অর্থ রাঘব বা রামচন্দ্র থেকে। ভয় পাওয়ার ক্ষেত্রে যার থেকে ভয় উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়।
- বাক্যে ভয়ের উৎস বা ভীতি বোঝাতে অপাদান কারক হয় এবং শব্দের সাথে 'এ' বা 'তে' বিভক্তি থাকলে তা ৭মী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহীত, উৎপাদিত, রক্ষিত বা ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- বাক্যে ডর বা ভয় পাওয়ার অর্থে যা থেকে ভয় পায়, তাতে অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে কে না ডরে?
ব্যাখ্যা: এখানে বাঘ থেকে ভয় পাওয়ার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অপাদানে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পাপী ভয়ে সরে থাকে।
ব্যাখ্যা: এখানে ভয়ের উৎস থেকে দূরে থাকার অর্থে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় ৭মী — কর্তা নিজে ক্রিয়া সম্পাদন করলে কর্তাকারক হয়, কিন্তু এখানে ভয় পাওয়ার উৎস বোঝানো হয়েছে।
B) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, কিন্তু এখানে কর্মের কোনো বিষয় নেই।
C) করণে ৭মী — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা করণ কারক, কিন্তু এখানে সাহাজ্যের কোনো বিষয় নেই।
D) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে ভয়ের উৎস বা ভীতি প্রকাশ পেয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে ভয়, রক্ষা বা দূর হওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- ডর বা ভয় শব্দের সাথে অপাদান কারকের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস পরীক্ষায় এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি থেকে প্রায়ই কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করতে দেওয়া হয়।
- ভীতিবাচক শব্দ থাকলে সবসময় অপাদান কারক হয়, এই নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ঐকদেশিক
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আধার বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং স্থান বা সীমার ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে আধারাধিকরণকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
কোনো নির্দিষ্ট বা বিশাল সীমানার মধ্যে যদি নির্দিষ্ট কোনো এক অংশে বা বিন্দুতে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তবে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলে এবং এটি সামীপ্য বা সান্নিধ্য অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
আধারাধিকরণ প্রধানত তিন প্রকার, যথা ঐকদেশিক, অভিব্যাপক এবং বৈষয়িক অধিকরণ।
যে কোনো স্থানে বা সমগ্র সীমানার কোনো এক অংশে ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলা হয়, যা মূলত সামীপ্য বা কাছাকাছি অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ আছে।
ব্যাখ্যা: বনের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা জায়গায় বাঘ আছে বোঝাচ্ছে, যা সমগ্র বন জুড়ে নয়।
উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে।
ব্যাখ্যা: পুকুরের সম্পূর্ণ জলরাশি জুড়ে মাছ না থেকে নির্দিষ্ট অংশে অবস্থান বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভিব্যাপক — বৃহৎ বা সমগ্র ক্ষেত্র জুড়ে কোনো কিছু ব্যাপ্ত থাকলে তাকে অভিব্যাপক অধিকরণ বলে, যা সামীপ্য অর্থ প্রকাশ করে না।
B) আধারাধিকরণ — এটি কারকের মূল প্রকার, যার একটি নির্দিষ্ট উপবিভাগ হলো ঐকদেশিক, তাই এটি সরাসরি সামীপ্য অর্থের সঠিক নাম নয়।
C) ঐকদেশিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ নির্দিষ্ট অংশ বা সামীপ্য অর্থে এই অধিকরণ ব্যবহৃত হয়।
D) কালাধিকরণ — সময় বা কাল নির্দেশক অধিকরণকে কালাধিকরণ বলে, যা স্থানের সামীপ্য বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্থান বা এলাকার যেকোনো এক অংশে বা কাছাকাছি কিছু থাকলে তাকে ঐকদেশিক বা এক দেশের অধিকরণ মনে রাখবে।
সমগ্র এলাকা জুড়ে ব্যপ্ত থাকলে তাকে অভিব্যাপক অধিকরণ হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পরীক্ষায় প্রায়ই বিভাজক প্রশ্ন আসে যেখানে পুকুর বা বনের উদাহরণ দিয়ে কোন অধিকরণ জানতে চাওয়া হয়।
স্থান ছোট বা নির্দিষ্ট অংশ বোঝালে সবসময় ঐকদেশিক অধিকরণ দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) রাজ্ + নী
১. কেন সঠিক:
- 'রাজ্ঞী' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাজ্ যোগ নী।
- এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মে জ বা জ্ এর সঙ্গে নী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাজ্ঞী শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি ও প্রত্যয় সংক্রান্ত একটি ব্যতিক্রমধর্মী ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী রাজা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ হলো রাজ্ঞী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সমাট যোগ ত্রী = সমাজ্ঞী
ব্যাখ্যা: এটি একই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি ও লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মের একটি উদাহরণ।
উদাহরণ ২: মহান যোগ নী = মহিষী
ব্যাখ্যা: এটি বিশেষ নিয়মে সাধিত শব্দের আরেকটি উদাহরণ যা পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজ্ + নী — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী রাজ্ঞী শব্দটির গঠন নিশ্চিত করে।
B) রাগ্ + নী — এখানে মূল শব্দ রাজ্ এর পরিবর্তে রাগ্ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) রাজ্ + জ্ঞী — এখানে জ্ঞী যুক্ত করা হয়েছে যা রাজ্ঞী শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) রাগ্ + জ্ঞী — এখানে মূল শব্দ ও প্রত্যয় উভয়ই ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রাজা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ মনে রাখার সময় রাজ্ এর সঙ্গে নী যুক্ত হয় এই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বিকল্পগুলোর বানান ভালোভাবে লক্ষ্য করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় লিঙ্গ পরিবর্তন বা সন্ধি হিসেবে আসে।
- প্রমিত বাংলা বানান এবং ব্যাকরণের নিয়ম মনে রাখলে এসব প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) বাগযন্ত্রের সাহায্যে
১. কেন সঠিক:
মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হলো ভাষা এবং এই ভাষা সৃষ্টির প্রধান চালিকাশক্তি হলো বাগযন্ত্র। বাক্প্রত্যঙ্গ বা বাগযন্ত্রের নিখুঁত ও সুশৃঙ্খল ব্যবহারের মাধ্যমেই কেবল অর্থপূর্ণ ধ্বনি বা ভাষার উৎপত্তি সম্ভব হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষা প্রকাশের জন্য মানবদেহের মুখগহ্বর, কণ্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ওষ্ঠ এবং নাসিকাসহ যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিনিয়ত কাজ করে, সেগুলোকে একত্রে বাগযন্ত্র বলা হয়। বাগযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত ধ্বনির সমষ্টিই মানুষের মুখে ভাষা হিসেবে রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমরা যখন মুখ দিয়ে অ বা ক উচ্চারণ করি, তখন আমাদের কণ্ঠনালী ও জিহ্বা একসঙ্গে কাজ করে।
ব্যাখ্যা: এটি বাগযন্ত্রের সরাসরি ব্যবহারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যা ভাষা সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
উদাহরণ ২: মানুষের মুখের কথা বা মৌখিক ভাষা সবসময় বাগযন্ত্রের উচ্চারণের ওপর নির্ভরশীল।
ব্যাখ্যা: বাগযন্ত্রের নিখুঁত চালনা ছাড়া কোনো মানবগোষ্ঠীই স্পষ্ট ও বোধগম্য ভাষা তৈরি করতে পারে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইঙ্গিতের সাহায্যে — ইশারা বা ইঙ্গিত যোগাযোগের একটি মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু এটিকে পরিপূর্ণ ও প্রাতিষ্ঠানিক ভাষা বলা যায় না।
B) ঠোঁটের সাহায্যে — ঠোঁট বাগযন্ত্রের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র, কিন্তু ভাষা সৃষ্টির জন্য কেবল ঠোঁটের ভূমিকা যথেষ্ট নয়।
C) কণ্ঠের সাহায্যে — কণ্ঠধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে ঠিকই, তবে একা কণ্ঠের সাহায্যে পূর্ণাঙ্গ ভাষা সৃষ্টি অসম্ভব।
D) বাগযন্ত্রের সাহায্যে — এটি সঠিক কারণ মুখগহ্বরের সব অঙ্গের সম্মিলিত রূপই হলো বাগযন্ত্র।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষা সৃষ্টির মূল উৎস হলো শরীরের কথা বলার যন্ত্রসমূহ, যাকে আমরা এককথায় বাগযন্ত্র বলি। মুখ ও গলার ভেতরের সব অঙ্গ মিলে ভাষা তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও ব্যাকরণের মূল ভিত্তি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে, ভাষার মৌলিক উপাদান ধ্বনি এবং ধ্বনি উৎপাদনের প্রধান সহায়ক হলো বাগযন্ত্র।
সঠিক উত্তর: A) সন্ধি
১. কেন সঠিক:
- সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনকে ব্যাকরণের পরিভাষায় সন্ধি বলা হয়।
- এর ফলে উচ্চারণের সুবিধা হয় এবং শব্দের গঠনে মাধুর্য আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হলো দ্রুত উচ্চারণে বা সহজে কথা বলার সময় দুটি ধ্বনির সংঘাত দূর করা।
- সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি আ এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে একটি আকার যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষ ধ্বনি অ এবং দ্বিতীয় শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি দুটি ধ্বনির মিলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
B) প্রত্যয় — এটি ধ্বনির মিলন নয়, বরং শব্দ বা ধাতুর পরে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া।
C) বচন — এটি ব্যাকরণে বিশেষ্য বা সর্বনামের সংখ্যা প্রকাশ করার পদ্ধতি বা নিয়ম।
D) সমাস — এটি ধ্বনির মিলন নয়, বরং অর্থসম্বন্ধ আছে এমন দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি এবং পদের মিলন মানেই সমাস।
- এই দুটি বিষয় পরীক্ষার সময় গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ধ্বনি পরিবর্তনের মূল সূত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) ভুবন
১. কেন সঠিক:
- ভুবন শব্দটির সঠিক বানান গঠনে উ-কার এবং ন ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে ভ, নিচে উ-কার এবং অন্তে ন বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের বানানে উ-কার এবং ন-ত্ব বিধান প্রযোজ্য হয়।
- ভুবন একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ পৃথিবী বা জগত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরুণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও উ-কার এবং ণ যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: কুরঙ্গ
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে সঠিক নিয়মে উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূবন — দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে কারণ ভুবন শব্দে সবসময় হ্রস্ব উ-কার বসে।
B) ভুবন — এটি সঠিক বানান।
C) ভুবণ — মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কারণে বানানটি ভুল হয়েছে কারণ এই শব্দে দন্ত্য ন হবে।
D) ভূবণ — দীর্ঘ ঊ-কার এবং মূর্ধন্য ণ উভয় ভুলই এই অপশনে রয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভুবন বানান মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন যে পৃথিবীর নিচে ছোট উ-কার এবং শেষে সোজা ন বসে।
- ছোট হাতের উ এবং ন দিয়ে ভুবন শব্দটি গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উ-কার ও ঊ-কার সংক্রান্ত বানান আসে।
- তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের বানান অনুশীলনের মাধ্যমে এ ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
১. কেন সঠিক:
প্রবাদ প্রবচন হিসেবে সমাজে বহুল প্রচলিত ও প্রতিষ্ঠিত রূপ হলো অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।
অধিক ব্যক্তির সমাগমে বা বহু লোকের অংশগ্রহণে কোনো ভালো কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়া বা পণ্ড হওয়া বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি একটি প্রচলিত প্রবাদ প্রবচন ও বাগধারাভিত্তিক প্রশ্ন যা বাক্যশুদ্ধির অন্তর্ভুক্ত।
প্রবাদ প্রবচনের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত শব্দরূপই প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চেনা বামুনের পৈতা লাগে না।
ব্যাখ্যা: এটি একটি পরিচিত প্রবাদ যার অর্থ স্পষ্ট বিষয়ের জন্য প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ ২: না নাচতে জানলে উঠান বাঁকা।
ব্যাখ্যা: এটি আরেকটি প্রবাদ যা নিজের অপারগতাকে অন্যের ওপর চাপানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনেক সন্ন্যাসিতে গাজন নষ্ট। — এখানে অনেক শব্দের পরিবর্তে প্রমিত প্রবাদে অধিক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
C) অনেক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট। — এই অপশনে অনেক শব্দের ব্যবহার এবং বানানরীতির কারণে সঠিক প্রবাদের সঙ্গে মেলে না।
D) অধিক সন্ন্যাসীতে গান নষ্ট। — এখানে গাজন শব্দের পরিবর্তে গান শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা অর্থ বদলে দেয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ প্রবচনের ক্ষেত্রে লোকমুখে প্রচলিত আদি রূপটি মনে রাখতে হবে।
শব্দ পরিবর্তন করে নতুন শব্দ বসালে প্রবাদটি ভুল বলে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ প্রবচনের নির্দিষ্ট শব্দরূপ পরিবর্তন করে বিভ্রান্ত করা হয়।
তাই প্রবাদ পড়ার সময় মূল শব্দ যেমন অধিক এবং গাজন শব্দগুলোর প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সে অনেক কথা
১. কেন সঠিক:
ইংরেজি কোনো প্রবাদ বা দীর্ঘ বর্ণনার ভাবানুবাদ করার সময় আক্ষরিক অনুবাদ না করে ভাবানুবাদ করা হয়।
It is a long story বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ অনেক বড় গল্প হলেও বাংলায় এর প্রচলিত ও ভাবার্থমূলক সঠিক অনুবাদ হলো সে অনেক কথা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত ভাবানুবাদ বা Idiomatic Translation এর আওতাভুক্ত, যেখানে শব্দের হুবহু অর্থ না ধরে মূল ভাব প্রকাশ করা হয়।
ইংরেজির প্রচলিত অনেক কথ্য রূপ বাংলায় ভাবানুবাদের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হয়, যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Let bygones be bygones
ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো গত পত কথা ভুলে যাও বা যা হবার হয়েছে।
উদাহরণ ২: It is hard nut to crack
ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো এটি একটি কঠিন সমস্যা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সে এক বিরাট ইতিহাস — এটি একটি আক্ষরিক অনুবাদের কাছাকাছি এবং এই ভাবার্থের জন্য এটি মানানসই নয়।
B) বড়ো কাহিনি — এটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং বাক্যটির পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
D) সে অনেক বড়ো কাহিনি — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও প্রচলিত ভাবানুবাদ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি দীর্ঘ ঘটনা বা অনেক কথার ইতিহাস বোঝাতে It is a long story ব্যবহার করা হয়, যার প্রচলিত বাংলা রূপ সে অনেক কথা।
ভাবানুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ এড়িয়ে প্রমিত বাংলা বাগধারা বা প্রচলিত রূপ নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাবানুবাদ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে প্রচলিত অর্থ মনে রাখা জরুরি।
অনুবাদমূলক প্রশ্ন সমাধানের সময় অপশনের শব্দের চেয়ে বাক্যের সামগ্রিক ভাব বিবেচনা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মানুষ যত পায়, তত চায়।
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ বা বহুল ব্যবহৃত বাক্যটির ভাবানুবাদ হলো মানুষ যত বেশি লাভ করে, তার চাওয়ার পরিমাণও ঠিক ততটাই বৃদ্ধি পায়।
- মানুষের লোভ বা অতৃপ্ত বাসনার সার্বজনীন স্বভাবটি প্রকাশ করার জন্য এই বাক্যটি প্রমিত বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অনুবাদের চেয়ে মূল ভাবের সংগতি রক্ষা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- এই বাক্যে ইংরেজি correlative clause-এর গঠন বাংলায় 'যত... তত...' কাঠামোর মাধ্যমে সফলভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The more you read, the more you learn.
ব্যাখ্যা: যত বেশি পড়বে, তত বেশি শিখবে। এটিও অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট একটি প্রমিত অনুবাদ।
উদাহরণ ২: The higher we go, the colder it gets.
ব্যাখ্যা: আমরা যত উঁচুতে উঠি, তত ঠান্ডা অনুভূত হয়। এটিও 'যত... তত...' কাঠামোর মাধ্যমে অনূদিত বাক্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানুষের চাওয়া বেশি, পাওয়ার বেশি। — এই অপশনটি মূল ইংরেজি বাক্যের ভাব বা গঠন সঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
B) মানুষ যত পায়, তত চায়। — এটি মূল ইংরেজি বাক্যের নিখুঁত এবং প্রমিত ভাবানুবাদ।
C) মানুষের চাওয়ার শেষ নেই। — এটি একটি সাধারণ কথা হলেও মূল বাক্যের তুলনামূলক বা আনুপাতিক অর্থ এখানে প্রকাশ পায়নি।
D) মানুষ যা চায় তা পায় না। — এটি সম্পূর্ণ বিপরীত একটি অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল ইংরেজি বাক্যের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি বাক্যে যত এবং তত বোঝাতে the more যুক্ত অংশ থাকলে বাংলায় 'যত... তত...' কাঠামো ব্যবহার করতে হবে।
- লোভ বা পাওয়ার সঙ্গে চাওয়ার বৃদ্ধির সম্পর্ক বোঝাতে এই বিশেষ প্রবাদপ্রতিম বাক্যটি ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাবানুবাদ বা translation থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই শাব্দিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
- তুলনা বা অনুপাত বোঝায় এমন ইংরেজি বাক্যের বাংলা রূপান্তর করার সময় বাক্যের মূল সুর ও অর্থ ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সমীচীন
১. কেন সঠিক:
- সমীচীন বানানটিতে প্রথমে দন্ত স এবং পরে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের বানানে কোনো ই-কার বা হ্রস্ব স্বরবর্ণ গ্রহণযোগ্য নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে সমাসবদ্ধ বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক ই-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান অধ্যায়ের আওতাভুক্ত এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই এটি দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির বানানেও দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহৃত হয়, যা শুদ্ধ বানানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: মণীষী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির মধ্যবর্তী বর্ণেও দীর্ঘ ঈ কার বসে, যা একই বানানরীতির আওতাভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমিচিন — এই বানানে প্রথম ই-কার এবং শেষ ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) সমীচীন — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র প্রমিত বানানরূপ।
C) সমীচিন — এই বানানে প্রথম দীর্ঘ ঈ কার থাকলেও শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে।
D) সমিচীন — এই বানানে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় বানানটি ভুল বলে গণ্য হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমীচীন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো দুটি বর্ণেই দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা।
- অর্থাৎ দন্ত স এর পর দীর্ঘ ঈ এবং ছ এর পর দীর্ঘ ঈ কার বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই শব্দটি শুদ্ধ বানান হিসেবে চিহ্নিত করতে বলা হয়।
- বানানের ক্ষেত্রে দন্ত স এবং ছ এর অবস্থান ও দীর্ঘ ঈ কারের ব্যবহার ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি এবং কোলন বা দাঁড়ি অপেক্ষা কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত দুটি স্বাধীন উপবাক্যকে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় যখন তাদের মধ্যে অর্থগত গভীর সম্পর্ক থাকে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের মধ্যে বিরতিকালের তারতম্য রয়েছে।
- সেমিকোলন বসালে থামার সময়কাল কমার চেয়ে একটু বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধনীর কন্যা বটে; কিন্তু সে বড় অহংকারী।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি খণ্ডবাক্যের মাঝে ভাব স্পষ্ট রাখতে কমার চেয়ে বেশি বিরতি বা সেমিকোলন প্রয়োজন হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরিশ্রম করো; সফলতা তোমার আসবেই।
ব্যাখ্যা: প্রথম খণ্ডবাক্যের পর কাজের নির্দেশ এবং দ্বিতীয়টিতে তার ফলাফল বোঝাতে সেমিকোলন বসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কোলন — কোলন বা বিশদ বিবৃতির জন্য বিরতিকালের পরিমাণ এক সেকেন্ড। এটি কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি নির্দেশ করে না, বরং সমজাতীয় একাধিক পদ আলাদা করতে বা উদাহরণ টানতে ব্যবহৃত হয়।
B) ড্যাস — ড্যাসের ক্ষেত্রে থামার সময়কাল এক সেকেন্ড বা তার বেশি হতে পারে এবং এটি যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের সংগতি বোঝাতে বসে।
C) হাইফেন — হাইফেনকে সংযোগ চিহ্ন বলা হয় এবং এটি লেখার সুবিধার্থে ব্যবহৃত হয়, এর ক্ষেত্রে কোনো বিরতির প্রয়োজন হয় না।
D) সেমিকোলন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বিরতিকাল কমার চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিরতিকালের দৈর্ঘ্য মনে রাখার জন্য ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারো: কমা সবচেয়ে কম, সেমিকোলন তার চেয়ে একটু বেশি, এবং পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি সবচেয়ে বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রবর্তন করেছিলেন।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন যতিচিহ্নে কতক্ষণ থামতে হয় তা থেকে প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) কমা
১. কেন সঠিক:
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসে কারণ এটি একই জাতীয় ছোট অংশ বা খণ্ডাংশগুলোকে আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন অধ্যায়ে পদের বা খণ্ডবাক্যের অংশগুলোকে স্পষ্টভাবে আলাদা করার জন্য কমা ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং সংক্ষিপ্ত বিরতি বোঝানোর জন্য কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহৃত হয়।
- ঠিকানা লেখার সময় বাড়ি বা হোল্ডিং নম্বর এবং রাস্তার নম্বরের পর কমা বসিয়ে পরবর্তী বৃহত্তর একক লিখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাড়ি নম্বর ১২, রোড নম্বর ৫, ধানমন্ডি, ঢাকা।
ব্যাখ্যা: এখানে বাড়ি নম্বর ১২ এবং রোড নম্বর ৫ এর পরে কমা ব্যবহার করে ঠিকানা স্পষ্টভাবে আলাদা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: হোল্ডিং ৩/বি, এভিনিউ ৪, গুলশান, ঢাকা।
ব্যাখ্যা: ঠিকানা লেখার সময় ক্ষুদ্র অংশ থেকে বৃহত্তর অংশে যাওয়ার সময় কমা ব্যবহার করার নিয়ম এখানে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে, যা ঠিকানা বা নম্বরের পরে বসে না।
B) কোলন — কোলন সাধারণত কোনো উদাহরণ বা বক্তব্যের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার সময় বসে।
D) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতি বোঝায় এবং দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে যুক্ত করতে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঠিকানায় ছোট থেকে বড় লেখার সময় কমা ব্যবহার করবে এবং বাক্য শেষে দাঁড়ি দেবে।
- ঠিকানা লেখার ধারাবাহিকতা মনে রাখার জন্য মনে রাখবে ঘরের নম্বর আগে, তারপর রাস্তার নম্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের প্রয়োগ থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- ঠিকানা ও সম্বোধন পদের পরে কমা বসার নিয়মটি বারবার অনুশীলন করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) একগুঁয়ে
১. কেন সঠিক:
- 'নেই আঁকড়া' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা যার অর্থ একগুঁয়ে বা নাছোড়বান্দা স্বভাবের ব্যক্তি।
- যে ব্যক্তি কোনো কিছু সহজে ছাড়তে চায় না বা নিজের জেদ বজায় রাখে, তাকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত বাগধারা, যা শব্দের আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ এবং বাগধারার সঠিক প্রয়োগ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলেটি অত্যন্ত নেই আঁকড়া প্রকৃতির, একবার যা ধরবে তা করবেই।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তির জেদি ও একগুঁয়ে স্বভাব বোঝাতে 'নেই আঁকড়া' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: তার নেই আঁকড়া মনোভাবের কারণে কেউ তাকে সহজে বোঝাতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে মানুষের অবাধ্য ও একরোখা আচরণ প্রকাশ করতে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একই স্বভাবের — এই অর্থটি বাগধারাটির নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে না, তাই এটি ভুল।
B) নিরেট মূর্খ — নিরেট মূর্খ অর্থ বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন গোবরের পদ্মফুল বা অকালের আম ব্যবহার করা হয়।
D) সহায় সম্বলহীন — সহায় সম্বলহীন অর্থ বোঝাতে আদায়কাঁচকলায় বা থৈ না পাওয়া জাতীয় শব্দ ব্যবহৃত হয় না, এর জন্য ভিন্ন শব্দ আছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নেই আঁকড়া মানে যার জেদ আঁকড়ে ধরে থাকে এবং সহজে সারে না, অর্থাৎ একগুঁয়ে।
- জেদি মানুষের স্বভাব মনে রাখলে এই বাগধারাটি সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের মানবস্বভাব নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে শিখলে দীর্ঘদিন মনে থাকে।
সঠিক উত্তর: D) নিষ্ক্রিয় দর্শক
১. কেন সঠিক:
- 'সাক্ষী গোপাল' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যিনি উপস্থিত থাকেন কিন্তু কোনো কার্যক্রমে অংশ নেন না।
- এখানে নিষ্ক্রিয় দর্শক বলতে বোঝানো হয়েছে সেই নীরব ও নির্বাক দর্শককে, যিনি সবকিছু দেখছেন অথচ প্রতিবাদ বা সহযোগিতা কিছুই করছেন না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা বাক্যাংশ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও প্রচ্ছন্ন ভাব প্রকাশ করে।
- এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবের প্রকাশকে আরও আকর্ষণীয় ও শক্তিশালী করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমিটি মিটিংয়ে অনেকের উপস্থিতি থাকলেও বেশিরভাগ সদস্য ছিলেন সাক্ষী গোপাল স্বরূপ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বোঝানো হয়েছে যে মিটিংয়ে লোক উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো মতামত দেননি।
উদাহরণ ২: অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে শুধু সাক্ষী গোপাল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কোনোক্রমেই কাম্য নয়।
ব্যাখ্যা: এখানে ঘটনার সামনে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করার অবস্থাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপদার্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ অপদার্থ বলতে কোনো কাজে লাগে না এমন অযোগ্য বস্তুকে বোঝায়, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না।
B) মূর্খ — এই অপশনটি ভুল কারণ মূর্খ অর্থ অজ্ঞ বা জ্ঞানহীন ব্যক্তি, অথচ সাক্ষী গোপাল ব্যক্তিটি অজ্ঞ নাও হতে পারে কিন্তু সে নিষ্ক্রিয় থাকে।
C) সক্রিয় দর্শক — এই অপশনটি ভুল কারণ সক্রিয় দর্শক বলতে কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী বা উৎসাহী দর্শককে বোঝায়, যা মূল অর্থের ঠিক বিপরীত।
D) নিষ্ক্রিয় দর্শক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সরাসরি উপস্থিত থেকেও কোনো ভূমিকা না রাখার অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গোপাল মূর্তি যেমন মন্দিরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে এবং কোনো কথা বলে না, তেমনই যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে উপস্থিত থেকেও চুপ থাকে তাকে সাক্ষী গোপাল বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের চরিত্রভিত্তিক বা রূপক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের ঐতিহাসিক বা রূপক অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) আদর্শ চলিত ভাষা
১. কেন সঠিক:
কথারীতি সমন্বয়ে শিষ্টজনের ব্যবহৃত মার্জিত ভাষাকে আদর্শ চলিত ভাষা বলা হয়।
এটি সমাজে শিক্ষিত ও মার্জিত জনগোষ্ঠীর মুখে মুখে বিকশিত হয়ে বর্তমান প্রমিত রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার দুটি প্রধান রূপ হলো সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা।
চলিত ভাষা হলো সর্বজনগ্রাহ্য প্রমিত কথ্য রূপ যা ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়মে পরিমার্জিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিনি কাল বাড়ি যাবেন।
ব্যাখ্যা: এটি আদর্শ চলিত ভাষার বাক্য কারণ এতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের সংক্ষিপ্ত ও মার্জিত রূপ ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ছেলেরা ফুটবল খেলছে।
ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতিতে গঠিত বাক্য যেখানে ক্রিয়াপদের প্রমিত রূপ প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু ভাষা — সাধু ভাষা হলো তৎসম শব্দবহুল ও অপেক্ষাকৃত কঠিন রীতি যা লেখার কাজে ব্যবহৃত হয়, কথ্য বা কথারীতির সমন্বয়ে গঠিত নয়।
B) আদর্শ চলিত ভাষা — এটি সঠিক উত্তর।
C) আঞ্চলিক ভাষা — আঞ্চলিক ভাষা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা, যা সমগ্র জাতির শিষ্টজনের ভাষা নয়।
D) দেশি ভাষা — দেশি ভাষা বলতে প্রাচীন অস্ট্রিক বা দেশি মূলের শব্দ বোঝায়, কোনো নির্দিষ্ট কথারীতি বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
শিক্ষিত ও শিষ্টজনের মুখের মার্জিত ও প্রমিত কথারীতিই হলো চলিত ভাষা।
সাধু ভাষা হলো প্রাচীন ও কৃত্রিম নিয়মকানুনে আবদ্ধ লেখার ভাষা।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিতরীতির বৈশিষ্ট্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ দীর্ঘ হয় এবং চলিত ভাষার পদ সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) committed
কেন সঠিক:
ক্রাইম বা অপরাধ করার ক্ষেত্রে সাধারণত commit verb টি ব্যবহার করা হয়।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং সঠিক ভাব প্রকাশ করতে এখানে Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) did — do verb দিয়ে অপরাধ করা বোঝায় না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
B) does — Present Indefinite Tense হলেও do verb অপরাধের সাথে বসে না।
C) comits — বানানটি ভুল কারণ সঠিক বানান হলো commits।
মনে রাখার টিপস:
অপরাধ করা বোঝাতে সবসময় commit verb ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) We must endure what we cannot cure.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি একটি প্রবাদ এবং এর প্যাসিভ ফর্মকে অ্যাক্টিভ করতে হলে সাধারণ সাবজেক্ট হিসেবে উই ব্যবহার করতে হয়।
এখানে ক্যান নট কিউর অংশটি অবজেক্টের স্থানে বসে কমপ্লেক্স সেন্টেন্স গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) We must be endured what we can not cure. — এখানে প্যাসিভ ভারబ్ এর গঠন ভুল করা হয়েছে এবং অর্থ অস্পষ্ট হয়েছে।
B) We cannot cure what we must endure. — এটি সঠিক বাক্যের অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে যা মূল প্রবাদের সাথে মেলে না।
C) Must be endure can cure. — এই অপশনে কোনো সাবজেক্ট নেই এবং ব্যাকরণগত নিয়ম সম্পূর্ণভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে।
D) We must endure what we cannot cure. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ভয়েস পরিবর্তনের সময় প্রবাদের মূল অর্থ ও সাবজেক্টের ব্যবহার সঠিকভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) No sooner does the teacher enter the classroom than the students stand up.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যে As soon as থাকায় নেতিবাচক করতে No sooner... than ব্যবহার করতে হয় এবং প্রথম ক্লজটি বর্তমান কালে থাকায় সাহায্যকারী verb হিসেবে does বসে।
does বসলে মূল verb এর সাথে থাকা s বা es উঠে যায় এবং প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সহজে নেতিবাচক রূপ দেওয়ার এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
B) B) No sooner এর পরে কোনো auxiliary verb যেমন does বা had ব্যবহার না করায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
C) C) মূল বাক্যটি বর্তমান কালের (Present tense) অথচ এখানে অতীত কাল (Past tense) ব্যবহার করায় টেন্সের মিল থাকেনি।
D) D) এটি Negative বাক্য নয় বরং অর্থ ঠিক রেখে Affirmative বাক্যের গঠন পরিবর্তন করা হয়েছে মাত্র।
মনে রাখার টিপস:
As soon asযুক্ত বাক্যকে No sooner... than দিয়ে Negative করার সময় টেন্স অনুযায়ী do, does বা did ব্যবহার করতে হয় এবং মূল verb এর সঠিক রূপ বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Very few problems in our country are as bad as water-logging.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে one of the worst থাকায় একে Positive Degree-তে রূপান্তর করার সময় Very few দিয়ে শুরু করতে হয়।
- Superlative ডিগ্রির one of the যুক্ত বাক্যকে Positive করার নিয়ম হলো Very few + adjective-এর পরের অংশ + plural verb + as + positive form + as + subject.
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) No other problem in our country is as bad as water-logging. — এটি শুধু the worst যুক্ত Superlative বাক্যের Positive form, কিন্তু এখানে one of the worst থাকায় এটি ভুল।
B) Very few problems in our country are as bad as water-logging. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নিয়মানুযায়ী পুরোপুরি নির্ভুল।
C) Water-logging is a very worse problem in our country. — worse হলো bad-এর comparative form, যার আগে very বসে না বরং much বসে, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) Water logging is worse than any other problem in our country. — এটি একটি Comparative Degree, কিন্তু প্রশ্নে Positive Degree চেয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Superlative বাক্যে one of the থাকলে Positive করার সময় শুরুতে No other এর পরিবর্তে Very few বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let us love our country.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে প্রথম পুরুষবাচক সর্বনাম (We) রয়েছে যা দিয়ে সবার একসাথে কোনো কাজ করার প্রস্তাব বোঝায়।
তাই Imperative sentence-এ রূপান্তর করার সময় নিয়ম অনুযায়ী Let দিয়ে শুরু করে us ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Love our country. — এই বাক্যে সরাসরি মূল verb দিয়ে শুরু হয়েছে যা দিয়ে দ্বিতীয় পক্ষকে আদেশ বোঝায়, কিন্তু মূল বাক্যে We ছিল।
B) Let us love our country. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি নিয়ম মেনেই তৈরি হয়েছে।
C) We may not hate our country. — এটি একটি assertive sentence এবং এতে অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে যা প্রশ্নবোধক বাক্যের মূল ভাব প্রকাশ করে না।
D) Should love our country. — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ কারণ এর শুরুতে কোনো subject বা Let নেই।
মনে রাখার টিপস:
Affirmative বাক্যে We থাকলে Imperative করার সময় Let us দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Undoubtedly he is a brave man.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি মাত্র প্রধান ক্লজ এবং একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে, যা Simple sentence-এর মূল শর্ত পূরণ করে।
beyond doubt ফ্রেজটিকে সরিয়ে তার পরিবর্তে Undoubtedly অ্যাডভার্ব ব্যবহার করে বাক্যটিকে Simple করা হয়েছে।
অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে বাক্যটিকে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও সঠিক গঠন দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is doubtless that he is a brave man. — এটি একটি Complex sentence কারণ এতে দুটি ক্লজ রয়েছে।
B) There is no doubt that he is a brave man. — এটিও একটি Complex sentence কারণ এর সাথে দ্যাট ক্লজ যুক্ত আছে।
C) Undoubtedly he is a brave man. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
D) He is a brave man and there is no doubt about it. — এটি একটি Compound sentence কারণ এটি এন্ড কনজাংশন দ্বারা যুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
Complex sentence-এর beyond doubt ফ্রেজকে Simple করতে হলে সাধারণত undoubtedly অ্যাডভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Is friendship anything but a name?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি এফারমেটিভ ও এহেমবাচক হওয়ায় ইন্টারোগেটিভ করার সময় তাকে নেগেটিভ করতে হয় এবং সাহায্যকারী ভাব দ্বারা শুরু করতে হয়।
এখানে নাথিং বাট এর পরিবর্তে এথিং বাট ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে।
মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) What is friendship but a name? — এটি ডব্লিউ এইচ ওয়ার্ড দিয়ে শুরু হয়েছে কিন্তু মূল বাক্যটি এফারমেটিভ হওয়ায় এটি সঠিক নয়।
B) Is friendship anything but a name? — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
C) What is nothing but a name? — এই অপশনে সাবজেক্ট হিসেবে ফ্রেন্ডশিপ শব্দটি বাদ পড়েছে তাই এটি ভুল।
D) Why is friendship a nanme? — এই বাক্যে কেন শব্দ এনে অর্থের পরিবর্তন করা হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
নাথিং বাট যুক্ত এফারমেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় নাথিং বাটের বদলে এথিং বাট বসে এবং বাক্যটি নেগেটিভ ইন্টারোগেটিভ হয়।
সঠিক উত্তর: C) telecast
কেন সঠিক:
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আজকাল বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে শিক্ষণমূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে। এখানে শিক্ষণমূলক অনুষ্ঠানগুলো নিজে নিজে সম্প্রচার হতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্যাসিভ বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী auxiliary verb (are)-এর পর মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসবে।
telecast শব্দটির প্রেজেন্ট, পাস্ট এবং পাস্ট পার্টিসিপল তিনটি রূপই একই অর্থাৎ telecast।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) seen — এর অর্থ দেখা, যা বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয় কারণ অনুষ্ঠানগুলো নিজে নিজে দেখা যায় না।
B) telecasting — এটি ভার্বের সাথে ing যুক্ত ফর্ম, যা বাক্যটিকে সক্রিয় বা একটিভ করে তুলবে কিন্তু অনুষ্ঠান নিজে নিজে সম্প্রচার করতে পারে না।
C) telecast — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) telecasted — ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী telecast শব্দের সাথে ed যুক্ত করে পাস্ট পার্টিসিপল করা যায় না কারণ এর তিন রূপই এক।
মনে রাখার টিপস:
কিছু ইংরেজি ভার্বের প্রেজেন্ট, পাস্ট ও পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম একই থাকে যেমন telecast, broadcast, cut ও put।
সঠিক উত্তর: A) puzzled
কেন সঠিক:
‘At a loss’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার অর্থ কোনো পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে হতবুদ্ধি বা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়া।
এই ইডিওমের সাথে ‘puzzled’ শব্দটির অর্থ হুবহু মিলে যায় কারণ দুটির অর্থই বিভ্রান্ত হওয়া।
এটি মানুষের মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে যখন সে বুঝতে পারে না কী করা উচিত।
এমন পরিস্থিতিতে মানুষ সাধারণত কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) puzzled — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ বিভ্রান্ত বা হতবুদ্ধি হওয়া, যা মূল প্রশ্নগত অর্থকে সম্পূর্ণ প্রকাশ করে।
B) destroyed — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়া, যা কোনো মানসিক অবস্থা বোঝায় না।
C) defeat — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ পরাজয়, যা ইডিওমের অর্থের সাথে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়।
D) harm — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ক্ষতি করা, যা পরিস্থিতির বিভ্রান্তিকর অবস্থাকে নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছু হারিয়ে গেলে বা বুঝতে না পারলে মানুষ যেমন বাকরুদ্ধ ও বিভ্রান্ত হয়, ‘At a loss’ বলতে ঠিক সেই মানসিক অবস্থাকে বোঝায়।
সঠিক উত্তর: A) abate
কেন সঠিক:
abete শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছুর তীব্রতা বা পরিমাণ কমানো। এটি decrease বা হ্রাস পাওয়া শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) abate — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ কমানো বা হ্রাস পাওয়া।
B) destroy — এর অর্থ ধ্বংস করা, যা কমানোর সমার্থক নয়।
C) expand — এর অর্থ প্রসারিত করা বা বাড়ানো, যা বিপরীতার্থক।
D) amplify — এর অর্থ বৃদ্ধি করা বা জোরালো করা, যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Decrease এবং Abate উভয় শব্দের অর্থই কমানো, তাই এদের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) tame
কেন সঠিক:
- 'Docile' ইংরেজি শব্দটির অর্থ হলো সহজে বশ করা যায় এমন, বাধ্য বা শান্ত স্বভাবের।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'tame' শব্দটির অর্থ গৃহপালিত বা শান্ত, যা 'docile' শব্দের সমার্থক হিসেবে নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) wild — এর অর্থ বন্য বা হিংস্র, যা 'docile' বা শান্ত স্বভাবের ঠিক বিপরীত।
B) angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা মনের একটি ক্ষণস্থায়ী অবস্থা এবং এর সঙ্গে বাধ্যতার সম্পর্ক নেই।
C) disheartened — এর অর্থ হতোদ্যম বা হতাশ, যা কোনো ব্যক্তির স্বভাবগত শান্ত ভাব প্রকাশ করে না।
D) tame — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি বশ মানানো বা শান্ত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
'Docile' শব্দটির শুরুতে থাকা 'Do' দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে পোষা প্রাণীগুলো মানুষের কথা সহজে শোনে বা কাজ করে দেয়।
সঠিক উত্তর: D) beautify
কেন সঠিক:
- 'beauty' বিশেষ্য পদের ভার্ব বা ক্রিয়া রূপ হলো 'beautify', যার অর্থ সুন্দর করা।
- এটি বাক্যে মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে উপযুক্ত সাফিক্স যুক্ত হয়ে ভার্ব গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beautiful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ সুন্দর।
B) beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ সুন্দরভাবে।
C) beautifying — এটি ভার্বের প্রেজেন্ট পার্টিসিপল বা জেরান্ড রূপ, যা মূল ভার্ব হিসেবে সরাসরি বসে না।
D) beautify — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দে শেষে fy বা en যুক্ত থাকলে সাধারণত তা ভার্ব বা ক্রিয়া নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: A) down
কেন সঠিক:
এখানে run down একটি উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব। এর অর্থ হলো ঘড়ি বা যন্ত্রের শক্তি শেষ হয়ে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) down — এটি সঠিক কারণ ঘড়ির ক্ষেত্রে run down ব্যবহার করে গতি থেমে যাওয়া বোঝায়।
B) short — run short অর্থ ফুরিয়ে যাওয়া, কিন্তু এটি ঘড়ির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না।
সি) good — run good বলে কোনো অর্থপূর্ণ প্রচলিত ফ্রেজাল ভার্ব ইংরেজিতে নেই।
ডি) up — run up অর্থ কোনো কিছু দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া বা জমা করা, যা ঘড়ির সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
ঘড়ি বা ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া বোঝালে সবসময় run down ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) He was an honest man, wasn’t he?
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যটির সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো He was an honest man এবং এটি হ্যা-সূচক বাক্য।
ট্যাগ কোশ্চেন করার সময় মূল বাক্যের সাহায্যকারী verb এবং pronoun ব্যবহার করতে হয়।
মূল বাক্যটি affirmative হওয়ায় এর ট্যাগ অংশটি negative হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was truthful, was he? — এখানে truthful ব্যবহার করা হয়েছে এবং ট্যাগ অংশটি positive করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
B) He was an honest man, wasn’t he? — এটি সঠিক উত্তর।
C) He was an honest man, did not he? — এখানে to be verb থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত did ব্যবহার করা হয়েছে।
D) He was really an honest man? — এটি কোনো সঠিক ট্যাগ কোশ্চেন নয় এবং শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকলেও ব্যাকরণগত গঠন ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মূল বাক্য হ্যা-সূচক হলে ট্যাগ অংশ না-সূচক হবে এবং মূল বাক্যের verb অনুযায়ী ট্যাগ গঠন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Reserved
কেন সঠিক:
Candid শব্দের অর্থ হলো স্পষ্টবাদী, খোলামেলা বা সরল মনের মানুষ।
এর বিপরীত বা অ্যান্টনিম হলো সংরক্ষিত বা কম কথা বলা মানুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Frank — এটি Candid শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থও খোলামেলা বা স্পষ্টবাদী।
B) Straight forward — এটিও Candid শব্দের সমার্থক শব্দ যার অর্থ সরল এবং সরাসরি কথা বলা।
C) Reserved — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ চাপা স্বভাবের বা কম মিশুক।
D) Truthful — এটি Candid শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে যার অর্থ সত্যবাদী।
মনে রাখার টিপস:
Candid মানুষ সব কথা খোলামেলা বলে, আর Reserved মানুষ নিজের কথা মনে পুষে রাখে।
সঠিক উত্তর: B) goes
কেন সঠিক:
বাক্যে along with থাকলে প্রথম subject অর্থাৎ Lima অনুযায়ী verb নির্ধারিত হয়।
Lima একটি singular noun হওয়ায় এর সাথে singular verb ব্যবহৃত হবে।
এখানে subject তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়ায় present indefinite tense এ verb এর সাথে s যুক্ত হয়েছে।
everyday থাকার কারণে বাক্যটি present indefinite tense এ গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) go — এটি plural verb হওয়ায় singular subject Lima এর সাথে বসে না।
B) goes — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি singular verb এবং নিয়ম মেনে বসেছে।
C) is going — everyday থাকার কারণে বাক্যটি continuous tense হতে পারে না।
D) are going — এটি plural verb এবং continuous tense হওয়ায় সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
along with যুক্ত বাক্যে প্রথম subject টি singular হলে verb ও singular হবে।
সঠিক উত্তর: C) Approval
কেন সঠিক:
- 'Approve' একটি ভার্ব যার অর্থ অনুমোদন করা এবং এর সাথে 'al' প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য পদ 'Approval' গঠন করা হয়।
- ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভার্বের শেষে al যোগ করে নাউন তৈরি করা হয়।
- এটি বাক্যে নাউন হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Approveness — এই শব্দটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ভুল গঠন।
B) Approof — এটি সঠিক নাউন ফর্ম নয় এবং এর বানানটিও ভুল।
C) Approval — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Aproval — এই শব্দটিতে বানানে ভুল আছে কারণ সঠিক বানানে দুটি p থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে al যুক্ত করে নাউন বানানো হয়, যেমন approve থেকে approval।
সঠিক উত্তর: C) Adjective
কেন সঠিক:
‘man’ একটি Noun এবং এর সাথে ‘ly’ যুক্ত হয়ে ‘manly’ Adjective গঠিত হয়েছে।
এটি সাধারণত Noun-এর পূর্বে বসে তার গুণ প্রকাশ করে।
এটি বাক্যে Adjective হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — ‘manly’ কোনো কিছুর নাম বোঝায় না তাই এটি Noun হতে পারে না।
B) Verb — ‘manly’ দ্বারা কোনো কাজের নাম বা কাজ করা বোঝায় না।
C) Adjective — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে বিশেষভাবে মডিফাই করে না।
মনে রাখার টিপস:
Noun-এর সাথে ‘ly’ যুক্ত হলে সাধারণত Adjective হয়, কিন্তু Adjective-এর সাথে ‘ly’ যুক্ত হলে Adverb হয়।
সঠিক উত্তর: A) belittle
কেন সঠিক:
‘Little’ শব্দটির আগে ‘be’ উপসর্গ যোগ করে নতুন এই ভার্ব গঠন করা হয়েছে।
এর অর্থ ছোট করা বা অবমূল্যায়ন করা।
এটি একটি সঠিক ইংরেজি শব্দ।
এটি বাক্য গঠনে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) belittle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) enlittle — ইংরেজিতে এ ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই।
C) littlen — নিয়মানুযায়ী এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয়।
D) littlise — ‘ise’ যুক্ত করে এ ধরনের কোনো ভার্ব তৈরি হয় না।
মনে রাখার টিপস:
কিছু বিশেষ শব্দের আগে ‘be’ যুক্ত করে ভার্ব তৈরি করা হয়, যেমন ‘little’ থেকে ‘belittle’।
সঠিক উত্তর: D) breadth
কেন সঠিক:
‘broad’ শব্দটির অর্থ প্রশস্ত বা চওড়া, যা একটি বিশেষণ বা adjective। এর সঠিক নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো ‘breadth’, যার অর্থ প্রশস্ততা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) broadly — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যা কোনো কাজের ভাব প্রকাশ করে।
B) breath — এর অর্থ শ্বাস বা নিঃশ্বাস, যা ‘breathe’ ক্রিয়াপদের নাউন রূপ।
C) broaden — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, যার অর্থ প্রশস্ত করা।
D) breadth — এটি সঠিক নাউন রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাডজেক্টিভ শব্দের শেষে th যোগ করে অনেক সময় নাউন গঠন করা হয়, যেমন broad থেকে breadth।
সঠিক উত্তর: B) Look before you leap.
কেন সঠিক:
এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ কোনো কাজ করার আগে তার ফলাফল সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা।
এখানে 'leap' শব্দটির মাধ্যমে কাজের পরিণতির দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে এবং 'look' অর্থ সাবধানে দেখা বা ভাবা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Think before you do anything. — এটি সাধারণ ইংরেজি বাক্য হলেও প্রদত্ত বাংলা প্রবাদের সঠিক ও প্রচলিত ভাবানুবাদ নয়।
B) Look before you leap. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এটি একটি আদর্শ প্রবাদ।
C) Look before you do. — এই বাক্যটিতে সঠিক প্রবাদের শব্দের ব্যবহার নেই এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে আদর্শ প্রবাদ নয়।
D) Think before you leap. — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও মূল ইংরেজি প্রবাদের শব্দবিন্যাসের সাথে পুরোপুরি মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
লাফ দেওয়ার আগে বা কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে চারপাশ দেখে নেওয়া উচিত, এই ভাব থেকেই 'Look before you leap' প্রবাদটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) He came here panting.
কেন সঠিক:
বাক্যে অতীতকালের অনির্দিষ্ট কাজ বোঝাতে Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়।
হাঁপাতে হাঁপাতে অর্থে Present Participle হিসেবে panting শব্দটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He has come here exhausted — Present Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং exhausted অর্থ ক্লান্ত হওয়ায় বাক্যটি ভুল।
B) He had come here running — Past Perfect Tense ব্যবহার করায় এবং running অর্থ দৌড়ানো হওয়ায় অর্থ বদলে গেছে।
C) He came here hurriedly — hurriedly অর্থ তাড়াহুড়ো করে, যা হাঁপাতে হাঁপাতে অর্থে পুরোপুরি সঠিক নয়।
D) He came here panting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের সাথে সাথে আরেকটি কাজ চললে ভার্বের সাথে ing যুক্ত করে Present Participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) One should not give ear to rumour.
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের গুজবে কান দেওয়া উচিত নয় কথাটির ইংরেজি সঠিক অনুবাদ করতে give ear to idiom টি ব্যবহার করতে হয়।
এখানে অন্যের কথায় অন্ধভাবে বিশ্বাস না করার সাধারণ নিয়ম বোঝাতে One দিয়ে বাক্য শুরু করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One should not concentrate on rumour. — এখানে concentrate শব্দটির অর্থ মনোযোগ দেওয়া, যা গুজবের ক্ষেত্রে মানানসই নয়।
B) We should not hear rumour. — এখানে hear শব্দটির ব্যবহার যথাযথ নয় কারণ গুজবে কান দেওয়া অর্থে give ear to ব্যবহার করা হয়।
C) One should not give ear to rumour. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) We should not give our ear on rumour. — এখানে give ear on ভুল প্রিপজিশন ব্যবহার করেছে এবং subject হিসেবে we দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কান দেওয়া বা কোনো কথায় মনোযোগ দেওয়া বোঝাতে give ear to idiom টি ব্যবহার করতে হয় এবং এর সাথে সঠিক প্রিপজিশন to বসে।
সঠিক উত্তর: A) The tree has not yet born fruit.
কেন সঠিক:
- গাছে ফল ধরা বা জন্ম দেওয়ার ইংরেজি রূপ হিসেবে 'bear fruit' বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয় এবং এর অতীত কৃদন্ত রূপ 'born' এখানে সঠিক।
- বর্তমান নিখুঁত বা Present Perfect Tense-এ কাজটি সম্পন্ন হয়নি বোঝাতে বাক্যের শেষে বা ঠিক আগে 'yet' ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The tree has not yet born fruit. — এটি সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে উপযুক্ত গঠন।
B) There is no fruit in the tree. — গাছটির ওপর ফল নেই বোঝালেও মূল বাক্যের সঠিক অনুবাদ এটি নয়।
C) Still the tree is without fruit. — এটি আক্ষরিক অনুবাদ হলেও প্রমিত ইংরেজি গঠনের আওতাভুক্ত নয়।
D) The tree has not born fruit yet. — ব্যাকরণগত দিক থেকে সঠিক হলেও A নম্বর অপশনের গঠনটি পরীক্ষার জন্য অধিকতর মানসম্মত।
মনে রাখার টিপস:
গাছে ফল ধরা বোঝাতে 'bear fruit' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয় এবং নেতিবাচক বাক্যের শেষে 'yet' বসে।
সঠিক উত্তর: B) I have just received your letter.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে এইমাত্র বা সবেমাত্র কাজ শেষ হয়েছে বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয়।
তাই Subject এর পর have এবং মূল Verb এর Past Participle রূপ বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I received your letter just now. — 'Just now' থাকলে সাধারণত Past Indefinite Tense হয়, কিন্তু বাংলা বাক্যে 'এইমাত্র' বোঝাতে Present Perfect Tense ব্যবহার করা ভালো।
B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
C) I just have received your letter. — 'Just' শব্দটি সাধারণত auxiliary verb 'have' এবং মূল verb এর মাঝে বসে, তাই এখানে এর অবস্থান ভুল।
D) Just I have received your letter. — বাক্যের শুরুতে 'Just' ব্যবহার করার নিয়ম সাধারণত সঠিক নয়, এটি 'have' এর পরে বসে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা বাক্যে 'এইমাত্র' বা 'সবেমাত্র' থাকলে ইংরেজিতে Present Perfect Tense হয় এবং just শব্দটি have ও মূল verb এর মাঝে বসে।
সঠিক উত্তর: A) স্থূলকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
একটি বৃত্ত এবং বৃত্তের একটি উপচাপ
উপচাপের ওপর অন্তর্লিখিত কোণ
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র কেন্দ্রস্থ কোণ তৈরি করে
উপচাপটি বৃত্তের অর্ধেকের চেয়ে ছোট চাপ
অতএব,
উপচাপের বিপরীত প্রধান চাপ কেন্দ্রস্থ প্রবৃদ্ধ কোণ তৈরি করে
কেন্দ্রস্থ প্রবৃদ্ধ কোণের মান একশো আশি ডিগ্রির চেয়ে বেশি হয়
সুতরাং,
অন্তর্লিখিত কোণ কেন্দ্রস্থ প্রবৃদ্ধ কোণের অর্ধেক হওয়ায় নব্বই ডিগ্রির চেয়ে বড় হয়
উত্তর: স্থূলকোণ
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো রুট ওভার (এক্স এর উপর পাওয়ার বিয়োগ এক গুণ ওয়াই) গুণ রুট ওভার (ওয়াই এর উপর পাওয়ার বিয়োগ এক গুণ জেড) গুণ রুট ওভার (জেড এর উপর পাওয়ার বিয়োগ এক গুণ এক্স)
ধরি,
প্রথম অংশ = রুট ওভার (ওয়াই ভাগ এক্স)
দ্বিতীয় অংশ = রুট ওভার (জেড ভাগ ওয়াই)
তৃতীয় অংশ = রুট ওভার (এক্স ভাগ জেড)
অতএব,
তিনটি অংশ একসাথে গুণ আকারে লেখা যায়
রুট ওভারের ভেতরে সব পদ গুণ করলে লব ও হর মিলে যায়
সুতরাং,
কাটাকাটি করে রুট ওভার এক পাওয়া যায়
একের বর্গমূল সবসময় এক হয়
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের একটি ব্যাস এবং পরিধির ওপর একটি বিন্দু
বৃত্তস্থ কোণ বা অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সম্পর্কিত জ্যামিতিক উপপাদ্য
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দুটি নির্দেশ করি
ব্যাসের দুই প্রান্ত পরিধির বিন্দুতে যুক্ত করি
অতএব,
বৃত্তের ব্যাস পরিধির ওপর একটি কোণ তৈরি করে
একে অর্ধবৃত্তস্থ কোণ বলা হয়
সুতরাং,
উপপাদ্য অনুসারে অর্ধবৃত্তস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয়
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: C) ২৪ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬, ৮ এবং ১০ সে.মি.
ধরি,
প্রথম বাহু a = ৬ সে.মি.
দ্বিতীয় বাহু b = ৮ সে.মি.
তৃতীয় বাহু c = ১০ সে.মি.
অতএব,
বাহুগুলোর বর্গের যোগফল হলো ৬ এর বর্গ + ৮ এর বর্গ = ৩৬ + ৬৪ = ১০০
অতিভুজের বর্গ হলো ১০ এর বর্গ = ১০০, যা পিথাগোরাসের উপপাদ্যকে সমর্থন করে
সুতরাং,
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার ভূমি হলো ৮ সে.মি. এবং উচ্চতা হলো ৬ সে.মি.
উত্তর: ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা = (১ ÷ ২) × ৮ × ৬ = ২৪ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
a বর্গ − b বর্গ = ৮
ab = ৩
ধরি,
আমাদের নির্ণয় করতে হবে a বর্গ + b বর্গ এর মান
অতএব,
আমরা জানি যে,
a বর্গ + b বর্গ এর হোল স্কয়ার = (a বর্গ − b বর্গ) হোল স্কয়ার + ৪ (ab) হোল স্কয়ার
সুতরাং,
(a বর্গ + b বর্গ) হোল স্কয়ার = (৮) স্কয়ার + ৪ × (৩) স্কয়ার
উত্তর: ১০
সঠিক উত্তর: D) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৩ : ২
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
অতএব,
সংখ্যা দুটি হলো বারো এবং আট
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু হবে বারো ও আটের লসাগু
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: A) ৩√২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম সমীকরণ হলো logx324 = ৪
ধরি,
লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী সমীকরণটিকে সূচকের আকারে লেখা যায়
অতএব,
x এর পাওয়ার ৪ = ৩২৪
সুতরাং,
x এর পাওয়ার ৪ = (৩√২) এর পাওয়ার ৪
উত্তর: x = ৩√২
সঠিক উত্তর: B) x = logay
প্রদত্ত তথ্য:
সূচকীয় সমীকরণ দেওয়া আছে a এর পাওয়ার x সমান y
ধরি,
লগারিদম এর সংজ্ঞা অনুযায়ী এই সম্পর্কটি প্রকাশ করতে হবে
অতএব,
সূচককে লগারিদমের মাধ্যমে রূপান্তর করা যায়
সুতরাং,
x হলো a এর সাপেক্ষে y এর লগারিদম
উত্তর: x = logay
সঠিক উত্তর: D) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
a = ৩ এর ঘনমূল ১ + ৩ এর ঘনমূল ১ এর বিপরীত
ধরি,
a = (৩ এর পাওয়ার ১/৩) + (৩ এর পাওয়ার −১/৩)
অতএব,
উভয় পক্ষকে ঘন করে পাই,
a এর কিউব = ৩ + (১ ÷ ৩) + ৩ গুণ a
সুতরাং,
a এর কিউব = (১০ ÷ ৩) + ৩a
উত্তর:
৩ গুণ (a এর কিউব) − ৯a + ১ = ১০ + ১ = ১১
সঠিক উত্তর: A) (3x − 5)(2x + 1)
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৬x^২ − ৭x − ৫
ধরি,
মধ্যপদ ভেঙে উৎপাদক করতে হবে
গুণফল হবে প্রথম ও শেষ পদের গুণফলের সমান
অর্থাৎ, ৬x^২ এবং (−৫) এর গুণফল = −৩০x^২
অতএব,
এমন দুটি সংখ্যা খুঁজতে হবে যাদের গুণফল হবে −৩০ এবং যোগফল হবে মাঝের পদের সহগ −৭
সংখ্যা দুটি হলো −১০ এবং +৩
সুতরাং,
৬x^২ − ১০x + ৩x − ৫
= ২x(৩x − ৫) + ১(৩x − ৫)
উত্তর: (৩x − ৫)(২x + ১)
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
চিত্রে চতুর্ভুজটির বাহুগুলো সমান অর্থাৎ AB = BC = CD = AD
এটি একটি রম্বস বা বর্গক্ষেত্র যার সব বাহু সমান
ধরি,
ত্রিভুজ এ বি ডি একটি সমবাহু ত্রিভুজ
এর প্রতিটি কোণের মান ষাট ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজ এ বি ডি এর কোণ এ বি ডি = ষাট ডিগ্রি
ত্রিভুজ বি সি ডি এর কোণ ডি বি সি = ষাট ডিগ্রি
সুতরাং,
এক্স এর মান নির্ণয় করতে হবে নব্বই ডিগ্রি থেকে ষাট ডিগ্রি বিয়োগ করে
উত্তর: ৩০°
সঠিক উত্তর: A) ৪√২
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ৪ মিটার
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
আমরা জানি, বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = বাহু × √২
সুতরাং,
কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ × √২ মিটার
উত্তর: ৪√২ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ২০π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস = ২০ মিটার
ধরি,
বৃত্তের ব্যাস = d মিটার
বৃত্তের পরিধি = c মিটার
অতএব,
পরিধি নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পরিধি সমান পাই গুণ ব্যাস
সুতরাং,
বৃত্তের পরিধি = π × ২০ = ২০π মিটার
উত্তর: ২০π মিটার
সঠিক উত্তর: B) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সংখ্যা = ৪
দ্বিতীয় সংখ্যা = ৬
তৃতীয় সংখ্যা = ৮
ধরি,
চতুর্থ সমানুপাতি = ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যা অনুপাত দ্বিতীয় সংখ্যা = তৃতীয় সংখ্যা অনুপাত চতুর্থ সমানুপাতি
৪ অনুপাত ৬ = ৮ অনুপাত ক
সুতরাং,
৪ ÷ ৬ = ৮ ÷ ক
৪ × ক = ৬ × ৮
উত্তর: ক = ১২
সঠিক উত্তর: A) ৫ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন বা আসল = ৪০০ টাকা
মুনাফার হার = ৬%
মোট মুনাফা = ১২০ টাকা
ধরি,
সময় = ক বছর
অতএব,
১ বছরের মুনাফা = ৪০০ টাকার ৬%
= ৪০০ × (৬ ÷ ১০০) টাকা
= ২৪ টাকা
সুতরাং,
সময় = মোট মুনাফা ÷ ১ বছরের মুনাফা
= ১২০ ÷ ২৪ বছর
= ৫ বছর
উত্তর: ৫ বছর
সঠিক উত্তর: D) ৪x − ৫y
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ১৬x^২ − ২৫y^২
দ্বিতীয় রাশি = ১২ax − ১৫ay
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে পাই, (৪x)^২ − (৫y)^২
উৎপাদকের সূত্র প্রয়োগ করে পাই, (৪x + ৫y)(৪x − ৫y)
অতএব,
দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই, ৩a(৪x − ৫y)
উভয় রাশি বিশ্লেষণ করে সাধারণ উৎপাদক বের করি
সুতরাং,
প্রথম ও দ্বিতীয় রাশির মধ্যে সাধারণ অংশ হলো (৪x − ৫y)
উত্তর: ৪x − ৫y
সঠিক উত্তর: A) ৫/২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ২৫√৫
এর ভিত্তি হলো ৫
ধরি,
৫ ভিত্তিক লগারিদম এর মান = ক
অতএব,
৫ এর পাওয়ার ক = ২৫√৫
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার ক = (৫ এর পাওয়ার ২) × (৫ এর পাওয়ার ১/২)
উত্তর: ক = ৫/২
সঠিক উত্তর: B) ১/২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৪ এর পাওয়ার x সমান ২
ধরি,
৪ কে ২ এর ঘাত হিসেবে লেখা যায়
অর্থাৎ ৪ সমান ২ এর পাওয়ার ২
অতএব,
প্রশ্ন অনুযায়ী (২ এর পাওয়ার ২) এর হোল পাওয়ার x সমান ২
বা, ২ এর পাওয়ার (২ গুণ x) সমান ২ এর পাওয়ার ১
সুতরাং,
২ গুণ x সমান ১
উত্তর: x সমান ১/২
সঠিক উত্তর: C) ৫√২
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x − (১ ÷ x) = √২
ধরি,
প্রথম মান = x − (১ ÷ x) = √২
অতএব,
আমরা জানি, (x − ৩) এর অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই,
মান নির্ণয়ের সূত্র অনুযায়ী কাজ করতে হবে
সুতরাং,
(x^৩) − (১ ÷ x^৩) = (x − (১ ÷ x))^৩ + ৩ × (x − (১ ÷ x))
উত্তর: ৫√২
সঠিক উত্তর: D) ২২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১৮ হলো একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার আট শতাংশ
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
ক এর আট শতাংশ = ১৮
ক × (৮ ÷ ১০০) = ১৮
সুতরাং,
ক = ১৮ × (১০০ ÷ ৮)
ক = ২২৫
উত্তর: ২২৫
সঠিক উত্তর: A) সক্রেটিস
কেন সঠিক:
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসের মতে নৈতিকতা এবং জ্ঞান একই বিষয়, যার অর্থ প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে সৎ হতে বাধ্য করে।
- তার বিখ্যাত এই দর্শন অনুসারে অজ্ঞতাই সকল পাপের মূল এবং সৎ কাজের পেছনে সঠিক জ্ঞান কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সক্রেটিস — এই উক্তিটির মূল প্রবক্তা এবং প্রাচীন গ্রিক দর্শনের অন্যতম প্রধান দার্শনিক।
B) প্লেটো — তিনি সক্রেটিসের শিষ্য ছিলেন এবং পরবর্তীতে আদর্শ রাষ্ট্র ও তত্ত্ব নিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ রচনা করেন।
C) জন লক — তিনি আধুনিক উদারতাবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদ দর্শনের জনক এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত।
D) এরিস্টটল — তিনি প্লেটোর শিষ্য এবং জীববিজ্ঞান, রাজনীতি ও যুক্তিতত্ত্বের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
মনে রাখার টিপস:
সৎ মানুষ হতে হলে জ্ঞান অর্জন করতে হয়, এই কথাটি প্রথম বলেছিলেন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস।
সঠিক উত্তর: B) ৫টি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য পনেরোটি, যার মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র।
- স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলো হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্স, যাদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা চারটির বেশি।
B) ৫টি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়।
C) ৬টি — স্থায়ী সদস্য সংখ্যা ছয়টি নয়, এই সংখ্যাটি সঠিক সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি।
D) ৭টি — স্থায়ী সদস্য সংখ্যা সাতটি নয়, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নির্দিষ্টভাবে পাঁচটি।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী পাঁচ দেশকে মনে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন এবং ফ্রান্সের প্রথম অক্ষরগুলো মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ROM
কেন সঠিক:
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory, যা কম্পিউটারের একটি অ_প_রি_ব_র্ত_ন_ী_য় ও স্থায়ী স্মৃতি।
- কম্পিউটার বন্ধ করলেও এই মেমরিতে থাকা তথ্য বা ডেটা মুছে যায় না, তাই একে স্থায়ী স্মৃতি বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ROM — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে কাজ করে।
B) RAM — এটি একটি অস্থায়ী স্মৃতি বা প্রাইমারি মেমরি, যা কম্পিউটার বন্ধ করলেই ডেটা মুছে ফেলে।
C) Hard Disc — এটি স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যম হলেও একে সাধারণত কম্পিউটারের মূল বা স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে ধরা হয় না, এটি একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
D) Compact Disc — এটি অপটিক্যাল ডিস্ক বা পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইস, কম্পিউটারের ভেতরের মূল স্থায়ী স্মৃতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থায়ী স্মৃতির জন্য Read Only বা ROM মনে রাখব, কারণ এটি পড়া যায় কিন্তু সহজে মোছা বা পরিবর্তন করা যায় না।
সঠিক উত্তর: B) ফ্যাদোমিটার
কেন সঠিক:
- ফ্যাদোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে মূলত পানির নিচে শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপের একক হলো ফ্যাদম, যা থেকে এই যন্ত্রের নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থার্মোমিটার — এটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুর বা পরিবেশের তাপমাত্রা পরিমাপের কাজে ব্যবহৃত হয়।
B) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করার সঠিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্র।
C) স্ফিগমোম্যানোমিটার — এটি মানুষের শরীরের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
D) রিকটার স্কেল — এটি ভূমিকম্পের তীব্রতা বা মাত্রা পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
সমুদ্রের গভীরতা ফাতে মাপা হয়, এভাবে মনে রাখলে ফ্যাদোমিটার নামটি সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: D) র্যান্ড
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি মুদ্রার নাম র্যান্ড এবং এর আন্তর্জাতিক মুদ্রা কোড হলো জেডএআর।
- দেশটি ১৯৬১ সাল থেকে এই মুদ্রা ব্যবহার করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রোনার — এটি ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেনের মুদ্রার নাম, যা দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবহৃত হয় না।
B) ক্রুজিরা — এটি অতীতে ব্রাজিলের একটি মুদ্রার নাম ছিল, যার সাথে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) পেশো — এটি আর্জেন্টিনা, চিলি এবং ফিলিপাইনসহ বেশ কয়েকটি লাতিন আমেরিকান দেশের মুদ্রা।
D) র্যান্ড — এটি দক্ষিণ আফ্রিকার নির্ধারিত ও সঠিক মুদ্রা।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে গেলে রান করতে হয়, আর সেখান থেকেই মনে রাখবেন তাদের মুদ্রার নাম র্যান্ড।
সঠিক উত্তর: C) আমেরিকার রাষ্ট্রপতির বিমান
কেন সঠিক:
- এয়ারফোর্স ওয়ান আমেরিকার রাষ্ট্রপতির বহনকারী যেকোনো বিমানকে বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত একটি কলসাইন।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী বা এয়ারফোর্স এই বিশেষ বিমানগুলো পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বিমান — ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর জন্য কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষভাবে নামকৃত রাষ্ট্রীয় বিমান নেই, তারা সাধারণত বাণিজ্যিক বা সামরিক বিমান ব্যবহার করেন।
B) রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির বিমান — রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির ব্যবহৃত সরকারি বিমানগুলোকে সাধারণত রাশিয়ান এয়ার ক্রাফট বলা হয়, যার নির্দিষ্ট কোড নাম ইল্যুশিন।
C) আমেরিকার রাষ্ট্রপতির বিমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) স্পেনের রানির বিমান — স্পেনের রাজপরিবার বা সরকার যাতায়াতের জন্য স্প্যানিশ এয়ার ফোর্সের বিমান ব্যবহার করে, যার আলাদা কোনো বিশেষ নাম নেই।
মনে রাখার টিপস:
আমেরিকার রাষ্ট্রপতির এয়ারফোর্স এবং এয়ারফোর্স ওয়ান নাম দুটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) কাতার
কেন সঠিক:
- ২০২২ সালের ২১তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি আরব বিশ্বে আয়োজিত প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জার্মানি — জার্মানি অতীতে ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করেছিল, ২০২২ সালের স্বাগতিক দেশ নয়।
B) আর্জেন্টিনা — আর্জেন্টিনা ২০২২ সালের বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল হলেও এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল না।
C) মেক্সিকো — মেক্সিকো অতীতে বিশ্বকাপ আয়োজন করলেও ২০২২ সালের টুর্নামেন্ট সেখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
D) কাতার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ টুর্নামেন্টটি এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমির দেশ কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) মিথানয়িক এসিড
কেন সঠিক:
- পিঁপড়া ও মৌমাছির হুলে মিথানয়িক এসিড বা ফরমিক এসিড থাকে, যা কামড়ের পর ত্বকে প্রবেশ করে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে।
- এই এসিড কামড়ের স্থানে তীব্র ব্যথা এবং ফুসকুড়ি বা প্রদাহের জন্ম দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি মূলত ভিটামিন সি, যা লেবু ও আমলকীতে থাকে এবং এটি কামড়ের বিষে থাকে না।
B) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া যায়, যা পিঁপড়া বা মৌমাছির কামড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) মিথানয়িক এসিড — এটিই সঠিক উত্তর, যা পিঁপড়া ও মৌমাছির কামড়ে থাকে।
D) টারটারিক এসিড — এটি তেঁতুলে পাওয়া যায়, যা এই প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
পিঁপড়া কামড়ালে জ্বলে বেশি, মিথানয়িক এসিড দেয় বিষ।
সঠিক উত্তর: A) ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
কেন সঠিক:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড বা জিএফসি জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামোগত কনভেনশনের আওতায় গঠিত বৈশ্বিক তহবিল।
- ২০১০ সালে এই তহবিল গঠনের পর এর সদর দপ্তর হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন শহরের সোংদো এলাকা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া — এটি জিএফসি তহবিলের নির্ধারিত ও অনুমোদিত স্থায়ী সদর দপ্তর।
B) প্যারিস, ফ্রান্স — এটি ওইসিডি এবং ইউনেস্কোসহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও জিএফসি এখানে অবস্থিত নয়।
C) ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া — এটি ওপেক ও শিল্প উন্নয়ন সংস্থার সদর দপ্তর, তবে জলবায়ু তহবিলের জন্য নয়।
D) ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফের সদর দপ্তর, কিন্তু জিএফসির সদর দপ্তর এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দপ্তর কোরিয়ায় অবস্থিত, এটি মনে রাখতে কোরিয়ান জলবায়ু তহবিল এই সংক্ষিপ্ত সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ৮ মার্চ
কেন সঠিক:
- প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়।
- নারীর অধিকার রক্ষা এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে এই দিনটি উদযাপিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা নারীর অধিকার ও সমতার প্রতীক।
B) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়, নারী দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
সি) ১০ ডিসেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা নারী দিবসের তারিখ নয়।
ডি) ৮ সেপ্টেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের আট তারিখে নারী দিবস মনে রাখতে আট সংখ্যাটিকে নারীর আটপৌরে জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ১৯২০ সালে
কেন সঠিক:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে উনিশ শতকে নারীদের ভোটাধিকার ছিল না এবং দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯২০ সালের ১৮ আগস্ট এই অধিকার নিশ্চিত করা হয়।
- ১৯২০ সালে পাস হওয়া উনিশতম সংশোধনী অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটাধিকার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮২০ সালে — এই সময়ে মার্কিন নারীদের ভোটাধিকারের কোনো আইনি স্বীকৃতি বা জাতীয় আন্দোলন সফল হয়নি।
B) ১৮২১ সালে — এটি ভুল সাল কারণ এই সময়ে নারীদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক সংশোধনী পাস হয়নি।
C) ১৯২০ সালে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ১৯২১ সালে — এটি ভুল কারণ এক বছর আগেই ১৯২০ সালে মার্কিন নারীরা ভোটাধিকার লাভ করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা ভোটাধিকার পান বিশের দশকে, অর্থাৎ ১৯২০ সালে।
সঠিক উত্তর: C) চিকুনগুনিয়া
কেন সঠিক:
- এডিস মশা এডিস ইজিপ্টাই এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস প্রজাতি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের প্রধান বাহক হিসেবে কাজ করে।
- এই ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করলে তীব্র জ্বর, জয়েন্টে ব্যথা ও গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গোদ রোগ — এটি কিউলেক্স প্রজাতির মশার কামড়ে ছড়ায় এবং ফাইলেরিয়া কৃমির কারণে এই রোগ হয়।
B) ম্যালেরিয়া — এটি অ্যানোফিলিস প্রজাতির স্ত্রী মশার কামড়ে মানবদেহে প্লাজমোডিয়াম পরজীবী প্রবেশের ফলে হয়।
C) চিকুনগুনিয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই রোগটি এডিস মশার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
D) ফাইলেরিয়া — এটি কিউলেক্স মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং এটি এক ধরনের কৃমিজনিত রোগ।
মনে রাখার টিপস:
এডিস মশার কামড়েই মূলত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ ছড়ায়।
সঠিক উত্তর: A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
কেন সঠিক:
- ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক একুশ দফার দাবিনামার প্রথম ও প্রধান দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি সম্মান এবং বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন হিসেবে এই দফাকে সবার উপরে রাখা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
B) পাটকল জাতীয়করণ করা — পাটকল জাতীয়করণ ২১ দফার অন্তর্ভুক্ত ছিল না, এটি অর্থনীতি সম্পর্কিত অন্য একটি দাবি ছিল।
C) চাকরিতে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করা — এটি ২১ দফার একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলেও প্রথম দফা ছিল না।
D) পূর্ব পাকিস্তানের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা — এটি আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার দাবি হলেও প্রথম দফা হিসেবে নির্ধারিত ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তফ্রন্টের একুশ দফার শুরুতে মাতৃভাষার অধিকারকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল, তাই রাষ্ট্রভাষার দাবিটিই ছিল প্রথম দফা।
সঠিক উত্তর: A) ৫১৩৮ কি.মি.
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কি.মি. এবং ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি. হলেও মোট সীমানার মধ্যে সমুদ্রসীমা যুক্ত করে প্রাতিষ্ঠানিক ও পাঠ্যপুস্তকের প্রামাণিক তথ্য অনুযায়ী মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কি.মি. ধরা হয়।
- এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত ৪১৫৬ কি.মি., মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত ২৭১ কি.মি. এবং বঙ্গোপসাগরের জলসীমা বা উপকূলীয় দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি. যুক্ত রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫১৩৮ কি.মি. — এটি বাংলাদেশের স্থল ও জলসীমা সহ মোট সীমানার সঠিক এবং প্রামাণিক দৈর্ঘ্য।
B) ৫১২০ কি.মি. — এটি কোনো সঠিক প্রামাণিক বা প্রাতিষ্ঠানিক সীমান্ত পরিমাপের সঙ্গে মেলে না।
C) ৪৫০০ কি.মি. — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশের প্রকৃত সীমান্ত দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম এবং ভুল।
D) ৪৩০০ কি.মি. — এটি কেবল স্থলসীমান্তের কাছাকাছি হলেও মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য হিসেবে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ নামের মোট সীমার দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কি.মি., যেখানে ৫ দিয়ে শুরু এবং শেষ সংখ্যাটি ৮।
সঠিক উত্তর: B) কৌটিল্য
কেন সঠিক:
- অর্থশাস্ত্র প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতি সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত গ্রন্থ যা কৌটিল্য বা চাণক্যের রচনা।
- এই গ্রন্থে প্রাচীন মৌর্য সাম্রাজ্যের শাসনব্যবস্থা, কূটনীতি এবং আইন প্রণয়নের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আবুল ফজল — তিনি মোগল সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন এবং আইন ই আকবরী গ্রন্থের রচয়িতা।
B) কৌটিল্য — এটি সঠিক উত্তর, তিনি প্রাচীন ভারতের চাণক্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত।
C) ইবনে খালদুন — তিনি বিখ্যাত আরব সমাজবিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ এবং মুকাদ্দিমা গ্রন্থের রচয়িতা।
D) দীনেশ চন্দ্র সেন — তিনি বিখ্যাত বাঙালি গবেষক ও প্রাচীন বাংলা সাহিত্য এবং ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলক।
মনে রাখার টিপস:
কৌটিল্য বা চাণক্যের বুদ্ধিমত্তা ও কূটনীতি যেমন বিখ্যাত, তেমনি তার রচিত রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম অর্থশাস্ত্র।
সঠিক উত্তর: A) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- তক্ষশীলা প্রাচীন গান্ধার সভ্যতার রাজধানী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র ছিল।
- বর্তমান ভূগোলে ঐতিহাসিক এই স্থানটি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকিস্তান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তক্ষশীলা বর্তমান পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় অবস্থিত।
B) নেপাল — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ নেপালে বৌদ্ধ ধর্মের পবিত্র স্থান লুম্বিনী অবস্থিত, তক্ষশীলা নয়।
C) শ্রীলংকা — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ শ্রীলংকায় প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার অনেক নিদর্শন থাকলেও তক্ষশীলা সেখানে অবস্থিত নয়।
D) ভারত — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ প্রাচীন তক্ষশীলা ভারতীয় উপমহাদেশে থাকলেও বর্তমান সীমানায় এটি পাকিস্তানে পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
তক্ষশীলার ‘ত’ অক্ষরটি মনে রেখে মনে রাখতে পারেন প্রাচীন এই শিক্ষা কেন্দ্রটি বর্তমানে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) লেবার পার্টি
কেন সঠিক:
- সাম্প্রতিক ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টি বিশাল জয়লাভ করে দীর্ঘ চৌদ্দ বছর পর ক্ষমতায় আসে।
- দলটির নেতা কেয়ার স্টারমার এই নির্বাচনে জয়লাভ করে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লেবার পার্টি — এটি বর্তমান বিজয়ী দল এবং নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
B) ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন — এটি মূলত উত্তর আয়ারল্যান্ডের একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল, যা ব্রিটেনের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান সরকার গঠনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না।
C) স্কটিশ এলায়েন্স — এটি স্কটল্যান্ডের একটি রাজনৈতিক জোট বা প্রেক্ষাপট, যা ব্রিটিশ জাতীয় সাধারণ নির্বাচনে এককভাবে ক্ষমতা দখলকারী প্রধান দল নয়।
D) কনজারভেটিভ পার্টি — এটি পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীণ দল, যা সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রিটেনের নির্বাচনে পরিবর্তন এসেছে, লেবার পার্টির নেতা কেয়ার স্টারমার নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
সঠিক উত্তর: C) মারমা
কেন সঠিক:
- জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমা উপজাতির পরেই মারমা উপজাতির অবস্থান, যা তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি হিসেবে চিহ্নিত করে।
- মারমা সম্প্রদায় প্রধানত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে এবং তাদের নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান উপজাতি হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম নয়।
B) চাকমা — এটি জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, তাই দ্বিতীয় বৃহত্তম হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
C) মারমা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ জনসংখ্যার বিচারে এরা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
D) রাখাইন — এই উপজাতিটি প্রধানত পটুয়াখালী, বরগুনা ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে এবং এরা দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের উপজাতিতে প্রথম চাকমা এবং দ্বিতীয় মারমা, এভাবে ক্রমানুসারে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) যশোর
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর জেলা পাকিস্তান হানাদার বাহিনী মুক্ত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা।
- এই জয়ের ফলে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মুক্তাঞ্চল গঠিত হয় এবং বিজয়ের গতি ত্বরান্বিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাগুরা — এটি বাংলাদেশের একটি জেলা হলেও মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
B) মেহেরপুর — এটি ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান হলেও প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
C) যশোর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম শত্রুমুক্ত হয়।
D) ময়মনসিংহ — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলেও প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা নয়।
মনে রাখার টিপস:
যশোর প্রথমে শত্রুমুক্ত হয় ৬ ডিসেম্বর, তাই মনে রাখুন ৬ মানে ছয় শত্রু জয়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সরকার কতৃক প্রতিবছর ১৯ জানুয়ারি তারিখে জাতীয় শিক্ষক দিবস পালন করা হয়।
- শিক্ষকদের সম্মান জানাতে এবং শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এই দিনটি নির্ধারিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯ জানুয়ারি — এটি নির্ধারিত জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত সঠিক তারিখ।
B) ২০ জানুয়ারি — এটি জাতীয় শিক্ষক দিবসের জন্য নির্ধারিত কোনো ঐতিহাসিক বা স্বীকৃত দিন নয়।
C) ২১ জানুয়ারি — এটি শিক্ষক দিবস নয়, তবে অন্য কোনো সাধারণ বা জাতীয় দিবস হতে পারে।
D) ২২ জানুয়ারি — এটি শিক্ষক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো সরকারিভাবে ঘোষিত দিন নয়।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষক দিবসের তারিখ মনে রাখতে সাল নয়, শুধু মাস জানুয়ারির ১৯ তারিখ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন ‘ডি’
কেন সঠিক:
- সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানবদেহের ত্বকে ভিটামিন ডি সংশ্লেষিত বা তৈরি হয়।
- এটি হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সহায়তা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘এ’ — এটি মূলত গাজর, কলিজা ও সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায় এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে, সূর্যরশ্মি থেকে সরাসরি তৈরি হয় না।
B) ভিটামিন ‘বি’ — এটি বিভিন্ন দানাশস্য, মাংস ও দুধজাত খাবারে পাওয়া যায় এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা ঠিক রাখে, যা সূর্যালোক থেকে উৎপন্ন হয় না।
C) ভিটামিন ‘ই’ — এটি বাদাম, বীজ ও উদ্ভিজ্জ তেলে পাওয়া যায় এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, সূর্যকিরণ এর প্রধান উৎস নয়।
D) ভিটামিন ‘ডি’ — এটি সূর্যরশ্মির উপস্থিতিতে ত্বকে তৈরি হয়, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
সূর্য থেকে আলো ও শক্তি পাই, আর সূর্যকিরণ থেকে পাই ভিটামিন ডি, যা আমাদের হাড় শক্ত রাখে।
সঠিক উত্তর: B) ৪১তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে দুটি সাবমেরিন যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ একাত্তরতম দেশ হিসেবে সাবমেরিনের যুগে পদার্পণ করে।
- ২০১৬ সালের চৌদ্দই নভেম্বর চীন থেকে সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪০তম — এটি সঠিক উত্তর নয় কারণ সাবমেরিন পরিচালনাকারী দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশ ৪০তম স্থানে ছিল না।
B) ৪১তম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশ এই ক্রমিক অনুযায়ী সাবমেরিন যুগে প্রবেশ করে।
C) ৪২তম — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ একাত্তরতম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে, বিয়াল্লিশতম নয়।
D) ৪৩তম — এটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশ সাবমেরিন অর্জনকারী দেশ হিসেবে তেতাল্লিশতম স্থানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ সাবমেরিন যুগে প্রবেশ করে একাত্তরতম দেশ হিসেবে, যেখানে সংখ্যা দুটি উল্টালে ৪১ হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৩টি
কেন সঠিক:
- জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক শিক্ষার স্তর মূলত তিনটি অর্থাৎ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা।
- প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত থাকায় প্রধান শিক্ষার স্তর তিনটি হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — বাংলাদেশের শিক্ষার প্রচলিত ও আনুষ্ঠানিক প্রধান স্তর চার্চি নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ৫টি — শিক্ষার স্তর পাঁচটি বলা হলেও জাতীয় শিক্ষানীতির কাঠামো অনুযায়ী প্রধান স্তর তিনটি।
C) ৬টি — শিক্ষা স্তরের সংখ্যা ছয়টি সঠিক নয়, এটি ভুল তথ্য প্রদান করে।
D) ৩টি — এটি সঠিক কারণ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রধানত প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা এই তিনটি স্তরে বিভক্ত।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষার প্রধান সিঁড়ি তিনটি মনে রাখুন, প্রাথমিক থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পেরিয়ে উচ্চশিক্ষায় পৌঁছানো যায়।
সঠিক উত্তর: D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটি রচনা করেন।
- ২০১২ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটিতে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও ব্যক্তিগত স্মৃতির বিবরণ উঠে এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাজউদ্দিন আহমদ — তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় নেতা ছিলেন, কিন্তু এই গ্রন্থের রচয়িতা নন।
B) শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা ও বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে এই আত্মজীবনী তাঁর নয়।
C) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী — তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট জাতীয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু এই সাহিত্যকর্মের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসমাপ্ত কাজ বা আত্মজীবনী লিখে গেছেন, তাই অসমাপ্ত আত্মজীবনী দেখলে তাঁর নাম মনে রাখবে।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তরটি ভুল। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে নয়, বরং সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের লালাখাল বা শ্রীপুর নয়, বরং মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল অথবা স্থানভেদে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। তবে প্রচলিত সাধারণ জ্ঞান বই অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় সিলেটের লালখান নয়, বরং সিলেটের জৈন্তাপুরের শ্রীপুর বা সুনামগঞ্জের ছাতকে। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্ন ও উত্তরটি সংশোধন সাপেক্ষ। ভৌগোলিক তথ্যানুযায়ী সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় অথবা সুনামগঞ্জে।
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থান ও পাহাড়ি ঢালের কারণে উত্তরপূর্বাঞ্চলে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত ঘটে।
- ভারতের খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় মেঘের পুঞ্জীভূতকরণের ফলে এই অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেটের লালাখালে — এটি একটি সুন্দর পর্যটন স্থান হলেও এটি বাংলাদেশের সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হওয়া নির্ধারিত স্থান নয়।
B) নাটোরের লালপুরে — এটি মূলত বাংলাদেশের উষ্ণতম ও সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলের একটি হিসেবে পরিচিত।
C) মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ডে — এটি একটি বিখ্যাত জলপ্রপাত ও পর্যটন কেন্দ্র, তবে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের জন্য এটি পরিচিত নয়।
D) রাজশাহীর তানোরে — এটি বরেন্দ্র অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম কম বৃষ্টিপাত ও খরাপ্রবণ এলাকা।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে, আর সবচেয়ে কম বৃষ্টি হয় নাটোরের লালপুর ও রাজশাহীতে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)