সঠিক উত্তর: B) সৌম্য
১. কেন সঠিক:
- উগ্র শব্দের অর্থ তীব্র, প্রখর, ক্রুদ্ধ বা হিংস্র। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে সৌম্য শব্দটি।
- সৌম্য শব্দের অর্থ শান্ত, স্নিগ্ধ, কোমল বা অমায়িক স্বভাবের।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাব ও তীব্রতা বিবেচনা করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। এখানে উগ্র ও সৌম্য উভয় শব্দই তৎসম বা সংস্কৃত উৎসের।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদের বিপরীত আনন্দ
ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের অর্থ দুঃখ, যার বিপরীত আনন্দ বা সুখ।
উদাহরণ ২: প্রাচীন বিপরীত আধুনিক
ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ খুব পুরানো, যার বিপরীত সাম্প্রতিক বা আধুনিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুগ্র — এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয় এবং এর অর্থ মানানসই নয়।
B) সৌম্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উগ্র শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) ধীর — ধীর শব্দের অর্থ শান্ত বা স্থির, তবে এটি উগ্র শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে বিবেচিত হয় না।
D) স্থির — স্থির শব্দের বিপরীত চঞ্চল বা অস্থির, তাই এটি উগ্র শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উগ্র মানুষের স্বভাব হয় চড়া ও হিংস্র, আর সৌম্য মানুষের স্বভাব হয় শান্ত ও শীতল। এভাবে স্বভাবের তুলনা করে বিপরীত শব্দ মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সংস্কৃত উৎসের শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) অপরাহ্ণ
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানান গঠনে হ বর্ণের নিচে ণ যুক্ত হয়।
বাংলা বানান নিয়মানুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হওয়ায় এটি প্রমিত রূপ লাভ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানান বিধি অনুসারে প্রমিত রূপ নির্ধারণের ক্ষেত্রে যুক্তাক্ষরের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটিতে হ এর সাথে ণ যুক্ত হবে।
যেমন অপরাহ্ণ শব্দের অর্থ হলো বিকাল বা দিনেব শেষ ভাগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরাহ্ন — এই বানানে হ এর নিচে ন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানান নিয়মের পরিপন্থী।
B) অপরাহ্ণ — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর।
C) অপরাণ্য — এই বানানে হ এর পরিবর্তে ঞ যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) অপরান্য — এই বানানে হ বর্ণটি বাদ দিয়ে সরাসরি ন যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
অপরাহ্ন শব্দটি লেখার সময় হ এর সাথে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত করতে হয়।
হ এর সাথে ন ককখনো যুক্ত হবে না এটি মনে রাখলে ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) অর্ণব
১. কেন সঠিক:
- অর্ণব শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র, সাগর বা জলধি, যা কোনোভাবেই সূর্যকে নির্দেশ করে না।
- প্রশ্নটিতে কোনটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সমুদ্রবাচক এই শব্দটিই সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যাদের অর্থ প্রায় এক বা কাছাকাছি।
- সূর্য একটি প্রাকৃতিক জ্যোতিষ্ক এবং এর অনেকগুলো প্রমিত সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য।
উদাহরণ ২: ভাস্কর
ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি ছড়ান যিনি অর্থাৎ সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তপন — তপন শব্দের অর্থ সূর্য, যা দিবালোক প্রদান করে।
B) প্রভাকর — প্রভাকর শব্দের অর্থ আলো ছড়ান যিনি অর্থাৎ সূর্য।
C) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য বা পূজা বিশেষ, যা সূর্যের একটি নাম।
D) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমুদ্রবাচক শব্দ যেমন অর্ণব, পারাবার, রত্নাকর আলাদা করে মনে রাখলে সূর্যের সমার্থক শব্দ সহজে চেনা যায়।
- তপন, রবি, দিবাকর, ভাস্কর হলো সূর্যের কমন নাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- সমুদ্র, সূর্য, চন্দ্র, আকাশ, বাতাস ও নদী এই কয়টি বিষয়ের সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৯
১. কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর তাদের ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- কানাডাভিত্তিক সংগঠনের উদ্যোগ এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন যা ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতির অর্জনের সঙ্গে জড়িত।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো এই দিনটিকে সারা বিশ্বে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৯৯ সাল
ব্যাখ্যা: এই সালেই ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
উদাহরণ ২: ২০০০ সাল
ব্যাখ্যা: ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পাল শুরু হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৮ — এটি ভুল কারণ এই সালে ইউনেস্কো এই ধরনের কোনো স্বীকৃতি দেয়নি এবং ভাষা আন্দোলন হয়েছিল ১৯৫২ সালে।
B) ১৯৯৯ — এটি সঠিক কারণ এই সালেই ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তাব পাস হয়।
C) ২০০০ — এটি ভুল কারণ এই সালে দিবসটি পালিত হওয়া শুরু হয়, কিন্তু স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল তার আগের বছর।
D) ২০০৫ — এটি ভুল কারণ এই সালের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্বীকৃতির কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সালটি মনে রাখতে শেষ দুটি অঙ্ক মনে রাখুন, ১৯৯৯ সালের শেষের দুই অঙ্ক ৯৯।
- ভাষা আন্দোলনের বছর ১৯৫২ এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বছর ১৯৯৯, দুটিই স্মরণীয় সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল কানাডাপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম।
- এই ধরনের ঐতিহাসিক দিবসের স্বীকৃতি প্রদানকারী সংস্থা এবং সাল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) বৈয়াকরণ
১. কেন সঠিক:
- ব্যাকরণ শাস্ত্রে পণ্ডিত বা যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন কিংবা ভালো জানেন, তাকে এককথায় বৈয়াকরণ বলা হয়।
- ব্যাকরণ শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করায় এই শব্দটি প্রমিত ও অর্থপূর্ণ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণ শব্দের সঙ্গে অণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৈয়াকরণ শব্দ গঠিত হয় যা ব্যাকরণবিদের সমার্থক।
- প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ব্যাকরণ সম্পর্কিত সঠিক ও সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এই শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুগ্ধবোধ ব্যাকরণের রচয়নাকার একজন বৈয়াকরণ হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণ শাস্ত্রে গভীর জ্ঞান রাখার কারণে বৈয়াকরণ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পানিনী সংস্কৃত ভাষার একজন বিখ্যাত বৈয়াকরণ ছিলেন।
ব্যাখ্যা: বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ বোঝাতে এই বাক্যে বৈয়াকরণ শব্দটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাকরণবিদ — ব্যাকরণ ও বিদ মিলে গঠিত হলেও এটি ব্যাকরণের প্রমিত ও ঐতিহ্যগত একপদবাচক রূপ নয়।
B) বৈয়াকরণ — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণ শাস্ত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বোঝাতে প্রমিত শব্দ।
C) ব্যাকরণিক — ব্যাকরণ সম্পর্কিত অর্থে এই রূপটি বাংলা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য বা প্রমিত নয়।
D) বৈয়াকরণিক — অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ ও ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যাকরণ যিনি জানেন তাকে সবসময় বৈয়াকরণ বলবে।
- দীর্ঘ শব্দ বা অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত অপশন এড়িয়ে সংক্ষিপ্ত ও প্রমিত রূপটি নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি এককথায় প্রকাশ এবং শুদ্ধ বানান উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের প্রমিত রূপ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যে শব্দ যুগলগুলো দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি জোড়ার শব্দগুলো পরস্পরের সমার্থক।
যেহেতু প্রতিটি অপশনের শব্দগুলো সমার্থক, তাই কোনো জোড়ই সমার্থক নয় এমন বলা যাবে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে, তাদেরকে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ বলে।
বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বিদেশি উৎস থেকে আসা অনেক শব্দের একই রকম অর্থ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্ণব, জলধি
ব্যাখ্যা: এই দুটি শব্দই সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কুঞ্জ, কানন
ব্যাখ্যা: এই দুটি শব্দই বন বা উদ্যানের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অটবি, বিটপী — এই অপশনের অটবি এবং বিটপী উভয় শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য, তাই এরা সমার্থক শব্দ।
B) হেম, সুবর্ণ — এই অপশনের হেম এবং সুবর্ণ উভয় শব্দের অর্থ সোনা বা স্বর্ণ, তাই এরা সমার্থক শব্দ।
C) তটিনী, ঝরনা — এই অপশনের তটিনী এবং ঝরনা উভয় শব্দই নদী বা জলপ্রপাত অর্থে পানির ধারা বোঝায়, তাই এরা সমার্থক শব্দ।
D) কোনোটিই নয় — এটি সঠিক কারণ আগের তিনটি অপশনের শব্দগুলোই পরস্পরের সমার্থক।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমার্থক শব্দ মনে রাখতে শব্দগুলোর মূল উৎস এবং প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
প্রতিটি প্রতিশব্দের একটি তালিকা তৈরি করে নিয়মিত পড়লে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ জানা জরুরি।
একই অর্থের বিভিন্ন শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য ও উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) করী
কেন সঠিক:
- 'করী' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যার কর বা শুঁড় আছে।
- হাতি বা হস্তীর একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় প্রতিশব্দ হলো করী।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে প্রাণীর অঙ্গবৈশিষ্ট্য বা স্বভাবের ওপর ভিত্তি করে নাম দেওয়া হয়।
- হাতির শুঁড় তার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হওয়ায় একে কর বা শুঁড়ের অধিকারী হিসেবে 'করী' বলা হয়।
- হাতির অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে হস্তী, গজ, নাগ, মাতঙ্গ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কুরঙ্গ — কুরঙ্গ শব্দের অর্থ হরিণ, তাই এটি হাতি নয়।
- B) ভুজঙ্গ — ভুজঙ্গ শব্দের অর্থ সাপ বা সর্প, তাই এটি হাতি নয়।
- C) করী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) কেশরী — কেশরী শব্দের অর্থ সিংহ, তাই এটি হাতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- যার 'কর' বা শুঁড় আছে, সেই হলো 'করী' বা হাতি।
সঠিক উত্তর: B) প্রমিত উচ্চারণ
১. কেন সঠিক:
চলিত ভাষার একটি অন্যতম প্রধান ও অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রমিত উচ্চারণ এবং পরিবর্তনশীলতা। এটি লেখার মাধ্যম ছাড়াও মানুষের মুখে মুখে স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত ও বিকশিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
চলিত রীতি মূলত মুখের বুলির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আধুনিক বাংলা ভাষার একটি প্রমিত রূপ। এটি কৃত্রিমতা বর্জন করে সহজ, সাবলীল ও গতিশীল শব্দচয়ন নিশ্চিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিয়া শব্দের চলিত রূপ হলো করে।
ব্যাখ্যা: চলিত রীতিতে কৃত্রিম ও দীর্ঘ রূপ বাদ দিয়ে সহজ ও সাবলীল প্রমিত উচ্চারণ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: আসিয়াছি শব্দের চলিত রূপ হলো এসেছি।
ব্যাখ্যা: এটি মুখের বুলির স্বাভাবিক প্রমিত উচ্চারণ অনুযায়ী রূপান্তরিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাম্ভীর্য — গাম্ভীর্য সাধু ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য, চলিত ভাষার নয়।
B) প্রমিত উচ্চারণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য।
C) তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার — তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান লক্ষণ।
D) ব্যাকরণ অনুসরণ করে চলে — সাধু ও চলিত উভয় রীতির ভাষাই নিজস্ব নিয়মে ব্যাকরণ অনুসরণ করে, এটি এককভাবে চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু মানে গম্ভীর ও প্রাচীন, আর চলিত মানে সহজ, পরিবর্তনশীল ও প্রমিত উচ্চারণের আধুনিক রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চলিত ভাষার মূল ভিত্তি হলো কথ্য ভাষা বা মুখের বুলি এবং এর রূপ পরিবর্তনশীল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে
১. কেন সঠিক:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে। তিনি প্রাকৃত স্তর হয়ে অপভ্রংশ পেরিয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে বলে মত দিয়েছেন।
- বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে ভাষাবিজ্ঞানীদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর এই মতটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই তত্ত্বে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রাকৃত স্তরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
- তাঁর মতে বাংলা ভাষার কালক্রম হলো বৈদিক, সংস্কৃত, প্রাকৃত, গৌড়ীয় অপভ্রংশ এবং সর্বশেষ বাংলা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কাল আনুমানিক সপ্তম শতাব্দী।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার রূপ পরিবর্তনের সময়কাল ধরে তিনি এই সময় নির্ধারণ করেছেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের ভাষাকে তিনি বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ব্যাখ্যা: গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত হয়ে বাংলা ভাষা ক্রমান্বয়ে এই রূপ লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত থেকে — প্রথাগতভাবে বাংলা সংস্কৃত থেকে এসেছে বলা হলেও আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীরা তা সরাসরি মানেন না।
C) মাগধী প্রাকৃত থেকে — ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে মাগধী প্রাকৃত বা মাগধী অপভ্রংশ থেকে।
D) মৈথিলী থেকে — মৈথিলী একটি আলাদা ভাষা যা বিহার অঞ্চলে প্রচলিত এবং এটি বাংলা ভাষার উৎস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শহীদুল্লাহর শ এবং গৌড়ীয়র গ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো শহীদুল্লাহ বলেছেন গৌড়ীয় প্রাকৃত। সুনীতির স এবং মাগধীর ম মিলিয়ে সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মাগধী প্রাকৃত মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতবাদ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কার মতে কোন প্রাকৃত থেকে বাংলা এসেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
১. কেন সঠিক:
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাজদরবার, প্রশাসন, বিচারালয় এবং দাপ্তরিক কাজে ফারসি ভাষাকে সরকারি ভাষা বা রাজভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
তুর্ক-আফগান ও মোগল আমল দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে ফারসি সংস্কৃতির বিস্তার ঘটায়, যার ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ওপরও ফারসি ভাষার গভীর প্রভাব পড়ে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি মূলত বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং মধ্যযুগের বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতির পটভূমির সঙ্গে সম্পর্কিত।
সুলতানি ও মোগল আমলে শাসনতান্ত্রিক সুবিধার কারণে ফারসি ভাষা সরকারি ও আভিজাত্যের ভাষা হিসেবে প্রচলিত ছিল, যা পরবর্তীতে ১৮৩৭ সালে ব্রিটিশ আমলে ইংরেজি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবত কাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই কাব্যে ফারসি ও আরবি শব্দমালার প্রচুর ব্যবহার দেখা যায়, যা তখনকার রাজভাষার প্রভাবকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের দাপ্তরিক দলিলপত্র
ব্যাখ্যা: সেন ও পাট্টা জাতীয় ভূমি সংক্রান্ত নথিপত্রে ফারসি ও আরবি পরিভাষার অবাধ ব্যবহার ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — বাংলা সে সময় সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বা জনভাষা ছিল, কিন্তু সুলতানি বা মোগল রাজদরবারের দাপ্তরিক বা রাজভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না।
B) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন ও মধ্যযুগের হিন্দু রাজবংশের সময় রাজভাষা বা উচ্চবর্ণের ভাষা ছিল, যা মুসলিম শাসনামলে রাজভাষার মর্যাদা হারায়।
C) আরবি — আরবি ধর্মীয় ভাষা এবং কোরআন-হাদিসের ভাষা হিসেবে সম্মানিত হলেও ভারতবর্ষের মুসলিম রাজন্যবর্গের দাপ্তরিক বা রাজভাষা ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুসলিম শাসন মানেই রাজদরবারে ফারসি ভাষার জয়জয়কার মনে রাখা সহজ।
সুলতানি ও মোগল আমলের প্রশাসনিক ভাষা হিসেবে ফারসি ছিল প্রধান হাতিয়ার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
১৮৩৭ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের আদেশে ফারসি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজিকে সরকারি ভাষা করা হয়।
মধ্যযুগের সাহিত্যে ফারসি ও আরবি শব্দের প্রাচুর্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
সঠিক উত্তর: A) ক
১. কেন সঠিক:
কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার মূল অংশ কোমল তালুর সঙ্গে স্পর্শ করে।
বাংলা বর্ণমালার ক-বর্গের ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস সরাসরি কণ্ঠনালি থেকে মুখবিবরে এসে উন্মুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বাংলা ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য, তালুন্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য এই কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খ
ব্যাখ্যা: খ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময়ও কণ্ঠনালির সাহায্য প্রয়োজন হয় এবং এটি ক-বর্গের অন্তর্ভুক্ত কণ্ঠ্য ধ্বনি।
উদাহরণ ২: গ
ব্যাখ্যা: গ ধ্বনিটি কণ্ঠ্য ধ্বনির ঘোষ ও অল্পপ্রাণ রূপ যা উচ্চারণে কণ্ঠনালির ওপর চাপ পড়ে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক — এটি কণ্ঠ্য ধ্বনি হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) ঙ — এটি কণ্ঠ্য ধ্বনি হলেও অনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি হিসেবেও পরিচিত।
C) হ — এটি কণ্ঠ্য বা অলিভীয় ধ্বনি হিসেবে পরিচিত যা বাকপ্রবাহে ভিন্নভাবে উচ্চারিত হয়।
D) ঝ — এটি তালব্য ধ্বনি যা চ-বর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং উচ্চারণে জিহ্বা তালুকে স্পর্শ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কণ্ঠ্য ধ্বনি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কবর্গের সব বর্ণ।
ক খ গ ঘ ঙ এই পাঁচটি বর্ণই কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণমালা ও উচ্চারণস্থান থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
উচ্চারণস্থান মুখস্থ রাখার জন্য বর্গীয় বর্ণগুলোর ক্রম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ
১. কেন সঠিক:
'টীকা ভাষ্য' একটি সমাসবদ্ধ শব্দ বা জোড় শব্দ যার মাধ্যমে কোনো জটিল বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ বা বিশদ ব্যাখ্যা প্রদান করা বোঝায়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা পারিভাষিক শব্দের প্রশ্ন হিসেবে এটি প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাবটি বুঝতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা শব্দগুচ্ছ যা কোনো গ্রন্থের জটিল পঙক্তি বা কঠিন বিষয়ের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
প্রমিত বাংলা অভিধান অনুযায়ী কোনো লেখার বিশদ অর্থ, সমালোচনা বা বোধগম্য রূপদান করাই হলো টীকা ভাষ্য বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিক্ষক মহাশয় প্রাচীন পুথির কঠিন পঙক্তিগুলোর টীকা ভাষ্য শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দিলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন রচনার জটিল অংশ পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বা টীকা ভাষ্য শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জটিল আইনটির সহজ টীকা ভাষ্য প্রকাশ করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ তা বুঝতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আইন বিষয়ক দুর্বোধ্য তথ্যকে বোধগম্য করার অর্থে টীকা ভাষ্য বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ — এটি সঠিক কারণ টীকা ভাষ্য বলতে কোনো রচনার বিস্তারিত ও বোধগম্য রূপান্তরকে নির্দেশ করে।
B) সারকথা — সারকথা বলতে কোনো রচনার মূল বক্তব্য বা সারাংশ বোঝায় যা টীকা ভাষ্যের চেয়ে ভিন্ন।
C) উৎস খোঁজা — উৎস খোঁজা বলতে কোনো শব্দের মূল বা উৎপত্তি নির্ণয় করা বোঝায়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না।
D) নির্ঘন্ট — নির্ঘন্ট বলতে কোনো বইয়ের বিষয়বস্তুর সূচিপত্র বা ক্রমানুসারে সাজানো তালিকা বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
টীকা শব্দের অর্থ হলো সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা আর ভাষ্য হলো দীর্ঘ আলোচনা।
সুতরাং টীকা ও ভাষ্য মিলিয়ে হয় কোনো জটিল বিষয়ের গভীর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দার্থ বা জোড় শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবগত অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দটির উৎপত্তি এবং প্রমিত বাংলা অভিধানের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) যে গৃহবিবাদ করে
১. কেন সঠিক:
- বিভীষণ রামায়ণের চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও নিজের ঘরের বা লঙ্কার গোপন তথ্য রামের কাছে ফাঁস করেছিলেন, যা গৃহবিবাদের মূল কারণ।
- বাংলা ভাষায় এই পৌরাণিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করেই ঘরের ভেতর থেকে যারা গোপনে শত্রুতা করে বা বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারা, যা বাংলা সাহিত্যে ও বাক্যে বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- রামায়ণের লঙ্কাকাণ্ডে বিভীষণ রামের পক্ষে যোগ দিয়েছিলেন, যা রূপক অর্থে ঘরের ভেতরের গোপন শত্রু বা বিশ্বাসঘাতককে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজনীতিতে বন্ধু সেজে এসে দলের ভেতর যারা ষড়যন্ত্র করে তারা আসলে ঘরের শত্রু বিভীষণ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দলের ভেতরের গোপন বিরোধিতাকারীদের বোঝাতে বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরগাছা ও ঘরের শত্রু বিভীষণদের কারণে আমাদের পারিবারিক শান্তি আজ নষ্ট হতে বসেছে।
ব্যাখ্যা: পরিবারের অভ্যন্তরে থেকে যারা অশান্তি সৃষ্টি করে তাদের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি পুরোপুরি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধুভাবাপন্ন — বিভীষণ চরিত্রটি বন্ধুত্বপূর্ণ নয় বরং বিশ্বাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা বা অভ্যন্তরীণ শত্রুতাকারীকে বোঝায়।
B) শত্রু — শত্রু বলতে যেকোনো বহিরাগত বা সাধারণ শত্রুকে বোঝায়, কিন্তু এই বাগধারাটি বিশেষভাবে ঘরের ভেতরের গোপন শত্রুকে নির্দেশ করে।
C) রাবণের ভাই — রাবণের ভাই হিসেবে বিভীষণ পরিচিত হলেও বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ রাবণের ভাই নয়, বরং ভেতরের গোপন শত্রু বা বিবাদ সৃষ্টিকারী।
D) যে গৃহবিবাদ করে — এটি সঠিক কারণ বিভীষণ লঙ্কায় গৃহবিবাদ বা বিভেদ সৃষ্টির প্রতীক হিসেবে বাংলা ভাষায় পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিভীষণ লঙ্কার ঘরের মানুষ হয়েও রাবণের বিরোধিতা করেছিলেন।
- তাই ঘরের ভেতরের কোন্দল বা গৃহবিবাদ সৃষ্টিকারী মানুষকেই ঘরের শত্রু বিভীষণ বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে সর্বদা তার বিশেষ ভাবার্থ বা প্রমিত রূপটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ধূমকেতু
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হলো ধূমকেতু।
এই পত্রিকার প্রথম প্রকাশ ঘটে ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এবং এর প্রধান নীতি ও মুখবন্ধ লিখেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম যুগপুরুষ, যিনি মূলত সাম্যবাদ ও দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
তার সাহিত্যকর্মে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও শোষিত মানুষের অধিকারের বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাঙল
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাময়িকী ও মুখপত্র।
উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূমকেতু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত পত্রিকা।
B) সবুজপত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রমথ চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত বাংলা চলিতরীতির প্রবর্তক পত্রিকা।
C) ভারতী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত এবং বিভিন্ন সময়ে দ্বিজেন্দ্রনাথ ও প্রমথ চৌধুরী প্রমুখ দ্বারা সম্পাদিত পত্রিকা।
D) সওগাত — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের পত্রিকা মনে রাখার জন্য ধূমকেতু ও লাঙল নাম দুটি বারবার চর্চা করতে পারো।
বিদ্রোহী কবির সম্পাদনায় এই দুটি পত্রিকা বাংলা সাংবাদিকতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
তাই নজরুলের ধূমকেতু ও লাঙল এবং প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র পত্রিকা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কারণ তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথম শৈল্পিক রূপ, শৃঙ্খলিত ব্যাকরণ এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ দান করেছিলেন।
তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য সাধু ও চলিত রূপের প্রাথমিক কাঠামোগত ভিত্তি লাভ করে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের বাঙালি সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ দাড়ি, কমা, সেমিকোলনসহ বিভিন্ন যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল প্রয়োগ ঘটিয়ে গদ্যকে সাবলীল ও পঠনযোগ্য করে তোলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের ভিত্তি মজবুত করেছে।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ যা সেকালের বাংলা গদ্যরীতির উৎকর্ষ প্রমাণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি ও বহুমাত্রিক লেখক হলেও তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় না।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক এবং গদ্যসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল হলেও তিনি গদ্যের জনক নন।
D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত বাংলা গীতিকবিতার এক অন্যতম প্রধান কবি এবং গদ্যের সাথে তাঁর মূল কাজের সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের জনক আর বঙ্কিমচন্দ্র মানেই উপন্যাসের জনক।
এই দুই বিখ্যাত সাহিত্যিককে প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই গদ্য পেলে বিদ্যাসাগর এবং উপন্যাস পেলে বঙ্কিমচন্দ্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের জনক এবং উপন্যাসের জনকের প্রশ্ন প্রায়ই বারবার আসে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সীতার বনবাস ও কথামালা গ্রন্থগুলোর নামও বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) একুশটি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা একুশটি।
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- বাংলা উপসর্গগুলো সাধারণত তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বৃষ্টির পূর্বে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ অনাবৃষ্টি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ইতি কথা
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ কথার পূর্বে ইতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ ইতিকথা গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশটি - বাংলা উপসর্গের সঠিক সংখ্যা বিশটি নয় বরং একুশটি।
B) একুশটি - এটি বাংলা উপসর্গের সর্বমোট সঠিক সংখ্যা।
C) বাইশটি - বাংলা উপসর্গের সংখ্যা বাইশটি নয় বরং প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী একুশটি।
D) তেইশটি - বাংলা উপসর্গের সংখ্যা তেইশটি বলে কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক স্বীকৃতি নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো অঘো অজ পাতি সু হাগা... এই ধরনের ছন্দ ব্যবহার করে একুশটি উপসর্গ সহজে মুখস্থ রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়।
- তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি আর বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি, এই দুটি সংখ্যা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) মিশ্ + উক
১. কেন সঠিক:
প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া, যা মূলত দুই প্রকার যথা কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়।
ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং এর ফলে গঠিত শব্দটিকে কৃদন্ত পদ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত হয় মূলত ক্রিয়া প্রকৃতির সাথে।
এখানে মিশ্ হলো একটি ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু এবং উক হলো কৃৎ প্রত্যয়।
মিশ্ ধাতুর সাথে উক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মিশুক শব্দটি গঠিত হয়েছে যা একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল্ + আ = চলা
ব্যাখ্যা: চল্ ধাতুর সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চলা শব্দটি গঠিত হয়েছে যা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পড়্ + আতুয়া = পড়ুয়া
ব্যাখ্যা: পড়্ ধাতুর সাথে আতুয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পড়ুয়া শব্দটি গঠিত হয়েছে যা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা + ই — এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ ঢাকা একটি বিশেষ্য পদ এবং ই হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
B) মিশ্ + উক — এটি সঠিক কারণ মিশ্ হলো ধাতু এবং উক হলো কৃৎ প্রত্যয়।
C) চোর + আ — এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ চোর একটি বিশেষ্য পদ এবং আ হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
D) সোনা + আলি — এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ সোনা একটি বিশেষ্য পদ এবং আলি হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কৃৎ প্রত্যয় চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের মূল অংশটি ক্রিয়া বা ধাতু কি না তা দেখা।
ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা তদ্ধিত প্রত্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয় আলাদা করতে বলা হয়।
তাই শব্দটির প্রকৃতি বিশেষ্য বা সর্বনাম নাকি ক্রিয়া ধাতু তা চিহ্নিত করেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বাঁকা
১. কেন সঠিক:
'ঋজু' একটি সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ সোজা, সরল বা অনুন্নত নয় এমন।
এই শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'বাঁকা' শব্দটি, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীতে সাধারণত তৎসম বা তদ্ভব শব্দ ব্যবহৃত হয়।
এখানে 'ঋজু' একটি তৎসম শব্দ এবং এর বিপরীতার্থক 'বাঁকা' একটি তদ্ভব শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঋজু রেখা
ব্যাখ্যা: জ্যামিতিক অর্থে সরল বা সোজা রেখাকে ঋজু রেখা বলা হয়।
উদাহরণ ২: ঋজু স্বভাব
ব্যাখ্যা: মানুষের সরল ও কুটিলতাহীন চরিত্র বোঝাতে ঋজু স্বভাব ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোজা — এটি 'ঋজু' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
বি) বাঁকা — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
C) কঠিন — এটি 'কোমল' বা 'সরল' শব্দের বিপরীত, ঋজুর বিপরীত নয়।
D) তরল — এটি 'কঠিন' বা 'ঘন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঋজু মানে সোজা, তাই এর বিপরীত মনে রাখবে বাঁকা।
পরীক্ষায় সরল শব্দের বিপরীত কুটিল বা বাঁকা আসে, তাই ঋজু দেখলে সোজা বা বাঁকা বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
ঋজু শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক শব্দ হলো বক্র।
সঠিক উত্তর: A) আকাশ
১. কেন সঠিক:
- দ্যুলোক শব্দের অর্থ আকাশ বা স্বর্গ। এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা সাধারণত ঊর্ধ্বলোক বা মহাশূন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- দ্যু শব্দের অর্থ স্বর্গ বা দিন, এবং লোক শব্দের অর্থ জগৎ বা স্থান, যা মিলে দ্যুলোক বা স্বর্গলোক বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন, যেখানে তৎসম শব্দের অর্থ নির্ণয় করা হয়েছে। দ্যুলোক একটি বিশেষ্য পদ এবং কাব্যিক বা সাধু ভাষায় এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
- প্রমিত বাংলা বানানে এবং ব্যাকরণে সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানার জন্য ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্যুলোক ও ভূলোক
ব্যাখ্যা: এই শব্দজোড়ায় দ্যুলোক বলতে আকাশ বা স্বর্গ এবং ভূলোক বলতে পৃথিবীকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: দ্যুলোক হইতে মর্ত্যলভে
ব্যাখ্যা: এই ধরনের কাব্যিক প্রয়োগে দ্যুলোক বা স্বর্গীয় জগত থেকে মর্ত্য বা পৃথিবীতে আসার ধারণা প্রকাশ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্যুলোক শব্দের মূল অর্থ আকাশ বা স্বর্গলোক।
B) বাতাস — বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ হলো বায়ু বা অনিল, যা দ্যুলোক শব্দের অর্থ নয়।
C) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের অর্থ ধরিত্রী বা ভূলোক, যা দ্যুলোক বা আকাশ শব্দের বিপরীতার্থক।
D) পাতাল — পাতাল বলতে বুঝায় নিচের জগত বা নরক, যা দ্যুলোক বা ঊর্ধ্বলোকের বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দ্যু শব্দের অর্থ দ্যুতি বা দীপ্তি ছড়ায় যা, অর্থাৎ আকাশ। এভাবে দ্যুলোক মানে আলোর জগত বা আকাশ মনে রাখতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন ও কাব্যিক শব্দের অর্থ জিজ্ঞাসা করা হয়। তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্যে এ ধরনের শব্দের অর্থ আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয় কিংবা যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এখানে লোভ থেকে পাপ এবং পাপ থেকে মৃত্যুর উৎপত্তি বা ফলাফল বোঝানো হয়েছে, যা অপাদান কারকের অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপাদান কারক হলো বাক্যের সেই বিশেষ পদ যা থেকে কোনো কিছুর বিচ্যুতি, গৃহীত, জাত, বিরত, মুক্ত, রক্ষিত বা তুলনা বোঝায়।
- কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়াপদকে কোথা থেকে বা কিসের থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়।
ব্যাখ্যা: জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা জাত হয়, তাই এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) সম্প্রদান কারক — স্বত্বত্যাগ করে কাউকে কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়, যা এখানে নেই।
D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, উৎপত্তি, ভয়, বিচ্যুতি বা দূরত্ব বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- লোভ থেকে পাপ এবং পাপ থেকে মৃত্যু, এই পরম্পরা উৎপত্তির ধারণা দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রবাদ বা প্রবচনমূলক বাক্যের কারক নির্ণয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- উৎস বা ফলাফল বোঝানো বাক্যগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) নঞ তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না সূচক অব্যয় বসে এবং নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
বেআইনি শব্দটিতে আইন শব্দের পূর্বে বে উপসর্গটি না সূচক অর্থে যুক্ত হয়ে আইন নেই যা বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
নঞ তৎপুরুষ সমাসে না, নাই, অ, বেইন ইত্যাদি না সূচক শব্দ বা উপসর্গ পূর্বে বসে সমাস গঠিত হয়।
ব্যাসবাক্য করার সময় সাধারণত শব্দের পূর্বে না বা নাই যুক্ত করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপবিত্র
ব্যাখ্যা: ন পবিত্র = অপবিত্র, এখানে অ উপসর্গ না অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বেওয়ারিশ
ব্যাখ্যা: ওয়ারিশ নাই যার = বেওয়ারিশ, এখানে বে উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় তাকে অব্যয়ীভাব বলে, কিন্তু এখানে না সূচক অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অব্যয়ীভাব নয়।
B) নঞ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে না সূচক উপসর্গ যোগে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
C) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে, কিন্তু বেআইনি শব্দের ব্যাসবাক্য হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নঞ তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অ, না, নাই, বে, বেইন ইত্যাদি না সূচক উপসর্গ বা শব্দ থাকে।
ব্যাসবাক্য করার সময় প্রথমে না বা নাই বসিয়ে দিলে সহজেই সমাস নির্ণয় করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত না সূচক শব্দ যেমন বেআইনি, বেপরোয়া, অজ্ঞান প্রায়ই নঞ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে আসে।
বে উপসর্গটি ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় এসে না বা অভাব অর্থে নঞ তৎপুরুষ সমাস গঠনে ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: A) দাঁড়ি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ বোঝাতে যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা সমাপ্তি সূচক চিহ্ন বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বাক্য শেষ করার জন্য দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়, যা অন্য সব মধ্যবর্তী বিরাম চিহ্ন থেকে আলাদা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং শ্বাস নেওয়ার সুবিধার জন্য লেখার মধ্যে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন ও সার্থক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহার করার মাধ্যমে বাক্যের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ পেয়েছে এবং বাক্যটি শেষ হয়েছে।
উদাহরণ ২: আগামীকাল আমাদের বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
ব্যাখ্যা: এখানেও বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে বলে এটি সঠিক উত্তর।
B) কমা — কমা হলো অল্প বিরতির চিহ্ন, যা বাক্যের ভেতরে বিভিন্ন পদ বা অংশ আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি প্রান্তিক চিহ্ন নয়।
C) কোলন — কোলন একটি সংযোজক বা বিবরণমূলক চিহ্ন, যা কোনো দৃষ্টান্ত বা উদাহরণের আগে বসে এবং এটি বাক্যের সমাপ্তি টানে না।
D) ড্যাস — ড্যাস হলো যৌগিক বা বিশদ বিবৃতির চিহ্ন, যা বাক্যের ধারাবাহিকতা পরিবর্তন করতে ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রান্তিক মানে শেষ। বাক্যের শেষ বা প্রান্তে যা বসে, তাই প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন যেমন দাঁড়ি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা ব্যাকরণে বিরতির পরিমাপ অনুযায়ী বিরাম চিহ্নগুলোকে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একমাত্র দাঁড়ি বাক্য সম্পূর্ণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন চিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয়, সে সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, ভীত, রক্ষিত বা সরে যায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এখানে স্টেশন থেকে গাড়ি ছেড়ে যাওয়া মানে স্থান থেকে গাড়িটির বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপাদান কারক হলো বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়ার এমন সম্পর্ক যেখানে বিচ্যুতি বা দূরবর্তী হওয়া বোঝায়।
- কোথা থেকে ক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে তা নির্দেশ করতে অপাদান কারক হয় এবং এতে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে, তাই গাছ থেকে হলো অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: বিপদে মডে রক্ষা কর
ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে যা ভীতি বা সুরক্ষার বিচ্যুতি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান, কাল বা সময় বোঝায় কিন্তু এখানে বিচ্যুতি ঘটেছে।
B) করণ কারক — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, মাধ্যম বা উপায়ের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় যা এখানে নেই।
D) কর্ম কারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক কিন্তু এখানে গাড়ি নিজেই স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কোথা থেকে বা কী থেকে বিচ্যুত হওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- বিচ্যুতি, জাত, মুক্তি ও ভয় পেলে অপাদান কারক নিশ্চিত করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিচ্যুতি শব্দটি থাকলে সাধারণত তা অপাদান কারক হয়।
- এই নিয়মে ট্রেন বা গাড়ি ছাড়ার বাক্যগুলো বারবার পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: A) সুসময়
১. কেন সঠিক:
'একাদশে বৃহস্পতি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ হলো একাদশ ঘরে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান। জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী জন্মছকে বৃহস্পতি একাদশ ঘরে থাকা মানে সৌভাগ্য বা চরম সুসময়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাগধারার অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দগুচ্ছ যেখানে শব্দের সাধারণ অর্থের চেয়ে বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ পায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বা প্রবাদপ্রতিম বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘদিন বেকার থাকার পর অবশেষে ভালো একটা চাকরি পাওয়ায় রাশেদের এখন একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে রাশেদের জীবনের চরম সৌভাগ্যের সময় বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে পরপর তিনবার লাভ হওয়ায় করিমের ব্যবসায়িক জীবনে এখন একাদশে বৃহস্পতি বিরাজ করছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার অনুকূল পরিস্থিতি ও সৌভাগ্য বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুসময় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার আসল ভাবার্থ নির্দেশ করে।
B) দুঃসময় — এই অপশনটি ভুল কারণ দুঃসময় বোঝাতে 'শনি কিশা দশা' বা 'ুড়ো শনি' বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
C) অলীক বস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ অলীক বা অসম্ভব বস্তু বোঝাতে 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল' বা 'আকাশ কুসুম' ব্যবহৃত হয়।
D) শেষ রক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষ রক্ষা বোঝাতে কোনো বিপদের হাত থেকে শেষ মুহূর্তে বেঁচে যাওয়া বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহকে জ্যোতিষশাস্ত্রে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করা হয় এবং একাদশ ঘর হলো লাভের ঘর। তাই একাদশে বৃহস্পতি দেখলে বুঝবেন এটি সৌভাগ্য বা সুসময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাগ্য বা সৌভাগ্য সম্পর্কিত বাগধারা যেমন 'একাদশে বৃহস্পতি', 'ব্যাঙের সর্দি' বা 'আকাশ কুসুম' প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। মূল ভাবার্থ মাথায় রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) ছয়
১. কেন সঠিক:
একটি আদর্শ ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পত্রে সাধারণত ছয়টি প্রধান অংশ থাকে। পত্র লেখার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার ও বিন্যাস বজায় রাখার জন্য এই অংশগুলো অপরিহার্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্যক্তিগত পত্র মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম। এর ছয়টি অংশ হলো স্থান ও তারিখ, সম্বোধন, মূল বক্তব্য, মূল বক্তব্যের সমাপ্তি, বিদায় সম্ভাষণ এবং স্বাক্ষর বা নাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত পত্রে তারিখ ও স্থান লেখার নিয়ম।
ব্যাখ্যা: পত্রের শুরুতে ডান কোণায় প্রেরকের ঠিকানা ও প্রেরণের তারিখ লিখতে হয়।
উদাহরণ ২: ব্যক্তিগত পত্রে সম্বোধনের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: প্রাপকের বয়স ও সম্পর্কের গভীরতা অনুযায়ী শ্রদ্ধাস্পদেষু বা প্রিয়বরেষু সম্বোধন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চার — ব্যক্তিগত পত্রের আদর্শ বিন্যাস বা অংশসংখ্যা চার নয়, কারণ এতে সম্বোধন, মূল বক্তব্য ও সমাপ্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পড়ে যায়।
B) পাঁচ — পাঁচ অংশ সংবলিত কোনো নির্দিষ্ট কাঠামোগত রূপ ব্যক্তিগত পত্রে স্বীকৃত নয়।
C) ছয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্যক্তিগত পত্রে ছয়টি নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকভাবে থাকে।
D) সাত — সাতটি অংশ ব্যক্তিগত পত্রে থাকে না, এটি পত্রের কাঠামোর চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তিগত পত্রের অংশ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে, চিঠি লেখার শুরুতে লাগে স্থান ও তারিখ, এরপর সম্বোধন, তারপরে মূল কথা, শেষ করার কথা, বিদায় এবং শেষে স্বাক্ষর। মোট ছয়টি ধাপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্র লিখন থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রাতিষ্ঠানিক পত্র এবং ব্যক্তিগত পত্রের অংশের পার্থক্য ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ensure
কেন সঠিক:
ensure শব্দটির অর্থ নিশ্চিত করা এবং এটি একটি verb যা কোনো অবস্থার সৃষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
sure একটি adjective বা বিশেষণ যার অর্থ নিশ্চিত এবং এর verb রূপ হলো ensure।
ensure শব্দের শুরুতে en যুক্ত হয়ে এটি verb এ রূপান্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) surely — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ যার অর্থ নিশ্চিতভাবে এবং এটি verb নয়।
B) surety — এটি একটি noun বা বিশেষ্য যার অর্থ জামিন বা নিশ্চয়তা এবং এটি verb নয়।
C) ensure — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) none of these — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এই অপشنটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো adjective শব্দের শুরুতে en যুক্ত করে সাধারণত verb তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) no article
কেন সঠিক:
হাসপাতাল, স্কুল বা মসজিদের মতো প্রতিষ্ঠানে যখন মূল উদ্দেশ্যে যাওয়া হয় তখন তার আগে কোনো আর্টিকেল বসে না। রহিম হাসপাতালে গেছে রোগী হিসেবে, যা ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — সুনির্দিষ্ট করে বোঝালে দ্য বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ রোগী হিসেবে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
B) a — অনির্দিষ্ট একবচন countable noun এর আগে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) an — vowel sound এর আগে বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নিয়ম নয়।
D) no article — এটি সঠিক কারণ মূল উদ্দেশ্যে যাওয়ার কারণে এখানে কোনো আর্টিকেল বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রাথমিক উদ্দেশ্যে গেলে প্রতিষ্ঠানে আর্টিকেল বসে না, কিন্তু অন্য কাজে গেলে দ্য বসে।
সঠিক উত্তর: B) Reading is not as good as writing
কেন সঠিক:
তুলনামূলক ডিগ্রির পজিটিভ রূপান্তর করার সময় শেষের সাবজেক্ট প্রথমে আসে।
মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে না সূচক বাক্য করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Writing is not as good as reading — এখানে সাবজেক্ট পরিবর্তন না করায় মূল বাক্যের অর্থ বদলে গেছে।
B) Reading is not as good as writing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Nothing is as good as writing — বাক্যটিতে তুলনার নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
D) No other thing is as good as reading — এই অপশনটিতেও মূল বাক্যের ভাব ও অর্থ ঠিক থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
কম্পারেটিভ ডিগ্রিকে নেগেটিভ করার সময় শেষের শব্দ প্রথমে এনে পজিটিভ ডিগ্রির নিয়ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) changed
কেন সঠিক:
বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের অংশে সবসময় verb এর পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense বসে।
এই নিয়ম অনুসারে প্রদত্ত শূন্যস্থানে change verb এর পাস্ট ফর্ম changed ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম প্রয়োজন।
B) should change — এটি ভুল কারণ It is high time এর পর সরাসরি modal auxiliary verb বসালে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হয়।
C) have changing — এটি ভুল কারণ have এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হলেও তার আগে Past Participle থাকা বাধ্যতামূলক।
D) change — এটি ভুল কারণ present form ব্যবহার করলে It is high time এর নির্দিষ্ট নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is high time বা It is time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: C) এ বেঞ্চে কোনো জায়গা নেই
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে room শব্দের অর্থ শুধু ঘর বা কক্ষ বোঝায় না, বরং বসার বা দাঁড়ানোর খালি জায়গাকেও বোঝায়।
এখানে 'in the bench' অংশটির সঠিক বাংলা অর্থ হলো এ বেঞ্চে।
তাই বাক্যটির সম্পূর্ণ সঠিক অর্থ হলো এ বেঞ্চে কোনো জায়গা নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ রুমে কোনো বেঞ্চ নেই — এখানে bench শব্দের অর্থ বেঞ্চ এবং room শব্দের অর্থ ভুলভাবে কক্ষ করা হয়েছে।
B) এ বেঞ্চে কোনো কক্ষ নেই — এখানে room শব্দের সঠিক অর্থ জায়গা না ধরে কক্ষ বা ঘর ধরা হয়েছে।
D) কোথাও কোনো বেঞ্চ নেই — এখানে there is no room এর অর্থ সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে room শব্দটি যখন স্থান বা পরিমাপ বোঝায়, তখন এর অর্থ ঘর না হয়ে খালি জায়গা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Pen through the word
কেন সঠিক:
কোনো লেখার মধ্যে দাগ দিয়ে তা কেটে বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি idioms বা প্রবাদ অনুযায়ী 'pen through' ব্যবহার করতে হয়।
শব্দ বা লেখা কলম দিয়ে কেটে দেওয়ার ক্ষেত্রে 'Pen through the word' হলো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pen through the word — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি লেখার ক্ষেত্রে আদর্শ নিয়ম।
B) Cut the word — সরাসরি 'Cut' ব্যবহার করলে আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এটি লেখার ক্ষেত্রে সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ নয়।
C) Cut through the word — 'Cut through' এর অর্থ কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে কেটে যাওয়া, যা লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) Cut out the word — 'Cut out' অর্থ কোনো অংশ কেটে বাদ দেওয়া বা ছেঁটে ফেলা, যা লেখার মাঝে কলম টানার ক্ষেত্রে হয় না।
মনে রাখার টিপস:
লেখা কলম দিয়ে কেটে ফেলার ইংরেজি করার সময় সবসময় 'Pen through' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) Pure
কেন সঠিক:
‘Purify’ শব্দটির অর্থ পবিত্র করা এবং এটি একটি ভার্ব।
এর সঠিক বিশেষণ বা এডজেক্টিভ রূপ হলো ‘Pure’, যার অর্থ পবিত্র।
বাক্যে বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে এই রূপটি ব্যবহার করা হয়।
এটি সরাসরি মূল শব্দের গুণবাচক রূপ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Purity — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ পবিত্রতা।
B) Pureful — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নেই।
C) Pure — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
D) Purifying — এটি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ বা পার্টিসিপল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের নাম বা ভার্বকে এডজেক্টিভ বানানোর সময় তার মূল গুণবাচক রূপটি চিনে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) so that
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ দাঁড়াрует আমরা বেঁচে থাকি যাতে আমরা খেতে পারি। উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝাতে সাবঅর্ডিনেট ক্লজের আগে so that বসে।
এখানে we may live অংশটি খাওয়ার উদ্দেশ্য প্রকাশ করছে।
তাই শূন্যস্থানে so that বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এটি preposition হিসেবে কারণ বোঝালেও দুটি ক্লজ যুক্ত করার জন্য সঠিক conjunction নয়। তাই এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না।
B) because — এটি সাধারণত কোনো কাজের কারণ বা ফলাফল বোঝাতে বসে। কিন্তু এখানে বেঁচে থাকা খাওয়ার কারণ নয়, বরং খাওয়ার উদ্দেশ্য হলো বেঁচে থাকা।
C) so that — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) lest — এর অর্থ পাছে বা এমন না হয় যে। এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর পরে সাধারণত should বসে, যা বাক্যটির অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝালে এবং পরবর্তী অংশে may বা might থাকলে শূন্যস্থানে সাধারণত so that বসে।
সঠিক উত্তর: B) You are known to me
কেন সঠিক:
Active voice এর subject (I) passive voice এ গিয়ে object হিসেবে by এর পরিবর্তে to preposition গ্রহণ করে।
Know verb এর পর সবসময় to বসে, by বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Your are known by me — Subject হিসেবে Your ভুল এবং known এর পর by ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) You are known to me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Your are unknown by me — এখানে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং unknown এর সাথে by ব্যবহার করা হয়েছে।
D) You are known with me — এখানে known এর পর নিয়ম অনুযায়ী ভুল preposition with ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb এর পর সাধারণত by না বসে সবসময় to preposition বসে।
সঠিক উত্তর: D) Hair-brush
কেন সঠিক:
Hair এবং brush দুটি আলাদা স্বাধীন শব্দ মিলে এই নতুন নাউনটি তৈরি হয়েছে।
মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করে এটি যুক্ত করা হয়েছে।
এটি দুটি শব্দের মিলনে গঠিত একটি যৌগিক শব্দ।
এটি একটি নিখুঁত কম্পাউন্ড নাউনের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Comprehend থেকে এসেছে যা একটি মূল শব্দ এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত।
B) Holiday একটি ঐতিহাসিক শব্দ যা এখন একক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Entertain এর সাথে ment যুক্ত হয়ে এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউনে রূপ নিয়েছে।
D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
দুটি ভিন্ন শব্দ একসাথে মিলে যখন একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে কম্পাউন্ড নাউন বলে।
সঠিক উত্তর: D) sentence
কেন সঠিক:
ব্যাকরণের যে শাখায় বাক্যের গঠন ও শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে সিনট্যাক্স বা বাক্যতত্ত্ব বলে।
এটি মূলত একটি বাক্যে কীভাবে শব্দগুলো সঠিকভাবে সাজাতে হবে তা নির্ধারণ করে।
বাক্যের সঠিক গঠন নিশ্চিত করাই এর মূল কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) word — এটি মর্ফোলজি বা শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, সিনট্যাক্সের নয়।
B) letter — এটি অর্থোগ্রাফি বা বর্ণপ্রকরণ সম্পর্কিত বিষয়।
C) passage — এটি প্যারাগ্রাফ বা রচনার অংশ, যা সিনট্যাক্সের সরাসরি আলোচ্য বিষয় নয়।
D) sentence — এটি সঠিক কারণ সিনট্যাক্স সরাসরি বাক্য গঠন নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
সিনট্যাক্স মানেই হলো বাক্যে শব্দের সঠিক বিন্যাস বা বাক্যতত্ত্ব।
সঠিক উত্তর: B) instead of
কেন সঠিক:
এখানে একটি পেশার পরিবর্তে অন্য পেশাকে বেছে নেওয়ার তুলনা বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক preposition যুক্ত ফ্রেজ হিসেবে instead of ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) instead — একা বসলে এর পর of না থাকায় এটি এখানে grammatically অসম্পূর্ণ এবং বাক্যটির অর্থ মিলায় না।
B) instead of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) expecting — এই শব্দটির পর সরাসরি noun বসে অর্থপূর্ণ সংযোগ তৈরি করতে পারে না।
D) expect to — এটি infinitive হওয়ায় noun এর আগে বসে সঠিক grammatical structure গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
পরিবর্তে অর্থে সবসময় instead এর সাথে of preposition যুক্ত হয়ে ফ্রেজ গঠন করে।
সঠিক উত্তর: D) after
কেন সঠিক:
- Hanker after একটি প্রমিত ইংরেজি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর পেছনে তীব্রভাবে ছোটা বা লোভ করা।
- wealth শব্দের পূর্বে লোভ বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে প্রিপজিশন হিসেবে after ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — Hanker-এর পর for বসে না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) on — এই বাক্যের অর্থের সাথে on প্রিপজিশনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) over — সম্পদের ওপর ঝোঁক বোঝাতে over ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) after — এটি সঠিক অপশন কারণ hanker after অর্থ তীব্র আকাঙ্ক্ষা করা।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর জন্য অতিরিক্ত লোভ বা আকাঙ্ক্ষা বোঝাতে hanker শব্দের পরে সবসময় after প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) lying
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী কুকুরটি দরজার সামনে শুয়ে ছিল বোঝাতে continuous tense ব্যবহার করতে হয়।
Lie শব্দের সাথে ing যুক্ত করলে lying হয় যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক গঠন তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lain — এটি lie শব্দের past participle রূপ, যা সাহায্যকারী verb ছাড়া এখানে বসতে পারে না।
B) lying — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
C) lied — এর অর্থ মিথ্যা বলা, যা দরজার সামনে শুī থাকার সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
D) laid — এর অর্থ কোনো কিছু স্থাপন করা বা ডিম পাড়া, যা কুকুরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শুয়ে থাকা অর্থে lie শব্দের সাথে ing যুক্ত হলে lyin g নয় বরং lying হয়।
সঠিক উত্তর: B) leave
কেন সঠিক:
বাক্যে about to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ যার অর্থ হলো কোনো কাজ ঠিক এই মুহূর্তে ঘটতে চলেছে। এই ফ্রেজটির পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
তাই সঠিক নিয়মে এখানে leave হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) be leaveing — about to এর পরে কখনো be leaving বা ing যুক্ত ভার্ব বসে না।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই।
C) left — about to এর পরে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করা যায় না।
D) go — অর্থ ও ব্যাকরণের দিক থেকে এখানে go বসালে বাক্যের সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে about to দেখলে চোখ বন্ধ করে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বা বেস ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) One of the most beautiful girls has come.
কেন সঠিক:
নিয়ম অনুযায়ী One of the এর পরে সবসময় Plural Noun বসে। তাই এখানে girl না হয়ে girls হবে।
Noun plural হলেও One এর কারণে verb সবসময় singular হয়, তাই have না হয়ে has বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) B অপশন ভুল — One of the এর পরে Noun singular (girl) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) C অপশন ভুল — Plural Noun এর পরে Plural Verb (have) ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D অপশন ভুল — Singular Noun এবং Plural Verb (are come) এর ভুল প্রয়োগ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
One of the এর পর Noun বহুবচন হবে কিন্তু Verb একবচন হবে।
সঠিক উত্তর: D) Danger
কেন সঠিক:
Hazard শব্দের বাংলা অর্থ হলো ঝুঁকি বা বিপদ, যা কোনো অনিষ্টের সম্ভাবনাকে নির্দেশ করে।
Danger শব্দের অর্থও বিপদ বা ঝুঁকি, যা hazard শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ।
তাই অর্থের মিল থাকায় এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Impartial — এই শব্দটির অর্থ নিরপেক্ষ, যা hazard বা বিপদের সাথে মেলে না।
B) Static — এই শব্দটির অর্থ স্থিতিশীল বা স্থির, যা hazard শব্দের অর্থের বিপরীত।
C) Immobile — এই শব্দটির অর্থ যা নড়ে না বা গতিহীন, এর সাথে বিপদের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Danger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি hazard শব্দের সরাসরি সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Hazard এবং Danger দুটি শব্দই বিপদ বা ঝুঁکی বোঝাতে একসাথে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) I have been living here for five years
কেন সঠিক:
কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়।
এখানে নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝাতে for এবং অনির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট বিন্দুর আগে since বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have been lived here since five years — Have been এর পর মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয় না এবং ৫ বছরের জন্য since বসে না।
B) I am living here for five years — অতীতে শুরু হওয়া চলমান কাজের ক্ষেত্রে Present Continuous Tense ব্যবহার করা যায় না।
C) I have been living here for five years — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) I live here for five years — নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝালে Present Simple Tense ব্যবহার করা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
যাব বা ধরে বোঝালে for এবং হতে বা থেকে বোঝালে since ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) the college
কেন সঠিক:
এখানে একটি নির্দিষ্ট কলেজ বা প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে যার সময় নির্দিষ্ট করা আছে। তাই এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) college — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে এখানে দি আর্টিকেল প্রয়োজন কারণ নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রুটিন বলা হয়েছে।
B) a college — কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বোঝাতে এ বসে না, নির্দিষ্ট করার জন্য দ্য ব্যবহার করতে হয়।
C) the college — এটি সঠিক উত্তর।
D) colleges — বাক্যটিতে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে, তাই বহুবচন হবে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট রুটিন বোঝাতে তার আগে সর্বদা দ্য আর্টিকেল বসে।
সঠিক উত্তর: D) I was seized with panic
কেন সঠিক:
এখানে active voice এর subject টি passive voice এ গিয়ে preposition হিসেবে with গ্রহণ করে।
Panic বা ভয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত by না বসে with বসে।
তাই সঠিক গঠন হলো was seized with panic।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was seized by panic — এখানে by preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) I was seized for panic — এখানে for preposition এর ব্যবহার নিয়মবহির্ভূত।
C) I was seized from Panic — এখানে from preposition ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
D) I was seized with panic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উপযুক্ত preposition ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভয় বা panic বোঝালে passive voice এ by এর পরিবর্তে সবসময় with preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) সে অনেক কথা
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ইডিওম বা প্রবচনমূলক বাক্য অনুবাদের ক্ষেত্রে শব্দার্থের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- It is a long story বাক্যটির সঠিক বাংলা ভাবানুবাদ হলো সে অনেক কথা, যা অতীতের কোনো দীর্ঘ ঘটনাকে সংক্ষেপে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সে অনেক দিনের কথা — এটি মূলত It is a matter of long ago বা It happened many days ago বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) সে অনেক কথা — এটি প্রদত্ত বাক্যের সঠিক এবং প্রমিত ভাবানুবাদ।
C) সে লম্বা গল্প করেছিল — এটি সরাসরি literal translation বা শাব্দিক অনুবাদ যা ভাবানুবাদ হিসেবে ভুল।
D) সে অনেক বড় কথা বলেছিল — এটি He talked big বা অনুরূপ অন্য কোনো ইংরেজি বাক্যের বাংলা অনুবাদ।
মনে রাখার টিপস:
It is a long story একটি জনপ্রিয় প্রচলিত বাক্য, যার অর্থ কোনো ঘটনা অনেক দীর্ঘ তা বোঝাতে সে অনেক কথা বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) go
কেন সঠিক:
বাক্যে cannot but বা could not but থাকলে এরপরে সবসময় verb এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
এখানে could not but এর ঠিক পরে verb এর মূল রূপ go বসবে।
অন্য কোনো রূপ এখানে ব্যবহার করার সুযোগ নেই।
এটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) help going — cannot but এর সাথে help going ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন।
B) goes — could not but এর পরে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না।
C) has gone — modals এর পরে verb এর perfect tense বা has gone বসে না।
D) go — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি verb এর বেস ফর্ম।
মনে রাখার টিপস:
cannot but অথবা could not but দেখলেই চোখ বন্ধ করে verb এর মূল ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: C) freedom
কেন সঠিক:
free শব্দটির মূল অর্থ মুক্ত বা স্বাধীন যা একটি বিশেষণ। এর সাথে dom প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য রূপ গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) freeness — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও আধুনিক ইংরেজিতে এটি খুব কম ব্যবহৃত হয় এবং এর সঠিক নাউন রূপ freedom।
B) freely — এই অপশনটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ হওয়ায় তা কোনোভাবেই সঠিক নাউন হতে পারে না।
C) freedom — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরার কোনো সুযোগ নেই।
D) freedomness — এই ধরনের কোনো শব্দ ইংরেজি ব্যাকরণে নেই এবং এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত adjective শব্দের শেষে dom যুক্ত করে abstract noun তৈরি করা হয় যেমন free থেকে freedom।
সঠিক উত্তর: B) rebuke
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির অর্থ কাউকে কোনো ভুলের জন্য কঠোরভাবে তিরস্কার করা বা বকাঝকা করা।
rebuke শব্দের অর্থও কাউকে ভুলের জন্য তীব্রভাবে সমালোচনা করা বা তিরস্কার করা।
তাই অর্থের দিক থেকে এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) imitate - এই শব্দের অর্থ কাউকে অনুকরণ করা, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সাথে মিল নেই।
B) rebuke - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ তিরস্কার করা, যা মূল ইডিয়মের সমার্থক।
C) resume - এই শব্দের অর্থ কোনো কাজ পুনরায় শুরু করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) restrain - এই শব্দের অর্থ কাউকে নিবৃত করা বা আটকে রাখা, যা মূল অর্থের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
টাস্ক বা কাজের দায়িত্ব দিয়ে কাউকে কাজের জবাবদিহিতা চাওয়া মানেই ভুল ধরিয়ে তিরস্কার করা।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases / Appropriate Translation)
সঠিক উত্তর: C) I am hard up now
কেন সঠিক:
- 'হাত খালি' বা আর্থিক সংকটে থাকা বোঝাতে ইংরেজি বাগধারা বা প্রচলিত প্রবচন হিসেবে 'Hard up' ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের ভাবার্থ অনুসারে বর্তমান আর্থিক অসচ্ছলতা প্রকাশ করতে 'I am hard up now' সবচেয়ে যথাযথ ও প্রমিত অনুবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am empty hand now — এটি আক্ষরিক অনুবাদ যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং ইংরেজি idioms-এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) I am empty pocket — এটি একটি ভাঙা ইংরেজি এবং মানুষের ক্ষেত্রে এই গঠনটি ব্যবহার করে আর্থিক সংকট প্রকাশ করা যায় না।
C) I am hard up now — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) I am without money now — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত ও Idiomatic ইংরেজি হিসেবে এটি কম গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
আর্থিক সংকট বা হাত খালি থাকা বোঝালে 'Hard up' এই ফ্রেইজটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) a^(১/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো ৩√(৩√(a^৩))
এখানে সূচক এবং করণীর সূত্র ব্যবহার করতে হবে
ধরি,
ভেতরের অংশ থেকে কাজ শুরু করতে হবে
প্রথম করণী ভাঙলে পাই a^৩ এর ওপর ১/৩ ঘাত
অতএব,
ভেতরের অংশের মান হয় a^(৩ × (১/৩))
যা কেবল a এর সমান হয়
সুতরাং,
সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় ৩√(a)
অর্থাৎ a এর ওপর ১/৩ ঘাত
উত্তর: a^(১/৩)
সঠিক উত্তর: C) ০.৭
প্রদত্ত তথ্য:
ধানে চাল ও তুষের অনুপাত ৭ : ৩
ধরি,
চালের পরিমাণ = ৭ক
তুষের পরিমাণ = ৩ক
অতএব,
মোট ধানের পরিমাণ = ৭ক + ৩ক = ১০ক
সুতরাং,
চালে চালের অংশ = ৭ক ÷ ১০ক = ০.৭
উত্তর: ০.৭ অংশ
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৩.২৭ এর পাওয়ার x সমান ৯ এর পাওয়ার x যোগ ৪
ধরি,
২৭ মানে হলো তিন এর কিউব
৯ মানে হলো তিন এর স্কয়ার
অতএব,
সমীকরণটি তিন এর ভিত্তির ওপর লেখা যায়
তিন এর পাওয়ার ৩x সমান তিন এর পাওয়ার ২x যোগ ৪
সুতরাং,
৩x বিয়োগ ২x সমান ৪
সুতরাং x এর মান হলো ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: B) x + y − 1
প্রدত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
x২ − (y২ − ২y + ১)
অতএব,
বন্ধনীর ভেدরের অংশকে সূত্রে ফেলা যায়
x২ − (y − ১)২
সুতরাং,
এটিকে উৎপাদকের সূত্র অনুযায়ী লেখা যায়
(x + y − ১) × (x − y + ১)
উত্তর: x + y − ১
সঠিক উত্তর: A) − ৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশি হলো log2 (১ ÷ ৩২)
ধরি,
লগ এর মান সমান x
অতএব,
সমীকরণটি লেখা যায় দুই এর ঘাত x সমান এক ভাগ ৩২
যেহেতু,
৩২ হলো দুই এর ঘাত পাঁচ
সুতরাং,
এক ভাগ ৩২ হলো দুই এর ঘাত মাইনাস পাঁচ
উত্তর: − ৫
সঠিক উত্তর: C) স্থুলকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপন্ন কোণের পরিমাণ = ৬০°
এক সরলকোণ = ১৮০°
ধরি,
সরলকোণ থেকে উক্ত কোণ বিয়োগ করতে হবে
অতএব,
বিয়োগফল = ১৮০° − ৬০°
সুতরাং,
বিয়োগফল = ১২০°
উত্তর: ১২০° (যেহেতু কোণটি ৯০° এর বেশি এবং ১৮০° এর কম, তাই এটি স্থুলকোণ)
সঠিক উত্তর: B) (√3/4)a2
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = a
ত্রিভুজটির উচ্চতা = h
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী উচ্চতা বের করতে হয়
উচ্চতা h = (√3 ÷ 2) × a
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × a × ((√3 ÷ 2) × a)
উত্তর: (√3/4)a2
সঠিক উত্তর: A) (x^2 / 3^2) + (y^2 / 4^2) = 1
প্রدত্ত তথ্য:
উপবৃত্তের আদর্শ সমীকরণের রূপ বিশ্লেষণ করতে হবে।
এখানে x এবং y চলকদ্বয়ের নিচে আলাদা ধ্রুবক রয়েছে।
ধরি,
উপবৃত্তের মূল সমীকরণ x^2 / a^2 + y^2 / b^2 = 1
এখানে a এবং b এর মান ভিন্ন হতে পারে।
কিন্তু বৃত্তের ক্ষেত্রে a এবং b এর মান সমান হয়।
অতএব,
অপশন এ তে হরে ৩ এবং ৪ রয়েছে যা ভিন্ন সংখ্যা।
অপশন বি তে হরে একই সংখ্যা থাকায় তা বৃত্তের সমীকরণ।
সুতরাং,
অপশন সি পরাবৃত্ত এবং অপশন ডি অধিবৃত্তের সমীকরণ নির্দেশ করে।
উত্তর: (x^2 / 3^2) + (y^2 / 4^2) = 1
সঠিক উত্তর: C) ৪৫৩২৩
প্রদত্ত তথ্য:
cosec (৯০° − θ) = ২
ধরি,
cosec (৯০° − θ) এর ত্রিকোণমিতিক সূত্র হলো sec θ
অতএব, sec θ = ২
অতএব,
cos θ হলো sec θ এর বিপরীত
সুতরাং, cos θ = ১ ÷ ২
সুতরাং,
এখানে অপশনের মানের সাথে মিল রেখে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা হলো
উত্তর: ৪৫৩২৩
সঠিক উত্তর: B) ০.১২৭৮৩৫৬৪৮১৪৮১৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর ক্ষেত্রে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য হয়
অর্থাৎ লম্বের উপর স্কয়ার + ভূমির উপর স্কয়ার = অতিভুজের উপর স্কয়ার
ধরি,
ত্রিভুজটির তিনটি বাহু অপশন বি এর অনুপাত অনুযায়ী বিবেচনা করি
এখানে বাহুগুলোর বর্গের হিসাব করতে হবে
অতএব,
প্রথম বাহুর বর্গ এবং দ্বিতীয় বাহুর বর্গের যোগফল নির্ণয় করি
তৃতীয় বাহু অর্থাৎ অতিভুজের বর্গের মানের সাথে তা তুলনা করি
সুতরাং,
উভয় পক্ষ সমান হলে সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করা সম্ভব হয়
এখানে অপশন বি এর মানগুলোর ক্ষেত্রে এই শর্ত মিলে যায়
উত্তর: B) ০.১২৭৮৩৫৬৪৮১৪৮১৫
সঠিক উত্তর: A) ১৭.৩২ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
তালগাছের পাদবিন্দু থেকে দূরত্ব = ১০ মিটার
শীর্ষের উন্নতি কোণ = ৬০ ডিগ্রি
ধরি,
গাছটির উচ্চতা = h মিটার
ভূমি = ১০ মিটার
কোণ থিটা = ৬০ ডিগ্রি
অতএব,
ট্যান ৬০ ডিগ্রি = লম্ব ÷ ভূমি
ট্যান ৬০ ডিগ্রি = h ÷ ১০
রুট ওভার ৩ = h ÷ ১০
সুতরাং,
h = ১০ × রুট ওভার ৩
h = ১০ × ১.৭১২
উত্তর: ১৭.৩২ মি.
সঠিক উত্তর: A) ১২ বর্গ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ সে. মি.
রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ সে. মি.
ধরি,
প্রথম কর্ণ d১ = ৪ সে. মি.
দ্বিতীয় কর্ণ d২ = ৬ সে. মি.
অতএব,
রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো অর্ধক গুণ কর্ণদ্বয়ের গুণফল
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) গুণ (d১ গুণ d২)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) গুণ (৪ গুণ ৬) = (১ ÷ ২) গুণ ২৪ = ১২ বর্গ সে. মি.
উত্তর: ১২ বর্গ সে. মি.
সঠিক উত্তর: B) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা ছয়টি
এর অভ্যন্তরীণ কোণগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে
ধরি,
সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬
প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের পরিমাপ = ক
অতএব,
ষড়ভুজের কোণগুলোর সমষ্টি = (৬ − ২) × ১৮০°
কোণগুলোর সমষ্টি = ৪ × ১৮০° = ৭২০°
সুতরাং,
প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের মান = ৭২০° ÷ ৬ = ১২০°
উত্তর: ১৮০° − ১২০° = ৬০°
সঠিক উত্তর: D) ২(x + ২)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ১৬ − ৪x২
দ্বিতীয় রাশি = ৬x২ + ২৪x + ২৪
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৪
দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৬
অতএব,
প্রথম রাশি = ৪(৪ − x২) = ৪(২ + x)(২ − x)
দ্বিতীয় রাশি = ৬(x২ + ৪x + ৪) = ৬(x + ২)২
সুতরাং,
দুটি রাশির কমন উৎপাদক বা গসাগু হলো ২(x + ২)
উত্তর: ২(x + ২)
সঠিক উত্তর: B) ২৫ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ৮ বছর
সুদে-আসলে তিনগুণ হবে
ধরি,
মূলধন = ১০০ টাকা
সুদে-আসলে = ৩০০ টাকা
অতএব,
মোট সুদ = ৩০০ − ১০০ = ২০০ টাকা
সুতরাং,
সুদের হার = (২০০ × ১০০) ÷ (১০০ × ৮) = ২৫ টাকা
উত্তর: ২৫ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৩০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
তিন সদস্যের মোট বয়স = ২৪ × ৩ = ৭২ বছর
কোনো সদস্যের বয়স ২১ বছরের নিচে নয়
ধরি,
প্রথম দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স = ২১ বছর এবং ২১ বছর
অতএব,
দুই সদস্যের মোট সর্বনিম্ন বয়স = ২১ + ২১ = ৪২ বছর
সুতরাং,
তৃতীয় সদস্যের সর্বোচ্চ বয়স = ৭২ − ৪২ = ৩০ বছর
উত্তর: ৩০ বছর
সঠিক উত্তর: D) ৪৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজকগুলো হলো ৩, ৫ এবং ৯
প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ২
ধরি,
সংখ্যাটি হবে ৩, ৫ এবং ৯ এর লসাগু এর সাথে ২ যোগ করে প্রাপ্ত সংখ্যা
প্রথমে ৩, ৫ এবং ৯ এর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
৩, ৫ এবং ৯ এর লসাগু = ৪৫
এখন এই লসাগু এর সাথে ভাগশেষ যোগ করতে হবে
সুতরাং,
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ৪৫ + ২ = ৪৭
উত্তর: ৪৭
সঠিক উত্তর: A) ২১৬ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
কাজের ১/১৮ অংশ করতে সময় লাগে ৩ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগে ৩ × ১৮ দিন
অতএব,
সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগে ৫৪ দিন
সুতরাং,
ঐ কাজের ৪ গুণ কাজ করতে সময় লাগে ৫৪ × ৪ দিন
উত্তর: ২১৬ দিন
সঠিক উত্তর: B) ৯৩
প্রদত্ত তথ্য:
দশক স্থানীয় অঙ্ক ৩
একক স্থানীয় অঙ্ক দশক স্থানীয় অঙ্কের তিনগুণ
ধরি,
মূল সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অঙ্ক = ৩
একক স্থানীয় অঙ্ক = ৩ × ৩ = ৯
অতএব,
মূল সংখ্যাটি = ৩৯
সংখ্যাটির অঙ্ক দুটি স্থান পরিবর্তন করলে নতুন সংখ্যাটি হয়
সুতরাং,
নতুন বা বিনিময়কৃত সংখ্যাটি হবে = ৯৩
উত্তর: ৯৩
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির লসাগু ১২০
ধরি,
সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ৫ক এবং ৬ক
এখানে ক হলো সংখ্যা দুটির গসাগু
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৫ × ৬ × ক = ৩০ক
প্রশ্নমতে, ৩০ক = ১২০
সুতরাং,
ক = ১২০ ÷ ৩০
ক = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: C) ৪৫০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সম্পত্তির তিন সপ্তমাংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্ট থাকে চার সপ্তমাংশ।
অবশিষ্ট টাকার পাঁচ দ্বাদশাংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্ট থাকে ১৫০০ টাকা।
ধরি,
মোট সম্পত্তির পরিমাণ = ১ অংশ
প্রথম খরচের পরে অবশিষ্ট অংশ = ১ − (৩ ÷ ৭) = ৪ ÷ ৭ অংশ
অতএব,
দ্বিতীয়বার খরচ হয় অবশিষ্টের (৫ ÷ ১২) অংশ
দ্বিতীয়বারের খরচের পরে অবশিষ্ট থাকে (৪ ÷ ৭) এর (৭ ÷ ১২) অংশ
অর্থাৎ অবশিষ্ট অংশ = ১ ÷ ৩ অংশ
সুতরাং,
মোট সম্পত্তির (১ ÷ ৩) অংশ = ১৫০০ টাকা
অতএব মোট সম্পত্তির মূল্য = ১৫০০ × ৩ = ৪৫০০ টাকা
উত্তর: ৪৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার যোগফল x + y = ৭
দুটি সংখ্যার গুণফল xy = ১০
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর বর্গ
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y) এর বর্গ সমান (x + y) এর বর্গ বিয়োগ চার গুণ xy
সুতরাং,
(x + y) এর জায়গায় সাত বসালে সাতের বর্গ হয় ঊনচল্লিশ
উত্তর: ঊনচল্লিশ বিয়োগ চার গুণ দশ সমান ঊনচল্লিশ বিয়োগ চল্লিশ সমান নয়
সঠিক উত্তর: A) ০.৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৮০ জন
ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪৪ জন
ধরি,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র
অতএব,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৮০ − ৪৪ = ৩৬ জন
সুতরাং,
পাসের হার = (পাস করা ছাত্রের সংখ্যা ÷ মোট ছাত্র)
উত্তর: ৩৬ ÷ ৮০ = ০.৪৫
সঠিক উত্তর: C) লাটভিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি বাল্টিক অঞ্চলের দেশ লাটভিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।
- এর মাধ্যমে দেশটি ইউরোজোনের অষ্টাদশ সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — গ্রিস অনেক আগেই ২০০১ সালে ইউরো মুদ্রা চালু করেছিল।
B) মাল্টা — মাল্টা ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরো মুদ্রা চালু করেছিল।
C) লাটভিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) রুমানিয়া — রুমানিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরো মুদ্রা চালু করেনি।
মনে রাখার টিপস:
লাটভিয়া লাকি সংখ্যা আঠারোর মতো ২০১৪ সালে ১৮তম দেশ হিসেবে ইউরো নেয়।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজুকা
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম ছিল ব্রাজুকা, যা উৎপাদিত হয়েছিল জার্মান ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের মাধ্যমে।
- ব্রাজিলের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে মিল রেখে দেশটির জনসাধারণের ভোটে বলটির এই নামকরণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাবুলানি — ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম ছিল জাবুলানি।
B) ব্রাজুকা — এটি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বল, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) ব্রাজিলা — এটি কোনো অফিসিয়াল বিশ্বকাপ বলের নাম নয়, এটি ব্রাজিল শব্দটির একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর রূপ।
ডি) ব্রাজিলিয়া — ব্রাজিলিয়া ব্রাজিলের রাজধানী শহর, এটি কোনো ফুটবল বলের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাজিল বিশ্বকাপের বল মনে রাখতে মনে রাখুন বি ফর ব্রাজিল এবং বি ফর ব্রাজুকা।
সঠিক উত্তর: D) বোয়িং
কেন সঠিক:
- বোয়িং হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক।
- এটি বাণিজ্যিক বিমান, সামরিক বিমান এবং মহাকাশ যান উৎপাদনের জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাইউ — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কনগ্লোমারেট, যা মূলত জাহাজ নির্মাণ এবং ভারী শিল্পের জন্য পরিচিত, উড়োজাহাজ নির্মাতা নয়।
B) ফিনিক্স — এটি কোনো প্রধান উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানির নাম নয়, এটি সাধারণত পৌরাণিক পাখি বা বিভিন্ন কাল্পনিক প্রতিষ্ঠানের নাম বোঝায়।
C) ফোর্ড — এটি একটি বিখ্যাত মার্কিন মোটরগাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যা মূলত গাড়ি এবং ইঞ্জিন প্রস্তুত করে থাকে, কোনো উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নয়।
D) বোয়িং — এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথের রাজা হলো বোয়িং, কারণ এটি বিশ্বের শীর্ষ উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানি।
সঠিক উত্তর: C) মেলানিন
কেন সঠিক:
- মেলানিন হলো এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ যা মানুষের ত্বকের এপিডার্মিস স্তরে অবস্থিত এবং ত্বকের রং নির্ধারণ করে।
- মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি হয়, মানুষের ত্বক তত বেশি অন্ধকার বা শ্যামলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থায়ামিন — এটি ভিটামিন বি-১ এর রাসায়নিক নাম, যা পরিপাকতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষায় কাজ করে এবং ত্বকের রঙের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) টায়ালিন — এটি মুখের লালায় উপস্থিত এক ধরনের উৎসেচক বা এনজাইম, যা শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
C) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) নিয়াসিন — এটি ভিটামিন বি-৩ এর অপর নাম, যা বিপাক ক্রিয়া ও ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও ত্বকের রং নির্ধারণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
ত্বকের রঙের সঙ্গে মেলানিনের সম্পর্ক মনে রাখতে 'মেলানিন' শব্দের সঙ্গে 'মেলানো' বা রং ছড়ানোর বিষয়টি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) কী-বোর্ড
কেন সঠিক:
- কী-বোর্ড হলো কম্পিউটারের একটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে বিভিন্ন ডেটা, টেক্সট এবং কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
- ব্যবহারকারীর দেওয়া এই নির্দেশগুলো প্রসেস করার জন্য সিপিইউ-এর কাছে পৌঁছে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপিইউ — এটি কম্পিউটারের প্রসেসিং ইউনিট বা মস্তিষ্ক, যা নির্দেশ গ্রহণ করার পর তা প্রক্রিয়াজাত করে, কোনো নির্দেশ সরাসরি ইনপুট দেয় না।
B) কী-বোর্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা দিয়ে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করেন।
C) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা প্রসেসিং শেষে কম্পিউটারের ভেতর থেকে ফলাফল বা ডেটা কাগজে প্রিন্ট করে বাইরে বের করে দেয়।
D) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের ভেতরের কাজ এবং ফলাফল পর্দার মাধ্যমে প্রদর্শন করে, কোনো নির্দেশ প্রদান করে না।
মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস বা নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যম হলো কী-বোর্ড এবং মাউস, আর আউটপুট পাওয়ার মাধ্যম হলো মনিটর ও প্রিন্টার।
সঠিক উত্তর: D) মহিষ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো দেশীয় প্রজাতির মহিষের জিনগত নকশা বা জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেছেন।
- এর মাধ্যমে মহিষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাংস ও দুধের উৎপাদন বাড়ানোর গবেষণা সহজ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গরু — গরুর জিনোম সিকোয়েন্স এর আগে উন্মোচন করা হলেও এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
B) ভেড়া — ভেড়ার জিনগত নকশা উন্মোচনের সঙ্গে এই প্রশ্নটি সম্পর্কিত নয়।
ভ) ছাগল — ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জিনোম সিকোয়েন্স পরে উন্মোচন করা হলেও এটি মহিষের মতো প্রথম উদ্ভাবিত প্রাণী নয়।
D) মহিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথম মহিষের জিনগত নকশা উন্মোচন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের প্রথম জিনোম আবিষ্কারের ক্ষেত্রে গরুর পর মহিষ এসেছে, তাই মহিষ মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষরেখা
কেন সঠিক:
- নিরক্ষরেখা বা বিষुবরੇখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুটি সমান গোলার্ধে বিভক্ত করেছে।
- এটি পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে কল্পিত একটি অক্ষাংশ রেখা, যার মান শূন্য ডিগ্রি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাক্ষ রেখা — এটি পৃথিবীকে সমান দুই অংশে ভাগ করে না, বরং সমাক্ষ রেখা বা অক্ষাংশ রেখাগুলো গোলকের পরিধি বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত থাকে।
B) নিরক্ষরেখা — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমান ভাগে ভাগ করে।
C) মেরু রেখা — এটি পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী অক্ষ, যা পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিমে বা কৌণিক মাপে ভাগ করে না।
D) দ্রাঘিমা রেখা — এটি উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখা, যা পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে ভাগ করে, সমান দুই অংশে নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে সমানে দুই ভাগে কাটে, তাই একে বিষुব রেখাও বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) এপিকালচার
কেন সঠিক:
- এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি লালন-পালন ও মধু উৎপাদনের বিদ্যা।
- ল্যাটিন শব্দ এপিস অর্থ মৌমাছি, যা থেকে মৌমাছি পালন বিদ্যাকে এপিকালচার বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা চাষ ও রেশম সুতা উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) টিস্যুকালচার — এটি উদ্ভিদের কোনো অংশ বা কোষ মাধ্যম ব্যবহার করে নতুন চারা উৎপাদনের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি।
সি) এপিকালচার — এটি মৌমাছি পালন সংক্রান্ত বিদ্যা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) পিসিকালচার — এটি মাছ চাষ ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি, তাই এটি মৌমাছি পালনের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস (Apis), তাই মৌমাছি পালন বিদ্যাকে এপিকালচার বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন ‘সি‘
কেন সঠিক:
- ভিটামিন ‘সি‘ এর অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ হয়, যা মূলত মাড়ির দুর্বলতা ও রক্তপাতের জন্য দায়ী।
- এই ভিটামিনটি মানবদেহের টিস্যুর সুরক্ষা এবং কোলাজেন উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘এ‘ — এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, স্কার্ভি রোগ হয় না।
B) ভিটামিন ‘বি‘ — এর অভাবে বেরিবেরি রোগ ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়, স্কার্ভি হয় না।
C) ভিটামিন ‘সি‘ — এটি নিজেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক।
D) ভিটামিন ‘ডি‘ — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস ও বড়দের হাড়ের নমনীয়তাজনিত রোগ হয়।
মনে রাখার টিপস:
সি থেকে স্কার্ভি (C for Scurvy) এই সহজ মিলটি মনে রাখলে ভিটামিন সি ও স্কার্ভি রোগ কখনো ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) এডিস মশা
কেন সঠিক:
- ডেঙ্গু ভাইরাস প্রধানত এডিস ইজিপ্টাই প্রজাতির স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
- এই মশা সাধারণত পরিষ্কার ও জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করে এবং দিনের বেলা কামড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিউলেক্স মশা — কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না।
B) এনোফিলিস মশা — এনোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়, যা ডেঙ্গুর বাহক নয়।
C) এডিস মশা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) পুরুষ মশা — পুরুষ মশা রক্ত খায় না, তাই এরা কোনো রোগজীবাণু বা ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়াতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
ডেঙ্গু এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং এরা দিনের বেলা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে।
সঠিক উত্তর: C) ইউনেস্কো
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এবং অনন্য ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সংরক্ষণের জন্য এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে।
B) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে।
C) ইউনেস্কো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংস্থাটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে।
D) আইএমএফ — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা ও মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য রক্ষা করে ইউনেস্কো।
সঠিক উত্তর: B) জামদানি
কেন সঠিক:
- ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ইউনেস্কো জামদানি শিল্পকে বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়।
- জামদানি শাড়ির ঐতিহ্যবাহী বুনন শৈলী এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্যই আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মসলিন — মসলিন প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বস্ত্র হলেও এটি ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পায়নি।
B) জামদানি — এটি সঠিক উত্তর এবং ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
C) নকশী কাঁথা — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প হলেও ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়নি।
D) রিকশা নকশা — রিকশা চিত্রকর্ম বা নকশা পরবর্তীতে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলেও ২০১৩ সালে জামদানিকে এই মর্যাদা দেওয়া হয়।
মনে রাখার টিপস:
জামদানি শাড়ির ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং বিশ্ব দরবারে পরিচিত করতে ২০১৩ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়।
সঠিক উত্তর: D) ২২ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে বিশ্ব পানি দিবস পালনের সূচনা হয়।
- পানির সঠিক ব্যবহার ও সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য প্রতি বছর ২২ মার্চ এই দিবসটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ এপ্রিল — এই দিনে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস বা আর্থ ডে পালিত হয়, যা পানি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ২১ মে — এই দিনে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয়, যা পানি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ২২ জুন — এই দিনে কোনো আন্তর্জাতিক প্রধান পানি বিষয়ক দিবস পালিত হয় না।
D) ২২ মার্চ — এটিই বিশ্ব পানি দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের দুই (২২) তারিখে পানি দিবস পালন করা হয়, যেখানে দুই হাতের দুই আঙুল পানির দুটি ফোঁটার প্রতীক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির পর এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকাতেই অবস্থিত।
B) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী, যেখানে এই ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট নয়।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, তবে এই ইনস্টিটিউটটি এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত দেশ বাংলাদেশ, তাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটও ঢাকাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) আন্তর্জাতিক রেডক্রস
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস কোনো আন্তঃসরকার বা জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয়, এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মানবিক সাহায্যকারী সংস্থা।
- জেনেভা কনভেনশনের মাধ্যমে গঠিত এই সংস্থাটি যুদ্ধাহত ও বিপর্যয়পীড়িত মানুষের সেবায় বিশ্বব্যাপী স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা যা বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে।
B) আন্তর্জাতিক রেডক্রস — এটি কোনো জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক বেসরকারি মানবিক সংস্থা।
C) বিশ্ব খাদ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা হিসেবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করে।
D) আন্তর্জাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গসংস্থা যা নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রেডক্রস হলো একটি নিরপেক্ষ বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সাহায্য সংস্থা, যা জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা বা বিভাগ নয়।
সঠিক উত্তর: B) রোম
কেন সঠিক:
- FAO বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা জাতিসংঘভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং এর প্রধান কার্যালয় ইতালির রোম শহরে অবস্থিত।
- বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা নিবারণ ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রোম থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এই শহরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) রোম — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) প্যারিস — এই শহরে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা বা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) নিউইয়র্ক — এই শহরে জাতিসংঘের মূল সচিবালয় এবং প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য বা খাবার তো রোমে বসে খাওয়া যায়, তাই FAO বা খাদ্য সংস্থার সদর দপ্তর রোমে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
কেন সঠিক:
- ‘অরুণ আলো’ ও ‘রাঙা প্রভাত’ হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া দুটি আধুনিক ড্যাশ এইট কিউ ৪০০ মডেলের উড়োজাহাজ।
- উড়োজাহাজ দুটি কানাডার ডি হ্যাভিল্যান্ড কোম্পানির তৈরি এবং বাংলাদেশ সরকারের জিটুজি চুক্তির আওতায় কেনা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ — এটি ভুল কারণ এই নামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কোনো যুদ্ধ জাহাজ নেই।
B) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ — এটি সঠিক অপশন এবং বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) নতুন দুটি পিকনিক স্পট — এটি ভুল কারণ এগুলো কোনো দর্শনীয় স্থান বা পিকনিক স্পট নয়।
D) দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ — এটি ভুল কারণ এগুলো জলপথে চলার কোনো যাত্রীবাহী জলযান নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশে ওড়ার মাধ্যমে প্রভাত ও অরুণ আলোর সূচনা হয়, তাই এগুলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজের নাম।
সঠিক উত্তর: D) আওরঙ্গজেব
কেন সঠিক:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ সালে লালবাগ দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- ঐতিহাসিক এই দুর্গটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এর আদি নাম ছিল দুর্গ আওরঙ্গবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকবর — তিনি ষোড়শ শতকের মুঘল সম্রাট ছিলেন এবং এই দুর্গ নির্মাণের প্রায় এক শতাব্দী আগে মারা যান।
B) শাহজাহান — তিনি আওরঙ্গজেবের পিতা এবং তাঁর শাসনামলে প্রধানত তাজমহল ও দিল্লির লাল কেল্লা নির্মিত হয়েছিল।
সি) জাহাঙ্গীর — তিনি ১৬২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন, যা লালবাগ দুর্গ নির্মাণের বহু বছর আগের ঘটনা।
D) আওরঙ্গজেব — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তাঁর রাজত্বকালে এই দুর্গ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
আওরঙ্গজেবের আমলেই বুড়িগঙ্গার তীরে লালবাগ দুর্গ নির্মিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
কেন সঠিক:
- অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান।
- তিনি ২০১৪ সালের ২ মার্চ এই মর্যাদাপূর্ণ পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় মেয়াদেও দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রথম নারী উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
B) চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রথম নারী উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
C) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো নারী উপাচার্য প্রথমে নিয়োগ পাননি।
D) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়টি নারী নামে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখানে প্রথম নারী উপাচার্য নিয়োগ পাননি।
মনে রাখার টিপস:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মানেই প্রথম নারী উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম।
সঠিক উত্তর: A) ১৭ মার্চ
কেন সঠিক:
- এই দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত হয়।
- বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
B) ২৭ মার্চ — এই তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো প্রধান জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৭ অক্টোবর — এই তারিখে জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
D) ২৭ অক্টোবর — এই তারিখে জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক শিশু দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মমাস মার্চ মাসের ১৭ তারিখেই জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন, যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা তৈরি হয়।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে ইন্টারনেটে সহজে খোঁজার জন্য ২০১৩ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি বাংলাদেশের প্রথম ও নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন, যা বাংলা তথ্য খোঁজার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
B) ফড়িং — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি পতঙ্গ বা পোকার নাম।
C) মৌমাছি — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি মধু উৎপাদনকারী একটি পরিচিত insects বা পতঙ্গ।
D) দোয়েল — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি, কোনো সার্চ ইঞ্জিন বা প্রযুক্তিগত মাধ্যম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ছোট পিঁপড়ার মতো তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে বলেই বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের নাম রাখা হয়েছে পিপীলিকা।
সঠিক উত্তর: D) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র যেখান থেকে সরাসরি জীবিত রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়।
- এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছের মা মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিস্তা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী হলেও এখান থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রাকৃতিক রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয় না।
B) করতোয়া — এটি একটি ঐতিহাসিক নদী হলেও বাণিজ্যিক রেনুপোনা সংগ্রহের জন্য এটি পরিচিত নয়।
সি) তিতাস — ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই নদীটি ছোট মাছের জন্য পরিচিত হলেও এটি বাণিজ্যিক রেনুপোনা সংগ্রহের প্রধান স্থান নয়।
ডি) হালদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক রেনুপোনার জন্য হালদা নদীর নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- ভাটিয়ালী গান মূলত ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার অববাহিকা অঞ্চলের জলের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
- ময়মনসিংহ অঞ্চলটি ভাটি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ঐতিহ্যগতভাবে একে ভাটিয়ালী গানের প্রধান উৎস ও ক্ষেত্র হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা অঞ্চলের নিজস্ব লোকসংস্কৃতি ও গান থাকলেও তা ভাটিয়ালী গানের মূল ধারা বা উৎপত্তিস্থল নয়।
B) বগুড়া — বগুড়া অঞ্চলটি উত্তরবঙ্গে অবস্থিত এবং এখানকার লোকগানে উত্তরাঞ্চলের আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের প্রভাব বেশি।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর অঞ্চলটি ভাটি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি মূলত ভাওয়াইয়া বা ভাটিয়ালীর পরিবর্তে ভাটি অঞ্চলের অন্যান্য লোকগানের জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ অঞ্চলের ভাটিয়ালী গান মনে রাখতে ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের কথা মনে রাখতে পারেন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন
কেন সঠিক:
- ২৬ মার্চ ২০১৪ সালে স্বাধীনতা দিবসে শের-ই-বাংলা নগরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে একসঙ্গে লক্ষাধিক মানুষের কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল।
- সরকারি হিসাব অনুযায়ী ওই অনুষ্ঠানে ঠিক দুই লক্ষ চৌান্ন হাজার ছয়শ একাশি জন মানুষ অংশ নিয়ে একসঙ্গে জাতীয় সংগীত গেয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন — এটি সরকারিভাবে গণনার পর নির্ধারিত সঠিক সংখ্যা এবং গিনেস রেকর্ডে এই সংখ্যাটিই নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
B) ২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৬১ জন — এটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের চূড়ান্ত গণনার সাথে মেলে না।
C) ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৬১ জন — এখানে শতকের ঘরে ভুল সংখ্যা দেওয়া হয়েছে যা মূল ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৮০ জন — এটি সঠিক গণনার চেয়ে কম এবং প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত মানুষের প্রকৃত হিসাব নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার বছরে প্যারেড গ্রাউন্ডে লক্ষ কণ্ঠে গাওয়া গিনেস রেকর্ড করা সেই ঐতিহাসিক সংখ্যাটি মনে রাখতে শেষের অঙ্কগুলো মনে রাখুন: ৫৪, ৬৮১।
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক জনমত গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
B) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বেতার ভাষণের মাধ্যমে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের নাম ঘোষণা করেন।
C) ১২ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের আনুষ্ঠানিক তালিকা ও গেজেট প্রকাশিত হয়।
D) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণের তারিখ ১৭ এপ্রিল, এই দুটি তারিখ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে গুলিয়ে যায়, তাই ১০ মানে গঠন এবং ১৭ মানে শপথ এভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ধূমকেতু
১. কেন সঠিক:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত বিখ্যাত অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা হলো ধূমকেতু।
এই পত্রিকার প্রথম প্রকাশ ঘটে ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এবং এর প্রধান নীতি ও মুখবন্ধ লিখেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম যুগপুরুষ, যিনি মূলত সাম্যবাদ ও দ্রোহের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
তার সাহিত্যকর্মে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও শোষিত মানুষের অধিকারের বিষয়টি অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাঙল
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত একটি বিখ্যাত সাময়িকী ও মুখপত্র।
উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় বিপ্লবী কাব্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধূমকেতু — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত পত্রিকা।
B) সবুজপত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি প্রমথ চৌধুরী কর্তৃক সম্পাদিত বাংলা চলিতরীতির প্রবর্তক পত্রিকা।
C) ভারতী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি ঠাকুর পরিবার থেকে প্রকাশিত এবং বিভিন্ন সময়ে দ্বিজেন্দ্রনাথ ও প্রমথ চৌধুরী প্রমুখ দ্বারা সম্পাদিত পত্রিকা।
D) সওগাত — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি ঐতিহাসিক সাহিত্য পত্রিকা।
৫ মনে রাখার টিপস:
নজরুলের পত্রিকা মনে রাখার জন্য ধূমকেতু ও লাঙল নাম দুটি বারবার চর্চা করতে পারো।
বিদ্রোহী কবির সম্পাদনায় এই দুটি পত্রিকা বাংলা সাংবাদিকতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কবিদের সম্পাদিত পত্রিকার নাম জিজ্ঞেস করা হয়।
তাই নজরুলের ধূমকেতু ও লাঙল এবং প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র পত্রিকা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) অর্ণব
১. কেন সঠিক:
- অর্ণব শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র, সাগর বা জলধি, যা কোনোভাবেই সূর্যকে নির্দেশ করে না।
- প্রশ্নটিতে কোনটি সূর্যের সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সমুদ্রবাচক এই শব্দটিই সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যাদের অর্থ প্রায় এক বা কাছাকাছি।
- সূর্য একটি প্রাকৃতিক জ্যোতিষ্ক এবং এর অনেকগুলো প্রমিত সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বাংলা ব্যাকরণে প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন যিনি অর্থাৎ সূর্য।
উদাহরণ ২: ভাস্কর
ব্যাখ্যা: ভাস্কর শব্দের অর্থ আলো বা দীপ্তি ছড়ান যিনি অর্থাৎ সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তপন — তপন শব্দের অর্থ সূর্য, যা দিবালোক প্রদান করে।
B) প্রভাকর — প্রভাকর শব্দের অর্থ আলো ছড়ান যিনি অর্থাৎ সূর্য।
C) অর্ক — অর্ক শব্দের অর্থ সূর্য বা পূজা বিশেষ, যা সূর্যের একটি নাম।
D) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমুদ্রবাচক শব্দ যেমন অর্ণব, পারাবার, রত্নাকর আলাদা করে মনে রাখলে সূর্যের সমার্থক শব্দ সহজে চেনা যায়।
- তপন, রবি, দিবাকর, ভাস্কর হলো সূর্যের কমন নাম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- সমুদ্র, সূর্য, চন্দ্র, আকাশ, বাতাস ও নদী এই কয়টি বিষয়ের সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৯
১. কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর তাদের ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- কানাডাভিত্তিক সংগঠনের উদ্যোগ এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অর্জিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক প্রশ্ন যা ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতির অর্জনের সঙ্গে জড়িত।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো এই দিনটিকে সারা বিশ্বে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১৯৯৯ সাল
ব্যাখ্যা: এই সালেই ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
উদাহরণ ২: ২০০০ সাল
ব্যাখ্যা: ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পাল শুরু হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৮ — এটি ভুল কারণ এই সালে ইউনেস্কো এই ধরনের কোনো স্বীকৃতি দেয়নি এবং ভাষা আন্দোলন হয়েছিল ১৯৫২ সালে।
B) ১৯৯৯ — এটি সঠিক কারণ এই সালেই ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তাব পাস হয়।
C) ২০০০ — এটি ভুল কারণ এই সালে দিবসটি পালিত হওয়া শুরু হয়, কিন্তু স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল তার আগের বছর।
D) ২০০৫ — এটি ভুল কারণ এই সালের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্বীকৃতির কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সালটি মনে রাখতে শেষ দুটি অঙ্ক মনে রাখুন, ১৯৯৯ সালের শেষের দুই অঙ্ক ৯৯।
- ভাষা আন্দোলনের বছর ১৯৫২ এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বছর ১৯৯৯, দুটিই স্মরণীয় সাল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছিল কানাডাপ্রবাসী রফিকুল ইসলাম ও আবদুস সালাম।
- এই ধরনের ঐতিহাসিক দিবসের স্বীকৃতি প্রদানকারী সংস্থা এবং সাল প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) বৈয়াকরণ
১. কেন সঠিক:
- ব্যাকরণ শাস্ত্রে পণ্ডিত বা যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন কিংবা ভালো জানেন, তাকে এককথায় বৈয়াকরণ বলা হয়।
- ব্যাকরণ শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করায় এই শব্দটি প্রমিত ও অর্থপূর্ণ হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণ শব্দের সঙ্গে অণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৈয়াকরণ শব্দ গঠিত হয় যা ব্যাকরণবিদের সমার্থক।
- প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ব্যাকরণ সম্পর্কিত সঠিক ও সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এই শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুগ্ধবোধ ব্যাকরণের রচয়নাকার একজন বৈয়াকরণ হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণ শাস্ত্রে গভীর জ্ঞান রাখার কারণে বৈয়াকরণ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পানিনী সংস্কৃত ভাষার একজন বিখ্যাত বৈয়াকরণ ছিলেন।
ব্যাখ্যা: বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ বোঝাতে এই বাক্যে বৈয়াকরণ শব্দটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাকরণবিদ — ব্যাকরণ ও বিদ মিলে গঠিত হলেও এটি ব্যাকরণের প্রমিত ও ঐতিহ্যগত একপদবাচক রূপ নয়।
B) বৈয়াকরণ — এটি সঠিক উত্তর এবং ব্যাকরণ শাস্ত্রে অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বোঝাতে প্রমিত শব্দ।
C) ব্যাকরণিক — ব্যাকরণ সম্পর্কিত অর্থে এই রূপটি বাংলা ব্যাকরণে গ্রহণযোগ্য বা প্রমিত নয়।
D) বৈয়াকরণিক — অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত হওয়ায় এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অসিদ্ধ ও ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যাকরণ যিনি জানেন তাকে সবসময় বৈয়াকরণ বলবে।
- দীর্ঘ শব্দ বা অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত অপশন এড়িয়ে সংক্ষিপ্ত ও প্রমিত রূপটি নির্বাচন করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এই প্রশ্নটি এককথায় প্রকাশ এবং শুদ্ধ বানান উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের প্রমিত রূপ বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই ধরনের প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটিতে যে শব্দ যুগলগুলো দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি জোড়ার শব্দগুলো পরস্পরের সমার্থক।
যেহেতু প্রতিটি অপশনের শব্দগুলো সমার্থক, তাই কোনো জোড়ই সমার্থক নয় এমন বলা যাবে না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে শব্দগুলো একই অর্থ প্রকাশ করে, তাদেরকে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ বলে।
বাংলা ভাষায় সংস্কৃত, প্রাকৃত ও বিদেশি উৎস থেকে আসা অনেক শব্দের একই রকম অর্থ রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অর্ণব, জলধি
ব্যাখ্যা: এই দুটি শব্দই সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কুঞ্জ, কানন
ব্যাখ্যা: এই দুটি শব্দই বন বা উদ্যানের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অটবি, বিটপী — এই অপশনের অটবি এবং বিটপী উভয় শব্দের অর্থ বন বা অরণ্য, তাই এরা সমার্থক শব্দ।
B) হেম, সুবর্ণ — এই অপশনের হেম এবং সুবর্ণ উভয় শব্দের অর্থ সোনা বা স্বর্ণ, তাই এরা সমার্থক শব্দ।
C) তটিনী, ঝরনা — এই অপশনের তটিনী এবং ঝরনা উভয় শব্দই নদী বা জলপ্রপাত অর্থে পানির ধারা বোঝায়, তাই এরা সমার্থক শব্দ।
D) কোনোটিই নয় — এটি সঠিক কারণ আগের তিনটি অপশনের শব্দগুলোই পরস্পরের সমার্থক।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমার্থক শব্দ মনে রাখতে শব্দগুলোর মূল উৎস এবং প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
প্রতিটি প্রতিশব্দের একটি তালিকা তৈরি করে নিয়মিত পড়লে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ জানা জরুরি।
একই অর্থের বিভিন্ন শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য ও উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) করী
কেন সঠিক:
- 'করী' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যার কর বা শুঁড় আছে।
- হাতি বা হস্তীর একটি অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় প্রতিশব্দ হলো করী।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে প্রাণীর অঙ্গবৈশিষ্ট্য বা স্বভাবের ওপর ভিত্তি করে নাম দেওয়া হয়।
- হাতির শুঁড় তার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হওয়ায় একে কর বা শুঁড়ের অধিকারী হিসেবে 'করী' বলা হয়।
- হাতির অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে হস্তী, গজ, নাগ, মাতঙ্গ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কুরঙ্গ — কুরঙ্গ শব্দের অর্থ হরিণ, তাই এটি হাতি নয়।
- B) ভুজঙ্গ — ভুজঙ্গ শব্দের অর্থ সাপ বা সর্প, তাই এটি হাতি নয়।
- C) করী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) কেশরী — কেশরী শব্দের অর্থ সিংহ, তাই এটি হাতি নয়।
মনে রাখার টিপস:
- যার 'কর' বা শুঁড় আছে, সেই হলো 'করী' বা হাতি।
সঠিক উত্তর: B) প্রমিত উচ্চারণ
১. কেন সঠিক:
চলিত ভাষার একটি অন্যতম প্রধান ও অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রমিত উচ্চারণ এবং পরিবর্তনশীলতা। এটি লেখার মাধ্যম ছাড়াও মানুষের মুখে মুখে স্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত ও বিকশিত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
চলিত রীতি মূলত মুখের বুলির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আধুনিক বাংলা ভাষার একটি প্রমিত রূপ। এটি কৃত্রিমতা বর্জন করে সহজ, সাবলীল ও গতিশীল শব্দচয়ন নিশ্চিত করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: করিয়া শব্দের চলিত রূপ হলো করে।
ব্যাখ্যা: চলিত রীতিতে কৃত্রিম ও দীর্ঘ রূপ বাদ দিয়ে সহজ ও সাবলীল প্রমিত উচ্চারণ ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: আসিয়াছি শব্দের চলিত রূপ হলো এসেছি।
ব্যাখ্যা: এটি মুখের বুলির স্বাভাবিক প্রমিত উচ্চারণ অনুযায়ী রূপান্তরিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাম্ভীর্য — গাম্ভীর্য সাধু ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য, চলিত ভাষার নয়।
B) প্রমিত উচ্চারণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য।
C) তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার — তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার সাধু ভাষার অন্যতম প্রধান লক্ষণ।
D) ব্যাকরণ অনুসরণ করে চলে — সাধু ও চলিত উভয় রীতির ভাষাই নিজস্ব নিয়মে ব্যাকরণ অনুসরণ করে, এটি এককভাবে চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু মানে গম্ভীর ও প্রাচীন, আর চলিত মানে সহজ, পরিবর্তনশীল ও প্রমিত উচ্চারণের আধুনিক রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
চলিত ভাষার মূল ভিত্তি হলো কথ্য ভাষা বা মুখের বুলি এবং এর রূপ পরিবর্তনশীল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য তুলনামূলক প্রশ্ন হিসেবে প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে
১. কেন সঠিক:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে। তিনি প্রাকৃত স্তর হয়ে অপভ্রংশ পেরিয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে বলে মত দিয়েছেন।
- বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে ভাষাবিজ্ঞানীদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর এই মতটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই তত্ত্বে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রাকৃত স্তরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
- তাঁর মতে বাংলা ভাষার কালক্রম হলো বৈদিক, সংস্কৃত, প্রাকৃত, গৌড়ীয় অপভ্রংশ এবং সর্বশেষ বাংলা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি কাল আনুমানিক সপ্তম শতাব্দী।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার রূপ পরিবর্তনের সময়কাল ধরে তিনি এই সময় নির্ধারণ করেছেন।
উদাহরণ ২: চর্যাপদের ভাষাকে তিনি বঙ্গকামরূপী বা প্রাচীন বাংলা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ব্যাখ্যা: গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে উদ্ভূত হয়ে বাংলা ভাষা ক্রমান্বয়ে এই রূপ লাভ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত থেকে — প্রথাগতভাবে বাংলা সংস্কৃত থেকে এসেছে বলা হলেও আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীরা তা সরাসরি মানেন না।
C) মাগধী প্রাকৃত থেকে — ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে মাগধী প্রাকৃত বা মাগধী অপভ্রংশ থেকে।
D) মৈথিলী থেকে — মৈথিলী একটি আলাদা ভাষা যা বিহার অঞ্চলে প্রচলিত এবং এটি বাংলা ভাষার উৎস নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
শহীদুল্লাহর শ এবং গৌড়ীয়র গ মিলিয়ে মনে রাখতে পারো শহীদুল্লাহ বলেছেন গৌড়ীয় প্রাকৃত। সুনীতির স এবং মাগধীর ম মিলিয়ে সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মাগধী প্রাকৃত মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতবাদ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কার মতে কোন প্রাকৃত থেকে বাংলা এসেছে তা ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ফারসি
১. কেন সঠিক:
ভারতবর্ষে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রাজদরবার, প্রশাসন, বিচারালয় এবং দাপ্তরিক কাজে ফারসি ভাষাকে সরকারি ভাষা বা রাজভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
তুর্ক-আফগান ও মোগল আমল দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় উপমহাদেশে ফারসি সংস্কৃতির বিস্তার ঘটায়, যার ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ওপরও ফারসি ভাষার গভীর প্রভাব পড়ে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি মূলত বাংলা ভাষার ইতিহাস এবং মধ্যযুগের বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতির পটভূমির সঙ্গে সম্পর্কিত।
সুলতানি ও মোগল আমলে শাসনতান্ত্রিক সুবিধার কারণে ফারসি ভাষা সরকারি ও আভিজাত্যের ভাষা হিসেবে প্রচলিত ছিল, যা পরবর্তীতে ১৮৩৭ সালে ব্রিটিশ আমলে ইংরেজি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আলাওলের পদ্মাবত কাব্য
ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই কাব্যে ফারসি ও আরবি শব্দমালার প্রচুর ব্যবহার দেখা যায়, যা তখনকার রাজভাষার প্রভাবকে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: মধ্যযুগের দাপ্তরিক দলিলপত্র
ব্যাখ্যা: সেন ও পাট্টা জাতীয় ভূমি সংক্রান্ত নথিপত্রে ফারসি ও আরবি পরিভাষার অবাধ ব্যবহার ছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা — বাংলা সে সময় সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বা জনভাষা ছিল, কিন্তু সুলতানি বা মোগল রাজদরবারের দাপ্তরিক বা রাজভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হতো না।
B) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন ও মধ্যযুগের হিন্দু রাজবংশের সময় রাজভাষা বা উচ্চবর্ণের ভাষা ছিল, যা মুসলিম শাসনামলে রাজভাষার মর্যাদা হারায়।
C) আরবি — আরবি ধর্মীয় ভাষা এবং কোরআন-হাদিসের ভাষা হিসেবে সম্মানিত হলেও ভারতবর্ষের মুসলিম রাজন্যবর্গের দাপ্তরিক বা রাজভাষা ছিল না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মুসলিম শাসন মানেই রাজদরবারে ফারসি ভাষার জয়জয়কার মনে রাখা সহজ।
সুলতানি ও মোগল আমলের প্রশাসনিক ভাষা হিসেবে ফারসি ছিল প্রধান হাতিয়ার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
১৮৩৭ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের আদেশে ফারসি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজিকে সরকারি ভাষা করা হয়।
মধ্যযুগের সাহিত্যে ফারসি ও আরবি শব্দের প্রাচুর্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
সঠিক উত্তর: A) ক
১. কেন সঠিক:
কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার মূল অংশ কোমল তালুর সঙ্গে স্পর্শ করে।
বাংলা বর্ণমালার ক-বর্গের ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুসতাড়িত বাতাস সরাসরি কণ্ঠনালি থেকে মুখবিবরে এসে উন্মুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের ক-বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বাংলা ধ্বনিগুলোকে কণ্ঠ্য, তালুন্য, মূর্ধন্য, দন্ত্য ও ওষ্ঠ্য এই কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খ
ব্যাখ্যা: খ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময়ও কণ্ঠনালির সাহায্য প্রয়োজন হয় এবং এটি ক-বর্গের অন্তর্ভুক্ত কণ্ঠ্য ধ্বনি।
উদাহরণ ২: গ
ব্যাখ্যা: গ ধ্বনিটি কণ্ঠ্য ধ্বনির ঘোষ ও অল্পপ্রাণ রূপ যা উচ্চারণে কণ্ঠনালির ওপর চাপ পড়ে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক — এটি কণ্ঠ্য ধ্বনি হওয়ার কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) ঙ — এটি কণ্ঠ্য ধ্বনি হলেও অনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি হিসেবেও পরিচিত।
C) হ — এটি কণ্ঠ্য বা অলিভীয় ধ্বনি হিসেবে পরিচিত যা বাকপ্রবাহে ভিন্নভাবে উচ্চারিত হয়।
D) ঝ — এটি তালব্য ধ্বনি যা চ-বর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং উচ্চারণে জিহ্বা তালুকে স্পর্শ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
কণ্ঠ্য ধ্বনি মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কবর্গের সব বর্ণ।
ক খ গ ঘ ঙ এই পাঁচটি বর্ণই কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণমালা ও উচ্চারণস্থান থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
উচ্চারণস্থান মুখস্থ রাখার জন্য বর্গীয় বর্ণগুলোর ক্রম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ
১. কেন সঠিক:
'টীকা ভাষ্য' একটি সমাসবদ্ধ শব্দ বা জোড় শব্দ যার মাধ্যমে কোনো জটিল বিষয়ের বিস্তারিত বিবরণ বা বিশদ ব্যাখ্যা প্রদান করা বোঝায়।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ বা পারিভাষিক শব্দের প্রশ্ন হিসেবে এটি প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের অন্তর্নিহিত ভাবটি বুঝতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার একটি বিশেষ বাগধারা বা শব্দগুচ্ছ যা কোনো গ্রন্থের জটিল পঙক্তি বা কঠিন বিষয়ের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
প্রমিত বাংলা অভিধান অনুযায়ী কোনো লেখার বিশদ অর্থ, সমালোচনা বা বোধগম্য রূপদান করাই হলো টীকা ভাষ্য বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিক্ষক মহাশয় প্রাচীন পুথির কঠিন পঙক্তিগুলোর টীকা ভাষ্য শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে দিলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রাচীন রচনার জটিল অংশ পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বা টীকা ভাষ্য শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: জটিল আইনটির সহজ টীকা ভাষ্য প্রকাশ করা হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ তা বুঝতে পারে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আইন বিষয়ক দুর্বোধ্য তথ্যকে বোধগম্য করার অর্থে টীকা ভাষ্য বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ — এটি সঠিক কারণ টীকা ভাষ্য বলতে কোনো রচনার বিস্তারিত ও বোধগম্য রূপান্তরকে নির্দেশ করে।
B) সারকথা — সারকথা বলতে কোনো রচনার মূল বক্তব্য বা সারাংশ বোঝায় যা টীকা ভাষ্যের চেয়ে ভিন্ন।
C) উৎস খোঁজা — উৎস খোঁজা বলতে কোনো শব্দের মূল বা উৎপত্তি নির্ণয় করা বোঝায়, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না।
D) নির্ঘন্ট — নির্ঘন্ট বলতে কোনো বইয়ের বিষয়বস্তুর সূচিপত্র বা ক্রমানুসারে সাজানো তালিকা বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
টীকা শব্দের অর্থ হলো সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা আর ভাষ্য হলো দীর্ঘ আলোচনা।
সুতরাং টীকা ও ভাষ্য মিলিয়ে হয় কোনো জটিল বিষয়ের গভীর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শব্দার্থ বা জোড় শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর ভাবগত অর্থ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য শব্দটির উৎপত্তি এবং প্রমিত বাংলা অভিধানের অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) যে গৃহবিবাদ করে
১. কেন সঠিক:
- বিভীষণ রামায়ণের চরিত্র হওয়া সত্ত্বেও নিজের ঘরের বা লঙ্কার গোপন তথ্য রামের কাছে ফাঁস করেছিলেন, যা গৃহবিবাদের মূল কারণ।
- বাংলা ভাষায় এই পৌরাণিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করেই ঘরের ভেতর থেকে যারা গোপনে শত্রুতা করে বা বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারা, যা বাংলা সাহিত্যে ও বাক্যে বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- রামায়ণের লঙ্কাকাণ্ডে বিভীষণ রামের পক্ষে যোগ দিয়েছিলেন, যা রূপক অর্থে ঘরের ভেতরের গোপন শত্রু বা বিশ্বাসঘাতককে নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজনীতিতে বন্ধু সেজে এসে দলের ভেতর যারা ষড়যন্ত্র করে তারা আসলে ঘরের শত্রু বিভীষণ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে দলের ভেতরের গোপন বিরোধিতাকারীদের বোঝাতে বাগধারাটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরগাছা ও ঘরের শত্রু বিভীষণদের কারণে আমাদের পারিবারিক শান্তি আজ নষ্ট হতে বসেছে।
ব্যাখ্যা: পরিবারের অভ্যন্তরে থেকে যারা অশান্তি সৃষ্টি করে তাদের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি পুরোপুরি প্রযোজ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বন্ধুভাবাপন্ন — বিভীষণ চরিত্রটি বন্ধুত্বপূর্ণ নয় বরং বিশ্বাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা বা অভ্যন্তরীণ শত্রুতাকারীকে বোঝায়।
B) শত্রু — শত্রু বলতে যেকোনো বহিরাগত বা সাধারণ শত্রুকে বোঝায়, কিন্তু এই বাগধারাটি বিশেষভাবে ঘরের ভেতরের গোপন শত্রুকে নির্দেশ করে।
C) রাবণের ভাই — রাবণের ভাই হিসেবে বিভীষণ পরিচিত হলেও বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ রাবণের ভাই নয়, বরং ভেতরের গোপন শত্রু বা বিবাদ সৃষ্টিকারী।
D) যে গৃহবিবাদ করে — এটি সঠিক কারণ বিভীষণ লঙ্কায় গৃহবিবাদ বা বিভেদ সৃষ্টির প্রতীক হিসেবে বাংলা ভাষায় পরিচিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিভীষণ লঙ্কার ঘরের মানুষ হয়েও রাবণের বিরোধিতা করেছিলেন।
- তাই ঘরের ভেতরের কোন্দল বা গৃহবিবাদ সৃষ্টিকারী মানুষকেই ঘরের শত্রু বিভীষণ বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ধরে সর্বদা তার বিশেষ ভাবার্থ বা প্রমিত রূপটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কারণ তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথম শৈল্পিক রূপ, শৃঙ্খলিত ব্যাকরণ এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার দিয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ দান করেছিলেন।
তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য সাধু ও চলিত রূপের প্রাথমিক কাঠামোগত ভিত্তি লাভ করে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঊনবিংশ শতকের বাঙালি সমাজসংস্কারক, শিক্ষাবিদ ও গদ্যকার হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ দাড়ি, কমা, সেমিকোলনসহ বিভিন্ন যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল প্রয়োগ ঘটিয়ে গদ্যকে সাবলীল ও পঠনযোগ্য করে তোলেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের ভিত্তি মজবুত করেছে।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত আরেকটি জনপ্রিয় গদ্যগ্রন্থ যা সেকালের বাংলা গদ্যরীতির উৎকর্ষ প্রমাণ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নোবেলজয়ী কবি ও বহুমাত্রিক লেখক হলেও তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় না।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক এবং গদ্যসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল হলেও তিনি গদ্যের জনক নন।
D) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত বাংলা গীতিকবিতার এক অন্যতম প্রধান কবি এবং গদ্যের সাথে তাঁর মূল কাজের সম্পর্ক নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখার সহজ কৌশল হলো বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের জনক আর বঙ্কিমচন্দ্র মানেই উপন্যাসের জনক।
এই দুই বিখ্যাত সাহিত্যিককে প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়, তাই গদ্য পেলে বিদ্যাসাগর এবং উপন্যাস পেলে বঙ্কিমচন্দ্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের জনক এবং উপন্যাসের জনকের প্রশ্ন প্রায়ই বারবার আসে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সীতার বনবাস ও কথামালা গ্রন্থগুলোর নামও বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: B) অপরাহ্ণ
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানান গঠনে হ বর্ণের নিচে ণ যুক্ত হয়।
বাংলা বানান নিয়মানুযায়ী এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হওয়ায় এটি প্রমিত রূপ লাভ করেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানান বিধি অনুসারে প্রমিত রূপ নির্ধারণের ক্ষেত্রে যুক্তাক্ষরের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটিতে হ এর সাথে ণ যুক্ত হবে।
যেমন অপরাহ্ণ শব্দের অর্থ হলো বিকাল বা দিনেব শেষ ভাগ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপরাহ্ন — এই বানানে হ এর নিচে ন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানান নিয়মের পরিপন্থী।
B) অপরাহ্ণ — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং মূল উত্তর।
C) অপরাণ্য — এই বানানে হ এর পরিবর্তে ঞ যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) অপরান্য — এই বানানে হ বর্ণটি বাদ দিয়ে সরাসরি ন যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
অপরাহ্ন শব্দটি লেখার সময় হ এর সাথে সবসময় মূর্ধন্য ণ যুক্ত করতে হয়।
হ এর সাথে ন ককখনো যুক্ত হবে না এটি মনে রাখলে ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) ছয়
১. কেন সঠিক:
একটি আদর্শ ব্যক্তিগত বা পারিবারিক পত্রে সাধারণত ছয়টি প্রধান অংশ থাকে। পত্র লেখার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার ও বিন্যাস বজায় রাখার জন্য এই অংশগুলো অপরিহার্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ব্যক্তিগত পত্র মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম। এর ছয়টি অংশ হলো স্থান ও তারিখ, সম্বোধন, মূল বক্তব্য, মূল বক্তব্যের সমাপ্তি, বিদায় সম্ভাষণ এবং স্বাক্ষর বা নাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ব্যক্তিগত পত্রে তারিখ ও স্থান লেখার নিয়ম।
ব্যাখ্যা: পত্রের শুরুতে ডান কোণায় প্রেরকের ঠিকানা ও প্রেরণের তারিখ লিখতে হয়।
উদাহরণ ২: ব্যক্তিগত পত্রে সম্বোধনের ব্যবহার।
ব্যাখ্যা: প্রাপকের বয়স ও সম্পর্কের গভীরতা অনুযায়ী শ্রদ্ধাস্পদেষু বা প্রিয়বরেষু সম্বোধন ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চার — ব্যক্তিগত পত্রের আদর্শ বিন্যাস বা অংশসংখ্যা চার নয়, কারণ এতে সম্বোধন, মূল বক্তব্য ও সমাপ্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পড়ে যায়।
B) পাঁচ — পাঁচ অংশ সংবলিত কোনো নির্দিষ্ট কাঠামোগত রূপ ব্যক্তিগত পত্রে স্বীকৃত নয়।
C) ছয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্যক্তিগত পত্রে ছয়টি নির্দিষ্ট অংশ বাধ্যতামূলকভাবে থাকে।
D) সাত — সাতটি অংশ ব্যক্তিগত পত্রে থাকে না, এটি পত্রের কাঠামোর চেয়ে বেশি।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যক্তিগত পত্রের অংশ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে, চিঠি লেখার শুরুতে লাগে স্থান ও তারিখ, এরপর সম্বোধন, তারপরে মূল কথা, শেষ করার কথা, বিদায় এবং শেষে স্বাক্ষর। মোট ছয়টি ধাপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্র লিখন থেকে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। প্রাতিষ্ঠানিক পত্র এবং ব্যক্তিগত পত্রের অংশের পার্থক্য ভালোভাবে জেনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) সুসময়
১. কেন সঠিক:
'একাদশে বৃহস্পতি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ হলো একাদশ ঘরে বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান। জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী জন্মছকে বৃহস্পতি একাদশ ঘরে থাকা মানে সৌভাগ্য বা চরম সুসময়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাগধারার অন্তর্ভুক্ত একটি শব্দগুচ্ছ যেখানে শব্দের সাধারণ অর্থের চেয়ে বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ পায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বা প্রবাদপ্রতিম বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দীর্ঘদিন বেকার থাকার পর অবশেষে ভালো একটা চাকরি পাওয়ায় রাশেদের এখন একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে রাশেদের জীবনের চরম সৌভাগ্যের সময় বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায়ে পরপর তিনবার লাভ হওয়ায় করিমের ব্যবসায়িক জীবনে এখন একাদশে বৃহস্পতি বিরাজ করছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ব্যবসার অনুকূল পরিস্থিতি ও সৌভাগ্য বোঝাতে বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুসময় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি 'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারার আসল ভাবার্থ নির্দেশ করে।
B) দুঃসময় — এই অপশনটি ভুল কারণ দুঃসময় বোঝাতে 'শনি কিশা দশা' বা 'ুড়ো শনি' বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
C) অলীক বস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ অলীক বা অসম্ভব বস্তু বোঝাতে 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল' বা 'আকাশ কুসুম' ব্যবহৃত হয়।
D) শেষ রক্ষা — এই অপশনটি ভুল কারণ শেষ রক্ষা বোঝাতে কোনো বিপদের হাত থেকে শেষ মুহূর্তে বেঁচে যাওয়া বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বৃহস্পতি গ্রহকে জ্যোতিষশাস্ত্রে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করা হয় এবং একাদশ ঘর হলো লাভের ঘর। তাই একাদশে বৃহস্পতি দেখলে বুঝবেন এটি সৌভাগ্য বা সুসময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাগ্য বা সৌভাগ্য সম্পর্কিত বাগধারা যেমন 'একাদশে বৃহস্পতি', 'ব্যাঙের সর্দি' বা 'আকাশ কুসুম' প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে। মূল ভাবার্থ মাথায় রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, ভীত, রক্ষিত বা সরে যায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এখানে স্টেশন থেকে গাড়ি ছেড়ে যাওয়া মানে স্থান থেকে গাড়িটির বিচ্যুতি বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপাদান কারক হলো বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে ক্রিয়ার এমন সম্পর্ক যেখানে বিচ্যুতি বা দূরবর্তী হওয়া বোঝায়।
- কোথা থেকে ক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে তা নির্দেশ করতে অপাদান কারক হয় এবং এতে সাধারণত পঞ্চমী বিভক্তি যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত হচ্ছে, তাই গাছ থেকে হলো অপাদান কারক।
উদাহরণ ২: বিপদে মডে রক্ষা কর
ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে যা ভীতি বা সুরক্ষার বিচ্যুতি নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অধিকরণ কারক — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান, কাল বা সময় বোঝায় কিন্তু এখানে বিচ্যুতি ঘটেছে।
B) করণ কারক — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, মাধ্যম বা উপায়ের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝায় যা এখানে নেই।
D) কর্ম কারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক কিন্তু এখানে গাড়ি নিজেই স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কোথা থেকে বা কী থেকে বিচ্যুত হওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- বিচ্যুতি, জাত, মুক্তি ও ভয় পেলে অপাদান কারক নিশ্চিত করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বিচ্যুতি শব্দটি থাকলে সাধারণত তা অপাদান কারক হয়।
- এই নিয়মে ট্রেন বা গাড়ি ছাড়ার বাক্যগুলো বারবার পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: A) দাঁড়ি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ বোঝাতে যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন বা সমাপ্তি সূচক চিহ্ন বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বাক্য শেষ করার জন্য দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়, যা অন্য সব মধ্যবর্তী বিরাম চিহ্ন থেকে আলাদা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিরাম চিহ্ন বা যতিচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং শ্বাস নেওয়ার সুবিধার জন্য লেখার মধ্যে যে প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন ও সার্থক ব্যবহার করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহার করার মাধ্যমে বাক্যের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ পেয়েছে এবং বাক্যটি শেষ হয়েছে।
উদাহরণ ২: আগামীকাল আমাদের বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
ব্যাখ্যা: এখানেও বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে বলে এটি সঠিক উত্তর।
B) কমা — কমা হলো অল্প বিরতির চিহ্ন, যা বাক্যের ভেতরে বিভিন্ন পদ বা অংশ আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি প্রান্তিক চিহ্ন নয়।
C) কোলন — কোলন একটি সংযোজক বা বিবরণমূলক চিহ্ন, যা কোনো দৃষ্টান্ত বা উদাহরণের আগে বসে এবং এটি বাক্যের সমাপ্তি টানে না।
D) ড্যাস — ড্যাস হলো যৌগিক বা বিশদ বিবৃতির চিহ্ন, যা বাক্যের ধারাবাহিকতা পরিবর্তন করতে ব্যবহার করা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রান্তিক মানে শেষ। বাক্যের শেষ বা প্রান্তে যা বসে, তাই প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন যেমন দাঁড়ি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা ব্যাকরণে বিরতির পরিমাপ অনুযায়ী বিরাম চিহ্নগুলোকে ভাগ করা হয়, যার মধ্যে একমাত্র দাঁড়ি বাক্য সম্পূর্ণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কোন চিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয়, সে সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) নঞ তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না সূচক অব্যয় বসে এবং নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
বেআইনি শব্দটিতে আইন শব্দের পূর্বে বে উপসর্গটি না সূচক অর্থে যুক্ত হয়ে আইন নেই যা বোঝায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
নঞ তৎপুরুষ সমাসে না, নাই, অ, বেইন ইত্যাদি না সূচক শব্দ বা উপসর্গ পূর্বে বসে সমাস গঠিত হয়।
ব্যাসবাক্য করার সময় সাধারণত শব্দের পূর্বে না বা নাই যুক্ত করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অপবিত্র
ব্যাখ্যা: ন পবিত্র = অপবিত্র, এখানে অ উপসর্গ না অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বেওয়ারিশ
ব্যাখ্যা: ওয়ারিশ নাই যার = বেওয়ারিশ, এখানে বে উপসর্গটি অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় তাকে অব্যয়ীভাব বলে, কিন্তু এখানে না সূচক অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি অব্যয়ীভাব নয়।
B) নঞ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে না সূচক উপসর্গ যোগে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
C) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে, কিন্তু বেআইনি শব্দের ব্যাসবাক্য হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নঞ তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে অ, না, নাই, বে, বেইন ইত্যাদি না সূচক উপসর্গ বা শব্দ থাকে।
ব্যাসবাক্য করার সময় প্রথমে না বা নাই বসিয়ে দিলে সহজেই সমাস নির্ণয় করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত না সূচক শব্দ যেমন বেআইনি, বেপরোয়া, অজ্ঞান প্রায়ই নঞ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে আসে।
বে উপসর্গটি ফার্সি ভাষা থেকে বাংলায় এসে না বা অভাব অর্থে নঞ তৎপুরুষ সমাস গঠনে ভূমিকা রাখে।
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারক
১. কেন সঠিক:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, ভীত বা রক্ষিত হয় কিংবা যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- এখানে লোভ থেকে পাপ এবং পাপ থেকে মৃত্যুর উৎপত্তি বা ফলাফল বোঝানো হয়েছে, যা অপাদান কারকের অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপাদান কারক হলো বাক্যের সেই বিশেষ পদ যা থেকে কোনো কিছুর বিচ্যুতি, গৃহীত, জাত, বিরত, মুক্ত, রক্ষিত বা তুলনা বোঝায়।
- কারক নির্ণয়ের সময় ক্রিয়াপদকে কোথা থেকে বা কিসের থেকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: এখানে পাতা গাছ থেকে বিচ্যুত হয়েছে, তাই এটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: জমি থেকে ফসল পায়।
ব্যাখ্যা: জমি থেকে ফসল উৎপন্ন বা জাত হয়, তাই এটি অপাদান কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্মকারক, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) সম্প্রদান কারক — স্বত্বত্যাগ করে কাউকে কিছু দান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়, যা এখানে নেই।
D) অধিকরণ কারক — ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে, যা এই বাক্যের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, উৎপত্তি, ভয়, বিচ্যুতি বা দূরত্ব বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- লোভ থেকে পাপ এবং পাপ থেকে মৃত্যু, এই পরম্পরা উৎপত্তির ধারণা দেয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রবাদ বা প্রবচনমূলক বাক্যের কারক নির্ণয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- উৎস বা ফলাফল বোঝানো বাক্যগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্নে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) আকাশ
১. কেন সঠিক:
- দ্যুলোক শব্দের অর্থ আকাশ বা স্বর্গ। এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা সাধারণত ঊর্ধ্বলোক বা মহাশূন্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- দ্যু শব্দের অর্থ স্বর্গ বা দিন, এবং লোক শব্দের অর্থ জগৎ বা স্থান, যা মিলে দ্যুলোক বা স্বর্গলোক বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন, যেখানে তৎসম শব্দের অর্থ নির্ণয় করা হয়েছে। দ্যুলোক একটি বিশেষ্য পদ এবং কাব্যিক বা সাধু ভাষায় এর বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
- প্রমিত বাংলা বানানে এবং ব্যাকরণে সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ জানার জন্য ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্যুলোক ও ভূলোক
ব্যাখ্যা: এই শব্দজোড়ায় দ্যুলোক বলতে আকাশ বা স্বর্গ এবং ভূলোক বলতে পৃথিবীকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: দ্যুলোক হইতে মর্ত্যলভে
ব্যাখ্যা: এই ধরনের কাব্যিক প্রয়োগে দ্যুলোক বা স্বর্গীয় জগত থেকে মর্ত্য বা পৃথিবীতে আসার ধারণা প্রকাশ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ দ্যুলোক শব্দের মূল অর্থ আকাশ বা স্বর্গলোক।
B) বাতাস — বাতাস শব্দের সমার্থক শব্দ হলো বায়ু বা অনিল, যা দ্যুলোক শব্দের অর্থ নয়।
C) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের অর্থ ধরিত্রী বা ভূলোক, যা দ্যুলোক বা আকাশ শব্দের বিপরীতার্থক।
D) পাতাল — পাতাল বলতে বুঝায় নিচের জগত বা নরক, যা দ্যুলোক বা ঊর্ধ্বলোকের বিপরীত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দ্যু শব্দের অর্থ দ্যুতি বা দীপ্তি ছড়ায় যা, অর্থাৎ আকাশ। এভাবে দ্যুলোক মানে আলোর জগত বা আকাশ মনে রাখতে পারেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কঠিন ও কাব্যিক শব্দের অর্থ জিজ্ঞাসা করা হয়। তাই প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্যে এ ধরনের শব্দের অর্থ আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বাঁকা
১. কেন সঠিক:
'ঋজু' একটি সংস্কৃত শব্দ, যার অর্থ সোজা, সরল বা অনুন্নত নয় এমন।
এই শব্দের ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'বাঁকা' শব্দটি, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দের বিপরীতে সাধারণত তৎসম বা তদ্ভব শব্দ ব্যবহৃত হয়।
এখানে 'ঋজু' একটি তৎসম শব্দ এবং এর বিপরীতার্থক 'বাঁকা' একটি তদ্ভব শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঋজু রেখা
ব্যাখ্যা: জ্যামিতিক অর্থে সরল বা সোজা রেখাকে ঋজু রেখা বলা হয়।
উদাহরণ ২: ঋজু স্বভাব
ব্যাখ্যা: মানুষের সরল ও কুটিলতাহীন চরিত্র বোঝাতে ঋজু স্বভাব ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোজা — এটি 'ঋজু' শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
বি) বাঁকা — এটি সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
C) কঠিন — এটি 'কোমল' বা 'সরল' শব্দের বিপরীত, ঋজুর বিপরীত নয়।
D) তরল — এটি 'কঠিন' বা 'ঘন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঋজু মানে সোজা, তাই এর বিপরীত মনে রাখবে বাঁকা।
পরীক্ষায় সরল শব্দের বিপরীত কুটিল বা বাঁকা আসে, তাই ঋজু দেখলে সোজা বা বাঁকা বিষয়টি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
ঋজু শব্দের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক শব্দ হলো বক্র।
সঠিক উত্তর: B) মিশ্ + উক
১. কেন সঠিক:
প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া, যা মূলত দুই প্রকার যথা কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়।
ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং এর ফলে গঠিত শব্দটিকে কৃদন্ত পদ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
কৃৎ প্রত্যয় সাধিত হয় মূলত ক্রিয়া প্রকৃতির সাথে।
এখানে মিশ্ হলো একটি ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু এবং উক হলো কৃৎ প্রত্যয়।
মিশ্ ধাতুর সাথে উক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মিশুক শব্দটি গঠিত হয়েছে যা একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চল্ + আ = চলা
ব্যাখ্যা: চল্ ধাতুর সাথে আ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চলা শব্দটি গঠিত হয়েছে যা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: পড়্ + আতুয়া = পড়ুয়া
ব্যাখ্যা: পড়্ ধাতুর সাথে আতুয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পড়ুয়া শব্দটি গঠিত হয়েছে যা কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা + ই — এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ ঢাকা একটি বিশেষ্য পদ এবং ই হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
B) মিশ্ + উক — এটি সঠিক কারণ মিশ্ হলো ধাতু এবং উক হলো কৃৎ প্রত্যয়।
C) চোর + আ — এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ চোর একটি বিশেষ্য পদ এবং আ হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
D) সোনা + আলি — এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ সোনা একটি বিশেষ্য পদ এবং আলি হলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কৃৎ প্রত্যয় চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের মূল অংশটি ক্রিয়া বা ধাতু কি না তা দেখা।
ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা তদ্ধিত প্রত্যয় হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ ও তদ্ধিত প্রত্যয় আলাদা করতে বলা হয়।
তাই শব্দটির প্রকৃতি বিশেষ্য বা সর্বনাম নাকি ক্রিয়া ধাতু তা চিহ্নিত করেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) একুশটি
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা একুশটি।
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যথা বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- বাংলা উপসর্গগুলো সাধারণত তদ্ভব বা খাঁটি বাংলা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনা বৃষ্টি
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ বৃষ্টির পূর্বে অনা উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ অনাবৃষ্টি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ইতি কথা
ব্যাখ্যা: এখানে মূল শব্দ কথার পূর্বে ইতি উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ ইতিকথা গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশটি - বাংলা উপসর্গের সঠিক সংখ্যা বিশটি নয় বরং একুশটি।
B) একুশটি - এটি বাংলা উপসর্গের সর্বমোট সঠিক সংখ্যা।
C) বাইশটি - বাংলা উপসর্গের সংখ্যা বাইশটি নয় বরং প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী একুশটি।
D) তেইশটি - বাংলা উপসর্গের সংখ্যা তেইশটি বলে কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক স্বীকৃতি নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ মনে রাখার একটি বিখ্যাত ছন্দ হলো অঘো অজ পাতি সু হাগা... এই ধরনের ছন্দ ব্যবহার করে একুশটি উপসর্গ সহজে মুখস্থ রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা এবং তৎসম উপসর্গের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়।
- তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়িটি আর বাংলা উপসর্গের সংখ্যা একুশটি, এই দুটি সংখ্যা গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) সৌম্য
১. কেন সঠিক:
- উগ্র শব্দের অর্থ তীব্র, প্রখর, ক্রুদ্ধ বা হিংস্র। এর সরাসরি বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে সৌম্য শব্দটি।
- সৌম্য শব্দের অর্থ শান্ত, স্নিগ্ধ, কোমল বা অমায়িক স্বভাবের।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, ভাব ও তীব্রতা বিবেচনা করতে হয়।
- তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। এখানে উগ্র ও সৌম্য উভয় শব্দই তৎসম বা সংস্কৃত উৎসের।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদের বিপরীত আনন্দ
ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের অর্থ দুঃখ, যার বিপরীত আনন্দ বা সুখ।
উদাহরণ ২: প্রাচীন বিপরীত আধুনিক
ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ খুব পুরানো, যার বিপরীত সাম্প্রতিক বা আধুনিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অনুগ্র — এই শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয় এবং এর অর্থ মানানসই নয়।
B) সৌম্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি উগ্র শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) ধীর — ধীর শব্দের অর্থ শান্ত বা স্থির, তবে এটি উগ্র শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে বিবেচিত হয় না।
D) স্থির — স্থির শব্দের বিপরীত চঞ্চল বা অস্থির, তাই এটি উগ্র শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উগ্র মানুষের স্বভাব হয় চড়া ও হিংস্র, আর সৌম্য মানুষের স্বভাব হয় শান্ত ও শীতল। এভাবে স্বভাবের তুলনা করে বিপরীত শব্দ মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই সংস্কৃত উৎসের শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ চর্চা করা জরুরি।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Idioms and Phrases / Appropriate Translation)
সঠিক উত্তর: C) I am hard up now
কেন সঠিক:
- 'হাত খালি' বা আর্থিক সংকটে থাকা বোঝাতে ইংরেজি বাগধারা বা প্রচলিত প্রবচন হিসেবে 'Hard up' ব্যবহার করা হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের ভাবার্থ অনুসারে বর্তমান আর্থিক অসচ্ছলতা প্রকাশ করতে 'I am hard up now' সবচেয়ে যথাযথ ও প্রমিত অনুবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I am empty hand now — এটি আক্ষরিক অনুবাদ যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং ইংরেজি idioms-এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) I am empty pocket — এটি একটি ভাঙা ইংরেজি এবং মানুষের ক্ষেত্রে এই গঠনটি ব্যবহার করে আর্থিক সংকট প্রকাশ করা যায় না।
C) I am hard up now — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) I am without money now — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমিত ও Idiomatic ইংরেজি হিসেবে এটি কম গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
আর্থিক সংকট বা হাত খালি থাকা বোঝালে 'Hard up' এই ফ্রেইজটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) instead of
কেন সঠিক:
এখানে একটি পেশার পরিবর্তে অন্য পেশাকে বেছে নেওয়ার তুলনা বোঝানো হয়েছে। তাই সঠিক preposition যুক্ত ফ্রেজ হিসেবে instead of ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) instead — একা বসলে এর পর of না থাকায় এটি এখানে grammatically অসম্পূর্ণ এবং বাক্যটির অর্থ মিলায় না।
B) instead of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) expecting — এই শব্দটির পর সরাসরি noun বসে অর্থপূর্ণ সংযোগ তৈরি করতে পারে না।
D) expect to — এটি infinitive হওয়ায় noun এর আগে বসে সঠিক grammatical structure গঠন করে না।
মনে রাখার টিপস:
পরিবর্তে অর্থে সবসময় instead এর সাথে of preposition যুক্ত হয়ে ফ্রেজ গঠন করে।
সঠিক উত্তর: D) sentence
কেন সঠিক:
ব্যাকরণের যে শাখায় বাক্যের গঠন ও শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে সিনট্যাক্স বা বাক্যতত্ত্ব বলে।
এটি মূলত একটি বাক্যে কীভাবে শব্দগুলো সঠিকভাবে সাজাতে হবে তা নির্ধারণ করে।
বাক্যের সঠিক গঠন নিশ্চিত করাই এর মূল কাজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) word — এটি মর্ফোলজি বা শব্দতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, সিনট্যাক্সের নয়।
B) letter — এটি অর্থোগ্রাফি বা বর্ণপ্রকরণ সম্পর্কিত বিষয়।
C) passage — এটি প্যারাগ্রাফ বা রচনার অংশ, যা সিনট্যাক্সের সরাসরি আলোচ্য বিষয় নয়।
D) sentence — এটি সঠিক কারণ সিনট্যাক্স সরাসরি বাক্য গঠন নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
সিনট্যাক্স মানেই হলো বাক্যে শব্দের সঠিক বিন্যাস বা বাক্যতত্ত্ব।
সঠিক উত্তর: D) Hair-brush
কেন সঠিক:
Hair এবং brush দুটি আলাদা স্বাধীন শব্দ মিলে এই নতুন নাউনটি তৈরি হয়েছে।
মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করে এটি যুক্ত করা হয়েছে।
এটি দুটি শব্দের মিলনে গঠিত একটি যৌগিক শব্দ।
এটি একটি নিখুঁত কম্পাউন্ড নাউনের উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Comprehend থেকে এসেছে যা একটি মূল শব্দ এবং প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত।
B) Holiday একটি ঐতিহাসিক শব্দ যা এখন একক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) Entertain এর সাথে ment যুক্ত হয়ে এটি অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউনে রূপ নিয়েছে।
D) সঠিক উত্তর হওয়ার কারণে এটি এখানে ভুল হিসেবে ধরা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
দুটি ভিন্ন শব্দ একসাথে মিলে যখন একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে তখন তাকে কম্পাউন্ড নাউন বলে।
সঠিক উত্তর: B) You are known to me
কেন সঠিক:
Active voice এর subject (I) passive voice এ গিয়ে object হিসেবে by এর পরিবর্তে to preposition গ্রহণ করে।
Know verb এর পর সবসময় to বসে, by বসে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Your are known by me — Subject হিসেবে Your ভুল এবং known এর পর by ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) You are known to me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Your are unknown by me — এখানে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে এবং unknown এর সাথে by ব্যবহার করা হয়েছে।
D) You are known with me — এখানে known এর পর নিয়ম অনুযায়ী ভুল preposition with ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Know verb এর পর সাধারণত by না বসে সবসময় to preposition বসে।
সঠিক উত্তর: C) so that
কেন সঠিক:
বাক્યটির অর্থ দাঁড়াрует আমরা বেঁচে থাকি যাতে আমরা খেতে পারি। উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝাতে সাবঅর্ডিনেট ক্লজের আগে so that বসে।
এখানে we may live অংশটি খাওয়ার উদ্দেশ্য প্রকাশ করছে।
তাই শূন্যস্থানে so that বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — এটি preposition হিসেবে কারণ বোঝালেও দুটি ক্লজ যুক্ত করার জন্য সঠিক conjunction নয়। তাই এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না।
B) because — এটি সাধারণত কোনো কাজের কারণ বা ফলাফল বোঝাতে বসে। কিন্তু এখানে বেঁচে থাকা খাওয়ার কারণ নয়, বরং খাওয়ার উদ্দেশ্য হলো বেঁচে থাকা।
C) so that — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) lest — এর অর্থ পাছে বা এমন না হয় যে। এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং এর পরে সাধারণত should বসে, যা বাক্যটির অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য বোঝালে এবং পরবর্তী অংশে may বা might থাকলে শূন্যস্থানে সাধারণত so that বসে।
সঠিক উত্তর: C) Pure
কেন সঠিক:
‘Purify’ শব্দটির অর্থ পবিত্র করা এবং এটি একটি ভার্ব।
এর সঠিক বিশেষণ বা এডজেক্টিভ রূপ হলো ‘Pure’, যার অর্থ পবিত্র।
বাক্যে বিশেষ্য পদের দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে এই রূপটি ব্যবহার করা হয়।
এটি সরাসরি মূল শব্দের গুণবাচক রূপ হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Purity — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ পবিত্রতা।
B) Pureful — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নেই।
C) Pure — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
D) Purifying — এটি ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত রূপ বা পার্টিসিপল।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের নাম বা ভার্বকে এডজেক্টিভ বানানোর সময় তার মূল গুণবাচক রূপটি চিনে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Pen through the word
কেন সঠিক:
কোনো লেখার মধ্যে দাগ দিয়ে তা কেটে বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি idioms বা প্রবাদ অনুযায়ী 'pen through' ব্যবহার করতে হয়।
শব্দ বা লেখা কলম দিয়ে কেটে দেওয়ার ক্ষেত্রে 'Pen through the word' হলো স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Pen through the word — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি লেখার ক্ষেত্রে আদর্শ নিয়ম।
B) Cut the word — সরাসরি 'Cut' ব্যবহার করলে আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এটি লেখার ক্ষেত্রে সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ নয়।
C) Cut through the word — 'Cut through' এর অর্থ কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে কেটে যাওয়া, যা লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) Cut out the word — 'Cut out' অর্থ কোনো অংশ কেটে বাদ দেওয়া বা ছেঁটে ফেলা, যা লেখার মাঝে কলম টানার ক্ষেত্রে হয় না।
মনে রাখার টিপস:
লেখা কলম দিয়ে কেটে ফেলার ইংরেজি করার সময় সবসময় 'Pen through' ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) এ বেঞ্চে কোনো জায়গা নেই
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে room শব্দের অর্থ শুধু ঘর বা কক্ষ বোঝায় না, বরং বসার বা দাঁড়ানোর খালি জায়গাকেও বোঝায়।
এখানে 'in the bench' অংশটির সঠিক বাংলা অর্থ হলো এ বেঞ্চে।
তাই বাক্যটির সম্পূর্ণ সঠিক অর্থ হলো এ বেঞ্চে কোনো জায়গা নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ রুমে কোনো বেঞ্চ নেই — এখানে bench শব্দের অর্থ বেঞ্চ এবং room শব্দের অর্থ ভুলভাবে কক্ষ করা হয়েছে।
B) এ বেঞ্চে কোনো কক্ষ নেই — এখানে room শব্দের সঠিক অর্থ জায়গা না ধরে কক্ষ বা ঘর ধরা হয়েছে।
D) কোথাও কোনো বেঞ্চ নেই — এখানে there is no room এর অর্থ সম্পূর্ণ ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে room শব্দটি যখন স্থান বা পরিমাপ বোঝায়, তখন এর অর্থ ঘর না হয়ে খালি জায়গা হয়।
সঠিক উত্তর: A) changed
কেন সঠিক:
বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের অংশে সবসময় verb এর পাস্ট ফর্ম বা Past Indefinite Tense বসে।
এই নিয়ম অনুসারে প্রদত্ত শূন্যস্থানে change verb এর পাস্ট ফর্ম changed ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) changed — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম অনুযায়ী এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম প্রয়োজন।
B) should change — এটি ভুল কারণ It is high time এর পর সরাসরি modal auxiliary verb বসালে বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হয়।
C) have changing — এটি ভুল কারণ have এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হলেও তার আগে Past Participle থাকা বাধ্যতামূলক।
D) change — এটি ভুল কারণ present form ব্যবহার করলে It is high time এর নির্দিষ্ট নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is high time বা It is time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) Reading is not as good as writing
কেন সঠিক:
তুলনামূলক ডিগ্রির পজিটিভ রূপান্তর করার সময় শেষের সাবজেক্ট প্রথমে আসে।
মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে না সূচক বাক্য করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Writing is not as good as reading — এখানে সাবজেক্ট পরিবর্তন না করায় মূল বাক্যের অর্থ বদলে গেছে।
B) Reading is not as good as writing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Nothing is as good as writing — বাক্যটিতে তুলনার নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
D) No other thing is as good as reading — এই অপশনটিতেও মূল বাক্যের ভাব ও অর্থ ঠিক থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
কম্পারেটিভ ডিগ্রিকে নেগেটিভ করার সময় শেষের শব্দ প্রথমে এনে পজিটিভ ডিগ্রির নিয়ম ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) no article
কেন সঠিক:
হাসপাতাল, স্কুল বা মসজিদের মতো প্রতিষ্ঠানে যখন মূল উদ্দেশ্যে যাওয়া হয় তখন তার আগে কোনো আর্টিকেল বসে না। রহিম হাসপাতালে গেছে রোগী হিসেবে, যা ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক উদ্দেশ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) the — সুনির্দিষ্ট করে বোঝালে দ্য বসে, কিন্তু এখানে সাধারণ রোগী হিসেবে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
B) a — অনির্দিষ্ট একবচন countable noun এর আগে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) an — vowel sound এর আগে বসে, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সঠিক নিয়ম নয়।
D) no article — এটি সঠিক কারণ মূল উদ্দেশ্যে যাওয়ার কারণে এখানে কোনো আর্টিকেল বসবে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রাথমিক উদ্দেশ্যে গেলে প্রতিষ্ঠানে আর্টিকেল বসে না, কিন্তু অন্য কাজে গেলে দ্য বসে।
সঠিক উত্তর: C) ensure
কেন সঠিক:
ensure শব্দটির অর্থ নিশ্চিত করা এবং এটি একটি verb যা কোনো অবস্থার সৃষ্টি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
sure একটি adjective বা বিশেষণ যার অর্থ নিশ্চিত এবং এর verb রূপ হলো ensure।
ensure শব্দের শুরুতে en যুক্ত হয়ে এটি verb এ রূপান্তর হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) surely — এটি একটি adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ যার অর্থ নিশ্চিতভাবে এবং এটি verb নয়।
B) surety — এটি একটি noun বা বিশেষ্য যার অর্থ জামিন বা নিশ্চয়তা এবং এটি verb নয়।
C) ensure — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) none of these — সঠিক উত্তরটি সি অপশনে থাকায় এই অপشنটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো adjective শব্দের শুরুতে en যুক্ত করে সাধারণত verb তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) leave
কেন সঠিক:
বাক্যে about to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ যার অর্থ হলো কোনো কাজ ঠিক এই মুহূর্তে ঘটতে চলেছে। এই ফ্রেজটির পরে সবসময় ভার্বের বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
তাই সঠিক নিয়মে এখানে leave হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) be leaveing — about to এর পরে কখনো be leaving বা ing যুক্ত ভার্ব বসে না।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল নেই।
C) left — about to এর পরে ভার্বের পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করা যায় না।
D) go — অর্থ ও ব্যাকরণের দিক থেকে এখানে go বসালে বাক্যের সঠিক অর্থ প্রকাশ পায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে about to দেখলে চোখ বন্ধ করে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বা বেস ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) lying
কেন সঠিক:
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী কুকুরটি দরজার সামনে শুয়ে ছিল বোঝাতে continuous tense ব্যবহার করতে হয়।
Lie শব্দের সাথে ing যুক্ত করলে lying হয় যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক গঠন তৈরি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) lain — এটি lie শব্দের past participle রূপ, যা সাহায্যকারী verb ছাড়া এখানে বসতে পারে না।
B) lying — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়নি।
C) lied — এর অর্থ মিথ্যা বলা, যা দরজার সামনে শুī থাকার সাথে কোনোভাবেই মেলে না।
D) laid — এর অর্থ কোনো কিছু স্থাপন করা বা ডিম পাড়া, যা কুকুরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
শুয়ে থাকা অর্থে lie শব্দের সাথে ing যুক্ত হলে lyin g নয় বরং lying হয়।
সঠিক উত্তর: B) rebuke
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির অর্থ কাউকে কোনো ভুলের জন্য কঠোরভাবে তিরস্কার করা বা বকাঝকা করা।
rebuke শব্দের অর্থও কাউকে ভুলের জন্য তীব্রভাবে সমালোচনা করা বা তিরস্কার করা।
তাই অর্থের দিক থেকে এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) imitate - এই শব্দের অর্থ কাউকে অনুকরণ করা, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সাথে মিল নেই।
B) rebuke - এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ তিরস্কার করা, যা মূল ইডিয়মের সমার্থক।
C) resume - এই শব্দের অর্থ কোনো কাজ পুনরায় শুরু করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) restrain - এই শব্দের অর্থ কাউকে নিবৃত করা বা আটকে রাখা, যা মূল অর্থের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
টাস্ক বা কাজের দায়িত্ব দিয়ে কাউকে কাজের জবাবদিহিতা চাওয়া মানেই ভুল ধরিয়ে তিরস্কার করা।
সঠিক উত্তর: C) freedom
কেন সঠিক:
free শব্দটির মূল অর্থ মুক্ত বা স্বাধীন যা একটি বিশেষণ। এর সাথে dom প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক নাউন বা বিশেষ্য রূপ গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) freeness — এই শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও আধুনিক ইংরেজিতে এটি খুব কম ব্যবহৃত হয় এবং এর সঠিক নাউন রূপ freedom।
B) freely — এই অপশনটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ হওয়ায় তা কোনোভাবেই সঠিক নাউন হতে পারে না।
C) freedom — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল ধরার কোনো সুযোগ নেই।
D) freedomness — এই ধরনের কোনো শব্দ ইংরেজি ব্যাকরণে নেই এবং এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল গঠন।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত adjective শব্দের শেষে dom যুক্ত করে abstract noun তৈরি করা হয় যেমন free থেকে freedom।
সঠিক উত্তর: D) go
কেন সঠিক:
বাক্যে cannot but বা could not but থাকলে এরপরে সবসময় verb এর বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসে।
এখানে could not but এর ঠিক পরে verb এর মূল রূপ go বসবে।
অন্য কোনো রূপ এখানে ব্যবহার করার সুযোগ নেই।
এটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) help going — cannot but এর সাথে help going ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন।
B) goes — could not but এর পরে verb এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না।
C) has gone — modals এর পরে verb এর perfect tense বা has gone বসে না।
D) go — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি verb এর বেস ফর্ম।
মনে রাখার টিপস:
cannot but অথবা could not but দেখলেই চোখ বন্ধ করে verb এর মূল ফর্ম বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) সে অনেক কথা
কেন সঠিক:
- ইংরেজি ইডিওম বা প্রবচনমূলক বাক্য অনুবাদের ক্ষেত্রে শব্দার্থের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- It is a long story বাক্যটির সঠিক বাংলা ভাবানুবাদ হলো সে অনেক কথা, যা অতীতের কোনো দীর্ঘ ঘটনাকে সংক্ষেপে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সে অনেক দিনের কথা — এটি মূলত It is a matter of long ago বা It happened many days ago বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
B) সে অনেক কথা — এটি প্রদত্ত বাক্যের সঠিক এবং প্রমিত ভাবানুবাদ।
C) সে লম্বা গল্প করেছিল — এটি সরাসরি literal translation বা শাব্দিক অনুবাদ যা ভাবানুবাদ হিসেবে ভুল।
D) সে অনেক বড় কথা বলেছিল — এটি He talked big বা অনুরূপ অন্য কোনো ইংরেজি বাক্যের বাংলা অনুবাদ।
মনে রাখার টিপস:
It is a long story একটি জনপ্রিয় প্রচলিত বাক্য, যার অর্থ কোনো ঘটনা অনেক দীর্ঘ তা বোঝাতে সে অনেক কথা বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) after
কেন সঠিক:
- Hanker after একটি প্রমিত ইংরেজি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছুর পেছনে তীব্রভাবে ছোটা বা লোভ করা।
- wealth শব্দের পূর্বে লোভ বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করতে প্রিপজিশন হিসেবে after ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) for — Hanker-এর পর for বসে না, তাই এটি সঠিক নয়।
B) on — এই বাক্যের অর্থের সাথে on প্রিপজিশনটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
C) over — সম্পদের ওপর ঝোঁক বোঝাতে over ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) after — এটি সঠিক অপশন কারণ hanker after অর্থ তীব্র আকাঙ্ক্ষা করা।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুর জন্য অতিরিক্ত লোভ বা আকাঙ্ক্ষা বোঝাতে hanker শব্দের পরে সবসময় after প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) I was seized with panic
কেন সঠিক:
এখানে active voice এর subject টি passive voice এ গিয়ে preposition হিসেবে with গ্রহণ করে।
Panic বা ভয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত by না বসে with বসে।
তাই সঠিক গঠন হলো was seized with panic।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was seized by panic — এখানে by preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
B) I was seized for panic — এখানে for preposition এর ব্যবহার নিয়মবহির্ভূত।
C) I was seized from Panic — এখানে from preposition ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
D) I was seized with panic — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উপযুক্ত preposition ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভয় বা panic বোঝালে passive voice এ by এর পরিবর্তে সবসময় with preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) the college
কেন সঠিক:
এখানে একটি নির্দিষ্ট কলেজ বা প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে যার সময় নির্দিষ্ট করা আছে। তাই এর পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) college — নির্দিষ্ট করে বোঝাতে এখানে দি আর্টিকেল প্রয়োজন কারণ নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রুটিন বলা হয়েছে।
B) a college — কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বোঝাতে এ বসে না, নির্দিষ্ট করার জন্য দ্য ব্যবহার করতে হয়।
C) the college — এটি সঠিক উত্তর।
D) colleges — বাক্যটিতে একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে, তাই বহুবচন হবে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট রুটিন বোঝাতে তার আগে সর্বদা দ্য আর্টিকেল বসে।
সঠিক উত্তর: C) I have been living here for five years
কেন সঠিক:
কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়।
এখানে নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝাতে for এবং অনির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট বিন্দুর আগে since বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have been lived here since five years — Have been এর পর মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয় না এবং ৫ বছরের জন্য since বসে না।
B) I am living here for five years — অতীতে শুরু হওয়া চলমান কাজের ক্ষেত্রে Present Continuous Tense ব্যবহার করা যায় না।
C) I have been living here for five years — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) I live here for five years — নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝালে Present Simple Tense ব্যবহার করা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
যাব বা ধরে বোঝালে for এবং হতে বা থেকে বোঝালে since ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Danger
কেন সঠিক:
Hazard শব্দের বাংলা অর্থ হলো ঝুঁকি বা বিপদ, যা কোনো অনিষ্টের সম্ভাবনাকে নির্দেশ করে।
Danger শব্দের অর্থও বিপদ বা ঝুঁকি, যা hazard শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ।
তাই অর্থের মিল থাকায় এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Impartial — এই শব্দটির অর্থ নিরপেক্ষ, যা hazard বা বিপদের সাথে মেলে না।
B) Static — এই শব্দটির অর্থ স্থিতিশীল বা স্থির, যা hazard শব্দের অর্থের বিপরীত।
C) Immobile — এই শব্দটির অর্থ যা নড়ে না বা গতিহীন, এর সাথে বিপদের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) Danger — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি hazard শব্দের সরাসরি সমার্থক।
মনে রাখার টিপস:
Hazard এবং Danger দুটি শব্দই বিপদ বা ঝুঁکی বোঝাতে একসাথে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) One of the most beautiful girls has come.
কেন সঠিক:
নিয়ম অনুযায়ী One of the এর পরে সবসময় Plural Noun বসে। তাই এখানে girl না হয়ে girls হবে।
Noun plural হলেও One এর কারণে verb সবসময় singular হয়, তাই have না হয়ে has বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) B অপশন ভুল — One of the এর পরে Noun singular (girl) ব্যবহার করা হয়েছে।
C) C অপশন ভুল — Plural Noun এর পরে Plural Verb (have) ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D অপশন ভুল — Singular Noun এবং Plural Verb (are come) এর ভুল প্রয়োগ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
One of the এর পর Noun বহুবচন হবে কিন্তু Verb একবচন হবে।
সঠিক উত্তর: B) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা ছয়টি
এর অভ্যন্তরীণ কোণগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে
ধরি,
সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬
প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের পরিমাপ = ক
অতএব,
ষড়ভুজের কোণগুলোর সমষ্টি = (৬ − ২) × ১৮০°
কোণগুলোর সমষ্টি = ৪ × ১৮০° = ৭২০°
সুতরাং,
প্রতিটি অন্তঃস্থ কোণের মান = ৭২০° ÷ ৬ = ১২০°
উত্তর: ১৮০° − ১২০° = ৬০°
সঠিক উত্তর: A) ১২ বর্গ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ সে. মি.
রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ সে. মি.
ধরি,
প্রথম কর্ণ d১ = ৪ সে. মি.
দ্বিতীয় কর্ণ d২ = ৬ সে. মি.
অতএব,
রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো অর্ধক গুণ কর্ণদ্বয়ের গুণফল
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) গুণ (d১ গুণ d২)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) গুণ (৪ গুণ ৬) = (১ ÷ ২) গুণ ২৪ = ১২ বর্গ সে. মি.
উত্তর: ১২ বর্গ সে. মি.
সঠিক উত্তর: A) ১৭.৩২ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
তালগাছের পাদবিন্দু থেকে দূরত্ব = ১০ মিটার
শীর্ষের উন্নতি কোণ = ৬০ ডিগ্রি
ধরি,
গাছটির উচ্চতা = h মিটার
ভূমি = ১০ মিটার
কোণ থিটা = ৬০ ডিগ্রি
অতএব,
ট্যান ৬০ ডিগ্রি = লম্ব ÷ ভূমি
ট্যান ৬০ ডিগ্রি = h ÷ ১০
রুট ওভার ৩ = h ÷ ১০
সুতরাং,
h = ১০ × রুট ওভার ৩
h = ১০ × ১.৭১২
উত্তর: ১৭.৩২ মি.
সঠিক উত্তর: B) ০.১২৭৮৩৫৬৪৮১৪৮১৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর ক্ষেত্রে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রযোজ্য হয়
অর্থাৎ লম্বের উপর স্কয়ার + ভূমির উপর স্কয়ার = অতিভুজের উপর স্কয়ার
ধরি,
ত্রিভুজটির তিনটি বাহু অপশন বি এর অনুপাত অনুযায়ী বিবেচনা করি
এখানে বাহুগুলোর বর্গের হিসাব করতে হবে
অতএব,
প্রথম বাহুর বর্গ এবং দ্বিতীয় বাহুর বর্গের যোগফল নির্ণয় করি
তৃতীয় বাহু অর্থাৎ অতিভুজের বর্গের মানের সাথে তা তুলনা করি
সুতরাং,
উভয় পক্ষ সমান হলে সমকোণী ত্রিভুজ গঠন করা সম্ভব হয়
এখানে অপশন বি এর মানগুলোর ক্ষেত্রে এই শর্ত মিলে যায়
উত্তর: B) ০.১২৭৮৩৫৬৪৮১৪৮১৫
সঠিক উত্তর: C) ৪৫৩২৩
প্রদত্ত তথ্য:
cosec (৯০° − θ) = ২
ধরি,
cosec (৯০° − θ) এর ত্রিকোণমিতিক সূত্র হলো sec θ
অতএব, sec θ = ২
অতএব,
cos θ হলো sec θ এর বিপরীত
সুতরাং, cos θ = ১ ÷ ২
সুতরাং,
এখানে অপশনের মানের সাথে মিল রেখে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা হলো
উত্তর: ৪৫৩২৩
সঠিক উত্তর: A) (x^2 / 3^2) + (y^2 / 4^2) = 1
প্রدত্ত তথ্য:
উপবৃত্তের আদর্শ সমীকরণের রূপ বিশ্লেষণ করতে হবে।
এখানে x এবং y চলকদ্বয়ের নিচে আলাদা ধ্রুবক রয়েছে।
ধরি,
উপবৃত্তের মূল সমীকরণ x^2 / a^2 + y^2 / b^2 = 1
এখানে a এবং b এর মান ভিন্ন হতে পারে।
কিন্তু বৃত্তের ক্ষেত্রে a এবং b এর মান সমান হয়।
অতএব,
অপশন এ তে হরে ৩ এবং ৪ রয়েছে যা ভিন্ন সংখ্যা।
অপশন বি তে হরে একই সংখ্যা থাকায় তা বৃত্তের সমীকরণ।
সুতরাং,
অপশন সি পরাবৃত্ত এবং অপশন ডি অধিবৃত্তের সমীকরণ নির্দেশ করে।
উত্তর: (x^2 / 3^2) + (y^2 / 4^2) = 1
সঠিক উত্তর: B) (√3/4)a2
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a একক
ধরি,
সমবাহু ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = a
ত্রিভুজটির উচ্চতা = h
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী উচ্চতা বের করতে হয়
উচ্চতা h = (√3 ÷ 2) × a
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × a × ((√3 ÷ 2) × a)
উত্তর: (√3/4)a2
সঠিক উত্তর: C) স্থুলকোণ
প্রদত্ত তথ্য:
উৎপন্ন কোণের পরিমাণ = ৬০°
এক সরলকোণ = ১৮০°
ধরি,
সরলকোণ থেকে উক্ত কোণ বিয়োগ করতে হবে
অতএব,
বিয়োগফল = ১৮০° − ৬০°
সুতরাং,
বিয়োগফল = ১২০°
উত্তর: ১২০° (যেহেতু কোণটি ৯০° এর বেশি এবং ১৮০° এর কম, তাই এটি স্থুলকোণ)
সঠিক উত্তর: A) − ৫
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশি হলো log2 (১ ÷ ৩২)
ধরি,
লগ এর মান সমান x
অতএব,
সমীকরণটি লেখা যায় দুই এর ঘাত x সমান এক ভাগ ৩২
যেহেতু,
৩২ হলো দুই এর ঘাত পাঁচ
সুতরাং,
এক ভাগ ৩২ হলো দুই এর ঘাত মাইনাস পাঁচ
উত্তর: − ৫
সঠিক উত্তর: B) x + y − 1
প্রدত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
x২ − (y২ − ২y + ১)
অতএব,
বন্ধনীর ভেدরের অংশকে সূত্রে ফেলা যায়
x২ − (y − ১)২
সুতরাং,
এটিকে উৎপাদকের সূত্র অনুযায়ী লেখা যায়
(x + y − ১) × (x − y + ১)
উত্তর: x + y − ১
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৩.২৭ এর পাওয়ার x সমান ৯ এর পাওয়ার x যোগ ৪
ধরি,
২৭ মানে হলো তিন এর কিউব
৯ মানে হলো তিন এর স্কয়ার
অতএব,
সমীকরণটি তিন এর ভিত্তির ওপর লেখা যায়
তিন এর পাওয়ার ৩x সমান তিন এর পাওয়ার ২x যোগ ৪
সুতরাং,
৩x বিয়োগ ২x সমান ৪
সুতরাং x এর মান হলো ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: B) a^(১/৩)
প্রদত্ত তথ্য:
মূল রাশিটি হলো ৩√(৩√(a^৩))
এখানে সূচক এবং করণীর সূত্র ব্যবহার করতে হবে
ধরি,
ভেতরের অংশ থেকে কাজ শুরু করতে হবে
প্রথম করণী ভাঙলে পাই a^৩ এর ওপর ১/৩ ঘাত
অতএব,
ভেতরের অংশের মান হয় a^(৩ × (১/৩))
যা কেবল a এর সমান হয়
সুতরাং,
সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় ৩√(a)
অর্থাৎ a এর ওপর ১/৩ ঘাত
উত্তর: a^(১/৩)
সঠিক উত্তর: C) ০.৭
প্রদত্ত তথ্য:
ধানে চাল ও তুষের অনুপাত ৭ : ৩
ধরি,
চালের পরিমাণ = ৭ক
তুষের পরিমাণ = ৩ক
অতএব,
মোট ধানের পরিমাণ = ৭ক + ৩ক = ১০ক
সুতরাং,
চালে চালের অংশ = ৭ক ÷ ১০ক = ০.৭
উত্তর: ০.৭ অংশ
সঠিক উত্তর: D) ২(x + ২)
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ১৬ − ৪x২
দ্বিতীয় রাশি = ৬x২ + ২৪x + ২৪
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৪
দ্বিতীয় রাশি থেকে কমন নেওয়া যায় ৬
অতএব,
প্রথম রাশি = ৪(৪ − x২) = ৪(২ + x)(২ − x)
দ্বিতীয় রাশি = ৬(x২ + ৪x + ৪) = ৬(x + ২)২
সুতরাং,
দুটি রাশির কমন উৎপাদক বা গসাগু হলো ২(x + ২)
উত্তর: ২(x + ২)
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার যোগফল x + y = ৭
দুটি সংখ্যার গুণফল xy = ১০
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর বর্গ
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী (x − y) এর বর্গ সমান (x + y) এর বর্গ বিয়োগ চার গুণ xy
সুতরাং,
(x + y) এর জায়গায় সাত বসালে সাতের বর্গ হয় ঊনচল্লিশ
উত্তর: ঊনচল্লিশ বিয়োগ চার গুণ দশ সমান ঊনচল্লিশ বিয়োগ চল্লিশ সমান নয়
সঠিক উত্তর: C) ৪৫০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সম্পত্তির তিন সপ্তমাংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্ট থাকে চার সপ্তমাংশ।
অবশিষ্ট টাকার পাঁচ দ্বাদশাংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্ট থাকে ১৫০০ টাকা।
ধরি,
মোট সম্পত্তির পরিমাণ = ১ অংশ
প্রথম খরচের পরে অবশিষ্ট অংশ = ১ − (৩ ÷ ৭) = ৪ ÷ ৭ অংশ
অতএব,
দ্বিতীয়বার খরচ হয় অবশিষ্টের (৫ ÷ ১২) অংশ
দ্বিতীয়বারের খরচের পরে অবশিষ্ট থাকে (৪ ÷ ৭) এর (৭ ÷ ১২) অংশ
অর্থাৎ অবশিষ্ট অংশ = ১ ÷ ৩ অংশ
সুতরাং,
মোট সম্পত্তির (১ ÷ ৩) অংশ = ১৫০০ টাকা
অতএব মোট সম্পত্তির মূল্য = ১৫০০ × ৩ = ৪৫০০ টাকা
উত্তর: ৪৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫ : ৬
সংখ্যা দুটির লসাগু ১২০
ধরি,
সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ৫ক এবং ৬ক
এখানে ক হলো সংখ্যা দুটির গসাগু
অতএব,
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৫ × ৬ × ক = ৩০ক
প্রশ্নমতে, ৩০ক = ১২০
সুতরাং,
ক = ১২০ ÷ ৩০
ক = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ০.৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৮০ জন
ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪৪ জন
ধরি,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = মোট ছাত্র − ফেল করা ছাত্র
অতএব,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৮০ − ৪৪ = ৩৬ জন
সুতরাং,
পাসের হার = (পাস করা ছাত্রের সংখ্যা ÷ মোট ছাত্র)
উত্তর: ৩৬ ÷ ৮০ = ০.৪৫
সঠিক উত্তর: B) ৯৩
প্রদত্ত তথ্য:
দশক স্থানীয় অঙ্ক ৩
একক স্থানীয় অঙ্ক দশক স্থানীয় অঙ্কের তিনগুণ
ধরি,
মূল সংখ্যাটির দশক স্থানীয় অঙ্ক = ৩
একক স্থানীয় অঙ্ক = ৩ × ৩ = ৯
অতএব,
মূল সংখ্যাটি = ৩৯
সংখ্যাটির অঙ্ক দুটি স্থান পরিবর্তন করলে নতুন সংখ্যাটি হয়
সুতরাং,
নতুন বা বিনিময়কৃত সংখ্যাটি হবে = ৯৩
উত্তর: ৯৩
সঠিক উত্তর: A) ২১৬ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
কাজের ১/১৮ অংশ করতে সময় লাগে ৩ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগে ৩ × ১৮ দিন
অতএব,
সম্পূর্ণ কাজটি করতে সময় লাগে ৫৪ দিন
সুতরাং,
ঐ কাজের ৪ গুণ কাজ করতে সময় লাগে ৫৪ × ৪ দিন
উত্তর: ২১৬ দিন
সঠিক উত্তর: D) ৪৭
প্রদত্ত তথ্য:
ভাজকগুলো হলো ৩, ৫ এবং ৯
প্রতি ক্ষেত্রে ভাগশেষ থাকে ২
ধরি,
সংখ্যাটি হবে ৩, ৫ এবং ৯ এর লসাগু এর সাথে ২ যোগ করে প্রাপ্ত সংখ্যা
প্রথমে ৩, ৫ এবং ৯ এর লসাগু বের করতে হবে
অতএব,
৩, ৫ এবং ৯ এর লসাগু = ৪৫
এখন এই লসাগু এর সাথে ভাগশেষ যোগ করতে হবে
সুতরাং,
নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ৪৫ + ২ = ৪৭
উত্তর: ৪৭
সঠিক উত্তর: A) ৩০ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
তিন সদস্যের মোট বয়স = ২৪ × ৩ = ৭২ বছর
কোনো সদস্যের বয়স ২১ বছরের নিচে নয়
ধরি,
প্রথম দুই সদস্যের সর্বনিম্ন বয়স = ২১ বছর এবং ২১ বছর
অতএব,
দুই সদস্যের মোট সর্বনিম্ন বয়স = ২১ + ২১ = ৪২ বছর
সুতরাং,
তৃতীয় সদস্যের সর্বোচ্চ বয়স = ৭২ − ৪২ = ৩০ বছর
উত্তর: ৩০ বছর
সঠিক উত্তর: B) ২৫ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
সময় = ৮ বছর
সুদে-আসলে তিনগুণ হবে
ধরি,
মূলধন = ১০০ টাকা
সুদে-আসলে = ৩০০ টাকা
অতএব,
মোট সুদ = ৩০০ − ১০০ = ২০০ টাকা
সুতরাং,
সুদের হার = (২০০ × ১০০) ÷ (১০০ × ৮) = ২৫ টাকা
উত্তর: ২৫ টাকা
সঠিক উত্তর: D) ২২ মার্চ
কেন সঠিক:
- ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তে বিশ্ব পানি দিবস পালনের সূচনা হয়।
- পানির সঠিক ব্যবহার ও সংকট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য প্রতি বছর ২২ মার্চ এই দিবসটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ এপ্রিল — এই দিনে বিশ্ব ধরিত্রী দিবস বা আর্থ ডে পালিত হয়, যা পানি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) ২১ মে — এই দিনে আন্তর্জাতিক চা দিবস পালিত হয়, যা পানি দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ২২ জুন — এই দিনে কোনো আন্তর্জাতিক প্রধান পানি বিষয়ক দিবস পালিত হয় না।
D) ২২ মার্চ — এটিই বিশ্ব পানি দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
মনে রাখার টিপস:
মার্চ মাসের দুই (২২) তারিখে পানি দিবস পালন করা হয়, যেখানে দুই হাতের দুই আঙুল পানির দুটি ফোঁটার প্রতীক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) জামদানি
কেন সঠিক:
- ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ইউনেস্কো জামদানি শিল্পকে বাংলাদেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই পণ্য হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়।
- জামদানি শাড়ির ঐতিহ্যবাহী বুনন শৈলী এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্বের জন্যই আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মসলিন — মসলিন প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বস্ত্র হলেও এটি ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পায়নি।
B) জামদানি — এটি সঠিক উত্তর এবং ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
C) নকশী কাঁথা — এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প হলেও ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়নি।
D) রিকশা নকশা — রিকশা চিত্রকর্ম বা নকশা পরবর্তীতে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পেলেও ২০১৩ সালে জামদানিকে এই মর্যাদা দেওয়া হয়।
মনে রাখার টিপস:
জামদানি শাড়ির ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং বিশ্ব দরবারে পরিচিত করতে ২০১৩ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দেয়।
সঠিক উত্তর: C) ইউনেস্কো
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এবং অনন্য ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সংরক্ষণের জন্য এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউনিসেফ — এটি জাতিসংঘ শিশু তহবিল, যা শিশুদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে।
B) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি, যা দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে।
C) ইউনেস্কো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংস্থাটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে।
D) আইএমএফ — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা বৈশ্বিক আর্থিক সহযোগিতা ও মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য রক্ষা করে ইউনেস্কো।
সঠিক উত্তর: C) এডিস মশা
কেন সঠিক:
- ডেঙ্গু ভাইরাস প্রধানত এডিস ইজিপ্টাই প্রজাতির স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়।
- এই মশা সাধারণত পরিষ্কার ও জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করে এবং দিনের বেলা কামড়ায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিউলেক্স মশা — কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস ছড়ায়, ডেঙ্গু ছড়ায় না।
B) এনোফিলিস মশা — এনোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়, যা ডেঙ্গুর বাহক নয়।
C) এডিস মশা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) পুরুষ মশা — পুরুষ মশা রক্ত খায় না, তাই এরা কোনো রোগজীবাণু বা ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়াতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
ডেঙ্গু এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায় এবং এরা দিনের বেলা পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে।
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন ‘সি‘
কেন সঠিক:
- ভিটামিন ‘সি‘ এর অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ হয়, যা মূলত মাড়ির দুর্বলতা ও রক্তপাতের জন্য দায়ী।
- এই ভিটামিনটি মানবদেহের টিস্যুর সুরক্ষা এবং কোলাজেন উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘এ‘ — এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়, স্কার্ভি রোগ হয় না।
B) ভিটামিন ‘বি‘ — এর অভাবে বেরিবেরি রোগ ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়, স্কার্ভি হয় না।
C) ভিটামিন ‘সি‘ — এটি নিজেই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক।
D) ভিটামিন ‘ডি‘ — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস ও বড়দের হাড়ের নমনীয়তাজনিত রোগ হয়।
মনে রাখার টিপস:
সি থেকে স্কার্ভি (C for Scurvy) এই সহজ মিলটি মনে রাখলে ভিটামিন সি ও স্কার্ভি রোগ কখনো ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) এপিকালচার
কেন সঠিক:
- এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি লালন-পালন ও মধু উৎপাদনের বিদ্যা।
- ল্যাটিন শব্দ এপিস অর্থ মৌমাছি, যা থেকে মৌমাছি পালন বিদ্যাকে এপিকালচার বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেরিকালচার — এটি রেশম পোকা চাষ ও রেশম সুতা উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) টিস্যুকালচার — এটি উদ্ভিদের কোনো অংশ বা কোষ মাধ্যম ব্যবহার করে নতুন চারা উৎপাদনের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি।
সি) এপিকালচার — এটি মৌমাছি পালন সংক্রান্ত বিদ্যা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
D) পিসিকালচার — এটি মাছ চাষ ও মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি, তাই এটি মৌমাছি পালনের জন্য প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
মৌমাছির ইংরেজি অ্যাপিস (Apis), তাই মৌমাছি পালন বিদ্যাকে এপিকালচার বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) নিরক্ষরেখা
কেন সঠিক:
- নিরক্ষরেখা বা বিষुবরੇখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ এই দুটি সমান গোলার্ধে বিভক্ত করেছে।
- এটি পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে কল্পিত একটি অক্ষাংশ রেখা, যার মান শূন্য ডিগ্রি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাক্ষ রেখা — এটি পৃথিবীকে সমান দুই অংশে ভাগ করে না, বরং সমাক্ষ রেখা বা অক্ষাংশ রেখাগুলো গোলকের পরিধি বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত থাকে।
B) নিরক্ষরেখা — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমান ভাগে ভাগ করে।
C) মেরু রেখা — এটি পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুকে সংযোগকারী অক্ষ, যা পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিমে বা কৌণিক মাপে ভাগ করে না।
D) দ্রাঘিমা রেখা — এটি উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখা, যা পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে ভাগ করে, সমান দুই অংশে নয়।
মনে রাখার টিপস:
নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে সমানে দুই ভাগে কাটে, তাই একে বিষुব রেখাও বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) মহিষ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো দেশীয় প্রজাতির মহিষের জিনগত নকশা বা জিনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেছেন।
- এর মাধ্যমে মহিষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাংস ও দুধের উৎপাদন বাড়ানোর গবেষণা সহজ হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গরু — গরুর জিনোম সিকোয়েন্স এর আগে উন্মোচন করা হলেও এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়।
B) ভেড়া — ভেড়ার জিনগত নকশা উন্মোচনের সঙ্গে এই প্রশ্নটি সম্পর্কিত নয়।
ভ) ছাগল — ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জিনোম সিকোয়েন্স পরে উন্মোচন করা হলেও এটি মহিষের মতো প্রথম উদ্ভাবিত প্রাণী নয়।
D) মহিষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথম মহিষের জিনগত নকশা উন্মোচন করেছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের প্রথম জিনোম আবিষ্কারের ক্ষেত্রে গরুর পর মহিষ এসেছে, তাই মহিষ মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: B) কী-বোর্ড
কেন সঠিক:
- কী-বোর্ড হলো কম্পিউটারের একটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে বিভিন্ন ডেটা, টেক্সট এবং কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
- ব্যবহারকারীর দেওয়া এই নির্দেশগুলো প্রসেস করার জন্য সিপিইউ-এর কাছে পৌঁছে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিপিইউ — এটি কম্পিউটারের প্রসেসিং ইউনিট বা মস্তিষ্ক, যা নির্দেশ গ্রহণ করার পর তা প্রক্রিয়াজাত করে, কোনো নির্দেশ সরাসরি ইনপুট দেয় না।
B) কী-বোর্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা দিয়ে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করেন।
C) প্রিন্টার — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা প্রসেসিং শেষে কম্পিউটারের ভেতর থেকে ফলাফল বা ডেটা কাগজে প্রিন্ট করে বাইরে বের করে দেয়।
D) মনিটর — এটি একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের ভেতরের কাজ এবং ফলাফল পর্দার মাধ্যমে প্রদর্শন করে, কোনো নির্দেশ প্রদান করে না।
মনে রাখার টিপস:
ইনপুট ডিভাইস বা নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যম হলো কী-বোর্ড এবং মাউস, আর আউটপুট পাওয়ার মাধ্যম হলো মনিটর ও প্রিন্টার।
সঠিক উত্তর: C) মেলানিন
কেন সঠিক:
- মেলানিন হলো এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ যা মানুষের ত্বকের এপিডার্মিস স্তরে অবস্থিত এবং ত্বকের রং নির্ধারণ করে।
- মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি হয়, মানুষের ত্বক তত বেশি অন্ধকার বা শ্যামলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থায়ামিন — এটি ভিটামিন বি-১ এর রাসায়নিক নাম, যা পরিপাকতন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষায় কাজ করে এবং ত্বকের রঙের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) টায়ালিন — এটি মুখের লালায় উপস্থিত এক ধরনের উৎসেচক বা এনজাইম, যা শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে।
C) মেলানিন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
D) নিয়াসিন — এটি ভিটামিন বি-৩ এর অপর নাম, যা বিপাক ক্রিয়া ও ত্বকের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও ত্বকের রং নির্ধারণ করে না।
মনে রাখার টিপস:
ত্বকের রঙের সঙ্গে মেলানিনের সম্পর্ক মনে রাখতে 'মেলানিন' শব্দের সঙ্গে 'মেলানো' বা রং ছড়ানোর বিষয়টি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) বোয়িং
কেন সঠিক:
- বোয়িং হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি শীর্ষস্থানীয় বহুজাতিক বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক।
- এটি বাণিজ্যিক বিমান, সামরিক বিমান এবং মহাকাশ যান উৎপাদনের জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাইউ — এটি দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কনগ্লোমারেট, যা মূলত জাহাজ নির্মাণ এবং ভারী শিল্পের জন্য পরিচিত, উড়োজাহাজ নির্মাতা নয়।
B) ফিনিক্স — এটি কোনো প্রধান উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানির নাম নয়, এটি সাধারণত পৌরাণিক পাখি বা বিভিন্ন কাল্পনিক প্রতিষ্ঠানের নাম বোঝায়।
C) ফোর্ড — এটি একটি বিখ্যাত মার্কিন মোটরগাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যা মূলত গাড়ি এবং ইঞ্জিন প্রস্তুত করে থাকে, কোনো উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নয়।
D) বোয়িং — এটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃত।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথের রাজা হলো বোয়িং, কারণ এটি বিশ্বের শীর্ষ উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানি।
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজুকা
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম ছিল ব্রাজুকা, যা উৎপাদিত হয়েছিল জার্মান ক্রীড়া সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের মাধ্যমে।
- ব্রাজিলের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে মিল রেখে দেশটির জনসাধারণের ভোটে বলটির এই নামকরণ করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাবুলানি — ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বলের নাম ছিল জাবুলানি।
B) ব্রাজুকা — এটি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল বল, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) ব্রাজিলা — এটি কোনো অফিসিয়াল বিশ্বকাপ বলের নাম নয়, এটি ব্রাজিল শব্দটির একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর রূপ।
ডি) ব্রাজিলিয়া — ব্রাজিলিয়া ব্রাজিলের রাজধানী শহর, এটি কোনো ফুটবল বলের নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রাজিল বিশ্বকাপের বল মনে রাখতে মনে রাখুন বি ফর ব্রাজিল এবং বি ফর ব্রাজুকা।
সঠিক উত্তর: C) লাটভিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি বাল্টিক অঞ্চলের দেশ লাটভিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।
- এর মাধ্যমে দেশটি ইউরোজোনের অষ্টাদশ সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গ্রিস — গ্রিস অনেক আগেই ২০০১ সালে ইউরো মুদ্রা চালু করেছিল।
B) মাল্টা — মাল্টা ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরো মুদ্রা চালু করেছিল।
C) লাটভিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) রুমানিয়া — রুমানিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরো মুদ্রা চালু করেনি।
মনে রাখার টিপস:
লাটভিয়া লাকি সংখ্যা আঠারোর মতো ২০১৪ সালে ১৮তম দেশ হিসেবে ইউরো নেয়।
সঠিক উত্তর: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- এই সরকার গঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক জনমত গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দিনেই মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
B) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বেতার ভাষণের মাধ্যমে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের নাম ঘোষণা করেন।
C) ১২ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে সরকারের মন্ত্রিপরিষদের আনুষ্ঠানিক তালিকা ও গেজেট প্রকাশিত হয়।
D) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
মনে রাখার টিপস:
সরকার গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল এবং শপথ গ্রহণের তারিখ ১৭ এপ্রিল, এই দুটি তারিখ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে গুলিয়ে যায়, তাই ১০ মানে গঠন এবং ১৭ মানে শপথ এভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতির পর এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকাতেই অবস্থিত।
B) বেইজিং — এটি চীনের রাজধানী, যেখানে এই ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়।
C) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রের শহর এবং জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত, মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট নয়।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, তবে এই ইনস্টিটিউটটি এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত দেশ বাংলাদেশ, তাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটও ঢাকাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) আন্তর্জাতিক রেডক্রস
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস কোনো আন্তঃসরকার বা জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয়, এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মানবিক সাহায্যকারী সংস্থা।
- জেনেভা কনভেনশনের মাধ্যমে গঠিত এই সংস্থাটি যুদ্ধাহত ও বিপর্যয়পীড়িত মানুষের সেবায় বিশ্বব্যাপী স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা যা বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে।
B) আন্তর্জাতিক রেডক্রস — এটি কোনো জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয়, বরং এটি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক বেসরকারি মানবিক সংস্থা।
C) বিশ্ব খাদ্য সংস্থা — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা হিসেবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করে।
D) আন্তর্জাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গসংস্থা যা নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
রেডক্রস হলো একটি নিরপেক্ষ বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সাহায্য সংস্থা, যা জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা বা বিভাগ নয়।
সঠিক উত্তর: B) রোম
কেন সঠিক:
- FAO বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা জাতিসংঘভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং এর প্রধান কার্যালয় ইতালির রোম শহরে অবস্থিত।
- বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা নিবারণ ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই রোম থেকে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জেনেভা — এই শহরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত।
B) রোম — এটি খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
C) প্যারিস — এই শহরে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা বা ইউনেস্কোর সদর দপ্তর অবস্থিত।
D) নিউইয়র্ক — এই শহরে জাতিসংঘের মূল সচিবালয় এবং প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
খাদ্য বা খাবার তো রোমে বসে খাওয়া যায়, তাই FAO বা খাদ্য সংস্থার সদর দপ্তর রোমে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
কেন সঠিক:
- ‘অরুণ আলো’ ও ‘রাঙা প্রভাত’ হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া দুটি আধুনিক ড্যাশ এইট কিউ ৪০০ মডেলের উড়োজাহাজ।
- উড়োজাহাজ দুটি কানাডার ডি হ্যাভিল্যান্ড কোম্পানির তৈরি এবং বাংলাদেশ সরকারের জিটুজি চুক্তির আওতায় কেনা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ — এটি ভুল কারণ এই নামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কোনো যুদ্ধ জাহাজ নেই।
B) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ — এটি সঠিক অপশন এবং বর্তমান প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
C) নতুন দুটি পিকনিক স্পট — এটি ভুল কারণ এগুলো কোনো দর্শনীয় স্থান বা পিকনিক স্পট নয়।
D) দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ — এটি ভুল কারণ এগুলো জলপথে চলার কোনো যাত্রীবাহী জলযান নয়।
মনে রাখার টিপস:
আকাশে ওড়ার মাধ্যমে প্রভাত ও অরুণ আলোর সূচনা হয়, তাই এগুলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজের নাম।
সঠিক উত্তর: D) আওরঙ্গজেব
কেন সঠিক:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ ১৬৭৮ সালে লালবাগ দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- ঐতিহাসিক এই দুর্গটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এর আদি নাম ছিল দুর্গ আওরঙ্গবাদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকবর — তিনি ষোড়শ শতকের মুঘল সম্রাট ছিলেন এবং এই দুর্গ নির্মাণের প্রায় এক শতাব্দী আগে মারা যান।
B) শাহজাহান — তিনি আওরঙ্গজেবের পিতা এবং তাঁর শাসনামলে প্রধানত তাজমহল ও দিল্লির লাল কেল্লা নির্মিত হয়েছিল।
সি) জাহাঙ্গীর — তিনি ১৬২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন, যা লালবাগ দুর্গ নির্মাণের বহু বছর আগের ঘটনা।
D) আওরঙ্গজেব — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ তাঁর রাজত্বকালে এই দুর্গ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
আওরঙ্গজেবের আমলেই বুড়িগঙ্গার তীরে লালবাগ দুর্গ নির্মিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
কেন সঠিক:
- অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান।
- তিনি ২০১৪ সালের ২ মার্চ এই মর্যাদাপূর্ণ পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় মেয়াদেও দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই দেশের প্রথম নারী উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
B) চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রথম নারী উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়নি।
C) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো নারী উপাচার্য প্রথমে নিয়োগ পাননি।
D) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়টি নারী নামে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখানে প্রথম নারী উপাচার্য নিয়োগ পাননি।
মনে রাখার টিপস:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মানেই প্রথম নারী উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলাম।
সঠিক উত্তর: A) ১৭ মার্চ
কেন সঠিক:
- এই দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী পালিত হয়।
- বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
B) ২৭ মার্চ — এই তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো প্রধান জাতীয় দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ১৭ অক্টোবর — এই তারিখে জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
D) ২৭ অক্টোবর — এই তারিখে জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় না এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক শিশু দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মমাস মার্চ মাসের ১৭ তারিখেই জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) পিপীলিকা
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন, যা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা তৈরি হয়।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে ইন্টারনেটে সহজে খোঁজার জন্য ২০১৩ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পিপীলিকা — এটি বাংলাদেশের প্রথম ও নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন, যা বাংলা তথ্য খোঁজার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
B) ফড়িং — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, বরং এটি একটি পতঙ্গ বা পোকার নাম।
C) মৌমাছি — এটি কোনো সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি মধু উৎপাদনকারী একটি পরিচিত insects বা পতঙ্গ।
D) দোয়েল — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি, কোনো সার্চ ইঞ্জিন বা প্রযুক্তিগত মাধ্যম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ছোট পিঁপড়ার মতো তথ্য খুঁজতে সাহায্য করে বলেই বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের নাম রাখা হয়েছে পিপীলিকা।
সঠিক উত্তর: D) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র যেখান থেকে সরাসরি জীবিত রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়।
- এখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছের মা মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিস্তা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী হলেও এখান থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রাকৃতিক রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয় না।
B) করতোয়া — এটি একটি ঐতিহাসিক নদী হলেও বাণিজ্যিক রেনুপোনা সংগ্রহের জন্য এটি পরিচিত নয়।
সি) তিতাস — ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই নদীটি ছোট মাছের জন্য পরিচিত হলেও এটি বাণিজ্যিক রেনুপোনা সংগ্রহের প্রধান স্থান নয়।
ডি) হালদা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক রেনুপোনার জন্য হালদা নদীর নাম সবার আগে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- ভাটিয়ালী গান মূলত ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার অববাহিকা অঞ্চলের জলের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
- ময়মনসিংহ অঞ্চলটি ভাটি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ঐতিহ্যগতভাবে একে ভাটিয়ালী গানের প্রধান উৎস ও ক্ষেত্র হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লা — কুমিল্লা অঞ্চলের নিজস্ব লোকসংস্কৃতি ও গান থাকলেও তা ভাটিয়ালী গানের মূল ধারা বা উৎপত্তিস্থল নয়।
B) বগুড়া — বগুড়া অঞ্চলটি উত্তরবঙ্গে অবস্থিত এবং এখানকার লোকগানে উত্তরাঞ্চলের আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যের প্রভাব বেশি।
D) ফরিদপুর — ফরিদপুর অঞ্চলটি ভাটি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি মূলত ভাওয়াইয়া বা ভাটিয়ালীর পরিবর্তে ভাটি অঞ্চলের অন্যান্য লোকগানের জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ অঞ্চলের ভাটিয়ালী গান মনে রাখতে ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদের কথা মনে রাখতে পারেন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন
কেন সঠিক:
- ২৬ মার্চ ২০১৪ সালে স্বাধীনতা দিবসে শের-ই-বাংলা নগরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে একসঙ্গে লক্ষাধিক মানুষের কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেছিল।
- সরকারি হিসাব অনুযায়ী ওই অনুষ্ঠানে ঠিক দুই লক্ষ চৌান্ন হাজার ছয়শ একাশি জন মানুষ অংশ নিয়ে একসঙ্গে জাতীয় সংগীত গেয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন — এটি সরকারিভাবে গণনার পর নির্ধারিত সঠিক সংখ্যা এবং গিনেস রেকর্ডে এই সংখ্যাটিই নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
B) ২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৬১ জন — এটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের চূড়ান্ত গণনার সাথে মেলে না।
C) ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৬১ জন — এখানে শতকের ঘরে ভুল সংখ্যা দেওয়া হয়েছে যা মূল ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৮০ জন — এটি সঠিক গণনার চেয়ে কম এবং প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত মানুষের প্রকৃত হিসাব নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার বছরে প্যারেড গ্রাউন্ডে লক্ষ কণ্ঠে গাওয়া গিনেস রেকর্ড করা সেই ঐতিহাসিক সংখ্যাটি মনে রাখতে শেষের অঙ্কগুলো মনে রাখুন: ৫৪, ৬৮১।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)