সঠিক উত্তর: A) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী হাইফেন এমন একটি যতি চিহ্ন যা বাক্যে ব্যবহারের সময় থামার বা বিরতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন হয় না।
- একে বাংলায় সংযোগ চিহ্ন বলা হয় যা মূলত দুটি শব্দের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যতি চিহ্ন বা বিরামচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য লেখার সময় যে বিরতি নেওয়া হয় তার দৃশ্যমান রূপ।
- ড্যাস, সেমিকোলন এবং কোলন বাক্যে ব্যবহারের সময় নির্দিষ্ট মাত্রার বিরতির প্রয়োজন হলেও হাইফেনের ক্ষেত্রে কোনো বিরতি দিতে হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা আমাদের গুরুজন।
ব্যাখ্যা: এখানে মাতা এবং পিতা দুটি সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে এবং উচ্চারণের সময় এর মাঝে কোনো থামার প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ ২: ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষের জীবন।
ব্যাখ্যা: দুটি বিপরীত শব্দকে একসাথে জোড়া লাগাতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়েছে যা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যে কোনো বিরতি তৈরি করে না।
B) ড্যাস — এই যতি চিহ্নটি বাক্যে ব্যবহারের সময় বলার ক্ষেত্রে একটু থামার বা বিরতির প্রয়োজন হয়।
C) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি সময় থামার জন্য সেমিকোলন ব্যবহৃত হয় তাই এতে বিরতির প্রয়োজন আছে।
D) কোলন — একটি বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয় এবং এতেও থামতে হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে চিহ্নটি শব্দকে শুধু জোড়া লাগায় কিন্তু মুখে কোনো থামার বা বিরতির অবকাশ রাখে না তা হলো হাইফেন।
- মনে রাখবে, হাইফেনের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট এবং এর বিরতিকাল শূন্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- বাক্যে সবচেয়ে কম বিরতির জন্য কমা এবং কোনো বিরতি না নেওয়ার জন্য হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: D) ষট্ + ঋতু
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তস্থিত অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পর স্বরধ্বনি থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনিতে পরিণত হয়।
- এখানে 'ষট্' শব্দের অন্তে ট রয়েছে, যা বর্গের প্রথম ধ্বনি এবং এর পরে স্বরধ্বনি ঋ আসায় ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরধ্বনি বা ঘোষ ধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি তারই বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়।
- অর্থাৎ ক, চ, ট, ত, প-এর পর স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব-তে পরিণত হয় এবং নিচে হসন্ত বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জগৎ + ইন্ধন = জগদীন্ধন
ব্যাখ্যা: এখানে ত-এর পর স্বরধ্বনি ই থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাক + জাল = বাগজাল
ব্যাখ্যা: এখানে ক-এর পর ঘোষ ধ্বনি জ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষড় + ঋতু — এখানে ষড়-এর নিচে হসন্ত নেই এবং ট-এর পরিবর্তে সরাসরি ড লেখা হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের প্রথম ধাপের পরিপন্থী।
B) ষড়ু + ঋতু — এখানে অপ্রয়োজনীয় হ্রস্ব উ কার যুক্ত করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) ষট + ঋতু — এখানে ট-এর নিচে হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী অসম্পূর্ণ।
D) ষট্ + ঋতু — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক মূল শব্দ এবং হসন্ত চিহ্ন প্রমিতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে ট-এর সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয় এবং হসন্ত দিতে ভুলবে না।
- পরীক্ষার হলে অপশনে হসন্তযুক্ত সঠিক রূপটি খুঁজে বের করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- একই নিয়মে দিক + অন্ত = দিগন্ত এবং বিচ + অন্ত শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) তুলো
১. কেন সঠিক:
- বাংলা শব্দভান্ডারে শব্দগুলো মূলত সাধু ও চলতি এই দুই রীতিতে বিভক্ত থাকে।
- তুলো শব্দটি তুলনামূলক সহজ, সাবলীল এবং কথ্য ভাষার রূপ হওয়ায় এটি চলতি রীতির শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সাধু রীতিতে শব্দের রূপ কিছুটা গম্ভীর ও তৎসম বা তদ্ভব শব্দের প্রাচীন রূপের কাছাকাছি থাকে।
- চলতি রীতিতে শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়ে সহজ ও সাবলীল আকার ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাউল থেকে চাল
ব্যাখ্যা: চাউল হলো সাধু রূপ এবং চাল হলো এর চলতি রূপ।
উদাহরণ ২: আধার থেকে আঁধার
ব্যাখ্যা: আধার হলো সাধু রূপ এবং আঁধার হলো এর চলতি রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুষ্ক — এটি একটি তৎসম বা সাধু রীতির শব্দ যার চলতি রূপ শুকনা।
B) শুকনা — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি কিছুটা মিশ্র বা কথ্য হলেও 'তুলো'র মতো এটি আদর্শ চলতি রূপ হিসেবে চিহ্নিত নয়।
C) তুলা — তুলো শব্দের মূল তৎসম রূপ হলো তুলী বা তুলা, যা কিছুটা সাধু বা প্রমিত লিখিত রূপের অন্তর্গত।
D) তুলো — এটি সঠিক চলতি রীতির শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু রীতির শব্দে যুক্তাক্ষর বা প্রাচীন শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে আর চলতি রীতিতে তা সহজ হয়।
- কথ্য ও সাবলীল রূপ দেখলেই তা চলতি রীতির শব্দ হিসেবে চিনে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলতি রীতির রূপান্তর প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- মূল শব্দ এবং তার চলতি রূপগুলো আলাদা করে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) পথের রাজা
১. কেন সঠিক:
‘রাজপথ’ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য হলো ‘পথের রাজা’। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ যেখানে প্রধান পথ বোঝাতে রাজা শব্দটি পরে না বসে সম্বন্ধ পদে রূপ নেয়।
এখানে ‘পথ’ হলো বিশেষ্য পদ এবং ‘রাজা’ শব্দটি দিয়ে বড় বা প্রধান পথকে বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
সাধারণত বড় বা প্রধান রাস্তা বোঝাতে তৎপুরুষ সমাসে এই ধরনের শব্দ গঠিত হয় এবং রাজা শব্দটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাসমুদ্র
ব্যাখ্যা: মহান যে সমুদ্র, এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ হলেও বড় বোঝাতে রাজপথের মতো বিশেষ রূপ নেয়।
উদাহরণ ২: রাজহাঁস
ব্যাখ্যা: হাঁসের রাজা, এটিও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে প্রধান বা শ্রেষ্ঠ বোঝাতে রাজা ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের রাজা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল শব্দের ভাবার্থ অনুযায়ী প্রধান পথ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
B) রাজার পথ — এটি ভুল কারণ পথ কোনো রাজার নিজস্ব সম্পত্তি নয়, বরং এটি পথের শ্রেষ্ঠত্ব বোঝায়।
C) রাজা নির্মিত পথ — এটি ভুল কারণ পথ রাজা নিজে তৈরি করেছেন এমন ঐতিহাসিক বা শাব্দিক অর্থে রাজপথ শব্দটি গঠিত হয় না।
D) রাজাদের পথ — এটি ভুল কারণ পথ কোনো নির্দিষ্ট রাজাদের চলাচলের জন্য তৈরি বোঝায় না, এটি সর্বসাধারণের প্রধান রাস্তাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রধান বা বড় বোঝাতে ব্যাসবাক্যে রাজা শব্দটি পরে বা সম্বন্ধ পদে ব্যবহৃত হয়।
ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ বা প্রধান বোঝাতে এই নিয়ম মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমাস প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের রূপ পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী সমাসগুলো আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) মত + ঐক্য
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং তা যুক্তবর্ণ হিসেবে আগের বর্ণের সঙ্গে বসে। মত শব্দের শেষে অ এবং ঐক্য শব্দের শুরুতে ঐ থাকায় উভয় মিলে ঐ-কার হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যেখানে অ বা আ এবং এ বা ঐ মিলিত হয়ে ঐ-কার গঠিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জন + একতা = জনৈকতার বদলে জনৈক।
ব্যাখ্যা: এখানে অ এর সঙ্গে এ যুক্ত হয়ে ঐ-কার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সদা + এব = সর্বদা।
ব্যাখ্যা: এখানে আ এর সঙ্গে এ যুক্ত হয়ে ঐ-কার গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মতঃ + এক — এখানে বিসর্গ সন্ধির ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল।
B) মতঃ + ঐক্য — এখানেও বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের সঙ্গে মিলে না।
C) মত + এক — এই অপশনে এক শব্দ থাকায় শেষ ধ্বনি হিসেবে ঐ-কার তৈরি হয় না।
D) মত + ঐক্য — এটি সঠিক কারণ মত শব্দের অ এবং ঐক্য শব্দের ঐ মিলে ঐ-কার হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দটির মাঝে যদি ঐ-কার থাকে তবে বিচ্ছেদ করার সময় প্রথম শব্দের শেষে অ বা আ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে এ বা ঐ আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। তাই অ-কার বা আ-কারের পর এ-কার বা ঐ-কার থাকলে তার নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কবিরাজ
কেন সঠিক:
কবিরাজ শব্দের নিজস্ব কোনো স্ত্রীবাচক রূপ বাংলা ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়।
এই পদের ক্ষেত্রে স্ত্রীলিঙ্গ বোঝাতে সাধারণত শব্দের পূর্বে মহিলা বা স্ত্রী শব্দ যুক্ত করতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক ভেদের কোনো স্বতন্ত্র রূপ থাকে না।
এ ধরনের নিত্য পুরুষবাচক শব্দের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা যায় না।
যেমন কবিরাজ শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না বলে একে বিশেষ নিয়মে ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অজ — এই শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ অজা পাওয়া যায়।
B) নর — এই শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ নারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) কবিরাজ — এই শব্দটির কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না।
D) কবি — এই শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে মহিলা কবি বা কখনো অব্যয় যোগ হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব পেশা বা উপাধি বোঝক শব্দে পুরুষ ও স্ত্রী ভেদ করা যায় না সেগুলো ভালো করে মুখস্থ করতে হবে।
কবিরাজ শব্দের আগে স্ত্রী বা মহিলা বসিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয় তাই এটি নিত্য পুরুষবাচক।
সঠিক উত্তর: D) ১৩টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনে ও অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যতি বা ছেদ চিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রবর্তন করেন এবং বর্তমানে বাংলা একাডেমি স্বীকৃত মোট যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৩টি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যতি বা ছেদ চিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য এবং বক্তার ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে বাক্যের মধ্যে বা শেষে যে বিরতি দিতে হয়, তা নির্দেশক প্রতীক। এই ১৩টি চিহ্নের মধ্যে ১টি মাত্র চিহ্ন থামার প্রয়োজন হয় না, আর বাকিগুলো বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের বিরতি নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমা
ব্যাখ্যা: বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে কমা ব্যবহৃত হয়, যেমন রহিম, তুমি এদিকে এসো।
উদাহরণ ২: পূর্ণচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: বাক্য সমাপ্তি বোঝাতে পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়, যেমন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০টি — এটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের সংখ্যা ১০টি নয়, বরং ১৩টি।
B) ১১টি — এটি ভুল কারণ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে যতি চিহ্নের সংখ্যা ১১টি হিসেবে ধরা হয় না।
C) ১২টি — এটি ভুল কারণ প্রাচীন বা আধুনিক কোনো ব্যাকরণেই যতি চিহ্নের সংখ্যা ১২টি বলা হয়নি।
D) ১৩টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি নির্ধারিত ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী যতি বা ছেদ চিহ্ন মোট ১৩টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা যতি চিহ্নের প্রবর্তক এবং এই সংখ্যাটি ১৩, যা একটি বেজোড় সংখ্যা হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়। মনে রাখতে হবে যে কোলন ড্যাশ বা সেমিকোলনের মতো চিহ্নগুলো সবই এই ১৩টির অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যতি চিহ্নের সংখ্যা বা এর প্রবর্তক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। যতি চিহ্নগুলোর মধ্যে একমাত্র প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়সূচক চিহ্নে বাক্যের সুরের ওঠানামা ঘটে এবং কোলন ও সেমিকোলনের বিরতিকাল ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনো বানানই বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক নয়। অপশনগুলোতে থাকা বানানগুলোতে মূর্ধন্য এবং দন্ত্য বর্ণের ব্যবহারের ত্রুটি রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার এবং ণ ও ন ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে ভুল বানানগুলো সংশোধন করে সঠিক রূপ দিতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উষা বানান ভুল, এর সঠিক রূপ উষা যেখানে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স বা সঠিক নিয়ম অনুযায়ী উষা বানানে উষা হবে।
ব্যাখ্যা: বাংলা বানানে অতৎসম শব্দে সাধারণত মূর্ধন্য ষ লেখা হয় না।
উদাহরণ ২: কিংবদন্তি বানান ভুল, এর সঠিক রূপ কিংবদন্তি।
ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষেত্রে অনুস্বর ও ঙ এর ব্যবহার সঠিকভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উষা — এই বানানটিতে ব্যবহৃত বর্ণে ত্রুটি রয়েছে কারণ প্রমিত বানানে এটি ভিন্নভাবে লেখা হয়।
B) কিংবদন্তি — এই অপশনের বানানটিতে প্রমিত বানানরীতির নিয়ম পুরোপুরি অনুসৃত হয়নি।
C) আমীন — এই বানানটি প্রমিত বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক শব্দ গঠন নির্দেশ করে না।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু প্রথম তিনটি অপশনের একটিও সঠিক বানান নির্দেশ করছে না, তাই এই অপশনটি সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। শব্দের উৎস বিবেচনা করে তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানান আলাদা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকলে শেষের অপশনটি নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ভূপতি
১. কেন সঠিক:
ভূপতি শব্দের অর্থ পৃথিবীর স্বামী বা রাজা।
সাগর শব্দের সমার্থক শব্দ নয় এটি, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের সমার্থক শব্দ নির্ণয় করার জন্য শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হয়।
জলধি, পাথার ও অর্ণব শব্দগুলোর সঙ্গে সমুদ্র বা সাগরের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদধি
ব্যাখ্যা: উদধি শব্দটি জল ধারণ করে বলে এটি সাগরের একটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পারাবার
ব্যাখ্যা: পারের সীমা নেই যা, তাকে পারাবার বলে এবং এটিও সাগরের সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলধি — জল ধারণ করে যা, অর্থাৎ সাগর। এটি সাগরের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ।
B) পাথার — জল বা সমুদ্রের বিশাল বিস্তার বোঝাতে পাথার শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
C) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা এর একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
D) ভূপতি — ভূপতি শব্দের অর্থ রাজা বা পৃথিবীর পতি, যা সাগরের সমার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র বা সাগর বোঝাতে যে শব্দগুলোর শেষে ধী, নিধি, অর্ণব বা পারাবার থাকে, সেগুলো সাধারণত সাগরের সমার্থক হয়।
রাজা বা পতিবাচক শব্দগুলো মানুষ বা শাসকদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সমুদ্র, পৃথিবী, আকাশ ও নদীর সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) অপকর্ষ
১. কেন সঠিক:
- উৎকর্ষ শব্দের অর্থ উন্নতি, উৎকণ্ঠা বা শ্রেষ্ঠত্ব এবং এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে অবনতি বা হীনতা যা অপকর্ষ শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করার সময় শব্দের উৎস ও রূপের মিল রাখতে হয়, তাই উৎকর্ষ শব্দের বিপরীত অপকর্ষ সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে শব্দের অর্থের ভিন্নতা বা বিপরীত ভাব প্রকাশ করা হয়।
- বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষণ পদ ব্যবহার করার সাধারণ নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকুঞ্চন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রসারণ।
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন অর্থ সংকোচন বা ছোট হওয়া এবং এর বিপরীত হলো প্রসারণ বা প্রসারিত হওয়া।
উদাহরণ ২: অনুরাগ শব্দের বিপরীত শব্দ বিরাগ।
ব্যাখ্যা: অনুরাগ অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি এবং বিরাগ অর্থ অনাসক্তি বা বিতৃষ্ণা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উৎকৃষ্ট — এটি একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ ভালো, কিন্তু উৎকর্ষ হলো বিশেষ্য পদ তাই এটি বিপরীত শব্দ হিসেবে সরাসরি মেলে না।
B) অপকৃষ্ট — এটি একটি বিশেষণ পদ এবং এর অর্থ মন্দ বা খারাপ, যা উৎকর্ষ বিশেষ্যের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়।
C) নিকৃষ্ট — এটিও একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ সবচেয়ে খারাপ বা হীন, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে উৎকর্ষ বিশেষ্যের বিপরীত অপকর্ষ।
D) অপকর্ষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উৎকর্ষ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎ উপসর্গযুক্ত বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ তৈরির সময় অনেক ক্ষেত্রে অপ উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠন করা হয়।
- যেমন উৎকর্ষ শব্দের শুরুতে অপ যোগ করে অপকর্ষ এবং উৎকর্ষের মতো উন্নতিবাচক শব্দ চেনার মাধ্যমে সহজেই বিপরীত শব্দ মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের প্রকৃতি অর্থাৎ বিশেষ্য না বিশেষণ তা ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে উত্তর নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) বাগ্বিধি
১. কেন সঠিক:
যে সকল শব্দ বা শব্দসমষ্টি সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে কোনো বিশেষ বা ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বাংলা ব্যাকরণে বাগ্বিধি বলা হয়। একে অনেক সময় বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাগ্বিধি বা বাগধারা হলো ভাষার এমন এক বিশেষ প্রয়োগ, যা পদের সাধারণ অর্থকে অতিক্রম করে একটি নতুন ও ভাবসমৃদ্ধ অর্থ প্রকাশ করে। এর গঠন সাধারণত একাধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং এর অর্থ গভীর ও ব্যঞ্জনাধর্মী হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: শব্দটির আক্ষরিক অর্থ অকালের কুমড়া হলেও বাগ্বিধি হিসেবে এর বিশিষ্ট অর্থ হলো অপদার্থ বা অকর্মণ্য ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: ডুমুরের ফুল আক্ষরিক অর্থে গাছের ফুল বোঝালেও বাগ্বিধি হিসেবে এর বিশিষ্ট অর্থ হলো দুর্লভ বস্তু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাগ্বিধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ অর্থের বাইরে বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
B) সমার্থক শব্দ — সমার্থক শব্দ বলতে একই অর্থের ভিন্ন ভিন্ন শব্দকে বোঝায়, যা কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না।
C) ভিন্নার্থক শব্দ — ভিন্নার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার একাধিক ভিন্ন অর্থ থাকতে পারে, কিন্তু এটি বাগ্বিধির মতো বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে না।
D) বিপরীতার্থক শব্দ — বিপরীতার্থক শব্দ একটি শব্দের ঠিক উলটো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা সাধারণ অর্থের আওতাভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে যখন কোনো শব্দগুচ্ছ নতুন কোনো বিশেষ অর্থ বা ভাব প্রকাশ করবে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে বাগ্বিধি বা বাগধারা হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা বা বাগ্বিধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে শব্দগুচ্ছের অন্তর্নিহিত অর্থ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে। তাই আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে ভাবগত অর্থ মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ভাবের ওপর
১. কেন সঠিক:
অনুবাদ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অর্থের রূপান্তর। অনুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক বা শব্দে শব্দে অনুবাদ না করে মূল রচনার অন্তর্নিহিত ভাবকে রক্ষা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অনুবাদ সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি অনুবাদ কলা বা ভাষা শিক্ষা অংশের অন্তর্ভুক্ত। সফল অনুবাদের মূল শর্ত হলো মূল ভাষার ভাব ও সুর অপরিবর্তিত রেখে লক্ষ্য ভাষায় তা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইংরেজি প্রবাদ আ লেম্ব ইন উলফস ক্লোদিং এর ভাবানুবাদ হলো শেয়ালের চামড়ায় শিয়াল বা ভেড়ার চামড়ায় নেকড়ে। এখানে শব্দের আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবগত মিল রক্ষা করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: প্রবাদ ও বাগধারার অনুবাদে শব্দের মিলের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাব বা অর্থ প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
উদাহরণ২: ইংরেজি বাক্য ইট রেইনিং ক্যাটস এন্ড ডগস এর ভাবানুবাদ হলো মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এখানে ক্যাটস এন্ড ডগস শব্দের অর্থ বিড়াল ও কুকুর না ধরে মুষলধারে বৃষ্টির ভাবটি গ্রহণ করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আক্ষরিক অনুবাদ করলে অর্থ ভুল দাঁড়াত, তাই সঠিক অনুবাদের জন্য ভাবের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষয়ের ওপর — অনুবাদ কোন বিষয়ের ওপর হচ্ছে তা নির্ধারণ করে পরিভাষা, কিন্তু অনুবাদের প্রকৃতি বা ধরন মূলত ভাবের ওপর নির্ভর করে।
C) বিন্যাসের ওপর — বাক্যবিন্যাস ভাষার নিজস্ব নিয়ম মেনে চলে, যা অনুবাদের ধরন নির্ধারণের মূল নিয়ন্ত্রক নয়।
D) ভাষার ওপর — ভাষা মাধ্যম হিসেবে কাজ করলেও কোন ধরনে বা শৈলীতে অনুবাদ হবে তা উৎসের ভাব নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনুবাদ মানে শব্দের হুবহু নকল নয়, বরং ভাবের সঠিক প্রকাশ। তাই প্রশ্ন দেখলেই মনে রাখবে অনুবাদ মানেই ভাব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই আক্ষরিক অনুবাদ এবং ভাবানুবাদের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। প্রবাদ বা বাগধারার ক্ষেত্রে সর্বদা ভাবানুবাদ বা ভাবের ওপর নির্ভর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) সম্পূর্ণভাবে
১. কেন সঠিক:
'A to Z' একটি ইংরেজি শব্দগুচ্ছ যা বাংলায় বাগধারার মতো বা প্রবাদতুল্য বাক্যাংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর আক্ষরিক অর্থ ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম অক্ষর থেকে শেষ অক্ষর পর্যন্ত, যার ভাবগত অর্থ হলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বা কোনো কিছু সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত জানা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত বিদেশি ভাষার শব্দ বা ফ্রেস যা বাংলা ভাষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থভিত্তিক প্রশ্ন হিসেবে আসে। ইংরেজি বর্ণমালার এ থেকে জেড পর্যন্ত বলতে পুরো বিষয়টিকে বুঝায়, তাই এটি পূর্ণতা বা সমগ্রতা প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে এই কাজের এ টু জেড সব জানে।
ব্যাখ্যা: এখানে কাজটি সম্পর্কে সম্পূর্ণ বা আদ্যোপান্ত জানার অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার পড়া এ টু জেড শেষ করতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে সিলেবাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্পূর্ণভাবে — সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেসটি পূর্ণতা বোঝায়।
B) সারাক্ষণ — ভুল অপশন কারণ এটি সময় ব্যাপ্তি বোঝায়, যা এ টু জেড এর মূল ভাবের সঙ্গে মিলে না।
C) শেষ পর্যন্ত — ভুল অপশন কারণ এটি আংশিক অর্থ প্রকাশ করে, সমগ্রতা বোঝায় না।
D) মৃত্যু অবধি — ভুল অপশন কারণ এটি জীবনকাল বা সময়সীমা নির্দেশ করে, কোনো বিষয়ের সম্পূর্ণতা বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বর্ণমালার শুরু এ এবং শেষ জেড, তাই এ টু জেড মানে শুরু থেকে শেষ বা সম্পূর্ণভাবে। বিদেশি এই ফ্রেসের ভাবার্থ মনে রাখলেই যেকোনো পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দগুচ্ছ ও ইংরেজি ফ্রেসের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ না বুঝে ভাবার্থ বা প্রমিত বাংলা অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অনুক্ত
কেন সঠিক:
১. ‘যা বলা হয়নি’ বাক্যাংশটিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য ‘অনুক্ত’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী না বলা বা অব্যক্ত ভাব প্রকাশ করতে এই এককথ It প্রকাশের প্রচলন রয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল অর্থের সংক্ষিপ্ত ও সঠিক রূপদানই ব্যাকরণের মূল নিয়ম।
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সাধনায় ভাবের পূর্ণতা ও মাধুর্য আনার জন্য বাক্য সংকোচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. যেমন যা বলা হয়েছে তাকে উক্ত বলে, আর যা বলা হয়নি তাকে অনুক্ত বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকথ্য — যা মুখে আনা যায় না বা যা বলা উচিত নয় তাকে অকথ্য বলা হয়।
C) নির্বাক — যার কোনো বাক বা কথা নেই অর্থাৎ যে চুপ করে থাকে তাকে নির্বাক বলে।
D) মূক — যার কথা বলার শারীরিক ক্ষমতা নেই বা বোবা তাকে মূক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. না বোধক বা অপ্রকাশিত অর্থ বোঝাতে সাধারণত ‘অ’ বা ‘অনু’ উপসর্গ যুক্ত হয়।
২. উক্ত শব্দের আগে অনু উপসর্গ যোগ করে খুব সহজেই অনুক্ত শব্দটি মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) সম্প্রদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- কোনো কিছু প্রাপ্তির আশা না করে স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান বা সাহায্য করলে সম্প্রদান কারক হয়।
- এখানে অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টিশক্তি দেয়ার কথা বলা হয়েছে এবং এতে কোনো প্রতিদান বা শর্ত নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলায় যাকে নিঃস্বত্বে দান বা সাহায্য করা বোঝায়, তাকে সম্প্রদান কারক বলা হয়।
- অন্ধজনে শব্দটির সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দরিদ্রকে খাদ্য দাও।
ব্যাখ্যা: দরিদ্রকে নিঃস্বত্বে সাহায্য করা বোঝানোর কারণে এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: সৎপాత్రে কন্যা দান কর।
ব্যাখ্যা: সৎপాత్రে চিরতরে কন্যা অর্পণ করা বোঝানোর কারণে এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি হতে পারে, কিন্তু এখানে স্বত্ব ত্যাগ করে সাহায্য করা বোঝানোর কারণে কর্ম কারক হবে না।
B) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি হতে পারে, তবে বাক্যের অর্থ নিঃস্বত্বে দান হওয়ায় এটি কর্ম কারক নয়।
D) সম্প্রদানে ৪র্থী — সম্প্রদান কারক ঠিক থাকলেও অন্ধজনে শব্দটিতে এ বিভক্তি থাকায় তা চতুর্থী বিভক্তি হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিঃস্বত্বে দান বা সাহায্য বুঝলেই সম্প্রদান কারক হয়।
- শব্দে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সম্প্রদান কারক নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিসিএস পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের গভীর অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) এই কলারটি বড্ড নরম
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন এটি। এখানে 'limp' ইংরেজি adjective বা বিশেষণের বাংলা অর্থ হলো নরম, আদ্র বা নুয়ে পড়া।
- বাক্যের 'collar' শব্দটি শার্টের কলারকে বোঝায়, যা বেশি ইস্ত্রি করা না হলে বা ভিজে গেলে নরম হয়ে যায়।
২. শব্দার্থ বা পারিভাষিক শব্দ:
- ইংরেজি ভাষার কিছু বর্ণনামূলক বিশেষণ বাংলায় রূপান্তরের সময় বস্তুর প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। এখানে কলারের কাঠিন্য বা নরম ভাব বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধারণ ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ বা পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: His collar was stiff.
ব্যাখ্যা: এখানে stiff শব্দের অর্থ শক্ত, যা limp শব্দের বিপরীত।
উদাহরণ ২: The plant looks limp due to lack of water.
ব্যাখ্যা: এখানে limp শব্দটি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে নুয়ে পড়া বা নেতিয়ে পড়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এই কলারটি বড্ড শক্ত — 'শক্ত' অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজি Stiff বা Hard শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা limp শব্দের বিপরীত।
B) এই কলারটি বড্ড খসখসে — 'খসখসে' বা অমসৃণ বোঝাতে ইংরেজি Rough শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা limp শব্দের সঙ্গে মেলে না।
C) এই কলারটি বড্ড নরম — এই অপশনটি সঠিক কারণ limp শব্দের সরাসরি অর্থ নরম বা নেতিয়ে পড়া।
D) এই কলারটি বড্ড দৃঢ় — 'দৃঢ়' বা মজবুত বোঝাতে Solid বা Firm শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা limp শব্দের অর্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ Limp উচ্চারণ করলে লিম্প বা নেতিয়ে পড়ার একটা ভাব মনে আসে। এভাবে লিম্প মানে নরম বা নেতিয়ে পড়া এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ বা শব্দের অর্থ শেখার সময় শাব্দিক অর্থের পাশাপাশি বাক্যের контекস্ট বা প্রসংগ বুঝতে হবে। একই ইংরেজি শব্দের অর্থ বিভিন্ন বস্তুর ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে।
সঠিক উত্তর: D) √বচ্ + তব্য
১. কেন সঠিক:
- বক্তব্য শব্দটি সাধিত শব্দ এবং এটি কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- এখানে √বচ্ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান বা ভবিষ্যৎ অর্থে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধাতু বা শব্দের সঙ্গে যে শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- কৃদন্ত পদের ক্ষেত্রে মূল ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √গম্ + তব্য = গন্তব্য
ব্যাখ্যা: এখানে √গম্ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গন্তব্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √শ্রু + তব্য = শ্রোতব্য
ব্যাখ্যা: এখানে √শ্রু ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রোতব্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √বক + তব্য — বক কোনো ধাতু নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দমূল নয়।
B) √বক্ত + ব্য — বক্ত বলে কোনো মৌলিক ধাতু বাংলা ব্যাকরণে নেই।
C) √বক্ত + অব্য — এখানে প্রত্যয় হিসেবে অব্য ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) সঠিক অপশন — √বচ্ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বক্তব্য গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বচ্ ধাতু সংশ্লিষ্ট শব্দ যেমন বচন বা বক্তা মনে রাখলে এই প্রত্যয় সহজে নির্ণয় করা যায়।
- ধাতুর রূপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ধ্বনিতাত্ত্বিক নিয়মগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের জন্য মৌলিক ধাতু চেনা জরুরি।
- একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য কৃৎপ্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব সমাস
১. কেন সঠিক:
- উপভাষা শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে উপ উপসর্গটি সামীপ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ভাষার সদৃশ বা ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশ করতে ভাষা শব্দের পূর্বে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে এই সমাস সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- উপভাষা শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ভাষার সদৃশ বা উপভাষা, যেখানে উপ উপসর্গটি ক্ষুদ্র বা সাদৃশ্য অর্থ প্রকাশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপবন
ব্যাখ্যা: বনের সদৃশ বা ক্ষুদ্র বন বোঝাতে উপ অব্যয় যোগে এটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপকূল
ব্যাখ্যা: কুলের সমীপ বা কাছাকাছি বোঝাতে উপ অব্যয় যোগে এটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ সমাস — এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিভক্তির লোপ পায় যা উপভাষা শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় যা উপভাষা শব্দের গঠনের সঙ্গে মেলে না।
D) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে যা এখানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপ উপসর্গযুক্ত শব্দ যদি কোনো কিছুর ক্ষুদ্র, সদৃশ বা সামীপ্য বোঝায় তবে চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাবে।
- উপবন, উপকূল, উপভাষা সব একই সূত্রে গাঁথা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় সামীপ্য, সাদৃশ্য বা ক্ষুদ্রত্ব শব্দগুলো খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যে মুখের ভাষাকে লেখার ভাষায় প্রতিষ্ঠিত করার মূল কৃতিত্ব প্রমথ চৌধুরীর।
- তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির আন্দোলন শুরু করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন এবং তিনি বাংলা প্রমথ প্রবন্ধের জনক।
- তাঁর চলিত রীতির সার্থক রূপ দেখা যায় তেলেনাবিপোতা আবিষ্কার ও নানা কথা গ্রন্থে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ যেখানে চলিত গদ্যরীতির সফল প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: রায়তের কথা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ সংকলন যা চলিত রীতিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি সাধু গদ্যরীতির অন্যতম প্রধান রূপকার ও ব্যাকরণসম্মত গদ্যের জনক।
B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল গ্রন্থে প্রথম মিশ্র বা কথ্য ভাষা ব্যবহার করেন কিন্তু চলিত রীতির প্রবর্তক নন।
D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি সার্থক বাংলা উপন্যাসের জনক এবং সাধু গদ্যরীতির শিল্পরূপদাতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী এবং সাধু রীতির প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখলে প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম সহজে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর নাম প্রায়ই আসে।
- সবুজ পত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
সঠিক উত্তর: A) ভূধর
কেন সঠিক:
১. ভূধর শব্দের সাধারণ অর্থ পর্বত বা পাহাড় যা পৃথিবী নয়।
২. ভূধর শব্দের ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি ভূমির ধারণকারী বা পাহাড়কে বোঝায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত অর্থ বিবেচনা করা হয়।
২. সাহিত্য ও কাব্যে পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন প্রকৃতিবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. যেমন, কবিরা পৃথিবীকে প্রকাশ করতে অবনী বা ধরিত্রী শব্দ ব্যবহার করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূধর - এটি পৃথিবীর সমার্থক নয় কারণ এর অর্থ হলো পর্বত বা পাহাড়।
B) অবনী - এটি পৃথিবীর একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং সরাসরি সমার্থক শব্দ।
C) ধরিত্রী - এটি মা বা পৃথিবীর ধারণকারী অর্থে পৃথিবীর সমার্থক শব্দ।
D) ধরণি - এটি মাটি বা পৃথিবীর রূপ হিসেবে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. যে শব্দের শেষে ধর বা ধরর থাকে তা সাধারণত পাহাড় বোঝায় পৃথিবী নয়।
২. অবনী, ধরিত্রী ও ধরণি এই তিনটি শব্দই মা বা পৃথিবী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
১. কেন সঠিক:
- দারিদ্র্য শব্দটির গঠন সঠিক কারণ এটি দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুটি প্রত্যয় বা অতিরিক্ত শব্দাংশ ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য পদ দারিদ্র্য তৈরি হয়।
- শব্দের সঙ্গে য এবং তা দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত করলে দ্বিরুক্তি দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌজন্য বাংলাদেশের মানুষের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ব্যাখ্যা: সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য সৌজন্য গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মাধুর্য সবাইকে মুগ্ধ করে।
ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য মাধুর্য গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য এবং ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
B) দরিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এই অপশনে দরিদ্র্য বানানটি ভুল কারণ দরিদ্ৰ শব্দে য ফলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত য যুক্ত হয়েছে।
C) দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এই অপশনে দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য এবং তা দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত হওয়ায় এটি একটি অশুদ্ধ শব্দ।
D) দরিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এই অপশনে বানান এবং প্রত্যয়জনিত উভয় দিক থেকেই ভুল রয়েছে কারণ দরিদ্র এবং তা একসঙ্গে বসে বাহুল্য দোষ ঘটিয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দারিদ্র্য এবং দরিদ্রতা দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে যে দারিদ্র্য সঠিক কিন্তু দারিদ্র্যতা অশুদ্ধ।
- য প্রত্যয়যুক্ত শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় ব্যবহার করা যায় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- একই সঙ্গে দুটি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন দারিদ্র্যতা বা ঔদার্যতা দেখলে তা বর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কুচক্রী লোক
১. কেন সঠিক:
- 'শকুনি মামা' একটি বিখ্যাত বাগধারা যার অর্থ কুচক্রী লোক বা অনিষ্টকারী আত্মীয়। মহাভারতের চরিত্র শকুনি কৌরবদের নানা কুটিল বুদ্ধি ও ষড়যন্ত্রের পরামর্শ দিয়েছিলেন, সেখান থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থের চেয়ে বিশেষ ভাবার্থ বা প্রকাশনা প্রধান হয়ে ওঠে। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা বাক্যকে আকর্ষণীয় ও ভাবপূর্ণ করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের ওই নতুন লোকটাকে বিশ্বাস কোরো না, সে আসলে এক জন শকুনি মামা।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরিত্রের কুটিলতা ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাব বোঝাতে শকুনি মামা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পারিবারিক সম্পত্তিতে ভাগ বসানোর জন্য মেজো কাকা যেন শকুনি মামার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
ব্যাখ্যা: পরিবারে কুচক্র বা চক্রান্ত করার অর্থে এই উদাহরণে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুৎসিত মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাগধারাটি বাহ্যিক সৌন্দর্য বা কুৎসিত রূপ বোঝায় না, বরং মানসিক কুটিলতা প্রকাশ করে।
B) সৎ মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ সৎ বা ভালো মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয় না।
D) পাতানো মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ পাতানো মামা বলতে রক্তের সম্পর্কহীন আত্মীয়কে বোঝায়, যা কুচক্রী অর্থ প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মহাভারতের কুটিল চরিত্র শকুনি সব সময় কৌরবদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতেন, তাই শকুনি মানেই কুচক্রী বা কুটিল মানুষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারার অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর উৎস ও ভাবার্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মানুষ মাত্রই ভুল করে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ বাক্য "To err is human" এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো মানুষ মাত্রই ভুল করে।
- এখানে err শব্দের অর্থ ভুল করা এবং human শব্দের অর্থ মানুষ, অর্থাৎ মানুষের স্বভাবই হলো ভুল করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ প্রবচন ও পারিভাষিক অর্থযুক্ত ইংরেজি বাক্য।
- প্রবাদ প্রবচন হলো এমন কিছু সংক্ষিপ্ত বাক্য যা সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সত্যকে প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Barking dogs seldom bite.
ব্যাখ্যা: এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো গর্জে উঠলে বর্ষে না, যা একটি প্রবাদ প্রবচনের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: A burnt child dreads the fire.
ব্যাখ্যা: এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো চুন খেয়ে মুখ পুড়লে দই দেখলে ভয় করে, যা অভিজ্ঞতাভিত্তিক প্রবাদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানুষ মাত্রই মানবিক গুণসম্পন্ন — এই অপশনটি সঠিক হলেও এটি 'To err is human' বাক্যের সঠিক ভাবানুবাদ নয়।
B) মানুষ মরণশীল — এটি আলাদা একটি বিখ্যাত দার্শনিক সত্য যার ইংরেজি রূপ হলো Man is mortal।
C) মানুষ মাত্রই ভুল করে — এটি প্রদত্ত প্রবাদ বাক্যটির নির্ভুল ও সরাসরি ভাবানুবাদ।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি To err (ভুল করা) is human (মানুষ) দেখলে মাথায় রাখবে মানুষ ভুল থেকেই শেখে।
- প্রবাদ বাক্য মুখস্থ না করে এর ভেতরের ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা অর্থ বা ভাবানুবাদ জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত প্রবাদ প্রবচন ও পারিভাষিক শব্দ অধ্যায় থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সরল বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এখানে 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা: সরল বাক্য, জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং এরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং সমান মর্যাদার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে খুব গরিব, কিন্তু সে সৎ।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে খুব গরিব' ও 'সে সৎ' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি এল এবং আমরা ভিজে গেলাম।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বৃষ্টি এল' এবং 'আমরা ভিজে গেলাম' দুটি স্বাধীন বাক্য 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
B) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই।
C) সরল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি আলাদা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত খণ্ডবাক্য আছে।
D) সাধারণ বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ ব্যাকরণে বাক্যকে প্রধানত সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়, সাধারণ বাক্য নামে কোনো আলাদা প্রকার নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মাঝে এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব থাকলে সাধারণত চোখ বন্ধ করে সেটিকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিনে নিতে পারো।
স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো পরস্পর সমান মর্যাদার হলে এবং সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকলে তা সবসময় যৌগিক বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে অব্যয়ের ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি।
'কিন্তু', 'অথচ', 'বরং' থাকলে তা বেশিরভাগ সময় যৌগিক বাক্য নির্দেশ করে, তাই এই অব্যয়গুলোর উপস্থিতি ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) কর্তায় শূন্য
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার বা যাদের দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। এখানে জল নিজে নিজেই পড়ার কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই জল হলো কর্তাকারক।
শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি বা চিহ্ন যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। জল শব্দের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন করার দিক থেকে কর্তাকারককে চার ভাগে ভাগ করা যায় যেমন মুখ্য কর্তা, প্রযোজক কর্তা, প্রযোজ্য কর্তা ও ব্যতিহার কর্তা। বাক্যের মূল কাজটি যে নিজে সম্পাদন করে সে মুখ্য কর্তা।
কোনো শব্দের শেষে অ আ এ ইত্যাদি কোনো বিভক্তি চিহ্ন দৃশ্যমান না হলে তাকে ব্যাকরণের নিয়মে শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি বলা হয়। প্রথমা বিভক্তি মূলত শূন্য বিভক্তির অপর নাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি গান গায়।
ব্যাখ্যা: এখানে গান গাওয়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি হলো কর্তায় শূন্য বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বাতাস বয়।
ব্যাখ্যা: এখানে বওয়ার কাজটি বাতাস নিজে সম্পন্ন করছে, তাই বাতাস হলো কর্তায় শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় শূন্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ জল নিজে কাজ করছে এবং কোনো বিভক্তি নেই।
B) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হয় যা থেকে কিছু বিচ্যুত রক্ষিত ভীত বা উৎপন্ন বোঝায়, যা এখানে নেই।
C) কর্মে শূন্য — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, জল এখানে কর্ম নয়।
D) করণে শূন্য — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, জল এখানে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্র নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কে বা কারা প্রশ্ন করে বাক্যের উত্তর পেলে তা কর্তা কারক হয়। শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতিগতভাবে স্বয়ংক্রিয় বা প্রাকৃতিক কাজের ক্ষেত্রে কর্তা কারক ও শূন্য বিভক্তির ব্যবহার খুব বেশি আসে। বাক্যের ক্রিয়াকে কে প্রশ্ন করলেই সাধারণত কর্তা কারক খুব সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: D) opening
কেন সঠিক:
Would you mind phrase টির পর verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
তাই এখানে open verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে opening সঠিক হয়েছে।
এটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
এই নিয়মটি সব সময় মনে রাখতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) open — এটি verb এর base form হওয়ায় এখানে বসবে না।
B) to open — infinitive হওয়ায় এই নিয়মে ব্যবহার করা যায় না।
C) to opening — to এবং ing একসাথে বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) opening — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind এর পর ہمیشہ verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) see
কেন সঠিক:
বাক্যে 'had better' একটি বিশেষ ফ্রেজ বা মোডাল ভার্ব হিসেবে কাজ করে। এর পরে সবসময় মূল ভার্বের বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
এই নিয়মের কারণে এখানে অন্য কোনো রূপ গ্রহণযোগ্য নয়।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় তোমার বরং একজন ডাক্তারের কাছে যাওয়া ভালো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to see — 'had better' এর পরে ইনফিনিটিভ ফর্ম অর্থাত 'to' যুক্ত ভার্ব ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) see — এটি সঠিক কারণ 'had better' এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
C) saw — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম হওয়ায় 'had better' এর পরে বসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
D) seen — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হওয়ায় এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'had better' দেখলেই চোখ বন্ধ করে ভার্বের বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) than he ran away
কেন সঠিক:
No sooner had যুক্ত বাক্যের গঠন অনুসারে প্রথম অংশে Past Perfect Tense হলে পরবর্তী অংশে Simple Past Tense হয়।
এখানে than এর পরে verb এর Past form ব্যবহৃত হয়েছে এবং অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) than he ran away — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক নিয়ম ও Past Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
B) than he run away — এখানে run হলো Present form, যা Past Tense এর নিয়মের সাথে মিলে না।
C) than he had run away — এখানে দ্বিতীয় অংশে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) when he run away — এখানে No sooner এর সাথে when বসে না এবং verb এর ভুল রূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner had থাকলে than এবং Past indefinite tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) so that he can shine in life
কেন সঠিক:
বাক্যে উদ্দেশ্য বোঝাতে so that ব্যবহার করা হয় যার অর্থ যাতে।
so that এর পরে সাধারণত subject বসে এবং can বা could ব্যবহার করতে হয়।
এখানে He is working hard এর পরের অংশ হিসেবে এটি পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as he can shine in life — as কারণ বা যেমন অর্থে বসে, তাই এখানে উদ্দেশ্য বোঝাতে এটি সঠিক নয়।
B) that he can shine in life — একা that উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে না, এর আগে so বা such থাকা প্রয়োজন।
C) to shining in life — to এর পরে verb এর base form বসে, কিন্তু এখানে shining দেওয়ায় ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে।
D) so that he can shine in life — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ ও গঠন উভয় দিক থেকেই এটি পূর্ণতা দেয়।
মনে রাখার টিপস:
উদ্দেশ্য বোঝাতে so that এর পরে subject এবং can বা could বসে।
সঠিক উত্তর: D) Rani draws a picture.
কেন সঠিক:
বাক্যটির সাবজেক্ট রানী হলো থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার এবং এটি একটি সাধারণ বর্তমান কালের সত্য ঘটনা।
তাই মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়েছে এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rani draw a picture. — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করা হয়নি।
B) Rani drew a picture. — এটি অতীত কালের বাক্য, কিন্তু মূল প্রশ্নটি বর্তমান কালের সাধারণ ঘটনা প্রকাশ করছে।
C) Rani is drawing a picture. — এটি রানিং বা চলমান বর্তমান কাল, যা সাধারণ কাজের পরিবর্তে নির্দিষ্ট একটি মুহূর্তের কাজ বোঝাচ্ছে।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের শেষে এস বা ইএস যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) The man came to me laughing.
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের অসমাপিকা ক্রিয়া যেমন হাসতে হাসতে বোঝাতে ইংরেজি করার সময় participle ব্যবহার করতে হয়।
এখানে subject এর সাথে একই সময়ে কাজটি হওয়ায় present participle laughing ব্যবহার করা হয়েছে।
বাক্যের মূল কাজটি অতীতকালে সম্পন্ন হওয়ায় come এর past form came ব্যবহৃত হয়েছে।
গঠন অনুযায়ী subject + verb এর past form + extension + present participle নিয়মটি এখানে সঠিক আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man comes to me by laugh — বর্তমানকাল ব্যবহার করা হয়েছে এবং by laugh grammatically সঠিক নয়।
B) The man came to me by laugh — by laugh ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে।
C) The man came to me laughing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
D) The man coming to me laugh — এখানে কোনো সমাপিকা verb নেই এবং laugh এর সঠিক form নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বাক্যে একই সাথে দুটি কাজ চললে দ্বিতীয় কাজের সাথে ing যোগ করে present participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Did he come yesterday?
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে গতকাল বা অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝানোর কারণে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
অতীতকালের প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরি করতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Did বসে।
Did ব্যবহার করার পরে মূল ভার্বটি প্রেজেন্ট ফর্ম বা বেস ফর্মে হয়।
বাংলা বাক্যটির সঠিক ইংরেজি গঠনে এই নিয়মগুলো পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Did he come yesterday? — এটি সঠিক অপشن এবং বাক্যের গঠন শতভাগ নির্ভুল হয়েছে।
B) Did he came yesterday? — Did ব্যবহারের পর মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না, ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়।
C) Had he come yesterday? — অতীতকালের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Has he come yesterday? — বাক্যে গতকাল শব্দটি থাকায় প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday বা গতকাল থাকলে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয় এবং Did এর পর সবসময় মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: B) Death is preferable to dishonour.
কেন সঠিক:
এখানে অপমানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয় বোঝাতে তুলনামূলক ডিগ্রি হিসেবে preferable শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
preferable শব্দের পরে সবসময় than না বসে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Death is better than insult — এখানে insult শব্দের চেয়ে dishonour বা অসম্মান শব্দটি সঠিক এবং better এর পরিবর্তে preferable ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অধিক উপযোগী।
B) Death is preferable to dishonour — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
C) Dishonour is preferable than death — এই বাক্যে preferable এর পরে নিয়ম ভেঙে ভুলভাবে than ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থ বিপরীত হয়ে গেছে।
D) Death is acceptable than dishonour — এখানে acceptable শব্দের সাথে than ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ব্যাকরণে preferable, senior, junior ইত্যাদি শব্দের পরে সবসময় than এর পরিবর্তে to বসে।
সঠিক উত্তর: A) Bangladesh is a riverine country.
কেন সঠিক:
বাংলায় নদীবহুল কথাটির সুন্দর ও যথাসথ ইংরেজি রূপ হলো riverine.
একটি দেশের ভৌগোলিক প্রকৃতি বোঝাতে নাউনের সাথে -ine যুক্ত করে বিশেষণ গঠন করা হয়।
নদীমাতৃক বা নদীবহুল দেশের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট শব্দটিই ইংরেজি ব্যাকরণে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি পুরোপুরি সঠিক ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
B) country of river — এই গঠনটি শুনতে বেমানান এবং এর অর্থ নদীবহুল হয় না।
C) surrounded by river — এর অর্থ নদী দ্বারা বেষ্টিত, যা মূল বাক্যের পুরো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) situated by river — এর অর্থ নদীর তীরে অবস্থিত, যা দেশের সামগ্রিক প্রকৃতি বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
নদীবহুল বা নদীমাতৃক দেশ বোঝালে সবসময় riverine শব্দটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Had I the wings of a bird!
কেন সঠিক:
অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে বাক্যের শুরুতে Had ব্যবহার করে Conditional Sentence গঠন করা যায়।
এখানে Had দিয়ে ইফ ক্লজ শুরু হওয়ায় তা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
এটি Subjunctive Mood এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If I would have the wings of a bird! — If ক্লজে would have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Had I the wings of a bird! — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) I wish that I would have the wings of a bird! — I wish এর পরে would have ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় ও ভুল।
D) If I could fly like a bird ! — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও মূল বাক্যের কাঠামোর সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাতে সাবজেক্টের আগে Had বসিয়ে conditional বাক্য গঠন করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) It is raining cats and dogs.
কেন সঠিক:
- 'Cats and dogs' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার অর্থ মুষলধারে বা প্রবলভাবে বৃষ্টি হওয়া।
- বর্তমানে বৃষ্টি হচ্ছে বোঝাতে Present Continuous Tense এবং প্রবল বৃষ্টির জন্য এই নির্দিষ্ট ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining heavily. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং সাধারণ অর্থ প্রকাশ করলেও মুষলধারে বৃষ্টির জন্য বহুল প্রচলিত আকর্ষণীয় ইডিওমটি অপশন সি তে রয়েছে।
B) It rains continuously. — এর অর্থ অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে, যা মুষলধারে বৃষ্টির ভাবার্থ বা প্রমিত ইডিওম প্রকাশ করে না।
D) It has been raining seriously. — 'seriously' শব্দটি বৃষ্টির তীব্রতা বোঝাতে স্বাভাবিক বা মানসম্মত ইংরেজি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
আকাশ থেকে বিড়াল-কুত্তা পড়ার মতো অসম্ভব মনে হলেও, ইংরেজিতে মুষলধারে বৃষ্টি বোঝাতে 'cats and dogs' ইডিওমটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) He does not know how to swim.
কেন সঠিক:
১. সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে auxiliary verb হিসেবে does ব্যবহার করা হয়েছে।
২. কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা জানা অর্থে know verb-এর পরে how to বসে এবং তারপরে infinitive বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He does not know how to swim. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) He does not know to swim. — এখানে know-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী how শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি।
C) He donot knows how to swim. — He সাবজেক্টের পরে do not হয় না এবং does ব্যবহারের পরে মূল verb-এর সাথে s বা es বসে না।
D) He cannot know to swim — এখানে অর্থের মিল নেই এবং know verb-এর সাথে to swim-এর গঠনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজ জানা অর্থে know-এর পরে সরাসরি infinitive না বসিয়ে how to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) a false story
কেন সঠিক:
‘Cock and bull story’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প হলেও বাস্তবে এর মানে আজগুবি বা বানোয়াট গল্প।
এটি এমন এক ধরনের কাল্পনিক গল্প বোঝায় যা বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং মূলত মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়।
এটি একটি অসত্য গল্প।
এটি মিথ্যা তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a fable — ফ্যাবল বলতে সাধারণত নীতিবাক্য সংবলিত পশুপাখির কল্পকাহিনি বোঝায় যা এই ইডিওমের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) a tragedy — ট্র্যাজেডি হলো নাটকের একটি দুঃখজনক সমাপ্তি যা কোনো মিথ্যা বা আজগুবি গল্পের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) a false story — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a wonderful story — চমৎকার বা সুন্দর কোনো গল্পকে এই ইডিওম দ্বারা বোঝানো হয় না কারণ এটি মূলত নেতিবাচক অর্থে মিথ্যা গল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মোরগ ও ষাঁড়ের লড়াইয়ের গল্প যেমন অবাস্তব, তেমনি ‘Cock and bull story’ মানেই হলো একটি বানোয়াট ও মিথ্যা গল্প।
সঠিক উত্তর: C) come round
কেন সঠিক:
এখানে come round একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সুস্থ হয়ে ওঠা বা জ্ঞান ফিরে পাওয়া।
রোগী শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবে বোঝাতেই এই সঠিক উত্তরটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) come in — এর অর্থ ভেতরে প্রবেশ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) come off — এর অর্থ কোনো কিছু খুলে যাওয়া বা সফল হওয়া, যা রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) come round — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) come by — এর অর্থ কোনো কিছু অর্জন করা বা পাওয়া, যা এখানে খাপ খায় না।
মনে রাখার টিপস:
রোগী সুস্থ হওয়া বা জ্ঞান ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় come round গ্রুপ ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) humorous
কেন সঠিক:
মাজাদার বা রসাত্মক অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজি বানানটিতে humor শব্দের সঙ্গে ous প্রত্যয় যুক্ত হয়।
এখানে সঠিক বানান গঠনে কোনো অতিরিক্ত i বর্ণ ব্যবহার করা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) humouros — এই বানানে শেষের অংশ ভুল কারণ ous এর পরিবর্তে os লেখা হয়েছে।
B) humourious — এই বানানে অতিরিক্ত একটি i বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
C) humorous — এটি সঠিক বানান এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
D) humorious — এই বানানে o এর পরিবর্তে i ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে humor এর সঙ্গে সরাসরি ous যোগ করে humorous বানানটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) Childish
কেন সঠিক:
Childish শব্দের অর্থ ছেলেমানুষসুলভে যা একটি নাউনকে এডজেক্টিভে রূপান্তর করে।
এই শব্দটি বাক্যে দোষ বা গুণ বোঝাতে এডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি চাইল্ড শব্দের সঠিক বিশেষণ রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Childhood — এটি একটি নাউন কারণ এর শেষে হুড যুক্ত আছে।
B) Childly — এই ধরনের কোনো অর্থবহ ইংরেজি শব্দ নেই।
C) Childish — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Children — এটি চাইল্ড শব্দের প্লুরাল নাউন ফর্ম।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের শেষে ish যুক্ত থাকলে তা সাধারণত এডজেক্টিভ হয়।
সঠিক উত্তর: A) The man is too weak to walk.
কেন সঠিক:
- Complex বাক্যের so...that অংশটিকে Simple করার সময় so-এর পরিবর্তে too এবং that-এর পরিবর্তে to বসে।
- Subject উভয় ক্লজে একই হওয়ায় to-এর পরে সরাসরি verb-এর base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man is too weak to walk. — এটি সঠিক রূপ, কারণ নিয়ম অনুযায়ী so-এর জায়গায় too এবং that-এর জায়গায় to বসেছে।
B) The man is so weak to walk. — ভুল কারণ so-এর সাথে যুক্ত clause-এ that থাকার নিয়ম, এখানে that-এর পরিবর্তে সরাসরি to ব্যবহার করা হয়েছে।
C) The man is too weak for him to walk. — ভুল কারণ Subject একই ব্যক্তি হওয়ায় for him অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয়।
D) The man is so weak for him to walk — ভুল কারণ এখানে so এবং for him উভয়ই অনিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Complex থেকে Simple করার সময় so...that-কে উঠিয়ে too...to বসাতে হয় এবং that-এর পরের অংশ verb থেকে লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) What has been bought by you?
কেন সঠিক:
- Present Perfect টেন্সযুক্ত Interrogative বাক্যের Active থেকে Passive করার সময় What অপরিবর্তিত থাকে এবং বাক্যের শুরুতে বসে।
- Subject হিসেবে What singular হিসেবে গণ্য হয় বিধায় auxiliary verb হিসেবে has বসে এবং Continuous বা Perfect টেন্সের নিয়মে extra been যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) What are bought by you? — এটি Present Indefinite টেন্সের Passive, যা মূল বাক্যের টেন্সের সাথে মেলে না।
B) What is bought by you? — এতে প্রয়োজনীয় been শব্দটি অনুপস্থিত রয়েছে এবং এটি Present Indefinite টেন্স নির্দেশ করে।
C) What are being bought by you? — এটি Present Continuous টেন্সের Passive, কিন্তু মূল বাক্যটি Present Perfect টেন্সে ছিল।
D) What has been bought by you? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সঠিক টেন্স এবং Passive-এর নিয়ম সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
What দিয়ে শুরু Present Perfect টেন্সের Passive বাক্যে What-এর পর has been বসে এবং মূল verb-এর Past Participle হয়।
সঠিক উত্তর: C) None but Rina can do this sum.
কেন সঠিক:
- বাক্যে থাকা শুধুমাত্র বা 'Only' ব্যক্তিবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করলে Negative করার সময় তার পরিবর্তে 'None but' ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে Affirmative থেকে Negative বাক্যে রূপান্তর করার এটিই সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Only Rina cannot do this sum. — এখানে অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে এবং নিয়ম অনুযায়ী 'Only'-এর পরিবর্তে 'None but' বসেনি।
B) Rina cannot do this sum. — এটি মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে কারণ মূল বাক্যে রিনা কাজটি করতে পারে বলা হয়েছে।
C) None but Rina can do this sum. — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নে ভুলবশত অপশন হিসেবে উল্লেখ থাকলেও এটিই একমাত্র ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপান্তর।
D) Any one but Rina can do this sum. — এই গঠনটি ভুল এবং এটি মূল বাক্যের মূল অর্থের সম্পূর্ণ উল্টো অর্থ প্রদান করে।
মনে রাখার টিপস:
Affirmative বাক্যে কোনো ব্যক্তিবাচক শব্দের আগে 'Only' থাকলে Negative করার সময় 'Only'-এর বদলে শুধু শুরুতে 'None but' বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Who does not love flower?
কেন সঠিক:
১. Assertive বাক্যটিকে Interrogative করার সময় বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে বিপরীত করতে হয়। Affirmative বাক্যকে Who দিয়ে শুরু করে Negative করলেই সঠিক অর্থ পাওয়া যায়।
২. Subject Singular (All) হওয়ায় Auxiliary verb হিসেবে does ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. Main verb (love) এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না কারণ does বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who does not love flower? — এটি সঠিক উত্তর।
B) Who do not love flower? — All শব্দটি Singular হওয়ায় এখানে do না বসে does বসা উচিত ছিল।
C) Who did not love flower? — বাক্যটি Present Tense এ আছে, তাই Past Tense এর did ব্যবহার করা ভুল।
D) Do all love flower? — এটি করলে উত্তর হ্যাঁ বা না সূচক হয়ে যায়, যা নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
All যুক্ত Affirmative বাক্যকে Interrogative করতে হলে Who does not + মূল verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) extremely favorite
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার শাব্দিক অর্থ চোখের আপেল হলেও ভাবার্থ হলো অত্যন্ত প্রিয় বা চোখের মণি।
কাউকে নিজের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি বোঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) extremely favorite — এটি এই ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং সবার কাছে এটিই গ্রহণযোগ্য অর্থ।
B) apple like eye — এটি আক্ষরিক অনুবাদ যা সম্পূর্ণ ভুল এবং প্রবাদের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
C) big eye — এটি চোখের আকার বোঝায়, যা এই বাগধারার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) apple coloured eye — এটি আপেলের রঙের সাথে চোখকে তুলনা করেছে যা কাল্পনিক ও সম্পূর্ণ ভুল অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
চোখের মণি বা খুব কাছের কাউকে বোঝাতে আমরা যেমন প্রিয় বলি, ইংরেজিতে তাকেই অ্যাপল অব ওয়ান্স আই বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) A very costly or troublesome possession
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর রূপক অর্থ হলো এমন কোনো বস্তু যা কেনা বা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে লাগে না।
রাজারা অতীতে উপহার হিসেবে সাদা হাতি দিয়ে প্রাপককে দেউলিয়া করে দিতেন এবং এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই এই বিশেষ অর্থটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An elephant of white colour — এটি কোনো প্রবাদ বা ইডিয়ম নয় বরং সাদা রঙের একটি পশুকে বোঝায়।
B) A black marketer — এই শব্দটি কালোবাজারি বা অবৈধ ব্যবসায়ী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা সঠিক উত্তরের সাথে মেলে না।
C) A very costly or troublesome possession — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরাবৃত্তি হয়েছে।
D) A hoarder — এই শব্দটি মূলত পণ্য মজুদকারী বা জমিয়ে রাখে এমন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সাদা হাতি খুব দামি এবং তার পেছনে অনেক খরচ হয় কিন্তু কোনো লাভ নেই, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) It is a very nice scenery.
কেন সঠিক:
এক্সক্লামেটরি বাক্যকে অ্যাসারটিভ করার সময় সাবজেক্ট ও ভার্ব প্রথমে বসে।
হোয়াট এ যুক্ত বাক্যকে অ্যাসারটিভ করার সময় এ ভেরি বা গ্রেট ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is very nice scenery. — এই অপশনে সঠিক নিয়মে 'a' আর্টিকেলটি ব্যবহার করা হয়নি।
B) It is a very nice scenery. — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে।
C) It is a great scenery. — এই বাক্যে 'very' এর বদলে 'great' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) The scenery is very nice. — এই বাক্যে সাবজেক্ট এবং গঠন সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
হোয়াট এ যুক্ত এক্সক্লামেটরি বাক্যকে অ্যাসারটিভ করার সময় সাবজেক্টের পরে ইট ইজ এবং এ ভেরি বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) look after
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পরের অংশ "their old parents" অর্থ বয়স্ক বাবা-মা, যাদের যত্ন নেওয়া সন্তানের দায়িত্ব।
এখানে "look after" একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ দেখাশোনা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) look at — এর অর্থ কোনো কিছুর দিকে তাকানো, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) look after — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) look up — এর অর্থ অভিধানে শব্দ খোঁজা বা কাউকে খুঁজে বের করা।
D) look into — এর অর্থ কোনো ঘটনার তদন্ত করা বা অনুসন্ধান করা।
মনে রাখার টিপস:
বাবা-মা বা আপনজনদের দেখাশোনা করার ক্ষেত্রে সবসময় look after ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) has
কেন সঠিক:
None শব্দটি singular এবং plural উভয় অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। তবে এর পর plural noun এবং singular verb বসানোই আধুনিক ইংরেজিতে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — এটি plural verb হওয়ায় singular subject None-এর সাথে বসে না।
B) have got — এটি plural verb হওয়ায় singular subject None-এর সাথে ব্যবহার করা যায় না।
C) has — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) own — এখানে অর্থের দিক থেকে সঠিক হলেও subject singular হওয়ায় verbs-এর সাথে s যুক্ত হওয়া প্রয়োজন ছিল।
মনে রাখার টিপস:
None of-এর পরে plural noun থাকলেও সাধারণত verb টি singular হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৫৮৮
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার যোগফল = ৫৬
সংখ্যা দুইটির অনুপাত = ৩ : ১
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৩ক + ১ক = ৫৬
৪ক = ৫৬
ক = ১৪
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ১৪ = ৪২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ × ১৪ = ১৪
উত্তর: সংখ্যা দুইটির গুণফল = ৪২ × ১৪ = ৫৮৮
সঠিক উত্তর: A) অসংখ্য
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সরলরেখা একে অপরের সাথে মিলে যায়
একে সমাপতিত সরলরেখা বলা হয়
ধরি,
প্রথম সরলরেখার সমীকরণ = a১ x + b১ y + c১ = ০
দ্বিতীয় সরলরেখার সমীকরণ = a২ x + b২ y + c২ = ০
অতএব,
সমাপতিত রেখার ক্ষেত্রে শর্ত হলো a১ ÷ a২ = b১ ÷ b২ = c১ ÷ c২
এই শর্তে প্রতিটি বিন্দু উভয় সমীকরণকে সিদ্ধ করে
সুতরাং,
দুটি রেখার অসংখ্য সাধারণ বিন্দু পাওয়া যায়
উত্তর: অসংখ্য
সঠিক উত্তর: A) ১২১/৮১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ১/৩ + ১/৯ + …………..
এটি একটি গুণোত্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ (a) = ১
সাধারণ অনুপাত (r) = (১/৩) ÷ ১ = ১/৩
পদের সংখ্যা (n) = ৫
অতএব,
সমষ্টির সূত্রটি হলো (a × (১ − r^n)) ÷ (১ − r)
এখানে r এর মান ১/৩ যা ১ অপেক্ষা ছোট
তাই r^n এর মান হবে (১/৩)^৫ = ১/২৪৩
সুতরাং,
সমষ্টি = (১ × (১ − ১/২৪৩)) ÷ (১ − ১/৩)
সমষ্টি = (২৪২/২৪৩) ÷ (২/৩)
উত্তর: ১২১/৮১
সঠিক উত্তর: D) ২৪√৩
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে যে a = √৩ + √২
ধরি,
ব্যস্তানুপাতিক মান নির্ণয় করি
a এর বিপরীত মান ১ ভাগ a = √৩ − √২
অতএব,
উভয় রাশির যোগফল পাই
a + (১ ভাগ a) = ২√৩
সুতরাং,
প্রদত্ত রাশিটি সাজিয়ে পাই
(a + ১ ভাগ a) এর ওপর কিউব
মান বসিয়ে হিসাব করি
(২√৩) এর ওপর কিউব + ৩ গুণ (২√৩)
উত্তর: ২৪√৩
সঠিক উত্তর: D) a = axyz
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণ ax = b
দ্বিতীয় সমীকরণ by = c
তৃতীয় সমীকরণ cz = a
ধরি,
মানগুলো পর্যায়ক্রমে বসাতে হবে
অতএব,
a = cz
a = (by)z
a = b(yz)
সুতরাং,
a = (ax)yz
a = axyz
উত্তর: a = axyz
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
রুট ওভার এম + ১ ভাগ রুট ওভার এম = ২
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = রুট ওভার এম − ১ ভাগ রুট ওভার এম
এর মান বের করতে হবে
অতএব,
উভয় পক্ষের বর্গ করে পাই
(রুট ওভার এম + ১ ভাগ রুট ওভার এম) এর বর্গ = ২ এর বর্গ
দ্বিতীয় হিসাব:
এম + ২ গুণ রুট ওভার এম গুণ (১ ভাগ রুট ওভার এম) + (১ ভাগ এম) = ৪
এম + ২ + (১ ভাগ এম) = ৪
তৃতীয় হিসাব:
এম + (১ ভাগ এম) = ৪ − ২
এম + (১ ভাগ এম) = ২
সুতরাং,
(রুট ওভার এম − ১ ভাগ রুট ওভার এম) এর বর্গ = এম − ২ গুণ রুট ওভার এম গুণ (১ ভাগ রুট ওভার এম) + (১ ভাগ এম)
(রুট ওভার এম − ১ ভাগ রুট ওভার এম) এর বর্গ = এম + (১ ভাগ এম) − ২
উত্তর:
মান বসিয়ে পাই, ২ − ২ = ০
অতএব নির্ণেয় মান = ০
সঠিক উত্তর: B) ১৬০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ৫০০ টাকা
মুনাফার হার (r) = ৮%
সময় (n) = ৪ বছর
ধরি,
মোট মুনাফা = I
অতএব,
আমরা জানি, I = P × r × n
সুতরাং,
I = ৫০০ × (৮ ÷ ১০০) × ৪
উত্তর: ১৬০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) i
প্রদত্ত তথ্য:
লাভ বা ক্ষতিকে শতকরায় প্রকাশ করা যায়
২০০ টাকায় ১০% ক্ষতি হলে ক্ষতির পরিমাণ কত
১০% লাভে ৫০০ টাকার পণ্যের বিক্রয়মূল্য কত
ধরি,
প্রথম বিবৃতিটি লাভ ও ক্ষতির শতকরা হিসাবের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সঠিক
দ্বিতীয় বিবৃতিতে ২০০ টাকার ১০% ক্ষতি হয় কুড়ি টাকা
তৃতীয় বিবৃতিতে ৫০০ টাকার ১০% লাভ হয় পঞ্চান্ন টাকা
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে লাভ বা ক্ষতি সবসময় শতকরার নিয়মে প্রকাশ করা হয়
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ হলো ২০০ এর দশ শতাংশ অর্থাৎ কুড়ি টাকা
তৃতীয় ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য হলো ৫০০ যোগ পঞ্চান্ন সমান পাঁচশত পঞ্চান্ন টাকা
সুতরাং,
প্রথম বিবৃতিটি সঠিক হলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিবৃতি দুটি ভুল গণনার কারণে সঠিক নয়
উত্তর: A) i
সঠিক উত্তর: C) ১/৭ অংশ
প্রদত্ত তথ্য:
৭ জন লোক একদিনে করে ১/৭ অংশ কাজ
ধরি,
১ জন লোক একদিনে করে (১/৭) ÷ ৭ অংশ কাজ
অতএব,
১ জন লোক ১ দিনে করে ১/৪৯ অংশ কাজ
সুতরাং,
১ জন লোক ৭ দিনে করে (১/৪৯) × ৭ অংশ কাজ
উত্তর: ১/৭ অংশ
সঠিক উত্তর: B) ০.২১৪৫৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাতটি হলো ২৫ অনুপাত ৮১
ধরি,
প্রথম রাশি = ২৫
দ্বিতীয় রাশি = ৮১
অতএব,
দ্বিভাজিত অনুপাত মানে হলো বর্গমূল নির্ণয় করা
২৫ এর বর্গমূল = ৫
৮১ এর বর্গমূল = ৯
সুতরাং,
অনুপাতটি হলো ৫ ÷ ৯
উত্তর: ০.২১৪৫৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩
সঠিক উত্তর: D) ৯/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ১/৪, ৩/১৬ এবং ৯/২০
এদের সাধারণ গুণিতক বা লসাগু নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
লসাগু বের করার নিয়ম হলো লবগুলোর লসাগু এবং হরগুলোর গসাগু
লবগুলো হলো ১, ৩ এবং ৯
অতএব,
লব ১, ৩ এবং ৯ এর লসাগু = ৯
হরগুলো হলো ৪, ১৬ এবং ২০
সুতরাং,
হর ৪, ১৬ এবং ২০ এর গসাগু = ৪
উত্তর: ৯/৪
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সংখ্যা = ১৫০
শতকরা হার = ১০%
ধরি,
নির্ণেয় মান = ক
অতএব,
১৫০ এর ১০%
= ১৫০ × (১০ ÷ ১০০)
সুতরাং,
হিসাব করে পাই,
১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: B) ১০/৭
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো (২ এর পাওয়ার − ১ + ৫ এর পাওয়ার − ১) এর পাওয়ার − ১
ধরি,
প্রথম অংশ হলো (১ ÷ ২)
দ্বিতীয় অংশ হলো (১ ÷ ৫)
অতএব,
ব্র্যাকেটের ভেতরের অংশ দুটির যোগফল = (১ ÷ ২) + (১ ÷ ৫)
লসাগু করে পাই, হর হলো ১০ এবং লব হলো ৫ + ২
সুতরাং,
ভেতরের যোগফল সমান ৭ ÷ ১০
উত্তর: পুরো রাশির পাওয়ার − ১ থাকায় উল্টে গিয়ে সঠিক মান হলো ১০ ÷ ৭
সঠিক উত্তর: B) x + y
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিমালা তিনটি দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম রাশি = x^2 − y^2
দ্বিতীয় রাশি = (x + y)^2
তৃতীয় রাশি = x^3 + y^3
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = (x + y) × (x − y)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + y) × (x + y)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + y) × (x^2 − xy + y^2)
সুতরাং,
নির্ণেয় গ.সা.গু হলো রাগুলোর কমন উৎপাদক
উত্তর: x + y
সঠিক উত্তর: B) (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া আছে
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ক
ত্রিভুজের উচ্চতা = খ
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমির দৈর্ঘ্য এবং উচ্চতার গুণফলের অর্ধেক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: C) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
xy এবং wz দুটি সমান্তরাল সরলরেখা
PQ হলো তাদের একটি ছেদক রেখা
ধরি,
কোণ a এবং কোণ b ছেদক রেখার একই পার্শ্বের অভ্যন্তরীণ কোণ
সমান্তরাল সরলরেখার ক্ষেত্রে ছেদক রেখার একই পার্শ্বের অন্তঃস্থ কোণগুলোকে একান্তর বা অনুরূপ কোণ হিসেবে বিবেচনা করা যায়
অতএব,
জ্যামিতির নিয়ম অনুসারে দুটি সমান্তরাল সরলরেখাকে একটি ছেদক ছেদ করলে
ছেদক রেখার একই পাশের অভ্যন্তরীণ কোণদ্বয়ের সমষ্টি সমকোণ বা সরলকোণ হয়
সুতরাং,
কোণ a এবং কোণ b এর যোগফল মিলে একটি সরল কোণ গঠন করে
তাই কোণ a + কোণ b এর মান সমান ১৮০°
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: A) (১/২) ab sinθ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে a এবং b
বাহু দুটির মধ্যবর্তী অন্তর্ভুক্ত কোণ θ
ধরি,
ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু এ থেকে বিপরীত বাহুর উপর একটি লম্ব আঁকা হলো
এই লম্বটি ত্রিভুজটিকে দুটি সমকোণী ত্রিভুজে বিভক্ত করে
অতএব,
লম্বের দৈর্ঘ্য বা উচ্চতা h = b sinθ হলো
ভূমির দৈর্ঘ্য হলো a
সুতরাং,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
ক্ষেত্রফল = (১/২) × a × b sinθ
উত্তর: (১/২) ab sinθ
সঠিক উত্তর: B) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
নদীর প্রস্থ = ১০ মিটার
টাওয়ারের উচ্চতা = ১০√৩ মিটার
ধরি,
নদীর অপর তীরে অবনতি কোণ = থিটা
টাওয়ারের উচ্চতা = লম্ব
নদীর প্রস্থ = ভূমি
অতএব,
ট্যান থিটা = লম্ব ÷ ভূমি
ট্যান থিটা = (১০√৩) ÷ ১০
ট্যান থিটা = √৩
সুতরাং,
ট্যান থিটা = ট্যান ৬০°
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজটির একটি কোণ ষাট ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণটি সমান নব্বই ডিগ্রি
অপর অজানা কোণটি সমান ক ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সমান একশত আশি ডিগ্রি
প্রথম দুটি কোণের যোগফল সমান নব্বই ডিগ্রি + ষাট ডিগ্রি
সুতরাং,
ক ডিগ্রি সমান একশত আশি ডিগ্রি − একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি
উত্তর: ত্রিশ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: A) ৫/৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি ৫
এবং ভেতরের রাশি হলো বর্গমূল ৫ গুণ ঘনমূল ৫
ধরি,
রাশিটি = লগ৫(√৫ × ³√৫)
অতএব,
√৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ১/২
³√৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ১/৩
সুতরাং,
পাওয়ার দুটি যোগ করলে হয় ১/২ + ১/৩ = ৫/৬
উত্তর: ৫/৬
সঠিক উত্তর: D) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x প্লাস ৩ সমান ২৭ এর পাওয়ার x প্লাস ১
ধরি,
বেজগুলোকে ৩ এর ভিত্তিতে সাজাতে হবে
৯ সমান ৩ এর স্কয়ার এবং ২৭ সমান ৩ এর কিউব
অতএব,
প্রথম পক্ষের সূচক হবে ২ গুণ x প্লাস ৩
দ্বিতীয় পক্ষের সূচক হবে ৩ গুণ x প্লাস ১
সুতরাং,
২x প্লাস ৬ সমান ৩x প্লাস ৩
উত্তর: x সমান ৩
সঠিক উত্তর: D) ২৫π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ একক
ধরি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
অতএব,
ক্ষেত্রফল = পাই × (৫) এর বর্গ
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = পাই × ২৫
উত্তর: ২৫π বর্গ একক
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খান
কেন সঠিক:
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ সালে পর্তুগিজদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম দখল করেন এবং এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- এই নামকরণের মাধ্যমে মুঘল শাসনামলে অঞ্চলটিতে ইসলামিক সংস্কৃতির প্রভাব ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং রাজধানী ঢাকা স্থাপন করেন, তবে চট্টগ্রামের নামকরণের সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
B) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ঈশা খা — তিনি বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন এবং সোনারগাঁ ছিল তাঁর কেন্দ্র, চট্টগ্রাম নয়।
D) মীর জুমলা — তিনি মুঘল সেনাপতি ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, যিনি আসাম বিজয়ের জন্য পরিচিত হলেও চট্টগ্রামের নামকরণের সঙ্গে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
শায়েস্তা খানের আমলে চট্টগ্রাম জয় হয় এবং ইসলামের নামে 'ইসলামাবাদ' নাম রাখা হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৫৬
কেন সঠিক:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ব্রিটিশ সরকার ১৮৫৬ সালে হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ আইন পাস করে।
- এই আইনের ফলে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ আইনগতভাবে বৈধতা লাভ করে এবং সমাজে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ত্বরান্বিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৫৬ — এই সালে বাংলায় নবাব সিরাজউদ্দৌলার শাসনকাল শুরু হয় এবং অন্ধকূপ হত্যা সংঘটিত হয়েছিল, যার সাথে বিধবা বিবাহ আইনের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ১৮৫৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই লর্ড ডালহৌসির আমলে হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।
C) ১৮৮৫ — এই সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিধবা বিবাহ আইন চালুর বহু পরের ঘটনা।
D) ১৮৯৫ — এই সালের সাথে বিধবা বিবাহ আইন চালুর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা যুক্ত নয়, এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক সাল।
মনে রাখার টিপস:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘বিদ্যাসাগর’ নামের শেষ অংশ ‘সাগর’ থেকে সালটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে ১৮৫৬ সালের আইনটি সমাজে একটি বিশাল সাগরের মতো পরিবর্তন এনেছিল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৭টি
কেন সঠিক:
- সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের মিনারটি কংক্রিটের তৈরি সাতটি জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেওয়াল বা ফলক নিয়ে গঠিত।
- এই সাতটি ফলক বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক সাতটি পর্যায় বা আন্দোলনকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ স্মৃতিসৌধে ফলকের সংখ্যা ৫টি নয়, বরং ৭টি।
B) ৬টি — এই সংখ্যাটি ঐতিহাসিক ৭টি আন্দোলনের সঙ্গে মেলে না।
D) ৯টি — ৯টি ফলক বা স্তম্ভ অন্য কোনো স্মৃতিসৌধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, জাতীয় স্মৃতিসৌধে নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ৭টি বীরত্বপূর্ণ পর্যায় মনে রাখলেই ফলকের সংখ্যা ৭টি সহজে মনে রাখা যায়।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ঢাকার আগারগাঁয়ে
কেন সঠিক:
- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরটি ১৯৮১ সালে ঢাকার আগারগাঁয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের একমাত্র কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান জাদুঘর যা বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয় করতে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকার শাহবাগে — শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর এবং শিশু পার্ক অবস্থিত, বিজ্ঞান জাদুঘর নয়।
B) ঢাকার ইসলামপুরে — ইসলামপুর ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের বাজার হিসেবে পরিচিত, এখানে কোনো বিজ্ঞান জাদুঘর নেই।
C) ঢাকার আগারগাঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জাদুঘরটি এই এলাকাতেই অবস্থিত।
D) সোনারগাঁয়ে — সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন অবস্থিত, বিজ্ঞান জাদুঘর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞান চর্চায় এগিয়ে যেতে আমরা আসি আগারগাঁয়ে।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন ‘ডি’
কেন সঠিক:
- সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি মানব ত্বকের কোলেস্টেরলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ভিটামিন ‘ডি’ সংশ্লেষণ করে।
- এই ভিটামিন মানবদেহে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়াতে এবং হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘এ’ — এটি প্রধানত গাজর, কলিজা এবং সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায় যা দৃষ্টিশক্তির জন্য উপকারী।
B) ভিটামিন ‘বি’ — এটি চালের কুঁড়া, যকৃৎ এবং বিভিন্ন দানাদার শস্যে পাওয়া যায় যা স্নায়ুতন্ত্র সচল রাখে।
সি) ভিটামিন ‘ই’ — এটি ভোজ্যতেল, বাদাম এবং অঙ্কুরিত ছোলায় পাওয়া যায় যা কোষের সুরক্ষায় কাজ করে।
ডি) ভিটামিন ‘ডি’ — এটি সূর্যরশ্মির সাহায্যে আমাদের ত্বক সরাসরি তৈরি করতে পারে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সূর্য থেকে আলো ও তাপ পাই, আর তার সঙ্গে পাই ভিটামিন ‘ডি’ যা হাড় মজবুত করে।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ভেড়ামারা
কেন সঠিক:
- কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অবস্থিত রামপাল ও রূপপুরের বাইরে দেশের অন্যতম প্রধান ও বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রিড উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সঞ্চালিত হয়।
- তবে বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে বর্তমানে পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু থাকলেও প্রাচীন ও ঐতিহ্যগত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাসে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা (রহনপুর বা ভেড়ামারা উৎপাদিত বিদ্যুৎ) তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান ও গুরুত্ব অনেক বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভেড়ামারা — এটি কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত দেশের একটি অন্যতম প্রধান বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন কেন্দ্র এবং সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
B) সিদ্ধিরগঞ্জ — এটি নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলেও এটি দেশের বৃহত্তম নয়।
C) গোয়ালপাড়া — এটি খুলনায় অবস্থিত একটি পুরোনো তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র, যা বর্তমানের সর্ববৃহৎ কেন্দ্রের তুলনায় আয়তন ও উৎপাদনে অনেক ছোট।
D) আশুগঞ্জ — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত একটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলেও ভেড়ামারার ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্বের কারণে এটি বৃহত্তম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৃহৎ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র মনে রাখতে ভে দিয়ে ভেড়ামারা এবং কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নাম সবার আগে মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রতিধ্বনি
কেন সঠিক:
- শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলনের ফলে সৃষ্ট প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়, যাকে সোনার প্রযুক্তি বলা হয়।
- শব্দ পানির নিচে পাঠিয়ে ফিরে আসতে লাগা সময় এবং শব্দের বেগ হিসাব করে গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিফলন — এটি আলোর ক্ষেত্রে ঘটে এবং প্রতিধ্বনির মূল নীতি হলেও সরাসরি গভীরতা মাপা বোঝায় না।
B) প্রতিধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর।
C) প্রতিসরণ — এটি মাধ্যম পরিবর্তনের সময় আলোর দিক পরিবর্তনের ঘটনা, গভীরতা মাপার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) প্রতিসরণাঙ্ক — এটি আলোর প্রতিসরণের একটি অনুপাতিক মান, যা এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
গভীরতা মাপতে শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়, তাই পানির নিচে প্রতিধ্বনি মানেই সোনার বা গভীরতা নির্ণয়।
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ সালে
কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি এশিয়া মহাদেশের প্রথম নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্ব দরবারে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৩ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
B) ১৯১২ সালে — এই সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'সং অফারিংস' প্রকাশিত হয়, যা নোবেল প্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখে কিন্তু নোবেলপ্রাপ্তির সাল এটি নয়।
C) ১৯১১ সালে — এই সালে বাংলা বিভক্ত রোধ এবং গীতাঞ্জলি কাব্য রচনার কাজ চললেও এটি নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়।
D) ১৯৩১ সালে — এই সালে নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয় মনে রাখতে সংখ্যাটি এভাবে ভাবুন, ১৯১২ সালে বই প্রকাশিত হলো আর ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯১৩ সালে তিনি নোবেল পেলেন।
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহরের প্রধান এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত দেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, পতেঙ্গা নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়।
C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের জেলা হলেও এখানে পতেঙ্গা সৈকত অবস্থিত নয়।
D) ফেনী — এটি একটি জেলা হলেও এখানে কোনো সমুদ্র সৈকত নেই।
মনে রাখার টিপস:
পতেঙ্গা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রাম দুটিই সমুদ্র ও নদীর মোহনার জন্য বিখ্যাত, তাই পতেঙ্গা মানেই চট্টগ্রাম।
সঠিক উত্তর: A) জাপান
কেন সঠিক:
- জাপান পৃথিবীর সর্বপ্রাচীন স্বাধীন দেশগুলোর একটি এবং এটি এশিয়ার সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জাপানে সবার আগে সূর্য ওঠে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এশিয়ার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত হওয়ায় এখানে সবার আগে সূর্য ওঠে।
B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এটিকে বলা হয় সাদা হাতির দেশ।
C) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং বিষুবরেখার ওপর অবস্থিত একটি দেশ।
D) চীন — এটি জাপানের পশ্চিমে অবস্থিত একটি বিশাল আয়তনের এশিয়ান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের স্থানীয় নাম নিহোন যার অর্থ সূর্যের উৎস, তাই একে সূর্য উদয়ের দেশ বলা হয়।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র-জনতা আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হন।
- এই ঐতিহাসিক ঘটনার মাধ্যমেই বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা ঘটেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — ১৯৭১ সালে সংঘটিত হয়, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
C) গণঅভ্যুত্থান — ১৯৬৯ সালে সামরিক শাসনবিরোধী গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল যা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
D) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা — ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানসহ বত্রিশ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে।
মনে রাখার টিপস:
৫২ সাল মানেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, যেখানে সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বদার রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ।
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।
- পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের উদ্দেশ্যে দিনটি পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
B) ৫ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো নির্ধারিত ঘটনার তারিখ।
C) ৫ আগস্ট — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক দিন।
D) ৫ মার্চ — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় আমরা সবাই 'পঞ্চম' (৫) ইন্দ্রিয় সজাগ রাখি এবং গরমের মাস জুন মাসে প্রকৃতি বেশি সবুজ থাকে।
সঠিক উত্তর: B) ১৬টি
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছিল।
- এই আসরে সহযোগী ও টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলো মিলিয়ে মোট ১৬টি দল মূল পর্বে খেলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০টি — এটি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপের দলসংখ্যা।
B) ১৬টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ২০১৪ সালের বাংলাদেশ আসরের জন্য প্রযোজ্য।
C) ১৪টি — টি-২০ বিশ্বকাপে এই সংখ্যায় কখনো দল অংশ নেয়নি।
D) ১২টি — এটি সাধারণত টি-২০ বিশ্বকাপের আগের কয়েকটি আসরের দলসংখ্যা ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ আয়োজিত ২০১৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে ১৬টি দল খেলেছিল, যা ২০২৪ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ২০টি হয়েছে।
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫টি
কেন সঠিক:
- স্থানীয় সরকার বিভাগ ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- সর্বশেষ প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে উপজেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে এই সংখ্যায় উন্নীত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৮৭টি — এটি পূর্ববর্তী একটি সময়কার উপজেলার সংখ্যা ছিল, যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়েছে।
B) ৪৫৬টি — এই সংখ্যাটি আরও পুরনো এবং বর্তমান প্রশাসনিক পরিসংখ্যানের সাথে মিল নেই।
C) ৪৭১টি — এটি বিগত বছরগুলোতে উপজেলার সংখ্যা বৃদ্ধির আগের একটি হিসাব।
D) ৪৯৫টি — এটি বর্তমান ও সর্বশেষ হালনাগাদ করা সঠিক প্রশাসনিক উপজেলার সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচশো থেকে পাঁচ কম, অর্থাৎ ৪৯৫ হলো বর্তমান উপজেলার সংখ্যা।
সঠিক উত্তর: C) ২০তম
কেন সঠিক:
- এডভোকেট মো. আব্দুল হামিদ বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বিশতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬তম — এটি ভুল কারণ ১৬তম রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ নন, এই ক্রমের সঙ্গে অন্য রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট।
B) ১৫ তম — এটি ভুল কারণ জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, ১৫তম রাষ্ট্রপতি নন।
C) ২০তম — এই অপশনটি সঠিক এবং মো. আব্দুল হামিদ বিশতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
D) ১৯তম — এটি ভুল কারণ ১৯তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন জিল্লুর রহমান, মো. আব্দুল হামিদ নন।
মনে রাখার টিপস:
আব্দুল হামিদ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের বিশতম রাষ্ট্রপতি হন।
সঠিক উত্তর: C) 0.2071
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলে গ্যাসের প্রকৃত অনুপাত পরিমাপ করলে দেখা যায় অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ বা দশমিক হিসেবে ০.২০৭১।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর সুনির্দিষ্ট ভগ্নাংশ বা শতকরা হার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই সঠিক বৈজ্ঞানিক মানটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.2001 — এটি বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের প্রকৃত বৈজ্ঞানিক পরিমাপের সাথে মিলে না এবং এটি একটি ভুল মান।
B) 0.2101 — সাধারণ জ্ঞানে প্রায় ২১ শতাংশ বলা হলেও সুনির্দিষ্ট দশমিক ভগ্নাংশের হিসাবে এই মানটি সঠিক নয়।
C) 0.2071 — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) 0.2171 — এই মানটি অক্সিজেনের প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি এবং এটি বিভ্রান্তিকর একটি অপশন।
মনে রাখার টিপস:
বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের শতকরা পরিমাণ প্রায় ২১ শতাংশ হলেও নিখুঁত দশমিক মাপে মনে রাখতে হবে শূন্য দশমিক দুই শূন্য সাত এক বা ০.২০৭১।
সঠিক উত্তর: D) ইউরিয়া
কেন সঠিক:
- ইউরিয়া সারের মূল উপাদান হলো নাইট্রোজেন, যা বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়।
- উদ্ভিদের বর্ধন ও আমিষ গঠনে নাইট্রোজেন প্রধান ভূমিকা পালন করায় ইউরিয়া সার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাইট্রোজেন সরবরাহকারী সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিএসপি — এটি একটি ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম সরবরাহকারী রাসায়নিক সার, যা নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রস্তুত করা হয় না।
B) সবুজ সার — এটি কোনো কারখানায় গ্যাস থেকে তৈরি সার নয়, বরং শিম্বগোত্রীয় গাছপালা মাটিতে মিশিয়ে তৈরি করা প্রাকৃতিক জৈব সার।
C) পটাশ — এটি পটাসিয়াম ক্লোরাইড বা মিউরেট অব পটাশ থেকে তৈরি হয়, যা পটাশিয়াম সরবরাহ করে এবং নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রস্তুত হয় না।
D) ইউরিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রস্তুত প্রধান রাসায়নিক সার।
মনে রাখার টিপস:
ইউ-তে ইউরিয়া এবং না-তে নাইট্রোজেন, অর্থাৎ নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) যমুনা
কেন সঠিক:
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে কুড়িগ্রামের চিলমারী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর যমুনা নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের প্রভাবে নদীটির তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় এর মূল প্রবাহ দক্ষিণ-পশ্চিমে যমুনা নদী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — এটি মূলত গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা নদী যা ভারতের গঙ্গা থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নয়।
B) যমুনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নদী হিসেবে বাংলাদেশে পরিচিত।
C) সুরমা — এটি মূলত বরাক নদীর শাখা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী, যা ব্রহ্মপুত্রের সাথে সরাসরি প্রধান শাখা হিসেবে সম্পর্কিত নয়।
D) মেঘনা — এটি আসাম ও ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন একটি স্বাধীন নদী অববাহিকা এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নদী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রহ্মপুত্রের শাখা মনে রাখতে মনে রাখুন বিয়োগ (বি for ব্রহ্মপুত্র, য for যমুনা)।
সঠিক উত্তর: C) AB রক্ত গ্রুপকে
কেন সঠিক:
- এই রক্ত গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না, যা অন্য গ্রুপের রক্তের অ্যান্টিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না।
- এর রক্তরসে কোনো অ্যান্টিবডি না থাকায় এটি যেকোনো গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A রক্ত গ্রুপকে — এটি কেবল A ও O গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই এটি সার্বিক গ্রহীতা নয়।
B) B রক্ত গ্রুপকে — এটি কেবল B ও O গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই এটি সার্বিক গ্রহীতা নয়।
C) AB রক্ত গ্রুপকে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) O রক্ত গ্রুপকে — এটি সার্বিক দাতা হিসেবে পরিচিত কারণ এটি সব গ্রুপকে রক্ত দিতে পারে, কিন্তু গ্রহীতা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রহীতা মানে গ্রহণ করা, তাই সব গ্রুপ থেকে গ্রহণ করতে পারে AB এবং দাতা মানে দান করা, তাই সবাইকে দিতে পারে O।
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটির সাথে ভারত এবং মিয়ানমার উভয় দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- এই জেলার পূর্ব দিকে মিয়ানমার এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এই জেলার সাথে শুধু মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই।
B) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে, মিয়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই।
C) বান্দরবান — এই জেলার সাথে শুধু মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই।
D) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সাথে সীমান্ত আছে কিন্তু মিয়ানমারের সাথে নেই এমন জেলা তিনটি (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) মনে রাখলে রাঙামাটি ব্যতিক্রম হিসেবে দুই দেশের সীমান্ত থাকার বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) মার্ক জুকারবার্গ
কেন সঠিক:
- মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বন্ধুদের সাথে নিয়ে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির মূল প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তিনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিল গেটস — তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা।
B) টিম বানার্স লি — তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর আবিষ্কারক, কোনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের প্রতিষ্ঠাতা নন।
C) মার্ক জুকারবার্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) এন্ডি গ্রোড — তিনি সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের অন্যতম সাবেক প্রধান নির্বাহী ছিলেন, ফেসবুকের সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা মুখমবইয়ের পাতা ওল্টাতে গেলেই মার্ক জুকারবার্গের নাম সবার আগে আসে।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
কেন সঠিক:
- হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা এক এবং এটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে হালকা ও প্রাচুর্যময় মৌল।
- এর পারমাণবিক ভর প্রায় ১ দশমিক শূন্য শূন্য আট, যা অন্যান্য সকল মৌলের তুলনায় সর্বনিম্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভর সব মোলের চেয়ে কম।
B) হিলিয়াম — এটি দ্বিতীয় হালকা গ্যাস, তবে হাইড্রোজেনের চেয়ে ভারী।
C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে থাকে এবং হাইড্রোজেনের চেয়ে অনেক ভারী।
D) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং বায়ুমণ্ডলে এর উপস্থিতি হাইড্রোজেনের তুলনায় অনেক বেশি ও ভারী।
মনে রাখার টিপস:
পর্যায় সারণির প্রথম মৌল হাইড্রোজেন হলো সবচেয়ে হালকা গ্যাস।
সঠিক উত্তর: A) ব্র্যাক ব্যাংক
কেন সঠিক:
- বিকাশ লিমিটেড বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান বা জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে এটি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (MFS) প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্র্যাক ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিকাশ ব্যাংকটির একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
B) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি একটি ক্ষুদ্রঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠান এবং নোবেল জয়ী ব্যাংক, যা বিকাশের সঙ্গে যুক্ত নয়।
C) জনতা ব্যাংক — এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা বিকাশের প্রতিষ্ঠায় অংশীদার ছিল না।
D) ডাচ-বাংলা ব্যাংক — এটি নিজেই একটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (রকেট) পরিচালনা করে, যা বিকাশের অংশীদার নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্র্যাক ব্যাংকের 'ব্র' এবং বিকাশের 'ব' বর্ণ দুটি মনে রেখে সহজে সম্পর্কটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মাওরি
কেন সঠিক:
- মাওরি হলো নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী, তাই এরা বাংলাদেশে বসবাস করে না।
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই উপজাতিটি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের বাইরে পলিনেশীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিচিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
B) মাওরি — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশে এদের কোনো বসবাস নেই।
C) মুরং — এটি বান্দরবান ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী একটি উপজাতি।
D) গারো — এটি মূলত ময়মনসিংহ, শেরপুর ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাসকারী একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
মনে রাখার টিপস:
বিদেশি উপজাতি চেনার সহজ উপায় হলো মাওরি নামটি নিউজিল্যান্ডের রাগবি দলের হাকা নাচের সঙ্গে মনে রাখা।
সঠিক উত্তর: A) পলাশীর যুদ্ধে
কেন সঠিক:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নদীয়া জেলার পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হন।
- সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা এবং ষড়যন্ত্রের কারণে নবাবের পতন ত্বরান্বিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পলাশীর যুদ্ধে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন এবং বাংলায় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়।
B) সিপাহী বিদ্রোহে — এটি ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যার সাথে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বক্সারের যুদ্ধে — এটি ১৭৬৪ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যেখানে মীর কাশিম, সুজাউদ্দৌলা ও শাহ আলমের যৌথ বাহিনী পরাজিত হয়।
D) কর্নাটকের যুদ্ধে — এটি ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মধ্যে দক্ষিণ ভারতে সংঘটিত হয়েছিল, যার সাথে বাংলার নবাবের পরাজয়ের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন, যা বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত করে।
সঠিক উত্তর: B) অনুক্ত
কেন সঠিক:
১. ‘যা বলা হয়নি’ বাক্যাংশটিকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য ‘অনুক্ত’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী না বলা বা অব্যক্ত ভাব প্রকাশ করতে এই এককথ It প্রকাশের প্রচলন রয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল অর্থের সংক্ষিপ্ত ও সঠিক রূপদানই ব্যাকরণের মূল নিয়ম।
২. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সাধনায় ভাবের পূর্ণতা ও মাধুর্য আনার জন্য বাক্য সংকোচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. যেমন যা বলা হয়েছে তাকে উক্ত বলে, আর যা বলা হয়নি তাকে অনুক্ত বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকথ্য — যা মুখে আনা যায় না বা যা বলা উচিত নয় তাকে অকথ্য বলা হয়।
C) নির্বাক — যার কোনো বাক বা কথা নেই অর্থাৎ যে চুপ করে থাকে তাকে নির্বাক বলে।
D) মূক — যার কথা বলার শারীরিক ক্ষমতা নেই বা বোবা তাকে মূক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. না বোধক বা অপ্রকাশিত অর্থ বোঝাতে সাধারণত ‘অ’ বা ‘অনু’ উপসর্গ যুক্ত হয়।
২. উক্ত শব্দের আগে অনু উপসর্গ যোগ করে খুব সহজেই অনুক্ত শব্দটি মনে রাখা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) তুলো
১. কেন সঠিক:
- বাংলা শব্দভান্ডারে শব্দগুলো মূলত সাধু ও চলতি এই দুই রীতিতে বিভক্ত থাকে।
- তুলো শব্দটি তুলনামূলক সহজ, সাবলীল এবং কথ্য ভাষার রূপ হওয়ায় এটি চলতি রীতির শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সাধু রীতিতে শব্দের রূপ কিছুটা গম্ভীর ও তৎসম বা তদ্ভব শব্দের প্রাচীন রূপের কাছাকাছি থাকে।
- চলতি রীতিতে শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়ে সহজ ও সাবলীল আকার ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাউল থেকে চাল
ব্যাখ্যা: চাউল হলো সাধু রূপ এবং চাল হলো এর চলতি রূপ।
উদাহরণ ২: আধার থেকে আঁধার
ব্যাখ্যা: আধার হলো সাধু রূপ এবং আঁধার হলো এর চলতি রূপ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শুষ্ক — এটি একটি তৎসম বা সাধু রীতির শব্দ যার চলতি রূপ শুকনা।
B) শুকনা — বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি কিছুটা মিশ্র বা কথ্য হলেও 'তুলো'র মতো এটি আদর্শ চলতি রূপ হিসেবে চিহ্নিত নয়।
C) তুলা — তুলো শব্দের মূল তৎসম রূপ হলো তুলী বা তুলা, যা কিছুটা সাধু বা প্রমিত লিখিত রূপের অন্তর্গত।
D) তুলো — এটি সঠিক চলতি রীতির শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু রীতির শব্দে যুক্তাক্ষর বা প্রাচীন শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে আর চলতি রীতিতে তা সহজ হয়।
- কথ্য ও সাবলীল রূপ দেখলেই তা চলতি রীতির শব্দ হিসেবে চিনে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলতি রীতির রূপান্তর প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- মূল শব্দ এবং তার চলতি রূপগুলো আলাদা করে মনে রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) পথের রাজা
১. কেন সঠিক:
‘রাজপথ’ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য হলো ‘পথের রাজা’। এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের একটি বিশেষ উদাহরণ যেখানে প্রধান পথ বোঝাতে রাজা শব্দটি পরে না বসে সম্বন্ধ পদে রূপ নেয়।
এখানে ‘পথ’ হলো বিশেষ্য পদ এবং ‘রাজা’ শব্দটি দিয়ে বড় বা প্রধান পথকে বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সাধিত হয়েছে যেখানে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
সাধারণত বড় বা প্রধান রাস্তা বোঝাতে তৎপুরুষ সমাসে এই ধরনের শব্দ গঠিত হয় এবং রাজা শব্দটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাসমুদ্র
ব্যাখ্যা: মহান যে সমুদ্র, এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ হলেও বড় বোঝাতে রাজপথের মতো বিশেষ রূপ নেয়।
উদাহরণ ২: রাজহাঁস
ব্যাখ্যা: হাঁসের রাজা, এটিও ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে প্রধান বা শ্রেষ্ঠ বোঝাতে রাজা ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পথের রাজা — এটি সঠিক উত্তর কারণ মূল শব্দের ভাবার্থ অনুযায়ী প্রধান পথ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
B) রাজার পথ — এটি ভুল কারণ পথ কোনো রাজার নিজস্ব সম্পত্তি নয়, বরং এটি পথের শ্রেষ্ঠত্ব বোঝায়।
C) রাজা নির্মিত পথ — এটি ভুল কারণ পথ রাজা নিজে তৈরি করেছেন এমন ঐতিহাসিক বা শাব্দিক অর্থে রাজপথ শব্দটি গঠিত হয় না।
D) রাজাদের পথ — এটি ভুল কারণ পথ কোনো নির্দিষ্ট রাজাদের চলাচলের জন্য তৈরি বোঝায় না, এটি সর্বসাধারণের প্রধান রাস্তাকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
প্রধান বা বড় বোঝাতে ব্যাসবাক্যে রাজা শব্দটি পরে বা সম্বন্ধ পদে ব্যবহৃত হয়।
ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ বা প্রধান বোঝাতে এই নিয়ম মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সমাস প্রায়ই আসে যেখানে শব্দের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের রূপ পরিবর্তন লক্ষ করা যায়।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী সমাসগুলো আয়ত্ত করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) মত + ঐক্য
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুযায়ী অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং তা যুক্তবর্ণ হিসেবে আগের বর্ণের সঙ্গে বসে। মত শব্দের শেষে অ এবং ঐক্য শব্দের শুরুতে ঐ থাকায় উভয় মিলে ঐ-কার হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম যেখানে অ বা আ এবং এ বা ঐ মিলিত হয়ে ঐ-কার গঠিত হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই সন্ধিটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জন + একতা = জনৈকতার বদলে জনৈক।
ব্যাখ্যা: এখানে অ এর সঙ্গে এ যুক্ত হয়ে ঐ-কার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: সদা + এব = সর্বদা।
ব্যাখ্যা: এখানে আ এর সঙ্গে এ যুক্ত হয়ে ঐ-কার গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মতঃ + এক — এখানে বিসর্গ সন্ধির ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল।
B) মতঃ + ঐক্য — এখানেও বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়মের সঙ্গে মিলে না।
C) মত + এক — এই অপশনে এক শব্দ থাকায় শেষ ধ্বনি হিসেবে ঐ-কার তৈরি হয় না।
D) মত + ঐক্য — এটি সঠিক কারণ মত শব্দের অ এবং ঐক্য শব্দের ঐ মিলে ঐ-কার হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দটির মাঝে যদি ঐ-কার থাকে তবে বিচ্ছেদ করার সময় প্রথম শব্দের শেষে অ বা আ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে এ বা ঐ আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় এই ধরনের স্বরসন্ধি প্রায়ই আসে। তাই অ-কার বা আ-কারের পর এ-কার বা ঐ-কার থাকলে তার নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কবিরাজ
কেন সঠিক:
কবিরাজ শব্দের নিজস্ব কোনো স্ত্রীবাচক রূপ বাংলা ব্যাকরণে সিদ্ধ নয়।
এই পদের ক্ষেত্রে স্ত্রীলিঙ্গ বোঝাতে সাধারণত শব্দের পূর্বে মহিলা বা স্ত্রী শব্দ যুক্ত করতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক ভেদের কোনো স্বতন্ত্র রূপ থাকে না।
এ ধরনের নিত্য পুরুষবাচক শব্দের ক্ষেত্রে আলাদা কোনো প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা যায় না।
যেমন কবিরাজ শব্দের কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না বলে একে বিশেষ নিয়মে ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অজ — এই শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ অজা পাওয়া যায়।
B) নর — এই শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ নারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
C) কবিরাজ — এই শব্দটির কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না।
D) কবি — এই শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে মহিলা কবি বা কখনো অব্যয় যোগ হয়।
মনে রাখার টিপস:
যেসব পেশা বা উপাধি বোঝক শব্দে পুরুষ ও স্ত্রী ভেদ করা যায় না সেগুলো ভালো করে মুখস্থ করতে হবে।
কবিরাজ শব্দের আগে স্ত্রী বা মহিলা বসিয়ে লিঙ্গ পরিবর্তন করতে হয় তাই এটি নিত্য পুরুষবাচক।
সঠিক উত্তর: D) ১৩টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্য গঠনে ও অর্থ পরিষ্কার করার জন্য যতি বা ছেদ চিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের প্রবর্তন করেন এবং বর্তমানে বাংলা একাডেমি স্বীকৃত মোট যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৩টি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যতি বা ছেদ চিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য এবং বক্তার ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে বাক্যের মধ্যে বা শেষে যে বিরতি দিতে হয়, তা নির্দেশক প্রতীক। এই ১৩টি চিহ্নের মধ্যে ১টি মাত্র চিহ্ন থামার প্রয়োজন হয় না, আর বাকিগুলো বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের বিরতি নির্দেশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কমা
ব্যাখ্যা: বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে কমা ব্যবহৃত হয়, যেমন রহিম, তুমি এদিকে এসো।
উদাহরণ ২: পূর্ণচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: বাক্য সমাপ্তি বোঝাতে পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়, যেমন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১০টি — এটি ভুল কারণ বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের সংখ্যা ১০টি নয়, বরং ১৩টি।
B) ১১টি — এটি ভুল কারণ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে যতি চিহ্নের সংখ্যা ১১টি হিসেবে ধরা হয় না।
C) ১২টি — এটি ভুল কারণ প্রাচীন বা আধুনিক কোনো ব্যাকরণেই যতি চিহ্নের সংখ্যা ১২টি বলা হয়নি।
D) ১৩টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি নির্ধারিত ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী যতি বা ছেদ চিহ্ন মোট ১৩টি।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা যতি চিহ্নের প্রবর্তক এবং এই সংখ্যাটি ১৩, যা একটি বেজোড় সংখ্যা হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়। মনে রাখতে হবে যে কোলন ড্যাশ বা সেমিকোলনের মতো চিহ্নগুলো সবই এই ১৩টির অন্তর্ভুক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএসসহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই যতি চিহ্নের সংখ্যা বা এর প্রবর্তক সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। যতি চিহ্নগুলোর মধ্যে একমাত্র প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়সূচক চিহ্নে বাক্যের সুরের ওঠানামা ঘটে এবং কোলন ও সেমিকোলনের বিরতিকাল ভালোভাবে জেনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: D) কোনোটিই নয়
১. কেন সঠিক:
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনো বানানই বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সঠিক নয়। অপশনগুলোতে থাকা বানানগুলোতে মূর্ধন্য এবং দন্ত্য বর্ণের ব্যবহারের ত্রুটি রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ই-কার বা ঈ-কার এবং ণ ও ন ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। প্রমিত বানানরীতি অনুসরণে ভুল বানানগুলো সংশোধন করে সঠিক রূপ দিতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উষা বানান ভুল, এর সঠিক রূপ উষা যেখানে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স বা সঠিক নিয়ম অনুযায়ী উষা বানানে উষা হবে।
ব্যাখ্যা: বাংলা বানানে অতৎসম শব্দে সাধারণত মূর্ধন্য ষ লেখা হয় না।
উদাহরণ ২: কিংবদন্তি বানান ভুল, এর সঠিক রূপ কিংবদন্তি।
ব্যাখ্যা: বানানের ক্ষেত্রে অনুস্বর ও ঙ এর ব্যবহার সঠিকভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উষা — এই বানানটিতে ব্যবহৃত বর্ণে ত্রুটি রয়েছে কারণ প্রমিত বানানে এটি ভিন্নভাবে লেখা হয়।
B) কিংবদন্তি — এই অপশনের বানানটিতে প্রমিত বানানরীতির নিয়ম পুরোপুরি অনুসৃত হয়নি।
C) আমীন — এই বানানটি প্রমিত বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক শব্দ গঠন নির্দেশ করে না।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু প্রথম তিনটি অপশনের একটিও সঠিক বানান নির্দেশ করছে না, তাই এই অপশনটি সঠিক।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। শব্দের উৎস বিবেচনা করে তৎসম ও অতৎসম শব্দের বানান আলাদা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বানান সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকলে শেষের অপশনটি নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ভূপতি
১. কেন সঠিক:
ভূপতি শব্দের অর্থ পৃথিবীর স্বামী বা রাজা।
সাগর শব্দের সমার্থক শব্দ নয় এটি, তাই এটি সঠিক উত্তর।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের সমার্থক শব্দ নির্ণয় করার জন্য শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হয়।
জলধি, পাথার ও অর্ণব শব্দগুলোর সঙ্গে সমুদ্র বা সাগরের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদধি
ব্যাখ্যা: উদধি শব্দটি জল ধারণ করে বলে এটি সাগরের একটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পারাবার
ব্যাখ্যা: পারের সীমা নেই যা, তাকে পারাবার বলে এবং এটিও সাগরের সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলধি — জল ধারণ করে যা, অর্থাৎ সাগর। এটি সাগরের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ।
B) পাথার — জল বা সমুদ্রের বিশাল বিস্তার বোঝাতে পাথার শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
C) অর্ণব — অর্ণব শব্দের অর্থ সমুদ্র বা সাগর, যা এর একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ।
D) ভূপতি — ভূপতি শব্দের অর্থ রাজা বা পৃথিবীর পতি, যা সাগরের সমার্থক শব্দ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমুদ্র বা সাগর বোঝাতে যে শব্দগুলোর শেষে ধী, নিধি, অর্ণব বা পারাবার থাকে, সেগুলো সাধারণত সাগরের সমার্থক হয়।
রাজা বা পতিবাচক শব্দগুলো মানুষ বা শাসকদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
সমুদ্র, পৃথিবী, আকাশ ও নদীর সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে পড়লে পরীক্ষার সময় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: D) অপকর্ষ
১. কেন সঠিক:
- উৎকর্ষ শব্দের অর্থ উন্নতি, উৎকণ্ঠা বা শ্রেষ্ঠত্ব এবং এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে অবনতি বা হীনতা যা অপকর্ষ শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়।
- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করার সময় শব্দের উৎস ও রূপের মিল রাখতে হয়, তাই উৎকর্ষ শব্দের বিপরীত অপকর্ষ সঠিক।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যেখানে শব্দের অর্থের ভিন্নতা বা বিপরীত ভাব প্রকাশ করা হয়।
- বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষ্য পদ এবং বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ হিসেবে বিশেষণ পদ ব্যবহার করার সাধারণ নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আকুঞ্চন শব্দের বিপরীত শব্দ প্রসারণ।
ব্যাখ্যা: আকুঞ্চন অর্থ সংকোচন বা ছোট হওয়া এবং এর বিপরীত হলো প্রসারণ বা প্রসারিত হওয়া।
উদাহরণ ২: অনুরাগ শব্দের বিপরীত শব্দ বিরাগ।
ব্যাখ্যা: অনুরাগ অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি এবং বিরাগ অর্থ অনাসক্তি বা বিতৃষ্ণা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উৎকৃষ্ট — এটি একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ ভালো, কিন্তু উৎকর্ষ হলো বিশেষ্য পদ তাই এটি বিপরীত শব্দ হিসেবে সরাসরি মেলে না।
B) অপকৃষ্ট — এটি একটি বিশেষণ পদ এবং এর অর্থ মন্দ বা খারাপ, যা উৎকর্ষ বিশেষ্যের সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়।
C) নিকৃষ্ট — এটিও একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ সবচেয়ে খারাপ বা হীন, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে উৎকর্ষ বিশেষ্যের বিপরীত অপকর্ষ।
D) অপকর্ষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উৎকর্ষ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎ উপসর্গযুক্ত বিশেষ্য পদের বিপরীত শব্দ তৈরির সময় অনেক ক্ষেত্রে অপ উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠন করা হয়।
- যেমন উৎকর্ষ শব্দের শুরুতে অপ যোগ করে অপকর্ষ এবং উৎকর্ষের মতো উন্নতিবাচক শব্দ চেনার মাধ্যমে সহজেই বিপরীত শব্দ মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার বিষয়টি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্নে শব্দের প্রকৃতি অর্থাৎ বিশেষ্য না বিশেষণ তা ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে উত্তর নির্ধারণ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) বাগ্বিধি
১. কেন সঠিক:
যে সকল শব্দ বা শব্দসমষ্টি সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে কোনো বিশেষ বা ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বাংলা ব্যাকরণে বাগ্বিধি বলা হয়। একে অনেক সময় বাগধারা বা প্রবাদ-প্রবচন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাগ্বিধি বা বাগধারা হলো ভাষার এমন এক বিশেষ প্রয়োগ, যা পদের সাধারণ অর্থকে অতিক্রম করে একটি নতুন ও ভাবসমৃদ্ধ অর্থ প্রকাশ করে। এর গঠন সাধারণত একাধিক পদের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং এর অর্থ গভীর ও ব্যঞ্জনাধর্মী হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: শব্দটির আক্ষরিক অর্থ অকালের কুমড়া হলেও বাগ্বিধি হিসেবে এর বিশিষ্ট অর্থ হলো অপদার্থ বা অকর্মণ্য ব্যক্তি।
উদাহরণ ২: ডুমুরের ফুল
ব্যাখ্যা: ডুমুরের ফুল আক্ষরিক অর্থে গাছের ফুল বোঝালেও বাগ্বিধি হিসেবে এর বিশিষ্ট অর্থ হলো দুর্লভ বস্তু।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাগ্বিধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ অর্থের বাইরে বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
B) সমার্থক শব্দ — সমার্থক শব্দ বলতে একই অর্থের ভিন্ন ভিন্ন শব্দকে বোঝায়, যা কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না।
C) ভিন্নার্থক শব্দ — ভিন্নার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যার একাধিক ভিন্ন অর্থ থাকতে পারে, কিন্তু এটি বাগ্বিধির মতো বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে না।
D) বিপরীতার্থক শব্দ — বিপরীতার্থক শব্দ একটি শব্দের ঠিক উলটো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, যা সাধারণ অর্থের আওতাভুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
সাধারণ অর্থ বাদ দিয়ে যখন কোনো শব্দগুচ্ছ নতুন কোনো বিশেষ অর্থ বা ভাব প্রকাশ করবে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে বাগ্বিধি বা বাগধারা হিসেবে চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা বা বাগ্বিধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে শব্দগুচ্ছের অন্তর্নিহিত অর্থ নির্ণয় করার ক্ষেত্রে। তাই আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে ভাবগত অর্থ মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) ভাবের ওপর
১. কেন সঠিক:
অনুবাদ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অর্থের রূপান্তর। অনুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক বা শব্দে শব্দে অনুবাদ না করে মূল রচনার অন্তর্নিহিত ভাবকে রক্ষা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অনুবাদ সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি অনুবাদ কলা বা ভাষা শিক্ষা অংশের অন্তর্ভুক্ত। সফল অনুবাদের মূল শর্ত হলো মূল ভাষার ভাব ও সুর অপরিবর্তিত রেখে লক্ষ্য ভাষায় তা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইংরেজি প্রবাদ আ লেম্ব ইন উলফস ক্লোদিং এর ভাবানুবাদ হলো শেয়ালের চামড়ায় শিয়াল বা ভেড়ার চামড়ায় নেকড়ে। এখানে শব্দের আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবগত মিল রক্ষা করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: প্রবাদ ও বাগধারার অনুবাদে শব্দের মিলের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাব বা অর্থ প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
উদাহরণ২: ইংরেজি বাক্য ইট রেইনিং ক্যাটস এন্ড ডগস এর ভাবানুবাদ হলো মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। এখানে ক্যাটস এন্ড ডগস শব্দের অর্থ বিড়াল ও কুকুর না ধরে মুষলধারে বৃষ্টির ভাবটি গ্রহণ করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে আক্ষরিক অনুবাদ করলে অর্থ ভুল দাঁড়াত, তাই সঠিক অনুবাদের জন্য ভাবের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষয়ের ওপর — অনুবাদ কোন বিষয়ের ওপর হচ্ছে তা নির্ধারণ করে পরিভাষা, কিন্তু অনুবাদের প্রকৃতি বা ধরন মূলত ভাবের ওপর নির্ভর করে।
C) বিন্যাসের ওপর — বাক্যবিন্যাস ভাষার নিজস্ব নিয়ম মেনে চলে, যা অনুবাদের ধরন নির্ধারণের মূল নিয়ন্ত্রক নয়।
D) ভাষার ওপর — ভাষা মাধ্যম হিসেবে কাজ করলেও কোন ধরনে বা শৈলীতে অনুবাদ হবে তা উৎসের ভাব নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনুবাদ মানে শব্দের হুবহু নকল নয়, বরং ভাবের সঠিক প্রকাশ। তাই প্রশ্ন দেখলেই মনে রাখবে অনুবাদ মানেই ভাব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রায়ই আক্ষরিক অনুবাদ এবং ভাবানুবাদের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। প্রবাদ বা বাগধারার ক্ষেত্রে সর্বদা ভাবানুবাদ বা ভাবের ওপর নির্ভর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) সম্পূর্ণভাবে
১. কেন সঠিক:
'A to Z' একটি ইংরেজি শব্দগুচ্ছ যা বাংলায় বাগধারার মতো বা প্রবাদতুল্য বাক্যাংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর আক্ষরিক অর্থ ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম অক্ষর থেকে শেষ অক্ষর পর্যন্ত, যার ভাবগত অর্থ হলো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বা কোনো কিছু সম্পূর্ণভাবে বা আদ্যোপান্ত জানা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি মূলত বিদেশি ভাষার শব্দ বা ফ্রেস যা বাংলা ভাষায় প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থভিত্তিক প্রশ্ন হিসেবে আসে। ইংরেজি বর্ণমালার এ থেকে জেড পর্যন্ত বলতে পুরো বিষয়টিকে বুঝায়, তাই এটি পূর্ণতা বা সমগ্রতা প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে এই কাজের এ টু জেড সব জানে।
ব্যাখ্যা: এখানে কাজটি সম্পর্কে সম্পূর্ণ বা আদ্যোপান্ত জানার অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পরীক্ষার পড়া এ টু জেড শেষ করতে হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে সিলেবাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্পূর্ণভাবে — সঠিক উত্তর কারণ এই ফ্রেসটি পূর্ণতা বোঝায়।
B) সারাক্ষণ — ভুল অপশন কারণ এটি সময় ব্যাপ্তি বোঝায়, যা এ টু জেড এর মূল ভাবের সঙ্গে মিলে না।
C) শেষ পর্যন্ত — ভুল অপশন কারণ এটি আংশিক অর্থ প্রকাশ করে, সমগ্রতা বোঝায় না।
D) মৃত্যু অবধি — ভুল অপশন কারণ এটি জীবনকাল বা সময়সীমা নির্দেশ করে, কোনো বিষয়ের সম্পূর্ণতা বোঝায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বর্ণমালার শুরু এ এবং শেষ জেড, তাই এ টু জেড মানে শুরু থেকে শেষ বা সম্পূর্ণভাবে। বিদেশি এই ফ্রেসের ভাবার্থ মনে রাখলেই যেকোনো পরীক্ষায় উত্তর করা সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি শব্দগুচ্ছ ও ইংরেজি ফ্রেসের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই শব্দগুলোর আক্ষরিক অর্থ না বুঝে ভাবার্থ বা প্রমিত বাংলা অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সম্প্রদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- কোনো কিছু প্রাপ্তির আশা না করে স্বত্ব ত্যাগ করে কাউকে কিছু দান বা সাহায্য করলে সম্প্রদান কারক হয়।
- এখানে অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টিশক্তি দেয়ার কথা বলা হয়েছে এবং এতে কোনো প্রতিদান বা শর্ত নেই।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলায় যাকে নিঃস্বত্বে দান বা সাহায্য করা বোঝায়, তাকে সম্প্রদান কারক বলা হয়।
- অন্ধজনে শব্দটির সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দরিদ্রকে খাদ্য দাও।
ব্যাখ্যা: দরিদ্রকে নিঃস্বত্বে সাহায্য করা বোঝানোর কারণে এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: সৎপాత్రে কন্যা দান কর।
ব্যাখ্যা: সৎপాత్రে চিরতরে কন্যা অর্পণ করা বোঝানোর কারণে এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে ৭মী বিভক্তি হতে পারে, কিন্তু এখানে স্বত্ব ত্যাগ করে সাহায্য করা বোঝানোর কারণে কর্ম কারক হবে না।
B) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি হতে পারে, তবে বাক্যের অর্থ নিঃস্বত্বে দান হওয়ায় এটি কর্ম কারক নয়।
D) সম্প্রদানে ৪র্থী — সম্প্রদান কারক ঠিক থাকলেও অন্ধজনে শব্দটিতে এ বিভক্তি থাকায় তা চতুর্থী বিভক্তি হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নিঃস্বত্বে দান বা সাহায্য বুঝলেই সম্প্রদান কারক হয়।
- শব্দে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সম্প্রদান কারক নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিসিএস পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বাক্যের গভীর অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ষট্ + ঋতু
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে প্রথম পদের অন্তস্থিত অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পর স্বরধ্বনি থাকলে তা পরিবর্তিত হয়ে ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনিতে পরিণত হয়।
- এখানে 'ষট্' শব্দের অন্তে ট রয়েছে, যা বর্গের প্রথম ধ্বনি এবং এর পরে স্বরধ্বনি ঋ আসায় ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বর্গের প্রথম ধ্বনির পর স্বরধ্বনি বা ঘোষ ধ্বনি থাকলে প্রথম ধ্বনিটি তারই বর্গের তৃতীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়।
- অর্থাৎ ক, চ, ট, ত, প-এর পর স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব-তে পরিণত হয় এবং নিচে হসন্ত বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জগৎ + ইন্ধন = জগদীন্ধন
ব্যাখ্যা: এখানে ত-এর পর স্বরধ্বনি ই থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে দ হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাক + জাল = বাগজাল
ব্যাখ্যা: এখানে ক-এর পর ঘোষ ধ্বনি জ থাকায় ক পরিবর্তিত হয়ে গ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষড় + ঋতু — এখানে ষড়-এর নিচে হসন্ত নেই এবং ট-এর পরিবর্তে সরাসরি ড লেখা হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের প্রথম ধাপের পরিপন্থী।
B) ষড়ু + ঋতু — এখানে অপ্রয়োজনীয় হ্রস্ব উ কার যুক্ত করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
C) ষট + ঋতু — এখানে ট-এর নিচে হসন্ত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়নি, যা প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী অসম্পূর্ণ।
D) ষট্ + ঋতু — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে সঠিক মূল শব্দ এবং হসন্ত চিহ্ন প্রমিতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে ট-এর সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে ট পরিবর্তিত হয়ে ড হয় এবং হসন্ত দিতে ভুলবে না।
- পরীক্ষার হলে অপশনে হসন্তযুক্ত সঠিক রূপটি খুঁজে বের করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- একই নিয়মে দিক + অন্ত = দিগন্ত এবং বিচ + অন্ত শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কর্তায় শূন্য
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার বা যাদের দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। এখানে জল নিজে নিজেই পড়ার কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই জল হলো কর্তাকারক।
শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি বা চিহ্ন যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। জল শব্দের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন করার দিক থেকে কর্তাকারককে চার ভাগে ভাগ করা যায় যেমন মুখ্য কর্তা, প্রযোজক কর্তা, প্রযোজ্য কর্তা ও ব্যতিহার কর্তা। বাক্যের মূল কাজটি যে নিজে সম্পাদন করে সে মুখ্য কর্তা।
কোনো শব্দের শেষে অ আ এ ইত্যাদি কোনো বিভক্তি চিহ্ন দৃশ্যমান না হলে তাকে ব্যাকরণের নিয়মে শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি বলা হয়। প্রথমা বিভক্তি মূলত শূন্য বিভক্তির অপর নাম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাখি গান গায়।
ব্যাখ্যা: এখানে গান গাওয়ার কাজটি পাখি নিজে করছে, তাই পাখি হলো কর্তায় শূন্য বিভক্তি।
উদাহরণ ২: বাতাস বয়।
ব্যাখ্যা: এখানে বওয়ার কাজটি বাতাস নিজে সম্পন্ন করছে, তাই বাতাস হলো কর্তায় শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তায় শূন্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ জল নিজে কাজ করছে এবং কোনো বিভক্তি নেই।
B) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হয় যা থেকে কিছু বিচ্যুত রক্ষিত ভীত বা উৎপন্ন বোঝায়, যা এখানে নেই।
C) কর্মে শূন্য — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম কারক, জল এখানে কর্ম নয়।
D) করণে শূন্য — যার দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে, জল এখানে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্র নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কে বা কারা প্রশ্ন করে বাক্যের উত্তর পেলে তা কর্তা কারক হয়। শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতিগতভাবে স্বয়ংক্রিয় বা প্রাকৃতিক কাজের ক্ষেত্রে কর্তা কারক ও শূন্য বিভক্তির ব্যবহার খুব বেশি আসে। বাক্যের ক্রিয়াকে কে প্রশ্ন করলেই সাধারণত কর্তা কারক খুব সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: A) যৌগিক বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা সরল বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এখানে 'তার বয়স বেড়েছে' এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা: সরল বাক্য, জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য এবং যৌগিক বাক্য।
যৌগিক বাক্যে একাধিক প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং এরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং সমান মর্যাদার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সে খুব গরিব, কিন্তু সে সৎ।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'সে খুব গরিব' ও 'সে সৎ' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: বৃষ্টি এল এবং আমরা ভিজে গেলাম।
ব্যাখ্যা: এখানে 'বৃষ্টি এল' এবং 'আমরা ভিজে গেলাম' দুটি স্বাধীন বাক্য 'এবং' অব্যয় দিয়ে যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
B) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ মিশ্র বা জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই।
C) সরল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এখানে দুটি আলাদা সমাপিকা ক্রিয়াযুক্ত খণ্ডবাক্য আছে।
D) সাধারণ বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ ব্যাকরণে বাক্যকে প্রধানত সরল, জটিল ও যৌগিক এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়, সাধারণ বাক্য নামে কোনো আলাদা প্রকার নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের মাঝে এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব থাকলে সাধারণত চোখ বন্ধ করে সেটিকে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিনে নিতে পারো।
স্বাধীন খণ্ডবাক্যগুলো পরস্পর সমান মর্যাদার হলে এবং সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকলে তা সবসময় যৌগিক বাক্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে অব্যয়ের ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি।
'কিন্তু', 'অথচ', 'বরং' থাকলে তা বেশিরভাগ সময় যৌগিক বাক্য নির্দেশ করে, তাই এই অব্যয়গুলোর উপস্থিতি ভালোভাবে খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) মানুষ মাত্রই ভুল করে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ বাক্য "To err is human" এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো মানুষ মাত্রই ভুল করে।
- এখানে err শব্দের অর্থ ভুল করা এবং human শব্দের অর্থ মানুষ, অর্থাৎ মানুষের স্বভাবই হলো ভুল করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ প্রবচন ও পারিভাষিক অর্থযুক্ত ইংরেজি বাক্য।
- প্রবাদ প্রবচন হলো এমন কিছু সংক্ষিপ্ত বাক্য যা সমাজের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সত্যকে প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Barking dogs seldom bite.
ব্যাখ্যা: এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো গর্জে উঠলে বর্ষে না, যা একটি প্রবাদ প্রবচনের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: A burnt child dreads the fire.
ব্যাখ্যা: এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো চুন খেয়ে মুখ পুড়লে দই দেখলে ভয় করে, যা অভিজ্ঞতাভিত্তিক প্রবাদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মানুষ মাত্রই মানবিক গুণসম্পন্ন — এই অপশনটি সঠিক হলেও এটি 'To err is human' বাক্যের সঠিক ভাবানুবাদ নয়।
B) মানুষ মরণশীল — এটি আলাদা একটি বিখ্যাত দার্শনিক সত্য যার ইংরেজি রূপ হলো Man is mortal।
C) মানুষ মাত্রই ভুল করে — এটি প্রদত্ত প্রবাদ বাক্যটির নির্ভুল ও সরাসরি ভাবানুবাদ।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন সি তে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি To err (ভুল করা) is human (মানুষ) দেখলে মাথায় রাখবে মানুষ ভুল থেকেই শেখে।
- প্রবাদ বাক্য মুখস্থ না করে এর ভেতরের ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা অর্থ বা ভাবানুবাদ জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সাধারণত প্রবাদ প্রবচন ও পারিভাষিক শব্দ অধ্যায় থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: C) কুচক্রী লোক
১. কেন সঠিক:
- 'শকুনি মামা' একটি বিখ্যাত বাগধারা যার অর্থ কুচক্রী লোক বা অনিষ্টকারী আত্মীয়। মহাভারতের চরিত্র শকুনি কৌরবদের নানা কুটিল বুদ্ধি ও ষড়যন্ত্রের পরামর্শ দিয়েছিলেন, সেখান থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা, যার শাব্দিক অর্থের চেয়ে বিশেষ ভাবার্থ বা প্রকাশনা প্রধান হয়ে ওঠে। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা বাক্যকে আকর্ষণীয় ও ভাবপূর্ণ করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিসের ওই নতুন লোকটাকে বিশ্বাস কোরো না, সে আসলে এক জন শকুনি মামা।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরিত্রের কুটিলতা ও ষড়যন্ত্রমূলক ভাব বোঝাতে শকুনি মামা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: পারিবারিক সম্পত্তিতে ভাগ বসানোর জন্য মেজো কাকা যেন শকুনি মামার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
ব্যাখ্যা: পরিবারে কুচক্র বা চক্রান্ত করার অর্থে এই উদাহরণে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুৎসিত মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাগধারাটি বাহ্যিক সৌন্দর্য বা কুৎসিত রূপ বোঝায় না, বরং মানসিক কুটিলতা প্রকাশ করে।
B) সৎ মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ সৎ বা ভালো মানুষকে বোঝাতে এই বাগধারা ব্যবহার করা হয় না।
D) পাতানো মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ পাতানো মামা বলতে রক্তের সম্পর্কহীন আত্মীয়কে বোঝায়, যা কুচক্রী অর্থ প্রকাশ করে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মহাভারতের কুটিল চরিত্র শকুনি সব সময় কৌরবদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতেন, তাই শকুনি মানেই কুচক্রী বা কুটিল মানুষ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক বা পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারার অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর উৎস ও ভাবার্থ ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
১. কেন সঠিক:
- দারিদ্র্য শব্দটির গঠন সঠিক কারণ এটি দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুটি প্রত্যয় বা অতিরিক্ত শব্দাংশ ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য পদ দারিদ্র্য তৈরি হয়।
- শব্দের সঙ্গে য এবং তা দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত করলে দ্বিরুক্তি দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌজন্য বাংলাদেশের মানুষের ভূয়সী প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ব্যাখ্যা: সুজন শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য সৌজন্য গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মাধুর্য সবাইকে মুগ্ধ করে।
ব্যাখ্যা: মধুর শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক ভাববাচক বিশেষ্য মাধুর্য গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য এবং ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
B) দরিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এই অপশনে দরিদ্র্য বানানটি ভুল কারণ দরিদ্ৰ শব্দে য ফলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত য যুক্ত হয়েছে।
C) দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এই অপশনে দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য এবং তা দুটি প্রত্যয় একসঙ্গে যুক্ত হওয়ায় এটি একটি অশুদ্ধ শব্দ।
D) দরিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা — এই অপশনে বানান এবং প্রত্যয়জনিত উভয় দিক থেকেই ভুল রয়েছে কারণ দরিদ্র এবং তা একসঙ্গে বসে বাহুল্য দোষ ঘটিয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দারিদ্র্য এবং দরিদ্রতা দুটি একসঙ্গে মনে রাখবে যে দারিদ্র্য সঠিক কিন্তু দারিদ্র্যতা অশুদ্ধ।
- য প্রত্যয়যুক্ত শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় ব্যবহার করা যায় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- একই সঙ্গে দুটি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন দারিদ্র্যতা বা ঔদার্যতা দেখলে তা বর্জন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভূধর
কেন সঠিক:
১. ভূধর শব্দের সাধারণ অর্থ পর্বত বা পাহাড় যা পৃথিবী নয়।
২. ভূধর শব্দের ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি ভূমির ধারণকারী বা পাহাড়কে বোঝায়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের মূল উৎস ও প্রচলিত অর্থ বিবেচনা করা হয়।
২. সাহিত্য ও কাব্যে পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে বিভিন্ন প্রকৃতিবাচক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. যেমন, কবিরা পৃথিবীকে প্রকাশ করতে অবনী বা ধরিত্রী শব্দ ব্যবহার করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূধর - এটি পৃথিবীর সমার্থক নয় কারণ এর অর্থ হলো পর্বত বা পাহাড়।
B) অবনী - এটি পৃথিবীর একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং সরাসরি সমার্থক শব্দ।
C) ধরিত্রী - এটি মা বা পৃথিবীর ধারণকারী অর্থে পৃথিবীর সমার্থক শব্দ।
D) ধরণি - এটি মাটি বা পৃথিবীর রূপ হিসেবে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. যে শব্দের শেষে ধর বা ধরর থাকে তা সাধারণত পাহাড় বোঝায় পৃথিবী নয়।
২. অবনী, ধরিত্রী ও ধরণি এই তিনটি শব্দই মা বা পৃথিবী বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) প্রমথ চৌধুরী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যে মুখের ভাষাকে লেখার ভাষায় প্রতিষ্ঠিত করার মূল কৃতিত্ব প্রমথ চৌধুরীর।
- তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির আন্দোলন শুরু করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে লিখতেন এবং তিনি বাংলা প্রমথ প্রবন্ধের জনক।
- তাঁর চলিত রীতির সার্থক রূপ দেখা যায় তেলেনাবিপোতা আবিষ্কার ও নানা কথা গ্রন্থে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত প্রাবন্ধিক গ্রন্থ যেখানে চলিত গদ্যরীতির সফল প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: রায়তের কথা
ব্যাখ্যা: এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ সংকলন যা চলিত রীতিতে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি সাধু গদ্যরীতির অন্যতম প্রধান রূপকার ও ব্যাকরণসম্মত গদ্যের জনক।
B) প্রমথ চৌধুরী — এটি সঠিক উত্তর।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল গ্রন্থে প্রথম মিশ্র বা কথ্য ভাষা ব্যবহার করেন কিন্তু চলিত রীতির প্রবর্তক নন।
D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি সার্থক বাংলা উপন্যাসের জনক এবং সাধু গদ্যরীতির শিল্পরূপদাতা।
৫ মনে রাখার টিপস:
- চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী এবং সাধু রীতির প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ছদ্মনাম বীরবল মনে রাখলে প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম সহজে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে প্রমথ চৌধুরীর নাম প্রায়ই আসে।
- সবুজ পত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে এবং এর সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী।
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়ীভাব সমাস
১. কেন সঠিক:
- উপভাষা শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে উপ উপসর্গটি সামীপ্য বা ক্ষুদ্র অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ভাষার সদৃশ বা ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশ করতে ভাষা শব্দের পূর্বে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে এই সমাস সাধিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
- উপভাষা শব্দের ব্যাসবাক্য হলো ভাষার সদৃশ বা উপভাষা, যেখানে উপ উপসর্গটি ক্ষুদ্র বা সাদৃশ্য অর্থ প্রকাশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপবন
ব্যাখ্যা: বনের সদৃশ বা ক্ষুদ্র বন বোঝাতে উপ অব্যয় যোগে এটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: উপকূল
ব্যাখ্যা: কুলের সমীপ বা কাছাকাছি বোঝাতে উপ অব্যয় যোগে এটি অব্যয়ীভাব সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ সমাস — এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং বিভক্তির লোপ পায় যা উপভাষা শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় যা উপভাষা শব্দের গঠনের সঙ্গে মেলে না।
D) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো পদের অর্থ প্রকাশ করে যা এখানে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপ উপসর্গযুক্ত শব্দ যদি কোনো কিছুর ক্ষুদ্র, সদৃশ বা সামীপ্য বোঝায় তবে চোখ বন্ধ করে অব্যয়ীভাব সমাস দাগাবে।
- উপবন, উপকূল, উপভাষা সব একই সূত্রে গাঁথা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাসবাক্য করার সময় সামীপ্য, সাদৃশ্য বা ক্ষুদ্রত্ব শব্দগুলো খেয়াল রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) √বচ্ + তব্য
১. কেন সঠিক:
- বক্তব্য শব্দটি সাধিত শব্দ এবং এটি কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
- এখানে √বচ্ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান বা ভবিষ্যৎ অর্থে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধাতু বা শব্দের সঙ্গে যে শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে।
- কৃদন্ত পদের ক্ষেত্রে মূল ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √গম্ + তব্য = গন্তব্য
ব্যাখ্যা: এখানে √গম্ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গন্তব্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √শ্রু + তব্য = শ্রোতব্য
ব্যাখ্যা: এখানে √শ্রু ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রোতব্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √বক + তব্য — বক কোনো ধাতু নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দমূল নয়।
B) √বক্ত + ব্য — বক্ত বলে কোনো মৌলিক ধাতু বাংলা ব্যাকরণে নেই।
C) √বক্ত + অব্য — এখানে প্রত্যয় হিসেবে অব্য ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
D) সঠিক অপশন — √বচ্ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বক্তব্য গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বচ্ ধাতু সংশ্লিষ্ট শব্দ যেমন বচন বা বক্তা মনে রাখলে এই প্রত্যয় সহজে নির্ণয় করা যায়।
- ধাতুর রূপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ধ্বনিতাত্ত্বিক নিয়মগুলো খেয়াল রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের জন্য মৌলিক ধাতু চেনা জরুরি।
- একই নিয়মে গঠিত অন্যান্য কৃৎপ্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) এই কলারটি বড্ড নরম
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ নির্ণয় সংক্রান্ত প্রশ্ন এটি। এখানে 'limp' ইংরেজি adjective বা বিশেষণের বাংলা অর্থ হলো নরম, আদ্র বা নুয়ে পড়া।
- বাক্যের 'collar' শব্দটি শার্টের কলারকে বোঝায়, যা বেশি ইস্ত্রি করা না হলে বা ভিজে গেলে নরম হয়ে যায়।
২. শব্দার্থ বা পারিভাষিক শব্দ:
- ইংরেজি ভাষার কিছু বর্ণনামূলক বিশেষণ বাংলায় রূপান্তরের সময় বস্তুর প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। এখানে কলারের কাঠিন্য বা নরম ভাব বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধারণ ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ বা পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: His collar was stiff.
ব্যাখ্যা: এখানে stiff শব্দের অর্থ শক্ত, যা limp শব্দের বিপরীত।
উদাহরণ ২: The plant looks limp due to lack of water.
ব্যাখ্যা: এখানে limp শব্দটি উদ্ভিদের ক্ষেত্রে নুয়ে পড়া বা নেতিয়ে পড়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এই কলারটি বড্ড শক্ত — 'শক্ত' অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজি Stiff বা Hard শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা limp শব্দের বিপরীত।
B) এই কলারটি বড্ড খসখসে — 'খসখসে' বা অমসৃণ বোঝাতে ইংরেজি Rough শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা limp শব্দের সঙ্গে মেলে না।
C) এই কলারটি বড্ড নরম — এই অপশনটি সঠিক কারণ limp শব্দের সরাসরি অর্থ নরম বা নেতিয়ে পড়া।
D) এই কলারটি বড্ড দৃঢ় — 'দৃঢ়' বা মজবুত বোঝাতে Solid বা Firm শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা limp শব্দের অর্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি শব্দ Limp উচ্চারণ করলে লিম্প বা নেতিয়ে পড়ার একটা ভাব মনে আসে। এভাবে লিম্প মানে নরম বা নেতিয়ে পড়া এভাবে মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ বা শব্দের অর্থ শেখার সময় শাব্দিক অর্থের পাশাপাশি বাক্যের контекস্ট বা প্রসংগ বুঝতে হবে। একই ইংরেজি শব্দের অর্থ বিভিন্ন বস্তুর ক্ষেত্রে আলাদা হতে পারে।
সঠিক উত্তর: A) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী হাইফেন এমন একটি যতি চিহ্ন যা বাক্যে ব্যবহারের সময় থামার বা বিরতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন হয় না।
- একে বাংলায় সংযোগ চিহ্ন বলা হয় যা মূলত দুটি শব্দের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যতি চিহ্ন বা বিরামচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য লেখার সময় যে বিরতি নেওয়া হয় তার দৃশ্যমান রূপ।
- ড্যাস, সেমিকোলন এবং কোলন বাক্যে ব্যবহারের সময় নির্দিষ্ট মাত্রার বিরতির প্রয়োজন হলেও হাইফেনের ক্ষেত্রে কোনো বিরতি দিতে হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা আমাদের গুরুজন।
ব্যাখ্যা: এখানে মাতা এবং পিতা দুটি সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে এবং উচ্চারণের সময় এর মাঝে কোনো থামার প্রয়োজন হয় না।
উদাহরণ ২: ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষের জীবন।
ব্যাখ্যা: দুটি বিপরীত শব্দকে একসাথে জোড়া লাগাতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়েছে যা এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বাক্যে কোনো বিরতি তৈরি করে না।
B) ড্যাস — এই যতি চিহ্নটি বাক্যে ব্যবহারের সময় বলার ক্ষেত্রে একটু থামার বা বিরতির প্রয়োজন হয়।
C) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি সময় থামার জন্য সেমিকোলন ব্যবহৃত হয় তাই এতে বিরতির প্রয়োজন আছে।
D) কোলন — একটি বাক্যের পর অন্য বাক্যের অবতারণা করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয় এবং এতেও থামতে হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- যে চিহ্নটি শব্দকে শুধু জোড়া লাগায় কিন্তু মুখে কোনো থামার বা বিরতির অবকাশ রাখে না তা হলো হাইফেন।
- মনে রাখবে, হাইফেনের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে ছোট এবং এর বিরতিকাল শূন্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের প্রবর্তক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- বাক্যে সবচেয়ে কম বিরতির জন্য কমা এবং কোনো বিরতি না নেওয়ার জন্য হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) has
কেন সঠিক:
None শব্দটি singular এবং plural উভয় অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। তবে এর পর plural noun এবং singular verb বসানোই আধুনিক ইংরেজিতে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have — এটি plural verb হওয়ায় singular subject None-এর সাথে বসে না।
B) have got — এটি plural verb হওয়ায় singular subject None-এর সাথে ব্যবহার করা যায় না।
C) has — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
D) own — এখানে অর্থের দিক থেকে সঠিক হলেও subject singular হওয়ায় verbs-এর সাথে s যুক্ত হওয়া প্রয়োজন ছিল।
মনে রাখার টিপস:
None of-এর পরে plural noun থাকলেও সাধারণত verb টি singular হয়।
সঠিক উত্তর: A) He does not know how to swim.
কেন সঠিক:
১. সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে auxiliary verb হিসেবে does ব্যবহার করা হয়েছে।
২. কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা জানা অর্থে know verb-এর পরে how to বসে এবং তারপরে infinitive বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He does not know how to swim. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
B) He does not know to swim. — এখানে know-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী how শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি।
C) He donot knows how to swim. — He সাবজেক্টের পরে do not হয় না এবং does ব্যবহারের পরে মূল verb-এর সাথে s বা es বসে না।
D) He cannot know to swim — এখানে অর্থের মিল নেই এবং know verb-এর সাথে to swim-এর গঠনটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজ জানা অর্থে know-এর পরে সরাসরি infinitive না বসিয়ে how to ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) It is raining cats and dogs.
কেন সঠিক:
- 'Cats and dogs' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা, যার অর্থ মুষলধারে বা প্রবলভাবে বৃষ্টি হওয়া।
- বর্তমানে বৃষ্টি হচ্ছে বোঝাতে Present Continuous Tense এবং প্রবল বৃষ্টির জন্য এই নির্দিষ্ট ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining heavily. — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং সাধারণ অর্থ প্রকাশ করলেও মুষলধারে বৃষ্টির জন্য বহুল প্রচলিত আকর্ষণীয় ইডিওমটি অপশন সি তে রয়েছে।
B) It rains continuously. — এর অর্থ অবিরাম বৃষ্টি হচ্ছে, যা মুষলধারে বৃষ্টির ভাবার্থ বা প্রমিত ইডিওম প্রকাশ করে না।
D) It has been raining seriously. — 'seriously' শব্দটি বৃষ্টির তীব্রতা বোঝাতে স্বাভাবিক বা মানসম্মত ইংরেজি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
আকাশ থেকে বিড়াল-কুত্তা পড়ার মতো অসম্ভব মনে হলেও, ইংরেজিতে মুষলধারে বৃষ্টি বোঝাতে 'cats and dogs' ইডিওমটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Had I the wings of a bird!
কেন সঠিক:
অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে বাক্যের শুরুতে Had ব্যবহার করে Conditional Sentence গঠন করা যায়।
এখানে Had দিয়ে ইফ ক্লজ শুরু হওয়ায় তা সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
এটি Subjunctive Mood এর নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If I would have the wings of a bird! — If ক্লজে would have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Had I the wings of a bird! — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) I wish that I would have the wings of a bird! — I wish এর পরে would have ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় ও ভুল।
D) If I could fly like a bird ! — এটি অর্থ প্রকাশ করলেও মূল বাক্যের কাঠামোর সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
অবাস্তব ইচ্ছা বোঝাতে সাবজেক্টের আগে Had বসিয়ে conditional বাক্য গঠন করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Bangladesh is a riverine country.
কেন সঠিক:
বাংলায় নদীবহুল কথাটির সুন্দর ও যথাসথ ইংরেজি রূপ হলো riverine.
একটি দেশের ভৌগোলিক প্রকৃতি বোঝাতে নাউনের সাথে -ine যুক্ত করে বিশেষণ গঠন করা হয়।
নদীমাতৃক বা নদীবহুল দেশের ক্ষেত্রে এই নির্দিষ্ট শব্দটিই ইংরেজি ব্যাকরণে সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি পুরোপুরি সঠিক ও ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
B) country of river — এই গঠনটি শুনতে বেমানান এবং এর অর্থ নদীবহুল হয় না।
C) surrounded by river — এর অর্থ নদী দ্বারা বেষ্টিত, যা মূল বাক্যের পুরো অর্থ প্রকাশ করে না।
D) situated by river — এর অর্থ নদীর তীরে অবস্থিত, যা দেশের সামগ্রিক প্রকৃতি বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
নদীবহুল বা নদীমাতৃক দেশ বোঝালে সবসময় riverine শব্দটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) Death is preferable to dishonour.
কেন সঠিক:
এখানে অপমানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয় বোঝাতে তুলনামূলক ডিগ্রি হিসেবে preferable শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
preferable শব্দের পরে সবসময় than না বসে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Death is better than insult — এখানে insult শব্দের চেয়ে dishonour বা অসম্মান শব্দটি সঠিক এবং better এর পরিবর্তে preferable ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে অধিক উপযোগী।
B) Death is preferable to dishonour — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
C) Dishonour is preferable than death — এই বাক্যে preferable এর পরে নিয়ম ভেঙে ভুলভাবে than ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থ বিপরীত হয়ে গেছে।
D) Death is acceptable than dishonour — এখানে acceptable শব্দের সাথে than ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ব্যাকরণে preferable, senior, junior ইত্যাদি শব্দের পরে সবসময় than এর পরিবর্তে to বসে।
সঠিক উত্তর: A) Did he come yesterday?
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে গতকাল বা অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝানোর কারণে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।
অতীতকালের প্রশ্নবোধক বাক্য তৈরি করতে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Did বসে।
Did ব্যবহার করার পরে মূল ভার্বটি প্রেজেন্ট ফর্ম বা বেস ফর্মে হয়।
বাংলা বাক্যটির সঠিক ইংরেজি গঠনে এই নিয়মগুলো পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Did he come yesterday? — এটি সঠিক অপشن এবং বাক্যের গঠন শতভাগ নির্ভুল হয়েছে।
B) Did he came yesterday? — Did ব্যবহারের পর মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে না, ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসাতে হয়।
C) Had he come yesterday? — অতীতকালের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Has he come yesterday? — বাক্যে গতকাল শব্দটি থাকায় প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে yesterday বা গতকাল থাকলে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয় এবং Did এর পর সবসময় মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: C) The man came to me laughing.
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের অসমাপিকা ক্রিয়া যেমন হাসতে হাসতে বোঝাতে ইংরেজি করার সময় participle ব্যবহার করতে হয়।
এখানে subject এর সাথে একই সময়ে কাজটি হওয়ায় present participle laughing ব্যবহার করা হয়েছে।
বাক্যের মূল কাজটি অতীতকালে সম্পন্ন হওয়ায় come এর past form came ব্যবহৃত হয়েছে।
গঠন অনুযায়ী subject + verb এর past form + extension + present participle নিয়মটি এখানে সঠিক আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man comes to me by laugh — বর্তমানকাল ব্যবহার করা হয়েছে এবং by laugh grammatically সঠিক নয়।
B) The man came to me by laugh — by laugh ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন ভুল হয়েছে।
C) The man came to me laughing — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা হয়েছে।
D) The man coming to me laugh — এখানে কোনো সমাপিকা verb নেই এবং laugh এর সঠিক form নেই।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বাক্যে একই সাথে দুটি কাজ চললে দ্বিতীয় কাজের সাথে ing যোগ করে present participle করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Rani draws a picture.
কেন সঠিক:
বাক্যটির সাবজেক্ট রানী হলো থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বার এবং এটি একটি সাধারণ বর্তমান কালের সত্য ঘটনা।
তাই মূল ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়েছে এবং সঠিক গঠন অনুসরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Rani draw a picture. — সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও ভার্বের সাথে এস বা ইএস যুক্ত করা হয়নি।
B) Rani drew a picture. — এটি অতীত কালের বাক্য, কিন্তু মূল প্রশ্নটি বর্তমান কালের সাধারণ ঘটনা প্রকাশ করছে।
C) Rani is drawing a picture. — এটি রানিং বা চলমান বর্তমান কাল, যা সাধারণ কাজের পরিবর্তে নির্দিষ্ট একটি মুহূর্তের কাজ বোঝাচ্ছে।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হলে প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে ভার্বের শেষে এস বা ইএস যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) so that he can shine in life
কেন সঠিক:
বাক্যে উদ্দেশ্য বোঝাতে so that ব্যবহার করা হয় যার অর্থ যাতে।
so that এর পরে সাধারণত subject বসে এবং can বা could ব্যবহার করতে হয়।
এখানে He is working hard এর পরের অংশ হিসেবে এটি পুরোপুরি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as he can shine in life — as কারণ বা যেমন অর্থে বসে, তাই এখানে উদ্দেশ্য বোঝাতে এটি সঠিক নয়।
B) that he can shine in life — একা that উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে না, এর আগে so বা such থাকা প্রয়োজন।
C) to shining in life — to এর পরে verb এর base form বসে, কিন্তু এখানে shining দেওয়ায় ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে।
D) so that he can shine in life — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ ও গঠন উভয় দিক থেকেই এটি পূর্ণতা দেয়।
মনে রাখার টিপস:
উদ্দেশ্য বোঝাতে so that এর পরে subject এবং can বা could বসে।
সঠিক উত্তর: A) than he ran away
কেন সঠিক:
No sooner had যুক্ত বাক্যের গঠন অনুসারে প্রথম অংশে Past Perfect Tense হলে পরবর্তী অংশে Simple Past Tense হয়।
এখানে than এর পরে verb এর Past form ব্যবহৃত হয়েছে এবং অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) than he ran away — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে সঠিক নিয়ম ও Past Tense ব্যবহার করা হয়েছে।
B) than he run away — এখানে run হলো Present form, যা Past Tense এর নিয়মের সাথে মিলে না।
C) than he had run away — এখানে দ্বিতীয় অংশে Past Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) when he run away — এখানে No sooner এর সাথে when বসে না এবং verb এর ভুল রূপ ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
No sooner had থাকলে than এবং Past indefinite tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) see
কেন সঠিক:
বাক্যে 'had better' একটি বিশেষ ফ্রেজ বা মোডাল ভার্ব হিসেবে কাজ করে। এর পরে সবসময় মূল ভার্বের বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
এই নিয়মের কারণে এখানে অন্য কোনো রূপ গ্রহণযোগ্য নয়।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় তোমার বরং একজন ডাক্তারের কাছে যাওয়া ভালো।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to see — 'had better' এর পরে ইনফিনিটিভ ফর্ম অর্থাত 'to' যুক্ত ভার্ব ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) see — এটি সঠিক কারণ 'had better' এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে।
C) saw — এটি ভার্বের পাস্ট ফর্ম হওয়ায় 'had better' এর পরে বসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
D) seen — এটি ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হওয়ায় এখানে এটি ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'had better' দেখলেই চোখ বন্ধ করে ভার্বের বেস ফর্ম বা মূল রূপ বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: D) opening
কেন সঠিক:
Would you mind phrase টির পর verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
তাই এখানে open verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে opening সঠিক হয়েছে।
এটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
এই নিয়মটি সব সময় মনে রাখতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) open — এটি verb এর base form হওয়ায় এখানে বসবে না।
B) to open — infinitive হওয়ায় এই নিয়মে ব্যবহার করা যায় না।
C) to opening — to এবং ing একসাথে বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) opening — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Would you mind এর পর ہمیشہ verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: C) humorous
কেন সঠিক:
মাজাদার বা রসাত্মক অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজি বানানটিতে humor শব্দের সঙ্গে ous প্রত্যয় যুক্ত হয়।
এখানে সঠিক বানান গঠনে কোনো অতিরিক্ত i বর্ণ ব্যবহার করা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) humouros — এই বানানে শেষের অংশ ভুল কারণ ous এর পরিবর্তে os লেখা হয়েছে।
B) humourious — এই বানানে অতিরিক্ত একটি i বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল।
C) humorous — এটি সঠিক বানান এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
D) humorious — এই বানানে o এর পরিবর্তে i ব্যবহার করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে humor এর সঙ্গে সরাসরি ous যোগ করে humorous বানানটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) come round
কেন সঠিক:
এখানে come round একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সুস্থ হয়ে ওঠা বা জ্ঞান ফিরে পাওয়া।
রোগী শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবে বোঝাতেই এই সঠিক উত্তরটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) come in — এর অর্থ ভেতরে প্রবেশ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) come off — এর অর্থ কোনো কিছু খুলে যাওয়া বা সফল হওয়া, যা রোগীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) come round — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) come by — এর অর্থ কোনো কিছু অর্জন করা বা পাওয়া, যা এখানে খাপ খায় না।
মনে রাখার টিপস:
রোগী সুস্থ হওয়া বা জ্ঞান ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় come round গ্রুপ ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) look after
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পরের অংশ "their old parents" অর্থ বয়স্ক বাবা-মা, যাদের যত্ন নেওয়া সন্তানের দায়িত্ব।
এখানে "look after" একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ দেখাশোনা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) look at — এর অর্থ কোনো কিছুর দিকে তাকানো, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) look after — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) look up — এর অর্থ অভিধানে শব্দ খোঁজা বা কাউকে খুঁজে বের করা।
D) look into — এর অর্থ কোনো ঘটনার তদন্ত করা বা অনুসন্ধান করা।
মনে রাখার টিপস:
বাবা-মা বা আপনজনদের দেখাশোনা করার ক্ষেত্রে সবসময় look after ফ্রেজাল ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) It is a very nice scenery.
কেন সঠিক:
এক্সক্লামেটরি বাক্যকে অ্যাসারটিভ করার সময় সাবজেক্ট ও ভার্ব প্রথমে বসে।
হোয়াট এ যুক্ত বাক্যকে অ্যাসারটিভ করার সময় এ ভেরি বা গ্রেট ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is very nice scenery. — এই অপশনে সঠিক নিয়মে 'a' আর্টিকেলটি ব্যবহার করা হয়নি।
B) It is a very nice scenery. — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে।
C) It is a great scenery. — এই বাক্যে 'very' এর বদলে 'great' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বেমানান।
D) The scenery is very nice. — এই বাক্যে সাবজেক্ট এবং গঠন সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
হোয়াট এ যুক্ত এক্সক্লামেটরি বাক্যকে অ্যাসারটিভ করার সময় সাবজেক্টের পরে ইট ইজ এবং এ ভেরি বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) A very costly or troublesome possession
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ সাদা হাতি হলেও এর রূপক অর্থ হলো এমন কোনো বস্তু যা কেনা বা রক্ষণাবেক্ষণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল কিন্তু কোনো কাজে লাগে না।
রাজারা অতীতে উপহার হিসেবে সাদা হাতি দিয়ে প্রাপককে দেউলিয়া করে দিতেন এবং এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকেই এই বিশেষ অর্থটি এসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An elephant of white colour — এটি কোনো প্রবাদ বা ইডিয়ম নয় বরং সাদা রঙের একটি পশুকে বোঝায়।
B) A black marketer — এই শব্দটি কালোবাজারি বা অবৈধ ব্যবসায়ী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা সঠিক উত্তরের সাথে মেলে না।
C) A very costly or troublesome possession — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে পুনরাবৃত্তি হয়েছে।
D) A hoarder — এই শব্দটি মূলত পণ্য মজুদকারী বা জমিয়ে রাখে এমন ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
সাদা হাতি খুব দামি এবং তার পেছনে অনেক খরচ হয় কিন্তু কোনো লাভ নেই, এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: A) extremely favorite
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার শাব্দিক অর্থ চোখের আপেল হলেও ভাবার্থ হলো অত্যন্ত প্রিয় বা চোখের মণি।
কাউকে নিজের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি বোঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।
তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন এ নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) extremely favorite — এটি এই ইডিওমের সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে এবং সবার কাছে এটিই গ্রহণযোগ্য অর্থ।
B) apple like eye — এটি আক্ষরিক অনুবাদ যা সম্পূর্ণ ভুল এবং প্রবাদের আসল অর্থ প্রকাশ করে না।
C) big eye — এটি চোখের আকার বোঝায়, যা এই বাগধারার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
D) apple coloured eye — এটি আপেলের রঙের সাথে চোখকে তুলনা করেছে যা কাল্পনিক ও সম্পূর্ণ ভুল অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
চোখের মণি বা খুব কাছের কাউকে বোঝাতে আমরা যেমন প্রিয় বলি, ইংরেজিতে তাকেই অ্যাপল অব ওয়ান্স আই বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) a false story
কেন সঠিক:
‘Cock and bull story’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ মোরগ ও ষাঁড়ের গল্প হলেও বাস্তবে এর মানে আজগুবি বা বানোয়াট গল্প।
এটি এমন এক ধরনের কাল্পনিক গল্প বোঝায় যা বিশ্বাসযোগ্য নয় এবং মূলত মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়।
এটি একটি অসত্য গল্প।
এটি মিথ্যা তথ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a fable — ফ্যাবল বলতে সাধারণত নীতিবাক্য সংবলিত পশুপাখির কল্পকাহিনি বোঝায় যা এই ইডিওমের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
B) a tragedy — ট্র্যাজেডি হলো নাটকের একটি দুঃখজনক সমাপ্তি যা কোনো মিথ্যা বা আজগুবি গল্পের সাথে সম্পর্কিত নয়।
C) a false story — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a wonderful story — চমৎকার বা সুন্দর কোনো গল্পকে এই ইডিওম দ্বারা বোঝানো হয় না কারণ এটি মূলত নেতিবাচক অর্থে মিথ্যা গল্প বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
মোরগ ও ষাঁড়ের লড়াইয়ের গল্প যেমন অবাস্তব, তেমনি ‘Cock and bull story’ মানেই হলো একটি বানোয়াট ও মিথ্যা গল্প।
সঠিক উত্তর: A) Who does not love flower?
কেন সঠিক:
১. Assertive বাক্যটিকে Interrogative করার সময় বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে বিপরীত করতে হয়। Affirmative বাক্যকে Who দিয়ে শুরু করে Negative করলেই সঠিক অর্থ পাওয়া যায়।
২. Subject Singular (All) হওয়ায় Auxiliary verb হিসেবে does ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. Main verb (love) এর সাথে s বা es যুক্ত হয় না কারণ does বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who does not love flower? — এটি সঠিক উত্তর।
B) Who do not love flower? — All শব্দটি Singular হওয়ায় এখানে do না বসে does বসা উচিত ছিল।
C) Who did not love flower? — বাক্যটি Present Tense এ আছে, তাই Past Tense এর did ব্যবহার করা ভুল।
D) Do all love flower? — এটি করলে উত্তর হ্যাঁ বা না সূচক হয়ে যায়, যা নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
All যুক্ত Affirmative বাক্যকে Interrogative করতে হলে Who does not + মূল verb বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) None but Rina can do this sum.
কেন সঠিক:
- বাক্যে থাকা শুধুমাত্র বা 'Only' ব্যক্তিবাচক বিশেষ্যকে নির্দেশ করলে Negative করার সময় তার পরিবর্তে 'None but' ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে Affirmative থেকে Negative বাক্যে রূপান্তর করার এটিই সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Only Rina cannot do this sum. — এখানে অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে এবং নিয়ম অনুযায়ী 'Only'-এর পরিবর্তে 'None but' বসেনি।
B) Rina cannot do this sum. — এটি মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে কারণ মূল বাক্যে রিনা কাজটি করতে পারে বলা হয়েছে।
C) None but Rina can do this sum. — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রশ্নে ভুলবশত অপশন হিসেবে উল্লেখ থাকলেও এটিই একমাত্র ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপান্তর।
D) Any one but Rina can do this sum. — এই গঠনটি ভুল এবং এটি মূল বাক্যের মূল অর্থের সম্পূর্ণ উল্টো অর্থ প্রদান করে।
মনে রাখার টিপস:
Affirmative বাক্যে কোনো ব্যক্তিবাচক শব্দের আগে 'Only' থাকলে Negative করার সময় 'Only'-এর বদলে শুধু শুরুতে 'None but' বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) What has been bought by you?
কেন সঠিক:
- Present Perfect টেন্সযুক্ত Interrogative বাক্যের Active থেকে Passive করার সময় What অপরিবর্তিত থাকে এবং বাক্যের শুরুতে বসে।
- Subject হিসেবে What singular হিসেবে গণ্য হয় বিধায় auxiliary verb হিসেবে has বসে এবং Continuous বা Perfect টেন্সের নিয়মে extra been যুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) What are bought by you? — এটি Present Indefinite টেন্সের Passive, যা মূল বাক্যের টেন্সের সাথে মেলে না।
B) What is bought by you? — এতে প্রয়োজনীয় been শব্দটি অনুপস্থিত রয়েছে এবং এটি Present Indefinite টেন্স নির্দেশ করে।
C) What are being bought by you? — এটি Present Continuous টেন্সের Passive, কিন্তু মূল বাক্যটি Present Perfect টেন্সে ছিল।
D) What has been bought by you? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এতে সঠিক টেন্স এবং Passive-এর নিয়ম সঠিকভাবে অনুসৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
What দিয়ে শুরু Present Perfect টেন্সের Passive বাক্যে What-এর পর has been বসে এবং মূল verb-এর Past Participle হয়।
সঠিক উত্তর: A) The man is too weak to walk.
কেন সঠিক:
- Complex বাক্যের so...that অংশটিকে Simple করার সময় so-এর পরিবর্তে too এবং that-এর পরিবর্তে to বসে।
- Subject উভয় ক্লজে একই হওয়ায় to-এর পরে সরাসরি verb-এর base form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man is too weak to walk. — এটি সঠিক রূপ, কারণ নিয়ম অনুযায়ী so-এর জায়গায় too এবং that-এর জায়গায় to বসেছে।
B) The man is so weak to walk. — ভুল কারণ so-এর সাথে যুক্ত clause-এ that থাকার নিয়ম, এখানে that-এর পরিবর্তে সরাসরি to ব্যবহার করা হয়েছে।
C) The man is too weak for him to walk. — ভুল কারণ Subject একই ব্যক্তি হওয়ায় for him অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয়।
D) The man is so weak for him to walk — ভুল কারণ এখানে so এবং for him উভয়ই অনিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Complex থেকে Simple করার সময় so...that-কে উঠিয়ে too...to বসাতে হয় এবং that-এর পরের অংশ verb থেকে লিখতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Childish
কেন সঠিক:
Childish শব্দের অর্থ ছেলেমানুষসুলভে যা একটি নাউনকে এডজেক্টিভে রূপান্তর করে।
এই শব্দটি বাক্যে দোষ বা গুণ বোঝাতে এডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এটি চাইল্ড শব্দের সঠিক বিশেষণ রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Childhood — এটি একটি নাউন কারণ এর শেষে হুড যুক্ত আছে।
B) Childly — এই ধরনের কোনো অর্থবহ ইংরেজি শব্দ নেই।
C) Childish — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Children — এটি চাইল্ড শব্দের প্লুরাল নাউন ফর্ম।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের শেষে ish যুক্ত থাকলে তা সাধারণত এডজেক্টিভ হয়।
সঠিক উত্তর: B) x + y
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিমালা তিনটি দেওয়া আছে
ধরি,
প্রথম রাশি = x^2 − y^2
দ্বিতীয় রাশি = (x + y)^2
তৃতীয় রাশি = x^3 + y^3
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = (x + y) × (x − y)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + y) × (x + y)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + y) × (x^2 − xy + y^2)
সুতরাং,
নির্ণেয় গ.সা.গু হলো রাগুলোর কমন উৎপাদক
উত্তর: x + y
সঠিক উত্তর: D) ১৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সংখ্যা = ১৫০
শতকরা হার = ১০%
ধরি,
নির্ণেয় মান = ক
অতএব,
১৫০ এর ১০%
= ১৫০ × (১০ ÷ ১০০)
সুতরাং,
হিসাব করে পাই,
১৫
উত্তর: ১৫
সঠিক উত্তর: D) ৯/৪
প্রদত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ১/৪, ৩/১৬ এবং ৯/২০
এদের সাধারণ গুণিতক বা লসাগু নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
লসাগু বের করার নিয়ম হলো লবগুলোর লসাগু এবং হরগুলোর গসাগু
লবগুলো হলো ১, ৩ এবং ৯
অতএব,
লব ১, ৩ এবং ৯ এর লসাগু = ৯
হরগুলো হলো ৪, ১৬ এবং ২০
সুতরাং,
হর ৪, ১৬ এবং ২০ এর গসাগু = ৪
উত্তর: ৯/৪
সঠিক উত্তর: B) ০.২১৪৫৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
অনুপাতটি হলো ২৫ অনুপাত ৮১
ধরি,
প্রথম রাশি = ২৫
দ্বিতীয় রাশি = ৮১
অতএব,
দ্বিভাজিত অনুপাত মানে হলো বর্গমূল নির্ণয় করা
২৫ এর বর্গমূল = ৫
৮১ এর বর্গমূল = ৯
সুতরাং,
অনুপাতটি হলো ৫ ÷ ৯
উত্তর: ০.২১৪৫৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩
সঠিক উত্তর: C) ১/৭ অংশ
প্রদত্ত তথ্য:
৭ জন লোক একদিনে করে ১/৭ অংশ কাজ
ধরি,
১ জন লোক একদিনে করে (১/৭) ÷ ৭ অংশ কাজ
অতএব,
১ জন লোক ১ দিনে করে ১/৪৯ অংশ কাজ
সুতরাং,
১ জন লোক ৭ দিনে করে (১/৪৯) × ৭ অংশ কাজ
উত্তর: ১/৭ অংশ
সঠিক উত্তর: A) i
প্রদত্ত তথ্য:
লাভ বা ক্ষতিকে শতকরায় প্রকাশ করা যায়
২০০ টাকায় ১০% ক্ষতি হলে ক্ষতির পরিমাণ কত
১০% লাভে ৫০০ টাকার পণ্যের বিক্রয়মূল্য কত
ধরি,
প্রথম বিবৃতিটি লাভ ও ক্ষতির শতকরা হিসাবের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সঠিক
দ্বিতীয় বিবৃতিতে ২০০ টাকার ১০% ক্ষতি হয় কুড়ি টাকা
তৃতীয় বিবৃতিতে ৫০০ টাকার ১০% লাভ হয় পঞ্চান্ন টাকা
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে লাভ বা ক্ষতি সবসময় শতকরার নিয়মে প্রকাশ করা হয়
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ হলো ২০০ এর দশ শতাংশ অর্থাৎ কুড়ি টাকা
তৃতীয় ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য হলো ৫০০ যোগ পঞ্চান্ন সমান পাঁচশত পঞ্চান্ন টাকা
সুতরাং,
প্রথম বিবৃতিটি সঠিক হলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিবৃতি দুটি ভুল গণনার কারণে সঠিক নয়
উত্তর: A) i
সঠিক উত্তর: B) ১৬০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ৫০০ টাকা
মুনাফার হার (r) = ৮%
সময় (n) = ৪ বছর
ধরি,
মোট মুনাফা = I
অতএব,
আমরা জানি, I = P × r × n
সুতরাং,
I = ৫০০ × (৮ ÷ ১০০) × ৪
উত্তর: ১৬০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
রুট ওভার এম + ১ ভাগ রুট ওভার এম = ২
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = রুট ওভার এম − ১ ভাগ রুট ওভার এম
এর মান বের করতে হবে
অতএব,
উভয় পক্ষের বর্গ করে পাই
(রুট ওভার এম + ১ ভাগ রুট ওভার এম) এর বর্গ = ২ এর বর্গ
দ্বিতীয় হিসাব:
এম + ২ গুণ রুট ওভার এম গুণ (১ ভাগ রুট ওভার এম) + (১ ভাগ এম) = ৪
এম + ২ + (১ ভাগ এম) = ৪
তৃতীয় হিসাব:
এম + (১ ভাগ এম) = ৪ − ২
এম + (১ ভাগ এম) = ২
সুতরাং,
(রুট ওভার এম − ১ ভাগ রুট ওভার এম) এর বর্গ = এম − ২ গুণ রুট ওভার এম গুণ (১ ভাগ রুট ওভার এম) + (১ ভাগ এম)
(রুট ওভার এম − ১ ভাগ রুট ওভার এম) এর বর্গ = এম + (১ ভাগ এম) − ২
উত্তর:
মান বসিয়ে পাই, ২ − ২ = ০
অতএব নির্ণেয় মান = ০
সঠিক উত্তর: D) a = axyz
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণ ax = b
দ্বিতীয় সমীকরণ by = c
তৃতীয় সমীকরণ cz = a
ধরি,
মানগুলো পর্যায়ক্রমে বসাতে হবে
অতএব,
a = cz
a = (by)z
a = b(yz)
সুতরাং,
a = (ax)yz
a = axyz
উত্তর: a = axyz
সঠিক উত্তর: D) ২৪√৩
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে যে a = √৩ + √২
ধরি,
ব্যস্তানুপাতিক মান নির্ণয় করি
a এর বিপরীত মান ১ ভাগ a = √৩ − √২
অতএব,
উভয় রাশির যোগফল পাই
a + (১ ভাগ a) = ২√৩
সুতরাং,
প্রদত্ত রাশিটি সাজিয়ে পাই
(a + ১ ভাগ a) এর ওপর কিউব
মান বসিয়ে হিসাব করি
(২√৩) এর ওপর কিউব + ৩ গুণ (২√৩)
উত্তর: ২৪√৩
সঠিক উত্তর: A) ১২১/৮১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ১/৩ + ১/৯ + …………..
এটি একটি গুণোত্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ (a) = ১
সাধারণ অনুপাত (r) = (১/৩) ÷ ১ = ১/৩
পদের সংখ্যা (n) = ৫
অতএব,
সমষ্টির সূত্রটি হলো (a × (১ − r^n)) ÷ (১ − r)
এখানে r এর মান ১/৩ যা ১ অপেক্ষা ছোট
তাই r^n এর মান হবে (১/৩)^৫ = ১/২৪৩
সুতরাং,
সমষ্টি = (১ × (১ − ১/২৪৩)) ÷ (১ − ১/৩)
সমষ্টি = (২৪২/২৪৩) ÷ (২/৩)
উত্তর: ১২১/৮১
সঠিক উত্তর: D) ৫৮৮
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার যোগফল = ৫৬
সংখ্যা দুইটির অনুপাত = ৩ : ১
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ৩ক + ১ক = ৫৬
৪ক = ৫৬
ক = ১৪
সুতরাং,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ১৪ = ৪২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ১ × ১৪ = ১৪
উত্তর: সংখ্যা দুইটির গুণফল = ৪২ × ১৪ = ৫৮৮
সঠিক উত্তর: A) অসংখ্য
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সরলরেখা একে অপরের সাথে মিলে যায়
একে সমাপতিত সরলরেখা বলা হয়
ধরি,
প্রথম সরলরেখার সমীকরণ = a১ x + b১ y + c১ = ০
দ্বিতীয় সরলরেখার সমীকরণ = a২ x + b২ y + c২ = ০
অতএব,
সমাপতিত রেখার ক্ষেত্রে শর্ত হলো a১ ÷ a২ = b১ ÷ b২ = c১ ÷ c২
এই শর্তে প্রতিটি বিন্দু উভয় সমীকরণকে সিদ্ধ করে
সুতরাং,
দুটি রেখার অসংখ্য সাধারণ বিন্দু পাওয়া যায়
উত্তর: অসংখ্য
সঠিক উত্তর: B) ১০/৭
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো (২ এর পাওয়ার − ১ + ৫ এর পাওয়ার − ১) এর পাওয়ার − ১
ধরি,
প্রথম অংশ হলো (১ ÷ ২)
দ্বিতীয় অংশ হলো (১ ÷ ৫)
অতএব,
ব্র্যাকেটের ভেতরের অংশ দুটির যোগফল = (১ ÷ ২) + (১ ÷ ৫)
লসাগু করে পাই, হর হলো ১০ এবং লব হলো ৫ + ২
সুতরাং,
ভেতরের যোগফল সমান ৭ ÷ ১০
উত্তর: পুরো রাশির পাওয়ার − ১ থাকায় উল্টে গিয়ে সঠিক মান হলো ১০ ÷ ৭
সঠিক উত্তর: D) ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৯ এর পাওয়ার x প্লাস ৩ সমান ২৭ এর পাওয়ার x প্লাস ১
ধরি,
বেজগুলোকে ৩ এর ভিত্তিতে সাজাতে হবে
৯ সমান ৩ এর স্কয়ার এবং ২৭ সমান ৩ এর কিউব
অতএব,
প্রথম পক্ষের সূচক হবে ২ গুণ x প্লাস ৩
দ্বিতীয় পক্ষের সূচক হবে ৩ গুণ x প্লাস ১
সুতরাং,
২x প্লাস ৬ সমান ৩x প্লাস ৩
উত্তর: x সমান ৩
সঠিক উত্তর: A) ৫/৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি ৫
এবং ভেতরের রাশি হলো বর্গমূল ৫ গুণ ঘনমূল ৫
ধরি,
রাশিটি = লগ৫(√৫ × ³√৫)
অতএব,
√৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ১/২
³√৫ কে লেখা যায় ৫ এর পাওয়ার ১/৩
সুতরাং,
পাওয়ার দুটি যোগ করলে হয় ১/২ + ১/৩ = ৫/৬
উত্তর: ৫/৬
সঠিক উত্তর: A) ৩০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
ত্রিভুজটির একটি কোণ ষাট ডিগ্রি
ধরি,
সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণটি সমান নব্বই ডিগ্রি
অপর অজানা কোণটি সমান ক ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সমান একশত আশি ডিগ্রি
প্রথম দুটি কোণের যোগফল সমান নব্বই ডিগ্রি + ষাট ডিগ্রি
সুতরাং,
ক ডিগ্রি সমান একশত আশি ডিগ্রি − একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি
উত্তর: ত্রিশ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর: D) ২৫π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ একক
ধরি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
অতএব,
ক্ষেত্রফল = পাই × (৫) এর বর্গ
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = পাই × ২৫
উত্তর: ২৫π বর্গ একক
সঠিক উত্তর: B) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
নদীর প্রস্থ = ১০ মিটার
টাওয়ারের উচ্চতা = ১০√৩ মিটার
ধরি,
নদীর অপর তীরে অবনতি কোণ = থিটা
টাওয়ারের উচ্চতা = লম্ব
নদীর প্রস্থ = ভূমি
অতএব,
ট্যান থিটা = লম্ব ÷ ভূমি
ট্যান থিটা = (১০√৩) ÷ ১০
ট্যান থিটা = √৩
সুতরাং,
ট্যান থিটা = ট্যান ৬০°
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: A) (১/২) ab sinθ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে a এবং b
বাহু দুটির মধ্যবর্তী অন্তর্ভুক্ত কোণ θ
ধরি,
ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু এ থেকে বিপরীত বাহুর উপর একটি লম্ব আঁকা হলো
এই লম্বটি ত্রিভুজটিকে দুটি সমকোণী ত্রিভুজে বিভক্ত করে
অতএব,
লম্বের দৈর্ঘ্য বা উচ্চতা h = b sinθ হলো
ভূমির দৈর্ঘ্য হলো a
সুতরাং,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
ক্ষেত্রফল = (১/২) × a × b sinθ
উত্তর: (১/২) ab sinθ
সঠিক উত্তর: C) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
xy এবং wz দুটি সমান্তরাল সরলরেখা
PQ হলো তাদের একটি ছেদক রেখা
ধরি,
কোণ a এবং কোণ b ছেদক রেখার একই পার্শ্বের অভ্যন্তরীণ কোণ
সমান্তরাল সরলরেখার ক্ষেত্রে ছেদক রেখার একই পার্শ্বের অন্তঃস্থ কোণগুলোকে একান্তর বা অনুরূপ কোণ হিসেবে বিবেচনা করা যায়
অতএব,
জ্যামিতির নিয়ম অনুসারে দুটি সমান্তরাল সরলরেখাকে একটি ছেদক ছেদ করলে
ছেদক রেখার একই পাশের অভ্যন্তরীণ কোণদ্বয়ের সমষ্টি সমকোণ বা সরলকোণ হয়
সুতরাং,
কোণ a এবং কোণ b এর যোগফল মিলে একটি সরল কোণ গঠন করে
তাই কোণ a + কোণ b এর মান সমান ১৮০°
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: B) (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি ভূমি এবং একটি উচ্চতা দেওয়া আছে
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ক
ত্রিভুজের উচ্চতা = খ
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ভূমির দৈর্ঘ্য এবং উচ্চতার গুণফলের অর্ধেক
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
উত্তর: (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
সঠিক উত্তর: B) ১৬টি
কেন সঠিক:
- ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছিল।
- এই আসরে সহযোগী ও টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলো মিলিয়ে মোট ১৬টি দল মূল পর্বে খেলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০টি — এটি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপের দলসংখ্যা।
B) ১৬টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ২০১৪ সালের বাংলাদেশ আসরের জন্য প্রযোজ্য।
C) ১৪টি — টি-২০ বিশ্বকাপে এই সংখ্যায় কখনো দল অংশ নেয়নি।
D) ১২টি — এটি সাধারণত টি-২০ বিশ্বকাপের আগের কয়েকটি আসরের দলসংখ্যা ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ আয়োজিত ২০১৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে ১৬টি দল খেলেছিল, যা ২০২৪ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ২০টি হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।
- পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের উদ্দেশ্যে দিনটি পালন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ।
B) ৫ জুলাই — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি অন্য কোনো নির্ধারিত ঘটনার তারিখ।
C) ৫ আগস্ট — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক বা রাজনৈতিক দিন।
D) ৫ মার্চ — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি পরিবেশ সংক্রান্ত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশ রক্ষায় আমরা সবাই 'পঞ্চম' (৫) ইন্দ্রিয় সজাগ রাখি এবং গরমের মাস জুন মাসে প্রকৃতি বেশি সবুজ থাকে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ভাষা আন্দোলন
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র-জনতা আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হন।
- এই ঐতিহাসিক ঘটনার মাধ্যমেই বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা ঘটেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধ — ১৯৭১ সালে সংঘটিত হয়, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
C) গণঅভ্যুত্থান — ১৯৬৯ সালে সামরিক শাসনবিরোধী গণঅভ্যুত্থান ঘটেছিল যা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
D) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা — ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার শেখ মুজিবুর রহমানসহ বত্রিশ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে।
মনে রাখার টিপস:
৫২ সাল মানেই বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, যেখানে সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বদার রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ।
সঠিক উত্তর: A) জাপান
কেন সঠিক:
- জাপান পৃথিবীর সর্বপ্রাচীন স্বাধীন দেশগুলোর একটি এবং এটি এশিয়ার সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জাপানে সবার আগে সূর্য ওঠে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাপান — এটি ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে এশিয়ার পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত হওয়ায় এখানে সবার আগে সূর্য ওঠে।
B) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং এটিকে বলা হয় সাদা হাতির দেশ।
C) ইন্দোনেশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র এবং বিষুবরেখার ওপর অবস্থিত একটি দেশ।
D) চীন — এটি জাপানের পশ্চিমে অবস্থিত একটি বিশাল আয়তনের এশিয়ান দেশ।
মনে রাখার টিপস:
জাপানের স্থানীয় নাম নিহোন যার অর্থ সূর্যের উৎস, তাই একে সূর্য উদয়ের দেশ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহরের প্রধান এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত দেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, পতেঙ্গা নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়।
C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের জেলা হলেও এখানে পতেঙ্গা সৈকত অবস্থিত নয়।
D) ফেনী — এটি একটি জেলা হলেও এখানে কোনো সমুদ্র সৈকত নেই।
মনে রাখার টিপস:
পতেঙ্গা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রাম দুটিই সমুদ্র ও নদীর মোহনার জন্য বিখ্যাত, তাই পতেঙ্গা মানেই চট্টগ্রাম।
সঠিক উত্তর: A) ১৯১৩ সালে
কেন সঠিক:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি এশিয়া মহাদেশের প্রথম নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক হিসেবে বিশ্ব দরবারে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯১৩ সালে — এই সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
B) ১৯১২ সালে — এই সালে 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ 'সং অফারিংস' প্রকাশিত হয়, যা নোবেল প্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখে কিন্তু নোবেলপ্রাপ্তির সাল এটি নয়।
C) ১৯১১ সালে — এই সালে বাংলা বিভক্ত রোধ এবং গীতাঞ্জলি কাব্য রচনার কাজ চললেও এটি নোবেল প্রাপ্তির সাল নয়।
D) ১৯৩১ সালে — এই সালে নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয় মনে রাখতে সংখ্যাটি এভাবে ভাবুন, ১৯১২ সালে বই প্রকাশিত হলো আর ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯১৩ সালে তিনি নোবেল পেলেন।
সঠিক উত্তর: B) প্রতিধ্বনি
কেন সঠিক:
- শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলনের ফলে সৃষ্ট প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয়, যাকে সোনার প্রযুক্তি বলা হয়।
- শব্দ পানির নিচে পাঠিয়ে ফিরে আসতে লাগা সময় এবং শব্দের বেগ হিসাব করে গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রতিফলন — এটি আলোর ক্ষেত্রে ঘটে এবং প্রতিধ্বনির মূল নীতি হলেও সরাসরি গভীরতা মাপা বোঝায় না।
B) প্রতিধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর।
C) প্রতিসরণ — এটি মাধ্যম পরিবর্তনের সময় আলোর দিক পরিবর্তনের ঘটনা, গভীরতা মাপার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) প্রতিসরণাঙ্ক — এটি আলোর প্রতিসরণের একটি অনুপাতিক মান, যা এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
গভীরতা মাপতে শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়, তাই পানির নিচে প্রতিধ্বনি মানেই সোনার বা গভীরতা নির্ণয়।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ভেড়ামারা
কেন সঠিক:
- কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অবস্থিত রামপাল ও রূপপুরের বাইরে দেশের অন্যতম প্রধান ও বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রিড উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সঞ্চালিত হয়।
- তবে বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে বর্তমানে পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু থাকলেও প্রাচীন ও ঐতিহ্যগত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সিলেবাসে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা (রহনপুর বা ভেড়ামারা উৎপাদিত বিদ্যুৎ) তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান ও গুরুত্ব অনেক বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভেড়ামারা — এটি কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত দেশের একটি অন্যতম প্রধান বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন কেন্দ্র এবং সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
B) সিদ্ধিরগঞ্জ — এটি নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলেও এটি দেশের বৃহত্তম নয়।
C) গোয়ালপাড়া — এটি খুলনায় অবস্থিত একটি পুরোনো তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র, যা বর্তমানের সর্ববৃহৎ কেন্দ্রের তুলনায় আয়তন ও উৎপাদনে অনেক ছোট।
D) আশুগঞ্জ — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত একটি বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলেও ভেড়ামারার ঐতিহাসিক ও প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্বের কারণে এটি বৃহত্তম নয়।
মনে রাখার টিপস:
বৃহৎ তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র মনে রাখতে ভে দিয়ে ভেড়ামারা এবং কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নাম সবার আগে মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ভিটামিন ‘ডি’
কেন সঠিক:
- সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি মানব ত্বকের কোলেস্টেরলের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ভিটামিন ‘ডি’ সংশ্লেষণ করে।
- এই ভিটামিন মানবদেহে ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়াতে এবং হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন ‘এ’ — এটি প্রধানত গাজর, কলিজা এবং সবুজ শাকসবজিতে পাওয়া যায় যা দৃষ্টিশক্তির জন্য উপকারী।
B) ভিটামিন ‘বি’ — এটি চালের কুঁড়া, যকৃৎ এবং বিভিন্ন দানাদার শস্যে পাওয়া যায় যা স্নায়ুতন্ত্র সচল রাখে।
সি) ভিটামিন ‘ই’ — এটি ভোজ্যতেল, বাদাম এবং অঙ্কুরিত ছোলায় পাওয়া যায় যা কোষের সুরক্ষায় কাজ করে।
ডি) ভিটামিন ‘ডি’ — এটি সূর্যরশ্মির সাহায্যে আমাদের ত্বক সরাসরি তৈরি করতে পারে, তাই এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সূর্য থেকে আলো ও তাপ পাই, আর তার সঙ্গে পাই ভিটামিন ‘ডি’ যা হাড় মজবুত করে।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ঢাকার আগারগাঁয়ে
কেন সঠিক:
- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরটি ১৯৮১ সালে ঢাকার আগারগাঁয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের একমাত্র কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান জাদুঘর যা বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয় করতে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকার শাহবাগে — শাহবাগে জাতীয় জাদুঘর এবং শিশু পার্ক অবস্থিত, বিজ্ঞান জাদুঘর নয়।
B) ঢাকার ইসলামপুরে — ইসলামপুর ঐতিহ্যবাহী কাপড়ের বাজার হিসেবে পরিচিত, এখানে কোনো বিজ্ঞান জাদুঘর নেই।
C) ঢাকার আগারগাঁয়ে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ জাদুঘরটি এই এলাকাতেই অবস্থিত।
D) সোনারগাঁয়ে — সোনারগাঁয়ে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন অবস্থিত, বিজ্ঞান জাদুঘর নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞান চর্চায় এগিয়ে যেতে আমরা আসি আগারগাঁয়ে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৭টি
কেন সঠিক:
- সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের মিনারটি কংক্রিটের তৈরি সাতটি জোড়া ত্রিভুজাকৃতির দেওয়াল বা ফলক নিয়ে গঠিত।
- এই সাতটি ফলক বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক সাতটি পর্যায় বা আন্দোলনকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ স্মৃতিসৌধে ফলকের সংখ্যা ৫টি নয়, বরং ৭টি।
B) ৬টি — এই সংখ্যাটি ঐতিহাসিক ৭টি আন্দোলনের সঙ্গে মেলে না।
D) ৯টি — ৯টি ফলক বা স্তম্ভ অন্য কোনো স্মৃতিসৌধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, জাতীয় স্মৃতিসৌধে নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ৭টি বীরত্বপূর্ণ পর্যায় মনে রাখলেই ফলকের সংখ্যা ৭টি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ১৮৫৬
কেন সঠিক:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ব্রিটিশ সরকার ১৮৫৬ সালে হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ আইন পাস করে।
- এই আইনের ফলে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহ আইনগতভাবে বৈধতা লাভ করে এবং সমাজে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ত্বরান্বিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৫৬ — এই সালে বাংলায় নবাব সিরাজউদ্দৌলার শাসনকাল শুরু হয় এবং অন্ধকূপ হত্যা সংঘটিত হয়েছিল, যার সাথে বিধবা বিবাহ আইনের কোনো সম্পর্ক নেই।
B) ১৮৫৬ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই লর্ড ডালহৌসির আমলে হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল।
C) ১৮৮৫ — এই সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বিধবা বিবাহ আইন চালুর বহু পরের ঘটনা।
D) ১৮৯৫ — এই সালের সাথে বিধবা বিবাহ আইন চালুর কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা যুক্ত নয়, এটি একটি অপ্রাসঙ্গিক সাল।
মনে রাখার টিপস:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘বিদ্যাসাগর’ নামের শেষ অংশ ‘সাগর’ থেকে সালটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে ১৮৫৬ সালের আইনটি সমাজে একটি বিশাল সাগরের মতো পরিবর্তন এনেছিল।
সঠিক উত্তর: B) শায়েস্তা খান
কেন সঠিক:
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ সালে পর্তুগিজদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম দখল করেন এবং এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- এই নামকরণের মাধ্যমে মুঘল শাসনামলে অঞ্চলটিতে ইসলামিক সংস্কৃতির প্রভাব ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং রাজধানী ঢাকা স্থাপন করেন, তবে চট্টগ্রামের নামকরণের সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
B) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ঈশা খা — তিনি বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন এবং সোনারগাঁ ছিল তাঁর কেন্দ্র, চট্টগ্রাম নয়।
D) মীর জুমলা — তিনি মুঘল সেনাপতি ও বাংলার সুবাদার ছিলেন, যিনি আসাম বিজয়ের জন্য পরিচিত হলেও চট্টগ্রামের নামকরণের সঙ্গে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
শায়েস্তা খানের আমলে চট্টগ্রাম জয় হয় এবং ইসলামের নামে 'ইসলামাবাদ' নাম রাখা হয়।
সঠিক উত্তর: A) পলাশীর যুদ্ধে
কেন সঠিক:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নদীয়া জেলার পলাশীর প্রান্তরে বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হন।
- সেনাপতি মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা এবং ষড়যন্ত্রের কারণে নবাবের পতন ত্বরান্বিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পলাশীর যুদ্ধে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন এবং বাংলায় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়।
B) সিপাহী বিদ্রোহে — এটি ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যার সাথে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কোনো সম্পর্ক নেই।
C) বক্সারের যুদ্ধে — এটি ১৭৬৪ সালে সংঘটিত হয়েছিল, যেখানে মীর কাশিম, সুজাউদ্দৌলা ও শাহ আলমের যৌথ বাহিনী পরাজিত হয়।
D) কর্নাটকের যুদ্ধে — এটি ব্রিটিশ ও ফরাসিদের মধ্যে দক্ষিণ ভারতে সংঘটিত হয়েছিল, যার সাথে বাংলার নবাবের পরাজয়ের কোনো সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন, যা বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত করে।
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫টি
কেন সঠিক:
- স্থানীয় সরকার বিভাগ ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- সর্বশেষ প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে উপজেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে এই সংখ্যায় উন্নীত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪৮৭টি — এটি পূর্ববর্তী একটি সময়কার উপজেলার সংখ্যা ছিল, যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়েছে।
B) ৪৫৬টি — এই সংখ্যাটি আরও পুরনো এবং বর্তমান প্রশাসনিক পরিসংখ্যানের সাথে মিল নেই।
C) ৪৭১টি — এটি বিগত বছরগুলোতে উপজেলার সংখ্যা বৃদ্ধির আগের একটি হিসাব।
D) ৪৯৫টি — এটি বর্তমান ও সর্বশেষ হালনাগাদ করা সঠিক প্রশাসনিক উপজেলার সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচশো থেকে পাঁচ কম, অর্থাৎ ৪৯৫ হলো বর্তমান উপজেলার সংখ্যা।
সঠিক উত্তর: C) ২০তম
কেন সঠিক:
- এডভোকেট মো. আব্দুল হামিদ বাংলাদেশের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বিশতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৬তম — এটি ভুল কারণ ১৬তম রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ নন, এই ক্রমের সঙ্গে অন্য রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট।
B) ১৫ তম — এটি ভুল কারণ জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন, ১৫তম রাষ্ট্রপতি নন।
C) ২০তম — এই অপশনটি সঠিক এবং মো. আব্দুল হামিদ বিশতম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
D) ১৯তম — এটি ভুল কারণ ১৯তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন জিল্লুর রহমান, মো. আব্দুল হামিদ নন।
মনে রাখার টিপস:
আব্দুল হামিদ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশের বিশতম রাষ্ট্রপতি হন।
সঠিক উত্তর: C) 0.2071
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলে গ্যাসের প্রকৃত অনুপাত পরিমাপ করলে দেখা যায় অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ বা দশমিক হিসেবে ০.২০৭১।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর সুনির্দিষ্ট ভগ্নাংশ বা শতকরা হার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই সঠিক বৈজ্ঞানিক মানটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 0.2001 — এটি বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের প্রকৃত বৈজ্ঞানিক পরিমাপের সাথে মিলে না এবং এটি একটি ভুল মান।
B) 0.2101 — সাধারণ জ্ঞানে প্রায় ২১ শতাংশ বলা হলেও সুনির্দিষ্ট দশমিক ভগ্নাংশের হিসাবে এই মানটি সঠিক নয়।
C) 0.2071 — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
D) 0.2171 — এই মানটি অক্সিজেনের প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে বেশি এবং এটি বিভ্রান্তিকর একটি অপশন।
মনে রাখার টিপস:
বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের শতকরা পরিমাণ প্রায় ২১ শতাংশ হলেও নিখুঁত দশমিক মাপে মনে রাখতে হবে শূন্য দশমিক দুই শূন্য সাত এক বা ০.২০৭১।
সঠিক উত্তর: D) ইউরিয়া
কেন সঠিক:
- ইউরিয়া সারের মূল উপাদান হলো নাইট্রোজেন, যা বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়।
- উদ্ভিদের বর্ধন ও আমিষ গঠনে নাইট্রোজেন প্রধান ভূমিকা পালন করায় ইউরিয়া সার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাইট্রোজেন সরবরাহকারী সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিএসপি — এটি একটি ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম সরবরাহকারী রাসায়নিক সার, যা নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রস্তুত করা হয় না।
B) সবুজ সার — এটি কোনো কারখানায় গ্যাস থেকে তৈরি সার নয়, বরং শিম্বগোত্রীয় গাছপালা মাটিতে মিশিয়ে তৈরি করা প্রাকৃতিক জৈব সার।
C) পটাশ — এটি পটাসিয়াম ক্লোরাইড বা মিউরেট অব পটাশ থেকে তৈরি হয়, যা পটাশিয়াম সরবরাহ করে এবং নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রস্তুত হয় না।
D) ইউরিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে প্রস্তুত প্রধান রাসায়নিক সার।
মনে রাখার টিপস:
ইউ-তে ইউরিয়া এবং না-তে নাইট্রোজেন, অর্থাৎ নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) যমুনা
কেন সঠিক:
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে কুড়িগ্রামের চিলমারী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর যমুনা নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের প্রভাবে নদীটির তলদেশ উঁচু হয়ে যাওয়ায় এর মূল প্রবাহ দক্ষিণ-পশ্চিমে যমুনা নদী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ্মা — এটি মূলত গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা নদী যা ভারতের গঙ্গা থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নয়।
B) যমুনা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নদী হিসেবে বাংলাদেশে পরিচিত।
C) সুরমা — এটি মূলত বরাক নদীর শাখা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী, যা ব্রহ্মপুত্রের সাথে সরাসরি প্রধান শাখা হিসেবে সম্পর্কিত নয়।
D) মেঘনা — এটি আসাম ও ত্রিপুরার পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন একটি স্বাধীন নদী অববাহিকা এবং ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নদী নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্রহ্মপুত্রের শাখা মনে রাখতে মনে রাখুন বিয়োগ (বি for ব্রহ্মপুত্র, য for যমুনা)।
সঠিক উত্তর: C) AB রক্ত গ্রুপকে
কেন সঠিক:
- এই রক্ত গ্রুপের লোহিত রক্তকণিকায় কোনো অ্যান্টিবডি থাকে না, যা অন্য গ্রুপের রক্তের অ্যান্টিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না।
- এর রক্তরসে কোনো অ্যান্টিবডি না থাকায় এটি যেকোনো গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A রক্ত গ্রুপকে — এটি কেবল A ও O গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই এটি সার্বিক গ্রহীতা নয়।
B) B রক্ত গ্রুপকে — এটি কেবল B ও O গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে, তাই এটি সার্বিক গ্রহীতা নয়।
C) AB রক্ত গ্রুপকে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) O রক্ত গ্রুপকে — এটি সার্বিক দাতা হিসেবে পরিচিত কারণ এটি সব গ্রুপকে রক্ত দিতে পারে, কিন্তু গ্রহীতা নয়।
মনে রাখার টিপস:
গ্রহীতা মানে গ্রহণ করা, তাই সব গ্রুপ থেকে গ্রহণ করতে পারে AB এবং দাতা মানে দান করা, তাই সবাইকে দিতে পারে O।
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটির সাথে ভারত এবং মিয়ানমার উভয় দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- এই জেলার পূর্ব দিকে মিয়ানমার এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কক্সবাজার — এই জেলার সাথে শুধু মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই।
B) খাগড়াছড়ি — এই জেলার সাথে শুধু ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে, মিয়ানমারের কোনো সীমান্ত নেই।
C) বান্দরবান — এই জেলার সাথে শুধু মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে, ভারতের কোনো সীমান্ত নেই।
D) রাঙামাটি — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের সাথে সীমান্ত আছে কিন্তু মিয়ানমারের সাথে নেই এমন জেলা তিনটি (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) মনে রাখলে রাঙামাটি ব্যতিক্রম হিসেবে দুই দেশের সীমান্ত থাকার বিষয়টি সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) মার্ক জুকারবার্গ
কেন সঠিক:
- মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বন্ধুদের সাথে নিয়ে ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির মূল প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তিনি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিল গেটস — তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা।
B) টিম বানার্স লি — তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর আবিষ্কারক, কোনো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের প্রতিষ্ঠাতা নন।
C) মার্ক জুকারবার্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) এন্ডি গ্রোড — তিনি সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টেলের অন্যতম সাবেক প্রধান নির্বাহী ছিলেন, ফেসবুকের সাথে যুক্ত নন।
মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক বা মুখমবইয়ের পাতা ওল্টাতে গেলেই মার্ক জুকারবার্গের নাম সবার আগে আসে।
সঠিক উত্তর: A) হাইড্রোজেন
কেন সঠিক:
- হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা এক এবং এটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে হালকা ও প্রাচুর্যময় মৌল।
- এর পারমাণবিক ভর প্রায় ১ দশমিক শূন্য শূন্য আট, যা অন্যান্য সকল মৌলের তুলনায় সর্বনিম্ন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইড্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর ভর সব মোলের চেয়ে কম।
B) হিলিয়াম — এটি দ্বিতীয় হালকা গ্যাস, তবে হাইড্রোজেনের চেয়ে ভারী।
C) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক পরিমাণে থাকে এবং হাইড্রোজেনের চেয়ে অনেক ভারী।
D) আর্গন — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস এবং বায়ুমণ্ডলে এর উপস্থিতি হাইড্রোজেনের তুলনায় অনেক বেশি ও ভারী।
মনে রাখার টিপস:
পর্যায় সারণির প্রথম মৌল হাইড্রোজেন হলো সবচেয়ে হালকা গ্যাস।
সঠিক উত্তর: A) ব্র্যাক ব্যাংক
কেন সঠিক:
- বিকাশ লিমিটেড বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান বা জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে এটি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (MFS) প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্র্যাক ব্যাংক — এটি সঠিক উত্তর কারণ বিকাশ ব্যাংকটির একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
B) গ্রামীণ ব্যাংক — এটি একটি ক্ষুদ্রঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠান এবং নোবেল জয়ী ব্যাংক, যা বিকাশের সঙ্গে যুক্ত নয়।
C) জনতা ব্যাংক — এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, যা বিকাশের প্রতিষ্ঠায় অংশীদার ছিল না।
D) ডাচ-বাংলা ব্যাংক — এটি নিজেই একটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (রকেট) পরিচালনা করে, যা বিকাশের অংশীদার নয়।
মনে রাখার টিপস:
ব্র্যাক ব্যাংকের 'ব্র' এবং বিকাশের 'ব' বর্ণ দুটি মনে রেখে সহজে সম্পর্কটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মাওরি
কেন সঠিক:
- মাওরি হলো নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী, তাই এরা বাংলাদেশে বসবাস করে না।
- ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এই উপজাতিটি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের বাইরে পলিনেশীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাঁওতাল — এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান ও পরিচিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
B) মাওরি — এটি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং বাংলাদেশে এদের কোনো বসবাস নেই।
C) মুরং — এটি বান্দরবান ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী একটি উপজাতি।
D) গারো — এটি মূলত ময়মনসিংহ, শেরপুর ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাসকারী একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
মনে রাখার টিপস:
বিদেশি উপজাতি চেনার সহজ উপায় হলো মাওরি নামটি নিউজিল্যান্ডের রাগবি দলের হাকা নাচের সঙ্গে মনে রাখা।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)