সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্য ধারায় সাময়িকপত্রের ইতিহাসে বঙ্গদর্শন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় এই পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।
- এই পত্রিকার বিখ্যাত একটি প্রবাদ ছিল যে, বাষ্পীয় রথের চক্রে আবদ্ধ হইয়া বঙ্গদর্শন প্রজাবর্গের দ্বারে দ্বারে উপস্থিত হইবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি মাসিক পত্রিকা ও আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বঙ্গদর্শনের সম্পাদক ছিলেন না।
- B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার নতুন পর্যায় সম্পাদনা করেছিলেন, তবে প্রথম সম্পাদক ছিলেন না।
- D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিম মানেই বঙ্গদর্শন, কারণ এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন স্বয়ং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
সঠিক উত্তর: B) দীনেশচন্দ্র সেন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচনার কৃতিত্ব দীনেশচন্দ্র সেনের।
- ১৯০৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের প্রখ্যাত বাংলা গবেষক ও লোকসাহিত্য সংগ্রাহক।
- তার বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক ইতিহাস ও নান্দনিক মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম গ্রন্থ যা সাহিত্য গবেষকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পূর্ববঙ্গ গীতিকা
ব্যাখ্যা: দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত ও সম্পাদিত এই লোকসাহিত্য গ্রন্থটি বাংলা লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে একটি অনন্য দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা হলেও তাঁর 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থটি দীনেশচন্দ্র সেনের পরে প্রকাশিত হয়।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তা প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত।
C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি মূলত বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং 'বাংলা সাহিত্যের কথা' রচনা করেছেন।
D) অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি পরবর্তীকালের একজন প্রখ্যাত সাহিত্য ইতিহাসবিদ যিনি 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রথম সাহিত্য ইতিহাস খুঁজতে হলে সেন বংশের দীনেশচন্দ্র সেনকে মনে রাখতে হবে।
বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস রচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ বা প্রথম সাহিত্য ইতিহাসবিদ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
কালানুক্রমিক বিচারে দীনেশচন্দ্র সেনের গ্রন্থটি সবার আগে প্রকাশিত হওয়ায় এটি প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) চরনের প্রথমে মিল
কেন সঠিক:
- অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর চরণের অন্তভাগে কোনো মিল থাকে না।
- বাংলা সনেট বা মহাকাব্যে এই ছন্দে চরণের প্রথমে মিল বা ধ্বনির সামঞ্জস্য রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো এমন একটি বাংলা ছন্দ যেখানে পংক্তির শেষে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল থাকে না।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম এই ছন্দের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর নাম দেন অমিত্রাক্ষর ছন্দ।
- মেঘনাদবধ কাব্যে এই ছন্দের সার্থক প্রয়োগ দেখা যায় যেখানে প্রতিটি চরণের শুরুতে মিল বা প্রবাহ লক্ষ্য করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অন্ত্যমিল আছে — অমিত্রাক্ষর ছন্দের সংজ্ঞামতেই এর চরণের অন্তভাগে কোনো মিল থাকে না।
- B) অন্ত্যমিল নেই — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ার কথা থাকলেও প্রশ্নে মুদ্রণজনিত কারণে ভুল অপশন দেওয়া হয়েছে।
- C) চরনের প্রথমে মিল — অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাঠামোগগত প্রধান বৈশিষ্ট্য এটি।
- D) বিস মাত্রার পর্ব থাকে — অমিত্রাক্ষর ছন্দের মাত্রার নির্দিষ্ট কোনো এই ধরনের নিয়ম থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
- অমিত্র শব্দের অর্থ হলো যার মিল নেই, তাই এই ছন্দে শেষে কোনো মিল থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটিতে দ এর নিচে ব ফলা এবং ন এর সাথে ব যুক্ত রয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী যুক্তবর্ণে ব ফলা ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে যুক্তবর্ণ লেখার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে দ এর সাথে ব ফলা এবং ন এর সাথে ব যুক্ত হয়ে যুক্তাক্ষর গঠন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্বান
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দ এর নিচে ব ফলা ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ন এর সাথে ত এবং ব যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দন্দ — এই বানানে দ্বিতীয় ন এর সাথে কোনো ব ফলা বা যুক্তবর্ণ নেই তাই এটি ভুল।
B) দ্বন্দ — এই বানানে প্রথম দ তে ব ফলা থাকলেও দ্বিতীয় ন এর সাথে ব যুক্ত হয়নি তাই এটি ভুল।
C) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দ এ ব ফলা এবং ন এ ব যুক্ত রয়েছে।
D) দন্ধ — এই বানানে ন এর বদলে ধ যুক্ত হয়েছে যার অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন হয় তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব শব্দটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে যে এখানে দ এবং ন উভয়ের সাথেই ব যুক্ত হবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য প্রথম অংশ ঠিক রেখে শেষ অংশ বদলে দেওয়া হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের যুক্তবর্ণযুক্ত বানান আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে এই জাতীয় শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) তিন রকমের
১. কেন সঠিক:
বাংলা কবিতার ছন্দ মূলত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
ছন্দ বলতে কবিতার পংক্তিতে শব্দের ধ্বনি ও লয়ের সুশৃঙ্খল বিন্যাসকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যথা স্বরবৃত্ত ছন্দ বা দলবৃত্ত ছন্দ, মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বা কলাবৃত্ত ছন্দ এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বা মিশ্র কলাবৃত্ত ছন্দ।
এই তিন প্রকার ছন্দের লয়, পর্ব গঠন এবং ধ্বনি বা দল গণনার নিয়ম সম্পূর্ণ আলাদা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচায় রে (স্বরবৃত্ত ছন্দ)
ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত বা দলবৃত্ত ছন্দের একটি বিখ্যাত উদাহরণ যেখানে চার মাত্রার পর্ব এবং দ্রুত লয় লক্ষ্য করা যায়।
উদাহরণ ২: বসি বিজনে কেন একা মনে (মাত্রাবৃত্ত ছন্দ)
ব্যাখ্যা: এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ যেখানে স্বরান্ত দল দীর্ঘ উচ্চারিত হয় এবং নির্দিষ্ট মাত্রা গণনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক রকমের — বাংলা ছন্দের ধরণ একটি নয় কারণ এর রূপভেদ তিনটি।
B) দুই রকমের — বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ দুটি নয় বরং ঐতিহ্যগতভাবে তিনটি প্রধান ধারা রয়েছে।
C) তিন রকমের — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বাংলা ছন্দ তিন প্রকার।
D) চার রকমের — বাংলা ছন্দের সংখ্যা চারটি নয় কারণ অমিত্রাক্ষর বা গদ্যছন্দ মূল তিন ছন্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছন্দ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সমাক বা স্বামঅ অর্থাৎ স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
প্রতিটি ছন্দের নিজস্ব লয় ও দল বিন্যাসের নিয়ম মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ এবং প্রবক্তাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
স্বরবৃত্ত ছন্দের জনক বা প্রধান কবি জসীমউদ্দীন এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দের প্রধান রূপকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
সঠিক উত্তর: A) বলাকা
১. কেন সঠিক:
উদ্ধৃত চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'বলাকা' কাব্যের অন্তর্গত।
এই কবিতায় গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে এবং প্রকৃতির রূপবর্ণনার মধ্য দিয়ে কবি গতির সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাকা' কাব্যটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যগ্রন্থের কবিতায় চলিষ্ণুতা, গতিশীলতা এবং পরিবর্তনশীল জীবনের জয়গান প্রধান হয়ে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চঞ্চল চরণ চলে না রে
ব্যাখ্যা: এটিও বলাকা কাব্যের গতি ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত পঙক্তি।
উদাহরণ ২: আজি বরিষণে রিমঝিম রিমঝিম
ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির রূপবৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা রবীন্দ্রনাথের অন্য ধারার একটি কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃত চরণটি এই কাব্যগ্রন্থেরই অন্তর্গত।
B) সোনার তরী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের প্রতীকী ও দর্শনভিত্তিক কবিতা সম্বলিত অন্য একটি কাব্য।
C) চিত্রা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের যৌবনের সৌন্দর্য ও প্রীতিমূলক কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
D) পুনশ্চ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের প্রবীণ বয়সের গদ্যছন্দের কবিতার সংকলন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঝিলিমিলি ঝিলম নদী এবং গতির অনুষঙ্গ পেলে বলাকা কাব্যকে মনে রাখবে।
বলাকা মানেই আকাশে ওড়ার পাখি এবং গতির ছন্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত গতির দর্শনমূলক রচনা।
রবীন্দ্রনাথের কাব্য পরিচিতি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পঙক্তিভিত্তিক প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) জটিল
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে যেহেতু এবং সুতরাং সাপেক্ষ সর্বনাম বা যোজক জোড় একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে যা জটিল বাক্যের গঠন নির্দেশ করে।
- এখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে একটি মাত্র স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং তার ওপর নির্ভরশীল এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।
- জটিল বাক্যে সাধারণত যিনি-তিনি, যে-সে, যদি-তাহলে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু বা যেহেতু-সুতরাং জোড়বাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি তুমি পরিশ্রম করো তবে সফল হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে যদি এবং তবে যুক্ত হয়ে দুটি বাক্যকে এমনভাবে সংযুক্ত করেছে যা একটি অন্যটির ওপর নির্ভরশীল।
উদাহরণ ২: যিনি সৎ পথে চলেন তিনি সবাইর শ্রদ্ধা পান।
ব্যাখ্যা: এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে অধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে।
B) জটিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে যেহেতু এবং সুতরাং সাপেক্ষ যোজক ব্যবহার করা হয়েছে।
C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই।
D) অনুজ্ঞামূলক — অনুজ্ঞামূলক বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রার্থনা বোঝায়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে যদি যেহেতু-সুতরাং, যদি-তবে, যিনি-তিনি এই ধরনের জোড়বাচক শব্দ পাও তবে চোখ বন্ধ করে তা জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- সরল মানে এক, যৌগিক মানে কিন্তু-অথবা এবং জটিল মানে জোড়বাচক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাক্যের গঠনগত রূপান্তর বা বাক্য চিন্হক প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সাপেক্ষ সর্বনাম বা যোজকগুলোর জোড়া মুখস্থ রাখলে জটিল বাক্য খুব দ্রুত নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) কর্মকারকে শূন্য
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ঔষধ শব্দটিকে ক্রিয়া সম্পাদনের কর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
- কর্তার যা ইষ্ট বা যা সে সবচেয়ে বেশি করতে চায় তা হলো কর্ম, এখানে ঔষধ প্রয়োগ করা বা দেওয়া কর্ম পদকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কি বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক এবং শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বলে।
- সর্বাঙ্গে ব্যথা এই বাক্যাংশে ব্যথার ব্যাপকতা বোঝাতে ঔষধ বা নিরাময় কোথায় প্রয়োগ করা হবে তা কর্মকারকের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার রোগীকে ওষুধ দিলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ওষুধ হলো কর্মকারক কারণ ক্রিয়াকে কি দিয়ে প্রশ্ন করলে ওষুধ উত্তর আসে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি নেই।
উদাহরণ ২: শিক্ষক ছাত্রটিকে একটি কলম দিলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কলম হলো কর্মকারক কারণ কাকে বা কি দান করা হলো তার উত্তর কলম এবং এর সাথে শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারকে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঔষধ শব্দটি কর্মকারকের ভূমিকা পালন করছে এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই।
B) সম্প্রদানে সপ্তমী — সম্পদান কারক হলো স্বত্বত্যাগ করে কিছু দান করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
C) অধিকরণে শূন্য — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে ঔষধ কোনো স্থান বা সময় নয়।
D) কর্তৃকারক শূন্য — কর্তৃকারক হলো যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে, কিন্তু ঔষধ নিজে কাজ করছে না বরং এটি কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াকে কি বা কাকে প্রশ্ন করে যদি সরাসরি বস্তুবাচক উত্তর পাওয়া যায় এবং তার সাথে বিভক্তি না থাকে তবে তা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি হবে।
- কোথায় ঔষধ দেবো এই প্রশ্নটি কর্মের ব্যাপ্তি ও প্রয়োগক্ষেত্র নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রবাদপ্রতিম বা বহুল ব্যবহৃত বাক্য থেকে কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের চেয়ে বাক্যের মূল ভাব ও ক্রিয়া পদের সম্পর্ক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- কর্মকারক চেনার জন্য সর্বদাই ক্রিয়ামূলকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করার কৌশলটি প্রয়োগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) চাঁদের মত মুখ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ বিষয়ক।
- এখানে চাঁদ এবং মুখ দুটি পদের তুলনা বোঝানো হয়েছে, যেখানে উপমেয় ও উপমানের তুলনা করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
- তবে সাধারণ তুলনা বোঝালে এবং ব্যাসবাক্যের মাঝে 'মত' বা 'ন্যায়' থাকলে তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ পুরুষের ন্যায় = সিংহপুরুষ
ব্যাখ্যা: এখানে পুরুষের সঙ্গে সিংহের তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণ ২: কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল
ব্যাখ্যা: এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যেখানে সাধারণ গুণের তুলনা বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদ মুখের ন্যায় — এই ব্যাসবাক্যে পদের বিন্যাস ভুল রয়েছে কারণ মুখ আগে ও চাঁদ পরে বসেনি।
B) চাঁদের মত মুখ — এটি সঠিক উত্তর।
C) চাঁদ মুখ যার — এটি বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য গঠন করে যা এই পদের সঙ্গে মিলে না।
D) চাঁদ রূপ মুখ — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য, যা সাধারণ তুলনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপমিত কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে 'মত' বা 'ন্যায়' থাকবে এবং শেষ পদটি হবে সাধারণ বিশেষ্য পদ।
- তুলনা বা সাদৃশ্য বোঝাতে মুখ ও চাঁদের এই সমাসটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ
১. কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের সঙ্গে আ প্রত্যয় এবং পূর্ণ যুক্ত হয়ে সংশয়াপূর্ণ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ব্যাকরণগত ও প্রমিত রূপের বিচারে জীবন সংশয়পূর্ণ না বলে সংশয়াপূর্ণ বলা ব্যাকরণসম্মত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য পদের সঙ্গে বিশেষণের রূপান্তরের সময় সঠিক প্রত্যয় ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ, এর সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগ করে পূর্ণ শব্দটির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাহার মন আশঙ্কাপূর্ণ।
ব্যাখ্যা: আশঙ্কা শব্দের সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগ করে বাক্যটিকে শুদ্ধ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বর্তমান পরিস্থিতি বিপদসংকুল।
ব্যাখ্যা: বিপদের সঙ্গে সংকুল যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ — সংশয়পূর্ণ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত রূপের চেয়ে সংশয়াপূর্ণ অধিক গ্রহণযোগ্য।
B) তাহার জীবন সংশয়ময় — সংশয়ময় শব্দটি অর্থগতভাবে পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ করে না।
D) তাহার জীবন সংশয়ভরা — সংশয়ভরা শব্দটি সাধু ও চলিতরীতির মিশ্রণজনিত ত্রুটির কারণে অগ্রহণযোগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংশয় শব্দের ক্ষেত্রে সংশয়পূর্ণ না লিখে সংশয়াপূর্ণ লেখার অভ্যাস করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে শব্দের সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপটি চিনে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে প্রত্যয়গত ও শব্দগঠনগত ভুলগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- একই ধরনের শব্দরূপ পরিবর্তনের নিয়মগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) দ্বিগু সমাস
১. কেন সঠিক:
যে সমাসের পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক শব্দ হয় এবং সমস্তপদের দ্বারা কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় এবং এটি সাধারণত বিশেষ্য পদ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
দ্বিগু সমাস মূলত কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ যেখানে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয়।
ব্যাসবাক্যের শেষে সমাহার বা সমষ্টি শব্দটি যুক্ত করে দ্বিগু সমাস গঠন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্রিকাল = তিন কালের সমাহার
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ ত্রিম বা তিন সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদে কালের সমাহার বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: শতাব্দী = শত অব্দের সমাহার
ব্যাখ্যা: এখানে শত সংখ্যাবাচক পদ এবং অব্দের সমষ্টি বা সমাহার প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রামান্য বা সমান গুরুত্ব থাকে এবং সংযোগ অব্যয় দ্বারা পদগুলো যুক্ত হয়।
B) রূপক সমাস — এটি এক ধরনের কর্মধারয় সমাস যেখানে উপমান ও উপময়ের মধ্যে অভিন্নতা বা রূপ কল্পনা করা হয়।
C) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে সমসমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝানো হয়।
D) দ্বিগু সমাস — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদ দ্বারা সমাহার বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংখ্যাবাচক পদ আর শেষে সমাহার দেখলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে।
দ্বিগু মানেই সংখ্যা আর সমাহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দ্বিগু সমাসে অবশ্যই সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হবে।
সংখ্যাবাচক পদ থাকলেই তা বহুব্রীহি না দ্বিগু হবে, তা নির্ভর করে পদের অর্থের ওপর।
সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান
১. কেন সঠিক:
- 'ক্ষীয়মাণ' শব্দের অর্থ যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বা হ্রাস পাচ্ছে। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বাড়ছে।
- 'বর্ধমান' শব্দটি কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়ে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের সরাসরি বিপরীত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন দুটি শব্দকে বোঝায় যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো। তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়।
- শব্দের প্রকৃতি ও অর্থের মিল রেখেই বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়, যেখানে ক্ষয় পাওয়ার বিপরীত হিসেবে বৃদ্ধি পাওয়ার ভাবটি প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুপ্ত ও জাগ্রত
ব্যাখ্যা: সুপ্ত শব্দের অর্থ যা ঘুমন্ত বা অব্যক্ত, আর জাগ্রত শব্দের অর্থ যা সজাগ বা প্রবুদ্ধ।
উদাহরণ ২: প্রাচীন ও আধুনিক
ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ বহু পুরনো, আর আধুনিক শব্দের অর্থ বর্তমানকালের বা সাম্প্রতিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃহৎ — বৃহৎ শব্দের অর্থ বিশাল বা বড়, যা ক্ষীয়মাণের সরাসরি বিপরীত নয়।
B) বর্ধিষ্ণু — বর্ধিষ্ণু শব্দের অর্থ যা বৃদ্ধিশীল, তবে ব্যাকরণগত রূপের দিক থেকে 'বর্ধমান' বেশি যথাযথ।
C) বর্ধমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত — বৃদ্ধিপ্রাপ্ত বলতে যা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে বোঝায়, কিন্তু 'ক্ষীয়মাণ' প্রক্রিয়ার ঠিক বিপরীত চলমান প্রক্রিয়া বোঝাতে 'বর্ধমান' অধিক উপযোগী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষয় থেকে ক্ষীয়মাণ আর বৃদ্ধি থেকে বর্ধমান, এভাবে প্রক্রিয়া বা অবস্থা বিবেচনা করে বিপরীত শব্দ মনে রাখবে।
- চলমান অবস্থা বোঝাতে মান প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ মিলিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে, তাই মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- একই অর্থের একাধিক শব্দ অপশনে থাকলে সবচেয়ে উপযুক্ত ও ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কল্লোল
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাসে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
এই কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পরই তরুণ কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লী প্রকৃতির রূপ ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন।
'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখाल' এর অন্তর্গত একটি বিখ্যাত ও শোকাবহ দীর্ঘ কবিতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের 'নক্সানকাঁথার মাঠ' একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি পল্লীজীবনের সুখ-দুঃখ ও প্রেমের এক অনন্য গাথা যা বাংলা কাব্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' আরেকটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যে বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তত্ত্ববোধিনী — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত ব্রাহ্মসমাজ আন্দোলনের মুখপত্র ছিল যেখানে জসীমউদ্দীনের কবিতা প্রকাশিত হয়নি।
B) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিদ্রোহী চেতনার পত্রিকা যার সাথে 'কবর' কবিতার প্রকাশনা সম্পর্কিত নয়।
C) কল্লোল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাসে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
D) কালি ও কলম — এটি আধুনিক যুগের একটি সাহিত্য পত্রিকা যা জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা প্রকাশের অনেক পরে আত্মপ্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' খুঁড়তে হলে 'কল্লোল' ঢেউয়ের প্রয়োজন হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
১৯২৫ সালে প্রকাশিত এই কবিতার মাধ্যমেই কবি পরিচিতি পান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কবিতা বা গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কবিতাটির প্রকাশের সাল এবং পত্রিকার নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কেন সঠিক:
১. বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা রচনার সূচনা করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
২. তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটের আদলে বাংলায় এই শিল্পরূপ সফলভাবে প্রবর্তন করেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. সনেট হলো চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট ভাবসংসংগত কবিতা যার সুনির্দিষ্ট অন্তমিল থাকে।
২. মধুসূদন দত্ত ভার্সাইলে বসেই প্রথম বাংলায় সনেট চর্চা শুরু করেন এবং নতুন মাত্রা যোগ করেন।
৩. তার বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থটি বাংলা সনেটের প্রথম সার্থক নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও সনেটের প্রবর্তক নন।
C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা গদ্য ও ব্রাহ্মসমাজের উন্নয়নে কাজ করেছেন কিন্তু সনেটের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) মোহিতলাল মজুমদার — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত কবি ও সমালোচক যিনি অনেক পরে সাহিত্যচর্চা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
১. বাংলা সনেটের জনক মনে রাখতে মাইকেল মধুসূদন দত্ত নামটি সবার আগে মনে রাখবে।
২. চতুর্দশপদী কবিতা এবং সনেট একই বিষয় যা মাইকেলের হাত ধরে বাংলায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: C) মনীষা মঞ্জুষা
১. কেন সঠিক:
- মনীষা মঞ্জুষা গ্রন্থটি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক ড. মুহম্মদ এনামুল হকের একটি বিখ্যাত রচনা।
- এটি মূলত প্রাবন্ধিক ও গবেষক হিসেবে তাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ বিভিন্ন প্রবন্ধের সংকলন, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ, শিক্ষাবিদ ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তাঁর গবেষণামূলক কাজ এবং প্রাচীন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে লেখালেখি বাংলা ভাষা অধ্যয়নে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশ আঞ্চলিক ভাষার অভিধান
ব্যাখ্যা: এই জাতীয় সংকলন ও গবেষণা গ্রন্থগুলো বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
ব্যাখ্যা: এ জাতীয় সাহিত্যিক ইতিহাস গ্রন্থগুলো লেখকের গভীর গবেষণা ও পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষার ইতিবৃত্ত - এই গ্রন্থটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর রচনা, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) আধুনিক ভাষাতত্ত্ব - এই গ্রন্থটির রচয়িতাও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ফলে এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) মনীষা মঞ্জুষা - এটি ড. মুহম্মদ এনামুল হকের রচনা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান - বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংকলিত ও প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিধান, যা মুহম্মদ এনামুল হকের একক রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এনামুল হকের নামের সঙ্গে 'মনীষা মঞ্জুষা' মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর গবেষণা ছিল মনীষীসুলভ ও গম্ভীর।
- মনীষা শব্দটি দিয়ে তাঁর মননশীল ও পন্ডিতসুলভ প্রবন্ধগ্রন্থকে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানীদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে।
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বইগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
'কাশবনের কন্যা' একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। শামসুদ্দীন আবুল কালামের এই উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন এবং মানুষের আবেগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম। এটি বাংলা সাহিত্যের গ্রামীণ জনপদের চিত্রভিত্তিক একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুরমা নদী ও জলপাই রঙের পাতার গান
ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দীন আবুল কালামের আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঞ্চনমালা
ব্যাখ্যা: এটিও এই লেখকের গ্রামীণ জীবনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি কোনো নাটক নয়, কারণ এতে সংলাপের চেয়ে বর্ণনামূলক গদ্যের বিস্তার বেশি।
B) উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি উপন্যাস।
C) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত উপন্যাস।
D) ছোটগল্প — এর পরিসর ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড় এবং এর পটভূমি ও চরিত্রবিন্যাস উপন্যাসের কাঠামোগত।
৫ মনে রাখার টিপস:
শামসুদ্দীন আবুল কালামের নামের সঙ্গে কাশবনের কন্যা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা যায়। কাশবনের কন্যা উপন্যাসটি গ্রামীণ আবহকে ধারণ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও উপন্যাসের ধরন প্রায়ই আসে। শামসুদ্দীন আবুল কালামের সাহিত্যকর্মগুলো গ্রামীণ জীবনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) রশীদ করিম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি রশীদ করিমের প্রথম এবং অন্যতম বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মধ্যবিত্ত সমাজের মানুষের যান্ত্রিক জীবন, আত্মগ্লানি এবং মানসিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রশীদ করিম ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং আধুনিক বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি কথাসাহিত্যিক রশীদ করিমকে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন এনে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্ৰত্যয় (১৯৬৩)
ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক রশীদ করিমের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মধ্যবিত্ত জীবনের জটিলতা নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: আমার যত গান (১৯৬৫)
ব্যাখ্যা: এটি রশীদ করিম রচিত আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যেখানে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও তিনি ক্রুশবিদ্ধ মানুষের মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস লেখার জন্য বেশি পরিচিত।
B) জহির রায়হান — জহির রায়হান বরফ গলা নদী এবং হাজার বছর ধরে উপন্যাসের রচয়িতা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) শহীদুল্লা কায়সার — শহীদুল্লা কায়সার সারেং বউ এবং সংশপ্তক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) রশীদ করিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি উত্তম পুরুষ উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পুরুষ মানুষ একা একা রশীদ চা খায়, এভাবে মনে রাখতে পারো রশীদ করিমের উত্তম পুরুষ উপন্যাস।
- মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের কথা মনে এলেই রশীদ করিম ও তার উত্তম পুরুষ উপন্যাসটি স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক উপন্যাসের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে রশীদ করিমের নাম এবং তার উত্তম পুরুষ গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: A) সমাপ্তি
১. কেন সঠিক:
মৃন্ময়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র। এই গল্পে মৃন্ময়ী চরিত্রের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক চঞ্চলা, অপরিপক্ব অথচ প্রাণবন্ত গ্রামীণ কিশোরীর মনস্তত্ত্ব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং তাঁর ছোটগল্প সংকলন ‘গল্পগুচ্ছ’ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ‘সমাপ্তি’ গল্পটি মূলত বাল্যবিয়ে এবং কিশোরী বধূর মানসিক বিবর্তন ও দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হৈমন্তী’ গল্পের প্রধান চরিত্র হৈমন্তী।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার নারী চরিত্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ গল্পের চরিত্র রায়চরণ।
ব্যাখ্যা: এই গল্পটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্পের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিশ্বস্ত ভৃত্যের মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাপ্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গল্পেরই প্রধান নায়িকা মৃন্ময়ী।
B) দেনা-পাওনা — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র নিরুপমা, মৃন্ময়ী নয়।
C) পোস্ট মাস্টার — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র রতন, মৃন্ময়ী নয়।
D) মধ্যবর্তিনী — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র হরিষ ও আনন্দময়ী কেন্দ্রিক, মৃন্ময়ী নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের সমাপ্তি ছোটগল্পের সমাপ্তি ঘটে মৃন্ময়ী চরিত্রের চঞ্চলতা ও পরিপক্বতার মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে। এভাবে চরিত্র ও গল্পের নাম মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের চরিত্রসমূহ বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই গল্প ও চরিত্রের নাম জোড় হিসেবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র অন্তর্গত 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি রচনার জন্য ব্রিটিশ সরকার এই কাব্য নিষিদ্ধ করেছিল।
- ব্রিটিশ রাজশক্তিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবের ডাক দেওয়ায় এই কবিতাটি বাজোপ্ত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থে মোট বারটি কবিতা রয়েছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষের বাঁশী
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ভাঙার গান
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিদ্রোহী গান ও কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশ আমলে নিষিদ্ধ হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম সেরা কবিতা হলেও শুধু এই কবিতার জন্য পুরো কাব্য নিষিদ্ধ হয়নি।
B) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কবিতার জন্যই মূলত 'অগ্নিবীণা' কাব্য নিষিদ্ধ হয়েছিল।
C) প্রলয়োল্লাস — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা যা বিপ্লবের বার্তা দিলেও কাব্য নিষিদ্ধ হওয়ার প্রধান কারণ এই কবিতা এককভাবে নয়।
D) রক্তাম্বরধারিণী মা — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত কোনো কবিতার নাম নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অগ্নিবীণা কাব্যের নিষিদ্ধ কবিতার নাম মনে রাখতে আনন্দময়ী মায়ের আগমনকে ব্রিটিশরা ভয় পেত এই কথাটি মনে রাখতে পারো।
- নজরুলের রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ প্রথম গ্রন্থ মনে রাখতে অগ্নিবীণা ও আনন্দময়ী শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের নিষিদ্ধ গ্রন্থ বা কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর প্রথম কবিতার নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) নশ্বর
১. কেন সঠিক:
- ‘নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার’ এক কথায় প্রকাশ হলো নশ্বর।
- এখানে নশ্বর শব্দটি মূলত মানুষের জীবন বা এই পৃথিবীর ক্ষণস্থায়ী ও বিনাশশীল অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষিপ্ত ও প্রগাঢ় করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী নশ্বর।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নশ্বর শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে পৃথিবীর স্থায়ী কোনো অস্তিত্ব নেই, একদিন ধ্বংস হবে।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন নশ্বর।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের জীবন যে ক্ষণস্থায়ী এবং মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার বিনাশ ঘটে, তা বোঝাতে নশ্বর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিদাঘ — নিদাঘ শব্দের অর্থ তীব্র গরম বা গ্রীষ্মকাল, যা নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার বাক্যাংশের সঙ্গে মেলে না।
B) নশ্বর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার বা যা ধ্বংসশীল।
C) নষ্টমান — নষ্টমান শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে মানসম্মত এককথায় প্রকাশ নয় এবং এর প্রচলিত কোনো অর্থ নেই।
D) বিনশ্বর — বিনশ্বর শব্দের অর্থ যা বিনাশপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার অর্থে নশ্বর শব্দটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ন দিয়ে শুরু নশ্বর শব্দটি মনে রাখতে পারেন বিনাশ বা নষ্ট হওয়া শব্দের সঙ্গে মিল রেখে।
- যা ধ্বংস হয় বা নষ্ট হয়, তা-ই নশ্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো চর্চা করা জরুরি।
- নশ্বর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ অবিনশ্বর বা শাশ্বত, যা প্রায় সময় পরীক্ষার অপশনে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) stay
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো স্থানে সামقয়িকভাবে অবস্থান করা বোঝাতে 'stay' ভার্বটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাক্যে দুই মাস দেশে থাকার উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এখানে অন্য কোনো ভ্রমণের বিরতি বোঝানো হয়নি।
সাময়িক বাস বোঝাতে এই শব্দটি নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) live — স্থায়ীভাবে বসবাস করা অর্থে 'live' ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) stay — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) stop — সামقয়িকভাবে থামা বোঝায়, দীর্ঘ সময় থাকার ক্ষেত্রে এটি বসে না।
D) halt — মূলত যাত্রা বা গতি সামقয়িক বন্ধ করা বোঝাতে 'halt' ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো দেশ বা শহরে নির্দিষ্ট কিছুদিন বেড়াতে বা কাটাতে গেলে 'live' না বলে 'stay' বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) about
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে বা কারণে রেগে যাওয়া বোঝালে angry শব্দের পরে about preposition বসে। এখানে প্রশ্নটিতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে রাগের কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক preposition হিসেবে about ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) at — সাধারণত কোনো আচরণ বা ঘটনার ওপর রাগ প্রকাশ করতে angry at বসে, যা এখানে ঠিক নয়।
C) with — কোনো ব্যক্তির ওপর রেগে যাওয়া বোঝালে angry with ব্যবহার করতে হয়।
D) for — কারণ বোঝাতে for বসলেও angry শব্দের পরে এই prepositionটি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বস্তু বা বিষয়ের ওপর রাগলে angry about এবং ব্যক্তির ওপর রাগলে angry with ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) angry
কেন সঠিক:
রাত এগারোটা বেজে যাওয়ার পরও ছেলে বাড়ি না ফেরায় বাবা-মা চরম মাত্রায় ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিলেন। পরিস্থিতির তীব্রতা বোঝাতে এখানে angry শব্দটি সবচেয়ে বেশি মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) angry — বাক্যটির শূন্যস্থানে বসালে সঠিক অর্থ ও তীব্রতা প্রকাশ পায়।
B) annoyed — এই শব্দটি সামান্য বিরক্তি বোঝায়, যা এখানে অতিরিক্ত উদ্বেগের জন্য যথেষ্ট নয়।
C) disturbed — এটি মানসিক অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা বোঝায়, যা বাবা-মার সঠিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে না।
D) anxious — চিন্তিত বা উৎকণ্ঠিত হলেও এত রাতে ছেলে না ফেরায় মূল আবেগটি ক্ষোভ বা রাগের রূপ নেয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্তান নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে বাড়ি না ফিরলে বাবা-মার মনে যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, তা বোঝাতে angry ব্যবহার করা হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: D) always
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে বক্তা তার অতীতের একটি সুন্দর স্মৃতির কথা কৃতজ্ঞতা ও আনন্দের সঙ্গে স্মরণ করছেন।
- ইংরেজি ব্যাকরণে আনন্দদায়ক বা ইতিবাচক স্মৃতি প্রকাশের ক্ষেত্রে 'always' adverb-টি ব্যবহার করে চিরন্তন বা স্থায়ী অনুভূতির প্রকাশ ঘটানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ever — 'ever' সাধারণত প্রশ্নবোধক বা না-বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যা এই affirmative বা হাবভাবসূচক বাক্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) hardly — 'hardling' অর্থ কদাচিৎ বা প্রায় নয়, যা ইতিবাচক স্মৃতির ক্ষেত্রে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বাক্যটিকে ভুল করে তোলে।
C) usually — 'usually' সাধারণত অভ্যাসগত বা নিত্যনৈমিত্তিক কাজ বোঝাতে বসে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো অতীতের স্মৃতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) always — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি অতীতের আনন্দের স্মৃতি আজীবন মনে রাখার স্থায়ী ভাব প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের কোনো মধুর স্মৃতি বা সুন্দর মুহূর্ত আজীবন মনে রাখার ক্ষেত্রে 'always' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) risky
কেন সঠিক:
এখানে চিকিৎসা বা কোনো বড় কাজের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ক্ষতির অনিশ্চয়তা বোঝাতে সঠিক শব্দটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিভাষায় সাধারণত 'risky' শব্দটি সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এই বাক্যে সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতার সম্ভাবনাও সমানভাবে বিদ্যমান।
তাই এখানে 'risky' অপশনটি অর্থের দিক থেকে সবচেয়ে মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) difficult — কঠিন বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তবে এখানে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা বেশি বোঝানো হয়েছে।
B) dangerous — বিপজ্জনক বোঝালেও অপারেশন বা পেশাদার কাজের ক্ষেত্রে এই প্রেক্ষাপটে এটি ঠিক মানায় না।
C) risky — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না।
D) troublesome — বিরক্তিকর বা ঝামেলাপূর্ণ পরিস্থিতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা অপারেশন বা অভিযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য ক্ষতির ক্ষেত্রে কাজের বিশেষণ হিসেবে 'risky' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) A hater of mankind
কেন সঠিক:
- Misanthropist শব্দটি মানবজাতি বা মানুষকে ঘৃণা করে এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Greek শব্দ Misos অর্থ ঘৃণা করা এবং Anthropos অর্থ মানুষ, এই দুটি মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One who flirts with ladies — এটি Philanderer বা Flirt শব্দের অর্থ, যা নারীদের সাথে প্রেম নিবেদন করা ব্যক্তিকে বোঝায়।
B) A person of narrow views — এটি Insular বা Narrow-minded শব্দের অর্থ, যা সংকীর্ণ মানসিকতার মানুষকে বোঝায়।
C) A hater of mankind — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) One who believe that God is in everything — এটি Pantheist শব্দের অর্থ, যা সর্বেশ্বরবাদী বা ঈশ্বরে সবকিছু বিশ্বাসকারীকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Mis- অর্থ ঘৃণা এবং anthrop- অর্থ মানুষ, তাই Misanthropist অর্থ মানবদ্বেষী।
সঠিক উত্তর: C) natural
কেন সঠিক:
প্রথম মাতৃভাষা হলো মানুষের জন্মের পর প্রাকৃতিকভাবে শেখা প্রথম ভাষা। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই পরিবেশ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্জন করা হয়।
দ্বিতীয়ত, একে মাতৃভাষা বা ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
তৃতীয়ত, এটি মানুষের জন্মগত যোগাযোগের স্বাভাবিক মাধ্যম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) important — ভাষা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজের মূল সংজ্ঞা হলো এটি জন্মসূত্রে প্রাপ্ত, কেবল গুরুত্ব বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার হয় না।
B) main — প্রধান ভাষা অনেক সময় সেকেন্ডারি বা দাপ্তরিক ভাষাও হতে পারে, তাই এটি সরাসরি প্রথম ভাষার সঠিক ও সার্বজনীন সংজ্ঞা নয়।
C) natural — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাতৃভাষা মানুষের জীবনে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে অর্জিত হয়।
D) official — দাপ্তরিক ভাষা সাধারণত সরকার বা অফিসের কাজে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের প্রথম বা মাতৃভাষা নাও হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা প্রথম ভাষা মানেই হলো মায়ের মুখ থেকে শেখা প্রাকৃত তাই উত্তর সবসময় ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক হবে।
সঠিক উত্তর: C) he had known
কেন সঠিক:
- এটি Third Conditional-এর একটি বাক্য, যার গঠন হলো If এর সাথে Past Perfect Tense এবং পরবর্তী অংশে Would have এর সাথে Verb-এর Past Participle বসে।
- অতীতের এমন একটি কাল্পনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা বাস্তবে ঘটেনি কিন্তু ঘটলে তার ফল কী হতো তা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he knew — এটি Simple Past Tense, যা Third Conditional-এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) he had been knowing — এটি Past Continuous Tense-এর গঠন, যা এই বাক্যের অর্থ ও নিয়মের সাথে ভুল।
C) he had known — এটি সঠিক অপশন এবং এটি Past Perfect Tense নির্দেশ করে।
D) he was knowing — 'Know' একটি Stative Verb, তাই এর সাথে Continuous Tense হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Third Conditional চেনার উপায় হলো প্রধান অংশে would have + V3 থাকা, তাই if-যুক্ত অংশে সবসময় Past Perfect (had + V3) হবে।
সঠিক উত্তর: D) dyed
কেন সঠিক:
চুল বা কাপড়ের রঙ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে ইংরেজি ব্যাকরণে নির্দিষ্ট একটি শব্দ ব্যবহার করা হয়।
চুল বা কাপড় রাঙানো বা রঙ করার ইংরেজি পরিভাষা হলো ডাই বা dyed।
এই বাক্যে চুলে বাদামী রঙ করার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক শব্দটি dyed।
এটি এই বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত নিয়ম দুটোই সঠিকভাবে পূরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) colored — এই শব্দটি সাধারণ রঙ করার ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু চুল বা কাপড়ের বিশেষ রঙ পরিবর্তনের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) given — এই শব্দটির অর্থ দেওয়া, যা চুল বা বাদামী Shade এর সাথে কোনো অর্থপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করে না।
C) dried — এই শব্দটির অর্থ শুকানো, যা চুল শুকানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা গেলেও রঙের সাথে মানানসই নয়।
D) dyed — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
চুল বা কাপড় রঙ করার কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে dyed শব্দটি বেছে নেবে।
সঠিক উত্তর: A) state
কেন সঠিক:
ক্লাইমেট বা জলবায়ু হলো দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক অবস্থা। তাই পরিবেশের অবস্থা বোঝাতে state শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) state — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
B) situation — এই শব্দটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বা সাময়িক পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) rank — এই শব্দটির অর্থ পদমর্যাদা, যা পরিবেশের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়।
D) size — এই শব্দটির অর্থ আকার, যা আবহাওয়া বা জলবায়ুর সাথে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
জলবায়ু মানেই পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট সময়ের 'অবস্থা' বা state।
সঠিক উত্তর: D) My father was in hospital for six weeks during the summer.
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝাতে 'during' এর পরিবর্তে 'for' ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম।
ঋতু বা বিশেষ সময়ের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে 'during' ব্যবহার করায় এবং গ্রীষ্মকালের আগে 'the' না থাকায় এটি ভুল।
B) বাক্যটির গঠন এবং শব্দ বিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও অগ্রহণযোগ্য।
সি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার ক্ষেত্রে 'a' আর্টিকেল ব্যবহার করা ইংরেজি ব্যাকরণে নিয়মবহর্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তির আগে 'for' এবং সুনির্দিষ্ট ঋতুর নামের আগে 'the' বসে।
সঠিক উত্তর: D) adverb
কেন সঠিক:
এখানে drawing near বাক্যে near শব্দটি verb কে modify করছে।
কোনো verb কখন বা কীভাবে কাজ সম্পন্ন করছে তা বোঝালে near শব্দটি adverb হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি noun বা pronoun কে বিশেষিত করে না বরং verb কে বিশেষিত করে।
B) verb — এটি বাক্যের মূল কাজ বা verb নয়, কারণ draw হলো মূল verb।
C) preposition — এর পরে কোনো object বা noun নেই, তাই এটি preposition হতে পারে না।
D) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb এর ঠিক পরে বসে তার কাজকে নির্দেশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
verb এর কাছে কেমন বা কোথায় প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তার সাথে কোনো object না থাকলে তা adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) To one’s own liking
কেন সঠিক:
- 'After one's own heart' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর অর্থ হলো নিজের মনের মতো বা কারো পছন্দ এবং রুচির সাথে পুরোপুরি মিলে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To be in low spirit — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মন খারাপ থাকা বা বিষণ্ণ হওয়া, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না।
B) With complete devotion — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সম্পূর্ণ নিষ্ঠা বা ভক্তির সাথে কাজ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) To one’s own liking — এটি সঠিক অপশন কারণ এর অর্থ নিজের পছন্দ বা মনের মতো হওয়া, যা মূল ইডিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) To be in high spirit — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ খুব ফুরফুরে মেজাজে বা আনন্দে থাকা, যা এই প্রবাদের অর্থের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
নিজের মনের (heart) মতো কিছু পেলে তা নিজের পছন্দ (liking) অনুযায়ী হয়, এভাবেই এটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) to give up
কেন সঠিক:
অ্যাডভাইজ বা এজাতীয় verb এর পর অবজেক্ট থাকলে infinitive অর্থাৎ to এর সাথে verb এর মূল ফর্ম বসে।
এখানে me অবজেক্ট থাকার কারণে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী to give up ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশনগুলো এই নির্দিষ্ট grammatical কাঠামোর সাথে মিলছে না।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে infinitive phrase সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving up — এখানে gerund ব্যবহার করা হয়েছে যা এই বাক্যের গঠনে সরাসরি সঠিক নয়।
B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in giving up — preposition ব্যবহারের ফলে বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়ে যায়।
D) from giving up — এখানে from preposition এর ব্যবহার সঠিক নিয়ম অনুযায়ী হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাডভাইজ verb এর পর সরাসরি ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে তার পরে সবসময় to + verb এর বেস ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) from
কেন সঠিক:
অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মারা যাওয়া বোঝালে die এর পরে from preposition বসে।
এখানে মৃত্যুটি সরাসরি কোনো রোগ নয়, বরং অতিরিক্ত খাওয়ার মতো বাহ্যিক বা পরোক্ষ কারণে ঘটেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — কোনো হিংস্রতা, দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যার মাধ্যমে মারা যাওয়া বোঝালে die by বসে।
B) of — কোনো নির্দিষ্ট রোগ যেমন ক্যান্সার, করোনা বা হৃদরোগে মারা গেলে die of বসে।
C) ফর — এটি ইংরেজি প্রিপজিশন নয় এবং কোনো দেশের বা কারণের জন্য মৃত্যুর ক্ষেত্রে এটি নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
D) from — এই অপশনটি সঠিক কারণ অতিরিক্ত খাওয়ার মতো পরোক্ষ কারণে মৃত্যুর ক্ষেত্রে from ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মরলে অব আর অতিরিক্ত খেয়ে মরলে ফ্রম ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) dissatisfied
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ হলো আমাদের খুশি দেখাতে হবে, নয়তো সে অসন্তুষ্ট হবে।
- or else এর আগের অংশের বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে A অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) dissatisfied — এটি বাক্যের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সঠিক।
B) cross — এর অর্থ বিরক্ত, যা এই শূন্যস্থানের জন্য যথাযথ নয়।
C) happy — খুশি থাকলে সে অসন্তুষ্ট হবে না, তাই এটি ভুল।
D) delighted — এর অর্থ আনন্দিত, যা এখানে অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
or else যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে আগের ক্লজের বিপরীত বা নেতিবাচক ফলাফল বোঝাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
- কোনো অস্ত্র, হাতিয়ার বা বস্তু দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝালে তার পূর্বে preposition হিসেবে with বসে।
- এখানে rolled up newspaper বা মোড়ানো খবরের কাগজটি হলো মাছি মারার হাতিয়ার বা মাধ্যম, তাই সঠিক উত্তর with হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — কোনো ব্যক্তি বা কর্মীর দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে by বসে, কিন্তু এখানে কোনো ব্যক্তির কথা বলা হয়নি।
B) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কোনো বস্তু বা হাতিয়ারের সাহায্যে কাজ করার মাধ্যম নির্দেশ করে।
C) through — কোনো মাধ্যম বা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাওয়া বোঝালে through বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from বসে, যা এই বাক্যের অর্থ অনুসারে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের হাতিয়ার বা বস্তু বোঝাতে with ব্যবহার করবে এবং মানুষের দ্বারা কাজ সম্পন্ন হলে by ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: খ) had left
কেন সঠিক:
অতীতকালে ঘটে যাওয়া দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
এখানে ছেলেটির চলে যাওয়া কাজটি আগে ঘটেছিল বলে had left ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) left — এটি সাধারণ অতীতকাল নির্দেশ করে, যা দুটি অতীত কাজের আগের কাজ বোঝানোর জন্য সঠিক নয়।
খ) had left — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
গ) has has — এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে, কিন্তু পুরো বাক্যটি অতীতকালে রয়েছে।
ঘ) has been leaving — এটি বর্তমান নিখুঁত ধারাবাহিক কাল, যা এই অতীত কালের বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে হয়, তাতে Past Perfect টেন্স (had + V3) বসে।
সঠিক উত্তর: A) worry
কেন সঠিক:
পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুশ্চিন্তা হওয়া একটি স্বাভাবিক এবং বাস্তবসম্মত মানসিক অবস্থা।
এই বাক্যের ভাবার্থ অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীরা তাদের পরীক্ষার ফল নিয়ে এখন চিন্তা করা শুরু করবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) worry — এটি সঠিক উত্তর এবং পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে মানানসই শব্দ।
B) reflect — এর অর্থ গভীরভাবে চিন্তা করা, যা সাধারণত পরীক্ষার ফলাফলের সাধারণ ভয়ের ক্ষেত্রে বসে না।
C) inquire — এর অর্থ খোঁজ নেওয়া বা জানতে চাওয়া, যা ফলাফলের আশঙ্কার সাথে সরাসরি মানায় না।
D) comment — এর অর্থ মন্তব্য করা, যা ফলাফলের আগের ব্যক্তিগত মানসিক অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরীক্ষার ফলাফলের কথা শুনলেই সাধারণ মানুষের মনে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়, তার জন্য সঠিক ইংরেজি শব্দটি হলো worry।
সঠিক উত্তর: A) long
কেন সঠিক:
- Stockings হলো এমন এক ধরনের মোজা যা হাঁটু বা উরু পর্যন্ত লম্বা হয়।
- সাধারণ sock বা গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা মোজার তুলনায় stockings আকৃতিতে অনেক লম্বা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) long — এটি সঠিক উত্তর কারণ stockings প্রচলিত মোজার তুলনায় অনেক লম্বা হয়।
B) small — এটি ভুল কারণ stockings ছোট আকারের মোজা নির্দেশ করে না।
C) big — এটি ভুল কারণ মোজার ক্ষেত্রে আকারের বড় বোঝাতে long শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
D) short — এটি ভুল কারণ short বা ছোট মোজা হলো সাধারণ socks।
মনে রাখার টিপস:
Stockings শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি লম্বা বা long মোজা, যা সাধারণত হাঁটু পর্যন্ত পরা হয়।
সঠিক উত্তর: C) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখা তিনটি হলো প্রথম Y = ৩x + ২, দ্বিতীয় Y = −৩x + ২ এবং তৃতীয় Y = −২
ধরি,
রেখা তিনটির ছেদবিন্দুগুলো হলো ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষবিন্দু
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় রেখার ছেদবিন্দু নির্ণয় করে পাই (০, ২)
প্রথম ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু নির্ণয় করে পাই (−৪/৩, −২)
দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু নির্ণয় করে পাই (৪/৩, −২)
সুতরাং,
দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় জ্যামিতিক চিত্রটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
উত্তর: C) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
মোট পোশাকের সংখ্যা = ১৫
শার্টের শতকরা হার = ৪০%
ধরি,
শার্টের সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
শার্ট নয় এমন পোশাকের শতকরা হার = ১০০% − ৪০% = ৬০%
অতএব,
১৫টি পোশাকের মধ্যে শার্টের সংখ্যা = ১৫ এর ৪০%
১৫ × (৪০ ÷ ১০০) = ৬টি শার্ট
সুতরাং,
১৫টি পোশাকের মধ্যে শার্ট নয় এমন পোশাকের সংখ্যা = ১৫ − ৬ = ৯টি
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: C) ৪৫০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল = ১০,০০০ টাকা
সুদের হার = ৬%
সময় = ৯ মাস
ধরি,
সময়কে বছরে রূপান্তর করতে হবে
৯ মাস = ৯ ÷ ১২ বছর
অতএব,
১ বছরের সুদ = ১০,০০০ এর ৬% = ৬০০ টাকা
১ মাসের সুদ = ৬০০ ÷ ১২ = ৫০ টাকা
৯ মাসের সুদ = ৫০ × ৯ = ৪৫০ টাকা
সুতরাং,
নির্ণয় করা সুদের পরিমাণ = ৪৫০ টাকা
উত্তর: ৪৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
X + Y = ৬
XY = ৮
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে (X − Y) এর বর্গ এর মান
আমরা জানি,
(X − Y) এর বর্গ = (X + Y) এর বর্গ − ৪ × X × Y
অতএব,
(X + Y) এর বর্গ = ৬ এর বর্গ = ৩৬
৪ × X × Y = ৪ × ৮ = ৩২
সুতরাং,
৩৬ − ৩২ = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ৯৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দ্বিগুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল ৫১২ বর্গমিটার
ধরি,
ঘরের বিস্তার = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার
২ক বর্গ = ৫১২ বর্গমিটার
সুতরাং,
ক বর্গ = ২৫৬
ক = ১৬ মিটার
উত্তর:
বিস্তার = ১৬ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৩২ মিটার
পরিসীমা = ২ × (৩২ + ১৬) = ৯৬ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ১৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০°
ধরি,
খুঁটিটি মাটি থেকে x মিটার উঁচুতে ভেঙেছে
ভেঙে যাওয়া অংশের দৈর্ঘ্য = (৪৮ − x) মিটার
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজ থেকে পাই, লম্ব = x এবং অতিভুজ = (৪৮ − x)
আমরা জানি, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
sin(৩০°) এর মান = ১ ÷ ২
সুতরাং,
১ ÷ ২ = x ÷ (৪৮ − x)
২x = ৪৮ − x
৩x = ৪৮
x = ১৬
উত্তর: ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে
ধারার প্রথম পদ = ১
ধারার শেষ পদ = ৯৯
ধরি,
পদের সংখ্যা বা শেষ পদ (n) = ৯৯
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
পদের সংখ্যা এবং (পদের সংখ্যা + ১) এর গুণফল বের করতে হবে
৯৯ × (৯৯ + ১) = ৯৯ × ১০০
৯৯ × ১০০ = ৯৯০০
সুতরাং,
প্রাপ্ত গুণফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে
৯৯০০ ÷ ২ = ৪৯৫০
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: C) ২৪৩ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
কাজের পরিমাণ = ১/২৭ অংশ
সময় লাগে = ৩ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
কাজের ৩ গুণ পরিমাণ = ৩ × ১ = ৩ অংশ
অতএব,
১/২৭ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ দিন
সম্পূর্ণ ১ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ × ২৭ = ৮১ দিন
সুতরাং,
ঐ কাজের ৩ গুণ অর্থাৎ ৩ অংশ কাজ করতে সময় লাগবে = ৮১ × ৩ = ২৪৩ দিন
উত্তর: ২৪৩ দিন
সঠিক উত্তর: A) x − ৫
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশির গসাগু নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম রাশি এবং দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন
অতএব,
উৎপাদকগুলোর মধ্যে সাধারণ বা কমন অংশটি খুঁজতে হবে
সুতরাং,
প্রাপ্ত সাধারণ উৎপাদক হবে গসাগু
উত্তর: x − ৫
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় একটি রাশি দেওয়া আছে
যার মান আমাদের নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
রাশিটির মান ক
অতএব,
সমীকরণটি সমাধান করতে হবে
সুতরাং,
সমস্ত পদ কেটে গিয়ে ফলাফল শূন্য হবে
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: C) ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
প্রদত্ত তথ্য:
আমরা জানি ১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার
আবার ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার
ধরি,
১ ইঞ্চির মান সেন্টিমিটারে ২.৫৪
অতএব,
১০০ সেন্টিমিটারকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করতে হবে
১০০ কে ২.৫৪ দ্বারা ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
১০০ ÷ ২.৫৪ = ৩৯.৩৭০৭...
উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: D) একটি অমূলদ সংখ্যা
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো রুট দুই
ধরি,
সংখ্যাটিকে পি ভাগ কিউ আকারে প্রকাশ করা যায় যেখানে পি এবং কিউ পূর্ণসংখ্যা এবং কিউ শূন্যের সমান নয়
অতএব,
পি স্কয়ার সমান দুই গুণ কিউ স্কয়ার হয়
সুতরাং,
সংখ্যাটির দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবرتী হয়
উত্তর: একটি অমূলদ সংখ্যা
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ log২
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো log২ + log৪ + log৮ + ...
ধারাটির প্রথম পদ এবং সাধারণ অনুপাত নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম পদ a = log২
সাধারণ অনুপাত r = log৪ ÷ log২ = log(২ এর ওপর ২) ÷ log২ = ২
অতএব,
দ্বিতীয় পদ = log৪ = ২ log২
তৃতীয় পদ = log৮ = ৩ log২
এইভাবে দশম পদ পর্যন্ত ধারাটি চলবে
সুতরাং,
দশটি পদের সমষ্টি S = log২ (১ + ২ + ৩ + ... + ১০)
১ থেকে ১০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল = (১০ × ১১) ÷ ২ = ৫৫
উত্তর: ৫৫ log২
সঠিক উত্তর: B) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা।
- এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তরের অবস্থান, ইউনেস্কোর নয়।
B) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়ের সঠিক অবস্থান।
C) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর হিসেবে পরিচিত প্যারিস, তাই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়ও সেখানেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ১ জুলাই ১৯৯১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আইন পাস হয় ১৯৯১ সালে এবং তা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়।
- তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান বাংলাদেশে প্রথম এই পরোক্ষ কর ব্যবস্থা চালু করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ জুলাই ১৯৯১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাট চালু হয়।
B) ১ জুলাই ১৯৯৩ — এই সালের সঙ্গে বাংলাদেশের মূল্য সংযোজন কর চালুর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
C) ১ জুলাই ১৯৯৫ — এই সালটি বাংলাদেশের ভ্যাট চালুর শুরুর সময় নয়, এটি ভুল অপশন।
D) ১ জুলাই ১৯৯৬ — এই সালের সঙ্গে বাংলাদেশে ভ্যাট প্রবর্তনের কোনো তথ্যগত মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাট চালুর সাল মনে রাখতে ৯০-এর দশকের শুরু অর্থাৎ ১৯৯১ সাল মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) পেলে
কেন সঠিক:
- পেলে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার এবং একমাত্র খেলোয়াড় যিনি তিনটি ফিফা বিশ্বকাপ জয় করেছেন।
- ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ফুটবলের সর্বকালের সেরা হিসেবে ফিফা কর্তৃক স্বীকৃত।
B) জিদান — তিনি ফ্রান্সের মহান খেলোয়াড় হলেও বিংশ শতাব্দীর সেরা হিসেবে এই বিশেষ খেতাব পাননি।
C) বেকেনবাওয়ার — তিনি জার্মানির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার হলেও ফুটবলের সর্বকালের সেরার এই নির্দিষ্ট খেতাবে ভূষিত হননি।
D) ম্যারাডোনা — তিনি আর্জেন্টিনার বিশ্বসেরা খেলোয়াড় হলেও ফিফার বিংশ শতাব্দীর সেরা ভোটাভুটিতে পেলের পেছনে ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
যিনি তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং ফুটবলের কালো মানিক নামে পরিচিত, তিনিই পেলে।
সঠিক উত্তর: C) একটি জেলখানা
কেন সঠিক:
- এটি ইরাকের রাজধানী বাগدادের কাছে অবস্থিত একটি কুখ্যাত কারাগার।
- ২০০৩ সালে মার্কিন সেনাবাহিনী ইরাক দখলের পর এখানে বন্দিদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ফাঁস হলে এটি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একজন বিখ্যাত দার্শনিক — আবু গারিব কোনো দার্শনিক নন, এটি একটি ঐতিহাসিক কারাগারের নাম।
B) একটি জাদুঘর — এটি কোনো জাদুঘর নয়, বরং ইরাকের একটি কুখ্যাত বন্দিশালা।
D) একজন বৈজ্ঞানিক — আবু গারিব কোনো বৈজ্ঞানিক বা গবেষক নন, এটি একটি স্থানের নাম।
মনে রাখার টিপস:
আবু গারিব নামটি শুনলেই ইরাকের জেলখানা এবং সেখানে সংঘটিত বন্দি নির্যাতনের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) মার্গারেট থ্যাচার
কেন সঠিক:
- মার্গারেট থ্যাচার যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর আপসহীন ও কঠোর রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য তাঁকে লৌহ মানবী বলা হতো।
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় কমিউনিজমের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য তিনি এই উপাধি পান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁকে ভারতের লৌহ মানবী বলা হলেও আন্তর্জাতিকভাবে এই উপাধি মার্গারেট থ্যাচারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট।
B) বেগম খালেদা জিয়া — তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের অধিকারী, এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) আং সান সুচি — তিনি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর ও রাজনৈতিক নেতা এবং গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের কারণে পরিচিত, লৌহ মানবী নন।
D) মার্গারেট থ্যাচার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, তবে তাঁর দৃঢ় ব্যক্তিত্বের জন্যই এই উপাধিটি দেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের কঠোর মনের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার মানেই লৌহ মানবী।
সঠিক উত্তর: C) বেলগ্রেড
কেন সঠিক:
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়।
- তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট যোসিপ ব্রোজ টিটো, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের এই সম্মেলন আয়োজনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমটি নয়।
B) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং এখানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং এখানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের দশম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম সম্মেলন বেলগ্রেডে হয়েছিল, তাই মনে রাখুন প্রথম বেল বাজল বেলগ্রেডে।
সঠিক উত্তর: A) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
কেন সঠিক:
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ।
- এটি উত্তর ও পশ্চিম গোলার্ধের মধ্যে সামুদ্রিক বাণিজ্য সহজ করতে আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি পানামা খালের সঠিক সংযোগকারী মহাসাগর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগর — এই জলপথের সংযোগকারী খাল হলো জিব্রাল্টার প্রণালী এবং সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করে।
C) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এই দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে মালাক্কা প্রণালী এবং এটি পানামা খালের ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে মেলে না।
D) প্রশান্ত ও ভূমধ্যসাগর — এই দুটি বিশাল জলরাশির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের জন্য কোনো কৃত্রিম খাল বা জলপথ নেই।
মনে রাখার টিপস:
পানামা খালের সংযোগ মনে রাখতে আপ (আটলান্টিক-প্রশান্ত) শব্দটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) ২০০০ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে।
- ওই বছরের ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০০ সালে - এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
B) ২০০১ সালে - এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি, এটি সঠিক উত্তরের পরের বছর।
C) ১৯৯৯ সালে - এই সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেয় এবং পাকিস্তানে ঐতিহাসিক জয় পায়, কিন্তু টেস্ট মর্যাদা পায়নি।
D) ১৯৯৮ সালে - এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল, যা টেস্ট মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নতুন শতাব্দীর শুরু অর্থাৎ ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদাপূর্ণ আঙিনায় পা রাখে।
বিষay: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) মিজোরাম
কেন সঠিক:
- কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কর্ণফুলীর উৎসস্থল মিজোরাম রাজ্যে অবস্থিত, যা প্রদত্ত উত্তরে মণিপুর উল্লেখ থাকায় ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিপুরা — এটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একটি ভারতীয় রাজ্য হলেও কর্ণফুলী নদীর উৎস এই রাজ্যে নয়।
B) মিজোরাম — এটি কর্ণফুলী নদীর প্রকৃত উৎসস্থল, কারণ নদীটি এই রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।
C) মণিপুর — এটি বারাক নদীর উৎসস্থল এবং কর্ণফুলীর উৎস হিসেবে এটি ভুল তথ্য।
D) মেঘালয় — এটি পাহাড়ি রাজ্য হলেও কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি এখানে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে, যা বাংলাদেশের সাথে সরাসরি যুক্ত পাহাড়ি উৎস।
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (BDF) সভা আয়োজন ও এর কার্যক্রম সমন্বয় করার মূল দায়িত্ব পালন করে বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক সাহায্য ব্যবস্থাপনায় এই সংস্থা প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিকা — এটি জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয় কিন্তু ফোরামের সমন্বয়কারী নয়।
B) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করে তবে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী নয়।
C) বিশ্বব্যাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
D) আইএমএফ — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে কিন্তু এই ফোরামের সমন্বয়কারী নয়।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন ও তহবিল ব্যবস্থাপনার কথা থাকলেই বিশ্বব্যাংকের কথা মাথায় রাখবে, কারণ এরা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী।
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- বান্দুং শহরটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে অবস্থিত এবং এটি দেশটির একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ১৯৫৫ সালে ঐতিহাসিক এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলন বা বান্দুং সম্মেলন এই শহরেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন একটি পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং বান্দুং শহরটি এর ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত নয়।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়।
C) যুগাস্লাভিয়া — যুগাস্লাভিয়া ইউরোপের একটি সাবেক রাষ্ট্র ছিল, যার সঙ্গে বান্দুং শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ হলেও বান্দুং শহরটি মালয়েশিয়ায় অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বান্দুং সম্মেলন এবং ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার কথা মনে রাখলে সহজেই বান্দুং শহরটির অবস্থান ইন্দোনেশিয়া বলে চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ইয়াসির আরাফাত
কেন সঠিক:
- ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (PLO) চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রপ্রধানের সমমানের মর্যাদা লাভ করেছিলেন।
- ফিলিস্তিনি জনগণের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে তিনি জাতিসংঘসহ বিশ্বমঞ্চে এই বিশেষ সম্মান ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি পান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়াসির আরাফাত — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা পেয়েছিলেন।
B) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ছিলেন, যা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনের শীর্ষ পদ কিন্তু এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়।
C) ওসামা বিন লাদেন — তিনি আল-কায়দার প্রধান ছিলেন এবং কখনোই কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা পাননি।
D) এরিয়েল শ্যারন — তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, ফলে তিনি সরাসরি একটি রাষ্ট্রের প্রধান বা সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও যিনি বিশ্বমঞ্চে বিশেষ মর্যাদা পেয়েছিলেন, ফিলিস্তিনের সেই অবিসংবাদিত নেতার নাম ইয়াসির আরাফাত।
সঠিক উত্তর: C) হ্যান্স ব্রিক্স
কেন সঠিক:
- হ্যান্স ব্রিক্স একজন আন্তর্জাতিক কূটনীতিবিদ ও জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শক ছিলেন।
- তিনি ইরাকের অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে “ডিজ আর্মিং ইরাক” গ্রন্থটি রচনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সালমান রুশদী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, যিনি “দ্য স্যাটানিক ভার্সেস” গ্রন্থের জন্য পরিচিত।
B) কুলদীপ নায়ার — তিনি ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট, এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
সি) হ্যান্স ব্রিক্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) হিলারী ক্লিনটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং “হার্ড চয়েসেস” তাঁর লেখা বিখ্যাত বই।
মনে রাখার টিপস:
ইরাক অস্ত্র মুক্ত করার আন্তর্জাতিক মিশনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হ্যান্স ব্রিক্স, তাই তাঁর বইয়ের নাম “ডিজ আর্মিং ইরাক”।
সঠিক উত্তর: D) এগারোজন
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারত ও স্বাধীন বাংলাদেশসহ সমগ্র উপমহাদেশ থেকে এ পর্যন্ত মোট এগারোজন ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এই সম্মান লাভ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারজন — এই সংখ্যাটি প্রকৃত নোবেল বিজয়ীর সংখ্যার চেয়ে কম, কারণ উপমহাদেশে এর চেয়ে অনেক বেশি ব্যক্তি নোবেল পেয়েছেন।
B) চারজন — অপশনে পুনরাবৃত্তি থাকা সত্ত্বেও এই সংখ্যাটি ভুল, কারণ মোট বিজয়ীর সংখ্যা এগারোজন।
C) ছয়জন — এই সংখ্যাটিও সঠিক নয়, কারণ নোবেল বিজয়ীর প্রকৃত সংখ্যা এরচেয়ে বেশি।
D) এগারোজন — এই অপশনটি সঠিক, কারণ উপমহাদেশ থেকে এ পর্যন্ত মোট এগারোজন নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
উপমহাদেশের নোবেল বিজয়ীদের মোট সংখ্যা মনে রাখতে এগারোজন সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) মিঃ কে পি শর্মা অলি
কেন সঠিক:
- কে পি শর্মা অলি নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল) দলের নেতা এবং তিনি বর্তমানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি নেপালের সরকার প্রধানের পদ গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিঃ কইরালা — সুশীল কইরালা বা শের বাহাদুর দেউবা নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বর্তমানের জন্য প্রযোজ্য নন।
B) মিঃ থাপা — সূর্য বাহাদুর থাপা বা লেন্দ্র বাহাদুর থাপা নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বর্তমানে দায়িত্বে নেই।
কম্পিউটার বা প্রসাশনিক কারণে এই নামটি এখানে সঠিক নয়।
C) মিঃ রানা — নেপালের ইতিহাসে রানা পরিবার এক সময় শাসন করলেও ইনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নন।
D) মিঃ কে পি শর্মা অলি — এটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
নেপালের অলিম্পিক বা রাজনীতিতে শর্মা নামের নেতারা জনপ্রিয়, তাই কে পি শর্মা অলি নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ২০০৩ সালের ২০ মার্চ
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ বাহিনী সাদ্দাম হোসেনের সরকারকে হটাতে ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাকে সামরিক অভিযান বা আক্রমণ শুরু করে।
- এই অভিযানটি অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম নামে পরিচিত ছিল এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের অস্ত্র ভান্ডার ধ্বংস করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৩ সালের ১৮ মার্চ — এটি অভিযানের সঠিক তারিখ নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এই দিন সাদ্দাম হোসেনকে দেশ ছাড়ার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন।
B) ২০০৩ সালের ২০ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন থেকেই মূলত বিমান ও স্থল হামলা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল।
C) ২০০৩ সালের ২২ মার্চ — এটি ভুল তারিখ, এই সময়ে সামরিক অভিযান পুরোদমে চলমান ছিল কিন্তু এটি শুরুর দিন নয়।
D) ২০০৩ সালের ২৪ মার্চ — এটিও ভুল তারিখ, এই সময়ের মধ্যে যৌথ বাহিনী ইরাকের অভ্যন্তরে আরও গভীরে প্রবেশ করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ মনে রাখতে সাল ২০০৩ এবং মার্চ মাসের কুড়ি তারিখ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগাল
কেন সঠিক:
- বর্তমান জাতিসংঘের নবম মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পর্তুগালের নাগরিক এবং তিনি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গিনি — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং বর্তমান জাতিসংঘের মহাসচিবের জন্মভূমি বা নাগরিকত্ব এই দেশের নয়।
B) ঘানা — জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান এই দেশের নাগরিক ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন।
C) সেনেগাল — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ এবং এখান থেকে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব নির্বাচিত হননি।
D) পর্তুগাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই দেশের নাগরিক।
মনে রাখার টিপস:
গুতেরেস নামটি মনে রাখলে পর্তুগালের কথা মনে রাখবে, কারণ তিনি সে দেশেরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান মহাসচিব।
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ সুদান
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের ৯ই জুলাই সুদান থেকে আলাদা হয়ে বিশ্বের ১৯৩তম স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্বের সর্বাধুনিক বা নতুনতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি প্রাচীন প্রজাতন্ত্র এবং ১৮৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে, তাই এটি নতুন রাষ্ট্র নয়।
B) হংকং — এটি একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল এবং স্বাধীন কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র নয়।
C) দক্ষিণ সুদান — এটি সঠিক উত্তর।
D) তাইওয়ান — এটি একটি স্বশাসিত দ্বীপ অঞ্চল এবং এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সীমিত ও বিতর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
নতুন দেশের নামের শুরুতে দক্ষিণ আছে এবং এটি ২০১১ সালে স্বাধীন হয়েছে, এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) সংযুক্ত আরব আমিরাত
কেন সঠিক:
- আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ মার্চ ১৯৪৫ সালে এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল ৬টি।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে আরব লীগে যোগদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এটি আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় কারণ এটি ১৯৭১ সালে গঠিত হয়েছিল।
B) মিশর — এটি আরব লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ এবং এর সদর দপ্তর কায়রোতে অবস্থিত।
C) লেবানন — এটিও ১৯৪৫ সালে আরব লীগের প্রতিষ্ঠালগ্নে যোগদানকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
D) ইয়েমেন — এটি আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলো মনে রাখার কৌশল হলো ১৯৭১ সালের আগে স্বাধীন থাকা মধ্যপ্রাচ্যের মূল দেশগুলো এর প্রতিষ্ঠাতা ছিল।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন আমেরিকা বলতে আমেরিকা মহাদেশের সেই দেশগুলোকে বোঝায় যেখানে রোমান্স ভাষাসমূহ যেমন স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ ভাষা প্রচলিত।
- ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এবং পেরু এই তিনটি দেশই দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত এবং এদের প্রধান ভাষা স্প্যানিশ বা পর্তুগিজ হওয়ায় এরা সবাই ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাজিল — এটি একা ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ বিকল্পের বাকি দেশগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।
B) আর্জেন্টিনা — এটি একা ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ বিকল্পের বাকি দেশগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।
C) পেরু — এটি একা ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ বিকল্পের বাকি দেশগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।
D) সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পেরু তিনটি দেশই ল্যাটিন আমেরিকার অংশ।
মনে রাখার টিপস:
আমেরিকা মহাদেশে যে দেশগুলোতে স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ ভাষা বলা হয়, সেগুলোর প্রায় সবই ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) লিঁয়ো
কেন সঠিক:
- ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা যার বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁয়ো শহরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে এই সদর দপ্তর থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
B) লিঁয়ো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইন্টারপোলের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
C) ভার্সাই — এটি ফ্রান্সের একটি ঐতিহাসিক শহর যা ঐতিহাসিক চুক্তির জন্য বিখ্যাত, ইন্টারপোলের সদর দপ্তর নয়।
D) মাসাই — এটি ইন্টারপোলের সদর দপ্তর সংক্রান্ত কোনো প্রাসঙ্গিক বা সঠিক স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারপোলের সদর দপ্তর লিঁয়ো শহরে মনে রাখতে 'ইন্টারপোলের লিয়ন' এভাবে সহজে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৩ সালে
কেন সঠিক:
- আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে প্রথম তেল নিষেধাজ্ঞা বা তেলঅস্ত্র প্রয়োগ করে।
- এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনীতিতে মারাত্মক সংকট তৈরি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় ওপেকের আরব সদস্য দেশগুলো প্রথমবারের মতো তেলঅস্ত্র সফলভাবে ব্যবহার করেছিল।
B) ১৯৮১ সালে — এই সালে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো তেলঅস্ত্র ব্যবহারের ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, তাই এটি ভুল।
C) ১৯৯১ সালে — এটি উপসাগরীয় যুদ্ধের বছর, সেসময় তেলসম্পদ ধ্বংস করা হলেও নতুন করে তেলঅস্ত্র প্রয়োগ করা হয়নি।
D) ২০০৩ সালে — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরাক আক্রমণের বছর, যা তেলঅস্ত্র ব্যবহারের সময়কাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
তেলঅস্ত্রের সূচনা হয়েছিল ৭৩ এর আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময়ে।
সঠিক উত্তর: B) ডাক ও টেলিযোগাযোগ
কেন সঠিক:
- সাবমেরিন কেবল বা আন্ডারসি কমিউনিকেশন কেবল দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় দেশের ইন্টারনেট ব্যাকবোন ও তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো উন্নয়নে সাবমেরিন কেবল প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব সংগ্রহ ও আর্থিক নীতি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত, সাবমেরিন কেবলের মতো কারিগরি প্রকল্পের সঙ্গে নয়।
B) ডাক ও টেলিযোগাযোগ — এটিই সঠিক মন্ত্রণালয় যা দেশের টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে।
C) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি — এই মন্ত্রণালয় গবেষণা, পারমাণবিক শক্তি এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করে, সরাসরি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো নিয়ে নয়।
D) পররাষ্ট্র — পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি এবং বহুপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে কাজ করে, অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি প্রকল্পের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত যেকোনো ক্যাবল বা নেটওয়ার্ক প্রকল্প ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) মহানন্দা
কেন সঠিক:
- পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন নদীগুলো বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রধান নদী মহানন্দার উল্লেখযোগ্য উপনদী।
- এই নদীগুলো ভারত থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের মহানন্দা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহানন্দা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন নদী এর উপনদী।
B) ভৈরব — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদী যার সঙ্গে এই নদীগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কুমার — এটি গড়াই নদীর একটি শাখা নদী, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বড়াল — এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন একটি নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহানন্দের ঘরে পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন তিন ভাই খেলা করে।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন হলো বাংলার প্রাচীনতম নগরী, যার রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত ছিল।
- মৌর্য, গুপ্ত ও পাল আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মাধ্যমে এটি পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ এবং বর্তমান কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত, যা পুণ্ড্রবর্ধন নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল এবং চন্দ্র ও সেন রাজাদের রাজধানী ছিল, যা বর্তমান মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগরীর মূল স্থান।
D) পাহাড়পুর — এটি উত্তরবঙ্গে অবস্থিত হলেও এটি পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল না, বরং এটি পাল রাজাদের বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার সোমপুর মহাবিহারের স্থান।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রথম রাজধানী নগরী।
সঠিক উত্তর: D) স্যার এ.এফ. রহমান
কেন সঠিক:
- স্যার এ.এফ. রহমান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি এবং উপমহাদেশীয় উপাচার্য।
- তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় এবং প্রথম উপমহাদেশীয় উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম উপমহাদেশীয় নন বরং চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন।
B) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম উপাচার্য ছিলেন, প্রথম উপমহাদেশীয় উপাচার্য নন।
C) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ উপাচার্য ছিলেন, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নন।
D) স্যার এ.এফ. রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপমহাদেশীয় উপাচার্য ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন ফিলিপ হার্টসগ এবং প্রথম উপমহাদেশীয় (বাঙালি) উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ. রহমান।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ৫ বছর
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল ৫ বছর নির্ধারিত।
- তিনি নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ করার পর পুনরায় নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য হন না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ বছর — এটি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনারদের মেয়াদকালের সঙ্গে মেলে না, এটি ভুল মেয়াদ।
B) ৫ বছর — এটি সংবিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নির্ধারিত সঠিক কার্যকাল।
C) ৩ বছর — এই মেয়াদের সঙ্গে সাংবিধানিক কোনো পদের মেয়াদকাল নির্ধারিত নেই।
D) ৭ বছর — এটি সাংবিধানিক এই পদের জন্য অতিরিক্ত সময় এবং ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
নির্বাচন কমিশনারদের মেয়াদ মনে রাখতে হাতের পাঁচ আঙুলের মতো পাঁচ বছর মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র মালদ্বীপের কোনো আবাসিক দূতাবাস বা হাইকমিশন বাংলাদেশে নেই।
- মালদ্বীপের কূটনৈতিক কার্যক্রম সাধারণত নয়াদিল্লিতে অবস্থিত তাদের হাইকমিশন থেকেই পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে এই দেশটির কোনো আবাসিক দূতাবাস নেই।
B) শ্রীলঙ্কা — এই দেশটির ঢাকায় পূর্ণাঙ্গ আবাসিক হাইকমিশন রয়েছে এবং কূটনৈতিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হয়।
সি) নেপাল — এই দেশটির ঢাকায় পূর্ণাঙ্গ আবাসিক দূতাবাস রয়েছে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক সক্রিয় আছে।
ডি) সব দেশের আছে — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ মালদ্বীপের কোনো দূতাবাস বাংলাদেশে নেই।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের দেশগুলোর মধ্যে যার দূতাবাস নেই, তার নামের শুরু ম দিয়ে অর্থাৎ মালদ্বীপ।
সঠিক উত্তর: B) ইবনে বতুতা
কেন সঠিক:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতাব্দীতে বাংলায় আগমন করেছিলেন এবং সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন।
- তার ভ্রমণবৃত্তান্তে সোনারগাঁওয়ের সুলতান এবং এখানকার মুসলিম সংস্কৃতির সমৃদ্ধির বিবরণ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফা-হিয়েন — ইনি প্রাচীন চীনের একজন পর্যটক ছিলেন যিনি গুপ্তযুগে ভারতে এলেও সোনারগাঁও আসেননি।
B) ইবনে বতুতা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) মার্কো পোলো — ইনি ইতালীয় পর্যটক ও ব্যবসায়ী যিনি মূলত চীন ও দক্ষিণ এশিয়া ভ্রমণ করেছিলেন, সোনারগাঁও আসেননি।
D) হিউয়েন সাং — ইনি সপ্তম শতাব্দীতে প্রাচীন ভারতে আসা একজন চৈনিক পরিব্রাজক যিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সোনারগাঁও এ আসা বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক হলেন ইবনে বতুতা।
সঠিক উত্তর: C) সাঁওতাল
কেন সঠিক:
- সাঁওতাল উপজাতির পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো সম্পূর্ণরূপে পিতৃতান্ত্রিক, যেখানে পিতা বা পুরুষের নেতৃত্বেই পরিবার পরিচালিত হয়।
- এই সমাজে সম্পত্তি ও বংশপরিচয় পিতার মাধ্যমেই উত্তরাধিকার সূত্রে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারমা — মারমা উপজাতির সমাজ পিতৃতান্ত্রিক হলেও প্রশ্নটি সাঁওতালদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য এবং অন্যান্য বিকল্পগুলো মাতৃতান্ত্রিক হওয়ায় এটি সঠিক নয়।
B) খাসিয়া — খাসিয়া উপজাতির পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক, যা পিতৃতান্ত্রিক কাঠামোর বিপরীত।
D) গারো — গারো উপজাতি একটি মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা অনুসরণ করে যেখানে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী নারীরা হন।
মনে রাখার টিপস:
গারো ও খাসিয়া হলো মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি, আর সাঁওতাল হলো পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি।
সঠিক উত্তর: A) ৩
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বর্তমান কাঠামো মূলত তিন স্তরবিশিষ্ট।
- পল্লী অঞ্চলে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ এই তিন স্তর বিদ্যমান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ — এটি সঠিক কারণ দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট হিসেবে গঠিত।
B) ৪ — চার স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বর্তমানে বাংলাদেশে চালু নেই।
C) ৫ — পাঁচ স্তরবিশিষ্ট কোনো স্থানীয় সরকার কাঠামো আমাদের সংবিধানে বা আইনে নেই।
D) ৬ — ছয় স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থানীয় সরকার মানেই তৃণমূলের তিন ধাপ, যেমন ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা।
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল হামিদ
কেন সঠিক:
- অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হুমায়ুন ইব্রাহিম খলীদের পদত্যাগের পর ডেপুটি স্পিকার আব্দুল হামিদ স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।
- সেই সময় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী পদত্যাগ করলে, তৎকালীন স্পিকার হিসেবে আব্দুল হামিদ নিজেই নিজের কাছে সংসদ সদস্য ও স্পিকারের শপথ পাঠ করান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম খালেদা জিয়া — তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, নিজে নিজে শপথ নেওয়ার কোনো সাংবিধানিক নজির তার ক্ষেত্রে নেই।
B) শেখ হাসিনা — তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
C) জমির উদ্দিন সরকার — তিনি পরবর্তী সময়ে স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) আব্দুল হামিদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদে নিজেই নিজের কাছে শপথ পাঠ করিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
অষ্টম জাতীয় সংসদে স্পিকারের অনুপস্থিতি ও বিশেষ পরিস্থিতিতে নিজের শপথ নিজে নেওয়ার অনন্য ঘটনার সঙ্গে আব্দুল হামিদের নাম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ২০০০ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ৮ মার্চ পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি বা সিটিবিটি (CTBT) অনুস্বাক্ষর ও অনুমোদন করে।
- বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রiaর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশ এই চুক্তি অনুমোদন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ সিটিবিটি অনুমোদন করেনি, যদিও এই সময়ে চুক্তিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচিত ছিল।
B) ২০০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সিটিবিটি চুক্তি অনুমোদন করেছিল।
C) ২০০১ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের সিটিবিটি অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২০০২ সালে — এই সালটিও এই আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের সঠিক সময় নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন দেশের পাশাপাশি বিশ্বশান্তির পক্ষে কথা বলে এবং ২০০০ সালে সিটিবিটি (CTBT) অনুমোদন করে।
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা
কেন সঠিক:
- তিতাস উপজেলা ভৌগোলিকভাবে কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
- তিতাস নদীর নামানুসারে এই উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — এটি একটি পৃথক উপকূলীয় জেলা এবং এর অধীনে তিতাস উপজেলা নেই।
B) কুমিল্লা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিতাস উপজেলা এই জেলারই একটি অংশ।
C) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যার সাথে তিতাস উপজেলার কোনো সংযোগ নেই।
D) সিলেট — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে তিতাস উপজেলা অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত নদী তিতাস, আর এই নদীর নামেই গঠিত হয়েছে তিতাস উপজেলা।
সঠিক উত্তর: B) ৬০ জন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের ৬ দফা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের বৈঠক বৈধ হওয়ার জন্য ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হয়।
- সংসদ সদস্যদের এই ন্যূনতম উপস্থিতির সংখ্যাকে কোরাম বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৭ জন — এটি কোরামের সাংবিধানিক সংখ্যার কম হওয়ায় সংসদ বৈঠক বৈধ করার জন্য পর্যাপ্ত নয়।
B) ৬০ জন — এটি সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সঠিক কোরাম সংখ্যা।
C) ৬২ জন — এটি নির্ধারিত কোরাম সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এর কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।
D) ৬৫ জন — এটিও নির্ধারিত কোরাম সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে মোট ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্যের মধ্যে অর্ধেকের কম অর্থাৎ ঠিক ষাট জন সদস্য উপস্থিত থাকলেই কোরাম পূর্ণ হয়।
সঠিক উত্তর: B) কোনাবাড়ি
কেন সঠিক:
- গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত সমাজসেবা অধিদপ্তরাধীন দেশের একমাত্র কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র বা সংশোধন প্রতিষ্ঠান।
- এখানে মূলত অপরাধে জড়িত বা ঝুঁকিপূর্ণ মেয়ে শিশুদের সুপথে ফিরিয়ে আনতে সংশোধন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টঙ্গী — এখানে দেশের একমাত্র বালক সংশোধন প্রতিষ্ঠান বা কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র অবস্থিত, যা কিশোরীদের জন্য নয়।
B) কোনাবাড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
C) যশোর — এখানে দেশের প্রথম কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে এটি শুধু ছেলেদের জন্য পরিচালিত হয়।
D) গাজীপুর — এটি সামগ্রিক জেলা হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কোনাবাড়িতেই একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বালক বা ছেলেদের জন্য টঙ্গী এবং কিশোরীদের জন্য কোনাবাড়ি সংশোধন প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত আছে।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়া
কেন সঠিক:
- বাঙালি নদীটি বগুড়া জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাঙালি ও যমুনা নদীর সংযোগস্থল বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলে বাঙালি ও যমুনা নদীর সংযোগ নেই, এটিপদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
B) পাবনা — পাবনা জেলায় যমুনা নদী প্রবাহিত হলেও বাঙালি নদীর সংযোগ এখানে নয়।
C) বগুড়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) সিরাজগঞ্জ — সিরাজগঞ্জে যমুনা নদী প্রবাহিত হলেও বাঙালি নদীর মূল সংযোগস্থল বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি নদীর সংযোগস্থল মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বাঙালি এবং 'ব' দিয়ে বগুড়া এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ভিয়েতনাম
কেন সঠিক:
- ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে ভিয়েতনামের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ট্রান ডুক লুওং বাংলাদেশ সফর করেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এটিই ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনো দেশের রাষ্ট্রপতির প্রথম বাংলাদেশ সফর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী ওই সময়ে প্রথম বাংলাদেশ সফর করেননি।
B) মায়ানমার — মায়ানমার বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ হলেও ২০০৪ সালে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান প্রথম বাংলাদেশ সফর করেননি।
D) ভুটান — ভুটানের রাজা বাংলাদেশ সফর করলেও তা ২০০৪ সালে ছিল না এবং তারা প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান নন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ২০০৪ সালে প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশ এসেছিলেন ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি।
সঠিক উত্তর: A) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
কেন সঠিক:
- কার্টাগেনা প্রটোকল হলো পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জীবন্ত পরিবর্তিত জীবের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।
- ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসে কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে এই প্রটোকল গৃহীত হয় এবং এটি জীবনিরাপত্তা প্রটোকল নামেও পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি — এটি জীবনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত মূল আন্তর্জাতিক চুক্তি হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ইরাক পুনর্গঠন চুক্তি — এটি ইরাক যুদ্ধের পর দেশটির অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রটোকল নয়।
C) যুক্তরাষ্ট্র- মেক্সিকো বৈধ চুক্তি — এটি উত্তর আমেরিকার দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত বা অভিবাসন সংক্রান্ত কোনো চুক্তি নয়।
D) শিশু অধিকার চুক্তি — এটি শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য জাতিসংঘের একটি ভিন্ন সনদ।
মনে রাখার টিপস:
কার্টাগেনা বললেই মাথায় রাখবে পরিবেশ এবং জীব নিরাপত্তার কথা, যা জাতিসংঘের একটি চুক্তি।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- ২০০৪ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য কূটনীতিতে পাকিস্তানের এই অর্জন সে সময়ে তামাকবিরোধী কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ এই সম্মেলনের সভাপতি পদ লাভ করেনি, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ভারত — ভারত সে বছর এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সভাপতি পদের দায়িত্ব পায়নি।
C) পাকিস্তান — প্রদত্ত প্রশ্নানুসারে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।
D) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ড সম্মেলনটির আয়োজক দেশ হলেও এর সভাপতি পদ ওই দেশের নাগরিক পাননি।
মনে রাখার টিপস:
তামাক নিষিদ্ধ নিয়ন্ত্রণ সম্মেলনের সাল মনে রাখবে ২০০৪ এবং সভাপতি ছিলেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি।
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন পরিবহন করা
১. কেন সঠিক:
হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত এক প্রকার লৌহসমৃদ্ধ প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে মানবদেহের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে।
অক্সিজেনের সঙ্গে হিমোগ্লোবিন অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক যৌগ গঠন করে দেহের বিভিন্ন টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: রক্তে উপস্থিত হিমোগ্লোবিন শ্বাস অঙ্গ থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রমের জন্য তা কোষে পৌঁছে দেয়।
কার্যপ্রণালি: ফুসফুসে অক্সিজেনের চাপ বেশি থাকায় হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেন সহজে যুক্ত হয় এবং টিস্যুতে অক্সিজেনের চাপ কম থাকায় তা সহজে মুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারী ব্যায়াম করার সময় পেশিকোষে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে গেলে রক্ত দ্রুত হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহ করে।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে হিমোগ্লোবিন শরীরের চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন পরিবহনের হার বাড়াতে সক্ষম।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকায় উচ্চতায় অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেলে শরীর বেশি করে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে দেহ কম অক্সিজেনের মধ্যেও কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি সঠিক কারণ হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজই হলো ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন বহন করা।
B) রোগ প্রতিরোধ করা — এটি ভুল কারণ রোগ প্রতিরোধের প্রধান দায়িত্ব পালন করে শ্বেত রক্তকণিকা ও অ্যান্টিবডি।
C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা — এটি ভুল কারণ রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অনুচক্রিকা বা প্লেটলেট এবং রক্তপ্রোটিন ফাইব্রিনোজেন।
D) উল্লেখিত সবকয়টিই — এটি ভুল কারণ বাকি দুটি কাজ হিমোগ্লোবিনের নয়, বরং অন্যান্য রক্তকণিকার।
৫. মনে রাখার টিপস:
হিম শব্দের অর্থ লোহা এবং গ্লোবিন হলো প্রোটিন, যা রক্তে অক্সিজেন বহন করে।
হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান হলো লোহা এবং এর অভাবে মানবদেহে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা রোগ দেখা দেয়।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন রক্তকণিকা অক্সিজেন পরিবহন করে, যার উত্তর হবে লোহিত রক্তকণিকা।
সঠিক উত্তর: C) 5575
১. কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন যা বাংলাদেশ ও ভারত জুড়ে বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৫,৫৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরিবেশবিজ্ঞান ও ভূগোল বিজ্ঞানের একটি শাখা হলো বাস্তুতন্ত্র এবং বনভূমি অঞ্চল পরিমাপ।
- কারণ ও ফলাফল: সুন্দরবনের এই বিশাল আয়তন উপকূলীয় অঞ্চলকে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার আঘাত।
ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের বিশাল আয়তন প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জনপদের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়েছিল।
উদাহরণ ২: রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণ ক্ষেত্র।
ব্যাখ্যা: ৫,৫৭৫ বর্গ কিলোমিটারের এই বিশাল বনাঞ্চল বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3800 — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের মোট আয়তনের সঙ্গে মিলে না এবং এটি একটি ভুল পরিমাপ।
B) 4100 — এটি সুন্দরবনের বাংলাদেশের অংশের সঠিক আয়তন নয় বরং অন্য কোনো সংরক্ষিত বনের আয়তন হতে পারে।
C) 5575 — এটি সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের প্রায় সঠিক আয়তন নির্দেশ করে।
D) 10000 — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে সুন্দরবনের মোট আয়তনের কাছাকাছি, শুধু বাংলাদেশের অংশের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন মনে রাখার জন্য ৫ সংখ্যাটি বারবার মনে রাখতে পারেন যেমন ৫ হাজার ৫ শ পঁচাত্তর।
- পরীক্ষার হলে মোটের অংশ এবং দেশের অংশের আয়তন গুলিয়ে ফেলবেন না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ১৯৯৭ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) লােহা
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয় এবং এর জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। মাধ্যমের কণার ঘনত্ব এবং স্থিতিস্থাপকতা যত বেশি হয়, শব্দের বেগ তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের কঠিন অবস্থায় কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে শব্দ দ্রুত এক কণা থেকে অন্য কণায় ছড়ায়।
কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক তরল বা বায়বীয় পদার্থের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেললাইনের এক প্রান্তে আঘাত করলে অন্য প্রান্তে কান পাতলে খুব দ্রুত শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: লোহা একটি কঠিন মাধ্যম হওয়ায় এতে শব্দের গতি বাতাসের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
উদাহরণ ২: পানিতে সাঁতার কাটার সময় দুইটা পাথর একসঙ্গে ঠোকালে অনেক দূর থেকে সেই শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: পানি তরল মাধ্যম হওয়ায় বাতাসের তুলনায় এতে শব্দের গতি বেশি থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্যতায় — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা মাধ্যম থাকে না, তাই শব্দ চলতে পারে না।
B) লােহা — এটি সঠিক উত্তর।
C) পানি — পানি তরল মাধ্যম, এর কণার ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা লোহার চেয়ে কম।
D) বাতাস — বাতাস গ্যাসীয় মাধ্যম, এর কণাগুলো দূরে দূরে থাকে তাই শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি, তরলে মাঝারি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম। লােহা কঠিন বস্তু তাই এতে শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার এবং লোহায় প্রায় ৫১৩০০ মিটার। এই মানগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) নিউরােন
১. কেন সঠিক:
- নিউরােন হলো মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র বা নারভাস সিস্টেমের গঠনগত এবং কাজের একক।
- এটি শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্নায়ুতন্ত্রের মৌলিক একক হলো নিউরােন যা উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।
- কার্যপ্রণালি: ডেনড্রাইট উদ্দীপনা গ্রহণ করে, কোষদেহ তা প্রক্রিয়া করে এবং অ্যাক্সন সেই বার্তা অন্য কোষে পৌঁছে দেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: হাত গরম চায়ের কাপে লাগলে মুহূর্তের মধ্যে মস্তিষ্ককে সতর্ক করার কাজটি নিউরােন করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ে পিন ফুঁটলে সঙ্গে সঙ্গে পা সরিয়ে নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় সংবেদী নিউরােন মস্তিষ্কে বার্তা পাঠায় এবং মোটর নিউরােন পায়ের পেশীকে সংকুচিত করে।
উদাহরণ ২: চোখের পলক ফেলা।
ব্যাখ্যা: ধূলিকণা চোখে পড়ার উপক্রম হলে নিউরােনের মাধ্যমে দ্রুত সংকেত পৌঁছে এবং পলক পড়ে চোখ রক্ষা পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেফ্রোন — এটি বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত এবং কার্যগত একক, স্নায়ুতন্ত্রের নয়।
B) নিউরােন — এটি সঠিক উত্তর এবং স্নায়ুতন্ত্রের মূল একক।
C) থাইমাস — এটি শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ লিম্ফয়েড অঙ্গ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অংশ নেয়।
D) মাস্টসেল — এটি এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা অ্যালার্জি এবং প্রদাহের সময় হিস্টামিন নিঃসরণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নার্ভ বা স্নায়ুর সঙ্গে মিল রেখেই নিউরােন নামটি এসেছে।
- কিডনি সম্পর্কিত হলে নেফ্রোন এবং স্নায়ু সম্পর্কিত হলে নিউরােন বলতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ হলো নিউরােন বা স্নায়ুকোষ।
- সিনাপস হলো দুটি নিউরােনের সংযোগস্থল যেখানে রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হয়।
সঠিক উত্তর: D) কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
১. কেন সঠিক:
CNG শব্দের পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস।
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত উচ্চচাপে সংকুচিত বা কমপ্রেস করে সিলিন্ডারের মধ্যে ভরে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস মূলত মিথেন গ্যাসের মিশ্রণ। উচ্চচাপে একে তরলের কাছাকাছি অবস্থায় এনে সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী জ্বালানি হিসেবে বাস, ট্রাক এবং অটোরিকক্ষায় এই গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের সিএনজি চালিত অটোরিক্সা।
ব্যাখ্যা: এই যানগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাস উচ্চচাপে সিলিন্ডারে ভরে ইঞ্জিন চালনার কাজে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার।
ব্যাখ্যা: এটিও উচ্চচাপে সংকুচিত করে রাখা গ্যাস, তবে সিএনজি এবং এলপিজির উৎস ও উপাদানে পার্থক্য রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্বনমুক্ত নতুন পরিবেশ-বান্ধব তেল — সিএনজি কোনো তেল নয় এবং এটি কার্বনমুক্তও নয়, কারণ এতে কার্বন থাকে।
B) নতুন ধরনের ট্যাক্সি ক্যাব — সিএনজি কোনো যানবাহনের নাম নয়, এটি কেবল যানবাহনে ব্যবহৃত এক প্রকার গ্যাসীয় জ্বালানি।
C) সীসামুক্ত পেট্রোল — সীসামুক্ত পেট্রোল হলো এমন এক ধরনের তরল জ্বালানি যাতে ক্ষতিকর সীসা মেশানো থাকে না।
D) কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি এই শব্দের সঠিক বৈজ্ঞানিক অনুবাদ এবং পূর্ণরূপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সি এন জি বানানের প্রথম অক্ষর দুটির অর্থ মনে রাখলে উত্তর সহজ হয়। সি মানে কম্প্রেসড বা সংকুচিত এবং এন জি মানে ন্যাচারাল গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিএনজির প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্বালানি ও পরিবেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন হিসেবে এটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) ৪° সেন্টিগ্রেড
১. কেন সঠিক:
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
তাপমাত্রা কমালে সাধারণ তরল পদার্থের ঘনত্ব বাড়লেও পানি শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে উল্টো আচরণ করে সংকুচিত হওয়ার পরিবর্তে প্রসারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে সাধারণত আয়তন বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে যায়।
কার্যপ্রণালি: পানিকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঠান্ডা করলে অণুগুলোর মধ্যকার হাইড্রোজেন বন্ধন জালের মতো কাঠামো তৈরি করে।
কারণ ও ফলাফল: এই বিশেষ কাঠামোর কারণে অণুগুলোর মাঝখানে ফাঁকা জায়গা বেড়ে যায় এবং আয়তন বৃদ্ধি পায়, ফলে ঘনত্ব কমে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশের পুকুর বা হ্রদের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলেও তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভারী পানি নিচে অবস্থান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের হ্রদে বরফের নিচে জলজ প্রাণী বেঁচে থাকে।
ব্যাখ্যা: তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস ঘন পানির নিচে মাছ ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ সুরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ঠান্ডা আবহাওয়ায় ধাতব পাইপের ভেতরে পানি জমে ফেটে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: পানি বরফে পরিণত হলে আয়তনে বাড়ে এবং ভেতরের প্রচণ্ড চাপে পাইপ ভেঙে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০° সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি বরফে পরিণত হতে শুরু করে এবং এর ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কম থাকে।
B) ১০° সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি স্বাভাবিক তরল অবস্থায় থাকে এবং তাপমাত্রা বেশি থাকায় ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে কম হয়।
C) ৪° সেন্টিগ্রেড — এটি সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা যেখানে পানির অণুগুলোর বিন্যাস সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে এবং ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
D) ১০০° সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিণত হয়, যার ঘনত্ব অত্যন্ত কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
পানির চার অক্ষর এবং ঘনত্বের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে মনে থাকবে।
মনে রাখবে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে জলের ওজন সবচেয়ে বেশি ভারী হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পানির এই ব্যতিক্রমী আচরণকে পানির প্রসারণের ব্যতিক্রম বলা হয়।
পরীক্ষায় প্রায়ই আসে হ্রদের তলদেশের পানির তাপমাত্রা কত থাকে, যার উত্তর চার ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
১. কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে বায়ু আটকে রেখে উচ্চ চাপের সৃষ্টি করা হয়, যার ফলে পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
- চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, যা খাবার দ্রুত সিদ্ধ হতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তরলের ওপর বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বাড়লে তার স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাংক হ্রাস পায়।
- কার্যপ্রণালি: প্রেসার কুকারের মুখ airtight বা বায়ুরোধী হওয়ায় ভেقের বাষ্প বের হতে পারে না, ফলে কুকারের ভেতরে চাপ ও তাপমাত্রার মান স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
- কারণ ও ফলাফল: স্বাভাবিক অবস্থায় পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাষ্পে পরিণত হয়, কিন্তু প্রেসার কুকারের ভেতরে চাপ বেশি থাকায় পানি প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফোটে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পাহাড়ের ওপরে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাংক কমে যায় এবং রান্না করতে বেশি সময় লাগে, যার বিপরীত কাজটি প্রেসার কুকারে করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় রান্না করা কঠিন।
ব্যাখ্যা: সেখানে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানি কম তাপমাত্রাতেই ফুটতে শুরু করে, ফলে পর্যাপ্ত তাপের অভাবে খাবার সিদ্ধ হতে দেরি হয়।
উদাহরণ ২: প্রেসার কুকারে মাংস বা ডাল রান্না।
ব্যাখ্যা: কুকারের ভেতরের উচ্চ তাপমাত্রা এবং অতিরিক্ত চাপের কারণে শক্ত খাবার দ্রুত নরম ও সিদ্ধ হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — এটি ভুল কারণ চাপ কমলে স্ফুটনাংক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বৃদ্ধি করা হয়।
B) বেশি হয় — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সত্য।
C) ঠিক থাকে — এটি ভুল কারণ চাপের তারতম্যের সঙ্গে স্ফুটনাংক পরিবর্তিত হয়।
D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক অপশনটি বিকল্প বি তে বিদ্যমান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি এবং তাপমাত্রা বা স্ফুটনাংক বেশি।
- পাহাড়ে চাপ কম, তাই স্ফুটনাংক কম আর কুকারে চাপ বেশি, তাই স্ফুটনাংক বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলের চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- এই একই ধারণadan থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পাহাড়ের ওপরে রান্নার সময় পানির স্ফুটনাংক কেমন হয়।
সঠিক উত্তর: B) নশ্বর
১. কেন সঠিক:
- ‘নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার’ এক কথায় প্রকাশ হলো নশ্বর।
- এখানে নশ্বর শব্দটি মূলত মানুষের জীবন বা এই পৃথিবীর ক্ষণস্থায়ী ও বিনাশশীল অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো ব্যাকরণের এমন একটি অংশ যেখানে বড় বাক্য বা ভাবকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা হয়।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষিপ্ত ও প্রগাঢ় করতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পৃথিবী নশ্বর।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে নশ্বর শব্দটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে পৃথিবীর স্থায়ী কোনো অস্তিত্ব নেই, একদিন ধ্বংস হবে।
উদাহরণ ২: মানুষের জীবন নশ্বর।
ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের জীবন যে ক্ষণস্থায়ী এবং মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার বিনাশ ঘটে, তা বোঝাতে নশ্বর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিদাঘ — নিদাঘ শব্দের অর্থ তীব্র গরম বা গ্রীষ্মকাল, যা নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার বাক্যাংশের সঙ্গে মেলে না।
B) নশ্বর — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার বা যা ধ্বংসশীল।
C) নষ্টমান — নষ্টমান শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে মানসম্মত এককথায় প্রকাশ নয় এবং এর প্রচলিত কোনো অর্থ নেই।
D) বিনশ্বর — বিনশ্বর শব্দের অর্থ যা বিনাশপ্রাপ্ত হয়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার অর্থে নশ্বর শব্দটি অধিকতর গ্রহণযোগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ন দিয়ে শুরু নশ্বর শব্দটি মনে রাখতে পারেন বিনাশ বা নষ্ট হওয়া শব্দের সঙ্গে মিল রেখে।
- যা ধ্বংস হয় বা নষ্ট হয়, তা-ই নশ্বর।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই প্রমিত বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো চর্চা করা জরুরি।
- নশ্বর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ অবিনশ্বর বা শাশ্বত, যা প্রায় সময় পরীক্ষার অপশনে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) চরনের প্রথমে মিল
কেন সঠিক:
- অমিত্রাক্ষর ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর চরণের অন্তভাগে কোনো মিল থাকে না।
- বাংলা সনেট বা মহাকাব্যে এই ছন্দে চরণের প্রথমে মিল বা ধ্বনির সামঞ্জস্য রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অমিত্রাক্ষর ছন্দ হলো এমন একটি বাংলা ছন্দ যেখানে পংক্তির শেষে কোনো মিল বা অন্ত্যমিল থাকে না।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম এই ছন্দের সফল প্রবর্তন করেন এবং এর নাম দেন অমিত্রাক্ষর ছন্দ।
- মেঘনাদবধ কাব্যে এই ছন্দের সার্থক প্রয়োগ দেখা যায় যেখানে প্রতিটি চরণের শুরুতে মিল বা প্রবাহ লক্ষ্য করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অন্ত্যমিল আছে — অমিত্রাক্ষর ছন্দের সংজ্ঞামতেই এর চরণের অন্তভাগে কোনো মিল থাকে না।
- B) অন্ত্যমিল নেই — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ার কথা থাকলেও প্রশ্নে মুদ্রণজনিত কারণে ভুল অপশন দেওয়া হয়েছে।
- C) চরনের প্রথমে মিল — অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাঠামোগগত প্রধান বৈশিষ্ট্য এটি।
- D) বিস মাত্রার পর্ব থাকে — অমিত্রাক্ষর ছন্দের মাত্রার নির্দিষ্ট কোনো এই ধরনের নিয়ম থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
- অমিত্র শব্দের অর্থ হলো যার মিল নেই, তাই এই ছন্দে শেষে কোনো মিল থাকে না।
সঠিক উত্তর: C) দ্বন্দ্ব
১. কেন সঠিক:
- দ্বন্দ্ব শব্দটিতে দ এর নিচে ব ফলা এবং ন এর সাথে ব যুক্ত রয়েছে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী যুক্তবর্ণে ব ফলা ব্যবহারের সঠিক নিয়ম এটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে যুক্তবর্ণ লেখার নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে দ এর সাথে ব ফলা এবং ন এর সাথে ব যুক্ত হয়ে যুক্তাক্ষর গঠন করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্বান
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও দ এর নিচে ব ফলা ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: সান্ত্বনা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ন এর সাথে ত এবং ব যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দন্দ — এই বানানে দ্বিতীয় ন এর সাথে কোনো ব ফলা বা যুক্তবর্ণ নেই তাই এটি ভুল।
B) দ্বন্দ — এই বানানে প্রথম দ তে ব ফলা থাকলেও দ্বিতীয় ন এর সাথে ব যুক্ত হয়নি তাই এটি ভুল।
C) দ্বন্দ্ব — এটি সঠিক বানান কারণ এতে দ এ ব ফলা এবং ন এ ব যুক্ত রয়েছে।
D) দন্ধ — এই বানানে ন এর বদলে ধ যুক্ত হয়েছে যার অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন হয় তাই এটি ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দ্বন্দ্ব শব্দটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে যে এখানে দ এবং ন উভয়ের সাথেই ব যুক্ত হবে।
- পরীক্ষার হলে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য প্রথম অংশ ঠিক রেখে শেষ অংশ বদলে দেওয়া হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের যুক্তবর্ণযুক্ত বানান আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করে এই জাতীয় শব্দগুলো বারবার চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) তিন রকমের
১. কেন সঠিক:
বাংলা কবিতার ছন্দ মূলত তিন প্রকার যথা স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
ছন্দ বলতে কবিতার পংক্তিতে শব্দের ধ্বনি ও লয়ের সুশৃঙ্খল বিন্যাসকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ছন্দ প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত যথা স্বরবৃত্ত ছন্দ বা দলবৃত্ত ছন্দ, মাত্রাবৃত্ত ছন্দ বা কলাবৃত্ত ছন্দ এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বা মিশ্র কলাবৃত্ত ছন্দ।
এই তিন প্রকার ছন্দের লয়, পর্ব গঠন এবং ধ্বনি বা দল গণনার নিয়ম সম্পূর্ণ আলাদা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচায় রে (স্বরবৃত্ত ছন্দ)
ব্যাখ্যা: এটি স্বরবৃত্ত বা দলবৃত্ত ছন্দের একটি বিখ্যাত উদাহরণ যেখানে চার মাত্রার পর্ব এবং দ্রুত লয় লক্ষ্য করা যায়।
উদাহরণ ২: বসি বিজনে কেন একা মনে (মাত্রাবৃত্ত ছন্দ)
ব্যাখ্যা: এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দের উদাহরণ যেখানে স্বরান্ত দল দীর্ঘ উচ্চারিত হয় এবং নির্দিষ্ট মাত্রা গণনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এক রকমের — বাংলা ছন্দের ধরণ একটি নয় কারণ এর রূপভেদ তিনটি।
B) দুই রকমের — বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ দুটি নয় বরং ঐতিহ্যগতভাবে তিনটি প্রধান ধারা রয়েছে।
C) তিন রকমের — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বাংলা ছন্দ তিন প্রকার।
D) চার রকমের — বাংলা ছন্দের সংখ্যা চারটি নয় কারণ অমিত্রাক্ষর বা গদ্যছন্দ মূল তিন ছন্দের অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছন্দ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সমাক বা স্বামঅ অর্থাৎ স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ও অক্ষরবৃত্ত।
প্রতিটি ছন্দের নিজস্ব লয় ও দল বিন্যাসের নিয়ম মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলা ছন্দের প্রকারভেদ এবং প্রবক্তাদের নাম জানতে চাওয়া হয়।
স্বরবৃত্ত ছন্দের জনক বা প্রধান কবি জসীমউদ্দীন এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দের প্রধান রূপকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
সঠিক উত্তর: A) বলাকা
১. কেন সঠিক:
উদ্ধৃত চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'বলাকা' কাব্যের অন্তর্গত।
এই কবিতায় গতির জয়গান গাওয়া হয়েছে এবং প্রকৃতির রূপবর্ণনার মধ্য দিয়ে কবি গতির সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাকা' কাব্যটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যগ্রন্থের কবিতায় চলিষ্ণুতা, গতিশীলতা এবং পরিবর্তনশীল জীবনের জয়গান প্রধান হয়ে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চঞ্চল চরণ চলে না রে
ব্যাখ্যা: এটিও বলাকা কাব্যের গতি ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত পঙক্তি।
উদাহরণ ২: আজি বরিষণে রিমঝিম রিমঝিম
ব্যাখ্যা: এটি বৃষ্টির রূপবৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা রবীন্দ্রনাথের অন্য ধারার একটি কবিতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বলাকা — এই অপশনটি সঠিক কারণ উদ্ধৃত চরণটি এই কাব্যগ্রন্থেরই অন্তর্গত।
B) সোনার তরী — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের প্রতীকী ও দর্শনভিত্তিক কবিতা সম্বলিত অন্য একটি কাব্য।
C) চিত্রা — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের যৌবনের সৌন্দর্য ও প্রীতিমূলক কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।
D) পুনশ্চ — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রবীন্দ্রনাথের প্রবীণ বয়সের গদ্যছন্দের কবিতার সংকলন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঝিলিমিলি ঝিলম নদী এবং গতির অনুষঙ্গ পেলে বলাকা কাব্যকে মনে রাখবে।
বলাকা মানেই আকাশে ওড়ার পাখি এবং গতির ছন্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বলাকা কাব্যগ্রন্থটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত গতির দর্শনমূলক রচনা।
রবীন্দ্রনাথের কাব্য পরিচিতি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের পঙক্তিভিত্তিক প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) জটিল
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যে যেহেতু এবং সুতরাং সাপেক্ষ সর্বনাম বা যোজক জোড় একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে যা জটিল বাক্যের গঠন নির্দেশ করে।
- এখানে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বাক্যে একটি মাত্র স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং তার ওপর নির্ভরশীল এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য থাকে তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।
- জটিল বাক্যে সাধারণত যিনি-তিনি, যে-সে, যদি-তাহলে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু বা যেহেতু-সুতরাং জোড়বাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি তুমি পরিশ্রম করো তবে সফল হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে যদি এবং তবে যুক্ত হয়ে দুটি বাক্যকে এমনভাবে সংযুক্ত করেছে যা একটি অন্যটির ওপর নির্ভরশীল।
উদাহরণ ২: যিনি সৎ পথে চলেন তিনি সবাইর শ্রদ্ধা পান।
ব্যাখ্যা: এখানে যিনি এবং তিনি সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে অধীন খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে।
B) জটিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে যেহেতু এবং সুতরাং সাপেক্ষ যোজক ব্যবহার করা হয়েছে।
C) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, যা এখানে নেই।
D) অনুজ্ঞামূলক — অনুজ্ঞামূলক বাক্যে আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রার্থনা বোঝায়, যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে যদি যেহেতু-সুতরাং, যদি-তবে, যিনি-তিনি এই ধরনের জোড়বাচক শব্দ পাও তবে চোখ বন্ধ করে তা জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে।
- সরল মানে এক, যৌগিক মানে কিন্তু-অথবা এবং জটিল মানে জোড়বাচক শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাক্যের গঠনগত রূপান্তর বা বাক্য চিন্হক প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- সাপেক্ষ সর্বনাম বা যোজকগুলোর জোড়া মুখস্থ রাখলে জটিল বাক্য খুব দ্রুত নির্ণয় করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) কর্মকারকে শূন্য
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ঔষধ শব্দটিকে ক্রিয়া সম্পাদনের কর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি।
- কর্তার যা ইষ্ট বা যা সে সবচেয়ে বেশি করতে চায় তা হলো কর্ম, এখানে ঔষধ প্রয়োগ করা বা দেওয়া কর্ম পদকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কি বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক এবং শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বলে।
- সর্বাঙ্গে ব্যথা এই বাক্যাংশে ব্যথার ব্যাপকতা বোঝাতে ঔষধ বা নিরাময় কোথায় প্রয়োগ করা হবে তা কর্মকারকের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার রোগীকে ওষুধ দিলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে ওষুধ হলো কর্মকারক কারণ ক্রিয়াকে কি দিয়ে প্রশ্ন করলে ওষুধ উত্তর আসে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি নেই।
উদাহরণ ২: শিক্ষক ছাত্রটিকে একটি কলম দিলেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কলম হলো কর্মকারক কারণ কাকে বা কি দান করা হলো তার উত্তর কলম এবং এর সাথে শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারকে শূন্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ ঔষধ শব্দটি কর্মকারকের ভূমিকা পালন করছে এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই।
B) সম্প্রদানে সপ্তমী — সম্পদান কারক হলো স্বত্বত্যাগ করে কিছু দান করা, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না।
C) অধিকরণে শূন্য — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে ঔষধ কোনো স্থান বা সময় নয়।
D) কর্তৃকারক শূন্য — কর্তৃকারক হলো যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে, কিন্তু ঔষধ নিজে কাজ করছে না বরং এটি কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্রিয়াকে কি বা কাকে প্রশ্ন করে যদি সরাসরি বস্তুবাচক উত্তর পাওয়া যায় এবং তার সাথে বিভক্তি না থাকে তবে তা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি হবে।
- কোথায় ঔষধ দেবো এই প্রশ্নটি কর্মের ব্যাপ্তি ও প্রয়োগক্ষেত্র নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রবাদপ্রতিম বা বহুল ব্যবহৃত বাক্য থেকে কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থের চেয়ে বাক্যের মূল ভাব ও ক্রিয়া পদের সম্পর্ক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- কর্মকারক চেনার জন্য সর্বদাই ক্রিয়ামূলকে কি বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করার কৌশলটি প্রয়োগ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) চাঁদের মত মুখ
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত প্রশ্নটি সমাস সংক্রান্ত ব্যাকরণ বিষয়ক।
- এখানে চাঁদ এবং মুখ দুটি পদের তুলনা বোঝানো হয়েছে, যেখানে উপমেয় ও উপমানের তুলনা করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
- তবে সাধারণ তুলনা বোঝালে এবং ব্যাসবাক্যের মাঝে 'মত' বা 'ন্যায়' থাকলে তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ পুরুষের ন্যায় = সিংহপুরুষ
ব্যাখ্যা: এখানে পুরুষের সঙ্গে সিংহের তুলনা করা হয়েছে এবং এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণ ২: কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল
ব্যাখ্যা: এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যেখানে সাধারণ গুণের তুলনা বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাঁদ মুখের ন্যায় — এই ব্যাসবাক্যে পদের বিন্যাস ভুল রয়েছে কারণ মুখ আগে ও চাঁদ পরে বসেনি।
B) চাঁদের মত মুখ — এটি সঠিক উত্তর।
C) চাঁদ মুখ যার — এটি বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্য গঠন করে যা এই পদের সঙ্গে মিলে না।
D) চাঁদ রূপ মুখ — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্য, যা সাধারণ তুলনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপমিত কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে 'মত' বা 'ন্যায়' থাকবে এবং শেষ পদটি হবে সাধারণ বিশেষ্য পদ।
- তুলনা বা সাদৃশ্য বোঝাতে মুখ ও চাঁদের এই সমাসটি পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ
১. কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের সঙ্গে আ প্রত্যয় এবং পূর্ণ যুক্ত হয়ে সংশয়াপূর্ণ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ব্যাকরণগত ও প্রমিত রূপের বিচারে জীবন সংশয়পূর্ণ না বলে সংশয়াপূর্ণ বলা ব্যাকরণসম্মত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিশেষ্য পদের সঙ্গে বিশেষণের রূপান্তরের সময় সঠিক প্রত্যয় ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ, এর সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগ করে পূর্ণ শব্দটির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তাহার মন আশঙ্কাপূর্ণ।
ব্যাখ্যা: আশঙ্কা শব্দের সঙ্গে আ প্রত্যয় যোগ করে বাক্যটিকে শুদ্ধ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: বর্তমান পরিস্থিতি বিপদসংকুল।
ব্যাখ্যা: বিপদের সঙ্গে সংকুল যুক্ত হয়ে সঠিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ — সংশয়পূর্ণ শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে প্রমিত রূপের চেয়ে সংশয়াপূর্ণ অধিক গ্রহণযোগ্য।
B) তাহার জীবন সংশয়ময় — সংশয়ময় শব্দটি অর্থগতভাবে পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ করে না।
D) তাহার জীবন সংশয়ভরা — সংশয়ভরা শব্দটি সাধু ও চলিতরীতির মিশ্রণজনিত ত্রুটির কারণে অগ্রহণযোগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংশয় শব্দের ক্ষেত্রে সংশয়পূর্ণ না লিখে সংশয়াপূর্ণ লেখার অভ্যাস করতে হবে।
- পরীক্ষার হলে শব্দের সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপটি চিনে নিতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাক্যশুদ্ধির ক্ষেত্রে প্রত্যয়গত ও শব্দগঠনগত ভুলগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
- একই ধরনের শব্দরূপ পরিবর্তনের নিয়মগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: D) দ্বিগু সমাস
১. কেন সঠিক:
যে সমাসের পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক শব্দ হয় এবং সমস্তপদের দ্বারা কোনো সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
দ্বিগু সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় এবং এটি সাধারণত বিশেষ্য পদ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
দ্বিগু সমাস মূলত কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ রূপ যেখানে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক বিশেষণ হয়।
ব্যাসবাক্যের শেষে সমাহার বা সমষ্টি শব্দটি যুক্ত করে দ্বিগু সমাস গঠন করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্রিকাল = তিন কালের সমাহার
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ ত্রিম বা তিন সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদে কালের সমাহার বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: শতাব্দী = শত অব্দের সমাহার
ব্যাখ্যা: এখানে শত সংখ্যাবাচক পদ এবং অব্দের সমষ্টি বা সমাহার প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রামান্য বা সমান গুরুত্ব থাকে এবং সংযোগ অব্যয় দ্বারা পদগুলো যুক্ত হয়।
B) রূপক সমাস — এটি এক ধরনের কর্মধারয় সমাস যেখানে উপমান ও উপময়ের মধ্যে অভিন্নতা বা রূপ কল্পনা করা হয়।
C) বহুব্রীহি সমাস — এই সমাসে সমসমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝানো হয়।
D) দ্বিগু সমাস — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদ দ্বারা সমাহার বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংখ্যাবাচক পদ আর শেষে সমাহার দেখলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাবে।
দ্বিগু মানেই সংখ্যা আর সমাহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
দ্বিগু সমাসে অবশ্যই সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হবে।
সংখ্যাবাচক পদ থাকলেই তা বহুব্রীহি না দ্বিগু হবে, তা নির্ভর করে পদের অর্থের ওপর।
সঠিক উত্তর: B) দীনেশচন্দ্র সেন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচনার কৃতিত্ব দীনেশচন্দ্র সেনের।
- ১৯০৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের প্রখ্যাত বাংলা গবেষক ও লোকসাহিত্য সংগ্রাহক।
- তার বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ধারাবাহিক ইতিহাস ও নান্দনিক মূল্যায়ন তুলে ধরা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম গ্রন্থ যা সাহিত্য গবেষকদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ ২: পূর্ববঙ্গ গীতিকা
ব্যাখ্যা: দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত ও সম্পাদিত এই লোকসাহিত্য গ্রন্থটি বাংলা লোকসংস্কৃতির ইতিহাসে একটি অনন্য দলিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা হলেও তাঁর 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থটি দীনেশচন্দ্র সেনের পরে প্রকাশিত হয়।
B) দীনেশচন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তা প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত।
C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি মূলত বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেছেন এবং 'বাংলা সাহিত্যের কথা' রচনা করেছেন।
D) অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি পরবর্তীকালের একজন প্রখ্যাত সাহিত্য ইতিহাসবিদ যিনি 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' রচনা করেছেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রথম সাহিত্য ইতিহাস খুঁজতে হলে সেন বংশের দীনেশচন্দ্র সেনকে মনে রাখতে হবে।
বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস রচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ বা প্রথম সাহিত্য ইতিহাসবিদ সম্পর্কিত প্রশ্ন বিসিএস ও শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
কালানুক্রমিক বিচারে দীনেশচন্দ্র সেনের গ্রন্থটি সবার আগে প্রকাশিত হওয়ায় এটি প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) বর্ধমান
১. কেন সঠিক:
- 'ক্ষীয়মাণ' শব্দের অর্থ যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বা হ্রাস পাচ্ছে। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা বাড়ছে।
- 'বর্ধমান' শব্দটি কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়ে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার অবস্থাকে বোঝায়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের সরাসরি বিপরীত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন দুটি শব্দকে বোঝায় যাদের অর্থ পরস্পরের বিপরীত বা উল্টো। তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়।
- শব্দের প্রকৃতি ও অর্থের মিল রেখেই বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হয়, যেখানে ক্ষয় পাওয়ার বিপরীত হিসেবে বৃদ্ধি পাওয়ার ভাবটি প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুপ্ত ও জাগ্রত
ব্যাখ্যা: সুপ্ত শব্দের অর্থ যা ঘুমন্ত বা অব্যক্ত, আর জাগ্রত শব্দের অর্থ যা সজাগ বা প্রবুদ্ধ।
উদাহরণ ২: প্রাচীন ও আধুনিক
ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ বহু পুরনো, আর আধুনিক শব্দের অর্থ বর্তমানকালের বা সাম্প্রতিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বৃহৎ — বৃহৎ শব্দের অর্থ বিশাল বা বড়, যা ক্ষীয়মাণের সরাসরি বিপরীত নয়।
B) বর্ধিষ্ণু — বর্ধিষ্ণু শব্দের অর্থ যা বৃদ্ধিশীল, তবে ব্যাকরণগত রূপের দিক থেকে 'বর্ধমান' বেশি যথাযথ।
C) বর্ধমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত — বৃদ্ধিপ্রাপ্ত বলতে যা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে বোঝায়, কিন্তু 'ক্ষীয়মাণ' প্রক্রিয়ার ঠিক বিপরীত চলমান প্রক্রিয়া বোঝাতে 'বর্ধমান' অধিক উপযোগী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ক্ষয় থেকে ক্ষীয়মাণ আর বৃদ্ধি থেকে বর্ধমান, এভাবে প্রক্রিয়া বা অবস্থা বিবেচনা করে বিপরীত শব্দ মনে রাখবে।
- চলমান অবস্থা বোঝাতে মান প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ মিলিয়ে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে, তাই মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- একই অর্থের একাধিক শব্দ অপশনে থাকলে সবচেয়ে উপযুক্ত ও ব্যাকরণসিদ্ধ শব্দটি নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কল্লোল
১. কেন সঠিক:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাসে 'কল্লোল' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
এই কবিতাটি প্রকাশিত হওয়ার পরই তরুণ কবি জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জসীমউদ্দীন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি যিনি পল্লী প্রকৃতির রূপ ও সাধারণ মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন।
'কবর' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখाल' এর অন্তর্গত একটি বিখ্যাত ও শোকাবহ দীর্ঘ কবিতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জসীমউদ্দীনের 'নক্সানকাঁথার মাঠ' একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
ব্যাখ্যা: এটি পল্লীজীবনের সুখ-দুঃখ ও প্রেমের এক অনন্য গাথা যা বাংলা কাব্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
উদাহরণ ২: জসীমউদ্দীনের 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' আরেকটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য।
ব্যাখ্যা: এই কাব্যে বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজীবনের নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তত্ত্ববোধিনী — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে প্রকাশিত ব্রাহ্মসমাজ আন্দোলনের মুখপত্র ছিল যেখানে জসীমউদ্দীনের কবিতা প্রকাশিত হয়নি।
B) ধূমকেতু — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিদ্রোহী চেতনার পত্রিকা যার সাথে 'কবর' কবিতার প্রকাশনা সম্পর্কিত নয়।
C) কল্লোল — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ১৯২৫ সালের জানুয়ারি মাসে কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
D) কালি ও কলম — এটি আধুনিক যুগের একটি সাহিত্য পত্রিকা যা জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতা প্রকাশের অনেক পরে আত্মপ্রকাশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' খুঁড়তে হলে 'কল্লোল' ঢেউয়ের প্রয়োজন হয়, এভাবে মনে রাখতে পারো।
১৯২৫ সালে প্রকাশিত এই কবিতার মাধ্যমেই কবি পরিচিতি পান।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কবিতা বা গ্রন্থ সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কবিতাটির প্রকাশের সাল এবং পত্রিকার নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
কেন সঠিক:
১. বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা রচনার সূচনা করেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
২. তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটের আদলে বাংলায় এই শিল্পরূপ সফলভাবে প্রবর্তন করেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. সনেট হলো চৌদ্দ চরণের একটি নির্দিষ্ট ভাবসংসংগত কবিতা যার সুনির্দিষ্ট অন্তমিল থাকে।
২. মধুসূদন দত্ত ভার্সাইলে বসেই প্রথম বাংলায় সনেট চর্চা শুরু করেন এবং নতুন মাত্রা যোগ করেন।
৩. তার বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতাবলী গ্রন্থটি বাংলা সনেটের প্রথম সার্থক নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও সনেটের প্রবর্তক নন।
C) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা গদ্য ও ব্রাহ্মসমাজের উন্নয়নে কাজ করেছেন কিন্তু সনেটের সঙ্গে যুক্ত নন।
D) মোহিতলাল মজুমদার — তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত কবি ও সমালোচক যিনি অনেক পরে সাহিত্যচর্চা করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
১. বাংলা সনেটের জনক মনে রাখতে মাইকেল মধুসূদন দত্ত নামটি সবার আগে মনে রাখবে।
২. চতুর্দশপদী কবিতা এবং সনেট একই বিষয় যা মাইকেলের হাত ধরে বাংলায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: C) মনীষা মঞ্জুষা
১. কেন সঠিক:
- মনীষা মঞ্জুষা গ্রন্থটি বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক ড. মুহম্মদ এনামুল হকের একটি বিখ্যাত রচনা।
- এটি মূলত প্রাবন্ধিক ও গবেষক হিসেবে তাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ বিভিন্ন প্রবন্ধের সংকলন, যা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ, শিক্ষাবিদ ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তাঁর গবেষণামূলক কাজ এবং প্রাচীন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে লেখালেখি বাংলা ভাষা অধ্যয়নে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশ আঞ্চলিক ভাষার অভিধান
ব্যাখ্যা: এই জাতীয় সংকলন ও গবেষণা গ্রন্থগুলো বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
ব্যাখ্যা: এ জাতীয় সাহিত্যিক ইতিহাস গ্রন্থগুলো লেখকের গভীর গবেষণা ও পাণ্ডিত্যের পরিচয় বহন করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাষার ইতিবৃত্ত - এই গ্রন্থটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর রচনা, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) আধুনিক ভাষাতত্ত্ব - এই গ্রন্থটির রচয়িতাও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ফলে এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) মনীষা মঞ্জুষা - এটি ড. মুহম্মদ এনামুল হকের রচনা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
D) বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান - বাংলা একাডেমি কর্তৃক সংকলিত ও প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিধান, যা মুহম্মদ এনামুল হকের একক রচনা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- এনামুল হকের নামের সঙ্গে 'মনীষা মঞ্জুষা' মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে তাঁর গবেষণা ছিল মনীষীসুলভ ও গম্ভীর।
- মনীষা শব্দটি দিয়ে তাঁর মননশীল ও পন্ডিতসুলভ প্রবন্ধগ্রন্থকে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানীদের বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে।
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বইগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) উপন্যাস
১. কেন সঠিক:
'কাশবনের কন্যা' একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস। শামসুদ্দীন আবুল কালামের এই উপন্যাসে গ্রামীণ জীবন এবং মানুষের আবেগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই উপন্যাসের রচয়িতা কথাসাহিত্যিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম। এটি বাংলা সাহিত্যের গ্রামীণ জনপদের চিত্রভিত্তিক একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুরমা নদী ও জলপাই রঙের পাতার গান
ব্যাখ্যা: এটি শামসুদ্দীন আবুল কালামের আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কাঞ্চনমালা
ব্যাখ্যা: এটিও এই লেখকের গ্রামীণ জীবনভিত্তিক একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটক — এটি কোনো নাটক নয়, কারণ এতে সংলাপের চেয়ে বর্ণনামূলক গদ্যের বিস্তার বেশি।
B) উপন্যাস — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি উপন্যাস।
C) কাব্য — এটি কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত উপন্যাস।
D) ছোটগল্প — এর পরিসর ছোটগল্পের চেয়ে অনেক বড় এবং এর পটভূমি ও চরিত্রবিন্যাস উপন্যাসের কাঠামোগত।
৫ মনে রাখার টিপস:
শামসুদ্দীন আবুল কালামের নামের সঙ্গে কাশবনের কন্যা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখা যায়। কাশবনের কন্যা উপন্যাসটি গ্রামীণ আবহকে ধারণ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকের নাম ও উপন্যাসের ধরন প্রায়ই আসে। শামসুদ্দীন আবুল কালামের সাহিত্যকর্মগুলো গ্রামীণ জীবনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর: D) রশীদ করিম
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি রশীদ করিমের প্রথম এবং অন্যতম বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে মধ্যবিত্ত সমাজের মানুষের যান্ত্রিক জীবন, আত্মগ্লানি এবং মানসিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রশীদ করিম ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং আধুনিক বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবক্তা হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি কথাসাহিত্যিক রশীদ করিমকে বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী আসন এনে দেয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্ৰত্যয় (১৯৬৩)
ব্যাখ্যা: এটিও কথাসাহিত্যিক রশীদ করিমের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যা মধ্যবিত্ত জীবনের জটিলতা নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: আমার যত গান (১৯৬৫)
ব্যাখ্যা: এটি রশীদ করিম রচিত আরেকটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যেখানে মানুষের মনস্তত্ত্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শওকত ওসমান — শওকত ওসমান একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও তিনি ক্রুশবিদ্ধ মানুষের মতো সামাজিক ও রাজনৈতিক উপন্যাস লেখার জন্য বেশি পরিচিত।
B) জহির রায়হান — জহির রায়হান বরফ গলা নদী এবং হাজার বছর ধরে উপন্যাসের রচয়িতা, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) শহীদুল্লা কায়সার — শহীদুল্লা কায়সার সারেং বউ এবং সংশপ্তক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত, যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) রশীদ করিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি উত্তম পুরুষ উপন্যাসের রচয়িতা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পুরুষ মানুষ একা একা রশীদ চা খায়, এভাবে মনে রাখতে পারো রশীদ করিমের উত্তম পুরুষ উপন্যাস।
- মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের কথা মনে এলেই রশীদ করিম ও তার উত্তম পুরুষ উপন্যাসটি স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক উপন্যাসের রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ক্ষেত্রে রশীদ করিমের নাম এবং তার উত্তম পুরুষ গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সঠিক উত্তর: A) সমাপ্তি
১. কেন সঠিক:
মৃন্ময়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র। এই গল্পে মৃন্ময়ী চরিত্রের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক চঞ্চলা, অপরিপক্ব অথচ প্রাণবন্ত গ্রামীণ কিশোরীর মনস্তত্ত্ব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং তাঁর ছোটগল্প সংকলন ‘গল্পগুচ্ছ’ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। ‘সমাপ্তি’ গল্পটি মূলত বাল্যবিয়ে এবং কিশোরী বধূর মানসিক বিবর্তন ও দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘হৈমন্তী’ গল্পের প্রধান চরিত্র হৈমন্তী।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ছোটগল্প যার নারী চরিত্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ গল্পের চরিত্র রায়চরণ।
ব্যাখ্যা: এই গল্পটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্পের অন্তর্ভুক্ত যেখানে বিশ্বস্ত ভৃত্যের মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাপ্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গল্পেরই প্রধান নায়িকা মৃন্ময়ী।
B) দেনা-পাওনা — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র নিরুপমা, মৃন্ময়ী নয়।
C) পোস্ট মাস্টার — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র রতন, মৃন্ময়ী নয়।
D) মধ্যবর্তিনী — এই ছোটগল্পের প্রধান নারী চরিত্র হরিষ ও আনন্দময়ী কেন্দ্রিক, মৃন্ময়ী নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
রবীন্দ্রনাথের সমাপ্তি ছোটগল্পের সমাপ্তি ঘটে মৃন্ময়ী চরিত্রের চঞ্চলতা ও পরিপক্বতার মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে। এভাবে চরিত্র ও গল্পের নাম মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের চরিত্রসমূহ বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় বারবার আসে। তাই গল্প ও চরিত্রের নাম জোড় হিসেবে মুখস্থ রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) আনন্দময়ীর আগমনে
১. কেন সঠিক:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র অন্তর্গত 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি রচনার জন্য ব্রিটিশ সরকার এই কাব্য নিষিদ্ধ করেছিল।
- ব্রিটিশ রাজশক্তিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবের ডাক দেওয়ায় এই কবিতাটি বাজোপ্ত করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২২ সালে এবং এর প্রচ্ছদ এঁকেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থে মোট বারটি কবিতা রয়েছে যা বাংলা কাব্যসাহিত্যে এক নতুন যুগ সৃষ্টি করেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষের বাঁশী
ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও নিষিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ।
উদাহরণ ২: ভাঙার গান
ব্যাখ্যা: এটি নজরুলের একটি বিদ্রোহী গান ও কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশ আমলে নিষিদ্ধ হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্রোহী — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্যতম সেরা কবিতা হলেও শুধু এই কবিতার জন্য পুরো কাব্য নিষিদ্ধ হয়নি।
B) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক এবং এই কবিতার জন্যই মূলত 'অগ্নিবীণা' কাব্য নিষিদ্ধ হয়েছিল।
C) প্রলয়োল্লাস — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা যা বিপ্লবের বার্তা দিলেও কাব্য নিষিদ্ধ হওয়ার প্রধান কারণ এই কবিতা এককভাবে নয়।
D) রক্তাম্বরধারিণী মা — এটি 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত কোনো কবিতার নাম নয় বরং এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অগ্নিবীণা কাব্যের নিষিদ্ধ কবিতার নাম মনে রাখতে আনন্দময়ী মায়ের আগমনকে ব্রিটিশরা ভয় পেত এই কথাটি মনে রাখতে পারো।
- নজরুলের রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ প্রথম গ্রন্থ মনে রাখতে অগ্নিবীণা ও আনন্দময়ী শব্দ দুটি একসাথে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের নিষিদ্ধ গ্রন্থ বা কবিতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রকাশকাল এবং এর প্রথম কবিতার নাম ভালোভাবে মনে রাখা আবশ্যক।
সঠিক উত্তর: B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কেন সঠিক:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭২ সালের এপ্রিল মাসে বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- এই পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা সাহিত্য ধারায় সাময়িকপত্রের ইতিহাসে বঙ্গদর্শন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় এই পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল।
- এই পত্রিকার বিখ্যাত একটি প্রবাদ ছিল যে, বাষ্পীয় রথের চক্রে আবদ্ধ হইয়া বঙ্গদর্শন প্রজাবর্গের দ্বারে দ্বারে উপস্থিত হইবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি মাসিক পত্রিকা ও আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, বঙ্গদর্শনের সম্পাদক ছিলেন না।
- B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার নতুন পর্যায় সম্পাদনা করেছিলেন, তবে প্রথম সম্পাদক ছিলেন না।
- D) প্রমথ চৌধুরী — তিনি সবুজ পত্র পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
- বঙ্কিম মানেই বঙ্গদর্শন, কারণ এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন স্বয়ং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
সঠিক উত্তর: D) My father was in hospital for six weeks during the summer.
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝাতে 'during' এর পরিবর্তে 'for' ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম।
ঋতু বা বিশেষ সময়ের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'the' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে 'during' ব্যবহার করায় এবং গ্রীষ্মকালের আগে 'the' না থাকায় এটি ভুল।
B) বাক্যটির গঠন এবং শব্দ বিন্যাস ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ অশুদ্ধ ও অগ্রহণযোগ্য।
সি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার ক্ষেত্রে 'a' আর্টিকেল ব্যবহার করা ইংরেজি ব্যাকরণে নিয়মবহর্ভূত।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপ্তির আগে 'for' এবং সুনির্দিষ্ট ঋতুর নামের আগে 'the' বসে।
সঠিক উত্তর: D) dyed
কেন সঠিক:
চুল বা কাপড়ের রঙ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে ইংরেজি ব্যাকরণে নির্দিষ্ট একটি শব্দ ব্যবহার করা হয়।
চুল বা কাপড় রাঙানো বা রঙ করার ইংরেজি পরিভাষা হলো ডাই বা dyed।
এই বাক্যে চুলে বাদামী রঙ করার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক শব্দটি dyed।
এটি এই বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত নিয়ম দুটোই সঠিকভাবে পূরণ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) colored — এই শব্দটি সাধারণ রঙ করার ক্ষেত্রে বসে, কিন্তু চুল বা কাপড়ের বিশেষ রঙ পরিবর্তনের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) given — এই শব্দটির অর্থ দেওয়া, যা চুল বা বাদামী Shade এর সাথে কোনো অর্থপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করে না।
C) dried — এই শব্দটির অর্থ শুকানো, যা চুল শুকানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা গেলেও রঙের সাথে মানানসই নয়।
D) dyed — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
মনে রাখার টিপস:
চুল বা কাপড় রঙ করার কথা থাকলেই চোখ বন্ধ করে dyed শব্দটি বেছে নেবে।
সঠিক উত্তর: C) he had known
কেন সঠিক:
- এটি Third Conditional-এর একটি বাক্য, যার গঠন হলো If এর সাথে Past Perfect Tense এবং পরবর্তী অংশে Would have এর সাথে Verb-এর Past Participle বসে।
- অতীতের এমন একটি কাল্পনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে, যা বাস্তবে ঘটেনি কিন্তু ঘটলে তার ফল কী হতো তা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he knew — এটি Simple Past Tense, যা Third Conditional-এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) he had been knowing — এটি Past Continuous Tense-এর গঠন, যা এই বাক্যের অর্থ ও নিয়মের সাথে ভুল।
C) he had known — এটি সঠিক অপশন এবং এটি Past Perfect Tense নির্দেশ করে।
D) he was knowing — 'Know' একটি Stative Verb, তাই এর সাথে Continuous Tense হয় না।
মনে রাখার টিপস:
Third Conditional চেনার উপায় হলো প্রধান অংশে would have + V3 থাকা, তাই if-যুক্ত অংশে সবসময় Past Perfect (had + V3) হবে।
সঠিক উত্তর: C) natural
কেন সঠিক:
প্রথম মাতৃভাষা হলো মানুষের জন্মের পর প্রাকৃতিকভাবে শেখা প্রথম ভাষা। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই পরিবেশ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্জন করা হয়।
দ্বিতীয়ত, একে মাতৃভাষা বা ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
তৃতীয়ত, এটি মানুষের জন্মগত যোগাযোগের স্বাভাবিক মাধ্যম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) important — ভাষা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজের মূল সংজ্ঞা হলো এটি জন্মসূত্রে প্রাপ্ত, কেবল গুরুত্ব বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার হয় না।
B) main — প্রধান ভাষা অনেক সময় সেকেন্ডারি বা দাপ্তরিক ভাষাও হতে পারে, তাই এটি সরাসরি প্রথম ভাষার সঠিক ও সার্বজনীন সংজ্ঞা নয়।
C) natural — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাতৃভাষা মানুষের জীবনে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে অর্জিত হয়।
D) official — দাপ্তরিক ভাষা সাধারণত সরকার বা অফিসের কাজে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের প্রথম বা মাতৃভাষা নাও হতে পারে।
মনে রাখার টিপস:
ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ বা প্রথম ভাষা মানেই হলো মায়ের মুখ থেকে শেখা প্রাকৃত তাই উত্তর সবসময় ন্যাচারাল বা প্রাকৃতিক হবে।
সঠিক উত্তর: C) A hater of mankind
কেন সঠিক:
- Misanthropist শব্দটি মানবজাতি বা মানুষকে ঘৃণা করে এমন ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- Greek শব্দ Misos অর্থ ঘৃণা করা এবং Anthropos অর্থ মানুষ, এই দুটি মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) One who flirts with ladies — এটি Philanderer বা Flirt শব্দের অর্থ, যা নারীদের সাথে প্রেম নিবেদন করা ব্যক্তিকে বোঝায়।
B) A person of narrow views — এটি Insular বা Narrow-minded শব্দের অর্থ, যা সংকীর্ণ মানসিকতার মানুষকে বোঝায়।
C) A hater of mankind — এটি মূল প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
D) One who believe that God is in everything — এটি Pantheist শব্দের অর্থ, যা সর্বেশ্বরবাদী বা ঈশ্বরে সবকিছু বিশ্বাসকারীকে বোঝায়।
মনে রাখার টিপস:
Mis- অর্থ ঘৃণা এবং anthrop- অর্থ মানুষ, তাই Misanthropist অর্থ মানবদ্বেষী।
সঠিক উত্তর: C) risky
কেন সঠিক:
এখানে চিকিৎসা বা কোনো বড় কাজের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ক্ষতির অনিশ্চয়তা বোঝাতে সঠিক শব্দটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিভাষায় সাধারণত 'risky' শব্দটি সবচেয়ে উপযোগী হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এই বাক্যে সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতার সম্ভাবনাও সমানভাবে বিদ্যমান।
তাই এখানে 'risky' অপশনটি অর্থের দিক থেকে সবচেয়ে মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) difficult — কঠিন বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তবে এখানে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা বেশি বোঝানো হয়েছে।
B) dangerous — বিপজ্জনক বোঝালেও অপারেশন বা পেশাদার কাজের ক্ষেত্রে এই প্রেক্ষাপটে এটি ঠিক মানায় না।
C) risky — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না।
D) troublesome — বিরক্তিকর বা ঝামেলাপূর্ণ পরিস্থিতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়, যা অপারেশন বা অভিযানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য ক্ষতির ক্ষেত্রে কাজের বিশেষণ হিসেবে 'risky' ব্যবহার করা হয়।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: D) always
কেন সঠিক:
- এই বাক্যে বক্তা তার অতীতের একটি সুন্দর স্মৃতির কথা কৃতজ্ঞতা ও আনন্দের সঙ্গে স্মরণ করছেন।
- ইংরেজি ব্যাকরণে আনন্দদায়ক বা ইতিবাচক স্মৃতি প্রকাশের ক্ষেত্রে 'always' adverb-টি ব্যবহার করে চিরন্তন বা স্থায়ী অনুভূতির প্রকাশ ঘটানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ever — 'ever' সাধারণত প্রশ্নবোধক বা না-বোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয়, যা এই affirmative বা হাবভাবসূচক বাক্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
B) hardly — 'hardling' অর্থ কদাচিৎ বা প্রায় নয়, যা ইতিবাচক স্মৃতির ক্ষেত্রে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বাক্যটিকে ভুল করে তোলে।
C) usually — 'usually' সাধারণত অভ্যাসগত বা নিত্যনৈমিত্তিক কাজ বোঝাতে বসে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো অতীতের স্মৃতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) always — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এটি অতীতের আনন্দের স্মৃতি আজীবন মনে রাখার স্থায়ী ভাব প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের কোনো মধুর স্মৃতি বা সুন্দর মুহূর্ত আজীবন মনে রাখার ক্ষেত্রে 'always' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) angry
কেন সঠিক:
রাত এগারোটা বেজে যাওয়ার পরও ছেলে বাড়ি না ফেরায় বাবা-মা চরম মাত্রায় ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছিলেন। পরিস্থিতির তীব্রতা বোঝাতে এখানে angry শব্দটি সবচেয়ে বেশি মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) angry — বাক্যটির শূন্যস্থানে বসালে সঠিক অর্থ ও তীব্রতা প্রকাশ পায়।
B) annoyed — এই শব্দটি সামান্য বিরক্তি বোঝায়, যা এখানে অতিরিক্ত উদ্বেগের জন্য যথেষ্ট নয়।
C) disturbed — এটি মানসিক অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা বোঝায়, যা বাবা-মার সঠিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে না।
D) anxious — চিন্তিত বা উৎকণ্ঠিত হলেও এত রাতে ছেলে না ফেরায় মূল আবেগটি ক্ষোভ বা রাগের রূপ নেয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্তান নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পরে বাড়ি না ফিরলে বাবা-মার মনে যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, তা বোঝাতে angry ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) about
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে বা কারণে রেগে যাওয়া বোঝালে angry শব্দের পরে about preposition বসে। এখানে প্রশ্নটিতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে রাগের কথা বলা হয়েছে।
তাই এখানে সঠিক preposition হিসেবে about ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) about — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) at — সাধারণত কোনো আচরণ বা ঘটনার ওপর রাগ প্রকাশ করতে angry at বসে, যা এখানে ঠিক নয়।
C) with — কোনো ব্যক্তির ওপর রেগে যাওয়া বোঝালে angry with ব্যবহার করতে হয়।
D) for — কারণ বোঝাতে for বসলেও angry শব্দের পরে এই prepositionটি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
বস্তু বা বিষয়ের ওপর রাগলে angry about এবং ব্যক্তির ওপর রাগলে angry with ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) stay
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো স্থানে সামقয়িকভাবে অবস্থান করা বোঝাতে 'stay' ভার্বটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাক্যে দুই মাস দেশে থাকার উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এখানে অন্য কোনো ভ্রমণের বিরতি বোঝানো হয়নি।
সাময়িক বাস বোঝাতে এই শব্দটি নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) live — স্থায়ীভাবে বসবাস করা অর্থে 'live' ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) stay — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) stop — সামقয়িকভাবে থামা বোঝায়, দীর্ঘ সময় থাকার ক্ষেত্রে এটি বসে না।
D) halt — মূলত যাত্রা বা গতি সামقয়িক বন্ধ করা বোঝাতে 'halt' ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো দেশ বা শহরে নির্দিষ্ট কিছুদিন বেড়াতে বা কাটাতে গেলে 'live' না বলে 'stay' বলতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) long
কেন সঠিক:
- Stockings হলো এমন এক ধরনের মোজা যা হাঁটু বা উরু পর্যন্ত লম্বা হয়।
- সাধারণ sock বা গোড়ালি পর্যন্ত ঢাকা মোজার তুলনায় stockings আকৃতিতে অনেক লম্বা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) long — এটি সঠিক উত্তর কারণ stockings প্রচলিত মোজার তুলনায় অনেক লম্বা হয়।
B) small — এটি ভুল কারণ stockings ছোট আকারের মোজা নির্দেশ করে না।
C) big — এটি ভুল কারণ মোজার ক্ষেত্রে আকারের বড় বোঝাতে long শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
D) short — এটি ভুল কারণ short বা ছোট মোজা হলো সাধারণ socks।
মনে রাখার টিপস:
Stockings শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি লম্বা বা long মোজা, যা সাধারণত হাঁটু পর্যন্ত পরা হয়।
সঠিক উত্তর: D) adverb
কেন সঠিক:
এখানে drawing near বাক্যে near শব্দটি verb কে modify করছে।
কোনো verb কখন বা কীভাবে কাজ সম্পন্ন করছে তা বোঝালে near শব্দটি adverb হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি noun বা pronoun কে বিশেষিত করে না বরং verb কে বিশেষিত করে।
B) verb — এটি বাক্যের মূল কাজ বা verb নয়, কারণ draw হলো মূল verb।
C) preposition — এর পরে কোনো object বা noun নেই, তাই এটি preposition হতে পারে না।
D) adverb — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি verb এর ঠিক পরে বসে তার কাজকে নির্দেশ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
verb এর কাছে কেমন বা কোথায় প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় এবং তার সাথে কোনো object না থাকলে তা adverb হয়।
সঠিক উত্তর: C) To one’s own liking
কেন সঠিক:
- 'After one's own heart' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা।
- এর অর্থ হলো নিজের মনের মতো বা কারো পছন্দ এবং রুচির সাথে পুরোপুরি মিলে যাওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) To be in low spirit — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ মন খারাপ থাকা বা বিষণ্ণ হওয়া, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সাথে মেলে না।
B) With complete devotion — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সম্পূর্ণ নিষ্ঠা বা ভক্তির সাথে কাজ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) To one’s own liking — এটি সঠিক অপশন কারণ এর অর্থ নিজের পছন্দ বা মনের মতো হওয়া, যা মূল ইডিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) To be in high spirit — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ খুব ফুরফুরে মেজাজে বা আনন্দে থাকা, যা এই প্রবাদের অর্থের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
নিজের মনের (heart) মতো কিছু পেলে তা নিজের পছন্দ (liking) অনুযায়ী হয়, এভাবেই এটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) to give up
কেন সঠিক:
অ্যাডভাইজ বা এজাতীয় verb এর পর অবজেক্ট থাকলে infinitive অর্থাৎ to এর সাথে verb এর মূল ফর্ম বসে।
এখানে me অবজেক্ট থাকার কারণে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী to give up ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশনগুলো এই নির্দিষ্ট grammatical কাঠামোর সাথে মিলছে না।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে infinitive phrase সবচেয়ে বেশি উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) giving up — এখানে gerund ব্যবহার করা হয়েছে যা এই বাক্যের গঠনে সরাসরি সঠিক নয়।
B) to give up — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in giving up — preposition ব্যবহারের ফলে বাক্যের অর্থ এবং ব্যাকরণগত গঠন ভুল হয়ে যায়।
D) from giving up — এখানে from preposition এর ব্যবহার সঠিক নিয়ম অনুযায়ী হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাডভাইজ verb এর পর সরাসরি ব্যক্তিবাচক অবজেক্ট থাকলে তার পরে সবসময় to + verb এর বেস ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: D) from
কেন সঠিক:
অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মারা যাওয়া বোঝালে die এর পরে from preposition বসে।
এখানে মৃত্যুটি সরাসরি কোনো রোগ নয়, বরং অতিরিক্ত খাওয়ার মতো বাহ্যিক বা পরোক্ষ কারণে ঘটেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — কোনো হিংস্রতা, দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যার মাধ্যমে মারা যাওয়া বোঝালে die by বসে।
B) of — কোনো নির্দিষ্ট রোগ যেমন ক্যান্সার, করোনা বা হৃদরোগে মারা গেলে die of বসে।
C) ফর — এটি ইংরেজি প্রিপজিশন নয় এবং কোনো দেশের বা কারণের জন্য মৃত্যুর ক্ষেত্রে এটি নিয়ম অনুযায়ী বসে না।
D) from — এই অপশনটি সঠিক কারণ অতিরিক্ত খাওয়ার মতো পরোক্ষ কারণে মৃত্যুর ক্ষেত্রে from ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
রোগে মরলে অব আর অতিরিক্ত খেয়ে মরলে ফ্রম ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) dissatisfied
কেন সঠিক:
- বাক্যের অর্থ হলো আমাদের খুশি দেখাতে হবে, নয়তো সে অসন্তুষ্ট হবে।
- or else এর আগের অংশের বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে A অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) dissatisfied — এটি বাক্যের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সঠিক।
B) cross — এর অর্থ বিরক্ত, যা এই শূন্যস্থানের জন্য যথাযথ নয়।
C) happy — খুশি থাকলে সে অসন্তুষ্ট হবে না, তাই এটি ভুল।
D) delighted — এর অর্থ আনন্দিত, যা এখানে অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
or else যুক্ত বাক্যের ক্ষেত্রে আগের ক্লজের বিপরীত বা নেতিবাচক ফলাফল বোঝাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) with
কেন সঠিক:
- কোনো অস্ত্র, হাতিয়ার বা বস্তু দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝালে তার পূর্বে preposition হিসেবে with বসে।
- এখানে rolled up newspaper বা মোড়ানো খবরের কাগজটি হলো মাছি মারার হাতিয়ার বা মাধ্যম, তাই সঠিক উত্তর with হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — কোনো ব্যক্তি বা কর্মীর দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে by বসে, কিন্তু এখানে কোনো ব্যক্তির কথা বলা হয়নি।
B) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি কোনো বস্তু বা হাতিয়ারের সাহায্যে কাজ করার মাধ্যম নির্দেশ করে।
C) through — কোনো মাধ্যম বা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাওয়া বোঝালে through বসে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from বসে, যা এই বাক্যের অর্থ অনুসারে সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজের হাতিয়ার বা বস্তু বোঝাতে with ব্যবহার করবে এবং মানুষের দ্বারা কাজ সম্পন্ন হলে by ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) state
কেন সঠিক:
ক্লাইমেট বা জলবায়ু হলো দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক অবস্থা। তাই পরিবেশের অবস্থা বোঝাতে state শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) state — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী অবস্থাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
B) situation — এই শব্দটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বা সাময়িক পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) rank — এই শব্দটির অর্থ পদমর্যাদা, যা পরিবেশের ক্ষেত্রে কোনোভাবেই প্রযোজ্য নয়।
D) size — এই শব্দটির অর্থ আকার, যা আবহাওয়া বা জলবায়ুর সাথে সম্পর্কহীন।
মনে রাখার টিপস:
জলবায়ু মানেই পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট সময়ের 'অবস্থা' বা state।
সঠিক উত্তর: খ) had left
কেন সঠিক:
অতীতকালে ঘটে যাওয়া দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
এখানে ছেলেটির চলে যাওয়া কাজটি আগে ঘটেছিল বলে had left ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) left — এটি সাধারণ অতীতকাল নির্দেশ করে, যা দুটি অতীত কাজের আগের কাজ বোঝানোর জন্য সঠিক নয়।
খ) had left — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না।
গ) has has — এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে, কিন্তু পুরো বাক্যটি অতীতকালে রয়েছে।
ঘ) has been leaving — এটি বর্তমান নিখুঁত ধারাবাহিক কাল, যা এই অতীত কালের বাক্যের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতকালের দুটি কাজের মধ্যে যেটি আগে হয়, তাতে Past Perfect টেন্স (had + V3) বসে।
সঠিক উত্তর: A) worry
কেন সঠিক:
পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুশ্চিন্তা হওয়া একটি স্বাভাবিক এবং বাস্তবসম্মত মানসিক অবস্থা।
এই বাক্যের ভাবার্থ অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীরা তাদের পরীক্ষার ফল নিয়ে এখন চিন্তা করা শুরু করবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) worry — এটি সঠিক উত্তর এবং পরীক্ষার ফলাফলের ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে মানানসই শব্দ।
B) reflect — এর অর্থ গভীরভাবে চিন্তা করা, যা সাধারণত পরীক্ষার ফলাফলের সাধারণ ভয়ের ক্ষেত্রে বসে না।
C) inquire — এর অর্থ খোঁজ নেওয়া বা জানতে চাওয়া, যা ফলাফলের আশঙ্কার সাথে সরাসরি মানায় না।
D) comment — এর অর্থ মন্তব্য করা, যা ফলাফলের আগের ব্যক্তিগত মানসিক অবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরীক্ষার ফলাফলের কথা শুনলেই সাধারণ মানুষের মনে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়, তার জন্য সঠিক ইংরেজি শব্দটি হলো worry।
সঠিক উত্তর: D) একটি অমূলদ সংখ্যা
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো রুট দুই
ধরি,
সংখ্যাটিকে পি ভাগ কিউ আকারে প্রকাশ করা যায় যেখানে পি এবং কিউ পূর্ণসংখ্যা এবং কিউ শূন্যের সমান নয়
অতএব,
পি স্কয়ার সমান দুই গুণ কিউ স্কয়ার হয়
সুতরাং,
সংখ্যাটির দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবرتী হয়
উত্তর: একটি অমূলদ সংখ্যা
সঠিক উত্তর: C) ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
প্রদত্ত তথ্য:
আমরা জানি ১ মিটার সমান ১০০ সেন্টিমিটার
আবার ১ ইঞ্চি সমান ২.৫৪ সেন্টিমিটার
ধরি,
১ ইঞ্চির মান সেন্টিমিটারে ২.৫৪
অতএব,
১০০ সেন্টিমিটারকে ইঞ্চিতে রূপান্তর করতে হবে
১০০ কে ২.৫৪ দ্বারা ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
১০০ ÷ ২.৫৪ = ৩৯.৩৭০৭...
উত্তর: ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় একটি রাশি দেওয়া আছে
যার মান আমাদের নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
রাশিটির মান ক
অতএব,
সমীকরণটি সমাধান করতে হবে
সুতরাং,
সমস্ত পদ কেটে গিয়ে ফলাফল শূন্য হবে
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: A) x − ৫
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশির গসাগু নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম রাশি এবং দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন
অতএব,
উৎপাদকগুলোর মধ্যে সাধারণ বা কমন অংশটি খুঁজতে হবে
সুতরাং,
প্রাপ্ত সাধারণ উৎপাদক হবে গসাগু
উত্তর: x − ৫
সঠিক উত্তর: C) ২৪৩ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
কাজের পরিমাণ = ১/২৭ অংশ
সময় লাগে = ৩ দিন
ধরি,
সম্পূর্ণ কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
কাজের ৩ গুণ পরিমাণ = ৩ × ১ = ৩ অংশ
অতএব,
১/২৭ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ দিন
সম্পূর্ণ ১ অংশ কাজ করতে সময় লাগে = ৩ × ২৭ = ৮১ দিন
সুতরাং,
ঐ কাজের ৩ গুণ অর্থাৎ ৩ অংশ কাজ করতে সময় লাগবে = ৮১ × ৩ = ২৪৩ দিন
উত্তর: ২৪৩ দিন
সঠিক উত্তর: D) ৪৯৫০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে হবে
ধারার প্রথম পদ = ১
ধারার শেষ পদ = ৯৯
ধরি,
পদের সংখ্যা বা শেষ পদ (n) = ৯৯
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে
অতএব,
পদের সংখ্যা এবং (পদের সংখ্যা + ১) এর গুণফল বের করতে হবে
৯৯ × (৯৯ + ১) = ৯৯ × ১০০
৯৯ × ১০০ = ৯৯০০
সুতরাং,
প্রাপ্ত গুণফলকে দুই দিয়ে ভাগ করতে হবে
৯৯০০ ÷ ২ = ৪৯৫০
উত্তর: ৪৯৫০
সঠিক উত্তর: B) ৫৫ log২
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো log২ + log৪ + log৮ + ...
ধারাটির প্রথম পদ এবং সাধারণ অনুপাত নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
প্রথম পদ a = log২
সাধারণ অনুপাত r = log৪ ÷ log২ = log(২ এর ওপর ২) ÷ log২ = ২
অতএব,
দ্বিতীয় পদ = log৪ = ২ log২
তৃতীয় পদ = log৮ = ৩ log২
এইভাবে দশম পদ পর্যন্ত ধারাটি চলবে
সুতরাং,
দশটি পদের সমষ্টি S = log২ (১ + ২ + ৩ + ... + ১০)
১ থেকে ১০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল = (১০ × ১১) ÷ ২ = ৫৫
উত্তর: ৫৫ log২
সঠিক উত্তর: B) ১৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির মোট দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার
ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০°
ধরি,
খুঁটিটি মাটি থেকে x মিটার উঁচুতে ভেঙেছে
ভেঙে যাওয়া অংশের দৈর্ঘ্য = (৪৮ − x) মিটার
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজ থেকে পাই, লম্ব = x এবং অতিভুজ = (৪৮ − x)
আমরা জানি, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
sin(৩০°) এর মান = ১ ÷ ২
সুতরাং,
১ ÷ ২ = x ÷ (৪৮ − x)
২x = ৪৮ − x
৩x = ৪৮
x = ১৬
উত্তর: ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর: B) ৯৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য বিস্তারের দ্বিগুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল ৫১২ বর্গমিটার
ধরি,
ঘরের বিস্তার = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ২ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (২ক × ক) বর্গমিটার
২ক বর্গ = ৫১২ বর্গমিটার
সুতরাং,
ক বর্গ = ২৫৬
ক = ১৬ মিটার
উত্তর:
বিস্তার = ১৬ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৩২ মিটার
পরিসীমা = ২ × (৩২ + ১৬) = ৯৬ মিটার
সঠিক উত্তর: C) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখা তিনটি হলো প্রথম Y = ৩x + ২, দ্বিতীয় Y = −৩x + ২ এবং তৃতীয় Y = −২
ধরি,
রেখা তিনটির ছেদবিন্দুগুলো হলো ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষবিন্দু
অতএব,
প্রথম ও দ্বিতীয় রেখার ছেদবিন্দু নির্ণয় করে পাই (০, ২)
প্রথম ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু নির্ণয় করে পাই (−৪/৩, −২)
দ্বিতীয় ও তৃতীয় রেখার ছেদবিন্দু নির্ণয় করে পাই (৪/৩, −২)
সুতরাং,
দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় জ্যামিতিক চিত্রটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
উত্তর: C) একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
X + Y = ৬
XY = ৮
ধরি,
মান নির্ণয় করতে হবে (X − Y) এর বর্গ এর মান
আমরা জানি,
(X − Y) এর বর্গ = (X + Y) এর বর্গ − ৪ × X × Y
অতএব,
(X + Y) এর বর্গ = ৬ এর বর্গ = ৩৬
৪ × X × Y = ৪ × ৮ = ৩২
সুতরাং,
৩৬ − ৩২ = ৪
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: C) ৪৫০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল = ১০,০০০ টাকা
সুদের হার = ৬%
সময় = ৯ মাস
ধরি,
সময়কে বছরে রূপান্তর করতে হবে
৯ মাস = ৯ ÷ ১২ বছর
অতএব,
১ বছরের সুদ = ১০,০০০ এর ৬% = ৬০০ টাকা
১ মাসের সুদ = ৬০০ ÷ ১২ = ৫০ টাকা
৯ মাসের সুদ = ৫০ × ৯ = ৪৫০ টাকা
সুতরাং,
নির্ণয় করা সুদের পরিমাণ = ৪৫০ টাকা
উত্তর: ৪৫০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
মোট পোশাকের সংখ্যা = ১৫
শার্টের শতকরা হার = ৪০%
ধরি,
শার্টের সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
শার্ট নয় এমন পোশাকের শতকরা হার = ১০০% − ৪০% = ৬০%
অতএব,
১৫টি পোশাকের মধ্যে শার্টের সংখ্যা = ১৫ এর ৪০%
১৫ × (৪০ ÷ ১০০) = ৬টি শার্ট
সুতরাং,
১৫টি পোশাকের মধ্যে শার্ট নয় এমন পোশাকের সংখ্যা = ১৫ − ৬ = ৯টি
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: B) ২০০৩ সালের ২০ মার্চ
কেন সঠিক:
- যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ বাহিনী সাদ্দাম হোসেনের সরকারকে হটাতে ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ইরাকে সামরিক অভিযান বা আক্রমণ শুরু করে।
- এই অভিযানটি অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম নামে পরিচিত ছিল এবং এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের অস্ত্র ভান্ডার ধ্বংস করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০৩ সালের ১৮ মার্চ — এটি অভিযানের সঠিক তারিখ নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এই দিন সাদ্দাম হোসেনকে দেশ ছাড়ার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন।
B) ২০০৩ সালের ২০ মার্চ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন থেকেই মূলত বিমান ও স্থল হামলা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল।
C) ২০০৩ সালের ২২ মার্চ — এটি ভুল তারিখ, এই সময়ে সামরিক অভিযান পুরোদমে চলমান ছিল কিন্তু এটি শুরুর দিন নয়।
D) ২০০৩ সালের ২৪ মার্চ — এটিও ভুল তারিখ, এই সময়ের মধ্যে যৌথ বাহিনী ইরাকের অভ্যন্তরে আরও গভীরে প্রবেশ করেছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ মনে রাখতে সাল ২০০৩ এবং মার্চ মাসের কুড়ি তারিখ মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) বেলগ্রেড
কেন সঠিক:
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়।
- তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট যোসিপ ব্রোজ টিটো, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু এবং মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের এই সম্মেলন আয়োজনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমটি নয়।
B) কায়রো — এটি মিশরের রাজধানী এবং এখানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
D) জাকার্তা — এটি ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী এবং এখানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের দশম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম সম্মেলন বেলগ্রেডে হয়েছিল, তাই মনে রাখুন প্রথম বেল বাজল বেলগ্রেডে।
সঠিক উত্তর: D) মার্গারেট থ্যাচার
কেন সঠিক:
- মার্গারেট থ্যাচার যুক্তরাজ্যের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁর আপসহীন ও কঠোর রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য তাঁকে লৌহ মানবী বলা হতো।
- স্নায়ুযুদ্ধের সময় কমিউনিজমের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর অবস্থান এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য তিনি এই উপাধি পান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তাঁকে ভারতের লৌহ মানবী বলা হলেও আন্তর্জাতিকভাবে এই উপাধি মার্গারেট থ্যাচারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট।
B) বেগম খালেদা জিয়া — তিনি বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের অধিকারী, এই উপাধির সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
C) আং সান সুচি — তিনি মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর ও রাজনৈতিক নেতা এবং গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামের কারণে পরিচিত, লৌহ মানবী নন।
D) মার্গারেট থ্যাচার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, তবে তাঁর দৃঢ় ব্যক্তিত্বের জন্যই এই উপাধিটি দেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
যুক্তরাজ্যের কঠোর মনের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার মানেই লৌহ মানবী।
সঠিক উত্তর: C) একটি জেলখানা
কেন সঠিক:
- এটি ইরাকের রাজধানী বাগدادের কাছে অবস্থিত একটি কুখ্যাত কারাগার।
- ২০০৩ সালে মার্কিন সেনাবাহিনী ইরাক দখলের পর এখানে বন্দিদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ফাঁস হলে এটি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একজন বিখ্যাত দার্শনিক — আবু গারিব কোনো দার্শনিক নন, এটি একটি ঐতিহাসিক কারাগারের নাম।
B) একটি জাদুঘর — এটি কোনো জাদুঘর নয়, বরং ইরাকের একটি কুখ্যাত বন্দিশালা।
D) একজন বৈজ্ঞানিক — আবু গারিব কোনো বৈজ্ঞানিক বা গবেষক নন, এটি একটি স্থানের নাম।
মনে রাখার টিপস:
আবু গারিব নামটি শুনলেই ইরাকের জেলখানা এবং সেখানে সংঘটিত বন্দি নির্যাতনের কথা মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) পেলে
কেন সঠিক:
- পেলে ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার এবং একমাত্র খেলোয়াড় যিনি তিনটি ফিফা বিশ্বকাপ জয় করেছেন।
- ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পেলে — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ফুটবলের সর্বকালের সেরা হিসেবে ফিফা কর্তৃক স্বীকৃত।
B) জিদান — তিনি ফ্রান্সের মহান খেলোয়াড় হলেও বিংশ শতাব্দীর সেরা হিসেবে এই বিশেষ খেতাব পাননি।
C) বেকেনবাওয়ার — তিনি জার্মানির কিংবদন্তি ডিফেন্ডার হলেও ফুটবলের সর্বকালের সেরার এই নির্দিষ্ট খেতাবে ভূষিত হননি।
D) ম্যারাডোনা — তিনি আর্জেন্টিনার বিশ্বসেরা খেলোয়াড় হলেও ফিফার বিংশ শতাব্দীর সেরা ভোটাভুটিতে পেলের পেছনে ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
যিনি তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং ফুটবলের কালো মানিক নামে পরিচিত, তিনিই পেলে।
সঠিক উত্তর: B) প্যারিস
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিশেষায়িত সংস্থা।
- এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তরের অবস্থান, ইউনেস্কোর নয়।
B) প্যারিস — এটি ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়ের সঠিক অবস্থান।
C) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, ইউনেস্কোর নয়।
D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তর।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহর হিসেবে পরিচিত প্যারিস, তাই ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়ও সেখানেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) ইয়াসির আরাফাত
কেন সঠিক:
- ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার (PLO) চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রপ্রধানের সমমানের মর্যাদা লাভ করেছিলেন।
- ফিলিস্তিনি জনগণের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে তিনি জাতিসংঘসহ বিশ্বমঞ্চে এই বিশেষ সম্মান ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি পান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইয়াসির আরাফাত — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা পেয়েছিলেন।
B) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব ছিলেন, যা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠনের শীর্ষ পদ কিন্তু এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়।
C) ওসামা বিন লাদেন — তিনি আল-কায়দার প্রধান ছিলেন এবং কখনোই কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা পাননি।
D) এরিয়েল শ্যারন — তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, ফলে তিনি সরাসরি একটি রাষ্ট্রের প্রধান বা সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও যিনি বিশ্বমঞ্চে বিশেষ মর্যাদা পেয়েছিলেন, ফিলিস্তিনের সেই অবিসংবাদিত নেতার নাম ইয়াসির আরাফাত।
সঠিক উত্তর: C) হ্যান্স ব্রিক্স
কেন সঠিক:
- হ্যান্স ব্রিক্স একজন আন্তর্জাতিক কূটনীতিবিদ ও জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শক ছিলেন।
- তিনি ইরাকের অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে “ডিজ আর্মিং ইরাক” গ্রন্থটি রচনা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সালমান রুশদী — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, যিনি “দ্য স্যাটানিক ভার্সেস” গ্রন্থের জন্য পরিচিত।
B) কুলদীপ নায়ার — তিনি ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট, এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
সি) হ্যান্স ব্রিক্স — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) হিলারী ক্লিনটন — তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং “হার্ড চয়েসেস” তাঁর লেখা বিখ্যাত বই।
মনে রাখার টিপস:
ইরাক অস্ত্র মুক্ত করার আন্তর্জাতিক মিশনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হ্যান্স ব্রিক্স, তাই তাঁর বইয়ের নাম “ডিজ আর্মিং ইরাক”।
সঠিক উত্তর: D) এগারোজন
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ ভারত ও স্বাধীন বাংলাদেশসহ সমগ্র উপমহাদেশ থেকে এ পর্যন্ত মোট এগারোজন ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ এই সম্মান লাভ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চারজন — এই সংখ্যাটি প্রকৃত নোবেল বিজয়ীর সংখ্যার চেয়ে কম, কারণ উপমহাদেশে এর চেয়ে অনেক বেশি ব্যক্তি নোবেল পেয়েছেন।
B) চারজন — অপশনে পুনরাবৃত্তি থাকা সত্ত্বেও এই সংখ্যাটি ভুল, কারণ মোট বিজয়ীর সংখ্যা এগারোজন।
C) ছয়জন — এই সংখ্যাটিও সঠিক নয়, কারণ নোবেল বিজয়ীর প্রকৃত সংখ্যা এরচেয়ে বেশি।
D) এগারোজন — এই অপশনটি সঠিক, কারণ উপমহাদেশ থেকে এ পর্যন্ত মোট এগারোজন নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
মনে রাখার টিপস:
উপমহাদেশের নোবেল বিজয়ীদের মোট সংখ্যা মনে রাখতে এগারোজন সংখ্যাটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: D) মিঃ কে পি শর্মা অলি
কেন সঠিক:
- কে পি শর্মা অলি নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (ইউএমএল) দলের নেতা এবং তিনি বর্তমানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি নেপালের সরকার প্রধানের পদ গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মিঃ কইরালা — সুশীল কইরালা বা শের বাহাদুর দেউবা নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বর্তমানের জন্য প্রযোজ্য নন।
B) মিঃ থাপা — সূর্য বাহাদুর থাপা বা লেন্দ্র বাহাদুর থাপা নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, বর্তমানে দায়িত্বে নেই।
কম্পিউটার বা প্রসাশনিক কারণে এই নামটি এখানে সঠিক নয়।
C) মিঃ রানা — নেপালের ইতিহাসে রানা পরিবার এক সময় শাসন করলেও ইনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নন।
D) মিঃ কে পি শর্মা অলি — এটি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সঠিক নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
নেপালের অলিম্পিক বা রাজনীতিতে শর্মা নামের নেতারা জনপ্রিয়, তাই কে পি শর্মা অলি নামটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
কেন সঠিক:
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ।
- এটি উত্তর ও পশ্চিম গোলার্ধের মধ্যে সামুদ্রিক বাণিজ্য সহজ করতে আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি পানামা খালের সঠিক সংযোগকারী মহাসাগর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
B) আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগর — এই জলপথের সংযোগকারী খাল হলো জিব্রাল্টার প্রণালী এবং সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করে।
C) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এই দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে মালাক্কা প্রণালী এবং এটি পানামা খালের ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে মেলে না।
D) প্রশান্ত ও ভূমধ্যসাগর — এই দুটি বিশাল জলরাশির মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের জন্য কোনো কৃত্রিম খাল বা জলপথ নেই।
মনে রাখার টিপস:
পানামা খালের সংযোগ মনে রাখতে আপ (আটলান্টিক-প্রশান্ত) শব্দটি মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগাল
কেন সঠিক:
- বর্তমান জাতিসংঘের নবম মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস পর্তুগালের নাগরিক এবং তিনি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গিনি — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং বর্তমান জাতিসংঘের মহাসচিবের জন্মভূমি বা নাগরিকত্ব এই দেশের নয়।
B) ঘানা — জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান এই দেশের নাগরিক ছিলেন, বর্তমান মহাসচিব নন।
C) সেনেগাল — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ এবং এখান থেকে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব নির্বাচিত হননি।
D) পর্তুগাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই দেশের নাগরিক।
মনে রাখার টিপস:
গুতেরেস নামটি মনে রাখলে পর্তুগালের কথা মনে রাখবে, কারণ তিনি সে দেশেরই সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান মহাসচিব।
সঠিক উত্তর: C) দক্ষিণ সুদান
কেন সঠিক:
- দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালের ৯ই জুলাই সুদান থেকে আলাদা হয়ে বিশ্বের ১৯৩তম স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এটি জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্বের সর্বাধুনিক বা নতুনতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লাইবেরিয়া — এটি আফ্রিকার একটি প্রাচীন প্রজাতন্ত্র এবং ১৮৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে, তাই এটি নতুন রাষ্ট্র নয়।
B) হংকং — এটি একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল এবং স্বাধীন কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র নয়।
C) দক্ষিণ সুদান — এটি সঠিক উত্তর।
D) তাইওয়ান — এটি একটি স্বশাসিত দ্বীপ অঞ্চল এবং এর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সীমিত ও বিতর্কিত।
মনে রাখার টিপস:
নতুন দেশের নামের শুরুতে দক্ষিণ আছে এবং এটি ২০১১ সালে স্বাধীন হয়েছে, এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) সংযুক্ত আরব আমিরাত
কেন সঠিক:
- আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ মার্চ ১৯৪৫ সালে এবং এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল ৬টি।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে আরব লীগে যোগদান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংযুক্ত আরব আমিরাত — এটি আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নয় কারণ এটি ১৯৭১ সালে গঠিত হয়েছিল।
B) মিশর — এটি আরব লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ এবং এর সদর দপ্তর কায়রোতে অবস্থিত।
C) লেবানন — এটিও ১৯৪৫ সালে আরব লীগের প্রতিষ্ঠালগ্নে যোগদানকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
D) ইয়েমেন — এটি আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
আরব লীগের প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলো মনে রাখার কৌশল হলো ১৯৭১ সালের আগে স্বাধীন থাকা মধ্যপ্রাচ্যের মূল দেশগুলো এর প্রতিষ্ঠাতা ছিল।
সঠিক উত্তর: D) সবগুলো
কেন সঠিক:
- ল্যাটিন আমেরিকা বলতে আমেরিকা মহাদেশের সেই দেশগুলোকে বোঝায় যেখানে রোমান্স ভাষাসমূহ যেমন স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ ভাষা প্রচলিত।
- ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এবং পেরু এই তিনটি দেশই দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত এবং এদের প্রধান ভাষা স্প্যানিশ বা পর্তুগিজ হওয়ায় এরা সবাই ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাজিল — এটি একা ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ বিকল্পের বাকি দেশগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।
B) আর্জেন্টিনা — এটি একা ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ বিকল্পের বাকি দেশগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।
C) পেরু — এটি একা ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ বিকল্পের বাকি দেশগুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।
D) সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পেরু তিনটি দেশই ল্যাটিন আমেরিকার অংশ।
মনে রাখার টিপস:
আমেরিকা মহাদেশে যে দেশগুলোতে স্প্যানিশ ও পর্তুগিজ ভাষা বলা হয়, সেগুলোর প্রায় সবই ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) লিঁয়ো
কেন সঠিক:
- ইন্টারপোল হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা যার বর্তমান সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিঁয়ো শহরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ দমনের উদ্দেশ্যে এই সদর দপ্তর থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী হলেও ইন্টারপোলের সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত নয়।
B) লিঁয়ো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ইন্টারপোলের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
C) ভার্সাই — এটি ফ্রান্সের একটি ঐতিহাসিক শহর যা ঐতিহাসিক চুক্তির জন্য বিখ্যাত, ইন্টারপোলের সদর দপ্তর নয়।
D) মাসাই — এটি ইন্টারপোলের সদর দপ্তর সংক্রান্ত কোনো প্রাসঙ্গিক বা সঠিক স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারপোলের সদর দপ্তর লিঁয়ো শহরে মনে রাখতে 'ইন্টারপোলের লিয়ন' এভাবে সহজে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৩ সালে
কেন সঠিক:
- আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে প্রথম তেল নিষেধাজ্ঞা বা তেলঅস্ত্র প্রয়োগ করে।
- এই নিষেধাজ্ঞার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনীতিতে মারাত্মক সংকট তৈরি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৩ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময় ওপেকের আরব সদস্য দেশগুলো প্রথমবারের মতো তেলঅস্ত্র সফলভাবে ব্যবহার করেছিল।
B) ১৯৮১ সালে — এই সালে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো তেলঅস্ত্র ব্যবহারের ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেনি, তাই এটি ভুল।
C) ১৯৯১ সালে — এটি উপসাগরীয় যুদ্ধের বছর, সেসময় তেলসম্পদ ধ্বংস করা হলেও নতুন করে তেলঅস্ত্র প্রয়োগ করা হয়নি।
D) ২০০৩ সালে — এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরাক আক্রমণের বছর, যা তেলঅস্ত্র ব্যবহারের সময়কাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
তেলঅস্ত্রের সূচনা হয়েছিল ৭৩ এর আরব ইসরাইল যুদ্ধের সময়ে।
সঠিক উত্তর: B) ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- বান্দুং শহরটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে অবস্থিত এবং এটি দেশটির একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ১৯৫৫ সালে ঐতিহাসিক এশিয়া-আফ্রিকা সম্মেলন বা বান্দুং সম্মেলন এই শহরেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চীন — চীন একটি পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং বান্দুং শহরটি এর ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে অবস্থিত নয়।
B) ইন্দোনেশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়।
C) যুগাস্লাভিয়া — যুগাস্লাভিয়া ইউরোপের একটি সাবেক রাষ্ট্র ছিল, যার সঙ্গে বান্দুং শহরের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ হলেও বান্দুং শহরটি মালয়েশিয়ায় অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বান্দুং সম্মেলন এবং ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার কথা মনে রাখলে সহজেই বান্দুং শহরটির অবস্থান ইন্দোনেশিয়া বলে চিহ্নিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
কেন সঠিক:
- কার্টাগেনা প্রটোকল হলো পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার জন্য জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা জীবন্ত পরিবর্তিত জীবের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।
- ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসে কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে এই প্রটোকল গৃহীত হয় এবং এটি জীবনিরাপত্তা প্রটোকল নামেও পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি — এটি জীবনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত মূল আন্তর্জাতিক চুক্তি হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ইরাক পুনর্গঠন চুক্তি — এটি ইরাক যুদ্ধের পর দেশটির অবকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো প্রটোকল নয়।
C) যুক্তরাষ্ট্র- মেক্সিকো বৈধ চুক্তি — এটি উত্তর আমেরিকার দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত বা অভিবাসন সংক্রান্ত কোনো চুক্তি নয়।
D) শিশু অধিকার চুক্তি — এটি শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য জাতিসংঘের একটি ভিন্ন সনদ।
মনে রাখার টিপস:
কার্টাগেনা বললেই মাথায় রাখবে পরিবেশ এবং জীব নিরাপত্তার কথা, যা জাতিসংঘের একটি চুক্তি।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- ২০০৪ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিত তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য কূটনীতিতে পাকিস্তানের এই অর্জন সে সময়ে তামাকবিরোধী কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ এই সম্মেলনের সভাপতি পদ লাভ করেনি, তাই এটি সঠিক নয়।
B) ভারত — ভারত সে বছর এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সভাপতি পদের দায়িত্ব পায়নি।
C) পাকিস্তান — প্রদত্ত প্রশ্নানুসারে এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।
D) সুইজারল্যান্ড — সুইজারল্যান্ড সম্মেলনটির আয়োজক দেশ হলেও এর সভাপতি পদ ওই দেশের নাগরিক পাননি।
মনে রাখার টিপস:
তামাক নিষিদ্ধ নিয়ন্ত্রণ সম্মেলনের সাল মনে রাখবে ২০০৪ এবং সভাপতি ছিলেন পাকিস্তানের প্রতিনিধি।
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা
কেন সঠিক:
- তিতাস উপজেলা ভৌগোলিকভাবে কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
- তিতাস নদীর নামানুসারে এই উপজেলার নামকরণ করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নোয়াখালী — এটি একটি পৃথক উপকূলীয় জেলা এবং এর অধীনে তিতাস উপজেলা নেই।
B) কুমিল্লা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিতাস উপজেলা এই জেলারই একটি অংশ।
C) রংপুর — এটি উত্তরবঙ্গের একটি বিভাগ ও জেলা, যার সাথে তিতাস উপজেলার কোনো সংযোগ নেই।
D) সিলেট — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে তিতাস উপজেলা অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লা জেলার বিখ্যাত নদী তিতাস, আর এই নদীর নামেই গঠিত হয়েছে তিতাস উপজেলা।
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড়
কেন সঠিক:
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন হলো বাংলার প্রাচীনতম নগরী, যার রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত ছিল।
- মৌর্য, গুপ্ত ও পাল আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মাধ্যমে এটি পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ময়নামতি — এটি প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ এবং বর্তমান কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত, যা পুণ্ড্রবর্ধন নয়।
B) বিক্রমপুর — এটি প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চল এবং চন্দ্র ও সেন রাজাদের রাজধানী ছিল, যা বর্তমান মুন্সীগঞ্জে অবস্থিত।
C) মহাস্থানগড় — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগরীর মূল স্থান।
D) পাহাড়পুর — এটি উত্তরবঙ্গে অবস্থিত হলেও এটি পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল না, বরং এটি পাল রাজাদের বিখ্যাত বৌদ্ধ বিহার সোমপুর মহাবিহারের স্থান।
মনে রাখার টিপস:
পুণ্ড্রবর্ধন মানেই বগুড়ার প্রাচীন মহাস্থানগড়, যা বাংলার প্রথম রাজধানী নগরী।
সঠিক উত্তর: D) স্যার এ.এফ. রহমান
কেন সঠিক:
- স্যার এ.এফ. রহমান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙালি এবং উপমহাদেশীয় উপাচার্য।
- তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় এবং প্রথম উপমহাদেশীয় উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন, তবে প্রথম উপমহাদেশীয় নন বরং চতুর্থ উপাচার্য ছিলেন।
B) ড. মাহমুদ হাসান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম উপাচার্য ছিলেন, প্রথম উপমহাদেশীয় উপাচার্য নন।
C) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ উপাচার্য ছিলেন, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নন।
D) স্যার এ.এফ. রহমান — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপমহাদেশীয় উপাচার্য ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন ফিলিপ হার্টসগ এবং প্রথম উপমহাদেশীয় (বাঙালি) উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ. রহমান।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ৫ বছর
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল ৫ বছর নির্ধারিত।
- তিনি নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ করার পর পুনরায় নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য হন না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ বছর — এটি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনারদের মেয়াদকালের সঙ্গে মেলে না, এটি ভুল মেয়াদ।
B) ৫ বছর — এটি সংবিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নির্ধারিত সঠিক কার্যকাল।
C) ৩ বছর — এই মেয়াদের সঙ্গে সাংবিধানিক কোনো পদের মেয়াদকাল নির্ধারিত নেই।
D) ৭ বছর — এটি সাংবিধানিক এই পদের জন্য অতিরিক্ত সময় এবং ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
নির্বাচন কমিশনারদের মেয়াদ মনে রাখতে হাতের পাঁচ আঙুলের মতো পাঁচ বছর মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) মালদ্বীপ
কেন সঠিক:
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র মালদ্বীপের কোনো আবাসিক দূতাবাস বা হাইকমিশন বাংলাদেশে নেই।
- মালদ্বীপের কূটনৈতিক কার্যক্রম সাধারণত নয়াদিল্লিতে অবস্থিত তাদের হাইকমিশন থেকেই পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মালদ্বীপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশে এই দেশটির কোনো আবাসিক দূতাবাস নেই।
B) শ্রীলঙ্কা — এই দেশটির ঢাকায় পূর্ণাঙ্গ আবাসিক হাইকমিশন রয়েছে এবং কূটনৈতিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হয়।
সি) নেপাল — এই দেশটির ঢাকায় পূর্ণাঙ্গ আবাসিক দূতাবাস রয়েছে এবং পারস্পরিক সম্পর্ক সক্রিয় আছে।
ডি) সব দেশের আছে — প্রদত্ত এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ মালদ্বীপের কোনো দূতাবাস বাংলাদেশে নেই।
মনে রাখার টিপস:
সার্কের দেশগুলোর মধ্যে যার দূতাবাস নেই, তার নামের শুরু ম দিয়ে অর্থাৎ মালদ্বীপ।
সঠিক উত্তর: B) ইবনে বতুতা
কেন সঠিক:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতাব্দীতে বাংলায় আগমন করেছিলেন এবং সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন।
- তার ভ্রমণবৃত্তান্তে সোনারগাঁওয়ের সুলতান এবং এখানকার মুসলিম সংস্কৃতির সমৃদ্ধির বিবরণ পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফা-হিয়েন — ইনি প্রাচীন চীনের একজন পর্যটক ছিলেন যিনি গুপ্তযুগে ভারতে এলেও সোনারগাঁও আসেননি।
B) ইবনে বতুতা — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) মার্কো পোলো — ইনি ইতালীয় পর্যটক ও ব্যবসায়ী যিনি মূলত চীন ও দক্ষিণ এশিয়া ভ্রমণ করেছিলেন, সোনারগাঁও আসেননি।
D) হিউয়েন সাং — ইনি সপ্তম শতাব্দীতে প্রাচীন ভারতে আসা একজন চৈনিক পরিব্রাজক যিনি সোনারগাঁও ভ্রমণ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সোনারগাঁও এ আসা বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক হলেন ইবনে বতুতা।
সঠিক উত্তর: C) সাঁওতাল
কেন সঠিক:
- সাঁওতাল উপজাতির পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো সম্পূর্ণরূপে পিতৃতান্ত্রিক, যেখানে পিতা বা পুরুষের নেতৃত্বেই পরিবার পরিচালিত হয়।
- এই সমাজে সম্পত্তি ও বংশপরিচয় পিতার মাধ্যমেই উত্তরাধিকার সূত্রে নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মারমা — মারমা উপজাতির সমাজ পিতৃতান্ত্রিক হলেও প্রশ্নটি সাঁওতালদের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রযোজ্য এবং অন্যান্য বিকল্পগুলো মাতৃতান্ত্রিক হওয়ায় এটি সঠিক নয়।
B) খাসিয়া — খাসিয়া উপজাতির পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক, যা পিতৃতান্ত্রিক কাঠামোর বিপরীত।
D) গারো — গারো উপজাতি একটি মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা অনুসরণ করে যেখানে সম্পত্তির উত্তরাধিকারী নারীরা হন।
মনে রাখার টিপস:
গারো ও খাসিয়া হলো মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি, আর সাঁওতাল হলো পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি।
সঠিক উত্তর: A) ৩
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বর্তমান কাঠামো মূলত তিন স্তরবিশিষ্ট।
- পল্লী অঞ্চলে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ এই তিন স্তর বিদ্যমান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩ — এটি সঠিক কারণ দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট হিসেবে গঠিত।
B) ৪ — চার স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বর্তমানে বাংলাদেশে চালু নেই।
C) ৫ — পাঁচ স্তরবিশিষ্ট কোনো স্থানীয় সরকার কাঠামো আমাদের সংবিধানে বা আইনে নেই।
D) ৬ — ছয় স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্থানীয় সরকার মানেই তৃণমূলের তিন ধাপ, যেমন ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা।
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল হামিদ
কেন সঠিক:
- অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হুমায়ুন ইব্রাহিম খলীদের পদত্যাগের পর ডেপুটি স্পিকার আব্দুল হামিদ স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।
- সেই সময় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী পদত্যাগ করলে, তৎকালীন স্পিকার হিসেবে আব্দুল হামিদ নিজেই নিজের কাছে সংসদ সদস্য ও স্পিকারের শপথ পাঠ করান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেগম খালেদা জিয়া — তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, নিজে নিজে শপথ নেওয়ার কোনো সাংবিধানিক নজির তার ক্ষেত্রে নেই।
B) শেখ হাসিনা — তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
C) জমির উদ্দিন সরকার — তিনি পরবর্তী সময়ে স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
D) আব্দুল হামিদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদে নিজেই নিজের কাছে শপথ পাঠ করিয়েছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
অষ্টম জাতীয় সংসদে স্পিকারের অনুপস্থিতি ও বিশেষ পরিস্থিতিতে নিজের শপথ নিজে নেওয়ার অনন্য ঘটনার সঙ্গে আব্দুল হামিদের নাম মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) ২০০০ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ৮ মার্চ পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি বা সিটিবিটি (CTBT) অনুস্বাক্ষর ও অনুমোদন করে।
- বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রiaর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বাংলাদেশ এই চুক্তি অনুমোদন করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৯ সালে — এই সালে বাংলাদেশ সিটিবিটি অনুমোদন করেনি, যদিও এই সময়ে চুক্তিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচিত ছিল।
B) ২০০০ সালে — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে সিটিবিটি চুক্তি অনুমোদন করেছিল।
C) ২০০১ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের সিটিবিটি অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২০০২ সালে — এই সালটিও এই আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদনের সঠিক সময় নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন দেশের পাশাপাশি বিশ্বশান্তির পক্ষে কথা বলে এবং ২০০০ সালে সিটিবিটি (CTBT) অনুমোদন করে।
সঠিক উত্তর: A) মহানন্দা
কেন সঠিক:
- পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন নদীগুলো বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রধান নদী মহানন্দার উল্লেখযোগ্য উপনদী।
- এই নদীগুলো ভারত থেকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের মহানন্দা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহানন্দা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন নদী এর উপনদী।
B) ভৈরব — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদী যার সঙ্গে এই নদীগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই।
C) কুমার — এটি গড়াই নদীর একটি শাখা নদী, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বড়াল — এটি যমুনা নদী থেকে উৎপন্ন একটি নদী, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
মহানন্দের ঘরে পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন তিন ভাই খেলা করে।
সঠিক উত্তর: B) ৬০ জন
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের ৬ দফা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের বৈঠক বৈধ হওয়ার জন্য ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন হয়।
- সংসদ সদস্যদের এই ন্যূনতম উপস্থিতির সংখ্যাকে কোরাম বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৭ জন — এটি কোরামের সাংবিধানিক সংখ্যার কম হওয়ায় সংসদ বৈঠক বৈধ করার জন্য পর্যাপ্ত নয়।
B) ৬০ জন — এটি সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সঠিক কোরাম সংখ্যা।
C) ৬২ জন — এটি নির্ধারিত কোরাম সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এর কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।
D) ৬৫ জন — এটিও নির্ধারিত কোরাম সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং এটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে মোট ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্যের মধ্যে অর্ধেকের কম অর্থাৎ ঠিক ষাট জন সদস্য উপস্থিত থাকলেই কোরাম পূর্ণ হয়।
সঠিক উত্তর: B) কোনাবাড়ি
কেন সঠিক:
- গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত সমাজসেবা অধিদপ্তরাধীন দেশের একমাত্র কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র বা সংশোধন প্রতিষ্ঠান।
- এখানে মূলত অপরাধে জড়িত বা ঝুঁকিপূর্ণ মেয়ে শিশুদের সুপথে ফিরিয়ে আনতে সংশোধন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টঙ্গী — এখানে দেশের একমাত্র বালক সংশোধন প্রতিষ্ঠান বা কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র অবস্থিত, যা কিশোরীদের জন্য নয়।
B) কোনাবাড়ি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
C) যশোর — এখানে দেশের প্রথম কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে এটি শুধু ছেলেদের জন্য পরিচালিত হয়।
D) গাজীপুর — এটি সামগ্রিক জেলা হলেও সুনির্দিষ্টভাবে কোনাবাড়িতেই একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বালক বা ছেলেদের জন্য টঙ্গী এবং কিশোরীদের জন্য কোনাবাড়ি সংশোধন প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত আছে।
সঠিক উত্তর: C) বগুড়া
কেন সঠিক:
- বাঙালি নদীটি বগুড়া জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাঙালি ও যমুনা নদীর সংযোগস্থল বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলে বাঙালি ও যমুনা নদীর সংযোগ নেই, এটিপদ্মা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত।
B) পাবনা — পাবনা জেলায় যমুনা নদী প্রবাহিত হলেও বাঙালি নদীর সংযোগ এখানে নয়।
C) বগুড়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) সিরাজগঞ্জ — সিরাজগঞ্জে যমুনা নদী প্রবাহিত হলেও বাঙালি নদীর মূল সংযোগস্থল বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি নদীর সংযোগস্থল মনে রাখতে 'ব' দিয়ে বাঙালি এবং 'ব' দিয়ে বগুড়া এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ডাক ও টেলিযোগাযোগ
কেন সঠিক:
- সাবমেরিন কেবল বা আন্ডারসি কমিউনিকেশন কেবল দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
- ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় দেশের ইন্টারনেট ব্যাকবোন ও তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো উন্নয়নে সাবমেরিন কেবল প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থ — অর্থ মন্ত্রণালয় বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব সংগ্রহ ও আর্থিক নীতি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত, সাবমেরিন কেবলের মতো কারিগরি প্রকল্পের সঙ্গে নয়।
B) ডাক ও টেলিযোগাযোগ — এটিই সঠিক মন্ত্রণালয় যা দেশের টেলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে।
C) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি — এই মন্ত্রণালয় গবেষণা, পারমাণবিক শক্তি এবং বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করে, সরাসরি টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো নিয়ে নয়।
D) পররাষ্ট্র — পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি এবং বহুপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে কাজ করে, অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তি প্রকল্পের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত যেকোনো ক্যাবল বা নেটওয়ার্ক প্রকল্প ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ভিয়েতনাম
কেন সঠিক:
- ২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে ভিয়েতনামের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ট্রান ডুক লুওং বাংলাদেশ সফর করেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এটিই ছিল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কোনো দেশের রাষ্ট্রপতির প্রথম বাংলাদেশ সফর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইল্যান্ড — থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী ওই সময়ে প্রথম বাংলাদেশ সফর করেননি।
B) মায়ানমার — মায়ানমার বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ হলেও ২০০৪ সালে তাদের রাষ্ট্রপ্রধান প্রথম বাংলাদেশ সফর করেননি।
D) ভুটান — ভুটানের রাজা বাংলাদেশ সফর করলেও তা ২০০৪ সালে ছিল না এবং তারা প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান নন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে ২০০৪ সালে প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশ এসেছিলেন ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি।
সঠিক উত্তর: A) ১ জুলাই ১৯৯১
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আইন পাস হয় ১৯৯১ সালে এবং তা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়।
- তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান বাংলাদেশে প্রথম এই পরোক্ষ কর ব্যবস্থা চালু করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ জুলাই ১৯৯১ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখ থেকেই বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ভ্যাট চালু হয়।
B) ১ জুলাই ১৯৯৩ — এই সালের সঙ্গে বাংলাদেশের মূল্য সংযোজন কর চালুর কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
C) ১ জুলাই ১৯৯৫ — এই সালটি বাংলাদেশের ভ্যাট চালুর শুরুর সময় নয়, এটি ভুল অপশন।
D) ১ জুলাই ১৯৯৬ — এই সালের সঙ্গে বাংলাদেশে ভ্যাট প্রবর্তনের কোনো তথ্যগত মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
ভ্যাট চালুর সাল মনে রাখতে ৯০-এর দশকের শুরু অর্থাৎ ১৯৯১ সাল মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) বিশ্বব্যাংক
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের (BDF) সভা আয়োজন ও এর কার্যক্রম সমন্বয় করার মূল দায়িত্ব পালন করে বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক সাহায্য ব্যবস্থাপনায় এই সংস্থা প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিকা — এটি জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, যা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয় কিন্তু ফোরামের সমন্বয়কারী নয়।
B) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি, যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করে তবে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী নয়।
C) বিশ্বব্যাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
D) আইএমএফ — এটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও মুদ্রানীতি নিয়ে কাজ করে কিন্তু এই ফোরামের সমন্বয়কারী নয়।
মনে রাখার টিপস:
উন্নয়ন ও তহবিল ব্যবস্থাপনার কথা থাকলেই বিশ্বব্যাংকের কথা মাথায় রাখবে, কারণ এরা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী।
বিষay: ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) মিজোরাম
কেন সঠিক:
- কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কর্ণফুলীর উৎসস্থল মিজোরাম রাজ্যে অবস্থিত, যা প্রদত্ত উত্তরে মণিপুর উল্লেখ থাকায় ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ত্রিপুরা — এটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একটি ভারতীয় রাজ্য হলেও কর্ণফুলী নদীর উৎস এই রাজ্যে নয়।
B) মিজোরাম — এটি কর্ণফুলী নদীর প্রকৃত উৎসস্থল, কারণ নদীটি এই রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।
C) মণিপুর — এটি বারাক নদীর উৎসস্থল এবং কর্ণফুলীর উৎস হিসেবে এটি ভুল তথ্য।
D) মেঘালয় — এটি পাহাড়ি রাজ্য হলেও কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি এখানে হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে, যা বাংলাদেশের সাথে সরাসরি যুক্ত পাহাড়ি উৎস।
সঠিক উত্তর: A) ২০০০ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের পূর্ণ সদস্য পদ লাভ করে।
- ওই বছরের ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০০ সালে - এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
B) ২০০১ সালে - এই সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পায়নি, এটি সঠিক উত্তরের পরের বছর।
C) ১৯৯৯ সালে - এই সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেয় এবং পাকিস্তানে ঐতিহাসিক জয় পায়, কিন্তু টেস্ট মর্যাদা পায়নি।
D) ১৯৯৮ সালে - এই সালে বাংলাদেশ আইসিসি নকআউট ট্রফি আয়োজন করেছিল, যা টেস্ট মর্যাদার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নতুন শতাব্দীর শুরু অর্থাৎ ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদাপূর্ণ আঙিনায় পা রাখে।
সঠিক উত্তর: B) বেশি হয়
১. কেন সঠিক:
- প্রেসার কুকারের ভেতরে বায়ু আটকে রেখে উচ্চ চাপের সৃষ্টি করা হয়, যার ফলে পানির স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়।
- চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, যা খাবার দ্রুত সিদ্ধ হতে সাহায্য করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: তরলের ওপর বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বাড়লে তার স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাংক হ্রাস পায়।
- কার্যপ্রণালি: প্রেসার কুকারের মুখ airtight বা বায়ুরোধী হওয়ায় ভেقের বাষ্প বের হতে পারে না, ফলে কুকারের ভেতরে চাপ ও তাপমাত্রার মান স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
- কারণ ও ফলাফল: স্বাভাবিক অবস্থায় পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বাষ্পে পরিণত হয়, কিন্তু প্রেসার কুকারের ভেতরে চাপ বেশি থাকায় পানি প্রায় ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফোটে।
- বাস্তব প্রয়োগ: পাহাড়ের ওপরে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাংক কমে যায় এবং রান্না করতে বেশি সময় লাগে, যার বিপরীত কাজটি প্রেসার কুকারে করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাহাড়ের চূড়ায় রান্না করা কঠিন।
ব্যাখ্যা: সেখানে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ কম থাকায় পানি কম তাপমাত্রাতেই ফুটতে শুরু করে, ফলে পর্যাপ্ত তাপের অভাবে খাবার সিদ্ধ হতে দেরি হয়।
উদাহরণ ২: প্রেসার কুকারে মাংস বা ডাল রান্না।
ব্যাখ্যা: কুকারের ভেতরের উচ্চ তাপমাত্রা এবং অতিরিক্ত চাপের কারণে শক্ত খাবার দ্রুত নরম ও সিদ্ধ হয়ে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কম হয় — এটি ভুল কারণ চাপ কমলে স্ফুটনাংক কমে, কিন্তু প্রেসার কুকারে চাপ বৃদ্ধি করা হয়।
B) বেশি হয় — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক সত্য।
C) ঠিক থাকে — এটি ভুল কারণ চাপের তারতম্যের সঙ্গে স্ফুটনাংক পরিবর্তিত হয়।
D) কোনটিই নয় — এটি ভুল কারণ সঠিক অপশনটি বিকল্প বি তে বিদ্যমান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রেসার কুকার মানেই চাপ বেশি এবং তাপমাত্রা বা স্ফুটনাংক বেশি।
- পাহাড়ে চাপ কম, তাই স্ফুটনাংক কম আর কুকারে চাপ বেশি, তাই স্ফুটনাংক বেশি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সাধারণ বায়ুমণ্ডলের চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- এই একই ধারণadan থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পাহাড়ের ওপরে রান্নার সময় পানির স্ফুটনাংক কেমন হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৪° সেন্টিগ্রেড
১. কেন সঠিক:
পানির ব্যতিক্রমী প্রসারণের কারণে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়।
তাপমাত্রা কমালে সাধারণ তরল পদার্থের ঘনত্ব বাড়লেও পানি শূন্য থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে উল্টো আচরণ করে সংকুচিত হওয়ার পরিবর্তে প্রসারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের তাপমাত্রা পরিবর্তন করলে সাধারণত আয়তন বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে যায়।
কার্যপ্রণালি: পানিকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে ঠান্ডা করলে অণুগুলোর মধ্যকার হাইড্রোজেন বন্ধন জালের মতো কাঠামো তৈরি করে।
কারণ ও ফলাফল: এই বিশেষ কাঠামোর কারণে অণুগুলোর মাঝখানে ফাঁকা জায়গা বেড়ে যায় এবং আয়তন বৃদ্ধি পায়, ফলে ঘনত্ব কমে যায়।
বাস্তব প্রয়োগ: শীতপ্রধান দেশের পুকুর বা হ্রদের উপরিভাগের পানি জমে বরফ হলেও তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভারী পানি নিচে অবস্থান করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শীতপ্রধান দেশের হ্রদে বরফের নিচে জলজ প্রাণী বেঁচে থাকে।
ব্যাখ্যা: তলদেশের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস ঘন পানির নিচে মাছ ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ সুরক্ষিত থাকে।
উদাহরণ ২: ঠান্ডা আবহাওয়ায় ধাতব পাইপের ভেতরে পানি জমে ফেটে যাওয়া।
ব্যাখ্যা: পানি বরফে পরিণত হলে আয়তনে বাড়ে এবং ভেতরের প্রচণ্ড চাপে পাইপ ভেঙে যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ০° সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি বরফে পরিণত হতে শুরু করে এবং এর ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় কম থাকে।
B) ১০° সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি স্বাভাবিক তরল অবস্থায় থাকে এবং তাপমাত্রা বেশি থাকায় ঘনত্ব চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে কম হয়।
C) ৪° সেন্টিগ্রেড — এটি সেই নির্দিষ্ট তাপমাত্রা যেখানে পানির অণুগুলোর বিন্যাস সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে এবং ঘনত্ব সর্বাধিক হয়।
D) ১০০° সেন্টিগ্রেড — এই তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে এবং বাষ্পে পরিণত হয়, যার ঘনত্ব অত্যন্ত কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
পানির চার অক্ষর এবং ঘনত্বের চার ডিগ্রি সেলসিয়াস সংখ্যাটি মনে রাখলেই উত্তর সহজে মনে থাকবে।
মনে রাখবে চার ডিগ্রি সেলসিয়াসে জলের ওজন সবচেয়ে বেশি ভারী হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পানির এই ব্যতিক্রমী আচরণকে পানির প্রসারণের ব্যতিক্রম বলা হয়।
পরীক্ষায় প্রায়ই আসে হ্রদের তলদেশের পানির তাপমাত্রা কত থাকে, যার উত্তর চার ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সঠিক উত্তর: D) কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
১. কেন সঠিক:
CNG শব্দের পূর্ণরূপ হলো কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস।
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত উচ্চচাপে সংকুচিত বা কমপ্রেস করে সিলিন্ডারের মধ্যে ভরে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: প্রাকৃতিক গ্যাস মূলত মিথেন গ্যাসের মিশ্রণ। উচ্চচাপে একে তরলের কাছাকাছি অবস্থায় এনে সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী জ্বালানি হিসেবে বাস, ট্রাক এবং অটোরিকক্ষায় এই গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা শহরের সিএনজি চালিত অটোরিক্সা।
ব্যাখ্যা: এই যানগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাস উচ্চচাপে সিলিন্ডারে ভরে ইঞ্জিন চালনার কাজে ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার।
ব্যাখ্যা: এটিও উচ্চচাপে সংকুচিত করে রাখা গ্যাস, তবে সিএনজি এবং এলপিজির উৎস ও উপাদানে পার্থক্য রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্বনমুক্ত নতুন পরিবেশ-বান্ধব তেল — সিএনজি কোনো তেল নয় এবং এটি কার্বনমুক্তও নয়, কারণ এতে কার্বন থাকে।
B) নতুন ধরনের ট্যাক্সি ক্যাব — সিএনজি কোনো যানবাহনের নাম নয়, এটি কেবল যানবাহনে ব্যবহৃত এক প্রকার গ্যাসীয় জ্বালানি।
C) সীসামুক্ত পেট্রোল — সীসামুক্ত পেট্রোল হলো এমন এক ধরনের তরল জ্বালানি যাতে ক্ষতিকর সীসা মেশানো থাকে না।
D) কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি এই শব্দের সঠিক বৈজ্ঞানিক অনুবাদ এবং পূর্ণরূপ।
৫ মনে রাখার টিপস:
সি এন জি বানানের প্রথম অক্ষর দুটির অর্থ মনে রাখলে উত্তর সহজ হয়। সি মানে কম্প্রেসড বা সংকুচিত এবং এন জি মানে ন্যাচারাল গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সিএনজির প্রধান উপাদান হলো মিথেন গ্যাস। বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্বালানি ও পরিবেশ সম্পর্কিত প্রশ্ন হিসেবে এটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) নিউরােন
১. কেন সঠিক:
- নিউরােন হলো মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্র বা নারভাস সিস্টেমের গঠনগত এবং কাজের একক।
- এটি শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদান করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: স্নায়ুতন্ত্রের মৌলিক একক হলো নিউরােন যা উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।
- কার্যপ্রণালি: ডেনড্রাইট উদ্দীপনা গ্রহণ করে, কোষদেহ তা প্রক্রিয়া করে এবং অ্যাক্সন সেই বার্তা অন্য কোষে পৌঁছে দেয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: হাত গরম চায়ের কাপে লাগলে মুহূর্তের মধ্যে মস্তিষ্ককে সতর্ক করার কাজটি নিউরােন করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পায়ে পিন ফুঁটলে সঙ্গে সঙ্গে পা সরিয়ে নেওয়া।
ব্যাখ্যা: এই প্রক্রিয়ায় সংবেদী নিউরােন মস্তিষ্কে বার্তা পাঠায় এবং মোটর নিউরােন পায়ের পেশীকে সংকুচিত করে।
উদাহরণ ২: চোখের পলক ফেলা।
ব্যাখ্যা: ধূলিকণা চোখে পড়ার উপক্রম হলে নিউরােনের মাধ্যমে দ্রুত সংকেত পৌঁছে এবং পলক পড়ে চোখ রক্ষা পায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেফ্রোন — এটি বৃক্ক বা কিডনির গঠনগত এবং কার্যগত একক, স্নায়ুতন্ত্রের নয়।
B) নিউরােন — এটি সঠিক উত্তর এবং স্নায়ুতন্ত্রের মূল একক।
C) থাইমাস — এটি শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ লিম্ফয়েড অঙ্গ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অংশ নেয়।
D) মাস্টসেল — এটি এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা যা অ্যালার্জি এবং প্রদাহের সময় হিস্টামিন নিঃসরণ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নার্ভ বা স্নায়ুর সঙ্গে মিল রেখেই নিউরােন নামটি এসেছে।
- কিডনি সম্পর্কিত হলে নেফ্রোন এবং স্নায়ু সম্পর্কিত হলে নিউরােন বলতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ হলো নিউরােন বা স্নায়ুকোষ।
- সিনাপস হলো দুটি নিউরােনের সংযোগস্থল যেখানে রাসায়নিক পদার্থের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হয়।
সঠিক উত্তর: B) লােহা
১. কেন সঠিক:
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয় এবং এর জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। মাধ্যমের কণার ঘনত্ব এবং স্থিতিস্থাপকতা যত বেশি হয়, শব্দের বেগ তত বেশি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: পদার্থের কঠিন অবস্থায় কণাগুলো খুব কাছাকাছি থাকে, ফলে শব্দ দ্রুত এক কণা থেকে অন্য কণায় ছড়ায়।
কার্যপ্রণালি: কঠিন পদার্থের স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্ক তরল বা বায়বীয় পদার্থের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রেললাইনের এক প্রান্তে আঘাত করলে অন্য প্রান্তে কান পাতলে খুব দ্রুত শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: লোহা একটি কঠিন মাধ্যম হওয়ায় এতে শব্দের গতি বাতাসের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
উদাহরণ ২: পানিতে সাঁতার কাটার সময় দুইটা পাথর একসঙ্গে ঠোকালে অনেক দূর থেকে সেই শব্দ শোনা যায়।
ব্যাখ্যা: পানি তরল মাধ্যম হওয়ায় বাতাসের তুলনায় এতে শব্দের গতি বেশি থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্যতায় — শূন্য মাধ্যমে কোনো কণা বা মাধ্যম থাকে না, তাই শব্দ চলতে পারে না।
B) লােহা — এটি সঠিক উত্তর।
C) পানি — পানি তরল মাধ্যম, এর কণার ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা লোহার চেয়ে কম।
D) বাতাস — বাতাস গ্যাসীয় মাধ্যম, এর কণাগুলো দূরে দূরে থাকে তাই শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
৫ মনে রাখার টিপস:
কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি, তরলে মাঝারি এবং বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম। লােহা কঠিন বস্তু তাই এতে শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৩২ মিটার এবং লোহায় প্রায় ৫১৩০০ মিটার। এই মানগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: C) 5575
১. কেন সঠিক:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন যা বাংলাদেশ ও ভারত জুড়ে বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৫,৫৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: পরিবেশবিজ্ঞান ও ভূগোল বিজ্ঞানের একটি শাখা হলো বাস্তুতন্ত্র এবং বনভূমি অঞ্চল পরিমাপ।
- কারণ ও ফলাফল: সুন্দরবনের এই বিশাল আয়তন উপকূলীয় অঞ্চলকে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার আঘাত।
ব্যাখ্যা: সুন্দরবনের বিশাল আয়তন প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জনপদের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়েছিল।
উদাহরণ ২: রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণ ক্ষেত্র।
ব্যাখ্যা: ৫,৫৭৫ বর্গ কিলোমিটারের এই বিশাল বনাঞ্চল বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 3800 — এই সংখ্যাটি সুন্দরবনের মোট আয়তনের সঙ্গে মিলে না এবং এটি একটি ভুল পরিমাপ।
B) 4100 — এটি সুন্দরবনের বাংলাদেশের অংশের সঠিক আয়তন নয় বরং অন্য কোনো সংরক্ষিত বনের আয়তন হতে পারে।
C) 5575 — এটি সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের প্রায় সঠিক আয়তন নির্দেশ করে।
D) 10000 — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে সুন্দরবনের মোট আয়তনের কাছাকাছি, শুধু বাংলাদেশের অংশের নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন মনে রাখার জন্য ৫ সংখ্যাটি বারবার মনে রাখতে পারেন যেমন ৫ হাজার ৫ শ পঁচাত্তর।
- পরীক্ষার হলে মোটের অংশ এবং দেশের অংশের আয়তন গুলিয়ে ফেলবেন না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ১৯৯৭ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) অক্সিজেন পরিবহন করা
১. কেন সঠিক:
হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকায় অবস্থিত এক প্রকার লৌহসমৃদ্ধ প্রোটিন যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে মানবদেহের প্রতিটি কোষে সরবরাহ করে।
অক্সিজেনের সঙ্গে হিমোগ্লোবিন অস্থায়ীভাবে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক যৌগ গঠন করে দেহের বিভিন্ন টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: রক্তে উপস্থিত হিমোগ্লোবিন শ্বাস অঙ্গ থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের বিপাকীয় কার্যক্রমের জন্য তা কোষে পৌঁছে দেয়।
কার্যপ্রণালি: ফুসফুসে অক্সিজেনের চাপ বেশি থাকায় হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে অক্সিজেন সহজে যুক্ত হয় এবং টিস্যুতে অক্সিজেনের চাপ কম থাকায় তা সহজে মুক্ত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভারী ব্যায়াম করার সময় পেশিকোষে অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে গেলে রক্ত দ্রুত হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহ করে।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে হিমোগ্লোবিন শরীরের চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন পরিবহনের হার বাড়াতে সক্ষম।
উদাহরণ ২: পাহাড়ি এলাকায় উচ্চতায় অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেলে শরীর বেশি করে হিমোগ্লোবিন তৈরি করে।
ব্যাখ্যা: এর মাধ্যমে দেহ কম অক্সিজেনের মধ্যেও কোষে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি সঠিক কারণ হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজই হলো ফুসফুস থেকে কোষে অক্সিজেন বহন করা।
B) রোগ প্রতিরোধ করা — এটি ভুল কারণ রোগ প্রতিরোধের প্রধান দায়িত্ব পালন করে শ্বেত রক্তকণিকা ও অ্যান্টিবডি।
C) রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা — এটি ভুল কারণ রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অনুচক্রিকা বা প্লেটলেট এবং রক্তপ্রোটিন ফাইব্রিনোজেন।
D) উল্লেখিত সবকয়টিই — এটি ভুল কারণ বাকি দুটি কাজ হিমোগ্লোবিনের নয়, বরং অন্যান্য রক্তকণিকার।
৫. মনে রাখার টিপস:
হিম শব্দের অর্থ লোহা এবং গ্লোবিন হলো প্রোটিন, যা রক্তে অক্সিজেন বহন করে।
হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে সারা দেহে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান হলো লোহা এবং এর অভাবে মানবদেহে অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা রোগ দেখা দেয়।
একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে কোন রক্তকণিকা অক্সিজেন পরিবহন করে, যার উত্তর হবে লোহিত রক্তকণিকা।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)