বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১০ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়) ২০১৪

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
b অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
c করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
d অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে। এখানে ফুল হলো ঘর ভরার মাধ্যম বা যন্ত্র। ফুলে ফুলে পদে ফুল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা বাংলায় সপ্তমী বা এতে বিভক্তির রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম। বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক। শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঠি দ্বারা বা লাঠিতেই সাপ মারে। ব্যাখ্যা: এখানে লাঠি হলো মারার মাধ্যম বা যন্ত্র, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: কলমে লেখা যায় ভালো। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম হলো কলম, তাই কলমে শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারکه সপ্তমী বিভক্তি — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে ফুল কর্ম নয়, মাধ্যম। B) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — অধিকরণ কারক হলো সময় বা স্থান, কিন্তু এখানে ঘর ভরার স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না, মাধ্যম বোঝাচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর মেলে, তবে চোখ বন্ধ করে তা করণ কারক হবে। শব্দের শেষে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তির আওতাভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় ও সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। মাধ্যম বা যন্ত্র বোঝালেই তা নিশ্চিতভাবে করণ কারক হিসেবে গণ্য করতে হবে।
a ব্যাকরণ
b ভাষা
c ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই একসাথে
d কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা ১. কেন সঠিক: ভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম এবং ব্যাকরণ হলো সেই ভাষার শৃঙ্খলিত রূপ। মানুষ প্রথমে কথা বলতে বা মনের ভাব প্রকাশ করতে শিখেছে, পরবর্তীতে সেই ভাষার ওপর ভিত্তি করে ব্যাকরণের নিয়ম তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা সৃষ্টির দীর্ঘকাল পরে ব্যাকরণের জন্ম হয় কারণ ব্যাকরণ ভাষা সৃষ্টি করে না বরং ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়মশৃঙ্খলা বিশ্লেষণ করে। ভাষা হলো নদীর মতো গতিশীল এবং ব্যাকরণ হলো সেই নদীর গতিপথ নির্ণয়কারী বাঁধ বা নির্দেশিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ভাষা জন্ম নেওয়ার বহু শতাব্দী পর ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা ও বিশদ রূপরেখা তৈরি করেছেন। ব্যাখ্যা: ভাষা হাজার বছর ধরে চলে আসলেও তার ব্যাকরণ রচিত হয়েছে আধুনিক যুগে। উদাহরণ ২: মানুষের জন্মের পর সে প্রথমে কথা বলতে শেখে এবং বিদ্যালয়ে গিয়ে ব্যাকরণের নিয়ম শেখে। ব্যাখ্যা: বাস্তব জীবনের এই ধারাবাহিকতাই প্রমাণ করে যে ভাষার পরেই ব্যাকরণের আগমন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকরণ — ব্যাকরণ নিজে থেকে সৃষ্টি হতে পারে না কারণ ব্যাকরণের জন্য আগে একটি জীবন্ত ভাষার অস্তিত্ব থাকা আবশ্যক। C) ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই একসাথে — ভাষা এবং ব্যাকরণ একসাথে সৃষ্টি হয়নি কারণ ভাষা মানুষের জন্মলগ্নে বা তার সমাজে প্রাকৃতিকভাবে এসেছে এবং ব্যাকরণ এসেছে অনেক পরে গবেষণার মাধ্যমে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আগে আসে, ব্যাকরণ পরে আসে। মনে রাখার জন্য ভাবুন মানুষ আগে কথা বলে, তারপর ব্যাকরণ বই পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা হলো আদি এবং ব্যাকরণ হলো তার অনুগামী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই ভাষা ও ব্যাকরণের মৌলিক সম্পর্ক যাচাইয়ের জন্য আসে।
a নব্য ভারতীয় আর্যভাষা
b ফারসি
c সংস্কৃত
d অসমীয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ একটি সংস্কৃত শব্দ, যা সংস্কৃত ভাষা থেকেই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় বি + আ + √কৃ + অন, যার অর্থ বিশেষভাবে বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিয়মকানুন বিশ্লেষণ করার শাস্ত্র। - বাংলা ভাষা যেহেতু সংস্কৃত প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এসেছে, তাই এর অনেক পারিভাষিক ও তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও গঠনরীতি শেখার জন্য এটি একটি সংস্কৃত উৎসের শব্দ। উদাহরণ ২: সংস্কৃত শব্দ যেমন আকাশ, নদী, পর্বত ব্যাখ্যা: এগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নব্য ভারতীয় আর্যভাষা — এটি কোনো নির্দিষ্ট শব্দের উৎস নয়, বরং বাংলা ভাষার উদ্ভব যে মূল শাখা থেকে হয়েছে সেটি নির্দেশ করে। B) ফারসি — ফারসি হলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত একটি ভাষা, যেখান থেকে বাংলা ভাষায় অনেক প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে ব্যাকরণ শব্দ নয়। D) অসমীয়া — অসমীয়া হলো বাংলা ভাষার একটি নিকটাত্মীয় প্রতিবেশী ভাষা, যেখান থেকে বাংলা ব্যাকরণ শব্দটি আসেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ একটি প্রাচীন শাস্ত্রীয় শব্দ, তাই এর উৎস সংস্কৃত ভাষা হিসেবে মনে রাখা সহজ। - তৎসম শব্দগুলোর মতো ব্যাকরণ শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলাতে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যাকরণ, শরীর, নদী প্রভৃতি শব্দ কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তাসের ঘর
b চোখের বালি
c গুড়ে বালি
d খয়ের খাঁ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খয়ের খাঁ কেন সঠিক: - ঢাকের কাঠি এবং খয়ের খাঁ উভয় বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - দুটি বাগধারাই কোনো ব্যক্তির অন্ধভাবে অন্যের প্রশংসা করা বা দরজায় ঘুরে বেড়ানোর অবস্থাকে বোঝায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এই দুটি বাগধারাই মানুষের স্বভাবের একটি বিশেষ দিক বা চাটুকারিতাকে ব্যঙ্গ করার জন্য সাহিত্যে ব্যবহার করা হয়। - যেমন, কোনো স্বার্থ উদ্ধারের জন্য যখন কেউ কারো অতিরিক্ত প্রশংসা করে, তখন তাকে ঢাকের কাঠি বা খয়ের খাঁ বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তাসের ঘর — এই বাগধারাটির অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা সহজেই ভেঙে পড়ে। - B) চোখের বালি — এই বাগধারাটির অর্থ চোখের বিষ বা বিরক্তিকর ব্যক্তি। - C) গুড়ে বালি — এই বাগধারাটির অর্থ আশায় নৈরাশ্য বা ভেস্তে যাওয়া। - D) খয়ের খাঁ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - চাটুকারিতা বা তোষামোদ বোঝাতে ঢাকের কাঠি এবং খয়ের খাঁ দুটি সমার্থক বাগধারা হিসেবে মনে রাখবে।
a বিহগ
b গরুড়
c পৃপ
d বিহঙ্গ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পৃপ ১. কেন সঠিক: 'পাখি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় 'পৃপ', কারণ 'পৃপ' শব্দের অর্থ রাজা বা নরপতি। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোনটি 'পাখি' শব্দের সমার্থক নয়, তাই ব্যতিক্রমী শব্দ হিসেবে 'পৃপ' সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। বাংলা ভাষায় পাখির অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহগ আকাশে উড়ে বেড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'বিহগ' শব্দটি 'পাখি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা একটি সঠিক সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: বনে বহু পিক্ষী ও বিহঙ্গ দেখা যায়। ব্যাখ্যা: 'বিহঙ্গ' শব্দটি পাখির সমার্থক হিসেবে বাক্যে সুন্দরভাবে মানিয়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহগ — এটি পাখি শব্দের একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ যা আকাশে গমন বা উড়ে বেড়ায়। B) গরুড় — হিন্দু পৌরাণিক শাস্ত্রে বিষ্ণুর বাহন এবং পক্ষীকুলের রাজা হিসেবে গরুড়কে পাখিবাচক অর্থে সমার্থক ধরা হয়। C) পৃপ — এটি পাখি শব্দের সমার্থক নয় বরং এর অর্থ রাজা, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) বিহঙ্গ — এটিও বিহগ শব্দের মতোই পাখি বা পক্ষী অর্থে ব্যবহৃত একটি নির্ভুল সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পাখি শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে বিহগ, বিহঙ্গ, পক্ষী, খেচর, পতত্রী শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। পৃপ বা নৃপ শব্দগুলো রাজা বা সম্রাট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই পাখি থেকে এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যেখানে একটি অমিল বা ভিন্নার্থক শব্দ খুঁজে বের করতে হয়। পাখি, রাজা, সূর্য ও চন্দ্র সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a কলেজ
b নথি
c রেডিও
d অক্সিজেন
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নথি কেন সঠিক: - নথি শব্দটি ইংরেজি ফাইল শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে সরকারি ও দাপ্তরিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত বিদেশাগত শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর করে তৈরি করা একটি খাঁটি পারিভাষিক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা কোনো বিদেশি ভাষার শব্দের ভাব বা অর্থ ঠিক রেখে বাংলায় রূপান্তর করা হয়। - বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিদেশি শব্দের পরিভাষা তৈরি করা হয়েছে। - যেমন ইংরেজি ফাইল শব্দের পরিভাষা নথি এবং রিপোর্ট শব্দের পরিভাষা প্রতিবেদন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কলেজ — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যার কোনো বাংলা পরিভাষা হিসেবে এটি তৈরি হয়নি বরং সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - B) নথি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) রেডিও — এটি একটি বিদেশি শব্দ যা অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। - D) অক্সিজেন — এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক নাম যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো অফিস আদালত বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজে বিদেশি শব্দের বাংলা রূপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে পারিভাষিক শব্দ বলে।
a প্রাচীন
b নবীন
c নির্বাচিত
d অনির্বাচিত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাচীন ১. কেন সঠিক: - 'অর্বাচীন' শব্দের অর্থ নতুন, আধুনিক বা অল্পবয়স্ক। এর বিপরীতে সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রমিত শব্দ হলো 'প্রাচীন'। - শব্দার্থের বিপরীত ভাব প্রকাশের জন্য এই দুটি শব্দ সরাসরি প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থগত মিল-অমিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে এই ধরনের বিপরীতার্থক শব্দের ব্যাপক প্রয়োগ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অর্বাচীন বনাম প্রাচীন চিন্তাধারা। ব্যাখ্যা: অর্বাচীন বলতে আধুনিক বা অপরিপক্ব চিন্তাকে বোঝায়, আর প্রাচীন বলতে ঐতিহাসিক ও পুরোনো ঐতিহ্যকে বোঝায়। উদাহরণ ২: অর্বাচীন প্রজন্মের মনোভাব বনাম প্রাচীন প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গি। ব্যাখ্যা: দুই প্রজন্মের ব্যবধান ও বিপরীত অবস্থান বোঝাতে এই দুটি শব্দ বিপরীতার্থক হিসেবে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর। B) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন বা তরুণ, যা অর্বাচীন শব্দের সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। C) নির্বাচিত — নির্বাচিত শব্দের অর্থ যা বাছাই করা হয়েছে, যার সঙ্গে সময়ের কোনো সম্পর্ক নেই। D) অনির্বাচিত — অনির্বাচিত শব্দের অর্থ যা বাছাই করা হয়নি, যা নির্বাচিত শব্দের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ দিয়ে শুরু অর্বাচীন শব্দের বিপরীত প্র দিয়ে শুরু প্রাচীন মনে রাখা সহজ। - সময়ের বিবেচনায় আধুনিকের বিপরীত যেমন প্রাচীন, ঠিক তেমনই অর্বাচীনের বিপরীত প্রাচীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে। - সমার্থক শব্দ যেন বিপরীতার্থক হিসেবে ভুল না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।
a মানব
b পানীয়
c জয়
d স্মরণীয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানব ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় দুই প্রকার, যথা কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। বিশেষ্য ও বিশেষণের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। মনু শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' (অ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের সংস্কৃত বা তৎসম উদাহরণের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাতিপদিক বা নামপ্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়। প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করলে মানব শব্দের ক্ষেত্রে দেখা যায় মনু যোগ ষ্ণ (অ)। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পার্থ ব্যাখ্যা: পৃথু শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' (অ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পার্থ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ। উদাহরণ ২: শৈশব ব্যাখ্যা: শিশু শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শৈশব শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা বিশেষ্য পদ গঠনে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানব — এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত সঠিক শব্দ। B) পানীয় — এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় (পা যোগ অনীয়) যোগে গঠিত শব্দ, যা তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। C) জয় — এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় (জি যোগ অ) যোগে গঠিত শব্দ, যা তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। D) স্মরণীয় — এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় (স্মৃ যোগ অনীয়) যোগে গঠিত শব্দ, যা তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নামবাচক শব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় হয়। ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা কৃৎ প্রত্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের মধ্যে পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল প্রকৃতি নামবাচক নাকি ক্রিয়াবাচক, তা চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক উত্তর নির্ণয় করা সহজ হয়।
a ঝড়
b সূর্য
c বায়ু
d সমুদ্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: - অর্ণব শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র বা জলধি। - এটি মূলত জলের আধার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে হয়। - বাংলা ভাষায় সমুদ্র বোঝাতে অনেকগুলো তৎসম শব্দ প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাথার ব্যাখ্যা: পাথার শব্দটি অনেক সময় বিশাল সমুদ্র বা জলরাশি বোঝাতে প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দের অর্থ যার এক পার থেকে অন্য পার দেখা যায় না, অর্থাৎ সমুদ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝড় — ঝড় অর্থ প্রবল বেগে প্রবহমান বাতাস, যা সমুদ্রের সমার্থক নয়। B) সূর্য — সূর্য হলো সৌরজগতের নক্ষত্র, যা তাপ ও আলোর উৎস। C) বায়ু — বায়ু অর্থ বাতাস বা বাতাসপ্রবাহ, যা সমুদ্রের সমার্থক নয়। D) সমুদ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ণব শব্দের সরাসরি অর্থ সমুদ্র। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্ণব নামের অর্থ সমুদ্র। তাই এই নাম থেকেই এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন পারাবার, রত্নাকর, ওধি প্রায়ই আসে। এগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a আমন্ত্রণপত্র
b মানপত্ৰ
c নিমন্ত্রণপত্র
d স্মারক পত্র
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানপত্ৰ ১. কেন সঠিক: - মানপত্র হলো এমন একটি লিখিত দলিল যা কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার অসামান্য অবদান, কৃতিত্ব বা সাফল্যের জন্য সম্মান জানাতে প্রদান করা হয়। - এটি অভিনন্দন বা সংবর্ধনা জ্ঞাপনের একটি আনুষ্ঠানিক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত জনসমক্ষে পাঠ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ হলো বিভিন্ন ধরনের পত্র বা দালিলিক লিখন। - দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মানপত্র, স্মারকপত্র কিংবা আমন্ত্রণপত্রের সুনির্দিষ্ট সামাজিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে পদকপ্রাপ্ত কোনো বিশিষ্ট সাহিত্যিককে দেওয়া সংবর্ধনা পত্র। ব্যাখ্যা: এটি সংশ্লিষ্ট সাহিত্যিকের কর্মজীবনের প্রতি সম্মান ও অভিনন্দন জানানোর জন্য মানপত্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়। উদাহরণ ২: বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে সম্মান জানিয়ে দেওয়া মানপত্র। ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যালয়ে তার দীর্ঘ অবদান ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অভিনন্দন ও সংবর্ধনা হিসেবে প্রদান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমন্ত্রণপত্র — এটি কোনো অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য কাউকে দাওয়াত বা আমন্ত্রণ জানানোর পত্র, সংবর্ধনা বা অভিনন্দন জ্ঞাপনের জন্য নয়। B) মানপত্ৰ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অভিনন্দন বা সংবর্ধনা জ্ঞাপনের মাধ্যম। C) নিমন্ত্রণপত্র — এটি মূলত আমন্ত্রণপত্রের সমার্থক শব্দ যা কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য দেওয়া হয়। D) স্মারক পত্র — এটি কোনো স্মৃতিচারণ, তথ্য আদান-প্রদান বা স্মারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি অভিনন্দনপত্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান মানে সম্মান বা প্রতিষ্ঠা, তাই কাউকে সম্মান জানাতে বা সংবর্ধনা দিতে মানপত্র ব্যবহার করা হয়। - নিমন্ত্রণ ও আমন্ত্রণ মানে একই টেবিলে বসার বা অনুষ্ঠানে যাওয়ার ডাক, অভিনন্দন নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রায়োগিক বাংলা বা পত্র লিখন থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিভিন্ন পত্রের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়।
a অভদ্র
b মিথ্যা
c উত্তম
d ভদ্র
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভদ্র ১. কেন সঠিক: ইতর শব্দের অর্থ নিচ, অসৎ, হীন বা অভদ্র প্রকৃতির ব্যক্তি। এর সরাসরি বিপরীত বা প্রতিকারী অর্থ প্রকাশ করে ভদ্র শব্দটি, যার অর্থ মার্জিত, শিষ্ট বা ভালো মানুষ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থ বা প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতর জন ব্যাখ্যা: এই শব্দগুচ্ছ দ্বারা নিচ বা হীন প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়, যার বিপরীত হতে পারে ভদ্র লোক। উদাহরণ ২: ইতর বিশেষ ব্যাখ্যা: এখানে ইতর শব্দের অর্থ ভিন্ন বা তফাত, যা বিপরীতার্থক শব্দের অন্য একটি প্রয়োগক্ষেত্র নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভদ্র — এটি ইতর শব্দের সমার্থক হিসেবে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে ভদ্র অধিক গ্রহণযোগ্য। B) মিথ্যা — এটি সত্য শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, ইতর শব্দের সঙ্গে এর কোনো সরাসরি ব্যাকরণগত বিরোধ নেই। C) উত্তম — এটি অধম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, ইতর শব্দের সরাসরি বিপরীত ভদ্র। D) ভদ্র — এটি ইতর শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ইতর মানে নিচ বা খারাপ মানুষ আর ভদ্র মানে ভালো মানুষ। তাই ইতর পেলেই ভদ্র উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত ও প্রমিত রূপটি নির্বাচন করতে হয়। কাছাকাছি অর্থের শব্দ থাকলেও সবচেয়ে সঠিক বিপরীত শব্দটি বেছে নিতে হবে।
a সুকুমার সেন
b সুকুমারী ভট্টাচার্য
c নিহার রঞ্জন রায়
d সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় কারণ তিনি ১৯২৬ সালে এই প্রখ্যাত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন। - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ বইটি বাংলা ভাষার বৈজ্ঞানিক ইতিহাস ও ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ক ঐতিহাসিক গ্রন্থ। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভারতীয় ভাষাতাত্ত্বিক ও পণ্ডিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের রচিত অন্য একটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ওটিবিএল বা দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এই গবেষণা গ্রন্থটিতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ পর্তুগিজ ভাষায় রচনা করেন ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও। ব্যাখ্যা: ভোয়াকাবুলারিও এম idioma বাঙালি ই পর্তুগুশ গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকুমার সেন — সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) সুকুমারী ভট্টাচার্য — সুকুমারী ভট্টাচার্য একজন প্রখ্যাত ধ্রুপদী সাহিত্য ও সংস্কৃতি গবেষক ছিলেন যিনি এই ব্যাকরণ লেখেননি। C) নিহার রঞ্জন রায় — নিহার রঞ্জন রায় বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই ব্যাকরণের সঙ্গে যুক্ত নন। D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ গ্রন্থের প্রণেতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা প্রকাশ মানেই সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ। - ব্যাকরণের সুনীতি বা ভালো নিয়ম প্রকাশ করেছেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ কোনটি এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপ ও উপভাষা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়।
a অনুসরণ
b ভাবান্তর
c ভাষান্তরকরণ
d সমার্থকরণ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাষান্তরকরণ ১. কেন সঠিক: অনুবাদ শব্দের আক্ষরিক ও পারিভাষিক অর্থ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর করা। সংক্ষেপে কোনো উৎস ভাষার বক্তব্য বা রচনাকে লক্ষ্য ভাষায় সফলভাবে ফুটিয়ে তোলার প্রক্রিয়াকে ভাষান্তরকরণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাংলা ভাষার শব্দার্থ ও পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ইংরেজি Translation শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো অনুবাদ বা ভাষান্তরকরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি উপন্যাস টু কিল আ মকিংবার্ড বাংলায় রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: এটি এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর বা অনুবাদের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি রূপান্তর সং অফারিংস। ব্যাখ্যা: এটি উৎস ভাষা থেকে লক্ষ্য ভাষায় করা একটি বিশ্বখ্যাত অনুবাদ কর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসরণ — এর অর্থ হলো কাউকে বা কোনো কিছুকে অনুকরণ করা বা পিছু নেওয়া। যা এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ভাবান্তর — এর অর্থ হলো মনের ভাব বা অবস্থার পরিবর্তন হওয়া। এটি অনুবাদের আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) সমার্থকরণ — এর অর্থ হলো একই অর্থবোধক বা প্রতিশব্দ তৈরি করা। এটি শব্দার্থের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, পুরো বাক্যের রূপান্তরে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুবাদ মানে ভাষা বদল, তাই এর সঠিক পরিভাষা হলো ভাষান্তরকরণ। ভাষান্তর কথাটির মধ্যেই ভাষা পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্ট থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা জানতে চাওয়া হয়। পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল অর্থ বুঝে পড়লে উত্তর করা সহজ হয়।
a সেমিকোলন
b কমা
c দাঁড়ি
d কোলন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমা ১. কেন সঠিক: তারিখ লেখার সময় বার, মাস এবং বছরের অংশগুলোকে আলাদা করার জন্য কমা যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি বাংলা বাক্য ও রচনায় পঠন সহজ করতে এবং তথ্য স্পষ্ট করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতি বা বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারিখ লেখার ক্ষেত্রে সাধারণত সংখ্যাবাচক বা অক্ষরভিত্তিক লেখার মাঝে এই চিহ্ন বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১২ই মাঘ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ব্যাখ্যা: এখানে তারিখ ও সনের অংশ আলাদা করতে কমা ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ১০ই ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ ব্যাখ্যা: এটি তারিখ ও বছরের অংশকে স্পষ্টভাবে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতি নির্দেশ করে, যা তারিখ লেখার জন্য প্রযোজ্য নয়। B) কমা — এটি সঠিক কারণ তারিখের বিভিন্ন অংশ আলাদা করতে কমা বসে। C) দাঁড়ি — দাঁড়ি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে, যা তারিখের মাঝখানে বসে না। D) কোলন — কোলন সাধারণত উদাহরণ বা উদাহরণের পূর্বে কিংবা সময় লেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তারিখ লেখার সময় ছোট বিরতির প্রয়োজন হয়, তাই কমা ব্যবহার করতে হয়। সময় লেখার ক্ষেত্রে কোলন আর তারিখ লেখার ক্ষেত্রে কমা বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তারিখ, ঠিকানা এবং সম্বোধনে কমার ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।
a √উক্+তি
b √উচ্ + ক্তি
c √বচ্+ ক্তি
d √বচ্+তি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √বচ্+তি ১. কেন সঠিক: - 'উক্তি' শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি বচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হলে ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তনের মাধ্যমে উক্তি শব্দ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দের ক্ষেত্রে ধাতু ও প্রত্যয়ের মিলন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - এখানে বচ্ ধাতু এবং তি প্রত্যয় মিলে ব্যাকরণসম্মত নিয়মে উক্তি শব্দ প্রস্তুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √বচ্ + ক্তি = বাক্তি ব্যাখ্যা: বচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষ শব্দ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: √বচ্ + ত = উক্ত ব্যাখ্যা: বচ্ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √উক্+তি — উক্ কোনো স্বীকৃত মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) √উচ্ + ক্তি — উচ্ ধাতু বা ক্তি প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ এখানে হয়নি, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) √বচ্+ ক্তি — ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হলে অন্য শব্দ গঠিত হয়, উক্তি শব্দ গঠনে তি প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। D) √বচ্+তি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় এবং নিয়মসিদ্ধ রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - উক্তি শব্দের শুরুতে উ দেখলে ভুল করে √উক্ ধাতু মনে করা যাবে না, এর মূল ধাতু হলো বচ্। - ধাতু চেনার সময় শব্দের অন্তর্নিহিত মূল রূপটি খুঁজে বের করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই মৌলিক ধাতু চেনার অভ্যাস করতে হবে। - একই ধাতু থেকে বিভিন্ন প্রত্যয়যোগে কীভাবে নতুন শব্দ তৈরি হয় তা চর্চা করা উচিত।
a চক্ষুস্মান
b চক্ষুষ্মান
c চক্ষুশ্মান
d চক্ষুম্মাণ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চক্ষুষ্মান কেন সঠিক: ১. মূল শব্দ চক্ষু এর সাথে মতুফ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। ২. নিয়ম অনুযায়ী মতুফ প্রত্যয়ের ম এর স্থানে ব এবং ত এর স্থানে দন্ত্য ন বা মূর্ধন্য ণ হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ই কার বা উ কারান্ত শব্দের পরে মতুফ প্রত্যয় যুক্ত হলে তার রূপ পরিবর্তন হয়। ২. এই ক্ষেত্রে মতুফ এর ত মূর্ধন্য ষ এ রূপান্তরিত হয় এবং পদের শেষে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। ৩. যেমন চক্ষু যোগ মতুফ সমান চক্ষুষ্মান, যা সঠিক বানান গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্ষুস্মান - এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভুল বানান। B) চক্ষুষ্মান - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি ব্যাকরণসিদ্ধ। C) চক্ষুশ্মান - এখানে তালব্য শ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। D) চক্ষুম্মাণ - এখানে বানানে অতিরিক্ত ম এবং ভুল ফলা যুক্ত করা হয়েছে যা অসিদ্ধ। মনে রাখার টিপস: ১. চক্ষু শব্দের শেষে সবসময় মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত রূপটি মনে রাখতে হবে। ২. মতুফ প্রত্যয় যুক্ত শব্দের বানান চর্চা করলে এই ধরণের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a মই
b জোছনা
c পাতা
d কাগজ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাতা ১. কেন সঠিক: তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। পাতা শব্দটি সংস্কৃত পত্র শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দকে মূলত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত মূল শব্দ প্রাকৃত ভাষার ধাপ পেরিয়ে পরিবর্তিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদ ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ থেকে প্রাকৃত চন্দ হয়ে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত হস্ত শব্দ থেকে প্রাকৃত হত্ত হয়ে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মই — এটি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাক-আর্য বা আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। B) জোছনা — এটি একটি অর্ধতৎসম শব্দ, কারণ এর মূল সংস্কৃত শব্দ জোৎস্নার কিছুটা পরিবর্তিত রূপ এটি। D) কাগজ — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যা ফার্সি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলোর রূপ সংস্কৃত থেকে অনেকটাই বদলে যায়। প্রাকৃতের সিঁড়ি বেয়ে আসা খাঁটি বাংলা শব্দই হলো তদ্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তৎসম, তদ্ভব ও অর্ধতৎসম শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a মা
b মেয়ে
c ছাত্রী
d সতীন
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সতীন ১. কেন সঠিক: সতীন শব্দটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত কারণ এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। বাংলা ব্যাকরণে যে শব্দগুলো স্বভাবতই স্ত্রীবাচক বোঝায় এবং যাদের কোনো পুরুষবাচক শব্দ হয় না, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক ভেদের কোনো সুযোগ থাকে না এবং যা জন্মগতভাবেই স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করে, তাকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। বাংলা ভাষায় কিছু তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও দেশি শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐন্দ্রিলা একজন এয়োস্ত্রী নারী। ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যা সধবা নারীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: বনিতা শব্দটি কাব্যিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: বনিতা একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার অর্থ নারী বা স্ত্রীলোক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মা — এটি একটি সাধারণ স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক জোড় হলো বাবা। B) মেয়ে — এটি একটি সাধারণ স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ ছেলে। C) ছাত্রী — এটি সাধারণ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ ছাত্র। D) সতীন — এটি সঠিক কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ মনে রাখার জন্য সতীন, এয়োস্ত্রী, সধবা, বন্ধ্যা, শাশুড়ি এই শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। এগুলোর কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ হয় না বলে এগুলো পরীক্ষাসমূহে খুব বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক এবং নিত্য পুরুষবাচক শব্দ প্রায়ই বিকার বা লিঙ্গ পরিবর্তনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের সাথে সাধারণ লিঙ্গান্তরের নিয়ম মেলানো যাবে না কারণ এদের নির্দিষ্ট কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই।
a উপমিত কর্মধারয়
b রূপক কর্মধারয়
c উপমান কর্মধারয়
d মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপমিত কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মের অর্থাৎ তুলনা করার গুণটির উল্লেখ থাকে না, কেবল উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝানো হয়। - এখানে যার সঙ্গে তুলনা করা হয় অর্থাৎ উপমান এবং যাকে তুলনা করা হয় অর্থাৎ উপমেয়, উভয়ের মধ্যে তুলনা করা হলেও সাধারণ গুণবাচক পদের উল্লেখ থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমানের তুলনা করা হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাসে ব্যাসবাক্যের শেষে সাধারণত 'মত' বা 'ন্যায়' বসে এবং সমস্তপদে উপমেয় পদটি প্রথমে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র মুখ ব্যাখ্যা: মুখ চন্দ্রের ন্যায় (এখানে মুখ হলো উপমেয় এবং চন্দ্র হলো উপমান, কিন্তু কোন সুন্দর বা অন্য কোনো সাধারণ ধর্মের উল্লেখ নেই)। উদাহরণ ২: পুরুষ সিংহ ব্যাখ্যা: পুরুষ সিংহের ন্যায় (এখানে পুরুষ হলো উপমেয় এবং সিংহ হলো উপমান, বীরত্ব বা অন্য কোনো সাধারণ ধর্মের উল্লেখ নেই)। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না। B) রূপক কর্মধারয় — এই অপশনে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না, তবে এটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) উপমান কর্মধারয় — এই অপশনে উপমান পদের সঙ্গে সাধারণ ধর্মবাচক পদের মিলন ঘটে এবং সাধারণ ধর্মের স্পষ্ট উল্লেখ থাকে। D) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই অপশনে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সমস্তপদে লোপ পায়, যা তুলনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপমিত সমাসে সাধারণ ধর্ম থাকে না, শুধু দুটি বস্তুর তুলনা বোঝায়। - পরীক্ষার হলে মনে রাখবে, উপমিত মানেই সাধারণ ধর্ম অনুপস্থিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত ও উপমান কর্মধারয় এর পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্যে যদি সাধারণ ধর্ম (যেমন সুন্দর, বীর ইত্যাদি) মাঝখানে বা শেষে থাকে, তবে তা উপমান হয়, আর না থাকলে উপমিত হয়।
a দুধে-ভাতে
b মাতাপিতা
c কমবেশি
d সাত-পাঁচ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুধে-ভাতে ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দ সমাসে কোনো পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ সমাস বলে। - দুধে-ভাতে শব্দটিতে দুধের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি এবং ভাতের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে এবং ব্যাসবাক্যেও তা অক্ষুণ্ণ থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমাসের সংজ্ঞামতে, যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি লুপ্ত হয় না, তাকে অলুক সমাস বলে। - দ্বন্দ সমাসের ক্ষেত্রে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং মাঝখানে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' অব্যয় পদ লুপ্ত হয় কিন্তু বিভক্তি বহাল থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে-বিদেশে ব্যাখ্যা: দেশে ও বিদেশে - এখানে 'এ' বিভক্তি লোপ পায়নি। উদাহরণ ২: জলে-স্থলে ব্যাখ্যা: জলে ও স্থলে - এখানেও বিভক্তি অপরিবর্তিত আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুধে-ভাতে - এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পায়নি। B) মাতাপিতা - এটি সাধারণ দ্বন্দ সমাস, যার ব্যাসবাক্য মাতা ও পিতা এবং এখানে কোনো বিভক্তি ছিল না। C) কমবেশি - এটি অলুক দ্বন্দ সমাস নয়, এটি একটি স্বাভাবিক দ্বন্দ সমাস যার ব্যাসবাক্য কম ও বেশি। D) সাত-পাঁচ - এটি অলুক দ্বন্দ সমাস নয়, এটি সংখ্যাবাচক শব্দে গঠিত সাধারণ দ্বন্দ সমাস যার ব্যাসবাক্য সাত ও পাঁচ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অলুক শব্দের অর্থ হলো লোপ পায় না। - পরীক্ষার হলে শব্দের শেষে 'এ', 'য়' বা কোনো বিভক্তি স্পষ্ট দেখলে এবং উভয় পদ প্রধান হলে অলুক দ্বন্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় অলুক সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে, অলুক সমাস শুধু দ্বন্দ সমাসেই নয়, অলুক তৎপুরুষ এবং অলুক বহুব্রীহি সমাসেও হতে পারে।
a শৈল
b উৎপন্ন
c সুবর্ণ
d কুসুম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুসুম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং অপশনগুলোর মধ্যে কিছুটা অসংগতি রয়েছে। পঙ্কজ শব্দের অর্থ পাঁকে জন্মে যা অর্থাৎ পদ্মফুল। কুসুম শব্দের সাধারণ অর্থ ফুল, যা পঙ্কজ শব্দের একটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পঙ্কজ একটি পদ এবং এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য পঙ্কে জন্মে যা। পঙ্ক শব্দের অর্থ পাঁক এবং জ প্রত্যয়টি জাত বা উৎপন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলিনী ব্যাখ্যা: নলিনী শব্দের অর্থ পদ্মফুল যা পঙ্কজের সরাসরি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: উৎপল ব্যাখ্যা: উৎপল শব্দের অর্থ পদ্ম বা কুসুমজাতীয় ফুল যা পঙ্কজ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈল — শৈল শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা পঙ্কজ শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) উৎপন্ন — উৎপন্ন শব্দের অর্থ যা সৃষ্টি হয়েছে বা ফলিত হয়েছে, এটি কোনো ফুলের নাম বা সমার্থক নয়। C) সুবর্ণ — সুবর্ণ শব্দের অর্থ সুন্দর বর্ণ বা সোনা, যা পঙ্কজ বা ফুলের সমার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) কুসুম — কুসুম শব্দের অর্থ ফুল, যদিও এটি পদ্মের সরাসরি সমার্থক নয়, তবুও ফুল অর্থে এটি পঙ্কজের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: পঙ্কজ শব্দের শেষাংশ জ মানে জন্ম নেওয়া এবং পঙ্ক মানে পাঁক, তাই পাঁকে জন্মায় যা অর্থাৎ পদ্ম বা ফুল জাতীয় কুসুম। সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের অর্থ এবং ব্যাকরণগত উৎস ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পঙ্কজ, অবজ, কামল, উৎপল ইত্যাদি পদ্মের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। এ ধরনের শব্দের বেলায় মূল উৎস বা ব্যাসবাক্য খেয়াল করলে সঠিক উত্তর বের করা সহজ হয়।
a বিরোধ
b অবিধি
c নিষেধ
d নিষিদ্ধ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষেধ ১. কেন সঠিক: - ‘বিধি’ শব্দের অর্থ নিয়ম, বিধান বা কোনো কাজের অনুমতি। এর সরাসরি বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে ‘নিষেধ’ শব্দটি, যার অর্থ মানা করা বা বারণ করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও প্রচলিত ব্যবহার বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দকে বোঝায় যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা মিল রেখে সঠিক রূপটি নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধি ও নিষেধ ব্যাখ্যা: বিধি শব্দের অর্থ নিয়ম এবং নিষেধ শব্দের অর্থ বারণ করা, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: অনুমতি ও নিষেধ ব্যাখ্যা: কোনো কাজের অনুমোদন বা অনুমতি দেওয়া এবং তা নিষেধ করা পরস্পর বিপরীত ধারণা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরোধ — বিরোধ শব্দের অর্থ অমিল, ঝগড়া বা দ্বন্দ্ব, যা বিধির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) অবিধি — অবিধি শব্দের অর্থ নিয়মের বহির্ভূত কাজ বা অনিয়ম, যা বিধির বিপরীত হলেও নিষেধের মতো যথাযথার্থক বিপরীত শব্দ নয়। C) নিষেধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিধির সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) নিষিদ্ধ — নিষিদ্ধ হলো একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ যা নিষেধ করা হয়েছে, কিন্তু বিধি হলো বিশেষ্য পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিধি মানে করার অনুমতি আর নিষেধ মানে না করার আদেশ, তাই বিধি ও নিষেধ একে অপরের বিপরীত। - শব্দের পদ বা রূপের মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য মাথায় রেখে সঠিক বিপরীত শব্দ চয়ন করতে হয়। - পরীক্ষার হলে সবচেয়ে প্রচলিত ও গ্রহণযোগ্য বিপরীতার্থক শব্দটিকে প্রাধান্য দিতে হবে।
a বিরাট আয়োজন
b সহজলভ্য
c অপদার্থ
d সামান্য পার্থক্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সহজলভ্য ১. কেন সঠিক: - উজানের কৈ বাগধারাটির অর্থ খুব সহজে প্রাপ্ত বা সহজলভ্য বস্তু। - কৈ মাছ সাধারণত স্রোতের প্রতিকূলে বা উজান দিকে সহজে ভেসে আসে, তাই এর মাধ্যমে সহজলভ্যতা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এই চাকরি পাওয়া আমার জন্য উজানের কৈ নয়, অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে খুব সহজেই কিছু পাওয়া যায়নি তা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাজারে এখন ইলিশ মাছের দাম কম, মনে হচ্ছে যেন উজানের কৈ অবস্থা। ব্যাখ্যা: খুব সহজে ও সুলভে পাওয়ার অর্থে বাক্যটিতে বাগধারার প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরাট আয়োজন - এই অর্থ প্রকাশের জন্য আয়োজনমূলক অন্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়। B) সহজলভ্য - এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং উজানের কৈ বাগধারার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) অপদार्थ - এই অর্থ প্রকাশের জন্য উনপঞ্চাশ বায়ু বা অকেজো জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয়। D) সামান্য পার্থক্য - এই অর্থ প্রকাশের জন্য ১৯ বিশ বা আকাশ পাতাল ব্যবধান জাতীয় বাগধারা প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কৈ মাছ উজানে বা স্রোতের দিকে সহজেই চলে আসে, তাই উজানের কৈ মানেই সহজলভ্য বিষয়। - মাছের সহজলভ্যতার সঙ্গে এই বাগধারাটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাছ সম্পর্কিত বাগধারা প্রায়ই আসে, যেমন রুই কাতলা বা উজানের কৈ। - এ ধরনের বাগধারার উৎস প্রকৃতি থেকে আসায় অর্থ সহজে অনুমান করা সম্ভব।
a শিঞ্জন
b রুমঝুম
c ঝংকার
d নিক্কন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিক্কন ১. কেন সঠিক: - নূপুরের ধ্বনি বা নুপুরের মৃদু শব্দকে এককথায় নিক্কন বলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের ভাবার্থ এবং মূল অর্থ খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসির ধ্বনি = হাসি ব্যাখ্যা: এটি শব্দের ভাব ও অর্থের ওপর ভিত্তি করে গঠিত এককথায় প্রকাশ। উদাহরণ ২: মেঘের ডাক = গর্জন ব্যাখ্যা: প্রকৃতির বিভিন্ন ধ্বনি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিঞ্জন — শিঞ্জন হলো নুপুরের মৃদু বা মধুর ধ্বনি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিখুঁত উত্তর হিসেবে নিক্কন বেশি গ্রহণযোগ্য। B) রুমঝুম — রুমঝুম হলো নুপুরের ধ্বনির অনুকার শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ, এককথায় প্রকাশ নয়। C) ঝংকার — ঝংকার হলো যেকোনো তীব্র বা সাধারণ শব্দ বা অলংকারের আওয়াজ, যা শুধু নূপুরের ধ্বনি বোঝায় না। D) নিক্কন — নূপুরের ধ্বনির সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত এককথায় প্রকাশ হলো নিক্কন। ৫. মনে রাখার টিপস: - নূপুর শব্দের শেষ অক্ষর ন এবং নিক্কন শব্দের শুরুতেও ন আছে, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - ধ্বনিবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রমিত রূপটি মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনিবাচক এককথায় প্রকাশগুলো প্রায়ই আসে। - হংসের ডাক, পাখির কলতান এবং নূপুরের ধ্বনির মতো শব্দগুলো আলাদাভাবে চর্চা করতে হবে।
a রুগনো
b রুগ্ন
c রুগন
d রুগ্ণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুগ্ণ ১. কেন সঠিক: - 'রুগ্ন' শব্দের মূল রূপটি হলো রুগ্ণ, যেখানে মূর্ধন্য ণ-এর সাথে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়ে ষ্ণ (ষ+ণ) যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই বিশেষ শব্দটিতে মূর্ধন্য ব্যবহার আবশ্যিক এবং এটি প্রমিত বানান হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - এখানে 'রুগ্ণ' শব্দটিতে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে, যেখানে ঋ-কার বা র-ফলার পর মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক বানান নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তীক্ষ্ণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ঋ-কার ও ক-ষ যুক্তবর্ণের সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: উষ্ণ ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে নিয়মানুসারে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুগনো — এই বানানে অতিরিক্ত একটি ও-কার ও ন ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। B) রুগ্ন — এই বানানে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী। C) রুগন — এই বানানে যুক্তবর্ণের নিয়ম না মেনে স্রেফ দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) রুগ্ণ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত বানান রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - রোগ থেকে রুগ্ন শব্দ এসেছে, তবে বানানের ক্ষেত্রে শেষের ন-কে সবসময় মূর্ধন্য ণ এবং যুক্তবর্ণ হিসেবে ষ-ণ ব্যবহার করতে হবে। - মনে রাখবে ঋ-কার বা র-ফলাযুক্ত শব্দের শেষে সাধারণত মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ণ-ত্ব বিধানের প্রয়োগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের শব্দ লেখার সময় যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ অর্থাৎ ষ এবং ণ এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a faces
b lives
c minds
d thoughts
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) minds কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো নান1 মুনির নান1 মত। এই প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ বা গঠন হিসেবে minds শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) faces — এটি প্রবাদের প্রচলিত সঠিক শব্দ নয় কারণ মানুষের মুখ নয় বরং চিন্তাভাবনার ভিন্নতা বোঝানো হয়েছে। B) lives — মানুষের জীবনের ভিন্নতা থাকলেও এই প্রবাদে জীবন শব্দটি ব্যবহার করার নিয়ম নেই। C) minds — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। D) thoughts — চিন্তা বোঝানো হলেও প্রবাদের নির্ধারিত অংশ হিসেবে এই শব্দটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দ পরিবর্তন করা যায় না, তাই বহু মানুষের বিভিন্ন মত বোঝাতে many men, many minds প্রবাদটি মুখস্থ রাখতে হবে।
a life
b might
c mind
d right
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) mind কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য। যার বাংলা অর্থ চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) life — প্রবচনের নিয়মের সাথে জীবন শব্দটি মেলে না। B) might — এই প্রবাদে শক্তির কোনো স্থান নেই। C) mind — এটি সঠিক শব্দ এবং প্রবচনটি সম্পন্ন করে। D) right — সঠিক শব্দটির অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চোখের সামনে না থাকলে আমরা যেমন ভুলে যাই, তেমনি মনে রেখো Out of sight মানেই হলো out of mind.
a The moon was not visible.
b The moon was not invisible.
c Nothing but the moon was visible.
d None but the moon was visible
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nothing but the moon was visible. কেন সঠিক: - Affirmative বাক্যে ব্যক্তি বা প্রাণী ছাড়া বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে 'Only' বা 'Alone' থাকলে Negative করার সময় তার পরিবর্তে 'Nothing but' ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'the moon' একটি বস্তুবাচক পদ হওয়ায় 'Only'-র পরিবর্তে 'Nothing but' বসিয়ে বাক্যটিকে সঠিকভাবে Negative করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The moon was not visible. — এটি Negative হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল নেই কারণ এতে 'Only' শব্দটির সঠিক রূপান্তর ঘটেনি। B) The moon was not invisible. — এখানে শব্দের বিপরীতার্থক রূপ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সমার্থক বা সঠিক Negative রূপ নয়। C) Nothing but the moon was visible. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সঠিকভাবে Negative করা হয়েছে। D) None but the moon was visible — 'None but' সাধারণত ব্যক্তিবাচক পদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'the moon' বস্তুবাচক হওয়ায় এখানে এটি বসবে না। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে Only-র পরিবর্তে Nothing but এবং ব্যক্তির ক্ষেত্রে None but বসে।
a No other cities in Bangladesh are as big as Dhaka.
b Very few cities in Bangladesh are as big as Dhaka.
c Very few cities in Bangladesh is as big as Dhaka.
d Some cities in Bangladesh is as big as Dhaka.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Very few cities in Bangladesh are as big as Dhaka. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে one of the biggest থাকায় পজিটিভ করার সময় Very few দিয়ে শুরু করতে হয়। এর পরের নিয়ম অনুযায়ী অবজেক্টের বহুবচন রূপ এবং plural verb বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No other — প্রদত্ত বাক্যে one of the the থাকলে No other দিয়ে পজিটিভ করা যায় না। B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। C) is — Very few এর পর plural verb বসবে কিন্তু এখানে singular verb দেওয়া হয়েছে। D) Some — one of the the থাকলে পজিটিভ করার নিয়ম অনুযায়ী Some ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: প্রদত্ত বাক্যে one of the থাকলে পজিটিভ করার সময় শুরুতে Very few এবং verb হিসেবে সবসময় plural form ব্যবহার করতে হবে।
a A lie is never told.
b A lie is never be told.
c Let a lie never be told.
d Let not a lie be told ever.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let a lie never be told. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি নিষেধ বা আদেশমূলক, যা 'Never' দিয়ে শুরু হয়েছে। - Imperative Sentence-এ মূল verb দিয়ে শুরু না হয়ে 'Never' থাকলে Passive করার নিয়ম হলো: Let + object + never + be + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A lie is never told. — এটি Assertive sentence-এর passive রূপ, কিন্তু মূল প্রশ্নটি Imperative sentence হওয়ায় এই গঠনটি সঠিক নয়। B) A lie is never be told. — এই গঠনে 'is' এবং 'be' একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মে সম্পূর্ণ ভুল। C) Let a lie never be told. — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্যাসিভ ফর্ম। D) Let not a lie be told ever. — এখানে 'never'-এর পরিবর্তে 'not... ever' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের অর্থ এবং স্বাভাবিক কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Neverযুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার সময় বাক্যটি সবসময় 'Let + object + never + be + V3' কাঠামোগত নিয়মে পরিবর্তন করতে হয়।
a Having no pen, I can lend you.
b Without any pen, I can lend you.
c I have no pen to lend you.
d I have not enough pen to lend
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I have no pen to lend you. কেন সঠিক: জটিল বাক্যটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করার সময় relative pronoun তুলে দিয়ে infinitive phrase ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'that I can lend you' অংশটি সংকুচিত হয়ে 'to lend you' হয়েছে এবং মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Having no pen, I can lend you. — এই অপশনটির অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে যায় কারণ কলম না থাকলে তা ধার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। B) Without any pen, I can lend you. — বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে মেলে না। C) I have no pen to lend you. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I have not enough pen to lend — এখানে 'pen' শব্দটি countable হওয়ায় 'pen'-এর জায়গায় 'pens' হওয়া উচিত ছিল এবং বাক্যটি অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: complex sentence-কে simple করার সময় relative clause-কে infinitive (to + verb) এ রূপান্তর করতে হয়।
a augment
b decrease
c quick
d lessen
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) augment কেন সঠিক: - 'Augment' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু বৃদ্ধি করা বা প্রসারিত করা। এটি 'increase' শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে পুরোপুরি মিলে যায়। - এই দুটি শব্দই কোনো কিছুর পরিমাণ বা মাত্রা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি আদর্শ ইংরেজি প্রতিশব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) augment — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বৃদ্ধি করা। B) decrease — এই শব্দটির অর্থ কমানো বা হ্রাস করা, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) quick — এই শব্দটির অর্থ দ্রুত, যা পরিমাণের বৃদ্ধি বোঝায় না বরং গতি নির্দেশ করে। D) lessen — এই শব্দটির অর্থও কমানো বা কমিয়ে আনা, যা ইনক্রিজ শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ইনক্রিজ এবং অগমেন্ট উভয় শব্দের অর্থই হলো বৃদ্ধি করা, তাই এদের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
a new comer
b native
c adverse
d foreigner
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) native কেন সঠিক: - 'Alien' শব্দটির অর্থ হলো বিদেশি, ভিনদেশি বা বহিরাগত। - এর বিপরীতার্থক বা antonym শব্দ হলো 'native', যার অর্থ হলো দেশীয় বা স্থানীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) new comer — এর অর্থ নতুন আগত ব্যক্তি, যা alien শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। B) native — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ দেশীয় বা স্থানীয়। C) adverse — এর অর্থ প্রতিকূল বা ক্ষতিকর, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক অর্থে বসে না। D) foreigner — এর অর্থ বিদেশি, যা alien শব্দের সমার্থক বা synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Alien মানে বিদেশি এবং Native মানে দেশীয়, এভাবে বিপরীত শব্দ দুটি মনে রাখা যায়।
a normal
b certain
c unusual
d strange
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) normal কেন সঠিক: ‘Usual’ শব্দটির অর্থ সাধারণত স্বাভাবিক বা নিয়মিত কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ‘Normal’ শব্দটির অর্থও স্বাভাবিক বা সাধারণ। তাই শব্দ দুটির অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এরা সমার্থক বা synonym। বাকি অপশন কেন ভুল: A) normal — এটি সঠিক উত্তর। B) certain — এর অর্থ নিশ্চিত, যা usual শব্দের সমার্থক নয়। C) unusual — এর অর্থ অস্বাভাবিক, যা usual শব্দের বিপরীতার্থক বা antonym। D) strange — এর অর্থ অদ্ভুত বা অচেনা, যা usual শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Usual ও Normal উভয় শব্দই স্বাভাবিক অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a bad blood
b blue blood
c good blood
d cold blood
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) blue blood কেন সঠিক: এখানে aristocracy বলতে কুলীন বা উচ্চ বংশ বোঝানো হয়েছে। আর blue blood একটি প্রবাদ যা উচ্চবংশীয় বা অভিজাত পরিবারে জন্ম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bad blood — এর অর্থ হলো শত্রুতা বা মনমালিন্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) blue blood — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ উচ্চ বংশ বা অভিজাত পরিবার। C) good blood — এমন কোনো সাধারণ ইডিওম বা প্রবাদ ইংরেজি ভাষায় নেই। D) cold blood — এর অর্থ হলো ঠাণ্ডা মাথায় বা নির্মমভাবে কোনো অপরাধ করা। মনে রাখার টিপস: রক্তের রং লাল হলেও অভিজাতদের রক্তকে রূপক অর্থে নীল বলা হয়, তাই blue blood মানেই কুলীন বংশ।
a as regards
b by all means
c according to
d at random
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) according to কেন সঠিক: এখানে 'as' শব্দটি নিয়ম বা নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই বাক্যটিতে 'as' এর পরিবর্তে 'according to' বসলে অর্থ একদম সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as regards — এর অর্থ সম্পর্কযুক্ত বা বিষয়ে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে মানায় না। B) by all means — এর অর্থ যেকোনো উপায়ে বা অবশ্যই, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। C) according to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) at random — এর অর্থ এলামেলাভাবে বা কোনো নিয়ম ছাড়া, যা বাক্যের অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে নির্দেশ বা নিয়ম মেনে চলা বোঝালে 'as' এর জায়গায় 'according to' ব্যবহার করতে হয়।
a benefits
b harms
c indicates
d strengthens
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) harms কেন সঠিক: এখানে 'tell upon' একটি ফ্রেজ যার অর্থ ক্ষতি করা বা কোনো কিছুর ওপর খারাপ প্রভাব ফেলা। ধূমপান আমাদের শরীরের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তাই এখানে harms সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) benefits — এর অর্থ উপকার করা, যা প্রশ্নের বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) harms — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) indicates — এর অর্থ নির্দেশ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। D) strengthens — এর অর্থ শক্তিশালী করা, যা শরীরের ক্ষতি করার উল্টো অর্থ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: 'Tell upon' ফ্রেজটি দেখলে সবসময় ক্ষতি করা বা ক্ষতিসাধন করা অর্থ মনে রাখবে।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: ‘pleasant’ শব্দটি বাক্যে ‘journey’ নামের Noun-এর ঠিক পরে বসেছে এবং এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করায় এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু ‘pleasant’ কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু এটি নামের বদলের জন্য বসেওনি। C) adjective — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Noun-এর দোষ-গুণ প্রকাশ করেছে। D) adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কেmodify করে, কিন্তু এখানে তা হয়নি। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকেই Adjective বলে।
a is beginning
b began
c begins
d has begun
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) begins কেন সঠিক: বাক্যটি একটি চিরন্তন সত্য প্রবাদ বা সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করছে। এই ধরনের প্রবাদের ক্ষেত্রে সর্বদা Present Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়। Subject 'Charity' হলো Third Person Singular Number। তাই verb এর সাথে 's' যুক্ত হয়ে 'begins' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is beginning — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় চিরন্তন সত্য বাক্যে বসে না। B) began — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশ করে না। C) begins — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) has begun — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় প্রবাদের নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্য দেখলে চোখ বন্ধ করে Present Indefinite Tense ব্যবহার করবে এবং Subject একা থাকলে verb এর সাথে s বা es যোগ করবে।
a nothing
b healing
c cure
d remedy
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) cure কেন সঠিক: এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ বাক্য যার অর্থ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। এই প্রবাদটি অনুসারে রোগের চিকিৎসা বা প্রতিকারের চেয়ে রোগ যাতে না হয় তার ব্যবস্থা করা শ্রেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nothing — এই শব্দটি প্রবাদের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে অর্থহীন। B) healing — এটি নিরাময় করা অর্থে ব্যবহৃত হলেও মূল প্রবাদে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) cure — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অপর একটি সঠিক শব্দ প্রযোজ্য নয়। D) remedy — এই শব্দটি প্রতিকার অর্থে কিছুটা মিললেও এটি মূল প্রবাদের ঐতিহ্যগত অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: প্রভেনশন ইজ বেটার দেন কিওর প্রবাদটি সবসময় মনে রাখবে।
a strength
b power
c gravity
d comfort
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) power কেন সঠিক: জ্ঞান মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। এটি মানুষকে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। প্রবাদ আছে যে জ্ঞানই শক্তি। এটি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) strength — এটি শারীরিক শক্তি বোঝায়, কিন্তু প্রবাদে শক্তির জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। খ) power — এটি সঠিক কারণ এটি বিখ্যাত প্রবাদের সাথে সরাসরি মিলে যায়। গ) gravity — এর অর্থ মহাকর্ষ, যা জ্ঞানের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ঘ) comfort — এর অর্থ আরাম, যা জ্ঞানের রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান সম্পর্কিত বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদটি হলো জ্ঞানই শক্তি বা নলেজ ইজ পাওয়ার।
a blotted
b broken
c endured
d updated
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) blotted কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ কপালে যা লেখা আছে তা মোছা যায় না। এখানে lotted শব্দের সাথে ছ মিল রেখে blotted শব্দটি ব্যবহার করা হয়। প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী শূন্যস্থানে অন্য কোনো শব্দ বসালে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়। তাই সঠিক শব্দ হিসেবে blotted নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) blotted — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) broken — এই শব্দটি ভাঙার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যা প্রবাদের অর্থের সাথে মিলে না। C) endured — এর অর্থ সহ্য করা যা এই প্রবাদের শূন্যস্থানে বসে না। D) updated — এটি আধুনিক প্রযুক্তির শব্দ যা এই প্রাচীন প্রবাদের সাথে যায় না। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে lotted দেখলে সবসময় blotted শব্দটিকে বেছে নেবে।
a He is well in English.
b He is expert in English.
c He is good at English.
d He is better in English
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He is good at English. কেন সঠিক: কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে 'good at' সঠিক ফ্রেজ বা প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজিতে পারদর্শী বোঝাতে 'good' শব্দের পর নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'at' প্রিপজিশন বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is well in English. — 'well' সাধারণত স্বাস্থ্য ভালো বোঝাতে বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে 'at' এর বদলে 'in' ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He is expert in English. — 'expert' এর পর সাধারণত 'in' এর চেয়ে 'at' বা 'in' দুটোই চলে, তবে স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি গঠনে 'good at' বেশি গ্রহণযোগ্য। C) He is good at English. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) He is better in English — এখানে তুলনামূলক তুলনা বোঝাতে 'better' ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধারণ বাক্যের জন্য সঠিক নয় এবং 'in' ভুল। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বোঝাতে গুডের পর সবসময় এট বসে, যেমন হি ইজ গুড এট ইংলিশ।
a The life is not bed of roses.
b A life is not bed of roses.
c Life is not bed of roses.
d Life is not a bed of roses.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Life is not a bed of roses. কেন সঠিক: সাধারণ সত্য বা জীবন সম্পর্কে সার্বজনীন কোনো কথা বোঝাতে uncountable noun এর পূর্বে কোনো article বসে না। তাই Life এর পূর্বে the বা a বসে নি। ঝামেলাহীন বা সহজ জীবন বোঝাতে ইংরেজি প্রবাদ বাক্য হিসেবে bed of roses এর পূর্বে a article ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The life is not bed of roses — সাধারণ অর্থে life এর পূর্বে the বসে না এবং roses এর পূর্বে a বাদ পড়েছে। B) A life is not bed of roses — নির্দিষ্ট কোনো একটি জীবন বোঝাচ্ছে না, তাই life এর আগে a বসবে না। C) Life is not bed of roses — এখানে সঠিক idiom না মেনে bed of roses এর পূর্বে প্রয়োজনীয় article টি বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Life is not a bed of roses — এই অপশনটিতে সমস্ত ব্যাকরণগত নিয়ম এবং প্রবাদ বাক্যটি সঠিকভাবে লেখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়, তাই জীবন পুষ্পশয্যা নয় বোঝাতে সবসময় Life is not a bed of roses বলতে হবে।
a English is easy for learning.
b The English is easy to learn.
c It is easy to learning English.
d It is easy to learn English.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) It is easy to learn English. কেন সঠিক: কোনো কাজ সহজ বা কঠিন বোঝাতে It দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়। এর পর adjective বসে এবং infinitive হিসেবে to এর সাথে verb এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) English is easy for learning — for learning ব্যবহার না করে সরাসরি to learn লেখা উচিত। B) The English is easy to learn — ভাষার নামের আগে সাধারণত the বসে না। C) It is easy to learning English — easy এর পর to learning না বসে to learn বসে। D) It is easy to learn English — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: সহজ বা কঠিন বোঝাতে ইট ইজ এর পর এডজেক্টিভ এবং টু প্লাস ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: বাক্যে 'Lovely' শব্দটি কোনো ব্যক্তির নাম বোঝাচ্ছে এবং এটি সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। যেকোনো নামই মূলত নাউনের কাজ করে। এটি বাক্যে মূল কাজ সম্পন্ন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ Lovely এখানে একজন ব্যক্তির নাম বুঝিয়েছে। B) pronoun — এটি প্রোনাউন নয় কারণ প্রোনাউন নামের পরিবর্তে বসে। C) adjective — এটি অ্যাডজেক্টিভ নয় কারণ এটি কোনো দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। D) adverb — এটি অ্যাডভার্ব নয় কারণ এটি ক্রিয়ার সময় বা স্থান নির্দেশ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে কোনো নির্দিষ্ট নাম থাকলে তা সবসময় নাউন হয়।
a losing
b loss
c lost
d loose
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) loss কেন সঠিক: 'Lose' একটি verb বা ক্রিয়া শব্দ যার অর্থ হারানো বা হারিয়ে ফেলা। এর সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ হলো 'loss' যার অর্থ ক্ষতি বা লোকসান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) losing — এটি verb শব্দের সাথে ing যুক্ত হয়ে continuous tense অথবা gerund বা participle হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) loss — এটি সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ। C) lost — এটি 'lose' verb এর past বা past participle রূপ হিসেবে কাজ করে। D) loose — এটি একটি adjective বা বিশেষণ যার অর্থ ঢিলা বা আলগা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ চেনার সময় শব্দের শেষে s বা se থাকলে তা সাধারণত verb হয় এবং ss থাকলে noun হয়।
a taste
b tasting
c tasted
d being tasted
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) tasted কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির অর্থ বোঝায় মধু খেতেই মিষ্টি লাগে। এটি একটি অর্জিত বা প্রমাণিত গুণ প্রকাশ করে বিধায় সঠিক উত্তরটি পাস্ট পার্টিসিপল রূপ ধারণ করেছে। বাক্যের গঠন অনুসারে এখানে passive meaning প্রকাশ পাচ্ছে। তাই সঠিক অপশন হিসেবে tasted নির্বাচন করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) taste — এটি ভার্বের বেজ ফর্ম হওয়ায় বাক্যের গঠনে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। B) tasting — এটি কন্টিনউয়াস টেন্স বোঝালেও মধু নিজে নিজে খায় না তাই এটি ভুল। D) being tasted — এটি চলমান প্যাসিভ অর্থ প্রকাশ করে যা এই সাধারণ সত্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: যেসব কাজের কর্তা নিজে কাজটি করে না বরং তার গুণ প্রকাশ পায়, সেখানে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহৃত হয়।
a obey
b obeying
c obeyed
d be obeyed
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) obey কেন সঠিক: বাক্যটিতে ইট ইজ আওয়ার ডিউটি স্ট্রাকচার রয়েছে, যার পরে ইনফিনিটিভ ভার্ব বসে। এখানে টু এর পরে মূল ভার্ব বা প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) obey — এটি সঠিক উত্তর কারণ টু এর পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। B) obeying — এটি ভুল কারণ টু এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় না। C) obeyed — এটি ভুল কারণ টু এর পরে পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল বসে না। D) be obeyed — এটি ভুল কারণ এটি প্যাসিভ অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে টু থাকলে সাধারণত তার পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
a everything
b nothing
c anything
d all
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nothing কেন সঠিক: - এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো সম্পূর্ণ শূন্য থাকার চেয়ে কিছু পরিমাণ পাওয়াও ভালো। - এই প্রবাদে তুলনা বোঝাতে nothing শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) everything — প্রবাদের অর্থের সাথে এই শব্দটি মেলে না কারণ সবকিছু পাওয়ার কথা এখানে বলা হয়নি। C) anything — ব্যাকরণগত ও প্রবাদের ঐতিহ্যগত ব্যবহারের দিক থেকে এটি সঠিক নয়। D) all — এই শব্দটি বসালে প্রবাদের ভাবার্থ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায় এবং তা অসাংগত শোনায়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে শূন্য বা না পাওয়ার চেয়ে কিছু পাওয়া ভালো, তাই এর সাথে nothing শব্দটি যুক্ত হয়।
a (x + y) (x + y)
b (x + y) (x – y)
c (x – y) (x – y)
d (y + x) (y – x)
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (x + y) (x − y) প্রدত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x২ − y২ ধরি, বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো বর্গের সূত্র অতএব, দুটি বর্গের বিয়োগফলের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে সুতরাং, প্রথম রাশি ও দ্বিতীয় রাশির যোগফল এবং বিয়োগফলের গুণফল লিখতে হবে উত্তর: (x + y) (x − y)
a [2]
b 2^-1
c -2
d {2}
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2 প্রদত্ত তথ্য: সেট গঠন পদ্ধতিতে দেওয়া আছে A = x : x জোড় মৌলিক সংখ্যা ধরি, x হলো এমন একটি সংখ্যা যা মৌলিক এবং একই সাথে জোড় অতএব, আমরা জানি সবচেয়ে ছোট এবং একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা হলো দুই সুতরাং, সেটটির উপাদান শুধু দুই সংখ্যাটি হবে উত্তর: 2
a (a + b)2 – (a – b)2
b (a – b)2 – (a + b)2
c (a + b)2/2 + (a – b)2/2
d (a + b/2)2 – (a – b/2)2
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (a + b)স্কয়ার − (a − b)স্কয়ার প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত বা সূত্র প্রয়োগ করতে হবে। এখানে ৪ab এর সঠিক সূত্র নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। ধরি, প্রথম বীজগণিতীয় রাশি = (a + b)স্কয়ার দ্বিতীয় বীজগণিতীয় রাশি = (a − b)স্কয়ার অতএব, (a + b)স্কয়ার এর বিস্তার হলো এ স্কয়ার + ২ab + বি স্কয়ার। (a − b)স্কয়ার এর বিস্তার হলো এ স্কয়ার − ২ab + বি স্কয়ার। সুতরাং, প্রথম রাশি থেকে দ্বিতীয় রাশি বিয়োগ করলে ৪ab পাওয়া যায়। উত্তর: (a + b)স্কয়ার − (a − b)স্কয়ার
a x = an
b x = Inx
c a = xn
d x = logan
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x = logan প্রদত্ত তথ্য: সূচকীয় সমীকরণ দেওয়া আছে a এর পাওয়ার x সমান n ধরি, লগারিদম এর সংজ্ঞা অনুযায়ী এই সমস্যা সমাধান করা যায় এখানে a হলো ভিত্তি এবং n হলো মান অতএব, সূচককে আলাদা করতে লগারিদম ব্যবহার করা হয় সমীকরণের উভয় পক্ষে লগ নিয়ে পাই সুতরাং, x হলো সেই মান যা a এর উপর বসালে n পাওয়া যায় তাই x সমান logan লেখা যায় উত্তর: D) x = logan
a 0
b 1
c x2 – y2
d x + y
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি তিনটি হলো x + y, x − y এবং x২ − y২ ধরি, প্রথম রাশি = x + y দ্বিতীয় রাশি = x − y তৃতীয় রাশি = x২ − y২ অতএব, প্রথম রাশি = (x + y) দ্বিতীয় রাশি = (x − y) তৃতীয় রাশি = (x + y) × (x − y) সুতরাং, রাশি তিনটির মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই উত্তর: ১
a b = ac
b c2 = ab
c b2 = ac
d b = ac
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) b বর্গ = ac প্রদত্ত তথ্য: a, b এবং c তিনটি সংখ্যা ক্রমিক সমানুপাতিক ধরি, a অনুপাত b সমান b অনুপাত c অতএব, a ভাগ b সমান b ভাগ c সুতরাং, b গুণ b সমান a গুণ c উত্তর: b বর্গ = ac
a sinθ = 1 + cos2θ
b sin2θ = 1 – cos2θ
c sin2θ – cos2θ = 1
d sin2θ = 1/cosθ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) sin2θ = 1 – cos2θ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতির মৌলিক অভেদ সমকোণী ত্রিভুজের বাহুর সম্পর্ক ধরি, কোণের মান = থিটা অতএব, sin বর্গ থিটা + cos বর্গ থিটা = ১ সুতরাং, sin বর্গ থিটা = ১ − cos বর্গ থিটা উত্তর: sin2θ = 1 – cos2θ
a π
b πr
c 2
d 2r
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) π প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি এবং ব্যাসের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২r বৃত্তের পরিধি = c = ২πr অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = পরিধি ÷ ব্যাস পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = ২πr ÷ ২r সুতরাং, অনুপাতটি সমান হবে π উত্তর: π
a সমান
b সর্বসম
c অসমান
d সদৃশকোণী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সদৃশকোণী প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ত্রিভুজের তিনটি কোণ এবং দ্বিতীয় ত্রিভুজের তিনটি কোণ পরস্পর সমান ধরি, প্রথম ত্রিভুজের কোণ তিনটি ক, খ এবং গ দ্বিতীয় ত্রিভুজের কোণ তিনটি ক, খ এবং গ অতএব, ত্রিভুজ দুটির বাহুগুলোর অনুপাত সমান হবে কিন্তু বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য সমান নাও হতে পারে সুতরাং, কোণগুলো সমান হওয়ায় ত্রিভুজদ্বয় সদৃশকোণী হবে উত্তর: সদৃশকোণী
a 6 ব.মি.
b 60 ব.মি.
c 10 ব.মি.
d 64 ব.মি.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (ক + ক + ৪) = ৩২ ৪ × ক + ৮ = ৩২ সুতরাং, ৪ × ক = ৩২ − ৮ ৪ × ক = ২৪ ক = ৬ মিটার উত্তর: প্রস্থ = ৬ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার ক্ষেত্রফল = ১০ × ৬ = ৬০ বর্গমিটার
a 1
b 0
c অনির্ণেয়
d 2
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো a এর পাওয়ার x সমান ১ যেখানে a শূন্য নয় এমন যেকোনো বাস্তব সংখ্যা ধরি, a এর পাওয়ার x সমান ১ অতএব, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান ১ হয় তাই a এর পাওয়ার শূন্য লিখলে তার মান ১ পাওয়া যায় সুতরাং, a এর পাওয়ার x সমান a এর পাওয়ার শূন্য লেখা যায় উত্তর: ০
a (a + b) h
b 2(a + b) h
c 1/2 × (a + b) × h
d 1/2 (a – b) h
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1/2 × (a + b) × h প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের দুটি সমান্তরাল বাহুর দৈর্ঘ্য a সে.মি. ও b সে.মি. বাহু দুটির মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব বা উচ্চতা h সে.মি. ধরি, প্রথম সমান্তরাল বাহু = a দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু = b অতএব, উচ্চতা = h ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সাধারণ সূত্র প্রয়োগ করে পাই সুতরাং, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ১/২ × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × উচ্চতা উত্তর: ১/২ × (a + b) × h বর্গ সে.মি.
a n(n + 1)/2
b n(n + 1) (2n + 1)/2
c {n(n + 1)/2}2
d একটিও নয়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) n(n + 1)/22 প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক সংখ্যার ঘনের সমষ্টি নির্ণয় করার ধারা দেওয়া হলো। ধারার শেষ পদ হলো n এর উপর কিউব। ধরি, ধারাটির প্রথম পদ ১ এর উপর কিউব ধারাটির দ্বিতীয় পদ ২ এর উপর কিউব ধারাটির এন তম পদ n এর উপর কিউব অতএব, স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টির সূত্র আমরা জানি n গুণ (n + 1) ভাগ ২। ঘনের সমষ্টির ক্ষেত্রে এই সম্পূর্ণ মানের উপর একটি বর্গ বা স্কয়ার দিতে হয়। তাই প্রথম ধাপ থেকে প্রাপ্ত মানের উপর বর্গ করা হলো। সুতরাং, নির্ণীয় ধারাটির সমষ্টি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর n গুণ (n + 1) ভাগ ২ এবং তার বাইরে স্কয়ার। উত্তর: n(n + 1)/22
a 0
b a
c 1
d অনির্ণেয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: এখানে a এর মান শূন্য নয় এবং আমাদের a এর পাওয়ার শূন্য এর মান বের করতে হবে। ধরি, a এর পাওয়ার m কে a এর পাওয়ার m দ্বারা ভাগ করা হলো। অতএব, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে পাওয়ার দুটি বিয়োগ হয়। সুতরাং, একই সংখ্যাকে একই সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১ হয়। উত্তর: ১
a ১ বছরে
b ২০ বছরে
c ৫ বছরে
d ১০০ বছরে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ বছরে প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৫% সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে ধরি, আসল = ১০০ টাকা সুদে আসল = ২০০ টাকা অতএব, সুদ = ২০০ − ১০০ = ১০০ টাকা বার্ষিক সুদ = ৫ টাকা সুতরাং, সময় = মোট সুদ ÷ বার্ষিক সুদ সময় = ১০০ ÷ ৫ = ২০ বছর উত্তর: ২০ বছরে
a 25√3 বর্গ সে.মি.
b 25√2 বর্গ সে.মি.
c 100 বর্গ সে.মি.
d 50 বর্গ সে.মি.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫√৩ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ সে. মি. ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক ক = ১০ সে. মি. অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১০ × ১০) ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১০০ উত্তর: ২৫√৩ বর্গ সে. মি.
a 60°
b 80°
c 90°
d 100°
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০° প্রদত্ত তথ্য: ABCD সামান্তরিকের DC ভূমিকে E পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো ∠BAD কোণের মান ১০০° ধরি, সামান্তরিকের বিপরীত কোণ দুটি পরস্পর সমান ∠BCD কোণটি ∠BAD কোণের সমান হবে অতএব, ∠BCD কোণের মান হবে ১০০° DC ভূমিকে E পর্যন্ত বর্ধিত করায় DCE একটি সরলরেখা হয় ∠BCD এবং ∠BCE মিলে একটি সরলকোণ বা ১৮০° কোণ উৎপন্ন করে সুতরাং, ∠BCE কোণের মান হবে ১৮০° − ১০০° উত্তর: ৮০°
a 1/3
b 2
c 1/2
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর মান নির্ণয় করতে হবে এখানে ভিত্তি হলো চার এবং সংখ্যাটি হলো দুই ধরি, লগ এর মান সমান এক্স প্রশ্নানুসারে লেখা যায় অতএব, চারের পাওয়ার এক্স সমান দুই চার কে দুই এর স্কয়ার লেখা যায় সুতরাং, দুই এর পাওয়ার দুই এক্স সমান দুই এর পাওয়ার এক দুই এক্স সমান এক উত্তর: এক্স সমান ১/২
a 3√3
b 18
c 9
d 0
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: বন্ধনীতে a যোগ এক ভাগ a এর সম্পূর্ণ স্কয়ার সমান তিন ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি থেকে পাই a যোগ এক ভাগ a সমান ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক বর্গমূল তিন অতএব, ঘন সূত্র অনুযায়ী a কিউব যোগ এক ভাগ a কিউব সমান ব্র্যাকেটের ভেতর a যোগ এক ভাগ a এর হোল কিউব বিয়োগ তিন গুণ a গুণ এক ভাগ a গুণ ব্র্যাকেটের ভেতর a যোগ এক ভাগ a সুতরাং, মান বসিয়ে পাই বর্গমূল তিন এর হোল কিউব বিয়োগ তিন গুণ বর্গমূল তিন উত্তর: শূন্য
a মূলদ
b অমূলদ
c স্বাভাবিক সংখ্যা
d পূর্ণ সংখ্যা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অমূলদ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো রুট ২৮৯ এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি ক = √২৮৯ আমরা জানি ১৭ × ১৭ = ২৮৯ অতএব, √২৮৯ এর মান হলো ১৭ ১৭ একটি পূর্ণ সংখ্যা এবং মূলদ সংখ্যা সুতরাং, মূল সংখ্যার উপর পুনরায় বর্গমূল করলে হয় √১৭ যা একটি অমূলদ সংখ্যা উত্তর: অমূলদ
a 8
b 16
c 2
d 4
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: কোনো একটি অজানা সংখ্যার ৭৫% হলো ৩ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৭৫% = ৩ সুতরাং, ক × (৭৫ ÷ ১০০) = ৩ ক × (৩ ÷ ৪) = ৩ উত্তর: ক = ৩ × (৪ ÷ ৩) = ৪
a 0.76736111111111
b 0.85069444444444
c 1.0173611111111
d 0.80902777777778
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটি ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২৪ = ৭৬ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৭৬ ÷ ১০০ = ০.৭৬ উত্তর: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক মানটি হলো D) ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a ৪ গুণ
b ১/৪ গুণ
c ২ গুণ
d ১/২ গুণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/২ গুণ প্রদত্ত তথ্য: শ্রমিক সংখ্যা দ্বিগুণ করা হলো ধরি, পূর্বের শ্রমিকের সংখ্যা = ক জন কাজটি শেষ করতে পূর্বের সময় লাগে = খ দিন অতএব, মোট কাজের পরিমাণ = ক × খ জন-দিন নতুন শ্রমিকের সংখ্যা = ২ক জন সুতরাং, নতুন সময়ের পরিমাণ = (ক × খ) ÷ ২ক দিন নতুন সময় = (১ ÷ ২) × খ দিন উত্তর: ১/২ গুণ
a ১.৬০৯ কি.মি.
b ০.৬২ কি.মি.
c ১ কি.মি.
d ১.১ কি.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৬০৯ কি.মি. প্রদত্ত তথ্য: দূরত্বের একক মাইল ও কিলোমিটারের সম্পর্ক জানা প্রয়োজন আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ মাইল সমান কত তা নির্দিষ্ট আছে ধরি, ১ মাইল = ক কিলোমিটার আমরা জানি মাইল এবং কিলোমিটারের আন্তর্জাতিক মান ধ্রুবক অতএব, একক পরিবর্তনের আদর্শ মান ব্যবহার করতে হবে ১ মাইল এবং কিলোমিটারের সরাসরি রূপান্তর হিসাব করতে হবে সুতরাং, ১ মাইল পরিমাপ করলে কিলোমিটারের আদর্শ মান পাওয়া যায় উত্তর: ১.৬০৯ কি.মি.
a 6
b 0
c 4
d 1
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত সংখ্যাগুলো হলো ০, ৫ এবং ৭ ধরি, সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ০ + ৫ + ৭ মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৩ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ১২ সংখ্যাগুলোর গড় নির্ণয়ের সূত্র = (সংখ্যাগুলোর যোগফল ÷ মোট সংখ্যা) সুতরাং, গড় = ১২ ÷ ৩ উত্তর: ৪
a টেনিস
b ফুটবল
c হকি
d ক্রিকেট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিকেট কেন সঠিক: - ওভাল হলো যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। - এই মাঠে নিয়মিত টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেনিস — টেনিস খেলার জন্য ওভাল বিখ্যাত নয়, যেমন উইম্বলডন কোর্ট টেনিসের জন্য বিখ্যাত। B) ফুটবল — ওভাল কোনো বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম নয়, ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে ওয়েম্বলি বেশি পরিচিত। C) হকি — এটি হকি খেলার বিখ্যাত মাঠ নয়, এটি মূলত ক্রিকেট খেলার সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত। D) ক্রিকেট — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওভাল একটি বিখ্যাত ক্রিকেট মাঠ। মনে রাখার টিপস: লন্ডনের ওভাল মাঠ মানেই মনে রাখতে হবে বিখ্যাত ক্রিকেট খেলা।
a 22
b 32
c 26
d 28
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩২ কেন সঠিক: - ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২। - সর্বশেষ দেশ হিসেবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে সুইডেন ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ — এই সংখ্যাটি ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ৩২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুইডেন যুক্ত হওয়ার পর ন্যাটোর মোট সদস্য সংখ্যা ৩২টিতে উন্নীত হয়েছে। C) ২৬ — অতীতে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ২৬ ছিল, যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ জনে পৌঁছেছে। D) ২৮ — অতীতে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ২৮ ছিল, পরবর্তীতে মন্টেনেগ্রোসহ অন্যান্য দেশ যুক্ত হয়ে সংখ্যাটি বৃদ্ধি পায়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর শেষ সদস্য সুইডেন যুক্ত হওয়ার পর মোট সদস্য সংখ্যা হয় ৩২, যা মনে রাখতে শেষের দুটি সংখ্যা সমান মনে রাখতে পারেন।
a জুন, ১৯৯২
b জুলাই, ১৯৯৫
c জুন, ১৯৭২
d জুলাই, ১৯৯২
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জুন, ১৯৯২ কেন সঠিক: - পরিবেশ ও উন্নয়নের ওপর প্রথম বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনটি ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা রিও সম্মেলন নামেও পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুন, ১৯৯২ — এটি সঠিক কারণ এই সময়েই ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে ঐতিহাসিক বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) জুলাই, ১৯৯৫ — এই সময়ে বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি ভুল সাল। C) জুন, ১৯৭২ — এই সময়ে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ধরিত্রী সম্মেলন নয়। D) জুলাই, ১৯৯২ — মাস ভুল হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক নয়, কারণ সম্মেলনটি জুনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষার মহা সম্মেলন ১৯৯২ সালের জুনে ব্রাজিলের রিও শহরে বসেছিল।
a 1972
b 1973
c 1974
d 1975
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1974 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করে এবং সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কূটনীতির ফলে বাংলাদেশ স্বাধীনতার স্বল্প সময়ের মধ্যেই মুসলিম বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1972 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, বরং ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সদ্য স্বাধীন দেশ হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করছিল। B) 1973 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ পায়নি, এটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরের বছর ছিল যখন বৈদেশিক নীতি গঠিত হচ্ছিল। C) 1974 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে। D) 1975 — এই সালে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করেনি, কারণ সদস্যপদ পাওয়ার ঘটনাটি ১৯৭৪ সালের লাহোর সম্মেলনেই ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্য হয়।
a থাইল্যান্ড
b জাপান
c কানাডা
d নরওয়ে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নরওয়ে কেন সঠিক: - নরওয়ে পৃথিবীর উত্তর মেরুর কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় গ্রীষ্মকালে সেখানে দীর্ঘদিন সূর্য অস্ত যায় না। - এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং একে বলা হয় হোয়াইট এলিফ্যান্ট বা স্লেট পাথরের দেশ। B) জাপান — এটি এশিয়ার পূর্ব দিকের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং একে বলা হয় সূর্যোদয়ের দেশ। C) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এর কোনো ভৌগোলিক উপনাম নিশীথ সূর্যের দেশ নয়। D) নরওয়ে — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ ও নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: নর দিয়ে নরওয়ে মনে রাখা যায় এবং উত্তর মেরুর কাছে রাত হলেও সূর্য দেখা যায় বলে একে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়।
a আইজাক নিউটন
b স্টিফেন হকিংস
c হেনরিক মার্জ
d জেমস ওয়াট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেমস ওয়াট কেন সঠিক: - স্কটিশ প্রকৌশলী জেমস ওয়াট ১৭৬৯ সালে উন্নত বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার ও প্যাটেন্ট করেন। - তাঁর এই আবিষ্কার শিল্পবিপ্লবের গতি ত্বরান্বিত করতে এবং কারখানা ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইজাক নিউটন — তিনি বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেননি, বরং পদার্থবিজ্ঞানে গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেছেন। B) স্টিফেন হকিংস — তিনি আধুনিক আমলের একজন বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও মহাবিশ্ববিজ্ঞানী, বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারক নন। C) হেনরিক মার্জ — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের জন্য পরিচিত নন। D) জেমস ওয়াট — তিনি আধুনিক ও কার্যকর বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেছিলেন এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাষ্প বা ওয়াটের উষ্ণতা দিয়ে ওয়াট বা জেমস ওয়াট মনে রাখতে পারো।
a ডেসিবল
b অ্যাম্পিয়ার
c ক্যালরি
d জুল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেসিবল কেন সঠিক: - ডেসিবল হলো শব্দের তীব্রতা বা তীক্ষ্ণতা পরিমাপ করার আন্তর্জাতিক একক। - শব্দের উচ্চতা বা লাউডনেস নির্ধারণে এই একক ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেসিবল — এটি শব্দের তীক্ষ্ণতা পরিমাপ করার সঠিক একক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) অ্যাম্পিয়ার — এটি বিদ্যুৎ প্রবাহের তীব্রতা বা পরিমাপের একক হওয়ায় এটি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ক্যালরি — এটি তাপশক্তি পরিমাপের একক হওয়ায় এটি শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপতে ব্যবহৃত হয় না। D) জুল — এটি কাজ এবং শক্তির একক হওয়ায় এটি শব্দের তীক্ষ্ণতা পরিমাপের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ শুনতে পছন্দ করি বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি, তাই শব্দের একক ডেসিবল।
a Random Only Memory
b Read Only Memory
c Radio Only Memory
d Ranging Only Memory
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Read Only Memory কেন সঠিক: - এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি, যা থেকে শুধুমাত্র ডেটা পড়া যায় কিন্তু নতুন করে লেখা বা পরিবর্তন করা যায় না। - এই মেমোরি স্থায়ী প্রকৃতির এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও এর তথ্য মুছে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Random Only Memory — এই নামে কম্পিউটারে কোনো স্ট্যান্ডার্ড মেমোরির অস্তিত্ব নেই, এটি একটি ভুল শব্দসংকেত। B) Read Only Memory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রম মেমোরির প্রকৃত পূর্ণরূপ। C) Radio Only Memory — রেডিও বা সম্প্রচারের সঙ্গে এই মেমোরির কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটি ভুল। D) Ranging Only Memory — দূরত্ব পরিমাপ বা রেঞ্জিংয়ের সঙ্গে কম্পিউটারের এই মেমোরির কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: রম মানে শুধু পড়া, তাই এর প্রথম শব্দ হবে রিড বা Read এবং শেষের দুটি শব্দ অল্লি মেমোরি বা Only Memory।
a রাতকানা
b রিকেট
c ডায়বেটিস
d স্কার্ভি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডায়বেটিস কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত না হলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। - ইনসুলিনের এই ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাবে মানবদেহে ডায়বেটিস রোগ দেখা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাতকানা — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে হয়ে থাকে, ইনসুলিনের অভাবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) রিকেট — এটি ভিটামিন ডি এর অভাবে শিশুদের হাড় নরম হয়ে যাওয়ার রোগ, যা ইনসুলিনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ডায়বেটিস — এটি ইনসুলিনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট রোগ। D) স্কার্ভি — এটি ভিটামিন সি এর অভাবে হওয়া একটি রোগ, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতার সাথে জড়িত নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিনের ঘাটতি মানেই রক্তে শর্করা বেশি, আর এই অবস্থাকেই বলা হয় ডায়বেটিস।
a আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
b লুই পাস্তুর
c আইকম্যান
d উইলিয়াম হার্ভে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে প্রথম পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। - এটি বিশ্বের প্রথম সফল অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুনাশক হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। B) লুই পাস্তুর — তিনি জলাতঙ্কের টিকা ও পাসচারাইজেশন প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছিলেন, পেনিসিলিন নয়। C) আইকম্যান — তিনি ভিটামিন বি বা থায়ামিন আবিষ্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন, পেনিসিলিন আবিষ্কারের সাথে নন। D) উইলিয়াম হার্ভে — তিনি মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র আবিষ্কার করেছিলেন, পেনিসিলিন আবিষ্কার করেননি। মনে রাখার টিপস: ফ্লেমিংয়ের ফ দিয়ে পেনিসিলিনের প্রতিষেধক বা ফাইটিং ড্রাগ মনে রাখতে পারেন।
a CO2
b CH4
c CFC
d N2
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CFC কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন গ্যাসে থাকা ক্লোরিন পরমাণু বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরে পৌঁছে ওজোন অণুকে ভেঙে অক্সিজেনে পরিণত করে। - এই রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলে ওজোন স্তরে ক্ষয় বা ছিদ্র সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO2 — এটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী, ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ নয়। B) CH4 — এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস বা মিথেন, যা মূলত কৃষিকাজ ও গবাদিপশু থেকে উৎপন্ন হয়। C) CFC — এটি ওজোনস্তর ক্ষয়ের জন্য প্রধান ও সর্বাধিক দায়ী গ্যাস। D) N2 — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস এবং এটি ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি করে না। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য প্রধানত ফ্রিজ ও এসি-তে ব্যবহৃত সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন দায়ী।
a ভিটামিন-ই
b ভিটামিন-কে
c ভিটামিন-সি
d ভিটামিন-বি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন-সি কেন সঠিক: - ভিটামিন-সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে, যা সর্দি-কাশি প্রতিরোধে সরাসরি কাজ করে। - এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের কোষগুলোকে সুরক্ষা দিয়ে সাধারণ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা কমায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-ই — এটি প্রজনন স্বাস্থ্য ও ত্বকের সুরক্ষার জন্য কাজ করে, সরাসরি সর্দি-কাশি প্রতিরোধের সঙ্গে যুক্ত নয়। B) ভিটামিন-কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে এবং হাড়ের গঠনে সহায়তা করে, সর্দি-কাশির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ভিটামিন-সি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সর্দি-কাশি দূর করে। D) ভিটামিন-বি — এটি স্নায়ুর কার্যকারিতা ও শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, সর্দি-কাশির প্রধান প্রতিরোধক নয়। মনে রাখার টিপস: টক জাতীয় ফল যেমন আমলকী ও লেবুতে প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে, যা খেলে সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকা যায়।
a 1948
b 1946
c 1945
d 1947
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫ কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। - সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫১টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ — এই সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার তিন বছর আগে। B) ১৯৪৬ — এই সালে জাতিসংঘের পূর্বসূরি সংস্থা লিগ অব নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয় এবং ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠিত হয়। C) ১৯৪৫ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই জাতিসংঘ সনদ কার্যকর ও সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। D) ১৯৪৭ — এই সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তি এবং পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই বিশ্বশান্তির জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
a নিউইয়র্ক
b লন্ডন
c লিও
d রোম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিও কেন সঠিক: - ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য এই শহরটি সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, ইন্টারপোলের নয়। B) লন্ডন — এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর, ইন্টারপোলের নয়। C) লিও — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ইন্টারপোলের সদর দপ্তর অবস্থিত। D) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, ইন্টারপোলের নয়। মনে রাখার টিপস: পুলিশ বা ইন্টারপোলের সিংহভাগ কাজ নিয়ন্ত্রণ হয় ফ্রান্সের লিও শহর থেকে, যেখানে লিও মানে সিংহের সঙ্গে তুলনা করা যায়।
a গ্রিসে
b রোমে
c মেসোপটেমিয়ায়
d ভারতে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেসোপটেমিয়ায় কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল এবং একে বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে ধরা হয়। - বর্তমান ইরাক ও তার আশেপাশের অঞ্চলে খ্রিষ্টপূর্ব চার হাজার অব্দে এই প্রাচীন সভ্যতাটি বিকাশ লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিসে — গ্রিক সভ্যতা মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে ইউরোপে বিকাশ লাভ করেছিল। B) রোমে — রোমান সভ্যতা ইতালির টাইবার নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল যা প্রাচীন বিশ্বের শেষের দিকের একটি বড় সাম্রাজ্য। D) ভারতে — ভারতীয় উপমহাদেশে সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল যার সময়কাল মেসোপটেমিয়া সভ্যতার পরবর্তী সময়ে শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: মেসো মানে মধ্য এবং পটেমিয়া মানে নদী, অর্থাৎ দুই নদীর মাঝের প্রথম সভ্যতা।
a অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ
b ড. আইনুন নিশাত
c সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান
d ড. হাসান মাহমুদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান কেন সঠিক: - সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান ২০১২ সালে পরিবেশ রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসাসে পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বেলা) প্রধান নির্বাহী হিসেবে পরিবেশ সুরক্ষায় আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ — তিনি মূলত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৪ সালে ম্যাগসাসে পুরস্কার লাভ করেন, পরিবেশের জন্য নয়। B) ড. আইনুন নিশাত — তিনি একজন প্রখ্যাত পানি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ হলেও ২০১২ সালে এই পুরস্কার পাননি। D) ড. হাসান মাহমুদ — তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী, যিনি পরিবেশ আন্দোলনের জন্য ম্যাগসাসে পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় আইনগত লড়াই ও ম্যাগসাসে পুরস্কার বললে সৈয়দা রেজোয়ানা হাসানকে মনে রাখবে।
a ১২টি
b ৯টি
c ৮টি
d ১১টি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্পূর্ণ বাংলাদেশকে পরিচালনার সুবিধার জন্য ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি পুরো দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ৩টি বিশেষ ফোর্স জোনেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা কখনো ১২টি ছিল না, সঠিক সংখ্যা ১১টি। B) ৯টি — এটি ভুল কারণ প্রথমে সেক্টর ৯টি করার চিন্তা থাকলেও পরবর্তীতে সেক্টর সংখ্যা ১১টি নির্ধারণ করা হয়। C) ৮টি — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ৮টি নয়, বরং ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল। D) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালে গঠিত সেক্টরের মোট সংখ্যা ১১টি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে ১ এবং ১ অর্থাৎ জোড়া এক (১১) মনে রাখতে পারেন।
a ব-দ্বীপ
b হাতিয়া
c সন্দ্বীপ
d বরিশাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বরিশাল কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদ বা প্রাচীন রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। - নদীমাতৃক এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান এবং ঐতিহাসিক নামকরণের কারণে চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান রূপ হিসেবে বরিশালকে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব-দ্বীপ — এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রাচীন নাম নয়, বরং নদীবাহিত পলি জমে গঠিত ভূখণ্ডের সাধারণ ভৌগোলিক রূপ। B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা, যার সাথে প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের ইতিহাস সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন দ্বীপ ও উপজেলা, যা চন্দ্রদ্বীপের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। D) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রদ্বীপ নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি দক্ষিণাঞ্চলের প্রাচীন জনপদ এবং বর্তমান বরিশাল জেলাকে নির্দেশ করে।
a মাজহারুল হক
b লুই আইক্যান
c এফ. আর খান
d নভেরা আহম্মদ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুই আইক্যান কেন সঠিক: - লুই আইক্যান (Louis I. Kahn) হলেন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান স্থপতি যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেছেন। - ১৯৬১ সালে এই ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং এর প্রধান স্থপতি হিসেবে তিনি আমৃত্যু এর নকশা ও নির্মাণের তদারকি করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাজহারুল হক — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের প্রবীন স্থপতি হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন। B) লুই আইক্যান — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জাতীয় সংসদ ভবনের নকশাকার। C) এফ. আর খান — তিনি বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল স্থপতি ও প্রকৌশলী হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের প্রধান স্থপতি নন। D) নভেরা আহম্মদ — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত ভাস্কর, সংসদ ভবনের স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের ভবন মানেই লুই আইক্যানের তৈরি অনন্য ডিজাইন।
a 0.37916666666667
b 0.46319444444444
c 0.42083333333333
d 0.3375
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০:৬ বা ৫:৩ (দশমিক মানে ০.৪২০৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩৩) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদর্শ মাপ হলো দৈর্ঘ্য ১০ এবং প্রস্থ ৬, যার অনুপাত ১০:৬ বা ৫:৩। - ৫ কে ৩ দিয়ে ভাগ করলে যে দশমিক মান পাওয়া যায়, তা এই অপশনের সঙ্গে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৩৭৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৬৭ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক অনুপাতের দশমিক রূপ নয়। B) ০.৪৬৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪ — এটি পতাকার নির্ধারিত মাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো অনুপাতের মান নয়। C) ০.৪২‌০৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩৩ — এটি ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতের দশমিক রূপ, যা পতাকার সঠিক মাপ নির্দেশ করে। D) ০.৩৩৭৫ — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি অনুপাতের মান যা জাতীয় পতাকার জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬ বা ৫:৩ মনে রাখবে।
a ভোলা
b খুলনা
c কক্সবাজার
d পটুয়াখালী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পটুয়াখালী কেন সঠিক: - পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্যের জন্য জেলাটিকে ভৌগোলিকভাবে সাগরকন্যা বলা হয়। - প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সমুদ্রের সান্নির্ধ্যের কারণে এই জেলার এই বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং একে বলা হয় দ্বীপকন্যা। B) খুলনা — খুলনা সুন্দরবনের দ্বারপ্রান্তে অবস্থিত একটি বিভাগীয় শহর এবং একে বলা হয় রূপসা নদীর তীরবর্তী শিল্পনগরী। C) কক্সবাজার — কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত এবং একে বলা হয় ট্যুরিস্ট ক্যাপিটাল বা পর্যটন নগরী। D) পটুয়াখালী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে কেন্দ্র করে জেলাটি সাগরকন্যা নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়, এই অনন্য সৌন্দর্যের জন্যই পটুয়াখালী হলো সাগরকন্যা।
a রেডিমেন্ট গার্মেন্টস
b পাট
c চামড়া
d তুলা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রেডিমেন্ট গার্মেন্টস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা রেডিমেন্ড গার্মেন্টস খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাক খাতের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এটি দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেডিমেন্ট গার্মেন্টস — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান রপ্তানি খাত। B) পাট — একসময় প্রধান অর্থকরী ফসল হলেও বর্তমানে এটি শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত নয়। C) চামড়া — চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত হলেও তা পোশাক খাতের মতো সর্বাধিক মুদ্রা অর্জন করে না। D) তুলা — বাংলাদেশ তুলার প্রধান আমদানিকারক দেশ, তাই এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত নয়। মনে রাখার টিপস: পোশাক হলো আমাদের অর্থনীতির পোশাক বা প্রধান শক্তি, তাই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এটি সবার শীর্ষে।
a ঝিনাইদহ
b মেহেরপুর
c যশোর
d কুষ্টিয়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেহেরপুর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে শপথ গ্রহণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার পর বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামে নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝিনাইদহ — এটি একটি জেলা হলেও মুজিবনগর এখানে অবস্থিত নয় এবং এর সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) মেহেরপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুজিবনগর এখানেই অবস্থিত। C) যশোর — যশোর বৃহত্তর জেলার অংশ হলেও মূল মুজিবনগর স্থানটি বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। D) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া একসময় বৃহত্তর নদীয়া ও বর্তমান কুষ্টিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও মুজিবনগর মেহেরপুরের অধীন। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা, যা মনে রাখতে মেহেরপুর নামটাই মূল।
a ১৭০০ সনে
b ১৭৬২ সনে
c ১৯৬৫ সনে
d ১৭৯৩ সনে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৯৩ সনে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ এই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। - এই আইনের মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরদিনের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭০০ সনে — এই সময়ে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয়নি, এটি তখন ব্রিটিশ শাসনভুক্তও ছিল না। B) ১৭৬২ সনে — এই বছরটি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি দেওয়ানি লাভের আগের সময়কাল। C) ১৯৬৫ সনে — এই সালটি একটি আধুনিক সময় নির্দেশ করে এবং ব্রিটিশ আমলের রাজস্ব ব্যবস্থার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ১৭৯৩ সনে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সনেই লর্ড কর্নওয়ালিস এই বন্দোবস্ত চালু করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: করপোরেট বা কর্নওয়ালিস শব্দটি মনে রাখুন এবং ভাবুন কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চিরতরে জমিদারি বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন।
a খুলনা
b যশোর
c বাগেরহাট
d রাজশাহী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদটি বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। - খান জাহান আলী পনেরো শতকে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন এবং এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনা — এটি বাগেরহাট জেলার পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ এই জেলায় অবস্থিত নয়। B) যশোর — এটি একটি পৃথক জেলা এবং ষাট গম্বুজ মসজিদের ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়। C) বাগেরহাট — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রকৃত জেলা অবস্থান। D) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা এবং ষাট গম্বুজ মসজিদের অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ষাট গম্বুজ মসজিদ ও খান জাহান আলীর মাজার উভয়ই ঐতিহাসিক বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।

মোট প্রশ্ন (25)

a সেমিকোলন
b কমা
c দাঁড়ি
d কোলন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমা ১. কেন সঠিক: তারিখ লেখার সময় বার, মাস এবং বছরের অংশগুলোকে আলাদা করার জন্য কমা যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি বাংলা বাক্য ও রচনায় পঠন সহজ করতে এবং তথ্য স্পষ্ট করতে সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতি বা বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারিখ লেখার ক্ষেত্রে সাধারণত সংখ্যাবাচক বা অক্ষরভিত্তিক লেখার মাঝে এই চিহ্ন বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ১২ই মাঘ, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ ব্যাখ্যা: এখানে তারিখ ও সনের অংশ আলাদা করতে কমা ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ১০ই ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ ব্যাখ্যা: এটি তারিখ ও বছরের অংশকে স্পষ্টভাবে পৃথক করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতি নির্দেশ করে, যা তারিখ লেখার জন্য প্রযোজ্য নয়। B) কমা — এটি সঠিক কারণ তারিখের বিভিন্ন অংশ আলাদা করতে কমা বসে। C) দাঁড়ি — দাঁড়ি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে, যা তারিখের মাঝখানে বসে না। D) কোলন — কোলন সাধারণত উদাহরণ বা উদাহরণের পূর্বে কিংবা সময় লেখার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তারিখ লেখার সময় ছোট বিরতির প্রয়োজন হয়, তাই কমা ব্যবহার করতে হয়। সময় লেখার ক্ষেত্রে কোলন আর তারিখ লেখার ক্ষেত্রে কমা বসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তারিখ, ঠিকানা এবং সম্বোধনে কমার ব্যবহার ভালোভাবে আয়ত্ত করা প্রয়োজন।
a নব্য ভারতীয় আর্যভাষা
b ফারসি
c সংস্কৃত
d অসমীয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - ব্যাকরণ একটি সংস্কৃত শব্দ, যা সংস্কৃত ভাষা থেকেই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। - শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় বি + আ + √কৃ + অন, যার অর্থ বিশেষভাবে বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ হলো ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নিয়মকানুন বিশ্লেষণ করার শাস্ত্র। - বাংলা ভাষা যেহেতু সংস্কৃত প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এসেছে, তাই এর অনেক পারিভাষিক ও তৎসম শব্দ সংস্কৃত থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও গঠনরীতি শেখার জন্য এটি একটি সংস্কৃত উৎসের শব্দ। উদাহরণ ২: সংস্কৃত শব্দ যেমন আকাশ, নদী, পর্বত ব্যাখ্যা: এগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ হিসেবে প্রবেশ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নব্য ভারতীয় আর্যভাষা — এটি কোনো নির্দিষ্ট শব্দের উৎস নয়, বরং বাংলা ভাষার উদ্ভব যে মূল শাখা থেকে হয়েছে সেটি নির্দেশ করে। B) ফারসি — ফারসি হলো মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত একটি ভাষা, যেখান থেকে বাংলা ভাষায় অনেক প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ এসেছে ব্যাকরণ শব্দ নয়। D) অসমীয়া — অসমীয়া হলো বাংলা ভাষার একটি নিকটাত্মীয় প্রতিবেশী ভাষা, যেখান থেকে বাংলা ব্যাকরণ শব্দটি আসেনি। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ একটি প্রাচীন শাস্ত্রীয় শব্দ, তাই এর উৎস সংস্কৃত ভাষা হিসেবে মনে রাখা সহজ। - তৎসম শব্দগুলোর মতো ব্যাকরণ শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলাতে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ব্যাকরণ, শরীর, নদী প্রভৃতি শব্দ কোন ভাষা থেকে এসেছে তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a তাসের ঘর
b চোখের বালি
c গুড়ে বালি
d খয়ের খাঁ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খয়ের খাঁ কেন সঠিক: - ঢাকের কাঠি এবং খয়ের খাঁ উভয় বাগধারাটির অর্থ তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। - দুটি বাগধারাই কোনো ব্যক্তির অন্ধভাবে অন্যের প্রশংসা করা বা দরজায় ঘুরে বেড়ানোর অবস্থাকে বোঝায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। - এই দুটি বাগধারাই মানুষের স্বভাবের একটি বিশেষ দিক বা চাটুকারিতাকে ব্যঙ্গ করার জন্য সাহিত্যে ব্যবহার করা হয়। - যেমন, কোনো স্বার্থ উদ্ধারের জন্য যখন কেউ কারো অতিরিক্ত প্রশংসা করে, তখন তাকে ঢাকের কাঠি বা খয়ের খাঁ বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) তাসের ঘর — এই বাগধারাটির অর্থ ক্ষণস্থায়ী বা যা সহজেই ভেঙে পড়ে। - B) চোখের বালি — এই বাগধারাটির অর্থ চোখের বিষ বা বিরক্তিকর ব্যক্তি। - C) গুড়ে বালি — এই বাগধারাটির অর্থ আশায় নৈরাশ্য বা ভেস্তে যাওয়া। - D) খয়ের খাঁ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: - চাটুকারিতা বা তোষামোদ বোঝাতে ঢাকের কাঠি এবং খয়ের খাঁ দুটি সমার্থক বাগধারা হিসেবে মনে রাখবে।
a বিহগ
b গরুড়
c পৃপ
d বিহঙ্গ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পৃপ ১. কেন সঠিক: 'পাখি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় 'পৃপ', কারণ 'পৃপ' শব্দের অর্থ রাজা বা নরপতি। প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে কোনটি 'পাখি' শব্দের সমার্থক নয়, তাই ব্যতিক্রমী শব্দ হিসেবে 'পৃপ' সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। বাংলা ভাষায় পাখির অনেক সমার্থক শব্দ রয়েছে যা সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং প্রমিত রূপে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহগ আকাশে উড়ে বেড়ায়। ব্যাখ্যা: এখানে 'বিহগ' শব্দটি 'পাখি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা একটি সঠিক সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: বনে বহু পিক্ষী ও বিহঙ্গ দেখা যায়। ব্যাখ্যা: 'বিহঙ্গ' শব্দটি পাখির সমার্থক হিসেবে বাক্যে সুন্দরভাবে মানিয়ে গেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিহগ — এটি পাখি শব্দের একটি বহুল প্রচলিত সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ যা আকাশে গমন বা উড়ে বেড়ায়। B) গরুড় — হিন্দু পৌরাণিক শাস্ত্রে বিষ্ণুর বাহন এবং পক্ষীকুলের রাজা হিসেবে গরুড়কে পাখিবাচক অর্থে সমার্থক ধরা হয়। C) পৃপ — এটি পাখি শব্দের সমার্থক নয় বরং এর অর্থ রাজা, তাই এটি সঠিক উত্তর। D) বিহঙ্গ — এটিও বিহগ শব্দের মতোই পাখি বা পক্ষী অর্থে ব্যবহৃত একটি নির্ভুল সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: পাখি শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে বিহগ, বিহঙ্গ, পক্ষী, খেচর, পতত্রী শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। পৃপ বা নৃপ শব্দগুলো রাজা বা সম্রাট বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই পাখি থেকে এগুলো সম্পূর্ণ আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে যেখানে একটি অমিল বা ভিন্নার্থক শব্দ খুঁজে বের করতে হয়। পাখি, রাজা, সূর্য ও চন্দ্র সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
a কলেজ
b নথি
c রেডিও
d অক্সিজেন
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নথি কেন সঠিক: - নথি শব্দটি ইংরেজি ফাইল শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে সরকারি ও দাপ্তরিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত বিদেশাগত শব্দের ভাবানুবাদ বা রূপান্তর করে তৈরি করা একটি খাঁটি পারিভাষিক শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা কোনো বিদেশি ভাষার শব্দের ভাব বা অর্থ ঠিক রেখে বাংলায় রূপান্তর করা হয়। - বাংলা ভাষায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালনার জন্য বিভিন্ন বিদেশি শব্দের পরিভাষা তৈরি করা হয়েছে। - যেমন ইংরেজি ফাইল শব্দের পরিভাষা নথি এবং রিপোর্ট শব্দের পরিভাষা প্রতিবেদন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কলেজ — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যার কোনো বাংলা পরিভাষা হিসেবে এটি তৈরি হয়নি বরং সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - B) নথি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়। - C) রেডিও — এটি একটি বিদেশি শব্দ যা অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে। - D) অক্সিজেন — এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক নাম যা বাংলা ভাষায় সরাসরি ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলো অফিস আদালত বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজে বিদেশি শব্দের বাংলা রূপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে পারিভাষিক শব্দ বলে।
a প্রাচীন
b নবীন
c নির্বাচিত
d অনির্বাচিত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাচীন ১. কেন সঠিক: - 'অর্বাচীন' শব্দের অর্থ নতুন, আধুনিক বা অল্পবয়স্ক। এর বিপরীতে সবচেয়ে উপযুক্ত ও প্রমিত শব্দ হলো 'প্রাচীন'। - শব্দার্থের বিপরীত ভাব প্রকাশের জন্য এই দুটি শব্দ সরাসরি প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও অর্থগত মিল-অমিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সময়ের ধারাবাহিকতা বোঝাতে এই ধরনের বিপরীতার্থক শব্দের ব্যাপক প্রয়োগ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অর্বাচীন বনাম প্রাচীন চিন্তাধারা। ব্যাখ্যা: অর্বাচীন বলতে আধুনিক বা অপরিপক্ব চিন্তাকে বোঝায়, আর প্রাচীন বলতে ঐতিহাসিক ও পুরোনো ঐতিহ্যকে বোঝায়। উদাহরণ ২: অর্বাচীন প্রজন্মের মনোভাব বনাম প্রাচীন প্রজন্মের দৃষ্টিভঙ্গি। ব্যাখ্যা: দুই প্রজন্মের ব্যবধান ও বিপরীত অবস্থান বোঝাতে এই দুটি শব্দ বিপরীতার্থক হিসেবে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন — এটি সঠিক উত্তর। B) নবীন — নবীন শব্দের অর্থ নতুন বা তরুণ, যা অর্বাচীন শব্দের সমার্থক, বিপরীতার্থক নয়। C) নির্বাচিত — নির্বাচিত শব্দের অর্থ যা বাছাই করা হয়েছে, যার সঙ্গে সময়ের কোনো সম্পর্ক নেই। D) অনির্বাচিত — অনির্বাচিত শব্দের অর্থ যা বাছাই করা হয়নি, যা নির্বাচিত শব্দের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ দিয়ে শুরু অর্বাচীন শব্দের বিপরীত প্র দিয়ে শুরু প্রাচীন মনে রাখা সহজ। - সময়ের বিবেচনায় আধুনিকের বিপরীত যেমন প্রাচীন, ঠিক তেমনই অর্বাচীনের বিপরীত প্রাচীন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে। - সমার্থক শব্দ যেন বিপরীতার্থক হিসেবে ভুল না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।
a মানব
b পানীয়
c জয়
d স্মরণীয়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মানব ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় দুই প্রকার, যথা কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। বিশেষ্য ও বিশেষণের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। মনু শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' (অ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা তদ্ধিত প্রত্যয়ের সংস্কৃত বা তৎসম উদাহরণের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাতিপদিক বা নামপ্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়। প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করলে মানব শব্দের ক্ষেত্রে দেখা যায় মনু যোগ ষ্ণ (অ)। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পার্থ ব্যাখ্যা: পৃথু শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ' (অ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পার্থ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ। উদাহরণ ২: শৈশব ব্যাখ্যা: শিশু শব্দের সঙ্গে 'ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শৈশব শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা বিশেষ্য পদ গঠনে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানব — এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত সঠিক শব্দ। B) পানীয় — এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় (পা যোগ অনীয়) যোগে গঠিত শব্দ, যা তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। C) জয় — এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় (জি যোগ অ) যোগে গঠিত শব্দ, যা তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। D) স্মরণীয় — এটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় (স্মৃ যোগ অনীয়) যোগে গঠিত শব্দ, যা তদ্ধিত প্রত্যয় নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নামবাচক শব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত প্রত্যয় হয়। ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তা কৃৎ প্রত্যয় হিসেবে গণ্য করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পরীক্ষায় প্রায়ই কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের মধ্যে পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। শব্দের মূল প্রকৃতি নামবাচক নাকি ক্রিয়াবাচক, তা চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক উত্তর নির্ণয় করা সহজ হয়।
a ঝড়
b সূর্য
c বায়ু
d সমুদ্র
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র ১. কেন সঠিক: - অর্ণব শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র বা জলধি। - এটি মূলত জলের আধার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে হয়। - বাংলা ভাষায় সমুদ্র বোঝাতে অনেকগুলো তৎসম শব্দ প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাথার ব্যাখ্যা: পাথার শব্দটি অনেক সময় বিশাল সমুদ্র বা জলরাশি বোঝাতে প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পারাবার ব্যাখ্যা: পারাবার শব্দের অর্থ যার এক পার থেকে অন্য পার দেখা যায় না, অর্থাৎ সমুদ্র। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝড় — ঝড় অর্থ প্রবল বেগে প্রবহমান বাতাস, যা সমুদ্রের সমার্থক নয়। B) সূর্য — সূর্য হলো সৌরজগতের নক্ষত্র, যা তাপ ও আলোর উৎস। C) বায়ু — বায়ু অর্থ বাতাস বা বাতাসপ্রবাহ, যা সমুদ্রের সমার্থক নয়। D) সমুদ্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ অর্ণব শব্দের সরাসরি অর্থ সমুদ্র। ৫. মনে রাখার টিপস: অর্ণব নামের অর্থ সমুদ্র। তাই এই নাম থেকেই এর অর্থ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমুদ্র শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ যেমন পারাবার, রত্নাকর, ওধি প্রায়ই আসে। এগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
a আমন্ত্রণপত্র
b মানপত্ৰ
c নিমন্ত্রণপত্র
d স্মারক পত্র
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মানপত্ৰ ১. কেন সঠিক: - মানপত্র হলো এমন একটি লিখিত দলিল যা কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার অসামান্য অবদান, কৃতিত্ব বা সাফল্যের জন্য সম্মান জানাতে প্রদান করা হয়। - এটি অভিনন্দন বা সংবর্ধনা জ্ঞাপনের একটি আনুষ্ঠানিক মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত জনসমক্ষে পাঠ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ হলো বিভিন্ন ধরনের পত্র বা দালিলিক লিখন। - দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মানপত্র, স্মারকপত্র কিংবা আমন্ত্রণপত্রের সুনির্দিষ্ট সামাজিক ও সাহিত্যিক গুরুত্ব রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একুশে পদকপ্রাপ্ত কোনো বিশিষ্ট সাহিত্যিককে দেওয়া সংবর্ধনা পত্র। ব্যাখ্যা: এটি সংশ্লিষ্ট সাহিত্যিকের কর্মজীবনের প্রতি সম্মান ও অভিনন্দন জানানোর জন্য মানপত্র হিসেবে প্রস্তুত করা হয়। উদাহরণ ২: বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে সম্মান জানিয়ে দেওয়া মানপত্র। ব্যাখ্যা: এটি বিদ্যালয়ে তার দীর্ঘ অবদান ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে অভিনন্দন ও সংবর্ধনা হিসেবে প্রদান করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমন্ত্রণপত্র — এটি কোনো অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য কাউকে দাওয়াত বা আমন্ত্রণ জানানোর পত্র, সংবর্ধনা বা অভিনন্দন জ্ঞাপনের জন্য নয়। B) মানপত্ৰ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি অভিনন্দন বা সংবর্ধনা জ্ঞাপনের মাধ্যম। C) নিমন্ত্রণপত্র — এটি মূলত আমন্ত্রণপত্রের সমার্থক শব্দ যা কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য দেওয়া হয়। D) স্মারক পত্র — এটি কোনো স্মৃতিচারণ, তথ্য আদান-প্রদান বা স্মারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি অভিনন্দনপত্র নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মান মানে সম্মান বা প্রতিষ্ঠা, তাই কাউকে সম্মান জানাতে বা সংবর্ধনা দিতে মানপত্র ব্যবহার করা হয়। - নিমন্ত্রণ ও আমন্ত্রণ মানে একই টেবিলে বসার বা অনুষ্ঠানে যাওয়ার ডাক, অভিনন্দন নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রায়োগিক বাংলা বা পত্র লিখন থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - বিভিন্ন পত্রের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হয়।
a অভদ্র
b মিথ্যা
c উত্তম
d ভদ্র
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভদ্র ১. কেন সঠিক: ইতর শব্দের অর্থ নিচ, অসৎ, হীন বা অভদ্র প্রকৃতির ব্যক্তি। এর সরাসরি বিপরীত বা প্রতিকারী অর্থ প্রকাশ করে ভদ্র শব্দটি, যার অর্থ মার্জিত, শিষ্ট বা ভালো মানুষ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থ বা প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে বিপরীত শব্দ নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইতর জন ব্যাখ্যা: এই শব্দগুচ্ছ দ্বারা নিচ বা হীন প্রকৃতির মানুষকে বোঝানো হয়, যার বিপরীত হতে পারে ভদ্র লোক। উদাহরণ ২: ইতর বিশেষ ব্যাখ্যা: এখানে ইতর শব্দের অর্থ ভিন্ন বা তফাত, যা বিপরীতার্থক শব্দের অন্য একটি প্রয়োগক্ষেত্র নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভদ্র — এটি ইতর শব্দের সমার্থক হিসেবে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে ভদ্র অধিক গ্রহণযোগ্য। B) মিথ্যা — এটি সত্য শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, ইতর শব্দের সঙ্গে এর কোনো সরাসরি ব্যাকরণগত বিরোধ নেই। C) উত্তম — এটি অধম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, ইতর শব্দের সরাসরি বিপরীত ভদ্র। D) ভদ্র — এটি ইতর শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: ইতর মানে নিচ বা খারাপ মানুষ আর ভদ্র মানে ভালো মানুষ। তাই ইতর পেলেই ভদ্র উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত ও প্রমিত রূপটি নির্বাচন করতে হয়। কাছাকাছি অর্থের শব্দ থাকলেও সবচেয়ে সঠিক বিপরীত শব্দটি বেছে নিতে হবে।
a সুকুমার সেন
b সুকুমারী ভট্টাচার্য
c নিহার রঞ্জন রায়
d সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় কারণ তিনি ১৯২৬ সালে এই প্রখ্যাত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন। - ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ বইটি বাংলা ভাষার বৈজ্ঞানিক ইতিহাস ও ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ক ঐতিহাসিক গ্রন্থ। - ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভারতীয় ভাষাতাত্ত্বিক ও পণ্ডিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের রচিত অন্য একটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ওটিবিএল বা দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। ব্যাখ্যা: এই গবেষণা গ্রন্থটিতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ পর্তুগিজ ভাষায় রচনা করেন ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও। ব্যাখ্যা: ভোয়াকাবুলারিও এম idioma বাঙালি ই পর্তুগুশ গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকুমার সেন — সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার জন্য বিখ্যাত হলেও এই ব্যাকরণ গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) সুকুমারী ভট্টাচার্য — সুকুমারী ভট্টাচার্য একজন প্রখ্যাত ধ্রুপদী সাহিত্য ও সংস্কৃতি গবেষক ছিলেন যিনি এই ব্যাকরণ লেখেননি। C) নিহার রঞ্জন রায় — নিহার রঞ্জন রায় বাঙালির ইতিহাস আদি পর্ব রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই ব্যাকরণের সঙ্গে যুক্ত নন। D) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ গ্রন্থের প্রণেতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভাষা প্রকাশ মানেই সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ। - ব্যাকরণের সুনীতি বা ভালো নিয়ম প্রকাশ করেছেন সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ কোনটি এই প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষার আঞ্চলিক রূপ ও উপভাষা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়।
a অনুসরণ
b ভাবান্তর
c ভাষান্তরকরণ
d সমার্থকরণ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাষান্তরকরণ ১. কেন সঠিক: অনুবাদ শব্দের আক্ষরিক ও পারিভাষিক অর্থ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর করা। সংক্ষেপে কোনো উৎস ভাষার বক্তব্য বা রচনাকে লক্ষ্য ভাষায় সফলভাবে ফুটিয়ে তোলার প্রক্রিয়াকে ভাষান্তরকরণ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি মূলত বাংলা ভাষার শব্দার্থ ও পারিভাষিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ইংরেজি Translation শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো অনুবাদ বা ভাষান্তরকরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি উপন্যাস টু কিল আ মকিংবার্ড বাংলায় রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: এটি এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর বা অনুবাদের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি রূপান্তর সং অফারিংস। ব্যাখ্যা: এটি উৎস ভাষা থেকে লক্ষ্য ভাষায় করা একটি বিশ্বখ্যাত অনুবাদ কর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুসরণ — এর অর্থ হলো কাউকে বা কোনো কিছুকে অনুকরণ করা বা পিছু নেওয়া। যা এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) ভাবান্তর — এর অর্থ হলো মনের ভাব বা অবস্থার পরিবর্তন হওয়া। এটি অনুবাদের আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) সমার্থকরণ — এর অর্থ হলো একই অর্থবোধক বা প্রতিশব্দ তৈরি করা। এটি শব্দার্থের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, পুরো বাক্যের রূপান্তরে নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুবাদ মানে ভাষা বদল, তাই এর সঠিক পরিভাষা হলো ভাষান্তরকরণ। ভাষান্তর কথাটির মধ্যেই ভাষা পরিবর্তনের বিষয়টি স্পষ্ট থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা জানতে চাওয়া হয়। পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে শব্দের মূল অর্থ বুঝে পড়লে উত্তর করা সহজ হয়।
a √উক্+তি
b √উচ্ + ক্তি
c √বচ্+ ক্তি
d √বচ্+তি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √বচ্+তি ১. কেন সঠিক: - 'উক্তি' শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি বচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হলে ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তনের মাধ্যমে উক্তি শব্দ গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দের ক্ষেত্রে ধাতু ও প্রত্যয়ের মিলন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া। - এখানে বচ্ ধাতু এবং তি প্রত্যয় মিলে ব্যাকরণসম্মত নিয়মে উক্তি শব্দ প্রস্তুত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √বচ্ + ক্তি = বাক্তি ব্যাখ্যা: বচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষ শব্দ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: √বচ্ + ত = উক্ত ব্যাখ্যা: বচ্ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √উক্+তি — উক্ কোনো স্বীকৃত মৌলিক ধাতু নয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) √উচ্ + ক্তি — উচ্ ধাতু বা ক্তি প্রত্যয়ের সঠিক প্রয়োগ এখানে হয়নি, তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) √বচ্+ ক্তি — ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হলে অন্য শব্দ গঠিত হয়, উক্তি শব্দ গঠনে তি প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। D) √বচ্+তি — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় এবং নিয়মসিদ্ধ রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - উক্তি শব্দের শুরুতে উ দেখলে ভুল করে √উক্ ধাতু মনে করা যাবে না, এর মূল ধাতু হলো বচ্। - ধাতু চেনার সময় শব্দের অন্তর্নিহিত মূল রূপটি খুঁজে বের করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই মৌলিক ধাতু চেনার অভ্যাস করতে হবে। - একই ধাতু থেকে বিভিন্ন প্রত্যয়যোগে কীভাবে নতুন শব্দ তৈরি হয় তা চর্চা করা উচিত।
a ব্যাকরণ
b ভাষা
c ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই একসাথে
d কোনোটিই নয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভাষা ১. কেন সঠিক: ভাষা মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম এবং ব্যাকরণ হলো সেই ভাষার শৃঙ্খলিত রূপ। মানুষ প্রথমে কথা বলতে বা মনের ভাব প্রকাশ করতে শিখেছে, পরবর্তীতে সেই ভাষার ওপর ভিত্তি করে ব্যাকরণের নিয়ম তৈরি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা সৃষ্টির দীর্ঘকাল পরে ব্যাকরণের জন্ম হয় কারণ ব্যাকরণ ভাষা সৃষ্টি করে না বরং ভাষার অভ্যন্তরীণ নিয়মশৃঙ্খলা বিশ্লেষণ করে। ভাষা হলো নদীর মতো গতিশীল এবং ব্যাকরণ হলো সেই নদীর গতিপথ নির্ণয়কারী বাঁধ বা নির্দেশিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ভাষা জন্ম নেওয়ার বহু শতাব্দী পর ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা ও বিশদ রূপরেখা তৈরি করেছেন। ব্যাখ্যা: ভাষা হাজার বছর ধরে চলে আসলেও তার ব্যাকরণ রচিত হয়েছে আধুনিক যুগে। উদাহরণ ২: মানুষের জন্মের পর সে প্রথমে কথা বলতে শেখে এবং বিদ্যালয়ে গিয়ে ব্যাকরণের নিয়ম শেখে। ব্যাখ্যা: বাস্তব জীবনের এই ধারাবাহিকতাই প্রমাণ করে যে ভাষার পরেই ব্যাকরণের আগমন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যাকরণ — ব্যাকরণ নিজে থেকে সৃষ্টি হতে পারে না কারণ ব্যাকরণের জন্য আগে একটি জীবন্ত ভাষার অস্তিত্ব থাকা আবশ্যক। C) ব্যাকরণ ও ভাষা উভয়ই একসাথে — ভাষা এবং ব্যাকরণ একসাথে সৃষ্টি হয়নি কারণ ভাষা মানুষের জন্মলগ্নে বা তার সমাজে প্রাকৃতিকভাবে এসেছে এবং ব্যাকরণ এসেছে অনেক পরে গবেষণার মাধ্যমে। D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষা আগে আসে, ব্যাকরণ পরে আসে। মনে রাখার জন্য ভাবুন মানুষ আগে কথা বলে, তারপর ব্যাকরণ বই পড়ে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা হলো আদি এবং ব্যাকরণ হলো তার অনুগামী। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই ভাষা ও ব্যাকরণের মৌলিক সম্পর্ক যাচাইয়ের জন্য আসে।
a রুগনো
b রুগ্ন
c রুগন
d রুগ্ণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রুগ্ণ ১. কেন সঠিক: - 'রুগ্ন' শব্দের মূল রূপটি হলো রুগ্ণ, যেখানে মূর্ধন্য ণ-এর সাথে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়ে ষ্ণ (ষ+ণ) যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে। - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই বিশেষ শব্দটিতে মূর্ধন্য ব্যবহার আবশ্যিক এবং এটি প্রমিত বানান হিসেবে স্বীকৃত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ট-বর্গীয় ধ্বনির (ট, ঠ, ড, ঢ, ণ) পূর্বে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - এখানে 'রুগ্ণ' শব্দটিতে ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে, যেখানে ঋ-কার বা র-ফলার পর মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক বানান নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তীক্ষ্ণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ঋ-কার ও ক-ষ যুক্তবর্ণের সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে সঠিক বানান গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: উষ্ণ ব্যাখ্যা: এটিও একটি তৎসম শব্দ যেখানে নিয়মানুসারে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুগনো — এই বানানে অতিরিক্ত একটি ও-কার ও ন ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভুল ও অগ্রহণযোগ্য। B) রুগ্ন — এই বানানে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির পরিপন্থী। C) রুগন — এই বানানে যুক্তবর্ণের নিয়ম না মেনে স্রেফ দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) রুগ্ণ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত প্রমিত বানান রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - রোগ থেকে রুগ্ন শব্দ এসেছে, তবে বানানের ক্ষেত্রে শেষের ন-কে সবসময় মূর্ধন্য ণ এবং যুক্তবর্ণ হিসেবে ষ-ণ ব্যবহার করতে হবে। - মনে রাখবে ঋ-কার বা র-ফলাযুক্ত শব্দের শেষে সাধারণত মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান এবং ণ-ত্ব বিধানের প্রয়োগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - এই ধরনের শব্দ লেখার সময় যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ অর্থাৎ ষ এবং ণ এর ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a শিঞ্জন
b রুমঝুম
c ঝংকার
d নিক্কন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিক্কন ১. কেন সঠিক: - নূপুরের ধ্বনি বা নুপুরের মৃদু শব্দকে এককথায় নিক্কন বলা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের ভাবার্থ এবং মূল অর্থ খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসির ধ্বনি = হাসি ব্যাখ্যা: এটি শব্দের ভাব ও অর্থের ওপর ভিত্তি করে গঠিত এককথায় প্রকাশ। উদাহরণ ২: মেঘের ডাক = গর্জন ব্যাখ্যা: প্রকৃতির বিভিন্ন ধ্বনি প্রকাশের জন্য নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিঞ্জন — শিঞ্জন হলো নুপুরের মৃদু বা মধুর ধ্বনি হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিখুঁত উত্তর হিসেবে নিক্কন বেশি গ্রহণযোগ্য। B) রুমঝুম — রুমঝুম হলো নুপুরের ধ্বনির অনুকার শব্দ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ, এককথায় প্রকাশ নয়। C) ঝংকার — ঝংকার হলো যেকোনো তীব্র বা সাধারণ শব্দ বা অলংকারের আওয়াজ, যা শুধু নূপুরের ধ্বনি বোঝায় না। D) নিক্কন — নূপুরের ধ্বনির সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত এককথায় প্রকাশ হলো নিক্কন। ৫. মনে রাখার টিপস: - নূপুর শব্দের শেষ অক্ষর ন এবং নিক্কন শব্দের শুরুতেও ন আছে, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা যায়। - ধ্বনিবাচক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে প্রমিত রূপটি মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনিবাচক এককথায় প্রকাশগুলো প্রায়ই আসে। - হংসের ডাক, পাখির কলতান এবং নূপুরের ধ্বনির মতো শব্দগুলো আলাদাভাবে চর্চা করতে হবে।
a বিরাট আয়োজন
b সহজলভ্য
c অপদার্থ
d সামান্য পার্থক্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সহজলভ্য ১. কেন সঠিক: - উজানের কৈ বাগধারাটির অর্থ খুব সহজে প্রাপ্ত বা সহজলভ্য বস্তু। - কৈ মাছ সাধারণত স্রোতের প্রতিকূলে বা উজান দিকে সহজে ভেসে আসে, তাই এর মাধ্যমে সহজলভ্যতা বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এই চাকরি পাওয়া আমার জন্য উজানের কৈ নয়, অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে খুব সহজেই কিছু পাওয়া যায়নি তা বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাজারে এখন ইলিশ মাছের দাম কম, মনে হচ্ছে যেন উজানের কৈ অবস্থা। ব্যাখ্যা: খুব সহজে ও সুলভে পাওয়ার অর্থে বাক্যটিতে বাগধারার প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরাট আয়োজন - এই অর্থ প্রকাশের জন্য আয়োজনমূলক অন্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়। B) সহজলভ্য - এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং উজানের কৈ বাগধারার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। C) অপদार्थ - এই অর্থ প্রকাশের জন্য উনপঞ্চাশ বায়ু বা অকেজো জাতীয় বাগধারা ব্যবহার করা হয়। D) সামান্য পার্থক্য - এই অর্থ প্রকাশের জন্য ১৯ বিশ বা আকাশ পাতাল ব্যবধান জাতীয় বাগধারা প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কৈ মাছ উজানে বা স্রোতের দিকে সহজেই চলে আসে, তাই উজানের কৈ মানেই সহজলভ্য বিষয়। - মাছের সহজলভ্যতার সঙ্গে এই বাগধারাটি মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাছ সম্পর্কিত বাগধারা প্রায়ই আসে, যেমন রুই কাতলা বা উজানের কৈ। - এ ধরনের বাগধারার উৎস প্রকৃতি থেকে আসায় অর্থ সহজে অনুমান করা সম্ভব।
a বিরোধ
b অবিধি
c নিষেধ
d নিষিদ্ধ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিষেধ ১. কেন সঠিক: - ‘বিধি’ শব্দের অর্থ নিয়ম, বিধান বা কোনো কাজের অনুমতি। এর সরাসরি বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে ‘নিষেধ’ শব্দটি, যার অর্থ মানা করা বা বারণ করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল ভাব ও প্রচলিত ব্যবহার বিবেচনা করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দকে বোঝায় যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা মিল রেখে সঠিক রূপটি নির্ধারণ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিধি ও নিষেধ ব্যাখ্যা: বিধি শব্দের অর্থ নিয়ম এবং নিষেধ শব্দের অর্থ বারণ করা, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: অনুমতি ও নিষেধ ব্যাখ্যা: কোনো কাজের অনুমোদন বা অনুমতি দেওয়া এবং তা নিষেধ করা পরস্পর বিপরীত ধারণা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরোধ — বিরোধ শব্দের অর্থ অমিল, ঝগড়া বা দ্বন্দ্ব, যা বিধির বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) অবিধি — অবিধি শব্দের অর্থ নিয়মের বহির্ভূত কাজ বা অনিয়ম, যা বিধির বিপরীত হলেও নিষেধের মতো যথাযথার্থক বিপরীত শব্দ নয়। C) নিষেধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিধির সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) নিষিদ্ধ — নিষিদ্ধ হলো একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ যা নিষেধ করা হয়েছে, কিন্তু বিধি হলো বিশেষ্য পদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিধি মানে করার অনুমতি আর নিষেধ মানে না করার আদেশ, তাই বিধি ও নিষেধ একে অপরের বিপরীত। - শব্দের পদ বা রূপের মিল রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য মাথায় রেখে সঠিক বিপরীত শব্দ চয়ন করতে হয়। - পরীক্ষার হলে সবচেয়ে প্রচলিত ও গ্রহণযোগ্য বিপরীতার্থক শব্দটিকে প্রাধান্য দিতে হবে।
a শৈল
b উৎপন্ন
c সুবর্ণ
d কুসুম
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুসুম ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং অপশনগুলোর মধ্যে কিছুটা অসংগতি রয়েছে। পঙ্কজ শব্দের অর্থ পাঁকে জন্মে যা অর্থাৎ পদ্মফুল। কুসুম শব্দের সাধারণ অর্থ ফুল, যা পঙ্কজ শব্দের একটি সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: পঙ্কজ একটি পদ এবং এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য পঙ্কে জন্মে যা। পঙ্ক শব্দের অর্থ পাঁক এবং জ প্রত্যয়টি জাত বা উৎপন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নলিনী ব্যাখ্যা: নলিনী শব্দের অর্থ পদ্মফুল যা পঙ্কজের সরাসরি সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: উৎপল ব্যাখ্যা: উৎপল শব্দের অর্থ পদ্ম বা কুসুমজাতীয় ফুল যা পঙ্কজ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈল — শৈল শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা পঙ্কজ শব্দের অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না। B) উৎপন্ন — উৎপন্ন শব্দের অর্থ যা সৃষ্টি হয়েছে বা ফলিত হয়েছে, এটি কোনো ফুলের নাম বা সমার্থক নয়। C) সুবর্ণ — সুবর্ণ শব্দের অর্থ সুন্দর বর্ণ বা সোনা, যা পঙ্কজ বা ফুলের সমার্থক শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) কুসুম — কুসুম শব্দের অর্থ ফুল, যদিও এটি পদ্মের সরাসরি সমার্থক নয়, তবুও ফুল অর্থে এটি পঙ্কজের সঙ্গে সম্পর্কিত। ৫. মনে রাখার টিপস: পঙ্কজ শব্দের শেষাংশ জ মানে জন্ম নেওয়া এবং পঙ্ক মানে পাঁক, তাই পাঁকে জন্মায় যা অর্থাৎ পদ্ম বা ফুল জাতীয় কুসুম। সমার্থক শব্দ পড়ার সময় মূল শব্দের অর্থ এবং ব্যাকরণগত উৎস ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পঙ্কজ, অবজ, কামল, উৎপল ইত্যাদি পদ্মের সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। এ ধরনের শব্দের বেলায় মূল উৎস বা ব্যাসবাক্য খেয়াল করলে সঠিক উত্তর বের করা সহজ হয়।
a দুধে-ভাতে
b মাতাপিতা
c কমবেশি
d সাত-পাঁচ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দুধে-ভাতে ১. কেন সঠিক: - যে দ্বন্দ সমাসে কোনো পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ সমাস বলে। - দুধে-ভাতে শব্দটিতে দুধের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি এবং ভাতের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে এবং ব্যাসবাক্যেও তা অক্ষুণ্ণ থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমাসের সংজ্ঞামতে, যে সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি লুপ্ত হয় না, তাকে অলুক সমাস বলে। - দ্বন্দ সমাসের ক্ষেত্রে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে এবং মাঝখানে 'ও', 'এবং', 'কিংবা' অব্যয় পদ লুপ্ত হয় কিন্তু বিভক্তি বহাল থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশে-বিদেশে ব্যাখ্যা: দেশে ও বিদেশে - এখানে 'এ' বিভক্তি লোপ পায়নি। উদাহরণ ২: জলে-স্থলে ব্যাখ্যা: জলে ও স্থলে - এখানেও বিভক্তি অপরিবর্তিত আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুধে-ভাতে - এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পায়নি। B) মাতাপিতা - এটি সাধারণ দ্বন্দ সমাস, যার ব্যাসবাক্য মাতা ও পিতা এবং এখানে কোনো বিভক্তি ছিল না। C) কমবেশি - এটি অলুক দ্বন্দ সমাস নয়, এটি একটি স্বাভাবিক দ্বন্দ সমাস যার ব্যাসবাক্য কম ও বেশি। D) সাত-পাঁচ - এটি অলুক দ্বন্দ সমাস নয়, এটি সংখ্যাবাচক শব্দে গঠিত সাধারণ দ্বন্দ সমাস যার ব্যাসবাক্য সাত ও পাঁচ। ৫. মনে রাখার টিপস: - অলুক শব্দের অর্থ হলো লোপ পায় না। - পরীক্ষার হলে শব্দের শেষে 'এ', 'য়' বা কোনো বিভক্তি স্পষ্ট দেখলে এবং উভয় পদ প্রধান হলে অলুক দ্বন্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস পরীক্ষায় অলুক সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে, অলুক সমাস শুধু দ্বন্দ সমাসেই নয়, অলুক তৎপুরুষ এবং অলুক বহুব্রীহি সমাসেও হতে পারে।
a উপমিত কর্মধারয়
b রূপক কর্মধারয়
c উপমান কর্মধারয়
d মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপমিত কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মের অর্থাৎ তুলনা করার গুণটির উল্লেখ থাকে না, কেবল উপমেয় ও উপমানের তুলনা বোঝানো হয়। - এখানে যার সঙ্গে তুলনা করা হয় অর্থাৎ উপমান এবং যাকে তুলনা করা হয় অর্থাৎ উপমেয়, উভয়ের মধ্যে তুলনা করা হলেও সাধারণ গুণবাচক পদের উল্লেখ থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সঙ্গে উপমানের তুলনা করা হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাসে ব্যাসবাক্যের শেষে সাধারণত 'মত' বা 'ন্যায়' বসে এবং সমস্তপদে উপমেয় পদটি প্রথমে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র মুখ ব্যাখ্যা: মুখ চন্দ্রের ন্যায় (এখানে মুখ হলো উপমেয় এবং চন্দ্র হলো উপমান, কিন্তু কোন সুন্দর বা অন্য কোনো সাধারণ ধর্মের উল্লেখ নেই)। উদাহরণ ২: পুরুষ সিংহ ব্যাখ্যা: পুরুষ সিংহের ন্যায় (এখানে পুরুষ হলো উপমেয় এবং সিংহ হলো উপমান, বীরত্ব বা অন্য কোনো সাধারণ ধর্মের উল্লেখ নেই)। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না। B) রূপক কর্মধারয় — এই অপশনে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না, তবে এটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়। C) উপমান কর্মধারয় — এই অপশনে উপমান পদের সঙ্গে সাধারণ ধর্মবাচক পদের মিলন ঘটে এবং সাধারণ ধর্মের স্পষ্ট উল্লেখ থাকে। D) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় — এই অপশনে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা পদগুলো সমস্তপদে লোপ পায়, যা তুলনার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উপমিত সমাসে সাধারণ ধর্ম থাকে না, শুধু দুটি বস্তুর তুলনা বোঝায়। - পরীক্ষার হলে মনে রাখবে, উপমিত মানেই সাধারণ ধর্ম অনুপস্থিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমিত ও উপমান কর্মধারয় এর পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্যে যদি সাধারণ ধর্ম (যেমন সুন্দর, বীর ইত্যাদি) মাঝখানে বা শেষে থাকে, তবে তা উপমান হয়, আর না থাকলে উপমিত হয়।
a মা
b মেয়ে
c ছাত্রী
d সতীন
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সতীন ১. কেন সঠিক: সতীন শব্দটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত কারণ এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। বাংলা ব্যাকরণে যে শব্দগুলো স্বভাবতই স্ত্রীবাচক বোঝায় এবং যাদের কোনো পুরুষবাচক শব্দ হয় না, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক ভেদের কোনো সুযোগ থাকে না এবং যা জন্মগতভাবেই স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করে, তাকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। বাংলা ভাষায় কিছু তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও দেশি শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় যা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে অবস্থান করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঐন্দ্রিলা একজন এয়োস্ত্রী নারী। ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যা সধবা নারীকে বোঝায়। উদাহরণ ২: বনিতা শব্দটি কাব্যিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: বনিতা একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার অর্থ নারী বা স্ত্রীলোক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মা — এটি একটি সাধারণ স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক জোড় হলো বাবা। B) মেয়ে — এটি একটি সাধারণ স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ ছেলে। C) ছাত্রী — এটি সাধারণ নিয়মে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ যার পুরুষবাচক রূপ ছাত্র। D) সতীন — এটি সঠিক কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ মনে রাখার জন্য সতীন, এয়োস্ত্রী, সধবা, বন্ধ্যা, শাশুড়ি এই শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। এগুলোর কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ হয় না বলে এগুলো পরীক্ষাসমূহে খুব বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক এবং নিত্য পুরুষবাচক শব্দ প্রায়ই বিকার বা লিঙ্গ পরিবর্তনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের সাথে সাধারণ লিঙ্গান্তরের নিয়ম মেলানো যাবে না কারণ এদের নির্দিষ্ট কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই।
a মই
b জোছনা
c পাতা
d কাগজ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাতা ১. কেন সঠিক: তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব শব্দ যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। পাতা শব্দটি সংস্কৃত পত্র শব্দ থেকে প্রাকৃত হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলা ভাষায় এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দকে মূলত পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে সংস্কৃত মূল শব্দ প্রাকৃত ভাষার ধাপ পেরিয়ে পরিবর্তিত রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদ ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ থেকে প্রাকৃত চন্দ হয়ে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত হস্ত শব্দ থেকে প্রাকৃত হত্ত হয়ে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মই — এটি একটি দেশি শব্দ, যা প্রাক-আর্য বা আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। B) জোছনা — এটি একটি অর্ধতৎসম শব্দ, কারণ এর মূল সংস্কৃত শব্দ জোৎস্নার কিছুটা পরিবর্তিত রূপ এটি। D) কাগজ — এটি একটি বিদেশি শব্দ, যা ফার্সি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: তদ্ভব শব্দ চেনার উপায় হলো এগুলোর রূপ সংস্কৃত থেকে অনেকটাই বদলে যায়। প্রাকৃতের সিঁড়ি বেয়ে আসা খাঁটি বাংলা শব্দই হলো তদ্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস নির্ণয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। তৎসম, তদ্ভব ও অর্ধতৎসম শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a চক্ষুস্মান
b চক্ষুষ্মান
c চক্ষুশ্মান
d চক্ষুম্মাণ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চক্ষুষ্মান কেন সঠিক: ১. মূল শব্দ চক্ষু এর সাথে মতুফ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষণ পদটি গঠিত হয়েছে। ২. নিয়ম অনুযায়ী মতুফ প্রত্যয়ের ম এর স্থানে ব এবং ত এর স্থানে দন্ত্য ন বা মূর্ধন্য ণ হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ই কার বা উ কারান্ত শব্দের পরে মতুফ প্রত্যয় যুক্ত হলে তার রূপ পরিবর্তন হয়। ২. এই ক্ষেত্রে মতুফ এর ত মূর্ধন্য ষ এ রূপান্তরিত হয় এবং পদের শেষে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। ৩. যেমন চক্ষু যোগ মতুফ সমান চক্ষুষ্মান, যা সঠিক বানান গঠন নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চক্ষুস্মান - এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভুল বানান। B) চক্ষুষ্মান - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি ব্যাকরণসিদ্ধ। C) চক্ষুশ্মান - এখানে তালব্য শ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। D) চক্ষুম্মাণ - এখানে বানানে অতিরিক্ত ম এবং ভুল ফলা যুক্ত করা হয়েছে যা অসিদ্ধ। মনে রাখার টিপস: ১. চক্ষু শব্দের শেষে সবসময় মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত রূপটি মনে রাখতে হবে। ২. মতুফ প্রত্যয় যুক্ত শব্দের বানান চর্চা করলে এই ধরণের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি
b অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
c করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
d অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি ১. কেন সঠিক: বাক্যে যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে। এখানে ফুল হলো ঘর ভরার মাধ্যম বা যন্ত্র। ফুলে ফুলে পদে ফুল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা বাংলায় সপ্তমী বা এতে বিভক্তির রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম। বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা করণ কারক। শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাঠি দ্বারা বা লাঠিতেই সাপ মারে। ব্যাখ্যা: এখানে লাঠি হলো মারার মাধ্যম বা যন্ত্র, তাই এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: কলমে লেখা যায় ভালো। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম হলো কলম, তাই কলমে শব্দটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারکه সপ্তমী বিভক্তি — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে ফুল কর্ম নয়, মাধ্যম। B) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — অধিকরণ কারক হলো সময় বা স্থান, কিন্তু এখানে ঘর ভরার স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না, মাধ্যম বোঝাচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর মেলে, তবে চোখ বন্ধ করে তা করণ কারক হবে। শব্দের শেষে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তির আওতাভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: করণ কারকে সাধারণত তৃতীয় ও সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। মাধ্যম বা যন্ত্র বোঝালেই তা নিশ্চিতভাবে করণ কারক হিসেবে গণ্য করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a everything
b nothing
c anything
d all
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) nothing কেন সঠিক: - এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো সম্পূর্ণ শূন্য থাকার চেয়ে কিছু পরিমাণ পাওয়াও ভালো। - এই প্রবাদে তুলনা বোঝাতে nothing শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) everything — প্রবাদের অর্থের সাথে এই শব্দটি মেলে না কারণ সবকিছু পাওয়ার কথা এখানে বলা হয়নি। C) anything — ব্যাকরণগত ও প্রবাদের ঐতিহ্যগত ব্যবহারের দিক থেকে এটি সঠিক নয়। D) all — এই শব্দটি বসালে প্রবাদের ভাবার্থ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায় এবং তা অসাংগত শোনায়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে মনে রাখবে যে শূন্য বা না পাওয়ার চেয়ে কিছু পাওয়া ভালো, তাই এর সাথে nothing শব্দটি যুক্ত হয়।
a benefits
b harms
c indicates
d strengthens
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) harms কেন সঠিক: এখানে 'tell upon' একটি ফ্রেজ যার অর্থ ক্ষতি করা বা কোনো কিছুর ওপর খারাপ প্রভাব ফেলা। ধূমপান আমাদের শরীরের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তাই এখানে harms সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) benefits — এর অর্থ উপকার করা, যা প্রশ্নের বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) harms — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) indicates — এর অর্থ নির্দেশ করা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়। D) strengthens — এর অর্থ শক্তিশালী করা, যা শরীরের ক্ষতি করার উল্টো অর্থ বোঝায়। মনে রাখার টিপস: 'Tell upon' ফ্রেজটি দেখলে সবসময় ক্ষতি করা বা ক্ষতিসাধন করা অর্থ মনে রাখবে।
a as regards
b by all means
c according to
d at random
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) according to কেন সঠিক: এখানে 'as' শব্দটি নিয়ম বা নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই বাক্যটিতে 'as' এর পরিবর্তে 'according to' বসলে অর্থ একদম সঠিক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as regards — এর অর্থ সম্পর্কযুক্ত বা বিষয়ে, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে মানায় না। B) by all means — এর অর্থ যেকোনো উপায়ে বা অবশ্যই, যা এখানে অর্থের সাথে মেলে না। C) according to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) at random — এর অর্থ এলামেলাভাবে বা কোনো নিয়ম ছাড়া, যা বাক্যের অর্থের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: বাক্যে নির্দেশ বা নিয়ম মেনে চলা বোঝালে 'as' এর জায়গায় 'according to' ব্যবহার করতে হয়।
a bad blood
b blue blood
c good blood
d cold blood
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) blue blood কেন সঠিক: এখানে aristocracy বলতে কুলীন বা উচ্চ বংশ বোঝানো হয়েছে। আর blue blood একটি প্রবাদ যা উচ্চবংশীয় বা অভিজাত পরিবারে জন্ম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bad blood — এর অর্থ হলো শত্রুতা বা মনমালিন্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) blue blood — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ উচ্চ বংশ বা অভিজাত পরিবার। C) good blood — এমন কোনো সাধারণ ইডিওম বা প্রবাদ ইংরেজি ভাষায় নেই। D) cold blood — এর অর্থ হলো ঠাণ্ডা মাথায় বা নির্মমভাবে কোনো অপরাধ করা। মনে রাখার টিপস: রক্তের রং লাল হলেও অভিজাতদের রক্তকে রূপক অর্থে নীল বলা হয়, তাই blue blood মানেই কুলীন বংশ।
a normal
b certain
c unusual
d strange
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) normal কেন সঠিক: ‘Usual’ শব্দটির অর্থ সাধারণত স্বাভাবিক বা নিয়মিত কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ‘Normal’ শব্দটির অর্থও স্বাভাবিক বা সাধারণ। তাই শব্দ দুটির অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এরা সমার্থক বা synonym। বাকি অপশন কেন ভুল: A) normal — এটি সঠিক উত্তর। B) certain — এর অর্থ নিশ্চিত, যা usual শব্দের সমার্থক নয়। C) unusual — এর অর্থ অস্বাভাবিক, যা usual শব্দের বিপরীতার্থক বা antonym। D) strange — এর অর্থ অদ্ভুত বা অচেনা, যা usual শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: Usual ও Normal উভয় শব্দই স্বাভাবিক অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
a new comer
b native
c adverse
d foreigner
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) native কেন সঠিক: - 'Alien' শব্দটির অর্থ হলো বিদেশি, ভিনদেশি বা বহিরাগত। - এর বিপরীতার্থক বা antonym শব্দ হলো 'native', যার অর্থ হলো দেশীয় বা স্থানীয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) new comer — এর অর্থ নতুন আগত ব্যক্তি, যা alien শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক নয়। B) native — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ দেশীয় বা স্থানীয়। C) adverse — এর অর্থ প্রতিকূল বা ক্ষতিকর, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক অর্থে বসে না। D) foreigner — এর অর্থ বিদেশি, যা alien শব্দের সমার্থক বা synonym হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: Alien মানে বিদেশি এবং Native মানে দেশীয়, এভাবে বিপরীত শব্দ দুটি মনে রাখা যায়।
a augment
b decrease
c quick
d lessen
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) augment কেন সঠিক: - 'Augment' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কিছু বৃদ্ধি করা বা প্রসারিত করা। এটি 'increase' শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে পুরোপুরি মিলে যায়। - এই দুটি শব্দই কোনো কিছুর পরিমাণ বা মাত্রা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি একটি আদর্শ ইংরেজি প্রতিশব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) augment — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বৃদ্ধি করা। B) decrease — এই শব্দটির অর্থ কমানো বা হ্রাস করা, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) quick — এই শব্দটির অর্থ দ্রুত, যা পরিমাণের বৃদ্ধি বোঝায় না বরং গতি নির্দেশ করে। D) lessen — এই শব্দটির অর্থও কমানো বা কমিয়ে আনা, যা ইনক্রিজ শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: ইনক্রিজ এবং অগমেন্ট উভয় শব্দের অর্থই হলো বৃদ্ধি করা, তাই এদের সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ।
a Having no pen, I can lend you.
b Without any pen, I can lend you.
c I have no pen to lend you.
d I have not enough pen to lend
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I have no pen to lend you. কেন সঠিক: জটিল বাক্যটিকে সরল বাক্যে রূপান্তর করার সময় relative pronoun তুলে দিয়ে infinitive phrase ব্যবহার করতে হয়। এখানে 'that I can lend you' অংশটি সংকুচিত হয়ে 'to lend you' হয়েছে এবং মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Having no pen, I can lend you. — এই অপশনটির অর্থ সম্পূর্ণ বিপরীত হয়ে যায় কারণ কলম না থাকলে তা ধার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। B) Without any pen, I can lend you. — বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে মেলে না। C) I have no pen to lend you. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I have not enough pen to lend — এখানে 'pen' শব্দটি countable হওয়ায় 'pen'-এর জায়গায় 'pens' হওয়া উচিত ছিল এবং বাক্যটি অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: complex sentence-কে simple করার সময় relative clause-কে infinitive (to + verb) এ রূপান্তর করতে হয়।
a A lie is never told.
b A lie is never be told.
c Let a lie never be told.
d Let not a lie be told ever.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Let a lie never be told. কেন সঠিক: - মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি নিষেধ বা আদেশমূলক, যা 'Never' দিয়ে শুরু হয়েছে। - Imperative Sentence-এ মূল verb দিয়ে শুরু না হয়ে 'Never' থাকলে Passive করার নিয়ম হলো: Let + object + never + be + verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A lie is never told. — এটি Assertive sentence-এর passive রূপ, কিন্তু মূল প্রশ্নটি Imperative sentence হওয়ায় এই গঠনটি সঠিক নয়। B) A lie is never be told. — এই গঠনে 'is' এবং 'be' একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে যা ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়মে সম্পূর্ণ ভুল। C) Let a lie never be told. — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্যাসিভ ফর্ম। D) Let not a lie be told ever. — এখানে 'never'-এর পরিবর্তে 'not... ever' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের অর্থ এবং স্বাভাবিক কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: Neverযুক্ত Imperative sentence-কে Passive করার সময় বাক্যটি সবসময় 'Let + object + never + be + V3' কাঠামোগত নিয়মে পরিবর্তন করতে হয়।
a No other cities in Bangladesh are as big as Dhaka.
b Very few cities in Bangladesh are as big as Dhaka.
c Very few cities in Bangladesh is as big as Dhaka.
d Some cities in Bangladesh is as big as Dhaka.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Very few cities in Bangladesh are as big as Dhaka. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে one of the biggest থাকায় পজিটিভ করার সময় Very few দিয়ে শুরু করতে হয়। এর পরের নিয়ম অনুযায়ী অবজেক্টের বহুবচন রূপ এবং plural verb বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No other — প্রদত্ত বাক্যে one of the the থাকলে No other দিয়ে পজিটিভ করা যায় না। B) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। C) is — Very few এর পর plural verb বসবে কিন্তু এখানে singular verb দেওয়া হয়েছে। D) Some — one of the the থাকলে পজিটিভ করার নিয়ম অনুযায়ী Some ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: প্রদত্ত বাক্যে one of the থাকলে পজিটিভ করার সময় শুরুতে Very few এবং verb হিসেবে সবসময় plural form ব্যবহার করতে হবে।
a The moon was not visible.
b The moon was not invisible.
c Nothing but the moon was visible.
d None but the moon was visible
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nothing but the moon was visible. কেন সঠিক: - Affirmative বাক্যে ব্যক্তি বা প্রাণী ছাড়া বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে 'Only' বা 'Alone' থাকলে Negative করার সময় তার পরিবর্তে 'Nothing but' ব্যবহার করতে হয়। - প্রদত্ত বাক্যে 'the moon' একটি বস্তুবাচক পদ হওয়ায় 'Only'-র পরিবর্তে 'Nothing but' বসিয়ে বাক্যটিকে সঠিকভাবে Negative করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The moon was not visible. — এটি Negative হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল নেই কারণ এতে 'Only' শব্দটির সঠিক রূপান্তর ঘটেনি। B) The moon was not invisible. — এখানে শব্দের বিপরীতার্থক রূপ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সমার্থক বা সঠিক Negative রূপ নয়। C) Nothing but the moon was visible. — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে সঠিকভাবে Negative করা হয়েছে। D) None but the moon was visible — 'None but' সাধারণত ব্যক্তিবাচক পদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'the moon' বস্তুবাচক হওয়ায় এখানে এটি বসবে না। মনে রাখার টিপস: বস্তু বা ইতর প্রাণীর ক্ষেত্রে Only-র পরিবর্তে Nothing but এবং ব্যক্তির ক্ষেত্রে None but বসে।
a life
b might
c mind
d right
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) mind কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য। যার বাংলা অর্থ চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) life — প্রবচনের নিয়মের সাথে জীবন শব্দটি মেলে না। B) might — এই প্রবাদে শক্তির কোনো স্থান নেই। C) mind — এটি সঠিক শব্দ এবং প্রবচনটি সম্পন্ন করে। D) right — সঠিক শব্দটির অর্থ এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: চোখের সামনে না থাকলে আমরা যেমন ভুলে যাই, তেমনি মনে রেখো Out of sight মানেই হলো out of mind.
a faces
b lives
c minds
d thoughts
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) minds কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ হলো নান1 মুনির নান1 মত। এই প্রবাদের নির্দিষ্ট শব্দ বা গঠন হিসেবে minds শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) faces — এটি প্রবাদের প্রচলিত সঠিক শব্দ নয় কারণ মানুষের মুখ নয় বরং চিন্তাভাবনার ভিন্নতা বোঝানো হয়েছে। B) lives — মানুষের জীবনের ভিন্নতা থাকলেও এই প্রবাদে জীবন শব্দটি ব্যবহার করার নিয়ম নেই। C) minds — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় প্রযোজ্য নয়। D) thoughts — চিন্তা বোঝানো হলেও প্রবাদের নির্ধারিত অংশ হিসেবে এই শব্দটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দ পরিবর্তন করা যায় না, তাই বহু মানুষের বিভিন্ন মত বোঝাতে many men, many minds প্রবাদটি মুখস্থ রাখতে হবে।
a nothing
b healing
c cure
d remedy
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) cure কেন সঠিক: এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ বাক্য যার অর্থ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। এই প্রবাদটি অনুসারে রোগের চিকিৎসা বা প্রতিকারের চেয়ে রোগ যাতে না হয় তার ব্যবস্থা করা শ্রেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) nothing — এই শব্দটি প্রবাদের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে অর্থহীন। B) healing — এটি নিরাময় করা অর্থে ব্যবহৃত হলেও মূল প্রবাদে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। C) cure — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে অপর একটি সঠিক শব্দ প্রযোজ্য নয়। D) remedy — এই শব্দটি প্রতিকার অর্থে কিছুটা মিললেও এটি মূল প্রবাদের ঐতিহ্যগত অংশ নয়। মনে রাখার টিপস: প্রভেনশন ইজ বেটার দেন কিওর প্রবাদটি সবসময় মনে রাখবে।
a is beginning
b began
c begins
d has begun
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) begins কেন সঠিক: বাক্যটি একটি চিরন্তন সত্য প্রবাদ বা সার্বজনীন সত্য প্রকাশ করছে। এই ধরনের প্রবাদের ক্ষেত্রে সর্বদা Present Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়। Subject 'Charity' হলো Third Person Singular Number। তাই verb এর সাথে 's' যুক্ত হয়ে 'begins' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is beginning — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় চিরন্তন সত্য বাক্যে বসে না। B) began — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের সাধারণ সত্য প্রকাশ করে না। C) begins — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) has begun — এটি Present Perfect Tense হওয়ায় প্রবাদের নিয়মের সাথে মিলে না। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা প্রবাদ বাক্য দেখলে চোখ বন্ধ করে Present Indefinite Tense ব্যবহার করবে এবং Subject একা থাকলে verb এর সাথে s বা es যোগ করবে।
a obey
b obeying
c obeyed
d be obeyed
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) obey কেন সঠিক: বাক্যটিতে ইট ইজ আওয়ার ডিউটি স্ট্রাকচার রয়েছে, যার পরে ইনফিনিটিভ ভার্ব বসে। এখানে টু এর পরে মূল ভার্ব বা প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) obey — এটি সঠিক উত্তর কারণ টু এর পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। B) obeying — এটি ভুল কারণ টু এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় না। C) obeyed — এটি ভুল কারণ টু এর পরে পাস্ট ফর্ম বা পাস্ট পার্টিসিপল বসে না। D) be obeyed — এটি ভুল কারণ এটি প্যাসিভ অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে টু থাকলে সাধারণত তার পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
a taste
b tasting
c tasted
d being tasted
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) tasted কেন সঠিক: এখানে বাক্যটির অর্থ বোঝায় মধু খেতেই মিষ্টি লাগে। এটি একটি অর্জিত বা প্রমাণিত গুণ প্রকাশ করে বিধায় সঠিক উত্তরটি পাস্ট পার্টিসিপল রূপ ধারণ করেছে। বাক্যের গঠন অনুসারে এখানে passive meaning প্রকাশ পাচ্ছে। তাই সঠিক অপশন হিসেবে tasted নির্বাচন করতে হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) taste — এটি ভার্বের বেজ ফর্ম হওয়ায় বাক্যের গঠনে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয় না। B) tasting — এটি কন্টিনউয়াস টেন্স বোঝালেও মধু নিজে নিজে খায় না তাই এটি ভুল। D) being tasted — এটি চলমান প্যাসিভ অর্থ প্রকাশ করে যা এই সাধারণ সত্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: যেসব কাজের কর্তা নিজে কাজটি করে না বরং তার গুণ প্রকাশ পায়, সেখানে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহৃত হয়।
a losing
b loss
c lost
d loose
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) loss কেন সঠিক: 'Lose' একটি verb বা ক্রিয়া শব্দ যার অর্থ হারানো বা হারিয়ে ফেলা। এর সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ হলো 'loss' যার অর্থ ক্ষতি বা লোকসান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) losing — এটি verb শব্দের সাথে ing যুক্ত হয়ে continuous tense অথবা gerund বা participle হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) loss — এটি সঠিক noun বা বিশেষ্য রূপ। C) lost — এটি 'lose' verb এর past বা past participle রূপ হিসেবে কাজ করে। D) loose — এটি একটি adjective বা বিশেষণ যার অর্থ ঢিলা বা আলগা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দ চেনার সময় শব্দের শেষে s বা se থাকলে তা সাধারণত verb হয় এবং ss থাকলে noun হয়।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) noun কেন সঠিক: বাক্যে 'Lovely' শব্দটি কোনো ব্যক্তির নাম বোঝাচ্ছে এবং এটি সাবজেক্ট হিসেবে বসেছে। যেকোনো নামই মূলত নাউনের কাজ করে। এটি বাক্যে মূল কাজ সম্পন্ন করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ Lovely এখানে একজন ব্যক্তির নাম বুঝিয়েছে। B) pronoun — এটি প্রোনাউন নয় কারণ প্রোনাউন নামের পরিবর্তে বসে। C) adjective — এটি অ্যাডজেক্টিভ নয় কারণ এটি কোনো দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। D) adverb — এটি অ্যাডভার্ব নয় কারণ এটি ক্রিয়ার সময় বা স্থান নির্দেশ করছে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে কোনো নির্দিষ্ট নাম থাকলে তা সবসময় নাউন হয়।
a noun
b pronoun
c adjective
d adverb
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) adjective কেন সঠিক: ‘pleasant’ শব্দটি বাক্যে ‘journey’ নামের Noun-এর ঠিক পরে বসেছে এবং এর দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে। Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করায় এটি একটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু ‘pleasant’ কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। B) pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, কিন্তু এটি নামের বদলের জন্য বসেওনি। C) adjective — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি Noun-এর দোষ-গুণ প্রকাশ করেছে। D) adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কেmodify করে, কিন্তু এখানে তা হয়নি। মনে রাখার টিপস: যে শব্দ কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, তাকেই Adjective বলে।
a English is easy for learning.
b The English is easy to learn.
c It is easy to learning English.
d It is easy to learn English.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) It is easy to learn English. কেন সঠিক: কোনো কাজ সহজ বা কঠিন বোঝাতে It দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়। এর পর adjective বসে এবং infinitive হিসেবে to এর সাথে verb এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) English is easy for learning — for learning ব্যবহার না করে সরাসরি to learn লেখা উচিত। B) The English is easy to learn — ভাষার নামের আগে সাধারণত the বসে না। C) It is easy to learning English — easy এর পর to learning না বসে to learn বসে। D) It is easy to learn English — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক। মনে রাখার টিপস: সহজ বা কঠিন বোঝাতে ইট ইজ এর পর এডজেক্টিভ এবং টু প্লাস ভার্ব ব্যবহার করতে হয়।
a The life is not bed of roses.
b A life is not bed of roses.
c Life is not bed of roses.
d Life is not a bed of roses.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Life is not a bed of roses. কেন সঠিক: সাধারণ সত্য বা জীবন সম্পর্কে সার্বজনীন কোনো কথা বোঝাতে uncountable noun এর পূর্বে কোনো article বসে না। তাই Life এর পূর্বে the বা a বসে নি। ঝামেলাহীন বা সহজ জীবন বোঝাতে ইংরেজি প্রবাদ বাক্য হিসেবে bed of roses এর পূর্বে a article ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The life is not bed of roses — সাধারণ অর্থে life এর পূর্বে the বসে না এবং roses এর পূর্বে a বাদ পড়েছে। B) A life is not bed of roses — নির্দিষ্ট কোনো একটি জীবন বোঝাচ্ছে না, তাই life এর আগে a বসবে না। C) Life is not bed of roses — এখানে সঠিক idiom না মেনে bed of roses এর পূর্বে প্রয়োজনীয় article টি বাদ দেওয়া হয়েছে। D) Life is not a bed of roses — এই অপশনটিতে সমস্ত ব্যাকরণগত নিয়ম এবং প্রবাদ বাক্যটি সঠিকভাবে লেখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হয়, তাই জীবন পুষ্পশয্যা নয় বোঝাতে সবসময় Life is not a bed of roses বলতে হবে।
a He is well in English.
b He is expert in English.
c He is good at English.
d He is better in English
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He is good at English. কেন সঠিক: কোনো বিষয়ে দক্ষতা বা পারদর্শিতা বোঝাতে 'good at' সঠিক ফ্রেজ বা প্রিপজিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজিতে পারদর্শী বোঝাতে 'good' শব্দের পর নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'at' প্রিপজিশন বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is well in English. — 'well' সাধারণত স্বাস্থ্য ভালো বোঝাতে বসে, দক্ষতার ক্ষেত্রে 'at' এর বদলে 'in' ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He is expert in English. — 'expert' এর পর সাধারণত 'in' এর চেয়ে 'at' বা 'in' দুটোই চলে, তবে স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি গঠনে 'good at' বেশি গ্রহণযোগ্য। C) He is good at English. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) He is better in English — এখানে তুলনামূলক তুলনা বোঝাতে 'better' ব্যবহৃত হয়েছে, যা সাধারণ বাক্যের জন্য সঠিক নয় এবং 'in' ভুল। মনে রাখার টিপস: দক্ষতা বোঝাতে গুডের পর সবসময় এট বসে, যেমন হি ইজ গুড এট ইংলিশ।
a blotted
b broken
c endured
d updated
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) blotted কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ কপালে যা লেখা আছে তা মোছা যায় না। এখানে lotted শব্দের সাথে ছ মিল রেখে blotted শব্দটি ব্যবহার করা হয়। প্রবাদের নিয়ম অনুযায়ী শূন্যস্থানে অন্য কোনো শব্দ বসালে অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়। তাই সঠিক শব্দ হিসেবে blotted নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) blotted — এটি সঠিক উত্তর এবং প্রবাদের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) broken — এই শব্দটি ভাঙার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যা প্রবাদের অর্থের সাথে মিলে না। C) endured — এর অর্থ সহ্য করা যা এই প্রবাদের শূন্যস্থানে বসে না। D) updated — এটি আধুনিক প্রযুক্তির শব্দ যা এই প্রাচীন প্রবাদের সাথে যায় না। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে lotted দেখলে সবসময় blotted শব্দটিকে বেছে নেবে।
a strength
b power
c gravity
d comfort
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) power কেন সঠিক: জ্ঞান মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। এটি মানুষকে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। প্রবাদ আছে যে জ্ঞানই শক্তি। এটি মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) strength — এটি শারীরিক শক্তি বোঝায়, কিন্তু প্রবাদে শক্তির জন্য এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। খ) power — এটি সঠিক কারণ এটি বিখ্যাত প্রবাদের সাথে সরাসরি মিলে যায়। গ) gravity — এর অর্থ মহাকর্ষ, যা জ্ঞানের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ঘ) comfort — এর অর্থ আরাম, যা জ্ঞানের রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান সম্পর্কিত বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদটি হলো জ্ঞানই শক্তি বা নলেজ ইজ পাওয়ার।

মোট প্রশ্ন (25)

a ১ বছরে
b ২০ বছরে
c ৫ বছরে
d ১০০ বছরে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০ বছরে প্রদত্ত তথ্য: সুদের হার = ৫% সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে ধরি, আসল = ১০০ টাকা সুদে আসল = ২০০ টাকা অতএব, সুদ = ২০০ − ১০০ = ১০০ টাকা বার্ষিক সুদ = ৫ টাকা সুতরাং, সময় = মোট সুদ ÷ বার্ষিক সুদ সময় = ১০০ ÷ ৫ = ২০ বছর উত্তর: ২০ বছরে
a n(n + 1)/2
b n(n + 1) (2n + 1)/2
c {n(n + 1)/2}2
d একটিও নয়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) n(n + 1)/22 প্রদত্ত তথ্য: স্বাভাবিক সংখ্যার ঘনের সমষ্টি নির্ণয় করার ধারা দেওয়া হলো। ধারার শেষ পদ হলো n এর উপর কিউব। ধরি, ধারাটির প্রথম পদ ১ এর উপর কিউব ধারাটির দ্বিতীয় পদ ২ এর উপর কিউব ধারাটির এন তম পদ n এর উপর কিউব অতএব, স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টির সূত্র আমরা জানি n গুণ (n + 1) ভাগ ২। ঘনের সমষ্টির ক্ষেত্রে এই সম্পূর্ণ মানের উপর একটি বর্গ বা স্কয়ার দিতে হয়। তাই প্রথম ধাপ থেকে প্রাপ্ত মানের উপর বর্গ করা হলো। সুতরাং, নির্ণীয় ধারাটির সমষ্টি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর n গুণ (n + 1) ভাগ ২ এবং তার বাইরে স্কয়ার। উত্তর: n(n + 1)/22
a (a + b) h
b 2(a + b) h
c 1/2 × (a + b) × h
d 1/2 (a – b) h
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1/2 × (a + b) × h প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের দুটি সমান্তরাল বাহুর দৈর্ঘ্য a সে.মি. ও b সে.মি. বাহু দুটির মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব বা উচ্চতা h সে.মি. ধরি, প্রথম সমান্তরাল বাহু = a দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু = b অতএব, উচ্চতা = h ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সাধারণ সূত্র প্রয়োগ করে পাই সুতরাং, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ১/২ × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল) × উচ্চতা উত্তর: ১/২ × (a + b) × h বর্গ সে.মি.
a 1
b 0
c অনির্ণেয়
d 2
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো a এর পাওয়ার x সমান ১ যেখানে a শূন্য নয় এমন যেকোনো বাস্তব সংখ্যা ধরি, a এর পাওয়ার x সমান ১ অতএব, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান ১ হয় তাই a এর পাওয়ার শূন্য লিখলে তার মান ১ পাওয়া যায় সুতরাং, a এর পাওয়ার x সমান a এর পাওয়ার শূন্য লেখা যায় উত্তর: ০
a 6 ব.মি.
b 60 ব.মি.
c 10 ব.মি.
d 64 ব.মি.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ ব.মি. প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ৪ মিটার বেশি ঘরটির পরিসীমা ৩২ মিটার ধরি, ঘরের প্রস্থ = ক মিটার ঘরের দৈর্ঘ্য = ক + ৪ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (ক + ক + ৪) = ৩২ ৪ × ক + ৮ = ৩২ সুতরাং, ৪ × ক = ৩২ − ৮ ৪ × ক = ২৪ ক = ৬ মিটার উত্তর: প্রস্থ = ৬ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ৬ + ৪ = ১০ মিটার ক্ষেত্রফল = ১০ × ৬ = ৬০ বর্গমিটার
a সমান
b সর্বসম
c অসমান
d সদৃশকোণী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সদৃশকোণী প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ত্রিভুজের তিনটি কোণ এবং দ্বিতীয় ত্রিভুজের তিনটি কোণ পরস্পর সমান ধরি, প্রথম ত্রিভুজের কোণ তিনটি ক, খ এবং গ দ্বিতীয় ত্রিভুজের কোণ তিনটি ক, খ এবং গ অতএব, ত্রিভুজ দুটির বাহুগুলোর অনুপাত সমান হবে কিন্তু বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য সমান নাও হতে পারে সুতরাং, কোণগুলো সমান হওয়ায় ত্রিভুজদ্বয় সদৃশকোণী হবে উত্তর: সদৃশকোণী
a π
b πr
c 2
d 2r
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) π প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের পরিধি এবং ব্যাসের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r বৃত্তের ব্যাস = d = ২r বৃত্তের পরিধি = c = ২πr অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = পরিধি ÷ ব্যাস পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = ২πr ÷ ২r সুতরাং, অনুপাতটি সমান হবে π উত্তর: π
a sinθ = 1 + cos2θ
b sin2θ = 1 – cos2θ
c sin2θ – cos2θ = 1
d sin2θ = 1/cosθ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) sin2θ = 1 – cos2θ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতির মৌলিক অভেদ সমকোণী ত্রিভুজের বাহুর সম্পর্ক ধরি, কোণের মান = থিটা অতএব, sin বর্গ থিটা + cos বর্গ থিটা = ১ সুতরাং, sin বর্গ থিটা = ১ − cos বর্গ থিটা উত্তর: sin2θ = 1 – cos2θ
a b = ac
b c2 = ab
c b2 = ac
d b = ac
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) b বর্গ = ac প্রদত্ত তথ্য: a, b এবং c তিনটি সংখ্যা ক্রমিক সমানুপাতিক ধরি, a অনুপাত b সমান b অনুপাত c অতএব, a ভাগ b সমান b ভাগ c সুতরাং, b গুণ b সমান a গুণ c উত্তর: b বর্গ = ac
a 0
b 1
c x2 – y2
d x + y
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি তিনটি হলো x + y, x − y এবং x২ − y২ ধরি, প্রথম রাশি = x + y দ্বিতীয় রাশি = x − y তৃতীয় রাশি = x২ − y২ অতএব, প্রথম রাশি = (x + y) দ্বিতীয় রাশি = (x − y) তৃতীয় রাশি = (x + y) × (x − y) সুতরাং, রাশি তিনটির মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই উত্তর: ১
a x = an
b x = Inx
c a = xn
d x = logan
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x = logan প্রদত্ত তথ্য: সূচকীয় সমীকরণ দেওয়া আছে a এর পাওয়ার x সমান n ধরি, লগারিদম এর সংজ্ঞা অনুযায়ী এই সমস্যা সমাধান করা যায় এখানে a হলো ভিত্তি এবং n হলো মান অতএব, সূচককে আলাদা করতে লগারিদম ব্যবহার করা হয় সমীকরণের উভয় পক্ষে লগ নিয়ে পাই সুতরাং, x হলো সেই মান যা a এর উপর বসালে n পাওয়া যায় তাই x সমান logan লেখা যায় উত্তর: D) x = logan
a (a + b)2 – (a – b)2
b (a – b)2 – (a + b)2
c (a + b)2/2 + (a – b)2/2
d (a + b/2)2 – (a – b/2)2
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (a + b)স্কয়ার − (a − b)স্কয়ার প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত বা সূত্র প্রয়োগ করতে হবে। এখানে ৪ab এর সঠিক সূত্র নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। ধরি, প্রথম বীজগণিতীয় রাশি = (a + b)স্কয়ার দ্বিতীয় বীজগণিতীয় রাশি = (a − b)স্কয়ার অতএব, (a + b)স্কয়ার এর বিস্তার হলো এ স্কয়ার + ২ab + বি স্কয়ার। (a − b)স্কয়ার এর বিস্তার হলো এ স্কয়ার − ২ab + বি স্কয়ার। সুতরাং, প্রথম রাশি থেকে দ্বিতীয় রাশি বিয়োগ করলে ৪ab পাওয়া যায়। উত্তর: (a + b)স্কয়ার − (a − b)স্কয়ার
a (x + y) (x + y)
b (x + y) (x – y)
c (x – y) (x – y)
d (y + x) (y – x)
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (x + y) (x − y) প্রدত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x২ − y২ ধরি, বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো বর্গের সূত্র অতএব, দুটি বর্গের বিয়োগফলের সূত্র প্রয়োগ করতে হবে সুতরাং, প্রথম রাশি ও দ্বিতীয় রাশির যোগফল এবং বিয়োগফলের গুণফল লিখতে হবে উত্তর: (x + y) (x − y)
a [2]
b 2^-1
c -2
d {2}
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 2 প্রদত্ত তথ্য: সেট গঠন পদ্ধতিতে দেওয়া আছে A = x : x জোড় মৌলিক সংখ্যা ধরি, x হলো এমন একটি সংখ্যা যা মৌলিক এবং একই সাথে জোড় অতএব, আমরা জানি সবচেয়ে ছোট এবং একমাত্র জোড় মৌলিক সংখ্যা হলো দুই সুতরাং, সেটটির উপাদান শুধু দুই সংখ্যাটি হবে উত্তর: 2
a 0
b a
c 1
d অনির্ণেয়
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: এখানে a এর মান শূন্য নয় এবং আমাদের a এর পাওয়ার শূন্য এর মান বের করতে হবে। ধরি, a এর পাওয়ার m কে a এর পাওয়ার m দ্বারা ভাগ করা হলো। অতএব, সূচকের নিয়ম অনুযায়ী ভাগের ক্ষেত্রে পাওয়ার দুটি বিয়োগ হয়। সুতরাং, একই সংখ্যাকে একই সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ১ হয়। উত্তর: ১
a ১.৬০৯ কি.মি.
b ০.৬২ কি.মি.
c ১ কি.মি.
d ১.১ কি.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১.৬০৯ কি.মি. প্রদত্ত তথ্য: দূরত্বের একক মাইল ও কিলোমিটারের সম্পর্ক জানা প্রয়োজন আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ মাইল সমান কত তা নির্দিষ্ট আছে ধরি, ১ মাইল = ক কিলোমিটার আমরা জানি মাইল এবং কিলোমিটারের আন্তর্জাতিক মান ধ্রুবক অতএব, একক পরিবর্তনের আদর্শ মান ব্যবহার করতে হবে ১ মাইল এবং কিলোমিটারের সরাসরি রূপান্তর হিসাব করতে হবে সুতরাং, ১ মাইল পরিমাপ করলে কিলোমিটারের আদর্শ মান পাওয়া যায় উত্তর: ১.৬০৯ কি.মি.
a ৪ গুণ
b ১/৪ গুণ
c ২ গুণ
d ১/২ গুণ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/২ গুণ প্রদত্ত তথ্য: শ্রমিক সংখ্যা দ্বিগুণ করা হলো ধরি, পূর্বের শ্রমিকের সংখ্যা = ক জন কাজটি শেষ করতে পূর্বের সময় লাগে = খ দিন অতএব, মোট কাজের পরিমাণ = ক × খ জন-দিন নতুন শ্রমিকের সংখ্যা = ২ক জন সুতরাং, নতুন সময়ের পরিমাণ = (ক × খ) ÷ ২ক দিন নতুন সময় = (১ ÷ ২) × খ দিন উত্তর: ১/২ গুণ
a 0.76736111111111
b 0.85069444444444
c 1.0173611111111
d 0.80902777777778
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটি ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২৪ = ৭৬ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৭৬ ÷ ১০০ = ০.৭৬ উত্তর: প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক মানটি হলো D) ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a 8
b 16
c 2
d 4
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: কোনো একটি অজানা সংখ্যার ৭৫% হলো ৩ ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৭৫% = ৩ সুতরাং, ক × (৭৫ ÷ ১০০) = ৩ ক × (৩ ÷ ৪) = ৩ উত্তর: ক = ৩ × (৪ ÷ ৩) = ৪
a 6
b 0
c 4
d 1
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত সংখ্যাগুলো হলো ০, ৫ এবং ৭ ধরি, সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ = ০ + ৫ + ৭ মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৩ অতএব, সংখ্যা তিনটির যোগফল = ১২ সংখ্যাগুলোর গড় নির্ণয়ের সূত্র = (সংখ্যাগুলোর যোগফল ÷ মোট সংখ্যা) সুতরাং, গড় = ১২ ÷ ৩ উত্তর: ৪
a মূলদ
b অমূলদ
c স্বাভাবিক সংখ্যা
d পূর্ণ সংখ্যা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অমূলদ প্রدত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো রুট ২৮৯ এর মান নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যাটি ক = √২৮৯ আমরা জানি ১৭ × ১৭ = ২৮৯ অতএব, √২৮৯ এর মান হলো ১৭ ১৭ একটি পূর্ণ সংখ্যা এবং মূলদ সংখ্যা সুতরাং, মূল সংখ্যার উপর পুনরায় বর্গমূল করলে হয় √১৭ যা একটি অমূলদ সংখ্যা উত্তর: অমূলদ
a 3√3
b 18
c 9
d 0
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রদত্ত তথ্য: বন্ধনীতে a যোগ এক ভাগ a এর সম্পূর্ণ স্কয়ার সমান তিন ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটি থেকে পাই a যোগ এক ভাগ a সমান ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক বর্গমূল তিন অতএব, ঘন সূত্র অনুযায়ী a কিউব যোগ এক ভাগ a কিউব সমান ব্র্যাকেটের ভেতর a যোগ এক ভাগ a এর হোল কিউব বিয়োগ তিন গুণ a গুণ এক ভাগ a গুণ ব্র্যাকেটের ভেতর a যোগ এক ভাগ a সুতরাং, মান বসিয়ে পাই বর্গমূল তিন এর হোল কিউব বিয়োগ তিন গুণ বর্গমূল তিন উত্তর: শূন্য
a 1/3
b 2
c 1/2
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম এর মান নির্ণয় করতে হবে এখানে ভিত্তি হলো চার এবং সংখ্যাটি হলো দুই ধরি, লগ এর মান সমান এক্স প্রশ্নানুসারে লেখা যায় অতএব, চারের পাওয়ার এক্স সমান দুই চার কে দুই এর স্কয়ার লেখা যায় সুতরাং, দুই এর পাওয়ার দুই এক্স সমান দুই এর পাওয়ার এক দুই এক্স সমান এক উত্তর: এক্স সমান ১/২
a 60°
b 80°
c 90°
d 100°
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮০° প্রদত্ত তথ্য: ABCD সামান্তরিকের DC ভূমিকে E পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো ∠BAD কোণের মান ১০০° ধরি, সামান্তরিকের বিপরীত কোণ দুটি পরস্পর সমান ∠BCD কোণটি ∠BAD কোণের সমান হবে অতএব, ∠BCD কোণের মান হবে ১০০° DC ভূমিকে E পর্যন্ত বর্ধিত করায় DCE একটি সরলরেখা হয় ∠BCD এবং ∠BCE মিলে একটি সরলকোণ বা ১৮০° কোণ উৎপন্ন করে সুতরাং, ∠BCE কোণের মান হবে ১৮০° − ১০০° উত্তর: ৮০°
a 25√3 বর্গ সে.মি.
b 25√2 বর্গ সে.মি.
c 100 বর্গ সে.মি.
d 50 বর্গ সে.মি.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৫√৩ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০ সে. মি. ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক ক = ১০ সে. মি. অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহু × বাহু) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১০ × ১০) ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১০০ উত্তর: ২৫√৩ বর্গ সে. মি.

মোট প্রশ্ন (25)

a 1948
b 1946
c 1945
d 1947
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৫ কেন সঠিক: - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রোধ এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। - সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে ৫১টি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্রের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৮ — এই সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার তিন বছর আগে। B) ১৯৪৬ — এই সালে জাতিসংঘের পূর্বসূরি সংস্থা লিগ অব নেশনস আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয় এবং ইউনেস্কো প্রতিষ্ঠিত হয়। C) ১৯৪৫ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই জাতিসংঘ সনদ কার্যকর ও সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। D) ১৯৪৭ — এই সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তি এবং পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বছর অর্থাৎ ১৯৪৫ সালেই বিশ্বশান্তির জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
a ভিটামিন-ই
b ভিটামিন-কে
c ভিটামিন-সি
d ভিটামিন-বি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন-সি কেন সঠিক: - ভিটামিন-সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে, যা সর্দি-কাশি প্রতিরোধে সরাসরি কাজ করে। - এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের কোষগুলোকে সুরক্ষা দিয়ে সাধারণ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা কমায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন-ই — এটি প্রজনন স্বাস্থ্য ও ত্বকের সুরক্ষার জন্য কাজ করে, সরাসরি সর্দি-কাশি প্রতিরোধের সঙ্গে যুক্ত নয়। B) ভিটামিন-কে — এটি রক্ত জমাট বাঁধতে এবং হাড়ের গঠনে সহায়তা করে, সর্দি-কাশির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ভিটামিন-সি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সর্দি-কাশি দূর করে। D) ভিটামিন-বি — এটি স্নায়ুর কার্যকারিতা ও শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, সর্দি-কাশির প্রধান প্রতিরোধক নয়। মনে রাখার টিপস: টক জাতীয় ফল যেমন আমলকী ও লেবুতে প্রচুর ভিটামিন-সি থাকে, যা খেলে সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকা যায়।
a CO2
b CH4
c CFC
d N2
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) CFC কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন গ্যাসে থাকা ক্লোরিন পরমাণু বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তরে পৌঁছে ওজোন অণুকে ভেঙে অক্সিজেনে পরিণত করে। - এই রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলে ওজোন স্তরে ক্ষয় বা ছিদ্র সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO2 — এটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী, ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ নয়। B) CH4 — এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস বা মিথেন, যা মূলত কৃষিকাজ ও গবাদিপশু থেকে উৎপন্ন হয়। C) CFC — এটি ওজোনস্তর ক্ষয়ের জন্য প্রধান ও সর্বাধিক দায়ী গ্যাস। D) N2 — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস এবং এটি ওজোন স্তরের কোনো ক্ষতি করে না। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য প্রধানত ফ্রিজ ও এসি-তে ব্যবহৃত সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন দায়ী।
a আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
b লুই পাস্তুর
c আইকম্যান
d উইলিয়াম হার্ভে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কেন সঠিক: - বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে প্রথম পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। - এটি বিশ্বের প্রথম সফল অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবাণুনাশক হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন। B) লুই পাস্তুর — তিনি জলাতঙ্কের টিকা ও পাসচারাইজেশন প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেছিলেন, পেনিসিলিন নয়। C) আইকম্যান — তিনি ভিটামিন বি বা থায়ামিন আবিষ্কারের সাথে যুক্ত ছিলেন, পেনিসিলিন আবিষ্কারের সাথে নন। D) উইলিয়াম হার্ভে — তিনি মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র আবিষ্কার করেছিলেন, পেনিসিলিন আবিষ্কার করেননি। মনে রাখার টিপস: ফ্লেমিংয়ের ফ দিয়ে পেনিসিলিনের প্রতিষেধক বা ফাইটিং ড্রাগ মনে রাখতে পারেন।
a রাতকানা
b রিকেট
c ডায়বেটিস
d স্কার্ভি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডায়বেটিস কেন সঠিক: - অগ্ন্যাশয় থেকে পর্যাপ্ত ইনসুলিন হরমোন উৎপাদিত না হলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। - ইনসুলিনের এই ঘাটতি বা কার্যকারিতার অভাবে মানবদেহে ডায়বেটিস রোগ দেখা দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাতকানা — এটি ভিটামিন এ এর অভাবে হয়ে থাকে, ইনসুলিনের অভাবের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। B) রিকেট — এটি ভিটামিন ডি এর অভাবে শিশুদের হাড় নরম হয়ে যাওয়ার রোগ, যা ইনসুলিনের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) ডায়বেটিস — এটি ইনসুলিনের অভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট রোগ। D) স্কার্ভি — এটি ভিটামিন সি এর অভাবে হওয়া একটি রোগ, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতার সাথে জড়িত নয়। মনে রাখার টিপস: ইনসুলিনের ঘাটতি মানেই রক্তে শর্করা বেশি, আর এই অবস্থাকেই বলা হয় ডায়বেটিস।
a Random Only Memory
b Read Only Memory
c Radio Only Memory
d Ranging Only Memory
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Read Only Memory কেন সঠিক: - এটি কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি, যা থেকে শুধুমাত্র ডেটা পড়া যায় কিন্তু নতুন করে লেখা বা পরিবর্তন করা যায় না। - এই মেমোরি স্থায়ী প্রকৃতির এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও এর তথ্য মুছে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Random Only Memory — এই নামে কম্পিউটারে কোনো স্ট্যান্ডার্ড মেমোরির অস্তিত্ব নেই, এটি একটি ভুল শব্দসংকেত। B) Read Only Memory — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি রম মেমোরির প্রকৃত পূর্ণরূপ। C) Radio Only Memory — রেডিও বা সম্প্রচারের সঙ্গে এই মেমোরির কোনো সম্পর্ক নেই, তাই এটি ভুল। D) Ranging Only Memory — দূরত্ব পরিমাপ বা রেঞ্জিংয়ের সঙ্গে কম্পিউটারের এই মেমোরির কোনো সংযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: রম মানে শুধু পড়া, তাই এর প্রথম শব্দ হবে রিড বা Read এবং শেষের দুটি শব্দ অল্লি মেমোরি বা Only Memory।
a ডেসিবল
b অ্যাম্পিয়ার
c ক্যালরি
d জুল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডেসিবল কেন সঠিক: - ডেসিবল হলো শব্দের তীব্রতা বা তীক্ষ্ণতা পরিমাপ করার আন্তর্জাতিক একক। - শব্দের উচ্চতা বা লাউডনেস নির্ধারণে এই একক ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডেসিবল — এটি শব্দের তীক্ষ্ণতা পরিমাপ করার সঠিক একক হওয়ায় এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) অ্যাম্পিয়ার — এটি বিদ্যুৎ প্রবাহের তীব্রতা বা পরিমাপের একক হওয়ায় এটি শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ক্যালরি — এটি তাপশক্তি পরিমাপের একক হওয়ায় এটি শব্দের তীক্ষ্ণতা মাপতে ব্যবহৃত হয় না। D) জুল — এটি কাজ এবং শক্তির একক হওয়ায় এটি শব্দের তীক্ষ্ণতা পরিমাপের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দ শুনতে পছন্দ করি বেল বা ঘণ্টার ধ্বনি, তাই শব্দের একক ডেসিবল।
a আইজাক নিউটন
b স্টিফেন হকিংস
c হেনরিক মার্জ
d জেমস ওয়াট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জেমস ওয়াট কেন সঠিক: - স্কটিশ প্রকৌশলী জেমস ওয়াট ১৭৬৯ সালে উন্নত বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার ও প্যাটেন্ট করেন। - তাঁর এই আবিষ্কার শিল্পবিপ্লবের গতি ত্বরান্বিত করতে এবং কারখানা ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইজাক নিউটন — তিনি বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেননি, বরং পদার্থবিজ্ঞানে গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ সূত্র আবিষ্কার করেছেন। B) স্টিফেন হকিংস — তিনি আধুনিক আমলের একজন বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও মহাবিশ্ববিজ্ঞানী, বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারক নন। C) হেনরিক মার্জ — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঐতিহাসিক বা প্রযুক্তিগত আবিষ্কারের জন্য পরিচিত নন। D) জেমস ওয়াট — তিনি আধুনিক ও কার্যকর বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেছিলেন এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বাষ্প বা ওয়াটের উষ্ণতা দিয়ে ওয়াট বা জেমস ওয়াট মনে রাখতে পারো।
a থাইল্যান্ড
b জাপান
c কানাডা
d নরওয়ে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নরওয়ে কেন সঠিক: - নরওয়ে পৃথিবীর উত্তর মেরুর কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় গ্রীষ্মকালে সেখানে দীর্ঘদিন সূর্য অস্ত যায় না। - এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নরওয়েকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইল্যান্ড — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ এবং একে বলা হয় হোয়াইট এলিফ্যান্ট বা স্লেট পাথরের দেশ। B) জাপান — এটি এশিয়ার পূর্ব দিকের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং একে বলা হয় সূর্যোদয়ের দেশ। C) কানাডা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি দেশ এবং এর কোনো ভৌগোলিক উপনাম নিশীথ সূর্যের দেশ নয়। D) নরওয়ে — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ ও নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: নর দিয়ে নরওয়ে মনে রাখা যায় এবং উত্তর মেরুর কাছে রাত হলেও সূর্য দেখা যায় বলে একে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়।
a 1972
b 1973
c 1974
d 1975
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) 1974 কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করে এবং সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কূটনীতির ফলে বাংলাদেশ স্বাধীনতার স্বল্প সময়ের মধ্যেই মুসলিম বিশ্বের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1972 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করেনি, বরং ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সদ্য স্বাধীন দেশ হিসেবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করছিল। B) 1973 — এই সালে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্যপদ পায়নি, এটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরের বছর ছিল যখন বৈদেশিক নীতি গঠিত হচ্ছিল। C) 1974 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওআইসি এর সদস্যপদ লাভ করে। D) 1975 — এই সালে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করেনি, কারণ সদস্যপদ পাওয়ার ঘটনাটি ১৯৭৪ সালের লাহোর সম্মেলনেই ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার ঠিক তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসি এর সদস্য হয়।
a জুন, ১৯৯২
b জুলাই, ১৯৯৫
c জুন, ১৯৭২
d জুলাই, ১৯৯২
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) জুন, ১৯৯২ কেন সঠিক: - পরিবেশ ও উন্নয়নের ওপর প্রথম বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনটি ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা রিও সম্মেলন নামেও পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জুন, ১৯৯২ — এটি সঠিক কারণ এই সময়েই ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে ঐতিহাসিক বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) জুলাই, ১৯৯৫ — এই সময়ে বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি ভুল সাল। C) জুন, ১৯৭২ — এই সময়ে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ধরিত্রী সম্মেলন নয়। D) জুলাই, ১৯৯২ — মাস ভুল হওয়ার কারণে এই অপশনটি সঠিক নয়, কারণ সম্মেলনটি জুনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষার মহা সম্মেলন ১৯৯২ সালের জুনে ব্রাজিলের রিও শহরে বসেছিল।
a 22
b 32
c 26
d 28
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩২ কেন সঠিক: - ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা একটি সামরিক জোট এবং এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২। - সর্বশেষ দেশ হিসেবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে সুইডেন ন্যাটোর সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ — এই সংখ্যাটি ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মেলে না এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ৩২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ সুইডেন যুক্ত হওয়ার পর ন্যাটোর মোট সদস্য সংখ্যা ৩২টিতে উন্নীত হয়েছে। C) ২৬ — অতীতে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ২৬ ছিল, যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ জনে পৌঁছেছে। D) ২৮ — অতীতে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ২৮ ছিল, পরবর্তীতে মন্টেনেগ্রোসহ অন্যান্য দেশ যুক্ত হয়ে সংখ্যাটি বৃদ্ধি পায়। মনে রাখার টিপস: ন্যাটোর শেষ সদস্য সুইডেন যুক্ত হওয়ার পর মোট সদস্য সংখ্যা হয় ৩২, যা মনে রাখতে শেষের দুটি সংখ্যা সমান মনে রাখতে পারেন।
a টেনিস
b ফুটবল
c হকি
d ক্রিকেট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রিকেট কেন সঠিক: - ওভাল হলো যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। - এই মাঠে নিয়মিত টেস্ট, ওয়ানডে ও টিটোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টেনিস — টেনিস খেলার জন্য ওভাল বিখ্যাত নয়, যেমন উইম্বলডন কোর্ট টেনিসের জন্য বিখ্যাত। B) ফুটবল — ওভাল কোনো বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম নয়, ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে ওয়েম্বলি বেশি পরিচিত। C) হকি — এটি হকি খেলার বিখ্যাত মাঠ নয়, এটি মূলত ক্রিকেট খেলার সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পৃক্ত। D) ক্রিকেট — এই অপশনটি সঠিক কারণ ওভাল একটি বিখ্যাত ক্রিকেট মাঠ। মনে রাখার টিপস: লন্ডনের ওভাল মাঠ মানেই মনে রাখতে হবে বিখ্যাত ক্রিকেট খেলা।
a খুলনা
b যশোর
c বাগেরহাট
d রাজশাহী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাগেরহাট কেন সঠিক: - ষাট গম্বুজ মসজিদটি বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। - খান জাহান আলী পনেরো শতকে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন এবং এটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) খুলনা — এটি বাগেরহাট জেলার পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ এই জেলায় অবস্থিত নয়। B) যশোর — এটি একটি পৃথক জেলা এবং ষাট গম্বুজ মসজিদের ভৌগোলিক অবস্থান এখানে নয়। C) বাগেরহাট — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রকৃত জেলা অবস্থান। D) রাজশাহী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা এবং ষাট গম্বুজ মসজিদের অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ষাট গম্বুজ মসজিদ ও খান জাহান আলীর মাজার উভয়ই ঐতিহাসিক বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
a নিউইয়র্ক
b লন্ডন
c লিও
d রোম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিও কেন সঠিক: - ইন্টারপোলের সদর দপ্তর ফ্রান্সের লিও শহরে অবস্থিত। - আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য এই শহরটি সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত, ইন্টারপোলের নয়। B) লন্ডন — এটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর, ইন্টারপোলের নয়। C) লিও — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এখানেই ইন্টারপোলের সদর দপ্তর অবস্থিত। D) রোম — এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর, ইন্টারপোলের নয়। মনে রাখার টিপস: পুলিশ বা ইন্টারপোলের সিংহভাগ কাজ নিয়ন্ত্রণ হয় ফ্রান্সের লিও শহর থেকে, যেখানে লিও মানে সিংহের সঙ্গে তুলনা করা যায়।
a গ্রিসে
b রোমে
c মেসোপটেমিয়ায়
d ভারতে
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেসোপটেমিয়ায় কেন সঠিক: - মেসোপটেমিয়া সভ্যতা টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল এবং একে বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে ধরা হয়। - বর্তমান ইরাক ও তার আশেপাশের অঞ্চলে খ্রিষ্টপূর্ব চার হাজার অব্দে এই প্রাচীন সভ্যতাটি বিকাশ লাভ করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিসে — গ্রিক সভ্যতা মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অনেক পরে খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে ইউরোপে বিকাশ লাভ করেছিল। B) রোমে — রোমান সভ্যতা ইতালির টাইবার নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল যা প্রাচীন বিশ্বের শেষের দিকের একটি বড় সাম্রাজ্য। D) ভারতে — ভারতীয় উপমহাদেশে সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল যার সময়কাল মেসোপটেমিয়া সভ্যতার পরবর্তী সময়ে শুরু হয়। মনে রাখার টিপস: মেসো মানে মধ্য এবং পটেমিয়া মানে নদী, অর্থাৎ দুই নদীর মাঝের প্রথম সভ্যতা।
a অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ
b ড. আইনুন নিশাত
c সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান
d ড. হাসান মাহমুদ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান কেন সঠিক: - সৈয়দা রেজোয়ানা হাসান ২০১২ সালে পরিবেশ রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসাসে পুরস্কার লাভ করেন। - তিনি বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বেলা) প্রধান নির্বাহী হিসেবে পরিবেশ সুরক্ষায় আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ — তিনি মূলত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার জন্য ২০০৪ সালে ম্যাগসাসে পুরস্কার লাভ করেন, পরিবেশের জন্য নয়। B) ড. আইনুন নিশাত — তিনি একজন প্রখ্যাত পানি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশেষজ্ঞ হলেও ২০১২ সালে এই পুরস্কার পাননি। D) ড. হাসান মাহমুদ — তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী, যিনি পরিবেশ আন্দোলনের জন্য ম্যাগসাসে পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় আইনগত লড়াই ও ম্যাগসাসে পুরস্কার বললে সৈয়দা রেজোয়ানা হাসানকে মনে রাখবে।
a ১২টি
b ৯টি
c ৮টি
d ১১টি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১টি কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্পূর্ণ বাংলাদেশকে পরিচালনার সুবিধার জন্য ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১টি সেক্টরের পাশাপাশি পুরো দেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টর এবং ৩টি বিশেষ ফোর্স জোনেও ভাগ করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা কখনো ১২টি ছিল না, সঠিক সংখ্যা ১১টি। B) ৯টি — এটি ভুল কারণ প্রথমে সেক্টর ৯টি করার চিন্তা থাকলেও পরবর্তীতে সেক্টর সংখ্যা ১১টি নির্ধারণ করা হয়। C) ৮টি — এটি ভুল কারণ সেক্টর সংখ্যা ৮টি নয়, বরং ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল। D) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৭১ সালে গঠিত সেক্টরের মোট সংখ্যা ১১টি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে ১ এবং ১ অর্থাৎ জোড়া এক (১১) মনে রাখতে পারেন।
a ব-দ্বীপ
b হাতিয়া
c সন্দ্বীপ
d বরিশাল
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বরিশাল কেন সঠিক: - প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদ বা প্রাচীন রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। - নদীমাতৃক এই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান এবং ঐতিহাসিক নামকরণের কারণে চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান রূপ হিসেবে বরিশালকে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব-দ্বীপ — এটি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রাচীন নাম নয়, বরং নদীবাহিত পলি জমে গঠিত ভূখণ্ডের সাধারণ ভৌগোলিক রূপ। B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা, যার সাথে প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের ইতিহাস সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি প্রাচীন দ্বীপ ও উপজেলা, যা চন্দ্রদ্বীপের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। D) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং প্রশ্নের সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: চন্দ্রদ্বীপ নামটি শুনলেই মনে রাখবে এটি দক্ষিণাঞ্চলের প্রাচীন জনপদ এবং বর্তমান বরিশাল জেলাকে নির্দেশ করে।
a মাজহারুল হক
b লুই আইক্যান
c এফ. আর খান
d নভেরা আহম্মদ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুই আইক্যান কেন সঠিক: - লুই আইক্যান (Louis I. Kahn) হলেন বিশ্বখ্যাত আমেরিকান স্থপতি যিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা প্রস্তুত করেছেন। - ১৯৬১ সালে এই ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং এর প্রধান স্থপতি হিসেবে তিনি আমৃত্যু এর নকশা ও নির্মাণের তদারকি করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মাজহারুল হক — তিনি বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের প্রবীন স্থপতি হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি নন। B) লুই আইক্যান — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জাতীয় সংসদ ভবনের নকশাকার। C) এফ. আর খান — তিনি বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল স্থপতি ও প্রকৌশলী হলেও জাতীয় সংসদ ভবনের প্রধান স্থপতি নন। D) নভেরা আহম্মদ — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত ভাস্কর, সংসদ ভবনের স্থপতি নন। মনে রাখার টিপস: জাতীয় সংসদের ভবন মানেই লুই আইক্যানের তৈরি অনন্য ডিজাইন।
a 0.37916666666667
b 0.46319444444444
c 0.42083333333333
d 0.3375
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০:৬ বা ৫:৩ (দশমিক মানে ০.৪২০৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩৩) কেন সঠিক: - বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদর্শ মাপ হলো দৈর্ঘ্য ১০ এবং প্রস্থ ৬, যার অনুপাত ১০:৬ বা ৫:৩। - ৫ কে ৩ দিয়ে ভাগ করলে যে দশমিক মান পাওয়া যায়, তা এই অপশনের সঙ্গে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.৩৭৯১৬৬৬৬৬৬৬৬৬৭ — এটি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের সঠিক অনুপাতের দশমিক রূপ নয়। B) ০.৪৬৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪ — এটি পতাকার নির্ধারিত মাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো অনুপাতের মান নয়। C) ০.৪২‌০৮৩৩৩৩৩৩৩৩৩৩ — এটি ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতের দশমিক রূপ, যা পতাকার সঠিক মাপ নির্দেশ করে। D) ০.৩৩৭৫ — এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি অনুপাতের মান যা জাতীয় পতাকার জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬ বা ৫:৩ মনে রাখবে।
a ভোলা
b খুলনা
c কক্সবাজার
d পটুয়াখালী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পটুয়াখালী কেন সঠিক: - পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্যের জন্য জেলাটিকে ভৌগোলিকভাবে সাগরকন্যা বলা হয়। - প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সমুদ্রের সান্নির্ধ্যের কারণে এই জেলার এই বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোলা — ভোলা বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ জেলা এবং একে বলা হয় দ্বীপকন্যা। B) খুলনা — খুলনা সুন্দরবনের দ্বারপ্রান্তে অবস্থিত একটি বিভাগীয় শহর এবং একে বলা হয় রূপসা নদীর তীরবর্তী শিল্পনগরী। C) কক্সবাজার — কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত এবং একে বলা হয় ট্যুরিস্ট ক্যাপিটাল বা পর্যটন নগরী। D) পটুয়াখালী — এই অপশনটি সঠিক কারণ পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে কেন্দ্র করে জেলাটি সাগরকন্যা নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়, এই অনন্য সৌন্দর্যের জন্যই পটুয়াখালী হলো সাগরকন্যা।
a রেডিমেন্ট গার্মেন্টস
b পাট
c চামড়া
d তুলা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রেডিমেন্ট গার্মেন্টস কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক বা রেডিমেন্ড গার্মেন্টস খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাক খাতের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এটি দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রেডিমেন্ট গার্মেন্টস — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান রপ্তানি খাত। B) পাট — একসময় প্রধান অর্থকরী ফসল হলেও বর্তমানে এটি শীর্ষ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত নয়। C) চামড়া — চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত হলেও তা পোশাক খাতের মতো সর্বাধিক মুদ্রা অর্জন করে না। D) তুলা — বাংলাদেশ তুলার প্রধান আমদানিকারক দেশ, তাই এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত নয়। মনে রাখার টিপস: পোশাক হলো আমাদের অর্থনীতির পোশাক বা প্রধান শক্তি, তাই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এটি সবার শীর্ষে।
a ঝিনাইদহ
b মেহেরপুর
c যশোর
d কুষ্টিয়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেহেরপুর কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে শপথ গ্রহণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার পর বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামে নামকরণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝিনাইদহ — এটি একটি জেলা হলেও মুজিবনগর এখানে অবস্থিত নয় এবং এর সঙ্গে এই ঐতিহাসিক ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) মেহেরপুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ মুজিবনগর এখানেই অবস্থিত। C) যশোর — যশোর বৃহত্তর জেলার অংশ হলেও মূল মুজিবনগর স্থানটি বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। D) কুষ্টিয়া — কুষ্টিয়া একসময় বৃহত্তর নদীয়া ও বর্তমান কুষ্টিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হলেও মুজিবনগর মেহেরপুরের অধীন। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা, যা মনে রাখতে মেহেরপুর নামটাই মূল।
a ১৭০০ সনে
b ১৭৬২ সনে
c ১৯৬৫ সনে
d ১৭৯৩ সনে
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৭৯৩ সনে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ এই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন। - এই আইনের মাধ্যমে জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকানা প্রদান করা হয় এবং সরকারের রাজস্বের পরিমাণ চিরদিনের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭০০ সনে — এই সময়ে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয়নি, এটি তখন ব্রিটিশ শাসনভুক্তও ছিল না। B) ১৭৬২ সনে — এই বছরটি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি দেওয়ানি লাভের আগের সময়কাল। C) ১৯৬৫ সনে — এই সালটি একটি আধুনিক সময় নির্দেশ করে এবং ব্রিটিশ আমলের রাজস্ব ব্যবস্থার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। D) ১৭৯৩ সনে — এটি সঠিক উত্তর এবং এই সনেই লর্ড কর্নওয়ালিস এই বন্দোবস্ত চালু করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: করপোরেট বা কর্নওয়ালিস শব্দটি মনে রাখুন এবং ভাবুন কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চিরতরে জমিদারি বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন।