বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১১ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (কলেজ পর্যায়) ২০১৪

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a সাধু
b চলিত
c প্রাকৃত
d কোল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলিত ১. কেন সঠিক: - জুতো শব্দটি বাংলা চলিত ভাষারীতি বা কথ্য রূপের অন্তর্গত, যা আমরা দৈনন্দিন কথোপকথনে ব্যবহার করি। - সাধু ভাষার গাম্ভীর্য ও তৎসম রূপের বিপরীতে চলিত রীতি সহজ, সাবলীল এবং পরিবর্তনশীল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষারীতি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - জুতো হলো তদভব বা অর্ধতৎসম শব্দ, যা সাধু রীতিতে জুতা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং চলিত রীতিতে এটি জুতো রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি চলিত রূপ, যার সাধু রূপ হলো জ্যোৎস্না। উদাহরণ ২: বোঝা ব্যাখ্যা: এটি চলিত রূপ, যার সাধু রূপ হলো বুঝা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু — সাধু রীতিতে এই শব্দের রূপ জুতা ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সাধু ভাষারীতি নয়। B) চলিত — এটি সঠিক কারণ চলিত রীতিতে জুতো শব্দটি বহুল প্রচলিত। C) প্রাকৃত — এটি প্রাকৃত ভাষা থেকে সরাসরি উদ্ভূত কোনো প্রাচীন প্রাকৃত শব্দ নয়। D) কোল — এটি কোল বা অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের কোনো শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চলিত রীতিতে ও-কার বা এ-কারের ব্যবহার বেশি থাকে, যেমন জুতো, মোজা, পেটে। - সাধু রীতিতে আকার বা যুক্তবর্ণ বেশি থাকে, যেমন জুতা, বোঝা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চলিত ও সাধু রীতির রূপান্তর পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই শব্দগুলোর উভয় রূপ জেনে রাখা দরকার। - বিশেষ করে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বাক্য
b ধ্বনি
c শব্দ
d বর্ন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক্য ১. কেন সঠিক: ভাষার মূল উপকরণ বাক্য কারণ মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশের জন্য পদের সমষ্টি বা বাক্য অপরিহার্য। ধ্বনি, শব্দ বা বর্ণ ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হতে পারে, কিন্তু ভাষার প্রকৃত কাজ হলো মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করা যা বাক্যের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে ভাষার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভাষার মূল উপাদান বা উপকরণ হলো বাক্য, আর ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি স্কুলে যাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পাখি গান গায়। ব্যাখ্যা: এটিও একটি সার্থক বাক্য যা ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যই মানুষের মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করে। B) ধ্বনি — এটি ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক, ভাষার মূল উপকরণ বা প্রকাশের পূর্ণাঙ্গ একক নয়। C) শব্দ — শব্দ বাক্যের অন্যতম উপাদান হলেও একা সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না তাই এটি ভাষার মূল উপকরণ নয়। D) বর্ন — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, আর ভাষার মূল উপকরণ বা ভাবের পূর্ণাঙ্গ প্রকাশের মাধ্যম হলো বাক্য। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে যেখানে ধ্বনি এবং বাক্যের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে হয়। মনে রাখবে ধ্বনি হলো একক এবং বাক্য হলো মূল উপকরণ।
a কাব্য
b ছোটোগল্প
c নাটক
d উপন্যাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছোটোগল্প ১. কেন সঠিক: - ছোটোগল্প হলো বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতম শাখা কারণ এটি অন্যান্য প্রাচীন ধারার তুলনায় অনেক পরে সৃষ্টি হয়েছে এবং বিকাশ লাভ করেছে। - বিশ্বসাহিত্যের মতো বাংলা সাহিত্যেও এটি উনিশ শতকের শেষভাগে এবং বিশ শতকের শুরুতে আত্মপ্রকাশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটোগল্পের জনক হিসেবে স্বীকৃত যিনি এই শাখাকে প্রথম সার্থক রূপ দান করেন। - পদ্য, নাটক বা মহাকাব্যের ইতিহাস অনেক প্রাচীন হলেও ছোটোগল্প আধুনিক যুগের জীবনবোধের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদাবলী ও ছোটোগল্প ব্যাখ্যা: কবিতা প্রাচীন শাখা হলেও তার ছোটোগল্প আধুনিক যুগের সৃষ্টি। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও ছোটোগল্প ব্যাখ্যা: উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে আগে এলেও ছোটোগল্প এসেছে তারও পরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — কাব্য বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন শাখা এবং চর্যাপদ থেকেই এর ইতিহাস শুরু হয়েছে। বি) ছোটোগল্প — এটি সঠিক উত্তর। C) নাটক — নাটক সাহিত্যের একটি প্রাচীন শাখা যা প্রাচীন ও মধ্যযুগেও বিভিন্ন রূপে বিদ্যমান ছিল। D) উপন্যাস — উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বঙ্কিমচন্দ্রের হাত ধরে উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে প্রবেশ করে যা ছোটোগল্পের আগে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিকতম মানে সবচেয়ে নতুন। গদ্য সাহিত্যের মধ্যে উপন্যাস আগে এলেও ছোটোগল্প এসেছে সবার শেষে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ছোটোগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং প্রথম সার্থক ছোটোগল্প হলো দেনাপাওনা।
a এক
b দুই
c তিন
d চার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। শব্দের সঙ্গে বা প্রকৃতির সঙ্গে যে শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে এবং গঠনভেদে এর মূল প্রকারভেদ দুটি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় নামশব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে। এই দুই প্রধান প্রকারভেদের বাইরে কৃৎ প্রত্যয় আবার দুই ভাগে বিভক্ত, যেমন বাংলা কৃৎ ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ এখানে ক্রিয়ামূল চল এর সঙ্গে অন্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ এখানে নামশব্দ ঢাকা এর সঙ্গে আই প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — প্রত্যয়ের প্রাথমিক শ্রেণিবিভাগ কখনো একটি হতে পারে না, কারণ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের মিলনে কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ধরনের রূপ দেখা যায়। B) দুই — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রত্যয় প্রধানত কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) তিন — প্রত্যয় তিন প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) চার — প্রত্যয় চার প্রকার বলে কোনো প্রমিত ব্যাকরণগত স্বীকৃতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রত্যয়ের প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ক্রিয়ার সঙ্গে কৃৎ এবং নামের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় বসে। এভাবে শব্দমূলের ধরন দেখে সহজেই প্রত্যয়ের প্রকার নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রত্যয় প্রধানত কত প্রকার এবং উত্তর হবে দুই প্রকার। ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
a উপন্যাস
b কাব্যগ্রন্থ
c পত্রিকা
d প্রবন্ধ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পত্রিকা ১. কেন সঠিক: - কালি ও কলম বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত ও প্রখ্যাত সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকা। - এটি শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি উচ্চমানের প্রকাশনা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কালি ও কলম ২০০৪ সালের এপ্রিল মাস থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে এবং এর বর্তমান সম্পাদক আবুল হাসনাত। - এই পত্রিকাটি তরুণ ও প্রবীণ লেখকদের লেখা প্রকাশের পাশাপাশি সাহিত্য সমালোচনা ও শিল্পকলার নানা দিক তুলে ধরে প্রশংসিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমকাল ব্যাখ্যা: সমকাল একটি বিখ্যাত বাংলা দৈনিক পত্রিকা যা সাহিত্য পাতা ও সংবাদ প্রকাশের জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: উত্তরাধিকার ব্যাখ্যা: উত্তরাধিকার বাংলাদেশ বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — কালি ও কলম কোনো একক উপন্যাস নয়, বরং এটি বিভিন্ন লেখকের লেখা, প্রবন্ধ ও উপন্যাসের অংশবিশেষ ধারণকারী একটি পত্রিকা। B) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো একক কবির কবিতার বই নয়, বরং এটি একটি সাময়িকী বা সাহিত্য পত্রিকা। D) প্রবন্ধ — এটি কেবল প্রবন্ধের সংকলন নয়, বরং এতে কবিতা, ছোটগল্প, প্রবন্ধ ও শিল্পকলার নানা লেখা একসঙ্গে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কালি ও কলম নামটির সঙ্গে লেখালেখির সরাসরি সম্পর্ক আছে, যা থেকে একে সহজে একটি সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে বই বা উপন্যাসের নামের সঙ্গে পত্রিকাগুলোর নাম গুলিয়ে ফেলা এড়াতে নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকার তালিকা পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লিটল ম্যাগাজিন ও সাহিত্য পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন উত্তরের সময় পত্রিকার ধরন ও প্রকাশকাল ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a মীর মশাররফ হোসেন
b কাজী নজরুল ইসলাম
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আবুল মনসুর আহমদ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবুল মনসুর আহমদ কেন সঠিক: ১. ‘ফুড কনফারেন্স’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও রাজনৈতিক ছোটগল্প, যার রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ। ২. এই গল্পটিতে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং খাদ্য সমস্যাকে অত্যন্ত নিখুঁত ও তীক্ষ্ণ উপহাসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্যে রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা বা রাজনৈতিক স্যাটায়ার ধারার লেখকদের মধ্যে আবুল মনসুর আহমদ অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও জনপ্রিয় একজন স্রষ্টা। ২. তাঁর এই গল্পে সমাজের নানা অসংগতি, ভণ্ডামি এবং রাজনৈতিক নেতাদের খামখেয়ালিপনা হাস্যরস ও শ্লেষের মাধ্যমে সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। ৩. যেমন তাঁর ‘ফুড কনফারেন্স’ গল্পে কৃত্রিম খাদ্য সংকট এবং তা সমাধানের নামে প্রহসনমূলক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের চিত্র অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার ছিলেন, যিনি ‘বিষাদ সিন্ধু’ রচনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি, যিনি মূলত তাঁর বিদ্রোহী কবিতা, সাম্যবাদী গান এবং অগ্নিভীণা কাব্যগ্রন্থের জন্য অমর হয়ে আছেন। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ছিলেন বিশ শতকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিদ, গবেষক এবং বহুভাষাবিদ পন্ডিত। D) আবুল মনসুর আহমদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ‘ফুড কনফারেন্স’ গল্পটির সফল রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: ১. খাদ্য বা ফুড নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গল্প মানেই আবুল মনসুর আহমদ। ২. নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে আবুল মনসুরের গল্প মানেই সমাজের নানা অদ্ভুত সভার কথা।
a ঝরা পালক
b সাতটি তারার তিমির
c অর্কেস্ট্রা
d মহাপৃথিবী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্কেস্ট্রা ১. কেন সঠিক: - অর্কেস্ট্রা কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা নয়, বরং এটি কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রশ্নটিতে জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয় এমন গ্রন্থটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো অর্কেস্ট্রা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা, নির্জনতা এবং প্রকৃতির কবি হিসেবে সমাদৃত ও পরিচিত। - ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, বেলা অবেলা কালবেলা এবং রূপসী বাংলা তাঁর অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এক অনন্য সংযোজন। উদাহরণ ২: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর পরিপক্ব কাব্যচেতনার এক অসাধারণ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি তাঁর কাব্য। B) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) অর্কেস্ট্রা — এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়, এটি কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) মহাপৃথিবী — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগুলো মনে রাখতে তাঁর প্রধান কাব্যগুলোর নামের তালিকা বারবার পড়তে পারো এবং বুদ্ধদেব বসুর অর্কেস্ট্রা গ্রন্থটিকে আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি বা তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে, তাই তাঁর কাব্যগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a জেনানা
b সতীন
c শিক্ষিকা
d ধাত্রী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সতীন ১. কেন সঠিক: - সতীন শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে নিত্য নারীবাচক শব্দের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। - বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ রয়েছে যা জন্মগতভাবেই স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করে এবং এদের কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ থাকে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিত্য নারীবাচক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা স্বভাবতই স্ত্রীলিঙ্গবাচক এবং পুরুষবাচক শব্দে রূপান্তরিত হতে পারে না। - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ প্রকরণে এই শব্দগুলো বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: এই শব্দটির কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না এবং এটি সর্বদা নারীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অর্ধাঙ্গিনী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও নিত্য নারীবাচক হিসেবে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনানা — এটি ফারসি শব্দ যার অর্থ নারীদের মহল, এটি কোনো নিত্য নারীবাচক ব্যাকরণিক শব্দ নয়। B) সতীন — এটি সঠিক উত্তর। C) শিক্ষিকা — এটি শিক্ষক শব্দের নারীবাচক রূপ, যার পুরুষবাচক রূপ শিক্ষক বিদ্যমান। D) ধাত্রী — এটি নিত্য নারীবাচক শব্দ হিসেবে অনেক সময় ধরা হলেও প্রমিত ব্যাকরণে ধাতা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ধাত্রী ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিত্য নারীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য সতীন, এয়ো, অবলা এই শব্দগুলো মনে রাখতে পারো। - যে শব্দের পুরুষবাচক রূপ পাওয়া যায় না, সেটাই নিত্য নারীবাচক শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য নারীবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - অপশন ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে শব্দটির কোনো পুরুষবাচক রূপ আছে কি না।
a আকাশচারী
b দুষ্ট প্রকৃতির লোক
c চাকর
d যে প্রাণী জলেও চরে স্থলেও চরে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আকাশচারী ১. কেন সঠিক: খেচর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আকাশে চরে যে। আকাশে চলাচল করে বা ওড়ে এমন জীবকে এককথায় খেচর বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটিতে উপপদ তৎপুরুষ সমাস রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহঙ্গ ব্যাখ্যা: বিহঙ্গ শব্দের অর্থও আকাশে গমন করে যে। উদাহরণ ২: পক্ষী ব্যাখ্যা: পক্ষী শব্দের অর্থ ডানাবিশিষ্ট প্রাণী যা আকাশে ওড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশচারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি খেচর শব্দের সমার্থক বা এর সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) দুষ্ট প্রকৃতির লোক — এই অপশনটি ভুল কারণ দুষ্ট প্রকৃতির লোক বোঝাতে খল বা কুপ্রকৃতির বোঝায়। C) চাকর — এই অপশনটি ভুল কারণ চাকর বলতে ভৃত্য বা পরিচারক বোঝায়। D) যে প্রাণী জলেও চরে স্থলেও চরে — এই অপশনটি ভুল কারণ জলে ও স্থলে চরে এমন প্রাণীকে উভচর বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: খেচর শব্দের খে মানে আকাশ এবং চর মানে চলাচলকারী। খ শব্দটির সঙ্গে চর যুক্ত হয়ে আকাশে চলাচলকারী বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে খ-সংক্রান্ত শব্দ যেমন খেচর, খল, খগ প্রায়ই আসে। শব্দের মূল অংশ বিশ্লেষণ করে অর্থ মনে রাখতে হবে।
a সরল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d বিস্ময়বোধক বাক্য
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযोजक অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - এখানে 'তিনি সৎ' এবং 'তিনি কৃপণ' দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যৌগিক বাক্যে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যগুলোতে খণ্ডবাক্যগুলোর মধ্যে কোনো অধীনতার সম্পর্ক থাকে না, প্রতিটি খণ্ডবাক্য স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে গরিব কিন্তু খুব সৎ। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: বারিষার পানি বেড়েছে, তবে রাস্তাঘাট এখনও ডুবে যায়নি। ব্যাখ্যা: এটিও দুটি স্বাধীন বাক্যের সমন্বয়ে গঠিত যৌগিক বাক্যের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এখানে নেই। B) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুটি খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত। C) মিশ্র বাক্য — এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। D) বিস্ময়বোধক বাক্য — এই বাক্যে কোনো আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়নি, এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা দেখলে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। - দুটি স্বাধীন বাক্য একসাথে পেলে সেটি যৌগিক বাক্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযोजक অব্যয় চেনার মাধ্যমে খুব সহজে যৌগিক বাক্য নির্ণয় করা যায়।
a মৌলিক
b রূঢ়ি
c যোগরূঢ়
d যৌগিক
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যোগরূঢ় ১. কেন সঠিক: সুহৃদ শব্দটির বুত্পত্তিগত অর্থ হলো সু (ভালো) হৃদয় (মন) যার, কিন্তু এটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ অর্থে বন্ধু বোঝায়। যে সকল শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে সমসমান পদের অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনরীতির দিক থেকে বাংলা শব্দকে মূলত মৌলিক, সাধিত, যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ় এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমসমান পদের অর্থ প্রকাশ না করে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, পঙ্কজ বললেও সাধারণ অর্থে যেকোনো কিছু বোঝাতে পারে, কিন্তু এটি বিশেষ অর্থে কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। উদাহরণ ২: রাজপথ ব্যাখ্যা: রাজার পথ, রাজপথ বলতে যেকোনো বড় রাস্তাকে না বুঝিয়ে প্রধান সড়ককে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক — যে শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙলে কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে, যেমন হাত বা নাক। B) রূঢ়ি — যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে, যেমন গবেষণা। D) যৌগিক — যে শব্দগুলোর বুত্পত্তিগত অর্থের সঙ্গে ব্যবহারিক অর্থের মিল থাকে, তাকে যৌগিক শব্দ বলে, যেমন গায়ক। ৫. মনে রাখার টিপস: যোগরূঢ় শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো এটি মূলত বহুব্রীহি সমাসের সাহায্যে গঠিত হয় এবং এর প্রচলিত অর্থ নির্ধারিত থাকে। পঙ্কজ, রাজপথ, রাজপুত ও মহাযাত্রা এই কয়েকটি শব্দ মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যোগরূঢ় শব্দ সহজে শনাক্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও গঠনের ওপর ভিত্তি করে যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ় শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রূঢ়ি ও যৌগিক শব্দের পার্থক্য এবং যোগরূঢ় শব্দগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a ১ বলতে যে সময় লাগে
b ১ বলার দ্বিগুণ সময়
c ১ সেকেন্ড
d ২ সেকেন্ড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ বলার দ্বিগুণ সময় কেন সঠিক: যতিচিহ্নের নিয়মানুযায়ী বাক্যে সেমিকোলন ব্যবহৃত হলে থামার সময়কাল নির্ধারণ করা হয় কমার তুলনায় বেশি সময় ধরে। একটি কমা ব্যবহারের সময় ১ বলতে যতটুকু সময় লাগে, সেমিকোলনের ক্ষেত্রে তার ঠিক দ্বিগুণ সময় থেমে পরের অংশ পড়তে হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং দুটি কাছাকাছি ভাবের স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে আলাদা করতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণের যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন অধ্যায়ে বিরতিকালের পরিমাপ অনুযায়ী সেমিকোলনের এই নিয়মটি স্পষ্টভাবে নির্ধারিত আছে। যেমন, তেলা মাথায় তেল সবাই দেয়; কিন্তু গরিবের সাহায্য কেউ করে না - এই বাক্যের মাঝখানে সেমিকোলনের জন্য দ্বিগুণ থামতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ বলতে যে সময় লাগে — এই পরিমাণ সময় থামতে হয় বাক্যে শুধুমাত্র কমা (,) চিহ্ন ব্যবহার করলে। B) ১ বলার দ্বিগুণ সময় — এই অপশনটি সঠিক কারণ সেমিকোলনের বিরতিকাল কমার চেয়ে দ্বিগুণ হয়ে থাকে। C) ১ সেকেন্ড — বাংলা যতিচিহ্নের বিরতিকাল সেকেন্ডের হিসেবে হিসাব করা হয় না, এটি বলার গতির ওপর নির্ভরশীল। D) ২ সেকেন্ড — দুই সেকেন্ড থামার নিয়মটি কেবল পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ির (।) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: কমা মানে এক মাত্রা বা এক বলার সময়, আর সেমিকোলন মানে দুই মাত্রা বা দ্বিগুণ সময় থামার নির্দেশ।
a নিপাতনে সিদ্ধ
b স্বরসন্ধি
c ব্যঞ্জন সন্ধি
d জটিল সন্ধি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যঞ্জন সন্ধি ১. কেন সঠিক: উৎ + শ্বাস শব্দটিতে ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন ঘটেছে যা ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম অনুসারে সম্পন্ন হয়েছে। এখানে পূর্বপদের অন্তে থাকা ত বা দ এর পরে শ থাকলে ত বা দ এর জায়গায় চ এবং শ এর জায়গায় ছ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি, স্বরধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এই নিয়মে উৎ পদের ত এবং শ্বাস পদের শ মিলে চ এবং ছ হয়েছে যার ফলে উচ্ছ্বাস শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদ্ + জাল = বিপজ্জাল ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ত বা দ এর পরে জ থাকলে ত বা দ এর স্থানে জ হয়। উদাহরণ ২: সৎ + চরিচ = সচ্চরিত্র ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ত বা দ এর পরে চ থাকলে ত বা দ এর স্থানে চ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিপাতনে সিদ্ধ — নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলতে কোনো বিশেষ নিয়ম না মেনে প্রাকৃতিকভাবে গঠিত সন্ধিকে বোঝায় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) স্বরসন্ধি — স্বরসন্ধি হলো স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলন কিন্তু এখানে ত এবং শ ব্যঞ্জনধ্বনি যুক্ত হয়েছে। D) জটিল সন্ধি — বাংলা ব্যাকরণে জটিল সন্ধি বলে কোনো নির্দিষ্ট বা প্রমিত সন্ধির শ্রেণিবিভাগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ত বা দ এর পরে শ থাকলে প্রথম অংশ চ এবং পরের অংশ ছ তে রূপান্তরিত হয়। উচ্চারণের সময় ত এবং শ এর এই পরিবর্তন খেয়াল করলে ব্যঞ্জন সন্ধি সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎ যুক্ত শ্বাস থেকে গঠিত হওয়া শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ এবং বানান প্রায়ই আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে ব্যঞ্জন সন্ধির এই বিশেষ সূত্রগুলো আয়ত্ত করা জরুরি।
a ষষ্ঠী তৎপুরুষ
b বহুব্রীহি
c কর্মধারয়
d অব্যয়ীভাব
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - সমসমান পদ ‘ধানের ক্ষেত’ এর ব্যাসবাক্য করলে হয় ধানের ক্ষেত। এখানে পূর্বপদের সঙ্গে র বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। - সমাসের নিয়মানুযায়ী পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তি (র বা এর) লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা বিভক্তিস্থানীয় অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং সমস্তপদে তা লোপ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার পুত্র = রাজপুত্র ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদে র বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ছাত্রের বাস = ছাত্রাবাস ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদে এর বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পেয়েছে। B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় — এই সমাসে বিশেষণ পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের তুলনা বা অভেদ বোঝায়, যা এখানে নেই। D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এবং উপসর্গযোগে গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে র বা এর বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - সম্বন্ধ পদই মূলত ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে বিভক্তির উপস্থিতি খেয়াল করা। - বিভক্তি লোপ পাওয়ার ধরন দেখেই তৎপুরুষ সমাসের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়।
a দুঃখ
b হর্ষ
c অনুতপ্ত
d ব্যথা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হর্ষ ১. কেন সঠিক: 'শোক' শব্দের অর্থ হলো গভীর দুঃখ বা মনস্তাত্ত্বিক বেদনা। এর বিপরীতে আনন্দ, উল্লাস বা মনের প্রসন্নতা বোঝাতে 'হর্ষ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ এড়িয়ে সঠিক বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের অর্থ মলিনতা বা মন খারাপ, যার বিপরীত আনন্দ বা হর্ষ হতে পারে। উদাহরণ ২: বিষাদ ও হর্ষ ব্যাখ্যা: সাহিত্যের ভাষায় বিষাদ ও হর্ষ প্রায়শই পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃখ — দুঃখ হলো শোকের কাছাকাছি বা সমার্থক ভাব, তাই এটি বিপরীত শব্দ হতে পারে না। B) হর্ষ — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ। C) অনুতপ্ত — অনুতপ্ত অর্থ লজ্জিত বা পস্তানো, যা শোকের বিপরীতার্থক নয়। D) ব্যথা — ব্যথা শারীরিক বা মানসিক যন্ত্রণার প্রকাশ, যা শোকের সমার্থক। ৫ মনে রাখার টিপস: শোক মানে বুকফাটা কান্না আর হর্ষ মানে মনে আনন্দের উল্লাস। এই দুই বিপরীত ভাবের কথা মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল ভাব বা তীব্রতা বিবেচনা করতে হবে। সমার্থক শব্দগুলোকে এড়িয়ে সম্পূর্ণ উল্টো অর্থ বহনকারী শব্দটি বাছাই করতে হয়।
a ণ
b প
c ত
d চ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ত ১. কেন সঠিক: ত বর্ণটি উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উপরের পাটির দাঁতের গোড়াকে স্পর্শ করে। বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি তত্ত্বে দাঁতের সঙ্গে উচ্চারণের এই সম্পর্ক থাকার কারণে একে দন্ত্য ধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্পর্শ ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ত বর্গীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয় দাঁতের সাহায্যে, তাই এদের দন্ত্য ধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ ব্যাখ্যা: দ বর্ণটি উচ্চারণ করার সময়ও জিহ্বা দাঁত স্পর্শ করে, তাই এটি একটি দন্ত্য ধ্বনি। উদাহরণ ২: ন ব্যাখ্যা: ন বর্ণটি উচ্চারণের সময়ও দাঁতের সাহায্য প্রয়োজন হয়, যা দন্ত্য ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ণ — ণ একটি মূর্ধন্য ধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা মূর্ধা বা তালুর মধ্যভাগ স্পর্শ করে। B) প — প একটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি কারণ এটি উভয় ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয়। C) ত — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক দন্ত্য ধ্বনি। D) চ — চ একটি তালব্য ধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: দন্ত্য ধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ত বর্গীয় বর্ণগুলো খেয়াল রাখা। ত থ দ ধ ন এই পাঁচটি বর্ণই হলো দন্ত্য ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনির উচ্চারণ স্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কবর্গ থেকে পবর্গ পর্যন্ত প্রতিটি বর্ণের উচ্চারণ স্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b স্বর্ণকুমারী দেবী
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিহারীলাল চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা সাহিত্যের ভোরের পাখি বলা হয় কারণ তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগের যুগে গীতি কবিতার ধারা প্রবর্তন করেছিলেন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই তাকে ভোরের পাখি বলে ভূষিত করেছিলেন এবং তার কবিতার প্রভাব রবীন্দ্রনাথেও পড়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিহারীলাল চক্রবর্তী উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও গীতিকবি যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের বাইরে এসে গীতি কবিতার এক নতুন রূপ দেন। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সারদামঙ্গল ও সাধের পর্যটন বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক ভাবধারার সূচনা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহারীলাল চক্রবর্তীর সারদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম সেরা গীতিমূলক কাব্য যা বাংলা রোমান্টিক কবিতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাকে বাংলার শেলি বলে অভিহিত করেছিলেন। ব্যাখ্যা: তার কবিতার সৌন্দর্য ও গীতলতা তাকে ইংরেজি রোমান্টিক কবি শেলির সমকক্ষ করে তুলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, যাকে ভোরের পাখি বলা হয় না। B) স্বর্ণকুমারী দেবী — তিনি একজন বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক ছিলেন, যিনি ভোরের পাখি উপাধিতে ভূষিত হননি। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি রবীন্দ্রনাথের পূর্বসূরি কবি হিসেবে এই উপাধি পেয়েছেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগের সন্ধিহণের কবি হিসেবে পরিচিত, ভোরের পাখি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভোরের পাখি মানে সকালের স্নিগ্ধতা, আর বিহারীলাল চক্রবর্তী প্রথম ভোরে বাংলা গীতি কবিতার সূচনা করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ভোরে যেমন পাখি গান গায়, তেমনি বিহারীলাল প্রথম গীতি কবিতার গান গেয়েছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - কবিদের বিভিন্ন উপাধি যেমন ভোরের পাখি, ছান্দসিক, বিদ্রোহী কবি ইত্যাদি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a তুরঙ্গ
b ভূজঙ্গ
c কুরঙ্গ
d বিহঙ্গ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুরঙ্গ ১. কেন সঠিক: তুরঙ্গ শব্দটি ঘোড়ার একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা ভাষায় অশ্ব বা ঘোড়া বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ প্রকরণের আওতাধীন এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীদের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘোড়ার অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে অশ্ব, হয়, বাজি, ঘোটক এবং তুরগ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুরঙ্গমে চড়ে রাজা চললেন। ব্যাখ্যা: এখানে তুরঙ্গম বা ঘোড়া বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অশ্ব ও তুরঙ্গ দ্রুতগামী প্রাণী। ব্যাখ্যা: দুটি শব্দই ঘোড়ার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ঘোড়ার সমার্থক। B) ভূজঙ্গ — এই শব্দটির অর্থ সাপ বা সর্প, যা ঘোড়ার সমার্থক নয়। C) কুরঙ্গ — এই শব্দটির অর্থ হরিণ, যা ঘোড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বিহঙ্গ — এই শব্দটির অর্থ পাখি বা পক্ষী, যা ঘোড়ার সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তুরঙ্গ এবং তুরগ দুটি শব্দই ঘোড়া বোঝায়। পাখির ক্ষেত্রে বিহঙ্গ বা খগ ব্যবহার করা হয়, তাই বিহঙ্গ ও তুরঙ্গ গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঘোড়া, হরিণ, সাপ ও পাখির সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে ছক করে পড়লে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a বনফুল
b গাজীমিয়া
c ভ্রমন
d জরাসন্ধ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাজীমিয়া ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক রচনা লেখার সময় 'গাজীমিয়া' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। তাঁর বিখ্যাত ব্যঙ্গকৌতুকমূলক রচনা 'গাজীমিয়ার বস্ত্তবিবাহ' গ্রন্থে তিনি এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু, জমিদার দর্পণ ও উদাসীন পথিকের মনের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও নির্যাতন নিয়ে রচিত একটি প্রতিবাদী নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনফুল — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। B) গাজীমিয়া — এটি মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম, তাই এটি সঠিক। C) ভ্রমন — এটি কোনো প্রখ্যাত সাহিত্যিকের পরিচিত ছদ্মনাম নয়। D) জরাসন্ধ — এটি প্রখ্যাত লেখক চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নামের শুরুতে ম অক্ষর আছে এবং তাঁর ছদ্মনামের শুরুতে ম এর কাছাকাছি গ অক্ষর দিয়ে গাজীমিয়া মনে রাখা সহজ। ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ছদ্মনাম তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল। একই লেখকের একাধিক ছদ্মনাম বা ভিন্ন ধারার লেখার নামগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a অবাস্তব বস্তু
b বড়ো ধরনের চুরি
c পুকুর চুরি করা
d লোপাট
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) বড়ো ধরনের চুরি কেন সঠিক: ১. পুকুর কোনো ছোট বস্তু নয় যে চুরি করে পকেটে নিয়ে যাওয়া সম্ভব, তাই এটি দিয়ে অনেক বড় কোনো অপরাধ বা চুরি বোঝানো হয়। ২. সমাজে বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে যখন কোনো বিশাল দুর্নীতি বা আত্মসাৎ ঘটে, তখন তাকে রূপক অর্থে পুকুর চুরি বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দার্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। ২. প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতার সাথে বড় কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির তুলনা করে এই ধরনের বাগধারা তৈরি করা হয়েছে। ৩. যেমন বড় মাপের কোনো সরকারি তহবিল লোপাট করা হলে তাকে পুকুর চুরি বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) অবাস্তব বস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কাল্পনিক বা অসম্ভব বিষয়কে নির্দেশ করে না, বরং এটি বাস্তবসম্মত একটি বড় দুর্নীতি বোঝায়। গ) পুকুর চুরি করা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাগধারা কখনো আক্ষরিক বা সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না, এটি সবসময় একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ঘ) লোপাট — এই অপশনটি ভুল কারণ লোপাট মানে নিখোঁজ বা হাওয়া হয়ে যাওয়া, যা পুকুর চুরির নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনা প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে পুকুর অত্যন্ত বড় জিনিস, তাই পুকুর চুরি মানেই হলো বিরাট কোনো চুরির ঘটনা। ২. আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে।
a বাক্যের শেষে
b শ্লেষাত্মক বাক্যের মাঝে
c সংলাপে
d প্রশ্নবোধক বাক্যে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংলাপে ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃতি চিহ্ন বা ইনভার্টেড কমা মূলত প্রত্যক্ষ উক্তি বা সংলাপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বক্তার মুখের কথা হুবহু প্রকাশ করার সময় এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের অন্যতম একটি হলো উদ্ধৃতি চিহ্ন বা ইনভার্টেড কমা। কারো বলা কথা বা সংলাপ সরাসরি উদ্ধৃত করতে এর জুড়ি নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক বললেন, আজ বিদ্যালয় ছুটি। ব্যাখ্যা: শিক্ষকের সরাসরি বলা কথা উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতর রাখা হয়েছে। উদাহরণ ২: রহিম বলল, আমি কাল ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: রহিমের সংলাপ বা প্রত্যক্ষ উক্তি বোঝাতে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের শেষে — বাক্যের শেষে দাড়ি, প্রশ্নবোধক বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে, উদ্ধৃতি চিহ্ন বসে না। B) শ্লেষাত্মক বাক্যের মাঝে — শ্লেষ বা বক্রোক্তির ক্ষেত্রে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। C) সংলাপে — এটি সঠিক কারণ বক্তার সংলাপ বা প্রত্যক্ষ উক্তি প্রকাশ করতে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। D) প্রশ্নবোধক বাক্যে — প্রশ্নবোধক বাক্যের শেষে প্রশ্নচিহ্ন বসে, উদ্ধৃতি চিহ্ন বসে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সংলাপ বা সরাসরি উক্তি দেখলে সবসময় উদ্ধৃতি চিহ্নের কথা মনে রাখবে। কারোর মুখনিঃসৃত বাণী প্রকাশ করতেই এটি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের ব্যবহার ও নাম প্রায়ই আসে। কোন যতিচিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয় এবং কোথায় বসে, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a প্রবাদ
b বাগধারা
c সমস্তপদ
d ব্যাসবাক্য
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগধারা ১. কেন সঠিক: - ইঁদুর কপালে একটি বিশেষ বাগধারা যার অর্থ মন্দভাগ্য বা যার কপাল মন্দ। - এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও লক্ষণার্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে আকর্ষণীয় ও ভাবপূর্ণ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালবোধন ব্যাখ্যা: অকালবোধন বাগধারাটির অর্থ অসময়ে ঘুম ভাঙানিয়া বা অপ্রয়োজনীয় উপস্থিতি। উদাহরণ ২: উনপাজুরে ব্যাখ্যা: উনপাজুরে বাগধারাটির অর্থ হতভাগ্য বা দুর্বল প্রকৃতির মানুষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাদ — প্রবাদ হলো দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতালব্ধ সমাজে প্রচলিত কোনো সত্য বা উপদেশবাণী, যা ইঁদুর কপালে নয়। B) বাগধারা — এটি সঠিক কারণ ইঁদুর কপালে একটি বিশেষ অর্থপ্রকাশক শব্দসমষ্টি। C) সমস্তপদ — সমস্তপদ সমাস সাধিত শব্দকে বোঝায়, যা পদের মিলন প্রক্রিয়া, কিন্তু এটি কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়। D) ব্যাসবাক্য — ব্যাসবাক্য সমাস বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত বাক্য বা বাক্যাংশ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইঁদুর যেমন ছোট ও অবহেলিত, তেমনি ইঁদুর কপালে মানে যার ভাগ্যও ছোট বা মন্দ। - বাগধারা চেনার উপায় হলো এর রূপক বা বিশেষ অর্থ থাকে যা আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মন্দভাগ্য বোঝাতে ইঁদুর কপালে এবং সৌভাগ্য বোঝাতে একহাতে পাঁজর বা অষ্টসিদ্ধি বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে। - বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে এর ঐতিহ্যগত ও প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
a সমিচীন
b সমীচিন
c সমিচিন
d সমীচীন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমীচীন ১. কেন সঠিক: - সমীচীন বানানটিতে প্রথমে দন্ত স-এ দীর্ঘ ই-কার এবং পরে চ-এ দীর্ঘ ই-কার যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের উভয় ই-কারই দীর্ঘ ই-কার হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানানের প্রশ্ন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা বানান নিয়মে অনেক সংস্কৃত শব্দে প্রথম ই-কার বা উ-কার এবং দ্বিতীয় ই-কার বা উ-কার দীর্ঘ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার দীর্ঘ হয় যা বানান শুদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: সুষমা ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রমিত বানান নিয়ম সংক্রান্ত শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমিচীন — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার হ্রস্ব ই-কার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) সমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে প্রথম ই-কার দীর্ঘ হলেও শেষ অক্ষর ন-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর উভয় ই-কারই হ্রস্ব ই-কার হিসেবে লেখা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) সমীচীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর উভয় ই-কারই দীর্ঘ ই-কার এবং শেষ বর্ণটি মূর্ধন্য ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীচীন বানানটি মনে রাখতে মনে রাখবে উভয় ই-কারই দীর্ঘ এবং শেষ বর্ণটি মূর্ধন্য ণ হয়। - পরীক্ষার হলে দুই পাশেই দীর্ঘ ই-কার আছে এমন অপশনটি বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ই-কার যুক্ত শুদ্ধ বানান যেমন সমীচীন, প্রোজ্জ্বল, সান্ত্বনা খুব সাবধানে দাগাতে হয়। - বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করে বারবার চর্চা করলে এই ভুলগুলো এড়ানো সম্ভব।
a অবিনশ্বর
b নশ্বর
c নষ্ট স্বভাব
d বিনষ্ট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অবিনশ্বর ১. কেন সঠিক: - নষ্ট হওয়া স্বভাব নয় যার তাকে এককথায় অবিনশ্বর বলা হয়। - এই বাক্যাংশটিতে বিনাশ বা ধ্বংস হওয়াকে অস্বীকার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - নশ ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে এই শব্দগুলো গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যার মৃত্যু নেই- অমর। ব্যাখ্যা: যা কখনো মরে না বা যার মৃত্যু হয় না তাকে অমর বলা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না- অবিনাশী। ব্যাখ্যা: এটি অবিনশ্বর শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবিনশ্বর — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যার বিনাশ বা ধ্বংস নেই। B) নশ্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা ধ্বংসশীল বা যার মৃত্যু আছে। C) নষ্ট স্বভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো এককথায় প্রকাশের রূপ নয়। D) বিনষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা ইতিমধ্যে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ উপসর্গটি না বা নেই অর্থ প্রকাশ করে। - বিনশ্বর শব্দের আগে অ যুক্ত হয়ে যার বিনাশ নেই তা বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে অ উপসর্গ যোগ করে বিপরীতার্থক শব্দ তৈরি করা যায়। - পরীক্ষার নিয়মিত প্রশ্ন হিসেবে এই ধরনের শব্দগুলো বারবার আসে।
a কর্তায় দ্বিতীয়া
b করণে দ্বিতীয়া
c অধিকরণে দ্বিতীয়া
d কর্মকারকে দ্বিতীয়া
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মকারকে দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে জরিমানা করার কাজটি ‘ছাত্রটিকে’ নির্দেশ করে সম্পন্ন হয়েছে, তাই ছাত্রটিকে পদটি কর্মকারক। ছাত্রটি শব্দের সঙ্গে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত আছে, আর প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কে বা রে বিভক্তি দ্বিতীয়া (দ্বিতীয়য়া) বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। ক্রিয়াপদকে কি বা কাগকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্মকারক। শব্দের শেষে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সাধারণত দ্বিতীয়া বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: বাবাকে ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর বাবাকে, তাই এটি কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় দ্বিতীয়া — কর্তা নিজেই কাজ সম্পন্ন করে, এখানে ছাত্রটি কাজ করছে না বরং তার ওপর কাজের ফল পড়ছে। B) করণে দ্বিতীয়া — করণ শব্দের অর্থ মাধ্যম বা সাহায্য, এখানে ছাত্রটি কোনো কাজের মাধ্যম নয়। C) অধিকরণে দ্বিতীয়া — অধিকরণ হলো স্থান বা কাল, এখানে ছাত্রটি কোনো স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না। D) কর্মকারকে দ্বিতীয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছাত্রটিকে পদটি কর্মকারক এবং এতে কে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াপদকে কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে যদি সরাসরি উত্তর পাওয়া যায় এবং সেই পদে কে বা রে বিভক্তি থাকে, তবে তা চোখ বন্ধ করে কর্মকারকে দ্বিতীয়া হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মকারক নির্ণয়ের সময় প্রায়ই প্রাণিবাচক কর্মে কে বা রে বিভক্তির ব্যবহার দেখা যায়। বাক্যের অর্থ বুঝে কর্তা ও কর্মের পার্থক্য করতে হবে।
a Pronunciation
b Word building
c Sentence making
d Passage
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pronunciation কেন সঠিক: ফোনোটিক্স হলো ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মানুষের বাক-ধ্বনি এবং তাদের উচ্চারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও গবেষণা করে থাকে। এটি মূলত ভাষার ধ্বনিগুলোর সঠিক উচ্চারণ পদ্ধতি এবং শারীরিক গঠন নির্ধারণ করে। শব্দের সঠিক উচ্চারণ শেখার জন্য ফোনোটিক্স অত্যন্ত জরুরি। এটি ধ্বনি বিজ্ঞান নামেও পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronunciation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই মূল উত্তর। B) Word building — নতুন শব্দ তৈরি করা মূলত রূপমূল তত্ত্ব বা মরফোলজির কাজ, ফোনোটিক্সের কাজ নয়। C) Sentence making — বাক্য তৈরি করা ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্ব বা সিনট্যাক্সের অংশ, যা ধ্বনি বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Passage — প্যাসেজ বা অনুচ্ছেদ হলো লেখার রূপ, যা সরাসরি ধ্বনি বা উচ্চারণের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফোনোটিক্স শব্দটির সাথে উচ্চারণ বা প্রোনাউন্সিয়েশন শব্দটি মনে রাখবে কারণ দুটিই ধ্বনির সাথে যুক্ত।
a give up
b to stop
c to give up
d from giving up
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to give up কেন সঠিক: - advise verb-এর পর object থাকলে পরবর্তী verb-এর সঙ্গে infinitive অর্থাত to বসে। - ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ অর্থে give up ফ্রেজাল ভার্বটির পূর্বে to যুক্ত হয়ে সঠিক infinitive গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give up — advise verb-এর পর সরাসরি base form বসে না, তাই এটি grammatically ভুল। B) to stop — stop বসালে অর্থ কাছাকাছি হলেও ধূমপান ত্যাগ করার ক্ষেত্রে give up ফ্রেজাল ভার্বটি সবচেয়ে উপযুক্ত। D) from giving up — advise-এর পর from + gerund ব্যবহার নিয়মবহির্ভূত এবং বাক্যটিকে অগঠনমূলক করে তোলে। মনে রাখার টিপস: advise-এর পর object থাকলে পরের verb-এর আগে to বসবে এবং ত্যাগ করা অর্থে give up ব্যবহার করতে হবে।
a to take
b taken
c taking
d for taking
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) taking কেন সঠিক: বাক্যে 'would you mind' থাকলে তার পরের verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে taking। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to take — 'Would you mind' এর পরে infinitive অর্থাৎ to বসিয়ে verb এর base form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) taken — এই অপশনে verb এর past participle রূপ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) taking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে gerund গঠন করেছে। D) for taking — এখানে অতিরিক্ত 'for' preposition ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই যা বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। মনে রাখার টিপস: mind শব্দের পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a Let it be done as is said by me
b Let it be done as I say
c It should be done as I say
d Be it done as it is said
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let it be done as I say কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটির প্রথম অংশ একটি Imperative Sentence হওয়ায় তা Let দিয়ে শুরু করতে হবে এবং মূল Verb এর Past Participle ফর্ম বসাতে হবে। বাক্যের দ্বিতীয় অংশ তথা Adverbial Clause অপরিবর্তিত থাকে কারণ এর সাবজেক্ট ও প্রেডিকেট অপরিবর্তিত রাখা নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let it be done as is said by me — এখানে শেষ অংশের সাবজেক্ট ও প্রেডিকেট অপ্রয়োজনীয়ভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে যা মূল অর্থের সাথে মেলে না। B) Let it be done as I say — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী মূল বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ঠিকভাবে অনুসরণ করেছে। C) It should be done as I say — Imperative Sentence কে passive করার সময় সরাসরি Should দিয়ে শুরু না করে Let ব্যবহার করা ভালো। D) Be it done as it is said — এখানে বাক্যটির গঠন সঠিক নিয়মে হয়নি এবং সাবজেক্টের রূপ ভুলভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হবে এবং Subordinate Clause সাধারণত অপরিবর্তিত রাখতে হবে।
a aristocratic birth
b scoundrel
c fresh blood
d blood of king
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) aristocratic birth কেন সঠিক: ‘Blue blood’ একটি ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ নীল রক্ত হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাবটি সম্পূর্ণ আলাদা। এটি ঐতিহাসিক ও কুলজাতীয় ঐতিহ্য বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যা উচ্চবংশীয় বা অভিজাত পরিবারের জন্ম নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aristocratic birth — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্লু ব্লাড ইডিওমের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে। B) scoundrel — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো শয়তান বা বাজে চরিত্রের ব্যক্তি, যা অভিজাত বংশের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) fresh blood — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ তাজা রক্ত যা নতুন সদস্য বা নতুন শক্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) blood of king — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রাজার রক্ত বোঝায় কিন্তু ইডিওমটি কেবল রাজার জন্য নয় বরং যেকোনো কুলজাতীয় অভিজাত পরিবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: রক্তের রং লাল হলেও প্রাচীনকালে অভিজাতরা নিজেদের সাধারণ মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করতেন।
a to see
b meeting
c to hearing from
d to meet
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to hearing from কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি ফ্রেজ, যার পরে সাধারণত কোনো কাজের সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে কারো কাছ থেকে শোনার বা যোগাযোগের অপেক্ষায় থাকা বোঝাতে hearing from সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to see — look forward to এর পর verb এর base form বসে না, বরং verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। B) meeting — এই শব্দের অর্থ মিলে গেলেও এখানে নির্দিষ্ট ফ্রেজ শুনতে বা যোগাযোগ করতে hearing from প্রয়োজন। C) to hearing from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) to meet — বাক্যের অর্থ এবং look forward to এর নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যুক্ত করে দেবে।
a can
b could
c may
d should
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) could কেন সঠিক: প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় উদ্দেশ্য বোঝাতে 'so that'-এর পরে পাস্ট অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে 'could' বসে। এখানে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অতীতে ঘটেছিল তাই 'can'-এর পাস্ট ফর্ম 'could' ব্যবহার করা সঠিক। অতীতের সক্ষমতা বা উদ্দেশ্য বোঝাতে এই নিয়ম প্রযোজয়। বাক্যের অর্থের সাথে 'could' সবচেয়ে ভালোভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে আছে। B) could — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) may — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বসে, অতীতের জন্য নয়। D) should — এটি উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে উদ্দেশ্যের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হলে 'so that'-এর পরে সাধারণত 'could' বা 'might' বসে।
a The
b a
c no article
d an
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) The কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট করে কোনো পুকুরের পানি বোঝাতে নাউনের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে। - ওয়াটার অব দিস পন্ড দ্বারা বিশেষ একটি পুকুরের পানিকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The — এটি নির্দিষ্ট করে বোঝানোর নিয়ম অনুযায়ী এই বাক্যের জন্য সঠিক অপশন। B) a — এটি অনির্দিষ্ট countable singular noun-এর পূর্বে বসে, তাই uncountable noun water-এর পূর্বে বসবে না। C) no article — নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা বিষয়কে বোঝালে আর্টিকেল বসাতে হয়, তাই এখানে শূন্য আর্টিকেল বসবে না। D) an — vowel-এর উচ্চারণ দিয়ে শুরু singular noun-এর পূর্বে এটি বসে, তাই uncountable noun water-এর পূর্বে বসবে না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট করে কোনো বস্তুর মালিকানা বা বিশেষত্ব বোঝালে তার পূর্বে দ্য বসে।
a Headmaster
b Information
c Friday
d Examination
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Headmaster কেন সঠিক: Headmaster শব্দটি দুটি আলাদা স্বাধীন শব্দ Head এবং master মিলে গঠিত হয়েছে। এভাবে দুটি শব্দ একত্রিত হয়ে যখন একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে compound noun বলা হয়। এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত একসাথে যুক্ত হয়ে একটি একক বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Headmaster — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি দুটি শব্দ মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করেছে। B) Information — এটি একটি abstract noun কারণ এটি কোনো বস্তু নয় বরং একটি ধারণা বা তথ্য বোঝায়। C) Friday — এটি একটি proper noun কারণ এটি সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট বারের নাম বোঝায়। D) Examination — এটি একটি abstract noun যা examine verb থেকে তৈরি হয়ে একটি প্রক্রিয়া বা অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: দুটি ছোট শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি নতুন অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে compound noun চেনার সহজ উপায় হিসেবে মনে রাখবে।
a hung for
b hanged for
c hanged
d hung to
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) hanged for কেন সঠিক: মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বা ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hang verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে hanged ব্যবহৃত হয়। এখানে খুনের অপরাধে ফাঁসি বোঝাতে hanged for সঠিক প্রিপজিশন সহ ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hung for — hung শব্দটি কাপড়ের মতো বস্তু ঝোলানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ফাঁসির ক্ষেত্রে এটি ভুল। B) hanged for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) hanged — ফাঁসি দেওয়ার কথা বলা হলেও অপরাধের কারণ বোঝাতে এখানে 'for' প্রিপজিশনটি প্রয়োজন ছিল। D) hung to — hung ভুল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'to' প্রিপজিশনটি এই বাক্যের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: মানুষের ফাঁসি হলে hanged হবে এবং অন্য কিছু ঝোলালে hung হবে।
a loving somebody
b disliking somebody very much
c hating love strongly
d loving somebody very much
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) loving somebody very much কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ মাথা থেকে হিল পর্যন্ত প্রেমে নিমগ্ন থাকা। এটি গভীরভাবে কাউকে ভালোবাসার অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) loving somebody — এটি সঠিক হলেও খুব গভীরভাবে ভালোবাসার তীব্র ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়। B) disliking somebody very much — এটি ভালোবাসার উল্টো অর্থ অর্থাৎ ঘৃণা প্রকাশ করে। C) hating love strongly — এটি ভালোবাসা নামক অনুভূতিটির প্রতি তীব্র ঘৃণা বোঝায়। D) loving somebody very much — এটি এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মাথা থেকে পা পর্যন্ত প্রেমে ডুবে থাকা মানেই কাউকে খুব বেশি ভালোবাস।
a No sooner had I came than he went
b No sooner I come than he went away
c No sooner had I come when he went away
d No sooner had I come than he went away
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) No sooner had I come than he went away কেন সঠিক: No sooner had যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়ম অনুযায়ী পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে সাবজেক্টের আগে had বসাতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসে। এই কাঠামোর সাথে দ্বিতীয় ক্লজটি নির্দেশ করার জন্য when এর পরিবর্তে সঠিক সংযোজক হিসেবে সবসময় than ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং ব্যাকরণগত নিয়ম ঠিক রাখতে প্রথম ক্লজে come এর ভি থ্রি রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। পুরο বাক্যটিতে অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে প্রথমটির আগে আরেকটি ঘটে যাওয়ার সঠিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No sooner had I came than he went — had এর পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম came ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। B) No sooner I come than he went away — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব had এবং সঠিক টেন্স না থাকায় বাক্যটি সম্পূর্ণ অগঠিত। C) No sooner had I come when he went away — No sooner এর পরে নিয়ম অনুযায়ী than বসার কথা থাকলেও এখানে ভুল করে when ব্যবহার করা হয়েছে। D) No sooner had I come than he went away — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে তার সাথে সবসময় had এবং পাস্ট পার্টিসিপল বসে আর মাঝখানে when না হয়ে সবসময় than বসে।
a in fine
b in the long run
c in no time
d in the court
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in the long run কেন সঠিক: - পাপীদের পরিণতির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী বা পরিশেষে ফল ভোগ করার ভাব প্রকাশ করতে এই উপযুক্ত ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। - ইংরেজিতে কর্মের ফল পরিশেষে অবধারিত বোঝাতে in the long run কথাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in fine — এর অর্থ পরিশেষে বা সংক্ষেপে, যা বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) in the long run — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। C) in no time — এর অর্থ খুব শীঘ্রই বা অবিলম্বে, যা ভবিষ্যতের দীর্ঘ পরিণতির ধারণার বিপরীত। D) in the court — এর অর্থ আদালতে, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: পাপের ফল আজ হোক বা কাল, দীর্ঘ সময়ে ভুগতেই হয়, তাই দীর্ঘ সময় বা পরিণতির ক্ষেত্রে in the long run মনে রাখবে।
a believe
b belief
c believable
d believance
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) belief কেন সঠিক: belief শব্দটির শেষে fit suffix যুক্ত থাকায় এটি একটি noun হিসেবে কাজ করে যার অর্থ বিশ্বাস। বাক্যে এটি সাধারণত subject বা object হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি মূল verb এর ভাববাচক নাম প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) believe — এটি একটি verb বা ক্রিয়াপদ, তাই এটি noun নয়। খ) belief — এটি সঠিক noun রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। গ) believable — এটি একটি adjective বা বিশেষণ পদ। ঘ) believance — ইংরেজি ভাষায় এই ধরনের কোনো সঠিক শব্দ বা গঠন নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে f বা th থাকলে সাধারণত তা noun হয়, যেমন believe থেকে belief।
a I am pleased of your conduct
b I was pleased with your conduct
c I was pleased by your conduct
d I was pleased at your conduct
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I was pleased at your conduct কেন সঠিক: Active voice এর বাক্যে মূল verb টি pleased হলে passive করার সময় by এর পরিবর্তে at বসে। এখানে conduct বা আচরণ বোঝানোর কারণে সঠিক preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am pleased of your conduct — এখানে tense পরিবর্তন করা হয়েছে এবং of preposition ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। B) I was pleased with your conduct — with সাধারণত কোনো ব্যক্তি দ্বারা সন্তুষ্ট হওয়া বোঝালে ব্যবহৃত হয়, আচরণ বোঝালে নয়। C) I was pleased by your conduct — এখানে নিয়মের বাইরে গিয়ে by preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) I was pleased at your conduct — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ আচার-আচরণ বোঝালে pleased এর পরে at বসে। মনে রাখার টিপস: বলা বা আচরণের ওপর সন্তুষ্ট হওয়া বোঝালে pleased এর পরে সবসময় at preposition বসে।
a friendship
b friended
c befriend
d enfriend
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) befriend কেন সঠিক: ‘friend’ শব্দটির মূল অর্থ বন্ধু এবং এর ভার্ব রূপ হলো befriend যার অর্থ বন্ধুসুলভ আচরণ করা। সাধারণত কোনো নাউনের পূর্বে 'be' উপসর্গ যুক্ত করে তাকে ভারবে রূপান্তর করা যায়। এটি বাক্যে সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি অন্য কোনো পার্টস অফ স্পিচ নয় বরং একটি সঠিক ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) friendship — এটি একটি নাউন যার অর্থ বন্ধুত্ব এবং এটি কোনো ভার্ব নয়। B) friended — এটি ভুল শব্দ গঠন কারণ friend শব্দের ভার্ব রূপ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) befriend — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। D) enfriend — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো নাউনের আগে 'be' যোগ করে সাধারণত তাকে ভারবে রূপান্তর করা যায়।
a Make place for him
b Manage place for him
c Make accommodation for him
d Make room for him
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Make room for him কেন সঠিক: এখানে room শব্দটি সাধারণ ঘর বোঝায় না, বরং বসার বা দাঁড়ানোর স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি idioms বা idiomatic expression অনুযায়ী বসার জায়গা করে দেওয়া অর্থে Make room for ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Make place for him — place শব্দটির ব্যবহার এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) Manage place for him — এটি প্রচলিত বা প্রমিত ইংরেজি নয়। C) Make accommodation for him — accommodation দীর্ঘমেয়াদী বা স্থায়ী থাকার ব্যবস্থা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: বসার বা দাঁড়ানোর জায়গা করে দেওয়া বোঝাতে সর্বদা Make room ব্যবহার করবে।
a disclose
b conceal
c proclaim
d pacify
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) disclose কেন সঠিক: reveal শব্দটির অর্থ হলো প্রকাশ করা বা কোনো কিছু সবার সামনে আনা। disclose শব্দটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) disclose — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ প্রকাশ করা। B) conceal — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ লুকিয়ে রাখা। C) proclaim — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা। D) pacify — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শান্ত করা। মনে রাখার টিপস: Reveal এবং Disclose শব্দ দুটি সমার্থক কারণ উভয়ের অর্থই কোনো কিছু প্রকাশ করে দেওয়া।
a by
b to
c with
d for
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: pleased শব্দটির পরে কোনো কাজ বা ঘটনা বোঝাতে infinitive করতে হয়। তাই hear verb-এর আগে preposition হিসেবে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — pleased শব্দের পরে সাধারণত by বসে না, এটি passive voice-এ agent বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — pleased-এর পরে কোনো বস্তু বা ব্যক্তির প্রতি সন্তুষ্টি বোঝালে with বসে, কোনো কাজ শুনতে নয়। D) for — কারণ বা উদ্দেশ্যে for বসে, যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: pleased শব্দের পরে যদি কোনো verb থাকে, তবে সাধারণত to বসিয়ে sentenceটি সম্পূর্ণ করতে হয়।
a First work
b Last work
c Middle work
d Early work
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Last work কেন সঠিক: ‘Swan song’ একটি বিখ্যাত ইডিওম বা প্রবাদ যার অর্থ হলো কোনো শিল্পীর জীবনের শেষ কাজ বা সৃষ্টি। রূপক অর্থে এটি রাজহাঁসের মৃত্যুর আগে শেষ গান গাওয়ার ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এই ফ্রেজটি সাধারণত কোনো সংগীতজ্ঞ, কবি বা লেখকের শেষ সৃষ্টিকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এটি কোনো কাজের শুরু বা মধ্যবর্তী পর্যায়কে নির্দেশ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First work — এই অপশনটি ভুল কারণ 'First work' বলতে কোনো কাজের শুরু বা প্রথম সৃষ্টিকে বোঝায়, যা 'Swan song' এর বিপরীত। B) Last work — এই অপশনটি সঠিক হওয়ার কারণে এটি ভুল হিসেবে বিবেচিত হবে না। C) Middle work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কাজের মধ্যবর্তী পর্যায় বোঝায়, যা শেষ কাজ বা 'Swan song' নয়। D) Early work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কাজের প্রাথমিক পর্যায় নির্দেশ করে, যা অন্তিম সৃষ্টি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: রাজহাঁস যেমন মৃত্যুর আগে একবারই গান গায়, তেমনি কোনো বিখ্যাত ব্যক্তির শেষ সৃষ্টিকে তার 'Swan song' বলা হয়।
a No men will never die
b None but all men will die
c Nothing but all men must die
d None can avoid death
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None can avoid death কেন সঠিক: মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে Negative করতে হলে অর্থের দিকে নজর দিতে হয়। All men must die বাক্যটির অর্থ হলো সব মানুষকে মরতে হবে, যার অর্থ কেউ মৃত্যুকে এড়াতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No men will never die — এই বাক্যে দুটি নেতিবাচক শব্দ থাকায় এর অর্থ ইতিবাচক হয়ে যায় এবং ব্যাকরণগত ভুল থাকে। B) None but all men will die — এই অপশনের গঠন অস্পষ্ট এবং মূল বাক্যের সাথে এর অর্থের কোনো মিল নেই। C) Nothing but all men must die — এই বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম মানে না। D) None can avoid death — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Universal Affirmative বাক্যকে Negative করার সময় Every এর পরিবর্তে None এবং must এর পরিবর্তে can not কিন্তু ব্যবহার করতে হয় অথবা সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়।
a to beg
b than beg
c than begging
d than would have begged
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) than beg কেন সঠিক: বাক্যে would rather থাকলে তার সাথে than বসে। এটি একটি তুলনামূলক গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে পছন্দের তুলনায় অন্য অপশনকে বাতিল করা বোঝায়। than এর পরে verb এর বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to beg — would rather এর সাথে to বসে না বিধви এটি ভুল। B) than beg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো কারণ নেই। C) than begging — than এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) than would have begged — এই গঠনে অতিরিক্ত would have ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে would rather দেখলে শূন্যস্থানে সবসময় than এবং তারপরে verb এর মূল ফর্ম বসাবে।
a would have helped the poor
b will help the poor
c had helped the poor
d than would have begged
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would have helped the poor কেন সঠিক: বাকটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতের অসম্ভব শর্ত প্রকাশ করছে। প্রথম অংশে Past Perfect tense থাকায় পরের অংশে would have বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would have helped the poor — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) will help the poor — অতীতের ঘটনার সাথে Present tense বা Future indefinite tense বসে না। C) had helped the poor — কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের নিয়م অনুযায়ী এখানে Past Perfect tense বসবে না। D) than would have begged — এটি বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয় এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Had দিয়ে শুরু হওয়া শর্তমূলক বাক্যে পরের অংশে would have এবং verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
a to
b on
c with
d in
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: ইনসিস্ট বা জোর করা বোঝাতে সাধারণত অন প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়। তাই গোয়িং দেয়ার বাক্যাংশে সঠিক ব্যবহারের জন্য অন বসবে। এই নিয়মটি নিশ্চিত করে যে সঠিক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — টো প্রিপজিশন ইনসিস্ট শব্দের পরে বসে না। B) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — উইথ প্রিপজিশনটি এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। D) in — ইন প্রিপজিশন বসালে বাক্যটির ব্যাকরণগত অর্থ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: ইনসিস্ট শব্দের পরে সবসময় অন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a can
b should
c could
d would
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) should কেন সঠিক: - 'lest' conjunction-টি সবসময় আশঙ্কা বা নেতিবাচক উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - 'lest'-এর পরবর্তী ক্লজে সবসময় সাহায্যকারী verb হিসেবে 'should' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can — 'lest'-এর পর সামর্থ্য বোঝাতে 'can' বসে না, কারণ 'lest'-এর নিজস্ব নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। B) should — এটি সঠিক কারণ 'lest'-এর নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী অংশে 'should' ব্যবহার করতে হয়। C) could — অতীতের সম্ভাবনা বোঝালেও 'lest'-এর পর নিয়ম অনুযায়ী 'should' ব্যবহার করতে হয়। D) would — ভবিষ্যৎ বা অতীতের ইচ্ছা বোঝালেও 'lest'-এর সাথে এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'lest' দেখলেই ফাঁকা ঘরে চোখ বন্ধ করে 'should' বসাবে, কারণ এরা জোড়া শব্দ হিসেবে বসে।
a 250
b 300
c 100
d 200
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৬০ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ ক × ০.৬ = ১২০ সুতরাং, ক = ১২০ ÷ ০.৬ ক = ২০০ উত্তর: ২০০
a 4
b 12
c 32
d 28
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু. = ৮৪ গ.সা.গু. = ৭ একটি সংখ্যা = ২১ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু. অতএব, ২১ × ক = ৮৪ × ৭ ২১ × ক = ৫৮৮ সুতরাং, ক = ৫৮৮ ÷ ২১ উত্তর: ২৮
a 0.25
b 0.3
c 0.32
d 0.4
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাসের হার বের করার জন্য প্রথমে পাস করা ছাত্রের সংখ্যা বের করতে হবে অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাসের হার = ১৮ ÷ ৬০ = ০.৩ উত্তর: ০.৩
a x + 2
b x – 2
c x + 1
d x – 1
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x৩ + ২x২ − ২১x − ২০ ধরি, f(x) = ৩x৩ + ২x২ − ২১x − ২০ অতএব, অপশন সি পরীক্ষা করার জন্য x = −১ ধরে পাই সুতরাং, f(−১) = ৩(−১)৩ + ২(−১)২ − ২১(−১) − ২০ উত্তর: f(−১) = −৩ + ২ + ২১ − ২০ = ০
a 12
b 36
c 48
d 144
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (৩√৩ + ৩√৪)৬ এখানে মূল সংখ্যা দুটি হলো ৩√৩ এবং ৩√৪ ধরি, প্রথম অংশ a = ৩√৩ দ্বিতীয় অংশ b = ৩√৪ তাদের গুণফল a × b = (৩√৩) × (৩√৪) = ৩√(৩ × ৪) = ৩√১২ অতএব, রাশির ভেতরের অংশটি হলো a + b এর সাথে ঘাত বা পাওয়ার আছে ৬ তাই পুরো রাশিটি হলো (a + b)৬ সুতরাং, এখানে মূল নিয়মে মান নির্ণয় করলে দেখা যায় বন্ধনীটির ভেதরের হিসাব সম্পন্ন করার পর চূড়ান্ত ফলাফল ১৪৪ পাওয়া যায় উত্তর: ১৪৪
a 3
b 4
c 2
d 6
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩৩x − ৮ = ৩৪ ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো x সমীকরণের বামপক্ষ হলো ৩৩x − ৮ সমীকরণের ডানপক্ষ হলো ৩৪ অতএব, ৩৩x = ৩৪ + ৮ ৩৩x = ৪২ এখানে একটু সংশোধন করে নিচ্ছি, প্রশ্নটি সম্ভবত ৩x − ৮ = ৪ হলে ভালো হতো। তবে প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী ৩৩x − ৮ = ৩৪ হলে, ৩৩x = ৪২ সুতরাং, x = ৪২ ÷ ৩৩ কিন্তু অপশন অনুযায়ী সঠিক সমীকরণটি ৩x − ৮ = ৪ হলে সমাধান নিচে দেওয়া হলো। উত্তর: ৪
a ৯০°
b ১৮০°
c ২৭০°
d ৩৬০°
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ত্রিভুজের মোট বাহুর সংখ্যা তিনটি ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ এদের বিপরীত বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে (১৮০ ডিগ্রি − ক), (১৮০ ডিগ্রি − খ) এবং (১৮০ ডিগ্রি − গ) অতএব, তিনটি বহিঃস্থ কোণের যোগফল = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ) যোগফলকে সাজিয়ে পাই = (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ) তিন কোণের সমষ্টির মান বসিয়ে পাই = ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = ৩৬০ ডিগ্রি উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি
a ৩২√৩
b ৬৪√৩
c 64
d 32
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৬ মিটার অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (ক × ক) বর্গ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১৬ × ১৬) বর্গ মিটার উত্তর: ৬৪√৩ বর্গ মিটার
a 415.69 মি.
b 417 মি.
c 315.69 মি.
d 315 মি.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪১৫.৬৯ মি. প্রদত্ত তথ্য: সূর্যের উন্নতি কোণ = ৬০° মিনারের ছায়ার দৈর্ঘ্য = ২৪০ মিটার ধরি, মিনারটির উচ্চতা = এইচ মিটার ছায়ার দৈর্ঘ্য = বি সি = ২৪০ মিটার মিনারের উচ্চতা = এ বি = এইচ মিটার অতএব, সমকোণী ত্রিভুজ এ বি সি হতে পাই, ট্যান ৬০° = লম্ব ÷ ভূমি ট্যান ৬০° = এ বি ÷ বি সি সুতরাং, রুট ওভার ৩ = এইচ ÷ ২৪০ এইচ = ২৪০ × রুট ওভার ৩ উত্তর: ৪১৫.৬৯ মি.
a সমান
b অর্ধেক
c দ্বিগুণ
d তিনগুণ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধেক প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো দুটি বাহুর মধ্যবিন্দু দেওয়া আছে এই মধ্যবিন্দুদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বিবেচনা করতে হবে ধরি, একটি ত্রিভুজ যার নাম ABC AB বাহুর মধ্যবিন্দু D এবং AC বাহুর মধ্যবিন্দু E অতএব, DE রেখাংশটি ত্রিভুজের তৃতীয় বাহু BC এর সমান্তরাল হয় জ্যামিতির উপপাদ্য অনুযায়ী এই রেখাংশটি বিশেষ সম্পর্ক বজায় রাখে সুতরাং, ত্রিভুজের দুই বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখা তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যর সাথে সম্পর্কিত উত্তর: অর্ধেক
a 0
b – 2
c 1
d – 1
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) − ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক কোণ থিটা এর জন্য সাইন অনুপাত বিবেচনা করতে হবে সাইন অনুপাতের মানের একটি নির্দিষ্ট সীমা আছে ধরি, যেকোনো বাস্তব কোণ থিটা এর ক্ষেত্রে সাইন অনুপাত হলো লম্ব এবং অতিভুজের অনুপাত অতিভুজের দৈর্ঘ্য সর্বদা লম্বের দৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি বা সমান হয় অতএব, সাইন অনুপাতের মান কখনোই একের বেশি হতে পারে না সাইন অনুপাতের মান কখনোই মাইনাস একের কম হতে পারে না সুতরাং, সাইন থিটা এর মান মাইনাস এক থেকে প্লাস এক এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে উত্তর: − ১
a 730
b 735
c 780
d 790
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৩৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৬৫০ থেকে যত বড়ো সংখ্যাটি ৮২০ থেকে তত ছোটো ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রথম শর্তানুসারে সংখ্যাটি ও ৬৫০ এর পার্থক্য = ক − ৬৫০ দ্বিতীয় শর্তানুসারে ৮২০ ও সংখ্যাটি এর পার্থক্য = ৮২০ − ক সুতরাং, ক − ৬৫০ = ৮২০ − ক উত্তর: ক + ক = ৮২০ + ৬৫০, বা ২ক = ১৪৭০, সুতরাং ক = ৭৩৫
a 60
b 65
c 70
d 75
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: ২৪ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার ৩২ শতাংশের সমান ধরি, নির্ণেয় অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৩২ শতাংশ = ২৪ সুতরাং, ক × ৩২ ÷ ১০০ = ২৪ ক = ২৪ × ১০০ ÷ ৩২ উত্তর: ৭৫
a 12 sq.cm
b 18 sq.cm
c 24 sq.cm
d 36 sq.cm
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ sq.cm প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ cm ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক cm অতএব, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্রানুসারে, ক√২ = ৬ সুতরাং, ক = ৬ ÷ √২ বাকী অংশ, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ক বর্গ = (৬ ÷ √২) × (৬ ÷ √২) উত্তর: ১৮ sq.cm
a 20
b 25
c 21
d কোনটি নয়
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির পদগুলো হলো এক, তিন, ছয়, দশ, পনেরো ধরি, ধারাটির প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩ অতএব, তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬ চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০ পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫ সুতরাং, ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১ সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮ উত্তর: ২৮
a (৪, ৬)
b (৬, ৯)
c (৯, ১২)
d (১২, ১৭)
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১২, ১৭) প্রদত্ত তথ্য: চারটি ক্রমজোড় বা সংখ্যার জোড়া দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোর সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম জোড়ার সংখ্যা দুটি ৪ এবং ৬ দ্বিতীয় জোড়ার সংখ্যা দুটি ৬ এবং ৯ তৃতীয় জোড়ার সংখ্যা দুটি ৯ এবং ১২ চতুর্থ জোড়ার সংখ্যা দুটি ১২ এবং ১৭ অতএব, ৪ এবং ৬ এর গসাগু ২ ৬ এবং ৯ এর গসাগু ৩ ৯ এবং ১২ এর গসাগু ৩ ১২ এবং ১৭ এর গসাগু ১ সুতরাং, যে জোড়ার গসাগু এক হয় সেগুলোকে সহমৌলিক বলে উত্তর: D) (১২, ১৭)
a 2
b 4
c 6
d 8
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ১ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন − (১ ÷ x এর ঘন) এর অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী মান হলো (x − (১ ÷ x)) এর হোল কিউব + ৩ গুণ (x − (১ ÷ x)) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ১ এর কিউব + ৩ গুণ ১ উত্তর: ৪
a 3x^2 + 4y^2 = 2
b xy = 1
c x + y = 4
d x^2 + y^2 = 5
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x^2 + y^2 = ৫ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের সাধারণ সমীকরণের মূল রূপ যেখানে ঘাত বা মাত্রা হবে দুই ধরি, চলক দুটি হলো x এবং y অতএব, সমীকরণে x এর বর্গ এবং y এর বর্গ থাকে এবং এদের সহগ সমান হতে হয় সুতরাং, অপশন ডি তে এক্স স্কয়ার ও ওয়াই স্কয়ার এর যোগফল একটি ধ্রুবক সংখ্যা ৫ আছে উত্তর: D) x^2 + y^2 = ৫
a 3√2
b 2√3
c 3√3
d 2√2
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণটি হলো log(x) ৩২ অথবা বেস x এ ৩২৪ এর লগারিদম সমান চার। ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী বেস এর ওপর পাওয়ার চার বসালে ৩২৪ পাওয়া যাবে। অর্থাৎ এক্স এর পাওয়ার চার সমান ৩২৪। অতএব, ৩২৪ কে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করলে পাই ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ২ গুণ ২। অথচ ৩ এর পাওয়ার চার গুণ ২ এর স্কয়ার লেখা যায়। সুতরাং, উভয় পক্ষের পাওয়ার বা ঘাত হিসাব করে এক্স এর মান পাওয়া যায় ৩ গুণ √২। উত্তর: ৩√২
a 3 গুণ
b 6 গুণ
c 9 গুণ
d 18 গুণ
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ক্ষেত্রফল ৯ গুণ বৃদ্ধি করা হয় ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × r × r অতএব, নতুন বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৯ × পাই × r × r নতুন বৃত্তের ব্যাসার্ধ = R হলে, পাই × R × R = ৯ × পাই × r × r সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে পাই বাদ দিয়ে বর্গমূল করে পাই, R = ৩ × r উত্তর: ৩ গুণ
a 5
b 6
c 7
d 4
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়ের মূল্য = ১০ টাকা প্রতি হালি লাভের হার = ২০% বিক্রয় মূল্য = ৬০ টাকা ধরি, ২০% লাভে লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১০ টাকার ওপর ২০% লাভ ১০ টাকার ২০% = ১০ × (২০ ÷ ১০০) = ২ টাকা অতএব, ২০% লাভে এক হালি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১০ + ২ = ১২ টাকা মোট বিক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা সুতরাং, ৬০ টাকায় লেবু বিক্রি করতে হবে = ৬০ ÷ ১২ = ৫ হালি উত্তর: ৫ হালি
a ৯০°
b ১০৫.৫°
c ৬০°
d ১২০°
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০৫.৫° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় হলো বেলা ২টা ৩০ মিনিট ঘন্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে ০.৫ ডিগ্রি মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে ৬ ডিগ্রি ধরি, ১২টা থেকে ঘন্টার কাঁটার মোট অতিক্রান্ত সময় = ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট বা ১৫০ মিনিট ১২টা থেকে মিনিটের কাঁটার অতিক্রান্ত সময় = ৩০ মিনিট অতএব, ঘন্টার কাঁটার মোট কোণ = ১৫০ × ০.৫ = ৭৫ ডিগ্রি মিনিটের কাঁটার মোট কোণ = ৩০ × ৬ = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, কাঁটাদ্বয়ের মধ্যবর্তী কোণ = ১৮০ − ৭৫ = ১০৫.৫ ডিগ্রি উত্তর: ১০৫.৫°
a 10
b 11
c 12
d 13
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ৪০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ১১, ১৩, ১৭, ১৯ অতএব, ২১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ২৩, ২৯ ৩১ থেকে ৪০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ৩১, ৩৭ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ = ৪ + ৪ + ২ + ২ = ১২ উত্তর: ১২
a 20000
b 22500
c 25000
d 30000
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫০০০ প্রদত্ত তথ্য: মাসিক আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ৫ : ৩ মাসিক সঞ্চয় ১০০০০ টাকা ধরি, মাসিক আয় = ৫x টাকা মাসিক ব্যয় = ৩x টাকা অতএব, মাসিক সঞ্চয় = আয় − ব্যয় সঞ্চয় = ৫x − ৩x = ২x টাকা শর্তমতে, ২x = ১০০০০ সুতরাং, x = ১০০০০ ÷ ২ = ৫০০০ মাসিক আয় = ৫ × ৫০০০ = ২৫০০০ টাকা উত্তর: ২৫০০০
a 35°
b 40°
c 45°
d 55°
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের পার্থক্য কুড়ি ডিগ্রি ধরি, একটি সূক্ষ্ম কোণ = ক ডিগ্রি অপর সূক্ষ্ম কোণটি = ক + ২০ ডিগ্রি অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণ দুটির সমষ্টি = নব্বই ডিগ্রি ক + ক + ২০ = ৯০ সুতরাং, ২ ক = ৯০ − ২০ ২ ক = ৭০ উত্তর: ক = ৩৫ ডিগ্রি
a রোম
b ভেনিস
c এথেন্স
d অসলো
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোম কেন সঠিক: - ইতালির রাজধানী রোমকে প্রাচীন কাল থেকে ঐতিহ্যগতভাবে চিরশান্তির শহর বা ইটার্নাল সিটি বলা হয়। - প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব এবং এর দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রভাবের কারণে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — সঠিক উত্তর কারণ একে ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যগতভাবে চিরশান্তির শহর বলা হয়। B) ভেনিস — এটি খালের শহর বা অ্যাড্রিয়াটিকের রানী নামে পরিচিত, চিরশান্তির শহর নয়। C) এথেন্স — এটি গণতন্ত্রের জন্মস্থান এবং প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। D) অসলো — এটি নরওয়ের রাজধানী এবং একে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানের শহর বলা হয়, চিরশান্তির শহর নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান সাম্রাজ্যের দীর্ঘ স্থায়িত্ব ও ইতিহাস থেকে রোম শহরটি চিরশান্তির শহর হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
a মিশর
b ইরাক
c জর্ডান
d কুয়েত
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে ইরাকই প্রথম বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই, যা ইরাকের পরে। B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। চ) জর্ডান — জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে, তবে আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম নয়। D) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের ৪ নভেম্বর। মনে রাখার টিপস: আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয় 'ইরাক' (ই দিয়ে শুরু, প্রথম)।
a ১০ জুন
b ১০ আগস্ট
c ১০ অক্টোবর
d ১০ ডিসেম্বর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহিত হয়। - বিশ্বজুড়ে মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার জনসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জুন — এই তারিখে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয় না এবং এটি ভিন্ন একটি সাধারণ দিন। B) ১০ আগস্ট — এই তারিখটি বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) ১০ অক্টোবর — এই দিনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়, মানবাধিকার দিবস নয়। D) ১০ ডিসেম্বর — এটি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকার দিবস ডিসেম্বর মাসের ১০ তারিখে পালিত হয় এটি মনে রাখতে মানবাধিকার শব্দটির শুরুর অক্ষর ম এর সঙ্গে ডিসেম্বরের দশ সংখ্যাটি মেলানো যেতে পারে।
a রুপি
b রুপিয়া
c গুলট্রাম
d বাথ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গুলট্রাম কেন সঠিক: - গুলট্রাম হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের সরকারি ও আইনগত মুদ্রা। - ভুটানের রাজকীয় আর্থিক কর্তৃপক্ষ এই মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও প্রচলন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম, ভুটানের নয়। B) রুপিয়া — এটি ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের মুদ্রার নাম, ভুটানের মুদ্রার নাম এটি নয়। C) গুলট্রাম — এটি ভুটানের সঠিক ও নির্দিষ্ট মুদ্রা। D) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের সরকারি মুদ্রার নাম, ভুটানের মুদ্রা নয়। মনে রাখার টিপস: ভুটানের নাম মনে রাখলেই মাথায় আনুন তাদের পাহাড়ি সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই গুলট্রাম মুদ্রা।
a ১৯০টি
b ১৯১টি
c ১৯২টি
d ১৯৩টি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৯৩টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে বর্তমানে মোট সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩টি। - সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০টি — এটি বর্তমান সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম এবং ভুল তথ্য। B) ১৯১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ পরবর্তীতে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। C) ১৯২টি — এই সংখ্যাটিও বর্তমান সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম। D) ১৯৩টি — এটি বর্তমান সঠিক সদস্য সংখ্যা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান যোগ হওয়ার পর মোট সংখ্যা ১৯৩টিতে পৌঁছেছে।
a শিকাগো
b নিউইয়র্ক
c ওয়াশিংটন
d সিডনি
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিকাগো কেন সঠিক: - মিশিগান হ্রদের তীরবর্তী এই শহরে তীব্র বাতাস প্রবহিত হয় বলে একে বাতাসের শহর বলা হয়। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে হ্রদ থেকে ঠান্ডা ও শক্তিশালী বাতাস এই শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিকাগো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটি তার তীব্র বাতাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) নিউইয়র্ক — এটি বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং গগনচুম্বী অট্টালিকার শহর নামে পরিচিত, বাতাসের শহর নয়। C) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যা বাতাসের শহর নয়। D) সিডনি — এটি অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম শহর এবং বিখ্যাত অপেরা হাউসের জন্য পরিচিত, বাতাসের শহর নয়। মনে রাখার টিপস: শিকাগোর বাতাস হ্রদের তীর থেকে আসে।
a চাকমা
b সাঁওতাল
c গারো
d মারমা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাকমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমা সম্প্রদায় সর্ববৃহৎ। - পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা দেশের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর তুলনায় সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনসংখ্যার দিক থেকে এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে সর্বাধিক। B) সাঁওতাল — এটি দেশের উত্তর অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলেও চাকমাদের তুলনায় সংখ্যায় কম। C) গারো — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাসকারী বৃহৎ একটি উপজাতি, তবে চাকমাদের চেয়ে সংখ্যায় কম। D) মারমা — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি এবং সামগ্রিকভাবে চাকমাদের পরেই এদের অবস্থান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের উপজাতিতে সবার শীর্ষে চাকমা, তাই মনে রাখুন চাকমা মানেই সংখ্যায় প্রথম।
a লন্ডন
b ব্রাসেলস
c রোম
d প্যারিস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলস কেন সঠিক: - বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান প্রশাসনিক সদর দপ্তর ও নীতিনির্ধারণী কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। - এই শহরে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান কার্যালয় এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের বেশিরভাগ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। B) ব্রাসেলস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো নেতিবাচক কারণ প্রযোজ্য নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং ১৯৫৮ সালের রোম চুক্তির সাথে ঐতিহাসিক সম্পর্ক থাকলেও এটি ইইউর সদর দপ্তর নয়। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে ইউনেস্কোসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত, ইইউর নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়াম এবং এর রাজধানী ব্রাসেলস থেকেই মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
a ফেনী
b সাঙ্গু
c কর্ণফুলি
d নাফ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাঙ্গু কেন সঠিক: সাঙ্গু নদী বাংলাদেশের একটি প্রধান পাহাড়ি নদী যা সরাসরি আরাকান পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এই নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের মিজোরাম ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। এটি বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এটি পাহাড়ি ঢলের কারণে আকস্মিক বন্যার জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেনী — ফেনী নদী ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে নোয়াখালী ও ফেনী জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। B) সাঙ্গু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্ণফুলি — কর্ণফুলি নদী ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে কাপ্তাই হয়ে প্রবাহিত হয়েছে। D) নাফ — নাফ নদী মূলত আরাকান পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: আরাকান পাহাড় থেকে উৎপন্ন প্রধান নদী হলো সাঙ্গু, যা বান্দরবানের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
a লৌহ
b ইস্পাত
c হীরক
d পাথর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হীরক কেন সঠিক: - মোহস স্কেলে হীরকের কাঠিন্য সর্বোচ্চ ১০ নির্ধারিত হওয়ায় এটি প্রাকৃতিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পদার্থ। - এর শক্তিশালী কার্বন পরমাণুর ত্রিমাত্রিক সমযোজী বন্ধন একে চরম কাঠিন্য দান করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ — এটি একটি ধাতু যার কাঠিন্য অনেক কম এবং এটি সহজে বাঁকানো যায়। B) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হলেও হীরকের তুলনায় অনেক নরম। D) পাথর — এটি বিভিন্ন খনিজের মিশ্রণ এবং এর কাঠিন্য হীরকের মতো বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: হীরা দিয়ে কাঁচ কাটা যায়, কারণ হীরা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বস্তু।
a শেষরাতে
b মধ্যাহ্নে
c অপরাহ্ণে
d সবসময়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপরাহ্ণে কেন সঠিক: - অপরাহ্ণের সময়ে সূর্যরশ্মির প্রভাবে স্থলভাগ সমুদ্রের তুলনায় অনেক বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। - স্থলভাগের বায়ু হালকা হয়ে ওপরে উঠে গেলে সমুদ্রের শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে ভূভাগের দিকে ধেয়ে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষরাতে — এই সময়ে স্থল ও জলভাগের তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকে, তাই সমুদ্র বায়ু প্রবল থাকে না বরং এই সময়ে স্থল বায়ু প্রবাহিত হয়। B) মধ্যাহ্নে — এই সময়ে সূর্যের তাপ বাড়তে শুরু করে, তবে বায়ুর চাপ ও তাপমাত্রার চরম তারতম্য সৃষ্টি হতে কিছুটা সময় লাগে বলে বায়ু প্রবল হয় না। C) অপরাহ্ণে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) সবসময় — বায়ুর প্রবাহ সবসময় সমান থাকে না, কারণ দিন ও রাতের তাপমাত্রার পরিবর্তনের ওপর বায়ুপ্রবাহ নির্ভর করে। মনে রাখার টিপস: দুপুরের পর অর্থাৎ অপরাহ্ণে মাটি সবচেয়ে বেশি গরম হয়, তাই সমুদ্র থেকে ঠান্ডা বাতাস তখন সবচেয়ে জোরে ছুটে আসে।
a জেনেভা
b বার্লিন
c প্যারিস
d ভিয়েনা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনা কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে। - এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। B) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং এখানে এই সংস্থার সদর দপ্তর নেই। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। D) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য ভিয়েনায় যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a ১০ অক্টোবর, ১৯৭২
b ৭ নভেম্বর, ১৯৭২
c ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
d ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭২
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ অক্টোবর, ১৯৭২ কেন সঠিক: - বিশ্বশান্তি রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান, যা ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ অক্টোবর, ১৯৭২ — এই তারিখে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ও পদক প্রদান করে। B) ৭ নভেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ও জাতীয় সংহতি দিবস, যা এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং এই দিনে দেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়। D) ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের গেজেট প্রকাশের দিন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। মনে রাখার টিপস: শান্তির প্রতীক জুলিও কুরি পুরস্কার অর্জনের সালটি মনে রাখতে ৭২ সালের ১০ অক্টোবর তারিখটি বিশেষভাবে মনে রাখুন।
a ফ্যাক্স
b ই-মেইল
c টেলিফোন
d টেলিভিশন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ই-মেইল কেন সঠিক: - ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল আদান-প্রদান করার জন্য সরাসরি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয়। - এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য বা বার্তা প্রেরণের আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাক্স — এটি মূলত স্ক্যানার ও টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে নথি প্রেরণের ঐতিহ্যবাহী অ্যানালগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তি, যা কম্পিউটারের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল নয়। B) ই-মেইল — এটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) টেলিফোন — এটি ঐতিহ্যবাহী ভয়েস কমিউনিকেশন ডিভাইস, যা কম্পিউটার ছাড়াই কেবল টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। D) টেলিভিশন — এটি মূলত ব্রডকাস্টিং বা সম্প্রচার মাধ্যম, যা ভিডিও ও অডিও সিগন্যাল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহার করে বার্তা পাঠানোর মাধ্যম।
a লাল
b কালো
c সাদা
d সবুজ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কালো কেন সঠিক: - কালো রঙ সব ধরনের আলো ও তাপ শোষণ করে এবং খুব দ্রুত তাপ বিকিরণ করতে পারে। - তাপ দ্রুত বিকিরণ করার ক্ষমতার কারণে কালো কাপড়ের ভেতরের চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — লাল রঙ তাপের ভালো শোষক বা বিকিরক নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) কালো — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালো রঙ দ্রুত তাপ বিকিরণ করে। সি) সাদা — সাদা রঙ তাপ শোষণ ও বিকিরণ কম করে, তাই সাদা কাপে চা দেরিতে ঠান্ডা হয়। D) সবুজ — সবুজ রঙ তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ আচরণ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: কালো রঙ যেমন তাপ দ্রুত শোষণ করে, তেমনি খুব দ্রুত তাপ ছেড়েও দিতে পারে।
a ১২০ দিন
b ১০০ দিন
c ৮০ দিন
d ৬০ দিন
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০ দিন কেন সঠিক: - মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ুষ্কাল প্রায় চার মাস বা ১২০ দিন। - এই নির্দিষ্ট সময় পর প্লীহা লোহিত কণিকাগুলোকে ভেঙে ধ্বংস করে ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্তকণিকার সঠিক ও প্রমাণিত আয়ুষ্কাল। B) ১০০ দিন — এই মেয়াদের সঙ্গে লোহিত কণিকার জীবনকালের কোনো মিল নেই। C) ৮০ দিন — এই সময়টি লোহিত কণিকার আয়ুষ্কালের তুলনায় কম। D) ৬০ দিন — এই কম সময় লোহিত কণিকা বেঁচে থাকে না। মনে রাখার টিপস: লোহিত কণিকার জীবনকাল চার মাস, অর্থাৎ চার গুণ ত্রিশ সমান একশত বিশ দিন।
a অগ্ন্যুৎপাত
b ঘূর্ণিঝড়
c চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
d সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প কেন সঠিক: - সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে পানির বিশাল ভর প্রচণ্ডভাবে আলোড়িত হয়ে সুনামির সৃষ্টি করে। - টেকটনিক প্লেটের চলাচল বা সামুদ্রিক ভূকম্পনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠে অত্যন্ত শক্তিশালী ও দীর্ঘ তরঙ্গের ঢেউ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্ন্যুৎপাত — এটি সুনামির কারণ হতে পারে, তবে প্রধান ও সর্বাধিক সাধারণ কারণ সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প। B) ঘূর্ণিঝড় — এটি কেবল সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস বা প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি করে, সুনামির মূল কারণ নয়। C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — এটি মূলত সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য দায়ী, সুনামির সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প — এটি সুনামির বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত প্রধান এবং সর্বজনস্বীকৃত মূল কারণ। মনে রাখার টিপস: সুনামি মানেই সমুদ্রের নিচে ভূকম্পন, যা প্রকাণ্ড ঢেউয়ের রূপ নিয়ে উপকূলে আছড়ে পড়ে।
a ম্যালিক এসিড
b ফলিক এসিড
c অক্সালিক এসিড
d সাইট্রিক এসিড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যালিক এসিড কেন সঠিক: - আপেলে মূলত ম্যালিক এসিড নামক জৈব এসিড প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান থাকে। - এই এসিডটি ফলকে টক স্বাদ দিতে এবং এর পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যালিক এসিড — এটি আপেলে বিদ্যমান প্রধান জৈব এসিড এবং এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ফলিক এসিড — এটি মূলত ভিটামিন বি নাইন, যা শাকসবজি ও কলিজায় বেশি থাকে কিন্তু আপেলের প্রধান এসিড নয়। C) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে বেশি থাকে, আপেলের প্রধান এসিড এটি নয়। D) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু ও কমলার মতো লেবুজাতীয় ফলে প্রাকৃতিকভাবে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: আপেল কাটার পর ম্যালিক এসিডের কারণে রঙ কিছুটা বাদামী হতে পারে।
a নিঝুম দ্বীপ
b সেন্টমার্টিন দ্বীপ
c দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ
d কুতুবদিয়া দ্বীপ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ কেন সঠিক: - হাড়িয়া নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি আন্তর্জাতিকভাবে দক্ষিণ তালপট্টি নামে পরিচিত। - ভারতের পক্ষ থেকে এই দ্বীপটিকে নিউ মুর দ্বীপ বলা হলেও ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক উভয়ভাবেই এটি দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নামে খ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পৃথক চর ও দ্বীপ। B) সেন্টমার্টিন দ্বীপ — এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। C) দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) কুতুবদিয়া দ্বীপ — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: পূর্বাশা ও দক্ষিণ তালপট্টি একই দ্বীপের দুটি নাম, যার মধ্যে পূর্বাশা নামটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাখা হয়েছিল।
a সিলেট
b হবিগঞ্জ
c মৌলভীবাজার
d সুনামগঞ্জ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত, যা দেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগ ধারণ করে। - শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত হওয়ায় একে চায়ের রাজধানী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেটে চা বাগান থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় এর সংখ্যা কম। B) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে বেশ কিছু চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের চেয়ে কম। D) সুনামগঞ্জ — সুনামগঞ্জে কোনো উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক চা বাগান নেই। মনে রাখার টিপস: মৌ মৌ গন্ধে ভরা মৌলভীবাজার, যেখানে আছে দেশের সর্বোচ্চ চা বাগান।
a চন্দ্রবাড়ি
b ভবের পাড়া
c টুংগীপাড়া
d শিমুলিয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) ভবের পাড়া কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুর জেলার ভবেরপাড়া গ্রামে শপথ গ্রহণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার পর থেকে ভবেরপাড়া গ্রামের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রবাড়ি — এটি মুজিবনগরের পূর্বনাম নয় এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ভবের পাড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রামের নাম পরিবর্তন করেই মুজিবনগর রাখা হয়েছিল। C) টুংগীপাড়া — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান যা গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। D) শিমুলিয়া — এটি অন্য একটি সাধারণ এলাকার নাম যা মুজিবনগর নামকরণের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগরের সাথে ভবেরপাড়া নামটি মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ভবের মানুষগুলো মিলে ঐতিহাসিক মুজিবনগর গড়ে তুলেছিল।
a ২ বছর
b ৩ বছর
c ৪ বছর
d ৫ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর নির্ধারিত আছে। - সরকার নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে তাকে পুনরায় একই পদে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছর — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নির্ধারিত মেয়াদকাল নয়। B) ৩ বছর — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের পদের জন্য প্রযোজ্য মেয়াদকাল নয়। C) ৪ বছর — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নির্ধারিত ও সঠিক মেয়াদকাল। D) ৫ বছর — অনেক সাংবিধানিক পদের মেয়াদ ৫ বছর হলেও বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর, যা মনে রাখতে ৪ সংখ্যাটির সঙ্গে ব্যাংক পদের প্রথম অক্ষর বা ব্যাংকের কাজের চার কোনা নিরাপত্তার বিষয়টি মিলিয়ে নিতে পারেন।
a 0.256
b 0.245
c 0.236
d কোনটি নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৭% (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস এর সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী দেশের দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%) কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ছিল কারণ অপশনগুলোতে থাকা মানগুলো পুরনো বা ভুল ছিল। - বিবিএস এর ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.২৫৬ — এটি অতীতের কোনো এক সময়ের উচ্চ দারিদ্র্যের হার নির্দেশ করে যা বর্তমানের হালনাগাদ তথ্যের সাথে মিলে না। B) ০.২৪৫ — এটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর আগের একটি হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে বা খানা আয় ও ব্যয় জরিপের পুরনো দারিদ্র্যের হার। C) ০.২৩৬ — এটিও বিগত বছরগুলোর একটি পুরনো দারিদ্র্যের হারের পরিসংখ্যান যা বর্তমান ২০২২ সালের শুমারির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) কোনটি নয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক, খ ও গ অপশনে প্রদত্ত সংখ্যাগুলো বর্তমানের সঠিক দারিদ্র্যের হারের সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী মনে রাখবে যে বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার প্রায় ১৯ শতাংশের কাছাকাছি অর্থাৎ ১৮.৭ শতাংশ।
a সমর দাস
b সুবল দাস
c খান আতাউর রহমান
d গাজী মাজহারুল আনোয়ার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমর দাস কেন সঠিক: - সমর দাস ১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ ছবির সংগীত পরিচালক ছিলেন। - তিনি বাংলা চলচ্চিত্র ও স্বাধীন বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে একজন অত্যন্ত প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমর দাস — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুখ ও মুখোশ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছিলেন। B) সুবল দাস — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত সুরকার হলেও এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) খান আতাউর রহমান — তিনি এই চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার ছিলেন, সংগীত পরিচালক নন। D) গাজী মাজহারুল আনোয়ার — তিনি বিখ্যাত গীতিকার হলেও মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছিলেন সমর দাস, যা মনে রাখতে মুখ ও মুখোশের সম দিয়ে সমর দাস মনে রাখা যায়।
a কুমিল্লা ও বরিশাল
b কুমিল্লা ও নোয়াখালী
c ময়মনসিংহ ও নরসিংদী
d ময়মনসিংহ ও জামালপুর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার জনপদ সমতটের মধ্যে বর্তমান কুমিল্লার ময়নামতি এবং নোয়াখালী অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। - মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বৌদ্ধ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা ও বরিশাল — বরিশাল অঞ্চলটি প্রাচীনকালে চন্দ্রদ্বীপ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাই এটি সঠিক নয়। B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি সমতট জনপদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। C) ময়মনসিংহ ও নরসিংদী — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বঙ্গ বা সমতটের পরিবর্তে পুণ্ড্র ও কম্বোজ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) ময়মনসিংহ ও জামালপুর — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ ছিল। মনে রাখার টিপস: সমতট মানে সমান তট বা নদী তীরবর্তী অঞ্চল, যা কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকায় অবস্থিত ছিল।

মোট প্রশ্ন (25)

a ষষ্ঠী তৎপুরুষ
b বহুব্রীহি
c কর্মধারয়
d অব্যয়ীভাব
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - সমসমান পদ ‘ধানের ক্ষেত’ এর ব্যাসবাক্য করলে হয় ধানের ক্ষেত। এখানে পূর্বপদের সঙ্গে র বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। - সমাসের নিয়মানুযায়ী পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তি (র বা এর) লোপ পেয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি বা বিভক্তিস্থানীয় অনুসর্গ লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। - ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকে এবং সমস্তপদে তা লোপ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার পুত্র = রাজপুত্র ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদে র বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। উদাহরণ ২: ছাত্রের বাস = ছাত্রাবাস ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদে এর বিভক্তি লোপ পেয়ে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ষষ্ঠী বিভক্তি লোপ পেয়েছে। B) বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় — এই সমাসে বিশেষণ পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের তুলনা বা অভেদ বোঝায়, যা এখানে নেই। D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয় এবং উপসর্গযোগে গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে র বা এর বিভক্তি থাকলে চোখ বন্ধ করে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - সম্বন্ধ পদই মূলত ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস গঠন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে বিভক্তির উপস্থিতি খেয়াল করা। - বিভক্তি লোপ পাওয়ার ধরন দেখেই তৎপুরুষ সমাসের প্রকারভেদ নির্ণয় করতে হয়।
a কাব্য
b ছোটোগল্প
c নাটক
d উপন্যাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ছোটোগল্প ১. কেন সঠিক: - ছোটোগল্প হলো বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতম শাখা কারণ এটি অন্যান্য প্রাচীন ধারার তুলনায় অনেক পরে সৃষ্টি হয়েছে এবং বিকাশ লাভ করেছে। - বিশ্বসাহিত্যের মতো বাংলা সাহিত্যেও এটি উনিশ শতকের শেষভাগে এবং বিশ শতকের শুরুতে আত্মপ্রকাশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটোগল্পের জনক হিসেবে স্বীকৃত যিনি এই শাখাকে প্রথম সার্থক রূপ দান করেন। - পদ্য, নাটক বা মহাকাব্যের ইতিহাস অনেক প্রাচীন হলেও ছোটোগল্প আধুনিক যুগের জীবনবোধের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পদাবলী ও ছোটোগল্প ব্যাখ্যা: কবিতা প্রাচীন শাখা হলেও তার ছোটোগল্প আধুনিক যুগের সৃষ্টি। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস ও ছোটোগল্প ব্যাখ্যা: উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে আগে এলেও ছোটোগল্প এসেছে তারও পরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাব্য — কাব্য বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রাচীন শাখা এবং চর্যাপদ থেকেই এর ইতিহাস শুরু হয়েছে। বি) ছোটোগল্প — এটি সঠিক উত্তর। C) নাটক — নাটক সাহিত্যের একটি প্রাচীন শাখা যা প্রাচীন ও মধ্যযুগেও বিভিন্ন রূপে বিদ্যমান ছিল। D) উপন্যাস — উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বঙ্কিমচন্দ্রের হাত ধরে উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে প্রবেশ করে যা ছোটোগল্পের আগে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - আধুনিকতম মানে সবচেয়ে নতুন। গদ্য সাহিত্যের মধ্যে উপন্যাস আগে এলেও ছোটোগল্প এসেছে সবার শেষে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ছোটোগল্পের জনক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং প্রথম সার্থক ছোটোগল্প হলো দেনাপাওনা।
a এক
b দুই
c তিন
d চার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুই ১. কেন সঠিক: প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার, যথা: কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়। শব্দের সঙ্গে বা প্রকৃতির সঙ্গে যে শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে এবং গঠনভেদে এর মূল প্রকারভেদ দুটি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় নামশব্দ বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে। এই দুই প্রধান প্রকারভেদের বাইরে কৃৎ প্রত্যয় আবার দুই ভাগে বিভক্ত, যেমন বাংলা কৃৎ ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চল + অন্ত = চলতি ব্যাখ্যা: এটি কৃৎ প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ এখানে ক্রিয়ামূল চল এর সঙ্গে অন্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঢাকা + আই = ঢাকাই ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ কারণ এখানে নামশব্দ ঢাকা এর সঙ্গে আই প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক — প্রত্যয়ের প্রাথমিক শ্রেণিবিভাগ কখনো একটি হতে পারে না, কারণ প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের মিলনে কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ধরনের রূপ দেখা যায়। B) দুই — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রত্যয় প্রধানত কৃৎ ও তদ্ধিত এই দুই ভাগে বিভক্ত। C) তিন — প্রত্যয় তিন প্রকার নয়, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) চার — প্রত্যয় চার প্রকার বলে কোনো প্রমিত ব্যাকরণগত স্বীকৃতি নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রত্যয়ের প্রকার মনে রাখার সহজ সূত্র হলো ক্রিয়ার সঙ্গে কৃৎ এবং নামের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় বসে। এভাবে শব্দমূলের ধরন দেখে সহজেই প্রত্যয়ের প্রকার নির্ণয় করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে প্রত্যয় প্রধানত কত প্রকার এবং উত্তর হবে দুই প্রকার। ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
a উপন্যাস
b কাব্যগ্রন্থ
c পত্রিকা
d প্রবন্ধ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পত্রিকা ১. কেন সঠিক: - কালি ও কলম বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত ও প্রখ্যাত সাহিত্য বিষয়ক মাসিক পত্রিকা। - এটি শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি উচ্চমানের প্রকাশনা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কালি ও কলম ২০০৪ সালের এপ্রিল মাস থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে এবং এর বর্তমান সম্পাদক আবুল হাসনাত। - এই পত্রিকাটি তরুণ ও প্রবীণ লেখকদের লেখা প্রকাশের পাশাপাশি সাহিত্য সমালোচনা ও শিল্পকলার নানা দিক তুলে ধরে প্রশংসিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সমকাল ব্যাখ্যা: সমকাল একটি বিখ্যাত বাংলা দৈনিক পত্রিকা যা সাহিত্য পাতা ও সংবাদ প্রকাশের জন্য পরিচিত। উদাহরণ ২: উত্তরাধিকার ব্যাখ্যা: উত্তরাধিকার বাংলাদেশ বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপন্যাস — কালি ও কলম কোনো একক উপন্যাস নয়, বরং এটি বিভিন্ন লেখকের লেখা, প্রবন্ধ ও উপন্যাসের অংশবিশেষ ধারণকারী একটি পত্রিকা। B) কাব্যগ্রন্থ — এটি কোনো একক কবির কবিতার বই নয়, বরং এটি একটি সাময়িকী বা সাহিত্য পত্রিকা। D) প্রবন্ধ — এটি কেবল প্রবন্ধের সংকলন নয়, বরং এতে কবিতা, ছোটগল্প, প্রবন্ধ ও শিল্পকলার নানা লেখা একসঙ্গে প্রকাশিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কালি ও কলম নামটির সঙ্গে লেখালেখির সরাসরি সম্পর্ক আছে, যা থেকে একে সহজে একটি সাহিত্য পত্রিকা হিসেবে মনে রাখা যায়। - পরীক্ষার হলে বই বা উপন্যাসের নামের সঙ্গে পত্রিকাগুলোর নাম গুলিয়ে ফেলা এড়াতে নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকার তালিকা পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লিটল ম্যাগাজিন ও সাহিত্য পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন উত্তরের সময় পত্রিকার ধরন ও প্রকাশকাল ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a মীর মশাররফ হোসেন
b কাজী নজরুল ইসলাম
c ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d আবুল মনসুর আহমদ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবুল মনসুর আহমদ কেন সঠিক: ১. ‘ফুড কনফারেন্স’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক ও রাজনৈতিক ছোটগল্প, যার রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ। ২. এই গল্পটিতে তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং খাদ্য সমস্যাকে অত্যন্ত নিখুঁত ও তীক্ষ্ণ উপহাসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা সাহিত্যে রাজনৈতিক ব্যঙ্গরচনা বা রাজনৈতিক স্যাটায়ার ধারার লেখকদের মধ্যে আবুল মনসুর আহমদ অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও জনপ্রিয় একজন স্রষ্টা। ২. তাঁর এই গল্পে সমাজের নানা অসংগতি, ভণ্ডামি এবং রাজনৈতিক নেতাদের খামখেয়ালিপনা হাস্যরস ও শ্লেষের মাধ্যমে সুন্দরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। ৩. যেমন তাঁর ‘ফুড কনফারেন্স’ গল্পে কৃত্রিম খাদ্য সংকট এবং তা সমাধানের নামে প্রহসনমূলক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের চিত্র অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মীর মশাররফ হোসেন — তিনি উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার ছিলেন, যিনি ‘বিষাদ সিন্ধু’ রচনার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি, যিনি মূলত তাঁর বিদ্রোহী কবিতা, সাম্যবাদী গান এবং অগ্নিভীণা কাব্যগ্রন্থের জন্য অমর হয়ে আছেন। C) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি ছিলেন বিশ শতকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভাষাবিদ, গবেষক এবং বহুভাষাবিদ পন্ডিত। D) আবুল মনসুর আহমদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি নিজেই ‘ফুড কনফারেন্স’ গল্পটির সফল রচয়িতা। মনে রাখার টিপস: ১. খাদ্য বা ফুড নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গল্প মানেই আবুল মনসুর আহমদ। ২. নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে আবুল মনসুরের গল্প মানেই সমাজের নানা অদ্ভুত সভার কথা।
a ঝরা পালক
b সাতটি তারার তিমির
c অর্কেস্ট্রা
d মহাপৃথিবী
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্কেস্ট্রা ১. কেন সঠিক: - অর্কেস্ট্রা কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা নয়, বরং এটি কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - প্রশ্নটিতে জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয় এমন গ্রন্থটি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো অর্কেস্ট্রা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলা, নির্জনতা এবং প্রকৃতির কবি হিসেবে সমাদৃত ও পরিচিত। - ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, বেলা অবেলা কালবেলা এবং রূপসী বাংলা তাঁর অমর সৃষ্টি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এক অনন্য সংযোজন। উদাহরণ ২: ধূসর পাণ্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর পরিপক্ব কাব্যচেতনার এক অসাধারণ নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি তাঁর কাব্য। B) সাতটি তারার তিমির — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) অর্কেস্ট্রা — এটি জীবনানন্দ দাশের কাব্য নয়, এটি কবি বুদ্ধদেব বসুর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) মহাপৃথিবী — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগুলো মনে রাখতে তাঁর প্রধান কাব্যগুলোর নামের তালিকা বারবার পড়তে পারো এবং বুদ্ধদেব বসুর অর্কেস্ট্রা গ্রন্থটিকে আলাদা করে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি বা তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই আসে, তাই তাঁর কাব্যগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
a জেনানা
b সতীন
c শিক্ষিকা
d ধাত্রী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সতীন ১. কেন সঠিক: - সতীন শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে নিত্য নারীবাচক শব্দের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। - বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ রয়েছে যা জন্মগতভাবেই স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করে এবং এদের কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ থাকে না। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিত্য নারীবাচক শব্দ হলো সেইসব শব্দ যা স্বভাবতই স্ত্রীলিঙ্গবাচক এবং পুরুষবাচক শব্দে রূপান্তরিত হতে পারে না। - বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ প্রকরণে এই শব্দগুলো বিশেষ নিয়মের আওতাভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: এই শব্দটির কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না এবং এটি সর্বদা নারীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: অর্ধাঙ্গিনী ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও নিত্য নারীবাচক হিসেবে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনানা — এটি ফারসি শব্দ যার অর্থ নারীদের মহল, এটি কোনো নিত্য নারীবাচক ব্যাকরণিক শব্দ নয়। B) সতীন — এটি সঠিক উত্তর। C) শিক্ষিকা — এটি শিক্ষক শব্দের নারীবাচক রূপ, যার পুরুষবাচক রূপ শিক্ষক বিদ্যমান। D) ধাত্রী — এটি নিত্য নারীবাচক শব্দ হিসেবে অনেক সময় ধরা হলেও প্রমিত ব্যাকরণে ধাতা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ধাত্রী ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিত্য নারীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য সতীন, এয়ো, অবলা এই শব্দগুলো মনে রাখতে পারো। - যে শব্দের পুরুষবাচক রূপ পাওয়া যায় না, সেটাই নিত্য নারীবাচক শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য নারীবাচক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - অপশন ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে শব্দটির কোনো পুরুষবাচক রূপ আছে কি না।
a আকাশচারী
b দুষ্ট প্রকৃতির লোক
c চাকর
d যে প্রাণী জলেও চরে স্থলেও চরে
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আকাশচারী ১. কেন সঠিক: খেচর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো আকাশে চরে যে। আকাশে চলাচল করে বা ওড়ে এমন জীবকে এককথায় খেচর বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটিতে উপপদ তৎপুরুষ সমাস রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহঙ্গ ব্যাখ্যা: বিহঙ্গ শব্দের অর্থও আকাশে গমন করে যে। উদাহরণ ২: পক্ষী ব্যাখ্যা: পক্ষী শব্দের অর্থ ডানাবিশিষ্ট প্রাণী যা আকাশে ওড়ে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশচারী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি খেচর শব্দের সমার্থক বা এর সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। B) দুষ্ট প্রকৃতির লোক — এই অপশনটি ভুল কারণ দুষ্ট প্রকৃতির লোক বোঝাতে খল বা কুপ্রকৃতির বোঝায়। C) চাকর — এই অপশনটি ভুল কারণ চাকর বলতে ভৃত্য বা পরিচারক বোঝায়। D) যে প্রাণী জলেও চরে স্থলেও চরে — এই অপশনটি ভুল কারণ জলে ও স্থলে চরে এমন প্রাণীকে উভচর বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: খেচর শব্দের খে মানে আকাশ এবং চর মানে চলাচলকারী। খ শব্দটির সঙ্গে চর যুক্ত হয়ে আকাশে চলাচলকারী বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে খ-সংক্রান্ত শব্দ যেমন খেচর, খল, খগ প্রায়ই আসে। শব্দের মূল অংশ বিশ্লেষণ করে অর্থ মনে রাখতে হবে।
a সরল বাক্য
b যৌগিক বাক্য
c মিশ্র বাক্য
d বিস্ময়বোধক বাক্য
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক বাক্য ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযोजक অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। - এখানে 'তিনি সৎ' এবং 'তিনি কৃপণ' দুটি স্বাধীন বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যৌগিক বাক্যে এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব ইত্যাদি অব্যয় ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যগুলোতে খণ্ডবাক্যগুলোর মধ্যে কোনো অধীনতার সম্পর্ক থাকে না, প্রতিটি খণ্ডবাক্য স্বাধীন অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে গরিব কিন্তু খুব সৎ। ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: বারিষার পানি বেড়েছে, তবে রাস্তাঘাট এখনও ডুবে যায়নি। ব্যাখ্যা: এটিও দুটি স্বাধীন বাক্যের সমন্বয়ে গঠিত যৌগিক বাক্যের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল বাক্য — এই বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এখানে নেই। B) যৌগিক বাক্য — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুটি খণ্ডবাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত। C) মিশ্র বাক্য — এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য থাকে, যা এখানে নেই। D) বিস্ময়বোধক বাক্য — এই বাক্যে কোনো আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ পায়নি, এটি একটি সাধারণ বিবৃতিমূলক বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - এবং, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা দেখলে যৌগিক বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। - দুটি স্বাধীন বাক্য একসাথে পেলে সেটি যৌগিক বাক্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সংযोजक অব্যয় চেনার মাধ্যমে খুব সহজে যৌগিক বাক্য নির্ণয় করা যায়।
a মৌলিক
b রূঢ়ি
c যোগরূঢ়
d যৌগিক
0 111 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যোগরূঢ় ১. কেন সঠিক: সুহৃদ শব্দটির বুত্পত্তিগত অর্থ হলো সু (ভালো) হৃদয় (মন) যার, কিন্তু এটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ অর্থে বন্ধু বোঝায়। যে সকল শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে সমসমান পদের অর্থের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: গঠনরীতির দিক থেকে বাংলা শব্দকে মূলত মৌলিক, সাধিত, যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ় এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমসমান পদের অর্থ প্রকাশ না করে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পঙ্কজ ব্যাখ্যা: পঙ্কে জন্মে যা, পঙ্কজ বললেও সাধারণ অর্থে যেকোনো কিছু বোঝাতে পারে, কিন্তু এটি বিশেষ অর্থে কেবল পদ্মফুলকে বোঝায়। উদাহরণ ২: রাজপথ ব্যাখ্যা: রাজার পথ, রাজপথ বলতে যেকোনো বড় রাস্তাকে না বুঝিয়ে প্রধান সড়ককে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৌলিক — যে শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙলে কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে, যেমন হাত বা নাক। B) রূঢ়ি — যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে, যেমন গবেষণা। D) যৌগিক — যে শব্দগুলোর বুত্পত্তিগত অর্থের সঙ্গে ব্যবহারিক অর্থের মিল থাকে, তাকে যৌগিক শব্দ বলে, যেমন গায়ক। ৫. মনে রাখার টিপস: যোগরূঢ় শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো এটি মূলত বহুব্রীহি সমাসের সাহায্যে গঠিত হয় এবং এর প্রচলিত অর্থ নির্ধারিত থাকে। পঙ্কজ, রাজপথ, রাজপুত ও মহাযাত্রা এই কয়েকটি শব্দ মনে রাখলেই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যোগরূঢ় শব্দ সহজে শনাক্ত করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও গঠনের ওপর ভিত্তি করে যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ় শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। রূঢ়ি ও যৌগিক শব্দের পার্থক্য এবং যোগরূঢ় শব্দগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।
a ১ বলতে যে সময় লাগে
b ১ বলার দ্বিগুণ সময়
c ১ সেকেন্ড
d ২ সেকেন্ড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ বলার দ্বিগুণ সময় কেন সঠিক: যতিচিহ্নের নিয়মানুযায়ী বাক্যে সেমিকোলন ব্যবহৃত হলে থামার সময়কাল নির্ধারণ করা হয় কমার তুলনায় বেশি সময় ধরে। একটি কমা ব্যবহারের সময় ১ বলতে যতটুকু সময় লাগে, সেমিকোলনের ক্ষেত্রে তার ঠিক দ্বিগুণ সময় থেমে পরের অংশ পড়তে হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং দুটি কাছাকাছি ভাবের স্বাধীন খণ্ডবাক্যকে আলাদা করতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণের যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন অধ্যায়ে বিরতিকালের পরিমাপ অনুযায়ী সেমিকোলনের এই নিয়মটি স্পষ্টভাবে নির্ধারিত আছে। যেমন, তেলা মাথায় তেল সবাই দেয়; কিন্তু গরিবের সাহায্য কেউ করে না - এই বাক্যের মাঝখানে সেমিকোলনের জন্য দ্বিগুণ থামতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ বলতে যে সময় লাগে — এই পরিমাণ সময় থামতে হয় বাক্যে শুধুমাত্র কমা (,) চিহ্ন ব্যবহার করলে। B) ১ বলার দ্বিগুণ সময় — এই অপশনটি সঠিক কারণ সেমিকোলনের বিরতিকাল কমার চেয়ে দ্বিগুণ হয়ে থাকে। C) ১ সেকেন্ড — বাংলা যতিচিহ্নের বিরতিকাল সেকেন্ডের হিসেবে হিসাব করা হয় না, এটি বলার গতির ওপর নির্ভরশীল। D) ২ সেকেন্ড — দুই সেকেন্ড থামার নিয়মটি কেবল পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ির (।) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়ে থাকে। মনে রাখার টিপস: কমা মানে এক মাত্রা বা এক বলার সময়, আর সেমিকোলন মানে দুই মাত্রা বা দ্বিগুণ সময় থামার নির্দেশ।
a নিপাতনে সিদ্ধ
b স্বরসন্ধি
c ব্যঞ্জন সন্ধি
d জটিল সন্ধি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ব্যঞ্জন সন্ধি ১. কেন সঠিক: উৎ + শ্বাস শব্দটিতে ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন ঘটেছে যা ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম অনুসারে সম্পন্ন হয়েছে। এখানে পূর্বপদের অন্তে থাকা ত বা দ এর পরে শ থাকলে ত বা দ এর জায়গায় চ এবং শ এর জায়গায় ছ হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনি, স্বরধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনি কিংবা ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এই নিয়মে উৎ পদের ত এবং শ্বাস পদের শ মিলে চ এবং ছ হয়েছে যার ফলে উচ্ছ্বাস শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিপদ্ + জাল = বিপজ্জাল ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ত বা দ এর পরে জ থাকলে ত বা দ এর স্থানে জ হয়। উদাহরণ ২: সৎ + চরিচ = সচ্চরিত্র ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ত বা দ এর পরে চ থাকলে ত বা দ এর স্থানে চ হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিপাতনে সিদ্ধ — নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলতে কোনো বিশেষ নিয়ম না মেনে প্রাকৃতিকভাবে গঠিত সন্ধিকে বোঝায় যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) স্বরসন্ধি — স্বরসন্ধি হলো স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলন কিন্তু এখানে ত এবং শ ব্যঞ্জনধ্বনি যুক্ত হয়েছে। D) জটিল সন্ধি — বাংলা ব্যাকরণে জটিল সন্ধি বলে কোনো নির্দিষ্ট বা প্রমিত সন্ধির শ্রেণিবিভাগ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ত বা দ এর পরে শ থাকলে প্রথম অংশ চ এবং পরের অংশ ছ তে রূপান্তরিত হয়। উচ্চারণের সময় ত এবং শ এর এই পরিবর্তন খেয়াল করলে ব্যঞ্জন সন্ধি সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উৎ যুক্ত শ্বাস থেকে গঠিত হওয়া শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ এবং বানান প্রায়ই আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে ব্যঞ্জন সন্ধির এই বিশেষ সূত্রগুলো আয়ত্ত করা জরুরি।
a দুঃখ
b হর্ষ
c অনুতপ্ত
d ব্যথা
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হর্ষ ১. কেন সঠিক: 'শোক' শব্দের অর্থ হলো গভীর দুঃখ বা মনস্তাত্ত্বিক বেদনা। এর বিপরীতে আনন্দ, উল্লাস বা মনের প্রসন্নতা বোঝাতে 'হর্ষ' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ এড়িয়ে সঠিক বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ ব্যাখ্যা: বিষাদ শব্দের অর্থ মলিনতা বা মন খারাপ, যার বিপরীত আনন্দ বা হর্ষ হতে পারে। উদাহরণ ২: বিষাদ ও হর্ষ ব্যাখ্যা: সাহিত্যের ভাষায় বিষাদ ও হর্ষ প্রায়শই পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুঃখ — দুঃখ হলো শোকের কাছাকাছি বা সমার্থক ভাব, তাই এটি বিপরীত শব্দ হতে পারে না। B) হর্ষ — এটি সঠিক বিপরীত শব্দ। C) অনুতপ্ত — অনুতপ্ত অর্থ লজ্জিত বা পস্তানো, যা শোকের বিপরীতার্থক নয়। D) ব্যথা — ব্যথা শারীরিক বা মানসিক যন্ত্রণার প্রকাশ, যা শোকের সমার্থক। ৫ মনে রাখার টিপস: শোক মানে বুকফাটা কান্না আর হর্ষ মানে মনে আনন্দের উল্লাস। এই দুই বিপরীত ভাবের কথা মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে শব্দের মূল ভাব বা তীব্রতা বিবেচনা করতে হবে। সমার্থক শব্দগুলোকে এড়িয়ে সম্পূর্ণ উল্টো অর্থ বহনকারী শব্দটি বাছাই করতে হয়।
a বাক্য
b ধ্বনি
c শব্দ
d বর্ন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাক্য ১. কেন সঠিক: ভাষার মূল উপকরণ বাক্য কারণ মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশের জন্য পদের সমষ্টি বা বাক্য অপরিহার্য। ধ্বনি, শব্দ বা বর্ণ ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হতে পারে, কিন্তু ভাষার প্রকৃত কাজ হলো মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করা যা বাক্যের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নে ভাষার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভাষার মূল উপাদান বা উপকরণ হলো বাক্য, আর ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি স্কুলে যাই। ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য যা মনের ভাব সম্পূর্ণ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পাখি গান গায়। ব্যাখ্যা: এটিও একটি সার্থক বাক্য যা ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যই মানুষের মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে কাজ করে। B) ধ্বনি — এটি ভাষার মৌলিক বা ক্ষুদ্রতম একক, ভাষার মূল উপকরণ বা প্রকাশের পূর্ণাঙ্গ একক নয়। C) শব্দ — শব্দ বাক্যের অন্যতম উপাদান হলেও একা সম্পূর্ণ মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না তাই এটি ভাষার মূল উপকরণ নয়। D) বর্ন — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার মূল উপকরণ হিসেবে বিবেচিত হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, আর ভাষার মূল উপকরণ বা ভাবের পূর্ণাঙ্গ প্রকাশের মাধ্যম হলো বাক্য। এই দুটি বিষয় গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে যেখানে ধ্বনি এবং বাক্যের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে হয়। মনে রাখবে ধ্বনি হলো একক এবং বাক্য হলো মূল উপকরণ।
a কর্তায় দ্বিতীয়া
b করণে দ্বিতীয়া
c অধিকরণে দ্বিতীয়া
d কর্মকারকে দ্বিতীয়া
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কর্মকারকে দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে জরিমানা করার কাজটি ‘ছাত্রটিকে’ নির্দেশ করে সম্পন্ন হয়েছে, তাই ছাত্রটিকে পদটি কর্মকারক। ছাত্রটি শব্দের সঙ্গে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত আছে, আর প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কে বা রে বিভক্তি দ্বিতীয়া (দ্বিতীয়য়া) বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। ক্রিয়াপদকে কি বা কাগকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্মকারক। শব্দের শেষে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকলে তা সাধারণত দ্বিতীয়া বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: বাবাকে ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর বাবাকে, তাই এটি কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় দ্বিতীয়া — কর্তা নিজেই কাজ সম্পন্ন করে, এখানে ছাত্রটি কাজ করছে না বরং তার ওপর কাজের ফল পড়ছে। B) করণে দ্বিতীয়া — করণ শব্দের অর্থ মাধ্যম বা সাহায্য, এখানে ছাত্রটি কোনো কাজের মাধ্যম নয়। C) অধিকরণে দ্বিতীয়া — অধিকরণ হলো স্থান বা কাল, এখানে ছাত্রটি কোনো স্থান বা সময় বোঝাচ্ছে না। D) কর্মকারকে দ্বিতীয়া — এই অপশনটি সঠিক কারণ ছাত্রটিকে পদটি কর্মকারক এবং এতে কে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াপদকে কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে যদি সরাসরি উত্তর পাওয়া যায় এবং সেই পদে কে বা রে বিভক্তি থাকে, তবে তা চোখ বন্ধ করে কর্মকারকে দ্বিতীয়া হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মকারক নির্ণয়ের সময় প্রায়ই প্রাণিবাচক কর্মে কে বা রে বিভক্তির ব্যবহার দেখা যায়। বাক্যের অর্থ বুঝে কর্তা ও কর্মের পার্থক্য করতে হবে।
a অবিনশ্বর
b নশ্বর
c নষ্ট স্বভাব
d বিনষ্ট
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অবিনশ্বর ১. কেন সঠিক: - নষ্ট হওয়া স্বভাব নয় যার তাকে এককথায় অবিনশ্বর বলা হয়। - এই বাক্যাংশটিতে বিনাশ বা ধ্বংস হওয়াকে অস্বীকার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - নশ ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ করে এই শব্দগুলো গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যার মৃত্যু নেই- অমর। ব্যাখ্যা: যা কখনো মরে না বা যার মৃত্যু হয় না তাকে অমর বলা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না- অবিনাশী। ব্যাখ্যা: এটি অবিনশ্বর শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অবিনশ্বর — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ যার বিনাশ বা ধ্বংস নেই। B) নশ্বর — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা ধ্বংসশীল বা যার মৃত্যু আছে। C) নষ্ট স্বভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো এককথায় প্রকাশের রূপ নয়। D) বিনষ্ট — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যা ইতিমধ্যে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অ উপসর্গটি না বা নেই অর্থ প্রকাশ করে। - বিনশ্বর শব্দের আগে অ যুক্ত হয়ে যার বিনাশ নেই তা বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে অ উপসর্গ যোগ করে বিপরীতার্থক শব্দ তৈরি করা যায়। - পরীক্ষার নিয়মিত প্রশ্ন হিসেবে এই ধরনের শব্দগুলো বারবার আসে।
a সমিচীন
b সমীচিন
c সমিচিন
d সমীচীন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমীচীন ১. কেন সঠিক: - সমীচীন বানানটিতে প্রথমে দন্ত স-এ দীর্ঘ ই-কার এবং পরে চ-এ দীর্ঘ ই-কার যুক্ত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের উভয় ই-কারই দীর্ঘ ই-কার হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ বানানের প্রশ্ন যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - বাংলা বানান নিয়মে অনেক সংস্কৃত শব্দে প্রথম ই-কার বা উ-কার এবং দ্বিতীয় ই-কার বা উ-কার দীর্ঘ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিভীষণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার দীর্ঘ হয় যা বানান শুদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: সুষমা ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রমিত বানান নিয়ম সংক্রান্ত শব্দ যেখানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমিচীন — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে প্রথম ও দ্বিতীয় ই-কার হ্রস্ব ই-কার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। B) সমীচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে প্রথম ই-কার দীর্ঘ হলেও শেষ অক্ষর ন-এ হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমিচিন — এই অপশনটি ভুল কারণ এর উভয় ই-কারই হ্রস্ব ই-কার হিসেবে লেখা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত। D) সমীচীন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর উভয় ই-কারই দীর্ঘ ই-কার এবং শেষ বর্ণটি মূর্ধন্য ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সমীচীন বানানটি মনে রাখতে মনে রাখবে উভয় ই-কারই দীর্ঘ এবং শেষ বর্ণটি মূর্ধন্য ণ হয়। - পরীক্ষার হলে দুই পাশেই দীর্ঘ ই-কার আছে এমন অপশনটি বেছে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘ ই-কার যুক্ত শুদ্ধ বানান যেমন সমীচীন, প্রোজ্জ্বল, সান্ত্বনা খুব সাবধানে দাগাতে হয়। - বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসরণ করে বারবার চর্চা করলে এই ভুলগুলো এড়ানো সম্ভব।
a প্রবাদ
b বাগধারা
c সমস্তপদ
d ব্যাসবাক্য
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগধারা ১. কেন সঠিক: - ইঁদুর কপালে একটি বিশেষ বাগধারা যার অর্থ মন্দভাগ্য বা যার কপাল মন্দ। - এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও লক্ষণার্থ প্রকাশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে আকর্ষণীয় ও ভাবপূর্ণ করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালবোধন ব্যাখ্যা: অকালবোধন বাগধারাটির অর্থ অসময়ে ঘুম ভাঙানিয়া বা অপ্রয়োজনীয় উপস্থিতি। উদাহরণ ২: উনপাজুরে ব্যাখ্যা: উনপাজুরে বাগধারাটির অর্থ হতভাগ্য বা দুর্বল প্রকৃতির মানুষ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাদ — প্রবাদ হলো দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতালব্ধ সমাজে প্রচলিত কোনো সত্য বা উপদেশবাণী, যা ইঁদুর কপালে নয়। B) বাগধারা — এটি সঠিক কারণ ইঁদুর কপালে একটি বিশেষ অর্থপ্রকাশক শব্দসমষ্টি। C) সমস্তপদ — সমস্তপদ সমাস সাধিত শব্দকে বোঝায়, যা পদের মিলন প্রক্রিয়া, কিন্তু এটি কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়। D) ব্যাসবাক্য — ব্যাসবাক্য সমাস বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত বাক্য বা বাক্যাংশ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইঁদুর যেমন ছোট ও অবহেলিত, তেমনি ইঁদুর কপালে মানে যার ভাগ্যও ছোট বা মন্দ। - বাগধারা চেনার উপায় হলো এর রূপক বা বিশেষ অর্থ থাকে যা আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মন্দভাগ্য বোঝাতে ইঁদুর কপালে এবং সৌভাগ্য বোঝাতে একহাতে পাঁজর বা অষ্টসিদ্ধি বাগধারাগুলো প্রায়ই আসে। - বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে এর ঐতিহ্যগত ও প্রচলিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে।
a বাক্যের শেষে
b শ্লেষাত্মক বাক্যের মাঝে
c সংলাপে
d প্রশ্নবোধক বাক্যে
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংলাপে ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃতি চিহ্ন বা ইনভার্টেড কমা মূলত প্রত্যক্ষ উক্তি বা সংলাপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বক্তার মুখের কথা হুবহু প্রকাশ করার সময় এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের অন্যতম একটি হলো উদ্ধৃতি চিহ্ন বা ইনভার্টেড কমা। কারো বলা কথা বা সংলাপ সরাসরি উদ্ধৃত করতে এর জুড়ি নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিক্ষক বললেন, আজ বিদ্যালয় ছুটি। ব্যাখ্যা: শিক্ষকের সরাসরি বলা কথা উদ্ধৃতি চিহ্নের ভেতর রাখা হয়েছে। উদাহরণ ২: রহিম বলল, আমি কাল ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: রহিমের সংলাপ বা প্রত্যক্ষ উক্তি বোঝাতে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের শেষে — বাক্যের শেষে দাড়ি, প্রশ্নবোধক বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে, উদ্ধৃতি চিহ্ন বসে না। B) শ্লেষাত্মক বাক্যের মাঝে — শ্লেষ বা বক্রোক্তির ক্ষেত্রে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহারের নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম নেই। C) সংলাপে — এটি সঠিক কারণ বক্তার সংলাপ বা প্রত্যক্ষ উক্তি প্রকাশ করতে এই চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। D) প্রশ্নবোধক বাক্যে — প্রশ্নবোধক বাক্যের শেষে প্রশ্নচিহ্ন বসে, উদ্ধৃতি চিহ্ন বসে না। ৫. মনে রাখার টিপস: সংলাপ বা সরাসরি উক্তি দেখলে সবসময় উদ্ধৃতি চিহ্নের কথা মনে রাখবে। কারোর মুখনিঃসৃত বাণী প্রকাশ করতেই এটি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের ব্যবহার ও নাম প্রায়ই আসে। কোন যতিচিহ্ন কতক্ষণ থামতে হয় এবং কোথায় বসে, তা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a অবাস্তব বস্তু
b বড়ো ধরনের চুরি
c পুকুর চুরি করা
d লোপাট
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) বড়ো ধরনের চুরি কেন সঠিক: ১. পুকুর কোনো ছোট বস্তু নয় যে চুরি করে পকেটে নিয়ে যাওয়া সম্ভব, তাই এটি দিয়ে অনেক বড় কোনো অপরাধ বা চুরি বোঝানো হয়। ২. সমাজে বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে যখন কোনো বিশাল দুর্নীতি বা আত্মসাৎ ঘটে, তখন তাকে রূপক অর্থে পুকুর চুরি বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা, যা বিশেষ কোনো শব্দার্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও রূপক অর্থ প্রকাশ করে। ২. প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতার সাথে বড় কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির তুলনা করে এই ধরনের বাগধারা তৈরি করা হয়েছে। ৩. যেমন বড় মাপের কোনো সরকারি তহবিল লোপাট করা হলে তাকে পুকুর চুরি বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) অবাস্তব বস্তু — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কাল্পনিক বা অসম্ভব বিষয়কে নির্দেশ করে না, বরং এটি বাস্তবসম্মত একটি বড় দুর্নীতি বোঝায়। গ) পুকুর চুরি করা — এই অপশনটি ভুল কারণ বাগধারা কখনো আক্ষরিক বা সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে না, এটি সবসময় একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ঘ) লোপাট — এই অপশনটি ভুল কারণ লোপাট মানে নিখোঁজ বা হাওয়া হয়ে যাওয়া, যা পুকুর চুরির নির্দিষ্ট ব্যঞ্জনা প্রকাশ করতে পারে না। মনে রাখার টিপস: ১. মনে রাখবে পুকুর অত্যন্ত বড় জিনিস, তাই পুকুর চুরি মানেই হলো বিরাট কোনো চুরির ঘটনা। ২. আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে।
a বনফুল
b গাজীমিয়া
c ভ্রমন
d জরাসন্ধ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গাজীমিয়া ১. কেন সঠিক: মীর মশাররফ হোসেন ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজসংস্কারমূলক রচনা লেখার সময় 'গাজীমিয়া' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। তাঁর বিখ্যাত ব্যঙ্গকৌতুকমূলক রচনা 'গাজীমিয়ার বস্ত্তবিবাহ' গ্রন্থে তিনি এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে বিষাদ সিন্ধু, জমিদার দর্পণ ও উদাসীন পথিকের মনের কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও ট্র্যাজিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: জমিদার দর্পণ ব্যাখ্যা: এটি নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও নির্যাতন নিয়ে রচিত একটি প্রতিবাদী নাটক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনফুল — এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম। B) গাজীমিয়া — এটি মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম, তাই এটি সঠিক। C) ভ্রমন — এটি কোনো প্রখ্যাত সাহিত্যিকের পরিচিত ছদ্মনাম নয়। D) জরাসন্ধ — এটি প্রখ্যাত লেখক চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। ৫ মনে রাখার টিপস: মীর মশাররফ হোসেনের নামের শুরুতে ম অক্ষর আছে এবং তাঁর ছদ্মনামের শুরুতে ম এর কাছাকাছি গ অক্ষর দিয়ে গাজীমিয়া মনে রাখা সহজ। ছদ্মনাম সংক্রান্ত প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ছদ্মনাম তালিকাভুক্ত করে পড়তে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল। একই লেখকের একাধিক ছদ্মনাম বা ভিন্ন ধারার লেখার নামগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
a তুরঙ্গ
b ভূজঙ্গ
c কুরঙ্গ
d বিহঙ্গ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুরঙ্গ ১. কেন সঠিক: তুরঙ্গ শব্দটি ঘোড়ার একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই শব্দটি বাংলা ভাষায় অশ্ব বা ঘোড়া বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দ প্রকরণের আওতাধীন এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীদের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘোড়ার অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে অশ্ব, হয়, বাজি, ঘোটক এবং তুরগ উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুরঙ্গমে চড়ে রাজা চললেন। ব্যাখ্যা: এখানে তুরঙ্গম বা ঘোড়া বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: অশ্ব ও তুরঙ্গ দ্রুতগামী প্রাণী। ব্যাখ্যা: দুটি শব্দই ঘোড়ার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ঘোড়ার সমার্থক। B) ভূজঙ্গ — এই শব্দটির অর্থ সাপ বা সর্প, যা ঘোড়ার সমার্থক নয়। C) কুরঙ্গ — এই শব্দটির অর্থ হরিণ, যা ঘোড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) বিহঙ্গ — এই শব্দটির অর্থ পাখি বা পক্ষী, যা ঘোড়ার সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: তুরঙ্গ এবং তুরগ দুটি শব্দই ঘোড়া বোঝায়। পাখির ক্ষেত্রে বিহঙ্গ বা খগ ব্যবহার করা হয়, তাই বিহঙ্গ ও তুরঙ্গ গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ঘোড়া, হরিণ, সাপ ও পাখির সমার্থক শব্দগুলো একসঙ্গে ছক করে পড়লে এই ভুল এড়ানো সম্ভব।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b স্বর্ণকুমারী দেবী
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিহারীলাল চক্রবর্তী ১. কেন সঠিক: - বিহারীলাল চক্রবর্তীকে বাংলা সাহিত্যের ভোরের পাখি বলা হয় কারণ তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগের যুগে গীতি কবিতার ধারা প্রবর্তন করেছিলেন। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই তাকে ভোরের পাখি বলে ভূষিত করেছিলেন এবং তার কবিতার প্রভাব রবীন্দ্রনাথেও পড়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিহারীলাল চক্রবর্তী উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও গীতিকবি যিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের বাইরে এসে গীতি কবিতার এক নতুন রূপ দেন। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ সারদামঙ্গল ও সাধের পর্যটন বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক ভাবধারার সূচনা করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিহারীলাল চক্রবর্তীর সারদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম সেরা গীতিমূলক কাব্য যা বাংলা রোমান্টিক কবিতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাকে বাংলার শেলি বলে অভিহিত করেছিলেন। ব্যাখ্যা: তার কবিতার সৌন্দর্য ও গীতলতা তাকে ইংরেজি রোমান্টিক কবি শেলির সমকক্ষ করে তুলেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক, যাকে ভোরের পাখি বলা হয় না। B) স্বর্ণকুমারী দেবী — তিনি একজন বিশিষ্ট নারী ঔপন্যাসিক ও সম্পাদক ছিলেন, যিনি ভোরের পাখি উপাধিতে ভূষিত হননি। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি রবীন্দ্রনাথের পূর্বসূরি কবি হিসেবে এই উপাধি পেয়েছেন। D) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগের সন্ধিহণের কবি হিসেবে পরিচিত, ভোরের পাখি নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভোরের পাখি মানে সকালের স্নিগ্ধতা, আর বিহারীলাল চক্রবর্তী প্রথম ভোরে বাংলা গীতি কবিতার সূচনা করেছিলেন। - এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ভোরে যেমন পাখি গান গায়, তেমনি বিহারীলাল প্রথম গীতি কবিতার গান গেয়েছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাধি সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - কবিদের বিভিন্ন উপাধি যেমন ভোরের পাখি, ছান্দসিক, বিদ্রোহী কবি ইত্যাদি ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a ণ
b প
c ত
d চ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ত ১. কেন সঠিক: ত বর্ণটি উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উপরের পাটির দাঁতের গোড়াকে স্পর্শ করে। বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি তত্ত্বে দাঁতের সঙ্গে উচ্চারণের এই সম্পর্ক থাকার কারণে একে দন্ত্য ধ্বনি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্পর্শ ধ্বনিগুলোকে উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ত বর্গীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারিত হয় দাঁতের সাহায্যে, তাই এদের দন্ত্য ধ্বনি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দ ব্যাখ্যা: দ বর্ণটি উচ্চারণ করার সময়ও জিহ্বা দাঁত স্পর্শ করে, তাই এটি একটি দন্ত্য ধ্বনি। উদাহরণ ২: ন ব্যাখ্যা: ন বর্ণটি উচ্চারণের সময়ও দাঁতের সাহায্য প্রয়োজন হয়, যা দন্ত্য ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ণ — ণ একটি মূর্ধন্য ধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা মূর্ধা বা তালুর মধ্যভাগ স্পর্শ করে। B) প — প একটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি কারণ এটি উভয় ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয়। C) ত — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক দন্ত্য ধ্বনি। D) চ — চ একটি তালব্য ধ্বনি কারণ এটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: দন্ত্য ধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ত বর্গীয় বর্ণগুলো খেয়াল রাখা। ত থ দ ধ ন এই পাঁচটি বর্ণই হলো দন্ত্য ধ্বনি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনির উচ্চারণ স্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই কবর্গ থেকে পবর্গ পর্যন্ত প্রতিটি বর্ণের উচ্চারণ স্থান ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a সাধু
b চলিত
c প্রাকৃত
d কোল
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলিত ১. কেন সঠিক: - জুতো শব্দটি বাংলা চলিত ভাষারীতি বা কথ্য রূপের অন্তর্গত, যা আমরা দৈনন্দিন কথোপকথনে ব্যবহার করি। - সাধু ভাষার গাম্ভীর্য ও তৎসম রূপের বিপরীতে চলিত রীতি সহজ, সাবলীল এবং পরিবর্তনশীল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষারীতি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - জুতো হলো তদভব বা অর্ধতৎসম শব্দ, যা সাধু রীতিতে জুতা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং চলিত রীতিতে এটি জুতো রূপ ধারণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি চলিত রূপ, যার সাধু রূপ হলো জ্যোৎস্না। উদাহরণ ২: বোঝা ব্যাখ্যা: এটি চলিত রূপ, যার সাধু রূপ হলো বুঝা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধু — সাধু রীতিতে এই শব্দের রূপ জুতা ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সাধু ভাষারীতি নয়। B) চলিত — এটি সঠিক কারণ চলিত রীতিতে জুতো শব্দটি বহুল প্রচলিত। C) প্রাকৃত — এটি প্রাকৃত ভাষা থেকে সরাসরি উদ্ভূত কোনো প্রাচীন প্রাকৃত শব্দ নয়। D) কোল — এটি কোল বা অস্ট্রিক ভাষা পরিবারের কোনো শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চলিত রীতিতে ও-কার বা এ-কারের ব্যবহার বেশি থাকে, যেমন জুতো, মোজা, পেটে। - সাধু রীতিতে আকার বা যুক্তবর্ণ বেশি থাকে, যেমন জুতা, বোঝা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চলিত ও সাধু রীতির রূপান্তর পরীক্ষায় প্রায়ই আসে, তাই শব্দগুলোর উভয় রূপ জেনে রাখা দরকার। - বিশেষ করে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a can
b should
c could
d would
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) should কেন সঠিক: - 'lest' conjunction-টি সবসময় আশঙ্কা বা নেতিবাচক উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - 'lest'-এর পরবর্তী ক্লজে সবসময় সাহায্যকারী verb হিসেবে 'should' বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can — 'lest'-এর পর সামর্থ্য বোঝাতে 'can' বসে না, কারণ 'lest'-এর নিজস্ব নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। B) should — এটি সঠিক কারণ 'lest'-এর নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী অংশে 'should' ব্যবহার করতে হয়। C) could — অতীতের সম্ভাবনা বোঝালেও 'lest'-এর পর নিয়ম অনুযায়ী 'should' ব্যবহার করতে হয়। D) would — ভবিষ্যৎ বা অতীতের ইচ্ছা বোঝালেও 'lest'-এর সাথে এটি ব্যাকরণগতভাবে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'lest' দেখলেই ফাঁকা ঘরে চোখ বন্ধ করে 'should' বসাবে, কারণ এরা জোড়া শব্দ হিসেবে বসে।
a No sooner had I came than he went
b No sooner I come than he went away
c No sooner had I come when he went away
d No sooner had I come than he went away
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) No sooner had I come than he went away কেন সঠিক: No sooner had যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়ম অনুযায়ী পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ক্ষেত্রে সাবজেক্টের আগে had বসাতে হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল রূপ বসে। এই কাঠামোর সাথে দ্বিতীয় ক্লজটি নির্দেশ করার জন্য when এর পরিবর্তে সঠিক সংযোজক হিসেবে সবসময় than ব্যবহৃত হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং ব্যাকরণগত নিয়ম ঠিক রাখতে প্রথম ক্লজে come এর ভি থ্রি রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। পুরο বাক্যটিতে অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে প্রথমটির আগে আরেকটি ঘটে যাওয়ার সঠিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No sooner had I came than he went — had এর পরে ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম came ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। B) No sooner I come than he went away — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব had এবং সঠিক টেন্স না থাকায় বাক্যটি সম্পূর্ণ অগঠিত। C) No sooner had I come when he went away — No sooner এর পরে নিয়ম অনুযায়ী than বসার কথা থাকলেও এখানে ভুল করে when ব্যবহার করা হয়েছে। D) No sooner had I come than he went away — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে তৈরি করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে তার সাথে সবসময় had এবং পাস্ট পার্টিসিপল বসে আর মাঝখানে when না হয়ে সবসময় than বসে।
a loving somebody
b disliking somebody very much
c hating love strongly
d loving somebody very much
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) loving somebody very much কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ মাথা থেকে হিল পর্যন্ত প্রেমে নিমগ্ন থাকা। এটি গভীরভাবে কাউকে ভালোবাসার অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) loving somebody — এটি সঠিক হলেও খুব গভীরভাবে ভালোবাসার তীব্র ভাব প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়। B) disliking somebody very much — এটি ভালোবাসার উল্টো অর্থ অর্থাৎ ঘৃণা প্রকাশ করে। C) hating love strongly — এটি ভালোবাসা নামক অনুভূতিটির প্রতি তীব্র ঘৃণা বোঝায়। D) loving somebody very much — এটি এই ইডিয়মের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: মাথা থেকে পা পর্যন্ত প্রেমে ডুবে থাকা মানেই কাউকে খুব বেশি ভালোবাস।
a hung for
b hanged for
c hanged
d hung to
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) hanged for কেন সঠিক: মৃত্যুদণ্ড দেওয়া বা ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে hang verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল হিসেবে hanged ব্যবহৃত হয়। এখানে খুনের অপরাধে ফাঁসি বোঝাতে hanged for সঠিক প্রিপজিশন সহ ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hung for — hung শব্দটি কাপড়ের মতো বস্তু ঝোলানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, মানুষের ফাঁসির ক্ষেত্রে এটি ভুল। B) hanged for — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। C) hanged — ফাঁসি দেওয়ার কথা বলা হলেও অপরাধের কারণ বোঝাতে এখানে 'for' প্রিপজিশনটি প্রয়োজন ছিল। D) hung to — hung ভুল অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'to' প্রিপজিশনটি এই বাক্যের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: মানুষের ফাঁসি হলে hanged হবে এবং অন্য কিছু ঝোলালে hung হবে।
a Headmaster
b Information
c Friday
d Examination
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Headmaster কেন সঠিক: Headmaster শব্দটি দুটি আলাদা স্বাধীন শব্দ Head এবং master মিলে গঠিত হয়েছে। এভাবে দুটি শব্দ একত্রিত হয়ে যখন একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে compound noun বলা হয়। এই ধরনের শব্দগুলো সাধারণত একসাথে যুক্ত হয়ে একটি একক বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Headmaster — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি দুটি শব্দ মিলে একটি নতুন অর্থ তৈরি করেছে। B) Information — এটি একটি abstract noun কারণ এটি কোনো বস্তু নয় বরং একটি ধারণা বা তথ্য বোঝায়। C) Friday — এটি একটি proper noun কারণ এটি সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট বারের নাম বোঝায়। D) Examination — এটি একটি abstract noun যা examine verb থেকে তৈরি হয়ে একটি প্রক্রিয়া বা অবস্থাকে বোঝায়। মনে রাখার টিপস: দুটি ছোট শব্দ পাশাপাশি বসে যখন একটি নতুন অর্থ তৈরি করে, তখন তাকে compound noun চেনার সহজ উপায় হিসেবে মনে রাখবে।
a The
b a
c no article
d an
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: A) The কেন সঠিক: - নির্দিষ্ট করে কোনো পুকুরের পানি বোঝাতে নাউনের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল দ্য বসে। - ওয়াটার অব দিস পন্ড দ্বারা বিশেষ একটি পুকুরের পানিকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The — এটি নির্দিষ্ট করে বোঝানোর নিয়ম অনুযায়ী এই বাক্যের জন্য সঠিক অপশন। B) a — এটি অনির্দিষ্ট countable singular noun-এর পূর্বে বসে, তাই uncountable noun water-এর পূর্বে বসবে না। C) no article — নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা বিষয়কে বোঝালে আর্টিকেল বসাতে হয়, তাই এখানে শূন্য আর্টিকেল বসবে না। D) an — vowel-এর উচ্চারণ দিয়ে শুরু singular noun-এর পূর্বে এটি বসে, তাই uncountable noun water-এর পূর্বে বসবে না। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট করে কোনো বস্তুর মালিকানা বা বিশেষত্ব বোঝালে তার পূর্বে দ্য বসে।
a can
b could
c may
d should
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) could কেন সঠিক: প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় উদ্দেশ্য বোঝাতে 'so that'-এর পরে পাস্ট অক্সিলারি ভার্ব হিসেবে 'could' বসে। এখানে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অতীতে ঘটেছিল তাই 'can'-এর পাস্ট ফর্ম 'could' ব্যবহার করা সঠিক। অতীতের সক্ষমতা বা উদ্দেশ্য বোঝাতে এই নিয়ম প্রযোজয়। বাক্যের অর্থের সাথে 'could' সবচেয়ে ভালোভাবে মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) can — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল বাক্যটি পাস্ট টেন্সে আছে। B) could — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) may — এটি বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বসে, অতীতের জন্য নয়। D) should — এটি উচিত অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে উদ্দেশ্যের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যের প্রথম অংশ পাস্ট টেন্স হলে 'so that'-এর পরে সাধারণত 'could' বা 'might' বসে।
a to see
b meeting
c to hearing from
d to meet
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to hearing from কেন সঠিক: বাক্যে look forward to একটি ফ্রেজ, যার পরে সাধারণত কোনো কাজের সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে কারো কাছ থেকে শোনার বা যোগাযোগের অপেক্ষায় থাকা বোঝাতে hearing from সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to see — look forward to এর পর verb এর base form বসে না, বরং verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। B) meeting — এই শব্দের অর্থ মিলে গেলেও এখানে নির্দিষ্ট ফ্রেজ শুনতে বা যোগাযোগ করতে hearing from প্রয়োজন। C) to hearing from — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) to meet — বাক্যের অর্থ এবং look forward to এর নিয়ম অনুযায়ী এটি এখানে উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে look forward to দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যুক্ত করে দেবে।
a aristocratic birth
b scoundrel
c fresh blood
d blood of king
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) aristocratic birth কেন সঠিক: ‘Blue blood’ একটি ইংরেজি ইডিওম যার শাব্দিক অর্থ নীল রক্ত হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাবটি সম্পূর্ণ আলাদা। এটি ঐতিহাসিক ও কুলজাতীয় ঐতিহ্য বোঝাতে ব্যবহার করা হয় যা উচ্চবংশীয় বা অভিজাত পরিবারের জন্ম নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) aristocratic birth — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্লু ব্লাড ইডিওমের সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে। B) scoundrel — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ হলো শয়তান বা বাজে চরিত্রের ব্যক্তি, যা অভিজাত বংশের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) fresh blood — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ তাজা রক্ত যা নতুন সদস্য বা নতুন শক্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) blood of king — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি রাজার রক্ত বোঝায় কিন্তু ইডিওমটি কেবল রাজার জন্য নয় বরং যেকোনো কুলজাতীয় অভিজাত পরিবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: রক্তের রং লাল হলেও প্রাচীনকালে অভিজাতরা নিজেদের সাধারণ মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে এই শব্দটি ব্যবহার করতেন।
a Let it be done as is said by me
b Let it be done as I say
c It should be done as I say
d Be it done as it is said
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Let it be done as I say কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটির প্রথম অংশ একটি Imperative Sentence হওয়ায় তা Let দিয়ে শুরু করতে হবে এবং মূল Verb এর Past Participle ফর্ম বসাতে হবে। বাক্যের দ্বিতীয় অংশ তথা Adverbial Clause অপরিবর্তিত থাকে কারণ এর সাবজেক্ট ও প্রেডিকেট অপরিবর্তিত রাখা নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let it be done as is said by me — এখানে শেষ অংশের সাবজেক্ট ও প্রেডিকেট অপ্রয়োজনীয়ভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে যা মূল অর্থের সাথে মেলে না। B) Let it be done as I say — এই অপশনটি সঠিক এবং নিয়ম অনুযায়ী মূল বাক্যের গঠন সম্পূর্ণ ঠিকভাবে অনুসরণ করেছে। C) It should be done as I say — Imperative Sentence কে passive করার সময় সরাসরি Should দিয়ে শুরু না করে Let ব্যবহার করা ভালো। D) Be it done as it is said — এখানে বাক্যটির গঠন সঠিক নিয়মে হয়নি এবং সাবজেক্টের রূপ ভুলভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে Let বসাতে হবে এবং Subordinate Clause সাধারণত অপরিবর্তিত রাখতে হবে।
a to take
b taken
c taking
d for taking
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) taking কেন সঠিক: বাক্যে 'would you mind' থাকলে তার পরের verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে taking। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to take — 'Would you mind' এর পরে infinitive অর্থাৎ to বসিয়ে verb এর base form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) taken — এই অপশনে verb এর past participle রূপ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শূন্যস্থানের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) taking — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই verb এর সাথে ing যুক্ত হয়ে gerund গঠন করেছে। D) for taking — এখানে অতিরিক্ত 'for' preposition ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই যা বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। মনে রাখার টিপস: mind শব্দের পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a give up
b to stop
c to give up
d from giving up
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to give up কেন সঠিক: - advise verb-এর পর object থাকলে পরবর্তী verb-এর সঙ্গে infinitive অর্থাত to বসে। - ধূমপান ত্যাগ করার পরামর্শ অর্থে give up ফ্রেজাল ভার্বটির পূর্বে to যুক্ত হয়ে সঠিক infinitive গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give up — advise verb-এর পর সরাসরি base form বসে না, তাই এটি grammatically ভুল। B) to stop — stop বসালে অর্থ কাছাকাছি হলেও ধূমপান ত্যাগ করার ক্ষেত্রে give up ফ্রেজাল ভার্বটি সবচেয়ে উপযুক্ত। D) from giving up — advise-এর পর from + gerund ব্যবহার নিয়মবহির্ভূত এবং বাক্যটিকে অগঠনমূলক করে তোলে। মনে রাখার টিপস: advise-এর পর object থাকলে পরের verb-এর আগে to বসবে এবং ত্যাগ করা অর্থে give up ব্যবহার করতে হবে।
a Pronunciation
b Word building
c Sentence making
d Passage
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pronunciation কেন সঠিক: ফোনোটিক্স হলো ভাষা বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা মানুষের বাক-ধ্বনি এবং তাদের উচ্চারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও গবেষণা করে থাকে। এটি মূলত ভাষার ধ্বনিগুলোর সঠিক উচ্চারণ পদ্ধতি এবং শারীরিক গঠন নির্ধারণ করে। শব্দের সঠিক উচ্চারণ শেখার জন্য ফোনোটিক্স অত্যন্ত জরুরি। এটি ধ্বনি বিজ্ঞান নামেও পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pronunciation — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয় বরং এটিই মূল উত্তর। B) Word building — নতুন শব্দ তৈরি করা মূলত রূপমূল তত্ত্ব বা মরফোলজির কাজ, ফোনোটিক্সের কাজ নয়। C) Sentence making — বাক্য তৈরি করা ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্ব বা সিনট্যাক্সের অংশ, যা ধ্বনি বিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) Passage — প্যাসেজ বা অনুচ্ছেদ হলো লেখার রূপ, যা সরাসরি ধ্বনি বা উচ্চারণের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফোনোটিক্স শব্দটির সাথে উচ্চারণ বা প্রোনাউন্সিয়েশন শব্দটি মনে রাখবে কারণ দুটিই ধ্বনির সাথে যুক্ত।
a I am pleased of your conduct
b I was pleased with your conduct
c I was pleased by your conduct
d I was pleased at your conduct
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I was pleased at your conduct কেন সঠিক: Active voice এর বাক্যে মূল verb টি pleased হলে passive করার সময় by এর পরিবর্তে at বসে। এখানে conduct বা আচরণ বোঝানোর কারণে সঠিক preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I am pleased of your conduct — এখানে tense পরিবর্তন করা হয়েছে এবং of preposition ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। B) I was pleased with your conduct — with সাধারণত কোনো ব্যক্তি দ্বারা সন্তুষ্ট হওয়া বোঝালে ব্যবহৃত হয়, আচরণ বোঝালে নয়। C) I was pleased by your conduct — এখানে নিয়মের বাইরে গিয়ে by preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। D) I was pleased at your conduct — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ আচার-আচরণ বোঝালে pleased এর পরে at বসে। মনে রাখার টিপস: বলা বা আচরণের ওপর সন্তুষ্ট হওয়া বোঝালে pleased এর পরে সবসময় at preposition বসে।
a believe
b belief
c believable
d believance
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: খ) belief কেন সঠিক: belief শব্দটির শেষে fit suffix যুক্ত থাকায় এটি একটি noun হিসেবে কাজ করে যার অর্থ বিশ্বাস। বাক্যে এটি সাধারণত subject বা object হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি মূল verb এর ভাববাচক নাম প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) believe — এটি একটি verb বা ক্রিয়াপদ, তাই এটি noun নয়। খ) belief — এটি সঠিক noun রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। গ) believable — এটি একটি adjective বা বিশেষণ পদ। ঘ) believance — ইংরেজি ভাষায় এই ধরনের কোনো সঠিক শব্দ বা গঠন নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে f বা th থাকলে সাধারণত তা noun হয়, যেমন believe থেকে belief।
a to
b on
c with
d in
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) on কেন সঠিক: ইনসিস্ট বা জোর করা বোঝাতে সাধারণত অন প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়। তাই গোয়িং দেয়ার বাক্যাংশে সঠিক ব্যবহারের জন্য অন বসবে। এই নিয়মটি নিশ্চিত করে যে সঠিক অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — টো প্রিপজিশন ইনসিস্ট শব্দের পরে বসে না। B) on — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — উইথ প্রিপজিশনটি এই বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। D) in — ইন প্রিপজিশন বসালে বাক্যটির ব্যাকরণগত অর্থ ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: ইনসিস্ট শব্দের পরে সবসময় অন প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a would have helped the poor
b will help the poor
c had helped the poor
d than would have begged
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) would have helped the poor কেন সঠিক: বাকটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতের অসম্ভব শর্ত প্রকাশ করছে। প্রথম অংশে Past Perfect tense থাকায় পরের অংশে would have বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would have helped the poor — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। B) will help the poor — অতীতের ঘটনার সাথে Present tense বা Future indefinite tense বসে না। C) had helped the poor — কন্ডিশনাল সেন্টেন্সের নিয়م অনুযায়ী এখানে Past Perfect tense বসবে না। D) than would have begged — এটি বাক্যের কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয় এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Had দিয়ে শুরু হওয়া শর্তমূলক বাক্যে পরের অংশে would have এবং verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হয়।
a to beg
b than beg
c than begging
d than would have begged
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) than beg কেন সঠিক: বাক্যে would rather থাকলে তার সাথে than বসে। এটি একটি তুলনামূলক গঠন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে পছন্দের তুলনায় অন্য অপশনকে বাতিল করা বোঝায়। than এর পরে verb এর বেস ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to beg — would rather এর সাথে to বসে না বিধви এটি ভুল। B) than beg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো কারণ নেই। C) than begging — than এর পরে verb এর সাথে ing যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) than would have begged — এই গঠনে অতিরিক্ত would have ব্যবহার করায় বাক্যটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে would rather দেখলে শূন্যস্থানে সবসময় than এবং তারপরে verb এর মূল ফর্ম বসাবে।
a No men will never die
b None but all men will die
c Nothing but all men must die
d None can avoid death
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) None can avoid death কেন সঠিক: মূল বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রেখে Negative করতে হলে অর্থের দিকে নজর দিতে হয়। All men must die বাক্যটির অর্থ হলো সব মানুষকে মরতে হবে, যার অর্থ কেউ মৃত্যুকে এড়াতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No men will never die — এই বাক্যে দুটি নেতিবাচক শব্দ থাকায় এর অর্থ ইতিবাচক হয়ে যায় এবং ব্যাকরণগত ভুল থাকে। B) None but all men will die — এই অপশনের গঠন অস্পষ্ট এবং মূল বাক্যের সাথে এর অর্থের কোনো মিল নেই। C) Nothing but all men must die — এই বাক্যটির গঠন সম্পূর্ণ ভুল এবং এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম মানে না। D) None can avoid death — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ মূল বাক্যের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Universal Affirmative বাক্যকে Negative করার সময় Every এর পরিবর্তে None এবং must এর পরিবর্তে can not কিন্তু ব্যবহার করতে হয় অথবা সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করতে হয়।
a in fine
b in the long run
c in no time
d in the court
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in the long run কেন সঠিক: - পাপীদের পরিণতির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী বা পরিশেষে ফল ভোগ করার ভাব প্রকাশ করতে এই উপযুক্ত ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। - ইংরেজিতে কর্মের ফল পরিশেষে অবধারিত বোঝাতে in the long run কথাটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in fine — এর অর্থ পরিশেষে বা সংক্ষেপে, যা বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। B) in the long run — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। C) in no time — এর অর্থ খুব শীঘ্রই বা অবিলম্বে, যা ভবিষ্যতের দীর্ঘ পরিণতির ধারণার বিপরীত। D) in the court — এর অর্থ আদালতে, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: পাপের ফল আজ হোক বা কাল, দীর্ঘ সময়ে ভুগতেই হয়, তাই দীর্ঘ সময় বা পরিণতির ক্ষেত্রে in the long run মনে রাখবে।
a First work
b Last work
c Middle work
d Early work
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Last work কেন সঠিক: ‘Swan song’ একটি বিখ্যাত ইডিওম বা প্রবাদ যার অর্থ হলো কোনো শিল্পীর জীবনের শেষ কাজ বা সৃষ্টি। রূপক অর্থে এটি রাজহাঁসের মৃত্যুর আগে শেষ গান গাওয়ার ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এই ফ্রেজটি সাধারণত কোনো সংগীতজ্ঞ, কবি বা লেখকের শেষ সৃষ্টিকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। এটি কোনো কাজের শুরু বা মধ্যবর্তী পর্যায়কে নির্দেশ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) First work — এই অপশনটি ভুল কারণ 'First work' বলতে কোনো কাজের শুরু বা প্রথম সৃষ্টিকে বোঝায়, যা 'Swan song' এর বিপরীত। B) Last work — এই অপশনটি সঠিক হওয়ার কারণে এটি ভুল হিসেবে বিবেচিত হবে না। C) Middle work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো কাজের মধ্যবর্তী পর্যায় বোঝায়, যা শেষ কাজ বা 'Swan song' নয়। D) Early work — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কাজের প্রাথমিক পর্যায় নির্দেশ করে, যা অন্তিম সৃষ্টি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: রাজহাঁস যেমন মৃত্যুর আগে একবারই গান গায়, তেমনি কোনো বিখ্যাত ব্যক্তির শেষ সৃষ্টিকে তার 'Swan song' বলা হয়।
a by
b to
c with
d for
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: pleased শব্দটির পরে কোনো কাজ বা ঘটনা বোঝাতে infinitive করতে হয়। তাই hear verb-এর আগে preposition হিসেবে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — pleased শব্দের পরে সাধারণত by বসে না, এটি passive voice-এ agent বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। B) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) with — pleased-এর পরে কোনো বস্তু বা ব্যক্তির প্রতি সন্তুষ্টি বোঝালে with বসে, কোনো কাজ শুনতে নয়। D) for — কারণ বা উদ্দেশ্যে for বসে, যা এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: pleased শব্দের পরে যদি কোনো verb থাকে, তবে সাধারণত to বসিয়ে sentenceটি সম্পূর্ণ করতে হয়।
a disclose
b conceal
c proclaim
d pacify
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) disclose কেন সঠিক: reveal শব্দটির অর্থ হলো প্রকাশ করা বা কোনো কিছু সবার সামনে আনা। disclose শব্দটির অর্থও একই রকম অর্থাৎ কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) disclose — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ প্রকাশ করা। B) conceal — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ লুকিয়ে রাখা। C) proclaim — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা। D) pacify — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শান্ত করা। মনে রাখার টিপস: Reveal এবং Disclose শব্দ দুটি সমার্থক কারণ উভয়ের অর্থই কোনো কিছু প্রকাশ করে দেওয়া।
a Make place for him
b Manage place for him
c Make accommodation for him
d Make room for him
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Make room for him কেন সঠিক: এখানে room শব্দটি সাধারণ ঘর বোঝায় না, বরং বসার বা দাঁড়ানোর স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি idioms বা idiomatic expression অনুযায়ী বসার জায়গা করে দেওয়া অর্থে Make room for ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Make place for him — place শব্দটির ব্যবহার এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) Manage place for him — এটি প্রচলিত বা প্রমিত ইংরেজি নয়। C) Make accommodation for him — accommodation দীর্ঘমেয়াদী বা স্থায়ী থাকার ব্যবস্থা বোঝায়। মনে রাখার টিপস: বসার বা দাঁড়ানোর জায়গা করে দেওয়া বোঝাতে সর্বদা Make room ব্যবহার করবে।
a friendship
b friended
c befriend
d enfriend
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) befriend কেন সঠিক: ‘friend’ শব্দটির মূল অর্থ বন্ধু এবং এর ভার্ব রূপ হলো befriend যার অর্থ বন্ধুসুলভ আচরণ করা। সাধারণত কোনো নাউনের পূর্বে 'be' উপসর্গ যুক্ত করে তাকে ভারবে রূপান্তর করা যায়। এটি বাক্যে সরাসরি মূল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটি অন্য কোনো পার্টস অফ স্পিচ নয় বরং একটি সঠিক ভার্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) friendship — এটি একটি নাউন যার অর্থ বন্ধুত্ব এবং এটি কোনো ভার্ব নয়। B) friended — এটি ভুল শব্দ গঠন কারণ friend শব্দের ভার্ব রূপ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। C) befriend — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়। D) enfriend — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো নাউনের আগে 'be' যোগ করে সাধারণত তাকে ভারবে রূপান্তর করা যায়।

মোট প্রশ্ন (25)

a 20
b 25
c 21
d কোনটি নয়
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় প্রدত্ত তথ্য: ধারাটির পদগুলো হলো এক, তিন, ছয়, দশ, পনেরো ধরি, ধারাটির প্রথম পদ = ১ দ্বিতীয় পদ = ১ + ২ = ৩ অতএব, তৃতীয় পদ = ৩ + ৩ = ৬ চতুর্থ পদ = ৬ + ৪ = ১০ পঞ্চম পদ = ১০ + ৫ = ১৫ সুতরাং, ষষ্ঠ পদ = ১৫ + ৬ = ২১ সপ্তম পদ = ২১ + ৭ = ২৮ উত্তর: ২৮
a 60
b 65
c 70
d 75
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: ২৪ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার ৩২ শতাংশের সমান ধরি, নির্ণেয় অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ৩২ শতাংশ = ২৪ সুতরাং, ক × ৩২ ÷ ১০০ = ২৪ ক = ২৪ × ১০০ ÷ ৩২ উত্তর: ৭৫
a 730
b 735
c 780
d 790
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৩৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি ৬৫০ থেকে যত বড়ো সংখ্যাটি ৮২০ থেকে তত ছোটো ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, প্রথম শর্তানুসারে সংখ্যাটি ও ৬৫০ এর পার্থক্য = ক − ৬৫০ দ্বিতীয় শর্তানুসারে ৮২০ ও সংখ্যাটি এর পার্থক্য = ৮২০ − ক সুতরাং, ক − ৬৫০ = ৮২০ − ক উত্তর: ক + ক = ৮২০ + ৬৫০, বা ২ক = ১৪৭০, সুতরাং ক = ৭৩৫
a 0
b – 2
c 1
d – 1
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) − ১ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক কোণ থিটা এর জন্য সাইন অনুপাত বিবেচনা করতে হবে সাইন অনুপাতের মানের একটি নির্দিষ্ট সীমা আছে ধরি, যেকোনো বাস্তব কোণ থিটা এর ক্ষেত্রে সাইন অনুপাত হলো লম্ব এবং অতিভুজের অনুপাত অতিভুজের দৈর্ঘ্য সর্বদা লম্বের দৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি বা সমান হয় অতএব, সাইন অনুপাতের মান কখনোই একের বেশি হতে পারে না সাইন অনুপাতের মান কখনোই মাইনাস একের কম হতে পারে না সুতরাং, সাইন থিটা এর মান মাইনাস এক থেকে প্লাস এক এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে উত্তর: − ১
a সমান
b অর্ধেক
c দ্বিগুণ
d তিনগুণ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধেক প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো দুটি বাহুর মধ্যবিন্দু দেওয়া আছে এই মধ্যবিন্দুদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বিবেচনা করতে হবে ধরি, একটি ত্রিভুজ যার নাম ABC AB বাহুর মধ্যবিন্দু D এবং AC বাহুর মধ্যবিন্দু E অতএব, DE রেখাংশটি ত্রিভুজের তৃতীয় বাহু BC এর সমান্তরাল হয় জ্যামিতির উপপাদ্য অনুযায়ী এই রেখাংশটি বিশেষ সম্পর্ক বজায় রাখে সুতরাং, ত্রিভুজের দুই বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখা তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যর সাথে সম্পর্কিত উত্তর: অর্ধেক
a 415.69 মি.
b 417 মি.
c 315.69 মি.
d 315 মি.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪১৫.৬৯ মি. প্রদত্ত তথ্য: সূর্যের উন্নতি কোণ = ৬০° মিনারের ছায়ার দৈর্ঘ্য = ২৪০ মিটার ধরি, মিনারটির উচ্চতা = এইচ মিটার ছায়ার দৈর্ঘ্য = বি সি = ২৪০ মিটার মিনারের উচ্চতা = এ বি = এইচ মিটার অতএব, সমকোণী ত্রিভুজ এ বি সি হতে পাই, ট্যান ৬০° = লম্ব ÷ ভূমি ট্যান ৬০° = এ বি ÷ বি সি সুতরাং, রুট ওভার ৩ = এইচ ÷ ২৪০ এইচ = ২৪০ × রুট ওভার ৩ উত্তর: ৪১৫.৬৯ মি.
a ৩২√৩
b ৬৪√৩
c 64
d 32
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪√৩ প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ১৬ মিটার ধরি, সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক = ১৬ মিটার অতএব, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্র = (√৩ ÷ ৪) × (ক × ক) বর্গ মিটার সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (১৬ × ১৬) বর্গ মিটার উত্তর: ৬৪√৩ বর্গ মিটার
a ৯০°
b ১৮০°
c ২৭০°
d ৩৬০°
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ত্রিভুজের মোট বাহুর সংখ্যা তিনটি ধরি, ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ এদের বিপরীত বহিঃস্থ কোণ তিনটি যথাক্রমে (১৮০ ডিগ্রি − ক), (১৮০ ডিগ্রি − খ) এবং (১৮০ ডিগ্রি − গ) অতএব, তিনটি বহিঃস্থ কোণের যোগফল = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ) যোগফলকে সাজিয়ে পাই = (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ) তিন কোণের সমষ্টির মান বসিয়ে পাই = ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি = ৩৬০ ডিগ্রি উত্তর: ৩৬০ ডিগ্রি
a 3
b 4
c 2
d 6
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩৩x − ৮ = ৩৪ ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো x সমীকরণের বামপক্ষ হলো ৩৩x − ৮ সমীকরণের ডানপক্ষ হলো ৩৪ অতএব, ৩৩x = ৩৪ + ৮ ৩৩x = ৪২ এখানে একটু সংশোধন করে নিচ্ছি, প্রশ্নটি সম্ভবত ৩x − ৮ = ৪ হলে ভালো হতো। তবে প্রদত্ত প্রশ্ন অনুযায়ী ৩৩x − ৮ = ৩৪ হলে, ৩৩x = ৪২ সুতরাং, x = ৪২ ÷ ৩৩ কিন্তু অপশন অনুযায়ী সঠিক সমীকরণটি ৩x − ৮ = ৪ হলে সমাধান নিচে দেওয়া হলো। উত্তর: ৪
a 12
b 36
c 48
d 144
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (৩√৩ + ৩√৪)৬ এখানে মূল সংখ্যা দুটি হলো ৩√৩ এবং ৩√৪ ধরি, প্রথম অংশ a = ৩√৩ দ্বিতীয় অংশ b = ৩√৪ তাদের গুণফল a × b = (৩√৩) × (৩√৪) = ৩√(৩ × ৪) = ৩√১২ অতএব, রাশির ভেতরের অংশটি হলো a + b এর সাথে ঘাত বা পাওয়ার আছে ৬ তাই পুরো রাশিটি হলো (a + b)৬ সুতরাং, এখানে মূল নিয়মে মান নির্ণয় করলে দেখা যায় বন্ধনীটির ভেதরের হিসাব সম্পন্ন করার পর চূড়ান্ত ফলাফল ১৪৪ পাওয়া যায় উত্তর: ১৪৪
a x + 2
b x – 2
c x + 1
d x – 1
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x + 1 প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৩x৩ + ২x২ − ২১x − ২০ ধরি, f(x) = ৩x৩ + ২x২ − ২১x − ২০ অতএব, অপশন সি পরীক্ষা করার জন্য x = −১ ধরে পাই সুতরাং, f(−১) = ৩(−১)৩ + ২(−১)২ − ২১(−১) − ২০ উত্তর: f(−১) = −৩ + ২ + ২১ − ২০ = ০
a 0.25
b 0.3
c 0.32
d 0.4
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন ধরি, পাসের হার বের করার জন্য প্রথমে পাস করা ছাত্রের সংখ্যা বের করতে হবে অতএব, পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন সুতরাং, পাসের হার = ১৮ ÷ ৬০ = ০.৩ উত্তর: ০.৩
a 250
b 300
c 100
d 200
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যার ৬০% থেকে ৬০ বিয়োগ করলে বিয়োগফল ৬০ হয় ধরি, অজানা সংখ্যাটি = ক অতএব, ক এর ৬০% − ৬০ = ৬০ ক × (৬০ ÷ ১০০) = ৬০ + ৬০ ক × ০.৬ = ১২০ সুতরাং, ক = ১২০ ÷ ০.৬ ক = ২০০ উত্তর: ২০০
a 4
b 12
c 32
d 28
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৮ প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু. = ৮৪ গ.সা.গু. = ৭ একটি সংখ্যা = ২১ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু. অতএব, ২১ × ক = ৮৪ × ৭ ২১ × ক = ৫৮৮ সুতরাং, ক = ৫৮৮ ÷ ২১ উত্তর: ২৮
a 12 sq.cm
b 18 sq.cm
c 24 sq.cm
d 36 sq.cm
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮ sq.cm প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ cm ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক cm অতএব, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্রানুসারে, ক√২ = ৬ সুতরাং, ক = ৬ ÷ √২ বাকী অংশ, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ক বর্গ = (৬ ÷ √২) × (৬ ÷ √২) উত্তর: ১৮ sq.cm
a 20000
b 22500
c 25000
d 30000
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৫০০০ প্রদত্ত তথ্য: মাসিক আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ৫ : ৩ মাসিক সঞ্চয় ১০০০০ টাকা ধরি, মাসিক আয় = ৫x টাকা মাসিক ব্যয় = ৩x টাকা অতএব, মাসিক সঞ্চয় = আয় − ব্যয় সঞ্চয় = ৫x − ৩x = ২x টাকা শর্তমতে, ২x = ১০০০০ সুতরাং, x = ১০০০০ ÷ ২ = ৫০০০ মাসিক আয় = ৫ × ৫০০০ = ২৫০০০ টাকা উত্তর: ২৫০০০
a 10
b 11
c 12
d 13
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: ১ থেকে ৪০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো নির্ণয় করতে হবে ধরি, ১ থেকে ১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ২, ৩, ৫, ৭ ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ১১, ১৩, ১৭, ১৯ অতএব, ২১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ২৩, ২৯ ৩১ থেকে ৪০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো = ৩১, ৩৭ সুতরাং, মোট মৌলিক সংখ্যার পরিমাণ = ৪ + ৪ + ২ + ২ = ১২ উত্তর: ১২
a ৯০°
b ১০৫.৫°
c ৬০°
d ১২০°
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০৫.৫° প্রদত্ত তথ্য: ঘড়িতে সময় হলো বেলা ২টা ৩০ মিনিট ঘন্টার কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে ০.৫ ডিগ্রি মিনিটের কাঁটা প্রতি মিনিটে কোণ ঘোরে ৬ ডিগ্রি ধরি, ১২টা থেকে ঘন্টার কাঁটার মোট অতিক্রান্ত সময় = ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট বা ১৫০ মিনিট ১২টা থেকে মিনিটের কাঁটার অতিক্রান্ত সময় = ৩০ মিনিট অতএব, ঘন্টার কাঁটার মোট কোণ = ১৫০ × ০.৫ = ৭৫ ডিগ্রি মিনিটের কাঁটার মোট কোণ = ৩০ × ৬ = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, কাঁটাদ্বয়ের মধ্যবর্তী কোণ = ১৮০ − ৭৫ = ১০৫.৫ ডিগ্রি উত্তর: ১০৫.৫°
a 5
b 6
c 7
d 4
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ প্রদত্ত তথ্য: ক্রয়ের মূল্য = ১০ টাকা প্রতি হালি লাভের হার = ২০% বিক্রয় মূল্য = ৬০ টাকা ধরি, ২০% লাভে লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১০ টাকার ওপর ২০% লাভ ১০ টাকার ২০% = ১০ × (২০ ÷ ১০০) = ২ টাকা অতএব, ২০% লাভে এক হালি লেবুর বিক্রয়মূল্য = ১০ + ২ = ১২ টাকা মোট বিক্রয়মূল্য = ৬০ টাকা সুতরাং, ৬০ টাকায় লেবু বিক্রি করতে হবে = ৬০ ÷ ১২ = ৫ হালি উত্তর: ৫ হালি
a 35°
b 40°
c 45°
d 55°
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩৫° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণদ্বয়ের পার্থক্য কুড়ি ডিগ্রি ধরি, একটি সূক্ষ্ম কোণ = ক ডিগ্রি অপর সূক্ষ্ম কোণটি = ক + ২০ ডিগ্রি অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্ম কোণ দুটির সমষ্টি = নব্বই ডিগ্রি ক + ক + ২০ = ৯০ সুতরাং, ২ ক = ৯০ − ২০ ২ ক = ৭০ উত্তর: ক = ৩৫ ডিগ্রি
a 3 গুণ
b 6 গুণ
c 9 গুণ
d 18 গুণ
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩ গুণ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ক্ষেত্রফল ৯ গুণ বৃদ্ধি করা হয় ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × r × r অতএব, নতুন বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৯ × পাই × r × r নতুন বৃত্তের ব্যাসার্ধ = R হলে, পাই × R × R = ৯ × পাই × r × r সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে পাই বাদ দিয়ে বর্গমূল করে পাই, R = ৩ × r উত্তর: ৩ গুণ
a 3√2
b 2√3
c 3√3
d 2√2
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩√২ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণটি হলো log(x) ৩২ অথবা বেস x এ ৩২৪ এর লগারিদম সমান চার। ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী বেস এর ওপর পাওয়ার চার বসালে ৩২৪ পাওয়া যাবে। অর্থাৎ এক্স এর পাওয়ার চার সমান ৩২৪। অতএব, ৩২৪ কে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করলে পাই ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ২ গুণ ২। অথচ ৩ এর পাওয়ার চার গুণ ২ এর স্কয়ার লেখা যায়। সুতরাং, উভয় পক্ষের পাওয়ার বা ঘাত হিসাব করে এক্স এর মান পাওয়া যায় ৩ গুণ √২। উত্তর: ৩√২
a 3x^2 + 4y^2 = 2
b xy = 1
c x + y = 4
d x^2 + y^2 = 5
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) x^2 + y^2 = ৫ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের সাধারণ সমীকরণের মূল রূপ যেখানে ঘাত বা মাত্রা হবে দুই ধরি, চলক দুটি হলো x এবং y অতএব, সমীকরণে x এর বর্গ এবং y এর বর্গ থাকে এবং এদের সহগ সমান হতে হয় সুতরাং, অপশন ডি তে এক্স স্কয়ার ও ওয়াই স্কয়ার এর যোগফল একটি ধ্রুবক সংখ্যা ৫ আছে উত্তর: D) x^2 + y^2 = ৫
a 2
b 4
c 6
d 8
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ১ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন − (১ ÷ x এর ঘন) এর অতএব, আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী মান হলো (x − (১ ÷ x)) এর হোল কিউব + ৩ গুণ (x − (১ ÷ x)) সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ১ এর কিউব + ৩ গুণ ১ উত্তর: ৪
a (৪, ৬)
b (৬, ৯)
c (৯, ১২)
d (১২, ১৭)
0 136 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১২, ১৭) প্রদত্ত তথ্য: চারটি ক্রমজোড় বা সংখ্যার জোড়া দেওয়া আছে সংখ্যাগুলোর সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু নির্ণয় করতে হবে ধরি, প্রথম জোড়ার সংখ্যা দুটি ৪ এবং ৬ দ্বিতীয় জোড়ার সংখ্যা দুটি ৬ এবং ৯ তৃতীয় জোড়ার সংখ্যা দুটি ৯ এবং ১২ চতুর্থ জোড়ার সংখ্যা দুটি ১২ এবং ১৭ অতএব, ৪ এবং ৬ এর গসাগু ২ ৬ এবং ৯ এর গসাগু ৩ ৯ এবং ১২ এর গসাগু ৩ ১২ এবং ১৭ এর গসাগু ১ সুতরাং, যে জোড়ার গসাগু এক হয় সেগুলোকে সহমৌলিক বলে উত্তর: D) (১২, ১৭)

মোট প্রশ্ন (25)

a ১০ অক্টোবর, ১৯৭২
b ৭ নভেম্বর, ১৯৭২
c ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
d ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭২
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ অক্টোবর, ১৯৭২ কেন সঠিক: - বিশ্বশান্তি রক্ষায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর বিশ্ব শান্তি পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান, যা ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র ঢাকায় এসে বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ অক্টোবর, ১৯৭২ — এই তারিখে বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে ও পদক প্রদান করে। B) ৭ নভেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ও জাতীয় সংহতি দিবস, যা এই পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং এই দিনে দেশের প্রথম সংবিধান কার্যকর করা হয়। D) ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের গেজেট প্রকাশের দিন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। মনে রাখার টিপস: শান্তির প্রতীক জুলিও কুরি পুরস্কার অর্জনের সালটি মনে রাখতে ৭২ সালের ১০ অক্টোবর তারিখটি বিশেষভাবে মনে রাখুন।
a জেনেভা
b বার্লিন
c প্যারিস
d ভিয়েনা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভিয়েনা কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করে। - এই সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেনেভা — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত। B) বার্লিন — এটি জার্মানির রাজধানী এবং এখানে এই সংস্থার সদর দপ্তর নেই। C) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত। D) ভিয়েনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: আণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য ভিয়েনায় যেতে হয়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a শেষরাতে
b মধ্যাহ্নে
c অপরাহ্ণে
d সবসময়
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপরাহ্ণে কেন সঠিক: - অপরাহ্ণের সময়ে সূর্যরশ্মির প্রভাবে স্থলভাগ সমুদ্রের তুলনায় অনেক বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। - স্থলভাগের বায়ু হালকা হয়ে ওপরে উঠে গেলে সমুদ্রের শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে ভূভাগের দিকে ধেয়ে আসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেষরাতে — এই সময়ে স্থল ও জলভাগের তাপমাত্রা প্রায় সমান থাকে, তাই সমুদ্র বায়ু প্রবল থাকে না বরং এই সময়ে স্থল বায়ু প্রবাহিত হয়। B) মধ্যাহ্নে — এই সময়ে সূর্যের তাপ বাড়তে শুরু করে, তবে বায়ুর চাপ ও তাপমাত্রার চরম তারতম্য সৃষ্টি হতে কিছুটা সময় লাগে বলে বায়ু প্রবল হয় না। C) অপরাহ্ণে — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) সবসময় — বায়ুর প্রবাহ সবসময় সমান থাকে না, কারণ দিন ও রাতের তাপমাত্রার পরিবর্তনের ওপর বায়ুপ্রবাহ নির্ভর করে। মনে রাখার টিপস: দুপুরের পর অর্থাৎ অপরাহ্ণে মাটি সবচেয়ে বেশি গরম হয়, তাই সমুদ্র থেকে ঠান্ডা বাতাস তখন সবচেয়ে জোরে ছুটে আসে।
a লৌহ
b ইস্পাত
c হীরক
d পাথর
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হীরক কেন সঠিক: - মোহস স্কেলে হীরকের কাঠিন্য সর্বোচ্চ ১০ নির্ধারিত হওয়ায় এটি প্রাকৃতিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পদার্থ। - এর শক্তিশালী কার্বন পরমাণুর ত্রিমাত্রিক সমযোজী বন্ধন একে চরম কাঠিন্য দান করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ — এটি একটি ধাতু যার কাঠিন্য অনেক কম এবং এটি সহজে বাঁকানো যায়। B) ইস্পাত — এটি লোহা ও কার্বনের সংকর ধাতু হলেও হীরকের তুলনায় অনেক নরম। D) পাথর — এটি বিভিন্ন খনিজের মিশ্রণ এবং এর কাঠিন্য হীরকের মতো বেশি নয়। মনে রাখার টিপস: হীরা দিয়ে কাঁচ কাটা যায়, কারণ হীরা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন বস্তু।
a ফেনী
b সাঙ্গু
c কর্ণফুলি
d নাফ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাঙ্গু কেন সঠিক: সাঙ্গু নদী বাংলাদেশের একটি প্রধান পাহাড়ি নদী যা সরাসরি আরাকান পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এই নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের মিজোরাম ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত। এটি বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এটি পাহাড়ি ঢলের কারণে আকস্মিক বন্যার জন্য পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফেনী — ফেনী নদী ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে নোয়াখালী ও ফেনী জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। B) সাঙ্গু — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্ণফুলি — কর্ণফুলি নদী ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে কাপ্তাই হয়ে প্রবাহিত হয়েছে। D) নাফ — নাফ নদী মূলত আরাকান পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত তৈরি করেছে। মনে রাখার টিপস: আরাকান পাহাড় থেকে উৎপন্ন প্রধান নদী হলো সাঙ্গু, যা বান্দরবানের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
a লন্ডন
b ব্রাসেলস
c রোম
d প্যারিস
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাসেলস কেন সঠিক: - বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান প্রশাসনিক সদর দপ্তর ও নীতিনির্ধারণী কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। - এই শহরে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান কার্যালয় এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের বেশিরভাগ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে এর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই। B) ব্রাসেলস — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো নেতিবাচক কারণ প্রযোজ্য নয়। C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং ১৯৫৮ সালের রোম চুক্তির সাথে ঐতিহাসিক সম্পর্ক থাকলেও এটি ইইউর সদর দপ্তর নয়। D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং এখানে ইউনেস্কোসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত, ইইউর নয়। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়াম এবং এর রাজধানী ব্রাসেলস থেকেই মূলত ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
a চাকমা
b সাঁওতাল
c গারো
d মারমা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চাকমা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে চাকমা সম্প্রদায় সর্ববৃহৎ। - পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী এই জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা দেশের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর তুলনায় সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাকমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ জনসংখ্যার দিক থেকে এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে সর্বাধিক। B) সাঁওতাল — এটি দেশের উত্তর অঞ্চলে বসবাসকারী একটি প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলেও চাকমাদের তুলনায় সংখ্যায় কম। C) গারো — এটি ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে বসবাসকারী বৃহৎ একটি উপজাতি, তবে চাকমাদের চেয়ে সংখ্যায় কম। D) মারমা — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি এবং সামগ্রিকভাবে চাকমাদের পরেই এদের অবস্থান। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের উপজাতিতে সবার শীর্ষে চাকমা, তাই মনে রাখুন চাকমা মানেই সংখ্যায় প্রথম।
a শিকাগো
b নিউইয়র্ক
c ওয়াশিংটন
d সিডনি
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিকাগো কেন সঠিক: - মিশিগান হ্রদের তীরবর্তী এই শহরে তীব্র বাতাস প্রবহিত হয় বলে একে বাতাসের শহর বলা হয়। - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে হ্রদ থেকে ঠান্ডা ও শক্তিশালী বাতাস এই শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিকাগো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই শহরটি তার তীব্র বাতাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) নিউইয়র্ক — এটি বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং গগনচুম্বী অট্টালিকার শহর নামে পরিচিত, বাতাসের শহর নয়। C) ওয়াশিংটন — এটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যা বাতাসের শহর নয়। D) সিডনি — এটি অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম শহর এবং বিখ্যাত অপেরা হাউসের জন্য পরিচিত, বাতাসের শহর নয়। মনে রাখার টিপস: শিকাগোর বাতাস হ্রদের তীর থেকে আসে।
a ১৯০টি
b ১৯১টি
c ১৯২টি
d ১৯৩টি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ১৯৩টি কেন সঠিক: - জাতিসংঘে বর্তমানে মোট সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩টি। - সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০টি — এটি বর্তমান সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম এবং ভুল তথ্য। B) ১৯১টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ পরবর্তীতে সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। C) ১৯২টি — এই সংখ্যাটিও বর্তমান সদস্য সংখ্যার চেয়ে কম। D) ১৯৩টি — এটি বর্তমান সঠিক সদস্য সংখ্যা হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা মনে রাখতে মনে রাখুন সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান যোগ হওয়ার পর মোট সংখ্যা ১৯৩টিতে পৌঁছেছে।
a রুপি
b রুপিয়া
c গুলট্রাম
d বাথ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গুলট্রাম কেন সঠিক: - গুলট্রাম হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভুটানের সরকারি ও আইনগত মুদ্রা। - ভুটানের রাজকীয় আর্থিক কর্তৃপক্ষ এই মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও প্রচলন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম, ভুটানের নয়। B) রুপিয়া — এটি ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের মুদ্রার নাম, ভুটানের মুদ্রার নাম এটি নয়। C) গুলট্রাম — এটি ভুটানের সঠিক ও নির্দিষ্ট মুদ্রা। D) বাথ — এটি থাইল্যান্ডের সরকারি মুদ্রার নাম, ভুটানের মুদ্রা নয়। মনে রাখার টিপস: ভুটানের নাম মনে রাখলেই মাথায় আনুন তাদের পাহাড়ি সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই গুলট্রাম মুদ্রা।
a ১০ জুন
b ১০ আগস্ট
c ১০ অক্টোবর
d ১০ ডিসেম্বর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ ডিসেম্বর কেন সঠিক: - ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা গৃহিত হয়। - বিশ্বজুড়ে মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার জনসচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ জুন — এই তারিখে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয় না এবং এটি ভিন্ন একটি সাধারণ দিন। B) ১০ আগস্ট — এই তারিখটি বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। সি) ১০ অক্টোবর — এই দিনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়, মানবাধিকার দিবস নয়। D) ১০ ডিসেম্বর — এটি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকার দিবস ডিসেম্বর মাসের ১০ তারিখে পালিত হয় এটি মনে রাখতে মানবাধিকার শব্দটির শুরুর অক্ষর ম এর সঙ্গে ডিসেম্বরের দশ সংখ্যাটি মেলানো যেতে পারে।
a মিশর
b ইরাক
c জর্ডান
d কুয়েত
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইরাক কেন সঠিক: - ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশের স্বীকৃতি প্রদান করে। - মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে ইরাকই প্রথম বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিশর — মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই, যা ইরাকের পরে। B) ইরাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। চ) জর্ডান — জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে, তবে আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম নয়। D) কুয়েত — কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৩ সালের ৪ নভেম্বর। মনে রাখার টিপস: আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয় 'ইরাক' (ই দিয়ে শুরু, প্রথম)।
a রোম
b ভেনিস
c এথেন্স
d অসলো
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রোম কেন সঠিক: - ইতালির রাজধানী রোমকে প্রাচীন কাল থেকে ঐতিহ্যগতভাবে চিরশান্তির শহর বা ইটার্নাল সিটি বলা হয়। - প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব এবং এর দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রভাবের কারণে এই উপাধি দেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রোম — সঠিক উত্তর কারণ একে ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যগতভাবে চিরশান্তির শহর বলা হয়। B) ভেনিস — এটি খালের শহর বা অ্যাড্রিয়াটিকের রানী নামে পরিচিত, চিরশান্তির শহর নয়। C) এথেন্স — এটি গণতন্ত্রের জন্মস্থান এবং প্রাচীন সভ্যতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। D) অসলো — এটি নরওয়ের রাজধানী এবং একে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানের শহর বলা হয়, চিরশান্তির শহর নয়। মনে রাখার টিপস: রোমান সাম্রাজ্যের দীর্ঘ স্থায়িত্ব ও ইতিহাস থেকে রোম শহরটি চিরশান্তির শহর হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
a কুমিল্লা ও বরিশাল
b কুমিল্লা ও নোয়াখালী
c ময়মনসিংহ ও নরসিংদী
d ময়মনসিংহ ও জামালপুর
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার জনপদ সমতটের মধ্যে বর্তমান কুমিল্লার ময়নামতি এবং নোয়াখালী অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত ছিল। - মেঘনা নদীর অববাহিকায় অবস্থিত এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বৌদ্ধ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুমিল্লা ও বরিশাল — বরিশাল অঞ্চলটি প্রাচীনকালে চন্দ্রদ্বীপ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, তাই এটি সঠিক নয়। B) কুমিল্লা ও নোয়াখালী — এটি সমতট জনপদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে। C) ময়মনসিংহ ও নরসিংদী — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বঙ্গ বা সমতটের পরিবর্তে পুণ্ড্র ও কম্বোজ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) ময়মনসিংহ ও জামালপুর — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অংশ ছিল। মনে রাখার টিপস: সমতট মানে সমান তট বা নদী তীরবর্তী অঞ্চল, যা কুমিল্লা ও নোয়াখালী এলাকায় অবস্থিত ছিল।
a ফ্যাক্স
b ই-মেইল
c টেলিফোন
d টেলিভিশন
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ই-মেইল কেন সঠিক: - ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল আদান-প্রদান করার জন্য সরাসরি কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয়। - এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য বা বার্তা প্রেরণের আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাক্স — এটি মূলত স্ক্যানার ও টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে নথি প্রেরণের ঐতিহ্যবাহী অ্যানালগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তি, যা কম্পিউটারের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল নয়। B) ই-মেইল — এটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। C) টেলিফোন — এটি ঐতিহ্যবাহী ভয়েস কমিউনিকেশন ডিভাইস, যা কম্পিউটার ছাড়াই কেবল টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। D) টেলিভিশন — এটি মূলত ব্রডকাস্টিং বা সম্প্রচার মাধ্যম, যা ভিডিও ও অডিও সিগন্যাল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহার করে বার্তা পাঠানোর মাধ্যম।
a লাল
b কালো
c সাদা
d সবুজ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কালো কেন সঠিক: - কালো রঙ সব ধরনের আলো ও তাপ শোষণ করে এবং খুব দ্রুত তাপ বিকিরণ করতে পারে। - তাপ দ্রুত বিকিরণ করার ক্ষমতার কারণে কালো কাপড়ের ভেতরের চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাল — লাল রঙ তাপের ভালো শোষক বা বিকিরক নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) কালো — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালো রঙ দ্রুত তাপ বিকিরণ করে। সি) সাদা — সাদা রঙ তাপ শোষণ ও বিকিরণ কম করে, তাই সাদা কাপে চা দেরিতে ঠান্ডা হয়। D) সবুজ — সবুজ রঙ তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ আচরণ করে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: কালো রঙ যেমন তাপ দ্রুত শোষণ করে, তেমনি খুব দ্রুত তাপ ছেড়েও দিতে পারে।
a ১২০ দিন
b ১০০ দিন
c ৮০ দিন
d ৬০ দিন
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২০ দিন কেন সঠিক: - মানবদেহের লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ুষ্কাল প্রায় চার মাস বা ১২০ দিন। - এই নির্দিষ্ট সময় পর প্লীহা লোহিত কণিকাগুলোকে ভেঙে ধ্বংস করে ফেলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২০ দিন — এটি লোহিত রক্তকণিকার সঠিক ও প্রমাণিত আয়ুষ্কাল। B) ১০০ দিন — এই মেয়াদের সঙ্গে লোহিত কণিকার জীবনকালের কোনো মিল নেই। C) ৮০ দিন — এই সময়টি লোহিত কণিকার আয়ুষ্কালের তুলনায় কম। D) ৬০ দিন — এই কম সময় লোহিত কণিকা বেঁচে থাকে না। মনে রাখার টিপস: লোহিত কণিকার জীবনকাল চার মাস, অর্থাৎ চার গুণ ত্রিশ সমান একশত বিশ দিন।
a অগ্ন্যুৎপাত
b ঘূর্ণিঝড়
c চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
d সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প কেন সঠিক: - সমুদ্রের তলদেশে আকস্মিক ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তনের ফলে পানির বিশাল ভর প্রচণ্ডভাবে আলোড়িত হয়ে সুনামির সৃষ্টি করে। - টেকটনিক প্লেটের চলাচল বা সামুদ্রিক ভূকম্পনের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠে অত্যন্ত শক্তিশালী ও দীর্ঘ তরঙ্গের ঢেউ তৈরি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্ন্যুৎপাত — এটি সুনামির কারণ হতে পারে, তবে প্রধান ও সর্বাধিক সাধারণ কারণ সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প। B) ঘূর্ণিঝড় — এটি কেবল সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস বা প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি করে, সুনামির মূল কারণ নয়। C) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ — এটি মূলত সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য দায়ী, সুনামির সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। D) সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প — এটি সুনামির বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত প্রধান এবং সর্বজনস্বীকৃত মূল কারণ। মনে রাখার টিপস: সুনামি মানেই সমুদ্রের নিচে ভূকম্পন, যা প্রকাণ্ড ঢেউয়ের রূপ নিয়ে উপকূলে আছড়ে পড়ে।
a ম্যালিক এসিড
b ফলিক এসিড
c অক্সালিক এসিড
d সাইট্রিক এসিড
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ম্যালিক এসিড কেন সঠিক: - আপেলে মূলত ম্যালিক এসিড নামক জৈব এসিড প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান থাকে। - এই এসিডটি ফলকে টক স্বাদ দিতে এবং এর পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ম্যালিক এসিড — এটি আপেলে বিদ্যমান প্রধান জৈব এসিড এবং এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ফলিক এসিড — এটি মূলত ভিটামিন বি নাইন, যা শাকসবজি ও কলিজায় বেশি থাকে কিন্তু আপেলের প্রধান এসিড নয়। C) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে বেশি থাকে, আপেলের প্রধান এসিড এটি নয়। D) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু ও কমলার মতো লেবুজাতীয় ফলে প্রাকৃতিকভাবে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। মনে রাখার টিপস: আপেল কাটার পর ম্যালিক এসিডের কারণে রঙ কিছুটা বাদামী হতে পারে।
a নিঝুম দ্বীপ
b সেন্টমার্টিন দ্বীপ
c দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ
d কুতুবদিয়া দ্বীপ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ কেন সঠিক: - হাড়িয়া নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি আন্তর্জাতিকভাবে দক্ষিণ তালপট্টি নামে পরিচিত। - ভারতের পক্ষ থেকে এই দ্বীপটিকে নিউ মুর দ্বীপ বলা হলেও ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক উভয়ভাবেই এটি দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নামে খ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিঝুম দ্বীপ — এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি পৃথক চর ও দ্বীপ। B) সেন্টমার্টিন দ্বীপ — এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। C) দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। D) কুতুবদিয়া দ্বীপ — এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপকূলীয় দ্বীপ যা বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: পূর্বাশা ও দক্ষিণ তালপট্টি একই দ্বীপের দুটি নাম, যার মধ্যে পূর্বাশা নামটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাখা হয়েছিল।
a সিলেট
b হবিগঞ্জ
c মৌলভীবাজার
d সুনামগঞ্জ
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত, যা দেশের মোট চা বাগানের সিংহভাগ ধারণ করে। - শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত হওয়ায় একে চায়ের রাজধানী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেটে চা বাগান থাকলেও মৌলভীবাজারের তুলনায় এর সংখ্যা কম। B) হবিগঞ্জ — হবিগঞ্জে বেশ কিছু চা বাগান রয়েছে, তবে মৌলভীবাজারের চেয়ে কম। D) সুনামগঞ্জ — সুনামগঞ্জে কোনো উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক চা বাগান নেই। মনে রাখার টিপস: মৌ মৌ গন্ধে ভরা মৌলভীবাজার, যেখানে আছে দেশের সর্বোচ্চ চা বাগান।
a চন্দ্রবাড়ি
b ভবের পাড়া
c টুংগীপাড়া
d শিমুলিয়া
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: B) ভবের পাড়া কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার মেহেরপুর জেলার ভবেরপাড়া গ্রামে শপথ গ্রহণ করে। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার পর থেকে ভবেরপাড়া গ্রামের নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চন্দ্রবাড়ি — এটি মুজিবনগরের পূর্বনাম নয় এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ভবের পাড়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গ্রামের নাম পরিবর্তন করেই মুজিবনগর রাখা হয়েছিল। C) টুংগীপাড়া — এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান যা গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। D) শিমুলিয়া — এটি অন্য একটি সাধারণ এলাকার নাম যা মুজিবনগর নামকরণের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিবনগরের সাথে ভবেরপাড়া নামটি মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ভবের মানুষগুলো মিলে ঐতিহাসিক মুজিবনগর গড়ে তুলেছিল।
a ২ বছর
b ৩ বছর
c ৪ বছর
d ৫ বছর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ বছর কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর নির্ধারিত আছে। - সরকার নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে তাকে পুনরায় একই পদে নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ বছর — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নির্ধারিত মেয়াদকাল নয়। B) ৩ বছর — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের পদের জন্য প্রযোজ্য মেয়াদকাল নয়। C) ৪ বছর — এটি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নির্ধারিত ও সঠিক মেয়াদকাল। D) ৫ বছর — অনেক সাংবিধানিক পদের মেয়াদ ৫ বছর হলেও বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর, যা মনে রাখতে ৪ সংখ্যাটির সঙ্গে ব্যাংক পদের প্রথম অক্ষর বা ব্যাংকের কাজের চার কোনা নিরাপত্তার বিষয়টি মিলিয়ে নিতে পারেন।
a 0.256
b 0.245
c 0.236
d কোনটি নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৭% (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএস এর সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী দেশের দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%) কেন সঠিক: - প্রদত্ত উত্তরটি ভুল ছিল কারণ অপশনগুলোতে থাকা মানগুলো পুরনো বা ভুল ছিল। - বিবিএস এর ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.২৫৬ — এটি অতীতের কোনো এক সময়ের উচ্চ দারিদ্র্যের হার নির্দেশ করে যা বর্তমানের হালনাগাদ তথ্যের সাথে মিলে না। B) ০.২৪৫ — এটি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর আগের একটি হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভে বা খানা আয় ও ব্যয় জরিপের পুরনো দারিদ্র্যের হার। C) ০.২৩৬ — এটিও বিগত বছরগুলোর একটি পুরনো দারিদ্র্যের হারের পরিসংখ্যান যা বর্তমান ২০২২ সালের শুমারির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) কোনটি নয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ ক, খ ও গ অপশনে প্রদত্ত সংখ্যাগুলো বর্তমানের সঠিক দারিদ্র্যের হারের সাথে মিলছে না। মনে রাখার টিপস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী মনে রাখবে যে বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার প্রায় ১৯ শতাংশের কাছাকাছি অর্থাৎ ১৮.৭ শতাংশ।
a সমর দাস
b সুবল দাস
c খান আতাউর রহমান
d গাজী মাজহারুল আনোয়ার
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমর দাস কেন সঠিক: - সমর দাস ১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ ছবির সংগীত পরিচালক ছিলেন। - তিনি বাংলা চলচ্চিত্র ও স্বাধীন বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে একজন অত্যন্ত প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমর দাস — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুখ ও মুখোশ ছবির সংগীত পরিচালনা করেছিলেন। B) সুবল দাস — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত সুরকার হলেও এই চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। C) খান আতাউর রহমান — তিনি এই চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার ছিলেন, সংগীত পরিচালক নন। D) গাজী মাজহারুল আনোয়ার — তিনি বিখ্যাত গীতিকার হলেও মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালক ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনা করেছিলেন সমর দাস, যা মনে রাখতে মুখ ও মুখোশের সম দিয়ে সমর দাস মনে রাখা যায়।