বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১১ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায় ২) ২০১৪

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a একই স্বভাবের
b মূর্খ
c কপট ব্যক্তি
d দীর্ঘজীবী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীর্ঘজীবী ১. কেন সঠিক: - ভুষণ্ডির কাক বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী বা অত্যন্ত দীর্ঘায়ু ব্যক্তি। - পুরাণ মতে ভুষণ্ডী নামের একটি কাকের দীর্ঘায়ু লাভের কাহিনী থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রকাশভঙ্গি ফুটিয়ে তোলে। - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে এবং ভাবকে অত্যন্ত সুন্দর ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল গুড়ুম ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হতবুদ্ধি হওয়া বা অবাক হয়ে যাওয়া। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ চাটুকার বা তদ্বিরকারী ব্যক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একই স্বভাবের — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'এক তিল দুই ভাণ্ড' বা 'সাপের বর' বাগধারা ব্যবহার করা হয়। B) মূর্খ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গোবর গণেশ' বা 'অর্ধচন্দ্র' বাগধারা ব্যবহার করা হয়। C) কপট ব্যক্তি — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'বকের ধামাচাপা' বা 'বিড়ালের তপস্বী' বাগধারা ব্যবহার করা হয়। D) দীর্ঘজীবী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভুষণ্ডির কাক মানেই অত্যন্ত দীর্ঘজীবী ব্যক্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাক সাধারণত দীর্ঘদিন বাঁচে বলে জনশ্রুতি আছে এবং পুরাণ অনুসারে ভুষণ্ডী কাকের বয়স অনেক বেশি ছিল। - এভাবে কাকের দীর্ঘ জীবনকাল মনে রেখে ভুষণ্ডির কাক মানে দীর্ঘজীবী তা খুব সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলোর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - তাই বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের উৎস বা অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a করবার
b করার
c করিবার
d করে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) করিবার ১. কেন সঠিক: - করিবার শব্দটি সাধু রীতির ক্রিয়া পদ, যা চলিত রীতির শব্দ নয়। - সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ এবং সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তনশীল হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা রূপের দিক থেকে দুটি প্রধান রীতিতে বিভক্ত, যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘ হয়, যেমন করিবার, খাইয়াছি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিত রূপ: খাচ্ছি, সাধু রূপ: খাইতেছি। ব্যাখ্যা: এখানে চলিত রীতির সংক্ষিপ্ত রূপের বিপরীতে সাধু রীতিতে পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চলিত রূপ: বলছ, সাধু রূপ: বলিতেছ। ব্যাখ্যা: এটি সাধু ও চলিত ক্রিয়াপদের পার্থক্যের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করবার — এটি চলিত রীতির ক্রিয়াপদের একটি রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) করার — এটি চলিত রীতির বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত ক্রিয়াপদ রূপ। C) করিবার — এটি সাধু রীতির শব্দ হওয়ায় প্রশ্নানুসারে এটি সঠিক উত্তর। D) করে — এটি চলিত রীতির অত্যন্ত পরিচিত ও প্রমিত ক্রিয়াপদ রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধু রীতির শব্দে সাধারণত ই, উ বা যুক্তবর্ণ বেশি থাকে, যা চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত হয়। - ক্রিয়াপদের রূপ দেখে সাধু ও চলিত রীতি সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির রূপান্তর প্রায়ই আসে। - ক্রিয়াপদ ও অনুসর্গের রূপ পরিবর্তন খেয়াল করলেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a বচ্ + ক্ত
b বচ্ + উক্তি
c √বচ্ + ক্তি
d বচ্ + তি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √বচ্ + ক্তি ১. কেন সঠিক: - উক্তি শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √বচ্ যোগ ক্তি। এখানে বচ্ হলো ধাতু এবং ক্তি হলো প্রত্যয়। - ধাতু বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, যা ব্যাকরণে প্রত্যয় সাধিত শব্দ নামে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়। এখানে √বচ্ একটি ধাতু এবং ক্তি একটি কৃৎ প্রত্যয়। - সংস্কৃতে ক্তি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ক্ত থাকে এবং তা কখনো ক্তি হিসেবে প্রযুক্ত হয়, যা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √বচ্ + ক্তি = উক্তি ব্যাখ্যা: বচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উক্তি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ বলা বা কথন। উদাহরণ ২: √ভজ্ + ক্তি = ভক্তি ব্যাখ্যা: ভজ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একই নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বচ্ + ক্ত — এখানে ধাতুর পূর্বে রুট চিহ্ন নেই এবং ক্তি প্রত্যয়ের পরিবর্তে ক্ত ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। B) বচ্ + উক্তি — উক্তি একটি সম্পূর্ণ সাধিত শব্দ, এটি কোনো প্রত্যয় হতে পারে না। D) বচ্ + তি — এখানে ক্তি প্রত্যয়ের পরিবর্তে শুধু তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতু চেনার জন্য সর্বদা তার আগে রুট চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে। ক্তি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনে √বচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি যুক্ত হয় এটি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ প্রত্যয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার সময় সঠিক প্রত্যয় এবং রুট চিহ্নের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a গুজরাটি
b তুর্কি
c পর্তুগীজ
d বার্মিজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গুজরাটি ১. কেন সঠিক: - ‘হরতাল’ শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - কোনো ভাষা থেকে আগত শব্দকে উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগের ক্ষেত্রে বৈদেশিক বা বিদেশি শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে গুজরাটি শব্দ খুবই কম রয়েছে। - ব্যবসা বা অন্যান্য ঐতিহাসিক যোগাযোগের মাধ্যমে কিছু গুজরাটি শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খদ্দর ব্যাখ্যা: খদ্দর একটি গুজরাটি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চোঙ্গা ব্যাখ্যা: চোঙ্গা শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত আরেকটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুজরাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ‘হরতাল’ শব্দটি মূলত গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে। B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন দারোগা, চাকর, বাবুর্চি, তবে হরতাল তুর্কি শব্দ নয়। C) পর্তুগীজ — পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ এসেছে, হরতাল আসেনি। D) বার্মিজ — বার্মিজ বা মগ ভাষা থেকে লুঙ্গি, ফুঙ্গি ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, হরতাল তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গুজরাটি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো বাজারে হরতাল ডেকে খদ্দর পরে চোঙ্গা ফুঁকছে। - এই বাক্যের হরতাল, খদ্দর ও চোঙ্গা শব্দ তিনটি প্রধান গুজরাটি শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে কম প্রচলিত ভাষার শব্দ যেমন গুজরাটি বা পাঞ্জাবি শব্দগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
a যে নারীর কোনো সন্তান হয় না.
b যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে
c যে নারীর সন্তান বাঁচে না
d যে মেয়ের বিয়ে হয়নি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যে মেয়ের বিয়ে হয়নি ১. কেন সঠিক: - 'অনূঢ়া' শব্দটির এককথায় প্রকাশের সঠিক অর্থ হলো যে মেয়ের এখনো বিয়ে বা পরিণয় হয়নি। - এখানে 'ন' বা 'না' অর্থে নঞ তৎপুরুষ বা নঞর্থক উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে যা অবিবাহিত অবস্থাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো একটিমাত্র শব্দ বা পদের মাধ্যমে ভাবকে সম্পূর্ণ প্রকাশ করার মাধ্যম। - 'উঢ়া' শব্দের অর্থ বিবাহিতা, আর তার সঙ্গে নঞর্থক 'অ' যুক্ত হয়ে 'অনূঢ়া' অর্থাৎ অবিবাহিতা বা যার বিয়ে হয়নি বুঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ+সূর্যম্পশ্যা = যে নারী কখনো সূর্য দেখেনি। ব্যাখ্যা: সূর্যালোক দেখার সুযোগ পায়নি এমন অন্তঃপুরবাসিনী নারীকে এককথায় সূর্যম্পশ্যা বলা হয়। উদাহরণ ২: অ+মৃত = যা মরে না। ব্যাখ্যা: মৃত্যুর অতীত বা অবিনশ্বর বস্তু বা বিষয়কে এককথায় অমৃত বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যে নারীর কোনো সন্তান হয় না — এই বাক্যটির সঠিক সংকোচন হলো বন্ধ্য্যা বা বন্ধ্যা। B) যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে — এই বাক্যটির সঠিক সংকোচন হলো বীরপ্রসূ। C) যে নারীর সন্তান বাঁচে না — এই বাক্যটির সঠিক সংকোচন হলো মৃতবৎসা। D) যে মেয়ের বিয়ে হয়নি — এই অপশনটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায় কারণ এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো অনূঢ়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - 'উঢ়া' মানে বিবাহিতা এবং এর আগে 'অ' যুক্ত হলে অবিবাহিতা বোঝায়। - পরীক্ষার হলে 'অনূঢ়া' দেখলে মনে রাখবে এটি শুধু অবিবাহিত মেয়েকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বৈবাহিক অবস্থা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সন্তান
b সৎ মা
c ঢাকী
d ঘোষজা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৎ মা ১. কেন সঠিক: যে সকল শব্দের কোনো পুরুষবাচক রূপ থাকে না এবং যারা জন্মগতভাবে বা প্রাকৃতিকভাবে কেবল স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। সৎ মা এমন একটি বিশেষ শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ বাংলায় ব্যাকরণগতভাবে তৈরি হয় না, তাই এটি কেবল স্ত্রীবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ পাওয়া যায় যেগুলোর কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ থাকে না। এই জাতীয় শব্দগুলোকে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: এয়োস্ত্রী ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটি শুধুমাত্র নারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণে নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্তান — সন্তান একটি উভলিঙ্গ শব্দ যা নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝাতে পারে এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে কন্যাসন্তান ব্যবহার করা যায়। B) সৎ মা — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। C) ঢাকী — ঢাকী শব্দটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো ঢাকিনী। D) ঘোষজা — ঘোষজা একটি বিশেষ শব্দ যার মূল পুরুষবাচক রূপ ঘোষ পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: যে সমস্ত শব্দ দিয়ে জন্মগতভাবে কেবল নারী বা মা জাতীয় সম্পর্ক বোঝায় কিন্তু পুরুষবাচক জোড় নেই, সেগুলো কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কেবল স্ত্রীবাচক বা কেবল পুরুষবাচক শব্দের ব্যতিক্রম থেকে প্রশ্ন আসে। নিয়ম না জেনে মুখস্থ করার পরিবর্তে শব্দের অর্থ এবং ব্যবহার বুঝে উত্তর নির্বাচন করা উচিত।
a বিদ্বান
b গায়ক
c কোকিল
d দাদা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্বান ১. কেন সঠিক: - বিদ্বান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ ভিন্ন বা আলাদা শব্দ যোগ করে গঠিত হয় না, বরং এর স্ত্রীলিঙ্গ রূপ সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হিসেবে বিদ্বুষী ব্যবহৃত হয়। - এখানে লিঙ্গ পরিবর্তনের সাধারণ নিয়ম বা কোনো প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে শব্দের রূপই পরিবর্তিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রতিশব্দ দ্বারা স্ত্রীলিঙ্গ রূপ লাভ করে। - এই ধরনের শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দের মধ্যে কোনো মিল থাকে না এবং এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাগল ও পাগলী ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ নিয়মে প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীলিঙ্গ। উদাহরণ ২: বাবা ও মা ব্যাখ্যা: এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা ইতরবাচক শব্দ দ্বারা গঠিত লিঙ্গ পরিবর্তনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্বান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর স্ত্রীলিঙ্গ বিদ্বুষী যা একটি ভিন্ন শব্দ। B) গায়ক — এটি ভুল কারণ গায়ক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ গায়িকা যা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়, ভিন্ন শব্দ নয়। C) কোকিল — এটি ভুল কারণ কোকিল শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোকিলা যা আ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়। D) দাদা — এটি ভুল কারণ দাদা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ দাদী বা দিদি যা ভিন্ন শব্দ বা প্রত্যয় যোগে হয়, তবে এটি প্রশ্নে চাওয়া ভিন্ন শব্দের ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - যেসব পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ সম্পূর্ণ বদলে যায়, সেগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। - বিদ্বান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ সব সময় বিদ্বুষী হয়, এটি পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিন্ন শব্দ যোগে গঠিত স্ত্রীলিঙ্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যেমন রাজা থেকে রানী, এবং পাগলা থেকে পাগলী শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a দ্বীপ্যমান
b দীপ্তমান
c দীপ্যমান
d দেদীপ্যমান
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দেদীপ্যমান ১. কেন সঠিক: - 'দীপ্তি পাচ্ছে এমন' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো দেদীপ্যমান। - এটি মূলত বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ যা তীব্রভাবে আলো ছড়ানো বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। - ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান অবস্থাসূচক বিশেষণ পদ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মান্য করার যোগ্য = মান্য ব্যাখ্যা: কোনো নিয়ম বা ব্যক্তিকে সম্মান দেখানোর উপযুক্ত বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অপূর্ব ব্যাখ্যা: কোনো সাধারণ বা অসাধারণ ঘটনার ক্ষেত্রে যা আগে চোখে পড়েনি তা বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বীপ্যমান — বানানটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘী বা সঠিক প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি। B) দীপ্তমান — এটি দীপ্তি আছে এমন বোঝায় কিন্তু ক্রমাগত বা বিশেষ দ্যোতনা প্রকাশ করে না। C) দীপ্যমান — এই বানানটিতে অতিরিক্ত বা ভুল বর্ণ বিন্যাস রয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। D) দেদীপ্যমান — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বড় অর্থ প্রকাশ করতে হলে বড় শব্দটি অর্থাৎ দেদীপ্যমান নির্বাচন করতে হবে। - দ্বিরুক্তি বা জোর বোঝাতে এই শব্দটিতে বিশেষ প্রত্যয়গত পরিবর্তন ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান ভুল অপশনগুলো প্রায়ই বিভ্রান্ত করে। - তাই সঠিক বানান এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a শৈল
b অদ্রি
c মেদিনী
d অচল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেদিনী ১. কেন সঠিক: - 'মেদিনী' শব্দটির অর্থ পৃথিবী বা অবনী, যা পাহাড় বা পর্বতের সমার্থক শব্দ নয়। - প্রশ্নটিতে কোনটি পর্বতের সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই মেদিনী সঠিক উত্তর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড়, যা মূলত ভূতাত্ত্বিক কারণে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা পৃথিবীর উঁচু ভূভাগ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি মেদিনী শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ বিশ্ব বা ধরণী। উদাহরণ ২: অবনী ব্যাখ্যা: এটিও পৃথিবী বা মেদিনী শব্দের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈল — এটি পর্বত শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক নয়। B) অদ্রি — এটিও পর্বত বা পাহাড়ের একটি সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। C) মেদিনী — এটি পৃথিবী বা ধরার সমার্থক, তাই এটিই পর্বতের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) অচল — যা চলে না বা স্থির, এই অর্থে পর্বতকে অচল বলা হয় এবং এটি পর্বতের সমার্থক। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্বত, শৈল, অদ্রি, অচল এগুলো পাহাড় বোঝায় এবং মেদিনী পৃথিবী বোঝায়। - পৃথিবী বা মেদিনী সংক্রান্ত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়। - প্রকৃতি ও পৃথিবীবাচক শব্দের পার্থক্য বুঝতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a মহাজন
b পরতন্ত্র
c তিরোভাব
d শাঁস
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাজন ১. কেন সঠিক: খাতক শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা ধার গ্রহণ করেছে। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা টাকা ধার দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দ সম্পর্কিত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে পারস্পরিক বিপরীত বা উল্টো ভাব প্রকাশ পেলে তাদের বিপরীতার্থক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা হলো যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা হলো যে বিক্রি করে, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: আয় ও ব্যয় ব্যাখ্যা: আয় অর্থ উপার্জন এবং ব্যয় অর্থ খরচ, যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাজন — এটি সঠিক উত্তর কারণ খাতক বা ঋণগ্রহীতার বিপরীত হলো মহাজন বা ঋণদাতা। B) পরতন্ত্র — এর অর্থ অন্যের অধীন, যার বিপরীত শব্দ স্বাধীন, তাই এটি খাতকের বিপরীত নয়। C) তিরোভাব — এর অর্থ অদৃশ্য হওয়া, যার বিপরীত শব্দ আবির্ভাব, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) শাঁস — এটি ফলের ভেতরের নরম অংশ বা সারবস্তু বোঝায়, যার বিপরীত ছাল বা খোসা। ৫. মনে রাখার টিপস: ঋণ লেনদেনের ক্ষেত্রে যে টাকা নেয় সে খাতক এবং যে টাকা দেয় সে মহাজন, এভাবে মনে রাখা সহজ। বাস্তব জীবনের আর্থিক লেনদেন মাথায় রাখলে এই ধরনের বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাণিজ্যিক বা সামাজিক সম্পর্কের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই খাতক, মহাজন, ক্রেতা, বিক্রেতা, দাতা ও গ্রহীতা এই শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সবিতা
b তপন
c আদিত্য
d বিধু
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিধু ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি চাঁদের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ। বিধু শব্দের অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে চন্দ্র, শশধর, সুধাংশু, শাঁক ইত্যাদি শব্দের পাশাপাশি বিধু শব্দটি প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলো ভিন্ন রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি উৎস থেকে নানা সমার্থক শব্দ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশধর ব্যাখ্যা: এটি চাঁদের একটি প্রাচীন ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যার অর্থ যার কোলে শসা বা খরগোশের আকৃতি দেখা যায়। উদাহরণ ২: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধা বা অমৃত ধারণ করে যে, তাই সুধাংশু অর্থাৎ চাঁদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবিতা — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, চাঁদের নয়। B) তপন — এটিও সূর্যের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। C) আদিত্য — এটি সূর্যের আরেকটি সমার্থক শব্দ। D) বিধু — এটি চাঁদের সঠিক সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য সম্পর্কিত শব্দগুলোর সাথে চাঁদ সম্পর্কিত শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলবে না। - সবিতা, তপন, আদিত্য হলো সূর্য আর বিধু, শশধর, চন্দ্র হলো চাঁদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র ও সূর্য সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a কোলন
b সেমিকোলন
c ড্যাস
d কমা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোলন ১. কেন সঠিক: - একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা বা ব্যাখ্যা করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - বাক্যে বক্তব্য সম্পূর্ণ না করে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এই জ্যোতিচিহ্নের প্রয়োগ অপরিহার্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য কোলন (:) ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত একটি বাক্যের ধারাবাহিকতায় অন্য একটি ভাব বা উদাহরণের অবতারণা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভায় সিদ্ধান্ত হলো: আগামী শুক্রবার সভা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাখ্যা: প্রথম অপূর্ণ বাক্যের ভাব স্পষ্ট করতে কোলন ব্যবহার করে পরের বাক্য আনা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন মূলত দুই ভাগে বিভক্ত: জন্ম এবং মৃত্যু। ব্যাখ্যা: জীবন সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে কোলনের সাহায্যে পরের অংশ যুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য বাক্যের অবতারণা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে, অপূর্ণ বাক্যের অবতারণায় এটি বসে না। C) ড্যাস — থামার বা বিরতির পরিমাণ বোঝাতে এবং প্রমিত বাক্যে যৌগিক বা মিশ্র বাক্যের সংযোগে ড্যাস ব্যবহৃত হয়। D) কমা — সামান্য বিরতি বোঝাতে কমা বসে, যা বাক্যের অবতারণা করার জন্য যথেষ্ট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোলন মানেই হলো এগিয়ে যাওয়া বা সামনে কিছু বিশদভাবে বলা। - অপূর্ণ বাক্যের পর ব্যাখ্যা দিতে হলে সর্বদা কোলন বসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্যোতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কোলন এবং ড্যাসের ব্যবহারের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a জমিদারী
b পোদ্দারী
c উমেদারী
d সরকারী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পোদ্দারী ১. কেন সঠিক: - পোদ্দার শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ প্রত্যय যুক্ত হয়ে পোদ্দারী শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ পোদ্দারি বৃত্তি বা পেশা। - পোদ্দার বলতে মূলত মুদ্রা পরিবর্তনকারী বা অর্থ লেনদেনের পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে বিশেষ্য শব্দের উত্তর দীর্ঘ ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৃত্তি, ভাব বা পেশা অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়। - এখানে পোদ্দার একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পেশা বা বৃত্তি অর্থে পোদ্দারী পদটি তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনশীরাণী ব্যাখ্যা: মুনশি শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মুনশির বৃত্তি বা পেশা বোঝাতে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কেরানিণী ব্যাখ্যা: কেরানি শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কেরানির বৃত্তি অর্থে এই বিশেষ্য পদটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমিদারী — জমিদার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হলেও এটি বৃত্তি অর্থে নয় বরং অধিকার বা ভূসম্পত্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পোদ্দারী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে পোদ্দারের বৃত্তি বা পেশা অর্থ প্রকাশ করছে। C) উমেদারী — উমেদার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রার্থীর চাকরিপ্রত্যাশার ভাব বা তদবির অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) সরকারী — সরকার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সরকারি বা রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুদ্রা বা টাকা পয়সা লেনদেনের পেশা বোঝাতে পোদ্দার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়। - বৃত্তি বা পেশা বোঝাতে বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই পেশা বা বৃত্তি অর্থবোধক শব্দগুলো জানতে চাওয়া হয়। - শব্দগুলোর মূল অর্থ এবং প্রত্যয়ের কার্যকারিতা ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a হিন্দি
b সংস্কৃত
c প্রাকৃত
d ইংরেজী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া যা মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার প্রভাবে পুষ্ট হওয়ায় এর বহু ব্যাকরণিক নিয়ম ও শব্দভাণ্ডার সংস্কৃত থেকে সরাসরি এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসংগতির দিক থেকে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে একাধিক পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত পদ গঠিত হয়েছে, যা সমাসের নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: দেশ রক্ষার্থে কাজ করা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রভাবে বাংলায় প্রচলিত একটি সামাজিক ও তৎসম শব্দভিত্তিক সমাসবদ্ধ পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ব্যাকরণের সমাসের রীতি আসেনি, বরং হিন্দি নিজেই প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত। C) প্রাকৃত — প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম ও রূপান্তর ঘটলেও সমাসের মূল ব্যাকরণিক রীতি সংস্কৃত থেকে সরাসরি এসেছে। D) ইংরেজী — ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলার ধ্বনি বা রূপতত্ত্বের প্রভাব থাকলেও সমাসের প্রাচীন ভারতীয় রীতি আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস ও সন্ধি উভয় ব্যাকরণিক রীতিই সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ব্যাকরণে এসেছে। তৎসম শব্দে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের প্রায় সিংহভাগ তৎসম নিয়ম সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। শব্দমূল ও ব্যাকরণিক কাঠামোর উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃতকে প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
a ছেলেরা ফুটবল খেলছে
b মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে
c বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়
d শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায় কেন সঠিক: বাক্যে বাঘ এবং মহিষ দুটি কর্তা একত্রে একই ধরনের কাজ পরিচালনা করছে। উভয় কর্তা মিলে কাজটি সম্পন্ন করার কারণে এটি ব্যতিহার কর্তার সঠিক উদাহরণ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বাক্যে দুটি কর্তা একত্রে একই সময়ে একই জাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে ব্যতিহার কর্তা বলে। বাংলা ব্যাকরণের কারক অধ্যায়ে কর্তাকারকের বিভিন্ন প্রকারভেদের মধ্যে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। যেমন রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় কিংবা পাগলে কি না বলে ছাগলে কি না খায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছেলেরা ফুটবল খেলছে — এটি সাধারণ বহুপদ কর্তা বা সাধারণ কর্তার উদাহরণ কারণ এখানে ছেলেরা একসাথে দলগতভাবে খেলছে। B) মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে — এটি মুখ্য কর্তা বা অপ্রাণীবাচক কর্তার উদাহরণ কারণ এখানে প্রকৃতির একটি স্বাভাবিক উপাদান নিজে কাজ করছে। C) বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায় — এই অপশনটি মূলত সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হিসেবে ভুলবশত অপশন হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। D) শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন — এটি প্রযোজক কর্তা এবং প্রযোজ্য কর্তার উদাহরণ কারণ শিক্ষক মূল কর্তা আর ছাত্ররা তার দ্বারা প্রভাবিত। মনে রাখার টিপস: যৌথভাবে বা পরস্পরের মধ্যে প্রতিযোগিতা বা একই কাজ বোঝালে ব্যতিহার কর্তা হয়। বাক্যের দুই কর্তার মধ্যে সাধারণত একটি পারষ্পরিক সম্পর্ক বা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
a সমীচীন
b সমিচিন
c সমীচিন
d সমিচীন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন ১. কেন সঠিক: সমীচীন বানানটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র সঠিক ও গ্রহণযোগ্য বানানরূপ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বানane ই-কার ও ঈ-কারের ব্যবহার সংক্রান্ত নিয়মে এই শব্দটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার উভয় ই-কারই দীর্ঘ ই হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুষমা তার লেখা প্রবন্ধে একটি সমীচীন সিদ্ধান্ত তুলে ধরেছে। ব্যাখ্যা: এখানে সমীচীন শব্দটির সঠিক রূপ প্রয়োগ করা হয়েছে যা বাক্যটিকে প্রমিত করেছে। উদাহরণ ২: বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত সমীচীন। ব্যাখ্যা: শব্দটি সঠিক বানানে লেখার ফলে বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত শুদ্ধতা রক্ষা পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীচীন — এটি সঠিক বানান কারণ এতে উভয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার রয়েছে। B) সমিচিন — এটি ভুল বানান কারণ এতে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমীচিন — এটি ভুল বানান কারণ এর শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। D) সমিচীন — এটি ভুল বানান কারণ এর প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সমীচীন বানানে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার বসে। অর্থাৎ শব্দটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে দুই ই-ই দীর্ঘ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে। বানানের ক্ষেত্রে শেষের দুটি বর্ণে দীর্ঘ ই-কার দেওয়ার নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a হাইফেন
b কমা
c দাঁড়ি
d লোপ চিহ্ন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমা ১. কেন সঠিক: - বাংলা বাক্যে বিরতি বোঝাতে বা আলাদা করতে কমা ব্যবহৃত হয় এবং ঠিকানা লেখার সময় ছোট অংশ থেকে বড় অংশে যাওয়ার পথে কমা বসে। - বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কমা (,) বসাতে হয় যাতে ঠিকানা স্পষ্ট ও আলাদাভাবে বোঝা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জ্যোতি বা ছেদচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য লেখার মধ্যে যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে সম্বোধন পদের পরে, ঠিকানায় একাধিক অংশ আলাদা করতে এবং বাড়ির বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা চিহ্ন ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়ি নং ১২, রোড নং ৫, ধানমন্ডি, ঢাকা। ব্যাখ্যা: এখানে বাড়ির নম্বর ও রাস্তার নম্বরের পরে কমা ব্যবহার করে ঠিকানা আলাদা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: হোল্ডিং ৩/এ, ব্লক সি, গুলশান, ঢাকা। ব্যাখ্যা: এখানেও বাড়ির বা হোল্ডিং নম্বরের পরে কমা বসিয়ে ঠিকানা স্পষ্ট করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইফেন — হাইফেন মূলত দুটি শব্দকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, ঠিকানা বা নম্বরের পরে এটি বসে না। B) কমা — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসানোর নিয়ম রয়েছে। C) দাঁড়ি — দাঁড়ি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে, তাই বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) লোপ চিহ্ন — লোপ চিহ্ন কোনো বর্ণ বা স্বরধ্বনি উহ্য বা বাদ পড়েছে তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ঠিকানায় বসে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠিকানা লেখার সময় ছোট থেকে বড় এককের দিকে যেতে হয় এবং প্রতি ধাপে কমা ব্যবহার করতে হয়। - বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরপরই কমা বসে এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষার ঠিকানা সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চিঠিপত্র বা ফরম পূরণের সময় ঠিকানা লেখার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের ব্যাকরণগত প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সাধুরীতি
b চলিতরীতি
c কথ্যরীতি
d বানানরীতি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলিতরীতি কেন সঠিক: ১. চলিতরীতিতে তদ্ভব ও অর্ধতদ্ভব শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে কারণ এটি মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি এবং সহজবোধ্য। ২. এই রীতি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার বিবর্তনের পথ ধরে বাংলা ভাষার স্বাভাবিক রূপকে ধারণ করে গড়ে উঠেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎসের ওপর ভিত্তি করে সাধু ও চলিত রূপের তফাত নির্ধারিত হয় এবং চলিতরীতি মূলত তদ্ভব শব্দপ্রধান। ২. উনিশ শতকের শেষের দিকে এবং বিংশ শতকের শুরুতে মুখের ভাষাকে ভিত্তি করে এই চলিতরীতি সাহিত্যের বাহন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. যেমন সাধুরীতির হস্ত শব্দের চলিত রূপ হাত এবং মস্তক শব্দের চলিত রূপ মাথা, যা মূলত তদ্ভব শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধুরীতি - এই রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের আধিক্য দেখা যায় এবং এর রূপ তুলনামূলক জটিল ও প্রাচীন। B) চলিতরীতি - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি তদ্ভব শব্দবহুল। C) কথ্যরীতি - এটি আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ এবং পরিবর্তনশীল হওয়ায় একে নির্দিষ্ট কোনো রূপের মানদণ্ড বলা যায় না। D) বানানরীতি - এটি শব্দের সঠিক বানানের নিয়ম নির্ধারণ করে, কোনো ভাষার রূপ বা শব্দের উৎস নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: ১. সাধু মানে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের জাদু, আর চলিত মানে তদ্ভব শব্দের কথ্য রূপের আলো। ২. মুখে যা বলি অর্থাৎ চলিত ভাষায় তদ্ভব শব্দ বেশি থাকে, আর বইয়ের সাধু ভাষায় তৎসম শব্দ বেশি থাকে।
a ভালো হওয়া
b গড়িমসি
c ক্ষণতরে
d চিরতরে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিরতরে ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি ফ্রেজ 'For good' এর বাংলা প্রমিত অর্থ হলো চিরতরে বা স্থায়ীভাবে। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ ধরতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত একটি পারিভাষিক শব্দ বা ইডিয়ম ও ফ্রেজ এর আওতাভুক্ত প্রশ্ন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বা ফ্রেজের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এর প্রমিত ব্যবহার জানতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: He has left the country for good. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ফ্রেজটি চিরতরে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ তিনি চিরতরে দেশ ত্যাগ করেছেন। উদাহরণ ২: The decision was made for good. ব্যাখ্যা: এখানে সিদ্ধান্তটি স্থায়ীভাবে বা চিরকালের মতো নেওয়া হয়েছে বোঝাতে এই ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভালো হওয়া — এই অপশনটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অনুবাদের চেষ্টা করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) গড়িমসি — এই অপশনটি একটি ভিন্নার্থক বাংলা শব্দ এবং এর সঙ্গে প্রশ্নকৃত ফ্রেজের কোনো মিল নেই। C) ক্ষণতরে — এই অপশনটি চিরতরে শব্দের বিপরীতার্থক বা স্বল্প সময় বোঝায় যা এই ফ্রেজের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) চিরতরে — এই অপশনটি ফ্রেজটির সঠিক এবং প্রমিত বাংলা অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফরেভার বা চিরকাল বোঝাতে 'For good' ব্যবহার করা হয়, যেখানে গুড শব্দটি ভালো অর্থ না দিয়ে স্থায়িত্ব বোঝায়। - এই ধরনের ফ্রেজ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রমিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের ইংরেজি ফ্রেজের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বাংলা প্রতিশব্দ জানার জন্য নিয়মিত বিগত বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি।
a ভাষার উন্নতি
b জ্ঞান চর্চার
c ভাষার শৃঙ্খলার
d কাব্য রচনার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞান চর্চার ১. কেন সঠিক: অনুবাদ হলো এক ভাষার জ্ঞান ও ভাব অন্য ভাষায় সফলভাবে রূপান্তর করার মাধ্যম। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নতুন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও সাহিত্য অনুবাদের মাধ্যমে নিজের ভাষায় সহজে উপলব্ধ হয়, যা জ্ঞান চর্চার পরিধিকে বহুগুণ প্রসারিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অনুবাদ সাহিত্য এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের আদান-প্রদানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্য ভাষার গ্রন্থ মাতৃভাষায় রূপান্তরিত হলে সাধারণ পাঠকের পক্ষে তা অর্জন ও চর্চা করা সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইশপ ফাবল বা পঞ্চতন্ত্রের গল্প বাংলায় অনুবাদ করা। ব্যাখ্যা: এই অনুবাদগুলোর মাধ্যমে শিশুরা বিশ্বমানের নৈতিক শিক্ষা ও জ্ঞান সহজে লাভ করতে পারে। উদাহরণ ২: শেক্সপিয়ারের নাটক বা বিজ্ঞানের বই বাংলায় অনুবাদ করা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এবং জ্ঞান চর্চার পথ উন্মুক্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষার উন্নতি — ভাষার স্বাভাবিক বিকাশ ও অভ্যন্তরীণ ব্যাকরণগত চর্চার মাধ্যমে ভাষার উন্নতি ঘটে, কেবল অনুবাদের ওপর এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে না। B) জ্ঞান চর্চার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বমানের জ্ঞান ও তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশের প্রধান চাবিকাঠি হলো অনুবাদ। C) ভাষার শৃঙ্খলার — ভাষার শৃঙ্খলা নির্ভর করে তার ব্যাকরণ, উচ্চারণ এবং প্রমিত রীতির ওপর, অনুবাদের ওপর নয়। D) কাব্য রচনার — কাব্য রচনা মূলত কবির নিজস্ব মেধা, প্রতিভা এবং মৌলিক সৃজনশীলতার ফল, যা অনুবাদের মূল উদ্দেশ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুবাদ মানেই ভিনদেশি জানা অজানা জ্ঞানকে নিজের ভাষায় নিয়ে আসা। তাই অনুবাদের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র বা সহায়ক দিক হলো জ্ঞান চর্চা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে জ্ঞান চর্চা, ভাববিনিময় কিংবা বিশ্বসাহিত্যের প্রসারের মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় ভাষা ও সাহিত্য অংশের সাধারণ বোধগম্যতা যাচাই করতে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a অপচয় করলে অভাবে পড়তে হয়
b অপচয় অভাবের মূল কারণ
c অপচয় করোনা অভাবও হবে না
d অভাব থেকে বাঁচার জন্য অপচয় রোধ জরুরী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপচয় করোনা অভাবও হবে না ১. কেন সঠিক: - Waste not, want not এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বাক্য, যার ভাবানুবাদ হলো অপচয় না করলে ভবিষ্যতে অভাব বা কষ্ট করতে হয় না। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূল ইংরেজি প্রবাদের ভাবার্থ এবং গঠন কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ও নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ-প্রবচন হলো লোকসাহিত্যের অংশ যা যুগ যুগ ধরে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে এবং এর মাধ্যমে গভীর জীবনদর্শন প্রকাশ পায়। - ইংরেজি প্রবাদগুলোর বাংলা অনুবাদ করার সময় আক্ষরিক অর্থ না ধরে সাধারণত এর ভাবার্থ বা মূল শিক্ষাটি ফুটিয়ে তুলতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Strike while the iron is hot. ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো ঝোপ বুঝে কোপ মারা বা সুযোগের সদ্ব্যবহার করা। উদাহরণ ২: A barking dog seldom bites. ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো গর্জে ওঠা ইঁদুর বা গরজে বর্ষে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপচয় করলে অভাবে পড়তে হয় — এটি একটি সম্ভাব্য অনুবাদ হলেও মূল প্রবাদের না সূচক গঠন অর্থাৎ কর না ভাব এখানে সরাসরি রক্ষা করা হয়নি। B) অপচয় অভাবের মূল কারণ — এটি একটি সাধারণ সত্যমূলক বাক্য হলেও Waste not, want not প্রবাদটির সঠিক রূপান্তর বা ভাবার্থ নয়। C) অপচয় করোনা অভাবও হবে না — এটি প্রবাদের মূল ভাব ও কাঠামোর সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিলে যাওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) অভাব থেকে বাঁচার জন্য অপচয় রোধ জরুরী — এটি একটি উপদেশমূলক বাক্য বা পরামর্শ, যা মূল প্রবাদের সংক্ষিপ্ত ও সরাসরি ভাবানুবাদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি প্রবাদে Waste (অপচয়) থাকলে বাংলায় না বোধক শব্দ এবং want (অভাব) থাকলে অভাব না হওয়ার কথা আসবে। - প্রবাদ মুখস্থ না করে এর ভেতরের অন্তর্নিহিত শিক্ষা বা উপদেশটি মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদগুলোর ভাবানুবাদ বারবার চর্চা করতে হবে। - আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রবাদের ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ ভাবানুবাদকেই সর্বদাই প্রাধান্য দিতে হবে।
a লো + অন
b লো + বন
c ল + বন
d লৈ + বন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লো + অন ১. কেন সঠিক: - এটি একটি স্বরসন্ধির নিয়ম, যেখানে ও-কার বা ঔ-কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে অব বা আব হয়। - লো শব্দের ও-কার এবং অন শব্দের অ মিলে অব যুক্ত হয়ে লবণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের আদি ও অনাদি সন্ধি নিয়মের আওতাধীন একটি বিশেষ নিয়ম। - ও-কারের পর অ থাকলে ও-এর স্থানে অব হয়, যা পরে অন শব্দের অ এর সাথে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পো + অন = পবন ব্যাখ্যা: ও-কার ও অ মিলে অব হয়ে পবন শব্দটি তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: ভো + অন = ভবন ব্যাখ্যা: ও-কার ও অ মিলে অব হয়ে ভবন শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লো + অন — এটি সঠিক কারণ নিয়মানুযায়ী ও-কার ও অ মিলে অব হয়। B) লো + বন — এখানে বন আলাদা শব্দ হিসেবে যুক্ত হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের বাইরে। C) ল + বন — এখানে মূল শব্দের রূপ এবং সন্ধির নিয়ম সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। D) লৈ + বন — লৈ হলো ঔ-কারযুক্ত, যা থেকে লবন বা অন্য শব্দ হতে পারে কিন্তু লবণ হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ও-কারযুক্ত শব্দের সাথে অন যোগ থাকলে সন্ধি করার সময় ও-কার বদলে অব ধরে শব্দ তৈরি করবে। - পবন, ভবন এবং লবণ শব্দগুলো একই নিয়মে গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় এই সন্ধিটি প্রায়ই ব্যতিক্রমী নিয়মের শব্দ হিসেবে আসে। - গবাদি পশুর গোর + আদি সন্ধির মতোই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রশ্ন।
a নিষ্কর
b পরস্পর
c সন্তাপ
d ষষ্ঠ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরস্পর ১. কেন সঠিক: - পরস্পর শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। - সাধারণ সন্ধির কোনো নিয়ম বা সূত্র এখানে প্রযোজ্য হয় না, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সব শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে সন্ধিবদ্ধ হয় না, তাদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - প্র ও পরস্পর শব্দ দুটি মিলে নিপাতনে পরস্পর গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবেষণা ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত পরিচিত শব্দ যা গো যোগ এষণা মিলে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উদাহরণ যা পরি যোগ কার মিলে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্কর — এটি বিসর্গ সন্ধির একটি সঠিক উদাহরণ যেখানে নি যোগ কর মিলে নিষ্কর হয়। B) পরস্পর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। C) সন্তাপ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম অনুযায়ী সম যোগ তাপ মিলে সন্তাপ হয়। D) ষষ্ঠ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে ষষ্ যোগ থ মিলে গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধারণ নিয়ম না মানলেই তা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবে গণ্য হয়। - প্র যোগ পরস্পর মিলে পরস্পর শব্দ গঠিত হয়, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে এই ধরনের ব্যতিক্রমী শব্দগুলো বারবার পরীক্ষিত হয়।
a বহুব্রীহি
b দ্বিগু
c তৎপুরুষ
d কর্মধারয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - চার চাল বা চালা যার = চৌচালা। এখানে সমাসবদ্ধ পদটি পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ প্রকাশ না করে একটি নতুন বা অন্য অর্থ অর্থাৎ নির্দিষ্ট এক ধরনের ঘর বা ছাদকে বোঝাচ্ছে। - বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী, যে সমসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাস প্রধানত সমার্থক বা ভিন্নার্থক পদের মিলনে গঠিত হয় যেখানে সমস্তপদটি অন্য কোনো বিশেষ্য পদের বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। - সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী দ্বিগু সমাস হওয়ার কথা থাকলেও, সমস্তপদটি যদি তৃতীয় কোনো বস্তু বা অবস্থাকে নির্দেশ করে তবে তা বহুব্রীহি সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেতার (সে তার আছে যার) ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি তারের সমাহার না বুঝিয়ে একটি বাদ্যযন্ত্রকে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি বহুব্রীহি সমাস। উদাহরণ ২: দশানন (দশ আনন বা মাথা যার) ব্যাখ্যা: এখানে সংখ্যা থাকলেও তা দশটি মাথা বিশিষ্ট রাক্ষসরাজ রাবণকে বোঝায়, যা বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমস্তপদটি অন্য অর্থ প্রকাশ করেছে। B) দ্বিগু — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যের সমাসে সমাহার বোঝালে দ্বিগু হয়, কিন্তু এখানে সমাহার না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বোঝানো হয়েছে। C) তৎপুরুষ — পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হলে তৎপুরুষ সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় — বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হলে কর্মধারয় সমাস হয়, যা এখানে মেলেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলে অন্ধভাবে দ্বিগু সমাস দাগাবে না। সমস্তপদটি অন্য কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝালে সেটি নিশ্চিতভাবে বহুব্রীহি সমাস হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চৌচালা, সেতার, চৌপায়া শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিগু ও বহুব্রীহি সমাসের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে আসে। অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a কর্মে শূন্য
b কর্তায় শূন্য
c কর্তায় ষষ্ঠী
d কর্মে ষষ্ঠী
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তায় ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদনকারীকে কর্তা বলে এবং এখানে যাওয়া কাজটি যার দ্বারা বা যার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, সেই আমার পদটি কর্তাকারক। - আমার শব্দের সাথে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয় এবং সব মিলিয়ে এটি কর্তায় ষষ্ঠী কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কারক হলো বাক्यात স্থিত ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ক এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে কারক নির্ণয় করা জরুরি। - ষষ্ঠী বিভক্তির রূপ হলো র বা এর, যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদ বা কারকে বিভক্তি হিসেবে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার এ কথা শুনে হাসি পেল। ব্যাখ্যা: এখানে রাজা পদের সাথে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্তায় ষষ্ঠী কারক হয়েছে। উদাহরণ ২: আমার খাওয়া হলো না। ব্যাখ্যা: ঠিক মূল প্রশ্নের গঠনের মতো এখানেও আমার পদটি কর্তায় ষষ্ঠী কারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে শূন্য — কর্ম কারকে কোনো বিভক্তি না থাকলে শূন্য হয়, কিন্তু এখানে কর্ম নেই এবং ষষ্ঠী বিভক্তি রয়েছে। B) কর্তায় শূন্য — কর্তাকারক ঠিক থাকলেও এখানে শূন্য বিভক্তি নেই, কারণ শব্দের সাথে র বিভক্তি যুক্ত আছে। D) কর্মে ষষ্ঠী — বাক্যে কর্মপদ নেই এবং এটি কর্মকারক নয়, বরং ক্রিয়ার সম্পাদনকারী হওয়ায় এটি কর্তা কারক। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমার, তোমার, তাহার জাতীয় সর্বনাম পদের সাথে র বা এর যুক্ত থাকলে সাধারণত তা কর্তায় ষষ্ঠী বিভক্তি হয়। - বাচ্য পরিবর্তনের সময় এই ধরনের বাক্য প্রায়শই দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাববাচ্যের বা কর্মবাচ্যের বাক্যে কর্তার সাথে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী কারক প্রায়ই আসে, তাই ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a give up
b gave up
c changed
d changing
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: বাক্যে it is high time বা it is time থাকলে তার পরের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। তাই এখানে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে এবং সঠিক উত্তরটি নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give up — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলে না এবং বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। B) gave up — এটি পাস্ট ফর্ম হলেও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের ক্ষেত্রে change ভার্বটি বেশি যথাযথ। C) changed — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। D) changing — আইএনজি যুক্ত ভার্ব পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে একা বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: It is high time এর পর সাবজেক্ট থাকলে সবসময় ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a is
b are
c will
d was
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল সাবজেক্ট হলো দ্য হেডমাস্টার, যা singular বা একবচন। along with বা with দ্বারা একাধিক সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে। তাই এখানে singular ভার্ব is বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) are — এটি plural ভার্ব হওয়ায় singular সাবজেক্ট দ্য হেডমাস্টারের সাথে বসে না। C) will — এটি ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যে today থাকায় বর্তমানকাল প্রযোজ্য। D) was — এটি অতীতকাল নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যে today থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: along with এর আগের সাবজেক্ট যদি একবচন হয়, তবে ভার্বও একবচন হবে।
a has rained
b has been raining
c is raining
d has rained/has been raining
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি গ্রামার - Tense) সঠিক উত্তর: B) has been raining কেন সঠিক: - বাক্যে 'since morning' থাকায় এটি অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলমান কাজ বোঝাচ্ছে, যা Present Perfect Continuous Tense-এর নিয়ম। - প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি বই বা নির্দিষ্ট পরীক্ষার কিছুটা অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ অপশন বিন্যাসের কারণে বিভ্রান্তিকর হতে পারে, তবে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক উত্তর শুধু B) has been raining হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has rained — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের কাজ বোঝালেও 'since morning' এর সাথে চলমানতা প্রকাশ করতে এই tense ব্যবহার করা যায় না। B) has been raining — এটি Present Perfect Continuous Tense এবং 'since morning' এর সাথে এটি পুরোপুরি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। C) is raining — এটি Present Continuous Tense, যা নির্দিষ্ট কোনো সময়বিন্দু বা 'since morning' এর মতো দীর্ঘ সময় নির্দেশক শব্দাংশের সাথে বসে না। D) has rained/has been raining — এটি একটি অপ্রয়োজনীয় ডাবল অপশন যা নির্দিষ্ট কোনো একটি সঠিক উত্তর নির্ধারণের নিয়মের পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'since' বা 'for' এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Present Perfect Continuous Tense (subject + have/has been + verb-ing) ব্যবহার করতে হয়।
a at a stretch
b at large
c all along
d at random
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at large কেন সঠিক: at large ফ্রেজটির অর্থ হলো স্বাধীনভাবে বা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানো। পাখিরা আকাশে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছাড়াই স্বাধীনভাবে ওড়ে বোঝাতে এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at a stretch — এর অর্থ একটানা বা বিরতিহীনভাবে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। B) at large — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। C) all along — এর অর্থ শুরু থেকেই বা সর্বদা, যা বাকстыর অর্থের সাথে মেলে না। D) at random — এর অর্থ এলোমেলোভাবে, তবে এটি সাধারণত কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনভাবে আকাশে ওড়ার ক্ষেত্রে at large ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a get by heart
b go with heart
c tried hard
d get hard
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) tried hard কেন সঠিক: Tooth and nail একটি ইংরেজি idiom যার অর্থ সর্বশক্তি দিয়ে বা কঠোর চেষ্টা করা। অপশন C তে থাকা tried hard কথাটির অর্থও খুব কঠিন চেষ্টা করা বা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get by heart — এই idiom টির অর্থ মুখস্থ করা, যার সাথে প্রশ্নটির কোনো মিল নেই। B) go with heart — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত idiom নয় এবং এর অর্থও প্রশ্নটির সাথে মেলে না। C) tried hard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) get hard — এই শব্দগুচ্ছের অর্থ কঠিন হওয়া, যা মূল idioms এর অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: নখ ও দাঁত দিয়ে যেভাবে লড়াই করা হয়, তার মানে হলো কোনো কাজের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করা বা tried hard করা।
a useful person
b important person
c unemployed person
d employed person
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) important person কেন সঠিক: ‘Big bug’ একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ নয়, বরং বিশেষ সামাজিক বা পেশাগত মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। সমাজে বা প্রতিষ্ঠানে যিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী তাকেই ‘important person’ বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর অপশন বি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) useful person — এই শব্দগুচ্ছ দ্বারা কেবল কোনো কাজে লাগে এমন সাধারণ ব্যক্তিকে বোঝায়, কোনো প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ পদমর্যাদাকে নয়। B) important person — এটি সঠিক কারণ ‘Big bug’ বাগধারাটির মূল অর্থই হলো সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা প্রভাবশালী ব্যক্তি। C) unemployed person — এর অর্থ বেকার ব্যক্তি, যার সাথে ‘Big bug’ ইডিয়মের প্রভাবশালী অর্থের কোনো মিল নেই। D) employed person — এর অর্থ চাকরিজীবী বা কর্মক্ষম ব্যক্তি, যা দিয়ে বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বড় পোকা বা ‘Big bug’ যেমন সবার চোখে পড়ে, তেমনি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও সবার কাছে পরিচিত হন।
a by fits and starts
b by dint of
c by virtue of
d by leaps and bounds
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) by leaps and bounds কেন সঠিক: by leaps and bounds একটি বিখ্যাত বাগধারা যার অর্থ খুব দ্রুত গতিতে বা দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়া। চালের দাম যে অস্বাভাবিক ও দ্রুত গতিতে বাড়ছে তা বোঝাতে এই উপযুক্ত ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by fits and starts - এর অর্থ অনিয়মিতভাবে বা মাঝে মাঝে, যা এখানে দাম বাড়ার লাগাতার অবস্থাকে প্রকাশ করে না। B) by dint of - এর অর্থ কোনো কিছুর জোরে বা সাহায়্যে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। C) by virtue of - এর অর্থ বলে বা গুনে, যা কোনো বস্তুর দাম বৃদ্ধির কারণ বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: দাম বা কোনো কিছু খুব দ্রুত বাড়লে leaps and bounds ব্যবহার করবে।
a Della was not too poor to buy a gift for Jim.
b Della was so poor that he could not buy a gift for Jim.
c Della was so poor that she could not buy a gift for Jim.
d Della was so poor that she cannot buy a gift for Jim.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Della was so poor that she could not buy a gift for Jim. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের 'too...to' গঠনকে নেগেটিভ করার নিয়ম অনুযায়ী 'too' এর পরিবর্তে 'so' এবং 'to' এর পরিবর্তে 'that' বসে। এর পরের অংশে সাবজেক্টের সাথে বর্তমান বা অতীতকাল অনুযায়ী 'cannot' অথবা 'could not' ব্যবহার করতে হয়। এই বাক্যে মূল verb অতীতকালের হওয়ায় সঠিক নিয়মে 'could not' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Della was not too poor to buy a gift for Jim — এটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। B) Della was so poor that he could not buy a gift for Jim — এখানে সাবজেক্ট হিসেবে 'he' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল, কারণ মূল বাক্যের সাবজেক্ট ছিল 'Della'। C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Della was so poor that she cannot buy a gift for Jim — এখানে বাক্যটি অতীতকালের হলেও শেষের অংশে বর্তমান কালের 'cannot' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: too...to যুক্ত বাক্যকে so...that দিয়ে নেগেটিভ করার সময় টেন্সের দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং সঠিক প্রিপোনেন্ট বা প্রোনাউন ব্যবহার করতে হবে।
a Who wishes to be unhappy?
b Who wishes to be happy?
c Who does not wish to be unhappy?
d Does nobody wish to be happy?
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who wishes to be unhappy? কেন সঠিক: প্রদত্ত Assertive বাক্যে Nobody থাকলে Interrogative করার সময় Nobody-এর পরিবর্তে Who বসে এবং বাকি অংশ অপরিবর্তিত থাকে। এই নিয়মে বাক্যটি দাঁড়াই Who wishes to be unhappy? যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। B — Who wishes to be happy? লিখলে মূল বাক্যের unhappy শব্দটি বদলে happy হয়ে যায়, যা অর্থ পরিবর্তন করে ফেলে। C — Who does not wish to be unhappy? লিখলে বাক্যে একটি অতিরিক্ত না-বোধক শব্দ চলে আসে, যা মূল বাক্যের অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D — Does nobody wish to be happy? লিখলে এটি একটি হ্যা-বোধক প্রশ্ন হয়ে যায় এবং মূল বাক্যের অর্থ ও গঠন উভয়ই বদলে যায়। মনে রাখার টিপস: Assertive বাক্যে Nobody থাকলে Interrogative করার সময় শুধু Nobody-এর জায়গায় Who বসিয়ে বাকি অংশ লিখে শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
a Unemployment is a stale when a man has no work to earn money
b Unemployment is a state for a man who has no work to earn money
c Unemployment is a state of a man who has no work.
d Unemployment is the condition of a man who has no work
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Unemployment is a state for a man who has no work to earn money কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করতে Relative Pronoun 'who' ব্যবহার করা হয়েছে, যা Complex Sentence-এর গঠন নির্দেশ করে। - এখানে 'who' অব্যয়টি পূর্ববর্তী নাউন 'man'-কে নির্দেশ করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unemployment is a stale when a man has no work to earn money — এখানে 'stale' বানান ভুল এবং 'when' ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো সঠিক হয়নি। B) Unemployment is a state for a man who has no work to earn money — এটি সঠিক উত্তর। C) Unemployment is a state of a man who has no work. — এখানে শেষের অংশ অসম্পূর্ণ এবং মূল বাক্যের 'to earn money' অংশটি বাদ পড়েছে। D) Unemployment is the condition of a man who has no work — এখানে মূল বাক্যের মূল শব্দ 'state' পরিবর্তন করে 'condition' করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত অংশ বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: Simple Sentence-এর কোনো নাউনকে Complex করার সময় who বা which যুক্ত করে Adclause Clause তৈরি করতে হয়।
a simply
b simplify
c simplicity
d simplication
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) simplicity কেন সঠিক: simple শব্দটির Noun বা বিশেষ্য রূপ হলো simplicity যার অর্থ সরলতা। শব্দের শেষে ty যুক্ত করে সাধারণত Adjective থেকে Noun গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simply — এটি একটি Adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। B) simplify — এটি একটি Verb কারণ এর শেষে fy যুক্ত আছে। C) simplicity — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) simplication — এটি একটি ভুল বানান এবং এর সঠিক রূপ simplification যা একটি Verb থেকে আসা Noun। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ty বা ness থাকলে সাধারণত সেটি Noun হয়।
a Impartial
b Static
c Impolite
d Danger
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Danger কেন সঠিক: Hazard শব্দের বাংলা অর্থ হলো বিপদ বা ঝুঁকি। Danger শব্দটির অর্থও একই রকম বিপদ নির্দেশ করে। তাই এটি hazard শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। অন্য কোনো শব্দ এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impartial - এই শব্দটির অর্থ নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতহীন, যা hazard শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) Static - এই শব্দটির অর্থ স্থির বা অপরিবর্তনীয়, যা hazard শব্দের বিপরীত ধারণা দেয়। C) Impolite - এই শব্দটির অর্থ অসভ্য বা অমায়িক, যা মানুষের আচরণের সাথে সম্পর্কিত। D) Danger - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি hazard শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Hazard এবং Danger দুটি শব্দই জীবনের যেকোনো ঝুঁকি বা বিপদের ক্ষেত্রে একসাথে মনে রাখা যায়।
a How strange man’s life was!
b How strange man’s life is!
c What an wonderful man’s life is!
d How wonderful a man’s life is!
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) How strange man’s life is! কেন সঠিক: বাক্যটি আবেগসূচক বা এক্সক্লামেটরি। বিস্ময় বোঝাতে How এর সাথে adjective এবং subject-verb বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এখানে অতীতের be verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা বর্তমানের সার্বজনীন সত্যের সাথে মেলে না। B) B — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) C — wonderful শব্দের আগে an ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এর শুরুতে consonant sound আছে। D) D — বাক্যটিতে strange এর পরিবর্তে wonderful ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বিস্ময়সূচক বাক্যে Adjective এর পূর্বে How এবং Noun এর পূর্বে What an ব্যবহার করতে হয়।
a be
b am
c was
d were
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে I wish থাকলে এবং তা অসম্ভব কোনো কল্পনা বোঝালে সাবজেক্টের পর বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে। এখানে সাবজেক্ট I হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে were ব্যবহার করতে হয়। এটি অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশের একটি বিশেষ ব্যাকরণগত নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) be — এটি ভার্বের বেস ফর্ম হওয়ায় সাবজেক্টের পর সরাসরি এখানে বসে না। B) am — এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে, যা অতীত বা কাল্পনিক ইচ্ছার সাথে মিলে না। C) was — আধুনিক ইংরেজিতে কোথাও কোথাও প্রচলিত হলেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে were ই স্ট্যান্ডার্ড। D) were — এটি সঠিক এবং এই অপশনটিই এখানে উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরের অংশে কাল্পনিক কিছু বোঝালে সাবজেক্টের পর চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে।
a the teacher enter the class
b do the teacher enter the class
c does the teacher enter the class
d had the teacher entered the class
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had the teacher entered the class কেন সঠিক: No sooner যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশে সাধারণত Past Perfect Tense হয় এবং সাবজেক্টের পরে had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে। এখানে D অপশনে had the teacher entered ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত। বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি Present Indefinite Tense এ থাকায় প্রথম অংশ Past Perfect Tense হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the teacher enter the class — এখানে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নেই এবং এটি সঠিক স্ট্রাকচার অনুসরণ করেনি। B) do the teacher enter the class — সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও do ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) does the teacher enter the class — Present Tense ব্যবহার করায় No sooner এর পরের নিয়মটি এখানে ভুল প্রমাণিত হয়। D) had the teacher entered the class — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে মনে রাখবে এদের পরে had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে এবং তার সাথে than যুক্ত থাকে।
a when Bangladesh is born
b when Bangladesh came to being
c when Bangladesh came into being
d when Bangladesh comes to being
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) when Bangladesh came into being কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল এবং জন্মলাভ করেছিল, যার সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ হলো come into being। - বাক্যটি অতীতকালের ঘটনা নির্দেশ করায় এখানে verb-এর পাস্ট ফর্ম came ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when Bangladesh is born — বাক্যটি অতীতকালের (1971), তাই এখানে বর্তমানকালের সাহায্যকারী verb (is) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) when Bangladesh came to being — ইংরেজি প্রমিত ধারায় জন্মলাভ করা অর্থে come to being না হয়ে come into being হয়। D) when Bangladesh comes to being — সালটি ১৯৭১ হওয়ায় বর্তমানকালের verb (comes) এবং ভুল প্রিপজিশন (to) ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর আত্মপ্রকাশ বা জন্ম বোঝাতে come into being ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রিপজিশন হিসেবে into বসে।
a I flew in the sky
b I could fly in the sky
c I fly in the sky
d I would have flown in the sky
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I could fly in the sky কেন সঠিক: বাক্যটি পাস্ট সাবজাংক্টিভ বা অবাস্তব শর্ত বোঝাতে প্রথম অংশ 'Had I' দিয়ে শুরু হয়েছে, যার অর্থ যদি আমার পাখির মতো ডানা থাকত। এই ধরনের অবাস্তব কল্পনার ফল প্রকাশ করতে প্রধান অংশে সাবজেক্টের পরে could এবং মূল ভার্বের বেইজ ফর্ম বসে। তাই সঠিক গঠন হলো could fly. বাকি অপশন কেন ভুল: A) I flew in the sky — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের সাধারণ বাক্য, যা অবাস্তব শর্তের দ্বিতীয় অংশের নিয়মের সাথে মেলে না। B) I could fly in the sky — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I fly in the sky — এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা পাস্ট সাবজাংক্টিভ বা অতীতের অবাস্তব কল্পনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) I would have flown in the sky — এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়মে গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Had দিয়ে বাক্য শুরু হলে এবং তা অবাস্তব ইচ্ছা বোঝালে পরবর্তী অংশে would অথবা could এবং ভার্বের বেস ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a to tell a lie
b to take bribe
c to speak the truth
d to steal something
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to speak the truth কেন সঠিক: বাক্যে 'too...to' এর গঠন ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ এতই যে না। একজন dishonest বা অসৎ মানুষ সাধারণত সত্যি কথা বলতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to tell a lie — অসৎ মানুষ মিথ্যা বলতে পারে তাই এটি অর্থপূর্ণ নয়। B) to take bribe — অসৎ মানুষ ঘুষ নিতে পারে তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to steal something — অসৎ মানুষ চুরি করতে পারে তাই এটি উত্তর হবে না। মনে রাখার টিপস: too...to কাঠামোর প্রথম অংশে নেতিবাচক বা ইতিবাচক যা থাকে তার ওপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় অংশের অর্থ মেলাতে হয়।
a I meet you
b I met you
c I help you
d I have met you
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I met you কেন সঠিক: It is + সময় + since এর নিয়ম অনুযায়ী since এর আগের অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। এখানে মূল ক্লজটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় পরের অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের ভার্ব met ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I meet you — এখানে meet হলো প্রেজেন্ট টেন্স, যা সিন্স এর পরের অংশে পাস্ট টেন্সের নিয়মের সাথে মেলে না। B) I met you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) I help you — এখানে help হলো প্রেজেন্ট টেন্স এবং অর্থের দিক থেকেও এটি এখানে উপযুক্ত নয়। D) I have met you — এখানে have met হলো প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা সিন্স এর নিয়মের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: It is many years since কাঠামোর প্রথম অংশে Present Indefinite Tense থাকলে পরের অংশে সবসময় Past Indefinite Tense বসবে।
a he falls
b he may fall
c he should fall
d he fell down
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) he should fall কেন সঠিক: লেস্ট (lest) শব্দটির অর্থ পাছে ভয় হয় যে এবং এর পরে সাবজেক্টের পর সর্বদা শুড (should) বসে। বাক্যটির প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্সে থাকলেও লেস্টের পর নিয়ম অনুযায়ী শুড ব্যবহার করতে হয়। অন্য কোনো সাহায্যকারী ভাব এখানে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he falls — লেস্ট এর পর প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করার কোনো নিয়ম ব্যাকরণে নেই। B) he may fall — মে (may) এর পরিবর্তে লেস্ট এর সাথে শুড (should) ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। C) he should fall — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) he fell down — পাস্ট টেন্স ব্যবহার করায় এই অপশনটি বর্তমানকালের বাক্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে লেস্ট (lest) দেখলেই সাবজেক্টের পর চোখ বন্ধ করে শুড (should) বসিয়ে দেবে।
a He has a few friends.
b He has no friends.
c He has few friends.
d He has the few friends.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has few friends. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে নেই বললেই চলে অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজি grammar এ few শব্দটি ব্যবহার করা হয়। few শব্দটি countable noun এর আগে বসে এবং এটি নেতিবাচক বা না বোধক অর্থ দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has a few friends — a few বসালে তার কিছু বন্ধু আছে বোঝায়, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) He has no friends — no বসালে তার কোনো বন্ধু নেই বোঝায়, কিন্তু প্রশ্নে নেই বললেই চলে বলা হয়েছে। C) He has few friends — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) He has the few friends — the few বсале নির্দিষ্ট কিছু বন্ধু বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: few মানে প্রায় নেই বললেই চলে, a few মানে কিছু আছে এবং the few মানে নির্দিষ্ট সবকটি।
a Brothers part.
b Brothers will part.
c Brothers will be part.
d Brothers have parted.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Brothers will part. কেন সঠিক: বাংলা প্রবাদ "ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই" মূলত ভবিষ্যতে ভাইদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি অনুবাদে এই চিরন্তন সত্য বা ভবিষ্যৎ সম্ভাব্যতা প্রকাশ করতে সাধারণ ভবিষ্যৎকাল বা Simple Future Tense ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Brothers part. — এটি Present Indefinite Tense-এ আছে, যা প্রবাদের নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। B) Brothers will part. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) Brothers will be part. — এখানে part শব্দটিকে verb এর বদলে noun হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। D) Brothers have parted. — এটি Present Perfect Tense, যার অর্থ ভাইয়েরা ইতিমধ্যে আলাদা হয়ে গেছে কিন্তু প্রবাদের অর্থ আলাদা। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের অনুবাদ সবসময় শাশ্বত সত্য বা সাধারণ নিয়মে করতে হয়, তাই ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই এর ক্ষেত্রে will part ব্যবহার করতে হয়।
a The child comes to me run.
b The child came to me running.
c The child came to me crying.
d The child came to me to cry.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The child came to me crying. কেন সঠিক: বাক্যে অতীতকালের ঘটনা বোঝাতে মূল verb এর পাস্ট ফর্ম came ব্যবহৃত হয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে অর্থে বর্তমান কৃদন্ত বা participle বোঝাতে verb এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The child comes to me run — এখানে বাক্যটি বর্তমান কালে আছে এবং run verb টি সঠিক নিয়মে বসে নি। B) The child came to me running — এখানে দৌড়াতে দৌড়াতে অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The child came to me to cry — এখানে ইনফিনিটিভ ব্যবহার করার ফলে কান্নার উদ্দেশ্যে আসার অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল ভাবের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করতে করতে অন্য কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে দ্বিতীয় verb টির সাথে ing যোগ করতে হয়।
a Have you ever been to Cox’s Bazar?
b Did you ever go to Cox’s Bazar?
c Have you ever go to Cox’s Bazar?
d Have you gone to Cox’s Bazar?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Have you ever been to Cox’s Bazar? কেন সঠিক: জীবনে কোথাও গিয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে Present Perfect Tense-এ 'have/has + been to' ব্যবহার করতে হয়। এখানে বক্তা অতীতে কক্সবাজার গিয়েছেন কি না তা জানতে চাচ্ছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী 'have ... been to' সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) Did you ever go — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে এটি অনুপযুক্ত। C) Have you ever go — 'Have' এর পর মূল verb-এর Past Participle রূপ বসার কথা থাকলেও এখানে 'go' এর Present form ব্যবহৃত হয়েছে। D) Have you gone — 'gone to' ব্যবহার করলে বোঝায় ব্যক্তিটি এখনও সেখানেই আছেন, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা জানতে 'Have you ever been to' ব্যবহার করতে হয়।
a make
b makes
c made
d make/makes
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) make কেন সঠিক: - গণিতের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক সংখ্যা যোগ করলে তা একটি একক পরিমাপ বা গাণিতিক সত্য প্রকাশ করে, যা একবচন হিসেবে গণ্য হয়। - তবে প্রথাগত ব্যাকরণে গণিতের যোগ বোঝাতে Subject হিসেবে Two and two-এর ক্ষেত্রে verb-এর বহুবচন (make) রূপটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) make — এটি grammatically সঠিক এবং ঐতিহ্যগতভাবে প্রমিত নিয়মে ব্যবহৃত হয়। B) makes — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ প্রথাগত ইংরেজি ব্যাকরণে এই বাক্যে plural verb ব্যবহৃত হয়। C) made — এটি past tense নির্দেশ করে, যা চিরন্তন সত্য বা গাণিতিক বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) make/makes — একসাথে দুটি রূপ সঠিক হতে পারে না, কারণ নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। মনে রাখার টিপস: গাণিতিক যোগফল প্রকাশের ক্ষেত্রে ইংরেজি প্রবাদে এবং প্রচলিত নিয়মে Two and two make four লেখাটিই সঠিক বলে বিবেচিত হয়।
a ২৫ লিটার
b ৩০ লিটার
c ৩৫ লিটার
d ৪০ লিটার
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩০ লিটার এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৩০ ১০ক = ৩০ সুতরাং, ক = ৩ এসিডের পরিমাণ = ৭ × ৩ = ২১ লিটার পানির পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ লিটার উত্তর: নতুন পানি মেশানোর পর এসিডের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকবে। ২১ ÷ (৩ ÷ ৭) = ৪৯ লিটার পানি হবে। ৪৯ − ৯ = ৪০ লিটার পানি মেশাতে হবে।
a 230
b 210
c 200
d 190
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১০ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি পূর্ণ সংখ্যার গড় ১৫০ ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুইটির গড় ১২০ ধরি, তিনটি সংখ্যা যথাক্রমে ক, খ এবং গ যেখানে ক এবং খ হলো ক্ষুদ্রতম দুটি সংখ্যা অতএব, তিনটি সংখ্যার যোগফল = ১৫০ × ৩ = ৪৫০ ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুইটির যোগফল = ১২০ × ২ = ২৪০ সুতরাং, বৃহত্তম সংখ্যাটি = ৪৫০ − ২৪০ উত্তর: ২১০
a 12
b 24
c 36
d 40
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = √৭ a − b = √৫ ধরি, প্রথম রাশি = ৮ab দ্বিতীয় রাশি = (a² + b²) অতএব, ৮ab কে লেখা যায় = ৪ab × ২ a² + b² এর অনুসিদ্ধান্ত = (a + b)² + (a − b)² ÷ ২ সুতরাং, ৪ab এর মান = (a + b)² − (a − b)² এর সূত্র ব্যবহার করে পাই, (√৭)² − (√৫)² = ৭ − ৫ = ২ উত্তর: ২ × (৭ + ৫) ÷ ২ × ২ = ২৪
a 4
b 6
c 9
d 8
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১ ধরি, লগ √৩ এর ভিত্তি ৮১ এর মান সমান x অতএব, √৩ এর পাওয়ার x সমান ৮১ সুতরাং, ৩ এর পাওয়ার x ÷ ২ সমান ৩ এর পাওয়ার ৪ উত্তর: x সমান ৮
a 50° ও 50°
b 60° ও 40°
c 45°ও 45°
d 40° ও 40°
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০° ও ৫০° প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শীর্ষ কোণের মান ৮০° ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০° ধরি, অপর কোণদুটির প্রতিটি সমান ক° অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল = ৮০° + ক° + ক° = ১৮০° বা, ৮০° + ২ক° = ১৮০° সুতরাং, ২ক° = ১৮০° − ৮০° বা, ২ক° = ১০০° উত্তর: ক° = ৫০°
a সন্নিহিত কোণ
b পূরক কোণ
c বিপ্রতীপ কোণ
d সম্পূরক কোণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্পূরক কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা একশত আশি ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণটি ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি খ ডিগ্রি অতএব, ক + খ = দুই সমকোণ বা একশত আশি ডিগ্রি সুতরাং, দুটি কোণের যোগফল একশত আশি ডিগ্রি হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে উত্তর: সম্পূরক কোণ
a 0
b 1
c 2
d 3
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ÷ y = ২ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x + ২y = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই x = ২y অতএব, প্রথম সমীকরণে x এর মান বসিয়ে পাই ২y + ২y = ৪ সুতরাং, ৪y = ৪ y = ১ উত্তর: x = ২ × ১ = ২
a 1
b 2
c 3
d 0
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ৪)^২ = ০ ধরি, সমীকরণটির উৎপাদক বিশ্লেষণ রূপ (x − ৪) × (x − ৪) = ০ অতএব, প্রথম মূল x − ৪ = ০ থেকে পাই x = ৪ দ্বিতীয় মূল x − ৪ = ০ থেকে পাই x = ৪ সুতরাং, সমীকরণের মূল দুটি সমান অর্থাৎ ৪ এবং ৪, যা মূলত একটি ভিন্ন ভিন্ন বাস্তব মূল নির্দেশ করে উত্তর: ১
a ৪%
b ৫%
c ৭%
d ৮%
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫% প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৩৮০ টাকা ক্ষতি = ২০ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি অতএব, ক্রয়মূল্য = ৩৮০ + ২০ = ৪০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতি ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% উত্তর: (২০ ÷ ৪০০) × ১০০% = ৫%
a 1
b 2
c 4
d 14
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার যোগফল = ১৫ দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল = ১৩ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ১৫ ক − খ = ১৩ সুতরাং, দুটি সমীকরণ বিয়োগ করে পাই, ২খ = ১৫ − ১৩ = ২ খ = ২ ÷ ২ = ১ উত্তর: ১
a 2
b 4
c 6
d 8
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো ৬(√৬৪) × (৩√২৭) ধরি, প্রথম অংশটি হলো ৬(√৬৪) দ্বিতীয় অংশটি হলো (৩√২৭) অতএব, ৬৪ এর বর্গমূল হলো ৮ ২৭ এর ঘনমূল হলো ৩ সুতরাং, ৬ গুণ ৮ ভাগ (৩ গুণ ৩) = ৪৮ ÷ ৯ উত্তর: ৬
a 70
b 80
c 90
d 100
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: ২টি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ২ক + ১ = ১৯৯ সুতরাং, ২ক = ১৯৯ − ১ ২ক = ১৯৮ ক = ৯৯ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৯৯ + ১ = ১০০
a 3
b 1
c -1
d 5
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো ৩x২ − x + ৫ = ০ ধরি, সাধারণ দ্বিঘাত সমীকরণ হলো ax২ + bx + c = ০ অতএব, প্রদত্ত সমীকরণ এবং সাধারণ সমীকরণ তুলনা করে পাই x এর সহগ সুতরাং, চলক x এর সাথে গুণ আকারে আছে −১ উত্তর: −১
a ১০০°
b ১১৫°
c ১৩৫°
d ১৪০°
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চর্তুভুজের চার কোণের অনুপাত = ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০° ধরি, প্রথম কোণ = ১ক দ্বিতীয় কোণ = ২ক তৃতীয় কোণ = ২ক এবং চতুর্থ কোণ = ৩ক অতএব, অনুপাতগুলোর যোগফল = ১ + ২ + ২ + ৩ = ৮ এবং চার কোণের মোট সমষ্টি = ৩৬০° সুতরাং, ৮ক = ৩৬০° ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° উত্তর: বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
a ৪টি
b ৫টি
c ৬টি
d ৮টি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১২০° ধরি, বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ন বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১২০° = ৬০° অতএব, আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০° বাহুর সংখ্যা = ৩৬০° ÷ একটি বহিঃকোণের পরিমাণ সুতরাং, বাহুর সংখ্যা = ৩৬০° ÷ ৬০° = ৬ উত্তর: ৬টি
a (x2 + x + 1) (x2 + x – 1)
b (x2 – x + 1) (x2 + x – 1)
c (x2 + x + 1) (x2 – x + 1)
d (x2 + x + 1) (x2 + x + 1)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (x^2 + x + 1) (x^2 − x + 1) প্রদত্ত রাশি: x^4 + x^2 + 1 ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই, (x^2)^2 + 2(x^2)(1) + (1)^2 − x^2 অতএব, সূত্র প্রয়োগ করে পাই, (x^2 + 1)^2 − (x)^2 সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের বিয়োগফল সূত্র অনুসারে উৎপাদক দুটি হবে, (x^2 + x + 1) এবং (x^2 − x + 1) উত্তর: C) (x^2 + x + 1) (x^2 − x + 1)
a 24
b 16
c 12
d 9
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪ গুণ x এর বর্গ বিয়োগ p গুণ x যোগ ৯ ধরি, রাশিটিকে একটি পূর্ণবর্গ রাশির সাথে তুলনা করা যাক অতএব, প্রথম পদটিকে লেখা যায় ২ গুণ x এর সম্পূর্ণ বর্গ শেষ পদটিকে লেখা যায় ৩ এর বর্গ সুতরাং, মাঝের পদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদ উত্তর: p এর মান হবে ১২
a x√2
b x√3
c 2√2x
d x√x
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x√2 প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = x একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = x কর্ণের সূত্র অনুযায়ী কর্ণ = বাহু × √2 অতএব, কর্ণের দৈর্ঘ্য = x × √2 একক সুতরাং, কর্ণের দৈর্ঘ্য = x√2 একক উত্তর: x√2
a 360
b 240
c 180
d 120
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত ৫ : ৬ সংখ্যা দুটির গসাগু ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪ অতএব, সংখ্যা দুটি হলো ২০ এবং ২৪ সুতরাং, সংখ্যা দুটির লসাগু হবে ২০ এবং ২৪ এর লসাগু উত্তর: ১২০
a 75
b 62
c 60
d 37
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যা = ৩৭৫ নির্ণয় করতে হবে = ৩৭৫ এর ২০% ধরি, নির্ণেয় মান = ক অতএব, ক = ৩৭৫ × (২০ ÷ ১০০) সুতরাং, ক = ৩৭৫ × (১ ÷ ৫) উত্তর: ৭৫
a 2/3
b 3/2
c 4/3
d 3/4
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো চার এর পাওয়ার এক্স সমান আট। এখানে ভিত্তিগুলোকে একই সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। ধরি, চারের পরিবর্তে দুই এর পাওয়ার দুই লেখা যায়। আটের পরিবর্তে দুই এর পাওয়ার তিন লেখা যায়। অতএব, দুই এর পাওয়ার দুই এর সাথে এক্স গুণ করলে দুই এক্স হয়। সমীকরণের দুই পাশের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ারগুলো সমান লেখা যায়। সুতরাং, দুই এক্স সমান তিন লেখা যায়। উত্তর: এক্স সমান তিন ভাগ দুই
a ১৮০°
b ২৭০°
c ৩০০°
d ৩৬০°
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হয়েছে ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে ঘ, ঙ এবং চ আমরা জানি ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থ কোণ তার বিপরীত অন্তঃস্থ কোণ দুটির সমষ্টির সমান অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ ঘ = ১৮০ ডিগ্রি − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ ঙ = ১৮০ ডিগ্রি − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ চ = ১৮০ ডিগ্রি − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ) তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
a ৩৬ বর্গমিটার
b ৪২ বর্গমিটার
c ৪৮ বর্গমিটার
d ৫০ বর্গমিটার
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মিটার অপর দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ মিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান সমান বাহু দুটি এ = ১০ মিটার ত্রিভুজের ভূমি বি = ১৬ মিটার অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (বি ÷ ৪) × √(৪ × এ × এ − বি × বি) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬) ক্ষেত্রফল = ৪ × √(৪০০ − ২৫৬) উত্তর: ৪৮ বর্গমিটার
a a (a – 3)
b a – 3
c (a – 1) (a – 3)
d a (a – 1) (a – 3)
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a − ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a^২ − ৩a দ্বিতীয় রাশি = a^২ − ৯ তৃতীয় রাশি = a^২ − ৪a + ৩ ধরি, প্রথম রাশি থেকে পাই a(a − ৩) দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই (a + ৩)(a − ৩) তৃতীয় রাশি থেকে পাই (a − ৩)(a − ১) অতএব, প্রথম রাশির উৎপাদক = a এবং (a − ৩) দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (a + ৩) এবং (a − ৩) সুতরাং, তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (a − ৩) এবং (a − ১) নির্ণয় গসাগু = কমন উৎপাদক (a − ৩) উত্তর: a − ৩
a 3
b 2
c 1
d 0
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রدত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^3 − ৬x^2 + ১১x − ৬ মান নির্ণয় করতে হবে f(২) এর ধরি, x এর মান সমান হলো ২ অতএব, f(২) = (২)^3 − ৬(২)^2 + ১১(২) − ৬ f(২) = ৮ − ৬(৪) + ২২ − ৬ সুতরাং, f(২) = ৮ − ২৪ + ২২ − ৬ f(২) = ৩০ − ৩০ উত্তর: ০
a ফ্রান্সে
b ব্রাজিলে
c রাশিয়ায়
d ইংল্যান্ডে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়ায় প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ক্রীড়া সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান। কেন সঠিক: - ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত ২১তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ ছিল রাশিয়া। - ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে পরাজিত করে ফ্রান্স এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্সে — ফ্রান্স এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলেও আয়োজক দেশ ছিল না, দেশটি ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল। B) ব্রাজিলে — ব্রাজিল ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ২০তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ ছিল। C) রাশিয়ায় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ রাশিয়া ২০১৮ সালের ২১তম বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ ছিল। D) ইংল্যান্ডে — ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করেছিল, ২০১৮ সালের নয়। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার 'র' দিয়ে মনে রাখতে পারেন ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল রাশিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a বিজ্ঞান জাদুঘর
b বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
c জাতীয় জাদুঘর
d ঢাকা নগর জাদুঘর
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের এবং সমগ্র উত্তরবঙ্গ তথা বৃহত্তর অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর। - এটি ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রাচীন ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজ্ঞান জাদুঘর — এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের জন্য প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর, প্রাচীন ইতিহাস বা বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর নয়। B) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর। C) জাতীয় জাদুঘর — এটি ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম জাদুঘর, তবে এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর নয়। D) ঢাকা নগর জাদুঘর — এটি ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর, যা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের অনেক পরে গঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র মানেই প্রাচীন এবং প্রথম, তাই জাদুঘরের ক্ষেত্রে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হবে বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
a 22 জোড়া
b 23 জোড়া
c 24 জোড়া
d 25 জোড়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ জোড়া কেন সঠিক: - মানবদেহের সাধারণ কোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে, যার অর্ধেক আসে পিতার কাছ থেকে এবং অর্ধেক মাতার কাছ থেকে। - এর মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোজোম যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে এবং ১ জোড়া হলো সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানবদেহে শুধু অটোজোম বা দেহ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমের সংখ্যা ২২ জোড়া, সেক্স ক্রোমোজোম সহ মোট ২৩ জোড়া। B) ২৩ জোড়া — এটি সঠিক কারণ মানবদেহের প্রতিটি ডিপ্লয়েড কোষে ২২ জোড়া অটোজোম ও ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম মিলে মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। C) ২৪ জোড়া — এটি ভুল কারণ ২৪ জোড়া ক্রোমোজোম মানবদেহে থাকে না, এটি অন্য কোনো প্রাণী যেমন শিম্পাঞ্জি বা গরুর ক্রোমোজোম সংখ্যার কাছাকাছি হতে পারে। D) ২৫ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানবদেহের স্বাভাবিক কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সঙ্গে ২৫ জোড়ার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: মানবদেহ মনে রাখতে ৪৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং একে দুই দিয়ে ভাগ করলেই ২৩ জোড়া পেয়ে যাবেন।
a Converted Natural Gas
b Compressed Natural Gas
c Conversed Natural Gas
d Connected Natural Gas
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Compressed Natural Gas কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে ভরে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। - এই সংকুচিত রূপকে সংক্ষেপে সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Converted Natural Gas — গ্যাস রূপান্তরিত হলেও এই পরিভাষাটি বৈজ্ঞানিক বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সঠিক নয়। B) Compressed Natural Gas — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক পরিভাষা। C) Conversed Natural Gas — এই শব্দের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো বাস্তবিক অর্থ নেই। D) Connected Natural Gas — গ্যাস সংযোগের সাথে এর নামকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সিএনজি সিলিন্ডারে গ্যাস উচ্চ চাপে বন্দी থাকে, তাই চেপে ধরা অর্থে কম্প্রেসড শব্দটি মনে রাখবে।
a ঘূর্ণিঝড়
b সুনামি
c টাইফুন
d সাইক্লোন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘূর্ণিঝড় কেন সঠিক: - সিডর হলো ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানাও একটি প্রলয়ঙ্করী মারাত্মক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়। - বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড়টি অত্যন্ত তীব্র গতিতে উপকূলে আঘাত হেনেছিল এবং এর ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘূর্ণিঝড় — এই অপশনটি সঠিক কারণ সিডর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি প্রলয়ঙ্করী শক্তিশালী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ছিল। B) সুনামি — সুনামি হলো সমুদ্রের নিচে ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট অস্বাভাবিক বিশাল সমুদ্র তরঙ্গ, যা সিডর নয়। C) টাইফুন — টাইফুন হলো প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড়ের আঞ্চলিক নাম, যা বঙ্গোপসাগরের ঝড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) সাইক্লোন — সাইক্লোন সাধারণ একটি বৈজ্ঞানিক শব্দ হলেও অপশনে ঘূর্ণিঝড় নির্দিষ্ট করে সঠিক উত্তর হিসেবে অধিক গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: সিডর একটি প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় যা ২০০৭ সালে বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছিল।
a সার্চ ইঞ্জিন
b সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান
c ওয়েব সাইট
d হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সার্চ ইঞ্জিন কেন সঠিক: - গুগল মূলত একটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের বিশ্বজুড়ে যেকোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও খুঁজে পেতে সাহায্য করে। - এটি ইন্টারনেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তথ্য খোঁজা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সার্চ ইঞ্জিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই কারণ গুগল মূলত এই কাজের জন্যই বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান — গুগল একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বা টেক জায়ান্ট, কেবল সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান বলা এর বিশাল পরিধিকে ছোট করা হয়। C) ওয়েব সাইট — গুগল কেবল একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট নয়, বরং এটি বহু সেবা এবং সার্চ ইঞ্জিন ধারণকারী একটি বিশাল প্ল্যাটফর্ম। D) হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান — গুগল কিছু হার্ডওয়্যার তৈরি করলেও এটি মূলত সফটওয়্যার এবং ইন্টারনেটভিত্তিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে কিছু খোঁজার কথা মনে আসলেই মাথায় আসে গুগল, আর খোঁজার এই মাধ্যমটিকেই সার্চ ইঞ্জিন বলা হয়।
a কাতার
b আফগানিস্তান
c আলজেরিয়া
d আরব আমিরাত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাতার কেন সঠিক: - আলজাজিরা মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী একটি সংবাদ মাধ্যম যা কাতারের রাজধানী দোহা থেকে পরিচালিত হয়। - এটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বজুড়ে আরবি ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সংবাদ প্রচার করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংবাদ মাধ্যমটির মূল কার্যালয় কাতারের দোহায় অবস্থিত। B) আফগানিস্তান — এটি আলজাজিরার জন্মস্থান বা সদর দপ্তর নয়, যদিও এখানে সংবাদ সংগ্রহশালা রয়েছে। C) আলজেরিয়া — নামটির সাথে মিল থাকলেও এই দেশটির সাথে আলজাজিরা সংবাদ সংস্থার কোনো মালিকানা বা সংযোগ নেই। D) আরব আমিরাত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য একটি দেশ, কিন্তু এই সংবাদ সংস্থার মূল কার্যালয় বা দেশ এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আলজাজিরা নামের শুরু এবং কাতারের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন, কাতার থেকেই এই আন্তর্জাতিক চ্যানেলটি ক(কা)তারি মালিকানায় পরিচালিত হয়।
a ১৯৭৫ সালে
b ১৯৭৬ সালে
c ১৯৭৭ সালে
d ১৯৭৮ সালে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৬ সালে কেন সঠিক: - ১৯৭৬ সালে প্রথম গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ইবোলা নদীর নিকটবর্তী অঞ্চলে এই ভাইরাসটি মানবদেহে শনাক্ত হয়। - বিজ্ঞানী পিটার পিয়ট এবং তাঁর দল এই মারাত্মক ভাইরাসটি প্রথম আবিষ্কার করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৫ সালে — এই বছরে ইবোলা ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়নি, এটি আবিষ্কারের আগের বছর। B) ১৯৭৬ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত করা হয়। C) ১৯৭৭ সালে — এই বছর ইবোলা ভাইরাস আবিষ্কারের সাল নয়, এটি শনাক্তের পরের বছর। D) ১৯৭৮ সালে — এই সালটি ইবোলা ভাইরাসের প্রথম শনাক্তকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইবোলা নদী থেকে নাম এসেছে, যা আবিষ্কার হয় ছিয়াত্তরে (১৯৭৬)।
a এশিয়া
b আফ্রিকা
c ইউরোপ
d আমেরিকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এশিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল, যা চীন ও মঙ্গোলিয়ার অংশজুড়ে বিস্তৃত। - এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রধান ও শীতল মরুভূমি হিসেবে পরিচিত এবং আলতাই পর্বতমালার বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মরুভূমি এশিয়া মহাদেশেই অবস্থিত। B) আফ্রিকা — এই মহাদেশে সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি নয়। C) ইউরোপ — এই মহাদেশে কোনো উল্লেখযোগ্য বৃহৎ মরুভূমি নেই। D) আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা ও সোনরান মরুভূমি অবস্থিত, গোবি নয়। মনে রাখার টিপস: মঙ্গোলিয়া ও চীনের এশিয়া মহাদেশে গোবি মরুভূমি অবস্থিত।
a ২৪শে আগষ্ট
b ২৪শে সেপ্টেম্বর
c ২৪শে অক্টোবর
d ২৪শে নভেম্বর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪শে অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল এবং বিশ্বব্যাপী সংস্থাটির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। - ১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এই দিনটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪শে আগষ্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক সংশ্লিষ্টতা নেই। B) ২৪শে সেপ্টেম্বর — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরুর সাধারণ সময়, জাতিসংঘ দিবস নয়। D) ২৪শে নভেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও দিবস অক্টোবর মাসের চব্বিশ তারিখে উদযাপিত হয়।
a ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া
b কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা
c রামপাল, বাগেরহাট
d ঈশ্বরদী, পাবনা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরদী, পাবনা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মার তীরবর্তী রূপপুরে অবস্থিত। - রাশিয়া সরকারের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া — এটি কুষ্টিয়া জেলার একটি উপজেলা, যেখানে ভেড়ামারা ৩৬০ মেগাওয়াট কম্বাইনড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। B) কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা — এটি ঢাকা জেলার একটি ঐতিহাসিক ও জনবহুল উপজেলা, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) রামপাল, বাগেরহাট — এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত, যেখানে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট অবস্থিত। D) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এই অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত, যা পদ্মা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।
a আলতাফ মাহমুদ
b গাজী মাজহারুল আনোয়ার
c আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
d আলাউদ্দীন আলী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি" গানটির গীতিকার বা রচিয়তা হলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। - ভাষা শহীদদের স্মরণে রচিত এই গানটি পরবর্তী সময়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার, তবে এর রচিয়তা নন। B) গাজী মাজহারুল আনোয়ার — তিনি একজন বিখ্যাত গীতিকার হলেও এই ঐতিহাসিক গানটির রচিয়তা নন। C) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) আলাউদ্দীন আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন, এই গানের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের বিখ্যাত গানের কথা লিখেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এবং সুর করেছেন আলতাফ মাহমুদ।
a ব্যরোমিটার
b সিসমোগ্রাফ
c ম্যানোমিটার
d সেক্সট্যান্ট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিসমোগ্রাফ কেন সঠিক: - সিসমোগ্রাফ হলো ভূকম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব মাপা এবং রেকর্ড করার যন্ত্র। - এই যন্ত্রটি ভূত্বকের কম্পনকে গ্রাফ পেপারের ওপর রেখাচিত্রের মাধ্যমে দৃশ্যমান করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যরোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র, ভূমিকম্প নির্ণয় করে না। B) সিসমোগ্রাফ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভূমিকম্প নির্ণয়ের যন্ত্র। C) ম্যানোমিটার — এটি কোনো গ্যাস বা তরলের চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র। D) সেক্সট্যান্ট — এটি দুটি দৃশ্যমান বস্তুর মধ্যে কোণ পরিমাপ করার যন্ত্র, যা মূলত নৌবিদ্যায় অক্ষাংশ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: সিসমিটি অর্থ ভূকম্পন, তাই ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
a ১০ই ডিসেম্বর
b ১১ই জানুয়ারি
c ১৫ই মার্চ
d ১৮ই মার্চ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ই ডিসেম্বর কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদন করে। - এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করার জন্য প্রতি বছর ১০ই ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ই ডিসেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস এবং সঠিক উত্তর। B) ১১ই জানুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। C) ১৫ই মার্চ — এটি বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়, মানবাধিকার দিবস নয়। D) ১৮ই মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নেই। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকার রক্ষার কথা মনে রাখতে ডিসেম্বর মাসের দশ তারিখটি মনে রাখুন।
a তালিকাভুক্ত ব্যাংক
b বাণিজ্যিক ব্যাংক
c অ-তফসিলি ব্যাংক
d কোনটি নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ-তফসিলি ব্যাংক কেন সঠিক: - গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর বিধানের আওতায় গঠিত হলেও এটি সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মতো তপসিলভুক্ত ব্যাংক নয়। - এটি একটি বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে এবং এটি আলাদা আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তালিকাভুক্ত ব্যাংক — এটি সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংক বোঝায়, যা গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) বাণিজ্যিক ব্যাংক — এটি মুনাফাভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক মূলত সামাজিক ব্যবসা ও ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে কাজ করে। C) অ-তফসিলি ব্যাংক — এই উত্তরটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং তপসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রামীণ ব্যাংক সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো নয়, তাই এটি একটি অ-তফসিলি ব্যাংক।
a জাপান
b কোরিয়া
c নরওয়ে
d সুদান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরওয়ে কেন সঠিক: - নরওয়ে ইউরোপের উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত একটি দেশ, যার একটি অংশ সুমেরু বৃত্তের মধ্যে পড়ে। - মে থেকে জুলাই মাসের নির্দিষ্ট সময়ে এই দেশের কিছু অংশে সূর্য দিগন্তের নিচে সম্পূর্ণ ডুবে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দেশ, যা উদীয়মান সূর্যের দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও নিশীথ সূর্যের দেশ নয়। B) কোরিয়া — এটি পূর্ব এশিয়ার একটি উপদ্বীপীয় দেশ, যা নিশীথ সূর্যের ভৌগোলিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) সুদান — এটি আফ্রিকার একটি দেশ, যেখানে নিরক্ষীয় অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে না। মনে রাখার টিপস: ন দিয়ে নরওয়ে এবং ন দিয়ে নিশীথ সূর্য, এভাবে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a নাইট্রাস অক্সাইড
b কার্বন ডাই-অক্সাইড
c ক্লোরোফ্লোরা কার্বন
d নাইট্রোজেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - নাইট্রোজেন বায়ুমণ্ডলের একটি প্রধান উপাদান হলেও এটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়। - এটি তাপ শোষণ করে ধরে রাখতে পারে না, তাই জলবায়ু পরিবর্তনে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস যা তাপ আটকে রাখতে পারে। B) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী প্রধান গ্রিন হাউজ গ্যাস। C) ক্লোরোফ্লোরা কার্বন — এটি ওজোন স্তর ধ্বংসকারী এবং অত্যন্ত শক্তিশালী একটি গ্রিন হাউজ গ্যাস। D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের ৭৮ শতাংশ থাকা নাইট্রোজেন গ্যাস কখনো গ্রিন হাউজ গ্যাস হতে পারে না।
a সাধারণ পরিষদ
b নিরাপত্তা পরিষদ
c জাতিসংঘ সচিবালয়
d আর্ন্তজাতিক আদালত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ সচিবালয় কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সচিবালয় বিশ্ব সংস্থার দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করে থাকে। - এটি জাতিসংঘের অন্যান্য প্রধান অঙ্গসংস্থাসমূহের পলিসি বা নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ পরিষদ — এটি জাতিসংঘের প্রধান নীত নির্ধারণী ও আলোচনামূলক সভা, কোনো প্রশাসনিক অঙ্গ নয়। B) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করে। C) জাতিসংঘ সচিবালয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশ্ব সংস্থার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করে। D) আর্ন্তজাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক শাখা হিসেবে আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসা করে। মনে রাখার টিপস: সচিবালয় মানেই প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু, তাই জাতিসংঘের প্রশাসনিক কাজ করে সচিবালয়।
a বরিশাল
b সিলেট
c ময়মনসিংহ
d রংপুর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ বাংলাদেশের নবম ও সর্বশেষ গঠিত বিভাগ এবং আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ। - এর আয়তন প্রায় ১০,৪৮৮ বর্গকিলোমিটার এবং এর অধীনে ৪টি জেলা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল — বরিশাল বাংলাদেশের একটি বিভাগ যার আয়তন ময়মনসিংহ বিভাগের চেয়ে বড়। B) সিলেট — সিলেট বাংলাদেশের অন্যতম একটি বিভাগ যা ময়মনসিংহ বিভাগের চেয়ে আয়তনে বড়। D) রংপুর — রংপুর বাংলাদেশের একটি বিভাগ এবং এর আয়তন ময়মনসিংহ বিভাগের চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ।
a সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
b পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
c সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়
d পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রণালয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - সরকার প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে ২০১৪ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে ভেঙে দুটি নতুন মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করে। - এর মধ্যে সড়ক পরিবহন অংশের দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন নামকরণ করা হয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নতুন নাম এটিই। B) পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় — এই নামে কোনো সরকারি মন্ত্রণালয় গঠিত হয়নি। C) সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় — মন্ত্রণালয়টির পূর্ণাঙ্গ নামে সেতুর অংশটিও যুক্ত আছে। D) পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রণালয় — এটি وزارتটির সঠিক বা দাপ্তরিক নাম নয়। মনে রাখার টিপস: যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ভেঙে যাওয়ার পর সড়ক ও সেতু একসঙ্গে যুক্ত হয়ে বর্তমান নামটি হয়েছে।
a 0.0132
b 0.0133
c 0.0137
d 0.0143
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১৩৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর হালনাগাদ জনশুমারি অনুযায়ী দেশের বর্তমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% বা দশমিক আকারে ০.০১৩৭। - অর্থনৈতিক ও জনমিতি সূচকে দেশের জন্মহার এবং মৃত্যুহারের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে এই বৃদ্ধির হার নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০১৫০ — এটি অতীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি উচ্চ হার ছিল, যা বর্তমান হালনাগাদ তথ্যের সাথে মিলে না। B) ০.০১৩৩ — এই সংখ্যাটি সাম্প্রতিক জনশুমারির সঠিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নির্দেশ করে না। C) ০.০১৩৭ — এটি বর্তমান হালনাগাদ প্রতিবেদনের সাথে মিলে যায় এবং প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। D) ০.০১৪৩ — এটি বিগত বছরের তুলনামূলক কিছুটা বেশি বৃদ্ধির হার, যা বর্তমানের সঠিক পরিসংখ্যান নয়। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার মনে রাখতে ১.৩৭% সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা দশমিক হিসেবে লিখলে ০.০১৩৭ হয়।
a ড. ফারজানা ইসলাম
b খালেদা একরাম
c রাশেদা কে চৌধুরী
d ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. ফারজানা ইসলাম কেন সঠিক: - ড. ফারজানা ইসলাম ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান এবং তিনিই বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য। - তিনি এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে দেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে নারী নেতৃত্বের পথপ্রদর্শক হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. ফারজানা ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) খালেদা একরাম — তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রথম নারী উপাচার্য ছিলেন, দেশের প্রথম নন। C) রাশেদা কে চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, তবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন না। D) ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী — তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার, উপাচার্য নন। মনে রাখার টিপস: ফারজানা মানে প্রথম জানা, যিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য।
a সাহিত্যে
b শান্তিতে
c চিকিৎসায়
d অর্থনীতিতে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শান্তিতে কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে শিশু অধিকার ও শিক্ষা প্রসারের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তারা যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - মালালা ইউসুফজাই পাকিস্তানের এবং কৈলাশ সত্যার্থী ভারতের নাগরিক হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্যে — এই ক্ষেত্রে সৃজনশীল সাহিত্যকর্মের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়, যা এই বিজয়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) চিকিৎসায় — চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরতত্ত্বে অবদানের জন্য এই ক্ষেত্রে পুরস্কার দেওয়া হয়, যা এদের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) অর্থনীতিতে — অর্থনৈতিক গবেষণা বা তাত্ত্বিক অবদানের জন্য এই ক্ষেত্রে পুরস্কার দেওয়া হয়, যা এই পুরস্কারের সঙ্গে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার জন্য লড়েছেন যারা, শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন তারা।
a বাবা
b মা
c প্রবীণ ব্যক্তি
d বড় ভাই
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মা কেন সঠিক: - গারো সমাজ একটি মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা অনুসরণ করে যেখানে বংশ ও সম্পত্তি মায়ের দিক থেকে নির্ধারিত হয়। - এই সমাজে মায়েদের প্রাধান্য থাকায় পারিবারিক ও সামাজিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীরা মূল ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবা — গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক হওয়ায় পরিবারে বাবার প্রধান ভূমিকা থাকে না। C) প্রবীণ ব্যক্তি — সমাজে মুরুব্বিদের সম্মান করা হলেও তারা এককভাবে পরিবারের প্রধান নন। D) বড় ভাই — পুরুষতান্ত্রিক সমাজের মতো এখানে বড় ভাইয়ের হাতে পারিবারিক নেতৃত্ব থাকে না। মনে রাখার টিপস: গারো মানেই মাতৃপ্রধান পরিবার।
a ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল
b ১৯৭০ সালের ১৭ এপ্রিল
c ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
d ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম বিপ্লবী সরকার বা অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং স্বাধীনতার ঘোষণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল — এই সময়ে তৎকালীন পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের পর জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিত করাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছিল, কোনো সরকার গঠিত হয়নি। B) ১৯৭০ সালের ১৭ এপ্রিল — এই তারিখটি ভুল, কারণ ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই বছর কোনো অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়নি। D) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল — এটি অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ এবং মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় এই সরকার শপথ নিয়েছিল, গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল। মনে রাখার টিপস: গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল, এই দুটি তারিখ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।

মোট প্রশ্ন (25)

a হিন্দি
b সংস্কৃত
c প্রাকৃত
d ইংরেজী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া যা মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার প্রভাবে পুষ্ট হওয়ায় এর বহু ব্যাকরণিক নিয়ম ও শব্দভাণ্ডার সংস্কৃত থেকে সরাসরি এসেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসংগতির দিক থেকে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদ এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে একাধিক পদ মিলে একটি সংক্ষিপ্ত পদ গঠিত হয়েছে, যা সমাসের নিয়ম মেনে চলে। উদাহরণ ২: দেশ রক্ষার্থে কাজ করা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের প্রভাবে বাংলায় প্রচলিত একটি সামাজিক ও তৎসম শব্দভিত্তিক সমাসবদ্ধ পদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ব্যাকরণের সমাসের রীতি আসেনি, বরং হিন্দি নিজেই প্রাকৃত ও অপভ্রংশ থেকে উদ্ভূত। C) প্রাকৃত — প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম ও রূপান্তর ঘটলেও সমাসের মূল ব্যাকরণিক রীতি সংস্কৃত থেকে সরাসরি এসেছে। D) ইংরেজী — ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলার ধ্বনি বা রূপতত্ত্বের প্রভাব থাকলেও সমাসের প্রাচীন ভারতীয় রীতি আসেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস ও সন্ধি উভয় ব্যাকরণিক রীতিই সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ব্যাকরণে এসেছে। তৎসম শব্দে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের প্রায় সিংহভাগ তৎসম নিয়ম সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। শব্দমূল ও ব্যাকরণিক কাঠামোর উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃতকে প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
a বচ্ + ক্ত
b বচ্ + উক্তি
c √বচ্ + ক্তি
d বচ্ + তি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √বচ্ + ক্তি ১. কেন সঠিক: - উক্তি শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √বচ্ যোগ ক্তি। এখানে বচ্ হলো ধাতু এবং ক্তি হলো প্রত্যয়। - ধাতু বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়, যা ব্যাকরণে প্রত্যয় সাধিত শব্দ নামে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়। এখানে √বচ্ একটি ধাতু এবং ক্তি একটি কৃৎ প্রত্যয়। - সংস্কৃতে ক্তি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ক্ত থাকে এবং তা কখনো ক্তি হিসেবে প্রযুক্ত হয়, যা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠনে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √বচ্ + ক্তি = উক্তি ব্যাখ্যা: বচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে উক্তি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ বলা বা কথন। উদাহরণ ২: √ভজ্ + ক্তি = ভক্তি ব্যাখ্যা: ভজ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তি শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা একই নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বচ্ + ক্ত — এখানে ধাতুর পূর্বে রুট চিহ্ন নেই এবং ক্তি প্রত্যয়ের পরিবর্তে ক্ত ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। B) বচ্ + উক্তি — উক্তি একটি সম্পূর্ণ সাধিত শব্দ, এটি কোনো প্রত্যয় হতে পারে না। D) বচ্ + তি — এখানে ক্তি প্রত্যয়ের পরিবর্তে শুধু তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ধাতু চেনার জন্য সর্বদা তার আগে রুট চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে। ক্তি প্রত্যয়যুক্ত শব্দ গঠনে √বচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি যুক্ত হয় এটি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃৎ প্রত্যয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার সময় সঠিক প্রত্যয় এবং রুট চিহ্নের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a গুজরাটি
b তুর্কি
c পর্তুগীজ
d বার্মিজ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গুজরাটি ১. কেন সঠিক: - ‘হরতাল’ শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - কোনো ভাষা থেকে আগত শব্দকে উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগের ক্ষেত্রে বৈদেশিক বা বিদেশি শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে গুজরাটি শব্দ খুবই কম রয়েছে। - ব্যবসা বা অন্যান্য ঐতিহাসিক যোগাযোগের মাধ্যমে কিছু গুজরাটি শব্দ বাংলা শব্দভান্ডারে স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খদ্দর ব্যাখ্যা: খদ্দর একটি গুজরাটি শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চোঙ্গা ব্যাখ্যা: চোঙ্গা শব্দটি গুজরাটি ভাষা থেকে আগত আরেকটি পরিচিত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গুজরাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ‘হরতাল’ শব্দটি মূলত গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে। B) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ এসেছে যেমন দারোগা, চাকর, বাবুর্চি, তবে হরতাল তুর্কি শব্দ নয়। C) পর্তুগীজ — পর্তুগীজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আনারস, চাবি, বালতি ইত্যাদি শব্দ এসেছে, হরতাল আসেনি। D) বার্মিজ — বার্মিজ বা মগ ভাষা থেকে লুঙ্গি, ফুঙ্গি ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, হরতাল তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - গুজরাটি শব্দ মনে রাখার কৌশল হিসেবে মনে রাখতে পারো বাজারে হরতাল ডেকে খদ্দর পরে চোঙ্গা ফুঁকছে। - এই বাক্যের হরতাল, খদ্দর ও চোঙ্গা শব্দ তিনটি প্রধান গুজরাটি শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে কম প্রচলিত ভাষার শব্দ যেমন গুজরাটি বা পাঞ্জাবি শব্দগুলো ভালো করে পড়তে হবে।
a যে নারীর কোনো সন্তান হয় না.
b যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে
c যে নারীর সন্তান বাঁচে না
d যে মেয়ের বিয়ে হয়নি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যে মেয়ের বিয়ে হয়নি ১. কেন সঠিক: - 'অনূঢ়া' শব্দটির এককথায় প্রকাশের সঠিক অর্থ হলো যে মেয়ের এখনো বিয়ে বা পরিণয় হয়নি। - এখানে 'ন' বা 'না' অর্থে নঞ তৎপুরুষ বা নঞর্থক উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে যা অবিবাহিত অবস্থাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো একটিমাত্র শব্দ বা পদের মাধ্যমে ভাবকে সম্পূর্ণ প্রকাশ করার মাধ্যম। - 'উঢ়া' শব্দের অর্থ বিবাহিতা, আর তার সঙ্গে নঞর্থক 'অ' যুক্ত হয়ে 'অনূঢ়া' অর্থাৎ অবিবাহিতা বা যার বিয়ে হয়নি বুঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ+সূর্যম্পশ্যা = যে নারী কখনো সূর্য দেখেনি। ব্যাখ্যা: সূর্যালোক দেখার সুযোগ পায়নি এমন অন্তঃপুরবাসিনী নারীকে এককথায় সূর্যম্পশ্যা বলা হয়। উদাহরণ ২: অ+মৃত = যা মরে না। ব্যাখ্যা: মৃত্যুর অতীত বা অবিনশ্বর বস্তু বা বিষয়কে এককথায় অমৃত বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যে নারীর কোনো সন্তান হয় না — এই বাক্যটির সঠিক সংকোচন হলো বন্ধ্য্যা বা বন্ধ্যা। B) যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে — এই বাক্যটির সঠিক সংকোচন হলো বীরপ্রসূ। C) যে নারীর সন্তান বাঁচে না — এই বাক্যটির সঠিক সংকোচন হলো মৃতবৎসা। D) যে মেয়ের বিয়ে হয়নি — এই অপশনটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ মিলে যায় কারণ এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো অনূঢ়া। ৫. মনে রাখার টিপস: - 'উঢ়া' মানে বিবাহিতা এবং এর আগে 'অ' যুক্ত হলে অবিবাহিতা বোঝায়। - পরীক্ষার হলে 'অনূঢ়া' দেখলে মনে রাখবে এটি শুধু অবিবাহিত মেয়েকে নির্দেশ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বৈবাহিক অবস্থা সংক্রান্ত এককথায় প্রকাশগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a সন্তান
b সৎ মা
c ঢাকী
d ঘোষজা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৎ মা ১. কেন সঠিক: যে সকল শব্দের কোনো পুরুষবাচক রূপ থাকে না এবং যারা জন্মগতভাবে বা প্রাকৃতিকভাবে কেবল স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাদেরকে কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। সৎ মা এমন একটি বিশেষ শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ বাংলায় ব্যাকরণগতভাবে তৈরি হয় না, তাই এটি কেবল স্ত্রীবাচক শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ পাওয়া যায় যেগুলোর কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ থাকে না। এই জাতীয় শব্দগুলোকে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এদের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: এয়োস্ত্রী ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটি শুধুমাত্র নারীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণে নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সন্তান — সন্তান একটি উভলিঙ্গ শব্দ যা নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝাতে পারে এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে কন্যাসন্তান ব্যবহার করা যায়। B) সৎ মা — এই অপশনটি সঠিক এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। C) ঢাকী — ঢাকী শব্দটি পুরুষবাচক শব্দ এবং এর স্ত্রীবাচক রূপ হলো ঢাকিনী। D) ঘোষজা — ঘোষজা একটি বিশেষ শব্দ যার মূল পুরুষবাচক রূপ ঘোষ পাওয়া যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: যে সমস্ত শব্দ দিয়ে জন্মগতভাবে কেবল নারী বা মা জাতীয় সম্পর্ক বোঝায় কিন্তু পুরুষবাচক জোড় নেই, সেগুলো কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো আয়ত্ত করা সহজ হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কেবল স্ত্রীবাচক বা কেবল পুরুষবাচক শব্দের ব্যতিক্রম থেকে প্রশ্ন আসে। নিয়ম না জেনে মুখস্থ করার পরিবর্তে শব্দের অর্থ এবং ব্যবহার বুঝে উত্তর নির্বাচন করা উচিত।
a বিদ্বান
b গায়ক
c কোকিল
d দাদা
0 105 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিদ্বান ১. কেন সঠিক: - বিদ্বান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ ভিন্ন বা আলাদা শব্দ যোগ করে গঠিত হয় না, বরং এর স্ত্রীলিঙ্গ রূপ সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হিসেবে বিদ্বুষী ব্যবহৃত হয়। - এখানে লিঙ্গ পরিবর্তনের সাধারণ নিয়ম বা কোনো প্রত্যয় যুক্ত না হয়ে শব্দের রূপই পরিবর্তিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু শব্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রতিশব্দ দ্বারা স্ত্রীলিঙ্গ রূপ লাভ করে। - এই ধরনের শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক শব্দের মধ্যে কোনো মিল থাকে না এবং এগুলো মুখস্থ রাখতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাগল ও পাগলী ব্যাখ্যা: এটি সাধারণ নিয়মে প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীলিঙ্গ। উদাহরণ ২: বাবা ও মা ব্যাখ্যা: এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ বা ইতরবাচক শব্দ দ্বারা গঠিত লিঙ্গ পরিবর্তনের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্বান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর স্ত্রীলিঙ্গ বিদ্বুষী যা একটি ভিন্ন শব্দ। B) গায়ক — এটি ভুল কারণ গায়ক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ গায়িকা যা প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়, ভিন্ন শব্দ নয়। C) কোকিল — এটি ভুল কারণ কোকিল শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ কোকিলা যা আ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়। D) দাদা — এটি ভুল কারণ দাদা শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ দাদী বা দিদি যা ভিন্ন শব্দ বা প্রত্যয় যোগে হয়, তবে এটি প্রশ্নে চাওয়া ভিন্ন শব্দের ব্যাকরণগত নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - যেসব পুরুষবাচক শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ রূপ সম্পূর্ণ বদলে যায়, সেগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়লে সহজে মনে রাখা যায়। - বিদ্বান শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ সব সময় বিদ্বুষী হয়, এটি পরীক্ষায় খুব বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভিন্ন শব্দ যোগে গঠিত স্ত্রীলিঙ্গ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যেমন রাজা থেকে রানী, এবং পাগলা থেকে পাগলী শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a দ্বীপ্যমান
b দীপ্তমান
c দীপ্যমান
d দেদীপ্যমান
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দেদীপ্যমান ১. কেন সঠিক: - 'দীপ্তি পাচ্ছে এমন' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো দেদীপ্যমান। - এটি মূলত বিশেষ্য পদের বিশেষণ রূপ যা তীব্রভাবে আলো ছড়ানো বোঝাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি একটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ যা সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। - ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বর্তমান অবস্থাসূচক বিশেষণ পদ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মান্য করার যোগ্য = মান্য ব্যাখ্যা: কোনো নিয়ম বা ব্যক্তিকে সম্মান দেখানোর উপযুক্ত বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি = অপূর্ব ব্যাখ্যা: কোনো সাধারণ বা অসাধারণ ঘটনার ক্ষেত্রে যা আগে চোখে পড়েনি তা বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বীপ্যমান — বানানটি ভুল কারণ এখানে দীর্ঘী বা সঠিক প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়নি। B) দীপ্তমান — এটি দীপ্তি আছে এমন বোঝায় কিন্তু ক্রমাগত বা বিশেষ দ্যোতনা প্রকাশ করে না। C) দীপ্যমান — এই বানানটিতে অতিরিক্ত বা ভুল বর্ণ বিন্যাস রয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। D) দেদীপ্যমান — এটি প্রশ্নানুসারে সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - বড় অর্থ প্রকাশ করতে হলে বড় শব্দটি অর্থাৎ দেদীপ্যমান নির্বাচন করতে হবে। - দ্বিরুক্তি বা জোর বোঝাতে এই শব্দটিতে বিশেষ প্রত্যয়গত পরিবর্তন ঘটে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বানান ভুল অপশনগুলো প্রায়ই বিভ্রান্ত করে। - তাই সঠিক বানান এবং প্রত্যয়যুক্ত রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a শৈল
b অদ্রি
c মেদিনী
d অচল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেদিনী ১. কেন সঠিক: - 'মেদিনী' শব্দটির অর্থ পৃথিবী বা অবনী, যা পাহাড় বা পর্বতের সমার্থক শব্দ নয়। - প্রশ্নটিতে কোনটি পর্বতের সমার্থক শব্দ নয় তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই মেদিনী সঠিক উত্তর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ আলাদা হলেও অর্থ একই বা কাছাকাছি হয়। - পর্বত শব্দের অর্থ পাহাড়, যা মূলত ভূতাত্ত্বিক কারণে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা পৃথিবীর উঁচু ভূভাগ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি মেদিনী শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ বিশ্ব বা ধরণী। উদাহরণ ২: অবনী ব্যাখ্যা: এটিও পৃথিবী বা মেদিনী শব্দের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈল — এটি পর্বত শব্দের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক নয়। B) অদ্রি — এটিও পর্বত বা পাহাড়ের একটি সমার্থক শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। C) মেদিনী — এটি পৃথিবী বা ধরার সমার্থক, তাই এটিই পর্বতের সমার্থক নয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) অচল — যা চলে না বা স্থির, এই অর্থে পর্বতকে অচল বলা হয় এবং এটি পর্বতের সমার্থক। ৫ মনে রাখার টিপস: - পর্বত, শৈল, অদ্রি, অচল এগুলো পাহাড় বোঝায় এবং মেদিনী পৃথিবী বোঝায়। - পৃথিবী বা মেদিনী সংক্রান্ত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে দেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হয়। - প্রকৃতি ও পৃথিবীবাচক শব্দের পার্থক্য বুঝতে পারলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a মহাজন
b পরতন্ত্র
c তিরোভাব
d শাঁস
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মহাজন ১. কেন সঠিক: খাতক শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা ধার গ্রহণ করেছে। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা টাকা ধার দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বিপরীতার্থক শব্দ সম্পর্কিত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে পারস্পরিক বিপরীত বা উল্টো ভাব প্রকাশ পেলে তাদের বিপরীতার্থক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা হলো যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা হলো যে বিক্রি করে, যা পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: আয় ও ব্যয় ব্যাখ্যা: আয় অর্থ উপার্জন এবং ব্যয় অর্থ খরচ, যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাজন — এটি সঠিক উত্তর কারণ খাতক বা ঋণগ্রহীতার বিপরীত হলো মহাজন বা ঋণদাতা। B) পরতন্ত্র — এর অর্থ অন্যের অধীন, যার বিপরীত শব্দ স্বাধীন, তাই এটি খাতকের বিপরীত নয়। C) তিরোভাব — এর অর্থ অদৃশ্য হওয়া, যার বিপরীত শব্দ আবির্ভাব, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) শাঁস — এটি ফলের ভেতরের নরম অংশ বা সারবস্তু বোঝায়, যার বিপরীত ছাল বা খোসা। ৫. মনে রাখার টিপস: ঋণ লেনদেনের ক্ষেত্রে যে টাকা নেয় সে খাতক এবং যে টাকা দেয় সে মহাজন, এভাবে মনে রাখা সহজ। বাস্তব জীবনের আর্থিক লেনদেন মাথায় রাখলে এই ধরনের বিপরীত শব্দ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাণিজ্যিক বা সামাজিক সম্পর্কের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই খাতক, মহাজন, ক্রেতা, বিক্রেতা, দাতা ও গ্রহীতা এই শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সবিতা
b তপন
c আদিত্য
d বিধু
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিধু ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি চাঁদের একটি সরাসরি সমার্থক শব্দ। বিধু শব্দের অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ হিসেবে চন্দ্র, শশধর, সুধাংশু, শাঁক ইত্যাদি শব্দের পাশাপাশি বিধু শব্দটি প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সমস্ত শব্দ যেগুলো ভিন্ন রূপের হলেও একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি উৎস থেকে নানা সমার্থক শব্দ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশধর ব্যাখ্যা: এটি চাঁদের একটি প্রাচীন ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ যার অর্থ যার কোলে শসা বা খরগোশের আকৃতি দেখা যায়। উদাহরণ ২: সুধাংশু ব্যাখ্যা: সুধা বা অমৃত ধারণ করে যে, তাই সুধাংশু অর্থাৎ চাঁদ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবিতা — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ, চাঁদের নয়। B) তপন — এটিও সূর্যের একটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। C) আদিত্য — এটি সূর্যের আরেকটি সমার্থক শব্দ। D) বিধু — এটি চাঁদের সঠিক সমার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সূর্য সম্পর্কিত শব্দগুলোর সাথে চাঁদ সম্পর্কিত শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলবে না। - সবিতা, তপন, আদিত্য হলো সূর্য আর বিধু, শশধর, চন্দ্র হলো চাঁদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চন্দ্র ও সূর্য সংক্রান্ত সমার্থক শব্দগুলো বারবার আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই শব্দগুলোর পার্থক্য মনে রাখতে হবে।
a কোলন
b সেমিকোলন
c ড্যাস
d কমা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোলন ১. কেন সঠিক: - একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা বা ব্যাখ্যা করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। - বাক্যে বক্তব্য সম্পূর্ণ না করে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এই জ্যোতিচিহ্নের প্রয়োগ অপরিহার্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য কোলন (:) ব্যবহৃত হয়। - এটি মূলত একটি বাক্যের ধারাবাহিকতায় অন্য একটি ভাব বা উদাহরণের অবতারণা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভায় সিদ্ধান্ত হলো: আগামী শুক্রবার সভা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যাখ্যা: প্রথম অপূর্ণ বাক্যের ভাব স্পষ্ট করতে কোলন ব্যবহার করে পরের বাক্য আনা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন মূলত দুই ভাগে বিভক্ত: জন্ম এবং মৃত্যু। ব্যাখ্যা: জীবন সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে কোলনের সাহায্যে পরের অংশ যুক্ত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য বাক্যের অবতারণা করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। B) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে, অপূর্ণ বাক্যের অবতারণায় এটি বসে না। C) ড্যাস — থামার বা বিরতির পরিমাণ বোঝাতে এবং প্রমিত বাক্যে যৌগিক বা মিশ্র বাক্যের সংযোগে ড্যাস ব্যবহৃত হয়। D) কমা — সামান্য বিরতি বোঝাতে কমা বসে, যা বাক্যের অবতারণা করার জন্য যথেষ্ট নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোলন মানেই হলো এগিয়ে যাওয়া বা সামনে কিছু বিশদভাবে বলা। - অপূর্ণ বাক্যের পর ব্যাখ্যা দিতে হলে সর্বদা কোলন বসবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্যোতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - কোলন এবং ড্যাসের ব্যবহারের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a জমিদারী
b পোদ্দারী
c উমেদারী
d সরকারী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পোদ্দারী ১. কেন সঠিক: - পোদ্দার শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ঈ প্রত্যय যুক্ত হয়ে পোদ্দারী শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ পোদ্দারি বৃত্তি বা পেশা। - পোদ্দার বলতে মূলত মুদ্রা পরিবর্তনকারী বা অর্থ লেনদেনের পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মে বিশেষ্য শব্দের উত্তর দীর্ঘ ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বৃত্তি, ভাব বা পেশা অর্থে নতুন শব্দ গঠিত হয়। - এখানে পোদ্দার একটি বিশেষ্য পদ এবং এর সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পেশা বা বৃত্তি অর্থে পোদ্দারী পদটি তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনশীরাণী ব্যাখ্যা: মুনশি শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মুনশির বৃত্তি বা পেশা বোঝাতে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কেরানিণী ব্যাখ্যা: কেরানি শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কেরানির বৃত্তি অর্থে এই বিশেষ্য পদটি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জমিদারী — জমিদার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হলেও এটি বৃত্তি অর্থে নয় বরং অধিকার বা ভূসম্পত্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। B) পোদ্দারী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে পোদ্দারের বৃত্তি বা পেশা অর্থ প্রকাশ করছে। C) উমেদারী — উমেদার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রার্থীর চাকরিপ্রত্যাশার ভাব বা তদবির অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) সরকারী — সরকার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সরকারি বা রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক বোঝাতে বিশেষণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুদ্রা বা টাকা পয়সা লেনদেনের পেশা বোঝাতে পোদ্দার শব্দের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত হয়। - বৃত্তি বা পেশা বোঝাতে বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের সঙ্গে ঈ প্রত্যয় যুক্ত করার নিয়মটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই পেশা বা বৃত্তি অর্থবোধক শব্দগুলো জানতে চাওয়া হয়। - শব্দগুলোর মূল অর্থ এবং প্রত্যয়ের কার্যকারিতা ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a ছেলেরা ফুটবল খেলছে
b মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে
c বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায়
d শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায় কেন সঠিক: বাক্যে বাঘ এবং মহিষ দুটি কর্তা একত্রে একই ধরনের কাজ পরিচালনা করছে। উভয় কর্তা মিলে কাজটি সম্পন্ন করার কারণে এটি ব্যতিহার কর্তার সঠিক উদাহরণ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে বাক্যে দুটি কর্তা একত্রে একই সময়ে একই জাতীয় ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে ব্যতিহার কর্তা বলে। বাংলা ব্যাকরণের কারক অধ্যায়ে কর্তাকারকের বিভিন্ন প্রকারভেদের মধ্যে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। যেমন রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় কিংবা পাগলে কি না বলে ছাগলে কি না খায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছেলেরা ফুটবল খেলছে — এটি সাধারণ বহুপদ কর্তা বা সাধারণ কর্তার উদাহরণ কারণ এখানে ছেলেরা একসাথে দলগতভাবে খেলছে। B) মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে — এটি মুখ্য কর্তা বা অপ্রাণীবাচক কর্তার উদাহরণ কারণ এখানে প্রকৃতির একটি স্বাভাবিক উপাদান নিজে কাজ করছে। C) বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খায় — এই অপশনটি মূলত সঠিক উত্তরের পুনরাবৃত্তি হিসেবে ভুলবশত অপশন হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। D) শিক্ষক ছাত্রদের ব্যাকরণ পড়াচ্ছেন — এটি প্রযোজক কর্তা এবং প্রযোজ্য কর্তার উদাহরণ কারণ শিক্ষক মূল কর্তা আর ছাত্ররা তার দ্বারা প্রভাবিত। মনে রাখার টিপস: যৌথভাবে বা পরস্পরের মধ্যে প্রতিযোগিতা বা একই কাজ বোঝালে ব্যতিহার কর্তা হয়। বাক্যের দুই কর্তার মধ্যে সাধারণত একটি পারষ্পরিক সম্পর্ক বা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
a করবার
b করার
c করিবার
d করে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) করিবার ১. কেন সঠিক: - করিবার শব্দটি সাধু রীতির ক্রিয়া পদ, যা চলিত রীতির শব্দ নয়। - সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ এবং সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তনশীল হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা রূপের দিক থেকে দুটি প্রধান রীতিতে বিভক্ত, যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি। - সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ ও দীর্ঘ হয়, যেমন করিবার, খাইয়াছি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চলিত রূপ: খাচ্ছি, সাধু রূপ: খাইতেছি। ব্যাখ্যা: এখানে চলিত রীতির সংক্ষিপ্ত রূপের বিপরীতে সাধু রীতিতে পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: চলিত রূপ: বলছ, সাধু রূপ: বলিতেছ। ব্যাখ্যা: এটি সাধু ও চলিত ক্রিয়াপদের পার্থক্যের আরেকটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করবার — এটি চলিত রীতির ক্রিয়াপদের একটি রূপ, তাই এটি সঠিক উত্তরের শর্ত পূরণ করে না। B) করার — এটি চলিত রীতির বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত ক্রিয়াপদ রূপ। C) করিবার — এটি সাধু রীতির শব্দ হওয়ায় প্রশ্নানুসারে এটি সঠিক উত্তর। D) করে — এটি চলিত রীতির অত্যন্ত পরিচিত ও প্রমিত ক্রিয়াপদ রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধু রীতির শব্দে সাধারণত ই, উ বা যুক্তবর্ণ বেশি থাকে, যা চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত হয়। - ক্রিয়াপদের রূপ দেখে সাধু ও চলিত রীতি সহজে চেনা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির রূপান্তর প্রায়ই আসে। - ক্রিয়াপদ ও অনুসর্গের রূপ পরিবর্তন খেয়াল করলেই এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর করা সম্ভব।
a কর্মে শূন্য
b কর্তায় শূন্য
c কর্তায় ষষ্ঠী
d কর্মে ষষ্ঠী
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তায় ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার সম্পাদনকারীকে কর্তা বলে এবং এখানে যাওয়া কাজটি যার দ্বারা বা যার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে, সেই আমার পদটি কর্তাকারক। - আমার শব্দের সাথে র বা এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ষষ্ঠী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয় এবং সব মিলিয়ে এটি কর্তায় ষষ্ঠী কারক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কারক হলো বাক्यात স্থিত ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের সম্পর্ক এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে কারক নির্ণয় করা জরুরি। - ষষ্ঠী বিভক্তির রূপ হলো র বা এর, যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে সম্বন্ধ পদ বা কারকে বিভক্তি হিসেবে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাজার এ কথা শুনে হাসি পেল। ব্যাখ্যা: এখানে রাজা পদের সাথে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্তায় ষষ্ঠী কারক হয়েছে। উদাহরণ ২: আমার খাওয়া হলো না। ব্যাখ্যা: ঠিক মূল প্রশ্নের গঠনের মতো এখানেও আমার পদটি কর্তায় ষষ্ঠী কারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে শূন্য — কর্ম কারকে কোনো বিভক্তি না থাকলে শূন্য হয়, কিন্তু এখানে কর্ম নেই এবং ষষ্ঠী বিভক্তি রয়েছে। B) কর্তায় শূন্য — কর্তাকারক ঠিক থাকলেও এখানে শূন্য বিভক্তি নেই, কারণ শব্দের সাথে র বিভক্তি যুক্ত আছে। D) কর্মে ষষ্ঠী — বাক্যে কর্মপদ নেই এবং এটি কর্মকারক নয়, বরং ক্রিয়ার সম্পাদনকারী হওয়ায় এটি কর্তা কারক। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমার, তোমার, তাহার জাতীয় সর্বনাম পদের সাথে র বা এর যুক্ত থাকলে সাধারণত তা কর্তায় ষষ্ঠী বিভক্তি হয়। - বাচ্য পরিবর্তনের সময় এই ধরনের বাক্য প্রায়শই দেখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ভাববাচ্যের বা কর্মবাচ্যের বাক্যে কর্তার সাথে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ ব্যাকরণগত বৈশিষ্ট্য। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী কারক প্রায়ই আসে, তাই ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a বহুব্রীহি
b দ্বিগু
c তৎপুরুষ
d কর্মধারয়
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বহুব্রীহি ১. কেন সঠিক: - চার চাল বা চালা যার = চৌচালা। এখানে সমাসবদ্ধ পদটি পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ প্রকাশ না করে একটি নতুন বা অন্য অর্থ অর্থাৎ নির্দিষ্ট এক ধরনের ঘর বা ছাদকে বোঝাচ্ছে। - বহুব্রীহি সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী, যে সমসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাস প্রধানত সমার্থক বা ভিন্নার্থক পদের মিলনে গঠিত হয় যেখানে সমস্তপদটি অন্য কোনো বিশেষ্য পদের বিশেষণ হিসেবে কাজ করে। - সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী দ্বিগু সমাস হওয়ার কথা থাকলেও, সমস্তপদটি যদি তৃতীয় কোনো বস্তু বা অবস্থাকে নির্দেশ করে তবে তা বহুব্রীহি সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সেতার (সে তার আছে যার) ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি তারের সমাহার না বুঝিয়ে একটি বাদ্যযন্ত্রকে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি বহুব্রীহি সমাস। উদাহরণ ২: দশানন (দশ আনন বা মাথা যার) ব্যাখ্যা: এখানে সংখ্যা থাকলেও তা দশটি মাথা বিশিষ্ট রাক্ষসরাজ রাবণকে বোঝায়, যা বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বহুব্রীহি — এটি সঠিক উত্তর কারণ সমস্তপদটি অন্য অর্থ প্রকাশ করেছে। B) দ্বিগু — সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যের সমাসে সমাহার বোঝালে দ্বিগু হয়, কিন্তু এখানে সমাহার না বুঝিয়ে অন্য অর্থ বোঝানো হয়েছে। C) তৎপুরুষ — পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হলে তৎপুরুষ সমাস হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কর্মধারয় — বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে পরপদের অর্থ প্রধান হলে কর্মধারয় সমাস হয়, যা এখানে মেলেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলে অন্ধভাবে দ্বিগু সমাস দাগাবে না। সমস্তপদটি অন্য কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে বোঝালে সেটি নিশ্চিতভাবে বহুব্রীহি সমাস হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চৌচালা, সেতার, চৌপায়া শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্বিগু ও বহুব্রীহি সমাসের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে আসে। অর্থ বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a নিষ্কর
b পরস্পর
c সন্তাপ
d ষষ্ঠ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পরস্পর ১. কেন সঠিক: - পরস্পর শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। - সাধারণ সন্ধির কোনো নিয়ম বা সূত্র এখানে প্রযোজ্য হয় না, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সব শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে সন্ধিবদ্ধ হয় না, তাদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। - প্র ও পরস্পর শব্দ দুটি মিলে নিপাতনে পরস্পর গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গবেষণা ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি অত্যন্ত পরিচিত শব্দ যা গো যোগ এষণা মিলে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: পরিষ্কার ব্যাখ্যা: এটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির একটি উদাহরণ যা পরি যোগ কার মিলে গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিষ্কর — এটি বিসর্গ সন্ধির একটি সঠিক উদাহরণ যেখানে নি যোগ কর মিলে নিষ্কর হয়। B) পরস্পর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি। C) সন্তাপ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি নিয়ম অনুযায়ী সম যোগ তাপ মিলে সন্তাপ হয়। D) ষষ্ঠ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে ষষ্ যোগ থ মিলে গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধারণ নিয়ম না মানলেই তা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হিসেবে গণ্য হয়। - প্র যোগ পরস্পর মিলে পরস্পর শব্দ গঠিত হয়, যা পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগে এই ধরনের ব্যতিক্রমী শব্দগুলো বারবার পরীক্ষিত হয়।
a লো + অন
b লো + বন
c ল + বন
d লৈ + বন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লো + অন ১. কেন সঠিক: - এটি একটি স্বরসন্ধির নিয়ম, যেখানে ও-কার বা ঔ-কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে অব বা আব হয়। - লো শব্দের ও-কার এবং অন শব্দের অ মিলে অব যুক্ত হয়ে লবণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের আদি ও অনাদি সন্ধি নিয়মের আওতাধীন একটি বিশেষ নিয়ম। - ও-কারের পর অ থাকলে ও-এর স্থানে অব হয়, যা পরে অন শব্দের অ এর সাথে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পো + অন = পবন ব্যাখ্যা: ও-কার ও অ মিলে অব হয়ে পবন শব্দটি তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: ভো + অন = ভবন ব্যাখ্যা: ও-কার ও অ মিলে অব হয়ে ভবন শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লো + অন — এটি সঠিক কারণ নিয়মানুযায়ী ও-কার ও অ মিলে অব হয়। B) লো + বন — এখানে বন আলাদা শব্দ হিসেবে যুক্ত হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের বাইরে। C) ল + বন — এখানে মূল শব্দের রূপ এবং সন্ধির নিয়ম সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। D) লৈ + বন — লৈ হলো ঔ-কারযুক্ত, যা থেকে লবন বা অন্য শব্দ হতে পারে কিন্তু লবণ হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ও-কারযুক্ত শব্দের সাথে অন যোগ থাকলে সন্ধি করার সময় ও-কার বদলে অব ধরে শব্দ তৈরি করবে। - পবন, ভবন এবং লবণ শব্দগুলো একই নিয়মে গঠিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় এই সন্ধিটি প্রায়ই ব্যতিক্রমী নিয়মের শব্দ হিসেবে আসে। - গবাদি পশুর গোর + আদি সন্ধির মতোই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রশ্ন।
a অপচয় করলে অভাবে পড়তে হয়
b অপচয় অভাবের মূল কারণ
c অপচয় করোনা অভাবও হবে না
d অভাব থেকে বাঁচার জন্য অপচয় রোধ জরুরী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপচয় করোনা অভাবও হবে না ১. কেন সঠিক: - Waste not, want not এটি একটি বিখ্যাত ইংরেজি প্রবাদ বাক্য, যার ভাবানুবাদ হলো অপচয় না করলে ভবিষ্যতে অভাব বা কষ্ট করতে হয় না। - প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি মূল ইংরেজি প্রবাদের ভাবার্থ এবং গঠন কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ ও নির্ভুল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রবাদ-প্রবচন হলো লোকসাহিত্যের অংশ যা যুগ যুগ ধরে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে এবং এর মাধ্যমে গভীর জীবনদর্শন প্রকাশ পায়। - ইংরেজি প্রবাদগুলোর বাংলা অনুবাদ করার সময় আক্ষরিক অর্থ না ধরে সাধারণত এর ভাবার্থ বা মূল শিক্ষাটি ফুটিয়ে তুলতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Strike while the iron is hot. ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো ঝোপ বুঝে কোপ মারা বা সুযোগের সদ্ব্যবহার করা। উদাহরণ ২: A barking dog seldom bites. ব্যাখ্যা: এর সঠিক ভাবানুবাদ হলো গর্জে ওঠা ইঁদুর বা গরজে বর্ষে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপচয় করলে অভাবে পড়তে হয় — এটি একটি সম্ভাব্য অনুবাদ হলেও মূল প্রবাদের না সূচক গঠন অর্থাৎ কর না ভাব এখানে সরাসরি রক্ষা করা হয়নি। B) অপচয় অভাবের মূল কারণ — এটি একটি সাধারণ সত্যমূলক বাক্য হলেও Waste not, want not প্রবাদটির সঠিক রূপান্তর বা ভাবার্থ নয়। C) অপচয় করোনা অভাবও হবে না — এটি প্রবাদের মূল ভাব ও কাঠামোর সঙ্গে নিখুঁতভাবে মিলে যাওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়েছে। D) অভাব থেকে বাঁচার জন্য অপচয় রোধ জরুরী — এটি একটি উপদেশমূলক বাক্য বা পরামর্শ, যা মূল প্রবাদের সংক্ষিপ্ত ও সরাসরি ভাবানুবাদ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি প্রবাদে Waste (অপচয়) থাকলে বাংলায় না বোধক শব্দ এবং want (অভাব) থাকলে অভাব না হওয়ার কথা আসবে। - প্রবাদ মুখস্থ না করে এর ভেতরের অন্তর্নিহিত শিক্ষা বা উপদেশটি মনে রাখলে যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচনের ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ প্রায়ই আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদগুলোর ভাবানুবাদ বারবার চর্চা করতে হবে। - আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রবাদের ক্ষেত্রে অর্থপূর্ণ ভাবানুবাদকেই সর্বদাই প্রাধান্য দিতে হবে।
a ভাষার উন্নতি
b জ্ঞান চর্চার
c ভাষার শৃঙ্খলার
d কাব্য রচনার
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জ্ঞান চর্চার ১. কেন সঠিক: অনুবাদ হলো এক ভাষার জ্ঞান ও ভাব অন্য ভাষায় সফলভাবে রূপান্তর করার মাধ্যম। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের নতুন জ্ঞান, বিজ্ঞান ও সাহিত্য অনুবাদের মাধ্যমে নিজের ভাষায় সহজে উপলব্ধ হয়, যা জ্ঞান চর্চার পরিধিকে বহুগুণ প্রসারিত করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অনুবাদ সাহিত্য এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের আদান-প্রদানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্য ভাষার গ্রন্থ মাতৃভাষায় রূপান্তরিত হলে সাধারণ পাঠকের পক্ষে তা অর্জন ও চর্চা করা সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইশপ ফাবল বা পঞ্চতন্ত্রের গল্প বাংলায় অনুবাদ করা। ব্যাখ্যা: এই অনুবাদগুলোর মাধ্যমে শিশুরা বিশ্বমানের নৈতিক শিক্ষা ও জ্ঞান সহজে লাভ করতে পারে। উদাহরণ ২: শেক্সপিয়ারের নাটক বা বিজ্ঞানের বই বাংলায় অনুবাদ করা। ব্যাখ্যা: এটি বাংলাভাষী পাঠকদের জন্য বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এবং জ্ঞান চর্চার পথ উন্মুক্ত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষার উন্নতি — ভাষার স্বাভাবিক বিকাশ ও অভ্যন্তরীণ ব্যাকরণগত চর্চার মাধ্যমে ভাষার উন্নতি ঘটে, কেবল অনুবাদের ওপর এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে না। B) জ্ঞান চর্চার — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিশ্বমানের জ্ঞান ও তথ্যভাণ্ডারে প্রবেশের প্রধান চাবিকাঠি হলো অনুবাদ। C) ভাষার শৃঙ্খলার — ভাষার শৃঙ্খলা নির্ভর করে তার ব্যাকরণ, উচ্চারণ এবং প্রমিত রীতির ওপর, অনুবাদের ওপর নয়। D) কাব্য রচনার — কাব্য রচনা মূলত কবির নিজস্ব মেধা, প্রতিভা এবং মৌলিক সৃজনশীলতার ফল, যা অনুবাদের মূল উদ্দেশ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অনুবাদ মানেই ভিনদেশি জানা অজানা জ্ঞানকে নিজের ভাষায় নিয়ে আসা। তাই অনুবাদের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র বা সহায়ক দিক হলো জ্ঞান চর্চা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসলে জ্ঞান চর্চা, ভাববিনিময় কিংবা বিশ্বসাহিত্যের প্রসারের মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় ভাষা ও সাহিত্য অংশের সাধারণ বোধগম্যতা যাচাই করতে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে।
a ভালো হওয়া
b গড়িমসি
c ক্ষণতরে
d চিরতরে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চিরতরে ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি ফ্রেজ 'For good' এর বাংলা প্রমিত অর্থ হলো চিরতরে বা স্থায়ীভাবে। - এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ যার আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ ধরতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি মূলত একটি পারিভাষিক শব্দ বা ইডিয়ম ও ফ্রেজ এর আওতাভুক্ত প্রশ্ন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বা ফ্রেজের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এর প্রমিত ব্যবহার জানতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: He has left the country for good. ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ফ্রেজটি চিরতরে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ তিনি চিরতরে দেশ ত্যাগ করেছেন। উদাহরণ ২: The decision was made for good. ব্যাখ্যা: এখানে সিদ্ধান্তটি স্থায়ীভাবে বা চিরকালের মতো নেওয়া হয়েছে বোঝাতে এই ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভালো হওয়া — এই অপশনটি ফ্রেজটির আক্ষরিক অনুবাদের চেষ্টা করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) গড়িমসি — এই অপশনটি একটি ভিন্নার্থক বাংলা শব্দ এবং এর সঙ্গে প্রশ্নকৃত ফ্রেজের কোনো মিল নেই। C) ক্ষণতরে — এই অপশনটি চিরতরে শব্দের বিপরীতার্থক বা স্বল্প সময় বোঝায় যা এই ফ্রেজের উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। D) চিরতরে — এই অপশনটি ফ্রেজটির সঠিক এবং প্রমিত বাংলা অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফরেভার বা চিরকাল বোঝাতে 'For good' ব্যবহার করা হয়, যেখানে গুড শব্দটি ভালো অর্থ না দিয়ে স্থায়িত্ব বোঝায়। - এই ধরনের ফ্রেজ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে প্রমিত ভাবার্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের ইংরেজি ফ্রেজের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - প্রমিত বাংলা প্রতিশব্দ জানার জন্য নিয়মিত বিগত বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি।
a সাধুরীতি
b চলিতরীতি
c কথ্যরীতি
d বানানরীতি
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলিতরীতি কেন সঠিক: ১. চলিতরীতিতে তদ্ভব ও অর্ধতদ্ভব শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে কারণ এটি মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি এবং সহজবোধ্য। ২. এই রীতি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার বিবর্তনের পথ ধরে বাংলা ভাষার স্বাভাবিক রূপকে ধারণ করে গড়ে উঠেছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎসের ওপর ভিত্তি করে সাধু ও চলিত রূপের তফাত নির্ধারিত হয় এবং চলিতরীতি মূলত তদ্ভব শব্দপ্রধান। ২. উনিশ শতকের শেষের দিকে এবং বিংশ শতকের শুরুতে মুখের ভাষাকে ভিত্তি করে এই চলিতরীতি সাহিত্যের বাহন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ৩. যেমন সাধুরীতির হস্ত শব্দের চলিত রূপ হাত এবং মস্তক শব্দের চলিত রূপ মাথা, যা মূলত তদ্ভব শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধুরীতি - এই রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের আধিক্য দেখা যায় এবং এর রূপ তুলনামূলক জটিল ও প্রাচীন। B) চলিতরীতি - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি তদ্ভব শব্দবহুল। C) কথ্যরীতি - এটি আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ এবং পরিবর্তনশীল হওয়ায় একে নির্দিষ্ট কোনো রূপের মানদণ্ড বলা যায় না। D) বানানরীতি - এটি শব্দের সঠিক বানানের নিয়ম নির্ধারণ করে, কোনো ভাষার রূপ বা শব্দের উৎস নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: ১. সাধু মানে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের জাদু, আর চলিত মানে তদ্ভব শব্দের কথ্য রূপের আলো। ২. মুখে যা বলি অর্থাৎ চলিত ভাষায় তদ্ভব শব্দ বেশি থাকে, আর বইয়ের সাধু ভাষায় তৎসম শব্দ বেশি থাকে।
a হাইফেন
b কমা
c দাঁড়ি
d লোপ চিহ্ন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কমা ১. কেন সঠিক: - বাংলা বাক্যে বিরতি বোঝাতে বা আলাদা করতে কমা ব্যবহৃত হয় এবং ঠিকানা লেখার সময় ছোট অংশ থেকে বড় অংশে যাওয়ার পথে কমা বসে। - বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কমা (,) বসাতে হয় যাতে ঠিকানা স্পষ্ট ও আলাদাভাবে বোঝা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জ্যোতি বা ছেদচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য লেখার মধ্যে যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণে সম্বোধন পদের পরে, ঠিকানায় একাধিক অংশ আলাদা করতে এবং বাড়ির বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা চিহ্ন ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাড়ি নং ১২, রোড নং ৫, ধানমন্ডি, ঢাকা। ব্যাখ্যা: এখানে বাড়ির নম্বর ও রাস্তার নম্বরের পরে কমা ব্যবহার করে ঠিকানা আলাদা করা হয়েছে। উদাহরণ ২: হোল্ডিং ৩/এ, ব্লক সি, গুলশান, ঢাকা। ব্যাখ্যা: এখানেও বাড়ির বা হোল্ডিং নম্বরের পরে কমা বসিয়ে ঠিকানা স্পষ্ট করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইফেন — হাইফেন মূলত দুটি শব্দকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, ঠিকানা বা নম্বরের পরে এটি বসে না। B) কমা — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসানোর নিয়ম রয়েছে। C) দাঁড়ি — দাঁড়ি বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে, তাই বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে এটি ব্যবহার করা যায় না। D) লোপ চিহ্ন — লোপ চিহ্ন কোনো বর্ণ বা স্বরধ্বনি উহ্য বা বাদ পড়েছে তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ঠিকানায় বসে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঠিকানা লেখার সময় ছোট থেকে বড় এককের দিকে যেতে হয় এবং প্রতি ধাপে কমা ব্যবহার করতে হয়। - বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরপরই কমা বসে এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো পরীক্ষার ঠিকানা সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে BCS এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - চিঠিপত্র বা ফরম পূরণের সময় ঠিকানা লেখার নিয়মগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের ব্যাকরণগত প্রশ্ন ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a সমীচীন
b সমিচিন
c সমীচিন
d সমিচীন
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমীচীন ১. কেন সঠিক: সমীচীন বানানটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটিই একমাত্র সঠিক ও গ্রহণযোগ্য বানানরূপ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বানane ই-কার ও ঈ-কারের ব্যবহার সংক্রান্ত নিয়মে এই শব্দটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ যার উভয় ই-কারই দীর্ঘ ই হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুষমা তার লেখা প্রবন্ধে একটি সমীচীন সিদ্ধান্ত তুলে ধরেছে। ব্যাখ্যা: এখানে সমীচীন শব্দটির সঠিক রূপ প্রয়োগ করা হয়েছে যা বাক্যটিকে প্রমিত করেছে। উদাহরণ ২: বর্তমান পরিস্থিতিতে এই প্রস্তাবটি অত্যন্ত সমীচীন। ব্যাখ্যা: শব্দটি সঠিক বানানে লেখার ফলে বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত শুদ্ধতা রক্ষা পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীচীন — এটি সঠিক বানান কারণ এতে উভয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার রয়েছে। B) সমিচিন — এটি ভুল বানান কারণ এতে প্রথম ও দ্বিতীয় উভয় বর্ণেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। C) সমীচিন — এটি ভুল বানান কারণ এর শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। D) সমিচীন — এটি ভুল বানান কারণ এর প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সমীচীন বানানে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার বসে। অর্থাৎ শব্দটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে দুই ই-ই দীর্ঘ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি অত্যন্তFrequently আসে। বানানের ক্ষেত্রে শেষের দুটি বর্ণে দীর্ঘ ই-কার দেওয়ার নিয়মটি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a একই স্বভাবের
b মূর্খ
c কপট ব্যক্তি
d দীর্ঘজীবী
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দীর্ঘজীবী ১. কেন সঠিক: - ভুষণ্ডির কাক বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘজীবী বা অত্যন্ত দীর্ঘায়ু ব্যক্তি। - পুরাণ মতে ভুষণ্ডী নামের একটি কাকের দীর্ঘায়ু লাভের কাহিনী থেকে এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব বা প্রকাশভঙ্গি ফুটিয়ে তোলে। - এটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে এবং ভাবকে অত্যন্ত সুন্দর ও সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল গুড়ুম ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ হতবুদ্ধি হওয়া বা অবাক হয়ে যাওয়া। উদাহরণ ২: ঢাকের কাঠি ব্যাখ্যা: এই বাগধারাটির অর্থ চাটুকার বা তদ্বিরকারী ব্যক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একই স্বভাবের — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'এক তিল দুই ভাণ্ড' বা 'সাপের বর' বাগধারা ব্যবহার করা হয়। B) মূর্খ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'গোবর গণেশ' বা 'অর্ধচন্দ্র' বাগধারা ব্যবহার করা হয়। C) কপট ব্যক্তি — এই অর্থ প্রকাশের জন্য 'বকের ধামাচাপা' বা 'বিড়ালের তপস্বী' বাগধারা ব্যবহার করা হয়। D) দীর্ঘজীবী — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভুষণ্ডির কাক মানেই অত্যন্ত দীর্ঘজীবী ব্যক্তি। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাক সাধারণত দীর্ঘদিন বাঁচে বলে জনশ্রুতি আছে এবং পুরাণ অনুসারে ভুষণ্ডী কাকের বয়স অনেক বেশি ছিল। - এভাবে কাকের দীর্ঘ জীবনকাল মনে রেখে ভুষণ্ডির কাক মানে দীর্ঘজীবী তা খুব সহজেই মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক বা ঐতিহাসিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলোর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - তাই বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের উৎস বা অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে পড়লে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

মোট প্রশ্ন (25)

a make
b makes
c made
d make/makes
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) make কেন সঠিক: - গণিতের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক সংখ্যা যোগ করলে তা একটি একক পরিমাপ বা গাণিতিক সত্য প্রকাশ করে, যা একবচন হিসেবে গণ্য হয়। - তবে প্রথাগত ব্যাকরণে গণিতের যোগ বোঝাতে Subject হিসেবে Two and two-এর ক্ষেত্রে verb-এর বহুবচন (make) রূপটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) make — এটি grammatically সঠিক এবং ঐতিহ্যগতভাবে প্রমিত নিয়মে ব্যবহৃত হয়। B) makes — প্রদত্ত উত্তরটি ভুল কারণ প্রথাগত ইংরেজি ব্যাকরণে এই বাক্যে plural verb ব্যবহৃত হয়। C) made — এটি past tense নির্দেশ করে, যা চিরন্তন সত্য বা গাণিতিক বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। D) make/makes — একসাথে দুটি রূপ সঠিক হতে পারে না, কারণ নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। মনে রাখার টিপস: গাণিতিক যোগফল প্রকাশের ক্ষেত্রে ইংরেজি প্রবাদে এবং প্রচলিত নিয়মে Two and two make four লেখাটিই সঠিক বলে বিবেচিত হয়।
a Impartial
b Static
c Impolite
d Danger
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Danger কেন সঠিক: Hazard শব্দের বাংলা অর্থ হলো বিপদ বা ঝুঁকি। Danger শব্দটির অর্থও একই রকম বিপদ নির্দেশ করে। তাই এটি hazard শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। অন্য কোনো শব্দ এর কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Impartial - এই শব্দটির অর্থ নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতহীন, যা hazard শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। B) Static - এই শব্দটির অর্থ স্থির বা অপরিবর্তনীয়, যা hazard শব্দের বিপরীত ধারণা দেয়। C) Impolite - এই শব্দটির অর্থ অসভ্য বা অমায়িক, যা মানুষের আচরণের সাথে সম্পর্কিত। D) Danger - এই অপশনটি সঠিক এবং এটি hazard শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Hazard এবং Danger দুটি শব্দই জীবনের যেকোনো ঝুঁকি বা বিপদের ক্ষেত্রে একসাথে মনে রাখা যায়।
a simply
b simplify
c simplicity
d simplication
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) simplicity কেন সঠিক: simple শব্দটির Noun বা বিশেষ্য রূপ হলো simplicity যার অর্থ সরলতা। শব্দের শেষে ty যুক্ত করে সাধারণত Adjective থেকে Noun গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) simply — এটি একটি Adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। B) simplify — এটি একটি Verb কারণ এর শেষে fy যুক্ত আছে। C) simplicity — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে প্রযোজ্য নয়। D) simplication — এটি একটি ভুল বানান এবং এর সঠিক রূপ simplification যা একটি Verb থেকে আসা Noun। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ty বা ness থাকলে সাধারণত সেটি Noun হয়।
a Unemployment is a stale when a man has no work to earn money
b Unemployment is a state for a man who has no work to earn money
c Unemployment is a state of a man who has no work.
d Unemployment is the condition of a man who has no work
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Unemployment is a state for a man who has no work to earn money কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যটিতে দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করতে Relative Pronoun 'who' ব্যবহার করা হয়েছে, যা Complex Sentence-এর গঠন নির্দেশ করে। - এখানে 'who' অব্যয়টি পূর্ববর্তী নাউন 'man'-কে নির্দেশ করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unemployment is a stale when a man has no work to earn money — এখানে 'stale' বানান ভুল এবং 'when' ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত কাঠামো সঠিক হয়নি। B) Unemployment is a state for a man who has no work to earn money — এটি সঠিক উত্তর। C) Unemployment is a state of a man who has no work. — এখানে শেষের অংশ অসম্পূর্ণ এবং মূল বাক্যের 'to earn money' অংশটি বাদ পড়েছে। D) Unemployment is the condition of a man who has no work — এখানে মূল বাক্যের মূল শব্দ 'state' পরিবর্তন করে 'condition' করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত অংশ বাদ পড়েছে। মনে রাখার টিপস: Simple Sentence-এর কোনো নাউনকে Complex করার সময় who বা which যুক্ত করে Adclause Clause তৈরি করতে হয়।
a Who wishes to be unhappy?
b Who wishes to be happy?
c Who does not wish to be unhappy?
d Does nobody wish to be happy?
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who wishes to be unhappy? কেন সঠিক: প্রদত্ত Assertive বাক্যে Nobody থাকলে Interrogative করার সময় Nobody-এর পরিবর্তে Who বসে এবং বাকি অংশ অপরিবর্তিত থাকে। এই নিয়মে বাক্যটি দাঁড়াই Who wishes to be unhappy? যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। B — Who wishes to be happy? লিখলে মূল বাক্যের unhappy শব্দটি বদলে happy হয়ে যায়, যা অর্থ পরিবর্তন করে ফেলে। C — Who does not wish to be unhappy? লিখলে বাক্যে একটি অতিরিক্ত না-বোধক শব্দ চলে আসে, যা মূল বাক্যের অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D — Does nobody wish to be happy? লিখলে এটি একটি হ্যা-বোধক প্রশ্ন হয়ে যায় এবং মূল বাক্যের অর্থ ও গঠন উভয়ই বদলে যায়। মনে রাখার টিপস: Assertive বাক্যে Nobody থাকলে Interrogative করার সময় শুধু Nobody-এর জায়গায় Who বসিয়ে বাকি অংশ লিখে শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যায়।
a Della was not too poor to buy a gift for Jim.
b Della was so poor that he could not buy a gift for Jim.
c Della was so poor that she could not buy a gift for Jim.
d Della was so poor that she cannot buy a gift for Jim.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Della was so poor that she could not buy a gift for Jim. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যের 'too...to' গঠনকে নেগেটিভ করার নিয়ম অনুযায়ী 'too' এর পরিবর্তে 'so' এবং 'to' এর পরিবর্তে 'that' বসে। এর পরের অংশে সাবজেক্টের সাথে বর্তমান বা অতীতকাল অনুযায়ী 'cannot' অথবা 'could not' ব্যবহার করতে হয়। এই বাক্যে মূল verb অতীতকালের হওয়ায় সঠিক নিয়মে 'could not' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Della was not too poor to buy a gift for Jim — এটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। B) Della was so poor that he could not buy a gift for Jim — এখানে সাবজেক্ট হিসেবে 'he' ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল, কারণ মূল বাক্যের সাবজেক্ট ছিল 'Della'। C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Della was so poor that she cannot buy a gift for Jim — এখানে বাক্যটি অতীতকালের হলেও শেষের অংশে বর্তমান কালের 'cannot' ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: too...to যুক্ত বাক্যকে so...that দিয়ে নেগেটিভ করার সময় টেন্সের দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং সঠিক প্রিপোনেন্ট বা প্রোনাউন ব্যবহার করতে হবে।
a by fits and starts
b by dint of
c by virtue of
d by leaps and bounds
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) by leaps and bounds কেন সঠিক: by leaps and bounds একটি বিখ্যাত বাগধারা যার অর্থ খুব দ্রুত গতিতে বা দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়া। চালের দাম যে অস্বাভাবিক ও দ্রুত গতিতে বাড়ছে তা বোঝাতে এই উপযুক্ত ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by fits and starts - এর অর্থ অনিয়মিতভাবে বা মাঝে মাঝে, যা এখানে দাম বাড়ার লাগাতার অবস্থাকে প্রকাশ করে না। B) by dint of - এর অর্থ কোনো কিছুর জোরে বা সাহায়্যে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। C) by virtue of - এর অর্থ বলে বা গুনে, যা কোনো বস্তুর দাম বৃদ্ধির কারণ বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: দাম বা কোনো কিছু খুব দ্রুত বাড়লে leaps and bounds ব্যবহার করবে।
a useful person
b important person
c unemployed person
d employed person
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) important person কেন সঠিক: ‘Big bug’ একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ নয়, বরং বিশেষ সামাজিক বা পেশাগত মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। সমাজে বা প্রতিষ্ঠানে যিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী তাকেই ‘important person’ বলা হয়। তাই সঠিক উত্তর অপশন বি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) useful person — এই শব্দগুচ্ছ দ্বারা কেবল কোনো কাজে লাগে এমন সাধারণ ব্যক্তিকে বোঝায়, কোনো প্রভাবশালী বা গুরুত্বপূর্ণ পদমর্যাদাকে নয়। B) important person — এটি সঠিক কারণ ‘Big bug’ বাগধারাটির মূল অর্থই হলো সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা প্রভাবশালী ব্যক্তি। C) unemployed person — এর অর্থ বেকার ব্যক্তি, যার সাথে ‘Big bug’ ইডিয়মের প্রভাবশালী অর্থের কোনো মিল নেই। D) employed person — এর অর্থ চাকরিজীবী বা কর্মক্ষম ব্যক্তি, যা দিয়ে বিশেষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: বড় পোকা বা ‘Big bug’ যেমন সবার চোখে পড়ে, তেমনি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও সবার কাছে পরিচিত হন।
a get by heart
b go with heart
c tried hard
d get hard
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) tried hard কেন সঠিক: Tooth and nail একটি ইংরেজি idiom যার অর্থ সর্বশক্তি দিয়ে বা কঠোর চেষ্টা করা। অপশন C তে থাকা tried hard কথাটির অর্থও খুব কঠিন চেষ্টা করা বা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) get by heart — এই idiom টির অর্থ মুখস্থ করা, যার সাথে প্রশ্নটির কোনো মিল নেই। B) go with heart — এটি কোনো প্রতিষ্ঠিত idiom নয় এবং এর অর্থও প্রশ্নটির সাথে মেলে না। C) tried hard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) get hard — এই শব্দগুচ্ছের অর্থ কঠিন হওয়া, যা মূল idioms এর অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: নখ ও দাঁত দিয়ে যেভাবে লড়াই করা হয়, তার মানে হলো কোনো কাজের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করা বা tried hard করা।
a at a stretch
b at large
c all along
d at random
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) at large কেন সঠিক: at large ফ্রেজটির অর্থ হলো স্বাধীনভাবে বা মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানো। পাখিরা আকাশে কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছাড়াই স্বাধীনভাবে ওড়ে বোঝাতে এটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at a stretch — এর অর্থ একটানা বা বিরতিহীনভাবে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। B) at large — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই। C) all along — এর অর্থ শুরু থেকেই বা সর্বদা, যা বাকстыর অর্থের সাথে মেলে না। D) at random — এর অর্থ এলোমেলোভাবে, তবে এটি সাধারণত কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনভাবে আকাশে ওড়ার ক্ষেত্রে at large ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a has rained
b has been raining
c is raining
d has rained/has been raining
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (ইংরেজি গ্রামার - Tense) সঠিক উত্তর: B) has been raining কেন সঠিক: - বাক্যে 'since morning' থাকায় এটি অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলমান কাজ বোঝাচ্ছে, যা Present Perfect Continuous Tense-এর নিয়ম। - প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি বই বা নির্দিষ্ট পরীক্ষার কিছুটা অসম্পূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ অপশন বিন্যাসের কারণে বিভ্রান্তিকর হতে পারে, তবে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক উত্তর শুধু B) has been raining হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) has rained — এটি Present Perfect Tense, যা অতীতের কাজ বোঝালেও 'since morning' এর সাথে চলমানতা প্রকাশ করতে এই tense ব্যবহার করা যায় না। B) has been raining — এটি Present Perfect Continuous Tense এবং 'since morning' এর সাথে এটি পুরোপুরি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। C) is raining — এটি Present Continuous Tense, যা নির্দিষ্ট কোনো সময়বিন্দু বা 'since morning' এর মতো দীর্ঘ সময় নির্দেশক শব্দাংশের সাথে বসে না। D) has rained/has been raining — এটি একটি অপ্রয়োজনীয় ডাবল অপশন যা নির্দিষ্ট কোনো একটি সঠিক উত্তর নির্ধারণের নিয়মের পরিপন্থী। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'since' বা 'for' এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে Present Perfect Continuous Tense (subject + have/has been + verb-ing) ব্যবহার করতে হয়।
a is
b are
c will
d was
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) is কেন সঠিক: বাক্যের মূল সাবজেক্ট হলো দ্য হেডমাস্টার, যা singular বা একবচন। along with বা with দ্বারা একাধিক সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে। তাই এখানে singular ভার্ব is বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) is — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। B) are — এটি plural ভার্ব হওয়ায় singular সাবজেক্ট দ্য হেডমাস্টারের সাথে বসে না। C) will — এটি ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যে today থাকায় বর্তমানকাল প্রযোজ্য। D) was — এটি অতীতকাল নির্দেশ করে, কিন্তু বাক্যে today থাকায় এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: along with এর আগের সাবজেক্ট যদি একবচন হয়, তবে ভার্বও একবচন হবে।
a give up
b gave up
c changed
d changing
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: বাক্যে it is high time বা it is time থাকলে তার পরের ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। তাই এখানে মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম বসে এবং সঠিক উত্তরটি নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) give up — এটি প্রেজেন্ট ফর্ম হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলে না এবং বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। B) gave up — এটি পাস্ট ফর্ম হলেও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের ক্ষেত্রে change ভার্বটি বেশি যথাযথ। C) changed — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। D) changing — আইএনজি যুক্ত ভার্ব পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে একা বসতে পারে না। মনে রাখার টিপস: It is high time এর পর সাবজেক্ট থাকলে সবসময় ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a the teacher enter the class
b do the teacher enter the class
c does the teacher enter the class
d had the teacher entered the class
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had the teacher entered the class কেন সঠিক: No sooner যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশে সাধারণত Past Perfect Tense হয় এবং সাবজেক্টের পরে had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে। এখানে D অপশনে had the teacher entered ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত। বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি Present Indefinite Tense এ থাকায় প্রথম অংশ Past Perfect Tense হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the teacher enter the class — এখানে কোনো সাহায্যকারী ভার্ব নেই এবং এটি সঠিক স্ট্রাকচার অনুসরণ করেনি। B) do the teacher enter the class — সাবজেক্ট singular হওয়া সত্ত্বেও do ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) does the teacher enter the class — Present Tense ব্যবহার করায় No sooner এর পরের নিয়মটি এখানে ভুল প্রমাণিত হয়। D) had the teacher entered the class — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: No sooner থাকলে মনে রাখবে এদের পরে had এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে এবং তার সাথে than যুক্ত থাকে।
a be
b am
c was
d were
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) were কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে I wish থাকলে এবং তা অসম্ভব কোনো কল্পনা বোঝালে সাবজেক্টের পর বি ভার্ব হিসেবে সবসময় were বসে। এখানে সাবজেক্ট I হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে were ব্যবহার করতে হয়। এটি অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশের একটি বিশেষ ব্যাকরণগত নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) be — এটি ভার্বের বেস ফর্ম হওয়ায় সাবজেক্টের পর সরাসরি এখানে বসে না। B) am — এটি বর্তমান কাল নির্দেশ করে, যা অতীত বা কাল্পনিক ইচ্ছার সাথে মিলে না। C) was — আধুনিক ইংরেজিতে কোথাও কোথাও প্রচলিত হলেও ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হিসেবে were ই স্ট্যান্ডার্ড। D) were — এটি সঠিক এবং এই অপশনটিই এখানে উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। মনে রাখার টিপস: I wish এর পরের অংশে কাল্পনিক কিছু বোঝালে সাবজেক্টের পর চোখ বন্ধ করে were বসিয়ে দেবে।
a Have you ever been to Cox’s Bazar?
b Did you ever go to Cox’s Bazar?
c Have you ever go to Cox’s Bazar?
d Have you gone to Cox’s Bazar?
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Have you ever been to Cox’s Bazar? কেন সঠিক: জীবনে কোথাও গিয়ে ফিরে আসার অভিজ্ঞতা বোঝাতে Present Perfect Tense-এ 'have/has + been to' ব্যবহার করতে হয়। এখানে বক্তা অতীতে কক্সবাজার গিয়েছেন কি না তা জানতে চাচ্ছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী 'have ... been to' সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) Did you ever go — এটি Past Indefinite Tense হওয়ায় বর্তমানের অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে এটি অনুপযুক্ত। C) Have you ever go — 'Have' এর পর মূল verb-এর Past Participle রূপ বসার কথা থাকলেও এখানে 'go' এর Present form ব্যবহৃত হয়েছে। D) Have you gone — 'gone to' ব্যবহার করলে বোঝায় ব্যক্তিটি এখনও সেখানেই আছেন, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা জানতে 'Have you ever been to' ব্যবহার করতে হয়।
a The child comes to me run.
b The child came to me running.
c The child came to me crying.
d The child came to me to cry.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The child came to me crying. কেন সঠিক: বাক্যে অতীতকালের ঘটনা বোঝাতে মূল verb এর পাস্ট ফর্ম came ব্যবহৃত হয়েছে। কাঁদতে কাঁদতে অর্থে বর্তমান কৃদন্ত বা participle বোঝাতে verb এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The child comes to me run — এখানে বাক্যটি বর্তমান কালে আছে এবং run verb টি সঠিক নিয়মে বসে নি। B) The child came to me running — এখানে দৌড়াতে দৌড়াতে অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। D) The child came to me to cry — এখানে ইনফিনিটিভ ব্যবহার করার ফলে কান্নার উদ্দেশ্যে আসার অর্থ প্রকাশ পায়, যা মূল ভাবের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজ করতে করতে অন্য কাজ সম্পন্ন হওয়া বোঝালে দ্বিতীয় verb টির সাথে ing যোগ করতে হয়।
a Brothers part.
b Brothers will part.
c Brothers will be part.
d Brothers have parted.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Brothers will part. কেন সঠিক: বাংলা প্রবাদ "ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই" মূলত ভবিষ্যতে ভাইদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ইংরেজি অনুবাদে এই চিরন্তন সত্য বা ভবিষ্যৎ সম্ভাব্যতা প্রকাশ করতে সাধারণ ভবিষ্যৎকাল বা Simple Future Tense ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Brothers part. — এটি Present Indefinite Tense-এ আছে, যা প্রবাদের নির্দিষ্ট ভবিষ্যৎ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। B) Brothers will part. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) Brothers will be part. — এখানে part শব্দটিকে verb এর বদলে noun হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যটিকে ভুল করে তোলে। D) Brothers have parted. — এটি Present Perfect Tense, যার অর্থ ভাইয়েরা ইতিমধ্যে আলাদা হয়ে গেছে কিন্তু প্রবাদের অর্থ আলাদা। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের অনুবাদ সবসময় শাশ্বত সত্য বা সাধারণ নিয়মে করতে হয়, তাই ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই এর ক্ষেত্রে will part ব্যবহার করতে হয়।
a He has a few friends.
b He has no friends.
c He has few friends.
d He has the few friends.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has few friends. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে নেই বললেই চলে অর্থ প্রকাশ করতে ইংরেজি grammar এ few শব্দটি ব্যবহার করা হয়। few শব্দটি countable noun এর আগে বসে এবং এটি নেতিবাচক বা না বোধক অর্থ দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has a few friends — a few বসালে তার কিছু বন্ধু আছে বোঝায়, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না। B) He has no friends — no বসালে তার কোনো বন্ধু নেই বোঝায়, কিন্তু প্রশ্নে নেই বললেই চলে বলা হয়েছে। C) He has few friends — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) He has the few friends — the few বсале নির্দিষ্ট কিছু বন্ধু বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: few মানে প্রায় নেই বললেই চলে, a few মানে কিছু আছে এবং the few মানে নির্দিষ্ট সবকটি।
a How strange man’s life was!
b How strange man’s life is!
c What an wonderful man’s life is!
d How wonderful a man’s life is!
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) How strange man’s life is! কেন সঠিক: বাক্যটি আবেগসূচক বা এক্সক্লামেটরি। বিস্ময় বোঝাতে How এর সাথে adjective এবং subject-verb বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এখানে অতীতের be verb ব্যবহার করা হয়েছে, যা বর্তমানের সার্বজনীন সত্যের সাথে মেলে না। B) B — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) C — wonderful শব্দের আগে an ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ এর শুরুতে consonant sound আছে। D) D — বাক্যটিতে strange এর পরিবর্তে wonderful ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বিস্ময়সূচক বাক্যে Adjective এর পূর্বে How এবং Noun এর পূর্বে What an ব্যবহার করতে হয়।
a he falls
b he may fall
c he should fall
d he fell down
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) he should fall কেন সঠিক: লেস্ট (lest) শব্দটির অর্থ পাছে ভয় হয় যে এবং এর পরে সাবজেক্টের পর সর্বদা শুড (should) বসে। বাক্যটির প্রথম অংশ প্রেজেন্ট টেন্সে থাকলেও লেস্টের পর নিয়ম অনুযায়ী শুড ব্যবহার করতে হয়। অন্য কোনো সাহায্যকারী ভাব এখানে ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he falls — লেস্ট এর পর প্রেজেন্ট টেন্স ব্যবহার করার কোনো নিয়ম ব্যাকরণে নেই। B) he may fall — মে (may) এর পরিবর্তে লেস্ট এর সাথে শুড (should) ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। C) he should fall — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। D) he fell down — পাস্ট টেন্স ব্যবহার করায় এই অপশনটি বর্তমানকালের বাক্যের সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে লেস্ট (lest) দেখলেই সাবজেক্টের পর চোখ বন্ধ করে শুড (should) বসিয়ে দেবে।
a I meet you
b I met you
c I help you
d I have met you
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I met you কেন সঠিক: It is + সময় + since এর নিয়ম অনুযায়ী since এর আগের অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। এখানে মূল ক্লজটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় পরের অংশে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের ভার্ব met ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I meet you — এখানে meet হলো প্রেজেন্ট টেন্স, যা সিন্স এর পরের অংশে পাস্ট টেন্সের নিয়মের সাথে মেলে না। B) I met you — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) I help you — এখানে help হলো প্রেজেন্ট টেন্স এবং অর্থের দিক থেকেও এটি এখানে উপযুক্ত নয়। D) I have met you — এখানে have met হলো প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা সিন্স এর নিয়মের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: It is many years since কাঠামোর প্রথম অংশে Present Indefinite Tense থাকলে পরের অংশে সবসময় Past Indefinite Tense বসবে।
a to tell a lie
b to take bribe
c to speak the truth
d to steal something
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to speak the truth কেন সঠিক: বাক্যে 'too...to' এর গঠন ব্যবহৃত হয়েছে যার অর্থ এতই যে না। একজন dishonest বা অসৎ মানুষ সাধারণত সত্যি কথা বলতে পারে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to tell a lie — অসৎ মানুষ মিথ্যা বলতে পারে তাই এটি অর্থপূর্ণ নয়। B) to take bribe — অসৎ মানুষ ঘুষ নিতে পারে তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to steal something — অসৎ মানুষ চুরি করতে পারে তাই এটি উত্তর হবে না। মনে রাখার টিপস: too...to কাঠামোর প্রথম অংশে নেতিবাচক বা ইতিবাচক যা থাকে তার ওপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় অংশের অর্থ মেলাতে হয়।
a I flew in the sky
b I could fly in the sky
c I fly in the sky
d I would have flown in the sky
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I could fly in the sky কেন সঠিক: বাক্যটি পাস্ট সাবজাংক্টিভ বা অবাস্তব শর্ত বোঝাতে প্রথম অংশ 'Had I' দিয়ে শুরু হয়েছে, যার অর্থ যদি আমার পাখির মতো ডানা থাকত। এই ধরনের অবাস্তব কল্পনার ফল প্রকাশ করতে প্রধান অংশে সাবজেক্টের পরে could এবং মূল ভার্বের বেইজ ফর্ম বসে। তাই সঠিক গঠন হলো could fly. বাকি অপশন কেন ভুল: A) I flew in the sky — এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের সাধারণ বাক্য, যা অবাস্তব শর্তের দ্বিতীয় অংশের নিয়মের সাথে মেলে না। B) I could fly in the sky — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I fly in the sky — এটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্স, যা পাস্ট সাবজাংক্টিভ বা অতীতের অবাস্তব কল্পনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। D) I would have flown in the sky — এটি থার্ড কন্ডিশনালের গঠন, কিন্তু প্রদত্ত বাক্যটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের নিয়মে গঠিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Had দিয়ে বাক্য শুরু হলে এবং তা অবাস্তব ইচ্ছা বোঝালে পরবর্তী অংশে would অথবা could এবং ভার্বের বেস ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
a when Bangladesh is born
b when Bangladesh came to being
c when Bangladesh came into being
d when Bangladesh comes to being
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) when Bangladesh came into being কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল এবং জন্মলাভ করেছিল, যার সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ হলো come into being। - বাক্যটি অতীতকালের ঘটনা নির্দেশ করায় এখানে verb-এর পাস্ট ফর্ম came ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when Bangladesh is born — বাক্যটি অতীতকালের (1971), তাই এখানে বর্তমানকালের সাহায্যকারী verb (is) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) when Bangladesh came to being — ইংরেজি প্রমিত ধারায় জন্মলাভ করা অর্থে come to being না হয়ে come into being হয়। D) when Bangladesh comes to being — সালটি ১৯৭১ হওয়ায় বর্তমানকালের verb (comes) এবং ভুল প্রিপজিশন (to) ব্যবহারের কারণে এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর আত্মপ্রকাশ বা জন্ম বোঝাতে come into being ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রিপজিশন হিসেবে into বসে।

মোট প্রশ্ন (25)

a ৪টি
b ৫টি
c ৬টি
d ৮টি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১২০° ধরি, বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ন বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১২০° = ৬০° অতএব, আমরা জানি, সুষম বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০° বাহুর সংখ্যা = ৩৬০° ÷ একটি বহিঃকোণের পরিমাণ সুতরাং, বাহুর সংখ্যা = ৩৬০° ÷ ৬০° = ৬ উত্তর: ৬টি
a 3
b 1
c -1
d 5
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) −১ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো ৩x২ − x + ৫ = ০ ধরি, সাধারণ দ্বিঘাত সমীকরণ হলো ax২ + bx + c = ০ অতএব, প্রদত্ত সমীকরণ এবং সাধারণ সমীকরণ তুলনা করে পাই x এর সহগ সুতরাং, চলক x এর সাথে গুণ আকারে আছে −১ উত্তর: −১
a 70
b 80
c 90
d 100
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: ২টি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো ১৯৯ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৯৯ ২ক + ১ = ১৯৯ সুতরাং, ২ক = ১৯৯ − ১ ২ক = ১৯৮ ক = ৯৯ উত্তর: বড় সংখ্যাটি = ৯৯ + ১ = ১০০
a 2
b 4
c 6
d 8
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ প্রদত্ত তথ্য: মূল রাশিটি হলো ৬(√৬৪) × (৩√২৭) ধরি, প্রথম অংশটি হলো ৬(√৬৪) দ্বিতীয় অংশটি হলো (৩√২৭) অতএব, ৬৪ এর বর্গমূল হলো ৮ ২৭ এর ঘনমূল হলো ৩ সুতরাং, ৬ গুণ ৮ ভাগ (৩ গুণ ৩) = ৪৮ ÷ ৯ উত্তর: ৬
a 1
b 2
c 4
d 14
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার যোগফল = ১৫ দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল = ১৩ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক + খ = ১৫ ক − খ = ১৩ সুতরাং, দুটি সমীকরণ বিয়োগ করে পাই, ২খ = ১৫ − ১৩ = ২ খ = ২ ÷ ২ = ১ উত্তর: ১
a ৪%
b ৫%
c ৭%
d ৮%
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫% প্রদত্ত তথ্য: বিক্রয়মূল্য = ৩৮০ টাকা ক্ষতি = ২০ টাকা ধরি, ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি অতএব, ক্রয়মূল্য = ৩৮০ + ২০ = ৪০০ টাকা সুতরাং, শতকরা ক্ষতি = (ক্ষতি ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% উত্তর: (২০ ÷ ৪০০) × ১০০% = ৫%
a 1
b 2
c 3
d 0
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x − ৪)^২ = ০ ধরি, সমীকরণটির উৎপাদক বিশ্লেষণ রূপ (x − ৪) × (x − ৪) = ০ অতএব, প্রথম মূল x − ৪ = ০ থেকে পাই x = ৪ দ্বিতীয় মূল x − ৪ = ০ থেকে পাই x = ৪ সুতরাং, সমীকরণের মূল দুটি সমান অর্থাৎ ৪ এবং ৪, যা মূলত একটি ভিন্ন ভিন্ন বাস্তব মূল নির্দেশ করে উত্তর: ১
a 0
b 1
c 2
d 3
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x + ২y = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x ÷ y = ২ ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x + ২y = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণ থেকে পাই x = ২y অতএব, প্রথম সমীকরণে x এর মান বসিয়ে পাই ২y + ২y = ৪ সুতরাং, ৪y = ৪ y = ১ উত্তর: x = ২ × ১ = ২
a সন্নিহিত কোণ
b পূরক কোণ
c বিপ্রতীপ কোণ
d সম্পূরক কোণ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্পূরক কোণ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা একশত আশি ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণটি ক ডিগ্রি দ্বিতীয় কোণটি খ ডিগ্রি অতএব, ক + খ = দুই সমকোণ বা একশত আশি ডিগ্রি সুতরাং, দুটি কোণের যোগফল একশত আশি ডিগ্রি হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে উত্তর: সম্পূরক কোণ
a 50° ও 50°
b 60° ও 40°
c 45°ও 45°
d 40° ও 40°
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫০° ও ৫০° প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের শীর্ষ কোণের মান ৮০° ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০° ধরি, অপর কোণদুটির প্রতিটি সমান ক° অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল = ৮০° + ক° + ক° = ১৮০° বা, ৮০° + ২ক° = ১৮০° সুতরাং, ২ক° = ১৮০° − ৮০° বা, ২ক° = ১০০° উত্তর: ক° = ৫০°
a 4
b 6
c 9
d 8
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদম এর ভিত্তি হলো √৩ এবং সংখ্যাটি হলো ৮১ ধরি, লগ √৩ এর ভিত্তি ৮১ এর মান সমান x অতএব, √৩ এর পাওয়ার x সমান ৮১ সুতরাং, ৩ এর পাওয়ার x ÷ ২ সমান ৩ এর পাওয়ার ৪ উত্তর: x সমান ৮
a 12
b 24
c 36
d 40
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = √৭ a − b = √৫ ধরি, প্রথম রাশি = ৮ab দ্বিতীয় রাশি = (a² + b²) অতএব, ৮ab কে লেখা যায় = ৪ab × ২ a² + b² এর অনুসিদ্ধান্ত = (a + b)² + (a − b)² ÷ ২ সুতরাং, ৪ab এর মান = (a + b)² − (a − b)² এর সূত্র ব্যবহার করে পাই, (√৭)² − (√৫)² = ৭ − ৫ = ২ উত্তর: ২ × (৭ + ৫) ÷ ২ × ২ = ২৪
a ২৫ লিটার
b ৩০ লিটার
c ৩৫ লিটার
d ৪০ লিটার
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪০ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৩০ লিটার এসিড ও পানির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, এসিডের পরিমাণ = ৭ক লিটার পানির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৩০ ১০ক = ৩০ সুতরাং, ক = ৩ এসিডের পরিমাণ = ৭ × ৩ = ২১ লিটার পানির পরিমাণ = ৩ × ৩ = ৯ লিটার উত্তর: নতুন পানি মেশানোর পর এসিডের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকবে। ২১ ÷ (৩ ÷ ৭) = ৪৯ লিটার পানি হবে। ৪৯ − ৯ = ৪০ লিটার পানি মেশাতে হবে।
a 230
b 210
c 200
d 190
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২১০ প্রদত্ত তথ্য: তিনটি পূর্ণ সংখ্যার গড় ১৫০ ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুইটির গড় ১২০ ধরি, তিনটি সংখ্যা যথাক্রমে ক, খ এবং গ যেখানে ক এবং খ হলো ক্ষুদ্রতম দুটি সংখ্যা অতএব, তিনটি সংখ্যার যোগফল = ১৫০ × ৩ = ৪৫০ ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দুইটির যোগফল = ১২০ × ২ = ২৪০ সুতরাং, বৃহত্তম সংখ্যাটি = ৪৫০ − ২৪০ উত্তর: ২১০
a ১০০°
b ১১৫°
c ১৩৫°
d ১৪০°
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চর্তুভুজের চার কোণের অনুপাত = ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০° ধরি, প্রথম কোণ = ১ক দ্বিতীয় কোণ = ২ক তৃতীয় কোণ = ২ক এবং চতুর্থ কোণ = ৩ক অতএব, অনুপাতগুলোর যোগফল = ১ + ২ + ২ + ৩ = ৮ এবং চার কোণের মোট সমষ্টি = ৩৬০° সুতরাং, ৮ক = ৩৬০° ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° উত্তর: বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪৫° = ১৩৫°
a a (a – 3)
b a – 3
c (a – 1) (a – 3)
d a (a – 1) (a – 3)
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a − ৩ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = a^২ − ৩a দ্বিতীয় রাশি = a^২ − ৯ তৃতীয় রাশি = a^২ − ৪a + ৩ ধরি, প্রথম রাশি থেকে পাই a(a − ৩) দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই (a + ৩)(a − ৩) তৃতীয় রাশি থেকে পাই (a − ৩)(a − ১) অতএব, প্রথম রাশির উৎপাদক = a এবং (a − ৩) দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (a + ৩) এবং (a − ৩) সুতরাং, তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (a − ৩) এবং (a − ১) নির্ণয় গসাগু = কমন উৎপাদক (a − ৩) উত্তর: a − ৩
a ৩৬ বর্গমিটার
b ৪২ বর্গমিটার
c ৪৮ বর্গমিটার
d ৫০ বর্গমিটার
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৮ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ভূমি = ১৬ মিটার অপর দুটি বাহুর প্রতিটি = ১০ মিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান সমান বাহু দুটি এ = ১০ মিটার ত্রিভুজের ভূমি বি = ১৬ মিটার অতএব, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (বি ÷ ৪) × √(৪ × এ × এ − বি × বি) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১৬ ÷ ৪) × √(৪ × ১০ × ১০ − ১৬ × ১৬) ক্ষেত্রফল = ৪ × √(৪০০ − ২৫৬) উত্তর: ৪৮ বর্গমিটার
a ১৮০°
b ২৭০°
c ৩০০°
d ৩৬০°
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০° প্রদত্ত তথ্য: একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে বর্ধিত করা হয়েছে ত্রিভুজের যেকোনো বাহুকে বর্ধিত করলে একটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ ত্রিভুজের তিনটি বহিঃস্থ কোণ যথাক্রমে ঘ, ঙ এবং চ আমরা জানি ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থ কোণ তার বিপরীত অন্তঃস্থ কোণ দুটির সমষ্টির সমান অতএব, প্রথম বহিঃস্থ কোণ ঘ = ১৮০ ডিগ্রি − ক দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ ঙ = ১৮০ ডিগ্রি − খ তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ চ = ১৮০ ডিগ্রি − গ সুতরাং, তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি − ক) + (১৮০ ডিগ্রি − খ) + (১৮০ ডিগ্রি − গ) তিনটি বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = (১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি + ১৮০ ডিগ্রি) − (ক + খ + গ) উত্তর: ৫৪০ ডিগ্রি − ১৮০ ডিগ্রি = ৩৬০ ডিগ্রি
a 2/3
b 3/2
c 4/3
d 3/4
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩/২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো চার এর পাওয়ার এক্স সমান আট। এখানে ভিত্তিগুলোকে একই সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। ধরি, চারের পরিবর্তে দুই এর পাওয়ার দুই লেখা যায়। আটের পরিবর্তে দুই এর পাওয়ার তিন লেখা যায়। অতএব, দুই এর পাওয়ার দুই এর সাথে এক্স গুণ করলে দুই এক্স হয়। সমীকরণের দুই পাশের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ারগুলো সমান লেখা যায়। সুতরাং, দুই এক্স সমান তিন লেখা যায়। উত্তর: এক্স সমান তিন ভাগ দুই
a 3
b 2
c 1
d 0
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০ প্রدত্ত তথ্য: অপেক্ষকটি হলো f(x) = x^3 − ৬x^2 + ১১x − ৬ মান নির্ণয় করতে হবে f(২) এর ধরি, x এর মান সমান হলো ২ অতএব, f(২) = (২)^3 − ৬(২)^2 + ১১(২) − ৬ f(২) = ৮ − ৬(৪) + ২২ − ৬ সুতরাং, f(২) = ৮ − ২৪ + ২২ − ৬ f(২) = ৩০ − ৩০ উত্তর: ০
a 75
b 62
c 60
d 37
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭৫ প্রদত্ত তথ্য: মোট সংখ্যা = ৩৭৫ নির্ণয় করতে হবে = ৩৭৫ এর ২০% ধরি, নির্ণেয় মান = ক অতএব, ক = ৩৭৫ × (২০ ÷ ১০০) সুতরাং, ক = ৩৭৫ × (১ ÷ ৫) উত্তর: ৭৫
a 360
b 240
c 180
d 120
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২০ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত ৫ : ৬ সংখ্যা দুটির গসাগু ৪ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৫ × ৪ = ২০ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৬ × ৪ = ২৪ অতএব, সংখ্যা দুটি হলো ২০ এবং ২৪ সুতরাং, সংখ্যা দুটির লসাগু হবে ২০ এবং ২৪ এর লসাগু উত্তর: ১২০
a x√2
b x√3
c 2√2x
d x√x
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x√2 প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = x একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = x কর্ণের সূত্র অনুযায়ী কর্ণ = বাহু × √2 অতএব, কর্ণের দৈর্ঘ্য = x × √2 একক সুতরাং, কর্ণের দৈর্ঘ্য = x√2 একক উত্তর: x√2
a 24
b 16
c 12
d 9
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো ৪ গুণ x এর বর্গ বিয়োগ p গুণ x যোগ ৯ ধরি, রাশিটিকে একটি পূর্ণবর্গ রাশির সাথে তুলনা করা যাক অতএব, প্রথম পদটিকে লেখা যায় ২ গুণ x এর সম্পূর্ণ বর্গ শেষ পদটিকে লেখা যায় ৩ এর বর্গ সুতরাং, মাঝের পদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদ উত্তর: p এর মান হবে ১২
a (x2 + x + 1) (x2 + x – 1)
b (x2 – x + 1) (x2 + x – 1)
c (x2 + x + 1) (x2 – x + 1)
d (x2 + x + 1) (x2 + x + 1)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (x^2 + x + 1) (x^2 − x + 1) প্রদত্ত রাশি: x^4 + x^2 + 1 ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই, (x^2)^2 + 2(x^2)(1) + (1)^2 − x^2 অতএব, সূত্র প্রয়োগ করে পাই, (x^2 + 1)^2 − (x)^2 সুতরাং, বর্গক্ষেত্রের বিয়োগফল সূত্র অনুসারে উৎপাদক দুটি হবে, (x^2 + x + 1) এবং (x^2 − x + 1) উত্তর: C) (x^2 + x + 1) (x^2 − x + 1)

মোট প্রশ্ন (25)

a ব্যরোমিটার
b সিসমোগ্রাফ
c ম্যানোমিটার
d সেক্সট্যান্ট
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিসমোগ্রাফ কেন সঠিক: - সিসমোগ্রাফ হলো ভূকম্পন বা ভূমিকম্পের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব মাপা এবং রেকর্ড করার যন্ত্র। - এই যন্ত্রটি ভূত্বকের কম্পনকে গ্রাফ পেপারের ওপর রেখাচিত্রের মাধ্যমে দৃশ্যমান করে তোলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্যরোমিটার — এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র, ভূমিকম্প নির্ণয় করে না। B) সিসমোগ্রাফ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ভূমিকম্প নির্ণয়ের যন্ত্র। C) ম্যানোমিটার — এটি কোনো গ্যাস বা তরলের চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র। D) সেক্সট্যান্ট — এটি দুটি দৃশ্যমান বস্তুর মধ্যে কোণ পরিমাপ করার যন্ত্র, যা মূলত নৌবিদ্যায় অক্ষাংশ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: সিসমিটি অর্থ ভূকম্পন, তাই ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
a আলতাফ মাহমুদ
b গাজী মাজহারুল আনোয়ার
c আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
d আলাউদ্দীন আলী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বিখ্যাত "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি" গানটির গীতিকার বা রচিয়তা হলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। - ভাষা শহীদদের স্মরণে রচিত এই গানটি পরবর্তী সময়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলতাফ মাহমুদ — তিনি এই গানটির প্রথম সুরকার, তবে এর রচিয়তা নন। B) গাজী মাজহারুল আনোয়ার — তিনি একজন বিখ্যাত গীতিকার হলেও এই ঐতিহাসিক গানটির রচিয়তা নন। C) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) আলাউদ্দীন আলী — তিনি একজন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক ছিলেন, এই গানের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের বিখ্যাত গানের কথা লিখেছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী এবং সুর করেছেন আলতাফ মাহমুদ।
a ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া
b কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা
c রামপাল, বাগেরহাট
d ঈশ্বরদী, পাবনা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশ্বরদী, পাবনা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পদ্মার তীরবর্তী রূপপুরে অবস্থিত। - রাশিয়া সরকারের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া — এটি কুষ্টিয়া জেলার একটি উপজেলা, যেখানে ভেড়ামারা ৩৬০ মেগাওয়াট কম্বাইনড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। B) কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা — এটি ঢাকা জেলার একটি ঐতিহাসিক ও জনবহুল উপজেলা, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) রামপাল, বাগেরহাট — এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত, যেখানে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট অবস্থিত। D) ঈশ্বরদী, পাবনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এই অঞ্চলেই অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত, যা পদ্মা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।
a ২৪শে আগষ্ট
b ২৪শে সেপ্টেম্বর
c ২৪শে অক্টোবর
d ২৪শে নভেম্বর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪শে অক্টোবর কেন সঠিক: - ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল এবং বিশ্বব্যাপী সংস্থাটির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। - ১৯৪৮ সাল থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এই দিনটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪শে আগষ্ট — এই তারিখে জাতিসংঘ দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা দাপ্তরিক সংশ্লিষ্টতা নেই। B) ২৪শে সেপ্টেম্বর — এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরুর সাধারণ সময়, জাতিসংঘ দিবস নয়। D) ২৪শে নভেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা দিবস পালিত হয় না। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও দিবস অক্টোবর মাসের চব্বিশ তারিখে উদযাপিত হয়।
a এশিয়া
b আফ্রিকা
c ইউরোপ
d আমেরিকা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এশিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল, যা চীন ও মঙ্গোলিয়ার অংশজুড়ে বিস্তৃত। - এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রধান ও শীতল মরুভূমি হিসেবে পরিচিত এবং আলতাই পর্বতমালার বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই মরুভূমি এশিয়া মহাদেশেই অবস্থিত। B) আফ্রিকা — এই মহাদেশে সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি নয়। C) ইউরোপ — এই মহাদেশে কোনো উল্লেখযোগ্য বৃহৎ মরুভূমি নেই। D) আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা ও সোনরান মরুভূমি অবস্থিত, গোবি নয়। মনে রাখার টিপস: মঙ্গোলিয়া ও চীনের এশিয়া মহাদেশে গোবি মরুভূমি অবস্থিত।
a ১৯৭৫ সালে
b ১৯৭৬ সালে
c ১৯৭৭ সালে
d ১৯৭৮ সালে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৬ সালে কেন সঠিক: - ১৯৭৬ সালে প্রথম গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের ইবোলা নদীর নিকটবর্তী অঞ্চলে এই ভাইরাসটি মানবদেহে শনাক্ত হয়। - বিজ্ঞানী পিটার পিয়ট এবং তাঁর দল এই মারাত্মক ভাইরাসটি প্রথম আবিষ্কার করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭৫ সালে — এই বছরে ইবোলা ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়নি, এটি আবিষ্কারের আগের বছর। B) ১৯৭৬ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই ভাইরাসটি প্রথম শনাক্ত করা হয়। C) ১৯৭৭ সালে — এই বছর ইবোলা ভাইরাস আবিষ্কারের সাল নয়, এটি শনাক্তের পরের বছর। D) ১৯৭৮ সালে — এই সালটি ইবোলা ভাইরাসের প্রথম শনাক্তকরণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইবোলা নদী থেকে নাম এসেছে, যা আবিষ্কার হয় ছিয়াত্তরে (১৯৭৬)।
a কাতার
b আফগানিস্তান
c আলজেরিয়া
d আরব আমিরাত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাতার কেন সঠিক: - আলজাজিরা মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী একটি সংবাদ মাধ্যম যা কাতারের রাজধানী দোহা থেকে পরিচালিত হয়। - এটি ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বিশ্বজুড়ে আরবি ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সংবাদ প্রচার করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সংবাদ মাধ্যমটির মূল কার্যালয় কাতারের দোহায় অবস্থিত। B) আফগানিস্তান — এটি আলজাজিরার জন্মস্থান বা সদর দপ্তর নয়, যদিও এখানে সংবাদ সংগ্রহশালা রয়েছে। C) আলজেরিয়া — নামটির সাথে মিল থাকলেও এই দেশটির সাথে আলজাজিরা সংবাদ সংস্থার কোনো মালিকানা বা সংযোগ নেই। D) আরব আমিরাত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য একটি দেশ, কিন্তু এই সংবাদ সংস্থার মূল কার্যালয় বা দেশ এটি নয়। মনে রাখার টিপস: আলজাজিরা নামের শুরু এবং কাতারের নামের সাথে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন, কাতার থেকেই এই আন্তর্জাতিক চ্যানেলটি ক(কা)তারি মালিকানায় পরিচালিত হয়।
a সার্চ ইঞ্জিন
b সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান
c ওয়েব সাইট
d হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সার্চ ইঞ্জিন কেন সঠিক: - গুগল মূলত একটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীদের বিশ্বজুড়ে যেকোনো তথ্য, ছবি বা ভিডিও খুঁজে পেতে সাহায্য করে। - এটি ইন্টারনেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তথ্য খোঁজা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সার্চ ইঞ্জিন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই কারণ গুগল মূলত এই কাজের জন্যই বিশ্বজুড়ে পরিচিত। B) সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান — গুগল একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বা টেক জায়ান্ট, কেবল সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান বলা এর বিশাল পরিধিকে ছোট করা হয়। C) ওয়েব সাইট — গুগল কেবল একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট নয়, বরং এটি বহু সেবা এবং সার্চ ইঞ্জিন ধারণকারী একটি বিশাল প্ল্যাটফর্ম। D) হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান — গুগল কিছু হার্ডওয়্যার তৈরি করলেও এটি মূলত সফটওয়্যার এবং ইন্টারনেটভিত্তিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেটে কিছু খোঁজার কথা মনে আসলেই মাথায় আসে গুগল, আর খোঁজার এই মাধ্যমটিকেই সার্চ ইঞ্জিন বলা হয়।
a ঘূর্ণিঝড়
b সুনামি
c টাইফুন
d সাইক্লোন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঘূর্ণিঝড় কেন সঠিক: - সিডর হলো ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানাও একটি প্রলয়ঙ্করী মারাত্মক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়। - বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড়টি অত্যন্ত তীব্র গতিতে উপকূলে আঘাত হেনেছিল এবং এর ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘূর্ণিঝড় — এই অপশনটি সঠিক কারণ সিডর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি প্রলয়ঙ্করী শক্তিশালী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ছিল। B) সুনামি — সুনামি হলো সমুদ্রের নিচে ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট অস্বাভাবিক বিশাল সমুদ্র তরঙ্গ, যা সিডর নয়। C) টাইফুন — টাইফুন হলো প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম অংশে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড়ের আঞ্চলিক নাম, যা বঙ্গোপসাগরের ঝড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) সাইক্লোন — সাইক্লোন সাধারণ একটি বৈজ্ঞানিক শব্দ হলেও অপশনে ঘূর্ণিঝড় নির্দিষ্ট করে সঠিক উত্তর হিসেবে অধিক গ্রহণযোগ্য। মনে রাখার টিপস: সিডর একটি প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় যা ২০০৭ সালে বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হেনেছিল।
a Converted Natural Gas
b Compressed Natural Gas
c Conversed Natural Gas
d Connected Natural Gas
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Compressed Natural Gas কেন সঠিক: - প্রাকৃতিক গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে সিলিন্ডারে ভরে যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। - এই সংকুচিত রূপকে সংক্ষেপে সিএনজি বা কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Converted Natural Gas — গ্যাস রূপান্তরিত হলেও এই পরিভাষাটি বৈজ্ঞানিক বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সঠিক নয়। B) Compressed Natural Gas — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক পরিভাষা। C) Conversed Natural Gas — এই শব্দের গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং এর কোনো বাস্তবিক অর্থ নেই। D) Connected Natural Gas — গ্যাস সংযোগের সাথে এর নামকরণের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: সিএনজি সিলিন্ডারে গ্যাস উচ্চ চাপে বন্দी থাকে, তাই চেপে ধরা অর্থে কম্প্রেসড শব্দটি মনে রাখবে।
a 22 জোড়া
b 23 জোড়া
c 24 জোড়া
d 25 জোড়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ জোড়া কেন সঠিক: - মানবদেহের সাধারণ কোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে, যার অর্ধেক আসে পিতার কাছ থেকে এবং অর্ধেক মাতার কাছ থেকে। - এর মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোজোম যা শারীরিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে এবং ১ জোড়া হলো সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানবদেহে শুধু অটোজোম বা দেহ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমের সংখ্যা ২২ জোড়া, সেক্স ক্রোমোজোম সহ মোট ২৩ জোড়া। B) ২৩ জোড়া — এটি সঠিক কারণ মানবদেহের প্রতিটি ডিপ্লয়েড কোষে ২২ জোড়া অটোজোম ও ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম মিলে মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। C) ২৪ জোড়া — এটি ভুল কারণ ২৪ জোড়া ক্রোমোজোম মানবদেহে থাকে না, এটি অন্য কোনো প্রাণী যেমন শিম্পাঞ্জি বা গরুর ক্রোমোজোম সংখ্যার কাছাকাছি হতে পারে। D) ২৫ জোড়া — এটি ভুল কারণ মানবদেহের স্বাভাবিক কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সঙ্গে ২৫ জোড়ার কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: মানবদেহ মনে রাখতে ৪৬ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং একে দুই দিয়ে ভাগ করলেই ২৩ জোড়া পেয়ে যাবেন।
a বিজ্ঞান জাদুঘর
b বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
c জাতীয় জাদুঘর
d ঢাকা নগর জাদুঘর
0 59 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের এবং সমগ্র উত্তরবঙ্গ তথা বৃহত্তর অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর। - এটি ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রাচীন ইতিহাস ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বিখ্যাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিজ্ঞান জাদুঘর — এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের জন্য প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর, প্রাচীন ইতিহাস বা বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর নয়। B) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর। C) জাতীয় জাদুঘর — এটি ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম জাদুঘর, তবে এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর নয়। D) ঢাকা নগর জাদুঘর — এটি ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর, যা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের অনেক পরে গঠিত হয়। মনে রাখার টিপস: বরেন্দ্র মানেই প্রাচীন এবং প্রথম, তাই জাদুঘরের ক্ষেত্রে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হবে বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
a ফ্রান্সে
b ব্রাজিলে
c রাশিয়ায়
d ইংল্যান্ডে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়ায় প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ক্রীড়া সংক্রান্ত সাধারণ জ্ঞান। কেন সঠিক: - ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত ২১তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ ছিল রাশিয়া। - ফাইনালে ক্রোয়েশিয়াকে পরাজিত করে ফ্রান্স এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্সে — ফ্রান্স এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলেও আয়োজক দেশ ছিল না, দেশটি ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল। B) ব্রাজিলে — ব্রাজিল ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত ২০তম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজক দেশ ছিল। C) রাশিয়ায় — এটি সঠিক উত্তর, কারণ রাশিয়া ২০১৮ সালের ২১তম বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ ছিল। D) ইংল্যান্ডে — ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করেছিল, ২০১৮ সালের নয়। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার 'র' দিয়ে মনে রাখতে পারেন ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল রাশিয়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
a ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল
b ১৯৭০ সালের ১৭ এপ্রিল
c ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
d ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম বিপ্লবী সরকার বা অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - এই সরকার গঠনের মাধ্যমেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে এবং স্বাধীনতার ঘোষণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল — এই সময়ে তৎকালীন পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনের পর জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিত করাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছিল, কোনো সরকার গঠিত হয়নি। B) ১৯৭০ সালের ১৭ এপ্রিল — এই তারিখটি ভুল, কারণ ১৯৭০ সালের ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং সেই বছর কোনো অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়নি। D) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল — এটি অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ এবং মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় এই সরকার শপথ নিয়েছিল, গঠনের তারিখ ১০ এপ্রিল। মনে রাখার টিপস: গঠন ১০ এপ্রিল আর শপথ ১৭ এপ্রিল, এই দুটি তারিখ গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ১০ই ডিসেম্বর
b ১১ই জানুয়ারি
c ১৫ই মার্চ
d ১৮ই মার্চ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০ই ডিসেম্বর কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৪৮ সালের ১০ই ডিসেম্বর সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা অনুমোদন করে। - এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণ করার জন্য প্রতি বছর ১০ই ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ই ডিসেম্বর — এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস এবং সঠিক উত্তর। B) ১১ই জানুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের কোনো ঐতিহাসিক সংশ্লিষ্টতা নেই। C) ১৫ই মার্চ — এটি বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়, মানবাধিকার দিবস নয়। D) ১৮ই মার্চ — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসের কোনো ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নেই। মনে রাখার টিপস: মানবাধিকার রক্ষার কথা মনে রাখতে ডিসেম্বর মাসের দশ তারিখটি মনে রাখুন।
a তালিকাভুক্ত ব্যাংক
b বাণিজ্যিক ব্যাংক
c অ-তফসিলি ব্যাংক
d কোনটি নয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অ-তফসিলি ব্যাংক কেন সঠিক: - গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর বিধানের আওতায় গঠিত হলেও এটি সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মতো তপসিলভুক্ত ব্যাংক নয়। - এটি একটি বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করে এবং এটি আলাদা আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তালিকাভুক্ত ব্যাংক — এটি সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংক বোঝায়, যা গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) বাণিজ্যিক ব্যাংক — এটি মুনাফাভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক মূলত সামাজিক ব্যবসা ও ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে কাজ করে। C) অ-তফসিলি ব্যাংক — এই উত্তরটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং তপসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু সি অপশনটি সঠিক, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: গ্রামীণ ব্যাংক সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মতো নয়, তাই এটি একটি অ-তফসিলি ব্যাংক।
a জাপান
b কোরিয়া
c নরওয়ে
d সুদান
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরওয়ে কেন সঠিক: - নরওয়ে ইউরোপের উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত একটি দেশ, যার একটি অংশ সুমেরু বৃত্তের মধ্যে পড়ে। - মে থেকে জুলাই মাসের নির্দিষ্ট সময়ে এই দেশের কিছু অংশে সূর্য দিগন্তের নিচে সম্পূর্ণ ডুবে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাপান — এটি এশিয়ার একটি দেশ, যা উদীয়মান সূর্যের দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও নিশীথ সূর্যের দেশ নয়। B) কোরিয়া — এটি পূর্ব এশিয়ার একটি উপদ্বীপীয় দেশ, যা নিশীথ সূর্যের ভৌগোলিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। D) সুদান — এটি আফ্রিকার একটি দেশ, যেখানে নিরক্ষীয় অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এই প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে না। মনে রাখার টিপস: ন দিয়ে নরওয়ে এবং ন দিয়ে নিশীথ সূর্য, এভাবে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a নাইট্রাস অক্সাইড
b কার্বন ডাই-অক্সাইড
c ক্লোরোফ্লোরা কার্বন
d নাইট্রোজেন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: D) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - নাইট্রোজেন বায়ুমণ্ডলের একটি প্রধান উপাদান হলেও এটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়। - এটি তাপ শোষণ করে ধরে রাখতে পারে না, তাই জলবায়ু পরিবর্তনে এর সরাসরি কোনো ভূমিকা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইট্রাস অক্সাইড — এটি একটি শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস যা তাপ আটকে রাখতে পারে। B) কার্বন ডাই-অক্সাইড — এটি বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী প্রধান গ্রিন হাউজ গ্যাস। C) ক্লোরোফ্লোরা কার্বন — এটি ওজোন স্তর ধ্বংসকারী এবং অত্যন্ত শক্তিশালী একটি গ্রিন হাউজ গ্যাস। D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের ৭৮ শতাংশ থাকা নাইট্রোজেন গ্যাস কখনো গ্রিন হাউজ গ্যাস হতে পারে না।
a সাধারণ পরিষদ
b নিরাপত্তা পরিষদ
c জাতিসংঘ সচিবালয়
d আর্ন্তজাতিক আদালত
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাতিসংঘ সচিবালয় কেন সঠিক: - জাতিসংঘ সচিবালয় বিশ্ব সংস্থার দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করে থাকে। - এটি জাতিসংঘের অন্যান্য প্রধান অঙ্গসংস্থাসমূহের পলিসি বা নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাধারণ পরিষদ — এটি জাতিসংঘের প্রধান নীত নির্ধারণী ও আলোচনামূলক সভা, কোনো প্রশাসনিক অঙ্গ নয়। B) নিরাপত্তা পরিষদ — এটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্ব পালন করে। C) জাতিসংঘ সচিবালয় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বিশ্ব সংস্থার প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করে। D) আর্ন্তজাতিক আদালত — এটি জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক শাখা হিসেবে আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসা করে। মনে রাখার টিপস: সচিবালয় মানেই প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু, তাই জাতিসংঘের প্রশাসনিক কাজ করে সচিবালয়।
a বরিশাল
b সিলেট
c ময়মনসিংহ
d রংপুর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ বাংলাদেশের নবম ও সর্বশেষ গঠিত বিভাগ এবং আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ। - এর আয়তন প্রায় ১০,৪৮৮ বর্গকিলোমিটার এবং এর অধীনে ৪টি জেলা রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিশাল — বরিশাল বাংলাদেশের একটি বিভাগ যার আয়তন ময়মনসিংহ বিভাগের চেয়ে বড়। B) সিলেট — সিলেট বাংলাদেশের অন্যতম একটি বিভাগ যা ময়মনসিংহ বিভাগের চেয়ে আয়তনে বড়। D) রংপুর — রংপুর বাংলাদেশের একটি বিভাগ এবং এর আয়তন ময়মনসিংহ বিভাগের চেয়ে অনেক বেশি। মনে রাখার টিপস: ময়মনসিংহ হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ।
a সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
b পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
c সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়
d পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রণালয়
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় কেন সঠিক: - সরকার প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে ২০১৪ সালে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে ভেঙে দুটি নতুন মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করে। - এর মধ্যে সড়ক পরিবহন অংশের দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন নামকরণ করা হয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নতুন নাম এটিই। B) পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় — এই নামে কোনো সরকারি মন্ত্রণালয় গঠিত হয়নি। C) সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় — মন্ত্রণালয়টির পূর্ণাঙ্গ নামে সেতুর অংশটিও যুক্ত আছে। D) পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রণালয় — এটি وزارتটির সঠিক বা দাপ্তরিক নাম নয়। মনে রাখার টিপস: যোগাযোগ মন্ত্রণালয় ভেঙে যাওয়ার পর সড়ক ও সেতু একসঙ্গে যুক্ত হয়ে বর্তমান নামটি হয়েছে।
a 0.0132
b 0.0133
c 0.0137
d 0.0143
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১৩৭ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর হালনাগাদ জনশুমারি অনুযায়ী দেশের বর্তমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% বা দশমিক আকারে ০.০১৩৭। - অর্থনৈতিক ও জনমিতি সূচকে দেশের জন্মহার এবং মৃত্যুহারের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে এই বৃদ্ধির হার নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০.০১৫০ — এটি অতীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি উচ্চ হার ছিল, যা বর্তমান হালনাগাদ তথ্যের সাথে মিলে না। B) ০.০১৩৩ — এই সংখ্যাটি সাম্প্রতিক জনশুমারির সঠিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নির্দেশ করে না। C) ০.০১৩৭ — এটি বর্তমান হালনাগাদ প্রতিবেদনের সাথে মিলে যায় এবং প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। D) ০.০১৪৩ — এটি বিগত বছরের তুলনামূলক কিছুটা বেশি বৃদ্ধির হার, যা বর্তমানের সঠিক পরিসংখ্যান নয়। মনে রাখার টিপস: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার মনে রাখতে ১.৩৭% সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা দশমিক হিসেবে লিখলে ০.০১৩৭ হয়।
a ড. ফারজানা ইসলাম
b খালেদা একরাম
c রাশেদা কে চৌধুরী
d ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ড. ফারজানা ইসলাম কেন সঠিক: - ড. ফারজানা ইসলাম ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান এবং তিনিই বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য। - তিনি এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে দেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে নারী নেতৃত্বের পথপ্রদর্শক হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. ফারজানা ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) খালেদা একরাম — তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রথম নারী উপাচার্য ছিলেন, দেশের প্রথম নন। C) রাশেদা কে চৌধুরী — তিনি একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা, তবে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন না। D) ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী — তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার, উপাচার্য নন। মনে রাখার টিপস: ফারজানা মানে প্রথম জানা, যিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য।
a সাহিত্যে
b শান্তিতে
c চিকিৎসায়
d অর্থনীতিতে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শান্তিতে কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে শিশু অধিকার ও শিক্ষা প্রসারের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তারা যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - মালালা ইউসুফজাই পাকিস্তানের এবং কৈলাশ সত্যার্থী ভারতের নাগরিক হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্যে — এই ক্ষেত্রে সৃজনশীল সাহিত্যকর্মের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়, যা এই বিজয়ীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) চিকিৎসায় — চিকিৎসাবিজ্ঞান বা শারীরতত্ত্বে অবদানের জন্য এই ক্ষেত্রে পুরস্কার দেওয়া হয়, যা এদের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) অর্থনীতিতে — অর্থনৈতিক গবেষণা বা তাত্ত্বিক অবদানের জন্য এই ক্ষেত্রে পুরস্কার দেওয়া হয়, যা এই পুরস্কারের সঙ্গে সংগত নয়। মনে রাখার টিপস: শিশুদের অধিকার ও শিক্ষার জন্য লড়েছেন যারা, শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন তারা।
a বাবা
b মা
c প্রবীণ ব্যক্তি
d বড় ভাই
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মা কেন সঠিক: - গারো সমাজ একটি মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা অনুসরণ করে যেখানে বংশ ও সম্পত্তি মায়ের দিক থেকে নির্ধারিত হয়। - এই সমাজে মায়েদের প্রাধান্য থাকায় পারিবারিক ও সামাজিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীরা মূল ভূমিকা পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাবা — গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক হওয়ায় পরিবারে বাবার প্রধান ভূমিকা থাকে না। C) প্রবীণ ব্যক্তি — সমাজে মুরুব্বিদের সম্মান করা হলেও তারা এককভাবে পরিবারের প্রধান নন। D) বড় ভাই — পুরুষতান্ত্রিক সমাজের মতো এখানে বড় ভাইয়ের হাতে পারিবারিক নেতৃত্ব থাকে না। মনে রাখার টিপস: গারো মানেই মাতৃপ্রধান পরিবার।