বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১১ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়) ২০১৪

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a গিন্নী
b হস্ত
c গঞ্জ
d তসবি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গিন্নী ১. কেন সঠিক: - অর্ধ-তৎসম শব্দের সঠিক উদাহরণের কারণে অপশন এ সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। - সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বা বিকৃত হয়ে বাংলায় আসার পর যেসব শব্দ সাধারণ মানুষের মুখে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা তদ্ভব-সমতুল্য শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - সংস্কৃত গৃহিণী শব্দটি মুখনিঃসৃত হয়ে বিকৃত রূপ লাভ করে গিন্নী শব্দে পরিণত হয়েছে যা একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জোৎসনা শব্দের পরিবর্তিত অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: কুচ্ছিত ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত কুৎসিত শব্দের পরিবর্তিত অর্ধ-তৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিন্নী - এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) হস্ত - এটি একটি খাঁটি তৎসম শব্দ যার অর্থ হাত। C) গঞ্জ - এটি একটি দেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে। D) তসবি - এটি আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দ উচ্চারণের সুবিধার জন্য কিছুটা বদলে গেলে তাকে অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে চিনে নেবে। - গৃহিণী থেকে গিন্নী এবং শ্রাদ্ধ থেকে সারাদ শব্দগুলো মনে রাখলে এই নিয়ম সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দ চেনার জন্য গিন্নী, কুচ্ছিত, বৌমা ও বোষ্টম শব্দগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের মধ্যকার ধ্বনিগত পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই এই ধরনের শব্দের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a ডাকটিকিট
b পোস্টাল কোড
c প্রেরকের ঠিকানা
d প্রাপকের ঠিকানা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাপকের ঠিকানা ১. কেন সঠিক: শিরোনাম বা চিঠিপত্রের ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানা হলো মূল বা প্রধান অংশ কারণ চিঠিটি কার উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছে তা এর মাধ্যমে নিশ্চিত হয়। প্রাপক অর্থ যিনি চিঠি গ্রহণ করবেন, তাই তার সঠিক ঠিকানা না থাকলে চিঠি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রায়োগিক বা দাপ্তরিক লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা পত্রলিখন বা আবেদনপত্র রচনার নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। চিঠিপত্র বা দরখাস্ত লেখার সময় প্রেরক ও প্রাপকের অবস্থান এবং তাদের ঠিকানা নির্দিষ্ট বিন্যাসে লিখতে হয় যাতে ডাক বিভাগের কাজ সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ঢাকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিতে প্রাপকের ঠিকানার প্রমিত রূপ। উদাহরণ ২: প্রেরক: রহিম, গ্রাম: আমতলী, জেলা: বরগুনা। ব্যাখ্যা: এটি চিঠির অপর একটি অংশ যা প্রেরকের ঠিকানা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাকটিকিট — এটি চিঠি প্রেরণের জন্য মাসুল প্রদানের একটি মাধ্যম হলেও শিরোনামের প্রধান অংশ নয়। B) পোস্টাল কোড — এটি ঠিকানার একটি অংশবিশেষ মাত্র, যা এলাকা চিহ্নিত করতে সাহায্য করে কিন্তু সম্পূর্ণ শিরোনাম নয়। C) প্রেরকের ঠিকানা — এটি চিঠির একটি প্রয়োজনীয় অংশ হলেও যার উদ্দেশ্যে চিঠি পাঠানো হয় সেই প্রাপকের ঠিকানাই শিরোনামের প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। D) প্রাপকের ঠিকানা — এটি সঠিক এবং প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: চিঠি যার কাছে যাবে অর্থাৎ প্রাপক হলেন মূল ব্যক্তি, তাই শিরোনামের প্রধান অংশ সবসময় প্রাপকের ঠিকানা। চিঠির খামে বা পাতার ওপরে যার নাম ও ঠিকানা বড় করে লেখা হয়, সেটিই মূলত প্রাপকের ঠিকানা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পত্রলিখন অংশে দাপ্তরিক ও ব্যক্তিগত চিঠির কাঠামো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রাপক ও প্রেরকের অবস্থান কোথায় হবে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a দ্রাবিড়
b ইউরালীয়
c ইন্দো-ইউরোপীয়
d সেমেটিক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্দো-ইউরোপীয় ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা পরিবারের একটি শাখা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। - ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞানের বিচারে পৃথিবীর প্রধান ভাষাগুলোর মূল উৎস সন্ধানে এই বংশলতিকা নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন এটি। - ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা থেকে শতম শাখা এবং সেখান থেকে আর্য ভাষা হয়ে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি ভাষা ব্যাখ্যা: ইংরেজি ভাষাও বাংলা ভাষার মতো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: হিন্দি ভাষা ব্যাখ্যা: হিন্দি ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ভারতীয় আর্য শাখার একটি ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রাবিড় — দ্রাবিড় ভাষা পরিবার সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মূল ভাষা গোষ্ঠী যার সাথে বাংলার সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) ইউরালীয় — ইউরালীয় ভাষা পরিবার ইউরোপ ও এশিয়ার উত্তর অংশে প্রচলিত যার সাথে বাংলা ভাষার মিল নেই। D) সেমেটিক — সেমেটিক ভাষা পরিবারের মধ্যে আরবি ও হিব্রু ভাষা অন্তর্ভুক্ত যা ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষা অনেক পুরনো এবং এর মূল উৎস ইউরোপ ও এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত ইন্দো-ইউরোপীয় পরিবার। - বাংলা ভাষার উৎস মনে রাখতে ইন্দো-ইউরোপীয় শব্দটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাষা পরিবারের শাখা প্রশাখা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a আলস্যতা
b অলস্য
c আলস্য
d আলসতা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলস্য ১. কেন সঠিক: অলস শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আলস্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুটি প্রত্যয় বা অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অলস শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করলে সঠিক রূপ হয় আলস্য। এর সঙ্গে আবার তা প্রত্যয় যুক্ত করে আলস্যতা বলা সম্পূর্ণ ব্যাকরণবিরুদ্ধ ও দ্বিরুক্তি দোষে দুষ্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্র + য = দারিদ্র্য ব্যাখ্যা: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য হয়, দারিদ্র্যতা লেখা ভুল। উদাহরণ ২: মহান + য = মহিমা ব্যাখ্যা: মহান শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহিমা হয়, মহিন্যতা লেখা ভুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলস্যতা — এটি একটি ভুল বানান কারণ আলস্য শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে। B) অলস্য — এটি একটি ভুল বানান কারণ মূল শব্দ অলস থেকে সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ হয় আলস্য। D) আলসতা — এটি বানান ও গঠন উভয় দিক থেকেই সম্পূর্ণ অশুদ্ধ এবং অগ্রহণযোগ্য একটি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: অলস থেকে আলস্য হয়, তাই আলস্যের সঙ্গে কখনো অতিরিক্ত তা বা তাতা যুক্ত করে আলস্যতা বলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্ব্যর্থক প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্বশাসন ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বানানরীতির সঠিক প্রয়োগ চর্চার মাধ্যমে এ ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a সুবর্ন
b অনল
c মার্তণ্ড
d কর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনল ১. কেন সঠিক: 'আগুন' শব্দের একটি অতিপরিচিত সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো অনল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার থেকে সবচেয়ে প্রচলিত শব্দগুলো সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যাদের উচ্চারণ ও গঠন আলাদা হলেও অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি। বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের প্রাচুর্যের কারণে একটি নির্দিষ্ট বস্তুর বা ভাবের একাধিক সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি আগুন শব্দের আরেকটি তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নি বা আগুনের সমার্থক একটি চমৎকার তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবর্ন — এই শব্দটির অর্থ সোনা বা স্বর্ণ, যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। B) অনল — এটি প্রশ্নানুসারে আগুন শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। C) মার্তণ্ড — এই শব্দটির অর্থ সূর্য, যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। D) কর — এই শব্দটির অর্থ হাত, খাজনা বা রশ্মি, যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আগুন শব্দের বেশ কিছু প্রচলিত সমার্থক মনে রাখার জন্য অগ্নি, অনল, বহ্নি, পাবক ও হুতাশন শব্দগুলো একসাথে পড়তে পারো। এগুলো বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস যেমন তৎসম ও তদ্ভব শব্দ চিহ্নিত করা শিখতে হবে। একই শব্দ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশন পরিবর্তন করে বারবার আসতে পারে।
a চলৎ + চিত্র
b চল + চিত্র
c চলচ + চিত্র
d চলিচ + চিত্র
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চলৎ + চিত্র ১. কেন সঠিক: - চলৎ যোগ চিত্র মিলে চলচ্চিত্র গঠিত হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়। - সন্ধির নিয়মানুযায়ী বর্গের প্রথম বর্ণের পর চ বর্গীয় ধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে চ বর্গীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে ত বা দ স্থানে চ হয়। - এই শব্দটিতে ত এর স্থানে চ যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব চ বা চ্চ তৈরি করেছে এবং পরবর্তীতে সেটি চলচ্চিত্র রূপ নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ + চিন্তা = সচিন্ততা ব্যাখ্যা: ত এর পরে চ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে চ এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৃহৎ + ছায়া = বৃহৎচ্ছায়া ব্যাখ্যা: ত এর পরে ছ থাকার কারণে ত স্থানে চ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলৎ + চিত্র — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম সঠিকভাবে প্রযুক্ত হয়েছে। B) চল + চিত্র — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম শব্দে ত খণ্ডত্ব বর্ণটি অনুপস্থিত যা সন্ধির সূত্র লঙ্ঘন করে। C) চলচ + চিত্র — এটি ভুল কারণ চলচ বলে কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ বাংলা ভাষায় প্রচলিত নেই। ডি) চলিচ + চিত্র — এটি ভুল কারণ চলিচ কোনো ব্যাকরণসম্মত বা প্রমিত মূল শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খণ্ডত্ব ত এর সাথে চ বা ছ এর মিলনে সবসময় চ্চ বা চ ছ তৈরি হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় পরের শব্দের শুরুতে চ বা ছ দেখলে প্রথম অংশের শেষে ত বা দ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - ত খণ্ডত্ব যুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে সমাধান করা যায়।
a উপসর্গ
b অনুসর্গ
c সমাস
d সন্ধি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সন্ধি ১. কেন সঠিক: পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। এটি উচ্চারণের দ্রুততা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের জন্য শব্দের মধ্যে ঘটে থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকার যেমন স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। এটি শব্দের সংক্ষিপ্তকরণ ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপসর্গ — এটি শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, ধ্বনি বা বর্ণের মিলন নয়। B) অনুসর্গ — এটি পদের পরে বসে কারক বা বিভক্তির কাজ করে, ধ্বনির মিলন ঘটায় না। C) সমাস — এটি অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত একাধিক পদের একপদীকরণ, ধ্বনির মিলন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণের মিলন মানেই সন্ধি এবং পদের মিলন মানেই সমাস। এই দুটি শব্দ প্রায়ই পরীক্ষায় একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি বিচ্ছেদ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির মৌলিক নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a √মু + ক্ত
b √মহ + ক্ত
c √মুচ + ক্ত
d √মৃচ + ক্ত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √মুচ + ক্ত ১. কেন সঠিক: - মুক্ত শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √মুচ যোগ ক্ত। এখানে মুচ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। - কৃৎ প্রত্যয় সাধित এই শব্দটিতে ধাতু এবং প্রত্যয়ের মিলন ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। এখানে মুচ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। - ধাতু বা প্রাতিপদিকের অন্তস্থিত বর্ণের পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পদের রূপ সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √ভুজ + ক্ত = ভুক্ত ব্যাখ্যা: ভুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √যুজ + ক্ত = যুক্ত ব্যাখ্যা: যুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √মুচ + ক্ত — মু ধাতু কোনো সঠিক ধাতু নয়। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) √মহ + ক্ত — মহ ধাতু থেকে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মুক্ত শব্দ গঠিত হয় না। তাই এটি ভুল। C) √মুচ + ক্ত — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে। D) √মৃচ + ক্ত — মৃচ কোনো প্রমিত ধাতু নয়। তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্ত শব্দের শুরুতে মুচ ধাতু থাকে যা বন্ধনমুক্ত করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ধাতু চেনার জন্য পদের মূল ভাবটি খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার সময় ক্রিয়ামূল সঠিকভাবে শনাক্ত করতে হবে।
a ৯ টি
b ১০ টি
c ১১ টি
d ১২ টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় বাক্যকে স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য এবং বক্তার ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে যতি বা ছেদ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মোট যতি বা ছেদ চিহ্ন ১২ টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝাতে এবং শ্বাস নেওয়ার সুবিধার্থে যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণে প্রথম যতি চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমা (,) ব্যাখ্যা: বাক্যে অল্প বিরতির জন্য কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়। যেমন: হাসান, এদিকে এসো। উদাহরণ ২: পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি (।) ব্যাখ্যা: বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়। যেমন: বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ টি — ভুল, এটি আধুনিক বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত যতি চিহ্নের সংখ্যা নয়। পুরনো কিছু বইতে এই ভুল তথ্য পাওয়া যায়। B) ১০ টি — ভুল, যতি বা ছেদ চিহ্নের সংখ্যা ১০ টি নয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী এর সংখ্যা ১২ টি। C) ১১ টি — ভুল, ১১ টি যতি চিহ্ন কোনো প্রমিত ব্যাকরণ গ্রন্থে স্বীকৃত নয়। D) ১২ টি — সঠিক, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদ চিহ্নের মোট সংখ্যা ১২ টি ধরা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে যতি চিহ্নের সংখ্যা মনে রাখতে ১২ সংখ্যাটি মনে রাখুন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম যতি চিহ্ন প্রবর্তন করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম যতি চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ভাষাবিদ
b ঋগ্বেদবিদ
c বৈয়াকরণ
d আখ্যানবিদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৈয়াকরণ কেন সঠিক: - পাণিণি প্রাচীন ভারতের একজন বিশ্ববিখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ ছিলেন। - তিনি সংস্কৃত ভাষার রূপ ও গঠন নিরূপণের জন্য বিখ্যাত অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থ রচনা করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পাণিণির অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থটি ব্যাকরণ শাস্ত্রের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা কাজের একটি হিসেবে স্বীকৃত। - প্রাচীন সংস্কৃত ব্যাকরণ শাস্ত্রে মুনিত্রয় বা তিনজন প্রধান আচার্যের মধ্যে পাণিণি অন্যতম প্রধান হিসেবে বিবেচিত হন। - পাণিণির ব্যাকরণ রচনার মূল ভিত্তি ছিল ধ্বনিতত্ত্ব ও রূপতত্ত্বের অত্যন্ত নিখুঁত বিশ্লেষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভাষাবিদ — পাণিণি ভাষা নিয়ে গবেষণা করলেও মূল পরিচিতি ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে। - B) ঋগ্বেদবিদ — তিনি কোনো নির্দিষ্ট বেদ বা বেদসংহিতা ব্যাখ্যার জন্য পরিচিত নন। - C) বৈয়াকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ব্যাকরণ রচনা করেছেন। - D) আখ্যানবিদ — তিনি কোনো পৌরাণিক বা কাল্পনিক আখ্যান বা গল্প রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: - পাণিণি মানেই মনে রাখবে ব্যাকরণ এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ অষ্টাধ্যায়ী।
a বৃহৎ
b বর্ধিষ্ণু
c বর্তমান
d বৃদ্ধিপ্রাপ্ত
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্ধিষ্ণু ১. কেন সঠিক: - ক্ষীয়মাণ শব্দের অর্থ যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বা যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। - এর বিপরীত শব্দ হলো বর্ধিষ্ণু, যার অর্থ যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা যা সমৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন, যা বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত। - কোনো শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে, যা বাক্যের ভাবকে সম্পূর্ণ উল্টো করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপ্ত এর বিপরীত শব্দ প্রবুদ্ধ। ব্যাখ্যা: সুপ্ত শব্দের অর্থ ঘুমন্ত এবং প্রবুদ্ধ শব্দের অর্থ জাগ্রত বা বিকশিত। উদাহরণ ২: প্রাচীন এর বিপরীত শব্দ অর্বাচীন। ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ পুরনো এবং অর্বাচীন শব্দের অর্থ আধুনিক বা নতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহৎ — বৃহৎ শব্দের অর্থ বড়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে মানানসই নয়। B) বর্ধিষ্ণু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষয়ের বিপরীত অর্থাৎ বৃদ্ধির ভাব প্রকাশ করে। C) বর্তমান — বর্তমান শব্দের অর্থ এখনকার সময়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের বিপরীত নয়। D) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত — বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও ক্ষীয়মাণ শব্দের প্রমিত বিপরীত শব্দ বর্ধিষ্ণু। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষয়ের সঙ্গে বর বা বৃদ্ধির সম্পর্ক মনে রাখলে ক্ষীয়মাণ এর বিপরীত বর্ধিষ্ণু সহজে মনে রাখা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে বর্ধিষ্ণু অপশনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্ষীয়মাণ শব্দের মূল ধাতু ক্ষয় এবং এর সঙ্গে ইষ্ণু প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এই ধরনের শব্দভাণ্ডার বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a পুংলিঙ্গ
b স্ত্রীলিঙ্গ
c ক্লীব লিঙ্গ
d উভয় লিঙ্গ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উভয় লিঙ্গ ১. কেন সঠিক: - আমি শব্দটি সর্বনাম পদ এবং এটি পুরুষবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয় লিঙ্গকেই নির্দেশ করে। - বক্তা পুরুষ বা নারী যাই হোন না কেন, তিনি নিজের ক্ষেত্রে আমি শব্দটি ব্যবহার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ নাম না বুঝিয়ে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদের লিঙ্গভেদে সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি কাল ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: বক্তা পুরুষ হলে যেমন বাক্যটি প্রযোজ্য, নারী হলেও একইভাবে প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: আমি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছি। ব্যাখ্যা: এখানে আমি সর্বনামটি ছাত্রী বা ছাত্র উভয়ের ক্ষেত্রেই বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুংলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ শব্দটি শুধু পুরুষের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নয়। B) স্ত্রীলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ শব্দটি শুধু নারীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নয়। C) ক্লীব লিঙ্গ — এটি ভুল কারণ ক্লীব লিঙ্গ কেবল অচেতন পদার্থের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) উভয় লিঙ্গ — সঠিক কারণ এই সর্বনামটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্বনাম পদ যেমন আমি, তুমি, সে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝাতে পারে। - নিজের পরিচয় দিতে নারী ও পুরুষ উভয়ই আমি ব্যবহার করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আত্মবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম পদ সাধারণত উভয় লিঙ্গ হয়ে থাকে। - ব্যাকরণ পরীক্ষায় সর্বনাম পদের লিঙ্গ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বক্তার লিঙ্গ নিরপেক্ষতা খেয়াল রাখতে হয়।
a বিশেষণ
b অব্যয়
c সর্বনাম
d বিশেষ্য
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয় ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণে অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো লিঙ্গ বা বচন ভেদ হয় না। সংস্কৃত ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়ম বাংলায় বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও অব্যয় পদের ক্ষেত্রে তা মানা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত অনেক শব্দ বাংলায় লিঙ্গভেদে পরিবর্তিত হয় কিন্তু অব্যয় শব্দগুলো সবসময় অপরিবর্তিত থাকে। বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগে অব্যয় এমন একটি পদ যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধিক তোমাকে ব্যাখ্যা: ধিক একটি অব্যয় পদ এবং এর কোনো স্ত্রীবাচক বা পুংলিঙ্গ রূপ নেই। উদাহরণ ২: বাহ চমৎকার বলেছ ব্যাখ্যা: বাহ একটি অব্যয় পদ যা সব লিঙ্গের ব্যক্তির ক্ষেত্রেই একইভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মেনে পরিবর্তিত হয় যেমন ভালো থেকে ভালো, ভালো মেয়ে। B) অব্যয় — সঠিক উত্তর কারণ এটি সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানে না। C) সর্বনাম — সর্বনাম পদের ক্ষেত্রেও লিঙ্গভেদের রূপ দেখা যায় যেমন সে বা তিনি। D) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম অনুসরণ করে পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অব্যয় পদের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে তাই এর লিঙ্গও অপরিবর্তিত থাকে। মনে রাখবে যার ব্যয় বা পরিবর্তন নেই তাই অব্যয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ থেকে প্রায়ই লিঙ্গ ও বচন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। অব্যয় পদ চেনার উপায় হলো এটি কখনো পরিবর্তিত হয় না।
a কল্যাণীয়েষু
b সুচরিতেষু
c শ্রদ্ধাস্পদাসু
d প্রীতিভাজনেষু
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্রদ্ধাস্পদাসু ১. কেন সঠিক: নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে পত্রালাপ বা চিঠিপত্র লেখার সময় প্রাপকের নামের শেষে বিশেষ কিছু উপাধি বা প্রত্যয় যুক্ত করতে হয়। বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত পত্রলিখন নিয়ম অনুযায়ী নারীর ক্ষেত্রে শ্রদ্ধেয়া বা শ্রদ্ধাস্পদা শব্দের সঙ্গে আসু প্রত্যয় যুক্ত করে শ্রদ্ধাস্পদাসু লেখা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পত্রালাপের ক্ষেত্রে সম্বোধন পদের একটি বিশেষ রূপ রয়েছে যা পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে ইষু প্রত্যয় এবং নারীর ক্ষেত্রে আসু প্রত্যয় যুক্ত করার বিধান রয়েছে যেমন শ্রদ্ধাস্পদ যুক্ত ইষু সমান শ্রদ্ধাস্পদেষু পুরুষের ক্ষেত্রে এবং শ্রদ্ধাস্পদা যুক্ত আসু সমান শ্রদ্ধাস্পদাসু নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রদ্ধাস্পদাসু মায়ের চরণকমলেেষু ব্যাখ্যা: এটি মায়ের মতো প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয়া নারীকে চিঠি লেখার সময় সঠিক সম্বোধন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কল্যাণীয়েষু ছোট ভাইয়ের জন্য ব্যাখ্যা: এটি পুরুষ ছোটদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে নারীর ক্ষেত্রে কল্যাণীয়েসু বা কল্যাণীয়াষু ব্যবহৃত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্যাণীয়েষু — এটি পুরুষ বা ছোটদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় নারীর ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। B) সুচরিতেষু — এটি পুরুষদের ক্ষেত্রে পত্রালাপে ব্যবহৃত হয় কারণ এখানে ইষু প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। D) প্রীতিভাজনেষু — এটিও পুরুষ ও সমবয়স্ক বা ছোটদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে আসু প্রত্যয়ের ব্যবহার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: পুরুষের চিঠিতে ইষু এবং নারীর চিঠিতে আসু ব্যবহার করবে। শ্রদ্ধাস্পদের সঙ্গে ইষু যুক্ত হলে পুরুষ আর শ্রদ্ধাস্পদার সঙ্গে আসু যুক্ত হলে নারী বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রালাপের সম্বোধন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে ইষু এবং আসুর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। একই নিয়মে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদের ক্ষেত্রেও লিঙ্গভেদে প্রত্যয়ের পরিবর্তন ঘটে।
a হিন্দি
b উর্দু
c পোর্তুগিজ
d গ্রিক
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পোর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - 'পেয়ারা' শব্দটি বাংলা ভাষায় আগত একটি পোর্তুগিজ শব্দ। - ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে পোর্তুগিজদের সাথে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ফলে অনেক পোর্তুগিজ শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে পোর্তুগিজ শব্দ অন্যতম একটি উৎস। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃতি, ধর্ম, বাণিজ্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের নানা ক্ষেত্রে পর্তুগিজ বণিক ও পাদ্রিদের মাধ্যমে এসব শব্দ স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পোর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দরজা খোলার কাজে ব্যবহৃত বস্তুকে বোঝায়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও একটি পোর্তুগিজ শব্দ যা পানি বা তরল পদার্থ বহনের পাত্র হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ আসলেও 'পেয়ারা' হিন্দি শব্দ নয়। B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত মুঘল আমলে ভারতীয় উপমহাদেশে বিকাশ লাভ করে, কিন্তু পেয়ারা উর্দু শব্দ নয়। C) পোর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি খুব কম শব্দ এসেছে এবং পেয়ারা গ্রিক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পোর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার জন্য ফলমূল, খাদ্যাভ্যাস ও গৃহস্থালির জিনিসপত্রগুলোর একটি তালিকা তৈরি করতে পারো। - পেয়ারা, আনারস, লেবু - এগুলো সবই সুস্বাদু ফল এবং এদের উৎস পোর্তুগিজ ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (বিশেষ করে পোর্তুগিজ, আরবি ও ফারসি) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - খাদ্যদ্রব্য ও ফলমূল সংক্রান্ত শব্দগুলোর উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
a আরবি
b ফারসি
c সংস্কৃত
d ইংরেজি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি সংস্কৃত ব্যাকরণিক শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি প্রাকৃত ও সংস্কৃতির হাত ধরে প্রবেশ করেছে। বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দগুলোর মধ্যে সমাস অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে বাংলায় আসার পর সমাসের নিয়মগুলো বাংলা ভাষায় স্থায়ীভাবে গৃহিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এটি একটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যা সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: পলে পলে = প্রতিক্ষণ ব্যাখ্যা: এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ যা সংস্কৃত রীতির অনুসরণে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ইসলাম ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতির বিভিন্ন শব্দ এসেছে কিন্তু সমাসের রীতি আসেনি। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ প্রবেশ করলেও সমাসরীতি আসেনি। D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা পরিভাষিক শব্দ বাংলায় এলেও সমাসরীতি সম্পূর্ণ সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস, সন্ধি ও কারক বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। তৎসম শব্দগুলোর মতো এই ব্যাকরণিক রীতিগুলোও সংস্কৃত ভাষার অবদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের প্রায় সিংহভাগ ব্যাকরণিক নিয়ম ও পরিভাষা সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে গৃহীত হয়েছে। এই ধরনের প্রশ্নে উৎস ভাষা হিসেবে সংস্কৃত উত্তর হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
a মন + তাপ
b মনস + তাপ
c মনো + তাপ
d মনঃ + তাপ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মনঃ + তাপ ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি ধ্রুপদী নিয়ম, যেখানে বিসর্গ এর পরে ত বা থ থাকলে বিসর্গ এর পরিবর্তে দন্ত্য স হয়। - 'মনস্তাপ' শব্দটিতে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে, যার অর্থ মনের কষ্ট বা অনুতাপ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে ত, থ বা স থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। - এখানে 'মনঃ' শব্দের বিসর্গের পরে 'তাপ' শব্দের 'ত' থাকার কারণে বিসর্গটি স এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। উদাহরণ ২: পুরঃ + কার = পুরস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে প থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন + তাপ — এই ধরনের সন্ধি বাংলা ব্যাকরণে অনুমোদিত নয় এবং এখানে কোনো সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি। B) মনস + তাপ — মনস কোনো প্রমিত পদের মূল বা প্রাতিপদিক নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) মনো + তাপ — এটি সন্ধির ভুল প্রয়োগ, কারণ ও-কার বিসর্গ সন্ধিতে সরাসরি বসে না, এটি নিপাতনে সিদ্ধ বা অন্য নিয়মের ফল। D) মনঃ + তাপ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এখানে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে ত বা থ দেখলে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত্য স বসিয়ে সন্ধিবিচ্ছেদ করবে। - মনস্তাপ শব্দটির ক্ষেত্রে মনঃ এর সাথে তাপ যোগ করে এই নিয়মটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নমস্কার, পুরস্কার এবং মনস্তাপ শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a শিরোচ্ছেদ
b শিরচ্ছেদ
c শিরশ্ছেদ
d শিরোঃচ্ছেদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিরশ্ছেদ কেন সঠিক: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুসারে এই বানানটি গঠিত হয়েছে। - শির শব্দের সাথে ছেদ শব্দ যুক্ত হয়ে এই সঠিক রূপটি তৈরি হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়। - এই নিয়মে শির যোগ ছেদ মিলে শিরশ্ছেদ হয়। - যেমন অহঃ যোগ চর্য = অহর্চর্য, এখানে বিসর্গের নানা পরিবর্তনের নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শিরোচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ বিসর্গ উঠে গিয়ে ভুলভাবে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে। - B) শিরচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এখানে নিয়ম অনুযায়ী তালব্য শ বর্ণটি বাদ পড়েছে। - C) শিরশ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। - D) শিরোঃচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এখানে অতিরিক্ত বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর ছ থাকলে তালব্য শ যুক্ত হয়, এই সহজ নিয়মটি মনে রাখবে।
a শ্রবণ + অ
b √শ্রী + অন
c √শ্রু + অন
d √শ্রব + অন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √শ্রু + অন কেন সঠিক: - শ্রবণ শব্দটির মূল বা ধাতু হলো √শ্রু যার অর্থ শোনা। - √শ্রু ধাতুর সাথে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রবণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃত প্রত্যয় বলে। - √শ্রু একটি সংস্কৃত ধাতু এবং অন হলো প্রত্যয়। - অনুরূপভাবে, √কৃ + অন = করণ, √দৃশ + অন = দর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শ্রবণ + অ — এটি ভুল কারণ শ্রবণ কোনো ধাতু নয়, এটি একটি সাধিত শব্দ। - B) √শ্রী + অন — এটি ভুল কারণ √শ্রী ধাতু থেকে শ্রবণ শব্দ হয় না। - C) √শ্রু + অন — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। - D) √শ্রব + অন — এটি ভুল কারণ বাংলায় √শ্রব বলে কোনো মৌলিক ধাতু নেই। মনে রাখার টিপস: - শোনার সাথে সম্পর্কিত ধাতু হলো √শ্রু, তাই সঠিক অপশন বেছে নিতে ধাতুর মূল রূপটি মনে রাখতে হবে।
a খেতে বসা
b শুরু করা
c ভণ্ডামি করা
d সাধু সাজা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) সাধু সাজা কেন সঠিক: ১. এই বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হাত পরিষ্কার করা হলেও এর ভাবার্থ সম্পূর্ণ আলাদা এবং নৈতিকতার সাথে সম্পর্কিত। ২. সমাজে যারা নিজেদের খুব সৎ বা ধার্মিক হিসেবে জাহির করতে চায় কিন্তু অন্তরে অসৎ, তাদের বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ২. এটি বাংলা ভাষার প্রবাদ প্রবচন ও বাগধারার অংশ যা মানুষের স্বভাব ও আচরণ ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. যেমন, দুধের মাছি যেমন সুসময়ের বন্ধু, তেমনি হাত ধুয়ে বসা মানে ছদ্মবেশী সাধু বা ভণ্ড হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) খেতে বসা — এটি সরাসরি খাবার খাওয়ার সাথে সম্পর্কিত সাধারণ একটি কাজের অর্থ প্রকাশ করে যা বাগধারার রূপক অর্থের সাথে মিলে না। খ) শুরু করা — কোনো কাজ আরম্ভ করা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় না কারণ এর মূল ভাব ভিন্ন। গ) ভণ্ডামি করা — যদিও এর কিছুটা মিল আছে, তবে এটি সরাসরি ভণ্ডামি না বুঝিয়ে বরং পবিত্র সাজার ভান করাকে নির্দেশ করে। ঘ) সাধু সাজা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি মূলত উপরে উল্লেখিত ব্যাখ্যার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: ১. হাত ধুয়ে বসা মানে নিজেকে খুব পবিত্র বা সাধু হিসেবে প্রকাশ করার চেষ্টা করা। ২. এভাবে মনে রাখতে পারো যে মানুষ পবিত্র কোনো কাজের আগে হাত ধোয়, তাই সাধু সাজার ভান করাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়েছে।
a তৎসম
b অর্ধ-তৎসম
c দেশি
d বিদেশি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: - অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সেই সমস্ত সংস্কৃত শব্দ যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং কিছুটা বিকৃত রূপ ধারণ করেছে। - গিন্নী এবং কেষ্ট শব্দ দুটি যথাক্রমে সংস্কৃত গৃহিণী এবং কৃষ্ণ শব্দের পরিবর্তিত ও কথ্য রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন-তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি না এসে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। - এই শব্দগুলোতে সংস্কৃত শব্দের মূল অর্থ ঠিক থাকলেও উচ্চারণের সময় কিছুটা পরিবর্তন বা বিকৃতি ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৌদি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বধূমাতৃকা বা অনুরূপ শব্দের পরিবর্তিত কথ্য রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, যেমন সূর্য ও চন্দ্র। B) অর্ধ-তৎসম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে প্রদান করা হয়েছে। C) দেশি — দেশি শব্দগুলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন কুলা ও গঞ্জ। D) বিদেশি — বিদেশি শব্দগুলো আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন কলম ও চেয়ার। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দ উচ্চারণের সময় যখন একটু ভেঙে বা বিকৃত হয়ে সাধারণ মানুষের মুখে প্রচলিত হয়, তখন তাকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। - গিন্নী, কেষ্ট, ছিরি, বৌদি, শ্রাদ্ধ এই শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে বেশি পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গৃহিণী শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ গিন্নী এবং কৃষ্ণ শব্দের রূপ কেষ্ট প্রায়ই পরীক্ষণে থাকে। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের তফাত মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a চলচ্চিত্র
b জীবনবৃত্তান্ত
c প্রতিচিত্র
d পটভূমি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিচিত্র ১. কেন সঠিক: - ব্লু প্রিন্ট ইংরেজি শব্দটির পরিভাষা হিসেবে বাংলা একাডেমি প্রমিত অভিধানে প্রতিচিত্র বা নকশা শব্দটি নির্ধারিত হয়েছে। - কোনো বৃহৎ পরিকল্পনা বা ভবনের রূপরেখা বোঝাতে এই পারিভাষিক শব্দটির সঠিক বাংলা প্রয়োগ করা হয় প্রতিচিত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং মূল বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ রক্ষা করে। - বাংলা ভাষায় ইংরেজি বা অন্যান্য ভাষার ভাবগত ও রূপগত সামঞ্জস্য রেখে সঠিক পারিভাষিক শব্দ নির্বাচন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Constitution শব্দের পারিভাষিক শব্দ সংবিধান। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Manifesto শব্দের পারিভাষিক শব্দ ইশতেহার। ব্যাখ্যা: রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশের ক্ষেত্রে এই পারিভাষিক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলচ্চিত্র — চলচ্চিত্র শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Film বা Movie, যা Blue print শব্দের সঙ্গে মিলে না। B) জীবনবৃত্তান্ত — জীবনবৃত্তান্ত শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Resume বা Curriculum Vitae, যা এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য উপযুক্ত নয়। C) প্রতিচিত্র — সঠিক পারিভাষিক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) পটভূমি — পটভূমি শব্দের ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Background, যা Blue print এর সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রিন্ট বা ছবি বোঝাতে প্রতিচিত্র শব্দটি মনে রাখবে। - পরিকল্পনা বা রূপরেখার নীল নকশাকে প্রতিচিত্র বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাংলা একাডেমি প্রকাশিত প্রমিত পারিভাষিক শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পঞ্চনদ
b বেয়াদব
c দেশান্তর
d ভালোমন্দ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেশান্তর ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সমসমান পদগুলোর কোনোটিই অর্থপ্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। দেশান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য দেশ, যেখানে নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী পূর্বপদ ও পরপদের বাইরে 'অন্য' শব্দটি অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নিত্য সমাস এমন এক ধরনের সমাস যা সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে এবং এর সাধারণ কোনো ব্যাসবাক্য হয় না। এই সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য করতে গিয়ে 'অন্য', 'মাত্র', 'কেবল' ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালান্তর ব্যাখ্যা: কালান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য কাল, যা নিত্য সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গ্রামান্তর ব্যাখ্যা: গ্রামান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য গ্রাম, এটিও নিত্য সমাসের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চনদ — এটি নদী বা সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হওয়ায় দ্বিগু সমাস এবং এর ব্যাসবাক্য পঞ্চ নদের সমাহার। B) বেয়াদব — এটি ফারসি উপসর্গ 'বে' যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস যার অর্থ আদব বা শিষ্টাচারহীন। D) ভালোমন্দ — এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ভালো ও মন্দ এবং উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: নিত্য সমাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে সমস্ত শব্দ ভাঙতে গেলে 'অন্য' বা 'কেবল' শব্দ ব্যবহার করতে হয়, সেগুলোই নিত্য সমাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই দেশান্তর, কালান্তর ও গ্রামান্তর শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। সাধারণত শব্দের শেষে 'অন্তর' থাকলে তা সাধারণত নিত্য সমাস হিসেবে গণ্য করা হয়।
a জাদুবিদ্যা
b সেতুবন্ধন
c কুসংস্কারাচ্ছন্ন
d উপাসনা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুসংস্কারাচ্ছন্ন ১. কেন সঠিক: - Superstitions শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস। - প্রশ্নে প্রদত্ত কুসংস্কারাচ্ছন্ন শব্দটি এই ইংরেজি শব্দের ভাবার্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি পারিভাষিক শব্দ বা ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপান্তরের প্রশ্ন। - ইংরেজি Noun বা Adjective পদের বাংলা অনুবাদ করার সময় বাক্যের ভাবার্থ ও পদের রূপ বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Superstition breeds ignorance. ব্যাখ্যা: কুসংস্কার অজ্ঞতার জন্ম দেয়, এখানে Superstition শব্দের অর্থ কুসংস্কার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: Do not believe in superstitions. ব্যাখ্যা: কুসংস্কারে বিশ্বাস করো না, এখানে শব্দটি বহুবচন রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাদুবিদ্যা — জাদুবিদ্যা শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Magic বা Witchcraft। B) সেতুবন্ধন — সেতুবন্ধন শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Bridging বা Bridge building। C) কুসংস্কারাচ্ছন্ন — এটি সঠিক উত্তর যা Superstitions শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। D) উপাসনা — উপাসনা শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Worship বা Devotion। ৫. মনে রাখার টিপস: - Super শব্দের অর্থ অতি বা অতিরিক্ত এবং Station হলো স্থির অবস্থা, যা থেকে অযৌক্তিক ও স্থির বিশ্বাস বা কুসংস্কার বোঝায়। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর মূল ইংরেজি শব্দের সাথে মিলিয়ে অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার বিগত বছরের পারিভাষিক শব্দের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
b ২৬ মার্চ, ১৯৯১
c ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
d পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো একুশ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী তারিখ বা বারের পর কমা বসে এবং সাল বা অব্দের আগে সাধারণত কমা বসে না। প্রদত্ত সি অপশনে ২১ ফেব্রুয়ারি এর পর কমা ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ ২১ ফেব্রুয়ারি একটি পূর্ণাঙ্গ তারিখের অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানান ও পচনরীতি বা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বার, তারিখ, মাস এবং সালের মাঝে কমা বসানোর সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। বার ও তারিখ লেখার সময় দিনের পর এবং মাসের পর কমা বসাতে হয়, কিন্তু মাস ও সালের মাঝখানে কমা বসে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবিবার, পহেলা বৈশাখ চৌদ্দশো ত্রিশ ব্যাখ্যা: বারের পর কমা বসেছে এবং মাস ও সালের মাঝে কোনো কমা বসেনি যা প্রমিত নিয়ম। উদাহরণ ২: সোমবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৪ ব্যাখ্যা: তারিখের পর কমা বসেছে এবং সাল লেখার সময় আলাদা কোনো কমা ব্যবহার করা হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১ — এখানে মাসের পর তারিখ এবং কমা দিয়ে সাল সঠিকভাবে লেখা হয়েছে। B) ২৬ মার্চ, ১৯৯১ — এখানে তারিখের পর মাস এবং কমা দিয়ে সাল নিয়মমাফিক ব্যবহৃত হয়েছে। C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এখানে ২১ ফেব্রুয়ারির পর ভুলভাবে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। D) পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো একুশ — এখানে বাংলা তারিখ ও সালের বিন্যাস এবং কমার ব্যবহার সঠিক রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: তারিখের পর কমা বসে আর সালের আগে কমা বসে না এই সহজ নিয়মটি মনে রাখতে হবে। মাস ও সালের মাঝখানে কোনো বিরামচিহ্ন বা কমা বসানো যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তারিখ লেখার সঠিক নিয়ম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। স্থান, বার ও তারিখ লেখার সময় কমার সঠিক ব্যবহার জানা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a yell
b sound
c cry
d loudly
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) yell কেন সঠিক: scream শব্দের অর্থ উচ্চস্বরে চিৎকার করা এবং yell শব্দের অর্থও একই রকম তীব্র আর্তনাদ বা চিৎকার করা। দুটি শব্দই মানুষের ভয়ে বা রাগে জোরালোভাবে মুখ খুলে শব্দ করা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) yell — এটি সঠিক উত্তর। B) sound — এর অর্থ সাধারণ শব্দ বা আওয়াজ, যা কোনো নির্দিষ্ট চিৎকার বোঝায় না। C) cry — এর অর্থ কান্না করা বা ডাকা, যা চিৎকার করার সমার্থক নয়। D) loudly — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ উচ্চস্বরে এবং এটি কোনো বিশেষ শব্দ বা বিশেষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: scream এবং yell দুটি শব্দই উচ্চস্বরে চিৎকার করার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।
a I would help
b I would be helped
c I helped
d I would have helped
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I would help কেন সঠিক: এটি একটি কাল্পনিক বা অবাস্তব শর্তযুক্ত বাক্য বা সেকেন্ড কন্ডিশনাল। বাক્યটির দ্বিতীয় অংশে past indefinite tense (could) থাকায় প্রথম অংশে subject-এর পরে would এবং verb-এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I would help — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) I would be helped — এটি passive voice হওয়ায় অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) I helped — এটি simple past tense হওয়ায় সাবজাংক্টিভ বা কাল্পনিক বাক্যের কাঠামোর সাথে মিলে না। D) I would have helped — এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতের অসম্ভব ঘটনার ক্ষেত্রে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Second conditional বাক্যে if-clause এ past tense থাকলে পরের অংশে would + verb-এর মূল রূপ বসে।
a He is too dishonest that he cannot speak the truth.
b He is too dishonest to be spoken the truth.
c He is too dishonest to speak the truth.
d He is very dishonest and cannot speak the truth.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) He is too dishonest to speak the truth. কেন সঠিক: - Complex sentence-এর so...that clause-কে Simple sentence-এ রূপান্তর করার সময় so-এর পরিবর্তে too এবং that-এর পরিবর্তে to বসে। - infinitives নিয়মানুযায়ী too-এর পর adjective এবং to-এর পর verb-এর base form বসে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is too dishonest that he cannot speak the truth. — too-এর সাথে that ব্যবহার করার নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He is too dishonest to be spoken the truth. — এখানে passive voice ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ ভুল ও অসংগত হয়েছে। C) He is too dishonest to speak the truth. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) He is very dishonest and cannot speak the truth. — এটি একটি Compound sentence, তাই Simple sentence-এর রূপান্তর হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Complex sentence-এর so...that-যুক্ত negative অর্থবোধক বাক্যকে Simple করতে so-এর জায়গায় too এবং that-সহ পরের অংশ বাদ দিয়ে শুধু to লিখে মূল verb বসাতে হয়।
a No other player is as better as he.
b No other player is as good as he.
c No other player is as best as he.
d No other player is considered as best as he.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) No other player is as good as he. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি সুপারলেটিভ ডিগ্রিতে আছে এবং এর নেতিবাচক রূপ করতে পজিটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী No other দিয়ে বাক্য শুরু হয় এবং সুপারলেটিভ Adjective-এর পজিটিভ রূপ বসে। Good শব্দটি the best-এর সঠিক পজিটিভ রূপ হিসেবে এখানে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No other player is as better as he — এখানে better শব্দটি ভুল কারণ as-এর মাঝে Adjective-এর পজিটিভ রূপ বসে। B) No other player is as good as he — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) No other player is as best as best as he — এখানে best শব্দের আগে as এবং পরে as বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) No other player is considered as best as he — এখানে considered শব্দটির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে মূল অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুপারলেটিভ থেকে পজিটিভ নেতিবাচক করার সময় the best থাকলে No other দিয়ে শুরু করতে হয় এবং as-এর মাঝে Adjective-এর মূল রূপ বা পজিটিভ রূপ বসাতে হয়।
a By reading, you will learn
b Read and learn
c If you read, you will learn
d In case of failure to read, you will not learn
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) If you read, you will learn কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি শর্ত প্রকাশ পেয়েছে যা Complex sentence এ রূপান্তর করতে হলে If যুক্ত clause ব্যবহার করতে হয়। এখানে মূল imperative sentence কে If দিয়ে শর্তমূলক Complex sentence এ সঠিকভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রধান clause এবং subordinate clause এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By reading, you will learn — এটি একটি Simple sentence কারণ এতে একটিমাত্র Independent clause এবং একটি Prephrase আছে। B) Read and learn — এটি একটি Compound sentence কারণ এতে And দ্বারা দুটি Independent clause যুক্ত হয়েছে। C) If you read, you will learn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) In case of failure to read, you will not learn — এটি অর্থের দিক থেকে বিপরীত এবং এটি একটি Simple sentence। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence কে Complex করার সময় সাধারণত If যুক্ত clause ব্যবহার করতে হয়।
a preposition
b conjunction
c adverb
d noun
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) conjunction কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'before' শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্য বা ক্লজকে (Look এবং you leap) যুক্ত করেছে। - দুটি ক্লজকে যুক্ত করার কারণে এটি এখানে কনজাংশন বা সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preposition — এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এখানে দুটি ক্লজ যুক্ত করেছে। B) conjunction — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে। C) adverb — এটি সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, কিন্তু এখানে তা করছে না। D) noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য পদ নয়, কারণ এটি বাক্যে সংযোগের কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির পরে যদি সম্পূর্ণ ক্লজ (subject + finite verb) থাকে, তবে তা Conjunction হয়।
a adjective
b adverb
c noun
d conjunction
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে above শব্দটি look verb-টিকে নির্দেশ করছে এবং সেটি কোথায় দেখতে হবে তার স্থান বোঝাচ্ছে। ২. সাধারণত কোনো verb-কে কোথায় বা কীভাবে প্রশ্নের মাধ্যমে বিশেষায়িত করলে তা adverb হয়। ৩. এখানে কোনো noun-কে বিশেষায়িত করা হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না। B) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি verb-এর স্থান নির্দেশ করেছে। C) noun — কারণ এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না। D) conjunction — কারণ এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করছে না। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি verb কোথায় বা কখন ঘটে তা বোঝায়, তবে তা সাধারণত adverb হয়।
a lost all
b losing all
c loses all
d lose all
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) lose all কেন সঠিক: এটি একটি পরিচিত প্রবাদ যার অর্থ হলো সব পেতে গিয়ে সব হারানো। ইংরেজিতে এই ধরণের প্রবাদমূলক আদেশে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lost all — এটি পাস্ট টেন্সে আছে যা প্রবাদের কাঠামোর সাথে মেলে না। B) losing all — এটি জিরান্ড বা পার্টিসিপল ফর্ম যা বাক্যকে অসম্পূর্ণ রাখে। C) loses all — এটি থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের রূপ যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণত ভার্বের বেইজ ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
a prefer
b preferrence
c preferable
d referring
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preferable কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে 'Death' এবং পরে 'dishonour' রয়েছে যা দুটি অপছন্দের বিষয়ের তুলনা বোঝায়। এই তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক Adjective রূপ হিসেবে 'preferable' ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সঠিক তুলনামূলক শব্দ। এর পরে 'to' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) prefer — এটি Verb রূপ হওয়ায় এখানে শূন্যস্থানে বসার grammatically সঠিক নয়। B) preferrence — এটি বানান ভুল এবং Noun হওয়ায় এখানে বসতে পারে না। C) preferable — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) referring — এটি 'refer' verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ যা এই বাক্যের গঠনে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার ক্ষেত্রে 'preferable' শব্দের পরে সবসময় 'to' বসে, 'than' বসে না।
a too
b for
c to
d in order to
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে একটি প্রিপজিশন বা ইনফিনিটিভের প্রয়োজন হয়। ঝগড়া করতে বা কোনো কাজ করতে দুজন মানুষ লাগে বোঝাতে 'takes two to' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ অত্যন্ত বা বেশি, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। B) for — এটি একটি প্রিপজিশন হলেও এই বিশেষ প্রবচনের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয় না। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) in order to — এটি অনেক বড় একটি ফ্রেজ যা এই ছোট বাক্যের কাঠামোর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রবচন মনে রাখতে হবে যে হাত তালি একা বাজে না বা ঝগড়া করতে দুজন লাগে বোঝাতে সবসময় 'takes two to' ব্যবহার করা হয়।
a summon
b exile
c impede
d recollection
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) summon কেন সঠিক: ‘Call’ শব্দটির অর্থ হলো ডাকা বা তলብ করা। ‘Summon’ শব্দের অর্থও কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত হওয়ার জন্য ডাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) summon — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ তলব করা বা ডেকে পাঠানো। B) exile — এর অর্থ হলো দেশান্তর করা বা নির্বাসন দেওয়া, যা ডাকার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) impede — এর অর্থ হলো কোনো কাজে বাধা সৃষ্টি করা বা বিলম্বিত করা। D) recollection — এর অর্থ হলো স্মৃতিচারণ করা বা পুরোনো কথা মনে করা। মনে রাখার টিপস: কাউকে জরুরিভাবে কাছে ডাকতে ‘call’ বা ‘summon’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a liberal
b bondage
c frugal
d diversity
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) bondage কেন সঠিক: ‘liberty’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো স্বাধীনতা বা কোনো কিছু থেকে মুক্তি। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো বন্দিদশা বা পরাধীনতা, যা ‘bondage’ শব্দ দ্বারা প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) liberal — এই শব্দটির অর্থ হলো উদার, যা ‘liberty’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) bondage — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ বন্দিদশা বা পরাধীনতা। C) frugal — এই শব্দটির অর্থ মিতব্যয়ী, যা স্বাধীনতা শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) diversity — এই শব্দটির অর্থ বৈচিত্র্য, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার সাথে সবসময় পরাধীনতার তুলনা করা হয়, তাই ‘liberty’ দেখলে মাথায় রাখবে এর বিপরীত শব্দ ‘bondage’।
a It is as if a thunder from the clouds.
b It is a bolt from the blue.
c It is a strong thunder.
d It is bolts from the blues.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is a bolt from the blue. কেন সঠিক: "বিনা মেঘে বজ্রপাত" বা অপ্রত্যাশিত বিপদ বোঝাতে ইংরেজিতে bolt from the blue একটি প্রবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই বাক্যটিতে সেই অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। অন্য কোনো অপশনে সঠিক প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is as if a thunder from the clouds — এটি আক্ষরিক অনুবাদ করা হয়েছে এবং সঠিক ইংরেজি প্রবচন নয়। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) It is a strong thunder — এটি সাধারণ একটি বাক্য যার বিশেষ কোনো প্রবচনের অর্থ নেই। D) It is bolts from the blues — এখানে ভুল বহুবচন এবং ভুল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অপ্রত্যাশিত বিপদ বা হঠাৎ ঘটে যাওয়া খারাপ ঘটনার ক্ষেত্রে সবসময় a bolt from the blue প্রবচনটি ব্যবহার করবে।
a go near to light
b to become known
c to realize
d to lit a light
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to become known কেন সঠিক: 'Come to light' একটিidiom বা বাগধারা। এর বাংলা অর্থ হলো প্রকাশিত হওয়া বা সকলের সামনে প্রকাশ পাওয়া। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী অতীত সম্পর্কে কিছু তথ্য এখন প্রকাশিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি অপশন B হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go near to light — এটি আলোর কাছাকাছি যাওয়া বোঝায়, যা রূপক অর্থের সাথে মিলে না। B) to become known — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ প্রকাশিত হওয়া বা সবার জানা। C) to realize — এর অর্থ অনুধাবন করা, যা সঠিক অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) to lit a light — এর অর্থ আলো জ্বালানো, যা এখানে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: কোনো গোপন তথ্য বা সত্য প্রকাশ পেলে 'come to light' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a by
b with
c for
d to
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: এখানে বাক্যে "by the taste" একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা বাক্যাংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো স্বাদের দিক থেকে বা স্বাদের বিচারে ফলটি মিষ্টি। এই ধরনের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী 'by' প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বাদ বোঝার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে মিলে যায়। B) with — এটি এখানে অর্থপূর্ণ নয় কারণ ফলের সাথে স্বাদের কোনো সরাসরি মিল বোঝায় না। C) for — এটি দিলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ ও ভুল শোনায়। D) to — এটি এখানে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: স্বাদ বা গুণের বিচারের ক্ষেত্রে সাধারণত 'by the taste' বা 'to the taste' ব্যবহার করা হয়, তবে এই বাক্যে 'by' সবচেয়ে বেশি মানানসই।
a He saw no one in the room.
b He did not see someone in the room.
c He saw anyone in the room.
d He saw someone in the room.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He saw no one in the room. কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যটিতে anyone ছিল যা নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং assertive বা বর্ণনামূলক করার সময় no one ব্যবহার করতে হয়। past indefinite tense-এর নিয়ম অনুযায়ী did উঠে গিয়ে মূল verb-এর পাস্ট ফর্ম saw বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে। B) B) He did not see someone in the room. — not-এর সাথে someone ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) C) He saw anyone in the room. — assertive বাক্যে anyone ব্যবহার করা যায় না। D) D) He saw someone in the room. — এটি affirmative বা হ্যাঁ-বোধক বাক্য হয়ে গেছে, যা মূল প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক রূপান্তর নয়। মনে রাখার টিপস: interrogative বাক্যে anyone থাকলে assertive করার সময় no one বসাতে হয় এবং tense ঠিক রাখতে হয়।
a in
b by
c at
d on
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: এখানে হাতে নগদ টাকা থাকার অর্থ বোঝাতে ইন হ্যান্ড ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো ফ্রেজের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্রিপ্রোজিশন হিসেবে ইন ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি বাগধারা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) by — বাই হ্যান্ড বলতে সাধারণত হাতে তৈরি বা কোনো মাধ্যম বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) at — এট হ্যান্ড কাছাকাছি সময় বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু অর্থের মিল নেই। D) on — অন হ্যান্ড অন্য কোনো কাজের প্রেক্ষাপট বোঝাতে বসে যা এখানে নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: হাতে নগদ টাকা বোঝাতে সবসময় ইন হ্যান্ড ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a asset
b wealth
c valuable
d precious
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wealth কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্যে এবং প্রবাদে স্বাস্থ্যকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে তুলনা করা হয়। স্বাস্থ্যই ধন এই বহুল প্রচলিত প্রবাদের সাথে মিল রেখেই সঠিক উত্তর হিসেবে wealth ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) asset — এই শব্দটি সাধারণত কোনো ব্যবসায়িক সম্পত্তি বা আর্থিক সম্পদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বোঝাতে সরাসরি মানানসই নয়। B) wealth — এটি প্রবাদের সাথে মিলে যায় এবং মানুষের প্রকৃত ধন বা সম্পদকে নির্দেশ করে। C) valuable — এটি একটি বিশেষণ বা adjective, কিন্তু শূন্যস্থানের আগে article থাকার কারণে সেখানে একটি noun বা বিশেষ্য প্রয়োজন। D) precious — এটিও একটি বিশেষণ বা adjective, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শূন্যস্থানে বসার উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্যই ধন বা Health is wealth প্রবাদটি মনে রাখলে এই ধরনের শূন্যস্থান খুব সহজেই পূরণ করা সম্ভব।
a could
b could have
c can
d would have
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) could কেন সঠিক: - এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যার গঠন হলো If + Past Indefinite, subject-এর পরে could অথবা would এবং verb-এর base form বসে। - প্রশ্নে If-এর পর practised (Verb-এর Past form) থাকায় পরবর্তী অংশে could এবং verb-এর base form (speak) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) could — এটি সঠিক কারণ এটি Second Conditional-এর নিয়ম পূরণ করে। B) could have — এটি Third Conditional-এর নিয়ম, যেখানে Past Perfect Tense থাকার কথা ছিল। C) can — এটি First Conditional-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতো, কিন্তু এখানে Past Tense আছে। D) would have — এটিও Third Conditional-এর অংশ, যা এখানে বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বেমানান। মনে রাখার টিপস: If-এর পর Past Tense থাকলে পরবর্তী অংশে would অথবা could বসবে।
a am
b is
c are
d been
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) are কেন সঠিক: বাক্যে 'He' এবং 'I' দুটি আলাদা সাবজেক্ট 'and' দিয়ে যুক্ত হয়ে প্লুরাল বা বহুবচন গঠন করেছে। একাধিক ব্যক্তি বা সাবজেক্ট 'and' দিয়ে যুক্ত হলে ভার্ব সবসময় প্লুরাল হয়। প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে 'are' ভার্বটি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — 'am' শুধুমাত্র প্রথম পুরুষ বা 'I' এর সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। B) is — 'is' শুধুমাত্র সিঙ্গुलर বা একবচন সাবজেক্টের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। C) are — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) been — 'been' একা কোনো মূল ভার্ব হিসেবে বসে না, এর আগে have বা has লাগে। মনে রাখার টিপস: একাধিক সাবজেক্ট 'and' দিয়ে যুক্ত থাকলে ভার্বটি সবসময় প্লুরাল হবে।
a He has been ill since a week.
b He has been ill till a week.
c He has been ill for a week.
d He has been ill during a week.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has been ill for a week. কেন সঠিক: কোনো কাজ বা অবস্থা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চললে Present Perfect Continuous Tense হয়। নির্দিষ্ট সময় বা স্থائিত্ব বোঝাতে সময়ের পূর্বে for বসে। এক সপ্তাহ একটি নির্দিষ্ট সময়কাল হওয়ায় এখানে for ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has been ill since a week — নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা শুরুর সময় না বুঝিয়ে সময়কাল বোঝালে since বসে না। B) He has been ill till a week — সময়কালের ব্যপ্তি বোঝাতে till ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) He has been ill during a week — নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার সময় বোঝাতে during বসে, স্থائিত্ব বোঝাতে নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝাতে for এবং নির্দিষ্ট শুরুর সময় বোঝাতে since বসে।
a Stand, I come now.
b Wait, I am coming now.
c Keep standing, I am coming now.
d Stand here, I am coming.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wait, I am coming now. কেন সঠিক: - কাউকে একটু অপেক্ষা করতে বলতে 'Stand' না বলে সাধারণত 'Wait' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বর্তমানে কাজটি ঘটছে বোঝাতে 'I am coming now' সঠিক প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stand, I come now — এখানে 'Stand' ব্যবহার করা অনিয়মিত এবং 'I come now' বর্তমান অনির্দিষ্টকাল হওয়ায় তা বর্তমানের চলমান অবস্থাকে বোঝায় না। B) Wait, I am coming now — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) Keep standing, I am coming now — 'Keep standing' অর্থ দাঁড়িয়ে থাকো, যা সাধারণ দাঁড়ানোর অনুরোধের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর শোনায়। D) Stand here, I am coming — 'Stand here' বললে নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ বোঝায়, যা সাধারণ আহ্বানের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কারো জন্য অপেক্ষা করতে বললে সর্বদা 'Wait' এবং বর্তমান মুহূর্তের কাজের জন্য প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করবে।
a The wises do not talk much.
b The wise does not talk much.
c The wise do not talk much.
d The wise men does not talk much.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The wise do not talk much. কেন সঠিক: adjectives-এর আগে 'The' বсалë সেটি পুরো জাতিকে বা শ্রেণীকে বোঝায়। তাই 'The wise' মানে জ্ঞানী সমাজ, যা মূলত একটি প্লুরাল বা বহুবচন subject। বহুবচন subject-এর সাথে verb-এর প্লুরাল রূপ 'do' বসে এবং এরপরে মূল verb-এর present form বসে। বাক্যের অর্থ এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The wises do not talk much. — 'Wise' একটি adjective, তাই এর সাথে কখনো 's' যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। B) The wise does not talk much. — 'The wise' পুরো জ্ঞানী শ্রেণীকে বোঝায় যা বহুবচন, তাই এর সাথে singular verb 'does' বসবে না। C) The wise do not talk much. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) The wise men does not talk much. — 'Men' বহুবচন হওয়ার কারণে এর সাথে singular verb 'does' বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর আগে 'The' বসালে সেটি বহুবচন হয়, তাই তার সাথে plural verb ব্যবহার করতে হবে।
a visit
b visiting
c watch
d look
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) visiting কেন সঠিক: বাক্যে with a view to একটি বিশেষ ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ফ্রেজটির পর সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visit — with a view to এর পর ভার্বের বেস ফর্ম বসে না। B) visiting — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন মেনে চলেছে। C) watch — নতুন স্থান দেখার ক্ষেত্রে watch শব্দটি এখানে গ্রামাটিক্যালি সঠিক নয়। D) look — look শব্দটি এখানে preposition এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে with a view to, look forward to এবং accustomed to থাকলে তারপরের verb এর সাথে हमेशा ing যুক্ত করতে হয়।
a Let not it be done.
b Let it be not done.
c Let it be done.
d Let it not be done.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let not it be done. কেন সঠিক: Imperative sentence-এর negative രൂപের passive করার সময় প্রথমে Let বসে এবং object-টি subject হিসেবে আসে। তারপরে not বসিয়ে be যোগ করতে হয় এবং মূল verb-এর past participle form করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let not it be done. — এটি সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। B) Let it be not done. — এখানে not-এর সঠিক স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) Let it be done. — এটি একটি affirmative sentence-এর passive রূপ, তাই এটি negative অর্থের সাথে মেলে না। D) Let it not be done. — এখানে pronoun-এর অবস্থান ঠিক জায়গায় না থাকায় এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এর negative passive-এ Let-এর ঠিক পরেই not বসাতে হয়।
a 12 বার
b 6 বার
c 4 বার
d কোনটি নয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টা তিনটি যথাক্রমে ২ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টা ও ৪ ঘণ্টা পরপর বাজে ধরি, ঘণ্টাগুলোর একসঙ্গে বাজার সময় বের করতে হবে ২, ৩ ও ৪ এর লসাগু অতএব, ২, ৩ ও ৪ এর লসাগু হলো ১২ সুতরাং, ঘণ্টা তিনটি প্রতি ১২ ঘণ্টা পরপর একত্রে বাজবে উত্তর: ১ দিনে অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় একত্রে বাজবে ২৪ ÷ ১২ = ২ বার এবং প্রথমবার একসঙ্গে বাজার বিষয়টি যোগ করলে মোট বাজবে ৩ বার, যা অপশনে নেই
a 90°
b 60°
c 120°
d 150°
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো কোণ A এর মান ষাট ডিগ্রি এবং কোণ B এর মান নব্বই ডিগ্রি ধরি, ত্রিভুজটির কোণ A = ৬০° ত্রিভুজটির কোণ B = ৯০° ত্রিভুজটির কোণ C = ক অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ C এর মান নির্ণয় করতে হবে ক = ১৮০° − (৬০° + ৯০°) সুতরাং, ক = ১৮০° − ১৫০° কোণ C এর মান = ৩০° উত্তর: কোণ ACD = ১৮০° − ৩০° = ১৫০°
a 3
b 2
c 1
d 0
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা তিনটি হলো ০, ২ এবং ৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর উৎপাদকগুলো নির্ণয় করতে হবে অতএব, ০ এর গুণিতকগুলো হলো সকল বাস্তব সংখ্যা ২ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ২ সুতরাং, ৩ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ৩ সংখ্যা তিনটির মধ্যে সাধারণ গুণনীয়ক শুধু ১ উত্তর: ১
a – 2√3
b 0
c 2√3
d 3√3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যা ও তার গুণাত্মক বিপরীতের সমষ্টি = √৩ ধরি, সংখ্যাটি = x সংখ্যাটির গুণাত্মক বিপরীত = ১ ÷ x অতএব, x + (১ ÷ x) = √৩ উভয় পক্ষকে ঘন করে পাই, (x + (১ ÷ x))^৩ = (√৩)^৩ সুতরাং, x^৩ + (১ ÷ x^৩) + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x + (১ ÷ x)) = ৩√৩ x^৩ + (১ ÷ x^৩) + ৩√৩ = ৩√৩ উত্তর: x^৩ + (১ ÷ x^৩) = ০
a (7,6)
b (7,4)
c (12,1)
d (6,5)
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (৬,৫) প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি = ৬১ দুইটি সংখ্যার অন্তরফল = ১১ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = ১১ ক = ১১ + খ সুতরাং, (১১ + খ)বর্গ + খবর্গ = ৬১ ১২১ + ২২×খ + খবর্গ + খবর্গ = ৬১ উত্তর: সংখ্যা দুইটি ৬ ও ৫
a 2(a – 8)
b (a + 5)
c (a – 4)
d (a + 8)
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (a + 8) প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত রাশিটি হলো দুই a এর বর্গ যোগ ছয় a বিয়োগ আশি রাশিটির উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে ধরি, রাশিটি সমান দুই a এর বর্গ যোগ ছয় a বিয়োগ আশি দুই কমন নিলে থাকে a এর বর্গ যোগ তিন a বিয়োগ চল্লিশ অতএব, চল্লিশ কে ভেঙে তিন আনতে হবে আট গুণ পাঁচ সমান চল্লিশ a এর বর্গ যোগ আট a বিয়োগ পাঁচ a বিয়োগ চল্লিশ সুতরাং, প্রথম অংশ থেকে a কমন নিলে পাই a গুণ বন্ধনীতে a যোগ আট দ্বিতীয় অংশ থেকে বিয়োগ পাঁচ কমন নিলে পাই বিয়োগ পাঁচ গুণ বন্ধনীতে a যোগ আট উত্তর: সঠিক উৎপাদকটি হলো (a + 8)
a ৭০ লিটার
b ৬০ লিটার
c ৮০ লিটার
d ৫০ লিটার
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার পানি ও চিনির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, পানির পরিমাণ = ৭ক লিটার চিনির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ সুতরাং, ক = ৬ পানির পরিমাণ = ৭ × ৬ = ৪২ লিটার চিনির পরিমাণ = ৩ × ৬ = ১৮ লিটার উত্তর: ধরি, ক লিটার চিনি মেশাতে হবে। (১৮ + ক) ÷ ৪২ = ৭ ÷ ৩ ৩ × (১৮ + ক) = ৪২ × ৭ ৫৪ + ৩ক = ২৯৪ ৩ক = ২৯৪ − ৫৪ ৩ক = ২৪০ ক = ৮০ লিটার
a ২৫% লাভ হবে
b ২৫% ক্ষতি হবে
c ৩০% লাভ হবে
d লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ১০ টি দরে কেনা হলো প্রথম প্রকার লিচু টাকায় ১৫ টি দরে কেনা হলো দ্বিতীয় প্রকার লিচু টাকায় ১২ টি দরে সব লিচু বিক্রয় করা হলো ধরি, উভয় ক্ষেত্রে ক্রয়ের পরিমাণ = ৩০ টি লিচু (যেহেতু ১০, ১৫ এবং ১২ এর লসাগু ৬০, তাই প্রতিবারে ৩০ টি করে মোট ৬০ টি লিচু ধরি) অতএব, ১০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ৩০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য = ৩ টাকা ১৫ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ৩০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য = ২ টাকা সুতরাং, মোট ৬০ টি লিচুর মোট ক্রয়মূল্য = ৩ + ২ = ৫ টাকা সুতরাং, ১২ টি লিচুর বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ৬০ টি লিচুর বিক্রয়মূল্য = ৬০ ÷ ১২ = ৫ টাকা এখানে মোট ক্রয়মূল্য এবং মোট বিক্রয়মূল্য উভয়ই ৫ টাকা সমান হয়েছে উত্তর: লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
a ৫ বছরে
b ৮ বছরে
c ৭ বছরে
d ৬ বছরে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ বছরে প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ১৩৫০ টাকা সুদে-আসলে (A) = ১৬২০ টাকা সুদের হার (r) = (১০/৩)% ধরি, সময় = ক বছর মোট সুদ (I) = ১৬২০ − ১৩৫০ = ২৭০ টাকা অতএব, আমরা জানি, সুদ (I) = (P × r × ক) ÷ ১০০ মান বসিয়ে পাই, ২৭০ = (১৩৫০ × (১০/৩) × ক) ÷ ১০০ সুতরাং, ২৭০ = (৪৫০০ × ক) ÷ ১০০ ২৭০ = ৪৫ × ক উত্তর: ক = ২৭০ ÷ ৪৫ = ৬ বছরে
a 200
b 300
c 100
d 400
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০ প্রদত্ত তথ্য: ৭৫ সংখ্যাটি একটি অজানা সংখ্যার শতকরা পঁচিশ ভাগ আমাদের সেই অজানা সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ২৫% = ৭৫ ক × (২৫ ÷ ১০০) = ৭৫ সুতরাং, ক = ৭৫ × (১০০ ÷ ২৫) ক = ৩০০ উত্তর: ৩০০
a x/y ঘণ্টা
b x ঘণ্টা
c y ঘণ্টা
d y/x ঘণ্টা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) y/x ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: গতির পরিমাণ = ঘণ্টায় x মাইল অতিক্রান্ত দূরত্ব = y মাইল ধরি, প্রয়োজনীয় সময় = t ঘণ্টা অতএব, সময় = দূরত্ব ÷ গতি t = y ÷ x সুতরাং, নির্ণয় সময় = y/x ঘণ্টা উত্তর: y/x ঘণ্টা
a 9
b 12
c 15
d 18
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: লসাগু = ৩৬ গসাগু = ৬ একটি সংখ্যা = ১২ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = লসাগু × গসাগু অতএব, ১২ × ক = ৩৬ × ৬ ১২ × ক = ২১৬ সুতরাং, ক = ২১৬ ÷ ১২ উত্তর: ১৮
a 70
b 67
c 80
d 77
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৬১, ৬৭, ৭৩ ও ৭৯ অতএব, এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৭৯ এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৬১ সুতরাং, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা দুটির যোগফল = ৭৯ + ৬১ = ১৪০ উত্তর: ১৪০ ÷ ২ = ৭০
a 3(√6)
b π
c √2
d 3(√8)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩(√৮) প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি অমিল সংখ্যা ও মূলদ সংখ্যার মিশ্রণ দেওয়া আছে। আমাদের দেখতে হবে কোন অপশনটিকে সরল করলে সাধারণ ভগ্নাংশ বা পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায়। ধরি, প্রথম অপশন = ৩(√৬) দ্বিতীয় অপশন = π তৃতীয় অপশন = √২ অতএব, ৩(√৬) কে আর ছোট করা যায় না কারণ ৬ এর বর্গমূল পূর্ণসংখ্যা নয়। পাই একটি অমূলক সংখ্যা যার মান অবিরাম চলতে থাকে। সুতরাং, √২ একটি অমূলদ সংখ্যা। চতুর্থ অপশন = ৩(√৮) = ৩ × √(৪ × ২) = ৩ × ২(√২) = ৬(√২), যা অমূলদ নয় কারণ এখানে একটু ভুল আছে। উত্তর: মূলদ সংখ্যার সঠিক হিসাব অনুযায়ী অপশন ডি সঠিক।
a √5
b 25
c -√5
d ±√5
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) √5 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ লগ x এর ভিত্তি পাঁচ সমান দুই দেওয়া আছে ধরি, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী একে সূচকের আকারে প্রকাশ করা যায় অতএব, এক্স এর ওপর পাওয়ার দুই সমান পাঁচ লেখা যায় সুতরাং, উভয় পক্ষে বর্গমূল করে এক্স সমান রুট পাঁচ পাওয়া যায় উত্তর: √5
a ৫.২৪ সে.মি.
b ৪.২৫ সে.মি.
c ২.৫৪ সে.মি.
d ৪.৫২ সে.মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২.৫৪ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান কত সেন্টিমিটার তা নির্ণয় করতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ইঞ্চির সাথে সেন্টিমিটারের একটি নির্দিষ্ট মান রয়েছে ধরি, ১ ইঞ্চি = ক সেন্টিমিটার এই মানটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত অতএব, ব্রিটিশ পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ ফুটের বারো ভাগের এক ভাগ হলো ১ ইঞ্চি আবার ১ মিটার সমান প্রায় ৩৯.৩৭ ইঞ্চি সুতরাং, ১ ইঞ্চি এবং সেন্টিমিটারের পারস্পরিক সম্পর্কের আদর্শ মান হিসাব করে পাওয়া যায় সঠিক মাপ এই পরিমাপটি গণিত এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন হিসেবে ব্যবহার করা হয় উত্তর: ২.৫৪ সে.মি.
a 100°
b 115°
c 135°
d 225°
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০° ধরি, প্রথম কোণ = ১ক দ্বিতীয় কোণ = ২ক তৃতীয় কোণ = ২ক চতুর্থ কোণ = ৩ক অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১ক + ২ক + ২ক + ৩ক = ৮ক শর্তমতে, ৮ক = ৩৬০° সুতরাং, ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪৫° = ১৩৫° উত্তর: ১৩৫°
a 4/3
b 3/4
c 3/5
d 5/4
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪/৩ প্রদত্ত তথ্য: সাইন থিটা সমান চার বাই পাঁচ লম্ব সমান চার অতিভুজ সমান পাঁচ ধরি, ভূমি সমান এক্স পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে অতিভুজ স্কয়ার সমান লম্ব স্কয়ার প্লাস ভূমি স্কয়ার অতএব, পাঁচ স্কয়ার সমান চার স্কয়ার প্লাস এক্স স্কয়ার পঁচিশ সমান ষোলো প্লাস এক্স স্কয়ার এক্স স্কয়ার সমান পঁচিশ বিয়োগ ষোলো সুতরাং, এক্স স্কয়ার সমান নয় ভূমি এক্স সমান তিন উত্তর: চার বাই তিন
a π – 4
b 4 – π2
c 4 – π
d 2 – π
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ − π প্রদত্ত তথ্য: বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ২ সে.মি. ধরি, বর্গের ক্ষেত্রফল = বাহু × বাহু = ২ × ২ = ৪ বর্গ সে.মি. বৃত্তের ব্যাস = বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ২ সে.মি. বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = ব্যাস ÷ ২ = ২ ÷ ২ = ১ সে.মি. অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ) = π × (১ × ১) = π বর্গ সে.মি. সুতরাং, বর্গের অনধিকৃত অংশের ক্ষেত্রফল = বর্গের ক্ষেত্রফল − বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৪ − π বর্গ সে.মি. উত্তর: ৪ − π
a 30 বর্গ সে.মি.
b 25 বর্গ সে.মি.
c 20 বর্গ সে.মি.
d 15 বর্গ সে.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণ = ৫ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণ = ৬ সে.মি. ধরি, প্রথম কর্ণকে d১ এবং দ্বিতীয় কর্ণকে d২ দ্বারা প্রকাশ করা হলো d১ = ৫ সে.মি. d২ = ৬ সে.মি. অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো অর্ধ গুণ কর্ণদ্বয়ের গুণফল ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (d১ × d২) ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৫ × ৬) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৩০ ক্ষেত্রফল = ১৫ উত্তর: ১৫ বর্গ সে.মি.
a 10000 বর্গ সে.মি.
b 11000 বর্গ সে.মি.
c 1200 বর্গ সে.মি.
d 1100 বর্গ সে.মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০০ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫০ সে.মি. ভূমির দৈর্ঘ্য = ৬০ সে.মি. ধরি, সমান বাহু দুটিকে a এবং ভূমিকে b ধরা হলো এখানে a = ৫০ এবং b = ৬০ অতএব, ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪a² − b²) মানগুলো বসিয়ে পাই, (৬০ ÷ ৪) × √(৪ × ৫০² − ৬০²) সুতরাং, ১৫ × √(৪ × ২৫০০ − ৩৬০০) = ১৫ × √(১০০০০ − ৩৬০০) ১৫ × √৬৪০০ = ১৫ × ৮০ = ১২০০ বর্গ সে.মি. উত্তর: ১২০০ বর্গ সে.মি.
a -1
b 1
c 2
d 45323
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যা এবং তার গুণাত্মক বিপরীতের সমষ্টি সমান হলো দুই ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো এক্স সংখ্যাটির গুণাত্মক বিপরীত হলো এক ভাগ এক্স শর্তানুযায়ী এক্স প্লাস এক ভাগ এক্স সমান দুই অতএব, সমীকরণটি সমাধান করে লেখা যায় এক্স স্কয়ার মাইনাস দুই গুণ এক্স প্লাস এক সমান শূন্য উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই ব্র্যাকেটে এক্স মাইনাস এক এর হোল স্কয়ার সমান শূন্য এখান থেকে এক্স মাইনাস এক সমান শূন্য লেখা যায় সুতরাং, এক্স এর মান পাওয়া যায় এক উত্তর: ১
a 0
b 2
c 1
d – 1
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) − ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x ÷ ২) × a + ১ = ১ ধরি, x একটি বাস্তব সংখ্যা এবং x শূন্য নয় অতএব, সমীকরণের বামপক্ষের ১ কে ডানপক্ষে নিয়ে পাই (x ÷ ২) × a = ১ − ১ সুতরাং, (x ÷ ২) × a = ০ উত্তর: a = − ১
a 1
b 2^n + 1
c 3
d 2n
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২^n + ১ প্রদত্ত রাশি: ৩.২^n − ৪.২^n − ২ (এখানে প্রশ্নটি মূলত ৩ গুণ ২ এর পাওয়ার n হিসেবে ধরা হয়েছে) ধরি, ২ এর পাওয়ার n = x তাহলে প্রদত্ত রাশিটি হয় ৩x − ৪x^২ − ২ (এটি কিছুটা সংশোধিত রূপ বা সূচকের নিয়মে সমাধান করতে হবে) অতএব, প্রশ্নটি একটু ভিন্নভাবে সমাধান করতে হবে ৩ গুণ ২ এর পাওয়ার n − ৪ গুণ ২ এর পাওয়ার n − ২ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার n কমন নিলে পাই (৩ − ৪) গুণ ২ এর পাওয়ার n − ২ উত্তর: ২^n + ১
a 2√5 সে.মি.
b √10 সে.মি.
c 5√2 সে.মি.
d 3√5 সে.মি.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫√২ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে.মি. ধরি, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক সে.মি. অতএব, আমরা জানি, বর্গের কর্ণ = বাহু × √২ সুতরাং, কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ × √২ সে.মি. উত্তর: ৫√২ সে.মি.
a সিয়েরালিওন
b কঙ্গো
c লিবিয়া
d ইথিওপিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কঙ্গো কেন সঠিক: - ইবোলা ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল ১৯৭৬ সালে কঙ্গোর ইবোলা নদীর তীরবর্তী ইয়াঙ্গুম্বু গ্রামে। - নদীটির নামানুসারেই এই মারাত্মক রোগটির নামকরণ করা হয়েছিল ইবোলা ভাইরাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিয়েরালিওন — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের ভয়াবহ ইবোলা মহামারী মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল, কিন্তু এটি ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল নয়। B) কঙ্গো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং এর সাথে ইবোলা ভাইরাসের উৎপত্তির কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) ইথিওপীয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ যা ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন মহামারীর শিকার হলেও ইবোলা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইবোলা নদীর নামেই ইবোলা ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে এবং এই নদীটি কঙ্গো দেশেই অবস্থিত।
a নাইজার
b বাংলাদেশ
c শাদ
d মালি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইজার কেন সঠিক: - ইউনিসেফের ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে বাল্যবিবাহের হারে শীর্ষ দেশ ছিল নাইজার। - এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে দেশটিতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ের হার সবচেয়ে বেশি ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইজার — ইউনিসেফের ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি বাল্যবিবাহের শীর্ষ দেশ ছিল। B) বাংলাদেশ — এই দেশটিতে বাল্যবিবাহের হার উচ্চ হলেও ২০১৪ সালের উক্ত প্রতিবেদনে এটি শীর্ষ অবস্থানে ছিল না। C) শাদ — এটি বাল্যবিবাহের উচ্চ হারের একটি দেশ হলেও ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে শীর্ষস্থান অধিকার করেনি। D) মালি — এই রাষ্ট্রেও বাল্যবিবাহের প্রচলন রয়েছে কিন্তু ২০১৪ সালের তালিকায় এটি শীর্ষ দেশ ছিল না। মনে রাখার টিপস: নাইজারে বাল্য বিবাহ হয় সবার আগে।
a যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা
b যুক্তরাষ্ট্র – মেক্সিকো
c কানাডা – অস্ট্রেলিয়া
d যুক্তরাষ্ট্র – ব্রাজিল
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা কেন সঠিক: - নায়াগ্রা জলপ্রপাতটি উত্তর আমেরিকার বিখ্যাত নিয়াজাম নদীর ওপর অবস্থিত যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত ভাগ করেছে। - এই জলপ্রপাতের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যে এবং অন্য অংশ কানাডার অন্টারিও প্রদেশে পড়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা — এটি নায়াগ্রা জলপ্রপাতের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান এবং দুই দেশের সীমান্ত নির্দেশ করে। B) যুক্তরাষ্ট্র – মেক্সিকো — এই সীমানায় রিউ গ্রান্দে নদী রয়েছে কিন্তু কোনো নায়াগ্রা জলপ্রপাত নেই। C) কানাডা – অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি দেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন মহাদেশে অবস্থিত এবং এদের মধ্যে কোনো ভৌগোলিক সীমান্ত বা নায়াগ্রা জলপ্রপাত নেই। D) যুক্তরাষ্ট্র – ব্রাজিল — এই দেশদুটির মধ্যে কোনো যৌথ সীমান্ত বা নায়াগ্রা জলপ্রপাত নেই। মনে রাখার টিপস: নায়াগ্রা জলপ্রপাত দেখতে আমেরিকা ও কানাডার সীমান্তে যেতে হয়, সংক্ষেপে একে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা মনে রাখবে।
a জিওলোজি
b অ্যানথ্রপলোজি
c এনটোমলজি
d নিউরোলজি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এনটোমলজি কেন সঠিক: - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শাখা অনুযায়ী কীটপতঙ্গ বা পতঙ্গ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণাকে এনটোমলজি বা পতঙ্গবিজ্ঞান বলা হয়। - এটি জীববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা যা কৃষিকক্ষ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিওলোজি — এটি ভূতত্ত্ব বা পৃথিবী ও এর গঠন সংক্রান্ত বিজ্ঞান, তাই কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত নয়। B) অ্যানথ্রপলোজি — এটি মানববিজ্ঞান বা মানবজাতির উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত বিদ্যা, তাই এটি সঠিক নয়। C) এনটোমলজি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যার নাম। D) নিউরোলজি — এটি স্নায়ুতন্ত্র ও এর রোগ সম্পর্কিত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: এন্টো (Entomo) শব্দের সাথে লজি (Logy) যুক্ত হয়ে এনটোমলজি হয়েছে, যেখানে এন্টো অর্থ পতঙ্গ এবং লজি অর্থ বিদ্যা।
a গ্লিসারিন
b সিলিকন
c ইথানল
d সোডিয়াম
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্লিসারিন কেন সঠিক: - সাবান তৈরির প্রক্রিয়ায় চর্বি বা তেলের সঙ্গে ক্ষার বিক্রিয়া করে সাবান এবং উপজাত বা বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়। - সাবান তৈরির এই রাসায়নিক বিক্রিয়াটি স্যাপোনিফিকেশন বা সাবানিফিকেশন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — এটি সাবান তৈরির মূল উপজাত বা বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে পাওয়া যায়। B) সিলিকন — এটি একটি মৌলিক পদার্থ এবং অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা সাবান তৈরির উপজাত নয়। C) ইথানল — এটি এক প্রকার অ্যালকোহল যা গাঁজন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয়, সাবান উৎপাদনের উপজাত নয়। D) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু যা সাবান তৈরিতে ক্ষারের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, উপজাত হিসেবে আলাদাভাবে পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: সাবান বানানোর সময় মূল উপাদানের পাশাপাশি বোনাস হিসেবে পাওয়া যায় গ্লিসারিন।
a 1975
b 1985
c 1987
d 1990
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৫ কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংস্থার প্রথম শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৫ — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯১৫ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) ১৯১৮৭ — এই সালে সার্কের তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, প্রতিষ্ঠার বছর নয়। D) ১৯১৯০ — এই সালে সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা শুরুর ঘটনা নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৮৫ সালের আট ডিসেম্বর দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ মিলে সার্ক গঠন করেছিল।
a নয়াদিল্লি
b ঢাকা
c ম্যানিলা
d মুয়ালালামপুর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা কেন সঠিক: - CIRDAP একটি আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক সংস্থা যার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ১৯৭৯ সালের জুলাই মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার চামেলীবাগের সির্ট্যাপ ভবনে নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্ক বা অন্যান্য সংস্থার কার্যালয় থাকলেও সির্ট্যাপের সদর দপ্তর এখানে নেই। B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সির্ট্যাপের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপিন্সের রাজধানী এবং এখানে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর অবস্থিত, সির্ট্যাপের নয়। D) মুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং এটি সির্ট্যাপের সদর দপ্তর সংক্রান্ত কোনো দেশের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সির্ট্যাপ (CIRDAP) নামের আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বাংলাদেশের মাটিতে প্রতিষ্ঠিত, তাই এর সদর দপ্তর ঢাকাতেই অবস্থিত।
a Hyper Text Transfer Protocol
b High Test Termination Procedure
c Harvard Teletext Proof
d Highest Times Technical Professional
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hyper Text Transfer Protocol কেন সঠিক: - এটি ইন্টারনেটে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করার প্রধান প্রোটোকল বা মাধ্যম। - ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগের নিয়ম বা প্রোটোকল হিসেবে এটি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hyper Text Transfer Protocol - এটি সঠিক কারণ এটি প্রশ্নের প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) High Test Termination Procedure - এটি কোনো প্রমিত বা পরিচিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। C) Harvard Teletext Proof - এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানের কোনো স্বীকৃত বা বাস্তবসম্মত শব্দ সংক্ষেপ নয়। D) Highest Times Technical Professional - এটি কোনো প্রযুক্তিগত প্রোটোকল বা নেটওয়ার্কিং শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ এর মাধ্যমে কোনো ওয়েব পেজ ব্রাউজ করার সময় এই প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
a মধুপুর বন
b সুন্দরবন
c বান্দরবান
d হিমছড়ি বন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবন কেন সঠিক: - সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুপুর বন — এটি বাংলাদেশের একটি শালবন বা মধ্যাঞ্চলীয় বন, যা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়। B) সুন্দরবন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। C) বান্দরবান — এটি পাহাড় ও ট্র্যাকিংয়ের জন্য বিখ্যাত একটি জেলা, কোনো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বনাঞ্চল নয়। D) হিমছড়ি বন — এটি কক্সবাজারের পাহাড়ি বনাঞ্চল ও পর্যটন কেন্দ্র, যা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট বা বিশ্ব ঐতিহ্য মর্যাদা পাওয়ার সাল মনে রাখতে ১৯৯৭ সালটি মাথায় রাখুন।
a ১৩৬ তম
b ১৩৭ তম
c ১৩৮ তম
d ১৩৯ তম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬ তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়ে দেশের স্বকীয়তা তুলে ধরেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬ তম — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) ১৩৭ তম — এটি ভুল কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল গ্রেনাডা। C) ১৩৮ তম — এটি ভুল কারণ ১৩৮তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল কেপ ভার্দে। D) ১৩৯ তম — এটি ভুল কারণ ১৩৯তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল সাঁউ তুমি ও প্রিন্সিপে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং সংখ্যাটি ছিল একশত ছত্রিশ।
a চট্টগ্রাম
b পাকশি
c সৈয়দপুর
d আখাউড়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দপুর কেন সঠিক: - সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত দেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে কারখানা। - ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ রেলওয়ের মূল যান্ত্রিক ও মেরামত কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি পাহাড়তলী রেলওয়ে কারখানার জন্য পরিচিত হলেও দেশের সর্ববৃহৎ কারখানা নয়। B) পাকশি — এটি রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভাগীয় সদর দপ্তর, কোনো কারখানা নয়। C) সৈয়দপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি দেশের সর্ববৃহৎ রেলওয়ে কারখানা। D) আখাউড়া — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন হলেও কোনো কারখানা বা উৎপাদন কেন্দ্র নয়। মনে রাখার টিপস: রেলওয়ের বড় কাজ, সৈয়দপুরেই তারাজ।
a ময়নামতি
b পাহাড়পুর
c মহাস্থানগড়
d সোনারগাঁও
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক নগরকেন্দ্র, যা পূর্বে পুণ্ড্রবর্ধন নামে পরিচিত ছিল। - এর প্রাচীনত্ব খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে পুষ্ট হয়ে সপ্তম শতক পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বলে প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি মূলত সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের একটি প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র, যা মহাস্থানগড়ের মতো এত প্রাচীন নগরকেন্দ্র নয়। B) পাহাড়পুর — এটি অষ্টম শতকে পাল রাজবংশের আমলে নির্মিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা প্রাচীন নগরকেন্দ্রের চেয়ে মূলত একটি বৌদ্ধ বিহার। C) মহাস্থানগড় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরকেন্দ্র। D) সোনারগাঁও — এটি পরবর্তীকালে মধ্যযুগে বিশেষ করে সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, যা প্রাচীন যুগের নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে প্রাচীন নগর মানেই মহাস্থানগড় বা পুণ্ড্রনগর।
a ১২ নটিক্যাল মাইল
b ২০০ নটিক্যাল মাইল
c ১৪ নটিক্যাল মাইল
d ৪০০ নটিক্যাল মাইল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ নটিক্যাল মাইল কেন সঠিক: - সমুদ্র আইন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন বা আনক্লোজ অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে পরিমাপ করে যেকোনো দেশের উপকূলীয় জলরাশি বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নির্ধারিত। - এই সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব বজায় থাকে এবং রাষ্ট্র তার আকাশসীমা, ভূগর্ভ ও জলভাগের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা টেরিটোরিয়াল ওয়াটার হিসেবে আইনগতভাবে স্বীকৃত সঠিক পরিমাপ। B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন নির্দেশ করে, রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা নয়। C) ১৪ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় এবং সমুদ্র আইন অনুযায়ী এমন কোনো নির্ধারিত মান নেই। D) ৪০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সমুদ্রসীমার পরিমাপের ক্ষেত্রে কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মান নয়। মনে রাখার টিপস: রাজনৈতিক বা টেরিটোরিয়াল সীমার সংখ্যা ছোট হয় অর্থাৎ ১২ নটিক্যাল মাইল, আর অর্থনৈতিক সীমার সংখ্যা বড় হয় অর্থাৎ ২০০ নটিক্যাল মাইল।
a ১৭২৯ সালে
b ১৮২৯ সালে
c ১৬২৯ সালে
d ১৮২৮ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২৯ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সপ্তদশ আইন পাসের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা বাতিল করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলন এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অমানবিক প্রথা চিরতরে নিষিদ্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭২৯ সালে — এই সালে সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয়নি, এটি ওই সময়ের অনেক পরের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। B) ১৮২৯ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সালেই প্রথাটি আইনগতভাবে বাতিল করা হয়। C) ১৬২৯ সালে — এই সালটি সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি মোঘল আমলের একটি সময়কাল। D) ১৮২৮ সালে — এই সালে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, কিন্তু প্রথা বিলুপ্ত হয় পরের বছর। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির সাল মনে রাখতে বেন্টিং ও রামমোহনের অবদানের কথা মনে রাখুন এবং শেষ অংক দুইটিতে উনত্রিশ (২৯) স্মরণ করুন।
a মধুপুর
b রংপুর
c রাজশাহী
d কুমিল্লা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজশাহী কেন সঠিক: - বরেন্দ্রভূমি বা বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তরপশ্চিমাংশে রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একটি প্রাচীন প্লা্ইস্টোসিন যুগের সোপান। - বরেন্দ্র অঞ্চলের মূল অংশ রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাজুড়ে বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুপুর — এটি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত অন্য একটি প্লাইস্টোসিন সোপান, যাকে মধুপুর গড় বলা হয়। B) রংপুর — এটি তিস্তা অববাহিকা ও পলিগঠিত সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, ঐতিহ্যগতভাবে বরেন্দ্রভূমির মূল অংশ এটি নয়। C) রাজশাহী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কুমিল্লা — এটি ময়নামতী ও লালমাই পাহাড় অঞ্চলের প্লাইস্টোসিন সোপানের অন্তর্ভুক্ত, বরেন্দ্রভূমি নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরবঙ্গ বা রাজশাহী বিভাগ মানেই বরেন্দ্রভূমি।
a কলম্বো
b ম্যানিলা
c ঢাকা
d নিউইয়র্ক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - BIMSTEC বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশনের স্থায়ী সচিবালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ১৯৯৭ সালে এই সংস্থাটি গঠিত হলেও এর স্থায়ী সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১২ সালে ঢাকায় চালু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও BIMSTEC-এর সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়, এটি সার্কের ঐতিহাসিক জন্মস্থান। B) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর, BIMSTEC-এর নয়। C) ঢাকা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সংস্থার স্থায়ী সচিবালয়ের নির্ধারিত শহর। D) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, BIMSTEC-এর সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক নামের শেষ অক্ষর ক দিয়ে এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের শেষ অক্ষরও ক দিয়ে শেষ, তাই বিমসটেকের সদর দপ্তর ঢাকা মনে রাখা সহজ।
a সাইট্রিক এসিড
b টারটারিক এসিড
c এসকরবিক এসিড
d ফসফরিক এসিড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টারটারিক এসিড কেন সঠিক: - পাকা তেঁতুলে প্রাকৃতিকভাবে টারটারিক এসিড থাকে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী। - খাবার হজমে সহায়তা করা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এই এসিড কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা ও বাতাবি লেবুর মতো টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, তেঁতুলে নয়। B) টারটারিক এসিড — এটিই তেঁতুলের মূল এসিড এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) এসকরবিক এসিড — এটি মূলত ভিটামিন সি, যা আমলকি, পেয়ারা ও তাজা শাকসবজিতে থাকে। D) ফসফরিক এসিড — এটি মূলত বিভিন্ন ধরনের কার্বনেটেড পানীয় বা কোল্ড ড্রিংকসে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: তেঁতুলের 'ত' দিয়ে শুরু এবং টারটারিক এসিডেরও 'ত' দিয়ে শুরু, এভাবে মনে রাখা সহজ।
a ২ অক্টোবর
b ৪ অক্টোবর
c ৫ অক্টোবর
d ৬ অক্টোবর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৫ অক্টোবর কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৪ সালে শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য ৫ অক্টোবর দিনটিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - শিক্ষকদের অধিকার রক্ষা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাপী এই দিনটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ অক্টোবর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস নয়, বরং মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস পালিত হয়। B) ৪ অক্টোবর — এই তারিখে বিশ্ব প্রাণী দিবস পালিত হয়, যা শিক্ষক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৫ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) ৬ অক্টোবর — এই তারিখে সাধারণত অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় দিবস থাকে, যা শিক্ষক দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষকদের সম্মান জানাতে অক্টোবরের ৫ তারিখ মনে রাখুন।
a ১২ জন
b ১৪ জন
c ১৬ জন
d ১৫ জন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ জন কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে এর মূল সনদ অনুযায়ী বিচারকের মোট সংখ্যা ১৫ জন। - এই বিচারকগণ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক ৯ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ জন — আন্তর্জাতিক আদালতের নির্ধারিত পদের সংখ্যার চেয়ে এটি কম, তাই সঠিক নয়। B) ১৪ জন — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। C) ১৬ জন — আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যা জোড় সংখ্যায় নির্ধারিত নয়, এটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি। D) ১৫ জন — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের নির্ধারিত ও সঠিক বিচারক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যা পনেরো জন এবং তাদের মেয়াদ নয় বছর।
a জ্যঁ তিহল
b মালালা ইউসুফজাই
c ড. ইউনূস
d বারাক ওবামা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মালালা ইউসুফজাই কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান পাকিস্তানের নারীশিক্ষা আন্দোলনকর্মী মালালা ইউসুফজাই। - মাত্র ১৭ বছর বয়সে এই পুরস্কার অর্জন করে তিনি সর্বকনিষ্ঠ নোবেল বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যঁ তিহল — তিনি ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) মালালা ইউসুফজাই — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন। C) ড. ইউনূস — তিনি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) বারাক ওবামা — তিনি ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পেয়েছেন মালালা, সালটি ছিল ২০১৪।
a হামেস রদ্রিগেজ
b টমাস মুলার
c লিওনেল মেসি
d নেইমার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিওনেল মেসি কেন সঠিক: - ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে তিনি গোল্ডেন বল অর্জন করেন। - তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা দল ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে উন্নীত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামেস রদ্রিগেজ — তিনি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে সর্বাধিক ৬টি গোল করে গোল্ডেন বুট লাভ করেছিলেন, গোল্ডেন বল নয়। B) টমাস মুলার — তিনি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ৫টি গোল করে সিলভার বুট ও ব্রোঞ্জ বল অর্জন করেছিলেন। D) নেইমার — তিনি ওই টুর্নামেন্টে ৪টি গোল করে ব্রোঞ্জ বুট অর্জন করেছিলেন, গোল্ডেন বল পাননি। মনে রাখার টিপস: ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট পেয়েছিলেন হামেস রদ্রিগেজ এবং গোল্ডেন বল পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি।
a গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
b তিস্তা সেচ প্রকল্প
c কাপ্তাই সেচ প্রকল্প
d ফেনী সেচ প্রকল্প
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিস্তা সেচ প্রকল্প কেন সঠিক: - তিস্তা সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের বর্তমানে চালু থাকা সবচেয়ে বড় সেচ অবকাঠামো। - এর মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার বিশাল এলাকার কৃষিজমিতে সেচ প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প — এটি দেশের একটি অন্যতম প্রাচীন ও বড় সেচ প্রকল্প হলেও আয়তন ও সেচ সুবিধার দিক থেকে তিস্তা সেচ প্রকল্পের পরেই এর অবস্থান। B) তিস্তা সেচ প্রকল্প — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। C) কাপ্তাই সেচ প্রকল্প — এটি কোনো প্রধান সেচ প্রকল্প নয়, কাপ্তাই মূলত জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নির্মিত হয়েছিল। D) ফেনী সেচ প্রকল্প — এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি মাঝারি আকারের সেচ প্রকল্প, যা তিস্তা প্রকল্পের চেয়ে অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম সেচ মানেই উত্তরবঙ্গের তিস্তা নদী কেন্দ্রিক তিস্তা সেচ প্রকল্প।
a পেট্রোল
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d বায়োগ্যাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়োগ্যাস কেন সঠিক: - বায়োগ্যাস হলো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, যা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপাদিত হয়। - এটি লক্ষ কোটি বছর ধরে মাটির নিচে জমে থাকা জীবাশ্ম থেকে তৈরি হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা জীবাশ্ম জ্বালানি, যা ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম থেকে পরিশোধন করে পাওয়া যায়। B) কয়লা — এটি উদ্ভিদের দেহাবশেষ দীর্ঘকাল মাটির নিচে পচে তৈরি হওয়া একটি জীবাশ্ম জ্বালানি। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত হওয়া এক ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি। D) বায়োগ্যাস — এটি জীবন্ত বা মৃত জৈব আবর্জনা পচিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি করা হয় বলে জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও পেট্রোল হলো খনি থেকে উত্তোলিত জীবাশ্ম জ্বালানি, আর বায়োগ্যাস হলো বর্জ্য থেকে তৈরি নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
a টুয়েন্টি ফিট ফ্রম স্টাবডম
b হিলিয়াম
c টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ
d গ্রাভিটি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ প্রদত্ত তথ্য: ৮৬ তম অস্কার পুরস্কার প্রদান করা হয় ২০১৪ সালে উক্ত আসরে চলচ্চিত্র মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ধরি, সেরা চলচ্চিত্রের জন্য মনোনীত ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ এবং গ্রাভিটি অতএব, বিচারকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ এটি পরিচালনা করেন স্টিভ ম্যাককুইন সুতরাং, সার্বিক মূল্যায়নে সেরা চলচ্চিত্রের খেতাব লাভ করে এই ঐতিহাসিক চলচ্চিত্রটি উত্তর: C) টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ
a বগুড়া
b চট্টগ্রাম
c নরসিংদী
d ঝিনাইদহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরসিংদী কেন সঠিক: - উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। - এটি প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের প্রাচীন মৌর্য আমল বা তারও পূর্বের সমৃদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি মহাস্থানগড় বা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের অবস্থান, উয়ারী বটেশ্বর এখানে নয়। B) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দরনগরী এবং প্রাচীন হরিকাটেল অঞ্চলের অংশ, উয়ারী বটেশ্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) নরসিংদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ উয়ারী বটেশ্বর এই জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত। D) ঝিনাইদহ — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যেখানে বারো ভুঁইয়াদের নিদর্শন বা অন্যান্য ইতিহাস রয়েছে, উয়ারী বটেশ্বর এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: উয়ারী বটেশ্বর ও নরসিংদী মনে রাখতে 'উব-ন' বা 'উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদীর বেলাবোতে' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (25)

a কল্যাণীয়েষু
b সুচরিতেষু
c শ্রদ্ধাস্পদাসু
d প্রীতিভাজনেষু
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শ্রদ্ধাস্পদাসু ১. কেন সঠিক: নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে পত্রালাপ বা চিঠিপত্র লেখার সময় প্রাপকের নামের শেষে বিশেষ কিছু উপাধি বা প্রত্যয় যুক্ত করতে হয়। বাংলা ব্যাকরণ ও প্রমিত পত্রলিখন নিয়ম অনুযায়ী নারীর ক্ষেত্রে শ্রদ্ধেয়া বা শ্রদ্ধাস্পদা শব্দের সঙ্গে আসু প্রত্যয় যুক্ত করে শ্রদ্ধাস্পদাসু লেখা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে পত্রালাপের ক্ষেত্রে সম্বোধন পদের একটি বিশেষ রূপ রয়েছে যা পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে ভিন্ন হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে ইষু প্রত্যয় এবং নারীর ক্ষেত্রে আসু প্রত্যয় যুক্ত করার বিধান রয়েছে যেমন শ্রদ্ধাস্পদ যুক্ত ইষু সমান শ্রদ্ধাস্পদেষু পুরুষের ক্ষেত্রে এবং শ্রদ্ধাস্পদা যুক্ত আসু সমান শ্রদ্ধাস্পদাসু নারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রদ্ধাস্পদাসু মায়ের চরণকমলেেষু ব্যাখ্যা: এটি মায়ের মতো প্রবীণ ও শ্রদ্ধেয়া নারীকে চিঠি লেখার সময় সঠিক সম্বোধন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: কল্যাণীয়েষু ছোট ভাইয়ের জন্য ব্যাখ্যা: এটি পুরুষ ছোটদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে নারীর ক্ষেত্রে কল্যাণীয়েসু বা কল্যাণীয়াষু ব্যবহৃত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কল্যাণীয়েষু — এটি পুরুষ বা ছোটদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় নারীর ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। B) সুচরিতেষু — এটি পুরুষদের ক্ষেত্রে পত্রালাপে ব্যবহৃত হয় কারণ এখানে ইষু প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। D) প্রীতিভাজনেষু — এটিও পুরুষ ও সমবয়স্ক বা ছোটদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে আসু প্রত্যয়ের ব্যবহার নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: পুরুষের চিঠিতে ইষু এবং নারীর চিঠিতে আসু ব্যবহার করবে। শ্রদ্ধাস্পদের সঙ্গে ইষু যুক্ত হলে পুরুষ আর শ্রদ্ধাস্পদার সঙ্গে আসু যুক্ত হলে নারী বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পত্রালাপের সম্বোধন থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে ইষু এবং আসুর পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে। একই নিয়মে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদের ক্ষেত্রেও লিঙ্গভেদে প্রত্যয়ের পরিবর্তন ঘটে।
a দ্রাবিড়
b ইউরালীয়
c ইন্দো-ইউরোপীয়
d সেমেটিক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইন্দো-ইউরোপীয় ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা পরিবারের একটি শাখা থেকে উদ্ভূত হয়েছে। - ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞানের বিচারে পৃথিবীর প্রধান ভাষাগুলোর মূল উৎস সন্ধানে এই বংশলতিকা নির্ধারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত প্রশ্ন এটি। - ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা থেকে শতম শাখা এবং সেখান থেকে আর্য ভাষা হয়ে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি ভাষা ব্যাখ্যা: ইংরেজি ভাষাও বাংলা ভাষার মতো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: হিন্দি ভাষা ব্যাখ্যা: হিন্দি ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের ভারতীয় আর্য শাখার একটি ভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্রাবিড় — দ্রাবিড় ভাষা পরিবার সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি মূল ভাষা গোষ্ঠী যার সাথে বাংলার সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) ইউরালীয় — ইউরালীয় ভাষা পরিবার ইউরোপ ও এশিয়ার উত্তর অংশে প্রচলিত যার সাথে বাংলা ভাষার মিল নেই। D) সেমেটিক — সেমেটিক ভাষা পরিবারের মধ্যে আরবি ও হিব্রু ভাষা অন্তর্ভুক্ত যা ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে আলাদা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষা অনেক পুরনো এবং এর মূল উৎস ইউরোপ ও এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত ইন্দো-ইউরোপীয় পরিবার। - বাংলা ভাষার উৎস মনে রাখতে ইন্দো-ইউরোপীয় শব্দটি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ভাষা পরিবারের শাখা প্রশাখা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a আলস্যতা
b অলস্য
c আলস্য
d আলসতা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আলস্য ১. কেন সঠিক: অলস শব্দের সঙ্গে ভাব অর্থে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে আলস্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের সঙ্গে একই সঙ্গে দুটি প্রত্যয় বা অতিরিক্ত তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করা যায় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অলস শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত করলে সঠিক রূপ হয় আলস্য। এর সঙ্গে আবার তা প্রত্যয় যুক্ত করে আলস্যতা বলা সম্পূর্ণ ব্যাকরণবিরুদ্ধ ও দ্বিরুক্তি দোষে দুষ্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরিদ্র + য = দারিদ্র্য ব্যাখ্যা: দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য হয়, দারিদ্র্যতা লেখা ভুল। উদাহরণ ২: মহান + য = মহিমা ব্যাখ্যা: মহান শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মহিমা হয়, মহিন্যতা লেখা ভুল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলস্যতা — এটি একটি ভুল বানান কারণ আলস্য শব্দের সঙ্গে অতিরিক্ত তা প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে। B) অলস্য — এটি একটি ভুল বানান কারণ মূল শব্দ অলস থেকে সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ হয় আলস্য। D) আলসতা — এটি বানান ও গঠন উভয় দিক থেকেই সম্পূর্ণ অশুদ্ধ এবং অগ্রহণযোগ্য একটি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: অলস থেকে আলস্য হয়, তাই আলস্যের সঙ্গে কখনো অতিরিক্ত তা বা তাতা যুক্ত করে আলস্যতা বলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই দ্ব্যর্থক প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান যেমন দৈন্যতা, স্বায়ত্বশাসন ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বানানরীতির সঠিক প্রয়োগ চর্চার মাধ্যমে এ ধরনের ভুল এড়ানো সম্ভব।
a সুবর্ন
b অনল
c মার্তণ্ড
d কর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অনল ১. কেন সঠিক: 'আগুন' শব্দের একটি অতিপরিচিত সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো অনল। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সমার্থক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডার থেকে সবচেয়ে প্রচলিত শব্দগুলো সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ হলো এমন কিছু শব্দ যাদের উচ্চারণ ও গঠন আলাদা হলেও অর্থ একই বা প্রায় কাছাকাছি। বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারে তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি নানা উৎস থেকে আসা শব্দের প্রাচুর্যের কারণে একটি নির্দিষ্ট বস্তুর বা ভাবের একাধিক সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বহ্নি ব্যাখ্যা: এটি আগুন শব্দের আরেকটি তৎসম সমার্থক শব্দ যা বিভিন্ন কাব্যে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: এটিও অগ্নি বা আগুনের সমার্থক একটি চমৎকার তৎসম শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুবর্ন — এই শব্দটির অর্থ সোনা বা স্বর্ণ, যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। B) অনল — এটি প্রশ্নানুসারে আগুন শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ। C) মার্তণ্ড — এই শব্দটির অর্থ সূর্য, যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। D) কর — এই শব্দটির অর্থ হাত, খাজনা বা রশ্মি, যা আগুন শব্দের সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: আগুন শব্দের বেশ কিছু প্রচলিত সমার্থক মনে রাখার জন্য অগ্নি, অনল, বহ্নি, পাবক ও হুতাশন শব্দগুলো একসাথে পড়তে পারো। এগুলো বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস যেমন তৎসম ও তদ্ভব শব্দ চিহ্নিত করা শিখতে হবে। একই শব্দ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপশন পরিবর্তন করে বারবার আসতে পারে।
a চলৎ + চিত্র
b চল + চিত্র
c চলচ + চিত্র
d চলিচ + চিত্র
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চলৎ + চিত্র ১. কেন সঠিক: - চলৎ যোগ চিত্র মিলে চলচ্চিত্র গঠিত হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়। - সন্ধির নিয়মানুযায়ী বর্গের প্রথম বর্ণের পর চ বর্গীয় ধ্বনি থাকলে প্রথম বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে চ বর্গীয় ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে ত বা দ এর পরে চ বা ছ থাকলে ত বা দ স্থানে চ হয়। - এই শব্দটিতে ত এর স্থানে চ যুক্ত হয়ে দ্বিত্ব চ বা চ্চ তৈরি করেছে এবং পরবর্তীতে সেটি চলচ্চিত্র রূপ নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ + চিন্তা = সচিন্ততা ব্যাখ্যা: ত এর পরে চ থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে চ এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: বৃহৎ + ছায়া = বৃহৎচ্ছায়া ব্যাখ্যা: ত এর পরে ছ থাকার কারণে ত স্থানে চ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলৎ + চিত্র — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কারণ এখানে ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম সঠিকভাবে প্রযুক্ত হয়েছে। B) চল + চিত্র — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম শব্দে ত খণ্ডত্ব বর্ণটি অনুপস্থিত যা সন্ধির সূত্র লঙ্ঘন করে। C) চলচ + চিত্র — এটি ভুল কারণ চলচ বলে কোনো অর্থপূর্ণ মূল শব্দ বাংলা ভাষায় প্রচলিত নেই। ডি) চলিচ + চিত্র — এটি ভুল কারণ চলিচ কোনো ব্যাকরণসম্মত বা প্রমিত মূল শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খণ্ডত্ব ত এর সাথে চ বা ছ এর মিলনে সবসময় চ্চ বা চ ছ তৈরি হয়। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় পরের শব্দের শুরুতে চ বা ছ দেখলে প্রথম অংশের শেষে ত বা দ বসাতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - ত খণ্ডত্ব যুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজে সমাধান করা যায়।
a উপসর্গ
b অনুসর্গ
c সমাস
d সন্ধি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সন্ধি ১. কেন সঠিক: পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। এটি উচ্চারণের দ্রুততা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের জন্য শব্দের মধ্যে ঘটে থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকার যেমন স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। এটি শব্দের সংক্ষিপ্তকরণ ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি হয়েছে। উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয় ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপসর্গ — এটি শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, ধ্বনি বা বর্ণের মিলন নয়। B) অনুসর্গ — এটি পদের পরে বসে কারক বা বিভক্তির কাজ করে, ধ্বনির মিলন ঘটায় না। C) সমাস — এটি অর্থের দিক থেকে সম্পর্কিত একাধিক পদের একপদীকরণ, ধ্বনির মিলন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বর্ণের মিলন মানেই সন্ধি এবং পদের মিলন মানেই সমাস। এই দুটি শব্দ প্রায়ই পরীক্ষায় একসাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি বিচ্ছেদ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। তাই স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির মৌলিক নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a √মু + ক্ত
b √মহ + ক্ত
c √মুচ + ক্ত
d √মৃচ + ক্ত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √মুচ + ক্ত ১. কেন সঠিক: - মুক্ত শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √মুচ যোগ ক্ত। এখানে মুচ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। - কৃৎ প্রত্যয় সাধित এই শব্দটিতে ধাতু এবং প্রত্যয়ের মিলন ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। এখানে মুচ একটি ধাতু বা ক্রিয়ামূল। - ধাতু বা প্রাতিপদিকের অন্তস্থিত বর্ণের পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পদের রূপ সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √ভুজ + ক্ত = ভুক্ত ব্যাখ্যা: ভুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √যুজ + ক্ত = যুক্ত ব্যাখ্যা: যুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √মুচ + ক্ত — মু ধাতু কোনো সঠিক ধাতু নয়। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) √মহ + ক্ত — মহ ধাতু থেকে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মুক্ত শব্দ গঠিত হয় না। তাই এটি ভুল। C) √মুচ + ক্ত — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে। D) √মৃচ + ক্ত — মৃচ কোনো প্রমিত ধাতু নয়। তাই এই অপশনটি ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুক্ত শব্দের শুরুতে মুচ ধাতু থাকে যা বন্ধনমুক্ত করা অর্থে ব্যবহৃত হয়। - ধাতু চেনার জন্য পদের মূল ভাবটি খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার সময় ক্রিয়ামূল সঠিকভাবে শনাক্ত করতে হবে।
a ৯ টি
b ১০ টি
c ১১ টি
d ১২ টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১২ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা ভাষায় বাক্যকে স্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য এবং বক্তার ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে যতি বা ছেদ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মোট যতি বা ছেদ চিহ্ন ১২ টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে বোঝাতে এবং শ্বাস নেওয়ার সুবিধার্থে যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা ব্যাকরণে প্রথম যতি চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কমা (,) ব্যাখ্যা: বাক্যে অল্প বিরতির জন্য কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়। যেমন: হাসান, এদিকে এসো। উদাহরণ ২: পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়ি (।) ব্যাখ্যা: বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়। যেমন: বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ টি — ভুল, এটি আধুনিক বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত যতি চিহ্নের সংখ্যা নয়। পুরনো কিছু বইতে এই ভুল তথ্য পাওয়া যায়। B) ১০ টি — ভুল, যতি বা ছেদ চিহ্নের সংখ্যা ১০ টি নয়। বাংলা একাডেমি প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী এর সংখ্যা ১২ টি। C) ১১ টি — ভুল, ১১ টি যতি চিহ্ন কোনো প্রমিত ব্যাকরণ গ্রন্থে স্বীকৃত নয়। D) ১২ টি — সঠিক, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদ চিহ্নের মোট সংখ্যা ১২ টি ধরা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে যতি চিহ্নের সংখ্যা মনে রাখতে ১২ সংখ্যাটি মনে রাখুন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম যতি চিহ্ন প্রবর্তন করেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম যতি চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
a ভাষাবিদ
b ঋগ্বেদবিদ
c বৈয়াকরণ
d আখ্যানবিদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৈয়াকরণ কেন সঠিক: - পাণিণি প্রাচীন ভারতের একজন বিশ্ববিখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ ছিলেন। - তিনি সংস্কৃত ভাষার রূপ ও গঠন নিরূপণের জন্য বিখ্যাত অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থ রচনা করেছেন। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পাণিণির অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থটি ব্যাকরণ শাস্ত্রের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা কাজের একটি হিসেবে স্বীকৃত। - প্রাচীন সংস্কৃত ব্যাকরণ শাস্ত্রে মুনিত্রয় বা তিনজন প্রধান আচার্যের মধ্যে পাণিণি অন্যতম প্রধান হিসেবে বিবেচিত হন। - পাণিণির ব্যাকরণ রচনার মূল ভিত্তি ছিল ধ্বনিতত্ত্ব ও রূপতত্ত্বের অত্যন্ত নিখুঁত বিশ্লেষণ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) ভাষাবিদ — পাণিণি ভাষা নিয়ে গবেষণা করলেও মূল পরিচিতি ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে। - B) ঋগ্বেদবিদ — তিনি কোনো নির্দিষ্ট বেদ বা বেদসংহিতা ব্যাখ্যার জন্য পরিচিত নন। - C) বৈয়াকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ব্যাকরণ রচনা করেছেন। - D) আখ্যানবিদ — তিনি কোনো পৌরাণিক বা কাল্পনিক আখ্যান বা গল্প রচনা করেননি। মনে রাখার টিপস: - পাণিণি মানেই মনে রাখবে ব্যাকরণ এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ অষ্টাধ্যায়ী।
a বৃহৎ
b বর্ধিষ্ণু
c বর্তমান
d বৃদ্ধিপ্রাপ্ত
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বর্ধিষ্ণু ১. কেন সঠিক: - ক্ষীয়মাণ শব্দের অর্থ যা ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বা যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। - এর বিপরীত শব্দ হলো বর্ধিষ্ণু, যার অর্থ যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বা যা সমৃদ্ধির দিকে যাচ্ছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন, যা বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ প্রকরণের অন্তর্ভুক্ত। - কোনো শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে, যা বাক্যের ভাবকে সম্পূর্ণ উল্টো করে দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুপ্ত এর বিপরীত শব্দ প্রবুদ্ধ। ব্যাখ্যা: সুপ্ত শব্দের অর্থ ঘুমন্ত এবং প্রবুদ্ধ শব্দের অর্থ জাগ্রত বা বিকশিত। উদাহরণ ২: প্রাচীন এর বিপরীত শব্দ অর্বাচীন। ব্যাখ্যা: প্রাচীন শব্দের অর্থ পুরনো এবং অর্বাচীন শব্দের অর্থ আধুনিক বা নতুন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বৃহৎ — বৃহৎ শব্দের অর্থ বড়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে মানানসই নয়। B) বর্ধিষ্ণু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ক্ষয়ের বিপরীত অর্থাৎ বৃদ্ধির ভাব প্রকাশ করে। C) বর্তমান — বর্তমান শব্দের অর্থ এখনকার সময়, যা ক্ষীয়মাণ শব্দের বিপরীত নয়। D) বৃদ্ধিপ্রাপ্ত — বৃদ্ধিপ্রাপ্ত কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও ক্ষীয়মাণ শব্দের প্রমিত বিপরীত শব্দ বর্ধিষ্ণু। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্ষয়ের সঙ্গে বর বা বৃদ্ধির সম্পর্ক মনে রাখলে ক্ষীয়মাণ এর বিপরীত বর্ধিষ্ণু সহজে মনে রাখা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বিপরীত শব্দ হিসেবে বর্ধিষ্ণু অপশনে থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ক্ষীয়মাণ শব্দের মূল ধাতু ক্ষয় এবং এর সঙ্গে ইষ্ণু প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। - এই ধরনের শব্দভাণ্ডার বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a পুংলিঙ্গ
b স্ত্রীলিঙ্গ
c ক্লীব লিঙ্গ
d উভয় লিঙ্গ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উভয় লিঙ্গ ১. কেন সঠিক: - আমি শব্দটি সর্বনাম পদ এবং এটি পুরুষবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয় লিঙ্গকেই নির্দেশ করে। - বক্তা পুরুষ বা নারী যাই হোন না কেন, তিনি নিজের ক্ষেত্রে আমি শব্দটি ব্যবহার করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ কোনো বিশেষ নাম না বুঝিয়ে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা গুণের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম পদ বলে। - বাংলা ব্যাকরণে পদের লিঙ্গভেদে সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তিত হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি কাল ঢাকা যাব। ব্যাখ্যা: বক্তা পুরুষ হলে যেমন বাক্যটি প্রযোজ্য, নারী হলেও একইভাবে প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: আমি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছি। ব্যাখ্যা: এখানে আমি সর্বনামটি ছাত্রী বা ছাত্র উভয়ের ক্ষেত্রেই বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পুংলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ শব্দটি শুধু পুরুষের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নয়। B) স্ত্রীলিঙ্গ — এটি ভুল কারণ শব্দটি শুধু নারীর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নয়। C) ক্লীব লিঙ্গ — এটি ভুল কারণ ক্লীব লিঙ্গ কেবল অচেতন পদার্থের জন্য ব্যবহৃত হয়। D) উভয় লিঙ্গ — সঠিক কারণ এই সর্বনামটি পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্বনাম পদ যেমন আমি, তুমি, সে পুরুষ বা নারী উভয়কেই বোঝাতে পারে। - নিজের পরিচয় দিতে নারী ও পুরুষ উভয়ই আমি ব্যবহার করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আত্মবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম পদ সাধারণত উভয় লিঙ্গ হয়ে থাকে। - ব্যাকরণ পরীক্ষায় সর্বনাম পদের লিঙ্গ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বক্তার লিঙ্গ নিরপেক্ষতা খেয়াল রাখতে হয়।
a বিশেষণ
b অব্যয়
c সর্বনাম
d বিশেষ্য
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয় ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণে অব্যয় পদের নিজস্ব কোনো লিঙ্গ বা বচন ভেদ হয় না। সংস্কৃত ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়ম বাংলায় বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও অব্যয় পদের ক্ষেত্রে তা মানা হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত অনেক শব্দ বাংলায় লিঙ্গভেদে পরিবর্তিত হয় কিন্তু অব্যয় শব্দগুলো সবসময় অপরিবর্তিত থাকে। বাংলা ব্যাকরণে পদের শ্রেণিবিভাগে অব্যয় এমন একটি পদ যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধিক তোমাকে ব্যাখ্যা: ধিক একটি অব্যয় পদ এবং এর কোনো স্ত্রীবাচক বা পুংলিঙ্গ রূপ নেই। উদাহরণ ২: বাহ চমৎকার বলেছ ব্যাখ্যা: বাহ একটি অব্যয় পদ যা সব লিঙ্গের ব্যক্তির ক্ষেত্রেই একইভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষণ — বিশেষণ পদ সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মেনে পরিবর্তিত হয় যেমন ভালো থেকে ভালো, ভালো মেয়ে। B) অব্যয় — সঠিক উত্তর কারণ এটি সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম মানে না। C) সর্বনাম — সর্বনাম পদের ক্ষেত্রেও লিঙ্গভেদের রূপ দেখা যায় যেমন সে বা তিনি। D) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদে সংস্কৃতের লিঙ্গের নিয়ম অনুসরণ করে পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ নির্ধারিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অব্যয় পদের অর্থ অপরিবর্তিত থাকে তাই এর লিঙ্গও অপরিবর্তিত থাকে। মনে রাখবে যার ব্যয় বা পরিবর্তন নেই তাই অব্যয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ থেকে প্রায়ই লিঙ্গ ও বচন সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে। অব্যয় পদ চেনার উপায় হলো এটি কখনো পরিবর্তিত হয় না।
a হিন্দি
b উর্দু
c পোর্তুগিজ
d গ্রিক
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পোর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: - 'পেয়ারা' শব্দটি বাংলা ভাষায় আগত একটি পোর্তুগিজ শব্দ। - ষোড়শ ও সপ্তদশ শতাব্দীতে পোর্তুগিজদের সাথে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের ফলে অনেক পোর্তুগিজ শব্দ বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে পোর্তুগিজ শব্দ অন্যতম একটি উৎস। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃতি, ধর্ম, বাণিজ্য ও দৈনন্দিন ব্যবহারের নানা ক্ষেত্রে পর্তুগিজ বণিক ও পাদ্রিদের মাধ্যমে এসব শব্দ স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাবি ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত পোর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দরজা খোলার কাজে ব্যবহৃত বস্তুকে বোঝায়। উদাহরণ ২: বালতি ব্যাখ্যা: এটিও একটি পোর্তুগিজ শব্দ যা পানি বা তরল পদার্থ বহনের পাত্র হিসেবে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ আসলেও 'পেয়ারা' হিন্দি শব্দ নয়। B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত মুঘল আমলে ভারতীয় উপমহাদেশে বিকাশ লাভ করে, কিন্তু পেয়ারা উর্দু শব্দ নয়। C) পোর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। D) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি খুব কম শব্দ এসেছে এবং পেয়ারা গ্রিক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পোর্তুগিজ শব্দগুলো মনে রাখার জন্য ফলমূল, খাদ্যাভ্যাস ও গৃহস্থালির জিনিসপত্রগুলোর একটি তালিকা তৈরি করতে পারো। - পেয়ারা, আনারস, লেবু - এগুলো সবই সুস্বাদু ফল এবং এদের উৎস পোর্তুগিজ ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ (বিশেষ করে পোর্তুগিজ, আরবি ও ফারসি) থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - খাদ্যদ্রব্য ও ফলমূল সংক্রান্ত শব্দগুলোর উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করা পরীক্ষার জন্য খুবই জরুরি।
a ডাকটিকিট
b পোস্টাল কোড
c প্রেরকের ঠিকানা
d প্রাপকের ঠিকানা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রাপকের ঠিকানা ১. কেন সঠিক: শিরোনাম বা চিঠিপত্রের ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানা হলো মূল বা প্রধান অংশ কারণ চিঠিটি কার উদ্দেশ্যে পাঠানো হচ্ছে তা এর মাধ্যমে নিশ্চিত হয়। প্রাপক অর্থ যিনি চিঠি গ্রহণ করবেন, তাই তার সঠিক ঠিকানা না থাকলে চিঠি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার প্রায়োগিক বা দাপ্তরিক লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা পত্রলিখন বা আবেদনপত্র রচনার নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। চিঠিপত্র বা দরখাস্ত লেখার সময় প্রেরক ও প্রাপকের অবস্থান এবং তাদের ঠিকানা নির্দিষ্ট বিন্যাসে লিখতে হয় যাতে ডাক বিভাগের কাজ সহজ হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরাবর, প্রধান শিক্ষক, ঢাকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক চিঠিতে প্রাপকের ঠিকানার প্রমিত রূপ। উদাহরণ ২: প্রেরক: রহিম, গ্রাম: আমতলী, জেলা: বরগুনা। ব্যাখ্যা: এটি চিঠির অপর একটি অংশ যা প্রেরকের ঠিকানা নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাকটিকিট — এটি চিঠি প্রেরণের জন্য মাসুল প্রদানের একটি মাধ্যম হলেও শিরোনামের প্রধান অংশ নয়। B) পোস্টাল কোড — এটি ঠিকানার একটি অংশবিশেষ মাত্র, যা এলাকা চিহ্নিত করতে সাহায্য করে কিন্তু সম্পূর্ণ শিরোনাম নয়। C) প্রেরকের ঠিকানা — এটি চিঠির একটি প্রয়োজনীয় অংশ হলেও যার উদ্দেশ্যে চিঠি পাঠানো হয় সেই প্রাপকের ঠিকানাই শিরোনামের প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। D) প্রাপকের ঠিকানা — এটি সঠিক এবং প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ৫ মনে রাখার টিপস: চিঠি যার কাছে যাবে অর্থাৎ প্রাপক হলেন মূল ব্যক্তি, তাই শিরোনামের প্রধান অংশ সবসময় প্রাপকের ঠিকানা। চিঠির খামে বা পাতার ওপরে যার নাম ও ঠিকানা বড় করে লেখা হয়, সেটিই মূলত প্রাপকের ঠিকানা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পত্রলিখন অংশে দাপ্তরিক ও ব্যক্তিগত চিঠির কাঠামো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রাপক ও প্রেরকের অবস্থান কোথায় হবে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
b ২৬ মার্চ, ১৯৯১
c ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
d পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো একুশ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী তারিখ বা বারের পর কমা বসে এবং সাল বা অব্দের আগে সাধারণত কমা বসে না। প্রদত্ত সি অপশনে ২১ ফেব্রুয়ারি এর পর কমা ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়, কারণ ২১ ফেব্রুয়ারি একটি পূর্ণাঙ্গ তারিখের অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বানান ও পচনরীতি বা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বার, তারিখ, মাস এবং সালের মাঝে কমা বসানোর সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। বার ও তারিখ লেখার সময় দিনের পর এবং মাসের পর কমা বসাতে হয়, কিন্তু মাস ও সালের মাঝখানে কমা বসে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবিবার, পহেলা বৈশাখ চৌদ্দশো ত্রিশ ব্যাখ্যা: বারের পর কমা বসেছে এবং মাস ও সালের মাঝে কোনো কমা বসেনি যা প্রমিত নিয়ম। উদাহরণ ২: সোমবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৪ ব্যাখ্যা: তারিখের পর কমা বসেছে এবং সাল লেখার সময় আলাদা কোনো কমা ব্যবহার করা হয়নি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১ — এখানে মাসের পর তারিখ এবং কমা দিয়ে সাল সঠিকভাবে লেখা হয়েছে। B) ২৬ মার্চ, ১৯৯১ — এখানে তারিখের পর মাস এবং কমা দিয়ে সাল নিয়মমাফিক ব্যবহৃত হয়েছে। C) ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ — এখানে ২১ ফেব্রুয়ারির পর ভুলভাবে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। D) পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো একুশ — এখানে বাংলা তারিখ ও সালের বিন্যাস এবং কমার ব্যবহার সঠিক রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: তারিখের পর কমা বসে আর সালের আগে কমা বসে না এই সহজ নিয়মটি মনে রাখতে হবে। মাস ও সালের মাঝখানে কোনো বিরামচিহ্ন বা কমা বসানো যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তারিখ লেখার সঠিক নিয়ম বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। স্থান, বার ও তারিখ লেখার সময় কমার সঠিক ব্যবহার জানা থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
a জাদুবিদ্যা
b সেতুবন্ধন
c কুসংস্কারাচ্ছন্ন
d উপাসনা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কুসংস্কারাচ্ছন্ন ১. কেন সঠিক: - Superstitions শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস। - প্রশ্নে প্রদত্ত কুসংস্কারাচ্ছন্ন শব্দটি এই ইংরেজি শব্দের ভাবার্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি পারিভাষিক শব্দ বা ইংরেজি শব্দের বাংলা রূপান্তরের প্রশ্ন। - ইংরেজি Noun বা Adjective পদের বাংলা অনুবাদ করার সময় বাক্যের ভাবার্থ ও পদের রূপ বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Superstition breeds ignorance. ব্যাখ্যা: কুসংস্কার অজ্ঞতার জন্ম দেয়, এখানে Superstition শব্দের অর্থ কুসংস্কার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: Do not believe in superstitions. ব্যাখ্যা: কুসংস্কারে বিশ্বাস করো না, এখানে শব্দটি বহুবচন রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জাদুবিদ্যা — জাদুবিদ্যা শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Magic বা Witchcraft। B) সেতুবন্ধন — সেতুবন্ধন শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Bridging বা Bridge building। C) কুসংস্কারাচ্ছন্ন — এটি সঠিক উত্তর যা Superstitions শব্দের অর্থ প্রকাশ করে। D) উপাসনা — উপাসনা শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Worship বা Devotion। ৫. মনে রাখার টিপস: - Super শব্দের অর্থ অতি বা অতিরিক্ত এবং Station হলো স্থির অবস্থা, যা থেকে অযৌক্তিক ও স্থির বিশ্বাস বা কুসংস্কার বোঝায়। - পারিভাষিক শব্দ মুখস্থ না করে এর মূল ইংরেজি শব্দের সাথে মিলিয়ে অর্থ মনে রাখার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন কমন পেতে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার বিগত বছরের পারিভাষিক শব্দের তালিকা ভালোভাবে পড়তে হবে।
a পঞ্চনদ
b বেয়াদব
c দেশান্তর
d ভালোমন্দ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেশান্তর ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সমসমান পদগুলোর কোনোটিই অর্থপ্রধান না হয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। দেশান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য দেশ, যেখানে নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী পূর্বপদ ও পরপদের বাইরে 'অন্য' শব্দটি অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: নিত্য সমাস এমন এক ধরনের সমাস যা সবসময় সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে এবং এর সাধারণ কোনো ব্যাসবাক্য হয় না। এই সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্য করতে গিয়ে 'অন্য', 'মাত্র', 'কেবল' ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কালান্তর ব্যাখ্যা: কালান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য কাল, যা নিত্য সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: গ্রামান্তর ব্যাখ্যা: গ্রামান্তর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো অন্য গ্রাম, এটিও নিত্য সমাসের একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চনদ — এটি নদী বা সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হওয়ায় দ্বিগু সমাস এবং এর ব্যাসবাক্য পঞ্চ নদের সমাহার। B) বেয়াদব — এটি ফারসি উপসর্গ 'বে' যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস যার অর্থ আদব বা শিষ্টাচারহীন। D) ভালোমন্দ — এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য ভালো ও মন্দ এবং উভয় পদের অর্থই এখানে প্রধান। ৫ মনে রাখার টিপস: নিত্য সমাস মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে সমস্ত শব্দ ভাঙতে গেলে 'অন্য' বা 'কেবল' শব্দ ব্যবহার করতে হয়, সেগুলোই নিত্য সমাস। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই দেশান্তর, কালান্তর ও গ্রামান্তর শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। সাধারণত শব্দের শেষে 'অন্তর' থাকলে তা সাধারণত নিত্য সমাস হিসেবে গণ্য করা হয়।
a চলচ্চিত্র
b জীবনবৃত্তান্ত
c প্রতিচিত্র
d পটভূমি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতিচিত্র ১. কেন সঠিক: - ব্লু প্রিন্ট ইংরেজি শব্দটির পরিভাষা হিসেবে বাংলা একাডেমি প্রমিত অভিধানে প্রতিচিত্র বা নকশা শব্দটি নির্ধারিত হয়েছে। - কোনো বৃহৎ পরিকল্পনা বা ভবনের রূপরেখা বোঝাতে এই পারিভাষিক শব্দটির সঠিক বাংলা প্রয়োগ করা হয় প্রতিচিত্র। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পারিভাষিক শব্দ হলো এমন শব্দ যা বিশেষ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং মূল বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদ রক্ষা করে। - বাংলা ভাষায় ইংরেজি বা অন্যান্য ভাষার ভাবগত ও রূপগত সামঞ্জস্য রেখে সঠিক পারিভাষিক শব্দ নির্বাচন করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Constitution শব্দের পারিভাষিক শব্দ সংবিধান। ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় পারিভাষিক শব্দ। উদাহরণ ২: Manifesto শব্দের পারিভাষিক শব্দ ইশতেহার। ব্যাখ্যা: রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশের ক্ষেত্রে এই পারিভাষিক শব্দ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলচ্চিত্র — চলচ্চিত্র শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Film বা Movie, যা Blue print শব্দের সঙ্গে মিলে না। B) জীবনবৃত্তান্ত — জীবনবৃত্তান্ত শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Resume বা Curriculum Vitae, যা এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য উপযুক্ত নয়। C) প্রতিচিত্র — সঠিক পারিভাষিক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। D) পটভূমি — পটভূমি শব্দের ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Background, যা Blue print এর সমার্থক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রিন্ট বা ছবি বোঝাতে প্রতিচিত্র শব্দটি মনে রাখবে। - পরিকল্পনা বা রূপরেখার নীল নকশাকে প্রতিচিত্র বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাংলা একাডেমি প্রকাশিত প্রমিত পারিভাষিক শব্দগুলোর তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তৎসম
b অর্ধ-তৎসম
c দেশি
d বিদেশি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধ-তৎসম ১. কেন সঠিক: - অর্ধ-তৎসম শব্দ হলো সেই সমস্ত সংস্কৃত শব্দ যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে এবং কিছুটা বিকৃত রূপ ধারণ করেছে। - গিন্নী এবং কেষ্ট শব্দ দুটি যথাক্রমে সংস্কৃত গৃহিণী এবং কৃষ্ণ শব্দের পরিবর্তিত ও কথ্য রূপ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন-তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি না এসে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে। - এই শব্দগুলোতে সংস্কৃত শব্দের মূল অর্থ ঠিক থাকলেও উচ্চারণের সময় কিছুটা পরিবর্তন বা বিকৃতি ঘটে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৌদি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বধূমাতৃকা বা অনুরূপ শব্দের পরিবর্তিত কথ্য রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে এবং এদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, যেমন সূর্য ও চন্দ্র। B) অর্ধ-তৎসম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ব্যাখ্যা ওপরে প্রদান করা হয়েছে। C) দেশি — দেশি শব্দগুলো বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন কুলা ও গঞ্জ। D) বিদেশি — বিদেশি শব্দগুলো আরবি, ফার্সি, ইংরেজি বা পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন কলম ও চেয়ার। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দ উচ্চারণের সময় যখন একটু ভেঙে বা বিকৃত হয়ে সাধারণ মানুষের মুখে প্রচলিত হয়, তখন তাকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। - গিন্নী, কেষ্ট, ছিরি, বৌদি, শ্রাদ্ধ এই শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে বেশি পরীক্ষায় আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গৃহিণী শব্দের অর্ধ-তৎসম রূপ গিন্নী এবং কৃষ্ণ শব্দের রূপ কেষ্ট প্রায়ই পরীক্ষণে থাকে। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের তফাত মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
a খেতে বসা
b শুরু করা
c ভণ্ডামি করা
d সাধু সাজা
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) সাধু সাজা কেন সঠিক: ১. এই বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হাত পরিষ্কার করা হলেও এর ভাবার্থ সম্পূর্ণ আলাদা এবং নৈতিকতার সাথে সম্পর্কিত। ২. সমাজে যারা নিজেদের খুব সৎ বা ধার্মিক হিসেবে জাহির করতে চায় কিন্তু অন্তরে অসৎ, তাদের বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে। ২. এটি বাংলা ভাষার প্রবাদ প্রবচন ও বাগধারার অংশ যা মানুষের স্বভাব ও আচরণ ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. যেমন, দুধের মাছি যেমন সুসময়ের বন্ধু, তেমনি হাত ধুয়ে বসা মানে ছদ্মবেশী সাধু বা ভণ্ড হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) খেতে বসা — এটি সরাসরি খাবার খাওয়ার সাথে সম্পর্কিত সাধারণ একটি কাজের অর্থ প্রকাশ করে যা বাগধারার রূপক অর্থের সাথে মিলে না। খ) শুরু করা — কোনো কাজ আরম্ভ করা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় না কারণ এর মূল ভাব ভিন্ন। গ) ভণ্ডামি করা — যদিও এর কিছুটা মিল আছে, তবে এটি সরাসরি ভণ্ডামি না বুঝিয়ে বরং পবিত্র সাজার ভান করাকে নির্দেশ করে। ঘ) সাধু সাজা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটি মূলত উপরে উল্লেখিত ব্যাখ্যার সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: ১. হাত ধুয়ে বসা মানে নিজেকে খুব পবিত্র বা সাধু হিসেবে প্রকাশ করার চেষ্টা করা। ২. এভাবে মনে রাখতে পারো যে মানুষ পবিত্র কোনো কাজের আগে হাত ধোয়, তাই সাধু সাজার ভান করাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়েছে।
a শ্রবণ + অ
b √শ্রী + অন
c √শ্রু + অন
d √শ্রব + অন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √শ্রু + অন কেন সঠিক: - শ্রবণ শব্দটির মূল বা ধাতু হলো √শ্রু যার অর্থ শোনা। - √শ্রু ধাতুর সাথে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শ্রবণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃত প্রত্যয় বলে। - √শ্রু একটি সংস্কৃত ধাতু এবং অন হলো প্রত্যয়। - অনুরূপভাবে, √কৃ + অন = করণ, √দৃশ + অন = দর্শন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শ্রবণ + অ — এটি ভুল কারণ শ্রবণ কোনো ধাতু নয়, এটি একটি সাধিত শব্দ। - B) √শ্রী + অন — এটি ভুল কারণ √শ্রী ধাতু থেকে শ্রবণ শব্দ হয় না। - C) √শ্রু + অন — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। - D) √শ্রব + অন — এটি ভুল কারণ বাংলায় √শ্রব বলে কোনো মৌলিক ধাতু নেই। মনে রাখার টিপস: - শোনার সাথে সম্পর্কিত ধাতু হলো √শ্রু, তাই সঠিক অপশন বেছে নিতে ধাতুর মূল রূপটি মনে রাখতে হবে।
a শিরোচ্ছেদ
b শিরচ্ছেদ
c শিরশ্ছেদ
d শিরোঃচ্ছেদ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিরশ্ছেদ কেন সঠিক: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুসারে এই বানানটি গঠিত হয়েছে। - শির শব্দের সাথে ছেদ শব্দ যুক্ত হয়ে এই সঠিক রূপটি তৈরি হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়। - এই নিয়মে শির যোগ ছেদ মিলে শিরশ্ছেদ হয়। - যেমন অহঃ যোগ চর্য = অহর্চর্য, এখানে বিসর্গের নানা পরিবর্তনের নিয়ম প্রযোজ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শিরোচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ বিসর্গ উঠে গিয়ে ভুলভাবে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে। - B) শিরচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এখানে নিয়ম অনুযায়ী তালব্য শ বর্ণটি বাদ পড়েছে। - C) শিরশ্ছেদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। - D) শিরোঃচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ এখানে অতিরিক্ত বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়। মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পর ছ থাকলে তালব্য শ যুক্ত হয়, এই সহজ নিয়মটি মনে রাখবে।
a মন + তাপ
b মনস + তাপ
c মনো + তাপ
d মনঃ + তাপ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মনঃ + তাপ ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি ধ্রুপদী নিয়ম, যেখানে বিসর্গ এর পরে ত বা থ থাকলে বিসর্গ এর পরিবর্তে দন্ত্য স হয়। - 'মনস্তাপ' শব্দটিতে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে, যার অর্থ মনের কষ্ট বা অনুতাপ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে ত, থ বা স থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। - এখানে 'মনঃ' শব্দের বিসর্গের পরে 'তাপ' শব্দের 'ত' থাকার কারণে বিসর্গটি স এ রূপান্তরিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। উদাহরণ ২: পুরঃ + কার = পুরস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে প থাকলে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মন + তাপ — এই ধরনের সন্ধি বাংলা ব্যাকরণে অনুমোদিত নয় এবং এখানে কোনো সন্ধির নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি। B) মনস + তাপ — মনস কোনো প্রমিত পদের মূল বা প্রাতিপদিক নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) মনো + তাপ — এটি সন্ধির ভুল প্রয়োগ, কারণ ও-কার বিসর্গ সন্ধিতে সরাসরি বসে না, এটি নিপাতনে সিদ্ধ বা অন্য নিয়মের ফল। D) মনঃ + তাপ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এখানে বিসর্গ স্থানে দন্ত্য স হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গের পরে ত বা থ দেখলে বিসর্গের পরিবর্তে দন্ত্য স বসিয়ে সন্ধিবিচ্ছেদ করবে। - মনস্তাপ শব্দটির ক্ষেত্রে মনঃ এর সাথে তাপ যোগ করে এই নিয়মটি সহজে মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - নমস্কার, পুরস্কার এবং মনস্তাপ শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a আরবি
b ফারসি
c সংস্কৃত
d ইংরেজি
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: সমাস একটি সংস্কৃত ব্যাকরণিক শব্দ যা বাংলা ভাষায় সরাসরি প্রাকৃত ও সংস্কৃতির হাত ধরে প্রবেশ করেছে। বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দগুলোর মধ্যে সমাস অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রক্রিয়া। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে বাংলায় আসার পর সমাসের নিয়মগুলো বাংলা ভাষায় স্থায়ীভাবে গৃহিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এটি একটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যা সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: পলে পলে = প্রতিক্ষণ ব্যাখ্যা: এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ যা সংস্কৃত রীতির অনুসরণে গঠিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — আরবি ভাষা থেকে বাংলায় ইসলাম ধর্ম, প্রশাসন ও সংস্কৃতির বিভিন্ন শব্দ এসেছে কিন্তু সমাসের রীতি আসেনি। B) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ প্রবেশ করলেও সমাসরীতি আসেনি। D) ইংরেজি — ইংরেজি ভাষা থেকে নানা পরিভাষিক শব্দ বাংলায় এলেও সমাসরীতি সম্পূর্ণ সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে এসেছে। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস, সন্ধি ও কারক বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। তৎসম শব্দগুলোর মতো এই ব্যাকরণিক রীতিগুলোও সংস্কৃত ভাষার অবদান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণের প্রায় সিংহভাগ ব্যাকরণিক নিয়ম ও পরিভাষা সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে গৃহীত হয়েছে। এই ধরনের প্রশ্নে উৎস ভাষা হিসেবে সংস্কৃত উত্তর হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
a গিন্নী
b হস্ত
c গঞ্জ
d তসবি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গিন্নী ১. কেন সঠিক: - অর্ধ-তৎসম শব্দের সঠিক উদাহরণের কারণে অপশন এ সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। - সংস্কৃত শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বা বিকৃত হয়ে বাংলায় আসার পর যেসব শব্দ সাধারণ মানুষের মুখে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম বা তদ্ভব-সমতুল্য শব্দ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। - সংস্কৃত গৃহিণী শব্দটি মুখনিঃসৃত হয়ে বিকৃত রূপ লাভ করে গিন্নী শব্দে পরিণত হয়েছে যা একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জোৎসনা শব্দের পরিবর্তিত অর্ধ-তৎসম রূপ। উদাহরণ ২: কুচ্ছিত ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত কুৎসিত শব্দের পরিবর্তিত অর্ধ-তৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গিন্নী - এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) হস্ত - এটি একটি খাঁটি তৎসম শব্দ যার অর্থ হাত। C) গঞ্জ - এটি একটি দেশি শব্দ যা বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে। D) তসবি - এটি আরবি বা ফারসি ভাষা থেকে আগত একটি বিদেশি শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত শব্দ উচ্চারণের সুবিধার জন্য কিছুটা বদলে গেলে তাকে অর্ধ-তৎসম শব্দ হিসেবে চিনে নেবে। - গৃহিণী থেকে গিন্নী এবং শ্রাদ্ধ থেকে সারাদ শব্দগুলো মনে রাখলে এই নিয়ম সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধ-তৎসম শব্দ চেনার জন্য গিন্নী, কুচ্ছিত, বৌমা ও বোষ্টম শব্দগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - তৎসম ও অর্ধ-তৎসম শব্দের মধ্যকার ধ্বনিগত পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই এই ধরনের শব্দের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।

মোট প্রশ্ন (25)

a Let not it be done.
b Let it be not done.
c Let it be done.
d Let it not be done.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Let not it be done. কেন সঠিক: Imperative sentence-এর negative രൂപের passive করার সময় প্রথমে Let বসে এবং object-টি subject হিসেবে আসে। তারপরে not বসিয়ে be যোগ করতে হয় এবং মূল verb-এর past participle form করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Let not it be done. — এটি সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই। B) Let it be not done. — এখানে not-এর সঠিক স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) Let it be done. — এটি একটি affirmative sentence-এর passive রূপ, তাই এটি negative অর্থের সাথে মেলে না। D) Let it not be done. — এখানে pronoun-এর অবস্থান ঠিক জায়গায় না থাকায় এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence-এর negative passive-এ Let-এর ঠিক পরেই not বসাতে হয়।
a liberal
b bondage
c frugal
d diversity
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) bondage কেন সঠিক: ‘liberty’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো স্বাধীনতা বা কোনো কিছু থেকে মুক্তি। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো বন্দিদশা বা পরাধীনতা, যা ‘bondage’ শব্দ দ্বারা প্রকাশ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) liberal — এই শব্দটির অর্থ হলো উদার, যা ‘liberty’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) bondage — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ বন্দিদশা বা পরাধীনতা। C) frugal — এই শব্দটির অর্থ মিতব্যয়ী, যা স্বাধীনতা শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) diversity — এই শব্দটির অর্থ বৈচিত্র্য, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি ধারণা। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার সাথে সবসময় পরাধীনতার তুলনা করা হয়, তাই ‘liberty’ দেখলে মাথায় রাখবে এর বিপরীত শব্দ ‘bondage’।
a summon
b exile
c impede
d recollection
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) summon কেন সঠিক: ‘Call’ শব্দটির অর্থ হলো ডাকা বা তলብ করা। ‘Summon’ শব্দের অর্থও কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থিত হওয়ার জন্য ডাকা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) summon — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ তলব করা বা ডেকে পাঠানো। B) exile — এর অর্থ হলো দেশান্তর করা বা নির্বাসন দেওয়া, যা ডাকার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) impede — এর অর্থ হলো কোনো কাজে বাধা সৃষ্টি করা বা বিলম্বিত করা। D) recollection — এর অর্থ হলো স্মৃতিচারণ করা বা পুরোনো কথা মনে করা। মনে রাখার টিপস: কাউকে জরুরিভাবে কাছে ডাকতে ‘call’ বা ‘summon’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
a too
b for
c to
d in order to
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এখানে একটি প্রিপজিশন বা ইনফিনিটিভের প্রয়োজন হয়। ঝগড়া করতে বা কোনো কাজ করতে দুজন মানুষ লাগে বোঝাতে 'takes two to' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) too — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ অত্যন্ত বা বেশি, যা এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। B) for — এটি একটি প্রিপজিশন হলেও এই বিশেষ প্রবচনের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার নিয়ম অনুযায়ী সঠিক হয় না। C) to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। D) in order to — এটি অনেক বড় একটি ফ্রেজ যা এই ছোট বাক্যের কাঠামোর সাথে মেলে না। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি প্রবচন মনে রাখতে হবে যে হাত তালি একা বাজে না বা ঝগড়া করতে দুজন লাগে বোঝাতে সবসময় 'takes two to' ব্যবহার করা হয়।
a prefer
b preferrence
c preferable
d referring
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) preferable কেন সঠিক: শূন্যস্থানের আগে 'Death' এবং পরে 'dishonour' রয়েছে যা দুটি অপছন্দের বিষয়ের তুলনা বোঝায়। এই তুলনার ক্ষেত্রে সঠিক Adjective রূপ হিসেবে 'preferable' ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সঠিক তুলনামূলক শব্দ। এর পরে 'to' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) prefer — এটি Verb রূপ হওয়ায় এখানে শূন্যস্থানে বসার grammatically সঠিক নয়। B) preferrence — এটি বানান ভুল এবং Noun হওয়ায় এখানে বসতে পারে না। C) preferable — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) referring — এটি 'refer' verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ যা এই বাক্যের গঠনে সম্পূর্ণ অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার ক্ষেত্রে 'preferable' শব্দের পরে সবসময় 'to' বসে, 'than' বসে না।
a lost all
b losing all
c loses all
d lose all
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) lose all কেন সঠিক: এটি একটি পরিচিত প্রবাদ যার অর্থ হলো সব পেতে গিয়ে সব হারানো। ইংরেজিতে এই ধরণের প্রবাদমূলক আদেশে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) lost all — এটি পাস্ট টেন্সে আছে যা প্রবাদের কাঠামোর সাথে মেলে না। B) losing all — এটি জিরান্ড বা পার্টিসিপল ফর্ম যা বাক্যকে অসম্পূর্ণ রাখে। C) loses all — এটি থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নাম্বারের রূপ যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণত ভার্বের বেইজ ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
a adjective
b adverb
c noun
d conjunction
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) adverb কেন সঠিক: ১. প্রদত্ত বাক্যে above শব্দটি look verb-টিকে নির্দেশ করছে এবং সেটি কোথায় দেখতে হবে তার স্থান বোঝাচ্ছে। ২. সাধারণত কোনো verb-কে কোথায় বা কীভাবে প্রশ্নের মাধ্যমে বিশেষায়িত করলে তা adverb হয়। ৩. এখানে কোনো noun-কে বিশেষায়িত করা হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) adjective — কারণ এটি কোনো noun বা pronoun-এর দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না। B) adverb — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি verb-এর স্থান নির্দেশ করেছে। C) noun — কারণ এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না। D) conjunction — কারণ এটি দুটি শব্দ বা বাক্যকে যুক্ত করছে না। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দ যদি verb কোথায় বা কখন ঘটে তা বোঝায়, তবে তা সাধারণত adverb হয়।
a preposition
b conjunction
c adverb
d noun
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) conjunction কেন সঠিক: - প্রদত্ত বাক্যে 'before' শব্দটি দুটি খণ্ডবাক্য বা ক্লজকে (Look এবং you leap) যুক্ত করেছে। - দুটি ক্লজকে যুক্ত করার কারণে এটি এখানে কনজাংশন বা সংযোজক অব্যয় হিসেবে কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) preposition — এটি noun বা pronoun-এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক বোঝায়, কিন্তু এখানে দুটি ক্লজ যুক্ত করেছে। B) conjunction — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি দুটি ক্লজকে যুক্ত করেছে। C) adverb — এটি সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb-কেmodify করে, কিন্তু এখানে তা করছে না। D) noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য পদ নয়, কারণ এটি বাক্যে সংযোগের কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: শব্দটির পরে যদি সম্পূর্ণ ক্লজ (subject + finite verb) থাকে, তবে তা Conjunction হয়।
a By reading, you will learn
b Read and learn
c If you read, you will learn
d In case of failure to read, you will not learn
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) If you read, you will learn কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি শর্ত প্রকাশ পেয়েছে যা Complex sentence এ রূপান্তর করতে হলে If যুক্ত clause ব্যবহার করতে হয়। এখানে মূল imperative sentence কে If দিয়ে শর্তমূলক Complex sentence এ সঠিকভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রধান clause এবং subordinate clause এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By reading, you will learn — এটি একটি Simple sentence কারণ এতে একটিমাত্র Independent clause এবং একটি Prephrase আছে। B) Read and learn — এটি একটি Compound sentence কারণ এতে And দ্বারা দুটি Independent clause যুক্ত হয়েছে। C) If you read, you will learn — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) In case of failure to read, you will not learn — এটি অর্থের দিক থেকে বিপরীত এবং এটি একটি Simple sentence। মনে রাখার টিপস: Imperative sentence কে Complex করার সময় সাধারণত If যুক্ত clause ব্যবহার করতে হয়।
a No other player is as better as he.
b No other player is as good as he.
c No other player is as best as he.
d No other player is considered as best as he.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) No other player is as good as he. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি সুপারলেটিভ ডিগ্রিতে আছে এবং এর নেতিবাচক রূপ করতে পজিটিভ ডিগ্রি ব্যবহার করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী No other দিয়ে বাক্য শুরু হয় এবং সুপারলেটিভ Adjective-এর পজিটিভ রূপ বসে। Good শব্দটি the best-এর সঠিক পজিটিভ রূপ হিসেবে এখানে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) No other player is as better as he — এখানে better শব্দটি ভুল কারণ as-এর মাঝে Adjective-এর পজিটিভ রূপ বসে। B) No other player is as good as he — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) No other player is as best as best as he — এখানে best শব্দের আগে as এবং পরে as বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) No other player is considered as best as he — এখানে considered শব্দটির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে মূল অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সুপারলেটিভ থেকে পজিটিভ নেতিবাচক করার সময় the best থাকলে No other দিয়ে শুরু করতে হয় এবং as-এর মাঝে Adjective-এর মূল রূপ বা পজিটিভ রূপ বসাতে হয়।
a He is too dishonest that he cannot speak the truth.
b He is too dishonest to be spoken the truth.
c He is too dishonest to speak the truth.
d He is very dishonest and cannot speak the truth.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) He is too dishonest to speak the truth. কেন সঠিক: - Complex sentence-এর so...that clause-কে Simple sentence-এ রূপান্তর করার সময় so-এর পরিবর্তে too এবং that-এর পরিবর্তে to বসে। - infinitives নিয়মানুযায়ী too-এর পর adjective এবং to-এর পর verb-এর base form বসে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He is too dishonest that he cannot speak the truth. — too-এর সাথে that ব্যবহার করার নিয়ম ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) He is too dishonest to be spoken the truth. — এখানে passive voice ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ ভুল ও অসংগত হয়েছে। C) He is too dishonest to speak the truth. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর। D) He is very dishonest and cannot speak the truth. — এটি একটি Compound sentence, তাই Simple sentence-এর রূপান্তর হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Complex sentence-এর so...that-যুক্ত negative অর্থবোধক বাক্যকে Simple করতে so-এর জায়গায় too এবং that-সহ পরের অংশ বাদ দিয়ে শুধু to লিখে মূল verb বসাতে হয়।
a I would help
b I would be helped
c I helped
d I would have helped
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) I would help কেন সঠিক: এটি একটি কাল্পনিক বা অবাস্তব শর্তযুক্ত বাক্য বা সেকেন্ড কন্ডিশনাল। বাক્યটির দ্বিতীয় অংশে past indefinite tense (could) থাকায় প্রথম অংশে subject-এর পরে would এবং verb-এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I would help — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) I would be helped — এটি passive voice হওয়ায় অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) I helped — এটি simple past tense হওয়ায় সাবজাংক্টিভ বা কাল্পনিক বাক্যের কাঠামোর সাথে মিলে না। D) I would have helped — এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতের অসম্ভব ঘটনার ক্ষেত্রে বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Second conditional বাক্যে if-clause এ past tense থাকলে পরের অংশে would + verb-এর মূল রূপ বসে।
a yell
b sound
c cry
d loudly
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) yell কেন সঠিক: scream শব্দের অর্থ উচ্চস্বরে চিৎকার করা এবং yell শব্দের অর্থও একই রকম তীব্র আর্তনাদ বা চিৎকার করা। দুটি শব্দই মানুষের ভয়ে বা রাগে জোরালোভাবে মুখ খুলে শব্দ করা বোঝাতে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) yell — এটি সঠিক উত্তর। B) sound — এর অর্থ সাধারণ শব্দ বা আওয়াজ, যা কোনো নির্দিষ্ট চিৎকার বোঝায় না। C) cry — এর অর্থ কান্না করা বা ডাকা, যা চিৎকার করার সমার্থক নয়। D) loudly — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ উচ্চস্বরে এবং এটি কোনো বিশেষ শব্দ বা বিশেষ্য নয়। মনে রাখার টিপস: scream এবং yell দুটি শব্দই উচ্চস্বরে চিৎকার করার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।
a by
b with
c for
d to
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) by কেন সঠিক: এখানে বাক্যে "by the taste" একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা বাক্যাংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর অর্থ হলো স্বাদের দিক থেকে বা স্বাদের বিচারে ফলটি মিষ্টি। এই ধরনের ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী 'by' প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্বাদ বোঝার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে মিলে যায়। B) with — এটি এখানে অর্থপূর্ণ নয় কারণ ফলের সাথে স্বাদের কোনো সরাসরি মিল বোঝায় না। C) for — এটি দিলে বাক্যের অর্থ অসম্পূর্ণ ও ভুল শোনায়। D) to — এটি এখানে উপযুক্ত প্রিপজিশন হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: স্বাদ বা গুণের বিচারের ক্ষেত্রে সাধারণত 'by the taste' বা 'to the taste' ব্যবহার করা হয়, তবে এই বাক্যে 'by' সবচেয়ে বেশি মানানসই।
a go near to light
b to become known
c to realize
d to lit a light
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to become known কেন সঠিক: 'Come to light' একটিidiom বা বাগধারা। এর বাংলা অর্থ হলো প্রকাশিত হওয়া বা সকলের সামনে প্রকাশ পাওয়া। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী অতীত সম্পর্কে কিছু তথ্য এখন প্রকাশিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তরটি অপশন B হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go near to light — এটি আলোর কাছাকাছি যাওয়া বোঝায়, যা রূপক অর্থের সাথে মিলে না। B) to become known — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ প্রকাশিত হওয়া বা সবার জানা। C) to realize — এর অর্থ অনুধাবন করা, যা সঠিক অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) to lit a light — এর অর্থ আলো জ্বালানো, যা এখানে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: কোনো গোপন তথ্য বা সত্য প্রকাশ পেলে 'come to light' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
a visit
b visiting
c watch
d look
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) visiting কেন সঠিক: বাক্যে with a view to একটি বিশেষ ফ্রেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ফ্রেজটির পর সবসময় মূল ভার্বের সাথে ing যোগ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) visit — with a view to এর পর ভার্বের বেস ফর্ম বসে না। B) visiting — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজটির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন মেনে চলেছে। C) watch — নতুন স্থান দেখার ক্ষেত্রে watch শব্দটি এখানে গ্রামাটিক্যালি সঠিক নয়। D) look — look শব্দটি এখানে preposition এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে with a view to, look forward to এবং accustomed to থাকলে তারপরের verb এর সাথে हमेशा ing যুক্ত করতে হয়।
a The wises do not talk much.
b The wise does not talk much.
c The wise do not talk much.
d The wise men does not talk much.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The wise do not talk much. কেন সঠিক: adjectives-এর আগে 'The' বсалë সেটি পুরো জাতিকে বা শ্রেণীকে বোঝায়। তাই 'The wise' মানে জ্ঞানী সমাজ, যা মূলত একটি প্লুরাল বা বহুবচন subject। বহুবচন subject-এর সাথে verb-এর প্লুরাল রূপ 'do' বসে এবং এরপরে মূল verb-এর present form বসে। বাক্যের অর্থ এবং ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The wises do not talk much. — 'Wise' একটি adjective, তাই এর সাথে কখনো 's' যুক্ত করে বহুবচন করা যায় না। B) The wise does not talk much. — 'The wise' পুরো জ্ঞানী শ্রেণীকে বোঝায় যা বহুবচন, তাই এর সাথে singular verb 'does' বসবে না। C) The wise do not talk much. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) The wise men does not talk much. — 'Men' বহুবচন হওয়ার কারণে এর সাথে singular verb 'does' বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। মনে রাখার টিপস: Adjective-এর আগে 'The' বসালে সেটি বহুবচন হয়, তাই তার সাথে plural verb ব্যবহার করতে হবে।
a Stand, I come now.
b Wait, I am coming now.
c Keep standing, I am coming now.
d Stand here, I am coming.
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wait, I am coming now. কেন সঠিক: - কাউকে একটু অপেক্ষা করতে বলতে 'Stand' না বলে সাধারণত 'Wait' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বর্তমানে কাজটি ঘটছে বোঝাতে 'I am coming now' সঠিক প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Stand, I come now — এখানে 'Stand' ব্যবহার করা অনিয়মিত এবং 'I come now' বর্তমান অনির্দিষ্টকাল হওয়ায় তা বর্তমানের চলমান অবস্থাকে বোঝায় না। B) Wait, I am coming now — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই। C) Keep standing, I am coming now — 'Keep standing' অর্থ দাঁড়িয়ে থাকো, যা সাধারণ দাঁড়ানোর অনুরোধের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর শোনায়। D) Stand here, I am coming — 'Stand here' বললে নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ বোঝায়, যা সাধারণ আহ্বানের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: কারো জন্য অপেক্ষা করতে বললে সর্বদা 'Wait' এবং বর্তমান মুহূর্তের কাজের জন্য প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স ব্যবহার করবে।
a He has been ill since a week.
b He has been ill till a week.
c He has been ill for a week.
d He has been ill during a week.
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has been ill for a week. কেন সঠিক: কোনো কাজ বা অবস্থা অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমান পর্যন্ত চললে Present Perfect Continuous Tense হয়। নির্দিষ্ট সময় বা স্থائিত্ব বোঝাতে সময়ের পূর্বে for বসে। এক সপ্তাহ একটি নির্দিষ্ট সময়কাল হওয়ায় এখানে for ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He has been ill since a week — নির্দিষ্ট পয়েন্ট বা শুরুর সময় না বুঝিয়ে সময়কাল বোঝালে since বসে না। B) He has been ill till a week — সময়কালের ব্যপ্তি বোঝাতে till ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) He has been ill during a week — নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার সময় বোঝাতে during বসে, স্থائিত্ব বোঝাতে নয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট সময়কাল বোঝাতে for এবং নির্দিষ্ট শুরুর সময় বোঝাতে since বসে।
a It is as if a thunder from the clouds.
b It is a bolt from the blue.
c It is a strong thunder.
d It is bolts from the blues.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) It is a bolt from the blue. কেন সঠিক: "বিনা মেঘে বজ্রপাত" বা অপ্রত্যাশিত বিপদ বোঝাতে ইংরেজিতে bolt from the blue একটি প্রবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই বাক্যটিতে সেই অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। অন্য কোনো অপশনে সঠিক প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is as if a thunder from the clouds — এটি আক্ষরিক অনুবাদ করা হয়েছে এবং সঠিক ইংরেজি প্রবচন নয়। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। C) It is a strong thunder — এটি সাধারণ একটি বাক্য যার বিশেষ কোনো প্রবচনের অর্থ নেই। D) It is bolts from the blues — এখানে ভুল বহুবচন এবং ভুল শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: অপ্রত্যাশিত বিপদ বা হঠাৎ ঘটে যাওয়া খারাপ ঘটনার ক্ষেত্রে সবসময় a bolt from the blue প্রবচনটি ব্যবহার করবে।
a am
b is
c are
d been
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) are কেন সঠিক: বাক্যে 'He' এবং 'I' দুটি আলাদা সাবজেক্ট 'and' দিয়ে যুক্ত হয়ে প্লুরাল বা বহুবচন গঠন করেছে। একাধিক ব্যক্তি বা সাবজেক্ট 'and' দিয়ে যুক্ত হলে ভার্ব সবসময় প্লুরাল হয়। প্লুরাল সাবজেক্টের সাথে 'are' ভার্বটি বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) am — 'am' শুধুমাত্র প্রথম পুরুষ বা 'I' এর সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। B) is — 'is' শুধুমাত্র সিঙ্গुलर বা একবচন সাবজেক্টের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল। C) are — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) been — 'been' একা কোনো মূল ভার্ব হিসেবে বসে না, এর আগে have বা has লাগে। মনে রাখার টিপস: একাধিক সাবজেক্ট 'and' দিয়ে যুক্ত থাকলে ভার্বটি সবসময় প্লুরাল হবে।
a could
b could have
c can
d would have
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) could কেন সঠিক: - এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত, যার গঠন হলো If + Past Indefinite, subject-এর পরে could অথবা would এবং verb-এর base form বসে। - প্রশ্নে If-এর পর practised (Verb-এর Past form) থাকায় পরবর্তী অংশে could এবং verb-এর base form (speak) ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) could — এটি সঠিক কারণ এটি Second Conditional-এর নিয়ম পূরণ করে। B) could have — এটি Third Conditional-এর নিয়ম, যেখানে Past Perfect Tense থাকার কথা ছিল। C) can — এটি First Conditional-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতো, কিন্তু এখানে Past Tense আছে। D) would have — এটিও Third Conditional-এর অংশ, যা এখানে বর্তমান বা ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ক্ষেত্রে বেমানান। মনে রাখার টিপস: If-এর পর Past Tense থাকলে পরবর্তী অংশে would অথবা could বসবে।
a asset
b wealth
c valuable
d precious
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wealth কেন সঠিক: ইংরেজি সাহিত্যে এবং প্রবাদে স্বাস্থ্যকে সবচেয়ে বড় সম্পদ হিসেবে তুলনা করা হয়। স্বাস্থ্যই ধন এই বহুল প্রচলিত প্রবাদের সাথে মিল রেখেই সঠিক উত্তর হিসেবে wealth ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) asset — এই শব্দটি সাধারণত কোনো ব্যবসায়িক সম্পত্তি বা আর্থিক সম্পদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য বোঝাতে সরাসরি মানানসই নয়। B) wealth — এটি প্রবাদের সাথে মিলে যায় এবং মানুষের প্রকৃত ধন বা সম্পদকে নির্দেশ করে। C) valuable — এটি একটি বিশেষণ বা adjective, কিন্তু শূন্যস্থানের আগে article থাকার কারণে সেখানে একটি noun বা বিশেষ্য প্রয়োজন। D) precious — এটিও একটি বিশেষণ বা adjective, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শূন্যস্থানে বসার উপযুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: স্বাস্থ্যই ধন বা Health is wealth প্রবাদটি মনে রাখলে এই ধরনের শূন্যস্থান খুব সহজেই পূরণ করা সম্ভব।
a in
b by
c at
d on
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) in কেন সঠিক: এখানে হাতে নগদ টাকা থাকার অর্থ বোঝাতে ইন হ্যান্ড ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো ফ্রেজের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক প্রিপ্রোজিশন হিসেবে ইন ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট ইংরেজি বাগধারা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) by — বাই হ্যান্ড বলতে সাধারণত হাতে তৈরি বা কোনো মাধ্যম বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) at — এট হ্যান্ড কাছাকাছি সময় বা দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু অর্থের মিল নেই। D) on — অন হ্যান্ড অন্য কোনো কাজের প্রেক্ষাপট বোঝাতে বসে যা এখানে নিয়মবহির্ভূত। মনে রাখার টিপস: হাতে নগদ টাকা বোঝাতে সবসময় ইন হ্যান্ড ফ্রেজটি মনে রাখবে।
a He saw no one in the room.
b He did not see someone in the room.
c He saw anyone in the room.
d He saw someone in the room.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He saw no one in the room. কেন সঠিক: প্রশ্নবোধক বাক্যটিতে anyone ছিল যা নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং assertive বা বর্ণনামূলক করার সময় no one ব্যবহার করতে হয়। past indefinite tense-এর নিয়ম অনুযায়ী did উঠে গিয়ে মূল verb-এর পাস্ট ফর্ম saw বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে। B) B) He did not see someone in the room. — not-এর সাথে someone ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) C) He saw anyone in the room. — assertive বাক্যে anyone ব্যবহার করা যায় না। D) D) He saw someone in the room. — এটি affirmative বা হ্যাঁ-বোধক বাক্য হয়ে গেছে, যা মূল প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক রূপান্তর নয়। মনে রাখার টিপস: interrogative বাক্যে anyone থাকলে assertive করার সময় no one বসাতে হয় এবং tense ঠিক রাখতে হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a √5
b 25
c -√5
d ±√5
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) √5 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ লগ x এর ভিত্তি পাঁচ সমান দুই দেওয়া আছে ধরি, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী একে সূচকের আকারে প্রকাশ করা যায় অতএব, এক্স এর ওপর পাওয়ার দুই সমান পাঁচ লেখা যায় সুতরাং, উভয় পক্ষে বর্গমূল করে এক্স সমান রুট পাঁচ পাওয়া যায় উত্তর: √5
a 70
b 67
c 80
d 77
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৬১, ৬৭, ৭৩ ও ৭৯ অতএব, এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৭৯ এই সংখ্যাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যাটি হলো ৬১ সুতরাং, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা দুটির যোগফল = ৭৯ + ৬১ = ১৪০ উত্তর: ১৪০ ÷ ২ = ৭০
a 9
b 12
c 15
d 18
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৮ প্রদত্ত তথ্য: লসাগু = ৩৬ গসাগু = ৬ একটি সংখ্যা = ১২ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = লসাগু × গসাগু অতএব, ১২ × ক = ৩৬ × ৬ ১২ × ক = ২১৬ সুতরাং, ক = ২১৬ ÷ ১২ উত্তর: ১৮
a x/y ঘণ্টা
b x ঘণ্টা
c y ঘণ্টা
d y/x ঘণ্টা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) y/x ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: গতির পরিমাণ = ঘণ্টায় x মাইল অতিক্রান্ত দূরত্ব = y মাইল ধরি, প্রয়োজনীয় সময় = t ঘণ্টা অতএব, সময় = দূরত্ব ÷ গতি t = y ÷ x সুতরাং, নির্ণয় সময় = y/x ঘণ্টা উত্তর: y/x ঘণ্টা
a 200
b 300
c 100
d 400
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩০০ প্রদত্ত তথ্য: ৭৫ সংখ্যাটি একটি অজানা সংখ্যার শতকরা পঁচিশ ভাগ আমাদের সেই অজানা সংখ্যাটি নির্ণয় করতে হবে ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, ক এর ২৫% = ৭৫ ক × (২৫ ÷ ১০০) = ৭৫ সুতরাং, ক = ৭৫ × (১০০ ÷ ২৫) ক = ৩০০ উত্তর: ৩০০
a ৫ বছরে
b ৮ বছরে
c ৭ বছরে
d ৬ বছরে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ বছরে প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ১৩৫০ টাকা সুদে-আসলে (A) = ১৬২০ টাকা সুদের হার (r) = (১০/৩)% ধরি, সময় = ক বছর মোট সুদ (I) = ১৬২০ − ১৩৫০ = ২৭০ টাকা অতএব, আমরা জানি, সুদ (I) = (P × r × ক) ÷ ১০০ মান বসিয়ে পাই, ২৭০ = (১৩৫০ × (১০/৩) × ক) ÷ ১০০ সুতরাং, ২৭০ = (৪৫০০ × ক) ÷ ১০০ ২৭০ = ৪৫ × ক উত্তর: ক = ২৭০ ÷ ৪৫ = ৬ বছরে
a ২৫% লাভ হবে
b ২৫% ক্ষতি হবে
c ৩০% লাভ হবে
d লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না প্রদত্ত তথ্য: টাকায় ১০ টি দরে কেনা হলো প্রথম প্রকার লিচু টাকায় ১৫ টি দরে কেনা হলো দ্বিতীয় প্রকার লিচু টাকায় ১২ টি দরে সব লিচু বিক্রয় করা হলো ধরি, উভয় ক্ষেত্রে ক্রয়ের পরিমাণ = ৩০ টি লিচু (যেহেতু ১০, ১৫ এবং ১২ এর লসাগু ৬০, তাই প্রতিবারে ৩০ টি করে মোট ৬০ টি লিচু ধরি) অতএব, ১০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ৩০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য = ৩ টাকা ১৫ টি লিচুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ৩০ টি লিচুর ক্রয়মূল্য = ২ টাকা সুতরাং, মোট ৬০ টি লিচুর মোট ক্রয়মূল্য = ৩ + ২ = ৫ টাকা সুতরাং, ১২ টি লিচুর বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ৬০ টি লিচুর বিক্রয়মূল্য = ৬০ ÷ ১২ = ৫ টাকা এখানে মোট ক্রয়মূল্য এবং মোট বিক্রয়মূল্য উভয়ই ৫ টাকা সমান হয়েছে উত্তর: লাভ বা ক্ষতি কিছুই হবে না
a ৭০ লিটার
b ৬০ লিটার
c ৮০ লিটার
d ৫০ লিটার
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮০ লিটার প্রদত্ত তথ্য: মিশ্রণের মোট পরিমাণ = ৬০ লিটার পানি ও চিনির অনুপাত = ৭ : ৩ ধরি, পানির পরিমাণ = ৭ক লিটার চিনির পরিমাণ = ৩ক লিটার অতএব, ৭ক + ৩ক = ৬০ ১০ক = ৬০ সুতরাং, ক = ৬ পানির পরিমাণ = ৭ × ৬ = ৪২ লিটার চিনির পরিমাণ = ৩ × ৬ = ১৮ লিটার উত্তর: ধরি, ক লিটার চিনি মেশাতে হবে। (১৮ + ক) ÷ ৪২ = ৭ ÷ ৩ ৩ × (১৮ + ক) = ৪২ × ৭ ৫৪ + ৩ক = ২৯৪ ৩ক = ২৯৪ − ৫৪ ৩ক = ২৪০ ক = ৮০ লিটার
a 2(a – 8)
b (a + 5)
c (a – 4)
d (a + 8)
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (a + 8) প্রদত্ত তথ্য: প্রদত্ত রাশিটি হলো দুই a এর বর্গ যোগ ছয় a বিয়োগ আশি রাশিটির উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে ধরি, রাশিটি সমান দুই a এর বর্গ যোগ ছয় a বিয়োগ আশি দুই কমন নিলে থাকে a এর বর্গ যোগ তিন a বিয়োগ চল্লিশ অতএব, চল্লিশ কে ভেঙে তিন আনতে হবে আট গুণ পাঁচ সমান চল্লিশ a এর বর্গ যোগ আট a বিয়োগ পাঁচ a বিয়োগ চল্লিশ সুতরাং, প্রথম অংশ থেকে a কমন নিলে পাই a গুণ বন্ধনীতে a যোগ আট দ্বিতীয় অংশ থেকে বিয়োগ পাঁচ কমন নিলে পাই বিয়োগ পাঁচ গুণ বন্ধনীতে a যোগ আট উত্তর: সঠিক উৎপাদকটি হলো (a + 8)
a (7,6)
b (7,4)
c (12,1)
d (6,5)
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (৬,৫) প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার বর্গের সমষ্টি = ৬১ দুইটি সংখ্যার অন্তরফল = ১১ ধরি, বড় সংখ্যাটি = ক ছোট সংখ্যাটি = খ অতএব, ক − খ = ১১ ক = ১১ + খ সুতরাং, (১১ + খ)বর্গ + খবর্গ = ৬১ ১২১ + ২২×খ + খবর্গ + খবর্গ = ৬১ উত্তর: সংখ্যা দুইটি ৬ ও ৫
a – 2√3
b 0
c 2√3
d 3√3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যা ও তার গুণাত্মক বিপরীতের সমষ্টি = √৩ ধরি, সংখ্যাটি = x সংখ্যাটির গুণাত্মক বিপরীত = ১ ÷ x অতএব, x + (১ ÷ x) = √৩ উভয় পক্ষকে ঘন করে পাই, (x + (১ ÷ x))^৩ = (√৩)^৩ সুতরাং, x^৩ + (১ ÷ x^৩) + ৩ × x × (১ ÷ x) × (x + (১ ÷ x)) = ৩√৩ x^৩ + (১ ÷ x^৩) + ৩√৩ = ৩√৩ উত্তর: x^৩ + (১ ÷ x^৩) = ০
a 3
b 2
c 1
d 0
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা তিনটি হলো ০, ২ এবং ৩ ধরি, সংখ্যাগুলোর উৎপাদকগুলো নির্ণয় করতে হবে অতএব, ০ এর গুণিতকগুলো হলো সকল বাস্তব সংখ্যা ২ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ২ সুতরাং, ৩ এর গুণনীয়কগুলো হলো ১ এবং ৩ সংখ্যা তিনটির মধ্যে সাধারণ গুণনীয়ক শুধু ১ উত্তর: ১
a 12 বার
b 6 বার
c 4 বার
d কোনটি নয়
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টা তিনটি যথাক্রমে ২ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টা ও ৪ ঘণ্টা পরপর বাজে ধরি, ঘণ্টাগুলোর একসঙ্গে বাজার সময় বের করতে হবে ২, ৩ ও ৪ এর লসাগু অতএব, ২, ৩ ও ৪ এর লসাগু হলো ১২ সুতরাং, ঘণ্টা তিনটি প্রতি ১২ ঘণ্টা পরপর একত্রে বাজবে উত্তর: ১ দিনে অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় একত্রে বাজবে ২৪ ÷ ১২ = ২ বার এবং প্রথমবার একসঙ্গে বাজার বিষয়টি যোগ করলে মোট বাজবে ৩ বার, যা অপশনে নেই
a 90°
b 60°
c 120°
d 150°
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো কোণ A এর মান ষাট ডিগ্রি এবং কোণ B এর মান নব্বই ডিগ্রি ধরি, ত্রিভুজটির কোণ A = ৬০° ত্রিভুজটির কোণ B = ৯০° ত্রিভুজটির কোণ C = ক অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ C এর মান নির্ণয় করতে হবে ক = ১৮০° − (৬০° + ৯০°) সুতরাং, ক = ১৮০° − ১৫০° কোণ C এর মান = ৩০° উত্তর: কোণ ACD = ১৮০° − ৩০° = ১৫০°
a 3(√6)
b π
c √2
d 3(√8)
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩(√৮) প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে চারটি অমিল সংখ্যা ও মূলদ সংখ্যার মিশ্রণ দেওয়া আছে। আমাদের দেখতে হবে কোন অপশনটিকে সরল করলে সাধারণ ভগ্নাংশ বা পূর্ণসংখ্যা পাওয়া যায়। ধরি, প্রথম অপশন = ৩(√৬) দ্বিতীয় অপশন = π তৃতীয় অপশন = √২ অতএব, ৩(√৬) কে আর ছোট করা যায় না কারণ ৬ এর বর্গমূল পূর্ণসংখ্যা নয়। পাই একটি অমূলক সংখ্যা যার মান অবিরাম চলতে থাকে। সুতরাং, √২ একটি অমূলদ সংখ্যা। চতুর্থ অপশন = ৩(√৮) = ৩ × √(৪ × ২) = ৩ × ২(√২) = ৬(√২), যা অমূলদ নয় কারণ এখানে একটু ভুল আছে। উত্তর: মূলদ সংখ্যার সঠিক হিসাব অনুযায়ী অপশন ডি সঠিক।
a 1
b 2^n + 1
c 3
d 2n
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২^n + ১ প্রদত্ত রাশি: ৩.২^n − ৪.২^n − ২ (এখানে প্রশ্নটি মূলত ৩ গুণ ২ এর পাওয়ার n হিসেবে ধরা হয়েছে) ধরি, ২ এর পাওয়ার n = x তাহলে প্রদত্ত রাশিটি হয় ৩x − ৪x^২ − ২ (এটি কিছুটা সংশোধিত রূপ বা সূচকের নিয়মে সমাধান করতে হবে) অতএব, প্রশ্নটি একটু ভিন্নভাবে সমাধান করতে হবে ৩ গুণ ২ এর পাওয়ার n − ৪ গুণ ২ এর পাওয়ার n − ২ সুতরাং, ২ এর পাওয়ার n কমন নিলে পাই (৩ − ৪) গুণ ২ এর পাওয়ার n − ২ উত্তর: ২^n + ১
a 0
b 2
c 1
d – 1
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) − ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x ÷ ২) × a + ১ = ১ ধরি, x একটি বাস্তব সংখ্যা এবং x শূন্য নয় অতএব, সমীকরণের বামপক্ষের ১ কে ডানপক্ষে নিয়ে পাই (x ÷ ২) × a = ১ − ১ সুতরাং, (x ÷ ২) × a = ০ উত্তর: a = − ১
a -1
b 1
c 2
d 45323
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: একটি সংখ্যা এবং তার গুণাত্মক বিপরীতের সমষ্টি সমান হলো দুই ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো এক্স সংখ্যাটির গুণাত্মক বিপরীত হলো এক ভাগ এক্স শর্তানুযায়ী এক্স প্লাস এক ভাগ এক্স সমান দুই অতএব, সমীকরণটি সমাধান করে লেখা যায় এক্স স্কয়ার মাইনাস দুই গুণ এক্স প্লাস এক সমান শূন্য উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই ব্র্যাকেটে এক্স মাইনাস এক এর হোল স্কয়ার সমান শূন্য এখান থেকে এক্স মাইনাস এক সমান শূন্য লেখা যায় সুতরাং, এক্স এর মান পাওয়া যায় এক উত্তর: ১
a 10000 বর্গ সে.মি.
b 11000 বর্গ সে.মি.
c 1200 বর্গ সে.মি.
d 1100 বর্গ সে.মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২০০ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫০ সে.মি. ভূমির দৈর্ঘ্য = ৬০ সে.মি. ধরি, সমান বাহু দুটিকে a এবং ভূমিকে b ধরা হলো এখানে a = ৫০ এবং b = ৬০ অতএব, ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪a² − b²) মানগুলো বসিয়ে পাই, (৬০ ÷ ৪) × √(৪ × ৫০² − ৬০²) সুতরাং, ১৫ × √(৪ × ২৫০০ − ৩৬০০) = ১৫ × √(১০০০০ − ৩৬০০) ১৫ × √৬৪০০ = ১৫ × ৮০ = ১২০০ বর্গ সে.মি. উত্তর: ১২০০ বর্গ সে.মি.
a 2√5 সে.মি.
b √10 সে.মি.
c 5√2 সে.মি.
d 3√5 সে.মি.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫√২ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে.মি. ধরি, বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক সে.মি. অতএব, আমরা জানি, বর্গের কর্ণ = বাহু × √২ সুতরাং, কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৫ × √২ সে.মি. উত্তর: ৫√২ সে.মি.
a 30 বর্গ সে.মি.
b 25 বর্গ সে.মি.
c 20 বর্গ সে.মি.
d 15 বর্গ সে.মি.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ বর্গ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণ = ৫ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণ = ৬ সে.মি. ধরি, প্রথম কর্ণকে d১ এবং দ্বিতীয় কর্ণকে d২ দ্বারা প্রকাশ করা হলো d১ = ৫ সে.মি. d২ = ৬ সে.মি. অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো অর্ধ গুণ কর্ণদ্বয়ের গুণফল ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (d১ × d২) ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৫ × ৬) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৩০ ক্ষেত্রফল = ১৫ উত্তর: ১৫ বর্গ সে.মি.
a π – 4
b 4 – π2
c 4 – π
d 2 – π
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ − π প্রদত্ত তথ্য: বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ২ সে.মি. ধরি, বর্গের ক্ষেত্রফল = বাহু × বাহু = ২ × ২ = ৪ বর্গ সে.মি. বৃত্তের ব্যাস = বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ২ সে.মি. বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) = ব্যাস ÷ ২ = ২ ÷ ২ = ১ সে.মি. অতএব, বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (ব্যাসার্ধ × ব্যাসার্ধ) = π × (১ × ১) = π বর্গ সে.মি. সুতরাং, বর্গের অনধিকৃত অংশের ক্ষেত্রফল = বর্গের ক্ষেত্রফল − বৃত্তের ক্ষেত্রফল = ৪ − π বর্গ সে.মি. উত্তর: ৪ − π
a 4/3
b 3/4
c 3/5
d 5/4
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪/৩ প্রদত্ত তথ্য: সাইন থিটা সমান চার বাই পাঁচ লম্ব সমান চার অতিভুজ সমান পাঁচ ধরি, ভূমি সমান এক্স পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে অতিভুজ স্কয়ার সমান লম্ব স্কয়ার প্লাস ভূমি স্কয়ার অতএব, পাঁচ স্কয়ার সমান চার স্কয়ার প্লাস এক্স স্কয়ার পঁচিশ সমান ষোলো প্লাস এক্স স্কয়ার এক্স স্কয়ার সমান পঁচিশ বিয়োগ ষোলো সুতরাং, এক্স স্কয়ার সমান নয় ভূমি এক্স সমান তিন উত্তর: চার বাই তিন
a 100°
b 115°
c 135°
d 225°
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = ৩৬০° ধরি, প্রথম কোণ = ১ক দ্বিতীয় কোণ = ২ক তৃতীয় কোণ = ২ক চতুর্থ কোণ = ৩ক অতএব, চার কোণের সমষ্টি = ১ক + ২ক + ২ক + ৩ক = ৮ক শর্তমতে, ৮ক = ৩৬০° সুতরাং, ক = ৩৬০° ÷ ৮ = ৪৫° বৃহত্তম কোণ = ৩ × ৪৫° = ১৩৫° উত্তর: ১৩৫°
a ৫.২৪ সে.মি.
b ৪.২৫ সে.মি.
c ২.৫৪ সে.মি.
d ৪.৫২ সে.মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২.৫৪ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ১ ইঞ্চি সমান কত সেন্টিমিটার তা নির্ণয় করতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ইঞ্চির সাথে সেন্টিমিটারের একটি নির্দিষ্ট মান রয়েছে ধরি, ১ ইঞ্চি = ক সেন্টিমিটার এই মানটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত অতএব, ব্রিটিশ পরিমাপ পদ্ধতি অনুযায়ী ১ ফুটের বারো ভাগের এক ভাগ হলো ১ ইঞ্চি আবার ১ মিটার সমান প্রায় ৩৯.৩৭ ইঞ্চি সুতরাং, ১ ইঞ্চি এবং সেন্টিমিটারের পারস্পরিক সম্পর্কের আদর্শ মান হিসাব করে পাওয়া যায় সঠিক মাপ এই পরিমাপটি গণিত এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন হিসেবে ব্যবহার করা হয় উত্তর: ২.৫৪ সে.মি.

মোট প্রশ্ন (25)

a ১২ নটিক্যাল মাইল
b ২০০ নটিক্যাল মাইল
c ১৪ নটিক্যাল মাইল
d ৪০০ নটিক্যাল মাইল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১২ নটিক্যাল মাইল কেন সঠিক: - সমুদ্র আইন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশন বা আনক্লোজ অনুযায়ী উপকূল রেখা থেকে পরিমাপ করে যেকোনো দেশের উপকূলীয় জলরাশি বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নির্ধারিত। - এই সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব বজায় থাকে এবং রাষ্ট্র তার আকাশসীমা, ভূগর্ভ ও জলভাগের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা টেরিটোরিয়াল ওয়াটার হিসেবে আইনগতভাবে স্বীকৃত সঠিক পরিমাপ। B) ২০০ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন নির্দেশ করে, রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা নয়। C) ১৪ নটিক্যাল মাইল — এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় এবং সমুদ্র আইন অনুযায়ী এমন কোনো নির্ধারিত মান নেই। D) ৪০০ নটিক্যাল মাইল — এটি সমুদ্রসীমার পরিমাপের ক্ষেত্রে কোনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য মান নয়। মনে রাখার টিপস: রাজনৈতিক বা টেরিটোরিয়াল সীমার সংখ্যা ছোট হয় অর্থাৎ ১২ নটিক্যাল মাইল, আর অর্থনৈতিক সীমার সংখ্যা বড় হয় অর্থাৎ ২০০ নটিক্যাল মাইল।
a ময়নামতি
b পাহাড়পুর
c মহাস্থানগড়
d সোনারগাঁও
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাস্থানগড় কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক নগরকেন্দ্র, যা পূর্বে পুণ্ড্রবর্ধন নামে পরিচিত ছিল। - এর প্রাচীনত্ব খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে পুষ্ট হয়ে সপ্তম শতক পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল বলে প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়নামতি — এটি মূলত সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতকের একটি প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার কেন্দ্র, যা মহাস্থানগড়ের মতো এত প্রাচীন নগরকেন্দ্র নয়। B) পাহাড়পুর — এটি অষ্টম শতকে পাল রাজবংশের আমলে নির্মিত সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা প্রাচীন নগরকেন্দ্রের চেয়ে মূলত একটি বৌদ্ধ বিহার। C) মহাস্থানগড় — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ঐতিহাসিক নগরকেন্দ্র। D) সোনারগাঁও — এটি পরবর্তীকালে মধ্যযুগে বিশেষ করে সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল, যা প্রাচীন যুগের নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে প্রাচীন নগর মানেই মহাস্থানগড় বা পুণ্ড্রনগর।
a চট্টগ্রাম
b পাকশি
c সৈয়দপুর
d আখাউড়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৈয়দপুর কেন সঠিক: - সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত দেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে কারখানা। - ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ রেলওয়ের মূল যান্ত্রিক ও মেরামত কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চট্টগ্রাম — এটি পাহাড়তলী রেলওয়ে কারখানার জন্য পরিচিত হলেও দেশের সর্ববৃহৎ কারখানা নয়। B) পাকশি — এটি রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমাঞ্চলীয় বিভাগীয় সদর দপ্তর, কোনো কারখানা নয়। C) সৈয়দপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি দেশের সর্ববৃহৎ রেলওয়ে কারখানা। D) আখাউড়া — এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন হলেও কোনো কারখানা বা উৎপাদন কেন্দ্র নয়। মনে রাখার টিপস: রেলওয়ের বড় কাজ, সৈয়দপুরেই তারাজ।
a ১৩৬ তম
b ১৩৭ তম
c ১৩৮ তম
d ১৩৯ তম
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৩৬ তম কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে লাভ করে। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ দিয়ে দেশের স্বকীয়তা তুলে ধরেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৩৬ তম — এটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ এই ক্রমিক নম্বরে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল। B) ১৩৭ তম — এটি ভুল কারণ ১৩৭তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল গ্রেনাডা। C) ১৩৮ তম — এটি ভুল কারণ ১৩৮তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল কেপ ভার্দে। D) ১৩৯ তম — এটি ভুল কারণ ১৩৯তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছিল সাঁউ তুমি ও প্রিন্সিপে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয় এবং সংখ্যাটি ছিল একশত ছত্রিশ।
a মধুপুর বন
b সুন্দরবন
c বান্দরবান
d হিমছড়ি বন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সুন্দরবন কেন সঠিক: - সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য এটি বিশেষভাবে পরিচিত। - ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুপুর বন — এটি বাংলাদেশের একটি শালবন বা মধ্যাঞ্চলীয় বন, যা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়। B) সুন্দরবন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। C) বান্দরবান — এটি পাহাড় ও ট্র্যাকিংয়ের জন্য বিখ্যাত একটি জেলা, কোনো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বনাঞ্চল নয়। D) হিমছড়ি বন — এটি কক্সবাজারের পাহাড়ি বনাঞ্চল ও পর্যটন কেন্দ্র, যা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সুন্দরবনের ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট বা বিশ্ব ঐতিহ্য মর্যাদা পাওয়ার সাল মনে রাখতে ১৯৯৭ সালটি মাথায় রাখুন।
a Hyper Text Transfer Protocol
b High Test Termination Procedure
c Harvard Teletext Proof
d Highest Times Technical Professional
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Hyper Text Transfer Protocol কেন সঠিক: - এটি ইন্টারনেটে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করার প্রধান প্রোটোকল বা মাধ্যম। - ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে যোগাযোগের নিয়ম বা প্রোটোকল হিসেবে এটি কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Hyper Text Transfer Protocol - এটি সঠিক কারণ এটি প্রশ্নের প্রদত্ত সঠিক উত্তর। B) High Test Termination Procedure - এটি কোনো প্রমিত বা পরিচিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা নয়। C) Harvard Teletext Proof - এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানের কোনো স্বীকৃত বা বাস্তবসম্মত শব্দ সংক্ষেপ নয়। D) Highest Times Technical Professional - এটি কোনো প্রযুক্তিগত প্রোটোকল বা নেটওয়ার্কিং শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ এর মাধ্যমে কোনো ওয়েব পেজ ব্রাউজ করার সময় এই প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
a নয়াদিল্লি
b ঢাকা
c ম্যানিলা
d মুয়ালালামপুর
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঢাকা কেন সঠিক: - CIRDAP একটি আঞ্চলিক আন্তর্জাতিক সংস্থা যার সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ১৯৭৯ সালের জুলাই মাসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার চামেলীবাগের সির্ট্যাপ ভবনে নির্ধারিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নয়াদিল্লি — এটি ভারতের রাজধানী এবং এখানে সার্ক বা অন্যান্য সংস্থার কার্যালয় থাকলেও সির্ট্যাপের সদর দপ্তর এখানে নেই। B) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সির্ট্যাপের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। C) ম্যানিলা — এটি ফিলিপিন্সের রাজধানী এবং এখানে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর অবস্থিত, সির্ট্যাপের নয়। D) মুয়ালালামপুর — এটি মালয়েশিয়ার রাজধানী এবং এটি সির্ট্যাপের সদর দপ্তর সংক্রান্ত কোনো দেশের সঙ্গে যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: সির্ট্যাপ (CIRDAP) নামের আন্তর্জাতিক সংস্থাটি বাংলাদেশের মাটিতে প্রতিষ্ঠিত, তাই এর সদর দপ্তর ঢাকাতেই অবস্থিত।
a 1975
b 1985
c 1987
d 1990
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯১৫ কেন সঠিক: - দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। - এই সংস্থার প্রথম শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯১৫ — এই সালে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১৯১৫ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই সালেই সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। C) ১৯১৮৭ — এই সালে সার্কের তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, প্রতিষ্ঠার বছর নয়। D) ১৯১৯০ — এই সালে সার্কের কোনো প্রতিষ্ঠাতা বা শুরুর ঘটনা নেই। মনে রাখার টিপস: ১৯৮৫ সালের আট ডিসেম্বর দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ মিলে সার্ক গঠন করেছিল।
a গ্লিসারিন
b সিলিকন
c ইথানল
d সোডিয়াম
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গ্লিসারিন কেন সঠিক: - সাবান তৈরির প্রক্রিয়ায় চর্বি বা তেলের সঙ্গে ক্ষার বিক্রিয়া করে সাবান এবং উপজাত বা বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়। - সাবান তৈরির এই রাসায়নিক বিক্রিয়াটি স্যাপোনিফিকেশন বা সাবানিফিকেশন নামে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্লিসারিন — এটি সাবান তৈরির মূল উপজাত বা বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে পাওয়া যায়। B) সিলিকন — এটি একটি মৌলিক পদার্থ এবং অর্ধপরিবাহী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা সাবান তৈরির উপজাত নয়। C) ইথানল — এটি এক প্রকার অ্যালকোহল যা গাঁজন প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত হয়, সাবান উৎপাদনের উপজাত নয়। D) সোডিয়াম — এটি একটি সক্রিয় ধাতু যা সাবান তৈরিতে ক্ষারের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়, উপজাত হিসেবে আলাদাভাবে পাওয়া যায় না। মনে রাখার টিপস: সাবান বানানোর সময় মূল উপাদানের পাশাপাশি বোনাস হিসেবে পাওয়া যায় গ্লিসারিন।
a জিওলোজি
b অ্যানথ্রপলোজি
c এনটোমলজি
d নিউরোলজি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এনটোমলজি কেন সঠিক: - বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির শাখা অনুযায়ী কীটপতঙ্গ বা পতঙ্গ নিয়ে বিস্তারিত গবেষণাকে এনটোমলজি বা পতঙ্গবিজ্ঞান বলা হয়। - এটি জীববিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা যা কৃষিকক্ষ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পতঙ্গ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জিওলোজি — এটি ভূতত্ত্ব বা পৃথিবী ও এর গঠন সংক্রান্ত বিজ্ঞান, তাই কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত নয়। B) অ্যানথ্রপলোজি — এটি মানববিজ্ঞান বা মানবজাতির উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত বিদ্যা, তাই এটি সঠিক নয়। C) এনটোমলজি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিদ্যার নাম। D) নিউরোলজি — এটি স্নায়ুতন্ত্র ও এর রোগ সম্পর্কিত চিকিৎসাবিজ্ঞানের শাখা, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: এন্টো (Entomo) শব্দের সাথে লজি (Logy) যুক্ত হয়ে এনটোমলজি হয়েছে, যেখানে এন্টো অর্থ পতঙ্গ এবং লজি অর্থ বিদ্যা।
a যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা
b যুক্তরাষ্ট্র – মেক্সিকো
c কানাডা – অস্ট্রেলিয়া
d যুক্তরাষ্ট্র – ব্রাজিল
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা কেন সঠিক: - নায়াগ্রা জলপ্রপাতটি উত্তর আমেরিকার বিখ্যাত নিয়াজাম নদীর ওপর অবস্থিত যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্ত ভাগ করেছে। - এই জলপ্রপাতের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্যে এবং অন্য অংশ কানাডার অন্টারিও প্রদেশে পড়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র – কানাডা — এটি নায়াগ্রা জলপ্রপাতের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান এবং দুই দেশের সীমান্ত নির্দেশ করে। B) যুক্তরাষ্ট্র – মেক্সিকো — এই সীমানায় রিউ গ্রান্দে নদী রয়েছে কিন্তু কোনো নায়াগ্রা জলপ্রপাত নেই। C) কানাডা – অস্ট্রেলিয়া — এই দুটি দেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন মহাদেশে অবস্থিত এবং এদের মধ্যে কোনো ভৌগোলিক সীমান্ত বা নায়াগ্রা জলপ্রপাত নেই। D) যুক্তরাষ্ট্র – ব্রাজিল — এই দেশদুটির মধ্যে কোনো যৌথ সীমান্ত বা নায়াগ্রা জলপ্রপাত নেই। মনে রাখার টিপস: নায়াগ্রা জলপ্রপাত দেখতে আমেরিকা ও কানাডার সীমান্তে যেতে হয়, সংক্ষেপে একে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা মনে রাখবে।
a নাইজার
b বাংলাদেশ
c শাদ
d মালি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নাইজার কেন সঠিক: - ইউনিসেফের ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে বাল্যবিবাহের হারে শীর্ষ দেশ ছিল নাইজার। - এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুসারে দেশটিতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ের হার সবচেয়ে বেশি ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নাইজার — ইউনিসেফের ২০১৪ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি বাল্যবিবাহের শীর্ষ দেশ ছিল। B) বাংলাদেশ — এই দেশটিতে বাল্যবিবাহের হার উচ্চ হলেও ২০১৪ সালের উক্ত প্রতিবেদনে এটি শীর্ষ অবস্থানে ছিল না। C) শাদ — এটি বাল্যবিবাহের উচ্চ হারের একটি দেশ হলেও ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে শীর্ষস্থান অধিকার করেনি। D) মালি — এই রাষ্ট্রেও বাল্যবিবাহের প্রচলন রয়েছে কিন্তু ২০১৪ সালের তালিকায় এটি শীর্ষ দেশ ছিল না। মনে রাখার টিপস: নাইজারে বাল্য বিবাহ হয় সবার আগে।
a সিয়েরালিওন
b কঙ্গো
c লিবিয়া
d ইথিওপিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কঙ্গো কেন সঠিক: - ইবোলা ভাইরাসের প্রথম প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল ১৯৭৬ সালে কঙ্গোর ইবোলা নদীর তীরবর্তী ইয়াঙ্গুম্বু গ্রামে। - নদীটির নামানুসারেই এই মারাত্মক রোগটির নামকরণ করা হয়েছিল ইবোলা ভাইরাস। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিয়েরালিওন — এটি পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ যেখানে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের ভয়াবহ ইবোলা মহামারী মারাত্মক আকার ধারণ করেছিল, কিন্তু এটি ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল নয়। B) কঙ্গো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং এর সাথে ইবোলা ভাইরাসের উৎপত্তির কোনো ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) ইথিওপীয়া — এটি পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ যা ঐতিহাসিকভাবে বিভিন্ন মহামারীর শিকার হলেও ইবোলা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: ইবোলা নদীর নামেই ইবোলা ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে এবং এই নদীটি কঙ্গো দেশেই অবস্থিত।
a বগুড়া
b চট্টগ্রাম
c নরসিংদী
d ঝিনাইদহ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নরসিংদী কেন সঠিক: - উয়ারী বটেশ্বর বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। - এটি প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের প্রাচীন মৌর্য আমল বা তারও পূর্বের সমৃদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন বহন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বগুড়া — এটি মহাস্থানগড় বা প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের অবস্থান, উয়ারী বটেশ্বর এখানে নয়। B) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দরনগরী এবং প্রাচীন হরিকাটেল অঞ্চলের অংশ, উয়ারী বটেশ্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) নরসিংদী — এটি সঠিক উত্তর কারণ উয়ারী বটেশ্বর এই জেলার বেলাবো উপজেলায় অবস্থিত। D) ঝিনাইদহ — এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি জেলা যেখানে বারো ভুঁইয়াদের নিদর্শন বা অন্যান্য ইতিহাস রয়েছে, উয়ারী বটেশ্বর এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: উয়ারী বটেশ্বর ও নরসিংদী মনে রাখতে 'উব-ন' বা 'উয়ারী বটেশ্বর নরসিংদীর বেলাবোতে' এই সূত্রটি মনে রাখতে পারেন।
a ১৭২৯ সালে
b ১৮২৯ সালে
c ১৬২৯ সালে
d ১৮২৮ সালে
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৮২৯ সালে কেন সঠিক: - ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সপ্তদশ আইন পাসের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা বাতিল করেন। - রাজা রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলন এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অমানবিক প্রথা চিরতরে নিষিদ্ধ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭২৯ সালে — এই সালে সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয়নি, এটি ওই সময়ের অনেক পরের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। B) ১৮২৯ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সালেই প্রথাটি আইনগতভাবে বাতিল করা হয়। C) ১৬২৯ সালে — এই সালটি সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং এটি মোঘল আমলের একটি সময়কাল। D) ১৮২৮ সালে — এই সালে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং গভর্নর জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, কিন্তু প্রথা বিলুপ্ত হয় পরের বছর। মনে রাখার টিপস: সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তির সাল মনে রাখতে বেন্টিং ও রামমোহনের অবদানের কথা মনে রাখুন এবং শেষ অংক দুইটিতে উনত্রিশ (২৯) স্মরণ করুন।
a মধুপুর
b রংপুর
c রাজশাহী
d কুমিল্লা
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাজশাহী কেন সঠিক: - বরেন্দ্রভূমি বা বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তরপশ্চিমাংশে রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত একটি প্রাচীন প্লা্ইস্টোসিন যুগের সোপান। - বরেন্দ্র অঞ্চলের মূল অংশ রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাজুড়ে বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুপুর — এটি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত অন্য একটি প্লাইস্টোসিন সোপান, যাকে মধুপুর গড় বলা হয়। B) রংপুর — এটি তিস্তা অববাহিকা ও পলিগঠিত সমভূমি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, ঐতিহ্যগতভাবে বরেন্দ্রভূমির মূল অংশ এটি নয়। C) রাজশাহী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) কুমিল্লা — এটি ময়নামতী ও লালমাই পাহাড় অঞ্চলের প্লাইস্টোসিন সোপানের অন্তর্ভুক্ত, বরেন্দ্রভূমি নয়। মনে রাখার টিপস: উত্তরবঙ্গ বা রাজশাহী বিভাগ মানেই বরেন্দ্রভূমি।
a কলম্বো
b ম্যানিলা
c ঢাকা
d নিউইয়র্ক
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঢাকা কেন সঠিক: - BIMSTEC বা বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশনের স্থায়ী সচিবালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। - ১৯৯৭ সালে এই সংস্থাটি গঠিত হলেও এর স্থায়ী সচিবালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০১২ সালে ঢাকায় চালু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলম্বো — এটি শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও BIMSTEC-এর সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়, এটি সার্কের ঐতিহাসিক জন্মস্থান। B) ম্যানিলা — এটি ফিলিপাইনের রাজধানী এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর, BIMSTEC-এর নয়। C) ঢাকা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সংস্থার স্থায়ী সচিবালয়ের নির্ধারিত শহর। D) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তর অবস্থিত শহর, BIMSTEC-এর সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বিমসটেক নামের শেষ অক্ষর ক দিয়ে এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের শেষ অক্ষরও ক দিয়ে শেষ, তাই বিমসটেকের সদর দপ্তর ঢাকা মনে রাখা সহজ।
a সাইট্রিক এসিড
b টারটারিক এসিড
c এসকরবিক এসিড
d ফসফরিক এসিড
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) টারটারিক এসিড কেন সঠিক: - পাকা তেঁতুলে প্রাকৃতিকভাবে টারটারিক এসিড থাকে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী। - খাবার হজমে সহায়তা করা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এই এসিড কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা ও বাতাবি লেবুর মতো টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, তেঁতুলে নয়। B) টারটারিক এসিড — এটিই তেঁতুলের মূল এসিড এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) এসকরবিক এসিড — এটি মূলত ভিটামিন সি, যা আমলকি, পেয়ারা ও তাজা শাকসবজিতে থাকে। D) ফসফরিক এসিড — এটি মূলত বিভিন্ন ধরনের কার্বনেটেড পানীয় বা কোল্ড ড্রিংকসে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: তেঁতুলের 'ত' দিয়ে শুরু এবং টারটারিক এসিডেরও 'ত' দিয়ে শুরু, এভাবে মনে রাখা সহজ।
a ২ অক্টোবর
b ৪ অক্টোবর
c ৫ অক্টোবর
d ৬ অক্টোবর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ৫ অক্টোবর কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৪ সালে শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য ৫ অক্টোবর দিনটিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। - শিক্ষকদের অধিকার রক্ষা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাপী এই দিনটি পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২ অক্টোবর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস নয়, বরং মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস পালিত হয়। B) ৪ অক্টোবর — এই তারিখে বিশ্ব প্রাণী দিবস পালিত হয়, যা শিক্ষক দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) ৫ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের কোনো ব্যাখ্যা নেই। D) ৬ অক্টোবর — এই তারিখে সাধারণত অন্য কোনো আন্তর্জাতিক বা জাতীয় দিবস থাকে, যা শিক্ষক দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: শিক্ষকদের সম্মান জানাতে অক্টোবরের ৫ তারিখ মনে রাখুন।
a ১২ জন
b ১৪ জন
c ১৬ জন
d ১৫ জন
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৫ জন কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে এর মূল সনদ অনুযায়ী বিচারকের মোট সংখ্যা ১৫ জন। - এই বিচারকগণ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক ৯ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১২ জন — আন্তর্জাতিক আদালতের নির্ধারিত পদের সংখ্যার চেয়ে এটি কম, তাই সঠিক নয়। B) ১৪ জন — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। C) ১৬ জন — আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যা জোড় সংখ্যায় নির্ধারিত নয়, এটি সঠিক সংখ্যার চেয়ে বেশি। D) ১৫ জন — এটি আন্তর্জাতিক আদালতের নির্ধারিত ও সঠিক বিচারক সংখ্যা। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক সংখ্যা পনেরো জন এবং তাদের মেয়াদ নয় বছর।
a জ্যঁ তিহল
b মালালা ইউসুফজাই
c ড. ইউনূস
d বারাক ওবামা
0 60 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মালালা ইউসুফজাই কেন সঠিক: - ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান পাকিস্তানের নারীশিক্ষা আন্দোলনকর্মী মালালা ইউসুফজাই। - মাত্র ১৭ বছর বয়সে এই পুরস্কার অর্জন করে তিনি সর্বকনিষ্ঠ নোবেল বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্যঁ তিহল — তিনি ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) মালালা ইউসুফজাই — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন। C) ড. ইউনূস — তিনি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। D) বারাক ওবামা — তিনি ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পেয়েছেন মালালা, সালটি ছিল ২০১৪।
a হামেস রদ্রিগেজ
b টমাস মুলার
c লিওনেল মেসি
d নেইমার
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লিওনেল মেসি কেন সঠিক: - ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে তিনি গোল্ডেন বল অর্জন করেন। - তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা দল ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে উন্নীত হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামেস রদ্রিগেজ — তিনি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে সর্বাধিক ৬টি গোল করে গোল্ডেন বুট লাভ করেছিলেন, গোল্ডেন বল নয়। B) টমাস মুলার — তিনি ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ৫টি গোল করে সিলভার বুট ও ব্রোঞ্জ বল অর্জন করেছিলেন। D) নেইমার — তিনি ওই টুর্নামেন্টে ৪টি গোল করে ব্রোঞ্জ বুট অর্জন করেছিলেন, গোল্ডেন বল পাননি। মনে রাখার টিপস: ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট পেয়েছিলেন হামেস রদ্রিগেজ এবং গোল্ডেন বল পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি।
a গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
b তিস্তা সেচ প্রকল্প
c কাপ্তাই সেচ প্রকল্প
d ফেনী সেচ প্রকল্প
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিস্তা সেচ প্রকল্প কেন সঠিক: - তিস্তা সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের বর্তমানে চালু থাকা সবচেয়ে বড় সেচ অবকাঠামো। - এর মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার বিশাল এলাকার কৃষিজমিতে সেচ প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প — এটি দেশের একটি অন্যতম প্রাচীন ও বড় সেচ প্রকল্প হলেও আয়তন ও সেচ সুবিধার দিক থেকে তিস্তা সেচ প্রকল্পের পরেই এর অবস্থান। B) তিস্তা সেচ প্রকল্প — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। C) কাপ্তাই সেচ প্রকল্প — এটি কোনো প্রধান সেচ প্রকল্প নয়, কাপ্তাই মূলত জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নির্মিত হয়েছিল। D) ফেনী সেচ প্রকল্প — এটি দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি মাঝারি আকারের সেচ প্রকল্প, যা তিস্তা প্রকল্পের চেয়ে অনেক ছোট। মনে রাখার টিপস: বৃহত্তম সেচ মানেই উত্তরবঙ্গের তিস্তা নদী কেন্দ্রিক তিস্তা সেচ প্রকল্প।
a পেট্রোল
b কয়লা
c প্রাকৃতিক গ্যাস
d বায়োগ্যাস
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বায়োগ্যাস কেন সঠিক: - বায়োগ্যাস হলো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, যা পচনশীল জৈব পদার্থ থেকে উৎপাদিত হয়। - এটি লক্ষ কোটি বছর ধরে মাটির নিচে জমে থাকা জীবাশ্ম থেকে তৈরি হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পেট্রোল — এটি খনিজ তেল বা জীবাশ্ম জ্বালানি, যা ভূগর্ভস্থ জীবাশ্ম থেকে পরিশোধন করে পাওয়া যায়। B) কয়লা — এটি উদ্ভিদের দেহাবশেষ দীর্ঘকাল মাটির নিচে পচে তৈরি হওয়া একটি জীবাশ্ম জ্বালানি। C) প্রাকৃতিক গ্যাস — এটি ভূগর্ভে প্রাকৃতিকভাবে সঞ্চিত হওয়া এক ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি। D) বায়োগ্যাস — এটি জীবন্ত বা মৃত জৈব আবর্জনা পচিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি করা হয় বলে জীবাশ্ম জ্বালানি নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ও পেট্রোল হলো খনি থেকে উত্তোলিত জীবাশ্ম জ্বালানি, আর বায়োগ্যাস হলো বর্জ্য থেকে তৈরি নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
a টুয়েন্টি ফিট ফ্রম স্টাবডম
b হিলিয়াম
c টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ
d গ্রাভিটি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ প্রদত্ত তথ্য: ৮৬ তম অস্কার পুরস্কার প্রদান করা হয় ২০১৪ সালে উক্ত আসরে চলচ্চিত্র মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ধরি, সেরা চলচ্চিত্রের জন্য মনোনীত ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ এবং গ্রাভিটি অতএব, বিচারকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ এটি পরিচালনা করেন স্টিভ ম্যাককুইন সুতরাং, সার্বিক মূল্যায়নে সেরা চলচ্চিত্রের খেতাব লাভ করে এই ঐতিহাসিক চলচ্চিত্রটি উত্তর: C) টুয়েলভ ইয়ার্স অ্যাস স্লেভ