বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১২ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (কলেজ পর্যায়) ২০১৫

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a ছোটগল্প
b নাটক
c কাব্য
d উপন্যাস
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্য ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্য দীর্ঘ পরিক্রমার মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়েছে এবং এর সূচনা ঘটেছিল পদ্য বা কাব্য রচনার মাধ্যমে। প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক নিদর্শন চর্যাপদ এক ধরনের গীতিসংকলন বা কাব্য, যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা হিসেবে সর্বস্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদ বা গান সংকলন, যা পদ্য ছন্দে রচিত। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা রচিত পদসমূহ। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনা করেছিলেন এবং তাঁর পদগুলো কাব্যিক ও তাত্ত্বিক মানে সমৃদ্ধ। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের প্রাচীনতম কবি শতকাচার্য বা লুইপা। ব্যাখ্যা: লুইপার রচিত পদ বাংলা সাহিত্যের কাব্যধারার আদিতম নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — ছোটগল্প বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক শাখা, যা উনিশ শতকের শেষভাগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাধ্যমে মূলত পূর্ণতা লাভ করে। B) নাটক — নাটক বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক যুগের সৃষ্টি, যার সূচনা ঘটেছিল উনিশ শতকে দুর্গাচরণ সান্যালের ভদ্রার্জুন নাটকের মাধ্যমে। C) কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ কাব্যধর্মী ও পদ্যে রচিত। D) উপন্যাস — উপন্যাস হলো আধুনিক যুগের গদ্য সাহিত্যকর্ম, যা উনিশ শতকে প্যারীচাঁদ মিত্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে শুরু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগ মানেই গান বা পদ্য, আর পদ্য মানেই কাব্য। তাই বাংলা সাহিত্যের আদি শাখা হিসেবে কাব্য বা পদ্যকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন চর্যাপদ এবং এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের গান বা কবিতা যা কাব্য শাখার অন্তর্গত। প্রাচীন যুগে কোনো গদ্য বা উপন্যাস রচিত হয়নি।
a সন্ধি
b সমাস
c কারক
d প্রত্যয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্ধি কেন সঠিক: - ধ্বনিতত্ত্ব অংশে মূলত ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন এবং মিলন নিয়ে আলোচনা করা হয়। - পাশাপাশি ধ্বনির পারস্পরিক প্রভাব ও দুটি ধ্বনির মিলন বা সন্ধি এই অংশের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি যার মধ্যে ধ্বনিতত্ত্ব অন্যতম। - ধ্বনিতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো বর্ণ, ধ্বনির পরিবর্তন, নত্ব ও ষত্ব বিধান এবং সন্ধি। - যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়, এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। - B) সমাস — সমাস বাংলা ব্যাকরণের অর্থমতত্ত্ব বা বাক্যতত্ত্ব তথা রূপতত্ত্ব অংশের আলোচ্য বিষয়। - C) কারক — কারক শব্দার্থ ও বাক্যতত্ত্ব বা পদপ্রকরণ অংশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আলোচ্য বিষয়। - D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দগঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিষয় যা রূপতত্ত্ব বা পদপ্রকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: - ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি এবং তা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
a সংস্কৃত
b বিদেশি শব্দ
c দেশি শব্দ
d তদ্ভব শব্দ
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - ণত্ব বিধান হলো বাংলা ব্যাকরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য ণ (ণ) ব্যবহারের নিয়ম। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর মধ্যে কেবল তৎসম শব্দেই মূর্ধন্য ণ লেখা যায়, অন্য কোনো উৎসের শব্দে এর ব্যবহার নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ঋ, র এবং ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ হয় এবং ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে কদাচ মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় না, সেখানে সর্বদা দন্ত্য ন (ন) বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ কারের পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: করণ ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ এবং এখানে র-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ ণত্ব বিধান কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানানেই প্রযোজ্য। B) বিদেশি শব্দ — বিদেশি শব্দে কখনো ণত্ব বিধান প্রযোজ্য হয় না এবং সেখানে সর্বদা ন হয়। C) দেশি শব্দ — দেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। D) তদ্ভব শব্দ — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃত ভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে এসেছে বিধায় সেখানে ণত্ব বিধান খাটে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত মানেই তৎসম শব্দ আর তৎসম শব্দ মানেই সেখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের সুযোগ থাকে। - বিদেশি ও দেশি শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে দন্ত্য ন ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন শব্দগুলোতে ণত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়, উত্তর হবে দেশি ও বিদেশি শব্দ। - ঋ র ষ-এর পরে সর্বদা মূর্ধন্য ণ হয়—এই সূত্রটি মনে রাখলে তৎসম শব্দের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a সমর্থন
b বিচার
c মন্তব্য
d তর্ক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমর্থন ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষার ক্ষেত্রে Justification for শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সমর্থন বা যৌক্তিকতা প্রতিপাদন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি আইনি বা দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই শব্দটির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - ইংরেজি প্রশাসনিক ও আইনি পরিভাষাকে সহজ ও প্রাঞ্জল বাংলায় রূপান্তর করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রমিত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Justification for this action. ব্যাখ্যা: এই কাজের পক্ষে সমর্থন বা যৌক্তিকতা। উদাহরণ ২: There is no justification for this delay. ব্যাখ্যা: এই বিলম্বের কোনো সমর্থন বা যৌক্তিক ভিত্তি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমর্থন — এটি সঠিক উত্তর। B) বিচার — বিচার শব্দের ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Judgment বা Trial, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মন্তব্য — মন্তব্য শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Comment বা Remark, যা প্রশ্নানুযায়ী ভুল। D) তর্ক — তর্ক শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Argument বা Debate, যা এই পারিভাষিক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - Justification শব্দের মূল অর্থ হলো কোনো কাজের পক্ষে যুক্তি দেখানো বা সমর্থন করা। - পরীক্ষার হলে জাস্টিফাই করা মানে সমর্থন করা বা যৌক্তিকতা প্রমাণ করা, এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - দাপ্তরিক ও আইনি শব্দের সঠিক অর্থ জানার জন্য নিয়মিত প্রমিত বাংলা অভিধান ও বিগত বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করতে হবে।
a দ্বন্দ্ব সমাস
b কর্মধারয় সমাস
c তৎপুরুষ সমাস
d বহুব্রীহি সমাস
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পদগুলোর নিজ অর্থ প্রকাশ না পেয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায় এবং সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো পদের বিশেষ্য হিসেবে কাজ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - ‘বীণাপাণি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বীণা পাণিতে যার। এখানে বীণা ও পাণি শব্দের আক্ষরিক অর্থ না বুঝিয়ে সরস্বতী দেবীকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কারোরই অর্থের প্রধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ পায়। - এটি মূলত ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত, কারণ এর পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদও বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বজ্রপাণি ব্যাখ্যা: বজ্র পাণিতে যার, অর্থাৎ ইন্দ্র। এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ششಮುಖ (ষান্মাসিক হবে না, শূলপাণি) শূলপাণি ব্যাখ্যা: শূল পাণিতে যার, অর্থাৎ শিব। এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে, যেমন মা ও বাবা সমান মোবাবা। বীণাপাণি শব্দে এমন উভয় পদের অর্থ প্রধান নয়। B) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্যটি বিশেষণ বা দুটিই বিশেষণ হয়ে পদের গুণ প্রকাশ করে। বীণাপাণি কোনো গুণের তুলনা বোঝায় না। C) তৎপুরুষ সমাস — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। বীণাপাণি শব্দে নতুন অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি তৎপুরুষ নয়। D) বহুব্রীহি সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো অঙ্গ বা হাতিয়ারের নাম দিয়ে যদি কোনো দেবতা বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। - ঈশ্বরের নাম বা উপাধি বোঝালে সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাণি শব্দের অর্থ হাত। তাই বীণাপাণি মানে যার হাতে বীণা আছে। - এমন বহু পদ পরীক্ষায় আসে যা দেবতা বা বিশেষ কাউকে বোঝায়, যেমন চক্রপাণি বা পদ্মনাভ।
a গাছো
b গাছি
c গেছো
d আরোহী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গেছো ১. কেন সঠিক: গাছে উঠতে পটু বা যে গাছে চড়তে ভালোবাসে, তাকে এক কথায় গেছো বলা হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুখে মুখে প্রচলিত যে কথা = মুখরোচক ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত বাক্য সংকোচন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না = দুর্নিবার ব্যাখ্যা: কঠিন বা অপ্রতিরোধ্য কোনো অবস্থাকে এককথায় প্রকাশ করার এটি একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাছো — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) গাছি — যে ব্যক্তি গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে, তাকে গাছি বলা হয় যেমন খেঁজুর রস সংগ্রহকারী। D) আরোহী — যিনি কোনো বাহনে বা উঁচুতে ওঠেন, তাকে সাধারণ অর্থে আরোহী বলা হয় কিন্তু গাছে ওঠার পটুতার জন্য এটি নির্দিষ্ট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গাছে চড়ে যে, তার সঙ্গে গেছো শব্দটি মিলে যায়। গাছের সঙ্গে সম্পর্কিত স্বভাব বোঝাতে গেছো প্রত্যয় যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের সূক্ষ্ম অর্থ ও ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি। একই শব্দের বিভিন্ন রূপ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
a বিরক্ত
b উপহাস
c বিরাগ
d প্রতিঘাত
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিরাগ ১. কেন সঠিক: অনুরূপ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো বিরাগ। অনুরাগ শব্দটির অর্থ গভীর প্রীতি, আসক্তি, ভালোবাসা বা অনুরাগ, আর এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে বিরাগ শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ অনাসক্তি বা বিতৃষ্ণা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বিপরীত শব্দ নির্বাচনে সাধারণত ভাষার নিজস্ব রীতি ও অর্থের সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুরাগ ও বিরাগ ব্যাখ্যা: মানুষের মনে কোনো বিষয়ের প্রতি গভীর অনুরাগ বা আকর্ষণ থাকতে পারে, আবার কখনো তার প্রতি বিরাগ বা অনীহাও জন্মাতে পারে। উদাহরণ ২: আকর্ষণ ও বিকর্ষণ ব্যাখ্যা: আকর্ষণ শব্দের অর্থ কাছে টানা বা টান, আর এর বিপরীত শব্দ বিকর্ষণ হলো দূরে ঠেলে দেওয়া বা বিপ্রতীপ অবস্থান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরক্ত — এটি এমন একটি অবস্থা বোঝায় যখন কেউ কোনো কারণে অস্বস্তি বোধ করে, যা অনুরাগের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) উপহাস — এর অর্থ ঠাট্টা বা তাচ্ছিল্য করা, যার সঙ্গে অনুরাগের বিপরীত অর্থের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) বিরাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অনুরাগের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) প্রতিঘাত — এর অর্থ আঘাতের পরিবর্তে পাল্টা আঘাত করা, যা অনুরাগের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুরাগ শব্দের আ-কার যুক্ত শুরুটির সঙ্গে মিল রেখে বিপরীত শব্দ মনে রাখতে পারো বিরাগ, যেখানে অনু এর জায়গায় বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ তৈরি করেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। উপসর্গ পরিবর্তন করে অনেক সময় বিপরীত শব্দ গঠন করা হয়, যা পরীক্ষার সময় উত্তর নির্বাচনে সহায়তা করে।
a স্বরসন্ধি
b ব্যঞ্জন সন্ধি
c খাঁটি বাংলা সন্ধি
d বিসর্গ সন্ধি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যঞ্জন সন্ধি ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এখানে কাঁদ শব্দের অন্তস্থিত দ ধ্বনির সাথে না শব্দের ন ধ্বনি যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জন সন্ধি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধিকে প্রধানত স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি সাধিত হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এখানে ত এর সাথে ছ যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনসন্ধি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৎ + ময় = তন্ময় ব্যাখ্যা: এখানে ত এর সাথে ম যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনসন্ধি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে, কিন্তু এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে। B) ব্যঞ্জন সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে। C) খাঁটি বাংলা সন্ধি — খাঁটি বাংলা শব্দে মূলত স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয়ই হতে পারে, কিন্তু নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক প্রক্রিয়ায় এটি ব্যঞ্জনসন্ধির অন্তর্ভুক্ত। D) বিসর্গ সন্ধি — বিসর্গ এর সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে, কিন্তু এখানে কোনো বিসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দটির মাঝে যদি দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ কাছাকাছি মিলিত হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যঞ্জনসন্ধি দাগাবে। সন্ধি বিচ্ছেদের সময় হসন্ত বা নিচে টান দেখার অভ্যাস করলে ব্যঞ্জনসন্ধি চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন শব্দ দিয়ে সন্ধির প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো শব্দের সঠিক গঠন নির্ণয় করা সহজ হয়।
a তৎসম
b অর্ধতৎসম
c তদ্ভব
d বিদেশী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধতৎসম ১. কেন সঠিক: - অর্ধতৎসম শব্দটি সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। - গিন্নি শব্দটি এসেছে সংস্কৃত গৃহিণী শব্দ থেকে, যা প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে অর্ধতৎসম রূপে বাংলায় প্রচলিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অর্ধতৎসম শব্দের সংজ্ঞা: যে সমস্ত সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত বা অন্য কোনো ভাষার মাধ্যমে কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে অর্ধতৎসম বা ভগ্নতৎসম শব্দ বলে। - এ ধরনের শব্দে মূল সংস্কৃত শব্দের উচ্চারণ ও রূপের আংশিক পরিবর্তন ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধতৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৌদি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বধূদিদি শব্দের আংশিক পরিবর্তিত অর্ধতৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন গৃহিণী, কিন্তু গিন্নি পরিবর্তিত রূপ। B) অর্ধতৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ গিন্নি একটি অর্ধতৎসম শব্দ। C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃতের মাধ্যমে পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়ে আসে, যা অর্ধতৎসমের চেয়ে বেশি পরিবর্তিত। D) বিদেশী — গিন্নি কোনো বিদেশী ভাষা থেকে সরাসরি আসেনি, এটি সংস্কৃত উৎসের পরিবর্তিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - গৃহিণী থেকে গিন্নি, কুৎসিত থেকে কুচ্ছিত - এ ধরনের কথ্য ও পরিবর্তিত রূপগুলো সাধারণত অর্ধতৎসম হয়। - প্রমিত বাংলায় এই শব্দগুলো কিছুটা অপভ্রংশ রূপ হিসেবে পরিচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধতৎসম শব্দের উদাহরণ হিসেবে গিন্নি, বৌ, নচ্ছার, শ্রাদ্ধ ইত্যাদি প্রায়ই আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে তুলনা করে অর্ধতৎসম শব্দ সহজে চেনা যায়।
a এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন
b এক বলতে যে সময় লাগে
c এক বলার দ্বিগুণ সময়
d দুই সেকেন্ড
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নগুলোর মধ্যে দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যে দাঁড়ি ব্যবহার করলে থামার বা বিরতির সময়কাল হলো এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন। - প্রশ্নটিতে যতিচিহ্নের বিরতিকাল সম্পর্কিত নির্দিষ্ট নিয়ম জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক পরিমাপ হলো এক সেকেন্ড থামার সময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য এবং বক্তার ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে বাক্যকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করতে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের সাহায্য নেওয়া হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন। - যতিচিহ্নের বিরতিকালের মধ্যে কমা বা পাদচ্ছেদ এ থামতে হয় এক বলতে যে সময় লাগে, এবং পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়িতে থামতে হয় এক সেকেন্ড। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুসময় এবং দুর্সময় মানুষের জীবনের দুটি অবশ্যম্ভাবী দিক। ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য এবং এর শেষে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ এখানে এক সেকেন্ড থামতে হবে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির সমাপ্তিতে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের অর্থ পূর্ণ করে এবং এখানে এক সেকেন্ড বিরতি নিতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী দাঁড়িতে থামার নির্দিষ্ট সময় এটি। B) এক বলতে যে সময় লাগে — এটি ভুল কারণ এক বলতে যে সময় লাগে তা হলো কমা (,) চিহ্নের বিরতিকাল। C) এক বলার দ্বিগুণ সময় — এটি ভুল কারণ সেমিকোলন (;) চিহ্নের ক্ষেত্রে এক বলার দ্বিগুণ সময় বা এক সেকেন্ডের বেশি থামতে হয়। D) দুই সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ বাংলা যতিচিহ্নের নিয়মে দাঁড়ির জন্য দুই সেকেন্ড থামার কোনো বিধান নেই, দাঁড়ির বিরতিকাল হলো এক সেকেন্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: - কমা মানে অল্প বিরতি (এক বলতে যে সময়), আর দাঁড়ি মানে পূর্ণ বিরতি (এক সেকেন্ড)। - যতিচিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখার জন্য কমা এক সেকেন্ডের কম এবং দাঁড়ি ঠিক এক সেকেন্ড হিসেবে হিসাব করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতিকাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কমা ও দাঁড়ির পার্থক্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। - যতিচিহ্নের অপর নাম ছেদচিহ্ন বা বিশ্রামচিহ্ন, যা বাক্যের অর্থ অনুধাবনে সাহায্য করে।
a কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি
b অধিকরণ কারকের শূণ্য
c অপাদান কারকের শূণ্য
d করণ কারকের শূণ্য
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারকের শূণ্য কেন সঠিক: গাড়ি স্টেশন থেকে চিরতরে বা স্থানচ্যুত হয়ে দূরে চলে যাচ্ছে। স্টেশন শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, ভীত বা বিরত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। যেমন, গাছে আম পাকে না বা পাতা খসে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি — কারণ এখানে কর্ম বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়নি, বরং স্থানচ্যুতির ধারণা স্পষ্ট। B) অধিকরণ কারকের শূণ্য — কারণ এটি কোনো কাজের সময় বা আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে না, স্থান থেকে দূরে সরে যাওয়া বোঝাচ্ছে। D) করণ কারকের শূণ্য — কারণ এখানে কোনো যন্ত্র, মাধ্যম বা উপায়ের দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়ার কোনো অর্থ প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: কোথা থেকে বা কী থেকে ছাড়ল বা দূরে গেল এমন বোঝালে অপাদান কারক হয়। শব্দের শেষে কোনো চিহ্ন বা বিভক্তি না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
a অর্জন
b বর্জন
c শুষ্ক
d তীব্র
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুষ্ক ১. কেন সঠিক: - 'সিক্ত' শব্দের আক্ষরিক অর্থ ভেজা বা আর্দ্র, যার সরাসরি বিপরীত বাার্থকতা প্রকাশ করে 'শুষ্ক' শব্দটি। - কোনো বস্তু বা স্থান জল বা তরল পদার্থ দ্বারা পূর্ণ না থাকলে তাকে ব্যাকরণগত ও প্রমিত অর্থে শুষ্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং ভাবের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়। - বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দটিও সাধারণত সমজাতীয় পদ হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিক্ত মাটি ব্যাখ্যা: বৃষ্টির পর মাটি সিক্ত বা ভেজা অবস্থায় থাকে। উদাহরণ ২: শুষ্ক আবহাওয়া ব্যাখ্যা: শীতকালে বা বর্ষা ছাড়া সময়ে আবহাওয়া শুষ্ক বা খটখটে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্জন — অর্জন শব্দের অর্থ লাভ করা বা প্রাপ্তি, যা সিক্ত শব্দের বিপরীত নয়। B) বর্জন — বর্জন শব্দের অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা, যার বিপরীত শব্দ গ্রহণ। D) তীব্র — তীব্র শব্দের অর্থ প্রচণ্ড বা প্রখর, যার বিপরীত শব্দ মৃদু বা হালকা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভেজা জিনিস যেমন সিক্ত হয়, তেমনি জলহীন বা শুকনা জিনিসকে শুষ্ক বলে মনে রাখবে। - বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সহজ বিপরীত শব্দ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণের বিপরীত রূপ মিল রেখেই উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
a চলিত ভাষারীতিতে
b সাধু ভাষারীতিতে
c সমাজ উপভাষায়
d আঞ্চলিক উপভাষায়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধু ভাষারীতিতে কেন সঠিক: ১. সাধু ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ হয়ে থাকে, যেমন করিতাম বা যাইব। ২. সর্বনাম ও অনুসর্গের ক্ষেত্রেও কোনো রূপ সংকোচন করা হয় না, যা এই ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধু রীতি সর্বদাই ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও তৎসম শব্দ অনুসরণ করে চলে। ২. প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এই রীতিতে শব্দের পূর্ণরূপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, চলিত রীতির বলত শব্দটির সাধু রূপ হইল বলিত এবং আমার শব্দটির পূর্ণ রূপ আমারই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত ভাষারীতিতে — এই রীতিতে ক্রিয়াকান্ড ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত বা পরিবর্তিত রূপ ব্যবহৃত হয়, যেমন করিতেছে এর বদলে করছে। B) সাধু ভাষারীতিতে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, কারণ এই অপশনটি প্রশ্ন অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল ও প্রমাণিত। C) সমাজ উপভাষায় — সমাজের বিশেষ শ্রেণীর মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় এখানে ব্যাকরণের পূর্ণাঙ্গ ও মান্য রূপের কড়াকড়ি থাকে না। D) আঞ্চলিক উপভাষায় — অঞ্চলভেদে মানুষের কথ্য ভাষা পরিবর্তিত হয় এবং সেখানে শব্দের পূর্ণরূপের পরিবর্তে বিকৃত বা সহজ রূপ আসে। মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সব রূপ পূর্ণ ও সাধাসিধে থাকবে, যেখানে কোনো কাটছাঁট বা সংক্ষিপ্তকরণ করা হয় না।
a কৌতুহল
b কৌতূহল
c কাংখিত
d শ্রদ্ধাঞ্জলী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌতূহল ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী কৌতূহল শব্দটিতে ঔ-কার এবং দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়। - এই শব্দটিতে কোনো বিসর্গ বা হ-ফলা নেই যা প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা ভুল করে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বহু বিদেশি বা তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়। - কৌতূহল শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপের অনুসরণে বানানে দীর্ঘ ঊ-কার এবং ঔ-কার নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: মুহূর্ত শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয় যা বানান শুদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: গৃহিণী ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় যা প্রমিত বানানের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৌতুহল — ভুল বানানে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত রীতিবিরোধী। B) কৌতূহল — এই অপশনটি সঠিক এবং বানানটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত। C) কাংখিত — সঠিক বানান কাঙ্ক্ষিত যেখানে অনুস্বার বা ঙ-এর ব্যবহার ভুলভাবে করা হয়েছে। D) শ্রদ্ধাঞ্জলী — শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দে ই-কার হবে, কারণ অঞ্জলি শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই-কার বসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৌতূহল বানানটি মনে রাখতে খেয়াল রাখুন এখানে ঔ-কার এবং দীর্ঘ ঊ-কার একসঙ্গে বসে। - অঞ্জলি বা পঞ্জলি জাতীয় শব্দে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে তাই সমাসবদ্ধ ও বহুল ব্যবহৃত শব্দগুলোর বানান বারবার চর্চা করা উচিত। - একই নিয়মে অন্যান্য জটিল বানান যেমন পিপীলিকা, মুমূর্ষু ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দাঁত
b তালু
c কান
d নাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কান ১. কেন সঠিক: - বাগযন্ত্র হলো মানবদেহের সেই সমস্ত অঙ্গ যা কথা বলতে বা ধ্বনি তৈরি করতে সাহায্য করে। - কান আমাদের শ্রবণেন্দ্রিয় বা শোনার অঙ্গ, তাই এটি ধ্বনি উৎপাদনে কোনো ভূমিকা পালন করে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগযন্ত্রের মূল অংশগুলো হলো মুখবিবর, কণ্ঠনালী, জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ি, ওষ্ঠ বা ঠোঁট এবং নাক। - ফুসফুস থেকে বেরিয়ে আসা বাতাস এসব অঙ্গের সাহায্যে বিভিন্ন রূপ নিয়ে ধ্বনি তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিহ্বা ব্যাখ্যা: জিহ্বা বাগযন্ত্রের সবচেয়ে সক্রিয় অঙ্গ যা মুখের ভেতরে নড়ে বিভিন্ন স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যাখ্যা: ওষ্ঠ বা ঠোঁট বাগযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বহিরাগত অঙ্গ যা প, ফ, ব, ভ, ম ইত্যাদি ধ্বনি উচ্চারণে সরাসরি অংশ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাঁত — এটি বাগযন্ত্রের একটি অন্যতম প্রধান কাঠামোগত অংশ যা উচ্চারণকালে জিহ্বার সাহায্যে দন্ত্য ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। B) তালু — এটি মুখবিবরের উপরের ছাদ এবং তালুর বিভিন্ন অংশ যেমন শক্ত তালু ও নরম তালু ধ্বনি উৎপাদনে সরাসরি ভূমিকা রাখে। C) কান — এটি শব্দ শোনার কাজ করে এবং ধ্বনি উৎপাদনের সঙ্গে এর কোনো শারীরিক বা জৈবিক সংযোগ নেই। D) নাক — এটি নাসাছিদ্রের মাধ্যমে নাসিক্য ধ্বনি বা অনুনাসিক ধ্বনি উচ্চারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কথা বলার সময় যে অঙ্গগুলো মুখ বা নাকের ভেতর নড়াচড়া করে সেগুলো বাগযন্ত্র এবং কান বাইরে থাকে বলে এটি বাগযন্ত্র নয়। - মুখবিবরের ভেer এবং এর আশপাশের যে অঙ্গগুলো বাতাসকে বাধা দিয়ে ধ্বনি বানায় কেবল সেগুলোই বাগযন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাগযন্ত্রের নাম থেকে প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে ফুসফুস হলো বাগযন্ত্রের উৎস এবং কান হলো শ্রবণেন্দ্রিয়।
a গ্রামবার্তা
b বঙ্গদর্শন
c মাসিক পত্রিকা
d সংবাদ প্রভাকর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গদর্শন ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান দিকপাল। - ১৮৭২ সালে তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখে, যার বিখ্যাত ঘোষণা ছিল বাষ্পীয় রথের চক্রে পেষিয়া যাইও না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকান্তের উইল ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্রের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামবার্তা — এই পত্রিকাটি কাঙ্গাল হরিনাথু মজুমদারের সম্পাদনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হতো। B) বঙ্গদর্শন — বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত পত্রিকা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) মাসিক পত্রিকা — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ও টেকচাঁদ ঠাকুর পরিচালিত নারী শিক্ষার প্রসারে প্রকাশিত একটি পত্রিকা। D) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম সফল বাংলা দৈনিক পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিম মানেই বঙ্গদর্শন এবং বঙ্গদর্শন মানেই বঙ্কিমচন্দ্র এটি মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। - সাহিত্য সম্রাট উপাধিতে ভূষিত বঙ্কিমচন্দ্রের পত্রিকা ছিল বঙ্গদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশকাল ১৮৭২ সাল যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক রচনা এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
a বিশেষভাবে সংশোধন
b বিশেষভাবে পরিমার্জন
c বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
d বিশেষভাবে সংশ্লেষণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ ১. কেন সঠিক: - ব্যুৎপত্তিগত বা গঠণগত দিক থেকে ব্যাকরণ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে বি যোগ আ যোগ কৃ যোগ অন পাওয়া যায়। - এর অর্থ হলো ভাষার বিভিন্ন উপাদানের বিশদ বা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। - এটি ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও গঠনপ্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি থেকে বাক্য গঠন পর্যন্ত সবকিছু ব্যাকরণে বিশ্লেষণ করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণের কাজ হলো ভাষার প্রতিটি অংশের বিশ্লেষণ করে তার নিয়ম নির্ধারণ করা। উদাহরণ ২: বাংলা ব্যাকরণে পদের গঠন ও কারক নির্ণয় করতে শব্দের বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: বিশ্লেষণের মাধ্যমেই ভাষার সঠিক রূপ ও প্রয়োগ বোঝা সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষভাবে সংশোধন — ব্যাকরণের কাজ শুধু সংশোধন করা নয়, বরং ভাষার বিশ্লেষণ করা। B) বিশেষভাবে পরিমার্জন — পরিমার্জন ব্যাকরণের আভিধানিক বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নয়। D) বিশেষভাবে সংশ্লেষণ — ব্যাকরণ শব্দকে বিশ্লেষণ করলে সংশ্লেষণ অর্থ আসে না, এটি বিশ্লেষণের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ শব্দের ভেতরেই বিশ্লেষণ কথাটি লুকিয়ে আছে, তাই বিশ্লেষণ অপশনটি বেছে নিতে হবে। - ব্যাকরণ মানেই ভাষার ব্যবচ্ছেদ বা বিশ্লেষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ প্রায়ই আসে। - ব্যাকরণের সংজ্ঞা ও মূল কাজ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
a অন্তরীক্ষ
b বিভু
c প্রভাকর
d সুধাকর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্তরীক্ষ ১. কেন সঠিক: - অন্তরীক্ষ শব্দটির অর্থ আকাশ, গগন বা মহাশূন্য। - এটি সরাসরি আকাশের একটি প্রমিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎসের শব্দ মিলে বহু সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগন ব্যাখ্যা: গগন শব্দটি আকাশের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অম্বর ব্যাখ্যা: অম্বর শব্দের অর্থও আকাশ বা বস্ত্র, যা কবিতায় প্রায়ই আকাশ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্তরীক্ষ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বিভু — বিভু শব্দের অর্থ ঈশ্বর, পরমাত্মা বা সর্বব্যাপী সত্তা, যা আকাশ নয়। C) প্রভাকর — প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য, কারণ এটি আলো বা প্রভা ছড়ায়। D) সুধাকর — সুধাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ এটি সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে বলে কল্পনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আকাশ শব্দের শেষে যুক্তাক্ষরযুক্ত শব্দ যেমন অন্তরীক্ষ ও অভ্র থাকলে তা সমার্থক হিসেবে সহজে চেনা যায়। - চাঁদ ও সূর্যের সমার্থক শব্দগুলোর সঙ্গে আকাশের শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাকৃতিক উপাদান যেমন আকাশ, চাঁদ, সূর্য ও নদীর সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের উৎস এবং সংস্কৃত রূপ চেনার মাধ্যমে এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a সরোবর
b জলধর
c অম্বু
d সলিল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরোবর ১. কেন সঠিক: - জলাশয় শব্দের অর্থ হলো যে স্থানে জল বা পানি জমে থাকে, যেমন পুকুর, দীঘি বা হ্রদ। - সরোবর শব্দের অর্থ বড় পুকুর বা হ্রদ, যা জলাশয়ের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য বোঝাতে প্রাকৃত, সংস্কৃত এবং দেশি-বিদেশি উৎস থেকে নানা সমার্থক শব্দ এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী শব্দের সমার্থক হলো তটিনী ও স্রোতস্বিনী। ব্যাখ্যা: নদী যেমন জলের ধারা বহন করে, তেমনি তটিনী ও স্রোতস্বিনীও একই অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: সমুদ্র শব্দের সমার্থক হলো পারাবার ও রত্নাকর। ব্যাখ্যা: সমুদ্রের বিশালতা বোঝাতে এই সমার্থক শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বড় জলাশয় বা হ্রদ। B) জলধর — এই শব্দটির অর্থ মেঘ, যা জল ধারণ করে কিন্তু জলাশয় বোঝায় না। C) অম্বু — এই শব্দটির অর্থ পানি বা জল, যা জলাশয় বা আধার বোঝায় না। D) সলিল — এই শব্দটির অর্থও পানি বা জল, যা সরাসরি জলাশয়কে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরো অর্থ হ্রদ এবং বর অর্থ শ্রেষ্ঠ, অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ হ্রদ বা জলাশয় হলো সরোবর। - জল সংক্রান্ত শব্দগুলোর সাথে আধারবাচক শব্দ যোগ করে সমার্থক শব্দ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল, নদী, সমুদ্র ও আকাশ সম্পর্কিত সমার্থক শব্দগুলো খুব বেশি আসে। - মূল শব্দের সাথে উৎসের মিল খুঁজে বের করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a সর্বজনীন
b সার্বজনীন
c বিশ্বজনীন
d সর্বহিতকর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সর্বজনীন ১. কেন সঠিক: - সর্বজনের হিতকর বা সকলের জন্য কল্যাণকর অর্থে এককথায় প্রকাশ করলে সর্বজনীন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সর্বজন শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠন করে যা সবার উপযোগী বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বড় বাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। - এই প্রশ্নটি মূলত শব্দ গঠন এবং প্রত্যয় সাধিত শব্দের প্রয়োগ সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবার জন্য প্রযোজ্য ব্যাখ্যা: একে এককথায় সর্বজনীন বলা হয় কারণ এটি সকলের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: সকলের প্রিয় ব্যাখ্যা: এই ভাবটিকে এককথায় সর্বজনপ্রিয় বলা যায় যা সর্বজনীন শব্দের সমগোত্রীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সর্বজনের হিতকর অর্থটি নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে। B) সার্বজনীন — এটি বহুল প্রচলিত হলেও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সর্বজন থেকে আগত শব্দে সর্বজনীন লেখা সঠিক। C) বিশ্বজনীন — এর অর্থ সমগ্র বিশ্বব্যাপী বা সারা পৃথিবী জুড়ে যা সর্বজনের হিতকর শব্দের সমার্থক নয়। D) সর্বহিতকর — শব্দটি অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি হলেও সর্বজনের হিতকর অর্থে প্রমিত এককথায় প্রকাশ সর্বজনীন নির্ধারিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্বজনের সঙ্গে হিতকর যুক্ত থাকলে সর্বজনীন শব্দটি উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে। - বানানের ক্ষেত্রে সর্বজনীন বানানটিতে দীর্ঘী কার ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বজনীন এবং সর্বজনীন বানানের মধ্যে কোনটি সঠিক তা প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সর্বজনীন বানানটি পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a প্রবাদ
b বাগধারা
c সমস্তপদ
d ব্যাসবাক্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগধারা ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। - এই বাগধারাটির বিশেষ অর্থ হলো সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এর অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি। উদাহরণ ২: উলুবনে মুক্ত ছড়ানো ব্যাখ্যা: এর অর্থ অপাত্রে মূল্যবান বস্তু দান করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাদ — প্রবাদ হলো জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার নির্যাসযুক্ত পূর্ণ বাক্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বাগধারা — এটি সঠিক উত্তর। C) সমস্তপদ — সমাসবদ্ধ পদকে সমস্তপদ বলে, যা শব্দের গঠনগত রূপ বোঝায় কিন্তু অর্থের দিক থেকে এটি বাগধারা। D) ব্যাসবাক্য — সমাস বোঝানোর জন্য যে বাক্য ব্যবহার করা হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে, যা বাগধারার সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান ভালো হলে যেমন মানুষের ভাগ্য ভালো হয়, তেমনি 'একাদশে বৃহস্পতি' দেখলে সৌভাগ্য বা সুসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অর্থপূর্ণ বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি এর প্রয়োগ জানা জরুরি।
a অননুমেয়
b অনাবশ্যক
c অননুমোদিত
d মতানৈক্য
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অননুমোদিত ১. কেন সঠিক: - বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের জন্য শব্দের শুরুতে 'অ' বা 'অন' উপসর্গ যুক্ত করে না-বাচক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা হয়। - 'অনুমোদিত' শব্দের মূল অর্থ যা অনুমতিপ্রাপ্ত বা মঞ্জুরকৃত, তার বিপরীত বোঝাতে 'অননুমোদিত' শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ অনুমতিহীন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ বা নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে শব্দের পূর্বে 'অ' বা 'অন' যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ গঠন করা হয়। - স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের ক্ষেত্রে 'অন' এবং ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের ক্ষেত্রে 'অ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপস্থিত শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ অনুপস্থিত। ব্যাখ্যা: এখানে 'উপস্থিত' শব্দের পূর্বে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: আদৃত শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ অনাদৃত। ব্যাখ্যা: মূল শব্দের শুরুতে 'অন' উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের এটি একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অননুমেয় — এই শব্দটির অর্থ যা অনুমান করা যায় না এবং এটি অনুমেয় শব্দের বিপরীতার্থক। B) অনাবশ্যক — এই শব্দটির অর্থ যা আবশ্যিক বা প্রয়োজনীয় নয়, যা ভিন্ন একটি অর্থের নির্দেশক। C) অননুমোদিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) মতানৈক্য — এই শব্দটির অর্থ মতের অমিল বা বিরোধ, যা অনুমোদিত শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিপরীত শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের সামনের অংশ লক্ষ্য করতে হবে। - 'অনু' দিয়ে শুরু শব্দে 'অন' যোগ করে বিপরীত শব্দ করলে তা সহজেই মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠনের অনেক প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের বানান ও উপসর্গ যুক্ত করার নিয়ম ভালো করে জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a শিরোচ্ছেদ
b শিরশ্চেদ
c শিরশ্ছেদ
d শীরোচ্ছেদ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিরশ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়। - শিরো শব্দের সাথে ছেদ শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় এই বিশেষ পরিবর্তনটি সাধিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুসারে বিসর্গ (ঃ) এর পরে চ, ছ, ট, ঠ, ত বা থ থাকলে বিসর্গ স্থানে যথাক্রমে তালব্য শ, মূর্ধন্য শ বা দন্ত্য শ হয়। - এখানে বিসর্গের পরে ছ থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে তালব্য শ (শ) হয়েছে এবং এর সাথে ছ যুক্ত হয়ে চ্ছেদ রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ + চরি = অহশ্চরি ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে চ থাকায় বিসর্গ স্থানে শ হয়েছে। উদাহরণ ২: নিঃ + চয় = নিশ্চয় ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে চ থাকায় বিসর্গ স্থানে শ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিরোচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে এখানে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে। B) শিরশ্চেদ — এটি ভুল কারণ এখানে চ্ছেদ শব্দের যুক্তবর্ণে ছ বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) শীরোচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ শির শব্দের শী দীর্ঘ ঈ কার দিয়ে লেখা হয়েছে যা অশুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শির শব্দটির সাথে যখন ছেদ যুক্ত হয়, তখন মাঝখানে সবসময় যুক্তবর্ণ হিসেবে শ ও ছ (শ্চে) বসে। - বিসর্গের সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাও কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলো চর্চা করলে বানান ও সন্ধি উভয় ক্ষেত্রেই ভালো করা সম্ভব।
a √পাঠ + অক
b √পঠ + অক
c √পা + ঠক
d √পাঠ + টক
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √পঠ + অক কেন সঠিক: - ‘পাঠক’ শব্দের মূল ধাতু হলো পঠ এবং এর সাথে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - পঠ ধাতুর সাথে অক প্রত্যয় যুক্ত করলে পাঠক শব্দটি গঠিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধাতু হলো ক্রিয়ামূল এবং তার সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ গঠন করা হয়। - পঠ ধাতুর স্বরবর্ণের পরিবর্তন বা গুণ হয়ে পা + ঠ হয় এবং অক প্রত্যয় যোগে পাঠক সাধিত হয়। - যেমন: √পঠ + অক = পাঠক, ঠিক একইভাবে √চড় + অক = চালক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) √পাঠ + অক — এখানে পাঠ কোনো মূল ধাতু নয়, তাই এটি ভুল। - C) √পা + ঠক — এখানে ঠক কোনো সঠিক প্রত্যয় নয়, তাই এটি ভুল। - D) √পাঠ + টক — এখানে পাঠ ধাতু এবং টক প্রত্যয় দুটিই ব্যাকরণগতভাবে অসঠিক। মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ামূল বা ধাতුවটি চেনার সময় দেখতে হবে কোনটি আসল কাজের অংশ, যেমন পঠ থেকে পাঠক মনে রাখা সহজ।
a সন্ধি ও সমাস
b সন্ধি ও কারক
c সমাস ও পদ
d প্রত্যয় ও পুরুষ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্ধি ও সমাস কেন সঠিক: - সন্ধি পরস্পর দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে। - সমাস একাধিক পদকে একত্রিত করে একটি নতুন অর্থপূর্ণ পদ বা শব্দ তৈরি করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দ গঠনের প্রধান কয়েকটি উপায়ের মধ্যে সন্ধি ও সমাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - নতুন শব্দ তৈরি বা পদের সংকোচন করার ক্ষেত্রে এই দুটি প্রক্রিয়া সরাসরি কাজ করে। - যেমন: হিম + আলয় = হিমালয় (সন্ধি) এবং সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন (সমাস)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। - B) কারক নতুন শব্দ গঠন করে না, এটি বাক্যের পদের সাথে ক্রিয়ার সম্পর্ক বোঝায়। - C) পদ নতুন শব্দ গঠন করে না, এটি বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দকে নির্দেশ করে। - D) পুরুষ নতুন শব্দ গঠন করে না, এটি ক্রিয়ার রূপ বা সর্বনামের প্রকারভেদ নির্ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: - শব্দ তৈরি করতে হলে জোড়া লাগাতে হয়, আর এই জোড়া লাগানোর কাজ করে সন্ধি ও সমাস।
a You are requested to enter the house by this gate.
b You should enter the house by this gate.
c Let the house be entered by this gate.
d Let the house be entered by you by this gate.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) You are requested to enter the house by this gate. কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি দ্বারা কোনো আদেশ বা নির্দেশ বোঝায় না বরং একটি অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝায়। তাই নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের বাক্যকে Passive করার সময় You are requested to দিয়ে শুরু করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You are requested to enter the house by this gate — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে নিয়ম পুরোপুরি মেনে Passive করা হয়েছে। B) You should enter the house by this gate — এটি Modal Auxiliary ব্যবহার করে লেখা হয়েছে কিন্তু এটি সঠিক Passive Voice নয়। C) Let the house be entered by this gate — এই গঠনে বাক্যটিকে Passive করলে অর্থের দিক থেকে অনুরোধ বা আদেশের ভাবটি ঠিকমতো প্রকাশ পায় না। D) Let the house be entered by you by this gate — এখানে একই বাক্যে দুটি by preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence এ যদি আদেশ বা অনুরোধ বোঝায় তবে You are ordered বা You are requested দিয়ে Passive করতে হয়।
a By who have the glass been broken?
b By whom has the glass been broken?
c By whom have the glass been broken?
d whom has the glass been broken?
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) By whom has the glass been broken? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধक বাক্যটিতে who থাকলে প্যাসিভ করার সময় শুরুতে By whom বসে। The glass সাবজেক্টটি singular হওয়ায় এর পরে auxiliary verb হিসেবে has বসে এবং মূল ভারب-এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By who have the glass been broken? — who-এর পরিবর্তে সঠিক objective form whom ব্যবহার করা হয়নি। B) By whom has the glass been broken? — এটি সঠিক উত্তর। C) By whom have the glass been broken? — singular সাবজেক্টের পরে have ভুল auxiliary verb ব্যবহার করা হয়েছে। D) whom has the glass been broken? — বাক্যের শুরুতে প্রয়োজনীয় preposition By বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে who থাকলে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী singular বা plural auxiliary verb নির্বাচন করতে হয়।
a changing
b has changed
c changed
d has been changing
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে এর পরের অংশে verb এর past indefinite tense হয়। তাই এখানে change verb টির পাস্ট ফর্ম changed হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) changing — এটি present participle বা gerund ফর্ম হওয়ায় grammatical নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) has changed — এটি present perfect tense হওয়ায় It is high time এর পরের অংশের নিয়মের সাথে মেলে না। C) changed — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি past indefinite tense নির্দেশ করে। D) has been changing — এটি present perfect continuous tense হওয়ায় এই বিশেষ গঠনের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time বা It is time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর past form বসিয়ে দেবে।
a With
b for
c to
d at
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - কোনো দায়িত্ব বা যত্ন নেওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তির ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা বোঝালে entrust শব্দের পর to preposition বসে। - এখানে শিশুদের দায়িত্ব তাদের চাচার ওপর অর্পণ করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক preposition হবে to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) With — entrust-এর পর with বসে যখন কোনো বস্তুকে দায়িত্ব হিসেবে কাউকে দেওয়া হয়, যেমন entrust something with someone। B) for — উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে for বসে, যা এখানে উপযুক্ত নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) to — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রযোজ্য। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে নির্দেশ করতে at বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো দায়িত্ব বা জিনিস ব্যক্তির দায়িত্বে সঁপে দেওয়া বোঝালে entrust-এর পরে to এবং বস্তুর ক্ষেত্রে with বসে।
a bellicose
b pugnacious
c peaceful
d silent
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) peaceful কেন সঠিক: belligerent শব্দের অর্থ যুদ্ধংদেহী, আক্রমণাত্মক বা ঝগড়াকটে। এর বিপরীতার্থক বা antonym শব্দ হলো peaceful যার অর্থ শান্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bellicose — এর অর্থ যুদ্ধপ্রিয়, যা belligerent শব্দের সমার্থক বা synonym। B) pugnacious — এর অর্থ কলহপ্রবণ বা ঝগড়alu, যা belligerent শব্দের সমার্থক। C) peaceful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) silent — এর অর্থ নীরব, যা belligerent শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক বা antonym নয়। মনে রাখার টিপস: Belligerent শব্দটিতে 'battle' বা যুদ্ধের ভাব আছে, তাই এর উল্টো হবে শান্ত বা peaceful।
a imagination
b illusion
c diffusion
d allusion
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) illusion কেন সঠিক: এখানে ব্যক্তির মধ্যে অন্য কেউ মনে করার একটি মানসিক ভুল বা ভ্রান্ত ধারণার কথা বলা হয়েছে। illusion শব্দের অর্থ মায়া বা ভ্রান্ত ধারণা, যা এমন পরিস্থিতি বোঝাতে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) imagination — এর অর্থ কল্পনাশক্তি, যা কোনো বাস্তব বা মানসিক রোগের ভ্রান্ত ধারণার ক্ষেত্রে বসে না। B) illusion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সঠিক অপশন। C) diffusion — এর অর্থ বিস্তার বা ছড়িয়ে পড়া, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে একেবারেই মেলে না। D) allusion — এর অর্থ কোনো কিছুর ইঙ্গিত বা পরোক্ষ উল্লেখ, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: মনের ভেতর কোনো ভুল বা অসত্য বিশ্বাস জন্মালে তাকে illusion বা ভ্রান্ত ধারণা বলা হয়।
a acquaintance
b acquaintence
c acquantence
d acquintence
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) acquaintance কেন সঠিক: শব্দটির শুরুতে ac-quain-tance এই গঠনটি ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে 't' এর পরে 'a' এবং 'n' অক্ষর রয়েছে। এটি সঠিক ইংরেজি বানান নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) acquaintance — এই অপশনটি সঠিক বানান বহন করে এবং এর প্রতিটি অংশ নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। B) acquaintence — এখানে শেষাংশে -ence ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) acquantence — এখানে মাঝখানের 'i' অক্ষরটি বাদ পড়েছে। D) acquintence — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের ব্যবহার না থাকায় বানানটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য ac-quain এবং tance এই দুটি অংশে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারো।
a rains
b has rained
c has been raining
d will be raining
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has been raining কেন সঠিক: বাক্যে since morning থাকায় এটি অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে এমন কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এটি Present Continuous Tense না হয়ে Present Perfect Continuous Tense হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rains — এটি Present Indefinite Tense, যা নিয়মিত বা অভ্যাসুগত কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। B) has rained — এটি Present Perfect Tense, যা কেবল কাজ শেষ হয়ে গেছে এমন ফলাফল বোঝাতে বসে। C) has been raining — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজ চলমান বুঝাতে এই গঠন ব্যবহার করা হয়। D) will be raining — এটি Future Continuous Tense, যা ভবিষ্যতে কোনো কাজ চলতে থাকবে তা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সবসময় have been বা has been এর সাথে verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a walked
b walks
c is walking
d was walking
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was walking কেন সঠিক: বাক্যটির একটি অংশ Simple Past Tense এ (a snake bit him) থাকায় অন্য অংশটি Past Continuous Tense হবে। বাগানে হাঁটার কাজটি চলার মধ্যে আরেকটি ঘটনা ঘটার কারণে was walking সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) walked — এটি Simple Past Tense হওয়ায় একই সাথে ঘটে চলা চলমান কাজ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না। B) walks — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে এর সময়ের মিল নেই। C) is walking — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় পুরো বাক্যটির অতীতকালের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: While এর পরে সাধারণত Past Continuous Tense বসে এবং পরের অংশটি Simple Past Tense হয়।
a I will type myself
b I would have typed myself
c I would type myself
d I might have typed myself
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I would type myself কেন সঠিক: এটি একটি Second Conditional বাক্য যা বর্তমানে অসম্ভব বা কাল্পনিক পরিস্থিতি বোঝায়। Conditional বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী If clauses এ Past Indefinite Tense থাকলে পরবর্তী অংশে would + verb এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I will type myself — Past Indefinite Tense এর সাথে future tense এর auxiliary verb will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I would have typed myself — এটি Third Conditional এর গঠন, যা past perfect tense এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। C) I would type myself — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I might have typed myself — এটিও Third Conditional এর গঠন এবং বর্তমানের কাল্পনিক বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: If এর সাথে Past Indefinite থাকলে উত্তর করার সময় সবসময় would + verb এর base form মনে রাখবে।
a to ring
b ring
c ringing
d rung
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ring কেন সঠিক: বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে। এর পরে সবসময় মূল ভার্বের বেইজ ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। তাই এখানে 'ring' শব্দটি সঠিক এবং গ্রামার অনুযায়ী এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য রূপ। অন্য কোনো রূপ এখানে ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to ring — 'had better' এর পরে কখনো ইনফিনিটিভ অর্থাৎ 'to' যুক্ত ভার্ব বসে না। তাই এই অপশনটি ভুল। B) ring — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) ringing — 'had better' এর পরে ভার্বের সাথে 'ing' যুক্ত হয় না। তাই এই অপশনটি ভুল। D) rung — 'had better' এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে না। তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had better' দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
a A child likes nothing but sweets.
b A child likes none but sweets.
c A child likes but sweets.
d A child likes not more sweets.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A child likes nothing but sweets. কেন সঠিক: মূল বাক্যে শুধু বা শুধুমাত্র বোঝাতে 'only' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই নেতিবাচক করার সময় 'only' তুলে দিয়ে বস্তুর ক্ষেত্রে 'nothing but' বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A child likes nothing but sweets. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) A child likes none but sweets. — ব্যক্তি বোঝালে 'none but' বসে, কিন্তু মিষ্টি বস্তু হওয়ায় এখানে এটি ভুল। C) A child likes but sweets. — নেতিবাচক করতে শুধু 'but' বসালে অর্থের পূর্ণতা বা সঠিক ব্যাকরণ হয় না। D) A child likes not more sweets. — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নেতিবাচক রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কেবল বা মাত্র বোঝাতে 'only' এর পরিবর্তে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'none but' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'nothing but' বসাতে হয়।
a He lives here for five months.
b He is living here for five months.
c He has been living here for five months.
d He lived here for five months.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has been living here for five months. কেন সঠিক: - বাক্যে সময়ের ব্যপ্তি বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়েছে এবং কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে। - নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়, তাই has been living সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He lives here for five months — Present Indefinite টেন্স দীর্ঘ সময় ধরে চলা চলমান কাজের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) He is living here for five months — Present Continuous টেন্সের সাথে সময়ের উল্লেখ (for five months) থাকলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) He has been living here for five months — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। D) He lived here for five months — Past Indefinite টেন্স অতীতকালের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়, যা বর্তমানের সাথে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চললে Present Perfect Continuous Tense (have/has been + verb-ing) ব্যবহার করতে হয়।
a Two thirds of it is fine
b Two third of it is fine
c Two thirds of it are fine
d Two third is fine
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Two thirds of it is fine কেন সঠিক: - ভগ্নাংশ বা Percentage-এর ক্ষেত্রে 'of'-এর পরের noun বা pronoun-টি singular হলে verb-ও singular হয়। - এখানে 'it' হলো singular pronoun, তাই এর পরে singular verb 'is' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two thirds of it is fine — এটি সঠিক কারণ ভগ্নাংশ প্রকাশের নিয়মে এর গঠন নির্ভুল এবং verb singular হয়েছে। B) Two third of it is fine — ভগ্নাংশের লব একের বেশি হলে হর-এর সাথে s যোগ করতে হয়, তাই Two third ভুল। C) Two thirds of it are fine — 'it' একটি singular pronoun, তাই এর সাথে plural verb 'are' বসতে পারে না। D) Two third is fine — এখানে ভগ্নাংশের রূপ ভুল এবং 'of it' অংশটি অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশ (Two thirds) এর পর of-এর পরের noun বা pronoun টি singular হলে verb singular এবং plural হলে verb plural হয়।
a from
b of
c on
d in
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'acquitle' বা 'acquitted' শব্দের পরে সাধারণত 'of' প্রিপজিশন বসে। কোনো ব্যক্তি থেকে অপরাধের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। এখানে 'charge' বা অভিযোগ শব্দটির সাথে 'of' প্রিপজিশনটি নির্ভুলভাবে মানানসই। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই বাক্যের অর্থের সাথে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক মিল তৈরি করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — 'Acquitted from' সাধারণত অপরাধমুক্তির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ব্যবহার করা হয় না। C) on — 'Acquitted on' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ভুল ও অসঙ্গতিপূর্ণ হয়ে যায়। D) in — 'Acquitted in' প্রিপজিশনটি এই নির্দিষ্ট কাঠামোর সাথে একেবারেই প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আইনি ক্ষেত্রে বা অভিযোগ থেকে মুক্তির ক্ষেত্রে 'acquitted' শব্দের পরে সব সময় 'of' প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a endurance
b endurement
c endurence
d endurable
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) endurance কেন সঠিক: endure শব্দের সাথে ance প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক noun গঠিত হয়েছে যার অর্থ সহনশীলতা। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই প্রত্যয়টি verb থেকে noun তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A endurance — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সহনশীলতা। B endurement — এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ ব্যাকরণে নেই। C endurence — বানানের শেষের অংশে nce এর পরিবর্তে nse ব্যবহার করায় এটি ভুল। D endurable — শব্দের শেষে able যুক্ত থাকায় এটি noun না হয়ে adjective হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক verb এর শেষে ance যোগ করে noun বানাতে হয়।
a A
b An
c No article
d The
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The কেন সঠিক: এখানে mother শব্দটি কমন নাউন হওয়া সত্ত্বেও Abstract গুণ প্রকাশ করেছে। তাই এর পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে The বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এটি সাধারণ কোনো অর্থ প্রকাশ না করায় এখানে বসে না। B) An — ভাওয়েল দিয়ে শুরু না হওয়ায় এবং সাধারণ অর্থ না থাকায় এটি ভুল। C) No article — গুণবাচক অর্থে রূপান্তর হওয়ায় এখানে আর্টিকেল ছাড়া বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে। D) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: noun যখন abstract বা ভাবের গুণ বোঝায়, তখন তার পূর্বে the বসে।
a On
b with
c to
d by
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - comply একটি intransitive verb যার পর সাধারণত with preposition বসে। - অনুরোধ, নিয়ম বা আদেশ মেনে চলা অর্থে comply-এর সঙ্গে সবসময় with যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) On — comply শব্দের সঙ্গে on preposition যুক্ত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না। B) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ comply-এর সঙ্গে নিয়ম বা অনুরোধ মানতে with বসে। C) to — comply-এর সঙ্গে to preposition ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। D) by — by সাধারণত মাধ্যম বোঝাতে বসে, comply-এর উপযুক্ত preposition নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অনুরোধ বা নিয়ম মেনে চলা বোঝালে comply-এর পরে সবসময় with বসবে।
a heartly
b heartily
c hearty
d heartable
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hearty কেন সঠিক: Heart শব্দটির সঠিক Adjective রূপ হলো hearty যার অর্থ আন্তরিক বা উৎসাহপূর্ণ। এটি বাক্যে Noun এর আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heartly — ইংরেজী ব্যাকরণে এই নামে কোনো সঠিক শব্দ বা Adjective নেই। B) heartily — এটি একটি Adverb যার অর্থ আন্তরিকভাবে এবং এটি verb কে modifies করে। C) hearty — এটি সঠিক Adjective রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) heartable — Heart শব্দের সাথে able যুক্ত করে এমন কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি হয় না। মনে রাখার টিপস: Noun এর সাথে y যুক্ত হয়ে অনেক সময় Adjective গঠিত হয় যেমন heart থেকে hearty।
a The
b A
c An
d No article
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The কেন সঠিক: এখানে সততা একটি নির্দিষ্ট গুণ বোঝাচ্ছে কারণ কার সততা তা রাহিমের নামের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। নির্দিষ্ট করে বোঝাতে সাধারণত দি আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) A — এটি কেবল সাধারণ ও অনির্দিষ্ট একবচন কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে। C) An — এটি ভাওয়েল ধ্বনি দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট একবচন শব্দের আগে বসে। D) No article — নির্দিষ্ট করে কোনো গুণ বোঝালে আর্টিকেল ছাড়া রাখা যায় না। মনে রাখার টিপস: কারো নির্দিষ্ট কোনো গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝালে তার আগে সর্বদা দি আর্টিকেল বসে।
a the
b a
c an
d no article
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: এখানে বাক্যে মানুষের ভেতরের হিংস্র সত্তা বা পশুটিককে দমন করার কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট করে বোঝাতে beast শব্দের আগে definite article দ্য বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নির্দিষ্ট করে পশুকে বোঝায়। B) a — এটি অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পশুর কথা বলা হয়েছে। C) an — vowel sound এর আগে an বসে কিন্তু beast শব্দের শুরুতে consonant sound রয়েছে। D) no article — এখানে শূন্যস্থান রাখা যাবে না কারণ বিশেষ noun কে নির্দিষ্ট করতে article এর প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: noun এর নির্দিষ্টতা বোঝাতে the ব্যবহার করতে হয়।
a Spectrums
b Spectra
c Species
d Image
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Spectra কেন সঠিক: spectrum শব্দটির শেষে um আছে যা মূলত লাতিন ভাষা থেকে ইংরেজিতে এসেছে। লাতিন নিয়মে um বাদ দিয়ে a যোগ করে এর বহুবচন করতে হয়। তাই spectrum শব্দের সঠিক বহুবচন হলো spectra। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spectrums — আধুনিক ইংরেজিতে এটি মাঝেমধ্যে ব্যবহার করা হলেও লাতিন ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ভুল। B) Spectra — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Species — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ যার অর্থ প্রজাতি এবং এর একবচন ও বহুবচন একই। D) Image — এটি spectrum শব্দের কোনো বহুবচন রূপ নয় বরং এটি একটি ভিন্ন শব্দ। মনে রাখার টিপস: লাতিন উৎস থেকে আসা um বা onEnding শব্দগুলোর বহুবচন সাধারণত a দিয়ে শেষ হয়।
a invalid
b vaild
c lawful
d incorrect
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) invalid কেন সঠিক: ইংরেজিতে "Null and void" একটি পরিচিত বাগধারা বা ইডিয়ম। এর বাংলা অর্থ হলো বাতিল বা আইনগতভাবে অবৈধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) invalid — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অবৈধ এবং এটি প্রদত্ত ইডিয়মের সমার্থক। B) vaild — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বৈধ, যা মূল বাক্যাংশের বিপরীত। C) lawful — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আইনসম্মত বা বৈধ। D) incorrect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ভুল, যা আইনগত বাতিলের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: "Null" শব্দের অর্থ বাতিল এবং "Void" শব্দের অর্থ অবৈধ, তাই দুটি একসাথে থাকলে তা নিশ্চিতভাবে বাতিল বা "invalid" বোঝায়।
a apple like eye
b big eye
c apple coloured eye
d extremely favourite
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) extremely favourite কেন সঠিক: ‘Apple of one’s eye’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ চোখের আপেল হলেও ভাবার্থ হলো চোখের মণি বা অত্যন্ত প্রিয় কেউ। এটি মানুষের খুব প্রিয় এবং পছন্দের পাত্রকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন ডি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apple like eye — এটি ইডিওমের ভাবার্থের সাথে মেলে না কারণ এটি আপেলের মতো চোখ বোঝায়। B) big eye — এর অর্থ বড় চোখ, যা এই বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। C) apple coloured eye — এটি আপেলের রঙের চোখ বোঝায় যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং কাল্পনিক। D) extremely favourite — এটি সঠিক কারণ এটি মূল ইডিওমের ভাবার্থের সাথে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: চোখের মণি যেমন আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান, তেমনি কারোর কাছে প্রিয় কাউকে ‘Apple of one’s eye’ বলা হয়।
a in teeth
b in teeth of
c in the teeth of
d by the teeth of
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in the teeth of কেন সঠিক: এখানে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজ বা বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ হলো তীব্র বিরোধিতা বা বাধা সত্ত্বেও কিছু করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in teeth — এই অংশটিতে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল এবং প্রিপজিশন সম্পূর্ণ নেই। B) in teeth of — এই গঠনটিতে প্রয়োজনীয় দ্য বা আর্টিকেলটি বাদ পড়েছে। C) in the teeth of — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ এবং শূন্যস্থানে এটিই পুরোপুরি বসে। D) by the teeth of — এই ফ্রেজটির অর্থ সংকীর্ণভাবে বেঁচে যাওয়া, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: তীব্র বিরোধিতা বা বাধা বোঝাতে সর্বদা in the teeth of ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a 334
b 322
c 364
d 354
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ৭ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন বিয়োগ (১ ÷ x এর ঘন) এর অতএব, ঘন এর অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই x এর ঘন বিয়োগ (১ ÷ x এর ঘন) সমান বন্ধনীর মধ্যে x বিয়োগ (১ ÷ x) তার হোল কিউব যোগ ৩ গুণ (x গুণ ১ ÷ x) গুণ বন্ধনীর মধ্যে x বিয়োগ (১ ÷ x) সুতরাং, ৭ এর কিউব যোগ ৩ গুণ ৭ উত্তর: ৩৪৩ + ২১ = ৩৬৪
a 0.3
b 45352
c √০.৩
d 45414
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে আছে ০.৩, ৪৩৫৫২, √০.৩ এবং ৪৫৪১৪ ধরি, সংখ্যাগুলোকে একে একে তুলনা করে দেখা যাক অতএব, সাধারণ সংখ্যা দুটি হলো ৪৩৫৫২ এবং ৪৫৪১৪, যা দশমিক সংখ্যা থেকে অনেক বড় কিন্তু অপশন সি তে আছে রুট ওভার ০.৩, যার মান প্রায় ০.৫৪ সুতরাং, ০.৩ এর বর্গমূল বের করলে মানটি মূল সংখ্যা ০.৩ এর চেয়ে বড় হয় এবং তা সমস্ত অপশনের মধ্যে বৃহত্তম হয় উত্তর: √০.৩
a 35°
b 235°
c 145°
d 55°
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ১২৫° ধরি, কোণটির সম্পূরক কোণ = ক ডিগ্রি অতএব, আমরা জানি দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে কোণ দুটিকে সম্পূরক কোণ বলে। সুতরাং, ১২৫° + ক = ১৮০° ক = ১৮০° − ১২৫° উত্তর: ৫৫°
a ২, ৩, ৫ সে.মি.
b ৪, ৫, ৬ সে.মি.
c ৫, ৬, ৮ সে.মি.
d ৩, ৫, ৭ সে.মি.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২, ৩ ও ৫ সে.মি. ধরি, প্রথম বাহু = ২ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু = ৩ সে.মি. তৃতীয় বাহু = ৫ সে.মি. অতএব, প্রথম বাহু + দ্বিতীয় বাহু = ২ + ৩ = ৫ সে.মি. সুতরাং, প্রথম দুটি বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর সমান হয়, যা ত্রিভুজ অঙ্কনের শর্ত মানে না উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি.
a মিটার
b সে.মি.
c ফুট
d অনুপাতের কোন একক নেই
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুপাতের কোন একক নেই প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত হলো একই জাতীয় দুটি সমজাতীয় রাশির তুলনা। এই তুলনা করার সময় দুটি রাশির একক কাটাকাটি হয়ে যায়। ধরি, প্রথম রাশি = ৫ মিটার দ্বিতীয় রাশি = ১০ মিটার অতএব, রাশি দুটির অনুপাত = ৫ মিটার ÷ ১০ মিটার মিটার এবং মিটার একক বাদ যায় সুতরাং, অনুপাত দাঁড়ায় ৫ ÷ ১০ বা ১ ÷ ২ তাই এর সাথে কোনো একক থাকে না উত্তর: অনুপাতের কোনো একক নেই
a 48
b 36
c 56
d 72
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজটির অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান দুটি বাহুর প্রতিটির দৈর্ঘ্য ক সেন্টিমিটার সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার এখানে সমকোণ সংলগ্ন বাহু দুটি সমান তাই ক স্কয়ার + ক স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার অতএব, ২ গুণ ক স্কয়ার = ১২ এর ওপর স্কয়ার ২ গুণ ক স্কয়ার = ১৪৪ ক স্কয়ার = ১৪৪ ÷ ২ = ৭২ সুতরাং, সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১÷২ গুণ ভূমি গুণ উচ্চতা ক্ষেত্রফল = ১÷২ গুণ ক গুণ ক = ১÷২ গুণ ক স্কয়ার উত্তর: ১÷২ গুণ ৭২ = ৩৬ বর্গ সেন্টিমিটার
a ৬৪ মিটার
b ১২৮ মিটার
c ৯৬ মিটার
d ২২৮ মিটার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৮ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার দৈর্ঘ্য বিস্তারের তিন গুণ ধরি, আয়তকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ক মিটার অতএব, দৈর্ঘ্য = ৩ × ক মিটার ৩ × ক = ৪৮ সুতরাং, ক = ৪৮ ÷ ৩ = ১৬ মিটার আয়তকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার এবং বিস্তার = ১৬ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + বিস্তার) = ২ × (৪৮ + ১৬) = ২ × ৬৪ = ১২৮ মিটার
a ৯ মিটার
b ১০ মিটার
c ১২ মিটার
d ১৩ মিটার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য বা অতিভুজ = ১৮ মিটার ভূমির সাথে উন্নীত কোণ = ৩০° ধরি, দেয়ালের উচ্চতা বা লম্ব = h মিটার অতএব, আমরা জানি, sin কোণ = লম্ব ÷ অতিভুজ এখানে, sin ৩০° = h ÷ ১৮ সুতরাং, ১ ÷ ২ = h ÷ ১৮ উত্তর: h = ৯ মিটার
a 40
b 70
c 90
d 75
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪২ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি হয়। ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যার ৪০% হলো (ক × ৪০) ÷ ১০০ সুতরাং, ক × ৪০ ÷ ১০০ + ৪২ = ক উত্তর: ৭০
a ∞
b -∞
c 1
d -1
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ∞ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক অনুপাত হিসেবে ট্যান থিটা হলো সাইন থিটা এবং কস থিটার ভাগফল অর্থাৎ, tan 90° সমান sin 90° ভাগ cos 90° ধরি, sin 90° এর মান = ১ cos 90° এর মান = ০ অতএব, tan 90° সমান ১ ভাগ ০ সুতরাং, কোনো সংখ্যাকে শূন্য দ্বারা ভাগ করলে তার মান অসংজ্ঞায়িত হয় উত্তর: ∞
a জটিল সংখ্যা
b মূলদ সংখ্যা
c অমূলদ সংখ্যা
d বাস্তব সংখ্যা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অমূলদ সংখ্যা প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৭ গুণ রুট ৩ ধরি, সংখ্যাটিকে ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব নয় কারণ রুট ৩ একটি অমূলদ সংখ্যা অতএব, একটি মূলদ সংখ্যা এবং একটি অমূলদ সংখ্যার গুণফল সর্বদা অমূলদ হয় এখানে ৭ একটি মূলদ সংখ্যা সুতরাং, ৭ গুণ রুট ৩ একটি অমূলদ সংখ্যা হিসেবে গণ্য হয় উত্তর: অমূলদ সংখ্যা
a 1
b -1
c 3x
d 0
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যা বা রাশির ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান নির্দিষ্ট হয় এখানে রাশিটি হলো তিন এক্স বন্ধনীর ভেতরে এবং তার ওপর ঘাত হলো শূন্য ধরি, যেকোনো অশূন্য বাস্তব সংখ্যা এ এর ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় এখানে তিন এক্স একটি রাশি যা শূন্যের সমান নয় অতএব, সূচকের মৌলিক সূত্র অনুযায়ী ব্র্যাকেটের ভেতরের সম্পূর্ণ অংশটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে ভিত্তির ওপর পাওয়ার বা সূচক শূন্য থাকার কারণে পুরো রাশিটির কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয় সুতরাং, নিয়মানুযায়ী ব্র্যাকেট তিন এক্স ব্র্যাকেট ক্লোজ টু দ্য পাওয়ার শূন্য এর ফলাফল এক নির্ধারিত হয় উত্তর: ১
a sinθ
b cosθ
c tanθ
d cotθ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cosθ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক রাশিটি হলো cotθ умножение √(1 − cos2θ) ধরি, প্রদত্ত রাশি = cotθ × √(1 − cos2θ) অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী (1 − cos2θ) এর পরিবর্তে sin2θ লেখা যায় সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় cotθ × √(sin2θ) উত্তর: cosθ
a (x + 3) (2x – 5)
b (x – 3) (2x + 5)
c (x + 3) (2x + 5)
d (x – 3) (2x – 5)
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x + 3) (2x – 5) প্রدত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো منفی ১৫ + x + ২x বর্গ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই ২x বর্গ + x − ১৫ অতএব, মধ্যপদ বিভাজনের জন্য এমন দুটি সংখ্যা খুঁজি যাদের গুণফল − ৩০ এবং যোগফল ১ সুতরাং, সংখ্যা দুটি হলো ৬ এবং − ৫ উত্তর: (x + 3) (2x – 5)
a 9
b 7
c 28
d 72
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত রাশিটি হলো log264 + log28 ধরি, প্রথম অংশ হলো log264 দ্বিতীয় অংশ হলো log28 অতএব, log264 এর মান বের করতে হবে কারণ দুই এর পাওয়ার ছয় হলো চৌষষ্টি অতএব, log28 এর মান বের করতে হবে কারণ দুই এর পাওয়ার তিন হলো আট সুতরাং, প্রথম অংশের মান হলো ছয় দ্বিতীয় অংশের মান হলো তিন উত্তর: ছয় + তিন = নয়
a amn
b an/m
c am/n
d a-n/m
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a^(n/m) প্রদত্ত তথ্য: সূচকের নিয়ম অনুযায়ী মূল চিহ্ন এবং ঘাতের সম্পর্ক বুঝতে হবে। ধরি, এখানে মূলের সূচক হলো m এবং ভেতরের পদের সূচক হলো n। অতএব, বীজগণিতীয় সূচকের সূত্র ব্যবহার করে根 তুলে দিতে হবে। সুতরাং, মূল চিহ্ন সরালে তা হরের অংশে চলে যায়। উত্তর: a^(n/m)
a 4
b 0.04
c 0.4
d 0.004
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি = ০.২ নির্ণয় করতে হবে = ২০% ধরি, সংখ্যাটির ২০% হলো ক অতএব, ক = ০.২ × (২০ ÷ ১০০) ক = ০.২ × ০.২ সুতরাং, ক = ০.০৪ উত্তর: ০.০৪
a ৪টি
b ৮টি
c ১৬টি
d ২০টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬টি প্রদত্ত তথ্য: মোট কমলার সংখ্যা = ২০টি পচা কমলার হার = ২০% ধরি, মোট কমলার পরিমাণ = ১০০% ভালো কমলার হার = ১০০% − ২০% = ৮০% অতএব, পচা কমলার সংখ্যা = ২০ এর ২০% ভালো কমলার সংখ্যা = ২০ এর ৮০% সুতরাং, ভালো কমলার সংখ্যা = ২০ × (৮০ ÷ ১০০) = ১৬টি উত্তর: ১৬টি
a ৪টি
b ৮টি
c ৬টি
d ৫টি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি ছাগলের মূল্য = ৩টি গরুর মূল্য ধরি, ১৫টি ছাগল = ৩টি গরু অতএব, ১টি ছাগল = ৩ ÷ ১৫ টি গরু সুতরাং, ৩০টি ছাগল = (৩ × ৩০) ÷ ১৫ টি গরু উত্তর: ৬টি
a 502
b 504
c 405
d 345
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৭ : ৮ সংখ্যা দুটির গসাগু = ৯ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৭ × ৯ = ৬৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ × ৯ = ৭২ অতএব, সংখ্যা দুটির গুণফল = ৬৩ × ৭২ = ৪৫৩৬ আমরা জানি, লসাগু × গসাগু = সংখ্যা দুটির গুণফল সুতরাং, লসাগু × ৯ = ৪৫৩৬ উত্তর: লসাগু = ৪৫৩৬ ÷ ৯ = ৫০৪
a 0.03
b 0.06
c 0.05
d 0.04
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৪২৫ টাকা সময় (n) = ৩ বছর সুদে-আসলে (A) = ৪৭৬ টাকা ধরি, মুনাফা (I) = সুদে-আসলে − আসল I = ৪৭৬ − ৪২৫ = ৫১ টাকা অতএব, মুনাফার হার (r) = (১০০ × I) ÷ (P × n) r = (১০০ × ৫১) ÷ (৪২৫ × ৩) সুতরাং, r = ৫১০৯ ÷ ১২৭৫ r = ৪% বা ০.০৪ উত্তর: ০.০৪
a 4
b 2
c 6
d 8
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত চার এক্স বিয়োগ বারো সমান ষোল ধরি, ষোল কে দুই এর ঘাত হিসেবে লেখা যায় তাই ষোল সমান দুই এর ঘাত চার অতএব, সমীকরণের দুই পাশের ভিত্তি সমান হওয়ায় ঘাত দুটি সমান হবে চার এক্স বিয়োগ বারো সমান চার সুতরাং, চার এক্স সমান চার যোগ বারো সমান ষোল এক্স সমান ষোল ভাগ চার সমান চার উত্তর: ৪
a 5
b 4
c 8
d 7
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত রাশি: (৫^(n + ২) + ৩৫ × ৫^(ন − ১)) ÷ (৪ × ৫^n) লবকে ৫^n এর মাধ্যমে প্রকাশ করি: ৫^(n + ২) = ৫^n × ৫^২ = ২৫ × ৫^n ৩৫ × ৫^(n − ১) = ৩৫ × ৫^n ÷ ৫ = ৭ × ৫^n অতএব, লবের যোগফল = ২৫ × ৫^n + ৭ × ৫^n = ৩২ × ৫^n এখন হর দিয়ে ভাগ করি: প্রদত্ত রাশি = (৩২ × ৫^n) ÷ (৪ × ৫^n) সুতরাং, ৫^n কাটাকাটি হয়ে যায় এবং ৩২ ÷ ৪ থাকে উত্তর: ৮
a 49
b 64
c 36
d 125
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১৭ দুটি সংখ্যার গুণফল = ৬০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, আমরা জানি অনুসিদ্ধান্ত সূত্র অনুযায়ী মান বসানোর জন্য বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে সুতরাং, (a − b)^২ = (a + b)^২ − ৪ × ab = (১৭)^২ − ৪ × ৬০ উত্তর: ২৮৯ − ২৪০ = ৪৯
a 5
b 8
c 6
d 9
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাগুলো হলো ৬, ৮ এবং ১০ দ্বিতীয় সংখ্যাগুলো হলো ৭, ৯ এবং একটি অজানা সংখ্যা ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো ক অতএব, প্রথম সংখ্যা তিনটির যোগফল = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪ প্রথম সংখ্যা তিনটির গাণিতিক গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮ দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী, ৭, ৯ এবং ক এর গাণিতিক গড় প্রথম গড়ের সমান অর্থাৎ ৮ সুতরাং, ৭ + ৯ + ক এর মোট মান = ৮ × ৩ = ২৪ উত্তর: ক = ২৪ − ১৬ = ৮
a মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া
b কাঠমান্ডু, নেপাল
c কলম্বো, শ্রীলংকা
d কারাকাস, ভেনিজুয়েলা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তর ভুল। ১৭তম ন্যাম (NAM) সম্মেলন ২০১৬ সালে ভেনেজুয়েলার কারাকাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ২০১৫ সালে মেলবোর্নে নয়। কেন সঠিক: - ন্যাম বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের ১৭তম শীর্ষ সম্মেলন ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভেনেজুয়েলার মার্গারিটা দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে ভেনেজুয়েলা আনুষ্ঠানিকভাবে তিন বছরের জন্য ন্যামের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া — এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিখ্যাত শহর হলেও এখানে কোনো ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কাঠমান্ডু, নেপাল — এটি নেপালের রাজধানী এবং সার্কের সদর দপ্তর হলেও এখানে ১৭তম ন্যাম সম্মেলন হয়নি। C) কলম্বো, শ্রীলংকা — শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সালে পঞ্চম ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ১৭তম সম্মেলন নয়। D) কারাকাস, ভেনিজুয়েলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভেনেজুয়েলার মার্গারিটা দ্বীপে ২০১৬ সালে এই সম্মেলন বসেছিল। মনে রাখার টিপস: ভেনেজুয়েলার কারাকাসে ২০১৬ সালে বসেছিল ন্যাম সম্মেলন।
a উন্নতজাতের ভুট্টা
b উন্নতজাতের গম
c উন্নতজাতের ধান
d উন্নতজাতের পাট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নতজাতের ভুট্টা কেন সঠিক: - বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত। - এই জাত দুটি চাষ করে কৃষকরা কম সময়ে অধিক ফলন পেতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নতজাতের ভুট্টা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাতের নাম। B) উন্নতজাতের গম — গম বোঝাতে সাধারণত আকবর, বরকত বা শতাব্দী জাতগুলো ব্যবহৃত হয়। C) উন্নতজাতের ধান — ধান বোঝাতে উফশী বা ব্রি ধান জাতের নাম ব্যবহার করা হয়। D) উন্নতজাতের পাট — পাট বোঝাতে রবিউল বা বালি পাট জাতীয় নামগুলো ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ভুট্টায় আলো পড়লে বর্ণালী ও শুভ্র রঙ দেখা যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাত।
a রক্ত জমাট বাঁধা
b রোগ প্রতিরোধ করা
c অক্সিজেন পরিবহন করা
d উপরের সবগুলো
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন পরিবহন করা কেন সঠিক: - হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের লোহিত রক্তণিকায় উপস্থিত এক প্রকার লৌহসমৃদ্ধ প্রোটিন, যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে দেহের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয়। - এটি কোষে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস সংগ্রহ করে পুনরায় ফুসফুসে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রক্ত জমাট বাঁধা — রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লেটলেট এবং ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, হিমোগ্লোবিন নয়। B) রোগ প্রতিরোধ করা — শ্বেত রক্তকণিকা দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় প্রধান ভূমিকা পালন করে, যা হিমোগ্লোবিনের কাজ নয়। C) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ হিমোগ্লোবিনের প্রধান ও একমাত্র মূল কাজ হলো রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করা। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু অপশন এ এবং বি ভুল, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন মানেই লোহিত রক্তকণিকার অক্সিজেন বাহক, যা পুরো শরীরে প্রাণশক্তি সরবরাহ করে।
a হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে
b নায়িকার নাম হিসেবে
c পুরষ্কারপ্রাপ্ত ছবির নাম হিসেবে
d উন্নতজাতের ধান হিসেবে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে কেন সঠিক: - মধুবালা হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চফলনশীল ও মিষ্টি জাতের হলুদ রঙের তরমুজ। - এর ভেতরের অংশ বা শাঁস উজ্জ্বল হলুদ রঙের হয়ে থাকে এবং এটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মধুবালা হলো তরমুজের একটি উন্নত ও হলুদ রঙের জাত। B) নায়িকার নাম হিসেবে — এটি চলচ্চিত্রের কোনো নায়িকার নাম নয়, যদিও এই নামে প্রখ্যাত ভারতীয় অভিনেত্রী মধুবালা রয়েছেন। C) পুরষ্কারপ্রাপ্ত ছবির নাম হিসেবে — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবির নাম নয়। D) উন্নতজাতের ধান হিসেবে — এটি ধান বা অন্য কোনো খাদ্যশস্যের জাত নয়, এটি ফল বা তরমুজের জাত। মনে রাখার টিপস: মধুবালা মানে মিষ্টি ফল তরমুজ, যার ভেতরটা পাকা আমের মতো হলুদ রঙের হয়।
a কৃষি
b আগুন
c ভাষা
d লোহা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আগুন কেন সঠিক: - আগুন আবিষ্কার আদিম মানুষের জীবনযাত্রাকে সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং তাদের খাদ্যাভ্যাস ও বেঁচে থাকার লড়াইকে সহজ করে তোলে। - আগুন আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ শীতের হাত থেকে রক্ষা পায়, বন্য প্রাণী থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং কাঁচা খাবারের পরিবর্তে রান্না করা খাবার খাওয়া শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি — কৃষি আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ স্থায়ী বসতি স্থাপন শুরু করলেও তা আগুন আবিষ্কারের পরের একটি পর্যায়। B) আগুন — এটি আদিম মানুষের বেঁচে থাকা এবং সভ্যতার বিকাশে সবচেয়ে বড় ও প্রথম মোড় পরিবর্তনকারী আবিষ্কার। C) ভাষা — ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা আগুন আবিষ্কারের পরের সামাজিক বিকাশের ফল। D) লোহ ধাতু আবিষ্কারের মাধ্যমে সভ্যতার অগ্রগতি অনেক ত্বরান্বিত হয়, যা আদিম যুগের অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: আদিম মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ে অন্ধকার দূর করতে এবং খাবার রান্না করতে আগুন ছিল সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
a ২৬ এপ্রিল
b ২৭ এপ্রিল
c ২৮ এপ্রিল
d ৩০ এপ্রিল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ এপ্রিল কেন সঠিক: - ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। - কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন অনিবার্য কারণে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করে ৩০ এপ্রিল ২০১৫ নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ এপ্রিল — এই তারিখে ২০১৫ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি নির্ধারিত কোনো নির্বাচনী তারিখ ছিল না। B) ২৭ এপ্রিল — এই তারিখটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের নির্ধারিত বা অনুষ্ঠিত কোনো তারিখ নয়। C) ২৮ এপ্রিল — মূলত এই তারিখে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করে পরবর্তীতে ৩০ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়। D) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ২০১৫ সালের এপ্রিলে ২৮ তারিখের পরিবর্তে শেষের দিন অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল।
a তামিম ইকবাল
b মুশফিকুর রহিম
c সাকিব আল হাসান
d ইমরুল কায়েস
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুশফিকুর রহিম কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। - তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল টেস্টে এই ঐতিহাসিক ডাবল সেঞ্চুরি করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামিম ইকবাল — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি ও সর্বোচ্চ রানের মালিক হলেও টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেননি। B) মুশফিকুর রহিম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) সাকিব আল হাসান — তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও টেস্ট ক্রিকেটে তার কোনো ডাবল সেঞ্চুরি নেই। D) ইমরুল কায়েস — তিনি টেস্টে অনেক ভালো ইনিংস খেললেও কোনো ডাবল সেঞ্চুরি করতে পারেননি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মুশফিকুর রহিম।
a ১৯৪৫ সালে
b ১৯৪৪ সালে
c ১৯৩৯ সালে
d ১৯৪২ সালে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩৯ সালে কেন সঠিক: - ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করলে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। - এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৯৪৫ সালে অক্ষশক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালে — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির সাল, শুরুর সাল নয়। B) ১৯৪৪ সালে — এই সালে যুদ্ধ শেষ হয়নি এবং এটি যুদ্ধ শুরুর সঠিক সাল নয়। সি অপশন সঠিক হওয়ায় এখানে সি লেখা হয়নি, কিন্তু ডি অপশন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো। D) ১৯৪২ সালে — এই সালটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়কাল নির্দেশ করে, শুরুর সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৩৯ সালে যুদ্ধ শুরু এবং ১৯৪৫ সালে যুদ্ধ শেষ হয়, মাঝের সময়কাল হলো ছয় বছর।
a 7.6
b 7.7
c 7.8
d 7.9
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭.৮ প্রদত্ত তথ্য: ২৫শে এপ্রিল ২০১৫ তারিখে নেপাল ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে একটি প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। ধরি, এই ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল নেপালের গোর্খা জেলায় এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় পনেরো কিলোমিটার গভীরে। অতএব, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ঐতিহাসিক বহু স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায় এবং ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সুতরাং, বিজ্ঞানসম্মত পরিমাপে এই তীব্র ভূকম্পনের মাত্রা নির্ধারিত হয়েছিল রিখটার স্কেলে নির্দিষ্ট একটি মানে। উত্তর: ৭.৮
a ময়মনসিংহ
b জাহাঙ্গীরনগর
c বরিশাল
d চট্টগ্রাম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত প্রাচীন জনপদ নাসিরাবাদ ব্রিটিশ আমলে ময়মনসিংহ নামে পরিচিত লাভ করে। - পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক কারণে এই অঞ্চলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ময়মনসিংহ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি বর্তমান প্রশ্নটির সঠিক উত্তর কারণ নাসিরাবাদের ঐতিহাসিক পরিবর্তিত রূপ হলো ময়মনসিংহ। B) জাহাঙ্গীরনগর — এটি ঢাকার প্রাচীন নাম, যা মুঘল সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা শহরের নামকরণের সময় ব্যবহার করেছিলেন। C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক জেলা যার প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ, নাসিরাবাদ নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান বন্দর নগরী, যার ঐতিহাসিক নাম ইসলামাবাদ, নাসিরাবাদ নয়। মনে রাখার টিপস: নাসিরাবাদ নামটি দেখলে মনে রাখবে এটি ময়মনসিংহের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম।
a ক্যালসিয়াম
b আয়োডিন
c আয়রন
d পটাশিয়াম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম কেন সঠিক: - ক্যালসিয়াম মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠন এবং প্রধান কাঠামোগত উপাদান হিসেবে কাজ করে। - এটি শরীরের মোট ক্যালসিয়ামের শতকরা নিরানব্বই ভাগ হাড় ও দাঁতে জমা থেকে এদের দৃঢ়তা ও শক্তি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যালসিয়াম — এটি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করার প্রধান উপাদান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) আয়োডিন — এটি মূলত থাইরয়েড হরমোন তৈরি এবং গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধে কাজ করে, হাড় বা দাঁত মজবুত করে না। C) আয়রন — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং দেহে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে, হাড়ের মজবুতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) পটাশিয়াম — এটি কোষের তরল ভারসাম্য রক্ষা এবং স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা সচল রাখে, দাঁত বা হাড়ের প্রধান উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: হাড় মানেই ক্যালসিয়াম।
a আয়রন
b সিলিকন
c কার্বন
d অ্যালুমিনিয়াম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলিকন কেন সঠিক: - সিলিকন হলো একটি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর উপাদান, যা দিয়ে কম্পিউটারের প্রসেসর এবং প্রধান মেমোরি বা চিপ তৈরি করা হয়। - এটি ইলেকট্রনিক প্রবাহ নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বিধায় কম্পিউটারের আইসি তৈরিতে এর ব্যবহার অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন — এটি মূলত চুম্বকত্ব এবং লোহাভিত্তিক ভারী শিল্পে ব্যবহৃত হয়, কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে এর কোনো ভূমিকা নেই। B) সিলিকন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) কার্বন — এটি মূলত জৈব যৌগ এবং বিভিন্ন সংকর ধাতু তৈরিতে কাজে লাগে, অর্ধপরিবাহী চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। D) অ্যালুমিনিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু যা কম্পিউটারের বডি বা হিটসিংক তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও মূল মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের প্রাণ হলো চিপ আর চিপ তৈরি হয় সিলিকন দিয়ে।
a লণ্ডন
b প্যারিস
c জেনেভা
d নিউইয়র্ক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - রেডক্রস ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট। - আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রয়োগ ও যুদ্ধাহত মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে এর প্রধান কার্যালয় জেনেভায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লণ্ডন — এটি যুক্তরাজ্যে অবস্থিত এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রসের সদর দপ্তর নয়। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সে অবস্থিত এবং ইউনেস্কোসহ কিছু সংস্থার সদর দপ্তর হলেও রেডক্রসের নয়। C) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর হলেও রেডক্রসের সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: মানবিক কাজের প্রতীক রেডক্রস মানেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহর।
a আলজেরিয়া
b ফ্রান্স
c ইরান
d লিবিয়া
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - ফ্রান্স অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ বা ওপেকের সদস্য নয়। - ওপেক মূলত বিশ্বের প্রধান তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি ওপেকের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র এবং আফ্রিকা অঞ্চলের অন্যতম প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশ। B) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি উন্নত দেশ এবং ওপেকের সদস্য নয় বিধায় এটি সঠিক উত্তর। C) ইরান — এটি ওপেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদক। D) লিবিয়া — এটি ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র এবং উত্তর আফ্রিকার অন্যতম প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশ। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের শিল্প উন্নত দেশ ফ্রান্স ওপেক বা তেল রপ্তানিকারক জোটের সদস্য নয়।
a ২০টি
b ২১টি
c ২৪টি
d ২৬টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০টি কেন সঠিক: - মানবশিশুর প্রথম দন্ত সেটকে দুধ দাঁত বলা হয়, যার মোট সংখ্যা কুড়িটি। - এই দাঁতগুলো সাধারণত শিশুর ছয় মাস বয়স থেকে ওঠা শুরু করে এবং বারো বছর বয়সের মধ্যে পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবশিশুর দুধ দাঁতের মোট সংখ্যা কুড়িটি। B) ২১টি — এটি ভুল কারণ মানুষের দাঁতের সংখ্যা কখনো বিজোড় সংখ্যায় জোড়ায় জোড়ায় গঠিত হয় না। C) ২৪টি — এটি ভুল কারণ দুধ দাঁতের সংখ্যা চব্বিশটি নয়, কুড়িটি। D) ২৬টি — এটি ভুল কারণ ছাব্বিশটি দাঁত দুধ দাঁতের স্বাভাবিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: শিশুর বয়স যখন দুই বছর হয়, তখন সাধারণত মুখে কুড়িটি দুধ দাঁত পূর্ণ হয়।
a লিথিয়াম
b পটাশিয়াম
c প্লাটিনাম
d অ্যালুমিনিয়াম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্লাটিনাম কেন সঠিক: - প্লাটিনাম প্রকৃতির অন্যতম বিরল এবং অত্যন্ত দুর্লভ ধাতু, যার বাণিজ্যিক চাহিদা ও আর্থিক মূল্য সোনার চেয়েও বেশি। - এটি অত্যন্ত টেকসই, ক্ষয়প্রতিরোধী এবং উজ্জ্বল রূপালি রঙের বহুমুখী ধাতু হওয়ায় এর বাজারমূল্য সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিথিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু এবং ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু নয়। B) পটাশিয়াম — এটি একটি অত্যন্ত সক্রিয় ও নরম ক্ষার ধাতু, যা রাসায়নিকভাবে মূল্যবান হিসেবে পরিগণিত হয় না। C) প্লাটিনাম — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর ঔজ্জ্বল্য ও দুর্লভতার কারণে এটি সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু। D) অ্যালুমিনিয়াম — এটি পৃথিবীর ভূত্বকে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এর দাম প্লাটিনামের তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে মূল্যবান ও টেকসই ধাতু হলো প্লাটিনাম, যা সোনা থেকেও অনেক বেশি দুর্লভ।
a ঢাকা
b বরিশাল
c রাজশাহী
d চট্টগ্রাম
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট আটটি বিভাগের মধ্যে কেবল বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের মধ্যে ঢাকা বিভাগের চারপাশ ঘিরে অন্যান্য বিভাগ থাকলেও বরিশালের সাথে ভারতের কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই। - বরিশাল বিভাগ মূলত দক্ষিণ অঞ্চলে উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এর উত্তর ও পূর্ব দিকে অন্য জেলা এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এই বিভাগের সাথে ভারতের সরাসরি কোনো সীমান্ত না থাকলেও প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র বরিশালই সম্পূর্ণভাবে সীমান্তহীন। B) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিভাগের কোনো জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত নেই। C) রাজশাহী — এই বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীসহ বেশ কয়েকটি জেলার সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। D) চট্টগ্রাম — এই বিভাগের বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার সাথে ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয় এমন দুটি বিভাগ হলো ঢাকা ও বরিশাল, তবে এদের মধ্যে কেবল বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।
a সত্য মামলা আগরতলা
b অবরুদ্ধ নয় মাস
c অসমাপ্ত আত্মজীবনী
d বাংলাদেশ কথা কয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অসমাপ্ত আত্মজীবনী কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - ২০১২ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এতে তাঁর জীবনের শুরুর দিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস উঠে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্য মামলা আগরতলা — এটি বঙ্গবন্ধু রচিত কোনো গ্রন্থ নয়, বরং ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্য নাম। B) অবরুদ্ধ নয় মাস — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যার রচয়িতা অন্য লেখক। D) বাংলাদেশ কথা কয় — এটি মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত ভিন্ন লেখকের একটি প্রখ্যাত গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর প্রথম আত্মজীবনীমূলক বই মনে রাখতে "অ" দিয়ে শুরু "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" নামটি মনে রাখবে।
a Current News Network
b Cable News Network
c Control News Network
d Country News Network
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cable News Network কেন সঠিক: - সিএনএন হলো বিশ্বের অন্যতম প্রধান একটি স্যাটেলাইট ও কেবল ভিত্তিক সংবাদ প্রচারকারী টেলিভিশন নেটওয়ার্ক। - ১৯৮১ সালে টেড টার্নার এই সংবাদ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর পূর্ণরূপ হিসেবে কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক নামটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Current News Network — এই নামে কোনো বিখ্যাত বিশ্বমানের সংবাদ মাধ্যম বা চ্যানেল নেই, তাই এটি সঠিক নয়। B) Cable News Network — এটি সঠিক কারণ এটি বিশ্বখ্যাত এই সংবাদ চ্যানেলটির আনুষ্ঠানিক ও মূল পূর্ণরূপ। C) Control News Network — এই শব্দগুচ্ছ সংবাদ চ্যানেলের নামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) Country News Network — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক টেলিভিশন নেটওয়ার্কের নাম নয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সিএনএন চ্যানেলটি কেবল বা তারের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বজুড়ে খবর প্রচার শুরু করেছিল, তাই প্রথম শব্দ Cable মনে রাখলেই পূর্ণরূপটি সহজে মনে রাখা যায়।
a চীন
b ভারত
c বাংলাদেশ
d বার্মা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত কেন সঠিক: - কুতুব মিনার ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ ইটনির্মিত মিনার। - এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীতে কুতুবউদ্দিন আইবেক নির্মাণ শুরু করলেও এর কাজ সম্পন্ন করেন ইলতুৎমিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন দেশের সঙ্গে কুতুব মিনার ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিকভাকে সম্পর্কিত নয়, এটি দ্য গ্রেট ওয়ালের জন্য পরিচিত। B) ভারত — এই অপশনটি সঠিক কারণ কুতুব মিনার ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও এখানে কুতুব মিনার অবস্থিত নয়। D) বার্মা — বার্মা বা বর্তমান মিয়ানমারে অনেক বৌদ্ধ প্যাগোডা থাকলেও কুতুব মিনার সেখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থিত মিনারটির নাম কুতুব মিনার, যা নির্মাণ করেছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবেক।
a চীন
b ব্রাজিল
c ইন্দোনেশিয়া
d ডেনমার্ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ব্রাজিল বিশ্বের মোট কফি উৎপাদনের প্রায় এক তৃতীয়াংশ একা সরবরাহ করে। - দেশটির আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং বিশাল পাহাড়ি অঞ্চল কফি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চা উৎপাদক দেশ হলেও কফি উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় নয়। B) ব্রাজিল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের শীর্ষ কফি উৎপাদনকারী দেশ। C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়া কফি উৎপাদনে বিশ্বে অন্যতম হলেও ব্রাজিলের পেছনে রয়েছে। D) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এখানকার জলবায়ু কফি চাষের উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: কফি উৎপাদনে সবার সেরা ব দিয়ে ব্রাজিল।
a ডায়েট
b সীম
c পার্লামেন্ট
d মজলিস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ যা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অব কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের সঠিক নাম এবং আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। B) সীম — এটি কোনো দেশের পার্লামেন্টের নাম নয়, বরং এটি একটি সাধারণ শব্দ। C) পার্লামেন্ট — এটি বিভিন্ন দেশের আইনসভার সাধারণ ইংরেজি নাম হলেও জাপানের নির্দিষ্ট আইনসভার নাম ডায়েট। D) মজলিস — এটি ইরান, মালদ্বীপ ও ওমানসহ কয়েকটি মুসলিম দেশের আইনসভার নাম। মনে রাখার টিপস: জাপানের মানুষ ডায়েট বা ডায়েট মেনে চলে, তাই তাদের সংসদের নামও ডায়েট।
a বেলজিয়াম
b রোম
c নিউইয়র্ক
d গ্রেট বিট্রেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - নিউইয়র্ক শহরটিকে এর বিশাল আকৃতি, দ্রুত জীবনযাত্রা এবং প্রচুর অর্থনৈতিক সুযোগের কারণে জনপ্রিয়ভাবে বিগ অ্যাপল বলা হয়। - বিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই নামটি প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলজিয়াম — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ, যার রাজধানী ব্রাসেলস এবং একে বিগ অ্যাপল বলা হয় না। B) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং ঐতিহাসিক শহর, যার প্রাচীন নাম ছিল চিরন্তন শহর। C) নিউইয়র্ক — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) গ্রেট বিট্রেন — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র বা ভূখণ্ড, যা এই ডাকনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে প্রচুর বড় আপেলের মতো কর্মব্যস্ততা ও সুযোগ রয়েছে, তাই এটিকে বিগ অ্যাপল বলা হয়।
a তানভীর মোকাম্মেল
b অনন্ত হীরা
c সোহেল আরমান
d মুহম্মদ জাফর ইকবাল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহম্মদ জাফর ইকবাল কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস, যার মূল চরিত্র রাশেদ। - বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও বিজ্ঞান কথাসাহিত্যিক মুহম্মদ জাফর ইকবাল এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তানভীর মোকাম্মেল — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক, এই বইটির লেখক নন। B) অনন্ত হীরা — তিনি একজন নাট্যকার ও নির্দেশক, এই উপন্যাসের সঙ্গে যুক্ত নন। C) সোহেল আরমান — তিনি একজন গীতিকার, অভিনেতা ও পরিচালক, এই বইটির লেখক নন। D) মুহম্মদ জাফর ইকবাল — তিনি এই উপন্যাসের সঠিক ও মূল লেখক। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মনে রাখতে জাফর ইকবালের কিশোর সাহিত্যগুলো মাথায় রাখুন।
a শিল্পী হামিদুজ্জামান খান
b নিতুন কুণ্ডু
c স্থপতি এহসান খান
d শামীম শিকদার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্থপতি এহসান খান কেন সঠিক: - স্থপতি এহসান খান ও তার দল ঢাকা শহরের হাতিরঝিল প্রকল্পের মূল নকশা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। - এই নান্দনিক প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্পী হামিদুজ্জামান খান — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য শিল্পের জন্য পরিচিত, তবে হাতিরঝিলের মূল পরিকল্পনাকারী নন। B) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা ছিলেন, যিনি মূলত সার্ক ফোয়ারা ও বিভিন্ন শিল্পকর্মের ডিজাইনার হিসেবে খ্যাত। C) স্থপতি এহসান খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) শামীম শিকদার — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ছিলেন, যিনি হাতিরঝিলের নকশার সাথে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: হাতিরঝিলে ঝিল বা জলরাশি আছে আর এহসান খানের নামের শেষে খান আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন জল ও খানের মেলবন্ধন হলো হাতিরঝিল পরিকল্পনা।

মোট প্রশ্ন (25)

a কৌতুহল
b কৌতূহল
c কাংখিত
d শ্রদ্ধাঞ্জলী
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৌতূহল ১. কেন সঠিক: - বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী কৌতূহল শব্দটিতে ঔ-কার এবং দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়। - এই শব্দটিতে কোনো বিসর্গ বা হ-ফলা নেই যা প্রায়ই পরীক্ষার্থীরা ভুল করে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বহু বিদেশি বা তৎসম শব্দের বানানে হ্রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট নিয়ম মানা হয়। - কৌতূহল শব্দের ক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত রূপের অনুসরণে বানানে দীর্ঘ ঊ-কার এবং ঔ-কার নির্ধারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুহূর্ত ব্যাখ্যা: মুহূর্ত শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহৃত হয় যা বানান শুদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: গৃহিণী ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহৃত হয় যা প্রমিত বানানের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৌতুহল — ভুল বানানে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত রীতিবিরোধী। B) কৌতূহল — এই অপশনটি সঠিক এবং বানানটি বাংলা একাডেমি অনুমোদিত। C) কাংখিত — সঠিক বানান কাঙ্ক্ষিত যেখানে অনুস্বার বা ঙ-এর ব্যবহার ভুলভাবে করা হয়েছে। D) শ্রদ্ধাঞ্জলী — শ্রদ্ধাঞ্জলি শব্দে ই-কার হবে, কারণ অঞ্জলি শব্দে সবসময় হ্রস্ব ই-কার বসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কৌতূহল বানানটি মনে রাখতে খেয়াল রাখুন এখানে ঔ-কার এবং দীর্ঘ ঊ-কার একসঙ্গে বসে। - অঞ্জলি বা পঞ্জলি জাতীয় শব্দে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করবেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে তাই সমাসবদ্ধ ও বহুল ব্যবহৃত শব্দগুলোর বানান বারবার চর্চা করা উচিত। - একই নিয়মে অন্যান্য জটিল বানান যেমন পিপীলিকা, মুমূর্ষু ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সংস্কৃত
b বিদেশি শব্দ
c দেশি শব্দ
d তদ্ভব শব্দ
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত ১. কেন সঠিক: - ণত্ব বিধান হলো বাংলা ব্যাকরণে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য ণ (ণ) ব্যবহারের নিয়ম। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর মধ্যে কেবল তৎসম শব্দেই মূর্ধন্য ণ লেখা যায়, অন্য কোনো উৎসের শব্দে এর ব্যবহার নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ঋ, র এবং ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ হয় এবং ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়। - দেশি, বিদেশি ও তদ্ভব শব্দে কদাচ মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় না, সেখানে সর্বদা দন্ত্য ন (ন) বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যেখানে ঋ কারের পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: করণ ব্যাখ্যা: এটি তৎসম শব্দ এবং এখানে র-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — এই অপশনটি সঠিক কারণ ণত্ব বিধান কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানানেই প্রযোজ্য। B) বিদেশি শব্দ — বিদেশি শব্দে কখনো ণত্ব বিধান প্রযোজ্য হয় না এবং সেখানে সর্বদা ন হয়। C) দেশি শব্দ — দেশি শব্দে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। D) তদ্ভব শব্দ — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃত ভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে এসেছে বিধায় সেখানে ণত্ব বিধান খাটে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত মানেই তৎসম শব্দ আর তৎসম শব্দ মানেই সেখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের সুযোগ থাকে। - বিদেশি ও দেশি শব্দ দেখলে চোখ বন্ধ করে দন্ত্য ন ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে কোন শব্দগুলোতে ণত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়, উত্তর হবে দেশি ও বিদেশি শব্দ। - ঋ র ষ-এর পরে সর্বদা মূর্ধন্য ণ হয়—এই সূত্রটি মনে রাখলে তৎসম শব্দের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
a সমর্থন
b বিচার
c মন্তব্য
d তর্ক
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সমর্থন ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষার ক্ষেত্রে Justification for শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো সমর্থন বা যৌক্তিকতা প্রতিপাদন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি আইনি বা দাপ্তরিক পারিভাষিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই শব্দটির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের পারিভাষিক শব্দ অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। - ইংরেজি প্রশাসনিক ও আইনি পরিভাষাকে সহজ ও প্রাঞ্জল বাংলায় রূপান্তর করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রমিত শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Justification for this action. ব্যাখ্যা: এই কাজের পক্ষে সমর্থন বা যৌক্তিকতা। উদাহরণ ২: There is no justification for this delay. ব্যাখ্যা: এই বিলম্বের কোনো সমর্থন বা যৌক্তিক ভিত্তি নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমর্থন — এটি সঠিক উত্তর। B) বিচার — বিচার শব্দের ইংরেজি পরিভাষা সাধারণত Judgment বা Trial, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) মন্তব্য — মন্তব্য শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Comment বা Remark, যা প্রশ্নানুযায়ী ভুল। D) তর্ক — তর্ক শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Argument বা Debate, যা এই পারিভাষিক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - Justification শব্দের মূল অর্থ হলো কোনো কাজের পক্ষে যুক্তি দেখানো বা সমর্থন করা। - পরীক্ষার হলে জাস্টিফাই করা মানে সমর্থন করা বা যৌক্তিকতা প্রমাণ করা, এই সূত্রটি মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের বাংলা রূপ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - দাপ্তরিক ও আইনি শব্দের সঠিক অর্থ জানার জন্য নিয়মিত প্রমিত বাংলা অভিধান ও বিগত বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করতে হবে।
a দ্বন্দ্ব সমাস
b কর্মধারয় সমাস
c তৎপুরুষ সমাস
d বহুব্রীহি সমাস
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বহুব্রীহি সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পদগুলোর নিজ অর্থ প্রকাশ না পেয়ে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায় এবং সমাসবদ্ধ পদটি অন্য কোনো পদের বিশেষ্য হিসেবে কাজ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। - ‘বীণাপাণি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বীণা পাণিতে যার। এখানে বীণা ও পাণি শব্দের আক্ষরিক অর্থ না বুঝিয়ে সরস্বতী দেবীকে বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কারোরই অর্থের প্রধান্য থাকে না, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ পায়। - এটি মূলত ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত, কারণ এর পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদও বিশেষ্য পদ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বজ্রপাণি ব্যাখ্যা: বজ্র পাণিতে যার, অর্থাৎ ইন্দ্র। এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: ششಮುಖ (ষান্মাসিক হবে না, শূলপাণি) শূলপাণি ব্যাখ্যা: শূল পাণিতে যার, অর্থাৎ শিব। এটিও বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব সমাস — এই সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রধান থাকে, যেমন মা ও বাবা সমান মোবাবা। বীণাপাণি শব্দে এমন উভয় পদের অর্থ প্রধান নয়। B) কর্মধারয় সমাস — এই সমাসে একটি পদ বিশেষ্য এবং অন্যটি বিশেষণ বা দুটিই বিশেষণ হয়ে পদের গুণ প্রকাশ করে। বীণাপাণি কোনো গুণের তুলনা বোঝায় না। C) তৎপুরুষ সমাস — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। বীণাপাণি শব্দে নতুন অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি তৎপুরুষ নয়। D) বহুব্রীহি সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো অঙ্গ বা হাতিয়ারের নাম দিয়ে যদি কোনো দেবতা বা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে বহুব্রীহি সমাস দাগাবে। - ঈশ্বরের নাম বা উপাধি বোঝালে সাধারণত বহুব্রীহি সমাস হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পাণি শব্দের অর্থ হাত। তাই বীণাপাণি মানে যার হাতে বীণা আছে। - এমন বহু পদ পরীক্ষায় আসে যা দেবতা বা বিশেষ কাউকে বোঝায়, যেমন চক্রপাণি বা পদ্মনাভ।
a গাছো
b গাছি
c গেছো
d আরোহী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গেছো ১. কেন সঠিক: গাছে উঠতে পটু বা যে গাছে চড়তে ভালোবাসে, তাকে এক কথায় গেছো বলা হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুখে মুখে প্রচলিত যে কথা = মুখরোচক ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল প্রচলিত বাক্য সংকোচন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না = দুর্নিবার ব্যাখ্যা: কঠিন বা অপ্রতিরোধ্য কোনো অবস্থাকে এককথায় প্রকাশ করার এটি একটি সুন্দর উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাছো — এটি কোনো প্রমিত বাংলা শব্দ নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) গাছি — যে ব্যক্তি গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে, তাকে গাছি বলা হয় যেমন খেঁজুর রস সংগ্রহকারী। D) আরোহী — যিনি কোনো বাহনে বা উঁচুতে ওঠেন, তাকে সাধারণ অর্থে আরোহী বলা হয় কিন্তু গাছে ওঠার পটুতার জন্য এটি নির্দিষ্ট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: গাছে চড়ে যে, তার সঙ্গে গেছো শব্দটি মিলে যায়। গাছের সঙ্গে সম্পর্কিত স্বভাব বোঝাতে গেছো প্রত্যয় যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের সূক্ষ্ম অর্থ ও ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি। একই শব্দের বিভিন্ন রূপ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
a বিরক্ত
b উপহাস
c বিরাগ
d প্রতিঘাত
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিরাগ ১. কেন সঠিক: অনুরূপ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হলো বিরাগ। অনুরাগ শব্দটির অর্থ গভীর প্রীতি, আসক্তি, ভালোবাসা বা অনুরাগ, আর এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে বিরাগ শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ অনাসক্তি বা বিতৃষ্ণা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বিপরীত শব্দ নির্বাচনে সাধারণত ভাষার নিজস্ব রীতি ও অর্থের সামঞ্জস্য বজায় রাখা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনুরাগ ও বিরাগ ব্যাখ্যা: মানুষের মনে কোনো বিষয়ের প্রতি গভীর অনুরাগ বা আকর্ষণ থাকতে পারে, আবার কখনো তার প্রতি বিরাগ বা অনীহাও জন্মাতে পারে। উদাহরণ ২: আকর্ষণ ও বিকর্ষণ ব্যাখ্যা: আকর্ষণ শব্দের অর্থ কাছে টানা বা টান, আর এর বিপরীত শব্দ বিকর্ষণ হলো দূরে ঠেলে দেওয়া বা বিপ্রতীপ অবস্থান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিরক্ত — এটি এমন একটি অবস্থা বোঝায় যখন কেউ কোনো কারণে অস্বস্তি বোধ করে, যা অনুরাগের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। B) উপহাস — এর অর্থ ঠাট্টা বা তাচ্ছিল্য করা, যার সঙ্গে অনুরাগের বিপরীত অর্থের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। C) বিরাগ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি অনুরাগের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) প্রতিঘাত — এর অর্থ আঘাতের পরিবর্তে পাল্টা আঘাত করা, যা অনুরাগের বিপরীত শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুরাগ শব্দের আ-কার যুক্ত শুরুটির সঙ্গে মিল রেখে বিপরীত শব্দ মনে রাখতে পারো বিরাগ, যেখানে অনু এর জায়গায় বি উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ তৈরি করেছে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। উপসর্গ পরিবর্তন করে অনেক সময় বিপরীত শব্দ গঠন করা হয়, যা পরীক্ষার সময় উত্তর নির্বাচনে সহায়তা করে।
a স্বরসন্ধি
b ব্যঞ্জন সন্ধি
c খাঁটি বাংলা সন্ধি
d বিসর্গ সন্ধি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যঞ্জন সন্ধি ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুযায়ী ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ কিংবা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে যে সন্ধি হয়, তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। এখানে কাঁদ শব্দের অন্তস্থিত দ ধ্বনির সাথে না শব্দের ন ধ্বনি যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জন সন্ধি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে সন্ধিকে প্রধানত স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি সাধিত হয়, তাকে ব্যঞ্জনসন্ধি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ ব্যাখ্যা: এখানে ত এর সাথে ছ যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনসন্ধি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তৎ + ময় = তন্ময় ব্যাখ্যা: এখানে ত এর সাথে ম যুক্ত হয়ে ব্যঞ্জনসন্ধি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরসন্ধি — স্বরবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে, কিন্তু এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে। B) ব্যঞ্জন সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে। C) খাঁটি বাংলা সন্ধি — খাঁটি বাংলা শব্দে মূলত স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি উভয়ই হতে পারে, কিন্তু নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক প্রক্রিয়ায় এটি ব্যঞ্জনসন্ধির অন্তর্ভুক্ত। D) বিসর্গ সন্ধি — বিসর্গ এর সাথে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে বিসর্গ সন্ধি বলে, কিন্তু এখানে কোনো বিসর্গ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: শব্দটির মাঝে যদি দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ কাছাকাছি মিলিত হয়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যঞ্জনসন্ধি দাগাবে। সন্ধি বিচ্ছেদের সময় হসন্ত বা নিচে টান দেখার অভ্যাস করলে ব্যঞ্জনসন্ধি চেনা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন শব্দ দিয়ে সন্ধির প্রকারভেদ জানতে চাওয়া হয়। ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো শব্দের সঠিক গঠন নির্ণয় করা সহজ হয়।
a তৎসম
b অর্ধতৎসম
c তদ্ভব
d বিদেশী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অর্ধতৎসম ১. কেন সঠিক: - অর্ধতৎসম শব্দটি সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত বা অপভ্রংশের মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে। - গিন্নি শব্দটি এসেছে সংস্কৃত গৃহিণী শব্দ থেকে, যা প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে অর্ধতৎসম রূপে বাংলায় প্রচলিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অর্ধতৎসম শব্দের সংজ্ঞা: যে সমস্ত সংস্কৃত শব্দ প্রাকৃত বা অন্য কোনো ভাষার মাধ্যমে কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, সেগুলোকে অর্ধতৎসম বা ভগ্নতৎসম শব্দ বলে। - এ ধরনের শব্দে মূল সংস্কৃত শব্দের উচ্চারণ ও রূপের আংশিক পরিবর্তন ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত জ্যোৎস্না শব্দের অর্ধতৎসম রূপ। উদাহরণ ২: বৌদি ব্যাখ্যা: এটি সংস্কৃত বধূদিদি শব্দের আংশিক পরিবর্তিত অর্ধতৎসম রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তৎসম — তৎসম শব্দ সরাসরি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে, যেমন গৃহিণী, কিন্তু গিন্নি পরিবর্তিত রূপ। B) অর্ধতৎসম — এই অপশনটি সঠিক কারণ গিন্নি একটি অর্ধতৎসম শব্দ। C) তদ্ভব — তদ্ভব শব্দ প্রাকৃতের মাধ্যমে পুরোপুরি পরিবর্তিত হয়ে আসে, যা অর্ধতৎসমের চেয়ে বেশি পরিবর্তিত। D) বিদেশী — গিন্নি কোনো বিদেশী ভাষা থেকে সরাসরি আসেনি, এটি সংস্কৃত উৎসের পরিবর্তিত রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: - গৃহিণী থেকে গিন্নি, কুৎসিত থেকে কুচ্ছিত - এ ধরনের কথ্য ও পরিবর্তিত রূপগুলো সাধারণত অর্ধতৎসম হয়। - প্রমিত বাংলায় এই শব্দগুলো কিছুটা অপভ্রংশ রূপ হিসেবে পরিচিত। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্ধতৎসম শব্দের উদাহরণ হিসেবে গিন্নি, বৌ, নচ্ছার, শ্রাদ্ধ ইত্যাদি প্রায়ই আসে। - মূল সংস্কৃত শব্দের সঙ্গে তুলনা করে অর্ধতৎসম শব্দ সহজে চেনা যায়।
a এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন
b এক বলতে যে সময় লাগে
c এক বলার দ্বিগুণ সময়
d দুই সেকেন্ড
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ব্যবহৃত যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নগুলোর মধ্যে দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যে দাঁড়ি ব্যবহার করলে থামার বা বিরতির সময়কাল হলো এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন। - প্রশ্নটিতে যতিচিহ্নের বিরতিকাল সম্পর্কিত নির্দিষ্ট নিয়ম জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক পরিমাপ হলো এক সেকেন্ড থামার সময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য এবং বক্তার ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে বাক্যকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করতে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের সাহায্য নেওয়া হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন। - যতিচিহ্নের বিরতিকালের মধ্যে কমা বা পাদচ্ছেদ এ থামতে হয় এক বলতে যে সময় লাগে, এবং পূর্ণচ্ছেদ বা দাঁড়িতে থামতে হয় এক সেকেন্ড। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুসময় এবং দুর্সময় মানুষের জীবনের দুটি অবশ্যম্ভাবী দিক। ব্যাখ্যা: এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য এবং এর শেষে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ এখানে এক সেকেন্ড থামতে হবে। উদাহরণ ২: পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি। ব্যাখ্যা: এই বাক্যটির সমাপ্তিতে দাঁড়ি ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের অর্থ পূর্ণ করে এবং এখানে এক সেকেন্ড বিরতি নিতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক সেকেন্ড বিপরীত প্রয়োজন — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রমিত ব্যাকরণ অনুযায়ী দাঁড়িতে থামার নির্দিষ্ট সময় এটি। B) এক বলতে যে সময় লাগে — এটি ভুল কারণ এক বলতে যে সময় লাগে তা হলো কমা (,) চিহ্নের বিরতিকাল। C) এক বলার দ্বিগুণ সময় — এটি ভুল কারণ সেমিকোলন (;) চিহ্নের ক্ষেত্রে এক বলার দ্বিগুণ সময় বা এক সেকেন্ডের বেশি থামতে হয়। D) দুই সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ বাংলা যতিচিহ্নের নিয়মে দাঁড়ির জন্য দুই সেকেন্ড থামার কোনো বিধান নেই, দাঁড়ির বিরতিকাল হলো এক সেকেন্ড। ৫. মনে রাখার টিপস: - কমা মানে অল্প বিরতি (এক বলতে যে সময়), আর দাঁড়ি মানে পূর্ণ বিরতি (এক সেকেন্ড)। - যতিচিহ্নের বিরতিকাল মনে রাখার জন্য কমা এক সেকেন্ডের কম এবং দাঁড়ি ঠিক এক সেকেন্ড হিসেবে হিসাব করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের বিরতিকাল থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে কমা ও দাঁড়ির পার্থক্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। - যতিচিহ্নের অপর নাম ছেদচিহ্ন বা বিশ্রামচিহ্ন, যা বাক্যের অর্থ অনুধাবনে সাহায্য করে।
a কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি
b অধিকরণ কারকের শূণ্য
c অপাদান কারকের শূণ্য
d করণ কারকের শূণ্য
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অপাদান কারকের শূণ্য কেন সঠিক: গাড়ি স্টেশন থেকে চিরতরে বা স্থানচ্যুত হয়ে দূরে চলে যাচ্ছে। স্টেশন শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, ভীত বা বিরত হয় তাকে অপাদান কারক বলে। শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি দৃশ্যমান না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। যেমন, গাছে আম পাকে না বা পাতা খসে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি — কারণ এখানে কর্ম বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়নি, বরং স্থানচ্যুতির ধারণা স্পষ্ট। B) অধিকরণ কারকের শূণ্য — কারণ এটি কোনো কাজের সময় বা আধার বা স্থান বোঝাচ্ছে না, স্থান থেকে দূরে সরে যাওয়া বোঝাচ্ছে। D) করণ কারকের শূণ্য — কারণ এখানে কোনো যন্ত্র, মাধ্যম বা উপায়ের দ্বারা কাজ সম্পন্ন হওয়ার কোনো অর্থ প্রকাশ পায়নি। মনে রাখার টিপস: কোথা থেকে বা কী থেকে ছাড়ল বা দূরে গেল এমন বোঝালে অপাদান কারক হয়। শব্দের শেষে কোনো চিহ্ন বা বিভক্তি না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করতে হবে।
a অর্জন
b বর্জন
c শুষ্ক
d তীব্র
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শুষ্ক ১. কেন সঠিক: - 'সিক্ত' শব্দের আক্ষরিক অর্থ ভেজা বা আর্দ্র, যার সরাসরি বিপরীত বাার্থকতা প্রকাশ করে 'শুষ্ক' শব্দটি। - কোনো বস্তু বা স্থান জল বা তরল পদার্থ দ্বারা পূর্ণ না থাকলে তাকে ব্যাকরণগত ও প্রমিত অর্থে শুষ্ক বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং ভাবের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করতে হয়। - বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে বিপরীত শব্দটিও সাধারণত সমজাতীয় পদ হয়ে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিক্ত মাটি ব্যাখ্যা: বৃষ্টির পর মাটি সিক্ত বা ভেজা অবস্থায় থাকে। উদাহরণ ২: শুষ্ক আবহাওয়া ব্যাখ্যা: শীতকালে বা বর্ষা ছাড়া সময়ে আবহাওয়া শুষ্ক বা খটখটে থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্জন — অর্জন শব্দের অর্থ লাভ করা বা প্রাপ্তি, যা সিক্ত শব্দের বিপরীত নয়। B) বর্জন — বর্জন শব্দের অর্থ ত্যাগ করা বা বর্জন করা, যার বিপরীত শব্দ গ্রহণ। D) তীব্র — তীব্র শব্দের অর্থ প্রচণ্ড বা প্রখর, যার বিপরীত শব্দ মৃদু বা হালকা। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভেজা জিনিস যেমন সিক্ত হয়, তেমনি জলহীন বা শুকনা জিনিসকে শুষ্ক বলে মনে রাখবে। - বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সহজ বিপরীত শব্দ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। - বিশেষ্য ও বিশেষণের বিপরীত রূপ মিল রেখেই উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
a চলিত ভাষারীতিতে
b সাধু ভাষারীতিতে
c সমাজ উপভাষায়
d আঞ্চলিক উপভাষায়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধু ভাষারীতিতে কেন সঠিক: ১. সাধু ভাষারীতিতে ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ ও পূর্ণাঙ্গ হয়ে থাকে, যেমন করিতাম বা যাইব। ২. সর্বনাম ও অনুসর্গের ক্ষেত্রেও কোনো রূপ সংকোচন করা হয় না, যা এই ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধু রীতি সর্বদাই ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও তৎসম শব্দ অনুসরণ করে চলে। ২. প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় সাহিত্যের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এই রীতিতে শব্দের পূর্ণরূপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ৩. উদাহরণস্বরূপ, চলিত রীতির বলত শব্দটির সাধু রূপ হইল বলিত এবং আমার শব্দটির পূর্ণ রূপ আমারই থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চলিত ভাষারীতিতে — এই রীতিতে ক্রিয়াকান্ড ও সর্বনামের সংক্ষিপ্ত বা পরিবর্তিত রূপ ব্যবহৃত হয়, যেমন করিতেছে এর বদলে করছে। B) সাধু ভাষারীতিতে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, কারণ এই অপশনটি প্রশ্ন অনুযায়ী শতভাগ নির্ভুল ও প্রমাণিত। C) সমাজ উপভাষায় — সমাজের বিশেষ শ্রেণীর মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় এখানে ব্যাকরণের পূর্ণাঙ্গ ও মান্য রূপের কড়াকড়ি থাকে না। D) আঞ্চলিক উপভাষায় — অঞ্চলভেদে মানুষের কথ্য ভাষা পরিবর্তিত হয় এবং সেখানে শব্দের পূর্ণরূপের পরিবর্তে বিকৃত বা সহজ রূপ আসে। মনে রাখার টিপস: সাধু মানেই সব রূপ পূর্ণ ও সাধাসিধে থাকবে, যেখানে কোনো কাটছাঁট বা সংক্ষিপ্তকরণ করা হয় না।
a দাঁত
b তালু
c কান
d নাক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কান ১. কেন সঠিক: - বাগযন্ত্র হলো মানবদেহের সেই সমস্ত অঙ্গ যা কথা বলতে বা ধ্বনি তৈরি করতে সাহায্য করে। - কান আমাদের শ্রবণেন্দ্রিয় বা শোনার অঙ্গ, তাই এটি ধ্বনি উৎপাদনে কোনো ভূমিকা পালন করে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগযন্ত্রের মূল অংশগুলো হলো মুখবিবর, কণ্ঠনালী, জিহ্বা, তালু, দাঁত, মাড়ি, ওষ্ঠ বা ঠোঁট এবং নাক। - ফুসফুস থেকে বেরিয়ে আসা বাতাস এসব অঙ্গের সাহায্যে বিভিন্ন রূপ নিয়ে ধ্বনি তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জিহ্বা ব্যাখ্যা: জিহ্বা বাগযন্ত্রের সবচেয়ে সক্রিয় অঙ্গ যা মুখের ভেতরে নড়ে বিভিন্ন স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: ওষ্ঠ বা ঠোঁট ব্যাখ্যা: ওষ্ঠ বা ঠোঁট বাগযন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ বহিরাগত অঙ্গ যা প, ফ, ব, ভ, ম ইত্যাদি ধ্বনি উচ্চারণে সরাসরি অংশ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দাঁত — এটি বাগযন্ত্রের একটি অন্যতম প্রধান কাঠামোগত অংশ যা উচ্চারণকালে জিহ্বার সাহায্যে দন্ত্য ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে। B) তালু — এটি মুখবিবরের উপরের ছাদ এবং তালুর বিভিন্ন অংশ যেমন শক্ত তালু ও নরম তালু ধ্বনি উৎপাদনে সরাসরি ভূমিকা রাখে। C) কান — এটি শব্দ শোনার কাজ করে এবং ধ্বনি উৎপাদনের সঙ্গে এর কোনো শারীরিক বা জৈবিক সংযোগ নেই। D) নাক — এটি নাসাছিদ্রের মাধ্যমে নাসিক্য ধ্বনি বা অনুনাসিক ধ্বনি উচ্চারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কথা বলার সময় যে অঙ্গগুলো মুখ বা নাকের ভেতর নড়াচড়া করে সেগুলো বাগযন্ত্র এবং কান বাইরে থাকে বলে এটি বাগযন্ত্র নয়। - মুখবিবরের ভেer এবং এর আশপাশের যে অঙ্গগুলো বাতাসকে বাধা দিয়ে ধ্বনি বানায় কেবল সেগুলোই বাগযন্ত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাগযন্ত্রের নাম থেকে প্রশ্ন আসে। - মনে রাখবে ফুসফুস হলো বাগযন্ত্রের উৎস এবং কান হলো শ্রবণেন্দ্রিয়।
a সন্ধি
b সমাস
c কারক
d প্রত্যয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্ধি কেন সঠিক: - ধ্বনিতত্ত্ব অংশে মূলত ধ্বনির উচ্চারণ, পরিবর্তন এবং মিলন নিয়ে আলোচনা করা হয়। - পাশাপাশি ধ্বনির পারস্পরিক প্রভাব ও দুটি ধ্বনির মিলন বা সন্ধি এই অংশের অন্তর্ভুক্ত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি যার মধ্যে ধ্বনিতত্ত্ব অন্যতম। - ধ্বনিতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়গুলো হলো বর্ণ, ধ্বনির পরিবর্তন, নত্ব ও ষত্ব বিধান এবং সন্ধি। - যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়, এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সন্ধি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। - B) সমাস — সমাস বাংলা ব্যাকরণের অর্থমতত্ত্ব বা বাক্যতত্ত্ব তথা রূপতত্ত্ব অংশের আলোচ্য বিষয়। - C) কারক — কারক শব্দার্থ ও বাক্যতত্ত্ব বা পদপ্রকরণ অংশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আলোচ্য বিষয়। - D) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দগঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিষয় যা রূপতত্ত্ব বা পদপ্রকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। মনে রাখার টিপস: - ধ্বনির মিলন মানেই সন্ধি এবং তা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
a সন্ধি ও সমাস
b সন্ধি ও কারক
c সমাস ও পদ
d প্রত্যয় ও পুরুষ
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সন্ধি ও সমাস কেন সঠিক: - সন্ধি পরস্পর দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে নতুন শব্দ গঠনে সাহায্য করে। - সমাস একাধিক পদকে একত্রিত করে একটি নতুন অর্থপূর্ণ পদ বা শব্দ তৈরি করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে শব্দ গঠনের প্রধান কয়েকটি উপায়ের মধ্যে সন্ধি ও সমাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - নতুন শব্দ তৈরি বা পদের সংকোচন করার ক্ষেত্রে এই দুটি প্রক্রিয়া সরাসরি কাজ করে। - যেমন: হিম + আলয় = হিমালয় (সন্ধি) এবং সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন (সমাস)। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। - B) কারক নতুন শব্দ গঠন করে না, এটি বাক্যের পদের সাথে ক্রিয়ার সম্পর্ক বোঝায়। - C) পদ নতুন শব্দ গঠন করে না, এটি বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দকে নির্দেশ করে। - D) পুরুষ নতুন শব্দ গঠন করে না, এটি ক্রিয়ার রূপ বা সর্বনামের প্রকারভেদ নির্ধারণ করে। মনে রাখার টিপস: - শব্দ তৈরি করতে হলে জোড়া লাগাতে হয়, আর এই জোড়া লাগানোর কাজ করে সন্ধি ও সমাস।
a √পাঠ + অক
b √পঠ + অক
c √পা + ঠক
d √পাঠ + টক
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √পঠ + অক কেন সঠিক: - ‘পাঠক’ শব্দের মূল ধাতু হলো পঠ এবং এর সাথে অক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - পঠ ধাতুর সাথে অক প্রত্যয় যুক্ত করলে পাঠক শব্দটি গঠিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধাতু হলো ক্রিয়ামূল এবং তার সাথে প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ গঠন করা হয়। - পঠ ধাতুর স্বরবর্ণের পরিবর্তন বা গুণ হয়ে পা + ঠ হয় এবং অক প্রত্যয় যোগে পাঠক সাধিত হয়। - যেমন: √পঠ + অক = পাঠক, ঠিক একইভাবে √চড় + অক = চালক হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) √পাঠ + অক — এখানে পাঠ কোনো মূল ধাতু নয়, তাই এটি ভুল। - C) √পা + ঠক — এখানে ঠক কোনো সঠিক প্রত্যয় নয়, তাই এটি ভুল। - D) √পাঠ + টক — এখানে পাঠ ধাতু এবং টক প্রত্যয় দুটিই ব্যাকরণগতভাবে অসঠিক। মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়ামূল বা ধাতුවটি চেনার সময় দেখতে হবে কোনটি আসল কাজের অংশ, যেমন পঠ থেকে পাঠক মনে রাখা সহজ।
a শিরোচ্ছেদ
b শিরশ্চেদ
c শিরশ্ছেদ
d শীরোচ্ছেদ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শিরশ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর চ বা ছ থাকলে বিসর্গ স্থানে তালব্য শ হয়। - শিরো শব্দের সাথে ছেদ শব্দ যুক্ত হওয়ার সময় এই বিশেষ পরিবর্তনটি সাধিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুসারে বিসর্গ (ঃ) এর পরে চ, ছ, ট, ঠ, ত বা থ থাকলে বিসর্গ স্থানে যথাক্রমে তালব্য শ, মূর্ধন্য শ বা দন্ত্য শ হয়। - এখানে বিসর্গের পরে ছ থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে তালব্য শ (শ) হয়েছে এবং এর সাথে ছ যুক্ত হয়ে চ্ছেদ রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ + চরি = অহশ্চরি ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে চ থাকায় বিসর্গ স্থানে শ হয়েছে। উদাহরণ ২: নিঃ + চয় = নিশ্চয় ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে চ থাকায় বিসর্গ স্থানে শ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিরোচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে এখানে ও-কার ব্যবহার করা হয়েছে। B) শিরশ্চেদ — এটি ভুল কারণ এখানে চ্ছেদ শব্দের যুক্তবর্ণে ছ বর্ণটি অনুপস্থিত রয়েছে। D) শীরোচ্ছেদ — এটি ভুল কারণ শির শব্দের শী দীর্ঘ ঈ কার দিয়ে লেখা হয়েছে যা অশুদ্ধ। ৫ মনে রাখার টিপস: - শির শব্দটির সাথে যখন ছেদ যুক্ত হয়, তখন মাঝখানে সবসময় যুক্তবর্ণ হিসেবে শ ও ছ (শ্চে) বসে। - বিসর্গের সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাও কখনো ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - একই নিয়মে গঠিত শব্দগুলো চর্চা করলে বানান ও সন্ধি উভয় ক্ষেত্রেই ভালো করা সম্ভব।
a অননুমেয়
b অনাবশ্যক
c অননুমোদিত
d মতানৈক্য
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অননুমোদিত ১. কেন সঠিক: - বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের জন্য শব্দের শুরুতে 'অ' বা 'অন' উপসর্গ যুক্ত করে না-বাচক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা হয়। - 'অনুমোদিত' শব্দের মূল অর্থ যা অনুমতিপ্রাপ্ত বা মঞ্জুরকৃত, তার বিপরীত বোঝাতে 'অননুমোদিত' শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ অনুমতিহীন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ বা নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়মে শব্দের পূর্বে 'অ' বা 'অন' যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ গঠন করা হয়। - স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের ক্ষেত্রে 'অন' এবং ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে শুরু হওয়া শব্দের ক্ষেত্রে 'অ' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উপস্থিত শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ অনুপস্থিত। ব্যাখ্যা: এখানে 'উপস্থিত' শব্দের পূর্বে 'অন' উপসর্গ যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: আদৃত শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ অনাদৃত। ব্যাখ্যা: মূল শব্দের শুরুতে 'অন' উপসর্গ যুক্ত করে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনের এটি একটি আদর্শ উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অননুমেয় — এই শব্দটির অর্থ যা অনুমান করা যায় না এবং এটি অনুমেয় শব্দের বিপরীতার্থক। B) অনাবশ্যক — এই শব্দটির অর্থ যা আবশ্যিক বা প্রয়োজনীয় নয়, যা ভিন্ন একটি অর্থের নির্দেশক। C) অননুমোদিত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) মতানৈক্য — এই শব্দটির অর্থ মতের অমিল বা বিরোধ, যা অনুমোদিত শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিপরীত শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের সামনের অংশ লক্ষ্য করতে হবে। - 'অনু' দিয়ে শুরু শব্দে 'অন' যোগ করে বিপরীত শব্দ করলে তা সহজেই মিলে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গ যোগ করে বিপরীত শব্দ গঠনের অনেক প্রশ্ন আসে। - মূল শব্দের বানান ও উপসর্গ যুক্ত করার নিয়ম ভালো করে জানলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a প্রবাদ
b বাগধারা
c সমস্তপদ
d ব্যাসবাক্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগধারা ১. কেন সঠিক: - 'একাদশে বৃহস্পতি' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। - এই বাগধারাটির বিশেষ অর্থ হলো সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আক্কেল সেলামি ব্যাখ্যা: এর অর্থ নির্বুদ্ধিতার শাস্তি। উদাহরণ ২: উলুবনে মুক্ত ছড়ানো ব্যাখ্যা: এর অর্থ অপাত্রে মূল্যবান বস্তু দান করা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবাদ — প্রবাদ হলো জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার নির্যাসযুক্ত পূর্ণ বাক্য, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বাগধারা — এটি সঠিক উত্তর। C) সমস্তপদ — সমাসবদ্ধ পদকে সমস্তপদ বলে, যা শব্দের গঠনগত রূপ বোঝায় কিন্তু অর্থের দিক থেকে এটি বাগধারা। D) ব্যাসবাক্য — সমাস বোঝানোর জন্য যে বাক্য ব্যবহার করা হয় তাকে ব্যাসবাক্য বলে, যা বাগধারার সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - বৃহস্পতি গ্রহের অবস্থান ভালো হলে যেমন মানুষের ভাগ্য ভালো হয়, তেমনি 'একাদশে বৃহস্পতি' দেখলে সৌভাগ্য বা সুসময় মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অর্থপূর্ণ বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ রাখার পাশাপাশি এর প্রয়োগ জানা জরুরি।
a সর্বজনীন
b সার্বজনীন
c বিশ্বজনীন
d সর্বহিতকর
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সর্বজনীন ১. কেন সঠিক: - সর্বজনের হিতকর বা সকলের জন্য কল্যাণকর অর্থে এককথায় প্রকাশ করলে সর্বজনীন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সর্বজন শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠন করে যা সবার উপযোগী বোঝায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বড় বাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। - এই প্রশ্নটি মূলত শব্দ গঠন এবং প্রত্যয় সাধিত শব্দের প্রয়োগ সম্পর্কিত ব্যাকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সবার জন্য প্রযোজ্য ব্যাখ্যা: একে এককথায় সর্বজনীন বলা হয় কারণ এটি সকলের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য। উদাহরণ ২: সকলের প্রিয় ব্যাখ্যা: এই ভাবটিকে এককথায় সর্বজনপ্রিয় বলা যায় যা সর্বজনীন শব্দের সমগোত্রীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সর্বজনের হিতকর অর্থটি নির্ভুলভাবে প্রকাশ করে। B) সার্বজনীন — এটি বহুল প্রচলিত হলেও বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সর্বজন থেকে আগত শব্দে সর্বজনীন লেখা সঠিক। C) বিশ্বজনীন — এর অর্থ সমগ্র বিশ্বব্যাপী বা সারা পৃথিবী জুড়ে যা সর্বজনের হিতকর শব্দের সমার্থক নয়। D) সর্বহিতকর — শব্দটি অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি হলেও সর্বজনের হিতকর অর্থে প্রমিত এককথায় প্রকাশ সর্বজনীন নির্ধারিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - সর্বজনের সঙ্গে হিতকর যুক্ত থাকলে সর্বজনীন শব্দটি উত্তর হিসেবে নির্বাচন করবে। - বানানের ক্ষেত্রে সর্বজনীন বানানটিতে দীর্ঘী কার ব্যবহার করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বজনীন এবং সর্বজনীন বানানের মধ্যে কোনটি সঠিক তা প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সর্বজনীন বানানটি পরীক্ষার্থীদের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
a সরোবর
b জলধর
c অম্বু
d সলিল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সরোবর ১. কেন সঠিক: - জলাশয় শব্দের অর্থ হলো যে স্থানে জল বা পানি জমে থাকে, যেমন পুকুর, দীঘি বা হ্রদ। - সরোবর শব্দের অর্থ বড় পুকুর বা হ্রদ, যা জলাশয়ের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। - বাংলা ভাষায় শব্দের অর্থের বৈচিত্র্য বোঝাতে প্রাকৃত, সংস্কৃত এবং দেশি-বিদেশি উৎস থেকে নানা সমার্থক শব্দ এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী শব্দের সমার্থক হলো তটিনী ও স্রোতস্বিনী। ব্যাখ্যা: নদী যেমন জলের ধারা বহন করে, তেমনি তটিনী ও স্রোতস্বিনীও একই অর্থ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: সমুদ্র শব্দের সমার্থক হলো পারাবার ও রত্নাকর। ব্যাখ্যা: সমুদ্রের বিশালতা বোঝাতে এই সমার্থক শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বড় জলাশয় বা হ্রদ। B) জলধর — এই শব্দটির অর্থ মেঘ, যা জল ধারণ করে কিন্তু জলাশয় বোঝায় না। C) অম্বু — এই শব্দটির অর্থ পানি বা জল, যা জলাশয় বা আধার বোঝায় না। D) সলিল — এই শব্দটির অর্থও পানি বা জল, যা সরাসরি জলাশয়কে নির্দেশ করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - সরো অর্থ হ্রদ এবং বর অর্থ শ্রেষ্ঠ, অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ হ্রদ বা জলাশয় হলো সরোবর। - জল সংক্রান্ত শব্দগুলোর সাথে আধারবাচক শব্দ যোগ করে সমার্থক শব্দ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জল, নদী, সমুদ্র ও আকাশ সম্পর্কিত সমার্থক শব্দগুলো খুব বেশি আসে। - মূল শব্দের সাথে উৎসের মিল খুঁজে বের করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a অন্তরীক্ষ
b বিভু
c প্রভাকর
d সুধাকর
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্তরীক্ষ ১. কেন সঠিক: - অন্তরীক্ষ শব্দটির অর্থ আকাশ, গগন বা মহাশূন্য। - এটি সরাসরি আকাশের একটি প্রমিত ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান ও উচ্চারণের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎসের শব্দ মিলে বহু সমার্থক শব্দ তৈরি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গগন ব্যাখ্যা: গগন শব্দটি আকাশের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: অম্বর ব্যাখ্যা: অম্বর শব্দের অর্থও আকাশ বা বস্ত্র, যা কবিতায় প্রায়ই আকাশ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্তরীক্ষ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) বিভু — বিভু শব্দের অর্থ ঈশ্বর, পরমাত্মা বা সর্বব্যাপী সত্তা, যা আকাশ নয়। C) প্রভাকর — প্রভাকর শব্দের অর্থ সূর্য, কারণ এটি আলো বা প্রভা ছড়ায়। D) সুধাকর — সুধাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ এটি সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে বলে কল্পনা করা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আকাশ শব্দের শেষে যুক্তাক্ষরযুক্ত শব্দ যেমন অন্তরীক্ষ ও অভ্র থাকলে তা সমার্থক হিসেবে সহজে চেনা যায়। - চাঁদ ও সূর্যের সমার্থক শব্দগুলোর সঙ্গে আকাশের শব্দগুলো গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাকৃতিক উপাদান যেমন আকাশ, চাঁদ, সূর্য ও নদীর সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের উৎস এবং সংস্কৃত রূপ চেনার মাধ্যমে এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a বিশেষভাবে সংশোধন
b বিশেষভাবে পরিমার্জন
c বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
d বিশেষভাবে সংশ্লেষণ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ ১. কেন সঠিক: - ব্যুৎপত্তিগত বা গঠণগত দিক থেকে ব্যাকরণ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে বি যোগ আ যোগ কৃ যোগ অন পাওয়া যায়। - এর অর্থ হলো ভাষার বিভিন্ন উপাদানের বিশদ বা পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যাকরণ শব্দের অর্থ বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। - এটি ভাষার অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও গঠনপ্রকৃতি ব্যাখ্যা করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি থেকে বাক্য গঠন পর্যন্ত সবকিছু ব্যাকরণে বিশ্লেষণ করা হয়। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণের কাজ হলো ভাষার প্রতিটি অংশের বিশ্লেষণ করে তার নিয়ম নির্ধারণ করা। উদাহরণ ২: বাংলা ব্যাকরণে পদের গঠন ও কারক নির্ণয় করতে শব্দের বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। ব্যাখ্যা: বিশ্লেষণের মাধ্যমেই ভাষার সঠিক রূপ ও প্রয়োগ বোঝা সম্ভব। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষভাবে সংশোধন — ব্যাকরণের কাজ শুধু সংশোধন করা নয়, বরং ভাষার বিশ্লেষণ করা। B) বিশেষভাবে পরিমার্জন — পরিমার্জন ব্যাকরণের আভিধানিক বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নয়। D) বিশেষভাবে সংশ্লেষণ — ব্যাকরণ শব্দকে বিশ্লেষণ করলে সংশ্লেষণ অর্থ আসে না, এটি বিশ্লেষণের বিপরীত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাকরণ শব্দের ভেতরেই বিশ্লেষণ কথাটি লুকিয়ে আছে, তাই বিশ্লেষণ অপশনটি বেছে নিতে হবে। - ব্যাকরণ মানেই ভাষার ব্যবচ্ছেদ বা বিশ্লেষণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ প্রায়ই আসে। - ব্যাকরণের সংজ্ঞা ও মূল কাজ সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
a গ্রামবার্তা
b বঙ্গদর্শন
c মাসিক পত্রিকা
d সংবাদ প্রভাকর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বঙ্গদর্শন ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান দিকপাল। - ১৮৭২ সালে তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গদর্শন পত্রিকা প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখে, যার বিখ্যাত ঘোষণা ছিল বাষ্পীয় রথের চক্রে পেষিয়া যাইও না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কৃষ্ণকান্তের উইল ব্যাখ্যা: এটিও বঙ্কিমচন্দ্রের একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রকাশিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রামবার্তা — এই পত্রিকাটি কাঙ্গাল হরিনাথু মজুমদারের সম্পাদনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হতো। B) বঙ্গদর্শন — বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত পত্রিকা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) মাসিক পত্রিকা — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ও টেকচাঁদ ঠাকুর পরিচালিত নারী শিক্ষার প্রসারে প্রকাশিত একটি পত্রিকা। D) সংবাদ প্রভাকর — এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম সফল বাংলা দৈনিক পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিম মানেই বঙ্গদর্শন এবং বঙ্গদর্শন মানেই বঙ্কিমচন্দ্র এটি মনে রাখলে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। - সাহিত্য সম্রাট উপাধিতে ভূষিত বঙ্কিমচন্দ্রের পত্রিকা ছিল বঙ্গদর্শন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রকাশকাল ১৮৭২ সাল যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক রচনা এই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
a ছোটগল্প
b নাটক
c কাব্য
d উপন্যাস
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাব্য ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্য দীর্ঘ পরিক্রমার মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়েছে এবং এর সূচনা ঘটেছিল পদ্য বা কাব্য রচনার মাধ্যমে। প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্দেশক নিদর্শন চর্যাপদ এক ধরনের গীতিসংকলন বা কাব্য, যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম শাখা হিসেবে সর্বস্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের পদ বা গান সংকলন, যা পদ্য ছন্দে রচিত। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা রচিত পদসমূহ। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচনা করেছিলেন এবং তাঁর পদগুলো কাব্যিক ও তাত্ত্বিক মানে সমৃদ্ধ। উদাহরণ ২: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের প্রাচীনতম কবি শতকাচার্য বা লুইপা। ব্যাখ্যা: লুইপার রচিত পদ বাংলা সাহিত্যের কাব্যধারার আদিতম নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — ছোটগল্প বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক শাখা, যা উনিশ শতকের শেষভাগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাধ্যমে মূলত পূর্ণতা লাভ করে। B) নাটক — নাটক বাংলা সাহিত্যের একটি আধুনিক যুগের সৃষ্টি, যার সূচনা ঘটেছিল উনিশ শতকে দুর্গাচরণ সান্যালের ভদ্রার্জুন নাটকের মাধ্যমে। C) কাব্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ কাব্যধর্মী ও পদ্যে রচিত। D) উপন্যাস — উপন্যাস হলো আধুনিক যুগের গদ্য সাহিত্যকর্ম, যা উনিশ শতকে প্যারীচাঁদ মিত্র ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে শুরু হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাচীন যুগ মানেই গান বা পদ্য, আর পদ্য মানেই কাব্য। তাই বাংলা সাহিত্যের আদি শাখা হিসেবে কাব্য বা পদ্যকে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন চর্যাপদ এবং এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়াদের গান বা কবিতা যা কাব্য শাখার অন্তর্গত। প্রাচীন যুগে কোনো গদ্য বা উপন্যাস রচিত হয়নি।

মোট প্রশ্ন (25)

a in teeth
b in teeth of
c in the teeth of
d by the teeth of
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) in the teeth of কেন সঠিক: এখানে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজ বা বাগধারা ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ হলো তীব্র বিরোধিতা বা বাধা সত্ত্বেও কিছু করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in teeth — এই অংশটিতে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আর্টিকেল এবং প্রিপজিশন সম্পূর্ণ নেই। B) in teeth of — এই গঠনটিতে প্রয়োজনীয় দ্য বা আর্টিকেলটি বাদ পড়েছে। C) in the teeth of — এটি একটি সঠিক ফ্রেজ এবং শূন্যস্থানে এটিই পুরোপুরি বসে। D) by the teeth of — এই ফ্রেজটির অর্থ সংকীর্ণভাবে বেঁচে যাওয়া, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: তীব্র বিরোধিতা বা বাধা বোঝাতে সর্বদা in the teeth of ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
a A child likes nothing but sweets.
b A child likes none but sweets.
c A child likes but sweets.
d A child likes not more sweets.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) A child likes nothing but sweets. কেন সঠিক: মূল বাক্যে শুধু বা শুধুমাত্র বোঝাতে 'only' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। তাই নেতিবাচক করার সময় 'only' তুলে দিয়ে বস্তুর ক্ষেত্রে 'nothing but' বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A child likes nothing but sweets. — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। B) A child likes none but sweets. — ব্যক্তি বোঝালে 'none but' বসে, কিন্তু মিষ্টি বস্তু হওয়ায় এখানে এটি ভুল। C) A child likes but sweets. — নেতিবাচক করতে শুধু 'but' বসালে অর্থের পূর্ণতা বা সঠিক ব্যাকরণ হয় না। D) A child likes not more sweets. — এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নেতিবাচক রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে কেবল বা মাত্র বোঝাতে 'only' এর পরিবর্তে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'none but' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'nothing but' বসাতে হয়।
a to ring
b ring
c ringing
d rung
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ring কেন সঠিক: বাক্যে 'had better' একটি মডাল ভার্বের মতো কাজ করে। এর পরে সবসময় মূল ভার্বের বেইজ ফর্ম বা প্রেজেন্ট ফর্ম বসে। তাই এখানে 'ring' শব্দটি সঠিক এবং গ্রামার অনুযায়ী এটিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য রূপ। অন্য কোনো রূপ এখানে ব্যবহার করা যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to ring — 'had better' এর পরে কখনো ইনফিনিটিভ অর্থাৎ 'to' যুক্ত ভার্ব বসে না। তাই এই অপশনটি ভুল। B) ring — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) ringing — 'had better' এর পরে ভার্বের সাথে 'ing' যুক্ত হয় না। তাই এই অপশনটি ভুল। D) rung — 'had better' এর পরে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসে না। তাই এই অপশনটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'had better' দেখলে চোখ বন্ধ করে মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
a I will type myself
b I would have typed myself
c I would type myself
d I might have typed myself
0 126 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I would type myself কেন সঠিক: এটি একটি Second Conditional বাক্য যা বর্তমানে অসম্ভব বা কাল্পনিক পরিস্থিতি বোঝায়। Conditional বাক্যের নিয়ম অনুযায়ী If clauses এ Past Indefinite Tense থাকলে পরবর্তী অংশে would + verb এর base form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I will type myself — Past Indefinite Tense এর সাথে future tense এর auxiliary verb will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I would have typed myself — এটি Third Conditional এর গঠন, যা past perfect tense এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। C) I would type myself — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) I might have typed myself — এটিও Third Conditional এর গঠন এবং বর্তমানের কাল্পনিক বাক্যের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: If এর সাথে Past Indefinite থাকলে উত্তর করার সময় সবসময় would + verb এর base form মনে রাখবে।
a walked
b walks
c is walking
d was walking
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was walking কেন সঠিক: বাক্যটির একটি অংশ Simple Past Tense এ (a snake bit him) থাকায় অন্য অংশটি Past Continuous Tense হবে। বাগানে হাঁটার কাজটি চলার মধ্যে আরেকটি ঘটনা ঘটার কারণে was walking সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) walked — এটি Simple Past Tense হওয়ায় একই সাথে ঘটে চলা চলমান কাজ বোঝাতে এটি ব্যবহার করা যায় না। B) walks — এটি Present Indefinite Tense হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে এর সময়ের মিল নেই। C) is walking — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় পুরো বাক্যটির অতীতকালের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: While এর পরে সাধারণত Past Continuous Tense বসে এবং পরের অংশটি Simple Past Tense হয়।
a rains
b has rained
c has been raining
d will be raining
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has been raining কেন সঠিক: বাক্যে since morning থাকায় এটি অতীত থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে এমন কাজ বোঝাচ্ছে। তাই এটি Present Continuous Tense না হয়ে Present Perfect Continuous Tense হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rains — এটি Present Indefinite Tense, যা নিয়মিত বা অভ্যাসুগত কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। B) has rained — এটি Present Perfect Tense, যা কেবল কাজ শেষ হয়ে গেছে এমন ফলাফল বোঝাতে বসে। C) has been raining — এটি সঠিক উত্তর, কারণ নির্দিষ্ট সময় ধরে কাজ চলমান বুঝাতে এই গঠন ব্যবহার করা হয়। D) will be raining — এটি Future Continuous Tense, যা ভবিষ্যতে কোনো কাজ চলতে থাকবে তা নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি চলমান বোঝালে সবসময় have been বা has been এর সাথে verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a acquaintance
b acquaintence
c acquantence
d acquintence
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) acquaintance কেন সঠিক: শব্দটির শুরুতে ac-quain-tance এই গঠনটি ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে 't' এর পরে 'a' এবং 'n' অক্ষর রয়েছে। এটি সঠিক ইংরেজি বানান নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) acquaintance — এই অপশনটি সঠিক বানান বহন করে এবং এর প্রতিটি অংশ নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। B) acquaintence — এখানে শেষাংশে -ence ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) acquantence — এখানে মাঝখানের 'i' অক্ষরটি বাদ পড়েছে। D) acquintence — এখানে সঠিক স্বরবর্ণের ব্যবহার না থাকায় বানানটি ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বানানটি মনে রাখার জন্য ac-quain এবং tance এই দুটি অংশে ভাগ করে মুখস্থ করতে পারো।
a imagination
b illusion
c diffusion
d allusion
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) illusion কেন সঠিক: এখানে ব্যক্তির মধ্যে অন্য কেউ মনে করার একটি মানসিক ভুল বা ভ্রান্ত ধারণার কথা বলা হয়েছে। illusion শব্দের অর্থ মায়া বা ভ্রান্ত ধারণা, যা এমন পরিস্থিতি বোঝাতে সবচেয়ে উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) imagination — এর অর্থ কল্পনাশক্তি, যা কোনো বাস্তব বা মানসিক রোগের ভ্রান্ত ধারণার ক্ষেত্রে বসে না। B) illusion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটিই সঠিক অপশন। C) diffusion — এর অর্থ বিস্তার বা ছড়িয়ে পড়া, যা এই বাক্যের অর্থের সাথে একেবারেই মেলে না। D) allusion — এর অর্থ কোনো কিছুর ইঙ্গিত বা পরোক্ষ উল্লেখ, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: মনের ভেতর কোনো ভুল বা অসত্য বিশ্বাস জন্মালে তাকে illusion বা ভ্রান্ত ধারণা বলা হয়।
a bellicose
b pugnacious
c peaceful
d silent
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) peaceful কেন সঠিক: belligerent শব্দের অর্থ যুদ্ধংদেহী, আক্রমণাত্মক বা ঝগড়াকটে। এর বিপরীতার্থক বা antonym শব্দ হলো peaceful যার অর্থ শান্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) bellicose — এর অর্থ যুদ্ধপ্রিয়, যা belligerent শব্দের সমার্থক বা synonym। B) pugnacious — এর অর্থ কলহপ্রবণ বা ঝগড়alu, যা belligerent শব্দের সমার্থক। C) peaceful — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) silent — এর অর্থ নীরব, যা belligerent শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক বা antonym নয়। মনে রাখার টিপস: Belligerent শব্দটিতে 'battle' বা যুদ্ধের ভাব আছে, তাই এর উল্টো হবে শান্ত বা peaceful।
a With
b for
c to
d at
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to কেন সঠিক: - কোনো দায়িত্ব বা যত্ন নেওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তির ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা বোঝালে entrust শব্দের পর to preposition বসে। - এখানে শিশুদের দায়িত্ব তাদের চাচার ওপর অর্পণ করার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক preposition হবে to। বাকি অপশন কেন ভুল: A) With — entrust-এর পর with বসে যখন কোনো বস্তুকে দায়িত্ব হিসেবে কাউকে দেওয়া হয়, যেমন entrust something with someone। B) for — উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে for বসে, যা এখানে উপযুক্ত নয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। C) to — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এখানে নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক ও প্রযোজ্য। D) at — নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা দিকে নির্দেশ করতে at বসে, যা এখানে অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: কোনো দায়িত্ব বা জিনিস ব্যক্তির দায়িত্বে সঁপে দেওয়া বোঝালে entrust-এর পরে to এবং বস্তুর ক্ষেত্রে with বসে।
a changing
b has changed
c changed
d has been changing
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) changed কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে এর পরের অংশে verb এর past indefinite tense হয়। তাই এখানে change verb টির পাস্ট ফর্ম changed হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) changing — এটি present participle বা gerund ফর্ম হওয়ায় grammatical নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। B) has changed — এটি present perfect tense হওয়ায় It is high time এর পরের অংশের নিয়মের সাথে মেলে না। C) changed — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি past indefinite tense নির্দেশ করে। D) has been changing — এটি present perfect continuous tense হওয়ায় এই বিশেষ গঠনের জন্য প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time বা It is time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর past form বসিয়ে দেবে।
a By who have the glass been broken?
b By whom has the glass been broken?
c By whom have the glass been broken?
d whom has the glass been broken?
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) By whom has the glass been broken? কেন সঠিক: প্রশ্নবোধक বাক্যটিতে who থাকলে প্যাসিভ করার সময় শুরুতে By whom বসে। The glass সাবজেক্টটি singular হওয়ায় এর পরে auxiliary verb হিসেবে has বসে এবং মূল ভারب-এর পাস্ট পার্টিসিপল বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By who have the glass been broken? — who-এর পরিবর্তে সঠিক objective form whom ব্যবহার করা হয়নি। B) By whom has the glass been broken? — এটি সঠিক উত্তর। C) By whom have the glass been broken? — singular সাবজেক্টের পরে have ভুল auxiliary verb ব্যবহার করা হয়েছে। D) whom has the glass been broken? — বাক্যের শুরুতে প্রয়োজনীয় preposition By বাদ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active বাক্যে who থাকলে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী singular বা plural auxiliary verb নির্বাচন করতে হয়।
a You are requested to enter the house by this gate.
b You should enter the house by this gate.
c Let the house be entered by this gate.
d Let the house be entered by you by this gate.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) You are requested to enter the house by this gate. কেন সঠিক: মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এটি দ্বারা কোনো আদেশ বা নির্দেশ বোঝায় না বরং একটি অনুরোধ বা প্রস্তাব বোঝায়। তাই নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের বাক্যকে Passive করার সময় You are requested to দিয়ে শুরু করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You are requested to enter the house by this gate — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে নিয়ম পুরোপুরি মেনে Passive করা হয়েছে। B) You should enter the house by this gate — এটি Modal Auxiliary ব্যবহার করে লেখা হয়েছে কিন্তু এটি সঠিক Passive Voice নয়। C) Let the house be entered by this gate — এই গঠনে বাক্যটিকে Passive করলে অর্থের দিক থেকে অনুরোধ বা আদেশের ভাবটি ঠিকমতো প্রকাশ পায় না। D) Let the house be entered by you by this gate — এখানে একই বাক্যে দুটি by preposition ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন। মনে রাখার টিপস: Imperative Sentence এ যদি আদেশ বা অনুরোধ বোঝায় তবে You are ordered বা You are requested দিয়ে Passive করতে হয়।
a from
b of
c on
d in
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) of কেন সঠিক: ইংরেজিতে 'acquitle' বা 'acquitted' শব্দের পরে সাধারণত 'of' প্রিপজিশন বসে। কোনো ব্যক্তি থেকে অপরাধের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হয়। এখানে 'charge' বা অভিযোগ শব্দটির সাথে 'of' প্রিপজিশনটি নির্ভুলভাবে মানানসই। অন্য কোনো প্রিপজিশন এই বাক্যের অর্থের সাথে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক মিল তৈরি করে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) from — 'Acquitted from' সাধারণত অপরাধমুক্তির ক্ষেত্রে ইংরেজিতে ব্যবহার করা হয় না। C) on — 'Acquitted on' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ভুল ও অসঙ্গতিপূর্ণ হয়ে যায়। D) in — 'Acquitted in' প্রিপজিশনটি এই নির্দিষ্ট কাঠামোর সাথে একেবারেই প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: আইনি ক্ষেত্রে বা অভিযোগ থেকে মুক্তির ক্ষেত্রে 'acquitted' শব্দের পরে সব সময় 'of' প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
a Two thirds of it is fine
b Two third of it is fine
c Two thirds of it are fine
d Two third is fine
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Two thirds of it is fine কেন সঠিক: - ভগ্নাংশ বা Percentage-এর ক্ষেত্রে 'of'-এর পরের noun বা pronoun-টি singular হলে verb-ও singular হয়। - এখানে 'it' হলো singular pronoun, তাই এর পরে singular verb 'is' ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Two thirds of it is fine — এটি সঠিক কারণ ভগ্নাংশ প্রকাশের নিয়মে এর গঠন নির্ভুল এবং verb singular হয়েছে। B) Two third of it is fine — ভগ্নাংশের লব একের বেশি হলে হর-এর সাথে s যোগ করতে হয়, তাই Two third ভুল। C) Two thirds of it are fine — 'it' একটি singular pronoun, তাই এর সাথে plural verb 'are' বসতে পারে না। D) Two third is fine — এখানে ভগ্নাংশের রূপ ভুল এবং 'of it' অংশটি অনুপস্থিত থাকায় বাক্যটি অসম্পূর্ণ। মনে রাখার টিপস: ভগ্নাংশ (Two thirds) এর পর of-এর পরের noun বা pronoun টি singular হলে verb singular এবং plural হলে verb plural হয়।
a apple like eye
b big eye
c apple coloured eye
d extremely favourite
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) extremely favourite কেন সঠিক: ‘Apple of one’s eye’ একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ চোখের আপেল হলেও ভাবার্থ হলো চোখের মণি বা অত্যন্ত প্রিয় কেউ। এটি মানুষের খুব প্রিয় এবং পছন্দের পাত্রকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন ডি নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apple like eye — এটি ইডিওমের ভাবার্থের সাথে মেলে না কারণ এটি আপেলের মতো চোখ বোঝায়। B) big eye — এর অর্থ বড় চোখ, যা এই বাগধারার সঠিক রূপক অর্থ প্রকাশ করে না। C) apple coloured eye — এটি আপেলের রঙের চোখ বোঝায় যা সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং কাল্পনিক। D) extremely favourite — এটি সঠিক কারণ এটি মূল ইডিওমের ভাবার্থের সাথে নিখুঁতভাবে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: চোখের মণি যেমন আমাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান, তেমনি কারোর কাছে প্রিয় কাউকে ‘Apple of one’s eye’ বলা হয়।
a invalid
b vaild
c lawful
d incorrect
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) invalid কেন সঠিক: ইংরেজিতে "Null and void" একটি পরিচিত বাগধারা বা ইডিয়ম। এর বাংলা অর্থ হলো বাতিল বা আইনগতভাবে অবৈধ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) invalid — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অবৈধ এবং এটি প্রদত্ত ইডিয়মের সমার্থক। B) vaild — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বৈধ, যা মূল বাক্যাংশের বিপরীত। C) lawful — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ আইনসম্মত বা বৈধ। D) incorrect — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ভুল, যা আইনগত বাতিলের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: "Null" শব্দের অর্থ বাতিল এবং "Void" শব্দের অর্থ অবৈধ, তাই দুটি একসাথে থাকলে তা নিশ্চিতভাবে বাতিল বা "invalid" বোঝায়।
a Spectrums
b Spectra
c Species
d Image
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Spectra কেন সঠিক: spectrum শব্দটির শেষে um আছে যা মূলত লাতিন ভাষা থেকে ইংরেজিতে এসেছে। লাতিন নিয়মে um বাদ দিয়ে a যোগ করে এর বহুবচন করতে হয়। তাই spectrum শব্দের সঠিক বহুবচন হলো spectra। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Spectrums — আধুনিক ইংরেজিতে এটি মাঝেমধ্যে ব্যবহার করা হলেও লাতিন ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ভুল। B) Spectra — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Species — এটি একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ যার অর্থ প্রজাতি এবং এর একবচন ও বহুবচন একই। D) Image — এটি spectrum শব্দের কোনো বহুবচন রূপ নয় বরং এটি একটি ভিন্ন শব্দ। মনে রাখার টিপস: লাতিন উৎস থেকে আসা um বা onEnding শব্দগুলোর বহুবচন সাধারণত a দিয়ে শেষ হয়।
a the
b a
c an
d no article
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: এখানে বাক্যে মানুষের ভেতরের হিংস্র সত্তা বা পশুটিককে দমন করার কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট করে বোঝাতে beast শব্দের আগে definite article দ্য বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নির্দিষ্ট করে পশুকে বোঝায়। B) a — এটি অনির্দিষ্ট singular countable noun এর আগে বসে কিন্তু এখানে নির্দিষ্ট পশুর কথা বলা হয়েছে। C) an — vowel sound এর আগে an বসে কিন্তু beast শব্দের শুরুতে consonant sound রয়েছে। D) no article — এখানে শূন্যস্থান রাখা যাবে না কারণ বিশেষ noun কে নির্দিষ্ট করতে article এর প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: noun এর নির্দিষ্টতা বোঝাতে the ব্যবহার করতে হয়।
a He lives here for five months.
b He is living here for five months.
c He has been living here for five months.
d He lived here for five months.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He has been living here for five months. কেন সঠিক: - বাক্যে সময়ের ব্যপ্তি বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়েছে এবং কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে। - নির্দিষ্ট সময় ধরে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়, তাই has been living সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He lives here for five months — Present Indefinite টেন্স দীর্ঘ সময় ধরে চলা চলমান কাজের ক্ষেত্রে সঠিক নয়। B) He is living here for five months — Present Continuous টেন্সের সাথে সময়ের উল্লেখ (for five months) থাকলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। C) He has been living here for five months — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়। D) He lived here for five months — Past Indefinite টেন্স অতীতকালের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়, যা বর্তমানের সাথে সম্পৃক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে since বা for এর সাথে সময়ের উল্লেখ থাকলে এবং কাজটি বর্তমানেও চললে Present Perfect Continuous Tense (have/has been + verb-ing) ব্যবহার করতে হয়।
a The
b A
c An
d No article
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) The কেন সঠিক: এখানে সততা একটি নির্দিষ্ট গুণ বোঝাচ্ছে কারণ কার সততা তা রাহিমের নামের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। নির্দিষ্ট করে বোঝাতে সাধারণত দি আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য নয়। B) A — এটি কেবল সাধারণ ও অনির্দিষ্ট একবচন কাউন্টেবল নাউনের আগে বসে। C) An — এটি ভাওয়েল ধ্বনি দিয়ে শুরু অনির্দিষ্ট একবচন শব্দের আগে বসে। D) No article — নির্দিষ্ট করে কোনো গুণ বোঝালে আর্টিকেল ছাড়া রাখা যায় না। মনে রাখার টিপস: কারো নির্দিষ্ট কোনো গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝালে তার আগে সর্বদা দি আর্টিকেল বসে।
a heartly
b heartily
c hearty
d heartable
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hearty কেন সঠিক: Heart শব্দটির সঠিক Adjective রূপ হলো hearty যার অর্থ আন্তরিক বা উৎসাহপূর্ণ। এটি বাক্যে Noun এর আগে বসে তার দোষ বা গুণ প্রকাশ করতে পারে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heartly — ইংরেজী ব্যাকরণে এই নামে কোনো সঠিক শব্দ বা Adjective নেই। B) heartily — এটি একটি Adverb যার অর্থ আন্তরিকভাবে এবং এটি verb কে modifies করে। C) hearty — এটি সঠিক Adjective রূপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। D) heartable — Heart শব্দের সাথে able যুক্ত করে এমন কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি হয় না। মনে রাখার টিপস: Noun এর সাথে y যুক্ত হয়ে অনেক সময় Adjective গঠিত হয় যেমন heart থেকে hearty।
a On
b with
c to
d by
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) with কেন সঠিক: - comply একটি intransitive verb যার পর সাধারণত with preposition বসে। - অনুরোধ, নিয়ম বা আদেশ মেনে চলা অর্থে comply-এর সঙ্গে সবসময় with যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) On — comply শব্দের সঙ্গে on preposition যুক্ত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না। B) with — এটি সঠিক উত্তর কারণ comply-এর সঙ্গে নিয়ম বা অনুরোধ মানতে with বসে। C) to — comply-এর সঙ্গে to preposition ব্যবহার করলে তা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। D) by — by সাধারণত মাধ্যম বোঝাতে বসে, comply-এর উপযুক্ত preposition নয়। মনে রাখার টিপস: কোনো অনুরোধ বা নিয়ম মেনে চলা বোঝালে comply-এর পরে সবসময় with বসবে।
a A
b An
c No article
d The
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) The কেন সঠিক: এখানে mother শব্দটি কমন নাউন হওয়া সত্ত্বেও Abstract গুণ প্রকাশ করেছে। তাই এর পূর্বে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে The বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — এটি সাধারণ কোনো অর্থ প্রকাশ না করায় এখানে বসে না। B) An — ভাওয়েল দিয়ে শুরু না হওয়ায় এবং সাধারণ অর্থ না থাকায় এটি ভুল। C) No article — গুণবাচক অর্থে রূপান্তর হওয়ায় এখানে আর্টিকেল ছাড়া বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে। D) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। মনে রাখার টিপস: noun যখন abstract বা ভাবের গুণ বোঝায়, তখন তার পূর্বে the বসে।
a endurance
b endurement
c endurence
d endurable
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) endurance কেন সঠিক: endure শব্দের সাথে ance প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক noun গঠিত হয়েছে যার অর্থ সহনশীলতা। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই প্রত্যয়টি verb থেকে noun তৈরি করতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A endurance — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ সহনশীলতা। B endurement — এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ ইংরেজি শব্দ ব্যাকরণে নেই। C endurence — বানানের শেষের অংশে nce এর পরিবর্তে nse ব্যবহার করায় এটি ভুল। D endurable — শব্দের শেষে able যুক্ত থাকায় এটি noun না হয়ে adjective হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক verb এর শেষে ance যোগ করে noun বানাতে হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a 9
b 7
c 28
d 72
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম রাশির মান নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত রাশিটি হলো log264 + log28 ধরি, প্রথম অংশ হলো log264 দ্বিতীয় অংশ হলো log28 অতএব, log264 এর মান বের করতে হবে কারণ দুই এর পাওয়ার ছয় হলো চৌষষ্টি অতএব, log28 এর মান বের করতে হবে কারণ দুই এর পাওয়ার তিন হলো আট সুতরাং, প্রথম অংশের মান হলো ছয় দ্বিতীয় অংশের মান হলো তিন উত্তর: ছয় + তিন = নয়
a sinθ
b cosθ
c tanθ
d cotθ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) cosθ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক রাশিটি হলো cotθ умножение √(1 − cos2θ) ধরি, প্রদত্ত রাশি = cotθ × √(1 − cos2θ) অতএব, ত্রিকোণমিতির সূত্র অনুযায়ী (1 − cos2θ) এর পরিবর্তে sin2θ লেখা যায় সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায় cotθ × √(sin2θ) উত্তর: cosθ
a 1
b -1
c 3x
d 0
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যা বা রাশির ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান নির্দিষ্ট হয় এখানে রাশিটি হলো তিন এক্স বন্ধনীর ভেতরে এবং তার ওপর ঘাত হলো শূন্য ধরি, যেকোনো অশূন্য বাস্তব সংখ্যা এ এর ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় এখানে তিন এক্স একটি রাশি যা শূন্যের সমান নয় অতএব, সূচকের মৌলিক সূত্র অনুযায়ী ব্র্যাকেটের ভেতরের সম্পূর্ণ অংশটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে ভিত্তির ওপর পাওয়ার বা সূচক শূন্য থাকার কারণে পুরো রাশিটির কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয় সুতরাং, নিয়মানুযায়ী ব্র্যাকেট তিন এক্স ব্র্যাকেট ক্লোজ টু দ্য পাওয়ার শূন্য এর ফলাফল এক নির্ধারিত হয় উত্তর: ১
a জটিল সংখ্যা
b মূলদ সংখ্যা
c অমূলদ সংখ্যা
d বাস্তব সংখ্যা
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অমূলদ সংখ্যা প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ৭ গুণ রুট ৩ ধরি, সংখ্যাটিকে ভগ্নাংশ আকারে প্রকাশ করা সম্ভব নয় কারণ রুট ৩ একটি অমূলদ সংখ্যা অতএব, একটি মূলদ সংখ্যা এবং একটি অমূলদ সংখ্যার গুণফল সর্বদা অমূলদ হয় এখানে ৭ একটি মূলদ সংখ্যা সুতরাং, ৭ গুণ রুট ৩ একটি অমূলদ সংখ্যা হিসেবে গণ্য হয় উত্তর: অমূলদ সংখ্যা
a ∞
b -∞
c 1
d -1
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ∞ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিকোণমিতিক অনুপাত হিসেবে ট্যান থিটা হলো সাইন থিটা এবং কস থিটার ভাগফল অর্থাৎ, tan 90° সমান sin 90° ভাগ cos 90° ধরি, sin 90° এর মান = ১ cos 90° এর মান = ০ অতএব, tan 90° সমান ১ ভাগ ০ সুতরাং, কোনো সংখ্যাকে শূন্য দ্বারা ভাগ করলে তার মান অসংজ্ঞায়িত হয় উত্তর: ∞
a 40
b 70
c 90
d 75
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ প্রদত্ত তথ্য: কোনো সংখ্যার ৪০% এর সাথে ৪২ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি হয়। ধরি, অজানা সংখ্যাটি ক অতএব, সংখ্যার ৪০% হলো (ক × ৪০) ÷ ১০০ সুতরাং, ক × ৪০ ÷ ১০০ + ৪২ = ক উত্তর: ৭০
a ৯ মিটার
b ১০ মিটার
c ১২ মিটার
d ১৩ মিটার
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯ মিটার প্রদত্ত তথ্য: মইয়ের দৈর্ঘ্য বা অতিভুজ = ১৮ মিটার ভূমির সাথে উন্নীত কোণ = ৩০° ধরি, দেয়ালের উচ্চতা বা লম্ব = h মিটার অতএব, আমরা জানি, sin কোণ = লম্ব ÷ অতিভুজ এখানে, sin ৩০° = h ÷ ১৮ সুতরাং, ১ ÷ ২ = h ÷ ১৮ উত্তর: h = ৯ মিটার
a ৬৪ মিটার
b ১২৮ মিটার
c ৯৬ মিটার
d ২২৮ মিটার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২৮ মিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ৪৮ মিটার দৈর্ঘ্য বিস্তারের তিন গুণ ধরি, আয়তকার ক্ষেত্রের বিস্তার = ক মিটার অতএব, দৈর্ঘ্য = ৩ × ক মিটার ৩ × ক = ৪৮ সুতরাং, ক = ৪৮ ÷ ৩ = ১৬ মিটার আয়তকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৪৮ মিটার এবং বিস্তার = ১৬ মিটার উত্তর: পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + বিস্তার) = ২ × (৪৮ + ১৬) = ২ × ৬৪ = ১২৮ মিটার
a 48
b 36
c 56
d 72
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ ত্রিভুজটির অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার ধরি, ত্রিভুজের সমান দুটি বাহুর প্রতিটির দৈর্ঘ্য ক সেন্টিমিটার সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী লম্ব স্কয়ার + ভূমি স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার এখানে সমকোণ সংলগ্ন বাহু দুটি সমান তাই ক স্কয়ার + ক স্কয়ার = অতিভুজ স্কয়ার অতএব, ২ গুণ ক স্কয়ার = ১২ এর ওপর স্কয়ার ২ গুণ ক স্কয়ার = ১৪৪ ক স্কয়ার = ১৪৪ ÷ ২ = ৭২ সুতরাং, সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ১÷২ গুণ ভূমি গুণ উচ্চতা ক্ষেত্রফল = ১÷২ গুণ ক গুণ ক = ১÷২ গুণ ক স্কয়ার উত্তর: ১÷২ গুণ ৭২ = ৩৬ বর্গ সেন্টিমিটার
a মিটার
b সে.মি.
c ফুট
d অনুপাতের কোন একক নেই
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনুপাতের কোন একক নেই প্রদত্ত তথ্য: অনুপাত হলো একই জাতীয় দুটি সমজাতীয় রাশির তুলনা। এই তুলনা করার সময় দুটি রাশির একক কাটাকাটি হয়ে যায়। ধরি, প্রথম রাশি = ৫ মিটার দ্বিতীয় রাশি = ১০ মিটার অতএব, রাশি দুটির অনুপাত = ৫ মিটার ÷ ১০ মিটার মিটার এবং মিটার একক বাদ যায় সুতরাং, অনুপাত দাঁড়ায় ৫ ÷ ১০ বা ১ ÷ ২ তাই এর সাথে কোনো একক থাকে না উত্তর: অনুপাতের কোনো একক নেই
a ২, ৩, ৫ সে.মি.
b ৪, ৫, ৬ সে.মি.
c ৫, ৬, ৮ সে.মি.
d ৩, ৫, ৭ সে.মি.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ২, ৩ ও ৫ সে.মি. ধরি, প্রথম বাহু = ২ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু = ৩ সে.মি. তৃতীয় বাহু = ৫ সে.মি. অতএব, প্রথম বাহু + দ্বিতীয় বাহু = ২ + ৩ = ৫ সে.মি. সুতরাং, প্রথম দুটি বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর সমান হয়, যা ত্রিভুজ অঙ্কনের শর্ত মানে না উত্তর: A) ২, ৩, ৫ সে.মি.
a 35°
b 235°
c 145°
d 55°
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫৫° প্রদত্ত তথ্য: একটি কোণের পরিমাপ = ১২৫° ধরি, কোণটির সম্পূরক কোণ = ক ডিগ্রি অতএব, আমরা জানি দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে কোণ দুটিকে সম্পূরক কোণ বলে। সুতরাং, ১২৫° + ক = ১৮০° ক = ১৮০° − ১২৫° উত্তর: ৫৫°
a 334
b 322
c 364
d 354
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৬৪ প্রদত্ত তথ্য: x − (১ ÷ x) = ৭ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে x এর ঘন বিয়োগ (১ ÷ x এর ঘন) এর অতএব, ঘন এর অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই x এর ঘন বিয়োগ (১ ÷ x এর ঘন) সমান বন্ধনীর মধ্যে x বিয়োগ (১ ÷ x) তার হোল কিউব যোগ ৩ গুণ (x গুণ ১ ÷ x) গুণ বন্ধনীর মধ্যে x বিয়োগ (১ ÷ x) সুতরাং, ৭ এর কিউব যোগ ৩ গুণ ৭ উত্তর: ৩৪৩ + ২১ = ৩৬৪
a 0.3
b 45352
c √০.৩
d 45414
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √০.৩ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলোতে আছে ০.৩, ৪৩৫৫২, √০.৩ এবং ৪৫৪১৪ ধরি, সংখ্যাগুলোকে একে একে তুলনা করে দেখা যাক অতএব, সাধারণ সংখ্যা দুটি হলো ৪৩৫৫২ এবং ৪৫৪১৪, যা দশমিক সংখ্যা থেকে অনেক বড় কিন্তু অপশন সি তে আছে রুট ওভার ০.৩, যার মান প্রায় ০.৫৪ সুতরাং, ০.৩ এর বর্গমূল বের করলে মানটি মূল সংখ্যা ০.৩ এর চেয়ে বড় হয় এবং তা সমস্ত অপশনের মধ্যে বৃহত্তম হয় উত্তর: √০.৩
a (x + 3) (2x – 5)
b (x – 3) (2x + 5)
c (x + 3) (2x + 5)
d (x – 3) (2x – 5)
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x + 3) (2x – 5) প্রدত্ত তথ্য: দ্বিঘাত রাশিটি হলো منفی ১৫ + x + ২x বর্গ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে পাই ২x বর্গ + x − ১৫ অতএব, মধ্যপদ বিভাজনের জন্য এমন দুটি সংখ্যা খুঁজি যাদের গুণফল − ৩০ এবং যোগফল ১ সুতরাং, সংখ্যা দুটি হলো ৬ এবং − ৫ উত্তর: (x + 3) (2x – 5)
a 49
b 64
c 36
d 125
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৯ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার যোগফল = ১৭ দুটি সংখ্যার গুণফল = ৬০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = a দ্বিতীয় সংখ্যাটি = b অতএব, আমরা জানি অনুসিদ্ধান্ত সূত্র অনুযায়ী মান বসানোর জন্য বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে হবে সুতরাং, (a − b)^২ = (a + b)^২ − ৪ × ab = (১৭)^২ − ৪ × ৬০ উত্তর: ২৮৯ − ২৪০ = ৪৯
a 5
b 4
c 8
d 7
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮ প্রদত্ত রাশি: (৫^(n + ২) + ৩৫ × ৫^(ন − ১)) ÷ (৪ × ৫^n) লবকে ৫^n এর মাধ্যমে প্রকাশ করি: ৫^(n + ২) = ৫^n × ৫^২ = ২৫ × ৫^n ৩৫ × ৫^(n − ১) = ৩৫ × ৫^n ÷ ৫ = ৭ × ৫^n অতএব, লবের যোগফল = ২৫ × ৫^n + ৭ × ৫^n = ৩২ × ৫^n এখন হর দিয়ে ভাগ করি: প্রদত্ত রাশি = (৩২ × ৫^n) ÷ (৪ × ৫^n) সুতরাং, ৫^n কাটাকাটি হয়ে যায় এবং ৩২ ÷ ৪ থাকে উত্তর: ৮
a 4
b 2
c 6
d 8
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো দুই এর ঘাত চার এক্স বিয়োগ বারো সমান ষোল ধরি, ষোল কে দুই এর ঘাত হিসেবে লেখা যায় তাই ষোল সমান দুই এর ঘাত চার অতএব, সমীকরণের দুই পাশের ভিত্তি সমান হওয়ায় ঘাত দুটি সমান হবে চার এক্স বিয়োগ বারো সমান চার সুতরাং, চার এক্স সমান চার যোগ বারো সমান ষোল এক্স সমান ষোল ভাগ চার সমান চার উত্তর: ৪
a 0.03
b 0.06
c 0.05
d 0.04
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৪২৫ টাকা সময় (n) = ৩ বছর সুদে-আসলে (A) = ৪৭৬ টাকা ধরি, মুনাফা (I) = সুদে-আসলে − আসল I = ৪৭৬ − ৪২৫ = ৫১ টাকা অতএব, মুনাফার হার (r) = (১০০ × I) ÷ (P × n) r = (১০০ × ৫১) ÷ (৪২৫ × ৩) সুতরাং, r = ৫১০৯ ÷ ১২৭৫ r = ৪% বা ০.০৪ উত্তর: ০.০৪
a 5
b 8
c 6
d 9
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যাগুলো হলো ৬, ৮ এবং ১০ দ্বিতীয় সংখ্যাগুলো হলো ৭, ৯ এবং একটি অজানা সংখ্যা ধরি, অজানা সংখ্যাটি হলো ক অতএব, প্রথম সংখ্যা তিনটির যোগফল = ৬ + ৮ + ১০ = ২৪ প্রথম সংখ্যা তিনটির গাণিতিক গড় = ২৪ ÷ ৩ = ৮ দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী, ৭, ৯ এবং ক এর গাণিতিক গড় প্রথম গড়ের সমান অর্থাৎ ৮ সুতরাং, ৭ + ৯ + ক এর মোট মান = ৮ × ৩ = ২৪ উত্তর: ক = ২৪ − ১৬ = ৮
a 502
b 504
c 405
d 345
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫০৪ প্রদত্ত তথ্য: দুটি সংখ্যার অনুপাত = ৭ : ৮ সংখ্যা দুটির গসাগু = ৯ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি = ৭ × ৯ = ৬৩ দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ৮ × ৯ = ৭২ অতএব, সংখ্যা দুটির গুণফল = ৬৩ × ৭২ = ৪৫৩৬ আমরা জানি, লসাগু × গসাগু = সংখ্যা দুটির গুণফল সুতরাং, লসাগু × ৯ = ৪৫৩৬ উত্তর: লসাগু = ৪৫৩৬ ÷ ৯ = ৫০৪
a ৪টি
b ৮টি
c ৬টি
d ৫টি
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬টি প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি ছাগলের মূল্য = ৩টি গরুর মূল্য ধরি, ১৫টি ছাগল = ৩টি গরু অতএব, ১টি ছাগল = ৩ ÷ ১৫ টি গরু সুতরাং, ৩০টি ছাগল = (৩ × ৩০) ÷ ১৫ টি গরু উত্তর: ৬টি
a ৪টি
b ৮টি
c ১৬টি
d ২০টি
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬টি প্রদত্ত তথ্য: মোট কমলার সংখ্যা = ২০টি পচা কমলার হার = ২০% ধরি, মোট কমলার পরিমাণ = ১০০% ভালো কমলার হার = ১০০% − ২০% = ৮০% অতএব, পচা কমলার সংখ্যা = ২০ এর ২০% ভালো কমলার সংখ্যা = ২০ এর ৮০% সুতরাং, ভালো কমলার সংখ্যা = ২০ × (৮০ ÷ ১০০) = ১৬টি উত্তর: ১৬টি
a 4
b 0.04
c 0.4
d 0.004
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.০৪ প্রদত্ত তথ্য: মূল সংখ্যাটি = ০.২ নির্ণয় করতে হবে = ২০% ধরি, সংখ্যাটির ২০% হলো ক অতএব, ক = ০.২ × (২০ ÷ ১০০) ক = ০.২ × ০.২ সুতরাং, ক = ০.০৪ উত্তর: ০.০৪
a amn
b an/m
c am/n
d a-n/m
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a^(n/m) প্রদত্ত তথ্য: সূচকের নিয়ম অনুযায়ী মূল চিহ্ন এবং ঘাতের সম্পর্ক বুঝতে হবে। ধরি, এখানে মূলের সূচক হলো m এবং ভেতরের পদের সূচক হলো n। অতএব, বীজগণিতীয় সূচকের সূত্র ব্যবহার করে根 তুলে দিতে হবে। সুতরাং, মূল চিহ্ন সরালে তা হরের অংশে চলে যায়। উত্তর: a^(n/m)

মোট প্রশ্ন (25)

a লণ্ডন
b প্যারিস
c জেনেভা
d নিউইয়র্ক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেনেভা কেন সঠিক: - রেডক্রস ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ডুনান্ট। - আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের প্রয়োগ ও যুদ্ধাহত মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে এর প্রধান কার্যালয় জেনেভায় রাখা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লণ্ডন — এটি যুক্তরাজ্যে অবস্থিত এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রসের সদর দপ্তর নয়। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সে অবস্থিত এবং ইউনেস্কোসহ কিছু সংস্থার সদর দপ্তর হলেও রেডক্রসের নয়। C) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির প্রধান কার্যালয় এখানে অবস্থিত। D) নিউইয়র্ক — এটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এবং জাতিসংঘের সদর দপ্তর হলেও রেডক্রসের সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: মানবিক কাজের প্রতীক রেডক্রস মানেই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহর।
a আয়রন
b সিলিকন
c কার্বন
d অ্যালুমিনিয়াম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সিলিকন কেন সঠিক: - সিলিকন হলো একটি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর উপাদান, যা দিয়ে কম্পিউটারের প্রসেসর এবং প্রধান মেমোরি বা চিপ তৈরি করা হয়। - এটি ইলেকট্রনিক প্রবাহ নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বিধায় কম্পিউটারের আইসি তৈরিতে এর ব্যবহার অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আয়রন — এটি মূলত চুম্বকত্ব এবং লোহাভিত্তিক ভারী শিল্পে ব্যবহৃত হয়, কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে এর কোনো ভূমিকা নেই। B) সিলিকন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। C) কার্বন — এটি মূলত জৈব যৌগ এবং বিভিন্ন সংকর ধাতু তৈরিতে কাজে লাগে, অর্ধপরিবাহী চিপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। D) অ্যালুমিনিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু যা কম্পিউটারের বডি বা হিটসিংক তৈরিতে ব্যবহৃত হলেও মূল মেমোরি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না। মনে রাখার টিপস: কম্পিউটারের প্রাণ হলো চিপ আর চিপ তৈরি হয় সিলিকন দিয়ে।
a ক্যালসিয়াম
b আয়োডিন
c আয়রন
d পটাশিয়াম
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম কেন সঠিক: - ক্যালসিয়াম মানবদেহের হাড় ও দাঁতের গঠন এবং প্রধান কাঠামোগত উপাদান হিসেবে কাজ করে। - এটি শরীরের মোট ক্যালসিয়ামের শতকরা নিরানব্বই ভাগ হাড় ও দাঁতে জমা থেকে এদের দৃঢ়তা ও শক্তি প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যালসিয়াম — এটি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করার প্রধান উপাদান হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। B) আয়োডিন — এটি মূলত থাইরয়েড হরমোন তৈরি এবং গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধে কাজ করে, হাড় বা দাঁত মজবুত করে না। C) আয়রন — এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এবং দেহে অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে, হাড়ের মজবুতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। D) পটাশিয়াম — এটি কোষের তরল ভারসাম্য রক্ষা এবং স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা সচল রাখে, দাঁত বা হাড়ের প্রধান উপাদান নয়। মনে রাখার টিপস: হাড় মানেই ক্যালসিয়াম।
a ময়মনসিংহ
b জাহাঙ্গীরনগর
c বরিশাল
d চট্টগ্রাম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ঐতিহাসিক ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত প্রাচীন জনপদ নাসিরাবাদ ব্রিটিশ আমলে ময়মনসিংহ নামে পরিচিত লাভ করে। - পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক কারণে এই অঞ্চলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ময়মনসিংহ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি বর্তমান প্রশ্নটির সঠিক উত্তর কারণ নাসিরাবাদের ঐতিহাসিক পরিবর্তিত রূপ হলো ময়মনসিংহ। B) জাহাঙ্গীরনগর — এটি ঢাকার প্রাচীন নাম, যা মুঘল সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা শহরের নামকরণের সময় ব্যবহার করেছিলেন। C) বরিশাল — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক জেলা যার প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ, নাসিরাবাদ নয়। D) চট্টগ্রাম — এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান বন্দর নগরী, যার ঐতিহাসিক নাম ইসলামাবাদ, নাসিরাবাদ নয়। মনে রাখার টিপস: নাসিরাবাদ নামটি দেখলে মনে রাখবে এটি ময়মনসিংহের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক নাম।
a 7.6
b 7.7
c 7.8
d 7.9
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭.৮ প্রদত্ত তথ্য: ২৫শে এপ্রিল ২০১৫ তারিখে নেপাল ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে একটি প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। ধরি, এই ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল নেপালের গোর্খা জেলায় এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় পনেরো কিলোমিটার গভীরে। অতএব, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ঐতিহাসিক বহু স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায় এবং ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সুতরাং, বিজ্ঞানসম্মত পরিমাপে এই তীব্র ভূকম্পনের মাত্রা নির্ধারিত হয়েছিল রিখটার স্কেলে নির্দিষ্ট একটি মানে। উত্তর: ৭.৮
a ১৯৪৫ সালে
b ১৯৪৪ সালে
c ১৯৩৯ সালে
d ১৯৪২ সালে
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৩৯ সালে কেন সঠিক: - ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করলে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। - এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে ১৯৪৫ সালে অক্ষশক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৫ সালে — এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির সাল, শুরুর সাল নয়। B) ১৯৪৪ সালে — এই সালে যুদ্ধ শেষ হয়নি এবং এটি যুদ্ধ শুরুর সঠিক সাল নয়। সি অপশন সঠিক হওয়ায় এখানে সি লেখা হয়নি, কিন্তু ডি অপশন নিচে ব্যাখ্যা করা হলো। D) ১৯৪২ সালে — এই সালটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়কাল নির্দেশ করে, শুরুর সাল নয়। মনে রাখার টিপস: ১৯৩৯ সালে যুদ্ধ শুরু এবং ১৯৪৫ সালে যুদ্ধ শেষ হয়, মাঝের সময়কাল হলো ছয় বছর।
a তামিম ইকবাল
b মুশফিকুর রহিম
c সাকিব আল হাসান
d ইমরুল কায়েস
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মুশফিকুর রহিম কেন সঠিক: - মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান যিনি টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। - তিনি ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল টেস্টে এই ঐতিহাসিক ডাবল সেঞ্চুরি করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তামিম ইকবাল — তিনি টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি ও সর্বোচ্চ রানের মালিক হলেও টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেননি। B) মুশফিকুর রহিম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। C) সাকিব আল হাসান — তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও টেস্ট ক্রিকেটে তার কোনো ডাবল সেঞ্চুরি নেই। D) ইমরুল কায়েস — তিনি টেস্টে অনেক ভালো ইনিংস খেললেও কোনো ডাবল সেঞ্চুরি করতে পারেননি। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মুশফিকুর রহিম।
a ২৬ এপ্রিল
b ২৭ এপ্রিল
c ২৮ এপ্রিল
d ৩০ এপ্রিল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ এপ্রিল কেন সঠিক: - ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। - কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিভিন্ন অনিবার্য কারণে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করে ৩০ এপ্রিল ২০১৫ নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৬ এপ্রিল — এই তারিখে ২০১৫ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি নির্ধারিত কোনো নির্বাচনী তারিখ ছিল না। B) ২৭ এপ্রিল — এই তারিখটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের নির্ধারিত বা অনুষ্ঠিত কোনো তারিখ নয়। C) ২৮ এপ্রিল — মূলত এই তারিখে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করে পরবর্তীতে ৩০ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়। D) ৩০ এপ্রিল — এই তারিখে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ২০১৫ সালের এপ্রিলে ২৮ তারিখের পরিবর্তে শেষের দিন অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল।
a কৃষি
b আগুন
c ভাষা
d লোহা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আগুন কেন সঠিক: - আগুন আবিষ্কার আদিম মানুষের জীবনযাত্রাকে সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং তাদের খাদ্যাভ্যাস ও বেঁচে থাকার লড়াইকে সহজ করে তোলে। - আগুন আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ শীতের হাত থেকে রক্ষা পায়, বন্য প্রাণী থেকে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং কাঁচা খাবারের পরিবর্তে রান্না করা খাবার খাওয়া শুরু করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষি — কৃষি আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ স্থায়ী বসতি স্থাপন শুরু করলেও তা আগুন আবিষ্কারের পরের একটি পর্যায়। B) আগুন — এটি আদিম মানুষের বেঁচে থাকা এবং সভ্যতার বিকাশে সবচেয়ে বড় ও প্রথম মোড় পরিবর্তনকারী আবিষ্কার। C) ভাষা — ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে ভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা আগুন আবিষ্কারের পরের সামাজিক বিকাশের ফল। D) লোহ ধাতু আবিষ্কারের মাধ্যমে সভ্যতার অগ্রগতি অনেক ত্বরান্বিত হয়, যা আদিম যুগের অনেক পরের ঘটনা। মনে রাখার টিপস: আদিম মানুষের টিকে থাকার লড়াইয়ে অন্ধকার দূর করতে এবং খাবার রান্না করতে আগুন ছিল সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
a হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে
b নায়িকার নাম হিসেবে
c পুরষ্কারপ্রাপ্ত ছবির নাম হিসেবে
d উন্নতজাতের ধান হিসেবে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে কেন সঠিক: - মধুবালা হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চফলনশীল ও মিষ্টি জাতের হলুদ রঙের তরমুজ। - এর ভেতরের অংশ বা শাঁস উজ্জ্বল হলুদ রঙের হয়ে থাকে এবং এটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে — এটি সঠিক উত্তর কারণ মধুবালা হলো তরমুজের একটি উন্নত ও হলুদ রঙের জাত। B) নায়িকার নাম হিসেবে — এটি চলচ্চিত্রের কোনো নায়িকার নাম নয়, যদিও এই নামে প্রখ্যাত ভারতীয় অভিনেত্রী মধুবালা রয়েছেন। C) পুরষ্কারপ্রাপ্ত ছবির নাম হিসেবে — এটি কোনো চলচ্চিত্র বা পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবির নাম নয়। D) উন্নতজাতের ধান হিসেবে — এটি ধান বা অন্য কোনো খাদ্যশস্যের জাত নয়, এটি ফল বা তরমুজের জাত। মনে রাখার টিপস: মধুবালা মানে মিষ্টি ফল তরমুজ, যার ভেতরটা পাকা আমের মতো হলুদ রঙের হয়।
a রক্ত জমাট বাঁধা
b রোগ প্রতিরোধ করা
c অক্সিজেন পরিবহন করা
d উপরের সবগুলো
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অক্সিজেন পরিবহন করা কেন সঠিক: - হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের লোহিত রক্তণিকায় উপস্থিত এক প্রকার লৌহসমৃদ্ধ প্রোটিন, যা ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে দেহের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয়। - এটি কোষে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস সংগ্রহ করে পুনরায় ফুসফুসে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রক্ত জমাট বাঁধা — রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লেটলেট এবং ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, হিমোগ্লোবিন নয়। B) রোগ প্রতিরোধ করা — শ্বেত রক্তকণিকা দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় প্রধান ভূমিকা পালন করে, যা হিমোগ্লোবিনের কাজ নয়। C) অক্সিজেন পরিবহন করা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ হিমোগ্লোবিনের প্রধান ও একমাত্র মূল কাজ হলো রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করা। D) উপরের সবগুলো — যেহেতু অপশন এ এবং বি ভুল, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: হিমোগ্লোবিন মানেই লোহিত রক্তকণিকার অক্সিজেন বাহক, যা পুরো শরীরে প্রাণশক্তি সরবরাহ করে।
a উন্নতজাতের ভুট্টা
b উন্নতজাতের গম
c উন্নতজাতের ধান
d উন্নতজাতের পাট
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উন্নতজাতের ভুট্টা কেন সঠিক: - বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত। - এই জাত দুটি চাষ করে কৃষকরা কম সময়ে অধিক ফলন পেতে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) উন্নতজাতের ভুট্টা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাতের নাম। B) উন্নতজাতের গম — গম বোঝাতে সাধারণত আকবর, বরকত বা শতাব্দী জাতগুলো ব্যবহৃত হয়। C) উন্নতজাতের ধান — ধান বোঝাতে উফশী বা ব্রি ধান জাতের নাম ব্যবহার করা হয়। D) উন্নতজাতের পাট — পাট বোঝাতে রবিউল বা বালি পাট জাতীয় নামগুলো ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: ভুট্টায় আলো পড়লে বর্ণালী ও শুভ্র রঙ দেখা যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাত।
a মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া
b কাঠমান্ডু, নেপাল
c কলম্বো, শ্রীলংকা
d কারাকাস, ভেনিজুয়েলা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: প্রদত্ত উত্তর ভুল। ১৭তম ন্যাম (NAM) সম্মেলন ২০১৬ সালে ভেনেজুয়েলার কারাকাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ২০১৫ সালে মেলবোর্নে নয়। কেন সঠিক: - ন্যাম বা জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের ১৭তম শীর্ষ সম্মেলন ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভেনেজুয়েলার মার্গারিটা দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়। - এই সম্মেলনে ভেনেজুয়েলা আনুষ্ঠানিকভাবে তিন বছরের জন্য ন্যামের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া — এটি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিখ্যাত শহর হলেও এখানে কোনো ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কাঠমান্ডু, নেপাল — এটি নেপালের রাজধানী এবং সার্কের সদর দপ্তর হলেও এখানে ১৭তম ন্যাম সম্মেলন হয়নি। C) কলম্বো, শ্রীলংকা — শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সালে পঞ্চম ন্যাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ১৭তম সম্মেলন নয়। D) কারাকাস, ভেনিজুয়েলা — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভেনেজুয়েলার মার্গারিটা দ্বীপে ২০১৬ সালে এই সম্মেলন বসেছিল। মনে রাখার টিপস: ভেনেজুয়েলার কারাকাসে ২০১৬ সালে বসেছিল ন্যাম সম্মেলন।
a শিল্পী হামিদুজ্জামান খান
b নিতুন কুণ্ডু
c স্থপতি এহসান খান
d শামীম শিকদার
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্থপতি এহসান খান কেন সঠিক: - স্থপতি এহসান খান ও তার দল ঢাকা শহরের হাতিরঝিল প্রকল্পের মূল নকশা ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন। - এই নান্দনিক প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিল্পী হামিদুজ্জামান খান — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাস্কর এবং বিভিন্ন ভাস্কর্য শিল্পের জন্য পরিচিত, তবে হাতিরঝিলের মূল পরিকল্পনাকারী নন। B) নিতুন কুণ্ডু — তিনি একজন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা ছিলেন, যিনি মূলত সার্ক ফোয়ারা ও বিভিন্ন শিল্পকর্মের ডিজাইনার হিসেবে খ্যাত। C) স্থপতি এহসান খান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) শামীম শিকদার — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ছিলেন, যিনি হাতিরঝিলের নকশার সাথে যুক্ত নন। মনে রাখার টিপস: হাতিরঝিলে ঝিল বা জলরাশি আছে আর এহসান খানের নামের শেষে খান আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন জল ও খানের মেলবন্ধন হলো হাতিরঝিল পরিকল্পনা।
a আলজেরিয়া
b ফ্রান্স
c ইরান
d লিবিয়া
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফ্রান্স কেন সঠিক: - ফ্রান্স অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ বা ওপেকের সদস্য নয়। - ওপেক মূলত বিশ্বের প্রধান তেল উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলজেরিয়া — এটি ওপেকের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র এবং আফ্রিকা অঞ্চলের অন্যতম প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশ। B) ফ্রান্স — এটি ইউরোপের একটি উন্নত দেশ এবং ওপেকের সদস্য নয় বিধায় এটি সঠিক উত্তর। C) ইরান — এটি ওপেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদক। D) লিবিয়া — এটি ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র এবং উত্তর আফ্রিকার অন্যতম প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশ। মনে রাখার টিপস: ইউরোপের শিল্প উন্নত দেশ ফ্রান্স ওপেক বা তেল রপ্তানিকারক জোটের সদস্য নয়।
a ২০টি
b ২১টি
c ২৪টি
d ২৬টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০টি কেন সঠিক: - মানবশিশুর প্রথম দন্ত সেটকে দুধ দাঁত বলা হয়, যার মোট সংখ্যা কুড়িটি। - এই দাঁতগুলো সাধারণত শিশুর ছয় মাস বয়স থেকে ওঠা শুরু করে এবং বারো বছর বয়সের মধ্যে পড়ে গিয়ে স্থায়ী দাঁত দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ মানবশিশুর দুধ দাঁতের মোট সংখ্যা কুড়িটি। B) ২১টি — এটি ভুল কারণ মানুষের দাঁতের সংখ্যা কখনো বিজোড় সংখ্যায় জোড়ায় জোড়ায় গঠিত হয় না। C) ২৪টি — এটি ভুল কারণ দুধ দাঁতের সংখ্যা চব্বিশটি নয়, কুড়িটি। D) ২৬টি — এটি ভুল কারণ ছাব্বিশটি দাঁত দুধ দাঁতের স্বাভাবিক সংখ্যাকে নির্দেশ করে না। মনে রাখার টিপস: শিশুর বয়স যখন দুই বছর হয়, তখন সাধারণত মুখে কুড়িটি দুধ দাঁত পূর্ণ হয়।
a লিথিয়াম
b পটাশিয়াম
c প্লাটিনাম
d অ্যালুমিনিয়াম
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্লাটিনাম কেন সঠিক: - প্লাটিনাম প্রকৃতির অন্যতম বিরল এবং অত্যন্ত দুর্লভ ধাতু, যার বাণিজ্যিক চাহিদা ও আর্থিক মূল্য সোনার চেয়েও বেশি। - এটি অত্যন্ত টেকসই, ক্ষয়প্রতিরোধী এবং উজ্জ্বল রূপালি রঙের বহুমুখী ধাতু হওয়ায় এর বাজারমূল্য সর্বাধিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিথিয়াম — এটি একটি হালকা ধাতু এবং ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু নয়। B) পটাশিয়াম — এটি একটি অত্যন্ত সক্রিয় ও নরম ক্ষার ধাতু, যা রাসায়নিকভাবে মূল্যবান হিসেবে পরিগণিত হয় না। C) প্লাটিনাম — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং এর ঔজ্জ্বল্য ও দুর্লভতার কারণে এটি সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু। D) অ্যালুমিনিয়াম — এটি পৃথিবীর ভূত্বকে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এর দাম প্লাটিনামের তুলনায় অনেক কম। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে মূল্যবান ও টেকসই ধাতু হলো প্লাটিনাম, যা সোনা থেকেও অনেক বেশি দুর্লভ।
a ঢাকা
b বরিশাল
c রাজশাহী
d চট্টগ্রাম
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বরিশাল কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট আটটি বিভাগের মধ্যে কেবল বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের মধ্যে ঢাকা বিভাগের চারপাশ ঘিরে অন্যান্য বিভাগ থাকলেও বরিশালের সাথে ভারতের কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই। - বরিশাল বিভাগ মূলত দক্ষিণ অঞ্চলে উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এর উত্তর ও পূর্ব দিকে অন্য জেলা এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এই বিভাগের সাথে ভারতের সরাসরি কোনো সীমান্ত না থাকলেও প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে একমাত্র বরিশালই সম্পূর্ণভাবে সীমান্তহীন। B) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিভাগের কোনো জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত নেই। C) রাজশাহী — এই বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীসহ বেশ কয়েকটি জেলার সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। D) চট্টগ্রাম — এই বিভাগের বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার সাথে ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী নয় এমন দুটি বিভাগ হলো ঢাকা ও বরিশাল, তবে এদের মধ্যে কেবল বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।
a সত্য মামলা আগরতলা
b অবরুদ্ধ নয় মাস
c অসমাপ্ত আত্মজীবনী
d বাংলাদেশ কথা কয়
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অসমাপ্ত আত্মজীবনী কেন সঠিক: - এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত প্রথম প্রকাশিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। - ২০১২ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এতে তাঁর জীবনের শুরুর দিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস উঠে এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সত্য মামলা আগরতলা — এটি বঙ্গবন্ধু রচিত কোনো গ্রন্থ নয়, বরং ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্য নাম। B) অবরুদ্ধ নয় মাস — এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ যার রচয়িতা অন্য লেখক। D) বাংলাদেশ কথা কয় — এটি মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত ভিন্ন লেখকের একটি প্রখ্যাত গ্রন্থ। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর প্রথম আত্মজীবনীমূলক বই মনে রাখতে "অ" দিয়ে শুরু "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" নামটি মনে রাখবে।
a Current News Network
b Cable News Network
c Control News Network
d Country News Network
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Cable News Network কেন সঠিক: - সিএনএন হলো বিশ্বের অন্যতম প্রধান একটি স্যাটেলাইট ও কেবল ভিত্তিক সংবাদ প্রচারকারী টেলিভিশন নেটওয়ার্ক। - ১৯৮১ সালে টেড টার্নার এই সংবাদ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর পূর্ণরূপ হিসেবে কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক নামটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Current News Network — এই নামে কোনো বিখ্যাত বিশ্বমানের সংবাদ মাধ্যম বা চ্যানেল নেই, তাই এটি সঠিক নয়। B) Cable News Network — এটি সঠিক কারণ এটি বিশ্বখ্যাত এই সংবাদ চ্যানেলটির আনুষ্ঠানিক ও মূল পূর্ণরূপ। C) Control News Network — এই শব্দগুচ্ছ সংবাদ চ্যানেলের নামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। D) Country News Network — এটি কোনো স্বীকৃত আন্তর্জাতিক টেলিভিশন নেটওয়ার্কের নাম নয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: সিএনএন চ্যানেলটি কেবল বা তারের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বজুড়ে খবর প্রচার শুরু করেছিল, তাই প্রথম শব্দ Cable মনে রাখলেই পূর্ণরূপটি সহজে মনে রাখা যায়।
a চীন
b ভারত
c বাংলাদেশ
d বার্মা
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারত কেন সঠিক: - কুতুব মিনার ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ ইটনির্মিত মিনার। - এটি ত্রয়োদশ শতাব্দীতে কুতুবউদ্দিন আইবেক নির্মাণ শুরু করলেও এর কাজ সম্পন্ন করেন ইলতুৎমিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন দেশের সঙ্গে কুতুব মিনার ঐতিহাসিক বা ভৌগোলিকভাকে সম্পর্কিত নয়, এটি দ্য গ্রেট ওয়ালের জন্য পরিচিত। B) ভারত — এই অপশনটি সঠিক কারণ কুতুব মিনার ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও এখানে কুতুব মিনার অবস্থিত নয়। D) বার্মা — বার্মা বা বর্তমান মিয়ানমারে অনেক বৌদ্ধ প্যাগোডা থাকলেও কুতুব মিনার সেখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থিত মিনারটির নাম কুতুব মিনার, যা নির্মাণ করেছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবেক।
a চীন
b ব্রাজিল
c ইন্দোনেশিয়া
d ডেনমার্ক
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্রাজিল কেন সঠিক: - ব্রাজিল বিশ্বের মোট কফি উৎপাদনের প্রায় এক তৃতীয়াংশ একা সরবরাহ করে। - দেশটির আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং বিশাল পাহাড়ি অঞ্চল কফি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চা উৎপাদক দেশ হলেও কফি উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় নয়। B) ব্রাজিল — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বিশ্বের শীর্ষ কফি উৎপাদনকারী দেশ। C) ইন্দোনেশিয়া — ইন্দোনেশিয়া কফি উৎপাদনে বিশ্বে অন্যতম হলেও ব্রাজিলের পেছনে রয়েছে। D) ডেনমার্ক — ডেনমার্ক একটি ইউরোপীয় দেশ এবং এখানকার জলবায়ু কফি চাষের উপযোগী নয়। মনে রাখার টিপস: কফি উৎপাদনে সবার সেরা ব দিয়ে ব্রাজিল।
a ডায়েট
b সীম
c পার্লামেন্ট
d মজলিস
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ যা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অব কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের সঠিক নাম এবং আইন প্রণয়নের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। B) সীম — এটি কোনো দেশের পার্লামেন্টের নাম নয়, বরং এটি একটি সাধারণ শব্দ। C) পার্লামেন্ট — এটি বিভিন্ন দেশের আইনসভার সাধারণ ইংরেজি নাম হলেও জাপানের নির্দিষ্ট আইনসভার নাম ডায়েট। D) মজলিস — এটি ইরান, মালদ্বীপ ও ওমানসহ কয়েকটি মুসলিম দেশের আইনসভার নাম। মনে রাখার টিপস: জাপানের মানুষ ডায়েট বা ডায়েট মেনে চলে, তাই তাদের সংসদের নামও ডায়েট।
a বেলজিয়াম
b রোম
c নিউইয়র্ক
d গ্রেট বিট্রেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নিউইয়র্ক কেন সঠিক: - নিউইয়র্ক শহরটিকে এর বিশাল আকৃতি, দ্রুত জীবনযাত্রা এবং প্রচুর অর্থনৈতিক সুযোগের কারণে জনপ্রিয়ভাবে বিগ অ্যাপল বলা হয়। - বিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই নামটি প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলজিয়াম — এটি একটি ইউরোপীয় দেশ, যার রাজধানী ব্রাসেলস এবং একে বিগ অ্যাপল বলা হয় না। B) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং ঐতিহাসিক শহর, যার প্রাচীন নাম ছিল চিরন্তন শহর। C) নিউইয়র্ক — এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) গ্রেট বিট্রেন — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র বা ভূখণ্ড, যা এই ডাকনামের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে প্রচুর বড় আপেলের মতো কর্মব্যস্ততা ও সুযোগ রয়েছে, তাই এটিকে বিগ অ্যাপল বলা হয়।
a তানভীর মোকাম্মেল
b অনন্ত হীরা
c সোহেল আরমান
d মুহম্মদ জাফর ইকবাল
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহম্মদ জাফর ইকবাল কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বিখ্যাত কিশোর উপন্যাস, যার মূল চরিত্র রাশেদ। - বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও বিজ্ঞান কথাসাহিত্যিক মুহম্মদ জাফর ইকবাল এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তানভীর মোকাম্মেল — তিনি একজন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক, এই বইটির লেখক নন। B) অনন্ত হীরা — তিনি একজন নাট্যকার ও নির্দেশক, এই উপন্যাসের সঙ্গে যুক্ত নন। C) সোহেল আরমান — তিনি একজন গীতিকার, অভিনেতা ও পরিচালক, এই বইটির লেখক নন। D) মুহম্মদ জাফর ইকবাল — তিনি এই উপন্যাসের সঠিক ও মূল লেখক। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মনে রাখতে জাফর ইকবালের কিশোর সাহিত্যগুলো মাথায় রাখুন।