বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১২ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়) ২০১৫

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a তিনটি
b চারটি
c পাঁচটি
d ছয়টি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চারটি ১. কেন সঠিক: ভাষার মৌলিক অংশ বা উপাদান প্রধানত চারটি। যেকোনো ভাষা মূলত ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ এই চারটি মূল স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক উপাদানগুলো হলো ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ। ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, শব্দ একাধিক ধ্বনির মিলনে তৈরি হয়, বাক্য পদ বা শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং অর্থের মাধ্যমে ভাবের পূর্ণ প্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধ্বনি থেকে শব্দ গঠন ব্যাখ্যা: ক, ল, ম এই তিনটি ধ্বনি বা বর্ণ মিলে কলম শব্দটি তৈরি হয় যা ভাষার একটি মৌলিক অংশ। উদাহরণ ২: শব্দ থেকে বাক্য গঠন ব্যাখ্যা: আমি বই পড়ি এই বাক্যটি কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত যা ভাষার বাকযন্ত্রের সম্পূর্ণ রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনটি — ভাষার মৌলিক অংশ তিনটি ধরলে অর্থ বা বাক্য বাদ পড়ে যায় যা ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। B) চারটি — এটি সঠিক কারণ ভাষা মূলত ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং এই চারটির সমন্বয়ে গঠিত। C) পাঁচটি — পাঁচটি মৌলিক অংশ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয় কারণ ভাষার প্রধান স্তম্ভ চারটি। D) ছয়টি — ছয়টি উপাদান ধরলে ভাষার মৌলিক কাঠامোর বাইরে অতিরিক্ত বিষয় চলে আসে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা শেখার সহজ সূত্র হলো ধ্বনি দিয়ে শব্দ, শব্দ দিয়ে বাক্য এবং বাক্য থেকে অর্থ বুঝতে হয়। এই চারটি ধাপ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মৌলিক অংশ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে ভাষার মৌলিক উপাদান চারটি কিন্তু বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থার্থ—এই চার ভাগে ভাষার আলোচনা করা হয়।
a আঞ্চলিক
b উপভাষা
c লেখ্য
d কথ্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লেখ্য ১. কেন সঠিক: সাধু ও চলিত রীতি হলো বাংলা ভাষার রূপ। বাংলা ভাষা প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা কথ্য রূপ এবং লেখ্য রূপ। লেখ্য রূপ বা লিখিত রূপের ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত এই দুটি প্রমিত রীতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার রূপ মূলত দুটি, একটি কথ্য রূপ বা মুখের ভাষা এবং অপরটি লেখ্য রূপ বা লিখিত ভাষা। মুখের ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে উপভাষা বলে। আর ব্যাকরণসম্মত ও পরিমার্জিত লেখার মাধ্যম হলো লেখ্য রূপ, যা সাধু ও চলিত রীতিতে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতিতে লিখিত বাক্য - তাহার গমনের সময় উপস্থিত হইয়াছে। ব্যাখ্যা: এটি সাধু রীতির লেখ্য রূপের উদাহরণ, যেখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চলিত রীতিতে লিখিত বাক্য - তার যাওয়ার সময় এসেছে। ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতির লেখ্য রূপের উদাহরণ, যা তুলনামূলক সহজ ও প্রমিত কথ্য ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঞ্চলিক — এটি মুখের ভাষার একটি রূপ, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন কথ্য ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে সাধু ও চলিত রীতির সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) উপভাষা — এটি ভৌগোলিক বা সামাজিক কারণে পরিবর্তিত কথ্য ভাষার রূপ, যা সাধু ও চলিত রীতির মতো কোনো নির্দিষ্ট লেখ্য প্রমিত রূপ নয়। D) কথ্য — কথ্য ভাষা হলো মানুষের মুখের বুলির রূপ, যেখানে সাধু ও চলিত রীতির মতো কঠোর ব্যাকরণগত নিয়ম বা লিখিত রূপের আনুষ্ঠানিকতা সাধারণত থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: লেখালেখির কাজ সাধু ও চলিত রীতিতে হয়, তাই এই দুটি হলো ভাষার লেখ্য রূপ। মুখের ভাষা হলো কথ্য রূপ বা উপভাষা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার প্রধান রূপ দুটি হলেও লেখ্য রূপের দুটি প্রধান রীতি হলো সাধু ও চলিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রূপটি কোন ক্ষেত্রের জন্য প্রযোজ্য।
a সাৎ
b সা
c ষ্ণেয়
d ষ্ণিক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাৎ ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত ব্যাকরণ বা তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ হওয়ার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। তদ্ধিত প্রত্যয় বা অন্যান্য ব্যাকরণিক প্রক্রিয়ায় ‘সা’ বা ‘ষ’ জাতীয় প্রত্যয় যুক্ত হলে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার দেখা গেলেও ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূর্ধন্য ষ হয় না, বরং দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়। এই প্রশ্নে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহারের ব্যতিক্রমী নিয়মটি পরীক্ষা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ষ হয় এবং রি বা র কারের পরে অনেক সময় ষ যুক্ত হয়। তবে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় যেমন ‘সাৎ’ যুক্ত হলে বানানে দন্ত্য স বজায় থাকে এবং মূর্ধন্য ষ হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিসাৎ ব্যাখ্যা: অগ্নি শব্দের সঙ্গে সাৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অগ্নিসাৎ গঠিত হয়েছে, যেখানে দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধূলিসাৎ ব্যাখ্যা: ধূলি শব্দের সঙ্গে সাৎ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরেও বানানে দন্ত্য স অক্ষুণ্ণ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রত্যয়যুক্ত পদে মূর্ধন্য ষ হয় না। B) সা — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না কারণ এটি ভিন্ন প্রত্যয় নির্দেশ করে। C) ষ্ণেয় — এই প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়। D) ষ্ণিক — এই প্রত্যয়যুক্ত শব্দেও মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাৎ প্রত্যয় দেখলে মনে রাখবে যে সেখানে সবসময় দন্ত্য স হবে, কোনোভাবেই মূর্ধন্য ষ হবে না। পরীক্ষায় এই ধরনের প্রত্যয়ভিত্তিক বানান শনাক্ত করতে শব্দের শেষের অংশ ভালোভাবে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি বা বিশেষ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। এই ধরনের নিয়ম মনে রাখলে শুদ্ধ বানান এবং প্রত্যয় উভয় থেকেই কমন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
a বাক্যের মাঝে কোনো পদ ব্যাখ্যা করার জন্য
b প্রশ্ন বোঝানোর জন্য
c সম্বোধন পদের পর
d কোনো অপূর্ণ বাক্যের পর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্বোধন পদের পর ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যে কাউকে আহ্বান বা সম্বোধন করা হলে সেই সম্বোধন পদের ঠিক পরেই কমা বা পাদচ্ছেদ বসে। এটি লেখার সময় বক্তার বিরতি বা স্বরপতনের নির্দেশ করে এবং সম্বোধন পদটিকে বাক্যের অন্যান্য অংশ থেকে আলাদা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে যার উদ্দেশ্যে কিছু বলা হয় তাকে সম্বোধন পদ বলে। সম্বোধন পদের পর সামান্য বিরতির জন্য কমা ব্যবহার করা হয়। বাংলা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী লেখার সময় অর্থের স্পষ্টতা ও বাক্যের সৌন্দর্য রক্ষার জন্য কমার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো সম্বোধন পদ এবং এর ঠিক পরেই কমা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইসব, আপনারা আসন গ্রহণ করুন। ব্যাখ্যা: এখানে ভাইসব সম্বোধন পদ হওয়ায় এর পরে কমা বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের মাঝে কোনো পদ ব্যাখ্যা করার জন্য — বাক্যের মাঝে কোনো পদ ব্যাখ্যা বা অ্যাপোজিশন বোঝাতে কমা বসে না, বরং এর জন্য সাধারণত ব্র্যাকেট বা ড্যাস ব্যবহৃত হয়। B) প্রশ্ন বোঝানোর জন্য — প্রশ্ন বোঝানোর জন্য বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে, কমা বসে না। D) কোনো অপূর্ণ বাক্যের পর — অপূর্ণ বাক্যের পর সাধারণত কোলন বা সেমিকোলন বসে, কমা দিয়ে অপূর্ণ বাক্য আলাদা করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: কাউকে ডাকলেই বা সম্বোধন করলেই তার নামের পরে কমা বসবে। ডাক দেওয়া মানেই কমা ব্যবহার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে সম্বোধন পদের পর কোন বিরামচিহ্ন বসে, তা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
a প্লাবক
b উরগ
c নির্মোক
d কৃত্তি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নির্মোক ১. কেন সঠিক: - 'সাপের খোলস' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো নির্মোক। - নির্মোক শব্দের অর্থ খোলস বা ত্যক্ত ত্বক, যা কোনো প্রাণী ত্যাগ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই ব্যাকরণগত নিয়মটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহিফেন ব্যাখ্যা: সাপের বিষ থেকে প্রস্তুত একধরণের মাদকদ্রব্য বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ভুজঙ্গ ব্যাখ্যা: যার বাহু দিয়ে গমন করতে হয় অর্থাৎ সাপ বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাবক — প্লাবক শব্দের অর্থ যা প্লাবন বা বন্যা সৃষ্টি করে, যা সাপের খোলসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) উরগ — উরগ শব্দের অর্থ বুক দিয়ে চলে যে অর্থাৎ সাপ, কিন্তু এটি সাপের খোলসের সমার্থক নয়। C) নির্মোক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সাপের খোলস অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) কৃত্তি — কৃত্তি শব্দের অর্থ পশুর চামড়া বা ছাল, যা সাধারণত অন্য অর্থে বা বাঘের চামড়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাপ খোলস ছেড়ে নতুন রূপ নেয়, এই রূপ বদলানোর প্রক্রিয়া বা খোলসকে নির্মোক বলা হয়। - এই ধরনের শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রাণীর অংশ বা ত্যাজ্য বস্তু সংক্রান্ত শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a নশ্বর
b অবিনশ্বর
c নষ্ট স্বভাব
d বিনষ্ট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নশ্বর ১. কেন সঠিক: - 'নষ্ট হওয়া স্বভাব যার' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো নশ্বর। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নশ্বর শব্দটি এমন কোনো বস্তু বা বিষয়কে বোঝায় যার বিনাশ বা পতনশীলতা রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী নশ্বর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পৃথিবীর ধ্বংসশীল বা অবিনাশী নয় এমন প্রকৃতি বোঝাতে নশ্বর শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন নশ্বর। ব্যাখ্যা: মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নয়, এই ভাব প্রকাশ করতে নশ্বর শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নশ্বর — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে মিলে যায় এবং নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার তা প্রকাশ করে। B) অবিনশ্বর — এর অর্থ যার বিনাশ নেই বা যা চিরন্তন, যা প্রদত্ত প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) নষ্ট স্বভাব — এটি কোনো এককথায় প্রকাশ নয়, বরং একটি সাধারণ পদসমষ্টি যা প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত রূপের নিয়ম মানে না। D) বিনষ্ট — এর অর্থ যা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার তাকে এককথায় বিনষ্ট বলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নশ্বর শব্দটি এসেছে নাশ বা বিনাশ শব্দ থেকে যার অর্থ যা নষ্ট হয়। - স্বভাব বা প্রকৃতির ক্ষেত্রে যার পতন বা ধ্বংস আছে তাকে নশ্বর মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিপরীতার্থক শব্দ বা সমার্থক শব্দের সঙ্গে এককথায় প্রকাশ গুলিয়ে ফেলা যাবে না, শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a কুন্তল
b ফণী
c তনু
d করি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) করি কেন সঠিক: - ‘করী’ শব্দের অর্থ হাতি, যা প্রমিত বাংলা বানানে দীর্ঘ ঈ কার দিয়ে লেখা হয়। - হাতির আরও কিছু পরিচিত সমার্থক শব্দ হলো হস্তী, গজ, দীরদ ও নাগ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা সাহিত্যে এবং কাব্যে হাতির পরাক্রম বোঝাতে ‘করী’ শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন: ঐতিহাসিক বা কাব্যিক রচনায় ‘মত্ত করী’ বা ‘রণকরী’ শব্দ যুগলের ব্যবহার বেশ প্রচলিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কুন্তল — এই শব্দের অর্থ চুল বা কেশ, তাই এটি হাতি নয়। - B) ফণী — এই শব্দের অর্থ সাপ বা সর্প, তাই এটি হাতি নয়। - C) তনু — এই শব্দের অর্থ দেহ বা শরীর, তাই এটি হাতি নয়। মনে রাখার টিপস: - হাতির পিঠে সওয়ার হয়ে যুদ্ধ করার সময় শুঁড় দিয়ে কাজ করা হয়, এই কাজ থেকে ‘করী’ শব্দটি মনে রাখতে পারো।
a ঘাতক
b স্বজন
c মহাজন
d কুজন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাজন ১. কেন সঠিক: - খাতক শব্দের অর্থ ঋণগ্রহীতা বা যে ব্যক্তি অন্যের কাছ থেকে ঋণ বা কর্জ নিয়েছে। - এর বিপরীত বা উল্টোার্থক শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ ঋণদাতা বা যে ব্যক্তি সুদে টাকা ধার দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় মূল শব্দের উৎস, অর্থ এবং অর্থের বিপরীত ভাব সঠিকভাবে বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে কেনে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রি করে, যা একে অপরের বিপরীত শব্দ। উদাহরণ ২: আয় ও ব্যয় ব্যাখ্যা: আয় হলো যা অর্জিত হয় এবং ব্যয় হলো যা খরচ হয়, যা পারস্পরিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘাতক — ঘাতক শব্দের অর্থ হত্যাকারী বা যে আঘাত করে, যা খাতক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) স্বজন — স্বজন শব্দের অর্থ নিজেদের লোক বা আত্মীয়, যার সঙ্গে খাতক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) মহাজন — সঠিক উত্তর কারণ এটি খাতক শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ ঋণদাতা প্রকাশ করে। D) কুজন — কুজন শব্দের অর্থ খারাপ লোক বা পাখির মধুর ডাক, যা খাতক শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋণ নেওয়া ব্যক্তি খাতক এবং ঋণ দেওয়া ব্যক্তি মহাজন হিসেবে জোড়ায় মনে রাখতে পারো। - বিপরীত শব্দ পড়ার সময় অর্থের মিল ও অমিল ভালোভাবে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঋণ সংক্রান্ত শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - খাতক এবং মহাজন একটি বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক জোড়, তাই এটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a মর্দ
b জেনানা
c জেনানী
d মরদী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনানা ১. কেন সঠিক: - 'মরদ' একটি ফার্সি শব্দ, যার অর্থ পুরুষ বা বীর পুরুষ। এর বিপরীত লিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক শব্দ হলো 'জেনানা'। - বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি, ফার্সি ও হিন্দি শব্দে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিজস্ব নিয়ম বা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয় না, বরং সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ ব্যবহার করে বিপরীত লিঙ্গ প্রকাশ করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু বিদেশি শব্দে পুরুষবাচক শব্দের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্ত্রীবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, যার কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম বা প্রত্যয় থাকে না। - ফার্সি ভাষা থেকে আগত এই ধরনের শব্দগুলো ব্যবহারের সময় তাদের ঐতিহ্যগত বিপরীত শব্দই প্রমিত রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়, যেমন মরদ এর বিপরীতে জেনানা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাহেব ব্যাখ্যা: সাহেব শব্দের বিপরীত লিঙ্গ বিবি, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বাদশাহ ব্যাখ্যা: বাদশাহ শব্দের বিপরীত লিঙ্গ বেগম, যা ফার্সি শব্দ ব্যবহারের একটি প্রচলিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মর্দ — এটি 'মরদ' শব্দেরই একটি পরিবর্তিত বানান রূপ, কোনো বিপরীত লিঙ্গ নয়। C) জেনানী — জেনানী কোনো প্রমিত ফার্সি বা বাংলা শব্দ নয়, সঠিক রূপটি জেনানা। D) মরদী — এটি মরদ শব্দের সঙ্গে ভুলভাবে প্রত্যয় যুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফার্সি ভাষার পুরুষবাচক শব্দ মরদ এর বিপরীত লিঙ্গ মনে রাখার জন্য জেনানা শব্দটি মুখস্থ রাখতে হবে। - বিদেশি শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তনে সাধারণত প্রত্যয় যোগ হয় না, বরং জোড়া শব্দ বা ভিন্ন শব্দ মনে রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে আসা লিঙ্গান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়। - এই ধরনের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা নিয়ম না খুঁজে প্রচলিত প্রমিত রূপটি মনে রাখা জরুরি।
a ডাইনি
b সম্রাজ্ঞী
c মানুষ
d সভানেত্রী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডাইনি ১. কেন সঠিক: যেসব বিশেষ্য শব্দে কোনো পুরুষবাচক শব্দ থাকে না এবং যা জন্মগতভাবেই স্ত্রীবাচক হিসেবে পরিগণিত হয়, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। ডাইনি শব্দটি এমন একটি শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই এবং এটি সর্বদা স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরুষবাচক শব্দ থেকে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। তবে কিছু শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে স্বাধীনভাবে গঠিত হয় এবং এগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ থাকে না, এদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: সতীন একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: এয়োস্ত্রী ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটি সর্বদা স্ত্রীবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাইনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। B) সম্রাজ্ঞী — এটি সম্রাট শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। সি) মানুষ — এটি একটি উভয়লিঙ্গ শব্দ যা পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝায়। D) সভানেত্রী — এটি সভাপতি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে ডাইনি, সতীন, এয়োস্ত্রী, সধবা, বন্ধ্যা এই কয়েকটি শব্দ তালিকা করে মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের তালিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শিশু + ষ্ণ
b শিশু + ষ্ণ্য
c শিশু + শব
d শৈ + শব
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিশু + ষ্ণ কেন সঠিক: - ‘শৈশব’ শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক শব্দ হলো ‘শিশু’। - শব্দের শেষে ভাব অর্থে বা তদ্ধিতার্থে ‘ষ্ণ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘শৈশব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘ষ্ণ’ প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় গুণ বলে। - নিয়মানুযায়ী ‘ই’ কার বা ‘ঈ’ কার স্থানে ‘ঐ’ কার হয়, তাই ‘শিশু’ শব্দের প্রথম ‘শি’ অংশটি পরিবর্তিত হয়ে ‘শৈ’ তে রূপান্তরিত হয়। - একই নিয়মে ‘শিব’ শব্দের সাথে ‘ষ্ণ’ যুক্ত হয়ে ‘শৈব’ এবং ‘সুন্দর’ শব্দের সাথে ‘ষ্ণ’ যুক্ত হয়ে ‘সৌন্দর্য’ শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শিশু + ষ্ণ — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন ব্যাকরণসম্মত। - B) শিশু + ষ্ণ্য — ‘ষ্ণ্য’ নামে কোনো প্রত্যয় বাংলা ব্যাকরণে তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয় না। - C) শিশু + শব — ‘শব’ কোনো প্রত্যয় নয়, এটি একটি স্বাধীন শব্দ যার সাথে মূল শব্দের মিল নেই। - D) শৈ + শব — ‘শৈ’ কোনো মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক নয়, তাই এটি ভুল বিশ্লেষণ। মনে রাখার টিপস: - আদি স্বরের পরিবর্তন খেয়াল রাখবে, যেখানে ‘ই’ কার থাকলে তা ‘ঐ’ কারে রূপান্তরিত হয়।
a বাঁদী
b সভানেত্রী
c জেলেনি
d পেত্নী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেলেনি কেন সঠিক: ১. জেলে শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ই-নি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জেলেনি স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। ২. এখানে মূল শব্দের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে পংলিঙ্গ শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করার নিয়ম রয়েছে। ২. জেলে হলো পুরুষবাচক শব্দ এবং এর সঙ্গে নি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জেলেনি রূপ লাভ করেছে। ৩. যেমন জেলে থেকে জেলেনি, তেমনি মেথর থেকে মেথরাণী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁদী — এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত নয় বরং বান্দা শব্দের পরিবর্তিত স্ত্রীবাচক রূপ। B) সভানেত্রী — এটি নেতা শব্দের স্ত্রীবাচক নেত্রী শব্দের সঙ্গে সভা যুক্ত হয়ে গঠিত পদ। D) পেত্নী — এটি পিশাচ শব্দের বিকার বা পরিবর্তিত রূপ হিসেবে স্ত্রীবাচক শব্দ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের শেষে ই-নি বা নী প্রত্যয় দেখলে সাধারণত প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে চিনে নেবে। ২. মূল শব্দের সঙ্গে নি প্রত্যয় যোগের নিয়ম ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কলেছাঁটা
b ভবনদী
c জয়ধ্বনি
d জলমাত্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জলমাত্র ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সমসমান পদগুলো ব্য়াখ্য়া করার জন্য ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না এবং সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য করা যায় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। জলমাত্র শব্দটিতে কেবল জল বোঝাতে নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সমাস সাধিত হয়েছে যেখানে অন্য কোনো পদের সংযোগ থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না অথবা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। নিত্য সমাসের চেনার উপায় হলো সমস্ত পদে সাধারণত মাত্র, ই, অন্য, কেবল প্রভৃতি শব্দ থাকে এবং সাধারণ নিয়মে এদের ব্যাসবাক্য করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশান্তর ব্যাখ্যা: অন্য দেশ বোঝাতে এটি নিত্য সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: কেবল দর্শন ব্যাখ্যা: দর্শনমাত্র শব্দটির ব্যাসবাক্য হিসেবে কেবল দর্শন ব্যবহৃত হয় যা নিত্য সমাসের নিয়ম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলেছাঁটা — এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে ছাঁটা পদের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়নি। B) ভবনদী — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে সংসার ও নদীর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। C) জয়ধ্বনি — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো জয়সূচক ধ্বনি যেখানে মাঝের পদটি লোপ পেয়েছে। D) জলমাত্র — এটি নিত্য সমাস এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে হুবহু মিলে যাওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: সম্বোধন পদে বা সমস্ত পদে যদি মাত্র কিংবা অন্য শব্দ থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি নিত্য সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারো। নিত্য সমাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এর সমস্ত পদ দেখলে বুঝতে পারবে যে এটি স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাসবাক্য করা সম্ভব নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস চেনার জন্য মাত্র ও অন্য শব্দযুক্ত সমস্ত পদগুলো বারবার অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে তাই ব্যাকরণের এই বিশেষ নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a করণে ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াকে 'কাকে' বা 'কী' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। - এখানে 'জিজ্ঞাসিব' ক্রিয়ার কর্ম হলো 'জনে জনে' এবং এতে সপ্তমী বা এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যাকে কোনো কিছু দান বা অর্পণ করা হয় অথবা কোনো বিষয়ে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করা হয়, তাতে কর্মকারক হয়। - বিভক্তিহীন শব্দ বা শব্দের সঙ্গে 'এ', 'য়', 'তে' যুক্ত হলে এবং তা স্থান, কাল বা পাত্র বুঝালে অধিকরণ হয়, কিন্তু এখানে জিজ্ঞাসা করার ক্ষেত্র বুঝিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: শিক্ষককে সম্মান করো। ব্যাখ্যা: কাকে সম্মান করবে উত্তর শিক্ষককে, তাই এটি কর্মকারকে দ্বিতীয়ীয়া বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — করণ কারক হয় উপকরণের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন বোঝালে, কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্র বোঝায়নি। B) কর্মে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে জিজ্ঞাসা করার কর্ম বোঝানো হয়েছে। C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হয় কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হওয়া বোঝালে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা কাল নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করার অর্থে কর্মকারক হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিজ্ঞাসা করা, প্রদান করা বা কাউকে কিছু বলা বোঝালে যাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয় তা কর্মকারক হয়। - সপ্তমী বিভক্তির জন্য শব্দের সঙ্গে 'এ' বা 'তে' যুক্ত থাকে তা খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে। - ক্রিয়ার আধার বা স্থান না বুঝিয়ে কর্ম বোঝালে অধিকরণ কারক দাগানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
a দ্বন্ধ
b অব্যয়ীভাব
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পরপদটি অব্যয় পদ হয়ে পূর্বপদের অর্থকে প্রভাবিত করে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - এখানে অব্যয় পদের যোগে শব্দটি গঠিত হয় এবং সম্পূর্ণ শব্দটি অব্যয়ের অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত পূর্বপদে উপসর্গ বা অব্যয় বসে এবং পরপদটি বিশেষ্য পদ হয়। - এই সমাসে পূর্বপদের অর্থই প্রধান থাকে এবং সমস্তপদটি অব্যয় রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত, এখানে আ উপসর্গ যোগে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রতিক্ষণ ব্যাখ্যা: প্রতি ক্ষণ ক্ষণ, এখানে প্রতি অব্যয় যোগে সময় বা পুনরাবৃত্তি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্ধ — এটি উভয় পদ প্রধান সমাস, যেখানে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পায়। B) অব্যয়ীভাব — এটি সঠিক উত্তর। C) তৎপুরুষ — এটি পরপদ প্রধান সমাস, যেখানে বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। D) বহুব্রীহি — এটি অন্য পদ প্রধান সমাস, যেখানে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোনো পদকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অব্যয়ীভাব সমাসে উপসর্গ বা অব্যয় দিয়ে শুরু হয় এবং পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে। - মনে রাখার সূত্র হলো, অব্যয়ে পূর্বপদ প্রধান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোন সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান, তা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ কোন দিকে ঝোঁক দিচ্ছে তা লক্ষ করতে হবে।
a হাইফেন
b ড্যাস
c কোলন ড্যাস
d কোলন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোলন ১. কেন সঠিক: একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা বা ব্যাখ্যা করতে হলে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। বাক্যের বক্তব্য স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বা কোনো সূত্রের বিস্তার ঘটানোর সময় কোলন চিহ্ন বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার বাক্যকে অর্থপূর্ণ ও সুস্পষ্ট করে তোলে। কোলন একটি গুরুত্বপূর্ণ যতিচিহ্ন যা মূলত কোনো উদ্ধৃতি বা অপূর্ণ বাক্যের পরের অংশের সংযোগ সাধনে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভা শেষ হলো এই বলে: আগামী রবিবার আবার দেখা হবে। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম অপূর্ণ বাক্যের পরের অংশটুকু কোলন চিহ্নের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত: জন্ম ও মৃত্যু। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম বাক्याংশের ব্যাখ্যা বা অবতারণা করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদগুলোকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়, বাক্যের অবতারণায় নয়। B) ড্যাস — বাক্যের পরিসমাপ্তি বা ভাবের পরিবর্তন বোঝাতে ড্যাস ব্যবহৃত হয়, অপূর্ণ বাক্যের পরে নয়। C) কোলন ড্যাস — উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোলন ড্যাস ব্যবহৃত হয়, সাধারণ বাক্যের অবতারণায় নয়। D) কোলন — এটি সঠিক কারণ একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে কোলন ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অপূর্ণ বাক্যের পরে আরেকটি বাক্যের অবতারণা করতে কোলন ব্যবহার করা হয়। মনে রাখবে কোলন মানেই সামনে আরও কিছু আসছে বা ব্যাখা করা হচ্ছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের কাজ ও সময়কাল সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। যতিচিহ্ন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জানা থাকলে বাক্য গঠন ও বাক্যশুদ্ধি উভয় অংশেই ভালো করা সম্ভব।
a তুলসী বনের বাঘ
b বিড়াল তপস্বী
c ভিজা বিড়াল
d বকধার্মিক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিজা বিড়াল ১. কেন সঠিক: - 'ভিজা বিড়াল' বাগধারাটির অর্থ হলো ভণ্ড বা নীরব ভদ্র সেজে থাকা শঠ ব্যক্তি, যা মূলত কোনো বিশেষ ভঙিমা প্রকাশ করে। - প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন বাগধারাটি 'স্বতন্ত্র অর্থ' প্রকাশ করে, যেখানে বাকি তিনটি বাগধারার অর্থ প্রায় একই রকম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় এমন কিছু বাগধারা রয়েছে যার মধ্যে তিনটি সমার্থক বা একই ভাব প্রকাশ করে এবং একটি সম্পূর্ণ আলাদা বা স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে তুলসী বনের বাঘ, বিড়াল তপস্বী এবং বকধার্মিক তিনটি বাগধারারই সাধারণ অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা শান্ত শিষ্টের ছদ্মবেশে বিপজ্জনক ব্যক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভদ্রলোকের আচরণ দেখে মনে হয় তিনি তুলসী বনের বাঘ, আসলে তিনি ভেতরে ভেতরে খুব চালাক। ব্যাখ্যা: এখানে শান্ত স্বভাবের আড়ালে বিপজ্জনক রূপ বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই মানুষটির মিষ্টি কথায় ভুলো না, সে আসলে একটি ভিজা বিড়াল। ব্যাখ্যা: এখানে নীরব ও সোজা সেজে থাকা শঠ বা ধূর্ত ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলসী বনের বাঘ — এই বাগধারাটির অর্থ ভদ্রবেশী শঠ বা ভণ্ড, যা প্রদত্ত উত্তরের মতো স্বতন্ত্র নয়। B) বিড়াল তপস্বী — এই বাগধারাটির অর্থও ভণ্ড সাধু বা ধূর্ত ব্যক্তি, যা অন্যগুলোর সাথে মিলে যায়। C) ভিজা বিড়াল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভণ্ড বা নীরব ভদ্র, যা প্রশ্ন অনুযায়ী স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে। D) বকধার্মিক — এই বাগধারাটির অর্থও শান্ত শিষ্টের ছদ্মবেশী শঠ বা বক তপস্বী, যা সমার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাগধারার অর্থ ভণ্ড বোঝায় সেগুলোর একটি তালিকা করে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব। - তুলসী বনের বাঘ, বিড়াল তপস্বী ও বকধার্মিক তিনটির অর্থ একই অর্থাৎ ভণ্ড, তাই ব্যতিক্রমটিই উত্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিন্নার্থক বা স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশক বাগধারা আলাদা করতে বলা হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য অপশনগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
a চুরি করা
b সেবা করা
c অপরাধ করা
d নষ্ট করা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চুরি করা ১. কেন সঠিক: - চক্ষুদান করা বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো হাত সাফাই করা বা চুরি করা। - আপাতদৃষ্টিতে এর আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা মনে হলেও, বাংলা ভাষার বিশেষ প্রয়োগে এটি মূলত চুরির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দ বা পদের এই রূপান্তর ভাষাকে আরও সুন্দর ও নান্দনিক করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজারে ভিড়ের মধ্যে পকেটমারের দল সাবধানে মানুষের মানিব্যাগ চক্ষুদান করে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা বলতে চুরির কাজটি অত্যন্ত নিপুণভাবে সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: দোকান থেকে চোখের নিমেষে দামি জিনিসটি কেউ চক্ষুদান করে নিয়ে গেল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও সামগ্রিক অর্থে কোনো বস্তু চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুরি করা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই চক্ষুদান করা বাগধারাটির অভিধানসম্মত অর্থ। B) সেবা করা — এই অপশনটি ভুল কারণ সেবা করার সঙ্গে চক্ষুদান করা বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। C) অপরাধ করা — এই অপশনটি ভুল কারণ অপরাধ করা একটি সাধারণ ধারণা, আর চক্ষুদান করা একটি নির্দিষ্ট অপরাধ অর্থাৎ চুরি করা বোঝায়। D) নষ্ট করা — এই অপশনটি ভুল কারণ নষ্ট করা বা ধ্বংস করার সঙ্গে এই বাগধারার অর্থের মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বন্ধ থাকা বা চোখ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগে কিছু উধাও হয়ে যাওয়া মানেই চক্ষুদান করা বা চুরি করা। - এই ধরনের প্রতারণামূলক বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থের পেছনে না ছুটে প্রমিত অর্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন কিছু বাগধারা আসে যার আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থের মধ্যে আকাশচুম্বী তফাত থাকে। - এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বাগধারার ক্ষেত্রে সর্বদা প্রমিত ও পরীক্ষিত অর্থটিকেই সঠিক হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
a অত্যাধিক
b অদ্যাপি
c আদ্যাক্ষর
d আবিষ্কার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবিষ্কার ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আবিষ্কার বানানটিতে মূর্ধন্য-ষ-এর পূর্বে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - আবিঃ যুক্ত কার মিলে আবিষ্কার গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য-ষ হয় এবং ই-কার অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের আগে অ কিংবা আ ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে এবং পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে মূর্ধন্য-ষ হয়। - আবিঃ শব্দের শেষে বিসর্গ এবং তার পূর্বে ই স্বরধ্বনি থাকার কারণে এবং পরবর্তীতে কার শব্দের শুরুতে ক থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ষ রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবিষ্কর্তা ব্যাখ্যা: আবিষ্কার শব্দের মতো একই বিসর্গ সন্ধির নিয়মে আবিঃ যুক্ত কর্তা মিলে আবিষ্কর্তা শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বহিষ্কার ব্যাখ্যা: বহিঃ যুক্ত কার মিলে বহিষ্কার গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গের আগের ই-কার বহাল থেকে ক-এর পূর্বে মূর্ধন্য-ষ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যাধিক — সঠিক বানানটি হবে অতিরিক্ত বা অত্যধিক কারণ অতি যুক্ত অধিক মিলে অত্যধিক হয় এবং অত্যাধিক একটি প্রচলিত ভুল বানান। B) অদ্যাপি — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও এটি মূল প্রশ্নের বানান শুদ্ধতার বিচারে উদ্দিষ্ট সঠিক উত্তর নয়। C) আদ্যাক্ষর — এই বানানটি সঠিক এবং আদি যুক্ত অক্ষর মিলে গঠিত হলেও মূল প্রশ্নে নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর হিসেবে ডি অপশনটি নির্ধারিত হয়েছে। D) আবিষ্কার — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত একটি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবিঃ এবং বহিঃ উপসর্গের পর কার বা স্কার জাতীয় শব্দ যুক্ত হলে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার করতে হয় এবং ই-কার অপরিবর্তিত রাখতে হয়। - এই নিয়মটি মনে রাখলে আবিষ্কার, বহিষ্কার ও আবিষ্কর্তা জাতীয় বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বানান শুদ্ধি ও সন্ধি উভয় অংশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই নিয়মের শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক বানানটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
a কেবল মাত্র তুমি যাবে
b এতে আশ্চার্য হলাম
c বিবিধ জিনিস কিনলাম
d এ সংবাদে সন্তোষ হলাম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিবিধ জিনিস কিনলাম ১. কেন সঠিক: - 'বিবিধ' শব্দটির অর্থ নানাবিধ বা একাধিক বিভিন্ন প্রকার। এর সঙ্গে আলাদা করে বহুবচনসূচক শব্দ ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। - 'জিনিস' বিশেষ্য পদ এবং 'বিবিধ' এর আগের বিশেষণ হিসেবে বসে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণসিদ্ধ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো বাহুল্য দোষ বর্জন করা। একটি শব্দে যা প্রকাশ পায়, তার সঙ্গে সমার্থক বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ ঘটে। - 'বিবিধ' শব্দের মধ্যে নানাত্ব বা বহুবচনের ভাব নিহিত থাকায় এর সঙ্গে অতিরিক্ত কোনো বহুবচনবাচক শব্দ বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভায় অনেক লোক উপস্থিত ছিল। ব্যাখ্যা: 'লোক' শব্দের সঙ্গে 'জন' বা বহুবচন যোগ করার প্রয়োজন নেই, তাই 'অনেক লোক' শুদ্ধ রূপ। উদাহরণ ২: সমস্ত পক্ষীগুলো উড়ে গেল। ব্যাখ্যা: 'সমস্ত' এবং 'গুলো' দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ হয়, শুদ্ধ রূপ হলো সমস্ত পক্ষী উড়ে গেল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেবল মাত্র তুমি যাবে — 'কেবল' এবং 'মাত্র' সমার্থক শব্দ। একসঙ্গে ব্যবহার করায় এখানে বাহুল্য দোষ ঘটেছে। B) এতে আশ্চার্য হলাম — বানানটি ভুল। এর সঠিক রূপ হবে 'এতে আশ্চর্য হলাম'। C) বিবিধ জিনিস কিনলাম — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য এবং এতে কোনো বাহুল্য বা বানানগত ত্রুটি নেই। D) এ সংবাদে সন্তোষ হলাম — 'সন্তোষ' বিশেষ্য পদ। ক্রিয়ার সঙ্গে মিল রেখে এখানে 'সন্তুষ্ট' বিশেষণ ব্যবহার করতে হবে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একই অর্থে দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে কেবল ও মাত্র, সব ও সকল একসঙ্গে ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি প্রায়ই আসে। তাই শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a অভ্যাসের
b পড়াশোনার
c ভাষান্তরের
d নির্ধারণের
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অভ্যাসের ১. কেন সঠিক: অনুবাদ কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান বা ব্যাকরণের নিয়ম মুখস্থ করার বিষয় নয়, এটি মূলত ভাষা দক্ষতা অর্জনের একটি প্রায়োগিক ক্ষেত্র। যত বেশি চর্চা বা অভ্যাস করা হবে, এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ভাব বিনিময়ের দক্ষতা তত বেশি উন্নত ও স্বাভাবিক হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষা ব্যবহারের ব্যবহারিক দক্ষতা ও প্রায়োগিক প্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার দুটি রূপ থাকে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক, এবং অনুবাদের ক্ষেত্রে নিয়ম জানার পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি প্রবাদের নিয়মিত বাংলা অনুবাদ চর্চা করা। ব্যাখ্যা: এতে ভিন্ন ভাষার ভাব সঠিকভাবে বাংলায় ফুটিয়ে তোলার অভ্যাস গড়ে ওঠে। উদাহরণ ২: সংবাদপত্রের বিদেশি নিবন্ধ বাংলায় রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: এটি অনুবাদে পারদর্শিতা অর্জনের সবচেয়ে কার্যকর একটি ব্যবহারিক অভ্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভ্যাসের — এটি সঠিক কারণ নিয়মিত চর্চা না থাকলে অনুবাদে সাবলীলতা আসে না। B) পড়াশোনার — পড়াশোনা জ্ঞান বাড়ায় কিন্তু প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জনের জন্য অনুশীলনের প্রয়োজন হয়। C) ভাষান্তরের — ভাষান্তর নিজেই অনুবাদের কাজ, এর ওপর পারদর্শিতা সরাসরি নির্ভরশীল নয়। D) নির্ধারণের — নির্ধারণ কোনো ভাষা দক্ষতা অর্জনের মূল শর্ত বা কারণ হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুবাদ মানেই চর্চা বা অভ্যাস। যিনি যত বেশি চর্চা করবেন, তার অনুবাদ তত বেশি সুন্দর ও নির্ভুল হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা দক্ষতার প্রশ্নগুলো প্রায়োগিক বুদ্ধিমত্তা যাচাইয়ের জন্য আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a সে ভাগ্য হারিয়েছে
b সে ভাগ্যহারা
c তার পোড়া কপাল
d সে ভাগ্যের বাইরে.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তার পোড়া কপাল কেন সঠিক: - ইংরেজি idiom বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ না ধরে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ধরতে হয়। - Out of luck কথাটির প্রচলিত ভাবানুবাদ হলো দুর্ভাগ্য বা খারাপ সময় বোঝানো। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ইংরেজি idiomatic expression বা বাগধারা। - ইংরেজিতে ভাগ্য ভালো থাকাকে বলা হয় in luck এবং খারাপ থাকাকে বলা হয় out of luck। - যেমন, I am out of luck today এর অর্থ আজ আমার দিনটি খারাপ যাচ্ছে বা পোড়া কপাল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সে ভাগ্য হারিয়েছে — এটি literal বা শাব্দিক অনুবাদ হওয়ায় অর্থ সঠিক হয়নি। - B) সে ভাগ্যহারা — এটি কিছুটা কাছাকাছি হলেও প্রচলিত ভাবানুবাদ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। - C) তার পোড়া কপাল — এটি সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এখানে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। - D) সে ভাগ্যের বাইরে — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অর্থহীন একটি অনুবাদ। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি out of luck দেখলে সবসময় তার বাংলা বাগধারা পোড়া কপাল বা দুর্ভাগ্য হিসেবে মনে রাখবে।
a বনঃ + পতি
b বন + পতি
c বনস + পতি
d বন + স্পতি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বন + পতি কেন সঠিক: - এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে বিসর্গ বা অন্য কোনো পরিবর্তন না হয়ে সরাসরি দুটি শব্দ যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে সাধিত হয়। - বাংলা ভাষায় বহুপ্রচলিত শব্দ হিসেবে এই ধরনের সন্ধি হুবহু মুখস্থ রাখতে হয়। - এই নিয়মের আরেকটি বিখ্যাত উদাহরণ হলো মন + তাপ = মনস্তাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বনঃ + পতি — বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এটি হয় না কারণ এখানে বিসর্গ থাকে না। - B) বন + পতি — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো নাম প্রযোজ্য নয়। - C) বনস + পতি — 'বনস' বলে কোনো মূল শব্দ বা প্রত্যয় বাংলায় ব্যবহৃত হয় না। - D) বন + স্পতি — সন্ধির সময় 'পতি' শব্দের আগের অংশ আলাদা করা ভুল, এখানে 'বন' ও 'পতি' যুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: - বনস্পতি শব্দটিতে কোনো বিসর্গ বা অতিরিক্ত স যুক্ত হয় না, তাই শুধু বন এর সাথে পতি যোগ করতে হবে।
a হিমালয়
b অহরহ
c সংসার
d বনস্পতি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিমালয় ১. কেন সঠিক: - স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে। এখানে হিমালয় শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো হিম যোগ আলয়। - প্রথম শব্দের অন্তস্থিত অ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদস্থিত আ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে এবং তা পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। - স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ অথবা আ এর পর অ অথবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্র = রবি যোগ ইন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের ই কার এবং দ্বিতীয় শব্দের ই কার মিলে ঈ কার হয়েছে, যা স্বরসন্ধির উদাহরণ। উদাহরণ ২: কথামৃত = কথা যোগ অমৃত ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের অন্তস্থিত আ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদস্থিত অ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে। B) অহরহ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ হলো অহঃ যোগ অহ, যা বিসর্গ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। C) সংসার — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ হলো সম যোগ সার, যেখানে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়েছে। D) বনস্পতি — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ হলো বন যোগ পতি, যা নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুটি শব্দের মাঝখানে যদি আ, ঈ, ঊ এর মতো দীর্ঘ স্বরধ্বনি দেখতে পাও, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা স্বরসন্ধি হবে। সন্ধিবিচ্ছেদ করার সময় খেয়াল রাখবে যেন ভাঙার পর উভয় অংশই অর্থপূর্ণ শব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি এবং বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। হিমালয় শব্দটি বারবার বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসার কারণে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রশ্ন।
a ভাবাধিকরণ
b ঐকদেশিক অধিকরণ
c কালাধিকরণ
d বৈষয়িক
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঐকদেশিক অধিকরণ ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং নির্দিষ্ট সীমানার ভেতরে কোনো স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ কারক বলা হয়। আকাশ একটি সুবিশাল ক্ষেত্র বা নির্দিষ্ট সীমানা নির্দেশ করে এবং চাঁদ ওঠার ক্রিয়াটি সেই আকাশের একটি নির্দিষ্ট অংশে সম্পন্ন হয়েছে বলে এটি ঐকদেশিক অধিকরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে এবং অধিকরণ কারককে মূলত চার ভাগে ভাগ করা হয় যথা ঐকদেশিক, অভিব্যাপক, বৈষয়িক ও কালাধিকরণ। বিশাল স্থানের যেকোনো এক অংশে বা নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে কোনো কিছু অবস্থিত হলে বা ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা নির্দিষ্ট সীমানার ভেতর বাঘ থাকে বলে এটি ঐকদেশিক অধিকরণের উদাহরণ। উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে। ব্যাখ্যা: পুকুরের সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে মাছ থাকে না, নির্দিষ্ট জলভাগের মধ্যে থাকে তাই এটি ঐকদেশিক অধিকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাবাধিকরণ — কোনো বাক্যে একটি ক্রিয়ার ওপর অন্য ক্রিয়ার নির্ভরতা প্রকাশ পেলে তাকে ভাবাধিকরণ বলে যা এখানে নেই। B) ঐকদেশিক অধিকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট সীমার ভেতরে বা কোনো স্থানের এক অংশে ক্রিয়া সম্পন্ন বুঝিয়েছে। C) কালাধিকরণ — সময় বা কালকে অধিকরণ কারক হিসেবে নির্দেশ করলে তাকে কালাধিকরণ বলে কিন্তু এখানে স্থান বোঝানো হয়েছে। D) বৈষয়িক — কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষতা বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষত্ব বোঝালে তাকে বৈষয়িক অধিকরণ বলে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো স্থানে বা এক অংশে ক্রিয়া বোঝাতে ঐকদেশিক অধিকরণ হয়। স্থান ছোট হোক বা বিশাল হোক, যদি সমগ্র অংশ জুড়ে না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট কোনো অংশে বোঝায় তবে তা ঐকদেশিক অধিকরণ হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থানবাচক অধিকরণ কারক সাধারণত ঐকদেশিক বা অভিব্যাপক এই দুই প্রকারের হয়ে থাকে। সারা আকাশ বা সমস্ত ক্ষেত্র জুড়ে না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে বোঝানোর কারণে এটি ঐকদেশিক অধিকরণ হিসেবে পরীক্ষামুলক প্রশ্নে বারবার আসে।
a had left
b left
c will leave
d leave
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had left কেন সঠিক: অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense অর্থাৎ had + V3 বসে। এখানে আপনার চলে যাওয়ার কাজটি আগে ঘটেছিল, তাই সঠিক উত্তরটি had left হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had left - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী Past Perfect Tense গঠন করেছে। B) left - এটি দিয়ে Past Indefinite বুঝায়, যা পরে ঘটা কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) will leave - এটি Future Indefinite Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না। D) leave - এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের বাক্যে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: After এর আগে Past Indefinite হলে পরে Past Perfect Tense হয়।
a pen
b penning
c pened
d penned
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) penned কেন সঠিক: বাক্যটি Imperative Sentence-এর Passive Voice আকারে রয়েছে। Let দিয়ে শুরু বাক্যে Object-এর পর be থাকলে মূল verb-এর Past Participle form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pen — এটি Verb-এর Base form, যা Passive Voice-এর নিয়ম অনুযায়ী be-র পরে বসতে পারে না। B) penning — এটি Verb-এর Present Participle form, যা এখানে সঠিক ব্যাকরণগত গঠন পূরণ করে না। C) pened — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় কারণ pen শব্দটির সঠিক Past Participle হলো penned। D) penned — এটি সঠিক Past Participle form হওয়ায় বাক্যটি পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Let দিয়ে শুরু Passive বাক্যে be দেখলে চোখ বন্ধ করে Verb-এর Past Participle form বা V৩ বসিয়ে দেবে।
a stick
b strict
c stitch
d stich
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stitch কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ সময়ে এক ফোঁড় অসময়ে দশ ফোঁড়। জামাকাপড়ের সেলাইয়ের ক্ষেত্রে 'stitch' শব্দটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। প্রবাদটির আসল রূপটি মনে রাখলে এই উত্তরটি খুব সহজে দেওয়া যায়। বানানগত দিক থেকেও এই শব্দটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও আদর্শ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stick — এর অর্থ লাঠি, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। B) strict — এর অর্থ কঠোর, যা এই প্রবাদের শূন্যস্থানে বসার যোগ্য নয়। C) stitch — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) stich — বানানে ভুল আছে কারণ সঠিক বানানে মাঝখানে একটি t অক্ষর থাকে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে জামা সেলাইয়ের ইংরেজি শব্দ 'stitch' ব্যবহার করতে হয় এবং এর বানানটিতে অতিরিক্ত একটি t থাকে তা মনে রাখতে হবে।
a hung
b hang
c hanged
d hangged
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hanged কেন সঠিক: ফাঁসি দেওয়া অর্থে hang verb এর সঠিক past participle বা V3 রূপ হলো hanged। এখানে বাক্যটি passive voice এ থাকায় auxiliary verb এর পর hanged বসেছে। অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বোঝালে hanged ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hung — এটি hang এর past form হলেও ঝোলানো অর্থে ব্যবহৃত হয়, ফাঁসি দেওয়া অর্থে নয়। B) hang — এটি verb এর base form, যা এখানে grammatical নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) hanged — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) hangged — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো বানান বা শব্দ রূপের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: পোশাক বা কোনো বস্তু ঝোলালে hung হয়, আর মানুষের ফাঁসি হলে hanged হয়।
a were
b is
c has been
d had been
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were কেন সঠিক: - As if বা as though যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। - বি ভার্ব হিসেবে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সব ক্ষেত্রে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম মেনে সাবজেক্টের পরে বসেছে। B) is — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় as if এর পরের অংশের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) has been — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এই কাঠামোর সাথে মিলছে না। D) had been — প্রথম অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট হলে পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট বসে না। মনে রাখার টিপস: As if এর বাম পাশে প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে ডান পাশে সব সময় were বসাতে হয়।
a clever
b dull
c boring
d tedious
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) clever কেন সঠিক: Witty শব্দের অর্থ হলো চতুর, রসাত্মক বা বুদ্ধিদীপ্ত। Clever শব্দের অর্থও চতুর বা বুদ্ধিমান, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই Witty এবং Clever সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) clever — এটি সঠিক উত্তর এবং Witty শব্দের সাথে এর অর্থের মিল রয়েছে। B) dull — এর অর্থ নিস্তেজ বা বোকা, যা Witty শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) boring — এর অর্থ বিরক্তিকর, যা Witty বা বুদ্ধিদীপ্ত শব্দের সাথে মিলে না। D) tedious — এর অর্থ ক্লান্তিকর বা একঘেয়ে, যা Witty শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: Witty মানে যার মাথা খুব পরিষ্কার এবং চতুর, তাই এর সমার্থক হিসেবে Clever শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a hostile
b unfriendly
c meek
d amiable
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) amiable কেন সঠিক: ‘Cordial’ শব্দটির অর্থ আন্তরিক, বন্ধুভাবাপন্ন বা হৃদ্যতাপূর্ণ। ‘Amiable’ শব্দটির অর্থও অমায়িক, বন্ধুভাবাপন্ন বা মনোরম। সমার্থক শব্দ হিসেবে এদের অর্থের মধ্যে সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা ‘cordial’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) unfriendly — এর অর্থ বন্ধুতাহীন বা অমিত্রসুলভ, যা সঠিক উত্তরের উল্টো অর্থ। C) meek — এর অর্থ বিনয়ী বা নরম স্বভাবের, যা আন্তরিক বা বন্ধুভাবাপন্ন শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে না। D) amiable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘cordial’ শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Cordial মানুষের মনকে ছোঁয়, আর Amiable মানুষ সবাইকে আপন করে নেয়। তাই মনে রাখবে cordial মানেই amiable বা বন্ধুভাবাপন্ন।
a hostile
b negative
c favourable
d unfavourable
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) favourable কেন সঠিক: - 'Adverse' শব্দের অর্থ প্রতিকূল, ক্ষতিকর বা বিপক্ষ। - এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো 'favourable', যার অর্থ অনুকূল বা সাহায্যকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এটি adverse শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমিত্রসুলভ। B) negative — এটি adverse শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) favourable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) unfavourable — এটি adverse শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ প্রতিকূল বা অনুকূল নয়। মনে রাখার টিপস: Adverse মানে প্রতিকূল পরিস্থিতি আর Favourable মানে অনুকূল পরিস্থিতি, এভাবে বিপরীত অর্থ মনে রাখতে হবে।
a hard
b elastic
c changeable
d ductile
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hard কেন সঠিক: Flexible শব্দের অর্থ হলো নমনীয় বা সহজে বাঁকানো যায় এমন। Hard শব্দের অর্থ হলো শক্ত, যা সহজে বাঁকে না বা পরিবর্তন হয় না। তাই এটি flexible শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hard — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি নমনীয়তার বিপরীত। B) elastic — এর অর্থ স্থিতিস্থাপক, যা flexible শব্দের সমার্থক। C) changeable — এর অর্থ পরিবর্তনশীল, যা flexible শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) ductile — এর অর্থ প্রসারিত করা যায় এমন, যা নমনীয়তার সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Flexible মানে যা সহজে মরে যায়, আর hard মানে যা কখনো ভাঙ্গে না কিন্তু শক্ত থাকে।
a At length
b Ten to one
c At large
d All in all
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ten to one কেন সঠিক: Ten to one ফ্রেজটির অর্থ হল সম্ভাবনা খুবই বেশি বা নিশ্চিত প্রায়। শূন্যস্থানে এই ফ্রেজটি বসালে অর্থ দাঁড়ায় যে আজ তার আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At length — এর অর্থ বিস্তারিতভাবে বা অবশেষে, যা বাক্যের অর্থর সাথে মেলে না। B) Ten to one — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) At large — এর অর্থ স্বাধীনভাবে বা মুক্ত অবস্থায়, যা এখানে অর্থহীন। D) All in all — এর অর্থ সর্বেসর্বা বা মোট ও সামগ্রিকভাবে, যা এখানে বসে না। মনে রাখার টিপস: Ten to one অর্থ দশের মধ্যে নয় জন অর্থাৎ প্রবল সম্ভাবনা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
a take to task
b put off
c put out
d play truant
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) play truant কেন সঠিক: play truant অর্থ বিনা অনুমতিতে স্কুল বা ক্লাস থেকে পালিয়ে যাওয়া। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী নিয়মিত স্কুল কামাই করলে পরীক্ষায় ফেল করবে বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) take to task — এর অর্থ কাউকে তিরস্কার করা বা বকাঝকা করা। এটি এখানে অর্থের সাথে মিলে না। B) put off — এর অর্থ কোনো কাজ স্থগিত রাখা বা পেছানো। এটি স্কুলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) put out — এর অর্থ আগুন বা বাতি নেভানো। এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: স্কুল থেকে পালিয়ে যাওয়া বা ফাঁকি দেওয়ার ইংরেজি হলো play truant.
a slow coach
b silver spoon
c maiden speech
d weal and woe
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) maiden speech কেন সঠিক: - 'Maiden speech' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার অর্থ হলো কারও জীবনের প্রথম বক্তৃতা। - শূন্যস্থানে এই ইডিয়মটি বসলে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, তাঁর প্রথম বক্তৃতা আমাদের সবাইকে আনন্দিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) slow coach — এর অর্থ অলস ব্যক্তি, যা বক্তৃতার প্রসঙ্গের সঙ্গে মেলে না। B) silver spoon — এর অর্থ জন্মসূত্রে ধনী পরিবারে জন্ম নেওয়া, যা এখানে অর্থহীন। C) maiden speech — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ প্রথম বক্তৃতা। D) weal and woe — এর অর্থ সুখ ও দুঃখ, যা বাক্যটির অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিহীন। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' শব্দের অর্থ প্রথম বা কুমারী। তাই 'maiden speech' দেখলে প্রথম বক্তৃতা হিসেবে মনে রাখবে।
a heart
b hearten
c heartly
d heartily
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) heartily কেন সঠিক: - 'Heart' হলো একটি নাউন, যার সাথে 'ily' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি অ্যাডভার্বে রূপান্তর হয়েছে। - 'Heartily' শব্দটির অর্থ আন্তরিকভাবে বা উৎসাহের সাথে, যা বাক্যে অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heart — এটি মূল শব্দ এবং পার্টস অব স্পীচের দিক থেকে একটি নাউন, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) hearten — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ সাহস বা উৎসাহ জোগানো, তাই এটি অ্যাডভার্ব হতে পারে না। C) heartly — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো মানসম্মত শব্দ বা সঠিক গঠন নেই। D) heartily — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গঠন ও অর্থ ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: সাধারণত কোনো নাউনের শেষে 'ful' যুক্ত হলে তা অ্যাডজেক্টিভ হয় এবং তার সাথে 'ly' যুক্ত করলে তা অ্যাডভার্ব হয়, যেমন heart থেকে heartfelt এবং heartfelt থেকে heartily।
a In spite of working hard, you cannot shine in life.
b Though he works hard, he cannot shine in life.
c Unless you work hard, you cannot shine in life.
d Unless you do not work hard, you can’t shine in life.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unless you work hard, you cannot shine in life. কেন সঠিক: প্রশ্নসূচক Simple বাক্যের Without-যুক্ত অংশকে Complex করতে হলে Unless ব্যবহার করতে হয়। এখানে প্রদত্ত বাক্যের ভাব ঠিক রেখে Unless দিয়ে শর্তমূলক Complex sentence তৈরি করা হয়েছে। শর্ত বোঝালে Unless-এর পরের অংশে আর negative বা 'not' ব্যবহার করতে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In spite of working hard, you cannot shine in life. — এটি Complex sentence নয়, কারণ এতে In spite of ব্যবহার করে Simple sentence করা হয়েছে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। B) Though he works hard, he cannot shine in life. — মূল বাক্যে সাবজেক্ট 'you' থাকলেও এই অপশনে 'he' ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থ বিপরীত হয়েছে। C) Unless you work hard, you cannot shine in life. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Unless you do not work hard, you can't shine in life. — Unless শব্দটির ভেতরেই না-বোধক অর্থ থাকে, তাই এর সাথে অতিরিক্ত 'do not' ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Without-যুক্ত Simple sentence-কে Complex করতে হলে Without-এর পরিবর্তে শুরুতে Unless বসাতে হয় এবং পরবর্তী clause-এ নতুন করে কোনো not বসানো যায় না।
a read a book
b reads a book
c reading a book
d buy some books
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) reading a book কেন সঠিক: বাক্যে with a view to একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ। এর নিয়ম অনুযায়ী এর ঠিক পরেই যে ভার্ব বা ক্রিয়া বসে, তার সাথে ing যোগ করতে হয়। তাই সঠিক নিয়মে read ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে reading হয়েছে। বাক্যের অর্থ হলো তৌফিক একটি বই পড়ার উদ্দেশ্যে লাইব্রেরিতে গিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) read a book — with a view to এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে না। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) reads a book — with a view to এর পরে ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত হয় না। তাই এই গঠনটি সম্পূর্ণ ভুল। C) reading a book — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) buy some books — এখানে to এর নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং অর্থের সামঞ্জস্য নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে with a view to, look forward to এবং accustomed to থাকলে এদের পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a when the bell rang.
b than the bell rang.
c the bell rang.
d after the bell ringing.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) when the bell rang. কেন সঠিক: Hardly থাকলে পরবর্তী clause শুরু করতে when বা before ব্যবহার করতে হয়। এখানে প্রথম অংশ past perfect tense এবং পরের অংশ simple past tense এর নিয়ম মেনে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when the bell rang — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) than the bell rang — Hardly এর সাথে than বসে না, কেবল no sooner এর সাথেই than বসে। C) the bell rang — এখানে কোনো conjunction না থাকায় দুটি clause যুক্ত হওয়ার নিয়ম মানা হয়নি। D) after the bell ringing — এখানে preposition এর পর gerund ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যটির গঠনকে সম্পূর্ণ ভুল করে দেয়। মনে রাখার টিপস: Hardly বা Scarcely থাকলে always when বা before বসবে এবং No sooner থাকলে always than বসবে।
a he is honest
b but he is honest
c and he is honest
d but he was honest
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) he is honest কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Though বা Although যুক্ত সাবঅর্ডিনেট ক্লজ থাকলে প্রিন্সিপাল ক্লজের শুরুতে কোনো Conjunction বসে না। - এখানে Though যুক্ত প্রথম ক্লজের সাথে দ্বিতীয় ক্লজ যুক্ত করতে শুধু একটি কমা যথেষ্ট, তাই A অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he is honest - এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী কোনো অতিরিক্ত Conjunction ব্যবহার করা হয়নি। B) but he is honest - Though থাকার কারণে একই বাক্যে আবার but ব্যবহার করলে ডাবল কনজংশনজনিত Grammatical Error বা বাহুল্য দোষ হয়। C) and he is honest - and বসালে বৈপরীত্য প্রকাশ পায় না এবং বাক্যটির অর্থ ও গঠন অসম্পূর্ণ হয়ে যায়। D) but he was honest - but থাকার কারণে যেমন ভুল, তেমনি এখানে পাস্ট টেন্স ব্যবহারের ফলে বাক্যের Tense-এর মিল থাকছে না। মনে রাখার টিপস: Though বা Although যুক্ত বাক্যে কখনো but বসে না, শুধু একটি কমা বসে।
a I shall eat you.
b I shall feed you.
c I shall be eating you.
d I shall give you a party.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I shall feed you. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে কাউকে কিছু খাওয়ানো অর্থে feed verb টি ব্যবহার করা হয়। এখানে আমি নিজে খাবো না বরং অন্যকে খাওয়াবো বোঝাতে সঠিক রূপটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall eat you — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে আমি তোমাকে খাবো, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন। B) I shall feed you — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) I shall be eating you — এই গঠনটি ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বোঝালেও এর অর্থ অসাংবিধানিক ও ভুল। D) I shall give you a party — এটি দ্বারা তোমাকে একটি পার্টি দেবো বোঝায়, যা মূল বাক্যের হুবহু অনুবাদ নয়। মনে রাখার টিপস: নিজেকে খাওয়া বোঝাতে eat এবং অন্যকে খাওয়ানো বোঝাতে feed ব্যবহার করতে হয়।
a He is my brother.
b He is my step brother.
c He is my elder brother.
d He is my own brother.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He is my brother. কেন সঠিক: ইংরেজিতে আপন ভাই বোঝাতে শুধু brother শব্দটি ব্যবহার করাই যথেষ্ট। নিজস্ব বা আপন বোঝাতে own শব্দ যোগ করার কোনো প্রয়োজন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ ভাই বোঝাতে সাধারণ ও সঠিক ইংরেজি শব্দ brother ব্যবহার করা হয়েছে। B) step brother — এই অপশনটি ভুল কারণ step brother অর্থ সৎ ভাই, যা প্রশ্নের অর্থের সাথে মেলে না। C) elder brother — এই অপশনটি ভুল কারণ elder brother অর্থ বড় ভাই, কিন্তু প্রশ্নে শুধু ভাই বলা হয়েছে। D) own brother — এই অপশনটি ভুল কারণ ইংরেজিতে own brother বলা ব্যাকরণগতভাবে অপ্রয়োজনীয় এবং সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় ভাই বা বোন বোঝানোর জন্য আলাদা করে own শব্দ ব্যবহার করতে হয় না।
a I have no pen to write.
b I have no writing pen.
c I have no pen to write with.
d I have no pen for writing.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I have no pen to write with. কেন সঠিক: কলম দিয়ে লেখার ক্ষেত্রে ইনফিনিটিভের পরে উপযুক্ত প্রিপজিশন with ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাংলা বাক্যের অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করার জন্য with প্রিপজিশনটি এখানে অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have no pen to write — এখানে লেখার যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝাতে শেষের প্রয়োজনীয় প্রিপজিশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে। B) I have no writing pen — এই গঠনটি স্বাভাবিক ইংরেজি ব্যবহারের নিয়মের বাইরে এবং ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। C) I have no pen to write with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) I have no pen for writing — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় লেখার কাজে ব্যবহৃত হয় এমন কোনো কলম আমার নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু দিয়ে লেখার কাজ বোঝাতে ইনফিনিটিভের পরে সবসময় with প্রিপজিশন বসাতে হয়।
a dangerous
b danger
c dangerously
d endanger
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) endanger কেন সঠিক: ‘Endanger’ শব্দটির শেষে 'en-' উপসর্গ যুক্ত হয়ে এটি verb-এ রূপান্তর হয়েছে। এর অর্থ কোনো কিছুকে ঝুঁকিতে ফেলা বা বিপন্ন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dangerous — এটি একটি adjective কারণ এর শেষে -ous রয়েছে এবং এটি দোষ বা গুণ বোঝায়। B) danger — এটি মূল শব্দ যা নিজেই একটি noun বা বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। C) dangerously — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে -ly যুক্ত হয়ে অবস্থা বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: noun বা adjective শব্দের আগে 'en-' যুক্ত করে সাধারণত verb তৈরি করা হয়।
a length
b longer
c longest
d lengthen
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) length কেন সঠিক: - 'Long' হলো একটি Adjective (বিশেষণ) যার অর্থ দীর্ঘ বা লম্বা। - এই শব্দের Noun (বিশেষ্য) রূপ হলো 'Length' যার অর্থ দৈর্ঘ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) length — এটি সঠিক Noun রূপ এবং এর অর্থ দৈর্ঘ্য। B) longer — এটি 'Long' শব্দের Adjective-এর Comparitive form। C) longest — এটি 'Long' শব্দের Adjective-এর Superlative form। D) lengthen — এটি 'Long' শব্দ থেকে তৈরি একটি Verb যার অর্থ দীর্ঘায়িত করা। মনে রাখার টিপস: Adjective শব্দটির শেষে th যুক্ত করে সাধারণত Noun তৈরি করা হয়, যেমন long থেকে length এবং wide থেকে width।
a Very few river in Bangladesh is as big as the Padma.
b Very few rivers in Bangladesh are as big as the Padma.
c No other river in Bangladesh is so big as the Padma.
d No other rivers in Bangladesh are as big as the Padma.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Very few rivers in Bangladesh are as big as the Padma. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে "one of the biggest" থাকলে Positive degree-তে রূপান্তর করার সময় বাক্যটি "Very few" দিয়ে শুরু করতে হয়। এর পরের অংশ বহুবচন হয় বিধায় "rivers" এবং verb হিসেবে "are" বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A) — "river" শব্দটি একবচন ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখানে বহুবচন "rivers" হওয়ার কথা ছিল। B) B) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে। C) C) — "one of the" যুক্ত superlative-কে Positive করার সময় "No other" ব্যবহার করা যায় না। D) D) — "No other" এর পরে noun একবচন হয় কিন্তু এখানে "rivers" বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Superlative বাক্যে "one of the" থাকলে Positive করার সময় "Very few" দিয়ে বাক্য শুরু করতে হবে।
a There is no mother but loves her child.
b Every mother cannot but loves her child.
c No mother loves her child.
d There is no mother loving her child.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) There is no mother but loves her child. কেন সঠিক: বাক্যটির মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে Negative করার জন্য Every-এর পরিবর্তে There is no ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর but বসিয়ে পরের অংশের সাথে মিল রেখে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে যা Negative হলেও অর্থ আগের মতো ইতিবাচক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) B — এখানে cannot but-এর পর মূল verb-এর সাথে s যুক্ত আছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) C — এটি Negative হলেও মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে অর্থাৎ সব মা তার সন্তানকে ভালোবাসে না। D) D — এটি ساختটি সঠিক নয় এবং এতে মূল ভাবের অর্থের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Every যুক্ত Affirmative বাক্যকে Negative করতে চাইলে Every-এর জায়গায় There is no এবং প্রধান শব্দের পরে but বসাতে হয়।
a helped
b would help
c will help
d can help
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would help কেন সঠিক: এটি Second Conditional-এর একটি বাক্য, যেখানে কাল্পনিক বা অসম্ভব শর্ত প্রকাশ করা হয়েছে। If-युक्त অংশে Past Indefinite Tense (wanted) থাকলে অপর অংশে Subject-এর পরে would এবং মূল verb-এর Present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) helped — বাক্যের দ্বিতীয় অংশে একই সাথে দুটি Past Indefinite Tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) would help — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি অন্য কোনো ভুল অপশন নয়। C) will help — এটি First Conditional-এর নিয়ম, কিন্তু প্রথম অংশে Past tense থাকায় এটি এখানে বসবে না। D) can help — শর্তমূলক বাক্যের এই গঠনে Modal verb হিসেবে can-এর পরিবর্তে could ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: If-এর সাথে Past tense থাকলে পরের অংশে would-এর সাথে Verb-এর Present form বসাতে হয়।
a (x + y)(x + 3y)(x + 5y)
b (x + y)(x + 2y)(x + 3y)
c (x + y)(x + 4y)(x + 3y)
d (x – y)(x + y)(x + 2y)
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (x + y)(x + 2y)(x + 3y) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x এর কিউব + ৬ গুণ x এর স্কয়ার ইনটু y + ১১ গুণ x ইনটু y এর স্কয়ার + ৬ গুণ y এর কিউব ধরি, রাশিটির একটি উৎপাদকের জন্য x এর মান মাইনাস y বসানো হলো অতএব, x এর মান মাইনাস y বসালে রাশির মান শূন্য হয় তাই (x + y) হলো রাশিটির একটি উৎপাদক সুতরাং, বাকي উৎপাদকগুলো নির্ণয় করতে রাশিটিকে (x + y) দ্বারা ভাগ করা হলো উত্তর: (x + y)(x + 2y)(x + 3y)
a ৪০ ও ৫২
b ৪০ ও ২৮
c ৪২ ও ৩২
d ৩৮ ও ৩৬
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ ও ২৮ প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ১২ মিটার বড় ক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৩৬ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক + ১২ মিটার অতএব, পরিসீমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (ক + ক + ১২) = ১৩৬ ২ × (২ক + ১২) = ১৩৬ সুতরাং, ৪ক + ২৪ = ১৩৬ ৪ক = ১৩৬ − ২৪ = ১১২ ক = ২৮ মিটার উত্তর: প্রস্থ = ২৮ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ২৮ + ১২ = ৪০ মিটার
a 8
b 6
c 1
d 4
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৯ − ১২x + ax এর বর্গ বীজগণিতীয় নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম পদের বর্গমূল = √৯ = ৩ শেষ পদের বর্গমূল = √a × x মধ্যপদের সূত্র অনুসারে, ২ × প্রথম পদের বর্গমূল × শেষ পদের বর্গমূল = ১২x বা, ২ × ৩ × (√a × x) = ১২x বা, ৬ × √a × x = ১২x অতএব, √a = ২ সুতরাং, a = ৪ উত্তর: ৪
a 4
b 5
c 6
d 7
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া সমীকরণটি হলো (√x)^(x+1) = (3√3)^(2x-1) ধরি, সমীকরণের বামপক্ষ হলো (√x)^(x+1) সমীকরণের ডানপক্ষ হলো (3√3)^(2x-1) অতএব, ডانপক্ষের ভিত্তি ৩√3 কে লেখা যায় 3^(3/2) বামপক্ষের ভিত্তি √x কে লেখা যায় x^(1/2) সুতরাং, উভয় পক্ষ তুলনা করে বা মান বসিয়ে পাই x এর মান ৫ উত্তর: ৫
a 6xy
b 12xy
c 24xy
d 144xy
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪xy প্রدত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯x^২ + ১৬y^২ ধরি, রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হবে প্রথম পদটি হলো (৩x)^২ দ্বিতীয় পদটি হলো (৪y)^২ অতএব, পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র অনুযায়ী মাঝের পদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদ মাঝের পদটি হিসাব করে পাই দুই গুণ ৩x গুণ ৪y সুতরাং, সব হিসাব শেষে মানটি হয় ২৪xy উত্তর: ২৪xy
a 27 সে.মি.
b 28 সে.মি.
c 25 সে.মি.
d 24 সে.মি.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ৮১০ বর্গ সে.মি. ধরি, ত্রিভুজের উচ্চতা = ক সে.মি. ত্রিভুজের ভূমি = (২ × ক + ৬) সে.মি. অতএব, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (২ × ক + ৬) × ক = ৮১০ সুতরাং, (ক + ৩) × ক = ৮১০ ক এর মান হিসাব করে পাই = ২৭ উত্তর: ২৭ সে.মি.
a আয়তক্ষেত্র
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d বর্গক্ষেত্র
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান ধরি, ABCD একটি সামান্তরিক যার কর্ণ AC এবং BD পরস্পর সমান সামান্তরিকের কোণগুলো সমকোণ নয় এমন অবস্থা থেকে শুরু করা হয় অতএব, কর্ণদ্বয় সমান হলে সামান্তরিকের সংলগ্ন বাহুগুলো আয়তক্ষেত্রের মতো ৯০ ডিগ্রি কোণ তৈরি করে জ্যামিতিক সূত্রানুসারে কর্ণ সমান হলে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ হয় সুতরাং, যে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ এবং কর্ণদ্বয় সমান তাকে আয়তক্ষেত্র বলা হয় উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a i ও ii
b i ও iii
c ii ও iii
d i, ii ও iii
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) i, ii ও iii প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের জ্যামিতি সংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্য দেওয়া আছে এই তথ্যগুলো বৃত্তের সাধারণ ধর্মাবলীর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত ধরি, প্রথম তথ্যটি বৃত্তের স্পর্শক ও ব্যাসার্ধের সম্পর্ক নির্দেশ করে দ্বিতীয় তথ্যটি বৃত্তস্থ কোণের পরিমাপ বোঝায় অতএব, প্রথম তথ্য অনুযায়ী স্পর্শক স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধের ওপর লম্ব হয় দ্বিতীয় তথ্য অনুযায়ী অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সর্বদা এক সমকোণ হয় সুতরাং, তৃতীয় তথ্য অনুযায়ী বৃত্তের সকল সমান জ্যা কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী হয় তাই প্রদত্ত তিনটি তথ্যই সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর: i, ii ও iii
a 90°
b 120°
c 105°
d 160°
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৫° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪৫° এবং কোণ B = ৬০° BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো যাতে ∠ACD উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের বহিস্থ কোণ সমান তার বিপরীত অন্তস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টি অতএব, ∠ACD হলো ত্রিভুজ ABC এর BC বাহু বর্ধিত করার ফলে উৎপন্ন বহিস্থ কোণ এই বহিস্থ কোণ ∠ACD এর মান হবে বিপরীত অন্তস্থ কোণ A এবং কোণ B এর যোগফলের সমান সুতরাং, ∠ACD = ∠A + ∠B ∠ACD = ৪৫° + ৬০° = ১০৫° উত্তর: ১০৫°
a √3a/2
b √3a2/2
c √3a/4
d √3a2/4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √3a2/4 প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a ধরি, সমবাহু ত্রিভুজটির বাহু a এবং এর ওপর অঙ্কিত উচ্চতা = h অতএব, উচ্চতা h विभाजित করে ভূমিকে দুটি সমান ভাগে, যার একভাগের দৈর্ঘ্য = a ÷ ২ পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, অতিভুজ হলো a এবং ভূমি হলো a ÷ ২ সুতরাং, উচ্চতা h = √(a2 − (a ÷ ২)2) = (√3 × a) ÷ ২ উত্তর: ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা = (√3a2) ÷ ৪
a 1/9 গুণ
b 1/3 গুণ
c 9 গুণ
d 3 গুণ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ প্রদত্ত তথ্য: একটি মূল রেখাংশ এবং তার এক-তৃতীয়াংশ অংশ বিবেচনা করতে হবে উভয় রেখাংশের ওপর একটি করে বর্গক্ষেত্র অঙ্কন করা হয়েছে ধরি, মূল রেখাংশের দৈর্ঘ্য = ক এক-তৃতীয়াংশ রেখাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৩ অতএব, মূল রেখাংশের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ক × ক এক-তৃতীয়াংশের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৩) × (ক ÷ ৩) = (ক × ক) ÷ ৯ সুতরাং, মূল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ÷ ছোট বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) ÷ ((ক × ক) ÷ ৯) = ৯ উত্তর: ৯ গুণ
a 4
b 9
c 12
d 16
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পায় ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r = ৯ × π × r × r সুতরাং, ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি = (৯ × π × r × r) ÷ (π × r × r) = ৯ উত্তর: ৯ গুণ
a 120°
b 100°
c 90°
d 80°
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০° প্রদত্ত তথ্য: PQRS একটি সামান্তরিক কোণ P = ১০০° ধরি, সামান্তরিকের পাশাপাশি দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ P এবং কোণ Q সামান্তরিকের দুটি পাশাপাশি কোণ অতএব, কোণ P + কোণ Q = ১৮০° ১০০° + কোণ Q = ১৮০° সুতরাং, কোণ Q = ১৮০° − ১০০° = ৮০° উত্তর: ৮০°
a 54
b 35
c 45
d 55
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের মান a^৩ − b^৩ = ৫১৩ অন্তরের মান a − b = ৩ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে ab এর অতএব, আমরা জানি সূত্র হলো a^৩ − b^৩ = (a − b)^৩ + ৩ab(a − b) সুতরাং, ৫১৩ = ৩^৩ + ৩ab(৩) ৫১৩ = ২৭ + ৯ab উত্তর: ৯ab = ৪৮৬ অর্থাৎ ab = ৫৪
a log8
b log27
c log5
d log10
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) log27 প্রদত্ত তথ্য: ৫ গুণ log ৩ − log ৯ ধরি, রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, ৫ log ৩ কে লেখা যায় log (৩ এর ৫ ঘাত) log ৯ কে লেখা যায় log (৩ এর ২ ঘাত) সুতরাং, log ২৪৩ − log ৯ = log (২৪৩ ÷ ৯) = log ২৭ উত্তর: log ২৭
a 25
b 40
c 90
d 50
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গড় = ২৫ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গড় = ৩০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি ক এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি খ তৃতীয় সংখ্যাটি গ অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার যোগফল = ২৫ × ২ = ৫০ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার যোগফল = ৩০ × ৩ = ৯০ সুতরাং, তৃতীয় সংখ্যাটি = ৯০ − ৫০ = ৪০ উত্তর: ৪০
a ৫ মিটার
b ৮ মিটার
c ৭ মিটার
d ৯ মিটার
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ মিটার প্রদত্ত তথ্য: খুঁটিটি মাটি থেকে ৩ মিটার উপরে ভেঙে যায় ভাঙা অংশটি ভূমিতে খুঁটির গোড়া থেকে ৪ মিটার দূরে স্পর্শ করে ধরি, খুঁটির ভাঙা অংশটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করে খুঁটির মাটির উপরের ভাঙা অংশের উচ্চতা লম্ব = ৩ মিটার ভূমির দূরত্ব ভূমি = ৪ মিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অতিভুজের স্কয়ার = লম্বের স্কয়ার + ভূমির স্কয়ার অতিভুজের স্কয়ার = ৩ এর স্কয়ার + ৪ এর স্কয়ার অতিভুজের স্কয়ার = ৯ + ১৬ = ২৫ সুতরাং, অতিভুজ = √২৫ = ৫ মিটার খুঁটির মোট উচ্চতা = ভাঙেনি এমন অংশ + ভাঙা অংশ উত্তর: ৩ + ৫ = ৮ মিটার
a ১২ মিটার
b ৯ মিটার
c ৬ মিটার
d ৩ মিটার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৮ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ১৮ ক = √১৮ সুতরাং, কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক × √২ = √১৮ × √২ = √৩৬ = ৬ মিটার উত্তর: ৬ মিটার
a ৫ মিনিট
b ৬ মিনিট
c ৪ মিনিট
d ৬ ঘণ্টা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টাগুলো একত্রে বাজার সময় যথাক্রমে ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ সেকেন্ড ধরি, ঘণ্টাগুলো আবার একত্রে বাজার সময়কাল হবে প্রদত্ত সময়গুলোর লসাগু অতএব, ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ এর লসাগু বের করতে হবে প্রথম হিসাব: ৫ = ৫ × ১ ১০ = ২ × ৫ ১৫ = ৩ × ৫ দ্বিতীয় হিসাব: ২০ = ২ × ২ × ৫ ২৫ = ৫ × ৫ তৃতীয় হিসাব: লসাগু = ২ × ২ × ৩ × ৫ × ৫ = ৩০০ সেকেন্ড সুতরাং, মিনিটে রূপান্তর করতে ৬০ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ৩০০ ÷ ৬০ = ৫ মিনিট
a 2
b 4
c 1
d 3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ৫৪ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু = ১৮ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ তাদের গ.সা.গু = গ অতএব, আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু মান বসিয়ে পাই, ৫৪ = ১৮ × গ সুতরাং, গ = ৫৪ ÷ ১৮ উত্তর: ৩
a ২০% ক্ষতি
b ২০% লাভ
c ২৫% ক্ষতি
d ২৫% লাভ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫% লাভ প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১২টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ধরি, ১টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১৫ টাকা = ২০ ÷ ৩ টাকা ১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১২ টাকা = ২৫ ÷ ৩ টাকা অতএব, লাভ = (২৫ ÷ ৩) − (২০ ÷ ৩) টাকা লাভ = (২৫ − ২০) ÷ ৩ টাকা লাভ = ৫ ÷ ৩ টাকা সুতরাং, লাভ শতাংশ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% লাভ শতাংশ = ((৫ ÷ ৩) ÷ (২০ ÷ ৩)) × ১০০% উত্তর: ২৫% লাভ
a ৬২৫ টাকা
b ৪২৫ টাকা
c ৩২৫ টাকা
d ৫২৫ টাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মুনাফার হার = ৪% সময় = ২ বছর সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য = ১ টাকা ধরি, মূলধন = ক টাকা অতএব, ২ বছরের সরল মুনাফা = ক × ৪ × ২ ÷ ১০০ = ৮ক ÷ ১০০ ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ক × (১ + ৪ ÷ ১০০) এর পাওয়ার ২ − ক সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = [ক × (১০৪ ÷ ১০০) × (১০৪ ÷ ১০০) − ক] − [৮ক ÷ ১০০] = ১ উত্তর: ক এর মান হিসাব করে পাই, মূলধন = ৬২৫ টাকা
a 45√5
b 47√5
c 46√5
d 43√5
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬√৫ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a = √৬ + √৫ ধরি, ১÷a = ১ ÷ (√৬ + √৫) = √৬ − √৫ অতএব, a + (১÷a) = (√৬ + √৫) + (√৬ − √৫) = ২√৬ a − (১÷a) = (√৬ + √৫) − (√৬ − √৫) = ২√৫ সুতরাং, (a^৬ − ১) ÷ a^৩ = a^৩ − (১ ÷ a^৩) = (a − (১÷a))^৩ + ৩ × (a − (১÷a)) উত্তর: ৪৬√৫
a 3
b 5
c 4
d 6
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে লগ x এর ভিত্তি (১÷১৬) সমান বিয়োগ দুই ধরি, লগ এর সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি এবং পাওয়ার পরিবর্তন করে লেখা যায় এক্স এর পাওয়ার বিয়োগ দুই সমান এক ভাগ ষোল অতএব, এক ভাগ এক্স স্কয়ার সমান এক ভাগ ষোল উভয় পক্ষ থেকে হর এবং লব তুলনা করে পাই এক্স স্কয়ার সমান ষোল সুতরাং, এক্স সমান রুট ওভার ষোল বা এক্স সমান চার উত্তর: ৪
a ২৪ টাকা
b ৩৬ টাকা
c ৪৮ টাকা
d ৬০ টাকা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬০০ টাকা বার্ষিক সুদের হার (r) = ১২% সময় (n) = ৬ মাস = ০.৫ বছর ধরি, মোট সুদ = I অতএব, I = (P × n × r) ÷ ১০০ সুতরাং, I = (৬০০ × ০.৫ × ১২) ÷ ১০০ উত্তর: ৩৬ টাকা
a ১৯ তম
b ২০ তম
c ২১ তম
d ২২ তম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২১ তম কেন সঠিক: - মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশের সপ্তদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০১৩ সালে প্রথম দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি দুবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় তিনি একবিংশ বা ২১ তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ তম — এই ক্রমটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কার্যকালের সঙ্গে মেলে না। B) ২০ তম — মো. জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের বিংশ বা ২০ তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। C) ২১ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই ক্রমিক নম্বরের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষ করেন। D) ২২ তম — বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের ২২ তম রাষ্ট্রপতি। মনে রাখার টিপস: জিল্লুর রহমান ছিলেন ২০ তম এবং তার ঠিক পরের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ছিলেন ২১ তম।
a ১৯৬০ সালে
b ১৯৫২ সালে
c ১৯৫৫ সালে
d ১৯৫৪ সালে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৫ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উন্নীত করার লক্ষ্যে ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী বর্ধমান হাউসকে বাংলা একাডেমির কার্যালয় হিসেবে বরাদ্দ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬০ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই। B) ১৯৫২ সালে — এটি ভাষা আন্দোলনের বছর, বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার বছর নয়। D) ১৯৫৪ সালে — এই সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলা একাডেমি গঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
a অস্ট্রেলিয়া
b নিউজিল্যান্ড
c ভারত
d শ্রীলংকা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ১১তম পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঘরের মাঠে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে অস্ট্রেলিয়া পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। B) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হয়ে রানার্স-আপ হয়েছিল। C) ভারত — ভারত এই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিল কিন্তু ফাইনালে উঠতে পারেনি। D) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা দল এই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ২০১৫ সালের ১১তম ক্রিকেট বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
a অক্সিজেন
b নাইট্রোজেন
c হাইড্রোজেন
d হিলিয়াম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - বাল্বের ভেতরের টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া বা বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - নাইট্রোজেন একটি কম সক্রিয় গ্যাস যা উচ্চ তাপমাত্রায় ফিলামেন্টকে দীর্ঘস্থায়ী করতে এবং বাতির আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — অক্সিজেন অত্যন্ত দহন সহায়ক গ্যাস হওয়ায় এটি ফিলামেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে নিমিষেই পুড়িয়ে নষ্ট করে ফেলত। B) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরি করে ফিলামেন্ট রক্ষা করে। C) হাইড্রোজেন — এটি একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস এবং এর উপস্থিতিতে বাল্বে বিস্ফোরণ ঘটার তীব্র ঝুঁকি থাকে। D) হিলিয়াম — হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় হলেও এটি অত্যন্ত হালকা এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় সাধারণ বাল্বে এটি ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: বাল্বের ফিলামেন্ট জ্বালাতে চাই নাইট্রোজেনের ছোঁয়া, তাই সেখানে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়।
a ফ্যাদোমিটার
b ট্রান্সমিটার
c ক্রেসকোগ্রাফ
d সিসমোগ্রাফ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিসমোগ্রাফ কেন সঠিক: - সিসমোগ্রাফ হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে ভূকম্পনের তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব মাপা হয়। - এই যন্ত্রটি মাটির নিচের কম্পন রেকর্ড করে সিসমোগ্রাম নামক চিত্র তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা মাপার কাজে ব্যবহৃত হয়, ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র নয়। B) ট্রান্সমিটার — এটি রেডিও বা অন্য কোনো মাধ্যমে সংকেত প্রেরণের কাজে ব্যবহৃত হয়। C) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার জন্য জগদীশ চন্দ্র বসু কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি যন্ত্র। D) সিসমোগ্রাফ — এটি ভূমিকম্প মাপার জন্য নির্ধারিত সঠিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্র। মনে রাখার টিপস: সিসমোগ্রাফ শব্দটি মনে রাখতে সিসকো বা সিসমিক শব্দটির কথা মাথায় রাখা যায় যা ভূকম্পন সংক্রান্ত বিদ্যাকে বোঝায়।
a রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
b ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
c টিএসসি মোড়ে
d জয়দেবপুরে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন সঠিক: - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য হলো সাবাস বাংলাদেশ, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক হিসেবে নির্মিত। - প্রখ্যাত ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু এই শিল্পকর্মটি ডিজাইন ও নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাস্কর্যটি এখানেই অবস্থিত। B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলা ও স্বোপার্জিত স্বাধীনতার মতো ভাস্কর্য রয়েছে। C) টিএসসি মোড়ে — এটি ভুল কারণ টিএসসি মোড় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অংশ এবং এখানে সাবাস বাংলাদেশ নেই। D) জয়দেবপুরে — এটি ভুল কারণ জয়দেবপুরে রাজেন্দ্রপুর স্মৃতিসৌধ ও অন্যান্য ভাস্কর্য রয়েছে, সাবাস বাংলাদেশ নেই। মনে রাখার টিপস: রাবির সাবাস বাংলাদেশ (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও নিতুন কুণ্ডু)।
a ১৯৯০ সালে
b ১৯৯১ সালে
c ১৯৯২ সালে
d ১৯৯৩ সালে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৯৩ সালে কেন সঠিক: - নেলসন ম্যান্ডেলা ও দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক যৌথভাবে ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - বর্ণবাদের শান্তিপূর্ণ অবসান ঘটানো এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ সালে — এই বছর নেলসন ম্যান্ডেলা দীর্ঘ সাতাশ বছর কারাভোগের পর কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। B) ১৯৯১ সালে — এই বছরে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী আলোচনা এগিয়ে নেন। C) ১৯৯২ সালে — এই বছর ম্যান্ডেলা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের মধ্যে কডোসা নামক রাজনৈতিক সমঝোতা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। D) ১৯৯৩ সালে — এই বছরটি সঠিক কারণ তিনি এই সালেই বর্ণবাদ অবসানের স্বীকৃতিস্বরূপ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা মুক্তি পাওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
a হামিদুর রহমান
b শামীম শিকদার
c আমিনুল ইসলাম
d নিতুন কুণ্ডু
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর হামিদুর রহমান। - তাঁর নকশাতেই শহীদ মিনারে মা ও সন্তানের অবয়ব এবং ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতীকী প্রকাশ ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার ছিলেন। B) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অপরাজেয় বাংলা এবং টিএসসি চত্বরের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের ভাস্কর। C) আমিনুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি বিখ্যাত স্বাধীনতা স্মারক ভাস্কর্য সাবাশ বাংলাদেশ এবং সার্ক ফোয়ারার নকশাকার ও ভাস্কর। মনে রাখার টিপস: ভাষা শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা করেছিলেন 'হামিদুর রহমান', নামের শুরুর অক্ষর হ দিয়ে শহীদ মিনার ও হামিদুর রহমান দুটিই মনে রাখা যায়।
a ৫ জুন
b ২৩ জুন
c ১৮ জানুয়ারি
d ২৫ ডিসেম্বর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের জন্য নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ২৩ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, তবে এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস। C) ১৮ জানুয়ারি — এটি পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি একটি সাধারণ তারিখ মাত্র। D) ২৫ ডিসেম্বর — এটি খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন বা ক্রিসমাস ডে। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হলে আমাদের অন্তত ৫ বার ভাবতে হবে, এই ভাবনা থেকে ৫ জুন মনে রাখতে পারেন।
a শতকরা ২০ ভাগ
b শতকরা ২৫ ভাগ
c শতকরা ৩০ ভাগ
d শতকরা ৩৫ ভাগ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) শতকরা ২৫ ভাগ কেন সঠিক: - পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে যেকোনো দেশের মোট ভূখণ্ডের অন্তত শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। - বনভূমি কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শতকরা ২০ ভাগ — এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক বা স্বীকৃত মানদণ্ডের তুলনায় কম। B) শতকরা ২৫ ভাগ — এটি দেশের পরিবেশ ও ভূপ্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য নির্ধারিত সঠিক মানদণ্ড। C) শতকরা ৩০ ভাগ — কোনো কোনো বিশেষ অঞ্চলের জন্য এই পরিমাণ উপযোগী হলেও বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। D) শতকরা ৩৫ ভাগ — এটি স্বাভাবিক পরিবেশগত ভারসাম্যের তুলনায় অনেক বেশি এবং সাধারণত সব দেশের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব নয়। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় মোট জমির চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা ২৫ ভাগ বন থাকা জরুরি।
a মৎস্য চাষ
b রেশম চাষ
c মৌমাছি চাষ
d বৃক্ষ চাষ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌমাছি চাষ কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি লালন-পালন এবং এর মাধ্যমে মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি মূলত মৌমাছির কৃত্রিম খামার স্থাপন এবং তা থেকে বাণিজ্যিক উপায়ে মধু সংগ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৎস্য চাষ — মৎস্য চাষ বা মাছ উৎপাদনকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় পিসিকালচার বলা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) রেশম চাষ — রেশম পোকা পালন এবং রেশম সুতা উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার বলা হয়। C) মৌমাছি চাষ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এপিকালচার নামে পরিচিত। D) বৃক্ষ চাষ — বৃক্ষ বা বনজ সম্পদ রোপণ ও পরিচর্যা সংক্রান্ত বিদ্যাকে সিলভিকালচার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: এপি (Api) শব্দের অর্থ মৌমাছি, তাই এপিকালচার মানে মৌমাছি চাষ।
a ২টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৬টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে চারটি মূলনীতির কথা বলা হয়েছে। - এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — সংবিধানের মূলনীতির সংখ্যা দুটি নয়, কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতি চারটি নির্ধারিত রয়েছে। B) ৩টি — মূলনীতি তিনটি নয়, বরং ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে চারটি মূলনীতি যুক্ত করা হয়েছিল। C) ৪টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মূলনীতির সঠিক সংখ্যা। D) ৬টি — সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ছয়টি নয়, কারণ চারটি মূলনীতি দিয়েই সংবিধানের আদর্শ নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের চারটি মূলনীতি সহজে মনে রাখতে নাসাদগধর্ম (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা) এই শব্দটি মনে রাখতে পারো।
a ব্রোমিন
b পারদ
c সীসা
d ক্রোমিয়াম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ কেন সঠিক: - পারদ হলো একমাত্র ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম হওয়ায় এটি কক্ষ তাপমাত্রায় তরল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রোমিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, তবে এটি মৌলিক ধাতু নয় বরং একটি অধাতু। B) পারদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সাধারণ তাপমাত্রায় তরল একমাত্র মৌলিক ধাতু। C) সীসা — এটি একটি সাধারণ কঠিন ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। D) ক্রোমিয়াম — এটি একটি শক্ত ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: ধাতু হলেও পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, আর অধাতু হলেও ব্রোমিন তরল থাকে।
a ভিটামিন এ
b ভিটামিন বি
c ভিটামিন সি
d ভিটামিন ডি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন সি কেন সঠিক: - ভিটামিন সির অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ দেখা যায়, যাতে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে এবং দুর্বলতা অনুভূত হয়। - এই ভিটামিন মানবদেহে কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, যার অভাবে রক্তনালী ও টিস্যু দুর্বল হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন এ — এর অভাবে চোখের রাতকানা রোগ হয়, স্কার্ভি রোগ হয় না। B) ভিটামিন বি — এর অভাবে বেরিবেরি রোগ ও স্নায়বিক দুর্বলতা দেখা দেয়। C) ভিটামিন সি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন নয়। D) ভিটামিন ডি — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওমালসিয়া বা হাড় নরম হওয়ার রোগ হয়। মনে রাখার টিপস: সি ভিটামিনের অভাবে হয় স্কার্ভি রোগ, লেবু ও আমলকীতে মেলে এর খোঁজ।
a মুগ ডাল
b মসুর ডাল
c খাসির মাংস
d ইলিশ মাছ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাসির মাংস কেন সঠিক: - প্রতি ১০০ গ্রাম খাসির মাংসে আমিষের পরিমাণ প্রায় ২১ থেকে ২২ গ্রাম, যা অন্য অপশনের তুলনায় কিছুটা বেশি। - লাল মাংসে আমিষের ঘনত্ব ও প্রোটিনের জৈব মান উদ্ভিদ উৎসের আমিষের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুগ ডাল — প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষের পরিমাণ প্রায় ২৪ গ্রাম হলেও এটি উদ্ভিজ প্রোটিন এবং প্রশ্নে প্রাণীজ বা সাধারণ তুলনায় মাংসের আমিষের মাত্রা ধরা হয়েছে। B) মসুর ডাল — এটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও খাসির মাংসের মতো সম্পূর্ণ প্রাণীজ আমিষের মান এতে থাকে না। C) খাসির মাংস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এতে উচ্চমানের প্রাণীজ আমিষ ও ফ্যাট বিদ্যমান। D) ইলিশ মাছ — মাছে আমিষ থাকে তবে নির্দিষ্ট এই তুলনামূলক প্রশ্নে খাসির মাংসে আমিষের পরিমাণ কিছুটা বেশি ধরা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ডালের চেয়ে মাংসে আমিষের ঘনত্ব বেশি থাকে, তাই প্রাণীজ আমিষের ক্ষেত্রে খাসির মাংস এগিয়ে।
a ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
b ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
c ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১
d ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। - এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপনের তারিখ, সরকার গঠনের তারিখ নয়। B) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি সরকার গঠনের তারিখ নয়, বরং গঠিত সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। সি) ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের শপথ বা গঠনের কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নয়। D) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সরকার গঠন হয় ১০ এপ্রিল এবং শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল, এই দুই তারিখের ব্যবধান ঠিক সাত দিন।
a রুপি
b পেসো
c রিংগিট
d রুবল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রিংগিট কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ার সরকারি ও একমাত্র প্রচলিত মুদ্রার নাম রিংগিট। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মালয়েশীয় মুদ্রাকে সংক্ষেপে এমওয়াইআর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ বেশ কিছু দেশের প্রচলিত মুদ্রা। B) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রা। C) রিংগিট — এটি মালয়েশিয়ার সঠিক ও মূল মুদ্রা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) রুবল — এটি রাশিয়া ও বেলারুশের প্রচলিত মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর এবং মুদ্রার নাম রিংগিট মনে রাখতে মালয়েশিয়া ও রিংগিট শব্দ দুটি একসঙ্গে উচ্চারণ করুন।
a পোল্যান্ড
b সুইডেন
c তুরস্ক
d জাপান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক নাম ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ যা প্রতিনিধি সভা এবং উচ্চকক্ষ বা পার কাউন্সেল নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডের আইনসভার নাম সেম, ডায়েট নয়। B) সুইডেন — সুইডেনের এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম রিক্সদাগ। সি) তুরস্ক — তুরস্কের আইনসভার নাম গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি। ডি) জাপান — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাপানি পার্লামেন্টের নামই ডায়েট। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা ডায়েট মেনে চলে, তাই জাপানের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a নিউইয়র্ক
b ম্যানিলা
c রোম
d জেনেভা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রোম কেন সঠিক: - FAO বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোম শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর প্রধান কার্যালয়। B) ম্যানিলা — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি এর সদর দপ্তর। সি) রোম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এফএও এর সদর দপ্তর। D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: খাদ্য বা ফুড থেকে এফএও এবং চমৎকার খাবারের দেশ ইতালি ও তার রাজধানী রোম মনে রাখতে পারেন।
a ৯ জানুয়ারি, ১৯৭২
b ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
c ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
d ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ কেন সঠিক: - পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। - ঐতিহাসিক এই দিনটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু মুক্তি পেয়ে লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে দেশের পথে যাত্রা করেন কিন্তু দেশে পৌঁছাননি। B) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখটি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার জন্য এই দিনে তিনি দেশে আসেননি। D) ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেননি। মনে রাখার টিপস: বিজয় অর্জনের ঠিক এক মাস পর অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন মাটিতে পা রেখেছিলেন।
a ময়মনসিংহ
b রংপুর
c চাঁপাইনবাবগঞ্জ
d দিনাজপুর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - গম্ভীরা গান চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরীতি। - এই গানে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, রাজনৈতিক চিত্র এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসংগীত নয়, ময়মনসিংহের বিখ্যাত ঐতিহ্য হলো ময়মনসিংহ গীতিকা। B) রংপুর — এটি রংপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গান নয়, রংপুরের বিখ্যাত গান হলো ভাওয়াইয়া। C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর অঞ্চলের লোকসংগীত বা প্রধান ঐতিহ্যবাহী গান হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম যেমন বিখ্যাত, তেমনি সেখানকার লোকসংস্কৃতি হিসেবে গম্ভীরা গান সবার কাছে পরিচিত।
a ইউএনডিপি
b ইউনেস্কো
c ইউএনএফপিএ
d আইএলও
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউনেস্কো কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে দিবসটি প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে কাজ করে, ভাষা বা সংস্কৃতির স্বীকৃতির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে এবং ভাষা বিষয়ক এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। সি) ইউএনএফপিএ — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল নিয়ে কাজ করে, মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ভাষা নিয়ে কাজ করে ইউনেস্কো, তাই মাতৃভাষার স্বীকৃতির সঙ্গে ইউ নামটি যুক্ত থাকবে।
a হাতিবান্ধা
b পাটগ্রাম
c চিলমারী
d ভূরুঙ্গামারী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাটগ্রাম কেন সঠিক: - বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত। - এটি দেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর ও কাস্টম স্টেশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিবান্ধা — এটি লালমনিরহাট জেলার একটি উপজেলা হলেও এখানে বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত নয়। B) পাটগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপজেলায়ই বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত। C) চিলমারী — এটি কুড়িগ্রাম জেলার একটি উপজেলা, যা পাটগ্রাম বা বুড়িমারী এলাকার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ভূরুঙ্গামারী — এটি কুড়িগ্রাম জেলার একটি উপজেলা এবং এর সঙ্গে বুড়িমারী স্থলবন্দরের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বুড়িমারী স্থলবন্দরের প্রথম অক্ষর ব এবং পাটগ্রামের প যুক্ত করে ব-প বা পাটগ্রামের বুড়িমারী এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a মেসোপটেমীয় সভ্যতা
b সুমেরীয় সভ্যতা
c মিশরীয় সভ্যতা
d অ্যাসেরীয় সভ্যতা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেসোপটেমীয় সভ্যতা কেন সঠিক: - মেসোপটেমীয় সভ্যতা বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে, যা খ্রিস্টপূর্ব চার হাজার অব্দে বিশ্বের প্রথম লিখিত ইতিহাস ও নগরকেন্দ্রিক সভ্যতার সূচনা করে। - সুমেরীয় সভ্যতা এই অঞ্চলেরই অংশ হলেও সামগ্রिक ও বৃহৎ ভৌগোলিক পরিমণ্ডলে মেসোপটেমীয় সভ্যতাকেই প্রাচীনতম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেসোপটেমীয় সভ্যতা - এটি বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা পৃথিবীর প্রথম প্রাচীনতম সভ্যতা। B) সুমেরীয় সভ্যতা - এটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত প্রথম নগর সভ্যতা হলেও সামগ্রিক অঞ্চল হিসেবে মেসোপটেমিয়া প্রাচীনতম। C) মিশরীয় সভ্যতা - নীল নদের তীরে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার কিছু পরে খ্রিস্টপূর্ব তিন হাজার অব্দে বিকাশ লাভ করে। D) অ্যাসেরীয় সভ্যতা - এটি মেসোপটেমীয় অঞ্চলের অনেক পরের একটি সাম্রাজ্য ও সভ্যতা, যা খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম সহস্রাব্দে শক্তিশালী ছিল। মনে রাখার টিপস: মেসো মানে মধ্য এবং পটেমিয়া মানে নদী, অর্থাৎ দুই নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা হলো মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
a ২০৩ সে.মি.
b ২০৫ সে.মি.
c ২০৭ সে.মি.
d ২০৯ সে.মি.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০৩ সে.মি. কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে প্রচুর মৌসুমী বৃষ্টিপাত হয়, যার বার্ষিক গড় পরিমাণ প্রায় ২০৩ সেন্টিমিটার বা ৮০ ইঞ্চি। - ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্ষাকালে এই বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০৩ সে.মি. — এটি বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের সঠিক মান। B) ২০৫ সে.মি. — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের প্রকৃত হিসাবের চেয়ে কিছুটা বেশি। C) ২০৭ সে.মি. — এই মানটি বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুর স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাতের সাথে মেলে না। D) ২০৯ সে.মি. — এটি অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের একটি কাল্পনিক মান যা দেশের বার্ষিক গড়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও বৃষ্টি শব্দ দুটি মনে রেখে দুই আর তিন (২৩) সংখ্যাটি মনে রাখলে ২০৩ সেন্টিমিটার সহজে মনে রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (25)

a করণে ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যের ক্রিয়াকে 'কাকে' বা 'কী' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে কর্মকারক বলে। - এখানে 'জিজ্ঞাসিব' ক্রিয়ার কর্ম হলো 'জনে জনে' এবং এতে সপ্তমী বা এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যাকে কোনো কিছু দান বা অর্পণ করা হয় অথবা কোনো বিষয়ে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করা হয়, তাতে কর্মকারক হয়। - বিভক্তিহীন শব্দ বা শব্দের সঙ্গে 'এ', 'য়', 'তে' যুক্ত হলে এবং তা স্থান, কাল বা পাত্র বুঝালে অধিকরণ হয়, কিন্তু এখানে জিজ্ঞাসা করার ক্ষেত্র বুঝিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে উত্তর ডাক্তার, তাই এটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: শিক্ষককে সম্মান করো। ব্যাখ্যা: কাকে সম্মান করবে উত্তর শিক্ষককে, তাই এটি কর্মকারকে দ্বিতীয়ীয়া বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে ৭মী — করণ কারক হয় উপকরণের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন বোঝালে, কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম বা যন্ত্র বোঝায়নি। B) কর্মে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে জিজ্ঞাসা করার কর্ম বোঝানো হয়েছে। C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক হয় কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হওয়া বোঝালে, যা এখানে অনুপস্থিত। D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা কাল নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করার অর্থে কর্মকারক হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - জিজ্ঞাসা করা, প্রদান করা বা কাউকে কিছু বলা বোঝালে যাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয় তা কর্মকারক হয়। - সপ্তমী বিভক্তির জন্য শব্দের সঙ্গে 'এ' বা 'তে' যুক্ত থাকে তা খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে। - ক্রিয়ার আধার বা স্থান না বুঝিয়ে কর্ম বোঝালে অধিকরণ কারক দাগানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
a সাৎ
b সা
c ষ্ণেয়
d ষ্ণিক
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সাৎ ১. কেন সঠিক: সংস্কৃত ব্যাকরণ বা তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ষ হওয়ার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। তদ্ধিত প্রত্যয় বা অন্যান্য ব্যাকরণিক প্রক্রিয়ায় ‘সা’ বা ‘ষ’ জাতীয় প্রত্যয় যুক্ত হলে মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার দেখা গেলেও ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূর্ধন্য ষ হয় না, বরং দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়। এই প্রশ্নে মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহারের ব্যতিক্রমী নিয়মটি পরীক্ষা করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ট বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধন্য ষ হয় এবং রি বা র কারের পরে অনেক সময় ষ যুক্ত হয়। তবে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় যেমন ‘সাৎ’ যুক্ত হলে বানানে দন্ত্য স বজায় থাকে এবং মূর্ধন্য ষ হয় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিসাৎ ব্যাখ্যা: অগ্নি শব্দের সঙ্গে সাৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে অগ্নিসাৎ গঠিত হয়েছে, যেখানে দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ধূলিসাৎ ব্যাখ্যা: ধূলি শব্দের সঙ্গে সাৎ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পরেও বানানে দন্ত্য স অক্ষুণ্ণ থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই প্রত্যয়যুক্ত পদে মূর্ধন্য ষ হয় না। B) সা — এই অপশনটি সঠিক উত্তরের চাহিদা পূরণ করে না কারণ এটি ভিন্ন প্রত্যয় নির্দেশ করে। C) ষ্ণেয় — এই প্রত্যয়যুক্ত শব্দে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়। D) ষ্ণিক — এই প্রত্যয়যুক্ত শব্দেও মূর্ধন্য ষ এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। ৫ মনে রাখার টিপস: সাৎ প্রত্যয় দেখলে মনে রাখবে যে সেখানে সবসময় দন্ত্য স হবে, কোনোভাবেই মূর্ধন্য ষ হবে না। পরীক্ষায় এই ধরনের প্রত্যয়ভিত্তিক বানান শনাক্ত করতে শব্দের শেষের অংশ ভালোভাবে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিদেশি বা বিশেষ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের বানান থেকে প্রশ্ন আসে। এই ধরনের নিয়ম মনে রাখলে শুদ্ধ বানান এবং প্রত্যয় উভয় থেকেই কমন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
a বাক্যের মাঝে কোনো পদ ব্যাখ্যা করার জন্য
b প্রশ্ন বোঝানোর জন্য
c সম্বোধন পদের পর
d কোনো অপূর্ণ বাক্যের পর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সম্বোধন পদের পর ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যে কাউকে আহ্বান বা সম্বোধন করা হলে সেই সম্বোধন পদের ঠিক পরেই কমা বা পাদচ্ছেদ বসে। এটি লেখার সময় বক্তার বিরতি বা স্বরপতনের নির্দেশ করে এবং সম্বোধন পদটিকে বাক্যের অন্যান্য অংশ থেকে আলাদা করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাক্যে যার উদ্দেশ্যে কিছু বলা হয় তাকে সম্বোধন পদ বলে। সম্বোধন পদের পর সামান্য বিরতির জন্য কমা ব্যবহার করা হয়। বাংলা বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী লেখার সময় অর্থের স্পষ্টতা ও বাক্যের সৌন্দর্য রক্ষার জন্য কমার ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিম হলো সম্বোধন পদ এবং এর ঠিক পরেই কমা ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইসব, আপনারা আসন গ্রহণ করুন। ব্যাখ্যা: এখানে ভাইসব সম্বোধন পদ হওয়ায় এর পরে কমা বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের মাঝে কোনো পদ ব্যাখ্যা করার জন্য — বাক্যের মাঝে কোনো পদ ব্যাখ্যা বা অ্যাপোজিশন বোঝাতে কমা বসে না, বরং এর জন্য সাধারণত ব্র্যাকেট বা ড্যাস ব্যবহৃত হয়। B) প্রশ্ন বোঝানোর জন্য — প্রশ্ন বোঝানোর জন্য বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে, কমা বসে না। D) কোনো অপূর্ণ বাক্যের পর — অপূর্ণ বাক্যের পর সাধারণত কোলন বা সেমিকোলন বসে, কমা দিয়ে অপূর্ণ বাক্য আলাদা করা হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: কাউকে ডাকলেই বা সম্বোধন করলেই তার নামের পরে কমা বসবে। ডাক দেওয়া মানেই কমা ব্যবহার করা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে সম্বোধন পদের পর কোন বিরামচিহ্ন বসে, তা প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে।
a প্লাবক
b উরগ
c নির্মোক
d কৃত্তি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নির্মোক ১. কেন সঠিক: - 'সাপের খোলস' বাক্যটির এককথায় প্রকাশ হলো নির্মোক। - নির্মোক শব্দের অর্থ খোলস বা ত্যক্ত ত্বক, যা কোনো প্রাণী ত্যাগ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে। - বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই ব্যাকরণগত নিয়মটি ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহিফেন ব্যাখ্যা: সাপের বিষ থেকে প্রস্তুত একধরণের মাদকদ্রব্য বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: ভুজঙ্গ ব্যাখ্যা: যার বাহু দিয়ে গমন করতে হয় অর্থাৎ সাপ বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্লাবক — প্লাবক শব্দের অর্থ যা প্লাবন বা বন্যা সৃষ্টি করে, যা সাপের খোলসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) উরগ — উরগ শব্দের অর্থ বুক দিয়ে চলে যে অর্থাৎ সাপ, কিন্তু এটি সাপের খোলসের সমার্থক নয়। C) নির্মোক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় সাপের খোলস অর্থে ব্যবহৃত হয়। D) কৃত্তি — কৃত্তি শব্দের অর্থ পশুর চামড়া বা ছাল, যা সাধারণত অন্য অর্থে বা বাঘের চামড়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সাপ খোলস ছেড়ে নতুন রূপ নেয়, এই রূপ বদলানোর প্রক্রিয়া বা খোলসকে নির্মোক বলা হয়। - এই ধরনের শব্দ মনে রাখতে মূল শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রাণীর অংশ বা ত্যাজ্য বস্তু সংক্রান্ত শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a নশ্বর
b অবিনশ্বর
c নষ্ট স্বভাব
d বিনষ্ট
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নশ্বর ১. কেন সঠিক: - 'নষ্ট হওয়া স্বভাব যার' বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো নশ্বর। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নশ্বর শব্দটি এমন কোনো বস্তু বা বিষয়কে বোঝায় যার বিনাশ বা পতনশীলতা রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবী নশ্বর। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে পৃথিবীর ধ্বংসশীল বা অবিনাশী নয় এমন প্রকৃতি বোঝাতে নশ্বর শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন নশ্বর। ব্যাখ্যা: মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নয়, এই ভাব প্রকাশ করতে নশ্বর শব্দটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নশ্বর — এটি প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে মিলে যায় এবং নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার তা প্রকাশ করে। B) অবিনশ্বর — এর অর্থ যার বিনাশ নেই বা যা চিরন্তন, যা প্রদত্ত প্রশ্নের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) নষ্ট স্বভাব — এটি কোনো এককথায় প্রকাশ নয়, বরং একটি সাধারণ পদসমষ্টি যা প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত রূপের নিয়ম মানে না। D) বিনষ্ট — এর অর্থ যা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, কিন্তু নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার তাকে এককথায় বিনষ্ট বলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নশ্বর শব্দটি এসেছে নাশ বা বিনাশ শব্দ থেকে যার অর্থ যা নষ্ট হয়। - স্বভাব বা প্রকৃতির ক্ষেত্রে যার পতন বা ধ্বংস আছে তাকে নশ্বর মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিপরীতার্থক শব্দ বা সমার্থক শব্দের সঙ্গে এককথায় প্রকাশ গুলিয়ে ফেলা যাবে না, শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a কুন্তল
b ফণী
c তনু
d করি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) করি কেন সঠিক: - ‘করী’ শব্দের অর্থ হাতি, যা প্রমিত বাংলা বানানে দীর্ঘ ঈ কার দিয়ে লেখা হয়। - হাতির আরও কিছু পরিচিত সমার্থক শব্দ হলো হস্তী, গজ, দীরদ ও নাগ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যেগুলোর অর্থ প্রায় একই রকম হয়। - বাংলা সাহিত্যে এবং কাব্যে হাতির পরাক্রম বোঝাতে ‘করী’ শব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়। - যেমন: ঐতিহাসিক বা কাব্যিক রচনায় ‘মত্ত করী’ বা ‘রণকরী’ শব্দ যুগলের ব্যবহার বেশ প্রচলিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) কুন্তল — এই শব্দের অর্থ চুল বা কেশ, তাই এটি হাতি নয়। - B) ফণী — এই শব্দের অর্থ সাপ বা সর্প, তাই এটি হাতি নয়। - C) তনু — এই শব্দের অর্থ দেহ বা শরীর, তাই এটি হাতি নয়। মনে রাখার টিপস: - হাতির পিঠে সওয়ার হয়ে যুদ্ধ করার সময় শুঁড় দিয়ে কাজ করা হয়, এই কাজ থেকে ‘করী’ শব্দটি মনে রাখতে পারো।
a ঘাতক
b স্বজন
c মহাজন
d কুজন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মহাজন ১. কেন সঠিক: - খাতক শব্দের অর্থ ঋণগ্রহীতা বা যে ব্যক্তি অন্যের কাছ থেকে ঋণ বা কর্জ নিয়েছে। - এর বিপরীত বা উল্টোার্থক শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ ঋণদাতা বা যে ব্যক্তি সুদে টাকা ধার দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দার্থ ও বিপরীতার্থক শব্দের একটি ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় মূল শব্দের উৎস, অর্থ এবং অর্থের বিপরীত ভাব সঠিকভাবে বিবেচনা করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে কেনে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রি করে, যা একে অপরের বিপরীত শব্দ। উদাহরণ ২: আয় ও ব্যয় ব্যাখ্যা: আয় হলো যা অর্জিত হয় এবং ব্যয় হলো যা খরচ হয়, যা পারস্পরিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঘাতক — ঘাতক শব্দের অর্থ হত্যাকারী বা যে আঘাত করে, যা খাতক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। B) স্বজন — স্বজন শব্দের অর্থ নিজেদের লোক বা আত্মীয়, যার সঙ্গে খাতক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) মহাজন — সঠিক উত্তর কারণ এটি খাতক শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ ঋণদাতা প্রকাশ করে। D) কুজন — কুজন শব্দের অর্থ খারাপ লোক বা পাখির মধুর ডাক, যা খাতক শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঋণ নেওয়া ব্যক্তি খাতক এবং ঋণ দেওয়া ব্যক্তি মহাজন হিসেবে জোড়ায় মনে রাখতে পারো। - বিপরীত শব্দ পড়ার সময় অর্থের মিল ও অমিল ভালোভাবে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঋণ সংক্রান্ত শব্দগুলোর বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - খাতক এবং মহাজন একটি বহুল ব্যবহৃত বিপরীতার্থক জোড়, তাই এটি ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a মর্দ
b জেনানা
c জেনানী
d মরদী
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনানা ১. কেন সঠিক: - 'মরদ' একটি ফার্সি শব্দ, যার অর্থ পুরুষ বা বীর পুরুষ। এর বিপরীত লিঙ্গ বা স্ত্রীবাচক শব্দ হলো 'জেনানা'। - বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি, ফার্সি ও হিন্দি শব্দে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিজস্ব নিয়ম বা প্রত্যয় ব্যবহার করা হয় না, বরং সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ ব্যবহার করে বিপরীত লিঙ্গ প্রকাশ করতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কিছু বিদেশি শব্দে পুরুষবাচক শব্দের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্ত্রীবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, যার কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম বা প্রত্যয় থাকে না। - ফার্সি ভাষা থেকে আগত এই ধরনের শব্দগুলো ব্যবহারের সময় তাদের ঐতিহ্যগত বিপরীত শব্দই প্রমিত রূপ হিসেবে গণ্য করা হয়, যেমন মরদ এর বিপরীতে জেনানা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাহেব ব্যাখ্যা: সাহেব শব্দের বিপরীত লিঙ্গ বিবি, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: বাদশাহ ব্যাখ্যা: বাদশাহ শব্দের বিপরীত লিঙ্গ বেগম, যা ফার্সি শব্দ ব্যবহারের একটি প্রচলিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মর্দ — এটি 'মরদ' শব্দেরই একটি পরিবর্তিত বানান রূপ, কোনো বিপরীত লিঙ্গ নয়। C) জেনানী — জেনানী কোনো প্রমিত ফার্সি বা বাংলা শব্দ নয়, সঠিক রূপটি জেনানা। D) মরদী — এটি মরদ শব্দের সঙ্গে ভুলভাবে প্রত্যয় যুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ফার্সি ভাষার পুরুষবাচক শব্দ মরদ এর বিপরীত লিঙ্গ মনে রাখার জন্য জেনানা শব্দটি মুখস্থ রাখতে হবে। - বিদেশি শব্দের লিঙ্গ পরিবর্তনে সাধারণত প্রত্যয় যোগ হয় না, বরং জোড়া শব্দ বা ভিন্ন শব্দ মনে রাখতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে আসা লিঙ্গান্তরের প্রশ্ন প্রায়ই দেখা যায়। - এই ধরনের শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা নিয়ম না খুঁজে প্রচলিত প্রমিত রূপটি মনে রাখা জরুরি।
a ডাইনি
b সম্রাজ্ঞী
c মানুষ
d সভানেত্রী
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ডাইনি ১. কেন সঠিক: যেসব বিশেষ্য শব্দে কোনো পুরুষবাচক শব্দ থাকে না এবং যা জন্মগতভাবেই স্ত্রীবাচক হিসেবে পরিগণিত হয়, সেগুলোকে নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। ডাইনি শব্দটি এমন একটি শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই এবং এটি সর্বদা স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরুষবাচক শব্দ থেকে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। তবে কিছু শব্দ ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের বাইরে স্বাধীনভাবে গঠিত হয় এবং এগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ থাকে না, এদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: সতীন একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: এয়োস্ত্রী ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটি সর্বদা স্ত্রীবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাইনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। B) সম্রাজ্ঞী — এটি সম্রাট শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। সি) মানুষ — এটি একটি উভয়লিঙ্গ শব্দ যা পুরুষ ও নারী উভয়কেই বোঝায়। D) সভানেত্রী — এটি সভাপতি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে ডাইনি, সতীন, এয়োস্ত্রী, সধবা, বন্ধ্যা এই কয়েকটি শব্দ তালিকা করে মুখস্থ রাখা ভালো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দের তালিকা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a শিশু + ষ্ণ
b শিশু + ষ্ণ্য
c শিশু + শব
d শৈ + শব
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিশু + ষ্ণ কেন সঠিক: - ‘শৈশব’ শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক শব্দ হলো ‘শিশু’। - শব্দের শেষে ভাব অর্থে বা তদ্ধিতার্থে ‘ষ্ণ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘শৈশব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ‘ষ্ণ’ প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বরের পরিবর্তন ঘটে, যাকে ব্যাকরণের ভাষায় গুণ বলে। - নিয়মানুযায়ী ‘ই’ কার বা ‘ঈ’ কার স্থানে ‘ঐ’ কার হয়, তাই ‘শিশু’ শব্দের প্রথম ‘শি’ অংশটি পরিবর্তিত হয়ে ‘শৈ’ তে রূপান্তরিত হয়। - একই নিয়মে ‘শিব’ শব্দের সাথে ‘ষ্ণ’ যুক্ত হয়ে ‘শৈব’ এবং ‘সুন্দর’ শব্দের সাথে ‘ষ্ণ’ যুক্ত হয়ে ‘সৌন্দর্য’ শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) শিশু + ষ্ণ — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন ব্যাকরণসম্মত। - B) শিশু + ষ্ণ্য — ‘ষ্ণ্য’ নামে কোনো প্রত্যয় বাংলা ব্যাকরণে তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয় না। - C) শিশু + শব — ‘শব’ কোনো প্রত্যয় নয়, এটি একটি স্বাধীন শব্দ যার সাথে মূল শব্দের মিল নেই। - D) শৈ + শব — ‘শৈ’ কোনো মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক নয়, তাই এটি ভুল বিশ্লেষণ। মনে রাখার টিপস: - আদি স্বরের পরিবর্তন খেয়াল রাখবে, যেখানে ‘ই’ কার থাকলে তা ‘ঐ’ কারে রূপান্তরিত হয়।
a বাঁদী
b সভানেত্রী
c জেলেনি
d পেত্নী
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেলেনি কেন সঠিক: ১. জেলে শব্দের সঙ্গে দীর্ঘ ই-নি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জেলেনি স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। ২. এখানে মূল শব্দের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করে নতুন শব্দ তৈরি করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. বাংলা ব্যাকরণে পংলিঙ্গ শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করার নিয়ম রয়েছে। ২. জেলে হলো পুরুষবাচক শব্দ এবং এর সঙ্গে নি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে জেলেনি রূপ লাভ করেছে। ৩. যেমন জেলে থেকে জেলেনি, তেমনি মেথর থেকে মেথরাণী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁদী — এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত নয় বরং বান্দা শব্দের পরিবর্তিত স্ত্রীবাচক রূপ। B) সভানেত্রী — এটি নেতা শব্দের স্ত্রীবাচক নেত্রী শব্দের সঙ্গে সভা যুক্ত হয়ে গঠিত পদ। D) পেত্নী — এটি পিশাচ শব্দের বিকার বা পরিবর্তিত রূপ হিসেবে স্ত্রীবাচক শব্দ হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. শব্দের শেষে ই-নি বা নী প্রত্যয় দেখলে সাধারণত প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে চিনে নেবে। ২. মূল শব্দের সঙ্গে নি প্রত্যয় যোগের নিয়ম ভালোভাবে মনে রাখবে।
a কলেছাঁটা
b ভবনদী
c জয়ধ্বনি
d জলমাত্র
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জলমাত্র ১. কেন সঠিক: যে সমাসে সমসমান পদগুলো ব্য়াখ্য়া করার জন্য ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না এবং সাধারণ নিয়মে ব্যাসবাক্য করা যায় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। জলমাত্র শব্দটিতে কেবল জল বোঝাতে নিত্য সমাসের নিয়ম অনুযায়ী সমাস সাধিত হয়েছে যেখানে অন্য কোনো পদের সংযোগ থাকে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না অথবা ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। নিত্য সমাসের চেনার উপায় হলো সমস্ত পদে সাধারণত মাত্র, ই, অন্য, কেবল প্রভৃতি শব্দ থাকে এবং সাধারণ নিয়মে এদের ব্যাসবাক্য করা যায় না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশান্তর ব্যাখ্যা: অন্য দেশ বোঝাতে এটি নিত্য সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রমিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: কেবল দর্শন ব্যাখ্যা: দর্শনমাত্র শব্দটির ব্যাসবাক্য হিসেবে কেবল দর্শন ব্যবহৃত হয় যা নিত্য সমাসের নিয়ম নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কলেছাঁটা — এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে ছাঁটা পদের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়নি। B) ভবনদী — এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে সংসার ও নদীর মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে। C) জয়ধ্বনি — এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো জয়সূচক ধ্বনি যেখানে মাঝের পদটি লোপ পেয়েছে। D) জলমাত্র — এটি নিত্য সমাস এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে হুবহু মিলে যাওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: সম্বোধন পদে বা সমস্ত পদে যদি মাত্র কিংবা অন্য শব্দ থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে সেটি নিত্য সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে পারো। নিত্য সমাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো এর সমস্ত পদ দেখলে বুঝতে পারবে যে এটি স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাসবাক্য করা সম্ভব নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস চেনার জন্য মাত্র ও অন্য শব্দযুক্ত সমস্ত পদগুলো বারবার অনুশীলন করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে তাই ব্যাকরণের এই বিশেষ নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a দ্বন্ধ
b অব্যয়ীভাব
c তৎপুরুষ
d বহুব্রীহি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পরপদটি অব্যয় পদ হয়ে পূর্বপদের অর্থকে প্রভাবিত করে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - এখানে অব্যয় পদের যোগে শব্দটি গঠিত হয় এবং সম্পূর্ণ শব্দটি অব্যয়ের অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত পূর্বপদে উপসর্গ বা অব্যয় বসে এবং পরপদটি বিশেষ্য পদ হয়। - এই সমাসে পূর্বপদের অর্থই প্রধান থাকে এবং সমস্তপদটি অব্যয় রূপে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত, এখানে আ উপসর্গ যোগে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রতিক্ষণ ব্যাখ্যা: প্রতি ক্ষণ ক্ষণ, এখানে প্রতি অব্যয় যোগে সময় বা পুনরাবৃত্তি বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্ধ — এটি উভয় পদ প্রধান সমাস, যেখানে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই সমানভাবে গুরুত্ব পায়। B) অব্যয়ীভাব — এটি সঠিক উত্তর। C) তৎপুরুষ — এটি পরপদ প্রধান সমাস, যেখানে বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়। D) বহুব্রীহি — এটি অন্য পদ প্রধান সমাস, যেখানে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোনো পদকে বোঝায়। ৫ মনে রাখার টিপস: - অব্যয়ীভাব সমাসে উপসর্গ বা অব্যয় দিয়ে শুরু হয় এবং পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে। - মনে রাখার সূত্র হলো, অব্যয়ে পূর্বপদ প্রধান। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কোন সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান, তা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ কোন দিকে ঝোঁক দিচ্ছে তা লক্ষ করতে হবে।
a আঞ্চলিক
b উপভাষা
c লেখ্য
d কথ্য
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লেখ্য ১. কেন সঠিক: সাধু ও চলিত রীতি হলো বাংলা ভাষার রূপ। বাংলা ভাষা প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, যথা কথ্য রূপ এবং লেখ্য রূপ। লেখ্য রূপ বা লিখিত রূপের ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত এই দুটি প্রমিত রীতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার রূপ মূলত দুটি, একটি কথ্য রূপ বা মুখের ভাষা এবং অপরটি লেখ্য রূপ বা লিখিত ভাষা। মুখের ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে উপভাষা বলে। আর ব্যাকরণসম্মত ও পরিমার্জিত লেখার মাধ্যম হলো লেখ্য রূপ, যা সাধু ও চলিত রীতিতে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সাধু রীতিতে লিখিত বাক্য - তাহার গমনের সময় উপস্থিত হইয়াছে। ব্যাখ্যা: এটি সাধু রীতির লেখ্য রূপের উদাহরণ, যেখানে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চলিত রীতিতে লিখিত বাক্য - তার যাওয়ার সময় এসেছে। ব্যাখ্যা: এটি চলিত রীতির লেখ্য রূপের উদাহরণ, যা তুলনামূলক সহজ ও প্রমিত কথ্য ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঞ্চলিক — এটি মুখের ভাষার একটি রূপ, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন কথ্য ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর সঙ্গে সাধু ও চলিত রীতির সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) উপভাষা — এটি ভৌগোলিক বা সামাজিক কারণে পরিবর্তিত কথ্য ভাষার রূপ, যা সাধু ও চলিত রীতির মতো কোনো নির্দিষ্ট লেখ্য প্রমিত রূপ নয়। D) কথ্য — কথ্য ভাষা হলো মানুষের মুখের বুলির রূপ, যেখানে সাধু ও চলিত রীতির মতো কঠোর ব্যাকরণগত নিয়ম বা লিখিত রূপের আনুষ্ঠানিকতা সাধারণত থাকে না। ৫ মনে রাখার টিপস: লেখালেখির কাজ সাধু ও চলিত রীতিতে হয়, তাই এই দুটি হলো ভাষার লেখ্য রূপ। মুখের ভাষা হলো কথ্য রূপ বা উপভাষা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার প্রধান রূপ দুটি হলেও লেখ্য রূপের দুটি প্রধান রীতি হলো সাধু ও চলিত। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে কোন রূপটি কোন ক্ষেত্রের জন্য প্রযোজ্য।
a ভাবাধিকরণ
b ঐকদেশিক অধিকরণ
c কালাধিকরণ
d বৈষয়িক
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঐকদেশিক অধিকরণ ১. কেন সঠিক: ক্রিয়া সম্পাদনের স্থানকে অধিকরণ কারক বলে এবং নির্দিষ্ট সীমানার ভেতরে কোনো স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ কারক বলা হয়। আকাশ একটি সুবিশাল ক্ষেত্র বা নির্দিষ্ট সীমানা নির্দেশ করে এবং চাঁদ ওঠার ক্রিয়াটি সেই আকাশের একটি নির্দিষ্ট অংশে সম্পন্ন হয়েছে বলে এটি ঐকদেশিক অধিকরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে স্থানে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে এবং অধিকরণ কারককে মূলত চার ভাগে ভাগ করা হয় যথা ঐকদেশিক, অভিব্যাপক, বৈষয়িক ও কালাধিকরণ। বিশাল স্থানের যেকোনো এক অংশে বা নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে কোনো কিছু অবস্থিত হলে বা ক্রিয়া সংঘটিত হলে তাকে ঐকদেশিক অধিকরণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে। ব্যাখ্যা: বনের একটি নির্দিষ্ট অংশে বা নির্দিষ্ট সীমানার ভেতর বাঘ থাকে বলে এটি ঐকদেশিক অধিকরণের উদাহরণ। উদাহরণ ২: পুকুরে মাছ আছে। ব্যাখ্যা: পুকুরের সম্পূর্ণ অংশ জুড়ে মাছ থাকে না, নির্দিষ্ট জলভাগের মধ্যে থাকে তাই এটি ঐকদেশিক অধিকরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাবাধিকরণ — কোনো বাক্যে একটি ক্রিয়ার ওপর অন্য ক্রিয়ার নির্ভরতা প্রকাশ পেলে তাকে ভাবাধিকরণ বলে যা এখানে নেই। B) ঐকদেশিক অধিকরণ — এই অপশনটি সঠিক কারণ নির্দিষ্ট সীমার ভেতরে বা কোনো স্থানের এক অংশে ক্রিয়া সম্পন্ন বুঝিয়েছে। C) কালাধিকরণ — সময় বা কালকে অধিকরণ কারক হিসেবে নির্দেশ করলে তাকে কালাধিকরণ বলে কিন্তু এখানে স্থান বোঝানো হয়েছে। D) বৈষয়িক — কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষতা বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষত্ব বোঝালে তাকে বৈষয়িক অধিকরণ বলে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো স্থানে বা এক অংশে ক্রিয়া বোঝাতে ঐকদেশিক অধিকরণ হয়। স্থান ছোট হোক বা বিশাল হোক, যদি সমগ্র অংশ জুড়ে না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট কোনো অংশে বোঝায় তবে তা ঐকদেশিক অধিকরণ হিসেবে গণ্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: স্থানবাচক অধিকরণ কারক সাধারণত ঐকদেশিক বা অভিব্যাপক এই দুই প্রকারের হয়ে থাকে। সারা আকাশ বা সমস্ত ক্ষেত্র জুড়ে না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে বোঝানোর কারণে এটি ঐকদেশিক অধিকরণ হিসেবে পরীক্ষামুলক প্রশ্নে বারবার আসে।
a হিমালয়
b অহরহ
c সংসার
d বনস্পতি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হিমালয় ১. কেন সঠিক: - স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলনে যে সন্ধি হয় তাকে স্বরসন্ধি বলে। এখানে হিমালয় শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ হলো হিম যোগ আলয়। - প্রথম শব্দের অন্তস্থিত অ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদস্থিত আ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে এবং তা পূর্ববর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি প্রধানত দুই প্রকার, যেমন স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। - স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনকে স্বরসন্ধি বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ অথবা আ এর পর অ অথবা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্র = রবি যোগ ইন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের ই কার এবং দ্বিতীয় শব্দের ই কার মিলে ঈ কার হয়েছে, যা স্বরসন্ধির উদাহরণ। উদাহরণ ২: কথামৃত = কথা যোগ অমৃত ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের অন্তস্থিত আ এবং দ্বিতীয় শব্দের আদস্থিত অ মিলে আ কার গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে স্বরবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণের মিলন ঘটেছে। B) অহরহ — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ হলো অহঃ যোগ অহ, যা বিসর্গ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। C) সংসার — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ হলো সম যোগ সার, যেখানে ম এর স্থানে অনুস্বার হয়েছে। D) বনস্পতি — এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ কারণ এর সন্ধিবিচ্ছেদ হলো বন যোগ পতি, যা নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি। ৫. মনে রাখার টিপস: - দুটি শব্দের মাঝখানে যদি আ, ঈ, ঊ এর মতো দীর্ঘ স্বরধ্বনি দেখতে পাও, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা স্বরসন্ধি হবে। সন্ধিবিচ্ছেদ করার সময় খেয়াল রাখবে যেন ভাঙার পর উভয় অংশই অর্থপূর্ণ শব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি এবং বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রশ্ন আসে। হিমালয় শব্দটি বারবার বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসার কারণে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণিক প্রশ্ন।
a বনঃ + পতি
b বন + পতি
c বনস + পতি
d বন + স্পতি
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বন + পতি কেন সঠিক: - এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে বিসর্গ বা অন্য কোনো পরিবর্তন না হয়ে সরাসরি দুটি শব্দ যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি হলো সেই সন্ধি যা কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে সাধিত হয়। - বাংলা ভাষায় বহুপ্রচলিত শব্দ হিসেবে এই ধরনের সন্ধি হুবহু মুখস্থ রাখতে হয়। - এই নিয়মের আরেকটি বিখ্যাত উদাহরণ হলো মন + তাপ = মনস্তাপ। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বনঃ + পতি — বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এটি হয় না কারণ এখানে বিসর্গ থাকে না। - B) বন + পতি — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে অন্য কোনো নাম প্রযোজ্য নয়। - C) বনস + পতি — 'বনস' বলে কোনো মূল শব্দ বা প্রত্যয় বাংলায় ব্যবহৃত হয় না। - D) বন + স্পতি — সন্ধির সময় 'পতি' শব্দের আগের অংশ আলাদা করা ভুল, এখানে 'বন' ও 'পতি' যুক্ত হয়। মনে রাখার টিপস: - বনস্পতি শব্দটিতে কোনো বিসর্গ বা অতিরিক্ত স যুক্ত হয় না, তাই শুধু বন এর সাথে পতি যোগ করতে হবে।
a সে ভাগ্য হারিয়েছে
b সে ভাগ্যহারা
c তার পোড়া কপাল
d সে ভাগ্যের বাইরে.
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তার পোড়া কপাল কেন সঠিক: - ইংরেজি idiom বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ না ধরে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ধরতে হয়। - Out of luck কথাটির প্রচলিত ভাবানুবাদ হলো দুর্ভাগ্য বা খারাপ সময় বোঝানো। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি ইংরেজি idiomatic expression বা বাগধারা। - ইংরেজিতে ভাগ্য ভালো থাকাকে বলা হয় in luck এবং খারাপ থাকাকে বলা হয় out of luck। - যেমন, I am out of luck today এর অর্থ আজ আমার দিনটি খারাপ যাচ্ছে বা পোড়া কপাল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সে ভাগ্য হারিয়েছে — এটি literal বা শাব্দিক অনুবাদ হওয়ায় অর্থ সঠিক হয়নি। - B) সে ভাগ্যহারা — এটি কিছুটা কাছাকাছি হলেও প্রচলিত ভাবানুবাদ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। - C) তার পোড়া কপাল — এটি সঠিক উত্তরের অপশন, তাই এখানে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। - D) সে ভাগ্যের বাইরে — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং অর্থহীন একটি অনুবাদ। মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি out of luck দেখলে সবসময় তার বাংলা বাগধারা পোড়া কপাল বা দুর্ভাগ্য হিসেবে মনে রাখবে।
a অভ্যাসের
b পড়াশোনার
c ভাষান্তরের
d নির্ধারণের
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অভ্যাসের ১. কেন সঠিক: অনুবাদ কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান বা ব্যাকরণের নিয়ম মুখস্থ করার বিষয় নয়, এটি মূলত ভাষা দক্ষতা অর্জনের একটি প্রায়োগিক ক্ষেত্র। যত বেশি চর্চা বা অভ্যাস করা হবে, এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ভাব বিনিময়ের দক্ষতা তত বেশি উন্নত ও স্বাভাবিক হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষা ব্যবহারের ব্যবহারিক দক্ষতা ও প্রায়োগিক প্রয়োগের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন। ভাষার দুটি রূপ থাকে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক, এবং অনুবাদের ক্ষেত্রে নিয়ম জানার পাশাপাশি নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি প্রবাদের নিয়মিত বাংলা অনুবাদ চর্চা করা। ব্যাখ্যা: এতে ভিন্ন ভাষার ভাব সঠিকভাবে বাংলায় ফুটিয়ে তোলার অভ্যাস গড়ে ওঠে। উদাহরণ ২: সংবাদপত্রের বিদেশি নিবন্ধ বাংলায় রূপান্তর করা। ব্যাখ্যা: এটি অনুবাদে পারদর্শিতা অর্জনের সবচেয়ে কার্যকর একটি ব্যবহারিক অভ্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভ্যাসের — এটি সঠিক কারণ নিয়মিত চর্চা না থাকলে অনুবাদে সাবলীলতা আসে না। B) পড়াশোনার — পড়াশোনা জ্ঞান বাড়ায় কিন্তু প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জনের জন্য অনুশীলনের প্রয়োজন হয়। C) ভাষান্তরের — ভাষান্তর নিজেই অনুবাদের কাজ, এর ওপর পারদর্শিতা সরাসরি নির্ভরশীল নয়। D) নির্ধারণের — নির্ধারণ কোনো ভাষা দক্ষতা অর্জনের মূল শর্ত বা কারণ হতে পারে না। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুবাদ মানেই চর্চা বা অভ্যাস। যিনি যত বেশি চর্চা করবেন, তার অনুবাদ তত বেশি সুন্দর ও নির্ভুল হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা দক্ষতার প্রশ্নগুলো প্রায়োগিক বুদ্ধিমত্তা যাচাইয়ের জন্য আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের প্রশ্নের সঠিক উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
a কেবল মাত্র তুমি যাবে
b এতে আশ্চার্য হলাম
c বিবিধ জিনিস কিনলাম
d এ সংবাদে সন্তোষ হলাম
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিবিধ জিনিস কিনলাম ১. কেন সঠিক: - 'বিবিধ' শব্দটির অর্থ নানাবিধ বা একাধিক বিভিন্ন প্রকার। এর সঙ্গে আলাদা করে বহুবচনসূচক শব্দ ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। - 'জিনিস' বিশেষ্য পদ এবং 'বিবিধ' এর আগের বিশেষণ হিসেবে বসে বাক্যটিকে সম্পূর্ণ অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণসিদ্ধ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যশুদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো বাহুল্য দোষ বর্জন করা। একটি শব্দে যা প্রকাশ পায়, তার সঙ্গে সমার্থক বা অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ ঘটে। - 'বিবিধ' শব্দের মধ্যে নানাত্ব বা বহুবচনের ভাব নিহিত থাকায় এর সঙ্গে অতিরিক্ত কোনো বহুবচনবাচক শব্দ বসালে বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভায় অনেক লোক উপস্থিত ছিল। ব্যাখ্যা: 'লোক' শব্দের সঙ্গে 'জন' বা বহুবচন যোগ করার প্রয়োজন নেই, তাই 'অনেক লোক' শুদ্ধ রূপ। উদাহরণ ২: সমস্ত পক্ষীগুলো উড়ে গেল। ব্যাখ্যা: 'সমস্ত' এবং 'গুলো' দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ হয়, শুদ্ধ রূপ হলো সমস্ত পক্ষী উড়ে গেল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কেবল মাত্র তুমি যাবে — 'কেবল' এবং 'মাত্র' সমার্থক শব্দ। একসঙ্গে ব্যবহার করায় এখানে বাহুল্য দোষ ঘটেছে। B) এতে আশ্চার্য হলাম — বানানটি ভুল। এর সঠিক রূপ হবে 'এতে আশ্চর্য হলাম'। C) বিবিধ জিনিস কিনলাম — এটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য এবং এতে কোনো বাহুল্য বা বানানগত ত্রুটি নেই। D) এ সংবাদে সন্তোষ হলাম — 'সন্তোষ' বিশেষ্য পদ। ক্রিয়ার সঙ্গে মিল রেখে এখানে 'সন্তুষ্ট' বিশেষণ ব্যবহার করতে হবে। ৫ মনে রাখার টিপস: - একই অর্থে দুটি শব্দ একসঙ্গে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে কেবল ও মাত্র, সব ও সকল একসঙ্গে ব্যবহার করা বাহুল্য দোষ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ সংক্রান্ত বাক্যশুদ্ধি প্রায়ই আসে। তাই শব্দের অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a অত্যাধিক
b অদ্যাপি
c আদ্যাক্ষর
d আবিষ্কার
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবিষ্কার ১. কেন সঠিক: - তৎসম শব্দে ই-কার বা ঈ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী আবিষ্কার বানানটিতে মূর্ধন্য-ষ-এর পূর্বে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। - আবিঃ যুক্ত কার মিলে আবিষ্কার গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গের পর ক থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য-ষ হয় এবং ই-কার অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের আগে অ কিংবা আ ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে এবং পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গের স্থানে মূর্ধন্য-ষ হয়। - আবিঃ শব্দের শেষে বিসর্গ এবং তার পূর্বে ই স্বরধ্বনি থাকার কারণে এবং পরবর্তীতে কার শব্দের শুরুতে ক থাকায় বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য-ষ রূপ ধারণ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবিষ্কর্তা ব্যাখ্যা: আবিষ্কার শব্দের মতো একই বিসর্গ সন্ধির নিয়মে আবিঃ যুক্ত কর্তা মিলে আবিষ্কর্তা শব্দটি গঠিত হয়েছে যেখানে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বহিষ্কার ব্যাখ্যা: বহিঃ যুক্ত কার মিলে বহিষ্কার গঠিত হয়েছে যেখানে বিসর্গের আগের ই-কার বহাল থেকে ক-এর পূর্বে মূর্ধন্য-ষ যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অত্যাধিক — সঠিক বানানটি হবে অতিরিক্ত বা অত্যধিক কারণ অতি যুক্ত অধিক মিলে অত্যধিক হয় এবং অত্যাধিক একটি প্রচলিত ভুল বানান। B) অদ্যাপি — এই বানানটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও এটি মূল প্রশ্নের বানান শুদ্ধতার বিচারে উদ্দিষ্ট সঠিক উত্তর নয়। C) আদ্যাক্ষর — এই বানানটি সঠিক এবং আদি যুক্ত অক্ষর মিলে গঠিত হলেও মূল প্রশ্নে নির্দিষ্ট সঠিক উত্তর হিসেবে ডি অপশনটি নির্ধারিত হয়েছে। D) আবিষ্কার — এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরীতি সমর্থিত একটি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আবিঃ এবং বহিঃ উপসর্গের পর কার বা স্কার জাতীয় শব্দ যুক্ত হলে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার করতে হয় এবং ই-কার অপরিবর্তিত রাখতে হয়। - এই নিয়মটি মনে রাখলে আবিষ্কার, বহিষ্কার ও আবিষ্কর্তা জাতীয় বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মটি বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বানান শুদ্ধি ও সন্ধি উভয় অংশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - একই নিয়মের শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক বানানটি চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
a চুরি করা
b সেবা করা
c অপরাধ করা
d নষ্ট করা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চুরি করা ১. কেন সঠিক: - চক্ষুদান করা বাগধারাটির অন্তর্নিহিত অর্থ হলো হাত সাফাই করা বা চুরি করা। - আপাতদৃষ্টিতে এর আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা মনে হলেও, বাংলা ভাষার বিশেষ প্রয়োগে এটি মূলত চুরির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে শব্দ বা পদের এই রূপান্তর ভাষাকে আরও সুন্দর ও নান্দনিক করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজারে ভিড়ের মধ্যে পকেটমারের দল সাবধানে মানুষের মানিব্যাগ চক্ষুদান করে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা বলতে চুরির কাজটি অত্যন্ত নিপুণভাবে সম্পন্ন করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: দোকান থেকে চোখের নিমেষে দামি জিনিসটি কেউ চক্ষুদান করে নিয়ে গেল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও সামগ্রিক অর্থে কোনো বস্তু চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চুরি করা — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটিই চক্ষুদান করা বাগধারাটির অভিধানসম্মত অর্থ। B) সেবা করা — এই অপশনটি ভুল কারণ সেবা করার সঙ্গে চক্ষুদান করা বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। C) অপরাধ করা — এই অপশনটি ভুল কারণ অপরাধ করা একটি সাধারণ ধারণা, আর চক্ষুদান করা একটি নির্দিষ্ট অপরাধ অর্থাৎ চুরি করা বোঝায়। D) নষ্ট করা — এই অপশনটি ভুল কারণ নষ্ট করা বা ধ্বংস করার সঙ্গে এই বাগধারার অর্থের মিল নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - চোখ বন্ধ থাকা বা চোখ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগে কিছু উধাও হয়ে যাওয়া মানেই চক্ষুদান করা বা চুরি করা। - এই ধরনের প্রতারণামূলক বাগধারাগুলোর আক্ষরিক অর্থের পেছনে না ছুটে প্রমিত অর্থ মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এমন কিছু বাগধারা আসে যার আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থের মধ্যে আকাশচুম্বী তফাত থাকে। - এ ধরনের বিভ্রান্তিকর বাগধারার ক্ষেত্রে সর্বদা প্রমিত ও পরীক্ষিত অর্থটিকেই সঠিক হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
a তুলসী বনের বাঘ
b বিড়াল তপস্বী
c ভিজা বিড়াল
d বকধার্মিক
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিজা বিড়াল ১. কেন সঠিক: - 'ভিজা বিড়াল' বাগধারাটির অর্থ হলো ভণ্ড বা নীরব ভদ্র সেজে থাকা শঠ ব্যক্তি, যা মূলত কোনো বিশেষ ভঙিমা প্রকাশ করে। - প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন বাগধারাটি 'স্বতন্ত্র অর্থ' প্রকাশ করে, যেখানে বাকি তিনটি বাগধারার অর্থ প্রায় একই রকম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় এমন কিছু বাগধারা রয়েছে যার মধ্যে তিনটি সমার্থক বা একই ভাব প্রকাশ করে এবং একটি সম্পূর্ণ আলাদা বা স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে। - এখানে তুলসী বনের বাঘ, বিড়াল তপস্বী এবং বকধার্মিক তিনটি বাগধারারই সাধারণ অর্থ হলো ভণ্ড সাধু বা শান্ত শিষ্টের ছদ্মবেশে বিপজ্জনক ব্যক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভদ্রলোকের আচরণ দেখে মনে হয় তিনি তুলসী বনের বাঘ, আসলে তিনি ভেতরে ভেতরে খুব চালাক। ব্যাখ্যা: এখানে শান্ত স্বভাবের আড়ালে বিপজ্জনক রূপ বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: ওই মানুষটির মিষ্টি কথায় ভুলো না, সে আসলে একটি ভিজা বিড়াল। ব্যাখ্যা: এখানে নীরব ও সোজা সেজে থাকা শঠ বা ধূর্ত ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুলসী বনের বাঘ — এই বাগধারাটির অর্থ ভদ্রবেশী শঠ বা ভণ্ড, যা প্রদত্ত উত্তরের মতো স্বতন্ত্র নয়। B) বিড়াল তপস্বী — এই বাগধারাটির অর্থও ভণ্ড সাধু বা ধূর্ত ব্যক্তি, যা অন্যগুলোর সাথে মিলে যায়। C) ভিজা বিড়াল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভণ্ড বা নীরব ভদ্র, যা প্রশ্ন অনুযায়ী স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশ করে। D) বকধার্মিক — এই বাগধারাটির অর্থও শান্ত শিষ্টের ছদ্মবেশী শঠ বা বক তপস্বী, যা সমার্থক। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে বাগধারার অর্থ ভণ্ড বোঝায় সেগুলোর একটি তালিকা করে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব। - তুলসী বনের বাঘ, বিড়াল তপস্বী ও বকধার্মিক তিনটির অর্থ একই অর্থাৎ ভণ্ড, তাই ব্যতিক্রমটিই উত্তর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভিন্নার্থক বা স্বতন্ত্র অর্থ প্রকাশক বাগধারা আলাদা করতে বলা হয়। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য অপশনগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
a হাইফেন
b ড্যাস
c কোলন ড্যাস
d কোলন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোলন ১. কেন সঠিক: একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা বা ব্যাখ্যা করতে হলে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। বাক্যের বক্তব্য স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বা কোনো সূত্রের বিস্তার ঘটানোর সময় কোলন চিহ্ন বসে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার বাক্যকে অর্থপূর্ণ ও সুস্পষ্ট করে তোলে। কোলন একটি গুরুত্বপূর্ণ যতিচিহ্ন যা মূলত কোনো উদ্ধৃতি বা অপূর্ণ বাক্যের পরের অংশের সংযোগ সাধনে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভা শেষ হলো এই বলে: আগামী রবিবার আবার দেখা হবে। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম অপূর্ণ বাক্যের পরের অংশটুকু কোলন চিহ্নের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে। উদাহরণ ২: মানুষের জীবন প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত: জন্ম ও মৃত্যু। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম বাক्याংশের ব্যাখ্যা বা অবতারণা করতে কোলন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদগুলোকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়, বাক্যের অবতারণায় নয়। B) ড্যাস — বাক্যের পরিসমাপ্তি বা ভাবের পরিবর্তন বোঝাতে ড্যাস ব্যবহৃত হয়, অপূর্ণ বাক্যের পরে নয়। C) কোলন ড্যাস — উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোলন ড্যাস ব্যবহৃত হয়, সাধারণ বাক্যের অবতারণায় নয়। D) কোলন — এটি সঠিক কারণ একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে কোলন ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অপূর্ণ বাক্যের পরে আরেকটি বাক্যের অবতারণা করতে কোলন ব্যবহার করা হয়। মনে রাখবে কোলন মানেই সামনে আরও কিছু আসছে বা ব্যাখা করা হচ্ছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের কাজ ও সময়কাল সম্পর্কে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। যতিচিহ্ন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম জানা থাকলে বাক্য গঠন ও বাক্যশুদ্ধি উভয় অংশেই ভালো করা সম্ভব।
a তিনটি
b চারটি
c পাঁচটি
d ছয়টি
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চারটি ১. কেন সঠিক: ভাষার মৌলিক অংশ বা উপাদান প্রধানত চারটি। যেকোনো ভাষা মূলত ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ এই চারটি মূল স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ভাষার মৌলিক উপাদানগুলো হলো ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং অর্থ। ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, শব্দ একাধিক ধ্বনির মিলনে তৈরি হয়, বাক্য পদ বা শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং অর্থের মাধ্যমে ভাবের পূর্ণ প্রকাশ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধ্বনি থেকে শব্দ গঠন ব্যাখ্যা: ক, ল, ম এই তিনটি ধ্বনি বা বর্ণ মিলে কলম শব্দটি তৈরি হয় যা ভাষার একটি মৌলিক অংশ। উদাহরণ ২: শব্দ থেকে বাক্য গঠন ব্যাখ্যা: আমি বই পড়ি এই বাক্যটি কয়েকটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত যা ভাষার বাকযন্ত্রের সম্পূর্ণ রূপ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তিনটি — ভাষার মৌলিক অংশ তিনটি ধরলে অর্থ বা বাক্য বাদ পড়ে যায় যা ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। B) চারটি — এটি সঠিক কারণ ভাষা মূলত ধ্বনি, শব্দ, বাক্য এবং এই চারটির সমন্বয়ে গঠিত। C) পাঁচটি — পাঁচটি মৌলিক অংশ ব্যাকরণে স্বীকৃত নয় কারণ ভাষার প্রধান স্তম্ভ চারটি। D) ছয়টি — ছয়টি উপাদান ধরলে ভাষার মৌলিক কাঠامোর বাইরে অতিরিক্ত বিষয় চলে আসে। ৫ মনে রাখার টিপস: ভাষা শেখার সহজ সূত্র হলো ধ্বনি দিয়ে শব্দ, শব্দ দিয়ে বাক্য এবং বাক্য থেকে অর্থ বুঝতে হয়। এই চারটি ধাপ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার মৌলিক অংশ নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে ভাষার মৌলিক উপাদান চারটি কিন্তু বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থার্থ—এই চার ভাগে ভাষার আলোচনা করা হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a helped
b would help
c will help
d can help
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would help কেন সঠিক: এটি Second Conditional-এর একটি বাক্য, যেখানে কাল্পনিক বা অসম্ভব শর্ত প্রকাশ করা হয়েছে। If-युक्त অংশে Past Indefinite Tense (wanted) থাকলে অপর অংশে Subject-এর পরে would এবং মূল verb-এর Present form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) helped — বাক্যের দ্বিতীয় অংশে একই সাথে দুটি Past Indefinite Tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) would help — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি অন্য কোনো ভুল অপশন নয়। C) will help — এটি First Conditional-এর নিয়ম, কিন্তু প্রথম অংশে Past tense থাকায় এটি এখানে বসবে না। D) can help — শর্তমূলক বাক্যের এই গঠনে Modal verb হিসেবে can-এর পরিবর্তে could ব্যবহার করা হয়। মনে রাখার টিপস: If-এর সাথে Past tense থাকলে পরের অংশে would-এর সাথে Verb-এর Present form বসাতে হয়।
a slow coach
b silver spoon
c maiden speech
d weal and woe
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) maiden speech কেন সঠিক: - 'Maiden speech' একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার অর্থ হলো কারও জীবনের প্রথম বক্তৃতা। - শূন্যস্থানে এই ইডিয়মটি বসলে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, তাঁর প্রথম বক্তৃতা আমাদের সবাইকে আনন্দিত করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) slow coach — এর অর্থ অলস ব্যক্তি, যা বক্তৃতার প্রসঙ্গের সঙ্গে মেলে না। B) silver spoon — এর অর্থ জন্মসূত্রে ধনী পরিবারে জন্ম নেওয়া, যা এখানে অর্থহীন। C) maiden speech — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ প্রথম বক্তৃতা। D) weal and woe — এর অর্থ সুখ ও দুঃখ, যা বাক্যটির অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিহীন। মনে রাখার টিপস: 'Maiden' শব্দের অর্থ প্রথম বা কুমারী। তাই 'maiden speech' দেখলে প্রথম বক্তৃতা হিসেবে মনে রাখবে।
a take to task
b put off
c put out
d play truant
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) play truant কেন সঠিক: play truant অর্থ বিনা অনুমতিতে স্কুল বা ক্লাস থেকে পালিয়ে যাওয়া। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী নিয়মিত স্কুল কামাই করলে পরীক্ষায় ফেল করবে বোঝানো হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) take to task — এর অর্থ কাউকে তিরস্কার করা বা বকাঝকা করা। এটি এখানে অর্থের সাথে মিলে না। B) put off — এর অর্থ কোনো কাজ স্থগিত রাখা বা পেছানো। এটি স্কুলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) put out — এর অর্থ আগুন বা বাতি নেভানো। এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: স্কুল থেকে পালিয়ে যাওয়া বা ফাঁকি দেওয়ার ইংরেজি হলো play truant.
a At length
b Ten to one
c At large
d All in all
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Ten to one কেন সঠিক: Ten to one ফ্রেজটির অর্থ হল সম্ভাবনা খুবই বেশি বা নিশ্চিত প্রায়। শূন্যস্থানে এই ফ্রেজটি বসালে অর্থ দাঁড়ায় যে আজ তার আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) At length — এর অর্থ বিস্তারিতভাবে বা অবশেষে, যা বাক্যের অর্থর সাথে মেলে না। B) Ten to one — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) At large — এর অর্থ স্বাধীনভাবে বা মুক্ত অবস্থায়, যা এখানে অর্থহীন। D) All in all — এর অর্থ সর্বেসর্বা বা মোট ও সামগ্রিকভাবে, যা এখানে বসে না। মনে রাখার টিপস: Ten to one অর্থ দশের মধ্যে নয় জন অর্থাৎ প্রবল সম্ভাবনা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
a hard
b elastic
c changeable
d ductile
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) hard কেন সঠিক: Flexible শব্দের অর্থ হলো নমনীয় বা সহজে বাঁকানো যায় এমন। Hard শব্দের অর্থ হলো শক্ত, যা সহজে বাঁকে না বা পরিবর্তন হয় না। তাই এটি flexible শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hard — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি নমনীয়তার বিপরীত। B) elastic — এর অর্থ স্থিতিস্থাপক, যা flexible শব্দের সমার্থক। C) changeable — এর অর্থ পরিবর্তনশীল, যা flexible শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) ductile — এর অর্থ প্রসারিত করা যায় এমন, যা নমনীয়তার সাথে মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: Flexible মানে যা সহজে মরে যায়, আর hard মানে যা কখনো ভাঙ্গে না কিন্তু শক্ত থাকে।
a hostile
b negative
c favourable
d unfavourable
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) favourable কেন সঠিক: - 'Adverse' শব্দের অর্থ প্রতিকূল, ক্ষতিকর বা বিপক্ষ। - এর সঠিক বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো 'favourable', যার অর্থ অনুকূল বা সাহায্যকারী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এটি adverse শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা অমিত্রসুলভ। B) negative — এটি adverse শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ নয়। C) favourable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) unfavourable — এটি adverse শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ প্রতিকূল বা অনুকূল নয়। মনে রাখার টিপস: Adverse মানে প্রতিকূল পরিস্থিতি আর Favourable মানে অনুকূল পরিস্থিতি, এভাবে বিপরীত অর্থ মনে রাখতে হবে।
a hostile
b unfriendly
c meek
d amiable
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) amiable কেন সঠিক: ‘Cordial’ শব্দটির অর্থ আন্তরিক, বন্ধুভাবাপন্ন বা হৃদ্যতাপূর্ণ। ‘Amiable’ শব্দটির অর্থও অমায়িক, বন্ধুভাবাপন্ন বা মনোরম। সমার্থক শব্দ হিসেবে এদের অর্থের মধ্যে সম্পূর্ণ মিল রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা ‘cordial’ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) unfriendly — এর অর্থ বন্ধুতাহীন বা অমিত্রসুলভ, যা সঠিক উত্তরের উল্টো অর্থ। C) meek — এর অর্থ বিনয়ী বা নরম স্বভাবের, যা আন্তরিক বা বন্ধুভাবাপন্ন শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে না। D) amiable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘cordial’ শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Cordial মানুষের মনকে ছোঁয়, আর Amiable মানুষ সবাইকে আপন করে নেয়। তাই মনে রাখবে cordial মানেই amiable বা বন্ধুভাবাপন্ন।
a clever
b dull
c boring
d tedious
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) clever কেন সঠিক: Witty শব্দের অর্থ হলো চতুর, রসাত্মক বা বুদ্ধিদীপ্ত। Clever শব্দের অর্থও চতুর বা বুদ্ধিমান, যা মূল শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। তাই Witty এবং Clever সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) clever — এটি সঠিক উত্তর এবং Witty শব্দের সাথে এর অর্থের মিল রয়েছে। B) dull — এর অর্থ নিস্তেজ বা বোকা, যা Witty শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। C) boring — এর অর্থ বিরক্তিকর, যা Witty বা বুদ্ধিদীপ্ত শব্দের সাথে মিলে না। D) tedious — এর অর্থ ক্লান্তিকর বা একঘেয়ে, যা Witty শব্দের বিপরীত অর্থ বহন করে। মনে রাখার টিপস: Witty মানে যার মাথা খুব পরিষ্কার এবং চতুর, তাই এর সমার্থক হিসেবে Clever শব্দটি মনে রাখতে হবে।
a were
b is
c has been
d had been
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) were কেন সঠিক: - As if বা as though যুক্ত বাক্যের প্রথম অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশ পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়। - বি ভার্ব হিসেবে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সব ক্ষেত্রে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) were — সঠিক উত্তর কারণ এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নিয়ম মেনে সাবজেক্টের পরে বসেছে। B) is — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় as if এর পরের অংশের জন্য প্রযোজ্য নয়। C) has been — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় এই কাঠামোর সাথে মিলছে না। D) had been — প্রথম অংশ প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট হলে পরের অংশে পাস্ট পারফেক্ট বসে না। মনে রাখার টিপস: As if এর বাম পাশে প্রেজেন্ট টেন্স থাকলে ডান পাশে সব সময় were বসাতে হয়।
a hung
b hang
c hanged
d hangged
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) hanged কেন সঠিক: ফাঁসি দেওয়া অর্থে hang verb এর সঠিক past participle বা V3 রূপ হলো hanged। এখানে বাক্যটি passive voice এ থাকায় auxiliary verb এর পর hanged বসেছে। অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা বোঝালে hanged ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hung — এটি hang এর past form হলেও ঝোলানো অর্থে ব্যবহৃত হয়, ফাঁসি দেওয়া অর্থে নয়। B) hang — এটি verb এর base form, যা এখানে grammatical নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। C) hanged — এটি নিজে সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) hangged — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো বানান বা শব্দ রূপের অস্তিত্ব নেই। মনে রাখার টিপস: পোশাক বা কোনো বস্তু ঝোলালে hung হয়, আর মানুষের ফাঁসি হলে hanged হয়।
a stick
b strict
c stitch
d stich
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) stitch কেন সঠিক: এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ সময়ে এক ফোঁড় অসময়ে দশ ফোঁড়। জামাকাপড়ের সেলাইয়ের ক্ষেত্রে 'stitch' শব্দটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। প্রবাদটির আসল রূপটি মনে রাখলে এই উত্তরটি খুব সহজে দেওয়া যায়। বানানগত দিক থেকেও এই শব্দটি সম্পূর্ণ নির্ভুল ও আদর্শ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stick — এর অর্থ লাঠি, যা এই প্রবাদের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মিলে না। B) strict — এর অর্থ কঠোর, যা এই প্রবাদের শূন্যস্থানে বসার যোগ্য নয়। C) stitch — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য নয়। D) stich — বানানে ভুল আছে কারণ সঠিক বানানে মাঝখানে একটি t অক্ষর থাকে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদের ক্ষেত্রে জামা সেলাইয়ের ইংরেজি শব্দ 'stitch' ব্যবহার করতে হয় এবং এর বানানটিতে অতিরিক্ত একটি t থাকে তা মনে রাখতে হবে।
a pen
b penning
c pened
d penned
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) penned কেন সঠিক: বাক্যটি Imperative Sentence-এর Passive Voice আকারে রয়েছে। Let দিয়ে শুরু বাক্যে Object-এর পর be থাকলে মূল verb-এর Past Participle form বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) pen — এটি Verb-এর Base form, যা Passive Voice-এর নিয়ম অনুযায়ী be-র পরে বসতে পারে না। B) penning — এটি Verb-এর Present Participle form, যা এখানে সঠিক ব্যাকরণগত গঠন পূরণ করে না। C) pened — এটি কোনো সঠিক ইংরেজি শব্দ নয় কারণ pen শব্দটির সঠিক Past Participle হলো penned। D) penned — এটি সঠিক Past Participle form হওয়ায় বাক্যটি পূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Let দিয়ে শুরু Passive বাক্যে be দেখলে চোখ বন্ধ করে Verb-এর Past Participle form বা V৩ বসিয়ে দেবে।
a had left
b left
c will leave
d leave
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) had left কেন সঠিক: অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense অর্থাৎ had + V3 বসে। এখানে আপনার চলে যাওয়ার কাজটি আগে ঘটেছিল, তাই সঠিক উত্তরটি had left হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) had left - এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী Past Perfect Tense গঠন করেছে। B) left - এটি দিয়ে Past Indefinite বুঝায়, যা পরে ঘটা কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। C) will leave - এটি Future Indefinite Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না। D) leave - এটি Present Indefinite Tense, যা অতীতের বাক্যে ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: After এর আগে Past Indefinite হলে পরে Past Perfect Tense হয়।
a read a book
b reads a book
c reading a book
d buy some books
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) reading a book কেন সঠিক: বাক্যে with a view to একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ। এর নিয়ম অনুযায়ী এর ঠিক পরেই যে ভার্ব বা ক্রিয়া বসে, তার সাথে ing যোগ করতে হয়। তাই সঠিক নিয়মে read ভার্বের সাথে ing যুক্ত হয়ে reading হয়েছে। বাক্যের অর্থ হলো তৌফিক একটি বই পড়ার উদ্দেশ্যে লাইব্রেরিতে গিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) read a book — with a view to এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম বসে না। তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) reads a book — with a view to এর পরে ভার্বের সাথে s বা es যুক্ত হয় না। তাই এই গঠনটি সম্পূর্ণ ভুল। C) reading a book — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) buy some books — এখানে to এর নিয়ম ভুলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে এবং অর্থের সামঞ্জস্য নেই। মনে রাখার টিপস: বাক্যে with a view to, look forward to এবং accustomed to থাকলে এদের পরে সবসময় verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a In spite of working hard, you cannot shine in life.
b Though he works hard, he cannot shine in life.
c Unless you work hard, you cannot shine in life.
d Unless you do not work hard, you can’t shine in life.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Unless you work hard, you cannot shine in life. কেন সঠিক: প্রশ্নসূচক Simple বাক্যের Without-যুক্ত অংশকে Complex করতে হলে Unless ব্যবহার করতে হয়। এখানে প্রদত্ত বাক্যের ভাব ঠিক রেখে Unless দিয়ে শর্তমূলক Complex sentence তৈরি করা হয়েছে। শর্ত বোঝালে Unless-এর পরের অংশে আর negative বা 'not' ব্যবহার করতে হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) In spite of working hard, you cannot shine in life. — এটি Complex sentence নয়, কারণ এতে In spite of ব্যবহার করে Simple sentence করা হয়েছে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। B) Though he works hard, he cannot shine in life. — মূল বাক্যে সাবজেক্ট 'you' থাকলেও এই অপশনে 'he' ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থ বিপরীত হয়েছে। C) Unless you work hard, you cannot shine in life. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) Unless you do not work hard, you can't shine in life. — Unless শব্দটির ভেতরেই না-বোধক অর্থ থাকে, তাই এর সাথে অতিরিক্ত 'do not' ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: Without-যুক্ত Simple sentence-কে Complex করতে হলে Without-এর পরিবর্তে শুরুতে Unless বসাতে হয় এবং পরবর্তী clause-এ নতুন করে কোনো not বসানো যায় না।
a There is no mother but loves her child.
b Every mother cannot but loves her child.
c No mother loves her child.
d There is no mother loving her child.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) There is no mother but loves her child. কেন সঠিক: বাক্যটির মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে Negative করার জন্য Every-এর পরিবর্তে There is no ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর but বসিয়ে পরের অংশের সাথে মিল রেখে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে যা Negative হলেও অর্থ আগের মতো ইতিবাচক থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক। B) B — এখানে cannot but-এর পর মূল verb-এর সাথে s যুক্ত আছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) C — এটি Negative হলেও মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে অর্থাৎ সব মা তার সন্তানকে ভালোবাসে না। D) D — এটি ساختটি সঠিক নয় এবং এতে মূল ভাবের অর্থের মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Every যুক্ত Affirmative বাক্যকে Negative করতে চাইলে Every-এর জায়গায় There is no এবং প্রধান শব্দের পরে but বসাতে হয়।
a Very few river in Bangladesh is as big as the Padma.
b Very few rivers in Bangladesh are as big as the Padma.
c No other river in Bangladesh is so big as the Padma.
d No other rivers in Bangladesh are as big as the Padma.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Very few rivers in Bangladesh are as big as the Padma. কেন সঠিক: প্রদত্ত প্রশ্নটিতে "one of the biggest" থাকলে Positive degree-তে রূপান্তর করার সময় বাক্যটি "Very few" দিয়ে শুরু করতে হয়। এর পরের অংশ বহুবচন হয় বিধায় "rivers" এবং verb হিসেবে "are" বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A) — "river" শব্দটি একবচন ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখানে বহুবচন "rivers" হওয়ার কথা ছিল। B) B) — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে। C) C) — "one of the" যুক্ত superlative-কে Positive করার সময় "No other" ব্যবহার করা যায় না। D) D) — "No other" এর পরে noun একবচন হয় কিন্তু এখানে "rivers" বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Superlative বাক্যে "one of the" থাকলে Positive করার সময় "Very few" দিয়ে বাক্য শুরু করতে হবে।
a length
b longer
c longest
d lengthen
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) length কেন সঠিক: - 'Long' হলো একটি Adjective (বিশেষণ) যার অর্থ দীর্ঘ বা লম্বা। - এই শব্দের Noun (বিশেষ্য) রূপ হলো 'Length' যার অর্থ দৈর্ঘ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) length — এটি সঠিক Noun রূপ এবং এর অর্থ দৈর্ঘ্য। B) longer — এটি 'Long' শব্দের Adjective-এর Comparitive form। C) longest — এটি 'Long' শব্দের Adjective-এর Superlative form। D) lengthen — এটি 'Long' শব্দ থেকে তৈরি একটি Verb যার অর্থ দীর্ঘায়িত করা। মনে রাখার টিপস: Adjective শব্দটির শেষে th যুক্ত করে সাধারণত Noun তৈরি করা হয়, যেমন long থেকে length এবং wide থেকে width।
a dangerous
b danger
c dangerously
d endanger
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) endanger কেন সঠিক: ‘Endanger’ শব্দটির শেষে 'en-' উপসর্গ যুক্ত হয়ে এটি verb-এ রূপান্তর হয়েছে। এর অর্থ কোনো কিছুকে ঝুঁকিতে ফেলা বা বিপন্ন করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dangerous — এটি একটি adjective কারণ এর শেষে -ous রয়েছে এবং এটি দোষ বা গুণ বোঝায়। B) danger — এটি মূল শব্দ যা নিজেই একটি noun বা বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। C) dangerously — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে -ly যুক্ত হয়ে অবস্থা বোঝাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: noun বা adjective শব্দের আগে 'en-' যুক্ত করে সাধারণত verb তৈরি করা হয়।
a heart
b hearten
c heartly
d heartily
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) heartily কেন সঠিক: - 'Heart' হলো একটি নাউন, যার সাথে 'ily' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি অ্যাডভার্বে রূপান্তর হয়েছে। - 'Heartily' শব্দটির অর্থ আন্তরিকভাবে বা উৎসাহের সাথে, যা বাক্যে অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) heart — এটি মূল শব্দ এবং পার্টস অব স্পীচের দিক থেকে একটি নাউন, তাই এটি অ্যাডভার্ব নয়। B) hearten — এটি একটি ভার্ব, যার অর্থ সাহস বা উৎসাহ জোগানো, তাই এটি অ্যাডভার্ব হতে পারে না। C) heartly — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো মানসম্মত শব্দ বা সঠিক গঠন নেই। D) heartily — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর গঠন ও অর্থ ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল। মনে রাখার টিপস: সাধারণত কোনো নাউনের শেষে 'ful' যুক্ত হলে তা অ্যাডজেক্টিভ হয় এবং তার সাথে 'ly' যুক্ত করলে তা অ্যাডভার্ব হয়, যেমন heart থেকে heartfelt এবং heartfelt থেকে heartily।
a I have no pen to write.
b I have no writing pen.
c I have no pen to write with.
d I have no pen for writing.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I have no pen to write with. কেন সঠিক: কলম দিয়ে লেখার ক্ষেত্রে ইনফিনিটিভের পরে উপযুক্ত প্রিপজিশন with ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাংলা বাক্যের অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করার জন্য with প্রিপজিশনটি এখানে অপরিহার্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have no pen to write — এখানে লেখার যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝাতে শেষের প্রয়োজনীয় প্রিপজিশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে। B) I have no writing pen — এই গঠনটি স্বাভাবিক ইংরেজি ব্যবহারের নিয়মের বাইরে এবং ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ। C) I have no pen to write with — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) I have no pen for writing — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় লেখার কাজে ব্যবহৃত হয় এমন কোনো কলম আমার নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছু দিয়ে লেখার কাজ বোঝাতে ইনফিনিটিভের পরে সবসময় with প্রিপজিশন বসাতে হয়।
a He is my brother.
b He is my step brother.
c He is my elder brother.
d He is my own brother.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) He is my brother. কেন সঠিক: ইংরেজিতে আপন ভাই বোঝাতে শুধু brother শব্দটি ব্যবহার করাই যথেষ্ট। নিজস্ব বা আপন বোঝাতে own শব্দ যোগ করার কোনো প্রয়োজন নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক কারণ ভাই বোঝাতে সাধারণ ও সঠিক ইংরেজি শব্দ brother ব্যবহার করা হয়েছে। B) step brother — এই অপশনটি ভুল কারণ step brother অর্থ সৎ ভাই, যা প্রশ্নের অর্থের সাথে মেলে না। C) elder brother — এই অপশনটি ভুল কারণ elder brother অর্থ বড় ভাই, কিন্তু প্রশ্নে শুধু ভাই বলা হয়েছে। D) own brother — এই অপশনটি ভুল কারণ ইংরেজিতে own brother বলা ব্যাকরণগতভাবে অপ্রয়োজনীয় এবং সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি ভাষায় ভাই বা বোন বোঝানোর জন্য আলাদা করে own শব্দ ব্যবহার করতে হয় না।
a I shall eat you.
b I shall feed you.
c I shall be eating you.
d I shall give you a party.
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I shall feed you. কেন সঠিক: বাংলা বাক্যে কাউকে কিছু খাওয়ানো অর্থে feed verb টি ব্যবহার করা হয়। এখানে আমি নিজে খাবো না বরং অন্যকে খাওয়াবো বোঝাতে সঠিক রূপটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall eat you — এই বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে আমি তোমাকে খাবো, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন। B) I shall feed you — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) I shall be eating you — এই গঠনটি ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বোঝালেও এর অর্থ অসাংবিধানিক ও ভুল। D) I shall give you a party — এটি দ্বারা তোমাকে একটি পার্টি দেবো বোঝায়, যা মূল বাক্যের হুবহু অনুবাদ নয়। মনে রাখার টিপস: নিজেকে খাওয়া বোঝাতে eat এবং অন্যকে খাওয়ানো বোঝাতে feed ব্যবহার করতে হয়।
a he is honest
b but he is honest
c and he is honest
d but he was honest
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) he is honest কেন সঠিক: - ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী Though বা Although যুক্ত সাবঅর্ডিনেট ক্লজ থাকলে প্রিন্সিপাল ক্লজের শুরুতে কোনো Conjunction বসে না। - এখানে Though যুক্ত প্রথম ক্লজের সাথে দ্বিতীয় ক্লজ যুক্ত করতে শুধু একটি কমা যথেষ্ট, তাই A অপশনটি সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he is honest - এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে নিয়ম অনুযায়ী কোনো অতিরিক্ত Conjunction ব্যবহার করা হয়নি। B) but he is honest - Though থাকার কারণে একই বাক্যে আবার but ব্যবহার করলে ডাবল কনজংশনজনিত Grammatical Error বা বাহুল্য দোষ হয়। C) and he is honest - and বসালে বৈপরীত্য প্রকাশ পায় না এবং বাক্যটির অর্থ ও গঠন অসম্পূর্ণ হয়ে যায়। D) but he was honest - but থাকার কারণে যেমন ভুল, তেমনি এখানে পাস্ট টেন্স ব্যবহারের ফলে বাক্যের Tense-এর মিল থাকছে না। মনে রাখার টিপস: Though বা Although যুক্ত বাক্যে কখনো but বসে না, শুধু একটি কমা বসে।
a when the bell rang.
b than the bell rang.
c the bell rang.
d after the bell ringing.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) when the bell rang. কেন সঠিক: Hardly থাকলে পরবর্তী clause শুরু করতে when বা before ব্যবহার করতে হয়। এখানে প্রথম অংশ past perfect tense এবং পরের অংশ simple past tense এর নিয়ম মেনে সঠিক গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) when the bell rang — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) than the bell rang — Hardly এর সাথে than বসে না, কেবল no sooner এর সাথেই than বসে। C) the bell rang — এখানে কোনো conjunction না থাকায় দুটি clause যুক্ত হওয়ার নিয়ম মানা হয়নি। D) after the bell ringing — এখানে preposition এর পর gerund ব্যবহার করা হয়েছে যা বাক্যটির গঠনকে সম্পূর্ণ ভুল করে দেয়। মনে রাখার টিপস: Hardly বা Scarcely থাকলে always when বা before বসবে এবং No sooner থাকলে always than বসবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a log8
b log27
c log5
d log10
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) log27 প্রদত্ত তথ্য: ৫ গুণ log ৩ − log ৯ ধরি, রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে অতএব, ৫ log ৩ কে লেখা যায় log (৩ এর ৫ ঘাত) log ৯ কে লেখা যায় log (৩ এর ২ ঘাত) সুতরাং, log ২৪৩ − log ৯ = log (২৪৩ ÷ ৯) = log ২৭ উত্তর: log ২৭
a 120°
b 100°
c 90°
d 80°
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৮০° প্রদত্ত তথ্য: PQRS একটি সামান্তরিক কোণ P = ১০০° ধরি, সামান্তরিকের পাশাপাশি দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° কোণ P এবং কোণ Q সামান্তরিকের দুটি পাশাপাশি কোণ অতএব, কোণ P + কোণ Q = ১৮০° ১০০° + কোণ Q = ১৮০° সুতরাং, কোণ Q = ১৮০° − ১০০° = ৮০° উত্তর: ৮০°
a 4
b 9
c 12
d 16
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পায় ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r = ৯ × π × r × r সুতরাং, ক্ষেত্রফলের বৃদ্ধি = (৯ × π × r × r) ÷ (π × r × r) = ৯ উত্তর: ৯ গুণ
a 1/9 গুণ
b 1/3 গুণ
c 9 গুণ
d 3 গুণ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ গুণ প্রদত্ত তথ্য: একটি মূল রেখাংশ এবং তার এক-তৃতীয়াংশ অংশ বিবেচনা করতে হবে উভয় রেখাংশের ওপর একটি করে বর্গক্ষেত্র অঙ্কন করা হয়েছে ধরি, মূল রেখাংশের দৈর্ঘ্য = ক এক-তৃতীয়াংশ রেখাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৩ অতএব, মূল রেখাংশের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ক × ক এক-তৃতীয়াংশের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৩) × (ক ÷ ৩) = (ক × ক) ÷ ৯ সুতরাং, মূল বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ÷ ছোট বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) ÷ ((ক × ক) ÷ ৯) = ৯ উত্তর: ৯ গুণ
a √3a/2
b √3a2/2
c √3a/4
d √3a2/4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √3a2/4 প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য = a ধরি, সমবাহু ত্রিভুজটির বাহু a এবং এর ওপর অঙ্কিত উচ্চতা = h অতএব, উচ্চতা h विभाजित করে ভূমিকে দুটি সমান ভাগে, যার একভাগের দৈর্ঘ্য = a ÷ ২ পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, অতিভুজ হলো a এবং ভূমি হলো a ÷ ২ সুতরাং, উচ্চতা h = √(a2 − (a ÷ ২)2) = (√3 × a) ÷ ২ উত্তর: ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা = (√3a2) ÷ ৪
a 90°
b 120°
c 105°
d 160°
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০৫° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজ ABC এর কোণ A = ৪৫° এবং কোণ B = ৬০° BC বাহুকে D পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো যাতে ∠ACD উৎপন্ন হয় ধরি, ত্রিভুজের বহিস্থ কোণ সমান তার বিপরীত অন্তস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টি অতএব, ∠ACD হলো ত্রিভুজ ABC এর BC বাহু বর্ধিত করার ফলে উৎপন্ন বহিস্থ কোণ এই বহিস্থ কোণ ∠ACD এর মান হবে বিপরীত অন্তস্থ কোণ A এবং কোণ B এর যোগফলের সমান সুতরাং, ∠ACD = ∠A + ∠B ∠ACD = ৪৫° + ৬০° = ১০৫° উত্তর: ১০৫°
a i ও ii
b i ও iii
c ii ও iii
d i, ii ও iii
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) i, ii ও iii প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের জ্যামিতি সংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্য দেওয়া আছে এই তথ্যগুলো বৃত্তের সাধারণ ধর্মাবলীর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত ধরি, প্রথম তথ্যটি বৃত্তের স্পর্শক ও ব্যাসার্ধের সম্পর্ক নির্দেশ করে দ্বিতীয় তথ্যটি বৃত্তস্থ কোণের পরিমাপ বোঝায় অতএব, প্রথম তথ্য অনুযায়ী স্পর্শক স্পর্শবিন্দুগামী ব্যাসার্ধের ওপর লম্ব হয় দ্বিতীয় তথ্য অনুযায়ী অর্ধবৃত্তস্থ কোণ সর্বদা এক সমকোণ হয় সুতরাং, তৃতীয় তথ্য অনুযায়ী বৃত্তের সকল সমান জ্যা কেন্দ্র থেকে সমদূরবর্তী হয় তাই প্রদত্ত তিনটি তথ্যই সম্পূর্ণ সঠিক উত্তর: i, ii ও iii
a আয়তক্ষেত্র
b রম্বস
c ট্রাপিজিয়াম
d বর্গক্ষেত্র
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল সামান্তরিকের কর্ণদ্বয় পরস্পর সমান ধরি, ABCD একটি সামান্তরিক যার কর্ণ AC এবং BD পরস্পর সমান সামান্তরিকের কোণগুলো সমকোণ নয় এমন অবস্থা থেকে শুরু করা হয় অতএব, কর্ণদ্বয় সমান হলে সামান্তরিকের সংলগ্ন বাহুগুলো আয়তক্ষেত্রের মতো ৯০ ডিগ্রি কোণ তৈরি করে জ্যামিতিক সূত্রানুসারে কর্ণ সমান হলে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ হয় সুতরাং, যে সামান্তরিকের প্রতিটি কোণ সমকোণ এবং কর্ণদ্বয় সমান তাকে আয়তক্ষেত্র বলা হয় উত্তর: আয়তক্ষেত্র
a 27 সে.মি.
b 28 সে.মি.
c 25 সে.মি.
d 24 সে.মি.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭ সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ৮১০ বর্গ সে.মি. ধরি, ত্রিভুজের উচ্চতা = ক সে.মি. ত্রিভুজের ভূমি = (২ × ক + ৬) সে.মি. অতএব, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (২ × ক + ৬) × ক = ৮১০ সুতরাং, (ক + ৩) × ক = ৮১০ ক এর মান হিসাব করে পাই = ২৭ উত্তর: ২৭ সে.মি.
a 6xy
b 12xy
c 24xy
d 144xy
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২৪xy প্রدত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৯x^২ + ১৬y^২ ধরি, রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হবে প্রথম পদটি হলো (৩x)^২ দ্বিতীয় পদটি হলো (৪y)^২ অতএব, পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র অনুযায়ী মাঝের পদটি হবে দুই গুণ প্রথম পদ গুণ দ্বিতীয় পদ মাঝের পদটি হিসাব করে পাই দুই গুণ ৩x গুণ ৪y সুতরাং, সব হিসাব শেষে মানটি হয় ২৪xy উত্তর: ২৪xy
a 4
b 5
c 6
d 7
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫ প্রدত্ত তথ্য: দেওয়া সমীকরণটি হলো (√x)^(x+1) = (3√3)^(2x-1) ধরি, সমীকরণের বামপক্ষ হলো (√x)^(x+1) সমীকরণের ডানপক্ষ হলো (3√3)^(2x-1) অতএব, ডانপক্ষের ভিত্তি ৩√3 কে লেখা যায় 3^(3/2) বামপক্ষের ভিত্তি √x কে লেখা যায় x^(1/2) সুতরাং, উভয় পক্ষ তুলনা করে বা মান বসিয়ে পাই x এর মান ৫ উত্তর: ৫
a 8
b 6
c 1
d 4
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ৯ − ১২x + ax এর বর্গ বীজগণিতীয় নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম পদের বর্গমূল = √৯ = ৩ শেষ পদের বর্গমূল = √a × x মধ্যপদের সূত্র অনুসারে, ২ × প্রথম পদের বর্গমূল × শেষ পদের বর্গমূল = ১২x বা, ২ × ৩ × (√a × x) = ১২x বা, ৬ × √a × x = ১২x অতএব, √a = ২ সুতরাং, a = ৪ উত্তর: ৪
a (x + y)(x + 3y)(x + 5y)
b (x + y)(x + 2y)(x + 3y)
c (x + y)(x + 4y)(x + 3y)
d (x – y)(x + y)(x + 2y)
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (x + y)(x + 2y)(x + 3y) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো x এর কিউব + ৬ গুণ x এর স্কয়ার ইনটু y + ১১ গুণ x ইনটু y এর স্কয়ার + ৬ গুণ y এর কিউব ধরি, রাশিটির একটি উৎপাদকের জন্য x এর মান মাইনাস y বসানো হলো অতএব, x এর মান মাইনাস y বসালে রাশির মান শূন্য হয় তাই (x + y) হলো রাশিটির একটি উৎপাদক সুতরাং, বাকي উৎপাদকগুলো নির্ণয় করতে রাশিটিকে (x + y) দ্বারা ভাগ করা হলো উত্তর: (x + y)(x + 2y)(x + 3y)
a ৪০ ও ৫২
b ৪০ ও ২৮
c ৪২ ও ৩২
d ৩৮ ও ৩৬
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০ ও ২৮ প্রদত্ত তথ্য: দৈর্ঘ্য প্রস্থ অপেক্ষা ১২ মিটার বড় ক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৩৬ মিটার ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক + ১২ মিটার অতএব, পরিসீমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২ × (ক + ক + ১২) = ১৩৬ ২ × (২ক + ১২) = ১৩৬ সুতরাং, ৪ক + ২৪ = ১৩৬ ৪ক = ১৩৬ − ২৪ = ১১২ ক = ২৮ মিটার উত্তর: প্রস্থ = ২৮ মিটার এবং দৈর্ঘ্য = ২৮ + ১২ = ৪০ মিটার
a 54
b 35
c 45
d 55
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫৪ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের মান a^৩ − b^৩ = ৫১৩ অন্তরের মান a − b = ৩ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে ab এর অতএব, আমরা জানি সূত্র হলো a^৩ − b^৩ = (a − b)^৩ + ৩ab(a − b) সুতরাং, ৫১৩ = ৩^৩ + ৩ab(৩) ৫১৩ = ২৭ + ৯ab উত্তর: ৯ab = ৪৮৬ অর্থাৎ ab = ৫৪
a 3
b 5
c 4
d 6
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ দেওয়া আছে লগ x এর ভিত্তি (১÷১৬) সমান বিয়োগ দুই ধরি, লগ এর সংজ্ঞা অনুযায়ী ভিত্তি এবং পাওয়ার পরিবর্তন করে লেখা যায় এক্স এর পাওয়ার বিয়োগ দুই সমান এক ভাগ ষোল অতএব, এক ভাগ এক্স স্কয়ার সমান এক ভাগ ষোল উভয় পক্ষ থেকে হর এবং লব তুলনা করে পাই এক্স স্কয়ার সমান ষোল সুতরাং, এক্স সমান রুট ওভার ষোল বা এক্স সমান চার উত্তর: ৪
a 45√5
b 47√5
c 46√5
d 43√5
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪৬√৫ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, a = √৬ + √৫ ধরি, ১÷a = ১ ÷ (√৬ + √৫) = √৬ − √৫ অতএব, a + (১÷a) = (√৬ + √৫) + (√৬ − √৫) = ২√৬ a − (১÷a) = (√৬ + √৫) − (√৬ − √৫) = ২√৫ সুতরাং, (a^৬ − ১) ÷ a^৩ = a^৩ − (১ ÷ a^৩) = (a − (১÷a))^৩ + ৩ × (a − (১÷a)) উত্তর: ৪৬√৫
a ৬২৫ টাকা
b ৪২৫ টাকা
c ৩২৫ টাকা
d ৫২৫ টাকা
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬২৫ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মুনাফার হার = ৪% সময় = ২ বছর সরল মুনাফা ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য = ১ টাকা ধরি, মূলধন = ক টাকা অতএব, ২ বছরের সরল মুনাফা = ক × ৪ × ২ ÷ ১০০ = ৮ক ÷ ১০০ ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = ক × (১ + ৪ ÷ ১০০) এর পাওয়ার ২ − ক সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি মুনাফা ও সরল মুনাফার পার্থক্য = [ক × (১০৪ ÷ ১০০) × (১০৪ ÷ ১০০) − ক] − [৮ক ÷ ১০০] = ১ উত্তর: ক এর মান হিসাব করে পাই, মূলধন = ৬২৫ টাকা
a ২০% ক্ষতি
b ২০% লাভ
c ২৫% ক্ষতি
d ২৫% লাভ
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫% লাভ প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ১২টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা ধরি, ১টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১৫ টাকা = ২০ ÷ ৩ টাকা ১টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১০০ ÷ ১২ টাকা = ২৫ ÷ ৩ টাকা অতএব, লাভ = (২৫ ÷ ৩) − (২০ ÷ ৩) টাকা লাভ = (২৫ − ২০) ÷ ৩ টাকা লাভ = ৫ ÷ ৩ টাকা সুতরাং, লাভ শতাংশ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% লাভ শতাংশ = ((৫ ÷ ৩) ÷ (২০ ÷ ৩)) × ১০০% উত্তর: ২৫% লাভ
a ২৪ টাকা
b ৩৬ টাকা
c ৪৮ টাকা
d ৬০ টাকা
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬০০ টাকা বার্ষিক সুদের হার (r) = ১২% সময় (n) = ৬ মাস = ০.৫ বছর ধরি, মোট সুদ = I অতএব, I = (P × n × r) ÷ ১০০ সুতরাং, I = (৬০০ × ০.৫ × ১২) ÷ ১০০ উত্তর: ৩৬ টাকা
a 2
b 4
c 1
d 3
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি সংখ্যার গুণফল = ৫৪ সংখ্যা দুটির ল.সা.গু = ১৮ ধরি, সংখ্যা দুটি ক এবং খ তাদের গ.সা.গু = গ অতএব, আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু মান বসিয়ে পাই, ৫৪ = ১৮ × গ সুতরাং, গ = ৫৪ ÷ ১৮ উত্তর: ৩
a ৫ মিনিট
b ৬ মিনিট
c ৪ মিনিট
d ৬ ঘণ্টা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টাগুলো একত্রে বাজার সময় যথাক্রমে ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ সেকেন্ড ধরি, ঘণ্টাগুলো আবার একত্রে বাজার সময়কাল হবে প্রদত্ত সময়গুলোর লসাগু অতএব, ৫, ১০, ১৫, ২০ ও ২৫ এর লসাগু বের করতে হবে প্রথম হিসাব: ৫ = ৫ × ১ ১০ = ২ × ৫ ১৫ = ৩ × ৫ দ্বিতীয় হিসাব: ২০ = ২ × ২ × ৫ ২৫ = ৫ × ৫ তৃতীয় হিসাব: লসাগু = ২ × ২ × ৩ × ৫ × ৫ = ৩০০ সেকেন্ড সুতরাং, মিনিটে রূপান্তর করতে ৬০ দ্বারা ভাগ করতে হবে উত্তর: ৩০০ ÷ ৬০ = ৫ মিনিট
a ১২ মিটার
b ৯ মিটার
c ৬ মিটার
d ৩ মিটার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৬ মিটার প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ১৮ বর্গমিটার ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (ক × ক) বর্গমিটার অতএব, ক × ক = ১৮ ক = √১৮ সুতরাং, কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক × √২ = √১৮ × √২ = √৩৬ = ৬ মিটার উত্তর: ৬ মিটার
a ৫ মিটার
b ৮ মিটার
c ৭ মিটার
d ৯ মিটার
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ মিটার প্রদত্ত তথ্য: খুঁটিটি মাটি থেকে ৩ মিটার উপরে ভেঙে যায় ভাঙা অংশটি ভূমিতে খুঁটির গোড়া থেকে ৪ মিটার দূরে স্পর্শ করে ধরি, খুঁটির ভাঙা অংশটি অতিভুজ হিসেবে কাজ করে খুঁটির মাটির উপরের ভাঙা অংশের উচ্চতা লম্ব = ৩ মিটার ভূমির দূরত্ব ভূমি = ৪ মিটার অতএব, পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অতিভুজের স্কয়ার = লম্বের স্কয়ার + ভূমির স্কয়ার অতিভুজের স্কয়ার = ৩ এর স্কয়ার + ৪ এর স্কয়ার অতিভুজের স্কয়ার = ৯ + ১৬ = ২৫ সুতরাং, অতিভুজ = √২৫ = ৫ মিটার খুঁটির মোট উচ্চতা = ভাঙেনি এমন অংশ + ভাঙা অংশ উত্তর: ৩ + ৫ = ৮ মিটার
a 25
b 40
c 90
d 50
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার গড় = ২৫ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার গড় = ৩০ ধরি, প্রথম সংখ্যাটি ক এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি খ তৃতীয় সংখ্যাটি গ অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার যোগফল = ২৫ × ২ = ৫০ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার যোগফল = ৩০ × ৩ = ৯০ সুতরাং, তৃতীয় সংখ্যাটি = ৯০ − ৫০ = ৪০ উত্তর: ৪০

মোট প্রশ্ন (25)

a ব্রোমিন
b পারদ
c সীসা
d ক্রোমিয়াম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ কেন সঠিক: - পারদ হলো একমাত্র ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। - এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত কম হওয়ায় এটি কক্ষ তাপমাত্রায় তরল থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্রোমিন — এটি সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, তবে এটি মৌলিক ধাতু নয় বরং একটি অধাতু। B) পারদ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সাধারণ তাপমাত্রায় তরল একমাত্র মৌলিক ধাতু। C) সীসা — এটি একটি সাধারণ কঠিন ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। D) ক্রোমিয়াম — এটি একটি শক্ত ধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় কঠিন অবস্থায় থাকে। মনে রাখার টিপস: ধাতু হলেও পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে, আর অধাতু হলেও ব্রোমিন তরল থাকে।
a ২টি
b ৩টি
c ৪টি
d ৬টি
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে চারটি মূলনীতির কথা বলা হয়েছে। - এই চারটি মূলনীতি হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২টি — সংবিধানের মূলনীতির সংখ্যা দুটি নয়, কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতি চারটি নির্ধারিত রয়েছে। B) ৩টি — মূলনীতি তিনটি নয়, বরং ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে চারটি মূলনীতি যুক্ত করা হয়েছিল। C) ৪টি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মূলনীতির সঠিক সংখ্যা। D) ৬টি — সংবিধানে মূলনীতির সংখ্যা ছয়টি নয়, কারণ চারটি মূলনীতি দিয়েই সংবিধানের আদর্শ নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সংবিধানের চারটি মূলনীতি সহজে মনে রাখতে নাসাদগধর্ম (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা) এই শব্দটি মনে রাখতে পারো।
a মৎস্য চাষ
b রেশম চাষ
c মৌমাছি চাষ
d বৃক্ষ চাষ
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৌমাছি চাষ কেন সঠিক: - এপিকালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি লালন-পালন এবং এর মাধ্যমে মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া। - এটি মূলত মৌমাছির কৃত্রিম খামার স্থাপন এবং তা থেকে বাণিজ্যিক উপায়ে মধু সংগ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৎস্য চাষ — মৎস্য চাষ বা মাছ উৎপাদনকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় পিসিকালচার বলা হয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) রেশম চাষ — রেশম পোকা পালন এবং রেশম সুতা উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার বলা হয়। C) মৌমাছি চাষ — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় এপিকালচার নামে পরিচিত। D) বৃক্ষ চাষ — বৃক্ষ বা বনজ সম্পদ রোপণ ও পরিচর্যা সংক্রান্ত বিদ্যাকে সিলভিকালচার বলা হয়। মনে রাখার টিপস: এপি (Api) শব্দের অর্থ মৌমাছি, তাই এপিকালচার মানে মৌমাছি চাষ।
a শতকরা ২০ ভাগ
b শতকরা ২৫ ভাগ
c শতকরা ৩০ ভাগ
d শতকরা ৩৫ ভাগ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) শতকরা ২৫ ভাগ কেন সঠিক: - পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে যেকোনো দেশের মোট ভূখণ্ডের অন্তত শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক। - বনভূমি কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শতকরা ২০ ভাগ — এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক বা স্বীকৃত মানদণ্ডের তুলনায় কম। B) শতকরা ২৫ ভাগ — এটি দেশের পরিবেশ ও ভূপ্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য নির্ধারিত সঠিক মানদণ্ড। C) শতকরা ৩০ ভাগ — কোনো কোনো বিশেষ অঞ্চলের জন্য এই পরিমাণ উপযোগী হলেও বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। D) শতকরা ৩৫ ভাগ — এটি স্বাভাবিক পরিবেশগত ভারসাম্যের তুলনায় অনেক বেশি এবং সাধারণত সব দেশের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব নয়। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় মোট জমির চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ শতকরা ২৫ ভাগ বন থাকা জরুরি।
a ৫ জুন
b ২৩ জুন
c ১৮ জানুয়ারি
d ২৫ ডিসেম্বর
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫ জুন কেন সঠিক: - ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। - ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে পরিবেশ সুরক্ষার সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ জুন — এটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালনের জন্য নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ২৩ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, তবে এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক দিবস। C) ১৮ জানুয়ারি — এটি পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি একটি সাধারণ তারিখ মাত্র। D) ২৫ ডিসেম্বর — এটি খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন বা ক্রিসমাস ডে। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হতে হলে আমাদের অন্তত ৫ বার ভাবতে হবে, এই ভাবনা থেকে ৫ জুন মনে রাখতে পারেন।
a হামিদুর রহমান
b শামীম শিকদার
c আমিনুল ইসলাম
d নিতুন কুণ্ডু
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) হামিদুর রহমান কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশা ও পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর হামিদুর রহমান। - তাঁর নকশাতেই শহীদ মিনারে মা ও সন্তানের অবয়ব এবং ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতীকী প্রকাশ ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হামিদুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল স্থপতি ও নকশাকার ছিলেন। B) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অপরাজেয় বাংলা এবং টিএসসি চত্বরের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের ভাস্কর। C) আমিনুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও আধুনিক শিল্পকলার অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব, শহীদ মিনারের স্থপতি নন। D) নিতুন কুণ্ডু — তিনি বিখ্যাত স্বাধীনতা স্মারক ভাস্কর্য সাবাশ বাংলাদেশ এবং সার্ক ফোয়ারার নকশাকার ও ভাস্কর। মনে রাখার টিপস: ভাষা শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশা করেছিলেন 'হামিদুর রহমান', নামের শুরুর অক্ষর হ দিয়ে শহীদ মিনার ও হামিদুর রহমান দুটিই মনে রাখা যায়।
a ১৯৯০ সালে
b ১৯৯১ সালে
c ১৯৯২ সালে
d ১৯৯৩ সালে
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৯৩ সালে কেন সঠিক: - নেলসন ম্যান্ডেলা ও দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক যৌথভাবে ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - বর্ণবাদের শান্তিপূর্ণ অবসান ঘটানো এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯০ সালে — এই বছর নেলসন ম্যান্ডেলা দীর্ঘ সাতাশ বছর কারাভোগের পর কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। B) ১৯৯১ সালে — এই বছরে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী আলোচনা এগিয়ে নেন। C) ১৯৯২ সালে — এই বছর ম্যান্ডেলা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের মধ্যে কডোসা নামক রাজনৈতিক সমঝোতা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। D) ১৯৯৩ সালে — এই বছরটি সঠিক কারণ তিনি এই সালেই বর্ণবাদ অবসানের স্বীকৃতিস্বরূপ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। মনে রাখার টিপস: ম্যান্ডেলা মুক্তি পাওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
a রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
b ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
c টিএসসি মোড়ে
d জয়দেবপুরে
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন সঠিক: - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য হলো সাবাস বাংলাদেশ, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক হিসেবে নির্মিত। - প্রখ্যাত ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু এই শিল্পকর্মটি ডিজাইন ও নির্মাণ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভাস্কর্যটি এখানেই অবস্থিত। B) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে — এটি ভুল কারণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলা ও স্বোপার্জিত স্বাধীনতার মতো ভাস্কর্য রয়েছে। C) টিএসসি মোড়ে — এটি ভুল কারণ টিএসসি মোড় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অংশ এবং এখানে সাবাস বাংলাদেশ নেই। D) জয়দেবপুরে — এটি ভুল কারণ জয়দেবপুরে রাজেন্দ্রপুর স্মৃতিসৌধ ও অন্যান্য ভাস্কর্য রয়েছে, সাবাস বাংলাদেশ নেই। মনে রাখার টিপস: রাবির সাবাস বাংলাদেশ (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও নিতুন কুণ্ডু)।
a ফ্যাদোমিটার
b ট্রান্সমিটার
c ক্রেসকোগ্রাফ
d সিসমোগ্রাফ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিসমোগ্রাফ কেন সঠিক: - সিসমোগ্রাফ হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে ভূকম্পনের তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব মাপা হয়। - এই যন্ত্রটি মাটির নিচের কম্পন রেকর্ড করে সিসমোগ্রাম নামক চিত্র তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্যাদোমিটার — এটি সমুদ্রের গভীরতা মাপার কাজে ব্যবহৃত হয়, ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র নয়। B) ট্রান্সমিটার — এটি রেডিও বা অন্য কোনো মাধ্যমে সংকেত প্রেরণের কাজে ব্যবহৃত হয়। C) ক্রেসকোগ্রাফ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি মাপার জন্য জগদীশ চন্দ্র বসু কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি যন্ত্র। D) সিসমোগ্রাফ — এটি ভূমিকম্প মাপার জন্য নির্ধারিত সঠিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্র। মনে রাখার টিপস: সিসমোগ্রাফ শব্দটি মনে রাখতে সিসকো বা সিসমিক শব্দটির কথা মাথায় রাখা যায় যা ভূকম্পন সংক্রান্ত বিদ্যাকে বোঝায়।
a অক্সিজেন
b নাইট্রোজেন
c হাইড্রোজেন
d হিলিয়াম
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - বাল্বের ভেতরের টাংস্টেন ফিলামেন্টকে পুড়ে যাওয়া বা বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে নিষ্ক্রিয় গ্যাস ব্যবহার করা হয়। - নাইট্রোজেন একটি কম সক্রিয় গ্যাস যা উচ্চ তাপমাত্রায় ফিলামেন্টকে দীর্ঘস্থায়ী করতে এবং বাতির আয়ু বাড়াতে সাহায্য করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — অক্সিজেন অত্যন্ত দহন সহায়ক গ্যাস হওয়ায় এটি ফিলামেন্টের সাথে বিক্রিয়া করে নিমিষেই পুড়িয়ে নষ্ট করে ফেলত। B) নাইট্রোজেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিষ্ক্রিয় পরিবেশ তৈরি করে ফিলামেন্ট রক্ষা করে। C) হাইড্রোজেন — এটি একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস এবং এর উপস্থিতিতে বাল্বে বিস্ফোরণ ঘটার তীব্র ঝুঁকি থাকে। D) হিলিয়াম — হিলিয়াম নিষ্ক্রিয় হলেও এটি অত্যন্ত হালকা এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় সাধারণ বাল্বে এটি ব্যবহার করা হয় না। মনে রাখার টিপস: বাল্বের ফিলামেন্ট জ্বালাতে চাই নাইট্রোজেনের ছোঁয়া, তাই সেখানে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়।
a অস্ট্রেলিয়া
b নিউজিল্যান্ড
c ভারত
d শ্রীলংকা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ১১তম পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ঘরের মাঠে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে অস্ট্রেলিয়া পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ তারা ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। B) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরাজিত হয়ে রানার্স-আপ হয়েছিল। C) ভারত — ভারত এই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছিল কিন্তু ফাইনালে উঠতে পারেনি। D) শ্রীলংকা — শ্রীলংকা দল এই বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: ২০১৫ সালের ১১তম ক্রিকেট বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
a ১৯৬০ সালে
b ১৯৫২ সালে
c ১৯৫৫ সালে
d ১৯৫৪ সালে
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৫ সালে কেন সঠিক: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে উন্নীত করার লক্ষ্যে ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। - তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী বর্ধমান হাউসকে বাংলা একাডেমির কার্যালয় হিসেবে বরাদ্দ দেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৬০ সালে — এই সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নেই। B) ১৯৫২ সালে — এটি ভাষা আন্দোলনের বছর, বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার বছর নয়। D) ১৯৫৪ সালে — এই সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলা একাডেমি গঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
a ১৯ তম
b ২০ তম
c ২১ তম
d ২২ তম
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ২১ তম কেন সঠিক: - মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশের সপ্তদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০১৩ সালে প্রথম দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি দুবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় তিনি একবিংশ বা ২১ তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯ তম — এই ক্রমটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কার্যকালের সঙ্গে মেলে না। B) ২০ তম — মো. জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের বিংশ বা ২০ তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। C) ২১ তম — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি এই ক্রমিক নম্বরের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষ করেন। D) ২২ তম — বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের ২২ তম রাষ্ট্রপতি। মনে রাখার টিপস: জিল্লুর রহমান ছিলেন ২০ তম এবং তার ঠিক পরের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ছিলেন ২১ তম।
a ২০৩ সে.মি.
b ২০৫ সে.মি.
c ২০৭ সে.মি.
d ২০৯ সে.মি.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০৩ সে.মি. কেন সঠিক: - ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে প্রচুর মৌসুমী বৃষ্টিপাত হয়, যার বার্ষিক গড় পরিমাণ প্রায় ২০৩ সেন্টিমিটার বা ৮০ ইঞ্চি। - ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্ষাকালে এই বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০৩ সে.মি. — এটি বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক স্বীকৃত বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের সঠিক মান। B) ২০৫ সে.মি. — এটি বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের প্রকৃত হিসাবের চেয়ে কিছুটা বেশি। C) ২০৭ সে.মি. — এই মানটি বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুর স্বাভাবিক গড় বৃষ্টিপাতের সাথে মেলে না। D) ২০৯ সে.মি. — এটি অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের একটি কাল্পনিক মান যা দেশের বার্ষিক গড়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও বৃষ্টি শব্দ দুটি মনে রেখে দুই আর তিন (২৩) সংখ্যাটি মনে রাখলে ২০৩ সেন্টিমিটার সহজে মনে রাখা যায়।
a ভিটামিন এ
b ভিটামিন বি
c ভিটামিন সি
d ভিটামিন ডি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন সি কেন সঠিক: - ভিটামিন সির অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ দেখা যায়, যাতে মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে এবং দুর্বলতা অনুভূত হয়। - এই ভিটামিন মানবদেহে কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, যার অভাবে রক্তনালী ও টিস্যু দুর্বল হয়ে পড়ে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন এ — এর অভাবে চোখের রাতকানা রোগ হয়, স্কার্ভি রোগ হয় না। B) ভিটামিন বি — এর অভাবে বেরিবেরি রোগ ও স্নায়বিক দুর্বলতা দেখা দেয়। C) ভিটামিন সি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই ভুল অপশন নয়। D) ভিটামিন ডি — এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওমালসিয়া বা হাড় নরম হওয়ার রোগ হয়। মনে রাখার টিপস: সি ভিটামিনের অভাবে হয় স্কার্ভি রোগ, লেবু ও আমলকীতে মেলে এর খোঁজ।
a মুগ ডাল
b মসুর ডাল
c খাসির মাংস
d ইলিশ মাছ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) খাসির মাংস কেন সঠিক: - প্রতি ১০০ গ্রাম খাসির মাংসে আমিষের পরিমাণ প্রায় ২১ থেকে ২২ গ্রাম, যা অন্য অপশনের তুলনায় কিছুটা বেশি। - লাল মাংসে আমিষের ঘনত্ব ও প্রোটিনের জৈব মান উদ্ভিদ উৎসের আমিষের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুগ ডাল — প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষের পরিমাণ প্রায় ২৪ গ্রাম হলেও এটি উদ্ভিজ প্রোটিন এবং প্রশ্নে প্রাণীজ বা সাধারণ তুলনায় মাংসের আমিষের মাত্রা ধরা হয়েছে। B) মসুর ডাল — এটি উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও খাসির মাংসের মতো সম্পূর্ণ প্রাণীজ আমিষের মান এতে থাকে না। C) খাসির মাংস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এতে উচ্চমানের প্রাণীজ আমিষ ও ফ্যাট বিদ্যমান। D) ইলিশ মাছ — মাছে আমিষ থাকে তবে নির্দিষ্ট এই তুলনামূলক প্রশ্নে খাসির মাংসে আমিষের পরিমাণ কিছুটা বেশি ধরা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ডালের চেয়ে মাংসে আমিষের ঘনত্ব বেশি থাকে, তাই প্রাণীজ আমিষের ক্ষেত্রে খাসির মাংস এগিয়ে।
a ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
b ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
c ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১
d ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। - এই সরকারের অধীনেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ — এটি বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপনের তারিখ, সরকার গঠনের তারিখ নয়। B) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি সরকার গঠনের তারিখ নয়, বরং গঠিত সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। সি) ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের শপথ বা গঠনের কোনো ঐতিহাসিক তারিখ নয়। D) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। মনে রাখার টিপস: সরকার গঠন হয় ১০ এপ্রিল এবং শপথ নেয় ১৭ এপ্রিল, এই দুই তারিখের ব্যবধান ঠিক সাত দিন।
a রুপি
b পেসো
c রিংগিট
d রুবল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রিংগিট কেন সঠিক: - মালয়েশিয়ার সরকারি ও একমাত্র প্রচলিত মুদ্রার নাম রিংগিট। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মালয়েশীয় মুদ্রাকে সংক্ষেপে এমওয়াইআর বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুপি — এটি ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ বেশ কিছু দেশের প্রচলিত মুদ্রা। B) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রা। C) রিংগিট — এটি মালয়েশিয়ার সঠিক ও মূল মুদ্রা হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। D) রুবল — এটি রাশিয়া ও বেলারুশের প্রচলিত মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর এবং মুদ্রার নাম রিংগিট মনে রাখতে মালয়েশিয়া ও রিংগিট শব্দ দুটি একসঙ্গে উচ্চারণ করুন।
a পোল্যান্ড
b সুইডেন
c তুরস্ক
d জাপান
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপান কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও ঐতিহাসিক নাম ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ যা প্রতিনিধি সভা এবং উচ্চকক্ষ বা পার কাউন্সেল নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডের আইনসভার নাম সেম, ডায়েট নয়। B) সুইডেন — সুইডেনের এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম রিক্সদাগ। সি) তুরস্ক — তুরস্কের আইনসভার নাম গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি। ডি) জাপান — এই অপশনটি সঠিক কারণ জাপানি পার্লামেন্টের নামই ডায়েট। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা ডায়েট মেনে চলে, তাই জাপানের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a নিউইয়র্ক
b ম্যানিলা
c রোম
d জেনেভা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রোম কেন সঠিক: - FAO বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। - এই সংস্থার প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোম শহরে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এবং ইউনিসেফ এর প্রধান কার্যালয়। B) ম্যানিলা — এটি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি এর সদর দপ্তর। সি) রোম — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এফএও এর সদর দপ্তর। D) জেনেভা — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: খাদ্য বা ফুড থেকে এফএও এবং চমৎকার খাবারের দেশ ইতালি ও তার রাজধানী রোম মনে রাখতে পারেন।
a ৯ জানুয়ারি, ১৯৭২
b ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
c ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
d ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ কেন সঠিক: - পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। - ঐতিহাসিক এই দিনটিকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৯ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু মুক্তি পেয়ে লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে দেশের পথে যাত্রা করেন কিন্তু দেশে পৌঁছাননি। B) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখটি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার জন্য এই দিনে তিনি দেশে আসেননি। D) ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ — এই তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেননি। মনে রাখার টিপস: বিজয় অর্জনের ঠিক এক মাস পর অর্থাৎ ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন মাটিতে পা রেখেছিলেন।
a ময়মনসিংহ
b রংপুর
c চাঁপাইনবাবগঞ্জ
d দিনাজপুর
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ কেন সঠিক: - গম্ভীরা গান চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ও নাট্যরীতি। - এই গানে সাধারণত নানা সামাজিক সমস্যা, রাজনৈতিক চিত্র এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ময়মনসিংহ — এটি ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসংগীত নয়, ময়মনসিংহের বিখ্যাত ঐতিহ্য হলো ময়মনসিংহ গীতিকা। B) রংপুর — এটি রংপুর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গান নয়, রংপুরের বিখ্যাত গান হলো ভাওয়াইয়া। C) চাঁপাইনবাবগঞ্জ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) দিনাজপুর — এটি দিনাজপুর অঞ্চলের লোকসংগীত বা প্রধান ঐতিহ্যবাহী গান হিসেবে পরিচিত নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম যেমন বিখ্যাত, তেমনি সেখানকার লোকসংস্কৃতি হিসেবে গম্ভীরা গান সবার কাছে পরিচিত।
a ইউএনডিপি
b ইউনেস্কো
c ইউএনএফপিএ
d আইএলও
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইউনেস্কো কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। - ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে দিবসটি প্রথম আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইউএনডিপি — এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে কাজ করে, ভাষা বা সংস্কৃতির স্বীকৃতির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) ইউনেস্কো — এটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারে কাজ করে এবং ভাষা বিষয়ক এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করেছে। সি) ইউএনএফপিএ — এটি জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল নিয়ে কাজ করে, মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি প্রদানে এর কোনো ভূমিকা নেই। D) আইএলও — এটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, যা শ্রমিকদের অধিকার ও কাজের পরিবেশ নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ভাষা নিয়ে কাজ করে ইউনেস্কো, তাই মাতৃভাষার স্বীকৃতির সঙ্গে ইউ নামটি যুক্ত থাকবে।
a হাতিবান্ধা
b পাটগ্রাম
c চিলমারী
d ভূরুঙ্গামারী
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পাটগ্রাম কেন সঠিক: - বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত। - এটি দেশের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর ও কাস্টম স্টেশন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাতিবান্ধা — এটি লালমনিরহাট জেলার একটি উপজেলা হলেও এখানে বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত নয়। B) পাটগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই উপজেলায়ই বুড়িমারী স্থলবন্দর অবস্থিত। C) চিলমারী — এটি কুড়িগ্রাম জেলার একটি উপজেলা, যা পাটগ্রাম বা বুড়িমারী এলাকার অন্তর্ভুক্ত নয়। D) ভূরুঙ্গামারী — এটি কুড়িগ্রাম জেলার একটি উপজেলা এবং এর সঙ্গে বুড়িমারী স্থলবন্দরের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: বুড়িমারী স্থলবন্দরের প্রথম অক্ষর ব এবং পাটগ্রামের প যুক্ত করে ব-প বা পাটগ্রামের বুড়িমারী এভাবে মনে রাখতে পারেন।
a মেসোপটেমীয় সভ্যতা
b সুমেরীয় সভ্যতা
c মিশরীয় সভ্যতা
d অ্যাসেরীয় সভ্যতা
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মেসোপটেমীয় সভ্যতা কেন সঠিক: - মেসোপটেমীয় সভ্যতা বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠে, যা খ্রিস্টপূর্ব চার হাজার অব্দে বিশ্বের প্রথম লিখিত ইতিহাস ও নগরকেন্দ্রিক সভ্যতার সূচনা করে। - সুমেরীয় সভ্যতা এই অঞ্চলেরই অংশ হলেও সামগ্রिक ও বৃহৎ ভৌগোলিক পরিমণ্ডলে মেসোপটেমীয় সভ্যতাকেই প্রাচীনতম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেসোপটেমীয় সভ্যতা - এটি বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা পৃথিবীর প্রথম প্রাচীনতম সভ্যতা। B) সুমেরীয় সভ্যতা - এটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত প্রথম নগর সভ্যতা হলেও সামগ্রিক অঞ্চল হিসেবে মেসোপটেমিয়া প্রাচীনতম। C) মিশরীয় সভ্যতা - নীল নদের তীরে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার কিছু পরে খ্রিস্টপূর্ব তিন হাজার অব্দে বিকাশ লাভ করে। D) অ্যাসেরীয় সভ্যতা - এটি মেসোপটেমীয় অঞ্চলের অনেক পরের একটি সাম্রাজ্য ও সভ্যতা, যা খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম সহস্রাব্দে শক্তিশালী ছিল। মনে রাখার টিপস: মেসো মানে মধ্য এবং পটেমিয়া মানে নদী, অর্থাৎ দুই নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা হলো মেসোপটেমীয় সভ্যতা।