সঠিক উত্তর: D) এ
১. কেন সঠিক:
মৌলিক স্বরধ্বনি হলো সেই ধ্বনি যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্যে গঠিত হয় না এবং যাকে ভাঙা যায় না। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি, যার মধ্যে 'এ' একটি অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনির সংখ্যা ভিন্ন হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৮টি। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি যথা অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এক
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'এ' ধ্বনিটি স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়েছে এবং এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
উদাহরণ ২: তেল
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'এ' কার যুক্ত হয়ে স্বরধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিভাঙ্গ স্বরধ্বনি যা ও এবং উ এর মিলনে গঠিত হয়।
B) ঈ — এটি দীর্ঘ স্বরধ্বনি এবং মৌলিক স্বরধ্বনি ই এর দীর্ঘ রূপ।
C) ঐ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা অ এবং ই এর মিলনে গঠিত হয়।
D) এ — এটি নিজেই একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এর কোনো ভাঙন নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ বাক্য হলো আ ই উ এ ও অ্যা অ। যৌগিক স্বরধ্বনি মাত্র দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। যৌগিক স্বরধ্বনির অপর নাম দ্বিস্বর বা সান্ধ্যক্ষর।
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় প্রাকৃত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষার উৎপত্তির মূল উৎস হলো প্রাকৃত ভাষা, যার পূর্বরূপ অপভ্রংশ বা গৌড়ীয় প্রাকৃত। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, গৌড়ীয় প্রাকৃত বা প্রাচ্য প্রাকৃত থেকেই বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
- প্রাকৃত ভাষাগুলো প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার বিবর্তিত রূপ, যা থেকে বাংলাসহ আধুনিক ভারতীয় ভাষার সৃষ্টি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষার ইতিহাস অনুযায়ী, ভারতীয় আর্য ভাষার তিনটি স্তর রয়েছে যথা প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা, মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা এবং নব বা আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষা।
- গৌড়ীয় প্রাকৃত বা মাগধী প্রাকৃত মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার শেষ স্তর থেকে বিকশিত হয়ে বাংলা ভাষার ভিত্তি তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংস্কৃত শব্দ হস্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলা হাত শব্দটি এসেছে।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষার পরিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কৃত শব্দগুলো প্রাকৃত রূপ লাভ করে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
উদাহরণ ২: সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে প্রাকৃত চন্দ হয়ে বাংলা চাঁদ শব্দ এসেছে।
ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে এসে বাংলা শব্দ তার বর্তমান রূপ লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — সংস্কৃত সরাসরি বাংলা ভাষার উৎস নয়, এটি বাংলা ভাষার জননী বা মূল ভিত্তি হলেও প্রাকৃতের মাধ্যমেই বাংলা এসেছে।
C) হিন্দি — হিন্দি আধুনিক একটি ভাষা এবং এটি বাংলা ভাষার উৎস নয়, বরং হিন্দি ও বাংলা উভয়ই ভিন্ন প্রাকৃত থেকে এসেছে।
D) আসামি — আসামি বাংলা ভাষার নিকটাত্মীয় একটি স্বাধীন ভাষা, এটি বাংলা ভাষার উৎস নয় বরং বাংলা ও আসামি একই উৎস থেকে উৎপন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার উৎপত্তির ধারা মনে রাখার সহজ উপায় হলো বৈদিক বা সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত থেকে বাংলা।
- গৌড়ীয় প্রাকৃত বা মাগধী প্রাকৃত হলো বাংলার সরাসরি পূর্বসূরি ভাষা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎস জানতে চাইলে প্রাকৃত বা গৌড়ীয় প্রাকৃত উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
- ভাষাংশের ইতিহাসে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতামতভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রকার
১. কেন সঠিক:
অনুবাদ মূলত দুই প্রকার যথা অক্ষরীক অনুবাদ বা আক্ষরিক অনুবাদ এবং ভাবানুবাদ।
উৎস ভাষার প্রতিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ রক্ষা করে যখন অনুবাদ করা হয় তাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলে এবং অর্থের মূল ভাব ঠিক রেখে যখন স্বাধীনভাবে অনুবাদ করা হয় তাকে ভাবানুবাদ বলে।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অনুবাদ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অর্থের রূপান্তর করার প্রক্রিয়া যেখানে উৎস ভাষা থেকে লক্ষ্য ভাষায় ভাব বা অর্থ স্থানান্তর করা হয়।
আক্ষরিক অনুবাদের ক্ষেত্রে শব্দের সঙ্গে শব্দের মিল রাখা হয় আর ভাবানুবাদে মূল বক্তব্যের ভাবার্থ ফুটিয়ে তোলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্ষরিক অনুবাদ - ইট ইজ রেইনিং ক্যাটস অ্যান্ড ডগস এর আক্ষরিক অনুবাদ বিড়াল ও কুকুর বৃষ্টি পড়তেছে কিন্তু সঠিক আক্ষরিক রূপ হলো মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যাখ্যা: আক্ষরিক অনুবাধে অনেক সময় পংক্তি বা বাক্যের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
উদাহরণ ২: ভাবানুবাদ - মর্নিং শোজ দ্য ডে এর সুন্দর ভাবানুবাদ হলো সুপ্রভাতের ইশারাতেই সারাদিন কেমন যাবে তা বোঝা যায়।
ব্যাখ্যা: ভাবানুবাদে মূল প্রবাদের ভাব বজায় রেখে লক্ষ্য ভাষার নিজস্ব প্রকাশভঙ্গি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ প্রকার - এই অপশনটি সঠিক কারণ অনুবাদ প্রধানত আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ এই দুই ভাগে বিভক্ত।
B) ৩ প্রকার - অনুবাদকে সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয় না তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ৪ প্রকার - অনুবাদের প্রচলিত ও স্বীকৃত শ্রেণিবিন্যাসে চতুর্বিধ রূপের কথা বলা হয় না তাই এটি ভুল।
D) ৫ প্রকার - অনুবাদ পাঁচ প্রকার নয় বরং ব্যাকরণগত দিক থেকে এর প্রধান রূপ দুটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনুবাদ মানে অন্য ভাষা রূপান্তর আর এর প্রকারভেদ মনে রাখবে দুই হাতে তালি বাজে যেমন অনুবাদও দুই প্রকার।
মূলত আক্ষরিক ও ভাব এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ কোন ভাষা থেকে কোন ভাষায় হচ্ছে বা অনুবাদের প্রকারভেদ প্রায়ই আসে।
ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গ্রহণযোগ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) সিংহের ডাক
১. কেন সঠিক:
'নাদ' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সিংহের গর্জন বা ডাক। বাংলা শব্দভান্ডারে পশুর ডাক বোঝাতে বিভিন্ন বিশেষ শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং সিংহের ক্ষেত্রে নাদ শব্দটি সুনির্দিষ্টভাবে প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। তৎসম শব্দ হিসেবে 'নাদ' মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর নির্দিষ্ট অর্থ সিংহের গর্জন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘের ডাককে গর্জিত বা নিনাদ বলা হয়।
ব্যাখ্যা: নিনাদ শব্দের অর্থ জোরালো শব্দ বা মেঘের ডাক।
উদাহরণ ২: ঝিঁঝি পোকার ডাককে ঝিঁঝিঁর ডাক বলা হয়।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন পশুপাখির ডাকের নিজস্ব পারিভাষিক ও সুন্দর নাম রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘের ডাক — মেঘের ডাককে গর্জন বা নিনাদ বলা হয়, নাদ বলা হয় না।
B) বাঘের ডাক — বাঘের ডাককে হুংকার বা গর্জ্জন বলা হয়, নাদ নয়।
D) ময়ূরের ডাক — ময়ূরের ডাককে কেকা বলা হয়, নাদ সিংহের ডাকের জন্য নির্দিষ্ট।
৫. মনে রাখার টিপস:
সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় সিংহ গর্জন করে, আর সিংহ থেকে সিংহনাদ বা নাদ শব্দটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পশুপাখির ডাক যেমন ময়ূরের কেকা বা কুকুরের ভুউ ভুউ প্রায়ই আসে। শব্দের এই সুনির্দিষ্ট অর্থগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরিৎ
১. কেন সঠিক:
নদী শব্দের একটি অন্যতম প্রধান সংস্কৃত সমার্থক শব্দ হলো সরিৎ। সরিৎ শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা প্রবাহিত হয় বা স্রোতস্বিনী।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক এই প্রশ্নটিতে প্রমিত বাংলা ভাষার সমার্থক শব্দের ব্যবহার যাচাই করা হয়েছে। নদী প্রকৃতির জলের প্রবাহ নির্দেশ করে এবং সরিৎ শব্দটিও একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিনী
ব্যাখ্যা: এটি নদীর আরেকটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যা একই অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: স্রোতস্বিনী
ব্যাখ্যা: এটিও নদীর সমার্থক শব্দ যার অর্থ স্রোত আছে যাঁর বা যাতে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরিৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নদীর সমার্থক শব্দ।
B) নগ — এর অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা নদীর সমার্থক নয়।
C) গিরি — এর অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা নদীর সমার্থক নয়।
D) বিহগ — এর অর্থ পাখি বা পক্ষী, যা নদীর সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নদী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য তটিনী, তরঙ্গিনী এবং সরিৎ শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। পাহাড় বোঝাতে নগ ও গিরি ব্যবহার করা হয় তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নদী, পর্বত, আকাশ ও পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সংস্কৃত তৎসম শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সপ্তাহ
১. কেন সঠিক:
- সপ্তাহ শব্দটিতে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক এবং পরপদটি বিশেষ্য পদ, এবং এর মাধ্যমে সমষ্টি বোঝানো হয়েছে।
- সমাসবদ্ধ পদের শেষে সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে এবং তা বিশেষ্য পদ হলে তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমাসবদ্ধ পদের দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদটি বিশেষ্য পদ হয় এবং এর ব্যাসবাক্যের শেষে সমাহার বা সমষ্টি শব্দ যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেপান্তর
ব্যাখ্যা: তিন প্রান্তের সমাহার, যা দ্বিগু সমাসের একটি পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: শতাব্দী
ব্যাখ্যা: শত অব্দের সমাহার, যা সংখ্যাবাচক শব্দ ও বিশেষ্য পদের মিলনে গঠিত দ্বিগু সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সপ্তাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) পরিভ্রমণ — এটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ, যেখানে পরি উপসর্গযুক্ত কৃদন্ত পদের সমাস হয়েছে।
C) আমরণ — এটি আ উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস, যার অর্থ মরণ পর্যন্ত।
D) মনগড়া — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য মন দ্বারা গড়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দ্বিগু সমাসে সংখ্যা থাকবে এবং শেষে সমাহার বা সমষ্টি বোঝাবে।
- সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলে তৎক্ষণাৎ দ্বিগু বা বহুব্রীহি সমাস হতে পারে, তাই পরপদের অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও কর্মধারয় সমাসের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে দেয়।
- দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদটি সবসময় বিশেষ্য পদ হয়, এটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, ক্ষেত্র বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। ‘পড়ায় আমার মন বসে না’ বাক্যে ‘পড়ায়’ পদটি মন না বসার স্থান বা বিষয় অর্থাৎ ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
শব্দের সাথে ‘য়’ বা ‘তে’ বিভক্তি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ক্রিয়ার আধার বা ক্ষেত্রকে অধিকরণ কারক বলা হয়। স্থান, কাল, ভাব বা বিষয়ে অধিকরণ কারক হতে পারে।
‘পড়া’ একটি বিশেষ্য পদ, যার সাথে ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘পড়ায়’ রূপটি গঠিত হয়েছে। এটি বিষয়ভিত্তিক অধিকরণের উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বন একটি স্থান বা আধার বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে ৭মী (এ) বিভক্তি।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকাল একটি সময় বা কাল বোঝানোয় এটি কালাধিকরণ কারke ৭মী (এ) বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক ও ৭মী বিভক্তি — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই।
B) অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) অপাদান কারক ও ৭মী বিভক্তি — অপাদান কারক থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) করণ কারক ও ৭মী বিভক্তি — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যমে কোনো যন্ত্র বা উপায় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে ক্রিয়া সংঘটিত হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক।
বিষয় বা ক্ষেত্রে অধিকরণ কারক হলে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্থান, সময় বা বিষয় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক চিহ্নিত করা যায়।
একই নিয়মে ‘ব্যায়োজনে মন দাও’ বাক্যের ‘ব্যায়োজনে’ পদটিও অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
সঠিক উত্তর: A) বাস্তব
১. কেন সঠিক:
- অলীক শব্দের অর্থ মিথ্যা, অবাস্তব বা যা সত্য নয়। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো বাস্তব, যার অর্থ সত্য, অস্তিত্বযুক্ত বা যা বাস্তবে বিদ্যমান।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত সমজাতীয় পদ হয়ে থাকে, যেমন বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণই হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অলীক স্বপ্ন ভেঙে অবশেষে সে বাস্তবতার মুখোমুখি হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে অলীক ও বাস্তব শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বাক্যের ভাবকে স্পষ্ট করেছে।
উদাহরণ ২: কবির কল্পনাপ্রবণ মনে অনেক অলীক ভাবনা আসে, যা বাস্তবের সঙ্গে মেলে না।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে অলীক ও বাস্তব শব্দের বিপরীতার্থক ব্যবহার সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাস্তব — এটি সঠিক উত্তর।
B) কল্পনা — কল্পনা শব্দের অর্থ চিন্তা বা ভাবনা, যা অলীক শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়।
C) উন্নতি — উন্নতি শব্দের অর্থ অগ্রগতি বা প্রগতি, যার বিপরীত শব্দ অবনতি এবং এটি শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) আয়ত্ত — আয়ত্ত শব্দের অর্থ নিয়ন্ত্রণে বা অধিকারে থাকা, যা অলীক শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অলীক মানে যা সত্য নয়, আর বাস্তব মানে যা সত্য। এভাবে সত্য ও মিথ্যার তফাত মাথায় রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা যায়।
- পরীক্ষার হলে বিপরীত শব্দ দাগানোর আগে মূল শব্দের সঠিক অর্থ মনে করার চেষ্টা করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের উৎস এবং অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১ সেকেন্ড
১. কেন সঠিক:
বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের মধ্যে বাক্যে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকলে থামার স্থায়িত্বকাল হলো ১ সেকেন্ড। এটি মূলত আবেগ, বিস্ময়, ঘৃণা বা আনন্দের প্রকাশ ঘটানোর সময় বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বিরামচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। থামার সময়ের ওপর ভিত্তি করে কমা থেকে শুরু করে দীর্ঘ বিরতির চিহ্ন নির্ধারিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাহ! কী সুন্দর পাখি।
ব্যাখ্যা: এখানে বিস্ময় প্রকাশ করার জন্য বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে এবং ১ সেকেন্ড থামতে হয়।
উদাহরণ ২: ধিক তোমায়! এ কাজ তুমি পারলে।
ব্যাখ্যা: ঘৃণা প্রকাশের এই বাক্যে বিস্ময়সূচক চিহ্নের উপস্থিতির কারণে ১ সেকেন্ডের বিরতি নিতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ ২ সেকেন্ড থামতে হয় কোলন বা ড্যাশ চিহ্নের ক্ষেত্রে। বিস্ময়সূচক চিহ্নে এই দীর্ঘ সময় বিরতির নিয়ম নেই।
B) ১ সেকেন্ড — এটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিস্ময়সূচক চিহ্নে ঠিক ১ সেকেন্ড থামতে হয়।
C) ৩ সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ ৩ সেকেন্ড থামার কোনো নির্দিষ্ট বিরামচিহ্ন বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত নির্ধারিত নেই।
D) ৪ সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ ৪ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় থামার কোনো একক বিরামচিহ্ন বাংলা ব্যাকরণে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিস্ময় বা আবেগ প্রকাশের জন্য আমরা এক পলক বা ১ সেকেন্ড সময় নিই, তাই বিস্ময়সূচক চিহ্নে থামতে হয় ১ সেকেন্ড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিরামচিহ্নের বিরতিকালের প্রশ্নগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কমা এক বলতে যে সময় লাগে, আর কোলন, ড্যাশ ও সেমিকোলন বা অন্যান্য চিহ্নের সময়কাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নী + অন
১. কেন সঠিক:
নয়ন শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি একটি সংস্কৃত তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ।
এখানে মূল ধাতু বা প্রাকৃত রূপ হিসেবে নী ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ ধাতু বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, তাদের মধ্যে কিছু শব্দ সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে সাধিত হয়।
এখানে নী হলো ধাতু এবং অন হলো প্রত্যয়, যা যোগ করে নয়ন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চয়ন = চি + অন
ব্যাখ্যা: চি ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চয়ন শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: শয়ন = শি + অন
ব্যাখ্যা: শি ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শয়ন শব্দ গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নী + অন — এটি সঠিক প্রত্যয় বিশ্লেষণ কারণ নী ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নয়ন গঠিত হয়।
B) নে + অন — এটি ভুল কারণ নে কোনো মৌলিক ধাতু বা প্রাকৃত রূপ নয়।
C) নৌ + অন — এটি ভুল কারণ নৌ শব্দের সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নয়ন গঠিত হয় না।
D) নয় + ন — এটি ভুল কারণ নয় কোনো ধাতু নয় এবং ন এখানে প্রত্যয় হিসেবে বসে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
নয়ন শব্দের উৎপত্তি মনে রাখতে মূল ধাতু নী এবং প্রত্যয় অন মনে রাখবে।
অন প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধনের সময় ধাতুর গুণ বা বৃদ্ধি ঘটে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ধাতু চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কেতন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো কেতন, কারণ কেতন শব্দের অর্থ পতাকা, নিশান বা বৈজয়ন্তী।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রমিত শব্দের ব্যবহার খুব বেশি দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ মূলত একই রকম বা কাছাকাছি হয়।
- বাংলা ভাষায় বহুশব্দ বা প্রতিশব্দ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের উৎস ও প্রচলিত রূপগুলো খেয়াল রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পতাকা
ব্যাখ্যা: এটি বহুল প্রচলিত একটি শব্দ যার অর্থ নিশান বা ঝাণ্ডা।
উদাহরণ ২: বৈজয়ন্তী
ব্যাখ্যা: এটি পতাকার আরেকটি চমৎকার ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পতাকা।
B) মার্গ — এই অপশনটি ভুল কারণ মার্গ শব্দের অর্থ পথ বা রাস্তা।
C) নলিন — এই অপশনটি ভুল কারণ নলিন শব্দের অর্থ পদ্মফুল।
D) ভাজন — এই অপশনটি ভুল কারণ ভাজন শব্দের অর্থ পাত্র বা উপযুক্ত ব্যক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কেতন শব্দটির প্রথম অক্ষর ক এবং পতাকা শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে কেতন মানে পতাকা এভাবে মনে রাখা যায়।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় প্রতিটির আলাদা অর্থ লিখে ছক তৈরি করলে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পতাকার সমার্থক হিসেবে কেতন, নিশান, বৈজয়ন্তী ও পতাকা প্রায়ই বিকল্প হিসেবে আসে।
- শব্দের অর্থ সঠিকভাবে না জানলে কাছাকাছি অর্থের অন্য শব্দের সঙ্গে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সঠিক উত্তর: C) লাফ > ফাল
১. কেন সঠিক:
শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে ধ্বনি বিপর্যয় বলা হয়।
এখানে 'লাফ' শব্দের 'ল' এবং 'ফ' বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে 'ফাল' শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের পারস্পরিক পরিবর্তনের ফলে যে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বা বিপর্যাস বলে।
এটি মূলত মানুষের উচ্চারণের অসচেতনতা বা আঞ্চলিক প্রভাবে ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাক্স > বাস্কো
ব্যাখ্যা: এখানে 'ক' এবং 'স' বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করেছে।
উদাহরণ ২: পিশাচ > পিছাচ
ব্যাখ্যা: এখানে 'শ' এবং 'চ' বর্ণ দুটি নিজেদের মধ্যে স্থান বদল করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরীর > শরীল — এটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ নয়, এটি বিষমীভবন বা র-কারান্ত পরিবর্তনের উদাহরণ।
B) হংস > হাঁস — এটি নাসিক্যভবন বা সমীভবনের মাধ্যমে পরিবর্তিত রূপ।
D) দূর্গা > দূগ্ গা — এটি ব্যঞ্জনযুগের পরিবর্তন বা যুক্তাক্ষর ভাঙার উদাহরণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্থান পরিবর্তন মানেই বিপর্যয় ঘটে যাওয়া।
শব্দের ভেতরের বর্ণগুলো যখন নিজেদের জায়গা বদল করে ফেলে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি বিপর্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
লাফ থেকে ফাল এবং বাক্স থেকে বাস্কো শব্দ দুটি বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) কুলা
১. কেন সঠিক:
- কুলা একটি দেশী শব্দ কারণ এটি আমাদের আদি অধিবাসী কোল, মুণ্ডা বা অস্ট্রিক ভাষাভাষী মানুষের ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- যেসব শব্দের মূল বা উৎস জানা যায় না কিন্তু বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে প্রচলিত হয়ে আসছে, সেগুলোকে দেশী শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- শব্দের উৎস অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, বিদেশী ও দেশী শব্দ।
- দেশী শব্দগুলো বাংলাদেশের আদি সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এবং এগুলো গ্রামীণ জনপদে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুড়াল
ব্যাখ্যা: কুড়াল একটি দেশী শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদি ভাষা।
উদাহরণ ২: ঢোল
ব্যাখ্যা: ঢোল একটি বাদ্যযন্ত্রের নাম এবং এটি দেশী শব্দের অন্তর্ভুক্ত যা প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিকশা — এটি একটি জাপানি ভাষা থেকে আগত বিদেশী শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
B) চা — এটি একটি চীনা ভাষা থেকে আগত বিদেশী শব্দ যা আমাদের পানীয় হিসেবে পরিচিত।
C) কিতাব — এটি আরবি ভাষা থেকে আগত বিদেশী শব্দ যা সাধারণত ধর্মীয় বা সাধারণ বই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) কুলা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি দেশী শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেশী শব্দ মনে রাখার জন্য আদি মানুষের ব্যবহার্য জিনিস যেমন কুলা, ঢোল, কুড়াল, চুলা, পেট, খোপা এগুলো একসুরে মুখস্থ রাখতে পারো।
- পরীক্ষার হলে বই বা খাবারের নাম দেখলে বিদেশী ভাববে এবং দৈনন্দিন গ্রামীণ ব্যবহারের বস্তু দেখলে দেশী হিসেবে অনুমান করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই দেশী ও বিদেশী শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- কুলা, ঢোল, গঞ্জ, টোপর, ডাব ইত্যাদি শব্দ বারবার পরীক্ষায় আসে, তাই এগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) নিরেট মূর্খ
১. কেন সঠিক:
- 'গোবর গণেশ' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ গোবরের তৈরি প্রতিমা বা পুতুল।
- রূপক অর্থে এই বাগধারাটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যার বুদ্ধিমত্তা একেবারেই নেই বা যিনি সম্পূর্ণ নির্বোধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- 'গোবর গণেশ' বাগধারাটিতে গণেশ শব্দের মাধ্যমে দেবতা গণেশকে বোঝানো হয়নি, বরং এখানে মূর্খতা বা জড়বুদ্ধির প্রতীক হিসেবে তুলনা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসের শেষ সারিতে বসে থাকা ছেলেটি সারাদিন পড়াশোনা না করে শুধু ঘুমাচ্ছে, তাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, সে একেবারে গোবর গণেশ।
ব্যাখ্যা: এখানে সম্পূর্ণ নির্বোধ বা অকর্মণ্য বোঝাতে গোবর গণেশ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এত সহজ একটি অংক বারবার বুঝিয়ে দেওয়ার পরও যে বুঝতে পারে না, তাকে গোবর গণেশ ছাড়া আর কী বলা যায়।
ব্যাখ্যা: বুদ্ধির অভাব বা নিরেট মূর্খতা প্রকাশ করতে এখানে বাক্যটিতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপদার্থ — অপদার্থ বলতে এমন কোনো বস্তুকে বোঝায় যার কোনো কাজের উপযোগিতা নেই, কিন্তু এটি নিরেট মূর্খতার সমার্থক নয়।
B) নিরেট মূর্খ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ হলো সম্পূর্ণ বোকা বা বুদ্ধিমত্তাহীন ব্যক্তি।
C) অত্যন্ত অলস — অত্যন্ত অলস ব্যক্তির জন্য 'কুঁড়ে' বা 'খটকা' জাতীয় শব্দ বা বাগধারা প্রযোজ্য, যা গোবর গণেশ নয়।
D) অপটু — অপটু বলতে অদক্ষ বা কাজে পটু নয় এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, কিন্তু বুদ্ধির স্বল্পতা এর মূল অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গণেশ দেবতাকে বুদ্ধির দেবতা হিসেবে ভাবা হলেও, তার সঙ্গে 'গোবর' শব্দটি যুক্ত হলে তা উল্টো অর্থ অর্থাৎ সম্পূর্ণ বোকা বা নিরেট মূর্খ বুঝায়।
- কথাটি মনে রাখার জন্য ভাবুন, গোবর দিয়ে মূর্তি বানালে তাতে যেমন বুদ্ধি থাকে না, তেমনি গোবর গণেশ মানেই নিরেট মূর্খ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বুদ্ধিমত্তাহীন বা মূর্খতা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে অপশনে থাকে।
- পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বিবেচনা করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ত থ দ ধ
১. কেন সঠিক:
- ত বর্গীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উপরের দাঁতের সারির সাথে স্পর্শ করে, তাই এগুলো দন্ত্য ধ্বনি।
- বাংলা বর্ণমালায় ত, থ, দ, ধ এবং ন এই পাঁচটি বর্ণকে দন্ত্য ধ্বনি বা দন্ত্য বর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুখবিবরের যে অঙ্গের সাহায্যে ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে উচ্চারণের স্থান বা উচ্চারণস্থান বলে।
- জিহ্বার অগ্রভাগ বা ডগা ওপরের দাঁতে স্পর্শ করে যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে দন্ত্য ধ্বনি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দে ব্যবহৃত ন একটি দন্ত্য ধ্বনি, যা দন্ত্য বর্ণের অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: থালা
ব্যাখ্যা: থালা শব্দে ব্যবহৃত থ একটি দন্ত্য ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় দাঁতের সাহায্য নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক খ গ ঘ — এগুলো কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বামূল বা কণ্ঠনালীর পেছনের অংশ ব্যবহৃত হয়।
B) প ফ ব ভ — এগুলো ওষ্ঠ্য ধ্বনি, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় দুটি ঠোঁটের স্পর্শ বা মিলনের মাধ্যমে উচ্চারিত হয়।
C) ত থ দ ধ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি দন্ত্য ধ্বনি হিসেবে সম্পূর্ণ সঠিক।
D) ট ঠ ড ঢ — এগুলো মূর্ধন্য ধ্বনি, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উল্টিয়ে মূর্ধার সাথে স্পর্শ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত থ দ ধ বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় দাঁতে জিভ লাগে, তাই এটি দন্ত্য ধ্বনি।
- ক কণ্ঠ্য, চ তালব্য, ট মূর্ধন্য, ত দন্ত্য, প ওষ্ঠ্য এই ক্রমটি মনে রাখলে উচ্চারণস্থান সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উচ্চারণস্থান থেকে প্রশ্ন আসে।
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি স্পর্শ ধ্বনিকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি বর্গের একটি নির্দিষ্ট উচ্চারণস্থান রয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) ২টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার রূপ মূলত ২টি, যথা কথ্য রূপ ও লেখ্য রূপ।
ভাষার এই দুটি প্রধান রূপ মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার লেখ্য রূপ আবার দুটি রীতিতে বিভক্ত, যা হলো সাধু রীতি ও চলিত রীতি।
ভাষার কথ্য রূপের আঞ্চলিক বিভিন্নতাকে উপভাষা বলা হয়, যা স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধু রীতি
ব্যাখ্যা: এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ তুলনামূলক দীর্ঘ ও প্রাচীন হয়।
উদাহরণ ২: চলিত রীতি
ব্যাখ্যা: এই রীতি মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি সর্বজনগ্রাহ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বাংলা ভাষার প্রধান রূপ দুটি।
B) ৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষার প্রধান রূপ তিনটি নয়।
C) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ভাষার রূপের সংখ্যা পাঁচ হতে পারে না।
D) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার রূপের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা কয়টি প্রধান রূপে বিভক্ত তা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন।
প্রধান রূপ দুটি হলে সাধু ও চলিত বা কথ্য ও লেখ্য মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষার রূপ বা রীতি নিয়ে প্রশ্ন আসে।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখলে এসব প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) ষষ্+থ
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মানুযায়ী দন্ত্য স-এর পরে থ থাকলে দন্ত্য স স্থানে মূর্ধন্য ষ এবং ত স্থানে ঠ হয়।
- এখানে মূল শব্দ ষষ্ এবং থ মিলে ষষ্+থ যুক্ত হয়ে ষষ্ঠ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত স-এর পরে ত বা থ থাকলে স স্থানে ষ এবং ত বা থ স্থানে ট বা ঠ হয়।
- এই নিয়মের অধীনে পূর্বপদের অন্তে ষষ্ এবং পরপদের আদিতে থ যুক্ত হয়ে ষষ্ঠ শব্দ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষষ্+থ = ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মে ষষ্ এবং থ যুক্ত হয়ে ষষ্ঠ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ইষ+ত = ইষ্ট
ব্যাখ্যা: স-এর পরে ত থাকার কারণে তা পরিবর্তিত হয়ে ইষ্ট রূপ লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষট্+থ — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে ষট্ রয়েছে যা এই শব্দের প্রকৃত উৎস নয়।
B) ষষ্ঠ+থ — এটি ভুল কারণ সন্ধির ক্ষেত্রে পূর্ণ শব্দ ভেঙে সঠিক নিয়ম তৈরি করা যায় না।
D) ষষ্+ঠ — এটি ভুল কারণ দ্বিতীয় অংশে থ এর পরিবর্তে ঠ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ষষ্ঠ শব্দের সন্ধি মনে রাখতে হলে ষষ্ পদের সাথে থ যুক্ত হয় তা মাথায় রাখতে হবে।
- ব্যঞ্জনসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- নিয়মের গভীরে গিয়ে শব্দের মূল অংশ ও প্রত্যয় বা বিভাজ্য অংশ আলাদা করতে শিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পঙ্কজ
১. কেন সঠিক:
পঙ্কজ একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে তার অবয়ব বা সাধারণ অর্থের অনুগামী না হয়ে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। পঙ্কে বা কাদায় জন্মায় যা, এর ব্যাসবাক্য হলো উপপদ তৎপুরুষ সমাস, কিন্তু এটি কেবল সাধারণ যে কোনো কিছু না বুঝিয়ে পদ্মফুলকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উৎপত্তি বা অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা: যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ। সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দ সমাসের প্রাকৃত বা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজপ্রাসাদের পুত্র না বুঝিয়ে এটি একটি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
উদাহরণ ২: জলধি
ব্যাখ্যা: জলে ধারণ করে যা তা না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট করে সমুদ্রকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঙ্কজ - এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে পদ্মফুল নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
B) তৈল - এটি একটি রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ কারণ তিল থেকে উৎপন্ন হলেও এটি এখন যে কোনো ভোজ্য তেলকে বোঝায়।
C) মধুর - এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর উৎপত্তিগত অর্থ মধুর বা মিষ্টি জাতীয় কিছু।
D) নবাবী - এটি একটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ যা বিশেষ্য পদ থেকে বিশেষণ পদে রূপান্তরিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
যোগরূঢ় শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো এটি দেখতে বহুব্রীহি বা উপপদ সমাসের মতো হলেও সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা ফুলকে বোঝায়। যেমন পঙ্কজ অর্থ পদ্ম এবং রাজপ্রাসাদ পুত্র না বুঝিয়ে রাজপুত অর্থ বিশেষ জাতি বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পঙ্কজ, রাজপুত, জলধি এবং মহাযাত্রা শব্দগুলো কোন ধরনের শব্দ তা বারবার পরীক্ষাতে জানতে চাওয়া হয়। সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েও যে শব্দ বিশেষ অর্থ দেয় তা যোগরূঢ় হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাধু
১. কেন সঠিক:
সাধু রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ হয়।
অদ্য একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ আজ, এবং এটি সাধু ভাষারীতিতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার যে রূপটি মার্জিত, গম্ভীর, ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে এবং তৎসম শব্দবহুল, তাকে সাধু রীতি বলে।
সাধু রীতিতে ক্রিয়ার রূপ যেমন করিয়াছি এবং সর্বনামের রূপ যেমন তাহারা ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অদ্যই এই কার্য সমাপ্ত করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা: এখানে অদ্য শব্দটি সাধু ভাষারীতি নির্দেশ করছে।
উদাহরণ ২: গত বৎসর অদ্যকার দিনে আমরা ভ্রমণ করিয়াছিলাম।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে সাধু রীতির শব্দ ব্যবহারের পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলিত — চলিত রীতিতে তৎসম শব্দের বদলে প্রাকৃতজাত বা তদ্ভব শব্দের ব্যবহার হয়, যেখানে অদ্য এর পরিবর্তে আজ ব্যবহৃত হয়।
C) প্রাকৃত — প্রাকৃত হলো প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার একটি স্তর, যা সাধু বা চলিত বাংলা ভাষারীতির সরাসরি কোনো আধুনিক রূপ নয়।
D) কোল — কোল হলো একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও তাদের ভাষা, যা বাংলা ভাষার কোনো শৈলী বা রূপের নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু রীতি মানেই তৎসম শব্দের আতিসর্জা এবং লেখার গম্ভীর রূপ।
অদ্য, বৃথা, কদাচিৎ ইত্যাদি শব্দ দেখলেই সাধু রীতি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং ভাষারীতির রূপ চেনার জন্য তৎসম শব্দের তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের ক্ষেত্রে বিশেষ করে অব্যয় ও তৎসম শব্দের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ম
১. কেন সঠিক:
ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলতে সেই বর্ণগুলোকে বোঝায়, যা উচ্চারণের সময় উভয় ঠোঁট একে অপরকে স্পর্শ করে। 'ম' বর্ণটি উচ্চারণ করার সময় আমাদের ওপরের ও নিচের ঠোঁট পরস্পর মিলিত হয়, তাই এটি একটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় স্পর্শ ধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে তাদের উচ্চারণস্থানের ভিত্তিতে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারিত হয় ঠোঁটের সাহায্যে, যে কারণে প-বর্গের সব বর্ণকে ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প
ব্যাখ্যা: 'প' বর্ণটি উচ্চারণের সময়ও উভয় ঠোঁটের পারস্পরিক স্পর্শ ঘটে, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ব
ব্যাখ্যা: 'ব' বর্ণটি প-বর্গের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটিও ওষ্ঠ্য ধ্বনির নিয়মের মধ্যে পড়ে এবং ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বর্ণটি উভয় ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
B) ঙ — এটি ক-বর্গীয় বর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান কণ্ঠ বা জিহ্বামূল, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি নয়।
C) চ — এটি চ-বর্গীয় বর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান তালু, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি নয়।
D) র — এটি একটি অন্তস্থ বর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান মূর্ধা বা দন্তমূল, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প-বর্গের ধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প ফ ব ভ ম0 অর্থাৎ প থেকে ম পর্যন্ত সবগুলো বর্ণই ওষ্ঠ্য ধ্বনি। ঠোঁট বন্ধ করে এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে হয় বলে এদের ওষ্ঠ্য বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উচ্চারণস্থান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত পাঁচটি বর্গের উচ্চারণস্থান কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। একই নিয়মে প, ফ, ব, ভ, ম ধ্বনিগুলো পেলেই সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সবিতা
১. কেন সঠিক:
সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি চন্দ্রের প্রতিশব্দ নয়।
চন্দ্র রাতের আকাশে আলো দেয় এবং এর বিভিন্ন প্রতিশব্দ রয়েছে যা এর শীতলতা ও রূপ ফুটিয়ে তোলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম।
বাংলা ভাষায় শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: সবিতা হলো সূর্যের একটি প্রসিদ্ধ সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: শশী
ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রের অন্য একটি সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোম — এটি চন্দ্রের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ।
B) হিমাংশু — এর অর্থ যার অংশ হিম বা শীতল, যা চন্দ্রকে বোঝায়।
C) সবিতা — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
D) দ্বিজরাজ — এটিও চন্দ্রের একটি সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সূর্য সম্পর্কিত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখলে চন্দ্রের প্রতিশব্দ সহজে আলাদা করা যায়।
সবিতা ও দিবাকর হলো সূর্যের প্রতিশব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিশব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও উৎস ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
সূর্য ও চন্দ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় একসঙ্গে অপশনে থাকে।
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- 'মুমূর্ষু' শব্দটির সঠিক বানান হলো মএ হ্রস্বউ, মএ দীর্ঘউ, মূর্ধন্য-ষএ হ্রস্বউ এবং রেফযুক্ত রেফবিহীন উ। অর্থাৎ প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ উ যুক্ত হয়।
- এই শব্দটি মূলত 'মরু + সু' থেকে উসিত হয়ে কিংবা মর্ষ ধাতু থেকে গঠিত হয়েছে, যার অর্থ যার মরণের ইচ্ছা আছে বা যিনি মারা যাওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ উ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। 'মুমূর্ষু' একটি তৎসম শব্দ এবং এর বানানে প্রথম হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় দীর্ঘ উ ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম প্রচলিত আছে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী এই বিশেষ শব্দটির বানান সবসময় প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ উ দিয়ে লিখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুচিস্মিতা
ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ বাংলা শব্দ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি হিসেবে প্রায়ই আসে এবং এর বানান মনে রাখা জরুরি।
উদাহরণ ২: পিপীলিকা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই এবং দীর্ঘ ঈ এর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়, যা বানান শুদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুর্ষু — এই অপশনে উভয় ম-এ হ্রস্ব উ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী পরীক্ষিত ও অনুমোদিত রূপ।
C) মূমূর্ষূ — এই অপশনে প্রথম ম-এ দীর্ঘ উ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) মূমুর্ষূ — এই অপশনে প্রথম ম-এ দীর্ঘ উ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুমূর্ষু বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো ছোট থেকে বড় নিয়ম মনে রাখা, অর্থাৎ প্রথম ম-এ ছোট উ এবং দ্বিতীয় ম-এ বড় উ বসে।
- শব্দটির শুরু হ্রস্ব উ দিয়ে এবং মাঝের ম দীর্ঘ উ দিয়ে গঠিত হয় বলে এটি সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই প্রথম ও দ্বিতীয় উ-এর মাত্রায় ভুল করে।
- এই ধরনের জটিল ও ব্যতিক্রমী বানানগুলো পরীক্ষার আগে ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত যাতে নম্বর নিশ্চিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) মধুমাখা
১. কেন সঠিক:
- মধুমাখা একটি তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো মধু দ্বারা মাখা এবং এখানে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বুঝিয়েছে।
- তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থই প্রধান হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- মধুমাখা শব্দটি তৃতীয় বা করণ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে দ্বারা অনুসর্গ বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনগড়া
ব্যাখ্যা: মন দ্বারা গড়া, এটি করণ তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরীক্ষ৮ উপযোগী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: বিপদাপন্ন
ব্যাখ্যা: বিপদকে আপাপন্ন, এটি দ্বিতীয় বা কর্ম তৎপুরুষ সমাসের একটি প্রমিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভালো মন্দ — এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এখানে ভালো ও মন্দ উভয় পদের অর্থের সমান গুরুত্ব রয়েছে এবং ব্যাসবাক্যে ও সংযোজক ব্যবহৃত হয়েছে।
B) মধুমাখা — এটি সঠিক উত্তর।
C) যথাসাধ্য — এটি অব্যয়ীভাব সমাস কারণ এখানে সাধ্যকে অতিক্রম না করা অর্থে যথাসাধ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং পূর্বপদের অব্যয় পদ প্রধান হয়েছে।
D) সত্যনিষ্ঠ — এটি অলुক তৎপুরুষ বা সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস হতে পারে তবে এটি সাধারণ অর্থে কর্ম বা বিশেষণিক পদ হিসেবে বহুব্রীহি বা অন্য সমাসের দিকে নির্দেশ করে, যা মূলত তৎপুরুষ সমাসের সরাসরি কাঠামোর বাইরে অবস্থান করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে কে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, চেয়া, র, এর ইত্যাদি বিভক্তি বা অনুসর্গ পাওয়া যায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ বা বিভক্তিযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে তৎপুরুষ সমাসের কথা চিন্তা করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আশ্রয়
১. কেন সঠিক:
- এখানে 'নীড়' শব্দের আক্ষরিক অর্থ পাখির বাসা হলেও রূপক অর্থে ক্লান্ত মানুষের শান্তির ও নিরাপত্তার ঠিকানাকে বোঝানো হয়েছে।
- দীর্ঘ পথ চলার পর ক্লান্ত প্রাণ যেভাবে তার বাসায় ফিরে শান্তি পায়, কবি জীবনানন্দ দাসের কাছে বনলতা সেনের চোখ তেমনি পরম শান্তির আশ্রয়স্থল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয় ও ক্লান্তিহরক সৃষ্টি যা 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- কবি জীবনানন্দ দাস বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতা, নাগরিক ক্লান্তি এবং ইতিহাসের পটভূমিতে মানুষের নিঃসঙ্গতাকে এই কবিতায় রূপায়িত করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির দীর্ঘ ক্লান্তিকর ঐতিহাসিক ভ্রমণের মধ্য দিয়ে মানবজীবনের অন্তহীন নিঃসঙ্গতা ও শ্রান্তির প্রকাশ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: শিশিরের শব্দের মতো সন্ধ্যে আসে
ব্যাখ্যা: প্রকৃতির নিস্তব্ধতা ও শান্তির রূপ ফুটিয়ে তুলতে কবি এখানে অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও নান্দনিক উপমা ব্যবহার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নান্দনিক — শব্দটি সুন্দর বা শিল্পসম্মত রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে চোখের সান্নিধ্যকে মূলত নিরাপত্তার স্থান হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে।
C) রহস্যময় — বনলতা সেনের ব্যক্তিত্বে রহস্যের ছোঁয়া থাকলেও 'নীড়' শব্দটি তার চোখের গভীরতা বা সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি বরং এটি আশ্রয়ের প্রতীক।
D) পাখির বাসা — এটি 'নীড়' শব্দের সরাসরি আক্ষরিক অর্থ হলেও কবিতার রূপক অর্থে এটি কেবল পাখির বাসা হিসেবে নয় বরং পরম শান্তির আশ্রয় হিসেবে প্রযোজ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কবিতার লাইনে 'নীড়' বা বাসা শব্দ দেখলে মনে রাখবে কবি ক্লান্তির পর শান্তির খোঁজ করছেন এবং সাহিত্যিক বিচারে তা সর্বদা 'আশ্রয়' হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাসের 'বনলতা সেন' কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয় এবং রূপক অর্থ নির্ণয় করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) প্রাণিকুল
১. কেন সঠিক:
- প্রাণিকুল শব্দটিতে প্রাণী শব্দের সঙ্গে কুল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠিত হয়েছে এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
- প্রাণিকুল শব্দের অর্থ প্রাণীর সমাহার বা একাধিক প্রাণী, যেখানে প্রাণী শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ কার এবং কুল শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ কার ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণীবাচক বা প্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে বহুবচন বোঝাতে কুল, সকল, সমুহ, বৃন্দ ইত্যাদি যুক্ত হয়।
- প্রাণী শব্দটিতে ন এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়, তবে এর সঙ্গে যখন কোনো প্রত্যয় বা অনুসর্গ যুক্ত হয় তখন বানান ভেদে তার পরিবর্তন ঘটে, কিন্তু প্রাণিকুল বানানে প্রাণী অংশের দীর্ঘ ঈ কার অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিক্ষককুল
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শব্দের সঙ্গে কুল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠন করেছে এবং বানানটি শুদ্ধ রয়েছে।
উদাহরণ ২: পক্ষীকুল
ব্যাখ্যা: পক্ষী শব্দের সঙ্গে কুল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ বানান গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরপরাধী — অপশনটি ভুল কারণ অপরাধের সঙ্গে যুক্ত বিশেষ্য পদ হিসেবে নিরপরাধ সঠিক, নিরপরাধী একটি অতিরিক্ত দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত ভুল রূপ।
B) দারিদ্র্যতা — অপশনটি ভুল কারণ দারিদ্র্য নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য, এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করা দ্বিত্ব দোষ বা বাহুল্য দোষ দুষ্ট।
C) স্বার্থকতা — অপশনটি ভুল কারণ স্বার্থক শব্দটির সঠিক রূপ সার্থক এবং এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে সার্থকতা হয়, স্বার্থকতা বানানটি অচল।
D) প্রাণিকুল — অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটি প্রশ্নানুযায়ী একমাত্র নির্ভুল বানানযুক্ত শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় বর্জন করার নিয়ম মনে রাখলে দারিদ্র্যতা এবং স্বার্থকতা জাতীয় বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
- প্রাণী বানানে দীর্ঘ ঈ কার থাকলেও যখন প্রাণিবিদ্যা লেখা হয় তখন হ্রস্ব ই কার হয়, তবে প্রাণিকুল বানানে দীর্ঘ ঈ কার অপরিবর্তিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনবাচক শব্দ যেমন পক্ষীকুল, ছাত্রকুল এবং ভাববাচক বিশেষ্যের সঠিক রূপ বারবার আসে।
- দারিদ্র্য এবং সার্থকতা এই দুটি শব্দ নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই এদের মূল গঠন মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
reclining শব্দটি কোনো তলের উপর হেদিয়ে শুয়ে থাকা বা আরাম করে বসা বোঝাতে সাধারণত on প্রিপজিশন গ্রহণ করে।
couch বা সোফার মতো আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে তার ওপর অবস্থান বোঝাতে on বরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে couch-এর ওপর অবস্থান পুরোপুরি প্রকাশ করে।
B) by — couch-এর পাশে বসা বোঝাতে by ব্যবহার করা যায়, কিন্তু হেদিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
C) in — couch-এর ভেতরে ঢুকে থাকা বোঝায় না, তাই ইন ব্যবহার করা ভুল।
D) to — couch-এর দিকে গতি বোঝাতে এটি বসে, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বিছানা বা সোফার ওপর আরাম করে শুয়ে থাকা বা হেলান দেওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় on প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) If he works hard, he will succeed.
কেন সঠিক:
১ম অংশটি First Conditional নিয়মে গঠিত হওয়ায় কমা-র আগের অংশ Present Indefinite Tense এবং পরের অংশ Future Indefinite Tense হয়েছে।
Condition বা শর্ত বোঝালে If-যুক্ত clause-এ Present Tense এবং প্রধান clause-এ Future Tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If he works hard, he succeeds. — প্রথম অংশ Present Tense হলেও দ্বিতীয় অংশ Future Tense না হয়ে Present Tense হওয়ায় এটি conditional-এর সঠিক নিয়ম মেনে চলেনি।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) If he would works hard, he succeeded. — modal verb-এর পর মূল verb-এর s বা es যুক্ত হওয়ায় এবং Tense-এর গঠনে ভুল থাকায় এটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) If he worked hard, he succeeded. — এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি এবং এর অর্থ ও গঠন অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
If-এর সাথে Present Tense থাকলে পরের অংশে всегда will বসে।
সঠিক উত্তর: D) he had learnt his lessons.
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে (He went) থাকায় পরের অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
'After' এর নিয়ম অনুযায়ী আগের কাজটি পাস্ট পারফেক্ট এবং পরের কাজটি পাস্ট ইনডেফিনিট হয়।
পড়া শেষ করার কাজটি আগে হয়েছিল বলে সেখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he will learn his lessons — পাস্ট টেন্সের সাথে ফিউচার টেন্স যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) he would learn his lessons — পাস্ট টেন্সের সাথে মডাল ভার্বের এমন ব্যবহার নিয়মের সাথে মেলে না।
C) he learns his lessons — পাস্ট টেন্সের সাথে প্রেজেন্ট টেন্সের ব্যবহার নিয়মবহির্ভূত ও ভুল।
D) he had learnt his lessons — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Before এর আগে পাস্ট পারফেক্ট এবং পরে পাস্ট ইনডেফিনিট হয়, আর After এর ঠিক উল্টো নিয়ম অর্থাৎ পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: B) An unexpected calamity
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ আকাশ থেকে বজ্রপাত হওয়া, যা বাস্তবে হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো বড় বিপদ বা দুর্ঘটনাকে বোঝায়।
ইংরেজিতে মেঘহীন আকাশ থেকে হঠাৎ বজ্রপাত হওয়া সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত এবং ক্ষতিকর ঘটনা হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An unexpected reward — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো অপ্রত্যাশিত পুরস্কার বা ভালো কিছু বোঝায় না।
B) An unexpected calamity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) An unexpected blue colour — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আক্ষরিক অর্থে নীল রঙের প্রকাশ বোঝায়, কোনো ইডিয়ম নয়।
D) An unexpected person of blue wear — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি নীল পোশাক পরা কোনো অচেনা মানুষকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
আকাশ সবসময় নীল থাকে, আর নীল আকাশ থেকে হঠাৎ বিপদ বা বজ্রপাত (bolt) আসলে তা নিশ্চয়ই বড় কোনো বিপদ বা calamity ডেকে আনে।
সঠিক উত্তর: D) Malignant
কেন সঠিক:
- 'Benign' শব্দটির অর্থ অনুকম্পাপূর্ণ, হিতকর বা মৃদু (বিশেষ করে টিউমারের ক্ষেত্রে যা ক্ষতিকর নয়)। এর সরাসরি বিপরীত বা অ্যান্টনিভ হলো 'Malignant'।
- 'Malignant' শব্দের অর্থ মারাত্মক, ক্ষতিকর বা অনিষ্টকর, যা বেনাইন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beginning — এর অর্থ শুরু বা আরম্ভ, যা বেনাইন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Peaceful — এর অর্থ শান্তিপূর্ণ বা শান্তিপূর্ণ, যা বেনাইন শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Blessed — এর অর্থ আশীর্বাদপুষ্ট বা ধন্য, যা বেনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট শব্দের বিপরীতার্থক কোনো শব্দ নয়।
D) Malignant — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মারাত্মক বা ক্ষতিকর এবং এটি বেনাইন শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
বেনাইন মানে ভালো বা মৃদু টিউমার, আর ম্যালিগন্যান্ট মানে মন্দ বা ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার। এভাবে ভালো ও মন্দের তুলনা করে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) He was brought to book.
কেন সঠিক:
‘Bring to book’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা যার অর্থ কাউকে তিরস্কার করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা বা শাস্তি দেওয়া।
বাংলা বাক্যের তিরস্কার করা বা ভর্ৎসনা করার ভাবটি প্রকাশের জন্য এই নির্দিষ্ট ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was dishonoured — এই বাক্যের অর্থ তাকে অসম্মান করা হয়েছিল, যা তিরস্কার করার সঠিক ইংরেজি রূপ নয়।
B) He was brought to brim — এই বাক্যটির কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই এবং এটি একটি ভুল গঠন।
C) He was brought to book — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He was punished — এই বাক্যের অর্থ তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, যা তিরস্কার করার চেয়ে একটু বেশি গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
বইয়ের সাথে তিরস্কারের সম্পর্ক মনে রেখে याद রাখবেন যে কাউকে কৈফিয়তের জন্য ডেকে পাঠানো বা তিরস্কার করার ইংরেজি হলো 'bring to book'।
সঠিক উত্তর: D) with
কেন সঠিক:
সাহায্য করা অর্থে help verb-এর পর সরাসরি noun বসলে with preposition ব্যবহৃত হয়।
এখানে work একটি noun হওয়ায় তার আগে with বসে কাজটির সাথে সাহায্য করার অর্থ প্রকাশ করেছে।
অন্য প্রিপজিশনগুলোর তুলনায় with এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে বেশি মানানসই।
এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to finish - help-এর পর সরাসরি infinitive বসতে পারে, কিন্তু এখানে সরাসরি noun থাকার কারণে এটি সঠিক নয়।
B) finishing - help-এর পর gerund সরাসরি বসে না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) in finishing - work noun-টির সাথে in preposition ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট ও ভুল হয়।
D) with - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির কাজে সাহায্য করা বোঝাতে help someone with something গঠনটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) tooth and nail
কেন সঠিক:
tooth and nail একটি প্রবাদ প্রতিম ফ্রেজ যার অর্থ হলো নখ ও দাঁত দিয়ে অর্থাৎ সর্বশক্তি দিয়ে বা মরিয়া হয়ে লড়াই করা।
শত্রুকে পরাজিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টার কথা বোঝাতে এই ফ্রেজটি এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাক্যটির অর্থ হলো সে শত্রুকে পরাজিত করার জন্য সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) tooth and nail — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) set out — এর অর্থ যাত্রা শুরু করা, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
C) to and fro — এর অর্থ এদিক-সেদিক বা আসা-যাওয়া করা, যা লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বেমানান।
D) to the quick — এর অর্থ মর্মে আঘাত করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
tooth and nail ফ্রেজটি দেখলেই বুঝবে এর অর্থ জীবনপণ বা তীব্র লড়াই করা।
সঠিক উত্তর: B) would have helped the poor
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের কাল্পনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
তাই প্রথম অংশে হ্যাড যুক্ত পাস্ট পারফেক্ট থাকলে পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had helped the poor — এই অংশে স্ট্রাকচার অনুযায়ী হ্যাড এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) would have helped the poor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) have helped the poor — বর্তমানকালের বা পারফেক্ট টেন্সের গঠন হওয়ায় এই অপশনটি অতীতকালের কাল্পনিক বাক্যের সাথে মেলে না।
D) helped the poor — এটি শুধু পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হওয়ায় থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয় না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে হ্যাড যুক্ত ক্লজে পরের অংশে উড হ্যাভ এবং মূল ভার্বের তিন নম্বর রূপ ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Impromptu
কেন সঠিক:
Extempore শব্দটির অর্থ হলো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া কোনো কিছু বলা বা করা।
Impromptu শব্দটির অর্থও তাৎক্ষণিকভাবে বা বিনা প্রস্তুতিতে সম্পাদিত কোনো কাজ।
উভয় শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Planned — এই শব্দটির অর্থ হলো পরিকল্পিত, যা Extempore বা অপরিকল্পিত শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Improvise — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, কিন্তু Extempore হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ।
C) Immediate — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, যা মূলত সময়ের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু বিনা প্রস্তুতি বোঝায় না।
D) Impromptu — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পূর্ব প্রস্তুতিহীন বা তাৎক্ষণিক প্রকাশ।
মনে রাখার টিপস:
Extempore এবং Impromptu দুটি শব্দই বিনা প্রস্তুতিতে দেওয়া ভাষণ বা কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: C) back
কেন সঠিক:
এখানে 'go back on' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা বা কথা রাখা থেকে সরে দাঁড়ানো।
বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে যে তুমি যখন কোনো প্রতিশ্রুতি দেবে, তখন তা থেকে পিছিয়ে আসা বা ভঙ্গ করা উচিত নয়।
এই অর্থ সম্পূর্ণ করতে শূন্যস্থানে সঠিক শব্দটি হবে back।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — 'go by' অর্থ কোনো নিয়ম মেনে চলা বা সময় অতিবাহিত হওয়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) around — 'go around' অর্থ ঘুরে বেড়ানো বা সবার জন্য পর্যাপ্ত হওয়া, যা প্রতিশ্রুতির সাথে মেলে না।
C) back — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) along — 'go along' অর্থ রাজি হওয়া বা কোনো কিছুর সাথে এগিয়ে যাওয়া, যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিশ্রুতি ভাঙা অর্থে সবসময় go এর সাথে back preposition বসে এবং এটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে মুখস্থ রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Affable
কেন সঠিক:
Supercilious শব্দের অর্থ হলো অহংকারী বা অন্যকে তুচ্ছজ্ঞানকারী মানুষ।
এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো অমায়িক বা মিশুক স্বভাবের মানুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Affable — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ মিশুক ও অমায়িক।
B) Haughty — এটি Supercilious শব্দের সমার্থক কারণ এর অর্থ অহংকারী।
C) Disdainful — এটিও Supercilious শব্দের সমার্থক যার অর্থ অবজ্ঞাপূর্ণ।
D) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা খারাপ যা সরাসরি বিপরীত বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
Supercilious মানে উচু নাক অর্থাৎ অহংকার, আর Affable মানে সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা।
সঠিক উত্তর: C) Voluntary
কেন সঠিক:
Compulsory শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বাধ্যতামূলক বা যা করা আবশ্যক।
Voluntary শব্দটির অর্থ হলো ঐচ্ছিক বা যা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়, যা Compulsory শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mandatory — এই শব্দটির অর্থ বাধ্যতামূলক, যা Compulsory শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ।
B) Obligatory — এই শব্দটির অর্থও বাধ্যতামূলক বা অবশ্যপালনীয়, যা Compulsory শব্দের বিপরীত নয়।
C) Voluntary — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) Complimentary — এই শব্দটির অর্থ প্রশংসাসূচক বা বিনামূল্যে প্রাপ্ত, যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Compulsory মানে বাধ্যতামূলক আর Voluntary মানে ইচ্ছাকৃত, তাই পরীক্ষার হলে এদের বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) Moon
কেন সঠিক:
Lunar শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Luna থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ। তাই এই শব্দটি সরাসরি চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Moon — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
B) Sun — সূর্য সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ হলো Solar যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Earth — পৃথিবী সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ হলো Terrestrial যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Mars — মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ হলো Martian যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Lunar মানে চাঁদ এবং Solar মানে সূর্য, এই দুটি শব্দ সবসময় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) Magi
কেন সঠিক:
‘Magus’ শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে ইংরেজীতে এসেছে। লাতিন নিয়মে যেসব শব্দের শেষে ‘us’ থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় ‘us’ বাদ দিয়ে ‘i’ যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Magus — এটি একবচন রূপ হওয়ায় বহুবচন হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
B) Maguses — এটি ইংরেজী ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী গঠিত ভুল রূপ।
C) Magux — এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল শব্দ।
D) Magi — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাতিন ভাষার যেসব শব্দের শেষে us থাকে, তাদের বহুবচন সাধারণত i দিয়ে শেষ হয় যেমন Magus থেকে Magi।
সঠিক উত্তর: D) Empower
কেন সঠিক:
- 'Empower' একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ ক্ষমতা বা ক্ষমতা প্রদান করা।
- 'Power' নাউনের পূর্বে 'Em' প্রিফিক্স যুক্ত করে এই ভার্বটি গঠন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Powerful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ ক্ষমতাবান।
B) Powerfully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ শক্তিমত্তার সাথে।
C) Enpower — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ, সঠিক বানান হলো Empower।
D) Empower — এটি সঠিক ভার্ব রূপ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউনের পূর্বে 'Em' যুক্ত করে তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন Power থেকে Empower।
সঠিক উত্তর: A) He insisted on my going to cinema.
কেন সঠিক:
Insist verbটির পরে সঠিক preposition হিসেবে ہمیشہ on বসে।
on এর পরে possessive form (my) এবং gerund (going) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর হওয়াতে এটি সঠিক বাক্য।
B) Insist verbটির পরে সরাসরি object এবং infinitive বসে না।
C) Insist এর পরে preposition হিসেবে in বসে না।
D) Insist এর পরে preposition হিসেবে for বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দটির সাথে সবসময় on preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Everybody was satisfied with him.
কেন সঠিক:
Active voice এ verb টি past indefinite tense এ থাকায় passive voice করার সময় was ব্যবহার করতে হবে।
Satisfy verb টির পর সাধারণত by না বসে preposition হিসেবে with বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Everybody has been satisfied by him — এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের tense এর সাথে মেলে না।
B) Everybody was satisfied by him — এখানে preposition হিসেবে with এর পরিবর্তে ভুলভাবে by ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Everybody was satisfied with him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Everybody would be satisfied at him — এখানে modal auxiliary verb এবং ভুল preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Satisfy, please, charm ইত্যাদি verb এর পর by না বসে সাধারণত with বসে।
সঠিক উত্তর: A) Control
কেন সঠিক:
- Repress শব্দের অর্থ দমন করা, নিবারণ করা বা নিয়ন্ত্রণ করা।
- Control শব্দের অর্থও নিয়ন্ত্রণ করা বা দমন করা, যা Repress শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Control — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দমন করা বা নিয়ন্ত্রণ করা।
B) Represent — এর অর্থ প্রতিনিধিত্ব করা, যা Repress শব্দের সমার্থক নয়।
C) Republish — এর অর্থ পুনরায় প্রকাশ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Repute — এর অর্থ খ্যাতি বা সুনাম, যা Repress শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Repress শব্দের শুরুতে Re এবং Control শব্দের শুরু C দিয়ে হলেও দুটির মূল ভাব হলো কোনো কিছুকে নিয়ন্ত্রণে রাখা বা দমন করা।
সঠিক উত্তর: D) he were a child
কেন সঠিক:
আসন্ন বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে as though এর পরে সাবজেক্টের পর সবসময় were বসে।
এখানে মানুষটি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও শিশুর মতো কথা বলার অবাস্তব কল্পনা বোঝানো হয়েছে।
তাই নিয়মের দিক থেকে এখানে একমাত্র were ব্যবহার করা সঠিক।
অবাস্তব শর্ত বা কল্পনার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ক্ষেত্রেও were বসা ব্যাকরণের নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he was a child — এখানে was ব্যবহার করা হয়েছে যা অবাস্তব কল্পনার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) he is a child — বর্তমানকাল বোঝালেও as though এর পরের অংশে সরাসরি is ব্যবহার করা যায় না।
C) he has been a child — এটি বর্তমান নিখুঁত কাল নির্দেশ করে যা এই ধরনের বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) he were a child — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে as if বা as though থাকলে এবং তা অবাস্তব কল্পনা বোঝালে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were বসবে।
সঠিক উত্তর: A) Confession
কেন সঠিক:
Confess শব্দের শেষে -ion যুক্ত করে একে noun এ রূপান্তর করা হয়েছে। এটি অপরাধ বা সত্য স্বীকার করা বোঝাতে noun হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Confession — এটি সঠিক উত্তর।
B) Confess — এটি মূল শব্দ যার Parts of speech হলো verb।
C) Confusion — এটি Confuse শব্দের noun রূপ যার অর্থ বিভ্রান্তি।
D) Confessionably — এটি একটি ভুল গঠন বা অপ্রচলিত শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে -ion বা -sion থাকলে সাধারণত সেটি noun হয়।
সঠিক উত্তর: D) It has been raining since morning.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও কাজ جاری থাকার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। তাই এটি Present Perfect Continuous Tense-এর গঠন অনুসরণ করবে।
নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে থেকে বোঝাতে 'since' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining since morning. — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় ভুল হয়েছে, কারণ নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ থাকলে এই টেন্স ব্যবহার করা যায় না।
B) It has been being raining since morning. — এখানে দুটি 연속된 continuous form (been being raining) ব্যবহারের নিয়ম নেই, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) It has been raining for morning — নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে 'for' বসে না, সুনির্দিষ্ট বিন্দুর ক্ষেত্রে 'since' ব্যবহার করতে হয়।
D) It has been raining since morning. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
যautohing নির্দিষ্ট সময় বা সকাল, দুপুর থেকে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করতে হয় এবং পয়েন্ট অফ টাইমের ক্ষেত্রে since বসে।
সঠিক উত্তর: B) mercilessly
কেন সঠিক:
- 'Black and blue' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ কালচে ও নীলচে হয়ে যাওয়া, যা মূলত প্রহার করার ফলে ত্বকের পরিবর্তনকে বোঝায়।
- তাই এই ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ হলো অত্যন্ত নির্মমভাবে বা প্রহার করে জখম করা, যা প্রদত্ত অপশনের সাথে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mercifully — এর অর্থ সদয়ভাবে বা দয়ার সাথে, যা এই প্রহার সংক্রান্ত বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) mercilessly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই মূল ইডিয়মের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে।
C) sympathetically — এর অর্থ সহানুভূতির সাথে, যা শারীরিক নির্যাতনের এই অবস্থার সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) hopefully — এর অর্থ আশাবাদীভাবে, যা এই নিদারুণ শারীরিক নির্যাতন বা আঘাতের ঘটনার সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
মারধরের চোটে শরীরের ত্বক যখন কালচে ও নীলচে হয়ে যায়, তখন তাকে নির্মম বা mercilessly প্রহার করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) He acted as I advised him.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে 'on my advice' একটি prepositional phrase যা কাজের ধরন বা উপায় বোঝাচ্ছে। এটিকে complex sentence-এ রূপান্তর করতে হলে 'as' conjunction ব্যবহার করে একটি subordinate clause আনতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I advised him and acted. — এটি একটি compound sentence এবং এর অর্থ মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না কারণ এখানে বক্তা নিজে কাজ করার কথা বলা হয়েছে।
B) I advised him that he acted. — এটি complex sentence হলেও এর অর্থ সম্পূর্ণ ভুল এবং অসংলগ্ন হয়।
C) He acted according to my advice. — এটি একটি simple sentence, কারণ এতে একটি মাত্র finite verb আছে এবং এটি প্রশ্নানুযায়ী complex নয়।
D) He acted as I advised him. — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম মেনে complex sentence তৈরি করেছে এবং মূল বাক্যের অর্থ পুরোপুরি ঠিক রেখেছে।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর কোনো phrase-কে complex করার সময় 'as' বা 'like' যুক্ত করে subordinate clause বানাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) the first speech
কেন সঠিক:
Maiden speech একটি ইংরেজি ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ কুমারীর বক্তৃতা হলেও এর আসল অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির জীবনের প্রথম বক্তব্য। মূলত সংসদে বা আনুষ্ঠানিক সভায় কেউ প্রথম যে বক্তব্য রাখেন তাকেই এই বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a speech by a woman — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নারীর দেওয়া সাধারণ বক্তব্য বোঝায় না, বরং এটি যেকোনো ব্যক্তির প্রথম বক্তব্য।
B) the main speech — এটি ভুল কারণ মূল বক্তব্যকে প্রধান বক্তৃতা বলা হয়, কিন্তু maiden speech বলতে প্রথম বক্তব্যকে বোঝায়।
C) the first speech — এটি সঠিক কারণ ইডিওমটির মূল অর্থই হলো কোনো অনুষ্ঠানে বা জনসভায় প্রদত্ত প্রথম ভাষণ।
D) the last speech — এটি ভুল কারণ শেষ বক্তব্যকে সমাপনী বক্তব্য বলা হয়, যা প্রথম বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম, তাই কোনো অনুষ্ঠানে কারো দেওয়া প্রথম বক্তব্যকেই maiden speech বলা হয়।
সঠিক উত্তর: C) ৩০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
বই বিক্রয় করা হলো ১০% ক্ষতিতে
বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হয়
ধরি,
বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা
বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা
সুতরাং,
পার্থক্যের পরিমাণ ১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
পার্থক্যের পরিমাণ ৪৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৪৫) ÷ ১৫ = ৩০০ টাকা
উত্তর: ৩০০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ৮৬১
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ... + ৮১
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ (a) = ১
সাধারণ অন্তর (d) = ৫ − ১ = ৪
অতএব,
ধري, পদসংখ্যা = n
n তম পদ = a + (n − ১) × d = ৮১
সুতরাং,
১ + (n − ১) × ৪ = ৮১
৪n − ৪ = ৮০
উত্তর: n = ২১, এবং সমষ্টি = (২১ ÷ ২) × (১ + ৮১) = ৮৬১
সঠিক উত্তর: A) ২০ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশের ১/৪ অংশ কাঁদায় আছে
বাঁশের ৩/৫ অংশ পানিতে আছে
পানির উপরে আছে ৩ মিটার
ধরি,
বাঁশটির সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
কাঁদায় ও পানিতে আছে = (ক ÷ ৪) + (৩ক ÷ ৫) অংশ
লসাগু করে পাই = (৫ক + ১২ক) ÷ ২০ অংশ = ১৭ক ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
পানির উপরে আছে = ক − (১৭ক ÷ ২০ অংশ) = ৩ক ÷ ২০ অংশ
উত্তর: ৩ক ÷ ২০ = ৩ সুতরাং ক = ২০ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো দুই, তিন, পাঁচ, নয়, সতেরো
ধরি,
প্রথম পদের সাথে পার্থক্য = তিন − দুই = এক
দ্বিতীয় পদের সাথে পার্থক্য = পাঁচ − তিন = দুই
অতএব,
তৃতীয় পদের সাথে পার্থক্য = নয় − পাঁচ = চার
চতুর্থ পদের সাথে পার্থক্য = সতেরো − নয় = আট
সুতরাং,
পঞ্চম পদের সাথে পার্থক্য হবে ষোলো
পরবর্তী সংখ্যাটি হবে সতেরো + ষোলো = তেত্রিশ
উত্তর: ৩৩
সঠিক উত্তর: D) ৯০০০১
প্রদত্ত তথ্য:
ছয় অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
ছয় অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০০
চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯
অতএব,
দুটি সংখ্যার অন্তর বের করতে হবে
অন্তর মানে হলো বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যা বিয়োগ করা
সুতরাং,
১০০০০০ − ৯৯৯৯ = ৯০০০০১
উত্তর: ৯০০০০১
সঠিক উত্তর: B) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যা ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত
প্রথম সংখ্যা ১ এবং শেষ সংখ্যা ৪৯
ধরি,
ক্রমিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৪৯
অতএব,
সংখ্যার যোগফল = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × মোট সংখ্যা ÷ ২
মান বসিয়ে পাই = (১ + ৪৯) × ৪৯ ÷ ২
সুতরাং,
যোগফল = ৫০ × ৪৯ ÷ ২ = ১২২৫
গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: A) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
একটি ধনাত্মক সংখ্যার দ্বিগুণের বর্গের সাথে ১৫ যোগ করলে ৪১৫ হয়।
ধরি,
অজানা ধনাত্মক সংখ্যাটি ক
সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ক
সংখ্যাটির দ্বিগুণের বর্গ = (২ক) এর বর্গ
অতএব,
শর্তমতে, (২ক) এর বর্গ + ১৫ = ৪১৫
৪(ক এর বর্গ) + ১৫ = ৪১৫
৪(ক এর বর্গ) = ৪১৫ − ১৫
সুতরাং,
৪(ক এর বর্গ) = ৪০০
ক এর বর্গ = ৪০০ ÷ ৪
ক এর বর্গ = ১০০
উত্তর: ক = ১০
সঠিক উত্তর: B) ৮০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল = ৩৮৪ বর্গমিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (ক × ১.৫ক) বর্গমিটার
১.৫ক বর্গ = ৩৮৪
সুতরাং,
ক বর্গ = ৩৮৪ ÷ ১.৫ = ২৫৬
ক = ১৬ মিটার
উত্তর: প্রস্থ ১৬ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার হলে পরিসীমা = ২ × (২৪ + ১৬) = ৮০ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ৬ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট
ভাঙা অংশ ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০°
ধরি,
মাটি থেকে গাছের ভাঙার উচ্চতা = x ফুট
তাহলে গাছের বাকি অংশের দৈর্ঘ্য = (১৮ − x) ফুট
অতএব,
ত্রিভুজ অনুযায়ী লম্ব = x
ত্রিভুজ অনুযায়ী অতিভুজ = ১৮ − x
আমরা জানি, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
সুতরাং,
sin(৩০°) এর মান = ১ ÷ ২
সমীকরণ অনুযায়ী, x ÷ (১৮ − x) = ১ ÷ ২
উত্তর: ২x = ১৮ − x, অর্থাৎ ৩x = ১৮, যার ফলে x = ৬ ফুট
সঠিক উত্তর: B) ২৫√২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য ১০ সে.মি.
বাহুদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ ৪৫ ডিগ্রি
ধরি,
প্রথম বাহু a = ১০ সে.মি.
দ্বিতীয় বাহু b = ১০ সে.মি.
অন্তর্ভুক্ত কোণ C = ৪৫°
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো হাফ গুণ a গুণ b গুণ সাইন C
এখানে সাইন ৪৫ ডিগ্রির মান হলো ১ ভাগ √২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১০ × ১০ × (১ ÷ √২) বর্গ সে.মি.
উত্তর: ২৫√২ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ৬ cm
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = ৩ cm
দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = ৪ cm
তৃতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = ৫ cm
ধরি,
নতুন গোলকের ব্যাসার্ধ = r cm
অতএব,
প্রথম গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৩)^৩ ঘন cm
দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৪)^৩ ঘন cm
তৃতীয় গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৫)^৩ ঘন cm
সুতরাং,
নতুন গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৩)^৩ + (৪ ÷ ৩) × π × (৪)^৩ + (৪ ÷ ৩) × π × (৫)^৩ ঘন cm
উত্তর: ৬ cm
সঠিক উত্তর: A) ১৬ বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক
ধরি,
বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
বর্গের কর্ণের সূত্র = ক√২ একক
অতএব,
ক√২ = ৪√২
ক = ৪
সুতরাং,
বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক
= ৪ × ৪ = ১৬ বর্গ একক
উত্তর: ১৬ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: D) সম্পূরক কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি কোণ পরস্পর সন্নিহিত এবং তাদের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি।
ধরি,
প্রথম কোণটি = ক ডিগ্রি
দ্বিতীয় কোণটি = খ ডিগ্রি
অতএব,
ক + খ = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
দুটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হলে তাদেরকে সম্পূরক কোণ বলে।
উত্তর: সম্পূরক কোণ
সঠিক উত্তর: B) ২টি
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে বাইরের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু
বৃত্তের ব্যাসার্ধের নির্দিষ্ট পরিমাপ
ধরি,
বহিঃস্থ বিন্দুটির অবস্থান কেন্দ্র থেকে দূরে
বৃত্তের পরিধি বরাবর স্পর্শবিন্দুর অবস্থান
অতএব,
বিন্দু থেকে বৃত্তের ওপর অঙ্কিত প্রথম সরলরেখা
বিন্দু থেকে বৃত্তের ওপর অঙ্কিত দ্বিতীয় সরলরেখা
সুতরাং,
মোট স্পর্শক আঁকা সম্ভব দুইটি
উত্তর: ২টি
সঠিক উত্তর: C) ২, ৪, ২০০৮
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে
ত্রিভুজের যেকোনো দুটি বাহুর দৈর্ঘ্যের সমষ্টি তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হতে হয়
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুগুলো হলো ক, খ এবং গ
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে প্রথম বাহু যোগ দ্বিতীয় বাহু বের করতে হবে
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বাহুগুলোর যোগফল যাচাই করতে হবে
সুতরাং,
অপশন সি তে দেওয়া বাহুগুলোর ছোট দুটির যোগফল তৃতীয়টির চেয়ে ছোট হয়
উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ গঠন অসম্ভব
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য হলো একটি পূর্ণ মাপের বাহু
সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য হলো তার চার ভাগের এক ভাগ
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক
সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক
এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (ক × ক) ÷ (ক ÷ ৪ × ক ÷ ৪) = ১৬
উত্তর: ১৬ গুণ
সঠিক উত্তর: A) ব্যাস
প্রদত্ত তথ্য:
একটি বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে জ্যা অংকন করা হয়েছে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হলো বিন্দু ও
জ্যাটি কেন্দ্র অতিক্রম করে পরিধির দুটি বিন্দুকে যুক্ত করেছে
অতএব,
কেন্দ্রগামী এই রেখাংশটি বৃত্তের পরিধিকে দুটি সমান অংশে বিভক্ত করে
এর দৈর্ঘ্য বৃত্তের সবচেয়ে দীর্ঘ জ্যা হিসেবে বিবেচিত হয়
সুতরাং,
বৃত্তের কেন্দ্র ছেদকারী এই জ্যাটি বৃত্তের ব্যাস হিসেবে পরিচিত
উত্তর: ব্যাস
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে
ধরি,
সংখ্যাগুলো হলো ৫১, ৫৯, ৬৩ এবং ৮৭
অতএব,
৫১ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৫ + ১ = ৬
৬৩ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৬ + ৩ = ৯
সুতরাং,
৮৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৮ + ৭ = ১৫
৫৯ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: A) − ৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশি হলো log2 (১ ÷ ৬৪)
ধরি,
রাশিটির মান সমান ক
অতএব,
২ এর পাওয়ার ক সমান ১ ÷ ৬৪
সুতরাং,
২ এর পাওয়ার ক সমান ১ ÷ (২ এর পাওয়ার ৬)
উত্তর: ক সমান − ৬
সঠিক উত্তর: B) ±৬
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x এর ওপর স্কয়ার + ১ ভাগ x এর ওপর স্কয়ার = ৩৮
আমরা জানি,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = (x + ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার − ৪
অথবা সরাসরি মান নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করা যায়, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = (x এর ওপর স্কয়ার + ১ ভাগ x এর ওপর স্কয়ার) − ২
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = ৩৮ − ২
সুতরাং, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = ৩৬
উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই,
x − ১ ভাগ x = প্লাস মাইনাস √৩৬
উত্তর: ±৬
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20%
শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10%
উত্তর: 10%
সঠিক উত্তর: B) ৫^(x + ১)
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো পাঁচটি পাঁচের পাওয়ার এক্স এর যোগফল
যা বীজগণিতের সাধারণ নিয়মে সমাধান করা যায়
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = ৫^x + ৫^x + ৫^x + ৫^x + ৫^x
অতএব,
এখানে ৫^x রাশিটি মোট পাঁচবার যোগ করা হয়েছে
তাই একে গুণের আকারে লেখা যায় এভাবে
সুতরাং,
৫ × ৫^x = ৫^(x + ১)
উত্তর: ৫^(x + ১)
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় (প্রশ্নে কাোনটি নয় উল্লেখ আছে)
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে সম্প্রতি বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়ার কথা বলা হলেও অপশনগুলোতে সঠিক রোগটির নাম নেই।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই সাম্প্রতিক আলোচিত সেই বিরল রোগের সঙ্গে মেলে না, তাই সঠিক উত্তর কোনটি নয় হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ্যানথ্রাক্স — এটি প্রধানত গবাদিপশুর রোগ হলেও এটি কোনো নতুন বা সাম্প্রতিক আলোচিত বিরল রোগ নয়।
B) ট্রিম্যান — এটি সাধারণ কোনো পরিচিত বা আলোচিত রোগ নয় এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক নয়।
C) চিকন গুনিয়া — এটি একটি পরিচিত মশাবাহিত রোগ যা বাংলাদেশে বহু আগে থেকেই বিদ্যমান।
D) কোনটি নয় — সাম্প্রতিক আলোচিত বিরল রোগটি অপশনে না থাকায় এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
প্রশ্নে নির্দিষ্ট কোনো সাম্প্রতিক বিরল রোগের নাম না থাকলে এবং অপশনে সঠিক রোগটি না থাকলে উত্তর কোনটি নয় হবে।
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত এই ভবনটি দেশের প্রথম ও একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার।
- চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এই বাণিজ্যিক টাওয়ারটি নির্মাণ ও পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে কোনো ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নেই।
B) সিলেট — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহর হলেও এখানে এই ধরনের কোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক টাওয়ার নেই।
C) কুমিল্লা — এটি একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহর হলেও এখানে এই ট্রেড সেন্টার অবস্থিত নয়।
D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বন্দর নগরীতেই দেশের একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামেই দেশের প্রথম ও একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি অবস্থিত।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) জাপানি (প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, সঠিক উত্তর জাপানি ভাষা)
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি সর্বশেষ জাপানি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- গ্রন্থটির জাপানি অনুবাদের শিরোনাম হলো 'বংগাকুরু নো জিকোকোকু' এবং এটি প্রকাশ করেছে জাপানের একাডেমি প্রেস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুশ — এটি গ্রন্থটির সর্বশেষ অনূদিত ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ডাচ্ — এটি গ্রন্থটির সর্বশেষ অনূদিত ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) চীনা — এটি গ্রন্থটির সর্বশেষ অনূদিত ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) কোনটি নয় — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল কারণ সঠিক উত্তর জাপানি ভাষা অপশনগুলোতে সরাসরি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
অসমাপ্ত আত্মজীবনী সর্বশেষ অনূদিত হয়েছে জাপানি ভাষায়, যা জাপান দেশ সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় (প্রদত্ত উত্তরটি আংশিক সঠিক, কারণ নাসায় কর্মরত প্রকৃত বাংলাদেশী জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. দীপঙ্কর তালুকদার বা ড. লুৎফর রহমান সুজন, তবে অপশনগুলোতে সঠিক নাম নেই)
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রুবাব খান নাসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তিনি মূলত জ্যোতির্বিজ্ঞানী নন, বরং একজন বিশিষ্ট জ্যোতির্বিদ ও গবেষক।
- তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো অপশন না থাকায় ডি অপশনটি বেছে নেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুবাব খান — তিনি নাসা ও গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত একজন জ্যোতির্বিদ, তবে মূল ধারার জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে অন্য কেউ অধিক পরিচিত।
B) সালমান খান — এই নামের কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি নাসায় কর্মরত জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত নন, তিনি মূলত অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা।
সি) কামাল জিহান — এই নামে নাসায় কর্মরত কোনো প্রখ্যাত বাংলাদেশী জ্যোতির্বিজ্ঞানী বা গবেষকের দাপ্তরিক বা ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
ডি) কোনটি নয় — যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে নাসায় কর্মরত সঠিক কোনো বাংলাদেশী জ্যোতির্ব বিজ্ঞানীর নাম নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
নাসায় কর্মরত বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের মধ্যে ড. দীপঙ্কর তালুকদার এবং ড. রুবাব খানের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত।
সঠিক উত্তর: C) সিলেটের মালনী ছড়ায়
কেন সঠিক:
- ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম চা চাষ শুরু করা হয়।
- বাণিজ্যিকভাবে চা চাষের সূচনা এই বাগান থেকেই হওয়ায় এটি বাংলাদেশের চা শিল্পের সূতিকাঘর হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেটের তামাবিলে — এটি মূলত একটি সীমান্তবর্তী এলাকা এবং শুল্ক স্টেশন, যা প্রথম চা চাষের জন্য পরিচিত নয়।
B) সিলেটের জাফলংয়ে — এটি পাথরের জন্য বিখ্যাত একটি পর্যটন কেন্দ্র, যা প্রথম চা চাষের ইতিহাস বহন করে না।
C) সিলেটের মালনী ছড়ায় — এটি পরীক্ষামূলকভাবে বাংলাদেশের প্রথম চা চাষ শুরুর স্থান হওয়ায় সঠিক উত্তর।
D) সিলেটের শ্রীমঙ্গলে — শ্রীমঙ্গলকে চায়ের রাজধানী বলা হলেও এটি প্রথম চা চাষের স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
চা চাষের মাল প্রথম মালনীছড়ায় রোপণ করা হয়েছিল, এভাবে স্থানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ
কেন সঠিক:
- ক্রোমোজোম ত্রুটির কারণে গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়াকে ডাউন সিনড্রোম বলা হয়।
- মানবদেহে ২১ নম্বর ক্রোমোজোমের ট্রাইসোমি বা অতিরিক্ত উপস্থিতির ফলে এই জন্মগত বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ — এটি ডাউন সিনড্রোমের সঠিক ও প্রাসঙ্গিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
B) ধানগাছের বিশেষ রোগ — এটি মানবদেহের জিনগত বা ক্রোমোজোমের সাথে সম্পর্কিত স্বাস্থ্যগত অবস্থার সাথে মেলে না।
C) নৈতিক অবক্ষয়ের লক্ষণ — এটি কোনো মনস্তাত্ত্বিক বা নৈতিক বিষয় নয়, বরং এটি একটি জন্মগত শারীরিক ও মানসিক অবস্থা।
D) ফলের অপরিণত বিকাশ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত, মানবদেহের জিনগত ত্রুটির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ডাউন সিনড্রোম মানেই ক্রোমোজোমের ত্রুটিতে শিশুর জন্মগত বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬২
কেন সঠিক:
- আইয়ুব খানের সামরিক সরকারের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে।
- শিক্ষা সংকোচনের এই নীতির প্রতিবাদে ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রসমাজ ঐতিহাসিক আন্দোলন ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম চালায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৬ — এই সালে পাকিস্তান প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়, যা শিক্ষার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৬৬ — এই সালে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
D) ১৯৬৮ — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষার অধিকার রক্ষায় ১৯৬২ সালে বাঙালি ছাত্রসমাজ রক্ত দিয়েছিল, তাই মনে রাখুন শিক্ষার বছর ১৯৬২।
সঠিক উত্তর: D) ১১১টি
কেন সঠিক:
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে এই সীমান্ত জটিলতার অবসান হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের পূর্বে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ভারতের মোট ১১১টি ছিটমহল ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটমহলের প্রকৃত সংখ্যা ছিল ১১১টি।
B) ১১০টি — এটি ভুল সংখ্যা, ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহলের সংখ্যা ছিল ১১১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরেও ভারতের ছিটমহল ১১১টি ছিল।
C) ১১৪টি — এটি একটি ভুল পরিসংখ্যান, যা সঠিক ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না।
D) ১১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০১৫ সালের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিনিময় হওয়া ছিটমহলের সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে, ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিল ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ছিল ১১১টি।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন মনোক্সাইড
কেন সঠিক:
- এটি একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ও গন্ধহীন গ্যাস যা প্রধানত জীবাশ্ম জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়।
- এটি রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিজেনের পরিবহন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়, যা বায়ু দূষণের অন্যতম প্রধান ক্ষতিকর উপাদান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান এবং প্রাণীকুলের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য উপকারী গ্যাস, যা সরাসরি বায়ু দূষণের জন্য দায়ী নয়।
B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বাধিক পরিমাণ থাকা একটি নিষ্ক্রিয় ও নিরাপদ প্রধান উপাদান, যা স্বাভাবিক অবস্থায় দূষণ সৃষ্টি করে না।
C) কার্বন মনোক্সাইড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত কারণ এটি সরাসরি বায়ু দূষণ ও মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
D) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী, তবে সরাসরি মারাত্মক বিষাক্ত বায়ু দূষণকারী হিসেবে কার্বন মনোক্সাইড প্রধান।
মনে রাখার টিপস:
অসম্পূর্ণ দহনে বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়, আর কার্বন মনোক্সাইড হলো সেই নীরব ঘাতক যা বায়ু দূষণ ঘটায়।
সঠিক উত্তর: C) ব্রাজিল
কেন সঠিক:
- জিকা ভাইরাস সংক্রান্ত প্রাদুর্ভাব ও বড় আকারের মহামারী সর্বপ্রথম ২০১৫ সালে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- যদিও ভাইরাসটির আবিষ্কার উগান্ডার জিকা বনে হয়েছিল, তবে এটি বিশ্বব্যাপী মহামারী হিসেবে প্রথম ব্রাজিনেই আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — এটি জিকা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল বা প্রথম বড় প্রাদুর্ভাবের দেশ নয়।
B) আমেরিকা — এই দেশটিতে জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব পরবর্তী সময়ে দেখা দিলেও এটি প্রথম ছড়ানোর দেশ নয়।
C) ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ভাইরাসটি প্রথম ব্যাপক মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল।
D) ইরাক — এই দেশটি জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জিকা ভাইরাস মহামারীর কথা মনে রাখতে ব্রাজিল ফুটবল দলের নাম ও বিখ্যাত কার্নিভালের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) ১ঃ৭০০
কেন সঠিক:
- মানবদেহে শ্বেতকণিকা ও লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক অনুপাত সাধারণত ১ঃ৭০০ হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ প্রতি ৭০০টি লোহিত রক্তকণিকার বিপরীতে ১টি শ্বেতকণিকা অবস্থান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ঃ৫০০ — এটি ভুল কারণ রক্তকণিকার স্ট্যান্ডার্ড অনুপাতে এই সংখ্যাটি মেলে না।
B) ১ঃ৬৫0 — এটি ভুল কারণ সঠিক অনুপাতের মান এর চেয়ে কিছুটা বেশি।
C) ২ঃ৭০০ — এটি ভুল কারণ শ্বেতকণিকার সংখ্যা এখানে দ্বিগুণ ধরা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) ১ঃ৭০০ — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মানবদেহের রক্তকণিকার প্রকৃত অনুপাত নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
শ্বেতকণিকা রাজার মতো একা থাকে, আর তার পেছনে ৭০০ জন লোহিত কণিকা প্রজার মতো কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) ২০০৪
কেন সঠিক:
- মার্ক জাকারবার্গ ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে এটি প্রথমে চালু করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০০ — এই সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর।
B) ২০০৩ — এই সালে ফেসবুকের পূর্বসূরী ফেসম্যাস তৈরি হলেও ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে।
C) ২০০৪ — এটি ফেসবুক প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ২০০৬ — এই সালে ফেসবুক সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়, প্রতিষ্ঠার বছর এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক প্রতিষ্ঠা হয়েছে ২০০৪ সালে, এভাবে মনে রাখুন যে শূন্যের ঠিক পরেই চার আসে।
সঠিক উত্তর: D) তামিম
কেন সঠিক:
- তামিম ইকবাল ২০১৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে ১০৩ রান করেছিলেন, যা টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে একমাত্র শতক।
- এটি আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস হিসেবে আজও অপরিবর্তিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব — সাকিব আল হাসান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার কোনো শতক নেই।
B) মাশরাফি — মাশরাফি বিন মর্তুজা বাংলাদেশ দলের সফল অধিনায়ক ও পেসার হলেও তিনি লোয়ার অর্ডার ব্যাটার হিসেবে খেলতেন এবং তার কোনো টি-২০ শতক নেই।
C) সাব্বির — সাব্বির রহমান ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে কিছু ভালো ইনিংস খেললেও দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-২০তে কোনো শতক করতে পারেননি।
D) তামিম — তামিম ইকবাল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে টি-২০ বিশ্বকাপে শতক অর্জনের গৌরব অর্জন করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
টি-২০ তে দেশের প্রথম ও একমাত্র সেঞ্চুরির মালিক তামিম ইকবাল, যা তিনি ২০১৬ সালে ওমানের বিপক্ষে করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: B) এটর্নি জেনারেল
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তিনিই সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন।
- সরকারের পক্ষে সুপ্রীম কোর্টের সকল আদালতে আইনি মতামত প্রদান ও প্রতিনিধিত্ব করা তার প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনমন্ত্রী — তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক প্রধান ও মন্ত্রী, তবে সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা বা অ্যাটর্নি জেনারেল নন।
B) এটর্নি জেনারেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কারণ দেওয়া হয়েছে।
C) প্রধান বিচারপতি — তিনি দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকেন এবং সুপ্রীম কোর্টের প্রধান, সরকারের আইন কর্মকর্তা নন।
D) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ সংস্থা, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা আইন কর্মকর্তা নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন করে সংসদ, বিচার করেন প্রধান বিচারপতি, আর সরকারের পক্ষে আদালতে আইনি লড়েন অ্যাটর্নি জেনারেল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) আগারগাঁও
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগারটি রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহবাগে — এটি সঠিক নয়, কারণ শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও গণগ্রন্থাগার অবস্থিত।
B) গুলিস্তানে — এটি সঠিক নয়, কারণ গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়াম ও বিভিন্ন বিপণন বিতান অবস্থিত।
C) আগারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) উত্তরায় — এটি সঠিক নয়, কারণ উত্তরা একটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা যেখানে জাতীয় গ্রন্থাগার নেই।
মনে রাখার টিপস:
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও আর্কাইভ অবস্থিত, যার মধ্যে জাতীয় গ্রন্থাগার অন্যতম।
সঠিক উত্তর: C) ১৭৫ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৭৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় বা ব্যক্তিগত বীরত্বসূচক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৭৬ জন — এটি বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা, বীর বিক্রমের সংখ্যা নয়।
B) ৬৪ জন — এটি বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক সংখ্যা, যা বীর বিক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৭৫ জন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা।
D) ৪২৬ জন — এটি কোনো নির্দিষ্ট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারি সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বীরত্বের ক্রমানুসারে বীর শ্রেষ্ঠ ৭, বীর উত্তম ৬৮, বীর বিক্রম ১৭৫ এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মিনিট
কেন সঠিক:
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার এবং আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- এই দূরত্ব অতিক্রম করতে সূর্যের আলোর পৃথিবীতে আসতে গড়ে প্রায় আট মিনিট সময় লাগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মিনিট — এই সময়ের মধ্যে সূর্যের আলো সম্পূর্ণ দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না।
B) ৮ মিনিট — এটি সঠিক সময় হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ৯ মিনিট — এই সময়ের পরিমাণ প্রকৃত সময়ের চেয়ে বেশি।
D) ১০ মিনিট — এই সময়সীমা অতিরিক্ত বেশি এবং অবাস্তব।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে মোট আট মিনিট সময় লাগে, এই সংখ্যাটি মনে রাখতে আট অংকটিকে মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) নরসিংদী
কেন সঠিক:
- উয়ারি-বটেশ্বর বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও সমৃদ্ধ জনপদ।
- এটি প্রাচীন মৌর্য ও শুঙ্গ আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীপুর — এটি একটি জেলা হলেও এখানে উয়ারি-বটেশ্বর অবস্থিত নয়।
B) নরসিংদী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য।
C) শেরপুর — এটি উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে উয়ারি-বটেশ্বরের কোনো নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
D) ময়মনসিংহ — এটি অন্য একটি প্রশাসনিক জেলা এবং উয়ারি-বটেশ্বরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারি-বটেশ্বর নরসিংদীতে অবস্থিত; মনে রাখতে ব-তে বটেশ্বর আর ন-তে নরসিংদী এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: সঠিক উত্তরটি প্রদত্ত অপশনগুলোতে নেই। সুন্দরবনের শরণখোলা উপজেলার বলেশ্বর নদে কয়লাবাহী কার্গো ডুবেছিল।
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনের বলেশ্বর নদে কয়লাবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটেছিল।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নদীর নাম না থাকায় সঠিক উত্তর হবে কোনটি নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিস্তা — তিস্তা নদী সুন্দরবনাঞ্চলে অবস্থিত নয় এবং এখানে কোনো কয়লাবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটেনি।
B) ভৈরব — ভৈরব নদী সুন্দরবনের ভেতরে নয় এবং এটি এই দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শ্যালা — সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে অতীতে তেলবাহী ট্যাংকার ডুবি হয়েছিল, কয়লাবাহী কার্গো নয়।
D) কোনটি নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক নদীর নাম না থাকায় এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের কয়লাবাহী কার্গো ডুবির নদীটি হলো বলেশ্বর নদ, যা শ্যালা বা ভৈরব নদী নয়।
সঠিক উত্তর: A) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম বাংলা ভাষাকে গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি জানিয়ে ঐতিহাসিক সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- তার এই সাহসী প্রস্তাবের মাধ্যমেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আইনগত ও সংসদীয় লড়াই শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই গণপরিষদে প্রথম বাংলায় কথা বলার ও দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাব রেখেছিলেন।
B) আবুল কাশেম — তিনি তমুদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হলেও ১৯৪৮ সালে গণপরিষদে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেননি।
C) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রবাদপ্রতীম নেতা হলেও পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন না।
D) যোগশচন্দ্র দাস — তিনি গণপরিষদের সদস্য ছিলেন এবং ভাষা আন্দোলনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখলেও মূল প্রস্তাবটি তিনি উত্থাপন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৮ সালে সংবিধানে বাংলাকে যুক্ত করার প্রথম 'দত্ত' (দিতে চেয়েছিলেন) প্রস্তাবটি এনেছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৬
প্রদত্ত তথ্য:
বাঙালির মুক্তির সনদ হলো ছয় দফা দাবি
এই ঐতিহাসিক দাবি পেশ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ধরি,
ছয় দফা দাবি পেশের সাল নির্ধারণ করা হলো ইতিহাসের সঠিক সময়কাল থেকে
অতএব,
পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল
সেই সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করা হয়
সুতরাং,
১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি এই দাবি পেশ করা হয়েছিল
উত্তর: ১৯৬৬
সঠিক উত্তর: C) সিয়েরালিওন
কেন সঠিক:
- ২০০২ সালে সিয়েরালিওনের গৃহযুদ্ধ অবসানে জাতিসংঘের শান্তি মিশনের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা ভাষাকে দেশটির দ্বিতীয় সরকারি ভাষা করা হয়।
- পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে বাংলা ভাষার এই সম্মান প্রাপ্তি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের মাতৃভাষার গৌরব বৃদ্ধি করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোমালিয়া — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং এর সরকারি ভাষা সোমালি ও আরবি, বাংলা ভাষা এখানে রাষ্ট্রভাষা বা সরকারি ভাষার মর্যাদা পায়নি।
B) নেপাল — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সংবিধানে নেপালি ভাষাকে একমাত্র সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
D) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং এর একমাত্র সরকারি ভাষা আরবি, এখানে বাংলা ভাষার কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার সিয়েরালিওন দেশে শান্তি রক্ষা করতে গিয়ে বাংলাদেশিরা বাংলা ভাষাকে সেখানে সরকারি ভাষার মর্যাদা এনে দিয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- পারকী সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর মোহনার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে সড়কপথে সহজেই যাতায়াতযোগ্য একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সৈকতটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
B) কক্সবাজার — এটি ভুল কারণ কক্সবাজার জেলায় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও ইনানী সৈকত রয়েছে, পারকী নয়।
C) বরগুনা — এটি ভুল কারণ বরগুনা জেলায় কুয়াকাটার কাছাকাছি সোনাকাটা ও হরিণঘাটা সৈকত অবস্থিত।
D) পটুয়াখালী — এটি ভুল কারণ পটুয়াখালী জেলায় বিখ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পারকী সৈকত দেখতে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় যাই।
সঠিক উত্তর: B) হাণ্টার কমিশন
কেন সঠিক:
- লর্ড রিপন ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হাণ্টারের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন বা হাণ্টার কমিশন গঠন করেন।
- এই কমিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৮৫৪ সালের উডের নির্দেশপত্রের পর ভারতে শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি মূল্যায়ন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিপন কমিশন — লর্ড রিপন অনেকগুলো সংস্কার করলেও শিক্ষা বিষয়ক এই কমিশনটি তাঁর নামানুসারে রিপন কমিশন নামে পরিচিত নয়, বরং হাণ্টার কমিশন নামে পরিচিত।
B) হাণ্টার কমিশন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) নাথান কমিশন — এটি ১৯১২ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য গঠিত হয়েছিল।
D) লর্ড কমিশন — ব্রিটিশ ভারতে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
লর্ড রিপন শিক্ষা কমিশন গঠনে হান্ট করেছিলেন, তাই এটি হাণ্টার কমিশন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ধর্মপাল
কেন সঠিক:
- পাল বংশের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতাব্দীতে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এবং এটি বৌদ্ধ স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেবপাল — তিনি ধর্মপালের উত্তরাধিকারী হলেও সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি বিক্রমশীল মহাবিহারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
B) ধর্মপাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
C) শশাংক — তিনি গৌড়ের রাজা ছিলেন এবং পাল বংশের উত্থানের অনেক আগে সপ্তম শতাব্দীতে রাজত্ব করতেন।
D) রাজা গোপাল — তিনি পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সোমপুর বিহার নির্মাণ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সোমপুর বিহারের 'স' এবং ধর্মপালের 'ধ' দিয়ে মনে রাখতে পারেন ধর্মপালের ধর্মীয় কাজের অন্যতম সেরা সৃষ্টি এই বিহার।
সঠিক উত্তর: B) নিরেট মূর্খ
১. কেন সঠিক:
- 'গোবর গণেশ' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ গোবরের তৈরি প্রতিমা বা পুতুল।
- রূপক অর্থে এই বাগধারাটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যার বুদ্ধিমত্তা একেবারেই নেই বা যিনি সম্পূর্ণ নির্বোধ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- 'গোবর গণেশ' বাগধারাটিতে গণেশ শব্দের মাধ্যমে দেবতা গণেশকে বোঝানো হয়নি, বরং এখানে মূর্খতা বা জড়বুদ্ধির প্রতীক হিসেবে তুলনা করা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্লাসের শেষ সারিতে বসে থাকা ছেলেটি সারাদিন পড়াশোনা না করে শুধু ঘুমাচ্ছে, তাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না, সে একেবারে গোবর গণেশ।
ব্যাখ্যা: এখানে সম্পূর্ণ নির্বোধ বা অকর্মণ্য বোঝাতে গোবর গণেশ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: এত সহজ একটি অংক বারবার বুঝিয়ে দেওয়ার পরও যে বুঝতে পারে না, তাকে গোবর গণেশ ছাড়া আর কী বলা যায়।
ব্যাখ্যা: বুদ্ধির অভাব বা নিরেট মূর্খতা প্রকাশ করতে এখানে বাক্যটিতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপদার্থ — অপদার্থ বলতে এমন কোনো বস্তুকে বোঝায় যার কোনো কাজের উপযোগিতা নেই, কিন্তু এটি নিরেট মূর্খতার সমার্থক নয়।
B) নিরেট মূর্খ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ হলো সম্পূর্ণ বোকা বা বুদ্ধিমত্তাহীন ব্যক্তি।
C) অত্যন্ত অলস — অত্যন্ত অলস ব্যক্তির জন্য 'কুঁড়ে' বা 'খটকা' জাতীয় শব্দ বা বাগধারা প্রযোজ্য, যা গোবর গণেশ নয়।
D) অপটু — অপটু বলতে অদক্ষ বা কাজে পটু নয় এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, কিন্তু বুদ্ধির স্বল্পতা এর মূল অর্থ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গণেশ দেবতাকে বুদ্ধির দেবতা হিসেবে ভাবা হলেও, তার সঙ্গে 'গোবর' শব্দটি যুক্ত হলে তা উল্টো অর্থ অর্থাৎ সম্পূর্ণ বোকা বা নিরেট মূর্খ বুঝায়।
- কথাটি মনে রাখার জন্য ভাবুন, গোবর দিয়ে মূর্তি বানালে তাতে যেমন বুদ্ধি থাকে না, তেমনি গোবর গণেশ মানেই নিরেট মূর্খ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বুদ্ধিমত্তাহীন বা মূর্খতা বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে অপশনে থাকে।
- পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বিবেচনা করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রকার
১. কেন সঠিক:
অনুবাদ মূলত দুই প্রকার যথা অক্ষরীক অনুবাদ বা আক্ষরিক অনুবাদ এবং ভাবানুবাদ।
উৎস ভাষার প্রতিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ রক্ষা করে যখন অনুবাদ করা হয় তাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলে এবং অর্থের মূল ভাব ঠিক রেখে যখন স্বাধীনভাবে অনুবাদ করা হয় তাকে ভাবানুবাদ বলে।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
অনুবাদ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অর্থের রূপান্তর করার প্রক্রিয়া যেখানে উৎস ভাষা থেকে লক্ষ্য ভাষায় ভাব বা অর্থ স্থানান্তর করা হয়।
আক্ষরিক অনুবাদের ক্ষেত্রে শব্দের সঙ্গে শব্দের মিল রাখা হয় আর ভাবানুবাদে মূল বক্তব্যের ভাবার্থ ফুটিয়ে তোলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আক্ষরিক অনুবাদ - ইট ইজ রেইনিং ক্যাটস অ্যান্ড ডগস এর আক্ষরিক অনুবাদ বিড়াল ও কুকুর বৃষ্টি পড়তেছে কিন্তু সঠিক আক্ষরিক রূপ হলো মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যাখ্যা: আক্ষরিক অনুবাধে অনেক সময় পংক্তি বা বাক্যের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
উদাহরণ ২: ভাবানুবাদ - মর্নিং শোজ দ্য ডে এর সুন্দর ভাবানুবাদ হলো সুপ্রভাতের ইশারাতেই সারাদিন কেমন যাবে তা বোঝা যায়।
ব্যাখ্যা: ভাবানুবাদে মূল প্রবাদের ভাব বজায় রেখে লক্ষ্য ভাষার নিজস্ব প্রকাশভঙ্গি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ প্রকার - এই অপশনটি সঠিক কারণ অনুবাদ প্রধানত আক্ষরিক ও ভাবানুবাদ এই দুই ভাগে বিভক্ত।
B) ৩ প্রকার - অনুবাদকে সাধারণত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয় না তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ৪ প্রকার - অনুবাদের প্রচলিত ও স্বীকৃত শ্রেণিবিন্যাসে চতুর্বিধ রূপের কথা বলা হয় না তাই এটি ভুল।
D) ৫ প্রকার - অনুবাদ পাঁচ প্রকার নয় বরং ব্যাকরণগত দিক থেকে এর প্রধান রূপ দুটি।
৫ মনে রাখার টিপস:
অনুবাদ মানে অন্য ভাষা রূপান্তর আর এর প্রকারভেদ মনে রাখবে দুই হাতে তালি বাজে যেমন অনুবাদও দুই প্রকার।
মূলত আক্ষরিক ও ভাব এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদ কোন ভাষা থেকে কোন ভাষায় হচ্ছে বা অনুবাদের প্রকারভেদ প্রায়ই আসে।
ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গ্রহণযোগ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) সিংহের ডাক
১. কেন সঠিক:
'নাদ' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সিংহের গর্জন বা ডাক। বাংলা শব্দভান্ডারে পশুর ডাক বোঝাতে বিভিন্ন বিশেষ শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং সিংহের ক্ষেত্রে নাদ শব্দটি সুনির্দিষ্টভাবে প্রযোজ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। তৎসম শব্দ হিসেবে 'নাদ' মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত রূপে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর নির্দিষ্ট অর্থ সিংহের গর্জন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘের ডাককে গর্জিত বা নিনাদ বলা হয়।
ব্যাখ্যা: নিনাদ শব্দের অর্থ জোরালো শব্দ বা মেঘের ডাক।
উদাহরণ ২: ঝিঁঝি পোকার ডাককে ঝিঁঝিঁর ডাক বলা হয়।
ব্যাখ্যা: বিভিন্ন পশুপাখির ডাকের নিজস্ব পারিভাষিক ও সুন্দর নাম রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মেঘের ডাক — মেঘের ডাককে গর্জন বা নিনাদ বলা হয়, নাদ বলা হয় না।
B) বাঘের ডাক — বাঘের ডাককে হুংকার বা গর্জ্জন বলা হয়, নাদ নয়।
D) ময়ূরের ডাক — ময়ূরের ডাককে কেকা বলা হয়, নাদ সিংহের ডাকের জন্য নির্দিষ্ট।
৫. মনে রাখার টিপস:
সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় সিংহ গর্জন করে, আর সিংহ থেকে সিংহনাদ বা নাদ শব্দটি মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পশুপাখির ডাক যেমন ময়ূরের কেকা বা কুকুরের ভুউ ভুউ প্রায়ই আসে। শব্দের এই সুনির্দিষ্ট অর্থগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সরিৎ
১. কেন সঠিক:
নদী শব্দের একটি অন্যতম প্রধান সংস্কৃত সমার্থক শব্দ হলো সরিৎ। সরিৎ শব্দের আক্ষরিক অর্থ যা প্রবাহিত হয় বা স্রোতস্বিনী।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ নির্দেশক এই প্রশ্নটিতে প্রমিত বাংলা ভাষার সমার্থক শব্দের ব্যবহার যাচাই করা হয়েছে। নদী প্রকৃতির জলের প্রবাহ নির্দেশ করে এবং সরিৎ শব্দটিও একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তটিনী
ব্যাখ্যা: এটি নদীর আরেকটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যা একই অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: স্রোতস্বিনী
ব্যাখ্যা: এটিও নদীর সমার্থক শব্দ যার অর্থ স্রোত আছে যাঁর বা যাতে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরিৎ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নদীর সমার্থক শব্দ।
B) নগ — এর অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা নদীর সমার্থক নয়।
C) গিরি — এর অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা নদীর সমার্থক নয়।
D) বিহগ — এর অর্থ পাখি বা পক্ষী, যা নদীর সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
নদী সম্পর্কিত সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য তটিনী, তরঙ্গিনী এবং সরিৎ শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। পাহাড় বোঝাতে নগ ও গিরি ব্যবহার করা হয় তা মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নদী, পর্বত, আকাশ ও পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সংস্কৃত তৎসম শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সপ্তাহ
১. কেন সঠিক:
- সপ্তাহ শব্দটিতে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক এবং পরপদটি বিশেষ্য পদ, এবং এর মাধ্যমে সমষ্টি বোঝানো হয়েছে।
- সমাসবদ্ধ পদের শেষে সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে এবং তা বিশেষ্য পদ হলে তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমাসবদ্ধ পদের দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদটি বিশেষ্য পদ হয় এবং এর ব্যাসবাক্যের শেষে সমাহার বা সমষ্টি শব্দ যুক্ত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেপান্তর
ব্যাখ্যা: তিন প্রান্তের সমাহার, যা দ্বিগু সমাসের একটি পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: শতাব্দী
ব্যাখ্যা: শত অব্দের সমাহার, যা সংখ্যাবাচক শব্দ ও বিশেষ্য পদের মিলনে গঠিত দ্বিগু সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সপ্তাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) পরিভ্রমণ — এটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ, যেখানে পরি উপসর্গযুক্ত কৃদন্ত পদের সমাস হয়েছে।
C) আমরণ — এটি আ উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস, যার অর্থ মরণ পর্যন্ত।
D) মনগড়া — এটি তৃতীয় তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য মন দ্বারা গড়া।
৫ মনে রাখার টিপস:
- দ্বিগু সমাসে সংখ্যা থাকবে এবং শেষে সমাহার বা সমষ্টি বোঝাবে।
- সংখ্যাবাচক শব্দ দেখলে তৎক্ষণাৎ দ্বিগু বা বহুব্রীহি সমাস হতে পারে, তাই পরপদের অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও কর্মধারয় সমাসের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে দেয়।
- দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদটি সবসময় বিশেষ্য পদ হয়, এটি মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, ক্ষেত্র বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। ‘পড়ায় আমার মন বসে না’ বাক্যে ‘পড়ায়’ পদটি মন না বসার স্থান বা বিষয় অর্থাৎ ক্ষেত্র বোঝাচ্ছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
শব্দের সাথে ‘য়’ বা ‘তে’ বিভক্তি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ক্রিয়ার আধার বা ক্ষেত্রকে অধিকরণ কারক বলা হয়। স্থান, কাল, ভাব বা বিষয়ে অধিকরণ কারক হতে পারে।
‘পড়া’ একটি বিশেষ্য পদ, যার সাথে ‘য়’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘পড়ায়’ রূপটি গঠিত হয়েছে। এটি বিষয়ভিত্তিক অধিকরণের উদাহরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বন একটি স্থান বা আধার বোঝানোয় এটি অধিকরণ কারকে ৭মী (এ) বিভক্তি।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকাল একটি সময় বা কাল বোঝানোয় এটি কালাধিকরণ কারke ৭মী (এ) বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারক ও ৭মী বিভক্তি — কর্মকারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম নেই।
B) অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) অপাদান কারক ও ৭মী বিভক্তি — অপাদান কারক থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) করণ কারক ও ৭মী বিভক্তি — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যমে কোনো যন্ত্র বা উপায় বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে ক্রিয়া সংঘটিত হচ্ছে তা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক।
বিষয় বা ক্ষেত্রে অধিকরণ কারক হলে সাধারণত ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
স্থান, সময় বা বিষয় বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক চিহ্নিত করা যায়।
একই নিয়মে ‘ব্যায়োজনে মন দাও’ বাক্যের ‘ব্যায়োজনে’ পদটিও অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
সঠিক উত্তর: A) বাস্তব
১. কেন সঠিক:
- অলীক শব্দের অর্থ মিথ্যা, অবাস্তব বা যা সত্য নয়। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো বাস্তব, যার অর্থ সত্য, অস্তিত্বযুক্ত বা যা বাস্তবে বিদ্যমান।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব অনুধাবন করা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ সাধারণত সমজাতীয় পদ হয়ে থাকে, যেমন বিশেষণ পদের বিপরীত শব্দ বিশেষণই হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অলীক স্বপ্ন ভেঙে অবশেষে সে বাস্তবতার মুখোমুখি হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে অলীক ও বাস্তব শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বাক্যের ভাবকে স্পষ্ট করেছে।
উদাহরণ ২: কবির কল্পনাপ্রবণ মনে অনেক অলীক ভাবনা আসে, যা বাস্তবের সঙ্গে মেলে না।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে অলীক ও বাস্তব শব্দের বিপরীতার্থক ব্যবহার সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাস্তব — এটি সঠিক উত্তর।
B) কল্পনা — কল্পনা শব্দের অর্থ চিন্তা বা ভাবনা, যা অলীক শব্দের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু বিপরীত নয়।
C) উন্নতি — উন্নতি শব্দের অর্থ অগ্রগতি বা প্রগতি, যার বিপরীত শব্দ অবনতি এবং এটি শব্দের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়।
D) আয়ত্ত — আয়ত্ত শব্দের অর্থ নিয়ন্ত্রণে বা অধিকারে থাকা, যা অলীক শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অলীক মানে যা সত্য নয়, আর বাস্তব মানে যা সত্য। এভাবে সত্য ও মিথ্যার তফাত মাথায় রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা যায়।
- পরীক্ষার হলে বিপরীত শব্দ দাগানোর আগে মূল শব্দের সঠিক অর্থ মনে করার চেষ্টা করবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে।
- শব্দের উৎস এবং অর্থ পরিষ্কার থাকলে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) ১ সেকেন্ড
১. কেন সঠিক:
বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের মধ্যে বাক্যে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকলে থামার স্থায়িত্বকাল হলো ১ সেকেন্ড। এটি মূলত আবেগ, বিস্ময়, ঘৃণা বা আনন্দের প্রকাশ ঘটানোর সময় বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বিরামচিহ্ন ব্যবহার করা হয়। থামার সময়ের ওপর ভিত্তি করে কমা থেকে শুরু করে দীর্ঘ বিরতির চিহ্ন নির্ধারিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাহ! কী সুন্দর পাখি।
ব্যাখ্যা: এখানে বিস্ময় প্রকাশ করার জন্য বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে এবং ১ সেকেন্ড থামতে হয়।
উদাহরণ ২: ধিক তোমায়! এ কাজ তুমি পারলে।
ব্যাখ্যা: ঘৃণা প্রকাশের এই বাক্যে বিস্ময়সূচক চিহ্নের উপস্থিতির কারণে ১ সেকেন্ডের বিরতি নিতে হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ ২ সেকেন্ড থামতে হয় কোলন বা ড্যাশ চিহ্নের ক্ষেত্রে। বিস্ময়সূচক চিহ্নে এই দীর্ঘ সময় বিরতির নিয়ম নেই।
B) ১ সেকেন্ড — এটি সঠিক কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিস্ময়সূচক চিহ্নে ঠিক ১ সেকেন্ড থামতে হয়।
C) ৩ সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ ৩ সেকেন্ড থামার কোনো নির্দিষ্ট বিরামচিহ্ন বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত নির্ধারিত নেই।
D) ৪ সেকেন্ড — এটি ভুল কারণ ৪ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় থামার কোনো একক বিরামচিহ্ন বাংলা ব্যাকরণে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিস্ময় বা আবেগ প্রকাশের জন্য আমরা এক পলক বা ১ সেকেন্ড সময় নিই, তাই বিস্ময়সূচক চিহ্নে থামতে হয় ১ সেকেন্ড।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিরামচিহ্নের বিরতিকালের প্রশ্নগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। কমা এক বলতে যে সময় লাগে, আর কোলন, ড্যাশ ও সেমিকোলন বা অন্যান্য চিহ্নের সময়কাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) নী + অন
১. কেন সঠিক:
নয়ন শব্দটির প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি একটি সংস্কৃত তদ্ধিত বা কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ।
এখানে মূল ধাতু বা প্রাকৃত রূপ হিসেবে নী ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ ধাতু বা শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়, তাদের মধ্যে কিছু শব্দ সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মে সাধিত হয়।
এখানে নী হলো ধাতু এবং অন হলো প্রত্যয়, যা যোগ করে নয়ন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চয়ন = চি + অন
ব্যাখ্যা: চি ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চয়ন শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: শয়ন = শি + অন
ব্যাখ্যা: শি ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শয়ন শব্দ গঠিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নী + অন — এটি সঠিক প্রত্যয় বিশ্লেষণ কারণ নী ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নয়ন গঠিত হয়।
B) নে + অন — এটি ভুল কারণ নে কোনো মৌলিক ধাতু বা প্রাকৃত রূপ নয়।
C) নৌ + অন — এটি ভুল কারণ নৌ শব্দের সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নয়ন গঠিত হয় না।
D) নয় + ন — এটি ভুল কারণ নয় কোনো ধাতু নয় এবং ন এখানে প্রত্যয় হিসেবে বসে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
নয়ন শব্দের উৎপত্তি মনে রাখতে মূল ধাতু নী এবং প্রত্যয় অন মনে রাখবে।
অন প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধনের সময় ধাতুর গুণ বা বৃদ্ধি ঘটে থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
ধাতু চেনার জন্য শব্দের মূল অংশ আলাদা করার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কেতন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো কেতন, কারণ কেতন শব্দের অর্থ পতাকা, নিশান বা বৈজয়ন্তী।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের প্রমিত শব্দের ব্যবহার খুব বেশি দেখা যায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ মূলত একই রকম বা কাছাকাছি হয়।
- বাংলা ভাষায় বহুশব্দ বা প্রতিশব্দ মুখস্থ করার সময় মূল শব্দের উৎস ও প্রচলিত রূপগুলো খেয়াল রাখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পতাকা
ব্যাখ্যা: এটি বহুল প্রচলিত একটি শব্দ যার অর্থ নিশান বা ঝাণ্ডা।
উদাহরণ ২: বৈজয়ন্তী
ব্যাখ্যা: এটি পতাকার আরেকটি চমৎকার ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কেতন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পতাকা।
B) মার্গ — এই অপশনটি ভুল কারণ মার্গ শব্দের অর্থ পথ বা রাস্তা।
C) নলিন — এই অপশনটি ভুল কারণ নলিন শব্দের অর্থ পদ্মফুল।
D) ভাজন — এই অপশনটি ভুল কারণ ভাজন শব্দের অর্থ পাত্র বা উপযুক্ত ব্যক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কেতন শব্দটির প্রথম অক্ষর ক এবং পতাকা শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে কেতন মানে পতাকা এভাবে মনে রাখা যায়।
- সমার্থক শব্দ পড়ার সময় প্রতিটির আলাদা অর্থ লিখে ছক তৈরি করলে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পতাকার সমার্থক হিসেবে কেতন, নিশান, বৈজয়ন্তী ও পতাকা প্রায়ই বিকল্প হিসেবে আসে।
- শব্দের অর্থ সঠিকভাবে না জানলে কাছাকাছি অর্থের অন্য শব্দের সঙ্গে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সঠিক উত্তর: C) লাফ > ফাল
১. কেন সঠিক:
শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের নিজেদের মধ্যে স্থান পরিবর্তন করার প্রক্রিয়াকে ধ্বনি বিপর্যয় বলা হয়।
এখানে 'লাফ' শব্দের 'ল' এবং 'ফ' বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করে 'ফাল' শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের পারস্পরিক পরিবর্তনের ফলে যে ধ্বনি পরিবর্তন ঘটে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বা বিপর্যাস বলে।
এটি মূলত মানুষের উচ্চারণের অসচেতনতা বা আঞ্চলিক প্রভাবে ঘটে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাক্স > বাস্কো
ব্যাখ্যা: এখানে 'ক' এবং 'স' বর্ণ দুটি স্থান পরিবর্তন করেছে।
উদাহরণ ২: পিশাচ > পিছাচ
ব্যাখ্যা: এখানে 'শ' এবং 'চ' বর্ণ দুটি নিজেদের মধ্যে স্থান বদল করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শরীর > শরীল — এটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ নয়, এটি বিষমীভবন বা র-কারান্ত পরিবর্তনের উদাহরণ।
B) হংস > হাঁস — এটি নাসিক্যভবন বা সমীভবনের মাধ্যমে পরিবর্তিত রূপ।
D) দূর্গা > দূগ্ গা — এটি ব্যঞ্জনযুগের পরিবর্তন বা যুক্তাক্ষর ভাঙার উদাহরণ।
৫ মনে রাখার টিপস:
স্থান পরিবর্তন মানেই বিপর্যয় ঘটে যাওয়া।
শব্দের ভেতরের বর্ণগুলো যখন নিজেদের জায়গা বদল করে ফেলে, তখন তাকে ধ্বনি বিপর্যয় হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি বিপর্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
লাফ থেকে ফাল এবং বাক্স থেকে বাস্কো শব্দ দুটি বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) কুলা
১. কেন সঠিক:
- কুলা একটি দেশী শব্দ কারণ এটি আমাদের আদি অধিবাসী কোল, মুণ্ডা বা অস্ট্রিক ভাষাভাষী মানুষের ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
- যেসব শব্দের মূল বা উৎস জানা যায় না কিন্তু বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে প্রচলিত হয়ে আসছে, সেগুলোকে দেশী শব্দ বলে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- শব্দের উৎস অনুযায়ী বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, বিদেশী ও দেশী শব্দ।
- দেশী শব্দগুলো বাংলাদেশের আদি সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এবং এগুলো গ্রামীণ জনপদে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুড়াল
ব্যাখ্যা: কুড়াল একটি দেশী শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত হয় এবং এর উৎস আদি ভাষা।
উদাহরণ ২: ঢোল
ব্যাখ্যা: ঢোল একটি বাদ্যযন্ত্রের নাম এবং এটি দেশী শব্দের অন্তর্ভুক্ত যা প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিকশা — এটি একটি জাপানি ভাষা থেকে আগত বিদেশী শব্দ যা বাংলায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
B) চা — এটি একটি চীনা ভাষা থেকে আগত বিদেশী শব্দ যা আমাদের পানীয় হিসেবে পরিচিত।
C) কিতাব — এটি আরবি ভাষা থেকে আগত বিদেশী শব্দ যা সাধারণত ধর্মীয় বা সাধারণ বই বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) কুলা — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি একটি দেশী শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দেশী শব্দ মনে রাখার জন্য আদি মানুষের ব্যবহার্য জিনিস যেমন কুলা, ঢোল, কুড়াল, চুলা, পেট, খোপা এগুলো একসুরে মুখস্থ রাখতে পারো।
- পরীক্ষার হলে বই বা খাবারের নাম দেখলে বিদেশী ভাববে এবং দৈনন্দিন গ্রামীণ ব্যবহারের বস্তু দেখলে দেশী হিসেবে অনুমান করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই দেশী ও বিদেশী শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
- কুলা, ঢোল, গঞ্জ, টোপর, ডাব ইত্যাদি শব্দ বারবার পরীক্ষায় আসে, তাই এগুলো আলাদা করে নোট করে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ত থ দ ধ
১. কেন সঠিক:
- ত বর্গীয় ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উপরের দাঁতের সারির সাথে স্পর্শ করে, তাই এগুলো দন্ত্য ধ্বনি।
- বাংলা বর্ণমালায় ত, থ, দ, ধ এবং ন এই পাঁচটি বর্ণকে দন্ত্য ধ্বনি বা দন্ত্য বর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মুখবিবরের যে অঙ্গের সাহায্যে ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে উচ্চারণের স্থান বা উচ্চারণস্থান বলে।
- জিহ্বার অগ্রভাগ বা ডগা ওপরের দাঁতে স্পর্শ করে যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে দন্ত্য ধ্বনি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী
ব্যাখ্যা: নদী শব্দে ব্যবহৃত ন একটি দন্ত্য ধ্বনি, যা দন্ত্য বর্ণের অন্তর্ভুক্ত।
উদাহরণ ২: থালা
ব্যাখ্যা: থালা শব্দে ব্যবহৃত থ একটি দন্ত্য ধ্বনি, যা উচ্চারণের সময় দাঁতের সাহায্য নেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক খ গ ঘ — এগুলো কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় ধ্বনি, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বামূল বা কণ্ঠনালীর পেছনের অংশ ব্যবহৃত হয়।
B) প ফ ব ভ — এগুলো ওষ্ঠ্য ধ্বনি, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় দুটি ঠোঁটের স্পর্শ বা মিলনের মাধ্যমে উচ্চারিত হয়।
C) ত থ দ ধ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি দন্ত্য ধ্বনি হিসেবে সম্পূর্ণ সঠিক।
D) ট ঠ ড ঢ — এগুলো মূর্ধন্য ধ্বনি, কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অগ্রভাগ উল্টিয়ে মূর্ধার সাথে স্পর্শ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত থ দ ধ বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় দাঁতে জিভ লাগে, তাই এটি দন্ত্য ধ্বনি।
- ক কণ্ঠ্য, চ তালব্য, ট মূর্ধন্য, ত দন্ত্য, প ওষ্ঠ্য এই ক্রমটি মনে রাখলে উচ্চারণস্থান সহজে মনে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উচ্চারণস্থান থেকে প্রশ্ন আসে।
- ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি স্পর্শ ধ্বনিকে পাঁচটি বর্গে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি বর্গের একটি নির্দিষ্ট উচ্চারণস্থান রয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) গৌড়ীয় প্রাকৃত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষার উৎপত্তির মূল উৎস হলো প্রাকৃত ভাষা, যার পূর্বরূপ অপভ্রংশ বা গৌড়ীয় প্রাকৃত। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, গৌড়ীয় প্রাকৃত বা প্রাচ্য প্রাকৃত থেকেই বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
- প্রাকৃত ভাষাগুলো প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার বিবর্তিত রূপ, যা থেকে বাংলাসহ আধুনিক ভারতীয় ভাষার সৃষ্টি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষার ইতিহাস অনুযায়ী, ভারতীয় আর্য ভাষার তিনটি স্তর রয়েছে যথা প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা, মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা এবং নব বা আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষা।
- গৌড়ীয় প্রাকৃত বা মাগধী প্রাকৃত মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার শেষ স্তর থেকে বিকশিত হয়ে বাংলা ভাষার ভিত্তি তৈরি করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সংস্কৃত শব্দ হস্ত থেকে প্রাকৃত হয়ে বাংলা হাত শব্দটি এসেছে।
ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষার পরিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কৃত শব্দগুলো প্রাকৃত রূপ লাভ করে বাংলায় প্রবেশ করেছে।
উদাহরণ ২: সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে প্রাকৃত চন্দ হয়ে বাংলা চাঁদ শব্দ এসেছে।
ব্যাখ্যা: ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে এসে বাংলা শব্দ তার বর্তমান রূপ লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — সংস্কৃত সরাসরি বাংলা ভাষার উৎস নয়, এটি বাংলা ভাষার জননী বা মূল ভিত্তি হলেও প্রাকৃতের মাধ্যমেই বাংলা এসেছে।
C) হিন্দি — হিন্দি আধুনিক একটি ভাষা এবং এটি বাংলা ভাষার উৎস নয়, বরং হিন্দি ও বাংলা উভয়ই ভিন্ন প্রাকৃত থেকে এসেছে।
D) আসামি — আসামি বাংলা ভাষার নিকটাত্মীয় একটি স্বাধীন ভাষা, এটি বাংলা ভাষার উৎস নয় বরং বাংলা ও আসামি একই উৎস থেকে উৎপন্ন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা ভাষার উৎপত্তির ধারা মনে রাখার সহজ উপায় হলো বৈদিক বা সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত থেকে বাংলা।
- গৌড়ীয় প্রাকৃত বা মাগধী প্রাকৃত হলো বাংলার সরাসরি পূর্বসূরি ভাষা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার উৎস জানতে চাইলে প্রাকৃত বা গৌড়ীয় প্রাকৃত উত্তর হিসেবে নির্বাচন করতে হবে।
- ভাষাংশের ইতিহাসে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতামতভিত্তিক প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) প্রাণিকুল
১. কেন সঠিক:
- প্রাণিকুল শব্দটিতে প্রাণী শব্দের সঙ্গে কুল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠিত হয়েছে এবং বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
- প্রাণিকুল শব্দের অর্থ প্রাণীর সমাহার বা একাধিক প্রাণী, যেখানে প্রাণী শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ কার এবং কুল শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ কার ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণীবাচক বা প্রাণীবাচক শব্দের সঙ্গে বহুবচন বোঝাতে কুল, সকল, সমুহ, বৃন্দ ইত্যাদি যুক্ত হয়।
- প্রাণী শব্দটিতে ন এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত হয়, তবে এর সঙ্গে যখন কোনো প্রত্যয় বা অনুসর্গ যুক্ত হয় তখন বানান ভেদে তার পরিবর্তন ঘটে, কিন্তু প্রাণিকুল বানানে প্রাণী অংশের দীর্ঘ ঈ কার অপরিবর্তিত থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শিক্ষককুল
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শব্দের সঙ্গে কুল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বহুবচন গঠন করেছে এবং বানানটি শুদ্ধ রয়েছে।
উদাহরণ ২: পক্ষীকুল
ব্যাখ্যা: পক্ষী শব্দের সঙ্গে কুল প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ বানান গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিরপরাধী — অপশনটি ভুল কারণ অপরাধের সঙ্গে যুক্ত বিশেষ্য পদ হিসেবে নিরপরাধ সঠিক, নিরপরাধী একটি অতিরিক্ত দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত ভুল রূপ।
B) দারিদ্র্যতা — অপশনটি ভুল কারণ দারিদ্র্য নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য, এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করা দ্বিত্ব দোষ বা বাহুল্য দোষ দুষ্ট।
C) স্বার্থকতা — অপশনটি ভুল কারণ স্বার্থক শব্দটির সঠিক রূপ সার্থক এবং এর সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে সার্থকতা হয়, স্বার্থকতা বানানটি অচল।
D) প্রাণিকুল — অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটি প্রশ্নানুযায়ী একমাত্র নির্ভুল বানানযুক্ত শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অপ্রয়োজনীয় প্রত্যয় বর্জন করার নিয়ম মনে রাখলে দারিদ্র্যতা এবং স্বার্থকতা জাতীয় বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
- প্রাণী বানানে দীর্ঘ ঈ কার থাকলেও যখন প্রাণিবিদ্যা লেখা হয় তখন হ্রস্ব ই কার হয়, তবে প্রাণিকুল বানানে দীর্ঘ ঈ কার অপরিবর্তিত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বহুবচনবাচক শব্দ যেমন পক্ষীকুল, ছাত্রকুল এবং ভাববাচক বিশেষ্যের সঠিক রূপ বারবার আসে।
- দারিদ্র্য এবং সার্থকতা এই দুটি শব্দ নিয়ে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই এদের মূল গঠন মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) আশ্রয়
১. কেন সঠিক:
- এখানে 'নীড়' শব্দের আক্ষরিক অর্থ পাখির বাসা হলেও রূপক অর্থে ক্লান্ত মানুষের শান্তির ও নিরাপত্তার ঠিকানাকে বোঝানো হয়েছে।
- দীর্ঘ পথ চলার পর ক্লান্ত প্রাণ যেভাবে তার বাসায় ফিরে শান্তি পায়, কবি জীবনানন্দ দাসের কাছে বনলতা সেনের চোখ তেমনি পরম শান্তির আশ্রয়স্থল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কবিতাটি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রণয় ও ক্লান্তিহরক সৃষ্টি যা 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- কবি জীবনানন্দ দাস বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতা, নাগরিক ক্লান্তি এবং ইতিহাসের পটভূমিতে মানুষের নিঃসঙ্গতাকে এই কবিতায় রূপায়িত করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে
ব্যাখ্যা: এই চরণে কবির দীর্ঘ ক্লান্তিকর ঐতিহাসিক ভ্রমণের মধ্য দিয়ে মানবজীবনের অন্তহীন নিঃসঙ্গতা ও শ্রান্তির প্রকাশ ঘটেছে।
উদাহরণ ২: শিশিরের শব্দের মতো সন্ধ্যে আসে
ব্যাখ্যা: প্রকৃতির নিস্তব্ধতা ও শান্তির রূপ ফুটিয়ে তুলতে কবি এখানে অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও নান্দনিক উপমা ব্যবহার করেছেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নান্দনিক — শব্দটি সুন্দর বা শিল্পসম্মত রূপ বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে চোখের সান্নিধ্যকে মূলত নিরাপত্তার স্থান হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে।
C) রহস্যময় — বনলতা সেনের ব্যক্তিত্বে রহস্যের ছোঁয়া থাকলেও 'নীড়' শব্দটি তার চোখের গভীরতা বা সৌন্দর্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি বরং এটি আশ্রয়ের প্রতীক।
D) পাখির বাসা — এটি 'নীড়' শব্দের সরাসরি আক্ষরিক অর্থ হলেও কবিতার রূপক অর্থে এটি কেবল পাখির বাসা হিসেবে নয় বরং পরম শান্তির আশ্রয় হিসেবে প্রযোজ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কবিতার লাইনে 'নীড়' বা বাসা শব্দ দেখলে মনে রাখবে কবি ক্লান্তির পর শান্তির খোঁজ করছেন এবং সাহিত্যিক বিচারে তা সর্বদা 'আশ্রয়' হিসেবে গণ্য হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জীবনানন্দ দাসের 'বনলতা সেন' কবিতা থেকে প্রায়ই চরণ তুলে প্রশ্ন করা হয় এবং রূপক অর্থ নির্ণয় করতে বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) মধুমাখা
১. কেন সঠিক:
- মধুমাখা একটি তৎপুরুষ সমাস কারণ এর ব্যাসবাক্য হলো মধু দ্বারা মাখা এবং এখানে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বুঝিয়েছে।
- তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থই প্রধান হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতিভাত হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- মধুমাখা শব্দটি তৃতীয় বা করণ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে দ্বারা অনুসর্গ বা বিভক্তি যুক্ত হয়ে ব্যাসবাক্য গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মনগড়া
ব্যাখ্যা: মন দ্বারা গড়া, এটি করণ তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত ও পরীক্ষ৮ উপযোগী উদাহরণ।
উদাহরণ ২: বিপদাপন্ন
ব্যাখ্যা: বিপদকে আপাপন্ন, এটি দ্বিতীয় বা কর্ম তৎপুরুষ সমাসের একটি প্রমিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভালো মন্দ — এটি দ্বন্দ্ব সমাস কারণ এখানে ভালো ও মন্দ উভয় পদের অর্থের সমান গুরুত্ব রয়েছে এবং ব্যাসবাক্যে ও সংযোজক ব্যবহৃত হয়েছে।
B) মধুমাখা — এটি সঠিক উত্তর।
C) যথাসাধ্য — এটি অব্যয়ীভাব সমাস কারণ এখানে সাধ্যকে অতিক্রম না করা অর্থে যথাসাধ্য শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং পূর্বপদের অব্যয় পদ প্রধান হয়েছে।
D) সত্যনিষ্ঠ — এটি অলुক তৎপুরুষ বা সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস হতে পারে তবে এটি সাধারণ অর্থে কর্ম বা বিশেষণিক পদ হিসেবে বহুব্রীহি বা অন্য সমাসের দিকে নির্দেশ করে, যা মূলত তৎপুরুষ সমাসের সরাসরি কাঠামোর বাইরে অবস্থান করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে কে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, চেয়া, র, এর ইত্যাদি বিভক্তি বা অনুসর্গ পাওয়া যায় এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুসর্গ বা বিভক্তিযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে তৎপুরুষ সমাসের কথা চিন্তা করতে হবে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের রূপ ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- 'মুমূর্ষু' শব্দটির সঠিক বানান হলো মএ হ্রস্বউ, মএ দীর্ঘউ, মূর্ধন্য-ষএ হ্রস্বউ এবং রেফযুক্ত রেফবিহীন উ। অর্থাৎ প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ উ যুক্ত হয়।
- এই শব্দটি মূলত 'মরু + সু' থেকে উসিত হয়ে কিংবা মর্ষ ধাতু থেকে গঠিত হয়েছে, যার অর্থ যার মরণের ইচ্ছা আছে বা যিনি মারা যাওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী অতৎসম বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ এবং দীর্ঘ উ ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। 'মুমূর্ষু' একটি তৎসম শব্দ এবং এর বানানে প্রথম হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় দীর্ঘ উ ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম প্রচলিত আছে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানান নিয়ম অনুযায়ী এই বিশেষ শব্দটির বানান সবসময় প্রথম ম-এ হ্রস্ব উ এবং দ্বিতীয় ম-এ দীর্ঘ উ দিয়ে লিখতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুচিস্মিতা
ব্যাখ্যা: এটি একটি শুদ্ধ বাংলা শব্দ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি হিসেবে প্রায়ই আসে এবং এর বানান মনে রাখা জরুরি।
উদাহরণ ২: পিপীলিকা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই এবং দীর্ঘ ঈ এর একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করা হয়, যা বানান শুদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুমুর্ষু — এই অপশনে উভয় ম-এ হ্রস্ব উ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল।
B) মুমূর্ষু — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী পরীক্ষিত ও অনুমোদিত রূপ।
C) মূমূর্ষূ — এই অপশনে প্রথম ম-এ দীর্ঘ উ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল।
D) মূমুর্ষূ — এই অপশনে প্রথম ম-এ দীর্ঘ উ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঊ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল বানান।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুমূর্ষু বানান মনে রাখার সহজ উপায় হলো ছোট থেকে বড় নিয়ম মনে রাখা, অর্থাৎ প্রথম ম-এ ছোট উ এবং দ্বিতীয় ম-এ বড় উ বসে।
- শব্দটির শুরু হ্রস্ব উ দিয়ে এবং মাঝের ম দীর্ঘ উ দিয়ে গঠিত হয় বলে এটি সহজেই আয়ত্ত করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে কারণ পরীক্ষার্থীরা প্রায়ই প্রথম ও দ্বিতীয় উ-এর মাত্রায় ভুল করে।
- এই ধরনের জটিল ও ব্যতিক্রমী বানানগুলো পরীক্ষার আগে ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত যাতে নম্বর নিশ্চিত করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সবিতা
১. কেন সঠিক:
সবিতা শব্দের অর্থ সূর্য, তাই এটি চন্দ্রের প্রতিশব্দ নয়।
চন্দ্র রাতের আকাশে আলো দেয় এবং এর বিভিন্ন প্রতিশব্দ রয়েছে যা এর শীতলতা ও রূপ ফুটিয়ে তোলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম।
বাংলা ভাষায় শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে সমার্থক শব্দের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্য
ব্যাখ্যা: সবিতা হলো সূর্যের একটি প্রসিদ্ধ সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: শশী
ব্যাখ্যা: এটি চন্দ্রের অন্য একটি সমার্থক শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোম — এটি চন্দ্রের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ।
B) হিমাংশু — এর অর্থ যার অংশ হিম বা শীতল, যা চন্দ্রকে বোঝায়।
C) সবিতা — এটি সূর্যের সমার্থক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
D) দ্বিজরাজ — এটিও চন্দ্রের একটি সমার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
সূর্য সম্পর্কিত শব্দগুলো আলাদা করে মনে রাখলে চন্দ্রের প্রতিশব্দ সহজে আলাদা করা যায়।
সবিতা ও দিবাকর হলো সূর্যের প্রতিশব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিশব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ ও উৎস ভালো করে খেয়াল করতে হবে।
সূর্য ও চন্দ্রের সমার্থক শব্দগুলো প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় একসঙ্গে অপশনে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) ম
১. কেন সঠিক:
ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলতে সেই বর্ণগুলোকে বোঝায়, যা উচ্চারণের সময় উভয় ঠোঁট একে অপরকে স্পর্শ করে। 'ম' বর্ণটি উচ্চারণ করার সময় আমাদের ওপরের ও নিচের ঠোঁট পরস্পর মিলিত হয়, তাই এটি একটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় স্পর্শ ধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনিগুলোকে তাদের উচ্চারণস্থানের ভিত্তিতে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে প-বর্গীয় ধ্বনিগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) উচ্চারিত হয় ঠোঁটের সাহায্যে, যে কারণে প-বর্গের সব বর্ণকে ওষ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প
ব্যাখ্যা: 'প' বর্ণটি উচ্চারণের সময়ও উভয় ঠোঁটের পারস্পরিক স্পর্শ ঘটে, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ব
ব্যাখ্যা: 'ব' বর্ণটি প-বর্গের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটিও ওষ্ঠ্য ধ্বনির নিয়মের মধ্যে পড়ে এবং ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বর্ণটি উভয় ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
B) ঙ — এটি ক-বর্গীয় বর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান কণ্ঠ বা জিহ্বামূল, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি নয়।
C) চ — এটি চ-বর্গীয় বর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান তালু, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি নয়।
D) র — এটি একটি অন্তস্থ বর্ণ এবং এর উচ্চারণস্থান মূর্ধা বা দন্তমূল, তাই এটি ওষ্ঠ্য ধ্বনি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
প-বর্গের ধ্বনি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প ফ ব ভ ম0 অর্থাৎ প থেকে ম পর্যন্ত সবগুলো বর্ণই ওষ্ঠ্য ধ্বনি। ঠোঁট বন্ধ করে এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে হয় বলে এদের ওষ্ঠ্য বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উচ্চারণস্থান থেকে প্রশ্ন আসে, তাই ক-বর্গ থেকে প-বর্গ পর্যন্ত পাঁচটি বর্গের উচ্চারণস্থান কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত ও ওষ্ঠ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে। একই নিয়মে প, ফ, ব, ভ, ম ধ্বনিগুলো পেলেই সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ধ্বনি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাধু
১. কেন সঠিক:
সাধু রীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে এবং ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ হয়।
অদ্য একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ আজ, এবং এটি সাধু ভাষারীতিতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার যে রূপটি মার্জিত, গম্ভীর, ব্যাকরণের নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করে এবং তৎসম শব্দবহুল, তাকে সাধু রীতি বলে।
সাধু রীতিতে ক্রিয়ার রূপ যেমন করিয়াছি এবং সর্বনামের রূপ যেমন তাহারা ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অদ্যই এই কার্য সমাপ্ত করিতে হইবে।
ব্যাখ্যা: এখানে অদ্য শব্দটি সাধু ভাষারীতি নির্দেশ করছে।
উদাহরণ ২: গত বৎসর অদ্যকার দিনে আমরা ভ্রমণ করিয়াছিলাম।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে সাধু রীতির শব্দ ব্যবহারের পূর্ণাঙ্গ রূপ প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চলিত — চলিত রীতিতে তৎসম শব্দের বদলে প্রাকৃতজাত বা তদ্ভব শব্দের ব্যবহার হয়, যেখানে অদ্য এর পরিবর্তে আজ ব্যবহৃত হয়।
C) প্রাকৃত — প্রাকৃত হলো প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার একটি স্তর, যা সাধু বা চলিত বাংলা ভাষারীতির সরাসরি কোনো আধুনিক রূপ নয়।
D) কোল — কোল হলো একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও তাদের ভাষা, যা বাংলা ভাষার কোনো শৈলী বা রূপের নাম নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু রীতি মানেই তৎসম শব্দের আতিসর্জা এবং লেখার গম্ভীর রূপ।
অদ্য, বৃথা, কদাচিৎ ইত্যাদি শব্দ দেখলেই সাধু রীতি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস এবং ভাষারীতির রূপ চেনার জন্য তৎসম শব্দের তালিকা মুখস্থ রাখা জরুরি।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের ক্ষেত্রে বিশেষ করে অব্যয় ও তৎসম শব্দের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) পঙ্কজ
১. কেন সঠিক:
পঙ্কজ একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে তার অবয়ব বা সাধারণ অর্থের অনুগামী না হয়ে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। পঙ্কে বা কাদায় জন্মায় যা, এর ব্যাসবাক্য হলো উপপদ তৎপুরুষ সমাস, কিন্তু এটি কেবল সাধারণ যে কোনো কিছু না বুঝিয়ে পদ্মফুলকে বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উৎপত্তি বা অর্থের দিক থেকে বাংলা শব্দকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা: যৌগিক শব্দ, রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ এবং যোগরূঢ় শব্দ। সমাস নিষ্পন্ন যে শব্দ সমাসের প্রাকৃত বা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রাজপুত
ব্যাখ্যা: রাজপ্রাসাদের পুত্র না বুঝিয়ে এটি একটি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়কে বোঝায়।
উদাহরণ ২: জলধি
ব্যাখ্যা: জলে ধারণ করে যা তা না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট করে সমুদ্রকে বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পঙ্কজ - এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে পদ্মফুল নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
B) তৈল - এটি একটি রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ কারণ তিল থেকে উৎপন্ন হলেও এটি এখন যে কোনো ভোজ্য তেলকে বোঝায়।
C) মধুর - এটি একটি যৌগিক শব্দ কারণ এর উৎপত্তিগত অর্থ মধুর বা মিষ্টি জাতীয় কিছু।
D) নবাবী - এটি একটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ যা বিশেষ্য পদ থেকে বিশেষণ পদে রূপান্তরিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
যোগরূঢ় শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো এটি দেখতে বহুব্রীহি বা উপপদ সমাসের মতো হলেও সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা ফুলকে বোঝায়। যেমন পঙ্কজ অর্থ পদ্ম এবং রাজপ্রাসাদ পুত্র না বুঝিয়ে রাজপুত অর্থ বিশেষ জাতি বোঝায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে পঙ্কজ, রাজপুত, জলধি এবং মহাযাত্রা শব্দগুলো কোন ধরনের শব্দ তা বারবার পরীক্ষাতে জানতে চাওয়া হয়। সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েও যে শব্দ বিশেষ অর্থ দেয় তা যোগরূঢ় হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ষষ্+থ
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মানুযায়ী দন্ত্য স-এর পরে থ থাকলে দন্ত্য স স্থানে মূর্ধন্য ষ এবং ত স্থানে ঠ হয়।
- এখানে মূল শব্দ ষষ্ এবং থ মিলে ষষ্+থ যুক্ত হয়ে ষষ্ঠ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত স-এর পরে ত বা থ থাকলে স স্থানে ষ এবং ত বা থ স্থানে ট বা ঠ হয়।
- এই নিয়মের অধীনে পূর্বপদের অন্তে ষষ্ এবং পরপদের আদিতে থ যুক্ত হয়ে ষষ্ঠ শব্দ তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষষ্+থ = ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মে ষষ্ এবং থ যুক্ত হয়ে ষষ্ঠ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ইষ+ত = ইষ্ট
ব্যাখ্যা: স-এর পরে ত থাকার কারণে তা পরিবর্তিত হয়ে ইষ্ট রূপ লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষট্+থ — এটি ভুল কারণ এখানে প্রথম অংশে ষট্ রয়েছে যা এই শব্দের প্রকৃত উৎস নয়।
B) ষষ্ঠ+থ — এটি ভুল কারণ সন্ধির ক্ষেত্রে পূর্ণ শব্দ ভেঙে সঠিক নিয়ম তৈরি করা যায় না।
D) ষষ্+ঠ — এটি ভুল কারণ দ্বিতীয় অংশে থ এর পরিবর্তে ঠ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ষষ্ঠ শব্দের সন্ধি মনে রাখতে হলে ষষ্ পদের সাথে থ যুক্ত হয় তা মাথায় রাখতে হবে।
- ব্যঞ্জনসন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যতিক্রমী ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- নিয়মের গভীরে গিয়ে শব্দের মূল অংশ ও প্রত্যয় বা বিভাজ্য অংশ আলাদা করতে শিখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ২টি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার রূপ মূলত ২টি, যথা কথ্য রূপ ও লেখ্য রূপ।
ভাষার এই দুটি প্রধান রূপ মানুষের ভাব প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার লেখ্য রূপ আবার দুটি রীতিতে বিভক্ত, যা হলো সাধু রীতি ও চলিত রীতি।
ভাষার কথ্য রূপের আঞ্চলিক বিভিন্নতাকে উপভাষা বলা হয়, যা স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধু রীতি
ব্যাখ্যা: এই রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ তুলনামূলক দীর্ঘ ও প্রাচীন হয়।
উদাহরণ ২: চলিত রীতি
ব্যাখ্যা: এই রীতি মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি সর্বজনগ্রাহ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২টি — এই উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বাংলা ভাষার প্রধান রূপ দুটি।
B) ৩টি — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ভাষার প্রধান রূপ তিনটি নয়।
C) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ভাষার রূপের সংখ্যা পাঁচ হতে পারে না।
D) ৪টি — এই অপশনটি ভুল কারণ এই সংখ্যাটি বাংলা ভাষার রূপের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভাষা কয়টি প্রধান রূপে বিভক্ত তা মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন।
প্রধান রূপ দুটি হলে সাধু ও চলিত বা কথ্য ও লেখ্য মনে রাখা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ভাষার রূপ বা রীতি নিয়ে প্রশ্ন আসে।
সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখলে এসব প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) এ
১. কেন সঠিক:
মৌলিক স্বরধ্বনি হলো সেই ধ্বনি যা অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্যে গঠিত হয় না এবং যাকে ভাঙা যায় না। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট সাতটি, যার মধ্যে 'এ' একটি অন্যতম প্রধান মৌলিক স্বরধ্বনি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনির সংখ্যা ভিন্ন হয়। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি এবং ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৮টি। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি যথা অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এক
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'এ' ধ্বনিটি স্বাধীনভাবে উচ্চারিত হয়েছে এবং এটি একটি মৌলিক স্বরধ্বনি।
উদাহরণ ২: তেল
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'এ' কার যুক্ত হয়ে স্বরধ্বনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঔ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিভাঙ্গ স্বরধ্বনি যা ও এবং উ এর মিলনে গঠিত হয়।
B) ঈ — এটি দীর্ঘ স্বরধ্বনি এবং মৌলিক স্বরধ্বনি ই এর দীর্ঘ রূপ।
C) ঐ — এটি একটি যৌগিক স্বরধ্বনি যা অ এবং ই এর মিলনে গঠিত হয়।
D) এ — এটি নিজেই একটি মৌলিক স্বরধ্বনি এবং এর কোনো ভাঙন নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৌলিক স্বরধ্বনি মনে রাখার সহজ বাক্য হলো আ ই উ এ ও অ্যা অ। যৌগিক স্বরধ্বনি মাত্র দুটি অর্থাৎ ঐ এবং ঔ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। যৌগিক স্বরধ্বনির অপর নাম দ্বিস্বর বা সান্ধ্যক্ষর।
সঠিক উত্তর: C) the first speech
কেন সঠিক:
Maiden speech একটি ইংরেজি ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ কুমারীর বক্তৃতা হলেও এর আসল অর্থ হলো কোনো ব্যক্তির জীবনের প্রথম বক্তব্য। মূলত সংসদে বা আনুষ্ঠানিক সভায় কেউ প্রথম যে বক্তব্য রাখেন তাকেই এই বিশেষ নামে অভিহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a speech by a woman — এটি ভুল কারণ এটি কোনো নারীর দেওয়া সাধারণ বক্তব্য বোঝায় না, বরং এটি যেকোনো ব্যক্তির প্রথম বক্তব্য।
B) the main speech — এটি ভুল কারণ মূল বক্তব্যকে প্রধান বক্তৃতা বলা হয়, কিন্তু maiden speech বলতে প্রথম বক্তব্যকে বোঝায়।
C) the first speech — এটি সঠিক কারণ ইডিওমটির মূল অর্থই হলো কোনো অনুষ্ঠানে বা জনসভায় প্রদত্ত প্রথম ভাষণ।
D) the last speech — এটি ভুল কারণ শেষ বক্তব্যকে সমাপনী বক্তব্য বলা হয়, যা প্রথম বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Maiden শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম, তাই কোনো অনুষ্ঠানে কারো দেওয়া প্রথম বক্তব্যকেই maiden speech বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) Affable
কেন সঠিক:
Supercilious শব্দের অর্থ হলো অহংকারী বা অন্যকে তুচ্ছজ্ঞানকারী মানুষ।
এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো অমায়িক বা মিশুক স্বভাবের মানুষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Affable — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ মিশুক ও অমায়িক।
B) Haughty — এটি Supercilious শব্দের সমার্থক কারণ এর অর্থ অহংকারী।
C) Disdainful — এটিও Supercilious শব্দের সমার্থক যার অর্থ অবজ্ঞাপূর্ণ।
D) Wicked — এর অর্থ দুষ্ট বা খারাপ যা সরাসরি বিপরীত বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
Supercilious মানে উচু নাক অর্থাৎ অহংকার, আর Affable মানে সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা।
সঠিক উত্তর: C) back
কেন সঠিক:
এখানে 'go back on' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এর অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা বা কথা রাখা থেকে সরে দাঁড়ানো।
বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে যে তুমি যখন কোনো প্রতিশ্রুতি দেবে, তখন তা থেকে পিছিয়ে আসা বা ভঙ্গ করা উচিত নয়।
এই অর্থ সম্পূর্ণ করতে শূন্যস্থানে সঠিক শব্দটি হবে back।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) by — 'go by' অর্থ কোনো নিয়ম মেনে চলা বা সময় অতিবাহিত হওয়া, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
B) around — 'go around' অর্থ ঘুরে বেড়ানো বা সবার জন্য পর্যাপ্ত হওয়া, যা প্রতিশ্রুতির সাথে মেলে না।
C) back — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) along — 'go along' অর্থ রাজি হওয়া বা কোনো কিছুর সাথে এগিয়ে যাওয়া, যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
প্রতিশ্রুতি ভাঙা অর্থে সবসময় go এর সাথে back preposition বসে এবং এটি ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে মুখস্থ রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Impromptu
কেন সঠিক:
Extempore শব্দটির অর্থ হলো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়া কোনো কিছু বলা বা করা।
Impromptu শব্দটির অর্থও তাৎক্ষণিকভাবে বা বিনা প্রস্তুতিতে সম্পাদিত কোনো কাজ।
উভয় শব্দের অর্থ একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Planned — এই শব্দটির অর্থ হলো পরিকল্পিত, যা Extempore বা অপরিকল্পিত শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত।
B) Improvise — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া, কিন্তু Extempore হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ।
C) Immediate — এর অর্থ তাৎক্ষণিক বা দ্রুত, যা মূলত সময়ের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু বিনা প্রস্তুতি বোঝায় না।
D) Impromptu — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পূর্ব প্রস্তুতিহীন বা তাৎক্ষণিক প্রকাশ।
মনে রাখার টিপস:
Extempore এবং Impromptu দুটি শব্দই বিনা প্রস্তুতিতে দেওয়া ভাষণ বা কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) would have helped the poor
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের কাল্পনিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
তাই প্রথম অংশে হ্যাড যুক্ত পাস্ট পারফেক্ট থাকলে পরের অংশে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) had helped the poor — এই অংশে স্ট্রাকচার অনুযায়ী হ্যাড এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) would have helped the poor — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) have helped the poor — বর্তমানকালের বা পারফেক্ট টেন্সের গঠন হওয়ায় এই অপশনটি অতীতকালের কাল্পনিক বাক্যের সাথে মেলে না।
D) helped the poor — এটি শুধু পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হওয়ায় থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হয় না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে হ্যাড যুক্ত ক্লজে পরের অংশে উড হ্যাভ এবং মূল ভার্বের তিন নম্বর রূপ ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) tooth and nail
কেন সঠিক:
tooth and nail একটি প্রবাদ প্রতিম ফ্রেজ যার অর্থ হলো নখ ও দাঁত দিয়ে অর্থাৎ সর্বশক্তি দিয়ে বা মরিয়া হয়ে লড়াই করা।
শত্রুকে পরাজিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টার কথা বোঝাতে এই ফ্রেজটি এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাক্যটির অর্থ হলো সে শত্রুকে পরাজিত করার জন্য সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) tooth and nail — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) set out — এর অর্থ যাত্রা শুরু করা, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
C) to and fro — এর অর্থ এদিক-সেদিক বা আসা-যাওয়া করা, যা লড়াইয়ের ক্ষেত্রে বেমানান।
D) to the quick — এর অর্থ মর্মে আঘাত করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
tooth and nail ফ্রেজটি দেখলেই বুঝবে এর অর্থ জীবনপণ বা তীব্র লড়াই করা।
সঠিক উত্তর: D) with
কেন সঠিক:
সাহায্য করা অর্থে help verb-এর পর সরাসরি noun বসলে with preposition ব্যবহৃত হয়।
এখানে work একটি noun হওয়ায় তার আগে with বসে কাজটির সাথে সাহায্য করার অর্থ প্রকাশ করেছে।
অন্য প্রিপজিশনগুলোর তুলনায় with এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে বেশি মানানসই।
এই গঠনটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to finish - help-এর পর সরাসরি infinitive বসতে পারে, কিন্তু এখানে সরাসরি noun থাকার কারণে এটি সঠিক নয়।
B) finishing - help-এর পর gerund সরাসরি বসে না, তাই এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) in finishing - work noun-টির সাথে in preposition ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট ও ভুল হয়।
D) with - এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো ব্যক্তির কাজে সাহায্য করা বোঝাতে help someone with something গঠনটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) He was brought to book.
কেন সঠিক:
‘Bring to book’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিওম বা বাগধারা যার অর্থ কাউকে তিরস্কার করা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা বা শাস্তি দেওয়া।
বাংলা বাক্যের তিরস্কার করা বা ভর্ৎসনা করার ভাবটি প্রকাশের জন্য এই নির্দিষ্ট ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He was dishonoured — এই বাক্যের অর্থ তাকে অসম্মান করা হয়েছিল, যা তিরস্কার করার সঠিক ইংরেজি রূপ নয়।
B) He was brought to brim — এই বাক্যটির কোনো সঠিক বা গ্রহণযোগ্য অর্থ নেই এবং এটি একটি ভুল গঠন।
C) He was brought to book — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) He was punished — এই বাক্যের অর্থ তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল, যা তিরস্কার করার চেয়ে একটু বেশি গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
বইয়ের সাথে তিরস্কারের সম্পর্ক মনে রেখে याद রাখবেন যে কাউকে কৈফিয়তের জন্য ডেকে পাঠানো বা তিরস্কার করার ইংরেজি হলো 'bring to book'।
সঠিক উত্তর: D) Malignant
কেন সঠিক:
- 'Benign' শব্দটির অর্থ অনুকম্পাপূর্ণ, হিতকর বা মৃদু (বিশেষ করে টিউমারের ক্ষেত্রে যা ক্ষতিকর নয়)। এর সরাসরি বিপরীত বা অ্যান্টনিভ হলো 'Malignant'।
- 'Malignant' শব্দের অর্থ মারাত্মক, ক্ষতিকর বা অনিষ্টকর, যা বেনাইন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beginning — এর অর্থ শুরু বা আরম্ভ, যা বেনাইন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) Peaceful — এর অর্থ শান্তিপূর্ণ বা শান্তিপূর্ণ, যা বেনাইন শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
C) Blessed — এর অর্থ আশীর্বাদপুষ্ট বা ধন্য, যা বেনাইন বা ম্যালিগন্যান্ট শব্দের বিপরীতার্থক কোনো শব্দ নয়।
D) Malignant — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মারাত্মক বা ক্ষতিকর এবং এটি বেনাইন শব্দের প্রকৃত বিপরীতার্থক শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
বেনাইন মানে ভালো বা মৃদু টিউমার, আর ম্যালিগন্যান্ট মানে মন্দ বা ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার। এভাবে ভালো ও মন্দের তুলনা করে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) An unexpected calamity
কেন সঠিক:
এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ আকাশ থেকে বজ্রপাত হওয়া, যা বাস্তবে হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনো বড় বিপদ বা দুর্ঘটনাকে বোঝায়।
ইংরেজিতে মেঘহীন আকাশ থেকে হঠাৎ বজ্রপাত হওয়া সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত এবং ক্ষতিকর ঘটনা হিসেবে ধরা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An unexpected reward — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি কোনো অপ্রত্যাশিত পুরস্কার বা ভালো কিছু বোঝায় না।
B) An unexpected calamity — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) An unexpected blue colour — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি আক্ষরিক অর্থে নীল রঙের প্রকাশ বোঝায়, কোনো ইডিয়ম নয়।
D) An unexpected person of blue wear — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি নীল পোশাক পরা কোনো অচেনা মানুষকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
আকাশ সবসময় নীল থাকে, আর নীল আকাশ থেকে হঠাৎ বিপদ বা বজ্রপাত (bolt) আসলে তা নিশ্চয়ই বড় কোনো বিপদ বা calamity ডেকে আনে।
সঠিক উত্তর: D) he had learnt his lessons.
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে (He went) থাকায় পরের অংশ পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
'After' এর নিয়ম অনুযায়ী আগের কাজটি পাস্ট পারফেক্ট এবং পরের কাজটি পাস্ট ইনডেফিনিট হয়।
পড়া শেষ করার কাজটি আগে হয়েছিল বলে সেখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he will learn his lessons — পাস্ট টেন্সের সাথে ফিউচার টেন্স যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) he would learn his lessons — পাস্ট টেন্সের সাথে মডাল ভার্বের এমন ব্যবহার নিয়মের সাথে মেলে না।
C) he learns his lessons — পাস্ট টেন্সের সাথে প্রেজেন্ট টেন্সের ব্যবহার নিয়মবহির্ভূত ও ভুল।
D) he had learnt his lessons — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Before এর আগে পাস্ট পারফেক্ট এবং পরে পাস্ট ইনডেফিনিট হয়, আর After এর ঠিক উল্টো নিয়ম অর্থাৎ পরে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: B) If he works hard, he will succeed.
কেন সঠিক:
১ম অংশটি First Conditional নিয়মে গঠিত হওয়ায় কমা-র আগের অংশ Present Indefinite Tense এবং পরের অংশ Future Indefinite Tense হয়েছে।
Condition বা শর্ত বোঝালে If-যুক্ত clause-এ Present Tense এবং প্রধান clause-এ Future Tense ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) If he works hard, he succeeds. — প্রথম অংশ Present Tense হলেও দ্বিতীয় অংশ Future Tense না হয়ে Present Tense হওয়ায় এটি conditional-এর সঠিক নিয়ম মেনে চলেনি।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) If he would works hard, he succeeded. — modal verb-এর পর মূল verb-এর s বা es যুক্ত হওয়ায় এবং Tense-এর গঠনে ভুল থাকায় এটি সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
D) If he worked hard, he succeeded. — এটি Second Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি এবং এর অর্থ ও গঠন অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
If-এর সাথে Present Tense থাকলে পরের অংশে всегда will বসে।
সঠিক উত্তর: A) on
কেন সঠিক:
reclining শব্দটি কোনো তলের উপর হেদিয়ে শুয়ে থাকা বা আরাম করে বসা বোঝাতে সাধারণত on প্রিপজিশন গ্রহণ করে।
couch বা সোফার মতো আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে তার ওপর অবস্থান বোঝাতে on বরে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি সঠিক উত্তর এবং এখানে couch-এর ওপর অবস্থান পুরোপুরি প্রকাশ করে।
B) by — couch-এর পাশে বসা বোঝাতে by ব্যবহার করা যায়, কিন্তু হেদিয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়।
C) in — couch-এর ভেতরে ঢুকে থাকা বোঝায় না, তাই ইন ব্যবহার করা ভুল।
D) to — couch-এর দিকে গতি বোঝাতে এটি বসে, যা বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
বিছানা বা সোফার ওপর আরাম করে শুয়ে থাকা বা হেলান দেওয়ার ক্ষেত্রে সবসময় on প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) Magi
কেন সঠিক:
‘Magus’ শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে ইংরেজীতে এসেছে। লাতিন নিয়মে যেসব শব্দের শেষে ‘us’ থাকে, তাদের বহুবচন করার সময় ‘us’ বাদ দিয়ে ‘i’ যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Magus — এটি একবচন রূপ হওয়ায় বহুবচন হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
B) Maguses — এটি ইংরেজী ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী গঠিত ভুল রূপ।
C) Magux — এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থহীন এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল শব্দ।
D) Magi — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
লাতিন ভাষার যেসব শব্দের শেষে us থাকে, তাদের বহুবচন সাধারণত i দিয়ে শেষ হয় যেমন Magus থেকে Magi।
সঠিক উত্তর: A) Moon
কেন সঠিক:
Lunar শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Luna থেকে এসেছে যার অর্থ চাঁদ। তাই এই শব্দটি সরাসরি চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Moon — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই শব্দটি চাঁদের সাথে সম্পর্কিত।
B) Sun — সূর্য সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ হলো Solar যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Earth — পৃথিবী সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ হলো Terrestrial যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Mars — মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কিত ইংরেজি শব্দ হলো Martian যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Lunar মানে চাঁদ এবং Solar মানে সূর্য, এই দুটি শব্দ সবসময় মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) He acted as I advised him.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে 'on my advice' একটি prepositional phrase যা কাজের ধরন বা উপায় বোঝাচ্ছে। এটিকে complex sentence-এ রূপান্তর করতে হলে 'as' conjunction ব্যবহার করে একটি subordinate clause আনতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I advised him and acted. — এটি একটি compound sentence এবং এর অর্থ মূল বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না কারণ এখানে বক্তা নিজে কাজ করার কথা বলা হয়েছে।
B) I advised him that he acted. — এটি complex sentence হলেও এর অর্থ সম্পূর্ণ ভুল এবং অসংলগ্ন হয়।
C) He acted according to my advice. — এটি একটি simple sentence, কারণ এতে একটি মাত্র finite verb আছে এবং এটি প্রশ্নানুযায়ী complex নয়।
D) He acted as I advised him. — এটি সঠিক কারণ এটি নিয়ম মেনে complex sentence তৈরি করেছে এবং মূল বাক্যের অর্থ পুরোপুরি ঠিক রেখেছে।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর কোনো phrase-কে complex করার সময় 'as' বা 'like' যুক্ত করে subordinate clause বানাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) mercilessly
কেন সঠিক:
- 'Black and blue' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ কালচে ও নীলচে হয়ে যাওয়া, যা মূলত প্রহার করার ফলে ত্বকের পরিবর্তনকে বোঝায়।
- তাই এই ইডিয়মটির প্রকৃত অর্থ হলো অত্যন্ত নির্মমভাবে বা প্রহার করে জখম করা, যা প্রদত্ত অপশনের সাথে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mercifully — এর অর্থ সদয়ভাবে বা দয়ার সাথে, যা এই প্রহার সংক্রান্ত বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) mercilessly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটিই মূল ইডিয়মের সঠিক অর্থ নির্দেশ করে।
C) sympathetically — এর অর্থ সহানুভূতির সাথে, যা শারীরিক নির্যাতনের এই অবস্থার সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) hopefully — এর অর্থ আশাবাদীভাবে, যা এই নিদারুণ শারীরিক নির্যাতন বা আঘাতের ঘটনার সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
মারধরের চোটে শরীরের ত্বক যখন কালচে ও নীলচে হয়ে যায়, তখন তাকে নির্মম বা mercilessly প্রহার করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) It has been raining since morning.
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে অতীতকাল থেকে শুরু হয়ে বর্তমানেও কাজ جاری থাকার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। তাই এটি Present Perfect Continuous Tense-এর গঠন অনুসরণ করবে।
নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে থেকে বোঝাতে 'since' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It is raining since morning. — এটি Present Continuous Tense হওয়ায় ভুল হয়েছে, কারণ নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ থাকলে এই টেন্স ব্যবহার করা যায় না।
B) It has been being raining since morning. — এখানে দুটি 연속된 continuous form (been being raining) ব্যবহারের নিয়ম নেই, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) It has been raining for morning — নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে 'for' বসে না, সুনির্দিষ্ট বিন্দুর ক্ষেত্রে 'since' ব্যবহার করতে হয়।
D) It has been raining since morning. — এটি নিজেই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
যautohing নির্দিষ্ট সময় বা সকাল, দুপুর থেকে কোনো কাজ চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করতে হয় এবং পয়েন্ট অফ টাইমের ক্ষেত্রে since বসে।
সঠিক উত্তর: A) Confession
কেন সঠিক:
Confess শব্দের শেষে -ion যুক্ত করে একে noun এ রূপান্তর করা হয়েছে। এটি অপরাধ বা সত্য স্বীকার করা বোঝাতে noun হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Confession — এটি সঠিক উত্তর।
B) Confess — এটি মূল শব্দ যার Parts of speech হলো verb।
C) Confusion — এটি Confuse শব্দের noun রূপ যার অর্থ বিভ্রান্তি।
D) Confessionably — এটি একটি ভুল গঠন বা অপ্রচলিত শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে -ion বা -sion থাকলে সাধারণত সেটি noun হয়।
সঠিক উত্তর: C) Voluntary
কেন সঠিক:
Compulsory শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বাধ্যতামূলক বা যা করা আবশ্যক।
Voluntary শব্দটির অর্থ হলো ঐচ্ছিক বা যা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়, যা Compulsory শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Mandatory — এই শব্দটির অর্থ বাধ্যতামূলক, যা Compulsory শব্দের সমার্থক বা সমার্থক শব্দ।
B) Obligatory — এই শব্দটির অর্থও বাধ্যতামূলক বা অবশ্যপালনীয়, যা Compulsory শব্দের বিপরীত নয়।
C) Voluntary — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) Complimentary — এই শব্দটির অর্থ প্রশংসাসূচক বা বিনামূল্যে প্রাপ্ত, যা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Compulsory মানে বাধ্যতামূলক আর Voluntary মানে ইচ্ছাকৃত, তাই পরীক্ষার হলে এদের বিপরীত সম্পর্কটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) he were a child
কেন সঠিক:
আসন্ন বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করতে as though এর পরে সাবজেক্টের পর সবসময় were বসে।
এখানে মানুষটি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও শিশুর মতো কথা বলার অবাস্তব কল্পনা বোঝানো হয়েছে।
তাই নিয়মের দিক থেকে এখানে একমাত্র were ব্যবহার করা সঠিক।
অবাস্তব শর্ত বা কল্পনার ক্ষেত্রে ব্যক্তির ক্ষেত্রেও were বসা ব্যাকরণের নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he was a child — এখানে was ব্যবহার করা হয়েছে যা অবাস্তব কল্পনার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) he is a child — বর্তমানকাল বোঝালেও as though এর পরের অংশে সরাসরি is ব্যবহার করা যায় না।
C) he has been a child — এটি বর্তমান নিখুঁত কাল নির্দেশ করে যা এই ধরনের বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
D) he were a child — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে as if বা as though থাকলে এবং তা অবাস্তব কল্পনা বোঝালে সাবজেক্ট যাই হোক না কেন সবসময় were বসবে।
সঠিক উত্তর: A) Control
কেন সঠিক:
- Repress শব্দের অর্থ দমন করা, নিবারণ করা বা নিয়ন্ত্রণ করা।
- Control শব্দের অর্থও নিয়ন্ত্রণ করা বা দমন করা, যা Repress শব্দের সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Control — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দমন করা বা নিয়ন্ত্রণ করা।
B) Represent — এর অর্থ প্রতিনিধিত্ব করা, যা Repress শব্দের সমার্থক নয়।
C) Republish — এর অর্থ পুনরায় প্রকাশ করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে।
D) Repute — এর অর্থ খ্যাতি বা সুনাম, যা Repress শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Repress শব্দের শুরুতে Re এবং Control শব্দের শুরু C দিয়ে হলেও দুটির মূল ভাব হলো কোনো কিছুকে নিয়ন্ত্রণে রাখা বা দমন করা।
সঠিক উত্তর: C) Everybody was satisfied with him.
কেন সঠিক:
Active voice এ verb টি past indefinite tense এ থাকায় passive voice করার সময় was ব্যবহার করতে হবে।
Satisfy verb টির পর সাধারণত by না বসে preposition হিসেবে with বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Everybody has been satisfied by him — এখানে present perfect tense ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের tense এর সাথে মেলে না।
B) Everybody was satisfied by him — এখানে preposition হিসেবে with এর পরিবর্তে ভুলভাবে by ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Everybody was satisfied with him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Everybody would be satisfied at him — এখানে modal auxiliary verb এবং ভুল preposition ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Satisfy, please, charm ইত্যাদি verb এর পর by না বসে সাধারণত with বসে।
সঠিক উত্তর: A) He insisted on my going to cinema.
কেন সঠিক:
Insist verbটির পরে সঠিক preposition হিসেবে ہمیشہ on বসে।
on এর পরে possessive form (my) এবং gerund (going) ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর হওয়াতে এটি সঠিক বাক্য।
B) Insist verbটির পরে সরাসরি object এবং infinitive বসে না।
C) Insist এর পরে preposition হিসেবে in বসে না।
D) Insist এর পরে preposition হিসেবে for বসে না।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দটির সাথে সবসময় on preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Empower
কেন সঠিক:
- 'Empower' একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ ক্ষমতা বা ক্ষমতা প্রদান করা।
- 'Power' নাউনের পূর্বে 'Em' প্রিফিক্স যুক্ত করে এই ভার্বটি গঠন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Powerful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ, যার অর্থ ক্ষমতাবান।
B) Powerfully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ শক্তিমত্তার সাথে।
C) Enpower — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ, সঠিক বানান হলো Empower।
D) Empower — এটি সঠিক ভার্ব রূপ।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নাউনের পূর্বে 'Em' যুক্ত করে তাকে ভার্বে রূপান্তর করা যায়, যেমন Power থেকে Empower।
সঠিক উত্তর: D) সম্পূরক কোণ
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি কোণ পরস্পর সন্নিহিত এবং তাদের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি।
ধরি,
প্রথম কোণটি = ক ডিগ্রি
দ্বিতীয় কোণটি = খ ডিগ্রি
অতএব,
ক + খ = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
দুটি কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি হলে তাদেরকে সম্পূরক কোণ বলে।
উত্তর: সম্পূরক কোণ
সঠিক উত্তর: A) ১৬ বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক
ধরি,
বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক
বর্গের কর্ণের সূত্র = ক√২ একক
অতএব,
ক√২ = ৪√২
ক = ৪
সুতরাং,
বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক
= ৪ × ৪ = ১৬ বর্গ একক
উত্তর: ১৬ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: B) ৬ cm
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম গোলকের ব্যাসার্ধ = ৩ cm
দ্বিতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = ৪ cm
তৃতীয় গোলকের ব্যাসার্ধ = ৫ cm
ধরি,
নতুন গোলকের ব্যাসার্ধ = r cm
অতএব,
প্রথম গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৩)^৩ ঘন cm
দ্বিতীয় গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৪)^৩ ঘন cm
তৃতীয় গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৫)^৩ ঘন cm
সুতরাং,
নতুন গোলকের আয়তন = (৪ ÷ ৩) × π × (৩)^৩ + (৪ ÷ ৩) × π × (৪)^৩ + (৪ ÷ ৩) × π × (৫)^৩ ঘন cm
উত্তর: ৬ cm
সঠিক উত্তর: B) ২৫√২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের প্রত্যেকটির দৈর্ঘ্য ১০ সে.মি.
বাহুদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ ৪৫ ডিগ্রি
ধরি,
প্রথম বাহু a = ১০ সে.মি.
দ্বিতীয় বাহু b = ১০ সে.মি.
অন্তর্ভুক্ত কোণ C = ৪৫°
অতএব,
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো হাফ গুণ a গুণ b গুণ সাইন C
এখানে সাইন ৪৫ ডিগ্রির মান হলো ১ ভাগ √২
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ১০ × ১০ × (১ ÷ √২) বর্গ সে.মি.
উত্তর: ২৫√২ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: D) ৬ ফুট
প্রদত্ত তথ্য:
গাছের মোট উচ্চতা = ১৮ ফুট
ভাঙা অংশ ভূমির সাথে উৎপন্ন কোণ = ৩০°
ধরি,
মাটি থেকে গাছের ভাঙার উচ্চতা = x ফুট
তাহলে গাছের বাকি অংশের দৈর্ঘ্য = (১৮ − x) ফুট
অতএব,
ত্রিভুজ অনুযায়ী লম্ব = x
ত্রিভুজ অনুযায়ী অতিভুজ = ১৮ − x
আমরা জানি, sin(৩০°) = লম্ব ÷ অতিভুজ
সুতরাং,
sin(৩০°) এর মান = ১ ÷ ২
সমীকরণ অনুযায়ী, x ÷ (১৮ − x) = ১ ÷ ২
উত্তর: ২x = ১৮ − x, অর্থাৎ ৩x = ১৮, যার ফলে x = ৬ ফুট
সঠিক উত্তর: B) ৮০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তকার ঘরের দৈর্ঘ্য প্রস্থের দেড়গুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল = ৩৮৪ বর্গমিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (ক × ১.৫ক) বর্গমিটার
১.৫ক বর্গ = ৩৮৪
সুতরাং,
ক বর্গ = ৩৮৪ ÷ ১.৫ = ২৫৬
ক = ১৬ মিটার
উত্তর: প্রস্থ ১৬ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার হলে পরিসীমা = ২ × (২৪ + ১৬) = ৮০ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ১০
প্রদত্ত তথ্য:
একটি ধনাত্মক সংখ্যার দ্বিগুণের বর্গের সাথে ১৫ যোগ করলে ৪১৫ হয়।
ধরি,
অজানা ধনাত্মক সংখ্যাটি ক
সংখ্যাটির দ্বিগুণ = ২ক
সংখ্যাটির দ্বিগুণের বর্গ = (২ক) এর বর্গ
অতএব,
শর্তমতে, (২ক) এর বর্গ + ১৫ = ৪১৫
৪(ক এর বর্গ) + ১৫ = ৪১৫
৪(ক এর বর্গ) = ৪১৫ − ১৫
সুতরাং,
৪(ক এর বর্গ) = ৪০০
ক এর বর্গ = ৪০০ ÷ ৪
ক এর বর্গ = ১০০
উত্তর: ক = ১০
সঠিক উত্তর: B) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক সংখ্যা ১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত
প্রথম সংখ্যা ১ এবং শেষ সংখ্যা ৪৯
ধরি,
ক্রমিক সংখ্যার মোট পরিমাণ = ৪৯
অতএব,
সংখ্যার যোগফল = (প্রথম সংখ্যা + শেষ সংখ্যা) × মোট সংখ্যা ÷ ২
মান বসিয়ে পাই = (১ + ৪৯) × ৪৯ ÷ ২
সুতরাং,
যোগফল = ৫০ × ৪৯ ÷ ২ = ১২২৫
গড় = ১২২৫ ÷ ৪৯ = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: D) ৯০০০১
প্রদত্ত তথ্য:
ছয় অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
ছয় অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১০০০০০
চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৯৯৯
অতএব,
দুটি সংখ্যার অন্তর বের করতে হবে
অন্তর মানে হলো বড় সংখ্যা থেকে ছোট সংখ্যা বিয়োগ করা
সুতরাং,
১০০০০০ − ৯৯৯৯ = ৯০০০০১
উত্তর: ৯০০০০১
সঠিক উত্তর: C) ৩৩
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার সংখ্যাগুলো হলো দুই, তিন, পাঁচ, নয়, সতেরো
ধরি,
প্রথম পদের সাথে পার্থক্য = তিন − দুই = এক
দ্বিতীয় পদের সাথে পার্থক্য = পাঁচ − তিন = দুই
অতএব,
তৃতীয় পদের সাথে পার্থক্য = নয় − পাঁচ = চার
চতুর্থ পদের সাথে পার্থক্য = সতেরো − নয় = আট
সুতরাং,
পঞ্চম পদের সাথে পার্থক্য হবে ষোলো
পরবর্তী সংখ্যাটি হবে সতেরো + ষোলো = তেত্রিশ
উত্তর: ৩৩
সঠিক উত্তর: A) ২০ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বাঁশের ১/৪ অংশ কাঁদায় আছে
বাঁশের ৩/৫ অংশ পানিতে আছে
পানির উপরে আছে ৩ মিটার
ধরি,
বাঁশটির সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
কাঁদায় ও পানিতে আছে = (ক ÷ ৪) + (৩ক ÷ ৫) অংশ
লসাগু করে পাই = (৫ক + ১২ক) ÷ ২০ অংশ = ১৭ক ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
পানির উপরে আছে = ক − (১৭ক ÷ ২০ অংশ) = ৩ক ÷ ২০ অংশ
উত্তর: ৩ক ÷ ২০ = ৩ সুতরাং ক = ২০ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ৩০০ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
বই বিক্রয় করা হলো ১০% ক্ষতিতে
বিক্রয়মূল্য ৪৫ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হয়
ধরি,
বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
অতএব,
১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা
৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা
বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা
সুতরাং,
পার্থক্যের পরিমাণ ১৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
পার্থক্যের পরিমাণ ৪৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ × ৪৫) ÷ ১৫ = ৩০০ টাকা
উত্তর: ৩০০ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ৮৬১
প্রدত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো ১ + ৫ + ৯ + ... + ৮১
এটি একটি সমান্তর ধারা
ধরি,
প্রথম পদ (a) = ১
সাধারণ অন্তর (d) = ৫ − ১ = ৪
অতএব,
ধري, পদসংখ্যা = n
n তম পদ = a + (n − ১) × d = ৮১
সুতরাং,
১ + (n − ১) × ৪ = ৮১
৪n − ৪ = ৮০
উত্তর: n = ২১, এবং সমষ্টি = (২১ ÷ ২) × (১ + ৮১) = ৮৬১
গাণিতিক ব্যাখ্যা:
ধরি, মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা = 100%।
শুধুমাত্র গণিতে পাস করেছে = (80% - 60%) = 20%
শুধুমাত্র বাংলায় পাস করেছে = (70% - 60%) = 10%
উভয় বিষয়ে পাস করেছে = 60%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে (গণিত, বাংলা বা উভয় বিষয়ে) পাস করেছে মোট = (20% + 10% + 60%) = 90%
সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = (100% - 90%) = 10%
উত্তর: 10%
সঠিক উত্তর: B) ±৬
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x এর ওপর স্কয়ার + ১ ভাগ x এর ওপর স্কয়ার = ৩৮
আমরা জানি,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = (x + ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার − ৪
অথবা সরাসরি মান নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করা যায়, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = (x এর ওপর স্কয়ার + ১ ভাগ x এর ওপর স্কয়ার) − ২
অতএব,
মান বসিয়ে পাই, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = ৩৮ − ২
সুতরাং, (x − ১ ভাগ x) এর ওপর স্কয়ার = ৩৬
উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই,
x − ১ ভাগ x = প্লাস মাইনাস √৩৬
উত্তর: ±৬
সঠিক উত্তর: A) − ৬
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম রাশি হলো log2 (১ ÷ ৬৪)
ধরি,
রাশিটির মান সমান ক
অতএব,
২ এর পাওয়ার ক সমান ১ ÷ ৬৪
সুতরাং,
২ এর পাওয়ার ক সমান ১ ÷ (২ এর পাওয়ার ৬)
উত্তর: ক সমান − ৬
সঠিক উত্তর: B) ৫^(x + ১)
প্রদত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো পাঁচটি পাঁচের পাওয়ার এক্স এর যোগফল
যা বীজগণিতের সাধারণ নিয়মে সমাধান করা যায়
ধরি,
প্রদত্ত রাশিটি = ৫^x + ৫^x + ৫^x + ৫^x + ৫^x
অতএব,
এখানে ৫^x রাশিটি মোট পাঁচবার যোগ করা হয়েছে
তাই একে গুণের আকারে লেখা যায় এভাবে
সুতরাং,
৫ × ৫^x = ৫^(x + ১)
উত্তর: ৫^(x + ১)
সঠিক উত্তর: B) ৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
অপশনগুলোতে চারটি সংখ্যা দেওয়া আছে
ধরি,
সংখ্যাগুলো হলো ৫১, ৫৯, ৬৩ এবং ৮৭
অতএব,
৫১ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৫ + ১ = ৬
৬৩ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৬ + ৩ = ৯
সুতরাং,
৮৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৮ + ৭ = ১৫
৫৯ সংখ্যাটিকে ১ এবং ৫৯ ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না
উত্তর: ৫৯
সঠিক উত্তর: A) ব্যাস
প্রদত্ত তথ্য:
একটি বৃত্তের কেন্দ্র দিয়ে জ্যা অংকন করা হয়েছে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হলো বিন্দু ও
জ্যাটি কেন্দ্র অতিক্রম করে পরিধির দুটি বিন্দুকে যুক্ত করেছে
অতএব,
কেন্দ্রগামী এই রেখাংশটি বৃত্তের পরিধিকে দুটি সমান অংশে বিভক্ত করে
এর দৈর্ঘ্য বৃত্তের সবচেয়ে দীর্ঘ জ্যা হিসেবে বিবেচিত হয়
সুতরাং,
বৃত্তের কেন্দ্র ছেদকারী এই জ্যাটি বৃত্তের ব্যাস হিসেবে পরিচিত
উত্তর: ব্যাস
সঠিক উত্তর: D) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য হলো একটি পূর্ণ মাপের বাহু
সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য হলো তার চার ভাগের এক ভাগ
ধরি,
মূল সরলরেখার দৈর্ঘ্য = ক
সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = ক ÷ ৪
অতএব,
মূল সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = ক × ক
এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল = (ক ÷ ৪) × (ক ÷ ৪)
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (ক × ক) ÷ (ক ÷ ৪ × ক ÷ ৪) = ১৬
উত্তর: ১৬ গুণ
সঠিক উত্তর: C) ২, ৪, ২০০৮
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে
ত্রিভুজের যেকোনো দুটি বাহুর দৈর্ঘ্যের সমষ্টি তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড় হতে হয়
ধরি,
ত্রিভুজের বাহুগুলো হলো ক, খ এবং গ
অতএব,
প্রথম ক্ষেত্রে প্রথম বাহু যোগ দ্বিতীয় বাহু বের করতে হবে
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বাহুগুলোর যোগফল যাচাই করতে হবে
সুতরাং,
অপশন সি তে দেওয়া বাহুগুলোর ছোট দুটির যোগফল তৃতীয়টির চেয়ে ছোট হয়
উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজ গঠন অসম্ভব
সঠিক উত্তর: B) ২টি
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে বাইরের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু
বৃত্তের ব্যাসার্ধের নির্দিষ্ট পরিমাপ
ধরি,
বহিঃস্থ বিন্দুটির অবস্থান কেন্দ্র থেকে দূরে
বৃত্তের পরিধি বরাবর স্পর্শবিন্দুর অবস্থান
অতএব,
বিন্দু থেকে বৃত্তের ওপর অঙ্কিত প্রথম সরলরেখা
বিন্দু থেকে বৃত্তের ওপর অঙ্কিত দ্বিতীয় সরলরেখা
সুতরাং,
মোট স্পর্শক আঁকা সম্ভব দুইটি
উত্তর: ২টি
সঠিক উত্তর: D) তামিম
কেন সঠিক:
- তামিম ইকবাল ২০১৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে ১০৩ রান করেছিলেন, যা টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে একমাত্র শতক।
- এটি আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস হিসেবে আজও অপরিবর্তিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাকিব — সাকিব আল হাসান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হলেও টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার কোনো শতক নেই।
B) মাশরাফি — মাশরাফি বিন মর্তুজা বাংলাদেশ দলের সফল অধিনায়ক ও পেসার হলেও তিনি লোয়ার অর্ডার ব্যাটার হিসেবে খেলতেন এবং তার কোনো টি-২০ শতক নেই।
C) সাব্বির — সাব্বির রহমান ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে কিছু ভালো ইনিংস খেললেও দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-২০তে কোনো শতক করতে পারেননি।
D) তামিম — তামিম ইকবাল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে টি-২০ বিশ্বকাপে শতক অর্জনের গৌরব অর্জন করেছেন।
মনে রাখার টিপস:
টি-২০ তে দেশের প্রথম ও একমাত্র সেঞ্চুরির মালিক তামিম ইকবাল, যা তিনি ২০১৬ সালে ওমানের বিপক্ষে করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) ২০০৪
কেন সঠিক:
- মার্ক জাকারবার্গ ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে এটি প্রথমে চালু করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০০০ — এই সালে ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর।
B) ২০০৩ — এই সালে ফেসবুকের পূর্বসূরী ফেসম্যাস তৈরি হলেও ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে।
C) ২০০৪ — এটি ফেসবুক প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
D) ২০০৬ — এই সালে ফেসবুক সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়, প্রতিষ্ঠার বছর এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফেসবুক প্রতিষ্ঠা হয়েছে ২০০৪ সালে, এভাবে মনে রাখুন যে শূন্যের ঠিক পরেই চার আসে।
সঠিক উত্তর: D) ১ঃ৭০০
কেন সঠিক:
- মানবদেহে শ্বেতকণিকা ও লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক অনুপাত সাধারণত ১ঃ৭০০ হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ প্রতি ৭০০টি লোহিত রক্তকণিকার বিপরীতে ১টি শ্বেতকণিকা অবস্থান করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১ঃ৫০০ — এটি ভুল কারণ রক্তকণিকার স্ট্যান্ডার্ড অনুপাতে এই সংখ্যাটি মেলে না।
B) ১ঃ৬৫0 — এটি ভুল কারণ সঠিক অনুপাতের মান এর চেয়ে কিছুটা বেশি।
C) ২ঃ৭০০ — এটি ভুল কারণ শ্বেতকণিকার সংখ্যা এখানে দ্বিগুণ ধরা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) ১ঃ৭০০ — এটি সঠিক অপশন কারণ এটি মানবদেহের রক্তকণিকার প্রকৃত অনুপাত নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
শ্বেতকণিকা রাজার মতো একা থাকে, আর তার পেছনে ৭০০ জন লোহিত কণিকা প্রজার মতো কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) ব্রাজিল
কেন সঠিক:
- জিকা ভাইরাস সংক্রান্ত প্রাদুর্ভাব ও বড় আকারের মহামারী সর্বপ্রথম ২০১৫ সালে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
- যদিও ভাইরাসটির আবিষ্কার উগান্ডার জিকা বনে হয়েছিল, তবে এটি বিশ্বব্যাপী মহামারী হিসেবে প্রথম ব্রাজিনেই আত্মপ্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — এটি জিকা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল বা প্রথম বড় প্রাদুর্ভাবের দেশ নয়।
B) আমেরিকা — এই দেশটিতে জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব পরবর্তী সময়ে দেখা দিলেও এটি প্রথম ছড়ানোর দেশ নয়।
C) ব্রাজিল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই ভাইরাসটি প্রথম ব্যাপক মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল।
D) ইরাক — এই দেশটি জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
জিকা ভাইরাস মহামারীর কথা মনে রাখতে ব্রাজিল ফুটবল দলের নাম ও বিখ্যাত কার্নিভালের সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) কার্বন মনোক্সাইড
কেন সঠিক:
- এটি একটি অত্যন্ত বিষাক্ত ও গন্ধহীন গ্যাস যা প্রধানত জীবাশ্ম জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়।
- এটি রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিজেনের পরিবহন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমিয়ে দেয়, যা বায়ু দূষণের অন্যতম প্রধান ক্ষতিকর উপাদান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান এবং প্রাণীকুলের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য উপকারী গ্যাস, যা সরাসরি বায়ু দূষণের জন্য দায়ী নয়।
B) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বাধিক পরিমাণ থাকা একটি নিষ্ক্রিয় ও নিরাপদ প্রধান উপাদান, যা স্বাভাবিক অবস্থায় দূষণ সৃষ্টি করে না।
C) কার্বন মনোক্সাইড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত কারণ এটি সরাসরি বায়ু দূষণ ও মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
D) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী, তবে সরাসরি মারাত্মক বিষাক্ত বায়ু দূষণকারী হিসেবে কার্বন মনোক্সাইড প্রধান।
মনে রাখার টিপস:
অসম্পূর্ণ দহনে বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়, আর কার্বন মনোক্সাইড হলো সেই নীরব ঘাতক যা বায়ু দূষণ ঘটায়।
সঠিক উত্তর: D) ১১১টি
কেন সঠিক:
- ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে এই সীমান্ত জটিলতার অবসান হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের পূর্বে বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ভারতের মোট ১১১টি ছিটমহল ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৫টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটমহলের প্রকৃত সংখ্যা ছিল ১১১টি।
B) ১১০টি — এটি ভুল সংখ্যা, ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহলের সংখ্যা ছিল ১১১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরেও ভারতের ছিটমহল ১১১টি ছিল।
C) ১১৪টি — এটি একটি ভুল পরিসংখ্যান, যা সঠিক ঐতিহাসিক তথ্যের সাথে মেলে না।
D) ১১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ২০১৫ সালের চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিনিময় হওয়া ছিটমহলের সংখ্যা মনে রাখতে পারেন এভাবে, ভারতের ভেতরে বাংলাদেশের ছিল ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ছিল ১১১টি।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬২
কেন সঠিক:
- আইয়ুব খানের সামরিক সরকারের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এই আন্দোলন গড়ে ওঠে।
- শিক্ষা সংকোচনের এই নীতির প্রতিবাদে ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রসমাজ ঐতিহাসিক আন্দোলন ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম চালায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৬ — এই সালে পাকিস্তান প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়, যা শিক্ষার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) ১৯৬৬ — এই সালে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
D) ১৯৬৮ — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
শিক্ষার অধিকার রক্ষায় ১৯৬২ সালে বাঙালি ছাত্রসমাজ রক্ত দিয়েছিল, তাই মনে রাখুন শিক্ষার বছর ১৯৬২।
সঠিক উত্তর: A) গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ
কেন সঠিক:
- ক্রোমোজোম ত্রুটির কারণে গর্ভস্থ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়াকে ডাউন সিনড্রোম বলা হয়।
- মানবদেহে ২১ নম্বর ক্রোমোজোমের ট্রাইসোমি বা অতিরিক্ত উপস্থিতির ফলে এই জন্মগত বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গর্ভস্থ শিশুর অপরিণত বিকাশ — এটি ডাউন সিনড্রোমের সঠিক ও প্রাসঙ্গিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।
B) ধানগাছের বিশেষ রোগ — এটি মানবদেহের জিনগত বা ক্রোমোজোমের সাথে সম্পর্কিত স্বাস্থ্যগত অবস্থার সাথে মেলে না।
C) নৈতিক অবক্ষয়ের লক্ষণ — এটি কোনো মনস্তাত্ত্বিক বা নৈতিক বিষয় নয়, বরং এটি একটি জন্মগত শারীরিক ও মানসিক অবস্থা।
D) ফলের অপরিণত বিকাশ — এটি উদ্ভিদের বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত, মানবদেহের জিনগত ত্রুটির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ডাউন সিনড্রোম মানেই ক্রোমোজোমের ত্রুটিতে শিশুর জন্মগত বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া।
সঠিক উত্তর: C) সিলেটের মালনী ছড়ায়
কেন সঠিক:
- ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম চা চাষ শুরু করা হয়।
- বাণিজ্যিকভাবে চা চাষের সূচনা এই বাগান থেকেই হওয়ায় এটি বাংলাদেশের চা শিল্পের সূতিকাঘর হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেটের তামাবিলে — এটি মূলত একটি সীমান্তবর্তী এলাকা এবং শুল্ক স্টেশন, যা প্রথম চা চাষের জন্য পরিচিত নয়।
B) সিলেটের জাফলংয়ে — এটি পাথরের জন্য বিখ্যাত একটি পর্যটন কেন্দ্র, যা প্রথম চা চাষের ইতিহাস বহন করে না।
C) সিলেটের মালনী ছড়ায় — এটি পরীক্ষামূলকভাবে বাংলাদেশের প্রথম চা চাষ শুরুর স্থান হওয়ায় সঠিক উত্তর।
D) সিলেটের শ্রীমঙ্গলে — শ্রীমঙ্গলকে চায়ের রাজধানী বলা হলেও এটি প্রথম চা চাষের স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
চা চাষের মাল প্রথম মালনীছড়ায় রোপণ করা হয়েছিল, এভাবে স্থানটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় (প্রদত্ত উত্তরটি আংশিক সঠিক, কারণ নাসায় কর্মরত প্রকৃত বাংলাদেশী জ্যোতির্বিজ্ঞানী ড. দীপঙ্কর তালুকদার বা ড. লুৎফর রহমান সুজন, তবে অপশনগুলোতে সঠিক নাম নেই)
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে রুবাব খান নাসার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তিনি মূলত জ্যোতির্বিজ্ঞানী নন, বরং একজন বিশিষ্ট জ্যোতির্বিদ ও গবেষক।
- তাই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো অপশন না থাকায় ডি অপশনটি বেছে নেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুবাব খান — তিনি নাসা ও গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত একজন জ্যোতির্বিদ, তবে মূল ধারার জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে অন্য কেউ অধিক পরিচিত।
B) সালমান খান — এই নামের কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি নাসায় কর্মরত জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত নন, তিনি মূলত অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা।
সি) কামাল জিহান — এই নামে নাসায় কর্মরত কোনো প্রখ্যাত বাংলাদেশী জ্যোতির্বিজ্ঞানী বা গবেষকের দাপ্তরিক বা ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
ডি) কোনটি নয় — যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে নাসায় কর্মরত সঠিক কোনো বাংলাদেশী জ্যোতির্ব বিজ্ঞানীর নাম নেই, তাই এই অপশনটি সঠিক।
মনে রাখার টিপস:
নাসায় কর্মরত বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের মধ্যে ড. দীপঙ্কর তালুকদার এবং ড. রুবাব খানের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) জাপানি (প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল, সঠিক উত্তর জাপানি ভাষা)
কেন সঠিক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি সর্বশেষ জাপানি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- গ্রন্থটির জাপানি অনুবাদের শিরোনাম হলো 'বংগাকুরু নো জিকোকোকু' এবং এটি প্রকাশ করেছে জাপানের একাডেমি প্রেস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রুশ — এটি গ্রন্থটির সর্বশেষ অনূদিত ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
B) ডাচ্ — এটি গ্রন্থটির সর্বশেষ অনূদিত ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) চীনা — এটি গ্রন্থটির সর্বশেষ অনূদিত ভাষা নয়, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
D) কোনটি নয় — প্রদত্ত উত্তর ভুল ছিল কারণ সঠিক উত্তর জাপানি ভাষা অপশনগুলোতে সরাসরি ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
অসমাপ্ত আত্মজীবনী সর্বশেষ অনূদিত হয়েছে জাপানি ভাষায়, যা জাপান দেশ সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত এই ভবনটি দেশের প্রথম ও একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার।
- চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এই বাণিজ্যিক টাওয়ারটি নির্মাণ ও পরিচালনা করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে কোনো ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নেই।
B) সিলেট — এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহর হলেও এখানে এই ধরনের কোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক টাওয়ার নেই।
C) কুমিল্লা — এটি একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহর হলেও এখানে এই ট্রেড সেন্টার অবস্থিত নয়।
D) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বন্দর নগরীতেই দেশের একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামেই দেশের প্রথম ও একমাত্র ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) কোনটি নয় (প্রশ্নে কাোনটি নয় উল্লেখ আছে)
কেন সঠিক:
- প্রশ্নে সম্প্রতি বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়ার কথা বলা হলেও অপশনগুলোতে সঠিক রোগটির নাম নেই।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর কোনোটিই সাম্প্রতিক আলোচিত সেই বিরল রোগের সঙ্গে মেলে না, তাই সঠিক উত্তর কোনটি নয় হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ্যানথ্রাক্স — এটি প্রধানত গবাদিপশুর রোগ হলেও এটি কোনো নতুন বা সাম্প্রতিক আলোচিত বিরল রোগ নয়।
B) ট্রিম্যান — এটি সাধারণ কোনো পরিচিত বা আলোচিত রোগ নয় এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক নয়।
C) চিকন গুনিয়া — এটি একটি পরিচিত মশাবাহিত রোগ যা বাংলাদেশে বহু আগে থেকেই বিদ্যমান।
D) কোনটি নয় — সাম্প্রতিক আলোচিত বিরল রোগটি অপশনে না থাকায় এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
প্রশ্নে নির্দিষ্ট কোনো সাম্প্রতিক বিরল রোগের নাম না থাকলে এবং অপশনে সঠিক রোগটি না থাকলে উত্তর কোনটি নয় হবে।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ধর্মপাল
কেন সঠিক:
- পাল বংশের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতাব্দীতে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার বা সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত এবং এটি বৌদ্ধ স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দেবপাল — তিনি ধর্মপালের উত্তরাধিকারী হলেও সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা নন, তিনি বিক্রমশীল মহাবিহারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
B) ধর্মপাল — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
C) শশাংক — তিনি গৌড়ের রাজা ছিলেন এবং পাল বংশের উত্থানের অনেক আগে সপ্তম শতাব্দীতে রাজত্ব করতেন।
D) রাজা গোপাল — তিনি পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও সোমপুর বিহার নির্মাণ করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সোমপুর বিহারের 'স' এবং ধর্মপালের 'ধ' দিয়ে মনে রাখতে পারেন ধর্মপালের ধর্মীয় কাজের অন্যতম সেরা সৃষ্টি এই বিহার।
সঠিক উত্তর: B) এটর্নি জেনারেল
কেন সঠিক:
- সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তিনিই সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন।
- সরকারের পক্ষে সুপ্রীম কোর্টের সকল আদালতে আইনি মতামত প্রদান ও প্রতিনিধিত্ব করা তার প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইনমন্ত্রী — তিনি আইন মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক প্রধান ও মন্ত্রী, তবে সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা বা অ্যাটর্নি জেনারেল নন।
B) এটর্নি জেনারেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর কারণ দেওয়া হয়েছে।
C) প্রধান বিচারপতি — তিনি দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে থাকেন এবং সুপ্রীম কোর্টের প্রধান, সরকারের আইন কর্মকর্তা নন।
D) জাতীয় সংসদ — এটি দেশের আইন প্রণয়নকারী সর্বোচ্চ সংস্থা, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা আইন কর্মকর্তা নয়।
মনে রাখার টিপস:
আইন প্রণয়ন করে সংসদ, বিচার করেন প্রধান বিচারপতি, আর সরকারের পক্ষে আদালতে আইনি লড়েন অ্যাটর্নি জেনারেল।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) আগারগাঁও
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগারটি রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাহবাগে — এটি সঠিক নয়, কারণ শাহবাগে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও গণগ্রন্থাগার অবস্থিত।
B) গুলিস্তানে — এটি সঠিক নয়, কারণ গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়াম ও বিভিন্ন বিপণন বিতান অবস্থিত।
C) আগারগাঁও — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
D) উত্তরায় — এটি সঠিক নয়, কারণ উত্তরা একটি আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা যেখানে জাতীয় গ্রন্থাগার নেই।
মনে রাখার টিপস:
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সরকারি অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও আর্কাইভ অবস্থিত, যার মধ্যে জাতীয় গ্রন্থাগার অন্যতম।
সঠিক উত্তর: C) ১৭৫ জন
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৭৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীর বিক্রম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় বা ব্যক্তিগত বীরত্বসূচক খেতাব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৭৬ জন — এটি বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা, বীর বিক্রমের সংখ্যা নয়।
B) ৬৪ জন — এটি বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক সংখ্যা, যা বীর বিক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) ১৭৫ জন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা।
D) ৪২৬ জন — এটি কোনো নির্দিষ্ট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সরকারি সংখ্যা নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
বীরত্বের ক্রমানুসারে বীর শ্রেষ্ঠ ৭, বীর উত্তম ৬৮, বীর বিক্রম ১৭৫ এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
সঠিক উত্তর: B) ৮ মিনিট
কেন সঠিক:
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার এবং আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- এই দূরত্ব অতিক্রম করতে সূর্যের আলোর পৃথিবীতে আসতে গড়ে প্রায় আট মিনিট সময় লাগে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৭ মিনিট — এই সময়ের মধ্যে সূর্যের আলো সম্পূর্ণ দূরত্ব অতিক্রম করে পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না।
B) ৮ মিনিট — এটি সঠিক সময় হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ৯ মিনিট — এই সময়ের পরিমাণ প্রকৃত সময়ের চেয়ে বেশি।
D) ১০ মিনিট — এই সময়সীমা অতিরিক্ত বেশি এবং অবাস্তব।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসতে মোট আট মিনিট সময় লাগে, এই সংখ্যাটি মনে রাখতে আট অংকটিকে মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: B) নরসিংদী
কেন সঠিক:
- উয়ারি-বটেশ্বর বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও সমৃদ্ধ জনপদ।
- এটি প্রাচীন মৌর্য ও শুঙ্গ আমলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীপুর — এটি একটি জেলা হলেও এখানে উয়ারি-বটেশ্বর অবস্থিত নয়।
B) নরসিংদী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় প্রযোজ্য।
C) শেরপুর — এটি উত্তর অঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে উয়ারি-বটেশ্বরের কোনো নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
D) ময়মনসিংহ — এটি অন্য একটি প্রশাসনিক জেলা এবং উয়ারি-বটেশ্বরের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
উয়ারি-বটেশ্বর নরসিংদীতে অবস্থিত; মনে রাখতে ব-তে বটেশ্বর আর ন-তে নরসিংদী এই মিলটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: সঠিক উত্তরটি প্রদত্ত অপশনগুলোতে নেই। সুন্দরবনের শরণখোলা উপজেলার বলেশ্বর নদে কয়লাবাহী কার্গো ডুবেছিল।
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনের বলেশ্বর নদে কয়লাবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটেছিল।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক নদীর নাম না থাকায় সঠিক উত্তর হবে কোনটি নয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিস্তা — তিস্তা নদী সুন্দরবনাঞ্চলে অবস্থিত নয় এবং এখানে কোনো কয়লাবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটেনি।
B) ভৈরব — ভৈরব নদী সুন্দরবনের ভেতরে নয় এবং এটি এই দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) শ্যালা — সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে অতীতে তেলবাহী ট্যাংকার ডুবি হয়েছিল, কয়লাবাহী কার্গো নয়।
D) কোনটি নয় — প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক নদীর নাম না থাকায় এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবনের কয়লাবাহী কার্গো ডুবির নদীটি হলো বলেশ্বর নদ, যা শ্যালা বা ভৈরব নদী নয়।
সঠিক উত্তর: A) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
কেন সঠিক:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম বাংলা ভাষাকে গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি জানিয়ে ঐতিহাসিক সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- তার এই সাহসী প্রস্তাবের মাধ্যমেই রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আইনগত ও সংসদীয় লড়াই শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই গণপরিষদে প্রথম বাংলায় কথা বলার ও দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাব রেখেছিলেন।
B) আবুল কাশেম — তিনি তমুদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা ও ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক হলেও ১৯৪৮ সালে গণপরিষদে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেননি।
C) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রবাদপ্রতীম নেতা হলেও পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন না।
D) যোগশচন্দ্র দাস — তিনি গণপরিষদের সদস্য ছিলেন এবং ভাষা আন্দোলনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখলেও মূল প্রস্তাবটি তিনি উত্থাপন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
১৯৪৮ সালে সংবিধানে বাংলাকে যুক্ত করার প্রথম 'দত্ত' (দিতে চেয়েছিলেন) প্রস্তাবটি এনেছিলেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৬
প্রদত্ত তথ্য:
বাঙালির মুক্তির সনদ হলো ছয় দফা দাবি
এই ঐতিহাসিক দাবি পেশ করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ধরি,
ছয় দফা দাবি পেশের সাল নির্ধারণ করা হলো ইতিহাসের সঠিক সময়কাল থেকে
অতএব,
পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর একটি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল
সেই সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা পেশ করা হয়
সুতরাং,
১৯৬৬ সালের ৫ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি এই দাবি পেশ করা হয়েছিল
উত্তর: ১৯৬৬
সঠিক উত্তর: C) সিয়েরালিওন
কেন সঠিক:
- ২০০২ সালে সিয়েরালিওনের গৃহযুদ্ধ অবসানে জাতিসংঘের শান্তি মিশনের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা ভাষাকে দেশটির দ্বিতীয় সরকারি ভাষা করা হয়।
- পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে বাংলা ভাষার এই সম্মান প্রাপ্তি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের মাতৃভাষার গৌরব বৃদ্ধি করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোমালিয়া — এটি আফ্রিকার একটি দেশ এবং এর সরকারি ভাষা সোমালি ও আরবি, বাংলা ভাষা এখানে রাষ্ট্রভাষা বা সরকারি ভাষার মর্যাদা পায়নি।
B) নেপাল — এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ এবং এর সংবিধানে নেপালি ভাষাকে একমাত্র সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
D) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ এবং এর একমাত্র সরকারি ভাষা আরবি, এখানে বাংলা ভাষার কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার সিয়েরালিওন দেশে শান্তি রক্ষা করতে গিয়ে বাংলাদেশিরা বাংলা ভাষাকে সেখানে সরকারি ভাষার মর্যাদা এনে দিয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- পারকী সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর মোহনার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে সড়কপথে সহজেই যাতায়াতযোগ্য একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সৈকতটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
B) কক্সবাজার — এটি ভুল কারণ কক্সবাজার জেলায় বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও ইনানী সৈকত রয়েছে, পারকী নয়।
C) বরগুনা — এটি ভুল কারণ বরগুনা জেলায় কুয়াকাটার কাছাকাছি সোনাকাটা ও হরিণঘাটা সৈকত অবস্থিত।
D) পটুয়াখালী — এটি ভুল কারণ পটুয়াখালী জেলায় বিখ্যাত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পারকী সৈকত দেখতে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় যাই।
সঠিক উত্তর: B) হাণ্টার কমিশন
কেন সঠিক:
- লর্ড রিপন ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হাণ্টারের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন বা হাণ্টার কমিশন গঠন করেন।
- এই কমিশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৮৫৪ সালের উডের নির্দেশপত্রের পর ভারতে শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি মূল্যায়ন করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিপন কমিশন — লর্ড রিপন অনেকগুলো সংস্কার করলেও শিক্ষা বিষয়ক এই কমিশনটি তাঁর নামানুসারে রিপন কমিশন নামে পরিচিত নয়, বরং হাণ্টার কমিশন নামে পরিচিত।
B) হাণ্টার কমিশন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) নাথান কমিশন — এটি ১৯১২ সালে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য গঠিত হয়েছিল।
D) লর্ড কমিশন — ব্রিটিশ ভারতে এই নামে কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
লর্ড রিপন শিক্ষা কমিশন গঠনে হান্ট করেছিলেন, তাই এটি হাণ্টার কমিশন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)