সঠিক উত্তর: B) চলিত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষার কথ্য রূপ বা চলিত রীতি নাটকের সংলাপের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাধ্যম হিসেবে সর্বস্বীকৃত।
- চলিত রীতি জীবন্ত, গতিশীল ও সহজবোধ্য হওয়ায় তা মানুষের দৈনন্দিন কথ্য ভাষার খুব কাছাকাছি অবস্থান করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা লেখার রূপ মূলত দুই প্রকার যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি।
- চলিত রীতি মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে বিধ Car নাটকে এটি ব্যবহারের মাধ্যমে চরিত্রগুলো জীবন্ত ও বাস্তবসম্মত হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক
ব্যাখ্যা: এই নাটকের চরিত্রগুলোর মুখে বাস্তবসম্মত ও প্রাণবন্ত সংলাপ ফুটিয়ে তুলতে চলিত রীতির সফল প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীওলের নাটক
ব্যাখ্যা: তাঁর নাটকে সাধারণ মানুষের জীবন ও মুখের ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ায় চলিত রীতির ব্যবহার অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু — সাধু রীতি কৃত্রিম, গম্ভীর ও অবিকশিত হওয়ায় তা নাটকের স্বাভাবিক কথোপকথনের জন্য অনুপযুক্ত।
C) আঞ্চলিক — আঞ্চলিক ভাষা নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় সর্বসাধারণের বোধগম্য হয় না।
D) মিশ্র — সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয় যা কোনো সাহিত্যকর্মেই গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাটক মানেই অভিনয় ও সংলাপ আর সংলাপ মানেই মুখের ভাষার কাছাকাছি থাকা। মুখের ভাষা মানেই চলিত রীতি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতির প্রবক্তা হিসেবে সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এই রীতির আন্দোলন শুরু করেন।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
'আনারস' শব্দটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত একটি বিদেশাগত শব্দ। এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে বিদেশাগত বা বিদেশি শব্দ অন্যতম যা অন্য ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাবি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বালতি
ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি জনপ্রিয় শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় 'হরতাল', 'রুইতন' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু 'আনারস' আসেনি।
B) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় 'খদ্দর', 'গুজরাটি' ইত্যাদি শব্দ আসলেও 'আনারস' পর্তুগিজ শব্দ।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আনারস পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
D) জাপানি — জাপানি ভাষা থেকে বাংলায় 'রিকশা', 'জাপানি' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আনারস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পর্তুগিজ শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে ফলমূল, পানীয় ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসগুলো আলাদা করে তালিকা করে পড়তে পারো। আনারস একটি বিদেশি ফল যা পর্তুগিজদের মাধ্যমে আমাদের দেশে এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশাগত শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দের তালিকা ভালো করে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুদ্রার্থে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দের ছোট বা ক্ষুদ্র রূপ বোঝাতে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করা হয়, যাকে ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
- এখানে মূল শব্দ হলো নাটক, যার সঙ্গে ক্ষুদ্রার্থক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নাটক বোঝাতে 'নাটিকা' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে কিছু বিশেষ শব্দে ক্ষুদ্রতা বোঝাতে বা ছোট অর্থে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করা হয়।
- যেমন নদী শব্দের ক্ষুদ্র অর্থে নদিকা বা অনু নদী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত নাটক বোঝাতে নাটিকা বলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুস্তিকা
ব্যাখ্যা: পুস্তক শব্দের ক্ষুদ্র অর্থ বোঝাতে পুস্তিকা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গতিকা
ব্যাখ্যা: গতি শব্দের ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে গতিকা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমার্থে — নাটিকা শব্দটি সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত হয় না কারণ এটি মূল শব্দের সমান বড় নাটক নয় বরং ছোট নাটক।
B) বিপরীতার্থে — নাটিকা শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, এটি নাটকেরই একটি ক্ষুদ্র রূপ।
D) বৃহদার্থে — নাটিকা শব্দটি বৃহদার্থ বোঝায় না, বরং এটি ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শেষে ইকা প্রত্যয় দেখলে সাধারণত তা ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশ করে, যেমন পুস্তক থেকে পুস্তিকা।
- বড় কিছু থেকে ছোট কিছু বোঝাতে এই ধরনের প্রত্যয় যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দের উদাহরণ প্রায়ই আসে।
- নাটক থেকে নাটিকা এবং পুস্তক থেকে পুস্তিকা শব্দগুলো বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি। মানুষের মুখনিঃসৃত বা বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম এককই হলো ধ্বনি, যা ভাষার ভিত্তি তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ। ধ্বনি হলো কান দিয়ে শোনার বিষয় আর বর্ণ হলো চোখ দিয়ে দেখার বিষয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি ও বর্ণের প্রতীক।
উদাহরণ ২: বাবা, মা
ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে শব্দ এবং শব্দ মিলিত হয়ে পদ ও বাক্য তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার প্রকাশের পূর্ণাঙ্গ একক, মূল উপাদান নয়।
B) শব্দ — শব্দ হলো অর্থপূর্ণ ধ্বনির সমষ্টি, যা ধ্বনির পরের ধাপ।
C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার মূল উপাদান নয়।
D) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষার মূল বা শিকড় হলো ধ্বনি। গাছ যেমন বীজ বা মূল থেকে জন্মায়, ভাষা তেমনই ধ্বনি থেকে জন্মায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি এবং অর্থের ক্ষুদ্রতম একক রূপিম। এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কনফিউজ করে, তাই সতর্ক থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অরিন্দম
১. কেন সঠিক:
- 'অরিন্দম' শব্দের অর্থ যিনি শত্রু দমন করেছেন বা শত্রুকে জয় করেছেন।
- এটি এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বলতে বোঝায় বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অরিকে দমন করে যে = অরিন্দম
ব্যাখ্যা: এখানে 'অরি' শব্দের অর্থ শত্রু এবং 'দম্' ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার = নিরহংকার
ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশে নেতিবাচক অর্থে উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শত্রুঘ্ন — এর অর্থ শত্রুকে বিনাশ করে যে, তবে নির্দিষ্ট এই পদের জন্য 'অরিন্দম' বেশি উপযুক্ত।
B) অরিন্দম — এটি প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ শত্রুকে দমন করে যে।
C) শত্রু হত্যা — এটি একটি সমাসবদ্ধ বা সাধারণ শব্দ, কোনো একক শব্দে বাক্য সংকোচন বোঝায় না।
D) কৃতঘ্ন — এর অর্থ যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না, যা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অরি শব্দের অর্থ শত্রু এবং দম মানে দমন করা, তাই অরিন্দম মানে শত্রুকে দমনকারী।
- বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ মনে রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- শেকড় বা শব্দের মূল অর্থ মুখস্থ না রেখে বুৎপত্তিগত অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
সঠিক উত্তর: B) নিস্তেজ
১. কেন সঠিক:
- ‘তেজি’ শব্দের মূল অর্থ হলো তেজস্বী, বলবান, সক্রিয় বা প্রাণবন্ত।
- এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করার জন্য এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা শক্তিহীনতা বা প্রাণহীনতা বোঝায়, আর ‘নিস্তেজ’ শব্দটির অর্থ হলো তেজহীন বা শক্তিহীন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের পরিপূরক বা ঠিক উল্টো অর্থবোধক শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেজি ঘোড়া দ্রুত দৌড়ায়।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘তেজি’ শব্দটি ঘোড়ার শক্তি ও কর্মক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অসুস্থতার কারণে লোকটি নিস্তেজ হয়ে পড়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘নিস্তেজ’ শব্দটি ব্যক্তির শক্তিহীনতা বা দুর্বলতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বল — ‘দুর্বল’ শব্দটি শারীরিক শক্তির অভাব বোঝায়, তবে ‘তেজি’ শব্দের সরাসরি ও নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ‘নিস্তেজ’ বেশি উপযুক্ত।
B) নিস্তেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘তেজি’ শব্দের বিপরীতার্থক।
C) সতেজ — ‘সতেজ’ শব্দটি ‘তেজি’ শব্দের সমর্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
D) রুগ্ণ — ‘রুগ্ণ’ শব্দের অর্থ রোগাক্রান্ত বা স্বাস্থ্যহীন, যা ‘তেজি’ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তেজি অর্থ যার তেজ বা শক্তি আছে, আর নিস্তেজ অর্থ যার কোনো তেজ বা শক্তি নেই।
- বিপরীত শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের মূল ভাব বা শক্তির মাত্রা লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দ চয়নের সময় প্রমিত বাংলা অভিধানের প্রচলিত বিপরীত শব্দগুলো চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) পরকীয়
কেন সঠিক:
স্বকীয় শব্দের অর্থ নিজের বা নিজস্ব এবং এর বিপরীতে অন্যের বা অন্য সম্পর্কিত বোঝাতে পরকীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বকীয় শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হিসেবে পরকীয় শব্দটি সর্বস্বীকৃত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিপরীত শব্দ গঠনের সময় অনেক ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ পরিবর্তন করে তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা হয়।
বাংলা ভাষায় নিজস্ব বা স্বজাতীয় কোনো বিষয়ের বিপরীত বোঝাতে পরকীয় বা পরধর্ম জাতীয় শব্দ ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন স্বকীয় এর বিপরীত পরকীয়, তেমনি আপন এর বিপরীত পর বা পরকীয় বলা যেতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপর — অপর শব্দটির অর্থ ভিন্ন বা অন্য, এটি স্বকীয় শব্দের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
B) নিজস্ব — নিজস্ব শব্দটির অর্থ নিজের, যা স্বকীয় শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত শব্দ নয়।
C) স্বকীয়তা — স্বকীয়তা হলো একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, যা মূল শব্দের বিপরীত না হয়ে বরং সমার্থক রূপ।
D) পরকীয় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার কোনো সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
স্ব দিয়ে নিজের বোঝায় তাই এর বিপরীত মনে রাখার জন্য পর শব্দযুক্ত পরকীয় মনে রাখা সহজ।
শব্দটির মূল উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) দ্বিগু
১. কেন সঠিক:
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- এই সমাসে পদের মিলনে একটি নতুন সমাসবদ্ধ পদ গঠিত হয় যা বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয় এবং যার দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিন মাথার সমাহার = তিম মাথা বা তেমাথা
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ তিন সংখ্যাবাচক এবং পরপদ মাথা বিশেষ্য পদ, যা সমাহার বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী
ব্যাখ্যা: এখানে শত সংখ্যাবাচক শব্দ এবং অব্দ বিশেষ্য পদ মিলে সমষ্টি বুঝিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্র্রাধান্য থাকে, যেখানে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাহার বোঝায় না।
B) দ্বিগু — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্যের সমাস হয়ে সমাহার বোঝায়।
C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্যের ভাব থাকে কিন্তু নির্দিষ্টভাবে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানোর জন্য দ্বিগু সমাস আলাদা করা হয়েছে।
D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দ + বিশেষ্য পদ + সমাহার বা সমষ্টি = দ্বিগু সমাস।
- দ্বিগু সমাসের শেষে আ, ঈ বা ই যুক্ত হয়ে সমস্ত পদটি স্ত্রীলিঙ্গ বা ক্লীবলিঙ্গ হতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- সমাহারের অর্থ প্রকাশ পেলে তা সবসময় দ্বিগু সমাস হিসেবে গণ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পুষ্প
১. কেন সঠিক:
- প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, যা উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ এবং সৌন্দর্যের প্রতীক।
- বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে প্রসূন অত্যন্ত প্রচলিত একটি তৎসম শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রসূন একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার অর্থ পুষ্প বা ফুল।
- বাংলা ভাষায় নিবিড় ভাব প্রকাশ ও কাব্যে এই ধরনের প্রতিশব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুম
ব্যাখ্যা: এটি প্রসূনের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: মঞ্জরী
ব্যাখ্যা: এটি ফুলের গুচ্ছ বা সমাহার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্রমর — এর অর্থ ষটপদ বা মৌমাছি, যা ফুলের ওপর বসে কিন্তু ফুলের সমার্থক নয়।
B) পক্ষী — এর অর্থ পাখি বা খেচর, যা প্রসূনের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
C) পুষ্প — এটি প্রসূনের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং সরাসরি এর অর্থ প্রকাশ করে।
D) ফল — এটি ফুলের পরবর্তী রূপ, তবে ফুল বা প্রসূনের সরাসরি সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসূন এবং পুষ্প উভয় শব্দই প বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখতে সাহায্য করে।
- কাব্যিক শব্দ হিসেবে প্রসূন মানেই ফুল, এটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম প্রতিশব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- প্রসূন, কুসুম, পুষ্প এবং সুমন সমার্থক শব্দ হিসেবে একসঙ্গে মনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) √ মুচ্ + তি
১. কেন সঠিক:
'মুক্তি' শব্দটি গঠিত হয়েছে কৃৎ প্রত্যয় যোগে। এখানে ধাতু হলো মুচ্ এবং প্রত্যয় হলো তি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের নিয়মে চ স্থানে ক বা অন্যান্য পরিবর্তন সাধিত হতে পারে, তবে মূল ধাতু হলো মুচ্।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √ ভুজ + তি = ভক্তি। এখানে ভুজ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √ সৃজ্ + তি = সৃষ্টি। এখানে সৃজ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √ মুচ্ + তি — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে।
B) √ মুক্ + ক্তি — এখানে মূল ধাতু মুক্ ভুল কারণ প্রমিত ব্যাকরণে ধাতু হলো মুচ্।
C) √ মুক + তি — এখানে মুক কোনো স্বীকৃত ধাতু নয়।
D) √ মুচ্ + ক্তি — এখানে ক্তি অতিরিক্ত ও ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উৎসের অনেক শব্দে তি প্রত্যয় যোগ করার সময় ধাতু অপরিবর্তিত থাকে। মুচ্ ধাতুর সঙ্গে তি যোগ করলে মুক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধাতু চেনার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) √ গৈ + ণক
১. কেন সঠিক:
- ‘গায়ক’ একটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ যার মূল ধাতু ‘গৈ’ এবং প্রত্যয় ‘ণক’।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ‘গৈ’ ধাতুর সঙ্গে ‘ণক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘গায়ক’ শব্দটি গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়।
- এখানে ‘ণক’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে ধাতুর আদি স্বর ‘ঐ’ স্থানে ‘আই’ বৃদ্ধি লাভ করে গায় হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √ চৈ + ণক = চায়ক
ব্যাখ্যা: গৈ ধাতুর মতো চৈ ধাতুর সঙ্গে ণক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চায়ক শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: √ নৈ + ণক = নায়ক
ব্যাখ্যা: একই নিয়ম অনুসরণ করে নৈ ধাতুর সঙ্গে ণক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নায়ক শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √ গিঃ + অক — এটি ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ ‘গিঃ’ কোনো মূল ধাতু নয়।
B) √ গায় + অক — ‘গায়’ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, এটি ‘গৈ’ ধাতুর পরিবর্তিত রূপ।
C) √ গৈঃ + নক — এখানে ধাতু বা প্রত্যয়ের রূপটি ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক নয়।
D) √ গৈ + ণক — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত ব্যাকরণ নিয়ম অনুসরণ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ‘গায়ক’ ও ‘নায়ক’ শব্দে সবসময় ‘ণক’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- ধাতুর আদি স্বর ‘ঐ’ থাকলে প্রত্যয় যোগের সময় তা ‘আই’ হয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় প্রায়ই আসে।
- ধাতু চেনার সময় সর্বদা মূল সংস্কৃত ধাতু ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: ঘ) নিশ্চেষ্ট
কেন সঠিক:
- ‘সচেষ্ট’ শব্দের অর্থ কোনো কাজে চেষ্টা আছে যার বা উদ্যোগী।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘নিশ্চেষ্ট’, যার অর্থ কোনো চেষ্টা বা উদ্যোগ নেই যার।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ যুক্ত হয়ে শব্দের বিপরীতার্থক নতুন শব্দ গঠিত হয়।
- ‘স’ উপসর্গের বিপরীত হিসেবে ‘নিঃ’ বা ‘নিদ্’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: সজীব এর বিপরীত নির্জীব, সচেষ্ট এর বিপরীত নিশ্চেষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- ক) অশিষ্ট — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো শিষ্ট, তাই এটি সচেষ্ট এর বিপরীত নয়।
- খ) অনিষ্ট — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো ইষ্ট, তাই এটি সচেষ্ট এর বিপরীত হতে পারে না।
- গ) লঘিষ্ঠ — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো গরিষ্ঠ, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- ঘ) নিশ্চেষ্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ‘স’ যুক্ত ইতিবাচক শব্দের প্রথমে ‘নি’ বা ‘নিস্’ যুক্ত করে প্রায়শই বিপরীত শব্দ তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) গ্রামান্তর
১. কেন সঠিক:
যে সমাসের সমস্তপদ বা ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা পদের অর্থ ঠিক রাখার জন্য অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় এবং সবসময় নিত্য সমাসই থাকে, তাকে নিত্য সমাস বলে।
গ্রামান্তর শব্দের অর্থ অন্য গ্রাম, যা নিত্য সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নিত্য সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না, ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়।
নিত্য সমাসে সাধারণত অন্য, কেবল, মাত্র প্রভৃতি শব্দ যোগে ব্যাসবাক্য করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য মন = অন্যমনা
ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি শব্দ যেখানে অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র
ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের অপর একটি উদাহরণ যেখানে কেবল পদের সাহায্যে সমাস সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেতার — এটি বহুত্রী সমাসের উদাহরণ, যার অর্থ তিন তার আছে যার।
B) প্রত্যহ — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য অহহ বা দিন দিন।
C) গ্রামান্তর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) সহোদর — এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য উদর এক যার।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য সমাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সমস্তপদে সাধারণত অন্য, কেবল বা মাত্র শব্দগুলোর উপস্থিতি খেয়াল করা।
গ্রামান্তর শব্দের মতো যেসব শব্দে অন্য অর্থ প্রকাশ পায়, সেগুলো সাধারণত নিত্য সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস চেনার জন্য অন্য মন বা গ্রামান্তর শব্দগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের সমাসের ধরনগুলো ভালোভাবে যাচাই করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
ভয়, ভীতি, রক্ষা পাওয়া বা চ্যুত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
এখানে 'ডরাই' শব্দের অর্থ ভয় পাই, তাই ভয়ের উৎস হিসেবে রাঘব বা রামচন্দ্র অপাদান কারক হয়েছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে ভয় পাওয়া হয়, তার সঙ্গেই অপাদান কারক হয় কারণ ভয় একটি অপসারণ বা দূরবর্তী ধারণার সৃষ্টি করে।
শব্দের সঙ্গে 'এ' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয় না বুঝিয়ে ভয়, রক্ষা বা দূরত্ব বোঝালে তা অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবাকে ভয় পাই।
ব্যাখ্যা: এখানে বাবা হলেন ভয়ের উৎস, তাই এটি অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা চ্যুত বা পতিত হচ্ছে, তাই গাছ অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভয়ের উৎস বোঝানো হয়েছে এবং রাঘব শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে।
B) কর্তৃকারকে ৭মী — যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে সে কর্তা, কিন্তু এখানে রামচন্দ্র বা রাঘব কাজের কর্তা নন বরং ভয়ের আধার।
C) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করা হয়নি।
D) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম, কিন্তু এখানে রামচন্দ্র কর্মকারক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ভয়, ভীতি, দূরত্ব, উৎপন্ন বা রক্ষা পাওয়ার অর্থ থাকলে চোখ বন্ধ করে তা অপাদান কারক হবে।
শব্দের শেষে 'এ' বা 'তে' থাকলে এবং তা ভয় বা চ্যুত হওয়া বোঝালে অপাদানে সপ্তমী বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার সঙ্গে প্রশ্ন করে কারক চিনতে হয়।
কাকে ভয় পাও বা কিসের থেকে ভয়, এমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা সর্বদা অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: A) সর্বজনীন
কেন সঠিক:
- বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সকলের জন্য প্রযোজ্য বোঝাতে সর্বজনীন শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এর মূল অর্থ হলো যা সমস্ত মানুষের ক্ষেত্রে সমানভাবে সত্য বা প্রযোজ্য।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সর্বজনীন শব্দটি গঠিত হয়েছে সর্ব এবং জনীন মিলে, যার অর্থ সবার জন্য হিতকর বা প্রযোজ্য।
- বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ নির্ণয় অংশে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এককথার প্রকাশ।
- যেমন: এই উৎসবটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বজনীন একটি অনুষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সর্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অর্থ ধরা হয় না।
- B) সার্বজনীন — এটি বানানগতভাবে এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কিছুটা কম গ্রহণযোগ্য, তবে কথ্যরূপে চলে।
- C) সর্বজনস্বীকৃত — এর অর্থ যা সবার দ্বারা স্বীকৃত বা মান্য করা হয়েছে, প্রযোজ্য অর্থে এটি বসে না।
- D) সর্বজনগ্রাহ্য — এর অর্থ যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য বা আদরণীয়, সরাসরি প্রযোজ্য অর্থে এটি ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
- প্রযোজ্য শব্দের সাথে মিল রেখে সর্বজনীন শব্দটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: B) এক সেকেন্ড
কেন সঠিক:
- জ্যোতি বা যতিচিহ্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিস্ময় বা হর্ষ প্রকাশ করতে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে এবং এর বিরতিকাল নির্দিষ্ট করা আছে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বিস্ময় চিহ্নের ক্ষেত্রে এক সেকেন্ড থামতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বাক্যে অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বিভিন্ন বিরামচিহ্ন বা জ্যোতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয় এবং প্রতিটির জন্য নির্দিষ্ট বিরতিকাল আছে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় বিরামচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে মুনীর চৌধুরী ও অন্যান্য ব্যাকরণবিদগণ এর সময়সীমা নির্ধারণ করেন।
- যেমন, মনের আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করার সময় বাক্য শেষ করে এক সেকেন্ড থামার নিয়ম রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) এক বলার দ্বিগুণ সময় — এটি কোলন চিহ্নের বিরতিকাল হিসেবে নির্ধারিত।
- B) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক এবং এর বিরতিকাল এক সেকেন্ড।
- C) থামার প্রয়োজন নেই — এটি বন্ধনী চিহ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে বিরতির প্রয়োজন হয় না।
- D) এক বলতে যে সময় প্রয়োজন — এটি কমা চিহ্নের বিরতিকাল হিসেবে ধরা হয়।
মনে রাখার টিপস:
- বিস্ময় চিহ্ন দেখলে সবসময় এক সেকেন্ড থেমে তারপর পরবর্তী অংশ পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দের প্রাচুর্য
১. কেন সঠিক:
- চাঁদের হাট বাগধারাটির প্রমিত ও সার্বজনীন অর্থ হলো আনন্দের প্রাচুর্য, অর্থাৎ যেখানে একসঙ্গে অনেক আনন্দদায়ক বা গুণী মানুষের মিলন ঘটে।
- রূপক অর্থে চাঁদে যেমন শুধু কলঙ্ক থাকে, তেমনি এ বাগধারায় চাঁদের আলো বা জ্যোৎস্নার মতো উজ্জ্বল ও আনন্দময় পরিবেশকে বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলের বিয়েতে আত্মীয়স্বজনে বাড়িটি একদম চাঁদের হাটে পরিণত হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনেক মানুষের আনন্দের মিলন বোঝাতে চাঁদের হাট ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সাহিত্য সম্মেলনে দেশের বরেণ্য লেখকদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে চাঁদের হাটে রূপ দিয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে গুণী ও আনন্দদায়ক মানুষের সমাগম বোঝাতে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরাট আয়োজন — এই অপশনটি ভুল কারণ বিরাট আয়োজন বলতে যেকোনো বড় অনুষ্ঠান বা কর্মযজ্ঞকে বোঝায়, যেখানে আনন্দের প্রাচুর্য বা মানুষের মিলন অনিবার্য নয়।
B) সৌভাগ্য লাভ — এই অপশনটি ভুল কারণ সৌভাগ্য লাভ বলতে ভাগ্য ভালো হওয়া বা অপ্রত্যাশিত কোনো প্রাপ্তি বোঝায়, যা চাঁদের হাটের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) সৌভাগ্যের বিষয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সৌভাগ্যের বিষয় বলতে কোনো গৌরবজনক বা ভালো ঘটনাকে নির্দেশ করে, যা আনন্দের প্রাচুর্যের সমার্থক নয়।
D) আনন্দের প্রাচুর্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের হাট বাগধারাটি মূলত আনন্দময় পরিবেশ ও প্রাচুর্যকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আকাশে যেমন চাঁদের আলোয় চারদিক আলোকিত ও আনন্দময় হয়, তেমনি যেখানে অনেক ভালো মানুষ একসঙ্গে আনন্দ করেন তাকে চাঁদের হাট বলে মনে রাখবে।
- চাঁদের হাট দেখলে মাথায় রাখবে আলোর জ্যোতি এবং তার সঙ্গে যুক্ত আনন্দের প্রাচুর্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার শাব্দিক অর্থ না ধরে এর প্রমিত ও সাহিত্যিক ভাবার্থ বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সস্তা দর
১. কেন সঠিক:
- ছকড়া নকড়া বাগধারাটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো অত্যন্ত সস্তা দর বা নামমাত্র মূল্য।
- কম দামে কোনো জিনিস বিক্রি করা বা কেনা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ ধরনের শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাজারে এখন সবজির ছকড়া নকড়া অবস্থা।
ব্যাখ্যা: এখানে সবজির দাম খুব কম বা সস্তা দর বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এত সুন্দর শাড়িটা ছকড়া নকড়ায় বিক্রি করে দিলে কেন?
ব্যাখ্যা: এখানে কম মূল্যে বা সস্তা দরে পণ্য বিক্রির বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সস্তা দর - এটি সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল অর্থ প্রকাশ করে।
B) নষ্ট করা - এটি ভুল কারণ নষ্ট করা অর্থে অন্য বাগধারা যেমন নষ্টের মূল বা ছাই ফেলা ভাঙা কুলো ব্যবহৃত হয়।
C) দুর্লভ বস্তু - এটি ভুল কারণ দুর্লভ বস্তু বোঝাতে আট কপালে বা তুলসী বনের বাঘ জাতীয় বাগধারা ব্যবহার হয় না, বরং আকাশের চাঁদ বা দুষ্প্রাপ্য বস্তু বোঝায়।
D) আশায় নৈরাশি - এটি ভুল কারণ আশায় নৈরাশ্য বোঝাতে আষাঢ়ে গল্প বা থুথু ফেলা জাতীয় নয়, বরং আশাভঙ্গ বা শাঁখের করাত জাতীয় ভাব প্রকাশ পায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছকড়া নকড়া কথাটির সাথে সস্তা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে কম দাম বা সস্তা দর বোঝাতে এটি আসে।
- ছ দিয়ে ছকড়া এবং স দিয়ে সস্তা, এভাবে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ না করে বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে শেখা ভালো।
- একই অর্থের অন্যান্য বাগধারা যেমন জলের দর বা পানির দরেও ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- মুমূর্ষু বানানে প্রথম উ-কার ও শেষ উ-কার দীর্ঘ এবং মাঝের উ-কার হ্রস্ব হয়।
- ম এবং ষ-এ দীর্ঘ উ-কার এবং ম-এ হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়ে এই প্রমিত বানানটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দে উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- মরণের ইচ্ছা এককথায় মুমূর্ষু হয়, যেখানে বানানের প্রথম ও শেষ বর্ণে দীর্ঘ উ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই বানানেও প্রথম উ-কার দীর্ঘ এবং শেষ উ-কার দীর্ঘ হয়, যা শুদ্ধ বানানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
উদাহরণ ২: সূচিপত্র
ব্যাখ্যা: এখানে সূচি শব্দে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহৃত হয়, যা সঠিক বানানের জন্য মনে রাখা জরুরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুসুর্ষু — এই অপশনে দন্ত স ব্যবহৃত হয়েছে যা ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ষ হওয়ার কথা ছিল।
B) মুমূর্ষু — এটি সঠিক উত্তর।
C) মুমুর্সু — এই অপশনে উ-কার এবং রেফের বিন্যাসে ভুল রয়েছে।
D) মুমুসর্ষ — এই অপশনে বানানের গঠন সম্পূর্ণ অশুদ্ধ এবং বর্ণ বিন্যাস ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুমূর্ষু শব্দটিতে ম-এ হ্রস্ব উ, ম-এ দীর্ঘ উ এবং ষ-এ দীর্ঘ উ বসে অর্থাৎ ছোট উ, বড় উ, বড় উ।
- প্রথম ও শেষ অক্ষর দীর্ঘ উ-কার যুক্ত হয় এবং মাঝের অক্ষর হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে।
- মুমূর্ষু, শুশ্রূষা ও পিপাসা শব্দগুলোর বানান বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) তিতিক্ষা
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে।
- তিতিক্ষা শব্দের মূল গঠনগত রূপটি তৎসম বা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তিতিক্ষা একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ সহ্য করার ক্ষমতা বা ক্ষমাগুণ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ক্ষমার যোগ্য বা সহনশীলতা বোঝাতে এই বিশেষ বানানটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তিতিক্ষা — এটি সঠিক বানান হওয়ায় অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
- B) তীতীক্ষা — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
- C) তীতিক্ষা — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকার কারণে এই বানানটি অশুদ্ধ।
- D) তিতীক্ষা — দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের ফলে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- তিতিক্ষা শব্দে দুটি ই-কারই হ্রস্ব বা ছোট হয়, কোনো দীর্ঘ ঈ-কার থাকে না।
সঠিক উত্তর: D) অভ্যাসের ওপর
১. কেন সঠিক:
অনুবাদ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় মনের ভাব সঠিকভাবে রূপান্তরের শিল্প। এই শিল্পে দক্ষতা অর্জন করতে হলে কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান বা নিয়ম মুখস্থ করলেই চলে না, বরং নিয়মিত চর্চা বা অভ্যাসের মাধ্যমে হাত পাকাতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষা ব্যবহারের দক্ষতা ও প্রায়োগিক রূপ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাষাগত জ্ঞান এবং নিয়মিত চর্চার পারস্পরিক সমন্বয় অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইংরেজি থেকে বাংলায় দৈনিক সংবাদ অনুবাদের চর্চা করা।
ব্যাখ্যা: প্রতিদিন নিয়মিত অনুবাদের চর্চা করলে শব্দের সঠিক প্রয়োগ ও বাক্যগঠন সহজ হয়।
উদাহরণ ২: সাহিত্যিক অনুবাদে মূল ভাবের পাশাপাশি শব্দের সুর রক্ষা করার অভ্যাস।
ব্যাখ্যা: নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমেই কেবল মূল লেখকের ভাবধারা অনুবাদে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পড়াশোনার ওপর — পড়াশোনার মাধ্যমে নিয়ম জানা যায়, কিন্তু অনুবাদের পারদর্শিতা অর্জনের জন্য ব্যবহারিক দক্ষতা ও প্রয়োগ আবশ্যক।
B) ভাষান্তরের ওপর — ভাষান্তর হলো অনুবাদেরই অন্য নাম, যা পারদর্শিতা অর্জনের মূল শর্ত নয় বরং চর্চার মাধ্যম।
C) নির্ধারণের ওপর — নির্ধারণ বলতে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করা বোঝায়, যা সরাসরি অনুবাদের দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অভ্যাসের ওপর — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিয়মিত চর্চা বা অভ্যাসই অনুবাদের দক্ষতা বৃদ্ধির একমাত্র চাবিকাঠি।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনুবাদ মানে কেবল শব্দের রূপান্তর নয় বরং ভাবের প্রকাশ, আর যেকোনো শিল্পে দক্ষতা আনতে প্রয়োজন কেবল নিয়মিত অভ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা দক্ষতা বিষয়ক প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার সময় প্রায়োগিক ও চর্চামূলক দিকটিকে প্রাধান্য দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) সবুরে মেওয়া ফলে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ বাক্য Patience has its reward এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো সবুরে মেওয়া ফলে।
- এখানে ধৈর্য ধারণ করার ফল মিষ্টি বা ভালো হয় বোঝাতে প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি প্রবাদ প্রবচন যা বাগধারার মতো আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন বিদেশি প্রবাদের সুন্দর ভাবানুবাদ প্রচলিত রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: As you sow, so shall you reap
ব্যাখ্যা: এর যথাযথ বাংলা প্রবাদ হলো যেমন কর্ম তেমন ফল।
উদাহরণ ২: Tit for tat
ব্যাখ্যা: এর যথাযথ বাংলা প্রবাদ হলো যেমন কুকুর তেমন মুগুর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুরে মেওয়া ফলে — এটি প্রশ্নের প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ভাবানুবাদ সঠিক।
B) রোগী পুরস্কার পেয়েছে — Patience শব্দের অর্থ ধৈর্য, কিন্তু ভুল করে Patient শব্দের অর্থ রোগী ধরে এই অনুবাদ করা হয়েছে।
C) রোগীর জন্য পুরস্কার আছে — এটিও Patient শব্দের অর্থ রোগী ধরে করা একটি ভুল এবং অবাস্তব অনুবাদ।
D) ধৈর্যের মূল্যায়ন হয়েছে — এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রবাদ সবুরে মেওয়া ফলে অধিক গ্রহণযোগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Patience শব্দ দেখলে রোগী বা Patient হিসেবে ভুল না করে ধৈর্য বা সবুর মনে রাখবে।
- প্রবাদ বাক্যগুলো মুখস্থ না করে অর্থের গভীরতা বুঝে শিখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি প্রবাদের বাংলা অনুবাদ করার সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে প্রচলিত ভাবানুবাদ নির্বাচন করতে হবে।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রবাদের অনুবাদ প্রায়ই পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন।
সঠিক উত্তর: C) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
সমাসবদ্ধ বা একপদিকৃত পদগুলোর মধ্যবর্তী সম্পর্ক স্পষ্ট করার জন্য অথবা পদগুলোকে ভেঙে দেখানোর জন্য হাইফেন ব্যবহার করা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে আলাদা করে বোঝাতে এই যতিচিহ্নের নির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদচিহ্নের মধ্যে হাইফেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চিহ্ন যা মূলত সংযোগ বা বিভাজনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
সমাসবদ্ধ পদের মাঝে সংযোগ রক্ষা করা এবং প্রয়োজনে তা ভেঙে আলাদা করে প্রদর্শন করতে হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা
ব্যাখ্যা: মাতা ও পিতা সমাসবদ্ধ পদটিকে হাইফেন দিয়ে আলাদা করে এর ব্যাসবাক্য বা অংশগুলো স্পষ্টভাবে দেখানো যায়।
উদাহরণ ২: ধর্ম-ঘট
ব্যাখ্যা: ধর্মঘট একটি সমাসবদ্ধ পদ, এর অংশ দুটিকে হাইফেনের সাহায্যে পৃথক করে দেখানো সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড্যাস — ড্যাস বা ড্যাশ চিহ্ন মূলত বাক্যে ভাবের বিস্তার বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদ বিচ্ছিন্ন করার জন্য নয়।
B) কোলন — কোলন চিহ্ন সাধারণত একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য কোনো বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে বসে।
D) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমাস মানে সংক্ষেপণ আর হাইফেন হলো সেই চিহ্ন যা সংক্ষেপিত পদকে প্রয়োজনে টেনেটুনে আলাদা করে দেখায়।
মনে রাখবে সংযোগ বা বিয়োগের ছোট দাগটিই হলো হাইফেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে হাইফেনের ব্যবহার জানা থাকলে বিরামচিহ্ন সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) দুঃ + যোগ
১. কেন সঠিক:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
- বিসর্গের পর যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ কিংবা অন্তস্থ য, র, ল, ব, হ থাকে তবে বিসর্গের স্থানে ও কার হয় অথবা বিসর্গ স্থানে রেফ হয়।
- এখানে 'দুঃ' এর বিসর্গের সঙ্গে 'যোগ' শব্দের জ (যা বর্গের তৃতীয় বর্ণ) যুক্ত হয়ে 'দুর্যোগ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- বিসর্গ সন্ধি মূলত স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে বিসর্গের পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
- এখানে বিসর্গ (ঃ) এর পূর্বে অ বা আ ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে এবং পরে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে বিসর্গ রেফ (র) এ রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিঃ + ধি = নিধি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পূর্বে অ বা আ না থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে রেফ হয়েছে।
উদাহরণ ২: আবিঃ + ভাব = আবির্ভাব
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের স্থানে রেফ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর + যোগ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয় কারণ এখানে ব্যাকরণগত নিয়মের বিসর্গ অনুপস্থিত রয়েছে।
B) দুঃ + যোগ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) দু + যোগ — এটি ভুল কারণ বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার না করার কারণে সন্ধির মূল নিয়ম মানা হয়নি।
D) দুরোঃ + যোগ — এটি ভুল কারণ দুরোঃ বলে বাংলা ব্যাকরণে কোনো পদের অস্তিত্ব বা সন্ধির নিয়ম নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধি মনে রাখার সহজ উপায় হলো কোনো শব্দের মাঝে রেফ থাকলে বিচ্ছেদ করার সময় রেফের পরিবর্তে বিসর্গ (ঃ) বসিয়ে দিতে হয়।
- যেমন দুর্যোগ ভাঙলে হয় দুঃ যোগ যোগ, যা বিসর্গ সন্ধির সাধারণ নিয়ম মেনে চলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতি বছর নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- রেফযুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) করণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম বা সহায়ক যন্ত্রকে করণ কারক বলা হয়।
এখানে ঘর ভরার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে ফুল দিয়ে, তাই ফুলে ফুল দিয়ে অর্থে করণ কারক হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম।
বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে করণ কারক বলে।
শব্দের শেষে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাঠিতে কাজ হয়েছে
ব্যাখ্যা: কাজের মাধ্যম লাঠি বোঝানো হয়েছে, তাই এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: কলমে লেখা যায়
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম বা যন্ত্র হলো কলম, তাই এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে সাধারণত দ্বিতীয় বা শূন্য বিভক্তি হয় এবং এখানে কোনো কিছু প্রাপ্তি বা বর্জনের বিষয় নেই।
B) করণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফুল ঘর ভরার মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক বলতে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয় তা বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এখানে ঘর ভরার মাধ্যমকে নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, তা হলো করণ কারক।
শব্দের শেষে এ, য় বা তে থাকলে এবং তা মাধ্যম বোঝালে ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাধ্যম বা সহায়ক উপাদান সংক্রান্ত কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
নিয়ম মনে রাখার জন্য বাক্যটিতে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে মাধ্যম খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) very likely
কেন সঠিক:
‘Ten to one’ একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার অর্থ কোনো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।
দশটি ভাগের মধ্যে নয়টি ভাগই সত্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এই ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়।
এটি নিশ্চিত বা অবধারিত ঘটনা বোঝাতে সাহায্য করে।
ইংরেজী গ্রামারে এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very uncertain — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘Ten to one’ অনিশ্চয়তা নয় বরং উচ্চ সম্ভাবনা প্রকাশ করে।
B) very likely — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) almost impossible — এই অপশনটি ভুল কারণ অসম্ভব বা প্রায় অসম্ভব বোঝাতে ‘ten to one’ ব্যবহার করা হয় না।
D) not possible at all — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সম্পূর্ণ অসম্ভবতা নির্দেশ করে যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
‘Ten to one’ দেখলে মনে রাখবে দশটির মধ্যে নয়টি সম্ভাবনাই সত্য, তাই এর অর্থ খুব বেশি সম্ভাব্য।
সঠিক উত্তর: B) on my going
কেন সঠিক:
insist verb টির পর সাধারণত on preposition ব্যবহৃত হয়।
preposition এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং তার আগে possessive pronoun বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over going — insist এর পর over preposition বসে না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) on my going — এটি সঠিক উত্তর।
C) to go — insist এর পর to বসে infinitive হয় না।
D) is to go — বাক্যটিতে tense এর নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দের পরে সবসময় on বসে এবং তারপর gerund ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) Jim and Della were not less wise than the Magi
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে as...as ব্যবহার করা হয়েছে যা পজিটিভ ডিগ্রি প্রকাশ করে এবং এটিকে নেগেটিভ বা নো চেঞ্জ অফ মিনিং করার জন্য নট লেস...দেন গঠন ব্যবহার করতে হয়।
এখানে অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে গ্রাম্য নিয়মে পজিটিভ ডিগ্রিকে কম্পারেটিভ এর মাধ্যমে নেগেটিভ করা হয়েছে।
এই নিয়ম অনুযায়ী দুই প্রান্তের পদের তুলনা অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) Jim and Della were not as wise as the Magi — এটি মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে নেগেটিভ সেন্টেন্সের রূপান্তর সঠিক নয়।
B) B) Jim and Della were not less wise than the Magi — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) C) Jim and Della were not to wise as the Magi — বাক্যটিতে to শব্দের ব্যবহার ভুল এবং এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি।
D) D) Jim and Della were not unwise than the Magi — এখানে unwise শব্দের সাথে than যুক্ত করার নিয়মটি সম্পূর্ণ ভুল ও অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাজ অ্যাজ যুক্ত পজিটিভ ডিগ্রিকে নেগেটিভ করার সময় নট লেস এবং দেন ব্যবহার করতে হয় যেন মূল বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে।
সঠিক উত্তর: C) Is there any man who will not die?
কেন সঠিক:
- Assertive বাক্যের universal truth বা চিরন্তন সত্যকে Interrogative করার সময় Negative-Interrogative করতে হয় এবং tense অপরিবর্তিত থাকে।
- Every man-এর পরিবর্তে Is there any man who ব্যবহার করে মূল verb-এর আগে will not বসানো হয়েছে, যা বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is there any man who must die? — এটি Affirmative অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ দেয়।
B) Doesn’t any man die? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল বাক্যের must modal verb-এর অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
C) Is there any man who will not die? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম নিখুঁতভাবে বজায় রেখেছে।
D) Is there any man who does not die? — মূল বাক্যে must থাকলে ইন্টারোগেটিভ করার সময় will not ব্যবহার করতে হয়, তাই এখানে does not সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Every যুক্ত Affirmative বাক্যকে Interrogative করার সময় Every-র জায়গায় Is there + noun + who বসে এবং verb-এর সঙ্গে not যুক্ত করে Negative করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) He wanted to succeed in life and so he worked very hard.
কেন সঠিক:
প্রশ্নোক্ত বাক্যটিতে কাজের উদ্দেশ্য বোঝানো হয়েছে এবং Compound বাক্যে একে 'and so' দিয়ে যুক্ত করতে হয়।
প্রথম ক্লজে উদ্দেশ্যের কথা এবং দ্বিতীয় ক্লজে পরিশ্রমের কথা বলা হয়েছে।
অর্থের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থের বিপপরীত অবস্থা বোঝানো হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না।
B) দুটি কাজকে শুধু যোগ করা হয়েছে কিন্তু উদ্দেশ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি।
C) এটি একটি Simple বাক্য, যা প্রশ্নানুসারে Compound করার নিয়মের বাইরে।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যে 'so that' থাকলে Compound করার সময় সাধারণত 'and so' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) grab
কেন সঠিক:
Occupy শব্দের অর্থ কোনো স্থান বা বস্তু দখল করা বা বলপূর্বক অধিকার করা।
Grab শব্দের অর্থও কোনো কিছু শক্ত করে ধরা বা দ্রুত দখল করে নেওয়া।
তাই অর্থগত দিক থেকে grab হলো occupy শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) grab — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ দখল করা।
B) gain — এই শব্দটির অর্থ লাভ করা বা অর্জন করা, যা দখল করার সমার্থক নয়।
C) receive — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু গ্রহণ করা বা পাওয়া।
D) reserve — এর অর্থ কোনো কিছু সংরক্ষণ করা বা জমা রাখা।
মনে রাখার টিপস:
Occupy মানে জায়গা দখল করা আর Grab মানে দ্রুত হাত দিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া বা ধরা।
সঠিক উত্তর: B) resistance
কেন সঠিক:
defence শব্দের অর্থ হলো প্রতিরক্ষা বা কোনো আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা। resistance শব্দের অর্থ হলো প্রতিরোধ বা বাধা দেওয়া, যা defence শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) assault — এই শব্দটির অর্থ আক্রমণ করা, যা defence বা প্রতিরক্ষার ঠিক বিপরীত।
B) resistance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই।
C) attack — এই শব্দটির অর্থ হলো হামলা বা আক্রমণ, যা প্রতিরক্ষার সাথে মেলে না।
D) raid — এই শব্দটির অর্থ হলো হঠাৎ আক্রমণ বা হানা দেওয়া, যা সঠিক উত্তরের পরিপন্থী।
মনে রাখার টিপস:
Defence মানে রক্ষা করা এবং Resistance মানে বাধা দেওয়া বা প্রতিহত করা।
সঠিক উত্তর: A) hinder
কেন সঠিক:
- 'Assist' শব্দটির অর্থ হলো সাহায্য করা বা সহযোগিতা করা।
- এর বিপরীত শব্দ বা Antonym হলো 'hinder', যার অর্থ বাধা সৃষ্টি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hinder — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধা দেওয়া, যা assist শব্দের বিপরীত।
B) aid — এটি assist শব্দের সমার্থক শব্দ (Synonym), যার অর্থ সাহায্য করা।
C) support — এটিও assist শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ সমর্থন বা সাহায্য করা।
D) co-operate — এটি assist শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ সহযোগিতা করা।
মনে রাখার টিপস:
Assist মানে সাহায্য করা আর Hinder মানে বাধা দেওয়া; মনে রাখতে পারেন সাহায্য করার ঠিক উল্টো কাজ হলো বাধা সৃষ্টি করা।
সঠিক উত্তর: D) to be stopped in the beginning
কেন সঠিক:
নিপ ইন দ্য বাড একটি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ কুঁড়িতেই তা কেটে ফেলা। এর মানে হলো কোনো খারাপ অভ্যাস বা সমস্যা শুরুতেই থামিয়ে দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) crop up — এর অর্থ হঠাৎ করে কোনো কিছু প্রকাশিত হওয়া বা দেখা দেওয়া।
B) to be cultivated — এর অর্থ কোনো কিছু চাষ করা বা লালনপালন করা।
C) to shun — এর অর্থ কোনো কিছু বর্জন করা বা এড়িয়ে চলা।
মনে রাখার টিপস:
গাছের কুঁড়ি যেমন ফুল হওয়ার আগেই কেটে ফেলতে হয়, তেমনি খারাপ অভ্যাসও শুরুতেই দমন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) success
কেন সঠিক:
‘successful’ শব্দটির নাউন রূপ হলো ‘success’ যার অর্থ সাফল্য। এটি বাক্যে সাধারণত সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) successfully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ কারণ এর শেষে ‘ly’ যুক্ত আছে।
B) succeed — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ সফল হওয়া।
C) success — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) successive — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ যার অর্থ ক্রমিক বা ধারাবাহিক।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে ‘ful’ থাকলে তা সাধারণত অ্যাডজেক্টিভ হয় এবং ‘ful’ বাদ দিয়ে বা পরিবর্তন করে ‘success’ বসালে তা নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: B) apologise
কেন সঠিক:
শব্দটির অর্থ ক্ষমা চাওয়া এবং এর শেষে ise যুক্ত থাকায় এটি একটি ভাববাচক শব্দ বা verb হিসেবে কাজ করে।
অপology বিশেষ্য পদের সঠিক ক্রিয়াপদ রূপ হলো এই অপশনটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) apological — এই শব্দটির শেষে ical যুক্ত থাকায় এটি একটি বিশেষণ বা adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) apologise — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) apologify — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা গঠন সাধারণত নেই।
D) enapology — এই শব্দের শুরুতে en যুক্ত করে কোনো সঠিক ক্রিয়াপদ গঠন করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে ise বা ize দেখলে সাধারণত সেগুলোকে verb বা ক্রিয়া হিসেবে চেনা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: B) blue blood
কেন সঠিক:
- 'Blue blood' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ আভিজাত্য বা উচ্চ বংশে জন্ম।
- শূন্যস্থানে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় সে একটি কুলীন বা অভিজাত বংশের।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bad blood — এর অর্থ শত্রুতা বা মনস্তাত্ত্বিক বিরোধ, যা এখানে অর্থের সঙ্গে মিলে না।
B) blue blood — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
C) block head — এর অর্থ নির্বোধ বা মূর্খ ব্যক্তি, যা মানুষের বংশ বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
D) broken reed — এর অর্থ unreliable person বা অবিশ্বাসী ব্যক্তি, যা এখানে উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্তের রং লাল হলেও অভিজাতদের রক্তে আভিজাত্যের নীল রং কল্পনা করা হয়, এভাবে 'blue blood' মানে অভিজাত বংশ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) It has been raining cats and dogs since morning
কেন সঠিক:
বাকটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়।
নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম বোঝালে since বসে।
মুষলধারে বৃষ্টির ইংরেজি idiom হলো rain cats and dogs।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It has been raining cats and dogs from morning — নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে from না বসে since বসে।
B) It has been raining cats and dogs since morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) It is raining cats and dogs since morning — চলমান সময়ের সাথে Present Continuous Tense ব্যবহার করা ভুল।
D) Rains has starts cats and dogs from morning — এখানে verb এর সঠিক রূপ ও preposition এর ভুল ব্যবহার হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো কাজ সকাল বা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করবে এবং point এর আগে since বসাবে।
সঠিক উত্তর: C) had known
কেন সঠিক:
as though বা as if এর আগের অংশ past indefinite tense হলে পরের অংশ past perfect tense হয়।
এখানে প্রধান অংশ He spoke হলো past indefinite tense, তাই পরের অংশে past perfect tense অর্থাৎ had known বসবে।
অবাস্তব বা কল্পনাসূচক অতীত বোঝাতে এই নিয়মটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) knew — এটি past indefinite tense, যা as though এর পরের অংশের জন্য নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এখানে আগের অংশ past tense হওয়ায় আরও পেছনের tense দরকার।
B) has known — এটি present perfect tense, যা মূল বাক্যের অতীতের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
C) had known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
D) knows — এটি present indefinite tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে ব্যবহারের নিয়ম মানে না।
মনে রাখার টিপস:
as though এর বাঁ পাশে past tense থাকলে ডান পাশে past perfect tense বসবে।
সঠিক উত্তর: A) which
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটি একটি প্রবাদ বোঝাতে Cleft sentence বা 강조 বাক্যগঠন ব্যবহার করেছে।
Health শব্দটির পর relative pronoun হিসেবে which বসলে তা স্বাস্থ্যকেই সম্পদ হিসেবে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) which — এই অপশনটিই সঠিক উত্তর হিসেবে বাক্যের শূন্যস্থানে বসে অর্থ সম্পূর্ণ করে।
B) what — what এখানে বসালে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী দুটি clause এর সংযোগ ঠিক হয় না।
C) wheatever — এটি বানান ভুল এবং এই বাকینর গঠনে এর কোনো অর্থ হয় না।
D) whats eve — এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থহীন শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
It is এবং that বা which দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যে শূন্যস্থানের আগের noun বা subject অনুযায়ী সঠিক relative pronoun নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) too dull to
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণে too...to একটি বহুল ব্যবহৃত গঠন যা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। এর নিয়ম হলো Subject + verb + too + adjective + to + verb এর base form.
এখানে the boy হলো subject, is হলো verb, too এর পরে adjective হলো dull এবং তারপরে সঠিক infinitive verb হলো answer.
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় ছেলেটি এতই বোকা যে সে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to dull too — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে এবং অর্থপূর্ণ কোনো কাঠামো তৈরি করে না।
B) too dull to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকিগুলোর তুলনায় এটি সঠিক কাঠামো বজায় রেখেছে।
C) তো dull তো — এখানে প্রথম শব্দের ব্যবহার ভুল এবং এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না।
D) তো very dull — এখানে very এর পরে to না থাকায় বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মনে রাখার টিপস:
too এর পরে সবসময় adjective বসে এবং তার ঠিক পরেই to বসে verb এর base form যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: B) it rained
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি অতীতের নির্দেশ করায় অধীনস্থ ক্লজেও পাস্ট টেন্স বসবে।
তাই এখানে সঠিক অতীত কাল ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) it was raining — পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এখানে অর্থপূর্ণ নয় কারণ বৃষ্টি পড়ার ঘটনাটি চলমান ছিল না।
B) it rained — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) it rains — প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় পাস্ট টেন্সের প্রধান ক্লজের সাথে মিলছে না।
D) its raining — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন এবং সঠিক টেন্স নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রধান ক্লজে পাস্ট টেন্স থাকলে ইন কেস এর পরের অংশে সাধারণত পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বসে।
সঠিক উত্তর: D) I might have told him the matter
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। কারণ ইফ ক্লাজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে পরবর্তী অংশে সাবজেক্টের পর উড কুড মাইট এবং হ্যাভ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I would tell him the matter — ইফ ক্লাজে হ্যাড যুক্ত পাস্ট পারফেক্ট থাকলে পরের অংশে প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) I might tell him the matter — এখানে মোডাল ভার্বের পর প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অমান্য করে।
C) I will have told him the matter — ফিউচার পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করার কারণে এই বাক্যটি অতীতকালের শর্তসাপেক্ষ বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ এর সাথে হ্যাড থাকলে পরের অংশে উড হ্যাভ কুড হ্যাভ বা মাইট হ্যাভ এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: A) Alas! His mother is no more today.
কেন সঠিক:
১. দুঃখ প্রকাশ করতে 'Alas!' ইন্টারজেকশনটি ব্যবহার করা হয়।
২. মৃত বা জীবিত নেই বোঝাতে 'no more' একটি সঠিক ও সুন্দর ইংরেজি ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
B) Ah! His mother is died — এখানে 'is died' একটি ভুল ব্যাকরণগত গঠন, সঠিক হবে 'has died'।
C) Alas! His mother has died — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও অপশন এ এর মতো সাবলীল বা আদর্শ অনুবাদ নয়।
D) Alas! His mother has lost her life — মা মারা গেছেন বোঝাতে এই অনুবাদটি কিছুটা অপ্রাকৃতিক শোনায়।
মনে রাখার টিপস:
কারো মৃত্যুর ক্ষেত্রে 'no more' ফ্রেজটি ব্যবহার করা সবচেয়ে মানানসই।
সঠিক উত্তর: B) The girl prefers milk to tea
কেন সঠিক:
ইংরেজি Grammar এর নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর চেয়ে কোনো কিছু বেশি পছন্দ করা বোঝালে prefer শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
prefer শব্দের পরে সাধারণত than না বসে preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The girl likes milk more than tea — এখানে prefer এর বদলে like more ব্যবহার করায় বাক্যটি প্রমিত ইংরেজি হয়নি।
B) The girl prefers milk to tea — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The girl prefers milk than tea — prefer এর পরে নিয়মের বাইরে গিয়ে ভুল করে than ব্যবহার করা হয়েছে।
D) The girl prefers tea to milk — এখানে চা এবং দুধের পছন্দ উল্টো করে দেওয়ায় অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে prefer থাকলে তার পরে সবসময় to বসবে, ককখনোই than বসবে না।
সঠিক উত্তর: A) I was to go to Manikganj
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের শেষে যাবার কথা ছিল বা যাওয়ার কথা ছিল থাকলে ইংরেজিতে was to বা were to ব্যবহার করতে হয়।
এখানে সাবজেক্ট আমি বা I এর পরে was to বসে এবং মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম go বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was to go to Manikganj — এটি সঠিক উত্তর তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
B) I am to go to Manikganj — এম টু ব্যবহার করায় এটি বর্তমানকালের বাধ্যবাধকতা বোঝায়, অতীতকালের কথা বোঝায় না।
C) I have to go to Manikganj — হ্যাভ টু ব্যবহার করায় এটি বর্তমানকালের অবশ্যম্ভাবী কাজ বোঝায়, অতীতে যাওয়ার কথা ছিল এমন নয়।
D) I need to go to Manikganj — নিড টু ব্যবহার করায় এটি বর্তমানে কোনো কিছুর প্রয়োজন বোঝায়, অতীতের পরিকল্পনা প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতে কোনো কাজ করার কথা ছিল বা পরিকল্পনা ছিল বোঝালে অ্যাম ইজ আর এর পরিবর্তে ওয়াজ বা ওয়ার এর সাথে টু এবং ভার্বের বেজ ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: B) I heard him reading
কেন সঠিক:
Hear verb-এর পর object-এর সাথে present participle যুক্ত verb বসলে তা চলমান কাজ বোঝায়।
তাই এখানে him-এর পর reading ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I heard him to read — Hear verb-এর পর সরাসরি infinitive বা to বসে না। তাই এই গঠনটি সঠিক নয়।
B) I heard him reading — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) I have heard him reading — বর্তমানের কাজের ক্ষেত্রে Past indefinite tense ব্যবহার করা হয়। এখানে Present perfect tense অপ্রাসঙ্গিক।
D) I saw him reading — saw অর্থ দেখা, যা পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বাক্যের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
See, hear, watch ইত্যাদি verb-এর পর object থাকলে পরের verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) could go
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে 'Would that' থাকলে তা অসম্ভব ইচ্ছা বা অবাস্তব কল্পনা বোঝায়। এই ধরনের সাবজেক্টিভ সেন্টেন্সে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) can go — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় অবাস্তব ইচ্ছার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
B) shall go — এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে যা সাবজেক্টিভ মুডের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) could go — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) might have gone — এটি অতীতকালের সম্ভাবনা বোঝায় যা বর্তমানের কোনো অবাস্তব ইচ্ছার জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে 'Would that' দেখলে শূন্যস্থানের পরে সবসময় পাস্ট ফর্ম বা could বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) sang
কেন সঠিক:
বাক্যে I wish থাকলে সাধারণত কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ পায়।
এ ধরনের বাক্য গঠনে সাবজেক্টের পর মূল verb এর পাস্ট ফর্ম বা V2 ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sang — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে।
B) shall sing — এটি ভুল কারণ wish এর পর ভবিষ্যৎ কাল সূচক শব্দ বসে না।
C) can sing — এটি ভুল কারণ এখানে modal auxiliary এর প্রেজেন্ট ফর্ম আছে।
D) will sing — এটি ভুল কারণ subjunctive mood এ ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
I wish এর পর শূন্যস্থান থাকলে সবসময় verb এর পাস্ট ফর্ম বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
এখানে Subject হলো 'The colour', যা একটি মাত্র রঙকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি singular subject এবং এর পরে singular verb বসবে।
বাক্যের মূল Subject চোখগুলো নয়, বরং চোখের 'রঙ'।
রঙ একটি নিরাকার গুণবাচক noun হওয়ায় এটি সবসময় singular হয়।
Verb-টি সবসময় Subject-এর সাথে agreement রক্ষা করে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject 'colour'-এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) were — এটি past tense-এর plural verb যা বর্তমান সময়ের বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) none of the above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন B-তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর আগের noun-টিই মূল subject নির্ধারণ করে, তাই পরের noun দেখে verb বসানো যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x^২ − ৬x + ৯ = ০
ধরি,
সমীকরণটির সাধারণ রূপ ax^২ + bx + c = ০
এখানে a = ১, b = −৬ এবং c = ৯
অতএব,
মূলের প্রকৃতি নির্ধারণের জন্য নিশ্চায়ক বের করতে হবে
নিশ্চায়ক বা ডিসক্রিমিন্যান্ট = b^২ − ৪ac
সুতরাং,
নিশ্চায়ক = (−৬)^২ − ৪ × ১ × ৯ = ৩৬ − ৩৬ = ০
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (৩ ÷ ২)^x = ১
ধরি,
সূচকের নিয়ম অনুসারে কোনো সংখ্যার ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়
অতএব,
(৩ ÷ ২)^x = (৩ ÷ ২)^০
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিয়ে পাই x = ০
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশি তিনটি হলো যথাক্রমে x − ২, x² − ৪ এবং x + ২
ধরি,
প্রথম রাশি = x − ২
দ্বিতীয় রাশি = x² − ৪
তৃতীয় রাশি = x + ২
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = (x − ২)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + ২) × (x − ২)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + ২)
সুতরাং,
রাশি তিনটির মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক বা মিল নেই
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন ৭ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হয়
মুনাফা-আসলে তিনগুণ হতে হবে
ধরি,
আসল = ক টাকা
৭ বছরে মুনাফা-আসল = ২ক টাকা
অতএব,
৭ বছরের মুনাফা = ২ক − ক = ক টাকা
মুনাফা-আসলে তিনগুণ হলে মুনাফা হবে = ৩ক − ক = ২ক টাকা
সুতরাং,
ক টাকা মুনাফা হয় ৭ বছরে
১ টাকা মুনাফা হয় ৭ ÷ ক বছরে
উত্তর: ২ক টাকা মুনাফা হতে সময় লাগে = ৭ × ২ = ১৪ বছর
সঠিক উত্তর: B) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী সমীকরণটি হলো দুই এক্স এর কিউব বিয়োগ পাঁচ এক্স স্কয়ার যোগ চার সমান শূন্য
ধরি,
সমীকরণটির সাধারণ রূপ হলো এ এক্স কিউব যোগ বি এক্স স্কয়ার যোগ সি এক্স যোগ ডি সমান শূন্য
অতএব,
প্রদত্ত সমীকরণটিকে সাধারণ রূপের সাথে তুলনা করে পাই এক্স কিউবের সহগ দুই
এবং এক্স স্কয়ারের সহগ হলো বিয়োগ পাঁচ
সুতরাং,
সমীকরণে এক্স পদটি অনুপস্থিত থাকার কারণে এর কোনো সহগ নেই
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: D) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৫, ১১, ১৩, ৭, ৮ এবং ১০
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মোট যোগফল = ৫ + ১১ + ১৩ + ৭ + ৮ + ১০
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৬
অতএব,
সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৫৪
সুতরাং,
গড় = ৫৪ ÷ ৬ = ৯
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: C) ৫০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
৩০ জন শ্রমিক একটি বাড়ি তৈরি করতে পারে ২০ দিনে
১২ জন শ্রমিক ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারবে কত দিনে তা বের করতে হবে
ধরি,
১ জন শ্রমিক ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারে (৩০ × ২০) দিনে
১২ জন শ্রমিক ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারে (৩০ × ২০) ÷ ১২ দিনে
অতএব,
৩০ এবং ২০ গুণ করলে হয় ৬০০
৬০০ কে ১২ দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
৬০০ ÷ ১২ = ৫০ দিনে
উত্তর: ৫০ দিনে
সঠিক উত্তর: B) ১.০৯০৯৭২২২২২২২২
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৫৪ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত = ৭ : ২
ধরি,
পিতার বয়স = ৭ক বছর
পুত্রের বয়স = ২ক বছর
অতএব,
৭ক + ২ক = ৫৪
৯ক = ৫৪
ক = ৬
সুতরাং,
পিতার বর্তমান বয়স = ৭ × ৬ = ৪২ বছর
পুত্রের বর্তমান বয়স = ২ × ৬ = ১২ বছর
১০ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৪২ + ১০ = ৫২ বছর
১০ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ১২ + ১০ = ২২ বছর
উত্তর: ৫২ ÷ ২২ = ১.০৯০৯৭২২২২২২২২
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়
অতএব,
১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৪টি (২, ৩, ৫, ৭)
১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৪টি (১১, ১৩, ১৭, ১৯)
২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (২৩, ২৯)
৩১ থেকে ৪০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৩১, ৩৭)
৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৩টি (৪১, ৪৩, ৪৭)
৫১ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৫৩, ৫৯)
৬১ থেকে ৭০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৬১, ৬৭)
৭১ থেকে ৮০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৩টি (৭১, ৭৩, ৭৯)
৮১ থেকে ৯০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৮৩, ৮৯)
৯১ থেকে ১০০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ১টি (৯৭)
সুতরাং,
মোট মৌলিক সংখ্যা = ৪ + ৪ + ২ + ২ + ৩ + ২ + ২ + ৩ + ২ + ১
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: C) ৪৫৪৪৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির সাথে যোগ করতে হবে
মূল সংখ্যাটি হলো ৪৫৪১৮
ধরি,
প্রথম অংশ = ৪৫৪১৮
দ্বিতীয় অংশ = ৩০
অতএব,
হিসাবের শুরু হলো মূল সংখ্যা দিয়ে
এবং তার সাথে যোগ হলো তিরিশ
সুতরাং,
যোগফল পাওয়া গেল ৪৫৪১৮ + ৩০
উত্তর: ৪৫৪৪৮
সঠিক উত্তর: D) ২৭ এবং ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার সমষ্টি = ৪৭
দুটি সংখ্যার অন্তর = ৭
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী, ক + খ = ৪৭
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী, ক − খ = ৭
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ৫৪
ক = ২৭
উত্তর: খ = ৪৭ − ২৭ = ২০ এবং সংখ্যা দুটি ২৭ এবং ২০
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + y = ২
এবং x^২ + y^২ = ৪
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণ দুটি হলো প্রথম শর্ত এবং দ্বিতীয় শর্ত
আমাদের নির্ণয় করতে হবে x^৩ + y^৩ এর মান
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy
মান বসিয়ে পাই, ২^২ = ৪ + ২xy
দ্বিতীয় হিসাব,
৪ = ৪ + ২xy
সুতরাং xy = ০
তৃতীয় হিসাব,
এখন ঘন এর সূত্র প্রয়োগ করে পাই, x^৩ + y^৩ = (x + y)(x^২ − xy + y^২)
মানগুলো বসিয়ে পাই, ২ × (৪ − ০)
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: A) ২৮
প্রদত্ত তথ্য:
অপেক্ষকটি হলো f (x) = x এর কিউব + ৯ গুণ x এর স্কর্গ − ৩ গুণ x − ৬
মান নির্ণয় করতে হবে f (-2) এর জন্য
ধরি,
x এর পরিবর্তে বসবে −২
অতএব,
প্রথম অংশ f (-2) = (-2) এর কিউব
দ্বিতীয় অংশ + ৯ গুণ (-2) এর স্কর্গ
সুতরাং,
তৃতীয় অংশ − ৩ গুণ (-2) − ৬
উত্তর: ২৮
সঠিক উত্তর: C) ১৪ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৭ সে. মি.
আমরা জানি, বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা হলো তার ব্যাস
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ৭ সে. মি.
বৃত্তের ব্যাস d = ২ × r
অতএব,
বৃত্তের ব্যাস d = ২ × ৭ সে. মি.
সুতরাং,
বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ১৪ সে. মি.
উত্তর: ১৪ সে. মি.
সঠিক উত্তর: C) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থকোণ এবং এর অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণ দেওয়া আছে।
ধরি,
ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থকোণ = ক
অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণ = খ
অতএব,
ক এবং খ একটি সরলরেখার ওপর অবস্থিত কোণ তৈরি করে।
তাই এরা পরস্পর পরিপূরক বা সরলরৈখিক যুগল কোণ গঠন করে।
সুতরাং,
ক + খ = ১৮০°
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: B) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সুষম ষড়ভুজ দেওয়া আছে
সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬
ধরি,
সুনির্দিষ্ট বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ক
বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = খ
অতএব,
সবগুলো বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = ৩৬০°
সুতরাং,
একটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ৩৬০° ÷ ৬
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: C) ১২০°
প্রদত্ত তথ্য:
চিত্রে একটি সরলরেখার ওপর একটি কোণ এবং তার পাশের কোণটি হলো y ডিগ্রি
ধরি,
সরলকোণ বা সম্পূর্ণ কোণের পরিমাপ = ১৮০ ডিগ্রি
এর মধ্যে একটি কোণ বা জানা কোণটি = ৬০ ডিগ্রি
অতএব,
y এর মান বের করতে হবে সরলকোণ থেকে জানা কোণ বিয়োগ করে
অর্থাৎ y = ১৮০ ডিগ্রি − ৬০ ডিগ্রি
সুতরাং,
হিসাব করে পাওয়া যায় y এর মান
উত্তর: ১২০°
সঠিক উত্তর: B) মধু
কেন সঠিক:
- মধুতে পানির পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকে এবং প্রাকৃতিক অম্লতা বেশি থাকায় এতে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মাতে পারে না।
- মধুর উচ্চ ঘনত্ব এবং অস্মোসিস প্রক্রিয়ার কারণে অণুজীবের পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফল — ফলে প্রচুর পানি ও শর্করা থাকায় উন্মুক্ত অবস্থায় অণুজীবের আক্রমণে খুব দ্রুত পচন ধরে।
B) মধু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর রাসায়নিক গঠনের কারণে শত শত বছর নষ্ট হয় না।
C) দুধ — দুধে প্রচুর পানি ও পুষ্টি উপাদান থাকায় এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নষ্ট বা টক হয়ে যায়।
D) চা — শুকনো চা পাতা দীর্ঘদিন ভালো থাকলেও তরল চা বা ভেজা পাতা খুব দ্রুত ছত্রাকাক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মধু প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে পরিচিত যা কখনোই নষ্ট হয় না।
সঠিক উত্তর: C) স্কার্ভি
কেন সঠিক:
- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিডের অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ দেখা দেয়।
- এই রোগে সাধারণত মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্তপাত হওয়া এবং দুর্বলতা অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাতকানা — ভিটামিন এ-এর অভাবে এই রোগ হয়, যা চোখের দৃষ্টিশক্তিকে দুর্বল করে দেয়।
B) বেরিবেরি — ভিটামিন বি ওয়ান বা থিয়ামিনের অভাবে এই রোগ হয়, যা স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে।
C) স্কার্ভি — এটি ভিটামিন সি-এর অভাবে সংঘটিত রোগ এবং এটিই সঠিক উত্তর।
D) রিকেটস — ভিটামিন ডি-এর অভাবে এই রোগ হয়, যা শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর অভাবে মুখ ও মাড়ির স্কার্ভি রোগ হয়, যা লেবু জাতীয় টক ফল খেলে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস
কেন সঠিক:
- নিউমোনিয়া হলো একটি ফুসফুসের সংক্রমণ যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে হয়ে থাকে।
- এই রোগে ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিগুলো তরল বা পুজে পূর্ণ হয়ে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি মানবদেহের ফুসফুসকে আক্রমণ করে।
B) যকৃৎ — এটি মানবদেহের প্রধান পরিপাক গ্রন্থি এবং রক্ত পরিশোধনকারী অঙ্গ, যা নিউমোনিয়ার মূল আক্রমণস্থল নয়।
C) কিডনি — এটি মানবদেহের রেচন অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে, তাই এটি নিউমোনিয়া আক্রান্ত হওয়ার স্থান নয়।
D) প্লিহা — এটি লসিকা তন্ত্রের অংশ যা রক্ত ফিল্টার করে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, ফুসফুসের রোগের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে শ্বাসকষ্ট জড়িত, আর শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হলো ফুসফুস।
সঠিক উত্তর: A) রাজ কাঁকড়া
কেন সঠিক:
- কোটি কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে টিকে থাকা সত্ত্বেও এর শারীরিক গঠনে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি।
- সামুদ্রিক আর্থ্রোপোড পরিবারের এই প্রাণীটি প্রাচীন জীবাশ্মের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়, তাই একে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজ কাঁকড়া — এটি কোটি বছর ধরে অপরিবর্তিত থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
B) পিপীলিকা — এটি সাধারণ কীটপতঙ্গ এবং এর অনেক উন্নত প্রজাতি রয়েছে, তাই এটি জীবন্ত জীবাশ্ম নয়।
C) কেঁচো — এটি অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণী হলেও এর কোনো প্রাচীন জীবাশ্ম রেকর্ড একে জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।
D) সাপ — এটি তুলনামূলকভাবে আধুনিক বিবর্তিত সরীসৃপ প্রাণী, তাই এটি জীবন্ত জীবাশ্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন রাজাদের মতো কোটি বছর ধরে অপরিবর্তিত টিকে আছে বলেই রাজ কাঁকড়া হলো জীবন্ত জীবাশ্ম।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।
- পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ মে — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
B) ১৫ মে — এই দিনে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৫ জুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) ১৫ জুন — এই তারিখে অন্য কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস রয়েছে, তবে এটি পরিবেশ দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের প দিয়ে পাঁচ (৫) এবং জুন মাসের জু দিয়ে জুনের কথা মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ ৫ জুন।
সঠিক উত্তর: A) ভারত-পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- এটি কাশ্মীর অঞ্চলের ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রित অংশের মধ্যবর্তী সামরিক রেখা।
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত-পাকিস্তান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এই দুটি দেশের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্তরেখা।
B) ভঅরত-চীন — এই অপশনের সঠিক সীমান্তরেখা হলো ম্যাকমোহন লাইন বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল।
C) ভারত-বাংলাদেশ — এই অপশনের সীমান্তরেখা সাধারণভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং তিনবিঘা করিডরের মতো নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে গঠিত।
D) পাকিস্তান-আফগানিস্তান — এই অপশনের সীমান্তরেখা ডিউলাইন নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
কাশ্মীর নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝের সীমারেখাকে বলা হয় লাইন অব কন্ট্রোল।
সঠিক উত্তর: D) কলেরা
কেন সঠিক:
- আইসিডিডিআরবি মূলত আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ নামে পরিচিত যা ডায়রিয়া ও কলেরা চিকিৎসায় বিশ্বখ্যাত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বমানের ডায়রিয়া হাসপাতাল পরিচালনা করে এবং কলেরা রোগের চিকিৎসায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যালেরিয়া — এটি একটি মশাবাহিত পরজীবীজনিত রোগ, যার চিকিৎসা সাধারণত সাধারণ হাসপাতাল বা বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্রে হয়।
B) যক্ষ্মা — এটি একটি বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যার চিকিৎসা সাধারণত সরকারি টিবি হাসপাতাল বা বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে করা হয়।
C) নেউমোনিয়া — এটি ফুসফুসের সংক্রমণজনিত রোগ, যা প্রধানত শিশু হাসপাতাল বা সাধারণ চিকিৎসালয়ে চিকিৎসা করা হয়।
D) কলেরা — এটি পানিটাহবাহিত ডায়রিয়াজনিত রোগ এবং আইসিডিডিআরবি এই রোগের চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
আইসিডিডিআরবি মানেই ডায়রিয়া ও কলেরা গবেষণার প্রধান হাসপাতাল।
সঠিক উত্তর: D) সেন্টমার্টিন
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- এই দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া এবং এর আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ তবে প্রবাল দ্বীপ নয়, এটি মেঘনা নদীর মোহনায় গঠিত পলিদ্বীপ।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ এবং এটি পলি দ্বারা গঠিত।
C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ যা প্রবাল দ্বীপ নয়।
D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যেখানে প্রচুর প্রবাল ও নারিকেল গাছ পাওয়া যায়।
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (B) মার্চ-মে ভুল। বাংলাদেশের উপর দিয়ে মূলত জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয় এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বা প্রত্যাবর্তনকারী মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। মার্চ থেকে মে মাস কালবৈশাখী ও প্রাক-মৌসুমি বর্ষণের সময়। তাই সঠিক উত্তর হবে জুন-সেপ্টেম্বর, যা প্রদত্ত অপশনগুলোতে নেই। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আসল সময়কাল ধরে সঠিক ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো।
সঠিক উত্তর: A) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
কেন সঠিক:
- জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয়।
- এই সময় ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগস্ট – সেপ্টেম্বর — এই সময়টি দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় পর্যায় এবং বর্ষাকালের অন্তর্ভুক্ত, যা আগস্ট মাসে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায়।
B) মার্চ-মে — এটি মূলত গ্রীষ্মকাল ও প্রাক-মৌসুমি বায়ুর সময়, এই সময়ে কালবৈশাখী ঝড় ও উষ্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে।
C) নভেম্বর – ডিসেম্বর — এই সময়ে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেয় এবং শুষ্ক উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বা শীতকাল শুরু হয়।
D) ফেব্রুয়ারি – মার্চ — এটি শীতকালের শেষ ও বসন্তকালের শুরুর সময়, যখন আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মৌসুমি বায়ুর কোনো প্রভাব থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
মৌসুমি বায়ুর মূল বর্ষাকাল হলো জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত, তাই আগস্ট মাস এই সময়ের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) শশাঙ্ক
কেন সঠিক:
- শশাঙ্ক সপ্তম শতাব্দীর শুরুতে বাংলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন জনপদ বা রাজ্যগুলোকে একত্রিত করেন।
- তিনি ঐক্যবদ্ধ করে বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেকে এর রাজা ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধর্মপাল — তিনি পাল বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন, যিনি অষ্টম শতাব্দীতে গৌড়ের সিংহাসনে আরোহণ করেন কিন্তু রাজ্যটির প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) লক্ষ্মন সেন — তিনি সেন বংশের রাজা ছিলেন এবং ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলা শাসন করেন, যিনি গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নন।
C) শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়।
D) ইলিয়াস শাহ — তিনি চৌদ্দশ শতাব্দীতে সমগ্র বাংলা জয় করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী বংশ এবং সুলতানি আমল প্রতিষ্ঠা করেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলার প্রথম স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা 'শশাঙ্ক', যা মনে রাখতে 'শ' দিয়ে শশাঙ্ক এবং 'শ' দিয়ে স্বাধীন শব্দদুটি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) জহির রায়হান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়া পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান।
- এই চলচ্চিত্রে রূপকাহিনীর মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাষী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক হলেও জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রের পরিচালক নন, তার বিখ্যাত কাজ ওহাদা ৩১৯ ও দেবদাস।
B) আলমগীর কবির — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সমালোচক ও পরিচালক হলেও এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ছবিটির পরিচালক তিনি নন, তার বিখ্যাত কাজ ধীরে বহে মেঘনা।
C) জহির রায়হান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি তার পরিচালিত অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
D) সুভাষ দত্ত — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি নির্মাতা ও অভিনেতা হলেও জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত কাজ সুতরাং।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি জীবনের সংগ্রাম মনে রাখতে জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) সেলিম রহমান
কেন সঠিক:
- সেলিম রহমান বাংলাদেশের জাতীয় ক্রীড়া সংগীত 'চল রে চল ধরে ক্রীড়ার জয়গান' এর গীতিকার হিসেবে পরিচিত।
- এই গানটি দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়া সংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিম রহমান — ইনি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের গীতিকার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) খন্দকার নরুল আলম — ইনি একজন বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক, তবে এই গানের গীতিকার নন।
C) হেলাল হাফিজ — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি, ক্রীড়া সংগীতের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) রফিক আজাদ — ইনি প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক, তবে তিনি এই ক্রীড়া সংগীত রচনা করেননি।
মনে রাখার টিপস:
ক্রীড়া সংগীতের গীতিকার মনে রাখতে সেলিমের 'স' দিয়ে সংগীত এবং 'স' দিয়ে সেলিম রহমান এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) আবুল আহসান
কেন সঠিক:
আবুল আহসান ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা অর্থাৎ সার্কের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তিনি একজন বাংলাদেশি কূটনীতিবিদ ছিলেন যিনি এই সংস্থার সচিবালয় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
১৯৮৫ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীল কান্ত শর্মা — তিনি ভারতের কূটনীতিবিদ ছিলেন এবং পরবর্তীতে সার্কের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
B) ইব্রাহীম হুসাইন জাকী — তিনি মালদ্বীপের একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি নব্বইয়ের দশকে সার্কের মহাসচিব ছিলেন।
C) আবুল আহসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) নিহাল রডরিগো — তিনি শ্রীলঙ্কার কূটনীতিবিদ ছিলেন এবং ১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত সার্কের মহাসচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ প্রথম মহাসচিব পদ পেয়েছিল আর আবুল আহসান ছিলেন সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৯ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ছাত্র সমাজের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এগার-দফা দাবি পেশ করে।
- এই আন্দোলন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব খান বিরোধী গণঅভুত্থানকে তীব্রতর করে তুলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৪ সালে — এই সালে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল।
B) ১৯৬৬ সালে — এই সালে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল।
C) ১৯৬৮ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং বিচার শুরু হয়।
D) ১৯৬৯ সালে — এই সালেই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এগার-দফা আন্দোলন সফলভাবে পরিচালিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা আসে ১৯৬৬ সালে আর তার তিন বছর পর ১৯৬৯ সালে আসে এগার দফা।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও অর্থনীতি
সঠিক উত্তর: B) মিয়ানমার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ওষুধ রপ্তানি আয়ের দিক থেকে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার অন্যতম।
- ভৌগোলিক নৈকট্য ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের কারণে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওষুধ রপ্তানি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — নেপালে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হয়, তবে এটি শীর্ষ রপ্তানিমুখী দেশ নয়।
B) মিয়ানমার — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, কারণ বর্তমানে এখান থেকে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় হয়।
C) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হওয়ায় যাতায়াত খরচ বেশি এবং রপ্তানি পরিমাণও তুলনামূলক কম।
D) শ্রীলংকা — শ্রীলংকায় কিছু ওষুধ রপ্তানি হলেও তা মিয়ানমারের তুলনায় কম।
মনে রাখার টিপস:
মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্যে ওষুধ এগিয়ে, মনে রেখো উত্তরটি সবার চেয়ে বড় ঝুড়িতে নিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) রংপুর
কেন সঠিক:
- ভাওয়াইয়া গান মূলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে রংপুর, কুড়িগ্রাম ও কোচবিহার অঞ্চলের মাটি ও মানুষের জীবনের গান।
- গাড়িয়াল ভাই ও মহিষের গাড়ির জীবনযাত্রা এই অঞ্চলের সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত থাকায় এটি উত্তরবঙ্গের লোকসংগীত হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভাওয়াইয়া গান এই অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত।
B) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত গম্ভীরূপ ও গম্ভীরা, ভাওয়াইয়া নয়।
C) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত হলো ময়মনসিংহ গীতিকা ও ভাটিয়ালির প্রভাব।
D) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত হলো ধামাইল গান ও মরমি সাধকদের মারফতি গান।
মনে রাখার টিপস:
রংপুরের গাড়িয়াল ভাইয়েরা গাড়ি চালায় আর মুখে ভাওয়াইয়া গান গায়।
সঠিক উত্তর: B) ত্রিপুরা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে প্রাচীনকালে বর্তমান কুমিল্লার অঞ্চলটি সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং ব্রিটিশ আমলের পূর্বে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল।
- ১৯০৮ সালে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয় ত্রিপুরার জেলা, যা পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে কুমিল্লা নামে পরিবর্তিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাসিরাবাদ — এটি ময়মনসিংহ জেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম।
B) ত্রিপুরা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কুমিল্লা জেলার পূর্বনাম ছিল ত্রিপুরা।
সি) সুধারাম — এটি নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম।
ডি) সুবর্ণগ্রাম — এটি সোনারগাঁও বা প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চলের নাম।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লায় পূর্বে ত্রিপুরা রাজারা শাসন করতেন, তাই কুমিল্লার প্রাচীন নাম ছিল ত্রিপুরা।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৮১টি
কেন সঠিক:
- নাম ষাট গম্বুজ হলেও ঐতিহাসিক এই মসজিদের ছাদের ওপর মোট গম্বুজের সংখ্যা একাশীতটি।
- এর মধ্যে প্রধান ছাদেই রয়েছে সত্তরটি ছোট গম্বুজ এবং বাকিগুলো অন্যান্য অংশে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০টি — এটি মসজিদের নামের সংখ্যা হলেও প্রকৃত গম্বুজের সংখ্যা নয়।
B) ৬৬টি — এই সংখ্যাটি ঐতিহাসিক এই মসজিদের প্রকৃত গম্বুজ বা ছাদের বিন্যাসের সঙ্গে মেলে না।
C) ৭৭টি — এটি অন্য কোনো প্রাচীন মসজিদের গম্বুজ সংখ্যা হতে পারে, ষাট গম্বুজ মসজিদের নয়।
D) ৮১টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ও প্রমাণিত উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নাম ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে গম্বুজ হলো একাশীতটি।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাপানের টোকিওতে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে দেশের বাইরে প্রথম স্থায়ী শহিদমিনার নির্মিত হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের অংশ হিসেবে এই শহিদমিনারটি সেখানে স্থাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডায় শহিদমিনার থাকলেও এটি দেশের বাইরে নির্মিত প্রথম শহিদমিনার নয়।
B) ইতালি — ইতালিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন স্থানে শহিদমিনার নির্মাণ করলেও এটি প্রথম নয়।
D) দক্ষিন আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকায় অনেক প্রবাসী বাঙালি বসবাস করলেও সেখানে দেশের বাইরে প্রথম শহিদমিনার নির্মিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যোদয়ের দেশ জাপান থেকেই দেশের বাইরে প্রথম শহিদমিনার নির্মাণের সূর্য ওঠে।
সঠিক উত্তর: A) হরিকেল
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে হরিকেল অঞ্চলটি সর্বপূর্ব অংশে অবস্থিত ছিল।
- বর্তমান বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিকেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত পূর্বাঞ্চলীয় হলেও সর্বপূর্ব ছিল না।
C) বরেন্দ্র — এটি প্রাচীন বাংলার উত্তরাঞ্চলীয় জনপদ ছিল, যা রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
D) রাঢ় — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জনপদ ছিল, যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অংশ।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব দিকের জনপদ মনে রাখতে হরিকেল শব্দটির প্রথম অক্ষর হ এবং পূর্বের হা দিয়ে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ইন্টারনেট
কেন সঠিক:
- ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থা, যা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এটি প্রটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা শেয়ারিং নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম মাত্র, সমগ্র কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা প্রযুক্তি নয়।
B) ইন্টারকম — এটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভবন বা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত সীমিত তারযুক্ত বা তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
C) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর।
D) টেলিগ্রাম — এটি দূরবর্তী স্থানে লিখিত বার্তা পাঠানোর একটি প্রাচীন দূরসংযোগ ব্যবস্থা, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট মানে ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক, যা সারা বিশ্বের কম্পিউটারগুলোকে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান করে।
সঠিক উত্তর: A) EU
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনীতিতে জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনের দিক থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট।
- এই জোটে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য এবং একক মুদ্রা ইউরো চালুর মাধ্যমে এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্লকে পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) EU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থনৈতিক আকার ও জিডিপি বিশ্বের অন্যান্য জোটের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
B) WTO — এটি কোনো অর্থনৈতিক জোট নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম তদারককারী একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
C) NATO — এটি একটি সামরিক জোট, কোনো অর্থনৈতিক জোট নয়।
D) FIFA — এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা, যা খেলাধুলার সাথে যুক্ত এবং অর্থনীতি বা বাণিজ্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকা বা অর্থনীতিতে ইউরোপ সবার চেয়ে এগিয়ে, তাই বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট হলো ইইউ বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
সঠিক উত্তর: D) ২১ জুন
কেন সঠিক:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, যা উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন।
- এই দিনে উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে দীর্ঘ এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ ডিসেম্বর — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন এবং উত্তর গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন।
B) ২১ মার্চ — এটি বিশ্ব বসন্তকালীন বিষুব, এই দিনে সারা বিশ্বে দিন ও রাত সমান হয়।
C) ২৩ সেপ্টেম্বর — এটি বিশ্ব জলীয় বিষুব, এই দিনেও সারা বিশ্বে দিন ও রাত সমান হয়।
D) ২১ জুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
জুন মাস মানেই গরম ও বড় দিন, তাই ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন।
সঠিক উত্তর: C) লিওনেল মেসি
কেন সঠিক:
- লিওনেল মেসি ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চারবার ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার (ব্যালন ডি'অর) জিতেছেন, যা পরপর তিনবারের শর্তকে পূর্ণ করে।
- ফুটবলের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি টানা চারবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো — তিনি একাধিকবার ফিফা বর্ষসেরা হলেও কখনো টানা তিনবার এই পুরস্কার অর্জন করতে পারেননি।
B) ম্যারাডোনা — তিনি তাঁর যুগে অসাধারণ খেলোয়াড় হলেও কখনো ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার হওয়ার পুরস্কার লাভ করেননি।
D) ডেভিড বেকহ্যাম — তিনি বিশ্বখ্যাত ফুটবলার হলেও কখনোই ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের খেতাব অর্জন করতে পারেননি।
মনে রাখার টিপস:
টানা চারবার বর্ষসেরা হয়ে রেকর্ড গড়া একমাত্র ফুটবলার হলেন লিওনেল মেসি।
সঠিক উত্তর: A) ২৬ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান কার্যকর হয় এবং দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে জাতীয়ভাবে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্যাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ জানুয়ারি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৫০ সালের এই দিনে ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল।
B) ১৫ আগস্ট — এটি ভারতের স্বাধীনতা দিবস, ১৯৪৭ সালের এই দিনে দেশটি ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়।
C) ১৪ আগস্ট — এটি পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস, ১৯৪৭ সালের এই দিনে দেশটি স্বাধীন হয়েছিল।
D) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের স্বাধীনতা ১৫ আগস্ট এবং প্রজাতন্ত্র হলো ২৬ জানুয়ারি। স্বাধীনতা আগে আসে তাই আগস্ট মাস আগে এবং প্রজাতন্ত্র পরে আসে তাই জানুয়ারি মাস পরে।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৭মী
১. কেন সঠিক:
ভয়, ভীতি, রক্ষা পাওয়া বা চ্যুত হওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়।
এখানে 'ডরাই' শব্দের অর্থ ভয় পাই, তাই ভয়ের উৎস হিসেবে রাঘব বা রামচন্দ্র অপাদান কারক হয়েছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যাকে ভয় পাওয়া হয়, তার সঙ্গেই অপাদান কারক হয় কারণ ভয় একটি অপসারণ বা দূরবর্তী ধারণার সৃষ্টি করে।
শব্দের সঙ্গে 'এ' বা 'তে' বিভক্তি যুক্ত থাকলে এবং তা স্থান, কাল বা বিষয় না বুঝিয়ে ভয়, রক্ষা বা দূরত্ব বোঝালে তা অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবাকে ভয় পাই।
ব্যাখ্যা: এখানে বাবা হলেন ভয়ের উৎস, তাই এটি অপাদান কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি।
উদাহরণ ২: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা চ্যুত বা পতিত হচ্ছে, তাই গাছ অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদানে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে ভয়ের উৎস বোঝানো হয়েছে এবং রাঘব শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে।
B) কর্তৃকারকে ৭মী — যে নিজে কাজ সম্পন্ন করে সে কর্তা, কিন্তু এখানে রামচন্দ্র বা রাঘব কাজের কর্তা নন বরং ভয়ের আধার।
C) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা সময় বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করা হয়নি।
D) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম, কিন্তু এখানে রামচন্দ্র কর্মকারক নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যে ভয়, ভীতি, দূরত্ব, উৎপন্ন বা রক্ষা পাওয়ার অর্থ থাকলে চোখ বন্ধ করে তা অপাদান কারক হবে।
শব্দের শেষে 'এ' বা 'তে' থাকলে এবং তা ভয় বা চ্যুত হওয়া বোঝালে অপাদানে সপ্তমী বিভক্তি হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার সঙ্গে প্রশ্ন করে কারক চিনতে হয়।
কাকে ভয় পাও বা কিসের থেকে ভয়, এমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা সর্বদা অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: C) ক্ষুদ্রার্থে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী পুরুষবাচক শব্দের ছোট বা ক্ষুদ্র রূপ বোঝাতে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করা হয়, যাকে ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
- এখানে মূল শব্দ হলো নাটক, যার সঙ্গে ক্ষুদ্রার্থক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নাটক বোঝাতে 'নাটিকা' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে কিছু বিশেষ শব্দে ক্ষুদ্রতা বোঝাতে বা ছোট অর্থে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যুক্ত করা হয়।
- যেমন নদী শব্দের ক্ষুদ্র অর্থে নদিকা বা অনু নদী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এখানে ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত নাটক বোঝাতে নাটিকা বলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পুস্তিকা
ব্যাখ্যা: পুস্তক শব্দের ক্ষুদ্র অর্থ বোঝাতে পুস্তিকা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গতিকা
ব্যাখ্যা: গতি শব্দের ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত রূপ বোঝাতে গতিকা শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমার্থে — নাটিকা শব্দটি সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত হয় না কারণ এটি মূল শব্দের সমান বড় নাটক নয় বরং ছোট নাটক।
B) বিপরীতার্থে — নাটিকা শব্দটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, এটি নাটকেরই একটি ক্ষুদ্র রূপ।
D) বৃহদার্থে — নাটিকা শব্দটি বৃহদার্থ বোঝায় না, বরং এটি ক্ষুদ্র বা সংক্ষিপ্ত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শব্দের শেষে ইকা প্রত্যয় দেখলে সাধারণত তা ক্ষুদ্র অর্থ প্রকাশ করে, যেমন পুস্তক থেকে পুস্তিকা।
- বড় কিছু থেকে ছোট কিছু বোঝাতে এই ধরনের প্রত্যয় যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ক্ষুদ্রার্থে স্ত্রীবাচক শব্দের উদাহরণ প্রায়ই আসে।
- নাটক থেকে নাটিকা এবং পুস্তক থেকে পুস্তিকা শব্দগুলো বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনি
১. কেন সঠিক:
ভাষার মূল উপাদান হলো ধ্বনি। মানুষের মুখনিঃসৃত বা বাকযন্ত্রের সাহায্যে উৎপাদিত সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম এককই হলো ধ্বনি, যা ভাষার ভিত্তি তৈরি করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ভাষার ক্ষুদ্রতম একক ধ্বনি এবং লেখার ক্ষুদ্রতম একক বর্ণ। ধ্বনি হলো কান দিয়ে শোনার বিষয় আর বর্ণ হলো চোখ দিয়ে দেখার বিষয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অ, আ, ক, খ
ব্যাখ্যা: এগুলো হলো বাংলা ভাষার মৌলিক ধ্বনি ও বর্ণের প্রতীক।
উদাহরণ ২: বাবা, মা
ব্যাখ্যা: একাধিক ধ্বনি মিলিত হয়ে শব্দ এবং শব্দ মিলিত হয়ে পদ ও বাক্য তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্য — বাক্য হলো ভাষার প্রকাশের পূর্ণাঙ্গ একক, মূল উপাদান নয়।
B) শব্দ — শব্দ হলো অর্থপূর্ণ ধ্বনির সমষ্টি, যা ধ্বনির পরের ধাপ।
C) বর্ণ — বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ, যা ভাষার মূল উপাদান নয়।
D) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর।
৫ মনে রাখার টিপস:
ভাষার মূল বা শিকড় হলো ধ্বনি। গাছ যেমন বীজ বা মূল থেকে জন্মায়, ভাষা তেমনই ধ্বনি থেকে জন্মায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি এবং অর্থের ক্ষুদ্রতম একক রূপিম। এই দুটি প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কনফিউজ করে, তাই সতর্ক থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অরিন্দম
১. কেন সঠিক:
- 'অরিন্দম' শব্দের অর্থ যিনি শত্রু দমন করেছেন বা শত্রুকে জয় করেছেন।
- এটি এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন বলতে বোঝায় বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করা।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অরিকে দমন করে যে = অরিন্দম
ব্যাখ্যা: এখানে 'অরি' শব্দের অর্থ শত্রু এবং 'দম্' ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগ হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অহংকার নাই যার = নিরহংকার
ব্যাখ্যা: এই এককথায় প্রকাশে নেতিবাচক অর্থে উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শত্রুঘ্ন — এর অর্থ শত্রুকে বিনাশ করে যে, তবে নির্দিষ্ট এই পদের জন্য 'অরিন্দম' বেশি উপযুক্ত।
B) অরিন্দম — এটি প্রশ্নের নির্ধারিত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ শত্রুকে দমন করে যে।
C) শত্রু হত্যা — এটি একটি সমাসবদ্ধ বা সাধারণ শব্দ, কোনো একক শব্দে বাক্য সংকোচন বোঝায় না।
D) কৃতঘ্ন — এর অর্থ যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না, যা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অরি শব্দের অর্থ শত্রু এবং দম মানে দমন করা, তাই অরিন্দম মানে শত্রুকে দমনকারী।
- বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ মনে রাখলে উত্তর করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- শেকড় বা শব্দের মূল অর্থ মুখস্থ না রেখে বুৎপত্তিগত অর্থ বোঝার চেষ্টা করলে দীর্ঘস্থায়ী হয়।
সঠিক উত্তর: B) নিস্তেজ
১. কেন সঠিক:
- ‘তেজি’ শব্দের মূল অর্থ হলো তেজস্বী, বলবান, সক্রিয় বা প্রাণবন্ত।
- এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করার জন্য এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা শক্তিহীনতা বা প্রাণহীনতা বোঝায়, আর ‘নিস্তেজ’ শব্দটির অর্থ হলো তেজহীন বা শক্তিহীন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রশ্ন।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল শব্দের অর্থের পরিপূরক বা ঠিক উল্টো অর্থবোধক শব্দ নির্বাচন করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তেজি ঘোড়া দ্রুত দৌড়ায়।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘তেজি’ শব্দটি ঘোড়ার শক্তি ও কর্মক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: অসুস্থতার কারণে লোকটি নিস্তেজ হয়ে পড়েছে।
ব্যাখ্যা: এখানে ‘নিস্তেজ’ শব্দটি ব্যক্তির শক্তিহীনতা বা দুর্বলতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর্বল — ‘দুর্বল’ শব্দটি শারীরিক শক্তির অভাব বোঝায়, তবে ‘তেজি’ শব্দের সরাসরি ও নিখুঁত বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ‘নিস্তেজ’ বেশি উপযুক্ত।
B) নিস্তেজ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘তেজি’ শব্দের বিপরীতার্থক।
C) সতেজ — ‘সতেজ’ শব্দটি ‘তেজি’ শব্দের সমর্থক বা কাছাকাছি অর্থের শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
D) রুগ্ণ — ‘রুগ্ণ’ শব্দের অর্থ রোগাক্রান্ত বা স্বাস্থ্যহীন, যা ‘তেজি’ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- তেজি অর্থ যার তেজ বা শক্তি আছে, আর নিস্তেজ অর্থ যার কোনো তেজ বা শক্তি নেই।
- বিপরীত শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের মূল ভাব বা শক্তির মাত্রা লক্ষ্য করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দ চয়নের সময় প্রমিত বাংলা অভিধানের প্রচলিত বিপরীত শব্দগুলো চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) পরকীয়
কেন সঠিক:
স্বকীয় শব্দের অর্থ নিজের বা নিজস্ব এবং এর বিপরীতে অন্যের বা অন্য সম্পর্কিত বোঝাতে পরকীয় শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বকীয় শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক বা বিপরীত শব্দ হিসেবে পরকীয় শব্দটি সর্বস্বীকৃত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বিপরীত শব্দ গঠনের সময় অনেক ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ পরিবর্তন করে তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করা হয়।
বাংলা ভাষায় নিজস্ব বা স্বজাতীয় কোনো বিষয়ের বিপরীত বোঝাতে পরকীয় বা পরধর্ম জাতীয় শব্দ ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন স্বকীয় এর বিপরীত পরকীয়, তেমনি আপন এর বিপরীত পর বা পরকীয় বলা যেতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপর — অপর শব্দটির অর্থ ভিন্ন বা অন্য, এটি স্বকীয় শব্দের সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
B) নিজস্ব — নিজস্ব শব্দটির অর্থ নিজের, যা স্বকীয় শব্দের সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত শব্দ নয়।
C) স্বকীয়তা — স্বকীয়তা হলো একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ, যা মূল শব্দের বিপরীত না হয়ে বরং সমার্থক রূপ।
D) পরকীয় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এখানে ভুল ব্যাখ্যার কোনো সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
স্ব দিয়ে নিজের বোঝায় তাই এর বিপরীত মনে রাখার জন্য পর শব্দযুক্ত পরকীয় মনে রাখা সহজ।
শব্দটির মূল উৎস এবং অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
সঠিক উত্তর: B) দ্বিগু
১. কেন সঠিক:
- সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে সমাহার বা সমষ্টি বোঝালে তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- এই সমাসে পদের মিলনে একটি নতুন সমাসবদ্ধ পদ গঠিত হয় যা বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য পদ হয় এবং যার দ্বারা সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিন মাথার সমাহার = তিম মাথা বা তেমাথা
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদ তিন সংখ্যাবাচক এবং পরপদ মাথা বিশেষ্য পদ, যা সমাহার বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী
ব্যাখ্যা: এখানে শত সংখ্যাবাচক শব্দ এবং অব্দ বিশেষ্য পদ মিলে সমষ্টি বুঝিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্র্রাধান্য থাকে, যেখানে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাহার বোঝায় না।
B) দ্বিগু — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্যের সমাস হয়ে সমাহার বোঝায়।
C) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্যের ভাব থাকে কিন্তু নির্দিষ্টভাবে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানোর জন্য দ্বিগু সমাস আলাদা করা হয়েছে।
D) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো নতুন পদকে বোঝায়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দ + বিশেষ্য পদ + সমাহার বা সমষ্টি = দ্বিগু সমাস।
- দ্বিগু সমাসের শেষে আ, ঈ বা ই যুক্ত হয়ে সমস্ত পদটি স্ত্রীলিঙ্গ বা ক্লীবলিঙ্গ হতে পারে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- সমাহারের অর্থ প্রকাশ পেলে তা সবসময় দ্বিগু সমাস হিসেবে গণ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) পুষ্প
১. কেন সঠিক:
- প্রসূন শব্দের অর্থ ফুল, যা উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ এবং সৌন্দর্যের প্রতীক।
- বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে প্রসূন অত্যন্ত প্রচলিত একটি তৎসম শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রসূন একটি সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ যার অর্থ পুষ্প বা ফুল।
- বাংলা ভাষায় নিবিড় ভাব প্রকাশ ও কাব্যে এই ধরনের প্রতিশব্দের বহুল ব্যবহার দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কুসুম
ব্যাখ্যা: এটি প্রসূনের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: মঞ্জরী
ব্যাখ্যা: এটি ফুলের গুচ্ছ বা সমাহার বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভ্রমর — এর অর্থ ষটপদ বা মৌমাছি, যা ফুলের ওপর বসে কিন্তু ফুলের সমার্থক নয়।
B) পক্ষী — এর অর্থ পাখি বা খেচর, যা প্রসূনের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
C) পুষ্প — এটি প্রসূনের সঠিক সমার্থক শব্দ এবং সরাসরি এর অর্থ প্রকাশ করে।
D) ফল — এটি ফুলের পরবর্তী রূপ, তবে ফুল বা প্রসূনের সরাসরি সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রসূন এবং পুষ্প উভয় শব্দই প বর্ণ দিয়ে শুরু হয়, যা মনে রাখতে সাহায্য করে।
- কাব্যিক শব্দ হিসেবে প্রসূন মানেই ফুল, এটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম প্রতিশব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- প্রসূন, কুসুম, পুষ্প এবং সুমন সমার্থক শব্দ হিসেবে একসঙ্গে মনে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) √ মুচ্ + তি
১. কেন সঠিক:
'মুক্তি' শব্দটি গঠিত হয়েছে কৃৎ প্রত্যয় যোগে। এখানে ধাতু হলো মুচ্ এবং প্রত্যয় হলো তি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠিত হয়। ব্যঞ্জনবর্ণের নিয়মে চ স্থানে ক বা অন্যান্য পরিবর্তন সাধিত হতে পারে, তবে মূল ধাতু হলো মুচ্।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √ ভুজ + তি = ভক্তি। এখানে ভুজ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: √ সৃজ্ + তি = সৃষ্টি। এখানে সৃজ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √ মুচ্ + তি — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্দেশ করে।
B) √ মুক্ + ক্তি — এখানে মূল ধাতু মুক্ ভুল কারণ প্রমিত ব্যাকরণে ধাতু হলো মুচ্।
C) √ মুক + তি — এখানে মুক কোনো স্বীকৃত ধাতু নয়।
D) √ মুচ্ + ক্তি — এখানে ক্তি অতিরিক্ত ও ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
সংস্কৃত উৎসের অনেক শব্দে তি প্রত্যয় যোগ করার সময় ধাতু অপরিবর্তিত থাকে। মুচ্ ধাতুর সঙ্গে তি যোগ করলে মুক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ধাতু চেনার অভ্যাস করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) √ গৈ + ণক
১. কেন সঠিক:
- ‘গায়ক’ একটি সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ যার মূল ধাতু ‘গৈ’ এবং প্রত্যয় ‘ণক’।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ‘গৈ’ ধাতুর সঙ্গে ‘ণক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘গায়ক’ শব্দটি গঠিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়।
- এখানে ‘ণক’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে ধাতুর আদি স্বর ‘ঐ’ স্থানে ‘আই’ বৃদ্ধি লাভ করে গায় হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: √ চৈ + ণক = চায়ক
ব্যাখ্যা: গৈ ধাতুর মতো চৈ ধাতুর সঙ্গে ণক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চায়ক শব্দ গঠিত হয়।
উদাহরণ ২: √ নৈ + ণক = নায়ক
ব্যাখ্যা: একই নিয়ম অনুসরণ করে নৈ ধাতুর সঙ্গে ণক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নায়ক শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) √ গিঃ + অক — এটি ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ ‘গিঃ’ কোনো মূল ধাতু নয়।
B) √ গায় + অক — ‘গায়’ কোনো মৌলিক ধাতু নয়, এটি ‘গৈ’ ধাতুর পরিবর্তিত রূপ।
C) √ গৈঃ + নক — এখানে ধাতু বা প্রত্যয়ের রূপটি ব্যাকরণসম্মতভাবে সঠিক নয়।
D) √ গৈ + ণক — এই অপশনটি সঠিক এবং প্রমিত ব্যাকরণ নিয়ম অনুসরণ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ‘গায়ক’ ও ‘নায়ক’ শব্দে সবসময় ‘ণক’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- ধাতুর আদি স্বর ‘ঐ’ থাকলে প্রত্যয় যোগের সময় তা ‘আই’ হয়ে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় প্রায়ই আসে।
- ধাতু চেনার সময় সর্বদা মূল সংস্কৃত ধাতু ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: ঘ) নিশ্চেষ্ট
কেন সঠিক:
- ‘সচেষ্ট’ শব্দের অর্থ কোনো কাজে চেষ্টা আছে যার বা উদ্যোগী।
- এর সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘নিশ্চেষ্ট’, যার অর্থ কোনো চেষ্টা বা উদ্যোগ নেই যার।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ যুক্ত হয়ে শব্দের বিপরীতার্থক নতুন শব্দ গঠিত হয়।
- ‘স’ উপসর্গের বিপরীত হিসেবে ‘নিঃ’ বা ‘নিদ্’ উপসর্গ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: সজীব এর বিপরীত নির্জীব, সচেষ্ট এর বিপরীত নিশ্চেষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- ক) অশিষ্ট — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো শিষ্ট, তাই এটি সচেষ্ট এর বিপরীত নয়।
- খ) অনিষ্ট — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো ইষ্ট, তাই এটি সচেষ্ট এর বিপরীত হতে পারে না।
- গ) লঘিষ্ঠ — এই শব্দটির সঠিক বিপরীত শব্দ হলো গরিষ্ঠ, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- ঘ) নিশ্চেষ্ট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
- ‘স’ যুক্ত ইতিবাচক শব্দের প্রথমে ‘নি’ বা ‘নিস্’ যুক্ত করে প্রায়শই বিপরীত শব্দ তৈরি করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) গ্রামান্তর
১. কেন সঠিক:
যে সমাসের সমস্তপদ বা ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা পদের অর্থ ঠিক রাখার জন্য অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় এবং সবসময় নিত্য সমাসই থাকে, তাকে নিত্য সমাস বলে।
গ্রামান্তর শব্দের অর্থ অন্য গ্রাম, যা নিত্য সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নিত্য সমাসের কোনো ব্যাসবাক্য হয় না, ব্যাসবাক্য করতে হলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়।
নিত্য সমাসে সাধারণত অন্য, কেবল, মাত্র প্রভৃতি শব্দ যোগে ব্যাসবাক্য করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অন্য মন = অন্যমনা
ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি শব্দ যেখানে অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র
ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের অপর একটি উদাহরণ যেখানে কেবল পদের সাহায্যে সমাস সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেতার — এটি বহুত্রী সমাসের উদাহরণ, যার অর্থ তিন তার আছে যার।
B) প্রত্যহ — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য অহহ বা দিন দিন।
C) গ্রামান্তর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) সহোদর — এটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য উদর এক যার।
৫ মনে রাখার টিপস:
নিত্য সমাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো সমস্তপদে সাধারণত অন্য, কেবল বা মাত্র শব্দগুলোর উপস্থিতি খেয়াল করা।
গ্রামান্তর শব্দের মতো যেসব শব্দে অন্য অর্থ প্রকাশ পায়, সেগুলো সাধারণত নিত্য সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস চেনার জন্য অন্য মন বা গ্রামান্তর শব্দগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের সমাসের ধরনগুলো ভালোভাবে যাচাই করে সঠিক উত্তর নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) সর্বজনীন
কেন সঠিক:
- বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সকলের জন্য প্রযোজ্য বোঝাতে সর্বজনীন শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- এর মূল অর্থ হলো যা সমস্ত মানুষের ক্ষেত্রে সমানভাবে সত্য বা প্রযোজ্য।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সর্বজনীন শব্দটি গঠিত হয়েছে সর্ব এবং জনীন মিলে, যার অর্থ সবার জন্য হিতকর বা প্রযোজ্য।
- বাংলা ব্যাকরণের শব্দার্থ নির্ণয় অংশে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এককথার প্রকাশ।
- যেমন: এই উৎসবটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বজনীন একটি অনুষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সর্বজনীন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য অর্থ ধরা হয় না।
- B) সার্বজনীন — এটি বানানগতভাবে এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কিছুটা কম গ্রহণযোগ্য, তবে কথ্যরূপে চলে।
- C) সর্বজনস্বীকৃত — এর অর্থ যা সবার দ্বারা স্বীকৃত বা মান্য করা হয়েছে, প্রযোজ্য অর্থে এটি বসে না।
- D) সর্বজনগ্রাহ্য — এর অর্থ যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য বা আদরণীয়, সরাসরি প্রযোজ্য অর্থে এটি ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
- প্রযোজ্য শব্দের সাথে মিল রেখে সর্বজনীন শব্দটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ উপায়।
সঠিক উত্তর: C) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
'আনারস' শব্দটি বাংলা ভাষাভাষী মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত একটি বিদেশাগত শব্দ। এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস বা উৎপত্তিগত দিক থেকে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে বিদেশাগত বা বিদেশি শব্দ অন্যতম যা অন্য ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাবি
ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: বালতি
ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত একটি জনপ্রিয় শব্দ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওলন্দাজ — ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলায় 'হরতাল', 'রুইতন' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, কিন্তু 'আনারস' আসেনি।
B) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলায় 'খদ্দর', 'গুজরাটি' ইত্যাদি শব্দ আসলেও 'আনারস' পর্তুগিজ শব্দ।
C) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ আনারস পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
D) জাপানি — জাপানি ভাষা থেকে বাংলায় 'রিকশা', 'জাপানি' ইত্যাদি শব্দ এসেছে, আনারস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
পর্তুগিজ শব্দগুলো সহজে মনে রাখতে ফলমূল, পানীয় ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিসগুলো আলাদা করে তালিকা করে পড়তে পারো। আনারস একটি বিদেশি ফল যা পর্তুগিজদের মাধ্যমে আমাদের দেশে এসেছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশাগত শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে পর্তুগিজ, আরবি, ফারসি ও ইংরেজি শব্দের তালিকা ভালো করে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) করণে ৭মী
১. কেন সঠিক:
ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম বা সহায়ক যন্ত্রকে করণ কারক বলা হয়।
এখানে ঘর ভরার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে ফুল দিয়ে, তাই ফুলে ফুল দিয়ে অর্থে করণ কারক হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
করণ শব্দের অর্থ সাহায্য, উপায় বা মাধ্যম।
বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাকে করণ কারক বলে।
শব্দের শেষে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি ৭মী বিভক্তি হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাঠিতে কাজ হয়েছে
ব্যাখ্যা: কাজের মাধ্যম লাঠি বোঝানো হয়েছে, তাই এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: কলমে লেখা যায়
ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম বা যন্ত্র হলো কলম, তাই এটি করণ কারকে ৭মী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে ৭মী — কর্ম কারকে সাধারণত দ্বিতীয় বা শূন্য বিভক্তি হয় এবং এখানে কোনো কিছু প্রাপ্তি বা বর্জনের বিষয় নেই।
B) করণে ৭মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফুল ঘর ভরার মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।
C) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক বলতে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয় তা বোঝায়, যা এখানে নেই।
D) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এখানে ঘর ভরার মাধ্যমকে নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, তা হলো করণ কারক।
শব্দের শেষে এ, য় বা তে থাকলে এবং তা মাধ্যম বোঝালে ৭মী বিভক্তি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মাধ্যম বা সহায়ক উপাদান সংক্রান্ত কারক নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
নিয়ম মনে রাখার জন্য বাক্যটিতে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে মাধ্যম খুঁজে বের করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) দুঃ + যোগ
১. কেন সঠিক:
- এটি বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
- বিসর্গের পর যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ কিংবা অন্তস্থ য, র, ল, ব, হ থাকে তবে বিসর্গের স্থানে ও কার হয় অথবা বিসর্গ স্থানে রেফ হয়।
- এখানে 'দুঃ' এর বিসর্গের সঙ্গে 'যোগ' শব্দের জ (যা বর্গের তৃতীয় বর্ণ) যুক্ত হয়ে 'দুর্যোগ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
- বিসর্গ সন্ধি মূলত স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে বিসর্গের পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে।
- এখানে বিসর্গ (ঃ) এর পূর্বে অ বা আ ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে এবং পরে স্বরধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে বিসর্গ রেফ (র) এ রূপান্তরিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিঃ + ধি = নিধি
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পূর্বে অ বা আ না থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে রেফ হয়েছে।
উদাহরণ ২: আবিঃ + ভাব = আবির্ভাব
ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে বিসর্গের স্থানে রেফ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দুর + যোগ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয় কারণ এখানে ব্যাকরণগত নিয়মের বিসর্গ অনুপস্থিত রয়েছে।
B) দুঃ + যোগ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) দু + যোগ — এটি ভুল কারণ বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার না করার কারণে সন্ধির মূল নিয়ম মানা হয়নি।
D) দুরোঃ + যোগ — এটি ভুল কারণ দুরোঃ বলে বাংলা ব্যাকরণে কোনো পদের অস্তিত্ব বা সন্ধির নিয়ম নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বিসর্গ সন্ধি মনে রাখার সহজ উপায় হলো কোনো শব্দের মাঝে রেফ থাকলে বিচ্ছেদ করার সময় রেফের পরিবর্তে বিসর্গ (ঃ) বসিয়ে দিতে হয়।
- যেমন দুর্যোগ ভাঙলে হয় দুঃ যোগ যোগ, যা বিসর্গ সন্ধির সাধারণ নিয়ম মেনে চলে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতি বছর নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- রেফযুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
সমাসবদ্ধ বা একপদিকৃত পদগুলোর মধ্যবর্তী সম্পর্ক স্পষ্ট করার জন্য অথবা পদগুলোকে ভেঙে দেখানোর জন্য হাইফেন ব্যবহার করা হয়।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে আলাদা করে বোঝাতে এই যতিচিহ্নের নির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যতি বা ছেদচিহ্নের মধ্যে হাইফেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চিহ্ন যা মূলত সংযোগ বা বিভাজনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
সমাসবদ্ধ পদের মাঝে সংযোগ রক্ষা করা এবং প্রয়োজনে তা ভেঙে আলাদা করে প্রদর্শন করতে হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা-পিতা
ব্যাখ্যা: মাতা ও পিতা সমাসবদ্ধ পদটিকে হাইফেন দিয়ে আলাদা করে এর ব্যাসবাক্য বা অংশগুলো স্পষ্টভাবে দেখানো যায়।
উদাহরণ ২: ধর্ম-ঘট
ব্যাখ্যা: ধর্মঘট একটি সমাসবদ্ধ পদ, এর অংশ দুটিকে হাইফেনের সাহায্যে পৃথক করে দেখানো সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ড্যাস — ড্যাস বা ড্যাশ চিহ্ন মূলত বাক্যে ভাবের বিস্তার বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, সমাসবদ্ধ পদ বিচ্ছিন্ন করার জন্য নয়।
B) কোলন — কোলন চিহ্ন সাধারণত একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য কোনো বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ টানতে বসে।
D) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সমাস মানে সংক্ষেপণ আর হাইফেন হলো সেই চিহ্ন যা সংক্ষেপিত পদকে প্রয়োজনে টেনেটুনে আলাদা করে দেখায়।
মনে রাখবে সংযোগ বা বিয়োগের ছোট দাগটিই হলো হাইফেন।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সমাসবদ্ধ পদের ক্ষেত্রে হাইফেনের ব্যবহার জানা থাকলে বিরামচিহ্ন সম্পর্কিত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) সবুরে মেওয়া ফলে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি প্রবাদ বাক্য Patience has its reward এর বাংলা ভাবানুবাদ হলো সবুরে মেওয়া ফলে।
- এখানে ধৈর্য ধারণ করার ফল মিষ্টি বা ভালো হয় বোঝাতে প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি প্রবাদ প্রবচন যা বাগধারার মতো আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিভিন্ন বিদেশি প্রবাদের সুন্দর ভাবানুবাদ প্রচলিত রয়েছে যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: As you sow, so shall you reap
ব্যাখ্যা: এর যথাযথ বাংলা প্রবাদ হলো যেমন কর্ম তেমন ফল।
উদাহরণ ২: Tit for tat
ব্যাখ্যা: এর যথাযথ বাংলা প্রবাদ হলো যেমন কুকুর তেমন মুগুর।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সবুরে মেওয়া ফলে — এটি প্রশ্নের প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ভাবানুবাদ সঠিক।
B) রোগী পুরস্কার পেয়েছে — Patience শব্দের অর্থ ধৈর্য, কিন্তু ভুল করে Patient শব্দের অর্থ রোগী ধরে এই অনুবাদ করা হয়েছে।
C) রোগীর জন্য পুরস্কার আছে — এটিও Patient শব্দের অর্থ রোগী ধরে করা একটি ভুল এবং অবাস্তব অনুবাদ।
D) ধৈর্যের মূল্যায়ন হয়েছে — এটি আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করলেও প্রবাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রবাদ সবুরে মেওয়া ফলে অধিক গ্রহণযোগ্য।
৫. মনে রাখার টিপস:
- Patience শব্দ দেখলে রোগী বা Patient হিসেবে ভুল না করে ধৈর্য বা সবুর মনে রাখবে।
- প্রবাদ বাক্যগুলো মুখস্থ না করে অর্থের গভীরতা বুঝে শিখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি প্রবাদের বাংলা অনুবাদ করার সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে প্রচলিত ভাবানুবাদ নির্বাচন করতে হবে।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের প্রবাদের অনুবাদ প্রায়ই পরীক্ষকগণ দিয়ে থাকেন।
সঠিক উত্তর: D) অভ্যাসের ওপর
১. কেন সঠিক:
অনুবাদ হলো এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় মনের ভাব সঠিকভাবে রূপান্তরের শিল্প। এই শিল্পে দক্ষতা অর্জন করতে হলে কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞান বা নিয়ম মুখস্থ করলেই চলে না, বরং নিয়মিত চর্চা বা অভ্যাসের মাধ্যমে হাত পাকাতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষা ব্যবহারের দক্ষতা ও প্রায়োগিক রূপ সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাষাগত জ্ঞান এবং নিয়মিত চর্চার পারস্পরিক সমন্বয় অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইংরেজি থেকে বাংলায় দৈনিক সংবাদ অনুবাদের চর্চা করা।
ব্যাখ্যা: প্রতিদিন নিয়মিত অনুবাদের চর্চা করলে শব্দের সঠিক প্রয়োগ ও বাক্যগঠন সহজ হয়।
উদাহরণ ২: সাহিত্যিক অনুবাদে মূল ভাবের পাশাপাশি শব্দের সুর রক্ষা করার অভ্যাস।
ব্যাখ্যা: নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমেই কেবল মূল লেখকের ভাবধারা অনুবাদে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পড়াশোনার ওপর — পড়াশোনার মাধ্যমে নিয়ম জানা যায়, কিন্তু অনুবাদের পারদর্শিতা অর্জনের জন্য ব্যবহারিক দক্ষতা ও প্রয়োগ আবশ্যক।
B) ভাষান্তরের ওপর — ভাষান্তর হলো অনুবাদেরই অন্য নাম, যা পারদর্শিতা অর্জনের মূল শর্ত নয় বরং চর্চার মাধ্যম।
C) নির্ধারণের ওপর — নির্ধারণ বলতে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করা বোঝায়, যা সরাসরি অনুবাদের দক্ষতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) অভ্যাসের ওপর — এই অপশনটি সঠিক কারণ নিয়মিত চর্চা বা অভ্যাসই অনুবাদের দক্ষতা বৃদ্ধির একমাত্র চাবিকাঠি।
৫. মনে রাখার টিপস:
অনুবাদ মানে কেবল শব্দের রূপান্তর নয় বরং ভাবের প্রকাশ, আর যেকোনো শিল্পে দক্ষতা আনতে প্রয়োজন কেবল নিয়মিত অভ্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা দক্ষতা বিষয়ক প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার সময় প্রায়োগিক ও চর্চামূলক দিকটিকে প্রাধান্য দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) তিতিক্ষা
কেন সঠিক:
- এই শব্দটিতে প্রথম বর্ণে ই-কার এবং দ্বিতীয় বর্ণে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে।
- তিতিক্ষা শব্দের মূল গঠনগত রূপটি তৎসম বা সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তিতিক্ষা একটি সংস্কৃত তৎসম শব্দ যার অর্থ সহ্য করার ক্ষমতা বা ক্ষমাগুণ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দের বানানে হ্রস্ব ই-কার এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ক্ষমার যোগ্য বা সহনশীলতা বোঝাতে এই বিশেষ বানানটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তিতিক্ষা — এটি সঠিক বানান হওয়ায় অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে।
- B) তীতীক্ষা — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
- C) তীতিক্ষা — প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকার কারণে এই বানানটি অশুদ্ধ।
- D) তিতীক্ষা — দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের ফলে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
- তিতিক্ষা শব্দে দুটি ই-কারই হ্রস্ব বা ছোট হয়, কোনো দীর্ঘ ঈ-কার থাকে না।
সঠিক উত্তর: B) মুমূর্ষু
১. কেন সঠিক:
- মুমূর্ষু বানানে প্রথম উ-কার ও শেষ উ-কার দীর্ঘ এবং মাঝের উ-কার হ্রস্ব হয়।
- ম এবং ষ-এ দীর্ঘ উ-কার এবং ম-এ হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়ে এই প্রমিত বানানটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী কিছু শব্দে উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- মরণের ইচ্ছা এককথায় মুমূর্ষু হয়, যেখানে বানানের প্রথম ও শেষ বর্ণে দীর্ঘ উ-কার বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই বানানেও প্রথম উ-কার দীর্ঘ এবং শেষ উ-কার দীর্ঘ হয়, যা শুদ্ধ বানানের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
উদাহরণ ২: সূচিপত্র
ব্যাখ্যা: এখানে সূচি শব্দে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহৃত হয়, যা সঠিক বানানের জন্য মনে রাখা জরুরি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুসুর্ষু — এই অপশনে দন্ত স ব্যবহৃত হয়েছে যা ভুল কারণ এখানে মূর্ধন্য ষ হওয়ার কথা ছিল।
B) মুমূর্ষু — এটি সঠিক উত্তর।
C) মুমুর্সু — এই অপশনে উ-কার এবং রেফের বিন্যাসে ভুল রয়েছে।
D) মুমুসর্ষ — এই অপশনে বানানের গঠন সম্পূর্ণ অশুদ্ধ এবং বর্ণ বিন্যাস ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুমূর্ষু শব্দটিতে ম-এ হ্রস্ব উ, ম-এ দীর্ঘ উ এবং ষ-এ দীর্ঘ উ বসে অর্থাৎ ছোট উ, বড় উ, বড় উ।
- প্রথম ও শেষ অক্ষর দীর্ঘ উ-কার যুক্ত হয় এবং মাঝের অক্ষর হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের শব্দগুলোর বানান প্রায়ই আসে।
- মুমূর্ষু, শুশ্রূষা ও পিপাসা শব্দগুলোর বানান বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) সস্তা দর
১. কেন সঠিক:
- ছকড়া নকড়া বাগধারাটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো অত্যন্ত সস্তা দর বা নামমাত্র মূল্য।
- কম দামে কোনো জিনিস বিক্রি করা বা কেনা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ ধরনের শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাজারে এখন সবজির ছকড়া নকড়া অবস্থা।
ব্যাখ্যা: এখানে সবজির দাম খুব কম বা সস্তা দর বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: এত সুন্দর শাড়িটা ছকড়া নকড়ায় বিক্রি করে দিলে কেন?
ব্যাখ্যা: এখানে কম মূল্যে বা সস্তা দরে পণ্য বিক্রির বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সস্তা দর - এটি সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল অর্থ প্রকাশ করে।
B) নষ্ট করা - এটি ভুল কারণ নষ্ট করা অর্থে অন্য বাগধারা যেমন নষ্টের মূল বা ছাই ফেলা ভাঙা কুলো ব্যবহৃত হয়।
C) দুর্লভ বস্তু - এটি ভুল কারণ দুর্লভ বস্তু বোঝাতে আট কপালে বা তুলসী বনের বাঘ জাতীয় বাগধারা ব্যবহার হয় না, বরং আকাশের চাঁদ বা দুষ্প্রাপ্য বস্তু বোঝায়।
D) আশায় নৈরাশি - এটি ভুল কারণ আশায় নৈরাশ্য বোঝাতে আষাঢ়ে গল্প বা থুথু ফেলা জাতীয় নয়, বরং আশাভঙ্গ বা শাঁখের করাত জাতীয় ভাব প্রকাশ পায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ছকড়া নকড়া কথাটির সাথে সস্তা শব্দটি মিলিয়ে মনে রাখতে পারো যে কম দাম বা সস্তা দর বোঝাতে এটি আসে।
- ছ দিয়ে ছকড়া এবং স দিয়ে সস্তা, এভাবে সহজে মনে রাখা সম্ভব।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই অর্থ মুখস্থ না করে বাক্যে প্রয়োগের মাধ্যমে শেখা ভালো।
- একই অর্থের অন্যান্য বাগধারা যেমন জলের দর বা পানির দরেও ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) আনন্দের প্রাচুর্য
১. কেন সঠিক:
- চাঁদের হাট বাগধারাটির প্রমিত ও সার্বজনীন অর্থ হলো আনন্দের প্রাচুর্য, অর্থাৎ যেখানে একসঙ্গে অনেক আনন্দদায়ক বা গুণী মানুষের মিলন ঘটে।
- রূপক অর্থে চাঁদে যেমন শুধু কলঙ্ক থাকে, তেমনি এ বাগধারায় চাঁদের আলো বা জ্যোৎস্নার মতো উজ্জ্বল ও আনন্দময় পরিবেশকে বোঝানো হয়েছে।
২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবাহী শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ছেলের বিয়েতে আত্মীয়স্বজনে বাড়িটি একদম চাঁদের হাটে পরিণত হয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনেক মানুষের আনন্দের মিলন বোঝাতে চাঁদের হাট ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সাহিত্য সম্মেলনে দেশের বরেণ্য লেখকদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে চাঁদের হাটে রূপ দিয়েছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে গুণী ও আনন্দদায়ক মানুষের সমাগম বোঝাতে বাগধারাটি সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিরাট আয়োজন — এই অপশনটি ভুল কারণ বিরাট আয়োজন বলতে যেকোনো বড় অনুষ্ঠান বা কর্মযজ্ঞকে বোঝায়, যেখানে আনন্দের প্রাচুর্য বা মানুষের মিলন অনিবার্য নয়।
B) সৌভাগ্য লাভ — এই অপশনটি ভুল কারণ সৌভাগ্য লাভ বলতে ভাগ্য ভালো হওয়া বা অপ্রত্যাশিত কোনো প্রাপ্তি বোঝায়, যা চাঁদের হাটের অর্থের সঙ্গে মেলে না।
C) সৌভাগ্যের বিষয় — এই অপশনটি ভুল কারণ সৌভাগ্যের বিষয় বলতে কোনো গৌরবজনক বা ভালো ঘটনাকে নির্দেশ করে, যা আনন্দের প্রাচুর্যের সমার্থক নয়।
D) আনন্দের প্রাচুর্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ চাঁদের হাট বাগধারাটি মূলত আনন্দময় পরিবেশ ও প্রাচুর্যকে নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আকাশে যেমন চাঁদের আলোয় চারদিক আলোকিত ও আনন্দময় হয়, তেমনি যেখানে অনেক ভালো মানুষ একসঙ্গে আনন্দ করেন তাকে চাঁদের হাট বলে মনে রাখবে।
- চাঁদের হাট দেখলে মাথায় রাখবে আলোর জ্যোতি এবং তার সঙ্গে যুক্ত আনন্দের প্রাচুর্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত রূপক অর্থ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
- এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বাগধারার শাব্দিক অর্থ না ধরে এর প্রমিত ও সাহিত্যিক ভাবার্থ বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) এক সেকেন্ড
কেন সঠিক:
- জ্যোতি বা যতিচিহ্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিস্ময় বা হর্ষ প্রকাশ করতে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে এবং এর বিরতিকাল নির্দিষ্ট করা আছে।
- বাংলা ব্যাকরণ ও বিরামচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী বিস্ময় চিহ্নের ক্ষেত্রে এক সেকেন্ড থামতে হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বাক্যে অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বিভিন্ন বিরামচিহ্ন বা জ্যোতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয় এবং প্রতিটির জন্য নির্দিষ্ট বিরতিকাল আছে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় বিরামচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে মুনীর চৌধুরী ও অন্যান্য ব্যাকরণবিদগণ এর সময়সীমা নির্ধারণ করেন।
- যেমন, মনের আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করার সময় বাক্য শেষ করে এক সেকেন্ড থামার নিয়ম রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) এক বলার দ্বিগুণ সময় — এটি কোলন চিহ্নের বিরতিকাল হিসেবে নির্ধারিত।
- B) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক এবং এর বিরতিকাল এক সেকেন্ড।
- C) থামার প্রয়োজন নেই — এটি বন্ধনী চিহ্নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে বিরতির প্রয়োজন হয় না।
- D) এক বলতে যে সময় প্রয়োজন — এটি কমা চিহ্নের বিরতিকাল হিসেবে ধরা হয়।
মনে রাখার টিপস:
- বিস্ময় চিহ্ন দেখলে সবসময় এক সেকেন্ড থেমে তারপর পরবর্তী অংশ পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) চলিত
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ভাষার কথ্য রূপ বা চলিত রীতি নাটকের সংলাপের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাধ্যম হিসেবে সর্বস্বীকৃত।
- চলিত রীতি জীবন্ত, গতিশীল ও সহজবোধ্য হওয়ায় তা মানুষের দৈনন্দিন কথ্য ভাষার খুব কাছাকাছি অবস্থান করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা লেখার রূপ মূলত দুই প্রকার যথা সাধু রীতি ও চলিত রীতি।
- চলিত রীতি মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে বিধ Car নাটকে এটি ব্যবহারের মাধ্যমে চরিত্রগুলো জীবন্ত ও বাস্তবসম্মত হয়ে ওঠে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক
ব্যাখ্যা: এই নাটকের চরিত্রগুলোর মুখে বাস্তবসম্মত ও প্রাণবন্ত সংলাপ ফুটিয়ে তুলতে চলিত রীতির সফল প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীওলের নাটক
ব্যাখ্যা: তাঁর নাটকে সাধারণ মানুষের জীবন ও মুখের ভাষাকে গুরুত্ব দেওয়ায় চলিত রীতির ব্যবহার অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু — সাধু রীতি কৃত্রিম, গম্ভীর ও অবিকশিত হওয়ায় তা নাটকের স্বাভাবিক কথোপকথনের জন্য অনুপযুক্ত।
C) আঞ্চলিক — আঞ্চলিক ভাষা নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের মুখের ভাষা হওয়ায় সর্বসাধারণের বোধগম্য হয় না।
D) মিশ্র — সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট হয় যা কোনো সাহিত্যকর্মেই গ্রহণযোগ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাটক মানেই অভিনয় ও সংলাপ আর সংলাপ মানেই মুখের ভাষার কাছাকাছি থাকা। মুখের ভাষা মানেই চলিত রীতি।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রমথ চৌধুরী চলিত রীতির প্রবক্তা হিসেবে সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে এই রীতির আন্দোলন শুরু করেন।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
এখানে Subject হলো 'The colour', যা একটি মাত্র রঙকে বোঝাচ্ছে। তাই এটি singular subject এবং এর পরে singular verb বসবে।
বাক্যের মূল Subject চোখগুলো নয়, বরং চোখের 'রঙ'।
রঙ একটি নিরাকার গুণবাচক noun হওয়ায় এটি সবসময় singular হয়।
Verb-টি সবসময় Subject-এর সাথে agreement রক্ষা করে চলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb হওয়ায় singular subject 'colour'-এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) were — এটি past tense-এর plural verb যা বর্তমান সময়ের বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) none of the above — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন B-তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Preposition-এর আগের noun-টিই মূল subject নির্ধারণ করে, তাই পরের noun দেখে verb বসানো যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) blue blood
কেন সঠিক:
- 'Blue blood' একটি ইংরেজি ইডিয়ম যার অর্থ আভিজাত্য বা উচ্চ বংশে জন্ম।
- শূন্যস্থানে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় সে একটি কুলীন বা অভিজাত বংশের।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) bad blood — এর অর্থ শত্রুতা বা মনস্তাত্ত্বিক বিরোধ, যা এখানে অর্থের সঙ্গে মিলে না।
B) blue blood — এটি সঠিক হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
C) block head — এর অর্থ নির্বোধ বা মূর্খ ব্যক্তি, যা মানুষের বংশ বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
D) broken reed — এর অর্থ unreliable person বা অবিশ্বাসী ব্যক্তি, যা এখানে উপযুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্তের রং লাল হলেও অভিজাতদের রক্তে আভিজাত্যের নীল রং কল্পনা করা হয়, এভাবে 'blue blood' মানে অভিজাত বংশ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) apologise
কেন সঠিক:
শব্দটির অর্থ ক্ষমা চাওয়া এবং এর শেষে ise যুক্ত থাকায় এটি একটি ভাববাচক শব্দ বা verb হিসেবে কাজ করে।
অপology বিশেষ্য পদের সঠিক ক্রিয়াপদ রূপ হলো এই অপশনটি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) apological — এই শব্দটির শেষে ical যুক্ত থাকায় এটি একটি বিশেষণ বা adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) apologise — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) apologify — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা গঠন সাধারণত নেই।
D) enapology — এই শব্দের শুরুতে en যুক্ত করে কোনো সঠিক ক্রিয়াপদ গঠন করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দের শেষে ise বা ize দেখলে সাধারণত সেগুলোকে verb বা ক্রিয়া হিসেবে চেনা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) success
কেন সঠিক:
‘successful’ শব্দটির নাউন রূপ হলো ‘success’ যার অর্থ সাফল্য। এটি বাক্যে সাধারণত সাবজেক্ট বা অবজেক্ট হিসেবে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) successfully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ কারণ এর শেষে ‘ly’ যুক্ত আছে।
B) succeed — এটি একটি ভার্ব বা ক্রিয়া যার অর্থ সফল হওয়া।
C) success — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে এটি প্রযোজ্য নয়।
D) successive — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ যার অর্থ ক্রমিক বা ধারাবাহিক।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটির শেষে ‘ful’ থাকলে তা সাধারণত অ্যাডজেক্টিভ হয় এবং ‘ful’ বাদ দিয়ে বা পরিবর্তন করে ‘success’ বসালে তা নাউন হয়।
সঠিক উত্তর: D) to be stopped in the beginning
কেন সঠিক:
নিপ ইন দ্য বাড একটি প্রবচন যার আক্ষরিক অর্থ কুঁড়িতেই তা কেটে ফেলা। এর মানে হলো কোনো খারাপ অভ্যাস বা সমস্যা শুরুতেই থামিয়ে দেওয়া।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) crop up — এর অর্থ হঠাৎ করে কোনো কিছু প্রকাশিত হওয়া বা দেখা দেওয়া।
B) to be cultivated — এর অর্থ কোনো কিছু চাষ করা বা লালনপালন করা।
C) to shun — এর অর্থ কোনো কিছু বর্জন করা বা এড়িয়ে চলা।
মনে রাখার টিপস:
গাছের কুঁড়ি যেমন ফুল হওয়ার আগেই কেটে ফেলতে হয়, তেমনি খারাপ অভ্যাসও শুরুতেই দমন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) hinder
কেন সঠিক:
- 'Assist' শব্দটির অর্থ হলো সাহায্য করা বা সহযোগিতা করা।
- এর বিপরীত শব্দ বা Antonym হলো 'hinder', যার অর্থ বাধা সৃষ্টি করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) hinder — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বাধা দেওয়া, যা assist শব্দের বিপরীত।
B) aid — এটি assist শব্দের সমার্থক শব্দ (Synonym), যার অর্থ সাহায্য করা।
C) support — এটিও assist শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ সমর্থন বা সাহায্য করা।
D) co-operate — এটি assist শব্দের সমার্থক শব্দ, যার অর্থ সহযোগিতা করা।
মনে রাখার টিপস:
Assist মানে সাহায্য করা আর Hinder মানে বাধা দেওয়া; মনে রাখতে পারেন সাহায্য করার ঠিক উল্টো কাজ হলো বাধা সৃষ্টি করা।
সঠিক উত্তর: B) resistance
কেন সঠিক:
defence শব্দের অর্থ হলো প্রতিরক্ষা বা কোনো আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা। resistance শব্দের অর্থ হলো প্রতিরোধ বা বাধা দেওয়া, যা defence শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) assault — এই শব্দটির অর্থ আক্রমণ করা, যা defence বা প্রতিরক্ষার ঠিক বিপরীত।
B) resistance — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই।
C) attack — এই শব্দটির অর্থ হলো হামলা বা আক্রমণ, যা প্রতিরক্ষার সাথে মেলে না।
D) raid — এই শব্দটির অর্থ হলো হঠাৎ আক্রমণ বা হানা দেওয়া, যা সঠিক উত্তরের পরিপন্থী।
মনে রাখার টিপস:
Defence মানে রক্ষা করা এবং Resistance মানে বাধা দেওয়া বা প্রতিহত করা।
সঠিক উত্তর: A) grab
কেন সঠিক:
Occupy শব্দের অর্থ কোনো স্থান বা বস্তু দখল করা বা বলপূর্বক অধিকার করা।
Grab শব্দের অর্থও কোনো কিছু শক্ত করে ধরা বা দ্রুত দখল করে নেওয়া।
তাই অর্থগত দিক থেকে grab হলো occupy শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) grab — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ দখল করা।
B) gain — এই শব্দটির অর্থ লাভ করা বা অর্জন করা, যা দখল করার সমার্থক নয়।
C) receive — এই শব্দের অর্থ কোনো কিছু গ্রহণ করা বা পাওয়া।
D) reserve — এর অর্থ কোনো কিছু সংরক্ষণ করা বা জমা রাখা।
মনে রাখার টিপস:
Occupy মানে জায়গা দখল করা আর Grab মানে দ্রুত হাত দিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া বা ধরা।
সঠিক উত্তর: D) He wanted to succeed in life and so he worked very hard.
কেন সঠিক:
প্রশ্নোক্ত বাক্যটিতে কাজের উদ্দেশ্য বোঝানো হয়েছে এবং Compound বাক্যে একে 'and so' দিয়ে যুক্ত করতে হয়।
প্রথম ক্লজে উদ্দেশ্যের কথা এবং দ্বিতীয় ক্লজে পরিশ্রমের কথা বলা হয়েছে।
অর্থের সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্থের বিপপরীত অবস্থা বোঝানো হয়েছে যা মূল বাক্যের সাথে মিলে না।
B) দুটি কাজকে শুধু যোগ করা হয়েছে কিন্তু উদ্দেশ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি।
C) এটি একটি Simple বাক্য, যা প্রশ্নানুসারে Compound করার নিয়মের বাইরে।
D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যে 'so that' থাকলে Compound করার সময় সাধারণত 'and so' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Is there any man who will not die?
কেন সঠিক:
- Assertive বাক্যের universal truth বা চিরন্তন সত্যকে Interrogative করার সময় Negative-Interrogative করতে হয় এবং tense অপরিবর্তিত থাকে।
- Every man-এর পরিবর্তে Is there any man who ব্যবহার করে মূল verb-এর আগে will not বসানো হয়েছে, যা বাক্যের মূল অর্থ অপরিবর্তিত রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is there any man who must die? — এটি Affirmative অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ দেয়।
B) Doesn’t any man die? — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও মূল বাক্যের must modal verb-এর অর্থ প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
C) Is there any man who will not die? — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত নিয়ম নিখুঁতভাবে বজায় রেখেছে।
D) Is there any man who does not die? — মূল বাক্যে must থাকলে ইন্টারোগেটিভ করার সময় will not ব্যবহার করতে হয়, তাই এখানে does not সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Every যুক্ত Affirmative বাক্যকে Interrogative করার সময় Every-র জায়গায় Is there + noun + who বসে এবং verb-এর সঙ্গে not যুক্ত করে Negative করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Jim and Della were not less wise than the Magi
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটিতে as...as ব্যবহার করা হয়েছে যা পজিটিভ ডিগ্রি প্রকাশ করে এবং এটিকে নেগেটিভ বা নো চেঞ্জ অফ মিনিং করার জন্য নট লেস...দেন গঠন ব্যবহার করতে হয়।
এখানে অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে গ্রাম্য নিয়মে পজিটিভ ডিগ্রিকে কম্পারেটিভ এর মাধ্যমে নেগেটিভ করা হয়েছে।
এই নিয়ম অনুযায়ী দুই প্রান্তের পদের তুলনা অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) Jim and Della were not as wise as the Magi — এটি মূল বাক্যের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে নেগেটিভ সেন্টেন্সের রূপান্তর সঠিক নয়।
B) B) Jim and Della were not less wise than the Magi — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) C) Jim and Della were not to wise as the Magi — বাক্যটিতে to শব্দের ব্যবহার ভুল এবং এটি ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়নি।
D) D) Jim and Della were not unwise than the Magi — এখানে unwise শব্দের সাথে than যুক্ত করার নিয়মটি সম্পূর্ণ ভুল ও অর্থহীন।
মনে রাখার টিপস:
অ্যাজ অ্যাজ যুক্ত পজিটিভ ডিগ্রিকে নেগেটিভ করার সময় নট লেস এবং দেন ব্যবহার করতে হয় যেন মূল বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে।
সঠিক উত্তর: B) on my going
কেন সঠিক:
insist verb টির পর সাধারণত on preposition ব্যবহৃত হয়।
preposition এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয় এবং তার আগে possessive pronoun বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over going — insist এর পর over preposition বসে না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) on my going — এটি সঠিক উত্তর।
C) to go — insist এর পর to বসে infinitive হয় না।
D) is to go — বাক্যটিতে tense এর নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Insist শব্দের পরে সবসময় on বসে এবং তারপর gerund ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) very likely
কেন সঠিক:
‘Ten to one’ একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিয়ম যার অর্থ কোনো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি।
দশটি ভাগের মধ্যে নয়টি ভাগই সত্য হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এই ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়।
এটি নিশ্চিত বা অবধারিত ঘটনা বোঝাতে সাহায্য করে।
ইংরেজী গ্রামারে এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very uncertain — এই অপশনটি ভুল কারণ ‘Ten to one’ অনিশ্চয়তা নয় বরং উচ্চ সম্ভাবনা প্রকাশ করে।
B) very likely — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) almost impossible — এই অপশনটি ভুল কারণ অসম্ভব বা প্রায় অসম্ভব বোঝাতে ‘ten to one’ ব্যবহার করা হয় না।
D) not possible at all — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি সম্পূর্ণ অসম্ভবতা নির্দেশ করে যা এই ইডিয়মের বিপরীত অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
‘Ten to one’ দেখলে মনে রাখবে দশটির মধ্যে নয়টি সম্ভাবনাই সত্য, তাই এর অর্থ খুব বেশি সম্ভাব্য।
সঠিক উত্তর: A) which
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যটি একটি প্রবাদ বোঝাতে Cleft sentence বা 강조 বাক্যগঠন ব্যবহার করেছে।
Health শব্দটির পর relative pronoun হিসেবে which বসলে তা স্বাস্থ্যকেই সম্পদ হিসেবে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) which — এই অপশনটিই সঠিক উত্তর হিসেবে বাক্যের শূন্যস্থানে বসে অর্থ সম্পূর্ণ করে।
B) what — what এখানে বসালে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী দুটি clause এর সংযোগ ঠিক হয় না।
C) wheatever — এটি বানান ভুল এবং এই বাকینর গঠনে এর কোনো অর্থ হয় না।
D) whats eve — এটি একটি সম্পূর্ণ অর্থহীন শব্দ এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
মনে রাখার টিপস:
It is এবং that বা which দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যে শূন্যস্থানের আগের noun বা subject অনুযায়ী সঠিক relative pronoun নির্বাচন করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) had known
কেন সঠিক:
as though বা as if এর আগের অংশ past indefinite tense হলে পরের অংশ past perfect tense হয়।
এখানে প্রধান অংশ He spoke হলো past indefinite tense, তাই পরের অংশে past perfect tense অর্থাৎ had known বসবে।
অবাস্তব বা কল্পনাসূচক অতীত বোঝাতে এই নিয়মটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) knew — এটি past indefinite tense, যা as though এর পরের অংশের জন্য নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয় কারণ এখানে আগের অংশ past tense হওয়ায় আরও পেছনের tense দরকার।
B) has known — এটি present perfect tense, যা মূল বাক্যের অতীতের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
C) had known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে ধরা যাবে না।
D) knows — এটি present indefinite tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে ব্যবহারের নিয়ম মানে না।
মনে রাখার টিপস:
as though এর বাঁ পাশে past tense থাকলে ডান পাশে past perfect tense বসবে।
সঠিক উত্তর: A) sang
কেন সঠিক:
বাক্যে I wish থাকলে সাধারণত কল্পনা বা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ পায়।
এ ধরনের বাক্য গঠনে সাবজেক্টের পর মূল verb এর পাস্ট ফর্ম বা V2 ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sang — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে verb এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে।
B) shall sing — এটি ভুল কারণ wish এর পর ভবিষ্যৎ কাল সূচক শব্দ বসে না।
C) can sing — এটি ভুল কারণ এখানে modal auxiliary এর প্রেজেন্ট ফর্ম আছে।
D) will sing — এটি ভুল কারণ subjunctive mood এ ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
I wish এর পর শূন্যস্থান থাকলে সবসময় verb এর পাস্ট ফর্ম বসাতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) could go
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে 'Would that' থাকলে তা অসম্ভব ইচ্ছা বা অবাস্তব কল্পনা বোঝায়। এই ধরনের সাবজেক্টিভ সেন্টেন্সে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) can go — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় অবাস্তব ইচ্ছার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
B) shall go — এটি ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে যা সাবজেক্টিভ মুডের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) could go — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) might have gone — এটি অতীতকালের সম্ভাবনা বোঝায় যা বর্তমানের কোনো অবাস্তব ইচ্ছার জন্য সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে 'Would that' দেখলে শূন্যস্থানের পরে সবসময় পাস্ট ফর্ম বা could বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) I heard him reading
কেন সঠিক:
Hear verb-এর পর object-এর সাথে present participle যুক্ত verb বসলে তা চলমান কাজ বোঝায়।
তাই এখানে him-এর পর reading ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I heard him to read — Hear verb-এর পর সরাসরি infinitive বা to বসে না। তাই এই গঠনটি সঠিক নয়।
B) I heard him reading — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
C) I have heard him reading — বর্তমানের কাজের ক্ষেত্রে Past indefinite tense ব্যবহার করা হয়। এখানে Present perfect tense অপ্রাসঙ্গিক।
D) I saw him reading — saw অর্থ দেখা, যা পড়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বাক্যের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
See, hear, watch ইত্যাদি verb-এর পর object থাকলে পরের verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I was to go to Manikganj
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের শেষে যাবার কথা ছিল বা যাওয়ার কথা ছিল থাকলে ইংরেজিতে was to বা were to ব্যবহার করতে হয়।
এখানে সাবজেক্ট আমি বা I এর পরে was to বসে এবং মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম go বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I was to go to Manikganj — এটি সঠিক উত্তর তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
B) I am to go to Manikganj — এম টু ব্যবহার করায় এটি বর্তমানকালের বাধ্যবাধকতা বোঝায়, অতীতকালের কথা বোঝায় না।
C) I have to go to Manikganj — হ্যাভ টু ব্যবহার করায় এটি বর্তমানকালের অবশ্যম্ভাবী কাজ বোঝায়, অতীতে যাওয়ার কথা ছিল এমন নয়।
D) I need to go to Manikganj — নিড টু ব্যবহার করায় এটি বর্তমানে কোনো কিছুর প্রয়োজন বোঝায়, অতীতের পরিকল্পনা প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
অতীতে কোনো কাজ করার কথা ছিল বা পরিকল্পনা ছিল বোঝালে অ্যাম ইজ আর এর পরিবর্তে ওয়াজ বা ওয়ার এর সাথে টু এবং ভার্বের বেজ ফর্ম বসে।
সঠিক উত্তর: B) It has been raining cats and dogs since morning
কেন সঠিক:
বাকটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense হয়।
নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম বোঝালে since বসে।
মুষলধারে বৃষ্টির ইংরেজি idiom হলো rain cats and dogs।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) It has been raining cats and dogs from morning — নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে from না বসে since বসে।
B) It has been raining cats and dogs since morning — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) It is raining cats and dogs since morning — চলমান সময়ের সাথে Present Continuous Tense ব্যবহার করা ভুল।
D) Rains has starts cats and dogs from morning — এখানে verb এর সঠিক রূপ ও preposition এর ভুল ব্যবহার হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো কাজ সকাল বা নির্দিষ্ট সময় ধরে চলছে বোঝালে Present Perfect Continuous Tense ব্যবহার করবে এবং point এর আগে since বসাবে।
সঠিক উত্তর: B) The girl prefers milk to tea
কেন সঠিক:
ইংরেজি Grammar এর নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছুর চেয়ে কোনো কিছু বেশি পছন্দ করা বোঝালে prefer শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
prefer শব্দের পরে সাধারণত than না বসে preposition হিসেবে to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The girl likes milk more than tea — এখানে prefer এর বদলে like more ব্যবহার করায় বাক্যটি প্রমিত ইংরেজি হয়নি।
B) The girl prefers milk to tea — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The girl prefers milk than tea — prefer এর পরে নিয়মের বাইরে গিয়ে ভুল করে than ব্যবহার করা হয়েছে।
D) The girl prefers tea to milk — এখানে চা এবং দুধের পছন্দ উল্টো করে দেওয়ায় অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে prefer থাকলে তার পরে সবসময় to বসবে, ককখনোই than বসবে না।
সঠিক উত্তর: A) Alas! His mother is no more today.
কেন সঠিক:
১. দুঃখ প্রকাশ করতে 'Alas!' ইন্টারজেকশনটি ব্যবহার করা হয়।
২. মৃত বা জীবিত নেই বোঝাতে 'no more' একটি সঠিক ও সুন্দর ইংরেজি ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
B) Ah! His mother is died — এখানে 'is died' একটি ভুল ব্যাকরণগত গঠন, সঠিক হবে 'has died'।
C) Alas! His mother has died — এই বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ঠিক হলেও অপশন এ এর মতো সাবলীল বা আদর্শ অনুবাদ নয়।
D) Alas! His mother has lost her life — মা মারা গেছেন বোঝাতে এই অনুবাদটি কিছুটা অপ্রাকৃতিক শোনায়।
মনে রাখার টিপস:
কারো মৃত্যুর ক্ষেত্রে 'no more' ফ্রেজটি ব্যবহার করা সবচেয়ে মানানসই।
সঠিক উত্তর: D) I might have told him the matter
কেন সঠিক:
বাক্যটি থার্ড কন্ডিশনাল নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। কারণ ইফ ক্লাজে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স থাকলে পরবর্তী অংশে সাবজেক্টের পর উড কুড মাইট এবং হ্যাভ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I would tell him the matter — ইফ ক্লাজে হ্যাড যুক্ত পাস্ট পারফেক্ট থাকলে পরের অংশে প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) I might tell him the matter — এখানে মোডাল ভার্বের পর প্রেজেন্ট ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে যা থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম অমান্য করে।
C) I will have told him the matter — ফিউচার পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করার কারণে এই বাক্যটি অতীতকালের শর্তসাপেক্ষ বাক্যের নিয়মের সাথে মিলে না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইফ এর সাথে হ্যাড থাকলে পরের অংশে উড হ্যাভ কুড হ্যাভ বা মাইট হ্যাভ এর সাথে ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: B) it rained
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি অতীতের নির্দেশ করায় অধীনস্থ ক্লজেও পাস্ট টেন্স বসবে।
তাই এখানে সঠিক অতীত কাল ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) it was raining — পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এখানে অর্থপূর্ণ নয় কারণ বৃষ্টি পড়ার ঘটনাটি চলমান ছিল না।
B) it rained — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) it rains — প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় পাস্ট টেন্সের প্রধান ক্লজের সাথে মিলছে না।
D) its raining — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল গঠন এবং সঠিক টেন্স নির্দেশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রধান ক্লজে পাস্ট টেন্স থাকলে ইন কেস এর পরের অংশে সাধারণত পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বসে।
সঠিক উত্তর: B) too dull to
কেন সঠিক:
ইংরেজি ব্যাকরণে too...to একটি বহুল ব্যবহৃত গঠন যা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। এর নিয়ম হলো Subject + verb + too + adjective + to + verb এর base form.
এখানে the boy হলো subject, is হলো verb, too এর পরে adjective হলো dull এবং তারপরে সঠিক infinitive verb হলো answer.
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় ছেলেটি এতই বোকা যে সে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to dull too — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে এবং অর্থপূর্ণ কোনো কাঠামো তৈরি করে না।
B) too dull to — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় বাকিগুলোর তুলনায় এটি সঠিক কাঠামো বজায় রেখেছে।
C) তো dull তো — এখানে প্রথম শব্দের ব্যবহার ভুল এবং এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মানে না।
D) তো very dull — এখানে very এর পরে to না থাকায় বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মনে রাখার টিপস:
too এর পরে সবসময় adjective বসে এবং তার ঠিক পরেই to বসে verb এর base form যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
মৌলিক সংখ্যা হলো সেই সংখ্যা যা ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়
অতএব,
১ থেকে ১০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৪টি (২, ৩, ৫, ৭)
১১ থেকে ২০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৪টি (১১, ১৩, ১৭, ১৯)
২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (২৩, ২৯)
৩১ থেকে ৪০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৩১, ৩৭)
৪১ থেকে ৫০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৩টি (৪১, ৪৩, ৪৭)
৫১ থেকে ৬০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৫৩, ৫৯)
৬১ থেকে ৭০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৬১, ৬৭)
৭১ থেকে ৮০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ৩টি (৭১, ৭৩, ৭৯)
৮১ থেকে ৯০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ২টি (৮৩, ৮৯)
৯১ থেকে ১০০ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যা ১টি (৯৭)
সুতরাং,
মোট মৌলিক সংখ্যা = ৪ + ৪ + ২ + ২ + ৩ + ২ + ২ + ৩ + ২ + ১
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: C) ৫০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
৩০ জন শ্রমিক একটি বাড়ি তৈরি করতে পারে ২০ দিনে
১২ জন শ্রমিক ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারবে কত দিনে তা বের করতে হবে
ধরি,
১ জন শ্রমিক ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারে (৩০ × ২০) দিনে
১২ জন শ্রমিক ঐ বাড়িটি তৈরি করতে পারে (৩০ × ২০) ÷ ১২ দিনে
অতএব,
৩০ এবং ২০ গুণ করলে হয় ৬০০
৬০০ কে ১২ দিয়ে ভাগ করতে হবে
সুতরাং,
৬০০ ÷ ১২ = ৫০ দিনে
উত্তর: ৫০ দিনে
সঠিক উত্তর: D) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৫, ১১, ১৩, ৭, ৮ এবং ১০
ধরি,
সংখ্যাগুলোর মোট যোগফল = ৫ + ১১ + ১৩ + ৭ + ৮ + ১০
মোট সংখ্যার পরিমাণ = ৬
অতএব,
সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৫৪
সুতরাং,
গড় = ৫৪ ÷ ৬ = ৯
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: B) ০
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী সমীকরণটি হলো দুই এক্স এর কিউব বিয়োগ পাঁচ এক্স স্কয়ার যোগ চার সমান শূন্য
ধরি,
সমীকরণটির সাধারণ রূপ হলো এ এক্স কিউব যোগ বি এক্স স্কয়ার যোগ সি এক্স যোগ ডি সমান শূন্য
অতএব,
প্রদত্ত সমীকরণটিকে সাধারণ রূপের সাথে তুলনা করে পাই এক্স কিউবের সহগ দুই
এবং এক্স স্কয়ারের সহগ হলো বিয়োগ পাঁচ
সুতরাং,
সমীকরণে এক্স পদটি অনুপস্থিত থাকার কারণে এর কোনো সহগ নেই
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: C) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
মূলধন ৭ বছরে মুনাফা-আসলে দ্বিগুণ হয়
মুনাফা-আসলে তিনগুণ হতে হবে
ধরি,
আসল = ক টাকা
৭ বছরে মুনাফা-আসল = ২ক টাকা
অতএব,
৭ বছরের মুনাফা = ২ক − ক = ক টাকা
মুনাফা-আসলে তিনগুণ হলে মুনাফা হবে = ৩ক − ক = ২ক টাকা
সুতরাং,
ক টাকা মুনাফা হয় ৭ বছরে
১ টাকা মুনাফা হয় ৭ ÷ ক বছরে
উত্তর: ২ক টাকা মুনাফা হতে সময় লাগে = ৭ × ২ = ১৪ বছর
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশি তিনটি হলো যথাক্রমে x − ২, x² − ৪ এবং x + ২
ধরি,
প্রথম রাশি = x − ২
দ্বিতীয় রাশি = x² − ৪
তৃতীয় রাশি = x + ২
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = (x − ২)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + ২) × (x − ২)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + ২)
সুতরাং,
রাশি তিনটির মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক বা মিল নেই
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) ০
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো (৩ ÷ ২)^x = ১
ধরি,
সূচকের নিয়ম অনুসারে কোনো সংখ্যার ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়
অতএব,
(৩ ÷ ২)^x = (৩ ÷ ২)^০
সুতরাং,
উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি বাদ দিয়ে পাই x = ০
উত্তর: ০
সঠিক উত্তর: A) ১
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো x^২ − ৬x + ৯ = ০
ধরি,
সমীকরণটির সাধারণ রূপ ax^২ + bx + c = ০
এখানে a = ১, b = −৬ এবং c = ৯
অতএব,
মূলের প্রকৃতি নির্ধারণের জন্য নিশ্চায়ক বের করতে হবে
নিশ্চায়ক বা ডিসক্রিমিন্যান্ট = b^২ − ৪ac
সুতরাং,
নিশ্চায়ক = (−৬)^২ − ৪ × ১ × ৯ = ৩৬ − ৩৬ = ০
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: B) ১.০৯০৯৭২২২২২২২২
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৫৪ বছর
পিতা ও পুত্রের বয়সের অনুপাত = ৭ : ২
ধরি,
পিতার বয়স = ৭ক বছর
পুত্রের বয়স = ২ক বছর
অতএব,
৭ক + ২ক = ৫৪
৯ক = ৫৪
ক = ৬
সুতরাং,
পিতার বর্তমান বয়স = ৭ × ৬ = ৪২ বছর
পুত্রের বর্তমান বয়স = ২ × ৬ = ১২ বছর
১০ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৪২ + ১০ = ৫২ বছর
১০ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ১২ + ১০ = ২২ বছর
উত্তর: ৫২ ÷ ২২ = ১.০৯০৯৭২২২২২২২২
সঠিক উত্তর: B) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
একটি সুষম ষড়ভুজ দেওয়া আছে
সুষম ষড়ভুজের বাহুর সংখ্যা = ৬
ধরি,
সুনির্দিষ্ট বহুভুজের বাহুর সংখ্যা = ক
বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = খ
অতএব,
সবগুলো বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি = ৩৬০°
সুতরাং,
একটি বহিঃস্থ কোণের পরিমাণ = ৩৬০° ÷ ৬
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: C) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থকোণ এবং এর অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণ দেওয়া আছে।
ধরি,
ত্রিভুজের একটি বহিঃস্থকোণ = ক
অন্তঃস্থ সন্নিহিত কোণ = খ
অতএব,
ক এবং খ একটি সরলরেখার ওপর অবস্থিত কোণ তৈরি করে।
তাই এরা পরস্পর পরিপূরক বা সরলরৈখিক যুগল কোণ গঠন করে।
সুতরাং,
ক + খ = ১৮০°
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: C) ১২০°
প্রদত্ত তথ্য:
চিত্রে একটি সরলরেখার ওপর একটি কোণ এবং তার পাশের কোণটি হলো y ডিগ্রি
ধরি,
সরলকোণ বা সম্পূর্ণ কোণের পরিমাপ = ১৮০ ডিগ্রি
এর মধ্যে একটি কোণ বা জানা কোণটি = ৬০ ডিগ্রি
অতএব,
y এর মান বের করতে হবে সরলকোণ থেকে জানা কোণ বিয়োগ করে
অর্থাৎ y = ১৮০ ডিগ্রি − ৬০ ডিগ্রি
সুতরাং,
হিসাব করে পাওয়া যায় y এর মান
উত্তর: ১২০°
সঠিক উত্তর: C) ১৪ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৭ সে. মি.
আমরা জানি, বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা হলো তার ব্যাস
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = ৭ সে. মি.
বৃত্তের ব্যাস d = ২ × r
অতএব,
বৃত্তের ব্যাস d = ২ × ৭ সে. মি.
সুতরাং,
বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা-এর দৈর্ঘ্য = ১৪ সে. মি.
উত্তর: ১৪ সে. মি.
সঠিক উত্তর: A) ২৮
প্রদত্ত তথ্য:
অপেক্ষকটি হলো f (x) = x এর কিউব + ৯ গুণ x এর স্কর্গ − ৩ গুণ x − ৬
মান নির্ণয় করতে হবে f (-2) এর জন্য
ধরি,
x এর পরিবর্তে বসবে −২
অতএব,
প্রথম অংশ f (-2) = (-2) এর কিউব
দ্বিতীয় অংশ + ৯ গুণ (-2) এর স্কর্গ
সুতরাং,
তৃতীয় অংশ − ৩ গুণ (-2) − ৬
উত্তর: ২৮
সঠিক উত্তর: B) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
দেওয়া আছে, x + y = ২
এবং x^২ + y^২ = ৪
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণ দুটি হলো প্রথম শর্ত এবং দ্বিতীয় শর্ত
আমাদের নির্ণয় করতে হবে x^৩ + y^৩ এর মান
অতএব,
বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (x + y)^২ = x^২ + y^২ + ২xy
মান বসিয়ে পাই, ২^২ = ৪ + ২xy
দ্বিতীয় হিসাব,
৪ = ৪ + ২xy
সুতরাং xy = ০
তৃতীয় হিসাব,
এখন ঘন এর সূত্র প্রয়োগ করে পাই, x^৩ + y^৩ = (x + y)(x^২ − xy + y^২)
মানগুলো বসিয়ে পাই, ২ × (৪ − ০)
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: D) ২৭ এবং ২০
প্রদত্ত তথ্য:
দুটি সংখ্যার সমষ্টি = ৪৭
দুটি সংখ্যার অন্তর = ৭
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ক
ছোট সংখ্যাটি = খ
অতএব,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী, ক + খ = ৪৭
দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী, ক − খ = ৭
সুতরাং,
দুটি সমীকরণ যোগ করে পাই, ২ক = ৫৪
ক = ২৭
উত্তর: খ = ৪৭ − ২৭ = ২০ এবং সংখ্যা দুটি ২৭ এবং ২০
সঠিক উত্তর: C) ৪৫৪৪৮
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটির সাথে যোগ করতে হবে
মূল সংখ্যাটি হলো ৪৫৪১৮
ধরি,
প্রথম অংশ = ৪৫৪১৮
দ্বিতীয় অংশ = ৩০
অতএব,
হিসাবের শুরু হলো মূল সংখ্যা দিয়ে
এবং তার সাথে যোগ হলো তিরিশ
সুতরাং,
যোগফল পাওয়া গেল ৪৫৪১৮ + ৩০
উত্তর: ৪৫৪৪৮
সঠিক উত্তর: C) আবুল আহসান
কেন সঠিক:
আবুল আহসান ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা অর্থাৎ সার্কের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
তিনি একজন বাংলাদেশি কূটনীতিবিদ ছিলেন যিনি এই সংস্থার সচিবালয় গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।
১৯৮৫ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে বহাল ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শীল কান্ত শর্মা — তিনি ভারতের কূটনীতিবিদ ছিলেন এবং পরবর্তীতে সার্কের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
B) ইব্রাহীম হুসাইন জাকী — তিনি মালদ্বীপের একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন যিনি নব্বইয়ের দশকে সার্কের মহাসচিব ছিলেন।
C) আবুল আহসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) নিহাল রডরিগো — তিনি শ্রীলঙ্কার কূটনীতিবিদ ছিলেন এবং ১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত সার্কের মহাসচিব ছিলেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ প্রথম মহাসচিব পদ পেয়েছিল আর আবুল আহসান ছিলেন সেই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি।
সঠিক উত্তর: A) সেলিম রহমান
কেন সঠিক:
- সেলিম রহমান বাংলাদেশের জাতীয় ক্রীড়া সংগীত 'চল রে চল ধরে ক্রীড়ার জয়গান' এর গীতিকার হিসেবে পরিচিত।
- এই গানটি দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়া সংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেলিম রহমান — ইনি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের গীতিকার হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) খন্দকার নরুল আলম — ইনি একজন বিখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক, তবে এই গানের গীতিকার নন।
C) হেলাল হাফিজ — ইনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি, ক্রীড়া সংগীতের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) রফিক আজাদ — ইনি প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক, তবে তিনি এই ক্রীড়া সংগীত রচনা করেননি।
মনে রাখার টিপস:
ক্রীড়া সংগীতের গীতিকার মনে রাখতে সেলিমের 'স' দিয়ে সংগীত এবং 'স' দিয়ে সেলিম রহমান এভাবে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) জহির রায়হান
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়া পরিচালনা করেছেন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান।
- এই চলচ্চিত্রে রূপকাহিনীর মাধ্যমে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চাষী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক হলেও জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রের পরিচালক নন, তার বিখ্যাত কাজ ওহাদা ৩১৯ ও দেবদাস।
B) আলমগীর কবির — তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র সমালোচক ও পরিচালক হলেও এই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ছবিটির পরিচালক তিনি নন, তার বিখ্যাত কাজ ধীরে বহে মেঘনা।
C) জহির রায়হান — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি তার পরিচালিত অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
D) সুভাষ দত্ত — তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি নির্মাতা ও অভিনেতা হলেও জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেননি, তার বিখ্যাত কাজ সুতরাং।
মনে রাখার টিপস:
বাঙালি জীবনের সংগ্রাম মনে রাখতে জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) শশাঙ্ক
কেন সঠিক:
- শশাঙ্ক সপ্তম শতাব্দীর শুরুতে বাংলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন জনপদ বা রাজ্যগুলোকে একত্রিত করেন।
- তিনি ঐক্যবদ্ধ করে বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেকে এর রাজা ঘোষণা করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধর্মপাল — তিনি পাল বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন, যিনি অষ্টম শতাব্দীতে গৌড়ের সিংহাসনে আরোহণ করেন কিন্তু রাজ্যটির প্রতিষ্ঠাতা নন।
B) লক্ষ্মন সেন — তিনি সেন বংশের রাজা ছিলেন এবং ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলা শাসন করেন, যিনি গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নন।
C) শশাঙ্ক — এটি সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো ভুল প্রযোজ্য নয়।
D) ইলিয়াস শাহ — তিনি চৌদ্দশ শতাব্দীতে সমগ্র বাংলা জয় করে স্বাধীন ইলিয়াস শাহী বংশ এবং সুলতানি আমল প্রতিষ্ঠা করেন।
মনে রাখার টিপস:
বাংলার প্রথম স্বাধীন গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা 'শশাঙ্ক', যা মনে রাখতে 'শ' দিয়ে শশাঙ্ক এবং 'শ' দিয়ে স্বাধীন শব্দদুটি মনে রাখা যায়।
বিষয়ের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর (B) মার্চ-মে ভুল। বাংলাদেশের উপর দিয়ে মূলত জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয় এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বা প্রত্যাবর্তনকারী মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। মার্চ থেকে মে মাস কালবৈশাখী ও প্রাক-মৌসুমি বর্ষণের সময়। তাই সঠিক উত্তর হবে জুন-সেপ্টেম্বর, যা প্রদত্ত অপশনগুলোতে নেই। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আসল সময়কাল ধরে সঠিক ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো।
সঠিক উত্তর: A) আগস্ট – সেপ্টেম্বর
কেন সঠিক:
- জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয়।
- এই সময় ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগস্ট – সেপ্টেম্বর — এই সময়টি দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় পর্যায় এবং বর্ষাকালের অন্তর্ভুক্ত, যা আগস্ট মাসে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায়।
B) মার্চ-মে — এটি মূলত গ্রীষ্মকাল ও প্রাক-মৌসুমি বায়ুর সময়, এই সময়ে কালবৈশাখী ঝড় ও উষ্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে।
C) নভেম্বর – ডিসেম্বর — এই সময়ে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেয় এবং শুষ্ক উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বা শীতকাল শুরু হয়।
D) ফেব্রুয়ারি – মার্চ — এটি শীতকালের শেষ ও বসন্তকালের শুরুর সময়, যখন আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং মৌসুমি বায়ুর কোনো প্রভাব থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
মৌসুমি বায়ুর মূল বর্ষাকাল হলো জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত, তাই আগস্ট মাস এই সময়ের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) সেন্টমার্টিন
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- এই দ্বীপটির স্থানীয় নাম নারিকেল জিনিয়া এবং এর আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ তবে প্রবাল দ্বীপ নয়, এটি মেঘনা নদীর মোহনায় গঠিত পলিদ্বীপ।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ এবং এটি পলি দ্বারা গঠিত।
C) কুতুবদিয়া — এটি কক্সবাজার জেলার একটি উপকূলীয় দ্বীপ যা প্রবাল দ্বীপ নয়।
D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
সেন্টমার্টিন হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, যেখানে প্রচুর প্রবাল ও নারিকেল গাছ পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর: D) কলেরা
কেন সঠিক:
- আইসিডিডিআরবি মূলত আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ নামে পরিচিত যা ডায়রিয়া ও কলেরা চিকিৎসায় বিশ্বখ্যাত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বমানের ডায়রিয়া হাসপাতাল পরিচালনা করে এবং কলেরা রোগের চিকিৎসায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ম্যালেরিয়া — এটি একটি মশাবাহিত পরজীবীজনিত রোগ, যার চিকিৎসা সাধারণত সাধারণ হাসপাতাল বা বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্রে হয়।
B) যক্ষ্মা — এটি একটি বায়ুবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যার চিকিৎসা সাধারণত সরকারি টিবি হাসপাতাল বা বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে করা হয়।
C) নেউমোনিয়া — এটি ফুসফুসের সংক্রমণজনিত রোগ, যা প্রধানত শিশু হাসপাতাল বা সাধারণ চিকিৎসালয়ে চিকিৎসা করা হয়।
D) কলেরা — এটি পানিটাহবাহিত ডায়রিয়াজনিত রোগ এবং আইসিডিডিআরবি এই রোগের চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
আইসিডিডিআরবি মানেই ডায়রিয়া ও কলেরা গবেষণার প্রধান হাসপাতাল।
সঠিক উত্তর: A) ভারত-পাকিস্তান
কেন সঠিক:
- এটি কাশ্মীর অঞ্চলের ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রित অংশের মধ্যবর্তী সামরিক রেখা।
- ১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই লাইন অব কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণরেখা নির্ধারিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত-পাকিস্তান — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি এই দুটি দেশের মধ্যকার বিতর্কিত সীমান্তরেখা।
B) ভঅরত-চীন — এই অপশনের সঠিক সীমান্তরেখা হলো ম্যাকমোহন লাইন বা লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল।
C) ভারত-বাংলাদেশ — এই অপশনের সীমান্তরেখা সাধারণভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং তিনবিঘা করিডরের মতো নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে গঠিত।
D) পাকিস্তান-আফগানিস্তান — এই অপশনের সীমান্তরেখা ডিউলাইন নামে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
কাশ্মীর নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মাঝের সীমারেখাকে বলা হয় লাইন অব কন্ট্রোল।
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: C) ৫ জুন
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়।
- পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে এই দিনটি পালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ মে — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
B) ১৫ মে — এই দিনে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালিত হয়, যা পরিবেশ দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ৫ জুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) ১৫ জুন — এই তারিখে অন্য কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবস রয়েছে, তবে এটি পরিবেশ দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
পরিবেশের প দিয়ে পাঁচ (৫) এবং জুন মাসের জু দিয়ে জুনের কথা মনে রাখতে পারেন, অর্থাৎ ৫ জুন।
সঠিক উত্তর: A) রাজ কাঁকড়া
কেন সঠিক:
- কোটি কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে টিকে থাকা সত্ত্বেও এর শারীরিক গঠনে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি।
- সামুদ্রিক আর্থ্রোপোড পরিবারের এই প্রাণীটি প্রাচীন জীবাশ্মের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়, তাই একে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজ কাঁকড়া — এটি কোটি বছর ধরে অপরিবর্তিত থাকায় সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
B) পিপীলিকা — এটি সাধারণ কীটপতঙ্গ এবং এর অনেক উন্নত প্রজাতি রয়েছে, তাই এটি জীবন্ত জীবাশ্ম নয়।
C) কেঁচো — এটি অ্যানিলিডা পর্বের প্রাণী হলেও এর কোনো প্রাচীন জীবাশ্ম রেকর্ড একে জীবন্ত জীবাশ্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।
D) সাপ — এটি তুলনামূলকভাবে আধুনিক বিবর্তিত সরীসৃপ প্রাণী, তাই এটি জীবন্ত জীবাশ্মের অন্তর্ভুক্ত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীন রাজাদের মতো কোটি বছর ধরে অপরিবর্তিত টিকে আছে বলেই রাজ কাঁকড়া হলো জীবন্ত জীবাশ্ম।
সঠিক উত্তর: A) ফুসফুস
কেন সঠিক:
- নিউমোনিয়া হলো একটি ফুসফুসের সংক্রমণ যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে হয়ে থাকে।
- এই রোগে ফুসফুসের অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিগুলো তরল বা পুজে পূর্ণ হয়ে যায়, ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুসফুস — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি মানবদেহের ফুসফুসকে আক্রমণ করে।
B) যকৃৎ — এটি মানবদেহের প্রধান পরিপাক গ্রন্থি এবং রক্ত পরিশোধনকারী অঙ্গ, যা নিউমোনিয়ার মূল আক্রমণস্থল নয়।
C) কিডনি — এটি মানবদেহের রেচন অঙ্গ যা রক্ত ছেঁকে মূত্র তৈরি করে, তাই এটি নিউমোনিয়া আক্রান্ত হওয়ার স্থান নয়।
D) প্লিহা — এটি লসিকা তন্ত্রের অংশ যা রক্ত ফিল্টার করে এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, ফুসফুসের রোগের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে শ্বাসকষ্ট জড়িত, আর শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হলো ফুসফুস।
সঠিক উত্তর: C) স্কার্ভি
কেন সঠিক:
- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক অ্যাসিডের অভাবে মানবদেহে স্কার্ভি রোগ দেখা দেয়।
- এই রোগে সাধারণত মাড়ি ফুলে যাওয়া, রক্তপাত হওয়া এবং দুর্বলতা অনুভূত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাতকানা — ভিটামিন এ-এর অভাবে এই রোগ হয়, যা চোখের দৃষ্টিশক্তিকে দুর্বল করে দেয়।
B) বেরিবেরি — ভিটামিন বি ওয়ান বা থিয়ামিনের অভাবে এই রোগ হয়, যা স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে।
C) স্কার্ভি — এটি ভিটামিন সি-এর অভাবে সংঘটিত রোগ এবং এটিই সঠিক উত্তর।
D) রিকেটস — ভিটামিন ডি-এর অভাবে এই রোগ হয়, যা শিশুদের হাড় নরম ও দুর্বল করে দেয়।
মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর অভাবে মুখ ও মাড়ির স্কার্ভি রোগ হয়, যা লেবু জাতীয় টক ফল খেলে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) মধু
কেন সঠিক:
- মধুতে পানির পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকে এবং প্রাকৃতিক অম্লতা বেশি থাকায় এতে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মাতে পারে না।
- মধুর উচ্চ ঘনত্ব এবং অস্মোসিস প্রক্রিয়ার কারণে অণুজীবের পক্ষে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফল — ফলে প্রচুর পানি ও শর্করা থাকায় উন্মুক্ত অবস্থায় অণুজীবের আক্রমণে খুব দ্রুত পচন ধরে।
B) মধু — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর রাসায়নিক গঠনের কারণে শত শত বছর নষ্ট হয় না।
C) দুধ — দুধে প্রচুর পানি ও পুষ্টি উপাদান থাকায় এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নষ্ট বা টক হয়ে যায়।
D) চা — শুকনো চা পাতা দীর্ঘদিন ভালো থাকলেও তরল চা বা ভেজা পাতা খুব দ্রুত ছত্রাকাক্রান্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
মনে রাখার টিপস:
মধু প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে পরিচিত যা কখনোই নষ্ট হয় না।
সঠিক উত্তর: A) ২৬ জানুয়ারি
কেন সঠিক:
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান কার্যকর হয় এবং দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ভারতে জাতীয়ভাবে প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্যাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৬ জানুয়ারি — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৫০ সালের এই দিনে ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়েছিল।
B) ১৫ আগস্ট — এটি ভারতের স্বাধীনতা দিবস, ১৯৪৭ সালের এই দিনে দেশটি ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়।
C) ১৪ আগস্ট — এটি পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস, ১৯৪৭ সালের এই দিনে দেশটি স্বাধীন হয়েছিল।
D) ১৬ ডিসেম্বর — এটি বাংলাদেশের মহান বিজয় দিবস, ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
মনে রাখার টিপস:
ভারতের স্বাধীনতা ১৫ আগস্ট এবং প্রজাতন্ত্র হলো ২৬ জানুয়ারি। স্বাধীনতা আগে আসে তাই আগস্ট মাস আগে এবং প্রজাতন্ত্র পরে আসে তাই জানুয়ারি মাস পরে।
সঠিক উত্তর: D) ১৯৬৯ সালে
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ছাত্র সমাজের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এগার-দফা দাবি পেশ করে।
- এই আন্দোলন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব খান বিরোধী গণঅভুত্থানকে তীব্রতর করে তুলেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৪ সালে — এই সালে পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছিল।
B) ১৯৬৬ সালে — এই সালে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল।
C) ১৯৬৮ সালে — এই সালে ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং বিচার শুরু হয়।
D) ১৯৬৯ সালে — এই সালেই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এগার-দফা আন্দোলন সফলভাবে পরিচালিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ছয় দফা আসে ১৯৬৬ সালে আর তার তিন বছর পর ১৯৬৯ সালে আসে এগার দফা।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও অর্থনীতি
সঠিক উত্তর: B) মিয়ানমার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ওষুধ রপ্তানি আয়ের দিক থেকে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার অন্যতম।
- ভৌগোলিক নৈকট্য ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের কারণে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওষুধ রপ্তানি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নেপাল — নেপালে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হয়, তবে এটি শীর্ষ রপ্তানিমুখী দেশ নয়।
B) মিয়ানমার — এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত, কারণ বর্তমানে এখান থেকে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় হয়।
C) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হওয়ায় যাতায়াত খরচ বেশি এবং রপ্তানি পরিমাণও তুলনামূলক কম।
D) শ্রীলংকা — শ্রীলংকায় কিছু ওষুধ রপ্তানি হলেও তা মিয়ানমারের তুলনায় কম।
মনে রাখার টিপস:
মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্যে ওষুধ এগিয়ে, মনে রেখো উত্তরটি সবার চেয়ে বড় ঝুড়িতে নিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) রংপুর
কেন সঠিক:
- ভাওয়াইয়া গান মূলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে রংপুর, কুড়িগ্রাম ও কোচবিহার অঞ্চলের মাটি ও মানুষের জীবনের গান।
- গাড়িয়াল ভাই ও মহিষের গাড়ির জীবনযাত্রা এই অঞ্চলের সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত থাকায় এটি উত্তরবঙ্গের লোকসংগীত হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ভাওয়াইয়া গান এই অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত।
B) রাজশাহী — রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত গম্ভীরূপ ও গম্ভীরা, ভাওয়াইয়া নয়।
C) ময়মনসিংহ — ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত হলো ময়মনসিংহ গীতিকা ও ভাটিয়ালির প্রভাব।
D) সিলেট — সিলেট অঞ্চলের প্রধান লোকসংগীত হলো ধামাইল গান ও মরমি সাধকদের মারফতি গান।
মনে রাখার টিপস:
রংপুরের গাড়িয়াল ভাইয়েরা গাড়ি চালায় আর মুখে ভাওয়াইয়া গান গায়।
সঠিক উত্তর: B) ত্রিপুরা
কেন সঠিক:
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে প্রাচীনকালে বর্তমান কুমিল্লার অঞ্চলটি সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং ব্রিটিশ আমলের পূর্বে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল।
- ১৯০৮ সালে প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয় ত্রিপুরার জেলা, যা পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে কুমিল্লা নামে পরিবর্তিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাসিরাবাদ — এটি ময়মনসিংহ জেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম।
B) ত্রিপুরা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ কুমিল্লা জেলার পূর্বনাম ছিল ত্রিপুরা।
সি) সুধারাম — এটি নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলার ঐতিহাসিক পূর্বনাম।
ডি) সুবর্ণগ্রাম — এটি সোনারগাঁও বা প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক অঞ্চলের নাম।
মনে রাখার টিপস:
কুমিল্লায় পূর্বে ত্রিপুরা রাজারা শাসন করতেন, তাই কুমিল্লার প্রাচীন নাম ছিল ত্রিপুরা।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) ৮১টি
কেন সঠিক:
- নাম ষাট গম্বুজ হলেও ঐতিহাসিক এই মসজিদের ছাদের ওপর মোট গম্বুজের সংখ্যা একাশীতটি।
- এর মধ্যে প্রধান ছাদেই রয়েছে সত্তরটি ছোট গম্বুজ এবং বাকিগুলো অন্যান্য অংশে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬০টি — এটি মসজিদের নামের সংখ্যা হলেও প্রকৃত গম্বুজের সংখ্যা নয়।
B) ৬৬টি — এই সংখ্যাটি ঐতিহাসিক এই মসজিদের প্রকৃত গম্বুজ বা ছাদের বিন্যাসের সঙ্গে মেলে না।
C) ৭৭টি — এটি অন্য কোনো প্রাচীন মসজিদের গম্বুজ সংখ্যা হতে পারে, ষাট গম্বুজ মসজিদের নয়।
D) ৮১টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক ও প্রমাণিত উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নাম ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে গম্বুজ হলো একাশীতটি।
সঠিক উত্তর: C) জাপান
কেন সঠিক:
- জাপানের টোকিওতে প্রবাসী বাঙালিদের উদ্যোগে দেশের বাইরে প্রথম স্থায়ী শহিদমিনার নির্মিত হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের অংশ হিসেবে এই শহিদমিনারটি সেখানে স্থাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কানাডা — কানাডায় শহিদমিনার থাকলেও এটি দেশের বাইরে নির্মিত প্রথম শহিদমিনার নয়।
B) ইতালি — ইতালিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন স্থানে শহিদমিনার নির্মাণ করলেও এটি প্রথম নয়।
D) দক্ষিন আফ্রিকা — দক্ষিণ আফ্রিকায় অনেক প্রবাসী বাঙালি বসবাস করলেও সেখানে দেশের বাইরে প্রথম শহিদমিনার নির্মিত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
সূর্যোদয়ের দেশ জাপান থেকেই দেশের বাইরে প্রথম শহিদমিনার নির্মাণের সূর্য ওঠে।
সঠিক উত্তর: A) হরিকেল
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে হরিকেল অঞ্চলটি সর্বপূর্ব অংশে অবস্থিত ছিল।
- বর্তমান বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরিকেল — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত পূর্বাঞ্চলীয় হলেও সর্বপূর্ব ছিল না।
C) বরেন্দ্র — এটি প্রাচীন বাংলার উত্তরাঞ্চলীয় জনপদ ছিল, যা রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
D) রাঢ় — এটি প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জনপদ ছিল, যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অংশ।
মনে রাখার টিপস:
পূর্ব দিকের জনপদ মনে রাখতে হরিকেল শব্দটির প্রথম অক্ষর হ এবং পূর্বের হা দিয়ে মিলিয়ে পড়তে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) ইন্টারনেট
কেন সঠিক:
- ইন্টারনেট হলো বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থা, যা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এটি প্রটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা শেয়ারিং নিশ্চিত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করে বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম মাত্র, সমগ্র কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা প্রযুক্তি নয়।
B) ইন্টারকম — এটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট ভবন বা প্রতিষ্ঠানের ভেতরে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত সীমিত তারযুক্ত বা তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
C) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর।
D) টেলিগ্রাম — এটি দূরবর্তী স্থানে লিখিত বার্তা পাঠানোর একটি প্রাচীন দূরসংযোগ ব্যবস্থা, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারনেট মানে ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক, যা সারা বিশ্বের কম্পিউটারগুলোকে যুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান করে।
সঠিক উত্তর: A) EU
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনীতিতে জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদনের দিক থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট।
- এই জোটে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অবাধ বাণিজ্য এবং একক মুদ্রা ইউরো চালুর মাধ্যমে এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্লকে পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) EU — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থনৈতিক আকার ও জিডিপি বিশ্বের অন্যান্য জোটের তুলনায় সবচেয়ে বেশি।
B) WTO — এটি কোনো অর্থনৈতিক জোট নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়ম তদারককারী একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
C) NATO — এটি একটি সামরিক জোট, কোনো অর্থনৈতিক জোট নয়।
D) FIFA — এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা, যা খেলাধুলার সাথে যুক্ত এবং অর্থনীতি বা বাণিজ্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
টাকা বা অর্থনীতিতে ইউরোপ সবার চেয়ে এগিয়ে, তাই বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট হলো ইইউ বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
সঠিক উত্তর: D) ২১ জুন
কেন সঠিক:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়, যা উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন।
- এই দিনে উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে দীর্ঘ এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২২ ডিসেম্বর — এটি দক্ষিণ গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন এবং উত্তর গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন।
B) ২১ মার্চ — এটি বিশ্ব বসন্তকালীন বিষুব, এই দিনে সারা বিশ্বে দিন ও রাত সমান হয়।
C) ২৩ সেপ্টেম্বর — এটি বিশ্ব জলীয় বিষুব, এই দিনেও সারা বিশ্বে দিন ও রাত সমান হয়।
D) ২১ জুন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
জুন মাস মানেই গরম ও বড় দিন, তাই ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন।
সঠিক উত্তর: C) লিওনেল মেসি
কেন সঠিক:
- লিওনেল মেসি ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চারবার ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার (ব্যালন ডি'অর) জিতেছেন, যা পরপর তিনবারের শর্তকে পূর্ণ করে।
- ফুটবলের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি টানা চারবার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো — তিনি একাধিকবার ফিফা বর্ষসেরা হলেও কখনো টানা তিনবার এই পুরস্কার অর্জন করতে পারেননি।
B) ম্যারাডোনা — তিনি তাঁর যুগে অসাধারণ খেলোয়াড় হলেও কখনো ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার হওয়ার পুরস্কার লাভ করেননি।
D) ডেভিড বেকহ্যাম — তিনি বিশ্বখ্যাত ফুটবলার হলেও কখনোই ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের খেতাব অর্জন করতে পারেননি।
মনে রাখার টিপস:
টানা চারবার বর্ষসেরা হয়ে রেকর্ড গড়া একমাত্র ফুটবলার হলেন লিওনেল মেসি।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)