সঠিক উত্তর: A) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্নগুলোর মধ্যে একমাত্র হাইফেন বা সংযোগ চিহ্নের ক্ষেত্রে কোনো বিরতিকাল বা থামার প্রয়োজন হয় না।
- এটি কেবল দুটি শব্দের সংযোগ রক্ষা করার জন্য বা সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে যুক্ত করার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিরাম চিহ্ন বা punctuation হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে লেখার মধ্যে যে থামার স্থান বা সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম প্রমিত বিরাম চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন এবং এর মাধ্যমে বাক্যের অর্থ ও গতি নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম-ললনা
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি শব্দের সংযোগ ঘটাতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে এবং উচ্চারণের সময় কোনো বিরতি নেওয়া হয় না।
উদাহরণ ২: দ্বন্দ্ব-সমাস
ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদের মাঝে সংযোগ রক্ষার্থে হাইফেন ব্যবহৃত হয় এবং এটি পড়ার সময় আলাদা কোনো থামার সময় থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো বিরতিকাল নেই।
B) কমা — কমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে লেখার মধ্যে সবচেয়ে কম সময় বা এক বলতে যে সময় লাগে, সেই পরিমাণ বিরতি নিতে হয়।
C) সেমিকোলন — সেমিকোলনের বিরতিকাল কমার দ্বিগুণ অর্থাৎ এক বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।
D) কোলন — কোলন চিহ্নের ক্ষেত্রে বাক্যে এক বলার দ্বিগুণ সময় বিরতি দিতে হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হাইফেন মানে জোড়া লাগানো, তাই জোড়া লাগানোর কাজে কোনো বিরতি লাগে না।
- থামার সময়ের দিক থেকে মনে রাখবে কমা হলো সবচেয়ে কম বিরতির চিহ্ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- কোন চিহ্নের জন্য কতটুকু থামতে হয়, তা ছক আকারে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
সঠিক উত্তর: B) পোশাক
১. কেন সঠিক:
- পোশাক শব্দটিতে তালব্য শ যুক্ত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ শুদ্ধ।
- বাংলা ভাষায় ফারসি বা বিদেশি শব্দে সাধারণত দন্ত্য স এর পরিবর্তে তালব্য শ ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দ ছাড়া অন্য সকল বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ষ বা দন্ত্য স ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- ফারসি উৎস থেকে আগত অনেক শব্দে উচ্চারণের সুবিধার জন্য দন্ত্য স এর স্থানে তালব্য শ লেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পোশাক
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যার সঠিক বানান তালব্য শ দিয়ে লিখতে হয়।
উদাহরণ ২: পশম
ব্যাখ্যা: ফারসি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটিতেও দন্ত্য স এর পরিবর্তে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাষ্টার — এটি ভুল বানান কারণ ইংরেজি Master শব্দের প্রমিত বাংলা রূপ মাস্টার যেখানে দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়।
B) পোশাক — এটি সঠিক উত্তর।
C) জিনিষ — এটি ভুল বানান কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী জিনিস শব্দে দন্ত্য স হবে, ষ বা শ নয়।
D) পোষ্ট অফিস — এটি ভুল বানান কারণ ইংরেজি Post office শব্দের শুদ্ধ বাংলা রূপ পোস্ট অফিস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পোশাক ও পশম শব্দ দুটি লেখার সময় সবসময় তালব্য শ ব্যবহার করতে হবে।
- বিদেশি শব্দ বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- জিনিস এবং মাস্টার শব্দ দুটির বানান পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় সমাস
১. কেন সঠিক:
- মৌমাছি শব্দটি মধু সংগ্রহকারী মৌমাছিকে বোঝায় এবং এর ব্যাসবাক্য হলো মৌ যে মাছি।
- কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুসারে এখানে পূর্বপদ ও পরপদ মিলে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা দুটি বিশেষ্যের যোগে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- মৌমাছি শব্দটিতে মৌ এবং মাছি দুটি বিশেষ্য পদ মিলে একটি বিশেষ জীব বা পতঙ্গকে বোঝাচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলাপাগল
ব্যাখ্যা: জল যে পাগল, কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণ ২: সজ্জন
ব্যাখ্যা: সৎ যে জন, কর্মধারয় সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় সমাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা মৌমাছি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) দ্বিগু সমাস — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই।
D) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়, যা মৌমাছি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুটি বিশেষ্য পদ মিলে যদি একটি নির্দিষ্ট বস্তু বা প্রাণীকে বোঝায়, তবে তা সাধারণ কর্মধারয় সমাস হয়।
- ব্যাসবাক্যে যে বা যিনি থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পতঙ্গবাচক অনেক শব্দ কর্মধারয় সমাস হয়, যেমন মৌমাছি।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে 'ডাক্তার' হলো যাকে ডাকার কাজটি করা হচ্ছে, তাই এটি কর্মকারক।
- 'ডাক্তার' শব্দের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার আধার বা যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকারক বলা হয়। বাক্যের ক্রিয়ামূলকে 'কাকে' বা 'কী' দ্বারা প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়।
- শব্দের সঙ্গে অ, আ বা কোনো চিহ্ন যুক্ত না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি বলা হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে একে শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ডাক্তার' কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি, কারণ ডাক্তারকে ডাকার কর্ম বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ফুল তুলছি।
ব্যাখ্যা: কী তুলছি প্রশ্নের উত্তরে 'ফুল' এসেছে, যা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি — কর্তৃকারক হলো বাক্যের যে নিজে কাজ করে, আর ষষ্ঠী বিভক্তি হলো র বা এর বিভক্তি। এখানে ডাক্তার কোনো কাজ করছে না, তাই এটি ভুল।
C) করণ কারকের শূন্য বিভক্তি — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে। ডাক্তার এখানে কোনো যন্ত্র বা সহায়ক নয়, তাই এটি ভুল।
D) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি — ডাক্তার নিজে এখানে কাজ করার কর্তা নয়, বরং যাকে ডাকা হচ্ছে সেই কর্ম, তাই কর্তৃকারক ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাকে বা কী দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায় এবং তার সঙ্গে কোনো বিভক্তি না থাকে, তবে সেটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি হবে।
- মনে রাখবে, আহ্বান করা বা ডাকার ক্ষেত্রে যাকে ডাকা হয় সে সবসময় কর্মকারক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর।
- একই ধরনের বাক্যে বস্তুত বা ব্যক্তিস্বত্বা কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হলে তা কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) উগ্র
১. কেন সঠিক:
সৌম্য শব্দের অর্থ শান্ত, স্নিগ্ধ, কোমল কিংবা বিনয়ী। এর সরাসরি বিপরীত বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে উগ্র শব্দটি, যার অর্থ তীব্র, হিংস্র বা কঠোর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার অংশের বিপরীতার্থক শব্দ বা শব্দের বিপরীত রূপ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। কোনো শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌম্য প্রকৃতি
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌম্য বলতে শান্ত ও সুন্দর স্বভাবের প্রকৃতিকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: উগ্র মেজাজ
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উগ্র বলতে তীব্র, রুক্ষ ও রাগী মেজাজকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শান্ত — শান্ত শব্দটি সৌম্য শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়।
B) সুন্দর — সুন্দর শব্দের অর্থ ভালো বা মনোরম, যার বিপরীত শব্দ কুৎসিত বা অপছন্দনীয়।
D) কৃষ্ণ — কৃষ্ণ শব্দের অর্থ কালো বা অন্ধকার, যার বিপরীত শব্দ শ্বেত বা ধবল।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৌম্য মানে যার মন বা আচরণ শান্ত। এর উল্টো হলো উগ্র, যার আচরণ ভীষণ বা কড়া।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ন্যূনতম
১. কেন সঠিক:
- ন্যূনতম বানানটিতে 'ন' এর নিচে ন-ফলা এবং 'ত' এর নিচে উ-কার ও ন যুক্ত রয়েছে।
- প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই বানানটি শতভাগ নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী বহু বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক বানান জানা আবশ্যক।
- এই শব্দটিতে সঠিক বর্ণবিন্যাস ও ফলা ব্যবহারের কারণে এটি শুদ্ধ রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ শব্দ যেখানে যুক্তাক্ষরের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ঋ-কার ও ফলাের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ন্যুনতম — এটি ভুল কারণ এখানে 'ন' এর সাথে উ-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) নূন্যতম — এটি ভুল কারণ এখানে 'ন' এর নিচে উ-কার দিয়ে জট পাকানো হয়েছে।
D) নুন্যতম — এটি ভুল কারণ এখানে 'ন' এর সাথে সরাসরি উ-কার দেওয়া হয়েছে যা প্রমিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ন্যূনতম শব্দটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে এর প্রথম অংশে ন-ফলা এবং শেষ অংশে ন-ত থাকে।
- বানানটি বারবার লিখে চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই জাতীয় সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অহিনকুল
১. কেন সঠিক:
- 'দহরম মহরম' বাগধারাটির অর্থ ঘনিষ্ট সম্পর্ক বা সখ্য, যার বিপরীত অর্থ হলো চরম শত্রুতা বা অমিল।
- 'অহিনকুল' বাগধারাটির অর্থ সাপ ও নেউলের মতো চিরশত্রুতা, যা দহরম মহরমের ঠিক বিপরীত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- বিপরীতার্থক বাগধারা নির্ণয়ের সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা ভাবের বিপরীত ধারাটি বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিড়াল তপস্বী
ব্যাখ্যা: এর অর্থ ভণ্ড সাধু, যা সরল মানুষের বিপরীত স্বভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে
ব্যাখ্যা: এর অর্থ মন্দভাগ্য, যা সুসময়ের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিলাপির প্যাঁচ — এর অর্থ কুটিলতা বা বাকচাতুরী, যা দহরম মহরমের বিপরীত নয়।
B) অহিনকুল — সঠিক উত্তর।
C) দুধের মাছি — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একটি দিক প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি বিপরীত নয়।
D) বসন্তের কোকিল — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু বা সুসময়ের আত্মীয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অহিতে সাপ এবং কুলে নেউল বোঝায়, যাদের স্বভাবগত শত্রুতা থেকে বিপরীত সম্পর্কের রূপ মনে রাখা সহজ।
- দহরম মহরম মানে ভাব, আর অহিনকুল মানে সাপ-নেউলের মতো স্বভাব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সম্পর্কবাচক বাগধারোগুলো জোড়ায় জোড়ায় পড়লে সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) তিরোভাব
১. কেন সঠিক:
- আবির্ভাব শব্দের অর্থ প্রকাশ পাওয়া, উদ্ভব ঘটা বা দৃশ্যমান হওয়া।
- এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো তিরোভাব, যার অর্থ অন্তধান বা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
- সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে ভাবগত বিপরীত অর্থ প্রকাশের জন্য প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুরাগ – বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি এবং এর বিপরীত বিরাগ অর্থ অনীহা বা বিরূপতা।
উদাহরণ ২: মিলন – বিরহ
ব্যাখ্যা: মিলন শব্দের অর্থ একত্রিত হওয়া এবং এর বিপরীত বিরহ অর্থ বিচ্ছেদ বা দূরত্ব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভাব — অভাব শব্দের অর্থ ঘাটতি বা অনটন, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) স্বভাব — স্বভাব শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা চরিত্র, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
C) তিরোভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আবির্ভাব শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) অনুভাব — অনুভাব শব্দের অর্থ মনে উদিত ভাব বা অনুভূতির প্রকাশ, যা আবির্ভাবের বিপরীত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আ দিয়ে শুরু আবির্ভাব শব্দটির অর্থ প্রকাশ পাওয়া আর তি দিয়ে শুরু তিরোভাব শব্দের অর্থ মিলিয়ে মনে রাখবে দৃশ্যমান বনাম অদৃশ্য হওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়শই তৎসম রূপেই আসে।
- বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) মহৎ + ইমন
১. কেন সঠিক:
- 'মহিমা' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মহৎ' প্রাতিপদিক বা বিশেষণের সঙ্গে 'ইমন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।
- এখানে 'মহৎ' শব্দের অন্ত্যত খণ্ডটি লোপ পেয়ে এবং প্রত্যয়ের প্রভাবে নতুন ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী গুণ বা ভাব প্রকাশ করতে বিশেষণ পদের সঙ্গে 'ইমন' প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য গঠন করার এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লঘু + ইমন = লঘিমা
ব্যাখ্যা: লঘু শব্দের সঙ্গে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে লঘিমা শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ লঘুতাস্পষ্ট বা হালকা ভাব।
উদাহরণ ২: মৃদু + ইমন = মৃদুমা
ব্যাখ্যা: মৃদু শব্দের সঙ্গে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৃদুমা শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ মৃদু ভাব বা কোমলতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহি + মা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ 'মহি' কোনো মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক নয় এবং 'মা' কোনো স্বীকৃত তদ্ধিত প্রত্যয় নয়।
B) মহৎ + ইমন — এটি সঠিক গঠন যা প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে।
C) মহা + ইমা — এখানে 'ইমা' কোনো সঠিক প্রত্যয় হিসেবে এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং মূল শব্দটি মহা নয় মহৎ।
D) মহিম + আ — মহিম নিজে একটি উৎপাদিত শব্দ এবং এর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত করে মূল প্রকৃতি নির্ণয় করা ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শেষে 'ইমা' বা 'মহিমা' জাতীয় শব্দ দেখলে মনে রাখবে এর মূল বিশেষণটি খণ্ড বা তদ্সম রূপের হয় যেমন মহৎ থেকে মহিমা।
- ইমন প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো সবসময় ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রাতিপদিক বা মূল শব্দ চেনা অত্যন্ত জরুরি।
- এই একই নিয়মে লঘু থেকে লঘিমা এবং গুরু থেকে গরিমা শব্দগুলো সাধিত হয় যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল প্রবক্তা হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সঠিকভাবে যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পিত রূপকার ও আধুনিক বাংলার অন্যতম স্থপতি। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থ থেকেই মূলত বাংলা সাহিত্যে যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল ও আধুনিক ব্যবহার শুরু হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক বা অনুদিত গ্রন্থ যেখানে তিনি প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থটিতেও বাক্য গঠনে যতিচিহ্নের যথাযথ ও সুন্দর প্রয়োগ দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও তিনি যতিচিহ্নের প্রবক্তা নন, তিনি পরবর্তী সময়ে যতিচিহ্নের ব্যবহার আরও সমৃদ্ধ করেছেন।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও তিনি যতিচিহ্নের প্রচলন করেননি, যদিও তিনি তাঁর উপন্যাসে এর পরিমিত ব্যবহার করেছেন।
D) প্যারিচাঁদ মিত্র — প্যারিচাঁদ মিত্র আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের মাধ্যমে প্রমথ চলিত রীতির সূচনা করলেও তিনি যতিচিহ্নের প্রবক্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মহাশয় গদ্যে গতি আনার জন্য এবং বাক্যকে স্পষ্ট করার জন্য প্রথম যতিচিহ্ন ব্যবহার করেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের ছন্দ ও যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল বিন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের জনক কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। যতিচিহ্ন মূলত বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা হয় এবং এর প্রবক্তা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি, যার মধ্যে ধ্বনিতত্ত্বে মূলত ধ্বনির উচ্চারণ, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব ও ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- সন্ধি মানে মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনের প্রক্রিয়া ধ্বনিতত্ত্বের আওতাভুক্ত হওয়ায় এটি এই অংশে আলোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনির সৃষ্টি, পরিবর্তন, লোপ এবং সন্ধির মতো ধ্বনিগত রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
- পাশাপাশি ধ্বনির পারস্পরিক মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে শব্দের উচ্চারণ সহজ করা সন্ধির প্রধান কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিগত মিলনের নিয়ম প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: অ এবং আ ধ্বনি একত্রিত হয়ে ধ্বনির রূপ পরিবর্তন করেছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দ গঠন, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস এবং পদ প্রকরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সন্ধি নিয়ে নয়।
B) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্যের গঠন, বাচ্য এবং কারক ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়।
C) অর্থতত্ত্বে — অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থের রূপান্তর, বিপরীতার্থক শব্দ এবং বাগধারার মতো অর্থগত বিষয় আলোচনা করা হয়।
D) ধ্বনিতত্ত্বে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সন্ধি ধ্বনির মিলন সম্পর্কিত আলোচ্য বিষয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, আর মিলন ঘটে ধ্বনির সাথে ধ্বনির।
- তাই ধ্বনির সাথে সম্পর্ক থাকায় সন্ধি সবসময় ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব-ষত্ব বিধান আলোচিত হয়—এই তথ্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পরিপাটি
১. কেন সঠিক:
- কেতা দুরস্ত বাগধারাটির অর্থ পরিপাটি বা শিষ্টাচারসম্পন্ন।
- এটি মূলত তাদের বোঝায় যারা খুব গুছিয়ে থাকেন এবং নিয়ম বা কেতা মেনে চলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- কেতা দুরস্ত একটি জনপ্রিয় ফারসি প্রভাবিত বাগধারা যা মানুষের ভদ্রতা ও পরিপাটি ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নতুন চাকরির ইন্টারভিউতে তার কেতা দুরস্ত পোশাক সবাইকে মুগ্ধ করেছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রার্থীর পরিপাটি ও মার্জিত পোশাক বোঝাতে কেতা দুরস্ত বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মানুষটি সবসময় কেতা দুরস্ত থাকতে পছন্দ করেন।
ব্যাখ্যা: এখানে তার জীবনযাপনের পরিপাটি ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলস — অলস শব্দের অর্থ কর্মবিমুখ, যা কেতা দুরস্ত বা পরিপাটি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) পরিশ্রমী — পরিশ্রমী বলতে যারা অনেক কাজ করেন তাদের বোঝায়, কিন্তু কেতা দুরস্ত পরিপাটি ভাবকে নির্দেশ করে।
C) পরিপাটি — এটি সঠিক উত্তর যা প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) দীর্ঘজীবী — দীর্ঘজীবী অর্থ যারায়ু দীর্ঘ হয়, যা কেতা দুরস্ত বাগধারার অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কেতা মানে নিয়ম বা পরিপাটি ভাব এবং দুরস্ত মানে ঠিকঠাক।
- সুতরাং নিয়ম মেনে যে চলে বা পরিপাটি থাকে তাকে কেতা দুরস্ত বলে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই ফারসি বা আরবি শব্দভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের মূল অর্থ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত বিশেষ অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভূতপূর্ব
১. কেন সঠিক:
'পূর্বে ছিল এখন নেই' এই ভাব বা অর্থ প্রকাশের জন্য এককথায় প্রকাশ করলে সঠিক শব্দ হয় ভূতপূর্ব।
এখানে 'ভূত' শব্দের অর্থ অতীত বা যা ঘটে গেছে এবং 'পূর্ব' অর্থ আগের সময়, যা একত্রে মিলে অতীতকাল বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রদানে একাধিক পদকে একটি মাত্র শব্দে রূপান্তর করার নিয়ম এটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে ছিল না
ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো অভূতপূর্ব, যা বর্তমান প্রশ্নের বিপরীত একটি ভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না
ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো অবিনশ্বর, যা স্থায়ী কোনো অবস্থার ব্যাকরণগত প্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূতপূর্ব — এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সঠিক উত্তর।
B) অভূতপূর্ব — এর অর্থ যা পূর্বে কখনো ঘটেনি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) অতীত — এটি একটি সাধারণ কালবাচক শব্দ, যা বাক্য সংকোচনের নির্দিষ্ট রূপ নয়।
D) বর্তমান — এটি চলমান সময়কে নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভূত মানে অতীত এবং পূর্ব মানে আগের সময়, তাই পূর্বে ছিল এমন কিছু বোঝালে ভূতপূর্ব শব্দটি মনে রাখবে।
অভূতপূর্ব শব্দের সাথে ভূতপূর্ব শব্দের পার্থক্য মনে রাখলেই উত্তর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
পূর্বের কোনো অবস্থা বোঝাতে ভূত এবং নতুন বা অভূতপূর্ব কিছু বোঝাতে অভ শব্দ ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: ক) সংস্করণ
কেন সঠিক:
- ইংরেজি Edition শব্দটির বাংলা পরিভাষা হলো সংস্করণ।
- কোনো বই বা প্রকাশনা যখন নতুন পরিমার্জন করে আবার প্রকাশ করা হয়, তাকে সংস্করণ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি পরিভাষা বাংলায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে এটি একটি বহুল প্রচলিত শব্দ।
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা শিল্পে বইয়ের বিভিন্ন প্রকাশকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন কোনো বইয়ের প্রথম প্রকাশকে প্রথম সংস্করণ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- ক) সংস্করণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- খ) সম্পাদক — এটি Editor শব্দের অর্থ, যার অর্থ যিনি সম্পাদনা করেন।
- গ) সম্পাদকীয় — এটি Editorial শব্দের অর্থ, যা পত্রিকার বিশেষ মতামত।
- ঘ) অনুসন্ধান — এটি Search বা Investigation শব্দের অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
- Edition শব্দের সাথে প্রকাশনার সম্পর্ক আছে, তাই এর অর্থ সংস্করণ মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) ভানু
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে 'রাত্রি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় এমন একটি অপশন খুঁজতে বলা হয়েছে এবং ভানু হলো রাতের পরিবর্তে দিনের একটি প্রতিশব্দ।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, যা কখনোই রাতের সমার্থক শব্দ হতে পারে না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় একই অর্থের অনেক শব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকে যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলা সাহিত্যে প্রথাগতভাবে রাতের বিভিন্ন প্রহর ও অবস্থার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সুন্দর শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
- যেমন রাতের জন্য শর্বরী, ত্রিযামা ও ক্ষণদা শব্দগুলো বহুল ব্যবহৃত হলেও ভানু শব্দটি এর বিপরীত অর্থ বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্বরী — এটি রাত্রি শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও সঠিক সমার্থক শব্দ যার কারণে এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
B) ত্রিযামা — তিন প্রহর যার অর্থ এবং এটি রাত্রির একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ হিসেবে সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়।
C) ক্ষণদা — ক্ষণ দান করে যা অর্থাৎ রাত্রি বোঝাতে এই সুন্দর শব্দটি প্রাচীন ও আধুনিক কাব্যে ব্যবহৃত হয়।
D) ভানু — এই শব্দটির অর্থ সূর্য বা রবি, যা কোনোভাবেই রাত্রি বা রাতের সমার্থক শব্দ নয় বরং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
- সূর্য বা দিনের সমার্থক শব্দ যেমন ভানু, রবি ও দিনেশ তেমনি রাতের সমার্থক শব্দ শর্বরী, ত্রিযামা ও ক্ষণদা মনে রাখবে।
- পরীক্ষার হলে প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে কোনটি সমার্থক এবং কোনটি নয় তা যাচাই করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা
১. কেন সঠিক:
বিভীষিকা শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রথমে দন্ত-ই কার এবং পরে দীর্ঘ-ই কার ও ষ ব্যবহৃত হয়।
ভয়ঙ্কর কোনো অভিজ্ঞতা বা ত্রাস সৃষ্টি করে এমন অবস্থা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
বিভীষিকা একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম বর্ণে রস্ব-ই এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ-ই কার যুক্ত হয় এবং মধ্যাহ্ন-ষ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে রস্ব-উ এবং দীর্ঘ-উ কারের সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: মুমূর্ষু
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের সঠিক ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম রক্ষিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভিষিকা — এখানে মধ্যাহ্ন-ষ এর পরিবর্তে দন্ত-স ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ভুল।
B) বিভীষিকা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরূপ।
C) বিভিষীকা — এখানে বানানটিতে দন্ত-স এবং অতিরিক্ত দীর্ঘ-ই কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) বিভীষীকা — এখানে শেষের বর্ণটিতে ভুলভাবে দীর্ঘ-ই কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিভীষিকা বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে প্রথমে রস্ব-ই কার এবং পরে দীর্ঘ-ই কার বসে।
মাঝখানে দন্ত-স না বসে সবসময় মধ্যাহ্ন-ষ বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই বিচ্যুতি ঘটিয়ে অপশনে দেওয়া হয়।
বানান শুদ্ধ করার সময় ই-কার, উ-কার এবং ষ-এর ব্যবহার সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) চলিত
কেন সঠিক:
1. উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রমথ চৌধুরী ও টেকচাঁদ ঠাকুর এই বিশেষ কথ্য ভাষারীতির প্রচলন করেন যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মুখের ভাষার ওপর সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত।
2. প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের ভাষা এবং হুতোম পেঁচার নকশার ভাষা মূলত এই একই লাইভ ও সহজ চলিত রীতির প্রথম সার্থক এবং জীবন্ত রূপ প্রকাশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
1. চলিত রীতি হলো বাংলা ভাষার এমন একটি গতিশীল রূপ যা পরিবর্তনশীল এবং লেখার ভাষা ও মুখের ভাষার দূরত্ব কমিয়ে আনতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে।
2. বাংলা গদ্য সাহিত্যে সাধু ভাষার কৃত্রিম গম্ভীর রূপের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে এই কথ্য বা চলিত ভাষাকে সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সাহিত্যিকরা দীর্ঘ সংগ্রাম করেন।
3. যেমন সাধু রীতির করিতেছি শব্দের পরিবর্তে চলিত রীতিতে আমরা করিতেছি বা করছি শব্দ ব্যবহার করি যা আলালি ও হুতোমি ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু — সাধু ভাষা অনেক বেশি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল এবং এর ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো ব্যাকরণের দীর্ঘ নিয়ম মেনে চলে যা হুতোমি ভাষার সাথে মেলে না।
B) চলিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নটিতে যে আলালি ও হুতোমি ভাষার কথা বলা হয়েছে তা মূলত চলিত ভাষারই আদি ও পরীক্ষামূলক একটি বিশেষ রূপ।
C) ইংরেজি — ইংরেজি একটি বিদেশি ভাষা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের কোনো দেশীয় বা আঞ্চলিক কথ্য ভাষার উৎস বা বিকল্প হিসেবে গণ্য হতে পারে না।
D) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন এবং অপরিবর্তনীয় একটি ভাষা যা বাংলা ভাষার জননী হলেও সরাসরি কথ্য বা আলালি ও হুতোমি ভাষার সমার্থক হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
১. মনে রাখবে আলালের ঘরের দুলাল ও হুতোম পেঁচার নকশা গ্রন্থ দুটি চলিত ভাষার প্রথম দিকের নিদর্শন।
২. সাধু হলো কঠিন আর চলিত হলো সহজ কথ্য রূপ।
সঠিক উত্তর: A) পুত্র
১. কেন সঠিক:
- দুহিতা শব্দের অর্থ মেয়ে বা কন্যা। এর বিপরীত লিঙ্গ বা বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পুত্র ব্যবহৃত হয়।
- লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক শব্দের বিপরীত লিঙ্গ হলো পুরুষবাচক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তন বলতে নরবাচক ও নারীবাচক শব্দের ভেদাভেদ বোঝায়।
- দুহিতা একটি তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর পুরুষবাচক বা বিপরীত শব্দ হলো পুত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতা এবং মাতা
ব্যাখ্যা: এটি নরবাচক ও নারীবাচক বা বিপরীত লিঙ্গের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ভাই এবং বোন
ব্যাখ্যা: এটিও লিঙ্গভেদে বিপরীত শব্দের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুত্র — এটি সঠিক উত্তর।
B) কন্যা — কন্যা এবং দুহিতা সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়।
সি) স্ত্রী — স্ত্রী শব্দের বিপরীত শব্দ পুরুষ বা স্বামী, দুহিতার বিপরীত নয়।
ডি) স্বামী — স্বামী শব্দের বিপরীত শব্দ স্ত্রী, দুহিতার বিপরীত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুহিতা মানে কন্যা, আর কন্যার বিপরীত পুত্র। এভাবে সমার্থক ও লিঙ্গ পরিবর্তনের সূত্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক ও লিঙ্গবাচক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) স্বায়ওশাসিত
১. কেন সঠিক:
'Autonomous' একটি ইংরেজি শব্দ, যার বাংলা পারিভাষিক অর্থ হলো 'স্বায়ত্তশাসিত' বা 'স্বায়ওশাসিত'।
প্রদত্ত অপশনে বানানটি সামান্য ভিন্ন থাকলেও এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে এবং এর ইংরেজি অর্থ সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি পারিভাষিক শব্দের একটি প্রশ্ন, যেখানে বিদেশি শব্দের যথাযথ বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করতে হয়।
ইংরেজি প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা বাংলা ভাষায় রূপান্তরের সময় এর মূল ভাব ও আভিধানিক অর্থ বজায় রাখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Autonomous body
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
উদাহরণ ২: Autonomous institution
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাক্ষর — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Signature, তাই এটি ভুল।
B) স্বায়ওশাসিত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ইংরেজি অর্থ Autonomous।
C) সত্যায়িত — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Attested, তাই এটি ভুল।
D) সংশোধিত — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Revised বা Amended, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
Autonomous শব্দের অর্থ মনে রাখতে Auto (স্বয়ং বা নিজে) এবং Nomos (শাসন) এই দুটি অংশ খেয়াল রাখতে পারো।
যে প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থা নিজে নিজে শাসিত বা পরিচালিত হয়, তাকেই স্বায়ত্তশাসিত বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প্রশাসন, আইন এবং শিক্ষা সংক্রান্ত সাধারণ ইংরেজি শব্দগুলোর সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) অর্ধাঙ্গী
১. কেন সঠিক:
- 'জায়া' শব্দের অর্থ স্ত্রী বা পত্নী। অর্ধাঙ্গী শব্দটি সমার্থক হিসেবে স্ত্রীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কারণ প্রাচীন ধারণা অনুযায়ী স্ত্রী স্বামীর দেহের অর্ধেক অংশ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল অর্থ ও প্রমিত প্রয়োগ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যা ভিন্ন বানান ও রূপের হওয়া সত্ত্বেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় সংস্কৃত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের সমার্থক শব্দ অনেক রয়েছে যা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গৃহিণী
ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দটি জায়া বা স্ত্রীর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পত্নী
ব্যাখ্যা: পত্নী শব্দটি সরাসরি জায়া বা স্ত্রীর প্রমিত সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধাঙ্গী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়।
B) কন্যা — কন্যা শব্দের অর্থ মেয়ে বা পুত্রী, যা জায়া বা স্ত্রীর সমার্থক নয়।
C) নন্দিনী — নন্দিনী শব্দের অর্থও কন্যা বা মেয়ে, যা স্ত্রীর সমার্থক নয়।
D) ভগনী — ভগনী শব্দের অর্থ বোন বা সহোদরা, যা জায়া শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জা শব্দের অর্থ স্ত্রী এবং অর্ধাঙ্গী বলতে স্ত্রীর রূপ বোঝায়। পত্নী, ভার্যা ও জায়া একই গোত্রের শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের লিঙ্গভেদ ও পারিবারিক সম্পর্কের ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। এমন প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) চতুঃ + পদ
১. কেন সঠিক:
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর প, ফ, শ, ষ বা স থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ষ হয়।
এখানে চতুঃ শব্দের বিসর্গের পর প থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে এবং চতুষ্পদ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে অ, আ কিংবা অন্যান্য স্বরের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ অথবা বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ও হয়।
তবে অ বা আ ব্যতিরেকে অন্য স্বরের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ষ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়েছে।
উদাহরণ ২: আবিঃ + কার = আবিষ্কার
ব্যাখ্যা: ই কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক থাকায় বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর + পদ — র-ফলা যুক্ত করে এই সন্ধি করা ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ এখানে বিসর্গ লোপ পায়নি।
B) চতুষ + পদ — এখানে বিসর্গের পরিবর্তে সরাসরি মূর্ধন্য স ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক সন্ধির নিয়ম নয়।
C) চতু + পদ — এই শব্দটিতে বিসর্গ চিহ্ন বাদ দেওয়া হয়েছে যা সন্ধির মূল কাঠামো নষ্ট করে।
D) চতুঃ + পদ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে এখানে বিসর্গ ও প মিলে ষ গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পর প বা ক থাকলে এবং তার আগে অ বা আ না থাকলে সাধারণত মূর্ধন্য ষ বা দন্ত স হয়।
চতুঃ শব্দের সাথে পদ যুক্ত হলে বিসর্গ স্থানে ষ বসিয়ে শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
এই একই নিয়মে আবিষ্কর্তা, তিরস্কার এবং মনঃপীড়া শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: C) উপমিত কর্মধারয়
কেন সঠিক:
১. এখানে উপমেয় পদ সিংহ এবং উপমান পদ পুরুষ সরাসরি তুলনা করা হয়েছে।
২. সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না থাকায় এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যার সাথে তুলনা করা হয় সে উপমান এবং যাকে তুলনা করা হয় সে উপমেয় পদ।
২. সাধারণ ধর্মের উল্লেখ না থেকে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা বোঝালে উপমিত কর্মধারয় হয়।
৩. যেমন সিংহপুরুষ শব্দের ব্যাসব্যাস হলো পুরুষ সিংহের ন্যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমান কর্মধারয় — এখানে সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে যেমন কয়লার মতো কালো সমান কুচকুচে কালো।
B) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
C) উপমিত কর্মধারয় — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়ে অব্যয় যোগে যে সমাস হয় তাকে অব্যয়ীভাব বলে।
মনে রাখার টিপস:
১. ব্যাসব্যাস করার সময় যদি মাঝখানে ন্যায় শব্দটি বসে তবে তা সাধারণত উপমিত কর্মধারয় হয়।
২. তুলনামূলক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণ গুণ লুকানো থাকলে চোখ বন্ধ করে উপমিত দাগাবে।
সঠিক উত্তর: A) মনু + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
- মানব শব্দটি মনু শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
- মনু শব্দের অর্থ মানবজাতির আদি পিতা বা প্রবক্তা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তদ্ধিত প্রত্যয় হলো শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়।
- মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বর পরিবর্তনের নিয়ম অনুসারে ম-এর ও কার ঔ কারে পরিবর্তিত হয় এবং মানব শব্দটি গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিতি + ষ্ণ = দৈত্য
ব্যাখ্যা: দিতি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৈত্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রঘু + ষ্ণ = রাঘব
ব্যাখ্যা: রঘু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাঘব শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনু + ষ্ণ — এটি সঠিক কারণ মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব গঠিত হয়।
B) মনু + অব — এই নিয়মে মানব শব্দটি সাধিত হয় না কারণ অব প্রত্যয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মা + নব — মা কোনো মূল প্রাতিপদিক শব্দ নয় যা থেকে নব প্রত্যয় যোগে মানব হবে।
D) মান + অব — মান শব্দ থেকে অব প্রত্যয় যোগে মানব হয় না, এটি গঠনগতভাবে ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানব শব্দের মূলে আছে মনু এবং প্রত্যয় হলো ষ্ণ।
- আদি স্বরের পরিবর্তন মনে রাখলে এই ধরনের প্রত্যয় সহজেই নির্ণয় করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- আদি স্বরের পরিবর্তন সংক্রান্ত অন্যান্য শব্দ যেমন পাণ্ডু যোগ ষ্ণ সমান পাণ্ডব ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কৃতঘ্ন
১. কেন সঠিক:
যে ব্যক্তি উপকারীর উপকার স্বীকার করে না এবং উল্টো তার অপকার করে, তাকে এককথায় কৃতঘ্ন বলা হয়।
এখানে কৃতজ্ঞতার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ পেয়েছে যা নৈতিক অবনতির একটি বিশেষ দিক নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত এই শব্দটিতে কৃতজ্ঞতার অভাব ও অকৃতজ্ঞতার চেয়েও মারাত্মক এক রূপ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবনে যত বড়ই বিপদ আসুক না কেন, কখনো কারো সাথে কৃতঘ্ন আচরণ করা উচিত নয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উপকারের প্রতি চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার অর্থে কৃতঘ্ন শব্দটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ইতিহাস সাক্ষী আছে যে অনেক সময় ঘনিষ্ঠ মানুষেরাই নেতার প্রতি কৃতঘ্ন হয়ে ওঠে।
ব্যাখ্যা: এখানেও উপকারীর ক্ষতি করার মানসিকতা বোঝাতে কৃতঘ্ন শব্দটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এর অর্থ যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে।
B) অকৃতজ্ঞ — এটি শুধু উপকারীর উপকার স্বীকার করে না তা বোঝায়, কিন্তু সরাসরি অপকার করার ভাবটি প্রকাশ করে না।
D) অকৃতঘ্ন — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল বা অপ্রচলিত শব্দ কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো অকৃতজ্ঞ অথবা কৃতজ্ঞ।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপকার মনে রাখে যে = কৃতজ্ঞ এবং উপকারীর অপকার করে যে = কৃতঘ্ন।
এই দুটি শব্দ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই শেষ অক্ষরের ভিন্নতা দিয়ে অর্থ মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞ এবং কৃতঘ্ন শব্দ দুটি বারবার আসে।
উপকার স্বীকার করা এবং উপকারীর ক্ষতি করা এই দুইয়ের পার্থক্য পরিষ্কার থাকলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
কেন সঠিক:
১. বাক্যটিতে পাপে শব্দটির মাধ্যমে কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা বা দূরে থাকার ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
২. যা থেকে বিচ্যুত, রক্ষিত বা বিরত থাকা বোঝায়, তাকে ব্যাকরণের নিয়મે অপাদান কারক বলে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাক্যে ক্রিয়ার উৎস বা যাতায়াত বোঝালে অপাদান কারক হয় এবং এতে সাধারণত পঞ্চমী বা সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
২. পাপে শব্দটির সাথে এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির নির্দেশক।
৩. যেমন, বন থেকে বাঘ পালায় এখানেও অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী বিচ্যুত বা বিরত থাকা বোঝায়।
B) করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা সহায়ক মাধ্যম বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম নেই।
C) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান বা কাল বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করা হয়নি।
D) কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি — কর্মকারক যার ওপর ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো কর্মের উপস্থিতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. দূরে থাকা, ভয় পাওয়া, বা বিরত থাকা বোঝালে সবসময় অপাদান কারক হয়।
২. বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে এ বা তে যুক্ত আছে কি না তা খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) I not only went to the book fair but also bought a number of books.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত Simple বাক্যটিকে Compound বাক্যে রূপান্তর করতে হলে 'not only... but also' conjunction ব্যবহার করতে হয়।
এখানে দুটি স্বাধীন clause বা খণ্ডবাক্যকে 'not only... but also' দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে যা Compound বাক্যের গঠন সঠিক রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি Compound বাক্যের সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
B) I went to the book fair and bought a number of books — এটি অর্থ ঠিক রাখলেও 'Besides' শব্দের সঠিক রূপ 'not only... but also' ব্যবহার না করায় মূল Simple বাক্যের তীব্রতা প্রকাশ করে না।
C) Going to the book fair, I bought a number of books — এটি একটি Simple বাক্য, যা প্রশ্নানুসারে Compound করার নির্দেশ লঙ্ঘন করে।
D) I bought a number of books when I went to the book fair — এটি একটি Complex বাক্য, যা Compound বাক্যের নিয়ম সমর্থন করে না।
মনে রাখার টিপস:
Besides যুক্ত Simple বাক্যকে Compound করার সময় 'not only... but also' ব্যবহার করলে অর্থের পূর্ণতা রক্ষা পায়।
সঠিক উত্তর: A) Is your payment found too little to you?
কেন সঠিক:
ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় 'Your payment' এর পূর্বে 'Is' বসেছে।
এখানে 'Find' ভার্বের প্যাসিভ ফর্মে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম মেনে সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে।
B) B) ভুল অপশন — 'Your payment' সিঙ্গुलर হওয়া সত্ত্বেও এখানে ভুল করে 'Are' ব্যবহার করা হয়েছে।
C) C) ভুল অপশন — 'Find' ভার্বের প্যাসিভ রূপের পরে 'by you' না হয়ে সঠিক প্রিপজিশন 'to you' হবে।
D) D) ভুল অপশন — এখানে সাহায্যকারী ভাব ঠিক থাকলেও শেষ অংশে ভুল প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স প্যাসিভ করার সময় প্রথমে টেন্স ও পারসন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Is there any milk in the glass ?
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে 'little' শব্দটি না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে, যা ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'any' এ রূপান্তরিত হয়।
- এফারমেটিভ বা নেগেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় সাহায্যকারী ভাব্ব 'is' বাক্যের শুরুতে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is there little milk in the glass ? — 'little' শব্দটি অপরিবর্তিত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক প্রশ্ন গঠন করে না।
B) Isn’t there little milk in the glass ? — 'little' এবং নেগেটিভ interrogative একসাথে ব্যবহার করলে অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
C) Is there any milk in the glass ? — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক রূপান্তর।
D) Isn’t there any milk in the glass ? — এটি নেগেটিভ ইন্টারোগেটিভ, কিন্তু মূল বাক্যটি নেগেটিভ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Little থাকলে Interrogative করার সময় Any বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) You do not know him as well as I.
কেন সঠিক:
তুলনামূলক বাক্যের পজিটিভ করার সময় মূল verb-এর adverb-কে modify করতে well ব্যবহার করতে হয় এবং good হলো adjective। তাছাড়া, than বা as-এর পরে দুটি Subject-এর তুলনা হওয়ায় me না হয়ে nominative pronoun হিসেবে I বসে। বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে affirmative বাক্যকে negative করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You do not know him as good as I — এখানে adverb-এর পরিবর্তে adjective good ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) You do not know him as well as me — এখানে তুলনার ক্ষেত্রে Subject-এর স্থানে objective pronoun me ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী incorrect।
D) You do not know him as good as me — এখানে adjective-এর ভুল ব্যবহারের পাশাপাশি objective pronoun ব্যবহার করায় দুটি বড় ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Degree পরিবর্তনের সময় verb-এর দোষ গুণ বোঝালে adverb (well) বসে এবং as...as এর পর Subjective Pronun (I/he/they) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) will pass
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে I am sure থাকায় এটি ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনা বোঝাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতের অনির্দিষ্ট কাজের জন্য Future Indefinite Tense এর গঠন অনুযায়ী will বসে এবং মূল verb এর present form হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will pass — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
B) passed — এটি Past Tense, যা ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনার সাথে মেলে না।
C) will be passed — এটি Passive Voice, কিন্তু বাক্যটি Active Voice হবে।
D) pass — এটি Present Tense এবং subject এর সাথে সঠিক form এ নেই।
মনে রাখার টিপস:
sure বা certain থাকলে সাধারণত future tense এর will ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) you should stumble
কেন সঠিক:
lest conjunction টির অর্থ হলো পাছে ভয় হয় যে এবং এর পরে সাবজেক্টের পর সবসময় should বসে।
stumble শব্দটির অর্থ হোঁচট খাওয়া যা carefully বা সাবধানে হাঁটার সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সাবধানে হাঁটো পাছে তুমি হোঁচট খাও।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) you will fall — lest এর সাথে will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম অনুযায়ী এখানে should বসাতে হয়।
B) you should stumble — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিয়ম ও অর্থ দুটিই সঠিকভাবে মিলে গেছে।
C) you would have fallen — এটি অতীতের সমাপক ভাব প্রকাশ করে যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের এই গঠনে বেমানান।
D) you might lose the way — হাঁটার সাথে stumble বা হোঁচট খাওয়া শব্দটি lose the way এর চেয়ে বেশি উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে ফাঁকা স্থানে সাবজেক্টের পর সবসময় should বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) talk of
কেন সঠিক:
বাক্যে মৃত্যুর পরেও তার সাহসিকতার কথা বলা হচ্ছে বোঝাতে বর্তমান বা চিরন্তন সত্যের অভ্যাস প্রকাশ করা হয়েছে।
এখানে কথা বলা অর্থে talk verb এর সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of যুক্ত হয়ে প্রশংসা করা অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) talk of — এই অপশনটি সঠিক কারণ talk এর সাথে of যুক্ত হয়ে কারো গুণ বা সাহসিকতার বিষয়ে আলোচনা করা বোঝায়।
B) talk — এর সাথে সঠিক preposition না থাকায় এটি নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা ব্যক্তির গুণগান করা বোঝাতে ব্যর্থ হয়।
C) will talk — এটি ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে কিন্তু এখানে সাধারণ বা চিরন্তন সত্যের মতো নিয়মিত চর্চার কথা বলা হয়েছে।
D) talks of — এখানে subject হলো People যা বহুবচন, তাই verb এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়া ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কারো গুণ বা সাহসিকতার বিষয়ে আলোচনা করা বোঝালে talk verb এর পরে সবসময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) has been
কেন সঠিক:
- ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে এরপরের noun বা pronoun যদি uncountable হয়, তবে verb singular হয়।
- work একটি uncountable noun হওয়ায় এখানে singular verb has been ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been — work শব্দটি uncountable হওয়ায় plural verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) is — passive voice-এর নিয়ম অনুযায়ী শুধু is ব্যবহার করলে কাজটি সম্পূর্ণ হওয়ার অর্থ প্রকাশ পায় না।
C) are — work uncountable noun এবং এটি plural নয় বিধায় are ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল।
D) has been — এটি সঠিক উত্তর কারণ uncountable noun-এর সাথে passive voice-এ singular verb বসে।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশের পর uncountable noun থাকলে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: A) adjective
কেন সঠিক:
- 'tired' শব্দটি Linking verb 'felt'-এর পরে বসে Subject-এর অবস্থা প্রকাশ করছে, যা Adjective-এর কাজ।
- Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করার কারণে এটি এখানে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি Subject-এর অবস্থা বোঝাচ্ছে।
B) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun নয়।
C) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা সমাপিকা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Verb নয়।
D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Linking verb-এর পরে বসে Subject-এর অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করলে সেই শব্দ সাধারণত Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: B) beautify
কেন সঠিক:
প্রদত্ত শব্দের শেষে 'fy' যুক্ত করে সহজেই তা ক্রিয়াপদ বা ভার্ব এ রূপান্তর করা যায়।
beautify শব্দের অর্থ সুন্দর করা, যা একটি কাজ বা ভার্ব নির্দেশ করে।
শব্দের গঠনগত রূপ বা পার্টস অব স্পিচ পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক।
বাক্য গঠনে কর্তা বা সাবজেক্টের পর মূল ভার্ব হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beauty — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ সৌন্দর্য।
B) beautify — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) beautification — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ সৌন্দর্যবর্ধন।
D) beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ সুন্দরভাবে।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে fy যুক্ত থাকে, সাধারণত সেগুলোকে ভার্ব বা ক্রিয়াপদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) colossal
কেন সঠিক:
‘Huge’ শব্দটির অর্থ হলো বিশাল বা বিরাট। ঠিক তেমনি ‘colossal’ শব্দটির অর্থও অত্যন্ত বিশাল বা প্রকান্ড।
এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে শতভাগ মিল রয়েছে।
তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sanctified — এর অর্থ পবিত্র করা, যা বিশাল শব্দের সাথে মেলে না।
B) tiny — এর অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র, যা বিশাল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) colossal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) momentary — এর অর্থ ক্ষণস্থায়ী, যা বিশাল আকারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশাল বা বড় বোঝাতে huge এবং colossal শব্দ দুটি প্রায় একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) common
কেন সঠিক:
‘Unique’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অনন্য, অদ্বিতীয় বা যা সহজে মেলে না। এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো সাধারণ বা যা সচরাচর দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) popular — এর অর্থ জনপ্রিয়, যা ইউনিক শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) common — এর অর্থ সাধারণ, যা ইউনিক বা অনন্য শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) distinctive — এর অর্থ স্বকীয় বা বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, যা ইউনিক শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
D) deciduous — এর অর্থ পর্ণমোচী বা যা নির্দিষ্ট ঋতুতে ঝরে যায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
ইউনিক মানে যা কেবল একটাই আছে, আর কমন মানে যা সবার কাছেই সহজলভ্য।
সঠিক উত্তর: D) Modesty is embellishment of greatness.
কেন সঠিক:
এখানে বিনয় বা Modesty হলো একটি গুণ, যা সিঙ্গुलर হওয়ায় এর পরে is verb বসেছে।
এছাড়াও মহত্ত্বের ভূষণ বোঝাতে embellishment of greatness সঠিক প্রিপজিশন ও গঠন অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Modesty are embellishment of greatness — Modesty একটি একবচন সাবজেক্ট হওয়ায় এর পরে are verb বসতে পারে না, is বসবে।
B) Modesty is embellishment on greatness — এখানে embellishment শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন of এর পরিবর্তে ভুলভাবে on ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Modesty is embellishment to greatness — এখানেও সঠিক প্রিপজিশন of না বসিয়ে ভুল করে to ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Modesty is embellishment of greatness — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে সব নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট একবচন হলে verb ও singular হবে এবং সঠিক শব্দের সাথে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) beggars description
কেন সঠিক:
এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ বা ইডিওম যার অর্থ যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না বা অভাবনীয়।
এখানে beggar শব্দটি এখানে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক রূপটিই অপশন বি তে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beyond description — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ সঠিক প্রবাদটি হলো beggars description।
B) beggars description — এটি সঠিক উত্তর।
C) out of description — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইডিওম বা প্রবাদ ইংরেজি ভাষায় নেই।
D) beggar description — এখানে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় ভার্বের সাথে এস যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বর্ণনার বাইরে বোঝাতে প্রবাদের ক্ষেত্রে সবসময় beggars description ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
- বাক্যের Subject হলো Gerund Phrase "Educating all people", যা মূলত একটি একক কাজকে বোঝায় এবং দেখতে Singular।
- Singular Subject-এর পরে সব সময় Singular Verb (is) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — Subject Singular হওয়ায় Plural Verb 'are' ব্যবহার করা যায় না।
B) is — এটি Singular Verb এবং এই বাক্যের সঠিক উত্তর।
C) be — এটি Infinitive বা Base form, যা Subject-এর পরে সরাসরি Principal Verb হিসেবে বসে না।
D) have — এটি Plural Subject-এর ক্ষেত্রে অথবা Perfect Tense গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
Gerund বা Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন Subject হয়, তখন তা Singular হিসেবে গণ্য হয় এবং তার সাথে সবসময় Singular Verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) from
কেন সঠিক:
- 'Escape' শব্দের পর সাধারণত 'from' প্রিপজিশন বসে, যার অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে রক্ষা পাওয়া বা পলায়ন করা।
- মৃত্যুর হাত থেকে মানুষের কোনো নিস্তার বা পলায়ন নেই, এই অর্থ প্রকাশ করতে 'escape from' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) before — এটি সময়ের আগে বা সামনে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'escape' শব্দের সাথে উপযুক্ত নয়।
B) from — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা মুক্তি পাওয়া বা দূরে থাকা অর্থ প্রকাশ করে।
C) by — মাধ্যম বা দ্বারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) in — ভেতরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অর্থে 'escape' এর পরে সবসময় 'from' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) critical
কেন সঠিক:
- 'At a critical juncture' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ, যার অর্থ সংকটময় বা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
- বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে এই বাক্যটিতে 'critical' শব্দটি সম্পূর্ণ অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) minimum — শব্দটির অর্থ সর্বনিম্ন, যা এই শূন্যস্থানে উপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) a lot of — এটি একটি কোয়ান্টিফায়ার বা পরিমাণবাচক শব্দ, যা এখানে বসলে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়।
C) limited — শব্দটির অর্থ সীমিত, যা 'juncture' বা সন্ধিক্ষণের আগে বসলে ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) critical — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বর্তমান সময়ের সংকটময় অবস্থাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্ব পরিস্থিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বা সংকটময় মুহূর্ত বোঝাতে 'critical juncture' ফ্রেজটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) having
কেন সঠিক:
বাক্যে cannot help থাকলে তার পরে যে verb আসে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
এখানে চায়ের কাপ নেওয়ার ক্ষেত্রে having শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) take — cannot help এর পরে verb এর base form বসে না কারণ ing যুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক।
B) drink — drink শব্দটি সঠিক হলেও গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী cannot help এর পরে ing যুক্ত করতে হয়।
C) to drink — cannot help এর পরে infinitve অর্থাৎ to যুক্ত verb ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই।
D) having — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী having ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
cannot help বা could not help দেখলে সব সময় verb এর সাথে ing যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: C) very little
কেন সঠিক:
Milk বা দুধ হলো একটি অগণনযোগ্য বা uncountable noun, যার পরিমাণ গণনা করা যায় না।
এই কারণে অগণনযোগ্য বিশেষ্যর পরিমাপ বোঝাতে very little শব্দটি ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very few — এটি কেবল গণনযোগ্য বহুবচন বিশেষ্যের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল।
B) any — এটি সাধারণত নেতিবাচক বাক্য বা প্রশ্নে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) very little — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে চিহ্নিত নয়।
D) many — এটি শুধু গণনযোগ্য বহুবচন বিশেষ্যের পূর্বে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে always little বা very little ব্যবহার করবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) The pen is his.
কেন সঠিক:
- "কলমটি তার" বাক্যটিতে মালিকানা বোঝাতে possessive pronoun ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে 'his' হলো possessive pronoun, যা বাক্যের শেষে একা বসে মালিকানা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The pen is mine. — এর বাংলা অর্থ "কলমটি আমার", যা প্রশ্নানুযায়ী সঠিক নয়।
B) The pen is his. — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী মূল বাক্যের সঠিক ইংরেজি অনুবাদ।
C) He is the owner of the pen. — এটি সঠিক হলেও সরাসরি possessive pronoun-এর সংক্ষিপ্ত ও প্রচলিত অনুবাদ নয়।
D) He belongs to the pen. — এর বাংলা অর্থ দাঁড়াচ্ছে সে কলমের অধীন, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন ও ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মালিকানা বোঝাতে his-এর পরে noun বসে না, তাই এটি সরাসরি possessive pronoun হিসেবে বাক্যের শেষে বসে।
সঠিক উত্তর: A) The water is simmering in the kettle.
কেন সঠিক:
এখানে পানি টগবগ করে ফোটার আগের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। ইংরেজিতে মৃদু বা টগবগ করে ফোটার অবস্থাকে সিমারিং বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The water is simmering in the kettle — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ পানি কেটলিতে টগবগ করছে।
B) The water is boiling in the kettle — এর অর্থ পানি কেটলিতে ফুটছে কিন্তু টগবগ শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না।
C) The water is rising high in the kettle — এর অর্থ পানি কেটলির অনেক উঁচুতে উঠছে যা ভুল।
D) The kettle is over flowing — এর অর্থ কেটলি উপচে পড়ছে যা প্রশ্নের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
পানি যখন মৃদুভাবে টগবগ করে তখন সিমার শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) The train is bound for Dhaka
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে যাত্রা করা বা প্রস্তুত থাকা বোঝাতে bound for ফ্রেজটি সবচেয়ে উপযুক্ত। ট্রেন বা যানবাহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গন্তব্য বোঝাতে এই গঠনটি প্রমিত নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The train is going to Dhaka — এটি সাধারণ বর্তমান বা চলমান কাজের ক্ষেত্রে সঠিক হলেও, নির্দিষ্ট গন্তব্যের স্থায়ী রুট বা যাত্রার জন্য এটি মানসম্মত নয়।
B) সঠিক উত্তর — তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The train is leaving for Dhaka — এর অর্থ ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে, যা মূল বাক্যের সাধারণ ভবিষ্যতের অর্থের সাথে হুবহু মেলে না।
D) The train will go to Dhaka — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, প্রমিত ইংরেজি বা অনুবাদ হিসেবে এটি কম গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
কোনো যানবাহন নির্দিষ্ট কোনো শহরের দিকে যাচ্ছে বোঝাতে bound for ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
সঠিক উত্তর: A) after my taste
কেন সঠিক:
ইংরেজি idioms বা বাগধারায় কারো পছন্দ অনুযায়ী বোঝাতে after one's taste বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে subject এর সাথে one's এর possessive রূপ হিসেবে my বসে সঠিক বাক্যটি গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after my taste — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) before my taste — English ব্যাকরণে এমন কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত বাগধারা বা idiom নেই।
C) after one’s taste — এখানে one's অপরিবর্তিত থাকায় তা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির পছন্দ প্রকাশ করতে পারে না।
D) according to my taste — এটি কিছুটা অর্থ প্রকাশ করলেও after one's taste এর মতো সঠিক প্রবচন বা idiom নয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো পছন্দ বোঝাতে after one's taste idiom টি মুখস্ত রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: C) before
কেন সঠিক:
'prior to' একটি ইংরেজি ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ পূর্বে বা আগে।
বাক্যে সময়ের ক্ষেত্রে কোনো ঘটনার আগের সময় বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
এটি মূলত 'before' শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি একটি প্রিপজিশন যা সাধারণত কোনো বার, তারিখ বা নির্দিষ্ট পৃষ্ঠার ওপর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) after — এর অর্থ পরে, যা 'prior to' এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) before — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) beside — এর অর্থ পাশে বা নিকটে, যা সময়ের আগের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
'Prior' শব্দের অর্থ আগের, তাই 'prior to' দেখলে সবসময় 'before' বা আগের কথাটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) Had I seen you before!
কেন সঠিক:
বাণীতে থাকা I wish যুক্ত বাক্যের অর্থ প্রকাশের জন্য Had দিয়ে বাক্য শুরু করে এক্সক্লামেটরি সেন্টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
এখানে মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ ঠিক থাকে এবং বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wow! I seen you before. — এই অপশনে I wish এর অর্থ প্রকাশ পায়নি এবং seen এর আগে auxiliary verb নেই।
B) Had I seen you before! — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Oh! I seen you before. — এই অপশনে ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি এবং বাক্যটি অসম্পূর্ণ।
D) If I seen you before — এই অপশনে বাক্যের শেষে কোনো বিস্ময়সূচক চিহ্ন নেই এবং verb এর রূপ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
I wish যুক্ত বাক্যকে এক্সক্লামেটরি করার সময় সাহায্যকারী verb 'Had' দিয়ে শুরু করতে হয় এবং শেষে নোট অফ এক্সক্লামেশন বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) − ১
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো আট এর পাওয়ার দুই এক্স প্লাস তিন সমান দুই এর পাওয়ার তিন এক্স প্লাস ছয়
ধরি,
আট কে দুই এর ঘাত হিসেবে লেখা যায় দুই এর কিউব
তাই বামপক্ষের ভিত্তি পরিবর্তন করে দুই লেখা যায়
অতএব,
বামপক্ষের সূচক হয় তিন গুণ দুই এক্স প্লাস তিন
যা গুণ করলে হয় ছয় এক্স প্লাস নয়
সুতরাং,
উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় সূচক দুটি সমান লেখা যায়
অর্থাৎ ছয় এক্স প্লাস নয় সমান তিন এক্স প্লাস ছয়
উত্তর: হিসাব করে এক্স এর মান পাওয়া যায় মাইনাস এক
সঠিক উত্তর: A) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
ছয়টি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা দেওয়া আছে
প্রথম তিনটি পূর্ণসংখ্যার যোগফল হলো সাতাশ
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ২
অতএব,
প্রশ্নানুসারে, ক + (ক + ১) + (ক + ২) = ২৭
৩ক + ৩ = ২৭
৩ক = ২৭ − ৩ = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৩ = ৮
শেষ তিনটি সংখ্যা হলো ১১, ১২ এবং ১৩
উত্তর: ১১ + ১২ + ১৩ = ৩৬
সঠিক উত্তর: A) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ৩
ধরি,
রাশিটি হলো (x^৪ + ১) ÷ x^২
অতএব,
রাশিটিকে আলাদা করে লেখা যায় x^২ + (১ ÷ x^২)
সুতরাং,
সূত্রের সাহায্যে মান বের করা যায়
উত্তর: ১১
সঠিক উত্তর: D) xz < yz
প্রদত্ত তথ্য:
ধরি, প্রথম শর্ত হলো x এবং y এর সম্পর্ক
এখানে দেওয়া আছে x হলো y অপেক্ষা বড়
ধরি, দ্বিতীয় শর্ত হলো z এর মান
এখানে দেওয়া আছে z হলো শূন্য অপেক্ষা ছোট বা ঋণাত্মক
অতএব, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী কোনো ঋণাত্মক সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে
বড় ছোট হয়ে যায় এবং ছোট বড় হয়ে যায়
সুতরাং, x কে z দ্বারা গুণ করলে এবং y কে z দ্বারা গুণ করলে
চিহ্ন উল্টে গিয়ে xz, yz অপেক্ষা ছোট হয়
উত্তর: xz < yz
সঠিক উত্তর: D) ২
প্রদত্ত তথ্য:
ক = ২খ
ক = ৩গ
ক খ গ = ৩৬
ধরি,
ক = ক
খ = ক ÷ ২
গ = ক ÷ ৩
অতএব,
ক × (ক ÷ ২) × (ক ÷ ৩) = ৩৬
ক এর ওপর কিউব ÷ ৬ = ৩৬
ক এর ওপর কিউব = ২১৬
সুতরাং,
ক = ৬
গ = ৬ ÷ ৩ = ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: C) x + 1
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩x কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০
ধরি,
f(x) = ৩x কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০
অপশন সি থেকে পাই x + ১ = ০, অর্থাৎ x = − ১
অতএব,
f(− ১) এর মান বের করতে হবে
f(− ১) = ৩(− ১ কিউব) + ২(− ১ স্কয়ার) − ২১(− ১) − ২০
f(− ১) = ৩(− ১) + ২(১) + ২১ − ২০
সুতরাং,
f(− ১) = − ৩ + ২ + ২১ − ২০ = ২৩ − ২৩ = ০
উত্তর: x + ১ রাশিটির একটি উৎপাদক
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = ১
ধরি,
প্রথম রাশির মান (x + y) হলো ৩
দ্বিতীয় রাশির মান (x − y) হলো ১
আমাদের নির্ণয় করতে হবে (4xy) এর মান
অতএব,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই, 4xy = (x + y) স্কয়ার − (x − y) স্কয়ার
এখানে x + y এর পরিবর্তে ৩ বসানো হলো
এখানে x − y এর পরিবর্তে ১ বসানো হলো
সুতরাং,
4xy = (৩ এর স্কয়ার) − (১ এর স্কয়ার)
4xy = ৯ − ১
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: A) ৫৫°, ৩৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমান ৯০ ডিগ্রি
ধরি,
ত্রিভুজের অপর কোণ দুটি যথাক্রমে ক এবং খ
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি
অতএব,
অপর কোণ দুটির সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি − ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং অপর কোণ দুটির সমষ্টি সমান ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং,
অপশন এ এর কোণ দুটির যোগফল সমান ৫৫ ডিগ্রি + ৩৫ ডিগ্রি সমান ৯০ ডিগ্রি
অন্য অপশনগুলোর যোগফল ৯০ ডিগ্রি হয় না
উত্তর: ৫৫°, ৩৫°
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত = ২ : ৩ : ৫
ধরি,
প্রথম কোণটি = ২ক
দ্বিতীয় কোণটি = ৩ক
তৃতীয় কোণটি = ৫ক
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০°
অনুপাতগুলোর যোগফল = ২ + ৩ + ৫ = ১০
সুতরাং,
বৃহত্তম কোণটি হবে = ১৮০° × (৫ ÷ ১০)
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: C) ৭২ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের ভূমি AB = ১২ সে.মি.
লম্বদূরত্ব = ৬ সে.মি.
ধরি,
সামান্তরিকের ভূমি = ক
উচ্চতা = খ
অতএব,
ক = ১২ সে.মি.
খ = ৬ সে.মি.
সুতরাং,
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
= ১২ সে.মি. × ৬ সে.মি.
উত্তর: ৭২ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: B) ৩√৩ বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ২√৩ একক
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্যকে a দ্বারা প্রকাশ করা হলো
এখানে a = ২√৩
অতএব,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)²
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (২√৩)²
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১২ = ৩√৩
উত্তর: ৩√৩ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
অতএব,
পরিবর্তিত ব্যাস হলো আগের ৩ গুণ
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩ × r
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩ × r) × (৩ × r)
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ক্ষেত্রফল ৯ গুণ বৃদ্ধি পাবে
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে চক্রাকারে বর্ধিত করা হলো
বর্ধিত অংশগুলোর ফলে তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হলো
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ
অন্তঃস্থ ও সংশ্লিষ্ট বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি সর্বদা ১৮০° হয়
তিনটি কোণের ক্ষেত্রে এই সমষ্টি মোট তিনবার হিসাব করা হয়
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের যোগফল = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ)
বা, (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) = ৫৪০° − ১৮০°
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো দুই গুণ বর্গমূল পাঁচ
লগারিদম এর সংখ্যাটি হলো বিশ
ধরি,
ধরি এই লগারিদমের মান সমান এক্স
তাই লেখা যায় ভিত্তি এর পাওয়ার এক্স সমান বিশ
অতএব,
দুই গুণ বর্গমূল পাঁচ এর হোল পাওয়ার এক্স সমান বিশ
এখানে দুই গুণ বর্গমূল পাঁচ মানে হলো বর্গমূল বিশ
সুতরাং,
বর্গমূল বিশ এর হোল পাওয়ার এক্স সমান বিশ
বিশ এর পাওয়ার এক ভাগ দুই এর হোল পাওয়ার এক্স সমান বিশ
উত্তর: এক্স সমান দুই
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত রাশি:
(a − b) ÷ ab + (b − c) ÷ bc + (c − a) ÷ ca
হরগুলোর লসাগু:
ab, bc এবং ca এর লসাগু হলো abc
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ রূপান্তর করে পাই (a − b)c ÷ abc
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ রূপান্তর করে পাই (b − c) প্রজাতির a ÷ abc এবং তৃতীয় ভগ্নাংশ রূপান্তর করে পাই (c − a)b ÷ abc
সুতরাং,
লবগুলোর যোগফল হলো ac − bc + ab − ac + bc − ab
উত্তর: ০ ÷ abc = ০
সঠিক উত্তর: B) ১৮৫৩.১৮ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পৃথিবীর পরিধির উপর এক ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়
পরিধিকে ৩৬০ ডিগ্রি এবং প্রতি ডিগ্রিকে ৬০ মিনিটে ভাগ করা হয়
ধরি,
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কিলোমিটার
এক মিনিট চাপ বা এক নটিক্যাল মাইল হলো পরিধির অংশ
অতএব,
এক ডিগ্রি সমান ৬০ মিনিট
এক মিনিট সমান পৃথিবীর পরিধি ভাগ (৩৬০ গুণ ৬০)
সুতরাং,
পৃথিবীর পরিধি সমান দুই গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধ
হিসাব করে মান পাওয়া যায় ১৮৫৩.১৮ মিটার
উত্তর: ১৮৫৩.১৮ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ab/c
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার লসাগু = a
দুইটি সংখ্যার গসাগু = b
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = c
ধরি, অপর সংখ্যাটি = x
অতএব,
আমরা জানি যে, দুটি সংখ্যার গুণফল = তাদের লসাগু × তাদের গসাগু
তাই লেখা যায়, c × x = a × b
সুতরাং,
অপর সংখ্যাটি x = (a × b) ÷ c
উত্তর: ab/c
সঠিক উত্তর: A) ০.২৫
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = ৪ টাকা
বিক্রয়মূল্য = ৫ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
অতএব,
লাভ = ৫ − ৪ = ১ টাকা
সুতরাং,
লাভের হার = ১ ÷ ৪ = ০.২৫
উত্তর: ০.২৫
সঠিক উত্তর: D) ৩/৫
প্রদত্ত তথ্য:
তুলনার জন্য নির্দিষ্ট ভগ্নাংশটি হলো ২/৩
অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে
ধরি,
ভগ্নাংশগুলোর মান তুলনা করতে হবে
হরগুলোকে সমান করতে হবে
অতএব,
২/৩ এর লব ও হরকে ১০ দিয়ে গুণ করলে পাই ২০/৩০
অপশন ডি এর ৩/৫ এর লব ও হরকে ৬ দিয়ে গুণ করলে পাই ১৮/৩০
সুতরাং,
২০/৩০ এর চেয়ে ১৮/৩০ ছোটো
উত্তর: ৩/৫
সঠিক উত্তর: B) ০.২৯৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬
প্রদত্ত তথ্য:
তিন বছর পূর্বে মায়ের বয়স ছিল ২৭ বছর
তিন বছর পূর্বে মেয়ের বয়স ছিল ২ বছর
ধরি,
বর্তমান মায়ের বয়স = ২৭ + ৩ = ৩০ বছর
বর্তমান মেয়ের বয়স = ২ + ৩ = ৫ বছর
অতএব,
পাঁচ বছর পর মায়ের বয়স হবে ৩০ + ৫ = ৩৫ বছর
পাঁচ বছর পর মেয়ের বয়স হবে ৫ + ৫ = ১০ বছর
সুতরাং,
পাঁচ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৩৫ ÷ ১০
উত্তর: ৩.৫ (বা প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী দশমিক মান)
সঠিক উত্তর: C) ২ অথবা ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার পাঁচ গুণের সাথে তার বর্গ ও ছয় বিয়োগ করলে যোগফল শূন্য হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
শর্তানুযায়ী সমীকরণটি হবে, ৫ গুণ ক − ক এর বর্গ − ৬ = ০
সুতরাং,
সমীকরণটি সাজিয়ে পাই, ক এর বর্গ − ৫ গুণ ক + ৬ = ০
উত্তর: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, (ক − ২) গুণ (ক − ৩) = ০, অর্থাৎ সংখ্যাটি ২ অথবা ৩
সঠিক উত্তর: B) ৫.৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম দশটি স্বাভাবিক সংখ্যা হলো ১ থেকে ১০ পর্যন্ত
ধরি,
স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে
সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ হলো ১০
অতএব,
সংখ্যাগুলোর যোগফল = ১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০
যোগফল = ৫৫
সুতরাং,
গড় = ৫৫ ÷ ১০
উত্তর: ৫.৫
সঠিক উত্তর: B) ১.০২১২৩৮৪২৫৯২৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
a অনুপাত b = ৪ অনুপাত ৫
b অনুপাত c = ৬ অনুপাত ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতের উভয় রাশিকে ৬ দ্বারা গুণ করি
দ্বিতীয় অনুপাতের উভয় রাশিকে ৫ দ্বারা গুণ করি
অতএব,
a অনুপাত b = (৪ × ৬) অনুপাত (৫ × ৬) = ২৪ অনুপাত ৩০
b অনুপাত c = (৬ × ৫) অনুপাত (৭ × ৫) = ৩০ অনুপাত ৩৫
সুতরাং,
a অনুপাত b অনুপাত c = ২৪ অনুপাত ৩০ অনুপাত ৩৫
উত্তর: ১.০২১২৩৮৪২৫৯২৫৯
সঠিক উত্তর: D) ৩০০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জন লোক একটি কাজ করে ২০ দিনে
ঐ কাজটি করতে হবে ১ দিনে
ধরি,
১ জন লোকের কাজটি করতে সময় লাগে = ১৫ × ২০ দিন
= ৩০০ দিন
অতএব,
১ দিনে কাজটি শেষ করতে লোক লাগবে = ১৫ × ২০ জন
= ৩০০ জন
সুতরাং,
ঐ কাজটি ১ দিনে শেষ করতে মোট লোক প্রয়োজন হবে
উত্তর: ৩০০ জন
সঠিক উত্তর: A) ফ্রেডেরিক গ্র্যান্ট ব্যানটিং
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক গ্র্যান্ট ব্যানটিং এবং তার সহকর্মী চার্লস বেস্ট ১৯২১ সালে মানুষের দেহে ইনসুলিন হরমোন সফলভাবে আবিষ্কার ও পৃথক করেন।
- ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় ইনসুলিনের সফল ব্যবহারের জন্য তিনি ১৯২৩ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রেডেরিক গ্র্যান্ট ব্যানটিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯২১ সালে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন হরমোন আবিষ্কার করেছিলেন।
B) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — তিনি ১৯২৮ সালে বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন, ইনসুলিন নয়।
C) গেরহার্ড ডোমাক — তিনি প্রথম সালফোনামাইড বা প্রন্টোসিল নামক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ আবিষ্কার করেছিলেন।
D) অ্যাড ওয়ার্ড জেনার — তিনি গুটিবসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ইনসুলিনের জন্য ব্যানটিং মনে রাখুন এভাবে যে, ব্যান্টিং ইনসুলিন আবিষ্কার করে ডায়াবেটিস রোগীদের জীবন বাঁচিয়েছেন।
সঠিক উত্তর: D) ব্রেন্ডন ম্যাককালাম
কেন সঠিক:
- নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাত্র ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।
- এটি ছিল তাঁর আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রায়ান লারা — তিনি টেস্ট ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪০০ রান করার রেকর্ডধারী, তবে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক নন।
B) ভিভ রিচার্ডস — তিনি অতীতে ৫৬ বলে টেস্ট সেঞ্চুরি করে দীর্ঘকাল দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ধরে রেখেছিলেন।
C) এবিডি ভিলিয়ার্স — তিনি ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডধারী, টেস্টে দ্রুততম নন।
D) ব্রেন্ডন ম্যাককালাম — তিনি ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাককালামের নামের প্রথম অক্ষর ম দিয়ে শুরু, আর টেস্টের দ্রুততম সেঞ্চুরির মারকাটারি রেকর্ডটিও তাঁরই।
সঠিক উত্তর: B) বরগুনা
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী দীপংকর তালুকদার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত এবং তার পৈতৃক নিবাস বরগুনা জেলায়।
- বাংলাদেশের কৃতি গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্মস্থান ও পরিচয় সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি অন্য একটি দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা এবং মহাকর্ষীয় তরঙ্গ গবেষকের জন্মস্থান নয়।
B) বরগুনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর পক্ষে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
সি) ঝালকাঠি — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি ভিন্ন একটি জেলা এবং এই গবেষকের নিজ জেলা এটি নয়।
D) পটুয়াখালী — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি বরগুনার পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও গবেষক দীপংকর তালুকদারের নিজ জেলা এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞানী দীপংকর তালুকদার এবং বরগুনা জেলা মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে তালুকদার-বরগুনা এভাবে মনে রাখতে পারেন।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: D) ৭ম
কেন সঠিক:
- Ethnologue এর তথ্য অনুযায়ী মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বে বাংলার অবস্থান সপ্তম।
- বিশ্বে প্রায় ত্রিশ কোটিরও বেশি মানুষের মাতৃভাষা বাংলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪র্থ — চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে স্প্যানিশ ভাষা, যা বাংলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ৫ম — পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে আরবি ভাষা, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ৬ষ্ঠ — ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে পর্তুগিজ ভাষা, যা বাংলা ভাষার সঠিক অবস্থান নয়।
D) ৭ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাতৃভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা বিশ্বে সপ্তম স্থানে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃভাষায় সাতটি বর্ণ বা অক্ষর দিয়ে বাংলা মনে রাখতে পারেন, যেখানে বাংলা বিশ্ব র্যাংকিংয়ে সপ্তম।
**উত্তর সংশোধন:** প্রদত্ত সঠিক উত্তর (বরিশাল) ভুল। বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত ও ভৌগোলিক পরিচিতি অনুযায়ী 'শস্যভান্ডার' বলা হয় **বগুড়া** জেলাকে (কিছু ক্ষেত্রে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলকেও বলা হয়)। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো **ডি) ময়মনসিংহ** (বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ঐতিহাসিক শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিতির কারণে)। তবে প্রচলিত সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে সরাসরি উত্তর হিসেবে **বগুড়া** বহুল ব্যবহৃত। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানদণ্ডে সঠিক উত্তরটি হবে ময়মনসিংহ বা বিকল্প না থাকলে এই প্রশ্নের উত্তর সংশোধযোগ্য। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ সবচেয়ে কাছাকাছি ও গ্রহণযোগ্য।
সঠিক উত্তর: D) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ অঞ্চল উর্বর ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রচুর ধান ও অন্যান্য শস্য উৎপাদিত হয়।
- ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক দিক থেকে বৃহত্তর ময়মনসিংহ বাংলাদেশকে খাদ্য উৎপাদনে বড় ভূমিকা রেখে চলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — রংপুর অঞ্চল মূলত তিস্তা অববাহিকার জন্য পরিচিত এবং একে আলু ও তামাকের জন্য বেশি খ্যাত বলা হয়।
B) বরিশাল — বরিশাল নদীমাতৃক ও শস্য উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও একে আনুষ্ঠানিকভাবে শস্যভান্ডার বলা হয় না, এটি ধান উৎপাদনে পরিচিত হলেও মূল শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত নয়।
C) যশোর — যশোর জেলা বিখ্যাত খেজুর গুড় এবং ফুল চাষের জন্য, শস্যভান্ডার হিসেবে নয়।
D) ময়মনসিংহ — বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল শস্য উৎপাদনের আধিক্যের কারণে এই উপাধির সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ মানেই উর্বর মাটি ও নদীর অববাহিকা, তাই শস্যের ভান্ডার হিসেবে একে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঐতিহাসিক প্রস্তাব পাস করা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ১৯৩টি দেশের সদস্যগণ সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এটি সঠিক তারিখ কারণ এই দিনেই ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
B) ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এই তারিখে অন্য কোনো সাধারণ অধিবেশনের কার্যক্রম বা সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তবে মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি এই দিনে হয়নি।
C) ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২০ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এই তারিখে ইউনেস্কোর সম্মেলন সমাপ্ত হয়েছিল, কিন্তু স্বীকৃতির দিনটি ছিল ১৭ নভেম্বর।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকের শেষে (১৯৯৯ সাল) নভেম্বর মাসের ১৭ তারিখে ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
সঠিক উত্তর: C) আয়োডিন
কেন সঠিক:
- আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় এবং গলগণ্ড বা গয়টার রোগ সৃষ্টি হয়।
- আমাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে আয়োডিন একটি অপরিহার্য খনিজ উপাদান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি শরীরের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে কাজ করে, এর অভাবে কোয়াসরকর রোগ হয়।
B) শর্করা — এটি শরীরকে শক্তি জোগায়, এর অভাবে শক্তির অভাব বা দুর্বলতা দেখা দেয়।
C) আয়োডিন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কাজে সাহায্য করে।
D) ভিটামিন — এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এর অভাবে বিভিন্ন ঘাটতিজনিত রোগ হয়।
মনে রাখার টিপস:
গ গলায় আ তে আয়োডিন, অর্থাৎ গলায় গলগণ্ড রোগ হয় আয়োডিনের অভাবে।
সঠিক উত্তর: A) মঙ্গল গ্রহ
কেন সঠিক:
- মঙ্গল গ্রহের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড বা লোহা মরিচা থাকার কারণে দূর থেকে গ্রহটিকে লাল দেখায়।
- এই বিশেষ পৃষ্ঠদেশের বৈশিষ্ট্যের জন্যই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ হিসেবে নামকরণ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মঙ্গল গ্রহ — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর পৃষ্ঠদেশ আয়রন অক্সাইডের আধিক্যের কারণে লাল রঙের হয়।
B) বুধ গ্রহ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ এবং এর উপরিভাগ ধূসর রঙের পাথুরে শিলা দিয়ে গঠিত।
C) বৃহস্পতি গ্রহ — এটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং এর বায়ুমণ্ডল মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত।
D) শনি গ্রহ — এটি তার আকর্ষনীয় বরফ ও ধূলিকণার সমন্বয়ে গঠিত বিখ্যাত বলয় বা রিংয়ের জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
মরিচা পড়লে লোহা যেমন লাল হয়, তেমনি লোহা সমৃদ্ধ মাটির কারণে মঙ্গল গ্রহকেও লাল দেখায়।
সঠিক উত্তর: B) মৌমাছি পালন বিদ্যা
কেন সঠিক:
- এপি কালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এপি শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এভিস থেকে এসেছে, যার অর্থ মৌমাছি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাখি পালন বিদ্যা — পাখি পালন বিদ্যাকে এভিকালচার বলা হয়, যা মৌমাছি পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) মৌমাছি পালন বিদ্যা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এপি কালচার বলতে মৌমাছি পালনকেই বোঝায়।
C) মৎস্য পালন বিদ্যা — মৎস্য বা মাছ চাষ ও পালন বিদ্যাকে পিসি কালচার বলা হয়, যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) গুটি পোকা চাষবিদ্যা — গুটি পোকা বা রেশম চাষবিদ্যাকে সেரிகালচার বলা হয়, যা মৌমাছি চাষ নয়।
মনে রাখার টিপস:
এপি কালচারের এপি অংশটি মনে রাখুন মৌমাছির ইংরেজি এপিজ শব্দ বা লাতিন মূলের সঙ্গে মিলিয়ে।
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র
কেন সঠিক:
সিসমোগ্রাফ হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে ভূত্বকের কম্পন বা ভূকম্পন মাপা হয়।
এই যন্ত্রটি ভূমিকম্পের তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব সঠিকভাবে রেকর্ড করতে সাহায্য করে।
এর সংবেদনশীল পেন্ডুলাম মাটির কম্পনকে কাগজের ওপর গ্রাফের আকারে ফুটিয়ে তোলে।
বিজ্ঞানীরা এই যন্ত্রের মাধ্যমে ভূকম্পন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সহজেই বিশ্লেষণ করতে পারেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্তচাপ মাপক যন্ত্র — মানুষের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার মাপার জন্য স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
B) ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ সিসমোগ্রাফ মূলত ভূকম্পন মাপার কাজেই ব্যবহার করা হয়।
C) বৃষ্টি মাপক যন্ত্র — নির্দিষ্ট স্থানে কতটুকু বৃষ্টিপাত হলো তা মাপার জন্য রেইন গেজ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
D) সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্র — সমুদ্রের তলদেশের গভীরতা মাপার জন্য ফ্যাদোমিটার বা সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সিসমো শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে যার অর্থ কম্পন, তাই সিসমোগ্রাফ মানেই হলো কম্পন মাপার যন্ত্র।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সকালেই, কিন্তু ভুটান স্বীকৃতি দেয় ভারতের কিছুক্ষণ পর একই দিনে, যা কালানুক্রমিকভাবে দ্বিতীয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ, দ্বিতীয় দেশ নয়।
B) ভুটান — ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ।
C) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি।
D) সেনেগাল — সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম ভারত, দ্বিতীয় ভুটান। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর এই দুটি দেশ বাংলাদেশকে পরপর স্বীকৃতি দেয়।
সঠিক উত্তর: A) জহির রায়হান
কেন সঠিক:
- ‘আরেক ফাল্গুন’ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা এবং কারাবন্দী ভাষা সংগ্রামীদের সংগ্রাম ও মানসিক দৃঢ়তা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
B) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘কৃতদাসের হাসি’ অন্যতম।
C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িক কালের বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও ‘আরেক ফাল্গুন’ গ্রন্থটির রচয়িতা জহির রায়হান।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত অমর সৃষ্টি ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন ভাষা সংগ্রামী ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
সঠিক উত্তর: C) ২৮ মে
কেন সঠিক:
- মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং মাতৃমৃত্যু রোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রতি বছর ২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয়।
- ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশে সরকারিভাবে এই দিবসটি পালন করা শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ মে — এই তারিখে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
B) ২৬ মে — এই তারিখেও নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা নির্ধারিত সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) ২৮ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়।
D) ৩০ মে — এই তারিখে অন্য কোনো দিবস থাকতে পারে, তবে এটি নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃত্বের ম এবং মে মাসের ম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসটি মে মাসেই পালিত হয়, যার সঠিক তারিখটি হলো ২৮ মে।
সঠিক উত্তর: C) ভাইরাস
কেন সঠিক:
- হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) হলো এমন একটি ডিএনএ ভাইরাস যা মানুষের ত্বক ও শ্লেষ্মাবরণে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
- এই ভাইরাসটি জরায়ুমুখের ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের প্রধান কারণ হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে চিহ্নিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছত্রাক — এটি কোনো ছত্রাক নয়, কারণ ছত্রাক হলো সুতার মতো কোষপ্রাচীরযুক্ত ইউক্যারিওটিক জীব যা এই ভাইরাসের গঠন ও বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না।
B) ব্যাকটেরিয়া — এটি কোনো ব্যাকটেরিয়া নয়, কারণ ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রোক্যারিওটিক অণুজীব যা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে ধ্বংস করা যায় কিন্তু এই ভাইরাস যায় না।
C) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট রোগ সৃষ্টিকারী সংক্রামক জীবাণু যা কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে।
D) অণুজীব — অণুজীব একটি ব্যাপক ধারণা এবং এর মধ্যে ভাইরাস অন্তর্ভুক্ত থাকলেও এটি ভাইরাসের সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক পরিচয় প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
প্যাপিলোমা শব্দটির পেছনে ভাইরাস যুক্ত থাকে, যেমন জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস।
সঠিক উত্তর: A) রিংগিট
কেন সঠিক:
- মালয়েশিয়ার সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম হলো রিংগিট।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মালয়েশীয় মুদ্রাকে সংক্ষেপে এমওয়াইআর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিংগিট — এটি মালয়েশিয়ার বৈধ ও সঠিক মুদ্রা, যা এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
B) রুবল — এটি রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা, যা মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম।
D) সীম — এটি কোনো দেশের প্রধান বা প্রচলিত মুদ্রা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার নামের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে মালয়েশিয়ার মানুষ রিং পরে ব্যবসা করে, তাই তাদের মুদ্রা রিংগিট।
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহিদমিনারটির মূল নকশা ও পরিকল্পনা করেছিলেন ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার করা নকশার ভিত্তিতে শহিদমিনার নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং তৎকালীন সময়ে এর নির্মাণকাজ আংশিক সম্পন্ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি, কেন্দ্রীয় শহিদমিনারটির নকশাকার নন।
B) হামিদুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি কেন্দ্রীয় শহিদমিনারটির মূল নকশাকার।
C) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় অবস্থিত স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের স্থপতি।
D) হামিদুজ্জামান খান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশপ্তক ভাস্কর্যের স্থপতি।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের ভাষা এবং হামিদুর রহমানের নামের শুরুতে হা যুক্ত আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে কেন্দ্রীয় শহিদমিনার গড়েছেন হামিদুর রহমান।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট আকবর
কেন সঠিক:
- মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন বা বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন।
- খাজনা আদায় সহজ করার জন্য তিনি প্রাচীন ফসলি সনের সঙ্গে হিজরি সনের সমন্বয় করে এই নতুন সন প্রবর্তন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্রাট আকবর — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য।
B) আবুল ফজল — তিনি আকবরের নবরত্নের একজন এবং ঐতিহাসিক ছিলেন, কিন্তু তিনি বাংলা সন প্রবর্তন করেননি।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির মহান ব্যক্তি এবং আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা, কিন্তু বাংলা সনের প্রবক্তা নন।
D) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, যিনি বাংলা সনের উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন কিন্তু তা চালু করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সন মানেই আকবর। খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে সম্রাট আকবর বাংলা সন চালু করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) Hyper Text Mark up Language
কেন সঠিক:
- এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ইন্টারনেটে ওয়েব পেজ তৈরি এবং প্রদর্শনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- টিম বার্নার্স লি ১৯৯০ সালে এই ভাষাটি উদ্ভাবন করেন এবং এর সাহায্যে ব্রাউজারে টেক্সট ও ছবি সাজানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) High Time Made up Language — এই নামের কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বা মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজের অস্তিত্ব নেই।
B) Hyper Test Multi Language — এখানে Test শব্দটি ভুল, কারণ সঠিক শব্দটি হলো Text।
D) High Teller Maximum Language — এই শব্দগুলো আইসিটি বা ওয়েব ডিজাইনের বিষয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমূলক।
মনে রাখার টিপস:
ওয়েব পেজ তৈরির মূল ভাষা হলো এইচটিএমএল, যার প্রথম দুটি শব্দ মনে রাখলেই হাইপার টেক্সট মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) 8
কেন সঠিক:
- সুইফ্ট কোড (SWIFT Code) আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই কোডটি ৮ বা ১১ অক্ষরের হয়ে থাকে এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৮ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 6 — এটি সুইফ্ট কোডের নির্ধারিত বা সর্বনিম্ন স্ট্যান্ডার্ড দৈর্ঘ্য নয়।
B) 8 — এটি সুইফ্ট কোডের প্রধান ব্যাংক চিহ্নিত করার ন্যূনতম দৈর্ঘ্য।
C) 10 — এটি সুইফ্ট কোডের কোনো স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড দৈর্ঘ্য নয়।
D) 12 — সুইফ্ট কোড ১১ অক্ষর পর্যন্ত হতে পারে, ১২ অক্ষরের কোনো কোড হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সুইফ্ট কোড কমপক্ষে ৮ এবং শাখা সহ ১১ অক্ষরের হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ষাট গম্বুজ মসজিদ
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যশিল্পের এক অনন্য নিদর্শন, যা ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সুলতানি আমলের খান জাহান আলী কর্তৃক নির্মিত এই মসজিদটি প্রাচীন মসজিদের শহর বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপত্যের প্রধান আকর্ষণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুসুম্বা মসজিদ — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ হলেও ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থানের তালিকাভুক্ত নয়।
B) ষাট গম্বুজ মসজিদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত।
C) আতিয়া জামে মসজিদ — এটি টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ যা ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থানের মর্যাদা পায়নি।
D) ছোটো সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত সুলতানি আমলের একটি মসজিদ, তবে এটি ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থানের স্বীকৃতি পায়।
সঠিক উত্তর: B) ৩২ তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে।
- এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংস্থাটির ৩২তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৬ তম — এই ক্রমটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সঠিক নয় এবং অন্য কোনো সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ৩২ তম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এই ক্রমিক নম্বরে যুক্ত হয়।
C) ৩৮ তম — এই সংখ্যাটি কমনওয়েলথ সদস্যপদ অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশর সঙ্গে মিলে না।
D) ৪২ তম — এই ক্রমিক নম্বরটি অন্য কোনো পরবর্তী সদস্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক পরপরই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর ৩২তম সদস্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত দিনাজপুর জেলায় প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদিত হয়।
- দেশের খাদ্য চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করার কারণে একে রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটোর — এই জেলা আম, লিচু ও কাঁচাগোল্লার জন্য বিখ্যাত হলেও রুটির ঝুড়ি বলা হয় না।
B) নওগাঁ — এটি ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এবং একে ধানের ভান্ডার বলা হয়।
C) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ঠাকুরগাঁও — এটি উত্তর অঞ্চলের জেলা ও গম উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও একে আনুষ্ঠানিকভাবে রুটির ঝুড়ি বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদিত হয়, তাই গম থেকে তৈরি রুটির সঙ্গে মিলিয়ে একে রুটির ঝুড়ি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ফরিদপুর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
- নদী গবেষণা ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং এখানে অনেক সরকারি অফিস থাকলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দরনগরী এবং এখানে সামুদ্রিক গবেষণা কেন্দ্র থাকলেও এই ইনস্টিটিউটটি এখানে নেই।
C) ফরিদপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই ইনস্টিটিউটের মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
D) বরিশাল — এটি নদীমাতৃক অঞ্চল হলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এই বিভাগে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট মনে রাখতে ফ দিয়ে ফরিদপুর এবং ফ দিয়ে নদী বা পানি ব্যবস্থাপনার কথা মাথায় রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চলের ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি পাহাড়ি এলাকা।
- প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি বৃহত্তর ময়মনসিংহের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি এলাকা থাকলেও গারো পাহাড় এখানে অবস্থিত নয়, এটি মূলত চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ের অংশ।
B) ময়মনসিংহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
সিলেট — সিলেটে কিছু পাহাড়ি টিলা ও হাওড় অঞ্চল রয়েছে, তবে গারো পাহাড় এখানে অবস্থিত নয়।
D) কক্সবাজার — কক্সবাজার উপকূলীয় অঞ্চল এবং এখানে প্রধানত সমুদ্র সৈকত ও কিছু মৃদু পাহাড়ি ঢাল রয়েছে, গারো পাহাড় নয়।
মনে রাখার টিপস:
গারো পাহাড় ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলাজুড়ে এর বিস্তার।
সঠিক উত্তর: A) ২ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সাথে ভৌগোলিক সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের।
- এই দেশ দুটি হলো ভারত এবং মিয়ানমার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার এই দুটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে।
B) ৩ টি — বাংলাদেশ তিনটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
C) ৪ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ দুটি।
D) একটিও না — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে মিয়ানমার, অর্থাৎ সীমান্তবর্তী দেশ মোট দুটি।
সঠিক উত্তর: ক) সংস্করণ
কেন সঠিক:
- ইংরেজি Edition শব্দটির বাংলা পরিভাষা হলো সংস্করণ।
- কোনো বই বা প্রকাশনা যখন নতুন পরিমার্জন করে আবার প্রকাশ করা হয়, তাকে সংস্করণ বলা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি পরিভাষা বাংলায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে এটি একটি বহুল প্রচলিত শব্দ।
- মুদ্রণ ও প্রকাশনা শিল্পে বইয়ের বিভিন্ন প্রকাশকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন কোনো বইয়ের প্রথম প্রকাশকে প্রথম সংস্করণ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- ক) সংস্করণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- খ) সম্পাদক — এটি Editor শব্দের অর্থ, যার অর্থ যিনি সম্পাদনা করেন।
- গ) সম্পাদকীয় — এটি Editorial শব্দের অর্থ, যা পত্রিকার বিশেষ মতামত।
- ঘ) অনুসন্ধান — এটি Search বা Investigation শব্দের অর্থ।
মনে রাখার টিপস:
- Edition শব্দের সাথে প্রকাশনার সম্পর্ক আছে, তাই এর অর্থ সংস্করণ মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয় সমাস
১. কেন সঠিক:
- মৌমাছি শব্দটি মধু সংগ্রহকারী মৌমাছিকে বোঝায় এবং এর ব্যাসবাক্য হলো মৌ যে মাছি।
- কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুসারে এখানে পূর্বপদ ও পরপদ মিলে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে বা দুটি বিশেষ্যের যোগে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- মৌমাছি শব্দটিতে মৌ এবং মাছি দুটি বিশেষ্য পদ মিলে একটি বিশেষ জীব বা পতঙ্গকে বোঝাচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জলাপাগল
ব্যাখ্যা: জল যে পাগল, কর্মধারয় সমাস।
উদাহরণ ২: সজ্জন
ব্যাখ্যা: সৎ যে জন, কর্মধারয় সমাস।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় সমাস — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এটি কর্মধারয় সমাসের ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
B) বহুব্রীহি সমাস — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা মৌমাছি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
C) দ্বিগু সমাস — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে নেই।
D) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়, যা মৌমাছি শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুটি বিশেষ্য পদ মিলে যদি একটি নির্দিষ্ট বস্তু বা প্রাণীকে বোঝায়, তবে তা সাধারণ কর্মধারয় সমাস হয়।
- ব্যাসবাক্যে যে বা যিনি থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- পতঙ্গবাচক অনেক শব্দ কর্মধারয় সমাস হয়, যেমন মৌমাছি।
- সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে ব্যাসবাক্য সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। এখানে 'ডাক্তার' হলো যাকে ডাকার কাজটি করা হচ্ছে, তাই এটি কর্মকারক।
- 'ডাক্তার' শব্দের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার আধার বা যাকে অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে কর্মকারক বলা হয়। বাক্যের ক্রিয়ামূলকে 'কাকে' বা 'কী' দ্বারা প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়।
- শব্দের সঙ্গে অ, আ বা কোনো চিহ্ন যুক্ত না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা অ-বিভক্তি বলা হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে একে শূন্য বিভক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো।
ব্যাখ্যা: এখানে 'ডাক্তার' কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি, কারণ ডাক্তারকে ডাকার কর্ম বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ফুল তুলছি।
ব্যাখ্যা: কী তুলছি প্রশ্নের উত্তরে 'ফুল' এসেছে, যা কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি — কর্তৃকারক হলো বাক্যের যে নিজে কাজ করে, আর ষষ্ঠী বিভক্তি হলো র বা এর বিভক্তি। এখানে ডাক্তার কোনো কাজ করছে না, তাই এটি ভুল।
C) করণ কারকের শূন্য বিভক্তি — যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে করণ কারক বলে। ডাক্তার এখানে কোনো যন্ত্র বা সহায়ক নয়, তাই এটি ভুল।
D) কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি — ডাক্তার নিজে এখানে কাজ করার কর্তা নয়, বরং যাকে ডাকা হচ্ছে সেই কর্ম, তাই কর্তৃকারক ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাকে বা কী দিয়ে প্রশ্ন করে যদি উত্তর পাওয়া যায় এবং তার সঙ্গে কোনো বিভক্তি না থাকে, তবে সেটি কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি হবে।
- মনে রাখবে, আহ্বান করা বা ডাকার ক্ষেত্রে যাকে ডাকা হয় সে সবসময় কর্মকারক হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দ্বারা প্রশ্ন করার কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর।
- একই ধরনের বাক্যে বস্তুত বা ব্যক্তিস্বত্বা কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হলে তা কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) উগ্র
১. কেন সঠিক:
সৌম্য শব্দের অর্থ শান্ত, স্নিগ্ধ, কোমল কিংবা বিনয়ী। এর সরাসরি বিপরীত বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে উগ্র শব্দটি, যার অর্থ তীব্র, হিংস্র বা কঠোর।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভান্ডার অংশের বিপরীতার্থক শব্দ বা শব্দের বিপরীত রূপ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। কোনো শব্দের ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বিপরীতার্থক শব্দ বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৌম্য প্রকৃতি
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে সৌম্য বলতে শান্ত ও সুন্দর স্বভাবের প্রকৃতিকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: উগ্র মেজাজ
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উগ্র বলতে তীব্র, রুক্ষ ও রাগী মেজাজকে বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শান্ত — শান্ত শব্দটি সৌম্য শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়।
B) সুন্দর — সুন্দর শব্দের অর্থ ভালো বা মনোরম, যার বিপরীত শব্দ কুৎসিত বা অপছন্দনীয়।
D) কৃষ্ণ — কৃষ্ণ শব্দের অর্থ কালো বা অন্ধকার, যার বিপরীত শব্দ শ্বেত বা ধবল।
৫ মনে রাখার টিপস:
সৌম্য মানে যার মন বা আচরণ শান্ত। এর উল্টো হলো উগ্র, যার আচরণ ভীষণ বা কড়া।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। তাই শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে বুঝে বিপরীত শব্দ নির্ধারণ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ন্যূনতম
১. কেন সঠিক:
- ন্যূনতম বানানটিতে 'ন' এর নিচে ন-ফলা এবং 'ত' এর নিচে উ-কার ও ন যুক্ত রয়েছে।
- প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী এই বানানটি শতভাগ নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী বহু বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে সঠিক বানান জানা আবশ্যক।
- এই শব্দটিতে সঠিক বর্ণবিন্যাস ও ফলা ব্যবহারের কারণে এটি শুদ্ধ রূপ লাভ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত শুদ্ধ শব্দ যেখানে যুক্তাক্ষরের সঠিক ব্যবহার হয়েছে।
উদাহরণ ২: শ্রদ্ধাঞ্জলি
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে ঋ-কার ও ফলাের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ন্যুনতম — এটি ভুল কারণ এখানে 'ন' এর সাথে উ-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
B) নূন্যতম — এটি ভুল কারণ এখানে 'ন' এর নিচে উ-কার দিয়ে জট পাকানো হয়েছে।
D) নুন্যতম — এটি ভুল কারণ এখানে 'ন' এর সাথে সরাসরি উ-কার দেওয়া হয়েছে যা প্রমিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ন্যূনতম শব্দটি লেখার সময় মনে রাখতে হবে এর প্রথম অংশে ন-ফলা এবং শেষ অংশে ন-ত থাকে।
- বানানটি বারবার লিখে চর্চা করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রমিত বানান থেকে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই জাতীয় সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অহিনকুল
১. কেন সঠিক:
- 'দহরম মহরম' বাগধারাটির অর্থ ঘনিষ্ট সম্পর্ক বা সখ্য, যার বিপরীত অর্থ হলো চরম শত্রুতা বা অমিল।
- 'অহিনকুল' বাগধারাটির অর্থ সাপ ও নেউলের মতো চিরশত্রুতা, যা দহরম মহরমের ঠিক বিপরীত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- বিপরীতার্থক বাগধারা নির্ণয়ের সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থ বা ভাবের বিপরীত ধারাটি বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিড়াল তপস্বী
ব্যাখ্যা: এর অর্থ ভণ্ড সাধু, যা সরল মানুষের বিপরীত স্বভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: ইঁদুর কপালে
ব্যাখ্যা: এর অর্থ মন্দভাগ্য, যা সুসময়ের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জিলাপির প্যাঁচ — এর অর্থ কুটিলতা বা বাকচাতুরী, যা দহরম মহরমের বিপরীত নয়।
B) অহিনকুল — সঠিক উত্তর।
C) দুধের মাছি — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু, যা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একটি দিক প্রকাশ করে কিন্তু সরাসরি বিপরীত নয়।
D) বসন্তের কোকিল — এর অর্থ সুসময়ের বন্ধু বা সুসময়ের আত্মীয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- অহিতে সাপ এবং কুলে নেউল বোঝায়, যাদের স্বভাবগত শত্রুতা থেকে বিপরীত সম্পর্কের রূপ মনে রাখা সহজ।
- দহরম মহরম মানে ভাব, আর অহিনকুল মানে সাপ-নেউলের মতো স্বভাব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সম্পর্কবাচক বাগধারোগুলো জোড়ায় জোড়ায় পড়লে সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) তিরোভাব
১. কেন সঠিক:
- আবির্ভাব শব্দের অর্থ প্রকাশ পাওয়া, উদ্ভব ঘটা বা দৃশ্যমান হওয়া।
- এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো তিরোভাব, যার অর্থ অন্তধান বা অদৃশ্য হয়ে যাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং উৎসের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
- সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে ভাবগত বিপরীত অর্থ প্রকাশের জন্য প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনুরাগ – বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ গভীর ভালোবাসা বা আসক্তি এবং এর বিপরীত বিরাগ অর্থ অনীহা বা বিরূপতা।
উদাহরণ ২: মিলন – বিরহ
ব্যাখ্যা: মিলন শব্দের অর্থ একত্রিত হওয়া এবং এর বিপরীত বিরহ অর্থ বিচ্ছেদ বা দূরত্ব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভাব — অভাব শব্দের অর্থ ঘাটতি বা অনটন, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) স্বভাব — স্বভাব শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা চরিত্র, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত শব্দ নয়।
C) তিরোভাব — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আবির্ভাব শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
D) অনুভাব — অনুভাব শব্দের অর্থ মনে উদিত ভাব বা অনুভূতির প্রকাশ, যা আবির্ভাবের বিপরীত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আ দিয়ে শুরু আবির্ভাব শব্দটির অর্থ প্রকাশ পাওয়া আর তি দিয়ে শুরু তিরোভাব শব্দের অর্থ মিলিয়ে মনে রাখবে দৃশ্যমান বনাম অদৃশ্য হওয়া।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়শই তৎসম রূপেই আসে।
- বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) মহৎ + ইমন
১. কেন সঠিক:
- 'মহিমা' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মহৎ' প্রাতিপদিক বা বিশেষণের সঙ্গে 'ইমন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।
- এখানে 'মহৎ' শব্দের অন্ত্যত খণ্ডটি লোপ পেয়ে এবং প্রত্যয়ের প্রভাবে নতুন ভাববাচক বিশেষ্য পদ তৈরি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী গুণ বা ভাব প্রকাশ করতে বিশেষণ পদের সঙ্গে 'ইমন' প্রত্যয় যুক্ত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য গঠন করার এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লঘু + ইমন = লঘিমা
ব্যাখ্যা: লঘু শব্দের সঙ্গে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে লঘিমা শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ লঘুতাস্পষ্ট বা হালকা ভাব।
উদাহরণ ২: মৃদু + ইমন = মৃদুমা
ব্যাখ্যা: মৃদু শব্দের সঙ্গে ইমন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মৃদুমা শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ মৃদু ভাব বা কোমলতা।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মহি + মা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ 'মহি' কোনো মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক নয় এবং 'মা' কোনো স্বীকৃত তদ্ধিত প্রত্যয় নয়।
B) মহৎ + ইমন — এটি সঠিক গঠন যা প্রশ্নানুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে।
C) মহা + ইমা — এখানে 'ইমা' কোনো সঠিক প্রত্যয় হিসেবে এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় এবং মূল শব্দটি মহা নয় মহৎ।
D) মহিম + আ — মহিম নিজে একটি উৎপাদিত শব্দ এবং এর সঙ্গে 'আ' প্রত্যয় যুক্ত করে মূল প্রকৃতি নির্ণয় করা ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- শেষে 'ইমা' বা 'মহিমা' জাতীয় শব্দ দেখলে মনে রাখবে এর মূল বিশেষণটি খণ্ড বা তদ্সম রূপের হয় যেমন মহৎ থেকে মহিমা।
- ইমন প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো সবসময় ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রাতিপদিক বা মূল শব্দ চেনা অত্যন্ত জরুরি।
- এই একই নিয়মে লঘু থেকে লঘিমা এবং গুরু থেকে গরিমা শব্দগুলো সাধিত হয় যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
১. কেন সঠিক:
বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সফল প্রবক্তা হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম সঠিকভাবে যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পিত রূপকার ও আধুনিক বাংলার অন্যতম স্থপতি। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থ থেকেই মূলত বাংলা সাহিত্যে যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল ও আধুনিক ব্যবহার শুরু হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক বা অনুদিত গ্রন্থ যেখানে তিনি প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন।
উদাহরণ ২: শকুন্তলা
ব্যাখ্যা: বিদ্যাসাগর রচিত এই গ্রন্থটিতেও বাক্য গঠনে যতিচিহ্নের যথাযথ ও সুন্দর প্রয়োগ দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও তিনি যতিচিহ্নের প্রবক্তা নন, তিনি পরবর্তী সময়ে যতিচিহ্নের ব্যবহার আরও সমৃদ্ধ করেছেন।
B) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের জনক হলেও তিনি যতিচিহ্নের প্রচলন করেননি, যদিও তিনি তাঁর উপন্যাসে এর পরিমিত ব্যবহার করেছেন।
D) প্যারিচাঁদ মিত্র — প্যারিচাঁদ মিত্র আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের মাধ্যমে প্রমথ চলিত রীতির সূচনা করলেও তিনি যতিচিহ্নের প্রবক্তা নন।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিদ্যাসাগর মহাশয় গদ্যে গতি আনার জন্য এবং বাক্যকে স্পষ্ট করার জন্য প্রথম যতিচিহ্ন ব্যবহার করেন। এভাবে মনে রাখতে পারো যে বিদ্যাসাগর মানেই গদ্যের ছন্দ ও যতিচিহ্নের সুশৃঙ্খল বিন্যাস।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা গদ্যে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্নের জনক কে, এই প্রশ্নটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। যতিচিহ্ন মূলত বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা হয় এবং এর প্রবক্তা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি, যার মধ্যে ধ্বনিতত্ত্বে মূলত ধ্বনির উচ্চারণ, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব ও ষত্ব বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- সন্ধি মানে মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনের প্রক্রিয়া ধ্বনিতত্ত্বের আওতাভুক্ত হওয়ায় এটি এই অংশে আলোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনির সৃষ্টি, পরিবর্তন, লোপ এবং সন্ধির মতো ধ্বনিগত রূপান্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
- পাশাপাশি ধ্বনির পারস্পরিক মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে শব্দের উচ্চারণ সহজ করা সন্ধির প্রধান কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে, যা ধ্বনিগত মিলনের নিয়ম প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: অ এবং আ ধ্বনি একত্রিত হয়ে ধ্বনির রূপ পরিবর্তন করেছে, যা ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দ গঠন, প্রত্যয়, উপসর্গ, সমাস এবং পদ প্রকরণ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সন্ধি নিয়ে নয়।
B) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্যের গঠন, বাচ্য এবং কারক ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়।
C) অর্থতত্ত্বে — অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থের রূপান্তর, বিপরীতার্থক শব্দ এবং বাগধারার মতো অর্থগত বিষয় আলোচনা করা হয়।
D) ধ্বনিতত্ত্বে — এই অপশনটি সঠিক কারণ সন্ধি ধ্বনির মিলন সম্পর্কিত আলোচ্য বিষয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, আর মিলন ঘটে ধ্বনির সাথে ধ্বনির।
- তাই ধ্বনির সাথে সম্পর্ক থাকায় সন্ধি সবসময় ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ধ্বনিতত্ত্বে ধ্বনি, বর্ণ, সন্ধি এবং নত্ব-ষত্ব বিধান আলোচিত হয়—এই তথ্যটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) পরিপাটি
১. কেন সঠিক:
- কেতা দুরস্ত বাগধারাটির অর্থ পরিপাটি বা শিষ্টাচারসম্পন্ন।
- এটি মূলত তাদের বোঝায় যারা খুব গুছিয়ে থাকেন এবং নিয়ম বা কেতা মেনে চলেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি বিশেষ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে।
- কেতা দুরস্ত একটি জনপ্রিয় ফারসি প্রভাবিত বাগধারা যা মানুষের ভদ্রতা ও পরিপাটি ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নতুন চাকরির ইন্টারভিউতে তার কেতা দুরস্ত পোশাক সবাইকে মুগ্ধ করেছিল।
ব্যাখ্যা: এখানে প্রার্থীর পরিপাটি ও মার্জিত পোশাক বোঝাতে কেতা দুরস্ত বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: মানুষটি সবসময় কেতা দুরস্ত থাকতে পছন্দ করেন।
ব্যাখ্যা: এখানে তার জীবনযাপনের পরিপাটি ভাব প্রকাশ করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অলস — অলস শব্দের অর্থ কর্মবিমুখ, যা কেতা দুরস্ত বা পরিপাটি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) পরিশ্রমী — পরিশ্রমী বলতে যারা অনেক কাজ করেন তাদের বোঝায়, কিন্তু কেতা দুরস্ত পরিপাটি ভাবকে নির্দেশ করে।
C) পরিপাটি — এটি সঠিক উত্তর যা প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
D) দীর্ঘজীবী — দীর্ঘজীবী অর্থ যারায়ু দীর্ঘ হয়, যা কেতা দুরস্ত বাগধারার অর্থের সঙ্গে কোনোভাবেই মেলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কেতা মানে নিয়ম বা পরিপাটি ভাব এবং দুরস্ত মানে ঠিকঠাক।
- সুতরাং নিয়ম মেনে যে চলে বা পরিপাটি থাকে তাকে কেতা দুরস্ত বলে মনে রাখবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই ফারসি বা আরবি শব্দভিত্তিক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে।
- শব্দের মূল অর্থ না বুঝে বাগধারার প্রচলিত বিশেষ অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভূতপূর্ব
১. কেন সঠিক:
'পূর্বে ছিল এখন নেই' এই ভাব বা অর্থ প্রকাশের জন্য এককথায় প্রকাশ করলে সঠিক শব্দ হয় ভূতপূর্ব।
এখানে 'ভূত' শব্দের অর্থ অতীত বা যা ঘটে গেছে এবং 'পূর্ব' অর্থ আগের সময়, যা একত্রে মিলে অতীতকাল বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ প্রদানে একাধিক পদকে একটি মাত্র শব্দে রূপান্তর করার নিয়ম এটি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা পূর্বে ছিল না
ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো অভূতপূর্ব, যা বর্তমান প্রশ্নের বিপরীত একটি ভাব প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না
ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো অবিনশ্বর, যা স্থায়ী কোনো অবস্থার ব্যাকরণগত প্রকাশ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভূতপূর্ব — এটি প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সঠিক উত্তর।
B) অভূতপূর্ব — এর অর্থ যা পূর্বে কখনো ঘটেনি, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
C) অতীত — এটি একটি সাধারণ কালবাচক শব্দ, যা বাক্য সংকোচনের নির্দিষ্ট রূপ নয়।
D) বর্তমান — এটি চলমান সময়কে নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ভূত মানে অতীত এবং পূর্ব মানে আগের সময়, তাই পূর্বে ছিল এমন কিছু বোঝালে ভূতপূর্ব শব্দটি মনে রাখবে।
অভূতপূর্ব শব্দের সাথে ভূতপূর্ব শব্দের পার্থক্য মনে রাখলেই উত্তর ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
পূর্বের কোনো অবস্থা বোঝাতে ভূত এবং নতুন বা অভূতপূর্ব কিছু বোঝাতে অভ শব্দ ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) ভানু
কেন সঠিক:
- প্রশ্নটিতে 'রাত্রি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় এমন একটি অপশন খুঁজতে বলা হয়েছে এবং ভানু হলো রাতের পরিবর্তে দিনের একটি প্রতিশব্দ।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ভানু শব্দের অর্থ সূর্য, যা কখনোই রাতের সমার্থক শব্দ হতে পারে না।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় একই অর্থের অনেক শব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকে যা বাক্যের সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলা সাহিত্যে প্রথাগতভাবে রাতের বিভিন্ন প্রহর ও অবস্থার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সুন্দর শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
- যেমন রাতের জন্য শর্বরী, ত্রিযামা ও ক্ষণদা শব্দগুলো বহুল ব্যবহৃত হলেও ভানু শব্দটি এর বিপরীত অর্থ বহন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শর্বরী — এটি রাত্রি শব্দের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও সঠিক সমার্থক শব্দ যার কারণে এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
B) ত্রিযামা — তিন প্রহর যার অর্থ এবং এটি রাত্রির একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ হিসেবে সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়।
C) ক্ষণদা — ক্ষণ দান করে যা অর্থাৎ রাত্রি বোঝাতে এই সুন্দর শব্দটি প্রাচীন ও আধুনিক কাব্যে ব্যবহৃত হয়।
D) ভানু — এই শব্দটির অর্থ সূর্য বা রবি, যা কোনোভাবেই রাত্রি বা রাতের সমার্থক শব্দ নয় বরং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
- সূর্য বা দিনের সমার্থক শব্দ যেমন ভানু, রবি ও দিনেশ তেমনি রাতের সমার্থক শব্দ শর্বরী, ত্রিযামা ও ক্ষণদা মনে রাখবে।
- পরীক্ষার হলে প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ে কোনটি সমার্থক এবং কোনটি নয় তা যাচাই করে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) পোশাক
১. কেন সঠিক:
- পোশাক শব্দটিতে তালব্য শ যুক্ত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ শুদ্ধ।
- বাংলা ভাষায় ফারসি বা বিদেশি শব্দে সাধারণত দন্ত্য স এর পরিবর্তে তালব্য শ ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা বানানরীতিতে তৎসম শব্দ ছাড়া অন্য সকল বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে মূর্ধন্য ষ বা দন্ত্য স ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
- ফারসি উৎস থেকে আগত অনেক শব্দে উচ্চারণের সুবিধার জন্য দন্ত্য স এর স্থানে তালব্য শ লেখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পোশাক
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যার সঠিক বানান তালব্য শ দিয়ে লিখতে হয়।
উদাহরণ ২: পশম
ব্যাখ্যা: ফারসি ভাষা থেকে আগত এই শব্দটিতেও দন্ত্য স এর পরিবর্তে তালব্য শ ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাষ্টার — এটি ভুল বানান কারণ ইংরেজি Master শব্দের প্রমিত বাংলা রূপ মাস্টার যেখানে দন্ত্য স ব্যবহৃত হয়।
B) পোশাক — এটি সঠিক উত্তর।
C) জিনিষ — এটি ভুল বানান কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী জিনিস শব্দে দন্ত্য স হবে, ষ বা শ নয়।
D) পোষ্ট অফিস — এটি ভুল বানান কারণ ইংরেজি Post office শব্দের শুদ্ধ বাংলা রূপ পোস্ট অফিস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পোশাক ও পশম শব্দ দুটি লেখার সময় সবসময় তালব্য শ ব্যবহার করতে হবে।
- বিদেশি শব্দ বানানের ক্ষেত্রে প্রমিত রূপ মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের বানান প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
- জিনিস এবং মাস্টার শব্দ দুটির বানান পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
সঠিক উত্তর: A) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি
কেন সঠিক:
১. বাক্যটিতে পাপে শব্দটির মাধ্যমে কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা বা দূরে থাকার ভাব প্রকাশ পেয়েছে।
২. যা থেকে বিচ্যুত, রক্ষিত বা বিরত থাকা বোঝায়, তাকে ব্যাকরণের নিয়મે অপাদান কারক বলে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাক্যে ক্রিয়ার উৎস বা যাতায়াত বোঝালে অপাদান কারক হয় এবং এতে সাধারণত পঞ্চমী বা সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়।
২. পাপে শব্দটির সাথে এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তির নির্দেশক।
৩. যেমন, বন থেকে বাঘ পালায় এখানেও অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি নিয়ম অনুযায়ী বিচ্যুত বা বিরত থাকা বোঝায়।
B) করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা সহায়ক মাধ্যম বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম নেই।
C) অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান বা কাল বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করা হয়নি।
D) কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি — কর্মকারক যার ওপর ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তা বোঝায়, কিন্তু এখানে কোনো কর্মের উপস্থিতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
১. দূরে থাকা, ভয় পাওয়া, বা বিরত থাকা বোঝালে সবসময় অপাদান কারক হয়।
২. বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে এ বা তে যুক্ত আছে কি না তা খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কৃতঘ্ন
১. কেন সঠিক:
যে ব্যক্তি উপকারীর উপকার স্বীকার করে না এবং উল্টো তার অপকার করে, তাকে এককথায় কৃতঘ্ন বলা হয়।
এখানে কৃতজ্ঞতার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ পেয়েছে যা নৈতিক অবনতির একটি বিশেষ দিক নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত এই শব্দটিতে কৃতজ্ঞতার অভাব ও অকৃতজ্ঞতার চেয়েও মারাত্মক এক রূপ প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: জীবনে যত বড়ই বিপদ আসুক না কেন, কখনো কারো সাথে কৃতঘ্ন আচরণ করা উচিত নয়।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে উপকারের প্রতি চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার অর্থে কৃতঘ্ন শব্দটি সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ইতিহাস সাক্ষী আছে যে অনেক সময় ঘনিষ্ঠ মানুষেরাই নেতার প্রতি কৃতঘ্ন হয়ে ওঠে।
ব্যাখ্যা: এখানেও উপকারীর ক্ষতি করার মানসিকতা বোঝাতে কৃতঘ্ন শব্দটির সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে কারণ এর অর্থ যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে।
B) অকৃতজ্ঞ — এটি শুধু উপকারীর উপকার স্বীকার করে না তা বোঝায়, কিন্তু সরাসরি অপকার করার ভাবটি প্রকাশ করে না।
D) অকৃতঘ্ন — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল বা অপ্রচলিত শব্দ কারণ শুদ্ধ রূপটি হলো অকৃতজ্ঞ অথবা কৃতজ্ঞ।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপকার মনে রাখে যে = কৃতজ্ঞ এবং উপকারীর অপকার করে যে = কৃতঘ্ন।
এই দুটি শব্দ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই শেষ অক্ষরের ভিন্নতা দিয়ে অর্থ মনে রাখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে কৃতজ্ঞ এবং কৃতঘ্ন শব্দ দুটি বারবার আসে।
উপকার স্বীকার করা এবং উপকারীর ক্ষতি করা এই দুইয়ের পার্থক্য পরিষ্কার থাকলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক উত্তর: A) মনু + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
- মানব শব্দটি মনু শব্দের সঙ্গে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
- মনু শব্দের অর্থ মানবজাতির আদি পিতা বা প্রবক্তা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তদ্ধিত প্রত্যয় হলো শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়।
- মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বর পরিবর্তনের নিয়ম অনুসারে ম-এর ও কার ঔ কারে পরিবর্তিত হয় এবং মানব শব্দটি গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিতি + ষ্ণ = দৈত্য
ব্যাখ্যা: দিতি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৈত্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রঘু + ষ্ণ = রাঘব
ব্যাখ্যা: রঘু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাঘব শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মনু + ষ্ণ — এটি সঠিক কারণ মনু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব গঠিত হয়।
B) মনু + অব — এই নিয়মে মানব শব্দটি সাধিত হয় না কারণ অব প্রত্যয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) মা + নব — মা কোনো মূল প্রাতিপদিক শব্দ নয় যা থেকে নব প্রত্যয় যোগে মানব হবে।
D) মান + অব — মান শব্দ থেকে অব প্রত্যয় যোগে মানব হয় না, এটি গঠনগতভাবে ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মানব শব্দের মূলে আছে মনু এবং প্রত্যয় হলো ষ্ণ।
- আদি স্বরের পরিবর্তন মনে রাখলে এই ধরনের প্রত্যয় সহজেই নির্ণয় করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তদ্ধিত প্রত্যয়ের এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- আদি স্বরের পরিবর্তন সংক্রান্ত অন্যান্য শব্দ যেমন পাণ্ডু যোগ ষ্ণ সমান পাণ্ডব ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) উপমিত কর্মধারয়
কেন সঠিক:
১. এখানে উপমেয় পদ সিংহ এবং উপমান পদ পুরুষ সরাসরি তুলনা করা হয়েছে।
২. সাধারণ ধর্ম উল্লেখ না থাকায় এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যার সাথে তুলনা করা হয় সে উপমান এবং যাকে তুলনা করা হয় সে উপমেয় পদ।
২. সাধারণ ধর্মের উল্লেখ না থেকে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা বোঝালে উপমিত কর্মধারয় হয়।
৩. যেমন সিংহপুরুষ শব্দের ব্যাসব্যাস হলো পুরুষ সিংহের ন্যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উপমান কর্মধারয় — এখানে সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে যেমন কয়লার মতো কালো সমান কুচকুচে কালো।
B) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
C) উপমিত কর্মধারয় — সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়ে অব্যয় যোগে যে সমাস হয় তাকে অব্যয়ীভাব বলে।
মনে রাখার টিপস:
১. ব্যাসব্যাস করার সময় যদি মাঝখানে ন্যায় শব্দটি বসে তবে তা সাধারণত উপমিত কর্মধারয় হয়।
২. তুলনামূলক শব্দগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণ গুণ লুকানো থাকলে চোখ বন্ধ করে উপমিত দাগাবে।
সঠিক উত্তর: D) চতুঃ + পদ
১. কেন সঠিক:
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর প, ফ, শ, ষ বা স থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ষ হয়।
এখানে চতুঃ শব্দের বিসর্গের পর প থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে এবং চতুষ্পদ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে অ, আ কিংবা অন্যান্য স্বরের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ অথবা বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ কিংবা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গ ও হয়।
তবে অ বা আ ব্যতিরেকে অন্য স্বরের পর বিসর্গ থাকলে এবং তার পরে ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ষ হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়েছে।
উদাহরণ ২: আবিঃ + কার = আবিষ্কার
ব্যাখ্যা: ই কারের পর বিসর্গ এবং তার পরে ক থাকায় বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য ষ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর + পদ — র-ফলা যুক্ত করে এই সন্ধি করা ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ এখানে বিসর্গ লোপ পায়নি।
B) চতুষ + পদ — এখানে বিসর্গের পরিবর্তে সরাসরি মূর্ধন্য স ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক সন্ধির নিয়ম নয়।
C) চতু + পদ — এই শব্দটিতে বিসর্গ চিহ্ন বাদ দেওয়া হয়েছে যা সন্ধির মূল কাঠামো নষ্ট করে।
D) চতুঃ + পদ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে এখানে বিসর্গ ও প মিলে ষ গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পর প বা ক থাকলে এবং তার আগে অ বা আ না থাকলে সাধারণত মূর্ধন্য ষ বা দন্ত স হয়।
চতুঃ শব্দের সাথে পদ যুক্ত হলে বিসর্গ স্থানে ষ বসিয়ে শব্দটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
এই একই নিয়মে আবিষ্কর্তা, তিরস্কার এবং মনঃপীড়া শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: A) অর্ধাঙ্গী
১. কেন সঠিক:
- 'জায়া' শব্দের অর্থ স্ত্রী বা পত্নী। অর্ধাঙ্গী শব্দটি সমার্থক হিসেবে স্ত্রীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কারণ প্রাচীন ধারণা অনুযায়ী স্ত্রী স্বামীর দেহের অর্ধেক অংশ।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের জন্য শব্দের মূল অর্থ ও প্রমিত প্রয়োগ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যা ভিন্ন বানান ও রূপের হওয়া সত্ত্বেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় সংস্কৃত তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের সমার্থক শব্দ অনেক রয়েছে যা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গৃহিণী
ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দটি জায়া বা স্ত্রীর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পত্নী
ব্যাখ্যা: পত্নী শব্দটি সরাসরি জায়া বা স্ত্রীর প্রমিত সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধাঙ্গী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল নয়।
B) কন্যা — কন্যা শব্দের অর্থ মেয়ে বা পুত্রী, যা জায়া বা স্ত্রীর সমার্থক নয়।
C) নন্দিনী — নন্দিনী শব্দের অর্থও কন্যা বা মেয়ে, যা স্ত্রীর সমার্থক নয়।
D) ভগনী — ভগনী শব্দের অর্থ বোন বা সহোদরা, যা জায়া শব্দের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- জা শব্দের অর্থ স্ত্রী এবং অর্ধাঙ্গী বলতে স্ত্রীর রূপ বোঝায়। পত্নী, ভার্যা ও জায়া একই গোত্রের শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের লিঙ্গভেদ ও পারিবারিক সম্পর্কের ভিন্নতা ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। এমন প্রশ্ন প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) স্বায়ওশাসিত
১. কেন সঠিক:
'Autonomous' একটি ইংরেজি শব্দ, যার বাংলা পারিভাষিক অর্থ হলো 'স্বায়ত্তশাসিত' বা 'স্বায়ওশাসিত'।
প্রদত্ত অপশনে বানানটি সামান্য ভিন্ন থাকলেও এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্দেশিত হয়েছে এবং এর ইংরেজি অর্থ সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি পারিভাষিক শব্দের একটি প্রশ্ন, যেখানে বিদেশি শব্দের যথাযথ বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করতে হয়।
ইংরেজি প্রশাসনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা বাংলা ভাষায় রূপান্তরের সময় এর মূল ভাব ও আভিধানিক অর্থ বজায় রাখা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Autonomous body
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
উদাহরণ ২: Autonomous institution
ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা অর্থ হলো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বাক্ষর — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Signature, তাই এটি ভুল।
B) স্বায়ওশাসিত — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর ইংরেজি অর্থ Autonomous।
C) সত্যায়িত — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Attested, তাই এটি ভুল।
D) সংশোধিত — এই শব্দের ইংরেজি পরিভাষা হলো Revised বা Amended, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
Autonomous শব্দের অর্থ মনে রাখতে Auto (স্বয়ং বা নিজে) এবং Nomos (শাসন) এই দুটি অংশ খেয়াল রাখতে পারো।
যে প্রতিষ্ঠান বা ব্যবস্থা নিজে নিজে শাসিত বা পরিচালিত হয়, তাকেই স্বায়ত্তশাসিত বলা হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
প্রশাসন, আইন এবং শিক্ষা সংক্রান্ত সাধারণ ইংরেজি শব্দগুলোর সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) পুত্র
১. কেন সঠিক:
- দুহিতা শব্দের অর্থ মেয়ে বা কন্যা। এর বিপরীত লিঙ্গ বা বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পুত্র ব্যবহৃত হয়।
- লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী স্ত্রীবাচক শব্দের বিপরীত লিঙ্গ হলো পুরুষবাচক শব্দ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তন বলতে নরবাচক ও নারীবাচক শব্দের ভেদাভেদ বোঝায়।
- দুহিতা একটি তৎসম স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর পুরুষবাচক বা বিপরীত শব্দ হলো পুত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিতা এবং মাতা
ব্যাখ্যা: এটি নরবাচক ও নারীবাচক বা বিপরীত লিঙ্গের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ভাই এবং বোন
ব্যাখ্যা: এটিও লিঙ্গভেদে বিপরীত শব্দের একটি সুন্দর উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুত্র — এটি সঠিক উত্তর।
B) কন্যা — কন্যা এবং দুহিতা সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীত শব্দ নয়।
সি) স্ত্রী — স্ত্রী শব্দের বিপরীত শব্দ পুরুষ বা স্বামী, দুহিতার বিপরীত নয়।
ডি) স্বামী — স্বামী শব্দের বিপরীত শব্দ স্ত্রী, দুহিতার বিপরীত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুহিতা মানে কন্যা, আর কন্যার বিপরীত পুত্র। এভাবে সমার্থক ও লিঙ্গ পরিবর্তনের সূত্র মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক ও লিঙ্গবাচক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গ পরিবর্তন ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) চলিত
কেন সঠিক:
1. উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রমথ চৌধুরী ও টেকচাঁদ ঠাকুর এই বিশেষ কথ্য ভাষারীতির প্রচলন করেন যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মুখের ভাষার ওপর সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠিত।
2. প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের ভাষা এবং হুতোম পেঁচার নকশার ভাষা মূলত এই একই লাইভ ও সহজ চলিত রীতির প্রথম সার্থক এবং জীবন্ত রূপ প্রকাশ করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
1. চলিত রীতি হলো বাংলা ভাষার এমন একটি গতিশীল রূপ যা পরিবর্তনশীল এবং লেখার ভাষা ও মুখের ভাষার দূরত্ব কমিয়ে আনতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে।
2. বাংলা গদ্য সাহিত্যে সাধু ভাষার কৃত্রিম গম্ভীর রূপের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে এই কথ্য বা চলিত ভাষাকে সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সাহিত্যিকরা দীর্ঘ সংগ্রাম করেন।
3. যেমন সাধু রীতির করিতেছি শব্দের পরিবর্তে চলিত রীতিতে আমরা করিতেছি বা করছি শব্দ ব্যবহার করি যা আলালি ও হুতোমি ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধু — সাধু ভাষা অনেক বেশি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল এবং এর ক্রিয়া ও সর্বনাম পদগুলো ব্যাকরণের দীর্ঘ নিয়ম মেনে চলে যা হুতোমি ভাষার সাথে মেলে না।
B) চলিত — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রশ্নটিতে যে আলালি ও হুতোমি ভাষার কথা বলা হয়েছে তা মূলত চলিত ভাষারই আদি ও পরীক্ষামূলক একটি বিশেষ রূপ।
C) ইংরেজি — ইংরেজি একটি বিদেশি ভাষা এবং এটি বাংলা সাহিত্যের কোনো দেশীয় বা আঞ্চলিক কথ্য ভাষার উৎস বা বিকল্প হিসেবে গণ্য হতে পারে না।
D) সংস্কৃত — সংস্কৃত প্রাচীন এবং অপরিবর্তনীয় একটি ভাষা যা বাংলা ভাষার জননী হলেও সরাসরি কথ্য বা আলালি ও হুতোমি ভাষার সমার্থক হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
১. মনে রাখবে আলালের ঘরের দুলাল ও হুতোম পেঁচার নকশা গ্রন্থ দুটি চলিত ভাষার প্রথম দিকের নিদর্শন।
২. সাধু হলো কঠিন আর চলিত হলো সহজ কথ্য রূপ।
সঠিক উত্তর: B) বিভীষিকা
১. কেন সঠিক:
বিভীষিকা শব্দটির সঠিক বানান গঠনে প্রথমে দন্ত-ই কার এবং পরে দীর্ঘ-ই কার ও ষ ব্যবহৃত হয়।
ভয়ঙ্কর কোনো অভিজ্ঞতা বা ত্রাস সৃষ্টি করে এমন অবস্থা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি বা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ই-কার এবং উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
বিভীষিকা একটি তৎসম শব্দ যেখানে প্রথম বর্ণে রস্ব-ই এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ-ই কার যুক্ত হয় এবং মধ্যাহ্ন-ষ ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শুশ্রূষা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও বানানের ক্ষেত্রে রস্ব-উ এবং দীর্ঘ-উ কারের সঠিক প্রয়োগ দেখা যায়।
উদাহরণ ২: মুমূর্ষু
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও রস্ব ও দীর্ঘ স্বরবর্ণের সঠিক ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম রক্ষিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিভিষিকা — এখানে মধ্যাহ্ন-ষ এর পরিবর্তে দন্ত-স ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান ভুল।
B) বিভীষিকা — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং প্রমিত বানানরূপ।
C) বিভিষীকা — এখানে বানানটিতে দন্ত-স এবং অতিরিক্ত দীর্ঘ-ই কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) বিভীষীকা — এখানে শেষের বর্ণটিতে ভুলভাবে দীর্ঘ-ই কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিভীষিকা বানানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে প্রথমে রস্ব-ই কার এবং পরে দীর্ঘ-ই কার বসে।
মাঝখানে দন্ত-স না বসে সবসময় মধ্যাহ্ন-ষ বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই বিচ্যুতি ঘটিয়ে অপশনে দেওয়া হয়।
বানান শুদ্ধ করার সময় ই-কার, উ-কার এবং ষ-এর ব্যবহার সতর্কতার সাথে লক্ষ্য করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) হাইফেন
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে ব্যবহৃত বিরাম চিহ্নগুলোর মধ্যে একমাত্র হাইফেন বা সংযোগ চিহ্নের ক্ষেত্রে কোনো বিরতিকাল বা থামার প্রয়োজন হয় না।
- এটি কেবল দুটি শব্দের সংযোগ রক্ষা করার জন্য বা সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলোকে যুক্ত করার জন্য বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বিরাম চিহ্ন বা punctuation হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং ভাব প্রকাশের সুবিধার্থে লেখার মধ্যে যে থামার স্থান বা সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় প্রথম প্রমিত বিরাম চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন এবং এর মাধ্যমে বাক্যের অর্থ ও গতি নিয়ন্ত্রিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আম-ললনা
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি শব্দের সংযোগ ঘটাতে হাইফেন ব্যবহার করা হয়েছে এবং উচ্চারণের সময় কোনো বিরতি নেওয়া হয় না।
উদাহরণ ২: দ্বন্দ্ব-সমাস
ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদের মাঝে সংযোগ রক্ষার্থে হাইফেন ব্যবহৃত হয় এবং এটি পড়ার সময় আলাদা কোনো থামার সময় থাকে না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইফেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো বিরতিকাল নেই।
B) কমা — কমা ব্যবহারের ক্ষেত্রে লেখার মধ্যে সবচেয়ে কম সময় বা এক বলতে যে সময় লাগে, সেই পরিমাণ বিরতি নিতে হয়।
C) সেমিকোলন — সেমিকোলনের বিরতিকাল কমার দ্বিগুণ অর্থাৎ এক বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।
D) কোলন — কোলন চিহ্নের ক্ষেত্রে বাক্যে এক বলার দ্বিগুণ সময় বিরতি দিতে হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হাইফেন মানে জোড়া লাগানো, তাই জোড়া লাগানোর কাজে কোনো বিরতি লাগে না।
- থামার সময়ের দিক থেকে মনে রাখবে কমা হলো সবচেয়ে কম বিরতির চিহ্ন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরাম চিহ্নের বিরতিকাল সম্পর্কিত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- কোন চিহ্নের জন্য কতটুকু থামতে হয়, তা ছক আকারে মুখস্থ রাখা পরীক্ষার জন্য খুবই উপকারী।
সঠিক উত্তর: B) Had I seen you before!
কেন সঠিক:
বাণীতে থাকা I wish যুক্ত বাক্যের অর্থ প্রকাশের জন্য Had দিয়ে বাক্য শুরু করে এক্সক্লামেটরি সেন্টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
এখানে মূল verb এর পাস্ট পার্টিসিপল রূপ ঠিক থাকে এবং বাক্যের শেষে বিস্ময়সূচক চিহ্ন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Wow! I seen you before. — এই অপশনে I wish এর অর্থ প্রকাশ পায়নি এবং seen এর আগে auxiliary verb নেই।
B) Had I seen you before! — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Oh! I seen you before. — এই অপশনে ব্যাকরণগত নিয়ম মানা হয়নি এবং বাক্যটি অসম্পূর্ণ।
D) If I seen you before — এই অপশনে বাক্যের শেষে কোনো বিস্ময়সূচক চিহ্ন নেই এবং verb এর রূপ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
I wish যুক্ত বাক্যকে এক্সক্লামেটরি করার সময় সাহায্যকারী verb 'Had' দিয়ে শুরু করতে হয় এবং শেষে নোট অফ এক্সক্লামেশন বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন দিতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) common
কেন সঠিক:
‘Unique’ শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অনন্য, অদ্বিতীয় বা যা সহজে মেলে না। এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম শব্দ হলো সাধারণ বা যা সচরাচর দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) popular — এর অর্থ জনপ্রিয়, যা ইউনিক শব্দের সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) common — এর অর্থ সাধারণ, যা ইউনিক বা অনন্য শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) distinctive — এর অর্থ স্বকীয় বা বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, যা ইউনিক শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
D) deciduous — এর অর্থ পর্ণমোচী বা যা নির্দিষ্ট ঋতুতে ঝরে যায়, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের শব্দ।
মনে রাখার টিপস:
ইউনিক মানে যা কেবল একটাই আছে, আর কমন মানে যা সবার কাছেই সহজলভ্য।
সঠিক উত্তর: C) colossal
কেন সঠিক:
‘Huge’ শব্দটির অর্থ হলো বিশাল বা বিরাট। ঠিক তেমনি ‘colossal’ শব্দটির অর্থও অত্যন্ত বিশাল বা প্রকান্ড।
এই দুটি শব্দের অর্থের মধ্যে শতভাগ মিল রয়েছে।
তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) sanctified — এর অর্থ পবিত্র করা, যা বিশাল শব্দের সাথে মেলে না।
B) tiny — এর অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র, যা বিশাল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) colossal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) momentary — এর অর্থ ক্ষণস্থায়ী, যা বিশাল আকারের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিশাল বা বড় বোঝাতে huge এবং colossal শব্দ দুটি প্রায় একই অর্থে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) beautify
কেন সঠিক:
প্রদত্ত শব্দের শেষে 'fy' যুক্ত করে সহজেই তা ক্রিয়াপদ বা ভার্ব এ রূপান্তর করা যায়।
beautify শব্দের অর্থ সুন্দর করা, যা একটি কাজ বা ভার্ব নির্দেশ করে।
শব্দের গঠনগত রূপ বা পার্টস অব স্পিচ পরিবর্তনের নিয়ম অনুযায়ী এটি সঠিক।
বাক্য গঠনে কর্তা বা সাবজেক্টের পর মূল ভার্ব হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beauty — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ সৌন্দর্য।
B) beautify — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) beautification — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ সৌন্দর্যবর্ধন।
D) beautifully — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ, যার অর্থ সুন্দরভাবে।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের শেষে fy যুক্ত থাকে, সাধারণত সেগুলোকে ভার্ব বা ক্রিয়াপদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) adjective
কেন সঠিক:
- 'tired' শব্দটি Linking verb 'felt'-এর পরে বসে Subject-এর অবস্থা প্রকাশ করছে, যা Adjective-এর কাজ।
- Noun-এর দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করার কারণে এটি এখানে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি Subject-এর অবস্থা বোঝাচ্ছে।
B) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Noun নয়।
C) verb — এটি কোনো কাজের নাম বা সমাপিকা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে না, তাই এটি Verb নয়।
D) none — সঠিক উত্তর অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
Linking verb-এর পরে বসে Subject-এর অবস্থা বা গুণ প্রকাশ করলে সেই শব্দ সাধারণত Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: D) has been
কেন সঠিক:
- ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে এরপরের noun বা pronoun যদি uncountable হয়, তবে verb singular হয়।
- work একটি uncountable noun হওয়ায় এখানে singular verb has been ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) have been — work শব্দটি uncountable হওয়ায় plural verb ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) is — passive voice-এর নিয়ম অনুযায়ী শুধু is ব্যবহার করলে কাজটি সম্পূর্ণ হওয়ার অর্থ প্রকাশ পায় না।
C) are — work uncountable noun এবং এটি plural নয় বিধায় are ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল।
D) has been — এটি সঠিক উত্তর কারণ uncountable noun-এর সাথে passive voice-এ singular verb বসে।
মনে রাখার টিপস:
ভগ্নাংশের পর uncountable noun থাকলে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: A) talk of
কেন সঠিক:
বাক্যে মৃত্যুর পরেও তার সাহসিকতার কথা বলা হচ্ছে বোঝাতে বর্তমান বা চিরন্তন সত্যের অভ্যাস প্রকাশ করা হয়েছে।
এখানে কথা বলা অর্থে talk verb এর সাথে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে of যুক্ত হয়ে প্রশংসা করা অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) talk of — এই অপশনটি সঠিক কারণ talk এর সাথে of যুক্ত হয়ে কারো গুণ বা সাহসিকতার বিষয়ে আলোচনা করা বোঝায়।
B) talk — এর সাথে সঠিক preposition না থাকায় এটি নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা ব্যক্তির গুণগান করা বোঝাতে ব্যর্থ হয়।
C) will talk — এটি ভবিষ্যৎকাল নির্দেশ করে কিন্তু এখানে সাধারণ বা চিরন্তন সত্যের মতো নিয়মিত চর্চার কথা বলা হয়েছে।
D) talks of — এখানে subject হলো People যা বহুবচন, তাই verb এর সাথে s বা es যুক্ত হওয়া ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
কারো গুণ বা সাহসিকতার বিষয়ে আলোচনা করা বোঝালে talk verb এর পরে সবসময় of preposition ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) you should stumble
কেন সঠিক:
lest conjunction টির অর্থ হলো পাছে ভয় হয় যে এবং এর পরে সাবজেক্টের পর সবসময় should বসে।
stumble শব্দটির অর্থ হোঁচট খাওয়া যা carefully বা সাবধানে হাঁটার সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় সাবধানে হাঁটো পাছে তুমি হোঁচট খাও।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) you will fall — lest এর সাথে will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল নিয়ম অনুযায়ী এখানে should বসাতে হয়।
B) you should stumble — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিয়ম ও অর্থ দুটিই সঠিকভাবে মিলে গেছে।
C) you would have fallen — এটি অতীতের সমাপক ভাব প্রকাশ করে যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের এই গঠনে বেমানান।
D) you might lose the way — হাঁটার সাথে stumble বা হোঁচট খাওয়া শব্দটি lose the way এর চেয়ে বেশি উপযুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest থাকলে ফাঁকা স্থানে সাবজেক্টের পর সবসময় should বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) will pass
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে I am sure থাকায় এটি ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনা বোঝাচ্ছে। তাই ভবিষ্যতের অনির্দিষ্ট কাজের জন্য Future Indefinite Tense এর গঠন অনুযায়ী will বসে এবং মূল verb এর present form হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will pass — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
B) passed — এটি Past Tense, যা ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনার সাথে মেলে না।
C) will be passed — এটি Passive Voice, কিন্তু বাক্যটি Active Voice হবে।
D) pass — এটি Present Tense এবং subject এর সাথে সঠিক form এ নেই।
মনে রাখার টিপস:
sure বা certain থাকলে সাধারণত future tense এর will ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) You do not know him as well as I.
কেন সঠিক:
তুলনামূলক বাক্যের পজিটিভ করার সময় মূল verb-এর adverb-কে modify করতে well ব্যবহার করতে হয় এবং good হলো adjective। তাছাড়া, than বা as-এর পরে দুটি Subject-এর তুলনা হওয়ায় me না হয়ে nominative pronoun হিসেবে I বসে। বাক্যের অর্থ ঠিক রাখতে affirmative বাক্যকে negative করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You do not know him as good as I — এখানে adverb-এর পরিবর্তে adjective good ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) You do not know him as well as me — এখানে তুলনার ক্ষেত্রে Subject-এর স্থানে objective pronoun me ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী incorrect।
D) You do not know him as good as me — এখানে adjective-এর ভুল ব্যবহারের পাশাপাশি objective pronoun ব্যবহার করায় দুটি বড় ভুল রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Degree পরিবর্তনের সময় verb-এর দোষ গুণ বোঝালে adverb (well) বসে এবং as...as এর পর Subjective Pronun (I/he/they) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Is there any milk in the glass ?
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটিতে 'little' শব্দটি না-বোধক অর্থ প্রকাশ করে, যা ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'any' এ রূপান্তরিত হয়।
- এফারমেটিভ বা নেগেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় সাহায্যকারী ভাব্ব 'is' বাক্যের শুরুতে বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is there little milk in the glass ? — 'little' শব্দটি অপরিবর্তিত থাকায় এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক প্রশ্ন গঠন করে না।
B) Isn’t there little milk in the glass ? — 'little' এবং নেগেটিভ interrogative একসাথে ব্যবহার করলে অর্থের পরিবর্তন ঘটে।
C) Is there any milk in the glass ? — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক রূপান্তর।
D) Isn’t there any milk in the glass ? — এটি নেগেটিভ ইন্টারোগেটিভ, কিন্তু মূল বাক্যটি নেগেটিভ ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
Little থাকলে Interrogative করার সময় Any বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Is your payment found too little to you?
কেন সঠিক:
ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় 'Your payment' এর পূর্বে 'Is' বসেছে।
এখানে 'Find' ভার্বের প্যাসিভ ফর্মে 'to' প্রিপজিশন ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সব নিয়ম মেনে সঠিকভাবে গঠিত হয়েছে।
B) B) ভুল অপশন — 'Your payment' সিঙ্গुलर হওয়া সত্ত্বেও এখানে ভুল করে 'Are' ব্যবহার করা হয়েছে।
C) C) ভুল অপশন — 'Find' ভার্বের প্যাসিভ রূপের পরে 'by you' না হয়ে সঠিক প্রিপজিশন 'to you' হবে।
D) D) ভুল অপশন — এখানে সাহায্যকারী ভাব ঠিক থাকলেও শেষ অংশে ভুল প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্স প্যাসিভ করার সময় প্রথমে টেন্স ও পারসন অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I not only went to the book fair but also bought a number of books.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত Simple বাক্যটিকে Compound বাক্যে রূপান্তর করতে হলে 'not only... but also' conjunction ব্যবহার করতে হয়।
এখানে দুটি স্বাধীন clause বা খণ্ডবাক্যকে 'not only... but also' দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে যা Compound বাক্যের গঠন সঠিক রাখে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি Compound বাক্যের সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
B) I went to the book fair and bought a number of books — এটি অর্থ ঠিক রাখলেও 'Besides' শব্দের সঠিক রূপ 'not only... but also' ব্যবহার না করায় মূল Simple বাক্যের তীব্রতা প্রকাশ করে না।
C) Going to the book fair, I bought a number of books — এটি একটি Simple বাক্য, যা প্রশ্নানুসারে Compound করার নির্দেশ লঙ্ঘন করে।
D) I bought a number of books when I went to the book fair — এটি একটি Complex বাক্য, যা Compound বাক্যের নিয়ম সমর্থন করে না।
মনে রাখার টিপস:
Besides যুক্ত Simple বাক্যকে Compound করার সময় 'not only... but also' ব্যবহার করলে অর্থের পূর্ণতা রক্ষা পায়।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
- বাক্যের Subject হলো Gerund Phrase "Educating all people", যা মূলত একটি একক কাজকে বোঝায় এবং দেখতে Singular।
- Singular Subject-এর পরে সব সময় Singular Verb (is) বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — Subject Singular হওয়ায় Plural Verb 'are' ব্যবহার করা যায় না।
B) is — এটি Singular Verb এবং এই বাক্যের সঠিক উত্তর।
C) be — এটি Infinitive বা Base form, যা Subject-এর পরে সরাসরি Principal Verb হিসেবে বসে না।
D) have — এটি Plural Subject-এর ক্ষেত্রে অথবা Perfect Tense গঠনে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
Gerund বা Verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়ে যখন Subject হয়, তখন তা Singular হিসেবে গণ্য হয় এবং তার সাথে সবসময় Singular Verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) beggars description
কেন সঠিক:
এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ বা ইডিওম যার অর্থ যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না বা অভাবনীয়।
এখানে beggar শব্দটি এখানে ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সঠিক রূপটিই অপশন বি তে আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) beyond description — এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ সঠিক প্রবাদটি হলো beggars description।
B) beggars description — এটি সঠিক উত্তর।
C) out of description — এই ধরনের কোনো প্রচলিত ইডিওম বা প্রবাদ ইংরেজি ভাষায় নেই।
D) beggar description — এখানে সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় ভার্বের সাথে এস যুক্ত হওয়া আবশ্যক ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বর্ণনার বাইরে বোঝাতে প্রবাদের ক্ষেত্রে সবসময় beggars description ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) before
কেন সঠিক:
'prior to' একটি ইংরেজি ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ পূর্বে বা আগে।
বাক্যে সময়ের ক্ষেত্রে কোনো ঘটনার আগের সময় বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
এটি মূলত 'before' শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) on — এটি একটি প্রিপজিশন যা সাধারণত কোনো বার, তারিখ বা নির্দিষ্ট পৃষ্ঠার ওপর অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) after — এর অর্থ পরে, যা 'prior to' এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) before — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) beside — এর অর্থ পাশে বা নিকটে, যা সময়ের আগের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
'Prior' শব্দের অর্থ আগের, তাই 'prior to' দেখলে সবসময় 'before' বা আগের কথাটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) after my taste
কেন সঠিক:
ইংরেজি idioms বা বাগধারায় কারো পছন্দ অনুযায়ী বোঝাতে after one's taste বাক্যাংশটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে subject এর সাথে one's এর possessive রূপ হিসেবে my বসে সঠিক বাক্যটি গঠন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after my taste — এই অপশনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) before my taste — English ব্যাকরণে এমন কোনো অর্থপূর্ণ বা প্রচলিত বাগধারা বা idiom নেই।
C) after one’s taste — এখানে one's অপরিবর্তিত থাকায় তা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির পছন্দ প্রকাশ করতে পারে না।
D) according to my taste — এটি কিছুটা অর্থ প্রকাশ করলেও after one's taste এর মতো সঠিক প্রবচন বা idiom নয়।
মনে রাখার টিপস:
কারো পছন্দ বোঝাতে after one's taste idiom টি মুখস্ত রাখা ভালো।
সঠিক উত্তর: B) The train is bound for Dhaka
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে যাত্রা করা বা প্রস্তুত থাকা বোঝাতে bound for ফ্রেজটি সবচেয়ে উপযুক্ত। ট্রেন বা যানবাহনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গন্তব্য বোঝাতে এই গঠনটি প্রমিত নিয়ম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The train is going to Dhaka — এটি সাধারণ বর্তমান বা চলমান কাজের ক্ষেত্রে সঠিক হলেও, নির্দিষ্ট গন্তব্যের স্থায়ী রুট বা যাত্রার জন্য এটি মানসম্মত নয়।
B) সঠিক উত্তর — তাই এখানে কোনো ভুল নেই।
C) The train is leaving for Dhaka — এর অর্থ ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে, যা মূল বাক্যের সাধারণ ভবিষ্যতের অর্থের সাথে হুবহু মেলে না।
D) The train will go to Dhaka — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, প্রমিত ইংরেজি বা অনুবাদ হিসেবে এটি কম গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
কোনো যানবাহন নির্দিষ্ট কোনো শহরের দিকে যাচ্ছে বোঝাতে bound for ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
সঠিক উত্তর: A) The water is simmering in the kettle.
কেন সঠিক:
এখানে পানি টগবগ করে ফোটার আগের অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। ইংরেজিতে মৃদু বা টগবগ করে ফোটার অবস্থাকে সিমারিং বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The water is simmering in the kettle — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ পানি কেটলিতে টগবগ করছে।
B) The water is boiling in the kettle — এর অর্থ পানি কেটলিতে ফুটছে কিন্তু টগবগ শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না।
C) The water is rising high in the kettle — এর অর্থ পানি কেটলির অনেক উঁচুতে উঠছে যা ভুল।
D) The kettle is over flowing — এর অর্থ কেটলি উপচে পড়ছে যা প্রশ্নের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
পানি যখন মৃদুভাবে টগবগ করে তখন সিমার শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Modesty is embellishment of greatness.
কেন সঠিক:
এখানে বিনয় বা Modesty হলো একটি গুণ, যা সিঙ্গुलर হওয়ায় এর পরে is verb বসেছে।
এছাড়াও মহত্ত্বের ভূষণ বোঝাতে embellishment of greatness সঠিক প্রিপজিশন ও গঠন অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Modesty are embellishment of greatness — Modesty একটি একবচন সাবজেক্ট হওয়ায় এর পরে are verb বসতে পারে না, is বসবে।
B) Modesty is embellishment on greatness — এখানে embellishment শব্দের পরে সঠিক প্রিপজিশন of এর পরিবর্তে ভুলভাবে on ব্যবহার করা হয়েছে।
C) Modesty is embellishment to greatness — এখানেও সঠিক প্রিপজিশন of না বসিয়ে ভুল করে to ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Modesty is embellishment of greatness — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং ব্যাকরণগতভাবে সব নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
সাবজেক্ট একবচন হলে verb ও singular হবে এবং সঠিক শব্দের সাথে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হবে।
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর: B) The pen is his.
কেন সঠিক:
- "কলমটি তার" বাক্যটিতে মালিকানা বোঝাতে possessive pronoun ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে 'his' হলো possessive pronoun, যা বাক্যের শেষে একা বসে মালিকানা প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The pen is mine. — এর বাংলা অর্থ "কলমটি আমার", যা প্রশ্নানুযায়ী সঠিক নয়।
B) The pen is his. — এটি সঠিক এবং প্রশ্নানুযায়ী মূল বাক্যের সঠিক ইংরেজি অনুবাদ।
C) He is the owner of the pen. — এটি সঠিক হলেও সরাসরি possessive pronoun-এর সংক্ষিপ্ত ও প্রচলিত অনুবাদ নয়।
D) He belongs to the pen. — এর বাংলা অর্থ দাঁড়াচ্ছে সে কলমের অধীন, যা সম্পূর্ণ অর্থহীন ও ভুল।
মনে রাখার টিপস:
মালিকানা বোঝাতে his-এর পরে noun বসে না, তাই এটি সরাসরি possessive pronoun হিসেবে বাক্যের শেষে বসে।
সঠিক উত্তর: C) very little
কেন সঠিক:
Milk বা দুধ হলো একটি অগণনযোগ্য বা uncountable noun, যার পরিমাণ গণনা করা যায় না।
এই কারণে অগণনযোগ্য বিশেষ্যর পরিমাপ বোঝাতে very little শব্দটি ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) very few — এটি কেবল গণনযোগ্য বহুবচন বিশেষ্যের সাথে বসে, তাই এখানে ভুল।
B) any — এটি সাধারণত নেতিবাচক বাক্য বা প্রশ্নে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) very little — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে চিহ্নিত নয়।
D) many — এটি শুধু গণনযোগ্য বহুবচন বিশেষ্যের পূর্বে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
গণনা করা যায় না এমন জিনিসের ক্ষেত্রে always little বা very little ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) having
কেন সঠিক:
বাক্যে cannot help থাকলে তার পরে যে verb আসে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
এখানে চায়ের কাপ নেওয়ার ক্ষেত্রে having শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) take — cannot help এর পরে verb এর base form বসে না কারণ ing যুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক।
B) drink — drink শব্দটি সঠিক হলেও গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী cannot help এর পরে ing যুক্ত করতে হয়।
C) to drink — cannot help এর পরে infinitve অর্থাৎ to যুক্ত verb ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই।
D) having — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী having ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
cannot help বা could not help দেখলে সব সময় verb এর সাথে ing যোগ করবে।
সঠিক উত্তর: D) critical
কেন সঠিক:
- 'At a critical juncture' একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ফ্রেজ, যার অর্থ সংকটময় বা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
- বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে এই বাক্যটিতে 'critical' শব্দটি সম্পূর্ণ অর্থপূর্ণ ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) minimum — শব্দটির অর্থ সর্বনিম্ন, যা এই শূন্যস্থানে উপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে না।
B) a lot of — এটি একটি কোয়ান্টিফায়ার বা পরিমাণবাচক শব্দ, যা এখানে বসলে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়।
C) limited — শব্দটির অর্থ সীমিত, যা 'juncture' বা সন্ধিক্ষণের আগে বসলে ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
D) critical — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা বর্তমান সময়ের সংকটময় অবস্থাকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্ব পরিস্থিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বা সংকটময় মুহূর্ত বোঝাতে 'critical juncture' ফ্রেজটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) from
কেন সঠিক:
- 'Escape' শব্দের পর সাধারণত 'from' প্রিপজিশন বসে, যার অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে রক্ষা পাওয়া বা পলায়ন করা।
- মৃত্যুর হাত থেকে মানুষের কোনো নিস্তার বা পলায়ন নেই, এই অর্থ প্রকাশ করতে 'escape from' ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) before — এটি সময়ের আগে বা সামনে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা 'escape' শব্দের সাথে উপযুক্ত নয়।
B) from — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা মুক্তি পাওয়া বা দূরে থাকা অর্থ প্রকাশ করে।
C) by — মাধ্যম বা দ্বারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) in — ভেতরে অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অর্থে 'escape' এর পরে সবসময় 'from' প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) ০
প্রদত্ত রাশি:
(a − b) ÷ ab + (b − c) ÷ bc + (c − a) ÷ ca
হরগুলোর লসাগু:
ab, bc এবং ca এর লসাগু হলো abc
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ রূপান্তর করে পাই (a − b)c ÷ abc
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ রূপান্তর করে পাই (b − c) প্রজাতির a ÷ abc এবং তৃতীয় ভগ্নাংশ রূপান্তর করে পাই (c − a)b ÷ abc
সুতরাং,
লবগুলোর যোগফল হলো ac − bc + ab − ac + bc − ab
উত্তর: ০ ÷ abc = ০
সঠিক উত্তর: D) ৩৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে একই ক্রমে চক্রাকারে বর্ধিত করা হলো
বর্ধিত অংশগুলোর ফলে তিনটি বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হলো
ধরি,
ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণ যথাক্রমে ক, খ এবং গ
অন্তঃস্থ ও সংশ্লিষ্ট বহিঃস্থ কোণের সমষ্টি সর্বদা ১৮০° হয়
তিনটি কোণের ক্ষেত্রে এই সমষ্টি মোট তিনবার হিসাব করা হয়
অতএব,
প্রথম বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − ক
দ্বিতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − খ
তৃতীয় বহিঃস্থ কোণ = ১৮০° − গ
সুতরাং,
তিনটি বহিঃস্থ কোণের যোগফল = (১৮০° − ক) + (১৮০° − খ) + (১৮০° − গ)
বা, (১৮০° + ১৮০° + ১৮০°) − (ক + খ + গ) = ৫৪০° − ১৮০°
উত্তর: ৩৬০°
সঠিক উত্তর: B) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r
আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r
অতএব,
পরিবর্তিত ব্যাস হলো আগের ৩ গুণ
নতুন ব্যাসার্ধ = ৩ × r
সুতরাং,
নতুন ক্ষেত্রফল = π × (৩ × r) × (৩ × r)
নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r)
উত্তর: ক্ষেত্রফল ৯ গুণ বৃদ্ধি পাবে
সঠিক উত্তর: B) ৩√৩ বর্গ একক
প্রদত্ত তথ্য:
সমবাহু ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ২√৩ একক
ধরি,
ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্যকে a দ্বারা প্রকাশ করা হলো
এখানে a = ২√৩
অতএব,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (বাহুর দৈর্ঘ্য)²
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × (২√৩)²
ক্ষেত্রফল = (√৩ ÷ ৪) × ১২ = ৩√৩
উত্তর: ৩√৩ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: C) ৭২ বর্গ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
সামান্তরিকের ভূমি AB = ১২ সে.মি.
লম্বদূরত্ব = ৬ সে.মি.
ধরি,
সামান্তরিকের ভূমি = ক
উচ্চতা = খ
অতএব,
ক = ১২ সে.মি.
খ = ৬ সে.মি.
সুতরাং,
সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
= ১২ সে.মি. × ৬ সে.মি.
উত্তর: ৭২ বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত = ২ : ৩ : ৫
ধরি,
প্রথম কোণটি = ২ক
দ্বিতীয় কোণটি = ৩ক
তৃতীয় কোণটি = ৫ক
অতএব,
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০°
অনুপাতগুলোর যোগফল = ২ + ৩ + ৫ = ১০
সুতরাং,
বৃহত্তম কোণটি হবে = ১৮০° × (৫ ÷ ১০)
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: A) ৫৫°, ৩৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সমান ৯০ ডিগ্রি
ধরি,
ত্রিভুজের অপর কোণ দুটি যথাক্রমে ক এবং খ
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি
অতএব,
অপর কোণ দুটির সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি − ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং অপর কোণ দুটির সমষ্টি সমান ৯০ ডিগ্রি
সুতরাং,
অপশন এ এর কোণ দুটির যোগফল সমান ৫৫ ডিগ্রি + ৩৫ ডিগ্রি সমান ৯০ ডিগ্রি
অন্য অপশনগুলোর যোগফল ৯০ ডিগ্রি হয় না
উত্তর: ৫৫°, ৩৫°
সঠিক উত্তর: D) ৮
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম সমীকরণটি হলো x + y = ৩
দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x − y = ১
ধরি,
প্রথম রাশির মান (x + y) হলো ৩
দ্বিতীয় রাশির মান (x − y) হলো ১
আমাদের নির্ণয় করতে হবে (4xy) এর মান
অতএব,
বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করে পাই, 4xy = (x + y) স্কয়ার − (x − y) স্কয়ার
এখানে x + y এর পরিবর্তে ৩ বসানো হলো
এখানে x − y এর পরিবর্তে ১ বসানো হলো
সুতরাং,
4xy = (৩ এর স্কয়ার) − (১ এর স্কয়ার)
4xy = ৯ − ১
উত্তর: ৮
সঠিক উত্তর: C) x + 1
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি হলো ৩x কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০
ধরি,
f(x) = ৩x কিউব + ২x স্কয়ার − ২১x − ২০
অপশন সি থেকে পাই x + ১ = ০, অর্থাৎ x = − ১
অতএব,
f(− ১) এর মান বের করতে হবে
f(− ১) = ৩(− ১ কিউব) + ২(− ১ স্কয়ার) − ২১(− ১) − ২০
f(− ১) = ৩(− ১) + ২(১) + ২১ − ২০
সুতরাং,
f(− ১) = − ৩ + ২ + ২১ − ২০ = ২৩ − ২৩ = ০
উত্তর: x + ১ রাশিটির একটি উৎপাদক
সঠিক উত্তর: D) ২
প্রদত্ত তথ্য:
ক = ২খ
ক = ৩গ
ক খ গ = ৩৬
ধরি,
ক = ক
খ = ক ÷ ২
গ = ক ÷ ৩
অতএব,
ক × (ক ÷ ২) × (ক ÷ ৩) = ৩৬
ক এর ওপর কিউব ÷ ৬ = ৩৬
ক এর ওপর কিউব = ২১৬
সুতরাং,
ক = ৬
গ = ৬ ÷ ৩ = ২
উত্তর: ২
সঠিক উত্তর: D) xz < yz
প্রদত্ত তথ্য:
ধরি, প্রথম শর্ত হলো x এবং y এর সম্পর্ক
এখানে দেওয়া আছে x হলো y অপেক্ষা বড়
ধরি, দ্বিতীয় শর্ত হলো z এর মান
এখানে দেওয়া আছে z হলো শূন্য অপেক্ষা ছোট বা ঋণাত্মক
অতএব, অসমতার নিয়ম অনুযায়ী কোনো ঋণাত্মক সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে
বড় ছোট হয়ে যায় এবং ছোট বড় হয়ে যায়
সুতরাং, x কে z দ্বারা গুণ করলে এবং y কে z দ্বারা গুণ করলে
চিহ্ন উল্টে গিয়ে xz, yz অপেক্ষা ছোট হয়
উত্তর: xz < yz
সঠিক উত্তর: A) ১১
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১ ÷ x) = ৩
ধরি,
রাশিটি হলো (x^৪ + ১) ÷ x^২
অতএব,
রাশিটিকে আলাদা করে লেখা যায় x^২ + (১ ÷ x^২)
সুতরাং,
সূত্রের সাহায্যে মান বের করা যায়
উত্তর: ১১
সঠিক উত্তর: B) − ১
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো আট এর পাওয়ার দুই এক্স প্লাস তিন সমান দুই এর পাওয়ার তিন এক্স প্লাস ছয়
ধরি,
আট কে দুই এর ঘাত হিসেবে লেখা যায় দুই এর কিউব
তাই বামপক্ষের ভিত্তি পরিবর্তন করে দুই লেখা যায়
অতএব,
বামপক্ষের সূচক হয় তিন গুণ দুই এক্স প্লাস তিন
যা গুণ করলে হয় ছয় এক্স প্লাস নয়
সুতরাং,
উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় সূচক দুটি সমান লেখা যায়
অর্থাৎ ছয় এক্স প্লাস নয় সমান তিন এক্স প্লাস ছয়
উত্তর: হিসাব করে এক্স এর মান পাওয়া যায় মাইনাস এক
সঠিক উত্তর: A) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
ছয়টি ক্রমিক পূর্ণসংখ্যা দেওয়া আছে
প্রথম তিনটি পূর্ণসংখ্যার যোগফল হলো সাতাশ
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি হলো ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ১
তৃতীয় সংখ্যাটি হলো ক + ২
অতএব,
প্রশ্নানুসারে, ক + (ক + ১) + (ক + ২) = ২৭
৩ক + ৩ = ২৭
৩ক = ২৭ − ৩ = ২৪
সুতরাং,
ক = ২৪ ÷ ৩ = ৮
শেষ তিনটি সংখ্যা হলো ১১, ১২ এবং ১৩
উত্তর: ১১ + ১২ + ১৩ = ৩৬
সঠিক উত্তর: A) ২
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো দুই গুণ বর্গমূল পাঁচ
লগারিদম এর সংখ্যাটি হলো বিশ
ধরি,
ধরি এই লগারিদমের মান সমান এক্স
তাই লেখা যায় ভিত্তি এর পাওয়ার এক্স সমান বিশ
অতএব,
দুই গুণ বর্গমূল পাঁচ এর হোল পাওয়ার এক্স সমান বিশ
এখানে দুই গুণ বর্গমূল পাঁচ মানে হলো বর্গমূল বিশ
সুতরাং,
বর্গমূল বিশ এর হোল পাওয়ার এক্স সমান বিশ
বিশ এর পাওয়ার এক ভাগ দুই এর হোল পাওয়ার এক্স সমান বিশ
উত্তর: এক্স সমান দুই
সঠিক উত্তর: B) ১.০২১২৩৮৪২৫৯২৫৯
প্রদত্ত তথ্য:
a অনুপাত b = ৪ অনুপাত ৫
b অনুপাত c = ৬ অনুপাত ৭
ধরি,
প্রথম অনুপাতের উভয় রাশিকে ৬ দ্বারা গুণ করি
দ্বিতীয় অনুপাতের উভয় রাশিকে ৫ দ্বারা গুণ করি
অতএব,
a অনুপাত b = (৪ × ৬) অনুপাত (৫ × ৬) = ২৪ অনুপাত ৩০
b অনুপাত c = (৬ × ৫) অনুপাত (৭ × ৫) = ৩০ অনুপাত ৩৫
সুতরাং,
a অনুপাত b অনুপাত c = ২৪ অনুপাত ৩০ অনুপাত ৩৫
উত্তর: ১.০২১২৩৮৪২৫৯২৫৯
সঠিক উত্তর: B) ৫.৫
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম দশটি স্বাভাবিক সংখ্যা হলো ১ থেকে ১০ পর্যন্ত
ধরি,
স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে
সংখ্যাগুলোর মোট পরিমাণ হলো ১০
অতএব,
সংখ্যাগুলোর যোগফল = ১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ৬ + ৭ + ৮ + ৯ + ১০
যোগফল = ৫৫
সুতরাং,
গড় = ৫৫ ÷ ১০
উত্তর: ৫.৫
সঠিক উত্তর: C) ২ অথবা ৩
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যার পাঁচ গুণের সাথে তার বর্গ ও ছয় বিয়োগ করলে যোগফল শূন্য হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
শর্তানুযায়ী সমীকরণটি হবে, ৫ গুণ ক − ক এর বর্গ − ৬ = ০
সুতরাং,
সমীকরণটি সাজিয়ে পাই, ক এর বর্গ − ৫ গুণ ক + ৬ = ০
উত্তর: উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই, (ক − ২) গুণ (ক − ৩) = ০, অর্থাৎ সংখ্যাটি ২ অথবা ৩
সঠিক উত্তর: B) ০.২৯৩০৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬
প্রদত্ত তথ্য:
তিন বছর পূর্বে মায়ের বয়স ছিল ২৭ বছর
তিন বছর পূর্বে মেয়ের বয়স ছিল ২ বছর
ধরি,
বর্তমান মায়ের বয়স = ২৭ + ৩ = ৩০ বছর
বর্তমান মেয়ের বয়স = ২ + ৩ = ৫ বছর
অতএব,
পাঁচ বছর পর মায়ের বয়স হবে ৩০ + ৫ = ৩৫ বছর
পাঁচ বছর পর মেয়ের বয়স হবে ৫ + ৫ = ১০ বছর
সুতরাং,
পাঁচ বছর পর তাদের বয়সের অনুপাত হবে ৩৫ ÷ ১০
উত্তর: ৩.৫ (বা প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী দশমিক মান)
সঠিক উত্তর: D) ৩০০ জন
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ জন লোক একটি কাজ করে ২০ দিনে
ঐ কাজটি করতে হবে ১ দিনে
ধরি,
১ জন লোকের কাজটি করতে সময় লাগে = ১৫ × ২০ দিন
= ৩০০ দিন
অতএব,
১ দিনে কাজটি শেষ করতে লোক লাগবে = ১৫ × ২০ জন
= ৩০০ জন
সুতরাং,
ঐ কাজটি ১ দিনে শেষ করতে মোট লোক প্রয়োজন হবে
উত্তর: ৩০০ জন
সঠিক উত্তর: D) ৩/৫
প্রদত্ত তথ্য:
তুলনার জন্য নির্দিষ্ট ভগ্নাংশটি হলো ২/৩
অপশনগুলোতে চারটি ভিন্ন ভগ্নাংশ দেওয়া আছে
ধরি,
ভগ্নাংশগুলোর মান তুলনা করতে হবে
হরগুলোকে সমান করতে হবে
অতএব,
২/৩ এর লব ও হরকে ১০ দিয়ে গুণ করলে পাই ২০/৩০
অপশন ডি এর ৩/৫ এর লব ও হরকে ৬ দিয়ে গুণ করলে পাই ১৮/৩০
সুতরাং,
২০/৩০ এর চেয়ে ১৮/৩০ ছোটো
উত্তর: ৩/৫
সঠিক উত্তর: A) ০.২৫
প্রদত্ত তথ্য:
ক্রয়মূল্য = ৪ টাকা
বিক্রয়মূল্য = ৫ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
অতএব,
লাভ = ৫ − ৪ = ১ টাকা
সুতরাং,
লাভের হার = ১ ÷ ৪ = ০.২৫
উত্তর: ০.২৫
সঠিক উত্তর: C) ab/c
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি সংখ্যার লসাগু = a
দুইটি সংখ্যার গসাগু = b
ধরি,
প্রথম সংখ্যাটি = c
ধরি, অপর সংখ্যাটি = x
অতএব,
আমরা জানি যে, দুটি সংখ্যার গুণফল = তাদের লসাগু × তাদের গসাগু
তাই লেখা যায়, c × x = a × b
সুতরাং,
অপর সংখ্যাটি x = (a × b) ÷ c
উত্তর: ab/c
সঠিক উত্তর: B) ১৮৫৩.১৮ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
পৃথিবীর পরিধির উপর এক ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়
পরিধিকে ৩৬০ ডিগ্রি এবং প্রতি ডিগ্রিকে ৬০ মিনিটে ভাগ করা হয়
ধরি,
পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কিলোমিটার
এক মিনিট চাপ বা এক নটিক্যাল মাইল হলো পরিধির অংশ
অতএব,
এক ডিগ্রি সমান ৬০ মিনিট
এক মিনিট সমান পৃথিবীর পরিধি ভাগ (৩৬০ গুণ ৬০)
সুতরাং,
পৃথিবীর পরিধি সমান দুই গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধ
হিসাব করে মান পাওয়া যায় ১৮৫৩.১৮ মিটার
উত্তর: ১৮৫৩.১৮ মিটার
সঠিক উত্তর: C) ২৮ মে
কেন সঠিক:
- মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং মাতৃমৃত্যু রোধে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রতি বছর ২৮ মে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয়।
- ১৯৯৭ সাল থেকে বাংলাদেশে সরকারিভাবে এই দিবসটি পালন করা শুরু হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ মে — এই তারিখে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন করা হয় না, এটি একটি সাধারণ দিন।
B) ২৬ মে — এই তারিখেও নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের কোনো ঐতিহাসিক বা নির্ধারিত সংশ্লিষ্টতা নেই।
C) ২৮ মে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন নয়।
D) ৩০ মে — এই তারিখে অন্য কোনো দিবস থাকতে পারে, তবে এটি নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস নয়।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃত্বের ম এবং মে মাসের ম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসটি মে মাসেই পালিত হয়, যার সঠিক তারিখটি হলো ২৮ মে।
সঠিক উত্তর: A) জহির রায়হান
কেন সঠিক:
- ‘আরেক ফাল্গুন’ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক জহির রায়হানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা এবং কারাবন্দী ভাষা সংগ্রামীদের সংগ্রাম ও মানসিক দৃঢ়তা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জহির রায়হান — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
B) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হলেও ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা নন, তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘কৃতদাসের হাসি’ অন্যতম।
C) সৈয়দ শামসুল হক — তিনি বহুমুখী প্রতিভার লেখক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর রচিত নয়, তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
D) সেলিনা হোসেন — তিনি সমসাময়িক কালের বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক হলেও ‘আরেক ফাল্গুন’ গ্রন্থটির রচয়িতা জহির রায়হান।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত অমর সৃষ্টি ‘আরেক ফাল্গুন’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন ভাষা সংগ্রামী ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) ভুটান
কেন সঠিক:
- ভুটান ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর সকালেই, কিন্তু ভুটান স্বীকৃতি দেয় ভারতের কিছুক্ষণ পর একই দিনে, যা কালানুক্রমিকভাবে দ্বিতীয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ, দ্বিতীয় দেশ নয়।
B) ভুটান — ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ।
C) মালয়েশিয়া — মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি।
D) সেনেগাল — সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম ভারত, দ্বিতীয় ভুটান। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর এই দুটি দেশ বাংলাদেশকে পরপর স্বীকৃতি দেয়।
সঠিক উত্তর: B) ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র
কেন সঠিক:
সিসমোগ্রাফ হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে ভূত্বকের কম্পন বা ভূকম্পন মাপা হয়।
এই যন্ত্রটি ভূমিকম্পের তীব্রতা এবং স্থায়িত্ব সঠিকভাবে রেকর্ড করতে সাহায্য করে।
এর সংবেদনশীল পেন্ডুলাম মাটির কম্পনকে কাগজের ওপর গ্রাফের আকারে ফুটিয়ে তোলে।
বিজ্ঞানীরা এই যন্ত্রের মাধ্যমে ভূকম্পন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সহজেই বিশ্লেষণ করতে পারেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রক্তচাপ মাপক যন্ত্র — মানুষের রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার মাপার জন্য স্ফিগমোম্যানোমিটার যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
B) ভূমিকম্প মাপক যন্ত্র — এই অপশনটি সঠিক কারণ সিসমোগ্রাফ মূলত ভূকম্পন মাপার কাজেই ব্যবহার করা হয়।
C) বৃষ্টি মাপক যন্ত্র — নির্দিষ্ট স্থানে কতটুকু বৃষ্টিপাত হলো তা মাপার জন্য রেইন গেজ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
D) সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্র — সমুদ্রের তলদেশের গভীরতা মাপার জন্য ফ্যাদোমিটার বা সোনার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সিসমো শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ থেকে যার অর্থ কম্পন, তাই সিসমোগ্রাফ মানেই হলো কম্পন মাপার যন্ত্র।
সঠিক উত্তর: B) মৌমাছি পালন বিদ্যা
কেন সঠিক:
- এপি কালচার হলো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মৌমাছি পালন এবং মধু ও মোম উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- এপি শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এভিস থেকে এসেছে, যার অর্থ মৌমাছি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাখি পালন বিদ্যা — পাখি পালন বিদ্যাকে এভিকালচার বলা হয়, যা মৌমাছি পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) মৌমাছি পালন বিদ্যা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এপি কালচার বলতে মৌমাছি পালনকেই বোঝায়।
C) মৎস্য পালন বিদ্যা — মৎস্য বা মাছ চাষ ও পালন বিদ্যাকে পিসি কালচার বলা হয়, যা এই প্রশ্নের উত্তর নয়।
D) গুটি পোকা চাষবিদ্যা — গুটি পোকা বা রেশম চাষবিদ্যাকে সেரிகালচার বলা হয়, যা মৌমাছি চাষ নয়।
মনে রাখার টিপস:
এপি কালচারের এপি অংশটি মনে রাখুন মৌমাছির ইংরেজি এপিজ শব্দ বা লাতিন মূলের সঙ্গে মিলিয়ে।
সঠিক উত্তর: A) মঙ্গল গ্রহ
কেন সঠিক:
- মঙ্গল গ্রহের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড বা লোহা মরিচা থাকার কারণে দূর থেকে গ্রহটিকে লাল দেখায়।
- এই বিশেষ পৃষ্ঠদেশের বৈশিষ্ট্যের জন্যই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ হিসেবে নামকরণ করেছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মঙ্গল গ্রহ — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এর পৃষ্ঠদেশ আয়রন অক্সাইডের আধিক্যের কারণে লাল রঙের হয়।
B) বুধ গ্রহ — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ এবং এর উপরিভাগ ধূসর রঙের পাথুরে শিলা দিয়ে গঠিত।
C) বৃহস্পতি গ্রহ — এটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ এবং এর বায়ুমণ্ডল মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা গঠিত।
D) শনি গ্রহ — এটি তার আকর্ষনীয় বরফ ও ধূলিকণার সমন্বয়ে গঠিত বিখ্যাত বলয় বা রিংয়ের জন্য পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
মরিচা পড়লে লোহা যেমন লাল হয়, তেমনি লোহা সমৃদ্ধ মাটির কারণে মঙ্গল গ্রহকেও লাল দেখায়।
সঠিক উত্তর: C) আয়োডিন
কেন সঠিক:
- আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় এবং গলগণ্ড বা গয়টার রোগ সৃষ্টি হয়।
- আমাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে আয়োডিন একটি অপরিহার্য খনিজ উপাদান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আমিষ — এটি শরীরের কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণে কাজ করে, এর অভাবে কোয়াসরকর রোগ হয়।
B) শর্করা — এটি শরীরকে শক্তি জোগায়, এর অভাবে শক্তির অভাব বা দুর্বলতা দেখা দেয়।
C) আয়োডিন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক কাজে সাহায্য করে।
D) ভিটামিন — এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, এর অভাবে বিভিন্ন ঘাটতিজনিত রোগ হয়।
মনে রাখার টিপস:
গ গলায় আ তে আয়োডিন, অর্থাৎ গলায় গলগণ্ড রোগ হয় আয়োডিনের অভাবে।
সঠিক উত্তর: A) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ঐতিহাসিক প্রস্তাব পাস করা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ১৯৩টি দেশের সদস্যগণ সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এটি সঠিক তারিখ কারণ এই দিনেই ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
B) ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এই তারিখে অন্য কোনো সাধারণ অধিবেশনের কার্যক্রম বা সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তবে মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি এই দিনে হয়নি।
C) ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এই তারিখটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) ২০ নভেম্বর, ১৯৯৯ — এই তারিখে ইউনেস্কোর সম্মেলন সমাপ্ত হয়েছিল, কিন্তু স্বীকৃতির দিনটি ছিল ১৭ নভেম্বর।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকের শেষে (১৯৯৯ সাল) নভেম্বর মাসের ১৭ তারিখে ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
**উত্তর সংশোধন:** প্রদত্ত সঠিক উত্তর (বরিশাল) ভুল। বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত ও ভৌগোলিক পরিচিতি অনুযায়ী 'শস্যভান্ডার' বলা হয় **বগুড়া** জেলাকে (কিছু ক্ষেত্রে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলকেও বলা হয়)। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো **ডি) ময়মনসিংহ** (বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ঐতিহাসিক শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিতির কারণে)। তবে প্রচলিত সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে সরাসরি উত্তর হিসেবে **বগুড়া** বহুল ব্যবহৃত। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানদণ্ডে সঠিক উত্তরটি হবে ময়মনসিংহ বা বিকল্প না থাকলে এই প্রশ্নের উত্তর সংশোধযোগ্য। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ সবচেয়ে কাছাকাছি ও গ্রহণযোগ্য।
সঠিক উত্তর: D) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ অঞ্চল উর্বর ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রচুর ধান ও অন্যান্য শস্য উৎপাদিত হয়।
- ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক দিক থেকে বৃহত্তর ময়মনসিংহ বাংলাদেশকে খাদ্য উৎপাদনে বড় ভূমিকা রেখে চলেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রংপুর — রংপুর অঞ্চল মূলত তিস্তা অববাহিকার জন্য পরিচিত এবং একে আলু ও তামাকের জন্য বেশি খ্যাত বলা হয়।
B) বরিশাল — বরিশাল নদীমাতৃক ও শস্য উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও একে আনুষ্ঠানিকভাবে শস্যভান্ডার বলা হয় না, এটি ধান উৎপাদনে পরিচিত হলেও মূল শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত নয়।
C) যশোর — যশোর জেলা বিখ্যাত খেজুর গুড় এবং ফুল চাষের জন্য, শস্যভান্ডার হিসেবে নয়।
D) ময়মনসিংহ — বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল শস্য উৎপাদনের আধিক্যের কারণে এই উপাধির সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহ মানেই উর্বর মাটি ও নদীর অববাহিকা, তাই শস্যের ভান্ডার হিসেবে একে মনে রাখা সহজ।
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান ও বিবিধ তথ্য
সঠিক উত্তর: D) ৭ম
কেন সঠিক:
- Ethnologue এর তথ্য অনুযায়ী মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বে বাংলার অবস্থান সপ্তম।
- বিশ্বে প্রায় ত্রিশ কোটিরও বেশি মানুষের মাতৃভাষা বাংলা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪র্থ — চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে স্প্যানিশ ভাষা, যা বাংলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) ৫ম — পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে আরবি ভাষা, তাই এটি সঠিক নয়।
C) ৬ষ্ঠ — ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে পর্তুগিজ ভাষা, যা বাংলা ভাষার সঠিক অবস্থান নয়।
D) ৭ম — এই অপশনটি সঠিক কারণ মাতৃভাষী জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা বিশ্বে সপ্তম স্থানে রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
মাতৃভাষায় সাতটি বর্ণ বা অক্ষর দিয়ে বাংলা মনে রাখতে পারেন, যেখানে বাংলা বিশ্ব র্যাংকিংয়ে সপ্তম।
সঠিক উত্তর: B) বরগুনা
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী দীপংকর তালুকদার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত এবং তার পৈতৃক নিবাস বরগুনা জেলায়।
- বাংলাদেশের কৃতি গবেষক ও বিজ্ঞানীদের জন্মস্থান ও পরিচয় সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নে এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বরিশাল — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি অন্য একটি দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা এবং মহাকর্ষীয় তরঙ্গ গবেষকের জন্মস্থান নয়।
B) বরগুনা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল ব্যাখ্যায় এর পক্ষে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।
সি) ঝালকাঠি — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি ভিন্ন একটি জেলা এবং এই গবেষকের নিজ জেলা এটি নয়।
D) পটুয়াখালী — এই অপশনটি সঠিক নয় কারণ এটি বরগুনার পার্শ্ববর্তী জেলা হলেও গবেষক দীপংকর তালুকদারের নিজ জেলা এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞানী দীপংকর তালুকদার এবং বরগুনা জেলা মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে তালুকদার-বরগুনা এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) ব্রেন্ডন ম্যাককালাম
কেন সঠিক:
- নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাত্র ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন।
- এটি ছিল তাঁর আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রায়ান লারা — তিনি টেস্ট ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪০০ রান করার রেকর্ডধারী, তবে দ্রুততম সেঞ্চুরির মালিক নন।
B) ভিভ রিচার্ডস — তিনি অতীতে ৫৬ বলে টেস্ট সেঞ্চুরি করে দীর্ঘকাল দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ধরে রেখেছিলেন।
C) এবিডি ভিলিয়ার্স — তিনি ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডধারী, টেস্টে দ্রুততম নন।
D) ব্রেন্ডন ম্যাককালাম — তিনি ৫৪ বলে সেঞ্চুরি করে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাককালামের নামের প্রথম অক্ষর ম দিয়ে শুরু, আর টেস্টের দ্রুততম সেঞ্চুরির মারকাটারি রেকর্ডটিও তাঁরই।
সঠিক উত্তর: A) ফ্রেডেরিক গ্র্যান্ট ব্যানটিং
কেন সঠিক:
- বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক গ্র্যান্ট ব্যানটিং এবং তার সহকর্মী চার্লস বেস্ট ১৯২১ সালে মানুষের দেহে ইনসুলিন হরমোন সফলভাবে আবিষ্কার ও পৃথক করেন।
- ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় ইনসুলিনের সফল ব্যবহারের জন্য তিনি ১৯২৩ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রেডেরিক গ্র্যান্ট ব্যানটিং — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ১৯২১ সালে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন হরমোন আবিষ্কার করেছিলেন।
B) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং — তিনি ১৯২৮ সালে বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন, ইনসুলিন নয়।
C) গেরহার্ড ডোমাক — তিনি প্রথম সালফোনামাইড বা প্রন্টোসিল নামক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ আবিষ্কার করেছিলেন।
D) অ্যাড ওয়ার্ড জেনার — তিনি গুটিবসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক বিপ্লব ঘটিয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
ইনসুলিনের জন্য ব্যানটিং মনে রাখুন এভাবে যে, ব্যান্টিং ইনসুলিন আবিষ্কার করে ডায়াবেটিস রোগীদের জীবন বাঁচিয়েছেন।
সঠিক উত্তর: A) ২ টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সাথে ভৌগোলিক সীমান্ত রয়েছে মাত্র দুটি দেশের।
- এই দেশ দুটি হলো ভারত এবং মিয়ানমার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২ টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার এই দুটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে।
B) ৩ টি — বাংলাদেশ তিনটি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে না।
C) ৪ টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয় কারণ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ দুটি।
D) একটিও না — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে ভারত এবং দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে মিয়ানমার, অর্থাৎ সীমান্তবর্তী দেশ মোট দুটি।
সঠিক উত্তর: C) ভাইরাস
কেন সঠিক:
- হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) হলো এমন একটি ডিএনএ ভাইরাস যা মানুষের ত্বক ও শ্লেষ্মাবরণে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
- এই ভাইরাসটি জরায়ুমুখের ক্যানসারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের প্রধান কারণ হিসেবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে চিহ্নিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছত্রাক — এটি কোনো ছত্রাক নয়, কারণ ছত্রাক হলো সুতার মতো কোষপ্রাচীরযুক্ত ইউক্যারিওটিক জীব যা এই ভাইরাসের গঠন ও বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মেলে না।
B) ব্যাকটেরিয়া — এটি কোনো ব্যাকটেরিয়া নয়, কারণ ব্যাকটেরিয়া হলো এককোষী প্রোক্যারিওটিক অণুজীব যা অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে ধ্বংস করা যায় কিন্তু এই ভাইরাস যায় না।
C) ভাইরাস — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট রোগ সৃষ্টিকারী সংক্রামক জীবাণু যা কোষের ভেতরে বংশবৃদ্ধি করে।
D) অণুজীব — অণুজীব একটি ব্যাপক ধারণা এবং এর মধ্যে ভাইরাস অন্তর্ভুক্ত থাকলেও এটি ভাইরাসের সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক পরিচয় প্রকাশ করে না।
মনে রাখার টিপস:
প্যাপিলোমা শব্দটির পেছনে ভাইরাস যুক্ত থাকে, যেমন জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস।
সঠিক উত্তর: A) রিংগিট
কেন সঠিক:
- মালয়েশিয়ার সরকারি ও প্রচলিত মুদ্রার নাম হলো রিংগিট।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মালয়েশীয় মুদ্রাকে সংক্ষেপে এমওয়াইআর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রিংগিট — এটি মালয়েশিয়ার বৈধ ও সঠিক মুদ্রা, যা এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর।
B) রুবল — এটি রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক মুদ্রা, যা মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) পেসো — এটি ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোসহ কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম।
D) সীম — এটি কোনো দেশের প্রধান বা প্রচলিত মুদ্রা নয়।
মনে রাখার টিপস:
মালয়েশিয়ার নামের সঙ্গে মিল রেখে মনে রাখতে পারেন যে মালয়েশিয়ার মানুষ রিং পরে ব্যবসা করে, তাই তাদের মুদ্রা রিংগিট।
সঠিক উত্তর: B) হামিদুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহিদমিনারটির মূল নকশা ও পরিকল্পনা করেছিলেন ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৭ সালে তার করা নকশার ভিত্তিতে শহিদমিনার নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং তৎকালীন সময়ে এর নির্মাণকাজ আংশিক সম্পন্ন হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাইনুল হোসেন — তিনি জাতীয় সংসদ ভবনের মূল স্থপতি, কেন্দ্রীয় শহিদমিনারটির নকশাকার নন।
B) হামিদুর রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি কেন্দ্রীয় শহিদমিনারটির মূল নকশাকার।
C) শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় অবস্থিত স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের স্থপতি।
D) হামিদুজ্জামান খান — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশপ্তক ভাস্কর্যের স্থপতি।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলনের ভাষা এবং হামিদুর রহমানের নামের শুরুতে হা যুক্ত আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে কেন্দ্রীয় শহিদমিনার গড়েছেন হামিদুর রহমান।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট আকবর
কেন সঠিক:
- মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন বা বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন।
- খাজনা আদায় সহজ করার জন্য তিনি প্রাচীন ফসলি সনের সঙ্গে হিজরি সনের সমন্বয় করে এই নতুন সন প্রবর্তন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সম্রাট আকবর — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য।
B) আবুল ফজল — তিনি আকবরের নবরত্নের একজন এবং ঐতিহাসিক ছিলেন, কিন্তু তিনি বাংলা সন প্রবর্তন করেননি।
C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির মহান ব্যক্তি এবং আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা, কিন্তু বাংলা সনের প্রবক্তা নন।
D) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত ছিলেন, যিনি বাংলা সনের উৎপত্তি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন কিন্তু তা চালু করেননি।
মনে রাখার টিপস:
সন মানেই আকবর। খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে সম্রাট আকবর বাংলা সন চালু করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: C) Hyper Text Mark up Language
কেন সঠিক:
- এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ইন্টারনেটে ওয়েব পেজ তৈরি এবং প্রদর্শনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- টিম বার্নার্স লি ১৯৯০ সালে এই ভাষাটি উদ্ভাবন করেন এবং এর সাহায্যে ব্রাউজারে টেক্সট ও ছবি সাজানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) High Time Made up Language — এই নামের কোনো কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বা মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজের অস্তিত্ব নেই।
B) Hyper Test Multi Language — এখানে Test শব্দটি ভুল, কারণ সঠিক শব্দটি হলো Text।
D) High Teller Maximum Language — এই শব্দগুলো আইসিটি বা ওয়েব ডিজাইনের বিষয়ের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমূলক।
মনে রাখার টিপস:
ওয়েব পেজ তৈরির মূল ভাষা হলো এইচটিএমএল, যার প্রথম দুটি শব্দ মনে রাখলেই হাইপার টেক্সট মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) 8
কেন সঠিক:
- সুইফ্ট কোড (SWIFT Code) আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই কোডটি ৮ বা ১১ অক্ষরের হয়ে থাকে এবং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৮ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 6 — এটি সুইফ্ট কোডের নির্ধারিত বা সর্বনিম্ন স্ট্যান্ডার্ড দৈর্ঘ্য নয়।
B) 8 — এটি সুইফ্ট কোডের প্রধান ব্যাংক চিহ্নিত করার ন্যূনতম দৈর্ঘ্য।
C) 10 — এটি সুইফ্ট কোডের কোনো স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড দৈর্ঘ্য নয়।
D) 12 — সুইফ্ট কোড ১১ অক্ষর পর্যন্ত হতে পারে, ১২ অক্ষরের কোনো কোড হয় না।
মনে রাখার টিপস:
সুইফ্ট কোড কমপক্ষে ৮ এবং শাখা সহ ১১ অক্ষরের হতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ষাট গম্বুজ মসজিদ
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যশিল্পের এক অনন্য নিদর্শন, যা ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সুলতানি আমলের খান জাহান আলী কর্তৃক নির্মিত এই মসজিদটি প্রাচীন মসজিদের শহর বাগেরহাটের ঐতিহাসিক স্থাপত্যের প্রধান আকর্ষণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুসুম্বা মসজিদ — এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ হলেও ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থানের তালিকাভুক্ত নয়।
B) ষাট গম্বুজ মসজিদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত।
C) আতিয়া জামে মসজিদ — এটি টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মসজিদ যা ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থানের মর্যাদা পায়নি।
D) ছোটো সোনা মসজিদ — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত সুলতানি আমলের একটি মসজিদ, তবে এটি ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থান নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্বঐতিহ্য স্থানের স্বীকৃতি পায়।
সঠিক উত্তর: B) ৩২ তম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে।
- এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংস্থাটির ৩২তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩৬ তম — এই ক্রমটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সঠিক নয় এবং অন্য কোনো সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।
B) ৩২ তম — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এই ক্রমিক নম্বরে যুক্ত হয়।
C) ৩৮ তম — এই সংখ্যাটি কমনওয়েলথ সদস্যপদ অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশর সঙ্গে মিলে না।
D) ৪২ তম — এই ক্রমিক নম্বরটি অন্য কোনো পরবর্তী সদস্য রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার ঠিক পরপরই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর ৩২তম সদস্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে অবস্থিত দিনাজপুর জেলায় প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদিত হয়।
- দেশের খাদ্য চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করার কারণে একে রুটির ঝুড়ি বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাটোর — এই জেলা আম, লিচু ও কাঁচাগোল্লার জন্য বিখ্যাত হলেও রুটির ঝুড়ি বলা হয় না।
B) নওগাঁ — এটি ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত এবং একে ধানের ভান্ডার বলা হয়।
C) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ঠাকুরগাঁও — এটি উত্তর অঞ্চলের জেলা ও গম উৎপাদনে এগিয়ে থাকলেও একে আনুষ্ঠানিকভাবে রুটির ঝুড়ি বলা হয় না।
মনে রাখার টিপস:
দিনাজপুরে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদিত হয়, তাই গম থেকে তৈরি রুটির সঙ্গে মিলিয়ে একে রুটির ঝুড়ি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ফরিদপুর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
- নদী গবেষণা ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং এখানে অনেক সরকারি অফিস থাকলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এখানে অবস্থিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দরনগরী এবং এখানে সামুদ্রিক গবেষণা কেন্দ্র থাকলেও এই ইনস্টিটিউটটি এখানে নেই।
C) ফরিদপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই ইনস্টিটিউটের মূল কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
D) বরিশাল — এটি নদীমাতৃক অঞ্চল হলেও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এই বিভাগে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট মনে রাখতে ফ দিয়ে ফরিদপুর এবং ফ দিয়ে নদী বা পানি ব্যবস্থাপনার কথা মাথায় রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ
কেন সঠিক:
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাঞ্চলের ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি পাহাড়ি এলাকা।
- প্রশাসনিক ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এটি বৃহত্তর ময়মনসিংহের অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি এলাকা থাকলেও গারো পাহাড় এখানে অবস্থিত নয়, এটি মূলত চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ের অংশ।
B) ময়মনসিংহ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
সিলেট — সিলেটে কিছু পাহাড়ি টিলা ও হাওড় অঞ্চল রয়েছে, তবে গারো পাহাড় এখানে অবস্থিত নয়।
D) কক্সবাজার — কক্সবাজার উপকূলীয় অঞ্চল এবং এখানে প্রধানত সমুদ্র সৈকত ও কিছু মৃদু পাহাড়ি ঢাল রয়েছে, গারো পাহাড় নয়।
মনে রাখার টিপস:
গারো পাহাড় ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলাজুড়ে এর বিস্তার।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)