বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (কলেজ পর্যায়) ২০১৮

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রামরাম বসু
c রামনারায়ণ তর্করত্ন
d রাজা রামমোহন রায়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজা রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' রচনা করেন, যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। - বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে বাংলা ভাষার নিজস্ব ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন। - ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত গৌড়ীয় ব্যাকরণ মূলত ইংরেজিতে রচিত বাংলা ব্যাকরণের বাংলা অনুবাদ ও পরিবর্ধিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেদান্তসার ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক রচিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ব্রজবুলী পদাবলি ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের একটি বিশেষ রূপ, যা রাজা রামমোহন রায়ের সাহিত্যচিন্তার বাইরে ভিন্ন ধারার সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেননি, তবে বর্ণপরিচয় ও ব্যাকরণ কৌমুদী রচনা করেছেন। B) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন এবং রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র রচনা করেন। C) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি একজন নাট্যকার ছিলেন এবং কুলীনকুলসর্বস্ব নাটক রচনা করেছেন। D) রাজা রামমোহন রায় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাজা রাম মানেই গৌড়ীয় ব্যাকরণের রাজা, যিনি প্রথম বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন। - ১৮৩৩ সালটি মনে রাখলে রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যুর সাল এবং গৌড়ীয় ব্যাকরণের প্রকাশের সাল একসাথে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রাম চরণের 'কোট হ্যালহেড' রচিত হলেও তা ইংরেজিতে ছিল। - বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রাজা রামমোহন রায়ের 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'।
a মূর্খদের ভাষা
b পণ্ডিতদের ভাষা
c জনগণের ভাষা
d লেখকদের ভাষা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জনগণের ভাষা ১. কেন সঠিক: প্রাকৃত শব্দটি প্রাকৃত ভাষা বা প্রাক্কৃতিক বা স্বাভাবিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত ভাষার বিপরীতে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বা কথ্য রূপ হিসেবে এটি পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষা হলো ভারতীয়্য আর্য ভাষার দ্বিতীয় স্তর যা সংস্কৃত ভাষার পরে বিকশিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ বা জনসমষ্টি যে ভাষায় কথা বলত তাই প্রাকৃত ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহারাষ্ট্রি প্রাকৃত ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের অন্যতম একটি প্রাকৃত ভাষা যা সাহিত্যের ভাষা হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ ২: শৌরসেনী প্রাকৃত ব্যাখ্যা: মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার এই রূপটি উত্তর ভারতের সাধারণ মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূর্খদের ভাষা — প্রাকৃত ভাষা কোনো বিশেষ অবমূল্যায়িত বা মূর্খদের ভাষা ছিল না, এটি সাধারণ জনগণের কথ্য ভাষা ছিল। B) পণ্ডিতদের ভাষা — সংস্কৃত ভাষাকে পণ্ডিত বা অভিজাতদের ভাষা বলা হতো, প্রাকৃত তাকে বলা হয় না। D) লেখকদের ভাষা — লেখকরা সাধারণত ধ্রুপদী সংস্কৃত ব্যবহার করতেন, প্রাকৃত ছিল মূলত প্রাকৃতজনের দৈনন্দিন ভাষা। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃত শব্দটির উৎস হলো প্রাকৃতির, যার অর্থ স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক। তাই প্রাকৃত মানেই সাধারণ মানুষের প্রাকৃতিক ও সাবলীল ভাষা বা জনগণের ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার উৎপত্তি বিচার করলে দেখা যায় প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎস সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a শ্রবণ
b পরিষ্কার
c পাঠক
d কালো
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালো ১. কেন সঠিক: - যে শব্দগুলোকে বিশ্লেষণ বা ভাঙা যায় না এবং যাদের কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। - কালো শব্দটি একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে এমন কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না যা এর মূল অর্থের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। - যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাক ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ। উদাহরণ ২: লাল ব্যাখ্যা: লাল শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এর নিজস্ব স্বাধীন অর্থ রয়েছে, তাই এটি মৌলিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রবণ — শ্রবণ একটি সাধিত শব্দ যা শ্ৰু ধাতু এবং অন প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। B) পরিষ্কার — পরিষ্কার একটি বিদেশি শব্দ বা সাধিত শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। C) পাঠক — পাঠক একটি সাধিত শব্দ যা পঠ ধাতু এবং অক প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। D) কালো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি মৌলিক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলোকে ছোট টুকরো করা যায় না এবং যা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি মনে হয়, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ হিসেবে চিনে রাখবে। - রঙের নাম যেমন লাল, নীল, কালো এবং শরীরের অঙ্গ যেমন হাত, নাক, কান সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোনো শব্দ দেখলে আগে চিন্তা করবে সেটিকে কোনো প্রত্যয় বা সন্ধির মাধ্যমে ভাঙা যায় কি না।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c সর্বনাম
d অব্যয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য কেন সঠিক: ১. বাক্যে 'সুন্দর' শব্দটি কেবল একটি গুণ বোঝাচ্ছে না, বরং সুন্দর প্রকৃতির বা গুণের অধিকারী মানুষদের সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করছে। ২. বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য হিসেবে বসে এটি কাজের সম্পাদন করছে, যা বিশেষ্য পদের প্রধান একটি কাজ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. কোনো বিশেষণ পদ যখন গুণ বা অবস্থার বাইরে গিয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম বোঝায়, তখন তা বিশেষ্য পদে পরিণত হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে একে গুণবাচক বিশেষ্য বা বিশেষণের বিশেষ্য রূপান্তর বলা হয়, যেখানে রূপ পরিবর্তন ঘটে। ৩. যেমন, সৎ মানুষকে সবাই ভালোবাসে বাক্যে 'সৎ' শব্দটি এখানে বিশেষ্য পদের মতো কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি অন্য অপশনের ব্যাখ্যা নয়। B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ শব্দটি এখানে শুধু দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না, বরং একটি নাম বা পদের কাজ সম্পন্ন করছে। C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদ নামের পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে কোনো নামের পরিবর্তে শব্দটি বসেনি। D) অব্যয় — এটি ভুল কারণ অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এর অর্থ বাক্যে ভিন্নভাবে প্রকাশ পায়। মনে রাখার টিপস: ১. কোনো গুণবাচক শব্দ যখন বাক্যে নিজে কর্তা বা কর্মের রূপ নেয়, তখন তা আর বিশেষণ থাকে না। ২. তখন সেই পদটিকে চোখ বন্ধ করে বিশেষ্য পদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a নীঃ + রোগ
b নিঃ + রোগ
c নি + রোগ
d নির + য়োগ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিঃ + রোগ ১. কেন সঠিক: নিঃ + রোগ মিলে ‘নীরোগ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ‘র’ থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বরে রূপান্তরিত হয়। অর্থাৎ ‘ই’ কার ‘ঈ’ কারে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + রস = নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ‘র’ থাকায় বিসর্গ লুপ্ত হয়েছে এবং ‘নি’ এর ‘ই’ কার ‘ঈ’ কারে পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিঃ + রন্ধ্ৰ = নীরন্ধ্ৰ ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ সন্ধির প্রভাবে ‘নিঃ’ যুক্ত ‘রন্ধ্ৰ’ মিলে ‘নীরন্ধ্ৰ’ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীঃ + রোগ — ‘নীঃ’ এ দীর্ঘ ‘ঈ’ কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) নিঃ + রোগ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলে। C) নি + রোগ — এটি সাধারণ স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির ভুল প্রয়োগ, এখানে বিসর্গ অনুপস্থিত। D) নির + য়োগ — এখানে ‘রোগ’ শব্দের পরিবর্তে ‘য়োগ’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পরে ‘র’ থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে আগের ছোট ই বা উ কারকে বড় ঈ বা ঊ কার করে দিতে হয়। এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ‘নীরস’, ‘নীরোগ’ ও ‘নীরন্ধ্ৰ’ শব্দগুলো বারবার পরীক্ষণে আসে, তাই এগুলোর নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a ষড়যন্ত্র
b সন্দেহজনক আচরণ
c ঢাক জোরে বাজানো
d লুকোচুরি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লুকোচুরি ১. কেন সঠিক: - 'ঢাক ঢাক গুড় গুড়' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার অর্থ কোনো কথা বা বিষয় লুকিয়ে রাখা বা লুকোচুরি করা। - কোনো গোপনীয়তা রক্ষা করার চেষ্টা করা কিংবা স্পষ্ট করে কিছু না বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অবস্থাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের মতো পালালেও তোমার মনের কথা আমি বুঝতে পেরেছি, এখন আর ঢাক ঢাক গুড় গুড় করে লাভ নেই। ব্যাখ্যা: কথাটি পরিষ্কার না করে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার অর্থ প্রকাশ করতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগে কত কথাই না হলো, এখন সব ঢাক ঢাক গুড় গুড় বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: গোপনীয়তা বজায় রাখার চেষ্টা শেষ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড়যন্ত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ ষড়যন্ত্র অর্থ গোপনে কোনো খারাপ পরিকল্পনা করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সন্দেহজনক আচরণ — এই অপশনটি ভুল কারণ সন্দেহজনক আচরণ বলতে অস্বাভাবিক বা অবিশ্বাসী গতিবিধি বোঝায়, যা নির্দিষ্ট লুকোচুরি অর্থ প্রকাশ করে না। C) ঢাক জোরে বাজানো — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়। D) লুকোচুরি — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি বাগধারাটির প্রকৃত ভাবার্থ বা গোপন করার অবস্থাকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাক বা বাদ্যযন্ত্র বাজালে যেমন শব্দ হয় কিন্তু ঢাক ঢেকে রাখলে আওয়াজ চাপা পড়ে যায়, তেমনি কোনো কথা চেপে রাখা বা লুকোচুরি করাকে ঢাক ঢাক গুড় গুড় বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে বাগধারার রূপক বা ভাবার্থ মূল্যায়ন করা হয়। তাই শব্দগুলোর পেছনের মূল অর্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
a অলুক তৎপুরুষ
b উপপদ তৎপুরুষ
c নঞ তৎপুরুষ
d নিত্য সমাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নঞ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: নঞ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা অসূচক অব্যয় বসে এবং পদের অর্থ নেতিবাচক হয়। অনেক শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ন এক, যা দিয়ে একের অভাব বা না এক বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বোধক অব্যয় বা নঞ অর্থবোধক শব্দ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। অনেক শব্দটি গঠিত হয়েছে ন এবং এক এর মিলনে, যেখানে ন অর্থ নেই বা অভাব বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসম্ভব ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো ন সম্ভব, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: অবিনাশী ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো ন বিনাশী, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক তৎপুরুষ — যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে, কিন্তু অনেক শব্দে বিভক্তি লোপ না পাওয়ার ব্যাপার নেই। B) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, কিন্তু অনেক শব্দটি কৃদন্ত পদ নয়। C) নঞ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে না বোধক অব্যয় যুক্ত হয়ে সমাস সাধিত হয়েছে। D) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্যের কোনো প্রয়োজন হয় না এবং পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ থাকে তাকে নিত্য সমাস বলে, কিন্তু অনেক শব্দের ব্যাসবাক্য আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নঞ তৎপুরুষ সমাসের শুরুতে সাধারণত অ, অন, না, নাই বা ন থাকে। অনেক শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি ন এক এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নঞ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অদৃষ্ট, অচেনা এবং অসম্ভব শব্দগুলো একইভাবে নঞ তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
a অধিকার অর্থে
b যশ অর্থে
c অভ্যাস অর্থে
d নিপুণতা অর্থে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিপুণতা অর্থে ১. কেন সঠিক: ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো বাক্যে হাত শব্দটি চিকিৎসকের কাজের দক্ষতা বা নিপুণতা প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে হাত বলতে মানুষের শরীরের অঙ্গ বোঝায়নি, বরং চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর ভালো হওয়ার কার্যক্ষমতা বা পেশাগত নৈপুণ্য বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় অনেক অঙ্গবাচক শব্দ বিশেষ বিশেষ অর্থে রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। এখানে হাত শব্দটি কর্মদক্ষতা, নিপুণতা, পারদর্শিতা বা কাজের সফলতার অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকটির হাতের রান্না খুব সুস্বাদু। ব্যাখ্যা: এখানে হাত শব্দটি রান্নার কাজে বিশেষ নৈপুণ্য বা দক্ষতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ওস্তাদের মার শেষ রাতে। ব্যাখ্যা: এখানে মার বা কাজ করার ক্ষেত্রে বিশেষ কৌশল ও নিপুণতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকার অর্থে - এই বাক্যে হাত বলতে কোনো কিছুর মালিকানা বা দখল বোঝানো হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। B) যশ অর্থে - যশ অর্থ খ্যাতি, কিন্তু হাত যশ পুরো একটি বাগধারা বা বিশেষ প্রয়োগ যেখানে নিপুণতাই মূল বিষয়। C) অভ্যাস অর্থে - হাত বলতে এখানে অভ্যস্ততা বোঝায় না, বরং কাজের ক্ষেত্রে হাতের গুণ বা দক্ষতা বোঝানো হয়েছে। D) নিপুণতা অর্থে - এই অপশনটি সঠিক কারণ চিকিৎসকের কর্মদক্ষতা ও নিপুণতা প্রকাশই এই বাক্যের মূল উদ্দেশ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তি বা পেশাজীবীর কাজের দক্ষতা বোঝাতে হাত শব্দের ব্যবহার থাকলে তা সবসময় নিপুণতা বা পারদর্শিতা হিসেবে গণ্য করবে। চিকিৎসক বা রান্নার ক্ষেত্রে হাত ভালো থাকা মানে কাজের নিপুণতা থাকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বাক্যে শব্দের বিশেষ ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অঙ্গবাচক শব্দের রূপক ব্যবহারগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ভ্রমর
b পত্র
c ফল
d পুষ্প
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুষ্প ১. কেন সঠিক: - প্রসুন শব্দের অর্থ ফুল বা পুষ্প। - বাংলা সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ নির্ণয় পর্বে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে গভীর সাদৃশ্য থাকে। - একটি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ থাকতে পারে যা প্রসঙ্গ ভেদে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুসুম ব্যাখ্যা: এটি প্রসুনের একটি অন্যতম পরিচিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: ফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রসুনের সবচেয়ে সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত বাংলা প্রতিশব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্রমর — ভ্রমর শব্দের অর্থ সার্থকভাবে অলিকুল বা মৌমাছি বোঝায়, যা ফুলের প্রতিশব্দ নয়। B) পত্র — পত্র শব্দের অর্থ গাছের পাতা বা চিঠি, যা প্রসুনের সমার্থক হতে পারে না। C) ফল — ফল উদ্ভিদের অংশ হলেও এটি ফুল বা প্রসুনের ভিন্ন পর্যায় নির্দেশ করে। D) পুষ্প — এটি প্রসুনের সঠিক প্রতিশব্দ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রসুনের প্রথম অক্ষর প্র এবং পুষ্পের প্রথম অক্ষর প মনে রেখে কৌশল তৈরি করতে পারো। - ফুল বোঝাতে প্র, কুসুম ও পুষ্প শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - ফুল, পাতা ও ফলের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে বিভ্রান্তি দূর হয়।
a আমার তিলমাত্র সময় নাই
b আমার একতিল সময় আছে
c আমি এক মুহূর্ত অপব্যয় করতে পারি না
d ওপরের কোনোটিই নয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমার তিলমাত্র সময় নাই কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ spare এখানে কোনো কিছু অতিরিক্ত না থাকা বা বরাদ্দ করতে না পারাকে বোঝায়। - instant শব্দের ভাবার্থ বোঝাতে বাংলায় তিলমাত্র বা সামান্য পরিমাণ সময় না থাকাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি নেতিবাচক বাক্য I cannot spare an instant-এর ভাবানুবাদ হিসেবে বিকল্প এ সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। - অনুবাদে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে মূল ভাব ফুটিয়ে তোলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যা এখানে সফলভাবে করা হয়েছে। - অনুরূপ উদাহরণ: I have no time to lose-এর অর্থ আমার সময় নষ্ট করার জো নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সঠিক উত্তর — এটি মূল বাক্যের নিখুঁত ও প্রমিত বাংলা ভাবানুবাদ। - B) আমার একতিল সময় আছে — মূল বাক্যে সময় না থাকার কথা বলা হয়েছে কিন্তু এখানে সময় আছে বলা হয়েছে যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - C) আমি এক মুহূর্ত অপব্যয় করতে পারি না — এটি অপচয় করার প্রসঙ্গ টানে যা spare শব্দের মূল অর্থের সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ নয়। - যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ-তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - spare an instant বা spare a moment দেখলে বুঝবে তিলমাত্র বা বিন্দুমাত্র সময় না থাকার কথা বলা হচ্ছে।
a পশুর খোলস
b নির্মোহ লোক
c নিমোক রাখার পাত্র
d সাপের খোলস
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাপের খোলস ১. কেন সঠিক: - 'নির্মোক' একটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দসংক্ষেপ, যার অর্থ হলো সাপের খোলস বা ত্যক্ত চামড়া। সাপ যখন নতুন চামড়া লাভ করে, তখন তার পুরোনো খোলস ত্যাগ করে, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় নির্মোক বলে। - এই প্রশ্নটি শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে একটি পূর্ণ ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। - 'সাপের খোলস' বাক্যংশটিকে এককথায় প্রকাশ করলে নির্মোক শব্দটি পাওয়া যায়, যা প্রমিত বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাতির পালের কোলাহল - হ্রেষা না হয়ে গজন হবে। এখানে হাতির ডাককে গজন বলা হয়। ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন ভাষা সুন্দর ও সাবলীল করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো হয়নি - অভূতপূর্ব। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশুর খোলস — পশুর চামড়া বা খোলস বোঝাতে নির্মোক শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। B) নির্মোহ লোক — নির্মোহ অর্থ মোহহীন ব্যক্তি, যার সঙ্গে সাপের খোলস বা নির্মোক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নিমোক রাখার পাত্র — এটি একটি কাল্পনিক ও অর্থহীন শব্দগুচ্ছ, যার সঙ্গে এই শব্দের কোনো মিল নেই। D) সাপের খোলস — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নির্মোক শব্দের মূল অর্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: সাপ খোলস ছেড়ে নতুন রূপ নেয়, আর নির্মোক শব্দটি দেখলে সাপের খোলস কথাটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a কর্তায় সপ্তমী
b কর্মে সপ্তমী
c করণে সপ্তমী
d অপাদানে সপ্তমী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে 'কারে' শব্দটির দ্বারা কর্মকারককে নির্দেশ করা হয়েছে। - কারে শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত রয়েছে যা সপ্তমীর রূপ। তাই এটি কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। এই বাক্যে দান করার কর্ম হলো গান বা ফুলের মালা। - শব্দের সঙ্গে 'এ', 'তে', 'য়' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হলে এবং তা স্থান, কাল বা সপ্তমী বিভক্তির রূপ প্রকাশ করলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তারকে ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকো প্রশ্নের উত্তরে ডাক্তারকে আসায় এটি কর্মকারকে দ্বিতীয় বিভক্তি। উদাহরণ ২: শিক্ষককে শ্রদ্ধা কর। ব্যাখ্যা: কাকে শ্রদ্ধা কর প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষককে আসায় এটি কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় সপ্তমী — কর্তাকারকে সপ্তমী বিভক্তি নয় কারণ এখানে কাজটি সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝায়নি। C) করণে সপ্তমী — করণকারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম নেই। D) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক থেকে, হতে বা দূরে সরে যাওয়া বোঝায় যা এখানে অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াকে কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্মকারক হয়। শব্দের শেষে এ বা য় থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য বাক্যের মূল ভাব এবং ক্রিয়াপদের সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a প্রাতিপদিক
b সাধিত শব্দ
c নামপদ
d ক্রিয়াপদ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: - বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, যা পদের মূল রূপ কিন্তু তাতে কোনো কারক বা বিভক্তি যুক্ত হয়নি। - প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল ভিত্তি বা মূল রূপ, যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ বা বিভক্তিহীন নামশব্দ। একে অনেক সময় শব্দের প্রথমা বিভক্তির একবচনান্ত রূপ বা মূল প্রকৃতিও বলা হয়। - ধাতুর সঙ্গে যেমন প্রত্যয় যুক্ত হয়, তেমনি নাম শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের রূপটি হলো প্রাতিপদিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম একটি নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দটিতে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি প্রাতিপদিক হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দ। B) সাধিত শব্দ — সাধিত শব্দ হলো প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ, যা কেবল বিভক্তিহীন নাম শব্দ নয়। C) নামপদ — বিভক্তিযুক্ত নাম শব্দকে পদ বলা হয়, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে বিভক্তিহীন শব্দ। D) ক্রিয়াপদ — ক্রিয়াপদ হলো কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় এমন শব্দ, যা নাম শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপদিক মানে প্রকৃতির আদি রূপ যেখানে কোনো বিভক্তির পোশাক পরানো হয়নি। - মনে রাখবে, বিভক্তিহীন মানেই প্রাতিপদিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাতিপদিক ও সাধিত শব্দের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - বিভক্তি যোগ করার আগের অবস্থাই হলো প্রাতিপদিক।
a ধূসর পাণ্ডুলিপি
b কবিতার কথা
c ঝরা পালক
d দুর্দিনের যাত্রী
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য অংশের অন্তর্ভুক্ত। - জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো কবিতার কথা, যা তার সাহিত্যচিন্তা ও সৃষ্টিতত্ত্বের পরিচয় বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। - কবিতার কথা গ্রন্থে কবি বাংলা কাব্যরীতির বিবর্তন, আধুনিক কবিতার রূপ এবং নিজস্ব কাব্যদর্শনের গভীর ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘কবিতাসমগ্র’। ব্যাখ্যা: এটি তার অপ্রকাশিত ও প্রকাশিত প্রবন্ধের সংকলন। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের অপর একটি গদ্যকর্ম ‘মাল্যবান’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তার জীবনকালে অপ্রকাশিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। B) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং সঠিক উত্তর। C) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। D) দুর্দিনের যাত্রী — এটি কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশ মানেই মূলত কবিতা ও রূপসী বাংলার রূপ। - তার একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ মনে রাখতে কবিতার কথা কথাটি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের গদ্য বা প্রবন্ধ গ্রন্থ প্রায়ই আসে। - মূল ধারার বাইরে লেখকদের ভিন্নধর্মী রচনাগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
a অব্যয় পদ
b সম্বোধন পদ
c সর্বনাম পদ
d ক্রিয়াপদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অব্যয় পদ ১. কেন সঠিক: - সাধু ও চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তিত হলেও অব্যয় পদের রূপ অপরিবর্তিত থাকে। - অব্যয় পদ কাল, পুরুষ ও বচন ভেদে কোনো রূপ পরিবর্তন না করে সর্বদা একই থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না এবং যা সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে তাকে অব্যয় পদ বলে। - সাধু ও চলিত রীতিতে লেখার সময় পদের রূপ বদলালেও অব্যয় শব্দগুলো উভয় রীতিতে একইরূপে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এবং ব্যাখ্যা: বাক্যকে যুক্ত করতে সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই এবং শব্দটি একইভাবে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: কিন্তু ব্যাখ্যা: বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে সাধু ও চলিত উভয় রীতিতে কিন্তু অব্যয়টি অভিন্নরূপে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় পদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ অব্যয় পদ সাধু ও চলিত রীতিতে কখনো পরিবর্তিত হয় না। B) সম্বোধন পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ সম্বোধন পদ সাধু ও চলিত রীতিতে রূপ পরিবর্তন করতে পারে। C) সর্বনাম পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ সর্বনাম পদের সাধু রূপ ও চলিত রূপ সম্পূর্ণ আলাদা হয় যেমন তাহার বনাম তার। D) ক্রিয়াপদ — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্রিয়াপদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে ভিন্ন হয় যেমন করিতেন বনাম করতেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - অব্যয় শব্দের অর্থ যা ব্যয় হয় না বা পরিবর্তিত হয় না। - রূপ বদলায় না বলে অব্যয় সব রীতিতে একই থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার রীতিনীতি থেকে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ রীতভেদে বদলায় কিন্তু অব্যয় ও বিশেষণ পদ সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে।
a কোলন ড্যাশ
b ড্যাশ
c কোলন
d সেমিকোলন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোলন ড্যাশ ১. কেন সঠিক: - উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত কোলন ড্যাশ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের মধ্যে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিরাম চিহ্ন বা punctuation হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত প্রতীক। - কোলন ড্যাশ চিহ্নটি কোলন এবং ড্যাশ এর মিলিত রূপ যা বাক্য বা বিবরণের পরে উদাহরণ বোঝাতে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ পাঁচ প্রকার: যথা— বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, অব্যয় ও ক্রিয়া। ব্যাখ্যা: এখানে পদের প্রকারভেদ দেখানোর পর উদাহরণ দেওয়ার জন্য কোলন ড্যাশ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশে অনেক নদী আছে: যেমন— পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র। ব্যাখ্যা: নদীর নামগুলো উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করার জন্য কোলন ড্যাশ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন ড্যাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উদাহরণ প্রয়োগের ক্ষেত্রেই নির্ধারিত। B) ড্যাশ — ড্যাশ চিহ্নটি মূলত যৌগিক বা মিশ্র বাক্যের সংযোগ বোঝাতে বা ভাবের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) কোলন — কোলন সাধারণত একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্য বা উদ্ধৃতি আনতে ব্যবহৃত হয়, উদাহরণ সরাসরি বোঝায় না। D) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের সংযোগে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত দিতে গেলেই কোলন ও ড্যাশ একসাথে বসে। - কোলন ড্যাশ মানেই উদাহরণের প্রকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরাম চিহ্নের নাম এবং তাদের নির্দিষ্ট ব্যবহার থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলায় বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার ব্যাপকভাবে শুরু করেন।
a জ্ঞানদাস
b বিদ্যাপতি
c গোবিন্দদাস
d কোনটিই নয়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হওয়া সত্ত্বেও ব্রজবুলি ভাষায় পদাবলি রচনা করে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ব্রজবুলি কোনো কথ্য ভাষা নয়, বরং এটি বাংলা ও মৈথিলি ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি এক কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রধান আদি কবি যিনি মিথিলার রাজা শিবসিংহের সভাকবি ছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা নিয়ে রচিত তার পদগুলো বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব সমাজকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদাবলি সাহিত্যের প্রথম কবি বিদ্যাপতি। ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতির পদ থেকেই বাংলায় বৈষ্ণব পদাবলি রচনার ধারা শুরু হয়। উদাহরণ ২: মৈথিলি কোকিল উপাধিতে ভূষিত বিদ্যাপতি। ব্যাখ্যা: তার মিষ্টি ও মধুর পদের জন্য তাকে মৈথিলি কোকিল বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস — ইনি বাংলা ভাষায় পদাবলি রচনা করেছেন, ব্রজবুলির একক স্রষ্টা বা প্রধান নন। B) বিদ্যাপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক। C) গোবিন্দদাস — ইনি ব্রজবুলিতে পদ রচনা করলেও বিদ্যাপতির পরেই তার অবস্থান এবং তিনি বিদ্যাপতিকে অনুসরণ করেছিলেন। D) কোনটিই নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতি মৈথিলি কবি হলেও ব্রজবুলি ভাষার প্রবক্তা ও পদাবলি রচয়িতা হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। ব্রজবুলি মানেই কবি বিদ্যাপতির নাম প্রথমে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি কী ধরনের ভাষা। এটি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা যা মূলত বাংলা ও মৈথিলার মিশ্রণ।
a নির্বোধ
b প্রজ্ঞা
c স্থিরতা
d মনস্বিতা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নির্বোধ ১. কেন সঠিক: - মনীষা শব্দের অর্থ হলো প্রজ্ঞা, বুদ্ধি, মেধা বা মননশক্তি। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো নির্বোধ, যার অর্থ জ্ঞানহীন বা বোকা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় মূল শব্দের সঠিক অর্থ অনুধাবন করে তার ঠিক উল্টো ভাবের শব্দ বেছে নিতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা একটি অন্যটির সম্পূর্ণ বিপরীত বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয় এবং শব্দের উৎস ও রূপের সামঞ্জস্য রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মূর্খ ব্যাখ্যা: এটি মনীষা শব্দের আরেকটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে, যার অর্থ জ্ঞানহীন। উদাহরণ ২: প্রাজ্ঞ ব্যাখ্যা: প্রাজ্ঞ হলো মনীষা শব্দের সমার্থক শব্দ, যা বিপরীত শব্দের বেলায় বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখা দরকার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বোধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মনীষা বা বুদ্ধিমত্তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) প্রজ্ঞা — এটি ভুল কারণ প্রজ্ঞা হলো মনীষার সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। C) স্থিরতা — এটি ভুল কারণ স্থিরতা শব্দের বিপরীত শব্দ চঞ্চলতা বা অস্থিরতা। D) মনস্বিতা — এটি ভুল কারণ মনস্বিতা হলো মনীষার কাছাকাছি বা সমার্থক একটি ভাববাচক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনীষা মানে উচ্চমেধা বা প্রজ্ঞা আর এর উল্টো দিকে যার কোনো বুদ্ধি নেই অর্থাৎ নির্বোধ। সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল অর্থ আগে খাতায় লিখে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দের সঙ্গে তৎসমরীতির বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার অভ্যাস করতে হবে।
a স্বরভক্তি
b স্বরসংগতি
c অভিশ্রুতি
d অপিনিহিতি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরভক্তি ১. কেন সঠিক: - সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের মাঝে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি প্রবেশের প্রক্রিয়াকে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ বলে। - রত্ন শব্দের মাঝের ত ও ন এই দুটি সংযুক্ত বর্ণের মাঝে ই ধ্বনি এসে রতন রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ভিন্ন ধ্বনির উচ্চারণ সহজ করার জন্য মাঝে স্বরধ্বনি আসার নাম স্বরভক্তি বা মধ্যবিপ্রকর্ষ। - দ্রুত উচ্চারণের সময় গামছা থেকে গামুছা বা ধর্ম থেকে ধরম শব্দে রূপান্তর এর সাধারণ উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লগ্ন থেকে লগন ব্যাখ্যা: গ ও ন যুক্তবর্ণের মাঝে অ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে লগন হয়েছে। উদাহরণ ২: মন্ত্র থেকে মন্তর ব্যাখ্যা: ন ও ত যুক্তবর্ণের মাঝে অ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে মন্তর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরভক্তি — এটি সঠিক কারণ সংযুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে স্বরধ্বনি প্রবেশ করেছে। B) স্বরসংগতি — শব্দের মধ্যে অবস্থিত স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বরসংগতি বলে। C) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ই কার বা উ কার আগের স্বরের সাথে মিলে যাওয়াকে অভিশ্রুতি বলে। D) অপিনিহিতি — যুক্তব্যঞ্জন ভাঙার আগেই ই কার বা উ কার উচ্চারিত হওয়ার নাম অপিনিহিতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - যুক্তবর্ণ ভেঙে মাঝে স্বরধ্বনি আসলে তাকে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ মনে রাখবে। - রত্ন থেকে রতন বানানে মাঝের পরিবর্তনটি ভালো করে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপ্রকর্ষ শব্দের অর্থ মাঝখানে ফাঁক তৈরি করা। - এই ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন পরীক্ষায় প্রায়ই বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি নামে আসে।
a রাজস্ব
b মেনে নেওয়া
c জলকণা
d গাছের মূল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জলকণা ১. কেন সঠিক: - 'শীকর' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সূক্ষ্ম জলকণা, কুয়াশা বা শিশিরবিন্দু। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে সঠিক শব্দ চেনার জন্য এর প্রকৃত অর্থ জানা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত শব্দ সরাসরি বা সামান্য পরিবর্তিত হয়ে ব্যবহৃত হয়। - 'শীকর' শব্দটি এমন একটি বিশেষ্য পদ যা সাধারণত প্রাকৃতিক জলকণা বা বৃষ্টির সূক্ষ্ম ফোঁটাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ থেকে ঝরে পড়া এক ফোঁটা শীকর গাছের পাতায় জমে আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'শীকর' বলতে বৃষ্টির সূক্ষ্ম জলকণা বা শিশিরকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: সকালের হিমেল বাতাসে কুয়াশার শীকর চারদিক ঢেকে দিয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'শীকর' শব্দটি জলকণার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজস্ব — রাজস্ব শব্দের অর্থ কর বা খাজনা, যা সরকারের আয়ের উৎস এবং 'শীকর' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) মেনে নেওয়া — মেনে নেওয়া একটি ক্রিয়াপদ যা কোনো কিছু স্বীকার করা বা নমনীয় হওয়া বোঝায়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ। C) জলকণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'শীকর' শব্দের নির্দিষ্ট আধান হলো সূক্ষ্ম জলকণা বা শিশির। D) গাছের মূল — গাছের মূলকে সাধারণত 'মূল' বা 'শিকড়' (দন্ত্য-ন ও ড শূন্য র) বলা হয়, যা হ্রস্ব-ই কার ও মূর্ধন্য-ষ যুক্ত 'শীকর' শব্দ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানান খেয়াল রাখবে: মূর্ধন্য-ষ যুক্ত 'শীকর' মানে জলকণা। - আর দন্ত্য-ন যুক্ত 'শিকড়' মানে গাছের মূল বা শেকড়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ ও বানンの সূক্ষ্ম পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই উচ্চারণ ও বানান উভয় ক্ষেত্রেই সতর্ক থাকতে হবে।
a সচ্ছল
b সচ্ছুল
c সচ্চল
d সচ্চছল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সচ্ছল কেন সঠিক: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে চ-এর সাথে ছ যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির অর্থ সচ্ছল বা স্বচ্ছলতা অর্থে সচ্ছল বানানটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরবর্ণের পর ছ যুক্ত হলে সাধারণত চ্ছ হয়। - বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি তৎসম বা তদ্ভব শব্দের সঠিক রূপ এটি। - যেমন, সচ্ছল শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে সচ্ছলতা গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সচ্ছল — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - B) সচ্ছুল — এখানে ছ-এর সাথে উ-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। - C) সচ্চল — এখানে চ-এর সাথে ছ যুক্ত না হয়ে চ যুক্ত হয়েছে যা ভুল। - D) সচ্চছল — এখানে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত চ এবং ছ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - সচ্ছল বানান লেখার সময় মনে রাখতে হবে চ-এর সাথে হসন্ত ও ছ যুক্ত হবে কিন্তু কোনো উ-কার হবে না।
a ১৯৪৩ সালে
b ১৯৪৮ সালে
c ১৯৫২ সালে
d ১৯৭০ সালে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৮ সালে ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস 'লালসালু' ১৯৪৮ সালে রচিত হয়েছিল। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মীয় ভণ্ডামি ও অন্ধবিশ্বাসের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা ধারার প্রবক্তা। - 'লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে, যা গ্রামীণ জীবনের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক 'বহিপীর' ব্যাখ্যা: এই নাটকটিতেও সমাজসংস্কার ও রক্ষণশীলতার দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিশ্বমানের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৩ সালে — এই সালে 'লালসালু' রচিত হয়নি কারণ এটি লেখকের শুরুর দিকের সাহিত্যকর্মের সময়কাল নয়। B) ১৯৪৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই উপন্যাসটি রচিত হয়েছিল। C) ১৯৫২ সালে — এই সালে উপন্যাসটি রচিত হয়নি, বরং এটি ১৯৪৮ সালে রচিত ও ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়। D) ১৯৭০ সালে — এই সালটি 'লালসালু' উপন্যাসের রচনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - লালসালু উপন্যাসের রচনা সাল মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে এটি রচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই উপন্যাসের রচয়িতা, রচনার সাল এবং প্রকাশের সাল আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। - রচনার সাল ১৯৪৮ এবং প্রকাশের সাল ১৯৪৯—এই দুটি তথ্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a এক ধরনের গান
b বাদ্যযন্ত্র
c নাচের মুদ্রা
d বিশেষ ধরনের খেলা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক ধরনের গান ১. কেন সঠিক: টপ্পা হলো এক বিশেষ ধরনের শাস্ত্রীয় বা উপশাস্ত্রীয় বাংলা গান, যা মূলত পাঞ্জাবের উটের চালকদের গীত উটওয়ালার গানের ওপর ভিত্তি করে ভারতীয় উপমহাদেশে বিকশিত হয়েছে। এটি বাংলা গানের ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র ধারা হিসেবে পরিচিত এবং এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত ও জটিল তান বা লয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সংগীতে টপ্পা গানের প্রধান প্রবক্তা বা রূপকার হলেন নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত। অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে ও উনবিংশ শতকের শুরুতে তিনি বাংলা ভাষায় প্রচুর টপ্পা গান রচনা ও পরিবেশন করে এই ধারাটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিধু বাবুর রচিত প্রেম ও বিরহমূলক টপ্পা গান। ব্যাখ্যা: এই গানগুলোতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম বা সাধারণ মানুষের অনুরাগের কথা দ্রুত লয়ের সুরে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রামনিধি গুপ্তের বাংলা টপ্পা। ব্যাখ্যা: তিনি প্রথম ফার্সি ও হিন্দি গানের আদলে বাংলায় টপ্পা গান রচনা করে এক নতুন ধারার সূচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক ধরনের গান — এই অপশনটি সঠিক কারণ টপ্পা হলো একটি বিশেষ বাদ্যসংগত গান। B) বাদ্যযন্ত্র — টপ্পা কোনো বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি গাওয়ার একটি নির্দিষ্ট ধ্রুপদী বা উপশাস্ত্রীয় শৈলী। C) নাচের মুদ্রা — টপ্পা নৃত্যকলা বা নাচের কোনো বিশেষ ভঙ্গি বা মুদ্রা নির্দেশ করে না। D) বিশেষ ধরনের খেলা — এটি কোনো ধরনের ক্রীড়া বা খেলাধুলা সংক্রান্ত টার্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: টপ্পা শুনলেই মনে রাখবে গান এবং এর সঙ্গে নিধু বাবুর নাম। নিধু বাবু হলেন বাংলা টপ্পার আদি ও প্রধান শিল্পী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলার প্রথম টপ্পা বাদক বা রচিয়তার নাম জানতে চাওয়া হয়। এক্ষেত্রে রামনিধি গুপ্ত বা নিধু বাবুর নাম মনে রাখা জরুরি।
a উম্য
b উমো
c ইয়ো
d উয়ো
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উয়ো ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালার পঞ্চম বর্ণ উওম বা ঙ-এর প্রমিত উচ্চারণ হলো উয়ো। - এটি মূলত উ এবং ও-এর মিলিত ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ - ঙ একটি নাসিক্য বর্ণ এবং এটি কণ্ঠ্য বর্গীয় ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা শব্দ বাংলা ব্যাখ্যা: বাংলা শব্দটিতে ঙ-এর উচ্চারণ উয়ো-এর মতো হয়। উদাহরণ ২: বাংলা শব্দ অঙ্ক ব্যাখ্যা: অঙ্ক শব্দটিতেও ঙ-এর সঠিক উচ্চারণ উয়ো ধ্বনি প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উম্য — উম্য বানান বা উচ্চারণটি ঙ বর্ণের জন্য প্রমিত নয়। B) উমো — উমো বলতে কোনো সঠিক প্রমিত ধ্বনিগত উচ্চারণ বোঝায় না। C) ইয়ো — ইয়ো হলো ই-বর্গীয় বর্ণ ইঞ-এর উচ্চারণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঙ দেখলে মনে রাখবে এর উচ্চারণ উয়ো। - বাংলা নাসিক্য বর্ণগুলোর মধ্যে এর উচ্চারণ একটু আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণ ও উচ্চারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা উচ্চারণ জানার জন্য ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর উচ্চারণ রীতি অনুসরণ করা যেতে পারে।
a as high as
b so high as
c as high to
d as high for
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: বাক্যে তুলনামূলক উচ্চ মূল্য বোঝাতে as high as ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যা নির্দিষ্ট কোনো দামের সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) so high as — এই গঠনটি সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে বা সমতা বোঝাতে বসে। C) as high to — এখানে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়নি। D) as high for — এই ফ্রেজটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর সর্বোচ্চ দাম বোঝাতে সবসময় as high as ব্যবহার করতে হয়।
a will
b can
c could
d should
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) should কেন সঠিক: বাক্যে lest শব্দটি থাকার কারণে এর পরবর্তী অংশে নিয়ম অনুযায়ী সবসময় should বসে। অন্য কোনো সাহায্যকারী verb এই ধরনের নেতিবাচক সম্ভাবনার ক্ষেত্রে grammatically সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — lest শব্দের সাথে future tense বোঝাতে will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) can — সামর্থ্য বোঝাতে can ব্যবহৃত হয় যা lest এর নিয়ম ও অর্থ অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। C) could — অতীতের সম্ভাবনা বোঝালেও lest এর সাথে বাধ্যতামূলক নিয়ম হিসেবে কেবল should বসে। D) should — এই অপশনটি সঠিক বিধвиদ্ধ নিয়মের সাথে মিলে যায় তাই এটি কোনো ভুল অপশন নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest দেখলে চোখ বন্ধ করে should বসিয়ে দেবে কারণ এদের মধ্যে একটি পাক্কা জোড়া রয়েছে।
a stay together
b tolerate
c keep trust
d protect
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tolerate কেন সঠিক: ‘Put up with’ একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ দূরে থাকুক, এর ভাবগত অর্থ হলো কোনো কিছু নীরবে সহ্য করা। কষ্ট বা অপছন্দের পরিস্থিতি হাসিমুখে মেনে নেওয়া বা সহ্য করার ক্ষেত্রে এই ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত কোনো বিরক্তিকর পরিস্থিতি বা কঠিন কোনো ব্যক্তিকে সহ্য করার ক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাক্যে টলারেন্ট বা সহ্য করা অর্থে এই ফ্রেজাল ভার্বের তুলনা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stay together — এর বাংলা অর্থ একসাথে থাকা, যা এই ইডিওমের সহ্য করার ভাবের সাথে মেলে না। B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই ইডিওমটির মূল অর্থ। C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রাখা, যা সহ্য করার ধারণার সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা, যা কোনো কিছু সহ্য করা বা মেনে নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে সহ্য করা বা মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে টলারেন্ট বা সহ্য করা শব্দটি মনে রাখলেই এই ইডিওমটির সঠিক অর্থ সহজে বের করা যায়।
a would come
b would have come
c may had come
d would may come
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would have come কেন সঠিক: বাক্যটিতে যদি অতীতকালের অবাস্তব শর্ত বোঝায়, তবে ইফ ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় এবং মূল ক্লজে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ বসে। এখানে ইফ ক্লজে হ্যাড বিন থাকায় পরের অংশে উড হ্যাভ এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম কাম ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would come — এটি প্রথম বা দ্বিতীয় কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় কিন্তু এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স রয়েছে। B) would have come — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। C) may had come — মে এর পর হ্যাড বসে না এবং এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) would may come — একসাথে দুটি মডাল ভার্ব উড এবং মে বসে না। মনে রাখার টিপস: ইফ এর পর হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে পরবর্তী অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হবে।
a He is better and superior than me.
b He is better than and superior to me.
c He is superior than and better to me.
d He is better and superior to me.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He is better than and superior to me. কেন সঠিক: ১. 'Better' একটি comparative adjective যার সাথে 'than' preposition ব্যবহৃত হয়। ২. 'Superior' একটি Latin adjective যার পরে সর্বদা 'to' preposition বসে। ৩. একই বাক্যে একাধিক adjective ভিন্ন preposition গ্রহণ করলে উভয়ের সাথে সঠিক preposition আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল — কারণ 'superior' শব্দের পরে 'than' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) সঠিক — কারণ উভয় adjective তাদের সঠিক preposition যথাক্রমে 'than' এবং 'to' সঠিকভাবে গ্রহণ করেছে। C) ভুল — কারণ এখানে 'superior' এর সাথে 'than' এবং 'better' এর সাথে 'to' ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) ভুল — কারণ 'superior' এর আগের 'better' শব্দটির জন্য 'than' preposition এখানে অনুপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে একাধিক adjective ভিন্ন preposition নিলে তাদের নিজস্ব preposition সঠিকভাবে আলাদা করে লিখতে হয়।
a controlled prices
b economic slow down
c a disintegrating government
d cultural dullness
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) economic slow down কেন সঠিক: stagflation শব্দটি মূলত stagnation এবং inflation শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এর অর্থ অর্থনৈতিক মন্দা ও উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির একত্র উপস্থিতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) controlled prices — এটি নিয়ন্ত্রিত মূল্য বোঝায় যা stagflation এর সাথে মিলে না। B) economic slow down — এটি সঠিক কারণ এটি অর্থনৈতিক স্থবিরতা বা মন্থর গতি নির্দেশ করে। C) a disintegrating government — এটি একটি ভেঙে পড়া সরকার বোঝায় যা অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) cultural dullness — এটি সাংস্কৃতিক নিস্তেজতা বোঝায় যা অর্থনৈতিক অবস্থার কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরু স্ট্যাগ (stagnation) মানে আটকে থাকা এবং ফ্ল্যাকশন (inflation) মানে মূল্যবৃদ্ধি, এই দুটি মিলে অর্থনৈতিক মন্দা বোঝায়।
a polite
b law-abiding
c submissive
d liberal
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) liberal কেন সঠিক: Permissive শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি বা নীতি যা অন্যের মতামত, আচরণ বা স্বাধীনতার ওপর বেশি কড়াকড়ি করে না। Liberal শব্দটির অর্থ উদার বা মুক্তমনা, যা permissive শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে পুরোপুরি মিলে যায়। উদার মনোভাব প্রকাশ করতে এই দুটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে liberal নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) polite — এর অর্থ ভদ্র বা মার্জিত, যা permissive শব্দের উদার বা নিয়ম শিথিল করার অর্থের সাথে মিলে না। B) law-abiding — এর অর্থ আইন্যমান্যকারী বা শৃঙ্খলিত, যা permissive শব্দের বিপরীত একটি ধারণা প্রকাশ করে। C) submissive — এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত, যা অন্যের মতামত মেনে চলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও permissive অর্থ প্রকাশ করে না। D) liberal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Permissive শব্দটিতে অনুমতি বা ছাড় দেওয়ার ভাব আছে, যা উদার বা liberal মনের মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
a establish
b destroy
c obliterate
d extinguish
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) establish কেন সঠিক: ‘Annihilate’ শব্দটির অর্থ হলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা বা নিশ্চিহ্ন করে ফেলা। এর বিপরীতার্থক বা সমার্থক নয় এমন অর্থ হলো কোনো কিছু নতুন করে তৈরি করা বা প্রতিষ্ঠা করা। ‘Establish’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু স্থাপন করা বা প্রতিষ্ঠা করা। তাই annihilate শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো establish। বাকি অপশন কেন ভুল: A) establish — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রতিষ্ঠা করা, যা ধ্বংস করার বিপরীত। B) destroy — এটি ভুল অপশন কারণ এর অর্থ ধ্বংস করা, যা annihilate শব্দের সমার্থক। C) obliterate — এটি ভুল অপশন কারণ এর অর্থ মুছে ফেলা বা ধ্বংস করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। D) extinguish — এটি ভুল অপশন কারণ এর অর্থ নিভিয়ে ফেলা বা ধ্বংস করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Annihilate মানে মুছে ফেলা আর Establish মানে গড়ে তোলা।
a copious
b ample
c meagre
d abundant
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) meagre কেন সঠিক: ‘Scanty’ শব্দটির অর্থ হলো অপর্যাপ্ত বা স্বল্প পরিমাণ। ‘Meagre’ শব্দটির অর্থও খুবই সামান্য বা অপর্যাপ্ত। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়। এটি মূল শব্দের সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) copious — এর অর্থ প্রচুর বা পরিমিতের চেয়ে বেশি। B) ample — এর অর্থ যথেষ্ট বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত। C) meagre — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) abundant — এর অর্থ প্রচুর বা فراوان। মনে রাখার টিপস: Scanty মানে কম, Meagre মানেও কম। S এবং M মনে রাখলেই সিনোনিমটি সহজে মনে থাকবে।
a at
b of
c for
d in
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) in কেন সঠিক: - কোনো ভাষা বা বিষয়ে ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়। - Lecturer in English অর্থ ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক, যা নির্দিষ্ট বিষয় বোঝাতে সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — at সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা সময়ের ক্ষেত্রে বসে, বিষয়ের নামের পূর্বে বসে না। B) of — of অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে grammatically প্রযোজ্য নয়। C) for — for উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বিষয়ের নামের পূর্বে in বসে। D) in — এটি সঠিক অপশন এবং বিষয়ের নাম বোঝাতে এটিই নিয়মসিদ্ধ preposition। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে শিক্ষক, প্রভাষক বা ডিগ্রি বোঝাতে সবসময় বিষয়ের নামের পূর্বে in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a have been
b has been
c is
d are
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) has been কেন সঠিক: বাক্যে along with দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে। এখানে প্রথম সাবজেক্ট The principal হলো একবচন। তাই এর সাথে একবচন ভার্ব has বসেছে। বাক্যে for দুই ঘণ্টা সময় উল্লেখ থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হয়েছে। এর গঠন অনুযায়ী has been + ing যুক্ত ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have been — এটি বহুবচন ভার্ব, যা একবচন সাবজেক্ট The principal এর সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) is — এটি Present Continuous Tense নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে সময়ের উল্লেখ থাকায় এটি হবে না। D) are — এটি বহুবচন ভার্ব এবং Continuous Tense হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: along with থাকলে প্রথম সাবজেক্ট দেখে ভার্ব বসাবে এবং ধরে সময় থাকলে Perfect Continuous টেন্স হবে।
a Every students are present today.
b Ten kilometers are too far to walk.
c Two-third of the students got degrees.
d All the information is current.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All the information is current. কেন সঠিক: Information একটি uncountable noun এবং এর পরে সবসময় singular verb ব্যবহৃত হয়। তাই এখানে is verb এবং current adjective সঠিক হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Every students are present today — Every এর পরে noun সর্বদা singular হয়, তাই students না হয়ে student হবে। B) Ten kilometers are too far to walk — নির্দিষ্ট দূরত্ব বা পরিমাপকে একটি একক হিসেবে ধরা হয়, তাই are এর বদলে is বসবে। C) Two-third of the students got degrees — ভগ্নাংশের লব দুই এর বেশি হলে হরের সাথে s যোগ করতে হবে, তাই two-thirds হবে। মনে রাখার টিপস: Uncountable noun এর সাথে সবসময় singular verb বসে এবং Every এর পরে singular noun হয়।
a a participle
b an adjective
c a verb
d a gerund
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a participle কেন সঠিক: এখানে rolling শব্দটি stone নাউনের ঠিক পূর্বে বসে সেটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং একই সাথে verb এর কাজ সম্পন্ন করছে। participle মূলত verb এর সেই রূপ যা একসাথে verb এবং adjective উভয় পদের কার্য সম্পাদন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a participle — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রদত্ত শব্দটিতে verb এবং adjective উভয়ের বৈশিষ্ট্য একসাথে চমৎকারভাবে প্রকাশ পেয়েছে। B) an adjective — এটি শুধু বিশেষণ হলেও মূল শব্দের সাথে verb এর অবিচ্ছেদ্য সংযোগ থাকায় এটিকে সরাসরি শুধু adjective বলা যায় না। C) a verb — এটি বাক্যে স্বাধীনভাবে finite verb এর কাজ করছে না বরং নাউনের পূর্বে বসে বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। D) a gerund — gerund সবসময় noun এর কাজ করে, কিন্তু এখানে rolling শব্দটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: যে verb-ing একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, তাকে Present Participle বলে।
a A few of the three boys got a prize.
b Each of the three boys got a prize.
c Every of the three boys got a prize.
d All of the three boys got a prize.
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Each of the three boys got a prize. কেন সঠিক: সংখ্যা যদি দুইয়ের বেশি হয় এবং তাদের প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝাতে হয়, তবে Each ব্যবহার করতে হয়। এখানে মোট তিন জন ছেলের কথা বলা হয়েছে এবং প্রত্যেকে পুরস্কার পেয়েছে বোঝাতে Each সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A few — A few সাধারণত দুইয়ের বেশি সংখ্যক অনির্দিষ্ট বস্তুর ক্ষেত্রে বসে এবং এটি এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগত দিক থেকে সঠিক নয়। B) সঠিক উত্তর — এটি অপশন হিসেবে সঠিক এবং নিয়ম মেনে বাক্যের গঠন সম্পন্ন করেছে। C) Every — Every শব্দটি সাধারণত তিন বা ততোধিক পদের ক্ষেত্রে বসলেও Directly 'Every of' এভাবে ব্যবহার করা যায় না। D) All — All-এর পরে সরাসরি 'of the three' বসানো যায় না, বরং All three boys বলতে হয়। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক ব্যক্তির প্রত্যেকে আলাদাভাবে বোঝাতে Each বসে এবং দুইয়ের বেশি নির্দিষ্ট সংখ্যার ক্ষেত্রে Each ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ।
a নিয়তিবাদ
b অস্তিত্ববাদ
c ভোগবাদ
d পরিবেশবাদ
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভোগবাদ কেন সঠিক: ‘Epicurism’ দর্শন মূলত বস্তুগত সুখ এবং শারীরিক ভোগবিলাসের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে। তাই এর সবচেয়ে সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো ভোগবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিয়তিবাদ — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Fatalism যা ভাগ্যের ওপর সবকিছু ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে। B) অস্তিত্ববাদ — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Existentialism যা মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করে। C) ভোগবাদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পরিবেশবাদ — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Environmentalism যা পরিবেশ রক্ষা নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: এপিকিউরাস (Epicurus) ছিলেন একজন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক যিনি সুখ ও ভোগকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য মনে করতেন।
a I have many works to perform.
b I have much works to perform.
c I have many work to perform.
d I have much work to perform.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have much work to perform. কেন সঠিক: work শব্দটি ইংরেজী grammar অনুযায়ী একটি uncountable noun এবং এর সাথে কখনো plural করা যায় না। অপরিমাণবাচক বিশেষ্য হওয়ায় এর পূর্বে many ব্যবহার করা যায় না, বরং much বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have many works to perform — work শব্দটি uncountable হওয়ায় এর সাথে s যুক্ত করে works লেখা ভুল এবং many ব্যবহার করা যায় না। B) I have much works to perform — much সঠিক হলেও uncountable noun এর সাথে works বা plural form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) I have many work to perform — work এর সাথে s না থাকলেও uncountable noun এর পূর্বে many ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। D) I have much work to perform — এটি সঠিক কারণ work uncountable noun এবং এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে much ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: work একটি uncountable noun, তাই এর সাথে s বা es যোগ হয় না এবং এর আগে always much বসে।
a in
b over
c by
d on
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by কেন সঠিক: টেলিফোন বা অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে যোগাযোগ করা বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে 'by phone' বা 'by telephone' ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বহুল প্রচলিত ও সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ বোঝাতে 'in phone' ব্যবহার করা হয় না। B) over — যদিও কথোপকথনের ক্ষেত্রে 'over the phone' বলা চলে, তবে সরাসরি মাধ্যমে সঠিক উত্তর হলো 'by'। C) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) on — অনেক সময় 'on the phone' বলা হলেও ব্যাকরণগত ও প্রমিত নিয়মে এখানে 'by' সবচেয়ে উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: কোনো মাধ্যমের সাহায্যে সরাসরি যোগাযোগ করা বোঝালে 'by' preposition ব্যবহার করতে হয়।
a A
b An
c The
d No Article
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) No Article কেন সঠিক: Mount Everest একটি একক পাহাড়ের নাম বোঝায়। সাধারণ নিয়م অনুয়ায়ী একক পর্বত বা পাহাড়ের নামের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — একক পর্বত নামের আগে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না। B) An — স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকলেও নির্দিষ্ট নিয়মে পর্বত নামের আগে এটি বসে না। C) The — পর্বতমালা বা পর্বতশ্রেণীর আগে দি বসে কিন্তু একক পর্বতের নামের আগে দি বসে না। D) No Article — নিয়ম অনুযায়ী এখানে কোনো আর্টিকেল বসবে না বিধায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পাহাড় বা পর্বতের একটিমাত্র চূড়া বোঝালে আর্টিকেল বসে না, কিন্তু পুরো পর্বতমালা বোঝালে দি বসে।
a The authorities blame him.
b The authority took him to task.
c The authorities took him to book.
d The authority gave reins to him.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The authority took him to task. কেন সঠিক: ১. 'tirskar kora' ba 'bhartsana kora' bujhate 'take to task' idioms ti byabahar kora hoy. ২. etir sathe 'authority' sobdo ti bhabanusare akbor bachone byabahar kora hoyechoe. ৩. onubadti bakyer artho sundorbhabe prokash koreche. বাকি অপশন কেন ভুল: A) The authorities blame him. — 'blame' sabdti vartoman kale ache, kintu sentence-ti ovigyer kothay atiter chilo. B) The authority took him to task. — eta to sothik uttor ebong kono vul nei. C) The authorities took him to book. — 'take to book' kono idom noy, sothik idiom holo 'take to task'. D) The authority gave reins to him. — 'give reins' er artho onugroho ba khomota dewa, ja tirskar kora bujhay na. মনে রাখার টিপস: tirskar kora bujhate 'take to task' idiom ti mone rakhbe.
a deceitful
b deceitfully
c decisive
d deceive
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) deceive কেন সঠিক: দেসিট শব্দটি একটি নাউন যার অর্থ প্রতারণা। এর সঠিক ভার্ব রূপ হলো ডিসিভ যার অর্থ প্রতারণা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deceitful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ প্রতারক। B) deceitfully — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ প্রতারণামূলকভাবে। C) decisive — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ সিদ্ধান্তমূলক। D) deceive — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব হওয়ায় এখানে পুনরাবৃত্তি হয়েছে কিন্তু এটিই মূল ভার্ব। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে এফ ইউ এল বা এল ওয়াই দেখলে তা সাধারণত ভার্ব হয় না।
a apathy
b enterprise
c indolence
d activity
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) enterprise কেন সঠিক: - 'Initiative' শব্দের অর্থ উদ্যোগ বা কর্মপ্রচেষ্টা, যা নতুন কিছু শুরু করার সাহস বোঝায়। - 'Enterprise' শব্দের অর্থও উদ্যোগ, সাহস বা নতুন ব্যবসায়িক উদ্যম, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apathy — এর অর্থ ঔদাসিন্য বা অনীহা, যা উদ্যোগের বিপরীত শব্দ। B) enterprise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) indolence — এর অর্থ অলসতা বা কর্মবিমুখতা, যা উদ্যোগের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) activity — এর অর্থ নিছক কর্মতপরতা বা ব্যস্ততা, যা সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ বা 'Initiative' এর সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগী মানুষরাই নতুন ব্যবসা বা 'Enterprise' শুরু করে, তাই 'Initiative' এর সমার্থক শব্দ হলো 'Enterprise'।
a to do it.
b do it.
c in doing it.
d from doing it.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) from doing it. কেন সঠিক: Prohibit verb-টির পর সাধারণত object বসে এবং তার পরে from যুক্ত gerund অর্থাৎ verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম রক্ষা করতে এই গঠনে from doing it ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to do it — Prohibit-এর পরে সরাসরি infinitive অর্থাত to এর সাথে verb-এর base form বসে না। B) do it — Prohibit-এর পরে সরাসরি verb-এর base form বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল নিয়ম। C) in doing it — Prohibit-এর পরে prepostion হিসেবে in না বসে নিয়ম অনুযায়ী ہمیشہ from বসে। D) from doing it — এটি সঠিক অপশন এবং এটি ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম সফলভাবে পূরণ করে। মনে রাখার টিপস: Prohibit-এর সাথে সবসময় from এবং gerund ব্যবহার করতে হয়, এই নিয়মটি মুখস্থ রাখবে।
a fantacize
b attend
c remember
d request
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) remember কেন সঠিক: Call to mind একটি ইংরেজি idiom যার অর্থ হলো কোনো কিছু স্মৃতিতে ফিরিয়ে আনা বা স্মরণ করা। এর শাব্দিক অর্থ মনের মধ্যে ডাকা হলেও এটি মূলত অতীত ঘটনা মনে করতে সাহায্য করে। remember শব্দের অর্থও স্মরণ করা বা মনে রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fantacize — এই শব্দটির অর্থ কল্পনা করা বা স্বপ্নবিলাস করা, যা মূল ফ্রেজটির অর্থের সাথে মিলে না। B) attend — এর অর্থ মনোযোগ দেওয়া বা উপস্থিত থাকা, যা মুখস্থ বা স্মরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) remember — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) request — এর অর্থ অনুরোধ করা, যা কোনো স্মৃতিচারণ বা মনে করার সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মনে রাখবেন mind শব্দের অর্থ মন আর call to mind অর্থ মনকে ডেকে পুরনো কথা মনে করানো।
a I was made laugh by him.
b I was made laughing with him.
c I was made to laugh by him.
d I was made laughing by him.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was made to laugh by him. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের Causative verb 'make' যুক্ত sentence-কে passive করার সময় object-কে subject বানাতে হয় এবং tense অনুযায়ী be verb-এর সাথে verb-এর past participle বসে। এখানে মূল verb-এর আগের bare infinitive-টি passive করার সময় 'to' যুক্ত হয়ে to laugh रूप ধারণ করে এবং কর্তä বুঝাতে বাই 'by him' বসে। অন্যান্য অপশনে সঠিক নিয়মে 'to' বা verb-এর রূপ ব্যবহার করা হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was made laugh by him. — এখানে to-এর অনুপস্থিতির কারণে ইনফিনিটিভের নিয়মটি ভুল হয়েছে। B) I was made laughing with him. — এখানে gerund রূপ ব্যবহার করা হয়েছে এবং preposition ভুল দেওয়া হয়েছে। C) I was made to laugh by him. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) I was made laughing by him. — এখানে passive গঠনে ভুল করে verb-এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Causative verb make যুক্ত active sentence-কে passive করার সময় verb-এর পূর্বে অবশ্যই to বসাতে হয়।
a a noun
b an adverb
c an adjective
d a verb
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a verb কেন সঠিক: এখানে father শব্দটি বাক্যে কাজ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা কোনো কাজের সম্পাদন বোঝায়। noun এর আগে বস and subject এর পরে বসে এটি কাজ সম্পন্ন করার মূল ভার্ব হিসেবে কাজ করছে। সাবজেক্টের ঠিক পরেই এর অবস্থান। এটি একটি নতুন বিমান আবিষ্কারের কাজ করা বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে শব্দটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজ করা বোঝাচ্ছে। B) an adverb — adverb হলো এমন শব্দ যা verb বা adjective কে নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে শব্দটি নিজেই মূল কাজ করছে। C) an adjective — adjective হলো দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশক শব্দ, কিন্তু এখানে এটি কোনো কিছুর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। D) a verb — এটি সঠিক কারণ শব্দটি এখানে কাজ সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো noun যদি বাক্যে সরাসরি সাবজেক্টের পরে বসে কোনো কাজ করা বোঝায়, তবে তা verb এ রূপান্তর হয়।
a win
b wins
c has won
d won
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wins কেন সঠিক: বাক্যের Subject 'Slow and steady' একটি একক বা singular ধারণা প্রকাশ করে। তাই এর সাথে verb-এর singular রূপ অর্থাৎ wins ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) wins — এটি সঠিক উত্তর। C) has won — এটি present perfect tense বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) won — এটি past tense বোঝায়, যা চিরন্তন সত্য বাক্যের জন্য বেঠিক। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্যে সাধারণত Present Indefinite Tense হয় এবং subject একবচন হলে verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয়।
a 0.68402777777778
b 0.67013888888889
c 0.18402777777778
d 1.0527777777778
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৬৮৪০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের অনুপাত ৪ : ৫ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৪ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (৪ক) বর্গ = ১৬πক বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (৫ক) বর্গ = ২৫πক বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ১৬πক বর্গ ÷ ২৫πক বর্গ = ১৬ ÷ ২৫ উত্তর: ০.৬৮৪০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a √3 + √2
b √3 – √2
c 3 – √2
d √3 + 2
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √৩ − √২ প্রদত্ত তথ্য: লোব = √২ হর = √৬ + ২ ধরি, লব ও হরকে (√৬ − ২) দ্বারা গুণ করি অতএব, লব = √২(√৬ − ২) = √১২ − ২√২ = ২√৩ − ২√২ হর = (√৬ + ২)(√৬ − ২) = (√৬)² − (২)² = ৬ − ৪ = ২ সুতরাং, প্রদত্ত রাশি = (২√৩ − ২√২) ÷ ২ = √৩ − √২ উত্তর: √৩ − √২
a 24 বর্গ একক
b ৪ বর্গ একক
c 16 বর্গ একক
d 32 বর্গ একক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ বর্গ একক প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্র অনুযায়ী, কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক√২ একক সুতরাং, ক√২ = ৪√২ ক = ৪ উত্তর: ক্ষেত্রফল = (৪ × ৪) = ১৬ বর্গ একক
a (6 – a) (4a – 1)
b (a – 6) (4a + 1)
c (a – 6) (4a – 1)
d (6 – a) (4a +1)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (6 − a) (4a + 1) প্রدত্ত রাশি: − 4a^2 + 23a + 6 মধ্যপদ বিভাজন: − 4a^2 + 24a − a + 6 উৎপাদক বিশ্লেষণ: 4a (6 − a) + 1 (6 − a) সুতরাং, (6 − a) (4a + 1) উত্তর: (6 − a) (4a + 1)
a 0
b 1
c a – b
d a + b
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি তিনটি হলো (a + b), a2 − b2 এবং a3 − b3 ধরি, প্রথম রাশি = (a + b) দ্বিতীয় রাশি = a2 − b2 তৃতীয় রাশি = a3 − b3 অতএব, প্রথম রাশি = (a + b) দ্বিতীয় রাশি = (a + b) × (a − b) তৃতীয় রাশি = (a − b) × (a2 + ab + b2) সুতরাং, রাশি তিনটির মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই উত্তর: ১
a 1
b 2
c 3
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় যেখানে এক্স এর মান শূন্য হতে পারবে না ধরি, প্রথম অংশটি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর তিন এক্স সম্পূর্ণের ওপর পাওয়ার শূন্য দ্বিতীয় অংশটি হলো তিন গুণ এক্স এর ওপর পাওয়ার শূন্য অতএব, প্রথম অংশের মান নিয়ম অনুযায়ী এক হবে কারণ বন্ধনীর ভেতরে যাই থাকুক তার ওপর পাওয়ার শূন্য থাকলে মান এক হয় সুতরাং, দ্বিতীয় অংশের এক্স এর ওপর পাওয়ার শূন্য থাকার কারণে শুধু এক্স অংশটি এক হবে এবং তার সাথে তিন গুণ হয়ে ফলাফল তিন হবে উত্তর: প্রথম অংশের মান এক এবং দ্বিতীয় অংশের মান তিন যোগ করলে মোট মান হবে এক যোগ তিন সমান চার
a সূক্ষ্মকোণ
b স্থূলকোণ
c পূরককোণ
d প্রবৃদ্ধ কোণ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবৃদ্ধ কোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ২৫৩° ধরি, কোণটি ১৮০° অপেক্ষা বড় এবং ৩৬০° অপেক্ষা ছোট অতএব, কোণটির মান ১৮০° এবং ৩৬০° এর মধ্যে অবস্থিত সুতরাং, যে কোণ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
a a2 = b2 + c2
b b2 = c2 + a2
c c2 = a2 + b2
d কোনটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) c2 = a2 + b2 প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = a সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = b সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = c ধরি, ত্রিভুজটি পিথাগোরাসের উপপাদ্য মেনে চলে অতএব, অতিভুজের বর্গ = ভূমির বর্গ + উচ্চতার বর্গ সুতরাং, c এর বর্গ = a এর বর্গ + b এর বর্গ উত্তর: c2 = a2 + b2
a 30°
b 60°
c 90°
d 180°
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহু সমান সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি কোণ সমান ধরি, ত্রিভুজের একটি কোণ সমান ক ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি সমান তিন গুণ ক ডিগ্রি সুতরাং, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি উত্তর: তিন গুণ ক ডিগ্রি সমান ১৮০ ডিগ্রি, অর্থাৎ ক সমান ৬০ ডিগ্রি
a 0.16736111111111
b 0.044444444444444
c 0.085416666666667
d 0.12638888888889
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১৬৭৩৬১১১১১১১১১ প্রদত্ত তথ্য: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বর্তমান বয়সের চারগুণ ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল ধরি, পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ছয় বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৬ বছর ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৪ক − ৬ বছর সুতরাং, প্রশ্নমতে, ৪ক − ৬ = ১০ × (ক − ৬) সমাধান করে পাই, ৬ক = ৫৪ বা ক = ৯ উত্তর: পুত্রের বর্তমান বয়স = ৯ বছর এবং পিতার বর্তমান বয়স = ৩৬ বছর বর্তমান বয়スの অনুপাত = ৩৬ : ৯ = ৪ : ১ বা ০.১৬৭৩৬১১১১১১১১১
a √3
b 2/3
c 3^2
d 3/2
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩/২ প্রدত্ত তথ্য: ভিত্তি হলো ৩ সংখ্যাটি হলো ৩√৩ ধরি, লগারিদমটির মান = x অতএব, ৩ এর পাওয়ার x = ৩√৩ ৩ এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার ১ × ৩ এর পাওয়ার ১/২ ৩ এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার (১ + ১/২) সুতরাং, ৩ এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার ৩/২ উত্তর: x = ৩/২
a 0.3
b 0.4
c 0.4286
d 0.7
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: আখের রসে চিনি ও পানির অনুপাত ৩ : ৭ ধরি, চিনির পরিমাণ = ৩ অনুপাত পানির পরিমাণ = ৭ অনুপাত অতএব, মোট অনুপাত = ৩ + ৭ = ১০ সুতরাং, রসে চিনির পরিমাণ = ৩ ÷ ১০ = ০.৩ উত্তর: ০.৩
a 33.2
b 33.5
c 33.25
d কোনটিই নয়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩.২৫ প্রدত্ত তথ্য: ৫টি সংখ্যার গড় = ৪০ যোগ করা হলো ৩টি সংখ্যা নতুন ৩টি সংখ্যার গড় = ২২ ধরি, প্রথম ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫ × ৪০ = ২০০ পরবর্তী ৩টি সংখ্যার সমষ্টি = ৩ × ২২ = ৬৬ অতএব, মোট সংখ্যা = ৫ + ৩ = ৮টি মোট ৮টি সংখ্যার সমষ্টি = ২০০ + ৬৬ = ২৬৬ সুতরাং, ৮টি সংখ্যার গড় = ২৬৬ ÷ ৮ = ৩৩.২৫ উত্তর: ৩৩.২৫
a 4
b 3
c 2
d 1
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ৪ মান নির্ণয় করতে হবে x ÷ (x^২ − ৩x + ১) এর ধরি, প্রদত্ত রাশিটির হর = x^২ − ৩x + ১ হরকে x দ্বারা ভাগ করে পাই অতএব, x^২ ÷ x − ৩x ÷ x + ১ ÷ x = x − ৩ + (১ ÷ x) মান বসিয়ে পাই x + (১ ÷ x) − ৩ = ৪ − ৩ = ১ সুতরাং, প্রদত্ত রাশিটি দাঁড়ায় x ÷ ১ উত্তর: ১
a 4
b 9
c 12
d 16
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পাবে ৯ গুণ উত্তর: ৯
a 4
b 5
c 6
d 7
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৭ : ৮ সংখ্যা দুটির লসাগু = ২৮০ ধরি, সংখ্যা দুটি = ৭ক এবং ৮ক এখানে ক হলো সংখ্যা দুটির গসাগু অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭ × ৮ × ক = ৫৬ক শর্তমতে, ৫৬ক = ২৮০ সুতরাং, ক = ২৮০ ÷ ৫৬ = ৫ উত্তর: ৫
a x/y ঘণ্টা
b y/x ঘণ্টা
c xy ঘণ্টা
d কোনটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x/y ঘণ্টা প্রدত্ত তথ্য: দূরত্ব = x মাইল গতিবেগ = y মাইল প্রতি ঘণ্টা ধরি, সময় = T ঘণ্টা অতএব, সময় = দূরত্ব ÷ গতিবেগ সুতরাং, T = x ÷ y ঘণ্টা উত্তর: x/y ঘণ্টা
a ১৫/১৬ ঘণ্টা
b ১৫ ঘণ্টা
c ৩৮/৫ ঘণ্টা
d ৪৮/৫ ঘণ্টা
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮/৫ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: ১৬ জন শ্রমিক একটি কাজ করতে পারে ৩ ঘণ্টায় ধরি, ১ জন শ্রমিকের ঐ কাজ করতে সময় লাগবে = ১৬ × ৩ ঘণ্টা ৫ জন শ্রমিকের ঐ কাজ করতে সময় লাগবে = (১৬ × ৩) ÷ ৫ ঘণ্টা অতএব, ৫ জন শ্রমিকের কাজের সময় = ৪৮ ÷ ৫ ঘণ্টা সুতরাং, সময় লাগবে ৪৮/৫ ঘণ্টা উত্তর: ৪৮/৫ ঘণ্টা
a ২ বছরে
b ৫/২ বছরে
c ৩ বছরে
d ৪ বছরে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ বছরে প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৯৬ টাকা সুদের হার (R) = (২৫ ÷ ৪)% মোট সুদ (I) = ১৮ টাকা ধরি, সময় = t বছর আমরা জানি, সুদ (I) = (P × R × t) ÷ ১০০ অতএব, ১৮ = (৯৬ × (২৫ ÷ ৪) × t) ÷ ১০০ ১৮ = (২৪ × ২৫ × t) ÷ ১০০ সুতরাং, ৬০০ × t = ১৮০০ t = ১৮০০ ÷ ৬০০ উত্তর: ৩ বছরে
a ৩০০ টাকা
b ৪০০ টাকা
c ৩৫০ টাকা
d ৩৭৫ টাকা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য এবং ৫% লাভে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৪৫ টাকা ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা উত্তর: ১৫ টাকার পার্থক্যের জন্য ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ৪৫ টাকার পার্থক্যের জন্য ক্রয়মূল্য হবে (১০০ × ৪৫) ÷ ১৫ = ৩০০ টাকা
a 4
b 5
c 6
d 7
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x বর্গ + y বর্গ = ১৮ x এবং y এর গুণফল = ৭ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর বর্গ এর আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (x − y) এর বর্গ সমান (x বর্গ + y বর্গ) বিয়োগ (২ গুণ x গুণ y) অতএব, প্রদত্ত মানগুলো সূত্রে বসিয়ে পাই ১৮ বিয়োগ (২ গুণ ৭) সুতরাং, ১৮ বিয়োগ ১৪ সমান ৪ উত্তর: ৪
a a³
b a^1/3
c a
d 1
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a^(1/3) প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটিতে একটি বীজগণিতীয় রাশি দেওয়া আছে যার মধ্যে কিউব রুট এবং সূচকের হিসাব রয়েছে ধরি, রাশিটি হলো ৩ এর পরিবর্তে a চলক বিশিষ্ট যেহেতু অপশনে a রয়েছে তাই রাশিটি a ধরে নিই অতএব, সবচেয়ে ভেতরের অংশ কিউব রুট অব a কিউব এর মান হলো শুধু a দ্বিতীয় ধাপে তার ওপর আবার কিউব রুট রয়েছে যাকে লেখা যায় a এর পাওয়ার ১/৩ অতএব, বাইরের ৩ এবং ভেতরের অংশ মিলে কাজ সম্পন্ন হয় চূড়ান্ত মান হিসেবে a এর পাওয়ার ১/৩ পাওয়া যায় সুতরাং, সব হিসাব সম্পন্ন করে আমরা পাই নির্ণেয় মান হলো a এর পাওয়ার ১/৩ উত্তর: a^(1/3)
a 1/100
b 1/10
c 10
d 100
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: x − ৩ − ০.০০১ = ০ ধরি, x − ৩ = ০.০০১ অতএব, x = ০.০০১ + ৩ x = ৩.০০১ সুতরাং, x এর মান ১০ এর সমান উত্তর: ১০০
a 2
b 7
c 9
d 128
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log264 + log28 ধরি, প্রথম অংশটি হলো log264 দ্বিতীয় অংশটি হলো log28 অতএব, log264 এর মান বের করার জন্য ৬৪ কে দুই এর ঘাত হিসেবে লিখতে হবে ৬৪ হলো দুই এর ঘাত ছয়, অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সুতরাং, log28 এর মান বের করার জন্য আট কে দুই এর ঘাত হিসেবে লিখতে হবে আট হলো দুই এর ঘাত তিন, অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ দুই উত্তর: ছয় যোগ তিন সমান নয়
a P2 – 1
b P2
c P2 + 1
d কোনটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম থেকে শুরু করে ক্রমিক বিজোড় সংখ্যাগুলোর যোগফল নির্ণয় করতে হবে। বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩, ৫, ৭ এবং এভাবে চলতে থাকবে। ধরি, প্রথম ১টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ = ১×১ = ১ এর বর্গ প্রথম ২টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ = ৪ = ২×২ = ২ এর বর্গ প্রথম ৩টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ + ৫ = ৯ = ৩×৩ = ৩ এর বর্গ অতএব, প্রতিটি ধাপে বিজোড় সংখ্যার পদের সংখ্যা যত হয়, যোগফল ঠিক তত এর বর্গ হয়। যেমন প্রথম ১টির জন্য ১ এর বর্গ, প্রথম ২টির জন্য ২ এর বর্গ। এই নিয়মে প্রথম ৩টির জন্য ৩ এর বর্গ পাওয়া যায়। সুতরাং, ঠিক একইভাবে প্রথম P সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল হবে P এর বর্গ। উত্তর: P২
a অতুল প্রসাদ সেন
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদ্দীন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অতুল প্রসাদ সেন কেন সঠিক: - গানটির রচয়িতা বিখ্যাত সুরকার ও গীতিকার অতুল প্রসাদ সেন। - এটি বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতুল প্রসাদ সেন — এই গানের রচয়িতা এবং সঠিক উত্তর। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি হলেও এই বিখ্যাত গানটি তার লেখা নয়। D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই গানটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: অতুল প্রসাদ সেনের সেরা সৃষ্টি হলো 'মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা' গানটি।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b এম. মনসুর আলী
c তাজউদ্দিন আহমদ
d আতাউর রহমান খান
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাজউদ্দিন আহমদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের সার্বিক পরিচালনা ও মুক্তিযদ্ধের নীত নির্ধারণে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) এম. মনসুর আলী — তিনি এই সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। D) আতাউর রহমান খান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: অস্থায়ী সরকারের প্রধান মানেই তাজউদ্দিন (অ আ - অস্থায়ী ও আহমেদ)।
a ৮ এপ্রিল
b ৮ আগস্ট
c ৮ ফেব্রুয়ারি
d ৮ মার্চ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭৭ সাল থেকে জাতিসংঘ প্রতিবছর ৮ মার্চ তারিখটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে তাদের অবদানকে সম্মান জানাতে এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ এপ্রিল — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক নারী দিবস বা সম্পর্কিত প্রধান বিশ্ব দিবস পালিত হয় না। B) ৮ আগস্ট — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তারিখ নয়, এটি একটি ভিন্ন সাধারণ দিন। C) ৮ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না, এটি ভিন্ন একটি সাধারণ তারিখ। D) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের আট তারিখ মনে রাখলেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সঠিক তারিখটি পাওয়া যায়।
a মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন
b ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন
c রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন
d অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন কেন সঠিক: - ক্রেমলিন হলো রাশিয়ার মস্কোয় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক দুর্গ কমপ্লেক্স, যা দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রেসিডেন্টের সরকারি দপ্তর ও বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি একসময়ে রুশ জার এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতাদেরও ক্ষমতার কেন্দ্র ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন — এটি হোয়াইট হাউস নামে পরিচিত, যা ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। B) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন — এটি টেনিংটন স্ট্রিট বা টেন ডাউনিং স্ট্রিট নামে পরিচিত। C) রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন — এটি ক্যানবেরায় অবস্থিত দ্য লজ নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার রাজধানীর মতো ক্রেমলিনও মস্কোয় অবস্থিত এবং এটি রাশিয়ার ক্ষমতার মূল কেন্দ্র।
a ২০ অক্টোবর, ২০১৭
b ২৫ অক্টোবর, ২০১৭
c ৩১ অক্টোবর, ২০১৭
d ৩০ অক্টোবর, ২০১৭
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে তাদের মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ অক্টোবর, ২০১৭ — এই তারিখে ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। B) ২৫ অক্টোবর, ২০১৭ — এটি ৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সংক্রান্ত সঠিক তারিখ নয়। C) ৩১ অক্টোবর, ২০১৭ — এটি ৩০ অক্টোবরের পরের দিন, তাই এই তারিখে ঐতিহাসিক অন্তর্ভুক্তি ঘটেনি। D) ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ — এটিই সঠিক তারিখ যেদিন ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়।
a কায়েট
b ডায়েট
c লোকসভা
d ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ যা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অব কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের নাম নয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এটি পরিচিত কোনো আইনসভার নাম নয়। B) ডায়েট — এটি জাপানের আইনসভার নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) লোকসভা — এটি ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম, জাপানের পার্লামেন্টের নাম নয়। D) ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি — এটি দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের আইনসভার নাম, জাপানের নয়। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাদ্য বা ডায়েট নিয়ে খুব সচেতন, তাই তাদের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a গোয়ালন্দ
b চাঁদপুর
c ভোলা
d বরিশাল
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাঁদপুর কেন সঠিক: - পদ্মা নদী গোয়ালন্দ ঘাটে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে পরবর্তীতে মেঘনা নদীর সঙ্গে চাঁদপুরে এসে মিলিত হয়েছে। - বাংলাদেশের নদীমাতৃক ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী চাঁদপুরেই পদ্মা ও মেঘনার মূল জলধারা একত্রিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোয়ালন্দ — এটি এমন একটি স্থান যেখানে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী মিলিত হয়েছে, মেঘনা নদী নয়। B) চাঁদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই পদ্মা ও মেঘনা নদী একত্রিত হয়েছে। C) ভোলা — এটি মেঘনা নদীর শেষ প্রান্ত এবং মোহনা এলাকা, যেখানে নদী সাগরে পতিত হয়েছে। D) বরিশাল — এটি কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা, যেখানে পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ রাতে পদ্মা ও মেঘনা চাঁদপুরে মিলিত হয়।
a এশিয়া
b মেক্সিকো
c অস্ট্রেলিয়া
d আফ্রিকা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেক্সিকো কেন সঠিক: - ২০০৯ সালে প্রথম সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল মেক্সিকো দেশে। - এইচ১এন১ ভাইরাসের এই মহামারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি সোয়াইন ফ্লুর উৎপত্তিস্থল নয়, যদিও এখানে পরবর্তীতে এর বিস্তার ঘটেছিল। B) মেক্সিকো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই প্রথম ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি এই ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল নয়, এটি একটি মহাদেশ ও দেশ। D) আফ্রিকা — এটি সোয়াইন ফ্লুর উৎপত্তিস্থল নয়, এটি অন্য অনেক রোগের প্রাদুর্ভাবের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: মেক্সিকোর সোয়াইন ফ্লু: এম দিয়ে মেক্সিকো এবং এম দিয়ে মহামারি মনে রাখতে পারেন।
a কাতার
b বাহরাইন
c দুবাই
d আবুধাবি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাতার কেন সঠিক: - ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এটি ছিল আরব বিশ্বে আয়োজিত প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই টুর্নামেন্টটি সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল। B) বাহরাইন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দ্বীপ দেশ হলেও ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। C) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি শহর, যা ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না। D) আবুধাবি — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী, তবে এখানে কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ এর আয়োজক দেশ কাতার এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c ভেনিজুয়েলা
d অস্ট্রিয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার মূল সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে উদ্বাস্তু ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের পুনর্বাসনে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা ও পারমাণবিক শক্তি কমিশন অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের এই শরণার্থী সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। C) ভেনিজুয়েলা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি সার্বভৌম দেশ, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নয়। D) অস্ট্রিয়া — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এর রাজধানী ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও এটি কোনো সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: শরণার্থীদের সাহায্য করার জন্য জেনেশুনে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সংস্থার সদর দপ্তর করা হয়েছে।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c সৌদি আরব
d ইরান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে শেল অয়েল বা তেল উত্তোলনের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। - দেশটির টেক্সাস এবং নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে প্রচুর পরিমাণে খনিজ তেল উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের শীর্ষ জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য উত্তর সাগর থেকে তেল উত্তোলন করলেও তারা শীর্ষ উৎপাদক নয়। C) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে পেছনে ফেলেছে। D) ইরান — মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম তেলসমৃদ্ধ দেশ হলেও তারা বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদক নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে তেল উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র সবার আগে, এই বিষয়টি মনে রাখতে মার্কিন প্রযুক্তির উৎকর্ষের কথা মাথায় রাখতে হবে।
a চীন
b ভারত
c জাপান
d বার্মা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান প্রদত্ত তথ্য: জি সেভেন বা জি-৭ হলো বিশ্বের উন্নত সাতটি দেশের অর্থনৈতিক জোট ধরি, জোটের সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং জাপান অতএব, এই দেশগুলোর মধ্যে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত দুটি এবং ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত চারটি দেশ সুতরাং, এশিয়া মহাদেশ থেকে একমাত্র সদস্য দেশ হিসেবে রয়েছে জাপান উত্তর: জাপান
a ঢাকা
b ফরিদপুর
c ময়মনসিংহ
d খুলনা
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের একমাত্র এবং প্রধান স্বায়ত্তশাসিত মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এটি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত এবং মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে গবেষণা পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি রাজধানী শহর এবং এখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থাকলেও প্রধান মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়। B) ফরিদপুর — এটি একটি নদীমাতৃক জেলা হলেও এখানে জাতীয় পর্যায়ের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ময়মনসিংহ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান। D) খুলনা — এটি মৎস্য সম্পদের জন্য পরিচিত হলেও প্রধান গবেষণা ইনস্টিটিউটটি এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মাছের রাজধানী বলা হয় ময়মনসিংহকে, তাই মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটটিও ময়মনসিংহে অবস্থিত।
a সেনাবাহিনী
b নৌবাহিনী
c বিমান বাহিনী
d পুলিশ বাহিনী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) সেনাবাহিনী কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কর্মকর্তা ছিলেন এবং কর্মস্থল ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। - তিনি সেক্টর ৭ এর অধীনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে যুদ্ধ করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্বের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেনাবাহিনী — তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন নিয়মিত অফিসার ছিলেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে তিনি ক্যাপ্টেন পদবিতে বীরত্ব প্রদর্শন করেন। B) নৌবাহিনী — তিনি নৌবাহিনীর সদস্য ছিলেন না, কারণ তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কর্মকর্তা হিসেবে স্থলযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। C) বিমান বাহিনী — তিনি বিমান বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তার সামরিক জীবন ও বীরত্বপূর্ণ অবদান স্থলবাহিনীর কার্যপরিধির অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) পুলিশ বাহিনী — তিনি পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য ছিলেন না, তিনি সরাসরি তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মবিরতি ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মনে রাখার টিপস: সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে একমাত্র সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে সেনাবাহিনী থেকে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর শহীদ হন।
a জেলা পরিষদ
b উপজেলা পরিষদ
c ইউনিয়ন পরিষদ
d গ্রাম পরিষদ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) উপজেলা পরিষদ কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে গঠিত কাঠামোগুলোর মধ্যে উপজেলা পরিষদ হলো স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর। - তবে প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধনযোগ্য, কারণ বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার কাঠামোর আইনগত সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা পরিষদ — এটি স্থানীয় সরকার কাঠামোর তৃতীয় বা উচ্চতর স্তর, সর্বনিম্ন স্তর নয়। B) উপজেলা পরিষদ — প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য এটি মধ্যবর্তী বা দ্বিতীয় স্তর হিসেবে কাজ করে। C) ইউনিয়ন পরিষদ — এটি হলো বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন কাঠামোর সর্বনিম্নের বা প্রথম স্তর। D) গ্রাম পরিষদ — এটি আইনগতভাবে স্থানীয় সরকারের আনুষ্ঠানিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত সর্বনিম্ন প্রশাসনিক স্তর নয়। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ এবং এর ঠিক ওপরের স্তর হলো উপজেলা পরিষদ।
a সিএফসি
b মিথেন
c কার্বন ডাইঅক্সাইড
d নাইট্রোজেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিএফসি কেন সঠিক: - সিএফসিতে থাকা ক্লোরিন পরমাণু বায়ুমণ্ডলের ওজোন গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে একে ধ্বংস করে। - একটিমাত্র ক্লোরিন পরমাণু লক্ষাধিক ওজোন অণুকে ভেঙে ফেলতে সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিএফসি — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান ও সর্বোচ্চ ভূমিকা পালনকারী মানবসৃষ্ট গ্যাস। B) মিথেন — এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও ওজোন স্তর ক্ষয়ে এর ভূমিকা প্রধান নয়। C) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী হলেও ওজোন স্তর ক্ষয়ের মূল কারণ নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকর নয়। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান খলনায়ক হলো সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।
a 1176
b 1170
c 1776
d 1270
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1176 কেন সঠিক: - বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ ও অতিবৃষ্টির কারণে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। - বাংলা সনের সাথে ৫৯৩ যোগ করলে খ্রিষ্টাব্দ পাওয়া যায় এবং এই হিসাব অনুযায়ী বাংলা ১১৭৬ সন মানেই ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1176 - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সনেই বাংলার ইতিহাসে ভয়াবহ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল। B) 1170 - এটি ভুল কারণ এই সনে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি, এটি সঠিক বাংলা সন নয়। C) 1776 - এটি ভুল কারণ এটি ইংরেজি সাল, আর প্রশ্নটিতে বাংলা সনের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে। D) 1270 - এটি ভুল কারণ এই সনে কোনো ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষের রেকর্ড নেই এবং এটি ১১৭৬ সনের অনেক পরের বছর। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামের মধ্যেই সন লুকিয়ে আছে, অর্থাৎ ছিয়াত্তর মানে বাংলা ১১৭৬ সন।
a ইন্টারকম
b ইন্টারনেট
c ই-মেইল
d ইন্টারস্পিড
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) ইন্টারনেট কেন সঠিক: - ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটারের একটি আন্তঃসংযুক্ত নেটওয়ার্ক। - এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খুব সহজে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারকম — এটি মূলত একটি সীমিত গণ্ডির মধ্যে বা কোনো নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরে যোগাযোগের অভ্যন্তরীণ টেলিফোন ব্যবস্থা। B) ইন্টারনেট — এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করার সঠিক প্রযুক্তি। C) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে শুধু ইলেকট্রনিক চিঠি বা বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম, সামগ্রিক প্রযুক্তি নয়। D) ইন্টারস্পিড — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা তথ্যের আদান-প্রদানের কোনো স্বীকৃত প্রযুক্তিগত নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট শব্দটি এসেছে ইন্টারকানেক্টেড এবং নেটওয়ার্ক শব্দ দুটির সমন্বয়ে, যার কাজ হলো বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারগুলোকে যুক্ত করা।
a 330
b 340
c 350
d 360
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন। - এর মধ্যে সরাসরি সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৩০০ জন এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৩০ — এটি সঠিক নয় কারণ সংসদ সদস্যদের মোট সংখ্যা ৩৩০ জন নয়। B) ৩৪০ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বর্তমান বিধান অনুযায়ী মোট আসন সংখ্যা ৩৪০টি নয়। C) ৩৫০ — এটি সঠিক কারণ ৩০০ সাধারণ আসন এবং ৫০ সংরক্ষিত নারী আসন মিলে মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন। D) ৩৬০ — এটি সঠিক নয় কারণ জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩৬০টি নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: সংসদের মোট আসন সংখ্যা মনে রাখতে ৩০০ সাধারণ আসনের সঙ্গে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন যোগ করলেই ৩৫০ জন পাওয়া যায়।
a ভিয়েনা
b লিবিয়া
c কুয়েত
d কাতার
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা কেন সঠিক: - ওপেক বা তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থার বর্তমান সচিবালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত। - ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল থেকে ভিয়েনাকে তাদের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি ওপেকের বর্তমান ও স্থায়ী সচিবালয় এবং সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) লিবিয়া — এটি ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র হলেও এর সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়। C) কুয়েত — এটি ওপেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র, তবে এর সচিবালয় এখানে নেই। D) কাতার — এটি অতীতে ওপেকের সদস্য থাকলেও ২০১৯ সালে সংস্থাটি ত্যাগ করে এবং এখানে সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: তেল বিক্রির ভেন্যু বা ভিয়েনায় ওপেকের সদর দপ্তর অবস্থিত।
a লিরা
b ক্রোনা
c বাথ
d রিংগিত
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) বাথ কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম বাথ। - ব্যাংক অব থাইল্যান্ড এই মুদ্রা জারি ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিরা — এটি মূলত তুরস্ক এবং সিরিয়ার মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়। B) ক্রোনা — এটি সুইডেন এবং চেক প্রজাতন্ত্রের মুদ্রার নাম। C) বাথ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) রিংগিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের মানুষের গোসলের বাথটবের সঙ্গে থাইল্যান্ডের মুদ্রা বাথ নামটি মনে রাখতে পারেন।
a সিতারা বেগম ও ময়মনা বিবি
b মনসুরা বিবি ও তারামন বিবি
c তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি
d তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তারামন বিবি ও সিতারা বেগম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট দুজন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তাঁরা হলেন চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখা ডা. সিতারা বেগম এবং সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিতারা বেগম ও ময়মনা বিবি — ময়মনা বিবি বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নন, তাই এই অপশনটি ভুল। B) মনসুরা বিবি ও তারামন বিবি — মনসুরা বিবি খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন, তাই এই অপশনটি ভুল। C) তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি — ময়মুনা বিবি নামে কোনো খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা নেই, তাই এই অপশনটি ভুল। D) তারামন বিবি ও সিতারা বেগম — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে কেবল এই দুই নারীই বীরপ্রতীক খেতাব পেয়েছেন। মনে রাখার টিপস: দুই বীর নারী বীরপ্রতীক হলেন 'স' তে সিতারা বেগম এবং 'ত' তে তারামন বিবি (সততা)।
a ১৯৭০ সালে
b ১৯৬৯ সালে
c ১৯৬৮ সালে
d ১৯৬৬ সালে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এই উপাধি প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এটি সাধারণ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলনের বছর, বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদানের সাল এটি নয়। B) ১৯৬৯ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ তাঁকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন। C) ১৯৬৮ সালে — এই সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং শেখ মুজিবকে প্রধান আসামি করা হয়। D) ১৯৬৬ সালে — এই সালে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন, যা বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে (১৯৬৯) ছাত্রসমাজ জাতির পিতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে।
a ভারত
b রাশিয়া
c চীন
d যুক্তরাষ্ট্র
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি রাশিয়ার প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত হচ্ছে। - রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম এই প্রকল্পের মূল ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত এই প্রকল্পের সরাসরি অর্থায়ন বা প্রযুক্তি সহায়তাকারী দেশ নয়, তবে তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে ত্রিমুখী সমঝোতার মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে সহযোগিতায় যুক্ত আছে। B) রাশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই প্রকল্পের প্রধান সহায়তাকারী দেশ। C) চীন — চীন রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণ বা সহায়তার সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে তারা বাংলাদেশের অন্যান্য মেগা প্রকল্পে সহায়তা করে। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক প্রযুক্তিতে অগ্রগামী হলেও রূপপুর প্রকল্পে তাদের কোনো সহায়তা বা সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে রাশিয়ার নাম মনে রাখতে রাশিয়ার র এবং রূপপুরের র অক্ষরটি মিলিয়ে নিতে পারো।
a কপোতাক্ষ
b যমুনা
c পদ্মা
d করতোয়া
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) করতোয়া কেন সঠিক: - মহাস্থানগড় প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন ভূহুক্তির রাজধানী পুণ্ডনগরর বর্তমান অবশিষ্টাংশ, যা বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। - করতোয়া নদী প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নদী এবং এর তীরেই এই ঐতিহাসিক প্রাচীন নগরী গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপোতাক্ষ — এটি যশোর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলের একটি বিখ্যাত নদী, যার সঙ্গে মহাস্থানগড়ের কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) যমুনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা বগুড়া জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও মহাস্থানগড় এর তীরে অবস্থিত নয়। C) পদ্মা — এটি দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের প্রধান নদী, যার অবস্থান মহাস্থানগড়ের ভৌগোলিক এলাকার অনেক দূরে। D) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মহাস্থানগড় এই নদীর তীরেই অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। মনে রাখার টিপস: মহাস্থানগড় ও করতোয়া মনে রাখতে মহাকবি শব্দটির মতো মহাস্থানগড়ের ‘মহা’ এবং করতোয়ার ‘ক’ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (24)

a অব্যয় পদ
b সম্বোধন পদ
c সর্বনাম পদ
d ক্রিয়াপদ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অব্যয় পদ ১. কেন সঠিক: - সাধু ও চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তিত হলেও অব্যয় পদের রূপ অপরিবর্তিত থাকে। - অব্যয় পদ কাল, পুরুষ ও বচন ভেদে কোনো রূপ পরিবর্তন না করে সর্বদা একই থাকে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে পদের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না এবং যা সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে তাকে অব্যয় পদ বলে। - সাধু ও চলিত রীতিতে লেখার সময় পদের রূপ বদলালেও অব্যয় শব্দগুলো উভয় রীতিতে একইরূপে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এবং ব্যাখ্যা: বাক্যকে যুক্ত করতে সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই এবং শব্দটি একইভাবে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: কিন্তু ব্যাখ্যা: বিপরীত ভাব প্রকাশ করতে সাধু ও চলিত উভয় রীতিতে কিন্তু অব্যয়টি অভিন্নরূপে বসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অব্যয় পদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ অব্যয় পদ সাধু ও চলিত রীতিতে কখনো পরিবর্তিত হয় না। B) সম্বোধন পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ সম্বোধন পদ সাধু ও চলিত রীতিতে রূপ পরিবর্তন করতে পারে। C) সর্বনাম পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ সর্বনাম পদের সাধু রূপ ও চলিত রূপ সম্পূর্ণ আলাদা হয় যেমন তাহার বনাম তার। D) ক্রিয়াপদ — এই অপশনটি ভুল কারণ ক্রিয়াপদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে ভিন্ন হয় যেমন করিতেন বনাম করতেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - অব্যয় শব্দের অর্থ যা ব্যয় হয় না বা পরিবর্তিত হয় না। - রূপ বদলায় না বলে অব্যয় সব রীতিতে একই থাকে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার রীতিনীতি থেকে এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। - ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ রীতভেদে বদলায় কিন্তু অব্যয় ও বিশেষণ পদ সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে।
a শ্রবণ
b পরিষ্কার
c পাঠক
d কালো
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কালো ১. কেন সঠিক: - যে শব্দগুলোকে বিশ্লেষণ বা ভাঙা যায় না এবং যাদের কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। - কালো শব্দটি একটি মৌলিক শব্দ কারণ একে ভাঙলে এমন কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না যা এর মূল অর্থের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - গঠন অনুসারে বাংলা শব্দকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়, যথা মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। - যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আর কোনো আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নাক ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ। উদাহরণ ২: লাল ব্যাখ্যা: লাল শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং এর নিজস্ব স্বাধীন অর্থ রয়েছে, তাই এটি মৌলিক শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রবণ — শ্রবণ একটি সাধিত শব্দ যা শ্ৰু ধাতু এবং অন প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। B) পরিষ্কার — পরিষ্কার একটি বিদেশি শব্দ বা সাধিত শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত। C) পাঠক — পাঠক একটি সাধিত শব্দ যা পঠ ধাতু এবং অক প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে। D) কালো — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি একটি মৌলিক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে শব্দগুলোকে ছোট টুকরো করা যায় না এবং যা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি মনে হয়, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ হিসেবে চিনে রাখবে। - রঙের নাম যেমন লাল, নীল, কালো এবং শরীরের অঙ্গ যেমন হাত, নাক, কান সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - কোনো শব্দ দেখলে আগে চিন্তা করবে সেটিকে কোনো প্রত্যয় বা সন্ধির মাধ্যমে ভাঙা যায় কি না।
a বিশেষ্য
b বিশেষণ
c সর্বনাম
d অব্যয়
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বিশেষ্য কেন সঠিক: ১. বাক্যে 'সুন্দর' শব্দটি কেবল একটি গুণ বোঝাচ্ছে না, বরং সুন্দর প্রকৃতির বা গুণের অধিকারী মানুষদের সামগ্রিকভাবে নির্দেশ করছে। ২. বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য হিসেবে বসে এটি কাজের সম্পাদন করছে, যা বিশেষ্য পদের প্রধান একটি কাজ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ১. কোনো বিশেষণ পদ যখন গুণ বা অবস্থার বাইরে গিয়ে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর নাম বোঝায়, তখন তা বিশেষ্য পদে পরিণত হয়। ২. বাংলা ব্যাকরণে একে গুণবাচক বিশেষ্য বা বিশেষণের বিশেষ্য রূপান্তর বলা হয়, যেখানে রূপ পরিবর্তন ঘটে। ৩. যেমন, সৎ মানুষকে সবাই ভালোবাসে বাক্যে 'সৎ' শব্দটি এখানে বিশেষ্য পদের মতো কাজ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিশেষ্য — সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি অন্য অপশনের ব্যাখ্যা নয়। B) বিশেষণ — এটি ভুল কারণ শব্দটি এখানে শুধু দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না, বরং একটি নাম বা পদের কাজ সম্পন্ন করছে। C) সর্বনাম — এটি ভুল কারণ সর্বনাম পদ নামের পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে কোনো নামের পরিবর্তে শব্দটি বসেনি। D) অব্যয় — এটি ভুল কারণ অব্যয় পদের কোনো পরিবর্তন হয় না এবং এর অর্থ বাক্যে ভিন্নভাবে প্রকাশ পায়। মনে রাখার টিপস: ১. কোনো গুণবাচক শব্দ যখন বাক্যে নিজে কর্তা বা কর্মের রূপ নেয়, তখন তা আর বিশেষণ থাকে না। ২. তখন সেই পদটিকে চোখ বন্ধ করে বিশেষ্য পদ হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
a নীঃ + রোগ
b নিঃ + রোগ
c নি + রোগ
d নির + য়োগ
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিঃ + রোগ ১. কেন সঠিক: নিঃ + রোগ মিলে ‘নীরোগ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন ঘটে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ‘র’ থাকলে বিসর্গ লোপ পায় এবং পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ স্বরে রূপান্তরিত হয়। অর্থাৎ ‘ই’ কার ‘ঈ’ কারে পরিণত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিঃ + রস = নীরস ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ‘র’ থাকায় বিসর্গ লুপ্ত হয়েছে এবং ‘নি’ এর ‘ই’ কার ‘ঈ’ কারে পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিঃ + রন্ধ্ৰ = নীরন্ধ্ৰ ব্যাখ্যা: একই নিয়মে বিসর্গ সন্ধির প্রভাবে ‘নিঃ’ যুক্ত ‘রন্ধ্ৰ’ মিলে ‘নীরন্ধ্ৰ’ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নীঃ + রোগ — ‘নীঃ’ এ দীর্ঘ ‘ঈ’ কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। B) নিঃ + রোগ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলে। C) নি + রোগ — এটি সাধারণ স্বরসন্ধি বা ব্যঞ্জনসন্ধির ভুল প্রয়োগ, এখানে বিসর্গ অনুপস্থিত। D) নির + য়োগ — এখানে ‘রোগ’ শব্দের পরিবর্তে ‘য়োগ’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মূল শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গের পরে ‘র’ থাকলে বিসর্গ তুলে দিয়ে আগের ছোট ই বা উ কারকে বড় ঈ বা ঊ কার করে দিতে হয়। এই সহজ সূত্রটি মনে রাখলে এই ধরনের সন্ধি সহজে সমাধান করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ‘নীরস’, ‘নীরোগ’ ও ‘নীরন্ধ্ৰ’ শব্দগুলো বারবার পরীক্ষণে আসে, তাই এগুলোর নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।
a ষড়যন্ত্র
b সন্দেহজনক আচরণ
c ঢাক জোরে বাজানো
d লুকোচুরি
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) লুকোচুরি ১. কেন সঠিক: - 'ঢাক ঢাক গুড় গুড়' একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার অর্থ কোনো কথা বা বিষয় লুকিয়ে রাখা বা লুকোচুরি করা। - কোনো গোপনীয়তা রক্ষা করার চেষ্টা করা কিংবা স্পষ্ট করে কিছু না বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অবস্থাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের মতো পালালেও তোমার মনের কথা আমি বুঝতে পেরেছি, এখন আর ঢাক ঢাক গুড় গুড় করে লাভ নেই। ব্যাখ্যা: কথাটি পরিষ্কার না করে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার অর্থ প্রকাশ করতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগে কত কথাই না হলো, এখন সব ঢাক ঢাক গুড় গুড় বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যাখ্যা: গোপনীয়তা বজায় রাখার চেষ্টা শেষ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষড়যন্ত্র — এই অপশনটি ভুল কারণ ষড়যন্ত্র অর্থ গোপনে কোনো খারাপ পরিকল্পনা করা, যা এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সন্দেহজনক আচরণ — এই অপশনটি ভুল কারণ সন্দেহজনক আচরণ বলতে অস্বাভাবিক বা অবিশ্বাসী গতিবিধি বোঝায়, যা নির্দিষ্ট লুকোচুরি অর্থ প্রকাশ করে না। C) ঢাক জোরে বাজানো — এই অপশনটি ভুল কারণ এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার ভাবার্থ বা রূপক অর্থ বিবেচনা করতে হয়। D) লুকোচুরি — এটি সঠিক কারণ এই অপশনটি বাগধারাটির প্রকৃত ভাবার্থ বা গোপন করার অবস্থাকে সঠিকভাবে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঢাক বা বাদ্যযন্ত্র বাজালে যেমন শব্দ হয় কিন্তু ঢাক ঢেকে রাখলে আওয়াজ চাপা পড়ে যায়, তেমনি কোনো কথা চেপে রাখা বা লুকোচুরি করাকে ঢাক ঢাক গুড় গুড় বলা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে বাগধারার রূপক বা ভাবার্থ মূল্যায়ন করা হয়। তাই শব্দগুলোর পেছনের মূল অর্থ বোঝার অভ্যাস করতে হবে।
a অলুক তৎপুরুষ
b উপপদ তৎপুরুষ
c নঞ তৎপুরুষ
d নিত্য সমাস
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নঞ তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: নঞ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বা অসূচক অব্যয় বসে এবং পদের অর্থ নেতিবাচক হয়। অনেক শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ন এক, যা দিয়ে একের অভাব বা না এক বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না বোধক অব্যয় বা নঞ অর্থবোধক শব্দ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। অনেক শব্দটি গঠিত হয়েছে ন এবং এক এর মিলনে, যেখানে ন অর্থ নেই বা অভাব বোঝায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অসম্ভব ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো ন সম্ভব, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: অবিনাশী ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো ন বিনাশী, যা নঞ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলুক তৎপুরুষ — যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে, কিন্তু অনেক শব্দে বিভক্তি লোপ না পাওয়ার ব্যাপার নেই। B) উপপদ তৎপুরুষ — কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের যে সমাস হয় তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলে, কিন্তু অনেক শব্দটি কৃদন্ত পদ নয়। C) নঞ তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে না বোধক অব্যয় যুক্ত হয়ে সমাস সাধিত হয়েছে। D) নিত্য সমাস — যে সমাসের ব্যাসবাক্যের কোনো প্রয়োজন হয় না এবং পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ থাকে তাকে নিত্য সমাস বলে, কিন্তু অনেক শব্দের ব্যাসবাক্য আছে। ৫ মনে রাখার টিপস: নঞ তৎপুরুষ সমাসের শুরুতে সাধারণত অ, অন, না, নাই বা ন থাকে। অনেক শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি ন এক এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নঞ তৎপুরুষ সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অদৃষ্ট, অচেনা এবং অসম্ভব শব্দগুলো একইভাবে নঞ তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।
a অধিকার অর্থে
b যশ অর্থে
c অভ্যাস অর্থে
d নিপুণতা অর্থে
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নিপুণতা অর্থে ১. কেন সঠিক: ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো বাক্যে হাত শব্দটি চিকিৎসকের কাজের দক্ষতা বা নিপুণতা প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে হাত বলতে মানুষের শরীরের অঙ্গ বোঝায়নি, বরং চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর ভালো হওয়ার কার্যক্ষমতা বা পেশাগত নৈপুণ্য বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় অনেক অঙ্গবাচক শব্দ বিশেষ বিশেষ অর্থে রূপক বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। এখানে হাত শব্দটি কর্মদক্ষতা, নিপুণতা, পারদর্শিতা বা কাজের সফলতার অর্থে প্রযুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লোকটির হাতের রান্না খুব সুস্বাদু। ব্যাখ্যা: এখানে হাত শব্দটি রান্নার কাজে বিশেষ নৈপুণ্য বা দক্ষতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: ওস্তাদের মার শেষ রাতে। ব্যাখ্যা: এখানে মার বা কাজ করার ক্ষেত্রে বিশেষ কৌশল ও নিপুণতা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অধিকার অর্থে - এই বাক্যে হাত বলতে কোনো কিছুর মালিকানা বা দখল বোঝানো হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। B) যশ অর্থে - যশ অর্থ খ্যাতি, কিন্তু হাত যশ পুরো একটি বাগধারা বা বিশেষ প্রয়োগ যেখানে নিপুণতাই মূল বিষয়। C) অভ্যাস অর্থে - হাত বলতে এখানে অভ্যস্ততা বোঝায় না, বরং কাজের ক্ষেত্রে হাতের গুণ বা দক্ষতা বোঝানো হয়েছে। D) নিপুণতা অর্থে - এই অপশনটি সঠিক কারণ চিকিৎসকের কর্মদক্ষতা ও নিপুণতা প্রকাশই এই বাক্যের মূল উদ্দেশ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: কোনো ব্যক্তি বা পেশাজীবীর কাজের দক্ষতা বোঝাতে হাত শব্দের ব্যবহার থাকলে তা সবসময় নিপুণতা বা পারদর্শিতা হিসেবে গণ্য করবে। চিকিৎসক বা রান্নার ক্ষেত্রে হাত ভালো থাকা মানে কাজের নিপুণতা থাকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও বাক্যে শব্দের বিশেষ ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। অঙ্গবাচক শব্দের রূপক ব্যবহারগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ভ্রমর
b পত্র
c ফল
d পুষ্প
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পুষ্প ১. কেন সঠিক: - প্রসুন শব্দের অর্থ ফুল বা পুষ্প। - বাংলা সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ নির্ণয় পর্বে এই শব্দটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যেগুলোর অর্থের মধ্যে গভীর সাদৃশ্য থাকে। - একটি শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ থাকতে পারে যা প্রসঙ্গ ভেদে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুসুম ব্যাখ্যা: এটি প্রসুনের একটি অন্যতম পরিচিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: ফুল ব্যাখ্যা: এটি প্রসুনের সবচেয়ে সাধারণ ও বহুল ব্যবহৃত বাংলা প্রতিশব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভ্রমর — ভ্রমর শব্দের অর্থ সার্থকভাবে অলিকুল বা মৌমাছি বোঝায়, যা ফুলের প্রতিশব্দ নয়। B) পত্র — পত্র শব্দের অর্থ গাছের পাতা বা চিঠি, যা প্রসুনের সমার্থক হতে পারে না। C) ফল — ফল উদ্ভিদের অংশ হলেও এটি ফুল বা প্রসুনের ভিন্ন পর্যায় নির্দেশ করে। D) পুষ্প — এটি প্রসুনের সঠিক প্রতিশব্দ এবং প্রশ্নের চাহিদার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রসুনের প্রথম অক্ষর প্র এবং পুষ্পের প্রথম অক্ষর প মনে রেখে কৌশল তৈরি করতে পারো। - ফুল বোঝাতে প্র, কুসুম ও পুষ্প শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশের সমার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - ফুল, পাতা ও ফলের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে বিভ্রান্তি দূর হয়।
a আমার তিলমাত্র সময় নাই
b আমার একতিল সময় আছে
c আমি এক মুহূর্ত অপব্যয় করতে পারি না
d ওপরের কোনোটিই নয়
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমার তিলমাত্র সময় নাই কেন সঠিক: - ইংরেজি শব্দ spare এখানে কোনো কিছু অতিরিক্ত না থাকা বা বরাদ্দ করতে না পারাকে বোঝায়। - instant শব্দের ভাবার্থ বোঝাতে বাংলায় তিলমাত্র বা সামান্য পরিমাণ সময় না থাকাকে সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি নেতিবাচক বাক্য I cannot spare an instant-এর ভাবানুবাদ হিসেবে বিকল্প এ সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। - অনুবাদে আক্ষরিক অর্থের চেয়ে মূল ভাব ফুটিয়ে তোলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যা এখানে সফলভাবে করা হয়েছে। - অনুরূপ উদাহরণ: I have no time to lose-এর অর্থ আমার সময় নষ্ট করার জো নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সঠিক উত্তর — এটি মূল বাক্যের নিখুঁত ও প্রমিত বাংলা ভাবানুবাদ। - B) আমার একতিল সময় আছে — মূল বাক্যে সময় না থাকার কথা বলা হয়েছে কিন্তু এখানে সময় আছে বলা হয়েছে যা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - C) আমি এক মুহূর্ত অপব্যয় করতে পারি না — এটি অপচয় করার প্রসঙ্গ টানে যা spare শব্দের মূল অর্থের সাথে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ নয়। - যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ-তে বিদ্যমান, তাই এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - spare an instant বা spare a moment দেখলে বুঝবে তিলমাত্র বা বিন্দুমাত্র সময় না থাকার কথা বলা হচ্ছে।
a পশুর খোলস
b নির্মোহ লোক
c নিমোক রাখার পাত্র
d সাপের খোলস
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সাপের খোলস ১. কেন সঠিক: - 'নির্মোক' একটি এককথায় প্রকাশ বা শব্দসংক্ষেপ, যার অর্থ হলো সাপের খোলস বা ত্যক্ত চামড়া। সাপ যখন নতুন চামড়া লাভ করে, তখন তার পুরোনো খোলস ত্যাগ করে, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় নির্মোক বলে। - এই প্রশ্নটি শব্দার্থ ও এককথায় প্রকাশের অন্তর্ভুক্ত, যেখানে একটি পূর্ণ ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বড় বাক্য বা ভাবকে সংক্ষেপে একটি শব্দে প্রকাশ করা হয়। - 'সাপের খোলস' বাক্যংশটিকে এককথায় প্রকাশ করলে নির্মোক শব্দটি পাওয়া যায়, যা প্রমিত বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাতির পালের কোলাহল - হ্রেষা না হয়ে গজন হবে। এখানে হাতির ডাককে গজন বলা হয়। ব্যাখ্যা: বাক্য সংকোচন ভাষা সুন্দর ও সাবলীল করতে সাহায্য করে। উদাহরণ ২: যা পূর্বে কখনো হয়নি - অভূতপূর্ব। ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত এককথায় প্রকাশের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পশুর খোলস — পশুর চামড়া বা খোলস বোঝাতে নির্মোক শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। B) নির্মোহ লোক — নির্মোহ অর্থ মোহহীন ব্যক্তি, যার সঙ্গে সাপের খোলস বা নির্মোক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই। C) নিমোক রাখার পাত্র — এটি একটি কাল্পনিক ও অর্থহীন শব্দগুচ্ছ, যার সঙ্গে এই শব্দের কোনো মিল নেই। D) সাপের খোলস — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং নির্মোক শব্দের মূল অর্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: সাপ খোলস ছেড়ে নতুন রূপ নেয়, আর নির্মোক শব্দটি দেখলে সাপের খোলস কথাটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
a কর্তায় সপ্তমী
b কর্মে সপ্তমী
c করণে সপ্তমী
d অপাদানে সপ্তমী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্মে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে 'কারে' শব্দটির দ্বারা কর্মকারককে নির্দেশ করা হয়েছে। - কারে শব্দের সঙ্গে 'এ' বিভক্তি যুক্ত রয়েছে যা সপ্তমীর রূপ। তাই এটি কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কিসের দ্বারা বা কাকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। এই বাক্যে দান করার কর্ম হলো গান বা ফুলের মালা। - শব্দের সঙ্গে 'এ', 'তে', 'য়' ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হলে এবং তা স্থান, কাল বা সপ্তমী বিভক্তির রূপ প্রকাশ করলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তারকে ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকো প্রশ্নের উত্তরে ডাক্তারকে আসায় এটি কর্মকারকে দ্বিতীয় বিভক্তি। উদাহরণ ২: শিক্ষককে শ্রদ্ধা কর। ব্যাখ্যা: কাকে শ্রদ্ধা কর প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষককে আসায় এটি কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় সপ্তমী — কর্তাকারকে সপ্তমী বিভক্তি নয় কারণ এখানে কাজটি সম্পাদনকারী বা কর্তা বোঝায়নি। C) করণে সপ্তমী — করণকারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা মাধ্যম বোঝায় কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যম নেই। D) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক থেকে, হতে বা দূরে সরে যাওয়া বোঝায় যা এখানে অনুপস্থিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াকে কাকে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে তা কর্মকারক হয়। শব্দের শেষে এ বা য় থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য বাক্যের মূল ভাব এবং ক্রিয়াপদের সঙ্গে পদের সম্পর্ক ভালোভাবে বুঝতে হবে।
a প্রাতিপদিক
b সাধিত শব্দ
c নামপদ
d ক্রিয়াপদ
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রাতিপদিক ১. কেন সঠিক: - বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, যা পদের মূল রূপ কিন্তু তাতে কোনো কারক বা বিভক্তি যুক্ত হয়নি। - প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল ভিত্তি বা মূল রূপ, যার সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদে পরিণত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাতিপদিক হলো শব্দের মূল রূপ বা বিভক্তিহীন নামশব্দ। একে অনেক সময় শব্দের প্রথমা বিভক্তির একবচনান্ত রূপ বা মূল প্রকৃতিও বলা হয়। - ধাতুর সঙ্গে যেমন প্রত্যয় যুক্ত হয়, তেমনি নাম শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার আগের রূপটি হলো প্রাতিপদিক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: কলম একটি নাম শব্দ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: বই ব্যাখ্যা: বই শব্দটিতে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি প্রাতিপদিক হিসেবে গণ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাতিপদিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দ। B) সাধিত শব্দ — সাধিত শব্দ হলো প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ, যা কেবল বিভক্তিহীন নাম শব্দ নয়। C) নামপদ — বিভক্তিযুক্ত নাম শব্দকে পদ বলা হয়, কিন্তু প্রশ্ন চেয়েছে বিভক্তিহীন শব্দ। D) ক্রিয়াপদ — ক্রিয়াপদ হলো কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায় এমন শব্দ, যা নাম শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রাতিপদিক মানে প্রকৃতির আদি রূপ যেখানে কোনো বিভক্তির পোশাক পরানো হয়নি। - মনে রাখবে, বিভক্তিহীন মানেই প্রাতিপদিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রাতিপদিক ও সাধিত শব্দের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে। - বিভক্তি যোগ করার আগের অবস্থাই হলো প্রাতিপদিক।
a মূর্খদের ভাষা
b পণ্ডিতদের ভাষা
c জনগণের ভাষা
d লেখকদের ভাষা
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জনগণের ভাষা ১. কেন সঠিক: প্রাকৃত শব্দটি প্রাকৃত ভাষা বা প্রাক্কৃতিক বা স্বাভাবিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত ভাষার বিপরীতে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বা কথ্য রূপ হিসেবে এটি পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষা হলো ভারতীয়্য আর্য ভাষার দ্বিতীয় স্তর যা সংস্কৃত ভাষার পরে বিকশিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ বা জনসমষ্টি যে ভাষায় কথা বলত তাই প্রাকৃত ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহারাষ্ট্রি প্রাকৃত ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন ভারতের অন্যতম একটি প্রাকৃত ভাষা যা সাহিত্যের ভাষা হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। উদাহরণ ২: শৌরসেনী প্রাকৃত ব্যাখ্যা: মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার এই রূপটি উত্তর ভারতের সাধারণ মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূর্খদের ভাষা — প্রাকৃত ভাষা কোনো বিশেষ অবমূল্যায়িত বা মূর্খদের ভাষা ছিল না, এটি সাধারণ জনগণের কথ্য ভাষা ছিল। B) পণ্ডিতদের ভাষা — সংস্কৃত ভাষাকে পণ্ডিত বা অভিজাতদের ভাষা বলা হতো, প্রাকৃত তাকে বলা হয় না। D) লেখকদের ভাষা — লেখকরা সাধারণত ধ্রুপদী সংস্কৃত ব্যবহার করতেন, প্রাকৃত ছিল মূলত প্রাকৃতজনের দৈনন্দিন ভাষা। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রাকৃত শব্দটির উৎস হলো প্রাকৃতির, যার অর্থ স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক। তাই প্রাকৃত মানেই সাধারণ মানুষের প্রাকৃতিক ও সাবলীল ভাষা বা জনগণের ভাষা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ভাষার উৎপত্তি বিচার করলে দেখা যায় প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার মাধ্যমে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। বিসিএস পরীক্ষায় বাংলা ভাষার ইতিহাস ও উৎস সম্পর্কিত প্রশ্নে এই তথ্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ধূসর পাণ্ডুলিপি
b কবিতার কথা
c ঝরা পালক
d দুর্দিনের যাত্রী
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবিতার কথা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্য অংশের অন্তর্ভুক্ত। - জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ হলো কবিতার কথা, যা তার সাহিত্যচিন্তা ও সৃষ্টিতত্ত্বের পরিচয় বহন করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি এবং রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত। - কবিতার কথা গ্রন্থে কবি বাংলা কাব্যরীতির বিবর্তন, আধুনিক কবিতার রূপ এবং নিজস্ব কাব্যদর্শনের গভীর ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘কবিতাসমগ্র’। ব্যাখ্যা: এটি তার অপ্রকাশিত ও প্রকাশিত প্রবন্ধের সংকলন। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশের অপর একটি গদ্যকর্ম ‘মাল্যবান’ উপন্যাস। ব্যাখ্যা: এটি তার জীবনকালে অপ্রকাশিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধূসর পাণ্ডুলিপি — এটি জীবনানন্দ দাশের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, কোনো প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। B) কবিতার কথা — এটি জীবনানন্দ দাশের একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং সঠিক উত্তর। C) ঝরা পালক — এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। D) দুর্দিনের যাত্রী — এটি কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশ মানেই মূলত কবিতা ও রূপসী বাংলার রূপ। - তার একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ মনে রাখতে কবিতার কথা কথাটি মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের গদ্য বা প্রবন্ধ গ্রন্থ প্রায়ই আসে। - মূল ধারার বাইরে লেখকদের ভিন্নধর্মী রচনাগুলো আলাদা করে পড়তে হবে।
a উম্য
b উমো
c ইয়ো
d উয়ো
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উয়ো ১. কেন সঠিক: - বাংলা বর্ণমালার পঞ্চম বর্ণ উওম বা ঙ-এর প্রমিত উচ্চারণ হলো উয়ো। - এটি মূলত উ এবং ও-এর মিলিত ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনি, বর্ণ ও উচ্চারণ - ঙ একটি নাসিক্য বর্ণ এবং এটি কণ্ঠ্য বর্গীয় ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা শব্দ বাংলা ব্যাখ্যা: বাংলা শব্দটিতে ঙ-এর উচ্চারণ উয়ো-এর মতো হয়। উদাহরণ ২: বাংলা শব্দ অঙ্ক ব্যাখ্যা: অঙ্ক শব্দটিতেও ঙ-এর সঠিক উচ্চারণ উয়ো ধ্বনি প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উম্য — উম্য বানান বা উচ্চারণটি ঙ বর্ণের জন্য প্রমিত নয়। B) উমো — উমো বলতে কোনো সঠিক প্রমিত ধ্বনিগত উচ্চারণ বোঝায় না। C) ইয়ো — ইয়ো হলো ই-বর্গীয় বর্ণ ইঞ-এর উচ্চারণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ঙ দেখলে মনে রাখবে এর উচ্চারণ উয়ো। - বাংলা নাসিক্য বর্ণগুলোর মধ্যে এর উচ্চারণ একটু আলাদা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণ ও উচ্চারণ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - প্রমিত বাংলা উচ্চারণ জানার জন্য ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর উচ্চারণ রীতি অনুসরণ করা যেতে পারে।
a এক ধরনের গান
b বাদ্যযন্ত্র
c নাচের মুদ্রা
d বিশেষ ধরনের খেলা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এক ধরনের গান ১. কেন সঠিক: টপ্পা হলো এক বিশেষ ধরনের শাস্ত্রীয় বা উপশাস্ত্রীয় বাংলা গান, যা মূলত পাঞ্জাবের উটের চালকদের গীত উটওয়ালার গানের ওপর ভিত্তি করে ভারতীয় উপমহাদেশে বিকশিত হয়েছে। এটি বাংলা গানের ইতিহাসে একটি স্বতন্ত্র ধারা হিসেবে পরিচিত এবং এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো দ্রুত ও জটিল তান বা লয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা সংগীতে টপ্পা গানের প্রধান প্রবক্তা বা রূপকার হলেন নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত। অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে ও উনবিংশ শতকের শুরুতে তিনি বাংলা ভাষায় প্রচুর টপ্পা গান রচনা ও পরিবেশন করে এই ধারাটিকে জনপ্রিয় করে তোলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিধু বাবুর রচিত প্রেম ও বিরহমূলক টপ্পা গান। ব্যাখ্যা: এই গানগুলোতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম বা সাধারণ মানুষের অনুরাগের কথা দ্রুত লয়ের সুরে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: রামনিধি গুপ্তের বাংলা টপ্পা। ব্যাখ্যা: তিনি প্রথম ফার্সি ও হিন্দি গানের আদলে বাংলায় টপ্পা গান রচনা করে এক নতুন ধারার সূচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) এক ধরনের গান — এই অপশনটি সঠিক কারণ টপ্পা হলো একটি বিশেষ বাদ্যসংগত গান। B) বাদ্যযন্ত্র — টপ্পা কোনো বাদ্যযন্ত্র নয়, এটি গাওয়ার একটি নির্দিষ্ট ধ্রুপদী বা উপশাস্ত্রীয় শৈলী। C) নাচের মুদ্রা — টপ্পা নৃত্যকলা বা নাচের কোনো বিশেষ ভঙ্গি বা মুদ্রা নির্দেশ করে না। D) বিশেষ ধরনের খেলা — এটি কোনো ধরনের ক্রীড়া বা খেলাধুলা সংক্রান্ত টার্ম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: টপ্পা শুনলেই মনে রাখবে গান এবং এর সঙ্গে নিধু বাবুর নাম। নিধু বাবু হলেন বাংলা টপ্পার আদি ও প্রধান শিল্পী। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বাংলার প্রথম টপ্পা বাদক বা রচিয়তার নাম জানতে চাওয়া হয়। এক্ষেত্রে রামনিধি গুপ্ত বা নিধু বাবুর নাম মনে রাখা জরুরি।
a ১৯৪৩ সালে
b ১৯৪৮ সালে
c ১৯৫২ সালে
d ১৯৭০ সালে
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪৮ সালে ১. কেন সঠিক: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস 'লালসালু' ১৯৪৮ সালে রচিত হয়েছিল। - এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের ধর্মীয় ভণ্ডামি ও অন্ধবিশ্বাসের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতা ধারার প্রবক্তা। - 'লালসালু' উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে, যা গ্রামীণ জীবনের এক অনন্য দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটক 'বহিপীর' ব্যাখ্যা: এই নাটকটিতেও সমাজসংস্কার ও রক্ষণশীলতার দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস 'কাঁদো নদী কাঁদো' ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি বিশ্বমানের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৩ সালে — এই সালে 'লালসালু' রচিত হয়নি কারণ এটি লেখকের শুরুর দিকের সাহিত্যকর্মের সময়কাল নয়। B) ১৯৪৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর, এই সালেই উপন্যাসটি রচিত হয়েছিল। C) ১৯৫২ সালে — এই সালে উপন্যাসটি রচিত হয়নি, বরং এটি ১৯৪৮ সালে রচিত ও ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়। D) ১৯৭০ সালে — এই সালটি 'লালসালু' উপন্যাসের রচনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - লালসালু উপন্যাসের রচনা সাল মনে রাখতে এভাবে ভাবুন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে এটি রচিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই উপন্যাসের রচয়িতা, রচনার সাল এবং প্রকাশের সাল আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। - রচনার সাল ১৯৪৮ এবং প্রকাশের সাল ১৯৪৯—এই দুটি তথ্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a সচ্ছল
b সচ্ছুল
c সচ্চল
d সচ্চছল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সচ্ছল কেন সঠিক: - বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী এই শব্দটিতে চ-এর সাথে ছ যুক্ত হয়েছে। - শব্দটির অর্থ সচ্ছল বা স্বচ্ছলতা অর্থে সচ্ছল বানানটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক অনুমোদিত। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী স্বরবর্ণের পর ছ যুক্ত হলে সাধারণত চ্ছ হয়। - বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটি তৎসম বা তদ্ভব শব্দের সঠিক রূপ এটি। - যেমন, সচ্ছল শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত করে সচ্ছলতা গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) সচ্ছল — এটি সঠিক বানান হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। - B) সচ্ছুল — এখানে ছ-এর সাথে উ-কার ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। - C) সচ্চল — এখানে চ-এর সাথে ছ যুক্ত না হয়ে চ যুক্ত হয়েছে যা ভুল। - D) সচ্চছল — এখানে অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত চ এবং ছ ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: - সচ্ছল বানান লেখার সময় মনে রাখতে হবে চ-এর সাথে হসন্ত ও ছ যুক্ত হবে কিন্তু কোনো উ-কার হবে না।
a রাজস্ব
b মেনে নেওয়া
c জলকণা
d গাছের মূল
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জলকণা ১. কেন সঠিক: - 'শীকর' একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ সূক্ষ্ম জলকণা, কুয়াশা বা শিশিরবিন্দু। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ সংক্রান্ত প্রশ্নে সঠিক শব্দ চেনার জন্য এর প্রকৃত অর্থ জানা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় অনেক সংস্কৃত শব্দ সরাসরি বা সামান্য পরিবর্তিত হয়ে ব্যবহৃত হয়। - 'শীকর' শব্দটি এমন একটি বিশেষ্য পদ যা সাধারণত প্রাকৃতিক জলকণা বা বৃষ্টির সূক্ষ্ম ফোঁটাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ থেকে ঝরে পড়া এক ফোঁটা শীকর গাছের পাতায় জমে আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'শীকর' বলতে বৃষ্টির সূক্ষ্ম জলকণা বা শিশিরকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: সকালের হিমেল বাতাসে কুয়াশার শীকর চারদিক ঢেকে দিয়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'শীকর' শব্দটি জলকণার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজস্ব — রাজস্ব শব্দের অর্থ কর বা খাজনা, যা সরকারের আয়ের উৎস এবং 'শীকর' শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) মেনে নেওয়া — মেনে নেওয়া একটি ক্রিয়াপদ যা কোনো কিছু স্বীকার করা বা নমনীয় হওয়া বোঝায়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি অর্থ। C) জলকণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'শীকর' শব্দের নির্দিষ্ট আধান হলো সূক্ষ্ম জলকণা বা শিশির। D) গাছের মূল — গাছের মূলকে সাধারণত 'মূল' বা 'শিকড়' (দন্ত্য-ন ও ড শূন্য র) বলা হয়, যা হ্রস্ব-ই কার ও মূর্ধন্য-ষ যুক্ত 'শীকর' শব্দ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। ৫. মনে রাখার টিপস: - বানান খেয়াল রাখবে: মূর্ধন্য-ষ যুক্ত 'শীকর' মানে জলকণা। - আর দন্ত্য-ন যুক্ত 'শিকড়' মানে গাছের মূল বা শেকড়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সমার্থক শব্দ ও বানンの সূক্ষ্ম পার্থক্য প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য পরীক্ষায় বিভ্রান্তি তৈরি করে। - তাই উচ্চারণ ও বানান উভয় ক্ষেত্রেই সতর্ক থাকতে হবে।
a স্বরভক্তি
b স্বরসংগতি
c অভিশ্রুতি
d অপিনিহিতি
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) স্বরভক্তি ১. কেন সঠিক: - সংযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণের মাঝে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি প্রবেশের প্রক্রিয়াকে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ বলে। - রত্ন শব্দের মাঝের ত ও ন এই দুটি সংযুক্ত বর্ণের মাঝে ই ধ্বনি এসে রতন রূপ নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ভিন্ন ধ্বনির উচ্চারণ সহজ করার জন্য মাঝে স্বরধ্বনি আসার নাম স্বরভক্তি বা মধ্যবিপ্রকর্ষ। - দ্রুত উচ্চারণের সময় গামছা থেকে গামুছা বা ধর্ম থেকে ধরম শব্দে রূপান্তর এর সাধারণ উদাহরণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লগ্ন থেকে লগন ব্যাখ্যা: গ ও ন যুক্তবর্ণের মাঝে অ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে লগন হয়েছে। উদাহরণ ২: মন্ত্র থেকে মন্তর ব্যাখ্যা: ন ও ত যুক্তবর্ণের মাঝে অ স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে মন্তর হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্বরভক্তি — এটি সঠিক কারণ সংযুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে স্বরধ্বনি প্রবেশ করেছে। B) স্বরসংগতি — শব্দের মধ্যে অবস্থিত স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বরসংগতি বলে। C) অভিশ্রুতি — অপিনিহিতির পরের ই কার বা উ কার আগের স্বরের সাথে মিলে যাওয়াকে অভিশ্রুতি বলে। D) অপিনিহিতি — যুক্তব্যঞ্জন ভাঙার আগেই ই কার বা উ কার উচ্চারিত হওয়ার নাম অপিনিহিতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - যুক্তবর্ণ ভেঙে মাঝে স্বরধ্বনি আসলে তাকে স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ মনে রাখবে। - রত্ন থেকে রতন বানানে মাঝের পরিবর্তনটি ভালো করে খেয়াল করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিপ্রকর্ষ শব্দের অর্থ মাঝখানে ফাঁক তৈরি করা। - এই ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন পরীক্ষায় প্রায়ই বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি নামে আসে।
a নির্বোধ
b প্রজ্ঞা
c স্থিরতা
d মনস্বিতা
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নির্বোধ ১. কেন সঠিক: - মনীষা শব্দের অর্থ হলো প্রজ্ঞা, বুদ্ধি, মেধা বা মননশক্তি। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো নির্বোধ, যার অর্থ জ্ঞানহীন বা বোকা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় মূল শব্দের সঠিক অর্থ অনুধাবন করে তার ঠিক উল্টো ভাবের শব্দ বেছে নিতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন শব্দগুলোকে বোঝায় যা একটি অন্যটির সম্পূর্ণ বিপরীত বা প্রতিকূল অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয় এবং শব্দের উৎস ও রূপের সামঞ্জস্য রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মূর্খ ব্যাখ্যা: এটি মনীষা শব্দের আরেকটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে, যার অর্থ জ্ঞানহীন। উদাহরণ ২: প্রাজ্ঞ ব্যাখ্যা: প্রাজ্ঞ হলো মনীষা শব্দের সমার্থক শব্দ, যা বিপরীত শব্দের বেলায় বিভ্রান্তি এড়াতে মনে রাখা দরকার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্বোধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি মনীষা বা বুদ্ধিমত্তার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) প্রজ্ঞা — এটি ভুল কারণ প্রজ্ঞা হলো মনীষার সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। C) স্থিরতা — এটি ভুল কারণ স্থিরতা শব্দের বিপরীত শব্দ চঞ্চলতা বা অস্থিরতা। D) মনস্বিতা — এটি ভুল কারণ মনস্বিতা হলো মনীষার কাছাকাছি বা সমার্থক একটি ভাববাচক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনীষা মানে উচ্চমেধা বা প্রজ্ঞা আর এর উল্টো দিকে যার কোনো বুদ্ধি নেই অর্থাৎ নির্বোধ। সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল অর্থ আগে খাতায় লিখে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। তাই মূল শব্দের সঙ্গে তৎসমরীতির বিপরীত শব্দ নির্বাচন করার অভ্যাস করতে হবে।
a জ্ঞানদাস
b বিদ্যাপতি
c গোবিন্দদাস
d কোনটিই নয়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিদ্যাপতি ১. কেন সঠিক: বিদ্যাপতি মৈথিলি ভাষার কবি হওয়া সত্ত্বেও ব্রজবুলি ভাষায় পদাবলি রচনা করে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। ব্রজবুলি কোনো কথ্য ভাষা নয়, বরং এটি বাংলা ও মৈথিলি ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি এক কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির অন্যতম প্রধান আদি কবি যিনি মিথিলার রাজা শিবসিংহের সভাকবি ছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমলীলা নিয়ে রচিত তার পদগুলো বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব সমাজকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদাবলি সাহিত্যের প্রথম কবি বিদ্যাপতি। ব্যাখ্যা: বিদ্যাপতির পদ থেকেই বাংলায় বৈষ্ণব পদাবলি রচনার ধারা শুরু হয়। উদাহরণ ২: মৈথিলি কোকিল উপাধিতে ভূষিত বিদ্যাপতি। ব্যাখ্যা: তার মিষ্টি ও মধুর পদের জন্য তাকে মৈথিলি কোকিল বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জ্ঞানদাস — ইনি বাংলা ভাষায় পদাবলি রচনা করেছেন, ব্রজবুলির একক স্রষ্টা বা প্রধান নন। B) বিদ্যাপতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক। C) গোবিন্দদাস — ইনি ব্রজবুলিতে পদ রচনা করলেও বিদ্যাপতির পরেই তার অবস্থান এবং তিনি বিদ্যাপতিকে অনুসরণ করেছিলেন। D) কোনটিই নয় — যেহেতু বি অপশনটি সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাপতি মৈথিলি কবি হলেও ব্রজবুলি ভাষার প্রবক্তা ও পদাবলি রচয়িতা হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। ব্রজবুলি মানেই কবি বিদ্যাপতির নাম প্রথমে মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে ব্রজবুলি কী ধরনের ভাষা। এটি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা যা মূলত বাংলা ও মৈথিলার মিশ্রণ।
a কোলন ড্যাশ
b ড্যাশ
c কোলন
d সেমিকোলন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কোলন ড্যাশ ১. কেন সঠিক: - উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত কোলন ড্যাশ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। - বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের মধ্যে এটি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিরাম চিহ্ন বা punctuation হলো বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত প্রতীক। - কোলন ড্যাশ চিহ্নটি কোলন এবং ড্যাশ এর মিলিত রূপ যা বাক্য বা বিবরণের পরে উদাহরণ বোঝাতে বসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পদ পাঁচ প্রকার: যথা— বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, অব্যয় ও ক্রিয়া। ব্যাখ্যা: এখানে পদের প্রকারভেদ দেখানোর পর উদাহরণ দেওয়ার জন্য কোলন ড্যাশ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: বাংলাদেশে অনেক নদী আছে: যেমন— পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র। ব্যাখ্যা: নদীর নামগুলো উদাহরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করার জন্য কোলন ড্যাশ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কোলন ড্যাশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি উদাহরণ প্রয়োগের ক্ষেত্রেই নির্ধারিত। B) ড্যাশ — ড্যাশ চিহ্নটি মূলত যৌগিক বা মিশ্র বাক্যের সংযোগ বোঝাতে বা ভাবের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) কোলন — কোলন সাধারণত একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য বাক্য বা উদ্ধৃতি আনতে ব্যবহৃত হয়, উদাহরণ সরাসরি বোঝায় না। D) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের সংযোগে ব্যবহৃত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত দিতে গেলেই কোলন ও ড্যাশ একসাথে বসে। - কোলন ড্যাশ মানেই উদাহরণের প্রকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিরাম চিহ্নের নাম এবং তাদের নির্দিষ্ট ব্যবহার থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলায় বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার ব্যাপকভাবে শুরু করেন।
a ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রামরাম বসু
c রামনারায়ণ তর্করত্ন
d রাজা রামমোহন রায়
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাজা রামমোহন রায় ১. কেন সঠিক: - রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' রচনা করেন, যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। - বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে বাংলা ভাষার নিজস্ব ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের অন্যতম পথপ্রদর্শক এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন। - ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত গৌড়ীয় ব্যাকরণ মূলত ইংরেজিতে রচিত বাংলা ব্যাকরণের বাংলা অনুবাদ ও পরিবর্ধিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেদান্তসার ব্যাখ্যা: এটি রাজা রামমোহন রায় কর্তৃক রচিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ব্রজবুলী পদাবলি ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের একটি বিশেষ রূপ, যা রাজা রামমোহন রায়ের সাহিত্যচিন্তার বাইরে ভিন্ন ধারার সৃষ্টি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি গৌড়ীয় ব্যাকরণ রচনা করেননি, তবে বর্ণপরিচয় ও ব্যাকরণ কৌমুদী রচনা করেছেন। B) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন এবং রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র রচনা করেন। C) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি একজন নাট্যকার ছিলেন এবং কুলীনকুলসর্বস্ব নাটক রচনা করেছেন। D) রাজা রামমোহন রায় — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - রাজা রাম মানেই গৌড়ীয় ব্যাকরণের রাজা, যিনি প্রথম বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন। - ১৮৩৩ সালটি মনে রাখলে রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যুর সাল এবং গৌড়ীয় ব্যাকরণের প্রকাশের সাল একসাথে মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রাম চরণের 'কোট হ্যালহেড' রচিত হলেও তা ইংরেজিতে ছিল। - বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রাজা রামমোহন রায়ের 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'।

মোট প্রশ্ন (26)

a a noun
b an adverb
c an adjective
d a verb
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) a verb কেন সঠিক: এখানে father শব্দটি বাক্যে কাজ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা কোনো কাজের সম্পাদন বোঝায়। noun এর আগে বস and subject এর পরে বসে এটি কাজ সম্পন্ন করার মূল ভার্ব হিসেবে কাজ করছে। সাবজেক্টের ঠিক পরেই এর অবস্থান। এটি একটি নতুন বিমান আবিষ্কারের কাজ করা বোঝাচ্ছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু এখানে শব্দটি কোনো নাম বোঝাচ্ছে না বরং কাজ করা বোঝাচ্ছে। B) an adverb — adverb হলো এমন শব্দ যা verb বা adjective কে নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে শব্দটি নিজেই মূল কাজ করছে। C) an adjective — adjective হলো দোষ গুণ অবস্থা প্রকাশক শব্দ, কিন্তু এখানে এটি কোনো কিছুর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না। D) a verb — এটি সঠিক কারণ শব্দটি এখানে কাজ সম্পন্ন করার ভাব প্রকাশ করেছে। মনে রাখার টিপস: কোনো noun যদি বাক্যে সরাসরি সাবজেক্টের পরে বসে কোনো কাজ করা বোঝায়, তবে তা verb এ রূপান্তর হয়।
a Every students are present today.
b Ten kilometers are too far to walk.
c Two-third of the students got degrees.
d All the information is current.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) All the information is current. কেন সঠিক: Information একটি uncountable noun এবং এর পরে সবসময় singular verb ব্যবহৃত হয়। তাই এখানে is verb এবং current adjective সঠিক হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Every students are present today — Every এর পরে noun সর্বদা singular হয়, তাই students না হয়ে student হবে। B) Ten kilometers are too far to walk — নির্দিষ্ট দূরত্ব বা পরিমাপকে একটি একক হিসেবে ধরা হয়, তাই are এর বদলে is বসবে। C) Two-third of the students got degrees — ভগ্নাংশের লব দুই এর বেশি হলে হরের সাথে s যোগ করতে হবে, তাই two-thirds হবে। মনে রাখার টিপস: Uncountable noun এর সাথে সবসময় singular verb বসে এবং Every এর পরে singular noun হয়।
a have been
b has been
c is
d are
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) has been কেন সঠিক: বাক্যে along with দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব বসে। এখানে প্রথম সাবজেক্ট The principal হলো একবচন। তাই এর সাথে একবচন ভার্ব has বসেছে। বাক্যে for দুই ঘণ্টা সময় উল্লেখ থাকায় এটি Present Perfect Continuous Tense হয়েছে। এর গঠন অনুযায়ী has been + ing যুক্ত ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have been — এটি বহুবচন ভার্ব, যা একবচন সাবজেক্ট The principal এর সাথে বসে না। B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) is — এটি Present Continuous Tense নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে সময়ের উল্লেখ থাকায় এটি হবে না। D) are — এটি বহুবচন ভার্ব এবং Continuous Tense হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: along with থাকলে প্রথম সাবজেক্ট দেখে ভার্ব বসাবে এবং ধরে সময় থাকলে Perfect Continuous টেন্স হবে।
a at
b of
c for
d in
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) in কেন সঠিক: - কোনো ভাষা বা বিষয়ে ডিগ্রি, ডিপ্লোমা বা দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে preposition হিসেবে in ব্যবহৃত হয়। - Lecturer in English অর্থ ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক, যা নির্দিষ্ট বিষয় বোঝাতে সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) at — at সাধারণত নির্দিষ্ট স্থান বা সময়ের ক্ষেত্রে বসে, বিষয়ের নামের পূর্বে বসে না। B) of — of অধিকার বা সম্বন্ধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানে grammatically প্রযোজ্য নয়। C) for — for উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু বিষয়ের নামের পূর্বে in বসে। D) in — এটি সঠিক অপশন এবং বিষয়ের নাম বোঝাতে এটিই নিয়মসিদ্ধ preposition। মনে রাখার টিপস: কোনো বিষয়ে শিক্ষক, প্রভাষক বা ডিগ্রি বোঝাতে সবসময় বিষয়ের নামের পূর্বে in প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a copious
b ample
c meagre
d abundant
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) meagre কেন সঠিক: ‘Scanty’ শব্দটির অর্থ হলো অপর্যাপ্ত বা স্বল্প পরিমাণ। ‘Meagre’ শব্দটির অর্থও খুবই সামান্য বা অপর্যাপ্ত। তাই এই দুটি শব্দের অর্থ হুবহু মিলে যায়। এটি মূল শব্দের সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) copious — এর অর্থ প্রচুর বা পরিমিতের চেয়ে বেশি। B) ample — এর অর্থ যথেষ্ট বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত। C) meagre — এটি নিজেই সঠিক উত্তর। D) abundant — এর অর্থ প্রচুর বা فراوان। মনে রাখার টিপস: Scanty মানে কম, Meagre মানেও কম। S এবং M মনে রাখলেই সিনোনিমটি সহজে মনে থাকবে।
a establish
b destroy
c obliterate
d extinguish
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) establish কেন সঠিক: ‘Annihilate’ শব্দটির অর্থ হলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা বা নিশ্চিহ্ন করে ফেলা। এর বিপরীতার্থক বা সমার্থক নয় এমন অর্থ হলো কোনো কিছু নতুন করে তৈরি করা বা প্রতিষ্ঠা করা। ‘Establish’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু স্থাপন করা বা প্রতিষ্ঠা করা। তাই annihilate শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো establish। বাকি অপশন কেন ভুল: A) establish — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ প্রতিষ্ঠা করা, যা ধ্বংস করার বিপরীত। B) destroy — এটি ভুল অপশন কারণ এর অর্থ ধ্বংস করা, যা annihilate শব্দের সমার্থক। C) obliterate — এটি ভুল অপশন কারণ এর অর্থ মুছে ফেলা বা ধ্বংস করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। D) extinguish — এটি ভুল অপশন কারণ এর অর্থ নিভিয়ে ফেলা বা ধ্বংস করা, যা মূল শব্দের সমার্থক। মনে রাখার টিপস: Annihilate মানে মুছে ফেলা আর Establish মানে গড়ে তোলা।
a polite
b law-abiding
c submissive
d liberal
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) liberal কেন সঠিক: Permissive শব্দটির অর্থ এমন একজন ব্যক্তি বা নীতি যা অন্যের মতামত, আচরণ বা স্বাধীনতার ওপর বেশি কড়াকড়ি করে না। Liberal শব্দটির অর্থ উদার বা মুক্তমনা, যা permissive শব্দের সাথে অর্থের দিক থেকে পুরোপুরি মিলে যায়। উদার মনোভাব প্রকাশ করতে এই দুটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে liberal নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) polite — এর অর্থ ভদ্র বা মার্জিত, যা permissive শব্দের উদার বা নিয়ম শিথিল করার অর্থের সাথে মিলে না। B) law-abiding — এর অর্থ আইন্যমান্যকারী বা শৃঙ্খলিত, যা permissive শব্দের বিপরীত একটি ধারণা প্রকাশ করে। C) submissive — এর অর্থ বাধ্য বা অনুগত, যা অন্যের মতামত মেনে চলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও permissive অর্থ প্রকাশ করে না। D) liberal — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Permissive শব্দটিতে অনুমতি বা ছাড় দেওয়ার ভাব আছে, যা উদার বা liberal মনের মানুষের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
a controlled prices
b economic slow down
c a disintegrating government
d cultural dullness
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) economic slow down কেন সঠিক: stagflation শব্দটি মূলত stagnation এবং inflation শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এর অর্থ অর্থনৈতিক মন্দা ও উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির একত্র উপস্থিতি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) controlled prices — এটি নিয়ন্ত্রিত মূল্য বোঝায় যা stagflation এর সাথে মিলে না। B) economic slow down — এটি সঠিক কারণ এটি অর্থনৈতিক স্থবিরতা বা মন্থর গতি নির্দেশ করে। C) a disintegrating government — এটি একটি ভেঙে পড়া সরকার বোঝায় যা অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত নয়। D) cultural dullness — এটি সাংস্কৃতিক নিস্তেজতা বোঝায় যা অর্থনৈতিক অবস্থার কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: শব্দের শুরু স্ট্যাগ (stagnation) মানে আটকে থাকা এবং ফ্ল্যাকশন (inflation) মানে মূল্যবৃদ্ধি, এই দুটি মিলে অর্থনৈতিক মন্দা বোঝায়।
a He is better and superior than me.
b He is better than and superior to me.
c He is superior than and better to me.
d He is better and superior to me.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He is better than and superior to me. কেন সঠিক: ১. 'Better' একটি comparative adjective যার সাথে 'than' preposition ব্যবহৃত হয়। ২. 'Superior' একটি Latin adjective যার পরে সর্বদা 'to' preposition বসে। ৩. একই বাক্যে একাধিক adjective ভিন্ন preposition গ্রহণ করলে উভয়ের সাথে সঠিক preposition আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল — কারণ 'superior' শব্দের পরে 'than' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) সঠিক — কারণ উভয় adjective তাদের সঠিক preposition যথাক্রমে 'than' এবং 'to' সঠিকভাবে গ্রহণ করেছে। C) ভুল — কারণ এখানে 'superior' এর সাথে 'than' এবং 'better' এর সাথে 'to' ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। D) ভুল — কারণ 'superior' এর আগের 'better' শব্দটির জন্য 'than' preposition এখানে অনুপস্থিত রয়েছে। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি বাক্যে একাধিক adjective ভিন্ন preposition নিলে তাদের নিজস্ব preposition সঠিকভাবে আলাদা করে লিখতে হয়।
a would come
b would have come
c may had come
d would may come
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) would have come কেন সঠিক: বাক্যটিতে যদি অতীতকালের অবাস্তব শর্ত বোঝায়, তবে ইফ ক্লজটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয় এবং মূল ক্লজে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ বসে। এখানে ইফ ক্লজে হ্যাড বিন থাকায় পরের অংশে উড হ্যাভ এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম কাম ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would come — এটি প্রথম বা দ্বিতীয় কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় কিন্তু এখানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স রয়েছে। B) would have come — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। C) may had come — মে এর পর হ্যাড বসে না এবং এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। D) would may come — একসাথে দুটি মডাল ভার্ব উড এবং মে বসে না। মনে রাখার টিপস: ইফ এর পর হ্যাড প্লাস ভি থ্রি থাকলে পরবর্তী অংশে উড হ্যাভ প্লাস ভি থ্রি হবে।
a stay together
b tolerate
c keep trust
d protect
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) tolerate কেন সঠিক: ‘Put up with’ একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ দূরে থাকুক, এর ভাবগত অর্থ হলো কোনো কিছু নীরবে সহ্য করা। কষ্ট বা অপছন্দের পরিস্থিতি হাসিমুখে মেনে নেওয়া বা সহ্য করার ক্ষেত্রে এই ইডিওমটি ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত কোনো বিরক্তিকর পরিস্থিতি বা কঠিন কোনো ব্যক্তিকে সহ্য করার ক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাক্যে টলারেন্ট বা সহ্য করা অর্থে এই ফ্রেজাল ভার্বের তুলনা নেই। বাকি অপশন কেন ভুল: A) stay together — এর বাংলা অর্থ একসাথে থাকা, যা এই ইডিওমের সহ্য করার ভাবের সাথে মেলে না। B) tolerate — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, এটিই ইডিওমটির মূল অর্থ। C) keep trust — এর অর্থ বিশ্বাস রাখা, যা সহ্য করার ধারণার সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। D) protect — এর অর্থ রক্ষা করা, যা কোনো কিছু সহ্য করা বা মেনে নেওয়ার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: কাউকে সহ্য করা বা মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে টলারেন্ট বা সহ্য করা শব্দটি মনে রাখলেই এই ইডিওমটির সঠিক অর্থ সহজে বের করা যায়।
a will
b can
c could
d should
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) should কেন সঠিক: বাক্যে lest শব্দটি থাকার কারণে এর পরবর্তী অংশে নিয়ম অনুযায়ী সবসময় should বসে। অন্য কোনো সাহায্যকারী verb এই ধরনের নেতিবাচক সম্ভাবনার ক্ষেত্রে grammatically সঠিক হয় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) will — lest শব্দের সাথে future tense বোঝাতে will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। B) can — সামর্থ্য বোঝাতে can ব্যবহৃত হয় যা lest এর নিয়ম ও অর্থ অনুযায়ী এখানে প্রযোজ্য নয়। C) could — অতীতের সম্ভাবনা বোঝালেও lest এর সাথে বাধ্যতামূলক নিয়ম হিসেবে কেবল should বসে। D) should — এই অপশনটি সঠিক বিধвиদ্ধ নিয়মের সাথে মিলে যায় তাই এটি কোনো ভুল অপশন নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে lest দেখলে চোখ বন্ধ করে should বসিয়ে দেবে কারণ এদের মধ্যে একটি পাক্কা জোড়া রয়েছে।
a as high as
b so high as
c as high to
d as high for
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) as high as কেন সঠিক: বাক্যে তুলনামূলক উচ্চ মূল্য বোঝাতে as high as ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সঠিক ফ্রেজ যা নির্দিষ্ট কোনো দামের সর্বোচ্চ সীমা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) as high as — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) so high as — এই গঠনটি সাধারণত নেতিবাচক বাক্যে বা সমতা বোঝাতে বসে। C) as high to — এখানে সঠিক প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়নি। D) as high for — এই ফ্রেজটির ইংরেজি ব্যাকরণে কোনো ভিত্তি নেই। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুর সর্বোচ্চ দাম বোঝাতে সবসময় as high as ব্যবহার করতে হয়।
a নিয়তিবাদ
b অস্তিত্ববাদ
c ভোগবাদ
d পরিবেশবাদ
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভোগবাদ কেন সঠিক: ‘Epicurism’ দর্শন মূলত বস্তুগত সুখ এবং শারীরিক ভোগবিলাসের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে। তাই এর সবচেয়ে সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো ভোগবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নিয়তিবাদ — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Fatalism যা ভাগ্যের ওপর সবকিছু ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে। B) অস্তিত্ববাদ — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Existentialism যা মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করে। C) ভোগবাদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) পরিবেশবাদ — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Environmentalism যা পরিবেশ রক্ষা নিয়ে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: এপিকিউরাস (Epicurus) ছিলেন একজন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক যিনি সুখ ও ভোগকে জীবনের প্রধান লক্ষ্য মনে করতেন।
a A few of the three boys got a prize.
b Each of the three boys got a prize.
c Every of the three boys got a prize.
d All of the three boys got a prize.
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Each of the three boys got a prize. কেন সঠিক: সংখ্যা যদি দুইয়ের বেশি হয় এবং তাদের প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝাতে হয়, তবে Each ব্যবহার করতে হয়। এখানে মোট তিন জন ছেলের কথা বলা হয়েছে এবং প্রত্যেকে পুরস্কার পেয়েছে বোঝাতে Each সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A few — A few সাধারণত দুইয়ের বেশি সংখ্যক অনির্দিষ্ট বস্তুর ক্ষেত্রে বসে এবং এটি এখানে অর্থ ও ব্যাকরণগত দিক থেকে সঠিক নয়। B) সঠিক উত্তর — এটি অপশন হিসেবে সঠিক এবং নিয়ম মেনে বাক্যের গঠন সম্পন্ন করেছে। C) Every — Every শব্দটি সাধারণত তিন বা ততোধিক পদের ক্ষেত্রে বসলেও Directly 'Every of' এভাবে ব্যবহার করা যায় না। D) All — All-এর পরে সরাসরি 'of the three' বসানো যায় না, বরং All three boys বলতে হয়। মনে রাখার টিপস: দুই বা ততোধিক ব্যক্তির প্রত্যেকে আলাদাভাবে বোঝাতে Each বসে এবং দুইয়ের বেশি নির্দিষ্ট সংখ্যার ক্ষেত্রে Each ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ।
a I was made laugh by him.
b I was made laughing with him.
c I was made to laugh by him.
d I was made laughing by him.
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was made to laugh by him. কেন সঠিক: সক্রিয় বাক্যের Causative verb 'make' যুক্ত sentence-কে passive করার সময় object-কে subject বানাতে হয় এবং tense অনুযায়ী be verb-এর সাথে verb-এর past participle বসে। এখানে মূল verb-এর আগের bare infinitive-টি passive করার সময় 'to' যুক্ত হয়ে to laugh रूप ধারণ করে এবং কর্তä বুঝাতে বাই 'by him' বসে। অন্যান্য অপশনে সঠিক নিয়মে 'to' বা verb-এর রূপ ব্যবহার করা হয়নি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was made laugh by him. — এখানে to-এর অনুপস্থিতির কারণে ইনফিনিটিভের নিয়মটি ভুল হয়েছে। B) I was made laughing with him. — এখানে gerund রূপ ব্যবহার করা হয়েছে এবং preposition ভুল দেওয়া হয়েছে। C) I was made to laugh by him. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) I was made laughing by him. — এখানে passive গঠনে ভুল করে verb-এর সাথে ing যুক্ত করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Causative verb make যুক্ত active sentence-কে passive করার সময় verb-এর পূর্বে অবশ্যই to বসাতে হয়।
a fantacize
b attend
c remember
d request
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) remember কেন সঠিক: Call to mind একটি ইংরেজি idiom যার অর্থ হলো কোনো কিছু স্মৃতিতে ফিরিয়ে আনা বা স্মরণ করা। এর শাব্দিক অর্থ মনের মধ্যে ডাকা হলেও এটি মূলত অতীত ঘটনা মনে করতে সাহায্য করে। remember শব্দের অর্থও স্মরণ করা বা মনে রাখা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) fantacize — এই শব্দটির অর্থ কল্পনা করা বা স্বপ্নবিলাস করা, যা মূল ফ্রেজটির অর্থের সাথে মিলে না। B) attend — এর অর্থ মনোযোগ দেওয়া বা উপস্থিত থাকা, যা মুখস্থ বা স্মরণের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) remember — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) request — এর অর্থ অনুরোধ করা, যা কোনো স্মৃতিচারণ বা মনে করার সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: মনে রাখবেন mind শব্দের অর্থ মন আর call to mind অর্থ মনকে ডেকে পুরনো কথা মনে করানো।
a to do it.
b do it.
c in doing it.
d from doing it.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) from doing it. কেন সঠিক: Prohibit verb-টির পর সাধারণত object বসে এবং তার পরে from যুক্ত gerund অর্থাৎ verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এবং সঠিক ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম রক্ষা করতে এই গঠনে from doing it ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to do it — Prohibit-এর পরে সরাসরি infinitive অর্থাত to এর সাথে verb-এর base form বসে না। B) do it — Prohibit-এর পরে সরাসরি verb-এর base form বসানো ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল নিয়ম। C) in doing it — Prohibit-এর পরে prepostion হিসেবে in না বসে নিয়ম অনুযায়ী ہمیشہ from বসে। D) from doing it — এটি সঠিক অপশন এবং এটি ব্যাকরণের সমস্ত নিয়ম সফলভাবে পূরণ করে। মনে রাখার টিপস: Prohibit-এর সাথে সবসময় from এবং gerund ব্যবহার করতে হয়, এই নিয়মটি মুখস্থ রাখবে।
a apathy
b enterprise
c indolence
d activity
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) enterprise কেন সঠিক: - 'Initiative' শব্দের অর্থ উদ্যোগ বা কর্মপ্রচেষ্টা, যা নতুন কিছু শুরু করার সাহস বোঝায়। - 'Enterprise' শব্দের অর্থও উদ্যোগ, সাহস বা নতুন ব্যবসায়িক উদ্যম, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) apathy — এর অর্থ ঔদাসিন্য বা অনীহা, যা উদ্যোগের বিপরীত শব্দ। B) enterprise — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) indolence — এর অর্থ অলসতা বা কর্মবিমুখতা, যা উদ্যোগের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) activity — এর অর্থ নিছক কর্মতপরতা বা ব্যস্ততা, যা সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ বা 'Initiative' এর সঠিক সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: উদ্যোগী মানুষরাই নতুন ব্যবসা বা 'Enterprise' শুরু করে, তাই 'Initiative' এর সমার্থক শব্দ হলো 'Enterprise'।
a a participle
b an adjective
c a verb
d a gerund
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a participle কেন সঠিক: এখানে rolling শব্দটি stone নাউনের ঠিক পূর্বে বসে সেটির দোষ বা গুণ প্রকাশ করছে এবং একই সাথে verb এর কাজ সম্পন্ন করছে। participle মূলত verb এর সেই রূপ যা একসাথে verb এবং adjective উভয় পদের কার্য সম্পাদন করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a participle — এই অপশনটি সঠিক কারণ প্রদত্ত শব্দটিতে verb এবং adjective উভয়ের বৈশিষ্ট্য একসাথে চমৎকারভাবে প্রকাশ পেয়েছে। B) an adjective — এটি শুধু বিশেষণ হলেও মূল শব্দের সাথে verb এর অবিচ্ছেদ্য সংযোগ থাকায় এটিকে সরাসরি শুধু adjective বলা যায় না। C) a verb — এটি বাক্যে স্বাধীনভাবে finite verb এর কাজ করছে না বরং নাউনের পূর্বে বসে বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে। D) a gerund — gerund সবসময় noun এর কাজ করে, কিন্তু এখানে rolling শব্দটি noun এর কাজ না করে adjective এর কাজ করছে। মনে রাখার টিপস: যে verb-ing একই সাথে verb এবং adjective এর কাজ করে, তাকে Present Participle বলে।
a win
b wins
c has won
d won
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) wins কেন সঠিক: বাক্যের Subject 'Slow and steady' একটি একক বা singular ধারণা প্রকাশ করে। তাই এর সাথে verb-এর singular রূপ অর্থাৎ wins ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) win — এটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) wins — এটি সঠিক উত্তর। C) has won — এটি present perfect tense বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) won — এটি past tense বোঝায়, যা চিরন্তন সত্য বাক্যের জন্য বেঠিক। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্যে সাধারণত Present Indefinite Tense হয় এবং subject একবচন হলে verb-এর সাথে s বা es যুক্ত হয়।
a deceitful
b deceitfully
c decisive
d deceive
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) deceive কেন সঠিক: দেসিট শব্দটি একটি নাউন যার অর্থ প্রতারণা। এর সঠিক ভার্ব রূপ হলো ডিসিভ যার অর্থ প্রতারণা করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) deceitful — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ প্রতারক। B) deceitfully — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ প্রতারণামূলকভাবে। C) decisive — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ সিদ্ধান্তমূলক। D) deceive — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব হওয়ায় এখানে পুনরাবৃত্তি হয়েছে কিন্তু এটিই মূল ভার্ব। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে এফ ইউ এল বা এল ওয়াই দেখলে তা সাধারণত ভার্ব হয় না।
a The authorities blame him.
b The authority took him to task.
c The authorities took him to book.
d The authority gave reins to him.
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The authority took him to task. কেন সঠিক: ১. 'tirskar kora' ba 'bhartsana kora' bujhate 'take to task' idioms ti byabahar kora hoy. ২. etir sathe 'authority' sobdo ti bhabanusare akbor bachone byabahar kora hoyechoe. ৩. onubadti bakyer artho sundorbhabe prokash koreche. বাকি অপশন কেন ভুল: A) The authorities blame him. — 'blame' sabdti vartoman kale ache, kintu sentence-ti ovigyer kothay atiter chilo. B) The authority took him to task. — eta to sothik uttor ebong kono vul nei. C) The authorities took him to book. — 'take to book' kono idom noy, sothik idiom holo 'take to task'. D) The authority gave reins to him. — 'give reins' er artho onugroho ba khomota dewa, ja tirskar kora bujhay na. মনে রাখার টিপস: tirskar kora bujhate 'take to task' idiom ti mone rakhbe.
a A
b An
c The
d No Article
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) No Article কেন সঠিক: Mount Everest একটি একক পাহাড়ের নাম বোঝায়। সাধারণ নিয়م অনুয়ায়ী একক পর্বত বা পাহাড়ের নামের আগে কোনো আর্টিকেল বসে না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — একক পর্বত নামের আগে অনির্দিষ্ট আর্টিকেল বসে না। B) An — স্বরবর্ণের উচ্চারণ থাকলেও নির্দিষ্ট নিয়মে পর্বত নামের আগে এটি বসে না। C) The — পর্বতমালা বা পর্বতশ্রেণীর আগে দি বসে কিন্তু একক পর্বতের নামের আগে দি বসে না। D) No Article — নিয়ম অনুযায়ী এখানে কোনো আর্টিকেল বসবে না বিধায় এটি সঠিক। মনে রাখার টিপস: পাহাড় বা পর্বতের একটিমাত্র চূড়া বোঝালে আর্টিকেল বসে না, কিন্তু পুরো পর্বতমালা বোঝালে দি বসে।
a in
b over
c by
d on
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) by কেন সঠিক: টেলিফোন বা অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে যোগাযোগ করা বোঝাতে ইংরেজি ব্যাকরণে 'by phone' বা 'by telephone' ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বহুল প্রচলিত ও সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) in — টেলিফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ বোঝাতে 'in phone' ব্যবহার করা হয় না। B) over — যদিও কথোপকথনের ক্ষেত্রে 'over the phone' বলা চলে, তবে সরাসরি মাধ্যমে সঠিক উত্তর হলো 'by'। C) by — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) on — অনেক সময় 'on the phone' বলা হলেও ব্যাকরণগত ও প্রমিত নিয়মে এখানে 'by' সবচেয়ে উপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: কোনো মাধ্যমের সাহায্যে সরাসরি যোগাযোগ করা বোঝালে 'by' preposition ব্যবহার করতে হয়।
a I have many works to perform.
b I have much works to perform.
c I have many work to perform.
d I have much work to perform.
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I have much work to perform. কেন সঠিক: work শব্দটি ইংরেজী grammar অনুযায়ী একটি uncountable noun এবং এর সাথে কখনো plural করা যায় না। অপরিমাণবাচক বিশেষ্য হওয়ায় এর পূর্বে many ব্যবহার করা যায় না, বরং much বসাতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I have many works to perform — work শব্দটি uncountable হওয়ায় এর সাথে s যুক্ত করে works লেখা ভুল এবং many ব্যবহার করা যায় না। B) I have much works to perform — much সঠিক হলেও uncountable noun এর সাথে works বা plural form ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) I have many work to perform — work এর সাথে s না থাকলেও uncountable noun এর পূর্বে many ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। D) I have much work to perform — এটি সঠিক কারণ work uncountable noun এবং এর পূর্বে পরিমাণ বোঝাতে much ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: work একটি uncountable noun, তাই এর সাথে s বা es যোগ হয় না এবং এর আগে always much বসে।

মোট প্রশ্ন (25)

a 4
b 9
c 12
d 16
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r নতুন ব্যাসার্ধ = ৩r অতএব, আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r নতুন ক্ষেত্রফল = π × ৩r × ৩r নতুন ক্ষেত্রফল = ৯ × (π × r × r) সুতরাং, ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পাবে ৯ গুণ উত্তর: ৯
a 0.3
b 0.4
c 0.4286
d 0.7
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৩ প্রদত্ত তথ্য: আখের রসে চিনি ও পানির অনুপাত ৩ : ৭ ধরি, চিনির পরিমাণ = ৩ অনুপাত পানির পরিমাণ = ৭ অনুপাত অতএব, মোট অনুপাত = ৩ + ৭ = ১০ সুতরাং, রসে চিনির পরিমাণ = ৩ ÷ ১০ = ০.৩ উত্তর: ০.৩
a √3
b 2/3
c 3^2
d 3/2
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩/২ প্রدত্ত তথ্য: ভিত্তি হলো ৩ সংখ্যাটি হলো ৩√৩ ধরি, লগারিদমটির মান = x অতএব, ৩ এর পাওয়ার x = ৩√৩ ৩ এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার ১ × ৩ এর পাওয়ার ১/২ ৩ এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার (১ + ১/২) সুতরাং, ৩ এর পাওয়ার x = ৩ এর পাওয়ার ৩/২ উত্তর: x = ৩/২
a 0.68402777777778
b 0.67013888888889
c 0.18402777777778
d 1.0527777777778
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৬৮৪০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের অনুপাত ৪ : ৫ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৪ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৫ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (৪ক) বর্গ = ১৬πক বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × (৫ক) বর্গ = ২৫πক বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = ১৬πক বর্গ ÷ ২৫πক বর্গ = ১৬ ÷ ২৫ উত্তর: ০.৬৮৪০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a 0.16736111111111
b 0.044444444444444
c 0.085416666666667
d 0.12638888888889
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.১৬৭৩৬১১১১১১১১১ প্রদত্ত তথ্য: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বর্তমান বয়সের চারগুণ ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল ধরি, পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর পিতার বর্তমান বয়স = ৪ক বছর অতএব, ছয় বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল = ক − ৬ বছর ছয় বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল = ৪ক − ৬ বছর সুতরাং, প্রশ্নমতে, ৪ক − ৬ = ১০ × (ক − ৬) সমাধান করে পাই, ৬ক = ৫৪ বা ক = ৯ উত্তর: পুত্রের বর্তমান বয়স = ৯ বছর এবং পিতার বর্তমান বয়স = ৩৬ বছর বর্তমান বয়スの অনুপাত = ৩৬ : ৯ = ৪ : ১ বা ০.১৬৭৩৬১১১১১১১১১
a 30°
b 60°
c 90°
d 180°
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০° প্রদত্ত তথ্য: সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহু সমান সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি কোণ সমান ধরি, ত্রিভুজের একটি কোণ সমান ক ডিগ্রি অতএব, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি সমান তিন গুণ ক ডিগ্রি সুতরাং, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি সমান ১৮০ ডিগ্রি উত্তর: তিন গুণ ক ডিগ্রি সমান ১৮০ ডিগ্রি, অর্থাৎ ক সমান ৬০ ডিগ্রি
a a2 = b2 + c2
b b2 = c2 + a2
c c2 = a2 + b2
d কোনটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) c2 = a2 + b2 প্রদত্ত তথ্য: সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = a সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = b সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ = c ধরি, ত্রিভুজটি পিথাগোরাসের উপপাদ্য মেনে চলে অতএব, অতিভুজের বর্গ = ভূমির বর্গ + উচ্চতার বর্গ সুতরাং, c এর বর্গ = a এর বর্গ + b এর বর্গ উত্তর: c2 = a2 + b2
a সূক্ষ্মকোণ
b স্থূলকোণ
c পূরককোণ
d প্রবৃদ্ধ কোণ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রবৃদ্ধ কোণ প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ২৫৩° ধরি, কোণটি ১৮০° অপেক্ষা বড় এবং ৩৬০° অপেক্ষা ছোট অতএব, কোণটির মান ১৮০° এবং ৩৬০° এর মধ্যে অবস্থিত সুতরাং, যে কোণ ১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট তাকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে উত্তর: প্রবৃদ্ধ কোণ
a 1
b 2
c 3
d 4
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয় যেখানে এক্স এর মান শূন্য হতে পারবে না ধরি, প্রথম অংশটি হলো প্রথম বন্ধনীর ভেতর তিন এক্স সম্পূর্ণের ওপর পাওয়ার শূন্য দ্বিতীয় অংশটি হলো তিন গুণ এক্স এর ওপর পাওয়ার শূন্য অতএব, প্রথম অংশের মান নিয়ম অনুযায়ী এক হবে কারণ বন্ধনীর ভেতরে যাই থাকুক তার ওপর পাওয়ার শূন্য থাকলে মান এক হয় সুতরাং, দ্বিতীয় অংশের এক্স এর ওপর পাওয়ার শূন্য থাকার কারণে শুধু এক্স অংশটি এক হবে এবং তার সাথে তিন গুণ হয়ে ফলাফল তিন হবে উত্তর: প্রথম অংশের মান এক এবং দ্বিতীয় অংশের মান তিন যোগ করলে মোট মান হবে এক যোগ তিন সমান চার
a 0
b 1
c a – b
d a + b
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশি তিনটি হলো (a + b), a2 − b2 এবং a3 − b3 ধরি, প্রথম রাশি = (a + b) দ্বিতীয় রাশি = a2 − b2 তৃতীয় রাশি = a3 − b3 অতএব, প্রথম রাশি = (a + b) দ্বিতীয় রাশি = (a + b) × (a − b) তৃতীয় রাশি = (a − b) × (a2 + ab + b2) সুতরাং, রাশি তিনটির মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই উত্তর: ১
a (6 – a) (4a – 1)
b (a – 6) (4a + 1)
c (a – 6) (4a – 1)
d (6 – a) (4a +1)
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (6 − a) (4a + 1) প্রدত্ত রাশি: − 4a^2 + 23a + 6 মধ্যপদ বিভাজন: − 4a^2 + 24a − a + 6 উৎপাদক বিশ্লেষণ: 4a (6 − a) + 1 (6 − a) সুতরাং, (6 − a) (4a + 1) উত্তর: (6 − a) (4a + 1)
a 24 বর্গ একক
b ৪ বর্গ একক
c 16 বর্গ একক
d 32 বর্গ একক
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬ বর্গ একক প্রদত্ত তথ্য: বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√২ একক ধরি, বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক অতএব, বর্গক্ষেত্রের কর্ণের সূত্র অনুযায়ী, কর্ণের দৈর্ঘ্য = ক√২ একক সুতরাং, ক√২ = ৪√২ ক = ৪ উত্তর: ক্ষেত্রফল = (৪ × ৪) = ১৬ বর্গ একক
a √3 + √2
b √3 – √2
c 3 – √2
d √3 + 2
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) √৩ − √২ প্রদত্ত তথ্য: লোব = √২ হর = √৬ + ২ ধরি, লব ও হরকে (√৬ − ২) দ্বারা গুণ করি অতএব, লব = √২(√৬ − ২) = √১২ − ২√২ = ২√৩ − ২√২ হর = (√৬ + ২)(√৬ − ২) = (√৬)² − (২)² = ৬ − ৪ = ২ সুতরাং, প্রদত্ত রাশি = (২√৩ − ২√২) ÷ ২ = √৩ − √২ উত্তর: √৩ − √২
a 33.2
b 33.5
c 33.25
d কোনটিই নয়
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৩.২৫ প্রدত্ত তথ্য: ৫টি সংখ্যার গড় = ৪০ যোগ করা হলো ৩টি সংখ্যা নতুন ৩টি সংখ্যার গড় = ২২ ধরি, প্রথম ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫ × ৪০ = ২০০ পরবর্তী ৩টি সংখ্যার সমষ্টি = ৩ × ২২ = ৬৬ অতএব, মোট সংখ্যা = ৫ + ৩ = ৮টি মোট ৮টি সংখ্যার সমষ্টি = ২০০ + ৬৬ = ২৬৬ সুতরাং, ৮টি সংখ্যার গড় = ২৬৬ ÷ ৮ = ৩৩.২৫ উত্তর: ৩৩.২৫
a 4
b 3
c 2
d 1
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ ÷ x) = ৪ মান নির্ণয় করতে হবে x ÷ (x^২ − ৩x + ১) এর ধরি, প্রদত্ত রাশিটির হর = x^২ − ৩x + ১ হরকে x দ্বারা ভাগ করে পাই অতএব, x^২ ÷ x − ৩x ÷ x + ১ ÷ x = x − ৩ + (১ ÷ x) মান বসিয়ে পাই x + (১ ÷ x) − ৩ = ৪ − ৩ = ১ সুতরাং, প্রদত্ত রাশিটি দাঁড়ায় x ÷ ১ উত্তর: ১
a 2
b 7
c 9
d 128
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো log264 + log28 ধরি, প্রথম অংশটি হলো log264 দ্বিতীয় অংশটি হলো log28 অতএব, log264 এর মান বের করার জন্য ৬৪ কে দুই এর ঘাত হিসেবে লিখতে হবে ৬৪ হলো দুই এর ঘাত ছয়, অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সুতরাং, log28 এর মান বের করার জন্য আট কে দুই এর ঘাত হিসেবে লিখতে হবে আট হলো দুই এর ঘাত তিন, অর্থাৎ দুই গুণ দুই গুণ দুই উত্তর: ছয় যোগ তিন সমান নয়
a 1/100
b 1/10
c 10
d 100
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: x − ৩ − ০.০০১ = ০ ধরি, x − ৩ = ০.০০১ অতএব, x = ০.০০১ + ৩ x = ৩.০০১ সুতরাং, x এর মান ১০ এর সমান উত্তর: ১০০
a a³
b a^1/3
c a
d 1
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a^(1/3) প্রদত্ত তথ্য: প্রশ্নটিতে একটি বীজগণিতীয় রাশি দেওয়া আছে যার মধ্যে কিউব রুট এবং সূচকের হিসাব রয়েছে ধরি, রাশিটি হলো ৩ এর পরিবর্তে a চলক বিশিষ্ট যেহেতু অপশনে a রয়েছে তাই রাশিটি a ধরে নিই অতএব, সবচেয়ে ভেতরের অংশ কিউব রুট অব a কিউব এর মান হলো শুধু a দ্বিতীয় ধাপে তার ওপর আবার কিউব রুট রয়েছে যাকে লেখা যায় a এর পাওয়ার ১/৩ অতএব, বাইরের ৩ এবং ভেতরের অংশ মিলে কাজ সম্পন্ন হয় চূড়ান্ত মান হিসেবে a এর পাওয়ার ১/৩ পাওয়া যায় সুতরাং, সব হিসাব সম্পন্ন করে আমরা পাই নির্ণেয় মান হলো a এর পাওয়ার ১/৩ উত্তর: a^(1/3)
a 4
b 5
c 6
d 7
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: x বর্গ + y বর্গ = ১৮ x এবং y এর গুণফল = ৭ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে (x − y) এর বর্গ এর আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (x − y) এর বর্গ সমান (x বর্গ + y বর্গ) বিয়োগ (২ গুণ x গুণ y) অতএব, প্রদত্ত মানগুলো সূত্রে বসিয়ে পাই ১৮ বিয়োগ (২ গুণ ৭) সুতরাং, ১৮ বিয়োগ ১৪ সমান ৪ উত্তর: ৪
a P2 – 1
b P2
c P2 + 1
d কোনটিই নয়
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) P২ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম থেকে শুরু করে ক্রমিক বিজোড় সংখ্যাগুলোর যোগফল নির্ণয় করতে হবে। বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩, ৫, ৭ এবং এভাবে চলতে থাকবে। ধরি, প্রথম ১টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ = ১×১ = ১ এর বর্গ প্রথম ২টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ = ৪ = ২×২ = ২ এর বর্গ প্রথম ৩টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ + ৫ = ৯ = ৩×৩ = ৩ এর বর্গ অতএব, প্রতিটি ধাপে বিজোড় সংখ্যার পদের সংখ্যা যত হয়, যোগফল ঠিক তত এর বর্গ হয়। যেমন প্রথম ১টির জন্য ১ এর বর্গ, প্রথম ২টির জন্য ২ এর বর্গ। এই নিয়মে প্রথম ৩টির জন্য ৩ এর বর্গ পাওয়া যায়। সুতরাং, ঠিক একইভাবে প্রথম P সংখ্যক বিজোড় সংখ্যার যোগফল হবে P এর বর্গ। উত্তর: P২
a ৩০০ টাকা
b ৪০০ টাকা
c ৩৫০ টাকা
d ৩৭৫ টাকা
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য এবং ৫% লাভে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য ৪৫ টাকা ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ১০ = ৯০ টাকা ৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ৫ = ১০৫ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১০৫ − ৯০ = ১৫ টাকা উত্তর: ১৫ টাকার পার্থক্যের জন্য ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে, ৪৫ টাকার পার্থক্যের জন্য ক্রয়মূল্য হবে (১০০ × ৪৫) ÷ ১৫ = ৩০০ টাকা
a ২ বছরে
b ৫/২ বছরে
c ৩ বছরে
d ৪ বছরে
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ বছরে প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৯৬ টাকা সুদের হার (R) = (২৫ ÷ ৪)% মোট সুদ (I) = ১৮ টাকা ধরি, সময় = t বছর আমরা জানি, সুদ (I) = (P × R × t) ÷ ১০০ অতএব, ১৮ = (৯৬ × (২৫ ÷ ৪) × t) ÷ ১০০ ১৮ = (২৪ × ২৫ × t) ÷ ১০০ সুতরাং, ৬০০ × t = ১৮০০ t = ১৮০০ ÷ ৬০০ উত্তর: ৩ বছরে
a ১৫/১৬ ঘণ্টা
b ১৫ ঘণ্টা
c ৩৮/৫ ঘণ্টা
d ৪৮/৫ ঘণ্টা
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৮/৫ ঘণ্টা প্রদত্ত তথ্য: ১৬ জন শ্রমিক একটি কাজ করতে পারে ৩ ঘণ্টায় ধরি, ১ জন শ্রমিকের ঐ কাজ করতে সময় লাগবে = ১৬ × ৩ ঘণ্টা ৫ জন শ্রমিকের ঐ কাজ করতে সময় লাগবে = (১৬ × ৩) ÷ ৫ ঘণ্টা অতএব, ৫ জন শ্রমিকের কাজের সময় = ৪৮ ÷ ৫ ঘণ্টা সুতরাং, সময় লাগবে ৪৮/৫ ঘণ্টা উত্তর: ৪৮/৫ ঘণ্টা
a x/y ঘণ্টা
b y/x ঘণ্টা
c xy ঘণ্টা
d কোনটিই নয়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x/y ঘণ্টা প্রدত্ত তথ্য: দূরত্ব = x মাইল গতিবেগ = y মাইল প্রতি ঘণ্টা ধরি, সময় = T ঘণ্টা অতএব, সময় = দূরত্ব ÷ গতিবেগ সুতরাং, T = x ÷ y ঘণ্টা উত্তর: x/y ঘণ্টা
a 4
b 5
c 6
d 7
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৭ : ৮ সংখ্যা দুটির লসাগু = ২৮০ ধরি, সংখ্যা দুটি = ৭ক এবং ৮ক এখানে ক হলো সংখ্যা দুটির গসাগু অতএব, সংখ্যা দুটির লসাগু = ৭ × ৮ × ক = ৫৬ক শর্তমতে, ৫৬ক = ২৮০ সুতরাং, ক = ২৮০ ÷ ৫৬ = ৫ উত্তর: ৫

মোট প্রশ্ন (25)

a ঢাকা
b ফরিদপুর
c ময়মনসিংহ
d খুলনা
0 118 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের একমাত্র এবং প্রধান স্বায়ত্তশাসিত মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এটি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত এবং মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণে গবেষণা পরিচালনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি রাজধানী শহর এবং এখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থাকলেও প্রধান মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত নয়। B) ফরিদপুর — এটি একটি নদীমাতৃক জেলা হলেও এখানে জাতীয় পর্যায়ের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়নি। C) ময়মনসিংহ — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের অবস্থান। D) খুলনা — এটি মৎস্য সম্পদের জন্য পরিচিত হলেও প্রধান গবেষণা ইনস্টিটিউটটি এখানে অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মাছের রাজধানী বলা হয় ময়মনসিংহকে, তাই মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটটিও ময়মনসিংহে অবস্থিত।
a চীন
b ভারত
c জাপান
d বার্মা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জাপান প্রদত্ত তথ্য: জি সেভেন বা জি-৭ হলো বিশ্বের উন্নত সাতটি দেশের অর্থনৈতিক জোট ধরি, জোটের সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি এবং জাপান অতএব, এই দেশগুলোর মধ্যে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত দুটি এবং ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত চারটি দেশ সুতরাং, এশিয়া মহাদেশ থেকে একমাত্র সদস্য দেশ হিসেবে রয়েছে জাপান উত্তর: জাপান
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c সৌদি আরব
d ইরান
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়ের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে শেল অয়েল বা তেল উত্তোলনের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। - দেশটির টেক্সাস এবং নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে প্রচুর পরিমাণে খনিজ তেল উৎপাদিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি বিশ্বের শীর্ষ জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য উত্তর সাগর থেকে তেল উত্তোলন করলেও তারা শীর্ষ উৎপাদক নয়। C) সৌদি আরব — অতীতে শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবকে পেছনে ফেলেছে। D) ইরান — মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম তেলসমৃদ্ধ দেশ হলেও তারা বিশ্বের শীর্ষ উৎপাদক নয়। মনে রাখার টিপস: বিশ্বে তেল উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র সবার আগে, এই বিষয়টি মনে রাখতে মার্কিন প্রযুক্তির উৎকর্ষের কথা মাথায় রাখতে হবে।
a ভিয়েনা
b জেনেভা
c ভেনিজুয়েলা
d অস্ট্রিয়া
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা কেন সঠিক: - UNHCR হলো জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন, যার মূল সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত। - এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে উদ্বাস্তু ও শরণার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং তাদের পুনর্বাসনে কাজ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা ও পারমাণবিক শক্তি কমিশন অবস্থিত। B) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং জাতিসংঘের এই শরণার্থী সংস্থার প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত। C) ভেনিজুয়েলা — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি সার্বভৌম দেশ, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নয়। D) অস্ট্রিয়া — এটি ইউরোপের একটি দেশ এবং এর রাজধানী ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যালয় থাকলেও এটি কোনো সদর দপ্তর নয়। মনে রাখার টিপস: শরণার্থীদের সাহায্য করার জন্য জেনেশুনে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই সংস্থার সদর দপ্তর করা হয়েছে।
a কাতার
b বাহরাইন
c দুবাই
d আবুধাবি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাতার কেন সঠিক: - ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। - এটি ছিল আরব বিশ্বে আয়োজিত প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাতার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই টুর্নামেন্টটি সফলভাবে আয়োজিত হয়েছিল। B) বাহরাইন — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দ্বীপ দেশ হলেও ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ এখানে অনুষ্ঠিত হয়নি। C) দুবাই — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি শহর, যা ২০২২ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না। D) আবুধাবি — এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী, তবে এখানে কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ এর আয়োজক দেশ কাতার এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ।
a এশিয়া
b মেক্সিকো
c অস্ট্রেলিয়া
d আফ্রিকা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মেক্সিকো কেন সঠিক: - ২০০৯ সালে প্রথম সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল মেক্সিকো দেশে। - এইচ১এন১ ভাইরাসের এই মহামারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এশিয়া — এটি সোয়াইন ফ্লুর উৎপত্তিস্থল নয়, যদিও এখানে পরবর্তীতে এর বিস্তার ঘটেছিল। B) মেক্সিকো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশেই প্রথম ভাইরাসটি শনাক্ত হয়। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি এই ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল নয়, এটি একটি মহাদেশ ও দেশ। D) আফ্রিকা — এটি সোয়াইন ফ্লুর উৎপত্তিস্থল নয়, এটি অন্য অনেক রোগের প্রাদুর্ভাবের জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: মেক্সিকোর সোয়াইন ফ্লু: এম দিয়ে মেক্সিকো এবং এম দিয়ে মহামারি মনে রাখতে পারেন।
a গোয়ালন্দ
b চাঁদপুর
c ভোলা
d বরিশাল
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাঁদপুর কেন সঠিক: - পদ্মা নদী গোয়ালন্দ ঘাটে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে পরবর্তীতে মেঘনা নদীর সঙ্গে চাঁদপুরে এসে মিলিত হয়েছে। - বাংলাদেশের নদীমাতৃক ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী চাঁদপুরেই পদ্মা ও মেঘনার মূল জলধারা একত্রিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোয়ালন্দ — এটি এমন একটি স্থান যেখানে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী মিলিত হয়েছে, মেঘনা নদী নয়। B) চাঁদপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানেই পদ্মা ও মেঘনা নদী একত্রিত হয়েছে। C) ভোলা — এটি মেঘনা নদীর শেষ প্রান্ত এবং মোহনা এলাকা, যেখানে নদী সাগরে পতিত হয়েছে। D) বরিশাল — এটি কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জেলা, যেখানে পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ রাতে পদ্মা ও মেঘনা চাঁদপুরে মিলিত হয়।
a কায়েট
b ডায়েট
c লোকসভা
d ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়েট কেন সঠিক: - জাপানের আইনসভার আনুষ্ঠানিক ও সাংবিধানিক নাম হলো ডায়েট। - এটি একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ যা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং হাউস অব কাউন্সিলরস নিয়ে গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কায়েট — এটি জাপানের পার্লামেন্টের নাম নয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এটি পরিচিত কোনো আইনসভার নাম নয়। B) ডায়েট — এটি জাপানের আইনসভার নাম হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) লোকসভা — এটি ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম, জাপানের পার্লামেন্টের নাম নয়। D) ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি — এটি দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের আইনসভার নাম, জাপানের নয়। মনে রাখার টিপস: জাপানিরা খাদ্য বা ডায়েট নিয়ে খুব সচেতন, তাই তাদের পার্লামেন্টের নাম ডায়েট।
a ২০ অক্টোবর, ২০১৭
b ২৫ অক্টোবর, ২০১৭
c ৩১ অক্টোবর, ২০১৭
d ৩০ অক্টোবর, ২০১৭
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ কেন সঠিক: - ইউনেস্কো ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে তাদের মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। - এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০ অক্টোবর, ২০১৭ — এই তারিখে ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। B) ২৫ অক্টোবর, ২০১৭ — এটি ৭ই মার্চের ভাষণের ইউনেস্কো স্বীকৃতি সংক্রান্ত সঠিক তারিখ নয়। C) ৩১ অক্টোবর, ২০১৭ — এটি ৩০ অক্টোবরের পরের দিন, তাই এই তারিখে ঐতিহাসিক অন্তর্ভুক্তি ঘটেনি। D) ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ — এটিই সঠিক তারিখ যেদিন ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক স্বীকৃতি প্রদান করে। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায়।
a মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন
b ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন
c রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন
d অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন কেন সঠিক: - ক্রেমলিন হলো রাশিয়ার মস্কোয় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক দুর্গ কমপ্লেক্স, যা দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান বা প্রেসিডেন্টের সরকারি দপ্তর ও বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - এটি একসময়ে রুশ জার এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতাদেরও ক্ষমতার কেন্দ্র ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন — এটি হোয়াইট হাউস নামে পরিচিত, যা ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। B) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন — এটি টেনিংটন স্ট্রিট বা টেন ডাউনিং স্ট্রিট নামে পরিচিত। C) রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন — এটি ক্যানবেরায় অবস্থিত দ্য লজ নামে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার রাজধানীর মতো ক্রেমলিনও মস্কোয় অবস্থিত এবং এটি রাশিয়ার ক্ষমতার মূল কেন্দ্র।
a ৮ এপ্রিল
b ৮ আগস্ট
c ৮ ফেব্রুয়ারি
d ৮ মার্চ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: D) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - ১৯৭৭ সাল থেকে জাতিসংঘ প্রতিবছর ৮ মার্চ তারিখটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। - নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে তাদের অবদানকে সম্মান জানাতে এই দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ এপ্রিল — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক নারী দিবস বা সম্পর্কিত প্রধান বিশ্ব দিবস পালিত হয় না। B) ৮ আগস্ট — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তারিখ নয়, এটি একটি ভিন্ন সাধারণ দিন। C) ৮ ফেব্রুয়ারি — এই তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় না, এটি ভিন্ন একটি সাধারণ তারিখ। D) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। মনে রাখার টিপস: মার্চ মাসের আট তারিখ মনে রাখলেই আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সঠিক তারিখটি পাওয়া যায়।
a শেখ মুজিবুর রহমান
b এম. মনসুর আলী
c তাজউদ্দিন আহমদ
d আতাউর রহমান খান
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তাজউদ্দিন আহমদ কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমদ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের সার্বিক পরিচালনা ও মুক্তিযদ্ধের নীত নির্ধারণে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শেখ মুজিবুর রহমান — তিনি ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) এম. মনসুর আলী — তিনি এই সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। D) আতাউর রহমান খান — তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন না। মনে রাখার টিপস: অস্থায়ী সরকারের প্রধান মানেই তাজউদ্দিন (অ আ - অস্থায়ী ও আহমেদ)।
a অতুল প্রসাদ সেন
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c কাজী নজরুল ইসলাম
d জসীমউদ্দীন
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অতুল প্রসাদ সেন কেন সঠিক: - গানটির রচয়িতা বিখ্যাত সুরকার ও গীতিকার অতুল প্রসাদ সেন। - এটি বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অতুল প্রসাদ সেন — এই গানের রচয়িতা এবং সঠিক উত্তর। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গানটির রচয়িতা নন। C) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি আমাদের জাতীয় কবি হলেও এই বিখ্যাত গানটি তার লেখা নয়। D) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই গানটির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: অতুল প্রসাদ সেনের সেরা সৃষ্টি হলো 'মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা' গানটি।
a কপোতাক্ষ
b যমুনা
c পদ্মা
d করতোয়া
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) করতোয়া কেন সঠিক: - মহাস্থানগড় প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন ভূহুক্তির রাজধানী পুণ্ডনগরর বর্তমান অবশিষ্টাংশ, যা বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। - করতোয়া নদী প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের অন্যতম প্রধান নদী এবং এর তীরেই এই ঐতিহাসিক প্রাচীন নগরী গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপোতাক্ষ — এটি যশোর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলের একটি বিখ্যাত নদী, যার সঙ্গে মহাস্থানগড়ের কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই। B) যমুনা — এটি বাংলাদেশের একটি প্রধান নদ, যা বগুড়া জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও মহাস্থানগড় এর তীরে অবস্থিত নয়। C) পদ্মা — এটি দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের প্রধান নদী, যার অবস্থান মহাস্থানগড়ের ভৌগোলিক এলাকার অনেক দূরে। D) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর, কারণ মহাস্থানগড় এই নদীর তীরেই অবস্থিত একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান। মনে রাখার টিপস: মহাস্থানগড় ও করতোয়া মনে রাখতে মহাকবি শব্দটির মতো মহাস্থানগড়ের ‘মহা’ এবং করতোয়ার ‘ক’ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
a সেনাবাহিনী
b নৌবাহিনী
c বিমান বাহিনী
d পুলিশ বাহিনী
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) সেনাবাহিনী কেন সঠিক: - বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কর্মকর্তা ছিলেন এবং কর্মস্থল ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। - তিনি সেক্টর ৭ এর অধীনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে যুদ্ধ করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্বের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সেনাবাহিনী — তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন নিয়মিত অফিসার ছিলেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে তিনি ক্যাপ্টেন পদবিতে বীরত্ব প্রদর্শন করেন। B) নৌবাহিনী — তিনি নৌবাহিনীর সদস্য ছিলেন না, কারণ তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কর্মকর্তা হিসেবে স্থলযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। C) বিমান বাহিনী — তিনি বিমান বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তার সামরিক জীবন ও বীরত্বপূর্ণ অবদান স্থলবাহিনীর কার্যপরিধির অন্তর্ভুক্ত ছিল। D) পুলিশ বাহিনী — তিনি পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য ছিলেন না, তিনি সরাসরি তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মবিরতি ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মনে রাখার টিপস: সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে একমাত্র সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে সেনাবাহিনী থেকে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর শহীদ হন।
a জেলা পরিষদ
b উপজেলা পরিষদ
c ইউনিয়ন পরিষদ
d গ্রাম পরিষদ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) উপজেলা পরিষদ কেন সঠিক: - স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে গঠিত কাঠামোগুলোর মধ্যে উপজেলা পরিষদ হলো স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর। - তবে প্রদত্ত উত্তরটি সংশোধনযোগ্য, কারণ বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার কাঠামোর আইনগত সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেলা পরিষদ — এটি স্থানীয় সরকার কাঠামোর তৃতীয় বা উচ্চতর স্তর, সর্বনিম্ন স্তর নয়। B) উপজেলা পরিষদ — প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য এটি মধ্যবর্তী বা দ্বিতীয় স্তর হিসেবে কাজ করে। C) ইউনিয়ন পরিষদ — এটি হলো বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন কাঠামোর সর্বনিম্নের বা প্রথম স্তর। D) গ্রাম পরিষদ — এটি আইনগতভাবে স্থানীয় সরকারের আনুষ্ঠানিক কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত সর্বনিম্ন প্রশাসনিক স্তর নয়। মনে রাখার টিপস: স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ এবং এর ঠিক ওপরের স্তর হলো উপজেলা পরিষদ।
a সিএফসি
b মিথেন
c কার্বন ডাইঅক্সাইড
d নাইট্রোজেন
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিএফসি কেন সঠিক: - সিএফসিতে থাকা ক্লোরিন পরমাণু বায়ুমণ্ডলের ওজোন গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে একে ধ্বংস করে। - একটিমাত্র ক্লোরিন পরমাণু লক্ষাধিক ওজোন অণুকে ভেঙে ফেলতে সক্ষম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিএফসি — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান ও সর্বোচ্চ ভূমিকা পালনকারী মানবসৃষ্ট গ্যাস। B) মিথেন — এটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস হলেও ওজোন স্তর ক্ষয়ে এর ভূমিকা প্রধান নয়। C) কার্বন ডাইঅক্সাইড — এটি বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী হলেও ওজোন স্তর ক্ষয়ের মূল কারণ নয়। D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ওজোন স্তরের জন্য ক্ষতিকর নয়। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান খলনায়ক হলো সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।
a 1176
b 1170
c 1776
d 1270
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) 1176 কেন সঠিক: - বাংলা ১১৭৬ সনে (ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ ও অতিবৃষ্টির কারণে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। - বাংলা সনের সাথে ৫৯৩ যোগ করলে খ্রিষ্টাব্দ পাওয়া যায় এবং এই হিসাব অনুযায়ী বাংলা ১১৭৬ সন মানেই ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1176 - এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সনেই বাংলার ইতিহাসে ভয়াবহ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংঘটিত হয়েছিল। B) 1170 - এটি ভুল কারণ এই সনে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়নি, এটি সঠিক বাংলা সন নয়। C) 1776 - এটি ভুল কারণ এটি ইংরেজি সাল, আর প্রশ্নটিতে বাংলা সনের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে। D) 1270 - এটি ভুল কারণ এই সনে কোনো ঐতিহাসিক দুর্ভিক্ষের রেকর্ড নেই এবং এটি ১১৭৬ সনের অনেক পরের বছর। মনে রাখার টিপস: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামের মধ্যেই সন লুকিয়ে আছে, অর্থাৎ ছিয়াত্তর মানে বাংলা ১১৭৬ সন।
a ইন্টারকম
b ইন্টারনেট
c ই-মেইল
d ইন্টারস্পিড
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: B) ইন্টারনেট কেন সঠিক: - ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটারের একটি আন্তঃসংযুক্ত নেটওয়ার্ক। - এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে খুব সহজে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারকম — এটি মূলত একটি সীমিত গণ্ডির মধ্যে বা কোনো নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরে যোগাযোগের অভ্যন্তরীণ টেলিফোন ব্যবস্থা। B) ইন্টারনেট — এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করার সঠিক প্রযুক্তি। C) ই-মেইল — এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে শুধু ইলেকট্রনিক চিঠি বা বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম, সামগ্রিক প্রযুক্তি নয়। D) ইন্টারস্পিড — এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা তথ্যের আদান-প্রদানের কোনো স্বীকৃত প্রযুক্তিগত নাম নয়। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট শব্দটি এসেছে ইন্টারকানেক্টেড এবং নেটওয়ার্ক শব্দ দুটির সমন্বয়ে, যার কাজ হলো বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারগুলোকে যুক্ত করা।
a 330
b 340
c 350
d 360
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩৫০ কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন। - এর মধ্যে সরাসরি সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৩০০ জন এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩৩০ — এটি সঠিক নয় কারণ সংসদ সদস্যদের মোট সংখ্যা ৩৩০ জন নয়। B) ৩৪০ — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বর্তমান বিধান অনুযায়ী মোট আসন সংখ্যা ৩৪০টি নয়। C) ৩৫০ — এটি সঠিক কারণ ৩০০ সাধারণ আসন এবং ৫০ সংরক্ষিত নারী আসন মিলে মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ জন। D) ৩৬০ — এটি সঠিক নয় কারণ জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩৬০টি নির্ধারিত নয়। মনে রাখার টিপস: সংসদের মোট আসন সংখ্যা মনে রাখতে ৩০০ সাধারণ আসনের সঙ্গে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন যোগ করলেই ৩৫০ জন পাওয়া যায়।
a ভিয়েনা
b লিবিয়া
c কুয়েত
d কাতার
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ভিয়েনা কেন সঠিক: - ওপেক বা তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থার বর্তমান সচিবালয় অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত। - ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল থেকে ভিয়েনাকে তাদের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিয়েনা — এটি ওপেকের বর্তমান ও স্থায়ী সচিবালয় এবং সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) লিবিয়া — এটি ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র হলেও এর সচিবালয় এখানে অবস্থিত নয়। C) কুয়েত — এটি ওপেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র, তবে এর সচিবালয় এখানে নেই। D) কাতার — এটি অতীতে ওপেকের সদস্য থাকলেও ২০১৯ সালে সংস্থাটি ত্যাগ করে এবং এখানে সদর দপ্তর নেই। মনে রাখার টিপস: তেল বিক্রির ভেন্যু বা ভিয়েনায় ওপেকের সদর দপ্তর অবস্থিত।
a লিরা
b ক্রোনা
c বাথ
d রিংগিত
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) বাথ কেন সঠিক: - থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় ও প্রচলিত মুদ্রার নাম বাথ। - ব্যাংক অব থাইল্যান্ড এই মুদ্রা জারি ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লিরা — এটি মূলত তুরস্ক এবং সিরিয়ার মুদ্রার নাম, থাইল্যান্ডের নয়। B) ক্রোনা — এটি সুইডেন এবং চেক প্রজাতন্ত্রের মুদ্রার নাম। C) বাথ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। D) রিংগিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: থাইল্যান্ডের মানুষের গোসলের বাথটবের সঙ্গে থাইল্যান্ডের মুদ্রা বাথ নামটি মনে রাখতে পারেন।
a সিতারা বেগম ও ময়মনা বিবি
b মনসুরা বিবি ও তারামন বিবি
c তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি
d তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তারামন বিবি ও সিতারা বেগম কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট দুজন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তাঁরা হলেন চিকিৎসাসেবায় অবদান রাখা ডা. সিতারা বেগম এবং সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিতারা বেগম ও ময়মনা বিবি — ময়মনা বিবি বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নন, তাই এই অপশনটি ভুল। B) মনসুরা বিবি ও তারামন বিবি — মনসুরা বিবি খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন, তাই এই অপশনটি ভুল। C) তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি — ময়মুনা বিবি নামে কোনো খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা নেই, তাই এই অপশনটি ভুল। D) তারামন বিবি ও সিতারা বেগম — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ মুক্তিযুদ্ধে কেবল এই দুই নারীই বীরপ্রতীক খেতাব পেয়েছেন। মনে রাখার টিপস: দুই বীর নারী বীরপ্রতীক হলেন 'স' তে সিতারা বেগম এবং 'ত' তে তারামন বিবি (সততা)।
a ১৯৭০ সালে
b ১৯৬৯ সালে
c ১৯৬৮ সালে
d ১৯৬৬ সালে
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৬৯ সালে কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করা হয়। - তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এই উপাধি প্রদান করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ সালে — এটি সাধারণ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলনের বছর, বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদানের সাল এটি নয়। B) ১৯৬৯ সালে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, কারণ এই সালেই তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ তাঁকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেন। C) ১৯৬৮ সালে — এই সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং শেখ মুজিবকে প্রধান আসামি করা হয়। D) ১৯৬৬ সালে — এই সালে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি পেশ করেন, যা বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত। মনে রাখার টিপস: ঊনসত্তরের গণঅভুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে (১৯৬৯) ছাত্রসমাজ জাতির পিতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে।
a ভারত
b রাশিয়া
c চীন
d যুক্তরাষ্ট্র
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাশিয়া কেন সঠিক: - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটি রাশিয়ার প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তায় পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মিত হচ্ছে। - রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি কর্পোরেশন রোসাটম এই প্রকল্পের মূল ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত এই প্রকল্পের সরাসরি অর্থায়ন বা প্রযুক্তি সহায়তাকারী দেশ নয়, তবে তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে ত্রিমুখী সমঝোতার মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে সহযোগিতায় যুক্ত আছে। B) রাশিয়া — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই প্রকল্পের প্রধান সহায়তাকারী দেশ। C) চীন — চীন রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণ বা সহায়তার সঙ্গে যুক্ত নয়, তবে তারা বাংলাদেশের অন্যান্য মেগা প্রকল্পে সহায়তা করে। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক প্রযুক্তিতে অগ্রগামী হলেও রূপপুর প্রকল্পে তাদের কোনো সহায়তা বা সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে রাশিয়ার নাম মনে রাখতে রাশিয়ার র এবং রূপপুরের র অক্ষরটি মিলিয়ে নিতে পারো।