সঠিক উত্তর: D) তৎসম শব্দবহুল
১. কেন সঠিক:
সাধুভাষায় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে কারণ এই রীতিটি প্রাচীন ও প্রমিত ভাষারীতি মেনে চলে।
তৎসম শব্দ বেশি থাকার কারণে সাধুভাষার রূপ কিছুটা গম্ভীর ও তৎকালীয় পন্ডিত সমাজের ভাষার কাছাকাছি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে উৎসের ভিত্তিতে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে তৎসম শব্দ অন্যতম।
সাধুভাষার ব্যাকরণগত রূপ সুনির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয় এবং এতে ক্রিয়ার রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অত্র বিষয়টির উপর গভীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাইতেছে।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে তৎসম শব্দের প্রাচুর্য সাধুভাষার রূপ ফুটিয়ে তুলেছে।
উদাহরণ ২: হিমালয় পর্বতমালা ভারতবর্ষের উত্তর সীমায় অবস্থিত।
ব্যাখ্যা: হিমালয় এবং পর্বতমালা তৎসম শব্দ যা সাধুভাষার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সহজবোধ্য — এটি সাধুভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় কারণ সাধুভাষা কৃত্রিম ও জটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে।
B) নাট্য সংলাপ ব্যবহার — সাধুভাষায় নাট্য সংলাপ ব্যবহার করা হয় না কারণ নাটকে চরিত্র অনুযায়ী চলিত ভাষা মানানসই।
C) তদ্ভব শব্দবহুল — এটি সাধুভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় কারণ তদ্ভব শব্দ বেশি থাকে চলিতীতিতে।
D) তৎসম শব্দবহুল — এটি সাধুভাষার প্রধান ও মৌলিক বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু শব্দের সাথে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের মিল রয়েছে কারণ দুটিই গুরুগম্ভীর রূপ বহন করে।
মনে রাখতে হবে যে সাধু মানেই তৎসম শব্দের আধিক্য এবং চলিত মানেই পরিবর্তনশীল ও সহজ শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিতীতির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সাধুভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো তৎসম শব্দের ব্যবহার এবং চলিত ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো তদ্ভব ও দেশি শব্দের ব্যবহার।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
কেন সঠিক:
- মানুষের মুখ থেকে নিসৃত বায়ুর সাহায্যে যে আওয়াজ বা শব্দ উৎপন্ন হয়, তাকে ধ্বনি বলা হয়।
- ধ্বনি হলো ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম একক, যা দিয়ে ভাষার অন্যান্য উপাদান গঠিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণ অনুযায়ী, ভাষা মূলত ধ্বনির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং ধ্বনি লিখিত রূপ পায় বর্ণের মাধ্যমে।
- মুখের কথা বা ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ, যার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করা হয়।
- যেমন: অ, আ, ক, খ ইত্যাদি হলো ধ্বনির উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- B) শব্দ — এটি একাধিক ধ্বনির মিলনে তৈরি হয়, তাই এটি মূল উপাদান নয়।
- C) বাক্য — এটি একাধিক শব্দের সুবিন্যস্ত রূপ, যা অনেক বড় একক।
- D) অর্থ — এটি ভাষার ভাব প্রকাশ করে, কিন্তু কাঠامোগত মূল উপাদান ধ্বনি।
মনে রাখার টিপস:
- মূল উপাদান বললে সবসময় ক্ষুদ্রতম একক অর্থাৎ ধ্বনি বা বর্ণ দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মস্যাধার
কেন সঠিক:
১. মস্যাধার শব্দটি সাধারণ স্বরসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ নয়।
২. এই শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো মসি + আধার, যা ই কার এবং আ কার মিলে য ফলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে সকল সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম বা সূত্র মানে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
২. বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির কিছু শব্দ কোনো নিয়ম না মেনে প্রাকৃত নিয়মেই সাধিত হয়।
৩. যেমন, পরি + ছাদ = পরিচ্ছদ, এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্যাধার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং সাধারণ ই-কার ও আ-কার যুক্ত স্বরসন্ধির নিয়ম অনুসারে গঠিত শব্দ।
B) অন্যান্য — এটি অন্য + অন্য মিলে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ যা কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না।
C) মার্তণ্ড — এটি মার্ত + ণ্ড মিলে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি যার কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত সূত্র নেই।
D) কুলটা — এটি কুল + অটা মিলে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি যা বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. যেসব শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ করার পর সাধারণ কোনো নিয়ম খুঁজে পাওয়া যায় না, সেগুলোই সাধারণত নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
২. কুলটা, মার্তণ্ড, অন্যান্য, গোষ্পদ, পতঞ্জলি ইত্যাদি শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ঠাকুরানি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের সাথে বিশেষ প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ গঠন করা হয়। ‘ঠাকুর’ শব্দের সাথে ‘আনি’ প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ ‘ঠাকুরানি’ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পুরুষবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করার বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে পংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে ‘আনি’, ‘আণী’, ‘নী’, ‘আই’ ইত্যাদি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়। ‘ঠাকুর’ একটি বিশেষ শব্দ যার স্ত্রীলিঙ্গ রূপ গঠনে ‘আনি’ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকর
ব্যাখ্যা: চাকর শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ চাকরানি, যা একই প্রত্যয় যোগে গঠিত।
উদাহরণ ২: ঠাকুরপো
ব্যাখ্যা: ঠাকুরপো শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ ঠাকুরঝি, যা অন্য একটি নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠাকুরাইন — এই বানানটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে সঠিক নয় এবং এটি কথ্যরূপে ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত নয়।
B) ঠাকুরানি — এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক এবং এটিই পরীক্ষাসমূহে উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়।
C) ঠাকুরণী — বানানে দীর্ঘী ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ হিসেবে গণ্য হয়।
D) ঠাকুরণি — এখানে রসিকার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক প্রমিত রূপের সাথে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঠাকুর শব্দের সাথে শুধু ‘আনি’ যুক্ত করলেই সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ পাওয়া যায়। বানানের শেষে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার না করে সবসময় হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিঙ্গান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষে ‘আনি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন ঠাকুর থেকে ঠাকুরানি এবং চাকর থেকে চাকরানি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সারী
কেন সঠিক:
সারী শব্দটির একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে।
এই শব্দটির পুরুষবাচক রূপ হিসেবে সার শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের নিজস্ব পুরুষবাচক রূপ থাকে।
সারী হলো পক্ষীবিশেষ, যার পুরুষবাচক জোড়া হলো সার।
যেমন— সার ও সারী মিলেই এক জোড়া পাখি বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাই — এটি কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর কোনো প্রচলিত পুরুষবাচক শব্দ নেই।
B) এয়ো — এটি বিবাহিত নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না।
D) সধবা — এই শব্দটিরও কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণে পাওয়া যায় না।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের পুরুষবাচক রূপ নেই তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
তবে সারী শব্দের ক্ষেত্রে সার হলো এর ব্যতিক্রমী পুরুষবাচক রূপ।
সঠিক উত্তর: D) অনূঢ়া
১. কেন সঠিক:
যে মেয়ের বিয়ে হয়নি, তাকে এককথায় অনূঢ়া বলা হয়। এখানে 'ন' অর্থ না এবং 'উঢ়া' অর্থ বিবাহিতা, ফলে যার বিয়ে হয়নি বোঝাতে অনূঢ়া শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একাধিক পদ বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে পতি দ্বারা স্ত্রী পরিত্যক্তা হয়েছে — ত্যক্তপতীনা।
ব্যাখ্যা: এটি বিবাহ সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্যসংকোচন।
উদাহরণ ২: যার স্বামী ও পুত্র নেই — অনাথা।
ব্যাখ্যা: এটি নারীর সামাজিক অবস্থান নির্দেশক একটি বাক্যসংকোচন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃতবৎসা — যে নারীর সন্তান জন্ম নেওয়ার পরই মারা যায়, তাকে মৃতবৎসা বলা হয়। এটি অবিবাহিত মেয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কৃতদার — যে পুরুষের বিয়ে হয়েছে, তাকে কৃতদার বলা হয়। এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং অবিবাহিত মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
C) অনুজা — ছোট বোনকে অনুজা বলা হয়। এটি পারিবারিক সম্পর্ক নির্দেশ করে, বৈবাহিক অবস্থাকে নয়।
D) অনূঢ়া — যার বিয়ে হয়নি, তাকে অনূঢ়া বলা হয়। এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
উঢ়া শব্দের অর্থ বিবাহিতা এবং এর পূর্বে না বোধক উপসর্গ যুক্ত হয়ে অনূঢ়া গঠিত হয়েছে। এভাবে উঢ়া মানে বিবাহিত আর অনূঢ়া মানে অবিবাহিত মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারী ও বিবাহ সম্পর্কিত বাক্যসংকোচনগুলো প্রায়ই আসে। যেমন অনূঢ়া, মৃতবৎসা, অবূঢ়া এবং বিধবা শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: B) জিঘাংসা
১. কেন সঠিক:
- হনন বা হত্যা করার ইচ্ছাকে এককথায় জিঘাংসা বলা হয়।
- এখানে জিঘাংসা শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের অংশ।
- কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাভ করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা: লাভ করার ইচ্ছাকে এককথায় লিপ্সা বলা হয়।
উদাহরণ ২: জয় করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা: জয় করার ইচ্ছাকে এককথায় জিগীষা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিপ্সা — এটি লাভ করার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই হনন করার ইচ্ছা নয়।
B) জিঘাংসা — এটি সঠিক উত্তর।
C) কৃতঘ্ন — যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না, তাকে কৃতঘ্ন বলে।
D) জিতেন্দ্রিয় — যে ইন্দ্রিয় জয় করেছে, তাকে জিতেন্দ্রিয় বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হ দিয়ে হনন এবং জিঘাংসা শব্দের অর্থ হত্যার ইচ্ছা মিলিয়ে মনে রাখবে।
- অনুরূপভাবে জয়ের ইচ্ছা হলো জিগীষা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইচ্ছাভিত্তিক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে।
- যেমন জানার ইচ্ছা জিজ্ঞাসু বা জ্ঞাতা, খাওয়ার ইচ্ছা ক্ষুধাও হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) মহাজন
১. কেন সঠিক:
খাতক শব্দটির অর্থ ঋণগ্রহীতা বা যে ব্যক্তি অন্যের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করেছে।
এর বিপরীতে যে ব্যক্তি ঋণ প্রদান করেন তাকে উত্তমর্ণ বলা হয়, তবে প্রদত্ত অপশনে মহাজন শব্দটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে কারণ মহাজন হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি ঋণ দেন বা যিনি ধনী ও ঋণদাতা হিসেবে পরিচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বাংলা ভাষায় ঋণ প্রদানকারী এবং ঋণগ্রহণকারী বোঝাতে বিশেষ কিছু পরিভাষা বা শব্দ জোড় ব্যবহার করা হয় যা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা
ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রয় করে, এটি একটি পারস্পরিক বিপরীতার্থক সম্পর্কের শব্দ।
উদাহরণ ২: শিক্ষক ও শিক্ষার্থী
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শিক্ষা দান করেন এবং শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করেন, যা ভাবের দিক থেকে বিপরীতার্থক সম্পর্কের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রসারণ — এই শব্দটির অর্থ কোনো কিছু প্রসারিত করা বা বড় করা, যার সঠিক বিপরীত শব্দ হলো সংকোচন।
B) চেতন — এই শব্দটির অর্থ যার চৈতন্য বা জ্ঞান আছে, যার বিপরীত শব্দ হলো অচেতন বা জড়।
C) মহাজন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ঋণদাতা বা খাতের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) উত্তমর্ণ — এটি খাতক শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত ব্যাকরণগত বিপরীত শব্দ, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে মহাজন বা উত্তমর্ণ উভয়কেই সঠিক ধরা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাতক মানে ঋণগ্রহীতা আর মহাজন মানে ঋণদাতা, এই দুটি শব্দ সবসময় ঋণ লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
লেনদেন মনে রাখলে খাতক ও মহাজন শব্দ দুটির বিপরীত সম্পর্ক খুব সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে কখনো কখনো একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে, তাই পরীক্ষার বোর্ডের প্রমিত উত্তর মাথায় রাখতে হবে।
ঋণ সংক্রান্ত শব্দ যেমন খাতক, মহাজন, উত্তমর্ণ ও অধমর্ণ শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাপ
১. কেন সঠিক:
- ‘অহি’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ সাপ, উরুগ বা ভুজঙ্গ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা শব্দার্থ বিচারে ‘অহি’ বলতে সাধারণভাবে বিষধর সরীসৃপ বা সাপকে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডারে ‘সাপ’ বোঝাতে অহি, ভুজঙ্গ, উরগ, নাগ, ফণী ও ব্যাল শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহিনকুল
ব্যাখ্যা: অহি অর্থাৎ সাপ এবং নকুল অর্থাৎ নেউল। এই দুটি পশুর মধ্যে চিরশত্রুতা বোঝাতে এই দ্বন্দ্ব সমাসটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অহীন্দ্র
ব্যাখ্যা: অহি যুক্ত ইন্দ্র অর্থাৎ সাপদের রাজা বা বাসুকি নাগকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অচল — এই শব্দের অর্থ যা চলে না বা পর্বত, যা সাপের সমার্থক নয়।
B) সাপ — এটি সঠিক উত্তর যা অহি শব্দের সমার্থক হিসেবে সরাসরি মিলে যায়।
C) চাঁদ — এই শব্দের অর্থ চন্দ্র বা শশধর, যা সাপের সমার্থক নয়।
D) দিন — এই শব্দের অর্থ দিবস বা বার, যা সাপের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অহি মানে সাপ এবং কুল মানে নেউল, এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখলে অহি শব্দের অর্থ সহজে মনে থাকে।
- সাপ বোঝাতে অহি, নাগ এবং ফণী এই তিনটি শব্দ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একসঙ্গে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- সংস্কৃতে অহি শব্দের অর্থ এবং এর থেকে তৈরি হওয়া বাগধারা বা শব্দ যেমন অহিনকুল সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) হিমাংশু
১. কেন সঠিক:
হিমাংশু শব্দের অর্থ চাঁদের আলো বা হিম বা ঠান্ডা রশ্মি ধারণ করে যে, অর্থাৎ চাঁদ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং হিমাংশু শব্দটি চাঁদের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও ধ্রুপদী সমার্থক শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে হিমাংশু একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
হিম এবং অংশু মিলে হিমাংশু গঠিত হয়েছে, যেখানে হিম অর্থ ঠান্ডা এবং অংশু অর্থ রশ্মি বা কিরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধাকর
ব্যাখ্যা: সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে যে, তাই সুধাকর হলো চাঁদের আরেকটি বিখ্যাত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা: শশের বা খাগড়ার মতো অঙ্ক বা দাগ যার গায়ে আছে, সেই অর্থে চাঁদকে শশাঙ্ক বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিমাংশু — এটি চাঁদের সঠিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) সবিতা — এই শব্দটির অর্থ সূর্য, যা চাঁদের সমার্থক শব্দ নয়।
C) চিকুর — এই শব্দটির অর্থ চুল বা কেশ, যা চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) শৈল — এই শব্দটির অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা চাঁদের সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চাঁদের সাথে ঠান্ডা বা হিম যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত চাঁদের সমার্থক হয়, যেমন হিমাংশু, হিমাংশু, সুধাকর।
সূর্য এবং চাঁদের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে কনফিউশন দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চাঁদ, সূর্য, আকাশ, নদী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো সবচেয়ে বেশিবার পুনরাবৃত্তি হয়।
তৎসম শব্দের গঠন এবং ব্যাসবাক্যভিত্তিক সমার্থক শব্দগুলো ভালো করে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) প্রগতি
১. কেন সঠিক:
- প্রাদি সমাস হলো এমন একধরনের অব্যয়ীভাব সমাস, যেখানে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি প্রাদি বা উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে সমাস গঠিত হয়।
- প্রগতি শব্দটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর ব্যাসবাক্য হলো প্রকৃষ্ট গতি = প্রগতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা প্রাদি পূর্বে বসে এবং বিশেষ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করে তাকে প্রাদি সমাস বলে।
- এই সমাসে পূর্বপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরাজয়
ব্যাখ্যা: পরা উপসর্গ যোগে গঠিত প্রাদি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ হলো পরাজয় যার ব্যাসবাক্য হলো প্রকৃষ্ট জয় বা জয়ের অভাব।
উদাহরণ ২: পরিপাক
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গ যোগে গঠিত প্রাদি সমাসের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ হলো পরিপাক যার ব্যাসবাক্য হলো সম্যকরূপে পাক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহস্থ — এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য গৃহে বা যে গৃহে বাস করে।
B) ছা-পোষা — এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত একটি শব্দ যার অর্থ অত্যন্ত সাধারণ বা দরিদ্র জীবনযাপনকারী।
C) শতাব্দী — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ এর পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদটি দ্বারা সমাহার বোঝায়।
D) প্রগতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত প্রাদি সমাসের উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাদি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে প্র, পরা, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ থাকা এবং তা কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণের পূর্বে বসে অব্যয় ভাব সৃষ্টি করা।
- পরীক্ষার হলে অপশনে প্র, পরা বা পরিযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে প্রাদি সমাসের কথা চিন্তা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস বা প্রাদি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রগতি, পরাজয়, পরিপাক এই শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও সমাসের নাম বারবার চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- পারস্পরিক বা একে অপরের মধ্যে কোনো ক্রিয়া বা কাজ সম্পন্ন হলে তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- কানে কানে যে কথা অর্থাৎ কানাকানি একটি পারস্পরিক কার্য বোঝায়, তাই এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পদ দুটির মধ্যে পারস্পরিক অর্থে আ বা ই প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে।
- এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েই বিশেষ্য পদ হয়ে একই জাতীয় ক্রিয়ার পারস্পরিক আদান-প্রদান বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: দুটি হাতের পারস্পরিক লড়াই বা যুদ্ধ বোঝাতে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: চুলে চুলে যে বাঁধন = চুলোচুলি
ব্যাখ্যা: চুল ধরে টানাটানির পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝাতে এই সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমানাধিকরণ বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদ বিশেষণ হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন এবং পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
C) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনটিই যদি বিশেষণ না হয়, তবে তাকে ব্যধিকরণ বলে।
D) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেলে মধ্যপদলোপী হয়, যা এখানে হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা মারামারি জাতীয় শব্দ দেখলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস নির্বাচন করবে।
- শব্দের শেষে আ বা ই ধ্বনি থাকলে এবং তা দুটি পদের পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝালে তা ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কানাকানি, গালাগালি শব্দগুলো প্রায়ই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে আসে।
- পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত শব্দ দেখলে সবসময় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) পদ
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলা হয়।
- প্রাতিপাদিক বা শব্দের সঙ্গে কারক বোঝাতে যখন বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন তা বাক্যে ব্যবহারের যোগ্যতা অর্জন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপাদিক বা মূল শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে স্থান পাওয়ার মাধ্যমেই কেবল একটি শব্দ পদে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার, যেমন বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম + দ্বারা = রহিম দ্বারা
ব্যাখ্যা: নাম শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে এটি একটি পদে পরিণত হয়েছে যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম + এ = কলমে
ব্যাখ্যা: শব্দটির সঙ্গে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে এটি একটি পদ হিসেবে বাক্যে স্থান পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুই পদ হিসেবে পরিচিত।
B) প্রাতিপাদিক — এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দের মূল রূপ, তাই একে সরাসরি পদ বলা যায় না।
C) অক্ষর — এটি উচ্চারণের একক, শব্দের অর্থ বা বিভক্তির সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
D) বাক্য — এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশকারী পદો সমষ্টি, কেবল একটি বিভক্তিযুক্ত শব্দ একা বাক্য হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ পেলেই পদ নয়, বিভক্তি পেলে তবেই জয়। অর্থাৎ শব্দে বিভক্তি যোগ করলেই তা পদ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ ও পদের পার্থক্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, বিভক্তি যুক্ত না হলে কোনো শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে গণ্য হয় না।
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে খিলিপান পানের ভেতর ওষুধ রেখে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে যা স্থান বা ক্ষেত্র নির্দেশ করে।
- ক্রিয়ার আধার বা ক্ষেত্রকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
- বাক্যে খিলিপান হলো ওষুধ সেবনের মাধ্যম বা ক্ষেত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে বনে থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে হলো স্থান, তাই এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকালে হলো সময়, তাই এটি অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ কারক — করণ অর্থ সাহায্য বা মাধ্যম। এখানে পান ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্র, সাহায্যকারী যন্ত্র নয়।
B) অপাদান কারক — অপাদান অর্থ বিচ্যুতি, জাত বা দূরত্ব বোঝায়। এখানে কোনো কিছু বিচ্যুত হয়নি।
D) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম। এখানে পান কর্ম নয়, ক্ষেত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
- স্থান, পাত্র বা ক্ষেত্র বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় বাক্যের মূল ক্রিয়ার সঙ্গে কোথায় বা কোন ক্ষেত্রে প্রশ্ন করতে হবে।
- আধার বা ক্ষেত্র বোঝালে তা সব সময় অধিকরণ কারক হবে।
সঠিক উত্তর: D) শূন্য
কেন সঠিক:
- অপ্রাণিবাচক বা জড়বস্তুর কর্মকারক বোঝাতে বিভক্তির প্রয়োজন হয় না।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণিবাচক শব্দে সাধারণত শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কর্মকারকে প্রাণিবাচক শব্দের উত্তর কে বা রে বিভক্তি যুক্ত হয়।
- অপ্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কর্মকারকে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি থাকে না, তাই তা শূন্য বিভক্তি হয়।
- যেমন: ভাত খাও, এখানে ভাত অপ্রাণিবাচক কর্ম এবং শূন্য বিভক্তিযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কে — এটি সাধারণত প্রাণিবাচক শব্দের উত্তর কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়।
- B) রে — এটিও প্রাণিবাচক শব্দের উত্তর দ্বিতীয় বা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে বসে।
- C) তে — এটি মূলত সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন যা স্থান বা কাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- D) শূন্য — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
- প্রাণ থাকলে কে বা রে, প্রাণ না থাকলে শূন্য বিভক্তি দেবে।
সঠিক উত্তর: B) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং বিভিন্ন পদের বিরতি বোঝানোর জন্য বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কমা অপেক্ষা বেশি কিন্তু দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদের অপেক্ষায় কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সেমিকোলন একটি অর্ধছেদ চিহ্ন যা সাধারণত দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা সাহিত্যে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার প্রবর্তন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সকালে সে আসবে; কিন্তু তার ভাই আসবে না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্যের মাঝে সংযোগের জন্য কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি দিতে সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: সংসার একটি নাট্যশালা; আমরা সবাই এর অভিনেতা।
ব্যাখ্যা: এখানে ভাবের গভীর মিল থাকা দুটি খণ্ড বাক্যের মাঝখানে বিরতি বোঝাতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণচ্ছেদ বোঝাতে বসে, যা কমা অপেক্ষা অনেক বেশি বিরতির নির্দেশ করে।
C) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য কোনো বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ দিতে ব্যবহৃত হয়।
D) হাইফেন — এটি দুটি শব্দের সংযোগ বা সামাজিক পদগুলোকে এক করতে ব্যবহৃত হয়, বিরতির চিহ্ন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিরাম চিহ্নের বিরতির সময় মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কমার চেয়ে সেমিকোলনে একটু বেশি থামতে হয়। আর সবচেয়ে বেশি থামতে হয় দাঁড়িতে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিরাম চিহ্নের মধ্যে একমাত্র সেমিকোলনই কমা অপেক্ষা বেশি এবং দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতির জন্য নির্দিষ্ট। বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্নের এই পরিমাপ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য
১. কেন সঠিক:
বিরামচিহ্নের মূল কাজ হলো বাক্যের বিভিন্ন অংশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও ভাব ফুটিয়ে তুলে অর্থকে নির্ভুলভাবে স্পষ্ট করা।
বিরামচিহ্ন না থাকলে বাক্যের ভাব পাল্টে যেতে পারে বা পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন মানুষের শ্বাস নেওয়ার সুবিধা এবং বাক্যের অর্থ সহজে বোঝানোর পথ সুগম করে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখ্য ভাষায় যতিচিহ্নের সার্থক প্রবর্তন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থামো, সে যায় নি।
ব্যাখ্যা: কমা ব্যবহারের ফলে এখানে বক্তার নিষেধ বা থামার নির্দেশ স্পষ্ট হয়েছে।
উদাহরণ ২: থামো সে যায় নি।
ব্যাখ্যা: কমা না থাকায় বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে এবং বোঝানো হয়েছে সে যায়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্য সংকোচনের জন্য — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া।
C) বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য — বিরামচিহ্ন মূলত অর্থ স্পষ্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, সৌন্দর্যবর্ধন এর গৌণ কাজ।
D) বাক্যকে অলংকৃত করার জন্য — অলংকার হলো কাব্যের বাহ্যিক রূপ, যা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন থেকে আলাদা।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরামচিহ্নের অপর নাম যতিচিহ্ন, যা অর্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
অর্থ পরিষ্কার তো বিরামচিহ্ন নিশ্চিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা লেখ্য ভাষায় প্রথম বিরামচিহ্নের সফল ব্যবহার শুরু হয় উনিশ শতকে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিরামচিহ্নের কাজ ও নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: C) অর্থের কুপ্রভাব
কেন সঠিক:
- তামার বিষ বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ তামার কোনো বিষ নয় বরং এর দ্বারা অর্থের খারাপ প্রভাবকে বোঝানো হয়েছে।
- মানুষের জীবনে অতিরিক্ত টাকা-পয়সা আসার ফলে তার নীতি ও চরিত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যা বিশেষ বিশেষ অর্থে বাক্যকে সমৃদ্ধ করে।
- সাহিত্য ও দৈনন্দিন কথোপকথনে ধনসম্পদের প্রলোভনে মানুষের নৈতিকতা হারানোর প্রসঙ্গ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: হঠাৎ ধনী হওয়ার পর সে পুরোনো বন্ধুদের ভুলে গেল, একেই বলে তামার বিষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অহংকার — অহংকার অর্থে দম্ভ বা গগর বোঝায়, তামার বিষ অর্থের কুপ্রভাব প্রকাশ করে।
- B) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী বলতে যা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না বোঝায়, যার সাথে এই বাগধারার মিল নেই।
- C) অর্থের কুপ্রভাব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) টনক নড়া — টনক নড়া বাগধারাটির অর্থ চৈতন্য হওয়া বা হুশ হওয়া, যা অর্থের কুপ্রভাবের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
- তামা বা টাকা পয়সার কুপ্রভাব বোঝাতে তামার বিষ বাগধারাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) হতভাগ্য
১. কেন সঠিক:
হাড়-হাভাতে বাগধারাটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো অত্যন্ত হতভাগ্য বা যার ভাগ্যে কিছুই জোটে না।
যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থভিত্তিক বাগধারাগুলোর সরাসরি অর্থ পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
এখানে হাড় এবং হাভাতে শব্দের মিলনে এমন এক ব্যক্তির দশা বোঝানো হয়েছে যার ঘরে খাবার বা সম্পদের চরম অভাব রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাজীবন এত কষ্ট করেও তার কপালে সুখ জোটে না, সে যেন আস্ত এক হাড়-হাভাতে মানুষ।
ব্যাখ্যা: এখানে চরম দুর্ভাগ্য প্রকাশ করতে হাড়-হাভাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অভাবের তাড়নায় হাড়-হাভাতে পরিবারটির দিন কাটছে অনাহারে ও অর্ধাহারে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চরম দারিদ্র্য ও দুর্ভাগ্যের শিকার বোঝাতে বাগধারাটির সফল প্রয়োগ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হতভাগ্য — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল ভাবার্থ প্রকাশ করে।
B) নিরেট মূর্খ — এই অর্থের জন্য অকালকুষ্মাণ্ড বা গাধার ছরি বাগধারাগুলো ব্যবহার করা হয়।
C) চক্ষুশূল — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো অত্যন্ত অপছন্দের ব্যক্তি বা চোখের বিষ।
D) নিতান্ত অলস — এই অর্থের জন্য কুম্ভকর্ণের নিদ্রা বা অকর্মণ্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
হাভাতে শব্দের অর্থ যার ভাত জোটে না অর্থাৎ যে হতভাগ্য।
এর সাথে হাড় যুক্ত হয়ে চরম অবস্থাকে নির্দেশ করে যার অর্থ হতভাগ্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
তাই বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের মূল ভাব এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ভাগীরথী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'ভাগীরথী' শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
- এই নদীর নামটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানান লেখার ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
- নদীবাচক অনেক শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার ব্যাকরণগত প্রচলন রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী
ব্যাখ্যা: নদীবাচক শব্দ হওয়ায় এর শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: জননী
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর বানানে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাগিরথি — এই অপশনে প্রথম ও শেষ উভয় বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক বানানরীতি নয়।
B) ভাগিরথী — এই অপশনে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
C) ভাগীরথি — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
D) ভাগীরথী — এটি সঠিক বানান কারণ এতে উভয় স্থানে দীর্ঘ ঈ-কার রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নদীবাচক শব্দের বানানে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার বসে তা মাথায় রাখবে।
- ভাগীরথী বানানটি লেখার সময় শুরুতে এবং শেষে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) গোটা সাতেক আম এনো।
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে সংখ্যাবাচক শব্দ বা পরিমাণবাচক শব্দের সঙ্গে 'গোটা' শব্দের ব্যবহার এবং তার অবস্থান সম্পূর্ণ ব্যাকরণসিদ্ধ।
- 'গোটা সাতেক' শব্দগুচ্ছ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ বা আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে শুদ্ধভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন ও পদের প্রয়োগে সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বা পরে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা প্রত্যয় বসে।
- 'গোটা' শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুর পূর্ণতা বা আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের পূর্বে বসে, যেমন গোটা সাতেক, গোটা দশেক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোটা দশেক লবঙ্গ দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা দশেক' আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গোটা পাঁচেক কলম কিনে আনো।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা পাঁচেক' প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খানা দুই কম্বল চেয়েছিলাম। — এখানে 'খানা' প্রত্যয়টি কম্বল শব্দের সঙ্গে ভুলভাবে বসেছে কারণ কম্বল বস্তুর ক্ষেত্রে 'খানা' ব্যবহার অসিদ্ধ।
B) দেশ গোটা ছারখার হয়ে গেছে। — এখানে 'গোটা' শব্দের অবস্থান ভুল জায়গায় রয়েছে, সঠিক প্রয়োগ হতো দেশটা গোটা ছারখার হয়ে গেছে।
D) কমলালেবু গোটা দুই আছে। — এখানে 'গোটা দুই' এর পরিবর্তে 'দুটি' বা 'কমলালেবু দুটি গোটা আছে' বলা উচিত ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বা সঙ্গে 'গোটা' বসালে তা সব সময় শব্দের প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে প্রমিত নিয়মে লিখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বাক্যের পদের বিন্যাস ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই পদের সঠিক প্রয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- সংখ্যাবাচক শব্দ ও পরিমাণবাচক শব্দের সঠিক মেলবন্ধন জানলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) মানুষ তার নিজ জীবনের স্থপতি
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বাক্যের প্রতিটি শব্দের যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ অর্থ এই অপশনে প্রকাশ পেয়েছে।
- Man শব্দের অর্থ মানুষ, architect শব্দের অর্থ স্থপতি এবং own life শব্দের অর্থ নিজ জীবন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি possessive pronoun own-এর সঠিক বাংলা রূপান্তর হলো নিজ বা নিজস্ব।
- এই প্রবাদের মূল ভাব হলো মানুষ নিজেই তার ভাগ্য বা জীবন গঠন করে।
- যেমন: Industry is the key to success-এর সঠিক অর্থ পরিশ্রম সৌভাগ্যের চাবিকাঠি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সঠিক উত্তর — এটি সবদিক থেকে নির্ভুল।
- B) মানুষ জীবনের স্থপতি — এখানে own শব্দের অনুবাদ নিজ বাদ পড়েছে।
- C) মানুষই জীবনের স্থপতি — এখানে extra emphasis বা জোর বোঝাতে ই ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল ইংরেজি বাক্যে নেই।
- D) মানুষ জীবনের নির্মাতা — architect শব্দের সঠিক পরিভাষা স্থপতি, এখানে নির্মাতা ব্যবহার করা কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি প্রবাদ অনুবাদের সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবানুবাদ এবং সম্পূর্ণতার দিকে বেশি নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) শুভ কামনা
১. কেন সঠিক:
- In the good look ইংরেজি ভাষা থেকে আগত একটি অভিব্যক্তি যার অর্থ কারো প্রতি শুভকামনা জানানো।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিদেশী বা প্রমিত শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি পারিভাষিক বা অর্থগত প্রশ্ন যা শব্দের ভাবার্থ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধরনের শব্দ বা বাক্যাংশ সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়মের আওতাভুক্ত না হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বুঝতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Best of luck
ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি বাক্যাংশটির বাংলা অর্থ হলো শুভকামনা বা তোমার জন্য ভালো চাওয়া।
উদাহরণ ২: Good speed
ব্যাখ্যা: এই অভিব্যক্তিটির অর্থ যাত্রায় সাফল্য বা শুভকামনা জানানো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্দর দেখাতে — এই অর্থটি সরাসরি সৌন্দর্য প্রকাশ করে যা এই বাক্যাংশের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
B) সুনজরে — এর ইংরেজি রূপ হলো in good graces যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) ভালো চাই — এটি আক্ষরিক অর্থ মনে হলেও মূল ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- look শব্দটিকে শুভ দৃষ্টি বা কামনার সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
- পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে ভাবার্থের ওপর জোর দিতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব পায়।
- এই ধরনের পারিভাষিক অর্থগুলো বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্বে
কেন সঠিক:
- সন্ধির মূল কাজ দুটি ধ্বনির মিলন ঘটানো, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বর্ণ বা ধ্বনির উচ্চারণ সহজ ও মধুর করা ধ্বনিতত্ত্বের কাজ, এবং সন্ধি এই কাজটি করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান এবং সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- সন্ধিতে পদের অর্থ পরিবর্তনের চেয়ে ধ্বনির রূপান্তর ও মিলন বেশি ঘটে।
- যেমন: হিম + আলয় = হিমালয়, এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ধ্বনিতত্ত্বে — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে ধ্বনির পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হয়।
- B) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দগঠন, পদ, কারক এবং বচন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্যের গঠন এবং জ্যোতিচিহ্ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- D) অর্থতত্ত্বে — অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থ, বাগধারা এবং সমার্থক শব্দ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানেই ধ্বনি বা বর্ণের মিলন, তাই এটি সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: A) সমীভবন
১. কেন সঠিক:
প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম বিশেষ করে সমীভবন প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে সাধিত হয়।
এ ক্ষেত্রে একটি ধ্বনি অন্য ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে তার সমতা লাভ করে বা কাছাকাছি রূপ ধারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সন্ধি বাংলা ব্যাকরণের নিজস্ব নিয়মে ও প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে বিবর্তিত হয়েছে তাকে প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
সমীভবন প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে মিলে যায় এবং ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যাপকভাবে কার্যকর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিন + ফল = পিমফল
ব্যাখ্যা: এখানে ন ধ্বনি ফ ধ্বনির প্রভাবে ম ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়ে সমীভবন সাধিত করেছে।
উদাহরণ ২: জন্ম = জম্ম
ব্যাখ্যা: এখানে র-ফলা বা যুক্তবর্ণের প্রভাবে ধ্বনির পারস্পরিক পরিবর্তন ঘটে সমীভবন সম্পন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীভবন — এটি সঠিক কারণ প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি এই ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে সম্পাদিত হয়।
B) বিষমীভবন — দুটি একজাতীয় ধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্নতা অর্জন করাকে বিষমীভবন বলে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির মূল নিয়ম নয়।
C) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে, যা স্বরধ্বনির পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) অসমীকরণ — দুটি একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে অসমীকরণ বলে, যা সন্ধির নিয়ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি চেনার সহজ উপায় হলো ধ্বনির পারস্পরিক মিল বা সমীভবন খেয়াল করা।
সমীভবন মানেই হলো সমান বা কাছাকাছি ধ্বনিতে পরিণত হওয়া।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃত বাংলা সন্ধি এবং তৎসম সন্ধির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
নিয়মগুলো ভালোভাবে আত্মস্থ করলে এ ধরনের ব্যাকরণ সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) Put out the lamp
কেন সঠিক:
বাতি নেভানো অর্থে ইংরেজি পরিভাষায় সবসময় 'Put out' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
তাই বাক্যটির সঠিক অনুবাদ হলো Put out the lamp।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Put on the lamp — Put on মানে পরিধান করা বা জ্বালানো, তাই এটি এখানে ভুল।
B) Put out the lamp — এটি সঠিক উত্তর।
C) Put off the lamp — Put off মানে মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত স্থগিত করা বা খুলে ফেলা, তাই এটি এখানে ভুল।
D) Put up the lamp — Put up মানে টাঙানো বা নির্মাণ করা, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
আগুন বা বাতি নেভানোর ইংরেজি হলো Put out।
সঠিক উত্তর: D) The misers spend their time in hoarding money.
কেন সঠিক:
কৃপণ ব্যক্তিরা বোঝাতে plural subject হিসেবে 'The misers' ব্যবহার করা হয়েছে।
সময় কাটানো বা ব্যয় করা অর্থে 'spend time in' এবং অর্থ জমানোর ক্ষেত্রে 'hoarding money' সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The miser spends time to collect money — এখানে subject singular করা হয়েছে এবং অর্থ জমানোর ক্ষেত্রে collect-এর পরিবর্তে hoarding বসালে সঠিক হতো।
B) The misers spend time collecting money — এখানে spend-এর পরে their এবং in preposition বাদ পড়েছে যা বাক্যটিকে অসম্পূর্ণ করে তুলেছে।
C) The miser spend time in hoarding money — এখানে subject plural (misers) না হয়ে singular (miser) হওয়ায় verb-এর রূপ ভুল হয়েছে।
D) The misers spend their time in hoarding money — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কোনো জাতি বা শ্রেণীকে বোঝাতে 'The' এর সাথে plural noun বসে এবং সময় ব্যয় করার পরে in যোগ করে verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) inclusive
কেন সঠিক:
‘include’ শব্দটির সাথে ‘ive’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এর সঠিক বিশেষণ রূপ গঠিত হয়।
এটি বাক্যে কোনো কিছুর অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যে সফলভাবে একটি সফল বিশেষণ হিসেবে কাজ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) inclusion — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ অন্তর্ভুক্তি।
B) includable — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি সঠিক বা গ্রহণযোগ্য শব্দ গঠন নয়।
C) inclusive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
D) includeness — এই ধরনের কোনো শব্দ ইংরেজি ভাষায় প্রচলিত নেই।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত যে সকল শব্দের শেষে ‘ive’ থাকে, সেগুলো ইংরেজিতে বিশেষণ বা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- 'friendly' শব্দটি বাক্যে Noun (Rohan) সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে বা তার দোষ-গুণ প্রকাশ করছে।
- Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করায় এটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে modify করে, যা এখানে ঘটেনি।
B) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'friendly' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না।
C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য।
D) pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে তা Adjective হয়, যেমন friendly, lovely, manly।
সঠিক উত্তর: B) should be missed
কেন সঠিক:
বাক্যে lest থাকলে তার পরের অংশে সাধারণত should বসে।
train নিজে নিজে miss হতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would miss — lest এর পরে would বসা সাধারণত নিয়ম নয় এবং এটি অ্যাক্টিভ অর্থ প্রকাশ করে।
B) should be missed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিয়ম মেনে should এর সাথে প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে।
C) will be missed — lest এর পরে will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) will miss — এটি অ্যাক্টিভ অর্থ দেয়, কিন্তু train নিজে কাউকে মিস করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest দেখলে শূন্যস্থানের পরে should এবং প্যাসিভ অর্থের জন্য be + ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) gave up
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is high time বা It is about time থাকলে এর পরের অংশে verb-এর পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বা পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে give up-এর পাস্ট ফর্ম gave up ব্যবহৃত হয়েছে, যা নিয়মটিকে সঠিকভাবে অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) give up — এটি verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম, যা It is high time কাঠামোর পরের অংশে ব্যবহারের নিয়মবহির্ভূত।
B) gave up — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বাক্যাংশের পর verb-এর পাস্ট ফর্ম বসে।
C) given up — এটি verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, যা সাহায্যকারী verb ছাড়া একা বসে পাস্ট টেন্স গঠন করতে পারে না।
D) should give up — It is high time-এর পর modal verb বা should ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is high time বা It is about time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb-এর পাস্ট ফর্ম (V2) বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: A) down
কেন সঠিক:
ব্রেক ডাউন (break down) একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ ভেঙে পড়া, স্বাস্থ্য ভেঙে যাওয়া বা কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া।
এখানে বৃদ্ধ লোকটির অতিরিক্ত কাজের চাপে স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ার কথা বোঝাতে break down সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) down — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে এটি যথাযথভাবে কাজ করে।
B) upon — ব্রেক আপন (break upon) বলতে কোনো মানসম্মত ফ্রেজাল ভার্ব নেই এবং এটি এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
C) through — ব্রেক থ্রু (break through) অর্থ জোর করে প্রবেশ করা বা বাধা অতিক্রম করা, যা এখানে স্বাস্থ্য বা চাপের সাথে মেলে না।
D) away — ব্রেক অ্যাওয়ে (break away) অর্থ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা পালিয়ে যাওয়া, যা বাক্যের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ার ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে শরীর বা স্বাস্থ্য ভেঙে পড়া বুঝাতে সবসময় break down ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) drive
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'make' একটি Causative Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Causative Verb এর পর দ্বিতীয় verb টি எப்போதும் Base Form বা V1 এ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to drive — Causative Verb এর পর কখনো infinitive অর্থাৎ to বসে না। তাই এটি সঠিক নয়।
B) driven — এখানে past participle রূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা causative নিয়মের সাথে মিলে না।
C) drove — এটি past form হওয়ায় বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট করে।
D) drive — এটি verb এর base form এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে make, let থাকলে পরের verb টি সব সময় bare infinitive হয়।
সঠিক উত্তর: A) in, with
কেন সঠিক:
১. বাক্যে শান্তিতে বা মিলেমিশে থাকা বোঝাতে live in harmony প্রবাদতুল্য নিয়ম ব্যবহৃত হয়।
২. কারো সাথে মিলেমিশে থাকা বোঝাতে harmony শব্দের পরে with preposition বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
B) with, to — harmony শব্দের পরে সঠিক preposition বসেনি।
C) in, include — include কোনো preposition নয়, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) to, with — প্রথম শূন্যস্থানে সঠিক preposition বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
কারো সাথে মিলেমিশে থাকা বোঝাতে সবসময় in harmony with একসাথে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) Honesty is not as much as it
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি comparative ডিগ্রিতে আছে এবং এর অর্থ হলো সততার চেয়ে এটি বেশি কিছু। Positive ডিগ্রি করার সময় not less than বা not as much as গঠন ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Honesty is not as much as it — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যটিকে সঠিকভাবে পজিটিভ ডিগ্রিতে রূপান্তর করেছে।
B) Honesty are not as much as it — এখানে Honesty একটি uncountable noun হওয়ায় এর পর are বসবে না, is বসবে।
C) Honesty is as much as it — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল নেই কারণ এটি না বোধক নয়।
D) Honesty is less much as it — এখানে less এর পর much ব্যবহারের নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Comparative ডিগ্রির more than-যুক্ত বাক্যকে Positive করার সময় not as much as অথবা not so much as ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Feed the unfed.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত Passive বাক্যের subject 'The unfed' দ্বারা বিশেষ শ্রেণী বোঝায় এবং বাক্যে উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
তাই Imperative sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী মূল verb দিয়ে বাক্যটি শুরু করতে হয়।
এখানে 'The unfed' শব্দটিকে object হিসেবে রেখে verb 'Feed' দিয়ে Active করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Feed the unfed — এটি সঠিক উত্তর।
B) We should feed the unfed — এখানে অতিরিক্ত subject 'We' ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যে ছিল না।
C) Please feed the unfed — এখানে অতিরিক্ত 'Please' শব্দ যুক্ত করা হয়েছে যার প্রয়োজন ছিল না।
D) They should be feeding the unfed — এটি Continuous tense-এ রূপান্তর করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
The-এর পর adjective বসে যখন পুরো জাতিকে বোঝায়, তখন Passive থেকে Active করার সময় মূল verb দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Very few men in the world were as bad as he.
কেন সঠিক:
সুপারলেটিভ ডিগ্রির বাক্যে one of থাকলে Positive করার সময় Very few দিয়ে শুরু করতে হয়।
এর পরের অংশ men in the world বসেছে এবং subject বহুবচন হওয়ায় verb হিসেবে were ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি প্রশ্নটিতে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত আছে এবং নিয়মানুযায়ী সঠিক।
B) B অপশন — এখানে subject বহুবচন হলেও verb হিসেবে was ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) C অপশন — এখানে was ব্যবহারের পাশাপাশি as bad so he লেখা হয়েছে যা ডিগ্রির সঠিক গঠন নয়।
D) D অপশন — এখানে অতিরিক্ত not ব্যবহার করায় বাক্যটির মূল অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Superlative বাক্যে one of the থাকলে Positive করার নিয়ম হলো Very few + plural subject + plural verb + as + positive adjective + as + subject.
সঠিক উত্তর: B) guilt
কেন সঠিক:
guilty শব্দটির সঠিক noun রূপ হলো guilt যার অর্থ অপরাধ বা দোষ।
ইংরেজি ব্যাকরণে adjective শব্দের সাথে নির্দিষ্ট suffix যুক্ত করে noun তৈরি করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) guiltness — ইংরেজিতে guiltness বলতে কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই এবং এটি একটি গঠনগত ভুল রূপ।
B) guilt — এটিই সঠিক noun রূপ হওয়ায় এখানে বর্ণনার প্রয়োজন নেই।
C) guilting — এটি guilty শব্দের সাথে ing যুক্ত করে তৈরি করা ভুল একটি রূপ যা ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) guiltys — এটি কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং noun তৈরির নিয়ম অনুযায়ী এর শেষে s যুক্ত করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
adjective হিসেবে guilty থাকলে তার noun form সাধারণত guilt হয়।
সঠিক উত্তর: B) had known
কেন সঠিক:
বাক্যে 'as though' বা 'as if' এর আগের অংশটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
এখানে 'proceeded' পাস্ট টেন্স হওয়ায় বন্ধনীর ভেতরের verb টির পাস্ট পারফেক্ট রূপ অর্থাৎ 'had known' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) knows — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সাথে মেলে না।
B) had known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) knew — শুধু পাস্ট টেন্স ব্যবহার করলে 'as though' এর নিয়ম পূর্ণ হয় না।
D) known — একা past participle বসলে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন সঠিক হয় না।
মনে রাখার টিপস:
'as though' বা 'as if' এর বাঁয়ে পাস্ট টেন্স থাকলে ডানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসবে।
সঠিক উত্তর: B) Without doing you will die
কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটি Imperative sentence-এ আছে যা দ্বারা সমজাতীয় শর্ত বোঝায়। একে Simple sentence করতে হলে Without যোগ করে verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয় এবং পরের clause-টি লিখতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By doing you will die — এটি অর্থের দিক থেকে ভুল কারণ কাজটি করলে মৃত্যু হবে এমন বোঝায় না।
B) Without doing you will die — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি পরিবর্তিত হয়েছে।
C) By doing you won't die — এটি অর্থ ও গঠন উভয় দিক থেকেই মূল বাক্যের সাথে মিলছে না।
D) Without doing you won't die — এটি ভুল কারণ কাজ না করলে মৃত্যু হবে না এমন বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Or যুক্ত Imperative sentence-কে Simple করার সময় Without + verb(ing) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) scholastic
কেন সঠিক:
Academic শব্দটির অর্থ শিক্ষায়তনিক বা পঠনপাঠন সংক্রান্ত। এর সঠিক বিশেষণ রূপ বা সমার্থক শব্দ হলো scholastic।
অপশনের scholastic শব্দটি বাক্যে adjective হিসেবে Academic শব্দের সাথে পুরোপুরি মিল রাখে।
এটি একই সাথে শিক্ষা এবং পঠনপাঠন সংক্রান্ত বিষয়কে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) scholar — এটি একটি noun যার অর্থ বিদ্বান ব্যক্তি, তাই এটি adjective শব্দের সাথে মেলে না।
B) scholared — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের ব্যবহার বা অস্তিত্ব নেই।
D) scholastics — এটি একটি plural noun, যা এখানে adjective হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের সমার্থক adjective খুঁজতে হলে তার মূল অংশের সাথে উপযুক্ত প্রত্যয় যুক্ত শব্দ বেছে নিতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Noteworthy
কেন সঠিক:
Remarkable শব্দটির অর্থ অসাধারণ বা লক্ষণীয়।
Noteworthy শব্দটির অর্থও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ বা লক্ষণীয়।
তাই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noteworthy — এটি সঠিক উত্তর।
B) Remark — এটি একটি ক্রিয়াপদ বা বিশেষ্য যার অর্থ মন্তব্য করা, যা সমার্থক নয়।
C) Praiseworthy — এর অর্থ প্রশংসনীয়, যা remarkable শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
D) Memorable — এর অর্থ স্মরণীয়, যা বিশেষ কোনো ঘটনাকে বোঝায় কিন্তু এর মূল অর্থ এক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Remarkable মানে যা মার্ক বা চিহ্নিত করার মতো যোগ্য, ঠিক তেমনি Noteworthy মানে যা নোট বা মনে রাখার যোগ্য।
সঠিক উত্তর: B) nipped in the bud
কেন সঠিক:
'Nipped in the bud' একটি বিখ্যাত ইডিয়ম যার অর্থ হলো অঙ্কুরে বিনষ্ট হওয়া বা শুরুতেই ধ্বংস হয়ে যাওয়া।
মানুষের সমস্ত আশা যখন শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে যায়, তখন এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নটিতে ব্যক্তির সব আশা ধ্বংস হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তাই শূন্যস্থানে এই উপযুক্ত ইডিয়মটি বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) null and void — এর অর্থ বাতিল বা অবৈধ, যা আশa ব্যর্থ হওয়ার ক্ষেত্রে মানায় না।
B) nipped in the bud — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) out of date — এর অর্থ সেকেলে বা পুরোনো, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
D) now and then — এর অর্থ মাঝে মাঝে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
'Bud' অর্থ কুঁড়ি, তাই কুঁড়িতেই নষ্ট হওয়া মানেই 'nipped in the bud'।
সঠিক উত্তর: B) day by day
কেন সঠিক:
বাকyটিতে বাংলাদেশ দিন দিন উন্নতি লাভ করুক এমন একটি দীর্ঘস্থায়ী ও চলমান উন্নতির আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়ার সাথে ধীরে ধীরে পরিবর্তনের ধারা বোঝাতে day by day ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত সঠিক ইংরেজি প্রবাদতুল্য ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) day to day — এই ফ্রেজটি দৈনন্দিন বা প্রাত্যহিক কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো ক্রমিক উন্নতির ক্ষেত্রে নয়।
B) day by day — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) day with day — ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণীয় ফ্রেজ বা ধারা নেই।
D) day on day — এই ফ্রেজটির অর্থ এক দিন থেকে অন্য দিন হলেও এখানে উন্নতির অর্থে এটি বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
ক্রমশ বা ধীরে ধীরে কোনো কিছু বৃদ্ধি পাওয়া বা উন্নতির ক্ষেত্রে সবসময় day by day ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) It is a very excellent idea
কেন সঠিক:
এক্সক্লামেটরি বাক্যকে অ্যাসসার্টিভ করার সময় হোয়াট বা হাউ তুলে দিয়ে সাবজেক্ট ও ভার্ব প্রথমে বসে।
অতিরিক্ত গুরুত্ব বোঝাতে চমৎকার বা চমৎকারক শব্দের পূর্বে ভেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
B) B) B) — এখানে অতিরিক্ত ভেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি যা অর্থকে পূর্ণ করে না।
C) C) C) — এখানে তুলনামূলক বা মোর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) D) D) — এখানে চমৎকার শব্দের পরিবর্তে ভালো শব্দটি বসানো হয়েছে যা মূল অর্থের পরিবর্তন করে।
মনে রাখার টিপস:
এক্সক্লামেটরি বাক্যে হোয়াট থাকলে সাবজেক্টের পর ইট ইজ এ বা এন বসিয়ে ভেরি যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) details
কেন সঠিক:
‘Pros and cons’ একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর বাংলা অর্থ হলো কোনো বিষয়ের ভালো ও মন্দ দিক বা খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) details — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রস অ্যান্ড কনস বাক্যাংশের মূল ভাবকে প্রকাশ করে এবং পূর্ণাঙ্গ বিবরণ বোঝায়।
B) liberate — এর অর্থ মুক্তি দেওয়া, যা প্রস অ্যান্ড কনস বাগধারাটির অর্থের সাথে একেবারেই মেলে না।
C) avoid — এর অর্থ এড়িয়ে চলা, যা এই বাগধারাটির বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
D) angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা প্রস অ্যান্ড কনস বাক্যাংশের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রস মানে পক্ষে এবং কনস মানে বিপক্ষে, আর এই দুটির বিশদ বিবরণই হলো ডিটেইলস বা খুঁটিনাটি।
সঠিক উত্তর: B) verb
কেন সঠিক:
বাক্যের কর্তা 'The girls' এর পর কাজটি সম্পন্ন করার অবস্থা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে গাছে পানি দেওয়ার কাজটি করা বোঝানো হয়েছে, যা একটি কাজ বা action বোঝায়।
তাই এটি বাক্যে মূল verb হিসেবে কাজ করেছে।
verb ছাড়া কোনো বাক্য সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি এখানে কোনো নাম বা বস্তু বোঝাচ্ছে না, বরং কাজটি করা বোঝাচ্ছে।
B) verb — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে এটি কাজ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
noun হিসেবে পরিচিত কোনো শব্দ যখন বাক্যে কাজ করা বোঝায়, তখন সেটি সাধারণত verb হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: A) I did not laugh at him
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের উপহাস করা অর্থে ইংরেজি তে সঠিক preposition যুক্ত laugh at phrase ব্যবহার করতে হয়।
এখানে অতীত নির্দেশ করতে did not ব্যবহার করা হয়েছে এবং এরপর মূল verb এর present form বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I did not laugh at him — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ আমি তাকে উপহাস করিনি।
B) I did not laugh with him — with preposition বসালে তার সাথে হাসা বোঝায়, উপহাস করা বোঝায় না।
C) I did not laugh in him — laugh এর সাথে in preposition এর সঠিক কোনো ব্যবহার নেই।
D) I did not laugh upon him — upon preposition বসালে ব্যাকরণগত ভুল হয় কারণ সঠিক নিয়ম হলো laugh at।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে নিয়ে উপহাস করা বা ঠাট্টা করা বোঝালে সবসময় laugh এর পরে at বসে।
সঠিক উত্তর: B) Work hard or you will not succeed
কেন সঠিক:
প্রদত্ত complex বাক্যটিকে compound করার জন্য or conjunction ব্যবহার করা হয়েছে।
এটি প্রথম বাক্যের একটি শর্ত পূরণ করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Without working hard and you will not succeed — এই গঠনটি grammatically সঠিক নয় কারণ Without এর পর and বসে না।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Work hard any you will not succeed — এখানে any শব্দের ব্যবহার সম্পূর্ণ ভুল ও অর্থহীন।
D) You work hard and will succeed — এটি বাক্যটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Unless যুক্ত complex বাক্যকে compound করতে হলে if বা unless তুলে দিয়ে মাঝখানে or বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) circumstances favour us
কেন সঠিক:
provided একটি conditional conjunction যা if এর মতো কাজ করে এবং এর একটি অংশে Present Indefinite Tense থাকলে অন্য অংশটি Future Indefinite Tense হয়। এখানে প্রথম অংশটি shall start থাকায় পরের অংশে Present Indefinite Tense অর্থাৎ subject-এর পর মূল verb-এর present form বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) circumstances favour us — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ ঠিক আছে।
B) circumstances favoured us — এখানে past tense ব্যবহার করা হয়েছে যা future tense-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
C) circumstance favoured us — এখানে subject একবচন এবং past tense ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম লঙ্ঘন করে।
D) cirumstances are favouring us — এখানে continuous tense ব্যবহার করা হয়েছে যা conditional বাক্যের সাধারণ নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
provided যুক্ত বাক্যের একপাশে Future Tense থাকলে অন্যপাশে Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ১/৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো সাতাশ এর পাওয়ার এক্স প্লাস এক সমান একাশী
ধরি,
সাতাশ কে লেখা যায় তিন এর কিউব
একাশী কে লেখা যায় তিন এর পাওয়ার চার
অতএব,
তিন এর পাওয়ার তিন গুণ এক্স প্লাস এক সমান তিন এর পাওয়ার চার
তিন এর পাওয়ার তিন এক্স প্লাস তিন সমান তিন এর পাওয়ার চার
সুতরাং,
তিন এক্স প্লাস তিন সমান চার
তিন এক্স সমান চার বিয়োগ তিন
উত্তর: এক্স সমান এক ভাগ তিন
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো অশূন্য সংখ্যার ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়।
এখানে ভিত্তি হলো পাঁচ এক্স এবং তার ওপর সূচক বা ঘাত হলো শূন্য।
ধরি,
এগারো বা অন্য যেকোনো সংখ্যা এর ওপর পাওয়ার শূন্য হলো এক।
শূন্য ছাড়া যেকোনো বাস্তব সংখ্যা এন এর জন্য এন এর পাওয়ার শূন্য সমান এক হয়।
অতএব,
প্রদত্ত রাশিটি লেখা যায় বন্ধনীর ভেতরে পাঁচ এক্স এবং তার বাইরে পাওয়ার শূন্য।
সূচকের শূন্য সূত্র অনুসারে পুরো রাশির মান সরাসরি নির্ধারিত হয়।
সুতরাং,
বন্ধনীর ভেertরে যাই থাকুক না কেন তার ওপর পাওয়ার শূন্য থাকলে ফলাফল সর্বদা এক হয়।
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: B) ৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন শ্রমিক ৩ দিনে আয় করে ৭২০ টাকা
৯ জন শ্রমিক সমপরিমাণ টাকা আয় করবে
ধরি,
৯ জন শ্রমিকের ৭২০ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = ক দিন
অতএব,
১ জন শ্রমিক ৭২০ টাকা আয় করতে সময় লাগাবে = ১২ × ৩ দিন
১ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = ৭২০ ÷ (১২ × ৩) টাকা
সুতরাং,
৯ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = (৭২০ × ৯) ÷ (১২ × ৩) টাকা
ক = ৭২০ ÷ [(৭২০ × ৯) ÷ (১২ × ৩৬)] দিন
উত্তর: ৪ দিনে
সঠিক উত্তর: D) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৭, ১২, ১৭, ৩, ১১, ৬, ১৩ এবং ৩
মোট সংখ্যার পরিমাণ ৮টি
ধরি,
সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৭ + ১২ + ১৭ + ৩ + ১১ + ৬ + ১৩ + ৩
গড় নির্ণয়ের সূত্র = সংখ্যাগুলোর যোগফল ÷ মোট সংখ্যা
অতএব,
সংখ্যাগুলোর মোট যোগফল = ৭২
মোট সংখ্যা = ৮
সুতরাং,
গড় = ৭২ ÷ ৮ = ৯
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: D) ৮২°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র ও এবং বৃত্তস্থ কোণ কোণ BAC = ৪১°
কেন্দ্রস্থ কোণ কোণ BOC এর মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ
অতএব,
কেন্দ্রস্থ কোণ কোণ BOC = ২ × বৃত্তস্থ কোণ কোণ BAC
সুতরাং,
কোণ BOC = ২ × ৪১° = ৮২°
উত্তর: ৮২°
সঠিক উত্তর: B) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের কোণ সম্পর্কিত জ্যামিতির সাধারণ উপপাদ্য
এটি ইউক্লিডীয় জ্যামিতির একটি মৌলিক সত্য
ধরি,
ত্রিভুজটির তিনটি কোণ ক, খ এবং গ
ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু তিনটি ক, খ, গ
অতএব,
কোণ ক + কোণ খ + কোণ গ = সরলকোণ
সরলকোণের পরিমাণ দুই সমকোণ
সুতরাং,
দুই সমকোণ সমান একশো আশি ডিগ্রি
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: A) (১/২) × (a + b) × h
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য a এবং b
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব বা উচ্চতা h
ধরি,
ট্রাপিজিয়ামটির সমান্তরাল বাহু দুটি a ও b
ট্রাপিজিয়ামটির উচ্চতা h
অতএব,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল সমান সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্যের যোগফল গুণ উচ্চতা ভাগ দুই
ক্ষেত্রফল সমান (a + b) গুণ h ভাগ দুই
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল সমান (১/২) গুণ (a + b) গুণ h
উত্তর: (১/২) (a + b) h
সঠিক উত্তর: C) ১২xy
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৪x제곱 (এখানে স্কয়ার এর বদলে দুই লিখছি)
প্রথম রাশি = ৪x২
দ্বিতীয় রাশি = ৯y২
ধরি,
রাশি দুটি থেকে বর্গমূল পাই
প্রথম রাশির বর্গমূল = ২x
দ্বিতীয় রাশির বর্গমূল = ৩y
অতএব,
পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র হলো (এ + বি)২ = এ২ + ২ab + বি২
এখানে মধ্যবর্তী পদটি হবে ২ গুণ (২x) গুণ (৩y)
প্রথম রাশির সাথে দ্বিতীয় রাশি গুণের দ্বিগুণ হিসেব করতে হবে
সুতরাং,
মধ্যবর্তী পদের মান হবে ১২xy
তাই মূল রাশির সাথে ১২xy যোগ করতে হবে
উত্তর: ১২xy
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪, ২০৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ১২
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল = ৬০
সংখ্যা দুটির লসাগু = ২৪৪৮
ধরি,
সংখ্যা দুটি ১২ক এবং ১২খ, যেখানে ক ও খ পরস্পর সহমৌলিক
অতএব,
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল ১২(ক − খ) = ৬০, সুতরাং (ক − খ) = ৫
সংখ্যা দুটির গুণফল = লসাগু × গসাগু = ২৪৪৮ × ১২ = ২৯৩৭৬
সুতরাং,
ক × খ = ২৯৩৭৬ ÷ ১৪৪ = ২০৪
এখন এমন দুটি সংখ্যা খুঁজি যাদের গুণফল ২০৪ এবং বিয়োগফল ৫, সংখ্যা দুটি হলো ১৭ ও ১২
উত্তর:
সংখ্যা দুটি হলো ১২ × ১৭ = ২০৪ এবং ১২ × ১২ = ১৪৪
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের একটি অর্ধবৃত্ত আঁকা হলো
অর্ধবৃত্তের ওপর একটি কোণ তৈরি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হলো বিন্দু
বৃত্তের ব্যাস হলো একটি সরলরেখা
অতএব,
ব্যাসের ওপর বৃত্তস্থ কোণ গঠিত হয়
বৃত্তস্থ কোণটি কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক হয়
সুতরাং,
কেন্দ্রস্থ কোণ হলো এক সরলকোণ বা ১৮০ ডিগ্রি
অর্ধবৃত্তস্থ কোণ হলো ১৮০ ডিগ্রির অর্ধেক অর্থাৎ ৯০ ডিগ্রি
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: B) ১৫ বর্গ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের ভূমি = ৬ সে. মি.
ত্রিভুজের উচ্চতা = ৫ সে. মি.
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ক
ত্রিভুজের উচ্চতা = খ
অতএব,
ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
ভূমি × উচ্চতা ÷ ২
সুতরাং,
৬ × ৫ ÷ ২
= ৩০ ÷ ২
= ১৫
উত্তর: ১৫ বর্গ সে. মি.
সঠিক উত্তর: A) x + 2
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x2 + 2x
দ্বিতীয় রাশি = x3 + 8
তৃতীয় রাশি = x2 − 4
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে পাই, x গুণ (x + 2)
দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই, (x + 2) গুণ (x2 − 2x + 4)
তৃতীয় রাশি থেকে পাই, (x + 2) গুণ (x − 2)
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = x, (x + 2)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 2), (x2 − 2x + 4)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 2), (x − 2)
সুতরাং,
নির্ণেয় গসাগু হলো সব রাশিতে থাকা সাধারণ উৎপাদক
উত্তর: x + 2
সঠিক উত্তর: B) x + y − 1
প্রدত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
x২ − (y২ − ২y + ১)
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশ হলো y − ১ এর পূর্ণবর্গ
তাই রাশিটি দাঁড়ায় x২ − (y − ১)২
সুতরাং,
এটি a২ − b২ এর সূত্র অনুযায়ী (x + y − ১)(x − y + ১) হয়
উত্তর: x + y − ১
সঠিক উত্তর: C) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো বত্রিশ
লগের ভিত্তি হলো দুই
ধরি,
লগের মানটি হলো ক
প্রশ্নমতে লেখা যায়
অতএব,
দুই এর পাওয়ার ক সমান বত্রিশ
দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান বত্রিশ
সুতরাং,
দুই এর পাওয়ার পাঁচ সমান বত্রিশ
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
x + (১ ÷ x) = √৩
ধরি,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী x এর মান এবং রাশিটি ধরা হলো
দ্বিতীয় শর্ত হলো প্রদত্ত সমীকরণটি ব্যবহার করা
তৃতীয় শর্ত হলো বর্গ করার সূত্র প্রয়োগ করা
অতএব,
x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) = (x + (১ ÷ x)) স্কয়ার − ২
মান বসিয়ে পাই, (√৩) স্কয়ার − ২
৩ − ২
সুতরাং,
১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: B) ১২৫ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ৫০০ টাকা
সময় (n) = ৩ বছর
ধরি,
মুনাফার হার (r) = ২৫/৩ %
বা, মুনাফার হার (r) = (২৫ ÷ ৩) ÷ ১০০
অতএব,
সরল মুনাফার সূত্রটি হলো I = P × r × n
এখানে মানগুলো বসিয়ে পাই
সুতরাং,
I = ৫০০ × (২৫ ÷ ৩০০) × ৩
I = ১২৫ টাকা
উত্তর: ১২৫ টাকা
সঠিক উত্তর: D) C = P(1 + r)n
প্রদত্ত তথ্য:
চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয় করতে হবে
এখানে মূলধন, মুনাফার হার এবং সময় দেওয়া আছে
ধরি,
আসল = P
মুনাফার হার = r
সময় = n
অতএব,
প্রথম বছরের সবল চক্রবৃদ্ধি মূলধন = P + Pr = P(1 + r)
দ্বিতীয় বছরের সবল চক্রবৃদ্ধি মূলধন = P(1 + r)(1 + r) = P(1 + r)^2
সুতরাং,
n বছর পর সবল চক্রবৃদ্ধি মূলধন বা চক্রবৃদ্ধি মূলধন C = P(1 + r)^n
উত্তর: C = P(1 + r)^n
সঠিক উত্তর: C) ৭৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ এ বি সি এর বি কোণ সমান পঁচাত্তর ডিগ্রি
এবং এ সি ই বহিঃস্থ কোণ সমান একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি
ধরি,
এ কোণ সমান এক্স ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের বহিঃস্থ কোণ এর মাপ বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের যোগফলের সমান
অর্থাৎ এ কোণ + বি কোণ সমান এ সি ই কোণ
সুতরাং,
এক্স ডিগ্রি + পঁচাত্তর ডিগ্রি সমান একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি
এক্স ডিগ্রি সমান একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি − পঁচাত্তর ডিগ্রি
উত্তর: ৭৫°
সঠিক উত্তর: C) ২৫π cm²
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস হলো ১০ cm
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ হলো r cm
ব্যাসকে দুই দিয়ে ভাগ করলে ব্যাসার্ধ পাওয়া যায়
অতএব,
ব্যাসার্ধ r = ১০ ÷ ২ = ৫ cm
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
ক্ষেত্রফল = π × (৫)² cm²
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = π × ২৫ cm²
ক্ষেত্রফল হলো ২৫π cm²
উত্তর: ২৫π cm²
সঠিক উত্তর: C) (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে
রম্বসের দুটি কর্ণ জানা আছে
ধরি,
রম্বসের প্রথম কর্ণটি = d১
রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণটি = d২
অতএব,
রম্বসের ক্ষেত্রফল হলো এর কর্ণদ্বয়ের গুণফলের অর্ধেক
ক্ষেত্রফল লেখার সূত্রটি হলো (১/২) গুণ প্রথম কর্ণ গুণ দ্বিতীয় কর্ণ
সুতরাং,
জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী রম্বসের ক্ষেত্রফল সমান (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
উত্তর: (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
সঠিক উত্তর: A) ৪৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৩ : ৪ : ৫
ধরি,
প্রথম কোণ = ৩ক
দ্বিতীয় কোণ = ৪ক
তৃতীয় কোণ = ৫ক
অতএব,
তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০°
৩ক + ৪ক + ৫ক = ১৮০°
১২ক = ১৮০°
সুতরাং,
ক = ১৮০ ÷ ১২
ক = ১৫
উত্তর: ক্ষুদ্রতম কোণের পরিমাণ = ৩ × ১৫ = ৪৫°
সঠিক উত্তর: B) সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ বা জন্মস্থানের ভেদাভেদে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের ২ উপধারায় রাষ্ট্র ও পাবলিক জীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার স্পষ্ট সাংবিধানিক ঘোষণা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান — এটি সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা আইনের সমতার অধিকার নিশ্চিত করে।
B) সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদের বিধান।
C) সকল নাগরিকের চাকুরি লাভের সুযোগ — এটি সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগের কথা বলে।
D) জীবন ও ব্যক্তিস্বাধনিতার অধিকার — এটি সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা প্রদান করে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ মানেই বৈষম্যহীনতা এবং ২৮ এর ২ ধারা মানেই নারী ও পুরুষের সমান অধিকার।
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলের নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ এবং এটি একটি প্রাচীন জনপদ বা রাজ্য ছিল।
- বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ হলো বর্তমান বরিশাল অঞ্চলের ঐতিহাসিক নাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাল্লীপ — এটি প্রাচীন কোনো জনপদ বা চন্দ্রদ্বীপের নাম নয়।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ উপজেলা, চন্দ্রদ্বীপ নয়।
C) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ এই অঞ্চলেই অবস্থিত ছিল।
D) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি প্রাচীন দ্বীপ, চন্দ্রদ্বীপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
চন্দ্রদ্বীপের প্রথম অক্ষর চ এবং বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক বৈচিত্র্য মনে রেখে 'চাঁদের দেশ বরিশাল' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) Worldwide Interoperability for Microwave Access
কেন সঠিক:
- এটি একটি তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি যা দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গের মাধ্যমে এটি নেটওয়ার্ক সুবিধা নিশ্চিত করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Worldwide Interoperability for Microwave Access — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ প্রযুক্তিগতভাবে এর পূর্ণরূপ এটাই।
B) Worldwide Internet for Microwave Access — এখানে Interoperability শব্দের পরিবর্তে Internet ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রযুক্তিগত পূর্ণরূপের সঙ্গে মিলে না।
C) Worldwide Interconnection for Microwave Access — এখানে Interconnection শব্দটি ব্যবহারের কারণে এটি প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক পূর্ণরূপ নয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
WiMAX শব্দের শুরুতে W-I মানে Worldwide এবং MAX অংশটি Interoperability for Microwave Access নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: D) ২০২২ সালে
কেন সঠিক:
- ২৬তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন ২০২২ সালের ২৪ থেকে ২৫ জুন রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- করোনা মহামারির কারণে দুই বছর পিছিয়ে নির্ধারিত সময়ের পরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৯ সালে — এই সালে কোনো কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) ২০২০ সালে — করোনা মহামারির কারণে এই বছর নির্ধারিত ২৬তম সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছিল।
C) ২০২১ সালে — মহামারির পরিস্থিতির কারণে এই বছরেও সম্মেলন আয়োজন সম্ভব হয়নি।
D) ২০২২ সালে — এই বছর রুয়ান্ডার কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কমনওয়েলথ সম্মেলন সাধারণত দুই বছর পরপর হয়, তবে করোনা মহামারির কারণে ২৫তম সম্মেলন (২০১৮) থেকে ২৬তম সম্মেলন (২০২২) হতে চার বছর সময় লেগেছিল।
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা শান্তি ঘোষণা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সব নীতিগত সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি শুধু সেনাবাহিনীর প্রধান এবং রাষ্ট্রপতির অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
B) প্রতিরক্ষামন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সাধারণত এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকেন, তবে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নন।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী, কিন্তু সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নহেন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক পদের অধিকারী।
মনে রাখার টিপস:
সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বা সর্বাধিনায়ক সবসময় দেশের সাংবিধানিক প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি হন।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) জুলিও কুরী পদক
কেন সঠিক:
- বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জুলিও কুরী শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা বাঙালির জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রিডম পদক — এটি শান্তিতে অবদানের জন্য নয়, বরং এটি বিভিন্ন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক বা সামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
B) ম্যাগসেসে পদক — এটি মূলত সরকারি সেবা, সমাজসেবা বা সাংবাদিকতার মতো ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এশিয়ার ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, যা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) জওহরলাল নেহেরু পদক — এটি আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও শান্তির জন্য ভারতের দেওয়া একটি পদক, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রদান করা হয়নি।
D) জুলিও কুরী পদক — এটি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক আন্তর্জাতিক পদক।
মনে রাখার টিপস:
শান্তির দূত বঙ্গবন্ধু এবং শান্তিতে বিশ্ব শান্তি পরিষদের দেওয়া পদক হলো জুলিও কুরী। সালটি মনে রাখতে পারেন ১৯৭৩ সাল।
সঠিক উত্তর: D) একটি চিত্রশিল্প
কেন সঠিক:
- ‘মনপুরা-৭০’ হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৭০ সালের ভয়াবহ সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ধ্বংসলীলার পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক চিত্রশিল্পটি তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি উপজেলা — মনপুরা দ্বীপ ভোলার একটি উপজেলা হলেও এই নামে কোনো নির্দিষ্ট উপজেলা এখানে বোঝানো হয়নি।
B) একটি নদীবন্দর — এটি কোনো নৌপরিবহন বন্দর বা নদীবন্দর নয়।
C) একটি উপন্যাস — এটি কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস নয়, এটি একটি বিখ্যাত চিত্রশিল্প।
D) একটি চিত্রশিল্প — এটি সঠিক কারণ এটি চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পী শাহাবুদ্দিনের আঁকা ‘মনপুরা-৭০’ দেখলে মনে রাখবে এটি ১৯৭০ সালের ভয়াবহ দুর্যোগ নিয়ে তৈরি একটি বিখ্যাত চিত্রশিল্প।
সঠিক উত্তর: A) জাতিসংঘের জৈবনিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
কেন সঠিক:
- কার্টাগোনা প্রটোকল হলো জৈব নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা জীবন্ত পরিবর্তিত জীবের (GMO) নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে।
- এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ওপর আধুনিক জৈবপ্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাব রোধ করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতিসংঘের জৈবনিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জৈব নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
B) ইরাক পুনর্গঠন চুক্তি — এটি যুদ্ধপরবর্তী ইরাক পুনর্গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক প্রটোকল নয়।
C) যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো বৈধ চুক্তি — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যকার অভিবাসন বা সীমান্ত সংক্রান্ত কোনো চুক্তি নয়।
D) শিশু অধিকার চুক্তি — এটি শিশুদের অধিকার রক্ষা সংক্রান্ত জাতিসংঘ সনদ, যার সঙ্গে জৈব নিরাপত্তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
কার্টাগোনা প্রটোকল মানেই জীব ও পরিবেশের নিরাপত্তা রক্ষা।
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল এবং আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে সারা বিশ্বে এই দিনটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল।
B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এটি ক্রিসমাসের আগের দিন এবং এই তারিখে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না।
D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা দিবস পালিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠালগ্ন মনে রাখতে ২৪ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং মাসটি অক্টোবর ধরুন।
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ভারত
কেন সঠিক:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমানা রেখা, যা ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছিল।
- ব্রিটিশ ভারতের বৈদেশিক সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারে এই সীমান্ত রেখার নামকরণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও পাকিস্তান — এই দেশের সীমানা রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত, যা ১৯৪৭ সালে নির্ধারিত হয়।
B) চীন ও ভারত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিচিত।
C) চীন ও রাশিয়া — চীন ও রাশিয়ার সীমান্ত সম্পূর্ণ আলাদা এবং এর সাথে ম্যাকমোহন লাইনের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — এই দেশের সীমানা লাইন অব কন্ট্রোল বা ডুরান্ড লাইন হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাকমোহন নামের সাথে চীন ও ভারতের সীমান্ত মনে রাখতে হেনরি ম্যাকমোহন এবং হিমালয় অঞ্চলের সীমানা মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) কাবাডি
কেন সঠিক:
- কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা এবং এটি গ্রামীণ জনপদে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী দলীয় খেলা।
- ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর কাবাডি খেলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুটবল — ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা নয়।
B) ক্রিকেট — ক্রিকেট বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা নয়।
D) ব্যাডমিন্টন — ব্যাডমিন্টন বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় একটি ইনডোর খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা মনে রাখতে কাবাডি শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি আমাদের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী মাটি ও মানুষের খেলা।
সঠিক উত্তর: B) ডায়নামো
কেন সঠিক:
- ডায়নামো বা জেনারেটর ফ্যারাডের তাড়িতচৌম্বকীয় আবেশ সূত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- ঘূর্ণন গতি বা যান্ত্রিক শক্তিকে এই যন্ত্র তড়িৎ প্রবাহে পরিণত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রান্সফরমার — এটি তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়, কিন্তু যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে না।
B) ডায়নামো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
C) বৈদ্যুতিক মটর — এটি ডায়নামোর ঠিক বিপরীত কাজ করে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
D) হুইল — এটি একটি সাধারণ যান্ত্রিক যন্ত্রাংশ বা চাকা, যা গতির সঞ্চালন বা ভার বহনে ব্যবহৃত হয় কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে না।
মনে রাখার টিপস:
ডায়নামো মানে দিতে হয় গতি (যান্ত্রিক শক্তি), পাওয়া যায় বিদ্যুৎ। আর মোটরে দিলে বিদ্যুৎ, পাওয়া যায় গতি।
সঠিক উত্তর: D) ১২ মে, ২০১৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ সালের ভোরে আমেরিকার ফ্লোরিডা থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট, যা কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ মে, ২০১৮ — এই তারিখে আবহাওয়াগত বা অন্য কারণে উৎক্ষেপণ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
B) ১০ মে, ২০১৮ — এই তারিখে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়।
C) ১১ মে, ২০১৮ — এই তারিখে উৎক্ষেপণের কাউন্টডাউন শুরু হলেও কারিগরি কারণে তা সম্পন্ন হয়নি।
D) ১২ মে, ২০১৮ — এই তারিখে সফলভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
মে মাসের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হয়।
সঠিক উত্তর: A) ৪টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় মনোগ্রামে মোট চারটি তারকা চিহ্ন রয়েছে।
- এই চারটি তারকা সংবিধানের চার মূল নীতি অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মনোগ্রামে ঠিক চারটি তারকা রয়েছে যা সংবিধানের চার নীতি প্রকাশ করে।
B) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ মনোগ্রামে পাঁচটি তারকা থাকে না।
C) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয়টি তারকা বাংলাদেশের মনোগ্রামের ডিজাইনে অনুপস্থিত।
D) ২টি — এই অপশনটি ভুল কারণ তারকা চিহ্নের সংখ্যা দুটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি, তাই মনোগ্রামের তারকার সংখ্যাও চারটি।
সঠিক উত্তর: C) ইংল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ২০১৯ সালের দ্বাদশ পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- উক্ত টুর্নামেন্টে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দল নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না, তবে ২০২৩ সালের পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল আয়োজক ছিল।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না এবং এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত একা কোনো পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) ইংল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট যৌথভাবে নিউজিল্যান্ডের সাথে আয়োজন করেছিল, ২০১৯ সালের নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিকেট খেলার জন্মস্থান ইংল্যান্ড, তাই ২০১৯ সালের বিশ্বকাপেও তারাই সফল আয়োজক ও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ জাতীয় মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
- জলবায়ু এবং ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে পাহাড়ি এই নদীতে প্রতিবছর বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে মা মাছ প্রচুর পরিমাণে ডিম পাড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলি — এটি একটি প্রধান নদী এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এটি কোনো প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র নয়।
B) তিতাস — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের একটি পরিচিত নদী হলেও এটি মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত বা খ্যাত নয়।
C) গোমতি — এটি ত্রিপুরার ওপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা একটি পাহাড়ি নদী এবং এটি প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়।
D) হালদা — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার অনন্য স্থান হিসেবে হালদা নদীকে বাংলাদেশের মৎস্য ভান্ডারের মাতৃগর্ভ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) বেলজিয়াম
কেন সঠিক:
- ওয়াটারলু বর্তমান বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের দক্ষিণে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই স্থানে বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি এশিয়ায় অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং ওয়াটারলু যুদ্ধের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) মরক্কো — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি দেশ এবং এটি ওয়াটারলু যুদ্ধের ভৌগোলিক অবস্থানের বাইরে।
D) তুরস্ক — এটি এশিয়া ও ইউরোপের সীমান্তবর্তী একটি দেশ এবং ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধের স্থান এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধের স্থান ওয়াটারলু মনে রাখতে বেলজিয়ামের নাম মনে রাখুন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) মাউং মাউং
কেন সঠিক:
- মিয়ানমারের রাজনীতি ও সামরিক শাসনামলে জেনারেল মাউং মাউং রোহিঙ্গা মুসলিম নিধন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।
- ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিকভাবে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী তিনি এই নৃশংস অভিযানের অন্যতম প্রধান সামরিক নেতৃত্ব প্রদানকারী হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুং মই — এই নামের কোনো ঐতিহাসিক বা সামরিক ব্যক্তিত্ব রোহিঙ্গা নিধনে প্রধান নেতৃত্বের জন্য পরিচিত নন।
B) উথান — উ থান্ট ছিলেন জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব, যিনি মিয়ানমারের একজন প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ ছিলেন কিন্তু এই নিধনের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) সুচি — অং সান সু চি রাজনৈতিক নেত্রী ছিলেন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিলেও তিনি সরাসরি সামরিক জেনারেল ছিলেন না।
D) মাউং মাউং — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা মিয়ানমারের সেই সময়ের সামরিক নেতৃত্বকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গা নিধনে নেতৃত্বদানকারী জেনারেলের নামের ক্ষেত্রে 'মাউং মাউং' নামটি মনে রাখতে হবে যিনি সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) ওয়াশিংটন
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফ একটি বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থা, যার সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান শাখা হলো এই সংস্থা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তরের অবস্থান, তাই আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের সদর দপ্তর হিসেবে এটি সঠিক নয়।
B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, আইএমএফের নয়।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, আইএমএফের নয়।
D) ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বড় আর্থিক সংস্থা যেমন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৬টি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকাশিত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৮ অনুযায়ী ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৬তম।
- শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে এই সূচক তৈরি করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২৬টি — এটি ২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল না, এটি ভুল তথ্য।
B) ১৩৬টি — এটি ২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান।
C) ১৩৯টি — এটি অন্য কোনো বছরের সূচক বা ভুল তথ্য নির্দেশ করে।
D) ১৪৫টি — এটি ২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ ১৩৬তম অবস্থানে ছিল, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১ থেকে ৬ পর্যন্ত ক্রম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- এই সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ সালে — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়নি, তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্বাসনে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছিল।
B) ১৯৭৩ সালে — এই সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার সদস্যপদ পেলেও পূর্ণাঙ্গ সাধারণ সদস্যপদ লাভ করেনি।
D) ১৯৭৫ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বছর।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীনতার প্রায় তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়, যেখানে প্রথম সংখ্যা তিন এবং সালটি বাহাত্তরের দুই বছর পর অর্থাৎ চুয়াত্তর সাল।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭৩ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে তার দল নিরঙ্কুশ জয়লাভ করার পর তিনি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল নেই।
B) তাজউদ্দিন আহমদ — তিনি যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী নন।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গঠিত প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন।
D) আতাউর রহমান খান — তিনি পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন দেশের প্রথম সরকারে সর্বেসর্বা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাই প্রথম প্রধানমন্ত্রীও তিনিই।
সঠিক উত্তর: B) ৭২ বছর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ সালে দেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ বছর।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের উন্নতির ফলে সে সময়ে মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির কারণে গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৮ বছর — এটি ২০১৮ সালের আগের বছরের তুলনামূলক কম গড় আয়ু নির্দেশ করে, যা তৎকালীন সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ৭২ বছর — এটি ২০১৮ সালের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো নির্ধারিত সঠিক গড় আয়ু।
C) ৭৮ বছর — এটি ২০১৮ সালের প্রেক্ষাপটে অনেক বেশি এবং অবাস্তব একটি প্রাক্কলন।
D) ৮২ বছর — এটি উন্নত বিশ্বের কোনো কোনো দেশের গড় আয়ু নির্দেশ করে, যা সে সময় বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ধীরে ধীরে বেড়ে ২০১৮ সালে ৭২ বছরে উন্নীত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থান ও হিমালয়ের সান্নিধ্যের কারণে উত্তর জনপদের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী রেকর্ড অনুযায়ী শীতকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাধারণত দিনাজুপর জেলাতেই রেকর্ড করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে শীতকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
B) বগুড়া — রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা হলেও এখানে দিনাজপুরের মতো দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহের রেকর্ড সাধারণত থাকে না।
C) শেরপুর — এটি একটি উত্তর ভারতীয় সীমান্তবর্তী জেলা হলেও চরম শীতের ক্ষেত্রে এটি শীর্ষস্থান দখল করে না।
D) গাজীপুর — এটি মধ্যাঞ্চলের জেলা হওয়ায় এখানে ভৌগোলিক কারণে শীতের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশ কম থাকে।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরের হিমেল হাওয়া, শীতে কাঁপে দিনাজপুর গ্রাম ও শহর।
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর
কেন সঠিক:
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব প্রদান করে।
- দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ও সেবার উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয়ের ওপর এই কর আদায় করা হয় বিধви এটি সরকারি আয়ের প্রধান উৎস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়কর — এটি সরকারি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও বর্তমানে পরোক্ষ কর বিশেষ করে ভ্যাট থেকে সরকার সবচেয়ে বেশি রাজস্ব পায়।
B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) আমদানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর ধার্য করা হয় এবং এর মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পেলেও এটি ভ্যাটের মতো প্রধান উৎস নয়।
D) বিক্রয় কর — এটি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং বর্তমান কর কাঠামোর অধীনে এটি এককভাবে ভ্যাটের চেয়ে কম রাজস্ব দেয়।
মনে রাখার টিপস:
সরকারি আয়ে সর্বোচ্চ অবদানের দিক থেকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর সর্বদা প্রথমে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) অধিকরণ কারক
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে খিলিপান পানের ভেতর ওষুধ রেখে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে যা স্থান বা ক্ষেত্র নির্দেশ করে।
- ক্রিয়ার আধার বা ক্ষেত্রকে অধিকরণ কারক বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ক্রিয়ার সংঘটিত হওয়ার স্থান, কাল বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে।
- বাক্যে খিলিপান হলো ওষুধ সেবনের মাধ্যম বা ক্ষেত্র।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঘে বনে থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে হলো স্থান, তাই এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে।
ব্যাখ্যা: সকালে হলো সময়, তাই এটি অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) করণ কারক — করণ অর্থ সাহায্য বা মাধ্যম। এখানে পান ওষুধ খাওয়ার ক্ষেত্র, সাহায্যকারী যন্ত্র নয়।
B) অপাদান কারক — অপাদান অর্থ বিচ্যুতি, জাত বা দূরত্ব বোঝায়। এখানে কোনো কিছু বিচ্যুত হয়নি।
D) কর্মকারক — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তা কর্ম। এখানে পান কর্ম নয়, ক্ষেত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোথায়, কখন বা কোন বিষয়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তা প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
- স্থান, পাত্র বা ক্ষেত্র বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় বাক্যের মূল ক্রিয়ার সঙ্গে কোথায় বা কোন ক্ষেত্রে প্রশ্ন করতে হবে।
- আধার বা ক্ষেত্র বোঝালে তা সব সময় অধিকরণ কারক হবে।
সঠিক উত্তর: A) মস্যাধার
কেন সঠিক:
১. মস্যাধার শব্দটি সাধারণ স্বরসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে এবং এটি নিপাতনে সিদ্ধ নয়।
২. এই শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো মসি + আধার, যা ই কার এবং আ কার মিলে য ফলা হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. যে সকল সন্ধি সাধারণ ব্যাকরণের কোনো নিয়ম বা সূত্র মানে না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
২. বাংলা ব্যাকরণে স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির কিছু শব্দ কোনো নিয়ম না মেনে প্রাকৃত নিয়মেই সাধিত হয়।
৩. যেমন, পরি + ছাদ = পরিচ্ছদ, এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মস্যাধার — এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয় বরং সাধারণ ই-কার ও আ-কার যুক্ত স্বরসন্ধির নিয়ম অনুসারে গঠিত শব্দ।
B) অন্যান্য — এটি অন্য + অন্য মিলে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ যা কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না।
C) মার্তণ্ড — এটি মার্ত + ণ্ড মিলে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি যার কোনো সাধারণ ব্যাকরণগত সূত্র নেই।
D) কুলটা — এটি কুল + অটা মিলে গঠিত একটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি যা বিশেষ নিয়মে সাধিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
১. যেসব শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ করার পর সাধারণ কোনো নিয়ম খুঁজে পাওয়া যায় না, সেগুলোই সাধারণত নিপাতনে সিদ্ধ হয়।
২. কুলটা, মার্তণ্ড, অন্যান্য, গোষ্পদ, পতঞ্জলি ইত্যাদি শব্দগুলো বারবার অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে সহজে চেনা যায়।
সঠিক উত্তর: B) ঠাকুরানি
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু শব্দের সাথে বিশেষ প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীলিঙ্গবাচক শব্দ গঠন করা হয়। ‘ঠাকুর’ শব্দের সাথে ‘আনি’ প্রত্যয় যুক্ত করে সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ ‘ঠাকুরানি’ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পুরুষবাচক শব্দকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তর করার বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। তৎসম, অর্ধ-তৎসম ও তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে পংলিঙ্গবাচক শব্দের শেষে ‘আনি’, ‘আণী’, ‘নী’, ‘আই’ ইত্যাদি প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়। ‘ঠাকুর’ একটি বিশেষ শব্দ যার স্ত্রীলিঙ্গ রূপ গঠনে ‘আনি’ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকর
ব্যাখ্যা: চাকর শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ চাকরানি, যা একই প্রত্যয় যোগে গঠিত।
উদাহরণ ২: ঠাকুরপো
ব্যাখ্যা: ঠাকুরপো শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ ঠাকুরঝি, যা অন্য একটি নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঠাকুরাইন — এই বানানটি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে সঠিক নয় এবং এটি কথ্যরূপে ব্যবহৃত হলেও ব্যাকরণগতভাবে অনুমোদিত নয়।
B) ঠাকুরানি — এটি প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক এবং এটিই পরীক্ষাসমূহে উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়।
C) ঠাকুরণী — বানানে দীর্ঘী ব্যবহার করায় এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল রূপ হিসেবে গণ্য হয়।
D) ঠাকুরণি — এখানে রসিকার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক প্রমিত রূপের সাথে মিলে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ঠাকুর শব্দের সাথে শুধু ‘আনি’ যুক্ত করলেই সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ পাওয়া যায়। বানানের শেষে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার না করে সবসময় হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিঙ্গান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। শব্দের শেষে ‘আনি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন ঠাকুর থেকে ঠাকুরানি এবং চাকর থেকে চাকরানি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সারী
কেন সঠিক:
সারী শব্দটির একটি নির্দিষ্ট পুরুষবাচক শব্দ রয়েছে।
এই শব্দটির পুরুষবাচক রূপ হিসেবে সার শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কিছু বিশেষ শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের নিজস্ব পুরুষবাচক রূপ থাকে।
সারী হলো পক্ষীবিশেষ, যার পুরুষবাচক জোড়া হলো সার।
যেমন— সার ও সারী মিলেই এক জোড়া পাখি বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাই — এটি কেবল স্ত্রীবাচক শব্দ এবং এর কোনো প্রচলিত পুরুষবাচক শব্দ নেই।
B) এয়ো — এটি বিবাহিত নারী বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না।
D) সধবা — এই শব্দটিরও কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণে পাওয়া যায় না।
মনে রাখার টিপস:
যেসব শব্দের পুরুষবাচক রূপ নেই তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে।
তবে সারী শব্দের ক্ষেত্রে সার হলো এর ব্যতিক্রমী পুরুষবাচক রূপ।
সঠিক উত্তর: D) অনূঢ়া
১. কেন সঠিক:
যে মেয়ের বিয়ে হয়নি, তাকে এককথায় অনূঢ়া বলা হয়। এখানে 'ন' অর্থ না এবং 'উঢ়া' অর্থ বিবাহিতা, ফলে যার বিয়ে হয়নি বোঝাতে অনূঢ়া শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একাধিক পদ বা বাক্যাংশকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে পতি দ্বারা স্ত্রী পরিত্যক্তা হয়েছে — ত্যক্তপতীনা।
ব্যাখ্যা: এটি বিবাহ সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্যসংকোচন।
উদাহরণ ২: যার স্বামী ও পুত্র নেই — অনাথা।
ব্যাখ্যা: এটি নারীর সামাজিক অবস্থান নির্দেশক একটি বাক্যসংকোচন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃতবৎসা — যে নারীর সন্তান জন্ম নেওয়ার পরই মারা যায়, তাকে মৃতবৎসা বলা হয়। এটি অবিবাহিত মেয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কৃতদার — যে পুরুষের বিয়ে হয়েছে, তাকে কৃতদার বলা হয়। এটি পুরুষবাচক শব্দ এবং অবিবাহিত মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
C) অনুজা — ছোট বোনকে অনুজা বলা হয়। এটি পারিবারিক সম্পর্ক নির্দেশ করে, বৈবাহিক অবস্থাকে নয়।
D) অনূঢ়া — যার বিয়ে হয়নি, তাকে অনূঢ়া বলা হয়। এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
৫. মনে রাখার টিপস:
উঢ়া শব্দের অর্থ বিবাহিতা এবং এর পূর্বে না বোধক উপসর্গ যুক্ত হয়ে অনূঢ়া গঠিত হয়েছে। এভাবে উঢ়া মানে বিবাহিত আর অনূঢ়া মানে অবিবাহিত মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নারী ও বিবাহ সম্পর্কিত বাক্যসংকোচনগুলো প্রায়ই আসে। যেমন অনূঢ়া, মৃতবৎসা, অবূঢ়া এবং বিধবা শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।
সঠিক উত্তর: B) জিঘাংসা
১. কেন সঠিক:
- হনন বা হত্যা করার ইচ্ছাকে এককথায় জিঘাংসা বলা হয়।
- এখানে জিঘাংসা শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের অংশ।
- কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লাভ করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা: লাভ করার ইচ্ছাকে এককথায় লিপ্সা বলা হয়।
উদাহরণ ২: জয় করার ইচ্ছা
ব্যাখ্যা: জয় করার ইচ্ছাকে এককথায় জিগীষা বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লিপ্সা — এটি লাভ করার ইচ্ছাকে বোঝায়, তাই হনন করার ইচ্ছা নয়।
B) জিঘাংসা — এটি সঠিক উত্তর।
C) কৃতঘ্ন — যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না, তাকে কৃতঘ্ন বলে।
D) জিতেন্দ্রিয় — যে ইন্দ্রিয় জয় করেছে, তাকে জিতেন্দ্রিয় বলা হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- হ দিয়ে হনন এবং জিঘাংসা শব্দের অর্থ হত্যার ইচ্ছা মিলিয়ে মনে রাখবে।
- অনুরূপভাবে জয়ের ইচ্ছা হলো জিগীষা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইচ্ছাভিত্তিক বাক্য সংকোচন প্রায়ই আসে।
- যেমন জানার ইচ্ছা জিজ্ঞাসু বা জ্ঞাতা, খাওয়ার ইচ্ছা ক্ষুধাও হতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) মহাজন
১. কেন সঠিক:
খাতক শব্দটির অর্থ ঋণগ্রহীতা বা যে ব্যক্তি অন্যের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করেছে।
এর বিপরীতে যে ব্যক্তি ঋণ প্রদান করেন তাকে উত্তমর্ণ বলা হয়, তবে প্রদত্ত অপশনে মহাজন শব্দটি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে কারণ মহাজন হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি ঋণ দেন বা যিনি ধনী ও ঋণদাতা হিসেবে পরিচিত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বিপরীতার্থক শব্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
বাংলা ভাষায় ঋণ প্রদানকারী এবং ঋণগ্রহণকারী বোঝাতে বিশেষ কিছু পরিভাষা বা শব্দ জোড় ব্যবহার করা হয় যা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ক্রেতা ও বিক্রেতা
ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রয় করে, এটি একটি পারস্পরিক বিপরীতার্থক সম্পর্কের শব্দ।
উদাহরণ ২: শিক্ষক ও শিক্ষার্থী
ব্যাখ্যা: শিক্ষক শিক্ষা দান করেন এবং শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করেন, যা ভাবের দিক থেকে বিপরীতার্থক সম্পর্কের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রসারণ — এই শব্দটির অর্থ কোনো কিছু প্রসারিত করা বা বড় করা, যার সঠিক বিপরীত শব্দ হলো সংকোচন।
B) চেতন — এই শব্দটির অর্থ যার চৈতন্য বা জ্ঞান আছে, যার বিপরীত শব্দ হলো অচেতন বা জড়।
C) মহাজন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা ঋণদাতা বা খাতের বিপরীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) উত্তমর্ণ — এটি খাতক শব্দের সবচেয়ে নিখুঁত ব্যাকরণগত বিপরীত শব্দ, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে মহাজন বা উত্তমর্ণ উভয়কেই সঠিক ধরা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
খাতক মানে ঋণগ্রহীতা আর মহাজন মানে ঋণদাতা, এই দুটি শব্দ সবসময় ঋণ লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
লেনদেন মনে রাখলে খাতক ও মহাজন শব্দ দুটির বিপরীত সম্পর্ক খুব সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিপরীতার্থক শব্দ নির্বাচনে কখনো কখনো একাধিক সমার্থক শব্দ থাকতে পারে, তাই পরীক্ষার বোর্ডের প্রমিত উত্তর মাথায় রাখতে হবে।
ঋণ সংক্রান্ত শব্দ যেমন খাতক, মহাজন, উত্তমর্ণ ও অধমর্ণ শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সাপ
১. কেন সঠিক:
- ‘অহি’ একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ সাপ, উরুগ বা ভুজঙ্গ।
- সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা শব্দার্থ বিচারে ‘অহি’ বলতে সাধারণভাবে বিষধর সরীসৃপ বা সাপকে বোঝানো হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দার্থ বা সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন।
- প্রমিত বাংলা শব্দভাণ্ডারে ‘সাপ’ বোঝাতে অহি, ভুজঙ্গ, উরগ, নাগ, ফণী ও ব্যাল শব্দগুলো সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অহিনকুল
ব্যাখ্যা: অহি অর্থাৎ সাপ এবং নকুল অর্থাৎ নেউল। এই দুটি পশুর মধ্যে চিরশত্রুতা বোঝাতে এই দ্বন্দ্ব সমাসটি ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: অহীন্দ্র
ব্যাখ্যা: অহি যুক্ত ইন্দ্র অর্থাৎ সাপদের রাজা বা বাসুকি নাগকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অচল — এই শব্দের অর্থ যা চলে না বা পর্বত, যা সাপের সমার্থক নয়।
B) সাপ — এটি সঠিক উত্তর যা অহি শব্দের সমার্থক হিসেবে সরাসরি মিলে যায়।
C) চাঁদ — এই শব্দের অর্থ চন্দ্র বা শশধর, যা সাপের সমার্থক নয়।
D) দিন — এই শব্দের অর্থ দিবস বা বার, যা সাপের সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অহি মানে সাপ এবং কুল মানে নেউল, এই দুটি শব্দ একসাথে মনে রাখলে অহি শব্দের অর্থ সহজে মনে থাকে।
- সাপ বোঝাতে অহি, নাগ এবং ফণী এই তিনটি শব্দ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একসঙ্গে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- সংস্কৃতে অহি শব্দের অর্থ এবং এর থেকে তৈরি হওয়া বাগধারা বা শব্দ যেমন অহিনকুল সম্পর্কে ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) হিমাংশু
১. কেন সঠিক:
হিমাংশু শব্দের অর্থ চাঁদের আলো বা হিম বা ঠান্ডা রশ্মি ধারণ করে যে, অর্থাৎ চাঁদ।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং হিমাংশু শব্দটি চাঁদের একটি অত্যন্ত প্রচলিত ও ধ্রুপদী সমার্থক শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
শব্দের উৎস ও সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে হিমাংশু একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।
হিম এবং অংশু মিলে হিমাংশু গঠিত হয়েছে, যেখানে হিম অর্থ ঠান্ডা এবং অংশু অর্থ রশ্মি বা কিরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সুধাকর
ব্যাখ্যা: সুধা বা অমৃত বর্ষণ করে যে, তাই সুধাকর হলো চাঁদের আরেকটি বিখ্যাত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা: শশের বা খাগড়ার মতো অঙ্ক বা দাগ যার গায়ে আছে, সেই অর্থে চাঁদকে শশাঙ্ক বলা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিমাংশু — এটি চাঁদের সঠিক সমার্থক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
B) সবিতা — এই শব্দটির অর্থ সূর্য, যা চাঁদের সমার্থক শব্দ নয়।
C) চিকুর — এই শব্দটির অর্থ চুল বা কেশ, যা চাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
D) শৈল — এই শব্দটির অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা চাঁদের সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
চাঁদের সাথে ঠান্ডা বা হিম যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত চাঁদের সমার্থক হয়, যেমন হিমাংশু, হিমাংশু, সুধাকর।
সূর্য এবং চাঁদের সমার্থক শব্দগুলো আলাদা করে তালিকা তৈরি করে পড়লে পরীক্ষার হলে কনফিউশন দূর হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চাঁদ, সূর্য, আকাশ, নদী ও সমুদ্রের সমার্থক শব্দগুলো সবচেয়ে বেশিবার পুনরাবৃত্তি হয়।
তৎসম শব্দের গঠন এবং ব্যাসবাক্যভিত্তিক সমার্থক শব্দগুলো ভালো করে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) প্রগতি
১. কেন সঠিক:
- প্রাদি সমাস হলো এমন একধরনের অব্যয়ীভাব সমাস, যেখানে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি প্রাদি বা উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে সমাস গঠিত হয়।
- প্রগতি শব্দটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত হয়েছে এবং এর ব্যাসবাক্য হলো প্রকৃষ্ট গতি = প্রগতি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা প্রাদি পূর্বে বসে এবং বিশেষ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করে তাকে প্রাদি সমাস বলে।
- এই সমাসে পূর্বপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং সমস্তপদটি অব্যয় পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরাজয়
ব্যাখ্যা: পরা উপসর্গ যোগে গঠিত প্রাদি সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ হলো পরাজয় যার ব্যাসবাক্য হলো প্রকৃষ্ট জয় বা জয়ের অভাব।
উদাহরণ ২: পরিপাক
ব্যাখ্যা: পরি উপসর্গ যোগে গঠিত প্রাদি সমাসের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ হলো পরিপাক যার ব্যাসবাক্য হলো সম্যকরূপে পাক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গৃহস্থ — এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যার ব্যাসবাক্য গৃহে বা যে গৃহে বাস করে।
B) ছা-পোষা — এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্গত একটি শব্দ যার অর্থ অত্যন্ত সাধারণ বা দরিদ্র জীবনযাপনকারী।
C) শতাব্দী — এটি দ্বিগু সমাসের উদাহরণ কারণ এর পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদটি দ্বারা সমাহার বোঝায়।
D) প্রগতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্র উপসর্গ যোগে গঠিত প্রাদি সমাসের উদাহরণ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাদি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শুরুতে প্র, পরা, পরি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ থাকা এবং তা কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণের পূর্বে বসে অব্যয় ভাব সৃষ্টি করা।
- পরীক্ষার হলে অপশনে প্র, পরা বা পরিযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে প্রাদি সমাসের কথা চিন্তা করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত অব্যয়ীভাব সমাস বা প্রাদি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- প্রগতি, পরাজয়, পরিপাক এই শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও সমাসের নাম বারবার চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি
১. কেন সঠিক:
- পারস্পরিক বা একে অপরের মধ্যে কোনো ক্রিয়া বা কাজ সম্পন্ন হলে তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- কানে কানে যে কথা অর্থাৎ কানাকানি একটি পারস্পরিক কার্য বোঝায়, তাই এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে পদ দুটির মধ্যে পারস্পরিক অর্থে আ বা ই প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে।
- এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়েই বিশেষ্য পদ হয়ে একই জাতীয় ক্রিয়ার পারস্পরিক আদান-প্রদান বোঝায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: দুটি হাতের পারস্পরিক লড়াই বা যুদ্ধ বোঝাতে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়েছে।
উদাহরণ ২: চুলে চুলে যে বাঁধন = চুলোচুলি
ব্যাখ্যা: চুল ধরে টানাটানির পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝাতে এই সমাস গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমানাধিকরণ বহুব্রীহি — এই সমাসে পূর্বপদ বিশেষ্য এবং পরপদ বিশেষণ হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি — এটি সঠিক অপশন এবং পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
C) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ ও পরপদ কোনটিই যদি বিশেষণ না হয়, তবে তাকে ব্যধিকরণ বলে।
D) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি — ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লোপ পেলে মধ্যপদলোপী হয়, যা এখানে হয়নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাপড়া বা মারামারি জাতীয় শব্দ দেখলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস নির্বাচন করবে।
- শব্দের শেষে আ বা ই ধ্বনি থাকলে এবং তা দুটি পদের পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝালে তা ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় হাতাহাতি, কানাকানি, গালাগালি শব্দগুলো প্রায়ই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হিসেবে আসে।
- পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত শব্দ দেখলে সবসময় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের কথা মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) পদ
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলা হয়।
- প্রাতিপাদিক বা শব্দের সঙ্গে কারক বোঝাতে যখন বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন তা বাক্যে ব্যবহারের যোগ্যতা অর্জন করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপাদিক বা মূল শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে স্থান পাওয়ার মাধ্যমেই কেবল একটি শব্দ পদে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রধানত পাঁচ প্রকার, যেমন বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম + দ্বারা = রহিম দ্বারা
ব্যাখ্যা: নাম শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে এটি একটি পদে পরিণত হয়েছে যা বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম + এ = কলমে
ব্যাখ্যা: শব্দটির সঙ্গে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে এটি একটি পদ হিসেবে বাক্যে স্থান পেয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুই পদ হিসেবে পরিচিত।
B) প্রাতিপাদিক — এটি বিভক্তিহীন নাম শব্দের মূল রূপ, তাই একে সরাসরি পদ বলা যায় না।
C) অক্ষর — এটি উচ্চারণের একক, শব্দের অর্থ বা বিভক্তির সঙ্গে এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
D) বাক্য — এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশকারী পદો সমষ্টি, কেবল একটি বিভক্তিযুক্ত শব্দ একা বাক্য হতে পারে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
শব্দ পেলেই পদ নয়, বিভক্তি পেলে তবেই জয়। অর্থাৎ শব্দে বিভক্তি যোগ করলেই তা পদ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ ও পদের পার্থক্য সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। মনে রাখতে হবে, বিভক্তি যুক্ত না হলে কোনো শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে গণ্য হয় না।
সঠিক উত্তর: D) শূন্য
কেন সঠিক:
- অপ্রাণিবাচক বা জড়বস্তুর কর্মকারক বোঝাতে বিভক্তির প্রয়োজন হয় না।
- বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অপ্রাণিবাচক শব্দে সাধারণত শূন্য বিভক্তি যুক্ত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কর্মকারকে প্রাণিবাচক শব্দের উত্তর কে বা রে বিভক্তি যুক্ত হয়।
- অপ্রাণিবাচক শব্দের ক্ষেত্রে কর্মকারকে কোনো দৃশ্যমান বিভক্তি থাকে না, তাই তা শূন্য বিভক্তি হয়।
- যেমন: ভাত খাও, এখানে ভাত অপ্রাণিবাচক কর্ম এবং শূন্য বিভক্তিযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কে — এটি সাধারণত প্রাণিবাচক শব্দের উত্তর কর্মকারকে ব্যবহৃত হয়।
- B) রে — এটিও প্রাণিবাচক শব্দের উত্তর দ্বিতীয় বা চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে বসে।
- C) তে — এটি মূলত সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন যা স্থান বা কাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- D) শূন্য — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
- প্রাণ থাকলে কে বা রে, প্রাণ না থাকলে শূন্য বিভক্তি দেবে।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনি
কেন সঠিক:
- মানুষের মুখ থেকে নিসৃত বায়ুর সাহায্যে যে আওয়াজ বা শব্দ উৎপন্ন হয়, তাকে ধ্বনি বলা হয়।
- ধ্বনি হলো ভাষার মূল বা ক্ষুদ্রতম একক, যা দিয়ে ভাষার অন্যান্য উপাদান গঠিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যাকরণ অনুযায়ী, ভাষা মূলত ধ্বনির ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং ধ্বনি লিখিত রূপ পায় বর্ণের মাধ্যমে।
- মুখের কথা বা ধ্বনি হলো ভাষার প্রাণ, যার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করা হয়।
- যেমন: অ, আ, ক, খ ইত্যাদি হলো ধ্বনির উদাহরণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
- B) শব্দ — এটি একাধিক ধ্বনির মিলনে তৈরি হয়, তাই এটি মূল উপাদান নয়।
- C) বাক্য — এটি একাধিক শব্দের সুবিন্যস্ত রূপ, যা অনেক বড় একক।
- D) অর্থ — এটি ভাষার ভাব প্রকাশ করে, কিন্তু কাঠامোগত মূল উপাদান ধ্বনি।
মনে রাখার টিপস:
- মূল উপাদান বললে সবসময় ক্ষুদ্রতম একক অর্থাৎ ধ্বনি বা বর্ণ দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সমীভবন
১. কেন সঠিক:
প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম বিশেষ করে সমীভবন প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে সাধিত হয়।
এ ক্ষেত্রে একটি ধ্বনি অন্য ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে তার সমতা লাভ করে বা কাছাকাছি রূপ ধারণ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সন্ধি বাংলা ব্যাকরণের নিজস্ব নিয়মে ও প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে বিবর্তিত হয়েছে তাকে প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি বলে।
সমীভবন প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে মিলে যায় এবং ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যাপকভাবে কার্যকর হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পিন + ফল = পিমফল
ব্যাখ্যা: এখানে ন ধ্বনি ফ ধ্বনির প্রভাবে ম ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়ে সমীভবন সাধিত করেছে।
উদাহরণ ২: জন্ম = জম্ম
ব্যাখ্যা: এখানে র-ফলা বা যুক্তবর্ণের প্রভাবে ধ্বনির পারস্পরিক পরিবর্তন ঘটে সমীভবন সম্পন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমীভবন — এটি সঠিক কারণ প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি এই ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে সম্পাদিত হয়।
B) বিষমীভবন — দুটি একজাতীয় ধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্নতা অর্জন করাকে বিষমীভবন বলে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির মূল নিয়ম নয়।
C) অপিনিহিতি — পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিকে অপিনিহিতি বলে, যা স্বরধ্বনির পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
D) অসমীকরণ — দুটি একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়াকে অসমীকরণ বলে, যা সন্ধির নিয়ম নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জনসন্ধি চেনার সহজ উপায় হলো ধ্বনির পারস্পরিক মিল বা সমীভবন খেয়াল করা।
সমীভবন মানেই হলো সমান বা কাছাকাছি ধ্বনিতে পরিণত হওয়া।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃত বাংলা সন্ধি এবং তৎসম সন্ধির পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।
নিয়মগুলো ভালোভাবে আত্মস্থ করলে এ ধরনের ব্যাকরণ সহজে সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: A) ধ্বনিতত্ত্বে
কেন সঠিক:
- সন্ধির মূল কাজ দুটি ধ্বনির মিলন ঘটানো, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বর্ণ বা ধ্বনির উচ্চারণ সহজ ও মধুর করা ধ্বনিতত্ত্বের কাজ, এবং সন্ধি এই কাজটি করে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব বিধান, ষত্ব বিধান এবং সন্ধি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- সন্ধিতে পদের অর্থ পরিবর্তনের চেয়ে ধ্বনির রূপান্তর ও মিলন বেশি ঘটে।
- যেমন: হিম + আলয় = হিমালয়, এখানে অ এবং আ মিলে আ ধ্বনি তৈরি হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ধ্বনিতত্ত্বে — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে ধ্বনির পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা হয়।
- B) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দগঠন, পদ, কারক এবং বচন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্যের গঠন এবং জ্যোতিচিহ্ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- D) অর্থতত্ত্বে — অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থ, বাগধারা এবং সমার্থক শব্দ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
- সন্ধি মানেই ধ্বনি বা বর্ণের মিলন, তাই এটি সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: C) শুভ কামনা
১. কেন সঠিক:
- In the good look ইংরেজি ভাষা থেকে আগত একটি অভিব্যক্তি যার অর্থ কারো প্রতি শুভকামনা জানানো।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বিদেশী বা প্রমিত শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি পারিভাষিক বা অর্থগত প্রশ্ন যা শব্দের ভাবার্থ প্রকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- এই ধরনের শব্দ বা বাক্যাংশ সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণের নিয়মের আওতাভুক্ত না হলেও এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বুঝতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: Best of luck
ব্যাখ্যা: এই ইংরেজি বাক্যাংশটির বাংলা অর্থ হলো শুভকামনা বা তোমার জন্য ভালো চাওয়া।
উদাহরণ ২: Good speed
ব্যাখ্যা: এই অভিব্যক্তিটির অর্থ যাত্রায় সাফল্য বা শুভকামনা জানানো।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুন্দর দেখাতে — এই অর্থটি সরাসরি সৌন্দর্য প্রকাশ করে যা এই বাক্যাংশের ভাবের সঙ্গে মেলে না।
B) সুনজরে — এর ইংরেজি রূপ হলো in good graces যা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) ভালো চাই — এটি আক্ষরিক অর্থ মনে হলেও মূল ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে সঠিক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- look শব্দটিকে শুভ দৃষ্টি বা কামনার সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
- পরীক্ষার হলে আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে ভাবার্থের ওপর জোর দিতে হবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের সময় আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে ভাবানুবাদ বেশি গুরুত্ব পায়।
- এই ধরনের পারিভাষিক অর্থগুলো বিসিএস বা অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য নিয়মিত চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) মানুষ তার নিজ জীবনের স্থপতি
কেন সঠিক:
- ইংরেজি বাক্যের প্রতিটি শব্দের যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ অর্থ এই অপশনে প্রকাশ পেয়েছে।
- Man শব্দের অর্থ মানুষ, architect শব্দের অর্থ স্থপতি এবং own life শব্দের অর্থ নিজ জীবন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ইংরেজি possessive pronoun own-এর সঠিক বাংলা রূপান্তর হলো নিজ বা নিজস্ব।
- এই প্রবাদের মূল ভাব হলো মানুষ নিজেই তার ভাগ্য বা জীবন গঠন করে।
- যেমন: Industry is the key to success-এর সঠিক অর্থ পরিশ্রম সৌভাগ্যের চাবিকাঠি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) সঠিক উত্তর — এটি সবদিক থেকে নির্ভুল।
- B) মানুষ জীবনের স্থপতি — এখানে own শব্দের অনুবাদ নিজ বাদ পড়েছে।
- C) মানুষই জীবনের স্থপতি — এখানে extra emphasis বা জোর বোঝাতে ই ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল ইংরেজি বাক্যে নেই।
- D) মানুষ জীবনের নির্মাতা — architect শব্দের সঠিক পরিভাষা স্থপতি, এখানে নির্মাতা ব্যবহার করা কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
- ইংরেজি প্রবাদ অনুবাদের সময় শব্দের আক্ষরিক অর্থের চেয়ে ভাবানুবাদ এবং সম্পূর্ণতার দিকে বেশি নজর দিতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গোটা সাতেক আম এনো।
১. কেন সঠিক:
- এই বাক্যে সংখ্যাবাচক শব্দ বা পরিমাণবাচক শব্দের সঙ্গে 'গোটা' শব্দের ব্যবহার এবং তার অবস্থান সম্পূর্ণ ব্যাকরণসিদ্ধ।
- 'গোটা সাতেক' শব্দগুচ্ছ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ বা আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে শুদ্ধভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বচন ও পদের প্রয়োগে সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বা পরে নির্দিষ্ট কিছু শব্দ বা প্রত্যয় বসে।
- 'গোটা' শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুর পূর্ণতা বা আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের পূর্বে বসে, যেমন গোটা সাতেক, গোটা দশেক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গোটা দশেক লবঙ্গ দাও।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা দশেক' আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: গোটা পাঁচেক কলম কিনে আনো।
ব্যাখ্যা: এখানে 'গোটা পাঁচেক' প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খানা দুই কম্বল চেয়েছিলাম। — এখানে 'খানা' প্রত্যয়টি কম্বল শব্দের সঙ্গে ভুলভাবে বসেছে কারণ কম্বল বস্তুর ক্ষেত্রে 'খানা' ব্যবহার অসিদ্ধ।
B) দেশ গোটা ছারখার হয়ে গেছে। — এখানে 'গোটা' শব্দের অবস্থান ভুল জায়গায় রয়েছে, সঠিক প্রয়োগ হতো দেশটা গোটা ছারখার হয়ে গেছে।
D) কমলালেবু গোটা দুই আছে। — এখানে 'গোটা দুই' এর পরিবর্তে 'দুটি' বা 'কমলালেবু দুটি গোটা আছে' বলা উচিত ছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আনুমানিক সংখ্যা বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের আগে বা সঙ্গে 'গোটা' বসালে তা সব সময় শব্দের প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে প্রমিত নিয়মে লিখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে বাক্যের পদের বিন্যাস ও প্রত্যয়ের সঠিক ব্যবহার খেয়াল করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই পদের সঠিক প্রয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
- সংখ্যাবাচক শব্দ ও পরিমাণবাচক শব্দের সঠিক মেলবন্ধন জানলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই নির্ণয় করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) ভাগীরথী
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'ভাগীরথী' শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ-কার এবং দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
- এই নদীর নামটিতে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানান লেখার ক্ষেত্রে প্রমিত নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
- নদীবাচক অনেক শব্দের শেষে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত করার ব্যাকরণগত প্রচলন রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নদী
ব্যাখ্যা: নদীবাচক শব্দ হওয়ায় এর শেষে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়।
উদাহরণ ২: জননী
ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ এবং এর বানানে দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভাগিরথি — এই অপশনে প্রথম ও শেষ উভয় বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক বানানরীতি নয়।
B) ভাগিরথী — এই অপশনে প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
C) ভাগীরথি — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার থাকলেও শেষ বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
D) ভাগীরথী — এটি সঠিক বানান কারণ এতে উভয় স্থানে দীর্ঘ ঈ-কার রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নদীবাচক শব্দের বানানে সাধারণত দীর্ঘ ঈ-কার বসে তা মাথায় রাখবে।
- ভাগীরথী বানানটি লেখার সময় শুরুতে এবং শেষে দুটি দীর্ঘ ঈ-কার মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নদীবাচক শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
- প্রমিত বানান শেখার জন্য বাংলা একাডেমির বানান অভিধান অনুসরণ করা উচিত।
সঠিক উত্তর: A) হতভাগ্য
১. কেন সঠিক:
হাড়-হাভাতে বাগধারাটির আক্ষরিক ও প্রমিত অর্থ হলো অত্যন্ত হতভাগ্য বা যার ভাগ্যে কিছুই জোটে না।
যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থভিত্তিক বাগধারাগুলোর সরাসরি অর্থ পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে।
এখানে হাড় এবং হাভাতে শব্দের মিলনে এমন এক ব্যক্তির দশা বোঝানো হয়েছে যার ঘরে খাবার বা সম্পদের চরম অভাব রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সারাজীবন এত কষ্ট করেও তার কপালে সুখ জোটে না, সে যেন আস্ত এক হাড়-হাভাতে মানুষ।
ব্যাখ্যা: এখানে চরম দুর্ভাগ্য প্রকাশ করতে হাড়-হাভাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: অভাবের তাড়নায় হাড়-হাভাতে পরিবারটির দিন কাটছে অনাহারে ও অর্ধাহারে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চরম দারিদ্র্য ও দুর্ভাগ্যের শিকার বোঝাতে বাগধারাটির সফল প্রয়োগ ঘটেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হতভাগ্য — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বাগধারাটির মূল ভাবার্থ প্রকাশ করে।
B) নিরেট মূর্খ — এই অর্থের জন্য অকালকুষ্মাণ্ড বা গাধার ছরি বাগধারাগুলো ব্যবহার করা হয়।
C) চক্ষুশূল — এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো অত্যন্ত অপছন্দের ব্যক্তি বা চোখের বিষ।
D) নিতান্ত অলস — এই অর্থের জন্য কুম্ভকর্ণের নিদ্রা বা অকর্মণ্য বাগধারা ব্যবহার করা হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
হাভাতে শব্দের অর্থ যার ভাত জোটে না অর্থাৎ যে হতভাগ্য।
এর সাথে হাড় যুক্ত হয়ে চরম অবস্থাকে নির্দেশ করে যার অর্থ হতভাগ্য।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই দৈনন্দিন জীবনের সাথে সম্পর্কিত বাগধারার অর্থ জানতে চাওয়া হয়।
তাই বাগধারা মুখস্থ না করে এর পেছনের মূল ভাব এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অর্থের কুপ্রভাব
কেন সঠিক:
- তামার বিষ বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ তামার কোনো বিষ নয় বরং এর দ্বারা অর্থের খারাপ প্রভাবকে বোঝানো হয়েছে।
- মানুষের জীবনে অতিরিক্ত টাকা-পয়সা আসার ফলে তার নীতি ও চরিত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ার অবস্থাকে এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদপ্রতিম বাগধারা যা বিশেষ বিশেষ অর্থে বাক্যকে সমৃদ্ধ করে।
- সাহিত্য ও দৈনন্দিন কথোপকথনে ধনসম্পদের প্রলোভনে মানুষের নৈতিকতা হারানোর প্রসঙ্গ বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: হঠাৎ ধনী হওয়ার পর সে পুরোনো বন্ধুদের ভুলে গেল, একেই বলে তামার বিষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অহংকার — অহংকার অর্থে দম্ভ বা গগর বোঝায়, তামার বিষ অর্থের কুপ্রভাব প্রকাশ করে।
- B) ক্ষণস্থায়ী — ক্ষণস্থায়ী বলতে যা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না বোঝায়, যার সাথে এই বাগধারার মিল নেই।
- C) অর্থের কুপ্রভাব — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) টনক নড়া — টনক নড়া বাগধারাটির অর্থ চৈতন্য হওয়া বা হুশ হওয়া, যা অর্থের কুপ্রভাবের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
- তামা বা টাকা পয়সার কুপ্রভাব বোঝাতে তামার বিষ বাগধারাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য
১. কেন সঠিক:
বিরামচিহ্নের মূল কাজ হলো বাক্যের বিভিন্ন অংশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও ভাব ফুটিয়ে তুলে অর্থকে নির্ভুলভাবে স্পষ্ট করা।
বিরামচিহ্ন না থাকলে বাক্যের ভাব পাল্টে যেতে পারে বা পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাক্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্ন মানুষের শ্বাস নেওয়ার সুবিধা এবং বাক্যের অর্থ সহজে বোঝানোর পথ সুগম করে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখ্য ভাষায় যতিচিহ্নের সার্থক প্রবর্তন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: থামো, সে যায় নি।
ব্যাখ্যা: কমা ব্যবহারের ফলে এখানে বক্তার নিষেধ বা থামার নির্দেশ স্পষ্ট হয়েছে।
উদাহরণ ২: থামো সে যায় নি।
ব্যাখ্যা: কমা না থাকায় বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে এবং বোঝানো হয়েছে সে যায়নি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাক্য সংকোচনের জন্য — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ব্যাকরণগত প্রক্রিয়া।
C) বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য — বিরামচিহ্ন মূলত অর্থ স্পষ্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, সৌন্দর্যবর্ধন এর গৌণ কাজ।
D) বাক্যকে অলংকৃত করার জন্য — অলংকার হলো কাব্যের বাহ্যিক রূপ, যা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন থেকে আলাদা।
৫ মনে রাখার টিপস:
বিরামচিহ্নের অপর নাম যতিচিহ্ন, যা অর্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
অর্থ পরিষ্কার তো বিরামচিহ্ন নিশ্চিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা লেখ্য ভাষায় প্রথম বিরামচিহ্নের সফল ব্যবহার শুরু হয় উনিশ শতকে।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিরামচিহ্নের কাজ ও নাম সম্পর্কিত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) সেমিকোলন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য এবং বিভিন্ন পদের বিরতি বোঝানোর জন্য বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কমা অপেক্ষা বেশি কিন্তু দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদের অপেক্ষায় কম বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সেমিকোলন একটি অর্ধছেদ চিহ্ন যা সাধারণত দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা সাহিত্যে বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার প্রবর্তন করেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাল সকালে সে আসবে; কিন্তু তার ভাই আসবে না।
ব্যাখ্যা: এখানে দুটি স্বাধীন বাক্যের মাঝে সংযোগের জন্য কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি দিতে সেমিকোলন বসেছে।
উদাহরণ ২: সংসার একটি নাট্যশালা; আমরা সবাই এর অভিনেতা।
ব্যাখ্যা: এখানে ভাবের গভীর মিল থাকা দুটি খণ্ড বাক্যের মাঝখানে বিরতি বোঝাতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — এটি বাক্যের সমাপ্তি বা পূর্ণচ্ছেদ বোঝাতে বসে, যা কমা অপেক্ষা অনেক বেশি বিরতির নির্দেশ করে।
C) কোলন — এটি একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য কোনো বাক্যের অবতারণা করতে বা উদাহরণ দিতে ব্যবহৃত হয়।
D) হাইফেন — এটি দুটি শব্দের সংযোগ বা সামাজিক পদগুলোকে এক করতে ব্যবহৃত হয়, বিরতির চিহ্ন নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিরাম চিহ্নের বিরতির সময় মনে রাখার সহজ সূত্র হলো কমার চেয়ে সেমিকোলনে একটু বেশি থামতে হয়। আর সবচেয়ে বেশি থামতে হয় দাঁড়িতে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিরাম চিহ্নের মধ্যে একমাত্র সেমিকোলনই কমা অপেক্ষা বেশি এবং দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতির জন্য নির্দিষ্ট। বাংলা ব্যাকরণে বিরাম চিহ্নের এই পরিমাপ প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) তৎসম শব্দবহুল
১. কেন সঠিক:
সাধুভাষায় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি থাকে কারণ এই রীতিটি প্রাচীন ও প্রমিত ভাষারীতি মেনে চলে।
তৎসম শব্দ বেশি থাকার কারণে সাধুভাষার রূপ কিছুটা গম্ভীর ও তৎকালীয় পন্ডিত সমাজের ভাষার কাছাকাছি হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে উৎসের ভিত্তিতে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে তৎসম শব্দ অন্যতম।
সাধুভাষার ব্যাকরণগত রূপ সুনির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয় এবং এতে ক্রিয়ার রূপ পূর্ণাঙ্গ থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অত্র বিষয়টির উপর গভীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাইতেছে।
ব্যাখ্যা: বাক্যটিতে তৎসম শব্দের প্রাচুর্য সাধুভাষার রূপ ফুটিয়ে তুলেছে।
উদাহরণ ২: হিমালয় পর্বতমালা ভারতবর্ষের উত্তর সীমায় অবস্থিত।
ব্যাখ্যা: হিমালয় এবং পর্বতমালা তৎসম শব্দ যা সাধুভাষার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সহজবোধ্য — এটি সাধুভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় কারণ সাধুভাষা কৃত্রিম ও জটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে।
B) নাট্য সংলাপ ব্যবহার — সাধুভাষায় নাট্য সংলাপ ব্যবহার করা হয় না কারণ নাটকে চরিত্র অনুযায়ী চলিত ভাষা মানানসই।
C) তদ্ভব শব্দবহুল — এটি সাধুভাষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় কারণ তদ্ভব শব্দ বেশি থাকে চলিতীতিতে।
D) তৎসম শব্দবহুল — এটি সাধুভাষার প্রধান ও মৌলিক বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাধু শব্দের সাথে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের মিল রয়েছে কারণ দুটিই গুরুগম্ভীর রূপ বহন করে।
মনে রাখতে হবে যে সাধু মানেই তৎসম শব্দের আধিক্য এবং চলিত মানেই পরিবর্তনশীল ও সহজ শব্দ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিতীতির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সাধুভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো তৎসম শব্দের ব্যবহার এবং চলিত ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো তদ্ভব ও দেশি শব্দের ব্যবহার।
সঠিক উত্তর: A) circumstances favour us
কেন সঠিক:
provided একটি conditional conjunction যা if এর মতো কাজ করে এবং এর একটি অংশে Present Indefinite Tense থাকলে অন্য অংশটি Future Indefinite Tense হয়। এখানে প্রথম অংশটি shall start থাকায় পরের অংশে Present Indefinite Tense অর্থাৎ subject-এর পর মূল verb-এর present form বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) circumstances favour us — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন সম্পূর্ণ ঠিক আছে।
B) circumstances favoured us — এখানে past tense ব্যবহার করা হয়েছে যা future tense-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
C) circumstance favoured us — এখানে subject একবচন এবং past tense ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নিয়ম লঙ্ঘন করে।
D) cirumstances are favouring us — এখানে continuous tense ব্যবহার করা হয়েছে যা conditional বাক্যের সাধারণ নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
provided যুক্ত বাক্যের একপাশে Future Tense থাকলে অন্যপাশে Present Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Very few men in the world were as bad as he.
কেন সঠিক:
সুপারলেটিভ ডিগ্রির বাক্যে one of থাকলে Positive করার সময় Very few দিয়ে শুরু করতে হয়।
এর পরের অংশ men in the world বসেছে এবং subject বহুবচন হওয়ায় verb হিসেবে were ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক অপশন — এটি প্রশ্নটিতে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত আছে এবং নিয়মানুযায়ী সঠিক।
B) B অপশন — এখানে subject বহুবচন হলেও verb হিসেবে was ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) C অপশন — এখানে was ব্যবহারের পাশাপাশি as bad so he লেখা হয়েছে যা ডিগ্রির সঠিক গঠন নয়।
D) D অপশন — এখানে অতিরিক্ত not ব্যবহার করায় বাক্যটির মূল অর্থ পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Superlative বাক্যে one of the থাকলে Positive করার নিয়ম হলো Very few + plural subject + plural verb + as + positive adjective + as + subject.
সঠিক উত্তর: A) Feed the unfed.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত Passive বাক্যের subject 'The unfed' দ্বারা বিশেষ শ্রেণী বোঝায় এবং বাক্যে উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
তাই Imperative sentence-এর নিয়ম অনুযায়ী মূল verb দিয়ে বাক্যটি শুরু করতে হয়।
এখানে 'The unfed' শব্দটিকে object হিসেবে রেখে verb 'Feed' দিয়ে Active করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Feed the unfed — এটি সঠিক উত্তর।
B) We should feed the unfed — এখানে অতিরিক্ত subject 'We' ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যে ছিল না।
C) Please feed the unfed — এখানে অতিরিক্ত 'Please' শব্দ যুক্ত করা হয়েছে যার প্রয়োজন ছিল না।
D) They should be feeding the unfed — এটি Continuous tense-এ রূপান্তর করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
The-এর পর adjective বসে যখন পুরো জাতিকে বোঝায়, তখন Passive থেকে Active করার সময় মূল verb দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) Honesty is not as much as it
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি comparative ডিগ্রিতে আছে এবং এর অর্থ হলো সততার চেয়ে এটি বেশি কিছু। Positive ডিগ্রি করার সময় not less than বা not as much as গঠন ব্যবহার করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Honesty is not as much as it — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যটিকে সঠিকভাবে পজিটিভ ডিগ্রিতে রূপান্তর করেছে।
B) Honesty are not as much as it — এখানে Honesty একটি uncountable noun হওয়ায় এর পর are বসবে না, is বসবে।
C) Honesty is as much as it — এটি পজিটিভ ডিগ্রি হলেও মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল নেই কারণ এটি না বোধক নয়।
D) Honesty is less much as it — এখানে less এর পর much ব্যবহারের নিয়মটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Comparative ডিগ্রির more than-যুক্ত বাক্যকে Positive করার সময় not as much as অথবা not so much as ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) in, with
কেন সঠিক:
১. বাক্যে শান্তিতে বা মিলেমিশে থাকা বোঝাতে live in harmony প্রবাদতুল্য নিয়ম ব্যবহৃত হয়।
২. কারো সাথে মিলেমিশে থাকা বোঝাতে harmony শব্দের পরে with preposition বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।
B) with, to — harmony শব্দের পরে সঠিক preposition বসেনি।
C) in, include — include কোনো preposition নয়, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) to, with — প্রথম শূন্যস্থানে সঠিক preposition বসেনি।
মনে রাখার টিপস:
কারো সাথে মিলেমিশে থাকা বোঝাতে সবসময় in harmony with একসাথে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) drive
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'make' একটি Causative Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Causative Verb এর পর দ্বিতীয় verb টি எப்போதும் Base Form বা V1 এ বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to drive — Causative Verb এর পর কখনো infinitive অর্থাৎ to বসে না। তাই এটি সঠিক নয়।
B) driven — এখানে past participle রূপ ব্যবহৃত হয়েছে যা causative নিয়মের সাথে মিলে না।
C) drove — এটি past form হওয়ায় বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট করে।
D) drive — এটি verb এর base form এবং নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে make, let থাকলে পরের verb টি সব সময় bare infinitive হয়।
সঠিক উত্তর: A) down
কেন সঠিক:
ব্রেক ডাউন (break down) একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ ভেঙে পড়া, স্বাস্থ্য ভেঙে যাওয়া বা কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া।
এখানে বৃদ্ধ লোকটির অতিরিক্ত কাজের চাপে স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ার কথা বোঝাতে break down সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) down — এটি সঠিক উত্তর এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ার ক্ষেত্রে এটি যথাযথভাবে কাজ করে।
B) upon — ব্রেক আপন (break upon) বলতে কোনো মানসম্মত ফ্রেজাল ভার্ব নেই এবং এটি এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
C) through — ব্রেক থ্রু (break through) অর্থ জোর করে প্রবেশ করা বা বাধা অতিক্রম করা, যা এখানে স্বাস্থ্য বা চাপের সাথে মেলে না।
D) away — ব্রেক অ্যাওয়ে (break away) অর্থ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা পালিয়ে যাওয়া, যা বাক্যের স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ার ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে শরীর বা স্বাস্থ্য ভেঙে পড়া বুঝাতে সবসময় break down ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) gave up
কেন সঠিক:
- বাক্যে It is high time বা It is about time থাকলে এর পরের অংশে verb-এর পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স বা পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করতে হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে give up-এর পাস্ট ফর্ম gave up ব্যবহৃত হয়েছে, যা নিয়মটিকে সঠিকভাবে অনুসরণ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) give up — এটি verb-এর প্রেজেন্ট ফর্ম, যা It is high time কাঠামোর পরের অংশে ব্যবহারের নিয়মবহির্ভূত।
B) gave up — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই বাক্যাংশের পর verb-এর পাস্ট ফর্ম বসে।
C) given up — এটি verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম, যা সাহায্যকারী verb ছাড়া একা বসে পাস্ট টেন্স গঠন করতে পারে না।
D) should give up — It is high time-এর পর modal verb বা should ব্যবহার করার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে It is high time বা It is about time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb-এর পাস্ট ফর্ম (V2) বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) should be missed
কেন সঠিক:
বাক্যে lest থাকলে তার পরের অংশে সাধারণত should বসে।
train নিজে নিজে miss হতে পারে না, তাই বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would miss — lest এর পরে would বসা সাধারণত নিয়ম নয় এবং এটি অ্যাক্টিভ অর্থ প্রকাশ করে।
B) should be missed — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে নিয়ম মেনে should এর সাথে প্যাসিভ ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে।
C) will be missed — lest এর পরে will ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) will miss — এটি অ্যাক্টিভ অর্থ দেয়, কিন্তু train নিজে কাউকে মিস করতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest দেখলে শূন্যস্থানের পরে should এবং প্যাসিভ অর্থের জন্য be + ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) adjective
কেন সঠিক:
- 'friendly' শব্দটি বাক্যে Noun (Rohan) সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে বা তার দোষ-গুণ প্রকাশ করছে।
- Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করায় এটি Adjective হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য কোনো Adverb-কে modify করে, যা এখানে ঘটেনি।
B) noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু 'friendly' কোনো নাম বোঝাচ্ছে না।
C) adjective — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, তাই এটি এই প্রশ্নের সঠিক অপশন হিসেবে গণ্য।
D) pronoun — Pronoun হলো Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত কোনো Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে তা Adjective হয়, যেমন friendly, lovely, manly।
সঠিক উত্তর: C) inclusive
কেন সঠিক:
‘include’ শব্দটির সাথে ‘ive’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এর সঠিক বিশেষণ রূপ গঠিত হয়।
এটি বাক্যে কোনো কিছুর অন্তর্ভুক্তিমূলক ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি বাক্যে সফলভাবে একটি সফল বিশেষণ হিসেবে কাজ করতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) inclusion — এটি একটি নাউন বা বিশেষ্য পদ, যার অর্থ অন্তর্ভুক্তি।
B) includable — এটি ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী একটি সঠিক বা গ্রহণযোগ্য শব্দ গঠন নয়।
C) inclusive — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
D) includeness — এই ধরনের কোনো শব্দ ইংরেজি ভাষায় প্রচলিত নেই।
মনে রাখার টিপস:
সাধারণত যে সকল শব্দের শেষে ‘ive’ থাকে, সেগুলো ইংরেজিতে বিশেষণ বা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) The misers spend their time in hoarding money.
কেন সঠিক:
কৃপণ ব্যক্তিরা বোঝাতে plural subject হিসেবে 'The misers' ব্যবহার করা হয়েছে।
সময় কাটানো বা ব্যয় করা অর্থে 'spend time in' এবং অর্থ জমানোর ক্ষেত্রে 'hoarding money' সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The miser spends time to collect money — এখানে subject singular করা হয়েছে এবং অর্থ জমানোর ক্ষেত্রে collect-এর পরিবর্তে hoarding বসালে সঠিক হতো।
B) The misers spend time collecting money — এখানে spend-এর পরে their এবং in preposition বাদ পড়েছে যা বাক্যটিকে অসম্পূর্ণ করে তুলেছে।
C) The miser spend time in hoarding money — এখানে subject plural (misers) না হয়ে singular (miser) হওয়ায় verb-এর রূপ ভুল হয়েছে।
D) The misers spend their time in hoarding money — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কোনো জাতি বা শ্রেণীকে বোঝাতে 'The' এর সাথে plural noun বসে এবং সময় ব্যয় করার পরে in যোগ করে verb-এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Put out the lamp
কেন সঠিক:
বাতি নেভানো অর্থে ইংরেজি পরিভাষায় সবসময় 'Put out' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়।
তাই বাক্যটির সঠিক অনুবাদ হলো Put out the lamp।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Put on the lamp — Put on মানে পরিধান করা বা জ্বালানো, তাই এটি এখানে ভুল।
B) Put out the lamp — এটি সঠিক উত্তর।
C) Put off the lamp — Put off মানে মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত মূলত স্থগিত করা বা খুলে ফেলা, তাই এটি এখানে ভুল।
D) Put up the lamp — Put up মানে টাঙানো বা নির্মাণ করা, তাই এটি এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
আগুন বা বাতি নেভানোর ইংরেজি হলো Put out।
সঠিক উত্তর: B) Without doing you will die
কেন সঠিক:
প্রদত্ত প্রশ্নটি Imperative sentence-এ আছে যা দ্বারা সমজাতীয় শর্ত বোঝায়। একে Simple sentence করতে হলে Without যোগ করে verb-এর সাথে ing যোগ করতে হয় এবং পরের clause-টি লিখতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) By doing you will die — এটি অর্থের দিক থেকে ভুল কারণ কাজটি করলে মৃত্যু হবে এমন বোঝায় না।
B) Without doing you will die — এটি সঠিক উত্তর এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি পরিবর্তিত হয়েছে।
C) By doing you won't die — এটি অর্থ ও গঠন উভয় দিক থেকেই মূল বাক্যের সাথে মিলছে না।
D) Without doing you won't die — এটি ভুল কারণ কাজ না করলে মৃত্যু হবে না এমন বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Or যুক্ত Imperative sentence-কে Simple করার সময় Without + verb(ing) ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) had known
কেন সঠিক:
বাক্যে 'as though' বা 'as if' এর আগের অংশটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হলে পরের অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হয়।
এখানে 'proceeded' পাস্ট টেন্স হওয়ায় বন্ধনীর ভেতরের verb টির পাস্ট পারফেক্ট রূপ অর্থাৎ 'had known' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) knows — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের সাথে মেলে না।
B) had known — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) knew — শুধু পাস্ট টেন্স ব্যবহার করলে 'as though' এর নিয়ম পূর্ণ হয় না।
D) known — একা past participle বসলে বাক্যের ব্যাকরণগত গঠন সঠিক হয় না।
মনে রাখার টিপস:
'as though' বা 'as if' এর বাঁয়ে পাস্ট টেন্স থাকলে ডানে পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসবে।
সঠিক উত্তর: B) Work hard or you will not succeed
কেন সঠিক:
প্রদত্ত complex বাক্যটিকে compound করার জন্য or conjunction ব্যবহার করা হয়েছে।
এটি প্রথম বাক্যের একটি শর্ত পূরণ করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Without working hard and you will not succeed — এই গঠনটি grammatically সঠিক নয় কারণ Without এর পর and বসে না।
B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Work hard any you will not succeed — এখানে any শব্দের ব্যবহার সম্পূর্ণ ভুল ও অর্থহীন।
D) You work hard and will succeed — এটি বাক্যটির বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
Unless যুক্ত complex বাক্যকে compound করতে হলে if বা unless তুলে দিয়ে মাঝখানে or বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I did not laugh at him
কেন সঠিক:
বাংলা বাক্যের উপহাস করা অর্থে ইংরেজি তে সঠিক preposition যুক্ত laugh at phrase ব্যবহার করতে হয়।
এখানে অতীত নির্দেশ করতে did not ব্যবহার করা হয়েছে এবং এরপর মূল verb এর present form বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I did not laugh at him — এই অপশনটি সঠিক এবং এর অর্থ আমি তাকে উপহাস করিনি।
B) I did not laugh with him — with preposition বসালে তার সাথে হাসা বোঝায়, উপহাস করা বোঝায় না।
C) I did not laugh in him — laugh এর সাথে in preposition এর সঠিক কোনো ব্যবহার নেই।
D) I did not laugh upon him — upon preposition বসালে ব্যাকরণগত ভুল হয় কারণ সঠিক নিয়ম হলো laugh at।
মনে রাখার টিপস:
কাউকে নিয়ে উপহাস করা বা ঠাট্টা করা বোঝালে সবসময় laugh এর পরে at বসে।
সঠিক উত্তর: B) verb
কেন সঠিক:
বাক্যের কর্তা 'The girls' এর পর কাজটি সম্পন্ন করার অবস্থা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে গাছে পানি দেওয়ার কাজটি করা বোঝানো হয়েছে, যা একটি কাজ বা action বোঝায়।
তাই এটি বাক্যে মূল verb হিসেবে কাজ করেছে।
verb ছাড়া কোনো বাক্য সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) noun — এটি এখানে কোনো নাম বা বস্তু বোঝাচ্ছে না, বরং কাজটি করা বোঝাচ্ছে।
B) verb — এটি সঠিক অপশন এবং এখানে এটি কাজ করার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
C) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun এর দোষ বা গুণ বোঝাচ্ছে না।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য কোনো adverb কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
noun হিসেবে পরিচিত কোনো শব্দ যখন বাক্যে কাজ করা বোঝায়, তখন সেটি সাধারণত verb হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: A) details
কেন সঠিক:
‘Pros and cons’ একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর বাংলা অর্থ হলো কোনো বিষয়ের ভালো ও মন্দ দিক বা খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনা করা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) details — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রস অ্যান্ড কনস বাক্যাংশের মূল ভাবকে প্রকাশ করে এবং পূর্ণাঙ্গ বিবরণ বোঝায়।
B) liberate — এর অর্থ মুক্তি দেওয়া, যা প্রস অ্যান্ড কনস বাগধারাটির অর্থের সাথে একেবারেই মেলে না।
C) avoid — এর অর্থ এড়িয়ে চলা, যা এই বাগধারাটির বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
D) angry — এর অর্থ রাগান্বিত, যা প্রস অ্যান্ড কনস বাক্যাংশের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
প্রস মানে পক্ষে এবং কনস মানে বিপক্ষে, আর এই দুটির বিশদ বিবরণই হলো ডিটেইলস বা খুঁটিনাটি।
সঠিক উত্তর: B) guilt
কেন সঠিক:
guilty শব্দটির সঠিক noun রূপ হলো guilt যার অর্থ অপরাধ বা দোষ।
ইংরেজি ব্যাকরণে adjective শব্দের সাথে নির্দিষ্ট suffix যুক্ত করে noun তৈরি করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) guiltness — ইংরেজিতে guiltness বলতে কোনো শব্দের অস্তিত্ব নেই এবং এটি একটি গঠনগত ভুল রূপ।
B) guilt — এটিই সঠিক noun রূপ হওয়ায় এখানে বর্ণনার প্রয়োজন নেই।
C) guilting — এটি guilty শব্দের সাথে ing যুক্ত করে তৈরি করা ভুল একটি রূপ যা ব্যাকরণগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
D) guiltys — এটি কোনো সঠিক শব্দ নয় এবং noun তৈরির নিয়ম অনুযায়ী এর শেষে s যুক্ত করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
adjective হিসেবে guilty থাকলে তার noun form সাধারণত guilt হয়।
সঠিক উত্তর: A) It is a very excellent idea
কেন সঠিক:
এক্সক্লামেটরি বাক্যকে অ্যাসসার্টিভ করার সময় হোয়াট বা হাউ তুলে দিয়ে সাবজেক্ট ও ভার্ব প্রথমে বসে।
অতিরিক্ত গুরুত্ব বোঝাতে চমৎকার বা চমৎকারক শব্দের পূর্বে ভেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে।
B) B) B) — এখানে অতিরিক্ত ভেরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি যা অর্থকে পূর্ণ করে না।
C) C) C) — এখানে তুলনামূলক বা মোর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
D) D) D) — এখানে চমৎকার শব্দের পরিবর্তে ভালো শব্দটি বসানো হয়েছে যা মূল অর্থের পরিবর্তন করে।
মনে রাখার টিপস:
এক্সক্লামেটরি বাক্যে হোয়াট থাকলে সাবজেক্টের পর ইট ইজ এ বা এন বসিয়ে ভেরি যোগ করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) day by day
কেন সঠিক:
বাকyটিতে বাংলাদেশ দিন দিন উন্নতি লাভ করুক এমন একটি দীর্ঘস্থায়ী ও চলমান উন্নতির আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী ক্রিয়ার সাথে ধীরে ধীরে পরিবর্তনের ধারা বোঝাতে day by day ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত সঠিক ইংরেজি প্রবাদতুল্য ফ্রেজ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) day to day — এই ফ্রেজটি দৈনন্দিন বা প্রাত্যহিক কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কোনো ক্রমিক উন্নতির ক্ষেত্রে নয়।
B) day by day — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) day with day — ইংরেজিতে এই ধরনের কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণীয় ফ্রেজ বা ধারা নেই।
D) day on day — এই ফ্রেজটির অর্থ এক দিন থেকে অন্য দিন হলেও এখানে উন্নতির অর্থে এটি বেমানান।
মনে রাখার টিপস:
ক্রমশ বা ধীরে ধীরে কোনো কিছু বৃদ্ধি পাওয়া বা উন্নতির ক্ষেত্রে সবসময় day by day ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) nipped in the bud
কেন সঠিক:
'Nipped in the bud' একটি বিখ্যাত ইডিয়ম যার অর্থ হলো অঙ্কুরে বিনষ্ট হওয়া বা শুরুতেই ধ্বংস হয়ে যাওয়া।
মানুষের সমস্ত আশা যখন শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে যায়, তখন এই ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নটিতে ব্যক্তির সব আশা ধ্বংস হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তাই শূন্যস্থানে এই উপযুক্ত ইডিয়মটি বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) null and void — এর অর্থ বাতিল বা অবৈধ, যা আশa ব্যর্থ হওয়ার ক্ষেত্রে মানায় না।
B) nipped in the bud — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) out of date — এর অর্থ সেকেলে বা পুরোনো, যা এখানে অর্থ প্রকাশ করে না।
D) now and then — এর অর্থ মাঝে মাঝে, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
'Bud' অর্থ কুঁড়ি, তাই কুঁড়িতেই নষ্ট হওয়া মানেই 'nipped in the bud'।
সঠিক উত্তর: A) Noteworthy
কেন সঠিক:
Remarkable শব্দটির অর্থ অসাধারণ বা লক্ষণীয়।
Noteworthy শব্দটির অর্থও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ বা লক্ষণীয়।
তাই দুটি শব্দের অর্থ প্রায় একই হওয়ায় এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noteworthy — এটি সঠিক উত্তর।
B) Remark — এটি একটি ক্রিয়াপদ বা বিশেষ্য যার অর্থ মন্তব্য করা, যা সমার্থক নয়।
C) Praiseworthy — এর অর্থ প্রশংসনীয়, যা remarkable শব্দের সরাসরি সমার্থক নয়।
D) Memorable — এর অর্থ স্মরণীয়, যা বিশেষ কোনো ঘটনাকে বোঝায় কিন্তু এর মূল অর্থ এক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Remarkable মানে যা মার্ক বা চিহ্নিত করার মতো যোগ্য, ঠিক তেমনি Noteworthy মানে যা নোট বা মনে রাখার যোগ্য।
সঠিক উত্তর: C) scholastic
কেন সঠিক:
Academic শব্দটির অর্থ শিক্ষায়তনিক বা পঠনপাঠন সংক্রান্ত। এর সঠিক বিশেষণ রূপ বা সমার্থক শব্দ হলো scholastic।
অপশনের scholastic শব্দটি বাক্যে adjective হিসেবে Academic শব্দের সাথে পুরোপুরি মিল রাখে।
এটি একই সাথে শিক্ষা এবং পঠনপাঠন সংক্রান্ত বিষয়কে বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) scholar — এটি একটি noun যার অর্থ বিদ্বান ব্যক্তি, তাই এটি adjective শব্দের সাথে মেলে না।
B) scholared — ইংরেজি ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দের ব্যবহার বা অস্তিত্ব নেই।
D) scholastics — এটি একটি plural noun, যা এখানে adjective হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দের সমার্থক adjective খুঁজতে হলে তার মূল অংশের সাথে উপযুক্ত প্রত্যয় যুক্ত শব্দ বেছে নিতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) x + y − 1
প্রدত্ত তথ্য:
রাশিটি হলো x২ − y২ + ২y − ১
ধরি,
রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় এভাবে
x২ − (y২ − ২y + ১)
অতএব,
বন্ধনীর ভেতরের অংশ হলো y − ১ এর পূর্ণবর্গ
তাই রাশিটি দাঁড়ায় x২ − (y − ১)২
সুতরাং,
এটি a২ − b২ এর সূত্র অনুযায়ী (x + y − ১)(x − y + ১) হয়
উত্তর: x + y − ১
সঠিক উত্তর: B) ১৫ বর্গ সে. মি.
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের ভূমি = ৬ সে. মি.
ত্রিভুজের উচ্চতা = ৫ সে. মি.
ধরি,
ত্রিভুজের ভূমি = ক
ত্রিভুজের উচ্চতা = খ
অতএব,
ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো
ভূমি × উচ্চতা ÷ ২
সুতরাং,
৬ × ৫ ÷ ২
= ৩০ ÷ ২
= ১৫
উত্তর: ১৫ বর্গ সে. মি.
সঠিক উত্তর: D) ৯০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের একটি অর্ধবৃত্ত আঁকা হলো
অর্ধবৃত্তের ওপর একটি কোণ তৈরি করা হলো
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র হলো বিন্দু
বৃত্তের ব্যাস হলো একটি সরলরেখা
অতএব,
ব্যাসের ওপর বৃত্তস্থ কোণ গঠিত হয়
বৃত্তস্থ কোণটি কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক হয়
সুতরাং,
কেন্দ্রস্থ কোণ হলো এক সরলকোণ বা ১৮০ ডিগ্রি
অর্ধবৃত্তস্থ কোণ হলো ১৮০ ডিগ্রির অর্ধেক অর্থাৎ ৯০ ডিগ্রি
উত্তর: ৯০°
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪, ২০৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ১২
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল = ৬০
সংখ্যা দুটির লসাগু = ২৪৪৮
ধরি,
সংখ্যা দুটি ১২ক এবং ১২খ, যেখানে ক ও খ পরস্পর সহমৌলিক
অতএব,
সংখ্যা দুটির বিয়োগফল ১২(ক − খ) = ৬০, সুতরাং (ক − খ) = ৫
সংখ্যা দুটির গুণফল = লসাগু × গসাগু = ২৪৪৮ × ১২ = ২৯৩৭৬
সুতরাং,
ক × খ = ২৯৩৭৬ ÷ ১৪৪ = ২০৪
এখন এমন দুটি সংখ্যা খুঁজি যাদের গুণফল ২০৪ এবং বিয়োগফল ৫, সংখ্যা দুটি হলো ১৭ ও ১২
উত্তর:
সংখ্যা দুটি হলো ১২ × ১৭ = ২০৪ এবং ১২ × ১২ = ১৪৪
সঠিক উত্তর: C) ১২xy
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = ৪x제곱 (এখানে স্কয়ার এর বদলে দুই লিখছি)
প্রথম রাশি = ৪x২
দ্বিতীয় রাশি = ৯y২
ধরি,
রাশি দুটি থেকে বর্গমূল পাই
প্রথম রাশির বর্গমূল = ২x
দ্বিতীয় রাশির বর্গমূল = ৩y
অতএব,
পূর্ণবর্গ রাশির সূত্র হলো (এ + বি)২ = এ২ + ২ab + বি২
এখানে মধ্যবর্তী পদটি হবে ২ গুণ (২x) গুণ (৩y)
প্রথম রাশির সাথে দ্বিতীয় রাশি গুণের দ্বিগুণ হিসেব করতে হবে
সুতরাং,
মধ্যবর্তী পদের মান হবে ১২xy
তাই মূল রাশির সাথে ১২xy যোগ করতে হবে
উত্তর: ১২xy
সঠিক উত্তর: A) (১/২) × (a + b) × h
প্রদত্ত তথ্য:
ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য a এবং b
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী লম্ব দূরত্ব বা উচ্চতা h
ধরি,
ট্রাপিজিয়ামটির সমান্তরাল বাহু দুটি a ও b
ট্রাপিজিয়ামটির উচ্চতা h
অতএব,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল সমান সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্যের যোগফল গুণ উচ্চতা ভাগ দুই
ক্ষেত্রফল সমান (a + b) গুণ h ভাগ দুই
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল সমান (১/২) গুণ (a + b) গুণ h
উত্তর: (১/২) (a + b) h
সঠিক উত্তর: B) ১৮০°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের কোণ সম্পর্কিত জ্যামিতির সাধারণ উপপাদ্য
এটি ইউক্লিডীয় জ্যামিতির একটি মৌলিক সত্য
ধরি,
ত্রিভুজটির তিনটি কোণ ক, খ এবং গ
ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু তিনটি ক, খ, গ
অতএব,
কোণ ক + কোণ খ + কোণ গ = সরলকোণ
সরলকোণের পরিমাণ দুই সমকোণ
সুতরাং,
দুই সমকোণ সমান একশো আশি ডিগ্রি
উত্তর: ১৮০°
সঠিক উত্তর: D) ৮২°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্র ও এবং বৃত্তস্থ কোণ কোণ BAC = ৪১°
কেন্দ্রস্থ কোণ কোণ BOC এর মান নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ
অতএব,
কেন্দ্রস্থ কোণ কোণ BOC = ২ × বৃত্তস্থ কোণ কোণ BAC
সুতরাং,
কোণ BOC = ২ × ৪১° = ৮২°
উত্তর: ৮২°
সঠিক উত্তর: D) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৭, ১২, ১৭, ৩, ১১, ৬, ১৩ এবং ৩
মোট সংখ্যার পরিমাণ ৮টি
ধরি,
সংখ্যাগুলোর যোগফল = ৭ + ১২ + ১৭ + ৩ + ১১ + ৬ + ১৩ + ৩
গড় নির্ণয়ের সূত্র = সংখ্যাগুলোর যোগফল ÷ মোট সংখ্যা
অতএব,
সংখ্যাগুলোর মোট যোগফল = ৭২
মোট সংখ্যা = ৮
সুতরাং,
গড় = ৭২ ÷ ৮ = ৯
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: B) ৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন শ্রমিক ৩ দিনে আয় করে ৭২০ টাকা
৯ জন শ্রমিক সমপরিমাণ টাকা আয় করবে
ধরি,
৯ জন শ্রমিকের ৭২০ টাকা আয় করতে সময় লাগবে = ক দিন
অতএব,
১ জন শ্রমিক ৭২০ টাকা আয় করতে সময় লাগাবে = ১২ × ৩ দিন
১ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = ৭২০ ÷ (১২ × ৩) টাকা
সুতরাং,
৯ জন শ্রমিক ১ দিনে আয় করে = (৭২০ × ৯) ÷ (১২ × ৩) টাকা
ক = ৭২০ ÷ [(৭২০ × ৯) ÷ (১২ × ৩৬)] দিন
উত্তর: ৪ দিনে
সঠিক উত্তর: A) ১/৩
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো সাতাশ এর পাওয়ার এক্স প্লাস এক সমান একাশী
ধরি,
সাতাশ কে লেখা যায় তিন এর কিউব
একাশী কে লেখা যায় তিন এর পাওয়ার চার
অতএব,
তিন এর পাওয়ার তিন গুণ এক্স প্লাস এক সমান তিন এর পাওয়ার চার
তিন এর পাওয়ার তিন এক্স প্লাস তিন সমান তিন এর পাওয়ার চার
সুতরাং,
তিন এক্স প্লাস তিন সমান চার
তিন এক্স সমান চার বিয়োগ তিন
উত্তর: এক্স সমান এক ভাগ তিন
সঠিক উত্তর: D) ১
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো অশূন্য সংখ্যার ওপর পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়।
এখানে ভিত্তি হলো পাঁচ এক্স এবং তার ওপর সূচক বা ঘাত হলো শূন্য।
ধরি,
এগারো বা অন্য যেকোনো সংখ্যা এর ওপর পাওয়ার শূন্য হলো এক।
শূন্য ছাড়া যেকোনো বাস্তব সংখ্যা এন এর জন্য এন এর পাওয়ার শূন্য সমান এক হয়।
অতএব,
প্রদত্ত রাশিটি লেখা যায় বন্ধনীর ভেতরে পাঁচ এক্স এবং তার বাইরে পাওয়ার শূন্য।
সূচকের শূন্য সূত্র অনুসারে পুরো রাশির মান সরাসরি নির্ধারিত হয়।
সুতরাং,
বন্ধনীর ভেertরে যাই থাকুক না কেন তার ওপর পাওয়ার শূন্য থাকলে ফলাফল সর্বদা এক হয়।
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: A) x + 2
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = x2 + 2x
দ্বিতীয় রাশি = x3 + 8
তৃতীয় রাশি = x2 − 4
ধরি,
প্রথম রাশি থেকে পাই, x গুণ (x + 2)
দ্বিতীয় রাশি থেকে পাই, (x + 2) গুণ (x2 − 2x + 4)
তৃতীয় রাশি থেকে পাই, (x + 2) গুণ (x − 2)
অতএব,
প্রথম রাশির উৎপাদক = x, (x + 2)
দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 2), (x2 − 2x + 4)
তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x + 2), (x − 2)
সুতরাং,
নির্ণেয় গসাগু হলো সব রাশিতে থাকা সাধারণ উৎপাদক
উত্তর: x + 2
সঠিক উত্তর: C) (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
প্রদত্ত তথ্য:
রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে
রম্বসের দুটি কর্ণ জানা আছে
ধরি,
রম্বসের প্রথম কর্ণটি = d১
রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণটি = d২
অতএব,
রম্বসের ক্ষেত্রফল হলো এর কর্ণদ্বয়ের গুণফলের অর্ধেক
ক্ষেত্রফল লেখার সূত্রটি হলো (১/২) গুণ প্রথম কর্ণ গুণ দ্বিতীয় কর্ণ
সুতরাং,
জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী রম্বসের ক্ষেত্রফল সমান (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
উত্তর: (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
সঠিক উত্তর: C) ২৫π cm²
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাস হলো ১০ cm
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ হলো r cm
ব্যাসকে দুই দিয়ে ভাগ করলে ব্যাসার্ধ পাওয়া যায়
অতএব,
ব্যাসার্ধ r = ১০ ÷ ২ = ৫ cm
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো পাই গুণ ব্যাসার্ধের বর্গ
ক্ষেত্রফল = π × (৫)² cm²
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = π × ২৫ cm²
ক্ষেত্রফল হলো ২৫π cm²
উত্তর: ২৫π cm²
সঠিক উত্তর: C) ৭৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজ এ বি সি এর বি কোণ সমান পঁচাত্তর ডিগ্রি
এবং এ সি ই বহিঃস্থ কোণ সমান একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি
ধরি,
এ কোণ সমান এক্স ডিগ্রি
অতএব,
ত্রিভুজের বহিঃস্থ কোণ এর মাপ বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের যোগফলের সমান
অর্থাৎ এ কোণ + বি কোণ সমান এ সি ই কোণ
সুতরাং,
এক্স ডিগ্রি + পঁচাত্তর ডিগ্রি সমান একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি
এক্স ডিগ্রি সমান একশত পঞ্চাশ ডিগ্রি − পঁচাত্তর ডিগ্রি
উত্তর: ৭৫°
সঠিক উত্তর: A) ৪৫°
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৩ : ৪ : ৫
ধরি,
প্রথম কোণ = ৩ক
দ্বিতীয় কোণ = ৪ক
তৃতীয় কোণ = ৫ক
অতএব,
তিনটি কোণের সমষ্টি = ১৮০°
৩ক + ৪ক + ৫ক = ১৮০°
১২ক = ১৮০°
সুতরাং,
ক = ১৮০ ÷ ১২
ক = ১৫
উত্তর: ক্ষুদ্রতম কোণের পরিমাণ = ৩ × ১৫ = ৪৫°
সঠিক উত্তর: D) C = P(1 + r)n
প্রদত্ত তথ্য:
চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয় করতে হবে
এখানে মূলধন, মুনাফার হার এবং সময় দেওয়া আছে
ধরি,
আসল = P
মুনাফার হার = r
সময় = n
অতএব,
প্রথম বছরের সবল চক্রবৃদ্ধি মূলধন = P + Pr = P(1 + r)
দ্বিতীয় বছরের সবল চক্রবৃদ্ধি মূলধন = P(1 + r)(1 + r) = P(1 + r)^2
সুতরাং,
n বছর পর সবল চক্রবৃদ্ধি মূলধন বা চক্রবৃদ্ধি মূলধন C = P(1 + r)^n
উত্তর: C = P(1 + r)^n
সঠিক উত্তর: B) ১২৫ টাকা
প্রদত্ত তথ্য:
আসল (P) = ৫০০ টাকা
সময় (n) = ৩ বছর
ধরি,
মুনাফার হার (r) = ২৫/৩ %
বা, মুনাফার হার (r) = (২৫ ÷ ৩) ÷ ১০০
অতএব,
সরল মুনাফার সূত্রটি হলো I = P × r × n
এখানে মানগুলো বসিয়ে পাই
সুতরাং,
I = ৫০০ × (২৫ ÷ ৩০০) × ৩
I = ১২৫ টাকা
উত্তর: ১২৫ টাকা
সঠিক উত্তর: B) ১
প্রদত্ত তথ্য:
x + (১ ÷ x) = √৩
ধরি,
প্রথম শর্ত অনুযায়ী x এর মান এবং রাশিটি ধরা হলো
দ্বিতীয় শর্ত হলো প্রদত্ত সমীকরণটি ব্যবহার করা
তৃতীয় শর্ত হলো বর্গ করার সূত্র প্রয়োগ করা
অতএব,
x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) = (x + (১ ÷ x)) স্কয়ার − ২
মান বসিয়ে পাই, (√৩) স্কয়ার − ২
৩ − ২
সুতরাং,
১
উত্তর: ১
সঠিক উত্তর: C) ৫
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো বত্রিশ
লগের ভিত্তি হলো দুই
ধরি,
লগের মানটি হলো ক
প্রশ্নমতে লেখা যায়
অতএব,
দুই এর পাওয়ার ক সমান বত্রিশ
দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই গুণ দুই সমান বত্রিশ
সুতরাং,
দুই এর পাওয়ার পাঁচ সমান বত্রিশ
উত্তর: ৫
সঠিক উত্তর: D) ১২ মে, ২০১৮
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ সালের ভোরে আমেরিকার ফ্লোরিডা থেকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট, যা কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮ মে, ২০১৮ — এই তারিখে আবহাওয়াগত বা অন্য কারণে উৎক্ষেপণ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
B) ১০ মে, ২০১৮ — এই তারিখে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়।
C) ১১ মে, ২০১৮ — এই তারিখে উৎক্ষেপণের কাউন্টডাউন শুরু হলেও কারিগরি কারণে তা সম্পন্ন হয়নি।
D) ১২ মে, ২০১৮ — এই তারিখে সফলভাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
মনে রাখার টিপস:
মে মাসের মাঝামাঝি অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানো হয়।
সঠিক উত্তর: B) ডায়নামো
কেন সঠিক:
- ডায়নামো বা জেনারেটর ফ্যারাডের তাড়িতচৌম্বকীয় আবেশ সূত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- ঘূর্ণন গতি বা যান্ত্রিক শক্তিকে এই যন্ত্র তড়িৎ প্রবাহে পরিণত করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ট্রান্সফরমার — এটি তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের মাধ্যমে ভোল্টেজ কমায় বা বাড়ায়, কিন্তু যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে না।
B) ডায়নামো — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
C) বৈদ্যুতিক মটর — এটি ডায়নামোর ঠিক বিপরীত কাজ করে, অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
D) হুইল — এটি একটি সাধারণ যান্ত্রিক যন্ত্রাংশ বা চাকা, যা গতির সঞ্চালন বা ভার বহনে ব্যবহৃত হয় কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে না।
মনে রাখার টিপস:
ডায়নামো মানে দিতে হয় গতি (যান্ত্রিক শক্তি), পাওয়া যায় বিদ্যুৎ। আর মোটরে দিলে বিদ্যুৎ, পাওয়া যায় গতি।
সঠিক উত্তর: C) কাবাডি
কেন সঠিক:
- কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা এবং এটি গ্রামীণ জনপদে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ঐতিহ্যবাহী দলীয় খেলা।
- ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর কাবাডি খেলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফুটবল — ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হলেও এটি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা নয়।
B) ক্রিকেট — ক্রিকেট বাংলাদেশের বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা নয়।
D) ব্যাডমিন্টন — ব্যাডমিন্টন বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয় একটি ইনডোর খেলা হলেও এটি জাতীয় খেলা হিসেবে স্বীকৃত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা মনে রাখতে কাবাডি শব্দটি মাথায় রাখুন, কারণ এটি আমাদের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী মাটি ও মানুষের খেলা।
সঠিক উত্তর: B) চীন ও ভারত
কেন সঠিক:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমানা রেখা, যা ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছিল।
- ব্রিটিশ ভারতের বৈদেশিক সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারে এই সীমান্ত রেখার নামকরণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও পাকিস্তান — এই দেশের সীমানা রেডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত, যা ১৯৪৭ সালে নির্ধারিত হয়।
B) চীন ও ভারত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিচিত।
C) চীন ও রাশিয়া — চীন ও রাশিয়ার সীমান্ত সম্পূর্ণ আলাদা এবং এর সাথে ম্যাকমোহন লাইনের কোনো সম্পর্ক নেই।
D) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান — এই দেশের সীমানা লাইন অব কন্ট্রোল বা ডুরান্ড লাইন হিসেবে পরিচিত।
মনে রাখার টিপস:
ম্যাকমোহন নামের সাথে চীন ও ভারতের সীমান্ত মনে রাখতে হেনরি ম্যাকমোহন এবং হিমালয় অঞ্চলের সীমানা মাথায় রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) ২৪ অক্টোবর
কেন সঠিক:
- ১৯৪৫ সালের এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল এবং আনুষ্ঠানিকভাবে সংস্থাটির যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সাল থেকে সারা বিশ্বে এই দিনটিকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪ অক্টোবর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনে জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হয়েছিল।
B) ২৪ আগস্ট — এই তারিখে কোনো আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না।
C) ২৪ ডিসেম্বর — এটি ক্রিসমাসের আগের দিন এবং এই তারিখে জাতিসংঘ দিবস পালিত হয় না।
D) ২৪ নভেম্বর — এই তারিখে জাতিসংঘের কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বা দিবস পালিত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠালগ্ন মনে রাখতে ২৪ সংখ্যাটি মনে রাখুন এবং মাসটি অক্টোবর ধরুন।
সঠিক উত্তর: A) জাতিসংঘের জৈবনিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি
কেন সঠিক:
- কার্টাগোনা প্রটোকল হলো জৈব নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা জীবন্ত পরিবর্তিত জীবের (GMO) নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করে।
- এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ওপর আধুনিক জৈবপ্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাব রোধ করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জাতিসংঘের জৈবনিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং জৈব নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
B) ইরাক পুনর্গঠন চুক্তি — এটি যুদ্ধপরবর্তী ইরাক পুনর্গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো আন্তর্জাতিক প্রটোকল নয়।
C) যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো বৈধ চুক্তি — এটি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যকার অভিবাসন বা সীমান্ত সংক্রান্ত কোনো চুক্তি নয়।
D) শিশু অধিকার চুক্তি — এটি শিশুদের অধিকার রক্ষা সংক্রান্ত জাতিসংঘ সনদ, যার সঙ্গে জৈব নিরাপত্তার কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
কার্টাগোনা প্রটোকল মানেই জীব ও পরিবেশের নিরাপত্তা রক্ষা।
সঠিক উত্তর: D) একটি চিত্রশিল্প
কেন সঠিক:
- ‘মনপুরা-৭০’ হলো বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৭০ সালের ভয়াবহ সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ধ্বংসলীলার পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক চিত্রশিল্পটি তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একটি উপজেলা — মনপুরা দ্বীপ ভোলার একটি উপজেলা হলেও এই নামে কোনো নির্দিষ্ট উপজেলা এখানে বোঝানো হয়নি।
B) একটি নদীবন্দর — এটি কোনো নৌপরিবহন বন্দর বা নদীবন্দর নয়।
C) একটি উপন্যাস — এটি কোনো সাহিত্যকর্ম বা উপন্যাস নয়, এটি একটি বিখ্যাত চিত্রশিল্প।
D) একটি চিত্রশিল্প — এটি সঠিক কারণ এটি চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদের আঁকা একটি ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
শিল্পী শাহাবুদ্দিনের আঁকা ‘মনপুরা-৭০’ দেখলে মনে রাখবে এটি ১৯৭০ সালের ভয়াবহ দুর্যোগ নিয়ে তৈরি একটি বিখ্যাত চিত্রশিল্প।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস
সঠিক উত্তর: D) জুলিও কুরী পদক
কেন সঠিক:
- বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ২৩ মে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জুলিও কুরী শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- এটি ছিল বাংলাদেশের প্রাপ্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মাননা, যা বাঙালির জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফ্রিডম পদক — এটি শান্তিতে অবদানের জন্য নয়, বরং এটি বিভিন্ন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক বা সামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, যা এই প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।
B) ম্যাগসেসে পদক — এটি মূলত সরকারি সেবা, সমাজসেবা বা সাংবাদিকতার মতো ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এশিয়ার ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, যা এই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) জওহরলাল নেহেরু পদক — এটি আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া ও শান্তির জন্য ভারতের দেওয়া একটি পদক, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রদান করা হয়নি।
D) জুলিও কুরী পদক — এটি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক আন্তর্জাতিক পদক।
মনে রাখার টিপস:
শান্তির দূত বঙ্গবন্ধু এবং শান্তিতে বিশ্ব শান্তি পরিষদের দেওয়া পদক হলো জুলিও কুরী। সালটি মনে রাখতে পারেন ১৯৭৩ সাল।
সঠিক উত্তর: D) রাষ্ট্রপতি
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হলেন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- যুদ্ধ বা শান্তি ঘোষণা এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সব নীতিগত সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সেনাবাহিনী প্রধান — তিনি শুধু সেনাবাহিনীর প্রধান এবং রাষ্ট্রপতির অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
B) প্রতিরক্ষামন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী সাধারণত এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকেন, তবে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান নন।
C) প্রধানমন্ত্রী — তিনি সরকার প্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী, কিন্তু সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক নহেন।
D) রাষ্ট্রপতি — তিনি সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক পদের অধিকারী।
মনে রাখার টিপস:
সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান বা সর্বাধিনায়ক সবসময় দেশের সাংবিধানিক প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি হন।
সঠিক উত্তর: D) ২০২২ সালে
কেন সঠিক:
- ২৬তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন ২০২২ সালের ২৪ থেকে ২৫ জুন রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- করোনা মহামারির কারণে দুই বছর পিছিয়ে নির্ধারিত সময়ের পরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২০১৯ সালে — এই সালে কোনো কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) ২০২০ সালে — করোনা মহামারির কারণে এই বছর নির্ধারিত ২৬তম সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছিল।
C) ২০২১ সালে — মহামারির পরিস্থিতির কারণে এই বছরেও সম্মেলন আয়োজন সম্ভব হয়নি।
D) ২০২২ সালে — এই বছর রুয়ান্ডার কিগালিতে ২৬তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কমনওয়েলথ সম্মেলন সাধারণত দুই বছর পরপর হয়, তবে করোনা মহামারির কারণে ২৫তম সম্মেলন (২০১৮) থেকে ২৬তম সম্মেলন (২০২২) হতে চার বছর সময় লেগেছিল।
সঠিক উত্তর: A) Worldwide Interoperability for Microwave Access
কেন সঠিক:
- এটি একটি তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি যা দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চ গতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে।
- মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গের মাধ্যমে এটি নেটওয়ার্ক সুবিধা নিশ্চিত করে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Worldwide Interoperability for Microwave Access — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ প্রযুক্তিগতভাবে এর পূর্ণরূপ এটাই।
B) Worldwide Internet for Microwave Access — এখানে Interoperability শব্দের পরিবর্তে Internet ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রযুক্তিগত পূর্ণরূপের সঙ্গে মিলে না।
C) Worldwide Interconnection for Microwave Access — এখানে Interconnection শব্দটি ব্যবহারের কারণে এটি প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক পূর্ণরূপ নয়।
D) কোনোটিই নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর অপশন এ তে বিদ্যমান, তাই এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
WiMAX শব্দের শুরুতে W-I মানে Worldwide এবং MAX অংশটি Interoperability for Microwave Access নির্দেশ করে।
সঠিক উত্তর: C) বরিশাল
কেন সঠিক:
- প্রাচীনকালে বর্তমান বরিশাল অঞ্চলের নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ এবং এটি একটি প্রাচীন জনপদ বা রাজ্য ছিল।
- বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ হলো বর্তমান বরিশাল অঞ্চলের ঐতিহাসিক নাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মাল্লীপ — এটি প্রাচীন কোনো জনপদ বা চন্দ্রদ্বীপের নাম নয়।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত একটি দ্বীপ উপজেলা, চন্দ্রদ্বীপ নয়।
C) বরিশাল — এটি সঠিক উত্তর, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ এই অঞ্চলেই অবস্থিত ছিল।
D) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি প্রাচীন দ্বীপ, চন্দ্রদ্বীপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
চন্দ্রদ্বীপের প্রথম অক্ষর চ এবং বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক বৈচিত্র্য মনে রেখে 'চাঁদের দেশ বরিশাল' এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ বা জন্মস্থানের ভেদাভেদে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের ২ উপধারায় রাষ্ট্র ও পাবলিক জীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার স্পষ্ট সাংবিধানিক ঘোষণা রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান — এটি সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা আইনের সমতার অধিকার নিশ্চিত করে।
B) সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদের বিধান।
C) সকল নাগরিকের চাকুরি লাভের সুযোগ — এটি সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগের কথা বলে।
D) জীবন ও ব্যক্তিস্বাধনিতার অধিকার — এটি সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু, যা জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা প্রদান করে।
মনে রাখার টিপস:
সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ মানেই বৈষম্যহীনতা এবং ২৮ এর ২ ধারা মানেই নারী ও পুরুষের সমান অধিকার।
সঠিক উত্তর: B) মূল্য সংযোজন কর
কেন সঠিক:
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অধীনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব প্রদান করে।
- দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ও সেবার উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয়ের ওপর এই কর আদায় করা হয় বিধви এটি সরকারি আয়ের প্রধান উৎস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আয়কর — এটি সরকারি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হলেও বর্তমানে পরোক্ষ কর বিশেষ করে ভ্যাট থেকে সরকার সবচেয়ে বেশি রাজস্ব পায়।
B) মূল্য সংযোজন কর — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) আমদানি শুল্ক — এটি বৈদেশিক বাণিজ্যের ওপর ধার্য করা হয় এবং এর মাধ্যমে সরকার রাজস্ব পেলেও এটি ভ্যাটের মতো প্রধান উৎস নয়।
D) বিক্রয় কর — এটি নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং বর্তমান কর কাঠামোর অধীনে এটি এককভাবে ভ্যাটের চেয়ে কম রাজস্ব দেয়।
মনে রাখার টিপস:
সরকারি আয়ে সর্বোচ্চ অবদানের দিক থেকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর সর্বদা প্রথমে থাকে।
সঠিক উত্তর: A) ৪টি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় মনোগ্রামে মোট চারটি তারকা চিহ্ন রয়েছে।
- এই চারটি তারকা সংবিধানের চার মূল নীতি অর্থাৎ জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মনোগ্রামে ঠিক চারটি তারকা রয়েছে যা সংবিধানের চার নীতি প্রকাশ করে।
B) ৫টি — এই অপশনটি ভুল কারণ মনোগ্রামে পাঁচটি তারকা থাকে না।
C) ৬টি — এই অপশনটি ভুল কারণ ছয়টি তারকা বাংলাদেশের মনোগ্রামের ডিজাইনে অনুপস্থিত।
D) ২টি — এই অপশনটি ভুল কারণ তারকা চিহ্নের সংখ্যা দুটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি, তাই মনোগ্রামের তারকার সংখ্যাও চারটি।
সঠিক উত্তর: C) ইংল্যান্ড
কেন সঠিক:
- ২০১৯ সালের দ্বাদশ পুরুষ একদিবসীয় ক্রিকেট বিশ্বকাপ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- উক্ত টুর্নামেন্টে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দল নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত — ভারত ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না, তবে ২০২৩ সালের পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূল আয়োজক ছিল।
B) পাকিস্তান — পাকিস্তান ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল না এবং এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত একা কোনো পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি।
C) ইংল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়।
D) অস্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট যৌথভাবে নিউজিল্যান্ডের সাথে আয়োজন করেছিল, ২০১৯ সালের নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিকেট খেলার জন্মস্থান ইংল্যান্ড, তাই ২০১৯ সালের বিশ্বকাপেও তারাই সফল আয়োজক ও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: D) হালদা
কেন সঠিক:
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখানে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ জাতীয় মাছ প্রাকৃতিকভাবে ডিম ছাড়ে।
- জলবায়ু এবং ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে পাহাড়ি এই নদীতে প্রতিবছর বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে মা মাছ প্রচুর পরিমাণে ডিম পাড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্ণফুলি — এটি একটি প্রধান নদী এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এটি কোনো প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র নয়।
B) তিতাস — এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের একটি পরিচিত নদী হলেও এটি মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত বা খ্যাত নয়।
C) গোমতি — এটি ত্রিপুরার ওপর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা একটি পাহাড়ি নদী এবং এটি প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত নয়।
D) হালদা — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
প্রাকৃতিক ডিম ছাড়ার অনন্য স্থান হিসেবে হালদা নদীকে বাংলাদেশের মৎস্য ভান্ডারের মাতৃগর্ভ বলা হয়।
সঠিক উত্তর: B) বেলজিয়াম
কেন সঠিক:
- ওয়াটারলু বর্তমান বেলজিয়ামের ব্রাসেলসের দক্ষিণে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই স্থানে বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আফগানিস্তান — এটি এশিয়ায় অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং ওয়াটারলু যুদ্ধের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) মরক্কো — এটি আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি দেশ এবং এটি ওয়াটারলু যুদ্ধের ভৌগোলিক অবস্থানের বাইরে।
D) তুরস্ক — এটি এশিয়া ও ইউরোপের সীমান্তবর্তী একটি দেশ এবং ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধের স্থান এটি নয়।
মনে রাখার টিপস:
নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধের স্থান ওয়াটারলু মনে রাখতে বেলজিয়ামের নাম মনে রাখুন।
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: D) মাউং মাউং
কেন সঠিক:
- মিয়ানমারের রাজনীতি ও সামরিক শাসনামলে জেনারেল মাউং মাউং রোহিঙ্গা মুসলিম নিধন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন।
- ঐতিহাসিক ও আন্তর্জাতিকভাবে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী তিনি এই নৃশংস অভিযানের অন্যতম প্রধান সামরিক নেতৃত্ব প্রদানকারী হিসেবে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুং মই — এই নামের কোনো ঐতিহাসিক বা সামরিক ব্যক্তিত্ব রোহিঙ্গা নিধনে প্রধান নেতৃত্বের জন্য পরিচিত নন।
B) উথান — উ থান্ট ছিলেন জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব, যিনি মিয়ানমারের একজন প্রখ্যাত কূটনীতিবিদ ছিলেন কিন্তু এই নিধনের সঙ্গে যুক্ত নন।
C) সুচি — অং সান সু চি রাজনৈতিক নেত্রী ছিলেন এবং আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিলেও তিনি সরাসরি সামরিক জেনারেল ছিলেন না।
D) মাউং মাউং — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর যা মিয়ানমারের সেই সময়ের সামরিক নেতৃত্বকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
রোহিঙ্গা নিধনে নেতৃত্বদানকারী জেনারেলের নামের ক্ষেত্রে 'মাউং মাউং' নামটি মনে রাখতে হবে যিনি সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।
সঠিক উত্তর: D) ওয়াশিংটন
কেন সঠিক:
- আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফ একটি বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থা, যার সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানের অন্যতম প্রধান শাখা হলো এই সংস্থা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নিউইয়র্ক — এটি জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তরের অবস্থান, তাই আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের সদর দপ্তর হিসেবে এটি সঠিক নয়।
B) টোকিও — এটি জাপানের রাজধানী এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি এর সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, আইএমএফের নয়।
C) রোম — এটি ইতালির রাজধানী এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর এখানে অবস্থিত, আইএমএফের নয়।
D) ওয়াশিংটন — এটি সঠিক উত্তর কারণ আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের প্রধান কার্যালয় এখানেই অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বের বড় আর্থিক সংস্থা যেমন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ১৩৬টি
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকাশিত মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০১৮ অনুযায়ী ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৬তম।
- শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে এই সূচক তৈরি করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২৬টি — এটি ২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল না, এটি ভুল তথ্য।
B) ১৩৬টি — এটি ২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান।
C) ১৩৯টি — এটি অন্য কোনো বছরের সূচক বা ভুল তথ্য নির্দেশ করে।
D) ১৪৫টি — এটি ২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
২০১৮ সালের মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ ১৩৬তম অবস্থানে ছিল, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১ থেকে ৬ পর্যন্ত ক্রম মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৭৪ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এর ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- এই সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও কূটনৈতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭২ সালে — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ পায়নি, তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্বাসনে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছিল।
B) ১৯৭৩ সালে — এই সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিভিন্ন বিশেষায়িত সংস্থার সদস্যপদ পেলেও পূর্ণাঙ্গ সাধারণ সদস্যপদ লাভ করেনি।
D) ১৯৭৫ সালে — এই সালটি বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বছর।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীনতার প্রায় তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়, যেখানে প্রথম সংখ্যা তিন এবং সালটি বাহাত্তরের দুই বছর পর অর্থাৎ চুয়াত্তর সাল।
সঠিক উত্তর: A) শেখ মুজিবুর রহমান
কেন সঠিক:
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭৩ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে তার দল নিরঙ্কুশ জয়লাভ করার পর তিনি পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ মুজিবুর রহমান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো ভুল নেই।
B) তাজউদ্দিন আহমদ — তিনি যুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী নন।
C) সৈয়দ নজরুল ইসলাম — তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গঠিত প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন।
D) আতাউর রহমান খান — তিনি পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নন।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীন দেশের প্রথম সরকারে সর্বেসর্বা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাই প্রথম প্রধানমন্ত্রীও তিনিই।
সঠিক উত্তর: B) ৭২ বছর
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ সালে দেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ বছর।
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের উন্নতির ফলে সে সময়ে মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির কারণে গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৬৮ বছর — এটি ২০১৮ সালের আগের বছরের তুলনামূলক কম গড় আয়ু নির্দেশ করে, যা তৎকালীন সঠিক পরিসংখ্যান নয়।
B) ৭২ বছর — এটি ২০১৮ সালের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো নির্ধারিত সঠিক গড় আয়ু।
C) ৭৮ বছর — এটি ২০১৮ সালের প্রেক্ষাপটে অনেক বেশি এবং অবাস্তব একটি প্রাক্কলন।
D) ৮২ বছর — এটি উন্নত বিশ্বের কোনো কোনো দেশের গড় আয়ু নির্দেশ করে, যা সে সময় বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ছিল না।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ধীরে ধীরে বেড়ে ২০১৮ সালে ৭২ বছরে উন্নীত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) দিনাজপুর
কেন সঠিক:
- ভৌগোলিক অবস্থান ও হিমালয়ের সান্নিধ্যের কারণে উত্তর জনপদের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদী রেকর্ড অনুযায়ী শীতকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সাধারণত দিনাজুপর জেলাতেই রেকর্ড করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দিনাজপুর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে শীতকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
B) বগুড়া — রাজশাহী বিভাগের একটি জেলা হলেও এখানে দিনাজপুরের মতো দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র শৈত্যপ্রবাহের রেকর্ড সাধারণত থাকে না।
C) শেরপুর — এটি একটি উত্তর ভারতীয় সীমান্তবর্তী জেলা হলেও চরম শীতের ক্ষেত্রে এটি শীর্ষস্থান দখল করে না।
D) গাজীপুর — এটি মধ্যাঞ্চলের জেলা হওয়ায় এখানে ভৌগোলিক কারণে শীতের তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশ কম থাকে।
মনে রাখার টিপস:
উত্তরের হিমেল হাওয়া, শীতে কাঁপে দিনাজপুর গ্রাম ও শহর।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)