বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়) ২০১৮

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a নেতা
b কবি
c দাতা
d বাদশাহ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবি ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে কিছু তৎসম বিশেষ্য শব্দ রয়েছে যা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গেই সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। এদের বলা হয় নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। এই জাতীয় শব্দের পূর্বে আলাদাভাবে স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন মহিলা, নারী বা যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। যেমন কবি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ, তাই এর স্ত্রীবাচক রূপ করতে হলে এর পূর্বে মহিলা বা নারী বসাতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ সবসময় পুরুষ বোঝায় এবং যাদের কোনো স্বতন্ত্র স্ত্রীবাচক রূপ নেই, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলা হয়। যেমন কবি, কৌরব, রাষ্ট্রপতি, ঢাকি, কৃতদার, বিপত্নীক ইত্যাদি। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এসব শব্দের পূর্বে মহিলা বা নারী শব্দ যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহিলা কবি ব্যাখ্যা: কবি শব্দের পূর্বে মহিলা যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়েছে কারণ কবি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। উদাহরণ ২: মহিলা ডাক্তার ব্যাখ্যা: ডাক্তার একটি উভলিঙ্গ বা নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর পূর্বে মহিলা বসাতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতা — নেতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ নেত্রী রয়েছে, তাই এর আগে আলাদা করে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করতে হয় না। B) কবি — এটি সঠিক উত্তর। C) দাতা — দাতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ দাত্রী রয়েছে, তাই এর আগে আলাদা শব্দ বসাতে হয় না। D) বাদশাহ — বাদশাহ শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ বেগম বা বাদশাহী বেগম রয়েছে, তাই এর আগে অন্য শব্দ যোগ করতে হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: নেতা, দাতা এবং বাদশাহ শব্দের সুনির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ যথাক্রমে নেত্রী, দাত্রী ও বেগম রয়েছে। কিন্তু কবি শব্দের কোনো নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ না থাকায় এর আগে মহিলা বসাতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক ও নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কৃদার, বিপত্নীক, কবি, সখা এগুলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ এবং এগুলোর আলাদা স্ত্রীবাচক রূপ করতে হলে বিশেষ শব্দ যোগ করতে হয়।
a লাঙ্গল
b দম্পতি
c লেখা
d সাধিত
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাঙ্গল ১. কেন সঠিক: প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ, অর্থাৎ কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয় যোগ করার আগের মূল শব্দ বা মূল রূপ। লাঙ্গল শব্দটি কোনো প্রত্যয় বা বিভক্তি যোগে গঠিত হয়নি, এটি নিজেই একটি মৌলিক বা মূল নামশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। প্রাতিপদিকের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। প্রাতিপদিক মূলত দুই প্রকার হতে পারে, যেমন মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ যা পূর্বে প্রত্যয়ান্ত হতে পারে কিন্তু বাক্যে ব্যবহারের পূর্বে তাতে কোনো বিভক্তি থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক নামশব্দ এবং বিভক্তিহীন অবস্থায় এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: এটি শরীরের অঙ্গবাচক মূল শব্দ যাতে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাঙ্গল — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন মূল নামশব্দ বা প্রাতিপদিক। B) দম্পতি — এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ যা পত্নী ও পতি শব্দের সমাসে গঠিত, তাই এটি সরাসরি প্রাতিপদিক নয়। C) লেখা — এটি লেখ ধাতু এবং অ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ। D) সাধিত — এটি নিজে একটি শব্দ যা মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দশ্রেণিকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: যে নামশব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না এবং যা থেকে অন্য শব্দ তৈরি হয় তাকে প্রাতিপদিক বলে। বিভক্তিযুক্ত শব্দ পদ, আর বিভক্তিহীন মূল শব্দই হলো প্রাতিপদিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক ও পদের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবে, বিভক্তিযুক্ত শব্দ মাত্রই পদ, আর বিভক্তিহীন নামশব্দ হলো প্রাতিপদিক।
a কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
b কৃৎ-প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে
c নাম-প্রকৃতির পরিবর্তনকে
d প্রাতিপদিকের পরিবর্তনকে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়। শব্দের মূল রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বা কৃৎ-প্রকৃতির প্রথম স্বরধ্বনির পরিবর্তন হলো গুণ ও বৃদ্ধি। শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সহজ ও নিয়মসিদ্ধ করার জন্য এই ব্যাকরণগত নিয়ম ব্যবহৃত হয়। যেমন: কৃ ধাতুর সাথে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কারক শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) কৃৎ-প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে — এটি ভুল কারণ কৃৎ-প্রকৃতির শেষের স্বর পরিবর্তনকে গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয় না। C) নাম-প্রকৃতির পরিবর্তনকে — এটি ভুল কারণ নাম-প্রকৃতির ক্ষেত্রে এই পরিভাষা প্রযোজ্য নয়। D) প্রাতিপদিকের পরিবর্তনকে — এটি ভুল কারণ প্রাতিপদিক শব্দের ক্ষেত্রে গুণ বা বৃদ্ধির নিয়ম খাটে না। মনে রাখার টিপস: গুণ ও বৃদ্ধি মানেই কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বর বা প্রথম স্বরের পরিবর্তন। শুরু বা আদি শব্দটির সাথে গুণ ও বৃদ্ধি কথাটি মিলিয়ে এই নিয়ম মনে রাখবে।
a পক্ষপাতিত্ব করা
b সৌভাগ্য লাভ
c চুরি করা
d নষ্ট করা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা ১. কেন সঠিক: চক্ষুদান করা একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা হলেও বিশেষ অর্থে এর প্রকাশ চুরির মতো অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে হাত সাফ করা বা জিনিসপত্র উধাও করে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি রূপক অর্থে প্রয়োগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে থাকে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজারে ভিড়ের মধ্যে পকেটমারের দল পকেট থেকে মানিব্যাগ চক্ষুদান করে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা মানে মূল্যবান বস্তু চুরি বা আত্মসাৎ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আলমারির তালা ভেঙে কে যেন সমস্ত গয়না চক্ষুদান করে চলে গেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও জিনিসপত্র চুরি যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ করতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পক্ষপাতিত্ব করা — এই অর্থের জন্য সাধারণত বিড়াল তপস্বী বা ও ঠোঁট কাটা বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, এটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। B) সৌভাগ্য লাভ — এই অর্থের জন্য কপাল ফেরা বা চাঁদের হাট বাগধারাটি বেশি উপযোগী, চক্ষুদান করা নয়। D) নষ্ট করা — এই অর্থের জন্য তামার বিষ বা অকেজো বলা যায়, কিন্তু চুরি করা অর্থে এই বাগধারাটি নির্দিষ্ট। ৫. মনে রাখার টিপস: চোখ বন্ধ করে জিনিস সরিয়ে ফেলা অর্থাৎ কাউকে বুঝতে না দিয়ে কিছু সরিয়ে নেওয়া বা চুরি করাই হলো চক্ষুদান করা। চোরেরা চোখ এড়িয়ে বা চোখ ফাঁকি দিয়ে চুরি করে এই কৌশলের সঙ্গে মিলিয়ে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই রূপক অর্থযুক্ত বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই আক্ষরিক অর্থের পেছনে না ছুটে বাগধারার প্রমিত ও ঐতিহ্যগত ভাবার্থ মুখস্থ রাখা জরুরি।
a আমটা খাও
b সবাই এখানে আসুন
c সুখী হও
d নিজের দিকে খেয়াল রাখ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমটা খাও ১. কেন সঠিক: - আদেশ অর্থে অনুজ্ঞা মূলত শ্রোতার প্রতি বক্তার সরাসরি নির্দেশ বা হুকুম বোঝায়। - এখানে বক্তা শ্রোতাকে স্পষ্টভাবে একটি আম খাওয়ার জন্য আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অনুজ্ঞা পদ হলো ক্রিয়ার সেই রূপ যার দ্বারা আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ কিংবা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়। - বাংলা ব্যাকরণে মধ্যম পুরুষ বা তুই, তুমি, আপনারা এবং সমার্থক সর্বনামের ক্ষেত্রে অনুজ্ঞার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরজাটা বন্ধ করো ব্যাখ্যা: এটি বক্তার পক্ষ থেকে শ্রোতার প্রতি একটি নির্দিষ্ট কাজের সরাসরি আদেশ বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: বইটি টেবিলে রাখো ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যম পুরুষে একটি কাজ সম্পন্ন করার আদেশ বা নির্দেশ প্রকাশের সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমটা খাও — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে সরাসরি আদেশ প্রকাশ করা হয়েছে। B) সবাই এখানে আসুন — এটি মূলত সম্মানসূচক অনুরোধ বা আমন্ত্রণ বোঝায়, সরাসরি কড়া আদেশ নয়। C) সুখী হও — এটি দ্বারা বক্তার পক্ষ থেকে শ্রোতার প্রতি আশীর্বাদ বা শুভকামনা প্রকাশ করা হয়েছে। D) নিজের দিকে খেয়াল রাখ — এটি আদেশ না হয়ে বরং শ্রোতার প্রতি একটি হিতোপদেশ বা পরামর্শমূলক বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুজ্ঞা মানেই আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ। - কাউকে সরাসরি কোনো কাজ করতে বলা হলে তা আদেশার্থক অনুজ্ঞা হিসেবে গণ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনুজ্ঞার ক্ষেত্রে শুধু বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালের মধ্যম পুরুষ ব্যবহৃত হয়। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a ভাস্ + সর
b ভাস + কর
c ভাস্ + বর
d ভা + স্বর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাস্ + বর ১. কেন সঠিক: - সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে পদান্ত স এবং দ এর স্থানে যথাক্রমে ষ এবং ধ হয়, যা এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। - ভাস্ শব্দের সাথে বর যুক্ত হয়ে ধ্বনির পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাস্বর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত স এর পরে বর শব্দ যুক্ত হলে তা প্রমিত নিয়মে সাধিত হয়। - এটি মূলত এক ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি জনপ্রিয় নিয়ম যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: পরি + ছাদ = পরিচ্ছদ ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের পরে ছ থাকলে চ যুক্ত হওয়ার ব্যাকরণিক নিয়ম এখানে অনুসৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাস্ + সর — এখানে সর অংশটি সঠিক নয় কারণ শব্দের মূল অংশ বর। B) ভাস + কর — কর যুক্ত হলে ভাস্কর হতো যা আলোর অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু ভাস্বর শব্দের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। C) ভাস্ + বর — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী এটি ভাস্বর শব্দ তৈরি করে। D) ভা + স্বর — ভা কোনো অর্থপূর্ণ পদ বা মূল ধাতু হিসেবে এখানে সন্ধি গঠন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাস্বর শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় শেষের বর অংশটি মনে রাখা জরুরি। - ভাস্ এর সাথে বর যোগ করলে ভাস্বর হয়, যা উজ্জ্বল বা দেদীপ্যমান অর্থ বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ এবং সন্ধির ভাঙার নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a স্বরসংগতি
b স্বরাগম
c অভিশ্রুতি
d অপিনিহিতি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপিনিহিতি কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষা অপেন্থেসিস এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো অপিনিহিতি। - শব্দের মধ্যে পরবর্তী ই-কার বা উ-কার বা ঋ-কার উচ্চারণের আগে উচ্চারিত হওয়ার ব্যাকরণিক প্রক্রিয়াকে এটি নির্দেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পরের স্বরধ্বনি আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিনীতিকে এই ব্যাকরণিক পরিভাষায় বোঝানো হয়। - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন অধ্যায়ের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা এটি। - উদাহরণস্বরূপ আজি থেকে আইজ এবং সাধু থেকে সাউধ শব্দে এই রূপান্তর দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্বরসংগতি — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো ভাওয়েল হারমোনি বা স্বরসংগতি। - B) স্বরাগম — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো প্রোথেসিস বা এপিথেনেসিস বা অ্যানাপ্টি সিস। - C) অভিশ্রুতি — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো মিউচুয়াল অ্যাসিমিলেশন বা অভিশ্রুতি। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - অপেন্থেসিস শব্দটি দেখলে সবসময় অপিনিহিতি দাগাবে।
a ক + ষ
b হ + ম
c হ + ন
d ষ + ণ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ + ম ১. কেন সঠিক: - যুক্তাক্ষরটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি 'হ' এবং 'ম' বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা দেখে সরাসরি উপাদানগুলো বোঝা যায় না, 'হ্ম' তার মধ্যে অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে যুক্তবর্ণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেখানে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে একটি নতুন রূপ তৈরি করে। - 'হ' এবং 'ম' যুক্ত হয়ে গঠিত এই বর্ণটি প্রমিত বাংলা বানানে অনেক শব্দের শুরুতে বা মাঝে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'হ্ম' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা 'হ' এবং 'ম' এর যোগফল। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও 'হ্ম' বর্ণটি রয়েছে যা বিশ্লেষণ করলে 'হ' ও 'ম' পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক + ষ — এটি দিয়ে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, 'হ্ম' নয়। B) হ + ম — এটি সঠিক বিশ্লেষণ এবং এর মাধ্যমে 'হ্ম' গঠিত হয়। C) হ + ন — এটি দিয়ে 'হ্ন' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন চিহ্ন। D) ষ + ণ — এটি দিয়ে 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন উষ্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রহ্মা বা ব্রাহ্মণ শব্দ লেখার সময় আমরা যে যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করি তা মূলত 'হ' এর সাথে 'ম' যোগ করে তৈরি হয়। - এই ধরনের ব্যতিক্রমী যুক্তবর্ণগুলোর উপাদান মনে রাখার জন্য নিয়মিত বানান চর্চা করা প্রয়োজন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ জানতে চাওয়া হয়। - 'হ্ম' এবং 'হ্ন' বা 'ষ্ণ' এর মতো দেখতে কিন্তু ভিন্ন উপাদানযুক্ত বর্ণগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a উপমিত কর্মধারয়
b রূপক কর্মধারয়
c অলুক তৎপুরুষ
d উপমান কর্মধারয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপমান কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - 'অরুণরাঙা' সমস্তপদটির ব্যাসবাক্য হলো অরুণের মতো রাঙা। এখানে উপমেয় (যা তুলনা করা হয়) উহ্য রয়েছে এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদ (রাঙা) উপস্থিত রয়েছে। - সাধারণ গুণ বা ধর্মের সঙ্গে যখন কোনো বস্তুর তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদের উল্লেখ থাকে, তখন তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি পদের সঙ্গে অপর পদের তুলনা করা হয় যেখানে তুলনা করার বস্তু অর্থাৎ উপমান এবং যার সঙ্গে তুলনা করা হয় অর্থাৎ উপমেয় উপস্থিত থাকে এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। - অরুণ অর্থ লাল সূর্য এবং রাঙা অর্থ লাল, এখানে সূর্যের লাল রঙের সঙ্গে অন্য কোনো বস্তুর রঙের সাধারণ তুলনা বোঝানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশব্যস্ত ব্যাখ্যা: শশের (খরগোশের) মতো ব্যস্ত, এখানে খরগোশের স্বভাবের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং ব্যস্ত হলো সাধারণ ধর্ম। উদাহরণ ২: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের মতো শুভ্র (সাদা), এখানে তুষারের সঙ্গে সাদা রঙের তুলনা করা হয়েছে এবং শুভ্র হলো সাধারণ ধর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা হয় কিন্তু সাধারণ ধর্মবাচক পদের উল্লেখ থাকে না, যেমন মুখচন্দ্র। B) রূপক কর্মধারয় — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়, যেমন বিষাদসিন্ধু। C) অলুক তৎপুরুষ — অলুক তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, যেমন গায়েপড়া, যা অরুণরাঙা পদের সঙ্গে মিলে না। D) উপমান কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে উপমান ও সাধারণ ধর্মবাচক পদ উপস্থিত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপমান শব্দের অর্থ তুলনীয় বস্তু এবং এতে চিরন্তন সত্য বা সাধারণ গুণ বোঝায়। - ব্যাসবাক্যের মাঝে মতো শব্দ থাকলে এবং শেষে সাধারণ গুণবাচক শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে উপমান কর্মধারয় দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে উপমান ও উপমিতের পার্থক্যের ওপর। - ব্যাসবাক্য করার সময় খেয়াল রাখবে সাধারণ ধর্মবাচক পদটি শেষে আছে কি না, থাকলে তা নিশ্চিতভাবেই উপমান কর্মধারয় হবে।
a শব্দমূল
b নাম প্রকৃতি
c রূপ
d ধ্বনিমূল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিমূল ১. কেন সঠিক: - Phoneme শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো ধ্বনিমূল, যা ভাষা বিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ধারণা। - এটি হলো কোনো ভাষার ক্ষুদ্রতম ধ্বনি একক যা একটি শব্দের অর্থ পরিবর্তন করতে সক্ষম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনিবিজ্ঞান বা রূপমূলতত্ত্বে Phoneme বা ধ্বনিমূল হলো ভাষার এমন একটি ধ্বনি যা অন্য ধ্বনির সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে। - বাংলা ব্যাকরণে প্রমিত ধ্বনিমূল বিশ্লেষণ করার সময় ভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোকে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত এবং পাত শব্দ দুটিতে ভ এবং প ধ্বনিমূল দুটি আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: একটি ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ তৈরি হওয়ার কারণে ভ এবং প এখানে ভিন্ন দুটি ধ্বনিমূল হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: চাল এবং ডাল শব্দ দুটিতে চ এবং ড ধ্বনিমূল দুটি শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ব্যাখ্যা: প্রথম ধ্বনির সামান্য পরিবর্তনের ফলে শব্দের অর্থের যে পরিবর্তন ঘটে তা ধ্বনিমূলের এই তাত্ত্বিক রূপটিকে স্পষ্ট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক বলতে বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বোঝায়, যা Phoneme শব্দের সঠিক অর্থ নয়। B) নাম প্রকৃতি — নাম প্রকৃতি হলো প্রত্যয় বা বিভক্তিযুক্ত হওয়ার আগের মূল শব্দ বা অংশ, যা এই পারিভাষিক শব্দের সঙ্গে মেলে না। C) রূপ — রূপ বা Morph বলতে ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একককে বোঝায়, যা ধ্বনিমূলের সমার্থক নয়। D) ধ্বনিমূল — এটি Phoneme শব্দের সঠিক ও প্রমিত পারিভাষিক রূপ এবং এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম ধ্বনি একক নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফোন বা ধ্বনি সম্পর্কিত বিষয় মানেই ধ্বনিমূল বা Phoneme এটি মনে রাখা সহজ। - পি দিয়ে শুরু Phoneme শব্দের অর্থ ধ্বনি বা ধ্বনিমূল হিসেবে মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ইংরেজি পরিভাষার ক্ষেত্রে ধ্বনি বা রূপ সংক্রান্ত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a অনিষ্ট
b লায়েক
c লোকসান
d মহাজন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহাজন ১. কেন সঠিক: - খাতক শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা কর্জ গ্রহণ করেছে অর্থাৎ দেনাদার। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ ঋণদাতা বা যে ব্যক্তি সুদে টাকা ধার দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, মূল অর্থ এবং ভাবার্থের বিপরীত দিক বিবেচনা করতে হয়। - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় বিশেষ্যের বিপরীত বিশেষ্য এবং বিশেষণের বিপরীত বিশেষণ পদ হতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা এবং বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রয় করে, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: মালিক এবং চাকর ব্যাখ্যা: মালিক অর্থ প্রভু বা কতৃপক্ষ এবং চাকর অর্থ অধীনস্থ কর্মচারী, যা বিপরীত সম্পর্ক প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনিষ্ট — অনিষ্ট শব্দের অর্থ ক্ষতি বা অমঙ্গল, যা খাতক শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) লায়েক — লায়েক শব্দের অর্থ উপযুক্ত বা যোগ্য, যা খাতক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) লোকসান — লোকসান শব্দের অর্থ ক্ষতি বা ঘাটতি, যার বিপরীত শব্দ হলো লাভ বা মুনাফা। D) মহাজন — মহাজন হলো সঠিক উত্তর কারণ এটি খাতক বা দেনাদারের বিপরীতে ঋণদাতাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাতক মানে ঋণগ্রহীতা এবং মহাজন মানে ঋণদাতা। - ঋণ দেওয়া ও নেওয়ার সম্পর্কের কথা মাথায় রাখলে এই বিপরীতার্থক শব্দ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - দেনাদার ও মহাজন বা খাতক ও মহাজন জোড়োগুলো ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a কমা
b কোলন
c কোলন ড্যাস
d হাইফেন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমা ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃতিচিহ্নের পূর্বে বা খণ্ড বাক্যের শেষে বাক্যের অংশ আলাদা করার জন্য কমা বসাতে হয়। বক্তার সরাসরি উক্তি বা উদ্ধৃতি লেখার আগে বাক্যের গতি রক্ষা করার জন্য কমার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের সঠিক ব্যবহার বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করে। বক্তার বক্তব্য উদ্ধৃত করার সময় প্রধান বাক্যের সঙ্গে উদ্ধৃত অংশকে আলাদা করতে কমা ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি বললেন, আমি যাব না। ব্যাখ্যা: এখানে মূল বাক্য ও বক্তার উক্তির খণ্ড বাক্যের মাঝে কমা বসেছে। উদাহরণ ২: শিক্ষক বললেন, আজ ক্লাস হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে বক্তার উক্তির ঠিক পূর্বে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে খণ্ড বাক্যের শেষে কমা বসে। B) কোলন — কোলন সাধারণত একটি পূর্ণ বাক্যের পর অন্য কোনো বাক্য বা দৃষ্টান্ত আনতে বসে, উদ্ধরণের পূর্বে খণ্ড বাক্যের শেষে নয়। C) কোলন ড্যাস — উদাহরণ বা নাটকে চরিত্রের নামের পরে কোলন ড্যাস বসে, সাধারণ খণ্ড বাক্যের শেষে নয়। D) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদগুলোকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, বাক্যের যতিচিহ্ন হিসেবে উদ্ধরণের পূর্বে বসে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বক্তার কথা লেখার শুরুতে বা উদ্ধৃতি দেওয়ার আগে সবসময় কমা বসবে। বাক্যের গতি থামানোর স্বল্পতম বিরতির জন্য কমা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। উদ্ধৃতিচিহ্নের আগের কমার ব্যবহার সঠিকভাবে বুঝতে বাক্য গঠন খেয়াল রাখতে হবে।
a শুকনো
b সাথে
c জুতা
d বুনো
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জুতা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের শ্রেণিবিভাগ বা সাধু ও চলিত রূপ সম্পর্কিত ব্যাকরণ বিষয়ের অন্তর্গত। - সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের আধিক্য থাকে এবং শব্দের রূপটি তুলনামূলক গম্ভীর ও প্রাচীন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জুতা শব্দটি একটি খাঁটি বাংলা শব্দ এবং এটি সাধু ও চলিত উভয় রীতির জন্যই সমানভাবে উপযোগী। - জুতো হলো এর চলিত রূপ, আর জুতা হলো সাধু রূপ বা প্রমিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি জ্যোৎস্না শব্দের চলিত রূপ, যেখানে জ্যোৎস্না হলো সাধু রূপ। উদাহরণ ২: বোঝা ব্যাখ্যা: এটি বুঝা শব্দের চলিত রূপ, আর বুঝা হলো সাধু রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুকনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হলো শুষ্ক। B) সাথে — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হলো সহিত। C) জুতা — এটি সাধু ভাষায় ব্যবহারের উপযোগী প্রমিত শব্দ। D) বুনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হলো বন্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধু রীতিতে সাধারণত চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হওয়া এবং শব্দের শেষে ও কারের পরিবর্তে আ কার থাকা শব্দগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়। - যেমন জুতা সাধু এবং জুতো চলিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু ও চলিত রূপ চেনার সময় শব্দের উৎস এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - একই শব্দের দুটি রূপ থাকলে সাধু রূপের ক্ষেত্রে সাধারণত স্বরবর্ণের পূর্ণ রূপ বা আ কার বেশি থাকে।
a যৌগিক
b মৌলিক
c যোগরূঢ়
d রূঢ়ি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রূঢ়ি ১. কেন সঠিক: - গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ হলো সেই শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। - হরিণ শব্দটির বুৎপত্তিগত বা সাধারণ অর্থ যা হরণ করে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে এটি নির্দিষ্ট একটি পশুকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গের সাহায্যে গঠিত হয়েও প্রকৃতির বা মূল শব্দের অনুসারী না হয়ে সম্পূর্ণ আলাদা কোনো অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। - এই শব্দগুলো মূলত ব্যাকরণের স্বাভাবিক নিয়মকে রক্ষা করে ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ছেড়ে বিশেষ কোনো অর্থ বা ঐতিহ্যকে ধরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবীণ ব্যাখ্যা: প্রবীণ শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ প্রकृष्ट রূপে বীণা বাজান যিনি, কিন্তু বর্তমানে এর অর্থ অভিজ্ঞ বা বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি। উদাহরণ ২: তৈল ব্যাখ্যা: তৈল শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো স্নেহ পদার্থ, কিন্তু বর্তমানে এটি সরিষা বা অন্য উদ্ভিজ্জ বা খনিজ তেলকেও বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক — যৌগিক শব্দ হলো সেই শব্দ যার অর্থ বুৎপত্তিগত অর্থের অনুসারী হয়, কিন্তু হরিণ শব্দের অর্থ বুৎপত্তিগত অর্থের অনুসারী নয়। B) মৌলিক — মৌলিক শব্দ হলো যা ভাঙা যায় না বা বিশ্লেষণ করা যায় না, কিন্তু হরিণ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা সম্ভব। C) যোগরূঢ় — যোগরূঢ় শব্দ হলো সমাসনিষ্পন্ন শব্দ যা সমসমান পদের অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু হরিণ কোনো সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। D) রূঢ়ি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী রূঢ়ি শব্দের সব শর্ত পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূঢ়ি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো যেসব শব্দ তাদের আসল বা শাব্দিক অর্থ ছেড়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো নির্দিষ্ট অর্থ বোঝায় যেমন হস্তী, বাঁশি, গবেষণা, সন্দেশ। - মনে রাখবে যে শব্দগুলোতে বুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে বাস্তব ব্যবহারের মিল থাকে না, সেগুলোর বেশিরভাগই রূঢ়ি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের গঠন থেকে প্রায়ই রূঢ়ি ও যৌগিক শব্দ আলাদা করতে বলা হয়। - প্রবীণ, সন্দেশ, গবেষণা, হস্তী এই শব্দগুলোর উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ৩২, ৮, ১০
b ৩২, ৭, ১১
c ৩০, ৮, ১২
d ৩২, ৭, ৯
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩২, ৮, ১০ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এই বিন্যাসটি বাংলা ব্যাকরণের বর্ণমালা অধ্যায়ের একটি মৌলিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। পূর্ণমাত্রা ৩২টি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা স্বরবর্ণের উদাহরণ, যার উপরে সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা থাকে। উদাহরণ ২: ক, গ, ঘ, চ, ছ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা ব্যঞ্জনবর্ণের উদাহরণ, যা লেখার সময় উপরে পূর্ণ মাত্রা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩২, ৮, ১০ — এটি বাংলা বর্ণমালার পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। B) ৩২, ৭, ১১ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ৭টি এবং মাত্রাহীন ১১টি বলা হয়েছে যা ভুল গণনা। C) ৩০, ৮, ১২ — এখানে পূর্ণমাত্রা ৩০টি বলা হয়েছে যা বাংলা বর্ণমালার প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) ৩২, ৭, ৯ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০, অর্থাৎ মোট সংখ্যা ৩২ + ৮ + ১০ = ৫০। সংখ্যাগুলো পর্যায়ক্রমে ৩২, ৮ এবং ১০ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ আলাদা করে কোনটিতে কয়টি মাত্রা আছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a আহ্বান
b নিমন্ত্রণ
c প্রত্যাবান
d আবাহন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যাবান ১. কেন সঠিক: - 'আমন্ত্রণ' শব্দের অর্থ হলো কাউকে কোনো অনুষ্ঠানে বা ঘরে আসার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ডেকে পাঠানো। - 'প্রত্যাবান' নামের কোনো অর্থপূর্ণ ও সঠিক বাংলা শব্দ বাংলা অভিধানে নেই, তাই এটি 'আমন্ত্রণ' শব্দের সমার্থক হতে পারে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। - বাংলা ভাষায় একটি মূল শব্দের বিপরীতে একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা শব্দের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমন্ত্রণ ব্যাখ্যা: এটি আমন্ত্রণ শব্দের সরাসরি সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আহ্বান ব্যাখ্যা: এটিও কাউকে কোনো কাজে বা অনুষ্ঠানে ডাকার অর্থে আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহ্বান — এটি আমন্ত্রণ শব্দের একটি নিখুঁত সমার্থক শব্দ যার অর্থ কাউকে ডাকা বা ডেকে পাঠানো। B) নিমন্ত্রণ — এটি আমন্ত্রণ শব্দের অত্যন্ত প্রচলিত ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। C) প্রত্যাবান — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ নয়, তাই এটি আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক হতে পারে না। D) আবাহন — এটিও আমন্ত্রণ বা কোনো কিছুকে সামনে ডেকে আনার অর্থে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে আ দিয়ে শুরু শব্দগুলোকে এক সাথে মিলিয়ে পড়তে পারো। - যে বানান বা শব্দটি অভিধানে নেই, তা দেখলেই সমার্থক নয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই অস্তিত্বহীন বা ভুল বানানযুক্ত শব্দ অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের মূল অর্থ এবং অপশনের শব্দটির অস্তিত্ব ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
a চালবাজি
b অস্থির মানব মন
c অরাজক পরিস্থিতি
d অমূল্য সম্পদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্থির মানব মন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো মন যে সব সময় চঞ্চল এবং পরিবর্তনশীল, তা এই বাগধারার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। - মানুষের মন এক জায়গায় স্থির থাকে না, ক্ষণে ক্ষণে তার ভাবনা ও মতিগতি বদলায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মন বড়ই চঞ্চল, ঠিক যেন মন না মতি। ব্যাখ্যা: মানুষের মনের এই অস্থির স্বভাব বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: তার সিদ্ধান্ত বদল দেখে বোঝা যায় তার অবস্থা মন না মতি। ব্যাখ্যা: মানুষের সিদ্ধান্তের বারবার পরিবর্তনশীলতা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চালবাজি — এই অপশনটি ভুল কারণ চালবাজি অর্থ প্রতারণা বা ধূর্তামি, যা মানুষের মনের অস্থিরতার সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) অস্থির মানব মন — এটি সঠিক উত্তর। C) অরাজক পরিস্থিতি — এই অপশনটি ভুল কারণ অরাজকতা বলতে আইনশৃঙ্খলার অনুপস্থিতি বা বিশৃঙ্খল রাষ্ট্রীয় অবস্থাকে বোঝায়। D) অমূল্য সম্পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ অমূল্য সম্পদ বলতে এমন কিছু বোঝায় যার কোনো আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মন আর মতির মিল দেখলে মনে রাখবে মানুষের মনের অস্থিরতার কথা। - মতি মানে বুদ্ধি বা মন, আর মন তো সবসময় চঞ্চল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের মনস্তাত্ত্বিক বা স্বভাববাচক বাগধারা প্রায়ই আসে। - বাগধারার আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর ভেতরের গভীর ভাবার্থ বুঝতে হবে।
a বীরপুত্র
b রত্নগর্ভা
c স্বর্ণমাতা
d বীরপ্রসূ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীরপ্রসূ ১. কেন সঠিক: - বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী তাকে এককথায় বীরপ্রসূ বলা হয়। - প্রসূ শব্দের অর্থ হলো প্রসবকারিণী বা সন্তান জন্মদানকারী নারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি বহুদর্শী লাভ করেছেন তাকে সর্বদর্শী বলা হয়। ব্যাখ্যা: অনেক কিছু দেখেছেন বা জানেন যিনি তাকে এককথায় সর্বদর্শী বলে। উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না তাকে দুর্জয় বলা হয়। ব্যাখ্যা: জয়ের ক্ষেত্রে জটিলতা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপুত্র — বীরের পুত্র অর্থে এটি বোঝায় তবে প্রসবকারী নারী বোঝায় না। B) রত্নগর্ভা — যে নারী রত্নতুল্য গুণী সন্তানের জন্ম দেন তাকে রত্নগর্ভা বলা হয়। ৫) স্বর্ণমাতা — এটি কোনো প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। D) বীরপ্রসূ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীর সন্তান প্রসবকারী নারীকে এটি নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রসূ শব্দের অর্থ প্রসব করা তাই বীর সন্তান প্রসবকারী অর্থে বীরপ্রসূ শব্দটি মনে রাখবে। - গর্ভ ধারণের সঙ্গে রত্ন যুক্ত হলে রত্নগর্ভা হয় এবং প্রসবের সঙ্গে বীর যুক্ত হলে বীরপ্রসূ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রসূ সংক্রান্ত বাক্য সংকোচনগুলো যেমন মৃতবৎসা বা পতিব্রতা ভালোভাবে চর্চা করবে।
a জলধি
b গগন
c পানি
d অবনি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি ১. কেন সঠিক: - অম্বু শব্দের অর্থ হলো জল বা পানি। সংস্কৃত শব্দ অম্বু বাংলায় সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে পানি সরাসরি অম্বু শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎসের শব্দ মিলে প্রচুর সমার্থক শব্দের সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বারি ব্যাখ্যা: বারি শব্দটি অম্বু ও পানির আরেকটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: সলিল ব্যাখ্যা: সলিলও জলের সমার্থক হিসেবে বাংলা কবিতায় ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ জল ধারণ করে যা। এটি পানির সমার্থক নয়। B) গগন — গগন শব্দের অর্থ আকাশ বা অম্বর। এটি পানির সমার্থক শব্দ নয়। C) পানি — এটি সঠিক উত্তর। D) অবনি — অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। এটি পানির সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অম্বু মানে জল, যার সাথে পঙ্ক যুক্ত হয়ে অম্বুজ অর্থাৎ পদ্ম বোঝায়। এভাবে জলবাচক শব্দগুলোর সাথে জ যুক্ত করলে সাধারণত ফুলের নাম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জল, পানি, বারি, সলিল, অম্বু, উদক, পয়ো - এগুলো সমার্থক শব্দ হিসেবে পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সমার্থক শব্দ মনে রাখতে উৎস ও মূল অর্থ খেয়াল রাখতে হবে।
a √দীপ্য + মান
b √দিপ্য + মানচ
c √দিপ + শানচ
d √দীপ + শানচ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √দীপ + শানচ ১. কেন সঠিক: - 'দীপ্যমান' শব্দটি সংস্কৃতে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষণ পদ এবং এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √দীপ যোগ শানচ। - এখানে 'দীপ' হলো সংস্কৃত ধাতু যার অর্থ দীপ্ত হওয়া বা আলো ছড়ানো এবং 'শানচ' হলো কৃৎ প্রত্যয় যা বর্তমান কৃদন্ত পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। - বর্তমান কালের অর্থে ধাতুর পরে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল ধাতুর আদিতে পরিবর্তন ঘটে এবং পদের শেষে মান বা আন যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √লভ + শানচ = লভ্যমান ব্যাখ্যা: লাভ করা অর্থে লভ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যোগে লভ্যমান পদটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √সেভ + শানচ = সেব্যমান ব্যাখ্যা: সেবা করা অর্থে সেভ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যোগে সেব্যমান পদটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √দীপ্য + মান — 'দীপ্য' কোনো মৌলিক ধাতু নয় এবং 'মান' সরাসরি প্রত্যয় হিসেবে বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল। B) √দিপ্য + মানচ — এখানে বানান ভুল আছে এবং 'দিপ্য' বলে কোনো প্রমিত সংস্কৃত ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। C) √দিপ + শানচ — 'দিপ' বানানটি ভুল কারণ শুদ্ধ ধাতু হলো দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত 'দীপ'। D) √দীপ + শানচ — এটি সঠিক কারণ দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত 'দীপ' ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দীপ্যমান' গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্তমান কৃদন্ত পদে মান বা আন যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত শানচ প্রত্যয় বিবেচনা করবে। - ধাতুর বানান লেখার সময় সবসময় মূল সংস্কৃত রূপটি মনে রাখবে যেমন এখানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংস্কৃত ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শানচ প্রত্যয় যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত বর্তমান কালের অর্থ প্রকাশ করে এবং বিশেষণের কাজ করে।
a ট
b থ
c ড
d ভ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড ১. কেন সঠিক: ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণ হলো সেই ধ্বনি যা উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে এবং অতিরিক্ত বাতাসের প্রয়োজন হয় না। বাংলা বর্ণমালার বর্গের তৃতীয় বর্ণগুলো হলো ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে অল্পপ্রাণ, মহাপ্রাণ, অঘোষ ও ঘোষ এই ভাগে ভাগ করা হয়। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় তৃতীয় বর্ণ এবং এটি ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ব ব্যাখ্যা: এটি পবর্গীয় তৃতীয় বর্ণ এবং এটি ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট — এটি কবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। B) থ — এটি কবর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি। C) ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টবর্গীয় তৃতীয় বর্ণ এবং ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। D) ভ — এটি পবর্গীয় চতুর্থ বর্ণ এবং এটি ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতিটি বর্গের তৃতীয় বর্ণ হলো ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বর্গের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণের ছক মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a ষ্টেশন
b রুগ্ণ
c বিপ্রকর্স
d সাধারন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুগ্ণ ১. কেন সঠিক: - রুগ্ণ বানানটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এর বানানে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। - এখানে ঋ-কার বা র-ফলা এবং ক্ষ-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ বসে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ঋ, ঋ-কার, র বা র-ফলা এবং ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। - রুগ্ণ শব্দটিতে গ-এর নিচে যে ফলা আছে তা ঋ-কার বা র-ফলার বিশেষ রূপ হওয়ায় পরে ণ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: ঋ-কারের পর মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে তৃণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘৃণা ব্যাখ্যা: ঋ-কারের পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষ্টেশন — এটি ভুল বানান কারণ বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ ও মূর্ধন্য ণ হয় না, সঠিক বানান স্টেশন। C) বিপ্রকর্স — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান বিপ্রকর্ষ যেখানে মূর্ধন্য ষ-এর স্থানে অন্য বর্ণ বা ভুল বিন্যাস আছে। D) সাধারন — এটি ভুল বানান কারণ দন্ত্য ন-এর জায়গায় মূর্ধন্য ণ হবে, সঠিক বানান সাধারণ। B) সঠিক উত্তরটি যেহেতু বি অপশন, তাই এই অপশনটি এখানে নির্দেশিত নিয়মে শুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি শব্দে সবসময় দন্ত্য ন এবং দন্ত্য স ব্যবহার করবে, মূর্ধন্য বর্ণ ব্যবহার করবে না। - তৎসম শব্দে ঋ-কার বা র-ফলার পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্টেশন এবং সাধারণ বানানগুলো বারবার পরীক্ষাতে আসে। - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের জন্য নত্ব বিধানের সাধারণ নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তুর্কি
b আরবি
c ফারসি
d ফরাসি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবি ১. কেন সঠিক: মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মূলত প্রশাসনিক শব্দ হিসেবে বাংলা অভিধানে স্থান পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটির উৎস বিচারে এটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি প্রশাসনিক পরিভাষা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু আরবি শব্দ প্রশাসন, বিচারালয় ও সমাজ জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহকুমা প্রশাসন কার্যালয়। ব্যাখ্যা: প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মহকুমা শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মহকুমা শাসক। ব্যাখ্যা: মহকুমা প্রশাসনিক প্রধানকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা, চাকর, তোপ ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। B) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মহকুমা একটি আরবি প্রশাসনিক শব্দ। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা ফারসি শব্দ নয়। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন, ডিপো ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা ফরাসি শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রশাসনিক অনেক পরিভাষা আরবি ও ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই প্রশাসনিক ও আইনসংক্রান্ত আরবি শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।
a কর্তৃকারকে ৭মী
b কর্মকারকে শূন্য
c কর্তৃকারকে শূন্য
d করণ কারকে শূন্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'জল' পদটি নিজে নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করছে, তাই এটি কর্তৃকারক। - 'জল' শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ বা সর্বনাম পদের যে অংশ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে। - শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃষ্টি পড়ছে ব্যাখ্যা: এখানে বৃষ্টি নিজে পড়ছে, তাই বৃষ্টি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল ফুটছে ব্যাখ্যা: ফুল নিজে ফুটছে, তাই এটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে ৭মী — জল পদে কোনো এ, তে বা য় বিভক্তি নেই, তাই এটি ভুল। B) কর্মকারকে শূন্য — জল এখানে কর্ম নয়, কারণ এটি নিজে কাজ বা ক্রিয়া সম্পাদন করছে। D) করণ কারকে শূন্য — জল কোনো মাধ্যম বা সহায়ক যন্ত্র নয়, তাই এটি করণ কারক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। - শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রকৃতি নিজে কোনো কাজ করলে তা সবসময় কর্তৃকারક হয়। - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তি চিহ্ন দেখতে হবে।
a শৈব
b সৌর
c দৈব
d চৈত্র
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌর ১. কেন সঠিক: নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয় হলো সেই সমস্ত শব্দ, যা সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয় না। প্রকৃতি ও প্রত্যয় যোগ করার সময় শব্দের রূপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম এখানে কার্যকর হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী সূর্য শব্দের সঙ্গে অ (ষ্ণ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌর শব্দটি গঠিত হয়েছে। শব্দের আদিস্বর উ-এর স্থানে ঔ এবং র-এর প্রভাবে এই বিশেষ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, যা নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে গণ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরু ব্যাখ্যা: এটি প্রাকৃত ভাষার নিয়মে নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ। উদাহরণ ২: পাণিনি ব্যাখ্যা: পানি শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধভাবে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈব — এটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, শিবা শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত স্বাভাবিক তদ্ধিতান্ত শব্দ। B) সৌর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত। C) দৈব — এটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, দেব শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সাধারণ শব্দ। D) চৈত্র — এটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, চিত্রা নক্ষত্রের নাম থেকে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্য থেকে সৌর রূপান্তরের ক্ষেত্রে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়ম মনে রাখতে হবে। সাধারণ প্রত্যয়ের নিয়মের বাইরে গিয়ে যেসব শব্দ গঠিত হয়, সেগুলোকে আলাদাভাবে তালিকা করে পড়তে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সরাসরি কমন হিসেবে আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো আয়ত্ত করা চাকরি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a We shall discuss about the matter.
b We shall discuss to the matter.
c We should discuss on the matter.
d We shall discuss the matter.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) We shall discuss the matter. কেন সঠিক: আলোচনা করা ইংরেজি শব্দ discuss একটি transitive verb যার পরে কোনো preposition বসে না। তাই সরাসরি object বসে এবং সঠিক বাক্যটি হয় We shall discuss the matter. বাকি অপশন কেন ভুল: A) discuss-এর পরে about preposition বসালে বাক্যটি redundant বা ভুল হয়। B) discuss-এর পরে to preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। C) discuss-এর পরে on preposition ব্যবহার করলেও তা সঠিক ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী ভুল হয়। D) এটি সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Discuss শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করা, তাই এর সাথে আলাদা করে about বা on বসানোর প্রয়োজন হয় না।
a You will find such a country nowhere?
b Nowhere you will find such a country?
c Nowhere will you find such a country?
d You will find a country like this nowhere?
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nowhere will you find such a country? কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'Nowhere' এর মতো নেতিবাচক শব্দ থাকলে তা জোরদার করতে ইনভার্শন নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের আগে বসে। এই বাক্যে 'will' সাহায্যকারী ভার্বটি সাবজেক্ট 'you' এর পূর্বে বসে সঠিক ইংরেজি গঠন নিশ্চিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You will find such a country nowhere? — এই অপশনে সাহায্যকারী ভার্বের সঠিক ইনভার্শন বা অবস্থান পরিবর্তন ঘটেনি। B) Nowhere you will find such a country? — এখানে নেতিবাচক শব্দ দিয়ে শুরু হলেও সাবজেক্ট ও ভার্বের সঠিক ক্রম মানা হয়নি। C) Nowhere will you find such a country? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) You will find a country like this nowhere? — এই বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং স্বাভাবিক ইংরেজি প্রবাহ নষ্ট করেছে। মনে রাখার টিপস: নেতিবাচক শব্দ দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয়।
a By whom am I called?
b By whom I am called?
c By whom I was called?
d By whom am I being called?
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) By whom am I being called? কেন সঠিক: বাকটি Present Continuous Tense এ থাকায় Passive করার সময় am/is/are + being + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হয়। Active বাক্যের Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয় এবং Subject এর পূর্বে Auxiliary verb বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense এর গঠন, তাই Continuous এর অর্থ প্রকাশ করে না। B) By whom I am called? — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের পরে বসেছে যা ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের নিয়মের বাইরে। C) By whom I was called? — এটি Past Tense এ পরিবর্তিত হয়েছে যা প্রদত্ত প্রশ্নের কালের সাথে মেলে না। D) By whom am I being called? — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্বের সাথে being যোগ করতে হয়।
a than those of Dhaka.
b than Dhaka.
c than that of Dhaka.
d than Dhaka’s roads.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) than those of Dhaka. কেন সঠিক: এখানে রাজশাহীর রাস্তার সাথে ঢাকার রাস্তার তুলনা করা হয়েছে। একই পদের তুলনা বোঝাতে plural noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) than Dhaka — এখানে সরাসরি শহরের সাথে রাস্তার তুলনা করা হয়েছে যা অর্থহীন। C) than that of Dhaka — that of ব্যবহার করা হয় singular noun এর বদلے, কিন্তু roads হলো plural। D) than Dhaka's roads — এটি ব্যাকরণগতভাবে অপ্রাকৃতিক এবং এই বাক্যের গঠনে বেমানান। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় singular এর জন্য that of এবং plural এর জন্য those of ব্যবহার করতে হয়।
a A big speech
b Maiden speech
c An unimportant speech
d A verbose speech
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শব্দ ব্যবহার করা। তাই যে বক্তৃতায় অনেক বেশি শব্দের সমাহার থাকে তাকে একটি verbose speech বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big speech — এটি বড় বক্তৃতা বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয় না। B) Maiden speech — এটি একজন বক্তার জীবনের প্রথম বা সবচেয়ে প্রথম দেওয়া ভাষণকে বোঝায়। C) An unimportant speech — এটি অর্থহীন বা গুরুত্বহীন কোনো বক্তব্যকে বোঝায়, যা অতিরিক্ত শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) A verbose speech — এটি সঠিক কারণ verbose কথাটির অর্থই হলো অতিরিক্ত শব্দে ভরা বক্তব্য। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের অর্থ হলো শব্দবহুল, তাই বেশি কথা বা শব্দ দেখলে verbose কথাটি মনে রাখবে।
a with
b to
c in
d for
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ব্যাংক হিসাব বা লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা জমা দেওয়ার অর্থ বোঝাতে সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে ক্রেডিট বা জমা হওয়া অর্থ অ্যাকাউন্ট বা হিসাবের দিকে নির্দেশ করায় সঠিক preposition হিসেবে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই preposition টি কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যমের সাথে বোঝাতে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়। C) in — এটি সাধারণত কোনো স্থান বা সীমার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসা grammatically ভুল। D) for — এটি সাধারণত কোনো উদ্দেশ্যে বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে অর্থপূর্ণ হয় না। মনে রাখার টিপস: হিসাবে টাকা জমা বা Credit হলে সাধারণত তার সাথে to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a Who does not love flower?
b Who do not love flower?
c Who did not love flower?
d Do all love flower?
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who does not love flower? কেন সঠিক: সার্বিক বোধসূচক বা চিরন্তন সত্য বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'All' এর পরিবর্তে 'Who' বসে এবং বাক্যটি নেতিবাচক হয়। এখানে সাবজেক্ট 'All' বহুবচন হলেও ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'Who' এর পরে একবচন হিসেবে 'does not' ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) B — 'Who' এর পরে 'do not' ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সঠিক হয়নি। C) C — মূল বাক্যটি বর্তমান কালে থাকায় এখানে অতীতকালের সাহায্যকারী verb 'did' ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। D) D — সাধারণ প্রশ্নবোধক করা হলেও এটি সরাসরি 'Who' দিয়ে শুরু হওয়ার নিয়মকে অনুসরণ করেনি। মনে রাখার টিপস: 'All' যুক্ত এফারমেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'Who + does not + মূল verb এর বেস ফর্ম' ব্যবহার করতে হয়।
a study
b studily
c stupidity
d studious
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) studious কেন সঠিক: ‘Study’ শব্দের অর্থ অধ্যায়ন করা এবং এর adjective বা বিশেষণ রূপ হলো ‘studious’। এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি পড়াশোনায় খুব মনোযোগী বা অনুরাগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) study — এটি একটি verb বা noun যার অর্থ পড়াশোনা করা বা অধ্যায়ন। তাই এটি adjective রূপ হতে পারে না। B) studily — এটি একটি ভুল শব্দ এবং ইংরেজিতে এর কোনো সঠিক ব্যবহার বা অস্তিত্ব নেই। C) stupidity — এটি একটি noun যার অর্থ বোকামি, যা ‘Study’ শব্দের adjective রূপ নয়। D) studious — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘Study’ শব্দের সঠিক adjective রূপ। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ous থাকলে সাধারণত সেটি adjective হয়, যেমন studious।
a He said that had he gone to Tangail.
b He said that I had gone to Tangail.
c He said that he had gone to Tangail.
d He said that he went to Tangail.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He said that he had gone to Tangail. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভারబ్ past tense এ থাকায় রিপোর্টেড স্পিচের verb past indefinite tense পরিবর্তন হয়ে past perfect tense হয়। პირველ person (I) পরিবর্তন হয়ে রিপোর্টিং ভার্বের subject (He) অনুযায়ী he হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপਸ਼ਨ A ভুল কারণ এখানে প্রশ্নবোধক বাক্য বা শর্তমূলক স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়েছে যা অপ্রাসঙ্গিক। B) অপশন B ভুল কারণ এখানে প্রথম পার্সন (I) অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে। C) অপশন C সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) অপশন D ভুল কারণ এখানে past indefinite tense কে পরিবর্তন না করে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ past indefinite থাকলে Indirect করার সময় past perfect tense করতে হয়।
a economic
b economical
c economically
d economize
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) economize কেন সঠিক: 'economy' শব্দটির মূল অর্থ হলো অর্থনীতি বা ব্যবস্থাপনা। এর সঠিক ভার্ব রূপ হলো economize, যার অর্থ মিতব্যয়ী হওয়া বা খরচ কমানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) economic — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ অর্থনৈতিক। B) economical — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ মিতব্যয়ী। C) economically — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ অর্থনৈতিকভাবে। D) economize — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব হওয়ায় এখানে এটি প্রযোজ্য নয়, এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে 'ize' বা 'ise' থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব বা ক্রিয়া বোঝায়।
a proud
b a day dreamer
c an aviator
d useless
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যার মাথা মেঘের মধ্যে থাকে। বাস্তবে এটি অলীক কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proud — এর অর্থ অহংকারী, যা এই ইডিয়মের রূপক অর্থের সাথে মেলে না। B) a day dreamer — এটি সঠিক কারণ এটি দিবাস্বপ্ন দেখার অবস্থাকে বোঝায়। C) an aviator — এর অর্থ বিমানচালক, যা শব্দের আক্ষরিক মিল থাকলেও আসল ভাবার্থ নয়। D) useless — এর অর্থ দরকারী নয়, যা এই কল্পনাবিলাসী কথার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মেঘে মাথা থাকা মানে মাটিতে পা না রেখে সবসময় কল্পনার জগতে উড়ে বেড়ানো।
a Pen through the word.
b Cut the word.
c Cut through the word.
d Cut out the word.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pen through the word. কেন সঠিক: কোনো লেখার ওপর কলমের দাগ টেনে তা কেটে ফেলা বা বাতিল করার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব হলো pen through। তাই শব্দটি কেটে দাও বোঝাতে Pen through the word ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pen through the word — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Cut the word — সাধারণ অর্থে শব্দটি কাটা বোঝালেও এটি সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব বা বাগধারা নয়। C) Cut through the word — এর অর্থ শব্দটির মধ্য দিয়ে কেটে যাওয়া, যা লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Cut out the word — এর অর্থ কোনো শব্দ কেটে বাদ দেওয়া বা আলাদা করা, কলম দিয়ে কাটা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: লেখা কলম দিয়ে কাটা বোঝালে ہمیشہ Pen through ব্যবহার করবে।
a have heard
b was hearing
c heard
d am heard
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) heard কেন সঠিক: বাক্যটির প্রথম অংশ opened থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে। তাই পরের অংশেও পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হবে। as soon as যুক্ত বাক্যে সাধারণত উভয় অংশ একই টেন্সের হয়। এখানে শুনতে পাওয়ার কাজটি অতীতে ঘটেছিল তাই heard সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have heard — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে মিলে না। B) was hearing — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এবং এখানে দীর্ঘস্থায়ী কাজের বোঝায় না। C) heard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) am heard — এটি প্রেজেন্ট প্যাসিভ টেন্স এবং অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: as soon as যুক্ত বাক্যের এক অংশ পাস্ট টেন্সে থাকলে অন্য অংশও সাধারণত পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
a reading
b to read
c read
d reads
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) read কেন সঠিক: বাক্যে 'make' একটি Causative Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পর সাধারণত Verb এর Base Form বা Bare Infinitive বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) reading — Causative Verb এর পর সরাসরি Verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসে না। B) to read — Causative Verb এর পর to সহ Infinitive বসে না। C) read — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) reads — Causative Verb এর পর Verb এর সাথে s বা es যুক্ত রূপ বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে make, let ইত্যাদির পর সর্বদা Verb এর মূল ফর্ম বা Base Form বসে।
a I surprised at his behaviour
b I was surprised with his behaviour
c I had been surprised at his behaviour
d I was surprised at his behaviour
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I was surprised at his behaviour কেন সঠিক: Active বাক্যের past indefinite tense-কে Passive করার সময় object-টি subject হয় এবং was/were এর পর মূল verb-এর past participle বসে। Surprised verb-এর পরে by না বসে সাধারণত at preposition বসে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I surprised at his behaviour — এখানে tense পরিবর্তন করার সময় auxiliary verb (was) ব্যবহার করা হয়নি। B) I was surprised with his behaviour — এখানে surprised verb-এর পরে ভুল preposition (with) ব্যবহার করা হয়েছে। C) I had been surprised at his behaviour — এখানে মূল বাক্যের tense পরিবর্তন করে past perfect করা হয়েছে, যা নিয়মসম্মত নয়। D) এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Surprised, pleased, shocked ইত্যাদি verb-গুলোর পর সাধারণত by-এর পরিবর্তে at preposition বসে।
a see through
b put up with
c pass by
d fall back
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) put up with কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো কবিকে দারিদ্র্যের মধ্যে থেকেও অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল। put up with একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সহ্য করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) see through — এর অর্থ কোনো কিছু ভেদ করে দেখা বা বুঝতে পারা, যা এখানে অর্থ অনুসারে সঠিক নয়। B) put up with — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহ্য করা যা শূন্যস্থানের জন্য মানানসই। C) pass by — এর অর্থ পাশ দিয়ে চলে যাওয়া, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। D) fall back — এর অর্থ পিছিয়ে যাওয়া বা পিছু হটা, যা এখানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: সফারিংস বা কষ্ট সহ্য করার কথা থাকলেই put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হবে।
a disguise
b difficult
c heavy
d dangerous
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) disguise কেন সঠিক: Camouflage শব্দের বাংলা অর্থ হলো ছদ্মবেশ ধারণ করা বা নিজের আসল রূপ ঢেকে রাখা। disguise শব্দের অর্থও রূপান্তর করা বা চেনা না যাওয়ার জন্য বাহ্যিক রূপ বদলানো। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) disguise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ Camouflage শব্দের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) difficult — এই শব্দের অর্থ কঠিন বা জটিল, যা ছদ্মবেশ শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) heavy — এই শব্দের অর্থ ভারী বা ওজনদার, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। D) dangerous — এই শব্দের অর্থ বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ, যা Camouflage এর অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বিপদ থেকে বাঁচতে প্রাণীরা যেমন পরিবেশের সাথে মিশে রূপ বদলায়, তাকেই Camouflage বা disguise বলে।
a No other wood is as pretty as it burns.
b No other wood burns is as pretty as it.
c No other wood burns as pretty as it.
d No other wood burn as pretty as it.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) No other wood burns as pretty as it. কেন সঠিক: ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়মে Superlative থেকে Positive করার সময় বাক্যের শুরুতে No other বসে এবং Singular subject ব্যবহৃত হয়। মূল verb এর পর as + Adverb + as বসে এবং শেষে Pronoun এর subjective রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের গঠন ভুল কারণ wood এর পরে burns verb না বসিয়ে সরাসরি as বসানো হয়েছে। B) এখানে burns is একসাথে দুটি verb ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। C) এটি সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নেই। D) wood হলো Singular subject তাই এর সাথে burn না বসে burns হওয়া উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: Superlative ডিগ্রিযুক্ত বাক্যকে Positive করার সময় No other দিয়ে শুরু করতে হয় এবং verb সবসময় Singular হয়।
a Possessive pronoun
b Indefinite pronoun
c Distributive pronoun
d Relative pronoun
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indefinite pronoun কেন সঠিক: ‘Anybody’ শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট কাউকে বোঝায়। তাই এটি Pronoun-এর অনির্দিষ্টবাচক বা Indefinite pronoun ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Possessive pronoun — এই Pronoun গুলো অধিকার বা মালিকানা প্রকাশ করে, যেমন my, your ইত্যাদি। B) Indefinite pronoun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Distributive pronoun — এগুলো একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝায়, যেমন each, either। D) Relative pronoun — এই Pronoun গুলো দুটি বাক্যকে যুক্ত করে এবং পূর্ববর্তী Noun-কে নির্দেশ করে, যেমন who, which। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে সাধারণ বা অনির্দিষ্ট কাউকেই বোঝায়, যেমন anybody, someone, nobody, সেগুলোকে Indefinite pronoun বলা হয়।
a full moon night
b very rarely
c very often
d moonlit night
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: - 'Once in a blue moon' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো যা খুব কদাচিৎ বা কদাচিৎ ঘটে থাকে। - এটি মূলত চাঁদের বিরল রঙের রূপক ব্যবহার করে অত্যন্ত দীর্ঘ বিরতিতে ঘটে এমন ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) full moon night — এটি পূর্ণিমার রাত বোঝায়, যা প্রতি মাসে একবার নিয়মিত ঘটে এবং বিরল কিছু নয়। B) very rarely — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাগধারাটির মূল অর্থই হলো খুব কম বা কদাচিৎ ঘটা ঘটনা। C) very often — এর অর্থ খুব ঘন ঘন, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) moonlit night — এটি জোছনা রাত বোঝায়, যা কোনো বিরল ঘটনা নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ কখনোই নীল রঙে দেখা যায় না, তাই চাঁদের নীল হওয়া মানেই কোনো ঘটনা খুব কদাচিৎ ঘটা।
a he was mad.
b he is mad.
c he were mad.
d he will be mad.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) he were mad. কেন সঠিক: বাক্যে as if বা as though থাকলে তা অবাস্তব বা কল্পিত অর্থ প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে Subject যাই হোক না কেন, সবসময় verb হিসেবে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he was mad — এখানে was ব্যবহার করা হয়েছে যা অপ্রাতিষ্ঠানিক এবং কল্পিত ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) he is mad — এখানে present tense ব্যবহার করা হয়েছে যা past tense এর পরের as if এর নিয়ম অনুযায়ী অচল। C) he were mad — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম মেনে চলে। D) he will be mad — এখানে future tense ব্যবহার করা হয়েছে যা এমন অবাস্তব বাক্যের গঠনের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: as if এর আগে past tense থাকলে পরে সবসময় were ব্যবহার করতে হয়।
a with
b from
c against
d beside
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তি বা মানুষের দল থেকে বিদায় নেওয়া বা আলাদা হওয়া অর্থে 'part from' উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে বন্ধু একজন ব্যক্তি হওয়ায় সঠিক প্রিপজিশন হবে from। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তু, প্রিয় জিনিস বা ধারণা থেকে আলাদা হওয়া বোঝালে 'part with' বসে, কিন্তু বন্ধু ব্যক্তি হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা এখানে বন্ধু থেকে বিদায় নেওয়ার অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবেও সঠিক নয়। D) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে সেন্টেন্সের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'part from' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'part with' ব্যবহার করবে।
a It rained last night.
b It rains last night.
c It will rain last night.
d It rain last night.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It rained last night. কেন সঠিক: বাক্যে last night থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে, তাই মূল verb-এর পাস্ট ফর্ম বসে। এখানে rain verb-এর পাস্ট ফর্ম rained ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It rained last night. — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) It rains last night. — rains হলো প্রেজেন্ট টেন্স, যা last night শব্দের সাথে মেলে না। C) It will rain last night. — will rain হলো ভবিষ্যৎ কাল, যা অতীতের সময়ের সাথে বসে না। D) It rain last night. — rain হলো প্রেজেন্ট ফর্ম এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday বা last night থাকলে verb-এর পাস্ট ফর্ম বা V2 ব্যবহার করতে হয়।
a listen
b express
c pretend
d to be free from
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to be free from কেন সঠিক: ‘Get rid of’ একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে মুক্তি পাওয়া বা নিস্তার লাভ করা। অপশন ডি তে থাকা ‘to be free from’ কথাটির অর্থও কোনো কিছু থেকে মুক্ত থাকা বা দূরে থাকা। এই দুটি অর্থের মধ্যে মিল থাকায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। এটি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় বা বিরক্তিকর কোনো কিছু বর্জন করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) listen — এই শব্দটির অর্থ শোনা, যা মূল ফ্রেজের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) express — এর অর্থ প্রকাশ করা, যা আলোচ্য ফ্রেজের অর্থের বিপরীত বা সম্পূর্ণ ভিন্ন। C) pretend — এই শব্দের অর্থ ভান করা, যা প্রদত্ত ফ্রেজের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ‘Get rid of’ মানে কোনো ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া, তাই এর সাথে ‘free from’ কথাটি মনে রাখবে।
a dissimilar
b of the same place
c of the same density
d of the same kind
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of the same kind কেন সঠিক: homogeneous শব্দটি গ্রিক শব্দ হোমো এবং জেনাস থেকে এসেছে। যার অর্থ একই ধরনের বা সমজাতীয় বস্তু বা উপাদান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dissimilar — এর অর্থ ভিন্ন বা অমিল, যা homogeneous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) of the same place — এর অর্থ একই জায়গার, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ বোঝায় না। C) of the same density — এর অর্থ একই ঘনত্বের, যা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও মূল অর্থ নয়। D) সঠিক উত্তর — এটি homogeneous শব্দের সমার্থক এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: হোমো মানে একই, তাই হোমোনেস মানে একই ধরনের বা একজাতীয়।
a -5/13
b -13/5
c 5/13
d 13/5
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩/৫ প্রদত্ত তথ্য: ট্যান থিটা সমান মাইনাস পাঁচ বাই বারো থিটার মান পাই বাই দুই থেকে পাই এর মধ্যে ধরি, থিটা কোণটি দ্বিতীয় চতুর্ভাগে অবস্থিত দ্বিতীয় চতুর্ভাগে সাইন ও কোসেক ধনাত্মক হয় ট্যান থিটা সমান লম্ব বাই ভূমি অতএব, লম্ব সমান ৫ এবং ভূমি সমান ১২ অতিভুজ সমান রুট ওভার (৫ এর স্কয়ার + ১২ এর স্কয়ার) অতিভুজ সমান রুট ওভার (২৫ + ১৪৪) সমান ১৩ সুতরাং, সাইন থিটা সমান লম্ব বাই অতিভুজ সমান ৫ বাই ১৩ কোসেক থিটা সমান ১ বাই সাইন থিটা উত্তর: ১৩/৫
a ৩১০০ টাকা
b ৩২০০ টাকা
c ৩২৫০ টাকা
d ৩৩০০ টাকা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ৩০০০ টাকা মুনাফার হার = ১০% ধরি, সময় = ১ বছর প্রথম বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয় করতে হবে অতএব, মুনাফা = আসল × মুনাফার হার × সময় মুনাফা = ৩০০০ × (১০ ÷ ১০০) × ১ সুতরাং, মুনাফা = ৩০০ টাকা চক্রবৃদ্ধি মূলধন = আসল + মুনাফা = ৩০০০ + ৩০০ = ৩৩০০ টাকা উত্তর: ৩৩০০ টাকা
a 5/7
b 3/7
c 3/5
d 1/5
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫÷৭ প্রদত্ত তথ্য: secθ + tanθ = ৭÷৫ আমরা জানি ত্রিকোণমিতিক অভেদ থেকে, (secθ + tanθ) × (secθ − tanθ) = ১ মান বসিয়ে পাই, (৭÷৫) × (secθ − tanθ) = ১ অতএব, (secθ − tanθ) = ১ ÷ (৭÷৫) সুতরাং, (secθ − tanθ) = ৫÷৭ উত্তর: ৫÷৭
a 90°
b 42°
c 45°
d 60°
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের প্রথম সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য = ৯ সে.মি. আয়তক্ষেত্রের দ্বিতীয় সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য = ১২ সে.মি. ধরি, আয়তক্ষেত্রটি একটি বিশেষ প্রকারের চতুর্ভুজ। এর বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল। অতএব, আয়তক্ষেত্রের সংজ্ঞানুযায়ী প্রতিটি কোণ সমকোণ হয়। সমকোণের মান সর্বদা ৯০ ডিগ্রি হয়ে থাকে। সুতরাং, আয়তক্ষেত্রের দুটি বাহুর মধ্যবর্তী অন্তর্ভুক্ত কোণটি ৯০ ডিগ্রি হতে হবে। উত্তর: ৯০°
a n2
b n(n + 1)/2
c {n(n + 1)/2}2
d n(n + 1) (2n + 1)/6
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) n(n + 1) (2n + 1)/6 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম থেকে শুরু করে পরপর এন সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গ এই ধারাটির যোগফল নির্ণয় করতে হবে ধরি, ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ২ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ডট ডট ডট + এন এর বর্গ এখানে শেষ পদ হলো এন অতএব, প্রথম পদ ১ এবং সাধারণ পার্থক্য পরিবর্তিত হয় গাণিতিক সূত্র প্রয়োগ করে এই ধারার সমষ্টি বের করা যায় সুতরাং, বর্গের সমষ্টির নির্দিষ্ট বীজগণিতীয় সূত্রটি প্রয়োগ করি এই সূত্রটি হলো এন ইনটু এন প্লাস ওয়ান ইনটু টু এন প্লাস ওয়ান ভাগ ছয় উত্তর: n(n + 1) (2n + 1)/6
a x < 1, x > 4
b x > 1, x > 4
c x < 1, x < 4
d 1 < x < 4
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x < ১, x > ৪ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি সমাধান করতে হবে প্রশ্নটি পূর্ণাঙ্গ নয় তবে অপ ধরি, প্রদত্ত শর্ত অনুযায়ী সমীকরণ গঠন করতে হবে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে মানগুলো নির্ণয় করতে হবে অতএব, প্রথম অংশ থেকে পাই x এর মান দ্বিতীয় অংশ থেকে পাই x এর মান সীমানা নির্ধারণ করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় সমাধান হলো x এর মান এক অপেক্ষা ছোট অথবা চার অপেক্ষা বড় উত্তর: A) x < ১, x > ৪
a 0.1
b 0.2
c 0.3
d 0.4
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৪ প্রদত্ত তথ্য: গুড় ও পানির অনুপাত ৪ : ৬ ধরি, গুড়ের আনুপাতিক ভাগ = ৪ পানির আনুপাতিক ভাগ = ৬ অতএব, মোট অনুপাত = ৪ + ৬ = ১০ সুতরাং, গুড়ের পরিমাণ = ৪ ÷ ১০ = ০.৪ উত্তর: ০.৪
a 36°
b 18°
c 54°
d 45°
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪° প্রদত্ত তথ্য: কোণ দুটি পরস্পর পূরক কোণ দুটির অনুপাত ৩ : ২ ধরি, প্রথম কোণ ∠A = ৩ক দ্বিতীয় কোণ ∠B = ২ক অতএব, পূরক কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ৯০° প্রশ্নানুসারে, ৩ক + ২ক = ৯০° সুতরাং, ৫ক = ৯০° ক = ১৮° উত্তর: ∠A = ৩ × ১৮° = ৫৪°
a 88
b 78
c 87
d 65
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৮ প্রدত্ত তথ্য: ১৫ থেকে ৩০ এর সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো যে সংখ্যাগুলোর ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই ধরি, ১৫ থেকে ৩০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো হলো ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ অতএব, ১৫ থেকে ৩০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে এই রেঞ্জের মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১৭, ১৯, ২৩ এবং ২৯ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর যোগফল বের করতে হবে উত্তর: ১৭ + ১৯ + ২৩ + ২৯ = ৮৮
a ১১, ১২
b ১০, ১১
c ১২, ১৩
d ৯, ১০
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১, ১২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো তেইশ। সংখ্যা দুটি পরস্পর ক্রমিক বা পরপর অবস্থিত। ধরি, ছোট সংখ্যাটি সমান ক বড় সংখ্যাটি সমান ক + ১ অতএব, বড় সংখ্যার বর্গ সমান (ক + ১) এর বর্গ ছোট সংখ্যার বর্গ সমান ক এর বর্গ সুতরাং, বর্গের অন্তর সমান (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ২৩ এটি সমাধান করে পাই, ২ক + ১ = ২৩ উত্তর: ২ক = ২২, অর্থাৎ ক = ১১ সংখ্যা দুটি হলো ১১ এবং ১২
a 60
b 65
c 78
d 95
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ৬৫% এর মান হলো ৩৯ ধরি, নির্ণয় সংখ্যাটি সমান ক অতএব, ক এর ৬৫% সমান ৩৯ সুতরাং, ক × (৬৫ ÷ ১০০) সমান ৩৯ উত্তর: ক সমান (৩৯ × ১০০) ÷ ৬৫ সমান ৬০
a ১২০০ টাকা
b ১০০০ টাকা
c ১৫০০ টাকা
d ২০০০ টাকা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বার্ষিক মুনাফার হার = ৬% বার্ষিক মুনাফা = ১২০ টাকা সময় = ১ বছর ধরি, আসল = ক টাকা অতএব, ১০০ টাকার ১ বছরের মুনাফা = ৬ টাকা ক টাকার ১ বছরের মুনাফা = ক এর ৬% টাকা সুতরাং, ক এর ৬% = ১২০ উত্তর: ক = (১২০ × ১০০) ÷ ৬ = ২০০০ টাকা
a 9
b 15
c 10
d 6
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ম রাশি = ৩ ৩য় রাশি = ১২ ধরি, মধ্যসমানুপাতিক রাশিটি = ক অতএব, ক্রমিক সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায়, ১ম রাশি : মধ্যসমানুপাতিক = মধ্যসমানুপাতিক : ৩য় রাশি সুতরাং, ৩ : ক = ক : ১২ ক × ক = ৩ × ১২ উত্তর: ক = √৩৬ = ৬
a 0
b 1
c 2
d 3
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৬ − x − ৯ ÷ x = ০ ধরি, সমীকরণটির উভয় পক্ষকে x দিয়ে গুণ করে পাই x এর মান বের করার জন্য উৎপাদকে বিশ্লেষণ করি অতএব, x এর মান ৩ পাওয়া যায় এখন প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে রাশিটি হলো x এর বর্গ ভাগ (x এর বর্গ − x − ৩) সুতরাং, x এর জায়গায় ৩ বসিয়ে হিসাব করি লবের মান হয় ৯ এবং হরের মান হয় ৩ উত্তর: ৯ ÷ ৩ = ৩
a 0
b 60
c 80
d 120
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৪ সে.মি., ৫ সে.মি. ও ৯ সে.মি. ধরি, ত্রিভুজের প্রথম বাহু a = ৪ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু b = ৫ সে.মি. তৃতীয় বাহু c = ৯ সে.মি. অতএব, প্রথম বাহু ও দ্বিতীয় বাহুর যোগফল = ৪ + ৫ = ৯ সে.মি. সুতরাং, বাহু দুটির যোগফল তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান হওয়ায় কোনো ত্রিভুজ গঠিত হতে পারে না উত্তর: ক্ষেত্রফল ০ বর্গ একক
a 0.5
b 0.55
c 0.6
d 0.4
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৫ প্রدত্ত তথ্য: প্রতি শত কমলা ক্রয়ের মূল্য ১২০০ টাকা প্রতি শত কমলা বিক্রয়ের মূল্য ১৮০০ টাকা ধরি, ১০০ টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা ১০০ টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১৮০০ টাকা অতএব, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ১৮০০ টাকা − ১২০০ টাকা = ৬০০ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% শতকরা লাভ = (৬০০ ÷ ১২০০) × ১০০% = ০.৫ বা ৫০% উত্তর: ০.৫
a 8
b 9
c 17
d 18
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৭ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৭ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৭ ২ক + ১ = ১৭ সুতরাং, ২ক = ১৭ − ১ ২ক = ১৬ ক = ৮ উত্তর: সংখ্যা দুইটি ৮ এবং ৯, তাই সংখ্যাদ্বয়ের যোগফল = ৮ + ৯ = ১৭
a ২০০ মিটার
b ২৫০ মিটার
c ৩৫০ মিটার
d ৪৫০ মিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৫০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ২০০ মিটার ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ২৫০ মিটার ধরি, ট্রেনটিকে সম্পূর্ণ অতিক্রম করতে হবে প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য এবং ট্রেনের নিজের দৈর্ঘ্য অতএব, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য + ট্রেনের দৈর্ঘ্য মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২০০ মিটার + ২৫০ মিটার সুতরাং, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪৫০ মিটার উত্তর: ৪৫০ মিটার
a 6 একক
b 12 একক
c 20 একক
d 24 একক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ একক প্রদত্ত তথ্য: বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬√২ একক ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক অতএব, বর্গের কর্ণের সূত্র অনুযায়ী, ক√২ = ৬√২ সুতরাং, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ৬ একক উত্তর: বর্গের পরিসীমা = ৪ × ৬ = ২৪ একক পরিসীমার অর্ধেক = ২৪ ÷ ২ = ১২ একক
a (x2 – y2) (x2 + xy + y2)
b x3 – y3
c x – y
d x + y
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x2 – y2) (x2 + xy + y2) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x2 − y2 দ্বিতীয় রাশি = x2 + xy + y2 তৃতীয় রাশি = x3 − y3 ধরি, প্রথম রাশির উৎপাদক = (x − y) (x + y) দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = x2 + xy + y2 অতএব, তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x − y) (x2 + xy + y2) আমরা জানি, (x − y) (x2 + xy + y2) সমান x3 − y3 সুতরাং, ল.সা.গু হবে সকল উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাতের গুণফল নির্ণেয় ল.সা.গু = (x + y) (x − y) (x2 + xy + y2) উত্তর: (x2 – y2) (x2 + xy + y2)
a 3√3
b 3
c √3
d 1/√3
0 190 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩√৩ প্রদত্ত সমীকরণ: (১÷৫) লগx (২১৮৭√৩) = ১ উভয় পক্ষকে ৫ দ্বারা গুণ করে পাই: লগx (২১৮৭√৩) = ৫ লগারিদম এর নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায়: x এর শক্তি ৫ = ২১৮৭√৩ ২১৮৭ সংখ্যাটিকে ৩ এর শক্তি হিসেবে ভাঙলে পাই: ২১৮৭ = ৩ এর শক্তি ৭ √৩ কে লেখা যায়: ৩ এর শক্তি (১÷২) সূচকের নিয়ম অনুসারে যোগ করে পাই: ৩ এর শক্তি ৭ × ৩ এর শক্তি (১÷২) = ৩ এর শক্তি (১৫÷২) সমীকরণটি দাঁড়ায়: x এর শক্তি ৫ = ৩ এর শক্তি (১৫÷২) উভয় পক্ষের শক্তিকে ৫ দ্বারা ভাগ করে পাই: x = ৩ এর শক্তি (৩÷২) শেষ হিসাব অনুযায়ী মান বের হয়: x = ৩ এর শক্তি ১ × ৩ এর শক্তি (১÷২) = ৩√৩ উত্তর: ৩√৩
a √3
b 2√3
c 3√3
d কোনটিই নয়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির প্রতিটির দৈর্ঘ্য = ৪ একক ধরি, ত্রিভুজটির সমান বাহু a = ৪ একক কিন্তু ত্রিভুজটির তৃতীয় বাহু বা অন্তর্ভুক্ত কোণের মান দেওয়া নেই অতএব, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য অন্তত দুটি বাহু এবং তাদের মধ্যবর্তী কোণ অথবা তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য প্রয়োজন এখানে পর্যাপ্ত তথ্য অনুপস্থিত সুতরাং, সাধারণ সূত্র প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট কোনো বিকল্পের মান পাওয়া সম্ভব নয় উত্তর: D) কোনটিই নয়
a √3
b 4√3
c 8√3
d 16√3
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮√৩ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের এক ধারের দৈর্ঘ্য = ৪ একক ধরি, ঘনকের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√৩ এখানে a হলো ঘনকের ধারের দৈর্ঘ্য অতএব, একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√৩ একক সুতরাং, ঘনকের কর্ণ মোট চারটি থাকে এবং যেকোনো দুটি কর্ণের সমষ্টি বের করতে বলা হয়েছে উত্তর: ৪√৩ + ৪√৩ = ৮√৩ একক
a 196
b 194
c 192
d 198
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪ প্রদত্ত তথ্য: x − ২ = √৩ ধরি, x এর মান নির্ণয় করতে হবে প্রথমে x + (১ ÷ x) এর মান বের করতে হবে অতএব, x = ২ + √৩ ১ ÷ x = ১ ÷ (২ + √৩) = ২ − √৩ সুতরাং, x + (১ ÷ x) = (২ + √৩) + (২ − √৩) = ৪ এখন, x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) = x + (১ ÷ x) স্কয়ার − ২ = ৪ এর স্কয়ার − ২ = ১৬ − ২ = ১৪ উত্তর: x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) এর স্কয়ার − ২ = ১৪ এর স্কয়ার − ২ = ১৯৬ − ২ = ১৯৪
a – 60
b – 3
c 30
d কোনটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x² + y² + z² = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + y − z = ৮ ধরি, প্রথম সমীকরণের মান হলো চার দ্বিতীয় সমীকরণের মান হলো আট অতএব, উভয় পক্ষে বর্গ করে পাই (x + y − z)² = ৮² সূত্র প্রয়োগ করে পাই x² + y² + z² + ২xy − ২yz − ২zx = ৬৪ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ৪ + ২(xy − yz − zx) = ৬৪ হিসাব করে পাই xy − yz − zx = ৩০ উত্তর: − ৩০
a ১৯৯৮ সালে
b ১৯৯৭ সালে
c ২০০১ সালে
d ১৯৯৯ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৮ সালে কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। - এটি যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। B) ১৯৯৭ সালে — এই সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পথে ছিল কিন্তু যান চলাচল শুরু হয়নি। C) ২০০১ সালে — এই সালটি সেতু চালুর সময়ের সাথে মিল নেই, এটি পরবর্তী একটি বছর। D) ১৯৯৯ সালে — সেতু চালুর সাল ১৯৯৮ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালে চালু হয়, মনে রাখতে ১৯৯৮ সালকে সেতু চালুর সাল হিসেবে স্থায়ীভাবে মনে রাখুন।
a ফ্রান্স
b জার্মানি
c ব্রাজিল
d ক্রোয়েশিয়া
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রোয়েশিয়া কেন সঠিক: - ২০১৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া দলকে ফাইনালে তুলতে লুকা মডরিচ অসাধারণ নেতৃত্ব ও মিডফিল্ডে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছিলেন। - তার এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফিফা তাকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয় করলেও তাদের কোনো খেলোয়াড় সেবার গোল্ডেন বল পাননি, এই পুরস্কার লুকা মডরিচ পেয়েছিলেন। B) জার্মানি — জার্মানি ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল এবং এই দলের কোনো খেলোয়াড় গোল্ডেন বল অর্জন করেননি। C) ব্রাজিল — ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত উন্নীত হয়েছিল, কিন্তু তাদের কোনো ফুটবলার ২০১৮ সালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হননি। D) ক্রোয়েশিয়া — ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলের অধিনায়ক লুকা মডরিচ অসাধারণ খেলে ২০১৮ বিশ্বকাপে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় বা গোল্ডেন বল লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মডরিচ ও ক্রোয়েশিয়া শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখলেই ২০১৮ সালের গোল্ডেন বল জয়ী খেলোয়াড় ও তার দেশকে খুব সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a বঙ্গ
b পুণ্ড্রবর্ধন
c গৌড়
d সমতট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্রবর্ধন প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি কেন সঠিক: - প্রত্নতাত্ত্বিক খনন এবং ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী পুণ্ড্রবর্ধন হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার কেন্দ্র ছিল মহাস্থানগড়। - মৌর্য আমলের শিলালিপিতে এই অঞ্চলের প্রাচীনতম জনবসতির সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গ — এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম জনপদ হলেও পুণ্ড্রবর্ধনের পরে এর বিকাশ ঘটেছিল। B) পুণ্ড্রবর্ধন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ হিসেবে প্রমাণিত। C) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত জনপদ ও রাজধানী হলেও পুণ্ড্রবর্ধনের পরে এর রাজনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। D) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল এবং এটি পুণ্ড্রবর্ধনের চেয়ে প্রাচীন নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাচীনতম জনপদ মনে রাখতে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রথম অক্ষর প এবং প্রাচীন শব্দের প দিয়ে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
b বিক্ষেপণ বেশি
c প্রতিফলন বেশি
d শোষণ বেশি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিক্ষেপণ বেশি কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্যাসীয় কণা ও ধূলিকণার কারণে আলোর বিক্ষেপণ ঘটে। - নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এর বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার হার সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি — তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে আলোর বিক্ষেপণ কম হয়, যেমন লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি। B) বিক্ষেপণ বেশি — এটি সঠিক কারণ, কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে নীল আলো চারদিকে বেশি ছড়িয়ে পড়ে। C) প্রতিফলন বেশি — আকাশ নীল দেখানোর পেছনে আলোর প্রতিফলন মূল কারণ নয়, এটি বিক্ষেপণের ফল। D) শোষণ বেশি — বায়ুমণ্ডল দ্বারা আলোর শোষণের কারণে আকাশ নীল দেখায় না। মনে রাখার টিপস: কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য মানেই বেশি বিক্ষেপণ আর নীল রঙের বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি বলেই আকাশ নীল দেখায়।
a অলিভার হার্ট
b জ্যাঁ তিরোল
c ক্লডিয়া গোল্ডিন
d উইলিয়াম ডি নর্ডহাস ও পল মাইকেল রোমার
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লডিয়া গোল্ডিন কেন সঠিক: - তিনি শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ এবং তাদের উপার্জনের পার্থক্যের কারণসমূহ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছেন। - শত শত বছরের ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে নারীদের অর্থনৈতিক অবদানের বিষয়টি নতুন মাত্রায় উপস্থাপন করায় তিনি এই পুরস্কার পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলিভার হার্ট — তিনি ২০১৬ সালে চুক্তি তত্ত্বের ওপর গবেষণা করার জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। B) জ্যাঁ তিরোল — তিনি বাজার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিশ্লেষণের জন্য ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। C) ক্লডিয়া গোল্ডিন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) উইলিয়াম ডি নর্ডহাস ও পল মাইকেল রোমার — তারা দুজন জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে সামষ্টিক অর্থনীতির সাথে যুক্ত করার জন্য ২০১৮ সালে নোবেল পুরস্কার পান। মনে রাখার টিপস: নারীদের অর্থাৎ গোল্ডেন (Golden) নারীদের অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ক্লডিয়া গোল্ডিন ২০২৩ সালে নোবেল পান।
a ২০১৯ – ২০ সালকে
b ২০২০ – ২১ সালকে
c ২০২১ – ২২ সালকে
d ২০২২ – ২৩ সালকে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০২০ – ২১ সালকে কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ২০২০ থেকে ২০২১ সাল সময়কালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। - করোনা মহামারীর কারণে এই সময়কাল পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৯ – ২০ সালকে — এটি নির্ধারিত মুজিব বর্ষের মূল সময়সীমার অন্তর্ভুক্ত নয়। B) ২০২০ – ২১ সালকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ২০২১ – ২০২০ সালের পরবর্তী বছর হলেও এটি মূল ঘোষণার সম্পূর্ণ সময়কাল কাভার করে না। D) ২০২২ – ২৩ সালকে — এটি মুজিব বর্ষের সময়সীমা অনেক আগেই অতিক্রান্ত হওয়ার পরের সময়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ২০২০ সালে শুরু হয়, তাই ২০২০ থেকে ২০২১ সাল হলো মুজিব বর্ষ।
a ৬ এপ্রিল, ১৯৪২ সালে
b ১৭ জুন, ১৯৪৩ সালে
c ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
d ১৫ জানুয়ারি, ১৯৪০ সালে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে কেন সঠিক: - জাপান এই দিনে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটিতে আকস্মিক বিমান আক্রমণ চালায়। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার পরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে জড়িয়ে পড়ে এবং অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ এপ্রিল, ১৯৪২ সালে — এই তারিখে জাপান পার্ল হারবারে আক্রমণ করেনি, এটি মূলত বিশ্বযুদ্ধের অন্য একটি সময়কাল নির্দেশ করে। B) ১৭ জুন, ১৯৪৩ সালে — এই সালটি পার্ল হারবার আক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, কারণ আক্রমণটি তার অনেক আগেই ঘটেছিল। C) ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে — এটিই হলো পার্ল হারবারে জাপানি আক্রমণের সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ ও সাল। D) ১৫ জানুয়ারি, ১৯৪০ সালে — এই তারিখটি পার্ল হারবার আক্রমণের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল সময়কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৪১ সালের শেষ ভাগে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসের ৭ তারিখে জাপান আমেরিকার পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল।
a অক্সিজেন
b কার্বন ডাইঅক্সাইড
c নাইট্রোজেন
d হাইড্রোজেন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের মধ্যে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৭৮.০৩% বা প্রায় ৭৮ শতাংশ। - এই গ্যাসটি সরাসরি জীবদেহে ব্যবহার না হলেও উদ্ভিদ প্রোটিন তৈরিতে নাইট্রোজেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২১% এবং এটি দ্বিতীয় সর্বাধিক পরিমাণ গ্যাস। B) কার্বন ডাইঅক্সাইড — বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ খুবই কম, যা মাত্র প্রায় ০.০৩% থেকে ০.০৪%। D) হাইড্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে থাকে এবং এটি পৃথিবীর প্রধান বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাস নয়। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর পরিমাণ মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো নকঅ, অর্থাৎ নাইট্রোজেন প্রথমে এবং অক্সিজেন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
a মিয়ানমার
b ভিয়েতনাম
c থাইল্যান্ড
d চীন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - ইউয়ান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অফিশিয়াল বা সরকারি মুদ্রা। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চীনের এই মুদ্রাকে রেনমিনবি নামেও ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিয়ানমার — এই দেশের মুদ্রার নাম কিয়াত, যা ইউয়ান নয়। B) ভিয়েতনাম — এই দেশের মুদ্রার নাম ডং, যা ইউয়ান নয়। C) থাইল্যান্ড — এই দেশের মুদ্রার নাম বাথ, যা ইউয়ান নয়। D) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউয়ান চীনের মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: চীন দেশের মানুষ চা পছন্দ করে এবং তাদের মুদ্রার নাম ইউয়ান, যা চ দিয়ে শুরু শব্দ দুটির সাথে মেলানো সহজ।
a মেক্সিকো
b জাপান
c ইতালি
d রাশিয়া
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালি কেন সঠিক: - ভিসুভিয়াস একটি বিখ্যাত সক্রিয় আগ্নেয়গিরি যা ইতালির নেপলস উপসাগরের তীরে অবস্থিত। - এর ঐতিহাসিক অগ্ন্যপাত প্রাচীন রোমান শহর পম্পেই ধ্বংস করে দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেক্সিকো — মেক্সিকোতে পপোকাতেপেতল আগ্নেয়গিরি অবস্থিত, ভিসুভিয়াস নয়। B) জাপান — জাপানের সবচেয়ে বিখ্যাত আগ্নেয়গিরি হলো ফুজিওিয়ামা, ভিসুভিয়াস নয়। C) ইতালি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রাশিয়া — রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে ক্লুচেভস্কায়া আগ্নেয়গিরি অবস্থিত, ভিসুভিয়াস নয়। মনে রাখার টিপস: ইতালির বিখ্যাত পম্পেই শহর ধ্বংসকারী আগ্নেয়গিরির নাম ভিসুভিয়াস।
a ক্যালসিয়াম অক্সালেট
b ক্যালসিয়াম কার্বনেট
c ক্যালসিয়াম ফসফেট
d ক্যালসিয়াম সালফেট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম অক্সালেট কেন সঠিক: - কচু পাতায় বা মূলে ক্যালসিয়াম অক্সালেট বা রেফাইট নামক রাসায়নিক ক্রিস্টাল থাকে। - এই ক্রিস্টালগুলো সূঁচালো আকৃতির হওয়ায় মুখে বা গলায় লাগলে তীব্র চুলকানির সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যালসিয়াম অক্সালেট — এটি কচুতে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান যা গলা চুলকানির প্রধান কারণ। B) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি সাধারণত পাথরে বা চক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং গলা চুলকানির জন্য দায়ী নয়। C) ক্যালসিয়াম ফসفات — এটি আমাদের হাড় ও দাঁতের প্রধান গঠন উপাদান এবং এর কারণে গলা চুলকায় না। D) ক্যালসিয়াম সালফেট — এটি জিপসাম বা প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি কচুতে থাকে না। মনে রাখার টিপস: কচু খেলে চুলকায় অক্সালেট নামক ক্রিস্টালের জন্য।
a ভারত
b চীন
c বাংলাদেশ
d রাশিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ১১%। - এটি ইউরোপ ও এশিয়া দুটি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের আয়তন প্রায় ৩২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ। B) চীন — চীনের আয়তন প্রায় ৯৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশের আয়তন মাত্র ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭० বর্গকিলোমিটার এবং এটি একটি ক্ষুদ্র আয়তনের দেশ। D) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বড় দেশগুলোর ক্রম মনে রাখতে 'রুকা কাপা অহা বা' সূত্রটি ব্যবহার করতে পারো, যেখানে 'রু' দিয়ে রাশিয়া প্রথম স্থান নির্দেশ করে।
a নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য
b নিউজিল্যান্ড ও ডেনমার্ক
c ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য
d সুইডেন ও বেলজিয়াম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - মাস্ত্রিখট চুক্তির বিশেষ বিধান অনুযায়ী ডেনমার্ক ইউরো মুদ্রা ব্যবহার না করার আইনি ছাড় বা অপ্ট আউট সুবিধা পেয়েছিল। - যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য থাকাকালীন এই চুক্তির আওতায় নিজস্ব মুদ্রা পাউন্ড স্টারলিং বজায় রাখার এই বিশেষ ছাড় পেয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য — নেদারল্যান্ডস ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে শুরু থেকেই ইউরো মুদ্রা চালু করেছে। B) নিউজিল্যান্ড ও ডেনমার্ক — নিউজিল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যই নয়, তাই এই চুক্তির সঙ্গে দেশটির কোনো সম্পর্ক নেই। C) ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দুটি দেশই চুক্তির আওতায় ইউরো গ্রহণে বাধ্য নয়। D) সুইডেন ও বেলজিয়াম — বেলজিয়াম ইউরো ব্যবহারকারী দেশ, যদিও সুইডেন গণভোটের মাধ্যমে ইউরো এড়িয়ে চলে তবুও তাদের আনুষ্ঠানিক আইনি ছাড় নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের পাউন্ড এবং ডেনমার্কের নিজস্ব মুদ্রার প্রতি ভালোবাসার কারণে এই দুটি দেশ ইউরো গ্রহণে ছাড় পেয়েছিল।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ভারত
d কানাডা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের পোস্টাল সার্ভিস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি সংবলিত এই বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশ করে। - একুশে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি সম্মান জানাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ শহীদ মিনারের ছবি সম্বলিত ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে। B) যুক্তরাজ্য — এই দেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ডাকটিকিট প্রকাশ করেনি। C) ভারত — ভারতের সঙ্গে ভাষা আন্দোলনের গভীর সম্পর্ক থাকলেও তারা এই নির্দিষ্ট ডাকটিকিট প্রকাশ করেনি। D) কানাডা — কানাডায় প্রবাসীরা দিবসটি পালন করলেও তাদের পক্ষ থেকে এই ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের ছবি দিয়ে ডাকটিকিট প্রকাশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার নাম মনে রাখবে।
a ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত
b ভারত – পাকিস্তান সীমান্ত
c পাকিস্তান – চীন সীমান্ত
d মিয়ানমার – থাইল্যান্ড সীমান্ত
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্তটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১৫৬ কিলোমিটার, যা বিশ্বের দীর্ঘতম স্থল সীমান্তগুলোর মধ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করে আছে। - এটি বিশ্বের অন্যতম কুখ্যাত ও জটিল ছিটমহল সমস্যাযুক্ত সীমান্ত ছিল, যা ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত — এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ভারত – পাকিস্তান সীমান্ত — এটি প্রায় ৩৩২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সীমান্ত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) পাকিস্তান – চীন সীমান্ত — এটি ক্যারাকোরাম হাইওয়ে সংলগ্ন একটি সীমান্ত এবং এর দৈর্ঘ্য তুলনামূলক কম হওয়ায় পঞ্চম স্থান অধিকারী নয়। D) মিয়ানমার – থাইল্যান্ড সীমান্ত — এটি প্রায় ২৪০১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সীমান্ত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত দীর্ঘতায় বিশ্বে পঞ্চম, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১৫৬ কিলোমিটার।
a ৫ অক্টোবর
b ২৯ জানুয়ারি
c ২ এপ্রিল
d ৯ জুলাই
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ এপ্রিল কেন সঠিক: - বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস প্রতি বছর ২ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে পালন করা হয়। - অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে এই দিনটি পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ অক্টোবর — এটি বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালित হয়, যা অটিজম দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ২৯ জানুয়ারি — এটি কোনো আন্তর্জাতিক অটিজম দিবসের তারিখ নয়, এটি একটি সাধারণ দিন। C) ২ এপ্রিল — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো প্রসঙ্গ প্রযোজ্য নয়। D) ৯ জুলাই — এটি কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক বা জাতীয় অটিজম দিবসের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে দুই এপ্রিল দিনটি স্মরণ রাখতে পারি।
a সিলেট
b ময়মনসিংহ
c কুমিল্লা
d নোয়াখালী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ বাংলাদেশের দ্বাদশ বা সর্বশেষ গঠিত সিটি কর্পোরেশন। - এটি ২০১৮ সালে গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ সিটি কর্পোরেশনের মর্যাদা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট সিটি কর্পোরেশন অনেক আগেই গঠিত হয়েছে এবং এটি দেশের সর্বশেষ নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন। C) কুমিল্লা — কুমিল্লা পূর্বে গঠিত হয়েছিল এবং এটি সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন নয়। D) নোয়াখালী — নোয়াখালী নামে কোনো সিটি কর্পোরেশন নেই, এটি একটি জেলা মাত্র। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মোট সিটি কর্পোরেশন বারোটি এবং সর্বশেষ বা দ্বাদশ হলো ময়মনসিংহ।
a ২০১০ – ২০২৫
b ২০২০ – ২০৩০
c ২০১৬ – ২০৩০
d ২০১৬ – ২০৩৫
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৬ – ২০৩০ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি গ্রহণ করে। - এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ – ২০২৫ — এটি এসডিজির নির্ধারিত সময়কাল নয় এবং এর সঙ্গে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার কোনো মিল নেই। B) ২০২০ – ২০৩০ — এই সময়কালটি এসডিজির পূর্ণ বাস্তবায়নকাল নয়, কারণ এসডিজির কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৬ সাল থেকে। C) ২০১৬ – ২০৩০ — এটি এসডিজি অর্জনের নির্ধারিত সঠিক সময়কাল এবং এর মধ্যে মোট ১৭টি লক্ষ্য অর্জনের কাজ চলছে। D) ২০১৬ – ২০৩৫ — এই সময়কালটি ভুল, কারণ এসডিজির মেয়াদকাল ১৫ বছর এবং এর শেষ সময়সীমা ২০৩০ সাল। মনে রাখার টিপস: এসডিজির মোট লক্ষ্য ১৭টি এবং এর মেয়াদকাল ১৫ বছর (২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল)।
a সুদান
b ইয়েমেন
c মোজাম্বিক
d সিয়েরালিওন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোজাম্বিক কেন সঠিক: - মোজাম্বিক কখনো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের উপনিবেশ ছিল না, কিন্তু ১৯৯৫ সালে যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ না হয়েও তারা কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। - পর্তুগালের উপনিবেশ থাকা সত্ত্বেও আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তারা এই জোটের সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদান — এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং কমনওয়েলথের সদস্য নয়। B) ইয়েমেন — এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ বা উপনিবেশের অধীনে ছিল কিন্তু কমনওয়েলথের সদস্য নয়। C) মোজাম্বিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সিয়েরালিওন — এটি একটি সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং কমনওয়েলথের সদস্য দেশ। মনে রাখার টিপস: ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও কমনওয়েলথে যোগ দেওয়া প্রথম অ-ব্রিটিশ উপনিবেশ হলো মোজাম্বিক।
a RAM
b ROM
c হার্ডডিস্ক
d অপারেটিং সিস্টেম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ROM কেন সঠিক: - ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory, যা কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তি বা মেমরি হিসেবে কাজ করে। - এই মেমরিতে কম্পিউটার চালুর প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা মেইন মেমরি, বিদ্যুৎ বন্ধ করলে এর সব ডেটা মুছে যায়। B) ROM — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) হার্ডডিস্ক — এটি দীর্ঘকালীন তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, কম্পিউটারের প্রধান স্থায়ী স্মৃতি বা প্রাইমারি মেমরি নয়। D) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কোনো স্মৃতিশক্তি নয়, বরং এটি একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয় করে। মনে রাখার টিপস: RAM হলো রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমরি বা অস্থায়ী স্মৃতি (অস্থায়ী অতিথি), আর ROM হলো রিড অনলি মেমরি বা স্থায়ী স্মৃতি (স্থায়ী বাসিন্দা)।
a সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ
b সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ
c সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ
d সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ কেন সঠিক: - ই-৮ বলতে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল ও দ্রুত উন্নয়নশীল আটটি দেশকে বোঝায়, যারা বৈশ্বিক কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে প্রধান ভূমিকা রাখে। - এই দেশগুলো হলো চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া, জাপান, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ব্রাজিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ — এই পরিভাষাটি অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত এবং ই-৮ এর মূল উদ্দেশ্যের সাথে মিলে না। B) সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ — শিল্পোন্নত আটটি দেশের মোর্চাকে জি-৮ বলা হয়, যা পরিবেশ দূষণের ওপর ভিত্তি করে গঠিত নয়। C) সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ — উন্নত অর্থনীতির এই দেশগুলোর জোট মূলত জি-৭ বা জি-৮ নামে পরিচিত, দূষণকারী দেশ হিসেবে নয়। D) সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ — এটি সঠিক কারণ ই-৮ গোষ্ঠীটি উচ্চ মাত্রার পরিবেশ দূষণকারী প্রধান দেশগুলোকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ই-৮ মানে দূষণে গ্রেট আটটি দেশ, যা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণ করে।
a বটেশ্বর, সিলেট
b ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ
c লেবুখালী, পটুয়াখালী
d ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লেবুখালী, পটুয়াখালী কেন সঠিক: - শেখ হাসিনা সেনানিবাস পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে পায়রা নদীর তীরে অবস্থিত। - দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্দেশ্যে এই সেনানিবাসটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বটেশ্বর, সিলেট — এটি একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, এখানে এই সেনানিবাস অবস্থিত নয়। B) ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ — ঘাটাইল সেনানিবাস মূলত টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত, মানিকগঞ্জে নয়। D) ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম — ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি অবস্থিত, শেখ হাসিনা সেনানিবাস নয়। মনে রাখার টিপস: শেখ হাসিনার নামে নির্মিত প্রথম সেনানিবাসটি দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালীর লেবুখালীতে পায়রা নদীর তীরে অবস্থিত।
a পটুয়াখালী
b সুনামগঞ্জ
c কক্সবাজার
d চট্টগ্রাম
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম পর্যটন নগরী কক্সবাজারে অবস্থিত। - এটি সামুদ্রিক মাছ ও জলজ প্রাণীর জীবন্ত প্রদর্শনী কেন্দ্র হিসেবে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটুয়াখালী — এটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের জন্য পরিচিত হলেও এখানে প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম অবস্থিত নয়। B) সুনামগঞ্জ — এটি হাওর অঞ্চলের জন্য বিখ্যাত হলেও এই পর্যটন স্থাপনাটি এখানে নির্মাণ করা হয়নি। C) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। D) চট্টগ্রাম — এটি বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়ামের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য দেখতে তৈরি হয়েছে দেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ফ্রান্স
d রাশিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফ্রান্স কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ফরাসি কোম্পানি থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস এর মাধ্যমে নির্মিত হয়েছে। - এটি উৎক্ষেপণের জন্য ফ্রান্সের প্রযুক্তিগত ও স্যাটেলাইট নির্মাণ সহায়তা নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য মার্কিন প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেট ব্যবহার করা হয়েছিল, কিন্তু স্যাটেলাইটটি যুক্তরাষ্ট্র নির্মাণ করেনি। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ বা প্রযুক্তিগত সহায়তার সঙ্গে যুক্ত ছিল না। C) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইটটির মূল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ফ্রান্সের। ডি) রাশিয়া — রাশিয়া এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ফ্রান্সে তৈরি হয়ে আমেরিকার রকেটে চেপে মহাকাশে গেছে।
a প্রধান বিচারপতি
b প্রধানমন্ত্রী
c স্পিকার
d চিফ হুইপ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) স্পিকার কেন সঠিক: - সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। - রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত না হলেও রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী স্পিকার তাকে এই শপথ পাঠ করান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান বিচারপতি — তিনি সাধারণত প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান উপদেষ্টাকে শপথ বাক্য পাঠ করান, রাষ্ট্রপতিকে নন। B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি নিজেই রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন, তাই তিনি রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাতে পারেন না। C) স্পিকার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী স্পিকারই রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। D) চিফ হুইপ — সংসদের প্রশাসনিক কার্য পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন, রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ করানোর সাংবিধানিক এখতিয়ার তার নেই। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির প্রথম অক্ষর প এবং স্পিকারের শেষ অক্ষর র, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন রাষ্ট্রপতির শপথ পড়ান স্পিকার।

মোট প্রশ্ন (25)

a যৌগিক
b মৌলিক
c যোগরূঢ়
d রূঢ়ি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রূঢ়ি ১. কেন সঠিক: - গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ হলো সেই শব্দ যা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। - হরিণ শব্দটির বুৎপত্তিগত বা সাধারণ অর্থ যা হরণ করে, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে এটি নির্দিষ্ট একটি পশুকে বোঝায়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গের সাহায্যে গঠিত হয়েও প্রকৃতির বা মূল শব্দের অনুসারী না হয়ে সম্পূর্ণ আলাদা কোনো অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। - এই শব্দগুলো মূলত ব্যাকরণের স্বাভাবিক নিয়মকে রক্ষা করে ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ছেড়ে বিশেষ কোনো অর্থ বা ঐতিহ্যকে ধরে রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবীণ ব্যাখ্যা: প্রবীণ শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ প্রकृष्ट রূপে বীণা বাজান যিনি, কিন্তু বর্তমানে এর অর্থ অভিজ্ঞ বা বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি। উদাহরণ ২: তৈল ব্যাখ্যা: তৈল শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো স্নেহ পদার্থ, কিন্তু বর্তমানে এটি সরিষা বা অন্য উদ্ভিজ্জ বা খনিজ তেলকেও বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক — যৌগিক শব্দ হলো সেই শব্দ যার অর্থ বুৎপত্তিগত অর্থের অনুসারী হয়, কিন্তু হরিণ শব্দের অর্থ বুৎপত্তিগত অর্থের অনুসারী নয়। B) মৌলিক — মৌলিক শব্দ হলো যা ভাঙা যায় না বা বিশ্লেষণ করা যায় না, কিন্তু হরিণ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা সম্ভব। C) যোগরূঢ় — যোগরূঢ় শব্দ হলো সমাসনিষ্পন্ন শব্দ যা সমসমান পদের অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু হরিণ কোনো সমাসবদ্ধ শব্দ নয়। D) রূঢ়ি — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী রূঢ়ি শব্দের সব শর্ত পূরণ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূঢ়ি শব্দ মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো যেসব শব্দ তাদের আসল বা শাব্দিক অর্থ ছেড়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো নির্দিষ্ট অর্থ বোঝায় যেমন হস্তী, বাঁশি, গবেষণা, সন্দেশ। - মনে রাখবে যে শব্দগুলোতে বুৎপত্তিগত অর্থের সঙ্গে বাস্তব ব্যবহারের মিল থাকে না, সেগুলোর বেশিরভাগই রূঢ়ি শব্দ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দার্থ ও শব্দের গঠন থেকে প্রায়ই রূঢ়ি ও যৌগিক শব্দ আলাদা করতে বলা হয়। - প্রবীণ, সন্দেশ, গবেষণা, হস্তী এই শব্দগুলোর উৎস ও অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
b কৃৎ-প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে
c নাম-প্রকৃতির পরিবর্তনকে
d প্রাতিপদিকের পরিবর্তনকে
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয়। শব্দের মূল রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বা কৃৎ-প্রকৃতির প্রথম স্বরধ্বনির পরিবর্তন হলো গুণ ও বৃদ্ধি। শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সহজ ও নিয়মসিদ্ধ করার জন্য এই ব্যাকরণগত নিয়ম ব্যবহৃত হয়। যেমন: কৃ ধাতুর সাথে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কারক শব্দ গঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) কৃৎ-প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে — এটি ভুল কারণ কৃৎ-প্রকৃতির শেষের স্বর পরিবর্তনকে গুণ বা বৃদ্ধি বলা হয় না। C) নাম-প্রকৃতির পরিবর্তনকে — এটি ভুল কারণ নাম-প্রকৃতির ক্ষেত্রে এই পরিভাষা প্রযোজ্য নয়। D) প্রাতিপদিকের পরিবর্তনকে — এটি ভুল কারণ প্রাতিপদিক শব্দের ক্ষেত্রে গুণ বা বৃদ্ধির নিয়ম খাটে না। মনে রাখার টিপস: গুণ ও বৃদ্ধি মানেই কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বর বা প্রথম স্বরের পরিবর্তন। শুরু বা আদি শব্দটির সাথে গুণ ও বৃদ্ধি কথাটি মিলিয়ে এই নিয়ম মনে রাখবে।
a পক্ষপাতিত্ব করা
b সৌভাগ্য লাভ
c চুরি করা
d নষ্ট করা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চুরি করা ১. কেন সঠিক: চক্ষুদান করা একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা যার আক্ষরিক অর্থ চোখ দান করা হলেও বিশেষ অর্থে এর প্রকাশ চুরির মতো অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। বিশেষ করে হাত সাফ করা বা জিনিসপত্র উধাও করে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি রূপক অর্থে প্রয়োগ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও বিশিষ্ট ভাব প্রকাশ করে থাকে। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাজারে ভিড়ের মধ্যে পকেটমারের দল পকেট থেকে মানিব্যাগ চক্ষুদান করে দিল। ব্যাখ্যা: এখানে চক্ষুদান করা মানে মূল্যবান বস্তু চুরি বা আত্মসাৎ করা বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: আলমারির তালা ভেঙে কে যেন সমস্ত গয়না চক্ষুদান করে চলে গেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যেও জিনিসপত্র চুরি যাওয়ার ঘটনা প্রকাশ করতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পক্ষপাতিত্ব করা — এই অর্থের জন্য সাধারণত বিড়াল তপস্বী বা ও ঠোঁট কাটা বাগধারা ব্যবহার করা হয় না, এটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে। B) সৌভাগ্য লাভ — এই অর্থের জন্য কপাল ফেরা বা চাঁদের হাট বাগধারাটি বেশি উপযোগী, চক্ষুদান করা নয়। D) নষ্ট করা — এই অর্থের জন্য তামার বিষ বা অকেজো বলা যায়, কিন্তু চুরি করা অর্থে এই বাগধারাটি নির্দিষ্ট। ৫. মনে রাখার টিপস: চোখ বন্ধ করে জিনিস সরিয়ে ফেলা অর্থাৎ কাউকে বুঝতে না দিয়ে কিছু সরিয়ে নেওয়া বা চুরি করাই হলো চক্ষুদান করা। চোরেরা চোখ এড়িয়ে বা চোখ ফাঁকি দিয়ে চুরি করে এই কৌশলের সঙ্গে মিলিয়ে এটি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই রূপক অর্থযুক্ত বাগধারাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই আক্ষরিক অর্থের পেছনে না ছুটে বাগধারার প্রমিত ও ঐতিহ্যগত ভাবার্থ মুখস্থ রাখা জরুরি।
a আমটা খাও
b সবাই এখানে আসুন
c সুখী হও
d নিজের দিকে খেয়াল রাখ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আমটা খাও ১. কেন সঠিক: - আদেশ অর্থে অনুজ্ঞা মূলত শ্রোতার প্রতি বক্তার সরাসরি নির্দেশ বা হুকুম বোঝায়। - এখানে বক্তা শ্রোতাকে স্পষ্টভাবে একটি আম খাওয়ার জন্য আদেশ বা নির্দেশ প্রদান করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অনুজ্ঞা পদ হলো ক্রিয়ার সেই রূপ যার দ্বারা আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ কিংবা আশীর্বাদ প্রকাশ পায়। - বাংলা ব্যাকরণে মধ্যম পুরুষ বা তুই, তুমি, আপনারা এবং সমার্থক সর্বনামের ক্ষেত্রে অনুজ্ঞার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দরজাটা বন্ধ করো ব্যাখ্যা: এটি বক্তার পক্ষ থেকে শ্রোতার প্রতি একটি নির্দিষ্ট কাজের সরাসরি আদেশ বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: বইটি টেবিলে রাখো ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যম পুরুষে একটি কাজ সম্পন্ন করার আদেশ বা নির্দেশ প্রকাশের সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আমটা খাও — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এর মাধ্যমে সরাসরি আদেশ প্রকাশ করা হয়েছে। B) সবাই এখানে আসুন — এটি মূলত সম্মানসূচক অনুরোধ বা আমন্ত্রণ বোঝায়, সরাসরি কড়া আদেশ নয়। C) সুখী হও — এটি দ্বারা বক্তার পক্ষ থেকে শ্রোতার প্রতি আশীর্বাদ বা শুভকামনা প্রকাশ করা হয়েছে। D) নিজের দিকে খেয়াল রাখ — এটি আদেশ না হয়ে বরং শ্রোতার প্রতি একটি হিতোপদেশ বা পরামর্শমূলক বাক্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - অনুজ্ঞা মানেই আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ। - কাউকে সরাসরি কোনো কাজ করতে বলা হলে তা আদেশার্থক অনুজ্ঞা হিসেবে গণ্য করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অনুজ্ঞার ক্ষেত্রে শুধু বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালের মধ্যম পুরুষ ব্যবহৃত হয়। - পরীক্ষার হলে বাক্যের ভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্ধারণ করতে হবে।
a ভাস্ + সর
b ভাস + কর
c ভাস্ + বর
d ভা + স্বর
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভাস্ + বর ১. কেন সঠিক: - সংস্কৃত ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে পদান্ত স এবং দ এর স্থানে যথাক্রমে ষ এবং ধ হয়, যা এখানে প্রযোজ্য হয়েছে। - ভাস্ শব্দের সাথে বর যুক্ত হয়ে ধ্বনির পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাস্বর শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির নিয়মে পদের অন্তস্থিত স এর পরে বর শব্দ যুক্ত হলে তা প্রমিত নিয়মে সাধিত হয়। - এটি মূলত এক ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার ব্যাখ্যা: এটি বিসর্গ সন্ধির একটি জনপ্রিয় নিয়ম যা প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। উদাহরণ ২: পরি + ছাদ = পরিচ্ছদ ব্যাখ্যা: স্বরবর্ণের পরে ছ থাকলে চ যুক্ত হওয়ার ব্যাকরণিক নিয়ম এখানে অনুসৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাস্ + সর — এখানে সর অংশটি সঠিক নয় কারণ শব্দের মূল অংশ বর। B) ভাস + কর — কর যুক্ত হলে ভাস্কর হতো যা আলোর অর্থ প্রকাশ করে কিন্তু ভাস্বর শব্দের জন্য এটি প্রযোজ্য নয়। C) ভাস্ + বর — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী এটি ভাস্বর শব্দ তৈরি করে। D) ভা + স্বর — ভা কোনো অর্থপূর্ণ পদ বা মূল ধাতু হিসেবে এখানে সন্ধি গঠন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ভাস্বর শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় শেষের বর অংশটি মনে রাখা জরুরি। - ভাস্ এর সাথে বর যোগ করলে ভাস্বর হয়, যা উজ্জ্বল বা দেদীপ্যমান অর্থ বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি প্রায়ই আসে। - শব্দের মূল অর্থ এবং সন্ধির ভাঙার নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
a স্বরসংগতি
b স্বরাগম
c অভিশ্রুতি
d অপিনিহিতি
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অপিনিহিতি কেন সঠিক: - ইংরেজি পরিভাষা অপেন্থেসিস এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো অপিনিহিতি। - শব্দের মধ্যে পরবর্তী ই-কার বা উ-কার বা ঋ-কার উচ্চারণের আগে উচ্চারিত হওয়ার ব্যাকরণিক প্রক্রিয়াকে এটি নির্দেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - পরের স্বরধ্বনি আগে উচ্চারিত হওয়ার রীতিনীতিকে এই ব্যাকরণিক পরিভাষায় বোঝানো হয়। - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি পরিবর্তন অধ্যায়ের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা এটি। - উদাহরণস্বরূপ আজি থেকে আইজ এবং সাধু থেকে সাউধ শব্দে এই রূপান্তর দেখা যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) স্বরসংগতি — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো ভাওয়েল হারমোনি বা স্বরসংগতি। - B) স্বরাগম — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো প্রোথেসিস বা এপিথেনেসিস বা অ্যানাপ্টি সিস। - C) অভিশ্রুতি — এর ইংরেজি পরিভাষা হলো মিউচুয়াল অ্যাসিমিলেশন বা অভিশ্রুতি। - D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: - অপেন্থেসিস শব্দটি দেখলে সবসময় অপিনিহিতি দাগাবে।
a ক + ষ
b হ + ম
c হ + ন
d ষ + ণ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হ + ম ১. কেন সঠিক: - যুক্তাক্ষরটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি 'হ' এবং 'ম' বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। - বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা দেখে সরাসরি উপাদানগুলো বোঝা যায় না, 'হ্ম' তার মধ্যে অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে যুক্তবর্ণ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যেখানে দুটি ব্যঞ্জনবর্ণ মিলে একটি নতুন রূপ তৈরি করে। - 'হ' এবং 'ম' যুক্ত হয়ে গঠিত এই বর্ণটি প্রমিত বাংলা বানানে অনেক শব্দের শুরুতে বা মাঝে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রহ্মপুত্র ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে 'হ্ম' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়েছে যা 'হ' এবং 'ম' এর যোগফল। উদাহরণ ২: ব্রাহ্মণ ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও 'হ্ম' বর্ণটি রয়েছে যা বিশ্লেষণ করলে 'হ' ও 'ম' পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক + ষ — এটি দিয়ে 'ক্ষ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, 'হ্ম' নয়। B) হ + ম — এটি সঠিক বিশ্লেষণ এবং এর মাধ্যমে 'হ্ম' গঠিত হয়। C) হ + ন — এটি দিয়ে 'হ্ন' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন চিহ্ন। D) ষ + ণ — এটি দিয়ে 'ষ্ণ' যুক্তবর্ণ গঠিত হয়, যেমন উষ্ণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্রহ্মা বা ব্রাহ্মণ শব্দ লেখার সময় আমরা যে যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করি তা মূলত 'হ' এর সাথে 'ম' যোগ করে তৈরি হয়। - এই ধরনের ব্যতিক্রমী যুক্তবর্ণগুলোর উপাদান মনে রাখার জন্য নিয়মিত বানান চর্চা করা প্রয়োজন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই জটিল যুক্তবর্ণের সঠিক বিশ্লেষণ জানতে চাওয়া হয়। - 'হ্ম' এবং 'হ্ন' বা 'ষ্ণ' এর মতো দেখতে কিন্তু ভিন্ন উপাদানযুক্ত বর্ণগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।
a উপমিত কর্মধারয়
b রূপক কর্মধারয়
c অলুক তৎপুরুষ
d উপমান কর্মধারয়
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপমান কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: - 'অরুণরাঙা' সমস্তপদটির ব্যাসবাক্য হলো অরুণের মতো রাঙা। এখানে উপমেয় (যা তুলনা করা হয়) উহ্য রয়েছে এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদ (রাঙা) উপস্থিত রয়েছে। - সাধারণ গুণ বা ধর্মের সঙ্গে যখন কোনো বস্তুর তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদের উল্লেখ থাকে, তখন তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপমান কর্মধারয় সমাসে একটি পদের সঙ্গে অপর পদের তুলনা করা হয় যেখানে তুলনা করার বস্তু অর্থাৎ উপমান এবং যার সঙ্গে তুলনা করা হয় অর্থাৎ উপমেয় উপস্থিত থাকে এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। - অরুণ অর্থ লাল সূর্য এবং রাঙা অর্থ লাল, এখানে সূর্যের লাল রঙের সঙ্গে অন্য কোনো বস্তুর রঙের সাধারণ তুলনা বোঝানো হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শশব্যস্ত ব্যাখ্যা: শশের (খরগোশের) মতো ব্যস্ত, এখানে খরগোশের স্বভাবের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং ব্যস্ত হলো সাধারণ ধর্ম। উদাহরণ ২: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের মতো শুভ্র (সাদা), এখানে তুষারের সঙ্গে সাদা রঙের তুলনা করা হয়েছে এবং শুভ্র হলো সাধারণ ধর্ম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করা হয় কিন্তু সাধারণ ধর্মবাচক পদের উল্লেখ থাকে না, যেমন মুখচন্দ্র। B) রূপক কর্মধারয় — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয়, যেমন বিষাদসিন্ধু। C) অলুক তৎপুরুষ — অলুক তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, যেমন গায়েপড়া, যা অরুণরাঙা পদের সঙ্গে মিলে না। D) উপমান কর্মধারয় — এটি সঠিক অপশন কারণ এতে উপমান ও সাধারণ ধর্মবাচক পদ উপস্থিত রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপমান শব্দের অর্থ তুলনীয় বস্তু এবং এতে চিরন্তন সত্য বা সাধারণ গুণ বোঝায়। - ব্যাসবাক্যের মাঝে মতো শব্দ থাকলে এবং শেষে সাধারণ গুণবাচক শব্দ থাকলে চোখ বন্ধ করে উপমান কর্মধারয় দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাস থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে উপমান ও উপমিতের পার্থক্যের ওপর। - ব্যাসবাক্য করার সময় খেয়াল রাখবে সাধারণ ধর্মবাচক পদটি শেষে আছে কি না, থাকলে তা নিশ্চিতভাবেই উপমান কর্মধারয় হবে।
a শব্দমূল
b নাম প্রকৃতি
c রূপ
d ধ্বনিমূল
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিমূল ১. কেন সঠিক: - Phoneme শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো ধ্বনিমূল, যা ভাষা বিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ধারণা। - এটি হলো কোনো ভাষার ক্ষুদ্রতম ধ্বনি একক যা একটি শব্দের অর্থ পরিবর্তন করতে সক্ষম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ধ্বনিবিজ্ঞান বা রূপমূলতত্ত্বে Phoneme বা ধ্বনিমূল হলো ভাষার এমন একটি ধ্বনি যা অন্য ধ্বনির সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে। - বাংলা ব্যাকরণে প্রমিত ধ্বনিমূল বিশ্লেষণ করার সময় ভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোকে চিহ্নিত করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাত এবং পাত শব্দ দুটিতে ভ এবং প ধ্বনিমূল দুটি আলাদা অর্থ প্রকাশ করে। ব্যাখ্যা: একটি ধ্বনি পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ তৈরি হওয়ার কারণে ভ এবং প এখানে ভিন্ন দুটি ধ্বনিমূল হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ ২: চাল এবং ডাল শব্দ দুটিতে চ এবং ড ধ্বনিমূল দুটি শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। ব্যাখ্যা: প্রথম ধ্বনির সামান্য পরিবর্তনের ফলে শব্দের অর্থের যে পরিবর্তন ঘটে তা ধ্বনিমূলের এই তাত্ত্বিক রূপটিকে স্পষ্ট করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রাতিপদিক বলতে বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বোঝায়, যা Phoneme শব্দের সঠিক অর্থ নয়। B) নাম প্রকৃতি — নাম প্রকৃতি হলো প্রত্যয় বা বিভক্তিযুক্ত হওয়ার আগের মূল শব্দ বা অংশ, যা এই পারিভাষিক শব্দের সঙ্গে মেলে না। C) রূপ — রূপ বা Morph বলতে ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একককে বোঝায়, যা ধ্বনিমূলের সমার্থক নয়। D) ধ্বনিমূল — এটি Phoneme শব্দের সঠিক ও প্রমিত পারিভাষিক রূপ এবং এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম ধ্বনি একক নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ফোন বা ধ্বনি সম্পর্কিত বিষয় মানেই ধ্বনিমূল বা Phoneme এটি মনে রাখা সহজ। - পি দিয়ে শুরু Phoneme শব্দের অর্থ ধ্বনি বা ধ্বনিমূল হিসেবে মাথায় রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ইংরেজি পরিভাষার ক্ষেত্রে ধ্বনি বা রূপ সংক্রান্ত শব্দগুলোর সঠিক অর্থ আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।
a অনিষ্ট
b লায়েক
c লোকসান
d মহাজন
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহাজন ১. কেন সঠিক: - খাতক শব্দের অর্থ হলো যে ব্যক্তি ঋণ বা কর্জ গ্রহণ করেছে অর্থাৎ দেনাদার। - এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো মহাজন, যার অর্থ ঋণদাতা বা যে ব্যক্তি সুদে টাকা ধার দেয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস, মূল অর্থ এবং ভাবার্থের বিপরীত দিক বিবেচনা করতে হয়। - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের সময় বিশেষ্যের বিপরীত বিশেষ্য এবং বিশেষণের বিপরীত বিশেষণ পদ হতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্রেতা এবং বিক্রেতা ব্যাখ্যা: ক্রেতা অর্থ যে ক্রয় করে এবং বিক্রেতা অর্থ যে বিক্রয় করে, যা একে অপরের বিপরীত। উদাহরণ ২: মালিক এবং চাকর ব্যাখ্যা: মালিক অর্থ প্রভু বা কতৃপক্ষ এবং চাকর অর্থ অধীনস্থ কর্মচারী, যা বিপরীত সম্পর্ক প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনিষ্ট — অনিষ্ট শব্দের অর্থ ক্ষতি বা অমঙ্গল, যা খাতক শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) লায়েক — লায়েক শব্দের অর্থ উপযুক্ত বা যোগ্য, যা খাতক শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। C) লোকসান — লোকসান শব্দের অর্থ ক্ষতি বা ঘাটতি, যার বিপরীত শব্দ হলো লাভ বা মুনাফা। D) মহাজন — মহাজন হলো সঠিক উত্তর কারণ এটি খাতক বা দেনাদারের বিপরীতে ঋণদাতাকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - খাতক মানে ঋণগ্রহীতা এবং মহাজন মানে ঋণদাতা। - ঋণ দেওয়া ও নেওয়ার সম্পর্কের কথা মাথায় রাখলে এই বিপরীতার্থক শব্দ সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - দেনাদার ও মহাজন বা খাতক ও মহাজন জোড়োগুলো ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
a কমা
b কোলন
c কোলন ড্যাস
d হাইফেন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমা ১. কেন সঠিক: উদ্ধৃতিচিহ্নের পূর্বে বা খণ্ড বাক্যের শেষে বাক্যের অংশ আলাদা করার জন্য কমা বসাতে হয়। বক্তার সরাসরি উক্তি বা উদ্ধৃতি লেখার আগে বাক্যের গতি রক্ষা করার জন্য কমার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্নের সঠিক ব্যবহার বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করে। বক্তার বক্তব্য উদ্ধৃত করার সময় প্রধান বাক্যের সঙ্গে উদ্ধৃত অংশকে আলাদা করতে কমা ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি বললেন, আমি যাব না। ব্যাখ্যা: এখানে মূল বাক্য ও বক্তার উক্তির খণ্ড বাক্যের মাঝে কমা বসেছে। উদাহরণ ২: শিক্ষক বললেন, আজ ক্লাস হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে বক্তার উক্তির ঠিক পূর্বে কমা ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — এটি সঠিক উত্তর কারণ উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে খণ্ড বাক্যের শেষে কমা বসে। B) কোলন — কোলন সাধারণত একটি পূর্ণ বাক্যের পর অন্য কোনো বাক্য বা দৃষ্টান্ত আনতে বসে, উদ্ধরণের পূর্বে খণ্ড বাক্যের শেষে নয়। C) কোলন ড্যাস — উদাহরণ বা নাটকে চরিত্রের নামের পরে কোলন ড্যাস বসে, সাধারণ খণ্ড বাক্যের শেষে নয়। D) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদগুলোকে যুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, বাক্যের যতিচিহ্ন হিসেবে উদ্ধরণের পূর্বে বসে না। ৫. মনে রাখার টিপস: বক্তার কথা লেখার শুরুতে বা উদ্ধৃতি দেওয়ার আগে সবসময় কমা বসবে। বাক্যের গতি থামানোর স্বল্পতম বিরতির জন্য কমা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতিচিহ্নের ব্যবহার থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। উদ্ধৃতিচিহ্নের আগের কমার ব্যবহার সঠিকভাবে বুঝতে বাক্য গঠন খেয়াল রাখতে হবে।
a শুকনো
b সাথে
c জুতা
d বুনো
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জুতা ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নটি শব্দের শ্রেণিবিভাগ বা সাধু ও চলিত রূপ সম্পর্কিত ব্যাকরণ বিষয়ের অন্তর্গত। - সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের আধিক্য থাকে এবং শব্দের রূপটি তুলনামূলক গম্ভীর ও প্রাচীন হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জুতা শব্দটি একটি খাঁটি বাংলা শব্দ এবং এটি সাধু ও চলিত উভয় রীতির জন্যই সমানভাবে উপযোগী। - জুতো হলো এর চলিত রূপ, আর জুতা হলো সাধু রূপ বা প্রমিত রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জোছনা ব্যাখ্যা: এটি জ্যোৎস্না শব্দের চলিত রূপ, যেখানে জ্যোৎস্না হলো সাধু রূপ। উদাহরণ ২: বোঝা ব্যাখ্যা: এটি বুঝা শব্দের চলিত রূপ, আর বুঝা হলো সাধু রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শুকনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হলো শুষ্ক। B) সাথে — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হলো সহিত। C) জুতা — এটি সাধু ভাষায় ব্যবহারের উপযোগী প্রমিত শব্দ। D) বুনো — এটি চলিত রূপ, এর সাধু রূপ হলো বন্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - সাধু রীতিতে সাধারণত চন্দ্রবিন্দু যুক্ত হওয়া এবং শব্দের শেষে ও কারের পরিবর্তে আ কার থাকা শব্দগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়। - যেমন জুতা সাধু এবং জুতো চলিত রূপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সাধু ও চলিত রূপ চেনার সময় শব্দের উৎস এবং তৎসম শব্দের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে। - একই শব্দের দুটি রূপ থাকলে সাধু রূপের ক্ষেত্রে সাধারণত স্বরবর্ণের পূর্ণ রূপ বা আ কার বেশি থাকে।
a ৩২, ৮, ১০
b ৩২, ৭, ১১
c ৩০, ৮, ১২
d ৩২, ৭, ৯
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩২, ৮, ১০ ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। এই বিন্যাসটি বাংলা ব্যাকরণের বর্ণমালা অধ্যায়ের একটি মৌলিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। পূর্ণমাত্রা ৩২টি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণ ৬টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা স্বরবর্ণের উদাহরণ, যার উপরে সম্পূর্ণ রেখা বা মাত্রা থাকে। উদাহরণ ২: ক, গ, ঘ, চ, ছ ব্যাখ্যা: এগুলো হলো পূর্ণমাত্রা ব্যঞ্জনবর্ণের উদাহরণ, যা লেখার সময় উপরে পূর্ণ মাত্রা ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৩২, ৮, ১০ — এটি বাংলা বর্ণমালার পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা এবং মাত্রাহীন বর্ণের সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। B) ৩২, ৭, ১১ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ৭টি এবং মাত্রাহীন ১১টি বলা হয়েছে যা ভুল গণনা। C) ৩০, ৮, ১২ — এখানে পূর্ণমাত্রা ৩০টি বলা হয়েছে যা বাংলা বর্ণমালার প্রকৃত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। D) ৩২, ৭, ৯ — এই অপশনে অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: মনে রাখার সহজ কৌশল হলো পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০, অর্থাৎ মোট সংখ্যা ৩২ + ৮ + ১০ = ৫০। সংখ্যাগুলো পর্যায়ক্রমে ৩২, ৮ এবং ১০ মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা আলাদাভাবে জানতে চাওয়া হয়। স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ আলাদা করে কোনটিতে কয়টি মাত্রা আছে তা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
a লাঙ্গল
b দম্পতি
c লেখা
d সাধিত
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লাঙ্গল ১. কেন সঠিক: প্রাতিপদিক হলো বিভক্তিহীন নামশব্দ, অর্থাৎ কৃৎ বা তদ্ধিত প্রত্যয় যোগ করার আগের মূল শব্দ বা মূল রূপ। লাঙ্গল শব্দটি কোনো প্রত্যয় বা বিভক্তি যোগে গঠিত হয়নি, এটি নিজেই একটি মৌলিক বা মূল নামশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বিভক্তিহীন নামশব্দকে প্রাতিপদিক বলা হয়। প্রাতিপদিকের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠিত হয়। প্রাতিপদিক মূলত দুই প্রকার হতে পারে, যেমন মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ যা পূর্বে প্রত্যয়ান্ত হতে পারে কিন্তু বাক্যে ব্যবহারের পূর্বে তাতে কোনো বিভক্তি থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম ব্যাখ্যা: এটি একটি মৌলিক নামশব্দ এবং বিভক্তিহীন অবস্থায় এটি প্রাতিপদিক। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: এটি শরীরের অঙ্গবাচক মূল শব্দ যাতে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাঙ্গল — সঠিক উত্তর কারণ এটি বিভক্তিহীন মূল নামশব্দ বা প্রাতিপদিক। B) দম্পতি — এটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ যা পত্নী ও পতি শব্দের সমাসে গঠিত, তাই এটি সরাসরি প্রাতিপদিক নয়। C) লেখা — এটি লেখ ধাতু এবং অ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি সাধিত শব্দ। D) সাধিত — এটি নিজে একটি শব্দ যা মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দশ্রেণিকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: যে নামশব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না এবং যা থেকে অন্য শব্দ তৈরি হয় তাকে প্রাতিপদিক বলে। বিভক্তিযুক্ত শব্দ পদ, আর বিভক্তিহীন মূল শব্দই হলো প্রাতিপদিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাতিপদিক ও পদের পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবে, বিভক্তিযুক্ত শব্দ মাত্রই পদ, আর বিভক্তিহীন নামশব্দ হলো প্রাতিপদিক।
a শৈব
b সৌর
c দৈব
d চৈত্র
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সৌর ১. কেন সঠিক: নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয় হলো সেই সমস্ত শব্দ, যা সাধারণ ব্যাকরণের নিয়ম বা সূত্র মেনে গঠিত হয় না। প্রকৃতি ও প্রত্যয় যোগ করার সময় শব্দের রূপ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম এখানে কার্যকর হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়মানুযায়ী সূর্য শব্দের সঙ্গে অ (ষ্ণ) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সৌর শব্দটি গঠিত হয়েছে। শব্দের আদিস্বর উ-এর স্থানে ঔ এবং র-এর প্রভাবে এই বিশেষ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, যা নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে গণ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোরু ব্যাখ্যা: এটি প্রাকৃত ভাষার নিয়মে নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ। উদাহরণ ২: পাণিনি ব্যাখ্যা: পানি শব্দের সঙ্গে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নিপাতনে সিদ্ধভাবে এই শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শৈব — এটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, শিবা শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত স্বাভাবিক তদ্ধিতান্ত শব্দ। B) সৌর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত। C) দৈব — এটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, দেব শব্দের সঙ্গে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত সাধারণ শব্দ। D) চৈত্র — এটি নিপাতনে সিদ্ধ শব্দ নয়, চিত্রা নক্ষত্রের নাম থেকে অ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: সূর্য থেকে সৌর রূপান্তরের ক্ষেত্রে নিপাতনে সিদ্ধ নিয়ম মনে রাখতে হবে। সাধারণ প্রত্যয়ের নিয়মের বাইরে গিয়ে যেসব শব্দ গঠিত হয়, সেগুলোকে আলাদাভাবে তালিকা করে পড়তে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয়যুক্ত শব্দগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সরাসরি কমন হিসেবে আসে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলো আয়ত্ত করা চাকরি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
a কর্তৃকারকে ৭মী
b কর্মকারকে শূন্য
c কর্তৃকারকে শূন্য
d করণ কারকে শূন্য
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্তৃকারকে শূন্য ১. কেন সঠিক: - বাক্যে 'জল' পদটি নিজে নিজে ক্রিয়া সম্পন্ন করছে, তাই এটি কর্তৃকারক। - 'জল' শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ বা সর্বনাম পদের যে অংশ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে। - শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃষ্টি পড়ছে ব্যাখ্যা: এখানে বৃষ্টি নিজে পড়ছে, তাই বৃষ্টি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল ফুটছে ব্যাখ্যা: ফুল নিজে ফুটছে, তাই এটি কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে ৭মী — জল পদে কোনো এ, তে বা য় বিভক্তি নেই, তাই এটি ভুল। B) কর্মকারকে শূন্য — জল এখানে কর্ম নয়, কারণ এটি নিজে কাজ বা ক্রিয়া সম্পাদন করছে। D) করণ কারকে শূন্য — জল কোনো মাধ্যম বা সহায়ক যন্ত্র নয়, তাই এটি করণ কারক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। - শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি চিহ্ন না থাকলে তা শূন্য বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রকৃতি নিজে কোনো কাজ করলে তা সবসময় কর্তৃকারક হয়। - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে বিভক্তি চিহ্ন দেখতে হবে।
a তুর্কি
b আরবি
c ফারসি
d ফরাসি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরবি ১. কেন সঠিক: মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মূলত প্রশাসনিক শব্দ হিসেবে বাংলা অভিধানে স্থান পেয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটির উৎস বিচারে এটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি প্রশাসনিক পরিভাষা। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু আরবি শব্দ প্রশাসন, বিচারালয় ও সমাজ জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহকুমা প্রশাসন কার্যালয়। ব্যাখ্যা: প্রশাসনিক ক্ষেত্রে মহকুমা শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: মহকুমা শাসক। ব্যাখ্যা: মহকুমা প্রশাসনিক প্রধানকে বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা, চাকর, তোপ ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা আসেনি। B) আরবি — এই অপশনটি সঠিক কারণ মহকুমা একটি আরবি প্রশাসনিক শব্দ। C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে চশমা, কাগজ, দোকান ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা ফারসি শব্দ নয়। D) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে কার্তুজ, কুপন, ডিপো ইত্যাদি শব্দ এসেছে কিন্তু মহকুমা ফরাসি শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রশাসনিক অনেক পরিভাষা আরবি ও ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। মহকুমা শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে বলে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই প্রশাসনিক ও আইনসংক্রান্ত আরবি শব্দগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করে পড়া উচিত।
a ষ্টেশন
b রুগ্ণ
c বিপ্রকর্স
d সাধারন
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুগ্ণ ১. কেন সঠিক: - রুগ্ণ বানানটি সঠিক কারণ বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এর বানানে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে। - এখানে ঋ-কার বা র-ফলা এবং ক্ষ-এর পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ বসে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দে ঋ, ঋ-কার, র বা র-ফলা এবং ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। - রুগ্ণ শব্দটিতে গ-এর নিচে যে ফলা আছে তা ঋ-কার বা র-ফলার বিশেষ রূপ হওয়ায় পরে ণ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৃণ ব্যাখ্যা: ঋ-কারের পর মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে তৃণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ঘৃণা ব্যাখ্যা: ঋ-কারের পরে নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ষ্টেশন — এটি ভুল বানান কারণ বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে মূর্ধন্য ষ ও মূর্ধন্য ণ হয় না, সঠিক বানান স্টেশন। C) বিপ্রকর্স — এটি ভুল বানান, সঠিক বানান বিপ্রকর্ষ যেখানে মূর্ধন্য ষ-এর স্থানে অন্য বর্ণ বা ভুল বিন্যাস আছে। D) সাধারন — এটি ভুল বানান কারণ দন্ত্য ন-এর জায়গায় মূর্ধন্য ণ হবে, সঠিক বানান সাধারণ। B) সঠিক উত্তরটি যেহেতু বি অপশন, তাই এই অপশনটি এখানে নির্দেশিত নিয়মে শুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদেশি শব্দে সবসময় দন্ত্য ন এবং দন্ত্য স ব্যবহার করবে, মূর্ধন্য বর্ণ ব্যবহার করবে না। - তৎসম শব্দে ঋ-কার বা র-ফলার পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ বসে তা মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্টেশন এবং সাধারণ বানানগুলো বারবার পরীক্ষাতে আসে। - বাংলা বানান শুদ্ধিকরণের জন্য নত্ব বিধানের সাধারণ নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ট
b থ
c ড
d ভ
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ড ১. কেন সঠিক: ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণ হলো সেই ধ্বনি যা উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে এবং অতিরিক্ত বাতাসের প্রয়োজন হয় না। বাংলা বর্ণমালার বর্গের তৃতীয় বর্ণগুলো হলো ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে ধ্বনিগুলোকে অল্পপ্রাণ, মহাপ্রাণ, অঘোষ ও ঘোষ এই ভাগে ভাগ করা হয়। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় তৃতীয় বর্ণ এবং এটি ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: ব ব্যাখ্যা: এটি পবর্গীয় তৃতীয় বর্ণ এবং এটি ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ট — এটি কবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। B) থ — এটি কবর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ এবং এটি অঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি। C) ড — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি টবর্গীয় তৃতীয় বর্ণ এবং ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। D) ভ — এটি পবর্গীয় চতুর্থ বর্ণ এবং এটি ঘোষ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রতিটি বর্গের তৃতীয় বর্ণ হলো ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। বর্গের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ণের ছক মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a √দীপ্য + মান
b √দিপ্য + মানচ
c √দিপ + শানচ
d √দীপ + শানচ
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √দীপ + শানচ ১. কেন সঠিক: - 'দীপ্যমান' শব্দটি সংস্কৃতে কৃৎ প্রত্যয় সাধিত বিশেষণ পদ এবং এর সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √দীপ যোগ শানচ। - এখানে 'দীপ' হলো সংস্কৃত ধাতু যার অর্থ দীপ্ত হওয়া বা আলো ছড়ানো এবং 'শানচ' হলো কৃৎ প্রত্যয় যা বর্তমান কৃদন্ত পদ গঠনে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। - বর্তমান কালের অর্থে ধাতুর পরে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল ধাতুর আদিতে পরিবর্তন ঘটে এবং পদের শেষে মান বা আন যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √লভ + শানচ = লভ্যমান ব্যাখ্যা: লাভ করা অর্থে লভ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যোগে লভ্যমান পদটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √সেভ + শানচ = সেব্যমান ব্যাখ্যা: সেবা করা অর্থে সেভ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যোগে সেব্যমান পদটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √দীপ্য + মান — 'দীপ্য' কোনো মৌলিক ধাতু নয় এবং 'মান' সরাসরি প্রত্যয় হিসেবে বসে না, তাই এই অপশনটি ভুল। B) √দিপ্য + মানচ — এখানে বানান ভুল আছে এবং 'দিপ্য' বলে কোনো প্রমিত সংস্কৃত ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। C) √দিপ + শানচ — 'দিপ' বানানটি ভুল কারণ শুদ্ধ ধাতু হলো দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত 'দীপ'। D) √দীপ + শানচ — এটি সঠিক কারণ দীর্ঘ ঈ কার যুক্ত 'দীপ' ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দীপ্যমান' গঠিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্তমান কৃদন্ত পদে মান বা আন যুক্ত শব্দ দেখলে সাধারণত শানচ প্রত্যয় বিবেচনা করবে। - ধাতুর বানান লেখার সময় সবসময় মূল সংস্কৃত রূপটি মনে রাখবে যেমন এখানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংস্কৃত ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - শানচ প্রত্যয় যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত বর্তমান কালের অর্থ প্রকাশ করে এবং বিশেষণের কাজ করে।
a জলধি
b গগন
c পানি
d অবনি
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পানি ১. কেন সঠিক: - অম্বু শব্দের অর্থ হলো জল বা পানি। সংস্কৃত শব্দ অম্বু বাংলায় সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে পানি সরাসরি অম্বু শব্দের সমার্থক হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন রূপের হলেও একই বা প্রায় একই অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব ও বিদেশি নানা উৎসের শব্দ মিলে প্রচুর সমার্থক শব্দের সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বারি ব্যাখ্যা: বারি শব্দটি অম্বু ও পানির আরেকটি প্রচলিত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: সলিল ব্যাখ্যা: সলিলও জলের সমার্থক হিসেবে বাংলা কবিতায় ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জলধি — জলধি শব্দের অর্থ সমুদ্র, কারণ জল ধারণ করে যা। এটি পানির সমার্থক নয়। B) গগন — গগন শব্দের অর্থ আকাশ বা অম্বর। এটি পানির সমার্থক শব্দ নয়। C) পানি — এটি সঠিক উত্তর। D) অবনি — অবনি শব্দের অর্থ পৃথিবী বা বসুন্ধরা। এটি পানির সমার্থক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অম্বু মানে জল, যার সাথে পঙ্ক যুক্ত হয়ে অম্বুজ অর্থাৎ পদ্ম বোঝায়। এভাবে জলবাচক শব্দগুলোর সাথে জ যুক্ত করলে সাধারণত ফুলের নাম হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জল, পানি, বারি, সলিল, অম্বু, উদক, পয়ো - এগুলো সমার্থক শব্দ হিসেবে পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সমার্থক শব্দ মনে রাখতে উৎস ও মূল অর্থ খেয়াল রাখতে হবে।
a বীরপুত্র
b রত্নগর্ভা
c স্বর্ণমাতা
d বীরপ্রসূ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বীরপ্রসূ ১. কেন সঠিক: - বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী তাকে এককথায় বীরপ্রসূ বলা হয়। - প্রসূ শব্দের অর্থ হলো প্রসবকারিণী বা সন্তান জন্মদানকারী নারী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়ম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যিনি বহুদর্শী লাভ করেছেন তাকে সর্বদর্শী বলা হয়। ব্যাখ্যা: অনেক কিছু দেখেছেন বা জানেন যিনি তাকে এককথায় সর্বদর্শী বলে। উদাহরণ ২: যা সহজে জয় করা যায় না তাকে দুর্জয় বলা হয়। ব্যাখ্যা: জয়ের ক্ষেত্রে জটিলতা বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরপুত্র — বীরের পুত্র অর্থে এটি বোঝায় তবে প্রসবকারী নারী বোঝায় না। B) রত্নগর্ভা — যে নারী রত্নতুল্য গুণী সন্তানের জন্ম দেন তাকে রত্নগর্ভা বলা হয়। ৫) স্বর্ণমাতা — এটি কোনো প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয় এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। D) বীরপ্রসূ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বীর সন্তান প্রসবকারী নারীকে এটি নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - প্রসূ শব্দের অর্থ প্রসব করা তাই বীর সন্তান প্রসবকারী অর্থে বীরপ্রসূ শব্দটি মনে রাখবে। - গর্ভ ধারণের সঙ্গে রত্ন যুক্ত হলে রত্নগর্ভা হয় এবং প্রসবের সঙ্গে বীর যুক্ত হলে বীরপ্রসূ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - প্রসূ সংক্রান্ত বাক্য সংকোচনগুলো যেমন মৃতবৎসা বা পতিব্রতা ভালোভাবে চর্চা করবে।
a চালবাজি
b অস্থির মানব মন
c অরাজক পরিস্থিতি
d অমূল্য সম্পদ
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্থির মানব মন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো মন যে সব সময় চঞ্চল এবং পরিবর্তনশীল, তা এই বাগধারার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। - মানুষের মন এক জায়গায় স্থির থাকে না, ক্ষণে ক্ষণে তার ভাবনা ও মতিগতি বদলায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মানুষের মন বড়ই চঞ্চল, ঠিক যেন মন না মতি। ব্যাখ্যা: মানুষের মনের এই অস্থির স্বভাব বোঝাতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: তার সিদ্ধান্ত বদল দেখে বোঝা যায় তার অবস্থা মন না মতি। ব্যাখ্যা: মানুষের সিদ্ধান্তের বারবার পরিবর্তনশীলতা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চালবাজি — এই অপশনটি ভুল কারণ চালবাজি অর্থ প্রতারণা বা ধূর্তামি, যা মানুষের মনের অস্থিরতার সঙ্গে সরাসরি মেলে না। B) অস্থির মানব মন — এটি সঠিক উত্তর। C) অরাজক পরিস্থিতি — এই অপশনটি ভুল কারণ অরাজকতা বলতে আইনশৃঙ্খলার অনুপস্থিতি বা বিশৃঙ্খল রাষ্ট্রীয় অবস্থাকে বোঝায়। D) অমূল্য সম্পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ অমূল্য সম্পদ বলতে এমন কিছু বোঝায় যার কোনো আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করা যায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - মন আর মতির মিল দেখলে মনে রাখবে মানুষের মনের অস্থিরতার কথা। - মতি মানে বুদ্ধি বা মন, আর মন তো সবসময় চঞ্চল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের মনস্তাত্ত্বিক বা স্বভাববাচক বাগধারা প্রায়ই আসে। - বাগধারার আক্ষরিক অর্থ না খুঁজে এর ভেতরের গভীর ভাবার্থ বুঝতে হবে।
a আহ্বান
b নিমন্ত্রণ
c প্রত্যাবান
d আবাহন
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্যাবান ১. কেন সঠিক: - 'আমন্ত্রণ' শব্দের অর্থ হলো কাউকে কোনো অনুষ্ঠানে বা ঘরে আসার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ডেকে পাঠানো। - 'প্রত্যাবান' নামের কোনো অর্থপূর্ণ ও সঠিক বাংলা শব্দ বাংলা অভিধানে নেই, তাই এটি 'আমন্ত্রণ' শব্দের সমার্থক হতে পারে না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। - বাংলা ভাষায় একটি মূল শব্দের বিপরীতে একাধিক প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ থাকতে পারে যা শব্দের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নিমন্ত্রণ ব্যাখ্যা: এটি আমন্ত্রণ শব্দের সরাসরি সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: আহ্বান ব্যাখ্যা: এটিও কাউকে কোনো কাজে বা অনুষ্ঠানে ডাকার অর্থে আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আহ্বান — এটি আমন্ত্রণ শব্দের একটি নিখুঁত সমার্থক শব্দ যার অর্থ কাউকে ডাকা বা ডেকে পাঠানো। B) নিমন্ত্রণ — এটি আমন্ত্রণ শব্দের অত্যন্ত প্রচলিত ও সরাসরি সমার্থক শব্দ। C) প্রত্যাবান — এটি কোনো অর্থপূর্ণ বাংলা শব্দ নয়, তাই এটি আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থক হতে পারে না। D) আবাহন — এটিও আমন্ত্রণ বা কোনো কিছুকে সামনে ডেকে আনার অর্থে সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আমন্ত্রণ শব্দের সমার্থকগুলো মনে রাখতে আ দিয়ে শুরু শব্দগুলোকে এক সাথে মিলিয়ে পড়তে পারো। - যে বানান বা শব্দটি অভিধানে নেই, তা দেখলেই সমার্থক নয় হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই অস্তিত্বহীন বা ভুল বানানযুক্ত শব্দ অপশনে দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। - সমার্থক শব্দ দাগানোর সময় শব্দের মূল অর্থ এবং অপশনের শব্দটির অস্তিত্ব ভালোভাবে যাচাই করতে হবে।
a নেতা
b কবি
c দাতা
d বাদশাহ
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কবি ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে কিছু তৎসম বিশেষ্য শব্দ রয়েছে যা পুরুষ ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গেই সমানভাবে ব্যবহৃত হয়। এদের বলা হয় নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। এই জাতীয় শব্দের পূর্বে আলাদাভাবে স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন মহিলা, নারী বা যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করতে হয়। যেমন কবি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ, তাই এর স্ত্রীবাচক রূপ করতে হলে এর পূর্বে মহিলা বা নারী বসাতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ সবসময় পুরুষ বোঝায় এবং যাদের কোনো স্বতন্ত্র স্ত্রীবাচক রূপ নেই, সেগুলোকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলা হয়। যেমন কবি, কৌরব, রাষ্ট্রপতি, ঢাকি, কৃতদার, বিপত্নীক ইত্যাদি। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এসব শব্দের পূর্বে মহিলা বা নারী শব্দ যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহিলা কবি ব্যাখ্যা: কবি শব্দের পূর্বে মহিলা যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরি করা হয়েছে কারণ কবি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। উদাহরণ ২: মহিলা ডাক্তার ব্যাখ্যা: ডাক্তার একটি উভলিঙ্গ বা নিত্য পুরুষবাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এর পূর্বে মহিলা বসাতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেতা — নেতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ নেত্রী রয়েছে, তাই এর আগে আলাদা করে স্ত্রীবাচক শব্দ যোগ করতে হয় না। B) কবি — এটি সঠিক উত্তর। C) দাতা — দাতা শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ দাত্রী রয়েছে, তাই এর আগে আলাদা শব্দ বসাতে হয় না। D) বাদশাহ — বাদশাহ শব্দের নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ বেগম বা বাদশাহী বেগম রয়েছে, তাই এর আগে অন্য শব্দ যোগ করতে হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: নেতা, দাতা এবং বাদশাহ শব্দের সুনির্দিষ্ট স্ত্রীবাচক রূপ যথাক্রমে নেত্রী, দাত্রী ও বেগম রয়েছে। কিন্তু কবি শব্দের কোনো নিজস্ব স্ত্রীবাচক রূপ না থাকায় এর আগে মহিলা বসাতে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য পুরুষবাচক ও নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কৃদার, বিপত্নীক, কবি, সখা এগুলো নিত্য পুরুষবাচক শব্দ এবং এগুলোর আলাদা স্ত্রীবাচক রূপ করতে হলে বিশেষ শব্দ যোগ করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a dissimilar
b of the same place
c of the same density
d of the same kind
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) of the same kind কেন সঠিক: homogeneous শব্দটি গ্রিক শব্দ হোমো এবং জেনাস থেকে এসেছে। যার অর্থ একই ধরনের বা সমজাতীয় বস্তু বা উপাদান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) dissimilar — এর অর্থ ভিন্ন বা অমিল, যা homogeneous শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) of the same place — এর অর্থ একই জায়গার, যা এই শব্দের সঠিক অর্থ বোঝায় না। C) of the same density — এর অর্থ একই ঘনত্বের, যা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও মূল অর্থ নয়। D) সঠিক উত্তর — এটি homogeneous শব্দের সমার্থক এবং সঠিক অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: হোমো মানে একই, তাই হোমোনেস মানে একই ধরনের বা একজাতীয়।
a Pen through the word.
b Cut the word.
c Cut through the word.
d Cut out the word.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Pen through the word. কেন সঠিক: কোনো লেখার ওপর কলমের দাগ টেনে তা কেটে ফেলা বা বাতিল করার ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব হলো pen through। তাই শব্দটি কেটে দাও বোঝাতে Pen through the word ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Pen through the word — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। B) Cut the word — সাধারণ অর্থে শব্দটি কাটা বোঝালেও এটি সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব বা বাগধারা নয়। C) Cut through the word — এর অর্থ শব্দটির মধ্য দিয়ে কেটে যাওয়া, যা লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) Cut out the word — এর অর্থ কোনো শব্দ কেটে বাদ দেওয়া বা আলাদা করা, কলম দিয়ে কাটা বোঝায় না। মনে রাখার টিপস: লেখা কলম দিয়ে কাটা বোঝালে ہمیشہ Pen through ব্যবহার করবে।
a proud
b a day dreamer
c an aviator
d useless
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer কেন সঠিক: এই ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যার মাথা মেঘের মধ্যে থাকে। বাস্তবে এটি অলীক কল্পনা বা দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকাকে বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proud — এর অর্থ অহংকারী, যা এই ইডিয়মের রূপক অর্থের সাথে মেলে না। B) a day dreamer — এটি সঠিক কারণ এটি দিবাস্বপ্ন দেখার অবস্থাকে বোঝায়। C) an aviator — এর অর্থ বিমানচালক, যা শব্দের আক্ষরিক মিল থাকলেও আসল ভাবার্থ নয়। D) useless — এর অর্থ দরকারী নয়, যা এই কল্পনাবিলাসী কথার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মেঘে মাথা থাকা মানে মাটিতে পা না রেখে সবসময় কল্পনার জগতে উড়ে বেড়ানো।
a economic
b economical
c economically
d economize
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) economize কেন সঠিক: 'economy' শব্দটির মূল অর্থ হলো অর্থনীতি বা ব্যবস্থাপনা। এর সঠিক ভার্ব রূপ হলো economize, যার অর্থ মিতব্যয়ী হওয়া বা খরচ কমানো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) economic — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ অর্থনৈতিক। B) economical — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ যার অর্থ মিতব্যয়ী। C) economically — এটি একটি অ্যাডভার্ব যার অর্থ অর্থনৈতিকভাবে। D) economize — এটি নিজেই সঠিক ভার্ব হওয়ায় এখানে এটি প্রযোজ্য নয়, এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে শেষে 'ize' বা 'ise' থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব বা ক্রিয়া বোঝায়।
a He said that had he gone to Tangail.
b He said that I had gone to Tangail.
c He said that he had gone to Tangail.
d He said that he went to Tangail.
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He said that he had gone to Tangail. কেন সঠিক: রিপোর্টিং ভারబ్ past tense এ থাকায় রিপোর্টেড স্পিচের verb past indefinite tense পরিবর্তন হয়ে past perfect tense হয়। პირველ person (I) পরিবর্তন হয়ে রিপোর্টিং ভার্বের subject (He) অনুযায়ী he হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অপਸ਼ਨ A ভুল কারণ এখানে প্রশ্নবোধক বাক্য বা শর্তমূলক স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়েছে যা অপ্রাসঙ্গিক। B) অপশন B ভুল কারণ এখানে প্রথম পার্সন (I) অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে। C) অপশন C সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। D) অপশন D ভুল কারণ এখানে past indefinite tense কে পরিবর্তন না করে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Direct speech এ past indefinite থাকলে Indirect করার সময় past perfect tense করতে হয়।
a study
b studily
c stupidity
d studious
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) studious কেন সঠিক: ‘Study’ শব্দের অর্থ অধ্যায়ন করা এবং এর adjective বা বিশেষণ রূপ হলো ‘studious’। এটি এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি পড়াশোনায় খুব মনোযোগী বা অনুরাগী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) study — এটি একটি verb বা noun যার অর্থ পড়াশোনা করা বা অধ্যায়ন। তাই এটি adjective রূপ হতে পারে না। B) studily — এটি একটি ভুল শব্দ এবং ইংরেজিতে এর কোনো সঠিক ব্যবহার বা অস্তিত্ব নেই। C) stupidity — এটি একটি noun যার অর্থ বোকামি, যা ‘Study’ শব্দের adjective রূপ নয়। D) studious — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি ‘Study’ শব্দের সঠিক adjective রূপ। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে ous থাকলে সাধারণত সেটি adjective হয়, যেমন studious।
a Who does not love flower?
b Who do not love flower?
c Who did not love flower?
d Do all love flower?
0 106 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Who does not love flower? কেন সঠিক: সার্বিক বোধসূচক বা চিরন্তন সত্য বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'All' এর পরিবর্তে 'Who' বসে এবং বাক্যটি নেতিবাচক হয়। এখানে সাবজেক্ট 'All' বহুবচন হলেও ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'Who' এর পরে একবচন হিসেবে 'does not' ব্যবহার করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) B — 'Who' এর পরে 'do not' ব্যবহার করায় ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী বাক্যটি সঠিক হয়নি। C) C — মূল বাক্যটি বর্তমান কালে থাকায় এখানে অতীতকালের সাহায্যকারী verb 'did' ব্যবহার করা ভুল হয়েছে। D) D — সাধারণ প্রশ্নবোধক করা হলেও এটি সরাসরি 'Who' দিয়ে শুরু হওয়ার নিয়মকে অনুসরণ করেনি। মনে রাখার টিপস: 'All' যুক্ত এফারমেটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় 'Who + does not + মূল verb এর বেস ফর্ম' ব্যবহার করতে হয়।
a with
b to
c in
d for
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) to কেন সঠিক: ব্যাংক হিসাব বা লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা জমা দেওয়ার অর্থ বোঝাতে সাধারণত to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে ক্রেডিট বা জমা হওয়া অর্থ অ্যাকাউন্ট বা হিসাবের দিকে নির্দেশ করায় সঠিক preposition হিসেবে to বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই preposition টি কোনো ব্যক্তি বা মাধ্যমের সাথে বোঝাতে বসে, তাই এখানে সঠিক নয়। C) in — এটি সাধারণত কোনো স্থান বা সীমার ভেতরে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে বসা grammatically ভুল। D) for — এটি সাধারণত কোনো উদ্দেশ্যে বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে অর্থপূর্ণ হয় না। মনে রাখার টিপস: হিসাবে টাকা জমা বা Credit হলে সাধারণত তার সাথে to প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a A big speech
b Maiden speech
c An unimportant speech
d A verbose speech
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) A verbose speech কেন সঠিক: Verbose কথাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত শব্দবহুল বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি শব্দ ব্যবহার করা। তাই যে বক্তৃতায় অনেক বেশি শব্দের সমাহার থাকে তাকে একটি verbose speech বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A big speech — এটি বড় বক্তৃতা বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্টভাবে অতিরিক্ত শব্দের ব্যবহার বোঝাতে এই শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয় না। B) Maiden speech — এটি একজন বক্তার জীবনের প্রথম বা সবচেয়ে প্রথম দেওয়া ভাষণকে বোঝায়। C) An unimportant speech — এটি অর্থহীন বা গুরুত্বহীন কোনো বক্তব্যকে বোঝায়, যা অতিরিক্ত শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) A verbose speech — এটি সঠিক কারণ verbose কথাটির অর্থই হলো অতিরিক্ত শব্দে ভরা বক্তব্য। মনে রাখার টিপস: Verbose শব্দের অর্থ হলো শব্দবহুল, তাই বেশি কথা বা শব্দ দেখলে verbose কথাটি মনে রাখবে।
a than those of Dhaka.
b than Dhaka.
c than that of Dhaka.
d than Dhaka’s roads.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) than those of Dhaka. কেন সঠিক: এখানে রাজশাহীর রাস্তার সাথে ঢাকার রাস্তার তুলনা করা হয়েছে। একই পদের তুলনা বোঝাতে plural noun এর পরিবর্তে those of ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: B) than Dhaka — এখানে সরাসরি শহরের সাথে রাস্তার তুলনা করা হয়েছে যা অর্থহীন। C) than that of Dhaka — that of ব্যবহার করা হয় singular noun এর বদلے, কিন্তু roads হলো plural। D) than Dhaka's roads — এটি ব্যাকরণগতভাবে অপ্রাকৃতিক এবং এই বাক্যের গঠনে বেমানান। মনে রাখার টিপস: তুলনা করার সময় singular এর জন্য that of এবং plural এর জন্য those of ব্যবহার করতে হয়।
a By whom am I called?
b By whom I am called?
c By whom I was called?
d By whom am I being called?
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) By whom am I being called? কেন সঠিক: বাকটি Present Continuous Tense এ থাকায় Passive করার সময় am/is/are + being + verb এর পাস্ট পার্টিসিপল হয়। Active বাক্যের Who পরিবর্তিত হয়ে By whom হয় এবং Subject এর পূর্বে Auxiliary verb বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) By whom am I called? — এটি Present Indefinite Tense এর গঠন, তাই Continuous এর অর্থ প্রকাশ করে না। B) By whom I am called? — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের পরে বসেছে যা ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের নিয়মের বাইরে। C) By whom I was called? — এটি Past Tense এ পরিবর্তিত হয়েছে যা প্রদত্ত প্রশ্নের কালের সাথে মেলে না। D) By whom am I being called? — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং Tense অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্বের সাথে being যোগ করতে হয়।
a You will find such a country nowhere?
b Nowhere you will find such a country?
c Nowhere will you find such a country?
d You will find a country like this nowhere?
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Nowhere will you find such a country? কেন সঠিক: বাক্যের শুরুতে 'Nowhere' এর মতো নেতিবাচক শব্দ থাকলে তা জোরদার করতে ইনভার্শন নিয়ম অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব সাবজেক্টের আগে বসে। এই বাক্যে 'will' সাহায্যকারী ভার্বটি সাবজেক্ট 'you' এর পূর্বে বসে সঠিক ইংরেজি গঠন নিশ্চিত করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You will find such a country nowhere? — এই অপশনে সাহায্যকারী ভার্বের সঠিক ইনভার্শন বা অবস্থান পরিবর্তন ঘটেনি। B) Nowhere you will find such a country? — এখানে নেতিবাচক শব্দ দিয়ে শুরু হলেও সাবজেক্ট ও ভার্বের সঠিক ক্রম মানা হয়নি। C) Nowhere will you find such a country? — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) You will find a country like this nowhere? — এই বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং স্বাভাবিক ইংরেজি প্রবাহ নষ্ট করেছে। মনে রাখার টিপস: নেতিবাচক শব্দ দিয়ে বাক্য শুরু হলে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসাতে হয়।
a We shall discuss about the matter.
b We shall discuss to the matter.
c We should discuss on the matter.
d We shall discuss the matter.
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) We shall discuss the matter. কেন সঠিক: আলোচনা করা ইংরেজি শব্দ discuss একটি transitive verb যার পরে কোনো preposition বসে না। তাই সরাসরি object বসে এবং সঠিক বাক্যটি হয় We shall discuss the matter. বাকি অপশন কেন ভুল: A) discuss-এর পরে about preposition বসালে বাক্যটি redundant বা ভুল হয়। B) discuss-এর পরে to preposition ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। C) discuss-এর পরে on preposition ব্যবহার করলেও তা সঠিক ইংরেজি গ্রামার অনুযায়ী ভুল হয়। D) এটি সঠিক উত্তর তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Discuss শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে আলোচনা করা, তাই এর সাথে আলাদা করে about বা on বসানোর প্রয়োজন হয় না।
a I surprised at his behaviour
b I was surprised with his behaviour
c I had been surprised at his behaviour
d I was surprised at his behaviour
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I was surprised at his behaviour কেন সঠিক: Active বাক্যের past indefinite tense-কে Passive করার সময় object-টি subject হয় এবং was/were এর পর মূল verb-এর past participle বসে। Surprised verb-এর পরে by না বসে সাধারণত at preposition বসে, যা এই অপশনে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I surprised at his behaviour — এখানে tense পরিবর্তন করার সময় auxiliary verb (was) ব্যবহার করা হয়নি। B) I was surprised with his behaviour — এখানে surprised verb-এর পরে ভুল preposition (with) ব্যবহার করা হয়েছে। C) I had been surprised at his behaviour — এখানে মূল বাক্যের tense পরিবর্তন করে past perfect করা হয়েছে, যা নিয়মসম্মত নয়। D) এটি সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: Surprised, pleased, shocked ইত্যাদি verb-গুলোর পর সাধারণত by-এর পরিবর্তে at preposition বসে।
a reading
b to read
c read
d reads
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) read কেন সঠিক: বাক্যে 'make' একটি Causative Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর পর সাধারণত Verb এর Base Form বা Bare Infinitive বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) reading — Causative Verb এর পর সরাসরি Verb এর সাথে ing যুক্ত রূপ বসে না। B) to read — Causative Verb এর পর to সহ Infinitive বসে না। C) read — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) reads — Causative Verb এর পর Verb এর সাথে s বা es যুক্ত রূপ বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে make, let ইত্যাদির পর সর্বদা Verb এর মূল ফর্ম বা Base Form বসে।
a listen
b express
c pretend
d to be free from
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) to be free from কেন সঠিক: ‘Get rid of’ একটি ইংরেজিগুচ্ছ বা ফ্রেজ যার বাংলা অর্থ হলো কোনো কিছু থেকে মুক্তি পাওয়া বা নিস্তার লাভ করা। অপশন ডি তে থাকা ‘to be free from’ কথাটির অর্থও কোনো কিছু থেকে মুক্ত থাকা বা দূরে থাকা। এই দুটি অর্থের মধ্যে মিল থাকায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়। এটি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় বা বিরক্তিকর কোনো কিছু বর্জন করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) listen — এই শব্দটির অর্থ শোনা, যা মূল ফ্রেজের অর্থের সাথে কোনোভাবেই মেলে না। B) express — এর অর্থ প্রকাশ করা, যা আলোচ্য ফ্রেজের অর্থের বিপরীত বা সম্পূর্ণ ভিন্ন। C) pretend — এই শব্দের অর্থ ভান করা, যা প্রদত্ত ফ্রেজের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: ‘Get rid of’ মানে কোনো ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া, তাই এর সাথে ‘free from’ কথাটি মনে রাখবে।
a It rained last night.
b It rains last night.
c It will rain last night.
d It rain last night.
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) It rained last night. কেন সঠিক: বাক্যে last night থাকলে সেটি অতীত নির্দেশ করে, তাই মূল verb-এর পাস্ট ফর্ম বসে। এখানে rain verb-এর পাস্ট ফর্ম rained ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It rained last night. — এটি সঠিক বাক্য হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। B) It rains last night. — rains হলো প্রেজেন্ট টেন্স, যা last night শব্দের সাথে মেলে না। C) It will rain last night. — will rain হলো ভবিষ্যৎ কাল, যা অতীতের সময়ের সাথে বসে না। D) It rain last night. — rain হলো প্রেজেন্ট ফর্ম এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হওয়ায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday বা last night থাকলে verb-এর পাস্ট ফর্ম বা V2 ব্যবহার করতে হয়।
a with
b from
c against
d beside
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) from কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তি বা মানুষের দল থেকে বিদায় নেওয়া বা আলাদা হওয়া অর্থে 'part from' উপযুক্ত ফ্রেজাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে বন্ধু একজন ব্যক্তি হওয়ায় সঠিক প্রিপজিশন হবে from। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — কোনো বস্তু, প্রিয় জিনিস বা ধারণা থেকে আলাদা হওয়া বোঝালে 'part with' বসে, কিন্তু বন্ধু ব্যক্তি হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়। C) against — এর অর্থ বিরুদ্ধে, যা এখানে বন্ধু থেকে বিদায় নেওয়ার অর্থ প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবেও সঠিক নয়। D) beside — এর অর্থ পাশে, যা এখানে সেন্টেন্সের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে দেয় এবং সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসে না। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'part from' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'part with' ব্যবহার করবে।
a he was mad.
b he is mad.
c he were mad.
d he will be mad.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) he were mad. কেন সঠিক: বাক্যে as if বা as though থাকলে তা অবাস্তব বা কল্পিত অর্থ প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে Subject যাই হোক না কেন, সবসময় verb হিসেবে were বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) he was mad — এখানে was ব্যবহার করা হয়েছে যা অপ্রাতিষ্ঠানিক এবং কল্পিত ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) he is mad — এখানে present tense ব্যবহার করা হয়েছে যা past tense এর পরের as if এর নিয়ম অনুযায়ী অচল। C) he were mad — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম মেনে চলে। D) he will be mad — এখানে future tense ব্যবহার করা হয়েছে যা এমন অবাস্তব বাক্যের গঠনের সাথে মানানসই নয়। মনে রাখার টিপস: as if এর আগে past tense থাকলে পরে সবসময় were ব্যবহার করতে হয়।
a have heard
b was hearing
c heard
d am heard
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) heard কেন সঠিক: বাক্যটির প্রথম অংশ opened থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সে আছে। তাই পরের অংশেও পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হবে। as soon as যুক্ত বাক্যে সাধারণত উভয় অংশ একই টেন্সের হয়। এখানে শুনতে পাওয়ার কাজটি অতীতে ঘটেছিল তাই heard সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) have heard — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়ায় অতীতের ঘটনার সাথে মিলে না। B) was hearing — এটি পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স এবং এখানে দীর্ঘস্থায়ী কাজের বোঝায় না। C) heard — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) am heard — এটি প্রেজেন্ট প্যাসিভ টেন্স এবং অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: as soon as যুক্ত বাক্যের এক অংশ পাস্ট টেন্সে থাকলে অন্য অংশও সাধারণত পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
a full moon night
b very rarely
c very often
d moonlit night
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) very rarely কেন সঠিক: - 'Once in a blue moon' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো যা খুব কদাচিৎ বা কদাচিৎ ঘটে থাকে। - এটি মূলত চাঁদের বিরল রঙের রূপক ব্যবহার করে অত্যন্ত দীর্ঘ বিরতিতে ঘটে এমন ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) full moon night — এটি পূর্ণিমার রাত বোঝায়, যা প্রতি মাসে একবার নিয়মিত ঘটে এবং বিরল কিছু নয়। B) very rarely — এটি সঠিক উত্তর, কারণ বাগধারাটির মূল অর্থই হলো খুব কম বা কদাচিৎ ঘটা ঘটনা। C) very often — এর অর্থ খুব ঘন ঘন, যা প্রদত্ত ইডিয়মের অর্থের সম্পূর্ণ বিপরীত। D) moonlit night — এটি জোছনা রাত বোঝায়, যা কোনো বিরল ঘটনা নয়। মনে রাখার টিপস: চাঁদ কখনোই নীল রঙে দেখা যায় না, তাই চাঁদের নীল হওয়া মানেই কোনো ঘটনা খুব কদাচিৎ ঘটা।
a Possessive pronoun
b Indefinite pronoun
c Distributive pronoun
d Relative pronoun
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Indefinite pronoun কেন সঠিক: ‘Anybody’ শব্দটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট কাউকে বোঝায়। তাই এটি Pronoun-এর অনির্দিষ্টবাচক বা Indefinite pronoun ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Possessive pronoun — এই Pronoun গুলো অধিকার বা মালিকানা প্রকাশ করে, যেমন my, your ইত্যাদি। B) Indefinite pronoun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) Distributive pronoun — এগুলো একাধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্য থেকে প্রত্যেককে আলাদাভাবে বোঝায়, যেমন each, either। D) Relative pronoun — এই Pronoun গুলো দুটি বাক্যকে যুক্ত করে এবং পূর্ববর্তী Noun-কে নির্দেশ করে, যেমন who, which। মনে রাখার টিপস: যেসকল শব্দ নির্দিষ্ট কাউকে না বুঝিয়ে সাধারণ বা অনির্দিষ্ট কাউকেই বোঝায়, যেমন anybody, someone, nobody, সেগুলোকে Indefinite pronoun বলা হয়।
a No other wood is as pretty as it burns.
b No other wood burns is as pretty as it.
c No other wood burns as pretty as it.
d No other wood burn as pretty as it.
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) No other wood burns as pretty as it. কেন সঠিক: ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়মে Superlative থেকে Positive করার সময় বাক্যের শুরুতে No other বসে এবং Singular subject ব্যবহৃত হয়। মূল verb এর পর as + Adverb + as বসে এবং শেষে Pronoun এর subjective রূপ বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্যের গঠন ভুল কারণ wood এর পরে burns verb না বসিয়ে সরাসরি as বসানো হয়েছে। B) এখানে burns is একসাথে দুটি verb ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। C) এটি সঠিক উত্তর তাই এখানে ভুল নেই। D) wood হলো Singular subject তাই এর সাথে burn না বসে burns হওয়া উচিত ছিল। মনে রাখার টিপস: Superlative ডিগ্রিযুক্ত বাক্যকে Positive করার সময় No other দিয়ে শুরু করতে হয় এবং verb সবসময় Singular হয়।
a disguise
b difficult
c heavy
d dangerous
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) disguise কেন সঠিক: Camouflage শব্দের বাংলা অর্থ হলো ছদ্মবেশ ধারণ করা বা নিজের আসল রূপ ঢেকে রাখা। disguise শব্দের অর্থও রূপান্তর করা বা চেনা না যাওয়ার জন্য বাহ্যিক রূপ বদলানো। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) disguise — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ Camouflage শব্দের অর্থের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। B) difficult — এই শব্দের অর্থ কঠিন বা জটিল, যা ছদ্মবেশ শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়। C) heavy — এই শব্দের অর্থ ভারী বা ওজনদার, যা প্রদত্ত শব্দের অর্থের সাথে মেলে না। D) dangerous — এই শব্দের অর্থ বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ, যা Camouflage এর অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: বিপদ থেকে বাঁচতে প্রাণীরা যেমন পরিবেশের সাথে মিশে রূপ বদলায়, তাকেই Camouflage বা disguise বলে।
a see through
b put up with
c pass by
d fall back
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) put up with কেন সঠিক: বাক্যের অর্থ হলো কবিকে দারিদ্র্যের মধ্যে থেকেও অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছিল। put up with একটি গ্রুপ ভার্ব যার অর্থ সহ্য করা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) see through — এর অর্থ কোনো কিছু ভেদ করে দেখা বা বুঝতে পারা, যা এখানে অর্থ অনুসারে সঠিক নয়। B) put up with — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ সহ্য করা যা শূন্যস্থানের জন্য মানানসই। C) pass by — এর অর্থ পাশ দিয়ে চলে যাওয়া, যা এখানে বাক্যের ভাবের সাথে মেলে না। D) fall back — এর অর্থ পিছিয়ে যাওয়া বা পিছু হটা, যা এখানে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: সফারিংস বা কষ্ট সহ্য করার কথা থাকলেই put up with ফ্রেজটি ব্যবহার করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a 0
b 60
c 80
d 120
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৪ সে.মি., ৫ সে.মি. ও ৯ সে.মি. ধরি, ত্রিভুজের প্রথম বাহু a = ৪ সে.মি. দ্বিতীয় বাহু b = ৫ সে.মি. তৃতীয় বাহু c = ৯ সে.মি. অতএব, প্রথম বাহু ও দ্বিতীয় বাহুর যোগফল = ৪ + ৫ = ৯ সে.মি. সুতরাং, বাহু দুটির যোগফল তৃতীয় বাহুর দৈর্ঘ্যের সমান হওয়ায় কোনো ত্রিভুজ গঠিত হতে পারে না উত্তর: ক্ষেত্রফল ০ বর্গ একক
a 9
b 15
c 10
d 6
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ১ম রাশি = ৩ ৩য় রাশি = ১২ ধরি, মধ্যসমানুপাতিক রাশিটি = ক অতএব, ক্রমিক সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায়, ১ম রাশি : মধ্যসমানুপাতিক = মধ্যসমানুপাতিক : ৩য় রাশি সুতরাং, ৩ : ক = ক : ১২ ক × ক = ৩ × ১২ উত্তর: ক = √৩৬ = ৬
a ১২০০ টাকা
b ১০০০ টাকা
c ১৫০০ টাকা
d ২০০০ টাকা
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২০০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: বার্ষিক মুনাফার হার = ৬% বার্ষিক মুনাফা = ১২০ টাকা সময় = ১ বছর ধরি, আসল = ক টাকা অতএব, ১০০ টাকার ১ বছরের মুনাফা = ৬ টাকা ক টাকার ১ বছরের মুনাফা = ক এর ৬% টাকা সুতরাং, ক এর ৬% = ১২০ উত্তর: ক = (১২০ × ১০০) ÷ ৬ = ২০০০ টাকা
a 60
b 65
c 78
d 95
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৬০ প্রদত্ত তথ্য: ৬৫% এর মান হলো ৩৯ ধরি, নির্ণয় সংখ্যাটি সমান ক অতএব, ক এর ৬৫% সমান ৩৯ সুতরাং, ক × (৬৫ ÷ ১০০) সমান ৩৯ উত্তর: ক সমান (৩৯ × ১০০) ÷ ৬৫ সমান ৬০
a ১১, ১২
b ১০, ১১
c ১২, ১৩
d ৯, ১০
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১, ১২ প্রদত্ত তথ্য: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো তেইশ। সংখ্যা দুটি পরস্পর ক্রমিক বা পরপর অবস্থিত। ধরি, ছোট সংখ্যাটি সমান ক বড় সংখ্যাটি সমান ক + ১ অতএব, বড় সংখ্যার বর্গ সমান (ক + ১) এর বর্গ ছোট সংখ্যার বর্গ সমান ক এর বর্গ সুতরাং, বর্গের অন্তর সমান (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ২৩ এটি সমাধান করে পাই, ২ক + ১ = ২৩ উত্তর: ২ক = ২২, অর্থাৎ ক = ১১ সংখ্যা দুটি হলো ১১ এবং ১২
a 88
b 78
c 87
d 65
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮৮ প্রدত্ত তথ্য: ১৫ থেকে ৩০ এর সংখ্যাগুলো বিবেচনা করতে হবে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো যে সংখ্যাগুলোর ১ এবং ওই সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো গুণনীয়ক নেই ধরি, ১৫ থেকে ৩০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো হলো ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ অতএব, ১৫ থেকে ৩০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে এই রেঞ্জের মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১৭, ১৯, ২৩ এবং ২৯ সুতরাং, সংখ্যাগুলোর যোগফল বের করতে হবে উত্তর: ১৭ + ১৯ + ২৩ + ২৯ = ৮৮
a 36°
b 18°
c 54°
d 45°
0 113 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫৪° প্রদত্ত তথ্য: কোণ দুটি পরস্পর পূরক কোণ দুটির অনুপাত ৩ : ২ ধরি, প্রথম কোণ ∠A = ৩ক দ্বিতীয় কোণ ∠B = ২ক অতএব, পূরক কোণদ্বয়ের সমষ্টি = ৯০° প্রশ্নানুসারে, ৩ক + ২ক = ৯০° সুতরাং, ৫ক = ৯০° ক = ১৮° উত্তর: ∠A = ৩ × ১৮° = ৫৪°
a 0.1
b 0.2
c 0.3
d 0.4
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৪ প্রদত্ত তথ্য: গুড় ও পানির অনুপাত ৪ : ৬ ধরি, গুড়ের আনুপাতিক ভাগ = ৪ পানির আনুপাতিক ভাগ = ৬ অতএব, মোট অনুপাত = ৪ + ৬ = ১০ সুতরাং, গুড়ের পরিমাণ = ৪ ÷ ১০ = ০.৪ উত্তর: ০.৪
a x < 1, x > 4
b x > 1, x > 4
c x < 1, x < 4
d 1 < x < 4
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) x < ১, x > ৪ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি সমাধান করতে হবে প্রশ্নটি পূর্ণাঙ্গ নয় তবে অপ ধরি, প্রদত্ত শর্ত অনুযায়ী সমীকরণ গঠন করতে হবে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে মানগুলো নির্ণয় করতে হবে অতএব, প্রথম অংশ থেকে পাই x এর মান দ্বিতীয় অংশ থেকে পাই x এর মান সীমানা নির্ধারণ করতে হবে সুতরাং, নির্ণেয় সমাধান হলো x এর মান এক অপেক্ষা ছোট অথবা চার অপেক্ষা বড় উত্তর: A) x < ১, x > ৪
a n2
b n(n + 1)/2
c {n(n + 1)/2}2
d n(n + 1) (2n + 1)/6
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) n(n + 1) (2n + 1)/6 প্রদত্ত তথ্য: প্রথম থেকে শুরু করে পরপর এন সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গ এই ধারাটির যোগফল নির্ণয় করতে হবে ধরি, ধারাটি হলো ১ এর বর্গ + ২ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ডট ডট ডট + এন এর বর্গ এখানে শেষ পদ হলো এন অতএব, প্রথম পদ ১ এবং সাধারণ পার্থক্য পরিবর্তিত হয় গাণিতিক সূত্র প্রয়োগ করে এই ধারার সমষ্টি বের করা যায় সুতরাং, বর্গের সমষ্টির নির্দিষ্ট বীজগণিতীয় সূত্রটি প্রয়োগ করি এই সূত্রটি হলো এন ইনটু এন প্লাস ওয়ান ইনটু টু এন প্লাস ওয়ান ভাগ ছয় উত্তর: n(n + 1) (2n + 1)/6
a 90°
b 42°
c 45°
d 60°
0 121 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: আয়তক্ষেত্রের প্রথম সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য = ৯ সে.মি. আয়তক্ষেত্রের দ্বিতীয় সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য = ১২ সে.মি. ধরি, আয়তক্ষেত্রটি একটি বিশেষ প্রকারের চতুর্ভুজ। এর বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল। অতএব, আয়তক্ষেত্রের সংজ্ঞানুযায়ী প্রতিটি কোণ সমকোণ হয়। সমকোণের মান সর্বদা ৯০ ডিগ্রি হয়ে থাকে। সুতরাং, আয়তক্ষেত্রের দুটি বাহুর মধ্যবর্তী অন্তর্ভুক্ত কোণটি ৯০ ডিগ্রি হতে হবে। উত্তর: ৯০°
a 5/7
b 3/7
c 3/5
d 1/5
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৫÷৭ প্রদত্ত তথ্য: secθ + tanθ = ৭÷৫ আমরা জানি ত্রিকোণমিতিক অভেদ থেকে, (secθ + tanθ) × (secθ − tanθ) = ১ মান বসিয়ে পাই, (৭÷৫) × (secθ − tanθ) = ১ অতএব, (secθ − tanθ) = ১ ÷ (৭÷৫) সুতরাং, (secθ − tanθ) = ৫÷৭ উত্তর: ৫÷৭
a -5/13
b -13/5
c 5/13
d 13/5
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৩/৫ প্রদত্ত তথ্য: ট্যান থিটা সমান মাইনাস পাঁচ বাই বারো থিটার মান পাই বাই দুই থেকে পাই এর মধ্যে ধরি, থিটা কোণটি দ্বিতীয় চতুর্ভাগে অবস্থিত দ্বিতীয় চতুর্ভাগে সাইন ও কোসেক ধনাত্মক হয় ট্যান থিটা সমান লম্ব বাই ভূমি অতএব, লম্ব সমান ৫ এবং ভূমি সমান ১২ অতিভুজ সমান রুট ওভার (৫ এর স্কয়ার + ১২ এর স্কয়ার) অতিভুজ সমান রুট ওভার (২৫ + ১৪৪) সমান ১৩ সুতরাং, সাইন থিটা সমান লম্ব বাই অতিভুজ সমান ৫ বাই ১৩ কোসেক থিটা সমান ১ বাই সাইন থিটা উত্তর: ১৩/৫
a ৩১০০ টাকা
b ৩২০০ টাকা
c ৩২৫০ টাকা
d ৩৩০০ টাকা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩৩০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: আসল = ৩০০০ টাকা মুনাফার হার = ১০% ধরি, সময় = ১ বছর প্রথম বছরান্তে চক্রবৃদ্ধি মূলধন নির্ণয় করতে হবে অতএব, মুনাফা = আসল × মুনাফার হার × সময় মুনাফা = ৩০০০ × (১০ ÷ ১০০) × ১ সুতরাং, মুনাফা = ৩০০ টাকা চক্রবৃদ্ধি মূলধন = আসল + মুনাফা = ৩০০০ + ৩০০ = ৩৩০০ টাকা উত্তর: ৩৩০০ টাকা
a 0
b 1
c 2
d 3
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৩ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৬ − x − ৯ ÷ x = ০ ধরি, সমীকরণটির উভয় পক্ষকে x দিয়ে গুণ করে পাই x এর মান বের করার জন্য উৎপাদকে বিশ্লেষণ করি অতএব, x এর মান ৩ পাওয়া যায় এখন প্রদত্ত রাশির মান নির্ণয় করতে হবে রাশিটি হলো x এর বর্গ ভাগ (x এর বর্গ − x − ৩) সুতরাং, x এর জায়গায় ৩ বসিয়ে হিসাব করি লবের মান হয় ৯ এবং হরের মান হয় ৩ উত্তর: ৯ ÷ ৩ = ৩
a 196
b 194
c 192
d 198
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৪ প্রদত্ত তথ্য: x − ২ = √৩ ধরি, x এর মান নির্ণয় করতে হবে প্রথমে x + (১ ÷ x) এর মান বের করতে হবে অতএব, x = ২ + √৩ ১ ÷ x = ১ ÷ (২ + √৩) = ২ − √৩ সুতরাং, x + (১ ÷ x) = (২ + √৩) + (২ − √৩) = ৪ এখন, x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) = x + (১ ÷ x) স্কয়ার − ২ = ৪ এর স্কয়ার − ২ = ১৬ − ২ = ১৪ উত্তর: x স্কয়ার + (১ ÷ x স্কয়ার) এর স্কয়ার − ২ = ১৪ এর স্কয়ার − ২ = ১৯৬ − ২ = ১৯৪
a √3
b 4√3
c 8√3
d 16√3
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮√৩ প্রদত্ত তথ্য: ঘনকের এক ধারের দৈর্ঘ্য = ৪ একক ধরি, ঘনকের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য = a√৩ এখানে a হলো ঘনকের ধারের দৈর্ঘ্য অতএব, একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪√৩ একক সুতরাং, ঘনকের কর্ণ মোট চারটি থাকে এবং যেকোনো দুটি কর্ণের সমষ্টি বের করতে বলা হয়েছে উত্তর: ৪√৩ + ৪√৩ = ৮√৩ একক
a √3
b 2√3
c 3√3
d কোনটিই নয়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহু দুটির প্রতিটির দৈর্ঘ্য = ৪ একক ধরি, ত্রিভুজটির সমান বাহু a = ৪ একক কিন্তু ত্রিভুজটির তৃতীয় বাহু বা অন্তর্ভুক্ত কোণের মান দেওয়া নেই অতএব, ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য অন্তত দুটি বাহু এবং তাদের মধ্যবর্তী কোণ অথবা তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য প্রয়োজন এখানে পর্যাপ্ত তথ্য অনুপস্থিত সুতরাং, সাধারণ সূত্র প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট কোনো বিকল্পের মান পাওয়া সম্ভব নয় উত্তর: D) কোনটিই নয়
a 3√3
b 3
c √3
d 1/√3
0 190 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৩√৩ প্রদত্ত সমীকরণ: (১÷৫) লগx (২১৮৭√৩) = ১ উভয় পক্ষকে ৫ দ্বারা গুণ করে পাই: লগx (২১৮৭√৩) = ৫ লগারিদম এর নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায়: x এর শক্তি ৫ = ২১৮৭√৩ ২১৮৭ সংখ্যাটিকে ৩ এর শক্তি হিসেবে ভাঙলে পাই: ২১৮৭ = ৩ এর শক্তি ৭ √৩ কে লেখা যায়: ৩ এর শক্তি (১÷২) সূচকের নিয়ম অনুসারে যোগ করে পাই: ৩ এর শক্তি ৭ × ৩ এর শক্তি (১÷২) = ৩ এর শক্তি (১৫÷২) সমীকরণটি দাঁড়ায়: x এর শক্তি ৫ = ৩ এর শক্তি (১৫÷২) উভয় পক্ষের শক্তিকে ৫ দ্বারা ভাগ করে পাই: x = ৩ এর শক্তি (৩÷২) শেষ হিসাব অনুযায়ী মান বের হয়: x = ৩ এর শক্তি ১ × ৩ এর শক্তি (১÷২) = ৩√৩ উত্তর: ৩√৩
a – 60
b – 3
c 30
d কোনটিই নয়
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কোনটিই নয় প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সমীকরণটি হলো x² + y² + z² = ৪ দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো x + y − z = ৮ ধরি, প্রথম সমীকরণের মান হলো চার দ্বিতীয় সমীকরণের মান হলো আট অতএব, উভয় পক্ষে বর্গ করে পাই (x + y − z)² = ৮² সূত্র প্রয়োগ করে পাই x² + y² + z² + ২xy − ২yz − ২zx = ৬৪ সুতরাং, মান বসিয়ে পাই ৪ + ২(xy − yz − zx) = ৬৪ হিসাব করে পাই xy − yz − zx = ৩০ উত্তর: − ৩০
a (x2 – y2) (x2 + xy + y2)
b x3 – y3
c x – y
d x + y
0 102 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (x2 – y2) (x2 + xy + y2) প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x2 − y2 দ্বিতীয় রাশি = x2 + xy + y2 তৃতীয় রাশি = x3 − y3 ধরি, প্রথম রাশির উৎপাদক = (x − y) (x + y) দ্বিতীয় রাশির উৎপাদক = x2 + xy + y2 অতএব, তৃতীয় রাশির উৎপাদক = (x − y) (x2 + xy + y2) আমরা জানি, (x − y) (x2 + xy + y2) সমান x3 − y3 সুতরাং, ল.সা.গু হবে সকল উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাতের গুণফল নির্ণেয় ল.সা.গু = (x + y) (x − y) (x2 + xy + y2) উত্তর: (x2 – y2) (x2 + xy + y2)
a 6 একক
b 12 একক
c 20 একক
d 24 একক
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ একক প্রদত্ত তথ্য: বর্গের কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬√২ একক ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক একক অতএব, বর্গের কর্ণের সূত্র অনুযায়ী, ক√২ = ৬√২ সুতরাং, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য ক = ৬ একক উত্তর: বর্গের পরিসীমা = ৪ × ৬ = ২৪ একক পরিসীমার অর্ধেক = ২৪ ÷ ২ = ১২ একক
a ২০০ মিটার
b ২৫০ মিটার
c ৩৫০ মিটার
d ৪৫০ মিটার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪৫০ মিটার প্রদত্ত তথ্য: প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ২০০ মিটার ট্রেনের দৈর্ঘ্য = ২৫০ মিটার ধরি, ট্রেনটিকে সম্পূর্ণ অতিক্রম করতে হবে প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য এবং ট্রেনের নিজের দৈর্ঘ্য অতএব, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য + ট্রেনের দৈর্ঘ্য মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ২০০ মিটার + ২৫০ মিটার সুতরাং, মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪৫০ মিটার উত্তর: ৪৫০ মিটার
a 8
b 9
c 17
d 18
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৭ ধরি, ছোট সংখ্যাটি = ক বড় সংখ্যাটি = ক + ১ অতএব, (ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ১৭ ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ১৭ ২ক + ১ = ১৭ সুতরাং, ২ক = ১৭ − ১ ২ক = ১৬ ক = ৮ উত্তর: সংখ্যা দুইটি ৮ এবং ৯, তাই সংখ্যাদ্বয়ের যোগফল = ৮ + ৯ = ১৭
a 0.5
b 0.55
c 0.6
d 0.4
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৫ প্রدত্ত তথ্য: প্রতি শত কমলা ক্রয়ের মূল্য ১২০০ টাকা প্রতি শত কমলা বিক্রয়ের মূল্য ১৮০০ টাকা ধরি, ১০০ টি কমলার ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা ১০০ টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ১৮০০ টাকা অতএব, লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য লাভ = ১৮০০ টাকা − ১২০০ টাকা = ৬০০ টাকা সুতরাং, শতকরা লাভ = (লাভ ÷ ক্রয়মূল্য) × ১০০% শতকরা লাভ = (৬০০ ÷ ১২০০) × ১০০% = ০.৫ বা ৫০% উত্তর: ০.৫

মোট প্রশ্ন (25)

a নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য
b নিউজিল্যান্ড ও ডেনমার্ক
c ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য
d সুইডেন ও বেলজিয়াম
0 64 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - মাস্ত্রিখট চুক্তির বিশেষ বিধান অনুযায়ী ডেনমার্ক ইউরো মুদ্রা ব্যবহার না করার আইনি ছাড় বা অপ্ট আউট সুবিধা পেয়েছিল। - যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য থাকাকালীন এই চুক্তির আওতায় নিজস্ব মুদ্রা পাউন্ড স্টারলিং বজায় রাখার এই বিশেষ ছাড় পেয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য — নেদারল্যান্ডস ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে শুরু থেকেই ইউরো মুদ্রা চালু করেছে। B) নিউজিল্যান্ড ও ডেনমার্ক — নিউজিল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যই নয়, তাই এই চুক্তির সঙ্গে দেশটির কোনো সম্পর্ক নেই। C) ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই দুটি দেশই চুক্তির আওতায় ইউরো গ্রহণে বাধ্য নয়। D) সুইডেন ও বেলজিয়াম — বেলজিয়াম ইউরো ব্যবহারকারী দেশ, যদিও সুইডেন গণভোটের মাধ্যমে ইউরো এড়িয়ে চলে তবুও তাদের আনুষ্ঠানিক আইনি ছাড় নেই। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের পাউন্ড এবং ডেনমার্কের নিজস্ব মুদ্রার প্রতি ভালোবাসার কারণে এই দুটি দেশ ইউরো গ্রহণে ছাড় পেয়েছিল।
a ভারত
b চীন
c বাংলাদেশ
d রাশিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রাশিয়া কেন সঠিক: - রাশিয়ার মোট আয়তন প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ১১%। - এটি ইউরোপ ও এশিয়া দুটি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত বিশ্বের বৃহত্তম রাষ্ট্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারতের আয়তন প্রায় ৩২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং এটি বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ। B) চীন — চীনের আয়তন প্রায় ৯৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং আয়তনের দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। C) বাংলাদেশ — বাংলাদেশের আয়তন মাত্র ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭० বর্গকিলোমিটার এবং এটি একটি ক্ষুদ্র আয়তনের দেশ। D) রাশিয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক এবং এটি আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বড় দেশগুলোর ক্রম মনে রাখতে 'রুকা কাপা অহা বা' সূত্রটি ব্যবহার করতে পারো, যেখানে 'রু' দিয়ে রাশিয়া প্রথম স্থান নির্দেশ করে।
a ক্যালসিয়াম অক্সালেট
b ক্যালসিয়াম কার্বনেট
c ক্যালসিয়াম ফসফেট
d ক্যালসিয়াম সালফেট
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ক্যালসিয়াম অক্সালেট কেন সঠিক: - কচু পাতায় বা মূলে ক্যালসিয়াম অক্সালেট বা রেফাইট নামক রাসায়নিক ক্রিস্টাল থাকে। - এই ক্রিস্টালগুলো সূঁচালো আকৃতির হওয়ায় মুখে বা গলায় লাগলে তীব্র চুলকানির সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্যালসিয়াম অক্সালেট — এটি কচুতে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান যা গলা চুলকানির প্রধান কারণ। B) ক্যালসিয়াম কার্বনেট — এটি সাধারণত পাথরে বা চক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং গলা চুলকানির জন্য দায়ী নয়। C) ক্যালসিয়াম ফসفات — এটি আমাদের হাড় ও দাঁতের প্রধান গঠন উপাদান এবং এর কারণে গলা চুলকায় না। D) ক্যালসিয়াম সালফেট — এটি জিপসাম বা প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি কচুতে থাকে না। মনে রাখার টিপস: কচু খেলে চুলকায় অক্সালেট নামক ক্রিস্টালের জন্য।
a মেক্সিকো
b জাপান
c ইতালি
d রাশিয়া
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইতালি কেন সঠিক: - ভিসুভিয়াস একটি বিখ্যাত সক্রিয় আগ্নেয়গিরি যা ইতালির নেপলস উপসাগরের তীরে অবস্থিত। - এর ঐতিহাসিক অগ্ন্যপাত প্রাচীন রোমান শহর পম্পেই ধ্বংস করে দিয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেক্সিকো — মেক্সিকোতে পপোকাতেপেতল আগ্নেয়গিরি অবস্থিত, ভিসুভিয়াস নয়। B) জাপান — জাপানের সবচেয়ে বিখ্যাত আগ্নেয়গিরি হলো ফুজিওিয়ামা, ভিসুভিয়াস নয়। C) ইতালি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) রাশিয়া — রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপে ক্লুচেভস্কায়া আগ্নেয়গিরি অবস্থিত, ভিসুভিয়াস নয়। মনে রাখার টিপস: ইতালির বিখ্যাত পম্পেই শহর ধ্বংসকারী আগ্নেয়গিরির নাম ভিসুভিয়াস।
a মিয়ানমার
b ভিয়েতনাম
c থাইল্যান্ড
d চীন
0 63 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) চীন কেন সঠিক: - ইউয়ান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অফিশিয়াল বা সরকারি মুদ্রা। - আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চীনের এই মুদ্রাকে রেনমিনবি নামেও ডাকা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মিয়ানমার — এই দেশের মুদ্রার নাম কিয়াত, যা ইউয়ান নয়। B) ভিয়েতনাম — এই দেশের মুদ্রার নাম ডং, যা ইউয়ান নয়। C) থাইল্যান্ড — এই দেশের মুদ্রার নাম বাথ, যা ইউয়ান নয়। D) চীন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইউয়ান চীনের মুদ্রা। মনে রাখার টিপস: চীন দেশের মানুষ চা পছন্দ করে এবং তাদের মুদ্রার নাম ইউয়ান, যা চ দিয়ে শুরু শব্দ দুটির সাথে মেলানো সহজ।
a অক্সিজেন
b কার্বন ডাইঅক্সাইড
c নাইট্রোজেন
d হাইড্রোজেন
0 65 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নাইট্রোজেন কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের মধ্যে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৭৮.০৩% বা প্রায় ৭৮ শতাংশ। - এই গ্যাসটি সরাসরি জীবদেহে ব্যবহার না হলেও উদ্ভিদ প্রোটিন তৈরিতে নাইট্রোজেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সিজেন — বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২১% এবং এটি দ্বিতীয় সর্বাধিক পরিমাণ গ্যাস। B) কার্বন ডাইঅক্সাইড — বায়ুমণ্ডলে এর পরিমাণ খুবই কম, যা মাত্র প্রায় ০.০৩% থেকে ০.০৪%। D) হাইড্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে থাকে এবং এটি পৃথিবীর প্রধান বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাস নয়। মনে রাখার টিপস: বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোর পরিমাণ মনে রাখার সহজ শব্দ সংকেত হলো নকঅ, অর্থাৎ নাইট্রোজেন প্রথমে এবং অক্সিজেন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।
a ৬ এপ্রিল, ১৯৪২ সালে
b ১৭ জুন, ১৯৪৩ সালে
c ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
d ১৫ জানুয়ারি, ১৯৪০ সালে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে কেন সঠিক: - জাপান এই দিনে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটিতে আকস্মিক বিমান আক্রমণ চালায়। - এই ঐতিহাসিক ঘটনার পরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে জড়িয়ে পড়ে এবং অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬ এপ্রিল, ১৯৪২ সালে — এই তারিখে জাপান পার্ল হারবারে আক্রমণ করেনি, এটি মূলত বিশ্বযুদ্ধের অন্য একটি সময়কাল নির্দেশ করে। B) ১৭ জুন, ১৯৪৩ সালে — এই সালটি পার্ল হারবার আক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, কারণ আক্রমণটি তার অনেক আগেই ঘটেছিল। C) ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে — এটিই হলো পার্ল হারবারে জাপানি আক্রমণের সঠিক ঐতিহাসিক তারিখ ও সাল। D) ১৫ জানুয়ারি, ১৯৪০ সালে — এই তারিখটি পার্ল হারবার আক্রমণের সঙ্গে মেলে না এবং এটি ভুল সময়কাল নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ১৯৪১ সালের শেষ ভাগে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসের ৭ তারিখে জাপান আমেরিকার পার্ল হারবার আক্রমণ করেছিল।
a ২০১৯ – ২০ সালকে
b ২০২০ – ২১ সালকে
c ২০২১ – ২২ সালকে
d ২০২২ – ২৩ সালকে
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২০২০ – ২১ সালকে কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ২০২০ থেকে ২০২১ সাল সময়কালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। - করোনা মহামারীর কারণে এই সময়কাল পরবর্তীতে ২০২১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১৯ – ২০ সালকে — এটি নির্ধারিত মুজিব বর্ষের মূল সময়সীমার অন্তর্ভুক্ত নয়। B) ২০২০ – ২১ সালকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ২০২১ – ২০২০ সালের পরবর্তী বছর হলেও এটি মূল ঘোষণার সম্পূর্ণ সময়কাল কাভার করে না। D) ২০২২ – ২৩ সালকে — এটি মুজিব বর্ষের সময়সীমা অনেক আগেই অতিক্রান্ত হওয়ার পরের সময়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ২০২০ সালে শুরু হয়, তাই ২০২০ থেকে ২০২১ সাল হলো মুজিব বর্ষ।
a অলিভার হার্ট
b জ্যাঁ তিরোল
c ক্লডিয়া গোল্ডিন
d উইলিয়াম ডি নর্ডহাস ও পল মাইকেল রোমার
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্লডিয়া গোল্ডিন কেন সঠিক: - তিনি শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ এবং তাদের উপার্জনের পার্থক্যের কারণসমূহ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছেন। - শত শত বছরের ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে নারীদের অর্থনৈতিক অবদানের বিষয়টি নতুন মাত্রায় উপস্থাপন করায় তিনি এই পুরস্কার পান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলিভার হার্ট — তিনি ২০১৬ সালে চুক্তি তত্ত্বের ওপর গবেষণা করার জন্য অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। B) জ্যাঁ তিরোল — তিনি বাজার ক্ষমতা এবং নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিশ্লেষণের জন্য ২০১৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। C) ক্লডিয়া গোল্ডিন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) উইলিয়াম ডি নর্ডহাস ও পল মাইকেল রোমার — তারা দুজন জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে সামষ্টিক অর্থনীতির সাথে যুক্ত করার জন্য ২০১৮ সালে নোবেল পুরস্কার পান। মনে রাখার টিপস: নারীদের অর্থাৎ গোল্ডেন (Golden) নারীদের অর্থনীতিতে অবদানের জন্য ক্লডিয়া গোল্ডিন ২০২৩ সালে নোবেল পান।
a তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
b বিক্ষেপণ বেশি
c প্রতিফলন বেশি
d শোষণ বেশি
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিক্ষেপণ বেশি কেন সঠিক: - বায়ুমণ্ডলে থাকা গ্যাসীয় কণা ও ধূলিকণার কারণে আলোর বিক্ষেপণ ঘটে। - নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম থাকায় এর বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার হার সবচেয়ে বেশি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি — তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে আলোর বিক্ষেপণ কম হয়, যেমন লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি। B) বিক্ষেপণ বেশি — এটি সঠিক কারণ, কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে নীল আলো চারদিকে বেশি ছড়িয়ে পড়ে। C) প্রতিফলন বেশি — আকাশ নীল দেখানোর পেছনে আলোর প্রতিফলন মূল কারণ নয়, এটি বিক্ষেপণের ফল। D) শোষণ বেশি — বায়ুমণ্ডল দ্বারা আলোর শোষণের কারণে আকাশ নীল দেখায় না। মনে রাখার টিপস: কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য মানেই বেশি বিক্ষেপণ আর নীল রঙের বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি বলেই আকাশ নীল দেখায়।
a বঙ্গ
b পুণ্ড্রবর্ধন
c গৌড়
d সমতট
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পুণ্ড্রবর্ধন প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি কেন সঠিক: - প্রত্নতাত্ত্বিক খনন এবং ঐতিহাসিক দলিল অনুযায়ী পুণ্ড্রবর্ধন হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার কেন্দ্র ছিল মহাস্থানগড়। - মৌর্য আমলের শিলালিপিতে এই অঞ্চলের প্রাচীনতম জনবসতির সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গ — এটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম জনপদ হলেও পুণ্ড্রবর্ধনের পরে এর বিকাশ ঘটেছিল। B) পুণ্ড্রবর্ধন — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ হিসেবে প্রমাণিত। C) গৌড় — এটি প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত জনপদ ও রাজধানী হলেও পুণ্ড্রবর্ধনের পরে এর রাজনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। D) সমতট — এটি প্রাচীন বাংলার একটি জনপদ যা বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল এবং এটি পুণ্ড্রবর্ধনের চেয়ে প্রাচীন নয়। মনে রাখার টিপস: প্রাচীনতম জনপদ মনে রাখতে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রথম অক্ষর প এবং প্রাচীন শব্দের প দিয়ে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো।
a ফ্রান্স
b জার্মানি
c ব্রাজিল
d ক্রোয়েশিয়া
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক্রোয়েশিয়া কেন সঠিক: - ২০১৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া দলকে ফাইনালে তুলতে লুকা মডরিচ অসাধারণ নেতৃত্ব ও মিডফিল্ডে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছিলেন। - তার এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ফিফা তাকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল প্রদান করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্স ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয় করলেও তাদের কোনো খেলোয়াড় সেবার গোল্ডেন বল পাননি, এই পুরস্কার লুকা মডরিচ পেয়েছিলেন। B) জার্মানি — জার্মানি ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল এবং এই দলের কোনো খেলোয়াড় গোল্ডেন বল অর্জন করেননি। C) ব্রাজিল — ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত উন্নীত হয়েছিল, কিন্তু তাদের কোনো ফুটবলার ২০১৮ সালের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হননি। D) ক্রোয়েশিয়া — ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলের অধিনায়ক লুকা মডরিচ অসাধারণ খেলে ২০১৮ বিশ্বকাপে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় বা গোল্ডেন বল লাভ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: মডরিচ ও ক্রোয়েশিয়া শব্দ দুটি একসঙ্গে মনে রাখলেই ২০১৮ সালের গোল্ডেন বল জয়ী খেলোয়াড় ও তার দেশকে খুব সহজে চিনে নেওয়া যায়।
a ১৯৯৮ সালে
b ১৯৯৭ সালে
c ২০০১ সালে
d ১৯৯৯ সালে
0 62 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৮ সালে কেন সঠিক: - বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। - এটি যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশের দীর্ঘতম বহুমুখী সেতু। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৯৮ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। B) ১৯৯৭ সালে — এই সালে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পথে ছিল কিন্তু যান চলাচল শুরু হয়নি। C) ২০০১ সালে — এই সালটি সেতু চালুর সময়ের সাথে মিল নেই, এটি পরবর্তী একটি বছর। D) ১৯৯৯ সালে — সেতু চালুর সাল ১৯৯৮ হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালে চালু হয়, মনে রাখতে ১৯৯৮ সালকে সেতু চালুর সাল হিসেবে স্থায়ীভাবে মনে রাখুন।
a প্রধান বিচারপতি
b প্রধানমন্ত্রী
c স্পিকার
d চিফ হুইপ
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) স্পিকার কেন সঠিক: - সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার। - রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত না হলেও রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী স্পিকার তাকে এই শপথ পাঠ করান। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রধান বিচারপতি — তিনি সাধারণত প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান উপদেষ্টাকে শপথ বাক্য পাঠ করান, রাষ্ট্রপতিকে নন। B) প্রধানমন্ত্রী — তিনি নিজেই রাষ্ট্রপতির নিকট শপথ গ্রহণ করেন, তাই তিনি রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাতে পারেন না। C) স্পিকার — এটি সঠিক উত্তর, কারণ সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী স্পিকারই রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। D) চিফ হুইপ — সংসদের প্রশাসনিক কার্য পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন, রাষ্ট্রপতির শপথ পাঠ করানোর সাংবিধানিক এখতিয়ার তার নেই। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্রপতির প্রথম অক্ষর প এবং স্পিকারের শেষ অক্ষর র, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন রাষ্ট্রপতির শপথ পড়ান স্পিকার।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ভারত
d কানাডা
0 67 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) যুক্তরাষ্ট্র কেন সঠিক: - আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের পোস্টাল সার্ভিস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি সংবলিত এই বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশ করে। - একুশে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি সম্মান জানাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশ শহীদ মিনারের ছবি সম্বলিত ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে। B) যুক্তরাজ্য — এই দেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ডাকটিকিট প্রকাশ করেনি। C) ভারত — ভারতের সঙ্গে ভাষা আন্দোলনের গভীর সম্পর্ক থাকলেও তারা এই নির্দিষ্ট ডাকটিকিট প্রকাশ করেনি। D) কানাডা — কানাডায় প্রবাসীরা দিবসটি পালন করলেও তাদের পক্ষ থেকে এই ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: শহীদ মিনারের ছবি দিয়ে ডাকটিকিট প্রকাশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার নাম মনে রাখবে।
a ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত
b ভারত – পাকিস্তান সীমান্ত
c পাকিস্তান – চীন সীমান্ত
d মিয়ানমার – থাইল্যান্ড সীমান্ত
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ভূগোল ও পরিবেশ / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: A) ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমান্তটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১৫৬ কিলোমিটার, যা বিশ্বের দীর্ঘতম স্থল সীমান্তগুলোর মধ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করে আছে। - এটি বিশ্বের অন্যতম কুখ্যাত ও জটিল ছিটমহল সমস্যাযুক্ত সীমান্ত ছিল, যা ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত – বাংলাদেশ সীমান্ত — এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। B) ভারত – পাকিস্তান সীমান্ত — এটি প্রায় ৩৩২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সীমান্ত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। C) পাকিস্তান – চীন সীমান্ত — এটি ক্যারাকোরাম হাইওয়ে সংলগ্ন একটি সীমান্ত এবং এর দৈর্ঘ্য তুলনামূলক কম হওয়ায় পঞ্চম স্থান অধিকারী নয়। D) মিয়ানমার – থাইল্যান্ড সীমান্ত — এটি প্রায় ২৪০১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সীমান্ত এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত দীর্ঘতায় বিশ্বে পঞ্চম, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১৫৬ কিলোমিটার।
a ৫ অক্টোবর
b ২৯ জানুয়ারি
c ২ এপ্রিল
d ৯ জুলাই
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২ এপ্রিল কেন সঠিক: - বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস প্রতি বছর ২ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে পালন করা হয়। - অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে এই দিনটি পালিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫ অক্টোবর — এটি বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালित হয়, যা অটিজম দিবসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ২৯ জানুয়ারি — এটি কোনো আন্তর্জাতিক অটিজম দিবসের তারিখ নয়, এটি একটি সাধারণ দিন। C) ২ এপ্রিল — এটি নিজেই সঠিক উত্তর, তাই এখানে অন্য কোনো প্রসঙ্গ প্রযোজ্য নয়। D) ৯ জুলাই — এটি কোনো নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক বা জাতীয় অটিজম দিবসের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে দুই এপ্রিল দিনটি স্মরণ রাখতে পারি।
a সিলেট
b ময়মনসিংহ
c কুমিল্লা
d নোয়াখালী
0 61 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ময়মনসিংহ কেন সঠিক: - ময়মনসিংহ বাংলাদেশের দ্বাদশ বা সর্বশেষ গঠিত সিটি কর্পোরেশন। - এটি ২০১৮ সালে গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ সিটি কর্পোরেশনের মর্যাদা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — সিলেট সিটি কর্পোরেশন অনেক আগেই গঠিত হয়েছে এবং এটি দেশের সর্বশেষ নয়। B) ময়মনসিংহ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন। C) কুমিল্লা — কুমিল্লা পূর্বে গঠিত হয়েছিল এবং এটি সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন নয়। D) নোয়াখালী — নোয়াখালী নামে কোনো সিটি কর্পোরেশন নেই, এটি একটি জেলা মাত্র। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের মোট সিটি কর্পোরেশন বারোটি এবং সর্বশেষ বা দ্বাদশ হলো ময়মনসিংহ।
a ২০১০ – ২০২৫
b ২০২০ – ২০৩০
c ২০১৬ – ২০৩০
d ২০১৬ – ২০৩৫
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০১৬ – ২০৩০ কেন সঠিক: - জাতিসংঘ ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি গ্রহণ করে। - এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ – ২০২৫ — এটি এসডিজির নির্ধারিত সময়কাল নয় এবং এর সঙ্গে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার কোনো মিল নেই। B) ২০২০ – ২০৩০ — এই সময়কালটি এসডিজির পূর্ণ বাস্তবায়নকাল নয়, কারণ এসডিজির কার্যক্রম শুরু হয়েছে ২০১৬ সাল থেকে। C) ২০১৬ – ২০৩০ — এটি এসডিজি অর্জনের নির্ধারিত সঠিক সময়কাল এবং এর মধ্যে মোট ১৭টি লক্ষ্য অর্জনের কাজ চলছে। D) ২০১৬ – ২০৩৫ — এই সময়কালটি ভুল, কারণ এসডিজির মেয়াদকাল ১৫ বছর এবং এর শেষ সময়সীমা ২০৩০ সাল। মনে রাখার টিপস: এসডিজির মোট লক্ষ্য ১৭টি এবং এর মেয়াদকাল ১৫ বছর (২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল)।
a সুদান
b ইয়েমেন
c মোজাম্বিক
d সিয়েরালিওন
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মোজাম্বিক কেন সঠিক: - মোজাম্বিক কখনো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের উপনিবেশ ছিল না, কিন্তু ১৯৯৫ সালে যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ না হয়েও তারা কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। - পর্তুগালের উপনিবেশ থাকা সত্ত্বেও আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তারা এই জোটের সদস্য হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুদান — এটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং কমনওয়েলথের সদস্য নয়। B) ইয়েমেন — এটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ বা উপনিবেশের অধীনে ছিল কিন্তু কমনওয়েলথের সদস্য নয়। C) মোজাম্বিক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সিয়েরালিওন — এটি একটি সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং কমনওয়েলথের সদস্য দেশ। মনে রাখার টিপস: ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও কমনওয়েলথে যোগ দেওয়া প্রথম অ-ব্রিটিশ উপনিবেশ হলো মোজাম্বিক।
a RAM
b ROM
c হার্ডডিস্ক
d অপারেটিং সিস্টেম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ROM কেন সঠিক: - ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory, যা কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তি বা মেমরি হিসেবে কাজ করে। - এই মেমরিতে কম্পিউটার চালুর প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলি স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা মুছে যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) RAM — এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী বা মেইন মেমরি, বিদ্যুৎ বন্ধ করলে এর সব ডেটা মুছে যায়। B) ROM — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) হার্ডডিস্ক — এটি দীর্ঘকালীন তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, কম্পিউটারের প্রধান স্থায়ী স্মৃতি বা প্রাইমারি মেমরি নয়। D) অপারেটিং সিস্টেম — এটি কোনো স্মৃতিশক্তি নয়, বরং এটি একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয় করে। মনে রাখার টিপস: RAM হলো রেন্ডম অ্যাক্সেস মেমরি বা অস্থায়ী স্মৃতি (অস্থায়ী অতিথি), আর ROM হলো রিড অনলি মেমরি বা স্থায়ী স্মৃতি (স্থায়ী বাসিন্দা)।
a সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ
b সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ
c সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ
d সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ সঠিক উত্তর: D) সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ কেন সঠিক: - ই-৮ বলতে বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল ও দ্রুত উন্নয়নশীল আটটি দেশকে বোঝায়, যারা বৈশ্বিক কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে প্রধান ভূমিকা রাখে। - এই দেশগুলো হলো চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া, জাপান, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং ব্রাজিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ — এই পরিভাষাটি অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত এবং ই-৮ এর মূল উদ্দেশ্যের সাথে মিলে না। B) সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ — শিল্পোন্নত আটটি দেশের মোর্চাকে জি-৮ বলা হয়, যা পরিবেশ দূষণের ওপর ভিত্তি করে গঠিত নয়। C) সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ — উন্নত অর্থনীতির এই দেশগুলোর জোট মূলত জি-৭ বা জি-৮ নামে পরিচিত, দূষণকারী দেশ হিসেবে নয়। D) সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ — এটি সঠিক কারণ ই-৮ গোষ্ঠীটি উচ্চ মাত্রার পরিবেশ দূষণকারী প্রধান দেশগুলোকে নির্দেশ করে। মনে রাখার টিপস: ই-৮ মানে দূষণে গ্রেট আটটি দেশ, যা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণ করে।
a বটেশ্বর, সিলেট
b ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ
c লেবুখালী, পটুয়াখালী
d ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম
0 68 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লেবুখালী, পটুয়াখালী কেন সঠিক: - শেখ হাসিনা সেনানিবাস পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে পায়রা নদীর তীরে অবস্থিত। - দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করার উদ্দেশ্যে এই সেনানিবাসটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বটেশ্বর, সিলেট — এটি একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, এখানে এই সেনানিবাস অবস্থিত নয়। B) ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ — ঘাটাইল সেনানিবাস মূলত টাঙ্গাইল জেলায় অবস্থিত, মানিকগঞ্জে নয়। D) ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম — ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি অবস্থিত, শেখ হাসিনা সেনানিবাস নয়। মনে রাখার টিপস: শেখ হাসিনার নামে নির্মিত প্রথম সেনানিবাসটি দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালীর লেবুখালীতে পায়রা নদীর তীরে অবস্থিত।
a পটুয়াখালী
b সুনামগঞ্জ
c কক্সবাজার
d চট্টগ্রাম
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কক্সবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম পর্যটন নগরী কক্সবাজারে অবস্থিত। - এটি সামুদ্রিক মাছ ও জলজ প্রাণীর জীবন্ত প্রদর্শনী কেন্দ্র হিসেবে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পটুয়াখালী — এটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের জন্য পরিচিত হলেও এখানে প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম অবস্থিত নয়। B) সুনামগঞ্জ — এটি হাওর অঞ্চলের জন্য বিখ্যাত হলেও এই পর্যটন স্থাপনাটি এখানে নির্মাণ করা হয়নি। C) কক্সবাজার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই। D) চট্টগ্রাম — এটি বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়ামের অবস্থান এখানে নয়। মনে রাখার টিপস: সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য দেখতে তৈরি হয়েছে দেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c ফ্রান্স
d রাশিয়া
0 66 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফ্রান্স কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ফরাসি কোম্পানি থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস এর মাধ্যমে নির্মিত হয়েছে। - এটি উৎক্ষেপণের জন্য ফ্রান্সের প্রযুক্তিগত ও স্যাটেলাইট নির্মাণ সহায়তা নেওয়া হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য মার্কিন প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেট ব্যবহার করা হয়েছিল, কিন্তু স্যাটেলাইটটি যুক্তরাষ্ট্র নির্মাণ করেনি। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ বা প্রযুক্তিগত সহায়তার সঙ্গে যুক্ত ছিল না। C) ফ্রান্স — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্যাটেলাইটটির মূল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি ফ্রান্সের। ডি) রাশিয়া — রাশিয়া এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল না। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ফ্রান্সে তৈরি হয়ে আমেরিকার রকেটে চেপে মহাকাশে গেছে।