সঠিক উত্তর: C) স্বায়ত্ত
১. কেন সঠিক:
- স্বায়ত্ত শব্দটিতে স্ব এর সাথে অন্তস্থ অ এবং খণ্ড ত যুক্ত রয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসারে সম্পূর্ণ সঠিক।
- এই শব্দটির অর্থ হলো নিজে চালিত বা নিজের অধীন যা শাসন বা পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি সমাজবদ্ধ শব্দ বা প্রত্যয়সাধিত শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং এর বানানে কোনো ধরনের জট বা জটিলতা নেই।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক প্রমিত বানান নিয়মে অনেক সংস্কৃত শব্দে ত এর ব্যবহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও স্বায়ত্ত অংশের বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রশাসনিক শব্দ।
উদাহরণ ২: স্বায়ত্তশাসিত
ব্যাখ্যা: এটি স্বায়ত্ত শব্দটির আদলে গঠিত একটি বিশেষণের রূপ যা প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্ব — এখানে ত এর পরিবর্তে থ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
B) স্বায়াত্ব — এখানে অতিরিক্ত একটি আ কার যুক্ত করা হয়েছে যা শব্দটিকে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও বানানভ্রান্ত করে তোলে।
C) স্বায়ত্ত — এটি সঠিক উত্তর।
D) স্বায়ত্ত্ব — এখানে ত এর নিচে ব ফলা বা অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা প্রমিত বানান নিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বায়ত্ত বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর শেষে খণ্ড ত ব্যবহার করা হয় এবং কোনো অতিরিক্ত আ কার বা থ থাকে না।
- স্ব এর সাথে আয় এবং ত এর সাথে ্ত যুক্ত করে শব্দটি লিখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের দ্বান্দ্বিক বানান প্রায়ই আসে তাই প্রমিত বানান নিয়ম চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
- একই আদলে গঠিত অন্যান্য জটিল বানানগুলো নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আ + ঈ = এ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি অধ্যায়ের স্বরসন্ধির নিয়মের অন্তর্গত।
- এখানে পূর্বপদের শেষ স্বরধ্বনি আ এবং পরপদের প্রথম স্বরধ্বনি ঈ মিলিত হয়ে এ কার একার ধ্বনি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সংস্কর ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ কিংবা আ এর পর ই কিংবা ঈ থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং তা আগের বর্ণে যুক্ত হয়।
- ঢাকেশ্বরী শব্দটির ক্ষেত্রে ঢাকা শব্দের শেষ ধ্বনি আ এবং ঈশ্বরী শব্দের প্রথম ধ্বনি ঈ মিলে এ ধ্বনি সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহা + ঈশ = মহেশ
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের আ এবং পরপদের ঈ মিলে এ কার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: যথা + ইষ্ট = যথেস্ট
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের আ এবং পরপদের ই মিলে এ কার সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আ + ঈ = এ — এটি সঠিক কারণ ঢাকা শব্দের আ এবং ঈশ্বরী শব্দের ঈ মিলে এ কার উৎপন্ন হয়েছে।
B) অ + ঈ = এ — এটি ভুল কারণ ঢাকা শব্দের শেষ ধ্বনি অ নয় বরং আ।
C) আ + ই = এ — এটি ভুল কারণ ঈশ্বরী শব্দের প্রথম বর্ণ ই নয় বরং দীর্ঘ ঈ।
D) অ + ই = এ — এটি ভুল কারণ এখানে অ এবং ই এর কোনো মিলন ঘটেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অ বা আ এর পরে ই বা ঈ থাকলে সর্বদা এ কার হয় এই সূত্রটি মনে রাখবে।
- দীর্ঘ শব্দ গঠনের সময় শব্দের অংশগুলো ভেঙে ধ্বনিগুলো আলাদা করে দেখলে সঠিক নিয়মটি সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি থেকে প্রশ্ন আসে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল অর্থ ঠিক রেখে ধ্বনির পরিবর্তন বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সংস্করণ
১. কেন সঠিক:
Edition ইংরেজি পারিভাষিক শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সংস্করণ। বই, পত্রিকা বা কোনো গ্রন্থের প্রাক্কলন বা প্রকাশের নির্দিষ্ট রূপকে সংস্করণ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দের অংশ। ইংরেজি প্রশাসনিক ও সাহিত্যিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর জানার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: First edition অর্থ প্রথম সংস্করণ।
ব্যাখ্যা: কোনো বই প্রথম প্রকাশের পর তা প্রথম সংস্করণ হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: Revised edition অর্থ পরিবর্ধিত সংস্করণ।
ব্যাখ্যা: বইয়ে নতুন তথ্য যুক্ত করে যখন পুনরায় প্রকাশ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্করণ — এটি Edition শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ।
B) সম্পাদক — এটি Editor শব্দের বাংলা অর্থ।
C) সম্পাদকীয় — এটি Editorial শব্দের বাংলা অর্থ।
D) অনুসন্ধান — এটি Search বা Investigation শব্দের বাংলা অর্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
Edition শব্দের প্রথম অক্ষর ই এবং এর সাথে সংস্করণ শব্দটির মিল রেখে মনে রাখা যায়। বই প্রকাশের ধারাকে সংস্করণ বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রতি বছর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকে। ইংরেজি শব্দের সাথে মিল রেখে সঠিক বাংলা অর্থ মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। ব্যাকরণে পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনার মূল বিষয়।
ধ্বনির পরিবর্তন, মিলন এবং উচ্চারণের সুবিধা সংক্রান্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বে করা হয় বলে সন্ধি এই অংশে আলোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব ও ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়।
পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা উচ্চারণের দ্রুততার কারণে যে পরিবর্তন ঘটে, তা ধ্বনিতত্ত্বের আওতাভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটিয়েছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এটি স্বরধ্বনির মিলনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ যা ধ্বনিতত্ত্বের নিয়মে সাধিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দ, পদ, বচন, লিঙ্গ ও কারক ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
B) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্য গঠন ও বাক্যের রূপান্তর আলোচিত হয়।
C) অর্থতত্ত্বে — অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থ, বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচনের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) ধ্বনিতত্ত্বে — এটি সঠিক কারণ ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি মানেই দুটি ধ্বনির মিলন। ধ্বনির আলোচনা যেখানে, সন্ধি সেখানেই অর্থাৎ ধ্বনিতত্ত্বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি কোন ব্যাকরণের অংশ তা প্রায়ই আসে। ধ্বনি সংক্রান্ত যেকোনো মিলনের প্রশ্ন এলে ধ্বনিতত্ত্ব উত্তর হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাপকের এলাকা
১. কেন সঠিক:
পোস্টাল কোড বা জিপ কোড হলো কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ডাকঘর বা অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত চার বা পাঁচ অঙ্কের একটি সাংকেতিক নম্বর।
চিঠি বা পার্সেল প্রেরক যখন কোনো ঠিকানায় পাঠান, তখন ডাক বিভাগ এই কোড দেখে খুব সহজে বুঝতে পারে চিঠিটি দেশের কোন অঞ্চলের বা কোন এলাকার প্রাপকের কাছে পৌঁছাতে হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান ও দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহৃত পারিভাষিক বা প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের অন্তর্ভুক্ত।
পোস্টাল কোডের মাধ্যমে ডাক যোগাযোগের প্রক্রিয়ায় প্রাপকের ভৌগোলিক অবস্থান ও এলাকা নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ১০০০
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকার জিরো পয়েন্ট ও মতিঝিল এলাকার পোস্টাল কোড, যা ওই এলাকার প্রাপককে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: রাজশাহী ৬০০০
ব্যাখ্যা: এটি রাজশাহী সদর এলাকার পোস্টাল কোড, যা রাজশাহী অঞ্চলের প্রাপকের এলাকা বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাপকের এলাকা — এটি সঠিক কারণ পোস্টাল কোড দিয়ে প্রাপকের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ও এলাকা চিহ্নিত করা হয়।
B) ডাকবিভাগের নাম — এটি ভুল কারণ ডাকবিভাগের একটি নির্দিষ্ট নাম থাকে, যেমন বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, কোনো কোডের মাধ্যমে পুরো বিভাগের নাম নির্দেশ করা হয় না।
C) পোস্ট অফিসের নাম — এটি ভুল কারণ কোডটি নির্দিষ্ট কোনো একটি পোস্ট অফিসের ভবন বোঝায় না, বরং পুরো পোস্টাল এলাকার আওতাধীন অঞ্চল নির্দেশ করে।
D) প্রেরকের এলাকা — এটি ভুল কারণ চিঠি বা পার্সেলের গায়ে যে পোস্টাল কোড লেখা হয় তা প্রাপকের ঠিকানা নিশ্চিত করার জন্য, প্রেরকের এলাকার জন্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চিঠি পাঠানোর সময় প্রাপকের ঠিকানার শেষে পোস্টাল কোড লেখা হয় যাতে প্রাপকের এলাকা খুব দ্রুত চেনা যায়।
মনে রাখবে কোড মানেই প্রাপকের এলাকার ঠিকানা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের পোস্টাল কোড সাধারণত চার অঙ্কের হয়ে থাকে এবং প্রথম দুটি অঙ্ক জেলা বা অঞ্চল নির্দেশ করে।
নিয়োগ পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাধারণ জ্ঞান বা দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: D) কানাকানি
১. কেন সঠিক:
- কানাকানি শব্দটি দুটি একই জাতীয় পদের পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থে গঠিত হওয়ায় এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
- এই সমাসে একই পদের পারস্পরিক ক্রিয়ায় বা অর্থে নতুন পদ গঠিত হয় এবং অন্য পদ প্রধান হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি পদের মধ্যে পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থে ক্রিয়া বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- কানাকানি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কানে কানে যে কথা। এখানে দুটি কানে কথা বলার পারস্পরিক বিনিময় প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, অর্থাৎ দুটি হাতের পারস্পরিক মারামারি বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
উদাহরণ ২: কোলাকুলি
ব্যাখ্যা: কোলায় কোলায় যে আলিঙ্গন, অর্থাৎ দুজনের পারস্পরিক বুক মেলানো বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিরসুখী — এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্য ভেদ বা নিত্য সমাস হতে পারে, যা পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায় না।
B) দশানন — এটি বহুব্রীহি সমাসের সংখ্যাবাচক বা সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস, কারণ এর ব্যাসবাক্য দশ আনন যার।
C) গায়েহলুদ — এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, কারণ এর ব্যাসবাক্য গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে।
D) কানাকানি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পারস্পরিক অর্থ প্রকাশ করার কারণে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুটি একই শব্দের পুনরাবৃত্তি এবং মাঝখানে পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থ থাকলে চোখ বুজে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
- যেমন: কানাকানি, হাতাহাতি, লাঠালাঠি ইত্যাদি শব্দ দেখলেই ব্যতিহার বহুব্রীহি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- হাতাহাতি, কোলাকুলি, গালাগালি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও সমাসের নাম বারবার অনুশীলন করবে।
সঠিক উত্তর: B) ছাড়পত্র
১. কেন সঠিক:
ছাড়পত্র একটি সমাসবদ্ধ পদ কারণ এটি একাধিক পদ মিলে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে এবং এটি ব্যাসবাক্য দ্বারা বিশ্লেষণ করা সম্ভব।
এই পদের ব্যাসবাক্য হলো ছাড়ার জন্য পত্র, যা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ একাধিক পদ মিলে একপদে পরিণত হয় এবং একটিমাত্র বোধগম্য অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্তপদ বলে।
তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে গৃহিত হয়, এখানেও পত্র পদের অর্থ প্রধান হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাঠাগার
ব্যাখ্যা: পাঠের জন্য আগার, এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রন্ধনশালা
ব্যাখ্যা: রন্ধনের জন্য শালা, এটিও চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ — এটি একটি মৌলিক শব্দ বা সিদ্ধ শব্দ, কারণ একে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না এবং এটি কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়।
C) মৃত্তিকা — এটি একটি শব্দ যার উৎপত্তি সংস্কৃত ভাষা থেকে এবং এটি সরাসরি ব্যবহৃত হয়, কোনো সমাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি গঠিত হয়নি।
D) সাগর — এটি একটি সাধারণ প্রচলিত বিশেষ্য পদ বা নামবাচক শব্দ, যা কোনো সমাসের সাহায্যে গঠিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোনো পদের মাঝে জন্য বা নিমিত্ত অর্থে বিভক্তি লোপ পেয়ে যদি নতুন পদ গঠিত হয়, তবে তা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হবে।
ছেড়ে দেওয়ার পত্র বা ছাড়ার জন্য পত্র অর্থাৎ ছাড়পত্র দেখলে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই মৌলিক শব্দ এবং সমাসবদ্ধ পদের মধ্যে পার্থক্য করতে বলা হয়।
কোনো শব্দ সমাসবদ্ধ কি না তা নিশ্চিত হতে হলে প্রথমে তার ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার চেষ্টা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ছেলেধরা
১. কেন সঠিক:
যে পদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হয় এবং সমাসের পর কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদটি যদি বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে বসে, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
ছেলেধরা শব্দটির ব্যাসবাকয় হলো ছেলেকে ধরে যে, যেখানে ধরে পদটি কৃদন্ত পদ এবং এর আগের পদটি হলো উপপদ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের সমাস হয় এবং সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত কৃৎ প্রত্যয়ের অর্থ প্রকাশ করে না বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বা বস্তুকে বোঝায়।
এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতভাত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পকেটমার
ব্যাখ্যা: পকেট মারে যে, এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে পকেট হলো উপপদ।
উদাহরণ ২: জলেচর
ব্যাখ্যা: জলে চরে যা, এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছেলেধরা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) প্রতিবাদ — এটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাকয় প্রতি যে বাদ এবং এখানে উপসর্গ বা অব্যয় পদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হয়েছে।
C) বিলাতফেরত — এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাকয় বিলাত থেকে ফেরত এবং এখানে পঞ্চমী বিভক্তির লোপ পেয়েছে।
D) উপগ্রহ — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাকয় গ্রহের সদৃশ বা ক্ষুদ্র গ্রহ এবং এখানে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয় পদ গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে যদি ধра, মার, চর, কর, পিয়, কার ইত্যাদি কৃদন্ত পদ থাকে এবং তার আগে যদি কর্মকারকের পদ থাকে, তবে তা সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়।
শেষে ক্রিয়াভিত্তিক শব্দ এবং সামনে বিশেষ্য পদ থাকলে চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ অনুমান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ ও অন্যান্য তৎপুরুষ সমাসের মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যাসবাকয়ের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
ক্রিয়ামূলক পদ শেষে থাকলে এবং কর্তাকে নির্দেশ করলে সবসময় উপপদ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তিহীন নামপদকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের মূল রূপ বা যে শব্দে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় প্রাতিপদিক বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপদিক হলো শব্দের সেই রূপ যার সঙ্গে কোনো কারক বা পদের সম্পর্ক বোঝানোর জন্য বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত হয় না। একে শব্দের মূল বা কটি বা মূল ভিত্তি বলা চলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি নামপদ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: ফুল
ব্যাখ্যা: ফুল শব্দটি কোনো বিভক্তি ছাড়া স্বাধীনভাবে অবস্থান করায় এটি একটি প্রাতিপদিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো একটি পদের নাম, যা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম বোঝায়, তবে এটি বিভক্তিহীন নামপদের নির্দিষ্ট পরিভাষা নয়।
B) সমাস — সমাস হলো একাধিক পদের একপদীকরণ প্রক্রিয়া, যা প্রাতিপদিকের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না।
C) অব্যয় — অব্যয় হলো এমন একটি পদের শ্রেণি যার রূপ কখনো পরিবর্তিত হয় না, এটি বিভক্তিহীন নামপদের সঠিক নাম নয়।
D) প্রাতিপদিক — এটি বিভক্তিহীন নামপদের সঠিক ব্যাকরণিক পরিভাষা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপদিক মানেই হলো প্রতীত বা মূল পদ, যার সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি লাগানো থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাই শব্দটির অর্থ বা বিভক্তিহীন শব্দকে কী বলে, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মূল শব্দ এবং প্রাতিপদিক একই ধারণা প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৭মী
কেন সঠিক:
- পাপে বিরত থাকো বাক্যে পাপে শব্দটি দ্বারা কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা বা দূরে থাকাকে বোঝানো হয়েছে।
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বিরত, ভীত বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপাদান কারকের সংজ্ঞানুযায়ী ভীতি, সুরক্ষা, মুক্তি, দূরত্ব এবং বিরত থাকা বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- পাপে শব্দের সাথে এ বা তে বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তম বিভক্তি হয়েছে।
- যেমন তিল থেকে তেল হয় বাক্যে তিল হলো অপাদানে পঞ্চমী বিভক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিরত থাকা অর্থে অপাদান কারক এবং এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
- B) করণ কারকে ৭মী — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যম বোঝায় যা এখানে অনুপস্থিত।
- C) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক দ্বারা সময় বা স্থান বোঝায় যা এই বাক্যে প্রকাশ পায়নি।
- D) কর্ম কারকে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে কিন্তু এখানে তা নেই।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে বিচ্যুতি, জাত, বিরত থাকা বা ভয় পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
সঠিক উত্তর: C) জেলেনী
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি, অর্থাৎ জেলেনী একটি প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ।
- এখানে জেলে শব্দের সঙ্গে ঈনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পুংলিঙ্গ শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করার নিয়ম এটি।
- জেলে শব্দের সঙ্গে ঈনী প্রত্যয় যুক্ত করার সময় জেলের ই এবং ঈনী প্রত্যয়ের ঈ মিলে দীর্ঘ ঈকার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঙাল থেকে কাঙালিনী
ব্যাখ্যা: কাঙাল শব্দের সঙ্গে ঈনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ কাঙালিনী গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাঘ থেকে বাঘিনী
ব্যাখ্যা: বাঘ শব্দের সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ বাঘিনী গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাদী — এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়, বরং এটি পুংলিঙ্গ শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে নিত্য স্ত্রীবাচক বা লিঙ্গান্তরের নিয়মে এসেছে।
B) সভানেত্রী — এটি সভাপতি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ যেখানে নেত্রী অংশটি আলাদাভাবে যুক্ত হয়েছে, সরাসরি প্রত্যয় সাধিত নয়।
D) পেত্নী — এটি পেতন শব্দ থেকে এসেছে যা অপপ্রয়োগ বা বিশেষ আঞ্চলিক রূপের মাধ্যমে স্ত্রীবাচক হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঈনী প্রত্যয়যুক্ত স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মূল শব্দের শেষে ঈনী যুক্ত হওয়ার ব্যাপারটি খেয়াল রাখতে হবে।
- জেলে থেকে জেলেনী এবং কাঙাল থেকে কাঙালিনী এই নিয়মটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে ঈনী এবং ইনী প্রত্যয়ের ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় বানানের পরিবর্তন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মনু + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
মানব শব্দের প্রকৃতি হলো মনু এবং প্রত্যয় হলো ষ্ণ। মনু শব্দের সঙ্গে অপত্যার্থে বা সন্তান অর্থে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব শব্দ গঠিত হয়েছে যার অর্থ মনুর সন্তান বা মানুষ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি উদাহরণ যেখানে বিশেষ্যের উত্তর অপত্যার্থক বা গোত্র অর্থে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়। ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে এবং ইৎ বা লুপ্ত বর্ণ বাদ যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিতি + ষ্ণ = দৈত্য
ব্যাখ্যা: দিতির সন্তান বোঝাতে দিতি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৈত্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রঘু + ষ্ণ = রাঘব
ব্যাখ্যা: রগুর বংশে বা সন্তান অর্থে রঘু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাঘব শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন + ষ্ণ — মুন কোনো মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক নয় তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) মনু + অব — মনু শব্দের সঙ্গে অব প্রত্যয় যুক্ত হলে মানব শব্দ হয় না কারণ এখানে সঠিক প্রত্যয় হলো ষ্ণ।
D) মা + নব — মা ধাতু বা শব্দ থেকে নব প্রত্যয় যোগ করে মানব শব্দ সাধিত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানব শব্দটি এসেছে মনু থেকে তাই প্রকৃতি হিসেবে মনু এবং প্রত্যয় হিসেবে ষ্ণ মনে রাখবে। আদি স্বরের পরিবর্তন বা বৃদ্ধি ঘটে এমন প্রত্যয়যুক্ত শব্দ অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপত্যার্থক প্রত্যয় যেমন ষ্ণ, ষ্ণি, ঢক ইত্যাদি প্রায়ই আসে। শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক সঠিকভাবে চেনার অভ্যাস থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) চতু: + পদ
১. কেন সঠিক:
এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের উদাহরণ। বিসর্গের পরে প কিংবা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়। এখানে চতু বিসর্গের পরে পদ শব্দের প থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য স হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর + পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মূল শব্দ হিসেবে চতুর ব্যবহার করা হয়েছে যা সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি।
B) চতুষ + পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিসর্গ সন্ধিতে সরাসরি স যুক্ত করে সন্ধি হয় না বরং বিসর্গ পরিবর্তন হয়ে স হয়।
C) চতু + পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত যা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী আবশ্যক ছিল।
D) চতু: + পদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে পূরণ করেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পরে প বা ফ দেখলে বিসর্গ তুলে দিয়ে মূর্ধন্য স বসিয়ে দেবে। চতুষ্পদ বা বৃহস্পতি শব্দগুলো এই নিয়মের মাধ্যমে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই নিয়মে বাচস্পতি বা মনঃপীড়া শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ চর্চা করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ব্যাখ্যামূলক
১. কেন সঠিক:
- বন্ধনী চিহ্ন মূলত কোনো জটিল শব্দ, কঠিন পদ বা দুর্বোধ্য অংশের সহজ অর্থ বা ব্যাখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- লেখার সময় কোনো নির্দিষ্ট পদের অতিরিক্ত বা স্পষ্টতর বিবরণ দিতে এই যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের যতি বা ছেদ চিহ্ন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ punctuation mark বা বিরামচিহ্ন।
- বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত কোনো বিশেষ শব্দ বা পদের অর্থ আরও পরিষ্কার করার জন্য বন্ধনী বা ব্র্যাকেট ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলাম (বিদ্রোহী কবি) ১৯২২ সালে অগ্নিবীণা প্রকাশ করেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কাজী নজরুল ইসলামের মূল পরিচয়ের সঙ্গে তার বিখ্যাত উপাধি ব্যাখ্যামূলক অর্থে বন্ধনীতে দেওয়া হয়েছে।
উদাহরণ ২: চলিত রীতিতে প্রমিত (মানসম্মত) বাংলা ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
ব্যাখ্যা: প্রমিত শব্দের অর্থ যে মানসম্মত, তা বোঝাতে বন্ধনী চিহ্ন ব্যবহার করে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধাতু বোঝাতে — ধাতু বা মূল অংশ বোঝাতে সাধারণত √ বা ধাতু নির্দেশক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, বন্ধনী নয়।
B) অর্থমূলক — বন্ধনী নিজে কোনো শব্দার্থ প্রকাশ করে না, বরং ব্যাখ্যামূলক বা স্পষ্টীকরণমূলক কাজ করে।
D) উৎপন্ন বোঝাতে — উৎপন্ন বা জাত অর্থে কোনো বিশেষ চিহ্ন বা প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়, বন্ধনী চিহ্ন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বন্ধনী মানেই ব্যাখ্যা। কোনো শব্দের জটিলতা দূর করতে ব্র্যাকেট বা বন্ধনী ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার হলে বন্ধনী দেখলেই মাথায় রাখবে এটি অতিরিক্ত তথ্য বা ব্যাখ্যা যোগ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের কাজ ও ব্যবহার থেকে বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধনে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার নিশ্চিত করেন।
সঠিক উত্তর: A) কমা
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কাউকে ডেকে বা সম্বোধন করে কিছু বললে সেই সম্বোধন পদের পরে কমা বসে।
- সম্বোধন পদের মাধ্যমে বক্তা শ্রোতার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং লেখার সময় বিরতি বোঝাতে এই যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণের একটি বিশেষ অংশ হলো সম্বোধন পদ, যা বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত না থেকেও বক্তার মনোভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা বাক্য গঠনে যতি চিহ্ন বা বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার অর্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং সম্বোধনের ক্ষেত্রে কমা ব্যবহার প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিমকে ডেকে কথা বলা হয়েছে, তাই রহিমের পর কমা বসেছে।
উদাহরণ ২: ভাইসব, আমার কথা শুনুন।
ব্যাখ্যা: এখানে ভাইসব একটি সম্বোধন পদ এবং এর ঠিক পরেই কমা ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমা — এটি সম্বোধন পদের পরে বসে বক্তার বক্তব্যকে আলাদা ও স্পষ্ট করে তোলে।
B) ড্যাস — ড্যাস বা ড্যাশ চিহ্ন মূলত যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের সংগতি বা বৈপরীত্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে, যা সম্বোধন পদে ব্যবহার করা হয় না।
D) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদের সংযোগ বা সংক্ষ্ণিপ্ততা বোঝাতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, সম্বোধন পদে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কাউকে ডেকে কথা বলার পর থেমে যাওয়ার ছোট বিরতিই হলো কমা।
- সম্বোধন মানেই ডাক, ডাকের পরেই কমার ঝাক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতি চিহ্ন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- সম্বোধন পদের পরে কমা বসে এই নিয়মটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন।
সঠিক উত্তর: ঘ) নিষ্ক্রিয় দর্শক
কেন সঠিক:
১. সাক্ষী গোপাল বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ এমন একজন সাক্ষী যিনি কোনো ঘটনার সময় উপস্থিত থাকেন কিন্তু কোনো মতামত দেন না।
২. এর মাধ্যমে মূলত এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি কোনো কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেন না এবং চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
২. সাহিত্য ও সমাজজীবনে নীরব দর্শক বা কোনো ক্ষমতা ছাড়া উপস্থিত থাকা ব্যক্তিকে এই বিশেষ বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
৩. যেমন, ঝগড়ার সময় অনেকেই শুধু দাঁড়িয়ে থাকেন কিন্তু কোনো পক্ষ নেন না, তাদের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি বেশ মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) অপদার্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ অপদার্থ বলতে এমন কোনো বস্তুকে বোঝায় যার কোনো কাজের উপযোগিতা বা মূল্য নেই।
খ) মূর্খ — এই অপশনটি ভুল কারণ মূর্খ শব্দটি দ্বারা জ্ঞান বা শিক্ষার অভাব থাকা ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) নিরেট বোকা — এই অপশনটি ভুল কারণ নিরেট বোকা বলতে বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ অভাব বা চরম বোকামিকে বোঝানো হয়ে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
১. গোপাল মানে সাধারণত মূর্তি বোঝানো হয় যা কথা বলতে পারে না এবং শুধু দাঁড়িয়ে থাকে।
২. তাই সাক্ষী থেকেও যে কথা বলে না বা কাজ করে না, তাকেই সাক্ষী গোপাল বা নিষ্ক্রিয় দর্শক বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) অর্ধাঙ্গিনী
১. কেন সঠিক:
'জায়া' শব্দের অর্থ স্ত্রী বা পত্নী। অর্ধাঙ্গিনী শব্দের আক্ষরিক ও ভাবার্থ স্ত্রীর সমার্থক, কারণ বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে স্বামীর অর্ধাঙ্গ বা অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ ও তার প্রতিশব্দ নির্ণয় করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দার
ব্যাখ্যা: দার শব্দটির অর্থ স্ত্রী বা পত্নী, যা জায়ার অপর একটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: গৃহিণী
ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দটিও নারীর বা স্ত্রীর অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও জায়ার সমার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধাঙ্গিনী — এটি সঠিক উত্তর।
B) কন্যা — কন্যা শব্দের অর্থ মেয়ে বা তনয়া, যা স্ত্রীর সমার্থক নয়।
C) নন্দিনী — নন্দিনী শব্দটির অর্থও কন্যা বা মেয়ে, তাই এটি জায়ার সমার্থক নয়।
D) ভাগনী — ভাগনী শব্দের অর্থ বোনের মেয়ে, যা পত্নী বা স্ত্রীর সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্ত্রীবাচক বা পত্নীবোঝক শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ পড়ার সময় অর্ধাঙ্গিনী, পত্নী, ভার্যা ও দার একসঙ্গে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। একই শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) তিরোভাব
১. কেন সঠিক:
আবির্ভাব শব্দের অর্থ প্রকাশ পাওয়া, উদ্ভব বা সৃষ্টি হওয়া।
এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো তিরোভাব, যার অর্থ অন্তর্ধান, লয় বা হারিয়ে যাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সংস্কৃত ব্যাকরণ ও প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে উৎসগতভাবে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আবির্ভাবের জোড় হলো তিরোভাব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকারের তিরোভাব ঘটে।
ব্যাখ্যা: এখানে আবির্ভাব ও তিরোভাব শব্দ দুটি পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুসংস্কারের তিরোভাব এবং যুক্তির আবির্ভাব সমাজের প্রগতির জন্য অপরিহার্য।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটির বিলুপ্তি এবং অন্যটির উপস্থিতির মাধ্যমে বিপরীতার্থক সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভাব — অভাব শব্দের অর্থ ঘাটতি বা প্রয়োজন, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
B) স্বভাব — স্বভাব শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা চরিত্র, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) অনুভব — অনুভব শব্দের অর্থ অনুভূতি বা উপলব্ধি করা, যার সঙ্গে আবির্ভাব শব্দের বিপরীত সম্পর্কের কোনো মিল নেই।
D) তিরোভাব — তিরোভাব শব্দের অর্থ অন্তর্ধান বা হারিয়ে যাওয়া, যা আবির্ভাব শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
আবির্ভাব মানে আসা বা প্রকাশ পাওয়া এবং তিরোভাব মানে তেড়ে চলে যাওয়া বা মিলিয়ে যাওয়া।
এভাবে আসা ও মিলিয়ে যাওয়ার ধারণা মনে রেখে সহজেই এই বিপরীত শব্দ মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পাউরুটি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা যখন বাণিজ্য ও ঔপনিবেশিক কারণে বাংলায় আসে, তখন তাদের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে যায়।
- পর্তুগিজ শব্দ মূলত তাদের জীবনযাত্রা, ধর্ম, খাদ্য এবং ব্যবসায়িক সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের ভিত্তিতে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব বেশি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাবি
ব্যাখ্যা: চাবি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমরা প্রতিদিন দরজায় ব্যবহার করি।
উদাহরণ ২: আনারস
ব্যাখ্যা: আনারস একটি বিদেশি ফল এবং এর নামটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাঞ্জাবি — পাঞ্জাবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় লুঙ্গি, কাবুলিওয়ালা ইত্যাদি শব্দ এলেও পাউরুটি আসেনি।
B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে রেস্তোরাঁ, কার্তুজ ইত্যাদি শব্দ এলেও পাউরুটি ফরাসি শব্দ নয়।
C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে খদ্দর, হরতাল ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, পাউরুটি নয়।
D) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাউরুটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের তালিকা ও ঘরোয়া উপকরণের কথা ভাবা। পাউরুটি, পেঁপে, চাবি, বালতি এগুলো সবই পর্তুগিজ শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
১. কেন সঠিক:
- ‘কলম’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। আরবি ‘ক্বালাম’ শব্দটি থেকে বাংলা ‘কলম’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম, যা আমাদের সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কিত ব্যাকরণের প্রশ্ন। বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দ ধার করে সমৃদ্ধ হয়েছে।
- আরবি ভাষা থেকে ধর্ম, প্রশাসন ও দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রীর নাম বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় অর্থে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: লেখার কাজে ব্যবহৃত এই বস্তুটি আরবি ভাষার প্রভাবের একটি স্পষ্ট নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম শব্দ আসে, কিন্তু ‘কলম’ সংস্কৃত শব্দ নয়।
B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ এলেও ‘কলম’ ফারসি শব্দ নয়।
D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকেও কিছু শব্দ বাংলায় এসেছে, তবে ‘কলম’ তুর্কি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেখালেখির প্রধান মাধ্যম ‘কলম’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এটি মনে রাখতে হবে। ধর্ম ও লেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত অধিকাংশ শব্দ আরবি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি ও ফারসি শব্দগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সবুজপত্র
কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন এবং বিস্তার লাভে এই পত্রিকার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি ছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা গদ্য সাহিত্যে সাধু রীতির পরিবর্তে মুখের ভাষার বা চলিত রীতির প্রতিষ্ঠা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- এই পত্রিকাতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু বিখ্যাত কবিতা, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল বীরবল এবং তাঁর সাহিত্যিক গোষ্ঠী বীরবল সংঘ নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তত্ত্ববোধিনী — এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত এবং এটি ব্রাহ্মসমাজ সম্পর্কিত পত্রিকা।
- B) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
- C) কল্লোল — এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দীনেশচন্দ্র দাস এবং এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- D) ধূমকেতু — এই বিদ্রোহী পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরী মানেই সবুজপত্র এবং চলিত রীতির প্রবক্তা।
সঠিক উত্তর: A) সাধুরীতি
১. কেন সঠিক:
- সাধুরীতি বাংলা ভাষার এমন একটি লেখ্য রূপ, যা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ভরপুর এবং এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপ বা দীর্ঘ রূপ ধারণ করে।
- এই রীতিতে ব্যবহৃত শব্দভান্ডারের সিংহভাগই সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে বলে একে তৎসম শব্দবহুল রীতি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষার লেখ্য রূপ মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত, যার একটি সাধুরীতি এবং অপরটি চলিতরীতি। সাধুরীতি অপরিবর্তনশীল ও গম্ভীর প্রকৃতির হওয়ায় এটি শুধু প্রাতিষ্ঠানিক লেখালেখি ও বরেণ্য লেখকদের গদ্যে ব্যবহৃত হতো।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে সাধুরীতির প্রমিত রূপ ও ব্যাকরণগত কাঠামো সুনির্দিষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধুরীতির বাক্য: তাহার সঞ্চলন দেখিয়া সকলেই বিস্মিত হইয়াছিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ব্যবহৃত তাহার, সঞ্চলন, বিস্মিত হইয়াছিল শব্দগুলো তৎসম শব্দ এবং ক্রিয়ার পূর্ণরূপ।
উদাহরণ ২: সাধুরীতির শব্দসমষ্টি: ভোজন করা, রমনী, অদ্যকার দিবস।
ব্যাখ্যা: এগুলো সবই তৎসম শব্দ যা সাধুরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধুরীতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সাধুরীতি নিজেই নির্দেশিত হয়েছে।
B) চলিতরীতি — চলিতরীতি সাধুরীতির ঠিক বিপরীত, যা অপেক্ষাকৃত সহজ, গতিশীল এবং তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম ও বিদেশি শব্দবহুল।
C) কথ্যরীতি — কথ্যরীতি মানুষের দৈনন্দিন মুখের ভাষা এবং এটি অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়, তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো শব্দবহুল মানদণ্ডে আবদ্ধ নয়।
D) লেখ্যরীতি — লেখ্যরীতি একটি সার্বিক রূপ, যার অধীনে সাধু ও চলিত উভয় রীতিই অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই এটি এককভাবে কোনো নির্দিষ্ট শব্দবহুলতা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু মানেই তৎসম বা গম্ভীর শব্দের আধিক্য এবং ক্রিয়ার বড় রূপ।
- সাধুরীতি ও সংস্কৃত শব্দ উভয় শব্দের শুরুতেই স বর্ণ রয়েছে, যা দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিতরীতির পার্থক্য থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ দেখে সাধু বা চলিত রীতি শনাক্ত করার কৌশল রপ্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রীতিতে পদের রূপ পরিবর্তন ঘটলেও অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর ঘটে না।
তাই বাক্যে ব্যবহারের সময় অব্যয় পদ উভয় রীতিতে সবসময় অপরিবর্তিত ও অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যে পদের সঙ্গে লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পুরুষের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে অব্যয় পদ বলে।
সাধু ও চলিত রীতিতে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তন হলেও অব্যয় পদ সর্বদা একই থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে যদি ও তবে অব্যয় পদ দুটি সাধু ও চলিত উভয়ীতিতে একইভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: এবং, কিন্তু, অতএব, কিংবা।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো বাক্যে ব্যবহারের সময় সাধু বা চলিত যেকোনো রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয় — সঠিক উত্তর কারণ এর রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্ন থাকে।
B) সম্বোধন পদ — ভুল কারণ সম্বোধন পদের ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রীতিতে শব্দের রূপ ও প্রয়োগে পার্থক্য দেখা যায়।
C) সর্বনাম — ভুল কারণ সর্বনাম পদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে ভিন্ন হয় যেমন সাধুতে তাহার আর চলিততে তার।
D) ক্রিয়া — ভুল কারণ ক্রিয়াপদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয় যেমন সাধুতে করিতেন আর চলিততে করতেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
অপরিবর্তিত থাকে যা, সাধু চলিতে একই রয় তা।
অব্যয় মানে যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পদের রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে।
সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ দ্রুত পরিবর্তিত হয় কিন্তু অব্যয় ও কিছু তৎসম বিশেষ্য পদ অপরিবর্তিত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ হলেও, মধ্যযুগের প্রথম প্রাপ্ত ও প্রামাণিক নির্দেশন হলো এই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘরের গোবর ফেলার ঝুড়ি থেকে আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত রাধা কৃষ্ণের প্রেমের আখ্যান নিয়ে রচিত একটি নাট্যগীতি কাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: আলাওল রচিত পদ্মাবতী কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুমালতী — এটি সৈয়দ সুলতান বা অন্যান্য মধ্যযুগের কবিদের রচনা নয় বরং এটি একটি প্রেমমূলক কাব্য হলেও মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন নয়।
B) সিকান্দারনামা — এটি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য, যা মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন নয়।
D) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলেও এর সূচনা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পরে ঘটেছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগ মানেই প্রথম কীর্তন বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এভাবে মনে রাখতে পারো।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেন বড়ু চণ্ডীদাস, তাই মধ্যযুগের শুরুতেই চণ্ডীদাসের নাম আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো রাধা, কৃষ্ণ এবং বর্ধক বা নারদা চরিত্রের মতো কিছু রূপক চরিত্র।
সঠিক উত্তর: B) বৈদিক ভাষা
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা থেকে এর সূত্রপাত হয়েছে।
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা বা বৈদিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষার মূল ধারাটি এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস পর্যায়ের এই প্রশ্নটিতে ভাষার বিবর্তন ধারা বুঝতে হয়।
ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা থেকে প্রাচীন ভারতীয় আর্য, সেখান থেকে প্রাকৃত এবং অপভ্রংশ হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈদিক ভাষা থেকে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার রূপ হিসেবে সংস্কৃত ভাষা বিকশিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: বৈদিক ভাষা ও সংস্কৃত ভাষা একই মূল স্রোতের অংশ যা বাংলা ভাষার পূর্বসূরি।
উদাহরণ ২: প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার পরের স্তর হলো প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষা।
ব্যাখ্যা: এই প্রাকৃত ও অপভ্রংশ স্তরগুলো পার হয়েই বাংলা ভাষা বর্তমান রূপ লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি ভাষা — হিন্দি ভাষা বাংলা ভাষার উৎস নয়, এটি আরেকটি আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষা যা বাংলা ভাষার সমসাময়িক।
B) বৈদিক ভাষা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বাংলা ভাষার মূল উৎস হিসেবে গণ্য।
C) উড়িয়া — ওড়িয়া ভাষা বাংলা ভাষার মতো একই মূল উৎস থেকে আগত একটি স্বাধীন ভাষা, এটি বাংলার উৎস নয়।
D) অনার্য ভাষা — বাংলা ভাষা মূলত আর্য মূল থেকে উদ্ভূত, যদিও এতে অনার্য ভাষাগুলোর প্রভাব রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে বৈদিক ভাষা হয়ে বাংলার জন্ম এটি মনে রাখতে হবে।
বাংলা ভাষার মূল উৎস খুঁজতে গেলে প্রাচীন ভারতীয় আর্য বা বৈদিক ভাষাকে প্রধান ভিত্তি ধরতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার আদি উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
উৎসের ক্রমধারাটি মনে রাখলে ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে আধুনিক বাংলা পর্যন্ত যেকোনো ধাপের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) will remain
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি প্রথমConditional-এর নিয়ম মেনে চলে, যেখানে প্রথম অংশ Present Indefinite Tense-এ থাকে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অপর অংশটি Future Indefinite Tense-এ হবে।
এখানে will-এর পর মূল verb-এর বেস ফর্ম হিসেবে remain বসবে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে, তুমি সাহায্য করলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will be remain — একই সাথে দুটি সাহায্যকারী ভার্ব বা গঠন থাকা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) should remain — এটি প্রথম conditional-এর স্বাভাবিক ভবিষ্যতের নিশ্চিত প্রকাশ বোঝাতে সঠিকভাবে মেলে না।
C) will remain — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) would remain — এটি Second Conditional-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা Present Tense-এর সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
If-যুক্ত অংশ Present Tense হলে অপর অংশ Future Tense হয় এবং will-এর পর সরাসরি মূল verb বসে।
সঠিক উত্তর: A) I will avail myself of the opportunity.
কেন সঠিক:
avail verb টির পরে সব সময় একটি reflexive pronoun বসাতে হয়।
এখানে subject I এর জন্য myself এবং preposition হিসেবে of বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A — এটি সঠিক উত্তর।
B — এখানে reflexive pronoun হিসেবে myself ব্যবহার করা হয়নি।
C — এখানে preposition হিসেবে of এর পরিবর্তে ভুল করে with ব্যবহার করা হয়েছে।
D — এখানে কোনো preposition বা সঠিক কাঠামো অনুসরণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
avail শব্দটির পরে reflexive pronoun এবং of বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) As you sow, so you reap.
কেন সঠিক:
বাংলা প্রবাদ বাক্য 'যেমন কর্ম তেমন ফল' এর ইংরেজি রূপ হলো As you sow, so you reap.
এখানে বীজ বপন করা বলতে কর্ম বোঝানো হয়েছে এবং ফসল কাটা বলতে তার ফল বোঝানো হয়েছে।
এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ আলোচ্য প্রবাদের সাথে হুবহু মিলে যায়।
তাই ব্যাকরণগত ও অর্থগত উভয় দিক থেকেই এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All that glitters is not gold — এর বাংলা অর্থ হলো দেখতে যা সোনা মনে হয় তার সব সোনা নয়, যা প্রদত্ত প্রবাদের সাথে মেলে না।
B) As you sow, so you reap — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই।
C) A stitch in time, saves nine — এর অর্থ সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়, যা ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে।
D) The more you work, the more you get — এর অর্থ যত বেশি কাজ করবে তত বেশি পাবে, যা প্রবাদের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সোভ (sow) শব্দের অর্থ বীজ বপন করা এবং রিপ (reap) শব্দের অর্থ ফসল কাটা। কর্মফল বোঝাতে এই দুটি শব্দযুক্ত প্রবাদটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) endanger
কেন সঠিক:
- Noun শব্দ 'danger' এর পূর্বে 'en-' prefix যোগ করে Verb 'endanger' গঠিত হয়েছে যার অর্থ বিপদগ্রস্ত করা।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শুরুতে prefix যুক্ত করে সহজেই Noun থেকে Verb এ রূপান্তর করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) dangered — 'danger' শব্দের সাথে ইডি যুক্ত করে সরাসরি পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল করা যায় না, কারণ এর সঠিক ভার্বাল রূপ হলো endanger।
B) endangered — এটি 'endanger' শব্দের পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা মূল ভার্বের বেস ফর্ম নয়।
C) indanger — বানানটি ভুল কারণ ইংরেজি প্রেফিক্স হিসেবে 'in-' এর পরিবর্তে সঠিক প্রেফিক্স 'en-' যুক্ত হয়।
D) endanger — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Noun 'danger' এর আগে 'en' যুক্ত করলেই Verb 'endanger' হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: A) Did he come home yesterday?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় প্রশ্নবোধক করার সময় সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী verb হিসেবে Did বসাতে হয়।
Did বসার কারণে মূল verb 'came' তার প্রেজেন্ট ফর্ম 'come' এ রূপান্তরিত হয় এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Did he come home yesterday — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মানুযায়ী এটি প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন করেছে।
B) Did he not came home yesterday — এখানে Did ব্যবহারের পরেও মূল verb এর পাস্ট ফর্ম 'came' রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) When did he come home — বাক্যটিতে অতিরিক্ত 'When' ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের তথ্য পরিবর্তন করে দেয়।
D) When does he come home — এখানে টেন্স পরিবর্তন করে প্রেজেন্ট টেন্স করা হয়েছে যা মূল বাক্যের পাস্ট টেন্সের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
পাস্ট টেন্সে প্রশ্ন করার সময় Did আনলে মূল verb টি সবসময় প্রেজেন্ট ফর্ম হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্ব, সময়, ওজন বা পরিমাপ সমষ্টিগতভাবে একটি একক বা পরিমাণ বোঝালে Subject দেখতে বহুবচন হলেও Verb singular হয়।
- এখানে Fifty miles একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বোঝাচ্ছে, তাই এর পরে singular verb হিসেবে is বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb, যা নির্দিষ্ট একক দূরত্বকে প্রকাশ করার জন্য এই বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
B) is — এটি singular verb এবং নির্দিষ্ট দূরত্বের একককে নির্দেশ করায় এটি এই বাক্যের সঠিক উত্তর।
C) have been — এটি present perfect tense-এর plural রূপ, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সঙ্গে মানানসই নয়।
D) were — এটি past tense-এর plural রূপ, যা বর্তমানের সাধারণ সত্য বা নির্দিষ্ট দূরত্বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দূরত্ব, সময়, ওজন বা টাকার পরিমাণ যতই বেশি হোক না কেন, যদি তা একটি একক সমষ্টি বোঝায় তবে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: C) A bee is busier than most other insects.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত Positive ডিগ্রির বাক্যে Very few থাকলে Comparative করার সময় Subject-এর পরে busier বসে এবং তার সাথে than most other যুক্ত হয়। এটি Positive ডিগ্রি থেকে Comparative ডিগ্রি পরিবর্তনের একটি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A bee is busier than very few insects. — এই বাক্যে very few ব্যবহার করা হয়েছে যা Positive ডিগ্রির গঠন এবং অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) A bee is busier than few insects. — এই বাক্যে most শব্দটির অনুপস্থিতির কারণে তুলনাটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে এবং নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) A bee is busier than most other insects. — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে গেছে।
D) A bee is more busy than other insects. — busy শব্দটির সঠিক Comparative রূপ busier হবে, এখানে more busy ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Positive বাক্যে Very few থাকলে Comparative করার সময় than-এর পরে অবশ্যই most other বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
obstacle শব্দের পরে সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে।
এটি উন্নতির পথে বাধাকে নির্দেশ করে।
তাই এখানে to সঠিক preposition।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক উত্তর।
B) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা উপকার বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
C) with — এটি সাধারণত সঙ্গী বা মাধ্যম বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
D) from — এটি সাধারণত উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
obstacle শব্দের পরে সবসময় to বসে।
সঠিক উত্তর: D) what if
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পরের অংশে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেখে বোঝা যায় এখানে প্রস্তাব বা কোনো কিছুর সম্ভাবনা বোঝানো হয়েছে।
বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, আমরা যদি এই জমিটি আমের বাগান করি কেমন হয়।
তাই এখানে উপযুক্ত ফ্রেজ হিসেবে what if ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as if — এর অর্থ যেন এবং এটি সাধারণত অবাস্তব কল্পনা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) would rather — এর অর্থ বরং ভালো এবং এটি পছন্দ বা অগ্রাধিকার প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) what’s it like — এর পরে সাধারণত ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় যা এই বাক্যের গঠনে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকলে এবং কোনো বিষয়ে প্রস্তাব বা সম্ভাবনা বোঝালে what if ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) tradition
কেন সঠিক:
heritage শব্দটির বাংলা অর্থ হলো ঐতিহ্য বা উত্তরাধিকার, যা মূলত পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও প্রথাকে বোঝায়।
tradition শব্দের অর্থও ঐতিহ্য বা প্রথা, যা সমাজের দীর্ঘ날 ধরে চলে আসা সংস্কৃতিকে নির্দেশ করে।
তাই অর্থের দিক থেকে heritage এবং tradition সমার্থক শব্দ।
এই কারণে অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heir — এই শব্দটির অর্থ উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশ, যা কোনো ব্যক্তি বা মানুষকে বোঝায়।
C) legitimacy — এই শব্দটির অর্থ বৈধতা বা আইনগত অধিকার, যা কোনো কাজের সঠিকতা প্রমাণ করে।
D) intrigue — এই শব্দটির অর্থ ষড়যন্ত্র বা গভীর চক্রান্ত, যা কোনো গোপন পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
heritage হলো আমাদের অতীত থেকে পাওয়া ঐতিহ্য আর tradition হলো সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা।
সঠিক উত্তর: D) The tree has not yet borne fruit.
কেন সঠিক:
বাংলয় কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও তার ফলাফল বিদ্যমান বোঝালে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয় এবং 'গাছে ফল ধরা' অর্থে bear fruit প্রবাদতুল্য সঠিক ধারা।
এখানে 'এখনো' বোঝাতে বাক্যের মাঝে yet এবং মূল verb এর Past Participle রূপ হিসেবে borne ব্যবহৃত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The tree can not bear fruit. — এখানে can not ব্যবহার করায় এটি বর্তমান সামর্থ্য বোঝাচ্ছে, যা অতীতের ফল না ধরার অর্থ প্রকাশ করে না।
B) The tree has not given fruit yet. — এখানে given verb ব্যবহার করা হয়েছে যা ফল ধরার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ বা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
C) The tree has not caught any fruit. — এখানে caught ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ ধরা, কিন্তু গাছে ফল ধরার ক্ষেত্রে catch verb ব্যবহার করা যায় না।
D) The tree has not yet borne fruit. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং সব নিয়ম ঠিক আছে।
মনে রাখার টিপস:
গাছে ফল ধরা ইংরেজি করতে give বা catch ব্যবহার না করে সবসময় bear fruit ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) would not have missed
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের বাক্য, যার গঠন হলো ইফ প্লাস পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং প্রধান অংশে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ বা মাইট হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
- বাক্যের প্রথম অংশ হ্যাড ইউ ওয়াকড ফাস্ট দ্বারা অতীতকালের পূর্ণতা বোঝানো হয়েছে, তাই দ্বিতীয় অংশে উড নট হ্যাভ মিসড বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will not miss — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের গঠন, যা এই বাক্যের পাস্ট পারফেক্ট অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) will not have missed — এর প্রথম অংশ উইল ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা হ্যাড যুক্ত পাস্ট পারফেক্ট অংশের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) would not have missed — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে শুধু পূর্ণ বাক্যের সঠিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
D) would not miss — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে পরবর্তী অংশে উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ বা মাইট হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Everyone likes a rose.
কেন সঠিক:
- Interrogative বাক্যের 'Who do not' বা 'Who does not' যুক্ত বাক্যকে Assertive করার সময় 'Who' এর পরিবর্তে Every one বা Everybody বসে এবং বাক্যটি Affirmative হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের মূল verb 'likes' এর সাথে 's' যুক্ত থাকায় Assertive বাক্যে Everyone এর পর verb এর সঠিক রূপ বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All of us likes a rose. — এখানে 'All of us' এর পর plural verb বসার কথা থাকলেও 'likes' singular ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থের দিক থেকেও এটি সঠিক নয়।
B) Nobody likes a rose. — এটি Negative অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল Interrogative বাক্যের Affirmative অর্থের বিপরীত।
C) Everyone dislikes a rose. — এটি বাক্যের মূল ভাব পাল্টে দিয়ে গোলাপকে সবাই অপছন্দ করে বোঝায়, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের বিপরীত অর্থ দেয়।
D) Everyone likes a rose. — এটি নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং মূল বাক্যের সঠিক Affirmative রূপ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Who do not বা Who does not যুক্ত Interrogative বাক্যকে Assertive করার সময় Who তুলে দিয়ে শুরুতে Everyone বা Everybody বসাতে হয় এবং বাক্যটি Affirmative করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) virtue
কেন সঠিক:
‘Vice’ শব্দটির অর্থ হলো পাপ, দোষ বা অসদাচরণ। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম হলো ‘virtue’, যার অর্থ পুণ্য বা সদগুণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) honesty — এই শব্দটির অর্থ সতता, যা ‘vice’ শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। এটি মূলত ‘dishonesty’ শব্দের বিপরীত।
B) values — এই শব্দটির অর্থ মূল্যবোধ, যা ‘vice’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
C) virtue — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
D) truthful — এই শব্দটির অর্থ সত্যবাদী, যা একটি বিশেষণের রূপ এবং ‘vice’ বিশেষ্যের বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Vice শব্দের অর্থ পাপ এবং Virtue শব্দের অর্থ পুণ্য, তাই এদেরকে বিপরীত শব্দ জোড়া হিসেবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) the, the
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট করে বীরদের বোঝাতে 'the' বসেছে।
'brave' একটি এডজেক্টিভ এবং এর আগে 'the' বসলে তা একটি সমগ্র জাতিকে বা শ্রেণীকে বোঝায়।
পরের শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট কোনো পুরস্কার বা সম্মান বোঝাতে 'the' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a, an — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' বসলে সাধারণ কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতো যা অর্থহীন।
B) the, the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) the, no article — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে আর্টিকেল না বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
D) no article, the — প্রথম শূন্যস্থানে আর্টিকেল না বসালে নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণীকে বোঝানো যায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো এডজেক্টিভ এর আগে 'the' বসলে তা নির্দিষ্ট একটি শ্রেণীকে বোঝায় এবং এর পরে নির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) extravagant
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত শব্দের বানান একদম সঠিক আছে এবং এর অর্থ হলো অমিতব্যয়ী।
২. ইংরেজি ভাষায় এর বানান এ-ই-টি-আর-এ-ভি-এ-জি-এ-এন-টি হিসেবে লেখা হয়।
৩. অন্য তিনটি বিকল্পে বানানের ভুল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) extravagant — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে কোনো ভুল নেই।
B) pronounciation — এর সঠিক বানান হলো pronunciation কারণ মূল শব্দ pronounce থেকে এসেছে।
C) spureous — এর সঠিক বানান হলো spurious যার অর্থ নকল বা কৃত্রিম।
D) temporery — এর সঠিক বানান হলো temporary যার অর্থ সাময়িক।
মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় প্রায়শই ভুল হওয়া শব্দগুলোর মূল রূপ লিখে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ten years
কেন সঠিক:
‘Decade’ শব্দের বাংলা অর্থ হলো দশক, যা সাধারণত ১০ বছরের একটি সময়কালকে নির্দেশ করে।
ইংরেজি পরিভাষায় ১০ বছরের সময়কে বোঝাতে নির্দিষ্টভাবে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এটি ইংরেজি গণনার একটি সাধারণ একক।
এটি সময় পরিমাপের একটি পরিচিত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) thirty years — কারণ ত্রিশ বছরের সময়কালকে বোঝাতে ‘decade’ ব্যবহার করা হয় না, এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো একক শব্দ নেই।
B) পঞ্চাশ বছরের সময়কালকে বোঝাতে ‘decade’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় না, কারণ এর সঠিক অর্থ হলো দশক বা দশ বছর।
C) ten years — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
D) পঁচিশ বছরের সময়কালকে বোঝাতে ‘decade’ ব্যবহার করা হয় না, কারণ পঁচিশ বছরকে ‘silver jubilee’ বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ‘decade’ শব্দটির শুরুতে থাকা ‘deca’ অংশটি দশ সংখ্যাটিকে নির্দেশ করে, যা দিয়ে খুব সহজেই দশ বছর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) are
কেন সঠিক:
এখানে subject হলো 'memoranda', যা হলো 'memorandum' শব্দটির plural বা বহুবচন রূপ।
plural subject-এর পরে সবসময় plural verb বসে, তাই এখানে 'are' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এটি singular verb, কিন্তু subject 'memoranda' হলো plural তাই এটি ভুল।
B) has — এটি singular verb এবং এখানে অর্থ বা tense-এর দিক থেকেও মানানসই নয়।
C) have — এটি plural verb হলেও এখানে কোনো auxiliary verb হিসেবে মূল verb ছাড়া ব্যবহার করা যায় না।
D) are — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
um দিয়ে শেষ হওয়া ল্যাটিন শব্দের শেষে a যোগ করে plural করতে হয়, যেমন memorandum থেকে memoranda এবং এর পরে সবসময় plural verb বসে।
সঠিক উত্তর: A) instantly
কেন সঠিক:
ইন নো টাইম (in no time) একটি ইংরেজি idiom বা বাকধারা। এর বাংলা অর্থ হলো খুব দ্রুত বা অবিলম্বে।
অপশন এ এর instantly শব্দের অর্থও অবিলম্বে বা তৎক্ষণাৎ।
তাই এই ফ্রেজটি instantly শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) instantly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অবিলম্বে এবং এটি প্রদত্ত ফ্রেজের সাথে সম্পূর্ণ সমার্থক।
B) hardly — এর অর্থ কদাचित বা খুব একটা না। এটি ফ্রেজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) always — এর অর্থ সবসময়। এটি ফ্রেজের নির্দিষ্ট সময়ের ভাব প্রকাশ করে না।
D) never — এর অর্থ কখনো না। এটি ফ্রেজের দ্রুততার ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
ইন নো টাইম মানে সময় নষ্ট না করে খুব দ্রুত কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) An empty vessel sound much.
কেন সঠিক:
‘অসারের তর্জন গর্জন সার’ প্রবাদটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো ফাঁকা কলসি বাজে বেশি।
এই বাক্যে কম বুদ্ধিসম্পন্ন বা গুণহীন মানুষেরা বেশি কথা বলে বোঝানো হয়েছে।
তাই ইংরেজি প্রবাদের সাথে এটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ignorance is vociferous — এই বাক্যটির অর্থ অজ্ঞতা মুখর, যা আমাদের প্রবাদের সাথে সরাসরি মেলে না।
B) An idle man speaks much — এর অর্থ অলস ব্যক্তি বেশি কথা বলে, যা মূল প্রবাদের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না।
C) A barking dog seldom bites — এর অর্থ গরفته কুকুর কম কামড়ায়, যার ভাবার্থ ভিন্ন।
D) An empty vessel sound much — এটি সঠিক প্রবাদ হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফাঁকা পাত্র যেমন বেশি শব্দ করে, তেমনি কম জ্ঞানী মানুষেরা বেশি কথা বলে, এই মিল মনে রাখলেই প্রবাদটি সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: C) There is no room for doubt in it.
কেন সঠিক:
এখানে সন্দেহ প্রকাশের সুযোগ বা অবকাশ বোঝাতে 'room' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
ইংরেজি idiom বা প্রমিত ব্যবহার অনুযায়ী কোনো সুযোগ থাকা অর্থে 'room' সঠিক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) There is no place for doubt in it. — 'Place' সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান বা বসার জায়গাকে বোঝায়।
B) There is no space for doubt in it. — 'Space' খালি জায়গা পরিমাপ বা পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) There is no room for doubt in it. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) There is no area to doubt in it. — 'Area' নির্দিষ্ট কোনো ভূখণ্ড বা ক্ষেত্র বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্দেহ বা সুযোগের ক্ষেত্রে সবসময় 'room' শব্দ ব্যবহার করবে, 'place' বা 'space' নয়।
সঠিক উত্তর: D) should
কেন সঠিক:
বাক্যে 'lest' শব্দটি থাকলে তার পরের অংশে সবসময় 'should' বসে। এটি একটি গ্রাম্য নিয়ম যা কাজের নেতিবাচক ফলাফল এড়াতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) could — এটি সাধারণত প্যানেল ক্ষমতা বা সম্ভাবনা বোঝাতে বসে, কিন্তু 'lest' এর সাথে এর কোনো ব্যাকরণগত মিল নেই।
B) would — এটি অতীতের অভ্যাস বা কাল্পনিক শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) can — এটি বর্তমানের সামর্থ্য বোঝাতে বসে, কিন্তু 'lest' এর সাথে সবসময় 'should' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
D) should — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র উপযুক্ত শব্দ যা এই বাক্যের শূন্যস্থান পূরণ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'lest' দেখলেই চোখ বন্ধ করে শূন্যস্থানে 'should' বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) The
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ কলমের কালির কথা বোঝাতে Definite Article 'The' বসে। এখানে আমার কলমের কালি লাল রঙের, যা বক্তা ও শ্রোতা উভয়ের কাছে নির্দিষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — অনির্দিষ্ট এবং একক কোনো consonant দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে এটি বসবে না।
B) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) An — vowel দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে এটি সঠিক নয়।
D) No article — নির্দিষ্ট noun এর ক্ষেত্রে article বসাতে হয়, তাই এখানে article ছাড়া বাক্যটি অসম্পূর্ণ হবে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বোঝাতে সবসময় 'The' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) In
কেন সঠিক:
- 'In course of time' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজ, যার অর্থ সময়ের প্রবাহে বা ক্রমান্বয়ে।
- বাক্যে সময়ের ব্যবধানে কোনো পরিবর্তন বোঝাতে এই ফ্রেজে সবসময় 'In' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In — এটি সঠিক কারণ 'In course of time' একটি প্রমিত ইংরেজি ধারা বা ফ্রেজ।
B) Of — এটি ভুল কারণ 'Of course' একটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে মানানসই নয়।
C) For — এটি ভুল কারণ ফ্রেজের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'For' বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
D) By — এটি ভুল কারণ 'By course of time' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বা প্রচলিত ফ্রেজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের পরিবর্তনে কিছু ঘটা বোঝাতে 'In course of time' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, তাই এর শুরুতে সবসময় 'In' বসে।
সঠিক উত্তর: B) I know who you are.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Simple sentence-এ আছে, একে Complex sentence-এ রূপান্তর করতে Subordinate clause-যুক্ত করতে হবে।
- Principal clause-এর object হিসেবে WHO দিয়ে শুরু হওয়া Noun clause যুক্ত করে বাক্যটিকে Complex-এ রূপান্তর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I know what you are. — এখানে WHAT বস্তুবাচক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ব্যক্তিবাচক 'you' বোঝাতে WHO ব্যবহার করতে হয়।
B) I know who you are. — এটি সঠিক এবং প্রশ্ন অনুযায়ী প্রযোজ্য অপশন।
C) I know what are you. — এখানে WHAT ব্যবহারের পাশাপাশি Subject-এর আগে verb বসিয়ে ভুল Interrogative structure করা হয়েছে।
D) I know who are you. — এখানে WHO সঠিক হলেও Subject-এর আগে verb বসিয়ে গঠনগত ভুল করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর object-কে Complex করার সময় WH-word এর পর প্রথমে Subject এবং পরে Verb বসে।
সঠিক উত্তর: D) ৬৩/৮
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১/x) = ৩/২
ধরি,
a = x
b = ১/x
অতএব,
a − b = ৩/২
সুতরাং,
(x − (১/x)) এর ঘন = (৩/২) এর ঘন
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) − ৩.x.(১/x).(x − (১/x)) = ২৭/৮
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) − ৩(৩/২) = ২৭/৮
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) − (৯/২) = ২৭/৮
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) = (২৭/৮) + (৯/২)
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) = (২৭ + ৩৬) / ৮
উত্তর: ৬৩/৮
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ২১৯৫২
ধরি,
সংখ্যাটির মৌলিক উৎপাদক বের করতে হবে
অতএব,
২১৯৫২ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ৭ × ৭ × ৭
সুতরাং,
জোড়বিহীন মৌলিক উৎপাদকটি হলো ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: B) ১০১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৯১, ১০১, ১১৭ এবং ১২৩
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক তা যাচাই করতে হবে
অতএব,
৯১ সংখ্যাটি ১৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ১৩ × ৭ = ৯১
১১৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ × ৩৯ = ১১৭
১২৩ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ × ৪১ = ১২৩
সুতরাং,
১০১ সংখ্যাটিকে কোনো ছোট মৌলিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না
উত্তর: ১০১
সঠিক উত্তর: D) ± ১০
প্রদত্ত তথ্য:
x − y = ২
xy = ২৪
ধরি,
বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে আমরা জানি
(x + y) এর হোল স্কয়ার = (x − y) এর হোল স্কয়ার + ৪xy
অতএব,
মান বসিয়ে পাই
(x + y) এর হোল স্কয়ার = (২) এর হোল স্কয়ার + ৪ × ২৪
(x + y) এর হোল স্কয়ার = ৪ + ৯৬
সুতরাং,
(x + y) এর হোল স্কয়ার = ১০০
x + y = ± √১০০
উত্তর: ± ১০
সঠিক উত্তর: B) ৫√৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো a এর মান নির্ণয় সংক্রান্ত
এখানে a এর সূচকীয় মান দেওয়া আছে
ধরি,
a এর মূল সমীকরণটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করে
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী সমাধান করতে হবে
অতএব,
সমীকরণটির উভয় পক্ষ সরলীকরণ করা হলো
সূচকের মানগুলো যোগ ও বিয়োগ করা হলো
সুতরাং,
হিসাব করে a এর মান পাওয়া গেল
উত্তর: ৫√৫
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো ২ এবং সংখ্যাটি হলো বর্গমূল ৫৪০০
ধরি,
প্রদত্ত রাশির মান হলো এক্স
অতএব,
লগ এর নিয়ম অনুসারে ভিত্তি এবং সংখ্যার সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে
সুতরাং,
এখানে ৫৪০০ কে ভাঙালে দুই এর ঘাত হিসাব করা সহজ হয়
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) − ১/৪
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিপদী রাশিটি হলো x২ + x − m
রাশিটিকে একটি পূর্ণবর্গ রাশি বানাতে হবে
ধরি,
পূর্ণবর্গ রাশির সাধারণ রূপ হলো (a + b)২ = a২ + ২ab + b২
প্রদত্ত রাশির প্রথম পদ a = x
অতএব,
প্রদত্ত রাশির মধ্যবর্তী পদ x হলো ২ab এর সমান
এখানে ২ab = x
সুতরাং b = ১/২
সুতরাং,
শেষ পদ b২ হলো (১/২)২ বা ১/৪ এর সমান
প্রদত্ত রাশির শেষ পদ হলো − m
উত্তর: − m = ১/৪ অর্থাৎ m = − ১/৪
সঠিক উত্তর: D) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ২
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
অনুপাতের সাধারণ রাশি = ক
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
সংখ্যা দুটি হলো বারো এবং আট
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে
১২ এবং ৮ এর লসাগু = ২৪
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: C) b^2 = ca
প্রদত্ত তথ্য:
a, b, c রাশি তিনটি ক্রমিক সমানুপাতিক
ধরি,
প্রথম রাশি = a
দ্বিতীয় রাশি = b
তৃতীয় রাশি = c
অতএব,
সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায়
a অনুপাত b সমান b অনুপাত c
সুতরাং,
a ভাগ b সমান b ভাগ c
উত্তর: b^2 = ca
সঠিক উত্তর: A) ২০ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির দৈর্ঘ্য = ২০ মিটার
উন্নতির কোণ = ৪৫ ডিগ্রি
ধরি,
খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
লম্ব = ২০ মিটার
ভূমি = ক মিটার
ট্যান ৪৫ ডিগ্রি = লম্ব ÷ ভূমি
সুতরাং,
১ = ২০ ÷ ক
ক = ২০
উত্তর: ২০ মি.
সঠিক উত্তর: C) ২
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ কিমি যেতে এবং ফিরে আসতে মোট সময় লাগে ৪ ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে ৫ কিমি যেতে যে সময় লাগে প্রতিকূলে ৩ কিমি যেতে একই সময় লাগে
ধরি,
স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ = x কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = y কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
প্রশ্নমতে, x : y = ৫ : ৩
সুতরাং, x = ৫k এবং y = ৩k, যেখানে k একটি ধ্রুবক
সুতরাং,
১৫ কিমি অনুকূলে যেতে সময় লাগে ১৫ ÷ (৫k) এবং প্রতিকূলে আসতে সময় লাগে ১৫ ÷ (৩k)
শর্তানুসারে, (১৫ ÷ ৫k) + (১৫ ÷ ৩k) = ৪
উত্তর: সমাধান করে k এর মান ১ এবং স্রোতের বেগ (৫ − ৩) ÷ ২ = ২ কিমি প্রতি ঘণ্টা পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর: A) ১৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ঘরের মেঝের ক্ষেত্রফল = ১৯২ বর্গমিটার
দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল সমান থাকে
ধরি,
মেঝের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
মেঝের প্রস্থ = খ মিটার
অতএব,
দৈর্ঘ্য গুণ প্রস্থ = ক্ষেত্রফল
অর্থাৎ ক × খ = ১৯২
সুতরাং,
শর্তমতে (ক − ৪) × (খ + ৪) = ১৯২
সমাধান করে পাই, ক = ১৬ মিটার
উত্তর: ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ৪৫৩৫২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৩২ ÷ (৬৪)x = ৮
ধরি,
৬৪ হলো দুই এর ঘাত ছয়
৩২ হলো দুই এর ঘাত পাঁচ
অতএব,
সমীকরণটি লেখা যায় দুই এর ঘাত পাঁচ ভাগ দুই এর ঘাত ছয় এক্স সমান দুই এর ঘাত তিন
সুতরাং,
পাঁচ বিয়োগ ছয় এক্স সমান তিন
উত্তর: এক্স এর মান ৪৫৩৫২
সঠিক উত্তর: B) a ≠ 0
প্রদত্ত তথ্য:
সূচকের ঋণাত্মক নিয়ম অনুযায়ী a এর পাওয়ার ঋণাত্মক n হলে তার মান হয় এক ভাগ a এর পাওয়ার n
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে হরের মান কখনো শূন্য হতে পারে না
ধরি,
a একটি বাস্তব সংখ্যা এবং এর পাওয়ার ঋণাত্মক n
এই শর্তে সম্পর্কটি লেখা হয় এক ভাগ a এর পাওয়ার n আকারে
অতএব,
হরে a থাকার কারণে ভগ্নাংশটি সংজ্ঞায়িত হতে হয়
হরে থাকা মানটি শূন্য হলে ভগ্নাংশটি অসংজ্ঞায়িত হয়ে যায়
সুতরাং,
সম্পর্কটি সব বাস্তব মানের জন্য সত্য হতে পারে কেবল a এর মান শূন্য না হলে
উত্তর: B) a ≠ 0
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
ধরি,
প্রথম কোণটি = ১x বা x
দ্বিতীয় কোণটি = ১x বা x
তৃতীয় কোণটি = ২x
অতএব,
x + x + ২x = ১৮০ ডিগ্রি
৪x = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
x = ৪৫ ডিগ্রি
কোণগুলো হলো ৪৫ ডিগ্রি, ৪৫ ডিগ্রি এবং ৯০ ডিগ্রি
উত্তর: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ ভাগ
প্রদত্ত তথ্য:
১ ঘন সে.মি. কাঠের ওজন ৭ ডেসিগ্রাম
সমআয়তন পানির ওজন ১ গ্রাম
ধরি,
১ গ্রাম = ১০ ডেসিগ্রাম
অতএব,
১ ঘন সে.মি. পানির ওজন ১০ ডেসিগ্রাম
কাঠের ওজন ৭ ডেসিগ্রাম
সুতরাং,
পানির ওজনের শতকরা হার = (৭ ÷ ১০) × ১০০%
উত্তর: ৭০ ভাগ
সঠিক উত্তর: C) π : 2√π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ক্ষেত্রফল বর্গের ক্ষেত্রফলের সমান
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a
অতএব,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r
বর্গের ক্ষেত্রফল = a × a
সুতরাং,
π × r × r = a × a
অতএব,
a = r × √π
বৃত্তের পরিসীমা বা পরিধি = ২ × π × r
বর্গের পরিসীমা = ৪ × a = ৪ × r × √π
সুতরাং,
বৃত্তের পরিসীমা : বর্গের পরিসীমা = (২ × π × r) : (৪ × r × √π)
উত্তর: π : ২√π
সঠিক উত্তর: A) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
২ sin২(θ) + ৩ cos(θ) − ৩ = ০
যেখানে θ একটি সূক্ষ্মকোণ
ধরি,
sin২(θ) এর পরিবর্তে ১ − cos২(θ) বসাই
তাহলে সমীকরণটি দাঁড়ায়
২ (১ − cos২(θ)) + ৩ cos(θ) − ৩ = ০
অতএব,
২ − ২ cos২(θ) + ৩ cos(θ) − ৩ = ০
− ২ cos২(θ) + ৩ cos(θ) − ১ = ০
২ cos২(θ) − ৩ cos(θ) + ১ = ০
সুতরাং,
(২ cos(θ) − ১) (cos(θ) − ১) = ০
cos(θ) এর মান ১/২ অথবা ১
যেহেতু θ একটি সূক্ষ্মকোণ তাই cos(θ) এর মান ১/২
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: A) πrx/180° একক
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ = x°
ধরি,
বৃত্তের সম্পূর্ণ পরিধি = ২πr
বৃত্তের কেন্দ্রে সম্পূর্ণ কোণ = ৩৬০°
অতএব,
৩৬০° কোণের জন্য চাপের দৈর্ঘ্য = ২πr
১° কোণের জন্য চাপের দৈর্ঘ্য = ২πr ÷ ৩৬০°
সুতরাং,
x° কোণের জন্য চাপের দৈর্ঘ্য = (২πr × x°) ÷ ৩৬০° = πrx/180° একক
উত্তর: πrx/180° একক
সঠিক উত্তর: D) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহু দুইটি প্রতিটি = ৫ একক
ত্রিভুজের ভূমি = ৬ একক
ধরি,
সমান বাহু দুটিকে a এবং ভূমিকে b ধরা হলো
এখানে a = ৫ এবং b = ৬
অতএব,
ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪ × a × a − b × b)
মানগুলো বসিয়ে পাই, (৬ ÷ ৪) × √(৪ × ৫ × ৫ − ৬ × ৬)
সুতরাং,
(৬ ÷ ৪) × √(১০০ − ৩৬) = (৬ ÷ ৪) × √৬৪
(৬ ÷ ৪) × ৮ = ১২
উত্তর: ১২ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: B) ২৭ cm
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ৮১০ বর্গ cm
ভূমি উচ্চতার দ্বিগুণ অপেক্ষা ৬ cm বেশি
ধরি,
ত্রিভুজের উচ্চতা = x cm
ত্রিভুজের ভূমি = (২ × x + ৬) cm
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
৮১০ = (১ ÷ ২) × (২x + ৬) × x
১৬২০ = x × (২x + ৬)
সুতরাং,
২x বর্গ + ৬x − ১৬২০ = ০
x বর্গ + ৩x − ৮১০ = ০
(x − ২৭) × (x + ৩০) = ০
যেহেতু উচ্চতা ঋণাত্মক হতে পারে না,
তাই x = ২৭
উত্তর: ২৭ cm
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- নিউইয়র্ক শহরটি বিশের দশকে প্রথম অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রাচুর্যের প্রতীক হিসেবে দ্য বিগ অ্যাপেল নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় এই নাম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — যুক্তরাজ্যর রাজধানী হলেও এই নামে পরিচিত নয়, এটি কুয়াশার শহর হিসেবে খ্যাত।
B) প্যারিস — এটি ফ্যাশন ও প্রেমের শহর বা আলোর শহর নামে পরিচিত।
C) সিঙ্গাপুর — এটি উদ্যান নগরী বা লায়ন সিটি নামে পরিচিত।
D) নিউইয়র্ক — এটি বিগ অ্যাপেল নামে পরিচিত এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নিউইয়র্কে আপেল ফলটি খুব জনপ্রিয় বা বড় আকারের অর্থনীতি বোঝাতে বিগ অ্যাপেল মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) আইজ্যাক নিউটন
কেন সঠিক:
- আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে তার 'প্রিন্সিপিয়া' গ্রন্থে আলোর কণা তত্ত্ব বা করপাসকুলার তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী আলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও গতিশীল কণার স্রোত হিসেবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইজ্যাক নিউটন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) অ্যালো হ্যাজেন — তিনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত মুসলিম গণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী যিনি আলোকরশ্মির প্রতিফলন ও প্রতিসরণ নিয়ে কাজ করেছিলেন, কণা তত্ত্বের প্রবক্তা নন।
C) গ্যালিলিও — তিনি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি ঘটিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবদান রেখেছেন কিন্তু আলোর কণা তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) রামফোর্ড — কাউন্ট রামফোর্ড তাপ যে গতিশক্তি, তা প্রমাণ করেছিলেন কিন্তু আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা নন।
মনে রাখার টিপস:
নিউটন মানেই গতি ও কণার হিসাব, তাই আলোর কণা তত্ত্বের সাথে নিউটনের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্লিপবোর্ড
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে কোনো ডেটা কপি বা কাট করার পর তা সাময়িক জমা রাখার জন্য মেমোরির একটি নির্দিষ্ট স্থান ব্যবহৃত হয়।
- এই সাময়িক ধারণ করার স্থানটিকেই ক্লিপবোর্ড বলা হয়, যা পরবর্তীতে পেস্ট কমান্ডের মাধ্যমে অন্য কোথাও ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হার্ডডিস্ক — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম, সাময়িক কপি করা ডেটা এখানে রাখা হয় না।
B) RAM — এটি কম্পিউটারের মূল প্রধান মেমোরি হলেও, বিশেষভাবে কপি করা ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত নির্দিষ্ট জায়গা হলো ক্লিপবোর্ড।
C) ক্লিপবোর্ড — এটি সঠিক উত্তর।
D) ROM — এটি শুধুমাত্র পাঠযোগ্য স্থায়ী মেমোরি, যা কম্পিউটার চালুর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংরক্ষণ করে এবং এতে ডেটা পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
কপি করলেই তা ক্লিপবোর্ডে আটকে থাকে, এই মিল মনে রাখলে উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) EU
কেন সঠিক:
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ (EU) বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট, যার সম্মিলিত জিডিপি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্থান দখল করে আছে।
- এটি কেবল মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল নয়, বরং একটি একক বাজার এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ইউনিয়ন হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ASEAN — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যা অর্থনৈতিক দিক থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনায় আকারে অনেক ছোট।
B) SAFTA — এটি দক্ষিণ এশিয়ার মুক্ত বাণিজ্য এলাকা নির্দেশ করে, যার অর্থনৈতিক পরিধি ও জিডিপির আকার বিশ্বমঞ্চে তুলনামূলকভাবে বেশ কম।
D) WTO — এটি কোনো অর্থনৈতিক বা আঞ্চলিক জোট নয়, বরং বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়ম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত একটি বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের দেশগুলোর অর্থনৈতিক শক্তি সবচেয়ে বেশি, তাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট হলো ইইউ (EU)।
সঠিক উত্তর: D) সোনাদিয়া
কেন সঠিক:
- সোনাদিয়া দ্বীপে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় সোনাদিয়া প্রকল্পটি পরিবর্তন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি দ্বীপ হলেও এখানে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কোনো প্রস্তাবিত পরিকল্পনা নেই।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালীর একটি উপকূলীয় দ্বীপ এবং এখানে গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব নেই।
C) মনপুরা — এটি ভোলার একটি দ্বীপ উপজেলা এবং এটি গভীর সমুদ্র বন্দরের জন্য নির্ধারিত কোনো স্থান নয়।
D) সোনাদিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ কক্সেস বাজারের এই দ্বীপে গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের প্রাথমিক প্রস্তাব নেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
গভীর সমুদ্র বন্দর হিসেবে প্রথমে সোনাদিয়া দ্বীপের নাম শোনা গেলেও বর্তমানে মাতারবাড়ি বন্দর প্রধান প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- বর্ধমান হাউজ বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এবং এটি বাংলা একাডেমির মূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ঐতিহাসিক এই ভবনটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর নির্মিত হয়েছিল এবং ১৯৫৫ সালে এখানে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্ধমান হাউজ ঢাকায় অবস্থিত এবং বর্তমানে এটি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের অন্তর্ভুক্ত।
B) কলকাতা — এটি ভুল কারণ বর্ধমান হাউজের নামকরণে বর্ধমান নাম থাকলেও এটি ভারতের কলকাতায় অবস্থিত নয়।
C) পশ্চিমবঙ্গ — এটি ভুল কারণ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় বর্ধমান রাজপরিবারের মূল প্রাসাদ থাকলেও এই নির্দিষ্ট 'বর্ধমান হাউজ' ঢাকায় অবস্থিত।
D) কুষ্টিয়া — এটি ভুল কারণ কুষ্টিয়ায় ঐতিহাসিক অনেক ভবন থাকলেও বর্ধমান হাউজ এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলন ও বাংলা একাডেমির সঙ্গে জড়িত বর্ধমান হাউজ সবসময় রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
- এই ভাষণের মাধ্যমে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত পটভূমি বিশ্ববাসীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই ইউনেস্কো ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
B) ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সাল — এটি ভুল তারিখ কারণ এর এক মাস আগেই ইউনেস্কো তাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিল।
C) ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সাল — এটি ভুল কারণ সাল এবং মাস উভয় তথ্যই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলে না।
D) ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সাল — এটি ভুল কারণ ঘটনাটি ২০১৮ সালে নয়, বরং ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর, যেখানে সালটি ২০১৭ এবং মাসটি অক্টোবর মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ১১টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।
- সর্বশেষ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর মোট বোর্ডের সংখ্যা ১১টিতে উন্নীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮টি — এটি পুরনো তথ্য, বর্তমানে বোর্ডের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
B) ৯টি — এই সংখ্যাটি বর্তমানের মোট শিক্ষা বোর্ডের সঠিক হিসাব নয়।
সি) ১০টি — ময়মনসিংহ বোর্ড গঠনের আগে বোর্ডের সংখ্যা ১০টি ছিল, যা এখন পরিবর্তিত হয়েছে।
ডি) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে দেশের মোট শিক্ষা বোর্ডের সংখ্যা ১১টি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মোট শিক্ষা বোর্ড মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এক এক অর্থাৎ ১১টি।
সঠিক উত্তর: A) ফেনী
কেন সঠিক:
- বিলোনিয়া সীমান্ত বাংলাদেশের ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার অন্তর্গত একটি অতি পরিচিত সীমান্তবর্তী এলাকা।
- এই সীমান্ত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাব্রুম জেলার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত এবং ঐতিহাসিক নানা ঘটনার জন্য এটি বিখ্যাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেনী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বিলোনিয়া সীমান্ত ফেনী জেলায় অবস্থিত।
B) নিলফামারী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে বিলোনিয়া সীমান্ত নেই, এখানে ভারতের সাথে অন্য সীমান্ত রয়েছে।
C) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা এবং এখানে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত, বিলোনিয়া সীমান্ত নয়।
D) জয়পুরহাট — এটি রাজশাহী বিভাগের একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এখানে বিলোনিয়া সীমান্ত অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফেনীর ফুলবাগান বা পরশুরামে বিলোনিয়া সীমান্ত অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) নেদারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- নেদারল্যান্ডস নিচু ভূমি ও নদীর ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী।
- তাদের ডেল্টা প্ল্যান বা ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনার সফল মডেল অনুসরণ করেই বাংলাদেশ ২১০০ সালের দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইজারল্যান্ড — এটি পাহাড়ি ও ভূমাবেষ্টিত দেশ হওয়ায় ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনার জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) নেদারল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) আয়ারল্যান্ড — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনার সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক বা কৌশলগত সম্পর্ক নেই।
D) ফিনল্যান্ড — এটি হাজার হ্রদের দেশ এবং ব-দ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
নেদারল্যান্ডের মতো বাংলাদেশও নদীমাতৃক ও নিচু দেশ হওয়ায় তাদের ডেল্টা মডেল অনুসরণ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- পুণ্ড্র হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার কেন্দ্র ছিল বর্তমান মহাস্থানগড়।
- ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী এটিই বাংলার সবচেয়ে পুরোনো ঐতিহাসিক জনপদের স্বীকৃতি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্ড্র — এটি বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ এবং এর প্রধান শহর ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়।
B) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ হলেও পুণ্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়।
C) রাঢ় — এটি ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা পুণ্ড্রর সমসাময়িক বা পরবর্তী।
D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ, যা পরবর্তীকালের ইতিহাসেও পরিচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীনতম জনপদ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখুন পুণ্ড্র মানেই প্রাচীনতম।
সঠিক উত্তর: D) ৮৮°০১ থেকে ৯২° ৪১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সম্পূর্ণভাবে উত্তর গোলার্ধ ও পূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত।
- এর ভৌগোলিক দ্রাঘিমা বিস্তার হলো ৮৮°০১ পূর্ব থেকে ৯২° ৪১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪° ৩০ থেকে ২৮°৩৪ দক্ষিণ অক্ষাংশ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ গোলার্ধে নয়, বরং উত্তর অক্ষাংশের ভেতরে অবস্থিত।
B) ৮০°৩৪ থেকে ৪০°৯০ পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ পশ্চিম গোলার্ধে নয়, বরং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
C) ৩৪°২৫ থেকে ২৮°৩৮ উত্তর অক্ষাংশ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের সঠিক উত্তর অক্ষাংশ বিস্তার হলো ২০°৩৪ থেকে ২৬°৩৮ উত্তর অক্ষাংশ।
D) ৮৮°০১ থেকে ৯২° ৪1 পূর্ব দ্রাঘিমাংশ — এটি সঠিক এবং বাংলাদেশের প্রকৃত ভৌগোলিক দ্রাঘিমা সীমাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দ্রাঘিমা মনে রাখতে আশি-আট থেকে বিরানব্বই এবং অক্ষাংশ কুড়ি থেকে ছাব্বিশ এই সংখ্যাগুলো মনে রাখতে হবে।
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) লুব্ধক
কেন সঠিক:
- লুব্ধক বা সাইরিয়াস হলো রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র।
- এটি পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলোর একটি এবং এর الظاهری মান মাইনাস ১.৪৬।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুব্ধক — এটি রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) সূর্য — সূর্য একটি নক্ষত্র এবং আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র, তবে এটি রাতের আকাশে দেখা যায় না, এটি দিনের আকাশে উজ্জ্বলতম।
C) প্রক্সিমাসেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, তবে এর উজ্জ্বলতা কম হওয়ায় খালি চোখে দেখা যায় না।
D) ধ্রুবতারা — এটি উত্তর গোলার্ধের দিক নির্দেশক হিসেবে পরিচিত একটি নক্ষত্র, তবে এটি লুব্ধকের মতো সবচেয়ে উজ্জ্বল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাতের আকাশে উজ্জ্বলতম কে? উত্তর হলো লুব্ধক, এটি সিরিয়াস নামেও পরিচিত।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ সন
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালে পুলিশি গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
- তাঁর স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন মেডিকেল হলের নামকরণ করা হয় আসাদ গেট এবং এর আশপাশের এলাকার নামকরণ করা হয় আসাদগেট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৭ সন — এই সনে ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হয় এবং ব্রিটিশ শাসন অবসান ঘটে, যা আসাদগেটের পটভূমির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৯৫২ সন — এই সন বাঙালির ভাষা আন্দোলনের সাথে গভীরভাবে জড়িত, যা আসাদগেটের নামকরণের ঘটনার সাথে মেলে না।
C) ১৯৬৯ সন — এই সনে গণঅভ্যুত্থানের সময় শহীদ আসাদের আত্মত্যাগের স্মরণে আসাদগেট নামকরণ করা হয়।
D) ১৯৭১ সন — এই সন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত, যা আসাদগেটের ঐতিহাসিক পটভূমির আগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন, তাই আসাদগেট নামটি ১৯৬৯ সনের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খান
কেন সঠিক:
- সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা যখন প্রথম মুঘল বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন, তখন শহরের জল নিষ্কাশন ও নৌ যোগাযোগের জন্য ধোলাইখাল খনন করান।
- ঐতিহাসিক সূত্র মতে, এটি বুড়িগঙ্গা নদী থেকে সুরঙ্গ বা খালের মাধ্যমে সংযোগ রক্ষা করার জন্য মুঘল আমলে খনন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুঘল সুবেদার হিসেবে ঢাকায় রাজধানী স্থাপনকালে এই খাল খনন করেছিলেন।
B) সরফরাজ খান — তিনি বাংলার পরবর্তী একজন সুবেদার ছিলেন, যিনি ধোলাইখাল খননের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) মুর্শিদ কুলি খান — তিনি বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করেছিলেন, ধোলাইখাল খনন করেননি।
D) ঈশা খান — তিনি বাংলার বারো ভুঁইয়াদের প্রধান ছিলেন এবং ধোলাইখাল খননের সঙ্গে তার কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা রাজধানীর প্রতিষ্ঠাতা ইসলাম খান, আর ধোলাইখাল খনন করেছিলেন এই ইসলাম খান।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৭ সাল
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ইউনেস্কো একে ছয় ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে তাদের বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে।
- সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও অনন্য ম্যানগ্রোভ বনের বিশ্বজনীন গুরুত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সাল — এই সালে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৯৭ সাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সুন্দরবন ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করে।
C) ১৯৯৮ সাল — এই সালে সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
D) ১৯৯৯ সাল — এই সালে সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি, এটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য হলো সাতচল্লিশের ঠিক পঞ্চাশ বছর পর অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে।
সঠিক উত্তর: A) ল্যাটিন
কেন সঠিক:
- ‘ভেটো’ একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ আমি নিষেধ করছি।
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আইনশাস্ত্রে কোনো প্রস্তাবের ওপর অননুমোদন বা নিষেধাজ্ঞা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ল্যাটিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভেটো শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে সরাসরি ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষায় এসেছে।
B) গ্রিক — এটি গ্রিক শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ফ্রেঞ্চ — এটি ফরাসি বা ফ্রেঞ্চ শব্দ নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
D) ইংরেজি — এটি মূলত ইংরেজি শব্দ নয়, যদিও বর্তমানে ইংরেজি ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দের অর্থ নিষেধ করা, তাই ভেটো মানে নিষেধ।
সঠিক উত্তর: D) জিব্রাল্টার
কেন সঠিক:
- জিব্রাল্টার প্রণালিটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোর মাঝে অবস্থিত এবং এটি ভূ-মধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- কৌশলগত ও বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রধান সামুদ্রিক পথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরমুজ — এই প্রণালিটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে, যা ভূ-মধ্যসাগর বা আটলান্টিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) বসফরাস — এই প্রণালিটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে যুক্ত করেছে এবং এটি তুরস্কে অবস্থিত।
C) পক — এই প্রণালিটি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের অংশবিশেষকে সংযুক্ত করেছে।
D) জিব্রাল্টার — এটি ভূ-মধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্তকারী সঠিক প্রণালি।
মনে রাখার টিপস:
জিব্রাল্টার নামটির প্রথম অক্ষর জ দিয়ে আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূ-মধ্যসাগরের সংযোগকারী প্রধান প্রণালি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) লিও টলস্টয়
কেন সঠিক:
- ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটির রচয়িতা রুশ সাহিত্যিক লিও টলস্টয়।
- নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং রুশ সমাজের ওপর তার প্রভাব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং কমিউনিস্ট ইশতেহার ও দাস ক্যাপিটাল গ্রন্থের রচয়িতা, ঔপন্যাসিক নন।
B) জেন অস্টিন — তিনি একজন বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস অন্যতম।
C) মন্টেস্কু — তিনি ফরাসি দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, যিনি দ্য স্পিরিট অফ লজ গ্রন্থটি লিখেছেন।
D) লিও টলস্টয় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
যুদ্ধে শান্তি (War and Peace) আনতে রাশিয়ার টলস্টয় তার বিশাল উপন্যাস উপহার দিয়েছেন।
সঠিক উত্তর: A) জটিল সার্জারি চিকিৎসায়
কেন সঠিক:
- রোবট মানুষের চেয়ে অনেক বেশি নিখوঁপ ও নির্ভুলভাবে হাত ও যন্ত্র পরিচালনা করতে পারে।
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোবটিক সার্জারির মাধ্যমে হৃদরোগ বা মস্তিষ্কের মতো জটিল ও সংবেদনশীল অপারেশন সফলভাবে করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জটিল সার্জারি চিকিৎসায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে রোবট সার্জারিতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
B) ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে — এটি স্বাক্ষর যাচাই বা বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির কাজ, রোবটের কাজ নয়।
C) নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে — এটি জিনপ্রকৌশল এবং কৃষি বিজ্ঞানের গবেষণাগারের কাজ, যেখানে রোবটের ব্যবহার প্রধান নয়।
D) টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে — এটি সাধারণ কারখানায় স্বয়ংক্রিয় মেশিনের সাহায্যে করা হয়, রোবটের সার্জিক্যাল বা উন্নত কাজের প্রয়োজন হয় না।
মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসাক্ষেত্রে মানুষের হাতের কাঁপুনি দূর করে নিখুঁতভাবে কাটা ও সেলাই করার জন্য রোবট ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) ফিলিস্তিন
কেন সঠিক:
- আল আকসা মসজিদ পূর্ব জেরুজালেম বা বায়তুল মোকাদ্দাসে অবস্থিত, যা ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড।
- আন্তর্জাতিকভাবে পূর্ব জেরুজালেমকে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিলিস্তিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরে অবস্থিত।
B) ইসরাইল — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও, আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অনুযায়ী এটি ফিলিস্তিনের অন্তর্ভুক্ত।
C) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার সঙ্গে আল আকসা মসজিদের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) সৌদি আরব — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যেখানে মক্কা ও মদিনা অবস্থিত, কিন্তু আল আকসা মসজিদ এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
আল আকসা মসজিদ বায়তুল মোকাদ্দাস বা ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত, যা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান।
সঠিক উত্তর: D) প্লাটিনাম
কেন সঠিক:
- প্লাটিনাম প্রকৃতির অত্যন্ত দুর্লভ এবং বিরল একটি ধাতু, যার উৎপাদন স্বর্ণ বা রূপার তুলনায় খুবই কম।
- এর স্থায়িত্ব, উজ্জ্বলতা এবং ক্ষয়রোধী গুণের কারণে বিশ্ব বাজারে এর আর্থিক মূল্য সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বর্ণ — স্বর্ণ অত্যন্ত মূল্যবান হলেও এটি প্লাটিনামের চেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপাদিত হয় এবং এর বাজারমূল্য প্লাটিনামের নিচে থাকে।
B) হীরা — হীরা পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান বস্তু হলেও এটি কোনো ধাতু নয়, এটি মূলত কার্বনের একটি রূপভেদ বা অধাতু।
C) সিলভার — সিলভার বা রূপা একটি মূল্যবান ধাতু হলেও এর প্রাচুর্য স্বর্ণ ও প্লাটিনামের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এর দাম কম।
D) প্লাটিনাম — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি উল্লিখিত ধাতুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দুর্লভ ও দামি।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে দামি ধাতু মনে রাখতে 'প্লাটিনাম' শব্দটি মনে রাখুন, যা স্বর্ণের চেয়েও দুর্লভ।
সঠিক উত্তর: D) সোমাটোট্রফিন
কেন সঠিক:
- সোমাটোট্রফিন হরমোন মানবদেহের কোষ বিভাজন বৃদ্ধি করে এবং অস্থি ও পেশির বৃদ্ধিতে সরাসরি সাহায্য করে।
- এই হরমোনের অপর নাম গ্রোথ হরমোন, যা পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে শারীরিক বৃদ্ধিকরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইরক্সিন — এটি বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করলেও প্রধান দেহ বৃদ্ধিকারক হরমোন নয়।
B) প্রোল্যাকটিন — এটি স্তন্যগ্রন্থির বিকাশ ও দুগ্ধ উৎপাদনে উদ্দীপনা যোগ করে, যা দেহ বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) এড্রিনালিন — এটি আপৎকালীন হরমোন বা ভীতি ও উত্তেজনার সময় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়াতে কাজ করে।
D) সোমাটোট্রফিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে শরীরের প্রধান বৃদ্ধিকারক হরমোন হিসেবে প্রমাণিত।
মনে রাখার টিপস:
সোমাটোট্রফিন শব্দের সোমা অংশটি শরীর বা দেহ বোঝায়, যা থেকে দেহ বৃদ্ধিকারক হরমোন সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
কেন সঠিক:
- জীবের ডিএনএ পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত গুণসম্পন্ন নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত ফসল বা উদ্ভিদ উদ্ভাবন করা হয়।
- এর মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল শস্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেসিয়াল রিকগনিশন শনাক্তকরণের প্রযুক্তি, যা কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয় না।
B) ভার্চুয়াল রিয়ালিটি — এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক পরিবেশ তৈরি করার মাধ্যম, যা শস্য উৎপাদনে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
C) ন্যানোটেকনোলজি — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা নিয়ে কাজ করার প্রযুক্তি, যা সারের কার্যকারিতা বাড়াতে ব্যবহৃত হলেও প্রধান শস্য উৎপাদন প্রযুক্তি নয়।
D) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি জীবের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে ব্যবহৃত মূল প্রযুক্তি।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চ ফলনশীল শস্য এবং জিন বা ডিএনএ পরিবর্তনের কথা থাকলেই উত্তর হবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
সঠিক উত্তর: B) লালপুর
কেন সঠিক:
- লালপুর উপজেলা নাটোর জেলায় অবস্থিত এবং এটি ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের সর্বাধিক উষ্ণতম স্থান হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
- এখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালখান — এটি কোনো স্বীকৃত উষ্ণতম স্থান নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) লালপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরীক্ষামুখী প্রমাণিত তথ্য।
C) রাজশাহী — রাজশাহী বাংলাদেশের অন্যতম উষ্ণ জেলা হলেও একক স্থান হিসেবে লালপুর উষ্ণতম হিসেবে পরিচিত।
D) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা কিন্তু উষ্ণতম স্থান হিসেবে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
উষ্ণতম স্থান মনে রাখতে 'ল' দিয়ে লালপুর এবং 'ল' দিয়ে উষ্ণতার সর্বোচ্চ লেভেল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) চতু: + পদ
১. কেন সঠিক:
এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়মের উদাহরণ। বিসর্গের পরে প কিংবা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে ক, খ, প বা ফ থাকলে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়। এখানে চতু বিসর্গের পরে পদ শব্দের প থাকার কারণে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য স হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নমঃ + কার = নমস্কার
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে দন্ত স হয়েছে।
উদাহরণ ২: ভাঃ + কর = ভাস্কর
ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে ক থাকার কারণে বিসর্গ স্থানে মূর্ধন্য স হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চতুর + পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মূল শব্দ হিসেবে চতুর ব্যবহার করা হয়েছে যা সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি।
B) চতুষ + পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ বিসর্গ সন্ধিতে সরাসরি স যুক্ত করে সন্ধি হয় না বরং বিসর্গ পরিবর্তন হয়ে স হয়।
C) চতু + পদ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে বিসর্গ চিহ্ন অনুপস্থিত যা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী আবশ্যক ছিল।
D) চতু: + পদ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে পূরণ করেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বিসর্গের পরে প বা ফ দেখলে বিসর্গ তুলে দিয়ে মূর্ধন্য স বসিয়ে দেবে। চতুষ্পদ বা বৃহস্পতি শব্দগুলো এই নিয়মের মাধ্যমে খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসর্গ সন্ধির এই নিয়মটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই নিয়মে বাচস্পতি বা মনঃপীড়া শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ চর্চা করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) ব্যাখ্যামূলক
১. কেন সঠিক:
- বন্ধনী চিহ্ন মূলত কোনো জটিল শব্দ, কঠিন পদ বা দুর্বোধ্য অংশের সহজ অর্থ বা ব্যাখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
- লেখার সময় কোনো নির্দিষ্ট পদের অতিরিক্ত বা স্পষ্টতর বিবরণ দিতে এই যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের যতি বা ছেদ চিহ্ন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ punctuation mark বা বিরামচিহ্ন।
- বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত কোনো বিশেষ শব্দ বা পদের অর্থ আরও পরিষ্কার করার জন্য বন্ধনী বা ব্র্যাকেট ব্যবহার করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলাম (বিদ্রোহী কবি) ১৯২২ সালে অগ্নিবীণা প্রকাশ করেন।
ব্যাখ্যা: এখানে কাজী নজরুল ইসলামের মূল পরিচয়ের সঙ্গে তার বিখ্যাত উপাধি ব্যাখ্যামূলক অর্থে বন্ধনীতে দেওয়া হয়েছে।
উদাহরণ ২: চলিত রীতিতে প্রমিত (মানসম্মত) বাংলা ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
ব্যাখ্যা: প্রমিত শব্দের অর্থ যে মানসম্মত, তা বোঝাতে বন্ধনী চিহ্ন ব্যবহার করে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধাতু বোঝাতে — ধাতু বা মূল অংশ বোঝাতে সাধারণত √ বা ধাতু নির্দেশক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, বন্ধনী নয়।
B) অর্থমূলক — বন্ধনী নিজে কোনো শব্দার্থ প্রকাশ করে না, বরং ব্যাখ্যামূলক বা স্পষ্টীকরণমূলক কাজ করে।
D) উৎপন্ন বোঝাতে — উৎপন্ন বা জাত অর্থে কোনো বিশেষ চিহ্ন বা প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়, বন্ধনী চিহ্ন নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বন্ধনী মানেই ব্যাখ্যা। কোনো শব্দের জটিলতা দূর করতে ব্র্যাকেট বা বন্ধনী ব্যবহার করা হয়।
- পরীক্ষার হলে বন্ধনী দেখলেই মাথায় রাখবে এটি অতিরিক্ত তথ্য বা ব্যাখ্যা যোগ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের কাজ ও ব্যবহার থেকে বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধনে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার নিশ্চিত করেন।
সঠিক উত্তর: A) আ + ঈ = এ
১. কেন সঠিক:
- এই প্রশ্নটি বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি অধ্যায়ের স্বরসন্ধির নিয়মের অন্তর্গত।
- এখানে পূর্বপদের শেষ স্বরধ্বনি আ এবং পরপদের প্রথম স্বরধ্বনি ঈ মিলিত হয়ে এ কার একার ধ্বনি তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সংস্কর ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী অ কিংবা আ এর পর ই কিংবা ঈ থাকলে উভয় মিলে এ কার হয় এবং তা আগের বর্ণে যুক্ত হয়।
- ঢাকেশ্বরী শব্দটির ক্ষেত্রে ঢাকা শব্দের শেষ ধ্বনি আ এবং ঈশ্বরী শব্দের প্রথম ধ্বনি ঈ মিলে এ ধ্বনি সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহা + ঈশ = মহেশ
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের আ এবং পরপদের ঈ মিলে এ কার গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: যথা + ইষ্ট = যথেস্ট
ব্যাখ্যা: এখানে পূর্বপদের আ এবং পরপদের ই মিলে এ কার সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আ + ঈ = এ — এটি সঠিক কারণ ঢাকা শব্দের আ এবং ঈশ্বরী শব্দের ঈ মিলে এ কার উৎপন্ন হয়েছে।
B) অ + ঈ = এ — এটি ভুল কারণ ঢাকা শব্দের শেষ ধ্বনি অ নয় বরং আ।
C) আ + ই = এ — এটি ভুল কারণ ঈশ্বরী শব্দের প্রথম বর্ণ ই নয় বরং দীর্ঘ ঈ।
D) অ + ই = এ — এটি ভুল কারণ এখানে অ এবং ই এর কোনো মিলন ঘটেনি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অ বা আ এর পরে ই বা ঈ থাকলে সর্বদা এ কার হয় এই সূত্রটি মনে রাখবে।
- দীর্ঘ শব্দ গঠনের সময় শব্দের অংশগুলো ভেঙে ধ্বনিগুলো আলাদা করে দেখলে সঠিক নিয়মটি সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি থেকে প্রশ্ন আসে।
- সন্ধি বিচ্ছেদের সময় শব্দের মূল অর্থ ঠিক রেখে ধ্বনির পরিবর্তন বুঝতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সংস্করণ
১. কেন সঠিক:
Edition ইংরেজি পারিভাষিক শব্দটির বাংলা অর্থ হলো সংস্করণ। বই, পত্রিকা বা কোনো গ্রন্থের প্রাক্কলন বা প্রকাশের নির্দিষ্ট রূপকে সংস্করণ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ভাষার পারিভাষিক শব্দের অংশ। ইংরেজি প্রশাসনিক ও সাহিত্যিক শব্দের সঠিক বাংলা রূপান্তর জানার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: First edition অর্থ প্রথম সংস্করণ।
ব্যাখ্যা: কোনো বই প্রথম প্রকাশের পর তা প্রথম সংস্করণ হিসেবে গণ্য হয়।
উদাহরণ ২: Revised edition অর্থ পরিবর্ধিত সংস্করণ।
ব্যাখ্যা: বইয়ে নতুন তথ্য যুক্ত করে যখন পুনরায় প্রকাশ করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্করণ — এটি Edition শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ।
B) সম্পাদক — এটি Editor শব্দের বাংলা অর্থ।
C) সম্পাদকীয় — এটি Editorial শব্দের বাংলা অর্থ।
D) অনুসন্ধান — এটি Search বা Investigation শব্দের বাংলা অর্থ।
৫ মনে রাখার টিপস:
Edition শব্দের প্রথম অক্ষর ই এবং এর সাথে সংস্করণ শব্দটির মিল রেখে মনে রাখা যায়। বই প্রকাশের ধারাকে সংস্করণ বলা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পারিভাষিক শব্দ থেকে প্রতি বছর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন থাকে। ইংরেজি শব্দের সাথে মিল রেখে সঠিক বাংলা অর্থ মুখস্থ করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ধ্বনিতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। ব্যাকরণে পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলা হয়, যা ধ্বনিতত্ত্বের আলোচনার মূল বিষয়।
ধ্বনির পরিবর্তন, মিলন এবং উচ্চারণের সুবিধা সংক্রান্ত আলোচনা ধ্বনিতত্ত্বে করা হয় বলে সন্ধি এই অংশে আলোচিত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বে বর্ণ, ধ্বনি, নত্ব ও ষত্ব বিধান, সন্ধি, উচ্চারণ ইত্যাদি আলোচিত হয়।
পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা উচ্চারণের দ্রুততার কারণে যে পরিবর্তন ঘটে, তা ধ্বনিতত্ত্বের আওতাভুক্ত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হিম + আলয় = হিমালয়
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম শব্দের শেষের অ এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুর আ মিলে ধ্বনিগত পরিবর্তন ঘটিয়েছে।
উদাহরণ ২: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা: এটি স্বরধ্বনির মিলনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ যা ধ্বনিতত্ত্বের নিয়মে সাধিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপতত্ত্বে — রূপতত্ত্বে শব্দ, পদ, বচন, লিঙ্গ ও কারক ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
B) বাক্যতত্ত্বে — বাক্যতত্ত্বে পদের বিন্যাস, বাক্য গঠন ও বাক্যের রূপান্তর আলোচিত হয়।
C) অর্থতত্ত্বে — অর্থতত্ত্বে শব্দের অর্থ, বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচনের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
D) ধ্বনিতত্ত্বে — এটি সঠিক কারণ ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তন ধ্বনিতত্ত্বে আলোচিত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
সন্ধি মানেই দুটি ধ্বনির মিলন। ধ্বনির আলোচনা যেখানে, সন্ধি সেখানেই অর্থাৎ ধ্বনিতত্ত্বে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি কোন ব্যাকরণের অংশ তা প্রায়ই আসে। ধ্বনি সংক্রান্ত যেকোনো মিলনের প্রশ্ন এলে ধ্বনিতত্ত্ব উত্তর হবে।
সঠিক উত্তর: A) প্রাপকের এলাকা
১. কেন সঠিক:
পোস্টাল কোড বা জিপ কোড হলো কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ডাকঘর বা অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত চার বা পাঁচ অঙ্কের একটি সাংকেতিক নম্বর।
চিঠি বা পার্সেল প্রেরক যখন কোনো ঠিকানায় পাঠান, তখন ডাক বিভাগ এই কোড দেখে খুব সহজে বুঝতে পারে চিঠিটি দেশের কোন অঞ্চলের বা কোন এলাকার প্রাপকের কাছে পৌঁছাতে হবে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান ও দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহৃত পারিভাষিক বা প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের অন্তর্ভুক্ত।
পোস্টাল কোডের মাধ্যমে ডাক যোগাযোগের প্রক্রিয়ায় প্রাপকের ভৌগোলিক অবস্থান ও এলাকা নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঢাকা ১০০০
ব্যাখ্যা: এটি ঢাকার জিরো পয়েন্ট ও মতিঝিল এলাকার পোস্টাল কোড, যা ওই এলাকার প্রাপককে নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: রাজশাহী ৬০০০
ব্যাখ্যা: এটি রাজশাহী সদর এলাকার পোস্টাল কোড, যা রাজশাহী অঞ্চলের প্রাপকের এলাকা বোঝায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাপকের এলাকা — এটি সঠিক কারণ পোস্টাল কোড দিয়ে প্রাপকের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ও এলাকা চিহ্নিত করা হয়।
B) ডাকবিভাগের নাম — এটি ভুল কারণ ডাকবিভাগের একটি নির্দিষ্ট নাম থাকে, যেমন বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, কোনো কোডের মাধ্যমে পুরো বিভাগের নাম নির্দেশ করা হয় না।
C) পোস্ট অফিসের নাম — এটি ভুল কারণ কোডটি নির্দিষ্ট কোনো একটি পোস্ট অফিসের ভবন বোঝায় না, বরং পুরো পোস্টাল এলাকার আওতাধীন অঞ্চল নির্দেশ করে।
D) প্রেরকের এলাকা — এটি ভুল কারণ চিঠি বা পার্সেলের গায়ে যে পোস্টাল কোড লেখা হয় তা প্রাপকের ঠিকানা নিশ্চিত করার জন্য, প্রেরকের এলাকার জন্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
চিঠি পাঠানোর সময় প্রাপকের ঠিকানার শেষে পোস্টাল কোড লেখা হয় যাতে প্রাপকের এলাকা খুব দ্রুত চেনা যায়।
মনে রাখবে কোড মানেই প্রাপকের এলাকার ঠিকানা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলাদেশের পোস্টাল কোড সাধারণত চার অঙ্কের হয়ে থাকে এবং প্রথম দুটি অঙ্ক জেলা বা অঞ্চল নির্দেশ করে।
নিয়োগ পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত সাধারণ জ্ঞান বা দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অংশ থেকে আসে।
সঠিক উত্তর: D) কানাকানি
১. কেন সঠিক:
- কানাকানি শব্দটি দুটি একই জাতীয় পদের পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থে গঠিত হওয়ায় এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।
- এই সমাসে একই পদের পারস্পরিক ক্রিয়ায় বা অর্থে নতুন পদ গঠিত হয় এবং অন্য পদ প্রধান হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি পদের মধ্যে পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থে ক্রিয়া বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
- কানাকানি শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কানে কানে যে কথা। এখানে দুটি কানে কথা বলার পারস্পরিক বিনিময় প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, অর্থাৎ দুটি হাতের পারস্পরিক মারামারি বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
উদাহরণ ২: কোলাকুলি
ব্যাখ্যা: কোলায় কোলায় যে আলিঙ্গন, অর্থাৎ দুজনের পারস্পরিক বুক মেলানো বোঝাতে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিরসুখী — এটি বহুব্রীহি সমাসের অন্য ভেদ বা নিত্য সমাস হতে পারে, যা পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝায় না।
B) দশানন — এটি বহুব্রীহি সমাসের সংখ্যাবাচক বা সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস, কারণ এর ব্যাসবাক্য দশ আনন যার।
C) গায়েহলুদ — এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ, কারণ এর ব্যাসবাক্য গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে।
D) কানাকানি — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি পারস্পরিক অর্থ প্রকাশ করার কারণে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- দুটি একই শব্দের পুনরাবৃত্তি এবং মাঝখানে পারস্পরিক বা বিনিময় অর্থ থাকলে চোখ বুজে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
- যেমন: কানাকানি, হাতাহাতি, লাঠালাঠি ইত্যাদি শব্দ দেখলেই ব্যতিহার বহুব্রীহি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- হাতাহাতি, কোলাকুলি, গালাগালি শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ও সমাসের নাম বারবার অনুশীলন করবে।
সঠিক উত্তর: B) ছাড়পত্র
১. কেন সঠিক:
ছাড়পত্র একটি সমাসবদ্ধ পদ কারণ এটি একাধিক পদ মিলে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে এবং এটি ব্যাসবাক্য দ্বারা বিশ্লেষণ করা সম্ভব।
এই পদের ব্যাসবাক্য হলো ছাড়ার জন্য পত্র, যা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যেসব শব্দ একাধিক পদ মিলে একপদে পরিণত হয় এবং একটিমাত্র বোধগম্য অর্থ প্রকাশ করে, তাকে সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্তপদ বলে।
তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে গৃহিত হয়, এখানেও পত্র পদের অর্থ প্রধান হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাঠাগার
ব্যাখ্যা: পাঠের জন্য আগার, এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রন্ধনশালা
ব্যাখ্যা: রন্ধনের জন্য শালা, এটিও চতুর্থী তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুসারে সাধিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ — এটি একটি মৌলিক শব্দ বা সিদ্ধ শব্দ, কারণ একে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না এবং এটি কোনো সমাসবদ্ধ পদ নয়।
C) মৃত্তিকা — এটি একটি শব্দ যার উৎপত্তি সংস্কৃত ভাষা থেকে এবং এটি সরাসরি ব্যবহৃত হয়, কোনো সমাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি গঠিত হয়নি।
D) সাগর — এটি একটি সাধারণ প্রচলিত বিশেষ্য পদ বা নামবাচক শব্দ, যা কোনো সমাসের সাহায্যে গঠিত হয়নি।
৫. মনে রাখার টিপস:
কোনো পদের মাঝে জন্য বা নিমিত্ত অর্থে বিভক্তি লোপ পেয়ে যদি নতুন পদ গঠিত হয়, তবে তা চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস হবে।
ছেড়ে দেওয়ার পত্র বা ছাড়ার জন্য পত্র অর্থাৎ ছাড়পত্র দেখলে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই মৌলিক শব্দ এবং সমাসবদ্ধ পদের মধ্যে পার্থক্য করতে বলা হয়।
কোনো শব্দ সমাসবদ্ধ কি না তা নিশ্চিত হতে হলে প্রথমে তার ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার চেষ্টা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ছেলেধরা
১. কেন সঠিক:
যে পদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হয় এবং সমাসের পর কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত পদটি যদি বিশেষ্য হিসেবে বাক্যে বসে, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
ছেলেধরা শব্দটির ব্যাসবাকয় হলো ছেলেকে ধরে যে, যেখানে ধরে পদটি কৃদন্ত পদ এবং এর আগের পদটি হলো উপপদ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের সমাস হয় এবং সমাসবদ্ধ পদটি সাধারণত কৃৎ প্রত্যয়ের অর্থ প্রকাশ করে না বরং একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বা বস্তুকে বোঝায়।
এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতভাত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পকেটমার
ব্যাখ্যা: পকেট মারে যে, এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ যেখানে পকেট হলো উপপদ।
উদাহরণ ২: জলেচর
ব্যাখ্যা: জলে চরে যা, এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছেলেধরা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) প্রতিবাদ — এটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাকয় প্রতি যে বাদ এবং এখানে উপসর্গ বা অব্যয় পদের সাথে কৃদন্ত পদের সমাস হয়েছে।
C) বিলাতফেরত — এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাকয় বিলাত থেকে ফেরত এবং এখানে পঞ্চমী বিভক্তির লোপ পেয়েছে।
D) উপগ্রহ — এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাকয় গ্রহের সদৃশ বা ক্ষুদ্র গ্রহ এবং এখানে উপ উপসর্গ যোগে অব্যয় পদ গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে যদি ধра, মার, চর, কর, পিয়, কার ইত্যাদি কৃদন্ত পদ থাকে এবং তার আগে যদি কর্মকারকের পদ থাকে, তবে তা সাধারণত উপপদ তৎপুরুষ সমাস হয়।
শেষে ক্রিয়াভিত্তিক শব্দ এবং সামনে বিশেষ্য পদ থাকলে চোখ বন্ধ করে উপপদ তৎপুরুষ অনুমান করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপপদ তৎপুরুষ ও অন্যান্য তৎপুরুষ সমাসের মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যাসবাকয়ের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
ক্রিয়ামূলক পদ শেষে থাকলে এবং কর্তাকে নির্দেশ করলে সবসময় উপপদ তৎপুরুষ সমাস হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) প্রাতিপদিক
১. কেন সঠিক:
- বিভক্তিহীন নামপদকে প্রাতিপদিক বলা হয়। সহজ কথায়, শব্দের মূল রূপ বা যে শব্দে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় প্রাতিপদিক বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রাতিপদিক হলো শব্দের সেই রূপ যার সঙ্গে কোনো কারক বা পদের সম্পর্ক বোঝানোর জন্য বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত হয় না। একে শব্দের মূল বা কটি বা মূল ভিত্তি বলা চলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কলম
ব্যাখ্যা: এটি একটি নামপদ এবং এর সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই, তাই এটি প্রাতিপদিক।
উদাহরণ ২: ফুল
ব্যাখ্যা: ফুল শব্দটি কোনো বিভক্তি ছাড়া স্বাধীনভাবে অবস্থান করায় এটি একটি প্রাতিপদিক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — বিশেষ্য হলো একটি পদের নাম, যা কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান বা গুণের নাম বোঝায়, তবে এটি বিভক্তিহীন নামপদের নির্দিষ্ট পরিভাষা নয়।
B) সমাস — সমাস হলো একাধিক পদের একপদীকরণ প্রক্রিয়া, যা প্রাতিপদিকের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না।
C) অব্যয় — অব্যয় হলো এমন একটি পদের শ্রেণি যার রূপ কখনো পরিবর্তিত হয় না, এটি বিভক্তিহীন নামপদের সঠিক নাম নয়।
D) প্রাতিপদিক — এটি বিভক্তিহীন নামপদের সঠিক ব্যাকরণিক পরিভাষা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- প্রাতিপদিক মানেই হলো প্রতীত বা মূল পদ, যার সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি লাগানো থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাই শব্দটির অর্থ বা বিভক্তিহীন শব্দকে কী বলে, তা প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। মূল শব্দ এবং প্রাতিপদিক একই ধারণা প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: A) অপাদানে ৭মী
কেন সঠিক:
- পাপে বিরত থাকো বাক্যে পাপে শব্দটি দ্বারা কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা বা দূরে থাকাকে বোঝানো হয়েছে।
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, বিরত, ভীত বা রক্ষিত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- অপাদান কারকের সংজ্ঞানুযায়ী ভীতি, সুরক্ষা, মুক্তি, দূরত্ব এবং বিরত থাকা বোঝালে অপাদান কারক হয়।
- পাপে শব্দের সাথে এ বা তে বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তম বিভক্তি হয়েছে।
- যেমন তিল থেকে তেল হয় বাক্যে তিল হলো অপাদানে পঞ্চমী বিভক্তি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) অপাদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিরত থাকা অর্থে অপাদান কারক এবং এ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
- B) করণ কারকে ৭মী — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যম বোঝায় যা এখানে অনুপস্থিত।
- C) অধিকরণে ৭মী — অধিকরণ কারক দ্বারা সময় বা স্থান বোঝায় যা এই বাক্যে প্রকাশ পায়নি।
- D) কর্ম কারকে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্ম কারক বলে কিন্তু এখানে তা নেই।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে বিচ্যুতি, জাত, বিরত থাকা বা ভয় পাওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
সঠিক উত্তর: C) জেলেনী
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত সঠিক উত্তর সি, অর্থাৎ জেলেনী একটি প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ।
- এখানে জেলে শব্দের সঙ্গে ঈনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- পুংলিঙ্গ শব্দের সঙ্গে নির্দিষ্ট তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করার নিয়ম এটি।
- জেলে শব্দের সঙ্গে ঈনী প্রত্যয় যুক্ত করার সময় জেলের ই এবং ঈনী প্রত্যয়ের ঈ মিলে দীর্ঘ ঈকার হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঙাল থেকে কাঙালিনী
ব্যাখ্যা: কাঙাল শব্দের সঙ্গে ঈনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ কাঙালিনী গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: বাঘ থেকে বাঘিনী
ব্যাখ্যা: বাঘ শব্দের সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যুক্ত হয়ে স্ত্রীবাচক শব্দ বাঘিনী গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাদী — এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়, বরং এটি পুংলিঙ্গ শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে নিত্য স্ত্রীবাচক বা লিঙ্গান্তরের নিয়মে এসেছে।
B) সভানেত্রী — এটি সভাপতি শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ যেখানে নেত্রী অংশটি আলাদাভাবে যুক্ত হয়েছে, সরাসরি প্রত্যয় সাধিত নয়।
D) পেত্নী — এটি পেতন শব্দ থেকে এসেছে যা অপপ্রয়োগ বা বিশেষ আঞ্চলিক রূপের মাধ্যমে স্ত্রীবাচক হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঈনী প্রত্যয়যুক্ত স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মূল শব্দের শেষে ঈনী যুক্ত হওয়ার ব্যাপারটি খেয়াল রাখতে হবে।
- জেলে থেকে জেলেনী এবং কাঙাল থেকে কাঙালিনী এই নিয়মটি মনে রাখা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দের ক্ষেত্রে ঈনী এবং ইনী প্রত্যয়ের ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় বানানের পরিবর্তন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) মনু + ষ্ণ
১. কেন সঠিক:
মানব শব্দের প্রকৃতি হলো মনু এবং প্রত্যয় হলো ষ্ণ। মনু শব্দের সঙ্গে অপত্যার্থে বা সন্তান অর্থে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মানব শব্দ গঠিত হয়েছে যার অর্থ মনুর সন্তান বা মানুষ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি উদাহরণ যেখানে বিশেষ্যের উত্তর অপত্যার্থক বা গোত্র অর্থে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়। ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হলে আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে এবং ইৎ বা লুপ্ত বর্ণ বাদ যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দিতি + ষ্ণ = দৈত্য
ব্যাখ্যা: দিতির সন্তান বোঝাতে দিতি শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দৈত্য শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: রঘু + ষ্ণ = রাঘব
ব্যাখ্যা: রগুর বংশে বা সন্তান অর্থে রঘু শব্দের সঙ্গে ষ্ণ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রাঘব শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন + ষ্ণ — মুন কোনো মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক নয় তাই এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
B) মনু + অব — মনু শব্দের সঙ্গে অব প্রত্যয় যুক্ত হলে মানব শব্দ হয় না কারণ এখানে সঠিক প্রত্যয় হলো ষ্ণ।
D) মা + নব — মা ধাতু বা শব্দ থেকে নব প্রত্যয় যোগ করে মানব শব্দ সাধিত হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মানব শব্দটি এসেছে মনু থেকে তাই প্রকৃতি হিসেবে মনু এবং প্রত্যয় হিসেবে ষ্ণ মনে রাখবে। আদি স্বরের পরিবর্তন বা বৃদ্ধি ঘটে এমন প্রত্যয়যুক্ত শব্দ অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করা সহজ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অপত্যার্থক প্রত্যয় যেমন ষ্ণ, ষ্ণি, ঢক ইত্যাদি প্রায়ই আসে। শব্দের মূল বা প্রাতিপদিক সঠিকভাবে চেনার অভ্যাস থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) বৈদিক ভাষা
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা থেকে এর সূত্রপাত হয়েছে।
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা বা বৈদিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষার মূল ধারাটি এসেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস পর্যায়ের এই প্রশ্নটিতে ভাষার বিবর্তন ধারা বুঝতে হয়।
ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা থেকে প্রাচীন ভারতীয় আর্য, সেখান থেকে প্রাকৃত এবং অপভ্রংশ হয়ে আধুনিক বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বৈদিক ভাষা থেকে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার রূপ হিসেবে সংস্কৃত ভাষা বিকশিত হয়েছে।
ব্যাখ্যা: বৈদিক ভাষা ও সংস্কৃত ভাষা একই মূল স্রোতের অংশ যা বাংলা ভাষার পূর্বসূরি।
উদাহরণ ২: প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার পরের স্তর হলো প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষা।
ব্যাখ্যা: এই প্রাকৃত ও অপভ্রংশ স্তরগুলো পার হয়েই বাংলা ভাষা বর্তমান রূপ লাভ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি ভাষা — হিন্দি ভাষা বাংলা ভাষার উৎস নয়, এটি আরেকটি আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষা যা বাংলা ভাষার সমসাময়িক।
B) বৈদিক ভাষা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি বাংলা ভাষার মূল উৎস হিসেবে গণ্য।
C) উড়িয়া — ওড়িয়া ভাষা বাংলা ভাষার মতো একই মূল উৎস থেকে আগত একটি স্বাধীন ভাষা, এটি বাংলার উৎস নয়।
D) অনার্য ভাষা — বাংলা ভাষা মূলত আর্য মূল থেকে উদ্ভূত, যদিও এতে অনার্য ভাষাগুলোর প্রভাব রয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে বৈদিক ভাষা হয়ে বাংলার জন্ম এটি মনে রাখতে হবে।
বাংলা ভাষার মূল উৎস খুঁজতে গেলে প্রাচীন ভারতীয় আর্য বা বৈদিক ভাষাকে প্রধান ভিত্তি ধরতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার আদি উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
উৎসের ক্রমধারাটি মনে রাখলে ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে আধুনিক বাংলা পর্যন্ত যেকোনো ধাপের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) স্বায়ত্ত
১. কেন সঠিক:
- স্বায়ত্ত শব্দটিতে স্ব এর সাথে অন্তস্থ অ এবং খণ্ড ত যুক্ত রয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুসারে সম্পূর্ণ সঠিক।
- এই শব্দটির অর্থ হলো নিজে চালিত বা নিজের অধীন যা শাসন বা পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি সমাজবদ্ধ শব্দ বা প্রত্যয়সাধিত শব্দ যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং এর বানানে কোনো ধরনের জট বা জটিলতা নেই।
- বাংলা একাডেমি প্রণীত আধুনিক প্রমিত বানান নিয়মে অনেক সংস্কৃত শব্দে ত এর ব্যবহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যা এখানে প্রযোজ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও স্বায়ত্ত অংশের বানান অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত প্রশাসনিক শব্দ।
উদাহরণ ২: স্বায়ত্তশাসিত
ব্যাখ্যা: এটি স্বায়ত্ত শব্দটির আদলে গঠিত একটি বিশেষণের রূপ যা প্রাতিষ্ঠানিক নামকরণে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বায়ত্ব — এখানে ত এর পরিবর্তে থ ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানরীতি অনুযায়ী ভুল এবং এর কোনো ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই।
B) স্বায়াত্ব — এখানে অতিরিক্ত একটি আ কার যুক্ত করা হয়েছে যা শব্দটিকে সম্পূর্ণ অর্থহীন ও বানানভ্রান্ত করে তোলে।
C) স্বায়ত্ত — এটি সঠিক উত্তর।
D) স্বায়ত্ত্ব — এখানে ত এর নিচে ব ফলা বা অতিরিক্ত বর্ণ যুক্ত করা হয়েছে যা প্রমিত বানান নিয়মের পরিপন্থী।
৫. মনে রাখার টিপস:
- স্বায়ত্ত বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো এর শেষে খণ্ড ত ব্যবহার করা হয় এবং কোনো অতিরিক্ত আ কার বা থ থাকে না।
- স্ব এর সাথে আয় এবং ত এর সাথে ্ত যুক্ত করে শব্দটি লিখতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের দ্বান্দ্বিক বানান প্রায়ই আসে তাই প্রমিত বানান নিয়ম চর্চা করা অত্যন্ত জরুরি।
- একই আদলে গঠিত অন্যান্য জটিল বানানগুলো নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কমা
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে কাউকে ডেকে বা সম্বোধন করে কিছু বললে সেই সম্বোধন পদের পরে কমা বসে।
- সম্বোধন পদের মাধ্যমে বক্তা শ্রোতার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং লেখার সময় বিরতি বোঝাতে এই যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে পদ প্রকরণের একটি বিশেষ অংশ হলো সম্বোধন পদ, যা বাক্যের অন্যান্য পদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত না থেকেও বক্তার মনোভাব প্রকাশ করে।
- বাংলা বাক্য গঠনে যতি চিহ্ন বা বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহার অর্থ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং সম্বোধনের ক্ষেত্রে কমা ব্যবহার প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো।
ব্যাখ্যা: এখানে রহিমকে ডেকে কথা বলা হয়েছে, তাই রহিমের পর কমা বসেছে।
উদাহরণ ২: ভাইসব, আমার কথা শুনুন।
ব্যাখ্যা: এখানে ভাইসব একটি সম্বোধন পদ এবং এর ঠিক পরেই কমা ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমা — এটি সম্বোধন পদের পরে বসে বক্তার বক্তব্যকে আলাদা ও স্পষ্ট করে তোলে।
B) ড্যাস — ড্যাস বা ড্যাশ চিহ্ন মূলত যৌগিক বা মিশ্র বাক্যে ভাবের সংগতি বা বৈপরীত্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে, যা সম্বোধন পদে ব্যবহার করা হয় না।
D) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদের সংযোগ বা সংক্ষ্ণিপ্ততা বোঝাতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, সম্বোধন পদে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কাউকে ডেকে কথা বলার পর থেমে যাওয়ার ছোট বিরতিই হলো কমা।
- সম্বোধন মানেই ডাক, ডাকের পরেই কমার ঝাক।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যতি চিহ্ন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে।
- সম্বোধন পদের পরে কমা বসে এই নিয়মটি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত কমন।
সঠিক উত্তর: ঘ) নিষ্ক্রিয় দর্শক
কেন সঠিক:
১. সাক্ষী গোপাল বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ এমন একজন সাক্ষী যিনি কোনো ঘটনার সময় উপস্থিত থাকেন কিন্তু কোনো মতামত দেন না।
২. এর মাধ্যমে মূলত এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি কোনো কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেন না এবং চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
২. সাহিত্য ও সমাজজীবনে নীরব দর্শক বা কোনো ক্ষমতা ছাড়া উপস্থিত থাকা ব্যক্তিকে এই বিশেষ বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
৩. যেমন, ঝগড়ার সময় অনেকেই শুধু দাঁড়িয়ে থাকেন কিন্তু কোনো পক্ষ নেন না, তাদের ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি বেশ মানানসই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) অপদার্থ — এই অপশনটি ভুল কারণ অপদার্থ বলতে এমন কোনো বস্তুকে বোঝায় যার কোনো কাজের উপযোগিতা বা মূল্য নেই।
খ) মূর্খ — এই অপশনটি ভুল কারণ মূর্খ শব্দটি দ্বারা জ্ঞান বা শিক্ষার অভাব থাকা ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) নিরেট বোকা — এই অপশনটি ভুল কারণ নিরেট বোকা বলতে বুদ্ধিমত্তার সম্পূর্ণ অভাব বা চরম বোকামিকে বোঝানো হয়ে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
১. গোপাল মানে সাধারণত মূর্তি বোঝানো হয় যা কথা বলতে পারে না এবং শুধু দাঁড়িয়ে থাকে।
২. তাই সাক্ষী থেকেও যে কথা বলে না বা কাজ করে না, তাকেই সাক্ষী গোপাল বা নিষ্ক্রিয় দর্শক বলা হয়।
সঠিক উত্তর: A) অর্ধাঙ্গিনী
১. কেন সঠিক:
'জায়া' শব্দের অর্থ স্ত্রী বা পত্নী। অর্ধাঙ্গিনী শব্দের আক্ষরিক ও ভাবার্থ স্ত্রীর সমার্থক, কারণ বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে স্বামীর অর্ধাঙ্গ বা অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে গণ্য করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি শব্দার্থ ও সমার্থক শব্দ সংক্রান্ত বাংলা ব্যাকরণের একটি প্রশ্ন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ ও তার প্রতিশব্দ নির্ণয় করার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দার
ব্যাখ্যা: দার শব্দটির অর্থ স্ত্রী বা পত্নী, যা জায়ার অপর একটি সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: গৃহিণী
ব্যাখ্যা: গৃহিণী শব্দটিও নারীর বা স্ত্রীর অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটিও জায়ার সমার্থক হিসেবে গণ্য হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অর্ধাঙ্গিনী — এটি সঠিক উত্তর।
B) কন্যা — কন্যা শব্দের অর্থ মেয়ে বা তনয়া, যা স্ত্রীর সমার্থক নয়।
C) নন্দিনী — নন্দিনী শব্দটির অর্থও কন্যা বা মেয়ে, তাই এটি জায়ার সমার্থক নয়।
D) ভাগনী — ভাগনী শব্দের অর্থ বোনের মেয়ে, যা পত্নী বা স্ত্রীর সমার্থক শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
স্ত্রীবাচক বা পত্নীবোঝক শব্দগুলোর সমার্থক শব্দ পড়ার সময় অর্ধাঙ্গিনী, পত্নী, ভার্যা ও দার একসঙ্গে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের উৎস ও অর্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। একই শব্দের একাধিক প্রতিশব্দ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) তিরোভাব
১. কেন সঠিক:
আবির্ভাব শব্দের অর্থ প্রকাশ পাওয়া, উদ্ভব বা সৃষ্টি হওয়া।
এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো তিরোভাব, যার অর্থ অন্তর্ধান, লয় বা হারিয়ে যাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সংস্কৃত ব্যাকরণ ও প্রমিত বাংলা শব্দভান্ডারে উৎসগতভাবে বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আবির্ভাবের জোড় হলো তিরোভাব।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সূর্যের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকারের তিরোভাব ঘটে।
ব্যাখ্যা: এখানে আবির্ভাব ও তিরোভাব শব্দ দুটি পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কুসংস্কারের তিরোভাব এবং যুক্তির আবির্ভাব সমাজের প্রগতির জন্য অপরিহার্য।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে একটির বিলুপ্তি এবং অন্যটির উপস্থিতির মাধ্যমে বিপরীতার্থক সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অভাব — অভাব শব্দের অর্থ ঘাটতি বা প্রয়োজন, যা আবির্ভাব শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
B) স্বভাব — স্বভাব শব্দের অর্থ প্রকৃতি বা চরিত্র, যা এই শব্দের বিপরীতার্থক অর্থ প্রকাশ করে না।
C) অনুভব — অনুভব শব্দের অর্থ অনুভূতি বা উপলব্ধি করা, যার সঙ্গে আবির্ভাব শব্দের বিপরীত সম্পর্কের কোনো মিল নেই।
D) তিরোভাব — তিরোভাব শব্দের অর্থ অন্তর্ধান বা হারিয়ে যাওয়া, যা আবির্ভাব শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।
৫. মনে রাখার টিপস:
আবির্ভাব মানে আসা বা প্রকাশ পাওয়া এবং তিরোভাব মানে তেড়ে চলে যাওয়া বা মিলিয়ে যাওয়া।
এভাবে আসা ও মিলিয়ে যাওয়ার ধারণা মনে রেখে সহজেই এই বিপরীত শব্দ মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে।
নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দ আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পাউরুটি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা যখন বাণিজ্য ও ঔপনিবেশিক কারণে বাংলায় আসে, তখন তাদের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে যায়।
- পর্তুগিজ শব্দ মূলত তাদের জীবনযাত্রা, ধর্ম, খাদ্য এবং ব্যবসায়িক সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের ভিত্তিতে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
- বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ ভাষা থেকে আসা শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে খুব বেশি ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাবি
ব্যাখ্যা: চাবি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা আমরা প্রতিদিন দরজায় ব্যবহার করি।
উদাহরণ ২: আনারস
ব্যাখ্যা: আনারস একটি বিদেশি ফল এবং এর নামটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাঞ্জাবি — পাঞ্জাবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় লুঙ্গি, কাবুলিওয়ালা ইত্যাদি শব্দ এলেও পাউরুটি আসেনি।
B) ফরাসি — ফরাসি ভাষা থেকে রেস্তোরাঁ, কার্তুজ ইত্যাদি শব্দ এলেও পাউরুটি ফরাসি শব্দ নয়।
C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে খদ্দর, হরতাল ইত্যাদি শব্দ বাংলায় এসেছে, পাউরুটি নয়।
D) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পাউরুটি পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের তালিকা ও ঘরোয়া উপকরণের কথা ভাবা। পাউরুটি, পেঁপে, চাবি, বালতি এগুলো সবই পর্তুগিজ শব্দ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে পর্তুগিজ ও আরবি-ফার্সি শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আরবি
১. কেন সঠিক:
- ‘কলম’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। আরবি ‘ক্বালাম’ শব্দটি থেকে বাংলা ‘কলম’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ অন্যতম, যা আমাদের সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কিত ব্যাকরণের প্রশ্ন। বাংলা ভাষা বিভিন্ন ভাষার শব্দ ধার করে সমৃদ্ধ হয়েছে।
- আরবি ভাষা থেকে ধর্ম, প্রশাসন ও দৈনন্দিন জীবনের নানা প্রয়োজনীয় সামগ্রীর নাম বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আদালত
ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যা বিচারালয় অর্থে বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: কলম
ব্যাখ্যা: লেখার কাজে ব্যবহৃত এই বস্তুটি আরবি ভাষার প্রভাবের একটি স্পষ্ট নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে তৎসম শব্দ আসে, কিন্তু ‘কলম’ সংস্কৃত শব্দ নয়।
B) আরবি — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক।
C) ফারসি — ফারসি ভাষা থেকে অনেক শব্দ এলেও ‘কলম’ ফারসি শব্দ নয়।
D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকেও কিছু শব্দ বাংলায় এসেছে, তবে ‘কলম’ তুর্কি শব্দ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- লেখালেখির প্রধান মাধ্যম ‘কলম’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে এটি মনে রাখতে হবে। ধর্ম ও লেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত অধিকাংশ শব্দ আরবি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। আরবি ও ফারসি শব্দগুলোর পার্থক্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) সবুজপত্র
কেন সঠিক:
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালের আগস্ট মাসে সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তন এবং বিস্তার লাভে এই পত্রিকার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি ছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা গদ্য সাহিত্যে সাধু রীতির পরিবর্তে মুখের ভাষার বা চলিত রীতির প্রতিষ্ঠা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- এই পত্রিকাতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বহু বিখ্যাত কবিতা, ছোটগল্প ও প্রবন্ধ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল বীরবল এবং তাঁর সাহিত্যিক গোষ্ঠী বীরবল সংঘ নামে পরিচিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) তত্ত্ববোধিনী — এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত এবং এটি ব্রাহ্মসমাজ সম্পর্কিত পত্রিকা।
- B) সবুজপত্র — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
- C) কল্লোল — এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দীনেশচন্দ্র দাস এবং এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- D) ধূমকেতু — এই বিদ্রোহী পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
মনে রাখার টিপস:
- প্রমথ চৌধুরী মানেই সবুজপত্র এবং চলিত রীতির প্রবক্তা।
সঠিক উত্তর: A) সাধুরীতি
১. কেন সঠিক:
- সাধুরীতি বাংলা ভাষার এমন একটি লেখ্য রূপ, যা তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে ভরপুর এবং এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণরূপ বা দীর্ঘ রূপ ধারণ করে।
- এই রীতিতে ব্যবহৃত শব্দভান্ডারের সিংহভাগই সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিতভাবে বাংলা ভাষায় গৃহিত হয়েছে বলে একে তৎসম শব্দবহুল রীতি বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষার লেখ্য রূপ মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত, যার একটি সাধুরীতি এবং অপরটি চলিতরীতি। সাধুরীতি অপরিবর্তনশীল ও গম্ভীর প্রকৃতির হওয়ায় এটি শুধু প্রাতিষ্ঠানিক লেখালেখি ও বরেণ্য লেখকদের গদ্যে ব্যবহৃত হতো।
- উনিশ শতকের শুরুর দিকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের হাত ধরে সাধুরীতির প্রমিত রূপ ও ব্যাকরণগত কাঠামো সুনির্দিষ্ট হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সাধুরীতির বাক্য: তাহার সঞ্চলন দেখিয়া সকলেই বিস্মিত হইয়াছিল।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে ব্যবহৃত তাহার, সঞ্চলন, বিস্মিত হইয়াছিল শব্দগুলো তৎসম শব্দ এবং ক্রিয়ার পূর্ণরূপ।
উদাহরণ ২: সাধুরীতির শব্দসমষ্টি: ভোজন করা, রমনী, অদ্যকার দিবস।
ব্যাখ্যা: এগুলো সবই তৎসম শব্দ যা সাধুরীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাধুরীতি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে সাধুরীতি নিজেই নির্দেশিত হয়েছে।
B) চলিতরীতি — চলিতরীতি সাধুরীতির ঠিক বিপরীত, যা অপেক্ষাকৃত সহজ, গতিশীল এবং তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম ও বিদেশি শব্দবহুল।
C) কথ্যরীতি — কথ্যরীতি মানুষের দৈনন্দিন মুখের ভাষা এবং এটি অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়, তাই এটি নির্দিষ্ট কোনো শব্দবহুল মানদণ্ডে আবদ্ধ নয়।
D) লেখ্যরীতি — লেখ্যরীতি একটি সার্বিক রূপ, যার অধীনে সাধু ও চলিত উভয় রীতিই অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাই এটি এককভাবে কোনো নির্দিষ্ট শব্দবহুলতা বোঝায় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সাধু মানেই তৎসম বা গম্ভীর শব্দের আধিক্য এবং ক্রিয়ার বড় রূপ।
- সাধুরীতি ও সংস্কৃত শব্দ উভয় শব্দের শুরুতেই স বর্ণ রয়েছে, যা দিয়ে সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিতরীতির পার্থক্য থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ দেখে সাধু বা চলিত রীতি শনাক্ত করার কৌশল রপ্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধু ও চলিত রীতিতে পদের রূপ পরিবর্তন ঘটলেও অব্যয় পদের কোনো রূপান্তর ঘটে না।
তাই বাক্যে ব্যবহারের সময় অব্যয় পদ উভয় রীতিতে সবসময় অপরিবর্তিত ও অভিন্নরূপে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে যে পদের সঙ্গে লিঙ্গ, বচন, বিভক্তি বা পুরুষের কোনো পরিবর্তন হয় না তাকে অব্যয় পদ বলে।
সাধু ও চলিত রীতিতে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তন হলেও অব্যয় পদ সর্বদা একই থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে যদি ও তবে অব্যয় পদ দুটি সাধু ও চলিত উভয়ীতিতে একইভাবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: এবং, কিন্তু, অতএব, কিংবা।
ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো বাক্যে ব্যবহারের সময় সাধু বা চলিত যেকোনো রীতিতেই অপরিবর্তিত থাকে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অব্যয় — সঠিক উত্তর কারণ এর রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে অভিন্ন থাকে।
B) সম্বোধন পদ — ভুল কারণ সম্বোধন পদের ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত রীতিতে শব্দের রূপ ও প্রয়োগে পার্থক্য দেখা যায়।
C) সর্বনাম — ভুল কারণ সর্বনাম পদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে ভিন্ন হয় যেমন সাধুতে তাহার আর চলিততে তার।
D) ক্রিয়া — ভুল কারণ ক্রিয়াপদের রূপ সাধু ও চলিত রীতিতে সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয় যেমন সাধুতে করিতেন আর চলিততে করতেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
অপরিবর্তিত থাকে যা, সাধু চলিতে একই রয় তা।
অব্যয় মানে যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সাধু ও চলিত রীতির পদের রূপান্তর থেকে প্রশ্ন আসে।
সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ দ্রুত পরিবর্তিত হয় কিন্তু অব্যয় ও কিছু তৎসম বিশেষ্য পদ অপরিবর্তিত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
১. কেন সঠিক:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হলো শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ হলেও, মধ্যযুগের প্রথম প্রাপ্ত ও প্রামাণিক নির্দেশন হলো এই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদদ্বল্লভ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের এক গোয়ালঘরের গোবর ফেলার ঝুড়ি থেকে আবিষ্কার করেন।
১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত রাধা কৃষ্ণের প্রেমের আখ্যান নিয়ে রচিত একটি নাট্যগীতি কাব্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন হিসেবে বাংলা সাহিত্যে স্বীকৃত।
উদাহরণ ২: আলাওল রচিত পদ্মাবতী কাব্য।
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরেকটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ঐতিহাসিক সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মধুমালতী — এটি সৈয়দ সুলতান বা অন্যান্য মধ্যযুগের কবিদের রচনা নয় বরং এটি একটি প্রেমমূলক কাব্য হলেও মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন নয়।
B) সিকান্দারনামা — এটি আলাওল রচিত একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য, যা মধ্যযুগের প্রথম নিদর্শন নয়।
D) বৈষ্ণব পদাবলী — এটি মধ্যযুগের সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলেও এর সূচনা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পরে ঘটেছিল।
৫. মনে রাখার টিপস:
মধ্যযুগ মানেই প্রথম কীর্তন বা শ্রীকৃষ্ণকীর্তন এভাবে মনে রাখতে পারো।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন আবিষ্কার করেন বড়ু চণ্ডীদাস, তাই মধ্যযুগের শুরুতেই চণ্ডীদাসের নাম আসবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি ১৯০৯ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো রাধা, কৃষ্ণ এবং বর্ধক বা নারদা চরিত্রের মতো কিছু রূপক চরিত্র।
সঠিক উত্তর: D) Everyone likes a rose.
কেন সঠিক:
- Interrogative বাক্যের 'Who do not' বা 'Who does not' যুক্ত বাক্যকে Assertive করার সময় 'Who' এর পরিবর্তে Every one বা Everybody বসে এবং বাক্যটি Affirmative হয়।
- প্রদত্ত বাক্যের মূল verb 'likes' এর সাথে 's' যুক্ত থাকায় Assertive বাক্যে Everyone এর পর verb এর সঠিক রূপ বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All of us likes a rose. — এখানে 'All of us' এর পর plural verb বসার কথা থাকলেও 'likes' singular ব্যবহার করা হয়েছে এবং অর্থের দিক থেকেও এটি সঠিক নয়।
B) Nobody likes a rose. — এটি Negative অর্থ প্রকাশ করে, যা মূল Interrogative বাক্যের Affirmative অর্থের বিপরীত।
C) Everyone dislikes a rose. — এটি বাক্যের মূল ভাব পাল্টে দিয়ে গোলাপকে সবাই অপছন্দ করে বোঝায়, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের বিপরীত অর্থ দেয়।
D) Everyone likes a rose. — এটি নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে এবং মূল বাক্যের সঠিক Affirmative রূপ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Who do not বা Who does not যুক্ত Interrogative বাক্যকে Assertive করার সময় Who তুলে দিয়ে শুরুতে Everyone বা Everybody বসাতে হয় এবং বাক্যটি Affirmative করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) virtue
কেন সঠিক:
‘Vice’ শব্দটির অর্থ হলো পাপ, দোষ বা অসদাচরণ। এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ বা অ্যান্টোনিম হলো ‘virtue’, যার অর্থ পুণ্য বা সদগুণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) honesty — এই শব্দটির অর্থ সতता, যা ‘vice’ শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। এটি মূলত ‘dishonesty’ শব্দের বিপরীত।
B) values — এই শব্দটির অর্থ মূল্যবোধ, যা ‘vice’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে উপযুক্ত নয়।
C) virtue — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়, এটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
D) truthful — এই শব্দটির অর্থ সত্যবাদী, যা একটি বিশেষণের রূপ এবং ‘vice’ বিশেষ্যের বিপরীত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Vice শব্দের অর্থ পাপ এবং Virtue শব্দের অর্থ পুণ্য, তাই এদেরকে বিপরীত শব্দ জোড়া হিসেবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) I will avail myself of the opportunity.
কেন সঠিক:
avail verb টির পরে সব সময় একটি reflexive pronoun বসাতে হয়।
এখানে subject I এর জন্য myself এবং preposition হিসেবে of বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A — এটি সঠিক উত্তর।
B — এখানে reflexive pronoun হিসেবে myself ব্যবহার করা হয়নি।
C — এখানে preposition হিসেবে of এর পরিবর্তে ভুল করে with ব্যবহার করা হয়েছে।
D — এখানে কোনো preposition বা সঠিক কাঠামো অনুসরণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
avail শব্দটির পরে reflexive pronoun এবং of বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) As you sow, so you reap.
কেন সঠিক:
বাংলা প্রবাদ বাক্য 'যেমন কর্ম তেমন ফল' এর ইংরেজি রূপ হলো As you sow, so you reap.
এখানে বীজ বপন করা বলতে কর্ম বোঝানো হয়েছে এবং ফসল কাটা বলতে তার ফল বোঝানো হয়েছে।
এর শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ আলোচ্য প্রবাদের সাথে হুবহু মিলে যায়।
তাই ব্যাকরণগত ও অর্থগত উভয় দিক থেকেই এই অপশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) All that glitters is not gold — এর বাংলা অর্থ হলো দেখতে যা সোনা মনে হয় তার সব সোনা নয়, যা প্রদত্ত প্রবাদের সাথে মেলে না।
B) As you sow, so you reap — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুলের কোনো অবকাশ নেই।
C) A stitch in time, saves nine — এর অর্থ সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়, যা ভিন্ন একটি ভাব প্রকাশ করে।
D) The more you work, the more you get — এর অর্থ যত বেশি কাজ করবে তত বেশি পাবে, যা প্রবাদের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সোভ (sow) শব্দের অর্থ বীজ বপন করা এবং রিপ (reap) শব্দের অর্থ ফসল কাটা। কর্মফল বোঝাতে এই দুটি শব্দযুক্ত প্রবাদটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) endanger
কেন সঠিক:
- Noun শব্দ 'danger' এর পূর্বে 'en-' prefix যোগ করে Verb 'endanger' গঠিত হয়েছে যার অর্থ বিপদগ্রস্ত করা।
- ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দের শুরুতে prefix যুক্ত করে সহজেই Noun থেকে Verb এ রূপান্তর করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) dangered — 'danger' শব্দের সাথে ইডি যুক্ত করে সরাসরি পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল করা যায় না, কারণ এর সঠিক ভার্বাল রূপ হলো endanger।
B) endangered — এটি 'endanger' শব্দের পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, যা মূল ভার্বের বেস ফর্ম নয়।
C) indanger — বানানটি ভুল কারণ ইংরেজি প্রেফিক্স হিসেবে 'in-' এর পরিবর্তে সঠিক প্রেফিক্স 'en-' যুক্ত হয়।
D) endanger — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
Noun 'danger' এর আগে 'en' যুক্ত করলেই Verb 'endanger' হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: A) Did he come home yesterday?
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে থাকায় প্রশ্নবোধক করার সময় সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী verb হিসেবে Did বসাতে হয়।
Did বসার কারণে মূল verb 'came' তার প্রেজেন্ট ফর্ম 'come' এ রূপান্তরিত হয় এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Did he come home yesterday — এটি সঠিক অপশন এবং নিয়মানুযায়ী এটি প্রশ্নবোধক বাক্য গঠন করেছে।
B) Did he not came home yesterday — এখানে Did ব্যবহারের পরেও মূল verb এর পাস্ট ফর্ম 'came' রাখা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) When did he come home — বাক্যটিতে অতিরিক্ত 'When' ব্যবহার করা হয়েছে যা মূল বাক্যের তথ্য পরিবর্তন করে দেয়।
D) When does he come home — এখানে টেন্স পরিবর্তন করে প্রেজেন্ট টেন্স করা হয়েছে যা মূল বাক্যের পাস্ট টেন্সের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
পাস্ট টেন্সে প্রশ্ন করার সময় Did আনলে মূল verb টি সবসময় প্রেজেন্ট ফর্ম হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
- নির্দিষ্ট পরিমাণ দূরত্ব, সময়, ওজন বা পরিমাপ সমষ্টিগতভাবে একটি একক বা পরিমাণ বোঝালে Subject দেখতে বহুবচন হলেও Verb singular হয়।
- এখানে Fifty miles একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বোঝাচ্ছে, তাই এর পরে singular verb হিসেবে is বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural verb, যা নির্দিষ্ট একক দূরত্বকে প্রকাশ করার জন্য এই বাক্যে ব্যবহার করা যায় না।
B) is — এটি singular verb এবং নির্দিষ্ট দূরত্বের একককে নির্দেশ করায় এটি এই বাক্যের সঠিক উত্তর।
C) have been — এটি present perfect tense-এর plural রূপ, যা এই বাক্যের গঠন ও অর্থের সঙ্গে মানানসই নয়।
D) were — এটি past tense-এর plural রূপ, যা বর্তমানের সাধারণ সত্য বা নির্দিষ্ট দূরত্বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দূরত্ব, সময়, ওজন বা টাকার পরিমাণ যতই বেশি হোক না কেন, যদি তা একটি একক সমষ্টি বোঝায় তবে verb সবসময় singular হয়।
সঠিক উত্তর: C) A bee is busier than most other insects.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত Positive ডিগ্রির বাক্যে Very few থাকলে Comparative করার সময় Subject-এর পরে busier বসে এবং তার সাথে than most other যুক্ত হয়। এটি Positive ডিগ্রি থেকে Comparative ডিগ্রি পরিবর্তনের একটি সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A bee is busier than very few insects. — এই বাক্যে very few ব্যবহার করা হয়েছে যা Positive ডিগ্রির গঠন এবং অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) A bee is busier than few insects. — এই বাক্যে most শব্দটির অনুপস্থিতির কারণে তুলনাটি অসম্পূর্ণ থেকে গেছে এবং নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) A bee is busier than most other insects. — এটি সঠিক অপশন এবং প্রদত্ত নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে গেছে।
D) A bee is more busy than other insects. — busy শব্দটির সঠিক Comparative রূপ busier হবে, এখানে more busy ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Positive বাক্যে Very few থাকলে Comparative করার সময় than-এর পরে অবশ্যই most other বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) to
কেন সঠিক:
obstacle শব্দের পরে সাধারণত উপযুক্ত preposition হিসেবে to বসে।
এটি উন্নতির পথে বাধাকে নির্দেশ করে।
তাই এখানে to সঠিক preposition।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to — এটি সঠিক উত্তর।
B) for — এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বা উপকার বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
C) with — এটি সাধারণত সঙ্গী বা মাধ্যম বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
D) from — এটি সাধারণত উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে বসে, তাই এখানে ভুল।
মনে রাখার টিপস:
obstacle শব্দের পরে সবসময় to বসে।
সঠিক উত্তর: D) what if
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের পরের অংশে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেখে বোঝা যায় এখানে প্রস্তাব বা কোনো কিছুর সম্ভাবনা বোঝানো হয়েছে।
বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, আমরা যদি এই জমিটি আমের বাগান করি কেমন হয়।
তাই এখানে উপযুক্ত ফ্রেজ হিসেবে what if ব্যবহৃত হয়েছে।
বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) as if — এর অর্থ যেন এবং এটি সাধারণত অবাস্তব কল্পনা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) would rather — এর অর্থ বরং ভালো এবং এটি পছন্দ বা অগ্রাধিকার প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
C) what’s it like — এর পরে সাধারণত ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয় যা এই বাক্যের গঠনে অনুপস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন থাকলে এবং কোনো বিষয়ে প্রস্তাব বা সম্ভাবনা বোঝালে what if ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) tradition
কেন সঠিক:
heritage শব্দটির বাংলা অর্থ হলো ঐতিহ্য বা উত্তরাধিকার, যা মূলত পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও প্রথাকে বোঝায়।
tradition শব্দের অর্থও ঐতিহ্য বা প্রথা, যা সমাজের দীর্ঘ날 ধরে চলে আসা সংস্কৃতিকে নির্দেশ করে।
তাই অর্থের দিক থেকে heritage এবং tradition সমার্থক শব্দ।
এই কারণে অপশন বি সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) heir — এই শব্দটির অর্থ উত্তরাধিকারী বা ওয়ারিশ, যা কোনো ব্যক্তি বা মানুষকে বোঝায়।
C) legitimacy — এই শব্দটির অর্থ বৈধতা বা আইনগত অধিকার, যা কোনো কাজের সঠিকতা প্রমাণ করে।
D) intrigue — এই শব্দটির অর্থ ষড়যন্ত্র বা গভীর চক্রান্ত, যা কোনো গোপন পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
heritage হলো আমাদের অতীত থেকে পাওয়া ঐতিহ্য আর tradition হলো সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা।
সঠিক উত্তর: D) The tree has not yet borne fruit.
কেন সঠিক:
বাংলয় কাজটি অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও তার ফলাফল বিদ্যমান বোঝালে Present Perfect Tense ব্যবহৃত হয় এবং 'গাছে ফল ধরা' অর্থে bear fruit প্রবাদতুল্য সঠিক ধারা।
এখানে 'এখনো' বোঝাতে বাক্যের মাঝে yet এবং মূল verb এর Past Participle রূপ হিসেবে borne ব্যবহৃত হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The tree can not bear fruit. — এখানে can not ব্যবহার করায় এটি বর্তমান সামর্থ্য বোঝাচ্ছে, যা অতীতের ফল না ধরার অর্থ প্রকাশ করে না।
B) The tree has not given fruit yet. — এখানে given verb ব্যবহার করা হয়েছে যা ফল ধরার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ বা নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
C) The tree has not caught any fruit. — এখানে caught ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ ধরা, কিন্তু গাছে ফল ধরার ক্ষেত্রে catch verb ব্যবহার করা যায় না।
D) The tree has not yet borne fruit. — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং সব নিয়ম ঠিক আছে।
মনে রাখার টিপস:
গাছে ফল ধরা ইংরেজি করতে give বা catch ব্যবহার না করে সবসময় bear fruit ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) would not have missed
কেন সঠিক:
- এটি থার্ড কন্ডিশনাল বা অতীতকালের অবাস্তব শর্তের বাক্য, যার গঠন হলো ইফ প্লাস পাস্ট পারফেক্ট টেন্স এবং প্রধান অংশে সাবজেক্টের পর উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ বা মাইট হ্যাভ এবং ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
- বাক্যের প্রথম অংশ হ্যাড ইউ ওয়াকড ফাস্ট দ্বারা অতীতকালের পূর্ণতা বোঝানো হয়েছে, তাই দ্বিতীয় অংশে উড নট হ্যাভ মিসড বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will not miss — এটি ফার্স্ট কন্ডিশনালের গঠন, যা এই বাক্যের পাস্ট পারফেক্ট অংশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) will not have missed — এর প্রথম অংশ উইল ফিউচার টেন্স নির্দেশ করে, যা হ্যাড যুক্ত পাস্ট পারফেক্ট অংশের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) would not have missed — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে শুধু পূর্ণ বাক্যের সঠিকতা প্রকাশ পেয়েছে।
D) would not miss — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে হ্যাড প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল থাকলে পরবর্তী অংশে উড হ্যাভ বা কুড হ্যাভ বা মাইট হ্যাভ প্লাস ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) I know who you are.
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Simple sentence-এ আছে, একে Complex sentence-এ রূপান্তর করতে Subordinate clause-যুক্ত করতে হবে।
- Principal clause-এর object হিসেবে WHO দিয়ে শুরু হওয়া Noun clause যুক্ত করে বাক্যটিকে Complex-এ রূপান্তর করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I know what you are. — এখানে WHAT বস্তুবাচক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ব্যক্তিবাচক 'you' বোঝাতে WHO ব্যবহার করতে হয়।
B) I know who you are. — এটি সঠিক এবং প্রশ্ন অনুযায়ী প্রযোজ্য অপশন।
C) I know what are you. — এখানে WHAT ব্যবহারের পাশাপাশি Subject-এর আগে verb বসিয়ে ভুল Interrogative structure করা হয়েছে।
D) I know who are you. — এখানে WHO সঠিক হলেও Subject-এর আগে verb বসিয়ে গঠনগত ভুল করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর object-কে Complex করার সময় WH-word এর পর প্রথমে Subject এবং পরে Verb বসে।
সঠিক উত্তর: C) will remain
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি প্রথমConditional-এর নিয়ম মেনে চলে, যেখানে প্রথম অংশ Present Indefinite Tense-এ থাকে।
তাই নিয়ম অনুযায়ী বাক্যের অপর অংশটি Future Indefinite Tense-এ হবে।
এখানে will-এর পর মূল verb-এর বেস ফর্ম হিসেবে remain বসবে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায় যে, তুমি সাহায্য করলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) will be remain — একই সাথে দুটি সাহায্যকারী ভার্ব বা গঠন থাকা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) should remain — এটি প্রথম conditional-এর স্বাভাবিক ভবিষ্যতের নিশ্চিত প্রকাশ বোঝাতে সঠিকভাবে মেলে না।
C) will remain — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) would remain — এটি Second Conditional-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা Present Tense-এর সাথে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
If-যুক্ত অংশ Present Tense হলে অপর অংশ Future Tense হয় এবং will-এর পর সরাসরি মূল verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) the, the
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথম শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট করে বীরদের বোঝাতে 'the' বসেছে।
'brave' একটি এডজেক্টিভ এবং এর আগে 'the' বসলে তা একটি সমগ্র জাতিকে বা শ্রেণীকে বোঝায়।
পরের শূন্যস্থানে নির্দিষ্ট কোনো পুরস্কার বা সম্মান বোঝাতে 'the' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a, an — প্রথম শূন্যস্থানে 'a' বসলে সাধারণ কোনো ব্যক্তিকে বোঝাতো যা অর্থহীন।
B) the, the — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) the, no article — দ্বিতীয় শূন্যস্থানে আর্টিকেল না বসালে বাক্যটির অর্থ অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
D) no article, the — প্রথম শূন্যস্থানে আর্টিকেল না বসালে নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণীকে বোঝানো যায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো এডজেক্টিভ এর আগে 'the' বসলে তা নির্দিষ্ট একটি শ্রেণীকে বোঝায় এবং এর পরে নির্দিষ্ট আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) extravagant
কেন সঠিক:
১. প্রদত্ত শব্দের বানান একদম সঠিক আছে এবং এর অর্থ হলো অমিতব্যয়ী।
২. ইংরেজি ভাষায় এর বানান এ-ই-টি-আর-এ-ভি-এ-জি-এ-এন-টি হিসেবে লেখা হয়।
৩. অন্য তিনটি বিকল্পে বানানের ভুল রয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) extravagant — এই বানানটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে কোনো ভুল নেই।
B) pronounciation — এর সঠিক বানান হলো pronunciation কারণ মূল শব্দ pronounce থেকে এসেছে।
C) spureous — এর সঠিক বানান হলো spurious যার অর্থ নকল বা কৃত্রিম।
D) temporery — এর সঠিক বানান হলো temporary যার অর্থ সাময়িক।
মনে রাখার টিপস:
বানান শেখার সময় প্রায়শই ভুল হওয়া শব্দগুলোর মূল রূপ লিখে অনুশীলন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) ten years
কেন সঠিক:
‘Decade’ শব্দের বাংলা অর্থ হলো দশক, যা সাধারণত ১০ বছরের একটি সময়কালকে নির্দেশ করে।
ইংরেজি পরিভাষায় ১০ বছরের সময়কে বোঝাতে নির্দিষ্টভাবে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
এটি ইংরেজি গণনার একটি সাধারণ একক।
এটি সময় পরিমাপের একটি পরিচিত শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) thirty years — কারণ ত্রিশ বছরের সময়কালকে বোঝাতে ‘decade’ ব্যবহার করা হয় না, এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো একক শব্দ নেই।
B) পঞ্চাশ বছরের সময়কালকে বোঝাতে ‘decade’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় না, কারণ এর সঠিক অর্থ হলো দশক বা দশ বছর।
C) ten years — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
D) পঁচিশ বছরের সময়কালকে বোঝাতে ‘decade’ ব্যবহার করা হয় না, কারণ পঁচিশ বছরকে ‘silver jubilee’ বলা হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ‘decade’ শব্দটির শুরুতে থাকা ‘deca’ অংশটি দশ সংখ্যাটিকে নির্দেশ করে, যা দিয়ে খুব সহজেই দশ বছর মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) are
কেন সঠিক:
এখানে subject হলো 'memoranda', যা হলো 'memorandum' শব্দটির plural বা বহুবচন রূপ।
plural subject-এর পরে সবসময় plural verb বসে, তাই এখানে 'are' সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is — এটি singular verb, কিন্তু subject 'memoranda' হলো plural তাই এটি ভুল।
B) has — এটি singular verb এবং এখানে অর্থ বা tense-এর দিক থেকেও মানানসই নয়।
C) have — এটি plural verb হলেও এখানে কোনো auxiliary verb হিসেবে মূল verb ছাড়া ব্যবহার করা যায় না।
D) are — এটি সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
um দিয়ে শেষ হওয়া ল্যাটিন শব্দের শেষে a যোগ করে plural করতে হয়, যেমন memorandum থেকে memoranda এবং এর পরে সবসময় plural verb বসে।
সঠিক উত্তর: A) instantly
কেন সঠিক:
ইন নো টাইম (in no time) একটি ইংরেজি idiom বা বাকধারা। এর বাংলা অর্থ হলো খুব দ্রুত বা অবিলম্বে।
অপশন এ এর instantly শব্দের অর্থও অবিলম্বে বা তৎক্ষণাৎ।
তাই এই ফ্রেজটি instantly শব্দের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) instantly — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অবিলম্বে এবং এটি প্রদত্ত ফ্রেজের সাথে সম্পূর্ণ সমার্থক।
B) hardly — এর অর্থ কদাचित বা খুব একটা না। এটি ফ্রেজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) always — এর অর্থ সবসময়। এটি ফ্রেজের নির্দিষ্ট সময়ের ভাব প্রকাশ করে না।
D) never — এর অর্থ কখনো না। এটি ফ্রেজের দ্রুততার ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
ইন নো টাইম মানে সময় নষ্ট না করে খুব দ্রুত কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) An empty vessel sound much.
কেন সঠিক:
‘অসারের তর্জন গর্জন সার’ প্রবাদটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো ফাঁকা কলসি বাজে বেশি।
এই বাক্যে কম বুদ্ধিসম্পন্ন বা গুণহীন মানুষেরা বেশি কথা বলে বোঝানো হয়েছে।
তাই ইংরেজি প্রবাদের সাথে এটি নিখুঁতভাবে মিলে যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Ignorance is vociferous — এই বাক্যটির অর্থ অজ্ঞতা মুখর, যা আমাদের প্রবাদের সাথে সরাসরি মেলে না।
B) An idle man speaks much — এর অর্থ অলস ব্যক্তি বেশি কথা বলে, যা মূল প্রবাদের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না।
C) A barking dog seldom bites — এর অর্থ গরفته কুকুর কম কামড়ায়, যার ভাবার্থ ভিন্ন।
D) An empty vessel sound much — এটি সঠিক প্রবাদ হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফাঁকা পাত্র যেমন বেশি শব্দ করে, তেমনি কম জ্ঞানী মানুষেরা বেশি কথা বলে, এই মিল মনে রাখলেই প্রবাদটি সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: C) There is no room for doubt in it.
কেন সঠিক:
এখানে সন্দেহ প্রকাশের সুযোগ বা অবকাশ বোঝাতে 'room' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
ইংরেজি idiom বা প্রমিত ব্যবহার অনুযায়ী কোনো সুযোগ থাকা অর্থে 'room' সঠিক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) There is no place for doubt in it. — 'Place' সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান বা বসার জায়গাকে বোঝায়।
B) There is no space for doubt in it. — 'Space' খালি জায়গা পরিমাপ বা পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্র বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) There is no room for doubt in it. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) There is no area to doubt in it. — 'Area' নির্দিষ্ট কোনো ভূখণ্ড বা ক্ষেত্র বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
সন্দেহ বা সুযোগের ক্ষেত্রে সবসময় 'room' শব্দ ব্যবহার করবে, 'place' বা 'space' নয়।
সঠিক উত্তর: D) should
কেন সঠিক:
বাক্যে 'lest' শব্দটি থাকলে তার পরের অংশে সবসময় 'should' বসে। এটি একটি গ্রাম্য নিয়ম যা কাজের নেতিবাচক ফলাফল এড়াতে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) could — এটি সাধারণত প্যানেল ক্ষমতা বা সম্ভাবনা বোঝাতে বসে, কিন্তু 'lest' এর সাথে এর কোনো ব্যাকরণগত মিল নেই।
B) would — এটি অতীতের অভ্যাস বা কাল্পনিক শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের নিয়মের সাথে মেলে না।
C) can — এটি বর্তমানের সামর্থ্য বোঝাতে বসে, কিন্তু 'lest' এর সাথে সবসময় 'should' ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
D) should — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র উপযুক্ত শব্দ যা এই বাক্যের শূন্যস্থান পূরণ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে 'lest' দেখলেই চোখ বন্ধ করে শূন্যস্থানে 'should' বসিয়ে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) The
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট করে কোনো বিশেষ কলমের কালির কথা বোঝাতে Definite Article 'The' বসে। এখানে আমার কলমের কালি লাল রঙের, যা বক্তা ও শ্রোতা উভয়ের কাছে নির্দিষ্ট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A — অনির্দিষ্ট এবং একক কোনো consonant দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে এটি বসবে না।
B) The — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) An — vowel দিয়ে শুরু শব্দের আগে বসে, তাই এখানে এটি সঠিক নয়।
D) No article — নির্দিষ্ট noun এর ক্ষেত্রে article বসাতে হয়, তাই এখানে article ছাড়া বাক্যটি অসম্পূর্ণ হবে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট করে কোনো কিছু বোঝাতে সবসময় 'The' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) In
কেন সঠিক:
- 'In course of time' একটি নির্দিষ্ট ফ্রেজ, যার অর্থ সময়ের প্রবাহে বা ক্রমান্বয়ে।
- বাক্যে সময়ের ব্যবধানে কোনো পরিবর্তন বোঝাতে এই ফ্রেজে সবসময় 'In' প্রিপজিশন ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) In — এটি সঠিক কারণ 'In course of time' একটি প্রমিত ইংরেজি ধারা বা ফ্রেজ।
B) Of — এটি ভুল কারণ 'Of course' একটি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে মানানসই নয়।
C) For — এটি ভুল কারণ ফ্রেজের নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'For' বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
D) By — এটি ভুল কারণ 'By course of time' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বা প্রচলিত ফ্রেজ নয়।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের পরিবর্তনে কিছু ঘটা বোঝাতে 'In course of time' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়, তাই এর শুরুতে সবসময় 'In' বসে।
সঠিক উত্তর: A) ১৬ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
আয়তাকার ঘরের মেঝের ক্ষেত্রফল = ১৯২ বর্গমিটার
দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল সমান থাকে
ধরি,
মেঝের দৈর্ঘ্য = ক মিটার
মেঝের প্রস্থ = খ মিটার
অতএব,
দৈর্ঘ্য গুণ প্রস্থ = ক্ষেত্রফল
অর্থাৎ ক × খ = ১৯২
সুতরাং,
শর্তমতে (ক − ৪) × (খ + ৪) = ১৯২
সমাধান করে পাই, ক = ১৬ মিটার
উত্তর: ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর: D) ৬৩/৮
প্রদত্ত তথ্য:
x − (১/x) = ৩/২
ধরি,
a = x
b = ১/x
অতএব,
a − b = ৩/২
সুতরাং,
(x − (১/x)) এর ঘন = (৩/২) এর ঘন
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) − ৩.x.(১/x).(x − (১/x)) = ২৭/৮
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) − ৩(৩/২) = ২৭/৮
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) − (৯/২) = ২৭/৮
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) = (২৭/৮) + (৯/২)
x এর ঘন − (১ / x এর ঘন) = (২৭ + ৩৬) / ৮
উত্তর: ৬৩/৮
সঠিক উত্তর: A) ৪৫৩৫২
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো ৩২ ÷ (৬৪)x = ৮
ধরি,
৬৪ হলো দুই এর ঘাত ছয়
৩২ হলো দুই এর ঘাত পাঁচ
অতএব,
সমীকরণটি লেখা যায় দুই এর ঘাত পাঁচ ভাগ দুই এর ঘাত ছয় এক্স সমান দুই এর ঘাত তিন
সুতরাং,
পাঁচ বিয়োগ ছয় এক্স সমান তিন
উত্তর: এক্স এর মান ৪৫৩৫২
সঠিক উত্তর: B) a ≠ 0
প্রদত্ত তথ্য:
সূচকের ঋণাত্মক নিয়ম অনুযায়ী a এর পাওয়ার ঋণাত্মক n হলে তার মান হয় এক ভাগ a এর পাওয়ার n
ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে হরের মান কখনো শূন্য হতে পারে না
ধরি,
a একটি বাস্তব সংখ্যা এবং এর পাওয়ার ঋণাত্মক n
এই শর্তে সম্পর্কটি লেখা হয় এক ভাগ a এর পাওয়ার n আকারে
অতএব,
হরে a থাকার কারণে ভগ্নাংশটি সংজ্ঞায়িত হতে হয়
হরে থাকা মানটি শূন্য হলে ভগ্নাংশটি অসংজ্ঞায়িত হয়ে যায়
সুতরাং,
সম্পর্কটি সব বাস্তব মানের জন্য সত্য হতে পারে কেবল a এর মান শূন্য না হলে
উত্তর: B) a ≠ 0
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী ত্রিভুজ
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ১ : ১ : ২
ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
ধরি,
প্রথম কোণটি = ১x বা x
দ্বিতীয় কোণটি = ১x বা x
তৃতীয় কোণটি = ২x
অতএব,
x + x + ২x = ১৮০ ডিগ্রি
৪x = ১৮০ ডিগ্রি
সুতরাং,
x = ৪৫ ডিগ্রি
কোণগুলো হলো ৪৫ ডিগ্রি, ৪৫ ডিগ্রি এবং ৯০ ডিগ্রি
উত্তর: ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
সঠিক উত্তর: B) ৭০ ভাগ
প্রদত্ত তথ্য:
১ ঘন সে.মি. কাঠের ওজন ৭ ডেসিগ্রাম
সমআয়তন পানির ওজন ১ গ্রাম
ধরি,
১ গ্রাম = ১০ ডেসিগ্রাম
অতএব,
১ ঘন সে.মি. পানির ওজন ১০ ডেসিগ্রাম
কাঠের ওজন ৭ ডেসিগ্রাম
সুতরাং,
পানির ওজনের শতকরা হার = (৭ ÷ ১০) × ১০০%
উত্তর: ৭০ ভাগ
সঠিক উত্তর: C) π : 2√π
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ক্ষেত্রফল বর্গের ক্ষেত্রফলের সমান
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = a
অতএব,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π × r × r
বর্গের ক্ষেত্রফল = a × a
সুতরাং,
π × r × r = a × a
অতএব,
a = r × √π
বৃত্তের পরিসীমা বা পরিধি = ২ × π × r
বর্গের পরিসীমা = ৪ × a = ৪ × r × √π
সুতরাং,
বৃত্তের পরিসীমা : বর্গের পরিসীমা = (২ × π × r) : (৪ × r × √π)
উত্তর: π : ২√π
সঠিক উত্তর: A) ৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
২ sin২(θ) + ৩ cos(θ) − ৩ = ০
যেখানে θ একটি সূক্ষ্মকোণ
ধরি,
sin২(θ) এর পরিবর্তে ১ − cos২(θ) বসাই
তাহলে সমীকরণটি দাঁড়ায়
২ (১ − cos২(θ)) + ৩ cos(θ) − ৩ = ০
অতএব,
২ − ২ cos২(θ) + ৩ cos(θ) − ৩ = ০
− ২ cos২(θ) + ৩ cos(θ) − ১ = ০
২ cos২(θ) − ৩ cos(θ) + ১ = ০
সুতরাং,
(২ cos(θ) − ১) (cos(θ) − ১) = ০
cos(θ) এর মান ১/২ অথবা ১
যেহেতু θ একটি সূক্ষ্মকোণ তাই cos(θ) এর মান ১/২
উত্তর: ৬০°
সঠিক উত্তর: A) πrx/180° একক
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ = x°
ধরি,
বৃত্তের সম্পূর্ণ পরিধি = ২πr
বৃত্তের কেন্দ্রে সম্পূর্ণ কোণ = ৩৬০°
অতএব,
৩৬০° কোণের জন্য চাপের দৈর্ঘ্য = ২πr
১° কোণের জন্য চাপের দৈর্ঘ্য = ২πr ÷ ৩৬০°
সুতরাং,
x° কোণের জন্য চাপের দৈর্ঘ্য = (২πr × x°) ÷ ৩৬০° = πrx/180° একক
উত্তর: πrx/180° একক
সঠিক উত্তর: D) ১২
প্রদত্ত তথ্য:
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহু দুইটি প্রতিটি = ৫ একক
ত্রিভুজের ভূমি = ৬ একক
ধরি,
সমান বাহু দুটিকে a এবং ভূমিকে b ধরা হলো
এখানে a = ৫ এবং b = ৬
অতএব,
ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো (b ÷ ৪) × √(৪ × a × a − b × b)
মানগুলো বসিয়ে পাই, (৬ ÷ ৪) × √(৪ × ৫ × ৫ − ৬ × ৬)
সুতরাং,
(৬ ÷ ৪) × √(১০০ − ৩৬) = (৬ ÷ ৪) × √৬৪
(৬ ÷ ৪) × ৮ = ১২
উত্তর: ১২ বর্গ একক
সঠিক উত্তর: B) ২৭ cm
প্রদত্ত তথ্য:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ৮১০ বর্গ cm
ভূমি উচ্চতার দ্বিগুণ অপেক্ষা ৬ cm বেশি
ধরি,
ত্রিভুজের উচ্চতা = x cm
ত্রিভুজের ভূমি = (২ × x + ৬) cm
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা
৮১০ = (১ ÷ ২) × (২x + ৬) × x
১৬২০ = x × (২x + ৬)
সুতরাং,
২x বর্গ + ৬x − ১৬২০ = ০
x বর্গ + ৩x − ৮১০ = ০
(x − ২৭) × (x + ৩০) = ০
যেহেতু উচ্চতা ঋণাত্মক হতে পারে না,
তাই x = ২৭
উত্তর: ২৭ cm
সঠিক উত্তর: C) ৭
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ২১৯৫২
ধরি,
সংখ্যাটির মৌলিক উৎপাদক বের করতে হবে
অতএব,
২১৯৫২ সংখ্যাটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
২ × ২ × ২ × ২ × ২ × ৭ × ৭ × ৭
সুতরাং,
জোড়বিহীন মৌলিক উৎপাদকটি হলো ৭
উত্তর: ৭
সঠিক উত্তর: C) ২
প্রদত্ত তথ্য:
১৫ কিমি যেতে এবং ফিরে আসতে মোট সময় লাগে ৪ ঘণ্টা
স্রোতের অনুকূলে ৫ কিমি যেতে যে সময় লাগে প্রতিকূলে ৩ কিমি যেতে একই সময় লাগে
ধরি,
স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ = x কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = y কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
প্রশ্নমতে, x : y = ৫ : ৩
সুতরাং, x = ৫k এবং y = ৩k, যেখানে k একটি ধ্রুবক
সুতরাং,
১৫ কিমি অনুকূলে যেতে সময় লাগে ১৫ ÷ (৫k) এবং প্রতিকূলে আসতে সময় লাগে ১৫ ÷ (৩k)
শর্তানুসারে, (১৫ ÷ ৫k) + (১৫ ÷ ৩k) = ৪
উত্তর: সমাধান করে k এর মান ১ এবং স্রোতের বেগ (৫ − ৩) ÷ ২ = ২ কিমি প্রতি ঘণ্টা পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর: A) ২০ মি.
প্রদত্ত তথ্য:
খুঁটির দৈর্ঘ্য = ২০ মিটার
উন্নতির কোণ = ৪৫ ডিগ্রি
ধরি,
খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য = ক মিটার
অতএব,
লম্ব = ২০ মিটার
ভূমি = ক মিটার
ট্যান ৪৫ ডিগ্রি = লম্ব ÷ ভূমি
সুতরাং,
১ = ২০ ÷ ক
ক = ২০
উত্তর: ২০ মি.
সঠিক উত্তর: C) b^2 = ca
প্রদত্ত তথ্য:
a, b, c রাশি তিনটি ক্রমিক সমানুপাতিক
ধরি,
প্রথম রাশি = a
দ্বিতীয় রাশি = b
তৃতীয় রাশি = c
অতএব,
সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায়
a অনুপাত b সমান b অনুপাত c
সুতরাং,
a ভাগ b সমান b ভাগ c
উত্তর: b^2 = ca
সঠিক উত্তর: D) ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির অনুপাত = ৩ : ২
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৪
ধরি,
অনুপাতের সাধারণ রাশি = ক
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ক
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ক
অতএব,
প্রথম সংখ্যাটি = ৩ × ৪ = ১২
দ্বিতীয় সংখ্যাটি = ২ × ৪ = ৮
সংখ্যা দুটি হলো বারো এবং আট
সুতরাং,
সংখ্যা দুটির লসাগু বের করতে হবে
১২ এবং ৮ এর লসাগু = ২৪
উত্তর: ২৪
সঠিক উত্তর: D) − ১/৪
প্রদত্ত তথ্য:
দ্বিপদী রাশিটি হলো x২ + x − m
রাশিটিকে একটি পূর্ণবর্গ রাশি বানাতে হবে
ধরি,
পূর্ণবর্গ রাশির সাধারণ রূপ হলো (a + b)২ = a২ + ২ab + b২
প্রদত্ত রাশির প্রথম পদ a = x
অতএব,
প্রদত্ত রাশির মধ্যবর্তী পদ x হলো ২ab এর সমান
এখানে ২ab = x
সুতরাং b = ১/২
সুতরাং,
শেষ পদ b২ হলো (১/২)২ বা ১/৪ এর সমান
প্রদত্ত রাশির শেষ পদ হলো − m
উত্তর: − m = ১/৪ অর্থাৎ m = − ১/৪
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো ২ এবং সংখ্যাটি হলো বর্গমূল ৫৪০০
ধরি,
প্রদত্ত রাশির মান হলো এক্স
অতএব,
লগ এর নিয়ম অনুসারে ভিত্তি এবং সংখ্যার সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে
সুতরাং,
এখানে ৫৪০০ কে ভাঙালে দুই এর ঘাত হিসাব করা সহজ হয়
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ৫√৫
প্রদত্ত তথ্য:
সমীকরণটি হলো a এর মান নির্ণয় সংক্রান্ত
এখানে a এর সূচকীয় মান দেওয়া আছে
ধরি,
a এর মূল সমীকরণটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করে
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী সমাধান করতে হবে
অতএব,
সমীকরণটির উভয় পক্ষ সরলীকরণ করা হলো
সূচকের মানগুলো যোগ ও বিয়োগ করা হলো
সুতরাং,
হিসাব করে a এর মান পাওয়া গেল
উত্তর: ৫√৫
সঠিক উত্তর: D) ± ১০
প্রদত্ত তথ্য:
x − y = ২
xy = ২৪
ধরি,
বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করে আমরা জানি
(x + y) এর হোল স্কয়ার = (x − y) এর হোল স্কয়ার + ৪xy
অতএব,
মান বসিয়ে পাই
(x + y) এর হোল স্কয়ার = (২) এর হোল স্কয়ার + ৪ × ২৪
(x + y) এর হোল স্কয়ার = ৪ + ৯৬
সুতরাং,
(x + y) এর হোল স্কয়ার = ১০০
x + y = ± √১০০
উত্তর: ± ১০
সঠিক উত্তর: B) ১০১
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাগুলো হলো ৯১, ১০১, ১১৭ এবং ১২৩
ধরি,
সংখ্যাগুলোকে মৌলিক বা যৌগিক তা যাচাই করতে হবে
অতএব,
৯১ সংখ্যাটি ১৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ১৩ × ৭ = ৯১
১১৭ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ × ৩৯ = ১১৭
১২৩ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য কারণ ৩ × ৪১ = ১২৩
সুতরাং,
১০১ সংখ্যাটিকে কোনো ছোট মৌলিক সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা যায় না
উত্তর: ১০১
বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর: A) লুব্ধক
কেন সঠিক:
- লুব্ধক বা সাইরিয়াস হলো রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র।
- এটি পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলোর একটি এবং এর الظاهری মান মাইনাস ১.৪৬।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লুব্ধক — এটি রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) সূর্য — সূর্য একটি নক্ষত্র এবং আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র, তবে এটি রাতের আকাশে দেখা যায় না, এটি দিনের আকাশে উজ্জ্বলতম।
C) প্রক্সিমাসেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র, তবে এর উজ্জ্বলতা কম হওয়ায় খালি চোখে দেখা যায় না।
D) ধ্রুবতারা — এটি উত্তর গোলার্ধের দিক নির্দেশক হিসেবে পরিচিত একটি নক্ষত্র, তবে এটি লুব্ধকের মতো সবচেয়ে উজ্জ্বল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাতের আকাশে উজ্জ্বলতম কে? উত্তর হলো লুব্ধক, এটি সিরিয়াস নামেও পরিচিত।
সঠিক উত্তর: B) লালপুর
কেন সঠিক:
- লালপুর উপজেলা নাটোর জেলায় অবস্থিত এবং এটি ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের সর্বাধিক উষ্ণতম স্থান হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
- এখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লালখান — এটি কোনো স্বীকৃত উষ্ণতম স্থান নয়, বরং এটি একটি ভুল বা বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) লালপুর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরীক্ষামুখী প্রমাণিত তথ্য।
C) রাজশাহী — রাজশাহী বাংলাদেশের অন্যতম উষ্ণ জেলা হলেও একক স্থান হিসেবে লালপুর উষ্ণতম হিসেবে পরিচিত।
D) বগুড়া — এটি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা কিন্তু উষ্ণতম স্থান হিসেবে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
উষ্ণতম স্থান মনে রাখতে 'ল' দিয়ে লালপুর এবং 'ল' দিয়ে উষ্ণতার সর্বোচ্চ লেভেল মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
কেন সঠিক:
- জীবের ডিএনএ পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত গুণসম্পন্ন নতুন বৈশিষ্ট্যযুক্ত ফসল বা উদ্ভিদ উদ্ভাবন করা হয়।
- এর মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীল, রোগ প্রতিরোধী এবং প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল শস্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বায়োমেট্রিক্স — এটি মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেসিয়াল রিকগনিশন শনাক্তকরণের প্রযুক্তি, যা কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয় না।
B) ভার্চুয়াল রিয়ালিটি — এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক পরিবেশ তৈরি করার মাধ্যম, যা শস্য উৎপাদনে সরাসরি কোনো ভূমিকা রাখে না।
C) ন্যানোটেকনোলজি — এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা নিয়ে কাজ করার প্রযুক্তি, যা সারের কার্যকারিতা বাড়াতে ব্যবহৃত হলেও প্রধান শস্য উৎপাদন প্রযুক্তি নয়।
D) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং — এটি জীবের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে ব্যবহৃত মূল প্রযুক্তি।
মনে রাখার টিপস:
উচ্চ ফলনশীল শস্য এবং জিন বা ডিএনএ পরিবর্তনের কথা থাকলেই উত্তর হবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
সঠিক উত্তর: D) সোমাটোট্রফিন
কেন সঠিক:
- সোমাটোট্রফিন হরমোন মানবদেহের কোষ বিভাজন বৃদ্ধি করে এবং অস্থি ও পেশির বৃদ্ধিতে সরাসরি সাহায্য করে।
- এই হরমোনের অপর নাম গ্রোথ হরমোন, যা পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে শারীরিক বৃদ্ধিকরণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) থাইরক্সিন — এটি বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করলেও প্রধান দেহ বৃদ্ধিকারক হরমোন নয়।
B) প্রোল্যাকটিন — এটি স্তন্যগ্রন্থির বিকাশ ও দুগ্ধ উৎপাদনে উদ্দীপনা যোগ করে, যা দেহ বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) এড্রিনালিন — এটি আপৎকালীন হরমোন বা ভীতি ও উত্তেজনার সময় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বাড়াতে কাজ করে।
D) সোমাটোট্রফিন — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে শরীরের প্রধান বৃদ্ধিকারক হরমোন হিসেবে প্রমাণিত।
মনে রাখার টিপস:
সোমাটোট্রফিন শব্দের সোমা অংশটি শরীর বা দেহ বোঝায়, যা থেকে দেহ বৃদ্ধিকারক হরমোন সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) প্লাটিনাম
কেন সঠিক:
- প্লাটিনাম প্রকৃতির অত্যন্ত দুর্লভ এবং বিরল একটি ধাতু, যার উৎপাদন স্বর্ণ বা রূপার তুলনায় খুবই কম।
- এর স্থায়িত্ব, উজ্জ্বলতা এবং ক্ষয়রোধী গুণের কারণে বিশ্ব বাজারে এর আর্থিক মূল্য সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বর্ণ — স্বর্ণ অত্যন্ত মূল্যবান হলেও এটি প্লাটিনামের চেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপাদিত হয় এবং এর বাজারমূল্য প্লাটিনামের নিচে থাকে।
B) হীরা — হীরা পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান বস্তু হলেও এটি কোনো ধাতু নয়, এটি মূলত কার্বনের একটি রূপভেদ বা অধাতু।
C) সিলভার — সিলভার বা রূপা একটি মূল্যবান ধাতু হলেও এর প্রাচুর্য স্বর্ণ ও প্লাটিনামের চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় এর দাম কম।
D) প্লাটিনাম — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক, কারণ এটি উল্লিখিত ধাতুগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দুর্লভ ও দামি।
মনে রাখার টিপস:
সবচেয়ে দামি ধাতু মনে রাখতে 'প্লাটিনাম' শব্দটি মনে রাখুন, যা স্বর্ণের চেয়েও দুর্লভ।
সঠিক উত্তর: A) ফিলিস্তিন
কেন সঠিক:
- আল আকসা মসজিদ পূর্ব জেরুজালেম বা বায়তুল মোকাদ্দাসে অবস্থিত, যা ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড।
- আন্তর্জাতিকভাবে পূর্ব জেরুজালেমকে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফিলিস্তিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ মসজিদটি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরে অবস্থিত।
B) ইসরাইল — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও, আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি ও ঐতিহাসিক স্বীকৃতি অনুযায়ী এটি ফিলিস্তিনের অন্তর্ভুক্ত।
C) আলজেরিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ, যার সঙ্গে আল আকসা মসজিদের কোনো ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই।
D) সৌদি আরব — এটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যেখানে মক্কা ও মদিনা অবস্থিত, কিন্তু আল আকসা মসজিদ এখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
আল আকসা মসজিদ বায়তুল মোকাদ্দাস বা ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত, যা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান।
সঠিক উত্তর: A) জটিল সার্জারি চিকিৎসায়
কেন সঠিক:
- রোবট মানুষের চেয়ে অনেক বেশি নিখوঁপ ও নির্ভুলভাবে হাত ও যন্ত্র পরিচালনা করতে পারে।
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে রোবটিক সার্জারির মাধ্যমে হৃদরোগ বা মস্তিষ্কের মতো জটিল ও সংবেদনশীল অপারেশন সফলভাবে করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জটিল সার্জারি চিকিৎসায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে রোবট সার্জারিতে বহুল ব্যবহৃত হয়।
B) ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে — এটি স্বাক্ষর যাচাই বা বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির কাজ, রোবটের কাজ নয়।
C) নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে — এটি জিনপ্রকৌশল এবং কৃষি বিজ্ঞানের গবেষণাগারের কাজ, যেখানে রোবটের ব্যবহার প্রধান নয়।
D) টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে — এটি সাধারণ কারখানায় স্বয়ংক্রিয় মেশিনের সাহায্যে করা হয়, রোবটের সার্জিক্যাল বা উন্নত কাজের প্রয়োজন হয় না।
মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসাক্ষেত্রে মানুষের হাতের কাঁপুনি দূর করে নিখুঁতভাবে কাটা ও সেলাই করার জন্য রোবট ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) লিও টলস্টয়
কেন সঠিক:
- ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটির রচয়িতা রুশ সাহিত্যিক লিও টলস্টয়।
- নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণ এবং রুশ সমাজের ওপর তার প্রভাব এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কার্ল মার্কস — তিনি সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা এবং কমিউনিস্ট ইশতেহার ও দাস ক্যাপিটাল গ্রন্থের রচয়িতা, ঔপন্যাসিক নন।
B) জেন অস্টিন — তিনি একজন বিখ্যাত ইংরেজি ঔপন্যাসিক, যার বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস অন্যতম।
C) মন্টেস্কু — তিনি ফরাসি দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, যিনি দ্য স্পিরিট অফ লজ গ্রন্থটি লিখেছেন।
D) লিও টলস্টয় — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসের রচয়িতা।
মনে রাখার টিপস:
যুদ্ধে শান্তি (War and Peace) আনতে রাশিয়ার টলস্টয় তার বিশাল উপন্যাস উপহার দিয়েছেন।
সঠিক উত্তর: D) জিব্রাল্টার
কেন সঠিক:
- জিব্রাল্টার প্রণালিটি ইউরোপের স্পেন ও আফ্রিকার মরক্কোর মাঝে অবস্থিত এবং এটি ভূ-মধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- কৌশলগত ও বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রধান সামুদ্রিক পথ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হরমুজ — এই প্রণালিটি ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করেছে, যা ভূ-মধ্যসাগর বা আটলান্টিকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) বসফরাস — এই প্রণালিটি কৃষ্ণ সাগর ও মারমারা সাগরকে যুক্ত করেছে এবং এটি তুরস্কে অবস্থিত।
C) পক — এই প্রণালিটি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের অংশবিশেষকে সংযুক্ত করেছে।
D) জিব্রাল্টার — এটি ভূ-মধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্তকারী সঠিক প্রণালি।
মনে রাখার টিপস:
জিব্রাল্টার নামটির প্রথম অক্ষর জ দিয়ে আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূ-মধ্যসাগরের সংযোগকারী প্রধান প্রণালি মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ল্যাটিন
কেন সঠিক:
- ‘ভেটো’ একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ আমি নিষেধ করছি।
- আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আইনশাস্ত্রে কোনো প্রস্তাবের ওপর অননুমোদন বা নিষেধাজ্ঞা বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ল্যাটিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভেটো শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে সরাসরি ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষায় এসেছে।
B) গ্রিক — এটি গ্রিক শব্দ নয়, তাই এই অপশনটি ভুল।
C) ফ্রেঞ্চ — এটি ফরাসি বা ফ্রেঞ্চ শব্দ নয়, তাই এটি সঠিক নয়।
D) ইংরেজি — এটি মূলত ইংরেজি শব্দ নয়, যদিও বর্তমানে ইংরেজি ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
ল্যাটিন শব্দের অর্থ নিষেধ করা, তাই ভেটো মানে নিষেধ।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৯৭ সাল
কেন সঠিক:
- সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ইউনেস্কো একে ছয় ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে তাদের বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে।
- সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও অনন্য ম্যানগ্রোভ বনের বিশ্বজনীন গুরুত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯৬ সাল — এই সালে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৯৭ সাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই সুন্দরবন ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি লাভ করে।
C) ১৯৯৮ সাল — এই সালে সুন্দরবনের বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
D) ১৯৯৯ সাল — এই সালে সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি, এটি ভুল তথ্য।
মনে রাখার টিপস:
সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্য হলো সাতচল্লিশের ঠিক পঞ্চাশ বছর পর অর্থাৎ ১৯৯৭ সালে।
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খান
কেন সঠিক:
- সুবেদার ইসলাম খান ঢাকা যখন প্রথম মুঘল বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন, তখন শহরের জল নিষ্কাশন ও নৌ যোগাযোগের জন্য ধোলাইখাল খনন করান।
- ঐতিহাসিক সূত্র মতে, এটি বুড়িগঙ্গা নদী থেকে সুরঙ্গ বা খালের মাধ্যমে সংযোগ রক্ষা করার জন্য মুঘল আমলে খনন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মুঘল সুবেদার হিসেবে ঢাকায় রাজধানী স্থাপনকালে এই খাল খনন করেছিলেন।
B) সরফরাজ খান — তিনি বাংলার পরবর্তী একজন সুবেদার ছিলেন, যিনি ধোলাইখাল খননের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
C) মুর্শিদ কুলি খান — তিনি বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করেছিলেন, ধোলাইখাল খনন করেননি।
D) ঈশা খান — তিনি বাংলার বারো ভুঁইয়াদের প্রধান ছিলেন এবং ধোলাইখাল খননের সঙ্গে তার কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা রাজধানীর প্রতিষ্ঠাতা ইসলাম খান, আর ধোলাইখাল খনন করেছিলেন এই ইসলাম খান।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৬৯ সন
কেন সঠিক:
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় আইয়ুব খান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালে পুলিশি গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আমানউল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
- তাঁর স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন মেডিকেল হলের নামকরণ করা হয় আসাদ গেট এবং এর আশপাশের এলাকার নামকরণ করা হয় আসাদগেট।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৭ সন — এই সনে ভারত ও পাকিস্তান বিভক্ত হয় এবং ব্রিটিশ শাসন অবসান ঘটে, যা আসাদগেটের পটভূমির সাথে সম্পর্কিত নয়।
B) ১৯৫২ সন — এই সন বাঙালির ভাষা আন্দোলনের সাথে গভীরভাবে জড়িত, যা আসাদগেটের নামকরণের ঘটনার সাথে মেলে না।
C) ১৯৬৯ সন — এই সনে গণঅভ্যুত্থানের সময় শহীদ আসাদের আত্মত্যাগের স্মরণে আসাদগেট নামকরণ করা হয়।
D) ১৯৭১ সন — এই সন বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত, যা আসাদগেটের ঐতিহাসিক পটভূমির আগের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
শহীদ আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন, তাই আসাদগেট নামটি ১৯৬৯ সনের সাথে সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: D) ৮৮°০১ থেকে ৯২° ৪১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সম্পূর্ণভাবে উত্তর গোলার্ধ ও পূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত।
- এর ভৌগোলিক দ্রাঘিমা বিস্তার হলো ৮৮°০১ পূর্ব থেকে ৯২° ৪১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৪° ৩০ থেকে ২৮°৩৪ দক্ষিণ অক্ষাংশ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ দক্ষিণ গোলার্ধে নয়, বরং উত্তর অক্ষাংশের ভেতরে অবস্থিত।
B) ৮০°৩৪ থেকে ৪০°৯০ পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশ পশ্চিম গোলার্ধে নয়, বরং পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
C) ৩৪°২৫ থেকে ২৮°৩৮ উত্তর অক্ষাংশ — এটি ভুল কারণ বাংলাদেশের সঠিক উত্তর অক্ষাংশ বিস্তার হলো ২০°৩৪ থেকে ২৬°৩৮ উত্তর অক্ষাংশ।
D) ৮৮°০১ থেকে ৯২° ৪1 পূর্ব দ্রাঘিমাংশ — এটি সঠিক এবং বাংলাদেশের প্রকৃত ভৌগোলিক দ্রাঘিমা সীমাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের দ্রাঘিমা মনে রাখতে আশি-আট থেকে বিরানব্বই এবং অক্ষাংশ কুড়ি থেকে ছাব্বিশ এই সংখ্যাগুলো মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নিউইয়র্ক
কেন সঠিক:
- নিউইয়র্ক শহরটি বিশের দশকে প্রথম অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রাচুর্যের প্রতীক হিসেবে দ্য বিগ অ্যাপেল নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বর্তমানে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় এই নাম বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লন্ডন — যুক্তরাজ্যর রাজধানী হলেও এই নামে পরিচিত নয়, এটি কুয়াশার শহর হিসেবে খ্যাত।
B) প্যারিস — এটি ফ্যাশন ও প্রেমের শহর বা আলোর শহর নামে পরিচিত।
C) সিঙ্গাপুর — এটি উদ্যান নগরী বা লায়ন সিটি নামে পরিচিত।
D) নিউইয়র্ক — এটি বিগ অ্যাপেল নামে পরিচিত এবং সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
নিউইয়র্কে আপেল ফলটি খুব জনপ্রিয় বা বড় আকারের অর্থনীতি বোঝাতে বিগ অ্যাপেল মনে রাখতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) আইজ্যাক নিউটন
কেন সঠিক:
- আইজ্যাক নিউটন ১৬৮৭ সালে তার 'প্রিন্সিপিয়া' গ্রন্থে আলোর কণা তত্ত্ব বা করপাসকুলার তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী আলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও গতিশীল কণার স্রোত হিসেবে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইজ্যাক নিউটন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
B) অ্যালো হ্যাজেন — তিনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত মুসলিম গণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী যিনি আলোকরশ্মির প্রতিফলন ও প্রতিসরণ নিয়ে কাজ করেছিলেন, কণা তত্ত্বের প্রবক্তা নন।
C) গ্যালিলিও — তিনি দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নতি ঘটিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবদান রেখেছেন কিন্তু আলোর কণা তত্ত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নন।
D) রামফোর্ড — কাউন্ট রামফোর্ড তাপ যে গতিশক্তি, তা প্রমাণ করেছিলেন কিন্তু আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা নন।
মনে রাখার টিপস:
নিউটন মানেই গতি ও কণার হিসাব, তাই আলোর কণা তত্ত্বের সাথে নিউটনের নাম মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) ক্লিপবোর্ড
কেন সঠিক:
- কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে কোনো ডেটা কপি বা কাট করার পর তা সাময়িক জমা রাখার জন্য মেমোরির একটি নির্দিষ্ট স্থান ব্যবহৃত হয়।
- এই সাময়িক ধারণ করার স্থানটিকেই ক্লিপবোর্ড বলা হয়, যা পরবর্তীতে পেস্ট কমান্ডের মাধ্যমে অন্য কোথাও ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হার্ডডিস্ক — এটি কম্পিউটারের স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের প্রধান মাধ্যম, সাময়িক কপি করা ডেটা এখানে রাখা হয় না।
B) RAM — এটি কম্পিউটারের মূল প্রধান মেমোরি হলেও, বিশেষভাবে কপি করা ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত নির্দিষ্ট জায়গা হলো ক্লিপবোর্ড।
C) ক্লিপবোর্ড — এটি সঠিক উত্তর।
D) ROM — এটি শুধুমাত্র পাঠযোগ্য স্থায়ী মেমোরি, যা কম্পিউটার চালুর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংরক্ষণ করে এবং এতে ডেটা পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
মনে রাখার টিপস:
কপি করলেই তা ক্লিপবোর্ডে আটকে থাকে, এই মিল মনে রাখলে উত্তর সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) EU
কেন সঠিক:
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ (EU) বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট, যার সম্মিলিত জিডিপি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় স্থান দখল করে আছে।
- এটি কেবল মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল নয়, বরং একটি একক বাজার এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক ইউনিয়ন হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ASEAN — এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা, যা অর্থনৈতিক দিক থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনায় আকারে অনেক ছোট।
B) SAFTA — এটি দক্ষিণ এশিয়ার মুক্ত বাণিজ্য এলাকা নির্দেশ করে, যার অর্থনৈতিক পরিধি ও জিডিপির আকার বিশ্বমঞ্চে তুলনামূলকভাবে বেশ কম।
D) WTO — এটি কোনো অর্থনৈতিক বা আঞ্চলিক জোট নয়, বরং বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়ম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত একটি বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক সংস্থা।
মনে রাখার টিপস:
ইউরোপের দেশগুলোর অর্থনৈতিক শক্তি সবচেয়ে বেশি, তাই বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট হলো ইইউ (EU)।
সঠিক উত্তর: D) সোনাদিয়া
কেন সঠিক:
- সোনাদিয়া দ্বীপে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় সোনাদিয়া প্রকল্পটি পরিবর্তন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সন্দ্বীপ — এটি চট্টগ্রামের একটি দ্বীপ হলেও এখানে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের কোনো প্রস্তাবিত পরিকল্পনা নেই।
B) হাতিয়া — এটি নোয়াখালীর একটি উপকূলীয় দ্বীপ এবং এখানে গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত বা প্রস্তাব নেই।
C) মনপুরা — এটি ভোলার একটি দ্বীপ উপজেলা এবং এটি গভীর সমুদ্র বন্দরের জন্য নির্ধারিত কোনো স্থান নয়।
D) সোনাদিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ কক্সেস বাজারের এই দ্বীপে গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের প্রাথমিক প্রস্তাব নেওয়া হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
গভীর সমুদ্র বন্দর হিসেবে প্রথমে সোনাদিয়া দ্বীপের নাম শোনা গেলেও বর্তমানে মাতারবাড়ি বন্দর প্রধান প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সঠিক উত্তর: A) ঢাকা
কেন সঠিক:
- বর্ধমান হাউজ বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত এবং এটি বাংলা একাডেমির মূল ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ঐতিহাসিক এই ভবনটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর নির্মিত হয়েছিল এবং ১৯৫৫ সালে এখানে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্ধমান হাউজ ঢাকায় অবস্থিত এবং বর্তমানে এটি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের অন্তর্ভুক্ত।
B) কলকাতা — এটি ভুল কারণ বর্ধমান হাউজের নামকরণে বর্ধমান নাম থাকলেও এটি ভারতের কলকাতায় অবস্থিত নয়।
C) পশ্চিমবঙ্গ — এটি ভুল কারণ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় বর্ধমান রাজপরিবারের মূল প্রাসাদ থাকলেও এই নির্দিষ্ট 'বর্ধমান হাউজ' ঢাকায় অবস্থিত।
D) কুষ্টিয়া — এটি ভুল কারণ কুষ্টিয়ায় ঐতিহাসিক অনেক ভবন থাকলেও বর্ধমান হাউজ এখানে অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ভাষা আন্দোলন ও বাংলা একাডেমির সঙ্গে জড়িত বর্ধমান হাউজ সবসময় রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বলে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
কেন সঠিক:
- ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
- এই ভাষণের মাধ্যমে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত পটভূমি বিশ্ববাসীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দিনেই ইউনেস্কো ঐতিহাসিক ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
B) ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সাল — এটি ভুল তারিখ কারণ এর এক মাস আগেই ইউনেস্কো তাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিল।
C) ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সাল — এটি ভুল কারণ সাল এবং মাস উভয় তথ্যই ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে মিলে না।
D) ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সাল — এটি ভুল কারণ ঘটনাটি ২০১৮ সালে নয়, বরং ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর, যেখানে সালটি ২০১৭ এবং মাসটি অক্টোবর মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ১১টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।
- সর্বশেষ ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর মোট বোর্ডের সংখ্যা ১১টিতে উন্নীত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮টি — এটি পুরনো তথ্য, বর্তমানে বোর্ডের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
B) ৯টি — এই সংখ্যাটি বর্তমানের মোট শিক্ষা বোর্ডের সঠিক হিসাব নয়।
সি) ১০টি — ময়মনসিংহ বোর্ড গঠনের আগে বোর্ডের সংখ্যা ১০টি ছিল, যা এখন পরিবর্তিত হয়েছে।
ডি) ১১টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্তমানে দেশের মোট শিক্ষা বোর্ডের সংখ্যা ১১টি।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের মোট শিক্ষা বোর্ড মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন এক এক অর্থাৎ ১১টি।
সঠিক উত্তর: A) ফেনী
কেন সঠিক:
- বিলোনিয়া সীমান্ত বাংলাদেশের ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার অন্তর্গত একটি অতি পরিচিত সীমান্তবর্তী এলাকা।
- এই সীমান্ত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাব্রুম জেলার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত এবং ঐতিহাসিক নানা ঘটনার জন্য এটি বিখ্যাত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ফেনী — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ বিলোনিয়া সীমান্ত ফেনী জেলায় অবস্থিত।
B) নিলফামারী — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে বিলোনিয়া সীমান্ত নেই, এখানে ভারতের সাথে অন্য সীমান্ত রয়েছে।
C) পঞ্চগড় — এটি বাংলাদেশের সর্বউত্তরের জেলা এবং এখানে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত, বিলোনিয়া সীমান্ত নয়।
D) জয়পুরহাট — এটি রাজশাহী বিভাগের একটি সীমান্তবর্তী জেলা হলেও এখানে বিলোনিয়া সীমান্ত অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
ফেনীর ফুলবাগান বা পরশুরামে বিলোনিয়া সীমান্ত অবস্থিত, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) নেদারল্যান্ড
কেন সঠিক:
- নেদারল্যান্ডস নিচু ভূমি ও নদীর ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতার অধিকারী।
- তাদের ডেল্টা প্ল্যান বা ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনার সফল মডেল অনুসরণ করেই বাংলাদেশ ২১০০ সালের দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুইজারল্যান্ড — এটি পাহাড়ি ও ভূমাবেষ্টিত দেশ হওয়ায় ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনার জন্য এটি উপযুক্ত নয়।
B) নেদারল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) আয়ারল্যান্ড — এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনার সঙ্গে এর কোনো ঐতিহাসিক বা কৌশলগত সম্পর্ক নেই।
D) ফিনল্যান্ড — এটি হাজার হ্রদের দেশ এবং ব-দ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
নেদারল্যান্ডের মতো বাংলাদেশও নদীমাতৃক ও নিচু দেশ হওয়ায় তাদের ডেল্টা মডেল অনুসরণ করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর: A) পুণ্ড্র
কেন সঠিক:
- পুণ্ড্র হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদ, যার কেন্দ্র ছিল বর্তমান মহাস্থানগড়।
- ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র অনুযায়ী এটিই বাংলার সবচেয়ে পুরোনো ঐতিহাসিক জনপদের স্বীকৃতি পেয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুণ্ড্র — এটি বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ এবং এর প্রধান শহর ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড়।
B) সমতট — এটি বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ হলেও পুণ্ড্রর চেয়ে প্রাচীন নয়।
C) রাঢ় — এটি ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরের অঞ্চল নিয়ে গঠিত প্রাচীন জনপদ, যা পুণ্ড্রর সমসাময়িক বা পরবর্তী।
D) হরিকেল — এটি বর্তমান সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে গঠিত একটি প্রাচীন জনপদ, যা পরবর্তীকালের ইতিহাসেও পরিচিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
প্রাচীনতম জনপদ মনে রাখতে প্রথম অক্ষর মিলিয়ে মনে রাখুন পুণ্ড্র মানেই প্রাচীনতম।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)