বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায় ২) ২০২২

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a কৃ+ক্তি
b কৃষ+তি
c কৃঃ+তি
d কৃষ+টি
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষ+তি ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী দন্ত্য স এর পর ত বা থ থাকলে ত স্থানে ট এবং থ স্থানে ঠ হয়। কৃষ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে যেখানে সূত্রানুসারে ত পরিবর্তিত হয়ে টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি কিংবা প্রত্যয়সাধিত পদের সন্ধি যেখানে পরিবর্তনশীল ধ্বনির নিয়ম কাজ করে। ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় এই বিশেষ ধ্বনি পরিবর্তন সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইষ্ + ত = ইষ্ট ব্যাখ্যা: এখানেও স এর পরে ত থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ট হয়েছে। উদাহরণ ২: শোষ + তি = সৃষ্টি ব্যাখ্যা: কৃষ শব্দের মতো একই নিয়মে শোষ ধাতুর সঙ্গে তি যুক্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃ+ক্তি — কৃ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হলে এই রূপ হয় না এবং এখানে সঠিক মূল ধাতু ও প্রত্যয় নেই। C) কৃঃ+তি — কৃ এর পরে বিসর্গ ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ এটি কোনো নিপাতনে সিদ্ধ বা বিসর্গ সন্ধি নয়। D) কৃষ+টি — সন্ধির নিয়মে প্রথম পদ যোগ করার সময় দ্বিতীয় পদের শুরুতে ত থাকার কথা যা পরে টি তে রূপান্তরিত হয়, সরাসরি টি লেখা ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: স এর সঙ্গে তি যুক্ত হলে তা স্থিতি বজায় রেখে কৃষ্টি বা সৃষ্টির মতো শব্দ তৈরি করে। কৃষ ধাতুর সঙ্গে তি যোগ করলে কৃষ্টি হয় এটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি বা প্রত্যয় প্রায়ই আসে যেখানে দন্ত্য স এর রূপ পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী রূপগুলো আয়ত্ত করা সম্ভব।
a ৪৭ টি
b ৪৮ টি
c ৪৯ টি
d ৫০ টি
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক বর্ণের সংখ্যা ৫০ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পূর্ণাঙ্গ বর্ণগুলোকে একত্রিত করে বর্ণমালা বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী উচ্চারণ ও গঠনের ভিত্তিতে বর্ণমালাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বরবর্ণ ১১ টি ব্যাখ্যা: অ থেকে ঔ পর্যন্ত এই ১১ টি বর্ণকে স্বরবর্ণ বলা হয়। উদাহরণ ২: ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি ব্যাখ্যা: ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত এই ৩৯ টি বর্ণকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪এটি — এটি বাংলা বর্ণমালার সঠিক সংখ্যা নয়। বর্ণসংখ্যা গণনায় এটি ভুল তথ্য। B) ৪৮টি — ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা বর্ণ ৪৬ টি হলেও প্রমিত ব্যাকরণে এই সংখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। C) ৪৯টি — বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যার সাথে এই সংখ্যাটি মেলে না। D) ৫০টি — এটি বাংলা বর্ণমালার সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরে এগারো ব্যঞ্জনে উনচল্লিশ, যোগ করলে হয় পঞ্চাশ। এই ছন্দে মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি, এই বিভাজনটি ভালোভাবে মনে রাখবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে।
a সংক্ষেপণ
b ভাবের বিনিময়
c বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
d মিলন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ ১. কেন সঠিক: ব্যাকরণ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। এই শব্দটি ব্যাকরণশাস্ত্রের মূল কাজ অর্থাৎ ভাষার বিভিন্ন উপাদানকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ শব্দটির সংস্কৃত ব্যুৎপত্তি হলো বি যোগ আ যোগ কৃ যোগ অন। এর অর্থ হলো ভাষা বা শব্দের বিশেষ বিশ্লেষণ বা গঠনরীতি ব্যাখ্যা করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণ পাঠ করলে ভাষার রূপ ও গঠন পরিষ্কার হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণের মূল উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ব্যাকরণ মানুষের মুখের ভাষাকে শৃঙ্খলিত ও সুন্দর করে তোলে। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণের আলোচনার পরিধি বোঝাতে এটি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপণ — এটি ব্যাকরণের আভিধানিক অর্থ নয় বরং কোনো বড় রচনাকে ছোট করার প্রক্রিয়া। B) ভাবের বিনিময় — এটি ভাষা বা যোগাযোগের মূল কাজ, ব্যাকরণের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নয়। D) মিলন — এটি সন্ধি বা সমাসের সাধারণ অর্থ হতে পারে, ব্যাকরণের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাকরণ শব্দটিতে বিশ্লেষণ কথাটি যুক্ত থাকে কারণ এটি ভাষার খুঁটিনাটি বিষয় বিশ্লেষণ করে। ব্যুৎপত্তিগত অর্থের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে বিশ্লেষণ কথাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যুৎপত্তিগত অর্থের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ব্যাকরণ, ভাষা ও সাহিত্য সংক্রান্ত শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a বচন
b লিঙ্গ
c বাক্য
d বাগর্থ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লিঙ্গ ১. কেন সঠিক: - পুরুষ বা স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝানোর ব্যাকরণগত পদ্ধতিকে লিঙ্গ বলা হয়। এটি বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের পুরুষ বা স্ত্রী জাতীয় বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লিঙ্গ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা লক্ষণ। বাংলা ব্যাকরণে যে চিহ্ন বা লক্ষণের সাহায্যে কোনো পদের পুরুষ, স্ত্রী বা ক্লীববাচকতা বোঝা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাই ও বোন ব্যাখ্যা: ভাই শব্দটি পুরুষবাচক এবং বোন শব্দটি স্ত্রীবাচক লিঙ্গ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বালক ও বালিকা ব্যাখ্যা: বালক পুরুষবাচক এবং বালিকা স্ত্রীবাচক লিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বচন — বচন হলো পদের সংখ্যা বা একত্ব বোঝানোর ব্যাকরণগত সূত্র, যা পুরুষ বা স্ত্রী নির্দেশ করে না। B) লিঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি পুরুষ বা স্ত্রীবাচকতা নির্দেশ করে। C) বাক্য — বাক্য হলো সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশকারী পদসমষ্টি, যা লিঙ্গ নির্দেশক সূত্র নয়। D) বাগর্থ — বাগর্থ হলো শব্দের অর্থসংক্রান্ত তাত্ত্বিক আলোচনা, যা লিঙ্গ বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লিঙ্গ মানেই চিহ্ন। পুরুষ চিহ্ন বা স্ত্রী চিহ্ন মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিত্য পুরুষবাচক ও নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a চাঁদ
b খোকা
c কাঠ
d সন্ধ্যা
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সন্ধ্যা কেন সঠিক: - 'সন্ধ্যা' শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। - এই শব্দটিতে সংস্কৃত নিয়মের অনুসরণে যুক্তবর্ণ (ন+্ধ) ব্যবহৃত হয়েছে যা তৎসম শব্দের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের অর্থ হলো তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার সমান। - যে সমস্ত শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। - তৎসম শব্দের সাধারণ উদাহরণের মধ্যে রয়েছে চন্দ্র, সূর্য, নদী, পুষ্প এবং সন্ধ্যা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চাঁদ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ কারণ এর আদি উৎস সংস্কৃত চন্দ্র থেকে পরিবর্তিত হয়ে চাঁদে পরিণত হয়েছে। - B) খোকা — এটি একটি দেশি শব্দ যার সঠিক ও নির্ভরযোগ্য কোনো সংস্কৃত বা বিদেশি উৎস পাওয়া যায় না। - C) কাঠ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যার মূল উৎস সংস্কৃত শব্দ কাষ্ঠ। - D) সন্ধ্যা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি মূল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দগুলোতে সাধারণত রি-কার, যুক্তবর্ণ এবং মূর্ধন্য-ষ বা ণ-ত্ব বিধানের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
a জটিল
b যৌগিক
c সরল
d মিশ্র
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'লোকটি ধনী' এবং 'লোকটি কৃপণ' দুটি স্বাধীন বাক্য বা ভাব প্রকাশ করে এবং মাঝখানে 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার এবং গঠন বা কাঠামোর দিক থেকে বাক্য তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। গঠনগত দিক থেকে যৌগিক বাক্যে একাধিক সরল বা মিশ্র বাক্য সমপ্রকৃতির অব্যয় পদ দ্বারা পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে খুব মেধাবী কিন্তু অলস। ব্যাখ্যা: এটি একটি যৌগিক বাক্য কারণ দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'সে খুব মেধাবী' এবং 'সে অলস' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং সূর্য উঠল। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকাল হলো' এবং 'সূর্য উঠল' দুটি স্বাধীন বাক্য 'এবং' সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি আলাদা ভাব ও খণ্ডবাক্য আছে। D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব এর মতো সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি খুঁজে দেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ প্রায়ই আসে, তাই সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি খেয়াল করে বাক্য নির্ণয় করতে হবে।
a রূপায়ন
b রুপায়ন
c রূপায়ণ
d রুপায়ণ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রূপায়ণ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'রূপায়ণ' শব্দটিতে দীর্ঘ 'ঊ' কার এবং মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়েছে। শব্দের মূল ধাতু বা প্রত্যয়ের নিয়मानुसार তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ'-এর ব্যবহার এবং সঠিক ধ্বনি রূপ রক্ষার্থে এই বানানটি নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান ও প্রত্যয় প্রকরণ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। তৎসম শব্দে র বা র-ফলা এবং মূর্ধন্য ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ হয়, এই নিয়মের আওতায় রূপ ধাতুর সঙ্গে আয়ন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রূপায়ণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণয়ন ব্যাখ্যা: প্র উপসাগরের পর নয়ের স্থানে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই তৎসম বানানটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: উদযাপন ব্যাখ্যা: উদযাপনের ক্ষেত্রে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয় কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত শর্ত নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপায়ন — এই বানানে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎসম শব্দের বানানরীতির পরিপন্থী। B) রুপায়ন — এখানে দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার এবং দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) রূপায়ণ — এটি সঠিক বানান কারণ এখানে দীর্ঘ ঊ কার এবং মূর্ধন্য ণ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) রুপায়ণ — এই বানানে দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: রূপায়ণ শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঊ কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হয়। তৎসম শব্দের বানান মনে রাখতে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতির নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করা প্রয়োজন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ কার বনাম দীর্ঘ ঊ কার এবং দন্ত্য ন বনাম মূর্ধন্য ণ এর প্রয়োগ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। বানান শুদ্ধ করার সময় শব্দের উৎস (তৎসম, তদ্ভব বা বিদেশি) এবং প্রত্যয়ের সঠিক রূপ খেয়াল রাখতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c প্রমথ চৌধুরী
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - চলিতরীতির সার্থক প্রবর্তক ও রূপকার হলেন প্রমথ চৌধুরী। - তিনি বাংলা কথ্যভাষাকে লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে আধুনিক মননশীল প্রাবন্ধিক ও বীরবল ছদ্মনামের প্রণেতা। - ১৯১৪ সালে প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে তিনি চলিতরীতিকে বাংলা গদ্যে জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থ তেল নুন লাঠি ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে চলিতরীতির সহজ ও সাবলীল রূপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম জনপ্রিয় প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে চলিতভাষার শৈল্পিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলিতরীতি ব্যবহার করলেও এর সার্থক প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি ও সাহিত্যিক, চলিতরীতির প্রবর্তক নন। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সাধু রীতির গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপসবীরবল ছদ্মনামের আড়ালে প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকা দিয়ে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষ সহজে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বাংলা গদ্যে সাধু ও চলিতরীতির পার্থক্য এবং প্রবর্তকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a পার হয়ে
b পারি হয়ে
c পার হইয়ে
d পারিয়া
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পার হয়ে ১. কেন সঠিক: সাধু রীতির ক্রিয়াপদের সমাপ্তিকা বা অসমাপিকা রূপকে চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত ও সহজ করা হয়। এখানে সাধু রীতির অসমাপিকা ক্রিয়া 'পার হইয়া'-র চলিত রূপ হলো 'পার হয়ে', যেখানে 'হইয়া' সংকুচিত হয়ে 'য়ে' বা 'এ' রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতি থেকে চলিত রীতিতে রূপান্তরের সময় ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তিত হয়। সাধু রীতির ইয়া বা ইতে বিভুক্ত রূপ চলিত রীতিতে যথাক্রমে এ বা তে রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলিয়া - বলে। ব্যাখ্যা: সাধু রীতির 'বলিয়া' শব্দটির চলিত রূপ 'বলে'। উদাহরণ ২: শুনিয়া - শুনে। ব্যাখ্যা: সাধু রীতির 'শুনিয়া' শব্দটির চলিত রূপ 'শুনে'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার হয়ে — এটি সঠিক চলিত রূপ। B) পারি হয়ে — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং শব্দের মূল রূপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) পার হইয়ে — এখানে অতিরিক্ত 'ই' যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত চলিত রীতি নয়। D) পারিয়া — এটি চলিত রূপ নয়, বরং এটি নিজেই একটি সাধু রীতির রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু রীতির ইয়া যুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়া চলিত রীতিতে সাধারণত এ কার যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত হয়। যেমন মরিয়া মরার বদলে মরে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির রূপান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তনের এই নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যারা সকালে ওঠে তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
b সকালে জাগলে চমৎকার স্বাস্থ্য হয়।
c সকালে ওঠা স্বাস্থ্যবান ও প্রফুল্লতা দেয়।
d সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বা সাধারণ সত্যমূলক বাক্যের অনুবাদের ক্ষেত্রে হুবহু শব্দার্থ না করে ভাবানুবাদ করতে হয়। - Early rising শব্দের অর্থ সকালে ঘুম থেকে ওঠা এবং beneficial to health অর্থ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বা ভালো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি gerund যেমন Early rising বাংলায় বিশেষ্যর মতো কাজ করে সকালে ওঠা অর্থ প্রকাশ করে। - এই ধরনের বাক্যে to be verb (is) এর পরে adjective বা noun বসে গুণের প্রকাশ ঘটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Walking is good for health. ব্যাখ্যা: হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, যা অনুরূপ কাঠামোর একটি বাক্য। উদাহরণ ২: Reading books is a good habit. ব্যাখ্যা: বই পড়া একটি ভালো অভ্যাস, যা gerund দিয়ে শুরু হওয়া আরেকটি বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যারা সকালে ওঠে তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে — এটি Complex sentence এর অনুবাদ, কিন্তু মূল বাক্যটি Simple sentence। B) সকালে জাগলে চমৎকার স্বাস্থ্য হয় — এটি ভাবানুবাদ হলেও মূল বাক্যের শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। C) সকালে ওঠা স্বাস্থ্যবান ও প্রফুল্লতা দেয় — এখানে ব্যাকরণগত অসংগতি রয়েছে কারণ ওঠা কোনো ব্যক্তিকে স্বাস্থ্যবান করতে পারে না। D) সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো — এটি মূল ইংরেজি বাক্যের সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত ভাবানুবাদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Gerund (Verb + ing) দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যকে বাংলায় অনুবাদ করার সময় সাধারণত ক্রিয়ার সঙ্গে 'আ' যুক্ত করতে হয় (যেমন rising অর্থ ওঠা)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রমিত ভাবানুবাদ নির্বাচন করতে হয়। - বাক্য ছোট এবং সহজ হলে তার মূল অর্থ ঠিক রেখে সাবলীল বাংলা রূপ বেছে নিতে হবে।
a তদর্থক
b অস্থায়ী
c শপথপত্র
d ক ও খ উভয়ই
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ উভয়ই কেন সঠিক: ইংরেজি পরিভাষা Ad-hoc শব্দটির আক্ষরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ হলো কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা নির্দিষ্ট কাজের জন্য সাময়িকভাবে গঠিত। বাংলা ব্যাকরণের পরিভাষায় এই বিশেষ শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে তদর্থক এবং অস্থায়ী উভয় শব্দই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়। বাংলা পরিভাষা ব্যাকরণে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজের সুবিধার্থে অনেক সময় একটি ইংরেজি শব্দের একাধিক সমার্থক বাংলা শব্দ রাখা হয়। যেমন, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কমিটিকে আমরা যেমন অস্থায়ী কমিটি বলতে পারি, তেমনি তাকে তদর্থক কমিটিও বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তদর্থক — শুধুমাত্র এই অপশনটি সঠিক হলেও অপশন বি তে থাকা অস্থায়ী শব্দটিও সমার্থক হওয়ায় এটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) অস্থায়ী — শুধুমাত্র এই অপশনটি সঠিক হলেও অপশন এ তে থাকা তদর্থক শব্দটিও সমার্থক হওয়ায় এটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়। C) শপথপত্র — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো অ্যাডেভিট যা প্রদত্ত প্রশ্নটির ইংরেজি শব্দটির সাথে মেলে না। D) ক ও খ উভয়ই — এই অপশনটিতে তদর্থক এবং অস্থায়ী দুটি সঠিক উত্তরই একত্রে থাকায় এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত ও সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: Ad-hoc শব্দটির প্রথম অংশ দেখে কাজের উদ্দেশ্য এবং শেষ অংশ দেখে সময়ের স্থায়িত্ব মনে রাখা যায়। পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এলে তদর্থক এবং অস্থায়ী উভয় শব্দই মাথায় রাখতে হবে।
a পড়ার সুবিধা
b লেখার সুবিধা
c উচ্চারণের সুবিধা
d শোনার সুবিধা
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উচ্চারণের সুবিধা ১. কেন সঠিক: - পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চারণ সহজ করাই সন্ধির মূল উদ্দেশ্য। - দ্রুত কথা বলার সময় বা স্বাভাবিক উচ্চারণে শব্দের মধ্যকার কঠিন বা অসম্ভব ধ্বনি সংযোগ দূর করতে সন্ধি সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাকরণে সন্ধি বলা হয়। - সন্ধির ফলে উচ্চারণের আড়ষ্টতা কেটে যায় এবং ভাষা শোনার ও বলার ক্ষেত্রে সাবলীলতা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে এক আকার হয়ে উচ্চারণকে সহজ ও দ্রুততর করেছে। উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা। ব্যাখ্যা: এখানে ত এবং চ এর মিলনে উচ্চারণ প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পড়ার সুবিধা — সন্ধি পড়ার কাজটিকে সরাসরি সাহায্য করে না, এটি মূলত ধ্বনিগত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। B) লেখার সুবিধা — লেখার ক্ষেত্রে সন্ধি না করেও আলাদাভাবে শব্দ লেখা সম্ভব, তাই এটি লেখার প্রধান সুবিধা নয়। C) উচ্চারণের সুবিধা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি মূলত উচ্চারণের মাধুর্য ও সাবলীলতা বৃদ্ধি করে। D) শোনার সুবিধা — শোনার সুবিধা উচ্চারণের ফলমাত্র, কিন্তু সন্ধির সরাসরি মূল উদ্দেশ্য বা সুবিধা হলো উচ্চারণ সহজ করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধি মানেই সংযোগ এবং উচ্চারণ সহজ করা। - উচ্চারণ ও সন্ধি এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধির সংজ্ঞা ও এর মূল উদ্দেশ্য সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ধ্বনি পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে সন্ধি ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a ইতিহাসবেত্তা
b ঐতিহাসিক
c ইতিহাসবিজ্ঞ
d ইতিহাসবিদ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইতিহাসবেত্তা ১. কেন সঠিক: ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ বা যিনি ইতিহাস খুব ভালো জানেন, তাকে এককথায় ইতিহাসবেত্তা বলা হয়। এখানে বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ অর্থে 'বেত্তা' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের অর্থ বা ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেদ জানেন যিনি = বেদজ্ঞ ব্যাখ্যা: শাস্ত্র বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: শাস্ত্র জানেন যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ ব্যাখ্যা: এখানে কোনো নির্দিষ্ট শাস্ত্রে অভিজ্ঞ বা পণ্ডিত বোঝাতে 'জ্ঞ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতিহাসবেত্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নে অভিজ্ঞ অর্থে 'বেত্তা' চাওয়া হয়েছে। B) ঐতিহাসিক — এটি ভুল কারণ ইতিহাস সম্পর্কিত বা ইতিহাসের উপাদান বিষয়ক বোঝাতে ঐতিহাসিক ব্যবহৃত হয়। C) ইতিহাসবিজ্ঞ — এটি ভুল কারণ ব্যাকরণগতভাবে এই শব্দটি প্রমিত বা বহুল প্রচলিত নয়। D) ইতিহাসবিদ — এটি ভুল কারণ যিনি ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেন বা লেখেন, তাকে ইতিহাসবিদ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ বোঝালে 'বেত্তা' শব্দ যুক্ত হয় যেমন তত্ত্ববেত্তা। গবেষক বা রচয়িতা বোঝালে 'বিদ' শব্দ যুক্ত হয় যেমন ইতিহাসবিদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য শব্দ পরিবর্তনের কারণে অর্থের পার্থক্য ঘটে। বিশেষজ্ঞ এবং গবেষক বা লেখকের মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a ব্য+অর্থ
b বি+অর্থ
c ব্যা+অর্থ
d ব+অর্থ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বি+অর্থ ১. কেন সঠিক: - ‘ব্যর্থ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো বি + অর্থ। এটি ই-সন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। - সন্ধি নিয়মানুযায়ী পূর্বপদের অন্তস্থিত ই বা ঈ এবং পরবর্তী পদের আদি স্বর অসমান স্বর হলে ই বা ঈ এর স্থানে য এবং পরবর্তী স্বরবর্ণটি য-ফলা হিসেবে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধি বা ই-সন্ধির অন্তর্ভুক্ত একটি নিয়ম। - এখানে বি শব্দের ই কার এবং অর্থ শব্দের অ কার মিলে য তৈরি হয়েছে এবং ব এর সঙ্গে য-ফলা যুক্ত হয়ে ব্যর্থ গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + অধিক = অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ই কার এবং পরবর্তী পদের অ কার মিলে য তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই কার এবং অ কার মিলে য-ফলা এবং দ্য যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্য+অর্থ — ব্য কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ নয়, তাই এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয়। B) বি+অর্থ — এটি সঠিক উত্তর। C) ব্যা+অর্থ — ব্যা কোনো প্রমিত উপসর্গ বা শব্দ নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) ব+অর্থ — ব এককভাবে কোনো পদ বা উপসর্গ হিসেবে এখানে সন্ধি গঠন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ-ফলা বা য-ফলা যুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে প্রথম শব্দে ই বা ঈ কার এবং দ্বিতীয় শব্দে অসমান স্বরধ্বনি থাকলে সাধারণত এই নিয়মটি প্রয়োগ করতে হয়। - ব্যর্থ শব্দের শুরুতে ব-এ য-ফলা থাকায় বি উপসর্গ দিয়ে সন্ধি ভাঙার কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় য-ফলা যুক্ত সন্ধি প্রায়ই আসে। - প্রতি + এক = প্রত্যেক অথবা নদী + অম্বু = নদ্যম্বু, এই ধরনের শব্দগুলোর চর্চা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
a √দা+তৃচ
b √দাতৃ+আ
c √দা+তা
d উত্তর নাই
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি কারণ ‘দাতা’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো রুট দা যোগ তৃচ (ৃ-এর নিচে চ বা তৃচ্)। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক গঠনটি নেই। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃৎ প্রত্যয় সাধित শব্দ বিশ্লেෂণের সময় মূল ধাতুর পূর্বে রুট চিহ্ন এবং প্রত্যয়ের সঠিক রূপ লেখা বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়। ‘দাতা’ শব্দটিতে দান করা অর্থে দা ধাতুর সঙ্গে তৃচ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - তৃচ প্রত্যয়ান্ত শব্দের অন্তে চ ও ঋ কারের লুপ্ত ঘটিয়ে তা বা ত্র যুক্ত হয় এবং এটি কর্তৃকারকে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √পা যোগ তৃচ সমান পাতৃ বা ভোক্তা (এখানে পাপা ধাতু থেকে পাতৃ বা যে পান করে বোঝায়)। ব্যাখ্যা: এটি একই নিয়মে সাধিত সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যার অর্থ পানকারী। উদাহরণ ২: √গম যোগ তৃচ সমান গন্তু বা গন্তৃ (যিনি যান)। ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটি দেখায় কীভাবে ধাতু এবং তৃচ প্রত্যয় মিলে কর্তাবাচক শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √দা+তৃচ — এখানে রুট চিহ্ন বা ধাতুর সঠিক বিন্যাস এবং তৃচ প্রত্যয়ের বানান অসম্পূর্ণ রয়েছে। B) √দাতৃ+আ — দাতৃ কোনো ধাতু নয়, তাই এটি ভুল প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিশ্লেষণ। C) √দা+তা — তা কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক প্রত্যয় নয়, এটি প্রত্যয় সাধিত রূপের অংশ। D) উত্তর নাই — সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়টি অপশনে না থাকায় এই অপশনটি সঠিক হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কর্তা বা দানকারী বোঝাতে সংস্কৃত থেকে আগত শব্দে তৃচ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়। - ধাতু চেনার জন্য রুট চিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং প্রত্যয় হিসেবে তৃচ লেখার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতু এবং প্রত্যয়ের প্রমিত রূপ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। - একই নিয়মে স্রষ্টা, শ্রোতা এবং বক্তা শব্দগুলোর প্রত্যয় নির্ণয় করা যায়।
a √মু+ক্ত
b √মুক+ত
c √মুহ+ক্ত
d √মুচ+ক্ত
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √মুচ+ক্ত ১. কেন সঠিক: মুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে √মুচ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। এখানে ক্ত প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে যুক্ত হয়েছে যার অর্থ যাকে মুক্ত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ। √মুচ একটি ধাতু যার অর্থ বন্ধন থেকে খসানো বা মুক্ত করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √ভুজ + ক্ত = ভুক্ত ব্যাখ্যা: ভুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভুক্ত শব্দ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: √যুজ + ক্ত = যুক্ত ব্যাখ্যা: যুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যুক্ত শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √মু+ক্ত — মু নামে কোনো বাংলা ধাতু নেই তাই এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) √মুক+ত — মুক ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয় এবং প্রত্যয়টি ত নয় বরং ক্ত। C) √মুহ+ক্ত — মুহ ধাতু থেকে মুগ্ধ বা মূঢ় শব্দ গঠিত হয় মুক্ত নয়। D) √মুচ+ক্ত — এটি সঠিক গঠন কারণ √মুচ ধাতু থেকেই মুক্ত শব্দ উৎপন্ন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যাদের শেষে ক্ত থাকে তাদের ধাতু চ দিয়ে শেষ হতে পারে যেমন মুচ থেকে মুক্ত এবং যুজ থেকে যুক্ত। ধাতু চ থাকলে ক্ত প্রত্যয় যোগে ক্ত বা ক্ত যুক্ত রূপ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয়ের নির্ণয় প্রায়ই আসে তাই সংস্কৃত ধাতুগুলোর সঠিক রূপ মনে রাখা জরুরি। √মুচ ধাতু থেকে মুক্ত এবং মোচন শব্দ গঠিত হয়।
a সংক্ষেপণ
b সমন্বয়
c দুর্বোধ্য
d ভাষান্তরকরণ
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপণ ১. কেন সঠিক: সমাস শব্দের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যাকরণে সমাসের মূল কাজ বড় বাক্য বা বাক্যাংশকে ছোট ও সুসংহত করা। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি মাত্র পদে পরিণত হয়েছে, যা সমাসের সংক্ষেপণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন পদ সংক্ষিপ্ত হয়ে একটি নতুন পদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপণ — এটি সমাস শব্দের সঠিক ও অর্থপূর্ণ আক্ষরিক রূপ। B) সমন্বয় — সমন্বয় অর্থ একত্রীকরণ হলেও এটি সমাসের সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত অর্থ নয়। C) দুর্বোধ্য — দুর্বোধ্য অর্থ যা সহজে বোঝা যায় না, যা সমাসের বিপরীত গুণ। D) ভাষান্তরকরণ — ভাষান্তরকরণ অর্থ এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর, যা সমাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা। মনে রাখতে পারো সমাস সমান সংক্ষেপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য রক্ষা করাই সমাসের প্রধান উদ্দেশ্য।
a ভরাডুবি
b রাবণের চিতা
c জগদ্দল পাথর
d ঢাকের বায়া
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাবণের চিতা ১. কেন সঠিক: - 'রাবণের চিতা' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো চির অশান্তি বা যে আগুন কখনো নেভে না। পৌরাণিক সূত্র অনুযায়ী রাবণের চিতার আগুন কখনো নিভে যায়নি, তাই এর দ্বারা অবিরত কষ্ট বা চিরকালীন অশান্তি বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে আকর্ষণীয় ও গতিশীল করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসারটা তার কাছে রাবণের চিতার মতো হয়ে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চির অশান্তিময় পারিবারিক অবস্থাকে বোঝাতে রাবণের চিতা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: এই ঋণের বোঝা তার জীবনে রাবণের চিতা হয়ে জ্বলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রমাগত বয়ে চলা আর্থিক কষ্ট ও অশান্তিকে রাবণের চিতা হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভরাডুবি — এই বাগধারাটির অর্থ সর্বনাশা ক্ষতি বা সম্পূর্ণ পতন, যা চির অশান্তি অর্থ প্রকাশ করে না। B) রাবণের চিতা — এটি সঠিক উত্তর। C) জগদ্দল পাথর — এই বাগধারাটির অর্থ গুরুভার বা অসহ্য বোঝা, যা চির অশান্তি বোঝাতে উপযুক্ত নয়। D) ঢাকের বায়া — এই বাগধারাটির অর্থ অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা যার কোনো মূল্য নেই, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রামায়ণের রাবণের চিতার আগুন যেমন কখনো নেভে না, তেমনি মানুষের জীবনের চির অশান্তিও সহজে দূর হয় না। এই মিল থেকেই মনে রাখা সহজ যে রাবণের চিতা মানেই চির অশান্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলোর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a তুচ্ছ পদার্থ
b আলসেমি
c অন্ধ অনুকরণ
d তুমুল কান্ড
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলসেমি ১. কেন সঠিক: গদাই লস্করি চাল একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর মাধ্যমে কোনো কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ধীরগতি বা অলস মনোভাবকে প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। গদাই লস্করি চাল বাগধারাটি মানুষের কর্মবিমুখতা ও দীর্ঘসূত্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার এই গদাই লস্করি চালে কাজ করলে পরীক্ষার আগে সিলেবাস শেষ হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত ধীরগতি বা অলসতার কারণে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি অফিসের গদাই লস্করি চালের স্বভাব কবে বদলাবে জানি না। ব্যাখ্যা: এখানে দাপ্তরিক কাজের দীর্ঘসূত্রতা ও মন্থর গতি বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুচ্ছ পদার্থ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য কড়াক্রান্তি বা ছাইপাঁচ বাগধারা ব্যবহার করা হয়। B) আলসেমি — এটি গদাই লস্করি চাল বাগধারার নির্ধারিত ও সঠিক অর্থ। C) অন্ধ অনুকরণ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য খাস কলকাতায় বাবু বা দলকানা বাগধারা ব্যবহার করা হয়। D) তুমুল কান্ড — এই অর্থ প্রকাশের জন্য ডুমুরের ফুল বা যজ্ঞের কাণ্ড বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গদাই লস্করি মানে যার চাল বা চলাফেরা খুব মন্থর। চাল ধীরগতির হলে বুঝতে হবে সেখানে আলসেমি কাজ করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থের ওপর জোর দিতে হবে।
a করণে সপ্তমী
b কর্তৃকারকে সপ্তমী
c অপাদানে সপ্তমী
d অধিকরণে সপ্তমী
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্তৃকারকে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যিনি বা যা নিজে ক্রিয়া সম্পাদন করেন, তাকে কর্তৃকারক বলে। এখানে দুধ দেওয়ার কাজটি গরু নিজে করছে, তাই 'গরু' হলো কর্তৃকারক। - শব্দটির সঙ্গে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে এবং ব্যাকরণ অনুযায়ী 'এ', 'তে', 'য়' হলো সপ্তমী বা সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কারক নির্ণয়ের সম্পর্ক রয়েছে। ক্রিয়াপদকে 'কে' বা 'কারা' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। - এখানে 'কে দুধ দেয়?' প্রশ্ন করলে উত্তর আসে 'গরু'। তাই গরুটি হলো কর্তৃকারকের উদাহরণ এবং এর সঙ্গে যুক্ত 'তে' হলো সপ্তমী বিভক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাগলে কিনা বলে! ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'পাগলে' শব্দটিতে সপ্তমী বিভক্তি রয়েছে এবং এটি নিজে কথা বলার কাজ করায় কর্তৃকারকে সপ্তমী কারক। উদাহরণ ২: বাবায় আমাকে কলমটি দিয়েছেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাবায়' হলো কর্তৃকারক, যেখানে অন্তে 'য়' বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি সপ্তমী বিভক্তির রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে সপ্তমী — করণ কারক হয় যার দ্বারা বা সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, কিন্তু এখানে গরু নিজেই কর্তা, তাই এটি করণ কারক নয়। B) কর্তৃকারکے সপ্তমী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। C) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক হয় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভীত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) অধিকরণে সপ্তমী — অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা সময় নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় বোঝানো হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াকে 'কে' বা 'কারা' দিয়ে প্রশ্ন করে কর্তা খুঁজে বের করবে এবং শব্দের শেষে 'এ', 'তে', 'য়' দেখলে নির্দ্বিধায় তাকে সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কর্তৃকারকের ক্ষেত্রে প্রাণিবাচক বা অপ্রাণিবাচক শব্দে প্রায়ই সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার দেখা যায়, যা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a কর্মে শূন্য
b করণে শূন্য
c অপাদানে শূন্য
d অধিকরণে শূন্য
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করণে শূন্য ১. কেন সঠিক: - অহঙ্কার শব্দটির মাধ্যমে পতন ঘটার মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে। - অহঙ্কার পতন ঘটার কারণ বা মাধ্যম হওয়ায় এখানে করণ কারক হয়েছে এবং শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় তা শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলে এবং বাক্যে পদের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। - প্রবাদ বা চিরন্তন সত্যবাচক বাক্যে ভাব বা মাধ্যমের ওপর জোর দেওয়া হলে করণ কারকের প্রয়োগ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় কলমে পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: লাঠিতে ভাত খায়। ব্যাখ্যা: ভাত খাওয়ার মাধ্যম বা উপকরণ লাঠি হওয়ায় লাঠিতে পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে অহঙ্কার কোনো কর্ম নয়। C) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা রক্ষিত হয়, কিন্তু এখানে কোনো বিচ্যুতি বোঝায়নি। D) অধিকরণে শূন্য — অধিকরণ কারক হলো ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা কাল, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - যার দ্বারা বা যার সাহায্যে প্রশ্ন করলে করণ কারক পাওয়া যায়। - কিসের দ্বারা পতন ঘটে প্রশ্নের উত্তরে অহঙ্কার আসায় এটি করণ কারক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রবাদ ও প্রবচনের ক্ষেত্রে কারক নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং ক্রিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক গভীরভাবে বিবেচনা করতে হয়। - মাধ্যম বা সহায়ক বোঝালে চোখ বন্ধ করে করণ কারক নির্ধারণ করা যায়।
a মূমূর্ষু
b মূমুষু
c মুমূর্ষু
d মুমুর্ষূ
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা যার মরণের ইচ্ছা আছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ-কার, মাঝখানে হ্রস্ব উ-কার এবং শেষে দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে একই শব্দে হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার কিংবা হ্রস্ব উ-কার ও দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম রয়েছে। - মুমূর্ষু শব্দটিতে প্রথম বর্ণে মু (ম + উ-কার), দ্বিতীয় বর্ণে মু (ম + উ-কার) এবং শেষ বর্ণে র্ষূ (ষ + রেফ + দীর্ঘ ঊ-কার) ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটির প্রথমে হ্রস্ব উ-কার এবং পরে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়, যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান। উদাহরণ ২: মৃত্তিকা ব্যাখ্যা: ম-এর নিচে হ্রস্ব ঋ-কার যুক্ত হয়ে গঠিত এই শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বানান শুদ্ধির জন্য আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূমূর্ষু — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। B) মূমুষু — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ-কার এবং বানানের শেষের অংশে ভুল রয়েছে। D) মুমুর্ষূ — এই অপশনে দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষের বর্ণে ভুল গঠন রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম দুটি ছোট উ-কার এবং শেষটি বড় ঊ-কার হয়। - ছোট থেকে বড় ক্রমানুসারে উ-কার বসিয়ে এই বানানটি সহজে মুখস্থ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই বানানটি ব্যতিক্রমী ও অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন হিসেবে আসে। - বাংলা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে উ-কার এবং ঊ-কার ব্যবহারের এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পিক
b ধেনু
c বিভব
d অম্বু
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিক কেন সঠিক: - পরভৃত শব্দের অর্থ হলো যা অন্যের দ্বারা পোষিত বা প্রতিপালিত হয়। - কোকিল বা পিক পাখি নিজের ডিম নিজে না ফুটিয়ে কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাক সেই ডিম ও ছানা লালন-পালন করে বলে একে পরভৃত বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দের অধ্যায়ে পরভৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ তৎসম শব্দ। - বাংলা সাহিত্য ও কবিতায় কোকিলের স্বভাব বোঝাতে পরভৃত শব্দটি বহুবার ব্যবহৃত হয়েছে। - পরভৃত শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে কোকিল, পিক, বসন্তদূত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ পিক অর্থ কোকিল বা পরভৃত। - B) ধেনু — এই অপশন ভুল কারণ ধেনু শব্দের অর্থ গাভী বা গরু। - C) বিভব — এই অপশন ভুল কারণ বিভব শব্দের অর্থ সম্পদ, বৈভব বা ধ্রুবক। - D) অম্বু — এই অপশন ভুল কারণ অম্বু শব্দের অর্থ পানি বা জল। মনে রাখার টিপস: - পর মানে অন্য এবং ভৃত মানে পোষিত, অর্থাৎ যে অন্যের দ্বারা পালিত হয় তাকেই পিক বা কোকিল বলে মনে রাখবে।
a শান্ত
b আকাঙ্ক্ষা
c প্রসারণ
d কুঞ্চিত
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রসারণ ১. কেন সঠিক: - আকুঞ্চন শব্দের অর্থ সংকুচিত হওয়া বা গুটিয়ে যাওয়া। - এর বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো প্রসারণ, যার অর্থ ছড়িয়ে যাওয়া বা বড় হওয়া। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংকোচন ব্যাখ্যা: এটি আকুঞ্চন শব্দের সমার্থক হলেও এর বিপরীত শব্দ প্রসারণ। উদাহরণ ২: কুঞ্চন ব্যাখ্যা: এটি আকুঞ্চনের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শান্ত — এটি চঞ্চল বা অশান্ত শব্দের বিপরীত, আকুঞ্চন শব্দের বিপরীত নয়। B) আকাঙ্ক্ষা — এর অর্থ ইচ্ছা বা বাসনা, যা আকুঞ্চন শব্দের বিপরীত নয়। C) প্রসারণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আকুঞ্চনের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) কুঞ্চিত — এটি আকুঞ্চন শব্দের একটি রূপ বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে, বিপরীত শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আকুঞ্চন মানে ছোট বা বন্ধ হওয়া এবং প্রসারণ মানে বড় বা খোলা হওয়া। - এভাবে ছোট এবং বড় এই ধারণার মাধ্যমে শব্দটি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের অর্থ ভালোমতো জানলে সঠিক বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a বাক্য সংকোচনের জন্য
b বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য
c বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য
d বাক্য অলংকৃত করার জন্য
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য ১. কেন সঠিক: বিরাম চিহ্নের মূল কাজ হলো বাক্যের ভাব, অর্থ ও বক্তব্য শ্রোতা বা পাঠকের কাছে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা। বিরাম চিহ্ন ছাড়া বাক্য অস্পষ্ট হতে পারে এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে বিরতির স্থান নির্দেশ করতে এবং বক্তার মনোভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করতে যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাদের বিরাম চিহ্ন বলে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা prose এ প্রথম সুনির্দিষ্টভাবে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার প্রচলন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থামুন, আর যাবেন না। ব্যাখ্যা: এখানে কমা ব্যবহারের ফলে নিষেধের অর্থ স্পষ্ট হয়েছে এবং বাক্যটি আদেশমূলক রূপ নিয়েছে। উদাহরণ ২: থামুন আর যাবেন না। ব্যাখ্যা: কমা না থাকায় এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে এবং এটি যাওয়ার অনুমতি বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্য সংকোচনের জন্য — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের কাজ এক বা একাধিক শব্দকে একটি শব্দে রূপান্তর করা, বিরাম চিহ্ন নয়। C) বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য — বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি বিরাম চিহ্নের প্রধান কাজ নয়, মূল কাজ হলো অর্থের স্পষ্টতা রক্ষা করা। D) বাক্য অলংকৃত করার জন্য — অলংকার হলো কাব্যের সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান, যা ব্যাকরণে আলাদাভাবে আলোচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিরাম চিহ্ন মানেই হলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করা এবং মনের ভাব সহজে বোঝানোর চাবিকাঠি। মনে রাখবে বিরাম চিহ্ন মূলত অর্থের দ্যোতক, সৌন্দর্যের নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিরাম চিহ্ন বাক্যে অর্থ বদলাতে বড় ভূমিকা রাখে। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত বিরাম চিহ্নের অবদান প্রায়ই আসে।
a does he
b isn’t he
c is he
d aren’t he
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) isn't he কেন সঠিক: দেওয়া বাক্যটি একটি এফারমেটিভ বা হ্যা-বোধক বিবৃতিমূলক বাক্য। তাই এর সাথে যুক্ত ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-বোধক হবে। বাক্যটির মূল verb হলো is এবং সাবজেক্ট হলো he। তাই সঠিক ট্যাগ হবে isn't he। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — বাক্যটিতে মূল verb হিসেবে is রয়েছে, তাই do বা does ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। B) isn’t he — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, এটি নিয়মাঅনুযায়ী সঠিক। C) is he — মূল বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি অবশ্যই না-বোধক হতে হবে, যা এখানে হয়নি। D) aren’t he — সাবজেক্ট he এর সাথে verb হিসেবে are ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বিবৃতিমূলক বাক্য হ্যা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী সঠিক verb বসাতে হয়।
a ambitive
b ambitionally
c ambigious
d ambitious
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ambitious কেন সঠিক: ambition শব্দের অর্থ উচ্চাশা বা মহৎ আকাঙ্ক্ষা। এর সঠিক Adjective বা বিশেষণ রূপ হলো ambitious যার অর্থ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। ইংরেজি শব্দে সাধারণত ous যুক্ত করে Adjective গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ambitive — এই নামে ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক Adjective নেই। B) ambitionally — এই শব্দটি মূলত একটি ভুল Adverb রূপ। C) ambigious — এটি বানান ভুল এবং এর সঠিক রূপ ambiguous যার অর্থ দ্ব্যর্থক। D) ambitious — এটি সঠিক Adjective রূপ এবং এর অর্থ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। মনে রাখার টিপস: noun শব্দের শেষে ous যোগ করে প্রায়ই Adjective তৈরি করা হয়।
a a danger with waring
b a danger without warning
c hard danger
d powerful danger
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a danger without warning কেন সঠিক: Bolt from the blue একটি প্রবাদ যার অর্থ হলো আকস্মিক বিপদ। এর মূল ভাব হলো আকাশের নীল রঙে হঠাৎ বজ্রপাত হওয়া। এটি পূর্ব কোনো সংকেত ছাড়াই ঘটে থাকে। তাই সঠিক উত্তর অপশন বি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a danger with waring — এটি ভুল কারণ এই প্রবাদের অর্থ হলো পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়া বিপদ। B) a danger without warning — এটি সঠিক উত্তর। C) hard danger — এটি ভুল কারণ এখানে কঠিন বিপদের কথা বলা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) powerful danger — এটি ভুল কারণ এখানে শক্তিশালী বিপদের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নীল আকাশ বা ব্লু স্কাই থেকে হঠাৎ বজ্রপাত মানেই বিনা নোটিশে বা সতর্কবার্তা ছাড়া বিপদ আসা।
a went
b had gone
c will go
d would go
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) would go কেন সঠিক: বাক্যটির মূল கூ উক্তিটি ছিল ভবিষ্যৎকালের (Future Tense), যা Indirect Narration করার সময় Past Future-এ পরিবর্তিত হয়। Reporting Verb (told) Past Tense-এ থাকায় ভেতরের verb-এর পরিবর্তন ঘটে will থেকে would হয়। Direct Speech-এ থাকা the next day নির্দেশ করে যে ঘটনাটি ভবিষ্যতের, তাই would go সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) went — এটি Simple Past Tense-এর রূপ, যা Narration-এর নিয়মে ভবিষ্যৎকালের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। B) had gone — এটি Past Perfect Tense-এর রূপ, যা এই নির্দিষ্ট Context বা অর্থ প্রকাশ করার জন্য উপযুক্ত নয়। C) will go — Reporting Verb Past Tense-এ থাকায় Direct Speech-এর will অপরিবর্তিত থাকতে পারে না। D) would go — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Narration-এ Reporting Verb Past Tense হলে এবং the next day থাকলে will-এর পরিবর্তে would বসে।
a starts
b start
c started
d can start
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) started কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের ক্লজে Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী শূন্যস্থানে verb এর পাস্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) starts — এটি Present Indefinite Tense এর singular রূপ যা It is high time এর নিয়মের সাথে মিলে না। B) start — এটি verb এর present form যা এই বিশেষ বাক্যের গঠনের জন্য সঠিক নয়। C) started — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। D) can start — এখানে modal verb ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
a to remove something
b to flourish something
c to forward somthing
d to set up something new
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to remove something কেন সঠিক: - ‘Do away with’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু বাতিল করা, দূর করা বা মুক্তি পাওয়া। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘to remove something’ অর্থ কোনো কিছু অপসারণ করা বা দূর করা, যা মূল ফ্রেজাল ভার্বটির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to remove something — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ দূর করা বা বাতিল করা। B) to flourish something — এর অর্থ কোনো কিছু সমৃদ্ধ করা বা বিকশিত করা, যা প্রদত্ত ফ্রেজাল ভার্বের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) to forward something — এর অর্থ কোনো কিছু সামনে এগিয়ে নেওয়া বা প্রেরণ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to set up something new — এর অর্থ নতুন কিছু প্রতিষ্ঠা করা বা স্থাপন করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ‘Away’ শব্দের অর্থ দূরে সরিয়ে দেওয়া, তাই ‘Do away with’ দেখলে দূর করা বা বাতিল করার বিষয়টি মনে রাখবে।
a A dull-headed person
b A scholar
c A big gun
d A wealthy person
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A scholar কেন সঠিক: 'Letter' শব্দের একটি অর্থ হলো সাহিত্য বা বিদ্যা। তাই 'a man of letters' বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি সাহিত্য বা বিদ্যায় পারদর্শী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A dull-headed person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বোকা বা নির্বোধ ব্যক্তি, যা মূল প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না। B) A scholar — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) A big gun — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সমাজের একজন গুরুত্বপূর্ণ বা ক্ষমতাধর ব্যক্তি। D) A wealthy person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধনী ব্যক্তি, যা বিদ্যাচর্চার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: 'Letters' মানে এখানে চিঠি নয়, বরং সাহিত্য বা বিদ্যা বোঝানো হয়েছে। তাই যিনি অনেক বই পড়েন বা সাহিত্যচর্চা করেন তিনিই 'a man of letters'।
a We work hard to earn a lot of money.
b We work hard so that we earn money.
c We work hard so that we can earn money.
d none
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি মাত্র মূল ক্লজ আছে, তাই এটি একটি সিম্পল বাক্য। একে কম্পাউন্ড বা যৌগিক বাক্য করতে হলে দুটি স্বাধীন ক্লজকে and বা but দিয়ে যুক্ত করতে হতো। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক কম্পাউন্ড বাক্য নেই, তাই সঠিক উত্তর none হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We work hard to earn a lot of money. — এটি একটি সিম্পল বাক্য কারণ এতে একটাই স্বাধীন ক্লজ রয়েছে এবং অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। B) We work hard so that we earn money. — এটি একটি কমপ্লেক্স বাক্য কারণ এতে so that যুক্ত সাবঅর্ডিনেট ক্লজ রয়েছে। C) We work hard so that we can earn money. — এটিও একটি কমপ্লেক্স বাক্য, যা কম্পাউন্ড বাক্যের নিয়মের সাথে মেলে না। D) none — যেহেতু উপরের কোনোটিই কম্পাউন্ড বাক্য নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সিম্পল বাক্যে একটি মাত্র ক্লজ থাকে, কমপ্লেক্স বাক্যে so that থাকে এবং কম্পাউন্ড বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ and দ্বারা যুক্ত হয়।
a The reason want to do that will be explained by us.
b All the reasons we explain be explained by us.
c Why we want to be do would be explained by us.
d Why we want to do it will be explained by us.
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Why we want to do it will be explained by us. কেন সঠিক: মূল বাক্যের অবজেক্ট হিসেবে থাকা পুরো ক্লজ বা বাক্যাংশটি প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে শুরুতে বসেছে। ফিউচার ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় এখানে উইল বি এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে। সাবজেক্ট উই পরিবর্তিত হয়ে শেষের দিকে বাই আস হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The reason want to do that will be explained by us. — এখানে মূল বাক্যের অর্থ এবং অবজেক্টের গঠন পুরোপুরি বদলে ফেলা হয়েছে। B) All the reasons we explain be explained by us. — এখানে অক্সিলারি ভার্বের ভুল ব্যবহারের কারণে পুরো বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়েছে। C) Why we want to be do would be explained by us. — এখানে ভার্বের ফর্ম ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে। D) এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: কমপ্লেক্স বা বড় অবজেক্ট যুক্ত বাক্যের প্যাসিভ করার সময় পুরো অবজেক্ট ক্লজটিকে অপরিবর্তিত রেখে বাক্যের শুরুতে সাবเจক্ট হিসেবে বসাতে হবে।
a Nobody rejects this?
b Does everybody accept this?
c Who does not accept this?
d Who accepts this?
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Who does not accept this? কেন সঠিক: অ্যাসারটিভ বাক্যটিকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় অর্থের পরিবর্তন না করে নেতিবাচক রূপ দিতে হয়। Everybody-র পরিবর্তে Who ব্যবহার করে এবং মূল ভার্বের সাথে do বা does যুক্ত করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nobody rejects this? — এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন মেনে চলেনি এবং অর্থের দিক থেকেও মূল বাক্যের সাথে মিল নেই। B) Does everybody accept this? — এটি হ্যাঁ-বোধক প্রশ্ন তৈরি করেছে, যার অর্থ দাঁড়ায় সবাই কি এটি গ্রহণ করে, যা মূল বাক্যের বিপরীত। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) Who accepts this? — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে না, বরং কে এটি গ্রহণ করে তা জানতে চায়। মনে রাখার টিপস: Everybody বা Everyone যুক্ত অ্যাসারটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করতে হলে এদের পরিবর্তে Who বসিয়ে পরের অংশ নেতিবাচক করতে হয়।
a How time does fly!
b How time do fly!
c How time flies!
d none
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: মূল বাক্যটি হলো Time flies very fast. এটিকে Exclamatory বাক্যে রূপান্তর করতে হলে How দিয়ে শুরু করে adjective বা adverb বাক্যের শেষে নিতে হয় এবং verb বাক্যের কর্তা অনুযায়ী বসাতে হয়। এখানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী Exclamatory বাক্যটি হওয়া উচিত ছিল How fast time flies! কিন্তু অপশনে এই সঠিক গঠনটি দেওয়া নেই। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সঠিক নয়। এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে D) none নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) How time does fly! — এখানে fast শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং does ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন সঠিক হয়নি। B) How time do fly! — এখানে time হলো singular subject যার সাথে do verb ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল এবং fast শব্দটি অনুপস্থিত। C) How time flies! — এই বাক্যে fast শব্দটি ব্যবহার না করায় মূল বাক্যের মূল ভাব বা অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়নি। D) none — এই অপশনটি সঠিক কারণ A, B এবং C এর কোনোটিই সঠিক Exclamatory রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Assertive বাক্যকে Exclamatory করার সময় Very থাকলে How আনতে হয় এবং very এর পরের অংশ বাক্যের প্রথমে বসে।
a go
b gone
c was going
d going
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) going কেন সঠিক: বাক্যে saw একটি Perception verb। এর পরে Object এর সরাসরি কাজ বোঝাতে Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — Bare infinitive এখানে সরাসরি বসে না কারণ Object এর পর Verb এর ing রূপ বসে। B) gone — Past participle রূপ এখানে অর্থ ও ব্যাকরণের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল। C) was going — Finite verb ব্যবহার করলে বাক্যে দুটি মূল ভার্ব পাশাপাশি ভুলভাবে বসে। মনে রাখার টিপস: See বা Hear এর মতো Verb এর পরে Object থাকলে তার পরের Verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a You had better gone there.
b You had better went there.
c You had better go there.
d You had better will go there.
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) You had better go there. কেন সঠিক: বাক্যে had better একটি বিশেষ মোডাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পর সবসময় মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You had better gone there. — had better এর পর ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) You had better went there. — had better এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। C) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। D) You had better will go there. — had better এর পর অতিরিক্ত will ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: had better দেখার পর বাক্যে সবসময় মূল ভার্বের present form বসাবে।
a was
b were
c had
d had been
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: - as though বা as if এর আগের অংশ বর্তমানকালে (talked অতীতকাল হলেও নিয়ম অনুযায়ী এটি পাস্ট সাবজাংক্টিভ) থাকলে পরের অংশে অতীত নির্দেশক বাক্যে সবসময় were বসে। - অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে সাবজাংক্টিভ মোডে সব পারসনের পরে be ভার্বের রূপ হিসেবে were ব্যবহৃত হয়। (উল্লেখ্য, প্রদত্ত উত্তর D ভুল ছিল, সঠিক উত্তর B হবে)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — সাবজাংক্টিভ মোডের নিয়ম অনুযায়ী Singular subject হলেও was না বসে were বসে। B) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ as though যুক্ত বাক্যে অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করতে সব সাবজেক্টের পরে were বসে। C) had — একা had বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয়। D) had been — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও, অতীতে কোনো ঘটনা ঘটেছিল এমন বোঝাতে এখানে past perfect tense এর প্রয়োজন নেই, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: as though বা as if এর পরে সবসময় were বসবে, সাবজেক্ট সিঙ্গुलर হোক বা প্লুরাল।
a was
b is
c were
d are
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) was কেন সঠিক: - One of the structure-এর ক্ষেত্রে subject সবসময় plural noun হলেও verb সবসময় singular হয়। - বাক্যে yesterday থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে, তাই singular verb হিসেবে was বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সঠিক কারণ subject singular এবং বাক্যটি অতীতকালের। B) is — এটি singular verb হলেও present tense নির্দেশ করায় past tense-যুক্ত yesterday শব্দের সাথে বসে না। C) were — এটি plural verb হওয়ায় singular subject বিশিষ্ট এই বাক্যের সাথে বসে না। D) are — এটি plural verb এবং present tense নির্দেশ করায় উভভাবেই এই বাক্যের জন্য অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: One of the এর পর noun plural হলেও verb সবসময় singular হয়।
a rain
b rains
c is raining
d would be raining
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rains কেন সঠিক: - এটি First Conditional-এর একটি বাক্য, যার গঠন হলো If + Present Indefinite Tense এবং পরের অংশ Future Indefinite Tense হয়। - Subject 'it' একটি Third Person Singular Number হওয়ায় মূল Verb-এর সঙ্গে 's' যুক্ত হয়ে 'rains' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rain — Subject 'it' Third Person Singular হওয়ায় এখানে Verb-এর সঙ্গে 's' বা 'es' যুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, তাই এটি ভুল। B) rains — এটি সঠিক উত্তর, কারণ First Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী if-যুক্ত clause-টি Present Indefinite Tense-এ হবে। C) is raining — এটি Present Continuous Tense, যা সাধারণ শর্তমূলক বাক্যের এই গঠনে ব্যবহার করা যায় না। D) would be raining — এটি Third Conditional বা কাল্পনিক বাক্যের গঠন, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের স্বাভাবিক সম্ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: First Conditional-এ if-এর পরের clause-টি সবসময় Present Indefinite Tense হয় এবং Subject Singular হলে Verb-এর সঙ্গে 's' বা 'es' যোগ করতে হয়।
a blind
b blindly
c blindness
d blindy
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) blindness কেন সঠিক: - 'Blind' হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ যার সাথে '-ness' সাফিক্স যোগ করে অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন গঠন করা হয়েছে। - ইংরেজিতে সাধারণত কোনো অ্যাডজেক্টিভের শেষে '-ness' যুক্ত করে তাকে নাউনে রূপান্তর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) blind — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যা কোনো ব্যক্তির দৃষ্টিহীনতা বা গুণের অবস্থা বোঝায় কিন্তু নাউন রূপ নয়। B) blindly — এটি একটি অ্যাডভার্ব, যা সাধারণত ভার্বকে মডিফাই করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ অন্ধভাবে। C) blindness — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা 'blind' শব্দের সঠিক নাউন ফর্ম বা বিশেষ্য রূপ। D) blondy — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ এবং এর সাথে 'blind' শব্দের কোনো সঠিক ব্যাকরণগত সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: অ্যাডজেক্টিভ শব্দের শেষে 'ness' যোগ করলে সাধারণত অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন গঠিত হয়, যেমন blind থেকে blindness।
a Popular
b Popularly
c Population
d Popularize
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Popularize কেন সঠিক: - 'Popularity' একটি নাউন, যার অর্থ জনপ্রিয়তা। - এর সঠিক ভার্ব ফর্ম হলো 'Popularize', যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Popular — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ জনপ্রিয়। B) Popularly — এটি একটি অ্যাডভার্ব, যার অর্থ জনপ্রিয়ভাবে। C) Population — এটি একটি নাউন, যার অর্থ জনসংখ্যা। D) Popularize — এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম, যা প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে 'ize' বা 'ise' থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব হয়।
a Laudable
b Laudful
c Laudy
d Lauded
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Laudable কেন সঠিক: Laud শব্দটির অর্থ প্রশংসা করা এবং এটি একটি ভার্ব বা নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সাথে able প্রত্যয় যুক্ত করে এটিকে প্রশংসনীয় অর্থ প্রকাশকারী এডজেক্টিভে রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Laudable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি পরীক্ষিত এডজেক্টিভ। B) Laudful — ইংরেজি ব্যাকরণে laudful বলতে কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণযোগ্য শব্দ নেই। C) Laudy — এই ধরনের কোনো শব্দ ইংরেজি শব্দভান্ডারে ব্যবহৃত হয় না। D) Lauded — এটি laud ভার্বের পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, কোনো মূল এডজেক্টিভ নয়। মনে রাখার টিপস: প্রশংসা করার যোগ্য বোঝাতে সাধারণত Laud শব্দের শেষে able যুক্ত করে Laudable এডজেক্টিভটি তৈরি করতে হয়।
a Unfriendly
b Friendly
c Hostile
d Trivial
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Friendly কেন সঠিক: Antagonistic শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা বিরোধী। এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম হলো বন্ধুত্বপূর্ণ বা Friendly। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unfriendly — এটি antagonistic শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম, বিপরীত নয়। B) Friendly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ। C) Hostile — এটি antagonistic শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন। D) Trivial — এটি তুচ্ছ বা সামান্য অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Anti শব্দের অর্থ বিরোধিতা, তাই antagonistic মানে শত্রুভাবাপন্ন এবং এর উল্টো হলো friendly বা বন্ধুভাবাপন্ন।
a status
b state
c prestigious
d static
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) status কেন সঠিক: Prestige শব্দের বাংলা অর্থ হলো সম্মান, খ্যাতি বা সামাজিক অবস্থান। Status শব্দের অর্থও সামাজিক অবস্থান বা মর্যাদা বোঝায়। তাই শব্দ দুটির অর্থ একই রকম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) status — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি prestige শব্দের সমার্থক। B) state — এর অর্থ অবস্থা বা রাজ্য, যা prestige শব্দের সাথে মেলে না। C) prestigious — এটি একটি বিশেষণ শব্দ, যার অর্থ সম্মানজনক বা খ্যাতিমান। D) static — এর অর্থ স্থিতিশীল বা স্থির, যা prestige শব্দের বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Prestige এবং status দুটি শব্দই মানুষের সামাজিক সম্মান ও মর্যাদার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
a Transform
b Lubricant
c Pure
d Hazy
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hazy কেন সঠিক: - Transparent শব্দের অর্থ স্বচ্ছ বা যার মধ্যে দিয়ে পরিষ্কার দেখা যায়। - Hazy শব্দের অর্থ ঝাপসা বা অস্বচ্ছ, যা Transparent শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transform — এর অর্থ রূপান্তরিত করা, যা স্বচ্ছ শব্দের বিপরীত নয়। B) Lubricant — এর অর্থ পিচ্ছিলকারক পদার্থ, যা ভিন্ন একটি বিষয়। C) Pure — এর অর্থ বিশুদ্ধ, এটি Transparent শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত নয়। D) Hazy — এর অর্থ ঝাপসা, যা Transparent শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Transparent মানে পরিষ্কার কাচের মতো আর Hazy মানে কুয়াশায় ঢাকা ঝাপসা আকাশ।
a 43°
b 86°
c 129°
d 153°
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩° প্রদত্ত তথ্য: কোণটির পরিমাণ = ৫১° ধরি, কোণটির সম্পূরক কোণ = ক অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° ক + ৫১° = ১৮০° সুতরাং, সম্পূরক কোণ ক = ১৮০° − ৫১° = ১২৯° উত্তর: ১২৯° ÷ ৩ = ৪৩°
a 3
b 1
c 0
d – 1
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: (a ÷ b) + (b ÷ a) = ১ ধরি, লসাগু করে পাই (a^২ + b^২) ÷ (ab) = ১ কোণাকুণি গুণ করে পাই a^২ + b^২ = ab অতএব, a^২ − ab + b^২ = ০ সুতরাং, a^৩ + b^৩ এর সূত্র হলো (a + b) × (a^২ − ab + b^২) উত্তর: (a + b) × ০ = ০
a 2 টি
b 3 টি
c 4 টি
d 5 টি
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ টি প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিক নিয়মে একটি নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ অঙ্কন করতে হবে চতুর্ভুজের বিভিন্ন বাহু এবং কোণের পরিমাপ দেওয়া থাকে ধরি, চতুর্ভুজের চারটি বাহু এবং একটি কর্ণ দেওয়া আছে অথবা প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপাত্ত দেওয়া আছে অতএব, একটি ত্রিভুজ আঁকতে কমপক্ষে তিনটি উপাত্ত লাগে চতুর্ভুজের ক্ষেত্রে বাহু ও কোণ মিলিয়ে মোট উপাত্ত প্রয়োজন সুতরাং, ত্রিভুজের চেয়ে চতুর্ভুজের বাহু ও শীর্ষবিন্দু বেশি থাকে তাই একটি নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ আঁকতে ৫ টি উপাত্ত লাগে উত্তর: ৫ টি
a 4
b 4√2
c 2√2
d 8
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২√২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার − ২এক্স − ১ = ০ ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে এক্স দ্বারা ভাগ করে পাই এক্স − ২ − (১ ÷ এক্স) = ০ অতএব, এক্স − (১ ÷ এক্স) = ২ সুতরাং, (এক্স + ১ ÷ এক্স) স্কয়ার = (এক্স − ১ ÷ এক্স) স্কয়ার + ৪ উত্তর: ২√২
a 3
b 4
c 5
d 8
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (a ÷ b) × x − ৩ = (b ÷ a) × x − ৫ ধরি, চলক x যুক্ত পদগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে নিতে হবে অতএব, (a ÷ b) × x − (b ÷ a) × x = ৩ − ৫ সুতরাং, x × ((a ÷ b) − (b ÷ a)) = − ২ উত্তর: ৪
a 119
b 120
c 121
d 123
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো ১০৫ থেকে ১৩৫ পর্যন্ত বিস্তৃত ধরি, ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ক বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো খ অতএব, ১০৫ থেকে ১৩৫ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১০৭, ১০৯, ১১৩, ১২৭, ১৩১ সুতরাং, ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা ক = ১০৭ বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা খ = ১৩১ অতএব, সংখ্যাদ্বয়ের যোগফল = ১০৭ + ১৩১ = ২৩৮ সুতরাং, সংখ্যাদ্বয়ের গড় = ২৩৮ ÷ ২ = ১১৯ উত্তর: ১১৯
a 10,500 টাকা
b 10,450 টাকা
c 10,650 টাকা
d 10,600 টাকা
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০,৪৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন পি = ১০,০০০ টাকা মুনাফার হার আর = ৬% বা ৬ ÷ ১০০ সময় এন = ৯ মাস বা ৯ ÷ ১২ বছর ধরি, সরল মুনাফা আই = পি × এন × আর মুনাফা-মূলধন এ = পি + আই অতএব, আই = ১০,০০০ × (৯ ÷ ১২) × (৬ ÷ ১০০) আই = ১০,০০০ × (৩ ÷ ৪) × (৬ ÷ ১০০) আই = ৪৫০ টাকা সুতরাং, মুনাফা-মূলধন এ = ১০,০০০ + ৪৫০ এ = ১০,৪৫০ টাকা উত্তর: ১০,৪৫০ টাকা
a Inx
b In2x
c x2
d 2x
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x2 প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো e এর পাওয়ার 2 ln x সমান y ধরি, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী a ln b সমান ln (b এর পাওয়ার a) অতএব, 2 ln x সমান ln (x এর পাওয়ার 2) সুতরাং, e এর পাওয়ার ln (x এর পাওয়ার 2) সমান y উত্তর: x2
a 2.5
b 3.2
c 3.6
d 4.5
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪.৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১.৫ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৩.৫ ধরি, সংখ্যা দুটির সমানুপাত বা মধ্য সমানুপাতিক = ক অতএব, সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায়, ১.৫ অনুপাত ক = ক অনুপাত ১৩.৫ সুতরাং, ক গুণ ক = ১.৫ গুণ ১৩.৫ ক বর্গ = ২০.২৫ উত্তর: ক = √২০.২৫ = ৪.৫
a 0.29513888888889
b 0.21319444444444
c 0.16875
d 0.12777777777778
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২১৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪ প্রদত্ত তথ্য: হীরার আয়ের ৩৫% এবং হ্যাপীর আয়ের ২৫% পরস্পর সমান ধরি, হীরার আয় = হ অতএব, হ্যাপীর আয় = হ্যা সুতরাং, হ × ৩৫% = হ্যা × ২৫% অতএব, হ ÷ হ্যা = ২৫ ÷ ৩৫ সুতরাং, হ ÷ হ্যা = ৫ ÷ ৭ অতএব, হ ÷ হ্যা = ০.৭১৪২৮৫৭১৪২৮৫৭১ সুতরাং, অনুপাতের মান = ০.২১৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪ উত্তর: B) ০.২১৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪
a 1365 টাকা
b 1375 টাকা
c 1395 টাকা
d 1410 টাকা
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪১০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা লাভের হার = (৩৫/২)% বা ১৭.৫% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, লাভ ১৭.৫ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১৭.৫ = ১১৭.৫ টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্য ১২০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১২০০ × (১১৭.৫ ÷ ১০০) = ১৪১০ টাকা উত্তর: ১৪১০ টাকা
a 4
b 2
c – 2
d – 4
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো logx(১÷১৬) = − ২ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী এটিকে সূচকের আকারে লেখা যায় x এর পাওয়ার − ২ = ১÷১৬ অতএব, ১÷(x স্কয়ার) = ১÷১৬ সুতরাং, x স্কয়ার = ১৬ চূড়ান্ত হিসাব: উভয় পক্ষ থেকে বর্গমূল করে পাই x = ৪ অথবা x = − ৪ যেহেতু লগারিদমের ভিত্তি ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই x এর মান ধনাত্মক হবে উত্তর: ৪
a 2/5
b 1/3
c 3
d 5
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩ এর পাওয়ার x সমান ২৪৩ ধরি, ২৪৩ কে ৩ এর ঘাত হিসেবে প্রকাশ করা যায় ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সমান ২৪৩ অতএব, ৩ এর পাওয়ার x সমান ৩ এর পাওয়ার ৫ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিলে পাওয়া যায় x সমান ৫ উত্তর: ৫
a 1
b 0
c -1
d 2
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x২ − ৪x + k = ০ সমীকরণের মূলদ্বয় একটি অপরটির বিপরীত ধরি, একটি মূল = আলফা অপর মূলটি = ১ ÷ আলফা অতএব, মূলদ্বয়ের গুণফল = আলফা × (১ ÷ আলফা) আবার, দ্বিঘাত সমীকরণ হতে মূলদ্বয়ের গুণফল = k ÷ ১ সুতরাং, মূলদ্বয়ের গুণফল দুটি সমান হবে সুতরাং, আলফা × (১ ÷ আলফা) = k ১ = k উত্তর: ১
a √5
b 1
c 2√2
d 8
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x^২ + ১)^২ = ৫x^২ উভয় পক্ষের ধনাত্মক বর্গমূল নিয়ে পাই x^২ + ১ = √৫x ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটিকে সাজিয়ে পাই x + (১ ÷ x) = √৫ আমরা জানি যে, (x − ১ ÷ x)^২ = (x + ১ ÷ x)^২ − ৪ মানগুলো বসিয়ে পাই (x − ১ ÷ x)^২ = (√৫)^২ − ৪ অতএব, হিসাব করে পাই (x − ১ ÷ x)^২ = ৫ − ৪ বিয়োগফল থেকে পাই (x − ১ ÷ x)^২ = ১ সুতরাং, উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই x − ১ ÷ x = ১ উত্তর: ১
a (1/2)(x – 4)(x + 2)
b (1/2)(x + 4)(x – 2)
c (1/2)(x + 4)(x + 2)
d (1/2)(x – 4)(x – 2)
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১/২)(x − ৪)(x − ২) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (১/২)x^২ − ৩x + ৪ ধরি, রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রথমে (১/২) কমন নিলে রাশিটি হয় (১/২)(x^২ − ৬x + ৮) সুতরাং, ভেতরের অংশ মিডল টার্ম করে পাই (x^২ − ৪x − ২x + ৮) উত্তর: (১/২)(x − ৪)(x − ২)
a 6
b 8
c 10
d 12
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x২ + ৫x + ৬ দ্বিতীয় রাশি = x২ + ৩x + ২ রাশি দুটির গসাগু = ১২ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই প্রথম রাশি = (x + ৩)(x + ২) অতএব, দ্বিতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই দ্বিতীয় রাশি = (x + ২)(x + ১) সুতরাং, রাশি দুটির সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু = (x + ২) অতএব, প্রশ্নমতে, (x + ২) = ১২ উত্তর: x = ১০
a a > 0, a ≠ 1
b a < 0, a ≠ 1
c a > 1, a ≠ 0
d a < 0, a ≠ 0
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a > 0, a ≠ 1 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি এবং সংখ্যা সমান হলে মান এক হয় এখানে লগারিদমের ভিত্তি হলো এ ধরি, লগারিদমের ভিত্তি এ ধনাত্মক হতে হবে এ এর মান শূন্য হতে পারবে না অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী এ এর মান শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী এ এর মান এক এর সমান হতে পারবে না সুতরাং, লগারিদমের সংজ্ঞার নিয়ম অনুসারে এ এর সঠিক শর্ত নির্ধারণ করা হলো উত্তর: a > 0, a ≠ 1
a 3
b 9
c 12
d উত্তর নাই
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস বৃদ্ধি করা হয়েছে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে তা বের করতে হবে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, ব্যাস কতগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে তার নির্দিষ্ট মান প্রশ্নে নেই তাই নতুন ব্যাসার্ধ এবং নতুন ক্ষেত্রফল কত হবে তা অজানা সুতরাং, সুনির্দিষ্ট মান না থাকায় ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে তা বের করা সম্ভব নয় উত্তর: সঠিক উত্তরটি অপশনে নেই তাই উত্তর নাই
a 24
b 48
c 60
d 72
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গসাগু = ২ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ ১০ × ক = ৭২০০০ সুতরাং, ক = ৭২০০০ ÷ ১০ উত্তর: ৭২
a 10
b 12
c 14
d 16
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: ২৪ জন লোকের খাবার চলে ২০ দিন ঐ একই পরিমাণ খাদ্য আছে ধরি, ১ জন লোকের ঐ খাদ্য চলতে সময় লাগবে = ২৪ × ২০ দিন ৪০ জন লোকের ঐ খাদ্য চলতে সময় লাগবে = (২৪ × ২০) ÷ ৪০ দিন অতএব, ২৪ এবং ২০ গুণ করলে হয় ৪৮০ ৪৮০ কে ৪০ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১২ সুতরাং, ৪০ জন লোকের ওই খাদ্য ১২ দিন চলবে উত্তর: ১২
a সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ
b স্থুলকোণী ত্রিভুজ
c সমকোণী ত্রিভুজ
d সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী ত্রিভুজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে x, ২x এবং ৩x ধরি, প্রথম কোণ = x দ্বিতীয় কোণ = ২x তৃতীয় কোণ = ৩x অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি x + ২x + ৩x = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৬x = ১৮০ ডিগ্রি x = ৩০ ডিগ্রি উত্তর: কোণ তিনটি যথাক্রমে ৩০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি এবং ৯০ ডিগ্রি হওয়ায় ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
a 45°
b 90°
c 120°
d 150°
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের একটি সাধারণ জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য এটি ধরি, রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে কর্ণদ্বয়ের ছেদবিন্দুতে উৎপন্ন কোণগুলো সমকোণ অতএব, রম্বসের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এর কর্ণ দুটি লম্বভাবে ছেদ করে সুতরাং, কর্ণদ্বয়ের মধ্যবর্তী কোণ সর্বদা সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয় উত্তর: ৯০°
a বিন্দু
b রেখা
c স্থান
d রশ্মি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেখা প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতির মৌলিক ধারণা অনুযায়ী দুটি তল একে অপরকে ছেদ করে। জ্যামিতিক তলের সংজ্ঞানুযায়ী তাদের মিলনস্থল একটি নির্দিষ্ট পথ তৈরি করে। ধরি, প্রথম তলটি ক এবং দ্বিতীয় তলটি খ। তল দুটি পরস্পরকে একটি সাধারণ এলাকায় স্পর্শ করে। অতএব, তলের সাধারণ বিন্দুগুলোর সেট একটি সোজা বা বক্র পথ তৈরি করে। এই পথটির দৈর্ঘ্য আছে কিন্তু কোনো প্রস্থ বা উচ্চতা নেই। সুতরাং, দুটি তলের ছেদবিন্দু বা ছেদাংশ সর্বদা একটি রেখা উৎপন্ন করে। উত্তর: B) রেখা
a 0.45
b 0.5
c 0.6
d 0.75
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৬ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকা = ২৫ অংশ বা লভ্যাংশ = ১৫ ধরি, ১৫ টাকা ২৫ টাকার ক শতাংশ অতএব, ক = (১৫ ÷ ২৫) × ১০০ সুতরাং, ক = ৬০% বা ০.৬ উত্তর: ০.৬
a ২০১০ সালে
b ২০১৩ সালে
c ২০১৫ সালে
d ২০১৭ সালে
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০১০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুমোদিত ও প্রকাশিত হয় ২০১০ সালে। - এই শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এবং মাধ্যমিক শিক্ষাকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই জাতীয় শিক্ষানীতি চূড়ান্তভাবে প্রণয়ন করা হয়। B) ২০১৩ সালে — এই সালে নতুন কোনো জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ২০১৫ সালে — এটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের সাল নয়, বরং এটি এসডিজি অর্জনের শুরুর বছর। D) ২০১৭ সালে — এই সালে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়নি, এটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: শিক্ষানীতি প্রণয়নের বছর মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন, ২০১০ মানে ১০ নম্বর শিক্ষানীতি।
a মোঙ্গলয়েড
b অস্ট্রালয়েড
c ককেশয়েড
d নিগ্রয়েড
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রালয়েড কেন সঠিক: - বাঙালির নৃতাত্ত্বিক গঠনে আদিম আদিবাসী অস্ট্রালয়েড বা আদি-অস্ট্রালয়েড জনগোষ্ঠীর রক্ত সবচেয়ে বেশি মিশে রয়েছে। - প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই এই অঞ্চলের মূল জনগোষ্ঠীর সাথে অস্ট্রালয়েড বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ ঘটেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোঙ্গলয়েড — মোঙ্গলয়েড রক্তও বাঙালিদের মধ্যে কিছুটা রয়েছে, তবে তা অস্ট্রালয়েডের চেয়ে পরিমাণে কম। B) অস্ট্রালয়েড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ককেশয়েড — উচ্চবর্ণের কিছু মানুষের মধ্যে ককেশয়েড বা আর্য বৈশিষ্ট্য থাকলেও সামগ্রিকভাবে এটি প্রধান নয়। D) নিগ্রয়েড — বাঙালির দৈহিক গঠনে নিগ্রয়েড জাতিগোষ্ঠীর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব বা মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাঙালির দেহ গঠনে আদিম রক্তের প্রভাব বোঝাতে মনে রাখুন আদিবাসীরা ছিল অস্ট্রালয়েড।
a কনিস্ক
b শশাংক
c ধর্মপাল
d গোপাল
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শশাংক কেন সঠিক: - শশাংক ছিলেন প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম শাসক, যিনি ষষ্ঠ শতকের শেষভাগ বা সপ্তম শতকের প্রারম্ভে গৌড় রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেন। - তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলার ছোট ছোট অঞ্চলগুলোকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন এবং নিজের রাজধানী স্থাপন করেন কর্ণসুবর্ণে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কনিস্ক — কনিস্ক ছিলেন প্রাচীন কুশান রাজবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট, যিনি বাংলা অঞ্চলের শাসক ছিলেন না। B) শশাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ধর্মপাল — ধর্মপাল ছিলেন বাংলার পাল রাজবংশের দ্বিতীয় ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা, যিনি শশাংকের অনেক পরে রাজত্ব করেছিলেন। D) গোপাল — গোপাল ছিলেন বাংলার পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি শশাংকের মৃত্যুর প্রায় এক শতাব্দী পরে ক্ষমতায় আসেন। মনে রাখার টিপস: বাংলার স্বাধীন সূর্য উদিত হয়েছিল শশাংকের হাত ধরে, তাই প্রথম স্বাধীন শাসক মানেই শশাংক।
a নুরুল আমিন
b লিয়াকত আলী খান
c মোহাম্মদ আলী
d খাজা নাজিমুদ্দীন
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খাজা নাজিমুদ্দীন কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - তিনি ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় জিন্নাহর সুরেই উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নুরুল আমিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালীন পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) লিয়াকত আলী খান — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে নিহত হন। সি) মোহাম্মদ আলী — তিনি ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) খাজা নাজিমুদ্দীন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নাজিম, আর পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
a ৪টি
b ৫টি
c ৬টি
d ৭টি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে। - ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে চারটি তফসিল থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে এর সংখ্যা বাড়িয়ে সাতটি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এটি ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে থাকা তফসিলের সংখ্যা, বর্তমান সংবিধানের সঠিক সংখ্যা নয়। B) ৫টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোনো নির্দিষ্ট সংশোধনীর ফল নয় এবং বর্তমান মোট সংখ্যার সাথে মিলে না। C) ৬টি — সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনীর ফলে তফসিলের সংখ্যা ছয়টি অতিক্রম করে সাতটিতে উন্নীত হয়েছে। D) ৭টি — এটি বর্তমান সংবিধানের মোট তফসিলের সঠিক সংখ্যা এবং প্রশ্নে এটিই সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সংবিধানে সাত দিন বা সপ্তাহের সাত দিনের মতো মোট ৭টি তফসিল রয়েছে বলে মনে রাখতে পারো।
a মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
b শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হক
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ‘আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - ১৯৫২ সালে চীন সফরকালে তাঁর অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলা একাডেমি থেকে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী, এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু এই গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: নয়াচীন ভ্রমণের স্মৃতি নিয়ে লেখা বইটির রচয়িতা হলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
a ১ জুলাই, ১৯৮৯
b ১ জুলাই, ১৯৯০
c ১ জুলাই, ১৯৯১
d ১ জুলাই, ১৯৯২
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১ জুলাই, ১৯৯১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে। - তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান জাতীয় সংসদে এই কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুলাই, ১৯৮৯ — এই সালে বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১ জুলাই, ১৯৯০ — এই বছর ভ্যাট আইন পাস হওয়ার প্রস্তুতি চললেও কার্যকর হয়নি। C) ১ জুলাই, ১৯৯১ — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন থেকেই দেশে ভ্যাট আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। D) ১ জুলাই, ১৯৯২ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ এর এক বছর আগেই ভ্যাট চালু করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শুরুতে (১৯৯১ সাল) বাংলাদেশে ভ্যাট চালুর মাধ্যমে আধুনিক করার ব্যবস্থা শুরু হয়।
a মৃণাল হক
b শামীম শিকদার
c হামিদুজ্জামান খান
d নভেরা আহমেদ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃণাল হক কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত 'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা' ভাস্কর্যটির ভাস্কর প্রখ্যাত শিল্পী মৃণাল হক। - বাংলা বর্ণমালা ও মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে একত্রে ফুটিয়ে তুলতে এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃণাল হক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাস্কর্যটির মূল নকশা ও নির্মাণ তাঁর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। B) শামীম শিকদার — তিনি অপরাজেয় বাংলা এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যের ভাস্কর, জননী ও গর্বিত বর্ণমালার নন। C) হামিদুজ্জামান খান — তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশপ্তকসহ বেশ কয়েকটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের ভাস্কর। D) নভেরা আহমেদ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অন্যতম নকশাকার ও দেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর। মনে রাখার টিপস: বর্ণমালার জননীকে সম্মান জানাতে মৃণাল হক তৈরি করেছেন গর্বিত বর্ণমালা।
a ১৭ মার্চ, ২০২০
b ১৭ মার্চ, ২০১৯
c ১৭ মার্চ, ২০২১
d ১৭ মার্চ, ২০২২
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ মার্চ, ২০২০ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। - ২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ, ২০২০ — এটি সঠিক কারণ এই তারিখেই জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ, ২০১৯ — এটি ভুল কারণ এই সালে জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান শুরু হয়নি, এটি কেবল প্রস্তুতির বছর ছিল। C) ১৭ মার্চ, ২০২১ — এটি ভুল কারণ এই সালটি মুজিববর্ষের সমাপ্তির কাছাকাছি সময়, শুরুর তারিখ নয়। D) ১৭ মার্চ, ২০২২ — এটি ভুল কারণ এই সালটি মুজিববর্ষ ও জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালার সময়সীমার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখ ১৭ মার্চ মনে রাখলেই ২০২০ সাল যোগ করে জন্মশতবার্ষিকীর শুরুর সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c সৌদি আরব
d আরব আমিরাত
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌদি আরব কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কর্মী গেলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রবাসী কর্মী সৌদি আরবে কর্মরত আছেন। - এই বিশাল সংখ্যক প্রবাসীর পাঠানো আয়ের কারণে দীর্ঘদিন ধরে রেমিটেন্স আয়ের শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য রেমিটেন্স আসলেও তা সৌদি আরবের তুলনায় কম। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিটেন্স পাঠালেও তা শীর্ষ অবস্থানে নেই। C) সৌদি আরব — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বর্তমানে রেমিটেন্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ। D) আরব আমিরাত — আরব আমিরাত থেকে প্রচুর রেমিটেন্স আসে, তবে পরিমাণগত দিক থেকে এটি সৌদি আরবের পরেই অবস্থান করে। মনে রাখার টিপস: রেমিটেন্সের রাজা সৌদি আরব, কারণ প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা সেখানে সবচেয়ে বেশি।
a চীনের উহানে
b চীনের সাংহাইতে
c চীনের বেইজিংয়ে
d ইতালির লোম্বার্ডিতে
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীনের উহানে কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই নতুন ভাইরাসের নাম দেয় কোভিড উনিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের উহানে — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম প্রাদুর্ভাব এখানেই দেখা গিয়েছিল। B) চীনের সাংহাইতে — এটি চীনের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও প্রথম করোনা রোগী এখানে শনাক্ত হয়নি। C) চীনের বেইজিংয়ে — এটি চীনের রাজধানী হলেও প্রথম করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল এটি ছিল না। D) ইতালির লোম্বার্ডিতে — এটি ইউরোপে সংক্রমণের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল, তবে প্রাদুর্ভাবের উৎসস্থল নয়। মনে রাখার টিপস: করোনা ভাইরাস উ দিয়ে শুরু উহান শহর দিয়ে শুরু।
a ৫২টি
b ৫৪টি
c ৫৭টি
d ৫৮টি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৪টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন নির্ধারিত দালিলিক তথ্য অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যে মোট ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। - এই নদীগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করে পানি প্রবাহিত হয় এবং দুই দেশের জন্যই এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫২টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর সঠিক দালিলিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ৫৪টি — এটি অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী সঠিক উত্তর। C) ৫৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ সরকারিভাবে ৫৪টি নদীর নাম নথিভুক্ত আছে। D) ৫৮টি — অনানুষ্ঠানিক বা ভুল তথ্যের কারণে অনেক সময় এই সংখ্যাটি বলা হলেও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ আর চার মিলে হয় ৫৪, ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন নদী মনে রাখতে এই সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখুন।
a ১৯৪৭ সালে
b ১৯৪৮ সালে
c ১৯৪৯ সালে
d ১৯৫০ সালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৯ সালে কেন সঠিক: - উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিহত করতে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো এই সামরিক জোট গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৭ সালে — এই সালে ন্যাটো গঠিত হয়নি, বরং ১৯৪৭ সালে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রাথমিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। B) ১৯৪৮ সালে — এই সালে ন্যাটো গঠিত হয়নি, তবে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মার্শাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়। C) ১৯৪৯ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম মহাসচিব নির্বাচিত হন হেস্্টিংজ ইসময়। D) ১৯৫০ সালে — এই সালে ন্যাটো গঠিত হয়নি, তবে এই বছর কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা সামরিক জোটের তৎপরতা বৃদ্ধি করে। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো গঠনের সাল মনে রাখতে ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক চার বছর পর এই সামরিক জোট গঠিত হয়।
a জগদীশ চন্দ্র বসু
b ড. কুদরত-ই-খুদা
c লিউয়েন হুক
d ড. মাকসুদুল আলম
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ড. মাকসুদুল আলম কেন সঠিক: - ড. মাকসুদুল আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের সঙ্গে ২০১২ সালে পাটের জিনোম বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাটের জাত উন্নয়ন এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগদীশ চন্দ্র বসু — তিনি উদ্ভিদের প্রাণ ও সংবেদনশীলতা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত, পাটের জিনোম আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। B) ড. কুদরত-ই-খুদা — তিনি একজন প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং বাংলায় বিজ্ঞান গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। C) লিউয়েন হুক — তিনি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নয়ন এবং ব্যাকটেরিয়া বা প্রোটোজোয়া আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। D) ড. মাকসুদুল আলম — তিনি তোশার পাটের জিনোম সফলভাবে আবিষ্কার করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পাট আমাদের সোনালী আঁশ এবং এর জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন ড. মাকসুদুল আলম।
a মরক্কো
b লিবিয়া
c তিউনিসিয়া
d ইয়েমেন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইয়েমেন কেন সঠিক: - ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্য বা এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি দেশ। - এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরক্কো — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ, তাই এটি ভুল উত্তর। B) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ, তাই এটি ভুল উত্তর। C) তিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ, তাই এটি ভুল উত্তর। D) ইয়েমেন — এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা আফ্রিকা নয়। মনে রাখার টিপস: মরক্কো, লিবিয়া ও তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকার দেশ, আর ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ।
a ভাষা আন্দোলন
b শিক্ষা আন্দোলন
c গণনাট্য আন্দোলন
d বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন কেন সঠিক: - এই স্লোগানটি বিশ শতকের বিশের দশকে গড়ে ওঠা 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মূল মর্মকথা ও প্রধান স্লোগান ছিল। - মুক্তচিন্তা, গোঁড়ামি বর্জন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে আন্দোলনটির মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকায় এটি প্রকাশিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সংঘটিত আন্দোলন, যার স্লোগান ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। B) শিক্ষা আন্দোলন — ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রদের ঐতিহাসিক আন্দোলন, যা মূলত শিক্ষানীতি কেন্দ্রিক ছিল। C) গণনাট্য আন্দোলন — ব্রিটিশ বিরোধী ও জনসচেতনতামূলক সাংস্কৃতিক আন্দোলন, যা নাটক ও সঙ্গীতের মাধ্যমে গণমানুষকে উদ্বুদ্ধ করত। D) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই আন্দোলনের মূল দার্শনিক ভিত্তি ছিল যুক্তিবাদী চিন্তা ও জ্ঞানের চর্চা। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান ও বুদ্ধির কথা থাকলেই তা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এর মুখপত্র ছিল শিখা পত্রিকা।
a Successful Development Goals
b Successive Development Goals
c Sustainable Development Goals
d Sustantial Development Goals
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sustainable Development Goals কেন সঠিক: - এসডিজি (SDG) এর পূর্ণরূপ হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, যা ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য জাতিসংঘ গ্রহণ করেছে। - এটি পরিবেশ রক্ষা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর সমান গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Successful Development Goals — এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং জাতিসংঘের কোনো আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন এজেন্ডার নাম নয়। B) Successive Development Goals — এটি শব্দগত দিক থেকে কাছাকাছি হলেও এসডিজির দাপ্তরিক বা সঠিক পূর্ণরূপ নয়। C) Sustainable Development Goals — এটি সঠিক উত্তর। D) Sustantial Development Goals — এখানে 'Sustantial' বানানটি ভুল এবং এটি কোনো স্বীকৃত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বা সামাজিক পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়নের ইংরেজি মনে রাখতে এস (Sustainable) এবং ডি (Development) জি (Goals) এই ধারাবাহিকতা মনে রাখবে।
a রূপালী
b ডায়মন্ড
c ড্রামহেড
d ব্রিসাইল
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়মন্ড কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশে চাষ করা আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রধান জাত। - এই জাতের আলু উচ্চ ফলনশীল এবং এর সংরক্ষণ ক্ষমতা বেশ ভালো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপালী — এটি আলুর কোনো প্রধান বাণিজ্যিক জাত নয়, বরং এটি ধান বা অন্য ফসলের ক্ষেত্রে বেশি পরিচিত। B) ডায়মন্ড — এটি আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল জাত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) ড্রামহেড — এটি বাঁধাকপির একটি সুপরিচিত জাত, আলুর জাত নয়। D) ব্রিসাইল — এটি আলুর কোনো স্বীকৃত বা পরিচিত জাত নয়। মনে রাখার টিপস: আলুর রাজা যেমন বহুমুখী, তেমনি দামি অলংকার ডায়মন্ডের মতো এটি বাজারে সবসময় মূল্যবান ও জনপ্রিয়।
a বায়োলজি
b সোসিওলজি
c এনভায়রনমেন্ট
d ইকোলজি
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইকোলজি কেন সঠিক: - ইকোলজি বা বাস্তুবিদ্যা হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা পরিবেশের সাথে উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক সম্পর্কের আলোচনা করে। - এই শাখায় জীব এবং তাদের অজৈব পরিবেশের মধ্যকার আন্তঃক্রিয়া পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়োলজি — এটি সামগ্রিকভাবে জীবদেহ ও জীবন সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যা পরিবেশের সাথে সম্পর্কের নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বোঝায় না। B) সোসিওলজি — এটি মানব সমাজ, সামাজিক সম্পর্ক এবং সমাজবদ্ধ মানুষের আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। C) এনভায়রনমেন্ট — এটি কেবল পরিবেশকে বোঝায়, জীবদেহের সাথে পরিবেশের সুনির্দিষ্ট পারস্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞানকে বোঝায় না। D) ইকোলজি — এটি পরিবেশ ও জীবদেহের পারস্পরিক সম্পর্কের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম। মনে রাখার টিপস: ইকো শব্দের অর্থ পরিবেশ এবং লজি অর্থ বিদ্যা, তাই পরিবেশ ও জীবের বিজ্ঞান হলো ইকোলজি।
a ১ ‍ডিসেম্বর, ২০১৯
b ১ জানুয়ারি, ২০২০
c ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
d ১ মার্চ, ২০২০
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্য ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার চুক্তি করে। - এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ১১ মাসের ট্রানজিশন পিরিয়ড বা রূপান্তর কাল শেষে ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ব্রেক্সিট পুরোপুরি কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ ‍ডিসেম্বর, ২০১৯ — এই তারিখে ব্রেক্সিট কার্যকর হয়নি, বরং এই সময়ে ইউরোপীয় কাউন্সিলের নতুন সভাপতি হিসেবে চার্লস মিশেল দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। B) ১ জানুয়ারি, ২০২০ — এই তারিখ থেকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার রূপান্তর কাল বা ট্রানজিশন পিরিয়ড আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। C) ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই ব্রেক্সিট চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়েছিল। D) ১ মার্চ, ২০২০ — এই তারিখে ব্রেক্সিট কার্যকর হয়নি, এটি ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরের একটি সাধারণ মাস মাত্র। মনে রাখার টিপস: ব্রেক্সিট কার্যকর হয় ২০২০ সালের প্রথম মাস শেষ হওয়ার ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি।
a হিমালয় পর্বতমালা
b আল্পস পর্বতমালা
c আন্দিজ পর্বতমালা
d আলাস্কা পর্বতমালা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আন্দিজ পর্বতমালা কেন সঠিক: - দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত আন্দিজ পর্বতমালা পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা, যার দৈর্ঘ্য প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার। - এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল ঘেঁষে উত্তর থেকে দক্ষিণে ভেনেজুয়েলা থেকে চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয় পর্বতমালা — এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতমালা হলেও দীর্ঘতম পর্বতমালা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) আল্পস পর্বতমালা — এটি ইউরোপের প্রধান পর্বতমালা এবং এর দৈর্ঘ্য আন্দিজের তুলনায় অনেক কম। C) আন্দিজ পর্বতমালা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) আলাস্কা পর্বতমালা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি পর্বতমালা এবং এর বিস্তৃতি বেশ সীমিত। মনে রাখার টিপস: আন্দিজ নামটির শুরুতে আ আছে, আর পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বত হিসেবে এটি সবার আগে বা আ দিয়ে মনে রাখা যায়।
a প্যারাসাইট
b নোম্যাডল্যান্ড
c সিনারি
d ম্যারেজ স্টোরি
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নোম্যাডল্যান্ড কেন সঠিক: - ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত ৯৩তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয় নোম্যাডল্যান্ড। - ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি সেরা পরিচালক ও সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারসহ মোট তিনটি বিভাগে অস্কার জয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারাসাইট — এটি ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ৯২তম অস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিল। B) নোম্যাডল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে ২০২১ সালের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র। C) সিনারি — এটি অস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে বিজয়ী কোনো পরিচিত চলচ্চিত্র নয়। D) ম্যারেজ স্টোরি — এটি ২০১৯ সালের একটি প্রশংসিত চলচ্চিত্র হলেও অস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: নোম্যাড শব্দের অর্থ যাযাবর, ২০২১ সালে যাযাবর জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত নোম্যাডল্যান্ড অস্কার জিতেছিল।
a Today will rain.
b It should be raining today.
c It may rain today.
d Today is raining.
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) It may rain today. কেন সঠিক: - বাক্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা বা অনিশ্চয়তা প্রকাশ করা হয়েছে, তাই Modal Auxiliary Verb হিসেবে May ব্যবহৃত হয়। - আবহাওয়া সংক্রান্ত অনুমানের ক্ষেত্রে সম্ভাবনা বোঝাতে May ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Today will rain. — এটি ভুল কারণ বৃষ্টি নিজে নিজে কাজ করতে পারে না এবং ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনা বোঝাতে Will বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) It should be raining today. — এটি ভুল কারণ Should দ্বারা উচিত বা জোরালো বাধ্যবাধকতা বোঝায়, যা সাধারণ সম্ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) It may rain today. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বৃষ্টির সম্ভাবনাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। D) Today is raining. — এটি ভুল কারণ Subject হিসেবে Today ব্যবহার করা হয়েছে, আবহাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক Subject হলো It। মনে রাখার টিপস: আবহাওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে নিশ্চিত না হলে May ব্যবহার করতে হয়।
a Do you know where does he live?
b Do you know where does he lives?
c Do you know where he lives?
d Do you know where he live?
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Do you know where he lives? কেন সঠিক: - Complex sentence-এ Principal Clause-এর পর Subordinate Clause-টি Interrogative গঠনে না হয়ে Assertive গঠনে হয়। - Subject (he) সিঙ্গুলার থার্ড পারসন হওয়ায় Present Indefinite Tense-এ মূল Verb-এর সঙ্গে s বা es যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you know where does he live? — এটি ভুল কারণ Subordinate Clause-এ অতিরিক্ত does ব্যবহার করে ইন্টারোগেটিভ গঠন করা হয়েছে। B) Do you know where does he lives? — এটি ভুল কারণ does ব্যবহারের পর মূল Verb-এর সঙ্গে আবার s বা es যুক্ত করা হয়েছে। C) Do you know where he lives? — এটি সঠিক অপশন। D) Do you know where he live? — এটি ভুল কারণ Subject সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও Verb-এর সঙ্গে s বা es যুক্ত করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ডাব্লিউএইচ ওয়ার্ড মাঝখানে বসলে পরের অংশটি সবসময় সাধারণ বাক্যের মতো সাবজেক্টের পর ভার্ব হয়, কোনো অতিরিক্ত ডু বা ডাজ বসে না।
a Faults are unfair where love is fair.
b Faults are thick where love is thin.
c Faults are counted where there is no love.
d Faults are many where love is little.
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Faults are thick where love is thin. কেন সঠিক: - প্রবাদটির ভাবার্থ হলো ভালোবাসার অভাব থাকলে দোষত্রুটি বেশি চোখে পড়ে, যা ইংরেজি প্রবাদের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। - এখানে thick শব্দের অর্থ বেশি বা ঘন এবং thin শব্দের অর্থ কম বা হালকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Faults are unfair where love is fair — এই বাক্যটির কোনো প্রচলিত প্রবাদগত অর্থ বা ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। B) Faults are thick where love is thin — এটি প্রবাদের সঠিক ইংরেজি রূপ এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) Faults are counted where there is no love — এটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও মূল প্রবাদের সঠিক ইংরেজি অনুবাদ নয়। D) Faults are many where love is little — এটি ভাবানুবাদ হলেও পরীক্ষার জন্য এটি প্রমিত বা গ্রহণযোগ্য প্রবাদ হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা প্রবাদটির ইংরেজি মনে রাখতে thick (বেশি) এবং thin (কম) শব্দ দুটির বিপরীত ব্যবহার মনে রাখুন।
a যুক্তরাজ্যে
b চীনে
c যুক্তরাষ্ট্রে
d জাপানে
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপানে কেন সঠিক: - জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মূল সদর দপ্তর জাপানের টোকিওতে অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যা বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন ও গবেষণা নিয়ে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — যুক্তরাজ্যে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত নয়, তবে এখানে জাতিসংঘের অন্যান্য কিছু সংস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। B) চীনে — চীন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দপ্তর নয়, যদিও এশিয়ায় এর বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র ও নেটওয়ার্ক রয়েছে। C) যুক্তরাষ্ট্রে — যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর থাকলেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দপ্তর সেখানে নয়। D) জাপানে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসনিক কার্যালয় জাপানের টোকিওতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউনাইটেড নেশনের ইউনিভার্সিটি মানেই টোকিও, মনে রাখুন জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় জাপানে অবস্থিত।
a ৮ মার্চ
b ১০ এপ্রিল
c ৫ জুন
d ১০ ডিসেম্বর
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। - নারীদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ১০ এপ্রিল — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তারিখ নয়, এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। C) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়, আন্তর্জাতিক নারী দিবস নয়। D) ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত হয়, নারী দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: বছরের তৃতীয় মাসের অষ্টম দিনে নারী দিবস পালিত হয়, তাই ৮ মার্চ মনে রাখুন।
a সাকিব আল হাসান
b তামিম ইকবাল
c মোহাম্মদ আশরাফুল
d লিটন দাস
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: D) লিটন দাস কেন সঠিক: - ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে লিটন দাস একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অপরাজিত ১৭৬ রান করেন। - এটি ওয়ানডে ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাকিব আল হাসান — আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার সেরা ওয়ানডে ইনিংস ১৩৪ রান হলেও এটি দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ নয়। B) তামিম ইকবাল — ওয়ানডে ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ১৫৮ রান, যা লিটন দাসের ১৭৬ রানের নিচে। C) মোহাম্মদ আশরাফুল — তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ১০০ রান, যা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডের ধারেকাছেও নেই। D) লিটন দাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭৬ রান করে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড গড়েন। মনে রাখার টিপস: লিটন দাসের এল (L) দিয়ে লিটন এবং ১৭৬ রানের বড় ইনিংসটি মনে রাখতে পারেন।

মোট প্রশ্ন (25)

a ব্য+অর্থ
b বি+অর্থ
c ব্যা+অর্থ
d ব+অর্থ
0 110 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বি+অর্থ ১. কেন সঠিক: - ‘ব্যর্থ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো বি + অর্থ। এটি ই-সন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ। - সন্ধি নিয়মানুযায়ী পূর্বপদের অন্তস্থিত ই বা ঈ এবং পরবর্তী পদের আদি স্বর অসমান স্বর হলে ই বা ঈ এর স্থানে য এবং পরবর্তী স্বরবর্ণটি য-ফলা হিসেবে যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধি বা ই-সন্ধির অন্তর্ভুক্ত একটি নিয়ম। - এখানে বি শব্দের ই কার এবং অর্থ শব্দের অ কার মিলে য তৈরি হয়েছে এবং ব এর সঙ্গে য-ফলা যুক্ত হয়ে ব্যর্থ গঠন করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতি + অধিক = অতিরিক্ত ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ই কার এবং পরবর্তী পদের অ কার মিলে য তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই কার এবং অ কার মিলে য-ফলা এবং দ্য যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্য+অর্থ — ব্য কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ নয়, তাই এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয়। B) বি+অর্থ — এটি সঠিক উত্তর। C) ব্যা+অর্থ — ব্যা কোনো প্রমিত উপসর্গ বা শব্দ নয়, তাই এই বিশ্লেষণ ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) ব+অর্থ — ব এককভাবে কোনো পদ বা উপসর্গ হিসেবে এখানে সন্ধি গঠন করে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জ-ফলা বা য-ফলা যুক্ত সন্ধির ক্ষেত্রে প্রথম শব্দে ই বা ঈ কার এবং দ্বিতীয় শব্দে অসমান স্বরধ্বনি থাকলে সাধারণত এই নিয়মটি প্রয়োগ করতে হয়। - ব্যর্থ শব্দের শুরুতে ব-এ য-ফলা থাকায় বি উপসর্গ দিয়ে সন্ধি ভাঙার কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় য-ফলা যুক্ত সন্ধি প্রায়ই আসে। - প্রতি + এক = প্রত্যেক অথবা নদী + অম্বু = নদ্যম্বু, এই ধরনের শব্দগুলোর চর্চা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
a বাক্য সংকোচনের জন্য
b বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য
c বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য
d বাক্য অলংকৃত করার জন্য
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য ১. কেন সঠিক: বিরাম চিহ্নের মূল কাজ হলো বাক্যের ভাব, অর্থ ও বক্তব্য শ্রোতা বা পাঠকের কাছে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা। বিরাম চিহ্ন ছাড়া বাক্য অস্পষ্ট হতে পারে এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যে বিরতির স্থান নির্দেশ করতে এবং বক্তার মনোভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করতে যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাদের বিরাম চিহ্ন বলে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা prose এ প্রথম সুনির্দিষ্টভাবে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার প্রচলন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: থামুন, আর যাবেন না। ব্যাখ্যা: এখানে কমা ব্যবহারের ফলে নিষেধের অর্থ স্পষ্ট হয়েছে এবং বাক্যটি আদেশমূলক রূপ নিয়েছে। উদাহরণ ২: থামুন আর যাবেন না। ব্যাখ্যা: কমা না থাকায় এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ উল্টে গেছে এবং এটি যাওয়ার অনুমতি বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাক্য সংকোচনের জন্য — বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের কাজ এক বা একাধিক শব্দকে একটি শব্দে রূপান্তর করা, বিরাম চিহ্ন নয়। C) বাক্যের সৌন্দর্যের জন্য — বাক্যের সৌন্দর্য বৃদ্ধি বিরাম চিহ্নের প্রধান কাজ নয়, মূল কাজ হলো অর্থের স্পষ্টতা রক্ষা করা। D) বাক্য অলংকৃত করার জন্য — অলংকার হলো কাব্যের সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান, যা ব্যাকরণে আলাদাভাবে আলোচিত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: বিরাম চিহ্ন মানেই হলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করা এবং মনের ভাব সহজে বোঝানোর চাবিকাঠি। মনে রাখবে বিরাম চিহ্ন মূলত অর্থের দ্যোতক, সৌন্দর্যের নয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিরাম চিহ্ন বাক্যে অর্থ বদলাতে বড় ভূমিকা রাখে। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত বিরাম চিহ্নের অবদান প্রায়ই আসে।
a ইতিহাসবেত্তা
b ঐতিহাসিক
c ইতিহাসবিজ্ঞ
d ইতিহাসবিদ
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইতিহাসবেত্তা ১. কেন সঠিক: ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ বা যিনি ইতিহাস খুব ভালো জানেন, তাকে এককথায় ইতিহাসবেত্তা বলা হয়। এখানে বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ অর্থে 'বেত্তা' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। বাক্যের অর্থ বা ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেদ জানেন যিনি = বেদজ্ঞ ব্যাখ্যা: শাস্ত্র বা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান বোঝাতে এই ধরনের এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: শাস্ত্র জানেন যিনি = শাস্ত্রজ্ঞ ব্যাখ্যা: এখানে কোনো নির্দিষ্ট শাস্ত্রে অভিজ্ঞ বা পণ্ডিত বোঝাতে 'জ্ঞ' প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইতিহাসবেত্তা — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রশ্নে অভিজ্ঞ অর্থে 'বেত্তা' চাওয়া হয়েছে। B) ঐতিহাসিক — এটি ভুল কারণ ইতিহাস সম্পর্কিত বা ইতিহাসের উপাদান বিষয়ক বোঝাতে ঐতিহাসিক ব্যবহৃত হয়। C) ইতিহাসবিজ্ঞ — এটি ভুল কারণ ব্যাকরণগতভাবে এই শব্দটি প্রমিত বা বহুল প্রচলিত নয়। D) ইতিহাসবিদ — এটি ভুল কারণ যিনি ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেন বা লেখেন, তাকে ইতিহাসবিদ বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ বোঝালে 'বেত্তা' শব্দ যুক্ত হয় যেমন তত্ত্ববেত্তা। গবেষক বা রচয়িতা বোঝালে 'বিদ' শব্দ যুক্ত হয় যেমন ইতিহাসবিদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সামান্য শব্দ পরিবর্তনের কারণে অর্থের পার্থক্য ঘটে। বিশেষজ্ঞ এবং গবেষক বা লেখকের মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্যগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
a শান্ত
b আকাঙ্ক্ষা
c প্রসারণ
d কুঞ্চিত
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রসারণ ১. কেন সঠিক: - আকুঞ্চন শব্দের অর্থ সংকুচিত হওয়া বা গুটিয়ে যাওয়া। - এর বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশকারী শব্দ হলো প্রসারণ, যার অর্থ ছড়িয়ে যাওয়া বা বড় হওয়া। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত বা উলটো অর্থ প্রকাশ করে। - তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ সাধারণত তৎসম শব্দ দিয়েই গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংকোচন ব্যাখ্যা: এটি আকুঞ্চন শব্দের সমার্থক হলেও এর বিপরীত শব্দ প্রসারণ। উদাহরণ ২: কুঞ্চন ব্যাখ্যা: এটি আকুঞ্চনের সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শান্ত — এটি চঞ্চল বা অশান্ত শব্দের বিপরীত, আকুঞ্চন শব্দের বিপরীত নয়। B) আকাঙ্ক্ষা — এর অর্থ ইচ্ছা বা বাসনা, যা আকুঞ্চন শব্দের বিপরীত নয়। C) প্রসারণ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি আকুঞ্চনের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। D) কুঞ্চিত — এটি আকুঞ্চন শব্দের একটি রূপ বা সমার্থক ভাব প্রকাশ করে, বিপরীত শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আকুঞ্চন মানে ছোট বা বন্ধ হওয়া এবং প্রসারণ মানে বড় বা খোলা হওয়া। - এভাবে ছোট এবং বড় এই ধারণার মাধ্যমে শব্দটি মনে রাখা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। - মূল শব্দের অর্থ ভালোমতো জানলে সঠিক বিপরীত শব্দ সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।
a পিক
b ধেনু
c বিভব
d অম্বু
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পিক কেন সঠিক: - পরভৃত শব্দের অর্থ হলো যা অন্যের দ্বারা পোষিত বা প্রতিপালিত হয়। - কোকিল বা পিক পাখি নিজের ডিম নিজে না ফুটিয়ে কাকের বাসায় ডিম পাড়ে এবং কাক সেই ডিম ও ছানা লালন-পালন করে বলে একে পরভৃত বলা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দের অধ্যায়ে পরভৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ তৎসম শব্দ। - বাংলা সাহিত্য ও কবিতায় কোকিলের স্বভাব বোঝাতে পরভৃত শব্দটি বহুবার ব্যবহৃত হয়েছে। - পরভৃত শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দের মধ্যে কোকিল, পিক, বসন্তদূত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) পিক — এটি সঠিক উত্তর কারণ পিক অর্থ কোকিল বা পরভৃত। - B) ধেনু — এই অপশন ভুল কারণ ধেনু শব্দের অর্থ গাভী বা গরু। - C) বিভব — এই অপশন ভুল কারণ বিভব শব্দের অর্থ সম্পদ, বৈভব বা ধ্রুবক। - D) অম্বু — এই অপশন ভুল কারণ অম্বু শব্দের অর্থ পানি বা জল। মনে রাখার টিপস: - পর মানে অন্য এবং ভৃত মানে পোষিত, অর্থাৎ যে অন্যের দ্বারা পালিত হয় তাকেই পিক বা কোকিল বলে মনে রাখবে।
a মূমূর্ষু
b মূমুষু
c মুমূর্ষু
d মুমুর্ষূ
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মুমূর্ষু ১. কেন সঠিক: - মুমূর্ষু শব্দের অর্থ যা মরতে বসেছে বা যার মরণের ইচ্ছা আছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ-কার, মাঝখানে হ্রস্ব উ-কার এবং শেষে দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা বানানরীতিতে একই শব্দে হ্রস্ব ই-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার কিংবা হ্রস্ব উ-কার ও দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়ম রয়েছে। - মুমূর্ষু শব্দটিতে প্রথম বর্ণে মু (ম + উ-কার), দ্বিতীয় বর্ণে মু (ম + উ-কার) এবং শেষ বর্ণে র্ষূ (ষ + রেফ + দীর্ঘ ঊ-কার) ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শুশ্রূষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটির প্রথমে হ্রস্ব উ-কার এবং পরে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহৃত হয়, যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান। উদাহরণ ২: মৃত্তিকা ব্যাখ্যা: ম-এর নিচে হ্রস্ব ঋ-কার যুক্ত হয়ে গঠিত এই শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই বানান শুদ্ধির জন্য আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মূমূর্ষু — এই অপশনে প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। B) মূমুষু — এই অপশনে দীর্ঘ ঊ-কার এবং বানানের শেষের অংশে ভুল রয়েছে। D) মুমুর্ষূ — এই অপশনে দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার এবং শেষের বর্ণে ভুল গঠন রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মুমূর্ষু বানানটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো প্রথম দুটি ছোট উ-কার এবং শেষটি বড় ঊ-কার হয়। - ছোট থেকে বড় ক্রমানুসারে উ-কার বসিয়ে এই বানানটি সহজে মুখস্থ রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় এই বানানটি ব্যতিক্রমী ও অত্যন্ত কমন একটি প্রশ্ন হিসেবে আসে। - বাংলা বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে উ-কার এবং ঊ-কার ব্যবহারের এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a কর্মে শূন্য
b করণে শূন্য
c অপাদানে শূন্য
d অধিকরণে শূন্য
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) করণে শূন্য ১. কেন সঠিক: - অহঙ্কার শব্দটির মাধ্যমে পতন ঘটার মাধ্যম বা উপায় বোঝানো হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয়, তাকে করণ কারক বলে। - অহঙ্কার পতন ঘটার কারণ বা মাধ্যম হওয়ায় এখানে করণ কারক হয়েছে এবং শব্দের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় তা শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ক মাধ্যমকে করণ কারক বলে এবং বাক্যে পদের সঙ্গে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। - প্রবাদ বা চিরন্তন সত্যবাচক বাক্যে ভাব বা মাধ্যমের ওপর জোর দেওয়া হলে করণ কারকের প্রয়োগ ঘটে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলমে লেখা ভালো। ব্যাখ্যা: লেখার মাধ্যম কলম হওয়ায় কলমে পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: লাঠিতে ভাত খায়। ব্যাখ্যা: ভাত খাওয়ার মাধ্যম বা উপকরণ লাঠি হওয়ায় লাঠিতে পদটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে শূন্য — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে অহঙ্কার কোনো কর্ম নয়। C) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক হলো যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীতি বা রক্ষিত হয়, কিন্তু এখানে কোনো বিচ্যুতি বোঝায়নি। D) অধিকরণে শূন্য — অধিকরণ কারক হলো ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা কাল, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় নির্দেশ করা হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - যার দ্বারা বা যার সাহায্যে প্রশ্ন করলে করণ কারক পাওয়া যায়। - কিসের দ্বারা পতন ঘটে প্রশ্নের উত্তরে অহঙ্কার আসায় এটি করণ কারক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রবাদ ও প্রবচনের ক্ষেত্রে কারক নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং ক্রিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক গভীরভাবে বিবেচনা করতে হয়। - মাধ্যম বা সহায়ক বোঝালে চোখ বন্ধ করে করণ কারক নির্ধারণ করা যায়।
a করণে সপ্তমী
b কর্তৃকারকে সপ্তমী
c অপাদানে সপ্তমী
d অধিকরণে সপ্তমী
0 140 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কর্তৃকারকে সপ্তমী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যিনি বা যা নিজে ক্রিয়া সম্পাদন করেন, তাকে কর্তৃকারক বলে। এখানে দুধ দেওয়ার কাজটি গরু নিজে করছে, তাই 'গরু' হলো কর্তৃকারক। - শব্দটির সঙ্গে 'তে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে এবং ব্যাকরণ অনুযায়ী 'এ', 'তে', 'য়' হলো সপ্তমী বা সপ্তম বিভক্তির চিহ্ন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাক্যের ক্রিয়ার সঙ্গে কারক নির্ণয়ের সম্পর্ক রয়েছে। ক্রিয়াপদকে 'কে' বা 'কারা' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্তৃকারক। - এখানে 'কে দুধ দেয়?' প্রশ্ন করলে উত্তর আসে 'গরু'। তাই গরুটি হলো কর্তৃকারকের উদাহরণ এবং এর সঙ্গে যুক্ত 'তে' হলো সপ্তমী বিভক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাগলে কিনা বলে! ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'পাগলে' শব্দটিতে সপ্তমী বিভক্তি রয়েছে এবং এটি নিজে কথা বলার কাজ করায় কর্তৃকারকে সপ্তমী কারক। উদাহরণ ২: বাবায় আমাকে কলমটি দিয়েছেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'বাবায়' হলো কর্তৃকারক, যেখানে অন্তে 'য়' বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় এটি সপ্তমী বিভক্তির রূপ লাভ করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণে সপ্তমী — করণ কারক হয় যার দ্বারা বা সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, কিন্তু এখানে গরু নিজেই কর্তা, তাই এটি করণ কারক নয়। B) কর্তৃকারکے সপ্তমী — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক। C) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক হয় যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভীত হয়, যা এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) অধিকরণে সপ্তমী — অধিকরণ কারক স্থান, কাল বা সময় নির্দেশ করে, কিন্তু এখানে কোনো স্থান বা সময় বোঝানো হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - ক্রিয়াকে 'কে' বা 'কারা' দিয়ে প্রশ্ন করে কর্তা খুঁজে বের করবে এবং শব্দের শেষে 'এ', 'তে', 'য়' দেখলে নির্দ্বিধায় তাকে সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কর্তৃকারকের ক্ষেত্রে প্রাণিবাচক বা অপ্রাণিবাচক শব্দে প্রায়ই সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার দেখা যায়, যা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে।
a তুচ্ছ পদার্থ
b আলসেমি
c অন্ধ অনুকরণ
d তুমুল কান্ড
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আলসেমি ১. কেন সঠিক: গদাই লস্করি চাল একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর মাধ্যমে কোনো কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ধীরগতি বা অলস মনোভাবকে প্রকাশ করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। গদাই লস্করি চাল বাগধারাটি মানুষের কর্মবিমুখতা ও দীর্ঘসূত্রতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোমার এই গদাই লস্করি চালে কাজ করলে পরীক্ষার আগে সিলেবাস শেষ হবে না। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত ধীরগতি বা অলসতার কারণে সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সরকারি অফিসের গদাই লস্করি চালের স্বভাব কবে বদলাবে জানি না। ব্যাখ্যা: এখানে দাপ্তরিক কাজের দীর্ঘসূত্রতা ও মন্থর গতি বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুচ্ছ পদার্থ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য কড়াক্রান্তি বা ছাইপাঁচ বাগধারা ব্যবহার করা হয়। B) আলসেমি — এটি গদাই লস্করি চাল বাগধারার নির্ধারিত ও সঠিক অর্থ। C) অন্ধ অনুকরণ — এই অর্থ প্রকাশের জন্য খাস কলকাতায় বাবু বা দলকানা বাগধারা ব্যবহার করা হয়। D) তুমুল কান্ড — এই অর্থ প্রকাশের জন্য ডুমুরের ফুল বা যজ্ঞের কাণ্ড বাগধারা ব্যবহার করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: গদাই লস্করি মানে যার চাল বা চলাফেরা খুব মন্থর। চাল ধীরগতির হলে বুঝতে হবে সেখানে আলসেমি কাজ করছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই শব্দের আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থের ওপর জোর দিতে হবে।
a ভরাডুবি
b রাবণের চিতা
c জগদ্দল পাথর
d ঢাকের বায়া
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাবণের চিতা ১. কেন সঠিক: - 'রাবণের চিতা' বাগধারাটির শাব্দিক ও ভাবগত অর্থ হলো চির অশান্তি বা যে আগুন কখনো নেভে না। পৌরাণিক সূত্র অনুযায়ী রাবণের চিতার আগুন কখনো নিভে যায়নি, তাই এর দ্বারা অবিরত কষ্ট বা চিরকালীন অশান্তি বোঝানো হয়। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে। এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাষাকে আকর্ষণীয় ও গতিশীল করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংসারটা তার কাছে রাবণের চিতার মতো হয়ে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে চির অশান্তিময় পারিবারিক অবস্থাকে বোঝাতে রাবণের চিতা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: এই ঋণের বোঝা তার জীবনে রাবণের চিতা হয়ে জ্বলছে। ব্যাখ্যা: এখানে ক্রমাগত বয়ে চলা আর্থিক কষ্ট ও অশান্তিকে রাবণের চিতা হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভরাডুবি — এই বাগধারাটির অর্থ সর্বনাশা ক্ষতি বা সম্পূর্ণ পতন, যা চির অশান্তি অর্থ প্রকাশ করে না। B) রাবণের চিতা — এটি সঠিক উত্তর। C) জগদ্দল পাথর — এই বাগধারাটির অর্থ গুরুভার বা অসহ্য বোঝা, যা চির অশান্তি বোঝাতে উপযুক্ত নয়। D) ঢাকের বায়া — এই বাগধারাটির অর্থ অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা যার কোনো মূল্য নেই, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - রামায়ণের রাবণের চিতার আগুন যেমন কখনো নেভে না, তেমনি মানুষের জীবনের চির অশান্তিও সহজে দূর হয় না। এই মিল থেকেই মনে রাখা সহজ যে রাবণের চিতা মানেই চির অশান্তি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই পৌরাণিক উৎস থেকে আসা বাগধারাগুলোর অর্থ জানতে চাওয়া হয়। তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a সংক্ষেপণ
b সমন্বয়
c দুর্বোধ্য
d ভাষান্তরকরণ
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংক্ষেপণ ১. কেন সঠিক: সমাস শব্দের আক্ষরিক অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যাকরণে সমাসের মূল কাজ বড় বাক্য বা বাক্যাংশকে ছোট ও সুসংহত করা। এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন ব্যাখ্যা: এখানে তিনটি পদ মিলে একটি মাত্র পদে পরিণত হয়েছে, যা সমাসের সংক্ষেপণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: দেশের সেবা = দেশসেবা ব্যাখ্যা: দুটি ভিন্ন পদ সংক্ষিপ্ত হয়ে একটি নতুন পদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপণ — এটি সমাস শব্দের সঠিক ও অর্থপূর্ণ আক্ষরিক রূপ। B) সমন্বয় — সমন্বয় অর্থ একত্রীকরণ হলেও এটি সমাসের সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণগত অর্থ নয়। C) দুর্বোধ্য — দুর্বোধ্য অর্থ যা সহজে বোঝা যায় না, যা সমাসের বিপরীত গুণ। D) ভাষান্তরকরণ — ভাষান্তরকরণ অর্থ এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর, যা সমাসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: সমাস মানেই ছোট করা বা সংক্ষেপ করা। মনে রাখতে পারো সমাস সমান সংক্ষেপ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সমাস শব্দের অর্থ জানতে চাওয়া হয়। বাক্যের সংক্ষিপ্তকরণের মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য রক্ষা করাই সমাসের প্রধান উদ্দেশ্য।
a √মু+ক্ত
b √মুক+ত
c √মুহ+ক্ত
d √মুচ+ক্ত
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √মুচ+ক্ত ১. কেন সঠিক: মুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে √মুচ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে। এখানে ক্ত প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে যুক্ত হয়েছে যার অর্থ যাকে মুক্ত করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ। √মুচ একটি ধাতু যার অর্থ বন্ধন থেকে খসানো বা মুক্ত করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √ভুজ + ক্ত = ভুক্ত ব্যাখ্যা: ভুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভুক্ত শব্দ গঠিত হয়। উদাহরণ ২: √যুজ + ক্ত = যুক্ত ব্যাখ্যা: যুজ ধাতুর সঙ্গে ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যুক্ত শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √মু+ক্ত — মু নামে কোনো বাংলা ধাতু নেই তাই এই গঠন ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) √মুক+ত — মুক ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয় এবং প্রত্যয়টি ত নয় বরং ক্ত। C) √মুহ+ক্ত — মুহ ধাতু থেকে মুগ্ধ বা মূঢ় শব্দ গঠিত হয় মুক্ত নয়। D) √মুচ+ক্ত — এটি সঠিক গঠন কারণ √মুচ ধাতু থেকেই মুক্ত শব্দ উৎপন্ন হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: যাদের শেষে ক্ত থাকে তাদের ধাতু চ দিয়ে শেষ হতে পারে যেমন মুচ থেকে মুক্ত এবং যুজ থেকে যুক্ত। ধাতু চ থাকলে ক্ত প্রত্যয় যোগে ক্ত বা ক্ত যুক্ত রূপ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয়ের নির্ণয় প্রায়ই আসে তাই সংস্কৃত ধাতুগুলোর সঠিক রূপ মনে রাখা জরুরি। √মুচ ধাতু থেকে মুক্ত এবং মোচন শব্দ গঠিত হয়।
a √দা+তৃচ
b √দাতৃ+আ
c √দা+তা
d উত্তর নাই
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত সঠিক উত্তর ডি কারণ ‘দাতা’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো রুট দা যোগ তৃচ (ৃ-এর নিচে চ বা তৃচ্)। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক গঠনটি নেই। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কৃৎ প্রত্যয় সাধित শব্দ বিশ্লেෂণের সময় মূল ধাতুর পূর্বে রুট চিহ্ন এবং প্রত্যয়ের সঠিক রূপ লেখা বাধ্যতামূলক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয়। ‘দাতা’ শব্দটিতে দান করা অর্থে দা ধাতুর সঙ্গে তৃচ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - তৃচ প্রত্যয়ান্ত শব্দের অন্তে চ ও ঋ কারের লুপ্ত ঘটিয়ে তা বা ত্র যুক্ত হয় এবং এটি কর্তৃকারকে বিশেষ্য ও বিশেষণ পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √পা যোগ তৃচ সমান পাতৃ বা ভোক্তা (এখানে পাপা ধাতু থেকে পাতৃ বা যে পান করে বোঝায়)। ব্যাখ্যা: এটি একই নিয়মে সাধিত সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যার অর্থ পানকারী। উদাহরণ ২: √গম যোগ তৃচ সমান গন্তু বা গন্তৃ (যিনি যান)। ব্যাখ্যা: এই উদাহরণটি দেখায় কীভাবে ধাতু এবং তৃচ প্রত্যয় মিলে কর্তাবাচক শব্দ গঠিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √দা+তৃচ — এখানে রুট চিহ্ন বা ধাতুর সঠিক বিন্যাস এবং তৃচ প্রত্যয়ের বানান অসম্পূর্ণ রয়েছে। B) √দাতৃ+আ — দাতৃ কোনো ধাতু নয়, তাই এটি ভুল প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের বিশ্লেষণ। C) √দা+তা — তা কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক প্রত্যয় নয়, এটি প্রত্যয় সাধিত রূপের অংশ। D) উত্তর নাই — সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়টি অপশনে না থাকায় এই অপশনটি সঠিক হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কর্তা বা দানকারী বোঝাতে সংস্কৃত থেকে আগত শব্দে তৃচ প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়। - ধাতু চেনার জন্য রুট চিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং প্রত্যয় হিসেবে তৃচ লেখার অভ্যাস করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতু এবং প্রত্যয়ের প্রমিত রূপ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। - একই নিয়মে স্রষ্টা, শ্রোতা এবং বক্তা শব্দগুলোর প্রত্যয় নির্ণয় করা যায়।
a ৪৭ টি
b ৪৮ টি
c ৪৯ টি
d ৫০ টি
0 100 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫০ টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট মৌলিক বর্ণের সংখ্যা ৫০ টি। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত পূর্ণাঙ্গ বর্ণগুলোকে একত্রিত করে বর্ণমালা বলা হয়। বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী উচ্চারণ ও গঠনের ভিত্তিতে বর্ণমালাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: স্বরবর্ণ ১১ টি ব্যাখ্যা: অ থেকে ঔ পর্যন্ত এই ১১ টি বর্ণকে স্বরবর্ণ বলা হয়। উদাহরণ ২: ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি ব্যাখ্যা: ক থেকে চন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত এই ৩৯ টি বর্ণকে ব্যঞ্জনবর্ণ বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪এটি — এটি বাংলা বর্ণমালার সঠিক সংখ্যা নয়। বর্ণসংখ্যা গণনায় এটি ভুল তথ্য। B) ৪৮টি — ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা বর্ণ ৪৬ টি হলেও প্রমিত ব্যাকরণে এই সংখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়। C) ৪৯টি — বাংলা বর্ণমালার মোট সংখ্যার সাথে এই সংখ্যাটি মেলে না। D) ৫০টি — এটি বাংলা বর্ণমালার সঠিক ও প্রমিত সংখ্যা। ৫. মনে রাখার টিপস: স্বরে এগারো ব্যঞ্জনে উনচল্লিশ, যোগ করলে হয় পঞ্চাশ। এই ছন্দে মনে রাখলে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণ ১১ টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি, এই বিভাজনটি ভালোভাবে মনে রাখবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে।
a কৃ+ক্তি
b কৃষ+তি
c কৃঃ+তি
d কৃষ+টি
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃষ+তি ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী দন্ত্য স এর পর ত বা থ থাকলে ত স্থানে ট এবং থ স্থানে ঠ হয়। কৃষ ধাতুর সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে যেখানে সূত্রানুসারে ত পরিবর্তিত হয়ে টি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধি কিংবা প্রত্যয়সাধিত পদের সন্ধি যেখানে পরিবর্তনশীল ধ্বনির নিয়ম কাজ করে। ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় এই বিশেষ ধ্বনি পরিবর্তন সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইষ্ + ত = ইষ্ট ব্যাখ্যা: এখানেও স এর পরে ত থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ট হয়েছে। উদাহরণ ২: শোষ + তি = সৃষ্টি ব্যাখ্যা: কৃষ শব্দের মতো একই নিয়মে শোষ ধাতুর সঙ্গে তি যুক্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃ+ক্তি — কৃ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হলে এই রূপ হয় না এবং এখানে সঠিক মূল ধাতু ও প্রত্যয় নেই। C) কৃঃ+তি — কৃ এর পরে বিসর্গ ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ এটি কোনো নিপাতনে সিদ্ধ বা বিসর্গ সন্ধি নয়। D) কৃষ+টি — সন্ধির নিয়মে প্রথম পদ যোগ করার সময় দ্বিতীয় পদের শুরুতে ত থাকার কথা যা পরে টি তে রূপান্তরিত হয়, সরাসরি টি লেখা ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: স এর সঙ্গে তি যুক্ত হলে তা স্থিতি বজায় রেখে কৃষ্টি বা সৃষ্টির মতো শব্দ তৈরি করে। কৃষ ধাতুর সঙ্গে তি যোগ করলে কৃষ্টি হয় এটি মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি বা প্রত্যয় প্রায়ই আসে যেখানে দন্ত্য স এর রূপ পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী রূপগুলো আয়ত্ত করা সম্ভব।
a পড়ার সুবিধা
b লেখার সুবিধা
c উচ্চারণের সুবিধা
d শোনার সুবিধা
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উচ্চারণের সুবিধা ১. কেন সঠিক: - পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চারণ সহজ করাই সন্ধির মূল উদ্দেশ্য। - দ্রুত কথা বলার সময় বা স্বাভাবিক উচ্চারণে শব্দের মধ্যকার কঠিন বা অসম্ভব ধ্বনি সংযোগ দূর করতে সন্ধি সাহায্য করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন বা একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাকরণে সন্ধি বলা হয়। - সন্ধির ফলে উচ্চারণের আড়ষ্টতা কেটে যায় এবং ভাষা শোনার ও বলার ক্ষেত্রে সাবলীলতা লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়। ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে এক আকার হয়ে উচ্চারণকে সহজ ও দ্রুততর করেছে। উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা। ব্যাখ্যা: এখানে ত এবং চ এর মিলনে উচ্চারণ প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পড়ার সুবিধা — সন্ধি পড়ার কাজটিকে সরাসরি সাহায্য করে না, এটি মূলত ধ্বনিগত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। B) লেখার সুবিধা — লেখার ক্ষেত্রে সন্ধি না করেও আলাদাভাবে শব্দ লেখা সম্ভব, তাই এটি লেখার প্রধান সুবিধা নয়। C) উচ্চারণের সুবিধা — এটি সঠিক উত্তর কারণ সন্ধি মূলত উচ্চারণের মাধুর্য ও সাবলীলতা বৃদ্ধি করে। D) শোনার সুবিধা — শোনার সুবিধা উচ্চারণের ফলমাত্র, কিন্তু সন্ধির সরাসরি মূল উদ্দেশ্য বা সুবিধা হলো উচ্চারণ সহজ করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধি মানেই সংযোগ এবং উচ্চারণ সহজ করা। - উচ্চারণ ও সন্ধি এই দুটি শব্দ মনে রাখলেই সঠিক উত্তর সহজে বের করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধির সংজ্ঞা ও এর মূল উদ্দেশ্য সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - ধ্বনি পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে সন্ধি ব্যাকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
a তদর্থক
b অস্থায়ী
c শপথপত্র
d ক ও খ উভয়ই
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ক ও খ উভয়ই কেন সঠিক: ইংরেজি পরিভাষা Ad-hoc শব্দটির আক্ষরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ হলো কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা নির্দিষ্ট কাজের জন্য সাময়িকভাবে গঠিত। বাংলা ব্যাকরণের পরিভাষায় এই বিশেষ শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে তদর্থক এবং অস্থায়ী উভয় শব্দই ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ইংরেজি পরিভাষার সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়। বাংলা পরিভাষা ব্যাকরণে প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজের সুবিধার্থে অনেক সময় একটি ইংরেজি শব্দের একাধিক সমার্থক বাংলা শব্দ রাখা হয়। যেমন, কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কমিটিকে আমরা যেমন অস্থায়ী কমিটি বলতে পারি, তেমনি তাকে তদর্থক কমিটিও বলা চলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) তদর্থক — শুধুমাত্র এই অপশনটি সঠিক হলেও অপশন বি তে থাকা অস্থায়ী শব্দটিও সমার্থক হওয়ায় এটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়। B) অস্থায়ী — শুধুমাত্র এই অপশনটি সঠিক হলেও অপশন এ তে থাকা তদর্থক শব্দটিও সমার্থক হওয়ায় এটি এককভাবে সম্পূর্ণ উত্তর নয়। C) শপথপত্র — এই শব্দটির ইংরেজি পরিভাষা হলো অ্যাডেভিট যা প্রদত্ত প্রশ্নটির ইংরেজি শব্দটির সাথে মেলে না। D) ক ও খ উভয়ই — এই অপশনটিতে তদর্থক এবং অস্থায়ী দুটি সঠিক উত্তরই একত্রে থাকায় এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত ও সঠিক অপশন। মনে রাখার টিপস: Ad-hoc শব্দটির প্রথম অংশ দেখে কাজের উদ্দেশ্য এবং শেষ অংশ দেখে সময়ের স্থায়িত্ব মনে রাখা যায়। পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এলে তদর্থক এবং অস্থায়ী উভয় শব্দই মাথায় রাখতে হবে।
a যারা সকালে ওঠে তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
b সকালে জাগলে চমৎকার স্বাস্থ্য হয়।
c সকালে ওঠা স্বাস্থ্যবান ও প্রফুল্লতা দেয়।
d সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বা সাধারণ সত্যমূলক বাক্যের অনুবাদের ক্ষেত্রে হুবহু শব্দার্থ না করে ভাবানুবাদ করতে হয়। - Early rising শব্দের অর্থ সকালে ঘুম থেকে ওঠা এবং beneficial to health অর্থ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বা ভালো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ইংরেজি gerund যেমন Early rising বাংলায় বিশেষ্যর মতো কাজ করে সকালে ওঠা অর্থ প্রকাশ করে। - এই ধরনের বাক্যে to be verb (is) এর পরে adjective বা noun বসে গুণের প্রকাশ ঘটায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Walking is good for health. ব্যাখ্যা: হাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, যা অনুরূপ কাঠামোর একটি বাক্য। উদাহরণ ২: Reading books is a good habit. ব্যাখ্যা: বই পড়া একটি ভালো অভ্যাস, যা gerund দিয়ে শুরু হওয়া আরেকটি বাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যারা সকালে ওঠে তাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে — এটি Complex sentence এর অনুবাদ, কিন্তু মূল বাক্যটি Simple sentence। B) সকালে জাগলে চমৎকার স্বাস্থ্য হয় — এটি ভাবানুবাদ হলেও মূল বাক্যের শব্দের সঠিক ভাব প্রকাশ করে না। C) সকালে ওঠা স্বাস্থ্যবান ও প্রফুল্লতা দেয় — এখানে ব্যাকরণগত অসংগতি রয়েছে কারণ ওঠা কোনো ব্যক্তিকে স্বাস্থ্যবান করতে পারে না। D) সকালে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো — এটি মূল ইংরেজি বাক্যের সবচেয়ে নিখুঁত ও প্রমিত ভাবানুবাদ। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইংরেজি Gerund (Verb + ing) দিয়ে শুরু হওয়া বাক্যকে বাংলায় অনুবাদ করার সময় সাধারণত ক্রিয়ার সঙ্গে 'আ' যুক্ত করতে হয় (যেমন rising অর্থ ওঠা)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনুবাদের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে প্রমিত ভাবানুবাদ নির্বাচন করতে হয়। - বাক্য ছোট এবং সহজ হলে তার মূল অর্থ ঠিক রেখে সাবলীল বাংলা রূপ বেছে নিতে হবে।
a পার হয়ে
b পারি হয়ে
c পার হইয়ে
d পারিয়া
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পার হয়ে ১. কেন সঠিক: সাধু রীতির ক্রিয়াপদের সমাপ্তিকা বা অসমাপিকা রূপকে চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত ও সহজ করা হয়। এখানে সাধু রীতির অসমাপিকা ক্রিয়া 'পার হইয়া'-র চলিত রূপ হলো 'পার হয়ে', যেখানে 'হইয়া' সংকুচিত হয়ে 'য়ে' বা 'এ' রূপ ধারণ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সাধু রীতি থেকে চলিত রীতিতে রূপান্তরের সময় ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তিত হয়। সাধু রীতির ইয়া বা ইতে বিভুক্ত রূপ চলিত রীতিতে যথাক্রমে এ বা তে রূপ নেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বলিয়া - বলে। ব্যাখ্যা: সাধু রীতির 'বলিয়া' শব্দটির চলিত রূপ 'বলে'। উদাহরণ ২: শুনিয়া - শুনে। ব্যাখ্যা: সাধু রীতির 'শুনিয়া' শব্দটির চলিত রূপ 'শুনে'। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পার হয়ে — এটি সঠিক চলিত রূপ। B) পারি হয়ে — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং শব্দের মূল রূপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) পার হইয়ে — এখানে অতিরিক্ত 'ই' যুক্ত হয়েছে যা প্রমিত চলিত রীতি নয়। D) পারিয়া — এটি চলিত রূপ নয়, বরং এটি নিজেই একটি সাধু রীতির রূপ। ৫ মনে রাখার টিপস: সাধু রীতির ইয়া যুক্ত অসমাপিকা ক্রিয়া চলিত রীতিতে সাধারণত এ কার যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত হয়। যেমন মরিয়া মরার বদলে মরে হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির রূপান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তনের এই নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c প্রমথ চৌধুরী
d ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রমথ চৌধুরী ১. কেন সঠিক: - চলিতরীতির সার্থক প্রবর্তক ও রূপকার হলেন প্রমথ চৌধুরী। - তিনি বাংলা কথ্যভাষাকে লেখার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে আধুনিক মননশীল প্রাবন্ধিক ও বীরবল ছদ্মনামের প্রণেতা। - ১৯১৪ সালে প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে তিনি চলিতরীতিকে বাংলা গদ্যে জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রমথ চৌধুরীর প্রবন্ধগ্রন্থ তেল নুন লাঠি ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে চলিতরীতির সহজ ও সাবলীল রূপ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: বীরবলের হালখাতা ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম জনপ্রিয় প্রবন্ধগ্রন্থ যেখানে চলিতভাষার শৈল্পিক ব্যবহার দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলিতরীতি ব্যবহার করলেও এর সার্থক প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। B) কাজী নজরুল ইসলাম — কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি ও সাহিত্যিক, চলিতরীতির প্রবর্তক নন। D) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সাধু রীতির গদ্যের অন্যতম প্রধান রূপকার ছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপসবীরবল ছদ্মনামের আড়ালে প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকা দিয়ে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন। এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষ সহজে সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদকের নাম প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। বাংলা গদ্যে সাধু ও চলিতরীতির পার্থক্য এবং প্রবর্তকদের নাম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রূপায়ন
b রুপায়ন
c রূপায়ণ
d রুপায়ণ
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রূপায়ণ ১. কেন সঠিক: বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'রূপায়ণ' শব্দটিতে দীর্ঘ 'ঊ' কার এবং মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়েছে। শব্দের মূল ধাতু বা প্রত্যয়ের নিয়मानुसार তৎসম শব্দে মূর্ধন্য 'ণ'-এর ব্যবহার এবং সঠিক ধ্বনি রূপ রক্ষার্থে এই বানানটি নির্ধারিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের শুদ্ধ বানান ও প্রত্যয় প্রকরণ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। তৎসম শব্দে র বা র-ফলা এবং মূর্ধন্য ষ-এর পরে মূর্ধন্য ণ হয়, এই নিয়মের আওতায় রূপ ধাতুর সঙ্গে আয়ন্ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে রূপায়ণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রণয়ন ব্যাখ্যা: প্র উপসাগরের পর নয়ের স্থানে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই তৎসম বানানটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: উদযাপন ব্যাখ্যা: উদযাপনের ক্ষেত্রে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয় কারণ এখানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের কোনো ব্যাকরণগত শর্ত নেই। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপায়ন — এই বানানে মূর্ধন্য ণ-এর পরিবর্তে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা তৎসম শব্দের বানানরীতির পরিপন্থী। B) রুপায়ন — এখানে দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার এবং দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল। C) রূপায়ণ — এটি সঠিক বানান কারণ এখানে দীর্ঘ ঊ কার এবং মূর্ধন্য ণ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। D) রুপায়ণ — এই বানানে দীর্ঘ ঊ কারের পরিবর্তে হ্রস্ব উ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: রূপায়ণ শব্দে সবসময় দীর্ঘ ঊ কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হয়। তৎসম শব্দের বানান মনে রাখতে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতির নিয়মগুলো নিয়মিত চর্চা করা প্রয়োজন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বানানের ক্ষেত্রে হ্রস্ব উ কার বনাম দীর্ঘ ঊ কার এবং দন্ত্য ন বনাম মূর্ধন্য ণ এর প্রয়োগ প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। বানান শুদ্ধ করার সময় শব্দের উৎস (তৎসম, তদ্ভব বা বিদেশি) এবং প্রত্যয়ের সঠিক রূপ খেয়াল রাখতে হবে।
a জটিল
b যৌগিক
c সরল
d মিশ্র
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) যৌগিক ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বা প্রধান খণ্ডবাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় যেমন এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এখানে 'লোকটি ধনী' এবং 'লোকটি কৃপণ' দুটি স্বাধীন বাক্য বা ভাব প্রকাশ করে এবং মাঝখানে 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: অর্থের দিক থেকে বাক্য প্রধানত পাঁচ প্রকার এবং গঠন বা কাঠামোর দিক থেকে বাক্য তিন প্রকার যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। গঠনগত দিক থেকে যৌগিক বাক্যে একাধিক সরল বা মিশ্র বাক্য সমপ্রকৃতির অব্যয় পদ দ্বারা পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সে খুব মেধাবী কিন্তু অলস। ব্যাখ্যা: এটি একটি যৌগিক বাক্য কারণ দুটি স্বাধীন খণ্ডবাক্য 'সে খুব মেধাবী' এবং 'সে অলস' পরস্পর 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: সকাল হলো এবং সূর্য উঠল। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকাল হলো' এবং 'সূর্য উঠল' দুটি স্বাধীন বাক্য 'এবং' সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে যৌগিক বাক্য তৈরি করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জটিল — জটিল বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, যা এই বাক্যে নেই। C) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি আলাদা ভাব ও খণ্ডবাক্য আছে। D) মিশ্র — মিশ্র বাক্য হলো জটিল বাক্যের অপর নাম, যা এই বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: যৌগিক বাক্য চেনার সহজ উপায় হলো বাক্যের মাঝখানে এবং, ও, কিন্তু, অথচ, কিংবা, অথবা, অতএব এর মতো সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি খুঁজে দেখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের রূপান্তর বা বাক্য চিহ্নিতকরণ প্রায়ই আসে, তাই সংযোজক অব্যয়গুলোর উপস্থিতি খেয়াল করে বাক্য নির্ণয় করতে হবে।
a চাঁদ
b খোকা
c কাঠ
d সন্ধ্যা
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সন্ধ্যা কেন সঠিক: - 'সন্ধ্যা' শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। - এই শব্দটিতে সংস্কৃত নিয়মের অনুসরণে যুক্তবর্ণ (ন+্ধ) ব্যবহৃত হয়েছে যা তৎসম শব্দের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - তৎসম শব্দের অর্থ হলো তাহার সমান অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার সমান। - যে সমস্ত শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়। - তৎসম শব্দের সাধারণ উদাহরণের মধ্যে রয়েছে চন্দ্র, সূর্য, নদী, পুষ্প এবং সন্ধ্যা। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চাঁদ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ কারণ এর আদি উৎস সংস্কৃত চন্দ্র থেকে পরিবর্তিত হয়ে চাঁদে পরিণত হয়েছে। - B) খোকা — এটি একটি দেশি শব্দ যার সঠিক ও নির্ভরযোগ্য কোনো সংস্কৃত বা বিদেশি উৎস পাওয়া যায় না। - C) কাঠ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যার মূল উৎস সংস্কৃত শব্দ কাষ্ঠ। - D) সন্ধ্যা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি মূল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ। মনে রাখার টিপস: - তৎসম শব্দগুলোতে সাধারণত রি-কার, যুক্তবর্ণ এবং মূর্ধন্য-ষ বা ণ-ত্ব বিধানের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
a বচন
b লিঙ্গ
c বাক্য
d বাগর্থ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লিঙ্গ ১. কেন সঠিক: - পুরুষ বা স্ত্রীবাচক শব্দ বোঝানোর ব্যাকরণগত পদ্ধতিকে লিঙ্গ বলা হয়। এটি বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের পুরুষ বা স্ত্রী জাতীয় বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লিঙ্গ শব্দের অর্থ চিহ্ন বা লক্ষণ। বাংলা ব্যাকরণে যে চিহ্ন বা লক্ষণের সাহায্যে কোনো পদের পুরুষ, স্ত্রী বা ক্লীববাচকতা বোঝা যায়, তাকে লিঙ্গ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাই ও বোন ব্যাখ্যা: ভাই শব্দটি পুরুষবাচক এবং বোন শব্দটি স্ত্রীবাচক লিঙ্গ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: বালক ও বালিকা ব্যাখ্যা: বালক পুরুষবাচক এবং বালিকা স্ত্রীবাচক লিঙ্গ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বচন — বচন হলো পদের সংখ্যা বা একত্ব বোঝানোর ব্যাকরণগত সূত্র, যা পুরুষ বা স্ত্রী নির্দেশ করে না। B) লিঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এটি পুরুষ বা স্ত্রীবাচকতা নির্দেশ করে। C) বাক্য — বাক্য হলো সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশকারী পদসমষ্টি, যা লিঙ্গ নির্দেশক সূত্র নয়। D) বাগর্থ — বাগর্থ হলো শব্দের অর্থসংক্রান্ত তাত্ত্বিক আলোচনা, যা লিঙ্গ বোঝায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - লিঙ্গ মানেই চিহ্ন। পুরুষ চিহ্ন বা স্ত্রী চিহ্ন মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নিত্য পুরুষবাচক ও নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এগুলোর তালিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।
a সংক্ষেপণ
b ভাবের বিনিময়
c বিশেষভাবে বিশ্লেষণ
d মিলন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিশেষভাবে বিশ্লেষণ ১. কেন সঠিক: ব্যাকরণ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ। এই শব্দটি ব্যাকরণশাস্ত্রের মূল কাজ অর্থাৎ ভাষার বিভিন্ন উপাদানকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ব্যাকরণ শব্দটির সংস্কৃত ব্যুৎপত্তি হলো বি যোগ আ যোগ কৃ যোগ অন। এর অর্থ হলো ভাষা বা শব্দের বিশেষ বিশ্লেষণ বা গঠনরীতি ব্যাখ্যা করা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা ব্যাকরণ পাঠ করলে ভাষার রূপ ও গঠন পরিষ্কার হয়। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাকরণের মূল উদ্দেশ্যকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ব্যাকরণ মানুষের মুখের ভাষাকে শৃঙ্খলিত ও সুন্দর করে তোলে। ব্যাখ্যা: ব্যাকরণের আলোচনার পরিধি বোঝাতে এটি সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংক্ষেপণ — এটি ব্যাকরণের আভিধানিক অর্থ নয় বরং কোনো বড় রচনাকে ছোট করার প্রক্রিয়া। B) ভাবের বিনিময় — এটি ভাষা বা যোগাযোগের মূল কাজ, ব্যাকরণের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নয়। D) মিলন — এটি সন্ধি বা সমাসের সাধারণ অর্থ হতে পারে, ব্যাকরণের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: ব্যাকরণ শব্দটিতে বিশ্লেষণ কথাটি যুক্ত থাকে কারণ এটি ভাষার খুঁটিনাটি বিষয় বিশ্লেষণ করে। ব্যুৎপত্তিগত অর্থের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে বিশ্লেষণ কথাটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যুৎপত্তিগত অর্থের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই ব্যাকরণ, ভাষা ও সাহিত্য সংক্রান্ত শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (22)

a How time does fly!
b How time do fly!
c How time flies!
d none
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: মূল বাক্যটি হলো Time flies very fast. এটিকে Exclamatory বাক্যে রূপান্তর করতে হলে How দিয়ে শুরু করে adjective বা adverb বাক্যের শেষে নিতে হয় এবং verb বাক্যের কর্তা অনুযায়ী বসাতে হয়। এখানে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী Exclamatory বাক্যটি হওয়া উচিত ছিল How fast time flies! কিন্তু অপশনে এই সঠিক গঠনটি দেওয়া নেই। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনোটিই সঠিক নয়। এই কারণে সঠিক উত্তর হিসেবে D) none নির্বাচন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) How time does fly! — এখানে fast শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং does ব্যবহার করায় বাক্যটির অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন সঠিক হয়নি। B) How time do fly! — এখানে time হলো singular subject যার সাথে do verb ব্যবহার করা সম্পূর্ণ ভুল এবং fast শব্দটি অনুপস্থিত। C) How time flies! — এই বাক্যে fast শব্দটি ব্যবহার না করায় মূল বাক্যের মূল ভাব বা অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ পায়নি। D) none — এই অপশনটি সঠিক কারণ A, B এবং C এর কোনোটিই সঠিক Exclamatory রূপ নয়। মনে রাখার টিপস: Assertive বাক্যকে Exclamatory করার সময় Very থাকলে How আনতে হয় এবং very এর পরের অংশ বাক্যের প্রথমে বসে।
a does he
b isn’t he
c is he
d aren’t he
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) isn't he কেন সঠিক: দেওয়া বাক্যটি একটি এফারমেটিভ বা হ্যা-বোধক বিবৃতিমূলক বাক্য। তাই এর সাথে যুক্ত ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-বোধক হবে। বাক্যটির মূল verb হলো is এবং সাবজেক্ট হলো he। তাই সঠিক ট্যাগ হবে isn't he। বাকি অপশন কেন ভুল: A) does he — বাক্যটিতে মূল verb হিসেবে is রয়েছে, তাই do বা does ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। B) isn’t he — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না, এটি নিয়মাঅনুযায়ী সঠিক। C) is he — মূল বাক্যটি হ্যা-বোধক হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি অবশ্যই না-বোধক হতে হবে, যা এখানে হয়নি। D) aren’t he — সাবজেক্ট he এর সাথে verb হিসেবে are ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: বিবৃতিমূলক বাক্য হ্যা-বোধক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-বোধক হয় এবং সাবজেক্ট অনুযায়ী সঠিক verb বসাতে হয়।
a ambitive
b ambitionally
c ambigious
d ambitious
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ambitious কেন সঠিক: ambition শব্দের অর্থ উচ্চাশা বা মহৎ আকাঙ্ক্ষা। এর সঠিক Adjective বা বিশেষণ রূপ হলো ambitious যার অর্থ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। ইংরেজি শব্দে সাধারণত ous যুক্ত করে Adjective গঠন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ambitive — এই নামে ইংরেজিতে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা সঠিক Adjective নেই। B) ambitionally — এই শব্দটি মূলত একটি ভুল Adverb রূপ। C) ambigious — এটি বানান ভুল এবং এর সঠিক রূপ ambiguous যার অর্থ দ্ব্যর্থক। D) ambitious — এটি সঠিক Adjective রূপ এবং এর অর্থ উচ্চাকাঙ্ক্ষী। মনে রাখার টিপস: noun শব্দের শেষে ous যোগ করে প্রায়ই Adjective তৈরি করা হয়।
a a danger with waring
b a danger without warning
c hard danger
d powerful danger
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a danger without warning কেন সঠিক: Bolt from the blue একটি প্রবাদ যার অর্থ হলো আকস্মিক বিপদ। এর মূল ভাব হলো আকাশের নীল রঙে হঠাৎ বজ্রপাত হওয়া। এটি পূর্ব কোনো সংকেত ছাড়াই ঘটে থাকে। তাই সঠিক উত্তর অপশন বি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a danger with waring — এটি ভুল কারণ এই প্রবাদের অর্থ হলো পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়া বিপদ। B) a danger without warning — এটি সঠিক উত্তর। C) hard danger — এটি ভুল কারণ এখানে কঠিন বিপদের কথা বলা হয়েছে যা সঠিক নয়। D) powerful danger — এটি ভুল কারণ এখানে শক্তিশালী বিপদের কথা বলা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: নীল আকাশ বা ব্লু স্কাই থেকে হঠাৎ বজ্রপাত মানেই বিনা নোটিশে বা সতর্কবার্তা ছাড়া বিপদ আসা।
a went
b had gone
c will go
d would go
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) would go কেন সঠিক: বাক্যটির মূল கூ উক্তিটি ছিল ভবিষ্যৎকালের (Future Tense), যা Indirect Narration করার সময় Past Future-এ পরিবর্তিত হয়। Reporting Verb (told) Past Tense-এ থাকায় ভেতরের verb-এর পরিবর্তন ঘটে will থেকে would হয়। Direct Speech-এ থাকা the next day নির্দেশ করে যে ঘটনাটি ভবিষ্যতের, তাই would go সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) went — এটি Simple Past Tense-এর রূপ, যা Narration-এর নিয়মে ভবিষ্যৎকালের অর্থ প্রকাশ করতে পারে না। B) had gone — এটি Past Perfect Tense-এর রূপ, যা এই নির্দিষ্ট Context বা অর্থ প্রকাশ করার জন্য উপযুক্ত নয়। C) will go — Reporting Verb Past Tense-এ থাকায় Direct Speech-এর will অপরিবর্তিত থাকতে পারে না। D) would go — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: Narration-এ Reporting Verb Past Tense হলে এবং the next day থাকলে will-এর পরিবর্তে would বসে।
a starts
b start
c started
d can start
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) started কেন সঠিক: বাক্যে It is high time বা It is time থাকলে তার পরের ক্লজে Past Indefinite Tense ব্যবহার করতে হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী শূন্যস্থানে verb এর পাস্ট ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) starts — এটি Present Indefinite Tense এর singular রূপ যা It is high time এর নিয়মের সাথে মিলে না। B) start — এটি verb এর present form যা এই বিশেষ বাক্যের গঠনের জন্য সঠিক নয়। C) started — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নিয়ম অনুযায়ী Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। D) can start — এখানে modal verb ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যে It is high time দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর পাস্ট ফর্ম বসিয়ে দেবে।
a to remove something
b to flourish something
c to forward somthing
d to set up something new
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to remove something কেন সঠিক: - ‘Do away with’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ কোনো কিছু বাতিল করা, দূর করা বা মুক্তি পাওয়া। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘to remove something’ অর্থ কোনো কিছু অপসারণ করা বা দূর করা, যা মূল ফ্রেজাল ভার্বটির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to remove something — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ দূর করা বা বাতিল করা। B) to flourish something — এর অর্থ কোনো কিছু সমৃদ্ধ করা বা বিকশিত করা, যা প্রদত্ত ফ্রেজাল ভার্বের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) to forward something — এর অর্থ কোনো কিছু সামনে এগিয়ে নেওয়া বা প্রেরণ করা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to set up something new — এর অর্থ নতুন কিছু প্রতিষ্ঠা করা বা স্থাপন করা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: ‘Away’ শব্দের অর্থ দূরে সরিয়ে দেওয়া, তাই ‘Do away with’ দেখলে দূর করা বা বাতিল করার বিষয়টি মনে রাখবে।
a A dull-headed person
b A scholar
c A big gun
d A wealthy person
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) A scholar কেন সঠিক: 'Letter' শব্দের একটি অর্থ হলো সাহিত্য বা বিদ্যা। তাই 'a man of letters' বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি সাহিত্য বা বিদ্যায় পারদর্শী। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A dull-headed person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বোকা বা নির্বোধ ব্যক্তি, যা মূল প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না। B) A scholar — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়। C) A big gun — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ সমাজের একজন গুরুত্বপূর্ণ বা ক্ষমতাধর ব্যক্তি। D) A wealthy person — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ ধনী ব্যক্তি, যা বিদ্যাচর্চার সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: 'Letters' মানে এখানে চিঠি নয়, বরং সাহিত্য বা বিদ্যা বোঝানো হয়েছে। তাই যিনি অনেক বই পড়েন বা সাহিত্যচর্চা করেন তিনিই 'a man of letters'।
a We work hard to earn a lot of money.
b We work hard so that we earn money.
c We work hard so that we can earn money.
d none
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) none কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটিতে একটি মাত্র মূল ক্লজ আছে, তাই এটি একটি সিম্পল বাক্য। একে কম্পাউন্ড বা যৌগিক বাক্য করতে হলে দুটি স্বাধীন ক্লজকে and বা but দিয়ে যুক্ত করতে হতো। প্রদত্ত অপশনগুলোতে সঠিক কম্পাউন্ড বাক্য নেই, তাই সঠিক উত্তর none হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) We work hard to earn a lot of money. — এটি একটি সিম্পল বাক্য কারণ এতে একটাই স্বাধীন ক্লজ রয়েছে এবং অর্থ পরিবর্তিত হয়েছে। B) We work hard so that we earn money. — এটি একটি কমপ্লেক্স বাক্য কারণ এতে so that যুক্ত সাবঅর্ডিনেট ক্লজ রয়েছে। C) We work hard so that we can earn money. — এটিও একটি কমপ্লেক্স বাক্য, যা কম্পাউন্ড বাক্যের নিয়মের সাথে মেলে না। D) none — যেহেতু উপরের কোনোটিই কম্পাউন্ড বাক্য নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: সিম্পল বাক্যে একটি মাত্র ক্লজ থাকে, কমপ্লেক্স বাক্যে so that থাকে এবং কম্পাউন্ড বাক্যে দুটি স্বাধীন ক্লজ and দ্বারা যুক্ত হয়।
a The reason want to do that will be explained by us.
b All the reasons we explain be explained by us.
c Why we want to be do would be explained by us.
d Why we want to do it will be explained by us.
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Why we want to do it will be explained by us. কেন সঠিক: মূল বাক্যের অবজেক্ট হিসেবে থাকা পুরো ক্লজ বা বাক্যাংশটি প্যাসিভ করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে শুরুতে বসেছে। ফিউচার ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় এখানে উইল বি এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসেছে। সাবজেক্ট উই পরিবর্তিত হয়ে শেষের দিকে বাই আস হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The reason want to do that will be explained by us. — এখানে মূল বাক্যের অর্থ এবং অবজেক্টের গঠন পুরোপুরি বদলে ফেলা হয়েছে। B) All the reasons we explain be explained by us. — এখানে অক্সিলারি ভার্বের ভুল ব্যবহারের কারণে পুরো বাক্যটির ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়েছে। C) Why we want to be do would be explained by us. — এখানে ভার্বের ফর্ম ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে। D) এটিই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: কমপ্লেক্স বা বড় অবজেক্ট যুক্ত বাক্যের প্যাসিভ করার সময় পুরো অবজেক্ট ক্লজটিকে অপরিবর্তিত রেখে বাক্যের শুরুতে সাবเจক্ট হিসেবে বসাতে হবে।
a Nobody rejects this?
b Does everybody accept this?
c Who does not accept this?
d Who accepts this?
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Who does not accept this? কেন সঠিক: অ্যাসারটিভ বাক্যটিকে ইন্টারোগেটিভ করার সময় অর্থের পরিবর্তন না করে নেতিবাচক রূপ দিতে হয়। Everybody-র পরিবর্তে Who ব্যবহার করে এবং মূল ভার্বের সাথে do বা does যুক্ত করে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Nobody rejects this? — এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন মেনে চলেনি এবং অর্থের দিক থেকেও মূল বাক্যের সাথে মিল নেই। B) Does everybody accept this? — এটি হ্যাঁ-বোধক প্রশ্ন তৈরি করেছে, যার অর্থ দাঁড়ায় সবাই কি এটি গ্রহণ করে, যা মূল বাক্যের বিপরীত। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রযোজ্য নয়। D) Who accepts this? — এটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে না, বরং কে এটি গ্রহণ করে তা জানতে চায়। মনে রাখার টিপস: Everybody বা Everyone যুক্ত অ্যাসারটিভ বাক্যকে ইন্টারোগেটিভ করতে হলে এদের পরিবর্তে Who বসিয়ে পরের অংশ নেতিবাচক করতে হয়।
a Transform
b Lubricant
c Pure
d Hazy
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Hazy কেন সঠিক: - Transparent শব্দের অর্থ স্বচ্ছ বা যার মধ্যে দিয়ে পরিষ্কার দেখা যায়। - Hazy শব্দের অর্থ ঝাপসা বা অস্বচ্ছ, যা Transparent শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transform — এর অর্থ রূপান্তরিত করা, যা স্বচ্ছ শব্দের বিপরীত নয়। B) Lubricant — এর অর্থ পিচ্ছিলকারক পদার্থ, যা ভিন্ন একটি বিষয়। C) Pure — এর অর্থ বিশুদ্ধ, এটি Transparent শব্দের সমার্থক হতে পারে কিন্তু বিপরীত নয়। D) Hazy — এর অর্থ ঝাপসা, যা Transparent শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। মনে রাখার টিপস: Transparent মানে পরিষ্কার কাচের মতো আর Hazy মানে কুয়াশায় ঢাকা ঝাপসা আকাশ।
a go
b gone
c was going
d going
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) going কেন সঠিক: বাক্যে saw একটি Perception verb। এর পরে Object এর সরাসরি কাজ বোঝাতে Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) go — Bare infinitive এখানে সরাসরি বসে না কারণ Object এর পর Verb এর ing রূপ বসে। B) gone — Past participle রূপ এখানে অর্থ ও ব্যাকরণের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল। C) was going — Finite verb ব্যবহার করলে বাক্যে দুটি মূল ভার্ব পাশাপাশি ভুলভাবে বসে। মনে রাখার টিপস: See বা Hear এর মতো Verb এর পরে Object থাকলে তার পরের Verb এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
a You had better gone there.
b You had better went there.
c You had better go there.
d You had better will go there.
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) You had better go there. কেন সঠিক: বাক্যে had better একটি বিশেষ মোডাল ভার্ব হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পর সবসময় মূল ভার্বের বেস ফর্ম বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) You had better gone there. — had better এর পর ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) You had better went there. — had better এর পর ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা নিয়মবিরুদ্ধ। C) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়। D) You had better will go there. — had better এর পর অতিরিক্ত will ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: had better দেখার পর বাক্যে সবসময় মূল ভার্বের present form বসাবে।
a was
b were
c had
d had been
0 127 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: B) were কেন সঠিক: - as though বা as if এর আগের অংশ বর্তমানকালে (talked অতীতকাল হলেও নিয়ম অনুযায়ী এটি পাস্ট সাবজাংক্টিভ) থাকলে পরের অংশে অতীত নির্দেশক বাক্যে সবসময় were বসে। - অবাস্তব ইচ্ছা বা কল্পনা প্রকাশ করতে সাবজাংক্টিভ মোডে সব পারসনের পরে be ভার্বের রূপ হিসেবে were ব্যবহৃত হয়। (উল্লেখ্য, প্রদত্ত উত্তর D ভুল ছিল, সঠিক উত্তর B হবে)। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — সাবজাংক্টিভ মোডের নিয়ম অনুযায়ী Singular subject হলেও was না বসে were বসে। B) were — এটি সঠিক উত্তর কারণ as though যুক্ত বাক্যে অবাস্তব অর্থ প্রকাশ করতে সব সাবজেক্টের পরে were বসে। C) had — একা had বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক গঠন নয়। D) had been — প্রদত্ত উত্তরে এটি বলা হলেও, অতীতে কোনো ঘটনা ঘটেছিল এমন বোঝাতে এখানে past perfect tense এর প্রয়োজন নেই, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: as though বা as if এর পরে সবসময় were বসবে, সাবজেক্ট সিঙ্গुलर হোক বা প্লুরাল।
a was
b is
c were
d are
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) was কেন সঠিক: - One of the structure-এর ক্ষেত্রে subject সবসময় plural noun হলেও verb সবসময় singular হয়। - বাক্যে yesterday থাকায় এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে, তাই singular verb হিসেবে was বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) was — এটি সঠিক কারণ subject singular এবং বাক্যটি অতীতকালের। B) is — এটি singular verb হলেও present tense নির্দেশ করায় past tense-যুক্ত yesterday শব্দের সাথে বসে না। C) were — এটি plural verb হওয়ায় singular subject বিশিষ্ট এই বাক্যের সাথে বসে না। D) are — এটি plural verb এবং present tense নির্দেশ করায় উভভাবেই এই বাক্যের জন্য অনুপযুক্ত। মনে রাখার টিপস: One of the এর পর noun plural হলেও verb সবসময় singular হয়।
a rain
b rains
c is raining
d would be raining
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) rains কেন সঠিক: - এটি First Conditional-এর একটি বাক্য, যার গঠন হলো If + Present Indefinite Tense এবং পরের অংশ Future Indefinite Tense হয়। - Subject 'it' একটি Third Person Singular Number হওয়ায় মূল Verb-এর সঙ্গে 's' যুক্ত হয়ে 'rains' হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) rain — Subject 'it' Third Person Singular হওয়ায় এখানে Verb-এর সঙ্গে 's' বা 'es' যুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক ছিল, তাই এটি ভুল। B) rains — এটি সঠিক উত্তর, কারণ First Conditional-এর নিয়ম অনুযায়ী if-যুক্ত clause-টি Present Indefinite Tense-এ হবে। C) is raining — এটি Present Continuous Tense, যা সাধারণ শর্তমূলক বাক্যের এই গঠনে ব্যবহার করা যায় না। D) would be raining — এটি Third Conditional বা কাল্পনিক বাক্যের গঠন, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের স্বাভাবিক সম্ভাবনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: First Conditional-এ if-এর পরের clause-টি সবসময় Present Indefinite Tense হয় এবং Subject Singular হলে Verb-এর সঙ্গে 's' বা 'es' যোগ করতে হয়।
a blind
b blindly
c blindness
d blindy
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) blindness কেন সঠিক: - 'Blind' হলো একটি অ্যাডজেক্টিভ যার সাথে '-ness' সাফিক্স যোগ করে অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন গঠন করা হয়েছে। - ইংরেজিতে সাধারণত কোনো অ্যাডজেক্টিভের শেষে '-ness' যুক্ত করে তাকে নাউনে রূপান্তর করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) blind — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যা কোনো ব্যক্তির দৃষ্টিহীনতা বা গুণের অবস্থা বোঝায় কিন্তু নাউন রূপ নয়। B) blindly — এটি একটি অ্যাডভার্ব, যা সাধারণত ভার্বকে মডিফাই করতে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ অন্ধভাবে। C) blindness — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা 'blind' শব্দের সঠিক নাউন ফর্ম বা বিশেষ্য রূপ। D) blondy — এটি একটি বানানগত ভুল শব্দ এবং এর সাথে 'blind' শব্দের কোনো সঠিক ব্যাকরণগত সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: অ্যাডজেক্টিভ শব্দের শেষে 'ness' যোগ করলে সাধারণত অ্যাবস্ট্রাক্ট নাউন গঠিত হয়, যেমন blind থেকে blindness।
a Popular
b Popularly
c Population
d Popularize
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Popularize কেন সঠিক: - 'Popularity' একটি নাউন, যার অর্থ জনপ্রিয়তা। - এর সঠিক ভার্ব ফর্ম হলো 'Popularize', যার অর্থ জনপ্রিয় করে তোলা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Popular — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ, যার অর্থ জনপ্রিয়। B) Popularly — এটি একটি অ্যাডভার্ব, যার অর্থ জনপ্রিয়ভাবে। C) Population — এটি একটি নাউন, যার অর্থ জনসংখ্যা। D) Popularize — এটি সঠিক ভার্ব ফর্ম, যা প্রশ্নের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: শব্দের শেষে 'ize' বা 'ise' থাকলে সাধারণত সেটি ভার্ব হয়।
a Laudable
b Laudful
c Laudy
d Lauded
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Laudable কেন সঠিক: Laud শব্দটির অর্থ প্রশংসা করা এবং এটি একটি ভার্ব বা নাউন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর সাথে able প্রত্যয় যুক্ত করে এটিকে প্রশংসনীয় অর্থ প্রকাশকারী এডজেক্টিভে রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Laudable — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এটি একটি পরীক্ষিত এডজেক্টিভ। B) Laudful — ইংরেজি ব্যাকরণে laudful বলতে কোনো অর্থপূর্ণ বা গ্রহণযোগ্য শব্দ নেই। C) Laudy — এই ধরনের কোনো শব্দ ইংরেজি শব্দভান্ডারে ব্যবহৃত হয় না। D) Lauded — এটি laud ভার্বের পাস্ট টেন্স বা পাস্ট পার্টিসিপল রূপ, কোনো মূল এডজেক্টিভ নয়। মনে রাখার টিপস: প্রশংসা করার যোগ্য বোঝাতে সাধারণত Laud শব্দের শেষে able যুক্ত করে Laudable এডজেক্টিভটি তৈরি করতে হয়।
a Unfriendly
b Friendly
c Hostile
d Trivial
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Friendly কেন সঠিক: Antagonistic শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা বিরোধী। এর বিপরীতার্থক বা অ্যান্টনিম হলো বন্ধুত্বপূর্ণ বা Friendly। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Unfriendly — এটি antagonistic শব্দের সমার্থক বা সিনোনিম, বিপরীত নয়। B) Friendly — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ। C) Hostile — এটি antagonistic শব্দের সমার্থক শব্দ এবং এর অর্থ শত্রুভাবাপন্ন। D) Trivial — এটি তুচ্ছ বা সামান্য অর্থ প্রকাশ করে, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। মনে রাখার টিপস: Anti শব্দের অর্থ বিরোধিতা, তাই antagonistic মানে শত্রুভাবাপন্ন এবং এর উল্টো হলো friendly বা বন্ধুভাবাপন্ন।
a status
b state
c prestigious
d static
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) status কেন সঠিক: Prestige শব্দের বাংলা অর্থ হলো সম্মান, খ্যাতি বা সামাজিক অবস্থান। Status শব্দের অর্থও সামাজিক অবস্থান বা মর্যাদা বোঝায়। তাই শব্দ দুটির অর্থ একই রকম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) status — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি prestige শব্দের সমার্থক। B) state — এর অর্থ অবস্থা বা রাজ্য, যা prestige শব্দের সাথে মেলে না। C) prestigious — এটি একটি বিশেষণ শব্দ, যার অর্থ সম্মানজনক বা খ্যাতিমান। D) static — এর অর্থ স্থিতিশীল বা স্থির, যা prestige শব্দের বিপরীতার্থক। মনে রাখার টিপস: Prestige এবং status দুটি শব্দই মানুষের সামাজিক সম্মান ও মর্যাদার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

a 2/5
b 1/3
c 3
d 5
0 97 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো ৩ এর পাওয়ার x সমান ২৪৩ ধরি, ২৪৩ কে ৩ এর ঘাত হিসেবে প্রকাশ করা যায় ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ গুণ ৩ সমান ২৪৩ অতএব, ৩ এর পাওয়ার x সমান ৩ এর পাওয়ার ৫ সুতরাং, উভয় পক্ষ থেকে ভিত্তি ৩ বাদ দিলে পাওয়া যায় x সমান ৫ উত্তর: ৫
a 0.45
b 0.5
c 0.6
d 0.75
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.৬ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকা = ২৫ অংশ বা লভ্যাংশ = ১৫ ধরি, ১৫ টাকা ২৫ টাকার ক শতাংশ অতএব, ক = (১৫ ÷ ২৫) × ১০০ সুতরাং, ক = ৬০% বা ০.৬ উত্তর: ০.৬
a 1
b 0
c -1
d 2
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১ প্রদত্ত তথ্য: দ্বিঘাত সমীকরণটি হলো x২ − ৪x + k = ০ সমীকরণের মূলদ্বয় একটি অপরটির বিপরীত ধরি, একটি মূল = আলফা অপর মূলটি = ১ ÷ আলফা অতএব, মূলদ্বয়ের গুণফল = আলফা × (১ ÷ আলফা) আবার, দ্বিঘাত সমীকরণ হতে মূলদ্বয়ের গুণফল = k ÷ ১ সুতরাং, মূলদ্বয়ের গুণফল দুটি সমান হবে সুতরাং, আলফা × (১ ÷ আলফা) = k ১ = k উত্তর: ১
a 2 টি
b 3 টি
c 4 টি
d 5 টি
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৫ টি প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিক নিয়মে একটি নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ অঙ্কন করতে হবে চতুর্ভুজের বিভিন্ন বাহু এবং কোণের পরিমাপ দেওয়া থাকে ধরি, চতুর্ভুজের চারটি বাহু এবং একটি কর্ণ দেওয়া আছে অথবা প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপাত্ত দেওয়া আছে অতএব, একটি ত্রিভুজ আঁকতে কমপক্ষে তিনটি উপাত্ত লাগে চতুর্ভুজের ক্ষেত্রে বাহু ও কোণ মিলিয়ে মোট উপাত্ত প্রয়োজন সুতরাং, ত্রিভুজের চেয়ে চতুর্ভুজের বাহু ও শীর্ষবিন্দু বেশি থাকে তাই একটি নির্দিষ্ট চতুর্ভুজ আঁকতে ৫ টি উপাত্ত লাগে উত্তর: ৫ টি
a 4
b 4√2
c 2√2
d 8
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২√২ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো এক্স স্কয়ার − ২এক্স − ১ = ০ ধরি, সমীকরণের উভয় পক্ষকে এক্স দ্বারা ভাগ করে পাই এক্স − ২ − (১ ÷ এক্স) = ০ অতএব, এক্স − (১ ÷ এক্স) = ২ সুতরাং, (এক্স + ১ ÷ এক্স) স্কয়ার = (এক্স − ১ ÷ এক্স) স্কয়ার + ৪ উত্তর: ২√২
a 3
b 4
c 5
d 8
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (a ÷ b) × x − ৩ = (b ÷ a) × x − ৫ ধরি, চলক x যুক্ত পদগুলোকে একপাশে এবং সংখ্যাগুলোকে অন্যপাশে নিতে হবে অতএব, (a ÷ b) × x − (b ÷ a) × x = ৩ − ৫ সুতরাং, x × ((a ÷ b) − (b ÷ a)) = − ২ উত্তর: ৪
a 119
b 120
c 121
d 123
0 128 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১১৯ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাগুলো ১০৫ থেকে ১৩৫ পর্যন্ত বিস্তৃত ধরি, ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাটি হলো ক বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাটি হলো খ অতএব, ১০৫ থেকে ১৩৫ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ১০৭, ১০৯, ১১৩, ১২৭, ১৩১ সুতরাং, ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা ক = ১০৭ বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা খ = ১৩১ অতএব, সংখ্যাদ্বয়ের যোগফল = ১০৭ + ১৩১ = ২৩৮ সুতরাং, সংখ্যাদ্বয়ের গড় = ২৩৮ ÷ ২ = ১১৯ উত্তর: ১১৯
a 10,500 টাকা
b 10,450 টাকা
c 10,650 টাকা
d 10,600 টাকা
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০,৪৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: মূলধন পি = ১০,০০০ টাকা মুনাফার হার আর = ৬% বা ৬ ÷ ১০০ সময় এন = ৯ মাস বা ৯ ÷ ১২ বছর ধরি, সরল মুনাফা আই = পি × এন × আর মুনাফা-মূলধন এ = পি + আই অতএব, আই = ১০,০০০ × (৯ ÷ ১২) × (৬ ÷ ১০০) আই = ১০,০০০ × (৩ ÷ ৪) × (৬ ÷ ১০০) আই = ৪৫০ টাকা সুতরাং, মুনাফা-মূলধন এ = ১০,০০০ + ৪৫০ এ = ১০,৪৫০ টাকা উত্তর: ১০,৪৫০ টাকা
a Inx
b In2x
c x2
d 2x
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x2 প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো e এর পাওয়ার 2 ln x সমান y ধরি, লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী a ln b সমান ln (b এর পাওয়ার a) অতএব, 2 ln x সমান ln (x এর পাওয়ার 2) সুতরাং, e এর পাওয়ার ln (x এর পাওয়ার 2) সমান y উত্তর: x2
a 2.5
b 3.2
c 3.6
d 4.5
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৪.৫ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম সংখ্যা = ১.৫ দ্বিতীয় সংখ্যা = ১৩.৫ ধরি, সংখ্যা দুটির সমানুপাত বা মধ্য সমানুপাতিক = ক অতএব, সমানুপাতের নিয়ম অনুসারে লেখা যায়, ১.৫ অনুপাত ক = ক অনুপাত ১৩.৫ সুতরাং, ক গুণ ক = ১.৫ গুণ ১৩.৫ ক বর্গ = ২০.২৫ উত্তর: ক = √২০.২৫ = ৪.৫
a 0.29513888888889
b 0.21319444444444
c 0.16875
d 0.12777777777778
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ০.২১৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪ প্রদত্ত তথ্য: হীরার আয়ের ৩৫% এবং হ্যাপীর আয়ের ২৫% পরস্পর সমান ধরি, হীরার আয় = হ অতএব, হ্যাপীর আয় = হ্যা সুতরাং, হ × ৩৫% = হ্যা × ২৫% অতএব, হ ÷ হ্যা = ২৫ ÷ ৩৫ সুতরাং, হ ÷ হ্যা = ৫ ÷ ৭ অতএব, হ ÷ হ্যা = ০.৭১৪২৮৫৭১৪২৮৫৭১ সুতরাং, অনুপাতের মান = ০.২১৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪ উত্তর: B) ০.২১৩১৯৪৪৪৪৪৪৪৪৪
a 1365 টাকা
b 1375 টাকা
c 1395 টাকা
d 1410 টাকা
0 109 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪১০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ঘড়ির ক্রয়মূল্য = ১২০০ টাকা লাভের হার = (৩৫/২)% বা ১৭.৫% ধরি, ঘড়িটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, লাভ ১৭.৫ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১০০ + ১৭.৫ = ১১৭.৫ টাকা সুতরাং, ক্রয়মূল্য ১২০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১২০০ × (১১৭.৫ ÷ ১০০) = ১৪১০ টাকা উত্তর: ১৪১০ টাকা
a 4
b 2
c – 2
d – 4
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদম সমীকরণ হলো logx(১÷১৬) = − ২ ধরি, লগারিদমের সংজ্ঞা অনুযায়ী এটিকে সূচকের আকারে লেখা যায় x এর পাওয়ার − ২ = ১÷১৬ অতএব, ১÷(x স্কয়ার) = ১÷১৬ সুতরাং, x স্কয়ার = ১৬ চূড়ান্ত হিসাব: উভয় পক্ষ থেকে বর্গমূল করে পাই x = ৪ অথবা x = − ৪ যেহেতু লগারিদমের ভিত্তি ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই x এর মান ধনাত্মক হবে উত্তর: ৪
a বিন্দু
b রেখা
c স্থান
d রশ্মি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রেখা প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতির মৌলিক ধারণা অনুযায়ী দুটি তল একে অপরকে ছেদ করে। জ্যামিতিক তলের সংজ্ঞানুযায়ী তাদের মিলনস্থল একটি নির্দিষ্ট পথ তৈরি করে। ধরি, প্রথম তলটি ক এবং দ্বিতীয় তলটি খ। তল দুটি পরস্পরকে একটি সাধারণ এলাকায় স্পর্শ করে। অতএব, তলের সাধারণ বিন্দুগুলোর সেট একটি সোজা বা বক্র পথ তৈরি করে। এই পথটির দৈর্ঘ্য আছে কিন্তু কোনো প্রস্থ বা উচ্চতা নেই। সুতরাং, দুটি তলের ছেদবিন্দু বা ছেদাংশ সর্বদা একটি রেখা উৎপন্ন করে। উত্তর: B) রেখা
a 3
b 1
c 0
d – 1
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০ প্রদত্ত তথ্য: (a ÷ b) + (b ÷ a) = ১ ধরি, লসাগু করে পাই (a^২ + b^২) ÷ (ab) = ১ কোণাকুণি গুণ করে পাই a^২ + b^২ = ab অতএব, a^২ − ab + b^২ = ০ সুতরাং, a^৩ + b^৩ এর সূত্র হলো (a + b) × (a^২ − ab + b^২) উত্তর: (a + b) × ০ = ০
a √5
b 1
c 2√2
d 8
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১ প্রদত্ত তথ্য: সমীকরণটি হলো (x^২ + ১)^২ = ৫x^২ উভয় পক্ষের ধনাত্মক বর্গমূল নিয়ে পাই x^২ + ১ = √৫x ধরি, প্রদত্ত সমীকরণটিকে সাজিয়ে পাই x + (১ ÷ x) = √৫ আমরা জানি যে, (x − ১ ÷ x)^২ = (x + ১ ÷ x)^২ − ৪ মানগুলো বসিয়ে পাই (x − ১ ÷ x)^২ = (√৫)^২ − ৪ অতএব, হিসাব করে পাই (x − ১ ÷ x)^২ = ৫ − ৪ বিয়োগফল থেকে পাই (x − ১ ÷ x)^২ = ১ সুতরাং, উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই x − ১ ÷ x = ১ উত্তর: ১
a (1/2)(x – 4)(x + 2)
b (1/2)(x + 4)(x – 2)
c (1/2)(x + 4)(x + 2)
d (1/2)(x – 4)(x – 2)
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) (১/২)(x − ৪)(x − ২) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো (১/২)x^২ − ৩x + ৪ ধরি, রাশিটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রথমে (১/২) কমন নিলে রাশিটি হয় (১/২)(x^২ − ৬x + ৮) সুতরাং, ভেতরের অংশ মিডল টার্ম করে পাই (x^২ − ৪x − ২x + ৮) উত্তর: (১/২)(x − ৪)(x − ২)
a 6
b 8
c 10
d 12
0 131 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x২ + ৫x + ৬ দ্বিতীয় রাশি = x২ + ৩x + ২ রাশি দুটির গসাগু = ১২ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই প্রথম রাশি = (x + ৩)(x + ২) অতএব, দ্বিতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই দ্বিতীয় রাশি = (x + ২)(x + ১) সুতরাং, রাশি দুটির সাধারণ উৎপাদক বা গসাগু = (x + ২) অতএব, প্রশ্নমতে, (x + ২) = ১২ উত্তর: x = ১০
a a > 0, a ≠ 1
b a < 0, a ≠ 1
c a > 1, a ≠ 0
d a < 0, a ≠ 0
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a > 0, a ≠ 1 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি এবং সংখ্যা সমান হলে মান এক হয় এখানে লগারিদমের ভিত্তি হলো এ ধরি, লগারিদমের ভিত্তি এ ধনাত্মক হতে হবে এ এর মান শূন্য হতে পারবে না অতএব, প্রথম শর্ত অনুযায়ী এ এর মান শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী এ এর মান এক এর সমান হতে পারবে না সুতরাং, লগারিদমের সংজ্ঞার নিয়ম অনুসারে এ এর সঠিক শর্ত নির্ধারণ করা হলো উত্তর: a > 0, a ≠ 1
a 3
b 9
c 12
d উত্তর নাই
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উত্তর নাই প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস বৃদ্ধি করা হয়েছে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে তা বের করতে হবে ধরি, বৃত্তের আদি ব্যাসার্ধ = r আদি ক্ষেত্রফল = π × r × r অতএব, ব্যাস কতগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে তার নির্দিষ্ট মান প্রশ্নে নেই তাই নতুন ব্যাসার্ধ এবং নতুন ক্ষেত্রফল কত হবে তা অজানা সুতরাং, সুনির্দিষ্ট মান না থাকায় ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে তা বের করা সম্ভব নয় উত্তর: সঠিক উত্তরটি অপশনে নেই তাই উত্তর নাই
a 24
b 48
c 60
d 72
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭২ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যা দুটির গসাগু = ২ সংখ্যা দুটির লসাগু = ৩৬০ একটি সংখ্যা = ১০ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = গসাগু × লসাগু অতএব, ১০ × ক = ২ × ৩৬০ ১০ × ক = ৭২০০০ সুতরাং, ক = ৭২০০০ ÷ ১০ উত্তর: ৭২
a 10
b 12
c 14
d 16
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২ প্রদত্ত তথ্য: ২৪ জন লোকের খাবার চলে ২০ দিন ঐ একই পরিমাণ খাদ্য আছে ধরি, ১ জন লোকের ঐ খাদ্য চলতে সময় লাগবে = ২৪ × ২০ দিন ৪০ জন লোকের ঐ খাদ্য চলতে সময় লাগবে = (২৪ × ২০) ÷ ৪০ দিন অতএব, ২৪ এবং ২০ গুণ করলে হয় ৪৮০ ৪৮০ কে ৪০ দিয়ে ভাগ করলে হয় ১২ সুতরাং, ৪০ জন লোকের ওই খাদ্য ১২ দিন চলবে উত্তর: ১২
a সূক্ষ্মকোণী ত্রিভুজ
b স্থুলকোণী ত্রিভুজ
c সমকোণী ত্রিভুজ
d সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সমকোণী ত্রিভুজ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণ যথাক্রমে x, ২x এবং ৩x ধরি, প্রথম কোণ = x দ্বিতীয় কোণ = ২x তৃতীয় কোণ = ৩x অতএব, ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০ ডিগ্রি x + ২x + ৩x = ১৮০ ডিগ্রি সুতরাং, ৬x = ১৮০ ডিগ্রি x = ৩০ ডিগ্রি উত্তর: কোণ তিনটি যথাক্রমে ৩০ ডিগ্রি, ৬০ ডিগ্রি এবং ৯০ ডিগ্রি হওয়ায় ত্রিভুজটি একটি সমকোণী ত্রিভুজ
a 45°
b 90°
c 120°
d 150°
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের একটি সাধারণ জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য এটি ধরি, রম্বসের কর্ণ দুটি পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে কর্ণদ্বয়ের ছেদবিন্দুতে উৎপন্ন কোণগুলো সমকোণ অতএব, রম্বসের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এর কর্ণ দুটি লম্বভাবে ছেদ করে সুতরাং, কর্ণদ্বয়ের মধ্যবর্তী কোণ সর্বদা সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রি হয় উত্তর: ৯০°
a 43°
b 86°
c 129°
d 153°
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪৩° প্রদত্ত তথ্য: কোণটির পরিমাণ = ৫১° ধরি, কোণটির সম্পূরক কোণ = ক অতএব, দুটি কোণের সমষ্টি = ১৮০° ক + ৫১° = ১৮০° সুতরাং, সম্পূরক কোণ ক = ১৮০° − ৫১° = ১২৯° উত্তর: ১২৯° ÷ ৩ = ৪৩°

মোট প্রশ্ন (28)

a ভাষা আন্দোলন
b শিক্ষা আন্দোলন
c গণনাট্য আন্দোলন
d বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ইতিহাস সঠিক উত্তর: D) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন কেন সঠিক: - এই স্লোগানটি বিশ শতকের বিশের দশকে গড়ে ওঠা 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মূল মর্মকথা ও প্রধান স্লোগান ছিল। - মুক্তচিন্তা, গোঁড়ামি বর্জন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে আন্দোলনটির মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকায় এটি প্রকাশিত হতো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাষা আন্দোলন — ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সংঘটিত আন্দোলন, যার স্লোগান ছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। B) শিক্ষা আন্দোলন — ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রদের ঐতিহাসিক আন্দোলন, যা মূলত শিক্ষানীতি কেন্দ্রিক ছিল। C) গণনাট্য আন্দোলন — ব্রিটিশ বিরোধী ও জনসচেতনতামূলক সাংস্কৃতিক আন্দোলন, যা নাটক ও সঙ্গীতের মাধ্যমে গণমানুষকে উদ্বুদ্ধ করত। D) বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই আন্দোলনের মূল দার্শনিক ভিত্তি ছিল যুক্তিবাদী চিন্তা ও জ্ঞানের চর্চা। মনে রাখার টিপস: জ্ঞান ও বুদ্ধির কথা থাকলেই তা বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং এর মুখপত্র ছিল শিখা পত্রিকা।
a Today will rain.
b It should be raining today.
c It may rain today.
d Today is raining.
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) It may rain today. কেন সঠিক: - বাক্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা বা অনিশ্চয়তা প্রকাশ করা হয়েছে, তাই Modal Auxiliary Verb হিসেবে May ব্যবহৃত হয়। - আবহাওয়া সংক্রান্ত অনুমানের ক্ষেত্রে সম্ভাবনা বোঝাতে May ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Today will rain. — এটি ভুল কারণ বৃষ্টি নিজে নিজে কাজ করতে পারে না এবং ভবিষ্যতের নিশ্চিত ঘটনা বোঝাতে Will বসে যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) It should be raining today. — এটি ভুল কারণ Should দ্বারা উচিত বা জোরালো বাধ্যবাধকতা বোঝায়, যা সাধারণ সম্ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। C) It may rain today. — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বৃষ্টির সম্ভাবনাকে নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। D) Today is raining. — এটি ভুল কারণ Subject হিসেবে Today ব্যবহার করা হয়েছে, আবহাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক Subject হলো It। মনে রাখার টিপস: আবহাওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে নিশ্চিত না হলে May ব্যবহার করতে হয়।
a Do you know where does he live?
b Do you know where does he lives?
c Do you know where he lives?
d Do you know where he live?
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Do you know where he lives? কেন সঠিক: - Complex sentence-এ Principal Clause-এর পর Subordinate Clause-টি Interrogative গঠনে না হয়ে Assertive গঠনে হয়। - Subject (he) সিঙ্গুলার থার্ড পারসন হওয়ায় Present Indefinite Tense-এ মূল Verb-এর সঙ্গে s বা es যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Do you know where does he live? — এটি ভুল কারণ Subordinate Clause-এ অতিরিক্ত does ব্যবহার করে ইন্টারোগেটিভ গঠন করা হয়েছে। B) Do you know where does he lives? — এটি ভুল কারণ does ব্যবহারের পর মূল Verb-এর সঙ্গে আবার s বা es যুক্ত করা হয়েছে। C) Do you know where he lives? — এটি সঠিক অপশন। D) Do you know where he live? — এটি ভুল কারণ Subject সিঙ্গুলার হওয়া সত্ত্বেও Verb-এর সঙ্গে s বা es যুক্ত করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: ডাব্লিউএইচ ওয়ার্ড মাঝখানে বসলে পরের অংশটি সবসময় সাধারণ বাক্যের মতো সাবজেক্টের পর ভার্ব হয়, কোনো অতিরিক্ত ডু বা ডাজ বসে না।
a Faults are unfair where love is fair.
b Faults are thick where love is thin.
c Faults are counted where there is no love.
d Faults are many where love is little.
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Faults are thick where love is thin. কেন সঠিক: - প্রবাদটির ভাবার্থ হলো ভালোবাসার অভাব থাকলে দোষত্রুটি বেশি চোখে পড়ে, যা ইংরেজি প্রবাদের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। - এখানে thick শব্দের অর্থ বেশি বা ঘন এবং thin শব্দের অর্থ কম বা হালকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Faults are unfair where love is fair — এই বাক্যটির কোনো প্রচলিত প্রবাদগত অর্থ বা ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। B) Faults are thick where love is thin — এটি প্রবাদের সঠিক ইংরেজি রূপ এবং প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) Faults are counted where there is no love — এটি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করলেও মূল প্রবাদের সঠিক ইংরেজি অনুবাদ নয়। D) Faults are many where love is little — এটি ভাবানুবাদ হলেও পরীক্ষার জন্য এটি প্রমিত বা গ্রহণযোগ্য প্রবাদ হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা প্রবাদটির ইংরেজি মনে রাখতে thick (বেশি) এবং thin (কম) শব্দ দুটির বিপরীত ব্যবহার মনে রাখুন।
a যুক্তরাজ্যে
b চীনে
c যুক্তরাষ্ট্রে
d জাপানে
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) জাপানে কেন সঠিক: - জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর মূল সদর দপ্তর জাপানের টোকিওতে অবস্থিত। - এটি জাতিসংঘের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যা বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন ও গবেষণা নিয়ে কাজ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাজ্যে — যুক্তরাজ্যে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত নয়, তবে এখানে জাতিসংঘের অন্যান্য কিছু সংস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। B) চীনে — চীন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দপ্তর নয়, যদিও এশিয়ায় এর বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র ও নেটওয়ার্ক রয়েছে। C) যুক্তরাষ্ট্রে — যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর থাকলেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দপ্তর সেখানে নয়। D) জাপানে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসনিক কার্যালয় জাপানের টোকিওতে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: ইউনাইটেড নেশনের ইউনিভার্সিটি মানেই টোকিও, মনে রাখুন জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় জাপানে অবস্থিত।
a ৮ মার্চ
b ১০ এপ্রিল
c ৫ জুন
d ১০ ডিসেম্বর
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৮ মার্চ কেন সঠিক: - প্রতি বছর ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। - নারীদের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অর্জনের স্বীকৃতি স্বরূপ এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ মার্চ — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের নির্ধারিত সঠিক তারিখ। B) ১০ এপ্রিল — এটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তারিখ নয়, এই দিনে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। C) ৫ জুন — এই তারিখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়, আন্তর্জাতিক নারী দিবস নয়। D) ১০ ডিসেম্বর — এই তারিখে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস পালিত হয়, নারী দিবস নয়। মনে রাখার টিপস: বছরের তৃতীয় মাসের অষ্টম দিনে নারী দিবস পালিত হয়, তাই ৮ মার্চ মনে রাখুন।
a সাকিব আল হাসান
b তামিম ইকবাল
c মোহাম্মদ আশরাফুল
d লিটন দাস
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাধারণ জ্ঞান সঠিক উত্তর: D) লিটন দাস কেন সঠিক: - ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে লিটন দাস একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অপরাজিত ১৭৬ রান করেন। - এটি ওয়ানডে ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাকিব আল হাসান — আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার সেরা ওয়ানডে ইনিংস ১৩৪ রান হলেও এটি দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ নয়। B) তামিম ইকবাল — ওয়ানডে ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ১৫৮ রান, যা লিটন দাসের ১৭৬ রানের নিচে। C) মোহাম্মদ আশরাফুল — তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ১০০ রান, যা সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডের ধারেকাছেও নেই। D) লিটন দাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭৬ রান করে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ড গড়েন। মনে রাখার টিপস: লিটন দাসের এল (L) দিয়ে লিটন এবং ১৭৬ রানের বড় ইনিংসটি মনে রাখতে পারেন।
a মরক্কো
b লিবিয়া
c তিউনিসিয়া
d ইয়েমেন
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইয়েমেন কেন সঠিক: - ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্য বা এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি দেশ। - এটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মরক্কো — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ, তাই এটি ভুল উত্তর। B) লিবিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ, তাই এটি ভুল উত্তর। C) তিউনিসিয়া — এটি উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ, তাই এটি ভুল উত্তর। D) ইয়েমেন — এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত, যা আফ্রিকা নয়। মনে রাখার টিপস: মরক্কো, লিবিয়া ও তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকার দেশ, আর ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ।
a প্যারাসাইট
b নোম্যাডল্যান্ড
c সিনারি
d ম্যারেজ স্টোরি
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নোম্যাডল্যান্ড কেন সঠিক: - ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত ৯৩তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস বা অস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয় নোম্যাডল্যান্ড। - ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি সেরা পরিচালক ও সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারসহ মোট তিনটি বিভাগে অস্কার জয় করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারাসাইট — এটি ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ৯২তম অস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিল। B) নোম্যাডল্যান্ড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে ২০২১ সালের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র। C) সিনারি — এটি অস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে বিজয়ী কোনো পরিচিত চলচ্চিত্র নয়। D) ম্যারেজ স্টোরি — এটি ২০১৯ সালের একটি প্রশংসিত চলচ্চিত্র হলেও অস্কারের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেনি। মনে রাখার টিপস: নোম্যাড শব্দের অর্থ যাযাবর, ২০২১ সালে যাযাবর জীবনের গল্প নিয়ে নির্মিত নোম্যাডল্যান্ড অস্কার জিতেছিল।
a হিমালয় পর্বতমালা
b আল্পস পর্বতমালা
c আন্দিজ পর্বতমালা
d আলাস্কা পর্বতমালা
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আন্দিজ পর্বতমালা কেন সঠিক: - দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত আন্দিজ পর্বতমালা পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা, যার দৈর্ঘ্য প্রায় সাত হাজার কিলোমিটার। - এটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল ঘেঁষে উত্তর থেকে দক্ষিণে ভেনেজুয়েলা থেকে চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিমালয় পর্বতমালা — এটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতমালা হলেও দীর্ঘতম পর্বতমালা নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়। B) আল্পস পর্বতমালা — এটি ইউরোপের প্রধান পর্বতমালা এবং এর দৈর্ঘ্য আন্দিজের তুলনায় অনেক কম। C) আন্দিজ পর্বতমালা — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। D) আলাস্কা পর্বতমালা — এটি উত্তর আমেরিকার একটি পর্বতমালা এবং এর বিস্তৃতি বেশ সীমিত। মনে রাখার টিপস: আন্দিজ নামটির শুরুতে আ আছে, আর পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বত হিসেবে এটি সবার আগে বা আ দিয়ে মনে রাখা যায়।
a ১ ‍ডিসেম্বর, ২০১৯
b ১ জানুয়ারি, ২০২০
c ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
d ১ মার্চ, ২০২০
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ কেন সঠিক: - যুক্তরাজ্য ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়ার চুক্তি করে। - এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ১১ মাসের ট্রানজিশন পিরিয়ড বা রূপান্তর কাল শেষে ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ব্রেক্সিট পুরোপুরি কার্যকর হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ ‍ডিসেম্বর, ২০১৯ — এই তারিখে ব্রেক্সিট কার্যকর হয়নি, বরং এই সময়ে ইউরোপীয় কাউন্সিলের নতুন সভাপতি হিসেবে চার্লস মিশেল দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। B) ১ জানুয়ারি, ২০২০ — এই তারিখ থেকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার রূপান্তর কাল বা ট্রানজিশন পিরিয়ড আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। C) ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ — এই অপশনটি সঠিক এবং এই দিনেই ব্রেক্সিট চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়েছিল। D) ১ মার্চ, ২০২০ — এই তারিখে ব্রেক্সিট কার্যকর হয়নি, এটি ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরের একটি সাধারণ মাস মাত্র। মনে রাখার টিপস: ব্রেক্সিট কার্যকর হয় ২০২০ সালের প্রথম মাস শেষ হওয়ার ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি।
a বায়োলজি
b সোসিওলজি
c এনভায়রনমেন্ট
d ইকোলজি
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইকোলজি কেন সঠিক: - ইকোলজি বা বাস্তুবিদ্যা হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা পরিবেশের সাথে উদ্ভিদ ও প্রাণীর পারস্পরিক সম্পর্কের আলোচনা করে। - এই শাখায় জীব এবং তাদের অজৈব পরিবেশের মধ্যকার আন্তঃক্রিয়া পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বায়োলজি — এটি সামগ্রিকভাবে জীবদেহ ও জীবন সম্পর্কিত বিজ্ঞান, যা পরিবেশের সাথে সম্পর্কের নির্দিষ্ট ক্ষেত্র বোঝায় না। B) সোসিওলজি — এটি মানব সমাজ, সামাজিক সম্পর্ক এবং সমাজবদ্ধ মানুষের আচরণ নিয়ে আলোচনা করে। C) এনভায়রনমেন্ট — এটি কেবল পরিবেশকে বোঝায়, জীবদেহের সাথে পরিবেশের সুনির্দিষ্ট পারস্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞানকে বোঝায় না। D) ইকোলজি — এটি পরিবেশ ও জীবদেহের পারস্পরিক সম্পর্কের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম। মনে রাখার টিপস: ইকো শব্দের অর্থ পরিবেশ এবং লজি অর্থ বিদ্যা, তাই পরিবেশ ও জীবের বিজ্ঞান হলো ইকোলজি।
a রূপালী
b ডায়মন্ড
c ড্রামহেড
d ব্রিসাইল
0 137 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডায়মন্ড কেন সঠিক: - ডায়মন্ড বাংলাদেশে চাষ করা আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রধান জাত। - এই জাতের আলু উচ্চ ফলনশীল এবং এর সংরক্ষণ ক্ষমতা বেশ ভালো। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রূপালী — এটি আলুর কোনো প্রধান বাণিজ্যিক জাত নয়, বরং এটি ধান বা অন্য ফসলের ক্ষেত্রে বেশি পরিচিত। B) ডায়মন্ড — এটি আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল জাত হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) ড্রামহেড — এটি বাঁধাকপির একটি সুপরিচিত জাত, আলুর জাত নয়। D) ব্রিসাইল — এটি আলুর কোনো স্বীকৃত বা পরিচিত জাত নয়। মনে রাখার টিপস: আলুর রাজা যেমন বহুমুখী, তেমনি দামি অলংকার ডায়মন্ডের মতো এটি বাজারে সবসময় মূল্যবান ও জনপ্রিয়।
a Successful Development Goals
b Successive Development Goals
c Sustainable Development Goals
d Sustantial Development Goals
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Sustainable Development Goals কেন সঠিক: - এসডিজি (SDG) এর পূর্ণরূপ হলো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, যা ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্য জাতিসংঘ গ্রহণ করেছে। - এটি পরিবেশ রক্ষা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর সমান গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Successful Development Goals — এটি একটি ভুল শব্দগুচ্ছ এবং জাতিসংঘের কোনো আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন এজেন্ডার নাম নয়। B) Successive Development Goals — এটি শব্দগত দিক থেকে কাছাকাছি হলেও এসডিজির দাপ্তরিক বা সঠিক পূর্ণরূপ নয়। C) Sustainable Development Goals — এটি সঠিক উত্তর। D) Sustantial Development Goals — এখানে 'Sustantial' বানানটি ভুল এবং এটি কোনো স্বীকৃত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বা সামাজিক পরিভাষা নয়। মনে রাখার টিপস: টেকসই উন্নয়নের ইংরেজি মনে রাখতে এস (Sustainable) এবং ডি (Development) জি (Goals) এই ধারাবাহিকতা মনে রাখবে।
a মোঙ্গলয়েড
b অস্ট্রালয়েড
c ককেশয়েড
d নিগ্রয়েড
0 124 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অস্ট্রালয়েড কেন সঠিক: - বাঙালির নৃতাত্ত্বিক গঠনে আদিম আদিবাসী অস্ট্রালয়েড বা আদি-অস্ট্রালয়েড জনগোষ্ঠীর রক্ত সবচেয়ে বেশি মিশে রয়েছে। - প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই এই অঞ্চলের মূল জনগোষ্ঠীর সাথে অস্ট্রালয়েড বৈশিষ্ট্যের সংমিশ্রণ ঘটেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মোঙ্গলয়েড — মোঙ্গলয়েড রক্তও বাঙালিদের মধ্যে কিছুটা রয়েছে, তবে তা অস্ট্রালয়েডের চেয়ে পরিমাণে কম। B) অস্ট্রালয়েড — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ককেশয়েড — উচ্চবর্ণের কিছু মানুষের মধ্যে ককেশয়েড বা আর্য বৈশিষ্ট্য থাকলেও সামগ্রিকভাবে এটি প্রধান নয়। D) নিগ্রয়েড — বাঙালির দৈহিক গঠনে নিগ্রয়েড জাতিগোষ্ঠীর কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব বা মিল নেই। মনে রাখার টিপস: বাঙালির দেহ গঠনে আদিম রক্তের প্রভাব বোঝাতে মনে রাখুন আদিবাসীরা ছিল অস্ট্রালয়েড।
a ২০১০ সালে
b ২০১৩ সালে
c ২০১৫ সালে
d ২০১৭ সালে
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২০১০ সালে কেন সঠিক: - বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুমোদিত ও প্রকাশিত হয় ২০১০ সালে। - এই শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এবং মাধ্যমিক শিক্ষাকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত করার প্রস্তাব করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২০১০ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই জাতীয় শিক্ষানীতি চূড়ান্তভাবে প্রণয়ন করা হয়। B) ২০১৩ সালে — এই সালে নতুন কোনো জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়নি, এটি ভুল সাল। C) ২০১৫ সালে — এটি শিক্ষানীতি প্রণয়নের সাল নয়, বরং এটি এসডিজি অর্জনের শুরুর বছর। D) ২০১৭ সালে — এই সালে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়নি, এটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: শিক্ষানীতি প্রণয়নের বছর মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন, ২০১০ মানে ১০ নম্বর শিক্ষানীতি।
a জগদীশ চন্দ্র বসু
b ড. কুদরত-ই-খুদা
c লিউয়েন হুক
d ড. মাকসুদুল আলম
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ড. মাকসুদুল আলম কেন সঠিক: - ড. মাকসুদুল আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের সঙ্গে ২০১২ সালে পাটের জিনোম বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন। - এটি ছিল বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাটের জাত উন্নয়ন এবং এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জগদীশ চন্দ্র বসু — তিনি উদ্ভিদের প্রাণ ও সংবেদনশীলতা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত, পাটের জিনোম আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত নন। B) ড. কুদরত-ই-খুদা — তিনি একজন প্রখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং বাংলায় বিজ্ঞান গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। C) লিউয়েন হুক — তিনি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের উন্নয়ন এবং ব্যাকটেরিয়া বা প্রোটোজোয়া আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। D) ড. মাকসুদুল আলম — তিনি তোশার পাটের জিনোম সফলভাবে আবিষ্কার করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। মনে রাখার টিপস: পাট আমাদের সোনালী আঁশ এবং এর জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন ড. মাকসুদুল আলম।
a ১৯৪৭ সালে
b ১৯৪৮ সালে
c ১৯৪৯ সালে
d ১৯৫০ সালে
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১৯৪৯ সালে কেন সঠিক: - উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। - স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিহত করতে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলো এই সামরিক জোট গঠন করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৪৭ সালে — এই সালে ন্যাটো গঠিত হয়নি, বরং ১৯৪৭ সালে স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রাথমিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। B) ১৯৪৮ সালে — এই সালে ন্যাটো গঠিত হয়নি, তবে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য মার্শাল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হয়। C) ১৯৪৯ সালে — এই অপশনটি সঠিক কারণ ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর প্রথম মহাসচিব নির্বাচিত হন হেস্্টিংজ ইসময়। D) ১৯৫০ সালে — এই সালে ন্যাটো গঠিত হয়নি, তবে এই বছর কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হয়েছিল যা সামরিক জোটের তৎপরতা বৃদ্ধি করে। মনে রাখার টিপস: ন্যাটো গঠনের সাল মনে রাখতে ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখতে পারো যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক চার বছর পর এই সামরিক জোট গঠিত হয়।
a ৫২টি
b ৫৪টি
c ৫৭টি
d ৫৮টি
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫৪টি কেন সঠিক: - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন নির্ধারিত দালিলিক তথ্য অনুযায়ী দুই দেশের মধ্যে মোট ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। - এই নদীগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করে পানি প্রবাহিত হয় এবং দুই দেশের জন্যই এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৫২টি — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর সঠিক দালিলিক সংখ্যার সঙ্গে মেলে না। B) ৫৪টি — এটি অফিসিয়াল রেকর্ড অনুযায়ী সঠিক উত্তর। C) ৫৭টি — এই সংখ্যাটি সঠিক নয়, কারণ সরকারিভাবে ৫৪টি নদীর নাম নথিভুক্ত আছে। D) ৫৮টি — অনানুষ্ঠানিক বা ভুল তথ্যের কারণে অনেক সময় এই সংখ্যাটি বলা হলেও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য অনুযায়ী এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: পাঁচ আর চার মিলে হয় ৫৪, ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন নদী মনে রাখতে এই সংখ্যাটি এভাবে মনে রাখুন।
a চীনের উহানে
b চীনের সাংহাইতে
c চীনের বেইজিংয়ে
d ইতালির লোম্বার্ডিতে
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চীনের উহানে কেন সঠিক: - ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই নতুন ভাইরাসের নাম দেয় কোভিড উনিশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীনের উহানে — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম প্রাদুর্ভাব এখানেই দেখা গিয়েছিল। B) চীনের সাংহাইতে — এটি চীনের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হলেও প্রথম করোনা রোগী এখানে শনাক্ত হয়নি। C) চীনের বেইজিংয়ে — এটি চীনের রাজধানী হলেও প্রথম করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল এটি ছিল না। D) ইতালির লোম্বার্ডিতে — এটি ইউরোপে সংক্রমণের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল, তবে প্রাদুর্ভাবের উৎসস্থল নয়। মনে রাখার টিপস: করোনা ভাইরাস উ দিয়ে শুরু উহান শহর দিয়ে শুরু।
a যুক্তরাষ্ট্র
b যুক্তরাজ্য
c সৌদি আরব
d আরব আমিরাত
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সৌদি আরব কেন সঠিক: - বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে কর্মী গেলেও সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রবাসী কর্মী সৌদি আরবে কর্মরত আছেন। - এই বিশাল সংখ্যক প্রবাসীর পাঠানো আয়ের কারণে দীর্ঘদিন ধরে রেমিটেন্স আয়ের শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য রেমিটেন্স আসলেও তা সৌদি আরবের তুলনায় কম। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিটেন্স পাঠালেও তা শীর্ষ অবস্থানে নেই। C) সৌদি আরব — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি বর্তমানে রেমিটেন্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ। D) আরব আমিরাত — আরব আমিরাত থেকে প্রচুর রেমিটেন্স আসে, তবে পরিমাণগত দিক থেকে এটি সৌদি আরবের পরেই অবস্থান করে। মনে রাখার টিপস: রেমিটেন্সের রাজা সৌদি আরব, কারণ প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা সেখানে সবচেয়ে বেশি।
a ১৭ মার্চ, ২০২০
b ১৭ মার্চ, ২০১৯
c ১৭ মার্চ, ২০২১
d ১৭ মার্চ, ২০২২
0 143 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৭ মার্চ, ২০২০ কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। - ২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার সূচনা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ মার্চ, ২০২০ — এটি সঠিক কারণ এই তারিখেই জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। B) ১৭ মার্চ, ২০১৯ — এটি ভুল কারণ এই সালে জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান শুরু হয়নি, এটি কেবল প্রস্তুতির বছর ছিল। C) ১৭ মার্চ, ২০২১ — এটি ভুল কারণ এই সালটি মুজিববর্ষের সমাপ্তির কাছাকাছি সময়, শুরুর তারিখ নয়। D) ১৭ মার্চ, ২০২২ — এটি ভুল কারণ এই সালটি মুজিববর্ষ ও জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানমালার সময়সীমার বাইরে অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখ ১৭ মার্চ মনে রাখলেই ২০২০ সাল যোগ করে জন্মশতবার্ষিকীর শুরুর সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
a মৃণাল হক
b শামীম শিকদার
c হামিদুজ্জামান খান
d নভেরা আহমেদ
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) মৃণাল হক কেন সঠিক: - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত 'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা' ভাস্কর্যটির ভাস্কর প্রখ্যাত শিল্পী মৃণাল হক। - বাংলা বর্ণমালা ও মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে একত্রে ফুটিয়ে তুলতে এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃণাল হক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই ভাস্কর্যটির মূল নকশা ও নির্মাণ তাঁর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। B) শামীম শিকদার — তিনি অপরাজেয় বাংলা এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যের ভাস্কর, জননী ও গর্বিত বর্ণমালার নন। C) হামিদুজ্জামান খান — তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশপ্তকসহ বেশ কয়েকটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের ভাস্কর। D) নভেরা আহমেদ — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অন্যতম নকশাকার ও দেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর। মনে রাখার টিপস: বর্ণমালার জননীকে সম্মান জানাতে মৃণাল হক তৈরি করেছেন গর্বিত বর্ণমালা।
a ১ জুলাই, ১৯৮৯
b ১ জুলাই, ১৯৯০
c ১ জুলাই, ১৯৯১
d ১ জুলাই, ১৯৯২
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: অর্থনীতি ও ব্যবসায়বিষয়ক ধারণা / বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) ১ জুলাই, ১৯৯১ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (VAT) চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে। - তৎকালীন অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান জাতীয় সংসদে এই কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ জুলাই, ১৯৮৯ — এই সালে বাংলাদেশে ভ্যাট চালু হয়নি, এটি ভুল সাল। B) ১ জুলাই, ১৯৯০ — এই বছর ভ্যাট আইন পাস হওয়ার প্রস্তুতি চললেও কার্যকর হয়নি। C) ১ জুলাই, ১৯৯১ — এটিই সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন থেকেই দেশে ভ্যাট আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়। D) ১ জুলাই, ১৯৯২ — এই সালটি সঠিক নয়, কারণ এর এক বছর আগেই ভ্যাট চালু করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: নব্বইয়ের দশকের শুরুতে (১৯৯১ সাল) বাংলাদেশে ভ্যাট চালুর মাধ্যমে আধুনিক করার ব্যবস্থা শুরু হয়।
a মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
b শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হক
c হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
d বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম সঠিক উত্তর: D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেন সঠিক: - ‘আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থটির রচয়িতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। - ১৯৫২ সালে চীন সফরকালে তাঁর অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলা একাডেমি থেকে এই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী — তিনি বিখ্যাত রাজনৈতিক নেতা হলেও এই গ্রন্থটির রচয়িতা নন। B) শেরে বাংলা এ. কে ফজলুল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ ও বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী, এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। C) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী — তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু এই গ্রন্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি এই অপশনের সঙ্গেই মিলে যায়। মনে রাখার টিপস: নয়াচীন ভ্রমণের স্মৃতি নিয়ে লেখা বইটির রচয়িতা হলেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
a ৪টি
b ৫টি
c ৬টি
d ৭টি
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৭টি কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে। - ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে চারটি তফসিল থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে এর সংখ্যা বাড়িয়ে সাতটি করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪টি — এটি ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে থাকা তফসিলের সংখ্যা, বর্তমান সংবিধানের সঠিক সংখ্যা নয়। B) ৫টি — এটি বাংলাদেশের সংবিধানের কোনো নির্দিষ্ট সংশোধনীর ফল নয় এবং বর্তমান মোট সংখ্যার সাথে মিলে না। C) ৬টি — সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনীর ফলে তফসিলের সংখ্যা ছয়টি অতিক্রম করে সাতটিতে উন্নীত হয়েছে। D) ৭টি — এটি বর্তমান সংবিধানের মোট তফসিলের সঠিক সংখ্যা এবং প্রশ্নে এটিই সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশের সংবিধানে সাত দিন বা সপ্তাহের সাত দিনের মতো মোট ৭টি তফসিল রয়েছে বলে মনে রাখতে পারো।
a নুরুল আমিন
b লিয়াকত আলী খান
c মোহাম্মদ আলী
d খাজা নাজিমুদ্দীন
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) খাজা নাজিমুদ্দীন কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। - তিনি ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় জিন্নাহর সুরেই উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) নুরুল আমিন — তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালীন পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। B) লিয়াকত আলী খান — তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে নিহত হন। সি) মোহাম্মদ আলী — তিনি ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। D) খাজা নাজিমুদ্দীন — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: ভাষা আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নাজিম, আর পূর্ববঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
a কনিস্ক
b শশাংক
c ধর্মপাল
d গোপাল
0 130 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শশাংক কেন সঠিক: - শশাংক ছিলেন প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম শাসক, যিনি ষষ্ঠ শতকের শেষভাগ বা সপ্তম শতকের প্রারম্ভে গৌড় রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেন। - তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলার ছোট ছোট অঞ্চলগুলোকে একত্রিত করে একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন এবং নিজের রাজধানী স্থাপন করেন কর্ণসুবর্ণে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কনিস্ক — কনিস্ক ছিলেন প্রাচীন কুশান রাজবংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট, যিনি বাংলা অঞ্চলের শাসক ছিলেন না। B) শশাংক — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) ধর্মপাল — ধর্মপাল ছিলেন বাংলার পাল রাজবংশের দ্বিতীয় ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা, যিনি শশাংকের অনেক পরে রাজত্ব করেছিলেন। D) গোপাল — গোপাল ছিলেন বাংলার পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা, যিনি শশাংকের মৃত্যুর প্রায় এক শতাব্দী পরে ক্ষমতায় আসেন। মনে রাখার টিপস: বাংলার স্বাধীন সূর্য উদিত হয়েছিল শশাংকের হাত ধরে, তাই প্রথম স্বাধীন শাসক মানেই শশাংক।