বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১৭ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (স্কুল পর্যায়) ২০২২

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a অচল
b অদ্রি
c ভূধর
d অবনী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অবনী ১. কেন সঠিক: - অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী, যা ধরণী, বসুন্ধরা বা ভূমিতল হিসেবে পরিচিত। - প্রশ্নটিতে পৃথিবীর সমার্থক বা প্রতিশব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে এবং অবনী শব্দটি সরাসরি পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃত প্রাকৃত ও দেশি উৎসের বহু শব্দ পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধরিত्री ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম প্রাচীন ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: বসুধা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে বাংলা কাব্যে ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অচল — এই শব্দের অর্থ যা চলে না বা পর্বত, তাই এটি পৃথিবীর সমার্থক নয়। B) অদ্রি — এই শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা পৃথিবীর সমার্থক শব্দ নয়। C) ভূধর — এই শব্দের অর্থ পর্বত বা ভূমিতল ধারণকারী, যা মূলত পাহাড়ের সমার্থক। D) অবনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পৃথিবী। ৫ মনে রাখার টিপস: - অবনী শব্দের শেষ অংশে নদী বা অবনী পাতার মতো মনে রাখতে পারো যে এটি আমাদের পৃথিবী মায়ের নাম। - পৃথিবীর সমার্থকগুলো মনে রাখার জন্য বসু, ধরা, অবনী, অবনী এসব শব্দ একত্রে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পাহাড় এবং পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো প্রায় একরকম মনে হতে পারে, তাই পর্বত ও পৃথিবীর শব্দ আলাদা করে পড়তে হবে।
a ‘চ’ ধ্বনি
b ‘ছ’ ধ্বনি
c ‘জ’ ধ্বনি
d ‘ঝ’ ধ্বনি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ‘চ’ ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনির পার্থক্যের ক্ষেত্রে যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, সেগুলোকে অঘোষ ধ্বনি বলা হয়। - অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনির পার্থক্যের ক্ষেত্রে যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য বা জোর থাকে না, সেগুলোকে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ ধ্বনি এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘোষ ধ্বনি। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘ক’ ধ্বনি ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এটি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না ও অতিরিক্ত বাতাস বের হয় না, তাই এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ‘ট’ ধ্বনি ব্যাখ্যা: এটি টবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এর উচ্চারণেও স্বরতন্ত্রী কম্পিত হয় না এবং ফুসফুস থেকে কম বাতাস নির্গত হয়, তাই এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘চ’ ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ চ বর্গীয় প্রথম বর্ণ হিসেবে এটি অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ ধ্বনি। B) ‘ছ’ ধ্বনি — এটি চ বর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ, যা অঘোষ হলেও অল্পপ্রাণ নয় বরং মহাপ্রাণ ধ্বনি। C) ‘জ’ ধ্বনি — এটি চ বর্গীয় তৃতীয় বর্ণ, যা অল্পপ্রাণ হলেও অঘোষ নয় বরং ঘোষ ধ্বনি। D) ‘ঝ’ ধ্বনি — এটি চ বর্গীয় চতুর্থ বর্ণ, যা ঘোষ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্গের প্রথম বর্ণ সবসময় অঘোষ ও অল্পপ্রাণ হয়। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীকরণের এই ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ধ্বনি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অঘোষ, ঘোষ, অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি চিহ্নিত করতে বলা হয়।
a পদ
b রূপ
c শব্দমূল
d ধ্বনি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ ১. কেন সঠিক: বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে। বাক্যের মধ্যে অর্থ প্রকাশের জন্য যখন কোনো শব্দ বা ধাতু ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে আর সাধারণ শব্দ বলা যায় না, তা পদে রূপান্তর হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশের জন্য প্রতিটি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হতে হয়। বাংলায় স্বাধীন শব্দ বাক్యంలో বসার সময় বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি বল খেলে। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলে, বল এবং খেল এই শব্দগুলো বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে পদ হিসেবে কাজ করছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: পাখি, আকাশ এবং উড় শব্দগুলোর সঙ্গে বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত হয়ে বাক্যে পদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যের ক্ষুদ্রাংশ বা ব্যবহারের একক হলো পদ। B) রূপ — রূপ হলো শব্দের অবয়ব বা গঠনগত রূপ, যা বাক্যের ব্যবহারের একক নয়। C) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ, যা বিভক্তি ছাড়া বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। D) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম মৌলিক একক, কিন্তু বাক্যের ক্ষুদ্রাংশ বা অর্থের একক পদ। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে ব্যবহারের সময় স্বাধীন শব্দ বা ধাতুই হলো পদ। শব্দ বাক্যে প্রবেশ করলেই তা পদে পরিণত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ ও পদের পার্থক্য হলো শব্দ হলো অভিধানের একক আর পদ হলো বাক্যের ব্যবহারের একক। বিভক্তি যুক্ত না হলে কোনো শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে স্থান পায় না।
a বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায়
b ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
c শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপের ভিন্নতায়
d ভাষার জটিলতা ও প্রাঞ্জলতায়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় কেন সঠিক: - সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত নির্দিষ্ট কিছু পদের রূপ পরিবর্তনে দেখা যায়। - বিশেষ করে ক্রিয়া পদ এবং সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতাই এই দুই রীতির প্রধান স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধু রীতিতে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ একরকম থাকে এবং চলিত রীতিতে তা পরিবর্তিত হয়ে সহজ রূপ ধারণ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ব্যাকরণগত দিক থেকে এই রূপান্তরই সাধু ও চলিত রীতির সীমানা নির্ধারণ করে। - উদাহরণের জন্য সাধু রীতির করিতেছ এবং চলিত রীতির করছ, কিংবা সাধু রীতির যাইবেন এবং চলিত রীতির যাবেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায় — সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই বাক্যের মূল গঠন বা পদক্রম সাধারণত একই থাকে। - B) ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। - C) শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপের ভিন্নতায় — সব কথ্য রূপ চলিত ভাষা নয় এবং সাধুও শুধু লেখ্য রূপের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। - D) ভাষার জটিলতা ও প্রাঞ্জলতায় — এটি একটি গৌণ বৈশিষ্ট্য মাত্র, প্রধান কাঠামোগত পার্থক্য নয়। মনে রাখার টিপস: - সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য খুঁজতে প্রথমে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের দিকে তাকাতে হবে।
a কমা
b কোলন
c হাইফেন
d ড্যাস
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমা ১. কেন সঠিক: বাক্যে কাউকে আহ্বান করা বা ডাকাকে সম্বোধন পদ বলে। সম্বোধন পদের ঠিক পরেই সামান্য বিরতির জন্য কমা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বিরামচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করার পর শ্রোতার মনোযোগ আকর্ষণ করতে সামান্য থামতে হয়, যার লিখিত রূপ হলো কমা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিমকে ডেকে কথা বলা হয়েছে, তাই রহিমের পর কমা বসেছে। উদাহরণ ২: ভাইসব, আমার কথা শুনুন। ব্যাখ্যা: এখানে শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে সম্বোধন করা হয়েছে, তাই ভাইসব শব্দের পর কমা বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — এটি সম্বোধন পদের পর ব্যবহৃত হয় এবং সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। B) কোলন — দুটি সম্পর্কিত বাক্যের সংযোগ বা উদাহরণের পূর্বে কোলন বসে, সম্বোধনের পর নয়। C) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদের সংযোগ রক্ষার্থে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, সম্বোধনের পর এটি বসে না। D) ড্যাস — একটু বেশি বিরতির জন্য ড্যাস ব্যবহৃত হয়, যা সম্বোধনের পরের সামান্য বিরতির জন্য উপযুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কাকে ডাকলে বা সম্বোধন করলে লেখার সময় ঠিক তার পরেই কমা বসবে। ডাক দেওয়ার পর সামান্য থামতে হয় বলে কমা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সম্বোধন পদের পর কমা বসার নিয়মটি বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a প্রথা অনুসারে
b যা প্রার্থনা
c বিখ্যাত
d যা পুঁতে রাখা হচ্ছে
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিখ্যাত কেন সঠিক: - প্রথিত শব্দের আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো খ্যাতিমান বা বিখ্যাত। - বাংলা সাহিত্যে এবং বিদগ্ধ সমাজে পরিচিত ও সম্মানিত বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রথিত শব্দটি মূলত একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলায় বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্র উপসর্গ পূর্বক ধাতু বা শব্দের সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই সিদ্ধ শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে। - যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রথা অনুসারে — এই অর্থের জন্য প্রথানুগত বা প্রথাসিদ্ধ শব্দ ব্যবহার করা হয়। - B) যা প্রার্থনা — এই অর্থের জন্য প্রার্থিত বা প্রার্থনীয় শব্দ উপযুক্ত। - C) বিখ্যাত — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অপশন নেই। - D) যা পুঁতে রাখা হচ্ছে — প্রথিত শব্দের আরেকটি অর্থ প্রোথিত বা পুতিয়া ফেলা হলেও প্রমিত অর্থে বিখ্যাতই প্রধান। মনে রাখার টিপস: - প্রথিত শব্দের সাথে খ্যাতি বা বিখ্যাত শব্দটির মিল মনে রাখা সহজ।
a গোপন চুক্তি
b বৃহৎ ব্যাপার
c অবিলম্ব
d দীর্ঘস্থায়ী
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবিলম্ব ১. কেন সঠিক: - পত্রপাঠ বাগধারাটির সাধারণ অর্থ হলো চিঠি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অর্থাৎ কোনো রকম বিলম্ব না করে তৎক্ষণাৎ কোনো কাজ করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে কারণ এর আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে প্রচলিত বিশেষ অর্থের একটি সুন্দর তাৎপর্য রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - পত্রপাঠ শব্দটির ব্যাসবাক্য বা গঠনগত দিক থেকেও এটি চিঠি পড়ার সময়কাল বা তাৎক্ষণিক নির্দেশ পালনের অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরটি পুলিশের নাম শুনেই পত্রপাঠ সেখান থেকে চম্পট দিল। ব্যাখ্যা: এখানে পত্রপাঠ বলতে কোনো প্রকার দেরি না করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রিন্সিপাল মহোদয় ছাত্রটিকে পত্রপাঠ কলেজ থেকে বহিষ্কার করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে চিঠি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বা কোনো সময় ক্ষেপণ না করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অর্থে পত্রপাঠ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোপন চুক্তি — গোপন চুক্তি বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন আঁওতা বা ঘরের শত্রু বিভীষণ ব্যবহৃত হয় কিন্তু পত্রপাঠ ব্যবহৃত হয় না। B) বৃহৎ ব্যাপার — বৃহৎ ব্যাপার বা বিশাল কোনো ঘটনা বোঝানোর জন্য পত্রপাঠ বাগধারাটির সঙ্গে কোনো মিল নেই। C) অবিলম্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ পত্রপাঠ মানেই দেরি না করে অবিলম্বে বা তৎক্ষণাৎ। D) দীর্ঘস্থায়ী — দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী কোনো বিষয় বোঝাতে পত্রপাঠ ব্যবহার করা হয় না কারণ এটি ক্ষণস্থায়ী বা দ্রুত সম্পন্ন কাজ বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চিঠি (পত্র) পড়ার (পাঠ) সঙ্গে সঙ্গেই কাজটি শেষ করা, অর্থাৎ এক মুহূর্তও দেরি না করে অবিলম্ব কাজ সম্পন্ন করা। - চিঠি পড়া শেষ হতে না হতেই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া—এই চিত্র মনে রাখলে অর্থ সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সময় বা গতি নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - অনুরূপ কিছু বাগধারা যেমন আদায় কাঁচকলায়, অমাবস্যার চাঁদ, অহিভুল ইত্যাদি ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
a শ্রবণ+অ
b √শ্রী + অন
c √শ্ৰু + অন
d √শ্রব + অন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √শ্ৰু + অন ১. কেন সঠিক: - শ্রবণ শব্দটি কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ, যেখানে √শ্ৰু ধাতু এবং অন প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - শ্ৰু ধাতুর অর্থ হলো শোনা বা শ্রবণ করা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে। - √শ্ৰু হলো সংস্কৃত ভাদিগণীয় তুদাদিগণীয় বা অন্য কোনো গণভুক্ত ধাতু যার অর্থ শোনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √দৃশ + অন = দর্শন ব্যাখ্যা: দৃশ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দর্শন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √গম + অন = গমন ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গমন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রবণ+অ — শ্রবণ কোনো ধাতু নয়, এটি একটি সাধিত শব্দ। B) √শ্রী + অন — শ্রী ধাতু থেকে এই শব্দ গঠিত হয় না, তাই এটি ভুল। C) √শ্ৰু + অন — এটি সঠিক কারণ শ্ৰু ধাতু থেকেই শ্রবণ শব্দ উৎপন্ন হয়। D) √শ্রব + অন — শ্রব কোনো মৌলিক ধাতু নয়, শ্ৰু হলো মূল ধাতু। ৫ মনে রাখার টিপস: - শোনা বোঝাতে শ্ৰু ধাতু ব্যবহার করতে হয়। - ধাতু চেনার জন্য তার আগে রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার সময় মূল ধাতু চেনা জরুরি।
a রজকা
b রজকী
c রজকিনী
d রজকানী
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রজকী ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দের শেষে দীর্ঘী-কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। রজক শব্দের অর্থ ধোপাকুল বা ধোপা, যার স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে দীর্ঘী-কার যুক্ত করে রজকী শব্দটি তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দের সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত করার মাধ্যমে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরির এটি একটি প্রচলিত ব্যাকরণগত নিয়ম। বিশেষত পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে অ বা আ থাকলে অনেক ক্ষেত্রে তা পরিবর্তন করে বা তার সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদ থেকে নদী ব্যাখ্যা: এখানে পুংলিঙ্গ শব্দ নদ এর সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়ে নদী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তরুণ থেকে তরুণী ব্যাখ্যা: এখানে পুংলিঙ্গ শব্দ তরুণ এর সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়ে তরুণী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রজকা — বাংলা ব্যাকরণে রজক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে রজকা শব্দটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। C) রজকিনী — ইন প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন কাঙাল থেকে কাঙালিনী, কিন্তু রজক শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয় না। D) রজকানী — আনি প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন ঠাকুর থেকে ঠাকুরানি, কিন্তু রজক শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধোপা বা রজক পেশাবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে দীর্ঘী-কার যুক্ত করার নিয়মটি মনে রাখতে পারো। নদ নদী বা তরুণ তরুণীর মতো রজক শব্দের সঙ্গে দীর্ঘী-কার যোগ করলেই সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক ও জাতিবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। নিয়মভিত্তিক প্রত্যয় ও কার বা ই-কার যুক্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
a জেঠী
b পাগলী
c বেঙ্গামী
d সৎমা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৎমা ১. কেন সঠিক: - যে সকল পদের কোনো পুরুষবাচক শব্দ বা রূপ থাকে না এবং যারা প্রাকৃতিকভাবেই সর্বদা স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। - সৎমা শব্দটির কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ বা রূপ বাংলা ভাষায় নেই, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ পুরুষবাচক রূপহীন হয়ে স্বাধীনভাবে স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম, অর্ধ-তৎসম এবং তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য, যেখানে কোনো রূপান্তর বা প্রত্যয় যোগ করার সুযোগ থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: বলাই ব্যাখ্যা: বলাই বা এ জাতীয় কিছু শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক পদের আওতাভুক্ত হিসেবে ব্যাকরণে আলোচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেঠী — এটি পুরুষবাচক শব্দ জেঠা এর স্ত্রীবাচক রূপ, তাই এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। B) পাগলী — এটি পাগলা শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা নিয়মমাফিক প্রত্যয় যোগ করে গঠিত হয়েছে। C) বেঙ্গামী — এটি ব্যাং শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা নিয়ম অনুসারে পরিবর্তিত হয়েছে। D) সৎমা — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে প্রমাণিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রধান শব্দ যেমন সৎমা, সতীন, এড়াড়ি এই শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা ভালো। - যে শব্দের পুরুষবাচক রূপ নেই, চোখ বন্ধ করে তাকে নিত্য স্ত্রীবাচক ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক ও নিত্য পুরুষবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপশনগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখতে হবে কোনটির পুরুষবাচক রূপ বিদ্যমান এবং কোনটি স্বাধীনভাবে বসেছে।
a উক্ত
b বাচ্য
c ভবিতব্য
d বক্তব্য
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বক্তব্য ১. কেন সঠিক: - ‘যা বলা হবে’ বাক্যটির সংকুচিত রূপ হলো ‘বক্তব্য’। - ভবিষ্যতের কোনো কথা বা যা বলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, তাকে এককথায় বক্তব্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় বাক্য বা ভাবকে একটি শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো উক্ত, যা অতীতে ঘটে যাওয়া কোনো কথাসূচক বাক্যকে বোঝায়। উদাহরণ ২: যা বলার বা বোঝার বাকি আছে ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো অবক্তব্য বা যা প্রকাশযোগ্য নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উক্ত — এর অর্থ যা বলা হয়েছে। এটি অতীতের কথা বোঝায়, তাই সঠিক নয়। B) বাচ্য — এর অর্থ বলার ভাব বা কথ্য বিষয়। এটি ব্যাকরণের একটি পরিভাষা, তাই সঠিক নয়। C) ভবিতব্য — এর অর্থ যা ভবিষ্যতে ঘটবে বা অবশ্যম্ভাবী। এটি ভাগ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই সঠিক নয়। D) বক্তব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ যা বলা হবে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘বলা’ শব্দ থেকে ‘বক্তব্য’ শব্দটি এসেছে। ভবিষ্যতে যা বলা হবে তা বক্তব্য হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘যা বলা হয়েছে’ (উক্ত) এবং ‘যা বলা হবে’ (বক্তব্য) এর মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
a ত্বরিৎকর্মা
b কর্মবীর
c কর্মপটু
d কর্মনিষ্ঠ
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ত্বরিৎকর্মা ১. কেন সঠিক: - 'ত্বরিৎকর্মা' শব্দের অর্থ যিনি খুব দ্রুত বা শীঘ্র কর্ম সম্পাদন করেন এবং যাঁর কাজে কোনো আলস্য নেই। - প্রশ্নে থাকা 'কর্মে অতিশয় তৎপর' বাক্যাংশটির ভাবার্থ এই এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষিপ্রগতিতে চলে যে ব্যাখ্যা: একে এককথায় তুঙ্গগামী বা ক্ষিপ্রগামী বলা হয়, যা গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্নিবার বলা হয়, যা সহজে আটকানো যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্বরিৎকর্মা - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কর্মে অতিশয় তৎপর ব্যক্তির সঠিক প্রকাশ। B) কর্মবীর - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যিনি কর্মের মাধ্যমে বীরত্ব প্রদর্শন করেন বা কাজের মাধ্যমে খ্যাতি লাভ করেন। C) কর্মপটু - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যিনি কাজে দক্ষ বা নিপুণ, কিন্তু অতিশয় তৎপরতা এর মূল ভাব নয়। D) কর্মনিষ্ঠ - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কর্মের প্রতি যার গভীর অনুরাগ বা নিষ্ঠা আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত্বরিৎ শব্দের অর্থ দ্রুত এবং কর্মা শব্দের অর্থ কাজ করা। - দ্রুত কাজ করে যিনি, তিনিই ত্বরিৎকর্মা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a সরুপথ
b চিলেকোঠা
c গুপ্তপথ
d সিংহদার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিংহদার ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো 'খিড়কি' শব্দের অর্থ পেছনের দরজা এবং 'সিংহদার' শব্দের অর্থ মূল বা প্রধান দরজা। - বিপরীতার্থক শব্দের নিয়ম অনুযায়ী একটি শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বলেই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং প্রচলিত ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি। - বাংলা ভাষায় ঘরবাড়ি বা ইমারতের প্রবেশপথ বোঝাতে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে খিড়কি ও সিংহদার পরস্পর বিপরীতার্থক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্দরমহল ও বহির্মহল ব্যাখ্যা: অন্দরমহল অর্থ ঘরের ভেতরের অংশ এবং বহির্মহল অর্থ ঘরের বাইরের অংশ, যা বিপরীতার্থক শব্দের চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রবেশ ও প্রস্থান ব্যাখ্যা: প্রবেশ অর্থ ভেতরে ঢোকা এবং প্রস্থান অর্থ বের হয়ে যাওয়া, যা কাজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরুপথ — সরুপথ অর্থ সংকীর্ণ রাস্তা বা গলি, যা খিড়কি শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) চিলেকোঠা — চিলেকোঠা অর্থ ঘরের ছাদের ওপরের ছোট ঘর, যা বিপরীতার্থক শব্দের আওতায় পড়ে না। C) গুপ্তপথ — গুপ্তপথ অর্থ গোপন রাস্তা, যা খিড়কি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) সিংহদার — সিংহদার অর্থ মূল দরজা, যা পেছনের দরজা বা খিড়কির সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাড়ির দুই পাশের দুটি দরজার কথা মনে রাখতে পারো। পেছনের ছোট দরজা হলো খিড়কি এবং সামনের বড় দরজা হলো সিংহদার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘরবাড়ি বা স্থাপত্যসংক্রান্ত বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a √মুচ্ + ক্তি
b √মুহ্ + ক্তি
c √মুক্ + ক্তি
d √মৃচ্ + ক্তি
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) √মুচ্ + ক্তি ১. কেন সঠিক: 'মুক্তি' শব্দটি গঠিত হয়েছে কৃৎ প্রত্যয় যোগে। এখানে প্রকৃতি বা ধাতু হলো √মুচ্ এবং প্রত্যয় হলো ক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী ধাতু বা প্রাকৃতের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ গঠন করে, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। √মুচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হলে চ স্থানে ক হয় এবং ক্তি এর তি থাকে, ফলে মুক্তি শব্দটি সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √ভুজ + ক্তি = ভুক্তি। ব্যাখ্যা: এখানে ভুজ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভুক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √യുধ + ক্তি = যুক্তি। ব্যাখ্যা: যুদ্ধ বা যুধ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যুক্তি শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √মুচ্ + ক্তি — এটি সঠিক কারণ মুক্ত ধাতু থেকে ক্তি প্রত্যয় যোগে এই পদটি গঠিত হয়। B) √মুহ্ + ক্তি — ভুল কারণ মহ্ বা মুহ্ ধাতু থেকে মুক্তি শব্দটি সাধিত হয় না। C) √মুক্ + ক্তি — ভুল কারণ মুক্ কোনো স্বীকৃত মূল ধাতু নয়, সঠিক ধাতু হলো মুচ্। D) √মৃচ্ + ক্তি — ভুল কারণ মৃচ্ ধাতু থেকে মুক্তি হয় না, এর রূপ ভিন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তি শব্দের শুরুতে চ বর্ণযুক্ত ধাতু √মুচ্ মনে রাখবে। পরীক্ষার হলে কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতুর রূপ খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ক্তি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সাধারণত পদাশেষে ক বা ত যুক্ত রূপ দেখা যায়।
a দ্বন্দ্ব সমাস
b দ্বিগু সমাস
c কর্ম ধারয় সমাস
d অব্যয়ীভাব সমাস
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - মুজিববর্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মুজিব যে বর্ষ, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। - এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাসে উপমান, উপমিত বা রূপক ভেদের পাশাপাশি সাধারণ কর্মধারয় সমাসও গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জজসাহেব ব্যাখ্যা: জজ যে সাহেব, এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্র্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে তা নেই। B) দ্বিগু সমাস — দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত এবং পরপদের অর্থ প্রধান। D) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থে সমাজ হয় এবং অব্যয় পদ পূর্বে থাকে, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের সঙ্গে বর্ষ বা উৎসব যুক্ত থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় যে বা রূপ শব্দটি ব্যবহার করে মিলিয়ে দেখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকলে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের ঐতিহাসিক বা বিশেষ বর্ষ সংক্রান্ত শব্দ প্রায়ই আসে।
a অন্যকাল
b ক্ষুদ্রকাল
c কালের অন্তর
d কাল ও অন্তর
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যকাল ১. কেন সঠিক: - 'কালান্তর' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো অন্যকাল এবং এটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। - এখানে অব্যয় পদের অর্থে পূর্বপদের অব্যয়যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে যেখানে অন্য অর্থে কাল ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত পূর্বপদে অব্যয় বসে নতুন পদ গঠন করে। - এখানে অন্য কাল বোঝাতে কালান্তর শব্দটির ব্যবহার করা হয়েছে যা নিত্য সমাস বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্মান্তর ব্যাখ্যা: অন্য জন্ম বোঝাতে জন্মান্তর শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: দেশান্তর ব্যাখ্যা: অন্য দেশ বোঝাতে দেশান্তর শব্দটি ঠিক একইভাবে কালান্তর শব্দের মতো গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যকাল — এটি সঠিক ব্যাসবাক্য কারণ কালান্তর শব্দের মূল অর্থ অন্য কাল বা পরিবর্তনশীল সময়কে বোঝায়। B) ক্ষুদ্রকাল — এটি ভুল কারণ ক্ষুদ্রকাল বলতে অল্প সময় বোঝায় যা কালান্তর শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) কালের অন্তর — এটি সাধারণ বিভক্তিযুক্ত শব্দ হলেও কালান্তর শব্দের প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যাসবাক্য এটি নয়। D) কাল ও অন্তর — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্যের মতো শোনালেও কালান্তর শব্দের প্রকৃত অর্থ এটি প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অন্ত যুক্ত শব্দ যেমন কালান্তর বা দেশান্তর দেখলে ব্যাসবাক্যে সর্বদা অন্য শব্দ ব্যবহার করবে। - অব্যয়ীভাব সমাসের ক্ষেত্রে অন্য অর্থে অন্তর শব্দের ব্যবহার মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অন্তর যুক্ত শব্দের ব্যাসবাক্য প্রায়ই আসে এবং সেগুলোতে সাধারণত অন্য শব্দটি ব্যবহার করতে হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ব্যাসবাক্য নির্বাচন করার সময় শব্দের অর্থের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a কর্মে ষষ্ঠী
b নিমিতার্থে ষষ্ঠী
c করণে ষষ্ঠী
d সম্প্রদানে ষষ্ঠী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: কারক ও বিভক্তি সঠিক উত্তর: B) নিমিতার্থে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যার জন্য কোনো কিছু করা বোঝায়, তাকে নিমিত্ত কারক বলে। - এখানে সংগ্রামটি করা হয়েছে স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে বা নিমিত্তে, তাই এটি নিমিত্ত কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিমিত্ত কারক হলো কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত বিশেষ পদ। - স্বাধীনতা শব্দের সাথে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে ষষ্ঠী বিভক্তি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশের জন্য মায়া। ব্যাখ্যা: এটিও নিমিত্ত কারকে ষষ্ঠী বিভক্তির উদাহরণ, কারণ এখানে উদ্দেশ্য প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: যাকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা হয়, তা সম্প্রদান কারক হলেও এটি নিমিত্তের অর্থেও ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ষষ্ঠী — কর্ম কারকে সাধারণত কি বা কাগকে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়, এখানে তা নেই। B) নিমিতার্থে ষষ্ঠী — এটি সঠিক উত্তর। C) করণে ষষ্ঠী — করণ কারকে দ্বারা, দিয়া বা কর্তক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী — সম্প্রদান কারকে সত্যত্যাগ করে দান বোঝায়, যা স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা নিমিত্ত বোঝাতে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হলে তা নিমিতার্থে ষষ্ঠী কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝালে কারক নির্ণয়ের সময় নিমিত্ত কারক বিবেচনা করতে হবে।
a কর্তায় ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং এখানে 'পড়াশোনায়' একটি বিষয় বোঝাচ্ছে। - শব্দটির সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়, স্থান বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। - শব্দ বা পদের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যকরণে আমার আগ্রহ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ব ব্যাকরণে' বিষয়টি বোঝাচ্ছে বলে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে' সময় নির্দেশ করায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় ৭মী — কর্তা নিজে কোনো কাজ করলে কর্তাকারক হয়, কিন্তু এখানে কোনো ব্যক্তি কাজ করা বোঝাচ্ছে না। B) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম বা লক্ষ্য নেই। C) অপাদানে ৭মী — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোথায়, কখন এবং কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক নির্দেশ করে। - এ, য়, তে বিভক্তি দেখলে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষয় বা ক্ষেত্রে আসক্তি বোঝালে তা সবসময় অধিকরণ কারক হয়। - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের সাথে থাকা বিভক্তি আলাদা করতে হবে।
a অনুস্বার
b দ্বিত্ব
c মহাপ্রাণ
d তালব্য
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তালব্য ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ সূত্রে বলা হয়েছে, ম-এর পরে চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, থ, দ, ধ থাকলে ম-এর স্থানে পরবর্তী বর্ণের বর্গের নাসিক্য ধ্বনি বা অনুস্বার হয়। এখানে চ ও জ বর্ণ দুটি তালু থেকে উচ্চারিত হয়, তাই এদের নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে তালব্য বর্ণ বা ঞ আসে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে পদের অন্তস্থিত ম-এর পর স্পর্শ ধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম-এর জায়গায় সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি বা ঙ, ঞ, ণ, ন, ম কিংবা অনুস্বার বসে। তালব্য বর্গীয় ধ্বনি চ, ছ, জ, ঝ-এর পূর্বে ম থাকলে ম-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে ঞ বা তালব্য নাসিক্য ধ্বনি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + চয় = সঞ্চয় ব্যাখ্যা: ম-এর পরে চ থাকার কারণে ম পরিবর্তিত হয়ে ঞ বা নাসিক্য ধ্বনিতে রূপ নেয়। উদাহরণ ২: সম + জীবন = জীবন ব্যাখ্যা: ম-এর পরে জ থাকার কারণে ম পরিবর্তিত হয়ে ঞ বা তালব্য নাসিক্য ধ্বনিতে রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুস্বার — অনুস্বার একটি আলাদা ধ্বনি হলেও চ ও জ বর্ণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে তালব্য নাসিক্য ধ্বনি প্রযোজ্য হয়। B) দ্বিত্ব — দ্বিত্ব বলতে একই ধ্বনির পুনরুক্তি বোঝায়, যা এই সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) মহাপ্রাণ — মহাপ্রাণ ধ্বনি হলো উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত বাতাস নির্গত হওয়ার প্রক্রিয়া, যা নাসিক্য পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) তালব্য — এটি সঠিক কারণ চ এবং জ বর্ণ দুটি তালু থেকে উচ্চারিত হয় এবং এদের নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হিসেবে গণ্য হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তালব্য বর্ণ চ ও জ এর ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব বর্গীয় নাসিক্য ধ্বনি ঞ বা তালব্য নাসিক্য ধ্বনি ব্যবহার করতে হয়। সন্ধির সময় পদের শেষের ম-এর পরিবর্তন খেয়াল রাখলেই এই নিয়ম সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। ম-এর পরের বর্ণ যে বর্গের হবে, ম-এর জায়গায় সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি বসবে এই মৌলিক নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
a প্রতি+বর্তন
b প্রতিঃ+বর্তন
c প্রতি+আবর্তন
d প্রতিঃ+আবর্তন
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতি+আবর্তন ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থানে য-ফলা হয়। এখানে প্রতি শব্দের শেষ ধ্বনি ই এবং আবর্তন শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে ই + আ যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং আকার অর্থাৎ ্যা গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির মিলিত নিয়মের একটি উদাহরণ যা মূলত বাংলা ব্যাকরণের ই-কারান্ত উপসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের ফল। প্রতি একটি তৎসম উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং আবর্তন শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রত্যাবর্তন শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি + এক = প্রত্যেক ব্যাখ্যা: ই-কারের পর এ-কার থাকায় ই-কার স্থানে য-ফলা এবং এক যুক্ত হয়ে প্রত্যেক হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর অ-কার থাকায় ই-কার স্থানে য-ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি+বর্তন — এই অপশনে আবর্তন শব্দের আ অংশটি বাদ পড়েছে ফলে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়নি। B) প্রতিঃ+বর্তন — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমূলক। C) প্রতি+আবর্তন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যাবতন শব্দটি গঠন করে। D) প্রতিঃ+আবর্তন — এখানেও অপ্রাসঙ্গিক বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: ই বা ঈ কারের পর ভিন্ন স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনি তার সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রত্যাবর্তন শব্দের ক্ষেত্রে প্রতি এর ই এবং আবর্তনের আ মিলে য্যা তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি উপসর্গযুক্ত সন্ধিগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই নিয়মে প্রতি যোগ এক সমান প্রত্যেক এবং প্রতি যোগ আশান সমান প্রত্যাশা শব্দগুলো চর্চা করা উচিত।
a চালান
b পণ্যাগার
c শুল্ক
d বিনিয়োগ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চালান কেন সঠিক: - Invoice শব্দের বাংলা পারিভাষিক অর্থ হলো চালান, যা ব্যবসা ও বাণিজ্যে পণ্য সরবরাহের সময় ব্যবহার করা হয়। - এটি মূলত বিক্রেতা কর্তৃক ক্রেতার কাছে পাঠানো পণ্যের বিবরণী ও মূল্যের তালিকা নির্দেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ইংরেজি প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক শব্দের সঠিক অনুবাদ বা পারিভাষিক রূপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - পারিভাষিক শব্দ সাধারণত নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের ভাবার্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। - যেমন: Office শব্দের অর্থ কার্যালয়, তেমনি Invoice শব্দের অর্থ চালান। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চালান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি Invoice শব্দের উপযুক্ত পারিভাষিক রূপ। - B) পণ্যাগার — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ গোডাউন বা ওয়্যারহাউস, তাই এটি ভুল। - C) শুল্ক — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ কাস্টমস বা ডিউটি, তাই এটি ভুল। - D) বিনিয়োগ — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ ইনভেস্টমেন্ট, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - ব্যবসা ও কেনাকাটায় মালের হিসাব বা বিল বোঝাতে সবসময় চালান শব্দটি মনে রাখবে।
a কাটা দিয়ে কাটা তোলা
b নিজের চরকায় তেল দাও
c দেখে পথ চলো, বুঝে কথা বলো
d নিজের কাজ নিজে করো
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেখে পথ চলো, বুঝে কথা বলো ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বাক্যটির ভাবার্থ ও ভাবানুবাদ অনুযায়ী কোনো কাজ করার আগে তার পরিণাম চিন্তা করাকে বোঝায়। - কথা বলার বা পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার শিক্ষা দিতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদের প্রমিত বাংলা অনুবাদ বা প্রপ্রবচন। - ইংরেজি ভাবানুবাদমূলক প্রবাদগুলো হুবহু শব্দে অনুবাদ না করে এর অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাব অনুযায়ী বাংলা প্রবাদ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপচয় না করলে অভাব হয় না ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবাদ যা দূরদর্শিতা ও সঞ্চয়ের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চরৈবেতি ব্যাখ্যা: এর অর্থ এগিয়ে চলো, যা জীবন দর্শনের একটি বিখ্যাত নীতিবাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাটা দিয়ে কাটা তোলা — এর ইংরেজি অনুবাদ হলো টিথ ফর ট্যাট বা টু ফাইট ফায়ার উইথ ফায়ার, যার অর্থ কৌশলে শত্রু দমন করা। B) নিজের চরকায় তেল দাও — এর ইংরেজি অনুবাদ হলো মাইন্ড ইউর ওন বিজনেস, যার অর্থ অন্যের বিষয়ে নাক না গলিয়ে নিজের কাজ দেখা। D) নিজের কাজ নিজে করো — এর ইংরেজি অনুবাদ হলো ডু ইউর ওন ওয়ার্ক, যার অর্থ অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজে স্বাবলম্বী হওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - লিপ শব্দের অর্থ লাফ দেওয়া বা দীর্ঘ পদক্ষেপ ফেলা, তাই লাফালাফি করার আগে দেখে চলার বিষয়টি মনে রাখলে সঠিক অনুবাদ চিহ্নিত করা সহজ হয়। - প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বেশি প্রাধান্য পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা রূপান্তর প্রায়ই আসে, তাই ভাবানুবাদ মুখস্থের পরিবর্তে অর্থ বুঝে পড়তে হবে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে কাছাকাছি অর্থের অন্য কোনো প্রবাদ বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, তাই সাবধানে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a পূর্বাহ্ণ
b মধ্যাহ্ণ
c অপরাহ্ন
d সায়াহ্ণ
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্বাহ্ণ কেন সঠিক: 1. পূর্বাহ্ণ বানানটিতে হ বর্ণটির নিচে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে যা ণ-ত্ব বিধির সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। 2. তৎসম শব্দে হ বর্ণের পূর্বে বা পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় এই নিয়মের কারণে বানানটি শুদ্ধ হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: 1. প্রাকৃত ও তৎসম শব্দে হ বর্ণের সাথে ন যুক্ত হলে তা সর্বদা মূর্ধন্য ণ এ পরিণত হয়। 2. বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী হ এর সাথে ন এর যুক্ত হওয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। 3. যেমন- পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ণ, অপরাহ্ন (এখানে অপবাদ থাকায় ভিন্ন নিয়ম), সায়াহ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্বাহ্ণ — এই অপশনটি আসলে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে তাই এটি ভুল নয় বরং শুদ্ধ বানান। B) মধ্যাহ্ণ — এই বানানটিতে ণ এর ব্যবহার ভুল কারণ হ বর্ণের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় মধ্যাহ্ন বানানটিতে ন হয়। C) অপরাহ্ন — এই বানানটিতে হ এর সাথে ন যুক্ত হয় যা অপ নিয়মের কারণে ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত। D) সায়াহ্ণ — এই বানানটি ভুল কারণ সায়াহ্ন বানানে হ এর নিচে ন যুক্ত হওয়ার কথা কিন্তু এখানে ণ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. হ এর সাথে সবসময় ন বা ণ যুক্ত হওয়ার সময় প্রহরবাচক শব্দে একটু খেয়াল রাখতে হয়। ২. পূর্বাহ্ণ ও মধ্যাহ্ণ বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হলেও অপরাহ্ন ও সায়াহ্ন বানানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়।
a দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়
b দীনতা প্রশংসনীয় নয়
c দৈন্যতা অপ্রসংসনীয়
d দৈন্যতা নিন্দনীয়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনতা প্রশংসনীয় নয় ১. কেন সঠিক: - 'দীনতা' শব্দটি শুদ্ধ কারণ এটি গুণবাচক বিশেষ্য বোঝাতে সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ। - ব্যাকরণগতভাবে এক সাথে একই অর্থে দুটি প্রত্যয় ব্যবহার করা ভুল, যা এখানে সঠিকভাবে পরিহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ গঠনে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ বা প্রমাদ ঘটে। - দীন শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে দীনতা বা দৈন্য শব্দ গঠিত হয়, কিন্তু দৈন্যতা বলা ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুহৃদর সঙ্গে সৌজন্যতা প্রকাশ করা উচিত নয়। ব্যাখ্যা: সৌজন্য এবং সৌজন্যতা একই অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় সৌজন্যতা একটি অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত ভুল শব্দ। উদাহরণ ২: তাহার ঔদার্য প্রশংসার যোগ্য। ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঔদার্য গঠিত হয়েছে, যা সঠিক প্রমিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয় — দৈন্য এবং তা প্রত্যয় একত্রে ব্যবহার করায় এটি একটি দ্বৈত প্রত্যয়জনিত ভুল শব্দ। B) দীনতা প্রশংসনীয় নয় — এটি সঠিক কারণ দীন শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ গুণবাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। C) দৈন্যতা অপ্রসংসনীয় — এখানে দৈন্যতা শব্দটি ভুল এবং অপ্রসংসনীয় বানানটিও প্রমিত নয়। D) দৈন্যতা নিন্দনীয় — এই বাক্যে দৈন্যতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ প্রয়োগ হিসেবে গণ্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দীন থেকে দীনতা শুদ্ধ, কিন্তু দৈন্য থেকে দৈন্যতা ভুল। - একই অর্থে একসঙ্গে দুটি প্রত্যয় ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ বা প্রত্যয়জনিত শুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য পদের সঠিক গঠন চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয়ের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a স্বায়ত্ত্বশাসন
b শ্রদ্ধাঞ্জলী
c দারিদ্রতা
d উপর্যুক্ত
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) উপর্যুক্ত কেন সঠিক: উপর + উপযুক্ত মিলে উপর্যুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম মেনে চলে। এটি বাংলা বানানরীতি ও প্রমিত বানান অনুসারে সম্পূর্ণ নির্ভুল একটি শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থানে য ফলা হয়। উপর শব্দের অ এবং উপযুক্ত শব্দের উ মিলে এখানে সঠিক সন্ধিজাত রূপ তৈরি করেছে। যেমন অতি + অন্ত = অত্যন্ত, ঠিক তেমনি উপরি + উক্ত = উপর্যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) স্বায়ত্ত্বশাসন — এই বানানটি ভুল কারণ স্বায়ত্তশাসন বানানে ত এর নিচে য ফলা হবে না, এটি হবে স্বায়ত্তশাসন। খ) শ্রদ্ধাঞ্জলী — শ্রদ্ধাঞ্জলি বানানে ল এর সঙ্গে ই-কার হবে, ঈ-কার ব্যবহার করা ভুল নিয়ম। গ) দারিদ্রতা — দরিদ্র শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে দারিদ্র হয়, তাই দারিদ্রতা শব্দটি অতিরিক্ত প্রত্যয় জনিত কারণে ভুল। মনে রাখার টিপস: অঞ্জলি ও নীতিবাচক শব্দের শেষে সাধারণত ই-কার বসে এবং সন্ধির ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে বানান করলে ভুল হয় না।
a I could solve the problem.
b I could have solved the problem.
c I could solved the problem.
d I could have solve the problem.
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I could have solved the problem. কেন সঠিক: এটি তৃতীয় Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করেছে যেখানে প্রথম অংশ Past Perfect Tense-এ (had + V3) থাকে। তাই বাক্যের পরের অংশে subject-এর পর could have বসে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I could solve the problem — প্রথম অংশ Past Perfect হওয়ায় এই অংশে could have এর পরিবর্তে শুধু could বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I could solved the problem — could have-এর বদলে শুধু could ব্যবহার করা হয়েছে এবং verb-এর সঠিক রূপ নেই। D) I could have solve the problem — could have-এর পরে verb-এর Past Participle রূপ না বসিয়ে present form ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে if দিয়ে had থাকলে পরের অংশে অবশ্যই could have, might have বা would have-এর সাথে verb-এর তিন নম্বর রূপ বসবে।
a turned
b turns
c am turning
d had turned
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) turned কেন সঠিক: বাক્યটিতে "fancy" শব্দটি অতীতকালের ধারণার প্রকাশ ঘটায়। তাই এর পরের অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে মূল verb হিসেবে turned সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) turned — এটি সঠিক উত্তর। B) turns — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় অতীতের ধারণার সাথে মেলে না। C) am turning — এটি কন্টিনিউয়াস টেন্স হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) had turned — এখানে অতীতের আগের অতীতের প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: Fancy বা কল্পনা জাতীয় শব্দের পরে সাবজেক্ট থাকলে সাধারণত পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
a blind to
b blind of
c blind in
d blind at
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) blind to কেন সঠিক: এখানে 'blind to' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে বসেছে যার অর্থ কোনো দোষ বা ত্রুটি ইচ্ছা করে না দেখা। বাবার তার ছেলের দোষের প্রতি অন্ধ থাকা বোঝাতে এই সঠিক প্রিপোজিশনটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) blind to — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) blind of — 'blind of' সাধারণত চোখের কোনো শারীরিক ত্রুটি যেমন এক চোখ অন্ধ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) blind in — 'blind in' প্রিপোজিশনটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট চোখে আঘাতজনিত অন্ধত্ব বোঝাতে বসে। D) blind at — ইংরেজি ব্যাকরণে 'blind at' বলে কোনো স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ ভার্ব বা প্রিপোজিশন ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: কারো কোনো দোষ বা ত্রুটির প্রতি অন্ধ বোঝাতে সবসময় 'blind to' প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a enters
b entered
c has entered
d is entering
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has entered কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ Present Perfect Tense এ থাকায় এবং বর্তমানের সাথে সংযোগ থাকায় পরের অংশেও Present Perfect Tense হবে। তাই he এর পর Auxiliary Verb হিসেবে has এবং মূল verb এর Past Participle রূপ enters এর পরিবর্তে has entered বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) enters — এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে যা বর্তমানের ধারাবাহিক বা চিরন্তন সত্য কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এখানে প্রথমাংশের সাথে Tense এর মিল নেই। B) entered — এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়। কিন্তু বর্তমানের ফল প্রকাশের জন্য এখানে Present Perfect Tense প্রয়োজন। C) has entered — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) is entering — এটি Present Continuous Tense নির্দেশ করে যা ঠিক এই মুহূর্তে চলমান কোনো কাজ বোঝায়। কিন্তু এখানে কাজের সমাপ্তি ও ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: প্রথমাংশ Present Tense হলে এবং দুটি কাজের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক থাকলে পরের অংশ সাধারণত Present Perfect Tense হয়।
a He can understand anything.
b He could understand anything.
c He can not understand anything.
d He could not understand anything.
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He can not understand anything. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে so এবং that এর নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ এতই যে। মূল clause টি present tense এ থাকায় পরবর্তী অংশে can not বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He can understand anything. — বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় সে এত বোকা যে সবকিছু বুঝতে পারে, যা অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। B) He could understand anything. — মূল অংশ present tense এ থাকায় পরের অংশে could বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থও সঠিক নয়। C) He can not understand anything. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) He could not understand anything. — মূল বাক্য present tense এ থাকার কারণে past tense এর could not ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম নয়। মনে রাখার টিপস: so...that এর নিয়মে প্রথম অংশ present হলে পরের অংশে can not এবং past হলে could not বসে।
a receiving
b receive
c received
d receives
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) receiving কেন সঠিক: বাক্যে 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। এই ফ্রেজের পরে আসা ভার্বের সাথে সব সময় ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) receiving — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজের নিয়মে এখানে ing যুক্ত হয়েছে। B) receive — এটি ভুল কারণ ফ্রেজের পরে শুধু বেস ভার্ব বসে না। C) received — এটি ভুল কারণ এখানে পাস্ট টেন্সের কোনো নিয়ম প্রযোজ্য নয়। D) receives — এটি ভুল কারণ সাবজেক্টের সাথে থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নিয়মে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' থাকলে এর পরের verb এর সাথে हमेशा ing যোগ করতে হয়।
a comfortably
b comfort
c comfortable
d none
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comfort কেন সঠিক: comfort শব্দটির মূল অর্থ স্বাচ্ছন্দ্য বা আরাম, যা বাক্যে সাধারণত বিশেষ্য বা noun হিসেবে কাজ করে। শব্দের শেষেable থাকলে তা সাধারণত adjective হয় এবং তার মূল রূপটি noun হয়। comfort শব্দটির noun রূপ নিজেই comfort। বাকি অপশন কেন ভুল: A) comfortably — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। B) comfort — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক noun রূপ। C) comfortable — এটি নিজেই একটি adjective বা বিশেষণ পদ। D) none — সঠিক উত্তর অপশন বি তে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে able দেখলে তা adjective এবং তার মূল অংশটি noun হিসেবে গণ্য হয়।
a We should not hate our country.
b We should love our country.
c We may not hate our country.
d Should love our country.
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) We should not hate our country. কেন সঠিক: Imperative sentence-এ Let us থাকলে affirmative করতে should ব্যবহার করতে হয় এবং অর্থ ঠিক রাখতে বিপরীত শব্দের সাথে not বসাতে হয়। love শব্দটির বিপরীত শব্দ hate ব্যবহার করে বাক্যটির অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে Simple বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে প্রশ্নটি প্রিন্ট করার সময় অপশন বিন্যাসে সামান্য ভুল ছিল, তবে এটিই সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি। B) We should love our country — এটি অর্থের দিক থেকে সঠিক হলেও এটি মূল বাক্যের Affirmative রূপ নয়, বরং সরাসরি রূপান্তর। C) We may not hate our country — এখানে should এর বদলে may ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মে সঠিক নয়। D) Should love our country — এই বাক্যে কোনো subject নেই যা Sentence-এর গঠন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: Let us থাকলে We should ব্যবহার করবে এবং মূল verb-এর বিপরীত শব্দ বসিয়ে not ব্যবহার করতে হবে।
a Must be endure we cure.
b We cannot cure what we must endure.
c We must endure what we cannot cure.
d We must be endured what we cannot cure.
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) We must endure what we cannot cure. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং এর একটি প্রবাদমূলক অর্থ রয়েছে। এর একটিভ ফর্ম করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে 'We' ব্যবহার করতে হয় এবং ভেতরের ক্লজটির অর্থ ঠিক রাখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Must be endure we cure — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে এবং এটি কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। B) We cannot cure what we must endure — এখানে কারণ ও ফলাফল উল্টো হয়ে গেছে, যা মূল প্রবাদের অর্থের সাথে মিলে না। C) We must endure what we cannot cure — এটি সঠিক কারণ এটি মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে সঠিক ব্যাকরণ অনুসরণ করেছে। D) We must be endured what we cannot cure — এখানে অতিরিক্ত 'be' ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্যের একটিভ ও প্যাসিভ রূপ পরিবর্তনের সময় অর্থের ধারাবাহিকতা এবং সঠিক সাবজেক্ট নির্বাচন করতে হয়।
a Over-flooding is worse than any other problem.
b No other problem in our country is as bad as over-flooding.
c Very few problems in our country are as bad as over-flooding.
d Over-flooding is a very worse problem in our country.
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Very few problems in our country are as bad as over-flooding. কেন সঠিক: মূল বাক্যে "one of the worst" থাকায় পজিটিভ করার সময় নিয়ম অনুযায়ী "Very few" দিয়ে শুরু করতে হয়। পাশাপাশি Positive Degree এর নিয়ম মেনে as bad as ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যটির অর্থও সঠিক আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Over-flooding is worse than any other problem. — এটি মূলত একটি Comparative Degree এর গঠন, তাই এটি Positive Degree এর সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) No other problem in our country is as bad as over-flooding. — মূল বাক্যে "one of the worst" থাকার কারণে No other ব্যবহার করা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) Very few problems in our country are as bad as over-flooding. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম মেনে গঠিত। D) Over-flooding is a very worse problem in our country. — এখানে worse এর আগে very ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ worse হলো Comparative রূপ। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের সময় one of the থাকলে Positive করার সময় Very few দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
a Work hard and you can not succeed.
b Work hard or you can not succeed.
c Work hard and you can succeed.
d You work hard and you can succeed.
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Work hard or you can not succeed. কেন সঠিক: মূল বাক্যে Without working hard থাকার কারণে শর্ত বোঝাচ্ছে যা Compound করার সময় or দিয়ে যুক্ত করতে হয়। এখানে and এর পরিবর্তে or বসালে প্রথম ক্লজের নেতিবাচক ফল প্রকাশ পায়। Compound sentence এ দুটি স্বাধীন ক্লজকে or দিয়ে যুক্ত করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Work hard and you can not succeed. — এখানে and বসালে বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও ভুল হয়ে যায়। B) Work hard or you can not succeed. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Work hard and you can succeed. — এখানে not না থাকায় মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল থাকে না। D) You work hard and you can succeed. — এটি Imperative sentence এর নিয়ম মানেনি এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: Without যুক্ত Negative Simple sentence কে Compound করার সময় and এর বদলে or ব্যবহার করতে হয়।
a unwise
b insightful
c injudicious
d impolite
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) insightful কেন সঠিক: - 'Prudent' শব্দটির অর্থ বিচক্ষণ, দূরদর্শী বা বুদ্ধিমান। - অন্যদিকে 'Insightful' শব্দের অর্থ অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন বা বিচক্ষণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unwise — এই শব্দের অর্থ নির্বোধ বা অপরিণামদর্শী, যা প্র prudent শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) insightful — সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী। C) injudicious — এই শব্দের অর্থ অবিবেচক বা অদূরদর্শী, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। D) impolite — এই শব্দের অর্থ অশিষ্ট বা অমায়িক, যা বুদ্ধিমত্তা বা বিচক্ষণতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Prudent এবং Insightful দুটি শব্দই বিচক্ষণতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
a Salam is not stronger than Kalam.
b Salam is stronger than Kalam.
c Kalam is not stronger than Salam.
d Kalam is stronger than Salam.
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Salam is not stronger than Kalam. কেন সঠিক: ইতিবাচক Positive Degree কে Comparative Degree-তে রূপান্তর করার সময় বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং পেছনের Subject সামনে আসে। এখানে Salam সামনে এসে Negative অর্থ প্রকাশ করেছে এবং Adjective এর Comparative রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Salam is not stronger than Kalam — এটি সঠিক উত্তর। B) Salam is stronger than Kalam — এটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। C) Kalam is not stronger than Salam — এটি মূল বাক্যের অর্থ ভুলভাবে উপস্থাপন করে এবং Subject পরিবর্তন করে না। D) Kalam is stronger than Salam — এটি Positive ডিগ্রির অর্থকে পুরোপুরি বদলে দেয় এবং ভুল তথ্য দেয়। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের সময় Positive বাক্যে as...as থাকলে Comparative করার সময় পেছনের Subject সামনে আসবে এবং not যুক্ত হবে।
a to create fire
b to go through suffering
c to come to nothing
d to see fire
0 439 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to come to nothing কেন সঠিক: ‘To end in smoke’ একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হয়ে যাওয়া। এর ভাবার্থ হলো কোনো কাজের চূড়ান্ত ফলাফল ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া বা ব্যর্থ হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to create fire — আগুন তৈরি করা বোঝায় যা এই ইডিওমের আসল অর্থের সাথে মেলে না। B) to go through suffering — কষ্টের মধ্য দিয়ে যাওয়া বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) to see fire — আগুন দেখা বোঝায় যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো আগুন জ্বালালে তা যদি শুধু ধোঁয়া হয়ে মিলিয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে কাজের কোনো ফল হয়নি বা সব শেষ হয়ে গেছে।
a official
b honorable
c salaried
d literary
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) salaried কেন সঠিক: Honorary শব্দটির অর্থ অবৈতনিক বা বিনা বেতনে কাজ করা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো salaried যার অর্থ বেতনভুক্ত বা বেতনের বিনিময়ে চাকরি করা। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) official — এই শব্দটির অর্থ আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক, যা honorary শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। বি) honorable — এই শব্দটির অর্থ সম্মাননীয়, যা honorary শব্দের প্রায় সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সি) salaried — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। ডি) literary — এই শব্দটির অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যার সাথে honorary বা বেতনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Honorary শব্দটিতে Honor বা সম্মান জড়িত থাকে, যেখানে কাজের জন্য টাকা দেওয়া হয় না এবং Salaried শব্দটিতে Salary বা বেতন জড়িত থাকে।
a unbelievable
b unthinkable
c unlikely
d un-thinking
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) unbelievable কেন সঠিক: - Incredible শব্দের অর্থ অবিশ্বাস্য, যা যার ওপর বিশ্বাস করা যায় না এমন কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - Unbelievable শব্দটি ঠিক একই অর্থ প্রকাশ করায় এটি এর সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unbelievable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অবিশ্বাস্য এবং এটি incredible শব্দের সরাসরি সমার্থক। B) unthinkable — এর অর্থ অকল্পনীয়, যা মনে করা যায় না এবং এটি বিশ্বাসের ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। C) unlikely — এর অর্থ অসম্ভাব্য বা ঘটার সম্ভাবনা কম, যা সরাসরি অবিশ্বাস্য বা incredible শব্দের সমার্থক নয়। D) un-thinking — এর অর্থ চিন্তাহীন বা অবিবেচক, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক আচরণের সাথে সম্পর্কিত এবং এর অর্থের সাথে কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Incredible শব্দের শুরুতে In এবং unbelievable শব্দের শুরুতে Un যুক্ত করে দুটি বিপরীতার্থক উপসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে, যার মূল শব্দ believe থেকে সমার্থক অর্থ তৈরি হয়েছে।
a He was truthful, was he?
b He was an honest man, did not he?
c He was really an honest man?
d He was an honest man, wasn’t he?
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He was an honest man, wasn’t he? কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট টেন্সে আছে এবং এটি এফারমেটিভ বা হ্যাঁ-সূচক বাক্য। তাই এর ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-সূচক হবে। এখানে সাবজেক্ট হলো হি এবং মূল ভার্ব হলো ওয়াজ, যা দিয়ে সঠিক ট্যাগ কোশ্চেন গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was truthful, was he? — মূল বাক্য এফারমেটিভ হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ হওয়ার কথা ছিল, যা এখানে হয়নি। B) He was an honest man, did not he? — বাক্যে ওয়াজ ভার্ব থাকার পরও অতিরিক্ত ডিড নট ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He was really an honest man? — এটি একটি সাধারণ প্রশ্নবোধক বাক্য, সঠিক নিয়ম অনুযায়ী কোনো ট্যাগ কোশ্চেন হয়নি। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্য হ্যাঁ-সূচক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-সূচক হয় এবং মূল বাক্য না-সূচক হলে ট্যাগ কোশ্চেন হ্যাঁ-সূচক হয়।
a Books are men’s
b Books are mens
c Book is mans
d A book is a man’s
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Books are men’s কেন সঠিক: বই মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু এবং এই বাক্যটিতে বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে। তাই subject হিসেবে Books এবং plural verb are বসেছে। এছাড়াও পুরো মানবজাতি বা পুরুষজাতি বোঝাতে man শব্দের possessive রূপ men’s ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে। B) mens — men শব্দের possessive রূপ লিখতে apostrophe এর পর s দিতে হয়, যা এখানে ভুলভাবে লেখা হয়েছে। C) Book is mans — Book একবচন হওয়ায় এবং mans বলে কোনো শব্দ ইংরেজিতে না থাকায় এটি ভুল। D) A book is a man’s — সাধারণ সত্য বা চিরন্তন সত্য বোঝাতে নির্দিষ্ট একটি বই না বুঝিয়ে সব বইকে বোঝানো হয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণত plural subject ব্যবহার করতে হয় এবং plural noun এর possessive করতে men's লিখতে হয়।
a strength
b strong
c strengthen
d stronger
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) strengthen কেন সঠিক: 'strengthen' শব্দটির শেষে en প্রত্যয় যুক্ত থাকায় এটি একটি কার্যকর ভার্ব বা ক্রিয়াপদ হিসেবে গঠিত হয়েছে। বাক্যে কোনো কিছুর শক্তি বৃদ্ধি করা বোঝাতে এই ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strength — এটি noun বা বিশেষ্য পদ, কারণ এর অর্থ শক্তি। B) strong — এটি adjective বা বিশেষণ পদ, কারণ এটি গুণ বোঝায়। C) strengthen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) stronger — এটি adjective এর comparative form বা তুলনামূলক রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে সাধারণত en যোগ করে adjective থেকে verb তৈরি করা হয়।
a throughly
b move upward and downward
c here and there
d rise and fall
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rise and fall কেন সঠিক: Ups and downs একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ উপরে ও নিচে ওঠা হলেও এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো জীবনের সুখ-দুঃখ বা উত্থান-পতন। rise and fall কথাটির অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ জীবনের সাফল্য ও ব্যর্থতার পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন। তাই এই বাগধারার সঠিক সমার্থক হিসেবে অপশন ডি পুরোপুরি উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) throughly — এই শব্দটির অর্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বা গভীরভাবে, যা প্রশ্নোক্ত ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না। B) move upward and downward — এটি ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এর প্রকৃত রূপক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) এখানে এবং সেখানে — এই কথাটি স্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা ভাগ্যের উত্থান-পতনের সাথে মেলে না। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: জীবনের ভালো সময় এবং খারাপ সময়কে একসাথে বোঝাতে সবসময় rise and fall বা উত্থান-পতন কথাটি ব্যবহার করা হয়।
a Wise
b Wisdom
c Wisely
d Wish
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wisdom কেন সঠিক: wise শব্দটির নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো wisdom যার অর্থ জ্ঞান। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দের শেষে dom যুক্ত করে সাধারণত নাউন গঠন করা হয়। এই কারণে wisdom সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wise — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ শব্দ যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ গুণ প্রকাশ করে। B) Wisdom — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Wisely — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ যা কাজের ধরন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Wish — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যার অর্থ ইচ্ছা বা কামনা করা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে dom, ness বা tion থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
a to
b with
c of
d for
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: ambition শব্দের পর সাধারণত for প্রিপজিশন বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা লোভ থাকা। এখানে সিংহাসনের প্রতি রাজকুমারের কোনো লোভ নেই বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর D হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — ambition শব্দের পর সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য to বসে না। B) with — এই বাক্যের ক্ষেত্রে with প্রিপজিশন ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। C) of — of প্রিপজিশন বসালে এই নির্দিষ্ট বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। D) for — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: ambition শব্দের সাথে সাধারণত for প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a then beg
b than beg
c but I would not beg
d to beg
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) than beg কেন সঠিক: বাক্যে 'would rather' থাকলে তার পরে তুলনা বোঝাতে 'than' ব্যবহৃত হয়। তাই 'would rather... than' একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রবাদতুল্য গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then beg — 'then' অর্থ তখন বা পরবর্তীতে, যা তুলনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। B) than beg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) but I would not beg — 'would rather' এর সাথে 'but' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়। D) to beg — 'would rather' এর পরে সরাসরি 'to' যুক্ত infinitive বসে না, বরং মূল verb বসে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'would rather' দেখলে চোখ বন্ধ করে 'than' খোঁজা উচিত।
a of
b off
c into
d out
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: ফাঁদে পড়ার মতো কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ করা বা পেছনের অবস্থা থেকে কোনো পরিবেষ্টিত অবস্থায় পড়ার ক্ষেত্রে into preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে ট্র্যাপ বা ফাঁদ একটি আবদ্ধ ক্ষেত্র বোঝায় যার ভেতর কেউ আটকা পড়ে যায়। তাই সঠিক উত্তর হবে fell into. বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) off — এটি কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা দূরে সরে যাওয়া বোঝায়, যা ফাঁদে পড়ার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) out — এটি ভেতর থেকে বাইরে বের হয়ে যাওয়া বোঝায়, যা ফাঁদে পড়ার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো আবদ্ধ জায়গায় বা ফাঁদে পড়ে যাওয়া বোঝালে সাধারণত fall এর পরে into বসে।
a Women are playing important role in all spheres of life.
b Nowadays women are playing important role everywhere.
c Women are playing most important roles in all sphere of life.
d Nowadays women are playing important role in all spheres of life.
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nowadays women are playing important role in all spheres of life. কেন সঠিক: বাক্যে আজকাল বোঝাতে শুরুতে Nowadays ব্যবহার করা হয়েছে এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে বোঝাতে in all spheres of life সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ হিসেবে বসেছে। এছাড়াও বর্তমানকালের চলমান কাজ বোঝাতে Present Continuous Tense অর্থাৎ are playing সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল — কারণ এতে 'আজকাল' শব্দের সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ Nowadays বাদ পড়েছে। B) ভুল — কারণ এতে 'সর্বক্ষেত্রে' বোঝাতে everywhere ব্যবহার করা হয়েছে, যা all spheres of life এর মতো সঠিক নয়। C) ভুল — কারণ এতে Nowadays শব্দটির ব্যবহার নেই এবং all sphere শব্দে plural form ব্যবহার করা হয়নি। D) সঠিক — কারণ এতে সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আজকাল বোঝাতে Nowadays এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে বোঝাতে in all spheres of life মুখস্ত রাখলে এমন অনুবাদ সহজে করা যায়।
a ৩০ সেকেন্ড
b ৯০ সেকেন্ড
c ৩ মিনিট
d ৫ মিনিট
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টাগুলো একত্রে বাজার পর পুনরায় বাজার সময় বের করতে হবে। ঘণ্টাগুলো ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫ সেকেন্ড অন্তর বাজে। ধরি, ঘণ্টাগুলোর পৃথক বাজার সময়ের间隔 ৩, ৬, ৯, ১২ এবং ১৫ সেকেন্ড। এগুলোর লসাগু বের করলেই নির্ণেয় সময় পাওয়া যাবে। অতএব, ৩, ৬, ৯, ১২ এবং ১৫ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে। ৩ = ৩ × ১ ৬ = ২ × ৩ ৯ = ৩ × ৩ ১২ = ২ × ২ × ৩ ১৫ = ৩ × ৫ সুতরাং, লসাগু = ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ = ১৮০ সেকেন্ড। উত্তর: ১৮০ সেকেন্ড বা ৩ মিনিট
a x^8 – 1
b x^7 – 1
c x^6 – 1
d x^5 – 1
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x^৬ − ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x^৩ − ১ দ্বিতীয় রাশি = x^৩ + ১ তৃতীয় রাশি = x^৪ + x^২ + ১ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x − ১)(x^২ + x + ১) দ্বিতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x + ১)(x^২ − x + ১) অতএব, তৃতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x^২ + x + ১)(x^২ − x + ১) এখন তিনটি রাশির কমন এবং আনকমন উৎপাদকগুলো পাশাপাশি গুণ করতে হবে সুতরাং, ল.সা.গু. হলো (x − ১)(x + ১)(x^২ + x + ১)(x^২ − x + ১) উত্তর: x^৬ − ১
a 2
b 2^(n+1)
c 2^n
d 2^(n-1)
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো দুই এর ঘাত এন ভাগ দুই এর ঘাত এন বিয়োগ এক ধরি, লব হলো দুই এর ঘাত এন হর হলো দুই এর ঘাত এন বিয়োগ এক অতএব, সূচকের নিয়মে ভাগের ক্ষেত্রে পাওয়ার বিয়োগ হয় তাই হরকে আলাদা করে লেখা যায় সুতরাং, দুই এর ঘাত এন ভাগ দুই এর ঘাত এন গুণ দুই এর ঘাত বিয়োগ এক উত্তর: ২
a 5
b 6
c 8
d 9
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩০ বছর ৬ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত ৫:১ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = খ বছর অতএব, বর্তমানে পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩০ × ২ = ৬০ বছর ৬ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ক + ৬ বছর সুতরাং, ৬ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = খ + ৬ বছর ৬ বছর পরে তাদের মোট বয়স হবে = ৬০ + ৬ + ৬ = ৭২ বছর উত্তর: ৬ বছর পরে অনুপাতের যোগফল = ৫ + ১ = ৬ এবং পুত্রের বয়স হবে ৭২ × (১ ÷ ১২) = ৬ বছর
a 10
b 9
c 8
d 6
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ৩ জন পুরুষ অথবা ৫ জন বালক একটি কাজ করে ২০ দিনে। ৪ জন পুরুষ এবং ১০ জন বালক ওই কাজটি করবে। ধরি, ৩ জন পুরুষ = ৫ জন বালক তাহলে ১ জন পুরুষ = ৫ ÷ ৩ জন বালক অতএব, ৪ জন পুরুষ = (৫ × ৪) ÷ ৩ জন বালক = ২০ ÷ ৩ জন বালক সুতরাং, ৪ জন পুরুষ এবং ১০ জন বালক = (২০ ÷ ৩) + ১০ জন বালক = ৫০ ÷ ৩ জন বালক উত্তর: (৫ × ২০) ÷ (৫০ ÷ ৩) = ৬ দিনে
a 25
b 50
c (১০০/৩)
d (২০০/৩)
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (১০০/৩) প্রদত্ত তথ্য: ৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে ধরি, প্রাথমিক লোকসংখ্যা = ৮ জন কাজের দিন = ১২ দিন নতুন লোকসংখ্যা = ৮ − ২ = ৬ জন অতএব, ৮ জন লোক কাজটি করে ১২ দিনে ১ জন লোক কাজটি করে ১২ × ৮ = ৯৬ দিনে ৬ জন লোক কাজটি করে ৯৬ ÷ ৬ = ১৬ দিনে সুতরাং, দিন বেশি লাগবে = ১৬ − ১২ = ৪ দিন উত্তর: (৪ × ১০০) ÷ ১২ = (১০০/৩)%
a 10
b 12.5
c 15
d 25
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২.৫ প্রদত্ত তথ্য: আসল = ৫০০০ টাকা সুদের হার = ৫% সময় = ২ বছর ধরি, সরল সুদ = I চক্রবৃদ্ধি সুদ = C অতএব, সরল সুদ I = (৫০০০ × ৫ × ২) ÷ ১০০ = ৫০০ টাকা চক্রবৃদ্ধি সুদ C = ৫০০০ × (১ + ৫ ÷ ১০০) এর উপর পাওয়ার ২ − ৫০০০ সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি সুদ C = ৫০০০ × (২১ ÷ ২০) × (২১ ÷ ২০) − ৫০০০ = ৫৫১২.৫ − ৫০০০ = ৫১২.৫ টাকা উত্তর: সুদের পার্থক্য = ৫১২.৫ − ৫০০ = ১২.৫ টাকা
a 420
b 450
c 460
d 480
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫০ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্য বিক্রি করে ১০% ক্ষতি হলো বিক্রয় মূল্য ১৩৫ টাকা বেশি হলে ২০% লাভ হতো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় মূল্য = ৯০ টাকা ২০% লাভে বিক্রয় মূল্য = ১২০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১২০ টাকা − ৯০ টাকা = ৩০ টাকা উত্তর: ৩০ টাকার পার্থক্য হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, আর ১৩৫ টাকার পার্থক্যের জন্য ক্রয়মূল্য হবে (১০০ × ১৩৫) ÷ ৩০ = ৪৫০ টাকা
a 0.085416666666667
b 0.12777777777778
c 0.17291666666667
d 0.37777777777778
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩ : ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক)বর্গ = ৯পাই × (ক)বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক)বর্গ = ৪পাই × (ক)বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯পাই × ক বর্গ) ÷ (৪পাই × ক বর্গ) = ৯ ÷ ২৪ = ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮ উত্তর: ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a 2100
b 2200
c 2500
d 3500
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১০০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ৯৮০০ টাকা অনুপাতগুলোর মান = ২, ৩, ৪ এবং ৫ ধরি, অনুপাতের আনুপাতিক রাশিগুলির যোগফল = ২ + ৩ + ৪ + ৫ = ১৪ অতএব, সবচেয়ে বড় অংশ = ৯৮০০ × (৫ ÷ ১৪) টাকা = ৩৫০০ টাকা সবচেয়ে ছোট অংশ = ৯৮০০ × (২ ÷ ১৪) টাকা = ১৪০০ টাকা সুতরাং, বৃহত্তর এবং ক্ষুদ্রতর অংশের পার্থক্য = ৩৫০০ − ১৪০০ টাকা = ২১০০ টাকা উত্তর: ২১০০ টাকা
a 2/5
b 5/2
c 7/4
d 11/2
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫/২ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদম এর রাশি দেওয়া আছে প্রথম অংশ লগ রুট ৩ বেস ৩ দ্বিতীয় অংশ লগ ৪ বেস ২ ধরি, প্রথম রাশি = লগ রুট ৩ বেস ৩ দ্বিতীয় রাশি = লগ ৪ বেস ২ অতএব, প্রথম রাশির মান = ২ দ্বিতীয় রাশির মান = ১/২ সুতরাং, মোট মান = ২ + (১/২) উত্তর: ৫/২
a 60°
b 70°
c 90°
d 120°
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতির উপপাদ্য অনুযায়ী বৃত্তের একটি নির্দিষ্ট ব্যাস বিবেচনা করা হলো বৃত্তের কেন্দ্র এবং পরিধির ওপর একটি অর্ধবৃত্ত আঁকা হলো ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র হলো ও বিন্দু এবং ব্যাস হলো এ বি পরিধির ওপর যেকোনো একটি বিন্দু হলো সি অতএব, সি বিন্দুটি এ বি ব্যাসের সাথে পরিধিতে যুক্ত আছে এ সি বি কোণটি হলো অর্ধবৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণটি বৃত্তের একটি সরল কোণ যার মান একশো আশি ডিগ্রি সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণটি কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক পরিমাপের সমান হবে উত্তর: ৯০°
a 30
b 60
c 225
d 150
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২৫ প্রদত্ত তথ্য: রাশির মান হলো (√৩ × √৫) এর ওপর ঘাত ৪ ধরি, ভেতরের অংশটি হলো (√৩ × √৫) অতএব, এটিকে বর্গ করলে পাই (√৩ × √৫) এর বর্গ = ৩ × ৫ = ১৫ সুতরাং, ১৫ এর ওপর বর্গ করলে পাই ১৫ × ১৫ = ২২৫ উত্তর: ২২৫
a ±9
b ±7
c ±5
d ±3
1 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ±৭ প্রদত্ত তথ্য: a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ = ৫১ আমরা জানি, বিয়োগের অনুসিদ্ধান্ত সূত্র অনুযায়ী (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = (a + ১ ভাগ a) এর বর্গ − ৪ অথবা সরাসরি মান নির্ণয়ের সূত্র থেকে পাই (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = (a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ) − ২ মান বসিয়ে পাই, (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = ৫১ − ২ (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = ৪৯ অতএব, উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই a − ১ ভাগ a = ± √৪৯ সুতরাং, a − ১ ভাগ a = ± ৭ উত্তর: ± ৭
a 4
b 3
c 2
d 1
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: x = y এর পাওয়ার a y = z এর পাওয়ার b z = x এর পাওয়ার c ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = y এর পাওয়ার a এখানে y এর মান বসিয়ে পাই x = (z এর পাওয়ার b) এর পাওয়ার a অর্থাৎ x = z এর পাওয়ার (abc) অতএব, আমরা জানি z = x এর পাওয়ার c এখন z এর মান প্রথম সমীকরণে বসিয়ে পাই x = (x এর পাওয়ার c) এর পাওয়ার (abc) সুতরাং x এর পাওয়ার ১ = x এর পাওয়ার (abc সম্বলিত ঘাত) সুতরাং, ভিত্তিমূল্য সমান হওয়ায় ঘাতগুলো তুলনা করে পাই abc = ১ উত্তর: ১
a 8
b 5
c 4
d 3
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) = (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) ধরি, সমীকরণের বামপক্ষ ঠিক রেখে ডানপক্ষের ভিত্তি পরিবর্তন করতে হবে (b ÷ a) কে (a ÷ b) লিখলে পাওয়ারের চিহ্ন পরিবর্তন হয় অতএব, (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) = (a ÷ b) এর পাওয়ার মাইনাস (x − ৫) বামপক্ষ ও ডানপক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান হবে সুতরাং, (x − ৩) = মাইনাস (x − ৫) (x − ৩) = মাইনাস x + ৫ উত্তর: ৪
a সামান্তরিক
b রম্বস
c আয়তক্ষেত্র
d ট্রাপিজিয়াম
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: ABCD চতুর্ভুজে AB সমান্তরাল CD এবং কর্ণ দুটি সমান অর্থাৎ AC সমান BD কোণ A এর মান নব্বই ডিগ্রি দেওয়া আছে ধরি, বিপরীত বাহুদ্বয় সমান এবং সমান্তরাল কোণ A এর মান নব্বই ডিগ্রি অতএব, প্রতিটি কোণের মান নব্বই ডিগ্রি হয় কর্ণ দুটি পরস্পর সমান দৈর্ঘ্যের হয় সুতরাং, এটি একটি আয়তক্ষেত্র হবে উত্তর: C) আয়তক্ষেত্র
a ২০°
b ১১০°
c ২২০°
d ২৯০°
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ৭০° ধরি, নির্ধেয় সম্পূরক কোণটি = ক অতএব, আমরা জানি, দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে কোণ দুটিকে পরস্পরের সম্পূরক কোণ বলে। সুতরাং, ৭০° + ক = ১৮০° ক = ১৮০° − ৭০° উত্তর: ১১০°
a 4
b 9
c 16
d 25
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৪x^২ − ২০x ধরি, রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হবে (a − b)^২ সূত্রের সাহায্যে অতএব, প্রথম পদ হবে (২x)^২ এবং মাঝের পদ হবে ২ × (২x) × ৫ সুতরাং, শেষ পদ বা যোগ করতে হবে ৫ এর বর্গ উত্তর: ২৫
a (1 + a – b) (1 – a + b)
b (1 + a + b) (1 – a + b)
c (1 + a + b) (1 – a – b)
d (1 – a + b) (1 – a – b)
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১ + a − b) (১ − a + b) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ১ − a^২ + ২ab − b^২ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় ১ − (a^২ − ২ab + b^২) অতএব, বন্ধনীটির ভে িভতর সূত্র প্রয়োগ করে পাই (a − b)^২ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় ১^২ − (a − b)^২ উত্তর: (১ + a − b) (১ − a + b)
a 6
b 8
c 12
d 24
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ সে.মি. ধরি, প্রথম কর্ণটি = d১ দ্বিতীয় কর্ণটি = d২ অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (d১ × d২) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৪ × ৬) ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ২৪ উত্তর: ১২ বর্গ সে.মি.
a 80°, 120°, 160°
b 40°, 60°, 80°
c 30°, 45°, 15°
d 30°, 50°, 90°
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০°, ৬০°, ৮০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের কোণগুলোর অনুপাত = ২ : ৩ : ৪ ধরি, প্রথম কোণ = ২x দ্বিতীয় কোণ = ৩x তৃতীয় কোণ = ৪x অতএব, আমরা জানি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° তাই লেখা যায়, ২x + ৩x + ৪x = ১৮০° সুতরাং, ৯x = ১৮০° বা x = ২০° উত্তর: কোণগুলো হলো যথাক্রমে (২ × ২০°) = ৪০°, (৩ × ২০°) = ৬০° এবং (৪ × ২০°) = ৮০°
a 9
b 16
c 27
d 64
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ৩ এর পাওয়ার m সমান ৮১ ধরি, ৮১ সংখ্যাটিকে ৩ এর সূচকের আকারে প্রকাশ করা যায় অতএব, ৩ এর ওপর পাওয়ার m সমান ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ সুতরাং, সূচক তুলনা করে পাই m সমান ৪ উত্তর: m এর কিউব অর্থাৎ ৪ এর কিউব সমান ৬৪
a 96
b 72
c 64
d 60
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘরের প্রস্থ দৈর্ঘ্যের দুই তৃতীয়াংশ ঘরটির পরিসীমা চল্লিশ মিটার ধরি, ঘরের দৈর্ঘ্য = ক মিটার ঘরের প্রস্থ = (২ × ক) ÷ ৩ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ৪০ মিটার দৈর্ঘ্য + প্রস্থ = ২০ মিটার ক + (২ × ক) ÷ ৩ = ২০ সুতরাং, (৫ × ক) ÷ ৩ = ২০ ক = ১২ মিটার (দৈর্ঘ্য) প্রস্থ = (২ × ১২) ÷ ৩ = ৮ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = ১২ × ৮ = ৯৬ বর্গমিটার
a ২, ৫ এবং ৮
b ৫, ৪ এবং ৯
c ৩, ৪ এবং ৫
d সকল ক্ষেত্রে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩, ৪ এবং ৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে ৩, ৪ এবং ৫ সেন্টিমিটার ধরি, প্রথম বাহু = ৩ সেন্টিমিটার দ্বিতীয় বাহু = ৪ সেন্টিমিটার তৃতীয় বাহু = ৫ সেন্টিমিটার অতএব, ছোট বাহু দুটির যোগফল = ৩ + ৪ = ৭ সেন্টিমিটার অন্য বাহুটি = ৫ সেন্টিমিটার সুতরাং, ৭ সেন্টিমিটার ৫ সেন্টিমিটার অপেক্ষা বড় হয় উত্তর: ত্রিভুজ অঙ্কন করা সম্ভব
a বরিস জনসন
b লিজ ট্রাস
c ঋষি সুনাক
d টনি ব্লেয়ার
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঋষি সুনাক কেন সঠিক: - ঋষি সুনাক ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং প্রথম অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি যিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিস জনসন — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০২২ সালের জুলাই মাসে পদত্যাগ করেন। B) লিজ ট্রাস — তিনি বরিস জনসনের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হন এবং মাত্র ৪৫ দিন দায়িত্ব পালন করে পদত্যাগ করেন। C) ঋষি সুনাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) টনি ব্লেয়ার — তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী হলেন ঋষি সুনাক।
a আফ্রিকা
b দক্ষিণ আমেরিকা
c এশিয়া
d ইউরোপ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল, যা চীন ও মঙ্গোলিয়ার অংশজুড়ে বিস্তৃত। - এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম মরুভূমিগুলোর একটি এবং হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বৃষ্টির ছায়া অঞ্চলে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এই মহাদেশে সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি নয়। B) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে নেই। C) এশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই মহাদেশেই গোবি মরুভূমি অবস্থিত। D) ইউরোপ — এই মহাদেশে কোনো উল্লেখযোগ্য বৃহৎ মরুভূমি নেই, গোবি মরুভূমি এশিয়ায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার বিশাল দেশ চীন ও মঙ্গোলিয়া জুড়েই বিখ্যাত গোবি মরুভূমি বিস্তৃত আছে।
a 1995
b 1996
c 1997
d 1998
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি বা সিস্টেম চালু হয় ১৯৯৫ সালের জুন মাসে। - বেক্সিমকো গ্রুপের সহায়তায় এবং সালমোটেক নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1995 — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট সিস্টেম চালু হয়েছিল, যা সঠিক। B) 1996 — এই সালে ইন্টারনেট সেবার পরিধি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও চালুর সাল এটি নয়। C) 1997 — এই সালে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন সেবা বিস্তার লাভ করে, ইন্টারনেট চালুর সাল এটি নয়। D) 1998 — এই সালটি বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ প্রথম ইন্টারনেট পায় ১৯৯৫ সালে, মনে রাখতে নব্বইয়ের দশকের মাঝামঝি সময়টিকে স্মরণ করুন।
a লৌহ
b ভিটামিন-সি
c ক্যালসিয়াম
d ভিটামিন-এ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যালসিয়াম কেন সঠিক: - কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম oxalate থাকে, যা মানবদেহের হাড় ও দাঁত গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - অন্যান্য শাকসবজির তুলনায় কচুশাকে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অনেক বেশি থাকায় এটি ক্যালসিয়ামের একটি অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ — কচুশাকে লৌহ বা আয়রন থাকলেও এটি এই শাকের সবচেয়ে প্রধান ও বিশেষভাবে মূল্যবান উপাদান হিসেবে চিহ্নিত নয়। B) ভিটামিন-সি — কচুশাকে ভিটামিন-সি রয়েছে, তবে এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট ও প্রধান মূল্যবান উপাদান নয়। D) ভিটামিন-এ — কচুশাকে ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা মূলত দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় কাজ করে। মনে রাখার টিপস: কচুশাক মুখে চুলকানোর কারণ ক্যালসিয়াম অক্সালেট, তাই মনে রাখবেন কচুশাক মানেই ক্যালসিয়ামের প্রাচুর্য।
a টিউমারোলজি
b অকোলজি
c অঙ্কোলজি
d সাইটোলজি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অঙ্কোলজি কেন সঠিক: - চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে শাখায় ক্যান্সার ও টিউমারের বিস্তার এবং চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা ও আলোচনা করা হয়, তাকে অঙ্কোলজি বলে। - গ্রিক শব্দ অনকোস যার অর্থ টিউমার এবং লোগিয়া যার অর্থ অধ্যয়ন, এই দুটি শব্দ মিলে অঙ্কোলজি শব্দটি এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিউমারোলজি — এটি কোনো প্রচলিত বা শুদ্ধ চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক পরিভাষা নয়। B) অকোলজি — এটি বানানগত ত্রুটিপূর্ণ একটি শব্দ এবং সঠিক চিকিৎসা পরিভাষার অংশ নয়। C) অঙ্কোলজি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) সাইটোলজি — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে কোষ বা সেল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: অঙ্কের মতো ক্যান্সার রোগটিও শরীরের জন্য একটি জটিল হিসাব, তাই ক্যান্সার সংক্রান্ত বিদ্যা হলো অঙ্কোলজি।
a স্টকহোম
b নাইরোবি
c হেগ
d বৈরুত
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল এবং পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) নাইরোবি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি বা ইউএনইপি এর সদর দপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত। - ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের পর এই সংস্থাটি গঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় উন্নয়নশীল বিশ্বে স্থাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টকহোম — এটি সুইডেনের রাজধানী এবং ১৯৭২ সালের পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) নাইরোবি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। C) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কেন্দ্র। D) বৈরুত — এটি লেবাননের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পশ্চিম এশিয়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় প্রকৃতিপ্রেমী নাইরোবি পরিবেশের রাজধানী হিসেবে পরিচিত, যেখানে ইউএনইপির সদর দপ্তর অবস্থিত।
a দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা
b ক্ষয়রোধের জন্য
c পুষ্টির অভাব পূরণে
d হাড় গঠনে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা কেন সঠিক: - শর্করা বা কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য পরিপাকের পর গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং জারিত হয়ে শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করে। - এই উৎপাদিত তাপ শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে এবং দৈনন্দিন কাজের শক্তি জোগাতে প্রধান ভূমিকা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শর্করার প্রধান কাজ হলো শক্তি ও তাপ উৎপাদন করা। B) ক্ষয়রোধের জন্য — এটি সঠিক নয়, কারণ দেহের ক্ষয়পূরণ ও কোষ গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য। C) পুষ্টির অভাব পূরণে — এটি সঠিক নয়, কারণ পুষ্টির সামগ্রিক চাহিদা বিভিন্ন উপাদানের ওপর নির্ভর করে এবং এটি শর্করার নির্দিষ্ট কাজ নয়। D) হাড় গঠনে — এটি সঠিক নয়, কারণ হাড় ও দাঁত গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মতো খনিজ লবণ। মনে রাখার টিপস: শর্করা মানেই শক্তি বা তাপ, আর আমিষ মানেই দেহের ক্ষয়পূরণ ও গঠন।
a আইলিপ
b আইসাইট
c আইডট
d আইলাইট
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসাইট কেন সঠিক: - এটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও দৃষ্টিহীন ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার। - এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে দৃষ্টিহীনরা কম্পিউটারের পর্দা বা স্ক্রিনের লেখা বাংলায় শুনতে ও পড়তে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইলিপ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি দৃষ্টিহীনদের জন্য তৈরি কোনো সুপরিচিত বাংলা সফটওয়্যার নয়। B) আইসাইট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) আইডট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, এটি অন্য কোনো প্রযুক্তিগত বা কাল্পনিক নাম হতে পারে। D) আইলাইট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি দৃষ্টিহীনদের জন্য উদ্ভাবিত বাংলার প্রথম সফটওয়্যার নয়। মনে রাখার টিপস: চোখ দিয়ে আমরা 'সাইট' বা দৃষ্টি রাখি, তাই দৃষ্টিহীনদের জন্য প্রথম বাংলা সফটওয়্যারের নাম 'আইসাইট'।
a ROM
b Secondary storage
c RAM
d কোনটি নয়
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RAM কেন সঠিক: - RAM বা রেন্ডম এক্সেস মেমরি হলো একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি যা বৈদ্যুতিক সংযোগ চালু থাকা পর্যন্ত তথ্য ধরে রাখে। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে এই মেমরিতে থাকা সমস্ত সাময়িক তথ্য বা ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ROM — এটি রিড অনলি মেমরি, যা স্থায়ী মেমরি এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর তথ্য মুছে যায় না। B) Secondary storage — এটি হার্ড ডিস্ক বা পেনড্রাইভের মতো স্থায়ী সংরক্ষক মাধ্যম, যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও ডেটা সুরক্ষিত থাকে। C) RAM — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: RAM হলো কাঁচা হাতের লেখা, বিদ্যুৎ গেলে মুছে যায়; আর ROM হলো পাকা কালির লেখা, বিদ্যুৎ গেলেও থেকে যায়।
a করোনা-১
b কোভিড-১৯
c করোনা ভাইরাস
d SARS-COV-1
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোভিড-১৯ কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি করোনা ভাইরাসের দাপ্তরিক নাম দেয় কোভিড-১৯। - এই নামের পূর্ণরূপ হলো করোনোভাইরাস ডিজিজ ২০১৯। বাকি অপশন কেন ভুল: A) করোনা-১ — এটি করোনা ভাইরাসের দাপ্তরিক বা বৈজ্ঞানিক নাম নয়। B) কোভিড-১৯ — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত করোনা ভাইরাসের সঠিক দাপ্তরিক নাম। C) করোনা ভাইরাস — এটি ভাইরাসের সাধারণ বা প্রচলিত নাম, কোনো দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। D) SARS-COV-1 — এটি ২০০২ সালের সার্স ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নাম, বর্তমান কোভিডের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: কোভিড-১৯ নামের সিও অর্থ করোনা, ভিআই অর্থ ভাইরাস এবং ডি অর্থ ডিজিজ আর ১৯ এসেছে ২০২০ সালের আগের ২০১৯ সাল থেকে।
a থাইরক্সিন
b ইনিসুলিন
c গ্লুকাগন
d করটিসোল
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইরক্সিন কেন সঠিক: - থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসারিত থাইরক্সিন হরমোনের প্রধান উপাদান হলো আয়োডিন। - শরীরে আয়োডিনের অভাব হলে থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে এবং থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে গিয়ে গলগন্ড বা ঘ্যাগ রোগের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরক্সিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবেই মূলত গলগন্ড রোগ দেখা দেয়। B) ইনিসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে উৎপাদিত হরমোন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, এর অভাবে ডায়াবেটিস হয়। C) গ্লুকাগন — এটিও অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসারিত হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। D) করটিসোল — এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিসৃত হয় এবং বিপাক্রিয়া ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: আয়োডিনের অভাবে থাইরক্সিন কমে, থাইরক্সিন কমলে গলা ফুলে হয় গলগন্ড।
a Geographic Information System
b Geographical Information System
c Geographic Integrated System
d Geological Integrated System
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Geographic Information System কেন সঠিক: - GIS হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা পৃথিবীর উপরিভাগের ভৌগোলিক উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করে। - প্রযুক্তিগত পরিভাষায় এই সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সর্বজনীন ও প্রাতিষ্ঠানিক নাম Geographic Information System। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Geographic Information System — এটি বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত এবং পরীক্ষিত সঠিক রূপ। B) Geographical Information System — শুনতে কাছাকাছি মনে হলেও এটি এই প্রযুক্তির আন্তর্জাতিকভাবে প্রমিত বা দাপ্তরিক রূপ নয়। C) Geographic Integrated System — এটি কোনো প্রচলিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা জিআইএসের পূর্ণরূপ নয়। D) Geological Integrated System — এটি ভূতত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত হলেও জিআইএসের সঠিক পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে মাথায় রাখবে জিআইএস মানে ভূগোলের তথ্য সংক্রান্ত সিস্টেম, তাই Geographical না হয়ে Geographic হবে।
a অষ্টম
b নবম
c দশম
d একাদশ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) নবম কেন সঠিক: - অ্যান্তোনিও গুতেরেস ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি পূর্বে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টম — বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন যিনি গুতেরেসের পূর্বে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) নবম — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। C) দশম — জাতিসংঘের দশম কোনো মহাসচিব এখনো নির্বাচিত হননি, বর্তমানে নবম মহাসচিবই দায়িত্বে আছেন। D) একাদশ — জাতিসংঘের একাদশ মহাসচিব পদের জন্য এখনো কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: গুতেরেস হলেন পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের নবম মহাসচিব।
a রুমানিয়া
b পোল্যান্ড
c ইউক্রেন
d স্পেন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউক্রেন কেন সঠিক: - কিয়েভ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র ইউক্রেনের রাজধানী এবং সবচেয়ে বড় শহর। - এটি দিনিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুমানিয়া — রুমানিয়ার রাজধানী কিয়েভ নয়, এর রাজধানী বুখারেস্ট। B) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডের রাজধানী কিয়েভ নয়, এর রাজধানী ওয়ারশ। C) ইউক্রেন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) স্পেন — স্পেনের রাজধানী কিয়েভ নয়, এর রাজধানী মাদ্রিদ। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেনের সাথে কিয়েভ নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ইউক্রেনের সংকটময় সময়ে কিয়েভ শহরটি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় ছিল।
a ১৫৪টি
b ১৭৪টি
c ১৬৪টি
d ১৮৪টি
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬৪টি কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর ১৬৪তম সদস্য দেশ হিসেবে আফগানিস্তান ২০১৬ সালে যোগদান করে। - এই সদস্য সংখ্যা দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত ছিল, যদিও পরবর্তীতে আরও কিছু দেশ এতে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৪টি — এই সংখ্যাটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৭৪টি — বর্তমান সদস্য সংখ্যা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এটি সঠিক সংখ্যা নয়। D) ১৮৪টি — এই সংখ্যাটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৬৪তম সদস্য দেশ আফগানিস্তানের নাম মনে রাখলে সংখ্যাটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
a ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
b ২৪ মার্চ ২০২২
c ২৪ জানুয়ারি ২০২২
d ২৪ এপ্রিল ২০২২
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ কেন সঠিক: - রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ২০২২ সালের এই দিনে ইউক্রেনে সর্বাত্মক সামরিক আক্রমণ শুরু হয়। - এই সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈশ্বিক সংকটের সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ — এই দিনটিতেই রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। B) ২৪ মার্চ ২০২২ — এই তারিখটি সামরিক অভিযান শুরুর তারিখ নয়, এটি যুদ্ধের পরের একটি সময়কাল। C) ২৪ জানুয়ারি ২০২২ — এই সময়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চরম উত্তেজনা থাকলেও সামরিক অভিযান শুরু হয়নি। D) ২৪ এপ্রিল ২০২২ — এই তারিখটি সামরিক অভিযান শুরুর প্রায় দুই মাস পরের সময়। মনে রাখার টিপস: ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহের শুরুতে অর্থাৎ ২৪ তারিখে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালায়।
a গাম্বিয়া
b সেনেগাল
c সৌদি আরব
d কুয়েত
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গাম্বিয়া কেন সঠিক: - ওআইসি এর পক্ষে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে। - রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর চালানো নৃশংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনকে ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনের লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাম্বিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গরিব আফ্রিকান দেশটি মুসলিম বিশ্বের পক্ষে আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়। B) সেনেগাল — এটি ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র হলেও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা পরিচালনার মূল উদ্যোগ বা নেতৃত্ব নেয়নি। C) সৌদি আরব — ওআইসির প্রভাবশালী সদস্য এবং শীর্ষ অর্থায়নকারী দেশ হলেও গাম্বিয়া আইসিজেতে মামলার আনুষ্ঠানিক বাদী হিসেবে ভূমিকা পালন করে। D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মুসলিম দেশ হলেও রোহিঙ্গাদের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা দায়েরের মূল কাজটি গাম্বিয়া সম্পন্ন করে। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চেয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল আফ্রিকার ছোট দেশ গাম্বিয়া।
a রাঙ্গামাটি জেলায়
b খাগড়াছড়ি জেলায়
c বান্দরবান জেলায়
d সিলেট জেলায়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি জেলায় কেন সঠিক: - বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোর মধ্যে রাঙ্গামাটিতে চাকমা জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা সর্বাধিক বসবাস করে। - চাকমা জনগোষ্ঠী প্রধানত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করলেও রাঙ্গামাটিতে এদের ঘনত্ব ও সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলায় চাকমা জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। B) খাগড়াছড়ি জেলায় — এই জেলায় চাকমা জনগোষ্ঠীর বসবাস থাকলেও সংখ্যা রাঙ্গামাটির তুলনায় কম। C) বান্দরবান জেলায় — এই জেলায় প্রধানত মারমা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর আধিক্য বেশি, চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কম। D) সিলেট জেলায় — এই অঞ্চলে চাকমা জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই, এখানে প্রধানত মনিপুরী ও খাসিয়া উপজাতি বসবাস করে। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে রাঙ্গামাটি জেলা চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রধান কেন্দ্র বা রাজধানী হিসেবে পরিচিত।
a ১ টাকা
b ২ টাকা
c ৫ টাকা
d ১০ টাকা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ টাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত ২ টাকার কয়েন বা নোটে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটি খোদিত বা মুদ্রিত থাকে। - প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক করার সরকারি অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে এই স্লোগান ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টাকা — ১ টাকার নোটে বা কয়েনে পরিবার পরিকল্পনা বা কৃষি বিষয়ক স্লোগান ব্যবহৃত হয়, সবার জন্য শিক্ষা নয়। B) ২ টাকা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই নির্ধারিত স্লোগান বহন করে। C) ৫ টাকা — ৫ টাকার নোটে সাধারণত জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থান ও প্রতীক থাকে। D) ১০ টাকা — ১০ টাকার নোটে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ বা টেরাকোটার নকশা মুদ্রিত থাকে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা পেতে হলে অন্তত দুই টাকা খরচ করে খাতা কিনতে হয়, এই সাধারণ মিল দিয়ে ২ টাকার নোটের ‘সবার জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটি মনে রাখতে পারেন।
a ২৩ মার্চ ১৯৭১
b ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
c ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭
d ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
0 432 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন। - ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আয়োজিত ওই বিশাল সংবর্ধনা সভায় সর্বদলীয় ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ মার্চ ১৯৭১ — এটি ঐতিহাসিক পাকিস্তান দিবস এবং এই দিনে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালন করে। B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়েছিল। C) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭ — এই সালের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কিত নয়। D) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ — এই বছর ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল, যা উপাধি প্রদানের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঠিক পরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।
a আজিজুর রহমান
b ফেরদৌসী মজুমদার
c কালীপদ দাস
d জাফর ওয়াজেদ
0 201 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আজিজুর রহমান কেন সঠিক: - স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন বিচারপতি আজিজুর রহমান। - তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিচার বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজিজুর রহমান — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২০ সালে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) ফেরদৌসী মজুমদার — তিনি বিশিষ্ট অভিনেত্রী এবং ২০২০ সালে শিল্পকলা ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে নয়। C) কালীপদ দাস — তিনি ২০২০ সালে সংস্কৃতি ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে নয়। D) জাফর ওয়াজেদ — তিনি সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে ২০২০ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন, যা মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ২০২০ সালে বিচারক আজিজুর রহমান স্বাধীনতা পুরস্কার পান, যা আইন ও বিচার বিভাগের অবদানের সাথে মিলে যায়।
a ঢাকা
b গাজীপুর
c যশোর
d সিলেট
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যশোর কেন সঠিক: - যশোর জেলা বাংলাদেশের প্রথম জেলা হিসেবে সরকারি সব সেবা ডিজিটাল মাধ্যম বা তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসে। - ২০১০ সালের ২৭ শে জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরকে দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং সবচেয়ে জনবহুল জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলা নয়। B) গাজীপুর — এটি একটি শিল্পসমৃদ্ধ জেলা এবং সিটি করপোরেশন এলাকা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলার মর্যাদা পায়নি। C) যশোর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) সিলেট — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ও জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা যশোর থেকে।
a আব্দুস সালাম
b রফিক উদ্দিন
c আবুল বরকত
d সকলেই
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবুল বরকত কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন আবুল বরকত। - তিনি তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুস সালাম — তিনি ভাষা শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি তৎকালীন ডাক বিভাগের একজন পিয়ন ছিলেন। B) রফিক উদ্দিন — তিনি ভাষা শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নন, তিনি জগন্নাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র ছিলেন। C) আবুল বরকত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। D) সকলেই — যেহেতু বাকি দুজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন, রফিক পড়তেন জগন্নাথ কলেজে আর সালাম চাকরি করতেন ডাক বিভাগে।
a হবিগঞ্জ
b মৌলভীবাজার
c সিলেট
d কুড়িগ্রাম
0 463 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা বাগানের অর্ধেকের বেশি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত হওয়ায় একে চায়ের রাজধানী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হবিগঞ্জ — এটি চা উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, যা মৌলভীবাজারের চেয়ে কম। B) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে চায়ের বাগান সর্বাধিক। C) সিলেট — সিলেটেও অনেক চা বাগান আছে, তবে সংখ্যায় এটি মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পরে অবস্থান করে। D) কুড়িগ্রাম — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে মূলত কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়, কোনো উল্লেখযোগ্য চা বাগান নেই। মনে রাখার টিপস: চা মানেই মৌলভীবাজার আর শ্রীমঙ্গল, যেখানে দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে।
a কুতুবদিয়া
b ভোলা
c মহেশখালি
d সেন্টমার্টিন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) মহেশখালি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি দ্বীপ এবং ভৌগোলিক দিক থেকে এটি দেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। - এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি উঁচু ভূমি ও টিলা রয়েছে, যা সমতল দ্বীপগুলো থেকে এটিকে আলাদা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুতুবদিয়া — এটি বাংলাদেশের একটি উপকূলীয় ও সমতল দ্বীপ, কোনো পাহাড়ি দ্বীপ নয়। B) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি সম্পূর্ণভাবেই মেঘনা নদীর অববাহিকায় গঠিত একটি সমতল দ্বীপ। D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, কোনো পাহাড়ি দ্বীপ নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় আছে যেখানে, মহেশখালি দ্বীপ শুধু সেখানে।

মোট প্রশ্ন (25)

a অচল
b অদ্রি
c ভূধর
d অবনী
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অবনী ১. কেন সঠিক: - অবনী শব্দের অর্থ পৃথিবী, যা ধরণী, বসুন্ধরা বা ভূমিতল হিসেবে পরিচিত। - প্রশ্নটিতে পৃথিবীর সমার্থক বা প্রতিশব্দ জানতে চাওয়া হয়েছে এবং অবনী শব্দটি সরাসরি পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলোর সমষ্টি, যাদের বানান ও রূপ ভিন্ন হলেও অর্থের দিক থেকে মিল থাকে। - বাংলা ভাষায় সংস্কৃত প্রাকৃত ও দেশি উৎসের বহু শব্দ পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে প্রচলিত আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধরিত्री ব্যাখ্যা: এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম প্রাচীন ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। উদাহরণ ২: বসুধা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিও পৃথিবীর সমার্থক হিসেবে বাংলা কাব্যে ও গদ্যে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অচল — এই শব্দের অর্থ যা চলে না বা পর্বত, তাই এটি পৃথিবীর সমার্থক নয়। B) অদ্রি — এই শব্দের অর্থ পাহাড় বা পর্বত, যা পৃথিবীর সমার্থক শব্দ নয়। C) ভূধর — এই শব্দের অর্থ পর্বত বা ভূমিতল ধারণকারী, যা মূলত পাহাড়ের সমার্থক। D) অবনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ পৃথিবী। ৫ মনে রাখার টিপস: - অবনী শব্দের শেষ অংশে নদী বা অবনী পাতার মতো মনে রাখতে পারো যে এটি আমাদের পৃথিবী মায়ের নাম। - পৃথিবীর সমার্থকগুলো মনে রাখার জন্য বসু, ধরা, অবনী, অবনী এসব শব্দ একত্রে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - পাহাড় এবং পৃথিবীর সমার্থক শব্দগুলো প্রায় একরকম মনে হতে পারে, তাই পর্বত ও পৃথিবীর শব্দ আলাদা করে পড়তে হবে।
a স্বায়ত্ত্বশাসন
b শ্রদ্ধাঞ্জলী
c দারিদ্রতা
d উপর্যুক্ত
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: ঘ) উপর্যুক্ত কেন সঠিক: উপর + উপযুক্ত মিলে উপর্যুক্ত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম মেনে চলে। এটি বাংলা বানানরীতি ও প্রমিত বানান অনুসারে সম্পূর্ণ নির্ভুল একটি শব্দ। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থানে য ফলা হয়। উপর শব্দের অ এবং উপযুক্ত শব্দের উ মিলে এখানে সঠিক সন্ধিজাত রূপ তৈরি করেছে। যেমন অতি + অন্ত = অত্যন্ত, ঠিক তেমনি উপরি + উক্ত = উপর্যুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: ক) স্বায়ত্ত্বশাসন — এই বানানটি ভুল কারণ স্বায়ত্তশাসন বানানে ত এর নিচে য ফলা হবে না, এটি হবে স্বায়ত্তশাসন। খ) শ্রদ্ধাঞ্জলী — শ্রদ্ধাঞ্জলি বানানে ল এর সঙ্গে ই-কার হবে, ঈ-কার ব্যবহার করা ভুল নিয়ম। গ) দারিদ্রতা — দরিদ্র শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করলে দারিদ্র হয়, তাই দারিদ্রতা শব্দটি অতিরিক্ত প্রত্যয় জনিত কারণে ভুল। মনে রাখার টিপস: অঞ্জলি ও নীতিবাচক শব্দের শেষে সাধারণত ই-কার বসে এবং সন্ধির ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে বানান করলে ভুল হয় না।
a দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়
b দীনতা প্রশংসনীয় নয়
c দৈন্যতা অপ্রসংসনীয়
d দৈন্যতা নিন্দনীয়
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনতা প্রশংসনীয় নয় ১. কেন সঠিক: - 'দীনতা' শব্দটি শুদ্ধ কারণ এটি গুণবাচক বিশেষ্য বোঝাতে সঠিক প্রত্যয়যুক্ত রূপ। - ব্যাকরণগতভাবে এক সাথে একই অর্থে দুটি প্রত্যয় ব্যবহার করা ভুল, যা এখানে সঠিকভাবে পরিহার করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য পদ গঠনে শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ বা প্রমাদ ঘটে। - দীন শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত করে দীনতা বা দৈন্য শব্দ গঠিত হয়, কিন্তু দৈন্যতা বলা ভুল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুহৃদর সঙ্গে সৌজন্যতা প্রকাশ করা উচিত নয়। ব্যাখ্যা: সৌজন্য এবং সৌজন্যতা একই অর্থে ব্যবহৃত হওয়ায় সৌজন্যতা একটি অতিরিক্ত প্রত্যয়যুক্ত ভুল শব্দ। উদাহরণ ২: তাহার ঔদার্য প্রশংসার যোগ্য। ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঔদার্য গঠিত হয়েছে, যা সঠিক প্রমিত রূপ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয় — দৈন্য এবং তা প্রত্যয় একত্রে ব্যবহার করায় এটি একটি দ্বৈত প্রত্যয়জনিত ভুল শব্দ। B) দীনতা প্রশংসনীয় নয় — এটি সঠিক কারণ দীন শব্দের সঙ্গে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শুদ্ধ গুণবাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। C) দৈন্যতা অপ্রসংসনীয় — এখানে দৈন্যতা শব্দটি ভুল এবং অপ্রসংসনীয় বানানটিও প্রমিত নয়। D) দৈন্যতা নিন্দনীয় — এই বাক্যে দৈন্যতা শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ প্রয়োগ হিসেবে গণ্য হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - দীন থেকে দীনতা শুদ্ধ, কিন্তু দৈন্য থেকে দৈন্যতা ভুল। - একই অর্থে একসঙ্গে দুটি প্রত্যয় ব্যবহার করা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাহুল্য দোষ বা প্রত্যয়জনিত শুদ্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ্য পদের সঠিক গঠন চেনার জন্য শব্দের মূল রূপ এবং প্রত্যয়ের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে।
a পূর্বাহ্ণ
b মধ্যাহ্ণ
c অপরাহ্ন
d সায়াহ্ণ
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পূর্বাহ্ণ কেন সঠিক: 1. পূর্বাহ্ণ বানানটিতে হ বর্ণটির নিচে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে যা ণ-ত্ব বিধির সঠিক প্রয়োগ নির্দেশ করে। 2. তৎসম শব্দে হ বর্ণের পূর্বে বা পরে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয় এই নিয়মের কারণে বানানটি শুদ্ধ হয়েছে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: 1. প্রাকৃত ও তৎসম শব্দে হ বর্ণের সাথে ন যুক্ত হলে তা সর্বদা মূর্ধন্য ণ এ পরিণত হয়। 2. বাংলা ব্যাকরণের ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী হ এর সাথে ন এর যুক্ত হওয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। 3. যেমন- পূর্বাহ্ণ, মধ্যাহ্ণ, অপরাহ্ন (এখানে অপবাদ থাকায় ভিন্ন নিয়ম), সায়াহ্ন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্বাহ্ণ — এই অপশনটি আসলে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে তাই এটি ভুল নয় বরং শুদ্ধ বানান। B) মধ্যাহ্ণ — এই বানানটিতে ণ এর ব্যবহার ভুল কারণ হ বর্ণের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় মধ্যাহ্ন বানানটিতে ন হয়। C) অপরাহ্ন — এই বানানটিতে হ এর সাথে ন যুক্ত হয় যা অপ নিয়মের কারণে ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত। D) সায়াহ্ণ — এই বানানটি ভুল কারণ সায়াহ্ন বানানে হ এর নিচে ন যুক্ত হওয়ার কথা কিন্তু এখানে ণ দেওয়া হয়েছে। মনে রাখার টিপস: ১. হ এর সাথে সবসময় ন বা ণ যুক্ত হওয়ার সময় প্রহরবাচক শব্দে একটু খেয়াল রাখতে হয়। ২. পূর্বাহ্ণ ও মধ্যাহ্ণ বানানে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হলেও অপরাহ্ন ও সায়াহ্ন বানানে দন্ত্য ন ব্যবহৃত হয়।
a কাটা দিয়ে কাটা তোলা
b নিজের চরকায় তেল দাও
c দেখে পথ চলো, বুঝে কথা বলো
d নিজের কাজ নিজে করো
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দেখে পথ চলো, বুঝে কথা বলো ১. কেন সঠিক: - ইংরেজি প্রবাদ বাক্যটির ভাবার্থ ও ভাবানুবাদ অনুযায়ী কোনো কাজ করার আগে তার পরিণাম চিন্তা করাকে বোঝায়। - কথা বলার বা পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সতর্ক হওয়ার শিক্ষা দিতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদের প্রমিত বাংলা অনুবাদ বা প্রপ্রবচন। - ইংরেজি ভাবানুবাদমূলক প্রবাদগুলো হুবহু শব্দে অনুবাদ না করে এর অন্তর্নিহিত অর্থ বা ভাব অনুযায়ী বাংলা প্রবাদ নির্বাচন করতে হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অপচয় না করলে অভাব হয় না ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রবাদ যা দূরদর্শিতা ও সঞ্চয়ের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: চরৈবেতি ব্যাখ্যা: এর অর্থ এগিয়ে চলো, যা জীবন দর্শনের একটি বিখ্যাত নীতিবাক্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাটা দিয়ে কাটা তোলা — এর ইংরেজি অনুবাদ হলো টিথ ফর ট্যাট বা টু ফাইট ফায়ার উইথ ফায়ার, যার অর্থ কৌশলে শত্রু দমন করা। B) নিজের চরকায় তেল দাও — এর ইংরেজি অনুবাদ হলো মাইন্ড ইউর ওন বিজনেস, যার অর্থ অন্যের বিষয়ে নাক না গলিয়ে নিজের কাজ দেখা। D) নিজের কাজ নিজে করো — এর ইংরেজি অনুবাদ হলো ডু ইউর ওন ওয়ার্ক, যার অর্থ অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজে স্বাবলম্বী হওয়া। ৫ মনে রাখার টিপস: - লিপ শব্দের অর্থ লাফ দেওয়া বা দীর্ঘ পদক্ষেপ ফেলা, তাই লাফালাফি করার আগে দেখে চলার বিষয়টি মনে রাখলে সঠিক অনুবাদ চিহ্নিত করা সহজ হয়। - প্রবাদ বাক্যের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদের চেয়ে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বেশি প্রাধান্য পায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি প্রবাদের সঠিক বাংলা রূপান্তর প্রায়ই আসে, তাই ভাবানুবাদ মুখস্থের পরিবর্তে অর্থ বুঝে পড়তে হবে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে কাছাকাছি অর্থের অন্য কোনো প্রবাদ বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, তাই সাবধানে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a চালান
b পণ্যাগার
c শুল্ক
d বিনিয়োগ
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চালান কেন সঠিক: - Invoice শব্দের বাংলা পারিভাষিক অর্থ হলো চালান, যা ব্যবসা ও বাণিজ্যে পণ্য সরবরাহের সময় ব্যবহার করা হয়। - এটি মূলত বিক্রেতা কর্তৃক ক্রেতার কাছে পাঠানো পণ্যের বিবরণী ও মূল্যের তালিকা নির্দেশ করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ইংরেজি প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক শব্দের সঠিক অনুবাদ বা পারিভাষিক রূপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। - পারিভাষিক শব্দ সাধারণত নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের ভাবার্থ নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে। - যেমন: Office শব্দের অর্থ কার্যালয়, তেমনি Invoice শব্দের অর্থ চালান। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) চালান — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি Invoice শব্দের উপযুক্ত পারিভাষিক রূপ। - B) পণ্যাগার — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ গোডাউন বা ওয়্যারহাউস, তাই এটি ভুল। - C) শুল্ক — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ কাস্টমস বা ডিউটি, তাই এটি ভুল। - D) বিনিয়োগ — এই শব্দটির ইংরেজি রূপ ইনভেস্টমেন্ট, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: - ব্যবসা ও কেনাকাটায় মালের হিসাব বা বিল বোঝাতে সবসময় চালান শব্দটি মনে রাখবে।
a প্রতি+বর্তন
b প্রতিঃ+বর্তন
c প্রতি+আবর্তন
d প্রতিঃ+আবর্তন
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রতি+আবর্তন ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থানে য-ফলা হয়। এখানে প্রতি শব্দের শেষ ধ্বনি ই এবং আবর্তন শব্দের প্রথম ধ্বনি আ মিলে ই + আ যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং আকার অর্থাৎ ্যা গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধির মিলিত নিয়মের একটি উদাহরণ যা মূলত বাংলা ব্যাকরণের ই-কারান্ত উপসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের ফল। প্রতি একটি তৎসম উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং আবর্তন শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রত্যাবর্তন শব্দ তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি + এক = প্রত্যেক ব্যাখ্যা: ই-কারের পর এ-কার থাকায় ই-কার স্থানে য-ফলা এবং এক যুক্ত হয়ে প্রত্যেক হয়েছে। উদাহরণ ২: যদি + অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর অ-কার থাকায় ই-কার স্থানে য-ফলা যুক্ত হয়ে যদ্যপি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রতি+বর্তন — এই অপশনে আবর্তন শব্দের আ অংশটি বাদ পড়েছে ফলে সঠিক শব্দটি গঠিত হয়নি। B) প্রতিঃ+বর্তন — এখানে বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা এই শব্দের সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সম্পূর্ণ অমূলক। C) প্রতি+আবর্তন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর যা নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যাবতন শব্দটি গঠন করে। D) প্রতিঃ+আবর্তন — এখানেও অপ্রাসঙ্গিক বিসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। ৫. মনে রাখার টিপস: ই বা ঈ কারের পর ভিন্ন স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনি তার সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রত্যাবর্তন শব্দের ক্ষেত্রে প্রতি এর ই এবং আবর্তনের আ মিলে য্যা তৈরি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি উপসর্গযুক্ত সন্ধিগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। একই নিয়মে প্রতি যোগ এক সমান প্রত্যেক এবং প্রতি যোগ আশান সমান প্রত্যাশা শব্দগুলো চর্চা করা উচিত।
a অনুস্বার
b দ্বিত্ব
c মহাপ্রাণ
d তালব্য
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) তালব্য ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়মানুসারে ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ সূত্রে বলা হয়েছে, ম-এর পরে চ, ছ, জ, ঝ, ট, ঠ, ড, ঢ, ত, থ, দ, ধ থাকলে ম-এর স্থানে পরবর্তী বর্ণের বর্গের নাসিক্য ধ্বনি বা অনুস্বার হয়। এখানে চ ও জ বর্ণ দুটি তালু থেকে উচ্চারিত হয়, তাই এদের নাসিক্য ধ্বনি হিসেবে তালব্য বর্ণ বা ঞ আসে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে পদের অন্তস্থিত ম-এর পর স্পর্শ ধ্বনি বা বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ম-এর জায়গায় সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি বা ঙ, ঞ, ণ, ন, ম কিংবা অনুস্বার বসে। তালব্য বর্গীয় ধ্বনি চ, ছ, জ, ঝ-এর পূর্বে ম থাকলে ম-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে ঞ বা তালব্য নাসিক্য ধ্বনি উৎপন্ন হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সম + চয় = সঞ্চয় ব্যাখ্যা: ম-এর পরে চ থাকার কারণে ম পরিবর্তিত হয়ে ঞ বা নাসিক্য ধ্বনিতে রূপ নেয়। উদাহরণ ২: সম + জীবন = জীবন ব্যাখ্যা: ম-এর পরে জ থাকার কারণে ম পরিবর্তিত হয়ে ঞ বা তালব্য নাসিক্য ধ্বনিতে রূপ নেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অনুস্বার — অনুস্বার একটি আলাদা ধ্বনি হলেও চ ও জ বর্ণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে তালব্য নাসিক্য ধ্বনি প্রযোজ্য হয়। B) দ্বিত্ব — দ্বিত্ব বলতে একই ধ্বনির পুনরুক্তি বোঝায়, যা এই সন্ধির নিয়মের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) মহাপ্রাণ — মহাপ্রাণ ধ্বনি হলো উচ্চারণের সময় অতিরিক্ত বাতাস নির্গত হওয়ার প্রক্রিয়া, যা নাসিক্য পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত নয়। D) তালব্য — এটি সঠিক কারণ চ এবং জ বর্ণ দুটি তালু থেকে উচ্চারিত হয় এবং এদের নাসিক্য ধ্বনি তালব্য হিসেবে গণ্য হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: তালব্য বর্ণ চ ও জ এর ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব বর্গীয় নাসিক্য ধ্বনি ঞ বা তালব্য নাসিক্য ধ্বনি ব্যবহার করতে হয়। সন্ধির সময় পদের শেষের ম-এর পরিবর্তন খেয়াল রাখলেই এই নিয়ম সহজেই আয়ত্ত করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় আসে। ম-এর পরের বর্ণ যে বর্গের হবে, ম-এর জায়গায় সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনি বসবে এই মৌলিক নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
a কর্তায় ৭মী
b কর্মে ৭মী
c অপাদানে ৭মী
d অধিকরণে ৭মী
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ স্থান, কাল বা বিষয় বোঝালে অধিকরণ কারক হয় এবং এখানে 'পড়াশোনায়' একটি বিষয় বোঝাচ্ছে। - শব্দটির সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়, স্থান বা বিষয়কে অধিকরণ কারক বলে। - শব্দ বা পদের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্যকরণে আমার আগ্রহ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'ব ব্যাকরণে' বিষয়টি বোঝাচ্ছে বলে এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: সকালে সূর্য ওঠে। ব্যাখ্যা: এখানে 'সকালে' সময় নির্দেশ করায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তায় ৭মী — কর্তা নিজে কোনো কাজ করলে কর্তাকারক হয়, কিন্তু এখানে কোনো ব্যক্তি কাজ করা বোঝাচ্ছে না। B) কর্মে ৭মী — যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে কর্মকারক বলে, কিন্তু এখানে কোনো কর্ম বা লক্ষ্য নেই। C) অপাদানে ৭মী — যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত বা ভীত হয় তাকে অপাদান কারক বলে, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে কোথায়, কখন এবং কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা অধিকরণ কারক নির্দেশ করে। - এ, য়, তে বিভক্তি দেখলে সাধারণত সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিষয় বা ক্ষেত্রে আসক্তি বোঝালে তা সবসময় অধিকরণ কারক হয়। - কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের সাথে থাকা বিভক্তি আলাদা করতে হবে।
a কর্মে ষষ্ঠী
b নিমিতার্থে ষষ্ঠী
c করণে ষষ্ঠী
d সম্প্রদানে ষষ্ঠী
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: কারক ও বিভক্তি সঠিক উত্তর: B) নিমিতার্থে ষষ্ঠী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে যার জন্য কোনো কিছু করা বোঝায়, তাকে নিমিত্ত কারক বলে। - এখানে সংগ্রামটি করা হয়েছে স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে বা নিমিত্তে, তাই এটি নিমিত্ত কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিমিত্ত কারক হলো কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝাতে ব্যবহৃত বিশেষ পদ। - স্বাধীনতা শব্দের সাথে র বিভক্তি যুক্ত হয়ে ষষ্ঠী বিভক্তি গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশের জন্য মায়া। ব্যাখ্যা: এটিও নিমিত্ত কারকে ষষ্ঠী বিভক্তির উদাহরণ, কারণ এখানে উদ্দেশ্য প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: যাকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা হয়, তা সম্প্রদান কারক হলেও এটি নিমিত্তের অর্থেও ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ষষ্ঠী — কর্ম কারকে সাধারণত কি বা কাগকে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যায়, এখানে তা নেই। B) নিমিতার্থে ষষ্ঠী — এটি সঠিক উত্তর। C) করণে ষষ্ঠী — করণ কারকে দ্বারা, দিয়া বা কর্তক বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) সম্প্রদানে ষষ্ঠী — সম্প্রদান কারকে সত্যত্যাগ করে দান বোঝায়, যা স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজের উদ্দেশ্য বা নিমিত্ত বোঝাতে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হলে তা নিমিতার্থে ষষ্ঠী কারক হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উদ্দেশ্য বা কারণ বোঝালে কারক নির্ণয়ের সময় নিমিত্ত কারক বিবেচনা করতে হবে।
a অন্যকাল
b ক্ষুদ্রকাল
c কালের অন্তর
d কাল ও অন্তর
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যকাল ১. কেন সঠিক: - 'কালান্তর' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো অন্যকাল এবং এটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। - এখানে অব্যয় পদের অর্থে পূর্বপদের অব্যয়যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়েছে যেখানে অন্য অর্থে কাল ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত পূর্বপদে অব্যয় বসে নতুন পদ গঠন করে। - এখানে অন্য কাল বোঝাতে কালান্তর শব্দটির ব্যবহার করা হয়েছে যা নিত্য সমাস বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জন্মান্তর ব্যাখ্যা: অন্য জন্ম বোঝাতে জন্মান্তর শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়। উদাহরণ ২: দেশান্তর ব্যাখ্যা: অন্য দেশ বোঝাতে দেশান্তর শব্দটি ঠিক একইভাবে কালান্তর শব্দের মতো গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যকাল — এটি সঠিক ব্যাসবাক্য কারণ কালান্তর শব্দের মূল অর্থ অন্য কাল বা পরিবর্তনশীল সময়কে বোঝায়। B) ক্ষুদ্রকাল — এটি ভুল কারণ ক্ষুদ্রকাল বলতে অল্প সময় বোঝায় যা কালান্তর শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) কালের অন্তর — এটি সাধারণ বিভক্তিযুক্ত শব্দ হলেও কালান্তর শব্দের প্রমিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যাসবাক্য এটি নয়। D) কাল ও অন্তর — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের ব্যাসবাক্যের মতো শোনালেও কালান্তর শব্দের প্রকৃত অর্থ এটি প্রকাশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - অন্ত যুক্ত শব্দ যেমন কালান্তর বা দেশান্তর দেখলে ব্যাসবাক্যে সর্বদা অন্য শব্দ ব্যবহার করবে। - অব্যয়ীভাব সমাসের ক্ষেত্রে অন্য অর্থে অন্তর শব্দের ব্যবহার মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অন্তর যুক্ত শব্দের ব্যাসবাক্য প্রায়ই আসে এবং সেগুলোতে সাধারণত অন্য শব্দটি ব্যবহার করতে হয়। - প্রমিত বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ব্যাসবাক্য নির্বাচন করার সময় শব্দের অর্থের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
a দ্বন্দ্ব সমাস
b দ্বিগু সমাস
c কর্ম ধারয় সমাস
d অব্যয়ীভাব সমাস
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - মুজিববর্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মুজিব যে বর্ষ, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। - এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাসে উপমান, উপমিত বা রূপক ভেদের পাশাপাশি সাধারণ কর্মধারয় সমাসও গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: জজসাহেব ব্যাখ্যা: জজ যে সাহেব, এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্র্রাধান্য থাকে, কিন্তু এখানে তা নেই। B) দ্বিগু সমাস — দ্বিগু সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মধারয় সমাস — এটি সঠিক কারণ এটি বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত এবং পরপদের অর্থ প্রধান। D) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থে সমাজ হয় এবং অব্যয় পদ পূর্বে থাকে, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর নামের সঙ্গে বর্ষ বা উৎসব যুক্ত থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - ব্যাসবাক্য করার সময় যে বা রূপ শব্দটি ব্যবহার করে মিলিয়ে দেখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক থাকলে চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস দাগাতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের ঐতিহাসিক বা বিশেষ বর্ষ সংক্রান্ত শব্দ প্রায়ই আসে।
a √মুচ্ + ক্তি
b √মুহ্ + ক্তি
c √মুক্ + ক্তি
d √মৃচ্ + ক্তি
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) √মুচ্ + ক্তি ১. কেন সঠিক: 'মুক্তি' শব্দটি গঠিত হয়েছে কৃৎ প্রত্যয় যোগে। এখানে প্রকৃতি বা ধাতু হলো √মুচ্ এবং প্রত্যয় হলো ক্তি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী ধাতু বা প্রাকৃতের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ গঠন করে, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। √মুচ্ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হলে চ স্থানে ক হয় এবং ক্তি এর তি থাকে, ফলে মুক্তি শব্দটি সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √ভুজ + ক্তি = ভুক্তি। ব্যাখ্যা: এখানে ভুজ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভুক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √യുধ + ক্তি = যুক্তি। ব্যাখ্যা: যুদ্ধ বা যুধ ধাতুর সঙ্গে ক্তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যুক্তি শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √মুচ্ + ক্তি — এটি সঠিক কারণ মুক্ত ধাতু থেকে ক্তি প্রত্যয় যোগে এই পদটি গঠিত হয়। B) √মুহ্ + ক্তি — ভুল কারণ মহ্ বা মুহ্ ধাতু থেকে মুক্তি শব্দটি সাধিত হয় না। C) √মুক্ + ক্তি — ভুল কারণ মুক্ কোনো স্বীকৃত মূল ধাতু নয়, সঠিক ধাতু হলো মুচ্। D) √মৃচ্ + ক্তি — ভুল কারণ মৃচ্ ধাতু থেকে মুক্তি হয় না, এর রূপ ভিন্ন হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তি শব্দের শুরুতে চ বর্ণযুক্ত ধাতু √মুচ্ মনে রাখবে। পরীক্ষার হলে কৃৎ প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতুর রূপ খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ক্তি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে সাধারণত পদাশেষে ক বা ত যুক্ত রূপ দেখা যায়।
a ‘চ’ ধ্বনি
b ‘ছ’ ধ্বনি
c ‘জ’ ধ্বনি
d ‘ঝ’ ধ্বনি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ‘চ’ ধ্বনি ১. কেন সঠিক: - ঘোষ ও অঘোষ ধ্বনির পার্থক্যের ক্ষেত্রে যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, সেগুলোকে অঘোষ ধ্বনি বলা হয়। - অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনির পার্থক্যের ক্ষেত্রে যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য বা জোর থাকে না, সেগুলোকে অল্পপ্রাণ ধ্বনি বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘোষ ধ্বনি এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘোষ ধ্বনি। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ ধ্বনি এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ ধ্বনি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘ক’ ধ্বনি ব্যাখ্যা: এটি কবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এটি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না ও অতিরিক্ত বাতাস বের হয় না, তাই এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। উদাহরণ ২: ‘ট’ ধ্বনি ব্যাখ্যা: এটি টবর্গীয় প্রথম বর্ণ এবং এর উচ্চারণেও স্বরতন্ত্রী কম্পিত হয় না এবং ফুসফুস থেকে কম বাতাস নির্গত হয়, তাই এটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ‘চ’ ধ্বনি — এটি সঠিক উত্তর কারণ চ বর্গীয় প্রথম বর্ণ হিসেবে এটি অঘোষ এবং অল্পপ্রাণ ধ্বনি। B) ‘ছ’ ধ্বনি — এটি চ বর্গীয় দ্বিতীয় বর্ণ, যা অঘোষ হলেও অল্পপ্রাণ নয় বরং মহাপ্রাণ ধ্বনি। C) ‘জ’ ধ্বনি — এটি চ বর্গীয় তৃতীয় বর্ণ, যা অল্পপ্রাণ হলেও অঘোষ নয় বরং ঘোষ ধ্বনি। D) ‘ঝ’ ধ্বনি — এটি চ বর্গীয় চতুর্থ বর্ণ, যা ঘোষ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি, তাই এটি সঠিক নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বর্গের প্রথম বর্ণ সবসময় অঘোষ ও অল্পপ্রাণ হয়। - বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ মনে রাখা সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যঞ্জনবর্ণের বর্গীকরণের এই ছকটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে ধ্বনি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে করা সম্ভব। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অঘোষ, ঘোষ, অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ধ্বনি চিহ্নিত করতে বলা হয়।
a সরুপথ
b চিলেকোঠা
c গুপ্তপথ
d সিংহদার
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সিংহদার ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ হলো 'খিড়কি' শব্দের অর্থ পেছনের দরজা এবং 'সিংহদার' শব্দের অর্থ মূল বা প্রধান দরজা। - বিপরীতার্থক শব্দের নিয়ম অনুযায়ী একটি শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে বলেই এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং প্রচলিত ব্যবহার জানা অত্যন্ত জরুরি। - বাংলা ভাষায় ঘরবাড়ি বা ইমারতের প্রবেশপথ বোঝাতে বিভিন্ন শব্দ ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে খিড়কি ও সিংহদার পরস্পর বিপরীতার্থক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্দরমহল ও বহির্মহল ব্যাখ্যা: অন্দরমহল অর্থ ঘরের ভেতরের অংশ এবং বহির্মহল অর্থ ঘরের বাইরের অংশ, যা বিপরীতার্থক শব্দের চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রবেশ ও প্রস্থান ব্যাখ্যা: প্রবেশ অর্থ ভেতরে ঢোকা এবং প্রস্থান অর্থ বের হয়ে যাওয়া, যা কাজের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরুপথ — সরুপথ অর্থ সংকীর্ণ রাস্তা বা গলি, যা খিড়কি শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে উপযুক্ত নয়। B) চিলেকোঠা — চিলেকোঠা অর্থ ঘরের ছাদের ওপরের ছোট ঘর, যা বিপরীতার্থক শব্দের আওতায় পড়ে না। C) গুপ্তপথ — গুপ্তপথ অর্থ গোপন রাস্তা, যা খিড়কি শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) সিংহদার — সিংহদার অর্থ মূল দরজা, যা পেছনের দরজা বা খিড়কির সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাড়ির দুই পাশের দুটি দরজার কথা মনে রাখতে পারো। পেছনের ছোট দরজা হলো খিড়কি এবং সামনের বড় দরজা হলো সিংহদার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঘরবাড়ি বা স্থাপত্যসংক্রান্ত বিপরীতার্থক শব্দ প্রায়ই আসে। তাই শব্দের আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে বুঝে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
a ত্বরিৎকর্মা
b কর্মবীর
c কর্মপটু
d কর্মনিষ্ঠ
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ত্বরিৎকর্মা ১. কেন সঠিক: - 'ত্বরিৎকর্মা' শব্দের অর্থ যিনি খুব দ্রুত বা শীঘ্র কর্ম সম্পাদন করেন এবং যাঁর কাজে কোনো আলস্য নেই। - প্রশ্নে থাকা 'কর্মে অতিশয় তৎপর' বাক্যাংশটির ভাবার্থ এই এককথায় প্রকাশের মাধ্যমে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশ বা বাক্যসংক্ষেপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষিপ্রগতিতে চলে যে ব্যাখ্যা: একে এককথায় তুঙ্গগামী বা ক্ষিপ্রগামী বলা হয়, যা গতিশীলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্নিবার বলা হয়, যা সহজে আটকানো যায় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ত্বরিৎকর্মা - এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কর্মে অতিশয় তৎপর ব্যক্তির সঠিক প্রকাশ। B) কর্মবীর - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যিনি কর্মের মাধ্যমে বীরত্ব প্রদর্শন করেন বা কাজের মাধ্যমে খ্যাতি লাভ করেন। C) কর্মপটু - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ যিনি কাজে দক্ষ বা নিপুণ, কিন্তু অতিশয় তৎপরতা এর মূল ভাব নয়। D) কর্মনিষ্ঠ - এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ কর্মের প্রতি যার গভীর অনুরাগ বা নিষ্ঠা আছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ত্বরিৎ শব্দের অর্থ দ্রুত এবং কর্মা শব্দের অর্থ কাজ করা। - দ্রুত কাজ করে যিনি, তিনিই ত্বরিৎকর্মা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।
a উক্ত
b বাচ্য
c ভবিতব্য
d বক্তব্য
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বক্তব্য ১. কেন সঠিক: - ‘যা বলা হবে’ বাক্যটির সংকুচিত রূপ হলো ‘বক্তব্য’। - ভবিষ্যতের কোনো কথা বা যা বলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, তাকে এককথায় বক্তব্য বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ হলো বড় বাক্য বা ভাবকে একটি শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা বলা হয়েছে ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো উক্ত, যা অতীতে ঘটে যাওয়া কোনো কথাসূচক বাক্যকে বোঝায়। উদাহরণ ২: যা বলার বা বোঝার বাকি আছে ব্যাখ্যা: এর এককথায় প্রকাশ হলো অবক্তব্য বা যা প্রকাশযোগ্য নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উক্ত — এর অর্থ যা বলা হয়েছে। এটি অতীতের কথা বোঝায়, তাই সঠিক নয়। B) বাচ্য — এর অর্থ বলার ভাব বা কথ্য বিষয়। এটি ব্যাকরণের একটি পরিভাষা, তাই সঠিক নয়। C) ভবিতব্য — এর অর্থ যা ভবিষ্যতে ঘটবে বা অবশ্যম্ভাবী। এটি ভাগ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, তাই সঠিক নয়। D) বক্তব্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ যা বলা হবে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ‘বলা’ শব্দ থেকে ‘বক্তব্য’ শব্দটি এসেছে। ভবিষ্যতে যা বলা হবে তা বক্তব্য হিসেবে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - এককথায় প্রকাশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘যা বলা হয়েছে’ (উক্ত) এবং ‘যা বলা হবে’ (বক্তব্য) এর মধ্যকার সূক্ষ্ম পার্থক্য মনে রাখা জরুরি।
a জেঠী
b পাগলী
c বেঙ্গামী
d সৎমা
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সৎমা ১. কেন সঠিক: - যে সকল পদের কোনো পুরুষবাচক শব্দ বা রূপ থাকে না এবং যারা প্রাকৃতিকভাবেই সর্বদা স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে পরিগণিত হয়, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। - সৎমা শব্দটির কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ বা রূপ বাংলা ভাষায় নেই, তাই এটি ব্যাকরণগতভাবে একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে লিঙ্গ পরিবর্তনের নিয়মে কিছু শব্দ পুরুষবাচক রূপহীন হয়ে স্বাধীনভাবে স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - নিত্য স্ত্রীবাচক তৎসম, অর্ধ-তৎসম এবং তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য, যেখানে কোনো রূপান্তর বা প্রত্যয় যোগ করার সুযোগ থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সতীন ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ যার কোনো পুরুষবাচক রূপ নেই। উদাহরণ ২: বলাই ব্যাখ্যা: বলাই বা এ জাতীয় কিছু শব্দ নিত্য স্ত্রীবাচক পদের আওতাভুক্ত হিসেবে ব্যাকরণে আলোচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জেঠী — এটি পুরুষবাচক শব্দ জেঠা এর স্ত্রীবাচক রূপ, তাই এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ নয়। B) পাগলী — এটি পাগলা শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা নিয়মমাফিক প্রত্যয় যোগ করে গঠিত হয়েছে। C) বেঙ্গামী — এটি ব্যাং শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ, যা নিয়ম অনুসারে পরিবর্তিত হয়েছে। D) সৎমা — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে প্রমাণিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য প্রধান শব্দ যেমন সৎমা, সতীন, এড়াড়ি এই শব্দগুলোর তালিকা মুখস্থ রাখা ভালো। - যে শব্দের পুরুষবাচক রূপ নেই, চোখ বন্ধ করে তাকে নিত্য স্ত্রীবাচক ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য স্ত্রীবাচক ও নিত্য পুরুষবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - অপশনগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করে দেখতে হবে কোনটির পুরুষবাচক রূপ বিদ্যমান এবং কোনটি স্বাধীনভাবে বসেছে।
a রজকা
b রজকী
c রজকিনী
d রজকানী
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রজকী ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কিছু তৎসম শব্দের শেষে দীর্ঘী-কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠন করা হয়। রজক শব্দের অর্থ ধোপাকুল বা ধোপা, যার স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে দীর্ঘী-কার যুক্ত করে রজকী শব্দটি তৈরি করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পুংলিঙ্গ শব্দের সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত করার মাধ্যমে স্ত্রীবাচক শব্দ তৈরির এটি একটি প্রচলিত ব্যাকরণগত নিয়ম। বিশেষত পুংলিঙ্গ শব্দের শেষে অ বা আ থাকলে অনেক ক্ষেত্রে তা পরিবর্তন করে বা তার সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত করে স্ত্রীবাচক করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদ থেকে নদী ব্যাখ্যা: এখানে পুংলিঙ্গ শব্দ নদ এর সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়ে নদী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: তরুণ থেকে তরুণী ব্যাখ্যা: এখানে পুংলিঙ্গ শব্দ তরুণ এর সঙ্গে দীর্ঘী-কার যুক্ত হয়ে তরুণী স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রজকা — বাংলা ব্যাকরণে রজক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ হিসেবে রজকা শব্দটি ব্যাকরণসিদ্ধ নয়। C) রজকিনী — ইন প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন কাঙাল থেকে কাঙালিনী, কিন্তু রজক শব্দের সঙ্গে ইন প্রত্যয় যুক্ত হয় না। D) রজকানী — আনি প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ যেমন ঠাকুর থেকে ঠাকুরানি, কিন্তু রজক শব্দের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ধোপা বা রজক পেশাবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ গঠনে দীর্ঘী-কার যুক্ত করার নিয়মটি মনে রাখতে পারো। নদ নদী বা তরুণ তরুণীর মতো রজক শব্দের সঙ্গে দীর্ঘী-কার যোগ করলেই সঠিক স্ত্রীবাচক শব্দ পাওয়া যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পেশাবাচক ও জাতিবাচক শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। নিয়মভিত্তিক প্রত্যয় ও কার বা ই-কার যুক্ত শব্দগুলোর ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির প্রমিত বানানরীতি অনুসরণ করতে হয়।
a শ্রবণ+অ
b √শ্রী + অন
c √শ্ৰু + অন
d √শ্রব + অন
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) √শ্ৰু + অন ১. কেন সঠিক: - শ্রবণ শব্দটি কৃৎপ্রত্যয় সাধিত শব্দ, যেখানে √শ্ৰু ধাতু এবং অন প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। - শ্ৰু ধাতুর অর্থ হলো শোনা বা শ্রবণ করা। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে। - √শ্ৰু হলো সংস্কৃত ভাদিগণীয় তুদাদিগণীয় বা অন্য কোনো গণভুক্ত ধাতু যার অর্থ শোনা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √দৃশ + অন = দর্শন ব্যাখ্যা: দৃশ ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দর্শন শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √গম + অন = গমন ব্যাখ্যা: গম ধাতুর সঙ্গে অন প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গমন শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শ্রবণ+অ — শ্রবণ কোনো ধাতু নয়, এটি একটি সাধিত শব্দ। B) √শ্রী + অন — শ্রী ধাতু থেকে এই শব্দ গঠিত হয় না, তাই এটি ভুল। C) √শ্ৰু + অন — এটি সঠিক কারণ শ্ৰু ধাতু থেকেই শ্রবণ শব্দ উৎপন্ন হয়। D) √শ্রব + অন — শ্রব কোনো মৌলিক ধাতু নয়, শ্ৰু হলো মূল ধাতু। ৫ মনে রাখার টিপস: - শোনা বোঝাতে শ্ৰু ধাতু ব্যবহার করতে হয়। - ধাতু চেনার জন্য তার আগে রুট চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রকৃতি ও প্রত্যয় থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - ধাতু ও প্রত্যয় আলাদা করার সময় মূল ধাতু চেনা জরুরি।
a গোপন চুক্তি
b বৃহৎ ব্যাপার
c অবিলম্ব
d দীর্ঘস্থায়ী
0 117 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অবিলম্ব ১. কেন সঠিক: - পত্রপাঠ বাগধারাটির সাধারণ অর্থ হলো চিঠি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে অর্থাৎ কোনো রকম বিলম্ব না করে তৎক্ষণাৎ কোনো কাজ করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বাগধারাটি প্রায়ই আসে কারণ এর আক্ষরিক অর্থের সঙ্গে প্রচলিত বিশেষ অর্থের একটি সুন্দর তাৎপর্য রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - পত্রপাঠ শব্দটির ব্যাসবাক্য বা গঠনগত দিক থেকেও এটি চিঠি পড়ার সময়কাল বা তাৎক্ষণিক নির্দেশ পালনের অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরটি পুলিশের নাম শুনেই পত্রপাঠ সেখান থেকে চম্পট দিল। ব্যাখ্যা: এখানে পত্রপাঠ বলতে কোনো প্রকার দেরি না করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রিন্সিপাল মহোদয় ছাত্রটিকে পত্রপাঠ কলেজ থেকে বহিষ্কার করলেন। ব্যাখ্যা: এখানে চিঠি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বা কোনো সময় ক্ষেপণ না করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অর্থে পত্রপাঠ ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোপন চুক্তি — গোপন চুক্তি বোঝাতে অন্য বাগধারা যেমন আঁওতা বা ঘরের শত্রু বিভীষণ ব্যবহৃত হয় কিন্তু পত্রপাঠ ব্যবহৃত হয় না। B) বৃহৎ ব্যাপার — বৃহৎ ব্যাপার বা বিশাল কোনো ঘটনা বোঝানোর জন্য পত্রপাঠ বাগধারাটির সঙ্গে কোনো মিল নেই। C) অবিলম্ব — এই অপশনটি সঠিক কারণ পত্রপাঠ মানেই দেরি না করে অবিলম্বে বা তৎক্ষণাৎ। D) দীর্ঘস্থায়ী — দীর্ঘস্থায়ী বা স্থায়ী কোনো বিষয় বোঝাতে পত্রপাঠ ব্যবহার করা হয় না কারণ এটি ক্ষণস্থায়ী বা দ্রুত সম্পন্ন কাজ বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - চিঠি (পত্র) পড়ার (পাঠ) সঙ্গে সঙ্গেই কাজটি শেষ করা, অর্থাৎ এক মুহূর্তও দেরি না করে অবিলম্ব কাজ সম্পন্ন করা। - চিঠি পড়া শেষ হতে না হতেই তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া—এই চিত্র মনে রাখলে অর্থ সহজে মনে থাকবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের সময় বা গতি নির্দেশক বাগধারাগুলো থেকে প্রশ্ন আসে। - অনুরূপ কিছু বাগধারা যেমন আদায় কাঁচকলায়, অমাবস্যার চাঁদ, অহিভুল ইত্যাদি ভালোভাবে অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
a প্রথা অনুসারে
b যা প্রার্থনা
c বিখ্যাত
d যা পুঁতে রাখা হচ্ছে
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বিখ্যাত কেন সঠিক: - প্রথিত শব্দের আক্ষরিক ও প্রচলিত অর্থ হলো খ্যাতিমান বা বিখ্যাত। - বাংলা সাহিত্যে এবং বিদগ্ধ সমাজে পরিচিত ও সম্মানিত বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রথিত শব্দটি মূলত একটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ যা বাংলায় বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - প্র উপসর্গ পূর্বক ধাতু বা শব্দের সঙ্গে ত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই সিদ্ধ শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে। - যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) প্রথা অনুসারে — এই অর্থের জন্য প্রথানুগত বা প্রথাসিদ্ধ শব্দ ব্যবহার করা হয়। - B) যা প্রার্থনা — এই অর্থের জন্য প্রার্থিত বা প্রার্থনীয় শব্দ উপযুক্ত। - C) বিখ্যাত — এটি তো সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভিন্ন কোনো অপশন নেই। - D) যা পুঁতে রাখা হচ্ছে — প্রথিত শব্দের আরেকটি অর্থ প্রোথিত বা পুতিয়া ফেলা হলেও প্রমিত অর্থে বিখ্যাতই প্রধান। মনে রাখার টিপস: - প্রথিত শব্দের সাথে খ্যাতি বা বিখ্যাত শব্দটির মিল মনে রাখা সহজ।
a কমা
b কোলন
c হাইফেন
d ড্যাস
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কমা ১. কেন সঠিক: বাক্যে কাউকে আহ্বান করা বা ডাকাকে সম্বোধন পদ বলে। সম্বোধন পদের ঠিক পরেই সামান্য বিরতির জন্য কমা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বিরামচিহ্নের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাউকে সম্বোধন বা আহ্বান করার পর শ্রোতার মনোযোগ আকর্ষণ করতে সামান্য থামতে হয়, যার লিখিত রূপ হলো কমা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রহিম, এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: এখানে রহিমকে ডেকে কথা বলা হয়েছে, তাই রহিমের পর কমা বসেছে। উদাহরণ ২: ভাইসব, আমার কথা শুনুন। ব্যাখ্যা: এখানে শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে সম্বোধন করা হয়েছে, তাই ভাইসব শব্দের পর কমা বসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কমা — এটি সম্বোধন পদের পর ব্যবহৃত হয় এবং সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। B) কোলন — দুটি সম্পর্কিত বাক্যের সংযোগ বা উদাহরণের পূর্বে কোলন বসে, সম্বোধনের পর নয়। C) হাইফেন — সমাসবদ্ধ পদের সংযোগ রক্ষার্থে হাইফেন ব্যবহৃত হয়, সম্বোধনের পর এটি বসে না। D) ড্যাস — একটু বেশি বিরতির জন্য ড্যাস ব্যবহৃত হয়, যা সম্বোধনের পরের সামান্য বিরতির জন্য উপযুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কাকে ডাকলে বা সম্বোধন করলে লেখার সময় ঠিক তার পরেই কমা বসবে। ডাক দেওয়ার পর সামান্য থামতে হয় বলে কমা ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। সম্বোধন পদের পর কমা বসার নিয়মটি বারবার অনুশীলন করা উচিত।
a বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায়
b ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
c শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপের ভিন্নতায়
d ভাষার জটিলতা ও প্রাঞ্জলতায়
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় কেন সঠিক: - সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য মূলত নির্দিষ্ট কিছু পদের রূপ পরিবর্তনে দেখা যায়। - বিশেষ করে ক্রিয়া পদ এবং সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতাই এই দুই রীতির প্রধান স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করে। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধু রীতিতে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ একরকম থাকে এবং চলিত রীতিতে তা পরিবর্তিত হয়ে সহজ রূপ ধারণ করে। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে ব্যাকরণগত দিক থেকে এই রূপান্তরই সাধু ও চলিত রীতির সীমানা নির্ধারণ করে। - উদাহরণের জন্য সাধু রীতির করিতেছ এবং চলিত রীতির করছ, কিংবা সাধু রীতির যাইবেন এবং চলিত রীতির যাবেন। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বাক্যের গঠন প্রক্রিয়ায় — সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই বাক্যের মূল গঠন বা পদক্রম সাধারণত একই থাকে। - B) ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। - C) শব্দের কথ্য ও লেখ্য রূপের ভিন্নতায় — সব কথ্য রূপ চলিত ভাষা নয় এবং সাধুও শুধু লেখ্য রূপের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। - D) ভাষার জটিলতা ও প্রাঞ্জলতায় — এটি একটি গৌণ বৈশিষ্ট্য মাত্র, প্রধান কাঠামোগত পার্থক্য নয়। মনে রাখার টিপস: - সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য খুঁজতে প্রথমে ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের দিকে তাকাতে হবে।
a পদ
b রূপ
c শব্দমূল
d ধ্বনি
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পদ ১. কেন সঠিক: বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতুকে পদ বলে। বাক্যের মধ্যে অর্থ প্রকাশের জন্য যখন কোনো শব্দ বা ধাতু ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে আর সাধারণ শব্দ বলা যায় না, তা পদে রূপান্তর হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাক্যের সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশের জন্য প্রতিটি শব্দ বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হতে হয়। বাংলায় স্বাধীন শব্দ বাক్యంలో বসার সময় বিভক্তি যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছেলেটি বল খেলে। ব্যাখ্যা: এখানে ছেলে, বল এবং খেল এই শব্দগুলো বিভক্তি যুক্ত হয়ে বাক্যে পদ হিসেবে কাজ করছে। উদাহরণ ২: পাখি আকাশে ওড়ে। ব্যাখ্যা: পাখি, আকাশ এবং উড় শব্দগুলোর সঙ্গে বিভক্তি বা অনুসর্গ যুক্ত হয়ে বাক্যে পদ গঠন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাক্যের ক্ষুদ্রাংশ বা ব্যবহারের একক হলো পদ। B) রূপ — রূপ হলো শব্দের অবয়ব বা গঠনগত রূপ, যা বাক্যের ব্যবহারের একক নয়। C) শব্দমূল — শব্দমূল বা প্রকৃতি হলো শব্দের মূল অংশ, যা বিভক্তি ছাড়া বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। D) ধ্বনি — ধ্বনি হলো ভাষার ক্ষুদ্রতম মৌলিক একক, কিন্তু বাক্যের ক্ষুদ্রাংশ বা অর্থের একক পদ। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যে ব্যবহারের সময় স্বাধীন শব্দ বা ধাতুই হলো পদ। শব্দ বাক্যে প্রবেশ করলেই তা পদে পরিণত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দ ও পদের পার্থক্য হলো শব্দ হলো অভিধানের একক আর পদ হলো বাক্যের ব্যবহারের একক। বিভক্তি যুক্ত না হলে কোনো শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে স্থান পায় না।

মোট প্রশ্ন (25)

a official
b honorable
c salaried
d literary
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: সি) salaried কেন সঠিক: Honorary শব্দটির অর্থ অবৈতনিক বা বিনা বেতনে কাজ করা। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো salaried যার অর্থ বেতনভুক্ত বা বেতনের বিনিময়ে চাকরি করা। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত। বাকি অপশন কেন ভুল: এ) official — এই শব্দটির অর্থ আনুষ্ঠানিক বা দাপ্তরিক, যা honorary শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। বি) honorable — এই শব্দটির অর্থ সম্মাননীয়, যা honorary শব্দের প্রায় সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সি) salaried — এই অপশনটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। ডি) literary — এই শব্দটির অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যার সাথে honorary বা বেতনের কোনো সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: Honorary শব্দটিতে Honor বা সম্মান জড়িত থাকে, যেখানে কাজের জন্য টাকা দেওয়া হয় না এবং Salaried শব্দটিতে Salary বা বেতন জড়িত থাকে।
a blind to
b blind of
c blind in
d blind at
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) blind to কেন সঠিক: এখানে 'blind to' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে বসেছে যার অর্থ কোনো দোষ বা ত্রুটি ইচ্ছা করে না দেখা। বাবার তার ছেলের দোষের প্রতি অন্ধ থাকা বোঝাতে এই সঠিক প্রিপোজিশনটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) blind to — এটি সঠিক অপশন এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করতে সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। B) blind of — 'blind of' সাধারণত চোখের কোনো শারীরিক ত্রুটি যেমন এক চোখ অন্ধ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। C) blind in — 'blind in' প্রিপোজিশনটি সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট চোখে আঘাতজনিত অন্ধত্ব বোঝাতে বসে। D) blind at — ইংরেজি ব্যাকরণে 'blind at' বলে কোনো স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ ভার্ব বা প্রিপোজিশন ব্যবহার নেই। মনে রাখার টিপস: কারো কোনো দোষ বা ত্রুটির প্রতি অন্ধ বোঝাতে সবসময় 'blind to' প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a enters
b entered
c has entered
d is entering
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) has entered কেন সঠিক: বাক্যের প্রথমাংশ Present Perfect Tense এ থাকায় এবং বর্তমানের সাথে সংযোগ থাকায় পরের অংশেও Present Perfect Tense হবে। তাই he এর পর Auxiliary Verb হিসেবে has এবং মূল verb এর Past Participle রূপ enters এর পরিবর্তে has entered বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) enters — এটি Present Indefinite Tense নির্দেশ করে যা বর্তমানের ধারাবাহিক বা চিরন্তন সত্য কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এখানে প্রথমাংশের সাথে Tense এর মিল নেই। B) entered — এটি Past Indefinite Tense নির্দেশ করে যা অতীতের নির্দিষ্ট সময় বোঝায়। কিন্তু বর্তমানের ফল প্রকাশের জন্য এখানে Present Perfect Tense প্রয়োজন। C) has entered — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, এটি বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। D) is entering — এটি Present Continuous Tense নির্দেশ করে যা ঠিক এই মুহূর্তে চলমান কোনো কাজ বোঝায়। কিন্তু এখানে কাজের সমাপ্তি ও ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছে। মনে রাখার টিপস: প্রথমাংশ Present Tense হলে এবং দুটি কাজের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক থাকলে পরের অংশ সাধারণত Present Perfect Tense হয়।
a He can understand anything.
b He could understand anything.
c He can not understand anything.
d He could not understand anything.
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He can not understand anything. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যে so এবং that এর নিয়ম ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ এতই যে। মূল clause টি present tense এ থাকায় পরবর্তী অংশে can not বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He can understand anything. — বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় সে এত বোকা যে সবকিছু বুঝতে পারে, যা অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত। B) He could understand anything. — মূল অংশ present tense এ থাকায় পরের অংশে could বসানো ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থও সঠিক নয়। C) He can not understand anything. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) He could not understand anything. — মূল বাক্য present tense এ থাকার কারণে past tense এর could not ব্যবহার করা সঠিক নিয়ম নয়। মনে রাখার টিপস: so...that এর নিয়মে প্রথম অংশ present হলে পরের অংশে can not এবং past হলে could not বসে।
a receiving
b receive
c received
d receives
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) receiving কেন সঠিক: বাক্যে 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। এই ফ্রেজের পরে আসা ভার্বের সাথে সব সময় ing যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) receiving — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফ্রেজের নিয়মে এখানে ing যুক্ত হয়েছে। B) receive — এটি ভুল কারণ ফ্রেজের পরে শুধু বেস ভার্ব বসে না। C) received — এটি ভুল কারণ এখানে পাস্ট টেন্সের কোনো নিয়ম প্রযোজ্য নয়। D) receives — এটি ভুল কারণ সাবজেক্টের সাথে থার্ড পারসন সিঙ্গुलर নিয়মে এটি বসে না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'look forward to' থাকলে এর পরের verb এর সাথে हमेशा ing যোগ করতে হয়।
a comfortably
b comfort
c comfortable
d none
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) comfort কেন সঠিক: comfort শব্দটির মূল অর্থ স্বাচ্ছন্দ্য বা আরাম, যা বাক্যে সাধারণত বিশেষ্য বা noun হিসেবে কাজ করে। শব্দের শেষেable থাকলে তা সাধারণত adjective হয় এবং তার মূল রূপটি noun হয়। comfort শব্দটির noun রূপ নিজেই comfort। বাকি অপশন কেন ভুল: A) comfortably — এটি একটি adverb কারণ এর শেষে ly যুক্ত আছে। B) comfort — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি প্রদত্ত শব্দের সঠিক noun রূপ। C) comfortable — এটি নিজেই একটি adjective বা বিশেষণ পদ। D) none — সঠিক উত্তর অপশন বি তে থাকায় এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে able দেখলে তা adjective এবং তার মূল অংশটি noun হিসেবে গণ্য হয়।
a We should not hate our country.
b We should love our country.
c We may not hate our country.
d Should love our country.
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) We should not hate our country. কেন সঠিক: Imperative sentence-এ Let us থাকলে affirmative করতে should ব্যবহার করতে হয় এবং অর্থ ঠিক রাখতে বিপরীত শব্দের সাথে not বসাতে হয়। love শব্দটির বিপরীত শব্দ hate ব্যবহার করে বাক্যটির অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে Simple বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এখানে প্রশ্নটি প্রিন্ট করার সময় অপশন বিন্যাসে সামান্য ভুল ছিল, তবে এটিই সঠিক নিয়ম মেনে তৈরি। B) We should love our country — এটি অর্থের দিক থেকে সঠিক হলেও এটি মূল বাক্যের Affirmative রূপ নয়, বরং সরাসরি রূপান্তর। C) We may not hate our country — এখানে should এর বদলে may ব্যবহার করা হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মে সঠিক নয়। D) Should love our country — এই বাক্যে কোনো subject নেই যা Sentence-এর গঠন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুল। মনে রাখার টিপস: Let us থাকলে We should ব্যবহার করবে এবং মূল verb-এর বিপরীত শব্দ বসিয়ে not ব্যবহার করতে হবে।
a Must be endure we cure.
b We cannot cure what we must endure.
c We must endure what we cannot cure.
d We must be endured what we cannot cure.
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) We must endure what we cannot cure. কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি প্যাসিভ ফর্মে আছে এবং এর একটি প্রবাদমূলক অর্থ রয়েছে। এর একটিভ ফর্ম করার সময় সাবজেক্ট হিসেবে 'We' ব্যবহার করতে হয় এবং ভেতরের ক্লজটির অর্থ ঠিক রাখতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Must be endure we cure — এখানে শব্দের ক্রম সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে এবং এটি কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। B) We cannot cure what we must endure — এখানে কারণ ও ফলাফল উল্টো হয়ে গেছে, যা মূল প্রবাদের অর্থের সাথে মিলে না। C) We must endure what we cannot cure — এটি সঠিক কারণ এটি মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে সঠিক ব্যাকরণ অনুসরণ করেছে। D) We must be endured what we cannot cure — এখানে অতিরিক্ত 'be' ব্যবহার করায় বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। মনে রাখার টিপস: প্রবাদ বাক্যের একটিভ ও প্যাসিভ রূপ পরিবর্তনের সময় অর্থের ধারাবাহিকতা এবং সঠিক সাবজেক্ট নির্বাচন করতে হয়।
a Over-flooding is worse than any other problem.
b No other problem in our country is as bad as over-flooding.
c Very few problems in our country are as bad as over-flooding.
d Over-flooding is a very worse problem in our country.
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Very few problems in our country are as bad as over-flooding. কেন সঠিক: মূল বাক্যে "one of the worst" থাকায় পজিটিভ করার সময় নিয়ম অনুযায়ী "Very few" দিয়ে শুরু করতে হয়। পাশাপাশি Positive Degree এর নিয়ম মেনে as bad as ব্যবহার করা হয়েছে এবং বাক্যটির অর্থও সঠিক আছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Over-flooding is worse than any other problem. — এটি মূলত একটি Comparative Degree এর গঠন, তাই এটি Positive Degree এর সঠিক উত্তর হতে পারে না। B) No other problem in our country is as bad as over-flooding. — মূল বাক্যে "one of the worst" থাকার কারণে No other ব্যবহার করা নিয়ম অনুযায়ী ভুল। C) Very few problems in our country are as bad as over-flooding. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি নিয়ম মেনে গঠিত। D) Over-flooding is a very worse problem in our country. — এখানে worse এর আগে very ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল কারণ worse হলো Comparative রূপ। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের সময় one of the থাকলে Positive করার সময় Very few দিয়ে বাক্য শুরু করতে হয়।
a Work hard and you can not succeed.
b Work hard or you can not succeed.
c Work hard and you can succeed.
d You work hard and you can succeed.
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Work hard or you can not succeed. কেন সঠিক: মূল বাক্যে Without working hard থাকার কারণে শর্ত বোঝাচ্ছে যা Compound করার সময় or দিয়ে যুক্ত করতে হয়। এখানে and এর পরিবর্তে or বসালে প্রথম ক্লজের নেতিবাচক ফল প্রকাশ পায়। Compound sentence এ দুটি স্বাধীন ক্লজকে or দিয়ে যুক্ত করে সঠিক অর্থ প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Work hard and you can not succeed. — এখানে and বসালে বাক্যটির অর্থ বিপরীত ও ভুল হয়ে যায়। B) Work hard or you can not succeed. — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) Work hard and you can succeed. — এখানে not না থাকায় মূল বাক্যের অর্থের সাথে মিল থাকে না। D) You work hard and you can succeed. — এটি Imperative sentence এর নিয়ম মানেনি এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটেছে। মনে রাখার টিপস: Without যুক্ত Negative Simple sentence কে Compound করার সময় and এর বদলে or ব্যবহার করতে হয়।
a unwise
b insightful
c injudicious
d impolite
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) insightful কেন সঠিক: - 'Prudent' শব্দটির অর্থ বিচক্ষণ, দূরদর্শী বা বুদ্ধিমান। - অন্যদিকে 'Insightful' শব্দের অর্থ অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন বা বিচক্ষণ, যা মূল শব্দের সমার্থক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unwise — এই শব্দের অর্থ নির্বোধ বা অপরিণামদর্শী, যা প্র prudent শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। B) insightful — সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ বিচক্ষণ বা দূরদর্শী। C) injudicious — এই শব্দের অর্থ অবিবেচক বা অদূরদর্শী, যা সঠিক উত্তরের বিপরীত। D) impolite — এই শব্দের অর্থ অশিষ্ট বা অমায়িক, যা বুদ্ধিমত্তা বা বিচক্ষণতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: Prudent এবং Insightful দুটি শব্দই বিচক্ষণতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
a Salam is not stronger than Kalam.
b Salam is stronger than Kalam.
c Kalam is not stronger than Salam.
d Kalam is stronger than Salam.
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Salam is not stronger than Kalam. কেন সঠিক: ইতিবাচক Positive Degree কে Comparative Degree-তে রূপান্তর করার সময় বাক্যের অর্থ অপরিবর্তিত রাখতে হয় এবং পেছনের Subject সামনে আসে। এখানে Salam সামনে এসে Negative অর্থ প্রকাশ করেছে এবং Adjective এর Comparative রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূল বাক্যের অর্থ ঠিক রেখে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Salam is not stronger than Kalam — এটি সঠিক উত্তর। B) Salam is stronger than Kalam — এটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং অর্থের পরিবর্তন ঘটায়। C) Kalam is not stronger than Salam — এটি মূল বাক্যের অর্থ ভুলভাবে উপস্থাপন করে এবং Subject পরিবর্তন করে না। D) Kalam is stronger than Salam — এটি Positive ডিগ্রির অর্থকে পুরোপুরি বদলে দেয় এবং ভুল তথ্য দেয়। মনে রাখার টিপস: Degree পরিবর্তনের সময় Positive বাক্যে as...as থাকলে Comparative করার সময় পেছনের Subject সামনে আসবে এবং not যুক্ত হবে।
a to create fire
b to go through suffering
c to come to nothing
d to see fire
0 439 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) to come to nothing কেন সঠিক: ‘To end in smoke’ একটি ইংরেজি প্রবাদ বা ইডিওম যার আক্ষরিক অর্থ ধোঁয়ায় শেষ হয়ে যাওয়া। এর ভাবার্থ হলো কোনো কাজের চূড়ান্ত ফলাফল ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়া বা ব্যর্থ হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to create fire — আগুন তৈরি করা বোঝায় যা এই ইডিওমের আসল অর্থের সাথে মেলে না। B) to go through suffering — কষ্টের মধ্য দিয়ে যাওয়া বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি এখানে ভুল অপশন হিসেবে গণ্য হবে না। D) to see fire — আগুন দেখা বোঝায় যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো আগুন জ্বালালে তা যদি শুধু ধোঁয়া হয়ে মিলিয়ে যায়, তবে বুঝতে হবে কাজের কোনো ফল হয়নি বা সব শেষ হয়ে গেছে।
a I could solve the problem.
b I could have solved the problem.
c I could solved the problem.
d I could have solve the problem.
0 134 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) I could have solved the problem. কেন সঠিক: এটি তৃতীয় Conditional-এর নিয়ম অনুসরণ করেছে যেখানে প্রথম অংশ Past Perfect Tense-এ (had + V3) থাকে। তাই বাক্যের পরের অংশে subject-এর পর could have বসে এবং মূল verb-এর Past Participle রূপ ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I could solve the problem — প্রথম অংশ Past Perfect হওয়ায় এই অংশে could have এর পরিবর্তে শুধু could বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে। B) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) I could solved the problem — could have-এর বদলে শুধু could ব্যবহার করা হয়েছে এবং verb-এর সঠিক রূপ নেই। D) I could have solve the problem — could have-এর পরে verb-এর Past Participle রূপ না বসিয়ে present form ব্যবহার করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে if দিয়ে had থাকলে পরের অংশে অবশ্যই could have, might have বা would have-এর সাথে verb-এর তিন নম্বর রূপ বসবে।
a unbelievable
b unthinkable
c unlikely
d un-thinking
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) unbelievable কেন সঠিক: - Incredible শব্দের অর্থ অবিশ্বাস্য, যা যার ওপর বিশ্বাস করা যায় না এমন কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। - Unbelievable শব্দটি ঠিক একই অর্থ প্রকাশ করায় এটি এর সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) unbelievable — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ অবিশ্বাস্য এবং এটি incredible শব্দের সরাসরি সমার্থক। B) unthinkable — এর অর্থ অকল্পনীয়, যা মনে করা যায় না এবং এটি বিশ্বাসের ধারণার সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। C) unlikely — এর অর্থ অসম্ভাব্য বা ঘটার সম্ভাবনা কম, যা সরাসরি অবিশ্বাস্য বা incredible শব্দের সমার্থক নয়। D) un-thinking — এর অর্থ চিন্তাহীন বা অবিবেচক, যা মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক আচরণের সাথে সম্পর্কিত এবং এর অর্থের সাথে কোনো মিল নেই। মনে রাখার টিপস: Incredible শব্দের শুরুতে In এবং unbelievable শব্দের শুরুতে Un যুক্ত করে দুটি বিপরীতার্থক উপসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে, যার মূল শব্দ believe থেকে সমার্থক অর্থ তৈরি হয়েছে।
a He was truthful, was he?
b He was an honest man, did not he?
c He was really an honest man?
d He was an honest man, wasn’t he?
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) He was an honest man, wasn’t he? কেন সঠিক: প্রদত্ত বাক্যটি পাস্ট টেন্সে আছে এবং এটি এফারমেটিভ বা হ্যাঁ-সূচক বাক্য। তাই এর ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ বা না-সূচক হবে। এখানে সাবজেক্ট হলো হি এবং মূল ভার্ব হলো ওয়াজ, যা দিয়ে সঠিক ট্যাগ কোশ্চেন গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He was truthful, was he? — মূল বাক্য এফারমেটিভ হওয়ায় ট্যাগ কোশ্চেনটি নেগেটিভ হওয়ার কথা ছিল, যা এখানে হয়নি। B) He was an honest man, did not he? — বাক্যে ওয়াজ ভার্ব থাকার পরও অতিরিক্ত ডিড নট ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। C) He was really an honest man? — এটি একটি সাধারণ প্রশ্নবোধক বাক্য, সঠিক নিয়ম অনুযায়ী কোনো ট্যাগ কোশ্চেন হয়নি। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: মূল বাক্য হ্যাঁ-সূচক হলে ট্যাগ কোশ্চেন না-সূচক হয় এবং মূল বাক্য না-সূচক হলে ট্যাগ কোশ্চেন হ্যাঁ-সূচক হয়।
a Books are men’s
b Books are mens
c Book is mans
d A book is a man’s
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Books are men’s কেন সঠিক: বই মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু এবং এই বাক্যটিতে বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে। তাই subject হিসেবে Books এবং plural verb are বসেছে। এছাড়াও পুরো মানবজাতি বা পুরুষজাতি বোঝাতে man শব্দের possessive রূপ men’s ব্যবহার করা সঠিক হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সঠিক উত্তর — এটি সঠিক ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়েছে। B) mens — men শব্দের possessive রূপ লিখতে apostrophe এর পর s দিতে হয়, যা এখানে ভুলভাবে লেখা হয়েছে। C) Book is mans — Book একবচন হওয়ায় এবং mans বলে কোনো শব্দ ইংরেজিতে না থাকায় এটি ভুল। D) A book is a man’s — সাধারণ সত্য বা চিরন্তন সত্য বোঝাতে নির্দিষ্ট একটি বই না বুঝিয়ে সব বইকে বোঝানো হয়, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: চিরন্তন সত্য বা প্রবাদের ক্ষেত্রে সাধারণত plural subject ব্যবহার করতে হয় এবং plural noun এর possessive করতে men's লিখতে হয়।
a strength
b strong
c strengthen
d stronger
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) strengthen কেন সঠিক: 'strengthen' শব্দটির শেষে en প্রত্যয় যুক্ত থাকায় এটি একটি কার্যকর ভার্ব বা ক্রিয়াপদ হিসেবে গঠিত হয়েছে। বাক্যে কোনো কিছুর শক্তি বৃদ্ধি করা বোঝাতে এই ভার্বটি ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) strength — এটি noun বা বিশেষ্য পদ, কারণ এর অর্থ শক্তি। B) strong — এটি adjective বা বিশেষণ পদ, কারণ এটি গুণ বোঝায়। C) strengthen — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়। D) stronger — এটি adjective এর comparative form বা তুলনামূলক রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দে সাধারণত en যোগ করে adjective থেকে verb তৈরি করা হয়।
a throughly
b move upward and downward
c here and there
d rise and fall
0 104 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) rise and fall কেন সঠিক: Ups and downs একটি জনপ্রিয় ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ উপরে ও নিচে ওঠা হলেও এর প্রকৃত ভাবার্থ হলো জীবনের সুখ-দুঃখ বা উত্থান-পতন। rise and fall কথাটির অর্থও ঠিক একই রকম অর্থাৎ জীবনের সাফল্য ও ব্যর্থতার পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন। তাই এই বাগধারার সঠিক সমার্থক হিসেবে অপশন ডি পুরোপুরি উপযুক্ত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) throughly — এই শব্দটির অর্থ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বা গভীরভাবে, যা প্রশ্নোক্ত ইডিয়মের অর্থ প্রকাশ করে না। B) move upward and downward — এটি ইডিয়মটির আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও এর প্রকৃত রূপক বা ভাবার্থ প্রকাশ করে না। C) এখানে এবং সেখানে — এই কথাটি স্থান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা ভাগ্যের উত্থান-পতনের সাথে মেলে না। D) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মনে রাখার টিপস: জীবনের ভালো সময় এবং খারাপ সময়কে একসাথে বোঝাতে সবসময় rise and fall বা উত্থান-পতন কথাটি ব্যবহার করা হয়।
a Wise
b Wisdom
c Wisely
d Wish
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Wisdom কেন সঠিক: wise শব্দটির নাউন বা বিশেষ্য রূপ হলো wisdom যার অর্থ জ্ঞান। ইংরেজি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শব্দের শেষে dom যুক্ত করে সাধারণত নাউন গঠন করা হয়। এই কারণে wisdom সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Wise — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ শব্দ যা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ গুণ প্রকাশ করে। B) Wisdom — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। C) Wisely — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়াবিশেষণ যা কাজের ধরন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Wish — এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি শব্দ যার অর্থ ইচ্ছা বা কামনা করা। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি শব্দের শেষে dom, ness বা tion থাকলে সাধারণত সেটি নাউন হয়।
a to
b with
c of
d for
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) for কেন সঠিক: ambition শব্দের পর সাধারণত for প্রিপজিশন বসে। এর অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা লোভ থাকা। এখানে সিংহাসনের প্রতি রাজকুমারের কোনো লোভ নেই বোঝাতে for ব্যবহৃত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর D হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — ambition শব্দের পর সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য to বসে না। B) with — এই বাক্যের ক্ষেত্রে with প্রিপজিশন ব্যবহার করলে ব্যাকরণগত ভুল হয়। C) of — of প্রিপজিশন বসালে এই নির্দিষ্ট বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ হয় না। D) for — এটি সঠিক হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। মনে রাখার টিপস: ambition শব্দের সাথে সাধারণত for প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
a then beg
b than beg
c but I would not beg
d to beg
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) than beg কেন সঠিক: বাক্যে 'would rather' থাকলে তার পরে তুলনা বোঝাতে 'than' ব্যবহৃত হয়। তাই 'would rather... than' একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রবাদতুল্য গঠন তৈরি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) then beg — 'then' অর্থ তখন বা পরবর্তীতে, যা তুলনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভুল। B) than beg — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয়। C) but I would not beg — 'would rather' এর সাথে 'but' ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ ও ব্যাকরণগত গঠন নষ্ট হয়। D) to beg — 'would rather' এর পরে সরাসরি 'to' যুক্ত infinitive বসে না, বরং মূল verb বসে। মনে রাখার টিপস: বাক্যে 'would rather' দেখলে চোখ বন্ধ করে 'than' খোঁজা উচিত।
a of
b off
c into
d out
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) into কেন সঠিক: ফাঁদে পড়ার মতো কোনো কিছুর ভেতরে প্রবেশ করা বা পেছনের অবস্থা থেকে কোনো পরিবেষ্টিত অবস্থায় পড়ার ক্ষেত্রে into preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে ট্র্যাপ বা ফাঁদ একটি আবদ্ধ ক্ষেত্র বোঝায় যার ভেতর কেউ আটকা পড়ে যায়। তাই সঠিক উত্তর হবে fell into. বাকি অপশন কেন ভুল: A) of — এটি সাধারণত অধিকার বা উৎস বোঝাতে বসে, যা এখানে বাক্যের অর্থের সাথে মানানসই নয়। B) off — এটি কোনো কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা দূরে সরে যাওয়া বোঝায়, যা ফাঁদে পড়ার ক্ষেত্রে সঠিক নয়। C) into — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না। D) out — এটি ভেতর থেকে বাইরে বের হয়ে যাওয়া বোঝায়, যা ফাঁদে পড়ার উল্টো অর্থ প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কোনো আবদ্ধ জায়গায় বা ফাঁদে পড়ে যাওয়া বোঝালে সাধারণত fall এর পরে into বসে।
a turned
b turns
c am turning
d had turned
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) turned কেন সঠিক: বাক્યটিতে "fancy" শব্দটি অতীতকালের ধারণার প্রকাশ ঘটায়। তাই এর পরের অংশে পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়। এখানে মূল verb হিসেবে turned সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) turned — এটি সঠিক উত্তর। B) turns — এটি প্রেজেন্ট টেন্স হওয়ায় অতীতের ধারণার সাথে মেলে না। C) am turning — এটি কন্টিনিউয়াস টেন্স হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) had turned — এখানে অতীতের আগের অতীতের প্রয়োজন নেই। মনে রাখার টিপস: Fancy বা কল্পনা জাতীয় শব্দের পরে সাবজেক্ট থাকলে সাধারণত পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স হয়।
a Women are playing important role in all spheres of life.
b Nowadays women are playing important role everywhere.
c Women are playing most important roles in all sphere of life.
d Nowadays women are playing important role in all spheres of life.
0 96 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Nowadays women are playing important role in all spheres of life. কেন সঠিক: বাক্যে আজকাল বোঝাতে শুরুতে Nowadays ব্যবহার করা হয়েছে এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে বোঝাতে in all spheres of life সঠিক ইংরেজি ফ্রেজ হিসেবে বসেছে। এছাড়াও বর্তমানকালের চলমান কাজ বোঝাতে Present Continuous Tense অর্থাৎ are playing সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভুল — কারণ এতে 'আজকাল' শব্দের সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ Nowadays বাদ পড়েছে। B) ভুল — কারণ এতে 'সর্বক্ষেত্রে' বোঝাতে everywhere ব্যবহার করা হয়েছে, যা all spheres of life এর মতো সঠিক নয়। C) ভুল — কারণ এতে Nowadays শব্দটির ব্যবহার নেই এবং all sphere শব্দে plural form ব্যবহার করা হয়নি। D) সঠিক — কারণ এতে সমস্ত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে বাক্যটি গঠন করা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: আজকাল বোঝাতে Nowadays এবং জীবনের সর্বক্ষেত্রে বোঝাতে in all spheres of life মুখস্ত রাখলে এমন অনুবাদ সহজে করা যায়।

মোট প্রশ্ন (25)

a 8
b 5
c 4
d 3
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৪ প্রদত্ত তথ্য: (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) = (b ÷ a) এর পাওয়ার (x − ৫) ধরি, সমীকরণের বামপক্ষ ঠিক রেখে ডানপক্ষের ভিত্তি পরিবর্তন করতে হবে (b ÷ a) কে (a ÷ b) লিখলে পাওয়ারের চিহ্ন পরিবর্তন হয় অতএব, (a ÷ b) এর পাওয়ার (x − ৩) = (a ÷ b) এর পাওয়ার মাইনাস (x − ৫) বামপক্ষ ও ডানপক্ষের ভিত্তি সমান হওয়ায় পাওয়ার দুটি সমান হবে সুতরাং, (x − ৩) = মাইনাস (x − ৫) (x − ৩) = মাইনাস x + ৫ উত্তর: ৪
a 2
b 2^(n+1)
c 2^n
d 2^(n-1)
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২ প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো দুই এর ঘাত এন ভাগ দুই এর ঘাত এন বিয়োগ এক ধরি, লব হলো দুই এর ঘাত এন হর হলো দুই এর ঘাত এন বিয়োগ এক অতএব, সূচকের নিয়মে ভাগের ক্ষেত্রে পাওয়ার বিয়োগ হয় তাই হরকে আলাদা করে লেখা যায় সুতরাং, দুই এর ঘাত এন ভাগ দুই এর ঘাত এন গুণ দুই এর ঘাত বিয়োগ এক উত্তর: ২
a x^8 – 1
b x^7 – 1
c x^6 – 1
d x^5 – 1
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x^৬ − ১ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = x^৩ − ১ দ্বিতীয় রাশি = x^৩ + ১ তৃতীয় রাশি = x^৪ + x^২ + ১ ধরি, প্রথম রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x − ১)(x^২ + x + ১) দ্বিতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x + ১)(x^২ − x + ১) অতএব, তৃতীয় রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই (x^২ + x + ১)(x^২ − x + ১) এখন তিনটি রাশির কমন এবং আনকমন উৎপাদকগুলো পাশাপাশি গুণ করতে হবে সুতরাং, ল.সা.গু. হলো (x − ১)(x + ১)(x^২ + x + ১)(x^২ − x + ১) উত্তর: x^৬ − ১
a সামান্তরিক
b রম্বস
c আয়তক্ষেত্র
d ট্রাপিজিয়াম
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আয়তক্ষেত্র প্রদত্ত তথ্য: ABCD চতুর্ভুজে AB সমান্তরাল CD এবং কর্ণ দুটি সমান অর্থাৎ AC সমান BD কোণ A এর মান নব্বই ডিগ্রি দেওয়া আছে ধরি, বিপরীত বাহুদ্বয় সমান এবং সমান্তরাল কোণ A এর মান নব্বই ডিগ্রি অতএব, প্রতিটি কোণের মান নব্বই ডিগ্রি হয় কর্ণ দুটি পরস্পর সমান দৈর্ঘ্যের হয় সুতরাং, এটি একটি আয়তক্ষেত্র হবে উত্তর: C) আয়তক্ষেত্র
a ২০°
b ১১০°
c ২২০°
d ২৯০°
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১১০° প্রদত্ত তথ্য: কোণের পরিমাণ = ৭০° ধরি, নির্ধেয় সম্পূরক কোণটি = ক অতএব, আমরা জানি, দুটি কোণের যোগফল ১৮০° হলে কোণ দুটিকে পরস্পরের সম্পূরক কোণ বলে। সুতরাং, ৭০° + ক = ১৮০° ক = ১৮০° − ৭০° উত্তর: ১১০°
a 4
b 9
c 16
d 25
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতীয় রাশিটি হলো ৪x^২ − ২০x ধরি, রাশিটিকে পূর্ণবর্গ করতে হবে (a − b)^২ সূত্রের সাহায্যে অতএব, প্রথম পদ হবে (২x)^২ এবং মাঝের পদ হবে ২ × (২x) × ৫ সুতরাং, শেষ পদ বা যোগ করতে হবে ৫ এর বর্গ উত্তর: ২৫
a (1 + a – b) (1 – a + b)
b (1 + a + b) (1 – a + b)
c (1 + a + b) (1 – a – b)
d (1 – a + b) (1 – a – b)
0 95 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (১ + a − b) (১ − a + b) প্রদত্ত তথ্য: রাশিটি হলো ১ − a^২ + ২ab − b^২ ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যায় ১ − (a^২ − ২ab + b^২) অতএব, বন্ধনীটির ভে িভতর সূত্র প্রয়োগ করে পাই (a − b)^২ সুতরাং, সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়ায় ১^২ − (a − b)^২ উত্তর: (১ + a − b) (১ − a + b)
a 6
b 8
c 12
d 24
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১২ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রথম কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৪ সে.মি. রম্বসের দ্বিতীয় কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৬ সে.মি. ধরি, প্রথম কর্ণটি = d১ দ্বিতীয় কর্ণটি = d২ অতএব, রম্বসের ক্ষেত্রফলের সূত্রটি হলো ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (d১ × d২) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × (৪ × ৬) ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ২৪ উত্তর: ১২ বর্গ সে.মি.
a 80°, 120°, 160°
b 40°, 60°, 80°
c 30°, 45°, 15°
d 30°, 50°, 90°
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪০°, ৬০°, ৮০° প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের কোণগুলোর অনুপাত = ২ : ৩ : ৪ ধরি, প্রথম কোণ = ২x দ্বিতীয় কোণ = ৩x তৃতীয় কোণ = ৪x অতএব, আমরা জানি ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি = ১৮০° তাই লেখা যায়, ২x + ৩x + ৪x = ১৮০° সুতরাং, ৯x = ১৮০° বা x = ২০° উত্তর: কোণগুলো হলো যথাক্রমে (২ × ২০°) = ৪০°, (৩ × ২০°) = ৬০° এবং (৪ × ২০°) = ৮০°
a 9
b 16
c 27
d 64
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ৩ এর পাওয়ার m সমান ৮১ ধরি, ৮১ সংখ্যাটিকে ৩ এর সূচকের আকারে প্রকাশ করা যায় অতএব, ৩ এর ওপর পাওয়ার m সমান ৩ এর ওপর পাওয়ার ৪ সুতরাং, সূচক তুলনা করে পাই m সমান ৪ উত্তর: m এর কিউব অর্থাৎ ৪ এর কিউব সমান ৬৪
a 96
b 72
c 64
d 60
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৯৬ প্রদত্ত তথ্য: ঘরের প্রস্থ দৈর্ঘ্যের দুই তৃতীয়াংশ ঘরটির পরিসীমা চল্লিশ মিটার ধরি, ঘরের দৈর্ঘ্য = ক মিটার ঘরের প্রস্থ = (২ × ক) ÷ ৩ মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ৪০ মিটার দৈর্ঘ্য + প্রস্থ = ২০ মিটার ক + (২ × ক) ÷ ৩ = ২০ সুতরাং, (৫ × ক) ÷ ৩ = ২০ ক = ১২ মিটার (দৈর্ঘ্য) প্রস্থ = (২ × ১২) ÷ ৩ = ৮ মিটার উত্তর: ক্ষেত্রফল = ১২ × ৮ = ৯৬ বর্গমিটার
a ২, ৫ এবং ৮
b ৫, ৪ এবং ৯
c ৩, ৪ এবং ৫
d সকল ক্ষেত্রে
0 92 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩, ৪ এবং ৫ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া আছে ৩, ৪ এবং ৫ সেন্টিমিটার ধরি, প্রথম বাহু = ৩ সেন্টিমিটার দ্বিতীয় বাহু = ৪ সেন্টিমিটার তৃতীয় বাহু = ৫ সেন্টিমিটার অতএব, ছোট বাহু দুটির যোগফল = ৩ + ৪ = ৭ সেন্টিমিটার অন্য বাহুটি = ৫ সেন্টিমিটার সুতরাং, ৭ সেন্টিমিটার ৫ সেন্টিমিটার অপেক্ষা বড় হয় উত্তর: ত্রিভুজ অঙ্কন করা সম্ভব
a 4
b 3
c 2
d 1
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১ প্রদত্ত তথ্য: x = y এর পাওয়ার a y = z এর পাওয়ার b z = x এর পাওয়ার c ধরি, প্রথম সমীকরণ থেকে পাই x = y এর পাওয়ার a এখানে y এর মান বসিয়ে পাই x = (z এর পাওয়ার b) এর পাওয়ার a অর্থাৎ x = z এর পাওয়ার (abc) অতএব, আমরা জানি z = x এর পাওয়ার c এখন z এর মান প্রথম সমীকরণে বসিয়ে পাই x = (x এর পাওয়ার c) এর পাওয়ার (abc) সুতরাং x এর পাওয়ার ১ = x এর পাওয়ার (abc সম্বলিত ঘাত) সুতরাং, ভিত্তিমূল্য সমান হওয়ায় ঘাতগুলো তুলনা করে পাই abc = ১ উত্তর: ১
a 5
b 6
c 8
d 9
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩০ বছর ৬ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত ৫:১ ধরি, পিতার বর্তমান বয়স = ক বছর পুত্রের বর্তমান বয়স = খ বছর অতএব, বর্তমানে পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩০ × ২ = ৬০ বছর ৬ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ক + ৬ বছর সুতরাং, ৬ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = খ + ৬ বছর ৬ বছর পরে তাদের মোট বয়স হবে = ৬০ + ৬ + ৬ = ৭২ বছর উত্তর: ৬ বছর পরে অনুপাতের যোগফল = ৫ + ১ = ৬ এবং পুত্রের বয়স হবে ৭২ × (১ ÷ ১২) = ৬ বছর
a ±9
b ±7
c ±5
d ±3
1 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ±৭ প্রদত্ত তথ্য: a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ = ৫১ আমরা জানি, বিয়োগের অনুসিদ্ধান্ত সূত্র অনুযায়ী (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = (a + ১ ভাগ a) এর বর্গ − ৪ অথবা সরাসরি মান নির্ণয়ের সূত্র থেকে পাই (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = (a এর বর্গ + ১ ভাগ a এর বর্গ) − ২ মান বসিয়ে পাই, (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = ৫১ − ২ (a − ১ ভাগ a) এর বর্গ = ৪৯ অতএব, উভয় পক্ষে বর্গমূল করে পাই a − ১ ভাগ a = ± √৪৯ সুতরাং, a − ১ ভাগ a = ± ৭ উত্তর: ± ৭
a 30
b 60
c 225
d 150
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২২৫ প্রদত্ত তথ্য: রাশির মান হলো (√৩ × √৫) এর ওপর ঘাত ৪ ধরি, ভেতরের অংশটি হলো (√৩ × √৫) অতএব, এটিকে বর্গ করলে পাই (√৩ × √৫) এর বর্গ = ৩ × ৫ = ১৫ সুতরাং, ১৫ এর ওপর বর্গ করলে পাই ১৫ × ১৫ = ২২৫ উত্তর: ২২৫
a 60°
b 70°
c 90°
d 120°
0 91 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৯০° প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতির উপপাদ্য অনুযায়ী বৃত্তের একটি নির্দিষ্ট ব্যাস বিবেচনা করা হলো বৃত্তের কেন্দ্র এবং পরিধির ওপর একটি অর্ধবৃত্ত আঁকা হলো ধরি, বৃত্তের কেন্দ্র হলো ও বিন্দু এবং ব্যাস হলো এ বি পরিধির ওপর যেকোনো একটি বিন্দু হলো সি অতএব, সি বিন্দুটি এ বি ব্যাসের সাথে পরিধিতে যুক্ত আছে এ সি বি কোণটি হলো অর্ধবৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণটি বৃত্তের একটি সরল কোণ যার মান একশো আশি ডিগ্রি সুতরাং, অর্ধবৃত্তস্থ কোণটি কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক পরিমাপের সমান হবে উত্তর: ৯০°
a 2/5
b 5/2
c 7/4
d 11/2
0 90 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৫/২ প্রدত্ত তথ্য: লগারিদম এর রাশি দেওয়া আছে প্রথম অংশ লগ রুট ৩ বেস ৩ দ্বিতীয় অংশ লগ ৪ বেস ২ ধরি, প্রথম রাশি = লগ রুট ৩ বেস ৩ দ্বিতীয় রাশি = লগ ৪ বেস ২ অতএব, প্রথম রাশির মান = ২ দ্বিতীয় রাশির মান = ১/২ সুতরাং, মোট মান = ২ + (১/২) উত্তর: ৫/২
a 2100
b 2200
c 2500
d 3500
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২১০০ প্রদত্ত তথ্য: মোট টাকার পরিমাণ = ৯৮০০ টাকা অনুপাতগুলোর মান = ২, ৩, ৪ এবং ৫ ধরি, অনুপাতের আনুপাতিক রাশিগুলির যোগফল = ২ + ৩ + ৪ + ৫ = ১৪ অতএব, সবচেয়ে বড় অংশ = ৯৮০০ × (৫ ÷ ১৪) টাকা = ৩৫০০ টাকা সবচেয়ে ছোট অংশ = ৯৮০০ × (২ ÷ ১৪) টাকা = ১৪০০ টাকা সুতরাং, বৃহত্তর এবং ক্ষুদ্রতর অংশের পার্থক্য = ৩৫০০ − ১৪০০ টাকা = ২১০০ টাকা উত্তর: ২১০০ টাকা
a 0.085416666666667
b 0.12777777777778
c 0.17291666666667
d 0.37777777777778
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দুইটি বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩ : ২ ধরি, প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক অতএব, প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক)বর্গ = ৯পাই × (ক)বর্গ দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক)বর্গ = ৪পাই × (ক)বর্গ সুতরাং, ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯পাই × ক বর্গ) ÷ (৪পাই × ক বর্গ) = ৯ ÷ ২৪ = ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮ উত্তর: ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a 420
b 450
c 460
d 480
0 94 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫০ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্য বিক্রি করে ১০% ক্ষতি হলো বিক্রয় মূল্য ১৩৫ টাকা বেশি হলে ২০% লাভ হতো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় মূল্য = ৯০ টাকা ২০% লাভে বিক্রয় মূল্য = ১২০ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য = ১২০ টাকা − ৯০ টাকা = ৩০ টাকা উত্তর: ৩০ টাকার পার্থক্য হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, আর ১৩৫ টাকার পার্থক্যের জন্য ক্রয়মূল্য হবে (১০০ × ১৩৫) ÷ ৩০ = ৪৫০ টাকা
a 10
b 12.5
c 15
d 25
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১২.৫ প্রদত্ত তথ্য: আসল = ৫০০০ টাকা সুদের হার = ৫% সময় = ২ বছর ধরি, সরল সুদ = I চক্রবৃদ্ধি সুদ = C অতএব, সরল সুদ I = (৫০০০ × ৫ × ২) ÷ ১০০ = ৫০০ টাকা চক্রবৃদ্ধি সুদ C = ৫০০০ × (১ + ৫ ÷ ১০০) এর উপর পাওয়ার ২ − ৫০০০ সুতরাং, চক্রবৃদ্ধি সুদ C = ৫০০০ × (২১ ÷ ২০) × (২১ ÷ ২০) − ৫০০০ = ৫৫১২.৫ − ৫০০০ = ৫১২.৫ টাকা উত্তর: সুদের পার্থক্য = ৫১২.৫ − ৫০০ = ১২.৫ টাকা
a 25
b 50
c (১০০/৩)
d (২০০/৩)
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) (১০০/৩) প্রদত্ত তথ্য: ৮ জন লোক একটি কাজ করতে পারে ১২ দিনে ধরি, প্রাথমিক লোকসংখ্যা = ৮ জন কাজের দিন = ১২ দিন নতুন লোকসংখ্যা = ৮ − ২ = ৬ জন অতএব, ৮ জন লোক কাজটি করে ১২ দিনে ১ জন লোক কাজটি করে ১২ × ৮ = ৯৬ দিনে ৬ জন লোক কাজটি করে ৯৬ ÷ ৬ = ১৬ দিনে সুতরাং, দিন বেশি লাগবে = ১৬ − ১২ = ৪ দিন উত্তর: (৪ × ১০০) ÷ ১২ = (১০০/৩)%
a 10
b 9
c 8
d 6
0 87 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৬ প্রদত্ত তথ্য: ৩ জন পুরুষ অথবা ৫ জন বালক একটি কাজ করে ২০ দিনে। ৪ জন পুরুষ এবং ১০ জন বালক ওই কাজটি করবে। ধরি, ৩ জন পুরুষ = ৫ জন বালক তাহলে ১ জন পুরুষ = ৫ ÷ ৩ জন বালক অতএব, ৪ জন পুরুষ = (৫ × ৪) ÷ ৩ জন বালক = ২০ ÷ ৩ জন বালক সুতরাং, ৪ জন পুরুষ এবং ১০ জন বালক = (২০ ÷ ৩) + ১০ জন বালক = ৫০ ÷ ৩ জন বালক উত্তর: (৫ × ২০) ÷ (৫০ ÷ ৩) = ৬ দিনে
a ৩০ সেকেন্ড
b ৯০ সেকেন্ড
c ৩ মিনিট
d ৫ মিনিট
0 108 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৩ মিনিট প্রদত্ত তথ্য: ঘণ্টাগুলো একত্রে বাজার পর পুনরায় বাজার সময় বের করতে হবে। ঘণ্টাগুলো ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫ সেকেন্ড অন্তর বাজে। ধরি, ঘণ্টাগুলোর পৃথক বাজার সময়ের间隔 ৩, ৬, ৯, ১২ এবং ১৫ সেকেন্ড। এগুলোর লসাগু বের করলেই নির্ণেয় সময় পাওয়া যাবে। অতএব, ৩, ৬, ৯, ১২ এবং ১৫ এর লসাগু নির্ণয় করতে হবে। ৩ = ৩ × ১ ৬ = ২ × ৩ ৯ = ৩ × ৩ ১২ = ২ × ২ × ৩ ১৫ = ৩ × ৫ সুতরাং, লসাগু = ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ = ১৮০ সেকেন্ড। উত্তর: ১৮০ সেকেন্ড বা ৩ মিনিট

মোট প্রশ্ন (25)

a অষ্টম
b নবম
c দশম
d একাদশ
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: B) নবম কেন সঠিক: - অ্যান্তোনিও গুতেরেস ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি পূর্বে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অষ্টম — বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন যিনি গুতেরেসের পূর্বে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। B) নবম — এটি সঠিক উত্তর কারণ অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। C) দশম — জাতিসংঘের দশম কোনো মহাসচিব এখনো নির্বাচিত হননি, বর্তমানে নবম মহাসচিবই দায়িত্বে আছেন। D) একাদশ — জাতিসংঘের একাদশ মহাসচিব পদের জন্য এখনো কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: গুতেরেস হলেন পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাতিসংঘের নবম মহাসচিব।
a Geographic Information System
b Geographical Information System
c Geographic Integrated System
d Geological Integrated System
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: ICT ও ডিজিটাল প্রযুক্তি সঠিক উত্তর: A) Geographic Information System কেন সঠিক: - GIS হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা পৃথিবীর উপরিভাগের ভৌগোলিক উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করে। - প্রযুক্তিগত পরিভাষায় এই সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সর্বজনীন ও প্রাতিষ্ঠানিক নাম Geographic Information System। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Geographic Information System — এটি বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত এবং পরীক্ষিত সঠিক রূপ। B) Geographical Information System — শুনতে কাছাকাছি মনে হলেও এটি এই প্রযুক্তির আন্তর্জাতিকভাবে প্রমিত বা দাপ্তরিক রূপ নয়। C) Geographic Integrated System — এটি কোনো প্রচলিত প্রযুক্তিগত পরিভাষা বা জিআইএসের পূর্ণরূপ নয়। D) Geological Integrated System — এটি ভূতত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত হলেও জিআইএসের সঠিক পূর্ণরূপ নয়। মনে রাখার টিপস: শব্দটি মনে রাখতে মাথায় রাখবে জিআইএস মানে ভূগোলের তথ্য সংক্রান্ত সিস্টেম, তাই Geographical না হয়ে Geographic হবে।
a থাইরক্সিন
b ইনিসুলিন
c গ্লুকাগন
d করটিসোল
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) থাইরক্সিন কেন সঠিক: - থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসারিত থাইরক্সিন হরমোনের প্রধান উপাদান হলো আয়োডিন। - শরীরে আয়োডিনের অভাব হলে থাইরক্সিন হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে এবং থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে গিয়ে গলগন্ড বা ঘ্যাগ রোগের সৃষ্টি করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) থাইরক্সিন — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অভাবেই মূলত গলগন্ড রোগ দেখা দেয়। B) ইনিসুলিন — এটি অগ্ন্যাশয় থেকে উৎপাদিত হরমোন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, এর অভাবে ডায়াবেটিস হয়। C) গ্লুকাগন — এটিও অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসারিত হরমোন যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। D) করটিসোল — এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিসৃত হয় এবং বিপাক্রিয়া ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। মনে রাখার টিপস: আয়োডিনের অভাবে থাইরক্সিন কমে, থাইরক্সিন কমলে গলা ফুলে হয় গলগন্ড।
a করোনা-১
b কোভিড-১৯
c করোনা ভাইরাস
d SARS-COV-1
0 119 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কোভিড-১৯ কেন সঠিক: - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি করোনা ভাইরাসের দাপ্তরিক নাম দেয় কোভিড-১৯। - এই নামের পূর্ণরূপ হলো করোনোভাইরাস ডিজিজ ২০১৯। বাকি অপশন কেন ভুল: A) করোনা-১ — এটি করোনা ভাইরাসের দাপ্তরিক বা বৈজ্ঞানিক নাম নয়। B) কোভিড-১৯ — এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত করোনা ভাইরাসের সঠিক দাপ্তরিক নাম। C) করোনা ভাইরাস — এটি ভাইরাসের সাধারণ বা প্রচলিত নাম, কোনো দাপ্তরিক বা প্রাতিষ্ঠানিক নাম নয়। D) SARS-COV-1 — এটি ২০০২ সালের সার্স ভাইরাসের বৈজ্ঞানিক নাম, বর্তমান কোভিডের নাম নয়। মনে রাখার টিপস: কোভিড-১৯ নামের সিও অর্থ করোনা, ভিআই অর্থ ভাইরাস এবং ডি অর্থ ডিজিজ আর ১৯ এসেছে ২০২০ সালের আগের ২০১৯ সাল থেকে।
a ROM
b Secondary storage
c RAM
d কোনটি নয়
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) RAM কেন সঠিক: - RAM বা রেন্ডম এক্সেস মেমরি হলো একটি উদ্বায়ী বা ভোলাটাইল মেমরি যা বৈদ্যুতিক সংযোগ চালু থাকা পর্যন্ত তথ্য ধরে রাখে। - বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে এই মেমরিতে থাকা সমস্ত সাময়িক তথ্য বা ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ROM — এটি রিড অনলি মেমরি, যা স্থায়ী মেমরি এবং বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর তথ্য মুছে যায় না। B) Secondary storage — এটি হার্ড ডিস্ক বা পেনড্রাইভের মতো স্থায়ী সংরক্ষক মাধ্যম, যেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও ডেটা সুরক্ষিত থাকে। C) RAM — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। D) কোনটি নয় — যেহেতু সঠিক উত্তর সি অপশনে বিদ্যমান, তাই এটি ভুল। মনে রাখার টিপস: RAM হলো কাঁচা হাতের লেখা, বিদ্যুৎ গেলে মুছে যায়; আর ROM হলো পাকা কালির লেখা, বিদ্যুৎ গেলেও থেকে যায়।
a আইলিপ
b আইসাইট
c আইডট
d আইলাইট
0 98 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আইসাইট কেন সঠিক: - এটি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও দৃষ্টিহীন ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বাংলাদেশের প্রথম বাংলা স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার। - এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে দৃষ্টিহীনরা কম্পিউটারের পর্দা বা স্ক্রিনের লেখা বাংলায় শুনতে ও পড়তে পারেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আইলিপ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি দৃষ্টিহীনদের জন্য তৈরি কোনো সুপরিচিত বাংলা সফটওয়্যার নয়। B) আইসাইট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়েছে। C) আইডট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, এটি অন্য কোনো প্রযুক্তিগত বা কাল্পনিক নাম হতে পারে। D) আইলাইট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ এটি দৃষ্টিহীনদের জন্য উদ্ভাবিত বাংলার প্রথম সফটওয়্যার নয়। মনে রাখার টিপস: চোখ দিয়ে আমরা 'সাইট' বা দৃষ্টি রাখি, তাই দৃষ্টিহীনদের জন্য প্রথম বাংলা সফটওয়্যারের নাম 'আইসাইট'।
a দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা
b ক্ষয়রোধের জন্য
c পুষ্টির অভাব পূরণে
d হাড় গঠনে
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা কেন সঠিক: - শর্করা বা কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য পরিপাকের পর গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং জারিত হয়ে শক্তি ও তাপ উৎপন্ন করে। - এই উৎপাদিত তাপ শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে এবং দৈনন্দিন কাজের শক্তি জোগাতে প্রধান ভূমিকা রাখে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেহের প্রয়োজনীয় তাপ উৎপন্ন করা — এটি সঠিক উত্তর, কারণ শর্করার প্রধান কাজ হলো শক্তি ও তাপ উৎপাদন করা। B) ক্ষয়রোধের জন্য — এটি সঠিক নয়, কারণ দেহের ক্ষয়পূরণ ও কোষ গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য। C) পুষ্টির অভাব পূরণে — এটি সঠিক নয়, কারণ পুষ্টির সামগ্রিক চাহিদা বিভিন্ন উপাদানের ওপর নির্ভর করে এবং এটি শর্করার নির্দিষ্ট কাজ নয়। D) হাড় গঠনে — এটি সঠিক নয়, কারণ হাড় ও দাঁত গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মতো খনিজ লবণ। মনে রাখার টিপস: শর্করা মানেই শক্তি বা তাপ, আর আমিষ মানেই দেহের ক্ষয়পূরণ ও গঠন।
a স্টকহোম
b নাইরোবি
c হেগ
d বৈরুত
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও ভূগোল এবং পরিবেশ সঠিক উত্তর: B) নাইরোবি কেন সঠিক: - জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি বা ইউএনইপি এর সদর দপ্তর কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত। - ১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্সের পর এই সংস্থাটি গঠিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় উন্নয়নশীল বিশ্বে স্থাপন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্টকহোম — এটি সুইডেনের রাজধানী এবং ১৯৭২ সালের পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। B) নাইরোবি — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত। C) হেগ — এটি নেদারল্যান্ডসের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কেন্দ্র। D) বৈরুত — এটি লেবাননের রাজধানী এবং এখানে জাতিসংঘের পশ্চিম এশিয়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: পরিবেশ রক্ষায় প্রকৃতিপ্রেমী নাইরোবি পরিবেশের রাজধানী হিসেবে পরিচিত, যেখানে ইউএনইপির সদর দপ্তর অবস্থিত।
a টিউমারোলজি
b অকোলজি
c অঙ্কোলজি
d সাইটোলজি
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অঙ্কোলজি কেন সঠিক: - চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে শাখায় ক্যান্সার ও টিউমারের বিস্তার এবং চিকিৎসা নিয়ে গবেষণা ও আলোচনা করা হয়, তাকে অঙ্কোলজি বলে। - গ্রিক শব্দ অনকোস যার অর্থ টিউমার এবং লোগিয়া যার অর্থ অধ্যয়ন, এই দুটি শব্দ মিলে অঙ্কোলজি শব্দটি এসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) টিউমারোলজি — এটি কোনো প্রচলিত বা শুদ্ধ চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক পরিভাষা নয়। B) অকোলজি — এটি বানানগত ত্রুটিপূর্ণ একটি শব্দ এবং সঠিক চিকিৎসা পরিভাষার অংশ নয়। C) অঙ্কোলজি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) সাইটোলজি — এটি জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে কোষ বা সেল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। মনে রাখার টিপস: অঙ্কের মতো ক্যান্সার রোগটিও শরীরের জন্য একটি জটিল হিসাব, তাই ক্যান্সার সংক্রান্ত বিদ্যা হলো অঙ্কোলজি।
a লৌহ
b ভিটামিন-সি
c ক্যালসিয়াম
d ভিটামিন-এ
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্যালসিয়াম কেন সঠিক: - কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম oxalate থাকে, যা মানবদেহের হাড় ও দাঁত গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - অন্যান্য শাকসবজির তুলনায় কচুশাকে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অনেক বেশি থাকায় এটি ক্যালসিয়ামের একটি অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লৌহ — কচুশাকে লৌহ বা আয়রন থাকলেও এটি এই শাকের সবচেয়ে প্রধান ও বিশেষভাবে মূল্যবান উপাদান হিসেবে চিহ্নিত নয়। B) ভিটামিন-সি — কচুশাকে ভিটামিন-সি রয়েছে, তবে এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট ও প্রধান মূল্যবান উপাদান নয়। D) ভিটামিন-এ — কচুশাকে ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা মূলত দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় কাজ করে। মনে রাখার টিপস: কচুশাক মুখে চুলকানোর কারণ ক্যালসিয়াম অক্সালেট, তাই মনে রাখবেন কচুশাক মানেই ক্যালসিয়ামের প্রাচুর্য।
a 1995
b 1996
c 1997
d 1998
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯৫ কেন সঠিক: - বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি বা সিস্টেম চালু হয় ১৯৯৫ সালের জুন মাসে। - বেক্সিমকো গ্রুপের সহায়তায় এবং সালমোটেক নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রথম বাণিজ্যিক ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1995 — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট সিস্টেম চালু হয়েছিল, যা সঠিক। B) 1996 — এই সালে ইন্টারনেট সেবার পরিধি কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও চালুর সাল এটি নয়। C) 1997 — এই সালে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন সেবা বিস্তার লাভ করে, ইন্টারনেট চালুর সাল এটি নয়। D) 1998 — এই সালটি বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট চালুর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ প্রথম ইন্টারনেট পায় ১৯৯৫ সালে, মনে রাখতে নব্বইয়ের দশকের মাঝামঝি সময়টিকে স্মরণ করুন।
a আফ্রিকা
b দক্ষিণ আমেরিকা
c এশিয়া
d ইউরোপ
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) এশিয়া কেন সঠিক: - গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের একটি বিশাল মরু অঞ্চল, যা চীন ও মঙ্গোলিয়ার অংশজুড়ে বিস্তৃত। - এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান ও বৃহত্তম মরুভূমিগুলোর একটি এবং হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বৃষ্টির ছায়া অঞ্চলে অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আফ্রিকা — এই মহাদেশে সাহারা ও কালাহারি মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি নয়। B) দক্ষিণ আমেরিকা — এই মহাদেশে আটাকামা মরুভূমি অবস্থিত, গোবি মরুভূমি এখানে নেই। C) এশিয়া — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এই মহাদেশেই গোবি মরুভূমি অবস্থিত। D) ইউরোপ — এই মহাদেশে কোনো উল্লেখযোগ্য বৃহৎ মরুভূমি নেই, গোবি মরুভূমি এশিয়ায় অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: এশিয়ার বিশাল দেশ চীন ও মঙ্গোলিয়া জুড়েই বিখ্যাত গোবি মরুভূমি বিস্তৃত আছে।
a বরিস জনসন
b লিজ ট্রাস
c ঋষি সুনাক
d টনি ব্লেয়ার
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঋষি সুনাক কেন সঠিক: - ঋষি সুনাক ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। - তিনি প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং প্রথম অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি যিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করেছেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বরিস জনসন — তিনি যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী যিনি ২০২২ সালের জুলাই মাসে পদত্যাগ করেন। B) লিজ ট্রাস — তিনি বরিস জনসনের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হন এবং মাত্র ৪৫ দিন দায়িত্ব পালন করে পদত্যাগ করেন। C) ঋষি সুনাক — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়। D) টনি ব্লেয়ার — তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মনে রাখার টিপস: যুক্তরাজ্যের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী হলেন ঋষি সুনাক।
a কুতুবদিয়া
b ভোলা
c মহেশখালি
d সেন্টমার্টিন
0 86 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের বিষয় ও ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও ভূগোল সঠিক উত্তর: C) মহেশখালি কেন সঠিক: - এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি পাহাড়ি দ্বীপ এবং ভৌগোলিক দিক থেকে এটি দেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। - এই দ্বীপে আদিনাথ মন্দিরসহ ছোট-বড় বেশ কিছু পাহাড়ি উঁচু ভূমি ও টিলা রয়েছে, যা সমতল দ্বীপগুলো থেকে এটিকে আলাদা করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুতুবদিয়া — এটি বাংলাদেশের একটি উপকূলীয় ও সমতল দ্বীপ, কোনো পাহাড়ি দ্বীপ নয়। B) ভোলা — এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ এবং এটি সম্পূর্ণভাবেই মেঘনা নদীর অববাহিকায় গঠিত একটি সমতল দ্বীপ। D) সেন্টমার্টিন — এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ, কোনো পাহাড়ি দ্বীপ নয়। মনে রাখার টিপস: পাহাড় আছে যেখানে, মহেশখালি দ্বীপ শুধু সেখানে।
a রুমানিয়া
b পোল্যান্ড
c ইউক্রেন
d স্পেন
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইউক্রেন কেন সঠিক: - কিয়েভ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র ইউক্রেনের রাজধানী এবং সবচেয়ে বড় শহর। - এটি দিনিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত এবং দেশটির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রুমানিয়া — রুমানিয়ার রাজধানী কিয়েভ নয়, এর রাজধানী বুখারেস্ট। B) পোল্যান্ড — পোল্যান্ডের রাজধানী কিয়েভ নয়, এর রাজধানী ওয়ারশ। C) ইউক্রেন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি ভুল নয়। D) স্পেন — স্পেনের রাজধানী কিয়েভ নয়, এর রাজধানী মাদ্রিদ। মনে রাখার টিপস: ইউক্রেনের সাথে কিয়েভ নাম মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে ইউক্রেনের সংকটময় সময়ে কিয়েভ শহরটি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় ছিল।
a ১৫৪টি
b ১৭৪টি
c ১৬৪টি
d ১৮৪টি
0 93 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৬৪টি কেন সঠিক: - বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিও এর ১৬৪তম সদস্য দেশ হিসেবে আফগানিস্তান ২০১৬ সালে যোগদান করে। - এই সদস্য সংখ্যা দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত ছিল, যদিও পরবর্তীতে আরও কিছু দেশ এতে যুক্ত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৫৪টি — এই সংখ্যাটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য সংখ্যার সঙ্গে মিল নেই এবং এটি একটি ভুল তথ্য। B) ১৭৪টি — বর্তমান সদস্য সংখ্যা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এটি সঠিক সংখ্যা নয়। D) ১৮৪টি — এই সংখ্যাটি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি এবং বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। মনে রাখার টিপস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৬৪তম সদস্য দেশ আফগানিস্তানের নাম মনে রাখলে সংখ্যাটি সহজেই মনে রাখা সম্ভব।
a ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
b ২৪ মার্চ ২০২২
c ২৪ জানুয়ারি ২০২২
d ২৪ এপ্রিল ২০২২
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ কেন সঠিক: - রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ২০২২ সালের এই দিনে ইউক্রেনে সর্বাত্মক সামরিক আক্রমণ শুরু হয়। - এই সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং দীর্ঘস্থায়ী বৈশ্বিক সংকটের সূচনা করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ — এই দিনটিতেই রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। B) ২৪ মার্চ ২০২২ — এই তারিখটি সামরিক অভিযান শুরুর তারিখ নয়, এটি যুদ্ধের পরের একটি সময়কাল। C) ২৪ জানুয়ারি ২০২২ — এই সময়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চরম উত্তেজনা থাকলেও সামরিক অভিযান শুরু হয়নি। D) ২৪ এপ্রিল ২০২২ — এই তারিখটি সামরিক অভিযান শুরুর প্রায় দুই মাস পরের সময়। মনে রাখার টিপস: ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহের শুরুতে অর্থাৎ ২৪ তারিখে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালায়।
a গাম্বিয়া
b সেনেগাল
c সৌদি আরব
d কুয়েত
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গাম্বিয়া কেন সঠিক: - ওআইসি এর পক্ষে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে। - রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর চালানো নৃশংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনকে ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনের লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাম্বিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই গরিব আফ্রিকান দেশটি মুসলিম বিশ্বের পক্ষে আইসিজেতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়। B) সেনেগাল — এটি ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র হলেও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা পরিচালনার মূল উদ্যোগ বা নেতৃত্ব নেয়নি। C) সৌদি আরব — ওআইসির প্রভাবশালী সদস্য এবং শীর্ষ অর্থায়নকারী দেশ হলেও গাম্বিয়া আইসিজেতে মামলার আনুষ্ঠানিক বাদী হিসেবে ভূমিকা পালন করে। D) কুয়েত — এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মুসলিম দেশ হলেও রোহিঙ্গাদের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা দায়েরের মূল কাজটি গাম্বিয়া সম্পন্ন করে। মনে রাখার টিপস: রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার চেয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল আফ্রিকার ছোট দেশ গাম্বিয়া।
a রাঙ্গামাটি জেলায়
b খাগড়াছড়ি জেলায়
c বান্দরবান জেলায়
d সিলেট জেলায়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রাঙ্গামাটি জেলায় কেন সঠিক: - বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোর মধ্যে রাঙ্গামাটিতে চাকমা জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা সর্বাধিক বসবাস করে। - চাকমা জনগোষ্ঠী প্রধানত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করলেও রাঙ্গামাটিতে এদের ঘনত্ব ও সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাঙ্গামাটি জেলায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই জেলায় চাকমা জনগোষ্ঠীর জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। B) খাগড়াছড়ি জেলায় — এই জেলায় চাকমা জনগোষ্ঠীর বসবাস থাকলেও সংখ্যা রাঙ্গামাটির তুলনায় কম। C) বান্দরবান জেলায় — এই জেলায় প্রধানত মারমা ও ম্রো জনগোষ্ঠীর আধিক্য বেশি, চাকমা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কম। D) সিলেট জেলায় — এই অঞ্চলে চাকমা জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই, এখানে প্রধানত মনিপুরী ও খাসিয়া উপজাতি বসবাস করে। মনে রাখার টিপস: পার্বত্য অঞ্চলের মধ্যে রাঙ্গামাটি জেলা চাকমা জনগোষ্ঠীর প্রধান কেন্দ্র বা রাজধানী হিসেবে পরিচিত।
a ১ টাকা
b ২ টাকা
c ৫ টাকা
d ১০ টাকা
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২ টাকা কেন সঠিক: - বাংলাদেশের প্রচলিত ২ টাকার কয়েন বা নোটে ‘সবার জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটি খোদিত বা মুদ্রিত থাকে। - প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন ও বাধ্যতামূলক করার সরকারি অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে এই স্লোগান ব্যবহার করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১ টাকা — ১ টাকার নোটে বা কয়েনে পরিবার পরিকল্পনা বা কৃষি বিষয়ক স্লোগান ব্যবহৃত হয়, সবার জন্য শিক্ষা নয়। B) ২ টাকা — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়, বরং এটিই নির্ধারিত স্লোগান বহন করে। C) ৫ টাকা — ৫ টাকার নোটে সাধারণত জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থান ও প্রতীক থাকে। D) ১০ টাকা — ১০ টাকার নোটে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ বা টেরাকোটার নকশা মুদ্রিত থাকে। মনে রাখার টিপস: শিক্ষা পেতে হলে অন্তত দুই টাকা খরচ করে খাতা কিনতে হয়, এই সাধারণ মিল দিয়ে ২ টাকার নোটের ‘সবার জন্য শিক্ষা’ স্লোগানটি মনে রাখতে পারেন।
a ২৩ মার্চ ১৯৭১
b ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
c ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭
d ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
0 432 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন। - ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আয়োজিত ওই বিশাল সংবর্ধনা সভায় সর্বদলীয় ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২৩ মার্চ ১৯৭১ — এটি ঐতিহাসিক পাকিস্তান দিবস এবং এই দিনে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালন করে। B) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই দিনেই শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়েছিল। C) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭ — এই সালের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদানের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কিত নয়। D) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ — এই বছর ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল, যা উপাধি প্রদানের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঠিক পরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।
a আজিজুর রহমান
b ফেরদৌসী মজুমদার
c কালীপদ দাস
d জাফর ওয়াজেদ
0 201 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আজিজুর রহমান কেন সঠিক: - স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন বিচারপতি আজিজুর রহমান। - তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিচার বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজিজুর রহমান — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০২০ সালে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে এই পুরস্কার লাভ করেছিলেন। B) ফেরদৌসী মজুমদার — তিনি বিশিষ্ট অভিনেত্রী এবং ২০২০ সালে শিল্পকলা ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে নয়। C) কালীপদ দাস — তিনি ২০২০ সালে সংস্কৃতি ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রে নয়। D) জাফর ওয়াজেদ — তিনি সাংবাদিকতা ক্ষেত্রে ২০২০ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন, যা মুক্তিযুদ্ধ ক্ষেত্রের জন্য নয়। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ২০২০ সালে বিচারক আজিজুর রহমান স্বাধীনতা পুরস্কার পান, যা আইন ও বিচার বিভাগের অবদানের সাথে মিলে যায়।
a ঢাকা
b গাজীপুর
c যশোর
d সিলেট
0 101 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যশোর কেন সঠিক: - যশোর জেলা বাংলাদেশের প্রথম জেলা হিসেবে সরকারি সব সেবা ডিজিটাল মাধ্যম বা তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসে। - ২০১০ সালের ২৭ শে জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরকে দেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং সবচেয়ে জনবহুল জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলা নয়। B) গাজীপুর — এটি একটি শিল্পসমৃদ্ধ জেলা এবং সিটি করপোরেশন এলাকা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলার মর্যাদা পায়নি। C) যশোর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর বিধায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে প্রযোজ্য নয়। D) সিলেট — এটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ও জেলা হলেও প্রথম ডিজিটাল জেলা হিসেবে ঘোষিত হয়নি। মনে রাখার টিপস: ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা যশোর থেকে।
a আব্দুস সালাম
b রফিক উদ্দিন
c আবুল বরকত
d সকলেই
0 88 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আবুল বরকত কেন সঠিক: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন আবুল বরকত। - তিনি তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আব্দুস সালাম — তিনি ভাষা শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তিনি তৎকালীন ডাক বিভাগের একজন পিয়ন ছিলেন। B) রফিক উদ্দিন — তিনি ভাষা শহীদ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নন, তিনি জগন্নাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের ছাত্র ছিলেন। C) আবুল বরকত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। D) সকলেই — যেহেতু বাকি দুজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন, রফিক পড়তেন জগন্নাথ কলেজে আর সালাম চাকরি করতেন ডাক বিভাগে।
a হবিগঞ্জ
b মৌলভীবাজার
c সিলেট
d কুড়িগ্রাম
0 463 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৌলভীবাজার কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট চা বাগানের অর্ধেকের বেশি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। - শ্রীমঙ্গল উপজেলা মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত হওয়ায় একে চায়ের রাজধানী বলা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হবিগঞ্জ — এটি চা উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, যা মৌলভীবাজারের চেয়ে কম। B) মৌলভীবাজার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে চায়ের বাগান সর্বাধিক। C) সিলেট — সিলেটেও অনেক চা বাগান আছে, তবে সংখ্যায় এটি মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের পরে অবস্থান করে। D) কুড়িগ্রাম — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা যেখানে মূলত কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়, কোনো উল্লেখযোগ্য চা বাগান নেই। মনে রাখার টিপস: চা মানেই মৌলভীবাজার আর শ্রীমঙ্গল, যেখানে দেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে।