বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ

১৪ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা (কলেজ পর্যায়) ২০১৭

পদের নাম: বিভিন্ন পদ (৯ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

a 1909
b 1798
c 1907
d 1709
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ এবং হাজার বছর আগের সমাজচিত্র ও ধর্মীয় অনুশাসন সম্পর্কে জানার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও ধর্মের গূঢ় অর্থ প্রকাশের গান হিসেবে রচিত হয়েছিল যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপাদের রচনা যার শুরু হয় কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিয়ে পৈঠা কাল দিয়ে এই পঙক্তি দিয়ে। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি থেকে প্রাচীন বাংলা ভাষার শব্দগঠন, ব্যাকরণ এবং বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের রূপক অর্থ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কাগু বিষয়ে ভুসুকুপা রচিত আপন মাংসে হরিণা বৈরী পদটি অত্যন্ত বিখ্যাত একটি সাহিত্যিক নিদর্শন। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি দ্বারা তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র এবং মানুষের জীবন সংগ্রামের রূপক প্রকাশ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৯ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি বরং ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে এটি আবিষ্কার করেছিলেন। B) ১৭৯৮ — এই সালটি চর্যাপদ আবিষ্কারের ইতিহাসের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নয় কারণ এটি অনেক পরের একটি সময়কাল। D) ১৭০৯ — এই সালটিতে চর্যাপদ আবিষ্কারের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা তথ্য বাংলা সাহিত্যে পাওয়া যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো হরিপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে যখন পুঁথি আনেন তখন সালটি ছিল বিশ শতকের প্রথম দশকের শেষভাগে অর্থাৎ ১৯০৭ সাল। ১৯১৬ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় যা আবিষ্কারের ঠিক নয় বছর পরের ঘটনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক আবিষ্কারের সাল এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। একইভাবে চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা এবং প্রথম পদের রচয়িতাও ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a ব্য+অর্থ
b বি+অর্থ
c ব্যা+অর্থ
d ব+অর্থ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বি+অর্থ ১. কেন সঠিক: ব্যর্থ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো বি যোগ অর্থ। এটি ই-কার বা ঈ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার জ-ফলা বা য-য়ে পরিণত হওয়ার নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি যণ সন্ধির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই বা ঈ ব্যতীত অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় য-ফলা বা য হয়। এখানে বি শব্দের ই-কারের সঙ্গে অর্থ শব্দের অ যুক্ত হয়ে য-ফলা তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি যোগ অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর অ যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং দ যোগ য মিলে দ্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ইতি যোগ আদি = ইত্যাদি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর আ যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং ত যোগ য মিলে ত্যা গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্য+অর্থ — ব্য কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির প্রমিত নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। B) বি+অর্থ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে বি উপসর্গ এবং অর্থ শব্দ মিলে ব্যর্থ গঠিত হয়েছে। C) ব্যা+অর্থ — ব্যা কোনো ব্যাকরণসম্মত সন্ধি বিচ্ছেদের অংশ বা উপসর্গ নয়। D) ব+অর্থ — ব একা কোনো উপসর্গ বা শব্দ হিসেবে সন্ধিতে এই রূপ তৈরি করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার উঠে গিয়ে য-ফলা হয়। ব্যর্থ শব্দের শুরুতে ব্য দেখলেই বি যোগ অর্থ চিন্তা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যণ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ইতি যোগ আদি এবং যদি যোগ অপি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ একই নিয়মে চর্চা করবে।
a গ্রিক
b তুর্কি
c ফারসি
d পর্তুগিজ
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: ইংরেজি শব্দটি বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিরা যখন বাংলায় এসেছিলেন, তখন তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে বাণিজ্যের ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যমে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় ধর্মযাজক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সাবান ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিক - গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি ইংরেজি শব্দটি আসেনি। গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা শব্দের সংখ্যা খুবই কম। B) তুর্কি - তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা, তোপ প্রভৃতি শব্দ এসেছে, ইংরেজি শব্দটি আসেনি। C) ফারসি - ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রচুর শব্দ আসলেও ইংরেজি শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে নেওয়া হয়নি। D) পর্তুগিজ - এই অপশনটি সঠিক কারণ ইংরেজি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকেই বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার জন্য দৈনন্দিন ব্যবহৃত বিদেশি পণ্য ও পদের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। যেমন ইংরেজি, পাদ্রি, সাবান, আনারস ইত্যাদি পর্তুগিজ শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a ৪ ভাগে
b ৩ ভাগে
c ৫ ভাগে
d ৬ ভাগে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ ভাগে ১. কেন সঠিক: উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি ও বিদেশি শব্দ (সাধারণত বিদেশি শব্দকে আলাদা ধরে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৫ ভাগ বলা হলেও প্রমিত ব্যাকরণে উৎপত্তিগতভাবে প্রধান ৪টি মূল শ্রেণি ধরা হয়)। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উৎপত্তি বা উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি-বিদেশি ভাগে বিশ্লেষণ করা হয়। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ধারায় সংস্কৃত এবং অন্যান্য ভাষা থেকে এসব শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। B) ৩ ভাগে — তিন ভাগে ভাগ করার কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। C) ৫ ভাগে — ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে পাঁচ ভাগ বলা হলেও বাংলা বোর্ড ব্যাকরণে প্রধান উৎস চার ভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। D) ৬ ভাগে — ছয় ভাগে শব্দকে ভাগ করার কোনো ঐতিহাসিক বা ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: উৎপত্তি অনুসারে শব্দের শ্রেণি মনে রাখার সূত্র হলো ত-অ-ত-দে-বি (তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি)। প্রধান মূল উৎস মূলত চার প্রকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তদ্ভব শব্দের অপর নাম কী, যার উত্তর হলো খাঁটি বাংলা শব্দ। উৎস বা উৎপত্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে প্রধানত চার ভাগের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
a ২২টি
b ২১টি
c ২০টি
d ২৩টি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা বিশটি। - এই উপসর্গগুলো তৎসম শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: প্র একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা হার শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: পরি একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা পূর্ণ শব্দের পূর্বে বসে সম্পূর্ণতা বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২টি — এটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা, সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নয়। B) ২১টি — এটি কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের প্রমিত সংখ্যা নির্দেশ করে না। C) ২০টি — এটি সঠিক সংখ্যা হওয়ায় এই অপশনটি নির্দেশিত হয়েছে। D) ২৩টি — এটি কোনো সঠিক উপসর্গের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুবিন প্রপরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি সু অপি অভি সু। - এই ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ ছন্দের মতো মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই কনফিউজ করে। - বাংলা উপসর্গ ২২টি এবং সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, এই দুটি সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রামমোহন রায়
b নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
c উইলিয়াম কেরী
d সুনীতিকুমার চট্টোপধ্যায়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১. কেন সঠিক: - নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণগ্রন্থ প্রকাশ করেন। - বইটি ইংরেজিতে রচিত এবং এর নাম ছিল এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: - নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ছিলেন একজন ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ ও সাহিত্যিক। - হুগলির হরিশচন্দ্র রায় বাংলা বর্ণমালা ডিজাইন বা খোদাই করে এই বই মুদ্রণে সাহায্য করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাখ্যা: এটি হ্যালহেড রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থ যা ১৭৭৮ সালে Hooghly প্রেসে মুদ্রিত হয়। উদাহরণ ২: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা ভাষায় রচিত বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামমোহন রায় — তিনি প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেননি, তিনি ১৮৩৩ সালে প্রথম বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন। B) নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। C) উইলিয়াম কেরী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান রচনা করলেও প্রথম ব্যাকরণকার নন। D) সুনীতিকুমার চট্টোপধ্যায় — তিনি বিশ শতকের প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী যিনি ১৯২৬ সালে ওডিবিএল গ্রন্থ রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: হ্যালহেড হলেন হ্যাল হ্যাল করে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ লিখেছিলেন ১৭৭৮ সালে। ইংরেজি ভাষায় লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ হ্যালহেডের লেখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থের রচয়িতা কে এবং কত সালে প্রকাশিত হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ইংরেজি ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ হ্যালহেড এবং বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রামমোহন রায় লিখেছিলেন।
a অর্থের অভাব
b অর্থের প্রাচুর্য্য
c অর্থের কু-প্রভাব
d অর্থের অহংকার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থের কু-প্রভাব ১. কেন সঠিক: - তামার বিষ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ তামার ধাতুগত বিষ নয়, বরং এর রূপক অর্থ হলো অর্থের মন্দ বা ক্ষতিকর প্রভাব। - মানুষের জীবনে অতিরিক্ত বা অবৈধ অর্থের আগমন ঘটে যখন তার চরিত্র ও নীতিতে পতন ঘটে, তখন তাকেই তামার বিষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ ও বাগধারা, যা বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে মানব আচরণ ও সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে। - বাগধারাটি অর্থের লোভ বা অর্থের কারণে মানুষের পতনশীল অবস্থাকে অত্যন্ত রূপক অর্থে প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ মানুষটি হঠাৎ ধনী হয়েই বদলে গেল, এ যেন তার ওপর তামার বিষের প্রভাব পড়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরিত্রের অবক্ষয়ের পেছনে অর্থের ক্ষতিকর প্রভাবকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ মূলত তামার বিষের কুফলেই সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাখ্যা: অর্থের মোহে পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি সুন্দরভাবে প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থের অভাব — তামার বিষ কখনো দারিদ্র্য বা আর্থিক সংকট বোঝায় না, বরং বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে। B) অর্থের প্রাচুর্য্য — প্রাচুর্য শুধু ধনসম্পদের আধিক্য বোঝায়, কিন্তু এর কুফল বা নেতিবাচক দিকটি এতে অনুপস্থিত। D) অর্থের অহংকার — অহংকার একটি মানসিক অবস্থা, কিন্তু তামার বিষ বলতে মূলত অর্থের কারণে ঘটা নৈতিক পতনকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো তামা একটি ধাতু এবং এর বিষ বলতে অর্থের খারাপ দিক বা কুফলকে মাথায় রাখা। - অর্থ যখন মানুষের নীতি নষ্ট করে, তখন তাকে তামার বিষ হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থের কুফল সংক্রান্ত বাগধারা হিসেবে এটি প্রায়ই আসে। - অর্থের বিভিন্ন নেতিবাচক দিক বোঝাতে এমন রূপক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
a কণ্ঠের সমীপে
b কণ্ঠের সদৃশ
c উপ যে কণ্ঠ
d কণ্ঠ পর্যন্ত
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কণ্ঠের সমীপে ১. কেন সঠিক: 'উপকণ্ঠ' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এখানে 'উপ' উপসর্গটি 'সামীপ্য' বা নিকটে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেখানে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয় এবং নতুন পদটি অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সমীপে বা নিকটে অর্থে পূর্বপদে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে এই সমাস সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কূলের সমীপে = উপকূল ব্যাখ্যা: এখানে কূল শব্দের সমীপ বা নিকট বোঝাতে উপকূল শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অক্ষির সমীপে = সমক্ষ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে বা নিকটে বোঝাতে অক্ষি শব্দের সমীপে অর্থে সমক্ষ শব্দটি তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কণ্ঠের সমীপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ উপকণ্ঠ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য এটি। B) কণ্ঠের সদৃশ — সদৃশ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হলে পূর্বপদে উপ বসে না, যেমন উপগ্রহ গ্রহের সদৃশ। C) উপ যে কণ্ঠ — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ব্যাকরণগত ব্যাসবাক্য বা সমাসের নিয়ম নয়। D) কণ্ঠ পর্যন্ত — পর্যন্ত অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, যেমন কণ্ঠ পর্যন্ত = আকণ্ঠ। ৫ মনে রাখার টিপস: সমীপে বা নিকটে অর্থ প্রকাশ করতে অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত উপ উপসর্গ ব্যবহার করা হয়। তাই উপকণ্ঠ দেখলেই কণ্ঠের সমীপে বা কাছে কথাটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উপসর্গের অর্থ এবং সমাসের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ীভাব সমাসের সমীপে অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a দুহঃ+যোগ
b দুঃ+যোগ
c দুর+যোগ
d দুরঃ+যোগ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুঃ+যোগ ১. কেন সঠিক: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি চ, ছ, ট, ঠ, ত বা থ থাকে তবে বিসর্গের স্থানে মূর্ধন্য স (ষ) হয়। তবে বিসর্গের পরে যদি জ বা অন্য কোনো ঘোষ বর্ণ থাকে, তবে বিসর্গ লোপ পেয়ে রেফ বা ও-কার হয় অথবা বিসর্গ স্থানে ও-কার হয়। দুর্যোগ শব্দের ক্ষেত্রে দুঃ যোগ যোগ মিলে দুর্যোগ গঠিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গ স্থলে ও-কার বা রেফ যুক্ত হওয়ার নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধি হলো স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে বিসর্গের পরিবর্তন ঘটিত সন্ধি। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে বিসর্গ স্থানে রেফ (র) আসার প্রক্রিয়াটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ রূপ। দুর্যোগ শব্দের বেলায় দু (উপসর্গ) যুক্ত যোগ মিলে দুর্যোগ সাধিত হয়েছে, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে ব্যাকরণে সিদ্ধ। নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর জ থাকলে বিসর্গ স্থানে র হয় এবং পরবর্তী বর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে রেফ হিসেবে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবির্ভাব (আবিঃ + ভাব) ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গের পরে ভ (ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণ) থাকায় বিসর্গ স্থানে রেফ হয়েছে। উদাহরণ ২: চতুর্দশ (চতুঃ + দশ) ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে দ থাকায় বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হয়ে রেফ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুহঃ+যোগ — দুহ বলে কোনো উপসর্গ বা শব্দ বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির ক্ষেত্রে সিদ্ধ নয়। C) দুর+যোগ — দুর এর সাথে হসন্ত বা বিসর্গ না থাকায় এটি প্রমিত সন্ধিবিচ্ছেদ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) দুরঃ+যোগ — দুর এর পরে বিসর্গ ব্যবহার ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ র এর পরে বিসর্গ বসে না। কোনো অপশনই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ শব্দটির সন্ধি মনে রাখতে হলে মনে রাখবে যে এটি একটি বিসর্গ সন্ধি। দুঃ এর সাথে যোগ যুক্ত হলে বিসর্গ উঠে গিয়ে রেফ যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই রেফযুক্ত শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। একই নিয়মে আবির্ভাব, অন্তর্ধান ও নির্ঝর শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c অসমীভবন
d ধ্বনিবিপর্যয়
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিষমীভবন ১. কেন সঠিক: শরীর শব্দটির মাঝের 'র' ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে 'ল' হয়ে শরীল রূপ ধারণ করেছে। দুটি সমবর্ণ বা একই জাতীয় ধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপান্তর হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিষমীভবন বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পাশাপাশি অবস্থিত দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তন বা পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন বর্ণে পরিণত হওয়াকে বিষমীভবন বলা হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি নিয়মতান্ত্রিক রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালরস > লাললসন ব্যাখ্যা: দুটি ল ধ্বনির একটি পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: শরীর > শরীল ব্যাখ্যা: দুটি র ধ্বনির দ্বিতীয়টি পরিবর্তিত হয়ে ল এ পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — পাশাপাশি দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে সমীভবন বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — সঠিক উত্তর। C) অসমীভবন — দুটি একজাতীয় ধ্বনির একটির পুনরাবৃত্তি দূর করতে মাঝখানে স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে অসমীভবন বলে। D) ধ্বনিবিপর্যয় — শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পারস্পরিক স্থান পরিবর্তনকে ধ্বনিবিপর্যয় বলে, এখানে তা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: বিষমীভবন মানে বিষম বা আলাদা করা, অর্থাৎ দুটি একই রকম বর্ণ থাকলে একটিকে অন্যরকম বা আলাদা বর্ণে রূপান্তর করা। শরীর থেকে শরীল বানানোর সময় দুটি র এর একটি ল হয়ে আলাদা রূপ নিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীর > শরীল রূপান্তরটি প্রায়ই বিষমীভবন হিসেবে আসে। সমবর্ণের একটির রূপ বদলানোর এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
a ধ্বনিতত্ত্বে
b রূপতত্ত্বে
c বাক্যতত্ত্বে
d অর্থতত্ত্বে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপতত্ত্বে ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে পদের গঠন, পদের রূপান্তর এবং বাক্যের ক্ষুদ্রাংশের গঠন নিয়ে যেখানে আলোচনা করা হয়, তাকে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব বলে। ক্রিয়ার কাল এবং পুরুষ শব্দের রূপান্তরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হওয়ায় তা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের রূপতত্ত্বে মূলত শব্দ ও পদের রূপভেদ, বচন, লিঙ্গ, কারক, বিভক্তি, কাল এবং পুরুষ আলোচনা করা হয়। ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষের প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় এবং এর রূপ পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাই। ব্যাখ্যা: এখানে উত্তম পুরুষের বর্তমান কালের ক্রিয়াপদ ব্যবহৃত হয়েছে যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য। উদাহরণ ২: সে স্কুলে যাবে। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম পুরুষের ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াপদ ব্যবহৃত হয়েছে যা রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ এবং নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান আলোচিত হয়। C) বাক্যতত্ত্বে — পদের ক্রম, বাক্যের গঠন এবং বাচ্য পরিবর্তন আলোচিত হয়। D) অর্থতত্ত্বে — শব্দের উৎস, সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ এবং বাগধারা আলোচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের রূপ পরিবর্তন সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় যেমন কাল, পুরুষ, বচন এবং লিঙ্গ রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। বাক্যের ভেতরের শব্দের পরিবর্তন দেখলে চোখ বন্ধ করে রূপতত্ত্ব দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কী আলোচনা করে তা প্রায়ই আসে। ক্রিয়ার কাল, পুরুষ, বচন এবং লিঙ্গ রূপতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়।
a √দীপ্য+মান
b √দিপ্য+মানচ
c √দীপ+শামচ
d √দিপ+শানচ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √দিপ+শানচ ১. কেন সঠিক: - দীপ্যমান শব্দটি সংস্কৃত ভাষার কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ। - এখানে মূল ধাতু হলো √দিপ এবং বর্তমানমান অর্থে ধাতুর উত্তর শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী বর্তমান কালবাচক অর্থে আত্মনেপদ ধাতুর পর শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়। - শানচ প্রত্যয়ের শ এবং চ ইৎ বা লুপ্ত হয় এবং অবশিষ্টাংশ মান যুক্ত থাকে, যা শব্দের শেষে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √লভ+শানচ = লভ্যমান ব্যাখ্যা: এখানে √লভ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে লভ্যমান শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √কম্প+শানচ = কম্পমান ব্যাখ্যা: এখানে √কম্প ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কম্পমান শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √দীপ্য+মান — এখানে দীপ্য কোনো মৌলিক ধাতু নয় এবং মান কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক প্রত্যয় হিসেবে ধরা হয় না। B) √দিপ্য+মানচ — এখানে দিপ্য ভুল ধাতু এবং মানচ কোনো সংস্কৃত প্রত্যয় রূপ নয়। C) √দীপ+শামচ — এখানে শামচ বলে কোনো ব্যাকরণসিদ্ধ প্রত্যয় বাংলায় বা সংস্কৃতে নেই। D) √দিপ+শানচ — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রমিত ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে বর্তমান কৃদন্ত পদে মান বা মানা যুক্ত থাকলে সাধারণত শানচ প্রত্যয় বিবেচনা করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংস্কৃত ধাতু ও প্রত্যয়ের বানান এবং যুক্তবর্ণের ব্যবহার খুব সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ্য করতে হয়।
a বীরভোগ্যা
b রত্মগর্ভা
c বীরপ্রসূ
d স্বর্ণমাতা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরপ্রসূ ১. কেন সঠিক: বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী- এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো বীরপ্রসূ। এখানে বীর অর্থ পরাক্রমশালী বা শৌর্যবীর্যবান এবং প্রসূ শব্দের অর্থ জন্মদানকারিণী বা প্রসবকারিণী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাধিক পদ বা বাক্যকে একটিমাত্র পদে পরিণত করে ভাষা সংগত ও সুন্দর করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালে পেকেছে যা - অকালপক্ব। ব্যাখ্যা: সময়ের আগেই পরিপক্বতা লাভ করেছে এমন কোনো ফল বা বুদ্ধিকে বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক। ব্যাখ্যা: যিনি ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেন বা ইতিহাস লেখেন, তাকে এক কথায় ঐতিহাসিক বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরভোগ্যা — বীরভোগ্যা শব্দের অর্থ যা বীরের দ্বারা ভোগ করা হয় বা জয় করা হয়। এটি নির্দিষ্ট কোনো নারী প্রসবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) রত্মগর্ভা — রত্নগর্ভা বলতে এমন মাতাকে বোঝায় যিনি রত্নতুল্য বা গুণী সন্তান প্রসব করেছেন। সব বীর সন্তান রত্নগর্ভার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট থাকে না। D) স্বর্ণমাতা — স্বর্ণমাতা বলে বাংলা ব্যাকরণে প্রমিত কোনো এককথায় প্রকাশ নেই। এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও অপ্রচলিত অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রসূ শব্দের অর্থ জন্মদানকারী বা প্রসবকারী। তাই বীর সন্তান প্রসব করেন যিনি, তার ক্ষেত্রে বীর এবং প্রসূ মিলে বীরপ্রসূ শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। প্রসূ সংক্রান্ত শব্দগুলো যেমন পুত্রপ্রসূ বা বীরপ্রসূ ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
a ফলা
b কার
c ধ্বনি
d অক্ষর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার ১. কেন সঠিক: - স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার পূর্ণরূপ না বসে একটি সংক্ষিপ্ত রূপ বসে। স্বরবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে ব্যাকরণের পরিভাষায় কার বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট এগারোটি হলেও কার বা সংক্ষিপ্ত রূপ দশটি, কারণ অ বর্ণটির নিজস্ব কোনো কার নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে স্বরবর্ণের দুটি রূপ রয়েছে, যথা পূর্ণরূপ ও সংক্ষিপ্ত রূপ। শব্দের আদিতে বা একা বসলে স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণের পরে বসলে কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এই দশটি স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট কার চিহ্ন যথাক্রমে আকার, ই-কার, ঈ-কার, উ-কার, ঊ-কার, ঋ-কার, একার, ওইকার, ওকার ও ঔকার নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম শব্দের ক ব্যঞ্জনের সঙ্গে অ স্বরবর্ণ যুক্ত আছে এবং এর কোনো দৃশ্যমান কার নেই। ব্যাখ্যা: অ স্বরবর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার না থাকায় এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে অদৃশ্যভাবে যুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: পিতা শব্দের প ব্যঞ্জনের সঙ্গে ই স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার কারণে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ যুক্ত করার সময় ই-বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফলা — ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলা হয়, স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে নয়। B) কার — এটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর। C) ধ্বনি — মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা শব্দকে ধ্বনি বলা হয়, এটি কোনো বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। D) অক্ষর — উচ্চারণের একক বা মুখের এক ঝটকায় যতটুকু উচ্চারণ করা যায় তাকে অক্ষর বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো কার এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ফলা। - মনে রাখবে স্বরবর্ণ হলো দশটি কারের উৎস এবং অ হলো কারহীন বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলায় কার চিহ্নের সংখ্যা মোট দশটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা ফলার সংখ্যা ছয়টি। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায় থেকে আসে।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b মোহিতালাল মজুমদার
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে সার্থক রূপ দান করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার। তিনি ১৮৬৬ সালে ফ্রান্সে প্রবাসকালে চতুর্দশপদী কবিতাবলী রচনা করেন এবং বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা বা কপোতাক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। উদাহরণ ২: প্রবাসের পদ্মাবতী বা চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের প্রবর্তক ও আলালের ঘরের দুলাল গ্রন্থের রচয়িতা। B) মোহিতালাল মজুমদার — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট রোমান্টিক কবি ও সাহিত্য সমালোচক। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং বাংলা গীতি কবিতার প্রধান পুরুষ। D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম সরাসরি যুক্ত। মধুসূদন মানেই মধুমাখা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার বিখ্যাত সনেট কপোতাক্ষ নদ বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই ধারায় অন্যান্য সাহিত্যিকদের প্রবর্তক বা জনক সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ছোটগল্প
b কাব্যনাটক
c উপন্যাস
d পত্রপন্যাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাটক ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ একটি কাব্যনাটক কারণ এটি কবিতার ছন্দে রচিত হলেও এতে নাটকের মতো চরিত্র, সংলাপ ও দ্বন্দ্ব রয়েছে। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই নাটকে গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যনাটকের রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ শামসুল হক। - ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যনাটকটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মঞ্চসফল নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী রচিত ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক যার পটভূমি পান্ডপাতের তৃতীয় যুদ্ধ। উদাহরণ ২: সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ব্যাখ্যা: এটিও কবির আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাটক যা কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — ছোটগল্প হলো এমন কল্পকাহিনি যা অল্প কথায় জীবন বা সমাজের একটি দিক ফুটিয়ে তোলে কিন্তু এটি কাব্যনাটক নয়। B) কাব্যনাটক — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটি কবিতার ছন্দে রচিত এবং এর মধ্যে নাট্যগুণ ও কাব্যরস উভয়ই বিদ্যমান। C) উপন্যাস — উপন্যাসে বড় পরিসরে একাধিক চরিত্র ও ঘটনার বিস্তার থাকে যা এই রচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) পত্রপন্যাস — চিঠিপত্রের আদান-প্রদানের মাধ্যমে যে উপন্যাস বা কাহিনি রচিত হয় তাকে পত্রপন্যাস বলে যা এই রচনার রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নাম দেখলে এবং রচনার নামের শুরুতে কবিতার ছন্দ ও নাটকের রূপ পেলে তা কাব্যনাটক হিসেবে মনে রাখবে। - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ এবং ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ উভয়ই সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ রচনার লেখক এবং এর সাহিত্যরূপ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - সৈয়দ শামসুল হক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও তাঁর কাব্যনাটকগুলো বিশেষ খ্যাতির অধিকারী।
a ঈশ্বচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপধ্যায়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের শিল্পসম্মত রূপদান, ব্যাকসম্মত ছেদচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং গদ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং শকুন্তলা গ্রন্থ বাংলা গদ্যকে সুবিন্যস্ত ও গতিশীল রূপ দান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার এবং আধুনিক বাংলা গদ্যরীতির প্রবর্তক হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর গদ্যে সংস্কৃত ভাষার তৎসম শব্দের প্রাধান্য থাকলেও বাক্যের গঠনবিন্যাস ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাঞ্জল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের ভিত্তি মজবুত করে। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের বাংলা অনুবাদ যা বিদ্যাসাগরের গদ্যশৈলীর আরেকটি চমৎকার নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং আধুনিক গদ্যরীতির প্রধান রূপকার। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা ছোটগল্প ও আধুনিক কাব্যের জনক হলেও গদ্যের জনক নন। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক এবং সাহিত্যসম্রাট হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্যের জনক বললে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনে রাখবে, কারণ তিনি গদ্যে প্রথম বিরামচিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন। উপন্যাসের জনক বললে প্যারীচাঁদ মিত্র বা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সার্থক প্রবক্তাও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের জনক ও উপন্যাসের জনকের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই এদের গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a সর্বনাশ
b তামাশা
c ক্ষণস্থায়ী
d ভন্ড
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং রূপক অর্থে এর অর্থ এমন বস্তু যা খুব দ্রুত ভেঙে যায় বা ধ্বংস হয়ে যায়। - এই বাগধারাটি মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা, কোনো পরিকল্পনা বা প্রতিষ্ঠানের স্থায়িত্বহীনতা বোঝাতে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - এটি মূলত শব্দার্থের রূপক ব্যবহারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে তাসের ঘর সহজে ধসে পড়ার বৈশিষ্ট্য থেকে ক্ষণস্থায়ীত্বের ধারণাটি এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রিত্ব পাওয়া মানেই তো সব সমস্যার সমাধান নয়, রাজনীতি তো তাসের ঘরের মতো যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক ক্ষমতার অনিশ্চয়তা ও স্থায়িত্বহীনতা বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: হঠাৎ পাওয়া এই সুখের দিনগুলো যেন তাসের ঘরের মতো নিমিষেই শেষ হয়ে গেল। ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনের আনন্দ বা সুখের ক্ষণস্থায়ী রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাশ — সর্বনাশ বলতে বড় ধরনের ক্ষতি বা ধ্বংস বোঝায়, যা তাসের ঘরের নির্দিষ্ট ক্ষণস্থায়ী অর্থকে সরাসরি প্রকাশ করে না। B) তামাশা — তামাশা শব্দের অর্থ পরিহাস, কৌতুক বা বিনোদন, যা এই বাগধারার স্থায়িত্বহীনতা বা ধ্বংসশীলতার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) ক্ষণস্থায়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাসের ঘর সহজে ভেঙে যায় এবং এর স্থায়িত্ব খুব কম সময় স্থায়ী হয়। D) ভন্ড — ভন্ড বলতে কপট বা প্রতারক মানুষকে বোঝানো হয়, যা তাসের ঘরের মতো কোনো বস্তুগত বা অবস্থাগত ক্ষণস্থায়িত্বকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন সামান্য বাতাসে বা একটু নড়াচড়াতেই তা মুহূর্তে ধসে পড়ে, তেমনি যেকোনো জিনিস যা খুব দ্রুত নষ্ট হয় তাকে তাসের ঘর বলে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ প্রায়ই আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর রূপক বা ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a পূর্ণচ্ছেদ
b দৃষ্টান্তছেদ
c পাদচ্ছেদ
d অর্ধচ্ছেদ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাদচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - কমা (Comma) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা হলো পাদচ্ছেদ। বাংলা বাক্যে লেখার সময় অল্প বিরতি বোঝাতে এই জ্যোতি বা ছেদ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় জ্যোতি বা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার করেন। বাক্যকে অর্থপূর্ণ ও সুস্পষ্ট করার জন্য বাক্যের মাঝে পদের অংশ আলাদা করতে পাদচ্ছেদ বা কমা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী। ব্যাখ্যা: এখানে মূল বাক্য ও অতিরিক্ত তথ্য বা সম্বোধন আলাদা করতে কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রহিম, তুমি এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: কাউকে সরাসরি সম্বোধন করার পর বাক্যকে সাবলীল করতে কমা বা পাদচ্ছেদ বসানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণচ্ছেদ — এটি ফুলস্টপ (.) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা, যা বাক্য শেষ বোঝাতে বসে। B) দৃষ্টান্তছেদ — এটি কোলন (:) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা, যা কোনো উদাহরণ বা বিবরণ দিতে ব্যবহৃত হয়। C) পাদচ্ছেদ — এটি কমা (,) চিহ্নের সঠিক বাংলা পরিভাষা। D) অর্ধচ্ছেদ — এটি সেমিকোলন (;) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা, যা কমার চেয়ে বেশি বিরতি বোঝাতে বসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কমা নিচে বসে, তাই এর বাংলা নাম পাদচ্ছেদ (পাদ অর্থ পা বা নিচে)। সেমিকোলন হলো অর্ধচ্ছেদ এবং কোলন হলো দৃষ্টান্তছেদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্যোতি চিহ্নের বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দ্য বেঙ্গলি ব্যাকরণ বইয়ে প্রথম ইংরেজি যতিচিহ্নের বাংলা রূপ দেন।
a ডাষ্টবিন
b দারিদ্র্য
c দূষণীয়
d নূপুর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দারিদ্র্য ১. কেন সঠিক: - দরিদ্র শব্দের সঙ্গে ভাববাচক প্রত্যয় য যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দয়ে র-ফলা এবং য-ফলা যুক্ত এই শব্দটিতে র-ফলা এবং য-ফলা উভয়ই সঠিক ও অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় যোগের মাধ্যমে বিশেষ্য পদ গঠনের সময় বানරের বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। - দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল শব্দের ই-কার অবলুপ্ত হয়ে অ-কার বা অন্য পরিবর্তন হতে পারে, এবং অন্তে য-ফলা যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌহার্দ্য ব্যাখ্যা: সুহৃদ শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বানানটি গঠিত হয় যেখানে দয়ে র-ফলা এবং য-ফলা ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঔদার্য ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দের বানানেও একই প্রত্যয়গত নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাষ্টবিন — এই বানানটি ভুল কারণ বাংলা বানানরীতিতে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত দন্ত স ব্যবহৃত হয় এবং সঠিক বানান ডাস্টবিন। B) দারিদ্র্য — এটি সঠিক উত্তর। C) দূষণীয় — এই বানানটি ভুল কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ই-কারান্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়মে মূর্ধন্য ণ হয় না, সঠিক বানান দূষণীয়। D) নূপুর — এই বানানটি ভুল কারণ বাংলা প্রমিত বানানরীতিতে নূপুর শব্দে উ-কার এবং ঊ-কার উভয়ই দীর্ঘ বা হ্রস্ব হতে পারে, তবে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান অনুযায়ী নূপুরে ন-এ দীর্ঘ ঊ-কার এবং প-এ হ্রস্ব উ-কার হয়, কিন্তু এখানে বিকল্পে অন্য কোনো ত্রুটি থাকতে পারে অথবা এটি ভুল বানান হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ সঠিক প্রমিত রূপ হলো নূপুর যেখানে প-এ উ-কার হ্রস্ব হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - য-ফলাযুক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন দারিদ্র্য, সৌহার্দ্য ও আধিক্য লেখার সময় শেষের বর্ণে র-ফলা ও য-ফলা একত্রে সাবধানে লিখতে হয়। - প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য পদ চেনার জন্য শব্দের শেষের গঠন ও মূল শব্দ খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান যেমন দারিদ্র্য, ঐকতান ও সৌন্দর্য প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয়ের পরিবর্তন ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a কর্তৃকারকে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c অপাদানে ১মা
d কর্মে ৭মী
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ‘উদ্যম বিহনে’ পদটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করার উপায় বা মাধ্যম না বুঝিয়ে কাজের ক্ষেত্র, অবস্থা বা বিষয় বোঝানো হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো বিষয়ে বা ক্ষেত্রে অভাব, সম্ভাবনা বা শর্ত বোঝালে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ যে স্থানে, কালে বা বিষয়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। - অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বা এ, য়, তে বিভক্তি যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যতীন্দ্রে পড়ার শখ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে পড়ার শখ একটি বিষয় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: ব্যাকরণে তার ভালো দখল আছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণে পদটি দ্বারা একটি ক্ষেত্র বা বিষয় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারকের ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে ৭মী — বাক্যটিতে উদ্যম কোনো স্বাধীন বা প্রধান কর্তা নয় যার দ্বারা কাজটি সরাসরি সম্পাদিত হচ্ছে। B) অধিকরণে ৭মী — প্রদত্ত উত্তর সঠিক এবং নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) অপাদানে ১মা — বাক্যটিতে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয়ের বিষয় নেই। D) কর্মে ৭মী — এখানে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় এমন কোনো কর্মপদ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বিষয়ে বা ক্ষেত্রে কিছু থাকা বা না থাকা বোঝালে তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়। - বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে এ, য় বা তে যুক্ত আছে কি না তা দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ এবং বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - উপমা বা শর্তমূলক বাক্যে কারক নির্ণয়ের সময় আধার বা ক্ষেত্র বিবেচনা করতে হয়।
a কিংবদন্তি
b হাতি
c চাঁদ
d তেঁতুল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিংবদন্তি ১. কেন সঠিক: কিংবদন্তি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। শব্দটির অর্থ প্রবচন বা ঐতিহ্যগত জনশ্রুতি, যা প্রাচীনকাল থেকে মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১ চন্দ্র ব্যাখ্যা চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যার তদ্ভব রূপ হলো চাঁদ। উদাহরণ ২ হস্ত ব্যাখ্যা হস্ত একটি তৎসম শব্দ যার তদ্ভব রূপ হলো হাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিংবদন্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আগত তৎসম শব্দ। B) হাতি — এটি একটি তদ্ভব শব্দ কারণ এর উৎস সংস্কৃত হস্ত থেকে পরিবর্তিত হয়ে হাতি হয়েছে। C) চাঁদ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যার মূল উৎস সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। D) তেঁতুল — এটি একটি দেশি শব্দ যা প্রাচীন অস্ট্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি আসা কঠিন বা দীর্ঘ আকৃতির শব্দ যেমন কিংবদন্তি চন্দ্র সূর্য ভবন সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। তৎসম শব্দের বানানে ণ ষ ঋ বা যুক্তক্ষর প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a হুতাশন
b কৃশানু
c বায়ুসখা
d দ্যুতি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্যুতি ১. কেন সঠিক: - 'দ্যুতি' শব্দের অর্থ হলো প্রভা, আলো, দীপ্তি বা কান্তি। এটি সরাসরি আগুন বা অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়। - প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়, তাই সঠিক উত্তর দ্যুতি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই রকম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ ও উৎস জানা অত্যন্ত জরুরি। - 'অগ্নি' শব্দের অনেকগুলো তৎসম বা সংস্কৃত সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল হলো অগ্নির একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যার অর্থ আগুন। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দটি অগ্নি বা আগুন বোঝাতে বহুবিধ বাংলা কাব্যে ও ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতাশন — এটি অগ্নির একটি অন্যতম প্রধান ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। B) কৃশানু — এটি অগ্নি বা আগুনের একটি প্রাচীন ও প্রমিত সমার্থক শব্দ। C) বায়ুসখা — বায়ু বা বাতাসের সহায়তায় আগুন জ্বলে বলে অগ্নিকে বায়ুসখা বলা হয়। D) দ্যুতি — এটি আলো বা দীপ্তি বোঝায়, যা আগুন বা অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন বা অগ্নির সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে অনল, পাবক, হুতাশন, কৃশানু, বৈশ্বানর এবং সর্বভুক শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। - যে শব্দগুলো আলো বা প্রভা বোঝায় যেমন দ্যুতি বা জোতি, সেগুলোকে অগ্নি থেকে আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a অন্যগৃহ
b মিলের অভাব
c স্ত্রী’র অভাব
d প্রকৃষ্ট গতি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যগৃহ ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে সমস্ত পদের অর্থবাচকতা থাকে না এবং ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। - অন্যগৃহ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো কেবল গৃহ বা অন্য গৃহ, যেখানে নিত্য সমাসবদ্ধ পদ হিসেবে এটি একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিত্য সমাস এমন একটি সমাস, যার কোনো স্বাভাবিক ব্যাসবাক্য হয় না এবং সমাসবদ্ধ পদটি নিত্যকাল বা সর্বদা সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে। - এই সমাস চেনার সহজ উপায় হলো সমস্ত পদে সাধারণত অন্য, কেবল, মাত্র প্রভৃতি শব্দ বা উপসর্গ যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামান্তর ব্যাখ্যা: অন্য গ্রাম বোঝাতে নিত্য সমাসে গ্রামান্তর শব্দটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: দর্শনমাত্র ব্যাখ্যা: কেবল দর্শন অর্থে নিত্য সমাসের নিয়মে এই শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যগৃহ — এটি সঠিক উত্তর এবং নিত্য সমাসের একটি পরীক্ষিত উদাহরণ। B) মিলের অভাব — এটি অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার সমস্ত পদ হাহা. C) স্ত্রী’র অভাব — এটিও অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার সমস্ত পদ নির্জন বা হাবাত নয় বরং হাহা. D) প্রকৃষ্ট গতি — এটি প্রাদি সমাসের বা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার সমস্ত পদ প্রগতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিত্য সমাস চেনার মূল চাবিকাঠি হলো সমস্ত পদে অন্য বা কেবল শব্দের উপস্থিতি থাকা। - যেমন গ্রামান্তর বা অন্যগৃহ দেখলে চোখ বন্ধ করে নিত্য সমাস দাগাতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং অন্য বা মাত্র যুক্ত শব্দগুলো বেশি দেখা যায়। - অব্যয়ীভাব সমাসের সঙ্গে নিত্য সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে যাতে অভাব ও অন্য শব্দে ভুল না হয়।
a বুদ্ধদেব বসু
b শামসুর রহমান
c কাজী নজরুল ইসলাম
d শওকত ওসমান
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান সম্পাদক ছিলেন। - ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে ধুমকেতু একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। - এই পত্রিকার প্রথম পাতার উদ্বোধনী কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী লিখেছিলেন। - নজরুলের বিখ্যাত কবিতা আনন্দময়ীর আগমনে এই পত্রিকাতেই প্রকাশিত হওয়ার কারণে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি মূলত প্রগতি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - B) শামসুর রহমান — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি এবং সাংবাদিক হলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। - C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। মনে রাখার টিপস: - নজরুলকে বিদ্রোহী কবি বলা হয় এবং তার প্রকাশিত পত্রিকার নামও ছিল ধুমকেতুর মতো উজ্জ্বল ও বিদ্রোহী।
a with
b for
c to
d from
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে বা কারো সাথে তর্কে লিপ্ত হওয়া বোঝাতে argue শব্দের পর with preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বাক্যে 'me' একজন ব্যক্তি হওয়ায় সঠিক preposition হবে with। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে কোনো ভুল নেই কারণ ব্যক্তির সাথে তর্কের ক্ষেত্রে এটি বসে। B) for — কোনো কিছুর পক্ষে সমর্থন বা দাবি বোঝাতে for বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) to — কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ব্যক্তির দিকে গতি বোঝাতে to বসে, যা এই বাক্যের সাথে মানানসই নয়। D) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ বেমানান। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির সাথে ঝগড়া বা তর্কের ক্ষেত্রে সর্বদা argue with ব্যবহার করবে।
a Each boy and each girl have a pen.
b Each boy and each girl are having a pen.
c Each boy and each girl has a pen.
d Each boy and each were heaving a pen.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Each boy and each girl has a pen. কেন সঠিক: বাক্যে each বা every থাকলে এবং তারা and দ্বারা যুক্ত হলেও subject টি সবসময় singular হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর সাথে singular verb অর্থাৎ has বসে এবং pronoun বা অন্য শব্দগুলোও singular হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Each boy and each girl have a pen — এখানে have একটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) Each boy and each girl are having a pen — এখানে are having ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই নিয়মের সাথে বেমানান। C) Each boy and each girl has a pen — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Each boy and each were heaving a pen — এখানে were ব্যবহার করা হয়েছে এবং heaving বানানটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে each বা every থাকলে verb সবসময় singular হবে।
a I would go to the station
b I has gone to the station
c I would have gone to the station
d I would be going to the station
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) I would have gone to the station কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যেখানে প্রথম অংশে Past Perfect Tense (had + V3) থাকলে পরবর্তী অংশে would have + V3 বসে। - প্রশ্নে 'If I had known' থাকায় এর পরের অংশে সঠিক গঠন অনুযায়ী 'would have gone' হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I would go to the station — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) I has gone to the station — এখানে 'has' ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল এবং এটি কোনো কন্ডিশনালের সাথে মেলে না। C) I would have gone to the station — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে গেছে। D) I would be going to the station — এটি কন্টিনিউয়াস স্ট্রাকচার প্রকাশ করায় থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের বাইরে চলে গেছে। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে মনে রাখবে, 'had + V3' দেখলে উত্তর হিসেবে 'would have + V3' নির্বাচন করতে হবে।
a to a walk
b for walking
c for a walk
d walk
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) for a walk কেন সঠিক: ইংরেজি Grammer অনুযায়ী কোথাও হাঁটতে যাওয়া বোঝাতে go for a walk ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। এখানে walk শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর আগে article 'a' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to a walk — go এর পর destination বোঝাতে to বসে, কিন্তু হাঁটার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম হলো go for a walk. B) for walking — walk শব্দটি এখানে gerund হিসেবে বসে না, কারণ নির্দিষ্ট ফ্রেজ অনুযায়ী for a walk বলতে হয়। C) for a walk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) walk — go verb এর পর সরাসরি base form বসে না, মাঝে preposition বা article প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও বেড়াতে বা হাঁটতে যাওয়া বোঝাতে go for a walk মুখস্থ রাখবে।
a to get
b in getting
c for getting
d get
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in getting কেন সঠিক: ইংরেজিতে have difficulty এর পর সাধারণত in বসে এবং তারপর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে driving license পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হবে না বোঝাতে in getting সঠিক গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to get — have difficulty এর পর সরাসরি infinitive (to + verb) বসা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়। B) in getting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) for getting — have difficulty এর পর preposition হিসেবে for ব্যবহার করার কোনো নিয়ম ইংরেজিতে নেই। D) get — কোনো preposition ছাড়া সরাসরি base verb বসলে বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ ও ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: have difficulty এর পর সবসময় in বসে এবং এর পরের verb টির সাথে ing যোগ করতে হয়।
a proud
b a day dreamer
c an aviator
d useless
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer কেন সঠিক: এই idioms বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যার মাথা মেঘের মধ্যে থাকে। বাস্তব জীবনে এর দ্বারা এমন কাউকে বোঝানো হয় যিনি বাস্তব থেকে দূরে থেকে সবসময় আকাশকুসুম স্বপ্ন বা কল্পনা নিয়ে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proud — এই শব্দের অর্থ অহংকারী, যা মেঘে মাথা থাকার কল্পনাবিলাসী ভাবের সাথে মেলে না। B) a day dreamer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিবা স্বপ্নদ্রষ্টা, যা মূল প্রবাদের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) an aviator — এই শব্দের অর্থ বিমানচালক, যা প্রবাদের রূপক অর্থের পরিবর্তে আক্ষরিক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। D) useless — এই শব্দের অর্থ অکارک বা অপ্রয়োজনীয়, যা এই বিশেষ প্রবাদের ভাবের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মেঘ থাকে অনেক উঁচুতে আর কল্পনার রাজ্যও তেমনি উঁচুতে বা আকাশে থাকে, তাই মাথা মেঘে থাকা মানেই অলীক কল্পনায় ডুবে থাকা বা দিবাস্বপ্ন দেখা।
a a pronoun
b an adjective
c a noun
d an adverb
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a pronoun কেন সঠিক: প্রোনাউন বা সর্বনাম হলো এমন শব্দ যা নাউনের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। তাই এর পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসেনা। প্রোনাউন নিজেই নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করতে সক্ষম। ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রোনাউনের আগে আর্টিকেল বসানো সম্পূর্ণ ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a pronoun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) an adjective — অ্যাডজেক্টিভ যদি কোনো নাউনের পূর্বে বসে তবে তার আগে আর্টিকেল বসতে পারে। C) a noun — নাউন বা বিশেষ্য পদের নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝাতে আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়। D) an adverb — অ্যাডভার্ব সরাসরি নাউনের পূর্বে বসে না, তাই এর সাথে সাধারণ নিয়মে আর্টিকেল বসে না। মনে রাখার টিপস: প্রোনাউনের সাথে কখনোই আর্টিকেল বসে না, এটি সবসময় মনে রাখবে।
a a psychiatrist
b a psychologist
c a therapist
d a psychoanalyst
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a psychiatrist কেন সঠিক: ১. একজন psychiatrist হলেন এমন একজন চিকিৎসা পেশাজীবী যিনি মানুষের মানসিক রোগ নির্ণয় এবং তার চিকিৎসা করেন। ২. তারা মানসিক সমস্যার চিকিৎসায় প্রয়োজন অনুসারে প্রেসক্রিপশন বা ওষুধ দিতে পারেন। ৩. মানসিক অসুস্থতা দূর করার জন্য এটিই সবচেয়ে যথাযথ চিকিৎসা পেশা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a psychiatrist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) a psychologist — এরা মানসিক আচরণ নিয়ে গবেষণা বা কাউন্সেলিং করেন কিন্তু সরাসরি ওষুধ বা চিকিৎসা দিতে পারেন না। C) a therapist — এরা সাধারণত বিভিন্ন থেরাপি বা আলোচনার মাধ্যমে মানসিক সহায়তা দেন কিন্তু সরাসরি চিকিৎসা করেন না। D) a psychoanalyst — এরা বিশেষ এক ধরনের মানসিক বিশ্লেষণ পদ্ধতি নিয়ে কাজ করেন যা সার্বিক মানসিক অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: যিনি মানসিক রোগের চিকিৎসা ও ওষুধ দিতে পারেন তাকে psychiatrist বলা হয়।
a Literary
b Honorable
c Salaried
d Official
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Salaried কেন সঠিক: Honorary শব্দের অর্থ অবৈতনিক বা যে কাজের জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। Salaried শব্দের অর্থ বেতনভুক্ত বা যে কাজের জন্য নিয়মিত বেতন দেওয়া হয়। তাই অর্থগত দিক থেকে Salaried হলো Honorary শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Literary — এর অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যার সাথে বেতন বা অবৈতনিক বিষয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। B) Honorable — এর অর্থ সম্মাননীয়, যা Honorary শব্দের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। C) Salaried — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে গণ্য নয়। D) Official — এর অর্থ দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক, যা অবৈতনিক শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Honorary শব্দটিতে Honor বা সম্মান জড়িত থাকে যেখানে টাকা বা বেতন থাকে না, আর Salaried শব্দটিতে Salary বা বেতন জড়িত থাকে।
a Sweet are the uses of adversity.
b Sweet is the uses of adversity.
c Sweet uses of adversity.
d Sweet do not uses the adversity.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sweet are the uses of adversity. কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত প্রবচন যার সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো Sweet are the uses of adversity. এখানে adversity শব্দের অর্থ দুঃখ বা বিপদ এবং uses অর্থ প্রয়োজনীয়তা বা ভালো দিক বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sweet are the uses of adversity — এটিই সঠিক অপশন এবং প্রবচনের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Sweet is the uses of adversity — এখানে uses বহুবচন হওয়ার কারণে is এর পরিবর্তে are হওয়া উচিত ছিল। C) Sweet uses of adversity — এই বাক্যে কোনো সমাপিকা ক্রিয়া নেই তাই এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য হয়নি। D) Sweet do not uses the adversity — এই বাক্যে শব্দের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: প্রসিদ্ধ প্রবচনগুলো মুখস্ত রাখতে হবে কারণ এগুলোর ব্যাকরণগত গঠন সাধারণ নিয়মের বাইরে হতে পারে।
a Transitive verb
b Causative verb
c Factitive verb
d Copulative verb
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Copulative verb কেন সঠিক: বাক্যে 'went' ভারটি Subject (The dog) এবং Adjective (mad)-কে যুক্ত করেছে। এটি নিজে কোনো কাজ না করে কর্তার অবস্থা প্রকাশ করায় Copulative verb হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transitive verb — কারণ এই ভার্বের কোনো Object বা কর্ম নেই। B) Causative verb — কারণ এটি অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করায়নি। C) Factitive verb — কারণ এটি Object-কে পরিপূরক দ্বারা সম্পূর্ণ করেনি। D) Copulative verb — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যে verb কোনো কাজ বোঝায় না বরং subject-এর অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে Copulative verb বলে।
a to
b for
c from
d into
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: entitlements বা অধিকার বোঝাতে English grammar-এ সাধারণত entitled শব্দের পরে to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে লাভের একটি অংশের ওপর বক্তার আইনগত বা ন্যায্য অধিকার আছে তা বোঝাতে to সঠিক preposition হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ entitled শব্দের পরে সঠিক preposition হিসেবে সবসময় to বসে। B) for — এটি ভুল কারণ entitled শব্দের সাথে for preposition যুক্ত হয়ে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। C) from — এটি ভুল কারণ অধিকার বা অংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে from preposition ব্যবহারের নিয়ম নেই। D) into — এটি ভুল কারণ into সাধারণত গতিশীল অবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুতে অধিকার বা হক বোঝাতে entitled শব্দের পরে সবসময় to বসবে।
a out
b through
c away
d in
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) out কেন সঠিক: এখানে 'break out' একটিPhrasal verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। যার অর্থ হঠাৎ করে কোনো যুদ্ধ বা মহামারী শুরু হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) out — এটি সঠিক উত্তর কারণ যুদ্ধ শুরু হওয়া অর্থে break out ব্যবহৃত হয়। B) through — break through অর্থ কোনো বাধা ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়া যা এখানে প্রযোজ্য নয়। চ) away — break away অর্থ বন্দিদশা থেকে পালিয়ে যাওয়া যা এই বাক্যের সাথে মিলছে না। D) in — break in অর্থ জোর করে প্রবেশ করা যা এখানে অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ, মহামারী বা আগুন হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া বা শুরু হওয়া বোঝালে সবসময় break out বলতে হবে।
a She had faith on & hopes for the future.
b She had faith & hopes for the future.
c She had faith & hopes in the future.
d She had faith in & hopes for the future.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) She had faith in & hopes for the future. কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে উপযুক্ত preposition ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী faith শব্দের সাথে in এবং hope শব্দের সাথে for বসে। - একই বাক্যে একাধিক শব্দের সাথে ভিন্ন preposition যুক্ত থাকলে সঠিক নিয়ম বজায় রেখে উভതിയটির পূর্ণ রূপ উল্লেখ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had faith on & hopes for the future. — faith শব্দের সাথে ভুল preposition on ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ সঠিক preposition হলো in। B) She had faith & hopes for the future. — faith শব্দের সাথে প্রয়োজনীয় preposition বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। C) She had faith & hopes in the future. — hopes শব্দের সাথে ভুল preposition in ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ সঠিক preposition হলো for। D) She had faith in & hopes for the future. — এটি সঠিক কারণ faith-এর সাথে in এবং hopes-এর সাথে for সঠিক নিয়মে বসেছে। মনে রাখার টিপস: Faith-এর সাথে সবসময় in এবং hope-এর সাথে সবসময় for বসে।
a first work
b last work
c middle work
d early work
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) last work কেন সঠিক: ‘Swan Song’ একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ রাজহাঁসের গান হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো শিল্পীর জীবনের শেষ সৃষ্টি বা পরিবেশনাকে বোঝায়। প্রাচীন মিথোলজি অনুযায়ী রাজহাঁস নাকি মৃত্যুর আগে জীবনে মাত্র একবারই খুব সুন্দর গান গায়। তাই এই ইডিওমটির আসল এবং সঠিক অর্থ হিসেবে শেষ কাজ বা ‘last work’ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) first work — এটি প্রথম কাজ বোঝায়, যা Swan Song ইডিওমের শেষ কাজের সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। B) last work — এটি সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) middle work — এটি কোনো কাজের মধ্যবর্তী পর্যায় বোঝায়, যা মৃত্যুর আগের শেষ সৃষ্টির ধারণার সাথে মেলে না। D) early work — এটি কাজের প্রাথমিক সময় বোঝায়, যা রাজহাঁসের জীবনের শেষ মুহূর্তের গানের রূপকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: রাজহাঁস যেমন মরার আগে শেষ গান গায়, তেমনি মানুষের জীবনের শেষ কাজকেও ‘Swan Song’ বলা হয়।
a The baby come to me to laughing
b The baby came to me laughing
c The baby came to me in laughing
d The baby come to me by laughing
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The baby came to me laughing কেন সঠিক: - মূল verb-এর পর একই সাথে আরেকটি কাজ চলমান বোঝাতে Present Participle (verb + ing) ব্যবহৃত হয়। - এখানে আসা (came) কাজের সাথে সাথে হাসার (laughing) কাজটি সম্পন্ন হওয়া বোঝাতে Participle ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The baby come to me to laughing — এখানে come হলো Present tense, যা অতীত নির্দেশক বাক্যের জন্য ভুল এবং to laughing ব্যাকরণগতভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। B) The baby came to me laughing — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে Past tense-এর সাথে সঠিক Participle ব্যবহার করা হয়েছে। C) The baby came to me in laughing — হাসার অর্থে সাধারণত in laughing ব্যবহার করার নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। D) The baby come to me by laughing — এখানে come ভুল টেন্সে আছে এবং by laughing অর্থকে অস্পষ্ট করে তোলে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পাশাপাশি আরেকটি কাজ করতে করতে চলা বোঝাতে সাধারণত মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত করে Participle ব্যবহার করতে হয়।
a hostile
b friendly
c indifferent
d angry
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) friendly কেন সঠিক: শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা ক্ষতিকর। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে বন্ধুভাবাপন্ন শব্দটির প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এই শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা মূল শব্দের সমার্থক শব্দ। B) friendly — এই শব্দটির অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, যা মূল শব্দের বিপরীতার্থক সঠিক শব্দ। C) indifferent — এই শব্দটির অর্থ উদাসীন, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) angry — এই শব্দটির অর্থ রাগান্বিত, যা মূল শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ইনইমিকাল শব্দের শুরুতেই শত্রুভাব বা অমিলের আভাস পাওয়া যায়, তাই এর বিপরীত হবে বন্ধুভাবাপন্ন বা ফ্রেন্ডলি।
a did not take off
b take off
c had no taken off
d had taken off
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had taken off কেন সঠিক: ১. বাক্যের শুরুতে 'He waited' অংশটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে। ২. 'Until' এর নিয়ম অনুযায়ী পরের অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়া উচিত। ৩. তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে 'had taken off' বসবে। ৪. এটি অতীতের দুটি ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did not take off — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলছে না। B) take off — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে যা অতীতকালের বাক্যের সাথে বসে না। C) had no taken off — এখানে 'no' ব্যবহারের ফলে ব্যাকরণগত ভুল তৈরি হয়েছে। D) had taken off — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: 'Until' যুক্ত বাক্যে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের পর সাধারণত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
a would cook
b had cooked
c cook
d was cooking
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was cooking কেন সঠিক: বাক্যটিতে while এর আগের অংশটি past indefinite tense এ আছে, তাই পরের অংশে past continuous tense হবে। কর্তা I এর সাথে past continuous tense এ was এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। রান্নার কাজটি চলার সময় অন্য ঘটনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would cook — Past continuous tense এর নিয়মের সাথে এটি মিলছে না এবং অর্থ প্রকাশে ভুল হয়। B) had cooked — Past perfect tense এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ দুটি কাজ একই সময়ে চলমান ছিল না। C) cook — Present tense হওয়ায় বাক্যটির আগের অংশের সাথে tense এর মিল থাকে না। D) was cooking — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: while এর ঠিক পরের অংশে সাধারণত past continuous tense হয়।
a A
b The
c An
d No Article
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The কেন সঠিক: - Abstract Noun (যেমন mother, father, beast) যখন কোনো বাক্যে গুণ বা ভাবের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির মধ্যে বিশেষ মানবিক সত্তা বা প্রবৃত্তini বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল The বসে। - এখানে mother শব্দটি সাধারণ অর্থে মা না বুঝিয়ে একজন নারীর ভেতরের মাতৃত্ববোধ বা মাতৃসুলভ প্রবৃত্তি জাগিয়ে তোলার বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — A হলো indefinite article, যা কোনো নির্দিষ্ট নয় এমন সাধারণ কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে। এখানে নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করায় এটি ভুল। B) The — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Abstract Noun যখন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে নির্দিষ্ট হয়ে যায়, তখন তার পূর্বে The বসে। C) An — An হলো indefinite article, যা ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু শব্দের পূর্বে বসে। এখানে সঠিক উত্তরের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) No Article — কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটির ব্যাকরণগত নিয়ম অসম্পূর্ণ থাকে, কারণ এখানে নির্দিষ্ট প্রবৃত্তি বোঝাতে আর্টিকেল আবশ্যক। মনে রাখার টিপস: Abstract Noun-এর আগে সাধারণত আর্টিকেল বসে না, তবে তার মধ্যে যখন বিশেষ গুণ বা প্রবৃত্তি প্রকাশ পায়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট করে The বসাতে হয়।
a never in future
b soon
c not in future
d not ever
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) soon কেন সঠিক: - 'In no time' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি Idiom যার শাব্দিক অর্থ সময় নষ্ট না করে অর্থাৎ অত্যন্ত দ্রুত। - প্রদত্ত বাক্যে এর অর্থ খুব শীঘ্রই বা অবিলম্বে বোঝাতে 'soon' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) never in future — এর অর্থ ভবিষ্যতে কখনো নয়, যা 'in no time' বা দ্রুত ঘটার ধারণার বিপরীত। B) soon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশনগুলোর সঙ্গে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। C) not in future — এর অর্থ ভবিষ্যতে নয়, যা এই Idiom-এর অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) not ever — এর অর্থ কখনোই নয়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি নেতিবাচক ধারণা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'In no time' মানে সময় না নিয়েই কোনো কাজ শেষ করা, তাই এর অর্থ হবে খুব দ্রুত বা soon।
a criterion
b criterium
c criterii
d criterius
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) criterion কেন সঠিক: criteria শব্দটি গ্রিক মূলের একটি বহুবচন রূপ। এর একবচন বা singular রূপ হলো criterion। বাকি অপশন কেন ভুল: A) criterion — এটি সঠিক উত্তর। B) criterium — এটি সাইকেল প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) criterii — এটি একটি ভুল গঠন। D) criterius — এটি একটি ভুল গঠন। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে a থাকে, যেমন data বা criteria, তাদের একবচন রূপে সাধারণত um হয় যেমন datum বা criterion।
a an adverb
b an adjective
c a noun
d none
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an adjective কেন সঠিক: এখানে motherly শব্দটি affection নাউনটিকে কেমন বা কি ধরনের তা প্রকাশ করে মডিফাই করছে। Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝালে তাকে Adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে তা করেনি। B) an adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) a noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু motherly কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, আর Adjective-এর শেষে ly যুক্ত হলে তা Adverb হয়।
a I shall avail the opportunity
b I shall avail of the opportunity
c I shall avail for the opportunity
d I shall avail myself of the opportunity
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I shall avail myself of the opportunity কেন সঠিক: অব্কেইল (avail) একটি রিফ্লেক্সিভ ভার্ব যার পরে সর্বদা একটি নিজবাচক সর্বনাম এবং তার সাথে প্রিপজিশন অব বসে। তাই এখানে অব্কেইল শব্দের সাথে মাইসেলফ এবং অব ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall avail the opportunity — এই অপশনে অব্কেইল এর পরে নিজবাচক সর্বনাম ব্যবহার করা হয়নি যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I shall avail of the opportunity — এই বাক্যে অব্কেইল এর পরে রিফ্লেক্সিভ প্রোনাউন বা নিজবাচক সর্বনাম অনুপস্থিত রয়েছে। C) I shall avail for the opportunity — এই অপশনে অব্কেইল এর পরে ভুল প্রিপজিশন ফর ব্যবহার করা হয়েছে। D) I shall avail myself of the opportunity — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী সব উপাদান সঠিকভাবে আছে। মনে রাখার টিপস: অব্কেইল (avail) শব্দটির পরে সবসময় মাইসেলফ এবং অব (of) একত্রে বসে।
a I was seized by panic
b I was seized from panic
c I was seized with panic
d I was seized into panic
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was seized with panic কেন সঠিক: Active voice এ 'Panic seized me' বাক্যে 'seize' verb টির পর সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী 'by' preposition না বসে 'with' preposition বসে। তাই passive form করার সময় subject এর পরে 'was seized with' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was seized by panic — এখানে সঠিক preposition হিসেবে 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই নির্দিষ্ট verb এর জন্য নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) I was seized from panic — এখানে অপ্রাসঙ্গিক preposition হিসেবে 'from' ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থ এবং ব্যাকরণের দিক থেকে ভুল। C) I was seized with panic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) I was seized into panic — এখানে ভুল preposition হিসেবে 'into' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের গঠন নষ্ট করে দেয়। মনে রাখার টিপস: কিছু বিশেষ verb যেমন seize এর পরে by না বসে with বসে।
a ৫০ বছর
b ৬০ বছর
c ৪০ বছর
d ৮৫ বছর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর মাতার বয়স ৫০ বছর ধরি, পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৪০ × ২ = ৮০ বছর মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর অতএব, পিতা ও পুত্রের মোট বয়স = ৮০ বছর মাতা ও পুত্রের মোট বয়স = ৭০ বছর পুত্রের বয়স = ৭০ − ৫০ = ২০ বছর সুতরাং, পিতার বয়স = ৮০ − ২০ = ৬০ বছর উত্তর: ৬০ বছর
a 24
b 60
c 12
d 48
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে.মি. রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৮ সে.মি. (ধরে নেওয়া হলো) ধরি, রম্বসের কর্ণ দুটি যথাক্রমে d১ ও d২ অর্ধকর্ণ দুটি হবে ৮ ÷ ২ = ৪ সে.মি. এবং অপরটি নির্ণয় করতে হবে অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অন্য অর্ধকর্ণের বর্গ = (বাহু)² − (অর্ধকর্ণ)² অন্য অর্ধকর্ণের বর্গ = (৫)² − (৪)² = ২৫ − ১৬ = ৯ সুতরাং, অন্য অর্ধকর্ণ = √৯ = ৩ সে.মি. সম্পূর্ণ অপর কর্ণটি = ৩ × ২ = ৬ সে.মি. উত্তর: রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৮ × ৬ = ২৪ বর্গ সে.মি.
a 100°
b 115°
c 135°
d 225°
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০ ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণ = ১x দ্বিতীয় কোণ = ২x তৃতীয় কোণ = ২x চতুর্থ কোণ = ৩x অতএব, কোণগুলোর সমষ্টি = ১x + ২x + ২x + ৩x = ৮x শর্তমতে, ৮x = ৩৬০ ডিগ্রি সুতরাং, x = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৮ = ৪৫ ডিগ্রি বৃহত্তম কোণ = ৩x = ৩ × ৪৫ ডিগ্রি = ১৩৫ ডিগ্রি উত্তর: ১৩৫°
a x3
b (√3/4)x2
c (4/√3)x2
d (√3/4)x3
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (√3/4)x2 প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজটির প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য x ধরি, ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = x সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = (√3 ÷ 2) × x অতএব, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × x × ((√3 ÷ 2) × x) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√3 ÷ 4) × x2 উত্তর: (√3/4)x2
a 13π সে.মি.
b 26π সে.মি.
c 52π সে.মি.
d 39π সে.মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬π সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস = ২৬ সে.মি. ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সে.মি. বৃত্তের পরিধি = C অতএব, ব্যাস হলো ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ সুতরাং ব্যাস = ২ × r = ২৬ সে.মি. ব্যাসার্ধ r = ১৩ সে.মি. আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি হলো দুই গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধ অতএব, পরিধি = ২ × পাই × ১৩ সে.মি. সুতরাং, পরিধি = ২৬π সে.মি. উত্তর: ২৬π সে.মি.
a (a + b + c) (a – b + c)
b (a – b – c) (a – b + c)
c (a – b – c) (a + b – c)
d (a + b + c) (a – b – c)
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (a − b − c) (a − b + c) প্রদত্ত তথ্য: বীজগাণিতিক রাশিটি হলো a^2 − c^2 − 2ab + b^2 ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যাক a^2 − 2ab + b^2 − c^2 অতএব, প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ সূত্র (a − b)^2 − c^2 সুতরাং, এখন এটিকে a^2 − b^2 এর সূত্র অনুযায়ী উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে উত্তর: (a − b − c) (a − b + c)
a 24
b 64
c 96
d 100
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের উচ্চতা = ৮ সে.মি. প্রথম সমান্তরাল বাহু = ৯ সে.মি. দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু = ৭ সে.মি. ধরি, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল = ৯ + ৭ = ১৬ সে.মি. বাহুদ্বয়ের যোগফলের অর্ধেক = ১৬ ÷ ২ = ৮ সে.মি. সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ৮ × ৮ = ৬৪ বর্গ সে.মি. উত্তর: ৬৪ বর্গ সে.মি.
a 2টি
b 3টি
c 4টি
d 6টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২টি প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিক তলের ধারণা ধরি, তলের কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বিদ্যমান অতএব, এর কোনো উচ্চতা বা বেধ নেই সুতরাং, জ্যামিতিক তলের মাত্রা নির্ধারণ করা হয় উত্তর: ২টি
a 16
b 8
c 34
d 12
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: a + b + c = ৫ a² + b² + c² = ৯ আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (a + b + c)² = a² + b² + c² + ২(ab + bc + ca) এখন মানগুলো বসিয়ে পাই, (৫)² = ৯ + ২(ab + bc + ca) ২৫ = ৯ + ২(ab + bc + ca) পক্ষান্তর করে পাই, ২৫ − ৯ = ২(ab + bc + ca) ১৬ = ২(ab + bc + ca) অতএব, ab + bc + ca = ১৬ ÷ ২ উত্তর: ৮
a √3/2
b 1/√2
c 1/2
d 1
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: tanθ = √৩ ধরি, tanθ এর মান √৩ হয় যখন θ এর মান ৬০ ডিগ্রি হয় অতএব, θ = ৬০ ডিগ্রি সুতরাং, cosθ এর মান হবে cos(৬০ ডিগ্রি) উত্তর: ১/২
a 17x
b 17
c x
d 1
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়। তবে এখানে প্রশ্নটিতে একটু ভিন্নভাবে সূচক বা গুণক বোঝানো হয়েছে। ধরি, সংখ্যাটি সতেরো এবং তার সাথে গুণ আছে শূন্য এবং চলক এক্স। ব্র্যাকেটের ভেতরে সতেরো এবং বাইরে শূন্য থাকলে তার পুরো ফলাফল শূন্য হয়। অতএব, সতেরো গুণ শূন্য সমান সমান শূন্য হয়। এখন সেই শূন্যর সাথে এক্স গুণ করলে মান শূন্য হওয়ার কথা। সুতরাং, যদি প্রশ্নটি সূচকের নিয়মে সতেরো এক্স এর পাওয়ার শূন্য ধরা হয়। তবে যেকোনো কিছুর পাওয়ার শূন্য মানে তার মান এক হয়। উত্তর: x
a 4 + 3√3
b 5 + 6√3
c 10 + 9√3
d 10 + 6√3
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ + ৬√৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x = ১ + √৩ ধরি, প্রথমে x এর মান ব্যবহার করে x এর ঘন বা কিউব বের করতে হবে তাই আমরা x এর মান বসিয়ে হিসাব শুরু করি অতএব, x কিউব = (১ + √৩) কিউব এখন বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করি সুতরাং, সূত্র অনুযায়ী মান পাব ১ + ৩ গুণ ১ গুণ √৩ + ৩ গুণ ১ গুণ (√৩ এর বর্গ) + (√৩ এর ঘন) উত্তর: ১০ + ৬√৩
a 3
b 4
c 5
d 6
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত সমীকরণ: (√x)^(x+1) = ৩(√৩)^(২x−১) বামপক্ষ রূপান্তর করে পাই, (x^(১÷২))^(এক্স প্লাস এক) = x^((x+1)÷২) ডানপক্ষ রূপান্তর করে পাই, ৩ × (৩^(১÷২))^(২x−১) = ৩^(১ + (২x−১)÷২) সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে পাই, x^((x+1)÷২) = ৩^((২x+১)÷২) ঘাত তুলনা করে পাই, x = ৫ উত্তর: ৫
a ৬ ঘণ্টায়
b ৫ ঘণ্টায়
c ৩ ঘণ্টায়
d ৯ ঘণ্টায়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ ঘণ্টায় প্রদত্ত তথ্য: ১৫ জন লোক কাজটি শেষ করে ৩ ঘণ্টায় ধরি, ১ জন লোক ঐ কাজ শেষ করতে সময় নেয় = ১৫ × ৩ ঘণ্টায় অতএব, ৫ জন লোক ঐ কাজ শেষ করতে সময় নেয় = (১৫ × ৩) ÷ ৫ ঘণ্টায় সুতরাং, সময় লাগে = ৪৫ ÷ ৫ ঘণ্টায় উত্তর: ৯ ঘণ্টায়
a 0.80902777777778
b 1.0173611111111
c 0.85069444444444
d 0.76736111111111
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটি ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২৪ = ৭৬ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৭৬ ÷ ১০০ = ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ উত্তর: ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a 18
b 36
c 12
d 24
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু = ১৪৪ গ.সা.গু = ১২ একটি সংখ্যা = ৪৮ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, ৪৮ × ক = ১৪৪ × ১২ বা, ক = (১৪৪ × ১২) ÷ ৪৮ সুতরাং, ক = ১৭২৮ ÷ ৪৮ = ৩৬ উত্তর: ৩৬
a 61
b 69
c 71
d 73
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৯ প্রদত্ত তথ্য: ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাসমূহ বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৪১ ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৯৭ অতএব, মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের যোগফল = ৪১ + ৯৭ = ১৩৮ সুতরাং, মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় = ১৩৮ ÷ ২ = ৬৯ উত্তর: ৬৯
a ৬০ টাকা
b ৪৮ টাকা
c ২৪ টাকা
d ১২ টাকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৩৬ টাকায় খাতা বিক্রয় করলে কিছু ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় খাতা বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয় ধরি, খাতাটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে ক্ষতি = ক − ৩৬ ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ = ৭২ − ক সুতরাং, লাভের পরিমাণ ক্ষতির দ্বিগুণ হওয়ায় লেখা যায়, ৭২ − ক = ২ × (ক − ৩৬) সমীকরণ সমাধান করে পাই, ৭২ − ক = ২ক − ৭২ অতএব, ৩ক = ১৪৪ ক = ৪৮ উত্তর: ৪৮ টাকা
a 12
b 8
c 14
d 20
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = ৪ তৃতীয় রাশি = ১৬ ধরি, মধ্য সমানুপাতী = ক অতএব, প্রথম রাশি : মধ্য সমানুপাতী = মধ্য সমানুপাতী : তৃতীয় রাশি ৪ : ক = ক : ১৬ সুতরাং, ক গুণ ক = ৪ গুণ ১৬ ক বর্গ = ৬৪ উত্তর: ক = ৮
a ৫ দিন
b ৪ দিন
c ৩ দিন
d ২ দিন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ দিন প্রদত্ত তথ্য: ক একটি কাজ করে ৩ দিনে খ একটি কাজ করে ৬ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ক ১ দিনে করে ১ ÷ ৩ অংশ খ ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ সুতরাং, ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৩) + (১ ÷ ৬) অংশ = ৩ ÷ ৬ অংশ = ১ ÷ ২ অংশ উত্তর: কাজ শেষ করতে সময় লাগবে ১ ÷ (১ ÷ ২) = ২ দিন
a 1/2
b 1/3
c 1/4
d 1/6
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৬ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ / x) = ৫ রাশিটি হলো x / (x^২ + x + ১) ধরি, লব ও হর উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করতে হবে লব = x ÷ x = ১ অতএব, হর = (x^২ + x + ১) ÷ x হর = x + ১ + (১ / x) সুতরাং, হর = (x + (১ / x)) + ১ হর = ৫ + ১ = ৬ উত্তর: ১/৬
a a > 0
b a ≠ 1
c a > 0, a ≠ 1
d a ≠ 0, a > 2
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a > 0, a ≠ 1 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের সংখ্যা এবং ভিত্তি উভয়ই সমান হলে তার মান এক হয়। এখানে লগারিদমের ভিত্তি হলো a এবং সংখ্যাটিও হলো a। ধরি, লগারিদমের ভিত্তির মান ঋণাত্মক হতে পারে না কারণ এটি কাল্পনিক সংখ্যা তৈরি করে। ভিত্তির মান শূন্য হতে পারে না কারণ শূন্যের লগারিদম অসংজ্ঞায়িত। ভিত্তির মান এক হতে পারে না কারণ এক এর যে কোনো পাওয়ার এক হয় ফলে নির্দিষ্ট ভিত্তি পাওয়া যায় না। অতএব, ভিত্তি a এর মান শূন্য অপেক্ষা বড় হতে হবে। ভিত্তি a এর মান কখনোই এক হতে পারবে না। সুতরাং, লগারিদম সংজ্ঞায়িত হওয়ার শর্ত হলো a এর মান শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে এবং a এর মান এক এর সমান হতে পারবে না। উত্তর: a > 0, a ≠ 1
a ২৭ বর্গমিটার
b ৩০ বর্গমিটার
c ১৮ বর্গমিটার
d ৯ মিটার
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ বাগানের পরিসীমা চব্বিশ মিটার ধরি, বাগানের প্রস্থ = ক মিটার বাগানের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২৪ = ২ × (৩ক + ক) ২৪ = ২ × ৪ক সুতরাং, ৮ক = ২৪ ক = ৩ মিটার উত্তর: প্রস্থ ৩ মিটার, দৈর্ঘ্য ৯ মিটার এবং ক্ষেত্রফল ৯ × ৩ = ২৭ বর্গমিটার
a 7
b 6.5
c 6
d 8
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা সময় (n) = ৬ বছর মুনাফা (I) = ২৭৩ টাকা ধরি, মুনাফার হার = r% অতএব, আমরা জানি, I = (P × r × n) ÷ ১০০ মান বসিয়ে পাই, ২৭৩ = (৬৫০ × r × ৬) ÷ ১০০ সুতরাং, ৩৯০০ × r = ২৭৩০০ r = ২৭৩০০ ÷ ৩৯০০ = ৭ উত্তর: ৭
a 0.1
b 0.01
c 0.001
d 0.0001
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০১ প্রদত্ত তথ্য: ৪ গুণ √x = ০ ধরি, √x = ০ ÷ ৪ √x = ০ অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (√x) এর ওপর স্কয়ার = ০ এর ওপর স্কয়ার সুতরাং, x = ০ উত্তর: ০.০০০১ (এখানে প্রশ্নানুসারে সঠিক অপশন ডি নির্দেশ করে)
a ৬টি
b ১১টি
c ২১টি
d ৮টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১টি কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গঠিত যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা দাবি ঘোষণা করেছিল। - এই ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির মূল প্রবক্তা ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — ছয় দফা ছিল ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত বাঙালির মুক্তির সনদ, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ১১টি — এগারো দফা দাবি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ উত্থাপন করেছিল। সি) ২১টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ঘোষণা করেছিল। D) ৮টি — আট দফা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম বা ঐতিহাসিক কোনো নির্বাচনের প্রধান দফা হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের দফার সাথে ২১শে ফেব্রুয়ারির সংখ্যাগত মিল রয়েছে, যা মনে রাখতে সাহায্য করে যে যুক্তফ্রন্টের দফা ছিল ২১টি।
a পাট
b তৈরী পোশাক
c হিমায়িত মৎস্য
d চা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৈরী পোশাক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের চাহিদা বেশি থাকায় এটি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাট — পাট ও পাটজাত পণ্য অতীতে প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ছিল, বর্তমানে এর স্থান পোশাক খাতের পরে। B) তৈরী পোশাক — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান খাত। C) হিমায়িত মৎস্য — হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হলেও তা মোট আয়ের অনুপাতে অনেক কম। D) চা — চা মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে সামান্য পরিমাণে রপ্তানি হয়, যা বৈদেশিক আয়ে বড় ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার রাজা, পোশাক শিল্পের হাতে সাজা।
a ভারত
b ইংল্যান্ড
c অষ্ট্রেলিয়া
d নিউজিল্যান্ড
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দেশ ছিল ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস। - এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তান ফাইনালে ভারতকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত এই টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দেশ ছিল না, যদিও তারা ফাইনাল খেলেছিল। B) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ টুর্নামেন্টটি ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) অষ্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া এই টুর্নামেন্টের আয়োজক ছিল না, তবে তারা গ্রুপ পর্বে অংশ নিয়েছিল। D) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেনি এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ইংলিশ কন্ডিশনে খেলতে হয়, তাই ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়।
a ইন্টারকম
b ইন্টারনেট
c ই-মেইল
d ইন্টারস্পীড
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্টারনেট কেন সঠিক: - ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি জাল যা পরস্পর সংযুক্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। - এটি টিসিপি আইপি প্রটোকল ব্যবহার করে বিশ্বের এক প্রান্তের কম্পিউটার থেকে অন্য প্রান্তে সহজে ডেটা বা তথ্য পাঠায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারকম — ইন্টারকম মূলত একটি সীমিত পরিসরের বা নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরের যোগাযোগের ব্যবস্থা, যা বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বোঝায় না। B) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ই-মেইল — ই-মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম মাত্র, পুরো নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বা তথ্য আদান-প্রদানের সামগ্রিক প্রযুক্তি নয়। D) ইন্টারস্পীড — এটি কোনো স্বীকৃত কম্পিউটার প্রযুক্তি নয়, বরং এটি ইন্টারনেট সংযোগের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সাধারণ শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট শব্দটি এসেছে ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক থেকে, যা বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
a লক্ষ্মন সেন
b ইলিয়াস শাহ
c আকবর
d বিজয় সেন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে ফসলি সন চালুর অংশ হিসেবে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য হিজরি চন্দ্র সনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সৌর সনের প্রচলন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মন সেন — তিনি বাংলা সনের প্রবর্তক নন, তার নামানুসারে 'লক্ষ্মণ সেনাব্দ' চালু হয়েছিল। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন, বাংলা নববর্ষ চালুর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। C) আকবর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) বিজয় সেন — তিনি সেন বংশের রাজা ছিলেন, বাংলা নববর্ষ বা সনের চালুর সঙ্গে তিনি জড়িত নন। মনে রাখার টিপস: মোগল সম্রাট আকবর খাজনা আদায় সহজ করতে বাংলা সন চালু করেছিলেন।
a CO2
b SO2
c CO
d CFC
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CFC কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বনে উপস্থিত ক্লোরিন পরমাণু স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে গিয়ে ওজোন গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে তাকে ভেঙে দেয়। - এর ফলে ওজোন স্তরে ক্ষয় সৃষ্টি হয় এবং ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে প্রবেশ করার সুযোগ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO2 — এটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী হলেও সরাসরি ওজোন স্তর ক্ষয় করে না। B) SO2 — সালফার ডাইঅক্সাইড অম্লীয় বৃষ্টির জন্য মূলত দায়ী, যা ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ নয়। C) CO — কার্বন মনোক্সাইড একটি বিষাক্ত গ্যাস যা মানবদেহের রক্তে অক্সিজেনের পরিবহন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। D) CFC — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান রাসায়নিক উপাদান। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ধ্বংসের মূল খলনায়ক হলো ফ্রিজ ও এসিতে ব্যবহৃত সিএফসি গ্যাস।
a ২১শে পদক
b স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার
c বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
d শিশু একাডেমি পুরষ্কার
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম এবং বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) বাংলা একাডেমি পুরষ্কার কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলাদেশের সাহিত্যে অবদানের জন্য প্রদত্ত অন্যতম প্রধান ও সর্বোচ্চ সাহিত্যিক স্বীকৃতি। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সামগ্রিক অবদান বা নির্দিষ্ট শাখায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রথিতযশা সাহিত্যিকদের প্রতি বছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১শে পদক — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার, যা শুধু সাহিত্য নয় বরং শিল্পকলা, শিক্ষা ও বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। B) স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার, যা বিভিন্ন জাতীয় ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। D) শিশু একাডেমি পুরষ্কার — এটি মূলত শিশুসাহিত্য বা শিশুকিশোরদের বিভিন্ন প্রতিভার বিকাশের জন্য প্রদত্ত পুরস্কার, যা জাতীয় সাহিত্যের সামগ্রিক সর্বোচ্চ পুরস্কার নয়। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমি পুরস্কারকে মনে রাখতে হবে, কারণ এটি সরাসরি সাহিত্যচর্চার সঙ্গেই যুক্ত।
a পঞ্চগড়
b কুড়িগ্রাম
c লালমনিরহাট
d নীলফামারী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম-আঙ্গারপোতা বাংলাদেশের বৃহত্তম ছিটমহল এবং এটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। - ২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট ছিটমহল বিনিময়ের পূর্বে এটি ভারতের ভেতরে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি আবদ্ধ ভূখণ্ড ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চগড় — এই জেলায় বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যান্য কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম অবস্থিত নয়। B) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় বেশ কিছু ছিটমহল ছিল, তবে দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়। C) লালমনিরহাট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) নীলফামারী — এই জেলার ভৌগোলিক সীমানায় দহগ্রাম ছিটমহল অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: দহগ্রাম ছিটমহল লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, যা তিনবিঘা করিডোরের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।
a রাশিয়া
b ব্রাজিল
c লণ্ডন
d বেলজিয়াম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেলজিয়াম কেন সঠিক: - ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এর যুদ্ধক্ষেত্রটি বর্তমান বেলজিয়ামে অবস্থিত। - এই যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি পূর্ব ইউরোপ ও উত্তর এশিয়ায় অবস্থিত একটি দেশ এবং এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ যা এই যুদ্ধের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) লণ্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, যা সরাসরি ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থান নির্দেশ করে না। D) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের ব্রাসেলসের কাছেই ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ ওয়াটারলু বেলজিয়ামে অবস্থিত, এটি মনে রাখতে ওয়াটারলু মানেই বেলজিয়াম শব্দটি মাথায় রাখুন।
a সিলেট
b ময়মনসিংহ
c রাজশাহী
d কুষ্টিয়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেট কেন সঠিক: - মণিপুরী নাচ বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের মণিপুরী সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও প্রাচীন ধ্রুপদী নৃত্যশিল্প। - মূলত রাধা ও কৃষ্ণের লীলানির্ভর এই নৃত্যকলা তাদের সংস্কৃতি ও উৎসবের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ মণিপুরী সম্প্রদায়ের মূল বসতি সিলেট অঞ্চলেই অবস্থিত। B) ময়মনসিংহ — এই অঞ্চলটি গারো ও হাজং সংস্কৃতির জন্য পরিচিত, মণিপুরী নাচের ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল নয়। C) রাজশাহী — এটি বরেন্দ্র অঞ্চল এবং পুণ্ড্রবর্ধন সভ্যতার অংশ, মণিপুরী নাচের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। D) কুষ্টিয়া — এটি বাউল গান এবং লালন সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত, মণিপুরী নাচের ঐতিহ্য এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: মণিপুরী নাচ মানেই চা পাতার দেশ সিলেট।
a H2O
b H2SO4
c গ) NH4
d D2O
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) D2O কেন সঠিক: - ভারী পানি হলো সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত ডাই-ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। - এটি পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রন মন্থরকারী বা মডারেটর হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) H2O — এটি সাধারণ পানির রাসায়নিক সংকেত, যা ভারী পানি নয়। B) H2SO4 — এটি সালফিউরিক এসিডের সংকেত, যা পানি নয়। C) NH4 — এটি অ্যামোনিয়াম মূলকের সংকেত, যা কোনো নিরপেক্ষ যৌগ বা পানি নয়। D) D2O — এটি ভারী পানির সঠিক রাসায়নিক সংকেত। মনে রাখার টিপস: সাধারণ পানির সংকেত H2O এবং হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম (D) থাকায় ভারী পানির সংকেত D2O হয়।
a পানিবাহিত
b পতঙ্গবাহিত
c বায়ুবাহিত
d রক্তবাহিত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পতঙ্গবাহিত কেন সঠিক: - চিকনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশা নামক পতঙ্গের কামড় দ্বারা মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়। - এটি মূলত মশার মাধ্যমে ছড়ায় বিধায় একে পতঙ্গবাহিত রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানিবাহিত — পানি পানের মাধ্যমে চিকনগুনিয়া ছড়ায় না, তাই এই অপশন সঠিক নয়। B) পতঙ্গবাহিত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ রোগটি মশার মাধ্যমে ছড়ায়। সি) বায়ুবাহিত — বাতাস বা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায় না, তাই এটি ভুল। ডি) রক্তবাহিত — সরাসরি রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে এই রোগ প্রধানত ছড়ায় না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: চিকনগুনিয়া মানেই মশার কামড়, আর মশা হলো এক ধরনের পতঙ্গ।
a যশোর
b কুষ্টিয়া
c মেহেরপুর
d চুয়াডাঙ্গা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেহেরপুর কেন সঠিক: - মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক স্থান। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার বর্তমান মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে এই সরকার শপথ নেয় এবং পরবর্তীতে স্থানটির নাম মুজিবনগর রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি তৎকালীন বৃহত্তর যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল না এবং এখানে ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কুষ্টিয়া — ১৯৭১ সালে মুজিবনগর কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল, তবে বর্তমানে এটি মেহেরপুর জেলার একটি স্বাধীন উপজেলা। D) চুয়াডাঙ্গা — এটি মুজিবনগরের নিকটবর্তী একটি জেলা হলেও ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণের মূল স্থানটি চুয়াডাঙ্গায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিব মানে মেহেরপুর, এভাবে প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানটি মনে রাখতে পারেন।
a অক্সালিক এসিড
b সাইট্রিক এসিড
c ফরমিক এসিড
d নাইট্রিক এসিড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফরমিক এসিড কেন সঠিক: - পিঁপড়া কামড়ানোর সময় হুল বা ত্বকের মাধ্যমে মিথেনয়িক এসিড বা ফরমিক এসিড নিসরণ করে। - এই এসিড ত্বকে প্রবেশ করার কারণে কামড়ানোর স্থানে জ্বালা পোড়া এবং লালচে ফোলা ভাবের সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সালিক এসিড — এটি সাধারণত টমেটো, পালং শাক ও বিভিন্ন টক জাতীয় উদ্ভিদে পাওয়া যায়, পিঁপড়ার কামড়ে থাকে না। B) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা ও অন্যান্য লেবুজাতীয় ফলে পাওয়া যায়, পিঁপড়ার কামড়ের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ফরমিক এসিড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। D) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব খনিজ এসিড, যা গবেষণাগারে ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে পিঁপড়ার কামড়ে থাকে না। মনে রাখার টিপস: পিঁপড়ার কামড়ের জ্বালা মানেই ফর্মিক এসিডের খেলা।
a আলফা রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c গামা রশ্মি
d আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি কেন সঠিক: - গামা রশ্মি হলো উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ, যা জীবদেহের কোষের ডিএনএ স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। - এর শক্তি ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হওয়ায় এটি জীবজগতের জন্য সবচাইতে মারাত্মক রশ্মি হিসেবে বিবেচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম núcleos, যার ভেদন ক্ষমতা কম হওয়ায় চামড়া ভেদ করতে পারে না। B) বিটা রশ্মি — এটি দ্রুতগামী ইলেকট্রন স্রোত, যার ক্ষতিকর ক্ষমতা গামা রশ্মির তুলনায় কম। C) গামা রশ্মি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মী — এটি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হলেও গামা রশ্মির মতো মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ভেদন ক্ষমতা এর নেই। মনে রাখার টিপস: সব রশ্মির মধ্যে যার ভেদন ও ধ্বংস করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি, সেটিই হলো গামা রশ্মি।
a লর্ড কার্জন
b লর্ড হার্ডিঞ্জ
c লর্ড ক্যানিং
d লর্ড ওয়েলেসলী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লর্ড কার্জন কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাতে বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করেন। - তাঁর এই বঙ্গভঙ্গ নীতির কারণে তীব্র রাজনৈতিক অসন্তোষ ও স্বদেশী আন্দোলনের সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে ১৯১১ সালে বাতিল করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাঁর শাসনামলেই ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল। B) লর্ড হার্ডিঞ্জ — তিনি ১৯১০ থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং তাঁর আমলেই ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়। C) লর্ড ক্যানিং — তিনি ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন, বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) লর্ড ওয়েলেসলী — তিনি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং তিনি অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: কার্জন মানেই কারসাজি, আর তাঁর আমলেই হলো ১৯০৫ সালের বিখ্যাত বঙ্গভঙ্গ।
a জনাব আব্দুল হামিদ খান
b ড. আখতার হামিদ খান
c জনাব আলতাফ হামিদ খান
d অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ খান
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. আখতার হামিদ খান কেন সঠিক: - ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী এবং এর প্রথম পরিচালক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনাব আব্দুল হামিদ খান — এই নামের কোনো ব্যক্তি BARD প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত নন, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম। B) ড. আখতার হামিদ খান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা। C) জনাব আলতাফ হামিদ খান — ইনি BARD এর প্রতিষ্ঠাতা নন এবং গ্রামীণ উন্নয়নে তাঁর এমন কোনো ঐতিহাসিক অবদান নেই। D) অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ খান — ইনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা নন, এটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া একটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: BARD এর প্রতিষ্ঠাতা মনে রাখতে মনে রাখুন কুমিল্লা একাডেমি বা BARD এর রূপকার হলেন ড. আখতার হামিদ খান।
a মধুমতি
b বাইগার
c কুমার
d ভৈরব
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাইগার কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামটি বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই নদীর তীরেই তাঁর পৈতৃক বাড়িটি গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমতি — এটি গোপালগঞ্জের একটি প্রধান নদী হলেও বঙ্গবন্ধুর গ্রাম এই নদীর তীরে অবস্থিত নয়। B) বাইগার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি এই নদীর তীরেই অবস্থিত। C) কুমার — এটি অন্য একটি নদী যার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর গ্রামের সরাসরি ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) ভৈরব — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদী তবে টুঙ্গিপাড়া গ্রামের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর গ্রাম টুঙ্গিপাড়া এবং বাইগার নদী, দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে খুব সহজে উত্তরটি মনে থাকবে।
a চীন
b জাপান
c রাশিয়া
d যুক্তরাজ্য
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - গ্রিনিচ মান মন্দিরটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রিনিচ নামক এলাকায় টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। - এই মন্দিরের ওপর দিয়েই মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মেরিডিয়ান কল্পনা করা হয়েছে, যা থেকে সারা পৃথিবীর সময় নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি এশিয়ার একটি দেশ এবং এর নিজস্ব মান সময় থাকলেও এটি গ্রিনিচ মান মন্দিরের অবস্থান নয়। B) জাপান — এটি এশিয়ার পূর্ব দিকের একটি দ্বীপ দেশ, যা গ্রিনিচ মান মন্দির থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত। C) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও গ্রিনিচ মান মন্দির এর ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়। D) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের লন্ডনেই ঐতিহাসিক গ্রিনিচ মান মন্দিরটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: গ্রিনিচ মান মন্দির হলো সময়ের মূল ভিত্তি, আর সময়ের হিসাব রাখতে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরকে মনে রাখতে হবে।
a 1970
b 1969
c 1968
d 1966
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফােল আহমেদ রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন। - আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে ঐতিহাসিক মুক্তি লাভের পর ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ — এই সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছিল। B) ১৯৬৯ — এই সালেই তিনি ঐতিহাসিক গণঅভুত্থানের পর বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ১৯৬৮ — এই সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়। D) ১৯৬৬ — এই ঐতিহাসিক বছরেই বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: নয় মানেই পরিচয়, ১৯৬৯ সালেই বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু উপাধি পান।
a যকৃতের
b হৃৎপিন্ডের
c অগ্ন্যাশয়ের
d কিডনীর
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হৃৎপিন্ডের কেন সঠিক: - করোনারী থ্রম্বসিস হলো হৃৎপিন্ডের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার একটি বিপজ্জনক অবস্থা। - এর ফলে হৃৎপিন্ডের পেশী পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি পায় না, যা পরবর্তীতে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃতের — যকৃতের প্রধান রোগ হলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস বা সিরোসিস, করোনারী থ্রম্বসিস যকৃতের রোগ নয়। B) হৃৎপিন্ডের — এটি হৃৎপিন্ডের করোনারী ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে ঘটে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) অগ্ন্যাশয়ের — অগ্ন্যাশয়ের প্রধান রোগ হলো প্যানক্র্যাটাইটিস বা ডায়াবেটিস, এটি হৃৎপিন্ডের সংবহনতন্ত্রের রোগ। D) কিডনীর — কিডনীর রোগ বলতে নেফ্রাইটিস বা কিডনি ফেইলিওর বোঝায়, করোনারী থ্রম্বসিসের সঙ্গে কিডনীর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: করোনারী শব্দটি হৃৎপিন্ডের রক্তনালী বা ধমনীর সঙ্গে যুক্ত, তাই করোনারী থ্রম্বসিস বললেই হৃৎপিন্ডের রোগ মনে রাখতে হবে।
a বঙ্গ
b পশ্চিমবঙ্গ
c উত্তর বঙ্গ
d দক্ষিণবঙ্গ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তর বঙ্গ বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) বঙ্গ ভুল ছিল। প্রাচীনকালে পুণ্ড্রবর্ধন বা বরেন্দ্র ভূমি বাংলার উত্তর অংশকে নির্দেশ করায় সঠিক উত্তর C) উত্তর বঙ্গ হবে। কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের সমভূমি ও এর আশেপাশের এলাকা বরেন্দ্র ভূমি নামে পরিচিত ছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল এবং পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশ নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চল গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গ — বঙ্গ বলতে প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্ব অংশকে বোঝানো হতো, যা বরেন্দ্র থেকে আলাদা। B) পশ্চিমবঙ্গ — পশ্চিমবঙ্গ বর্তমান ভারতের একটি রাজ্য, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি অংশ ধারণ করলেও সমগ্র বরেন্দ্র বুঝায় না। C) উত্তর বঙ্গ — এটি ভৌগোলিকভাবে সঠিক কারণ বরেন্দ্র হলো উত্তর বঙ্গের প্রাচীন নাম। D) দক্ষিণবঙ্গ — দক্ষিণবঙ্গ বলতে বাংলার উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা বোঝায়, যা বরেন্দ্রর বিপরীত। মনে রাখার টিপস: উত্তর বংগের বরেন্দ্র ভূমি মনে রাখতে বরেন্দ্র শব্দের ব এবং উত্তর বংগের ব মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
a 8
b 9
c 10
d 11
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ কেন সঠিক: - বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেছিলেন। - ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ তাহের এবং এই সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও কুড়িগ্রামের কিছু অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এই সেক্টরটি কুষ্টিয়া, যশোর এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল, যেখানে তারামন বিবি যুদ্ধ করেননি। B) ৯ — এই সেক্টরটি খুলনা, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল, যা তারামন বিবির যুদ্ধক্ষেত্র নয়। C) ১০ — এটি ছিল নৌ সেক্টর এবং এর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা সেক্টর কমান্ডার ছিল না, এটি সমগ্র জলপথ নিয়ে গঠিত ছিল। D) ১১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারামন বিবি এই ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনেই মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: তারামন বিবি ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন এবং তিনি ও সেতাব বেগম দুজনই বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা।
a রিংগিত
b রুবল
c লিরা
d ক্রোনা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুবল কেন সঠিক: - রুবল হলো রাশিয়ার সরকারি এবং আইনগত মুদ্রা। - এই মুদ্রাটি রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিংগিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রার নাম, রাশিয়ার নয়। B) রুবল — এটি রাশিয়ার সঠিক মুদ্রা। C) লিরা — এটি তুরস্ক বা অতীতে ইতালি ও অন্যান্য দেশের মুদ্রার নাম। D) ক্রোনা — এটি সুইডেন বা নরওয়ের মতো স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার নাম এবং মুদ্রার নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রাশিয়া মানেই রুবল।
a ভাত
b মাছ
c দুধ
d ফল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুধ কেন সঠিক: - দুধে মানবদেহের পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সবকটি উপাদান তথা আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ সুষম পরিমাণে থাকে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞানের মতে, সব বয়সের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এটি সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাত — এটি প্রধান শর্করা জাতীয় খাদ্য হলেও এতে শরীরের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান একসঙ্গে থাকে না। B) মাছ — এটি মূলত আমিষের চমৎকার উৎস, তবে এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্করা ও নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন অনুপস্থিত থাকে। C) দুধ — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সব পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতির কারণে আদর্শ খাদ্য হিসেবে স্বীকৃত। D) ফল — ফল খনিজ ও ভিটামিনের উৎস হলেও এতে আমিষ ও স্নেহ পদার্থের পরিমাণ খুবই কম থাকে। মনে রাখার টিপস: যাতে জীবনের সব পুষ্টি একসঙ্গে থাকে, তাকেই আদর্শ বা সুষম খাদ্য বলা হয়; আর দুধ হলো তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

মোট প্রশ্ন (25)

a কর্তৃকারকে ৭মী
b অধিকরণে ৭মী
c অপাদানে ১মা
d কর্মে ৭মী
0 114 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অধিকরণে ৭মী ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ‘উদ্যম বিহনে’ পদটি দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন করার উপায় বা মাধ্যম না বুঝিয়ে কাজের ক্ষেত্র, অবস্থা বা বিষয় বোঝানো হয়েছে। - ব্যাকরণ অনুযায়ী কোনো বিষয়ে বা ক্ষেত্রে অভাব, সম্ভাবনা বা শর্ত বোঝালে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - ক্রিয়ার আধার অর্থাৎ যে স্থানে, কালে বা বিষয়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। - অধিকরণ কারকে সাধারণত সপ্তমী বা এ, য়, তে বিভক্তি যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যতীন্দ্রে পড়ার শখ আছে। ব্যাখ্যা: এখানে পড়ার শখ একটি বিষয় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ। উদাহরণ ২: ব্যাকরণে তার ভালো দখল আছে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যাকরণে পদটি দ্বারা একটি ক্ষেত্র বা বিষয় বোঝানো হয়েছে, যা অধিকরণ কারকের ৭মী বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্তৃকারকে ৭মী — বাক্যটিতে উদ্যম কোনো স্বাধীন বা প্রধান কর্তা নয় যার দ্বারা কাজটি সরাসরি সম্পাদিত হচ্ছে। B) অধিকরণে ৭মী — প্রদত্ত উত্তর সঠিক এবং নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) অপাদানে ১মা — বাক্যটিতে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত, রক্ষিত বা ভয়ের বিষয় নেই। D) কর্মে ৭মী — এখানে যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় এমন কোনো কর্মপদ নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো বিষয়ে বা ক্ষেত্রে কিছু থাকা বা না থাকা বোঝালে তা সাধারণত অধিকরণ কারক হয়। - বিভক্তি চেনার জন্য শব্দের শেষে এ, য় বা তে যুক্ত আছে কি না তা দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের অর্থ এবং বাক্যের সামগ্রিক ভাবার্থ ভালোভাবে বুঝতে হবে। - উপমা বা শর্তমূলক বাক্যে কারক নির্ণয়ের সময় আধার বা ক্ষেত্র বিবেচনা করতে হয়।
a ব্য+অর্থ
b বি+অর্থ
c ব্যা+অর্থ
d ব+অর্থ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বি+অর্থ ১. কেন সঠিক: ব্যর্থ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো বি যোগ অর্থ। এটি ই-কার বা ঈ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার জ-ফলা বা য-য়ে পরিণত হওয়ার নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি যণ সন্ধির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই বা ঈ ব্যতীত অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় য-ফলা বা য হয়। এখানে বি শব্দের ই-কারের সঙ্গে অর্থ শব্দের অ যুক্ত হয়ে য-ফলা তৈরি করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি যোগ অপি = যদ্যপি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর অ যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং দ যোগ য মিলে দ্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: ইতি যোগ আদি = ইত্যাদি ব্যাখ্যা: ই-কারের পর আ যুক্ত হয়ে য-ফলা এবং ত যোগ য মিলে ত্যা গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ব্য+অর্থ — ব্য কোনো অর্থপূর্ণ উপসর্গ বা শব্দ নয় এবং এটি সন্ধির প্রমিত নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। B) বি+অর্থ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে বি উপসর্গ এবং অর্থ শব্দ মিলে ব্যর্থ গঠিত হয়েছে। C) ব্যা+অর্থ — ব্যা কোনো ব্যাকরণসম্মত সন্ধি বিচ্ছেদের অংশ বা উপসর্গ নয়। D) ব+অর্থ — ব একা কোনো উপসর্গ বা শব্দ হিসেবে সন্ধিতে এই রূপ তৈরি করতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: ই-কার বা ঈ-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার উঠে গিয়ে য-ফলা হয়। ব্যর্থ শব্দের শুরুতে ব্য দেখলেই বি যোগ অর্থ চিন্তা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যণ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ইতি যোগ আদি এবং যদি যোগ অপি শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ একই নিয়মে চর্চা করবে।
a গ্রিক
b তুর্কি
c ফারসি
d পর্তুগিজ
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ ১. কেন সঠিক: ইংরেজি শব্দটি বাংলা ভাষায় পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। পর্তুগিজ বণিক ও মিশনারিরা যখন বাংলায় এসেছিলেন, তখন তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় মিশে গেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি শব্দের উৎস বা শব্দের শ্রেণিবিভাগ সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন। বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ প্রবেশ করেছে বাণিজ্যের ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের মাধ্যমে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাদ্রি ব্যাখ্যা: এটি একটি পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলা ভাষায় ধর্মযাজক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: সাবান ব্যাখ্যা: এটিও পর্তুগিজ শব্দ যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গ্রিক - গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় সরাসরি ইংরেজি শব্দটি আসেনি। গ্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আসা শব্দের সংখ্যা খুবই কম। B) তুর্কি - তুর্কি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় দারোগা, তোপ প্রভৃতি শব্দ এসেছে, ইংরেজি শব্দটি আসেনি। C) ফারসি - ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রচুর শব্দ আসলেও ইংরেজি শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে নেওয়া হয়নি। D) পর্তুগিজ - এই অপশনটি সঠিক কারণ ইংরেজি শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকেই বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: পর্তুগিজ শব্দ মনে রাখার জন্য দৈনন্দিন ব্যবহৃত বিদেশি পণ্য ও পদের নামগুলো আলাদা করে তালিকাভুক্ত করতে পারো। যেমন ইংরেজি, পাদ্রি, সাবান, আনারস ইত্যাদি পর্তুগিজ শব্দ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
a ৪ ভাগে
b ৩ ভাগে
c ৫ ভাগে
d ৬ ভাগে
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৪ ভাগে ১. কেন সঠিক: উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি ও বিদেশি শব্দ (সাধারণত বিদেশি শব্দকে আলাদা ধরে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৫ ভাগ বলা হলেও প্রমিত ব্যাকরণে উৎপত্তিগতভাবে প্রধান ৪টি মূল শ্রেণি ধরা হয়)। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: উৎপত্তি বা উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব এবং দেশি-বিদেশি ভাগে বিশ্লেষণ করা হয়। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ধারায় সংস্কৃত এবং অন্যান্য ভাষা থেকে এসব শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র ব্যাখ্যা: এটি একটি তৎসম শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ভব শব্দ যা প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৪ ভাগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ উৎপত্তি অনুসারে বাংলা শব্দকে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। B) ৩ ভাগে — তিন ভাগে ভাগ করার কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। C) ৫ ভাগে — ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে পাঁচ ভাগ বলা হলেও বাংলা বোর্ড ব্যাকরণে প্রধান উৎস চার ভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। D) ৬ ভাগে — ছয় ভাগে শব্দকে ভাগ করার কোনো ঐতিহাসিক বা ব্যাকরণগত ভিত্তি নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: উৎপত্তি অনুসারে শব্দের শ্রেণি মনে রাখার সূত্র হলো ত-অ-ত-দে-বি (তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি)। প্রধান মূল উৎস মূলত চার প্রকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে তদ্ভব শব্দের অপর নাম কী, যার উত্তর হলো খাঁটি বাংলা শব্দ। উৎস বা উৎপত্তি সংক্রান্ত প্রশ্ন আসলে প্রধানত চার ভাগের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
a ২২টি
b ২১টি
c ২০টি
d ২৩টি
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২০টি ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গের নির্দিষ্ট সংখ্যা বিশটি। - এই উপসর্গগুলো তৎসম শব্দের আগে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন শব্দ তৈরি করে। - বাংলা ভাষায় উপসর্গ প্রধানত তিন প্রকার যথা সংস্কৃত উপসর্গ, বাংলা উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্র + হার = প্রহার ব্যাখ্যা: প্র একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা হার শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে। উদাহরণ ২: পরি + পূর্ণ = পরিপূর্ণ ব্যাখ্যা: পরি একটি সংস্কৃত উপসর্গ যা পূর্ণ শব্দের পূর্বে বসে সম্পূর্ণতা বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২২টি — এটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা, সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নয়। B) ২১টি — এটি কোনো নির্দিষ্ট উপসর্গের প্রমিত সংখ্যা নির্দেশ করে না। C) ২০টি — এটি সঠিক সংখ্যা হওয়ায় এই অপশনটি নির্দেশিত হয়েছে। D) ২৩টি — এটি কোনো সঠিক উপসর্গের সংখ্যা নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুবিন প্রপরা অপ সম নি অব অনু নির দুর্ বি অধি সু উৎ পরি প্রতি অভি অতি সু অপি অভি সু। - এই ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ ছন্দের মতো মুখস্থ রাখলে পরীক্ষায় ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা এবং সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা প্রায়ই কনফিউজ করে। - বাংলা উপসর্গ ২২টি এবং সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি, এই দুটি সংখ্যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
a রামমোহন রায়
b নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
c উইলিয়াম কেরী
d সুনীতিকুমার চট্টোপধ্যায়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১. কেন সঠিক: - নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণগ্রন্থ প্রকাশ করেন। - বইটি ইংরেজিতে রচিত এবং এর নাম ছিল এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ। ২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা: - নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ছিলেন একজন ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ ও সাহিত্যিক। - হুগলির হরিশচন্দ্র রায় বাংলা বর্ণমালা ডিজাইন বা খোদাই করে এই বই মুদ্রণে সাহায্য করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যাখ্যা: এটি হ্যালহেড রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থ যা ১৭৭৮ সালে Hooghly প্রেসে মুদ্রিত হয়। উদাহরণ ২: রাজা রামমোহন রায়ের গৌড়ীয় ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত প্রথম বাংলা ভাষায় রচিত বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রামমোহন রায় — তিনি প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেননি, তিনি ১৮৩৩ সালে প্রথম বাংলা ভাষায় ব্যাকরণ রচনা করেন। B) নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড — এটি সঠিক উত্তর, তাই কোনো ভুল নেই। C) উইলিয়াম কেরী — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান রচনা করলেও প্রথম ব্যাকরণকার নন। D) সুনীতিকুমার চট্টোপধ্যায় — তিনি বিশ শতকের প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী যিনি ১৯২৬ সালে ওডিবিএল গ্রন্থ রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: হ্যালহেড হলেন হ্যাল হ্যাল করে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ লিখেছিলেন ১৭৭৮ সালে। ইংরেজি ভাষায় লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ হ্যালহেডের লেখা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রথম বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থের রচয়িতা কে এবং কত সালে প্রকাশিত হয়, তা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। ইংরেজি ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ হ্যালহেড এবং বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রামমোহন রায় লিখেছিলেন।
a অর্থের অভাব
b অর্থের প্রাচুর্য্য
c অর্থের কু-প্রভাব
d অর্থের অহংকার
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থের কু-প্রভাব ১. কেন সঠিক: - তামার বিষ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ তামার ধাতুগত বিষ নয়, বরং এর রূপক অর্থ হলো অর্থের মন্দ বা ক্ষতিকর প্রভাব। - মানুষের জীবনে অতিরিক্ত বা অবৈধ অর্থের আগমন ঘটে যখন তার চরিত্র ও নীতিতে পতন ঘটে, তখন তাকেই তামার বিষ বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রবাদ ও বাগধারা, যা বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে মানব আচরণ ও সমাজের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলে। - বাগধারাটি অর্থের লোভ বা অর্থের কারণে মানুষের পতনশীল অবস্থাকে অত্যন্ত রূপক অর্থে প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৎ মানুষটি হঠাৎ ধনী হয়েই বদলে গেল, এ যেন তার ওপর তামার বিষের প্রভাব পড়েছে। ব্যাখ্যা: এখানে মানুষের চরিত্রের অবক্ষয়ের পেছনে অর্থের ক্ষতিকর প্রভাবকে বোঝানো হয়েছে। উদাহরণ ২: ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ মূলত তামার বিষের কুফলেই সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাখ্যা: অর্থের মোহে পারিবারিক সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে এই বাগধারাটি সুন্দরভাবে প্রযোজ্য হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অর্থের অভাব — তামার বিষ কখনো দারিদ্র্য বা আর্থিক সংকট বোঝায় না, বরং বিপরীত অবস্থাকে নির্দেশ করে। B) অর্থের প্রাচুর্য্য — প্রাচুর্য শুধু ধনসম্পদের আধিক্য বোঝায়, কিন্তু এর কুফল বা নেতিবাচক দিকটি এতে অনুপস্থিত। D) অর্থের অহংকার — অহংকার একটি মানসিক অবস্থা, কিন্তু তামার বিষ বলতে মূলত অর্থের কারণে ঘটা নৈতিক পতনকে বোঝায়। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার সহজ উপায় হলো তামা একটি ধাতু এবং এর বিষ বলতে অর্থের খারাপ দিক বা কুফলকে মাথায় রাখা। - অর্থ যখন মানুষের নীতি নষ্ট করে, তখন তাকে তামার বিষ হিসেবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থের কুফল সংক্রান্ত বাগধারা হিসেবে এটি প্রায়ই আসে। - অর্থের বিভিন্ন নেতিবাচক দিক বোঝাতে এমন রূপক শব্দ ব্যবহার করা হয়।
a কণ্ঠের সমীপে
b কণ্ঠের সদৃশ
c উপ যে কণ্ঠ
d কণ্ঠ পর্যন্ত
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কণ্ঠের সমীপে ১. কেন সঠিক: 'উপকণ্ঠ' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। এখানে 'উপ' উপসর্গটি 'সামীপ্য' বা নিকটে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেখানে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয় এবং নতুন পদটি অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সমীপে বা নিকটে অর্থে পূর্বপদে উপ উপসর্গ যুক্ত হয়ে এই সমাস সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কূলের সমীপে = উপকূল ব্যাখ্যা: এখানে কূল শব্দের সমীপ বা নিকট বোঝাতে উপকূল শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: অক্ষির সমীপে = সমক্ষ ব্যাখ্যা: চোখের সামনে বা নিকটে বোঝাতে অক্ষি শব্দের সমীপে অর্থে সমক্ষ শব্দটি তৈরি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কণ্ঠের সমীপে — এটি সঠিক উত্তর কারণ উপকণ্ঠ শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য এটি। B) কণ্ঠের সদৃশ — সদৃশ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হলে পূর্বপদে উপ বসে না, যেমন উপগ্রহ গ্রহের সদৃশ। C) উপ যে কণ্ঠ — এটি কোনো অর্থপূর্ণ ব্যাকরণগত ব্যাসবাক্য বা সমাসের নিয়ম নয়। D) কণ্ঠ পর্যন্ত — পর্যন্ত অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসে 'আ' উপসর্গ ব্যবহৃত হয়, যেমন কণ্ঠ পর্যন্ত = আকণ্ঠ। ৫ মনে রাখার টিপস: সমীপে বা নিকটে অর্থ প্রকাশ করতে অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত উপ উপসর্গ ব্যবহার করা হয়। তাই উপকণ্ঠ দেখলেই কণ্ঠের সমীপে বা কাছে কথাটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: উপসর্গের অর্থ এবং সমাসের নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অব্যয়ীভাব সমাসের সমীপে অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
a দুহঃ+যোগ
b দুঃ+যোগ
c দুর+যোগ
d দুরঃ+যোগ
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দুঃ+যোগ ১. কেন সঠিক: বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি চ, ছ, ট, ঠ, ত বা থ থাকে তবে বিসর্গের স্থানে মূর্ধন্য স (ষ) হয়। তবে বিসর্গের পরে যদি জ বা অন্য কোনো ঘোষ বর্ণ থাকে, তবে বিসর্গ লোপ পেয়ে রেফ বা ও-কার হয় অথবা বিসর্গ স্থানে ও-কার হয়। দুর্যোগ শব্দের ক্ষেত্রে দুঃ যোগ যোগ মিলে দুর্যোগ গঠিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গ স্থলে ও-কার বা রেফ যুক্ত হওয়ার নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধি হলো স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে বিসর্গের পরিবর্তন ঘটিত সন্ধি। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে বিসর্গ স্থানে রেফ (র) আসার প্রক্রিয়াটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ রূপ। দুর্যোগ শব্দের বেলায় দু (উপসর্গ) যুক্ত যোগ মিলে দুর্যোগ সাধিত হয়েছে, যা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে ব্যাকরণে সিদ্ধ। নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পর জ থাকলে বিসর্গ স্থানে র হয় এবং পরবর্তী বর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে রেফ হিসেবে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবির্ভাব (আবিঃ + ভাব) ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গের পরে ভ (ঘোষ অল্পপ্রাণ বর্ণ) থাকায় বিসর্গ স্থানে রেফ হয়েছে। উদাহরণ ২: চতুর্দশ (চতুঃ + দশ) ব্যাখ্যা: বিসর্গের পরে দ থাকায় বিসর্গ র এ রূপান্তরিত হয়ে রেফ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুহঃ+যোগ — দুহ বলে কোনো উপসর্গ বা শব্দ বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির ক্ষেত্রে সিদ্ধ নয়। C) দুর+যোগ — দুর এর সাথে হসন্ত বা বিসর্গ না থাকায় এটি প্রমিত সন্ধিবিচ্ছেদ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। D) দুরঃ+যোগ — দুর এর পরে বিসর্গ ব্যবহার ব্যাকরণসম্মত নয় কারণ র এর পরে বিসর্গ বসে না। কোনো অপশনই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশন বি তে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: দুর্যোগ শব্দটির সন্ধি মনে রাখতে হলে মনে রাখবে যে এটি একটি বিসর্গ সন্ধি। দুঃ এর সাথে যোগ যুক্ত হলে বিসর্গ উঠে গিয়ে রেফ যুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই রেফযুক্ত শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে চর্চা করতে হবে। একই নিয়মে আবির্ভাব, অন্তর্ধান ও নির্ঝর শব্দগুলোর সন্ধিবিচ্ছেদ চর্চা করা যেতে পারে।
a সমীভবন
b বিষমীভবন
c অসমীভবন
d ধ্বনিবিপর্যয়
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বিষমীভবন ১. কেন সঠিক: শরীর শব্দটির মাঝের 'র' ধ্বনিটি পরিবর্তিত হয়ে 'ল' হয়ে শরীল রূপ ধারণ করেছে। দুটি সমবর্ণ বা একই জাতীয় ধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন ধ্বনিতে রূপান্তর হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিষমীভবন বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পাশাপাশি অবস্থিত দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তন বা পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন বর্ণে পরিণত হওয়াকে বিষমীভবন বলা হয়। প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এটি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি নিয়মতান্ত্রিক রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালরস > লাললসন ব্যাখ্যা: দুটি ল ধ্বনির একটি পরিবর্তিত হয়ে ন এ পরিণত হয়েছে। উদাহরণ ২: শরীর > শরীল ব্যাখ্যা: দুটি র ধ্বনির দ্বিতীয়টি পরিবর্তিত হয়ে ল এ পরিণত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমীভবন — পাশাপাশি দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে সমীভবন বলে, যা এখানে ঘটেনি। B) বিষমীভবন — সঠিক উত্তর। C) অসমীভবন — দুটি একজাতীয় ধ্বনির একটির পুনরাবৃত্তি দূর করতে মাঝখানে স্বরধ্বনি আসার প্রক্রিয়াকে অসমীভবন বলে। D) ধ্বনিবিপর্যয় — শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পারস্পরিক স্থান পরিবর্তনকে ধ্বনিবিপর্যয় বলে, এখানে তা হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: বিষমীভবন মানে বিষম বা আলাদা করা, অর্থাৎ দুটি একই রকম বর্ণ থাকলে একটিকে অন্যরকম বা আলাদা বর্ণে রূপান্তর করা। শরীর থেকে শরীল বানানোর সময় দুটি র এর একটি ল হয়ে আলাদা রূপ নিয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শরীর > শরীল রূপান্তরটি প্রায়ই বিষমীভবন হিসেবে আসে। সমবর্ণের একটির রূপ বদলানোর এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি মনে রাখা জরুরি।
a ধ্বনিতত্ত্বে
b রূপতত্ত্বে
c বাক্যতত্ত্বে
d অর্থতত্ত্বে
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূপতত্ত্বে ১. কেন সঠিক: বাংলা ব্যাকরণে পদের গঠন, পদের রূপান্তর এবং বাক্যের ক্ষুদ্রাংশের গঠন নিয়ে যেখানে আলোচনা করা হয়, তাকে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব বলে। ক্রিয়ার কাল এবং পুরুষ শব্দের রূপান্তরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হওয়ায় তা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের রূপতত্ত্বে মূলত শব্দ ও পদের রূপভেদ, বচন, লিঙ্গ, কারক, বিভক্তি, কাল এবং পুরুষ আলোচনা করা হয়। ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষের প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় এবং এর রূপ পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আমি ভাত খাই। ব্যাখ্যা: এখানে উত্তম পুরুষের বর্তমান কালের ক্রিয়াপদ ব্যবহৃত হয়েছে যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য। উদাহরণ ২: সে স্কুলে যাবে। ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম পুরুষের ভবিষ্যৎ কালের ক্রিয়াপদ ব্যবহৃত হয়েছে যা রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ এবং নত্ব বিধান ও ষত্ব বিধান আলোচিত হয়। C) বাক্যতত্ত্বে — পদের ক্রম, বাক্যের গঠন এবং বাচ্য পরিবর্তন আলোচিত হয়। D) অর্থতত্ত্বে — শব্দের উৎস, সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ এবং বাগধারা আলোচিত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: শব্দের রূপ পরিবর্তন সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় যেমন কাল, পুরুষ, বচন এবং লিঙ্গ রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয়। বাক্যের ভেতরের শব্দের পরিবর্তন দেখলে চোখ বন্ধ করে রূপতত্ত্ব দাগাবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যাকরণের কোন অংশ কী আলোচনা করে তা প্রায়ই আসে। ক্রিয়ার কাল, পুরুষ, বচন এবং লিঙ্গ রূপতত্ত্বের প্রধান আলোচ্য বিষয়।
a √দীপ্য+মান
b √দিপ্য+মানচ
c √দীপ+শামচ
d √দিপ+শানচ
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) √দিপ+শানচ ১. কেন সঠিক: - দীপ্যমান শব্দটি সংস্কৃত ভাষার কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত একটি বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ। - এখানে মূল ধাতু হলো √দিপ এবং বর্তমানমান অর্থে ধাতুর উত্তর শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই পদটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী বর্তমান কালবাচক অর্থে আত্মনেপদ ধাতুর পর শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়। - শানচ প্রত্যয়ের শ এবং চ ইৎ বা লুপ্ত হয় এবং অবশিষ্টাংশ মান যুক্ত থাকে, যা শব্দের শেষে প্রকাশ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: √লভ+শানচ = লভ্যমান ব্যাখ্যা: এখানে √লভ ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে লভ্যমান শব্দ গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: √কম্প+শানচ = কম্পমান ব্যাখ্যা: এখানে √কম্প ধাতুর সঙ্গে শানচ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কম্পমান শব্দ গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) √দীপ্য+মান — এখানে দীপ্য কোনো মৌলিক ধাতু নয় এবং মান কোনো প্রমিত ব্যাকরণিক প্রত্যয় হিসেবে ধরা হয় না। B) √দিপ্য+মানচ — এখানে দিপ্য ভুল ধাতু এবং মানচ কোনো সংস্কৃত প্রত্যয় রূপ নয়। C) √দীপ+শামচ — এখানে শামচ বলে কোনো ব্যাকরণসিদ্ধ প্রত্যয় বাংলায় বা সংস্কৃতে নেই। D) √দিপ+শানচ — এটি সঠিক এবং পরীক্ষিত প্রমিত ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে বর্তমান কৃদন্ত পদে মান বা মানা যুক্ত থাকলে সাধারণত শানচ প্রত্যয় বিবেচনা করতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সংস্কৃত ধাতু ও প্রত্যয়ের বানান এবং যুক্তবর্ণের ব্যবহার খুব সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ্য করতে হয়।
a বীরভোগ্যা
b রত্মগর্ভা
c বীরপ্রসূ
d স্বর্ণমাতা
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বীরপ্রসূ ১. কেন সঠিক: বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী- এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো বীরপ্রসূ। এখানে বীর অর্থ পরাক্রমশালী বা শৌর্যবীর্যবান এবং প্রসূ শব্দের অর্থ জন্মদানকারিণী বা প্রসবকারিণী। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একাধিক পদ বা বাক্যকে একটিমাত্র পদে পরিণত করে ভাষা সংগত ও সুন্দর করার প্রক্রিয়াকে এককথায় প্রকাশ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালে পেকেছে যা - অকালপক্ব। ব্যাখ্যা: সময়ের আগেই পরিপক্বতা লাভ করেছে এমন কোনো ফল বা বুদ্ধিকে বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক। ব্যাখ্যা: যিনি ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেন বা ইতিহাস লেখেন, তাকে এক কথায় ঐতিহাসিক বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বীরভোগ্যা — বীরভোগ্যা শব্দের অর্থ যা বীরের দ্বারা ভোগ করা হয় বা জয় করা হয়। এটি নির্দিষ্ট কোনো নারী প্রসবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। B) রত্মগর্ভা — রত্নগর্ভা বলতে এমন মাতাকে বোঝায় যিনি রত্নতুল্য বা গুণী সন্তান প্রসব করেছেন। সব বীর সন্তান রত্নগর্ভার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট থাকে না। D) স্বর্ণমাতা — স্বর্ণমাতা বলে বাংলা ব্যাকরণে প্রমিত কোনো এককথায় প্রকাশ নেই। এটি একটি বিভ্রান্তিকর ও অপ্রচলিত অপশন। ৫ মনে রাখার টিপস: প্রসূ শব্দের অর্থ জন্মদানকারী বা প্রসবকারী। তাই বীর সন্তান প্রসব করেন যিনি, তার ক্ষেত্রে বীর এবং প্রসূ মিলে বীরপ্রসূ শব্দটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। প্রসূ সংক্রান্ত শব্দগুলো যেমন পুত্রপ্রসূ বা বীরপ্রসূ ভালোভাবে অনুশীলন করবে।
a প্যারীচাঁদ মিত্র
b মোহিতালাল মজুমদার
c বিহারীলাল চক্রবর্তী
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১. কেন সঠিক: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে সার্থক রূপ দান করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার। তিনি ১৮৬৬ সালে ফ্রান্সে প্রবাসকালে চতুর্দশপদী কবিতাবলী রচনা করেন এবং বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গবাণী কবিতা বা কপোতাক্ষ নদ কবিতা ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ একটি সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। উদাহরণ ২: প্রবাসের পদ্মাবতী বা চতুর্দশপদী কবিতাবলী ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি বাংলা উপন্যাসের প্রবর্তক ও আলালের ঘরের দুলাল গ্রন্থের রচয়িতা। B) মোহিতালাল মজুমদার — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট রোমান্টিক কবি ও সাহিত্য সমালোচক। C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং বাংলা গীতি কবিতার প্রধান পুরুষ। D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি বাংলা সনেটের প্রবর্তক। ৫ মনে রাখার টিপস: সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সঙ্গে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাম সরাসরি যুক্ত। মধুসূদন মানেই মধুমাখা সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত এবং তার বিখ্যাত সনেট কপোতাক্ষ নদ বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই ধারায় অন্যান্য সাহিত্যিকদের প্রবর্তক বা জনক সংক্রান্ত তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ফলা
b কার
c ধ্বনি
d অক্ষর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কার ১. কেন সঠিক: - স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তার পূর্ণরূপ না বসে একটি সংক্ষিপ্ত রূপ বসে। স্বরবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে ব্যাকরণের পরিভাষায় কার বলা হয়। - বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট এগারোটি হলেও কার বা সংক্ষিপ্ত রূপ দশটি, কারণ অ বর্ণটির নিজস্ব কোনো কার নেই। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনি ও বর্ণ প্রকরণে স্বরবর্ণের দুটি রূপ রয়েছে, যথা পূর্ণরূপ ও সংক্ষিপ্ত রূপ। শব্দের আদিতে বা একা বসলে স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় এবং ব্যঞ্জনবর্ণের পরে বসলে কার ব্যবহৃত হয়। - বাংলা বর্ণমালায় আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ এই দশটি স্বরবর্ণের নির্দিষ্ট কার চিহ্ন যথাক্রমে আকার, ই-কার, ঈ-কার, উ-কার, ঊ-কার, ঋ-কার, একার, ওইকার, ওকার ও ঔকার নামে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কলম শব্দের ক ব্যঞ্জনের সঙ্গে অ স্বরবর্ণ যুক্ত আছে এবং এর কোনো দৃশ্যমান কার নেই। ব্যাখ্যা: অ স্বরবর্ণের কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার না থাকায় এটি ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে অদৃশ্যভাবে যুক্ত থাকে। উদাহরণ ২: পিতা শব্দের প ব্যঞ্জনের সঙ্গে ই স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার কারণে ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে স্বরবর্ণ যুক্ত করার সময় ই-বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফলা — ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলা হয়, স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে নয়। B) কার — এটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর। C) ধ্বনি — মানুষের মুখনিঃসৃত অর্থপূর্ণ আওয়াজ বা শব্দকে ধ্বনি বলা হয়, এটি কোনো বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়। D) অক্ষর — উচ্চারণের একক বা মুখের এক ঝটকায় যতটুকু উচ্চারণ করা যায় তাকে অক্ষর বলা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো কার এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ফলা। - মনে রাখবে স্বরবর্ণ হলো দশটি কারের উৎস এবং অ হলো কারহীন বর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলায় কার চিহ্নের সংখ্যা মোট দশটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা ফলার সংখ্যা ছয়টি। - এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ও বিসিএস পরীক্ষায় ধ্বনি ও বর্ণ অধ্যায় থেকে আসে।
a কিংবদন্তি
b হাতি
c চাঁদ
d তেঁতুল
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কিংবদন্তি ১. কেন সঠিক: কিংবদন্তি একটি তৎসম শব্দ কারণ এটি সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে। শব্দটির অর্থ প্রবচন বা ঐতিহ্যগত জনশ্রুতি, যা প্রাচীনকাল থেকে মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয় যথা তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ। যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলায় এসেছে সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১ চন্দ্র ব্যাখ্যা চন্দ্র একটি তৎসম শব্দ যার তদ্ভব রূপ হলো চাঁদ। উদাহরণ ২ হস্ত ব্যাখ্যা হস্ত একটি তৎসম শব্দ যার তদ্ভব রূপ হলো হাত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কিংবদন্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে আগত তৎসম শব্দ। B) হাতি — এটি একটি তদ্ভব শব্দ কারণ এর উৎস সংস্কৃত হস্ত থেকে পরিবর্তিত হয়ে হাতি হয়েছে। C) চাঁদ — এটি একটি তদ্ভব শব্দ যার মূল উৎস সংস্কৃত চন্দ্র শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। D) তেঁতুল — এটি একটি দেশি শব্দ যা প্রাচীন অস্ট্রিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি আসা কঠিন বা দীর্ঘ আকৃতির শব্দ যেমন কিংবদন্তি চন্দ্র সূর্য ভবন সাধারণত তৎসম শব্দ হয়। তৎসম শব্দের বানানে ণ ষ ঋ বা যুক্তক্ষর প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তৎসম ও তদ্ভব শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
a বুদ্ধদেব বসু
b শামসুর রহমান
c কাজী নজরুল ইসলাম
d শওকত ওসমান
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান সম্পাদক ছিলেন। - ১৯২২ সালের আগস্ট মাসে এই পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে ধুমকেতু একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা। - এই পত্রিকার প্রথম পাতার উদ্বোধনী কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী লিখেছিলেন। - নজরুলের বিখ্যাত কবিতা আনন্দময়ীর আগমনে এই পত্রিকাতেই প্রকাশিত হওয়ার কারণে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: - A) বুদ্ধদেব বসু — তিনি মূলত প্রগতি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। - B) শামসুর রহমান — তিনি একজন বিখ্যাত আধুনিক কবি এবং সাংবাদিক হলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না। - C) কাজী নজরুল ইসলাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। - D) শওকত ওসমান — তিনি একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক। মনে রাখার টিপস: - নজরুলকে বিদ্রোহী কবি বলা হয় এবং তার প্রকাশিত পত্রিকার নামও ছিল ধুমকেতুর মতো উজ্জ্বল ও বিদ্রোহী।
a হুতাশন
b কৃশানু
c বায়ুসখা
d দ্যুতি
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) দ্যুতি ১. কেন সঠিক: - 'দ্যুতি' শব্দের অর্থ হলো প্রভা, আলো, দীপ্তি বা কান্তি। এটি সরাসরি আগুন বা অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়। - প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়, তাই সঠিক উত্তর দ্যুতি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যাদের অর্থ প্রায় সমান বা একই রকম। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ ও উৎস জানা অত্যন্ত জরুরি। - 'অগ্নি' শব্দের অনেকগুলো তৎসম বা সংস্কৃত সমার্থক শব্দ রয়েছে যা বিভিন্ন পরীক্ষায় বারবার আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অনল ব্যাখ্যা: অনল হলো অগ্নির একটি অতি পরিচিত সমার্থক শব্দ যার অর্থ আগুন। উদাহরণ ২: পাবক ব্যাখ্যা: পাবক শব্দটি অগ্নি বা আগুন বোঝাতে বহুবিধ বাংলা কাব্যে ও ব্যাকরণে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুতাশন — এটি অগ্নির একটি অন্যতম প্রধান ও বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ। B) কৃশানু — এটি অগ্নি বা আগুনের একটি প্রাচীন ও প্রমিত সমার্থক শব্দ। C) বায়ুসখা — বায়ু বা বাতাসের সহায়তায় আগুন জ্বলে বলে অগ্নিকে বায়ুসখা বলা হয়। D) দ্যুতি — এটি আলো বা দীপ্তি বোঝায়, যা আগুন বা অগ্নির সমার্থক শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - আগুন বা অগ্নির সমার্থক শব্দগুলো মনে রাখতে অনল, পাবক, হুতাশন, কৃশানু, বৈশ্বানর এবং সর্বভুক শব্দগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। - যে শব্দগুলো আলো বা প্রভা বোঝায় যেমন দ্যুতি বা জোতি, সেগুলোকে অগ্নি থেকে আলাদা করে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - তৎসম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
a ডাষ্টবিন
b দারিদ্র্য
c দূষণীয়
d নূপুর
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দারিদ্র্য ১. কেন সঠিক: - দরিদ্র শব্দের সঙ্গে ভাববাচক প্রত্যয় য যুক্ত হয়ে দারিদ্র্য শব্দটি গঠিত হয়েছে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী দয়ে র-ফলা এবং য-ফলা যুক্ত এই শব্দটিতে র-ফলা এবং য-ফলা উভয়ই সঠিক ও অপরিবর্তিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে প্রত্যয় যোগের মাধ্যমে বিশেষ্য পদ গঠনের সময় বানරের বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। - দরিদ্র শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হলে মূল শব্দের ই-কার অবলুপ্ত হয়ে অ-কার বা অন্য পরিবর্তন হতে পারে, এবং অন্তে য-ফলা যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৌহার্দ্য ব্যাখ্যা: সুহৃদ শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বানানটি গঠিত হয় যেখানে দয়ে র-ফলা এবং য-ফলা ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ঔদার্য ব্যাখ্যা: উদার শব্দের সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দের বানানেও একই প্রত্যয়গত নিয়ম অনুসরণ করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ডাষ্টবিন — এই বানানটি ভুল কারণ বাংলা বানানরীতিতে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে মূর্ধন্য ষ ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণত দন্ত স ব্যবহৃত হয় এবং সঠিক বানান ডাস্টবিন। B) দারিদ্র্য — এটি সঠিক উত্তর। C) দূষণীয় — এই বানানটি ভুল কারণ প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী বাংলা ভাষায় ই-কারান্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ণ-ত্ব বিধানের নিয়মে মূর্ধন্য ণ হয় না, সঠিক বানান দূষণীয়। D) নূপুর — এই বানানটি ভুল কারণ বাংলা প্রমিত বানানরীতিতে নূপুর শব্দে উ-কার এবং ঊ-কার উভয়ই দীর্ঘ বা হ্রস্ব হতে পারে, তবে বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান অনুযায়ী নূপুরে ন-এ দীর্ঘ ঊ-কার এবং প-এ হ্রস্ব উ-কার হয়, কিন্তু এখানে বিকল্পে অন্য কোনো ত্রুটি থাকতে পারে অথবা এটি ভুল বানান হিসেবে ধরা হয়েছে কারণ সঠিক প্রমিত রূপ হলো নূপুর যেখানে প-এ উ-কার হ্রস্ব হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - য-ফলাযুক্ত প্রত্যয়যুক্ত শব্দ যেমন দারিদ্র্য, সৌহার্দ্য ও আধিক্য লেখার সময় শেষের বর্ণে র-ফলা ও য-ফলা একত্রে সাবধানে লিখতে হয়। - প্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য পদ চেনার জন্য শব্দের শেষের গঠন ও মূল শব্দ খেয়াল রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান যেমন দারিদ্র্য, ঐকতান ও সৌন্দর্য প্রায়ই আসে। - বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে শব্দের মূল রূপ ও প্রত্যয়ের পরিবর্তন ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
a অন্যগৃহ
b মিলের অভাব
c স্ত্রী’র অভাব
d প্রকৃষ্ট গতি
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্যগৃহ ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে সমস্ত পদের অর্থবাচকতা থাকে না এবং ব্যাসবাক্য হয় না বা অন্য পদের সাহায্যে ব্যাসবাক্য করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। - অন্যগৃহ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো কেবল গৃহ বা অন্য গৃহ, যেখানে নিত্য সমাসবদ্ধ পদ হিসেবে এটি একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - নিত্য সমাস এমন একটি সমাস, যার কোনো স্বাভাবিক ব্যাসবাক্য হয় না এবং সমাসবদ্ধ পদটি নিত্যকাল বা সর্বদা সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে। - এই সমাস চেনার সহজ উপায় হলো সমস্ত পদে সাধারণত অন্য, কেবল, মাত্র প্রভৃতি শব্দ বা উপসর্গ যুক্ত থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গ্রামান্তর ব্যাখ্যা: অন্য গ্রাম বোঝাতে নিত্য সমাসে গ্রামান্তর শব্দটি গঠিত হয়। উদাহরণ ২: দর্শনমাত্র ব্যাখ্যা: কেবল দর্শন অর্থে নিত্য সমাসের নিয়মে এই শব্দটি সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্যগৃহ — এটি সঠিক উত্তর এবং নিত্য সমাসের একটি পরীক্ষিত উদাহরণ। B) মিলের অভাব — এটি অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার সমস্ত পদ হাহা. C) স্ত্রী’র অভাব — এটিও অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, যার সমস্ত পদ নির্জন বা হাবাত নয় বরং হাহা. D) প্রকৃষ্ট গতি — এটি প্রাদি সমাসের বা কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার সমস্ত পদ প্রগতি। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিত্য সমাস চেনার মূল চাবিকাঠি হলো সমস্ত পদে অন্য বা কেবল শব্দের উপস্থিতি থাকা। - যেমন গ্রামান্তর বা অন্যগৃহ দেখলে চোখ বন্ধ করে নিত্য সমাস দাগাতে পারো। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে এবং অন্য বা মাত্র যুক্ত শব্দগুলো বেশি দেখা যায়। - অব্যয়ীভাব সমাসের সঙ্গে নিত্য সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে যাতে অভাব ও অন্য শব্দে ভুল না হয়।
a পূর্ণচ্ছেদ
b দৃষ্টান্তছেদ
c পাদচ্ছেদ
d অর্ধচ্ছেদ
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাদচ্ছেদ ১. কেন সঠিক: - কমা (Comma) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা হলো পাদচ্ছেদ। বাংলা বাক্যে লেখার সময় অল্প বিরতি বোঝাতে এই জ্যোতি বা ছেদ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লেখায় জ্যোতি বা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন ও ব্যবহার করেন। বাক্যকে অর্থপূর্ণ ও সুস্পষ্ট করার জন্য বাক্যের মাঝে পদের অংশ আলাদা করতে পাদচ্ছেদ বা কমা ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী। ব্যাখ্যা: এখানে মূল বাক্য ও অতিরিক্ত তথ্য বা সম্বোধন আলাদা করতে কমা বা পাদচ্ছেদ ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: রহিম, তুমি এদিকে এসো। ব্যাখ্যা: কাউকে সরাসরি সম্বোধন করার পর বাক্যকে সাবলীল করতে কমা বা পাদচ্ছেদ বসানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পূর্ণচ্ছেদ — এটি ফুলস্টপ (.) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা, যা বাক্য শেষ বোঝাতে বসে। B) দৃষ্টান্তছেদ — এটি কোলন (:) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা, যা কোনো উদাহরণ বা বিবরণ দিতে ব্যবহৃত হয়। C) পাদচ্ছেদ — এটি কমা (,) চিহ্নের সঠিক বাংলা পরিভাষা। D) অর্ধচ্ছেদ — এটি সেমিকোলন (;) চিহ্নের বাংলা পরিভাষা, যা কমার চেয়ে বেশি বিরতি বোঝাতে বসে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কমা নিচে বসে, তাই এর বাংলা নাম পাদচ্ছেদ (পাদ অর্থ পা বা নিচে)। সেমিকোলন হলো অর্ধচ্ছেদ এবং কোলন হলো দৃষ্টান্তছেদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় জ্যোতি চিহ্নের বাংলা পরিভাষা প্রায়ই আসে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর দ্য বেঙ্গলি ব্যাকরণ বইয়ে প্রথম ইংরেজি যতিচিহ্নের বাংলা রূপ দেন।
a সর্বনাশ
b তামাশা
c ক্ষণস্থায়ী
d ভন্ড
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ক্ষণস্থায়ী ১. কেন সঠিক: - তাসের ঘর একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার আক্ষরিক অর্থ তাসের তৈরি ঘর এবং রূপক অর্থে এর অর্থ এমন বস্তু যা খুব দ্রুত ভেঙে যায় বা ধ্বংস হয়ে যায়। - এই বাগধারাটি মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা, কোনো পরিকল্পনা বা প্রতিষ্ঠানের স্থায়িত্বহীনতা বোঝাতে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে থাকে। - এটি মূলত শব্দার্থের রূপক ব্যবহারের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে তাসের ঘর সহজে ধসে পড়ার বৈশিষ্ট্য থেকে ক্ষণস্থায়ীত্বের ধারণাটি এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মন্ত্রিত্ব পাওয়া মানেই তো সব সমস্যার সমাধান নয়, রাজনীতি তো তাসের ঘরের মতো যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। ব্যাখ্যা: এখানে রাজনৈতিক ক্ষমতার অনিশ্চয়তা ও স্থায়িত্বহীনতা বোঝাতে তাসের ঘর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: হঠাৎ পাওয়া এই সুখের দিনগুলো যেন তাসের ঘরের মতো নিমিষেই শেষ হয়ে গেল। ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনের আনন্দ বা সুখের ক্ষণস্থায়ী রূপ ফুটিয়ে তুলতে এই উদাহরণটি দেওয়া হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সর্বনাশ — সর্বনাশ বলতে বড় ধরনের ক্ষতি বা ধ্বংস বোঝায়, যা তাসের ঘরের নির্দিষ্ট ক্ষণস্থায়ী অর্থকে সরাসরি প্রকাশ করে না। B) তামাশা — তামাশা শব্দের অর্থ পরিহাস, কৌতুক বা বিনোদন, যা এই বাগধারার স্থায়িত্বহীনতা বা ধ্বংসশীলতার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) ক্ষণস্থায়ী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তাসের ঘর সহজে ভেঙে যায় এবং এর স্থায়িত্ব খুব কম সময় স্থায়ী হয়। D) ভন্ড — ভন্ড বলতে কপট বা প্রতারক মানুষকে বোঝানো হয়, যা তাসের ঘরের মতো কোনো বস্তুগত বা অবস্থাগত ক্ষণস্থায়িত্বকে নির্দেশ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: - তাস দিয়ে ঘর বানালে যেমন সামান্য বাতাসে বা একটু নড়াচড়াতেই তা মুহূর্তে ধসে পড়ে, তেমনি যেকোনো জিনিস যা খুব দ্রুত নষ্ট হয় তাকে তাসের ঘর বলে মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ প্রায়ই আসে, তাই আক্ষরিক অর্থের চেয়ে এর রূপক বা ভাবার্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a ঈশ্বচন্দ্র বিদ্যাসাগর
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপধ্যায়
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১. কেন সঠিক: বাংলা গদ্যের শিল্পসম্মত রূপদান, ব্যাকসম্মত ছেদচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং গদ্যে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর রচিত বেতাল পঞ্চবিংশতি এবং শকুন্তলা গ্রন্থ বাংলা গদ্যকে সুবিন্যস্ত ও গতিশীল রূপ দান করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার এবং আধুনিক বাংলা গদ্যরীতির প্রবর্তক হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর গদ্যে সংস্কৃত ভাষার তৎসম শব্দের প্রাধান্য থাকলেও বাক্যের গঠনবিন্যাস ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও প্রাঞ্জল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বেতাল পঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনূদিত একটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের ভিত্তি মজবুত করে। উদাহরণ ২: ভ্রান্তিবিলাস ব্যাখ্যা: এটি শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস নাটকের বাংলা অনুবাদ যা বিদ্যাসাগরের গদ্যশৈলীর আরেকটি চমৎকার নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলা গদ্যের জনক এবং আধুনিক গদ্যরীতির প্রধান রূপকার। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ইনি বাংলা ছোটগল্প ও আধুনিক কাব্যের জনক হলেও গদ্যের জনক নন। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা। D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের জনক এবং সাহিত্যসম্রাট হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: গদ্যের জনক বললে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মনে রাখবে, কারণ তিনি গদ্যে প্রথম বিরামচিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন। উপন্যাসের জনক বললে প্যারীচাঁদ মিত্র বা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে স্মরণ করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যে যতিচিহ্ন বা বিরামচিহ্নের সার্থক প্রবক্তাও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের জনক ও উপন্যাসের জনকের প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই এদের গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
a ছোটগল্প
b কাব্যনাটক
c উপন্যাস
d পত্রপন্যাস
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাব্যনাটক ১. কেন সঠিক: - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ একটি কাব্যনাটক কারণ এটি কবিতার ছন্দে রচিত হলেও এতে নাটকের মতো চরিত্র, সংলাপ ও দ্বন্দ্ব রয়েছে। - ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এই নাটকে গ্রামীণ সমাজের মনস্তত্ত্ব ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এই কাব্যনাটকের রচয়িতা হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি সৈয়দ শামসুল হক। - ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যনাটকটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মঞ্চসফল নাটক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরী রচিত ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ ব্যাখ্যা: এটিও একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক যার পটভূমি পান্ডপাতের তৃতীয় যুদ্ধ। উদাহরণ ২: সৈয়দ শামসুল হকের ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ ব্যাখ্যা: এটিও কবির আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাটক যা কৃষক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছোটগল্প — ছোটগল্প হলো এমন কল্পকাহিনি যা অল্প কথায় জীবন বা সমাজের একটি দিক ফুটিয়ে তোলে কিন্তু এটি কাব্যনাটক নয়। B) কাব্যনাটক — এই অপশনটি সঠিক কারণ নাটকটি কবিতার ছন্দে রচিত এবং এর মধ্যে নাট্যগুণ ও কাব্যরস উভয়ই বিদ্যমান। C) উপন্যাস — উপন্যাসে বড় পরিসরে একাধিক চরিত্র ও ঘটনার বিস্তার থাকে যা এই রচনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। D) পত্রপন্যাস — চিঠিপত্রের আদান-প্রদানের মাধ্যমে যে উপন্যাস বা কাহিনি রচিত হয় তাকে পত্রপন্যাস বলে যা এই রচনার রূপ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নাম দেখলে এবং রচনার নামের শুরুতে কবিতার ছন্দ ও নাটকের রূপ পেলে তা কাব্যনাটক হিসেবে মনে রাখবে। - ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ এবং ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ উভয়ই সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাটক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ রচনার লেখক এবং এর সাহিত্যরূপ প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - সৈয়দ শামসুল হক একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হলেও তাঁর কাব্যনাটকগুলো বিশেষ খ্যাতির অধিকারী।
a 1909
b 1798
c 1907
d 1709
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯০৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ এবং হাজার বছর আগের সমাজচিত্র ও ধর্মীয় অনুশাসন সম্পর্কে জানার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও ধর্মের গূঢ় অর্থ প্রকাশের গান হিসেবে রচিত হয়েছিল যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন যে চর্যাপদের ভাষা মূলত প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপাদের রচনা যার শুরু হয় কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল চঞ্চল চিয়ে পৈঠা কাল দিয়ে এই পঙক্তি দিয়ে। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি থেকে প্রাচীন বাংলা ভাষার শব্দগঠন, ব্যাকরণ এবং বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের রূপক অর্থ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কাগু বিষয়ে ভুসুকুপা রচিত আপন মাংসে হরিণা বৈরী পদটি অত্যন্ত বিখ্যাত একটি সাহিত্যিক নিদর্শন। ব্যাখ্যা: এই পঙক্তিটি দ্বারা তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র এবং মানুষের জীবন সংগ্রামের রূপক প্রকাশ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯০৯ — এই সালে চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয়নি বরং ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে এটি আবিষ্কার করেছিলেন। B) ১৭৯৮ — এই সালটি চর্যাপদ আবিষ্কারের ইতিহাসের সঙ্গে কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট নয় কারণ এটি অনেক পরের একটি সময়কাল। D) ১৭০৯ — এই সালটিতে চর্যাপদ আবিষ্কারের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা বা তথ্য বাংলা সাহিত্যে পাওয়া যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কারের সাল মনে রাখার সহজ কৌশল হলো হরিপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে যখন পুঁথি আনেন তখন সালটি ছিল বিশ শতকের প্রথম দশকের শেষভাগে অর্থাৎ ১৯০৭ সাল। ১৯১৬ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় যা আবিষ্কারের ঠিক নয় বছর পরের ঘটনা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের আবিষ্কারক আবিষ্কারের সাল এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। একইভাবে চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা এবং প্রথম পদের রচয়িতাও ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a out
b through
c away
d in
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) out কেন সঠিক: এখানে 'break out' একটিPhrasal verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। যার অর্থ হঠাৎ করে কোনো যুদ্ধ বা মহামারী শুরু হওয়া। বাকি অপশন কেন ভুল: A) out — এটি সঠিক উত্তর কারণ যুদ্ধ শুরু হওয়া অর্থে break out ব্যবহৃত হয়। B) through — break through অর্থ কোনো বাধা ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়া যা এখানে প্রযোজ্য নয়। চ) away — break away অর্থ বন্দিদশা থেকে পালিয়ে যাওয়া যা এই বাক্যের সাথে মিলছে না। D) in — break in অর্থ জোর করে প্রবেশ করা যা এখানে অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ করে না। মনে রাখার টিপস: যুদ্ধ, মহামারী বা আগুন হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া বা শুরু হওয়া বোঝালে সবসময় break out বলতে হবে।
a Each boy and each girl have a pen.
b Each boy and each girl are having a pen.
c Each boy and each girl has a pen.
d Each boy and each were heaving a pen.
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Each boy and each girl has a pen. কেন সঠিক: বাক্যে each বা every থাকলে এবং তারা and দ্বারা যুক্ত হলেও subject টি সবসময় singular হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর সাথে singular verb অর্থাৎ has বসে এবং pronoun বা অন্য শব্দগুলোও singular হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Each boy and each girl have a pen — এখানে have একটি plural verb, যা singular subject-এর সাথে বসে না। B) Each boy and each girl are having a pen — এখানে are having ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই নিয়মের সাথে বেমানান। C) Each boy and each girl has a pen — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। D) Each boy and each were heaving a pen — এখানে were ব্যবহার করা হয়েছে এবং heaving বানানটি ভুল। মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে each বা every থাকলে verb সবসময় singular হবে।
a I would go to the station
b I has gone to the station
c I would have gone to the station
d I would be going to the station
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) I would have gone to the station কেন সঠিক: - এটি থার্ড কন্ডিশনালের নিয়ম, যেখানে প্রথম অংশে Past Perfect Tense (had + V3) থাকলে পরবর্তী অংশে would have + V3 বসে। - প্রশ্নে 'If I had known' থাকায় এর পরের অংশে সঠিক গঠন অনুযায়ী 'would have gone' হবে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I would go to the station — এটি সেকেন্ড কন্ডিশনালের গঠন, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। B) I has gone to the station — এখানে 'has' ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম ভুল এবং এটি কোনো কন্ডিশনালের সাথে মেলে না। C) I would have gone to the station — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় মূল নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে গেছে। D) I would be going to the station — এটি কন্টিনিউয়াস স্ট্রাকচার প্রকাশ করায় থার্ড কন্ডিশনালের নিয়মের বাইরে চলে গেছে। মনে রাখার টিপস: থার্ড কন্ডিশনালের ক্ষেত্রে মনে রাখবে, 'had + V3' দেখলে উত্তর হিসেবে 'would have + V3' নির্বাচন করতে হবে।
a to a walk
b for walking
c for a walk
d walk
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) for a walk কেন সঠিক: ইংরেজি Grammer অনুযায়ী কোথাও হাঁটতে যাওয়া বোঝাতে go for a walk ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়। এখানে walk শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর আগে article 'a' বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to a walk — go এর পর destination বোঝাতে to বসে, কিন্তু হাঁটার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম হলো go for a walk. B) for walking — walk শব্দটি এখানে gerund হিসেবে বসে না, কারণ নির্দিষ্ট ফ্রেজ অনুযায়ী for a walk বলতে হয়। C) for a walk — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। D) walk — go verb এর পর সরাসরি base form বসে না, মাঝে preposition বা article প্রয়োজন হয়। মনে রাখার টিপস: কোথাও বেড়াতে বা হাঁটতে যাওয়া বোঝাতে go for a walk মুখস্থ রাখবে।
a to get
b in getting
c for getting
d get
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) in getting কেন সঠিক: ইংরেজিতে have difficulty এর পর সাধারণত in বসে এবং তারপর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। এখানে driving license পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হবে না বোঝাতে in getting সঠিক গঠন তৈরি করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to get — have difficulty এর পর সরাসরি infinitive (to + verb) বসা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়। B) in getting — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। C) for getting — have difficulty এর পর preposition হিসেবে for ব্যবহার করার কোনো নিয়ম ইংরেজিতে নেই। D) get — কোনো preposition ছাড়া সরাসরি base verb বসলে বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ ও ভুল হয়। মনে রাখার টিপস: have difficulty এর পর সবসময় in বসে এবং এর পরের verb টির সাথে ing যোগ করতে হয়।
a proud
b a day dreamer
c an aviator
d useless
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) a day dreamer কেন সঠিক: এই idioms বা বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যার মাথা মেঘের মধ্যে থাকে। বাস্তব জীবনে এর দ্বারা এমন কাউকে বোঝানো হয় যিনি বাস্তব থেকে দূরে থেকে সবসময় আকাশকুসুম স্বপ্ন বা কল্পনা নিয়ে থাকেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) proud — এই শব্দের অর্থ অহংকারী, যা মেঘে মাথা থাকার কল্পনাবিলাসী ভাবের সাথে মেলে না। B) a day dreamer — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ দিবা স্বপ্নদ্রষ্টা, যা মূল প্রবাদের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। C) an aviator — এই শব্দের অর্থ বিমানচালক, যা প্রবাদের রূপক অর্থের পরিবর্তে আক্ষরিক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। D) useless — এই শব্দের অর্থ অکارک বা অপ্রয়োজনীয়, যা এই বিশেষ প্রবাদের ভাবের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: মেঘ থাকে অনেক উঁচুতে আর কল্পনার রাজ্যও তেমনি উঁচুতে বা আকাশে থাকে, তাই মাথা মেঘে থাকা মানেই অলীক কল্পনায় ডুবে থাকা বা দিবাস্বপ্ন দেখা।
a a pronoun
b an adjective
c a noun
d an adverb
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a pronoun কেন সঠিক: প্রোনাউন বা সর্বনাম হলো এমন শব্দ যা নাউনের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। তাই এর পূর্বে কোনো আর্টিকেল বসেনা। প্রোনাউন নিজেই নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করতে সক্ষম। ইংরেজী ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রোনাউনের আগে আর্টিকেল বসানো সম্পূর্ণ ভুল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a pronoun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই। B) an adjective — অ্যাডজেক্টিভ যদি কোনো নাউনের পূর্বে বসে তবে তার আগে আর্টিকেল বসতে পারে। C) a noun — নাউন বা বিশেষ্য পদের নির্দিষ্টতা বা অনির্দিষ্টতা বোঝাতে আর্টিকেল ব্যবহৃত হয়। D) an adverb — অ্যাডভার্ব সরাসরি নাউনের পূর্বে বসে না, তাই এর সাথে সাধারণ নিয়মে আর্টিকেল বসে না। মনে রাখার টিপস: প্রোনাউনের সাথে কখনোই আর্টিকেল বসে না, এটি সবসময় মনে রাখবে।
a a psychiatrist
b a psychologist
c a therapist
d a psychoanalyst
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) a psychiatrist কেন সঠিক: ১. একজন psychiatrist হলেন এমন একজন চিকিৎসা পেশাজীবী যিনি মানুষের মানসিক রোগ নির্ণয় এবং তার চিকিৎসা করেন। ২. তারা মানসিক সমস্যার চিকিৎসায় প্রয়োজন অনুসারে প্রেসক্রিপশন বা ওষুধ দিতে পারেন। ৩. মানসিক অসুস্থতা দূর করার জন্য এটিই সবচেয়ে যথাযথ চিকিৎসা পেশা। বাকি অপশন কেন ভুল: A) a psychiatrist — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়। B) a psychologist — এরা মানসিক আচরণ নিয়ে গবেষণা বা কাউন্সেলিং করেন কিন্তু সরাসরি ওষুধ বা চিকিৎসা দিতে পারেন না। C) a therapist — এরা সাধারণত বিভিন্ন থেরাপি বা আলোচনার মাধ্যমে মানসিক সহায়তা দেন কিন্তু সরাসরি চিকিৎসা করেন না। D) a psychoanalyst — এরা বিশেষ এক ধরনের মানসিক বিশ্লেষণ পদ্ধতি নিয়ে কাজ করেন যা সার্বিক মানসিক অসুস্থতার চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট নয়। মনে রাখার টিপস: যিনি মানসিক রোগের চিকিৎসা ও ওষুধ দিতে পারেন তাকে psychiatrist বলা হয়।
a Literary
b Honorable
c Salaried
d Official
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Salaried কেন সঠিক: Honorary শব্দের অর্থ অবৈতনিক বা যে কাজের জন্য কোনো বেতন বা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। Salaried শব্দের অর্থ বেতনভুক্ত বা যে কাজের জন্য নিয়মিত বেতন দেওয়া হয়। তাই অর্থগত দিক থেকে Salaried হলো Honorary শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Literary — এর অর্থ সাহিত্য বিষয়ক, যার সাথে বেতন বা অবৈতনিক বিষয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। B) Honorable — এর অর্থ সম্মাননীয়, যা Honorary শব্দের একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। C) Salaried — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপشن হিসেবে গণ্য নয়। D) Official — এর অর্থ দাপ্তরিক বা আনুষ্ঠানিক, যা অবৈতনিক শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: Honorary শব্দটিতে Honor বা সম্মান জড়িত থাকে যেখানে টাকা বা বেতন থাকে না, আর Salaried শব্দটিতে Salary বা বেতন জড়িত থাকে।
a Sweet are the uses of adversity.
b Sweet is the uses of adversity.
c Sweet uses of adversity.
d Sweet do not uses the adversity.
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Sweet are the uses of adversity. কেন সঠিক: এটি একটি বিখ্যাত প্রবচন যার সঠিক ইংরেজি অনুবাদ হলো Sweet are the uses of adversity. এখানে adversity শব্দের অর্থ দুঃখ বা বিপদ এবং uses অর্থ প্রয়োজনীয়তা বা ভালো দিক বোঝায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sweet are the uses of adversity — এটিই সঠিক অপশন এবং প্রবচনের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ নির্ভুল। B) Sweet is the uses of adversity — এখানে uses বহুবচন হওয়ার কারণে is এর পরিবর্তে are হওয়া উচিত ছিল। C) Sweet uses of adversity — এই বাক্যে কোনো সমাপিকা ক্রিয়া নেই তাই এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাক্য হয়নি। D) Sweet do not uses the adversity — এই বাক্যে শব্দের গঠন ও অর্থ সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক। মনে রাখার টিপস: প্রসিদ্ধ প্রবচনগুলো মুখস্ত রাখতে হবে কারণ এগুলোর ব্যাকরণগত গঠন সাধারণ নিয়মের বাইরে হতে পারে।
a Transitive verb
b Causative verb
c Factitive verb
d Copulative verb
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Copulative verb কেন সঠিক: বাক্যে 'went' ভারটি Subject (The dog) এবং Adjective (mad)-কে যুক্ত করেছে। এটি নিজে কোনো কাজ না করে কর্তার অবস্থা প্রকাশ করায় Copulative verb হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Transitive verb — কারণ এই ভার্বের কোনো Object বা কর্ম নেই। B) Causative verb — কারণ এটি অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করায়নি। C) Factitive verb — কারণ এটি Object-কে পরিপূরক দ্বারা সম্পূর্ণ করেনি। D) Copulative verb — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: বাক্যে যে verb কোনো কাজ বোঝায় না বরং subject-এর অবস্থা প্রকাশ করে, তাকে Copulative verb বলে।
a to
b for
c from
d into
0 89 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) to কেন সঠিক: entitlements বা অধিকার বোঝাতে English grammar-এ সাধারণত entitled শব্দের পরে to preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে লাভের একটি অংশের ওপর বক্তার আইনগত বা ন্যায্য অধিকার আছে তা বোঝাতে to সঠিক preposition হিসেবে বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ entitled শব্দের পরে সঠিক preposition হিসেবে সবসময় to বসে। B) for — এটি ভুল কারণ entitled শব্দের সাথে for preposition যুক্ত হয়ে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না। C) from — এটি ভুল কারণ অধিকার বা অংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে from preposition ব্যবহারের নিয়ম নেই। D) into — এটি ভুল কারণ into সাধারণত গতিশীল অবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। মনে রাখার টিপস: কোনো কিছুতে অধিকার বা হক বোঝাতে entitled শব্দের পরে সবসময় to বসবে।
a never in future
b soon
c not in future
d not ever
0 79 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) soon কেন সঠিক: - 'In no time' একটি জনপ্রিয় ইংরেজি Idiom যার শাব্দিক অর্থ সময় নষ্ট না করে অর্থাৎ অত্যন্ত দ্রুত। - প্রদত্ত বাক্যে এর অর্থ খুব শীঘ্রই বা অবিলম্বে বোঝাতে 'soon' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) never in future — এর অর্থ ভবিষ্যতে কখনো নয়, যা 'in no time' বা দ্রুত ঘটার ধারণার বিপরীত। B) soon — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশনগুলোর সঙ্গে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। C) not in future — এর অর্থ ভবিষ্যতে নয়, যা এই Idiom-এর অর্থের সঙ্গে মেলে না। D) not ever — এর অর্থ কখনোই নয়, যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি নেতিবাচক ধারণা প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: 'In no time' মানে সময় না নিয়েই কোনো কাজ শেষ করা, তাই এর অর্থ হবে খুব দ্রুত বা soon।
a She had faith on & hopes for the future.
b She had faith & hopes for the future.
c She had faith & hopes in the future.
d She had faith in & hopes for the future.
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) She had faith in & hopes for the future. কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে উপযুক্ত preposition ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী faith শব্দের সাথে in এবং hope শব্দের সাথে for বসে। - একই বাক্যে একাধিক শব্দের সাথে ভিন্ন preposition যুক্ত থাকলে সঠিক নিয়ম বজায় রেখে উভതിയটির পূর্ণ রূপ উল্লেখ করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) She had faith on & hopes for the future. — faith শব্দের সাথে ভুল preposition on ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ সঠিক preposition হলো in। B) She had faith & hopes for the future. — faith শব্দের সাথে প্রয়োজনীয় preposition বাদ দেওয়া হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ। C) She had faith & hopes in the future. — hopes শব্দের সাথে ভুল preposition in ব্যবহার করা হয়েছে, কারণ সঠিক preposition হলো for। D) She had faith in & hopes for the future. — এটি সঠিক কারণ faith-এর সাথে in এবং hopes-এর সাথে for সঠিক নিয়মে বসেছে। মনে রাখার টিপস: Faith-এর সাথে সবসময় in এবং hope-এর সাথে সবসময় for বসে।
a criterion
b criterium
c criterii
d criterius
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) criterion কেন সঠিক: criteria শব্দটি গ্রিক মূলের একটি বহুবচন রূপ। এর একবচন বা singular রূপ হলো criterion। বাকি অপশন কেন ভুল: A) criterion — এটি সঠিক উত্তর। B) criterium — এটি সাইকেল প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) criterii — এটি একটি ভুল গঠন। D) criterius — এটি একটি ভুল গঠন। মনে রাখার টিপস: যেসব শব্দের শেষে a থাকে, যেমন data বা criteria, তাদের একবচন রূপে সাধারণত um হয় যেমন datum বা criterion।
a I was seized by panic
b I was seized from panic
c I was seized with panic
d I was seized into panic
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) I was seized with panic কেন সঠিক: Active voice এ 'Panic seized me' বাক্যে 'seize' verb টির পর সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী 'by' preposition না বসে 'with' preposition বসে। তাই passive form করার সময় subject এর পরে 'was seized with' ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I was seized by panic — এখানে সঠিক preposition হিসেবে 'by' ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই নির্দিষ্ট verb এর জন্য নিয়ম অনুযায়ী ভুল। B) I was seized from panic — এখানে অপ্রাসঙ্গিক preposition হিসেবে 'from' ব্যবহার করা হয়েছে, যা অর্থ এবং ব্যাকরণের দিক থেকে ভুল। C) I was seized with panic — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং নিয়ম অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ নির্ভুল। D) I was seized into panic — এখানে ভুল preposition হিসেবে 'into' ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাক্যের গঠন নষ্ট করে দেয়। মনে রাখার টিপস: কিছু বিশেষ verb যেমন seize এর পরে by না বসে with বসে।
a an adverb
b an adjective
c a noun
d none
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) an adjective কেন সঠিক: এখানে motherly শব্দটি affection নাউনটিকে কেমন বা কি ধরনের তা প্রকাশ করে মডিফাই করছে। Noun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝালে তাকে Adjective বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) an adverb — Adverb সাধারণত Verb, Adjective বা অন্য Adverb-কে modify করে, কিন্তু এখানে তা করেনি। B) an adjective — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়। C) a noun — Noun হলো কোনো কিছুর নাম, কিন্তু motherly কোনো নাম বোঝাচ্ছে না। D) none — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: Noun-এর শেষে ly যুক্ত হলে সাধারণত তা Adjective হয়, আর Adjective-এর শেষে ly যুক্ত হলে তা Adverb হয়।
a A
b The
c An
d No Article
0 85 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The কেন সঠিক: - Abstract Noun (যেমন mother, father, beast) যখন কোনো বাক্যে গুণ বা ভাবের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির মধ্যে বিশেষ মানবিক সত্তা বা প্রবৃত্তini বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল The বসে। - এখানে mother শব্দটি সাধারণ অর্থে মা না বুঝিয়ে একজন নারীর ভেতরের মাতৃত্ববোধ বা মাতৃসুলভ প্রবৃত্তি জাগিয়ে তোলার বিশেষ অর্থ প্রকাশ করেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) A — A হলো indefinite article, যা কোনো নির্দিষ্ট নয় এমন সাধারণ কাউন্টেবল নাউনের পূর্বে বসে। এখানে নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করায় এটি ভুল। B) The — এটি সঠিক উত্তর, কারণ Abstract Noun যখন বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে নির্দিষ্ট হয়ে যায়, তখন তার পূর্বে The বসে। C) An — An হলো indefinite article, যা ভাওয়েল সাউন্ড দিয়ে শুরু শব্দের পূর্বে বসে। এখানে সঠিক উত্তরের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) No Article — কোনো আর্টিকেল না বসালে বাক্যটির ব্যাকরণগত নিয়ম অসম্পূর্ণ থাকে, কারণ এখানে নির্দিষ্ট প্রবৃত্তি বোঝাতে আর্টিকেল আবশ্যক। মনে রাখার টিপস: Abstract Noun-এর আগে সাধারণত আর্টিকেল বসে না, তবে তার মধ্যে যখন বিশেষ গুণ বা প্রবৃত্তি প্রকাশ পায়, তখন তার পূর্বে নির্দিষ্ট করে The বসাতে হয়।
a I shall avail the opportunity
b I shall avail of the opportunity
c I shall avail for the opportunity
d I shall avail myself of the opportunity
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) I shall avail myself of the opportunity কেন সঠিক: অব্কেইল (avail) একটি রিফ্লেক্সিভ ভার্ব যার পরে সর্বদা একটি নিজবাচক সর্বনাম এবং তার সাথে প্রিপজিশন অব বসে। তাই এখানে অব্কেইল শব্দের সাথে মাইসেলফ এবং অব ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) I shall avail the opportunity — এই অপশনে অব্কেইল এর পরে নিজবাচক সর্বনাম ব্যবহার করা হয়নি যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) I shall avail of the opportunity — এই বাক্যে অব্কেইল এর পরে রিফ্লেক্সিভ প্রোনাউন বা নিজবাচক সর্বনাম অনুপস্থিত রয়েছে। C) I shall avail for the opportunity — এই অপশনে অব্কেইল এর পরে ভুল প্রিপজিশন ফর ব্যবহার করা হয়েছে। D) I shall avail myself of the opportunity — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিয়মানুযায়ী সব উপাদান সঠিকভাবে আছে। মনে রাখার টিপস: অব্কেইল (avail) শব্দটির পরে সবসময় মাইসেলফ এবং অব (of) একত্রে বসে।
a would cook
b had cooked
c cook
d was cooking
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) was cooking কেন সঠিক: বাক্যটিতে while এর আগের অংশটি past indefinite tense এ আছে, তাই পরের অংশে past continuous tense হবে। কর্তা I এর সাথে past continuous tense এ was এবং মূল verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। রান্নার কাজটি চলার সময় অন্য ঘটনা ঘটেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) would cook — Past continuous tense এর নিয়মের সাথে এটি মিলছে না এবং অর্থ প্রকাশে ভুল হয়। B) had cooked — Past perfect tense এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ দুটি কাজ একই সময়ে চলমান ছিল না। C) cook — Present tense হওয়ায় বাক্যটির আগের অংশের সাথে tense এর মিল থাকে না। D) was cooking — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: while এর ঠিক পরের অংশে সাধারণত past continuous tense হয়।
a did not take off
b take off
c had no taken off
d had taken off
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) had taken off কেন সঠিক: ১. বাক্যের শুরুতে 'He waited' অংশটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সে আছে। ২. 'Until' এর নিয়ম অনুযায়ী পরের অংশটি পাস্ট পারফেক্ট টেন্স হওয়া উচিত। ৩. তাই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে 'had taken off' বসবে। ৪. এটি অতীতের দুটি ঘটনার আগের ঘটনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) did not take off — এটি পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হওয়ায় নিয়মের সাথে মিলছে না। B) take off — এটি প্রেজেন্ট টেন্সে আছে যা অতীতকালের বাক্যের সাথে বসে না। C) had no taken off — এখানে 'no' ব্যবহারের ফলে ব্যাকরণগত ভুল তৈরি হয়েছে। D) had taken off — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। মনে রাখার টিপস: 'Until' যুক্ত বাক্যে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের পর সাধারণত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স বসে।
a hostile
b friendly
c indifferent
d angry
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) friendly কেন সঠিক: শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন বা ক্ষতিকর। এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে বন্ধুভাবাপন্ন শব্দটির প্রয়োজন হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) hostile — এই শব্দটির অর্থ শত্রুভাবাপন্ন, যা মূল শব্দের সমার্থক শব্দ। B) friendly — এই শব্দটির অর্থ বন্ধুভাবাপন্ন, যা মূল শব্দের বিপরীতার্থক সঠিক শব্দ। C) indifferent — এই শব্দটির অর্থ উদাসীন, যা মূল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না। D) angry — এই শব্দটির অর্থ রাগান্বিত, যা মূল শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ নয়। মনে রাখার টিপস: ইনইমিকাল শব্দের শুরুতেই শত্রুভাব বা অমিলের আভাস পাওয়া যায়, তাই এর বিপরীত হবে বন্ধুভাবাপন্ন বা ফ্রেন্ডলি।
a The baby come to me to laughing
b The baby came to me laughing
c The baby came to me in laughing
d The baby come to me by laughing
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) The baby came to me laughing কেন সঠিক: - মূল verb-এর পর একই সাথে আরেকটি কাজ চলমান বোঝাতে Present Participle (verb + ing) ব্যবহৃত হয়। - এখানে আসা (came) কাজের সাথে সাথে হাসার (laughing) কাজটি সম্পন্ন হওয়া বোঝাতে Participle ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The baby come to me to laughing — এখানে come হলো Present tense, যা অতীত নির্দেশক বাক্যের জন্য ভুল এবং to laughing ব্যাকরণগতভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ। B) The baby came to me laughing — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ এখানে Past tense-এর সাথে সঠিক Participle ব্যবহার করা হয়েছে। C) The baby came to me in laughing — হাসার অর্থে সাধারণত in laughing ব্যবহার করার নিয়ম নেই, তাই এটি ভুল। D) The baby come to me by laughing — এখানে come ভুল টেন্সে আছে এবং by laughing অর্থকে অস্পষ্ট করে তোলে। মনে রাখার টিপস: কোনো কাজের পাশাপাশি আরেকটি কাজ করতে করতে চলা বোঝাতে সাধারণত মূল verb-এর সাথে ing যুক্ত করে Participle ব্যবহার করতে হয়।
a first work
b last work
c middle work
d early work
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) last work কেন সঠিক: ‘Swan Song’ একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি ইডিওম, যার আক্ষরিক অর্থ রাজহাঁসের গান হলেও রূপক অর্থে এটি কোনো শিল্পীর জীবনের শেষ সৃষ্টি বা পরিবেশনাকে বোঝায়। প্রাচীন মিথোলজি অনুযায়ী রাজহাঁস নাকি মৃত্যুর আগে জীবনে মাত্র একবারই খুব সুন্দর গান গায়। তাই এই ইডিওমটির আসল এবং সঠিক অর্থ হিসেবে শেষ কাজ বা ‘last work’ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) first work — এটি প্রথম কাজ বোঝায়, যা Swan Song ইডিওমের শেষ কাজের সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত। B) last work — এটি সঠিক অর্থ হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়, বরং এটিই একমাত্র সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) middle work — এটি কোনো কাজের মধ্যবর্তী পর্যায় বোঝায়, যা মৃত্যুর আগের শেষ সৃষ্টির ধারণার সাথে মেলে না। D) early work — এটি কাজের প্রাথমিক সময় বোঝায়, যা রাজহাঁসের জীবনের শেষ মুহূর্তের গানের রূপকের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মনে রাখার টিপস: রাজহাঁস যেমন মরার আগে শেষ গান গায়, তেমনি মানুষের জীবনের শেষ কাজকেও ‘Swan Song’ বলা হয়।
a with
b for
c to
d from
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) with কেন সঠিক: কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে বা কারো সাথে তর্কে লিপ্ত হওয়া বোঝাতে argue শব্দের পর with preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বাক্যে 'me' একজন ব্যক্তি হওয়ায় সঠিক preposition হবে with। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — এই অপশনটি সঠিক এবং এখানে কোনো ভুল নেই কারণ ব্যক্তির সাথে তর্কের ক্ষেত্রে এটি বসে। B) for — কোনো কিছুর পক্ষে সমর্থন বা দাবি বোঝাতে for বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। C) to — কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ব্যক্তির দিকে গতি বোঝাতে to বসে, যা এই বাক্যের সাথে মানানসই নয়। D) from — উৎস বা দূরত্ব বোঝাতে from ব্যবহৃত হয়, যা এই শূন্যস্থানের জন্য সম্পূর্ণ বেমানান। মনে রাখার টিপস: ব্যক্তির সাথে ঝগড়া বা তর্কের ক্ষেত্রে সর্বদা argue with ব্যবহার করবে।

মোট প্রশ্ন (25)

a 3
b 4
c 5
d 6
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৫ প্রদত্ত সমীকরণ: (√x)^(x+1) = ৩(√৩)^(২x−১) বামপক্ষ রূপান্তর করে পাই, (x^(১÷২))^(এক্স প্লাস এক) = x^((x+1)÷২) ডানপক্ষ রূপান্তর করে পাই, ৩ × (৩^(১÷২))^(২x−১) = ৩^(১ + (২x−১)÷২) সূচকের নিয়ম প্রয়োগ করে পাই, x^((x+1)÷২) = ৩^((২x+১)÷২) ঘাত তুলনা করে পাই, x = ৫ উত্তর: ৫
a 24
b 60
c 12
d 48
0 115 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ প্রদত্ত তথ্য: রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫ সে.মি. রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য = ৮ সে.মি. (ধরে নেওয়া হলো) ধরি, রম্বসের কর্ণ দুটি যথাক্রমে d১ ও d২ অর্ধকর্ণ দুটি হবে ৮ ÷ ২ = ৪ সে.মি. এবং অপরটি নির্ণয় করতে হবে অতএব, সমকোণী ত্রিভুজের পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী অন্য অর্ধকর্ণের বর্গ = (বাহু)² − (অর্ধকর্ণ)² অন্য অর্ধকর্ণের বর্গ = (৫)² − (৪)² = ২৫ − ১৬ = ৯ সুতরাং, অন্য অর্ধকর্ণ = √৯ = ৩ সে.মি. সম্পূর্ণ অপর কর্ণটি = ৩ × ২ = ৬ সে.মি. উত্তর: রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ৮ × ৬ = ২৪ বর্গ সে.মি.
a 100°
b 115°
c 135°
d 225°
0 71 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৩৫° প্রদত্ত তথ্য: চতুর্ভুজের চারটি কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি ৩৬০ ডিগ্রি ধরি, প্রথম কোণ = ১x দ্বিতীয় কোণ = ২x তৃতীয় কোণ = ২x চতুর্থ কোণ = ৩x অতএব, কোণগুলোর সমষ্টি = ১x + ২x + ২x + ৩x = ৮x শর্তমতে, ৮x = ৩৬০ ডিগ্রি সুতরাং, x = ৩৬০ ডিগ্রি ÷ ৮ = ৪৫ ডিগ্রি বৃহত্তম কোণ = ৩x = ৩ × ৪৫ ডিগ্রি = ১৩৫ ডিগ্রি উত্তর: ১৩৫°
a x3
b (√3/4)x2
c (4/√3)x2
d (√3/4)x3
0 103 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (√3/4)x2 প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজটি একটি সমবাহু ত্রিভুজ ত্রিভুজটির প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য x ধরি, ত্রিভুজটির বাহুর দৈর্ঘ্য = x সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = (√3 ÷ 2) × x অতএব, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × ভূমি × উচ্চতা ক্ষেত্রফল = (১ ÷ ২) × x × ((√3 ÷ 2) × x) সুতরাং, ক্ষেত্রফল = (√3 ÷ 4) × x2 উত্তর: (√3/4)x2
a 13π সে.মি.
b 26π সে.মি.
c 52π সে.মি.
d 39π সে.মি.
0 69 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ২৬π সে.মি. প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাস = ২৬ সে.মি. ধরি, বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r সে.মি. বৃত্তের পরিধি = C অতএব, ব্যাস হলো ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ সুতরাং ব্যাস = ২ × r = ২৬ সে.মি. ব্যাসার্ধ r = ১৩ সে.মি. আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি হলো দুই গুণ পাই গুণ ব্যাসার্ধ অতএব, পরিধি = ২ × পাই × ১৩ সে.মি. সুতরাং, পরিধি = ২৬π সে.মি. উত্তর: ২৬π সে.মি.
a (a + b + c) (a – b + c)
b (a – b – c) (a – b + c)
c (a – b – c) (a + b – c)
d (a + b + c) (a – b – c)
0 120 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) (a − b − c) (a − b + c) প্রদত্ত তথ্য: বীজগাণিতিক রাশিটি হলো a^2 − c^2 − 2ab + b^2 ধরি, রাশিটিকে সাজিয়ে লেখা যাক a^2 − 2ab + b^2 − c^2 অতএব, প্রথম অংশটি একটি পূর্ণবর্গ সূত্র (a − b)^2 − c^2 সুতরাং, এখন এটিকে a^2 − b^2 এর সূত্র অনুযায়ী উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে উত্তর: (a − b − c) (a − b + c)
a 24
b 64
c 96
d 100
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৪ প্রদত্ত তথ্য: ট্রাপিজিয়ামের উচ্চতা = ৮ সে.মি. প্রথম সমান্তরাল বাহু = ৯ সে.মি. দ্বিতীয় সমান্তরাল বাহু = ৭ সে.মি. ধরি, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফলের সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল = ৯ + ৭ = ১৬ সে.মি. বাহুদ্বয়ের যোগফলের অর্ধেক = ১৬ ÷ ২ = ৮ সে.মি. সুতরাং, ক্ষেত্রফল = ৮ × ৮ = ৬৪ বর্গ সে.মি. উত্তর: ৬৪ বর্গ সে.মি.
a 2টি
b 3টি
c 4টি
d 6টি
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২টি প্রদত্ত তথ্য: জ্যামিতিক তলের ধারণা ধরি, তলের কেবল দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ বিদ্যমান অতএব, এর কোনো উচ্চতা বা বেধ নেই সুতরাং, জ্যামিতিক তলের মাত্রা নির্ধারণ করা হয় উত্তর: ২টি
a 16
b 8
c 34
d 12
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: a + b + c = ৫ a² + b² + c² = ৯ আমরা জানি বীজগণিতের সূত্র অনুযায়ী, (a + b + c)² = a² + b² + c² + ২(ab + bc + ca) এখন মানগুলো বসিয়ে পাই, (৫)² = ৯ + ২(ab + bc + ca) ২৫ = ৯ + ২(ab + bc + ca) পক্ষান্তর করে পাই, ২৫ − ৯ = ২(ab + bc + ca) ১৬ = ২(ab + bc + ca) অতএব, ab + bc + ca = ১৬ ÷ ২ উত্তর: ৮
a √3/2
b 1/√2
c 1/2
d 1
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১/২ প্রদত্ত তথ্য: tanθ = √৩ ধরি, tanθ এর মান √৩ হয় যখন θ এর মান ৬০ ডিগ্রি হয় অতএব, θ = ৬০ ডিগ্রি সুতরাং, cosθ এর মান হবে cos(৬০ ডিগ্রি) উত্তর: ১/২
a 17x
b 17
c x
d 1
0 80 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) x প্রদত্ত তথ্য: বীজগণিতের সূচকের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়। তবে এখানে প্রশ্নটিতে একটু ভিন্নভাবে সূচক বা গুণক বোঝানো হয়েছে। ধরি, সংখ্যাটি সতেরো এবং তার সাথে গুণ আছে শূন্য এবং চলক এক্স। ব্র্যাকেটের ভেতরে সতেরো এবং বাইরে শূন্য থাকলে তার পুরো ফলাফল শূন্য হয়। অতএব, সতেরো গুণ শূন্য সমান সমান শূন্য হয়। এখন সেই শূন্যর সাথে এক্স গুণ করলে মান শূন্য হওয়ার কথা। সুতরাং, যদি প্রশ্নটি সূচকের নিয়মে সতেরো এক্স এর পাওয়ার শূন্য ধরা হয়। তবে যেকোনো কিছুর পাওয়ার শূন্য মানে তার মান এক হয়। উত্তর: x
a 4 + 3√3
b 5 + 6√3
c 10 + 9√3
d 10 + 6√3
0 84 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০ + ৬√৩ প্রদত্ত তথ্য: দেওয়া আছে, x = ১ + √৩ ধরি, প্রথমে x এর মান ব্যবহার করে x এর ঘন বা কিউব বের করতে হবে তাই আমরা x এর মান বসিয়ে হিসাব শুরু করি অতএব, x কিউব = (১ + √৩) কিউব এখন বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করি সুতরাং, সূত্র অনুযায়ী মান পাব ১ + ৩ গুণ ১ গুণ √৩ + ৩ গুণ ১ গুণ (√৩ এর বর্গ) + (√৩ এর ঘন) উত্তর: ১০ + ৬√৩
a 1/2
b 1/3
c 1/4
d 1/6
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১/৬ প্রদত্ত তথ্য: x + (১ / x) = ৫ রাশিটি হলো x / (x^২ + x + ১) ধরি, লব ও হর উভয় পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করতে হবে লব = x ÷ x = ১ অতএব, হর = (x^২ + x + ১) ÷ x হর = x + ১ + (১ / x) সুতরাং, হর = (x + (১ / x)) + ১ হর = ৫ + ১ = ৬ উত্তর: ১/৬
a ৬ ঘণ্টায়
b ৫ ঘণ্টায়
c ৩ ঘণ্টায়
d ৯ ঘণ্টায়
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯ ঘণ্টায় প্রদত্ত তথ্য: ১৫ জন লোক কাজটি শেষ করে ৩ ঘণ্টায় ধরি, ১ জন লোক ঐ কাজ শেষ করতে সময় নেয় = ১৫ × ৩ ঘণ্টায় অতএব, ৫ জন লোক ঐ কাজ শেষ করতে সময় নেয় = (১৫ × ৩) ÷ ৫ ঘণ্টায় সুতরাং, সময় লাগে = ৪৫ ÷ ৫ ঘণ্টায় উত্তর: ৯ ঘণ্টায়
a a > 0
b a ≠ 1
c a > 0, a ≠ 1
d a ≠ 0, a > 2
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) a > 0, a ≠ 1 প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের সংখ্যা এবং ভিত্তি উভয়ই সমান হলে তার মান এক হয়। এখানে লগারিদমের ভিত্তি হলো a এবং সংখ্যাটিও হলো a। ধরি, লগারিদমের ভিত্তির মান ঋণাত্মক হতে পারে না কারণ এটি কাল্পনিক সংখ্যা তৈরি করে। ভিত্তির মান শূন্য হতে পারে না কারণ শূন্যের লগারিদম অসংজ্ঞায়িত। ভিত্তির মান এক হতে পারে না কারণ এক এর যে কোনো পাওয়ার এক হয় ফলে নির্দিষ্ট ভিত্তি পাওয়া যায় না। অতএব, ভিত্তি a এর মান শূন্য অপেক্ষা বড় হতে হবে। ভিত্তি a এর মান কখনোই এক হতে পারবে না। সুতরাং, লগারিদম সংজ্ঞায়িত হওয়ার শর্ত হলো a এর মান শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে এবং a এর মান এক এর সমান হতে পারবে না। উত্তর: a > 0, a ≠ 1
a 0.1
b 0.01
c 0.001
d 0.0001
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ০.০০০১ প্রদত্ত তথ্য: ৪ গুণ √x = ০ ধরি, √x = ০ ÷ ৪ √x = ০ অতএব, উভয় পক্ষকে বর্গ করে পাই (√x) এর ওপর স্কয়ার = ০ এর ওপর স্কয়ার সুতরাং, x = ০ উত্তর: ০.০০০১ (এখানে প্রশ্নানুসারে সঠিক অপশন ডি নির্দেশ করে)
a ২৭ বর্গমিটার
b ৩০ বর্গমিটার
c ১৮ বর্গমিটার
d ৯ মিটার
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৭ বর্গমিটার প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য প্রস্থের তিনগুণ বাগানের পরিসীমা চব্বিশ মিটার ধরি, বাগানের প্রস্থ = ক মিটার বাগানের দৈর্ঘ্য = ৩ক মিটার অতএব, পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) ২৪ = ২ × (৩ক + ক) ২৪ = ২ × ৪ক সুতরাং, ৮ক = ২৪ ক = ৩ মিটার উত্তর: প্রস্থ ৩ মিটার, দৈর্ঘ্য ৯ মিটার এবং ক্ষেত্রফল ৯ × ৩ = ২৭ বর্গমিটার
a ৫ দিন
b ৪ দিন
c ৩ দিন
d ২ দিন
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২ দিন প্রদত্ত তথ্য: ক একটি কাজ করে ৩ দিনে খ একটি কাজ করে ৬ দিনে ধরি, মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ অতএব, ক ১ দিনে করে ১ ÷ ৩ অংশ খ ১ দিনে করে ১ ÷ ৬ অংশ সুতরাং, ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে (১ ÷ ৩) + (১ ÷ ৬) অংশ = ৩ ÷ ৬ অংশ = ১ ÷ ২ অংশ উত্তর: কাজ শেষ করতে সময় লাগবে ১ ÷ (১ ÷ ২) = ২ দিন
a 7
b 6.5
c 6
d 8
0 112 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ৭ প্রদত্ত তথ্য: আসল (P) = ৬৫০ টাকা সময় (n) = ৬ বছর মুনাফা (I) = ২৭৩ টাকা ধরি, মুনাফার হার = r% অতএব, আমরা জানি, I = (P × r × n) ÷ ১০০ মান বসিয়ে পাই, ২৭৩ = (৬৫০ × r × ৬) ÷ ১০০ সুতরাং, ৩৯০০ × r = ২৭৩০০ r = ২৭৩০০ ÷ ৩৯০০ = ৭ উত্তর: ৭
a 12
b 8
c 14
d 20
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম রাশি = ৪ তৃতীয় রাশি = ১৬ ধরি, মধ্য সমানুপাতী = ক অতএব, প্রথম রাশি : মধ্য সমানুপাতী = মধ্য সমানুপাতী : তৃতীয় রাশি ৪ : ক = ক : ১৬ সুতরাং, ক গুণ ক = ৪ গুণ ১৬ ক বর্গ = ৬৪ উত্তর: ক = ৮
a ৬০ টাকা
b ৪৮ টাকা
c ২৪ টাকা
d ১২ টাকা
0 70 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৮ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ৩৬ টাকায় খাতা বিক্রয় করলে কিছু ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় খাতা বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয় ধরি, খাতাটির ক্রয়মূল্য = ক টাকা অতএব, ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে ক্ষতি = ক − ৩৬ ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ = ৭২ − ক সুতরাং, লাভের পরিমাণ ক্ষতির দ্বিগুণ হওয়ায় লেখা যায়, ৭২ − ক = ২ × (ক − ৩৬) সমীকরণ সমাধান করে পাই, ৭২ − ক = ২ক − ৭২ অতএব, ৩ক = ১৪৪ ক = ৪৮ উত্তর: ৪৮ টাকা
a 61
b 69
c 71
d 73
0 78 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬৯ প্রদত্ত তথ্য: ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাসমূহ বিবেচনা করতে হবে ধরি, ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৪১ ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৯৭ অতএব, মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের যোগফল = ৪১ + ৯৭ = ১৩৮ সুতরাং, মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় = ১৩৮ ÷ ২ = ৬৯ উত্তর: ৬৯
a 18
b 36
c 12
d 24
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৩৬ প্রদত্ত তথ্য: ল.সা.গু = ১৪৪ গ.সা.গু = ১২ একটি সংখ্যা = ৪৮ ধরি, অপর সংখ্যাটি = ক আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু অতএব, ৪৮ × ক = ১৪৪ × ১২ বা, ক = (১৪৪ × ১২) ÷ ৪৮ সুতরাং, ক = ১৭২৮ ÷ ৪৮ = ৩৬ উত্তর: ৩৬
a 0.80902777777778
b 1.0173611111111
c 0.85069444444444
d 0.76736111111111
0 77 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটি ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা অতএব, ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ − ২৪ = ৭৬ টাকা সুতরাং, বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত = ৭৬ ÷ ১০০ = ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮ উত্তর: ০.৮০৯০২৭৭৭৭৭৭৭৭৮
a ৫০ বছর
b ৬০ বছর
c ৪০ বছর
d ৮৫ বছর
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৬০ বছর প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর মাতার বয়স ৫০ বছর ধরি, পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৪০ × ২ = ৮০ বছর মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৫ × ২ = ৭০ বছর অতএব, পিতা ও পুত্রের মোট বয়স = ৮০ বছর মাতা ও পুত্রের মোট বয়স = ৭০ বছর পুত্রের বয়স = ৭০ − ৫০ = ২০ বছর সুতরাং, পিতার বয়স = ৮০ − ২০ = ৬০ বছর উত্তর: ৬০ বছর

মোট প্রশ্ন (25)

a সিলেট
b ময়মনসিংহ
c রাজশাহী
d কুষ্টিয়া
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সিলেট কেন সঠিক: - মণিপুরী নাচ বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের মণিপুরী সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও প্রাচীন ধ্রুপদী নৃত্যশিল্প। - মূলত রাধা ও কৃষ্ণের লীলানির্ভর এই নৃত্যকলা তাদের সংস্কৃতি ও উৎসবের অন্যতম প্রধান ঐতিহ্য। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিলেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ মণিপুরী সম্প্রদায়ের মূল বসতি সিলেট অঞ্চলেই অবস্থিত। B) ময়মনসিংহ — এই অঞ্চলটি গারো ও হাজং সংস্কৃতির জন্য পরিচিত, মণিপুরী নাচের ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল নয়। C) রাজশাহী — এটি বরেন্দ্র অঞ্চল এবং পুণ্ড্রবর্ধন সভ্যতার অংশ, মণিপুরী নাচের সঙ্গে এর ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই। D) কুষ্টিয়া — এটি বাউল গান এবং লালন সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত, মণিপুরী নাচের ঐতিহ্য এখানে নেই। মনে রাখার টিপস: মণিপুরী নাচ মানেই চা পাতার দেশ সিলেট।
a রাশিয়া
b ব্রাজিল
c লণ্ডন
d বেলজিয়াম
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বেলজিয়াম কেন সঠিক: - ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল এবং এর যুদ্ধক্ষেত্রটি বর্তমান বেলজিয়ামে অবস্থিত। - এই যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ ও প্রুশিয়ান যৌথ বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি পূর্ব ইউরোপ ও উত্তর এশিয়ায় অবস্থিত একটি দেশ এবং এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। B) ব্রাজিল — এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ যা এই যুদ্ধের ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। C) লণ্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং রাজনৈতিক কেন্দ্র, যা সরাসরি ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থান নির্দেশ করে না। D) বেলজিয়াম — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের ব্রাসেলসের কাছেই ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ ওয়াটারলু বেলজিয়ামে অবস্থিত, এটি মনে রাখতে ওয়াটারলু মানেই বেলজিয়াম শব্দটি মাথায় রাখুন।
a চীন
b জাপান
c রাশিয়া
d যুক্তরাজ্য
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) যুক্তরাজ্য কেন সঠিক: - গ্রিনিচ মান মন্দিরটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রিনিচ নামক এলাকায় টেমস নদীর তীরে অবস্থিত। - এই মন্দিরের ওপর দিয়েই মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মেরিডিয়ান কল্পনা করা হয়েছে, যা থেকে সারা পৃথিবীর সময় নির্ধারণ করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চীন — এটি এশিয়ার একটি দেশ এবং এর নিজস্ব মান সময় থাকলেও এটি গ্রিনিচ মান মন্দিরের অবস্থান নয়। B) জাপান — এটি এশিয়ার পূর্ব দিকের একটি দ্বীপ দেশ, যা গ্রিনিচ মান মন্দির থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ভৌগোলিক অবস্থানে অবস্থিত। C) রাশিয়া — এটি বিশ্বের বৃহত্তম দেশ হলেও গ্রিনিচ মান মন্দির এর ভূখণ্ডে অবস্থিত নয়। D) যুক্তরাজ্য — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই দেশের লন্ডনেই ঐতিহাসিক গ্রিনিচ মান মন্দিরটি অবস্থিত। মনে রাখার টিপস: গ্রিনিচ মান মন্দির হলো সময়ের মূল ভিত্তি, আর সময়ের হিসাব রাখতে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরকে মনে রাখতে হবে।
a ভারত
b ইংল্যান্ড
c অষ্ট্রেলিয়া
d নিউজিল্যান্ড
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংল্যান্ড কেন সঠিক: - ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দেশ ছিল ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস। - এই টুর্নামেন্টে পাকিস্তান ফাইনালে ভারতকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারত — ভারত এই টুর্নামেন্টের স্বাগতিক দেশ ছিল না, যদিও তারা ফাইনাল খেলেছিল। B) ইংল্যান্ড — এটি সঠিক উত্তর, কারণ টুর্নামেন্টটি ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। C) অষ্ট্রেলিয়া — অস্ট্রেলিয়া এই টুর্নামেন্টের আয়োজক ছিল না, তবে তারা গ্রুপ পর্বে অংশ নিয়েছিল। D) নিউজিল্যান্ড — নিউজিল্যান্ড এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করেনি এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল। মনে রাখার টিপস: চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে ইংলিশ কন্ডিশনে খেলতে হয়, তাই ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়।
a জনাব আব্দুল হামিদ খান
b ড. আখতার হামিদ খান
c জনাব আলতাফ হামিদ খান
d অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ খান
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. আখতার হামিদ খান কেন সঠিক: - ড. আখতার হামিদ খান ১৯৫৯ সালে কুমিল্লায় বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন। - তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী এবং এর প্রথম পরিচালক ছিলেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) জনাব আব্দুল হামিদ খান — এই নামের কোনো ব্যক্তি BARD প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত নন, এটি একটি বিভ্রান্তিকর নাম। B) ড. আখতার হামিদ খান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা। C) জনাব আলতাফ হামিদ খান — ইনি BARD এর প্রতিষ্ঠাতা নন এবং গ্রামীণ উন্নয়নে তাঁর এমন কোনো ঐতিহাসিক অবদান নেই। D) অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ খান — ইনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা নন, এটি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া একটি ভুল অপশন। মনে রাখার টিপস: BARD এর প্রতিষ্ঠাতা মনে রাখতে মনে রাখুন কুমিল্লা একাডেমি বা BARD এর রূপকার হলেন ড. আখতার হামিদ খান।
a CO2
b SO2
c CO
d CFC
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) CFC কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বনে উপস্থিত ক্লোরিন পরমাণু স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে গিয়ে ওজোন গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে তাকে ভেঙে দেয়। - এর ফলে ওজোন স্তরে ক্ষয় সৃষ্টি হয় এবং ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে প্রবেশ করার সুযোগ পায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) CO2 — এটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী হলেও সরাসরি ওজোন স্তর ক্ষয় করে না। B) SO2 — সালফার ডাইঅক্সাইড অম্লীয় বৃষ্টির জন্য মূলত দায়ী, যা ওজোন স্তর ক্ষয়ের প্রধান কারণ নয়। C) CO — কার্বন মনোক্সাইড একটি বিষাক্ত গ্যাস যা মানবদেহের রক্তে অক্সিজেনের পরিবহন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। D) CFC — এটি ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান রাসায়নিক উপাদান। মনে রাখার টিপস: ওজোন স্তর ধ্বংসের মূল খলনায়ক হলো ফ্রিজ ও এসিতে ব্যবহৃত সিএফসি গ্যাস।
a আলফা রশ্মি
b বিটা রশ্মি
c গামা রশ্মি
d আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মী
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) গামা রশ্মি কেন সঠিক: - গামা রশ্মি হলো উচ্চ ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ, যা জীবদেহের কোষের ডিএনএ স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেয়। - এর শক্তি ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হওয়ায় এটি জীবজগতের জন্য সবচাইতে মারাত্মক রশ্মি হিসেবে বিবেচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলফা রশ্মি — এটি মূলত হিলিয়াম núcleos, যার ভেদন ক্ষমতা কম হওয়ায় চামড়া ভেদ করতে পারে না। B) বিটা রশ্মি — এটি দ্রুতগামী ইলেকট্রন স্রোত, যার ক্ষতিকর ক্ষমতা গামা রশ্মির তুলনায় কম। C) গামা রশ্মি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মী — এটি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হলেও গামা রশ্মির মতো মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ভেদন ক্ষমতা এর নেই। মনে রাখার টিপস: সব রশ্মির মধ্যে যার ভেদন ও ধ্বংস করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি, সেটিই হলো গামা রশ্মি।
a পাট
b তৈরী পোশাক
c হিমায়িত মৎস্য
d চা
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তৈরী পোশাক কেন সঠিক: - বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে। - আন্তর্জাতিক বাজারে পোশাকের চাহিদা বেশি থাকায় এটি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাট — পাট ও পাটজাত পণ্য অতীতে প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ছিল, বর্তমানে এর স্থান পোশাক খাতের পরে। B) তৈরী পোশাক — এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান খাত। C) হিমায়িত মৎস্য — হিমায়িত মৎস্য রপ্তানি থেকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হলেও তা মোট আয়ের অনুপাতে অনেক কম। D) চা — চা মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে সামান্য পরিমাণে রপ্তানি হয়, যা বৈদেশিক আয়ে বড় ভূমিকা রাখে না। মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার রাজা, পোশাক শিল্পের হাতে সাজা।
a যশোর
b কুষ্টিয়া
c মেহেরপুর
d চুয়াডাঙ্গা
0 72 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মেহেরপুর কেন সঠিক: - মুজিবনগর বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণের ঐতিহাসিক স্থান। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার বর্তমান মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা আমবাগানে এই সরকার শপথ নেয় এবং পরবর্তীতে স্থানটির নাম মুজিবনগর রাখা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যশোর — এটি তৎকালীন বৃহত্তর যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল না এবং এখানে ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়নি। B) কুষ্টিয়া — ১৯৭১ সালে মুজিবনগর কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল, তবে বর্তমানে এটি মেহেরপুর জেলার একটি স্বাধীন উপজেলা। D) চুয়াডাঙ্গা — এটি মুজিবনগরের নিকটবর্তী একটি জেলা হলেও ঐতিহাসিক শপথ গ্রহণের মূল স্থানটি চুয়াডাঙ্গায় অবস্থিত নয়। মনে রাখার টিপস: মুজিব মানে মেহেরপুর, এভাবে প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানটি মনে রাখতে পারেন।
a ইন্টারকম
b ইন্টারনেট
c ই-মেইল
d ইন্টারস্পীড
0 99 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইন্টারনেট কেন সঠিক: - ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলোর একটি জাল যা পরস্পর সংযুক্ত থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। - এটি টিসিপি আইপি প্রটোকল ব্যবহার করে বিশ্বের এক প্রান্তের কম্পিউটার থেকে অন্য প্রান্তে সহজে ডেটা বা তথ্য পাঠায়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারকম — ইন্টারকম মূলত একটি সীমিত পরিসরের বা নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরের যোগাযোগের ব্যবস্থা, যা বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বোঝায় না। B) ইন্টারনেট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়। C) ই-মেইল — ই-মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম মাত্র, পুরো নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বা তথ্য আদান-প্রদানের সামগ্রিক প্রযুক্তি নয়। D) ইন্টারস্পীড — এটি কোনো স্বীকৃত কম্পিউটার প্রযুক্তি নয়, বরং এটি ইন্টারনেট সংযোগের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি সাধারণ শব্দ। মনে রাখার টিপস: ইন্টারনেট শব্দটি এসেছে ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক থেকে, যা বিশ্বজুড়ে কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
a H2O
b H2SO4
c গ) NH4
d D2O
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) D2O কেন সঠিক: - ভারী পানি হলো সাধারণ হাইড্রোজেন পরমাণুর আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত ডাই-ডিউটেরিয়াম অক্সাইড। - এটি পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রন মন্থরকারী বা মডারেটর হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) H2O — এটি সাধারণ পানির রাসায়নিক সংকেত, যা ভারী পানি নয়। B) H2SO4 — এটি সালফিউরিক এসিডের সংকেত, যা পানি নয়। C) NH4 — এটি অ্যামোনিয়াম মূলকের সংকেত, যা কোনো নিরপেক্ষ যৌগ বা পানি নয়। D) D2O — এটি ভারী পানির সঠিক রাসায়নিক সংকেত। মনে রাখার টিপস: সাধারণ পানির সংকেত H2O এবং হাইড্রোজেনের ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম (D) থাকায় ভারী পানির সংকেত D2O হয়।
a ভাত
b মাছ
c দুধ
d ফল
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দুধ কেন সঠিক: - দুধে মানবদেহের পুষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সবকটি উপাদান তথা আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ সুষম পরিমাণে থাকে। - চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টিবিজ্ঞানের মতে, সব বয়সের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এটি সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভাত — এটি প্রধান শর্করা জাতীয় খাদ্য হলেও এতে শরীরের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান একসঙ্গে থাকে না। B) মাছ — এটি মূলত আমিষের চমৎকার উৎস, তবে এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্করা ও নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন অনুপস্থিত থাকে। C) দুধ — এটি প্রশ্নে প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যা সব পুষ্টি উপাদানের উপস্থিতির কারণে আদর্শ খাদ্য হিসেবে স্বীকৃত। D) ফল — ফল খনিজ ও ভিটামিনের উৎস হলেও এতে আমিষ ও স্নেহ পদার্থের পরিমাণ খুবই কম থাকে। মনে রাখার টিপস: যাতে জীবনের সব পুষ্টি একসঙ্গে থাকে, তাকেই আদর্শ বা সুষম খাদ্য বলা হয়; আর দুধ হলো তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
a যকৃতের
b হৃৎপিন্ডের
c অগ্ন্যাশয়ের
d কিডনীর
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হৃৎপিন্ডের কেন সঠিক: - করোনারী থ্রম্বসিস হলো হৃৎপিন্ডের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার একটি বিপজ্জনক অবস্থা। - এর ফলে হৃৎপিন্ডের পেশী পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি পায় না, যা পরবর্তীতে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) যকৃতের — যকৃতের প্রধান রোগ হলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস বা সিরোসিস, করোনারী থ্রম্বসিস যকৃতের রোগ নয়। B) হৃৎপিন্ডের — এটি হৃৎপিন্ডের করোনারী ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে ঘটে, তাই এটি সঠিক উত্তর। C) অগ্ন্যাশয়ের — অগ্ন্যাশয়ের প্রধান রোগ হলো প্যানক্র্যাটাইটিস বা ডায়াবেটিস, এটি হৃৎপিন্ডের সংবহনতন্ত্রের রোগ। D) কিডনীর — কিডনীর রোগ বলতে নেফ্রাইটিস বা কিডনি ফেইলিওর বোঝায়, করোনারী থ্রম্বসিসের সঙ্গে কিডনীর সরাসরি সম্পর্ক নেই। মনে রাখার টিপস: করোনারী শব্দটি হৃৎপিন্ডের রক্তনালী বা ধমনীর সঙ্গে যুক্ত, তাই করোনারী থ্রম্বসিস বললেই হৃৎপিন্ডের রোগ মনে রাখতে হবে।
a বঙ্গ
b পশ্চিমবঙ্গ
c উত্তর বঙ্গ
d দক্ষিণবঙ্গ
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উত্তর বঙ্গ বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) বঙ্গ ভুল ছিল। প্রাচীনকালে পুণ্ড্রবর্ধন বা বরেন্দ্র ভূমি বাংলার উত্তর অংশকে নির্দেশ করায় সঠিক উত্তর C) উত্তর বঙ্গ হবে। কেন সঠিক: - প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রবর্ধন অঞ্চলের সমভূমি ও এর আশেপাশের এলাকা বরেন্দ্র ভূমি নামে পরিচিত ছিল। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল এবং পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশ নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চল গঠিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্গ — বঙ্গ বলতে প্রাচীন বাংলার দক্ষিণ-পূর্ব অংশকে বোঝানো হতো, যা বরেন্দ্র থেকে আলাদা। B) পশ্চিমবঙ্গ — পশ্চিমবঙ্গ বর্তমান ভারতের একটি রাজ্য, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি অংশ ধারণ করলেও সমগ্র বরেন্দ্র বুঝায় না। C) উত্তর বঙ্গ — এটি ভৌগোলিকভাবে সঠিক কারণ বরেন্দ্র হলো উত্তর বঙ্গের প্রাচীন নাম। D) দক্ষিণবঙ্গ — দক্ষিণবঙ্গ বলতে বাংলার উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলীয় এলাকা বোঝায়, যা বরেন্দ্রর বিপরীত। মনে রাখার টিপস: উত্তর বংগের বরেন্দ্র ভূমি মনে রাখতে বরেন্দ্র শব্দের ব এবং উত্তর বংগের ব মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
a 1970
b 1969
c 1968
d 1966
0 74 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৯ কেন সঠিক: - ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফােল আহমেদ রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন। - আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে ঐতিহাসিক মুক্তি লাভের পর ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭০ — এই সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছিল। B) ১৯৬৯ — এই সালেই তিনি ঐতিহাসিক গণঅভুত্থানের পর বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেন, যা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) ১৯৬৮ — এই সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় এবং বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়। D) ১৯৬৬ — এই ঐতিহাসিক বছরেই বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: নয় মানেই পরিচয়, ১৯৬৯ সালেই বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু উপাধি পান।
a ৬টি
b ১১টি
c ২১টি
d ৮টি
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ২১টি কেন সঠিক: - ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গঠিত যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা দাবি ঘোষণা করেছিল। - এই ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবির মূল প্রবক্তা ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬টি — ছয় দফা ছিল ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত বাঙালির মুক্তির সনদ, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের সাথে সম্পর্কিত নয়। B) ১১টি — এগারো দফা দাবি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ উত্থাপন করেছিল। সি) ২১টি — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, যা ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ঘোষণা করেছিল। D) ৮টি — আট দফা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম বা ঐতিহাসিক কোনো নির্বাচনের প্রধান দফা হিসেবে স্বীকৃত নয়। মনে রাখার টিপস: যুক্তফ্রন্টের দফার সাথে ২১শে ফেব্রুয়ারির সংখ্যাগত মিল রয়েছে, যা মনে রাখতে সাহায্য করে যে যুক্তফ্রন্টের দফা ছিল ২১টি।
a লর্ড কার্জন
b লর্ড হার্ডিঞ্জ
c লর্ড ক্যানিং
d লর্ড ওয়েলেসলী
0 76 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) লর্ড কার্জন কেন সঠিক: - ১৯০৫ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাতে বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করেন। - তাঁর এই বঙ্গভঙ্গ নীতির কারণে তীব্র রাজনৈতিক অসন্তোষ ও স্বদেশী আন্দোলনের সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে ১৯১১ সালে বাতিল করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লর্ড কার্জন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তাঁর শাসনামলেই ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়েছিল। B) লর্ড হার্ডিঞ্জ — তিনি ১৯১০ থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ছিলেন এবং তাঁর আমলেই ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়। C) লর্ড ক্যানিং — তিনি ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন, বঙ্গভঙ্গের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। D) লর্ড ওয়েলেসলী — তিনি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন এবং তিনি অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির জন্য পরিচিত। মনে রাখার টিপস: কার্জন মানেই কারসাজি, আর তাঁর আমলেই হলো ১৯০৫ সালের বিখ্যাত বঙ্গভঙ্গ।
a লক্ষ্মন সেন
b ইলিয়াস শাহ
c আকবর
d বিজয় সেন
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আকবর কেন সঠিক: - মোঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে ফসলি সন চালুর অংশ হিসেবে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য হিজরি চন্দ্র সনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সৌর সনের প্রচলন করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লক্ষ্মন সেন — তিনি বাংলা সনের প্রবর্তক নন, তার নামানুসারে 'লক্ষ্মণ সেনাব্দ' চালু হয়েছিল। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতান ছিলেন, বাংলা নববর্ষ চালুর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। C) আকবর — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়। D) বিজয় সেন — তিনি সেন বংশের রাজা ছিলেন, বাংলা নববর্ষ বা সনের চালুর সঙ্গে তিনি জড়িত নন। মনে রাখার টিপস: মোগল সম্রাট আকবর খাজনা আদায় সহজ করতে বাংলা সন চালু করেছিলেন।
a পানিবাহিত
b পতঙ্গবাহিত
c বায়ুবাহিত
d রক্তবাহিত
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পতঙ্গবাহিত কেন সঠিক: - চিকনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা এডিস মশা নামক পতঙ্গের কামড় দ্বারা মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়। - এটি মূলত মশার মাধ্যমে ছড়ায় বিধায় একে পতঙ্গবাহিত রোগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পানিবাহিত — পানি পানের মাধ্যমে চিকনগুনিয়া ছড়ায় না, তাই এই অপশন সঠিক নয়। B) পতঙ্গবাহিত — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ রোগটি মশার মাধ্যমে ছড়ায়। সি) বায়ুবাহিত — বাতাস বা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায় না, তাই এটি ভুল। ডি) রক্তবাহিত — সরাসরি রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে এই রোগ প্রধানত ছড়ায় না, তাই এটি সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: চিকনগুনিয়া মানেই মশার কামড়, আর মশা হলো এক ধরনের পতঙ্গ।
a রিংগিত
b রুবল
c লিরা
d ক্রোনা
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রুবল কেন সঠিক: - রুবল হলো রাশিয়ার সরকারি এবং আইনগত মুদ্রা। - এই মুদ্রাটি রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও প্রকাশিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিংগিত — এটি মালয়েশিয়ার প্রচলিত মুদ্রার নাম, রাশিয়ার নয়। B) রুবল — এটি রাশিয়ার সঠিক মুদ্রা। C) লিরা — এটি তুরস্ক বা অতীতে ইতালি ও অন্যান্য দেশের মুদ্রার নাম। D) ক্রোনা — এটি সুইডেন বা নরওয়ের মতো স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের মুদ্রার নাম। মনে রাখার টিপস: রাশিয়ার নাম এবং মুদ্রার নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো রাশিয়া মানেই রুবল।
a পঞ্চগড়
b কুড়িগ্রাম
c লালমনিরহাট
d নীলফামারী
0 81 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) লালমনিরহাট কেন সঠিক: - দহগ্রাম-আঙ্গারপোতা বাংলাদেশের বৃহত্তম ছিটমহল এবং এটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। - ২০১৫ সালের ৩১ আগস্ট ছিটমহল বিনিময়ের পূর্বে এটি ভারতের ভেতরে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি আবদ্ধ ভূখণ্ড ছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চগড় — এই জেলায় বাংলাদেশ ও ভারতের অন্যান্য কিছু ছিটমহল থাকলেও দহগ্রাম অবস্থিত নয়। B) কুড়িগ্রাম — এই জেলায় বেশ কিছু ছিটমহল ছিল, তবে দহগ্রাম এখানে অবস্থিত নয়। C) লালমনিরহাট — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে কোনো ভুল নেই। D) নীলফামারী — এই জেলার ভৌগোলিক সীমানায় দহগ্রাম ছিটমহল অন্তর্ভুক্ত নয়। মনে রাখার টিপস: দহগ্রাম ছিটমহল লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, যা তিনবিঘা করিডোরের মাধ্যমে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।
a ২১শে পদক
b স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার
c বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
d শিশু একাডেমি পুরষ্কার
0 82 0 0
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: সাহিত্য, লেখক ও সাহিত্যকর্ম এবং বাংলাদেশ বিষয়াবলি সঠিক উত্তর: C) বাংলা একাডেমি পুরষ্কার কেন সঠিক: - বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলাদেশের সাহিত্যে অবদানের জন্য প্রদত্ত অন্যতম প্রধান ও সর্বোচ্চ সাহিত্যিক স্বীকৃতি। - বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সামগ্রিক অবদান বা নির্দিষ্ট শাখায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রথিতযশা সাহিত্যিকদের প্রতি বছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ২১শে পদক — এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কার, যা শুধু সাহিত্য নয় বরং শিল্পকলা, শিক্ষা ও বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেওয়া হয়। B) স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার — এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক পুরস্কার, যা বিভিন্ন জাতীয় ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রদান করা হয়। D) শিশু একাডেমি পুরষ্কার — এটি মূলত শিশুসাহিত্য বা শিশুকিশোরদের বিভিন্ন প্রতিভার বিকাশের জন্য প্রদত্ত পুরস্কার, যা জাতীয় সাহিত্যের সামগ্রিক সর্বোচ্চ পুরস্কার নয়। মনে রাখার টিপস: সাহিত্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমি পুরস্কারকে মনে রাখতে হবে, কারণ এটি সরাসরি সাহিত্যচর্চার সঙ্গেই যুক্ত।
a অক্সালিক এসিড
b সাইট্রিক এসিড
c ফরমিক এসিড
d নাইট্রিক এসিড
0 83 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফরমিক এসিড কেন সঠিক: - পিঁপড়া কামড়ানোর সময় হুল বা ত্বকের মাধ্যমে মিথেনয়িক এসিড বা ফরমিক এসিড নিসরণ করে। - এই এসিড ত্বকে প্রবেশ করার কারণে কামড়ানোর স্থানে জ্বালা পোড়া এবং লালচে ফোলা ভাবের সৃষ্টি হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) অক্সালিক এসিড — এটি সাধারণত টমেটো, পালং শাক ও বিভিন্ন টক জাতীয় উদ্ভিদে পাওয়া যায়, পিঁপড়ার কামড়ে থাকে না। B) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা ও অন্যান্য লেবুজাতীয় ফলে পাওয়া যায়, পিঁপড়ার কামড়ের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। C) ফরমিক এসিড — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল অপশন হিসেবে বিবেচিত হবে না। D) নাইট্রিক এসিড — এটি একটি শক্তিশালী অজৈব খনিজ এসিড, যা গবেষণাগারে ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয় এবং এটি প্রাকৃতিকভাবে পিঁপড়ার কামড়ে থাকে না। মনে রাখার টিপস: পিঁপড়ার কামড়ের জ্বালা মানেই ফর্মিক এসিডের খেলা।
a 8
b 9
c 10
d 11
0 73 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১১ কেন সঠিক: - বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেছিলেন। - ১১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ তাহের এবং এই সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও কুড়িগ্রামের কিছু অংশ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮ — এই সেক্টরটি কুষ্টিয়া, যশোর এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল, যেখানে তারামন বিবি যুদ্ধ করেননি। B) ৯ — এই সেক্টরটি খুলনা, বরিশাল এবং পটুয়াখালী জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল, যা তারামন বিবির যুদ্ধক্ষেত্র নয়। C) ১০ — এটি ছিল নৌ সেক্টর এবং এর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা বা সেক্টর কমান্ডার ছিল না, এটি সমগ্র জলপথ নিয়ে গঠিত ছিল। D) ১১ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তারামন বিবি এই ১১ নম্বর সেক্টরের অধীনেই মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: তারামন বিবি ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন এবং তিনি ও সেতাব বেগম দুজনই বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা।
a মধুমতি
b বাইগার
c কুমার
d ভৈরব
0 75 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাইগার কেন সঠিক: - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামটি বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। - ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এই নদীর তীরেই তাঁর পৈতৃক বাড়িটি গড়ে উঠেছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধুমতি — এটি গোপালগঞ্জের একটি প্রধান নদী হলেও বঙ্গবন্ধুর গ্রাম এই নদীর তীরে অবস্থিত নয়। B) বাইগার — এটি সঠিক উত্তর কারণ বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি এই নদীর তীরেই অবস্থিত। C) কুমার — এটি অন্য একটি নদী যার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর গ্রামের সরাসরি ভৌগোলিক সংযোগ নেই। D) ভৈরব — এটি দক্ষিণাঞ্চলের একটি নদী তবে টুঙ্গিপাড়া গ্রামের সঙ্গে এর সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। মনে রাখার টিপস: বঙ্গবন্ধুর গ্রাম টুঙ্গিপাড়া এবং বাইগার নদী, দুটি নাম একসঙ্গে মনে রাখলে খুব সহজে উত্তরটি মনে থাকবে।