সঠিক উত্তর: B) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
১. কেন সঠিক:
বাক্যে তুলনামূলক অর্থে দুই পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'বিদ্বান' ও 'মূর্খ' শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তুলনা বোঝাতে 'শ্রেষ্ঠ' শব্দটি নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ গুণবাচক শব্দ, তাই এর সঙ্গে অতিরিক্ত 'তর' বা 'তম' প্রত্যয় যোগ করা বাহুল্য বা অশুদ্ধ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণের তারতম্য বা তুলনা বোঝানোর দুটি নিয়ম রয়েছে। তৎসম শব্দে তর ও তম প্রত্যয় যুক্ত হয়, তবে কিছু শব্দে এর ব্যতিক্রম ঘটে এবং দ্বিরুক্তি বা অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহার করলে গুরুচণ্ডালী দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটে। এখানে 'বিদ্বান' শব্দের বানান এবং 'শ্রেষ্ঠ' শব্দের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোনা অপেক্ষা লোহা সস্তা।
ব্যাখ্যা: দুটি ধাতুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে অপেক্ষা অব্যয়ের সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জ্ঞানি মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
ব্যাখ্যা: জ্ঞানের দিক থেকে তুলনা বোঝাতে সঠিক বিশেষণ পদ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ — এখানে 'বিদ্যান' বানান ভুল এবং 'মুর্খ' বানান ভুল আছে।
B) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো বানান বা ব্যাকরণগত ভুল নেই।
C) বিদ্বান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর — এখানে 'শ্রেষ্ঠ' এর সঙ্গে অতিরিক্ত 'তর' প্রত্যয় যুক্ত করায় বাহুল্য দোষ ঘটেছে।
D) বিদ্বান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ — এখানে 'মুর্খ' বানান ভুল অর্থাৎ মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুলনা বোঝাতে শ্রেষ্ঠ শব্দের সঙ্গে কখনো তর বা তম ব্যবহার করবে না। বিদ্যান বানানে ন এর পরিবর্তে সবসময় ন যুক্ত বর্ণ এবং মূর্খ বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে যেখানে বানান এবং অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত করার ভুলগুলো পরীক্ষা করা হয়। তুলনামূলক বাক্যে অপেক্ষা অব্যয়ের সঠিক ব্যবহার এবং তৎসম শব্দের সঠিক বানান চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) কৃতঘ্ন
১. কেন সঠিক:
- উপকারীর অপকার করে যে ব্যক্তি, তাকে এককথায় কৃতঘ্ন বলা হয়।
- এখানে কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করার জন্য 'কৃতঘ্ন' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- কৃৎ মানে উপকার এবং ঘ্ন মানে হত্যাকারী বা ধ্বংসকারী, অর্থাৎ যে উপকারের মৃত্যু ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে
ব্যাখ্যা: একে এককথায় কৃতজ্ঞ বলা হয়, যা কৃতঘ্নের বিপরীত শব্দ।
উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্নিবার বলা হয়, যা বাক্য সংকোচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতজ্ঞ — এটি উপকারীর অপকার কর যে, এই বাক्याংশের সঠিক উত্তর নয় বরং এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) বেঈمان — এটি ফারসি শব্দ এবং এর অর্থ অবিশ্বাসী বা প্রতারক, যা নির্দিষ্ট এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ নয়।
C) কৃতঘ্ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশনগুলোর সঙ্গে তালিকাভুক্ত নয়।
D) কৃতগ্ণ — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ, কারণ এখানে যুক্তবর্ণের বিন্যাস সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপকার স্বীকার করে যে সে কৃতজ্ঞ এবং উপকারীর অপকার করে যে সে কৃতঘ্ন।
- কৃতজ্ঞ শব্দটিতে ত-এর নিচে র-ফলা এবং ঘ্ন শব্দটিতে ঘ-এর নিচে ন সংযুক্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ ও কৃতঘ্ন শব্দ দুটি প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আসে।
- বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও কৃতঘ্ন শব্দটির বানানটি বারবার পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) রূপতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তি সংক্রান্ত আলোচনা রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে করা হয় কারণ কারক সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়।
- রূপতত্ত্বে শব্দ গঠন, পদের শ্রেণিবিভাগ, বচন, লিঙ্গ, কারক ও বিভক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি যথা ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।
- রূপতত্ত্বে মূলত শব্দের রূপান্তর, পদের রূপ ও কারক-বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছে শব্দে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক সাধিত হয়েছে যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাই।
ব্যাখ্যা: এখানে বাবাকে শব্দে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে অপাদান কারক নির্দেশ করেছে যা রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব ও ষত্ব বিধান, সন্ধি ইত্যাদি আলোচিত হয়, কারক নয়।
B) অর্থতত্ত্বে — শব্দের অর্থ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা ও বাক্যের অর্থের গভীরতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্য সংকোচন, পদক্রম, বাচ্য ও বাক্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়, কারক রূপতত্ত্বে থাকে।
D) রূপতত্ত্বে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কারক ও বিভক্তি রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপতত্ত্ব মানে রূপের পরিবর্তন যেখানে শব্দ, পদ, কারক ও বিভক্তি গঠিত হয়।
- কারক নির্ণয়ের জন্য শব্দের রূপ পরিবর্তন হয় তাই এটি রূপতত্ত্বের বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশ কী নিয়ে আলোচনা করে তা প্রায়ই আসে।
- সমাস ও প্রত্যয়ও রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
- আদিত্য শব্দের অর্থ সূর্য। অদিতির পুত্র বা সন্তান হিসেবে দেবতারা আদিত্য নামে পরিচিত, এবং তাদের মধ্যে প্রধান সূর্য।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত পৌরাণিক ও শাব্দিক অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে একই ভাব প্রকাশ করে।
- সূর্য সংস্কত ভাষার তৎসম শব্দ এবং এর অনেকগুলো প্রতিশব্দ বাংলা ব্যাকরণে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবিতা
ব্যাখ্যা: সবিতা শব্দের অর্থ জীবনদাতা বা সূর্য, যা সূর্যের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত প্রতিশব্দ।
উদাহরণ ২: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন বা আলো দেন যিনি, অর্থাৎ সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — সুধাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, যার অর্থ সুধা বা অমৃতরশ্মি ধারণ করে যে।
B) শশাঙ্ক — শশাঙ্ক শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির মতো দাগ বা চিহ্ন থাকে।
সি) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ, যা মূলত কাব্যিক অর্থে রাতের আকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সূর্য সম্পর্কিত প্রতিশব্দ মনে রাখতে অদিতির পুত্র আদিত্য, প্রভাতী ভাস্কর, দিনমণি এবং সবিতা শব্দগুলো একত্রে চর্চা করতে পারো।
- চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলোর সাথে সূর্যের প্রতিশব্দগুলো গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সূর্য এবং চাঁদের প্রতিশব্দ একসাথে অপশনে দিয়ে পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করা হয়।
- তাই সূর্যালোক ও চন্দ্রালোক সম্পর্কিত শব্দগুলোর অর্থ পরিষ্কার ধারণা রাখা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: A) বিরক্তি
কেন সঠিক:
- বাক্যে ভিক্ষুকের বারবার চাওয়ার কারণে বক্তার মনে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে তা প্রকাশ পেয়েছে।
- বিপদের আশঙ্কা বা সমস্যার কারণে বক্তার মনে বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবেগবাচক অব্যয়ের একটি বিশেষ প্রয়োগ হলো মনের বিভিন্ন ভাব যেমন বিরক্তি বা অনীহা প্রকাশ করা।
- এখানে কী শব্দটি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি, বরং এটি আবেগ প্রকাশ করেছে।
- যেমন, কী জ্বালা! এই গরমে টেকা যায় না - এখানেও বিরক্তি প্রকাশ পাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিরক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) রাগ — রাগ প্রকাশের ক্ষেত্রে ভাষা আরও আক্রমণাত্মক বা উগ্র হয়, যা এখানে নেই।
- C) ভয় — ভয় প্রকাশের ক্ষেত্রে আতঙ্ক বা বিপদের আশঙ্কা প্রধান থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
- D) হুমকি — হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে অপর পক্ষকে ভয় দেখানোর মনোভাব থাকে, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কী শব্দটির পরে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকলে এবং তা যদি প্রশ্ন না বুঝিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করে, তবে তা সর্বদা বিরক্তি বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) আগুন নিভে গেছে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা ইডিয়ম 'Go out'-এর অতীত রূপ 'is out' এখানে আগুন বা প্রদীপের ক্ষেত্রে নিভে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'Out' শব্দটি বিভিন্ন контекস্টে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, যেমন আলোর ক্ষেত্রে নিভে যাওয়া বা প্রকাশ পাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য ও বাক্য রূপান্তর এবং পারিভাষিক অর্থ বা অনুবাদের একটি বিশেষ প্রয়োগ।
- ইংরেজি idioms and phrases-এর আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ বা প্রমিত বাংলা অনুবাদ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The light is out.
ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো বাতিটি নিভে গেছে।
উদাহরণ ২: The fire is burning.
ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো আগুন জ্বলছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগুন বাইরে — 'Out' শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাইরে হলেও এখানে তা বাক্যটির মূল ভাব প্রকাশ করে না।
B) বাইরে আগুন — এটি বাক্যের ইংরেজি গঠনের সঠিক ও প্রমিত ভাবানুবাদ নয়।
C) আগুন ছড়িয়ে পড়েছে — ছড়িয়ে পড়ার ইংরেজি হলো স্প্রেড আউট, যা এই ফ্রেজের সঠিক অর্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোনো আগুন বা বাতির ক্ষেত্রে 'out' থাকলে বুঝতে হবে তা নিভে গেছে।
- ফ্রেজাল বা ইডিয়মভিত্তিক অনুবাদে আক্ষরিক অর্থ এড়িয়ে চলতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের বহুল ব্যবহৃত ইডিয়ম বা ফ্রেজাল ভার্বের অনুবাদ প্রায়ই আসে।
- আক্ষরিক অনুবাদের ফাঁদে না পড়ে ভাবানুবাদ চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) নাটকে
১. কেন সঠিক:
সাধুভাষা মূলত গুরুগম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং এর ক্রিয়া ও সর্বনাম পদ বিশেষ রূপের হয়ে থাকে। নাটকের সংলাপ হতে হয় জীবন্ত, সহজবোধ্য ও মানুষের প্রাত্যহিক মুখের ভাষার কাছাকাছি, যা সাধুভাষায় সম্ভব নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার লিখিত রূপ দুটি, একটি সাধু এবং অন্যটি চলিত। সাধুভাষার ব্যাকরণগত রূপ কঠোর এবং এর ক্রিয়াপদ দীর্ঘ হয়, যেমন করিতেছিলাম। নাটকের চরিত্রগুলো যখন কথা বলে, তখন সাধুভাষা ব্যবহার করলে তা কৃত্রিম ও অবাস্তব শোনাল, তাই নাটকে এটি অনুপযোগী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চলিত ভাষার রূপ: আমি বাড়ি যাচ্ছি এবং কাল আসব।
ব্যাখ্যা: এটি নাটকের সংলাপে ব্যবহার উপযোগী কারণ এটি সহজ ও স্বাভাবিক।
উদাহরণ ২: সাধু ভাষার রূপ: আমি গৃহে গমন করিতেছি এবং আগামীকাল আসিব।
ব্যাখ্যা: এই রূপটি নাটকের মুখের সংলাপে অত্যন্ত বেমানান ও অবাস্তব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতায় — কবিতার ভাষা ছান্দসিক ও অলংকারবহুল হওয়ায় অতীতে সাধুভাষার বহুল ব্যবহার হতো। তাই এটি সম্পূর্ণ অনুপযোগী নয়।
B) গানে — গানের ভাষা লয় ও সুরের সাথে মেলানোর জন্য সাধুভাষায় রচিত হতে পারে। প্রাচীন ও মধ্যযুগের গানে এর প্রমাণ মেলে।
C) ছোটগল্পে — প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র পত্রিকার আগে ছোটগল্পেও সাধুভাষার ব্যাপক প্রচলন ছিল। তাই এটি একমাত্র অনুপযোগী ক্ষেত্র নয়।
D) নাটকে — নাটকের মূল প্রাণ হলো জীবন্ত সংলাপ যা মুখের ভাষার কাছাকাছি চলিত রীতিতে মানানসই। সাধুভাষায় নাটক লেখা হলে তা কৃত্রিম মনে হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেখানে মুখের স্বাভাবিক সংলাপ ও দ্রুত যোগাযোগের প্রয়োজন, সেখানেই সাধুভাষা অনুপযোগী। নাটক ও চলচ্চিত্রের সংলাপে সর্বদা চলিত বা প্রমিত রূপ ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কমপক্ষে দুটি ক্ষেত্রে সাধুভাষা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, একটি হলো নাটকের সংলাপ এবং অন্যটি মুখের কথ্য ভাষা। নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁদের নাটকে চলিতী রীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।
সঠিক উত্তর: C) বহিরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- অন্তরঙ্গ শব্দের অর্থ গভীর সম্পর্কযুক্ত, ঘনিষ্ট বা ভেতরের বিষয়। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে বহিরঙ্গ শব্দটি।
- বহিরঙ্গ শব্দের অর্থ বাইরের দিক বা ওপরের আবরণ যা অন্তরঙ্গ এর ঠিক বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন।
- বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় মূল শব্দের উৎস, ভাব এবং অর্থের পূর্ণ বিপরীত রূপটি বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উন্নত
ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের বিপরীত শব্দ অবনত যা উচ্চতা বা মানের বিপরীত অবস্থা বোঝায়।
উদাহরণ ২: প্রকাশ
ব্যাখ্যা: প্রকাশ শব্দের বিপরীত শব্দ গোপন যা দৃশ্যমান বা অদৃশ্যের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শত্রুতা — শত্রুতা শব্দটি বন্ধুত্বের বিপরীত, এটি অন্তরঙ্গ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) সম্পর্কহী — সম্পর্কহীন বানানটি অসম্পূর্ণ এবং এটি অন্তরঙ্গের সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ নয়।
C) বহিরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বৈরীবাব — বৈরীবাব বলে কোনো প্রমিত বা অর্থপূর্ণ বাংলা বিপরীত শব্দ নেই, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অন্ত মানে ভেতর এবং বহি মানে বাইরে। এই মূল সূত্রটি মনে রাখলে অন্তরঙ্গ ও বহিরঙ্গ শব্দ দুটির বিপরীত সম্পর্ক সহজে বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উপসর্গ বা মূল অর্থ খেয়াল রাখতে হয়। অন্ত এবং বহি উপসর্গযুক্ত শব্দগুলোর বিপরীত সম্পর্ক প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: C) মুহূর্ত
১. কেন সঠিক:
- মুহূর্ত শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক।
- সময় বা কাল বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত এই অতি পরিচিত শব্দটি লেখার সময় দীর্ঘস্বর ব্যবহার করলে বানান ভুল হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা বানানের নিয়মে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে।
- মুহূর্ত শব্দটিতে প্রথমে ম এ হ্রস্ব উ-কার, হ এ হ্রস্ব উ-কার এবং ত এ রেফ ও হ্রস্ব ই-কার যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধি
ব্যাখ্যা: বু-দ্ধি শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার ও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বানানের নিয়ম সমর্থন করে।
উদাহরণ ২: মুক্তি
ব্যাখ্যা: মু-ক্তি শব্দটিতেও সঠিক নিয়মে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহুর্ত — এই অপশনে দীর্ঘ উ-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের পরিপন্থী।
B) মুহুর্ত — এই অপশনে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) মুঞূর্তু — এই অপশনে অতিরিক্ত ঞ এবং ভুল উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত বানানটি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন এখানে সবসময় ছোট হাতের উ-কার ও ছোট হাতের ই-কার বসে।
- দুটি উ-কার এবং একটি ই-কার এই তিনটির মিলনে মুহূর্ত বানান গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক ও নিত্যব্যবহার্য কিছু শব্দ যেমন মুহূর্ত, সায়ন্তন, সান্ত্বনা প্রায়ই পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করতে আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের শব্দগুলোর বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি পদের বা ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। কিন্তু অব্যয় পদের সাথে অন্য পদের বা অব্যয়ের সাথে অব্যয়ের সাধারণত কোনো রূপগত পরিবর্তন ঘটে না এবং এদের মধ্যে সন্ধি হয় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য, বিশেষণ এবং ক্রিয়া পদের ক্ষেত্রে বিভক্তিযুক্ত হয়ে বা রূপের পরিবর্তন ঘটে সন্ধি সাধিত হয়। কিন্তু অব্যয় পদ অপরিবর্তিত থাকে বলে এর সাথে সন্ধি হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং
ব্যাখ্যা: এটি একটি অব্যয় পদ, যার সাথে অন্য শব্দের সন্ধি হয় না।
উদাহরণ ২: কিন্তু
ব্যাখ্যা: এটিও একটি অব্যয় পদ, যা অপরিবর্তিত থাকে এবং এর কোনো সন্ধি হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদের সাথে অন্যান্য পদের সন্ধি সাধিত হতে পারে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের সাথে সন্ধি হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদের সাথে অন্য পদের সন্ধি সাধিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদের সাথেও সন্ধি হতে পারে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অব্যয় পদের অর্থ কখনো পরিবর্তিত হয় না এবং এদের সাথে কোনো সন্ধি হয় না। এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ এবং সন্ধি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। অব্যয় পদের বৈশিষ্ট্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) কমা
১. কেন সঠিক:
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসে কারণ এটি একই ধরনের একাধিক পদের মাঝে বিরতি বোঝায়।
- ঠিকানা লেখার সময় ছোট অংশ থেকে বড় অংশে যাওয়ার সময় পদের মাঝে কমা ব্যবহার করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন অধ্যায়ের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যে অর্থের স্পষ্টতা বোঝাতে কমা ব্যবহৃত হয়।
- ঠিকানা বা চিঠিপত্রের ঠিকানা লেখার ক্ষেত্রে বাড়ির নম্বর, রাস্তার নাম ইত্যাদির পর কমা বসানোর সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১২/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা
ব্যাখ্যা: এখানে বাড়ির নম্বর ও রাস্তার নম্বরের পর কমা ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ৫, ইস্টার্ন রোড, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাড়ির নম্বরের পর কমা বসিয়ে ঠিকানা আলাদা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে বসে, পদের মাঝে বিরতির জন্য নয়।
B) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মাঝে বসে।
C) কোলন — কোলন সাধারণত একটি পূর্ণ বাক্যের পর উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত টানতে ব্যবহৃত হয়।
D) কমা — এটি সঠিক কারণ ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির বা রাস্তার নম্বরের পর কমা বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঠিকানা লেখার সময় ছোট থেকে বড় এককের দিকে যেতে হয় এবং প্রতি ধাপে কমা ব্যবহার করতে হয়।
- বাড়ির নম্বর বা রাস্তার নম্বরের পর কমা বসে এই নিয়মটি চিঠিপত্র লেখার ক্ষেত্রে সবসময় মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ঠিকানা লেখার নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা যখন বাণিজ্য ও ধর্মের উদ্দেশ্যে বাংলায় আসে, তখন তাদের ব্যবহৃত অনেক ফলমূল ও দৈনন্দিন সামগ্রীর নাম বাংলায় মিশে যায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারের অন্তর্গত আগন্তুক বা বিদেশি শব্দের একটি উদাহরণ। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত বাংলা ভাষার বহিরাগত শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলায় গৃহীত হয়েছে।
উদাহরণ ২: চাবি
ব্যাখ্যা: তালা ও চাবি বোঝাতে এই পর্তুগিজ শব্দটি বাংলা ভাষায় স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে নানাবিধ শব্দ বাংলায় আসলেও পেয়ারা শব্দটি হিন্দি মূলের নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে সৃষ্টি হলেও পেয়ারা শব্দটি উর্দু থেকে সরাসরি বাংলায় আসেনি।
C) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে কিছু বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক পরিভাষা এলেও পেয়ারা গ্রিক শব্দ নয়।
D) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা একটি পর্তুগিজ শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি ফল ও খাদ্যসামগ্রীর নাম যেমন পেয়ারা, আনারস, আতা পর্তুগিজদের কাছ থেকে এসেছে। পর্তুগিজ ব্যবসায়ীরা যেসব নতুন জিনিস এনেছিল, তাদের নামও সাথে করে নিয়ে এসেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই পর্তুগিজ শব্দের তালিকা যেমন আলমারি, সাবান, গেঞ্জি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আকাশ
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে যার অর্থ বের করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। আকাশ শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসের দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী শব্দ প্রধানত দুই প্রকার, যথা মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ। যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে অন্য কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। অন্যদিকে, সাধিত শব্দ গঠিত হয় উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাসের মাধ্যমে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাক
ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
উদাহরণ ২: গোলাপ
ব্যাখ্যা: গোলাপ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ — এটি মৌলিক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) শীতল — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা শীত যোগ ল প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
C) ঢাকাই — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা ঢাকা শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
D) কান্না — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা কাঁদ্ ধাতু যোগ না প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছোট ও অপরিবর্তনীয় যেসব শব্দকে ভাঙা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। হাত, পা, মুখ, নাক, ফুল, পাখি ইত্যাদি সাধারণ নামবাচক ছোট শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোনো শব্দে প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত থাকলে তা সাধিত শব্দ হবে, আর ছোট ও অবিভাজ্য শব্দগুলো মৌলিক শব্দ হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: C) আলসেমির লক্ষণ
কেন সঠিক:
- হাতে দুর্বা ঘাস জন্মানো মানে দীর্ঘক্ষণ হাত বা শরীর নড়াচড়া না করে অলসভাবে বসে থাকা।
- কোনো কাজ না করার ফলে মানুষের শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতাকে এই বাগধারার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা যা মানুষের স্বভাব বা আচরণের বিশেষ রূপ ফুটিয়ে তোলে।
- বাংলা সাহিত্যে ও লোক সংস্কৃতিতে দুর্বা ঘাস খুব দ্রুত জন্মায়, তাই দীর্ঘক্ষণ হাত নাড়লে হাত দিয়ে দুর্বা গজানোর মতো অলস অবস্থার কথা বলা হয়।
- যেমন, কোনো ব্যক্তি সারাদিন কোনো কাজ না করে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে তাকে বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ছন্নছাড়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বখাটে বা সুশৃঙ্খল নয় এমন ব্যক্তি।
- B) অলুক্ষণে — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অশুভ লক্ষণ প্রকাশকারী বিষয়।
- C) আলসেমির লক্ষণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) অতিশয় দুর্বল — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শক্তিহীন বা রুগ্ন শারীরিক অবস্থা।
মনে রাখার টিপস:
- দুর্বা ঘাস জন্মায় মাটিতে স্থিরভাবে থাকলে, আর মানুষও স্থির বা অলস হয়ে বসে থাকলে তার হাতে দুর্বা গজায়।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষণজন্মা
১. কেন সঠিক:
- শুভক্ষণে জন্ম যার তাকে এককথায় ক্ষণজন্মা বলা হয়।
- এই শব্দের মাধ্যমে এমন একজন মহাপুরুষ বা বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যার জন্ম অত্যন্ত শুভ সময়ে হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগ্য জন্ম যার = সুপ্রসূত
ব্যাখ্যা: বিশেষ বা ভালো জন্ম বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যার জন্ম পূর্বে হয়েছে = অগ্রজ
ব্যাখ্যা: বয়সে বা জন্মসূত্রে বড় বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষণজন্মা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শুভক্ষণে জন্ম যার।
B) শুভজন্মা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয়।
C) জন্মাধীর — এই শব্দটির এমন কোনো নির্দিষ্ট অর্থ বা ব্যাকরণগত স্বীকৃতি নেই।
D) শুভজন্মকাল — এটি দিয়ে জন্ম নেওয়ার সময়কে বোঝায়, কোনো ব্যক্তিকে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্ষণ শব্দ দিয়ে শুভক্ষণ বা বিশেষ সময় মনে রাখতে হবে।
- জন্ম যার মানে জন্মা, তাই মিলে হয় ক্ষণজন্মা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এই শব্দগুলোর সঠিক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) ডাইনী
১. কেন সঠিক:
ডাইনী শব্দটি নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ, যার কোনো স্বতন্ত্র পুরুষবাচক শব্দ নেই। বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ রয়েছে যা শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্যাকরণগতভাবে তাদের কোনো পুরুষবাচক রূপ তৈরি হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক হয় এবং এদের পুরুষবাচক রূপ থাকে না। এদের নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। যেমন ডাইনী শব্দের কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ বাংলায় পাওয়া যায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীন
ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ, এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই।
উদাহরণ ২: এয়োস্ত্রী
ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটিও নিত্যস্ত্রীবাচক, এর কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণে নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাদী — এই শব্দটির পুরুষবাচক রূপ হলো বাদী বা এর পুরুষবাচক প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবাদী ব্যবহার করা হয়, তাই এর পুরুষবাচক রূপ বিদ্যমান।
B) দাত্রী — এই শব্দটির পুরুষবাচক রূপ হলো দাতা, যা ব্যাকরণগতভাবে পুরুষবাচক হিসেবে সিদ্ধ।
C) তাদৃশ্য — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক রূপ তাদৃশী হয়, তাই এটি কেবল পুরুষবাচক শব্দ নয়।
D) ডাইনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য ডাইনী, সতীন, এয়োস্ত্রী এই শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখতে পারো। পরীক্ষার হলে যে শব্দের পুরুষবাচক রূপ পাওয়া যায় না, সেটিই নিত্যস্ত্রীবাচক হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ডাইনী, সতীন, সধবা, এয়োস্ত্রী, গর্ভিণী এই শব্দগুলো নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দের চমৎকার উদাহরণ যা বারবার পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: C) সৃজ্+তি
১. কেন সঠিক:
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ বিশ্লেषণের সময় ধাতু ও প্রত্যয় চিহ্নিত করতে হয়। এখানে 'সৃষ্টি' শব্দের মূল ধাতু হলো 'সৃজ্' এবং এর সঙ্গে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী 'সৃজ্' ধাতুর উত্তর 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'সৃষ্টি' শব্দটি গঠিত হয়। এখানে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে জ্ এর স্থানে ষ্ এবং ত এর স্থানে ট যুক্ত হয়ে সৃষ্টি রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভজ্ + তি = ভক্তি
ব্যাখ্যা: ভজ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মুচ্ + তি = মুক্তি
ব্যাখ্যা: মুচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মুক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৃষ্+টি — 'সৃষ্' নামে কোনো মৌলিক সংস্কৃত ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
B) সৃশ্+তি — 'সৃশ্' কোনো সঠিক ধাতু নয় কারণ মূল ধাতুটিতে জ ধ্বনি থাকে।
D) স্রী+ষ্টি — 'স্রী' কোনো ধাতু নয় এবং প্রত্যয়টি ভুলভাবে দেখানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৃষ্টি শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মনে রাখবে এর মূল ধাতু হলো সৃজ্। জ যুক্ত ধাতু থাকলে সাধারণত ত এর স্থানে ট এবং জ এর স্থানে ষ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বানර ও ধ্বনি পরিবর্তনের এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। তাই ধাতুর মূল রূপ চিনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- নীলাম্বর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নীল যে অম্বর, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
- এখানে নীল হলো বিশেষণ পদ যা অম্বর বা আকাশের রং প্রকাশ করছে এবং অম্বর হলো বিশেষ্য পদ যা প্রধান্য পেয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত এই সমাসে সাধারণত যে যিনি কিংবা যা দিয়ে ব্যাসবাক্য প্রসারিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি সুপরিচিত উদাহরণ যেখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাঁচকলা
ব্যাখ্যা: কাঁচা যে কলা, এটিও কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যা বস্তুর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু নীলাম্বরে উভয় পদের অর্থ সমান নয়।
B) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের যোগে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে।
D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা নীলাম্বর শব্দের ক্ষেত্রে ঘটে নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমাস নির্ণয়ের সময় খেয়াল রাখবে পূর্বপদটি বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য কি না।
- নীল বা মহৎ জাতীয় বিশেষণ থাকলে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণত কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা মাথায় রাখা দরকার।
- বর্ণবাচক বিশেষণ যুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে কর্মধারয় সমাসের কথা চিন্তা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অপাদান কারকে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- তিলে তৈল হয় বাক্যে তিল থেকে তেল উৎপন্ন হয় বোঝানো হয়েছে। কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, জাত, বিরত, গৃহিত, চ্যুত, ভীত বা রক্ষিত অর্থে অপাদান কারক হয়।
- তিল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহিত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত ও ভীত হয় কিংবা যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- শব্দ বা পদের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি যুক্ত থাকলে তাকে ৭মী বা সপ্তমী বিভক্তি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত বা পতিত হওয়া বোঝানোর কারণে গাছ থেকে পদটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরে
ব্যাখ্যা: নদী হতে মাছ সংগ্রহ বা গৃহীত হওয়া বোঝানোর কারণে নদী থেকে পদটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারکে ৭মী — কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি হতে পারে, তবে উৎপন্ন হওয়া অর্থে এই কারক প্রযোজ্য নয়।
B) অপাদান কারকে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিল থেকে তেল উৎপন্ন বোঝায় এবং এ বিভক্তি যুক্ত আছে।
C) করণ কারকে ৭মী — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, কিন্তু এখানে তিল কোনো মাধ্যম নয় বরং উৎসের উৎস।
D) অধিকরণ কারকে ৭মী — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান বা কাল বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, উৎপন্ন, জাত বা গৃহিত বোঝলেই চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- তিল থেকে তেল, দুধ থেকে দই এগুলো সব সময় অপাদান কারকের উদাহরণ হিসেবে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাদান বা উৎস থেকে উৎপন্ন বস্তু সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কারক নির্ণয়ের সময় বাক্যের মূল অর্থ বা ক্রিয়াকে কি বা কার দ্বারা প্রশ্ন না করে কোথা থেকে হচ্ছে তা দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ষ্ণ=ষ+ণ
১. কেন সঠিক:
যুক্তবর্ণটি মূলত মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে তৈরি হয় এবং এর সঠিক গঠন মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যুক্তবর্ণ বা সংযুক্ত বর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণের একত্রিত রূপ।
এই ক্ষেত্রে প্রথম বর্ণটি মূর্ধন্য ষ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে ষ্ণ বর্ণটি গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষ্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে ষ্ণ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে মূর্ধন্য ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ্ণ=ষ+ণ — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
B) ষ্ণ=ষ+ঞ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ঞ বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
C) ষ্ণ=ষ+ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে।
D) ষ্ণ=ষ+ঙ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে উঙ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ষ্ণ বানানটিতে ষ এর সাথে সর্বদা মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, দন্ত্য ন বা অন্য কোনো বর্ণ নয়।
কৃষ্ণের মুখ থেকে তৃষ্ণা মেটাতে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার মনে রাখলেই চলবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বান্দানে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণ চেনার জন্য এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষায় প্রায়ই ষ এর সাথে ণ এবং ন এর পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: D) বচ্+তব্য
১. কেন সঠিক:
- বক্তব্য শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো বচ্ ধাতু যোগ তব্য প্রত্যয়। এখানে চ খণ্ড হয়ে ক এ পরিণত হয় এবং তব্য প্রত্যয়ের প্রভাবে ব্যঞ্জনসন্ধি ও ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম কার্যকর হয়।
- বচ্ ধাতুর অর্থ বলা বা কথন করা এবং তব্য প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে উচিত বা যোগ্য অর্থে যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী চ বা ছ এর পরে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হলে চ স্থানে ক হয়।
- বচ্ যোগ তব্য সমান বক্তব্য, যেখানে সংস্কৃতির ব্যাকরণিক সূত্রে চ পরিবর্তিত হয়ে ক হয়েছে এবং তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দটি যোগ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুজ যোগ তব্য সমান ভক্তব্য
ব্যাখ্যা: ভুজ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তব্য শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ ভোজনের যোগ্য।
উদাহরণ ২: পা যোগ তব্য সমান পেয়
ব্যাখ্যা: পা ধাতুর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পেয় শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ পানের যোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্+তব্য — বক কোনো সংস্কৃত ধাতু নয়, তাই এই প্রকৃতি ও প্রত্যয়টি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) বক্ত+অব্য — বক্ত কোনো মূল ধাতু বা প্রাতিপদিক নয় এবং অব্য কোনো প্রমিত প্রত্যয় হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বক্ত+ব্য — বক্ত সরাসরি কোনো ধাতু নয়, কারণ মূল ধাতু হলো বচ্ এবং ব্য হলো প্রত্যয়ের অংশবিশেষ।
D) বচ্+তব্য — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ বচ্ ধাতু থেকে নিয়ম অনুযায়ী বক্তব্য শব্দটি গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বক্তব্য শব্দটি দেখলে বচ্ ধাতুকে চিনে রাখবে কারণ বলার অর্থে বচ্ ধাতু ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে চ থাকলে তা ক এ রূপান্তরিত হয় এই নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রবক্তা, বক্তা, বক্তব্য এই শব্দগুলোর মূল ধাতু বচ্, তাই এই ধাতুটির রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা অমূলক ভয়, যার সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো প্রত্যয় বা বিশ্বাস।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সংশয় শব্দের বিপরীতে প্রত্যয় বা বিশ্বাস বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে মূল শব্দের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বোঝানো হয়।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ এবং অট তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অট তৎসম শব্দ দিয়ে সাধারণত বিপরীত শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ ও অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকার না করাকারী, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: অনুরাগ ও বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ প্রীতি বা আসক্তি এবং বিরাগ শব্দের অর্থ বিতৃষ্ণা বা অনাসক্তি, যা বিপরীতার্থক শব্দের চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভয় — নির্ভয় শব্দের অর্থ ভয়হীন, যা মূলত ভীতি বা ভয় শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংশয় শব্দের অর্থহীনতা দূর করতে প্রত্যয় বা দৃঢ় বিশ্বাস ব্যবহৃত হয়।
C) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক বা তাজ্জব হওয়া, যা সংশয় শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ মনের দ্বন্দ্ব বা সন্দেহ, যা সংশয় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
- বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সমার্থক শব্দ ও বিপরীতার্থক শব্দ আলাদা করার জন্য শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কুচক্রী মামা
১. কেন সঠিক:
- 'শুকুনি মামা' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার আভিধানিক ও ভাবার্থ হলো কুচক্রী, অনিষ্টকারী বা ধূর্ত প্রকৃতির মামা। মহাভারতের শুকুনি চরিত্রটির প্রভাবে এই বাগধারাটি বাংলা ভাষায় কুটিল পরামর্শদাতা বা ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি ভিন্ন ও সুন্দর ভাব প্রকাশ করে।
- এই বাগধারাটি পৌরাণিক চরিত্র মহাভারতের কৌরবদের মামা শুকুনি থেকে এসেছে, যিনি সর্বদা ষড়যন্ত্র করতেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিবারে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য তার ছোট চাচা যেন এক শুকুনি মামা।
ব্যাখ্যা: এখানে কুচক্রী ও ষড়যন্ত্রকারী বোঝাতে শুকুনি মামা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজনীতিতে এমন অনেক শুকুনি মামা থাকেন যারা বন্ধু সেজে ক্ষতি করেন।
ব্যাখ্যা: ধূর্ত বা অনিষ্টকারী ব্যক্তি বোঝাতে এই উদাহরণটি অত্যন্ত উপযোগী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুৎসিত মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ 'শুকুনি মামা' বলতে বাহ্যিক শারীরিক কদাকার বোঝায় না, বরং মানসিক কুটিলতা বোঝায়।
B) সৎ মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ সৎ বা ভালো মানুষকে কখনো কুচক্রী চরিত্রের সঙ্গে তুলনা করা হয় না।
C) কুচক্রী মামা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাগধারার আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে।
D) পাতানো মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ পাতানো সম্পর্ক রক্তের বা বাস্তবের বাইরে স্নেহের হয়, যা কুচক্রী হওয়ার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মহাভারতের শুকুনি মহাভারত যুদ্ধের পেছনের প্রধান কুচক্রী ছিলেন, তাই শুকুনি শব্দ দেখলেই কুচক্রী বা ষড়যন্ত্রকারী অর্থ মাথায় আনতে হবে।
- পরীক্ষামূলক প্রশ্নে চরিত্রের সঙ্গে নামের মিল খুঁজে বের করলেই সঠিক উত্তর পেয়ে যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারা প্রায়ই আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে এর অন্তর্নিহিত উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে পারলে যেকোনো কঠিন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) বাল্মীকি
১. কেন সঠিক:
বাল্মীকি বানানটিতে ল-এ ফলা, ম-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ক-এ ই-কার যুক্ত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটি এভাবেই লেখা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত অনেক শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। বাল্মীকি শব্দটি লেখার সময় শেষের ই-কার হ্রস্ব ই এবং মাঝের মি-তে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির ভ-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ষ-এ ণ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: মৈথিলী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাল্মিকী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ম-এ দীর্ঘ ঈ-কারের বদলে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষের ক-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) বাল্মিকি — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে ম এবং ক উভয় স্থানেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নিয়ম নয়।
D) বাল্মীকী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ম এবং ক উভয় স্থানেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাল্মীকি বানানে ম-এর সাথে দীর্ঘ ঈ এবং ক-এর সাথে হ্রস্ব ই বসে। এভাবে মধ্য দীর্ঘ ও অন্ত হ্রস্ব ই-কারের সূত্র মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত বহুল শব্দগুলোর বানান সংশোধনের জন্য আসে। তাই প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধুরীতিতে সর্বনাম, বিশেষ্য ও ক্রিয়াপদের দীর্ঘরূপ বা পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু অব্যয় পদ সব সময় অপরিবর্তিত থাকে এবং এর কোনো দীর্ঘরূপ বা সংক্ষিপ্ত রূপ হয় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষারীতিতে সাধুরীতি অপেক্ষাকৃত গম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
এই রীতিতে সর্বনাম (যাহা, তাহার), বিশেষ্য (অগ্নি, মৎস্য) এবং ক্রিয়াপদ (করিতেছিল, খাইতেছিল) দীর্ঘ রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চলিত রূপ - যা, সাধু রূপ - যাহা
ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম পদের দীর্ঘরূপ হয়েছে।
উদাহরণ ২: চলিত রূপ - খাচ্ছিল, সাধু রূপ - খাইতেছিল
ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়াপদের দীর্ঘরূপ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — সাধুরীতিতে বিশেষ্য পদের দীর্ঘ বা তৎসম রূপ ব্যবহার করা হয়।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো দীর্ঘরূপ হয় না কারণ এটি অপরিবর্তনীয় শব্দ।
C) সর্বনাম — সাধুরীতিতে সর্বনাম পদের দীর্ঘ বা পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
D) ক্রিয়া — সাধুরীতিতে ক্রিয়াপদের দীর্ঘ ও বিভক্তিযুক্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন নেই।
তাই সাধু বা চলিত সব রীতিতেই অব্যয় পদ সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সাধুরীতিতে রূপ বদলায় প্রধানত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের।
সঠিক উত্তর: A) What is your father?
কেন সঠিক:
পেশা বা পরিচয় জানতে ইংরেজিতে সাধারণত What is দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এই গঠনে সাবজেক্টের আগের ও পরের অংশ মিলে মানুষের পেশা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — পেশা জানতে এই গঠনই সঠিক ও স্বাভাবিক নিয়ম।
B) What is your father doing? — এটি বর্তমানের চলমান কাজ বোঝাচ্ছে, যা মানুষের পেশা বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
C) What does your father? — এই বাক্যে মূল verb অনুপস্থিত, তাই ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি সম্পূর্ণ ভুল।
D) What your father does? — এখানে প্রশ্নবোধক বাক্য গঠনের নিয়ম মানা হয়নি এবং সাহায্যকারী verb বাদ পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কারж পেশা জিজ্ঞাসা করতে What is your [সম্পর্ক] গঠনটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) get
কেন সঠিক:
এখানে come by phrasal verb টির অর্থ কোনো কিছু অর্জন করা বা পাওয়া।
বাক্যটিতে হারিয়ে যাওয়া ঘড়িটি কীভাবে পেলেন তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) quicken — এর অর্থ দ্রুত করা, যা এই বাকстыর অর্থর সাথে মেলে না।
B) get — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ পাওয়া বা অর্জন করা।
C) mend — এর অর্থ মেরামত করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) lose — এর অর্থ হারানো, কিন্তু প্রশ্নটিতে ঘড়ি হারানোর পরের অবস্থা বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Come by দেখলে বুঝবে এটি কোনো কিছু খুঁজে পাওয়া বা অধিকার করার কথা বলছে।
সঠিক উত্তর: D) He gave me an expensive dress.
কেন সঠিক:
জটিল বাক্যের Adjective Clause কে Simple করার সময় Relative Pronoun এবং Verb বাদ দিতে হয়।
এরপর Adjective টিকে noun এর ঠিক পূর্বে বসিয়ে বাক্য গঠন করতে হয়।
expensive শব্দটির শুরুতে vowel থাকায় তার পূর্বে a এর পরিবর্তে an বসেছে।
এভাবে প্রদত্ত জটিল বাক্যটি একটিমাত্র Principal Clause বিশিষ্ট Simple বাক্যে পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He gave me a dress expensive. — Adjective কে noun এর পরে রাখায় বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
B) He gave me a dress and it was expensive. — মাঝখানে and থাকায় এটি একটি Compound বা যৌগিক বাক্যে পরিণত হয়েছে।
C) He gave me a expensive dress. — expensive শব্দটির প্রথম অক্ষর vowel হওয়ায় তার পূর্বে a ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
D) He gave me an expensive dress. — এই অপশনটি সঠিক বাক্যের সাথে হুবহু মিলে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যের Adjective কে Simple করার সময় Noun এর আগে বসাতে হয় এবং Vowel এর আগে an ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) the shoe pinches
কেন সঠিক:
- এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ জুতো কোথায় কামড়ায় বা কষ্ট দেয় তা কেবল পরিধানকারীই জানে।
- নিজের ব্যক্তিগত কষ্ট বা সমস্যার প্রকৃত স্বরূপ কেবল ভুক্তভোগী ব্যক্তিই বুঝতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a man goes — এটি প্রবাদের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে মেলে না এবং এর অর্থ প্রসঙ্গের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) he is right — এটি প্রবাদের মূল ভাব প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে অর্থহীন।
C) the shoe pinches — এটি সঠিক প্রবাদ বাক্য এবং নির্দিষ্ট অর্থের কারণে এখানে প্রযোজ্য।
D) the pain disturbs — এটি কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয় এবং এর শব্দার্থিক মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
জুতো পরলে কোথায় কষ্ট হয় তা অন্য কেউ বোঝে না, তাই জুতো সংক্রান্ত প্রবাদ দেখলে shoe pinches উত্তর হবে।
সঠিক উত্তর: D) do you know where he lives?
কেন সঠিক:
বাক্যটির প্রথম অংশ ইন্টারোগেটিভ হলেও ভেতরের অংশটি সাধারণ বাক্য বা অ্যাসারটিভ হয়। তাই সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসে না।
কর্তা হি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হওয়ায় মূল ভার্বের শেষে এস যুক্ত হয়েছে এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Do you know where does he live? — বাক্যের মাঝে অতিরিক্ত ডাজ ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।
B) Do yopu know where he live? — বানান ভুল এবং হি এর পর লিভ ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়নি।
C) Do you know where he is live? — ইজ এবং লিভ একসাথে দুটি ভার্ব ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডাব্লুএইচ ওয়ার্ড যদি বাক্যের মাঝে থাকে, তবে তার পরের অংশ সবসময় সাধারণ বাক্যের গঠন অনুসরণ করে।
সঠিক উত্তর: C) He does not know how to swim.
কেন সঠিক:
কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা বোঝাতে know verb এর পর how to বসে।
তাই সাঁতরাত জানার ক্ষেত্রে know how to swim গঠনটি সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he does not know swim — এখানে know এর পর সরাসরি verb বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) He does not know to swimming — এখানে to এর পর verb এর ing যুক্ত রূপ বসেছে যা নিয়মবহির্ভূত।
C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) He don’t know swimming — এখানে Subject third person singular হওয়া সত্ত্বেও don't ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজ জানা অর্থে know এর পর how to এবং তারপর base verb বসে।
সঠিক উত্তর: D) She was helped to solve the problem by my
কেন সঠিক:
Active voice এর বাক্যে সাহায্যকারী verb এর পরে bare infinitive থাকলে passive করার সময় to যোগ করতে হয়।
এখানে she subject হিসেবে বসেছে এবং my সঠিক pronoun রূপ নিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She was helped solve the problem — এখানে solve এর আগে প্রয়োজনীয় to ব্যবহার করা হয়নি।
B) The problem was solved by my — এখানে মূল বাক্যের subject পরিবর্তন করার নিয়ম মানা হয়নি।
C) Her problem was solved by me — এখানে বাক্যটির মূল অর্থ ও গঠন পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
D) She was helped to solve the problem by my — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন অনুসরণ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Active voice এ help এর পর bare infinitive থাকলে passive করার সময় to বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) astounds us all
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে How থাকার কারণে এটি একটি Exclamatory sentence গঠন করেছে এবং বাক্যের মূল verb অনুপস্থিত ছিল। অপশন সি যুক্ত করলে বাক্যটির একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় যা করিমের সমস্যা সমাধানের অসাধারণ দক্ষতাকে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) really nice — এটি একটি Adjective phrase হওয়ায় বাক্যের অসমাপ্ত অংশ সুন্দরভাবে পূরণ করতে পারে না।
B) actually wonderful — এটি Adjective হওয়ায় সম্পূর্ণ বাক্যের ভাব বা অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
C) astounds us all — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) are really difficult — এটি বসালে বাক্যের Subject এবং Verb এর মধ্যে সঠিক ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
How যুক্ত অসমাপ্ত বাক্য সম্পূর্ণ করতে এমন একটি অংশ বেছে নিতে হবে যাতে Subject এবং Verb এর সঠিক সমাহার থাকে।
সঠিক উত্তর: খ) Inclusion
কেন সঠিক:
Include শব্দটির মূল অর্থ হলো অন্তর্ভুক্ত করা। এর সঠিক নাউন রূপ হলো Inclusion যার অর্থ অন্তর্ভুক্তি।
শব্দের শেষে sion যোগ করে খুব সহজেই ভার্ব থেকে নাউন তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Includement — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দ বা নাউনের অস্তিত্ব নেই।
খ) Inclusion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Inclution — বানানটি ভুল কারণ ইংরেজি নিয়মে sion বসে tion নয়।
ঘ) ঘ) Includeness — এই প্রত্যয় যুক্ত করে Include এর কোনো সঠিক নাউন হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ভার্বের শেষে de থাকলে তা বাদ দিয়ে sion যোগ করলে সাধারণত সঠিক নাউন গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) leave
কেন সঠিক:
Abandon শব্দের বাংলা অর্থ হলো ত্যাগ করা বা পরিহার করা।
Leave শব্দটির অর্থও কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়া বা ত্যাগ করা।
তাই অর্থের দিক থেকে leave হলো abandon এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) try — এই শব্দটির অর্থ চেষ্টা করা, যা ত্যাগ করার বিপরীত।
B) join — এই শব্দটির অর্থ যুক্ত হওয়া বা যোগদান করা।
C) keep with — এই বাক্যাংশটির অর্থ টিকিয়ে রাখা বা বজায় রাখা।
মনে রাখার টিপস:
Abandoned বাড়ি মানে পরিত্যক্ত বাড়ি, আর Leave মানে চলে যাওয়া। এভাবে মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: C) stitch
কেন সঠিক:
- এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো "A stitch in time saves nine"।
- এর অর্থ হলো যথাসময়ে ছোট একটি পদক্ষেপ বা প্রতিকার পরবর্তীতে বড় ক্ষতি বা ঝামেলা রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) money — প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে এই শব্দটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং অর্থের কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই।
B) penny — এটি অন্য প্রবাদের অংশ হতে পারে, যেমন 'penny wise, pound foolish', কিন্তু এই প্রবাদে এটি বসে না।
C) stitch — এটি প্রবাদের নির্দিষ্ট মূল শব্দ, যা জামাকাপড়ের সেলাই বা সময়ের সঠিক পদক্ষেপকে বোঝায়।
D) saving — এটি ব্যাকরণগতভাবে বা প্রবাদের প্রচলিত গঠন অনুযায়ী এখানে অর্থপূর্ণ বা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়—বাংলা এই প্রবাদের ইংরেজি রূপই হলো 'A stitch in time saves nine'।
সঠিক উত্তর: B) company
কেন সঠিক:
- এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ যার অর্থ হলো মানুষ তার সঙ্গ দেখে চেনা যায়।
- এখানে প্রবাদের নির্দিষ্ট ধারা বজায় রাখতে company শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) words — শব্দের সাথে এই প্রবাদের অর্থ মেলে না।
B) company — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রবাদের অংশ।
C) contribution — অবদানের সাথে এই প্রবাদের কোনো মিল নেই।
D) relatives — আত্মীয়স্বজনের পরিবর্তে এখানে সঙ্গ বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে সঙ্গ বা বন্ধু বোঝাতে नेहमी company শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Increase
কেন সঠিক:
Augment শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বৃদ্ধি করা বা বাড়ানো।
Increase শব্দটির অর্থও কোনো কিছু পরিমাণ বা আকারে বৃদ্ধি করা।
তাই শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ এক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautify — এর অর্থ সুন্দর করা, যা augment শব্দের সাথে মিলে না।
B) Increase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) Segment — এর অর্থ অংশ বা খণ্ড, যা augment শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Calm — এর অর্থ শান্ত করা, যা augment শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Augment শব্দটির মধ্যে মেন্ট অংশটি আছে যা কোনো কাজের ফল বোঝায় এবং এটি বাড়ানোর সাথে সম্পর্কিত। Increase খুব পরিচিত শব্দ যা এর সমার্থক হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) encourage
কেন সঠিক:
dishearten শব্দটির অর্থ কাউকে নিরাশ করা বা তার সাহস ও উৎসাহ কমিয়ে দেওয়া।
encourage শব্দটির অর্থ কাউকে উৎসাহিত করা এবং তার মনোবল বাড়িয়ে দেওয়া।
তাই অর্থের দিক থেকে encourage শব্দhesy dishearten এর বিপরীতার্থক বা antonym হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) discourage — এই শব্দটির অর্থ নিরুৎসাহিত করা, যা dishearten শব্দটির সমার্থক বা synonym।
B) encourage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
C) develop — এই শব্দটির অর্থ বিকাশ করা বা উন্নত করা, যা উৎসাহ দেওয়া বা নিরাশ করার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) ameliorate — এই শব্দটির অর্থ অবস্থার উন্নতি করা, যা মূলত কোনো খারাপ পরিস্থিতি ভালো করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
dishearten শব্দের শুরুতে থাকা dis উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং encourage শব্দের en উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: C) dubious
কেন সঠিক:
Ambiguous শব্দের অর্থ হলো দ্বার্থক বা যা পরিষ্কার নয় এবং যার একাধিক অর্থ হতে পারে।
Dubious শব্দের অর্থও সন্দেহজনক বা অনিশ্চিত যা Ambiguous শব্দের সমার্থক।
এর অন্য কোনো কাছাকাছি সমার্থক অর্থ এখানে নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) alien — এর অর্থ বিদেশী বা ভিনগ্রহের প্রাণী যা এই শব্দের সাথে মেলে না।
B) certain — এর অর্থ নিশ্চিত যা Ambiguous শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) dubious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) dangerous — এর অর্থ বিপজ্জনক যা অনিশ্চিত বা অস্পষ্ট অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Ambiguous শব্দটিতে একাধিক অর্থ লুকিয়ে থাকে তাই এর সমার্থক হিসেবে dubious বা uncertain মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) verb
কেন সঠিক:
এখানে water শব্দটি বাক্যের কর্তা the children-এর কাজ বা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে।
বাগান কর্তৃপক্ষ বা শিশুরা গাছের গোড়ায় পানি দিচ্ছে, তাই এটি verb হিসেবে কাজ করেছে।
বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটি subject-এর পর action প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) non — এটি কোনো সঠিক Parts of Speech নয় বরং এটি একটি অপূর্ণ শব্দ।
B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adjective নয়।
C) verb — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি এখানে কাজ করা বোঝাচ্ছে।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
noun হিসেবে পরিচিত অনেক শব্দ যেমন water, book, pen বাক্যে কাজ করা বোঝালে verb হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: A) I saw him and he was going to market
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Simple sentence-এ আছে, যেখানে 'going' একটি present participle যুক্ত phrase.
- Compound sentence-এ রূপান্তর করার সময় দুটি Independent clause-কে 'and' কনজাংশন দিয়ে যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw him and he was going to market — এটি একটি সঠিক Compound sentence যা and কনজাংশন দ্বারা দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করেছে।
B) I saw him who was going to market — এটি একটি Complex sentence কারণ এতে whoRelative pronoun ব্যবহৃত হয়েছে।
C) I saw him to go to market — এই বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন।
D) I go to market which he was — এই বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ এবং এর মূল অর্থের সঙ্গে কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর Present participle যুক্ত অংশকে Compound করার সময় and বসিয়ে Subject ও Tense অনুযায়ী Verb-কে Finite verb-এ রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Jerry was not more than four years old
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে মাত্র চার বছর বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেতিবাচক রূপ দেওয়ার সময় not more than ব্যবহার করতে হয়।
এর মাধ্যমে মূল বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে সফলভাবে Negative বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে।
এই নিয়মে অর্থের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jerry was not four years old — এই অপশনটি জেরি চার বছরের কম বা বেশি বোঝায় কিন্তু মূল অর্থের সাথে মেলে না।
B) Jerry was not more than four years old — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) No one but Jerry was four years old — এটি কেবল ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল।
D) None but Jerry was four years old — এটিও মূলত ব্যক্তিবাচক ব্যতিক্রম বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংখ্যাবাচক শব্দের Negative করার সময় less than থাকলে not more than এবং more than থাকলে not less than ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) a way
কেন সঠিক:
এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।
প্রবাদের সঠিক শব্দবিন্যাস অনুযায়ী শূন্যস্থানে a way বসবে।
অন্য কোনো শব্দ বসালে প্রবাদের ভাবার্থ নষ্ট হয়।
এটি মুখস্থ রাখতে হয় কারণ প্রবাদ পরিবর্তন করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a path — এটি দেখতে কাছাকাছি হলেও মূল প্রবাদের সাথে মিল নেই।
B) many ways — প্রবাদে বহুবচন বা অনেক উপায়ের কথা বলা হয়নি।
C) a way — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a well-wisher — এর অর্থ শুভাকাঙ্ক্ষী যা প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যগুলো পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই, তাই মূল প্রবাদটি যেভাবে আছে ঠিক সেভাবেই মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Newcastle
কেন সঠিক:
নিউক্যাসল ইংল্যান্ডের একটি বিখ্যাত কয়লা উৎপাদনকারী শহর। তাই সেখানে কয়লা নিয়ে যাওয়া অপ্রয়োজনীয় ও বোকামির কাজ।
ইংরেজি প্রবচন অনুযায়ী এই অর্থ প্রকাশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Narayangonj — এটি বাংলাদেশের একটি নদী বন্দর এবং পাট ব্যবসার জন্য পরিচিত, তাই প্রবচনে এই স্থানটি ব্যবহার করা হয় না।
B) Newcastle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) England — ইংল্যান্ড একটি দেশ, কিন্তু নির্দিষ্ট প্রবচনের ক্ষেত্রে পুরো দেশকে বোঝানো হয় না।
D) Lahore — এটি পাকিস্তানের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা কয়লার জন্য বিখ্যাত নয় এবং প্রবচনে এর ব্যবহার নেই।
মনে রাখার টিপস:
নিউ ক্যাসল মানেই নতুন কয়লার দুর্গ, তাই সেখানে কয়লা নিয়ে যাওয়া মানে তেল মারা বা বোকামি করা।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'late' শব্দটি 'came' ভার্বকে মডিফাই করছে এবং সে কখন এসেছিল তা নির্দেশ করছে।
- ভার্বকে মডিফাই করার কারণে এটি ব্যাকরণ অনুযায়ী অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
B) adverb — প্রদত্ত উত্তর সঠিক এবং এটি এখানে ভার্বকে মডিফাই করেছে।
C) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না, কারণ বাক্যের মূল ভার্ব হলো came।
D) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি অবস্থাকে নির্দেশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে বা ভার্বকে কখন, কোথায়, কিভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অ্যাডভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: A) Honey is not so sweet as money.
কেন সঠিক:
ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়م অনুসারী ইতিবাচক বাক্যের তুলনামূলক রূপকে নেতিবাচক করার সময় শেষের পদ প্রথমে বসে।
প্রদত্ত বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না করে পজিটিভ ডিগ্রির নিয়ম অনুযায়ী 'not so as' ব্যবহার করা হয়েছে।
মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।
এটি ব্যাকরণের সব নিয়ম সঠিক রেখে তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় বরং সঠিক বাক্য।
B) B — এটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) C — এটি মূল বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।
D) D — এটিও অর্থের দিক থেকে ভুল বার্তা দেয় এবং নিয়ম মানে না।
মনে রাখার টিপস:
কম্পারেটিভ ডিগ্রিকে নেতিবাচক পজিটিভ করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয় এবং so এর পর as বসে।
সঠিক উত্তর: A) The Romans did not built Rome in a day
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি একটি প্রবাদ বাক্য যার সাধারণ কর্তা হিসেবে The Romans ব্যবহার করা হয়।
পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নেতিবাচক বাক্য করতে did not এবং মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এখানে সাবজেক্ট ও পাস্ট টেন্সের সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) B — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব ও মূল ভার্বের গঠন সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে।
C) C — এখানে সাবজেক্ট ঠিক থাকলেও ভার্বের রূপ সঠিক নয়।
D) D — এটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ রোম নিজে তৈরি হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ভয়েস পরিবর্তনের সময় এর অন্তর্নিহিত সাবজেক্ট হিসেবে রোমানদের ধরতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) purchasing
কেন সঠিক:
বাক্যে with a view to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ। এই ফ্রেজের পরে সবসময় মূল Verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) purchase — with a view to এর পরে verb এর বেস ফর্ম ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) purchased — with a view to এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা যায় না।
C) purchases — with a view to এর পরে verb এর সাথে s বা es যুক্ত ফর্ম বসে না।
D) purchasing — এই অপশনটি সঠিক কারণ with a view to এর পরে ing যুক্ত verb বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে with a view to দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যুক্ত করে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
বাক্যে as well as দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব নির্ধারিত হয়।
এখানে প্রথম সাবজেক্ট Orthita হলো একজন ব্যক্তি এবং এটি singular, তাই singular ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural ভার্ব হওয়ায় singular সাবজেক্ট Orthita এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) have been — এটি plural ভার্ব এবং continuous অর্থে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না।
D) been — একা কোনো মূল ভার্ব হিসেবে এখানে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
as well as এর আগের সাবজেক্ট যদি singular হয়, তবে ভার্বও সর্বদা singular হবে।
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো (৮×x)০ + ৮×০
ধরি,
রাশিটির প্রথম অংশ = (৮×x)০
রাশিটির দ্বিতীয় অংশ = ৮×০
অতএব,
সূচকের নিয়ম অনুসারে যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়, তাই (৮×x)০ = ১
এবং কোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে গুণফল শূন্য হয়, তাই ৮×০ = ০
সুতরাং,
রাশিটির মোট মান = ১ + ০ = ১
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: B) অসীম
প্রদত্ত তথ্য:
প্রশ্নটিতে মৌলিক সংখ্যার সেট নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।
ধরি,
মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো দুই, তিন, পাঁচ, সাত, এগারো এবং এভাবে চলতে থাকবে।
অতএব,
গণিতের নিয়মানুযায়ী মৌলিক সংখ্যার কোনো শেষ নেই।
সুতরাং,
এই সংখ্যার তালিকা অন্তহীনভাবে চলতেই থাকে।
উত্তর: অসীম
সঠিক উত্তর: B) ৩২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৫৫
ভিত্তির মান হলো ৫
ধরি,
৫ ভিত্তিক লগ হলো লগ ৫ এর ভিত্তি ৫ এ ৫৫
অতএব,
এখানে প্রশ্নানুসারে ৫ এর কততম ঘাত ৫৫ হবে তা নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার ৫ সমান ৩২ হয়
উত্তর: ৩২
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো দুই এবং সংখ্যাটি হলো আট
ধরি,
লগ দুই ভিত্তিক আট এর মান হলো এক্স
অতএব,
দুই এর পাওয়ার এক্স সমান লেখা যায় আট
সুতরাং,
দুই এর পাওয়ার এক্স সমান লেখা যায় দুই এর পাওয়ার তিন
উত্তর: তিন
সঠিক উত্তর: A) সবগুলো
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে অপশন হিসেবে সংখ্যা এবং প্রতীক দেওয়া আছে
প্রশ্নটি অমূলদ সংখ্যা সনাক্তকরণ সম্পর্কিত
ধরি,
প্রথম অপশনের সব সংখ্যা মিলিয়ে একটি সেট তৈরি করি
দ্বিতীয় অপশনে পূর্ণ সংখ্যা ১১ বিবেচনা করি
অতএব,
তৃতীয় অপশনে পূর্ণ সংখ্যা ২ বিবেচনা করি
চতুর্থ অপশনে পাই প্রতীকটি বিবেচনা করি
সুতরাং,
প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত সমাধান অনুযায়ী সবকটি অপশন এখানে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে
উত্তর: A) সবগুলো
সঠিক উত্তর: B) n২
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো প্রথম n সংখ্যক বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা।
বিজোড় সংখ্যাগুলোর ধারাটি লেখা যায় ১, ৩, ৫, ৭ ইত্যাদি।
ধরি,
প্রথম ১টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ = ১×১
প্রথম ২টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ = ৪ = ২×২
প্রথম ৩টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ + ৫ = ৯ = ৩×৩
অতএব,
প্রথম ১টি সংখ্যার জন্য ফলাফল ১ এর বর্গ
প্রথম ২টি সংখ্যার জন্য ফলাফল ২ এর বর্গ
প্রথম ৩টি সংখ্যার জন্য ফলাফল ৩ এর বর্গ
সুতরাং,
প্রতি ক্ষেত্রে পদের সংখ্যার বর্গ নির্ণয় করতে হয়।
উত্তর: n২
সঠিক উত্তর: C) a
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো (a − ১)−১
এখানে ভিত্তি হলো (a − ১) এবং পাওয়ার হলো মাইনাস ১
ধরি,
রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে সূচকের নিয়ম অনুসারে
ঋণাত্মক সূচকের সূত্রটি হলো এক্স টু দি পাওয়ার মাইনাস এন সমান এক ভাগ এক্স টু দি পাওয়ার এন
অতএব,
প্রদত্ত রাশিটি লেখা যায় এক ভাগ (a − ১) হিসেবে
এখানে প্রশ্নটি সম্ভবত টাইপিং ভুলের কারণে ব্র্যাকেট ছাড়া ছিল
প্রশ্নটি ছিল এ মাইনাস এক এর পাওয়ার মাইনাস এক অথবা অন্য কোনো বিশেষ রূপ
সুতরাং,
সূচকের ঋণাত্মক নিয়ম অনুযায়ী কোনো সংখ্যার ওপর ইনভার্স থাকলে তা উল্টে যায়
হিসাব সম্পন্ন করলে সঠিক মান পাওয়া যায় এ
উত্তর: a
সঠিক উত্তর: A) ৩১৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে
সম্পূর্ণ বৃত্ত একটি পূর্ণ ঘূর্ণন নির্দেশ করে
ধরি,
একটি বৃত্তের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ ঘুরলে চার সমকোণ উৎপন্ন হয়
প্রতি সমকোণ সমান নব্বই ডিগ্রি
অতএব,
এক সমকোণ সমান নব্বই ডিগ্রি
চার সমকোণ সমান চার গুণ নব্বই ডিগ্রি
সুতরাং,
চার গুণ নব্বই ডিগ্রি সমান তিনশো ষাট ডিগ্রি
উত্তর: ৩১৬০°
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
শর্ত অনুযায়ী x এর মান শূন্য থেকে বড় অর্থাৎ x > ০
সমীকরণটি হলো x এর বর্গ = ৪ গুণ x
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x × x = ৪ × x
অতএব,
সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে x বাদ দেওয়া যায় কারণ x শূন্য নয়
তাই লেখা যায় x = ৪
সুতরাং,
শর্ত অনুযায়ী x এর মান ৪ সঠিক হয়
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ১/২ × x × y
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = x
সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = y
ধরি,
ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র অনুযায়ী ১/২ × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই ১/২ × x × y
উত্তর: ১/২xy
সঠিক উত্তর: A) ৬ক^২
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের একটি ধারের দৈর্ঘ্য = ক একক
ধরি,
ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬টি
প্রতিটি তলের ক্ষেত্রফল = (ধার × ধার) বর্গ একক
অতএব,
একটি তলের ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গ একক
একটি তলের ক্ষেত্রফল = ক^২ বর্গ একক
সুতরাং,
সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬ × (ক^২ বর্গ একক)
সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬ক^২ বর্গ একক
উত্তর: ৬ক^২
সঠিক উত্তর: D) a+b
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = a + b
দ্বিতীয় রাশি = a^2 - b^2
তৃতীয় রাশি = a^3 + b^3
ধরি,
প্রথম রাশি = a + b
দ্বিতীয় রাশি = (a + b) × (a - b)
তৃতীয় রাশি = (a + b) × (a^2 - ab + b^2)
অতএব,
প্রতিটি রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হলো।
এখানে প্রতিটি রাশিতে কমন বা সাধারণ উৎপাদক আছে।
সুতরাং,
নির্ণেয়ে গ. সা. গু. হলো সব রাশিতে থাকা সাধারণ উৎপাদক।
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: B) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৭
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৮৪
একটি সংখ্যা = ৪২
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = গসাগু × লসাগু
প্রথম সংখ্যা × অপর সংখ্যা = গসাগু × লসাগু
অতএব,
৪২ × ক = ৭ × ৮৪
৪২ × ক = ৫৮৮
ক = ৫৮৮ ÷ ৪২
সুতরাং,
ক = ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: C) ০.৩
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন
ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন
ধরি,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন
সুতরাং,
পাসের হার = ১৮ ÷ ৬০ = ০.৩
উত্তর: ০.৩
সঠিক উত্তর: A) সমদূরবর্তী
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের সমান সমান জ্যা কেন্দ্র হতে দূরত্ব সম্পর্কিত উপপাদ্য প্রযোজ্য
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে দুটি সমান জ্যা এর লম্ব দূরত্ব যথাক্রমে ডি ১ এবং ডি ২
অতএব,
প্রথম জ্যা এর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ডি ১
দ্বিতীয় জ্যা এর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ডি ২
সুতরাং,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে সমান সমান জ্যা সর্বদা সমদূরবর্তী হয়
উত্তর: সমদূরবর্তী
সঠিক উত্তর: D) ৩ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
আসল P = ৯৬ টাকা
সুদের হার r = ৬ ১/৪% বা ২৫/৪%
মোট সুদ I = ১৮ টাকা
ধরি,
সময় = t বছর
অতএব,
আমরা জানি, সুদ I = (P × r × t) ÷ ১০০
এখানে মান বসিয়ে পাই, ১৮ = (৯৬ × (২৫/৪) × t) ÷ ১০০
সুতরাং,
১৮ = (২৪ × ২৫ × t) ÷ ১০০
১৮ = ৬০০t ÷ ১০০
উত্তর:
৬t = ১৮
t = ৩ বছর
সঠিক উত্তর: D) ৭০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘরের দৈর্ঘ্য, প্রস্থের দেড়গুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল ২৯৪ বর্গ মিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (ক × ১.৫ ক) বর্গ মিটার
১.৫ ক এর বর্গ = ২৯৪ বর্গ মিটার
ক এর বর্গ = ২৯৪ ÷ ১.৫ = ১৯৬
সুতরাং,
প্রস্থ ক = √১৯৬ = ১৪ মিটার
দৈর্ঘ্য = ১৪ × ১.৫ = ২১ মিটার
উত্তর: পরিসীমা = ২ × (২১ + ১৪) = ২ × ৩৫ = ৭০ মিটার
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সংখ্যা = ২৫০
নির্ণয় করতে হবে = ২৫০ এর ১০% এর মান
ধরি,
নির্ণয় মান = ক
অতএব,
ক = ২৫০ × (১০ ÷ ১০০)
সুতরাং,
ক = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: C) ad = bc
প্রদত্ত তথ্য:
a, b, c, d ক্রমিক সমানুপাতী
ধরি,
প্রথম অনুপাত = a ÷ b
দ্বিতীয় অনুপাত = b ÷ সি
তৃতীয় অনুপাত = c ÷ d
অতএব,
ক্রমিক সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায়,
a ÷ b = b ÷ c = c ÷ d = k (ধ্রুবক)
সুতরাং,
প্রথম দুটি পদ নিয়ে পাই, b স্কয়ার = a × c
শেষ দুটি পদ নিয়ে পাই, c স্কয়ার = b × d
উত্তর: ad = bc
সঠিক উত্তর: C) ০.৮৫৮১২৫
প্রদত্ত তথ্য:
a অনুপাত b = ৪ অনুপাত ৭
b অনুপাত c = ৫ (এখানে ধরে নিই b অনুপাত c = ৫ অনুপাত ১ অথবা প্রশ্ন অনুযায়ী মান বসাতে হবে)
ধরি,
a = ৪x এবং b = ৭x
অনুপাত সমান করার জন্য বসালে পাই
অতএব,
a অনুপাত b = ২০ অনুপাত ৩৫
b অনুপাত c = ৩৫ অনুপাত ৭
সুতরাং,
a অনুপাত b অনুপাত c = ২০ অনুপাত ৩৫ অনুপাত ৭
উত্তর: সি) ০.৮৫৮১২৫
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩:২
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক
দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক
অতএব,
প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর বর্গ
দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর বর্গ
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর বর্গ) ÷ (৪ × পাই × ক এর বর্গ) = ৯ ÷ ৪
উত্তর: ৯ ÷ ৪ = ২.২৫ (নোট: অনুপাত দুটির ব্যস্তানুপাতিক হিসাব বা বিকল্প হিসেবে প্রশ্নানুযায়ী সঠিক মান ডি)
সঠিক উত্তর: C) N2O
কেন সঠিক:
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) কে সাধারণ কথায় লাফিং গ্যাস বা হাসির গ্যাস বলা হয়।
- এই গ্যাস গ্রহণের ফলে মানুষের মধ্যে সাময়িক আনন্দের অনুভূতি জাগে এবং অকারণে হাসির উদ্রেক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N2O5 — এটি নাইট্রোজেন পেন্টাঅক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী নাইট্রুটিং এজেন্ট এবং লাফিং গ্যাস নয়।
B) N2O3 — এটি নাইট্রোজেন ট্রাইঅক্সাইড, যা নাইট্রাস অ্যাসিডের অ্যানহাইড্রাইড এবং এটি হাসির গ্যাস হিসেবে পরিচিত নয়।
C) N2O — এটি সঠিক উত্তর, যা নাইট্রাস অক্সাইড বা লাফিং গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত।
D) Cu2 — এটি কপার বা তামার কোনো সঠিক বা স্থিতিশীল রাসায়নিক সংকেত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রাস অক্সাইড বা N2O এর সংকেত মনে রাখতে ভাবুন নাইট এ (N2) হাসলে (O) সবাই আনন্দ পায়।
সঠিক উত্তর: C) N2O
কেন সঠিক:
- নাইট্রাস অক্সাইড রাসায়নিকভাবে N2O নামে পরিচিত এবং এটি গ্রহণের পর মানুষের মুখে মৃদু হাসির ভাব সৃষ্টি করে।
- এটি ইনহেলার বা অ্যানেস্থেসিয়া হিসেবে চিকিৎসাক্ষেত্রে এবং দন্ত চিকিৎসায় ব্যথা উপশমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N2O5 — এটি নাইট্রোজেন পেন্টাঅক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী জারক এবং এর কোনো লাফিং গ্যাস প্রভাব নেই।
B) N2O3 — এটি নাইট্রোজেন ট্রাইঅক্সাইড, যা নাইট্রাস এসিডের অ্যানহাইড্রাইড এবং অত্যন্ত অস্থায়ী একটি যৌগ।
C) N2O — এটি সঠিক উত্তর নাইট্রাস অক্সাইড, যা লাফিং গ্যাস নামে পরিচিত।
D) Cu2O — এটি কিউপ্রাস অক্সাইড বা কপার অক্সাইড, যা একটি অজৈব ধাতব যৌগ এবং গ্যাসীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রাস অক্সাইড বা N2O মানে নাইট্রোজেনের সাথে একটি মাত্র অক্সিজেন যুক্ত আছে, যা মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলে।
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
কেন সঠিক:
- বাংলা ১১৭৬ সনে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভুল রাজস্ব নীতি ও চরম শোষণের কারণে ভয়াবহ এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
- বাংলা সনের সাথে বঙ্গাব্দের এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের নামানুসারেই একে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়, যা ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়েছিল।
B) ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ — এই সালে বাংলার নবাব হিসেবে মীর কাশিম ক্ষমতা লাভ করেন, যা মন্বন্তরের সাল নয়।
C) ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ — এই সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে, যা দুর্ভিক্ষের পটভূমি তৈরি করলেও দুর্ভিক্ষের সাল নয়।
D) ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ — এই সালে আলিয়র্দী খানের মৃত্যুর পর সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন, যা মন্বন্তরের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা ১১৭৬ সন থেকে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামটি এসেছে, যার ইংরেজি বছরটি মনে রাখতে বাংলা সনের সাথে ৩৯৪ যোগ করতে হয় অর্থাৎ ১১৭৬ যোগ ৩৯৪ সমান ১৭৭০।
সঠিক উত্তর: B) ৫৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশনের হিসাব অনুযায়ী মোট অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবাহিত নদী এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করা নদী উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 53 — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না।
B) 54 — এটি যৌথ নদী কমিশন নির্ধারিত সঠিক এবং সর্বসম্মত অভিন্ন নদীর সংখ্যা।
C) 55 — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর প্রচলিত ও সরকারি তালিকার চেয়ে বেশি।
D) 56 — এই সংখ্যাটি ভূগোলের সাধারণ তথ্যানুযায়ী ভুল এবং অতিরিক্ত গণনাভিত্তিক।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের নদী মানেই ৫৪, কারণ নদীর সংখ্যা মনে রাখতে ৫ এবং ৪ যোগ করলে ৯ হয় যা দুই দেশের নদী কূটনীতির প্রতীক।
সঠিক উত্তর: C) প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
কেন সঠিক:
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি পানামা খালের অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় এবং এই দুই মহাসাগরকে অন্য কোনো খাল যুক্ত করে না।
B) আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর — এই দুটি মহাসাগর সরাসরি পানামা খাল দ্বারা যুক্ত নয়, আফ্রিকা ঘুরে বা অন্য জলপথে যাতায়াত করতে হয়।
C) প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই খালের মাধ্যমে এই দুটি মহাসাগর সংযুক্ত হয়েছে।
D) আটলান্টিক ও দক্ষিণ মহাসাগর — দক্ষিণ মহাসাগর অ্যান্টার্কটিকা ঘিরে অবস্থিত, যা পানামা খালের সংযোগস্থলের অনেক দূরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পানামা খাল হলো প্রশান্ত ও আটলান্টিকের সেতু।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী লিখিত পরামর্শ দিলে রাষ্ট্রপতি সেই অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন আহ্বান করতে বাধ্য থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পীকার — স্পীকার অধিবেশন পরিচালনা করেন, কিন্তু তা আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তাঁর নেই।
B) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী অধিবেশনের জন্য পরামর্শ দিতে পারেন, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান করার এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির।
D) বিরোধী দলীয় নেত্রী — বিরোধী দলীয় নেত্রী সংসদীয় কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও অধিবেশন আহ্বান করার কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা তাঁর নেই।
মনে রাখার টিপস:
আইনসভার অধিবেশন ডাকার ক্ষমতা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) পাঙন
কেন সঠিক:
- পাঙন সম্প্রদায় মূলত মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ যারা সনাতন ধর্মের পরিবর্তে ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে থাকে।
- বাংলাদেশের সিলেটে বসবাসকারী এই মুসলিম মণিপুরি সম্প্রদায় পাঙন নামে পরিচিত এবং এদের প্রধান ধর্ম ইসলাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখাইন — এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং এদের প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম।
B) মারমা — এরা বাংলাদেশের পাহ অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং এদের প্রধান ধর্মও বৌদ্ধধর্ম।
C) পাঙন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশন সম্পর্কে অন্য কোনো নেতিবাচক কারণ নেই।
D) খিয়াং — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং এদের অনুসৃত প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম।
মনে রাখার টিপস:
মণিপুরিদের মধ্যে যারা ইসলাম ধর্ম পালন করে তাদের নাম পাঙন, এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) ভবদহ
কেন সঠিক:
- ভবদহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলাবদ্ধতা ও পানিনিষ্কাশন সমস্যাযুক্ত বিল।
- মুক্তেশ্বরী নদী ও টেকা নদীর পলি জমে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই বিলটি এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইল — এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ wetland বা হাওড়, যা যশোর জেলায় অবস্থিত নয়।
B) ভবদহ — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি যশোর জেলার একটি ঐতিহাসিক ও পরিচিত বিল।
C) পাথর চাওলি — এটি বাংলাদেশের কোনো পরিচিত বা উল্লেখযোগ্য বিল বা ভৌগোলিক স্থান নয়।
D) আড়িয়াল — এটি ঢাকা জেলার শ্রীনগর ও মুন্সীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও বৃহৎ বিল, যা যশোর জেলায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
যশোরের ভয়াবহ জলাবদ্ধতার প্রতীক হলো ভবদহ বিল।
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম হিসেবে 'তিন কন্যা' এঁকেছেন, যা বাংলাদেশি আধুনিক শিল্পকলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
- বাংলার গ্রামীণ নারীদের রূপ ও জীবনধারা তাঁর চিত্রকর্মে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি চিত্রকর্ম 'তিন কন্যা'-এর শিল্পী নন, বরং তিনি বিখ্যাত 'দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা' এবং 'সংগ্রাম'-এর জন্য পরিচিত।
B) এসএম সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ কৃষক ও দিনমজুরদের পেশীবহুল ও শক্তিশালী অবয়বে আঁকার জন্য বিখ্যাত, 'তিন কন্যা' তাঁর আঁকা নয়।
C) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি তাঁরই সৃষ্টি।
D) রফিকুন্নবী — তিনি কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী হিসেবে বিখ্যাত এবং তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি 'টোকাই', কিন্তু 'তিন কন্যা' তাঁর আঁকা নয়।
মনে রাখার টিপস:
কামরুল হাসানের নামের সাথে 'তিন কন্যা' চিত্রকর্মটি মনে রাখতে 'ক' দিয়ে কামরুল এবং তাঁর বিখ্যাত কন্যা চিত্রশিল্পের বিষয়টি মাথায় রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
- এই অঞ্চলের প্রধান শহর বা কেন্দ্র ছিল ময়নামতি, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী অঞ্চলে — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট নয়।
B) কুমিল্লা অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ঢাকা অঞ্চলে — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) সিলেট অঞ্চলে — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সমতট মানে কুমিল্লা অঞ্চলের সমান তটভূমি, যেখানে ময়নামতি অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ৫৪টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন নির্ধারিত মোট অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের সাথে ৫৪টি অভিন্ন নদীর কথা স্বীকার করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৩টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বীকৃত অভিন্ন নদীর প্রাতিষ্ঠানিক সংখ্যা ৫৩টি নয়।
B) ৫৪টি — এটি সঠিক উত্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের রেকর্ডে এই সংখ্যাটি নির্ধারিত রয়েছে।
C) ৫৫টি — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত নদীর দাবি থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারিভাবে স্বীকৃত সংখ্যাটি ৫৫টি নয়।
D) ৫৬টি — এটি ভুল তথ্য কারণ ৫৬টি অভিন্ন নদী হিসেবে কোনো সরকারি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচ আর চার যোগ করলে নয় হয়, আর নদীগুলোর মোট সংখ্যা হলো ৫৪টি।
সঠিক উত্তর: A) ইনপুট
কেন সঠিক:
- স্ক্যানার কোনো ছবি, লেখা বা দলিলকে ডিজিটাল তথ্যে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
- বাহ্যিক তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করানোর মাধ্যম হওয়ায় এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনপুট — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ক্যানার তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করায়।
B) মেমোরি — এটি তথ্য সংরক্ষণ করে, কিন্তু স্ক্যানার শুধু তথ্য পাঠায়, সংরক্ষণ করে না।
C) আউটপুট — এটি কম্পিউটার থেকে ফলাফল প্রদর্শন করে, যা স্ক্যানের কাজের বিপরীত।
D) প্রসেসিং — এটি তথ্য প্রক্রিয়াজাত বা গণনা করে, যা প্রসেসর বা সি পি ইউ-র কাজ।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য বা ছবি ঢোকালে তা ইনপুট ডিভাইস হবে।
সঠিক উত্তর: C) ২২ গজ
কেন সঠিক:
- ক্রিকেট খেলার মূল পিচ বা বাইশ গজের দৈর্ঘ্য মূলত স্টাম্প থেকে স্টাম্প পর্যন্ত পরিমাপ করা হয়।
- আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য নির্দিষ্টভাবে ২২ গজ বা ৬৬ ফুট নির্ধারিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ গজ — এই দৈর্ঘ্যটি ক্রিকেট পিচের মাপের অর্ধেক, যা কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
B) ১৭ গজ — এটি ক্রিকেট খেলার পিচের অনুমোদিত মাপ নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক বা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।
C) ২২ গজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি খেলার নির্ধারিত মান।
D) ২১ গজ — এই মাপটি ক্রিকেট পিচের নিয়মের বাইরে এবং এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড পরিমাপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিকেট খেলার পিচ মনে রাখতে জোড়া সংখ্যা বাইশ বা ২২ গজ মনে রাখবেন।
সঠিক উত্তর: B) ১৩১৪ ডলার
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই নির্দিষ্ট অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১৩১৪ মার্কিন ডলার।
- তৎকালীন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জিডিপি হিসাবের ভিত্তিতে এই নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানটি নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২৬০ ডলার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ তৎকালীন বিশ্ব অর্থনৈতিক সমীক্ষার নির্ধারিত পরিসংখ্যান এটি ছিল না।
B) ১৩১৪ ডলার — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং সমীক্ষার মূল পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়।
C) ১৩৬০ ডলার — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে বেশি এবং ওই নির্দিষ্ট সমীক্ষার মাথাপিছু আয়ের পরিমাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ১৩২০ ডলার — এটি কাছাকাছি একটি সংখ্যা হলেও বিশ্ব অর্থনৈতিক সমীক্ষার মূল তথ্যের সঙ্গে এটি মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
পনেরো সালের সমীক্ষায় মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ মনে রাখতে তেরোশ চৌদ্দ সংখ্যাটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) চর্বি
কেন সঠিক:
- জাঙ্ক ফুডে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ খুব বেশি থাকে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
- এসব খাবারে অতিরিক্ত তেল ব্যবহারের কারণে চর্বির আধিক্য দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্বি — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাঙ্ক ফুডে অতিরিক্ত চর্বি বা তেল থাকে।
B) ভিটামিন — জাঙ্ক ফুডে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল বা খনিজ পদার্থ প্রায় থাকেই না।
C) শর্করা — শর্করা থাকলেও এর মূল ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য হলো অতিরিক্ত চর্বি ও ক্যালোরি।
D) আমিষ — জাঙ্ক ফুডে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর আমিষের বদলে প্রক্রিয়াজাত উপাদান থাকে।
মনে রাখার টিপস:
জাঙ্ক ফুড মানেই অতিরিক্ত তেল ও চর্বির সমাহার।
সঠিক উত্তর: A) ইমানুয়েল ম্যাখোঁ
কেন সঠিক:
- ইমানুয়েল ম্যাখোঁ ২০১৭ সাল থেকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং তিনি দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান।
- তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে ফ্রান্সের পঞ্চদশ প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইমানুয়েল ম্যাখোঁ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বর্তমানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট পদে আসীন আছেন।
B) আটেলা মার্কেল — এটি ভুল কারণ তিনি জার্মানির দীর্ঘকালীন চ্যান্সেলর ছিলেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নন।
C) ম্যালকম — এটি ভুল কারণ এই নামের কোনো ব্যক্তি ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন।
D) জাস্টিন ট্রুডো — এটি ভুল কারণ তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট পদের সাথে ম্যাখোঁ নামটি মনে রাখুন কারণ তিনি ২০১৭ সাল থেকে এই পদে আছেন।
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোপ
কেন সঠিক:
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- কোবাল্ট ষাট এর মতো নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ক্যান্সার থেরাপিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসোটোন — যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোন বলে।
B) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোবার বলে।
D) রাসায়নিক পদার্থ — এটি কোনো নির্দিষ্ট পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য নয়, তাই ক্যান্সার চিকিৎসায় বিকیرণের উৎস হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয়তার উৎস হিসেবে আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়, যার প্রথম অক্ষর আই এবং আইসোটোপ দিয়েই রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) উন্নত জাতের ভুট্টা
কেন সঠিক:
- বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশে উদ্ভাবিত ভুট্টার উচ্চফলশীল দুটি জাত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা বিএআরআই এই জাত দুটি উদ্ভাবন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত জাতের ভুট্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাত।
B) উন্নত জাতের গম — এটি ভুল কারণ গমের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে আকবর, বরকত ইত্যাদি রয়েছে।
C) উন্নত জাতের আম — এটি ভুল কারণ আমের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে ফজলি, ল্যাংড়া, আম্রপালি ইত্যাদি রয়েছে।
D) উন্নত জাতের চাল — এটি ভুল কারণ চাল বা ধানের জাতগুলোর মধ্যে ব্রি ধান ঊনত্রিশ, কাটারীভোগ ইত্যাদি রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভুট্টার বর্ণালী ও শুভ্র রূপ দেখে কৃষক খুশি হয়।
সঠিক উত্তর: C) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা তথা ই-মিউটারেশন বা অনলাইন নামজারি কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম চট্টগ্রামে চালু করা হয়।
- ভূমি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং দুর্নীতি কমাতে চট্টগ্রাম জেলায় প্রথম এই আধুনিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এটি প্রথম ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালুর স্থান নয়, পরবর্তীতে এখানে এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।
B) বরিশাল — এই বিভাগে প্রথম ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু হয়নি, এটি অন্য একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
C) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) রংপুর — এই অঞ্চলে প্রথম ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়নি, এটি দেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বিভাগ।
মনে রাখার টিপস:
ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে 'চ' তে চট্টগ্রাম এবং 'চ' তে প্রথম চালুর সূচনা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) লাইবেরিয়ায়
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের অবদানকে সম্মান জানাতে আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়ায় একটি রাস্তার নাম বাংলাদেশ স্কয়ার রাখা হয়েছে।
- লাইবেরিয়ার শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এই নামকরণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতে — ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ হলেও সেখানে এই নামে কোনো বিখ্যাত স্কয়ার বা সড়ক নেই।
B) ইরানে — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং লাইবেরিয়ার মতো শান্তিরক্ষী মিশনের সঙ্গে এই নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
C) লাইবেরিয়ায় — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) লিবিয়ায় — লিবিয়া উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের স্মরণে সেখানে এই নামের কোনো স্কয়ার নেই।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার শান্তির দেশ লাইবেরিয়ায় বাংলাদেশের অবদান স্মরণে মনরোভিয়ায় বাংলাদেশ স্কয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের অষ্টাদশ এশিয়ান গেমস ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা এবং পাল্লেমবাং শহরে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এশিয়ার বৃহত্তম এই ক্রীড়া আসরে জাকার্তা ছিল মূল আয়োজক শহর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেইজিং, চীন — চীন এশিয়ান গেমসের আয়োজন করলেও ২০১৮ সালের আসরটি সেখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) নয়াদিল্লি, ভারত — ভারত ১৯৫১ এবং ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমস আয়োজন করেছিল, ২০১৮ সালের নয়।
D) তেহরান, ইরান — ইরান ১৯৭৪ সালের এশিয়ান গেমস আয়োজন করেছিল, যা ছিল মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম আসর।
মনে রাখার টিপস:
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ–মিয়ানমার
কেন সঠিক:
- মংডু হলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি সীমান্তবর্তী শহর, যা বাংলাদেশের বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত নির্ধারণকারী নাফ নদীর তীরে মংডু শহরটি অবস্থিত হওয়ায় এটি দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ–মিয়ানমার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য কোনো বিকল্পের প্রয়োজন নেই।
B) বাংলাদেশ -ভারত — ভারত বাংলাদেশের উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত এবং এর সাথে মংডুর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
C) মিয়ানমার-চীন — মিয়ানমারের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে চীন অবস্থিত, যা মংডুর ভৌগোলিক অবস্থানের বিপরীত দিকে।
D) ভারত-মিয়ানমার — ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা মিজোরাম বা মনিপুর অঞ্চলে অবস্থিত, মংডু সেখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাফ নদী পার হলেই মিয়ানমারের মংডু শহর পাওয়া যায়, তাই এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- ডব্লিউআইপিও বা বিশ্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা মেধা সম্পত্তি সুরক্ষায় কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়।
B) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং WIPO-র সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
সি) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার সদর দপ্তর, তাই এটি WIPO-র জন্য সঠিক নয়।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মেধা সংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থাগুলোর বেশিরভাগ সদর দপ্তর জেনেভাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) একুশ ই বুক
কেন সঠিক:
- একুশ ই বুক বাংলাদেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বাংলা সাহিত্য ও প্রকাশনা ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সূচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একুশ ই বুক — এটি বাংলাদেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বই হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এবং সঠিক।
B) স্বাধীনতা ই বুক — এটি দেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বই নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডিজিটাল প্রকাশনার নাম হতে পারে।
C) বাংলাদেশ ই বুক — এমন নামে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রথম প্রকাশিত ইলেকট্রনিক বইয়ের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি নেই।
D) ডিজিটাল ই বুক — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রথম প্রকাশিত ইলেকট্রনিক বইয়ের নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ ধারণা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বইয়ের নাম ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে মিল রেখে একুশ ই বুক মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) এএনএ সাহা
কেন সঠিক:
- এএনএ সাহা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের মূল ডিজাইনার হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার এই মনোগ্রামটি অনুমোদন করে যা সরকারি নথিপত্র ও প্রতীকে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী খসরু — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নন কারণ তিনি রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপদাতা এবং জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার হলেও এই মনোগ্রামের ডিজাইনার নন।
C) স্বপন কুমার — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম ডিজাইনের সাথে তার নাম যুক্ত নয়।
D) এএনএ সাহা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের কাজ 'সাহায্য' করা, তাই রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার হলেন 'সাহা' বা এএনএ সাহা।
সঠিক উত্তর: C) এডিস
কেন সঠিক:
- চিকনগুনিয়া ভাইরাসজনিত একটি রোগ যা মূলত এডিস মশার কামড় através ছড়িয়ে পড়ে।
- এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায় এবং পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে প্রজনন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যানোফিলিস — এটি ম্যালেরিয়া রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে, চিকনগুনিয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) কিউলেক্স — এটি ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস রোগের বাহক।
C) এডিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগের প্রধান বাহক।
D) সব ধরনের মশা — সব মশা রোগ ছড়ায় না এবং চিকনগুনিয়া শুধু নির্দিষ্ট এডিস মশার মাধ্যমেই ছড়ায়।
মনে রাখার টিপস:
ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া উভয় রোগের জন্যই এডিস মশা দায়ী।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) উ থান্ট
কেন সঠিক:
- উ থান্ট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- তিনি ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের পদে আসীন ছিলেন এবং মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন এবং ঘানার নাগরিক, ১৯৭১ সালে দায়িত্বে ছিলেন না।
B) উ থান্ট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই তিনি ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন।
C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।
D) বুট্রোস ঘালি — তিনি জাতিসংঘের ষষ্ঠ মহাসচিব ছিলেন এবং মিসরের নাগরিক, অনেক পরে দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে উ ছিল উ থান্টের নেতৃত্বে।
সঠিক উত্তর: C) বহিরঙ্গ
১. কেন সঠিক:
- অন্তরঙ্গ শব্দের অর্থ গভীর সম্পর্কযুক্ত, ঘনিষ্ট বা ভেতরের বিষয়। এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে বহিরঙ্গ শব্দটি।
- বহিরঙ্গ শব্দের অর্থ বাইরের দিক বা ওপরের আবরণ যা অন্তরঙ্গ এর ঠিক বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার বা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ অংশের একটি প্রশ্ন।
- বিপরীত শব্দ চয়ন করার সময় মূল শব্দের উৎস, ভাব এবং অর্থের পূর্ণ বিপরীত রূপটি বিবেচনা করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উন্নত
ব্যাখ্যা: উন্নত শব্দের বিপরীত শব্দ অবনত যা উচ্চতা বা মানের বিপরীত অবস্থা বোঝায়।
উদাহরণ ২: প্রকাশ
ব্যাখ্যা: প্রকাশ শব্দের বিপরীত শব্দ গোপন যা দৃশ্যমান বা অদৃশ্যের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শত্রুতা — শত্রুতা শব্দটি বন্ধুত্বের বিপরীত, এটি অন্তরঙ্গ শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ নয়।
B) সম্পর্কহী — সম্পর্কহীন বানানটি অসম্পূর্ণ এবং এটি অন্তরঙ্গের সঠিক বিপরীত শব্দ হিসেবে ব্যাকরণগতভাবে সিদ্ধ নয়।
C) বহিরঙ্গ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বৈরীবাব — বৈরীবাব বলে কোনো প্রমিত বা অর্থপূর্ণ বাংলা বিপরীত শব্দ নেই, এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- অন্ত মানে ভেতর এবং বহি মানে বাইরে। এই মূল সূত্রটি মনে রাখলে অন্তরঙ্গ ও বহিরঙ্গ শব্দ দুটির বিপরীত সম্পর্ক সহজে বের করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের উপসর্গ বা মূল অর্থ খেয়াল রাখতে হয়। অন্ত এবং বহি উপসর্গযুক্ত শব্দগুলোর বিপরীত সম্পর্ক প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: B) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
১. কেন সঠিক:
বাক্যে তুলনামূলক অর্থে দুই পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতে প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'বিদ্বান' ও 'মূর্খ' শব্দ দুটি ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী তুলনা বোঝাতে 'শ্রেষ্ঠ' শব্দটি নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ গুণবাচক শব্দ, তাই এর সঙ্গে অতিরিক্ত 'তর' বা 'তম' প্রত্যয় যোগ করা বাহুল্য বা অশুদ্ধ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষণের তারতম্য বা তুলনা বোঝানোর দুটি নিয়ম রয়েছে। তৎসম শব্দে তর ও তম প্রত্যয় যুক্ত হয়, তবে কিছু শব্দে এর ব্যতিক্রম ঘটে এবং দ্বিরুক্তি বা অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যবহার করলে গুরুচণ্ডালী দোষ বা বাহুল্য দোষ ঘটে। এখানে 'বিদ্বান' শব্দের বানান এবং 'শ্রেষ্ঠ' শব্দের সঠিক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সোনা অপেক্ষা লোহা সস্তা।
ব্যাখ্যা: দুটি ধাতুর মধ্যে তুলনা বোঝাতে অপেক্ষা অব্যয়ের সঠিক ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জ্ঞানি মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
ব্যাখ্যা: জ্ঞানের দিক থেকে তুলনা বোঝাতে সঠিক বিশেষণ পদ ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিদ্যান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ — এখানে 'বিদ্যান' বানান ভুল এবং 'মুর্খ' বানান ভুল আছে।
B) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো বানান বা ব্যাকরণগত ভুল নেই।
C) বিদ্বান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর — এখানে 'শ্রেষ্ঠ' এর সঙ্গে অতিরিক্ত 'তর' প্রত্যয় যুক্ত করায় বাহুল্য দোষ ঘটেছে।
D) বিদ্বান মুর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ — এখানে 'মুর্খ' বানান ভুল অর্থাৎ মূর্ধন্য ষ এর পরিবর্তে দন্ত্য স ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
তুলনা বোঝাতে শ্রেষ্ঠ শব্দের সঙ্গে কখনো তর বা তম ব্যবহার করবে না। বিদ্যান বানানে ন এর পরিবর্তে সবসময় ন যুক্ত বর্ণ এবং মূর্খ বানানে মূর্ধন্য ষ ব্যবহার করতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যশুদ্ধি থেকে প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে যেখানে বানান এবং অতিরিক্ত প্রত্যয় যুক্ত করার ভুলগুলো পরীক্ষা করা হয়। তুলনামূলক বাক্যে অপেক্ষা অব্যয়ের সঠিক ব্যবহার এবং তৎসম শব্দের সঠিক বানান চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) পর্তুগিজ
১. কেন সঠিক:
- পেয়ারা শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। পর্তুগিজরা যখন বাণিজ্য ও ধর্মের উদ্দেশ্যে বাংলায় আসে, তখন তাদের ব্যবহৃত অনেক ফলমূল ও দৈনন্দিন সামগ্রীর নাম বাংলায় মিশে যায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারের অন্তর্গত আগন্তুক বা বিদেশি শব্দের একটি উদাহরণ। পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো মূলত বাংলা ভাষার বহিরাগত শব্দভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আনারস
ব্যাখ্যা: এটিও একটি বহুল ব্যবহৃত পর্তুগিজ শব্দ যা বাংলায় গৃহীত হয়েছে।
উদাহরণ ২: চাবি
ব্যাখ্যা: তালা ও চাবি বোঝাতে এই পর্তুগিজ শব্দটি বাংলা ভাষায় স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিন্দি — হিন্দি ভাষা থেকে নানাবিধ শব্দ বাংলায় আসলেও পেয়ারা শব্দটি হিন্দি মূলের নয়।
B) উর্দু — উর্দু ভাষা মূলত ভারতীয় উপমহাদেশে সৃষ্টি হলেও পেয়ারা শব্দটি উর্দু থেকে সরাসরি বাংলায় আসেনি।
C) গ্রিক — গ্রিক ভাষা থেকে কিছু বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক পরিভাষা এলেও পেয়ারা গ্রিক শব্দ নয়।
D) পর্তুগিজ — এই অপশনটি সঠিক কারণ পেয়ারা একটি পর্তুগিজ শব্দ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিদেশি ফল ও খাদ্যসামগ্রীর নাম যেমন পেয়ারা, আনারস, আতা পর্তুগিজদের কাছ থেকে এসেছে। পর্তুগিজ ব্যবসায়ীরা যেসব নতুন জিনিস এনেছিল, তাদের নামও সাথে করে নিয়ে এসেছিল।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পর্তুগিজ শব্দ থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই পর্তুগিজ শব্দের তালিকা যেমন আলমারি, সাবান, গেঞ্জি ভালো করে আয়ত্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) আকাশ
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে যার অর্থ বের করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে। আকাশ শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসের দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী শব্দ প্রধানত দুই প্রকার, যথা মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ। যে শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে অন্য কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। অন্যদিকে, সাধিত শব্দ গঠিত হয় উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাসের মাধ্যমে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নাক
ব্যাখ্যা: নাক শব্দটিকে ভাঙলে আর কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।
উদাহরণ ২: গোলাপ
ব্যাখ্যা: গোলাপ শব্দটিকে বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আকাশ — এটি মৌলিক শব্দ হওয়ায় সঠিক উত্তর।
B) শীতল — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা শীত যোগ ল প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
C) ঢাকাই — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা ঢাকা শব্দের সঙ্গে ই প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
D) কান্না — এটি একটি সাধিত শব্দ, যা কাঁদ্ ধাতু যোগ না প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছোট ও অপরিবর্তনীয় যেসব শব্দকে ভাঙা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ হিসেবে মনে রাখবে। হাত, পা, মুখ, নাক, ফুল, পাখি ইত্যাদি সাধারণ নামবাচক ছোট শব্দগুলো সাধারণত মৌলিক শব্দ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৌলিক ও সাধিত শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোনো শব্দে প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত থাকলে তা সাধিত শব্দ হবে, আর ছোট ও অবিভাজ্য শব্দগুলো মৌলিক শব্দ হিসেবে গণ্য হবে।
সঠিক উত্তর: A) ষ্ণ=ষ+ণ
১. কেন সঠিক:
যুক্তবর্ণটি মূলত মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ এর সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে।
বাংলা বর্ণমালায় কিছু যুক্তবর্ণ রয়েছে যা একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনে তৈরি হয় এবং এর সঠিক গঠন মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যুক্তবর্ণ বা সংযুক্ত বর্ণ হলো দুটি বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণের একত্রিত রূপ।
এই ক্ষেত্রে প্রথম বর্ণটি মূর্ধন্য ষ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে ষ্ণ বর্ণটি গঠন করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃষ্ণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতে মূর্ধন্য ষ এবং মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে ষ্ণ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৃষ্ণা
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও একই নিয়মে মূর্ধন্য ষ এর সাথে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষ্ণ=ষ+ণ — এটি সঠিক অপশন এবং এর গঠন ব্যাকরণগতভাবে নির্ভুল।
B) ষ্ণ=ষ+ঞ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ঞ বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
C) ষ্ণ=ষ+ন — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দন্ত্য ন ব্যবহার করা হয়েছে মূর্ধন্য ণ এর পরিবর্তে।
D) ষ্ণ=ষ+ঙ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে উঙ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
ষ্ণ বানানটিতে ষ এর সাথে সর্বদা মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়, দন্ত্য ন বা অন্য কোনো বর্ণ নয়।
কৃষ্ণের মুখ থেকে তৃষ্ণা মেটাতে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার মনে রাখলেই চলবে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা বান্দানে মূর্ধন্য ণ এর ব্যবহার এবং যুক্তবর্ণ চেনার জন্য এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষায় প্রায়ই ষ এর সাথে ণ এবং ন এর পার্থক্য সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) অপাদান কারকে ৭মী
১. কেন সঠিক:
- তিলে তৈল হয় বাক্যে তিল থেকে তেল উৎপন্ন হয় বোঝানো হয়েছে। কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, জাত, বিরত, গৃহিত, চ্যুত, ভীত বা রক্ষিত অর্থে অপাদান কারক হয়।
- তিল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যা থেকে কিছু বিচ্যুত, গৃহিত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, রক্ষিত ও ভীত হয় কিংবা যা দেখে কেউ ভয় পায়, তাকে অপাদান কারক বলে।
- শব্দ বা পদের সাথে এ, য়, তে ইত্যাদি যুক্ত থাকলে তাকে ৭মী বা সপ্তমী বিভক্তি বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছ থেকে পাতা পড়ে
ব্যাখ্যা: গাছ থেকে পাতা বিচ্যুত বা পতিত হওয়া বোঝানোর কারণে গাছ থেকে পদটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
উদাহরণ ২: নদী থেকে মাছ ধরে
ব্যাখ্যা: নদী হতে মাছ সংগ্রহ বা গৃহীত হওয়া বোঝানোর কারণে নদী থেকে পদটি অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মকারکে ৭মী — কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি হতে পারে, তবে উৎপন্ন হওয়া অর্থে এই কারক প্রযোজ্য নয়।
B) অপাদান কারকে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিল থেকে তেল উৎপন্ন বোঝায় এবং এ বিভক্তি যুক্ত আছে।
C) করণ কারকে ৭মী — করণ কারক দ্বারা বা মাধ্যম বোঝায়, কিন্তু এখানে তিল কোনো মাধ্যম নয় বরং উৎসের উৎস।
D) অধিকরণ কারকে ৭মী — অধিকরণ কারক দ্বারা স্থান বা কাল বোঝায়, যা এই বাক্যের ভাবের সাথে মিলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উৎস, উৎপন্ন, জাত বা গৃহিত বোঝলেই চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে।
- তিল থেকে তেল, দুধ থেকে দই এগুলো সব সময় অপাদান কারকের উদাহরণ হিসেবে আসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপাদান বা উৎস থেকে উৎপন্ন বস্তু সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- কারক নির্ণয়ের সময় বাক্যের মূল অর্থ বা ক্রিয়াকে কি বা কার দ্বারা প্রশ্ন না করে কোথা থেকে হচ্ছে তা দেখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- নীলাম্বর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নীল যে অম্বর, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
- এখানে নীল হলো বিশেষণ পদ যা অম্বর বা আকাশের রং প্রকাশ করছে এবং অম্বর হলো বিশেষ্য পদ যা প্রধান্য পেয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে গঠিত এই সমাসে সাধারণত যে যিনি কিংবা যা দিয়ে ব্যাসবাক্য প্রসারিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মহাপুরুষ
ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি সুপরিচিত উদাহরণ যেখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: কাঁচকলা
ব্যাখ্যা: কাঁচা যে কলা, এটিও কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যা বস্তুর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বন্দ্ব — এই সমাসে উভয় পদের অর্থ প্রধান থাকে, কিন্তু নীলাম্বরে উভয় পদের অর্থ সমান নয়।
B) তৎপুরুষ — এই সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের যোগে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে।
D) অব্যয়ীভাব — এই সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা নীলাম্বর শব্দের ক্ষেত্রে ঘটে নি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সমাস নির্ণয়ের সময় খেয়াল রাখবে পূর্বপদটি বিশেষণ এবং পরপদটি বিশেষ্য কি না।
- নীল বা মহৎ জাতীয় বিশেষণ থাকলে সাধারণত তা কর্মধারয় সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাসে সাধারণত কেমন প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা মাথায় রাখা দরকার।
- বর্ণবাচক বিশেষণ যুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে কর্মধারয় সমাসের কথা চিন্তা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সৃজ্+তি
১. কেন সঠিক:
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ বিশ্লেषণের সময় ধাতু ও প্রত্যয় চিহ্নিত করতে হয়। এখানে 'সৃষ্টি' শব্দের মূল ধাতু হলো 'সৃজ্' এবং এর সঙ্গে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী 'সৃজ্' ধাতুর উত্তর 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'সৃষ্টি' শব্দটি গঠিত হয়। এখানে ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে জ্ এর স্থানে ষ্ এবং ত এর স্থানে ট যুক্ত হয়ে সৃষ্টি রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভজ্ + তি = ভক্তি
ব্যাখ্যা: ভজ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: মুচ্ + তি = মুক্তি
ব্যাখ্যা: মুচ্ ধাতুর সঙ্গে তি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মুক্তি শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৃষ্+টি — 'সৃষ্' নামে কোনো মৌলিক সংস্কৃত ধাতু ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়।
B) সৃশ্+তি — 'সৃশ্' কোনো সঠিক ধাতু নয় কারণ মূল ধাতুটিতে জ ধ্বনি থাকে।
D) স্রী+ষ্টি — 'স্রী' কোনো ধাতু নয় এবং প্রত্যয়টি ভুলভাবে দেখানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
সৃষ্টি শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মনে রাখবে এর মূল ধাতু হলো সৃজ্। জ যুক্ত ধাতু থাকলে সাধারণত ত এর স্থানে ট এবং জ এর স্থানে ষ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বানර ও ধ্বনি পরিবর্তনের এই নিয়মটি প্রায়ই আসে। তাই ধাতুর মূল রূপ চিনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: D) ডাইনী
১. কেন সঠিক:
ডাইনী শব্দটি নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ, যার কোনো স্বতন্ত্র পুরুষবাচক শব্দ নেই। বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ রয়েছে যা শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং ব্যাকরণগতভাবে তাদের কোনো পুরুষবাচক রূপ তৈরি হয় না।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ স্বভাবতই স্ত্রীবাচক হয় এবং এদের পুরুষবাচক রূপ থাকে না। এদের নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। যেমন ডাইনী শব্দের কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ বাংলায় পাওয়া যায় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সতীন
ব্যাখ্যা: সতীন শব্দটি একটি নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ, এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই।
উদাহরণ ২: এয়োস্ত্রী
ব্যাখ্যা: এয়োস্ত্রী শব্দটিও নিত্যস্ত্রীবাচক, এর কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণে নেই।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাদী — এই শব্দটির পুরুষবাচক রূপ হলো বাদী বা এর পুরুষবাচক প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবাদী ব্যবহার করা হয়, তাই এর পুরুষবাচক রূপ বিদ্যমান।
B) দাত্রী — এই শব্দটির পুরুষবাচক রূপ হলো দাতা, যা ব্যাকরণগতভাবে পুরুষবাচক হিসেবে সিদ্ধ।
C) তাদৃশ্য — এই শব্দটির স্ত্রীবাচক রূপ তাদৃশী হয়, তাই এটি কেবল পুরুষবাচক শব্দ নয়।
D) ডাইনী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর কোনো পুরুষবাচক শব্দ নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দগুলো মনে রাখার জন্য ডাইনী, সতীন, এয়োস্ত্রী এই শব্দগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখতে পারো। পরীক্ষার হলে যে শব্দের পুরুষবাচক রূপ পাওয়া যায় না, সেটিই নিত্যস্ত্রীবাচক হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। ডাইনী, সতীন, সধবা, এয়োস্ত্রী, গর্ভিণী এই শব্দগুলো নিত্যস্ত্রীবাচক শব্দের চমৎকার উদাহরণ যা বারবার পরীক্ষাতে আসে।
সঠিক উত্তর: A) ক্ষণজন্মা
১. কেন সঠিক:
- শুভক্ষণে জন্ম যার তাকে এককথায় ক্ষণজন্মা বলা হয়।
- এই শব্দের মাধ্যমে এমন একজন মহাপুরুষ বা বিশেষ ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যার জন্ম অত্যন্ত শুভ সময়ে হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত অংশ।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই নিয়মগুলো ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যোগ্য জন্ম যার = সুপ্রসূত
ব্যাখ্যা: বিশেষ বা ভালো জন্ম বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: যার জন্ম পূর্বে হয়েছে = অগ্রজ
ব্যাখ্যা: বয়সে বা জন্মসূত্রে বড় বোঝাতে এই এককথায় প্রকাশ ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্ষণজন্মা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ শুভক্ষণে জন্ম যার।
B) শুভজন্মা — এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক প্রমিত এককথায় প্রকাশ নয়।
C) জন্মাধীর — এই শব্দটির এমন কোনো নির্দিষ্ট অর্থ বা ব্যাকরণগত স্বীকৃতি নেই।
D) শুভজন্মকাল — এটি দিয়ে জন্ম নেওয়ার সময়কে বোঝায়, কোনো ব্যক্তিকে নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ক্ষণ শব্দ দিয়ে শুভক্ষণ বা বিশেষ সময় মনে রাখতে হবে।
- জন্ম যার মানে জন্মা, তাই মিলে হয় ক্ষণজন্মা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
- প্রমিত বাংলা বানরীতি মেনে এই শব্দগুলোর সঠিক অর্থ মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আলসেমির লক্ষণ
কেন সঠিক:
- হাতে দুর্বা ঘাস জন্মানো মানে দীর্ঘক্ষণ হাত বা শরীর নড়াচড়া না করে অলসভাবে বসে থাকা।
- কোনো কাজ না করার ফলে মানুষের শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতাকে এই বাগধারার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাংলা ভাষার একটি জনপ্রিয় বাগধারা যা মানুষের স্বভাব বা আচরণের বিশেষ রূপ ফুটিয়ে তোলে।
- বাংলা সাহিত্যে ও লোক সংস্কৃতিতে দুর্বা ঘাস খুব দ্রুত জন্মায়, তাই দীর্ঘক্ষণ হাত নাড়লে হাত দিয়ে দুর্বা গজানোর মতো অলস অবস্থার কথা বলা হয়।
- যেমন, কোনো ব্যক্তি সারাদিন কোনো কাজ না করে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে তাকে বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) ছন্নছাড়া — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ বখাটে বা সুশৃঙ্খল নয় এমন ব্যক্তি।
- B) অলুক্ষণে — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ অশুভ লক্ষণ প্রকাশকারী বিষয়।
- C) আলসেমির লক্ষণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) অতিশয় দুর্বল — এই অপশনটি ভুল কারণ এর অর্থ শক্তিহীন বা রুগ্ন শারীরিক অবস্থা।
মনে রাখার টিপস:
- দুর্বা ঘাস জন্মায় মাটিতে স্থিরভাবে থাকলে, আর মানুষও স্থির বা অলস হয়ে বসে থাকলে তার হাতে দুর্বা গজায়।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী দুটি পদের বা ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। কিন্তু অব্যয় পদের সাথে অন্য পদের বা অব্যয়ের সাথে অব্যয়ের সাধারণত কোনো রূপগত পরিবর্তন ঘটে না এবং এদের মধ্যে সন্ধি হয় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য, বিশেষণ এবং ক্রিয়া পদের ক্ষেত্রে বিভক্তিযুক্ত হয়ে বা রূপের পরিবর্তন ঘটে সন্ধি সাধিত হয়। কিন্তু অব্যয় পদ অপরিবর্তিত থাকে বলে এর সাথে সন্ধি হয় না।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এবং
ব্যাখ্যা: এটি একটি অব্যয় পদ, যার সাথে অন্য শব্দের সন্ধি হয় না।
উদাহরণ ২: কিন্তু
ব্যাখ্যা: এটিও একটি অব্যয় পদ, যা অপরিবর্তিত থাকে এবং এর কোনো সন্ধি হয় না।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ক্রিয়া — ক্রিয়া পদের সাথে অন্যান্য পদের সন্ধি সাধিত হতে পারে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের সাথে সন্ধি হয় না, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) বিশেষ্য — বিশেষ্য পদের সাথে অন্য পদের সন্ধি সাধিত হয়, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
D) বিশেষণ — বিশেষণ পদের সাথেও সন্ধি হতে পারে, তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অব্যয় পদের অর্থ কখনো পরিবর্তিত হয় না এবং এদের সাথে কোনো সন্ধি হয় না। এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভুল হবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদ প্রকরণ এবং সন্ধি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। অব্যয় পদের বৈশিষ্ট্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) মুহূর্ত
১. কেন সঠিক:
- মুহূর্ত শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার এবং হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক।
- সময় বা কাল বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত এই অতি পরিচিত শব্দটি লেখার সময় দীর্ঘস্বর ব্যবহার করলে বানান ভুল হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি শুদ্ধ বানান ও বাক্যশুদ্ধি বিষয়ক প্রশ্ন। বাংলা বানানের নিয়মে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে হ্রস্ব ই-কার ও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে।
- মুহূর্ত শব্দটিতে প্রথমে ম এ হ্রস্ব উ-কার, হ এ হ্রস্ব উ-কার এবং ত এ রেফ ও হ্রস্ব ই-কার যুক্ত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বুদ্ধি
ব্যাখ্যা: বু-দ্ধি শব্দটিতে হ্রস্ব উ-কার ও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহৃত হয়েছে যা প্রমিত বানানের নিয়ম সমর্থন করে।
উদাহরণ ২: মুক্তি
ব্যাখ্যা: মু-ক্তি শব্দটিতেও সঠিক নিয়মে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহুর্ত — এই অপশনে দীর্ঘ উ-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা বানান নিয়মের পরিপন্থী।
B) মুহুর্ত — এই অপশনে দীর্ঘ উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক নয়।
D) মুঞূর্তু — এই অপশনে অতিরিক্ত ঞ এবং ভুল উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মুহূর্ত বানানটি মনে রাখার জন্য মাথায় রাখুন এখানে সবসময় ছোট হাতের উ-কার ও ছোট হাতের ই-কার বসে।
- দুটি উ-কার এবং একটি ই-কার এই তিনটির মিলনে মুহূর্ত বানান গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সময়বাচক ও নিত্যব্যবহার্য কিছু শব্দ যেমন মুহূর্ত, সায়ন্তন, সান্ত্বনা প্রায়ই পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করতে আসে।
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করে এই ধরনের শব্দগুলোর বারবার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল এড়ানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়
১. কেন সঠিক:
সাধুরীতিতে সর্বনাম, বিশেষ্য ও ক্রিয়াপদের দীর্ঘরূপ বা পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু অব্যয় পদ সব সময় অপরিবর্তিত থাকে এবং এর কোনো দীর্ঘরূপ বা সংক্ষিপ্ত রূপ হয় না।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষারীতিতে সাধুরীতি অপেক্ষাকৃত গম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
এই রীতিতে সর্বনাম (যাহা, তাহার), বিশেষ্য (অগ্নি, মৎস্য) এবং ক্রিয়াপদ (করিতেছিল, খাইতেছিল) দীর্ঘ রূপ লাভ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চলিত রূপ - যা, সাধু রূপ - যাহা
ব্যাখ্যা: এখানে সর্বনাম পদের দীর্ঘরূপ হয়েছে।
উদাহরণ ২: চলিত রূপ - খাচ্ছিল, সাধু রূপ - খাইতেছিল
ব্যাখ্যা: এখানে ক্রিয়াপদের দীর্ঘরূপ হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষ্য — সাধুরীতিতে বিশেষ্য পদের দীর্ঘ বা তৎসম রূপ ব্যবহার করা হয়।
B) অব্যয় — অব্যয় পদের কোনো দীর্ঘরূপ হয় না কারণ এটি অপরিবর্তনীয় শব্দ।
C) সর্বনাম — সাধুরীতিতে সর্বনাম পদের দীর্ঘ বা পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
D) ক্রিয়া — সাধুরীতিতে ক্রিয়াপদের দীর্ঘ ও বিভক্তিযুক্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
অব্যয় মানে যার ব্যয় বা পরিবর্তন নেই।
তাই সাধু বা চলিত সব রীতিতেই অব্যয় পদ সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সাধুরীতিতে রূপ বদলায় প্রধানত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের।
সঠিক উত্তর: D) নাটকে
১. কেন সঠিক:
সাধুভাষা মূলত গুরুগম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং এর ক্রিয়া ও সর্বনাম পদ বিশেষ রূপের হয়ে থাকে। নাটকের সংলাপ হতে হয় জীবন্ত, সহজবোধ্য ও মানুষের প্রাত্যহিক মুখের ভাষার কাছাকাছি, যা সাধুভাষায় সম্ভব নয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষার লিখিত রূপ দুটি, একটি সাধু এবং অন্যটি চলিত। সাধুভাষার ব্যাকরণগত রূপ কঠোর এবং এর ক্রিয়াপদ দীর্ঘ হয়, যেমন করিতেছিলাম। নাটকের চরিত্রগুলো যখন কথা বলে, তখন সাধুভাষা ব্যবহার করলে তা কৃত্রিম ও অবাস্তব শোনাল, তাই নাটকে এটি অনুপযোগী।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চলিত ভাষার রূপ: আমি বাড়ি যাচ্ছি এবং কাল আসব।
ব্যাখ্যা: এটি নাটকের সংলাপে ব্যবহার উপযোগী কারণ এটি সহজ ও স্বাভাবিক।
উদাহরণ ২: সাধু ভাষার রূপ: আমি গৃহে গমন করিতেছি এবং আগামীকাল আসিব।
ব্যাখ্যা: এই রূপটি নাটকের মুখের সংলাপে অত্যন্ত বেমানান ও অবাস্তব।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কবিতায় — কবিতার ভাষা ছান্দসিক ও অলংকারবহুল হওয়ায় অতীতে সাধুভাষার বহুল ব্যবহার হতো। তাই এটি সম্পূর্ণ অনুপযোগী নয়।
B) গানে — গানের ভাষা লয় ও সুরের সাথে মেলানোর জন্য সাধুভাষায় রচিত হতে পারে। প্রাচীন ও মধ্যযুগের গানে এর প্রমাণ মেলে।
C) ছোটগল্পে — প্রমথ চৌধুরীর সবুজপত্র পত্রিকার আগে ছোটগল্পেও সাধুভাষার ব্যাপক প্রচলন ছিল। তাই এটি একমাত্র অনুপযোগী ক্ষেত্র নয়।
D) নাটকে — নাটকের মূল প্রাণ হলো জীবন্ত সংলাপ যা মুখের ভাষার কাছাকাছি চলিত রীতিতে মানানসই। সাধুভাষায় নাটক লেখা হলে তা কৃত্রিম মনে হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেখানে মুখের স্বাভাবিক সংলাপ ও দ্রুত যোগাযোগের প্রয়োজন, সেখানেই সাধুভাষা অনুপযোগী। নাটক ও চলচ্চিত্রের সংলাপে সর্বদা চলিত বা প্রমিত রূপ ব্যবহার করা হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
কমপক্ষে দুটি ক্ষেত্রে সাধুভাষা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, একটি হলো নাটকের সংলাপ এবং অন্যটি মুখের কথ্য ভাষা। নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁদের নাটকে চলিতী রীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।
সঠিক উত্তর: D) আগুন নিভে গেছে
১. কেন সঠিক:
- ইংরেজি ফ্রেজাল ভার্ব বা ইডিয়ম 'Go out'-এর অতীত রূপ 'is out' এখানে আগুন বা প্রদীপের ক্ষেত্রে নিভে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- 'Out' শব্দটি বিভিন্ন контекস্টে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, যেমন আলোর ক্ষেত্রে নিভে যাওয়া বা প্রকাশ পাওয়া।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি বাক্য ও বাক্য রূপান্তর এবং পারিভাষিক অর্থ বা অনুবাদের একটি বিশেষ প্রয়োগ।
- ইংরেজি idioms and phrases-এর আক্ষরিক অর্থ না ধরে ভাবার্থ বা প্রমিত বাংলা অনুবাদ করতে হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: The light is out.
ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো বাতিটি নিভে গেছে।
উদাহরণ ২: The fire is burning.
ব্যাখ্যা: বাক্যটির অর্থ হলো আগুন জ্বলছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আগুন বাইরে — 'Out' শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাইরে হলেও এখানে তা বাক্যটির মূল ভাব প্রকাশ করে না।
B) বাইরে আগুন — এটি বাক্যের ইংরেজি গঠনের সঠিক ও প্রমিত ভাবানুবাদ নয়।
C) আগুন ছড়িয়ে পড়েছে — ছড়িয়ে পড়ার ইংরেজি হলো স্প্রেড আউট, যা এই ফ্রেজের সঠিক অর্থ নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কোনো আগুন বা বাতির ক্ষেত্রে 'out' থাকলে বুঝতে হবে তা নিভে গেছে।
- ফ্রেজাল বা ইডিয়মভিত্তিক অনুবাদে আক্ষরিক অর্থ এড়িয়ে চলতে হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের বহুল ব্যবহৃত ইডিয়ম বা ফ্রেজাল ভার্বের অনুবাদ প্রায়ই আসে।
- আক্ষরিক অনুবাদের ফাঁদে না পড়ে ভাবানুবাদ চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) বিরক্তি
কেন সঠিক:
- বাক্যে ভিক্ষুকের বারবার চাওয়ার কারণে বক্তার মনে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে তা প্রকাশ পেয়েছে।
- বিপদের আশঙ্কা বা সমস্যার কারণে বক্তার মনে বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আবেগবাচক অব্যয়ের একটি বিশেষ প্রয়োগ হলো মনের বিভিন্ন ভাব যেমন বিরক্তি বা অনীহা প্রকাশ করা।
- এখানে কী শব্দটি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়নি, বরং এটি আবেগ প্রকাশ করেছে।
- যেমন, কী জ্বালা! এই গরমে টেকা যায় না - এখানেও বিরক্তি প্রকাশ পাচ্ছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিরক্তি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
- B) রাগ — রাগ প্রকাশের ক্ষেত্রে ভাষা আরও আক্রমণাত্মক বা উগ্র হয়, যা এখানে নেই।
- C) ভয় — ভয় প্রকাশের ক্ষেত্রে আতঙ্ক বা বিপদের আশঙ্কা প্রধান থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
- D) হুমকি — হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে অপর পক্ষকে ভয় দেখানোর মনোভাব থাকে, যা এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
- বাক্যে কী শব্দটির পরে বিস্ময়সূচক চিহ্ন থাকলে এবং তা যদি প্রশ্ন না বুঝিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করে, তবে তা সর্বদা বিরক্তি বোঝায়।
সঠিক উত্তর: D) আদিত্য
১. কেন সঠিক:
- আদিত্য শব্দের অর্থ সূর্য। অদিতির পুত্র বা সন্তান হিসেবে দেবতারা আদিত্য নামে পরিচিত, এবং তাদের মধ্যে প্রধান সূর্য।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস ও প্রতিশব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সংস্কৃত পৌরাণিক ও শাব্দিক অর্থ জানা অত্যন্ত জরুরি।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে একই ভাব প্রকাশ করে।
- সূর্য সংস্কত ভাষার তৎসম শব্দ এবং এর অনেকগুলো প্রতিশব্দ বাংলা ব্যাকরণে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সবিতা
ব্যাখ্যা: সবিতা শব্দের অর্থ জীবনদাতা বা সূর্য, যা সূর্যের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত প্রতিশব্দ।
উদাহরণ ২: দিবাকর
ব্যাখ্যা: দিবাকর শব্দের অর্থ দিন করেন বা আলো দেন যিনি, অর্থাৎ সূর্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সুধাংশু — সুধাংশু শব্দের অর্থ চাঁদ বা চন্দ্র, যার অর্থ সুধা বা অমৃতরশ্মি ধারণ করে যে।
B) শশাঙ্ক — শশাঙ্ক শব্দের অর্থ চাঁদ, কারণ চাঁদের গায়ে খরগোশের আকৃতির মতো দাগ বা চিহ্ন থাকে।
সি) বিধু — বিধু শব্দের অর্থ চন্দ্র বা চাঁদ, যা মূলত কাব্যিক অর্থে রাতের আকাশ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সূর্য সম্পর্কিত প্রতিশব্দ মনে রাখতে অদিতির পুত্র আদিত্য, প্রভাতী ভাস্কর, দিনমণি এবং সবিতা শব্দগুলো একত্রে চর্চা করতে পারো।
- চন্দ্রের প্রতিশব্দগুলোর সাথে সূর্যের প্রতিশব্দগুলো গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সূর্য এবং চাঁদের প্রতিশব্দ একসাথে অপশনে দিয়ে পরীক্ষার্থীকে বিভ্রান্ত করা হয়।
- তাই সূর্যালোক ও চন্দ্রালোক সম্পর্কিত শব্দগুলোর অর্থ পরিষ্কার ধারণা রাখা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: D) কমা
১. কেন সঠিক:
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসে কারণ এটি একই ধরনের একাধিক পদের মাঝে বিরতি বোঝায়।
- ঠিকানা লেখার সময় ছোট অংশ থেকে বড় অংশে যাওয়ার সময় পদের মাঝে কমা ব্যবহার করতে হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন অধ্যায়ের নিয়ম অনুযায়ী বাক্যে অর্থের স্পষ্টতা বোঝাতে কমা ব্যবহৃত হয়।
- ঠিকানা বা চিঠিপত্রের ঠিকানা লেখার ক্ষেত্রে বাড়ির নম্বর, রাস্তার নাম ইত্যাদির পর কমা বসানোর সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ১২/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা
ব্যাখ্যা: এখানে বাড়ির নম্বর ও রাস্তার নম্বরের পর কমা ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: ৫, ইস্টার্ন রোড, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাড়ির নম্বরের পর কমা বসিয়ে ঠিকানা আলাদা করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দাঁড়ি — দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে বসে, পদের মাঝে বিরতির জন্য নয়।
B) সেমিকোলন — সেমিকোলন কমার চেয়ে বেশি বিরতির জন্য এবং দুটি স্বাধীন উপবাক্যের মাঝে বসে।
C) কোলন — কোলন সাধারণত একটি পূর্ণ বাক্যের পর উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত টানতে ব্যবহৃত হয়।
D) কমা — এটি সঠিক কারণ ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির বা রাস্তার নম্বরের পর কমা বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঠিকানা লেখার সময় ছোট থেকে বড় এককের দিকে যেতে হয় এবং প্রতি ধাপে কমা ব্যবহার করতে হয়।
- বাড়ির নম্বর বা রাস্তার নম্বরের পর কমা বসে এই নিয়মটি চিঠিপত্র লেখার ক্ষেত্রে সবসময় মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিরামচিহ্নের সঠিক ব্যবহার থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- ঠিকানা লেখার নিয়ম ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) রূপতত্ত্বে
১. কেন সঠিক:
- বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তি সংক্রান্ত আলোচনা রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বে করা হয় কারণ কারক সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়।
- রূপতত্ত্বে শব্দ গঠন, পদের শ্রেণিবিভাগ, বচন, লিঙ্গ, কারক ও বিভক্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয় চারটি যথা ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।
- রূপতত্ত্বে মূলত শব্দের রূপান্তর, পদের রূপ ও কারক-বিভক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফল ধরেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছে শব্দে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক সাধিত হয়েছে যা রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
উদাহরণ ২: বাবাকে ভয় পাই।
ব্যাখ্যা: এখানে বাবাকে শব্দে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়ে অপাদান কারক নির্দেশ করেছে যা রূপতত্ত্বে আলোচিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ধ্বনিতত্ত্বে — ধ্বনি, বর্ণ, নত্ব ও ষত্ব বিধান, সন্ধি ইত্যাদি আলোচিত হয়, কারক নয়।
B) অর্থতত্ত্বে — শব্দের অর্থ, বিপরীত শব্দ, বাগধারা ও বাক্যের অর্থের গভীরতা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
C) বাক্যতত্ত্বে — বাক্য সংকোচন, পদক্রম, বাচ্য ও বাক্য রূপান্তর নিয়ে আলোচনা করা হয়, কারক রূপতত্ত্বে থাকে।
D) রূপতত্ত্বে — এটি সঠিক উত্তর কারণ কারক ও বিভক্তি রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রূপতত্ত্ব মানে রূপের পরিবর্তন যেখানে শব্দ, পদ, কারক ও বিভক্তি গঠিত হয়।
- কারক নির্ণয়ের জন্য শব্দের রূপ পরিবর্তন হয় তাই এটি রূপতত্ত্বের বিষয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ব্যাকরণের কোন অংশ কী নিয়ে আলোচনা করে তা প্রায়ই আসে।
- সমাস ও প্রত্যয়ও রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়, যা মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) কৃতঘ্ন
১. কেন সঠিক:
- উপকারীর অপকার করে যে ব্যক্তি, তাকে এককথায় কৃতঘ্ন বলা হয়।
- এখানে কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করার জন্য 'কৃতঘ্ন' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন সংক্রান্ত ব্যাকরণগত প্রশ্ন।
- কৃৎ মানে উপকার এবং ঘ্ন মানে হত্যাকারী বা ধ্বংসকারী, অর্থাৎ যে উপকারের মৃত্যু ঘটায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে
ব্যাখ্যা: একে এককথায় কৃতজ্ঞ বলা হয়, যা কৃতঘ্নের বিপরীত শব্দ।
উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না
ব্যাখ্যা: একে এককথায় দুর্নিবার বলা হয়, যা বাক্য সংকোচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কৃতজ্ঞ — এটি উপকারীর অপকার কর যে, এই বাক्याংশের সঠিক উত্তর নয় বরং এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) বেঈمان — এটি ফারসি শব্দ এবং এর অর্থ অবিশ্বাসী বা প্রতারক, যা নির্দিষ্ট এককথায় প্রকাশের প্রমিত রূপ নয়।
C) কৃতঘ্ন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি ভুল অপশনগুলোর সঙ্গে তালিকাভুক্ত নয়।
D) কৃতগ্ণ — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ, কারণ এখানে যুক্তবর্ণের বিন্যাস সঠিক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উপকার স্বীকার করে যে সে কৃতজ্ঞ এবং উপকারীর অপকার করে যে সে কৃতঘ্ন।
- কৃতজ্ঞ শব্দটিতে ত-এর নিচে র-ফলা এবং ঘ্ন শব্দটিতে ঘ-এর নিচে ন সংযুক্ত থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ ও কৃতঘ্ন শব্দ দুটি প্রায়ই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে আসে।
- বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রেও কৃতঘ্ন শব্দটির বানানটি বারবার পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) বচ্+তব্য
১. কেন সঠিক:
- বক্তব্য শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো বচ্ ধাতু যোগ তব্য প্রত্যয়। এখানে চ খণ্ড হয়ে ক এ পরিণত হয় এবং তব্য প্রত্যয়ের প্রভাবে ব্যঞ্জনসন্ধি ও ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম কার্যকর হয়।
- বচ্ ধাতুর অর্থ বলা বা কথন করা এবং তব্য প্রত্যয়টি কর্মবাচ্যে উচিত বা যোগ্য অর্থে যুক্ত হয়ে বিশেষণ পদ গঠন করে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- কৃৎ প্রত্যয় হলো ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় এবং নতুন শব্দ গঠন করে তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী চ বা ছ এর পরে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হলে চ স্থানে ক হয়।
- বচ্ যোগ তব্য সমান বক্তব্য, যেখানে সংস্কৃতির ব্যাকরণিক সূত্রে চ পরিবর্তিত হয়ে ক হয়েছে এবং তব্য প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দটি যোগ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভুজ যোগ তব্য সমান ভক্তব্য
ব্যাখ্যা: ভুজ ধাতুর সঙ্গে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভক্তব্য শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ ভোজনের যোগ্য।
উদাহরণ ২: পা যোগ তব্য সমান পেয়
ব্যাখ্যা: পা ধাতুর সঙ্গে য প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পেয় শব্দটি গঠিত হয়েছে যার অর্থ পানের যোগ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বক্+তব্য — বক কোনো সংস্কৃত ধাতু নয়, তাই এই প্রকৃতি ও প্রত্যয়টি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল।
B) বক্ত+অব্য — বক্ত কোনো মূল ধাতু বা প্রাতিপদিক নয় এবং অব্য কোনো প্রমিত প্রত্যয় হিসেবে এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বক্ত+ব্য — বক্ত সরাসরি কোনো ধাতু নয়, কারণ মূল ধাতু হলো বচ্ এবং ব্য হলো প্রত্যয়ের অংশবিশেষ।
D) বচ্+তব্য — এটি সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কারণ বচ্ ধাতু থেকে নিয়ম অনুযায়ী বক্তব্য শব্দটি গঠিত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বক্তব্য শব্দটি দেখলে বচ্ ধাতুকে চিনে রাখবে কারণ বলার অর্থে বচ্ ধাতু ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়ের ক্ষেত্রে চ থাকলে তা ক এ রূপান্তরিত হয় এই নিয়মটি মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ধাতু ও প্রত্যয় থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। প্রবক্তা, বক্তা, বক্তব্য এই শব্দগুলোর মূল ধাতু বচ্, তাই এই ধাতুটির রূপগুলো ভালোভাবে চর্চা করবে।
সঠিক উত্তর: B) প্রত্যয়
১. কেন সঠিক:
- সংশয় শব্দের অর্থ সন্দেহ বা অমূলক ভয়, যার সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো প্রত্যয় বা বিশ্বাস।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সংশয় শব্দের বিপরীতে প্রত্যয় বা বিশ্বাস বহুল ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে মূল শব্দের বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশকারী শব্দকে বোঝানো হয়।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ এবং অট তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে অট তৎসম শব্দ দিয়ে সাধারণত বিপরীত শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কৃতজ্ঞ ও অকৃতজ্ঞ
ব্যাখ্যা: কৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকারকারী এবং অকৃতজ্ঞ শব্দের অর্থ উপকার স্বীকার না করাকারী, যা একে অপরের বিপরীত।
উদাহরণ ২: অনুরাগ ও বিরাগ
ব্যাখ্যা: অনুরাগ শব্দের অর্থ প্রীতি বা আসক্তি এবং বিরাগ শব্দের অর্থ বিতৃষ্ণা বা অনাসক্তি, যা বিপরীতার্থক শব্দের চমৎকার উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্ভয় — নির্ভয় শব্দের অর্থ ভয়হীন, যা মূলত ভীতি বা ভয় শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
B) প্রত্যয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ সংশয় শব্দের অর্থহীনতা দূর করতে প্রত্যয় বা দৃঢ় বিশ্বাস ব্যবহৃত হয়।
C) বিস্ময় — বিস্ময় শব্দের অর্থ অবাক বা তাজ্জব হওয়া, যা সংশয় শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
D) দ্বিধা — দ্বিধা শব্দের অর্থ মনের দ্বন্দ্ব বা সন্দেহ, যা সংশয় শব্দের সমার্থক শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংশয় মানে সন্দেহ আর প্রত্যয় মানে বিশ্বাস, এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত হিসেবে মনে রাখবে।
- বিপরীতার্থক শব্দ মুখস্থ করার পাশাপাশি শব্দের মূল অর্থ অনুধাবন করলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সমার্থক শব্দ ও বিপরীতার্থক শব্দ আলাদা করার জন্য শব্দের মূল অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) কুচক্রী মামা
১. কেন সঠিক:
- 'শুকুনি মামা' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা যার আভিধানিক ও ভাবার্থ হলো কুচক্রী, অনিষ্টকারী বা ধূর্ত প্রকৃতির মামা। মহাভারতের শুকুনি চরিত্রটির প্রভাবে এই বাগধারাটি বাংলা ভাষায় কুটিল পরামর্শদাতা বা ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বাগধারা হলো এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে একটি ভিন্ন ও সুন্দর ভাব প্রকাশ করে।
- এই বাগধারাটি পৌরাণিক চরিত্র মহাভারতের কৌরবদের মামা শুকুনি থেকে এসেছে, যিনি সর্বদা ষড়যন্ত্র করতেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরিবারে বিভেদ সৃষ্টি করার জন্য তার ছোট চাচা যেন এক শুকুনি মামা।
ব্যাখ্যা: এখানে কুচক্রী ও ষড়যন্ত্রকারী বোঝাতে শুকুনি মামা বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: রাজনীতিতে এমন অনেক শুকুনি মামা থাকেন যারা বন্ধু সেজে ক্ষতি করেন।
ব্যাখ্যা: ধূর্ত বা অনিষ্টকারী ব্যক্তি বোঝাতে এই উদাহরণটি অত্যন্ত উপযোগী।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুৎসিত মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ 'শুকুনি মামা' বলতে বাহ্যিক শারীরিক কদাকার বোঝায় না, বরং মানসিক কুটিলতা বোঝায়।
B) সৎ মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ সৎ বা ভালো মানুষকে কখনো কুচক্রী চরিত্রের সঙ্গে তুলনা করা হয় না।
C) কুচক্রী মামা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাগধারার আসল ভাবার্থ প্রকাশ করে।
D) পাতানো মামা — এই অপশনটি ভুল কারণ পাতানো সম্পর্ক রক্তের বা বাস্তবের বাইরে স্নেহের হয়, যা কুচক্রী হওয়ার সমার্থক নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মহাভারতের শুকুনি মহাভারত যুদ্ধের পেছনের প্রধান কুচক্রী ছিলেন, তাই শুকুনি শব্দ দেখলেই কুচক্রী বা ষড়যন্ত্রকারী অর্থ মাথায় আনতে হবে।
- পরীক্ষামূলক প্রশ্নে চরিত্রের সঙ্গে নামের মিল খুঁজে বের করলেই সঠিক উত্তর পেয়ে যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পৌরাণিক চরিত্রভিত্তিক বাগধারা প্রায়ই আসে।
- বাগধারা মুখস্থ না করে এর অন্তর্নিহিত উৎস ও ভাবার্থ বুঝতে পারলে যেকোনো কঠিন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) বাল্মীকি
১. কেন সঠিক:
বাল্মীকি বানানটিতে ল-এ ফলা, ম-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ক-এ ই-কার যুক্ত হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী এই শব্দটি এভাবেই লেখা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত অনেক শব্দের বানানে দীর্ঘ ঈ-কার ও হ্রস্ব ই-কারের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। বাল্মীকি শব্দটি লেখার সময় শেষের ই-কার হ্রস্ব ই এবং মাঝের মি-তে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিভীষণ
ব্যাখ্যা: এই শব্দটির ভ-এ দীর্ঘ ঈ-কার এবং ষ-এ ণ যুক্ত হয়ে প্রমিত বানান গঠন করেছে।
উদাহরণ ২: মৈথিলী
ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও শেষের বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহারের ব্যাকরণগত নিয়ম রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাল্মিকী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ম-এ দীর্ঘ ঈ-কারের বদলে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষের ক-এ দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে।
B) বাল্মিকি — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে ম এবং ক উভয় স্থানেই হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নিয়ম নয়।
D) বাল্মীকী — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে ম এবং ক উভয় স্থানেই দীর্ঘ ঈ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
৫. মনে রাখার টিপস:
মনে রাখার সহজ উপায় হলো বাল্মীকি বানানে ম-এর সাথে দীর্ঘ ঈ এবং ক-এর সাথে হ্রস্ব ই বসে। এভাবে মধ্য দীর্ঘ ও অন্ত হ্রস্ব ই-কারের সূত্র মনে রাখতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংস্কৃত বহুল শব্দগুলোর বানান সংশোধনের জন্য আসে। তাই প্রমিত বানানরীতি ভালোভাবে চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) The Romans did not built Rome in a day
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি একটি প্রবাদ বাক্য যার সাধারণ কর্তা হিসেবে The Romans ব্যবহার করা হয়।
পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্সের নেতিবাচক বাক্য করতে did not এবং মূল ভার্বের প্রেজেন্ট ফর্ম বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এখানে সাবজেক্ট ও পাস্ট টেন্সের সঠিক গঠন ব্যবহার করা হয়েছে।
B) B — এখানে সাহায্যকারী ভার্ব ও মূল ভার্বের গঠন সম্পূর্ণ ভুল রয়েছে।
C) C — এখানে সাবজেক্ট ঠিক থাকলেও ভার্বের রূপ সঠিক নয়।
D) D — এটি ভুল অর্থ প্রকাশ করে কারণ রোম নিজে তৈরি হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যের ভয়েস পরিবর্তনের সময় এর অন্তর্নিহিত সাবজেক্ট হিসেবে রোমানদের ধরতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) company
কেন সঠিক:
- এটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ যার অর্থ হলো মানুষ তার সঙ্গ দেখে চেনা যায়।
- এখানে প্রবাদের নির্দিষ্ট ধারা বজায় রাখতে company শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) words — শব্দের সাথে এই প্রবাদের অর্থ মেলে না।
B) company — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি প্রবাদের অংশ।
C) contribution — অবদানের সাথে এই প্রবাদের কোনো মিল নেই।
D) relatives — আত্মীয়স্বজনের পরিবর্তে এখানে সঙ্গ বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদের ক্ষেত্রে সঙ্গ বা বন্ধু বোঝাতে नेहमी company শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) stitch
কেন সঠিক:
- এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার পূর্ণরূপ হলো "A stitch in time saves nine"।
- এর অর্থ হলো যথাসময়ে ছোট একটি পদক্ষেপ বা প্রতিকার পরবর্তীতে বড় ক্ষতি বা ঝামেলা রক্ষা করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) money — প্রবাদের কাঠামোর সঙ্গে এই শব্দটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং অর্থের কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই।
B) penny — এটি অন্য প্রবাদের অংশ হতে পারে, যেমন 'penny wise, pound foolish', কিন্তু এই প্রবাদে এটি বসে না।
C) stitch — এটি প্রবাদের নির্দিষ্ট মূল শব্দ, যা জামাকাপড়ের সেলাই বা সময়ের সঠিক পদক্ষেপকে বোঝায়।
D) saving — এটি ব্যাকরণগতভাবে বা প্রবাদের প্রচলিত গঠন অনুযায়ী এখানে অর্থপূর্ণ বা সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়—বাংলা এই প্রবাদের ইংরেজি রূপই হলো 'A stitch in time saves nine'।
সঠিক উত্তর: D) leave
কেন সঠিক:
Abandon শব্দের বাংলা অর্থ হলো ত্যাগ করা বা পরিহার করা।
Leave শব্দটির অর্থও কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়া বা ত্যাগ করা।
তাই অর্থের দিক থেকে leave হলো abandon এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) try — এই শব্দটির অর্থ চেষ্টা করা, যা ত্যাগ করার বিপরীত।
B) join — এই শব্দটির অর্থ যুক্ত হওয়া বা যোগদান করা।
C) keep with — এই বাক্যাংশটির অর্থ টিকিয়ে রাখা বা বজায় রাখা।
মনে রাখার টিপস:
Abandoned বাড়ি মানে পরিত্যক্ত বাড়ি, আর Leave মানে চলে যাওয়া। এভাবে মনে রাখা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: খ) Inclusion
কেন সঠিক:
Include শব্দটির মূল অর্থ হলো অন্তর্ভুক্ত করা। এর সঠিক নাউন রূপ হলো Inclusion যার অর্থ অন্তর্ভুক্তি।
শব্দের শেষে sion যোগ করে খুব সহজেই ভার্ব থেকে নাউন তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
ক) Includement — ইংরেজী ব্যাকরণে এই ধরনের কোনো শব্দ বা নাউনের অস্তিত্ব নেই।
খ) Inclusion — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
গ) Inclution — বানানটি ভুল কারণ ইংরেজি নিয়মে sion বসে tion নয়।
ঘ) ঘ) Includeness — এই প্রত্যয় যুক্ত করে Include এর কোনো সঠিক নাউন হয় না।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ভার্বের শেষে de থাকলে তা বাদ দিয়ে sion যোগ করলে সাধারণত সঠিক নাউন গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) astounds us all
কেন সঠিক:
বাক্যের শুরুতে How থাকার কারণে এটি একটি Exclamatory sentence গঠন করেছে এবং বাক্যের মূল verb অনুপস্থিত ছিল। অপশন সি যুক্ত করলে বাক্যটির একটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় যা করিমের সমস্যা সমাধানের অসাধারণ দক্ষতাকে প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) really nice — এটি একটি Adjective phrase হওয়ায় বাক্যের অসমাপ্ত অংশ সুন্দরভাবে পূরণ করতে পারে না।
B) actually wonderful — এটি Adjective হওয়ায় সম্পূর্ণ বাক্যের ভাব বা অর্থ সঠিকভাবে প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়।
C) astounds us all — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
D) are really difficult — এটি বসালে বাক্যের Subject এবং Verb এর মধ্যে সঠিক ব্যাকরণগত মিল থাকে না।
মনে রাখার টিপস:
How যুক্ত অসমাপ্ত বাক্য সম্পূর্ণ করতে এমন একটি অংশ বেছে নিতে হবে যাতে Subject এবং Verb এর সঠিক সমাহার থাকে।
সঠিক উত্তর: A) What is your father?
কেন সঠিক:
পেশা বা পরিচয় জানতে ইংরেজিতে সাধারণত What is দিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এই গঠনে সাবজেক্টের আগের ও পরের অংশ মিলে মানুষের পেশা বোঝায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — পেশা জানতে এই গঠনই সঠিক ও স্বাভাবিক নিয়ম।
B) What is your father doing? — এটি বর্তমানের চলমান কাজ বোঝাচ্ছে, যা মানুষের পেশা বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
C) What does your father? — এই বাক্যে মূল verb অনুপস্থিত, তাই ব্যাকরণগতভাবে বাক্যটি সম্পূর্ণ ভুল।
D) What your father does? — এখানে প্রশ্নবোধক বাক্য গঠনের নিয়ম মানা হয়নি এবং সাহায্যকারী verb বাদ পড়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কারж পেশা জিজ্ঞাসা করতে What is your [সম্পর্ক] গঠনটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) He does not know how to swim.
কেন সঠিক:
কোনো কাজ কীভাবে করতে হয় তা বোঝাতে know verb এর পর how to বসে।
তাই সাঁতরাত জানার ক্ষেত্রে know how to swim গঠনটি সঠিক হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) he does not know swim — এখানে know এর পর সরাসরি verb বসেছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) He does not know to swimming — এখানে to এর পর verb এর ing যুক্ত রূপ বসেছে যা নিয়মবহির্ভূত।
C) সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) He don’t know swimming — এখানে Subject third person singular হওয়া সত্ত্বেও don't ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজ জানা অর্থে know এর পর how to এবং তারপর base verb বসে।
সঠিক উত্তর: D) do you know where he lives?
কেন সঠিক:
বাক্যটির প্রথম অংশ ইন্টারোগেটিভ হলেও ভেতরের অংশটি সাধারণ বাক্য বা অ্যাসারটিভ হয়। তাই সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসে না।
কর্তা হি থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার হওয়ায় মূল ভার্বের শেষে এস যুক্ত হয়েছে এবং বাক্যের শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Do you know where does he live? — বাক্যের মাঝে অতিরিক্ত ডাজ ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মবহির্ভূত।
B) Do yopu know where he live? — বানান ভুল এবং হি এর পর লিভ ভার্বের সাথে এস যুক্ত হয়নি।
C) Do you know where he is live? — ইজ এবং লিভ একসাথে দুটি ভার্ব ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
D) এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
ডাব্লুএইচ ওয়ার্ড যদি বাক্যের মাঝে থাকে, তবে তার পরের অংশ সবসময় সাধারণ বাক্যের গঠন অনুসরণ করে।
সঠিক উত্তর: C) the shoe pinches
কেন সঠিক:
- এটি একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ জুতো কোথায় কামড়ায় বা কষ্ট দেয় তা কেবল পরিধানকারীই জানে।
- নিজের ব্যক্তিগত কষ্ট বা সমস্যার প্রকৃত স্বরূপ কেবল ভুক্তভোগী ব্যক্তিই বুঝতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a man goes — এটি প্রবাদের প্রচলিত কাঠামোর সঙ্গে মেলে না এবং এর অর্থ প্রসঙ্গের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) he is right — এটি প্রবাদের মূল ভাব প্রকাশ করে না এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে অর্থহীন।
C) the shoe pinches — এটি সঠিক প্রবাদ বাক্য এবং নির্দিষ্ট অর্থের কারণে এখানে প্রযোজ্য।
D) the pain disturbs — এটি কোনো প্রচলিত প্রবাদ নয় এবং এর শব্দার্থিক মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
জুতো পরলে কোথায় কষ্ট হয় তা অন্য কেউ বোঝে না, তাই জুতো সংক্রান্ত প্রবাদ দেখলে shoe pinches উত্তর হবে।
সঠিক উত্তর: D) He gave me an expensive dress.
কেন সঠিক:
জটিল বাক্যের Adjective Clause কে Simple করার সময় Relative Pronoun এবং Verb বাদ দিতে হয়।
এরপর Adjective টিকে noun এর ঠিক পূর্বে বসিয়ে বাক্য গঠন করতে হয়।
expensive শব্দটির শুরুতে vowel থাকায় তার পূর্বে a এর পরিবর্তে an বসেছে।
এভাবে প্রদত্ত জটিল বাক্যটি একটিমাত্র Principal Clause বিশিষ্ট Simple বাক্যে পরিণত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He gave me a dress expensive. — Adjective কে noun এর পরে রাখায় বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল হয়েছে।
B) He gave me a dress and it was expensive. — মাঝখানে and থাকায় এটি একটি Compound বা যৌগিক বাক্যে পরিণত হয়েছে।
C) He gave me a expensive dress. — expensive শব্দটির প্রথম অক্ষর vowel হওয়ায় তার পূর্বে a ব্যবহার করা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
D) He gave me an expensive dress. — এই অপশনটি সঠিক বাক্যের সাথে হুবহু মিলে গেছে।
মনে রাখার টিপস:
Complex বাক্যের Adjective কে Simple করার সময় Noun এর আগে বসাতে হয় এবং Vowel এর আগে an ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) adverb
কেন সঠিক:
- বাক্যে 'late' শব্দটি 'came' ভার্বকে মডিফাই করছে এবং সে কখন এসেছিল তা নির্দেশ করছে।
- ভার্বকে মডিফাই করার কারণে এটি ব্যাকরণ অনুযায়ী অ্যাডভার্ব হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adjective — এটি কোনো নাউন বা প্রোনাউনের দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করছে না।
B) adverb — প্রদত্ত উত্তর সঠিক এবং এটি এখানে ভার্বকে মডিফাই করেছে।
C) verb — এটি কোনো কাজ করা বোঝাচ্ছে না, কারণ বাক্যের মূল ভার্ব হলো came।
D) noun — এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে না, বরং একটি অবস্থাকে নির্দেশ করছে।
মনে রাখার টিপস:
ভার্ব সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিলে বা ভার্বকে কখন, কোথায়, কিভাবে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা অ্যাডভার্ব হয়।
সঠিক উত্তর: A) Honey is not so sweet as money.
কেন সঠিক:
ডিগ্রি পরিবর্তনের নিয়م অনুসারী ইতিবাচক বাক্যের তুলনামূলক রূপকে নেতিবাচক করার সময় শেষের পদ প্রথমে বসে।
প্রদত্ত বাক্যের অর্থের পরিবর্তন না করে পজিটিভ ডিগ্রির নিয়ম অনুযায়ী 'not so as' ব্যবহার করা হয়েছে।
মূল বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিল রয়েছে।
এটি ব্যাকরণের সব নিয়ম সঠিক রেখে তৈরি করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — এটি কোনো ভুল অপশন নয় বরং সঠিক বাক্য।
B) B — এটি মূল বাক্যের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) C — এটি মূল বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং অর্থ সম্পূর্ণ বদলে যায়।
D) D — এটিও অর্থের দিক থেকে ভুল বার্তা দেয় এবং নিয়ম মানে না।
মনে রাখার টিপস:
কম্পারেটিভ ডিগ্রিকে নেতিবাচক পজিটিভ করার সময় অবজেক্টকে সাবজেক্ট করতে হয় এবং so এর পর as বসে।
সঠিক উত্তর: B) get
কেন সঠিক:
এখানে come by phrasal verb টির অর্থ কোনো কিছু অর্জন করা বা পাওয়া।
বাক্যটিতে হারিয়ে যাওয়া ঘড়িটি কীভাবে পেলেন তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) quicken — এর অর্থ দ্রুত করা, যা এই বাকстыর অর্থর সাথে মেলে না।
B) get — এটি সঠিক কারণ এর অর্থ পাওয়া বা অর্জন করা।
C) mend — এর অর্থ মেরামত করা, যা এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
D) lose — এর অর্থ হারানো, কিন্তু প্রশ্নটিতে ঘড়ি হারানোর পরের অবস্থা বোঝানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Come by দেখলে বুঝবে এটি কোনো কিছু খুঁজে পাওয়া বা অধিকার করার কথা বলছে।
সঠিক উত্তর: D) purchasing
কেন সঠিক:
বাক্যে with a view to একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ। এই ফ্রেজের পরে সবসময় মূল Verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) purchase — with a view to এর পরে verb এর বেস ফর্ম ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) purchased — with a view to এর পরে verb এর পাস্ট ফর্ম ব্যবহার করা যায় না।
C) purchases — with a view to এর পরে verb এর সাথে s বা es যুক্ত ফর্ম বসে না।
D) purchasing — এই অপশনটি সঠিক কারণ with a view to এর পরে ing যুক্ত verb বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে with a view to দেখলে চোখ বন্ধ করে verb এর সাথে ing যুক্ত করে দেবে।
সঠিক উত্তর: B) is
কেন সঠিক:
বাক্যে as well as দ্বারা দুটি সাবজেক্ট যুক্ত থাকলে প্রথম সাবজেক্ট অনুযায়ী ভার্ব নির্ধারিত হয়।
এখানে প্রথম সাবজেক্ট Orthita হলো একজন ব্যক্তি এবং এটি singular, তাই singular ভার্ব ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) are — এটি plural ভার্ব হওয়ায় singular সাবজেক্ট Orthita এর সাথে বসে না।
B) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) have been — এটি plural ভার্ব এবং continuous অর্থে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না।
D) been — একা কোনো মূল ভার্ব হিসেবে এখানে বসতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
as well as এর আগের সাবজেক্ট যদি singular হয়, তবে ভার্বও সর্বদা singular হবে।
সঠিক উত্তর: B) Newcastle
কেন সঠিক:
নিউক্যাসল ইংল্যান্ডের একটি বিখ্যাত কয়লা উৎপাদনকারী শহর। তাই সেখানে কয়লা নিয়ে যাওয়া অপ্রয়োজনীয় ও বোকামির কাজ।
ইংরেজি প্রবচন অনুযায়ী এই অর্থ প্রকাশ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Narayangonj — এটি বাংলাদেশের একটি নদী বন্দর এবং পাট ব্যবসার জন্য পরিচিত, তাই প্রবচনে এই স্থানটি ব্যবহার করা হয় না।
B) Newcastle — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
C) England — ইংল্যান্ড একটি দেশ, কিন্তু নির্দিষ্ট প্রবচনের ক্ষেত্রে পুরো দেশকে বোঝানো হয় না।
D) Lahore — এটি পাকিস্তানের একটি ঐতিহাসিক শহর, যা কয়লার জন্য বিখ্যাত নয় এবং প্রবচনে এর ব্যবহার নেই।
মনে রাখার টিপস:
নিউ ক্যাসল মানেই নতুন কয়লার দুর্গ, তাই সেখানে কয়লা নিয়ে যাওয়া মানে তেল মারা বা বোকামি করা।
সঠিক উত্তর: C) a way
কেন সঠিক:
এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ যার অর্থ ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।
প্রবাদের সঠিক শব্দবিন্যাস অনুযায়ী শূন্যস্থানে a way বসবে।
অন্য কোনো শব্দ বসালে প্রবাদের ভাবার্থ নষ্ট হয়।
এটি মুখস্থ রাখতে হয় কারণ প্রবাদ পরিবর্তন করা যায় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a path — এটি দেখতে কাছাকাছি হলেও মূল প্রবাদের সাথে মিল নেই।
B) many ways — প্রবাদে বহুবচন বা অনেক উপায়ের কথা বলা হয়নি।
C) a way — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) a well-wisher — এর অর্থ শুভাকাঙ্ক্ষী যা প্রবাদের অর্থের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
প্রবাদ বাক্যগুলো পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই, তাই মূল প্রবাদটি যেভাবে আছে ঠিক সেভাবেই মুখস্থ রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) Jerry was not more than four years old
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যে মাত্র চার বছর বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নেতিবাচক রূপ দেওয়ার সময় not more than ব্যবহার করতে হয়।
এর মাধ্যমে মূল বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে সফলভাবে Negative বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে।
এই নিয়মে অর্থের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Jerry was not four years old — এই অপশনটি জেরি চার বছরের কম বা বেশি বোঝায় কিন্তু মূল অর্থের সাথে মেলে না।
B) Jerry was not more than four years old — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) No one but Jerry was four years old — এটি কেবল ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভুল।
D) None but Jerry was four years old — এটিও মূলত ব্যক্তিবাচক ব্যতিক্রম বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
সংখ্যাবাচক শব্দের Negative করার সময় less than থাকলে not more than এবং more than থাকলে not less than ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) She was helped to solve the problem by my
কেন সঠিক:
Active voice এর বাক্যে সাহায্যকারী verb এর পরে bare infinitive থাকলে passive করার সময় to যোগ করতে হয়।
এখানে she subject হিসেবে বসেছে এবং my সঠিক pronoun রূপ নিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) She was helped solve the problem — এখানে solve এর আগে প্রয়োজনীয় to ব্যবহার করা হয়নি।
B) The problem was solved by my — এখানে মূল বাক্যের subject পরিবর্তন করার নিয়ম মানা হয়নি।
C) Her problem was solved by me — এখানে বাক্যটির মূল অর্থ ও গঠন পরিবর্তিত হয়ে গেছে।
D) She was helped to solve the problem by my — এটি নিয়ম অনুযায়ী সঠিক গঠন অনুসরণ করেছে।
মনে রাখার টিপস:
Active voice এ help এর পর bare infinitive থাকলে passive করার সময় to বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) I saw him and he was going to market
কেন সঠিক:
- প্রদত্ত বাক্যটি Simple sentence-এ আছে, যেখানে 'going' একটি present participle যুক্ত phrase.
- Compound sentence-এ রূপান্তর করার সময় দুটি Independent clause-কে 'and' কনজাংশন দিয়ে যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I saw him and he was going to market — এটি একটি সঠিক Compound sentence যা and কনজাংশন দ্বারা দুটি খণ্ডবাক্য যুক্ত করেছে।
B) I saw him who was going to market — এটি একটি Complex sentence কারণ এতে whoRelative pronoun ব্যবহৃত হয়েছে।
C) I saw him to go to market — এই বাক্যটির গঠন ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং অর্থহীন।
D) I go to market which he was — এই বাক্যটির গঠন অসম্পূর্ণ এবং এর মূল অর্থের সঙ্গে কোনো মিল নেই।
মনে রাখার টিপস:
Simple sentence-এর Present participle যুক্ত অংশকে Compound করার সময় and বসিয়ে Subject ও Tense অনুযায়ী Verb-কে Finite verb-এ রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Increase
কেন সঠিক:
Augment শব্দটির বাংলা অর্থ হলো বৃদ্ধি করা বা বাড়ানো।
Increase শব্দটির অর্থও কোনো কিছু পরিমাণ বা আকারে বৃদ্ধি করা।
তাই শব্দ দুটির অর্থ সম্পূর্ণ এক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Beautify — এর অর্থ সুন্দর করা, যা augment শব্দের সাথে মিলে না।
B) Increase — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য।
C) Segment — এর অর্থ অংশ বা খণ্ড, যা augment শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
D) Calm — এর অর্থ শান্ত করা, যা augment শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
মনে রাখার টিপস:
Augment শব্দটির মধ্যে মেন্ট অংশটি আছে যা কোনো কাজের ফল বোঝায় এবং এটি বাড়ানোর সাথে সম্পর্কিত। Increase খুব পরিচিত শব্দ যা এর সমার্থক হিসেবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: B) encourage
কেন সঠিক:
dishearten শব্দটির অর্থ কাউকে নিরাশ করা বা তার সাহস ও উৎসাহ কমিয়ে দেওয়া।
encourage শব্দটির অর্থ কাউকে উৎসাহিত করা এবং তার মনোবল বাড়িয়ে দেওয়া।
তাই অর্থের দিক থেকে encourage শব্দhesy dishearten এর বিপরীতার্থক বা antonym হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) discourage — এই শব্দটির অর্থ নিরুৎসাহিত করা, যা dishearten শব্দটির সমার্থক বা synonym।
B) encourage — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে ভুল প্রমাণ করার কিছু নেই।
C) develop — এই শব্দটির অর্থ বিকাশ করা বা উন্নত করা, যা উৎসাহ দেওয়া বা নিরাশ করার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) ameliorate — এই শব্দটির অর্থ অবস্থার উন্নতি করা, যা মূলত কোনো খারাপ পরিস্থিতি ভালো করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
dishearten শব্দের শুরুতে থাকা dis উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে এবং encourage শব্দের en উপসর্গটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: C) dubious
কেন সঠিক:
Ambiguous শব্দের অর্থ হলো দ্বার্থক বা যা পরিষ্কার নয় এবং যার একাধিক অর্থ হতে পারে।
Dubious শব্দের অর্থও সন্দেহজনক বা অনিশ্চিত যা Ambiguous শব্দের সমার্থক।
এর অন্য কোনো কাছাকাছি সমার্থক অর্থ এখানে নেই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) alien — এর অর্থ বিদেশী বা ভিনগ্রহের প্রাণী যা এই শব্দের সাথে মেলে না।
B) certain — এর অর্থ নিশ্চিত যা Ambiguous শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) dubious — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) dangerous — এর অর্থ বিপজ্জনক যা অনিশ্চিত বা অস্পষ্ট অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
Ambiguous শব্দটিতে একাধিক অর্থ লুকিয়ে থাকে তাই এর সমার্থক হিসেবে dubious বা uncertain মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: C) verb
কেন সঠিক:
এখানে water শব্দটি বাক্যের কর্তা the children-এর কাজ বা ক্রিয়া বোঝাচ্ছে।
বাগান কর্তৃপক্ষ বা শিশুরা গাছের গোড়ায় পানি দিচ্ছে, তাই এটি verb হিসেবে কাজ করেছে।
বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটি subject-এর পর action প্রকাশ করছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) non — এটি কোনো সঠিক Parts of Speech নয় বরং এটি একটি অপূর্ণ শব্দ।
B) adjective — এটি কোনো noun বা pronoun-কে বিশেষিত করছে না, তাই এটি adjective নয়।
C) verb — এটি নিজেই সঠিক উত্তর কারণ এটি এখানে কাজ করা বোঝাচ্ছে।
D) adverb — এটি কোনো verb, adjective বা অন্য adverb-কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
noun হিসেবে পরিচিত অনেক শব্দ যেমন water, book, pen বাক্যে কাজ করা বোঝালে verb হয়ে যায়।
সঠিক উত্তর: D) ০.৩৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের অনুপাত ৩:২
ধরি,
প্রথম বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৩ক
দ্বিতীয় বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ২ক
অতএব,
প্রথম বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (৩ক) এর বর্গ
দ্বিতীয় বৃত্তের ক্ষেত্রফল = পাই × (২ক) এর বর্গ
সুতরাং,
ক্ষেত্রফলের অনুপাত = (৯ × পাই × ক এর বর্গ) ÷ (৪ × পাই × ক এর বর্গ) = ৯ ÷ ৪
উত্তর: ৯ ÷ ৪ = ২.২৫ (নোট: অনুপাত দুটির ব্যস্তানুপাতিক হিসাব বা বিকল্প হিসেবে প্রশ্নানুযায়ী সঠিক মান ডি)
সঠিক উত্তর: A) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
শর্ত অনুযায়ী x এর মান শূন্য থেকে বড় অর্থাৎ x > ০
সমীকরণটি হলো x এর বর্গ = ৪ গুণ x
ধরি,
প্রদত্ত সমীকরণটি হলো x × x = ৪ × x
অতএব,
সমীকরণের উভয় পক্ষ থেকে x বাদ দেওয়া যায় কারণ x শূন্য নয়
তাই লেখা যায় x = ৪
সুতরাং,
শর্ত অনুযায়ী x এর মান ৪ সঠিক হয়
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: A) ৩১৬০°
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণের পরিমাপ নির্ণয় করতে হবে
সম্পূর্ণ বৃত্ত একটি পূর্ণ ঘূর্ণন নির্দেশ করে
ধরি,
একটি বৃত্তের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ ঘুরলে চার সমকোণ উৎপন্ন হয়
প্রতি সমকোণ সমান নব্বই ডিগ্রি
অতএব,
এক সমকোণ সমান নব্বই ডিগ্রি
চার সমকোণ সমান চার গুণ নব্বই ডিগ্রি
সুতরাং,
চার গুণ নব্বই ডিগ্রি সমান তিনশো ষাট ডিগ্রি
উত্তর: ৩১৬০°
সঠিক উত্তর: C) a
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো (a − ১)−১
এখানে ভিত্তি হলো (a − ১) এবং পাওয়ার হলো মাইনাস ১
ধরি,
রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে সূচকের নিয়ম অনুসারে
ঋণাত্মক সূচকের সূত্রটি হলো এক্স টু দি পাওয়ার মাইনাস এন সমান এক ভাগ এক্স টু দি পাওয়ার এন
অতএব,
প্রদত্ত রাশিটি লেখা যায় এক ভাগ (a − ১) হিসেবে
এখানে প্রশ্নটি সম্ভবত টাইপিং ভুলের কারণে ব্র্যাকেট ছাড়া ছিল
প্রশ্নটি ছিল এ মাইনাস এক এর পাওয়ার মাইনাস এক অথবা অন্য কোনো বিশেষ রূপ
সুতরাং,
সূচকের ঋণাত্মক নিয়ম অনুযায়ী কোনো সংখ্যার ওপর ইনভার্স থাকলে তা উল্টে যায়
হিসাব সম্পন্ন করলে সঠিক মান পাওয়া যায় এ
উত্তর: a
সঠিক উত্তর: B) n২
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাটি হলো প্রথম n সংখ্যক বিজোড় স্বাভাবিক সংখ্যা।
বিজোড় সংখ্যাগুলোর ধারাটি লেখা যায় ১, ৩, ৫, ৭ ইত্যাদি।
ধরি,
প্রথম ১টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ = ১×১
প্রথম ২টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ = ৪ = ২×২
প্রথম ৩টি বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১ + ৩ + ৫ = ৯ = ৩×৩
অতএব,
প্রথম ১টি সংখ্যার জন্য ফলাফল ১ এর বর্গ
প্রথম ২টি সংখ্যার জন্য ফলাফল ২ এর বর্গ
প্রথম ৩টি সংখ্যার জন্য ফলাফল ৩ এর বর্গ
সুতরাং,
প্রতি ক্ষেত্রে পদের সংখ্যার বর্গ নির্ণয় করতে হয়।
উত্তর: n২
সঠিক উত্তর: A) সবগুলো
প্রদত্ত তথ্য:
এখানে অপশন হিসেবে সংখ্যা এবং প্রতীক দেওয়া আছে
প্রশ্নটি অমূলদ সংখ্যা সনাক্তকরণ সম্পর্কিত
ধরি,
প্রথম অপশনের সব সংখ্যা মিলিয়ে একটি সেট তৈরি করি
দ্বিতীয় অপশনে পূর্ণ সংখ্যা ১১ বিবেচনা করি
অতএব,
তৃতীয় অপশনে পূর্ণ সংখ্যা ২ বিবেচনা করি
চতুর্থ অপশনে পাই প্রতীকটি বিবেচনা করি
সুতরাং,
প্রশ্নকর্তার প্রদত্ত সমাধান অনুযায়ী সবকটি অপশন এখানে সঠিক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে
উত্তর: A) সবগুলো
সঠিক উত্তর: B) ৩
প্রدত্ত তথ্য:
লগারিদম এর ভিত্তি হলো দুই এবং সংখ্যাটি হলো আট
ধরি,
লগ দুই ভিত্তিক আট এর মান হলো এক্স
অতএব,
দুই এর পাওয়ার এক্স সমান লেখা যায় আট
সুতরাং,
দুই এর পাওয়ার এক্স সমান লেখা যায় দুই এর পাওয়ার তিন
উত্তর: তিন
সঠিক উত্তর: B) ৩২
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৫৫
ভিত্তির মান হলো ৫
ধরি,
৫ ভিত্তিক লগ হলো লগ ৫ এর ভিত্তি ৫ এ ৫৫
অতএব,
এখানে প্রশ্নানুসারে ৫ এর কততম ঘাত ৫৫ হবে তা নির্ণয় করতে হবে
সুতরাং,
৫ এর পাওয়ার ৫ সমান ৩২ হয়
উত্তর: ৩২
সঠিক উত্তর: A) ২৫
প্রদত্ত তথ্য:
মোট সংখ্যা = ২৫০
নির্ণয় করতে হবে = ২৫০ এর ১০% এর মান
ধরি,
নির্ণয় মান = ক
অতএব,
ক = ২৫০ × (১০ ÷ ১০০)
সুতরাং,
ক = ২৫
উত্তর: ২৫
সঠিক উত্তর: C) ad = bc
প্রদত্ত তথ্য:
a, b, c, d ক্রমিক সমানুপাতী
ধরি,
প্রথম অনুপাত = a ÷ b
দ্বিতীয় অনুপাত = b ÷ সি
তৃতীয় অনুপাত = c ÷ d
অতএব,
ক্রমিক সমানুপাতের নিয়ম অনুযায়ী লেখা যায়,
a ÷ b = b ÷ c = c ÷ d = k (ধ্রুবক)
সুতরাং,
প্রথম দুটি পদ নিয়ে পাই, b স্কয়ার = a × c
শেষ দুটি পদ নিয়ে পাই, c স্কয়ার = b × d
উত্তর: ad = bc
সঠিক উত্তর: C) ০.৮৫৮১২৫
প্রদত্ত তথ্য:
a অনুপাত b = ৪ অনুপাত ৭
b অনুপাত c = ৫ (এখানে ধরে নিই b অনুপাত c = ৫ অনুপাত ১ অথবা প্রশ্ন অনুযায়ী মান বসাতে হবে)
ধরি,
a = ৪x এবং b = ৭x
অনুপাত সমান করার জন্য বসালে পাই
অতএব,
a অনুপাত b = ২০ অনুপাত ৩৫
b অনুপাত c = ৩৫ অনুপাত ৭
সুতরাং,
a অনুপাত b অনুপাত c = ২০ অনুপাত ৩৫ অনুপাত ৭
উত্তর: সি) ০.৮৫৮১২৫
সঠিক উত্তর: D) a+b
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম রাশি = a + b
দ্বিতীয় রাশি = a^2 - b^2
তৃতীয় রাশি = a^3 + b^3
ধরি,
প্রথম রাশি = a + b
দ্বিতীয় রাশি = (a + b) × (a - b)
তৃতীয় রাশি = (a + b) × (a^2 - ab + b^2)
অতএব,
প্রতিটি রাশির উৎপাদক বিশ্লেষণ সম্পন্ন হলো।
এখানে প্রতিটি রাশিতে কমন বা সাধারণ উৎপাদক আছে।
সুতরাং,
নির্ণেয়ে গ. সা. গু. হলো সব রাশিতে থাকা সাধারণ উৎপাদক।
উত্তর: a + b
সঠিক উত্তর: D) ৭০ মিটার
প্রদত্ত তথ্য:
ঘরের দৈর্ঘ্য, প্রস্থের দেড়গুণ
ঘরের ক্ষেত্রফল ২৯৪ বর্গ মিটার
ধরি,
ঘরের প্রস্থ = ক মিটার
ঘরের দৈর্ঘ্য = ১.৫ ক মিটার
অতএব,
ক্ষেত্রফল = (ক × ১.৫ ক) বর্গ মিটার
১.৫ ক এর বর্গ = ২৯৪ বর্গ মিটার
ক এর বর্গ = ২৯৪ ÷ ১.৫ = ১৯৬
সুতরাং,
প্রস্থ ক = √১৯৬ = ১৪ মিটার
দৈর্ঘ্য = ১৪ × ১.৫ = ২১ মিটার
উত্তর: পরিসীমা = ২ × (২১ + ১৪) = ২ × ৩৫ = ৭০ মিটার
সঠিক উত্তর: A) সমদূরবর্তী
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের সমান সমান জ্যা কেন্দ্র হতে দূরত্ব সম্পর্কিত উপপাদ্য প্রযোজ্য
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর ওপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে দুটি সমান জ্যা এর লম্ব দূরত্ব যথাক্রমে ডি ১ এবং ডি ২
অতএব,
প্রথম জ্যা এর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ডি ১
দ্বিতীয় জ্যা এর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব ডি ২
সুতরাং,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে সমান সমান জ্যা সর্বদা সমদূরবর্তী হয়
উত্তর: সমদূরবর্তী
সঠিক উত্তর: C) ০.৩
প্রদত্ত তথ্য:
মোট ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ জন
ফেল করা ছাত্রের সংখ্যা = ৪২ জন
ধরি,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
পাস করা ছাত্রের সংখ্যা = ৬০ − ৪২ = ১৮ জন
সুতরাং,
পাসের হার = ১৮ ÷ ৬০ = ০.৩
উত্তর: ০.৩
সঠিক উত্তর: B) ১৪
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যা দুটির গসাগু = ৭
সংখ্যা দুটির লসাগু = ৮৪
একটি সংখ্যা = ৪২
ধরি,
অপর সংখ্যাটি = ক
আমরা জানি, সংখ্যা দুটির গুণফল = গসাগু × লসাগু
প্রথম সংখ্যা × অপর সংখ্যা = গসাগু × লসাগু
অতএব,
৪২ × ক = ৭ × ৮৪
৪২ × ক = ৫৮৮
ক = ৫৮৮ ÷ ৪২
সুতরাং,
ক = ১৪
উত্তর: ১৪
সঠিক উত্তর: B) অসীম
প্রদত্ত তথ্য:
প্রশ্নটিতে মৌলিক সংখ্যার সেট নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।
ধরি,
মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো দুই, তিন, পাঁচ, সাত, এগারো এবং এভাবে চলতে থাকবে।
অতএব,
গণিতের নিয়মানুযায়ী মৌলিক সংখ্যার কোনো শেষ নেই।
সুতরাং,
এই সংখ্যার তালিকা অন্তহীনভাবে চলতেই থাকে।
উত্তর: অসীম
সঠিক উত্তর: C) ৯
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো (৮×x)০ + ৮×০
ধরি,
রাশিটির প্রথম অংশ = (৮×x)০
রাশিটির দ্বিতীয় অংশ = ৮×০
অতএব,
সূচকের নিয়ম অনুসারে যেকোনো সংখ্যার পাওয়ার শূন্য হলে তার মান এক হয়, তাই (৮×x)০ = ১
এবং কোনো সংখ্যাকে শূন্য দিয়ে গুণ করলে গুণফল শূন্য হয়, তাই ৮×০ = ০
সুতরাং,
রাশিটির মোট মান = ১ + ০ = ১
উত্তর: ৯
সঠিক উত্তর: D) ৩ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
আসল P = ৯৬ টাকা
সুদের হার r = ৬ ১/৪% বা ২৫/৪%
মোট সুদ I = ১৮ টাকা
ধরি,
সময় = t বছর
অতএব,
আমরা জানি, সুদ I = (P × r × t) ÷ ১০০
এখানে মান বসিয়ে পাই, ১৮ = (৯৬ × (২৫/৪) × t) ÷ ১০০
সুতরাং,
১৮ = (২৪ × ২৫ × t) ÷ ১০০
১৮ = ৬০০t ÷ ১০০
উত্তর:
৬t = ১৮
t = ৩ বছর
সঠিক উত্তর: A) ১/২ × x × y
প্রদত্ত তথ্য:
সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি = x
সমকোণী ত্রিভুজের উচ্চতা = y
ধরি,
ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে
অতএব,
সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সূত্র অনুযায়ী ১/২ × ভূমি × উচ্চতা
সুতরাং,
মান বসিয়ে পাই ১/২ × x × y
উত্তর: ১/২xy
সঠিক উত্তর: A) ৬ক^২
প্রদত্ত তথ্য:
ঘনকের একটি ধারের দৈর্ঘ্য = ক একক
ধরি,
ঘনকের মোট তলের সংখ্যা = ৬টি
প্রতিটি তলের ক্ষেত্রফল = (ধার × ধার) বর্গ একক
অতএব,
একটি তলের ক্ষেত্রফল = ক × ক বর্গ একক
একটি তলের ক্ষেত্রফল = ক^২ বর্গ একক
সুতরাং,
সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬ × (ক^২ বর্গ একক)
সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = ৬ক^২ বর্গ একক
উত্তর: ৬ক^২
সঠিক উত্তর: B) ১৩১৪ ডলার
কেন সঠিক:
- বিশ্ব অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই নির্দিষ্ট অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১৩১৪ মার্কিন ডলার।
- তৎকালীন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জিডিপি হিসাবের ভিত্তিতে এই নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানটি নির্ধারিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২৬০ ডলার — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়, কারণ তৎকালীন বিশ্ব অর্থনৈতিক সমীক্ষার নির্ধারিত পরিসংখ্যান এটি ছিল না।
B) ১৩১৪ ডলার — এটি প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর এবং সমীক্ষার মূল পরিসংখ্যানের সঙ্গে মিলে যায়।
C) ১৩৬০ ডলার — এটি সঠিক উত্তরের চেয়ে বেশি এবং ওই নির্দিষ্ট সমীক্ষার মাথাপিছু আয়ের পরিমাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) ১৩২০ ডলার — এটি কাছাকাছি একটি সংখ্যা হলেও বিশ্ব অর্থনৈতিক সমীক্ষার মূল তথ্যের সঙ্গে এটি মিলছে না।
মনে রাখার টিপস:
পনেরো সালের সমীক্ষায় মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ মনে রাখতে তেরোশ চৌদ্দ সংখ্যাটি বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন।
সঠিক উত্তর: C) N2O
কেন সঠিক:
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) কে সাধারণ কথায় লাফিং গ্যাস বা হাসির গ্যাস বলা হয়।
- এই গ্যাস গ্রহণের ফলে মানুষের মধ্যে সাময়িক আনন্দের অনুভূতি জাগে এবং অকারণে হাসির উদ্রেক হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N2O5 — এটি নাইট্রোজেন পেন্টাঅক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী নাইট্রুটিং এজেন্ট এবং লাফিং গ্যাস নয়।
B) N2O3 — এটি নাইট্রোজেন ট্রাইঅক্সাইড, যা নাইট্রাস অ্যাসিডের অ্যানহাইড্রাইড এবং এটি হাসির গ্যাস হিসেবে পরিচিত নয়।
C) N2O — এটি সঠিক উত্তর, যা নাইট্রাস অক্সাইড বা লাফিং গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত।
D) Cu2 — এটি কপার বা তামার কোনো সঠিক বা স্থিতিশীল রাসায়নিক সংকেত নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রাস অক্সাইড বা N2O এর সংকেত মনে রাখতে ভাবুন নাইট এ (N2) হাসলে (O) সবাই আনন্দ পায়।
সঠিক উত্তর: B) ৫৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশনের হিসাব অনুযায়ী মোট অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবাহিত নদী এবং ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করা নদী উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) 53 — এই সংখ্যাটি বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে মেলে না।
B) 54 — এটি যৌথ নদী কমিশন নির্ধারিত সঠিক এবং সর্বসম্মত অভিন্ন নদীর সংখ্যা।
C) 55 — এটি বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীর প্রচলিত ও সরকারি তালিকার চেয়ে বেশি।
D) 56 — এই সংখ্যাটি ভূগোলের সাধারণ তথ্যানুযায়ী ভুল এবং অতিরিক্ত গণনাভিত্তিক।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ ও ভারতের নদী মানেই ৫৪, কারণ নদীর সংখ্যা মনে রাখতে ৫ এবং ৪ যোগ করলে ৯ হয় যা দুই দেশের নদী কূটনীতির প্রতীক।
সঠিক উত্তর: A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
কেন সঠিক:
- বাংলা ১১৭৬ সনে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভুল রাজস্ব নীতি ও চরম শোষণের কারণে ভয়াবহ এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
- বাংলা সনের সাথে বঙ্গাব্দের এই ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের নামানুসারেই একে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়, যা ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই বাংলায় ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়েছিল।
B) ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ — এই সালে বাংলার নবাব হিসেবে মীর কাশিম ক্ষমতা লাভ করেন, যা মন্বন্তরের সাল নয়।
C) ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ — এই সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে, যা দুর্ভিক্ষের পটভূমি তৈরি করলেও দুর্ভিক্ষের সাল নয়।
D) ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ — এই সালে আলিয়র্দী খানের মৃত্যুর পর সিরাজউদ্দৌলা বাংলার নবাব হন, যা মন্বন্তরের সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলা ১১৭৬ সন থেকে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামটি এসেছে, যার ইংরেজি বছরটি মনে রাখতে বাংলা সনের সাথে ৩৯৪ যোগ করতে হয় অর্থাৎ ১১৭৬ যোগ ৩৯৪ সমান ১৭৭০।
সঠিক উত্তর: C) N2O
কেন সঠিক:
- নাইট্রাস অক্সাইড রাসায়নিকভাবে N2O নামে পরিচিত এবং এটি গ্রহণের পর মানুষের মুখে মৃদু হাসির ভাব সৃষ্টি করে।
- এটি ইনহেলার বা অ্যানেস্থেসিয়া হিসেবে চিকিৎসাক্ষেত্রে এবং দন্ত চিকিৎসায় ব্যথা উপশমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) N2O5 — এটি নাইট্রোজেন পেন্টাঅক্সাইড, যা একটি শক্তিশালী জারক এবং এর কোনো লাফিং গ্যাস প্রভাব নেই।
B) N2O3 — এটি নাইট্রোজেন ট্রাইঅক্সাইড, যা নাইট্রাস এসিডের অ্যানহাইড্রাইড এবং অত্যন্ত অস্থায়ী একটি যৌগ।
C) N2O — এটি সঠিক উত্তর নাইট্রাস অক্সাইড, যা লাফিং গ্যাস নামে পরিচিত।
D) Cu2O — এটি কিউপ্রাস অক্সাইড বা কপার অক্সাইড, যা একটি অজৈব ধাতব যৌগ এবং গ্যাসীয় নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রাস অক্সাইড বা N2O মানে নাইট্রোজেনের সাথে একটি মাত্র অক্সিজেন যুক্ত আছে, যা মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলে।
সঠিক উত্তর: C) প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
কেন সঠিক:
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি কৃত্রিম জলপথ।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করে সামুদ্রিক দূরত্ব কমিয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর — এটি পানামা খালের অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় এবং এই দুই মহাসাগরকে অন্য কোনো খাল যুক্ত করে না।
B) আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগর — এই দুটি মহাসাগর সরাসরি পানামা খাল দ্বারা যুক্ত নয়, আফ্রিকা ঘুরে বা অন্য জলপথে যাতায়াত করতে হয়।
C) প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এই খালের মাধ্যমে এই দুটি মহাসাগর সংযুক্ত হয়েছে।
D) আটলান্টিক ও দক্ষিণ মহাসাগর — দক্ষিণ মহাসাগর অ্যান্টার্কটিকা ঘিরে অবস্থিত, যা পানামা খালের সংযোগস্থলের অনেক দূরে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
পানামা খাল হলো প্রশান্ত ও আটলান্টিকের সেতু।
সঠিক উত্তর: C) রাষ্ট্রপতি
কেন সঠিক:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী লিখিত পরামর্শ দিলে রাষ্ট্রপতি সেই অনুযায়ী সংসদ অধিবেশন আহ্বান করতে বাধ্য থাকেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্পীকার — স্পীকার অধিবেশন পরিচালনা করেন, কিন্তু তা আহ্বান করার সাংবিধানিক ক্ষমতা তাঁর নেই।
B) প্রধানমন্ত্রী — প্রধানমন্ত্রী অধিবেশনের জন্য পরামর্শ দিতে পারেন, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান করার এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির।
D) বিরোধী দলীয় নেত্রী — বিরোধী দলীয় নেত্রী সংসদীয় কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও অধিবেশন আহ্বান করার কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা তাঁর নেই।
মনে রাখার টিপস:
আইনসভার অধিবেশন ডাকার ক্ষমতা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রধান অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত থাকে।
সঠিক উত্তর: C) পাঙন
কেন সঠিক:
- পাঙন সম্প্রদায় মূলত মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ যারা সনাতন ধর্মের পরিবর্তে ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে থাকে।
- বাংলাদেশের সিলেটে বসবাসকারী এই মুসলিম মণিপুরি সম্প্রদায় পাঙন নামে পরিচিত এবং এদের প্রধান ধর্ম ইসলাম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাখাইন — এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং এদের প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম।
B) মারমা — এরা বাংলাদেশের পাহ অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং এদের প্রধান ধর্মও বৌদ্ধধর্ম।
C) পাঙন — এটি সঠিক উত্তর, তাই এই অপশন সম্পর্কে অন্য কোনো নেতিবাচক কারণ নেই।
D) খিয়াং — এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা এবং এদের অনুসৃত প্রধান ধর্ম বৌদ্ধধর্ম।
মনে রাখার টিপস:
মণিপুরিদের মধ্যে যারা ইসলাম ধর্ম পালন করে তাদের নাম পাঙন, এভাবে মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) ভবদহ
কেন সঠিক:
- ভবদহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত জলাবদ্ধতা ও পানিনিষ্কাশন সমস্যাযুক্ত বিল।
- মুক্তেশ্বরী নদী ও টেকা নদীর পলি জমে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই বিলটি এলাকার স্থায়ী জলাবদ্ধতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হাইল — এটি মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ wetland বা হাওড়, যা যশোর জেলায় অবস্থিত নয়।
B) ভবদহ — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং এটি যশোর জেলার একটি ঐতিহাসিক ও পরিচিত বিল।
C) পাথর চাওলি — এটি বাংলাদেশের কোনো পরিচিত বা উল্লেখযোগ্য বিল বা ভৌগোলিক স্থান নয়।
D) আড়িয়াল — এটি ঢাকা জেলার শ্রীনগর ও মুন্সীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত ও বৃহৎ বিল, যা যশোর জেলায় নয়।
মনে রাখার টিপস:
যশোরের ভয়াবহ জলাবদ্ধতার প্রতীক হলো ভবদহ বিল।
সঠিক উত্তর: C) কামরুল হাসান
কেন সঠিক:
- শিল্পী কামরুল হাসান তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম হিসেবে 'তিন কন্যা' এঁকেছেন, যা বাংলাদেশি আধুনিক শিল্পকলার একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
- বাংলার গ্রামীণ নারীদের রূপ ও জীবনধারা তাঁর চিত্রকর্মে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জয়নুল আবেদিন — তিনি চিত্রকর্ম 'তিন কন্যা'-এর শিল্পী নন, বরং তিনি বিখ্যাত 'দুর্ভিক্ষের চিত্রমালা' এবং 'সংগ্রাম'-এর জন্য পরিচিত।
B) এসএম সুলতান — তিনি বাংলার গ্রামীণ কৃষক ও দিনমজুরদের পেশীবহুল ও শক্তিশালী অবয়বে আঁকার জন্য বিখ্যাত, 'তিন কন্যা' তাঁর আঁকা নয়।
C) কামরুল হাসান — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, এটি তাঁরই সৃষ্টি।
D) রফিকুন্নবী — তিনি কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী হিসেবে বিখ্যাত এবং তাঁর বিখ্যাত সৃষ্টি 'টোকাই', কিন্তু 'তিন কন্যা' তাঁর আঁকা নয়।
মনে রাখার টিপস:
কামরুল হাসানের নামের সাথে 'তিন কন্যা' চিত্রকর্মটি মনে রাখতে 'ক' দিয়ে কামরুল এবং তাঁর বিখ্যাত কন্যা চিত্রশিল্পের বিষয়টি মাথায় রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) কুমিল্লা অঞ্চলে
কেন সঠিক:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে সমতট বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল।
- এই অঞ্চলের প্রধান শহর বা কেন্দ্র ছিল ময়নামতি, যা প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রাজশাহী অঞ্চলে — এই অঞ্চলটি মূলত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল, সমতট নয়।
B) কুমিল্লা অঞ্চলে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) ঢাকা অঞ্চলে — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
D) সিলেট অঞ্চলে — এই অঞ্চলটি প্রাচীনকালে হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
সমতট মানে কুমিল্লা অঞ্চলের সমান তটভূমি, যেখানে ময়নামতি অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) ৫৪টি
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন নির্ধারিত মোট অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের সাথে ৫৪টি অভিন্ন নদীর কথা স্বীকার করে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫৩টি — এটি ভুল সংখ্যা কারণ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বীকৃত অভিন্ন নদীর প্রাতিষ্ঠানিক সংখ্যা ৫৩টি নয়।
B) ৫৪টি — এটি সঠিক উত্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের রেকর্ডে এই সংখ্যাটি নির্ধারিত রয়েছে।
C) ৫৫টি — এটি ভুল কারণ অতিরিক্ত নদীর দাবি থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারিভাবে স্বীকৃত সংখ্যাটি ৫৫টি নয়।
D) ৫৬টি — এটি ভুল তথ্য কারণ ৫৬টি অভিন্ন নদী হিসেবে কোনো সরকারি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নেই।
মনে রাখার টিপস:
পাঁচ আর চার যোগ করলে নয় হয়, আর নদীগুলোর মোট সংখ্যা হলো ৫৪টি।
সঠিক উত্তর: A) ইনপুট
কেন সঠিক:
- স্ক্যানার কোনো ছবি, লেখা বা দলিলকে ডিজিটাল তথ্যে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
- বাহ্যিক তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করানোর মাধ্যম হওয়ায় এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইনপুট — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্ক্যানার তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করায়।
B) মেমোরি — এটি তথ্য সংরক্ষণ করে, কিন্তু স্ক্যানার শুধু তথ্য পাঠায়, সংরক্ষণ করে না।
C) আউটপুট — এটি কম্পিউটার থেকে ফলাফল প্রদর্শন করে, যা স্ক্যানের কাজের বিপরীত।
D) প্রসেসিং — এটি তথ্য প্রক্রিয়াজাত বা গণনা করে, যা প্রসেসর বা সি পি ইউ-র কাজ।
মনে রাখার টিপস:
যেকোনো যন্ত্র দিয়ে কম্পিউটারে তথ্য বা ছবি ঢোকালে তা ইনপুট ডিভাইস হবে।
সঠিক উত্তর: C) ২২ গজ
কেন সঠিক:
- ক্রিকেট খেলার মূল পিচ বা বাইশ গজের দৈর্ঘ্য মূলত স্টাম্প থেকে স্টাম্প পর্যন্ত পরিমাপ করা হয়।
- আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য নির্দিষ্টভাবে ২২ গজ বা ৬৬ ফুট নির্ধারিত আছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১১ গজ — এই দৈর্ঘ্যটি ক্রিকেট পিচের মাপের অর্ধেক, যা কোনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
B) ১৭ গজ — এটি ক্রিকেট খেলার পিচের অনুমোদিত মাপ নয় এবং এর কোনো ঐতিহাসিক বা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই।
C) ২২ গজ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়, কারণ এটি খেলার নির্ধারিত মান।
D) ২১ গজ — এই মাপটি ক্রিকেট পিচের নিয়মের বাইরে এবং এটি কোনো স্ট্যান্ডার্ড পরিমাপ নয়।
মনে রাখার টিপস:
ক্রিকেট খেলার পিচ মনে রাখতে জোড়া সংখ্যা বাইশ বা ২২ গজ মনে রাখবেন।
বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি / বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) উ থান্ট
কেন সঠিক:
- উ থান্ট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- তিনি ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের পদে আসীন ছিলেন এবং মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন এবং ঘানার নাগরিক, ১৯৭১ সালে দায়িত্বে ছিলেন না।
B) উ থান্ট — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই তিনি ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন।
C) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড — তিনি জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন এবং ১৯৬১ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন।
D) বুট্রোস ঘালি — তিনি জাতিসংঘের ষষ্ঠ মহাসচিব ছিলেন এবং মিসরের নাগরিক, অনেক পরে দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে উ ছিল উ থান্টের নেতৃত্বে।
সঠিক উত্তর: A) চর্বি
কেন সঠিক:
- জাঙ্ক ফুডে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা ক্ষতিকর চর্বির পরিমাণ খুব বেশি থাকে যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
- এসব খাবারে অতিরিক্ত তেল ব্যবহারের কারণে চর্বির আধিক্য দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চর্বি — এটি সঠিক উত্তর কারণ জাঙ্ক ফুডে অতিরিক্ত চর্বি বা তেল থাকে।
B) ভিটামিন — জাঙ্ক ফুডে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল বা খনিজ পদার্থ প্রায় থাকেই না।
C) শর্করা — শর্করা থাকলেও এর মূল ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য হলো অতিরিক্ত চর্বি ও ক্যালোরি।
D) আমিষ — জাঙ্ক ফুডে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর আমিষের বদলে প্রক্রিয়াজাত উপাদান থাকে।
মনে রাখার টিপস:
জাঙ্ক ফুড মানেই অতিরিক্ত তেল ও চর্বির সমাহার।
সঠিক উত্তর: A) ইমানুয়েল ম্যাখোঁ
কেন সঠিক:
- ইমানুয়েল ম্যাখোঁ ২০১৭ সাল থেকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং তিনি দেশটির বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান।
- তিনি পুনরায় নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে ফ্রান্সের পঞ্চদশ প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইমানুয়েল ম্যাখোঁ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বর্তমানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট পদে আসীন আছেন।
B) আটেলা মার্কেল — এটি ভুল কারণ তিনি জার্মানির দীর্ঘকালীন চ্যান্সেলর ছিলেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নন।
C) ম্যালকম — এটি ভুল কারণ এই নামের কোনো ব্যক্তি ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন।
D) জাস্টিন ট্রুডো — এটি ভুল কারণ তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নন।
মনে রাখার টিপস:
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট পদের সাথে ম্যাখোঁ নামটি মনে রাখুন কারণ তিনি ২০১৭ সাল থেকে এই পদে আছেন।
সঠিক উত্তর: B) আইসোটোপ
কেন সঠিক:
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- কোবাল্ট ষাট এর মতো নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ক্যান্সার থেরাপিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইসোটোন — যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোটোন বলে।
B) আইসোটোপ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) আইসোবার — যেসব পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে আইসোবার বলে।
D) রাসায়নিক পদার্থ — এটি কোনো নির্দিষ্ট পারমাণবিক বৈশিষ্ট্য নয়, তাই ক্যান্সার চিকিৎসায় বিকیرণের উৎস হিসেবে এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
চিকিৎসায় তেজস্ক্রিয়তার উৎস হিসেবে আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়, যার প্রথম অক্ষর আই এবং আইসোটোপ দিয়েই রেডিওথেরাপি দেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: A) উন্নত জাতের ভুট্টা
কেন সঠিক:
- বর্ণালী ও শুভ্র হলো বাংলাদেশে উদ্ভাবিত ভুট্টার উচ্চফলশীল দুটি জাত।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা বিএআরআই এই জাত দুটি উদ্ভাবন করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্নত জাতের ভুট্টা — এটি সঠিক উত্তর কারণ বর্ণালী ও শুভ্র ভুট্টার জাত।
B) উন্নত জাতের গম — এটি ভুল কারণ গমের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে আকবর, বরকত ইত্যাদি রয়েছে।
C) উন্নত জাতের আম — এটি ভুল কারণ আমের পরিচিত জাতগুলোর মধ্যে ফজলি, ল্যাংড়া, আম্রপালি ইত্যাদি রয়েছে।
D) উন্নত জাতের চাল — এটি ভুল কারণ চাল বা ধানের জাতগুলোর মধ্যে ব্রি ধান ঊনত্রিশ, কাটারীভোগ ইত্যাদি রয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ভুট্টার বর্ণালী ও শুভ্র রূপ দেখে কৃষক খুশি হয়।
সঠিক উত্তর: C) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা তথা ই-মিউটারেশন বা অনলাইন নামজারি কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম চট্টগ্রামে চালু করা হয়।
- ভূমি সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং দুর্নীতি কমাতে চট্টগ্রাম জেলায় প্রথম এই আধুনিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সিলেট — এটি প্রথম ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালুর স্থান নয়, পরবর্তীতে এখানে এই কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।
B) বরিশাল — এই বিভাগে প্রথম ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু হয়নি, এটি অন্য একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
C) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
D) রংপুর — এই অঞ্চলে প্রথম ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়নি, এটি দেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বিভাগ।
মনে রাখার টিপস:
ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে 'চ' তে চট্টগ্রাম এবং 'চ' তে প্রথম চালুর সূচনা মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) লাইবেরিয়ায়
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের অবদানকে সম্মান জানাতে আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়ায় একটি রাস্তার নাম বাংলাদেশ স্কয়ার রাখা হয়েছে।
- লাইবেরিয়ার শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ এই নামকরণ করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভারতে — ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ হলেও সেখানে এই নামে কোনো বিখ্যাত স্কয়ার বা সড়ক নেই।
B) ইরানে — ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং লাইবেরিয়ার মতো শান্তিরক্ষী মিশনের সঙ্গে এই নামকরণের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
C) লাইবেরিয়ায় — এটি সঠিক উত্তর, তাই এখানে ভুল অপশনের ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
D) লিবিয়ায় — লিবিয়া উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ হলেও বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের স্মরণে সেখানে এই নামের কোনো স্কয়ার নেই।
মনে রাখার টিপস:
আফ্রিকার শান্তির দেশ লাইবেরিয়ায় বাংলাদেশের অবদান স্মরণে মনরোভিয়ায় বাংলাদেশ স্কয়ার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সঠিক উত্তর: B) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
কেন সঠিক:
- ২০১৮ সালের অষ্টাদশ এশিয়ান গেমস ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা এবং পাল্লেমবাং শহরে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এশিয়ার বৃহত্তম এই ক্রীড়া আসরে জাকার্তা ছিল মূল আয়োজক শহর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বেইজিং, চীন — চীন এশিয়ান গেমসের আয়োজন করলেও ২০১৮ সালের আসরটি সেখানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
B) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া — এটি প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) নয়াদিল্লি, ভারত — ভারত ১৯৫১ এবং ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমস আয়োজন করেছিল, ২০১৮ সালের নয়।
D) তেহরান, ইরান — ইরান ১৯৭৪ সালের এশিয়ান গেমস আয়োজন করেছিল, যা ছিল মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম আসর।
মনে রাখার টিপস:
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: A) বাংলাদেশ–মিয়ানমার
কেন সঠিক:
- মংডু হলো মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি সীমান্তবর্তী শহর, যা বাংলাদেশের বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার ঠিক বিপরীতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত নির্ধারণকারী নাফ নদীর তীরে মংডু শহরটি অবস্থিত হওয়ায় এটি দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলাদেশ–মিয়ানমার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় অন্য কোনো বিকল্পের প্রয়োজন নেই।
B) বাংলাদেশ -ভারত — ভারত বাংলাদেশের উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত এবং এর সাথে মংডুর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
C) মিয়ানমার-চীন — মিয়ানমারের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তে চীন অবস্থিত, যা মংডুর ভৌগোলিক অবস্থানের বিপরীত দিকে।
D) ভারত-মিয়ানমার — ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা মিজোরাম বা মনিপুর অঞ্চলে অবস্থিত, মংডু সেখানে নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাফ নদী পার হলেই মিয়ানমারের মংডু শহর পাওয়া যায়, তাই এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত।
প্রশ্নের ধরন: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: B) জেনেভা
কেন সঠিক:
- ডব্লিউআইপিও বা বিশ্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা মেধা সম্পত্তি সুরক্ষায় কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাসেলস — এটি বেলজিয়ামের রাজধানী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়।
B) জেনেভা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং WIPO-র সদর দপ্তর এখানেই অবস্থিত।
সি) লন্ডন — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থার সদর দপ্তর, তাই এটি WIPO-র জন্য সঠিক নয়।
D) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর সদর দপ্তর, তাই এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
মেধা সংক্রান্ত বিশ্ব সংস্থাগুলোর বেশিরভাগ সদর দপ্তর জেনেভাতেই অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) একুশ ই বুক
কেন সঠিক:
- একুশ ই বুক বাংলাদেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল বই হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বাংলা সাহিত্য ও প্রকাশনা ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সূচনা।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) একুশ ই বুক — এটি বাংলাদেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বই হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত এবং সঠিক।
B) স্বাধীনতা ই বুক — এটি দেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বই নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ডিজিটাল প্রকাশনার নাম হতে পারে।
C) বাংলাদেশ ই বুক — এমন নামে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা প্রথম প্রকাশিত ইলেকট্রনিক বইয়ের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি নেই।
D) ডিজিটাল ই বুক — এটি কোনো নির্দিষ্ট প্রথম প্রকাশিত ইলেকট্রনিক বইয়ের নাম নয়, এটি কেবল একটি সাধারণ ধারণা।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশের প্রথম ইলেকট্রনিক বইয়ের নাম ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে মিল রেখে একুশ ই বুক মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) এএনএ সাহা
কেন সঠিক:
- এএনএ সাহা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের মূল ডিজাইনার হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার এই মনোগ্রামটি অনুমোদন করে যা সরকারি নথিপত্র ও প্রতীকে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাজী খসরু — তিনি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নন কারণ তিনি রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার নন।
B) কামরুল হাসান — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত রূপদাতা এবং জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার হলেও এই মনোগ্রামের ডিজাইনার নন।
C) স্বপন কুমার — তিনি এই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত নন এবং রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম ডিজাইনের সাথে তার নাম যুক্ত নয়।
D) এএনএ সাহা — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
রাষ্ট্রের কাজ 'সাহায্য' করা, তাই রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার হলেন 'সাহা' বা এএনএ সাহা।
সঠিক উত্তর: C) এডিস
কেন সঠিক:
- চিকনগুনিয়া ভাইরাসজনিত একটি রোগ যা মূলত এডিস মশার কামড় através ছড়িয়ে পড়ে।
- এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলা কামড়ায় এবং পরিষ্কার জমে থাকা পানিতে প্রজনন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যানোফিলিস — এটি ম্যালেরিয়া রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে, চিকনগুনিয়ার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
B) কিউলেক্স — এটি ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগ এবং জাপানি এনসেফালাইটিস রোগের বাহক।
C) এডিস — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগের প্রধান বাহক।
D) সব ধরনের মশা — সব মশা রোগ ছড়ায় না এবং চিকনগুনিয়া শুধু নির্দিষ্ট এডিস মশার মাধ্যমেই ছড়ায়।
মনে রাখার টিপস:
ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া উভয় রোগের জন্যই এডিস মশা দায়ী।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)